বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা

মোট প্রশ্ন৬৬০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা

PrepBank · পাতা / · ১০১২০০ / ৬৬০

১০১.
কোনটি বেশী চর্বি সমৃদ্ধ ফল?
  1. এভোকাডো
  2. কলা
  3. খেজুর
  4. কমলা
সঠিক উত্তর:
এভোকাডো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এভোকাডো
ব্যাখ্যা
উল্লিখিত ফলগুলোর মধ্যে এভোকাডো বেশী চর্বি সমৃদ্ধ ফল।

অ্যাভোকাডো:
- অ্যাভোকাডো স্বাস্থ্যকর চর্বি, ফাইবার, ভিটামিন এবং খনিজ সমৃদ্ধ, যা এগুলিকে একটি সুষম খাদ্যের পুষ্টিকর সংযোজন করে তোলে।
- একটি সম্পূর্ণ মাঝারি অ্যাভোকাডোতে প্রায় ২৪০ ক্যালোরি, ১৩ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ৩ গ্রাম প্রোটিন, ২২ গ্রাম ফ্যাট (১৫ গ্রাম মনোআনস্যাচুরেটেড, ৪ গ্রাম পলিআনস্যাচুরেটেড, ৩ গ্রাম স্যাচুরেটেড), ১০ গ্রাম ফাইবার এবং ১১ মিলিগ্রাম সোডিয়াম থাকে।

উল্লেখ্য,
- কলা: কলায় কার্বোহাইড্রেট, সুগার ও গ্লুকোজ রয়েছে। একটি মাঝারি পাকা কলা প্রায় ১১০ ক্যালোরি, ০ গ্রাম ফ্যাট, ১ গ্রাম প্রোটিন, ২৮ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ১৫ গ্রাম চিনি (প্রাকৃতিকভাবে ঘটে), ৩ গ্রাম ফাইবার এবং ৪৫০ মিলিগ্রাম পটাসিয়াম সরবরাহ করে।
- খেজুর: খেজুর একটি উচ্চ-ক্যালোরিযুক্ত ফল যা ওজন বৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্যভাবে অবদান রাখতে পারে। একটি খেজুর (৮ গ্রাম) ২৩ ক্যালোরি, ০.২ গ্রাম প্রোটিন, ৬ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট এবং ০ গ্রাম ফ্যাট সরবরাহ করে।
- কমলা: কমলা একটি ভিটামিন সি সমৃদ্ধ জনপ্রিয় ফল। কমলালেবুতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট পাওয়া যায়। একটি কমলা (১৪০ গ্রাম) ৭৩ ক্যালোরি, ১.৩ গ্রাম প্রোটিন, ১৬.৫ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট এবং ০.২ গ্রাম ফ্যাট সরবরাহ করে। 
 
উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) The Nutrition Science.
১০২.
বীজ শোধন করতে নিচের কোন ঔষধ ব্যবহার করা হয়?
  1. ভিটাভেক্স-২০০
  2. গ্রানোসান-এম
  3. ম্যালাথিয়ন
  4. ক ও খ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
বীজ শোধন:
- বীজ জীবাণু বহন করতে পারে।
- সেজন্য জমিতে বপনের আগে বীজ শোধন করে নিতে হয়।
- বীজ শোধন করার জন্য অনেক ঔষধ ব্যবহার করা হয়।
- যেমন, গ্রানোসান-এম, ভিটাভেক্স-২০০ ইত্যাদি।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, সপ্তম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১০৩.
ফসল উৎপাদনে বাংলাদেশের কৃষির প্রধান সমস্যা কোনটি?
  1. মাটির পুষ্টি উপাদানের সমস্যা
  2. সার ব্যবস্থাপনা সমস্যা
  3. লবণাক্ততা সমস্যা
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
- আদি কৃষির উৎপত্তি সাধারণ মানুষের হাতেই।
- কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের গবেষকরা জলবায়ু, পরিবেশ, মাটি, পানি, উৎপাদন পদ্ধতি এসব বিষয় বিবেচনায় এনে উচ্চতর গবেষণা করছেন।
- তাদের নিরলস গবেষণার ফলে কৃষিতে যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন প্রযুক্তি।
- ফসল উৎপাদনে বাংলাদেশের কৃষির প্রধান সমস্যাগুলো হচ্ছে-
মাটির পুষ্টি উপাদানের সমস্যা
• সার ব্যবস্থাপনা সমস্যা
• বন্যা ও খরা সমস্যা
লবণাক্ততা সমস্যা

উৎস: কৃষিশিক্ষা, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
১০৪.
শিম জাতীয় ফসলের মূলে নাইট্রোজেন গুটি (নডিউল) উৎপাদনে সাহায্য করে কোন পুষ্টি উপাদান?
  1. গন্ধক
  2. দস্তা
  3. নাইট্রোজেন
  4. পটাশিয়াম
সঠিক উত্তর:
গন্ধক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গন্ধক
ব্যাখ্যা
গন্ধক (সালফার) এর কাজ:
(১) তেল জাতীয় ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি করে, 
(২) শিম জাতীয় ফসলের মূলে নাইট্রোজেন গুটি (নডিউল) উৎপাদনে সাহায্য করে, 
(৩) শিকড় বৃদ্ধি ও বীজ উৎপাদনে সহায়তা করে, 
(৪) গাছের দৈহিক বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, সপ্তম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১০৫.
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) কোন ফসল নিয়ে গবেষণা করে না?
  1. দানাশস্য
  2. কন্দাল ফসল
  3. পাটজাত ফসল
  4. মসলাজাত ফসল
সঠিক উত্তর:
পাটজাত ফসল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাটজাত ফসল
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) পাটজাত ফসল নিয়ে গবেষণা করে না। 

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট:

- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) দেশের বৃহত্তম বহুবিধ ফসল গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- এই প্রতিষ্ঠান দানাশস্য, কন্দাল, ডাল, তৈলবীজ, সবজি, ফল, মসলা, ফুল ইত্যাদির উচ্চ ফলনশীল জাত উদ্ভাবন বিষয়ে গবেষণা করে থাকে।
- প্রতিষ্ঠানটি মৃত্তিকা এবং শস্য ব্যবস্থাপনা, রোগ বালাই এবং পোকামাকড় ব্যবস্থাপনা, পানি এবং সেচ ব্যবস্থাপনা, কৃষি যন্ত্রপাতির উন্নয়ন, খামার পদ্ধতির উন্নয়ন, শস্য সংগ্রহোত্তর প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং আর্থ সামাজিক সংশ্লিষ্ট উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, বিপণন এবং পরিমাণ নির্ধারণ বিষয়ে গবেষণা করে থাকে।
- মহাপরিচালক প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- গবেষণা উইং ৬টি কেন্দ্র, ১৭টি বিভাগ, ৮টি আঞ্চলিক কেন্দ্র, ২৮টি উপকেন্দ্রের মাধ্যমে যাবতীয় গবেষণা পরিচালনা ও পর্যবেক্ষণ করে থাকে।

উৎস: BARI ওয়েবসাইট।
১০৬.
নিচের কোনটি গবাদিপশুর আঁশ জাতীয় খাদ্য নয়?
  1. ধানের খড়
  2. সাইলেজ
  3. চালের কুঁড়া
  4. ঘাস
সঠিক উত্তর:
চালের কুঁড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চালের কুঁড়া
ব্যাখ্যা
গবাদিপশুর সুষম খাদ্য: 
- সুষম খাদ্য গবাদিপশুর জন্য খুবই জরুরি।
- সুষম খাদ্য সকল পুষ্টি উপাদান সরবরাহ করে থাকে।
- এটি সুস্বাদু ও সহজপাচ্য হয়ে থাকে।
- এতে আঁশ জাতীয় খাদ্য (শুষ্ক ও রসাল) এবং দানাদার খাদ্য থাকে।

আঁশ জাতীয় খাদ্য: (ক) শুষ্ক ধানের খড়, গমের খড়, সাইলেজঘাস
(খ) রসাল: কাঁচা ঘাস, মিষ্টি আলু, মুলা, গাজর ইত্যাদি। 

দানা জাতীয় খাদ্য: গম ভাঙা, ভুট্টা ভাঙা, চালের কুঁড়া, গমের ভুসি, খৈল, ডালের খোসা।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, সপ্তম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১০৭.
নিচের কোন যন্ত্রটি জমি কর্ষণে ব্যবহৃত হয়?
  1. ন্যাপস্যাক স্প্রেয়ার
  2. ডিস্ক হ্যারো
  3. প্যাডেল থ্রেসার
  4. ডাস্টার
সঠিক উত্তর:
ডিস্ক হ্যারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিস্ক হ্যারো
ব্যাখ্যা
ডিস্ক হ্যারো:
- ডিস্ক হ্যারো জমি কর্ষণে ব্যবহৃত হয়। 

- ডিস্ক হ্যারো সাধারণত মাটি ভাঙ্গা, গুড়া করা, আগাছা নিয়ন্ত্রণ করা ও কর্ষিত জমির উপরিভাগ মোটামুটি সমতল করে বীজ বপনের উপযুক্ত করার কাজে ব্যবহৃত হয়।
- এটি একটি দ্বিতীয় পর্যায়ের কর্ষনযন্ত্র তবে কোন কোন নরম মাটিতে প্রাথমিক কর্ষনযন্ত্র হিসেবেও ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
- এটিতে একটি শ্যাফটে অনেকগুলো ডিস্ক লাগানো থাকে।
- ডিস্কগুলোসহ একেকটি শ্যাফ্টকে গ্যাং বলে।
- একটি ডিস্ক হ্যারোতে এক বা একাধিক গ্যাং থাকতে পারে।

ডিস্ক হ্যারো বিভিন্ন প্রকার হতে পারে। যেমন-
ক) সিঙ্গেল এক্টিং
খ) টেনডেম
গ) অফসেট

উৎস: ফার্ম মেশিনারিজ, কৃষি শিক্ষা ব্যাচেলর (B.Ag.Ed) প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৮.
কৃষকের কাছে ‘কারেন্ট পোকা’ নামে পরিচিত কোনটি?
  1. সবুজ পাতা ফড়িং
  2. পামরী পোকা
  3. বাদামী গাছ ফড়িং
  4. সবুজ ঘাস ফড়িং
সঠিক উত্তর:
বাদামী গাছ ফড়িং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদামী গাছ ফড়িং
ব্যাখ্যা
- বাদামী গাছ ফড়িং ( Brown Plant Hopper or BPH ) ধানের একটি মারাত্মক ক্ষতিকর পোকা।  
- বাদামী গাছ ফড়িং ধান গাছের গোড়ায় বসে রস শুষে খায়।
- ফলে গাছ পুড়ে যাওয়ার রং ধারণ করে মরে যায়।
- আক্রান্ত ক্ষেতে বাজ পড়ার মতো হপার বার্ণ – এর সৃষ্টি হয়।
- অধিকাংশ কৃষকের কাছে বাদামী গাছ ফড়িং ‘‘কারেন্ট পোকা’’ বা ‘‘গুণগুণী’’ পোকা নামে পরিচিত।
- বীজ তলা থেকে শুরু করে পরিপক্ক হওয়া পর্যন্ত যে কোন সময় এ পোকার আক্রমণ দেখা দিতে পারে।
 তবে কাইচথোর বের হওয়ার শুরু থেকে আক্রমণ বেড়ে যায়।

উৎস: কৃষি বাতায়ন।
১০৯.
ধান গাছের টুংরো রোগ কীসের সংক্রমণে হয়?
  1. ব্যাকটেরিয়া
  2. ভাইরাস
  3. ছত্রাক
  4. প্রোটোজোয়া
সঠিক উত্তর:
ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাইরাস
ব্যাখ্যা
টুংরো রোগ: 
কারণ: ভাইরাস সংক্রমণে হয়।
লক্ষণ: 
১) পাতার রং হালকা সবুজ হয় এবং পরে হলদে হয়।
২) গাছ টান দিলে উঠে আসে।
৩) আক্রান্ত পাতা মুচড়ে যায় ও গাছ খাটো হয়।

দমন ব্যবস্থা: 
১) সবুজ পাতা ফড়িং ভাইরাস ছড়ায়। তাই এ পোকা দমন করা জরুরী।
২) রোগ প্রতিরোধী জাত ব্যবহার করা।
৩) রোগাক্রান্ত গাছ তুলে মাটিতে পুঁতে ফেলা।
৪) সবুজ পাতা ফড়িং দমনের জন্য অনুমোদিত কীটনাশক প্রয়োগ করতে হবে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১০.
বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী প্রজনন বীজের জন্য কোন রঙের ট্যাগ নির্ধারণ করেছে?
  1. সবুজ
  2. সাদা
  3. নীল
  4. হলুদ
সঠিক উত্তর:
সবুজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবুজ
ব্যাখ্যা
মৌল বা প্রজনন বীজ (Breeder Seed):
- উদ্ভিদ প্রজনন প্রতিষ্ঠান বা কোন প্রজনন বিদের ঘনিষ্ট ও সরাসরি তত্ত্ববাবধানে উৎপন্ন এবং যা থেকে ভিত্তি শ্রেণীর বীজ উৎপাদন করা হয় তাকে প্রজনন বীজ বলে।
- এই বীজের সর্বাধিক কৌলিক বিশুদ্ধতা থাকে।
- এ বীজের ট্যাগের কালার সবুজ হয়।

ভিত্তি বীজ (Foundation seed):
- বীজের পরবর্তী বিস্তার ঘটানোর জন্য মৌলিকভাবে শনাক্ত করণযোগ্য জাতের প্রাথমিক উৎসকে ভিত্তি বীজ বলে।
- ভিত্তি বীজে কৌলিক স্বাতন্ত্র্য ও জাতের বিশুদ্ধতা বিদ্যমান থাকে।
- ভিত্তি বীজ থেকে প্রত্যায়িত যে বীজ উৎপাদন করা হয়।
- এ বীজের ট্যাগের কালার সাদা হয়।

প্রত্যায়িত বীজ (Certified Seed):
- ভিত্তি বীজ থেকে প্রত্যায়িত বীজ উৎপাদন করা হয়।
- যাতে বংশগত ও বাহ্যিক বিশুদ্ধতা নির্ধারিত মানে থাকে।
- বীজের গুণাবলী সংরক্ষণের জন্য প্রত্যয়ন একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থা।
- বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী এই অনুমোদনের কাজটি করে থাকে।
- এ বীজের ট্যাগের কালার নীল হয়।

মানঘোষিত বীজ (Truthfully labeled seed: TLS):
- উপরে তিনটি শ্রেণীর বীজ ছাড়া অন্য যে বীজ উৎপাদনকারী নিজেই উৎপাদন করে এবং নিজেই বীজের মাননিয়ন্ত্রণ করে এবং নিজেই ঘোষনা দেয় তাহাই মানঘোষিত বীজ।
- তিনি নিজস্বভাবে যাচাইপূর্বক ব্যাগ বা বস্তার গায়ে তথ্য লিপিবদ্ধ করবে।
- এ বীজের ট্যাগের কালার হলুদ হয়।

উৎস: বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী (SCA) ।
১১১.
নিচের কোনটির কারণে আমের এন্থ্র্যাকনোজ রোগ হয়ে থাকে?
  1. নেমাটোড
  2. ছত্রাক
  3. ব্যাকটেরিয়া
  4. ভাইরাস
সঠিক উত্তর:
ছত্রাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছত্রাক
ব্যাখ্যা
এন্থ্র্যাকনোজ রোগ:
- আমের এন্থ্র্যাকনোজ রোগের কারণ Colletotrichum gloeosporioides নামক এক ধরনের ছত্রাক।

⇒ লক্ষণ -
- আমের এনথ্রাকনোজ হলে কচি পাতায় অনিয়মিত দাগ দেখা যায় ।
- আমের মুকুল কালো হয়ে যায়, আমের গুটি ঝড়ে যায় ।
- বড় আম আক্রান্ত হলে আক্রান্ত স্থানে ক্ষত সৃষ্টি হয়।

উৎস: কৃষি বাতায়ন ওয়েবসাইট।
১১২.
বাংলাদেশ সুগারক্রপ রিসার্চ ইনস্টিটিউট (BSRI) কোন ফসল নিয়ে গবেষণা করে?
  1. ইক্ষু
  2. সুগারবীট
  3. গোলপাতা
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএসআরআই) এদেশের চিনি জাতীয় ফসলের গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- এখানে গবেষণা হয় ইক্ষু, তাল, খেজুর, গোলপাতাসুগারবীট এর উপর এবং চিনি, গুড় ও চিবিয়ে খাওয়াসহ ইক্ষুর বহুমুখী ব্যবহারের উপর।
- এটি পাবনার ঈশ্বরদীতে অবস্থিত।
- জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (FAO) মতে একজন পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তির বছরে ১৩ কেজি চিনি বা ১৭ কেজি গুড় খাওয়া দরকার।

উৎস: বাংলাদেশ সুগারক্রপ রিসার্চ ইনস্টিটিউট
১১৩.
আয়ুর্বেদিক ঔষধ ত্রিফলার অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. হরিতকি
  2. আমলকি
  3. বাসক
  4. বহেরা
সঠিক উত্তর:
বাসক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাসক
ব্যাখ্যা
১. হরিতকির ব্যবহার:
- আয়ুর্বেদিক ঔষধ ত্রিফলার অন্যতম ফল হরিতকি।
- হরিতকি ফল চূর্ণ করে একটু লবণ মিশিয়ে সেবন করলে অর্শ্বরোগ নিরাময় হয়। 
- হরিতকি বলকারক, জীবনীশক্তি বৃদ্ধিকারক ও বার্ধক্য নিবারক। 

২. আমলকির ব্যবহার:
- আমলকির ফল ভিটামিন সি সমৃদ্ধ এবং ত্রিফলার একটি ফল।
- আমলকির ফল ও পাতার রস আমাশয় প্রতিষেধক একটি টনিক।
- ফলের রস যকৃত, পেটের পীড়া, অজীর্ণতা, হজমী ও কাশিতে বিশেষ উপকারি। 
- আমলকির ফল ত্রিফলার সাথে মিশিয়ে ব্যবহার করলে রক্তহীনতা, জন্ডিস, চর্মরোগ, ডায়রিয়া, গানোরিয়া, চুল উঠা, জ্বর, হিক্কা প্রভৃতি রোগেরও উপশম করে।
- ফল থেকে লেখার কালি, শ্যাম্পু ও চুলের কলপ তৈরি হয়। 

৩. বহেরার ব্যবহার:
- ত্রিফলার অন্যতম বহেরা।
- বীজের শাঁস দুই একটি করে দুঘন্টা অন্তর এবং দিনে দুইটি করে চিবিয়ে খেলে হাঁপানি রোগ আরোগ্য হয়। 
- ফল পেটের পীড়া, অর্শ্ব, কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়া ও জ্বরে ব্যবহার্য।
- ফল হৃদপিন্ড, ফুসফুস, নাসিকা, গলার রোগ ও অজীর্ণতার ভালো ঔষধ। 

