বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বিজেএস-এর জন্য অতিরিক্ত আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন২,৯৬৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বিজেএস-এর জন্য অতিরিক্ত আইনসমূহ

PrepBank · পাতা / ৩০ · ৮০১৯০০ / ২,৯৬৪

৮০১.
আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়নের জন্য রাষ্ট্রের নীতির কথা বলা হয়েছে কোন অনুচ্ছেদে?
  1. অনুচ্ছেদ ২৩
  2. অনুচ্ছেদ ২৪
  3. অনুচ্ছেদ ২৫
  4. অনুচ্ছেদ ২৬
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৫
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানে আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন সংক্রান্ত রাষ্ট্রের নীতি অনুচ্ছেদ ২৫-এ উল্লেখ করা হয়েছে। এই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, রাষ্ট্র আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শান্তিপূর্ণ সমাধান, শক্তিপ্রয়োগ পরিহার, এবং আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবে। এতে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক কার্যক্রম শান্তি এবং সমতার ভিত্তিতে পরিচালিত হবে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৫ আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন:
জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা, অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা-এই সকল নীতি হইবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি এবং এই সকল নীতির ভিত্তিতে রাষ্ট্র 
(ক) আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তিপ্রয়োগ পরিহার এবং সাধারণ ও সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের জন্য চেষ্টা করিবেন; 
(খ) প্রত্যেক জাতির স্বাধীন অভিপ্রায় অনুযায়ী পথ ও পন্থার মাধ্যমে অবাধে নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ ও গঠনের অধিকার সমর্থন করিবেন; এবং 
(গ) সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণবৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে সমর্থন করিবেন৷
৮০২.
কোর্ট ফী আইনে কয় প্রকারের কোর্ট ফীর উল্লেখ আছে?
  1. ৫ প্রকার
  2. ২ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৩ প্রকার
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
ব্যাখ্যা
• কোর্ট ফি:
দেওয়ানী মামলা করতে গেলে, প্রতি মামলায় আদালতকে একটি নিদিষ্ট পরিমাণ ফি বা খরচ দিতে হয়, আদালতকে দেওয়া এই খরচ কে কোর্ট ফি বলে। কোর্ট ফি সরকারের আয়ের একটি উৎস, সাধারণত প্রতি বছর সরকার তার বার্ষিক অর্থ পরিকল্পনায় কি বা কত হারে কোন বিষয়ে কেমন কোর্ট ফি নেয়া হবে তা নির্ধারণ করে।

কোর্ট ফি নির্ধারণ:
কিভাবে কোর্ট ফি নির্ধারণ করা হবে তা Court Fees Act 1870 এর Chapter III এবং Schedule I এবং II তে বলা আছে।

কোর্ট ফি ২ ধরনের:
১/ মূল্যমানের উপর ভিত্তি করে [Ad-valorem court fee];
২/ নির্দিষ্ট [Fixed court fee]।

মূল্যমানের উপর ভিত্তি করে [Ad-valorem court fee]:
কোন মোকদ্দমার মূল্যমান এর উপর বা দাবীর মূল্যমানের উপর ভিত্তি করে এই কোর্ট ফি নির্ণয় করা হয়ে থাকে।

নির্দিষ্ট [Fixed court fee]:
কিছু বিষয়ে বিচারের বিষয়টি যাই থাকুক না কেন আদালতেকে সুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট পরিমান ফি দিতে হয়। মোকদ্দমার মূল্যমানের উপর কোর্ট ফি নির্ভর করে না।
৮০৩.
সকল বালক-বালিকাকে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষাদানের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে রাষ্ট্রের দায়িত্বের কথা সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে?
  1. ১৫
  2. ১৬
  3. ১৭
  4. ১৮ক
সঠিক উত্তর:
১৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১৭ অনুচ্ছেদে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে। ১৭ অনুচ্ছেদের (ক) উপ- অনুচ্ছেদে আইনের দ্বারা নির্ধারিত স্তর পর্যন্ত সকল বালক-বালিকাকে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষাদানের কথা বলা হয়েছে। অনুচ্ছেদে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষার কোন নির্দিষ্ট স্তর উল্লেখ করা হয়নি বরং বিষয়টি আইন দ্বারা নির্ধারণ করার কথা বলা হয়েছে। জাতীয় শিক্ষানীতি, ২০১০-এ বলা হয়েছে, প্রাথমিক শিক্ষা হবে সার্বজনীন, বাধ্যতামূলক, অবৈতনিক এবং সকলের জন্য একই মানের। সুতরাং, রাষ্ট্র নীতি প্রণয়নের মাধ্যমে শুধুমাত্র প্রাথমিক শিক্ষা সার্বজনীন, বাধ্যতামূলক ও অবৈতনিক হিসাবে ঘোষণা করেছে। এছাড়া রাষ্ট্র নিরক্ষরতা দূর করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

অনুচ্ছেদ: ১৭- অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা
রাষ্ট্র,
ক) একই পদ্ধতির প্রণমুখী ও সার্বজনীন শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য এবং আইনের দ্বারা নির্ধারিত স্তর পর্যন্ত সকল বালক-বালিকাকে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষাদানের জন্য;
খ) সমাজের প্রয়োজনের সাথে শিক্ষাকে সঙ্গতিপূর্ণ করার জন্য এবং সেই প্রয়োজন সিদ্ধ করার উদ্দেশ্যে যথাযথ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও সদিচ্ছাপ্রণোদিত নাগরিক সৃষ্টির জন্য;
গ) আইনের দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিরক্ষরতা দূর করার জন্য; ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

