বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ভাষা আন্দোলন (১৯৪৭ - ১৯৫৩)

মোট প্রশ্ন৯৫০এই পাতা৪৬প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভাষা আন্দোলন (১৯৪৭ - ১৯৫৩)

PrepBank · পাতা ১০ / ১০ · ৯০১৯৪৬ / ৯৫০

৯০১.
বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনে প্রথম শহীদ হয়েছিল কে? 
  1. আবদুস সালাম
  2. রফিক উদ্দিন
  3. আবুল বরকত
  4. মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান
  5. শফিউর রহমান
সঠিক উত্তর:
রফিক উদ্দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রফিক উদ্দিন
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন:
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি দুপুর সোয়া তিনটা। বাংলাভাষার অধিকার রক্ষার আন্দোলনে প্রথম শহিদ রফিকউদ্দিন আহমেদ।
- ঐদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুলার রোডের মিছিলে পুলিশের গুলিতে রফিক ঘটনাস্থলে শহিদ হন।
- তাঁকে আজিমপুর গোরস্থানে সমাহিত করা হয়।
 
অন্যদিকে,
• আবুল বরকত:
- পরিচয়: তার ডাক নাম আবাই এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ এর ছাত্র।
- জন্মস্থান: তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার ভরতপুর অঞ্চলের বাবলা গ্রামে।

• আবদুস সালাম:
- জন্মস্থান: ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার লক্ষণপুর গ্রামে
- পরিচয়: তিনি তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের ডিরেক্টরেট অব ইন্ডাস্ট্রিজ বিভাগের 'পিয়ন' ছিলেন।

• শফিউর রহমান:
- শফিউর রহমান ছিলেন হাইকোর্টের কর্মচারী।

• মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান
- ১৯৬৯ সালে অভ্যুত্থানে শহিদ হন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৯০২.
সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান 'তমদ্দুন মজলিশ' কে প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. ক) নুরুল হক ভূঁইয়া
  2. খ) অধ্যাপক আবুল কাশেম
  3. গ) আব্দুল মতিন
  4. ঘ) গোলাম মাহবুব
সঠিক উত্তর:
খ) অধ্যাপক আবুল কাশেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অধ্যাপক আবুল কাশেম
ব্যাখ্যা
• তমদ্দুন মজলিস:
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাসেম ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭ সালে 'তমদ্দুন মজলিস' সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন। 
- তমদ্দুন মজলিস স্বাধীনতা লাভের এক মাস পর ৬ থেকে ৭ সেপ্টেম্বর গঠন করে ‘পাকিস্তান গণতান্ত্রিক যুবলীগ’।

- ১৫ সেপ্টেম্বর তমদ্দুন মজলিশ ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ নামে একটি পুস্তিকাও প্রকাশ করে।
- ১৯৪৭ সালের ৫ ডিসেম্বর করাচিতে অনুষ্ঠিত শিক্ষা সম্মেলনে উর্দুকেই পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব গৃহীত হয়।
- ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে নূরুল হক ভূঁইয়াকে আহ্বায়ক করে তমদ্দুন মজলিশ ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠন করে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৯০৩.
গণপরিষদের অধিবেশনে ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকেও গণপরিষদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবি উত্থাপন করেন কত তারিখ?
  1. ২০ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৮ সালে
  2. ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৮ সালে
  3. ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৮ সালে
  4. ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৮ সালে
সঠিক উত্তর:
২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৮ সালে
ব্যাখ্যা
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত:
- উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকেও গণপরিষদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবি উত্থাপন করেন।
- ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ১৮৮৬ সালের ২ নভেম্বর (১২৯৩ বাংলা সালের ১৬ কার্তিক) ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের উত্তরে রামরাইল গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা জগবন্ধু দত্ত ছিলেন মুনসেফ কোর্টের সেরেস্তাদার।
- তিনি ১৯০৪ সালে নবীনগর হাই স্কুল হতে প্রবেশিকা, ১৯০৮ সালে কলকাতা রিপন কলেজ হতে বি.এ এবং ১৯১০ সালে একই কলেজ হতে বি.এল পরীক্ষা পাস করেন।
- ১৯১১ সালে তিনি কুমিল্লা জেলা বারে যোগদান করেন।
- তিনি ১৯০৭ সালে ত্রিপুরা হিতসাধনী সভা'র সেক্রেটারি নির্বাচিত হন।
- ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৮ সালে গণপরিষদের অধিবেশনে কংগ্রেস দলীয় সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকেও গণপরিষদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবি উত্থাপন করেন। 
- ১৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে বাংরাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।
- ১৯৫৬ সালের সংবিধানে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্ৰেণী ও বাংলাপিডিয়া।
৯০৪.
মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয় -
  1. ২১ ফেব্রুয়ারি
  2. ২৬ মার্চ
  3. ১৫ আগস্ট
  4. ১৬ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
২১ ফেব্রুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা

২১ ফেব্রুয়ারি:
- ২১ ফেব্রুয়ারি 'অমর একুশে', ভাষা শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।

- ১৯৫২ সালের এই দিনে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে তৎকালীন পূর্ব বাংলার (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) ছাত্র ও যুবসমাজ শাসকগোষ্ঠীর জারি করা ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে রাজপথে নেমে আসে। মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষায় আন্দোলনরত ছাত্র-জনতার মিছিলে পুলিশ গুলি চালালে সালাম, জব্বার, শফিক, বরকত, রফিকসহ নাম না–জানা আরও অনেকে শহীদ হন। তাঁদের সেই আত্মত্যাগই আজ বিশ্বজুড়ে ভাষাপ্রেম ও অধিকার আদায়ের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে।

উল্লেখ্য,
- একুশে ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি। এদিন দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতে রাখা হয়।

উৎস: প্রথম আলো।

৯০৫.
কোন ভাষা শহীদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন?
  1. ক) রফিক
  2. খ) জব্বার
  3. গ) সালাম
  4. ঘ) বরকত
সঠিক উত্তর:
ঘ) বরকত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বরকত
ব্যাখ্যা

- শহীদ আবুল বরকত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র ছিলেন।
- তিনি ১৯৪৮ সালে ভর্তি হোন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে।
- ১৯৫২ সালে এম.এ. ২য় বর্ষের ছাত্র ছিলেন।

উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

৯০৬.
ভাষা আন্দোলনের ফলে কোনটি ঘটে?
  1. বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের বিকাশ
  2. ধর্মীয় মৌলবাদের উত্থান
  3. বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিকাশ
  4. পাকিস্তান রাষ্ট্রের পতন
সঠিক উত্তর:
বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিকাশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিকাশ
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন ও বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিকাশ: 
- ভাষা আন্দোলন ছিল বাংলা ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার দাবিতে সংগঠিত গণআন্দোলন।
- এটি শুধু ভাষার মর্যাদার জন্যই গড়ে ওঠে নি।
- ভাষা আন্দোলনের ফলে বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিকাশ ঘটে
- অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রথম পর্যায় হিসেবে বাংলা ভাষা প্রতিষ্ঠাকে বাঙালিরা বেছে নেয়।
- এই বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনাই ষাটের দশকে স্বৈরশাসন বিরোধী ও স্বায়ত্তশাসনের পক্ষে আন্দোলনে প্রেরণা জোগায়।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯০৭.
ভাষা আন্দোলন পূর্ব বাংলায় কোন ভাবাদর্শ ছড়িয়ে দেয়?
  1. ক) দ্বিজাতি তত্ত্ব
  2. খ) অসাম্প্রদায়িক মনোভাব
  3. গ) স্বজাত্যবোধ
  4. ঘ) বাঙালি জাতীয়তাবাদ
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাঙালি জাতীয়তাবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাঙালি জাতীয়তাবাদ
ব্যাখ্যা
বাঙালি জাতীয়তাবাদের মূলভিত্তি হচ্ছে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন। স্বাধীন বংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পেছনে ভাষা আন্দোলনের গুরুত্ব অনস্বীকার্য। ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমেই তৎকালীন পূর্ব বাংলার গণতান্ত্রিক আন্দোলন সুসংহত হয় এবং অগ্রগতি লাভ করে। ভাষা আন্দোলনের চেতনাই জনগণের মধ্যে পরবর্তীকালে একাত্তরের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের এক নতুন চেতনার উন্মেষ ঘটায় এবং এর মাধ্যমে ক্রমান্বয়ে বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিকাশ ঘটে।
উৎসঃ দৈনিক প্রথম আলো এবং যুগান্তর
৯০৮.
গণপরিষদের অধিবেশনে কে উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকেও অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবি উত্থাপন করেন?
  1. শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক
  2. ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
  3. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  4. আদেল উদ্দিন আহমেদ
সঠিক উত্তর:
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৮ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে।
- এতে ইংরেজির পাশাপাশি উর্দুতে কার্যক্রম শুরু হলে পূর্ব বাংলার কংগ্রেস সদস্য কুমিল্লার ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত গণপরিষদের ভাষা হিসেবে বাংলা ভাষা ব্যবহারের দাবি পেশ করেন।
- কিন্তু মুসলিম লীগের সদস্যরা এর তীব্র বিরোধিতা করে।