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১৪.
উদ্ভিদতাত্ত্বিক বীজের অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. কলাগাছের সাকার
  2. আদা
  3. হলুদ
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
- উদ্ভিদতত্ত্ব অনুসারে কলাগাছের সাকার, আদা, হলুদ বীজের অন্তর্ভুক্ত নয়। 

বীজ:

- বীজ উদ্ভিদের বংশবিস্তারের প্রধান মাধ্যম।
- সাধারণভাবে উদ্ভিদ জন্মানোর জন্য যে অংশ ব্যবহার করা হয় তাকে বীজ বলে। 

ক) উদ্ভিদতত্ত্ব অনুসারে:
- উদ্ভিদের নিষিক্ত ও পরিপক্ক ডিম্বককে বীজ বলে।
- এ ধরনের বীজকে ফসল বীজ বা প্রকৃত বীজ বা উদ্ভিদতাত্ত্বিক বীজ বলে।
- যেমন: ধান, গম, সরিষা, তিল, শিম, বরবটি, টমেটো, ফুলকপি, মরিচ, জিরা, ধৈঞ্চা, জাম, কাঁঠাল ইত্যাদি।

খ) কৃষিতত্ত্ব অনুসারে:
- উদ্ভিদের যেকোনো অংশ (মূল, পাতা, কাণ্ড, কুঁড়ি, শাখা) যা উপযুক্ত পরিবেশে একই জাতের নতুন উদ্ভিদের জন্ম দিতে পারে, তাকে বংশবিস্তারক উপকরণ বলে।
- এ ধরনের উপকরণকে কৃষিতাত্ত্বিক বীজ বা অঙ্গজ বীজ বলা হয়।
- যেমন: আমের কলম, আলুর কন্দ, মিষ্টি আলুর লতা, আখের কাণ্ড, পাথরকুচি গাছের পাতা, কাকরোলের মূল, গোলাপের ডাল ও কুঁড়ি, আনারসের মুকুট, কলাগাছের সাকার, আদা, হলুদ, রসুন, কচু ও সকল উদ্ভিদতাত্ত্বিক বীজ।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১১৫.
নিরপেক্ষ বা প্রশম মৃত্তিকার পিএইচ মান কত?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
মৃত্তিকার অম্লত্ব ও ক্ষারকত্ব
- মৃত্তিকার অম্লত্ব বা ক্ষারকত্ব মৃত্তিকা দ্রবণের পিএইচ (pH) দ্বারা নির্দেশ করা হয়।
- মৃত্তিকার পিএইচ ৭ এর কম হলে সেই মৃত্তিকাকে অম্লীয় মৃত্তিকা বলে।
- অপর পক্ষে, মৃত্তিকার pH ৭ এর বেশি হলে তাকে ক্ষারীয় মৃত্তিকা বলে।
- পিএইচ হাইড্রোজেন আয়নের ঘনত্ব বা গাঢ়তাকে নির্দেশ করে।
- সুতরাং মাটির পিএইচ হলো মৃত্তিকা দ্রবণে হাইড্রোজেন আয়নের (H+) ঘনত্বের ঋণাত্মক লগারিদম।

পিএইচ মান ভিত্তিক মৃত্তিকার শ্রেণিবিভাগ: 

পিএইচ মান ভিত্তিক মৃত্তিকা তিন প্রকার।  যথা: 
১। অম্ল বা অম্লীয় মৃত্তিকা পিএইচ মান ৭ এর কম।
২। নিরপেক্ষ বা প্রশম মৃত্তিকা পিএইচ মান ৭।
৩। ক্ষার বা ক্ষারীয় মৃত্তিকা - পিএইচ মান ৭ এর উপরে।

উৎস: SOIL SCEINCE, BAgEd, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১৬.
পত্ররন্ধ্রের মাধ্যমে শতকরা কতভাগ প্রস্বেদন হয়?
  1. ৪০%-৫০%
  2. ৫৫%-৬৫%
  3. ৮০%-৮৫%
  4. ৯০%-৯৫%
সঠিক উত্তর:
৯০%-৯৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০%-৯৫%
ব্যাখ্যা
পত্ররন্ধ্রীয় প্রস্বেদন (Stomatal transpiration) :
- পত্ররন্ধ্রের মাধ্যমে যে প্রস্বেদন হয় তাকে পত্ররন্ধ্রীয় প্রস্বেদন বলে।
- পাতা এবং কচি কান্ডে অসংখ্য পত্ররন্ধ্র থাকে।
- পত্ররন্ধ্র প্রধানত পাতার নিচের পৃষ্ঠদেশে দেখা যায়।
- এছাড়া ফুলের বৃতি ও পাপড়িতে পত্ররন্ধ্র থাকে।
- পত্ররন্ধ্রের মধ্য দিয়েই প্রধানত বেশির ভাগ প্রস্বেদন ঘটে।
- পত্ররন্ধ্রীয় প্রস্বেদনের পরিমাণ মোট প্রস্বেদনের ৯০-৯৫%।

উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১৭.
মাংসের জন্য বিখ্যাত কোন হাঁস?
  1. পিকিন
  2. ইন্ডিয়ান রানার
  3. খাকি ক্যাম্বেল
  4. জেন্ডিং
সঠিক উত্তর:
পিকিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিকিন
ব্যাখ্যা
- গৃহপালিত পশুর মতো হাঁস, মুরগি, কবুতর ইত্যাদিকে গৃহপালিত পাখি বলা হয়। 
- এরা গৃহে ডিম পাড়ে এবং ডিমে তা দিয়ে বাচ্চা ফুটিয়ে থাকে।
- আমাদের দেশি মুরগি বছরে গড়ে ৪৫টি এবং দেশি হাঁস ৭০টি ডিম পাড়ে।
- কিন্তু উন্নত জাতের লেগহর্ন, ফাওমি, আর আই আর জাতের মুরগি বছরে ২০০-২৫০টি ডিম পাড়ে।
- বিদেশি জাতের ইন্ডিয়ান রানার, খাকি ক্যাম্বেল ও জেন্ডিং হাঁস বছরে গড়ে ২৫০টি ডিম উৎপাদন করে।
- পিকিন হাঁস মাংসের জন্য বিখ্যাত।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণি, বোর্ড  বই।
১১৮.
গমের ছত্রাকজনিত রোগ কোনটি?
  1. পাতার মরিচা রোগ
  2. গোড়া পচা রোগ
  3. বীজের কালো দাগ রোগ
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
গম চাষে রোগ দমন: 
- গম চাষে পোকা মাকড়ের আক্রমণ তেমন একটা হয় না।
- তবে ছত্রাকজনিত বেশ কিছু রোগ দেখা দিতে পারে।
- এছাড়া অনেক সময় ইঁদুরের উপদ্রব দেখা যায়।
- গমের ছত্রাকজনিত রোগের মধ্যে
১) পাতার মরিচা রোগ,
২) পাতার দাগ রোগ,
৩) গোড়া পচা রোগ,
৪) আলগা ঝুল রোগ এবং
৫) বীজের কালো দাগ রোগ অন্যতম।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১১৯.
মাটির কণার সর্বোচ্চ ব্যাস কত হতে পারে?
  1. ০.৫ মিলিমিটার
  2. ১ মিলিমিটার
  3. ২ মিলিমিটার
  4. ২.৫ মিলিমিটার
সঠিক উত্তর:
২ মিলিমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ মিলিমিটার
ব্যাখ্যা
মাটির প্রকারভেদ: 
- যেসব খনিজ কণার ব্যাস দুই মিলিমিটার বা তার কম, তাকে মাটির কণা বলা হয়।
- এ কণার দ্বারাই মাটির বুনট সৃষ্টি হয়।
- মাটির বুনট হলো মাটির বালি, পলি, কর্দমকণার তুলনামূলক পরিমাণ বা শতকরা অনুপাত।
- মাটির এসব কণা বিভিন্ন অনুপাতে বিভিন্ন প্রকার মাটির সৃষ্টি করে। 
- এসব কণার আকারও ভিন্ন ভিন্ন হয়।
- কোন মাটিতে কোন ফসল জন্মায় তা জানার জন্যই মাটির শ্রেণিবিভাগ জানা খুবই দরকার।
- কৃষিকাজে ব্যবহারের সুবিধার জন্য বুনটের উপর ভিত্তি করে মাটিকে প্রধানত ৩ ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
(১) বেলে মাটি, 
(২) দোআঁশ মাটি ও
(৩) এঁটেল মাটি।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণি, বোর্ড বই।
১২০.
নিচের কোনটি গ্রিন হাউস গ্যাস নয়?
  1. কার্বন ডাইঅক্সাইড
  2. মিথেন
  3. নাইট্রাস অক্সাইড
  4. হিলিয়াম
সঠিক উত্তর:
হিলিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিলিয়াম
ব্যাখ্যা
জলবায়ু পরিবর্তন:
- জলবায়ু পরিবর্তন বুঝতে হলে প্রথমে আমাদের গ্রিনহাউস প্রভাব বুঝতে হবে।
- মানুষের নানাবিধ কর্মকাণ্ডের ফলে বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, ক্লোরোফ্লোরো কার্বন গ্যাসের পরিমাণ বাড়ছে।
- এ গ্যাসগুলো তাপ শোষণ করে বায়ুমণ্ডলকে উষ্ণ করে তুলছে।
- একে গ্রিনহাউস প্রভাব বলে এবং এর জন্য দায়ী গ্যাসগুলোকে গ্রিন হাউস গ্যাস বলে
- উনিশ শতকের শেষভাগ হতে গ্রিনহাউস প্রভাবের কারণে বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। 

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণি, বোর্ড বই।
১২১.
দাপোগ বীজতলায় প্রতি বর্গমিটারে কী পরিমাণ বীজ বপন করা হয়?
  1. ১০০-২৫০ গ্রাম
  2. ২৫০-৫০০ গ্রাম
  3. ৫০০-১০০০ গ্রাম
  4. ২৫০০-৩০০০ গ্রাম
সঠিক উত্তর:
২৫০০-৩০০০ গ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫০০-৩০০০ গ্রাম
ব্যাখ্যা
দাপোগ বীজতলা: 
- দেশের মধ্যাঞ্চলে আমন ধান রোপণের আগে বা পরে বন্যা দেখা যায়।
- অনেক সময় আগাম বন্যার কারণে কৃষকেরা ধানের বীজতলা তৈরি করার জমি পায় না।
- সে ক্ষেত্রে বাড়ির উঠানে, কোনো উঁচু স্থানে বা ভাসমান বীজতলা তৈরি করা যেতে পারে।
- এক্ষেত্রে বীজতলার উপর কলাপাতা বা পলিথিন শিট বিছিয়ে দিয়ে হালকা কাদার প্রলেপ দিয়ে ৫-৬ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখা বীজ ঘন করে বুনে দিতে হয়।
- এ পদ্ধতিতে এক বর্গমিটার বীজতলায় ২.৫-৩.০ কেজি বীজ বপন করা হয়।
- একে দাপোগ বীজতলা বলে।
- দুই সপ্তাহের মধ্যে মূল জমিতে বন্যার পানি নেমে গেলে চারা রোপণ করতে হয়।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১২২.
মইয়ের কাজ হলো -
  1. মাটির ঢেলা ভাঙা
  2. মাটি সমতল করা
  3. আগাছা দমন
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
মই:
- মই প্রধানত বাঁশ বা কাঠ দ্বারা তৈরি করা হয়।
- মোটা একটি বাঁশকে লম্বালম্বি ফালি করে দুই ভাগ করা হয়।
- অনেক মইয়ে তিনটি ফালি ব্যবহার করা হয়।
- এক জোড়া গরু হলে লম্বা হবে ৫ ফুট এবং দুই জোড়া গরু হলে লম্বা হবে সাড়ে সাত ফুট।

মইয়ের কাজ হলো:
১। মাটির ঢেলা ভাঙা;
২। মাটি সমতল করা;
৩। আগাছা দমন ও আলাদা করা;
৪। বীজের অঙ্কুরোদগম সহজ করা।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণি, বোর্ড  বই।
১২৩.
জৈব সার ব্যবহারে নিচের কোনটি ঘটে?
  1. মাটির ভৌত, রাসায়নিক ও জৈবিক গুণাগুণের উন্নতি হয়
  2. মাটিস্থ অণুজীবের কার্যাবলি বৃদ্ধি পায়
  3. মাটি থেকে পুষ্টির অপচয় কম হয়
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
জৈব সার:
- জমিতে উদ্ভিদ খাদ্য সরবরাহ, জমির উর্বরতা বৃদ্ধি ও গুণগত মান উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রাকৃতিকভাবে জৈব উৎস (উদ্ভিজ্জ ও প্রাণিজ) থেকে প্রাপ্ত দ্রব্যাদি পচিয়ে বা প্রক্রিয়াজাত করে প্রয়োগ করা হলে তাকে জৈব সার বলে।
- বাংলাদেশে কৃষক পর্যায়ে সচরাচর ব্যবহৃত জৈব সার প্রধানত ৩ প্রকার। যথা -
i) সবুজ সার
ii) আবর্জনা পচা সার বা কম্পোস্ট এবং
iii) খামারজাত সার।

জৈব সার ব্যবহারে-
(১) মাটিতে জৈব পদার্থের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।
(২) মাটির ভৌত, রাসায়নিক ও জৈবিক গুণাগুণের উন্নতি হয়।
(৩) মাটিস্থ অণুজীবের কার্যাবলি বৃদ্ধি পায়
(৪) মাটির পানি ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
(৫) মাটি থেকে পুষ্টির অপচয় কম হয়
(৬) মাটির উর্বরতা বাড়ে।
(৭) মাটির সংযুক্তির উন্নতি হয়।
(৮) ফসলের উৎপাদন ও গুণগতমান বৃদ্ধি পায়।
(৯) মাটির পরিবেশ উন্নত হয়।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, সপ্তম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১২৪.
পুকুরের পানি বেশি সবুজ হলে কী দেওয়া বন্ধ করতে হবে?
  1. চুন
  2. সার
  3. গমের ভুষি
  4. ফিস মিল
সঠিক উত্তর:
সার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সার
ব্যাখ্যা
মাছ চাষের ব্যবস্থাপনা: 
- পুকুরের তলদেশে কাদা থাকলে ক্ষতিকর গ্যাস জমে থাকতে পারে।
- দড়ির সাথে লোহা বা মাটির কাঠি কিংবা ইট বেঁধে হররা তৈরি করে পুকুরের তল ঘেষে আস্তে আস্তে টেনে তলার গ্যাস বের করে দিতে হবে।
- প্রতি মাসে একবার কিছু মাছ ধরে মাছের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে হবে।
- নিয়মিত খাদ্য সরবরাহ করতে হবে।
- পুকুরের পানি কমে গেলে পানি সরবরাহ করতে হবে।
- পানি বেশি সবুজ হয়ে গেলে সার প্রয়োগ বন্ধ রাখতে হবে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১২৫.
SRDI এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Soil Research and Development Institute
  2. Seed Research and Development Institute
  3. Soil Resource Developing Institute
  4. Soil Resources Development Institute
সঠিক উত্তর:
Soil Resources Development Institute
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Soil Resources Development Institute
ব্যাখ্যা
SRDI:
- পূর্ণরূপ: Soil Resources Development Institute বা মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট।

- মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (এসআরডিআই) হচ্ছে কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণাধীন একটি সরকারী প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠান-এর প্রধান নির্বাহী হচ্ছেন মহাপরিচালক। 
এ প্রতিষ্ঠানে ২টি উইং, ২টি বিভাগ, প্রশাসন, কার্টোগ্রাফী, ডাটা প্রসেসিং অ্যান্ড স্ট্যাটিস্টিকেল এন্ড আইসিটি এবং পাবলিকেশন অ্যান্ড রেকর্ড শাখাসহ ৯টি শাখা, ৭টি বিভাগীয় কার্যালয়, ৩৩টি আঞ্চলিক কার্যালয়, ৭টি ভিাগীয় গবেষণাগার, ১৬টি আঞ্চলিক গবেষণাগার এবং ২টি গবেষণা কেন্দ্র রয়েছে।
- এছাড়া কৃষকের মৃত্তিকা নমুনা সরেজমিনে পরীক্ষা করে ফলাফলের ভিত্তিতে সুষম মাত্রার সার সুপারিশ করার লক্ষ্যে ১০টি ভ্রাম্যমান মৃত্তিকা পরীক্ষাগার রয়েছে।

উদ্দেশ্য:
যথাযথ এবং টেকসই ভূমি ও মৃত্তিকা (বাংলাদেশের প্রধান সম্পদ) ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশ বান্ধব কৃষি প্রযুক্তির মাধ্যমে খাদ্যে সয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন এবং সকলের জন্য খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিৎকরণ।

ভিশন:
ভূমি ও মৃত্তিকা সম্পদের যুক্তিযুক্ত ও লাভজনক ব্যবহার নিশ্চিতকরণ এবং মৃত্তিকা পরিবেশ সুরক্ষা।

উৎস: SRDI ওয়েবসাইট।
১২৬.
নিচের কোনটি ফসলের খরা পরিহারকরণ কৌশল নয়?
  1. পত্ররন্ধ্র নিয়ন্ত্রণ
  2. প্রস্বেদন নিয়ন্ত্রণ
  3. মোটা কোষ প্রাচীর 
  4. পাতা ঝরানো
সঠিক উত্তর:
মোটা কোষ প্রাচীর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোটা কোষ প্রাচীর 
ব্যাখ্যা
ক) ফসলের খরা সহ্যকরণ কৌশল: 
- ফসল খরায় পতিত হওয়ার পরও দেহাভ্যন্তরের স্বল্প পানি সাম্যতা নিয়ে টিকে থাকার ক্ষমতাকে খরা সহ্যকরণ বলে।
- এ সব ফসল খরা অবস্থা চলে গেলে পুনরায় স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও ফুল-ফল ধারণ করে।

ফসলের খরা সহ্যকরণ কৌশলগুলো হলো:
১ । কোষের পানিশূন্যতা রোধকরণ
২। মোটা কোষ প্রাচীর 
৩। উপোসকরণ
৪। প্রোটিন ও প্রোলিন জমাকরণ
৫। কোষ গহ্বর শূন্যতা
৬। সুপ্তাবস্থা

খ) ফসলের খরা পরিহারকরণ কৌশল: 
১। পত্ররন্ধ্র নিয়ন্ত্রণ
২। প্রস্বেদন নিয়ন্ত্রণ
৩। পাতার আকার হ্রাসকরণ
৪। পাতা ঝরানো
৫। সালোকসংশ্লেষণ দক্ষতা বৃদ্ধিকরণ
৬। দক্ষ মূলতন্ত্র
৭। পাতা মোড়ানো ও পাতা কুঞ্চিতকরণ
৮ । পাতার দিক পরিবর্তন