Article 17: Free and compulsory education

The State shall adopt effective measures for the purpose of –
(a) establishing a uniform, mass oriented and universal system of education and extending free and compulsory education to all children to such stage as may be determined by law;
(b) relating education to the needs of society and producing properly trained and motivated citizens to serve those needs; 
(c) removing illiteracy within such time as may be determined by law.
৮০৪.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মাদকদ্রব্য অপরাধের বিচার সমাপ্তির সাধারণ মেয়াদ কত দিন?
  1. ৩০ কার্যদিবস
  2. ৬০ কার্যদিবস
  3. ৯০ কার্যদিবস
  4. ১২০ কার্যদিবস
সঠিক উত্তর:
৯০ কার্যদিবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ৫১(১) অনুযায়ী, মাদকদ্রব্য অপরাধের বিচার সমাপ্তির জন্য সাধারণ মেয়াদ নির্ধারিত হয়েছে ৯০ কার্যদিবস। এর মানে হলো, এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত মামলা প্রাপ্তির তারিখ থেকে ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে মাদকদ্রব্য অপরাধের বিচার সমাপ্ত করতে বাধ্য। এই সময়সীমা নির্ধারণের উদ্দেশ্য হলো মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিত করা এবং ন্যায়বিচারে বিলম্ব রোধ করা।
ধারা ৫১(২): যদি অনিবার্য কারণে ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে বিচার সমাপ্ত করা সম্ভব না হয়, তবে আদালত কারণ লিপিবদ্ধ করে অতিরিক্ত ৩০ কার্যদিবস সময় বাড়াতে পারে। এ ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্ট এবং সরকারকে অবহিত করতে হবে।
ধারা ৫১(৩): যদি এই বর্ধিত ৩০ কার্যদিবসেও বিচার সমাপ্ত না হয়, তবে আদালত যুক্তিসংগত কারণ লিপিবদ্ধ করে আরও ১৫ কার্যদিবস সময় বাড়াতে পারে এবং এ ক্ষেত্রেও সুপ্রিম কোর্ট ও সরকারকে অবহিত করতে হবে।
ধারা ৫১(৪): উপরোক্ত বর্ধিত সময়ের মধ্যে বিচার আবশ্যিকভাবে সমাপ্ত করতে হবে।

অর্থাৎ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ৫১(১) অনুযায়ী, মাদকদ্রব্য অপরাধের বিচার সমাপ্তির সাধারণ মেয়াদ হলো ৯০ কার্যদিবস। এই সময়সীমা দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) ৯০ কার্যদিবস।

৮০৫.
গ্রাম আদালতে আপোষ বা মীমাংসার মাধ্যমে বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করা হলে, তা হতে কত দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে?
  1. উদ্যোগ গ্রহণের তারিখ হতে ৩০ দিনের মধ্যে
  2. মামলা গ্রহণের তারিখ হতে ৬০ দিনের মধ্যে
  3. উদ্যোগ গ্রহণের তারিখ হতে ৬০ দিনের মধ্যে
  4. মামলা গ্রহণের তারিখ হতে ৩০ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
উদ্যোগ গ্রহণের তারিখ হতে ৩০ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উদ্যোগ গ্রহণের তারিখ হতে ৩০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• গ্রাম আদালত আইন প্রণীত হয় ২০০৬ সালে। গ্রাম আদালত আইনটি মধ্যস্থতার মাধ্যমে গ্রাম আদালতের দ্বারা কতিপয় দেওয়ানি এবং ফৌজদারি মামলা নিষ্পত্তির বিধান আলোচনা করা হয়েছে। কোন নির্দিষ্ট মামলার জন্য গ্রাম আদালত গঠন করা যেতে পারে এবং উক্ত মামলা নিষ্পত্তি হলে বা না হওয়ার কারণে মেয়াদ শেষে গ্রাম আদালতটি বিলুপ্ত হয়।

ধারা ৩ (গ্রাম আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য মামলা)-
উল্লিখিত ফৌজদারি এবং দেওয়ানি মামলাসমূহের বিচার গ্রাম আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য হবে এবং এই ক্ষেত্রে দেওয়ানী এবং ফৌজদারী কোন আদালতের বিচারের এখতিয়ার থাকবে না। যে সকল মামলার বিচার গ্রাম আদালত করতে পারবে তা তফসিলে ২টি অংশে উল্লেখ করা হয়েছে।

ধারা ৪ (গ্রাম আদালত গঠনের আবেদন)-
গ্রাম আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য কোন মামলার যেকোন পক্ষ উক্ত মামলা বিচার করার নিমিত্তে গ্রাম আদালত গঠনের জন্য ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের নিকট আবেদন করবে। চেয়ারম্যান এমন আদেশ নাকচ না করলে, একটি গ্রাম আদালত গঠন করার উদ্যোগ নিবে। চেয়ারম্যান এমন আবেদন নাকচ করলে, সংক্ষুদ্ধ পক্ষ উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে সহকারী জজের নিকট রিভিশন করতে পারবে।

ধারা ৫ (গ্রাম আদালত গঠন)- 
একজন চেয়ারম্যান এবং উভয়পক্ষ কর্তৃক মনোনীত ২ জন করে মোট ৪ জন সদস্য নিয়ে গ্রাম আদালত গঠিত হবে। চেয়ারম্যানসহ মোট ৫ সদস্য বিশিষ্ট হবে।

৬খ ধারায় প্রাক বিচার (Pre-trial) এর বিধান আছে-
(১) ধারা ৫ এর অধীন গ্রাম আদালত গঠিত হইবার অনধিক ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে গ্রাম আদালতের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হইবে এবং উক্ত অধিবেশনে গ্রাম আদালত উভয় পক্ষের শুনানী করিয়া মামলার বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করিবে এবং পক্ষগণের মধ্যে আপোষ বা মীমাংসার মাধ্যমে বিচার্য বিষয় নিষ্পত্তির উদ্যোগ গ্রহণ করিবে। 
 
(২) উপ-ধারা (১) অনুযায়ী আপোষ বা মীমাংসার মাধ্যমে বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করা হইলে, উক্তরূপ উদ্যোগ গ্রহণের তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে উহা নিষ্পত্তি করিতে হইবে। 
 