উল্লেখ্য, 
- পাকিস্তান সৃষ্টির পর উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার ঘোষণা দিলে পূর্ব পাকিস্তানের ছাত্ররা তার প্রতিবাদ করে।
- এরই অংশ হিসেবে ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারির রক্তাক্ত ঘটনা ঘটে।
- এর ফলে ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- আওয়ামী লীগের জাতীয় পরিষদ সদস্য আদেল উদ্দিন আহমেদ জাতীয় পরিষদে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার বিল উত্থাপন করলে ১৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৬ তা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয় এবং ১৯৫৬ সালের সংবিধানে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা: নবম-দশম শ্রেণি।
৯০৯.
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত কোন পরিষদে উর্দু বা ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকেও অন্যতম ভাষা করার দাবি জানান?
  1. পাকিস্তান জাতীয় পরিষদ
  2. পাকিস্তান গণপরিষদ
  3. পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদ
  4. পশ্চিম পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদ
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান গণপরিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান গণপরিষদ
ব্যাখ্যা
পাকিস্তান গণপরিষদে বাংলা ভাষার দাবি উত্থাপন:
- ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি করাচিতে অনুষ্ঠিত পাকিস্তান গণপরিষদের অধিবেশনে পরিষদ সদস্যদের উর্দু বা ইংরেজিতে বক্তৃতা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়।
- পূর্ব পাকিস্তানের কংগ্রেস দলের সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত এ প্রস্তাবে সংশোধনী এনে বাংলাকেও পরিষদের অন্যতম ভাষা করার দাবি জানান।
- তিনি বলেন, পাকিস্তানের ৬ কোটি ৯০ লাখ মানুষের মধ্যে ৪ কোটি ৪০ লাখই পূর্ব পাকিস্তানের, যাদের মাতৃভাষা বাংলা।
- কিন্তু প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খানসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এবং পূর্ববাংলার মুখ্যমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দীন বিরোধিতা করলে এ দাবি বাতিল হয়ে যায়।
- এ খবর ঢাকায় পৌঁছলে ছাত্রসমাজ, বুদ্ধিজীবী ও রাজনীতিকরা বিক্ষুব্ধ হন।
- আজাদ পত্রিকা ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের আনা প্রস্তাবে যারা বিরোধিতা করেছিল তাদের সমালোচনা করে।
- পরে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার আন্দোলন পরিচালনার জন্য একটি নতুন রাষ্ট্রভাষা পরিষদ গঠিত হয়, যার আহবায়ক ছিলেন শামসুল আলম।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৯১০.
কোন পত্রিকা ভাষা আন্দোলনের মুখপত্র হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে?
  1. সাপ্তাহিক ধূমকেতু
  2. সাপ্তাহিক বঙ্গদূত
  3. সাপ্তাহিক সৈনিক
  4. সাপ্তাহিক কল্লোল
সঠিক উত্তর:
সাপ্তাহিক সৈনিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাপ্তাহিক সৈনিক
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন:
- ভাষা আন্দোলনের মুখপত্র ছিল- 'সাপ্তাহিক সৈনিক' পত্রিকা। 
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন 'তমুদ্দিন মজলিশ' -এর উদ্যোক্তা গণ এই পত্রিকার প্রকাশক ছিলেন।
- সেই অর্থে এটি তমুদ্দিন মজলিসেরও মুখপত্র।
- সাপ্তাহিক সৈনিক -এর প্রথম সংখ্যা প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর (২৮ কার্তিক ১৩৫৫)। 
- এই পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন - শাহেদ আলী। 
- পরে এর সম্পাদক ছিলেন - আবদুল গফুর ও সানাউল্লাহ নুরী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রকাশিত স্মারকগ্রন্থ ও  কালের কন্ঠ পত্রিকা রিপোর্ট।
৯১১.
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের চূড়ান্ত মুহূর্তে পূর্ব পাকিস্তানের মূখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. নূরুল আমীন
  2. খাজা নাজিমুদ্দিন
  3. লিয়াকত আলী খান
  4. শের-ই-বাংলা এ.কে ফজলুল হক
সঠিক উত্তর:
নূরুল আমীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নূরুল আমীন
ব্যাখ্যা
• একুশে ফেব্রুয়ারির চূড়ান্ত আন্দোলন:
- খাজা নাজিমুদ্দীন পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- কেন্দ্রীয় প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমউদ্দীন ১৯৫২ সালের ২৬ জানুয়ারি ঢাকা সফরে আসেন।
- ১৯৫২ সালের ২৭ জানুয়ারি পল্টন ময়দানের জনসভা হয়।
- তিনিও  সেখানে  জিন্নাহর মতো ঘোষণা করেন, 'উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা।'
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ ১৯৫২ সালের ৩০ জানুয়ারি সভা ও ছাত্র ধর্মঘট আহ্বান করে।
- ৩১ জানুয়ারি আওয়ামী মুসলিম লীগ সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সর্বদলীয় সভায় 'সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয়।
- কাজী গোলাম মাহবুবকে আহ্বায়ক করে ৪০ সদস্য বিশিষ্ট সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
- পূর্ব পাকিস্তানের তৎকালীন মূখ্যমন্ত্রী ছিলেন নূরুল আমীন।

উল্লেখ্য,
- তখন নূরুল আমীন  ঢাকা জেলার সর্বত্র ১৪৪ ধারা জারি করেন।
- ২০ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় আবুল হাশিমের সভাপতিত্বে আওয়ামী মুসলিম লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের বৈঠক বসে।
- এই বৈঠকে আবদুল মতিন, অলি আহাদ, গোলাম মাহবুব প্রমুখ নেতা ১৪৪ ধারা অমান্য করার সিদ্ধান্ত গ্রহণের পক্ষে জোরলো মত দেন।
- ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলায় (বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজের চত্বর) ছাত্রদের সভা জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯১২.
কত সালে ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত গণপরিষদে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানান?
  1. ১৯৪৭ সালে
  2. ১৯৪৮ সালে
  3. ১৯৪৯ সালে
  4. ১৯৫০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৪৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৮ সালে
ব্যাখ্যা

ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত:
- উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকেও গণপরিষদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবি উত্থাপন করেন।
- ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ১৮৮৬ সালের ২ নভেম্বর (১২৯৩ বাংলা সালের ১৬ কার্তিক) ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের উত্তরে রামরাইল গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা জগবন্ধু দত্ত ছিলেন মুনসেফ কোর্টের সেরেস্তাদার।
- তিনি ১৯০৪ সালে নবীনগর হাই স্কুল হতে প্রবেশিকা, ১৯০৮ সালে কলকাতা রিপন কলেজ হতে বি.এ এবং ১৯১০ সালে একই কলেজ হতে বি.এল পরীক্ষা পাস করেন।
- ১৯১১ সালে তিনি কুমিল্লা জেলা বারে যোগদান করেন।
- তিনি ১৯০৭ সালে ত্রিপুরা হিতসাধনী সভা'র সেক্রেটারি নির্বাচিত হন।
- ১৯৪৮ সালে গণপরিষদের অধিবেশনে কংগ্রেস দলীয় সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকেও গণপরিষদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবি উত্থাপন করেন। 
- ১৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।
- ১৯৫৬ সালের সংবিধানে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্ৰেণী ও বাংলাপিডিয়া।

৯১৩.
প্রথম তৈরি শহিদ মিনার আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন কে?
  1. ক) গাজীউল হক
  2. খ) আবুল কালাম শামসুদ্দিন
  3. গ) আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ
  4. ঘ) আবুল হাশিম
সঠিক উত্তর:
খ) আবুল কালাম শামসুদ্দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আবুল কালাম শামসুদ্দিন
ব্যাখ্যা

- ১৯৫২ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্র ড. বদরুল আলমের ডিজাইনে কলেজের ছাত্ররা বর্তমান শহিদ মিনারের দক্ষিণ-পূর্ব পাশে প্রথম শহিদ মিনার নির্মান করেন।
- ২৪ ফেব্রুয়ারি শফিউরের পিতা মাহবুবুর রহমান অনানুষ্ঠানিকভাবে এটির উদ্বোধন করেন।
- ২৬ ফেব্রুয়ারি দৈনিক আজাদ পত্রিকার সম্পাদক ‘আবুল কালাম শামসুদ্দিন’ আনুষ্ঠানিকভাবে এই শহিদ মিনার উদ্বোধন করেন।
- ঐ দিন বিকালবেলা পুলিশ সে শহিদ মিনার ভেঙ্গে দেয়।
- এরপর ১৯৬৩ সালে হামিদুর রহমানের নকশায় নির্মিত শহিদ মিনার উদ্বোধন করেন শহীদ আবুল বরকতের মা হাসিনা বেগম।

সূত্র : বাংলাপিডিয়া।

৯১৪.
২১শে ফেব্রুয়ারির পূর্বে কোন দিনটি ভাষা দিবস হিসেবে পালিত হতো?
  1. ৭ মার্চ
  2. ১১ মার্চ
  3. ২১ মার্চ
  4. ২৩ মার্চ
সঠিক উত্তর:
১১ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ মার্চ
ব্যাখ্যা

প্রথম রাষ্ট্রভাষা দিবস:
- ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় অধ্যায় দখল করে আছে ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ।
- ২১ ফেব্রুয়ারির পূর্বে ১১ মার্চ রাষ্ট্রভাষা দিবস হিসেবে পালিত হতো।
- ১৯৪৯, ১৯৫০ ও ১৯৫১ সালে ১১ মার্চ পূর্ব পাকিস্তানে পালিত হয়েছিল ‘রাষ্ট্রভাষা দিবস’ হিসেবে।

⇒ ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদে ইংরেজি ও উর্দুর পাশাপাশি বাংলায় বক্তব্য প্রদান ও সরকারি কাজে বাংলা ভাষা ব্যবহারের জন্য একটি সংশোধনী প্রস্তাব দাখিল করেন গণপরিষদ সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত।
- ২৫ ফেব্রুয়ারি এটি গণপরিষদে আলোচিত হয়।
- এদিন তমিজুদ্দিন খানের নেতৃত্বে গণপরিষদের মুসলিম লীগের সব মুসলিম সদস্য একযোগে এ প্রস্তাবের বিরোধিতা করেন।
- ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ছাত্র ধর্মঘট ও হরতাল পালিত হয় পূর্ব বাংলার প্রায় সবগুলো জেলা শহরেই।
- ১১ মার্চের বিক্ষোভ কর্মসূচি, ছাত্র ধর্মঘটের মধ্য দিয়েই পাকিস্তানের মৃত্যুঘণ্টা বেজে গিয়েছিল।
- তীব্র আন্দোলনের মুখে খাজা নাজিমুদ্দীন মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর আসন্ন ঢাকা সফরকে কেন্দ্র করে সংগ্রাম পরিষদের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে ৮টি বিষয়ে সমঝোতা চুক্তি সই করতে বাধ্য হন।

উল্লেখ্য,
- ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চের এ ঘটনার পরের বছর, তথা ১৯৪৯ সালে প্রথমবারের মতো দিনটি ভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির চূড়ান্ত আন্দোলনের আগপর্যন্ত, অর্থাৎ ১৯৫১ সাল পর্যন্ত দিনটি পালিত হতো।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।

৯১৫.
বাংলাদেশের বাহিরে প্রথম কোথায় শহীদ মিনার স্থাপিত হয়?
  1. লন্ডন
  2. নিউইর্য়ক
  3. জেনেভা
  4. টোকিও
সঠিক উত্তর:
লন্ডন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লন্ডন
ব্যাখ্যা

→ বাংলাদেশের বাইরে প্রথম শহীদ মিনার স্থাপিত হয় লন্ডনে। গ্রেট মেনচেস্টারের ওল্ডহ্যামের ওয়েস্টহুড নেবারহুডে তৈরি হয়েছে এ মিনার। ১৯৯৭ সালের ৫ অক্টোবর সেখানকার ‘বাংলাদেশি কালচারাল অ্যান্ড হিস্ট্রি ইন ওল্ডহ্যাম’ সে দেশে শহীদ মিনার নির্মাণ করে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে। 
→ এ শহীদ মিনার নির্মাণে যারা বিশেষ অবদান রাখেন তারা হলেন কাউন্সিলার আব্দুল জব্বার, আব্দুল করিম, সয়ফুল আলম, মুহিবুর রহমান, কাসিনো, এ্যান থ্যাকার ও ওয়েন জোন এবং সংগঠন হিসেবে ওল্ডহাম বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ ইয়ুথ অ্যাসোসিয়েশন ও ওল্ডহাম বাংলাদেশ মহিলা অ্যাসোসিয়েশন।
→   স্থপতি ছিল কমিউনিটি আর্টস অ্যান্ড আর্কিটেকচার ও টাওয়ার হ্যামলেটস ল্যান্ডস্কেপ আর্কিটেকটস। মূল শহীদ মিনারের অনুকরণে  নকশা করেছেন আর্টস ফ্যাব্রিকেশন লি. ওয়ার উইক এবং চত্বর নির্মাণ করেছেন আইডবি–উ মনরো কনস্ট্রাকশন লি.।
→  ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হলো আটানব্বইয়ের একুশের প্রথম লগ্নে। আর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয় ১৯৯৯ সালের একুশেতে।

উৎস: প্রথম আলো।

৯১৬.
কাকে আহ্বায়ক করে ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয়েছিল?
  1. আব্দুল খালেক
  2. আবদুল মতিন
  3. শামসুল আলম
  4. অধ্যাপক নুরুল হক ভূঞা
সঠিক উত্তর:
আবদুল মতিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবদুল মতিন
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ:

• ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে তমুদ্দিন মজলিসের উদ্যোগে গঠিত প্রথম 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয়।
- এর আহ্বায়ক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নুরুল হক ভূঞা।

• ১৯৪৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' পুনর্গঠন করা হয় (এটি দ্বিতীয় 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' নামেও পরিচিত) এবং আহ্বায়ক মনোনীত হন শামসুল আলম।
- রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ ১১ মার্চ (১৯৪৮) পূর্ব বাংলার সর্বত্র সাধারণ ধর্মঘট আহবান করে।