উৎস: কৃষিশিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১২৭.
মোজাইক কী জনিত রোগের লক্ষণ?
  1. ভাইরাস
  2. ব্যাকটেরিয়া
  3. ছত্রাক
  4. প্রোটোজোয়া
সঠিক উত্তর:
ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাইরাস
ব্যাখ্যা
মোজাইক:
- ফসলের পাতায় যখন গাঢ় ও হালকা হলদে-সবুজ এর ছোপ ছোপ রং দেখা যায় তখন এই লক্ষণকে মোজাইক বলা হয়।
- ঢেড়শ ও মুগে মোজাইক রোগ দেখা যায়।
- এটি একটি ভাইরাসজনিত রোগের লক্ষণ।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১২৮.
গমের ব্লাস্ট কোন ধরনের রোগ?
  1. Soil Borne Disease
  2. Seed Borne Disease
  3. Seed Transmitted Disease
  4. Seed Borne and Seed Transmitted Disease
সঠিক উত্তর:
Seed Borne and Seed Transmitted Disease
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Seed Borne and Seed Transmitted Disease
ব্যাখ্যা
গমের ব্লাস্ট রোগ (Wheat Blast):
- Magnaporthe oryzae Triticum (MoT) নামক এক ধরনের ছত্রাক এর আক্রমণে গমের ব্লাস্ট রোগ হয়ে থাকে।
- এটি Soil Borne and Seed Transmitted Disease. 
- বাংলাদেশের ক্ষেত্রে, গম চাষের ব্লাস্ট-সংবেদনশীল এলাকা প্রায় ৬৫%।
- ২০১৬ সালে, বাংলাদেশের কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, যশোর, বরিশাল, ভোলা এবং দক্ষিণের অন্যান্য জেলায় হঠাৎ করে গমের ব্লাস্ট রোগ দেখা দেয়।
- ব্রাজিল থেকে এ রোগ বাংলাদেশে আসে।

ব্লাস্ট রোগের লক্ষণ:
ক) ব্লিচড স্পাইকস এবং স্পাইকের গোড়ায় কালচে ধূসর বর্ণের দাগ (গমের ব্লাস্টের সাধারণ লক্ষণ)
খ) গমের ব্লাস্টের প্যাচ
গ) পাতায় চোখের আকৃতির গাঢ় ধূসর দাগ
ঘ) গাঢ় ধূসর চোখের আকৃতির ক্ষত
ঙ) ব্লাস্ট রোগে আক্রান্ত গমের বীজ
চ) জীবাণু

কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS)
১২৯.
মাছ চাষের জন্য পুকুরের পানিতে অক্সিজেনের পরিমাণ কমপক্ষে কত থাকা প্রয়োজন?
  1. ১ পিপিএম
  2. ৫ পিপিএম
  3. ৫০ পিপিএম
  4. ৫০০ পিপিএম
সঠিক উত্তর:
৫ পিপিএম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ পিপিএম
ব্যাখ্যা
পুকুরের পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন:
- পুকুরের পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন মাছ চাষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- প্রধানত ফাইটোপ্লাংকটন ও জলজ উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় অক্সিজেন তৈরি করে পুকুরের পানিতে দ্রবীভূত হয়।
- বায়ুমণ্ডল হতে সরাসরি পানির উপরিভাগেও কিছু অক্সিজেন মিশ্রিত হয়।
- পুকুরে বসবাসকারী মাছ, জলজ উদ্ভিদ ও অন্যান্য প্রাণী এ অক্সিজেন দ্বারা শ্বাসকার্য চালায়।
- রাতে সূর্যালোকের অভাবে সালোকসংশ্লেষণ হয় না বলে পানিতে কোনো অক্সিজেন তৈরি হয় না।
- এজন্য সকালে পুকুরে অক্সিজেনের পরিমাণ কমে যায় ও বিকেলে বেশি থাকে।
- মাছ চাষের জন্য পুকুরের পানিতে অক্সিজেনের পরিমাণ কমপক্ষে ৫ মিলি গ্রাম/লিটার (৫ পিপিএম বা ১ মিলিয়ন ভাগের পাঁচ ভাগ) থাকা প্রয়োজন।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৩০.
ট্রাইকোডার্মা কী?
  1. উপকারী নেমাটোড
  2. উপকারী ব্যাকটেরিয়া
  3. অপকারী ছত্রাক
  4. উপকারী ছত্রাক
সঠিক উত্তর:
উপকারী ছত্রাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপকারী ছত্রাক
ব্যাখ্যা
ট্রাইকোডার্মা:  
- ট্রাইকোডার্মা হচ্ছে মাটিতে মুক্তভাবে বসবাসকারী উপকারী ছত্রাক- যা উদ্ভিদের শিকড়স্থ মাটি, পঁচা আবর্জনা ও কম্পোস্ট ইত্যাদিতে অধিক পরিমাণে পাওয়া যায়।
- এটি মাটিতে বসবাসকারি উদ্ভিদের ক্ষতিকর জীবাণু যেমন- ছত্রাক, ব্যাকটেরিয়া ও নেমাটোডকে মেরে ফেলে।
- ট্রাইকোডার্মা প্রকৃতি থেকে আহরিত এমনই একটি অণুজীব যা জৈবিক পদ্ধতিতে উদ্ভিদের রোগ দমনে ব্যবহার করা হচ্ছে।
- ট্রাইকোডার্মা বায়োপেস্টিসাইডটি প্রথম আবিষ্কার করেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড.মো.বাহাদুর মিয়া যা ২০১৩ সালের জুন মাসে বগুড়া আরডিএ ল্যাবরেটরীতে গবেষণার মাধ্যমে কৃষকদের ব্যবহার উপযোগী করে তোলা হয়।

উৎস: কৃষি বাতায়ন। 
১৩১.
নিচের কোনটি বন্যাকবলিত এলাকায় চাষযোগ্য ধানের জাত?
  1. ব্রি ধান৫২
  2. ব্রি ধান৫৪
  3. ব্রি ধান৫৬
  4. ব্রি ধান৫৭
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান৫২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান৫২
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের কৃষিতে বন্যা সহনশীল ধানের উদ্ভাবন: 
- বাংলাদেশে বন্যা, খরা ও লবণাক্ততা কৃষির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।
- বিজ্ঞানীরা এসব সমস্যা মোকাবিলায় উন্নত ধানের জাত উদ্ভাবন করেছেন।
- এই ধানগুলো ১০-১৫ দিন পানির নিচে টিকে থাকতে পারে, যা কৃষিক্ষেত্রে একটি বড় অগ্রগতি।
- এটি বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

বন্যার শেষে চাষযোগ্য বিলম্ব জাতের ধান:
- ব্রি ধান২২
- ব্রি ধান২৩
- ব্রি ধান৩৭
- ব্রি ধান৩৮

বন্যাকবলিত এলাকায় চাষযোগ্য ধান:
- ব্রি ধান১১
- ব্রি ধান১২
- ব্রি ধান৫১
- ব্রি ধান৫২
- ব্রি ধান৭৯

উৎস: কৃষিশিক্ষা, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৩২.
প্রোগ্রাম প্লানিং এর কোন ধাপে FINA ব্যবহার করা হয়?
  1. Identification of Problems
  2. Analysis of objectives
  3. Analysis of alternatives
  4. Analysis of the identified problems
সঠিক উত্তর:
Identification of Problems
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Identification of Problems
ব্যাখ্যা
সমস্যা সনাক্তকরণ (Identification of Problems):
- সমস্যা সনাক্তকরণের উদ্দেশ্য হলো কৃষকের কৃষি কার্যক্রমের সাথে সম্পর্কিত তথ্য চাহিদা মূল্যায়ন করা।
- এ কারণেই এই প্রক্রিয়াটিকে Farmers' Information Need Assessment (FINA) বলা হয়।
- এই মূল্যায়ন নির্দিষ্ট চাহিদাভিত্তিক কর্মসূচি পরিকল্পনার জন্য প্রয়োজনীয়।

Farmers' Information Need Assessment (FINA): 
- প্রোগ্রাম প্লানিং এর Identification of Problems স্টেপ এ FINA ব্যবহার করা হয়। 
- সম্প্রসারণ কার্যক্রম মূলত কৃষি পরিবারের চাহিদা পূরণের উপর কেন্দ্রীভূত, বিশেষ করে কৃষিকাজ ও গৃহস্থালি কার্যক্রমে তাদের মুখোমুখি হওয়া মূল প্রযুক্তিগত সমস্যাগুলো সমাধানে সহায়তা করা।
- সম্প্রসারণ বার্তা ও কার্যক্রম অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কৃষকের প্রয়োজন, সমস্যা এবং সম্ভাবনা নির্ধারণের উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়।
- একটি কার্যকর সম্প্রসারণ কর্মসূচি পরিকল্পনার জন্য কৃষকের প্রয়োজন সনাক্তকরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- সনাক্তকৃত চাহিদার ভিত্তিতে, বার্তা তৈরি করে নির্দিষ্ট কৃষক গোষ্ঠীর জন্য লক্ষ্য স্থির করা যায়।

উৎস: Extension Mannual, DAE.
১৩৩.
যখন উদ্ভিদের শাখা থেকে কর্তন বা ছেদ কলম তৈরি করা হয় তখন তাকে কী বলে?
  1. শাখা কলম
  2. গুটি কলম
  3. দাবা কলম
  4. চোখ কলম
সঠিক উত্তর:
শাখা কলম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাখা কলম
ব্যাখ্যা
শাখা কলম বা কাটিং: 
- যখন উদ্ভিদের শাখা থেকে কর্তন বা ছেদ কলম তৈরি করা হয় তখন তাকে শাখা কলম বা কাটিং বলে।
- এ পদ্ধতিতে একটি বৃক্ষের শাখা কেটে ভেজা মাটিতে পুঁতে দেওয়া হয়।
- পরবর্তীতে শাখাটি স্বাভাবিকভাবে বড় হয়ে নতুন গাছে পরিণত হয়।
- যেমন- গোলাপ, শিমুল, মান্দার ইত্যাদি।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, সপ্তম শ্রেণি, বোর্ড  বই।
১৩৪.
SRI এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Sustainable Rice Irrigation
  2. System of Rice Intensification
  3. Scientific Rice Improvement
  4. Soil and Rice Innovation
সঠিক উত্তর:
System of Rice Intensification
উত্তর
সঠিক উত্তর:
System of Rice Intensification
ব্যাখ্যা
SRI:
- SRI এর পূর্ণরূপ হচ্ছে System of Rice Intensification. 
- SRI হলো পানি সেচের মাধ্যমে ধান চাষের এমন একটি কৃষি পরিবেশিক পদ্ধতি যেখানে ফসল, মাটি, পানি এবং উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদানের ভিন্নতর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ধানের ফসল স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি হয়।
- SRI পদ্ধতিতে চাষ করার কৌশল সর্বপ্রথম ১৯৮০ সালের দিকে মাদাগাস্কারে উদ্ভাবিত হয়।
- এই পদ্ধতিতে চারা উৎপাদন, রোপন, সেচ, সার, কীটনাশক কম লাগে।
- কিন্তু নিবিড় পরিচর্যা করতে হয় এবং ফলন বেশি হয়।
- এ পদ্ধতিতে ধান চাষের ক্ষেত্রে ৮-১২ দিন বয়সের চারা একটি করে রোপন করতে হয়।
- চারা বর্গাকারে ২৫-৪০ সে.মি দূরত্বে লাগাতে হবে; অর্থাৎ সারি থেকে সারি এবং চারা থেকে চারার দূরত্ব সমান। বর্গাকারে লাগানো গাছ পর্যাপ্ত আলো-বাতাস পাবে এবং আগাছা দমন সহজ হবে।
- জমিতে পর্যাপ্ত পরিমানে জৈব সার প্রয়োগ করতে হবে।
- মাটি পর্যায়ক্রমে ভিজানো ও শুকানো (AWD) পদ্ধতিতে সেচ দিতে হবে। 

উৎস: কৃষি শিক্ষা প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৫.
ব্রাসিকাসি (Brassicaceae) পরিবারের ক্লাবরুট রোগের কারণ কোনটি?
  1. Phytophthora infestans
  2. Plasmodiophora brassicae
  3. Alternaria Solani
  4. Xanthomonas oryzae
সঠিক উত্তর:
Plasmodiophora brassicae
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Plasmodiophora brassicae
ব্যাখ্যা
ক্লাবরুট: 
- ক্লাবরুট (Clubroot) ব্রাসিকাসি (Brassicaceae) পরিবারের সব উদ্ভিদের জন্য ক্ষতিকর।
- এতে ক্যাবেজ, ফুলকপি, ব্রোকোলি, ব্রাসেলস স্প্রাউট, রেডিশ, শালগম, সরিষা, ও কানোলা আক্রান্ত হতে পারে।
- রোগটির কারণ Plasmodiophora brassicae নামক এককোষী পরজীবী প্রোটিস্টা।
- এটি গাছের শিকড় বিকৃত ও ফোলা আকৃতির করে তোলে এবং ফসলের বৃদ্ধি ব্যাহত করে।

উৎস: UNIVERSITY OF MINNESOTA EXTENSION.
১৩৬.
মরিচ গাছ আগা থেকে গোড়ার দিকে ক্রমান্বয়ে শুকিয়ে মারা যাওয়াকে কী বলে?
  1. ড্যাম্পিং অফ
  2. মোজাইক
  3. ডাইব্যাক
  4. কান্ড পঁচা রোগ
সঠিক উত্তর:
ডাইব্যাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাইব্যাক
ব্যাখ্যা
মরিচেের রোগ দমন:
- মরিচে চারা অবস্থায় ড্যাম্পিং অফ রোগ হতে পারে।
- এ রোগ দমনের জন্য এক কেজি বীজ ৩ গ্রাম প্রোভেক্সের সাথে মিশিয়ে বীজ শোধন করে নিতে হবে।
- মরিচ গাছ অনেক সময় আগা থেকে গোড়ার দিকে ক্রমান্বয়ে শুকিয়ে মারা যায়। একে ডাইব্যাক রোগ বলে।
- এ রোগ দমনের জন্য ১ গ্রাম ব্যাভিস্টিন ১ লিটার পানিতে মিশিয়ে ১৫ দিন অন্তর ২-৩ বার স্প্রে করতে হয়।
- হলুদ মোজাইক ভাইরাস রোগ দমনের জন্য আক্রান্ত গাছ দেখামাত্র তুলে পুড়িয়ে ফেলতে হবে।
- রোগ প্রতিরোধী জাতের মরিচ চাষ করতে হবে।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৩৭.
খরা সহনশীল ধানের জাত কোনটি?
  1. ব্রি ধান৫৬
  2. ব্রি ধান৫২
  3. ব্রি ধান৭৯
  4. ব্রি ধান৫৪
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান৫৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান৫৬
ব্যাখ্যা
- বন্যা, খরা, লবণাক্ততা বাংলাদেশের প্রধান কৃষি সমস্যা।
- এ সমস্যা দূরীকরণের জন্য বিজ্ঞানীরা বেশ অগ্রসর হয়েছেন।
- যেমন- বন্যার শেষে ধান চাষের জন্য বিলম্ব জাত: ব্রিধান ২২ ব্রি ধান২৩ ব্রিধান-৩৭ এবং ব্রি ধান-৩৮।
- বন্যাকবলিত এলাকার জন্য ধানের জাত: ব্রি ধান-১১, ব্রি ধান-১২, ব্রি ধান-৫১, ব্রি ধান৫২ব্রি ধান৭৯। এই পাঁচ জাতের ধান পানির নিচে ১০-১৫ দিন টিকে থাকতে পারে। 
- খরা সহনশীল ধান: ব্রি ধান৫৬, ব্রি ধান৫৭ ।
- উপকূল অঞ্চলের লবণাক্ত জমিতে চাষের জন্য ধানের জাত: ব্রি ধান-৪০, ব্রি ধান-৪১, ব্রি ধান-৪৬, ব্রি ধান-৪৭, ব্রি ধান-৫৩, ব্রি ধান৫৪ ও ব্রি ধান-৫৫ ।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৩৮.
কোন ধরনের জমির জন্যে প্লাবন সেচ কার্যকর?
  1. ঢালু জমি
  2. পাহাড়ি জমি
  3. সমতল জমি
  4. বন্ধুর জমি
সঠিক উত্তর:
সমতল জমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমতল জমি
ব্যাখ্যা
প্লাবন সেচ:
- এই পদ্ধতিতে সমতল জমিতে খাল, বিল বা পুকুর হতে আসা পানি দিয়ে প্রধান নালার সাহায্যে সেচ দেওয়া হয়।
- সেচের পানি যাতে আশেপাশের জমিতে যেতে না পারে সেজন্য জমির চারদিকে আইল বাঁধতে হয়।
- এভাবে সেচ দিলে-
১। অল্প সময়ে অধিক জমিতে সেচ দেওয়া যায়।
২। জমির মধ্যে নালার দরকার হয় না।
৩। সমতল জমির জন্যে প্লাবন সেচ কার্যকর
৪। শ্রম ও সময় উভয়ই কম লাগে।
৫। রোপা ফসল বা শস্য ছিটিয়ে বোনা জমিতে প্লাবন সেচ কার্যকর হয়।
৬। জমি যদি ঢালু হয় তবে আইল বেঁধে পানি আটকাতে হয়।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, সপ্তম শ্রেণি, বোর্ড  বই।
১৩৯.
কীসের মাধ্যমে কুলকে মিষ্টি জাতে রূপান্তরিত করা যায়?
  1. বীজের মাধ্যমে
  2. কুড়ি সংযোজন
  3. কাটিং
  4. লেয়ার গ্রাফটিং
সঠিক উত্তর:
কুড়ি সংযোজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুড়ি সংযোজন
ব্যাখ্যা
কুল চাষ:
- কুলকে ইংরেজিতে Ber বা Jujube বলে।
- বর্তমানে কুল চাষ ব্যাপকভাবে জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।
- বাংলাদেশে বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের উৎকৃষ্ট জাত উদ্ভাবনের ফলে বাণিজ্যিকভাবে কুলের চাষ বেড়েছে।
- কুলে যথেষ্ট পরিমাণে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি ও খণিজ লবণ আছে।

⇒ কুলের ফুল পেটের গ্যাস ও রুচি বর্ধকের ঔষধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- কুল ও পাতা উভয়েই ক্ষত রোগের জন্য উপকারী।
- কুল কাচা ও পাকা উভয় অবস্থায় খাওয়া হয়।
- বাংলাদেশে বিশেষ করে বরিশাল, খুলনা, রাজশাহী, কুমিল্লা, সাতক্ষীরা, ময়মনসিংহে উৎকৃষ্ট জাতের চাষ হয়ে থাকে। 