(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন বিচার্য বিষয় নিষ্পত্তি হইলে, মীমাংসার শর্তাবলী উল্লেখপূর্বক উভয়পক্ষ যৌথভাবে একটি আপোষনামা স্বাক্ষর বা বাম হস্তের বৃদ্ধাঙ্গুলির ছাপ প্রদান করিবেন এবং সাক্ষী হিসাবে উভয়পক্ষের মনোনীত সদস্যগণ আপোষনামায় স্বাক্ষর করিবেন। 
 
(৪) উপ-ধারা (৩) অনুযায়ী আপোষনামা স্বাক্ষরিত হইলে, গ্রাম আদালত নির্ধারিত ফরমে উহার আদেশ লিপিবদ্ধ করিবে এবং উক্তরূপ আদেশ গ্রাম আদালতের আদেশ বা ডিক্রী বলিয়া গণ্য হইবে। 
 
(৫) এই ধারার অধীন আপোষনামার মাধ্যমে বিচার্য বিষয় নিষ্পত্তি করা হইলে উহার বিরুদ্ধে আপীল বা রিভিশন দায়ের করা যাইবে না।
৮০৬.
শিশু আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে প্রতিকার কি?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে আপিল
  2. হাইকোর্ট বিভাগে পুনর্বিবেচনা
  3. দায়রা আদালতে আপিল
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
ধারা ৪১- আপিল ও পুনর্বিবেচনা

(১) ফৌজদারী কার্যবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন শিশু-আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে উক্ত আদেশ বা রায় প্রদানের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করা যাইবে। 

(২) শিশু-আদালতের কোনো আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে পুনর্বিবেচনা (Revision) করা যাইবে।

(৩) এই ধারার অধীন আপিল বা, ক্ষেত্রমত, পুনর্বিবেচনার আবেদন দাখিল করা হইলে উক্ত আবেদনটি দায়েরের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে উহা নিষ্পত্তি করিতে হইবে।
৮০৭.
শরীয়া আইন অনুযায়ী মোট কোরানিক অংশীদার কত জন?
  1. ৫ জন
  2. ৭ জন
  3. ১২ জন
  4. ১৪ জন
সঠিক উত্তর:
১২ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ জন
ব্যাখ্যা
⇒ শরীয়া আইন অনুযায়ী মোট ১২ জন কোরানিক অংশীদার রয়েছে।
- কোরানিক অংশীদার হলেন তারা যারা কোরআনে নির্ধারিত উত্তরাধিকারী, অর্থাৎ যারা মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে (শরীয়া আইনে) কোনো মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি পাওয়ার অধিকারী।
- কোরআনে ১২ জন নির্দিষ্ট অংশীদারের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, যাদের মধ্যে কিছু পুরুষ এবং কিছু মহিলা রয়েছেন।
কোরানিক অংশীদার সর্বমোট ১২ জন। এর মধ্যে ৮ জন মহিলা ও ৪ জন পুরুষ। যথা-
১. স্বামী (Husband)
২. স্ত্রী (Wife)
৩. বাবা (Father)
৪. মা (Mother)
৫. কন্যা (Daughter)
৬. পুত্রের কন্যা (Son's Daughter)
৭. দাদা (True Grandfather)
৮. দাদি (True Grandmother)
৯. আপন বোন (Full Sister)
১০. বৈমাত্রেয় বোন (Consanguine Sister)
১১. বৈপিত্রেয় বোন (Uterine Sister)
১২. বৈপিত্রেয় ভাই (Uterine Brother)
৮০৮.
কোন আইনে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (ADR) সংক্রান্ত বিধান নেই?
  1. দেওয়ানি কার্যবিধি,১৯০৮
  2. ফৌজদারি কার্যবিধি,১৮৯৮
  3. পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ,১৯৮৫
  4. অর্থ ঋণ আদালত আইন,২০০৩
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধি,১৮৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধি,১৮৯৮
ব্যাখ্যা
• আদালত বা সাধারণ আইনি প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে আইনসিদ্ধ পদ্ধতি মেনে ও সহমত পোষণ করে বিকল্পভাবে পক্ষগণের বিরোধ বা সমস্যার নিষ্পত্তিকরণই বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি, যাকে ইংরেজিতে Alternative Dispute Resolution (ADR) বলা হয়।

পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ,১৯৮৫ তে মামলার বিচারের শুনানিপূর্ব (প্রি-কেস) পর্যায়ে আদালতের উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর আপস বা সমঝোতার মাধ্যমে পারিবারিক বিরোধ নিষ্পত্তি করার এমনকি বিচার শেষ হবার পরও রায় প্রদানের পূর্বে (পোস্ট-কেস) উক্ত প্রক্রিয়ায় মীমাংসাকরণের বিধান নিশ্চিত করা হয়েছে। এ অধ্যাদেশের ১০ ও ১৩ নম্বর ধারায় বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির উল্লেখ আছে।

২০০৩ সালে মধ্যস্থতা ও সালিশের মাধ্যমে দেওয়ানি মোকদ্দমা নিষ্পত্তির লক্ষ্যে দেওয়ানি কার্যবিধি,১৯০৮ এ  এই আইনে ৮৯(ক) ও ৮৯(খ) দুটি ধারা সংযোজিত হয়েছে এবং ২০১২ সালে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

এরই সূত্র ধরে পরবর্তী সময়ে অর্থ ঋণ আদালত আইন,২০০৩ তে বিধান ও মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিকল্পবিরোধ নিষ্পত্তির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।
এছাড়াও শ্রমিক আইন, ২০০৬-এর ধারা-২১০ (১, ২, ৪, ৬, ১৬)-এ এই বিধান রাখা হয়েছে। অন্যদিকে ২০০০ সালের আইনগত সহায়তা আইনে ২০১৩ সালে ২১(ক) ধারা সংযোজন করে মধ্যস্থতার বিধান আনা হয়। সর্বোপরি ২০১৫ সালে আইনগত পরামর্শ বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি বিধিমালা প্রণয়নের মাধ্যমে একটি স্বতন্ত্র নীতি প্রণীত হয়, যার মাধ্যমে এর গুরুত্ব ফুটে ওঠে। 

উল্লেখ্য যে, ফৌজদারি কার্যবিধিতে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি বা ADR এর কোনো বিধান নেই। ৩৪৫ ধারায় যে আপস-সমঝোতার বিধান রয়েছে,তা আইনি প্রক্রিয়ার ই অন্তর্ভুক্ত।
৮০৯.
"In Re" কথাটির দ্বারা কী বুঝায়?
  1. In reference to
  2. In the matter of
  3. In the whole
  4. It is begun
সঠিক উত্তর:
In the matter of
উত্তর
সঠিক উত্তর:
In the matter of
ব্যাখ্যা
Latin Term "In Re" - এর ইংরেজি অর্থ হলো- in the matter of.