• ১৯৫০ সালের ১১ই মার্চ ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে 'ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয়।
- এর আহ্বায়ক ছিলেন আবদুল মতিন।

• ১৯৫২ সালের ৩১ জানুয়ারি মাওলানা ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক দলের সর্বদলীয় সভায় গঠিত 'সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয়।
- এর আহ্বায়ক ছিলেন কাজী গোলাম মাহবুব।
- এটি ৪০ সদস্য বিশিষ্ট ছিল।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা: নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া।
৯১৭.
ভাষা আন্দোলনের প্রথম সাহিত্য সংকলন কোনটি?
  1. আসছে ফাল্গুনে আমরা দ্বিগুন হবো
  2. একুশে ফেব্রুয়ারি
  3. একুশের গল্প
  4. বাংলা ভাষা
সঠিক উত্তর:
একুশে ফেব্রুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একুশে ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম উপন্যাস:

- ভাষা আন্দোলন নিয়ে বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস জহির রায়হানের 'আরেক ফাল্গুন'।
- এটি ১৯৫৫ সালের ভাষা দিবস ২১ ফেব্রুয়ারি পালনের অভিজ্ঞতায় লেখা।
- পুলিশ ভাষা দিবস পালনকারী অনেককে গ্রেপ্তার করলে একজন বলে - ‘আসছে ফাল্গুনে আমরা দ্বিগুন হবো'।
- চরিত্র: মুনিম, আসাদ, রসুল, সালমা ইত্যাদি। এই উপন্যাসে বাঙালির জাতীয় ঐতিহাসিক ঘটনাকে রূপায়িত করা হয়েছে।
- রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের প্রথম সাহিত্য সংকলন 'একুশে ফেব্রুয়ারি' সম্পাদনা করেন হাসান হাফিজুর রহমান।
- 'কবর' মুনীর চৌধুরী রচিত ভাষা আন্দোলনের উপর রচিত প্রথম বাংলা নাটক ।
- 'একুশের গল্প' জহির রায়হান এর ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত গল্প।

তথ্যসূত্র - বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৯১৮.
'তমদ্দুন মজলিস' কী ধরনের প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) ধর্মীয়
  2. খ) সাংস্কৃতিক
  3. গ) রাজনৈতিক
  4. ঘ) সামাজিক
সঠিক উত্তর:
খ) সাংস্কৃতিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সাংস্কৃতিক
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন
- ১৯৪৭ সালের ১৭ই মে চৌধুরী খলীকুজ্জামান এবং জুলাই মাসে আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. জিয়াউদ্দিন আহমদ উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব দেন।
- তাদের প্রস্তাবের বিরুদ্ধে পূর্ব বাংলার ভাষাবিজ্ঞানী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ এবং ড. মুহাম্মদ এনামুল হকসহ বেশ ক'জন বুদ্ধিজীবী প্রবন্ধ লিখে প্রতিবাদ জানান।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে ২রা সেপ্টেম্বর ১৯৪৭ তমদ্দুন মজলিস নামক একটি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে
- ৬–৭ই সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত উক্ত সংগঠনের যুবকর্মী সম্মেলনে ‘বাংলাকে শিক্ষা ও আইন আদালতের বাহন' করার প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়।
- ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে করাচিতে অনুষ্ঠিত এক শিক্ষা সম্মেলনে উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হলে পূর্ব বাংলায় তীব্র প্রতিবাদ শুরু হয়।
- ডিসেম্বর মাসেই ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৯১৯.
ভাষা আন্দোলনের প্রথম শহিদ কে?
  1. আবুল বরকত
  2. আবদুস সালাম
  3. রফিক উদ্দিন আহমেদ
  4. শফিউর রহমান
সঠিক উত্তর:
রফিক উদ্দিন আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রফিক উদ্দিন আহমেদ
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলনের শহিদ:
- ভাষা আন্দোলনে প্রথম শহিদ রফিক উদ্দিন আহমেদ।
- রফিক ছিলেন বাদামতলী কমার্শিয়াল প্রেসের মালিকের ছেলে।
- নিহত শহীদ বরকত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র।
- বহু আহতকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং তাঁদের মধ্যে সেক্রেটারিয়েটের পিয়ন আবদুস সালাম মারা যায়।
- অহিউল্লাহ্ নামে আট/নয় বছরের এক কিশোরও সেদিন নিহত হয়।
- পরদিন ২২ ফেব্রুয়ারি পুলিশের গুলিতে মারা যান রিকশাচালক সালাম এবং হাইকোর্টের কর্মচারী শফিউর রহমান।
- ২০০০ সালে তাদের রাষ্ট্রীয় একুশে পদকে ভূষিত করা হয়েছে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৯২০.
ভাষা শহিদ আবদুস সালাম মারা যান-
  1. ক) ২১ ফেব্রুয়ারি
  2. খ) ৭ এপ্রিল
  3. গ) ২২ ফেব্রুয়ারি
  4. ঘ) ২৩ মার্চ
সঠিক উত্তর:
খ) ৭ এপ্রিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৭ এপ্রিল
ব্যাখ্যা
- ভাষা শহিদ আবদুস সালাম জন্মগ্রহণ করেন ফেনী জেলাতে।
- তিনি ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি আহত হন।
- তিনি মারা যান ৭ এপ্রিল।

উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৯২১.
ভাষা আন্দোলনের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ছিলেন-
  1. ক) বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
  2. খ) ফয়েজ আহমেদ
  3. গ) মোয়াজ্জেম হোসেন
  4. ঘ) মাহমুদ হাসান
সঠিক উত্তর:
গ) মোয়াজ্জেম হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মোয়াজ্জেম হোসেন
ব্যাখ্যা
- বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন চলাকালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর ছিলেন ড. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন।
- তাঁর মেয়াদকাল ছিল ২২ অক্টোবর, ১৯৪৮ থেকে ০৮ নভেম্বর, ১৯৫৩ সাল পর্যন্ত। 
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী। 

উৎস: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট।
৯২২.
ইউনেস্কো ২১ শে ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে ঘোষনা করে কত সালে?
  1. ১৯৯৬ সালে
  2. ১৯৯৭ সালে
  3. ১৯৯৮ সালে
  4. ১৯৯৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস:
- ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো বাংলাদেশের বাঙালি জনগোষ্ঠীর ভাষার জন্য আত্মত্যাগকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে ঘোষনা করে।
- প্রতিবছর ২১ শে ফেব্রুয়ারি ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে পালন করার সিদ্ধান্ত নেয়।
- ২০০০ সালের ২১ শে ফেব্রুয়ারি এ বিশেষ দিবসটিকে বিশ্বের ১৮৮টি দেশে প্রথমবারের মতো ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে পালন করে।
- ইউনেস্কোর পর জাতিসংঘও ২১ শে ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- ৫ ডিসেম্বর ২০০৮ জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে এ স্বীকৃতি দেয়া হয়।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

৯২৩.
১৯৪৭ সালে পাকিস্তানের রাষ্ট্র ভাষা হিসেবে উর্দু ভাষাকে সমর্থন করেন কে?
  1. ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
  2. আবুল কাশেম
  3. জিয়াউদ্দিন আহমদ
  4. লিয়াকত আলী খান
সঠিক উত্তর:
জিয়াউদ্দিন আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিয়াউদ্দিন আহমদ
ব্যাখ্যা

কেবল উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা:
- পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টির পূর্বেই পাকিস্তানের রাষ্ট্র ভাষা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়।
- ১৯৪৭ সালের ১৭মে মুসলিম লীগের প্রভাবশালী নেতা চৌধুরী খালিকুজ্জামান এবং একই বছর জুলাই মাসে আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. জিয়াউদ্দিন আহমদ পাকিস্তানের রাষ্ট্র ভাষা হিসেবে উর্দুকে গ্রহণের পক্ষে মত দেন।