⇒ জলবায়ু ও মাটি:
- কুল জন্য শুষ্ক ও উষ্ণ আবহাওয়া প্রয়োজন।
- কুল আর্দ্র আবহাওয়ায় চাষ অনুপোযোগী।
- উঁচু বা মাঝারি জমি, দোআশ মাটিতে কুলের চাষ ভালো হয়, তবে সব মাটিতেই চাষ করা যায়।

⇒ বংশবিস্তার:
- কুল বীজ ও কলম উভয় মাধ্যমে বংশ বিস্তার করা যায়।
- কুঁড়ি সংযোজন করে যেকোন কুল গাছকে মিষ্টি জাতে বা উন্নত জাতে রূপান্তরিত করা যায়।
- সেজন্য কুড়ি সংযোজনই সবচেয়ে উপযোগী পদ্ধতি।
- বীজের মাধ্যমে চারা গাছে মাতৃগুণ থাকে না এবং ফল আসতে সময় বেশি লাগে।
- সাধারণত কুলে রিং বা টি বাডিং করা হয়।

উৎস: কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪০.
অ্যালি ক্রপিং এর ক্ষেত্রে সাধারণত নিচের কোনটি করা হয়?
  1. দুই সারি গাছের মাঝে ফল গাছের চাষ
  2. বিক্ষিপ্তভাবে গাছ ও ফসলের চাষ
  3. দুই সারি গাছের মাঝে কৃষিজ ফসলের চাষ
  4. দুই সারি গাছের মাঝে মাছের চাষ
সঠিক উত্তর:
দুই সারি গাছের মাঝে কৃষিজ ফসলের চাষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই সারি গাছের মাঝে কৃষিজ ফসলের চাষ
ব্যাখ্যা
অ্যালি ক্রপিং: 
- কৃষি বনায়নের বিভিন্ন পদ্ধতির মধ্যে এটি একটি সফল পদ্ধতি।
- এ পদ্ধতিতে সাধারণত লিগিউম জাতীয় গুল্ম বা বৃক্ষ নির্দিষ্ট দূরত্বে ঘন সারিবদ্ধভাবে লাগানো হয়।
- দুই সারি গাছের মাঝে কৃষিজ ফসলের চাষ করা হয়। 

উৎস: কৃষিশিক্ষা, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৪১.
কৃষিকাজে ব্যবহারের সুবিধার জন্য বুনটের উপর ভিত্তি করে মাটিকে প্রধানত কয় ভাগে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ২ ভাগে
  2. ৩ ভাগে
  3. ৪ ভাগে
  4. ৫ ভাগে
সঠিক উত্তর:
৩ ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ভাগে
ব্যাখ্যা
মাটির প্রকারভেদ: 
- যেসব খনিজ কণার ব্যাস দুই মিলিমিটার বা তার কম, তাকে মাটির কণা বলা হয়।
- আমরা জানি, এ কণার দ্বারাই মাটির বুনট সৃষ্টি হয়।
- মাটির বুনট হলো মাটির বালি, পলি, কর্দমকণার তুলনামূলক পরিমাণ বা শতকরা অনুপাত।
- মাটির এসব কণা বিভিন্ন অনুপাতে বিভিন্ন প্রকার মাটির সৃষ্টি করে। আর মনে রাখব, এসব কণার আকারও ভিন্ন ভিন্ন হয়।
- কোন মাটিতে কোন ফসল জন্মায় তা জানার জন্যই মাটির শ্রেণিবিভাগ জানা খুবই দরকার।
- কৃষিকাজে ব্যবহারের সুবিধার জন্য বুনটের উপর ভিত্তি করে মাটিকে প্রধানত ৩ ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা- (১) বেলে মাটি (২) দোআঁশ মাটি ও (৩) এঁটেল মাটি।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণি, বোর্ড  বই।
১৪২.
ভুট্টা ফসলে কাটুই পোকা দমনে কোন পেস্টিসাইড ব্যবহার করা যাবে?
  1. ডায়থেন
  2. নোইন
  3. ডারসবান
  4. ব্যাকট্রল
সঠিক উত্তর:
ডারসবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডারসবান
ব্যাখ্যা
ভুট্টা ফসলের পোকা দমন ব্যবস্থাপনা:
- ভুট্টা ফসলে পোকা-মাকড়ের আক্রমণ কম হয়।
- তবে চারা অবস্থায় কাটুই পোকার লার্ভা গাছের গোড়া কেটে দেয়।
- এরা দিনের বেলায় মাটির নিচে লুকিয়ে থাকে এবং রাতে বের হয়।
- সদ্য কেটে ফেলা গাছের চারপাশের মাটি খুড়ে পোকার লার্ভা বের করে মেরে ফেলতে হবে।
- আক্রমণ বেশি হলে ফুরাডান অথবা ডারসবান অনুমোদিত মাত্রায় ব্যবহার করে জমিতে সেচ দিতে হবে।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, সপ্তম শ্রেণি, বোর্ড  বই।
১৪৩.
বাংলাদেশে গম বপনের উপযুক্ত সময় হচ্ছে -
  1. অক্টোবর মাসের শুরু থেকে নভেম্বর মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত
  2. নভেম্বর মাসের শুরু থেকে ডিসেম্বর মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত
  3. ডিসেম্বর মাসের শুরু থেকে জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত
  4. জানুয়ারি মাসের শুরু থেকে ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
নভেম্বর মাসের শুরু থেকে ডিসেম্বর মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নভেম্বর মাসের শুরু থেকে ডিসেম্বর মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
গম:
- গম শীতকালীন ফসল।
- বাংলাদেশে শীতকাল স্বল্পস্থায়ী।
- এ কারণে গমের ভালো ফলন পেতে হলে সঠিক সময়ে গম বীজ বপন করা উচিত।
- আমাদের দেশে নভেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে ডিসেম্বর মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত গম বপনের উপযুক্ত সময়।
- উঁচু ও মাঝারি দোঁআশ মাটিতে গম ভালো জন্মে।
- তবে লোনা মাটিতে গমের ফলন কম হয়।
- যেসব এলাকায় ধান কাটতে ও জমি তৈরি করতে দেরি হয় সেসব এলাকায় কাঞ্চন, আকবর, প্রতিভা, গৌরব চাষ করলে ভালো ফলন পাওয়া যায়।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৪৪.
সবুজ ট্যাগ দিয়ে কোন বীজকে নির্দেশ করা হয়?
  1. প্রজনন বীজ
  2. ভিত্তি বীজ
  3. প্রত্যায়িত বীজ
  4. মানঘোষিত বীজ
সঠিক উত্তর:
প্রজনন বীজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রজনন বীজ
ব্যাখ্যা
• মৌল বা প্রজনন বীজ (Breeder Seed):
- উদ্ভিদ প্রজনন প্রতিষ্ঠান বা কোন প্রজনন বিদের ঘনিষ্ট ও সরাসরি তত্ত্ববাবধানে উৎপন্ন এবং যা থেকে ভিত্তি শ্রেণীর বীজ উৎপাদন করা হয় তাকে প্রজনন বীজ বলে।
- এই বীজের সর্বাধিক কৌলিক বিশুদ্ধতা থাকে।
- এ বীজের ট্যাগের কালার সবুজ হয়।

অন্যদিকে,
• ভিত্তি বীজ (Foundation seed):
- বীজের পরবর্তী বিস্তার ঘটানোর জন্য মৌলিকভাবে শনাক্ত করণযোগ্য জাতের প্রাথমিক উৎসকে ভিত্তি বীজ বলে।
- ভিত্তি বীজে কৌলিক স্বাতন্ত্র্য ও জাতের বিশুদ্ধতা বিদ্যমান থাকে।
- ভিত্তি বীজ থেকে প্রত্যায়িত যে বীজ উৎপাদন করা হয়।
- এ বীজের ট্যাগের কালার সাদা হয়।

• প্রত্যায়িত বীজ (Certified Seed):
- ভিত্তি বীজ থেকে প্রত্যায়িত বীজ উৎপাদন করা হয়।
- যাতে বংশগত ও বাহ্যিক বিশুদ্ধতা নির্ধারিত মানে থাকে।
- বীজের গুণাবলী সংরক্ষণের জন্য প্রত্যয়ন একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থা।
- বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী এই অনুমোদনের কাজটি করে থাকে।
- এ বীজের ট্যাগের কালার নীল হয়।

• মানঘোষিত বীজ (Truthfully labeled seed: TLS):
- উপরে তিনটি শ্রেণীর বীজ ছাড়া অন্য যে বীজ উৎপাদনকারী নিজেই উৎপাদন করে এবং নিজেই বীজের মাননিয়ন্ত্রণ করে এবং নিজেই ঘোষনা দেয় তাহাই মানঘোষিত বীজ।
- তিনি নিজস্বভাবে যাচাইপূর্বক ব্যাগ বা বস্তার গায়ে তথ্য লিপিবদ্ধ করবে।
- এ বীজের ট্যাগের কালার হলুদ হয়।

উৎস: বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী (SCA) ।
১৪৫.
বীজ পোকার উপদ্রব থেকে রক্ষার জন্য বীজের বস্তায় কী মেশানো হয়?
  1. নিমের পাতা
  2. আপেল বীজের গুঁড়া
  3. বিশকাটালি
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
বীজ সংরক্ষণের পদ্ধতি:
- দানাজাতীয় শস্য- ধান, গম, ভুট্টা, বীজের জন্য ধানগোলা, ডোল মাটির পাত্র, চটের বস্তা, পলিব্যাগ ও বেড ব্যবহার করা হয়।
- বীজ শুকানো অর্থ হচ্ছে বীজ থেকে অতিরিক্ত আর্দ্রতা সরানো এবং পরিমিত মাত্রায় আনা।
- আর্দ্রতার মাত্রা ১২- ১৩% হলে ভালো হয়।
- বাংলাদেশে বীজ শুকানো হয় রোদে বা সূর্যতাপে।
- এই আর্দ্রতা ১২-১৩ শতাংশ নামাতে বীজগুলোকে প্রায় তিনদিন প্রখর রোদে শুকাতে হয়।
- ঠিকমতো শুকিয়েছে কিনা তা বীজে কামড় দিয়ে পরখ করতে হবে।
- বীজে কামড় দেওয়ার পর যদি 'কট' করে আওয়াজ হয় তবে মনে করতে হবে বীজ ভালোমতো শুকিয়েছে।
- অতঃপর বীজগুলোকে চটের বস্তায় নিয়ে গোলা ঘরে রাখা হয়।
- বীজ পোকার উপদ্রব থেকে রক্ষার জন্য বীজের বস্তায় নিমের পাতা, নিমের শিকড়, আপেল বীজের গুঁড়া, বিশকাটালি ইত্যাদি মেশানো হয়।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি, NCTB বোর্ড বই। 
১৪৬.
জৈব পদার্থ স্তরে স্তরে সাজিয়ে অণুজীবের সাহায্যে পচিয়ে কোন সার তৈরি করা হয়?
  1. সবুজ সার
  2. কম্পোস্ট সার
  3. কেঁচো সার
  4. খৈল
সঠিক উত্তর:
কম্পোস্ট সার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কম্পোস্ট সার
ব্যাখ্যা
কম্পোস্ট তৈরি:
- গবাদিপশুর মলমূত্র, খাবারের উচ্ছিষ্ট, খড়কুটা, বিভিন্ন প্রকার কৃষিবর্জ্য, আগাছা, কচুরিপানা প্রভৃতি খামার প্রাঙ্গণে স্তরে স্তরে সাজিয়ে অণুজীবের সাহায্যে পচিয়ে যে সার তৈরি করা হয়, তাকে কম্পোস্ট সার বলা হয়। 
- অনেকগুলো জিনিস একত্রে পচিয়ে বা কখনো কখনো একটিমাত্র উপাদান দ্বারাও কম্পোস্ট তৈরি করা যায়।
- দুটি পদ্ধতিতে কম্পোস্ট তৈরি করা যায়। যথা- স্তূপ পদ্ধতি ও পরিখা পদ্ধতি।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, সপ্তম শ্রেণি, বোর্ড  বই।
১৪৭.
গোলআলু চাষের জন্য উপযুক্ত কোন মাটি?
  1. দোআঁশ মাটি
  2. বেলে মাটি
  3. এটেল মাটি
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বেলে মাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেলে মাটি
ব্যাখ্যা
• বালু কণা (Sand particles):
- বালু কণায় সাধারণতঃ নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্যসমূহ পরিলক্ষিত হয়:
১। বালুকণা স্বল্প ক্ষয়ীভূত শিলাদ্রব্যের ক্ষুদ্রাকার চূর্ণ এবং ইহাতে উদ্ভিদের জন্য অত্যাবশকীয় খাদ্যোপাদান থাকে না বললেই চলে।
২। কণাগুলো সহজে একটা আর একটার সাথে লেগে থাকে না।
৩। এদের দ্বারা গঠিত রন্ধগুলো বড় হওয়ায় বায়ু ও পানি সহজেই চলাচল করতে পারে।
৪। ইহাদের জৈব ও অজৈব পদার্থের ধারন ক্ষমতা কম।
৫। এরা ভূমিক্ষয় ত্বরান্বিত করে এবং মরুভূমি গঠনে সহায়তা করে।
৬। যে সমস্ত ফসল ভূনিম্নস্থ কান্ড বা শিকড়ের জন্য চাষ করা হয় বা গভীরমূলী, সেগুলো বেলে মাটিতে ভাল হয়। যেমন: গোলআলু, মিষ্টি আলু প্রভৃতি।
৭। এদের পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল খুবই কম।
৮। এদের ক্যাটায়ন বিনিময় ক্ষমতা (CEC) ০-৫ m.e./১০০ গ্রাম মাটি।
৯। এদের কণার ব্যাস ২.০০-০.০২ মিলিমিটার।

উৎস: মৃত্তিকা বিজ্ঞান, কৃষি ও পল্লী উন্নয়ন স্কুল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪৮.
উদ্ভিদের কার্ডিনাল তাপমাত্রা বলতে নিচের কোনটিকে বোঝায়?
  1. সর্বনিম্ন তাপমাত্রা
  2. সর্বোত্তম তাপমাত্রা
  3. সর্বোচ্চ তাপমাত্রা
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
তাপমাত্রা:
- বেঁচে থাকার জন্য সকল উদ্ভিদে একটি সর্বনিম্ন, সর্বোত্তম এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রয়েছে, একে কার্ডিনাল তাপমাত্রা বলে।
- কার্ডিনাল তাপমাত্রা উদ্ভিদের প্রজাতি ও জাত ভেদে ভিন্ন ভিন্ন হয়।
- কোনো স্থানের ফসলের বিস্তৃতি কার্ডিনাল তাপমাত্রা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- তাপমাত্রার চাহিদা অনুযায়ী আবাদযোগ্য ফসলকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়; যথা- ঠান্ডা ঋতুর ফসল ও উষ্ণ ঋতুর ফসল।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, সপ্তম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৪৯.
পুকুরের পানি বেশি সবুজ হলে কি দেওয়া বন্ধ করতে হবে?
  1. চুন
  2. সার
  3. ভুষি
  4. ফিস মিল
সঠিক উত্তর:
সার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সার
ব্যাখ্যা
মাছ চাষের ব্যবস্থাপনা:
- পুকুরের তলদেশে কাদা থাকলে ক্ষতিকর গ্যাস জমে থাকতে পারে।
- দড়ির সাথে লোহা বা মাটির কাঠি কিংবা ইট বেঁধে হররা তৈরি করে পুকুরের তল ঘেষে আস্তে আস্তে টেনে তলার গ্যাস বের করে দিতে হবে।
- প্রতি মাসে একবার কিছু মাছ ধরে মাছের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে হবে।
- নিয়মিত খাদ্য সরবরাহ করতে হবে।
- পুকুরের পানি কমে গেলে পানি সরবরাহ করতে হবে।
- পানি বেশি সবুজ হয়ে গেলে সার প্রয়োগ বন্ধ রাখতে হবে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫০.
বন্যার সময় পানির উচ্চতার উপর ভিত্তি করে বন্যাপ্রবণ জমিকে কয় ভাগে ভাগ করা হয়?
  1. ২ ভাগে
  2. ৩ ভাগে
  3. ৪ ভাগে
  4. ৫ ভাগে
সঠিক উত্তর:
৪ ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ ভাগে
ব্যাখ্যা
- বন্যার সময় পানির উচ্চতার উপর ভিত্তি করে বন্যাপ্রবণ জমিকে ৪ ভাগে ভাগ করা হয়: 
১. মধ্যম উঁচু জমি: বন্যার সময় পানির উচ্চতা সর্বোচ্চ ০.৯০ মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
২. মধ্যম নিচু জমি: বন্যার সময় পানির উচ্চতা সর্বোচ্চ ১.৮০ মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
৩. নিচু জমি: বন্যার সময় পানির উচ্চতা সর্বোচ্চ ৩.০০ মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
৪. অতি নিচু জমি: বন্যার সময় পানির উচ্চতা ৩.০০ মিটারের বেশি হয়ে থাকে।
- এসব বন্যাপ্রবণ জমিতে মৌসুম ও এলাকাভেদে বোনা আমন, গভীর পানির আমন, রোপা আমন, বোনা আউশ, রোপা আউশ, বোরো ধান চাষ করা হয়ে থাকে।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৫১.
মাছের সম্পূরক খাদ্যের প্রাণিজাত উৎস কোনটি?
  1. স্রিম্প মিল
  2. বোন মিল
  3. ব্লাড মিল
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
মাছের সম্পূরক খাদ্যের উৎস: 
- মাছের সম্পূরক খাদ্য তৈরির জন্য বিভিন্ন ধরনের খাদ্য উপাদান ব্যবহার করা হয়।
- উৎসের উপর ভিত্তি করে এসব উপাদানকে দু'ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-
ক) উদ্ভিদজাত ও
খ) প্রাণিজাত।

ক) উদ্ভিদজাত: উদ্ভিদজাত খাদ্য উপাদানের মধ্যে কিছু উল্লেখযোগ্য উপাদান হচ্ছে- চালের কুঁড়া, গম ও ডালের মিহিভুসি, সরিষার খৈল, তিলের খৈল, আটা, চিটাগুড়, খুদিপানা, রান্না ঘরের উচ্ছিষ্ট, বিভিন্ন নরম পাতা যেমন- মিষ্টিকুমড়া, কলাপাতা, বাঁধাকপি ইত্যাদি।