'with regard to' সাধারণত কোনো case law refer করার সময় এটি ব্যবহার হয়। যেমন:

In Re: Berubari Case (1974);
In Re: Marbury vs James Madision Case (1803).
৮১০.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক ধারার অধীন কোন মামলার বিরোধ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হলে, পরবর্তী কত দিনের মধ্যে পক্ষসমূহ কোর্ট ফি ফেরত পাওয়ার অধিকারী হবে?
  1. ৩০ দিনের মধ্যে
  2. ৯০ দিনের মধ্যে
  3. ১৫ দিনের মধ্যে
  4. ৬০ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
৬০ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক ধারার অধীন সাধারন নিয়মসমূহ-

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

⇒ মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে। অর্থাৎ সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে।মধ্যস্থতার ফি পক্ষগণ নির্ধারণ করবে। যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।

⇒ মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বইচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে। অর্থাৎ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে।

⇒ সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে। উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারী করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপীল বা রিভিশন চলবে না।

⇒ ৮৯ক ধারার অধীন কোন মামলার বিরোধ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হলে, আরজি বা জবাবে প্রদত্ত কোর্ট ফি ফেরত দেওয়ার জন্য আদালত একটি সার্টিফিকেট জারী করতে পারবে এবং তৎপরবর্তী ৬০ দিনের মধ্যে পক্ষসমূহ উক্ত পরিষোধিত কোর্ট ফি ফেরত পাওয়ার অধিকারী।

Section: 89A(11)-
Notwithstanding anything contained in the Court-fees Act, 1870 (Act No. VII of 1870), where a dispute or disputes in a suit are settled on compromise under this section, the Court shall issue a certificate directing refund of the court fees paid by the parties in respect of the plaint or written statement; and the parties shall be entitled to such refund within 60 (sixty) days of the issuance of the certificate.
৮১১.
Cy-pres means-
  1. as soon as possible.
  2. as close as possible.
  3. vested interest.
  4. easement right.
সঠিক উত্তর:
as close as possible.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
as close as possible.
ব্যাখ্যা
⇒ The term ‘cy pres’ comes from the old French phrase ‘cy pres comme possible’, which means “as near as possible.”
- Cy pres is French for "as close" and is short for cy pres comme possible, or "as close as possible."
The term cy pres doctrine refers to a legal concept that gives courts the power to interpret the terms of a will, gift, estate, or charitable trust. 
- In the legal sphere, the phrase refers to ensuring that a donor’s or testator’s desires are followed out as nearly as possible, whether in a will or as part of a charitable trust or estate. 

⇒ "সাইপ্রেস" অর্থ- যতদূর সম্ভব। সাইপ্রেস নীতিটি ন্যায়পরায়নতার নীতি। যার ব্যবহারিক অর্থ হচ্ছে যতদূর সম্ভব কাছাকাছি। যেখানে ওয়াফ্ফনামায় একটি সুস্পষ্ট দাতব্য মনোভাব প্রকাশ করা হয়েছে, সেখানে তা ব্যর্থ হবেনা।

 ⇒ ওয়াক্ত সৃষ্টির উদ্দেশ্য সুনির্দিষ্ট থাকতে হবে। অন্যথায় এটা অবৈধ বলে গণ্য হবে। ওয়াফ্ফনামায় দান করার সদিচ্ছা সুস্পষ্টভাবে প্রকাশিত হলে, যে নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে ওয়াক্ত করা হয়েছে তা যদি কোন কারণে ব্যর্থ হয় তবে, ওয়াফ্ফের সম্পত্তি দরিদ্রের উপকারের জন্য অথবা যে উদ্দেশ্য ব্যর্থ হয়েছে তার নিকটতম অপর কোনো উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে হবে। ওয়াফ্ফের এই নীতি কে "সাইপ্রেস (Cy-press) মতবাদ বলা হয়।
৮১২.
চুক্তি আইন, ১৮৭২-এ প্রতিনিধিত্ব (Agency) পরিসমাপ্তির বিধান কোন ধারায় আছে?
  1. ধারা ১৮২
  2. ধারা ২০১
  3. ধারা ২১০
  4. ধারা ২২৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ২০১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২০১
ব্যাখ্যা

⇒ চুক্তি আইন, ১৮৭২-এর ধারা ২০১ অনুসারে, প্রতিনিধিত্বের (Agency) পরিসমাপ্তি ঘটতে পারে প্রিন্সিপালের ক্ষমতা প্রত্যাহার, এজেন্টের পরিত্যাগ, এজেন্সির কাজ সম্পন্ন হওয়া, প্রিন্সিপাল বা এজেন্টের মৃত্যু বা অপ্রকৃতিস্থ হওয়া, বা প্রিন্সিপালের দেউলিয়া হওয়ার মাধ্যমে।

⇒ চুক্তি আইনের ২০১ ধারার বিধান প্রতিনিধিত্বের পরিসমাপ্তি (Termination of agency):
প্রতিনিধিত্বের পরিসমাপ্তি ঘটতে পারে-
- প্রিন্সিপাল তার ক্ষমতা প্রত্যাহার করলে; অথবা
- এজেন্ট তার এজেন্সির কাজ পরিহার করলে; অথবা
- এজেন্সির কাজ সম্পন্ন হয়ে গেলে; অথবা
- প্রিন্সিপাল বা এজেন্টের মধ্যে কারও মৃত্যু হলে বা অপ্রকৃতিস্থ হলে; অথবা 
- দেনাদারদের প্রতিকারের জন্য প্রিন্সিপাল দেউলিয়া হলে।
-------------
⇒ The Contract Act, 1872, Section 201. Termination of agency:
 An agency is terminated by the principal revoking his authority; or by the agent renouncing the business of the agency; or by the business of the agency being completed; or by either the principal or agent dying or becoming of unsound mind; or by the principal being adjudicated an insolvent under the provisions of any Act for the time being in force for the relief of insolvent debtors.