⇒  ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহসহ বেশ কয়েকজন বাঙালি লেখক, বুদ্ধিজীবী এর প্রতিবাদ করেন এবং বাংলার পক্ষে বক্তব্য দেন। পূর্ব বাংলায় ছাত্র ও শিক্ষিত সমাজ রাষ্ট্রভাষা বাংলার পক্ষে পত্র-পত্রিকায় মতামত প্রকাশ করতে শুরু করেন।
- বুদ্ধিজীবীদের পাশাপাশি এসময়ে পূর্ব বাংলায় গঠিত বিভিন্ন সংগঠনও এই বিষয়ে গুলুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টি হওয়ার পর পরই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে তমদ্দুন মজলিশ গঠিত হয়। এটিই ছিল ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন। এই সংগঠনের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু' প্রকাশিত হয়। এই পুস্তিকাটিতে রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবির পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করা হয়। ভাষা আন্দোলনের সাথে জড়িত ছিল বাঙালির সংস্কৃতি, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক স্বার্থের প্রশ্ন যা এই আন্দোলনের পটভূমি হিসেবে কাজ করেছে।

উৎস: ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯২৪.
ভাষা আন্দোলনে আব্দুস সালাম শহীদ হন-
  1. ক) ২১ ফেব্রুয়ারি
  2. খ) ১১ মার্চ
  3. গ) ২৩ ফেব্রুয়ারি
  4. ঘ) ৭ এপ্রিল
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৭ এপ্রিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৭ এপ্রিল
ব্যাখ্যা
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে 'রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই' স্লোগান দিয়ে মিছিল করতে থাকলে পুলিশ তাদের ওপর লাঠিচার্জ করে এবং কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে।
ছাত্র-ছাত্রীও পুলিশের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। বিক্ষুব্ধ ছাত্ররা ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনে সমবেত হয়ে গণপরিষদের দিকে অগ্রসর হতে থাকলে মিছিলে পুলিশ গুলি চালায়।
পুলিশের গুলিতে আবুল বরকত, রফিকউদ্দিন আহমেদ, আবদুল জব্বার ঘটনাস্থলে শহীদ হন। আব্দুস সালাম ঐদিন গুলিবিদ্ধ হয়ে ৭ই এপ্রিল শহীদ হন।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৯২৫.
Which of the following pictures was depicted in the first postage stamp of Bangladesh after the Liberation war in 1971?
  1. Water Lily flower
  2. Jackfruit
  3. Royal Bengal Tiger
  4. Martyr Monument
  5. None of these
সঠিক উত্তর:
Martyr Monument
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Martyr Monument
ব্যাখ্যা
কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার:
- শহিদ মিনার ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিসৌধ।
- এটি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার কেন্দ্রস্থলে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ প্রাঙ্গণে অবস্থিত।
- বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দেবার পরে ১৯৫৭ সালের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের কাজ শুরু হয়।
- এর নির্মাণ কাজ শেষ হয় ১৯৬৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত কমিটির তত্ত্বাবধানে।
- ১৯৫৭ সালে বাংলাদেশের বিখ্যাত চিত্রশিল্পী হামিদুর রহমান ও নভেরা আহমেদের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে সংশোধিত আকারে শহিদ মিনারের নির্মাণ কাজ কাজ শুরু হয়।
- ১৯৬৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহিদ ব্যক্তিত্ব আবুল বরকতের মাতা হাসিনা বেগম কর্তৃক নতুন শহিদ মিনারের উদ্বোধন করা হয়।

উল্লেখ্য,
- শহিদ মিনার প্রথম নির্মিত হয় ১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি।
- শহীদ মিনারটি ছিল ১০ ফুট উচ্চ ও ৬ ফুট চওড়া।
- ২৪ ফেব্রুয়ারি সকালে, শহীদ শফিউরের পিতা অনানুষ্ঠানিকভাবে শহীদ মিনারের উদ্বোধন করেন।
- ২৬ ফেব্রুয়ারি পুলিশ ও সেনাবাহিনী মেডিকেলের ছাত্র হোস্টেল ঘিরে ফেলে এবং প্রথম শহীদ মিনার ভেঙ্গে ফেলে।

⇒ স্বাধীনতার পর প্রকৃতির প্রথম ডাকটিকেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এর ছবি ছিল।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৯২৬.
কোন পত্রিকাটি ভাষা আন্দোলনের বিরোধিতা করে?
  1. ক) সৈনিক
  2. খ) আজাদ
  3. গ) মর্নিং নিউজ
  4. ঘ) ইত্তেফাক
সঠিক উত্তর:
গ) মর্নিং নিউজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মর্নিং নিউজ
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলনে সংবাদপত্রের ভূমিকা ছিলো অসামান্য। সৈনিক, ইত্তেফাক, আজাদ, সংবাদ, অগত্যা, পাকিস্তান অবজারভার প্রভৃতি পত্রিকা ভাষা আন্দোলনের সমর্থনে জোরালো ভূমিকা পালন করে।
অন্যদিকে মর্নিং নিউজ পত্রিকা ভাষা আন্দোলনের শুরু থেকেই তথ্য বিকৃতি করে সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে ভাষা আন্দোলনের বিপক্ষে অবস্থান নেয়।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং দৈনিক ইনকিলাব)
৯২৭.
কেন্দ্রীয় শহিদমিনারের স্থপতি কে?
  1. ক) হামিদুর রহমান
  2. খ) শামিম শিকদার
  3. গ) মাইনুল হোসেন
  4. ঘ) কামরুল হাসান
সঠিক উত্তর:
ক) হামিদুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) হামিদুর রহমান
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের নকশাকার/স্থপতি হলেন হামিদুর রহমান।
- ১৯৫৬ সালের একুশে ফেব্রুয়ারিতে ঢাকা মেডিকেল কলেজের পাশে হামিদুর রহমানের নকশায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।
- ১৯৬৩ সালের একুশে ফেব্রুয়ারিতে শহীদ আবুল বরকতের মা হাসিনা বেগম এই শহীদ মিনার উদ্বোধন করেন।

তথ্যসূত্র- বাংলাপিডিয়া।
৯২৮.
স্বাধীন পাকিস্তানের প্রথম গভর্নর জেনারেল কে ছিলেন?
  1. লিয়াকত আলী খান
  2. ইস্কান্দার মীর্জা
  3. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  4. ইয়াহিয়া খান
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
ব্যাখ্যা

• মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ:
- তিনি একজন  আইনজীবী, রাজনীতিক ও পাকিস্তানের স্থপতি।
- ১৮৭৬ সালের ২৫ ডিসেম্বর করাচিতে জন্মগ্রহণ করেন এ রাজনীতিবিদ।
- ১৯০৯ সালে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ভারতীয় কাউন্সিল অ্যাক্ট পাশ হলে রাজনীতিতে জিন্নাহর উত্থান শুরু হয়। 
- ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ হওয়ার পর মুসলিম লীগের সঙ্গে জিন্নাহর যোগাযোগ শুরু হয়।
- জিন্নাহ পরের বছর ডিসেম্বর মাসে মুসলিম লীগের অধিবেশনে যোগ দেন।
- এ অধিবেশনে কংগ্রেসের সঙ্গে একই সুরে ‘স্বরাজ’ দাবি করার লক্ষ্যে মুসলিম লীগের গঠনতন্ত্র সংশোধনের প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়।
- মওলানা মোহাম্মদ আলী ও সৈয়দ ওয়াজির হাসানের অনুরোধে জিন্নাহ ১৯১৩ সালে মুসলিম লীগে যোগ দেন।
- জিন্নাহর জন্য বিশের দশক ছিল শুধুই রাজনৈতিক হতাশার।
- রাজনৈতিক সংস্কার নিয়ে ব্রিটিশ সরকার টালবাহানা করতে থাকে, কংগ্রেস মুসলমানদের প্রতিনিধিত্বের স্বীকৃতি দিতে অস্বীকার করে,
- ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনে বিভিন্ন আইন পরিষদে মুসলমান এবং অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের স্বার্থরক্ষার জন্য তাদের প্রতিনিধিত্ব রাখার ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত ছিল। 
- ১৯৪০ সালে জিন্নাহ দ্বিজাতিতত্বের প্রচারণা শুরু করেন এবং ওই  বছর ২৩ মার্চ নিখিল ভারত মুসলিম লীগের লাহোর অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
- এ অধিবেশনে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী এ কে ফজলুল হক উত্থাপিত ‘পাকিস্তান প্রস্তাব’ গ্রহণ করা হয়।
-  লর্ড মাউন্টব্যাটেন ভারত বিভক্তি অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করতে ১৯৪৭ সালের ২২ মার্চ দিল্লিতে পৌঁছান।
- ১৯৪৭ সালের ৭ আগস্ট জিন্নাহ দিল্লি থেকে করাচি যান এবং ১৪ আগস্ট পকিস্তানের প্রথম গভর্নর জেনারেল হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
- তাঁর নেতৃত্ব এবং তাঁর প্রতি জনগণের পূর্ণ আস্থার কারণেই নবগঠিত রাষ্ট্র পাকিস্তান তার প্রাথমিক সমস্যাগুলো কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৯২৯.
ভাষা শহীদ রফিক উদ্দিন আহমেদের পৈতৃকনিবাস কোন জেলায়?
  1. মুর্শিদাবাদ
  2. চব্বিশ পরগণা
  3. ময়মনসিংহ
  4. মানিকগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
মানিকগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানিকগঞ্জ
ব্যাখ্যা
• ভাষা শহীদ রফিক:
- যার পুরো নাম রফিক উদ্দিন আহমদ।
- পিতার নাম আবদুল লতিফ।
- জন্ম তারিখ-৩০শে অক্টোবর ১৯২৬ সাল।
- গ্রামের নাম-পারিল ।
- বতর্মানে যার নামাকরন করা হয়েছে রফিকনগর।
- ইউনিয়ন - বলধারা, থানা-সিঙ্গাইর, জেলা-মানিকগঞ্জ।
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম শহিদ তিনি।
- ২০০০ সালে তিনি ,মরোনাত্তক একুশে পদক লাভ করেন।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৯৩০.
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি-
  1. ক) তানভীর কবির
  2. খ) অস্কার বাদল
  3. গ) হামিদুর রহমান
  4. ঘ) হামিদুজ্জামান
সঠিক উত্তর:
গ) হামিদুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হামিদুর রহমান
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের নকশাকার/স্থপতি হলেন হামিদুর রহমান।
- ১৯৫৬ সালের একুশে ফেব্রুয়ারিতে ঢাকা মেডিকেল কলেজের পাশে হামিদুর রহমানের নকশায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।
- ১৯৬৩ সালের একুশে ফেব্রুয়ারিতে শহীদ আবুল বরকতের মা হাসিনা বেগম এই শহীদ মিনার উদ্বোধন করেন।

তথ্যসূত্র : বাংলাপিডিয়া।
৯৩১.
১৯৪৭ সালে শরৎচন্দ্র বসু কোন ধরনের রাষ্ট্র গঠনের প্রস্তাব দেন?
  1. রাজতন্ত্র
  2. ইসলামিক স্টেট
  3. ফেডারেল ইউনিয়ন
  4. সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র
সঠিক উত্তর:
সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র
ব্যাখ্যা
• অখণ্ড বাংলার উদ্যোগ:
- ১৯৪৭ সালে ভারত উপমহাদেশে হিন্দু-মুসলমানের মধ্যে রক্তক্ষয়ী দাঙ্গা শুরু হয়।
- এই সংকটময় পরিস্থিতিতে ব্রিটিশ সরকার ভারতীয়দের হাতে শাসনক্ষমতা হস্তান্তরের ঘোষণা দেয়।
- এ প্রেক্ষাপটে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী একটি স্বাধীন ও অখণ্ড বাংলার প্রস্তাব উত্থাপন করেন।
- এই প্রস্তাবের পক্ষে সমর্থন জানান বিশিষ্ট কংগ্রেস নেতা শরৎচন্দ্র বসু। ইতিহাসে এটি ‘বসু-সোহরাওয়ার্দী প্রস্তাব’ নামে পরিচিত।

• ১৯৪৭ সালের ২৭ এপ্রিল দিল্লিতে এক সংবাদ সম্মেলনে সোহরাওয়ার্দী অখণ্ড বাংলাকে স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে গঠনের প্রস্তাব দেন এবং এর পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। মুসলিম লীগ নেতা আবুল হাশিম এই রাষ্ট্রের একটি রূপরেখাও প্রণয়ন করেন। পরে শরৎ বসু অখণ্ড বাংলাকে একটি 'সোস্যালিস্ট রিপাবলিক' হিসেবে গড়ে তোলার প্রস্তাব দেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও্র দশম শ্রেণি।
৯৩২.
জাতীয় পরিষদে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার বিল উত্থাপন করেন কোন আওয়ামীলীগ নেতা?
  1. ক) ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
  2. খ) চৌধুরী খালেকুজ্জামান
  3. গ) মাওলানা আকরাম খাঁ
  4. ঘ) আদেলউদ্দিন আহমেদ
সঠিক উত্তর:
ঘ) আদেলউদ্দিন আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আদেলউদ্দিন আহমেদ
ব্যাখ্যা
বাংলা ভাষার স্বীকৃতি 
• ৯ মে মতান্তরে ৭ মে ১৯৫৪ সালে পাকিস্তানের গণপরিষদের অধিবেশনে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দেয়া হয়।
• আওয়ামীলীগ দলীয় জাতীয় পরিষদ সদস্য আদেলউদ্দিন আহমেদ জাতীয় পরিষদে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার বিল উত্থাপন করলে ১৬ ফেব্রুয়ারি মতান্তরে ২৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৬ সালে তা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহিত হয়।
• ১৯৫৬ সালের ২৩শে মার্চ পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান গৃহিত হয়। এই সংবিধানের বাংলা ও উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। পূর্ব বাংলার মূখ্যমন্ত্রী আবু হোসেন সরকার ২১ ফেব্রুয়ারি সরকারি ছুটি ঘোষণা করেন ।
• বাংলা ভাষাকে জাতীয় জীবনে সর্বস্তরে ব্যবহারের জন্য আইন পাস করা হয় ১৯৮৭ সালে।  

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
৯৩৩.
বাংলাদেশ কত সালে বাংলা ভাষাকে জীবনের সর্বস্তরে ব্যবহারের জন্য আইন পাশ করে?
  1. ক) ১৯৭১
  2. খ) ১৯৭৪
  3. গ) ১৯৮১
  4. ঘ) ১৯৮৭
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৮৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৮৭
ব্যাখ্যা

১৯৮৭ সালে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে বাংলা ভাষাকে জীবনের সর্বস্তরে ব্যবহারের জন্য আইন পাশ করে।
সিয়েরালিয়ন বাংলা ভাষাকে দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দিয়েছে।
বর্তমানে ভাষাভাষী জনসংখ্যার বিবেচনায় বাংলা ভাষার অবস্থান বিশ্বে ৭ম।

৯৩৪.
ভাষা শহিদদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন কে? 
  1. রফিক
  2. জব্বার
  3. বরকত
  4. সালাম
সঠিক উত্তর:
বরকত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরকত
ব্যাখ্যা