খ) প্রাণিজাত: প্রাণিজাত কয়েকটি খাদ্য উপাদান হচ্ছে শুটকি মাছের গুঁড়া বা ফিশমিল, রেশম কীট মিল, চিংড়ির গুঁড়া (স্রিম্প মিল), কাঁকড়ার গুঁড়া, হাড়ের চূর্ণ (বোন মিল), শামুকের মাংস, গবাদি পশুর রক্ত (ব্লাড মিল) ইত্যাদি।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
১৫২.
কোন ফসল দ্বারা সবুজ সার তৈরি করা যায়?
  1. ধইঞ্চা
  2. নেপিয়ার
  3. গম
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ধইঞ্চা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধইঞ্চা
ব্যাখ্যা
সবুজ সার তৈরি:
- জমিতে যেকোনো সবুজ উদ্ভিদ জন্মিয়ে কচি অবস্থায় চাষ করে মাটিতে মিশিয়ে যে সার প্রস্তুত করা হয় তাকে সবুজ সার বলে।
- ধইঞ্চা, গোমটর, বরবটি, শন, কলাই এসব ফসল দ্বারা এ সার তৈরি করা যায়।
১. প্রথমে এসব ফসলের যেকোনো একটি জমিতে চাষ করতে হবে। ফুল আসার আগে তা মই দিয়ে মাটির সাথে মেশাতে হবে।
২. তারপর আরও ৩-৪ বার চাষ ও মই দিয়ে মাটি ওলটপালট করে মাটির সাথে ভালোভাবে মেশালে ২ সপ্তাহের মধ্যে সম্পূর্ণ পচে যায়।
৩. সবুজ সার যেখানে তৈরি হয় সেখানেই ব্যবহৃত হয়।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, সপ্তম শ্রেণি, বোর্ড  বই।
১৫৩.
মরিচ কোন ধরনের ফসল?
  1. দানা জাতীয়
  2. মসলা জাতীয়
  3. ডাল জাতীয়
  4. পানীয় জাতীয়
সঠিক উত্তর:
মসলা জাতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মসলা জাতীয়
ব্যাখ্যা
মরিচ:
- বাংলাদেশে মরিচ একটি মসলা ফসল।
- ঝালের জন্য কাঁচা ও পাকা মরিচ ব্যবহার করা হয়।
- কাঁচা মরিচে ভিটামিন 'সি' বেশি থাকে।
- বর্তমানে ঝালহীন এক ধরনের মরিচও পাওয়া যায়। একে কেপসিকাম মরিচ বলে। এই মরিচ সালাদ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় মরিচের অনেক জাত ছড়িয়ে রয়েছে।
- যেমন: বিন্দু, চল্লিশা, ধানী, উবদা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, বগুড়া ইত্যাদি।
- এ ছাড়া বাংলা লঙ্কা (বারি মরিচ-১) নামের অনুমোদিত জাতটি সারা বছর চাষের উপযোগী।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৫৪.
অনুপমা কোন ফসলের জাত?
  1. টমেটো
  2. আলু
  3. বেগুন
  4. ফুলকপি
সঠিক উত্তর:
টমেটো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টমেটো
ব্যাখ্যা
টমেটোর জাত:
- বাংলাদেশে টমেটোর অনেক অনুমোদিত জাত রয়েছে।
- শীতকালীন জাতের মধ্যে রয়েছে বারি টমেটো-২ (রতন), বারি টমেটো-৯ (লালিমা), বারি টমেটো-১০ (অনুপমা), বিনা টমেটো-৩ এবং বিদেশ থেকে আমদানি করা জাত মারগ্লোব, রুমা ভিএফ, অক্সহার্ট ইত্যাদি।
- গ্রীষ্মকালীন জাতের মধ্যে রয়েছে-বারি টমেটো-৪, বারি টমেটো-৫, বারি টমেটো-৯ (লালিমা), বারি টমেটো-১০ (অনুপমা), বারি টমেটো-১১ (ঝুমকা), বারি হাইব্রিড টমেটো-৩, বারি হাইব্রিড টমেটো-৪ ইত্যাদি।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণি, বোর্ড  বই।
১৫৫.
প্রত্যায়িত বীজের ট্যাগের কালার কোনটি?
  1. সবুজ
  2. সাদা
  3. হলুদ
  4. নীল
সঠিক উত্তর:
নীল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীল
ব্যাখ্যা
প্রত্যায়িত বীজ (Certified Seed):
- ভিত্তি বীজ থেকে প্রত্যায়িত বীজ উৎপাদন করা হয়।
- যাতে বংশগত ও বাহ্যিক বিশুদ্ধতা নির্ধারিত মানে থাকে।
- বীজের গুণাবলী সংরক্ষণের জন্য প্রত্যয়ন একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থা।
- বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী এই অনুমোদনের কাজটি করে থাকে।
- এ বীজের ট্যাগের কালার নীল হয়।

এছাড়া, 
- মৌল বা প্রজনন বীজ (Breeder Seed): ট্যাগের কালার সবুজ হয়।
- ভিত্তি বীজ (Foundation seed): ট্যাগের কালার সাদা হয়।
- মানঘোষিত বীজ (Truthfully labeled seed: TLS): ট্যাগের কালার হলুদ হয়।

উৎস: বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী।
১৫৬.
কমলা চাষের জন্য কী ধরণের মাটি উপযোগী?
  1. ক্ষারীয়
  2. লবণাক্ত
  3. অম্লীয়
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অম্লীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অম্লীয়
ব্যাখ্যা
কমলার চাষের উপযোগী জলবায়ু ও মাটি:
- কমলা যেসব অঞ্চলে বৃষ্টিপাত ভালো হয় সেখানেই ভালো জন্মে।
- কমলা গাছ ৫৫° ফারেনহাইট থেকে ১০০° ফারেনহাইট তাপমাত্রায় জন্মে।
- সুনিষ্কাশিত দোআঁশ, বেলে দোআঁশ, পাহাড়ী মাটি কমলা চাষ করা হয়।
- বিশেষ করে উর্বর পার্বত্য এলাকায় এর চাষ ভালো হয়।
- কমলা জলাবদ্ধতা সহ্য করতে পারে না।
- বৃষ্টিপাত হলে পোকার আক্রমণ বেড়ে যায় এবং ফলের ক্ষতি হয়।
- অম্লীয় মাটিতে কমলা ভালো হয়।

উৎস: কৃষি শিক্ষা প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫৭.
দোঁআশ মাটিতে বালি, পলি ও কর্দম কণার অনুপাত কত?
  1. ৩০:৬০:১০
  2. ৪০:২০:৪০
  3. ৪০:৪০:২০
  4. ৩৫:২৫:৪০
সঠিক উত্তর:
৪০:৪০:২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০:৪০:২০
ব্যাখ্যা
মাটির বুনট:
- মৃত্তিকার একটি মৌলিক ও স্থায়ী ধরনের ধর্ম হচ্ছে বুনট।
- মৃত্তিকায় বালি, পলি ও কর্দম এই তিন ধরনের কণা থাকে।
- বালি, পলি ও কর্দম কণার তুলনামূলক পরিমাণকে মাটির বুনট বলে।
- এটি একটি মৃত্তিকার প্রধান ভৌত ধর্ম।
- বুনটের উপর মৃত্তিকার অনেক ভৌত গুণাবলী নির্ভর করে।
- মৃত্তিকায় বালি, পলি ও কর্দম কণার পারস্পারিক অনুপাত বা শতকরা হার হলো মাটির বুনট।

⇒ মাটির উপযুক্ত ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনার জন্য বুনট সম্পর্কে পরিস্কার ধারণা থাকা প্রয়োজন। যেমন, যে মাটি অধিক পলিকণা ধরে রাখে তা শস্য চাষের জন্য উত্তম কারণ পলিমাটি সহজলভ্য পানি ও পুষ্টি উপাদান ধারনের জন্য উপযুক্ত। সুতরাং সেচ পানি নিস্কাশন, শস্য নির্বাচন ইত্যাদি শস্য উৎপাদনে ব্যবহৃত ব্যবস্থাপনা মৃত্তিকার বুনটের উপর নির্ভর করে।

• দোআঁশ মাটি:
- এ ধরনের মাটিতে বালি, পলি ও কর্দম কণার অনুপাত যথাক্রমে ৪০:৪০:২০।
- পানি পরিশোষণ ও ধারণ ক্ষমতা কৃষি কাজের জন্য বিশেষ উপযোগী বলে দোয়াশ মাটি চাষাবাদের জন্য আদর্শ মাটি বলে বিবেচিত।
- প্রায় সব ধরনের ফসলই এ মাটিতে ফলে।
- এ ধরনের জমিতে প্রয়োজন অনুযায়ী মাঝে মাঝে সেচ প্রদান করতে হয়।

⇒ দোআঁশ মাটি বৈশিষ্ট্য:
- দোআঁশ মাটিতে বালি, পলি ও কাদা সম পরিমানে থাকে।
- এ মাটির পানি ধারন ক্ষমতা মাঝারী।
- চাষ ব্যবস্থাপনায় পুকুর তৈরির জন্য দোঁআশ মাটি সবচেয়ে ভাল।
- চাষাবাদের জন্য দোআঁশ মাটি উপযুক্ত। এ মাটিতে ধান, পাট, গম, পিয়াজ, মরিচ, ভূট্টা, আলু, শাকসবজি ইত্যাদি ভাল জন্মে।

উৎস: i) কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) NATP-2 ওয়েবসাইট।
১৫৮.
স্টেম কাটিং এ শিকড় গজানোর জন্য কোন হরমোন ব্যবহার করা হয়?
  1. অক্সিন
  2. সাইটোকাইনিন
  3. জিবেরেলিন
  4. এবসিসিক এসিড
সঠিক উত্তর:
অক্সিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্সিন
ব্যাখ্যা
অক্সিন:
- এপিক্যাল ডমিনেন্স সৃষ্টি করে।
- রুটের বৃদ্ধি ও ডেভেলপমেন্ট ঘটায়।
- স্টেম কাটিং এ শিকড় গজানোর জন্য অক্সিন হরমোন ব্যবহার করা হয়।


উৎস: i) Plant Cell Technology
ii) The effects of exogenous hormones on rooting process and the activities of key enzymes of Malus hupehensis stem cuttings, Journal Plos One.
১৫৯.
ধান ক্ষেতে মাছ চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী মাছ কোনটি?
  1. সরপুটি
  2. রুই
  3. গ্রাস কার্প
  4. মাগুর
সঠিক উত্তর:
সরপুটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরপুটি
ব্যাখ্যা
ধান ক্ষেতে মাছ চাষের জন্য উপযোগী মাছ:
- ধান ক্ষেতে মাছ চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী হলো সর পুঁটি, কমনকার্প মাছ।
- ধান ক্ষেতে এসব জাতের মাছের একক বা মিশ্র চাষ করা যায়।
- একক চাষের ক্ষেত্রে প্রতি শতকের জমিতে উল্লিখিত জাতের মাছগুলোর মজুদ ঘনত্ব হলো সরপুটি ২০-২৫ টি এবং কমন কার্প ১০-১৫ টি।
- মিশ্র চাষের ক্ষেত্রে প্রতি শতকের জমিতে উল্লিখিত জাতের মাছগুলোর মজুদ হলো সরপুটি ১২টি+কমন কার্প ৮টি = মোট ২০টি।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬০.
নিচের কোনটি কাঁচা ঘাস সংরক্ষণ পদ্ধতি?
  1. খড়
  2. হে
  3. প্যালেট
  4. সাইলেজ
সঠিক উত্তর:
সাইলেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাইলেজ
ব্যাখ্যা
কাঁচা ঘাস সংরক্ষণ:
- শুকনা মৌসুমে গো-খাদ্যের অভাব ঘটে।
- তাই বর্ষাকালে যখন ঘাস প্রচুর জন্মে, তখনই শুকনা মৌসুমের জন্য গো-খাদ্যের ব্যবস্থা করতে হয়।
- এ জন্য কাঁচা ঘাস সংরক্ষণ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- কাঁচা ঘাস সংরক্ষণ পদ্ধতিকে সাইলেজ বলা হয়।
- এতে ঘাসের পুষ্টিমানের কোনো পরিবর্তন হয় না।
- যে নির্দিষ্ট স্থানে বা গর্তে ঘাস সংরক্ষণ করা হয়, তাকে বলা হয় সাইলোপিট।
- সাইলোপিটে বায়ুরোধক অবস্থা তৈরি করতে হয়।
- বায়ুরোধক অবস্থায় ঘাসে ল্যাকটিক এসিড তৈরি হয়।
- এই ল্যাকটিক এসিড কাঁচা ঘাস সংরক্ষণে কাজ করে।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৬১.
বাংলদেশের জন্য শৈত্য সহিষ্ণু ফসলের জাত কোনটি?
  1. ব্রি ধান ৫৫
  2. ব্রি ধান ২৮
  3. ব্রি ধান ৩৬
  4. ক + গ
সঠিক উত্তর:
ক + গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক + গ
ব্যাখ্যা
শৈত্য সহিষ্ণু ফসল:
- বাংলাদেশে নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত শীতকাল।
শীতকালে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা জানুয়ারি মাসে হয়ে থাকে। শীতকালে সর্বোচ্চ গড় তাপমাত্রা ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন গড় তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়ে থাকে।
আমাদের দেশে শৈত্য বেশি পড়লে এবং শৈত্যতা দীর্ঘস্থায়ী হলে শীতকালীন ফসল, যেমন-গোলআলু ও গমের ফলন ভালো হয়।
তবে রোপা আমন ও বোরো ধানের পরাগায়ণ ও দানা গঠনের সময় শৈত্য বেশি পড়লে অর্থাৎ তাপমাত্রা কমে গেলে চিটা হয়ে ফলন কমে যায়।
এ সময় তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে গেলে এবং কয়েকদিন এ অবস্থা স্থায়ী হলে ফলন ব্যাপকভাবে হ্রাস পায়।
এ জন্য সঠিক সময়ে বীজ বপন ও চারা রোপণ করতে হবে।
ব্রি ধান ৩৬ ও ব্রি ধান ৫৫ এ দু'টি শৈত্য সহিষ্ণু ধানের জাত।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, নবম- দশম শ্রেণি।
১৬২.
কোন গাছকে বাংলাদেশের জাতীয় বৃক্ষ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়?
  1. আম গাছ
  2. মেহগনি গাছ
  3. কাঁঠাল গাছ
  4. আকাশমণি গাছ
সঠিক উত্তর:
আম গাছ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আম গাছ
ব্যাখ্যা
আম: 
- আমের বৈজ্ঞানিক নাম Mangifera indica, পরিবার Anacardiaceae।
- আমের বিভন্ন জাত আছে যেমন ফজলি, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, খিরসা, আম্রপালি, হাড়িভাঙ্গা ইত্যাদি।
- বাংলাদেশের রাজশাহী ও চাপাইনবাবগঞ্জে আম চাষ বেশি পরিমাণে হয়ে থাকে।
- ২০১০ সালের ১৫ নভেম্বর আম গাছকে বাংলাদেশের জাতীয় বৃক্ষ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়।
- পৃথিবীতে আমের অন্যতম আদি ভূমি বাংলাদেশ।
- আম্রপালি আমের সবচেয়ে জনপ্রিয় উদ্ভাবিত জাত।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬৩.
নিমবিসিডিন নামক জৈব বালাইনাশক কী থেকে তৈরি হয়?
  1. অ্যালামন্ডা
  2. রসুন
  3. নিম
  4. তামাক
সঠিক উত্তর:
নিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিম
ব্যাখ্যা
জৈব বালাইনাশক: 
১. অ্যালামন্ডা গাছের নির্যাস ছত্রাকনাশক হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
২. রসুনের নির্যাস ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়ানাশক হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
৩. নিমের নির্যাস (বাকল, পাতা, ফুল ও ফল) জীবাণুনাশক হিসেবে ব্যবহার করা যায়। শুকনা নিমপাতার গুঁড়া বীজ ফসল/গুদামজাত শস্যের সাথে মিশ্রিত করে কীটপতঙ্গের আক্রমণ থেকে রেহাই পাওয়া যায়। নিমের তেল ও খৈল ফসলের মূলের কৃমিনাশক। যেমন: নিমবিসিডিন।
৪. তামাক পাতার নির্যাস 'নিকোটিন সালফেট' ব্যবহার করে ফসলের কান্ড বা পাতায় কীটপতঙ্গের আক্রমণ রোধ করা যায়।
৫. মুরগির পচনকৃত বিষ্ঠা ও সরিষার খৈল ব্যবহারের মাধ্যমে বিভিন্ন সবজি ফসলের মাটিবাহিত রোগ দমন করা যায়।
৬. সুগারবিটের শিকড় থেকে আহরিত লাইমো ব্যাকটেরিয়া প্রজাতি উদ্ভিদের মাটিবাহিত 'ড্যাম্পিং অফ' রোগ দমনে একটি কার্যকরি ব্যাকটেরিয়াম। এটি পোষক উদ্ভিদ, যেমন- পালংশাক ও সুগারবিটের শিকড়াঞ্চলে যুক্ত হয়ে কলোনি তৈরি করে এবং জীবাণুনাশক এন্টিবায়োটিক নিঃসরণের মাধ্যমে উদ্ভিদ রোগ দমন করে থাকে।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, সপ্তম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৬৪.
ফসলের সাথে গাছের সমন্বিত চাষ পদ্ধতিকে কী বলা হয়?
  1. সিলভিপ্যাসচার
  2. এগ্রোসিলভিপ্যাসচার
  3. এগ্রোসিলভিকালচার
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
এগ্রোসিলভিকালচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এগ্রোসিলভিকালচার
ব্যাখ্যা
সিলভিপ্যাসচার:
- একই জমিতে গবাদি পশু এবং চারণভূমির সাথে গাছকে একত্রিত করে।
- গাছগুলি কাঠ, ফল, পশুখাদ্য এবং সেইসাথে গবাদি পশুর জন্য ছায়া এবং আশ্রয় দিতে পারে।
- গ্রীষ্মের গরম রোদ, শীতের ঠান্ডা বাতাস বা বৃষ্টিপাত থেকে প্রাণীদের কিছুটা রক্ষা করতে পারে।

এগ্রিসিলভিকালচার:
- একই জমিতে ফসলের সাথে গাছের সমন্বিত চাষ পদ্ধতি।
- যেমন: গাছের সাথে কৃষি ফসলের চাষ। 

উৎস: USDA Website
১৬৫.
বিজয়, প্রদীপ ও সুফী কোন ফসলের খরা সহনশীল জাত?
  1. গম
  2. ভূট্টা
  3. ধান
  4. আলু
সঠিক উত্তর:
গম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গম
ব্যাখ্যা
খরা সহনশীল জাত: 
- বিজয়, প্রদীপ ও সুফী হলো গমের তিনটি খরা সহনশীল জাত।