৮১৩.
নিম্নের কোনটি অকৃষি ভূমির উন্নয়ন নয়?
  1. পয়ঃসংযোগ স্থাপন
  2. পুকুর খনন
  3. পানির প্রবাহ সৃষ্টি
  4. সড়ক নির্মাণ
সঠিক উত্তর:
পয়ঃসংযোগ স্থাপন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পয়ঃসংযোগ স্থাপন
ব্যাখ্যা
• অকৃষি ভূমি বলতে ‘আবাসিক ও অন্যান্য শ্রেণি’ অর্থে বাণিজ্যিক কার্যে বা শিল্পকার্যে ব্যবহৃত হয় না এইরূপ ভূমি বিবেচিত হইবে, যেমন, সরকারি-বেসরকারি সংস্থার বা ব্যক্তি মালিকানাধীন আবাসিক ও দাপ্তরিক ভবনাদি, রাস্তাঘাট, মাঠ, আঙিনা, স্থাপনা ইত্যাদি।
- অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৬৪ ধারায় উন্নয়নের সংজ্ঞা (Definition of improvement) দেয়া আছে। বলা হয়েছে, প্রজাস্বত্বের উন্নয়ন শব্দের ব্যবহারের অর্থ যে কাজ করার মাধ্যমে-

- প্রজাস্বত্বের অন্তর্ভুক্ত অকৃষি জমির মূল্যমান বাড়ে এবং
- যে কাজ উক্ত জমির জন্য উপযুক্ত ও ধারা-৪ এ নির্ধারিত উদ্দেশ্যসমূহের যে কোন একটির সাথে সঙ্গতিপূর্ণ। যা অকৃষি কাজের জন্য ব্যবহার উপযোগী করে তোলে এবং এমন কাজ যা ভূমির সরাসরি সুবিধার জন্য করা হয় বা বাস্তবায়নের পর সরাসরি উপকারে আসে।

নিম্নোক্ত কাজসমূহও উন্নয়নের অন্তর্ভুক্ত হবে:
ক) চলাচল বা সড়ক পথের ব্যবস্থা:
খ) জন্য উন্মুক্ত স্থানের ব্যবস্থা:
গ) পানি নেওয়ার সুযোগ প্রদান;
ঘ) পানি নিষ্কাশনের জন্য নালা নির্মাণ,

উল্লিখিত প্রশ্নে, পুকুর খনন, পানির প্রবাহ সৃষ্টি এবং সড়ক নির্মাণ প্রদত্ত সংজ্ঞানুসারে উন্নয়নমূলক কাজের মধ্যেই পড়ে।

কিন্তু পয়ঃসংযোগ স্থাপন উন্নয়ন না, আবশ্যক কাজের মধ্যেই পড়ে। তাই অধিক গ্রহণযোগ্য হিসেবে এটি উত্তর হিসেবে নেয়া হয়েছে।
৮১৪.
সংবিধান অনুযায়ী, “রাষ্ট্র” বলতে বোঝায়-
  1. সংসদ
  2. সরকার
  3. সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৫২-
"রাষ্ট্র" বলিতে সংসদ, সরকার ও সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষ অন্তর্ভুক্ত;

“the State” includes Parliament, the Government and statutory public authorities;
৮১৫.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর কত ধারায় ‘‘ভিকটিম’’ এর সংজ্ঞা দেওয়া আছে?
  1. ধারা ২ (৮)
  2. ধারা ২ (৫)
  3. ধারা ২ (১০)
  4. ধারা ২ (১২)
সঠিক উত্তর:
ধারা ২ (১০)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২ (১০)
ব্যাখ্যা
⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন এবং মানব পাচার অপরাধের শিকার ব্যক্তিবর্গের সুরক্ষা ও অধিকার বাস্তবায়ন ও নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতকরণের উদ্দেশ্যে বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন হচ্ছে মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২।

- ধারা ২(১০)-
‘‘মানব পাচারের শিকার ব্যক্তি’’ বা ‘‘ভিকটিম’’ অর্থ এই আইনের অধীন সংঘটিত মানব পাচার অপরাধের শিকার কোন ব্যক্তি এবং উক্ত ব্যক্তির আইনগত অভিভাবক বা উত্তরাধিকারীও (legal heirs) ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে;
৮১৬.
The State Acquisition and Tinancy Act, 1950 এর কোন ধারায় পয়স্থি জমি খাস জমি হিসাবে গণ্য হবে?
  1. ৮৬
  2. ৮৭
  3. ৯০
  4. ১৪৩
সঠিক উত্তর:
৮৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৭
ব্যাখ্যা
The State Acquisition and Tinancy Act, 1950 এর ৮৭ ধারা মতে নদী বা সমুদ্র সরে যাওয়ার কারণে যখন কোন জমি বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়- তখন এটিকে যে জোত বা প্রজাস্বত্বের সাথে সংযুক্ত হয়েছে সেই জোত বা প্রজাস্বত্বের পরিবৃদ্ধি হিসাবে বিবেচনা করা হবে না এবং এটি চূড়ান্তভাবে সরকারের বরাবর ন্যস্ত হবে এবং সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন থাকবে।
- নদী বা সমুদ্র সরে যাওয়ার কারণে কোন জমি পুনঃউদ্ভাবিত হলে বা জেগে উঠেছে বলে কথিত জমি কোন জোত এর পরিবৃদ্ধি হিসাবে দখলের কোন দাবি ঘোষণা করার জন্য। 
- কোন আদালত বা কর্তৃপক্ষের নিকট বিচারাধীন সকল মোকদ্দমা, দরখাস্ত, আপিল কিংবা অন্যান্য কার্যধারা উক্ত আদেশ কার্যকর হওয়ার তারিখ হতে আর অগ্রসর হবে না ও তা বাতিল হবে এবং কোন আদালত অনুরূপ দাবি সম্পর্কিত কোন মোকদ্দমা, আবেদন বা অন্যান্য আইনগত কার্যধারা আর গ্রহণ করবেন না।