ভাষা আন্দোলন: 
- ১৯৫২ সালের ২৭ জানুয়ারি খাজা নাজিমুদ্দীন করাচি থেকে ঢাকায় আসেন।
- তিনি পল্টন ময়দানে এক জনসভায় বলেন যে, প্রদেশের সরকারি কাজকর্মে কোন ভাষা ব্যবহূত হবে তা প্রদেশের জনগণই ঠিক করবে।
- কিন্তু পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হবে কেবল উর্দু।
- ২০ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় আবুল হাশিমের (১৯০৫-৭৪) সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের সভা হয়।
- ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজের একাংশে অবস্থিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলায় ছাত্রদের সভা হয়।
- ছাত্ররা পাঁচ-সাতজন করে ছোট ছোট দলে ‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’ শ্লোগান দিয়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসে।
- পুলেশের গুলিতে  রফিক উদ্দিন আহমদ,  আবদুল জববার,  আবুল বরকত নিহত হয়।
- আবুল বরকত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এমএ শ্রেণীর ছাত্র ছিলেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৯৩৫.
কিসের ভিত্তিতে পূর্ব বাংলায় ভাষা আন্দোলন হয়েছিল?
  1. ক) দ্বি-জাতি তত্ত্ব
  2. খ) সামাজিক চেতনা
  3. গ) অসাম্প্রদায়িকতা
  4. ঘ) বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদ
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদ
ব্যাখ্যা
বাংলায় ভাষা আন্দোলনের ভিত্তি:

- বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে পূর্ব বাংলায় ভাষা আন্দোলন হয়েছিল।
- বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন। 
- এর ফলশ্রুতিতে পূর্ব বাংলার জনগণের মধ্যে নিজস্ব জাতীয়তাবোধ তথা বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- এই জাতীয়তাবোধের ভিত্তি ছিলো বাংলা ভাষা ও বাঙালি সংস্কৃতি।
- বাঙালি জাতীয়তাবাদের মাধ্যমে পূর্ব বাংলার মানুষের মধ্যে যে জাতীয় ঐক্যের সূচনা হয় তা-ই পরবর্তীতে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিসংগ্রামের মুখ্য প্রেরণা হিসেবে কাজ করেছিলো।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৯৩৬.
ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন কোনটি?
  1. তমদ্দুন মজলিশ
  2. রাষ্ট্রভাষা বাংলা কমিটি
  3. রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ
  4. রাষ্ট্রভাষা বাংলা পরিষদ
সঠিক উত্তর:
তমদ্দুন মজলিশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তমদ্দুন মজলিশ
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন:
- তমদ্দুন মজলিশ ছিল ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন।
- তমদ্দুন মজলিশ ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর নামকরণ হয় পাকিস্তান তমদ্দুন মজলিশ।

ভাষা আন্দোলন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ অন্যান্য তথ্য:
- ভাষা আন্দোলন ছিলো বাঙালি সংস্কৃতির স্বাধিকার আন্দোলন।
- ১৯০৬ সালে নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সময় উর্দু বনাম বাংলা বিতর্ক প্রথম ওঠে।
- ১৯৩৭ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ মুসলিম লীগের দাপ্তরিক ভাষা উর্দু করার প্রস্তাব করলে শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক এর বিরোধিতা করেন।
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা প্রকাশ করে 'তমদ্দুন মজলিশ।
- বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন।
- এই আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
৯৩৭.
আরবি হরফে বাংলা লেখার ষড়যন্ত্রের প্রচেষ্টা হিসেবে পাকিস্তানি শাসকগণ কোনটি গঠন করে?
  1. ক) রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ
  2. খ) পূর্ববাংলা ভাষা কমিটি
  3. গ) সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা পরিষদ
  4. ঘ) পূর্ববাংলা ভাষা সংস্কার কমিটি
সঠিক উত্তর:
খ) পূর্ববাংলা ভাষা কমিটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পূর্ববাংলা ভাষা কমিটি
ব্যাখ্যা
আরবি হরফে বাংলা লেখার ষড়যন্ত্রের প্রচেষ্টা হিসেবে বাংলা ভাষা সংস্কারের নামে ১৯৪৯ সালের মার্চ মাসে আকরাম খানকে সভাপতি করে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ‘পূর্ববাংলা ভাষা কমিটি’ গঠন করে। এই কমিটি গঠনের প্রতিবাদ জানায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। ১৯৫০ সালের ১১ মার্চ আবদুল মতিনকে আহব্বায়ক করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। সূত্র- বোর্ড বইঃনবম-দশম শ্রেণি।
৯৩৮.
ভাষা আন্দোলনের ফলশ্রুতিতে কোন চেতনার উন্মেষ ঘটেছিলো?
  1. সাম্প্রদায়িক চেতনা
  2. বাঙালি জাতীয়তাবাদ
  3. ইসলামী জাতীয়তাবাদ
  4. বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ
সঠিক উত্তর:
বাঙালি জাতীয়তাবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাঙালি জাতীয়তাবাদ
ব্যাখ্যা
- বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন।
- ভাষা আন্দোলনের ফলশ্রুতিতে পূর্ব বাংলার জনগণের মধ্যে নিজস্ব জাতীয়তাবোধ তথা বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।

- এই জাতীয়তাবোধের ভিত্তি ছিলো বাংলা ভাষা ও বাঙালি সংস্কৃতি।
- বাঙালি জাতীয়তাবাদের মাধ্যমে পূর্ব বাংলার মানুষের মধ্যে যে জাতীয় ঐক্যের সূচনা হয় তা পরবর্তীতে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিসংগ্রামের মুখ্য প্রেরণা হিসেবে কাজ করেছিলো।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণী)
৯৩৯.
‘পূর্ব বাংলা ভাষা কমিটি’ কত সালে গঠিত হয়?
  1. ১৯৪৮ সাল
  2. ১৯৪৯ সাল
  3. ১৯৫০ সাল
  4. ১৯৫১ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৪৯ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৯ সাল
ব্যাখ্যা

→ ১৯৪৮ সালের পর বাংলা ভাষা আন্দোলন কিছুটা স্তিমিত হয়ে পড়লেও পাকিস্তানের শাসক শ্রেণির বাংলা ভাষা বিরোধী ষড়যন্ত্র থেমে থাকেনি। বাংলা ভাষাকে সমূলে উৎপাটন করাই ছিল এ প্রচেষ্টার উদ্দেশ্য।

→ এ জন্য আরবি হরফে বাংলা লেখার আজগুবি এক প্রস্তাব নিয়ে হাজির হয় তারা। এ কাজে বাংলাভাষী কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ফজলুর রহমান দালালের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। ১৯৪৮ সালের ২৭ ডিসেম্বর করাচীতে অনুষ্ঠিত নিখিল পাকিস্তান শিক্ষা সম্মেলনে বাংলা ভাষা আরবি হরফে লেখার প্রস্তাব উত্থাপন করেন তৎকালীন পাক শিক্ষামন্ত্রী ফজলুর রহমান। 

→ ১৯৪৮ সালে করাচিতে অনুষ্ঠিত নিখিল পাকিস্তান শিক্ষা সম্মেলনে বাংলা ভাষা আরবি হরফে লেখার প্রস্তাব দেওয়া হয়। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ এর প্রতিবাদ করেন। আরবি হরফে বাংলা লেখার ষড়যন্ত্রের প্রচেষ্টা হিসেবে বাংলা ভাষা সংস্কারের নামে ১৯৪৯ সালের মার্চ মাসে 'পূর্ব বাংলা ভাষা কমিটি' গঠন করা হয়। 

→ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর প্রতিবাদ জানায়। ১৯৫০ সালের ১১ই মার্চ আবদুল মতিনকে আহ্বায়ক করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ কমিটি গঠিত হয়,যার নেতৃত্বে ভাষা আন্দোলন পুনরায় সঞ্জীবিত হতে থাকে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
 ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