- খরাপ্রবণ এলাকায় আগাম জাতের আমন চাষ করে ফসল কাটার পর জমিতে রস থাকতেই ছোলা, মসুর, খেসারি, সরিষা, তিল ইত্যাদি খরা সহনশীল ফসল চাষ করে একটি অতিরিক্ত ফসল তোলা যাবে।
- কুল গাছ খরা সহনশীল বলে এসব অঞ্চলে কুল বাগানও করা যেতে পারে।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৬৬.
বাংলাদেশের বনাঞ্চলের মধ্যে কোন বনের পরিমাণ সর্বাপেক্ষা বেশি?
  1. পাহাড়ি বন
  2. ম্যানগ্রোভ বন
  3. গজারি বন
  4. শাল বন
সঠিক উত্তর:
পাহাড়ি বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাহাড়ি বন
ব্যাখ্যা
পাহাড়ি বন: 
- বাংলাদেশের বনাঞ্চলের মধ্যে পাহাড়ি বনের পরিমাণ সর্বাপেক্ষা বেশি
- বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে এ বন অবস্থিত। সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলার প্রাকৃতিক বন পাহাড়ি বন বলে পরিচিত।
- এসব পাহাড়ি বনে গর্জন, চাপালিশ, তেলসুর, শিলকড়ই, গামার প্রভৃতি বৃক্ষ জন্মে।
- এসব মূল্যবান বৃক্ষ থেকে উন্নতমানের কাঠ পাওয়া যায়। পাহাড়ি বনে বহু রকমের বাঁশও জন্মায়।
- এই বনে হাতি, বানর, শূকর, ভালুক, বনমুরগি, হনুমান, অজগর, প্রভৃতি বন্য প্রাণী বাস করে। 

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৬৭.
কিউরিং এর উদ্দেশ্য কি?
  1. মাটির তাপ দূরীকরণ
  2. বীজ বাছাইকরণ
  3. ক্ষতস্থান শুকানো
  4. জীবানুমুক্তকরণ
সঠিক উত্তর:
ক্ষতস্থান শুকানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতস্থান শুকানো
ব্যাখ্যা
কিউরিং:
- খাদ্যদ্রব্যকে খাবার লবণ বা এর নির্দিষ্টি ঘনমাত্রার দ্রবণ দ্বারা সংরক্ষণের প্রক্রিয়াকে কিউরিং বলা হয়।
- কিউরিং এর উদ্দেশ্য ক্ষতস্থান শুকানো।

⇒ ফেটে যাওয়া বা আঘাতপ্রাপ্ত কন্দজাতীয় মশলা ও সবজির ক্ষত স্থান শুকিয়ে রোগমুক্ত করাকে কিউরিং বলে।
- শাকসবজি জমি থেকে সংগ্রহ করার সময় কমবেশি আঘাতপ্রাপ্ত হয়।
- এসব ক্ষতস্থান থেকে পানি বেরিয়ে বা জীবাণু প্রবেশ করে শাকসবজি পচে যেতে পারে।
- তাই ফসল সংগ্রহের পর বাতাস চলাচল করতে পারে (আপেক্ষিক আর্দ্রতা - ৮৫%) এমন স্থানে ২০° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় দু-তিন দিন রেখে কিউরিং করলে শাকসবজির ক্ষতস্থান সেরে উঠে এবং সংরক্ষণকাল বেড়ে যায়।

উৎস: i) কর্মমুখী রসায়ন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.
১৬৮.
মালচিং করার জন্য ব্যবহার করা যায় কোনটি?
  1. শুকনা খড়
  2. কচুরিপানা
  3. কালো পলিথিন
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
মালচিং: 
- শুকনা খড়, লতাপাতা, কচুরিপানা দিয়ে বীজ বা চারা রোপণের পর মাটি ঢেকে দিলে রস সংরক্ষিত থাকে।
- কারণ সূর্যের তাপে পানি বাষ্পে পরিণত হতে পারে না।
- অনেক দেশে কালো পলিথিনও ব্যবহার করা হয়।
- এতে আগাছার উপদ্রবও কম হয়।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৬৯.
কোন রোগে আক্রান্ত হলে কুলের পাতায় ধুসর সাদা পাউডারের মত দেখা যায়?
  1. ফলের পচন
  2. এনথ্রাকনোজ
  3. পাউডারী মিলডিউ
  4. ডাইব্যাক
সঠিক উত্তর:
পাউডারী মিলডিউ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাউডারী মিলডিউ
ব্যাখ্যা
কুলের পাউডারী মিলডিউ রোগ:
- এ রোগে গাছের পাতা, ফুল ও কচি ফল আক্রান্ত হয়।
- আক্রান্ত ফুল ও ফল ঝরে পড়ে।
- পাতা, ফুল ও ফলের উপরে সাদা ধুসর পাউডার দেখা যায় এবং পাতা নষ্ট হয়।
- বোর্দো মিশ্রণ প্রয়োগ করলে এ রোগ দমন করা যায়।

উৎস: কৃষি শিক্ষা প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭০.
জাতীয় কৃষি গবেষণা সিস্টেম (NARS) এর সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. BARI
  2. BRRI
  3. BARC
  4. BADC
সঠিক উত্তর:
BARC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BARC
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (BARC):
- কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল জাতীয় কৃষি গবেষণা সিস্টেম (NARS) এর সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান।
- পরিকল্পনা ও সম্পদের সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে জাতীয় কৃষি গবেষণা সক্ষমতা জোরদারকরণ বিএআরসির দায়িত্ব যা একই ছাতার নীচে দেশের সমগ্র কৃষি গবেষণা প্রয়াস সমন্বয় সাধন করে।
- এতে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় যেমন: কৃষি, বন ও পরিবেশ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, পল্লী উন্নয়ন, শিক্ষা, শিল্প, বানিজ্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ইত্যাদির সমন্বিত কার্যক্রম যুক্ত হয়েছে।
- "বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল, ২০১২" আইনের আওতায় একটি শক্তিশালী গভর্ণিং বডির নির্দেশনায় NARS-এর নীতি নির্ধারণী কর্মকান্ড পরিচালিত হয়।
মাননীয় কৃষি মন্ত্রী উক্ত গভর্ণিং বডির চেয়ারম্যান। 
- বিএআরসি-র দায়িত্ব হচ্ছে গবেষণা সমন্বয় এবং আন্তঃপ্রতিষ্ঠান সংযোগ জোরদারকরণ, নার্স ইনস্টিটিউটসমূহের গবেষণা কার্যক্রম পরিবীক্ষণ ও পর্যালোচনা, প্রতিষ্ঠানসমূহের গবেষণা সক্ষমতা জোরদারকরণে সহায়তা করা, সিস্টেমভূক্ত পরিচালন নীতিমালা এবং মান সম্পন্ন ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি প্রবর্তন এবং ইনস্টিটিউটসমূহের সন্তোষজনক পরিচালনা নিশ্চিত করা।

উৎস: BARC ওয়েবসাইট। 
১৭১.
আমাদের প্রধান আঁশ ফসল কোনটি?
  1. সরিষা
  2. পাট
  3. তামাক
  4. ক ও খ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
পাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাট
ব্যাখ্যা
বস্ত্র:
- বস্ত্র উৎপাদনের প্রধান কাঁচামাল আঁশ ফসল।
- তুলা ও পাট আমাদের প্রধান আঁশ ফসল।
- পশুর চামড়া ও পশম দিয়েও বস্ত্র তৈরি হয়।
- আঁশ ফসল উৎপাদনে কৃষি ও কৃষকের বড় ভূমিকা রয়েছে।
- পরিবেশবান্ধব ও স্বাস্থ্য রক্ষায় উপযোগী বলে বিশ্বব্যাপী আঁশ ফসলের উপর মানুষ নির্ভরশীল হচ্ছে।
- আমাদের দেশেও তুলা উৎপাদন এলাকা প্রতিবছর বেড়ে চলেছে।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, সপ্তম শ্রেণি, বোর্ড  বই।
১৭২.
জোড় কলমের কয়টি অংশ থাকে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
জোড় কলম:
- জোড় কলমের দুটি অংশ (১) রুট স্টক ও (২) সায়ন।
- অনুন্নত যে গাছের সঙ্গে জোড়া লাগানো হবে সে গাছটিকে রুট স্টক বলে।
- উন্নত জাতের গাছের যে অঙ্গ স্টকের সঙ্গে লাগানো হবে তাকে বলা হয় সায়ন। রুট স্টক ও সায়নের জোড়া লাগানো পদ্ধতিকে জোড় কলম বলে।
- জোড়কলম প্রধানত দু'ধরনের হয়। যেমন-যুক্ত জোড় কলম ও বিযুক্ত জোড় কলম।
 জোড় কলমের মাধ্যমে বর্তমানে আম, তেজপাতা, সফেদা প্রভৃতি গাছের বংশবিস্তার করা হচ্ছে।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, সপ্তম শ্রেণি, বোর্ড  বই।
১৭৩.
নিচের কোনটি বৃষ্টিপাতজনিত ভূমিক্ষয় নয়?
  1. আস্তরণ ভূমিক্ষয়
  2. রিল ভূমিক্ষয়
  3. গালি ভূমিক্ষয়
  4. বাত্যাজনিত ভূমিক্ষয়
সঠিক উত্তর:
বাত্যাজনিত ভূমিক্ষয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাত্যাজনিত ভূমিক্ষয়
ব্যাখ্যা
প্রাকৃতিক ভূমিক্ষয়ের শ্রেণিবিভাগ: 
ভূমিক্ষয়কে প্রধানত দুই শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়। যথা:
ক. বৃষ্টিপাতজনিত ভূমিক্ষয় এবং
খ. বায়ুপ্রবাহজনিত ভূমিক্ষয়।

ক. বৃষ্টিপাতজনিত ভূমিক্ষয়: বৃষ্টিপাতের কারণে বাংলাদেশে ব্যাপক ভূমিক্ষয় হয়।
এই ভূমিক্ষয়কে নিচের চারটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়;
i) আস্তরণ ভূমিক্ষয়
ii) রিল ভূমিক্ষয়
iii) নালা বা গালি ভূমিক্ষয়
iv) নদী ভাঙন।

খ. বায়ুপ্রবাহজনিত ভূমিক্ষয়: গতিশীল বায়ুপ্রবাহ কর্তৃক এক স্থানের মাটি অন্যত্র বয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়াকে বাত্যাজনিত ভূমিক্ষয় বলে।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৭৪.
সম্প্রসারণ কার্যক্রমের উদ্দেশ্য কোনটি?
  1. স্থানীয় সম্পদ ব্যবহার করে কৃষি উৎপাদন বাড়ানো
  2. কৃষক পরিবারের সবার জন্য শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করা
  3. প্রশিক্ষণ ও সংগঠনের মাধ্যমে কৃষকদের সমবায়ী ও সাবলম্বী করা
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
সম্প্রসারণ কাজের উদ্দেশ্যকে প্রধানত ৩টি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
(১) মৌলিক উদ্দেশ্য
(২) সাধারণ উদ্দেশ্য
(৩) সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য

- সম্প্রসারণ কাজের তাৎপর্য যে বর্ণনার মধ্যে প্রকাশ পায় তাকে মৌলিক উদ্দেশ্য বলা হয়। যেমন- কৃষি ও কৃষকের সার্বিক উন্নয়ন সম্প্রসারণের একটি মৌলিক উদ্দেশ্য। এখানে নির্দিষ্ট কোন কিছু অর্জনের দিক নির্দেশনা নাই।

- যে সমস্ত বর্ণনা কোন কিছু অর্জন করার শুধুমাত্র দিক নির্দেশ করে সেগুলোকে সাধারণ উদ্দেশ্য বলে, যেমন- খাদ্যশস্য উৎপাদনের আধুনিক প্রযুক্তি শিক্ষা দেওয়া।

- যে সমস্ত বর্ণনায় একটি নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট সংখ্যক কৃষকের নির্ধারিত বিষয়ে পরিবর্তন আনা হবে বুঝায়, সেগুলোকে সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য বলা হয়, যেমন- আগামী শীত মৌসুমে বলরামপুর গ্রামের ৫০ জন গম চাষী আধুনিক পদ্ধতিতে গমের চাষাবাদ জ্ঞান ও দক্ষতা লাভ করত গম চাষ করে দেখাতে পারবেন।

আমাদের কৃষি সম্প্রসারণ কার্যক্রম জনগণের কল্যাণের জন্য নিচে বর্ণিত উদ্দেশ্যাবলী গ্রহণ করেছে:
১। কৃষকদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নের জন্য সদ্য উদ্ভাবিত প্রযুক্তি গ্রহণোপযোগী আকারে দ্রুত কৃষকের নিকট পৌঁছানো ও ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করা।
২। স্থানীয় সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার করে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি করা।
৩। স্থানীয় নেতৃবৃন্দের প্রশিক্ষণ ও সংগঠনের মাধ্যমে কৃষকদের সমবায়ী ও সাবলম্বী করে গড়ে তোলা।
8। কৃষক পরিবারের সকল সদস্যদের জন্য শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করা।
৫। পল্লী উন্নয়নের নিমিত্ত চাষী ও অন্যান্য সংগঠনের সাথে সংযোগকারী হিসেবে কাজ করা।
৬। বিভিন্ন দপ্তর, গবেষণাগার, সংগঠন হতে প্রাপ্ত তথ্য, প্রযুক্তি কৃষকের নিকট পৌঁছানো এবং কৃষকের নিকট হতে সংগৃহীত সমস্যা গবেষণাগারে প্রেরণের ব্যবস্থা করা। 

উৎস: কৃষি সম্প্রসারণ, BAged প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭৫.
অনিয়ন্ত্রিত এবং অতিরিক্ত আগাছানাশক প্রয়োগে কী হতে পারে?
  1. মাটি, পানি, গাছ এবং পরিবেশের ক্ষতি
  2. গাছ মারা যেতে পারে
  3. ধানের ইকোসিস্টেমের ক্ষতি
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
অনিয়ন্ত্রিত এবং অতিরিক্ত আগাছানাশক প্রয়োগে ক্ষতিকর প্রভাব: 
- অতিরিক্ত এবং অনিয়ন্ত্রিত আগাছানাশক মাটি, পানি, গাছ এবং পরিবেশের ক্ষতি করে
- আগাছানাশক সঠিক নিয়মে ব্যবহার না করলে গাছ মারা যেতে পারে এবং ধানের ইকোসিস্টেমের ক্ষতি করতে পারে
- সঠিক আগাছানাশকের ব্যবহার জমির উর্বরতা বা গাছের জন্য ক্ষতিকর নয়। তবে অনিয়ন্ত্রিত ও অতিরিক্ত আগাছানাশকের ব্যবহারে মাছের বংশ বিস্তার বা প্রজননে বাধাগ্রস্থ হতে পারে।

উৎস: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।
১৭৬.
সার্বিকভাবে জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান -
  1. ক্রমবর্ধমান
  2. বর্ধমান
  3. দ্রুত বর্ধমানশীল
  4. ক্রমহ্রাসমান
সঠিক উত্তর:
ক্রমহ্রাসমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রমহ্রাসমান
ব্যাখ্যা
- সার্বিকভাবে অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান – ক্রমহ্রাসমান।
- অন্যদিকে, শিল্পখাতের অবদান ক্রমবর্ধমান।
- জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত শিল্পখাত।
- অন্যদিকে, কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম।
- বর্তমানে জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ১১.০২% 

তথ্যসূত্র:- অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪
১৭৭.
কোন পোকা ধানের দুধ সৃষ্টির সময় আক্রমণ করে?
  1. মাজরা পোকা
  2. পামরি পোকা
  3. গান্ধি পোকা
  4. চুঙ্গী পোকা
সঠিক উত্তর:
গান্ধি পোকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গান্ধি পোকা
ব্যাখ্যা
ধানক্ষেতে পোকা দমন:
- ধানক্ষেতে অনেক পোকার উপদ্রব হয়।
- এদের আক্রমণে ধানের ফলন অনেক কমে যায়।
- সাধারণত ধান ফসলে মাজরা পোকা, পামরি পোকা, বাদামি গাছ ফড়িং, গান্ধি পোকা, গল মাছি, শীষকাটা লেদা পোকা প্রভৃতি দেখা যায়।

গান্ধি পোকা: 
১) গান্ধি পোকা ধানের দানায় দুধ সৃষ্টির সময় আক্রমণ করে।
২) বয়স্ক পোকার গা থেকে গন্ধ বের হয়।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৭৮.
কাঙ্ক্ষিত ফসলের বীজের সাথে অন্য ফসলের বীজ, আগাছার বীজ, কাঁকর জাতীয় পদার্থ প্রভৃতি মিশ্রিত না থাকাকে কী বলে?
  1. বীজ বিশুদ্ধতা
  2. জাত বিশুদ্ধতা
  3. বীজের তেজ
  4. উফশী বীজ
সঠিক উত্তর:
বীজ বিশুদ্ধতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বীজ বিশুদ্ধতা
ব্যাখ্যা
ভালো বীজের বৈশিষ্ট্য: 
১. বীজ বিশুদ্ধতা: কাঙ্ক্ষিত ফসলের বীজের সাথে যেন অন্য ফসলের বীজ, আগাছার বীজ, কাঁকর জাতীয় পদার্থ প্রভৃতি মিশ্রিত না থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এতে বীজের বিশুদ্ধতা বজায় থাকে না।
২. জাত বিশুদ্ধতা: কোনো বীজের নমুনায় একই ফসলের অন্য জাতের বীজ থাকলে বীজের বিশুদ্ধতা নষ্ট হয়। যেমন: নাইজারশাইল ধানের বীজের সাথে বিনাশাইল ধানের মিশ্রণ থাকলে জাত বিশুদ্ধতা থাকে না। নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে বীজ উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাত করলে জাত বিশুদ্ধতা বজায় থাকে।
৩. গজানোর ক্ষমতা: এ বিষয়টিকে বীজের অঙ্কুরোদগম ক্ষমতা বলে। কোনো বীজ নমুনায় কতোটি বীজ অঙ্কুরিত হবে সে হিসাব থেকেই বীজের ভালোমন্দ গুণ বিচার করা হয়। উত্তম বীজের অঙ্কুরোদগম ক্ষমতা ১০০% পর্যন্ত হতে পারে। কিন্তু সবসময় সব বীজ এ হারে গজায় না। কমপক্ষে ৮০% গজানোর হার সম্পন্ন বীজকে উত্তম বীজ বলা যায়।
8. বীজের জীবনীশক্তি তেজ: নমুনা বীজের চারা যদি সতেজ, সজীব ও স্বাস্থ্যবান হয় এবং প্রতিকূল অবস্থায় তাড়াতাড়ি বেড়ে উঠতে পারে, তবে সে বীজকে তেজস্বী বীজ বলা হয়।
৫. বীজের আর্দ্রতা: নমুনা বীজের মধ্যে শতকরা কতো ভাগ পানি আছে, তাই বীজের আর্দ্রতা। বীজের আর্দ্রতা বীজকে বাঁচিয়ে রাখে। যেমন: দানা শস্যের বীজের আর্দ্রতা ৮-১০% রাখা উত্তম।
৬. বীজের বর্ণ: প্রত্যেক জাতের বীজের স্বতন্ত্র রং থাকে। আর তাই ভালো বীজের ক্ষেত্রে স্বাভাবিক উজ্জ্বল রং থাকতে হবে। ভালো বীজ চেনার প্রথম লক্ষণই হচ্ছে বীজের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৭৯.
বাংলাদেশকে কয়টি 'কৃষি পরিবেশ অঞ্চল' এ ভাগ করা হয়েছে?
  1. ২৪
  2. ৩০
  3. ৬৪
  4. ৮৮
সঠিক উত্তর:
৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০
ব্যাখ্যা
• মাটি, পানি ও জলবায়ুর ভিত্তিতে কৃষি পরিবেশ অঞ্চল(AEZ):
- বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মাটি, পানি ও জলবায়ুর ভিন্নতা রয়েছে।
- এ ভিন্নতার কারণেই এক এক অঞ্চলে এক এক রকম ফসল ভালো জন্মে।
- মাটি, পানি ও জলবায়ুর ভিত্তিতে সমগ্র বাংলাদেশকে ৩০টি কৃষি পরিবেশ অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে
- এই ৩০টি AEZ কে ৮৮টি উপঅঞ্চল এবং উপঅঞ্চলগুলোকে আবার ৫৩৫টি কৃষি পরিবেশগত একক এলাকায় ভাগ করা হয়েছে।
- কৃষি পরিবেশগত অঞ্চলে একই পরিবেশে এবং মাটির বৈশিষ্ট্যে ফসল উৎপাদন হয়।
- এ শ্রেণিভাগ মাটির ধরন, উর্বরতা, ফসল জন্মানোর প্রকৃতি, জমিতে বন্যার সময় পানির উচ্চতা, এলাকাভেদে ফসল জন্মানোর সময়সীমা, বৃষ্টিপাত ও তাপমাত্রাকে বিবেচনা করে করা হয়েছে।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণি, বোর্ড বই ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
১৮০.
গ্রীন হাউজ কি?
  1. সবুজ রংয়ের বাড়ী
  2. গাছের চারাকে তীব্র রোদ থেকে বাঁচানোর ব্যবস্থা
  3. গাছের চারাকে তীব্র রোদ ও ঠান্ডা এমনকি অতিরিক্ত বাতাসের হাত থেকে বাঁচানোর ব্যবস্থা
  4. গাছের চারাকে শুধুমাত্র তীব্র ঠান্ডা থেকে বাঁচানোর ব্যবস্থা
সঠিক উত্তর:
গাছের চারাকে তীব্র রোদ ও ঠান্ডা এমনকি অতিরিক্ত বাতাসের হাত থেকে বাঁচানোর ব্যবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাছের চারাকে তীব্র রোদ ও ঠান্ডা এমনকি অতিরিক্ত বাতাসের হাত থেকে বাঁচানোর ব্যবস্থা
ব্যাখ্যা
গ্রীন হাউজ:
- গ্রীন হাউজ হল এমন একটি কাঠামো, যা গাছপালা লাগানোর জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে তীব্র রোদ, ঠান্ডা এবং অতিরিক্ত বাতাস থেকে গাছকে রক্ষা করা যায়।
- এটি সাধারণত কাঁচ বা স্বচ্ছ প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি করা হয়, যা সূর্যের আলো ভেতরে প্রবেশ করতে দেয় কিন্তু তাপ বাইরে যেতে বাধা দেয়।

⇒ গ্রীন হাউজ কথাটা বোঝার জন্য শীত প্রধান দেশে কাঁচের ঘরে সবজি চাষের প্রক্রিয়াটি বোঝা দরকার।
- কাঁচের ঘরের ছাদ ও দেওয়াল আলোক স্বচ্ছ হওয়ায় সুর্য রশ্মির দৃশ্যমান আলো সহজেই প্রবেশ করে।
- ঘরের ভেতর প্রবেশ করার পর সূর্য রশ্মির ছোট ছোট তরঙ্গগুলো শোষণ, প্রতিফলন এবং অন্যান্য মিথষ্ক্রিয়ার মাধ্যমে তাপরশ্মির বড় তরঙ্গে পরিণত হয় (ইনফ্রারেড তরঙ্গ) এবং ঘরের ছাদ ও দেওয়ালে আটকা পড়ে।
- সূর্য রশ্মি পৃথিবী পৃষ্ঠে অনায়াসে আসতে পারলেও পৃথিবী পৃষ্ঠ থেকে বিকিরিত রশ্মি বিভিন্ন গ্যাসের সাহায্যে বায়ুমন্ডলে শোষিত হয় বা প্রতিফলিত হয়ে ভূ-পৃষ্ঠে ফেরত আসে।
- এর ফলে ভূ-পৃষ্ঠ যতটুকু উত্তপ্ত থাকার কথা তার চেয়ে বেশী উত্তপ্ত হচ্ছে।

⇒ আধুনিক যুগের মানুষ জীবনের বিভিন্ন প্রয়োজনে কৃষি কাজে, শিল্প ক্ষেত্রে এবং অন্যান্য কাজে বেশ কিছু রাসায়নিক ও জীব-রাসায়নিক কার্যাদি সম্পন্ন করে। এর ফলে বেশ কিছু গ্যাস যেমন কার্বন-ডাই-অক্সাইড (CO₂), মিথেন (CH₁), নাইট্রোজেনঅক্সাইড (N₂O), ক্লোরোফ্লোরোকার্বন বা সিএফসি (CFC), ওজোন (O3) এবং জলীয় বাষ্প ইত্যাদি বর্ধিত হারে উৎপন্ন হয়ে বায়ুমন্ডলে প্রবেশ করে এদের বায়ুমন্ডলীয় ঘনত্ব বাড়িয়ে তুলছে।
- এগুলোর সম্মিলিত প্রভাবে বিশ্বব্যাপী তাপমাত্রা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
- এই সম্মিলিত প্রভাবই "গ্রীন হাউজ প্রতিক্রিয়া" নামে পরিচিত।
- গ্রীন হাউজ প্রতিক্রিয়ার ফলে মেরু অঞ্চলের বরফস্তর বিগলিত হবে এবং সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে বলে আশংকা করা হচ্ছে। এর ফলে আগামী ৫০-১০০ বছরের মাঝে বাংলাদেশের প্রায়ও অংশ সমুদ্রের পানির নিচে ডুবে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

উৎস: i) রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.
১৮১.
শস্যজাত ফসলের বীজ সংরক্ষণের জন্য বীজের আর্দ্রতা কত ভাগ প্রয়োজন হয়?
  1. ২৫%
  2. ১৭%
  3. ১৫%
  4. ১০%
সঠিক উত্তর:
১০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০%
ব্যাখ্যা
• বীজ সংরক্ষণ:
- বীজ যদি অধিক আর্দ্রতায় রাখা হয় তাহলে বীজ দ্রুত নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
- কারণ এর ফলে বীজের শ্বসন বৃদ্ধি পায়, রোগ বালাই ও পোকামাকড় এর আক্রমণ বাড়ে।
- যেহেতু বীজের জীবনকাল আর্দ্রতার উপর অনেকাংশে নির্ভরশীল, তাই বীজ সংরক্ষণের জন্য বীজ শুকানো প্রয়োজন।
- শস্যজাত ফসলের বীজ সংরক্ষণের জন্য ১০% আর্দ্রতা খুবই উপকারী।
-  তবে ৪% বা এর নিচের আর্দ্রতা বীজের অঙ্কুরোদ্গমের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
- বীজের আর্দ্রতা প্রতি ১% কমাতে বীজের জীবনকাল দ্বিগুণ হয়।

উৎস - Seed Science and Technology, TNAU AGRITECH website
১৮২.
পুকুরের পানির অম্লত্ব বেড়ে গেলে শতক প্রতি কত কেজি চুন প্রয়োগ করতে হবে?
  1. ১-২ কেজি
  2. ২-৩ কেজি
  3. ৩-৪ কেজি
  4. ৫-৬ কেজি
সঠিক উত্তর:
১-২ কেজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১-২ কেজি
ব্যাখ্যা
পুকুরের পানির অম্লত্ব ও ক্ষারত্ব:
- পুকুরের পানির পি এইচ মান নির্ণয় করে অম্লত্ব বা ক্ষারত্বের মাত্রা বোঝা যায়।
- পি এইচ মিটারের সাহায্যে এটি নির্ণয় করা হয়।
- পি এইচ মান ৭ এর কম হলে পানি অম্লীয় হয় এবং এর বেশি হলে ক্ষারীয় হয়।
- পুকুরের পানিতে অম্লত্ব বা ক্ষারত্বের গ্রহণযোগ্য মাত্রা হলো ৬.৫ থেকে ৮.৫।
- অম্লত্ব বা ক্ষারত্ব গ্রহণযোগ্য মাত্রার কম-বেশি হলে মাছ চাষে সমস্যার সৃষ্টি হয়।
- যেমন কম হলে মাছের ফুলকায় পচন ধরে আর বেশি হলে মাছের খাদ্য চাহিদা কমে যায় এবং মাছ দুর্বল হয়ে পড়ে। ফলে মাছ সহজেই রোগাক্রান্ত হয়।

পুকুরের পানির অম্লত্ব বা ক্ষারত্ব স্বাভাবিক মাত্রায় আনার জন্য নিচের পদ্ধতিসমূহ প্রয়োগ করা যায়।
ক) চুন প্রয়োগ: অম্লত্ব বেড়ে গেলে শতক প্রতি ১-২ কেজি চুন প্রয়োগ করতে হবে।
খ) তেঁতুল বা সাজনা গাছের ডাল ব্যবহার: ক্ষারত্বের মাত্রা বেড়ে গেলে পুকুরের পানিতে ৩-৪ দিন তেঁতুল বা সাজনা গাছের ডাল ভিজিয়ে রাখা যায়।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, সপ্তম শ্রেণি, বোর্ড  বই।
১৮৩.
যে সব উদ্ভিদে হ্যাচ এন্ড স্ল্যাক চক্র চলে তাদেরকে বলা হয় -
  1. C2 উদ্ভিদ
  2. C3 উদ্ভিদ
  3. C4 উদ্ভিদ
  4. CAM উদ্ভিদ
সঠিক উত্তর:
C4 উদ্ভিদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
C4 উদ্ভিদ
ব্যাখ্যা
হ্যাচ এন্ড স্ল্যাক চক্র (Hatch and Slack cycle):
- দু'জন অস্ট্রেলীয় বিজ্ঞানী M. D. Hatch এবং C. R. Slack (১৯৬৬) ইক্ষু উদ্ভিদ নিয়ে গবেষণার সময় দেখান যে, সালোকসংশ্লেষণের সময় এদের প্রথম স্থায়ী পদার্থ চার-কার্বনবিশিষ্ট।
- এ চার কার্বনবিশিষ্ট পদার্থসমূহের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অক্সালো অ্যাসিটিক অ্যাসিড।
- তাদের নাম অনুযায়ী সালোকসংশ্লেষণের এ চক্রকে হ্যাচ এন্ড স্ল্যাক চক্র বলা হয়।
- যেহেতু এ উদ্ভিদে প্রথম স্থায়ী পদার্থ চার কার্বনবিশিষ্ট সেহেতু হ্যাচ এন্ড স্ল্যাক চক্রকে C4 চক্রও বলা হয় এবং যে সব উদ্ভিদে এ চক্র চলে তাদেরকে C4 উদ্ভিদ বলা হয়।
- ইক্ষু, ভুট্টা, মুথা ঘাস, কাটানটে, ডাটাশাক ইত্যাদি C4 উদ্ভিদ।

উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৮৪.
নিম্নোক্ত কে স্থানীয় নেতা?
  1. কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা
  2. মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তা
  3. উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা
  4. অভিজ্ঞ কৃষক
সঠিক উত্তর:
অভিজ্ঞ কৃষক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিজ্ঞ কৃষক
ব্যাখ্যা
- অভিজ্ঞ কৃষক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও মৎস্য অধিদপ্তরের সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা কৃষকদের কৃষিবিষয়ক তথ্যাদি ও সেবা দিয়ে থাকেন। 

অভিজ্ঞ কৃষক:
- অভিজ্ঞ কৃষক একজন স্থানীয় নেতা এবং একজন পরামর্শদাতা।
- তিনি স্বতঃস্ফূর্ত হয়ে স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ রাখেন ও নতুন নতুন প্রযুক্তি সম্পর্কে খোঁজখবর রাখেন।
- এছাড়া তিনি গণমাধ্যম থেকে অনেক তথ্য সংগ্রহ করেন।
- ফলে তিনি স্থানীয় তথ্যভাণ্ডার হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।
- সম্প্রসারণ কর্মকর্তারা যখন এলাকা পরিদর্শনে যান, তখন অভিজ্ঞ কৃষকের শরণাপন্ন হন এবং তাদেরকে সঙ্গে নিয়েই কৃষকদের গৃহ ও খামার পরিদর্শন করেন এবং মাঝেমধ্যে কৃষক সভা ও উঠান বৈঠক করেন।
- এভাবে অভিজ্ঞ কৃষকেরা কৃষি জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধি করেন।
- অতঃপর তিনি নিজ এলাকার কৃষকদের কৃষি বিষয়ে পরামর্শ দান করেন।
- কৃষকেরা ফসল নিয়ে নানা সমস্যায় ভোগেন। যেমন: ফসলের রোগ হওয়া, কীটপতঙ্গ আক্রমণ করা, বন্যা ও খরা দেখা দেওয়া ইত্যাদি।
- এসব প্রতিকূল অবস্থার মোকাবিলা করার জন্য প্রাথমিকভাবে কৃষকেরা অভিজ্ঞ কৃষকের দ্বারস্থ হয়ে থাকেন।
- আর তিনিও আন্তরিকভাবে যতটুকু জানেন সে মোতাবেক কৃষকদের পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৮৫.
হানিডিউ কোন ফসলের জাত?
  1. পেঁপে
  2. কমলা
  3. আনারস
  4. পেয়ারা
সঠিক উত্তর:
পেঁপে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেঁপে
ব্যাখ্যা
পেঁপে চাষ:
- পেঁপে অত্যন্ত সুস্বাদু, পুষ্টিকর ও ঔষধি গুণসম্পন্ন ফল।
- কাঁচা অবস্থায় তরকারি এবং পাকা অবস্থায় ফল হিসেবে খাওয়া হয়।
- সারা বছর পেঁপে পাওয়া যায়।
- আমাদের দেশে শাহী, রাঁচি, ওয়াশিংটন, হানিডিউ, পুষা এবং বিদেশ থেকে আমদানি করা বিভিন্ন ধরনের হাইব্রিড জাতের পেঁপে চাষ করা হয়।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, সপ্তম শ্রেণি, বোর্ড  বই।
১৮৬.
বাংলাদেশে ইক্ষু, খেজুর ও সুগারবীট এর উপর গবেষণা করে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. BSRI
  2. BJRI
  3. BTRI
  4. BADC
সঠিক উত্তর:
BSRI
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BSRI
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট (BSRI): 
- বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট (BSRI) এদেশের একটি অগ্রজ গবেষণা প্রতিষ্ঠান যেখানে গবেষণা হয় ইক্ষু, তাল, খেজুর, গোলপাতা ও সুগারবীট এর উপর এবং চিনি, গুড় ও চিবিয়ে খাওয়াসহ ইক্ষুর বহুমুখী ব্যবহারের উপর।

- বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিম ও দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের স্বল্প বৃষ্টিপাত এলাকার একমাত্র নির্ভরযোগ্য অর্থকরী ফসল ইক্ষু।
- ইক্ষুর উপর ভিত্তি করেই গড়ে উঠেছে বাংলাদেশের মিষ্টিজাতীয় খাদ্যের উৎস চিনি ও গুড় তৈরীর শিল্প।
মূলত এ ইনস্টিটিউট থেকে দু’ধরণের কাজ সম্পাদিত হয়ঃ-
(ক)ইক্ষু, তাল, খেজুর, গোলপাতা ও সুগারবীট এর উন্নত জাত ও উন্নত উৎপাদন কলা-কৌশল উদ্ভাবন এবং
(খ) উদ্ভাবিত উন্নত জাত ও উৎপাদন কলাকৌশলসমূহ ইক্ষুচাষীদের মধ্যে বিস্তার ঘটানো।

- BJRI হচ্ছে বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট। 
- BTRI হচ্ছে বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট। 
- BADC হচ্ছে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন। 

উৎস: BSRI ওয়েবসাইট।
১৮৭.
বেগুনের সবচেয়ে প্রধান শত্রু কোন পোকা?
  1. পামরি পোকা
  2. মাজরা পোকা
  3. ডগা ও ফল ছিদ্রকারী পোকা
  4. লেডি বার্ড বিটল
সঠিক উত্তর:
ডগা ও ফল ছিদ্রকারী পোকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডগা ও ফল ছিদ্রকারী পোকা
ব্যাখ্যা
বেগুনের ডগা ও ফল ছিদ্রকারী পোকা:
- বেগুনের ডগা ও ফল ছিদ্রকারী পোকা বেগুনের সবচেয়ে প্রধান শত্রু। 
- সাধারণত চারা রোপনের ৪/৫ সপ্তাহের মধ্যেই এ পোকার আক্রমণ শুরু হতে দেখা যায় ।
- তবে বেগুন গাছে ফুল আসা শুরু হওয়ার পর আক্রমণের মাত্রা বাড়তে থাকে ।
- এই পোকার আক্রমণ শুরু হওয়ার পর প্রাথমিক লক্ষণ হিসাবে জমিতে সদ্য নেতিয়ে পরা ডগা চোখে পড়ে ।
- ফল আসার পূর্বে এ পোকার কীড়া কচি ডগায় আক্রমণ করে এবং এর ভিতরে খেতে থাকে ।
- পরবর্তীতে ফল আসার পর অধিকাংশ কীড়াই কচি ফলে আক্রমণ করে । 
- কীড়া বের হওয়ার ছিদ্র ফলে স্পষ্ট দেখা যায় তবে ডগায় এই ছিদ্র পরিলক্ষিত নাও দেখা যেতে পারে । 
- আক্রমণের মাত্রা বেশী হলে জৈব বালাইনাশক, স্পেনোসেড ( ট্রেসার ৪ মিলি./ ১০ লি. পানি হারে ) স্প্রে করতে হবে । গাছের ফুল আসার সময় হতে প্রতি ২ সপ্তাহ অন্তর ৩-৪ বার স্প্রে করতে হবে ।
- অথবা, কারটাপ গ্রুপের কীটনাশক যেমন: সানটাপ ২.৪ গ্রাম/ লি. হারে বা সাইপারমেথ্রিন গ্রুপের কীটনাশক যেমন: রিপকর্ড বা ফেনকর্ড বা ম্যাজিক বা কট ০.৫ মিলি./ লি হারে বা ডেল্টামেথ্রিন গ্রুপের কীটমাশক যেমন: ডেসিস বা ক্র্যাকডাউন ১ মিলি./ লি হারে ১০-১২ দিন পর পর ৪-৫ বার স্প্রে করা যেতে পারে।