৯৪০.
১৯৫২ সালে পূর্ব পাকিস্তানের মূখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. ক) নূরুল আমিন
  2. খ) লিয়াকত আলী খান
  3. গ) খাজা নাজিমুদ্দিন
  4. ঘ) চৌধুরী খালিকুজ্জামান
সঠিক উত্তর:
ক) নূরুল আমিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নূরুল আমিন
ব্যাখ্যা
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন নুরুল আমিন।
- তিনি ১৯৪৮-১৯৫৩ সময়ে পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
- তখন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খাজা নাজিমউদ্দিন।
- গভর্নর ছিলেন গোলাম মুহাম্মদ।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া
৯৪১.
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলা কোন সন ছিল? 
  1. ১৩৫৭
  2. ১৩৫৮
  3. ১৩৫৯
  4. ১৩৬১
সঠিক উত্তর:
১৩৫৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৫৮
ব্যাখ্যা
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি:
- ২১ ফেব্রুয়ারি 'অমর একুশে', ভাষা শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পাকিস্তান সরকার বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়ায় এবং পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উর্দুকে চাপিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে ঢাকার ছাত্র ও সাধারণ জনগণ রাস্তায় নেমে আসে।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে স্মরণীয় দিনটি ছিল বাংলা ১৩৫৮ সনের ৮ ফাল্গুন।
- এবং সেই দিনটি ছিল বৃহস্পতিবার।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৯৪২.
Language Martyr Abdus Salam died on-
  1. 21 February 1952
  2. 7 March 1952
  3. 22 March 1952
  4. 7 April 1952
সঠিক উত্তর:
7 April 1952
উত্তর
সঠিক উত্তর:
7 April 1952
ব্যাখ্যা
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ছিল বৃহস্পতিবার।
- সকালেই সারা বিশ্ববিদ্যালয়ে এলাকা পুলিশ কর্ডন করে ফেলে।
- রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ নেতারা রাত থেকে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় অবস্থান করছিল।
- নেতৃবৃন্দের নির্দেশ সংবলিত চিরকুট জাহানারা লাইজু এবং নিজাম (গাজীউল হকের ছোট ভাই) নামের ২জন বালক ও বালিকা ঢাকার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পৌঁছে দেন।
- নেতৃবৃন্দের নির্দেশ অনুসারে দু'জন করে লোক জমায়েত হতে হতে সভাস্থল জনসমুদ্রে পরিণত হয়। এ সময় শামছুল আলম ১৪৪ ধারা না ভাঙার পক্ষে অভিমত দেন।
- কিছুক্ষণ পর শহীদুল্লাহ কায়সার (মুক্তিযুদ্ধে শহীদ) এবং তোয়াহা সভাস্থলে উপস্থিত হয়ে সত্যাগ্রহের আকারে ১৪৪ ধারা ভাঙার পক্ষে অভিমত দেন। বেলা ১১টায় আমতলায় সভা শুরু হয়। 
- সমাবেশ সামছুল হক, কাজী গোলাম মাহবুব, খালেক নেওয়াজ খান প্রমুখ বক্তব্য দিয়ে ১৪৪ ধারা ভাঙার বিপক্ষে মত ব্যক্ত করেন। - কিন্তু আবদুল মতিনের নেতৃত্বে সাধারণ ছাত্র সমাজ ১৪৪ ধারা ভাঙার পক্ষে অবস্থান গ্রহণ করেন।
- এখানে গাজীউল হক, আবদুল মতিন প্রমুখ ১৪৪ ধারা ভাঙার পক্ষে জোরালো বক্তব্য রাখেন।
- সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হয়, ১০/১০ জনের একটি করে দল বেরিয়ে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করবে। 
- ঢাকা মেডিকেলে সমবেত ছাতদের ওপর পুলিশ আকস্মিকভাবে গুলিবর্ষণ করে।
- সরকারি ভাষ্য অনুযায়ী গুলির নির্দেশ দিয়েছিলেন জেলা ম্যাজিস্ট্রট।
- পুলিশের গুলিতে আবুল বরকত, রফিক উদ্দিন, আবদুল জব্বার ঘটনাস্থলে নিহত হন।
- আবদুস সালাম গুলিবিদ্ধ হয়ে ৭ এপ্রিল মেডিকেল কলেজে মারা যান।

উৎস: ইতিহাস-৩, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৪৩.
বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের শহিদ নন কে?
  1. মিলন
  2. সালাম
  3. বরকত
  4. শফিউর
সঠিক উত্তর:
মিলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিলন
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন:
- ভাষা আন্দোলন ছিলো বাঙালি সংস্কৃতির স্বাধিকার আন্দোলন।
- ১৯০৬ সালে নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সময় উর্দু বনাম বাংলা বিতর্ক প্রথম ওঠে।
- ১৯৩৭ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ মুসলিম লীগের দাপ্তরিক ভাষা উর্দু করার প্রস্তাব করলে শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক এর বিরোধিতা করেনসঃ
- বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন।
- এই আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহিদ সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার, শফিউর।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৯৪৪.
ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা কোনটি?
  1. রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই
  2. একুশে ফেব্রুয়ারি
  3. পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু
  4. মাতৃভাষা বাংলা চাই
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু
ব্যাখ্যা

ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা:
- পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টি হওয়ার পর পরই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে তমদ্দুন মজলিশ গঠিত হয়।
- এটিই ছিল ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন।
- এই সংগঠনের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ প্রকাশিত হয়।
- এই পুস্তিকাটিতে রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবির পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করা হয়।
- ভাষা আন্দোলনের সাথে জড়িত ছিল বাঙালির সংস্কৃতি, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক স্বার্থের প্রশ্ন যা এই আন্দোলনের পটভূমি হিসেবে কাজ করেছে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশবিদ্যালয়।

৯৪৫.
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত কোথায় উর্দুর পাশাপাশি বাংলা ভাষা ব্যবহারের প্রস্তাব উত্থাপন করেন?
  1. লাহোর অধিবেশনে
  2. পাকিস্তান গণপরিষদে
  3. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
  4. পূর্ব বাংলা আইন পরিষদে
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান গণপরিষদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান গণপরিষদে
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন ও ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত:
- ১৯৪৭ সালের আগস্ট মাসে দেশভাগের পর নতুন রাষ্ট্র পাকিস্তানে প্রথম ভাষা সৈনিক তিনি।
- ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে।
- ২৫ ফেব্রুয়ারি তিনি গণপরিষদে উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি 'বাংলা ভাষা' ব্যবহারেরও প্রস্তাব পেশ করেন।
- কিন্তু মুসলিম লীগ সদস্যদের বিরোধিতায় এ প্রস্তাব গৃহিত হয়নি।
- ১৯৭১ সালের ২৯ মার্চ রাতে পাক হানাদার বাহিনী ধীরেন্দ্রনাথ দত্তকে কুমিল্লার নিজ বাসা থেকে তাকে তুলে নিয়ে হত্যা করে।

উল্লেখ্য,
- ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ছিলেন একজন আইনজীবী, সমাজকর্মী ও রাজনীতিবিদ।
- তিনি ১৮৮৬ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সদর থানার রামরাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তবে তিনি থাকতেন কুমিল্লা শহরে।
- ১৯৭১ সালের ২৯ মার্চ পাকবাহিনী তাকে কুমিল্লার বাসা থেকে ধরে নিয়ে গুলি করে হত্যা করে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্ৰেণী ও বাংলাপিডিয়া।
৯৪৬.
বায়ান্নোর একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম শহীদ-
  1. ক) শহীদ আব্দুল জব্বার
  2. খ) শহীদ আবুল বরকত
  3. গ) শহীদ শফিউর রহমান
  4. ঘ) রফিকউদ্দিন আহমদ
সঠিক উত্তর:
ঘ) রফিকউদ্দিন আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রফিকউদ্দিন আহমদ
ব্যাখ্যা
বায়ান্নোর একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম শহীদ রফিকউদ্দিন আহমদ রফিক। তিনি মানিকগঞ্জ জেলার সিংগাইর থানার পারিল গ্রামের উত্তরপাড়ায় ১৯২৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম আব্দুল লতিফ এবং মাতার নাম রাফিজা খাতুন।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।