উৎস: কৃষি বাতায়ন
১৮৮.
ক্লোরোফিল-বি কোন রঙের হয়?
  1. হলুদ
  2. হলদে সবুজ
  3. নীলাভ-সবুজ
  4. কমলা
সঠিক উত্তর:
নীলাভ-সবুজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীলাভ-সবুজ
ব্যাখ্যা
ক্লোরোফিল ও পিগমেন্টস: 
- সবুজ উদ্ভিদের ক্লোরোপ্লাস্টে ক্লোরোফিল অবস্থান করে।
- এরা প্রধানত দু'প্রকার। যথা- ক্লোরোফিল-এ ও ক্লোরোফিল-বি।
- ক্লোরোফিল-এ এর বর্ণ হলদে সবুজ। এর শোষিত আলোকশক্তিই মূলত সালোকসংশ্লেষণে অংশগ্রহণ করে।
- ক্লোরোফিল-বি হলো নীলাভ-সবুজ রংয়ের। এটি আলোকশক্তি সংগ্রহ করে ক্লোরোফিল-এ কে প্রদান করে।
- সালোকসংশ্লেষণের সময় সবুজ উদ্ভিদ আলোর ফোটন কণা শোষণ করে আলোকশক্তিকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে।
- সবুজ ও হলুদ আলোতে সালোকসংশ্লেষণ ভাল হয় না।
- একক আলো হিসেবে লাল আলোতে সালোকসংশ্লেষণ বেশি হয়।
- বিভিন্ন ধরনের পিগমেন্ট (যেমন- হলুদ রঙের জ্যান্থোফিল, কমলা রঙের ক্যারোটিন, নীল রঙের ফাইকোসায়ানিন, লাল রঙের ফাইকোইরেথ্রিন ইত্যাদি), বিভিন্ন প্রকারের এনজাইম এবং আয়নসমূহ এ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮৯.
প্রচলিত সেচ পদ্ধতিতে প্রতি কেজি ধান উৎপাদনে কত লিটার পানির প্রয়োজন হয়?
  1. ৩-৫ লিটার
  2. ৩০-৫০ লিটার
  3. ৩০০-৫০০ লিটার
  4. ৩০০০-৫০০০ লিটার
সঠিক উত্তর:
৩০০০-৫০০০ লিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০০০-৫০০০ লিটার
ব্যাখ্যা
- ধান বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্য।
- দেশের মোট জমির প্রায় ৭৫ শতাংশ জমিতে ধান চাষ হয়।
- বোরো মৌসুমে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- আর এ মৌসুম বৃষ্টিহীন থাকায় সবচেয়ে বেশি পানি সেচের প্রয়োজন হয়।
- প্রচলিত সেচ পদ্ধতিতে ধানের জমিতে ১০-১৫ সে.মি. দাঁড়ানো পানি রাখা হয়।
- এ ক্ষেত্রে প্রতি কেজি ধান উৎপাদনে ৩০০০-৫০০০ লিটার পানির প্রয়োজন হয় যা প্রকৃত প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৯০.
মুকুন্দপুরী কোন ফসলের জাত?
  1. পেঁয়াজ
  2. আলু
  3. পেয়ারা
  4. আনারস
সঠিক উত্তর:
পেয়ারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেয়ারা
ব্যাখ্যা
- পেয়ারা বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় ফল।
- পেয়ারা ভিটামিন 'সি' এর একটি প্রধান উৎস।
- দেশের সর্বত্র কম বেশি এ ফল জন্মে থাকে।
- তবে বাণিজ্যিকভাবে বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা প্রভৃতি এলাকায় এর চাষ হয়ে থাকে।
- বাংলাদেশে অনেক ধরনের পেয়ারা দেখা যায় তার মধ্যে কাঞ্চন নগর, স্বরূপকাঠি, মুকুন্দপুরী, কাজী পেয়ারা, বারি পেয়ারা-২, বারি পেয়ারা-৩ জাতগুলো অন্যতম।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, সপ্তম শ্রেণি, বোর্ড  বই।
১৯১.
বীজের বস্তায় পোকার উপদ্রব থেকে রক্ষার জন্য মেশানো হয় কোনটি?
  1. নিমের পাতার গুঁড়া
  2. আপেলের বীজের গুঁড়া
  3. কমলার বীজের গুঁড়া
  4. ক ও খ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
বীজ শুকানো ও চটের বস্তায় সংরক্ষণ: 
- বীজ শুকানো অর্থ হচ্ছে বীজ থেকে অতিরিক্ত আর্দ্রতা সরানো এবং পরিমিত মাত্রায় আনা।
- আর্দ্রতার মাত্রা ১২-১৩% হলে ভালো হয়।
- বাংলাদেশে বীজ শুকানো হয় রোদে বা সূর্যতাপে।
- এই আর্দ্রতা ১২-১৩ শতাংশ নামাতে বীজগুলোকে প্রায় তিন দিন প্রখর রোদে শুকাতে হয়।
- ঠিকমতো শুকিয়েছে কিনা তা বীজে কামড় দিয়ে পরখ করতে হবে।
- বীজে কামড় দেওয়ার পর যদি 'কট' করে আওয়াজ হয় তবে মনে করতে হবে বীজ ভালোমতো শুকিয়েছে।
- অতঃপর বীজগুলোকে চটের বস্তায় নিয়ে গোলা ঘরে রাখা হয়।
- বীজ পোকার উপদ্রব থেকে রক্ষার জন্য বীজের বস্তায় নিমের পাতা, নিমের শিকড়, আপেল বীজের গুঁড়া, বিশকাটালি ইত্যাদি মেশানো হয়।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৯২.
নিচের কোনটি লিগিউম উদ্ভিদে নাইট্রোজেন সংবন্ধন প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে?
  1. সোডিয়াম
  2. পটাশিয়াম
  3. মলিবডেনাম
  4. ম্যাঙ্গানিজ
সঠিক উত্তর:
মলিবডেনাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মলিবডেনাম
ব্যাখ্যা
লিগিউম:
- লিগিউম হলো Fabaceae (Leguminosae) পরিবার-এর উদ্ভিদের ফল।
- অধিকাংশ লিগিউম ফল ডিহিসেন্ট, যা দুই পাশ থেকে খুলে বীজ মুক্ত করে।
- তবে কিছু লিগিউম, যেমন চিনা বাদাম (Arachis hypogaea) এবং ক্যারব (Ceratonia siliqua), স্বাভাবিকভাবে খুলে যায় না।
- কিছু নাইট্রোজেন-ফিক্সিং ব্যাকটেরিয়া লিগিউম জাতীয় উদ্ভিদের সাথে সিম্বায়োসিস এর মাধ্যমে মাটিতে নাইট্রোজেন সংবন্ধন করে।
- নাইট্রোজেন-ফিক্সিং ব্যাকটেরিয়া মাটিতে নাইট্রোজেন বৃদ্ধি করে, যা সার প্রয়োগের প্রয়োজন কমায় এবং মাটির উর্বরতা বাড়িয়ে ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি করে।
- মলিবডেনাম একটি গুরুত্বপূর্ণ ট্রেস উপাদান যা উদ্ভিদের জন্য প্রয়োজনীয়।
- এটি বিশেষ করে লিগিউম উদ্ভিদে নাইট্রোজেন সংবন্ধন (ফিক্সেশন) প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে।
- মলিবডেনাম একটি ক্যাটালিস্ট হিসাবে কাজ করে, যা লিগিউম উদ্ভিদের সঙ্গে থাকা ব্যাকটেরিয়াকে বায়ুমণ্ডলীয় নাইট্রোজেনকে ব্যবহারযোগ্য যৌগে রূপান্তর করতে সাহায্য করে।

উৎস: Britannica. 
১৯৩.
নিচের কোনটি ধানের জাত নয়?
  1. বিআর১২
  2. বিআর১৩
  3. বিআর২৬
  4. ব্রি ধান২৭
সঠিক উত্তর:
বিআর১৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিআর১৩
ব্যাখ্যা
- বিআর১২, বিআর২৬ ও ব্রি ধান২৭ ব্রি(BRRI) কর্তৃক অবমুক্ত করা ধানের জাত।
- তবে বিআর১৩ বা ব্রি ধান১৩ নামে কোন ধানের জাত অবমুক্ত করা হয়নি। 
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউট প্রধানত ধানের জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে থাকে। 
- তবে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও ধানের জাত উদ্ভাবন করতে পারে। 
- যেমন: BAU ধান -১, অবমুক্তকারী প্রতিষ্ঠান: বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। 

উৎস: Bangladesh Rice Knowledge Bank.
কৃষি বাতায়ন।
১৯৪.
ইঁদুর দমনের জন্য নিচের কোনটি ব্যবহার করা যায়?
  1. ফেরোমন ট্র্যাপ
  2. বিষ টোপ
  3. আলোক ফাঁদ
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বিষ টোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিষ টোপ
ব্যাখ্যা
ইঁদুর দমন: 
- ইঁদুর গমের একটি প্রধান শত্রু।
- গমের শিষ আসার পর ইঁদুরের উপদ্রব শুরু হয়।
- গম পাকার সময় সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করে।
- ইঁদুর দমনের জন্য হাতে তৈরি বিষ টোপ বা বাজার থেকে কেনা বিষ টোপ ব্যবহার করা যায়।
- এসব বিষ টোপ সদ্য মাটি তোলা ইঁদুরের গর্তে বা চলাচলের রাস্তায় পেতে রাখতে হয়।
- বিষ টোপ ছাড়া বাঁশ বা কাঠের তৈরি ফাঁদের সাহায্যেও ইঁদুর দমন করা যায়।

- এখানে উল্লেখ্য যে, ফেরোমন ও আলোক ফাঁদ সাধারণত মথ ও পোকামাকড়ের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: কৃষিশিক্ষা, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৯৫.
ডিএনএ কাটার জন্য বিশেষ এনজাইম কোনটি?
  1. লাইগেজ
  2. ল্যাকটেজ
  3. লাইপেজ
  4. রেস্ট্রিকশন এনজাইম
সঠিক উত্তর:
রেস্ট্রিকশন এনজাইম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেস্ট্রিকশন এনজাইম
ব্যাখ্যা
প্রত্যাশিত DNA অণুকে ছেদন:
- এক্ষেত্রে প্রথমে প্রত্যাশিত DNA অণুকে মূল DNA থেকে কেটে আলাদা করা হয়।
- প্রত্যাশিত DNA অণুকে কাঁটতে একটি বিশেষ এনজাইম (রেস্ট্রিকশন এন্ডোনিউক্লিয়েজ দ্বারা DNA ছেদন করা হয়) ব্যবহার করা হয়।
- বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ২৫০ টি রেস্ট্রিকশন এনজাইম আবিষ্কৃত হয়েছে।
- যথা-Eco RI, Hind III, Bam HI ইত্যাদি।
- রেস্ট্রিকশন এনজাইম DNA অণুর একটি সুনির্দিষ্ট সাজান অংশকে (Sequence) কেঁটে দেয়।
- ভিন্ন ভিন্ন রেস্ট্রিকশন এনজাইম ভিন্ন ভিন্ন DNA sequence বিশিষ্ট স্থানে কর্তন করে থাকে।
- রেস্ট্রিকশন এনজাইম এমনভাবে DNA অণু কর্তন করে যে DNA অণু দুটি স্ট্রান্ডের একটির প্রান্ত অপরটির থেকে লম্বা থাকে।
- ফলে প্রত্যাশিত DNA খন্ডটি নতুন DNA অণুর সাথে সহজে যুক্ত হতে পারে।
- খন্ডিত DNA অণুর প্রান্তদ্বয় আঁঠালো প্রকৃতির হয়, তাই একে আঁঠালো প্রান্ত (Sticky end) বলে।

উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯৬.
অনাবৃত বীজের উদাহরণ নয় কোনটি?
  1. সাইকাস
  2. পাইন
  3. ধান
  4. ক ও খ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধান
ব্যাখ্যা
- ধান অনাবৃত বীজের উদাহরণ নয়। এটি আবৃত বীজ। 

বীজাবরণের উপস্থিতির ভিত্তিতে বীজকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
(ক) অনাবৃত বীজ: এসব বীজে কোনো আবরণ থাকে না। যেমন: পাইন, সাইকাস ইত্যাদি।
(খ) আবৃত বীজ: এসব বীজের আবরণ থাকে। যেমন: ধান, সরিষা, ইত্যাদি।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৯৭.
নিচের কোনটি পাটের দেশী জাত?
  1. সিভিএল-১
  2. সিসি-৪৫
  3. ডি-১৫৪-২
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
পাটের দেশী জাত:
i) জাত: ডি-১৫৪-২
- চলতি নাম: সাদা পাট
- বিশেষ বৈশিষ্ট্য: এ জাতের গাছের কান্ডের গোড়া অপেক্ষাকৃত মোটা হলেও সহজে ঢলে পরে না এবং পাট কাটার পর রোপা আমন লাগানো সম্ভব।

ii) জাত: সিভিএল-১
- চলতি নাম: সবুজ পাট
- উচ্চ ফলনশীল, সর্বাধিক জনপ্রিয় সাদা পাটের জাত।
- বিশেষ বৈশিষ্ট্য: ক্লোরোসিস রোগ তুলনামূলক ভাবে এ জাতে কম হয়, কাটিংস অন্য জাতের তুলনায় কম এবং আর্শের মান ভাল।

iii) জাত: সিসি-৪৫
- চলতি নাম: জো পাট
- বিশেষ বৈশিষ্ট্য: দেশী জাত সমূহের মধ্যে এই জাতের ফসল সবচেয়ে আগে বপন করা যায়। অকাল ফুলমুক্ত ও দীর্ঘ বপনকালীন সিসি-৪৫ জাতটি ফাল্গুনের ১ম সপ্তাহ থেকে বপন করা যায়।

উৎস: বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট।
১৯৮.
উদ্ভিদের অত্যাবশ্যকীয় বা অপরিহার্য পুষ্টি উপাদান নয় কোনটি?
  1. ম্যাঙ্গানিজ
  2. মলিবডেনাম
  3. সোডিয়াম
  4. ক্লোরিন
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম
ব্যাখ্যা
- সোডিয়াম উদ্ভিদের অত্যাবশ্যকীয় বা অপরিহার্য পুষ্টি উপাদান নয়। 

অত্যাবশ্যকীয় বা অপরিহার্য পুষ্টি উপাদান: 

- যে সমস্ত পুষ্টি উপাদান বীজের অংকুরোদগম, গাছের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও গঠনগত উন্নয়ন এবং বংশ বৃদ্ধির লক্ষ্যে ফুল, ফল, বীজ উৎপাদনের জন্য অপরিহার্য বা অত্যাবশ্যক এবং যাদের অনুপস্থিতিতে উদ্ভিদ তার জীবন চক্র সুষ্ঠুভাবে সমাধা করতে পারেনা, গাছের ঐ উপাদানের অভাব দেখা দিলে কেবল ঐ উপাদান দ্বারা তা পূরণ করতে পারে এবং যাদের অভাবে গাছে সুস্পষ্ট অভাবজনিত লক্ষণ দেখা দেয়, তাদেরকে গাছের অত্যাবশ্যকীয় বা অপরিহার্য পুষ্টি উপাদান বলে।
- উদ্ভিদ পুষ্টি বিজ্ঞানী ডি.আই. আরনন এর মতে, সাধারণত নিম্নলিখিত ১৬টি উপাদানকে গাছের অত্যাবশ্যকীয় খাদ্য উপাদান বলা হয়।
- এই ১৬টি উপাদান হলো- কার্বন (C), হাইড্রোজেন (H), অক্সিজেন (০), নাইট্রোজেন (N), ফসফরাস (P), পটামিয়াম (K), ক্যালসিয়াম (Ca), ম্যাগনেসিয়াম (Mg), সালফার (S), লৌহ (Fe), ম্যাঙ্গানিজ (Mn), জিংক (Zn), কপার (Cu), ক্লোরিন (CI), বোরন (B), ও মলিবডেনাম (Mo)।

প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান: 
- এই ১৬টি উপাদান ছাড়াও আরো ৪টি উপাদানকে উদ্ভিদের প্রয়োজনীয় বলে মনে করা হয়।
- সেগুলো হলো সোডিয়াম (Na), ভ্যানাডিয়াম (Vd), সিলিকন (Si) এবং কোবাল্ট (Co)।

উৎস: উদ্ভিদ পুষ্টি ও সার ব্যবস্থাপনা, BAged, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৯৯.
নিচের কোনটি গমের জাত?
  1. ফরিদপুরী
  2. ম্যানিলা
  3. সৌরভ
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সৌরভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌরভ
ব্যাখ্যা
গমের জাত:
- কাঞ্চন
- আকবর
- অঘ্রাণী
- প্রতিভা
- সৌরভ (বারি গম-১৯)
- গৌরব (বারি গম-২০)

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস)।
২০০.
জমিতে জৈব সার প্রয়োগের সুবিধা কোনটি?
  1. মাটিতে বায়ু চলাচল বৃদ্ধি করে
  2. মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে
  3. মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
জৈব সার:
- যেসব সার জীবের দেহ থেকে প্রাপ্ত অর্থাৎ উদ্ভিদ বা প্রাণীর ধ্বংসাবশেষ থেকে প্রস্তুত করা যায়, তাদেরকে জৈব সার বলে।
- যেমন- গোবর সার, কম্পোস্ট সার, সবুজ সার, খৈল ইত্যাদি।
- গাছের প্রয়োজনীয় প্রায় সব খাদ্য উপাদানই জৈব সারে থাকে

জমিতে জৈব সার প্রয়োগের সুবিধা:
• জৈব সারে ফসলের জন্য প্রয়োজনীয় সকল পুষ্টি উপাদানই থাকে।
মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে
• মাটির অণুজীবের কার্যাবলি বাড়ায়।
• মাটির সংযুতির উন্নতি ঘটায়।
মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে
মাটিতে বায়ু চলাচল বৃদ্ধি করে

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণি, বোর্ড বই।