অর্থাৎ The State Acquisition and Tinancy Act, 1950 এর  ৮৭ ধারায় পয়স্থি জমি খাস জমি হিসাবে গণ্য হবে।
৮১৭.
পৈশাচ বিবাহকে কী বলা হয়?
  1. সর্বোত্তম বিবাহ
  2. নিকৃষ্টতম বিবাহ
  3. ধর্মীয়ভাবে পবিত্র বিবাহ
  4. সামাজিকভাবে অনুমোদিত বিবাহ
সঠিক উত্তর:
নিকৃষ্টতম বিবাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিকৃষ্টতম বিবাহ
ব্যাখ্যা
→ পৈশাচ বিবাহকে "নিকৃষ্টতম বিবাহ" বলা হয়। এটি একটি অত্যন্ত অশুদ্ধ এবং অমর্যাদাপূর্ণ বিবাহ, যেখানে কন্যার সম্মতি ছাড়া অথবা সে যখন নিদ্রিত, মদোম্মত্ত বা উম্মত্ত অবস্থায় থাকে, তখন তাকে জোরপূর্বক বিয়ে করা হয়। এটি সমাজে এবং ধর্মীয়ভাবে একেবারেই অগ্রহণযোগ্য এবং নিন্দনীয় বিবাহের একটি ধরন।

⇒ হিন্দু সমাজে দায়ভাগ ও মিতাক্ষরা অনুযায়ী আট প্রকার বিবাহ প্রচলিত ছিল, যার মধ্যে প্রথম চারটি সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য এবং পরবর্তী চারটি অবৈধ বা অননুমোদিত ছিল।
- এই বিবাহের প্রকারভেদ নিম্নরূপ:
অনুমোদিত ৪ প্রকার বিবাহ:
- ব্রাহ্ম বিবাহ: এটি সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ বিবাহ পদ্ধতি, যেখানে একটি অলঙ্কৃত, শিক্ষিত এবং চরিত্রবান কন্যাকে কোনও পণ ছাড়াই, ব্রাহ্মণ পুরুষের হাতে তুলে দেয়া হতো।
- দৈব বিবাহ: এই বিবাহে, কন্যাকে যজ্ঞ সম্পাদনকারী পুরোহিতের কাছে প্রদান করা হতো।
- আর্য বিবাহ: এই পদ্ধতিতে, কনের পিতা বরের কাছ থেকে এক বা দুটি গাভী গ্রহণ করতেন, যা পণ হিসেবে ছিল।
- প্রজাপত্য বিবাহ: এখানে, কনের পিতা বরের কাছ থেকে কোনো পণ না নিয়ে কন্যা প্রদান করতেন এবং তাদের আশীর্বাদ দিতেন যাতে তারা সুখী দাম্পত্য জীবন কাটাতে পারেন।
অননুমোদিত ৪ প্রকার বিবাহ:
- অসুর বিবাহ: এই বিবাহে বর কনের পিতা বা অভিভাবকের কাছ থেকে কন্যাকে টাকা দিয়ে ক্রয় করতেন।
- রাক্ষস বিবাহ: এই ধরনের বিবাহে, কন্যার আত্মীয়দের মারধর করে এবং তারা বিরোধী অবস্থায় থাকলেও, বর কন্যাকে জোরপূর্বক নিয়ে আসতেন।
- গন্ধর্ব বিবাহ: এটি একটি সম্মতিপূর্ণ বিবাহ, যেখানে বর এবং কনে পরস্পরের সম্মতি ও অভ্যন্তরীণ ইচ্ছায় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতেন।
- পৈশাচ বিবাহ: এটি ছিল সবচেয়ে নিকৃষ্ট বিবাহ, যেখানে কন্যার সম্মতি ছাড়াই, মদ্যপ বা নিদ্রিত অবস্থায় কন্যার সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করা হতো।
৮১৮.
হাইকোর্ট সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী আংশিক অবৈধ ঘোষণা করে কবে?
  1. ১০ ডিসেম্বর, ২০২৪
  2. ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৪
  3. ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪
  4. ২১ ডিসেম্বর, ২০২৪
সঠিক উত্তর:
১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪
ব্যাখ্যা
পঞ্চদশ সংশোধনী:
- ২০১১ সালের ৩০ জুন, সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মূলনীতিগুলো পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।
- রাষ্ট্রের মূলনীতি হিসাবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়।
- এই সংশোধনীতে ৫৪টি পরিবর্তন আনা হয়েছিলো।

গুরত্বপূর্ণ কিছু সংশোধনী:
• তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল;
• সংরক্ষিত মহিলা আসন ৪৫ থেকে ৫০ করা;
• জরুরী অবস্থার মেয়াদ অনধিক ১২০ দিন করা হয়;
• সংবিধানে নতুন তিনটি তফসিল যুক্ত করা হয়- যথা পঞ্চম, ষষ্ঠ, ও সপ্তম।

উল্লেখ্য,
⇒ ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলসংক্রান্ত সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী আংশিক অবৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট।
- বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।
- রায়ে আদালত পঞ্চদশ সংশোধনীর মোট ছয়টি বিধান বাতিল করেছে।
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল ও গণভোট পদ্ধতি ফিরিয়ে আনা হয় এই রায়ের মাধ্যমে।
৮১৯.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর কত ধারায় 'মানব পাচার' এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ৪ ধারায়
  2. ৩ ধারায়
  3. ২ ধারায়
  4. ৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৩- মানব পাচার:

(১) ‘‘মানব পাচার’’ অর্থ কোন ব্যক্তিকে— 
(ক) ভয়ভীতি প্রদর্শন বা বলপ্রয়োগ করিয়া; বা 
(খ) প্রতারণা করিয়া বা উক্ত ব্যক্তির আর্থ-সামাজিক বা পরিবেশগত বা অন্য কোন অসহায়ত্বকে (vulnerability) কাজে লাগাইয়া; বা 
(গ) অর্থ বা অন্য কোন সুবিধা (kind) লেনদেন-পূর্বক উক্ত ব্যক্তির উপর নিয়ন্ত্রণ রহিয়াছে এমন ব্যক্তির সম্মতি গ্রহণ করিয়া; 
 
বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বা বাহিরে যৌন শোষণ বা নিপীড়ন বা শ্রম শোষণ বা অন্য কোনো শোষণ বা নিপীড়নের (exploitation) উদ্দেশ্যে বিক্রয় বা ক্রয়, সংগ্রহ বা গ্রহণ, নির্বাসন বা স্থানান্তর, চালান বা আটক করা বা লুকাইয়া রাখা বা আশ্রয় দেওয়া (harbour)। 
 
(২) যেইক্ষেত্রে কোন শিশু পাচারের শিকার হয়, সেইক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এর দফা (ক) হইতে (গ) তে বর্ণিত মানব পাচার অপরাধ সংঘটনের মাধ্যমসমূহ (means)অনুসৃত হইয়াছে কিনা তাহা বিবেচিত হইবে না। 
 
ব্যাখ্যা- এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, যদি কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বা বাহিরে প্রতারণার মাধ্যমে, অসৎ উদ্দেশ্যে এবং বাধ্যতামূলক শ্রম বা ‘সার্ভিচিউড’ (servitude) বা ধারা-২ এর উপ-ধারা (১৫) এ বর্ণিত কোনো শোষণ বা নিপীড়নমূলক পরিস্থিতির শিকার হইতে পারে মর্মে জানা থাকা সত্বেও অন্য কোন ব্যক্তিকে কাজ বা চাকুরীর উদ্দেশ্যে গমন, অভিবাসন বা বহির্গমন করিতে প্রলুব্ধ বা সহায়তা করে, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির উক্ত কর্ম উপ-ধারা (১) এ সংজ্ঞায়িত ‘‘মানব পাচার’’ এর অন্তর্ভুক্ত হইবে।
৮২০.
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর অধীন দণ্ডনীয় কোনো অপরাধ সংঘটনের প্রস্তুতি গ্রহণ করলে, কী শাস্তি পেতে পারে?
  1. কোনো শাস্তি পাবে না
  2. সর্বোচ্চ ৩ মাস কারাদণ্ড
  3. সর্বোচ্চ ৬ মাস কারাদণ্ড
  4. সংশ্লিষ্ট অপরাধের সমপরিমাণ শাস্তি
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট অপরাধের সমপরিমাণ শাস্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট অপরাধের সমপরিমাণ শাস্তি
ব্যাখ্যা
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ধারা ২৫ঘ- অপরাধ সংঘটনের চেষ্টা, ইত্যাদির শাস্তি:
যদি কোনো ব্যক্তি এই আইনের অধীন দণ্ডনীয় কোনো অপরাধ সংঘটনের চেষ্টা করেন, বা ষড়যন্ত্র করেন, বা সংঘটনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেন বা সহায়তা করেন, তাহা হইলে তিনি সংশ্লিষ্ট অপরাধটির জন্য বর্ণিত দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
৮২১.
হিন্দু দায়ভাগা মতবাদ অনুসারে সপিণ্ডের সংখ্যা কত?
  1. ৪৭
  2. ৫৩
  3. ৪৩
  4. ৩৩
সঠিক উত্তর:
৫৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৩
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের সম্পত্তি বণ্টন হয়ে থাকে দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে। এই মতবাদ অনুসারে উত্তরাধিকার নির্ণয় করতে যে নীতি অনুসরণ করা হয়, তা হলো মৃত ব্যক্তির আত্মার কল্যাণে আধ্যাত্মিক নীতি (ডকট্রিন অব স্পিরিচুয়াল বিলিফ)। হিন্দু ধর্মাবলম্বী কোনো মানুষ মারা গেলে মৃত ব্যক্তির আত্মার সদ্‌গতির জন্য শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে হয়। শেষকৃত্যের তিনটি ধাপ আছে-
১. পিণ্ডদান;
২. পিণ্ডলেপ ও
৩. জলদান।
মৃত ব্যক্তির শ্রাদ্ধে যে ব্যক্তি পিণ্ডদানের অধিকারী, তাকে বলা হয় ‘সপিণ্ড’। পুরুষ সপিণ্ডর সংখ্যা ৪৮ জন এবং মহিলা সপিণ্ডর সংখ্যা ৫ জন মিলে সর্বমোট ৫৩ জন সপিণ্ড হবে।
নিম্নে প্রথম ২০ জন সপিন্ডগণের তালিকা ক্রমানুসারে দেওয়া হল।।
১) পুত্র;
২) পুত্রের পুত্র;
৩) পুত্রের পুত্রের পুত্র;
৪) স্ত্রী, পুত্রের স্ত্রী, পুত্রের পুত্রের স্ত্রী, পুত্রের পুত্রের পুত্রের স্ত্রী।(বিধবা);
৫) কন্যা;
৬) কন্যার পুত্র;
৭) পিতা;
৮) মাতা;
৯) ভাই, সহোদর ভাই না থাকলে বৈমাত্রেয় ভাই;
১০) ভাই এর পুত্র, সহোদর ভাই না থাকলে বৈমাত্রেয় ভাই এর পুত্র;
১১) ভাই এর পুত্রের পুত্র, সহোদর ভাই না থাকলে বৈমাত্রেয় ভাই এর পুত্রের পুত্র;
১২) বোনের পুত্র;
১৩) পিতার পিতা;
১৪) পিতার মাতা;
১৫) পিতার ভাই;
১৬) পিতার ভাইয়ের পুত্র;
১৭) পিতার ভাইয়ের পুত্রের পুত্র;
১৮) পিতার বোনের পুত্র;
১৯) পিতার পিতার পিতা;
২০) পিতার পিতার মাতা।
৮২২.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২৫ক এর অধীনে থানার অফিসার ইনচার্জ কার মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে?
  1. শুধু অভিযোগকারীর
  2. শুধু অপরাধের শিকার ব্যক্তির
  3. অভিযুক্ত ব্যক্তির এবং অভিযোগকারীর
  4. অভিযুক্ত ব্যক্তির এবং অপরাধের শিকার ব্যক্তি উভয়ের
সঠিক উত্তর:
শুধু অপরাধের শিকার ব্যক্তির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধু অপরাধের শিকার ব্যক্তির
ব্যাখ্যা

 নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২৫ক: থানার অফিসার ইনচার্জের দায়িত্ব-
(১) এই আইনের অধীন সংঘটিত কোন অপরাধের প্রাথমিক সাক্ষ্যপ্রমাণসহ কোনো অভিযোগকারী থানায় হাজির হইলে অফিসার ইনচার্জ তাৎক্ষণিকভাবে তাহার অভিযোগটি এজাহারভুক্ত করিবেন এবং ক্ষেত্রমত এই আইনের অন্যান্য বিধানাবলি সাপেক্ষে অপরাধের শিকার ব্যক্তির প্রয়োজনীয় মেডিক্যাল পরীক্ষা ও চিকিৎসার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করিবেন।

(২) অভিযোগকারী প্রাথমিক সাক্ষ্যপ্রমাণসহ থানায় হাজির হইলে তাহাকে কেবল এই যুক্তিতে ফিরাইয়া দেওয়া যাইবে না যে, তাহার ঘটনাটি অন্য থানার এখতিয়ারাধীন এলাকায় ঘটিয়াছে, বরং যেই থানাতেই অভিযোগ করা হউক না কেন, উক্ত থানার অফিসার ইনচার্জ অবিলম্বে অভিযোগকারীর বক্তব্য লিপিবদ্ধ করিবেন, অপরাধের শিকার ব্যক্তির প্রয়োজনীয় মেডিক্যাল পরীক্ষা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করিবেন এবং অনতিবিলম্বে কেস ডায়েরিসহ অভিযোগটি উপযুক্ত থানায় প্রেরণ করিবেন।

৮২৩.
আমরা, বাংলাদেশের জনগণ, ১৯৭১ খ্রীষ্টাব্দের মার্চ মাসের ২৬ তারিখে স্বাধীনতা ঘোষণা করিয়া ____ মাধ্যমে স্বাধীন ও সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করিয়াছি।
  1. জাতীয় মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক মুক্তিযুদ্ধের
  2. বাংলাদেশের মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক সংগ্রামের
  3. জাতীয় মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক সংগ্রামের
  4. প্রজাতন্ত্রের মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক মুক্তিযুদ্ধের
সঠিক উত্তর:
জাতীয় মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক সংগ্রামের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক সংগ্রামের
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনা:

- আমরা, বাংলাদেশের জনগণ, ১৯৭১ খ্রীষ্টাব্দের মার্চ মাসের ২৬ তারিখে স্বাধীনতা ঘোষণা করিয়া জাতীয় মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীন ও সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করিয়াছি;
 
- আমরা অঙ্গীকার করিতেছি যে, যে সকল মহান আদর্শ আমাদের বীর জনগণকে জাতীয় মুক্তি সংগ্রামে আত্মনিয়োগ ও বীর শহীদদিগকে প্রাণোৎসর্গ করিতে উদ্বুদ্ধ করিয়াছিল -জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার সেই সকল আদর্শ এই সংবিধানের মূলনীতি হইবে ;
 
- আমরা আরও অঙ্গীকার করিতেছি যে, আমাদের রাষ্ট্রের অন্যতম মূল লক্ষ্য হইবে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে এমন এক শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজের প্রতিষ্ঠা- যেখানে সকল নাগরিকের জন্য আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সাম্য, স্বাধীনতা ও সুবিচার নিশ্চিত হইবে;
 
- আমরা দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করিতেছি যে, আমরা যাহাতে স্বাধীন সত্তায় সমৃদ্ধি লাভ করিতে পারি এবং মানবজাতির প্রগতিশীল আশা-আকাঙ্খার সহিত সঙ্গতি রক্ষা করিয়া আন্তর্জাতিক শান্তি ও সহযোগিতার ক্ষেত্রে পূর্ণ ভূমিকা পালন করিতে পারি, সেইজন্য বাংলাদেশের জনগণের অভিপ্রায়ের অভিব্যক্তিস্বরূপ এই সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুণ্ন রাখা এবং ইহার রক্ষণ, সমর্থন ও নিরাপত্তাবিধান আমাদের পবিত্র কর্তব্য;
 
- এতদ্বারা আমাদের এই গণপরিষদে, অদ্য তের শত ঊনআশী বঙ্গাব্দের কার্তিক মাসের আঠারো তারিখ, মোতাবেক ঊনিশ শত বাহাত্তর খ্রীষ্টাব্দের নভেম্বর মাসের চার তারিখে, আমরা এই সংবিধান রচনা ও বিধিবদ্ধ করিয়া সমবেতভাবে গ্রহণ করিলাম।
৮২৪.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ, রায় বা আরোপিত দণ্ড দ্বারা সংক্ষুব্ধ পক্ষ কত দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করিতে পারিবেন?
  1. ৩০ দিন
  2. ৯০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ২৮ ধারার বিধান আপীল: 
- ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ, রায় বা আরোপিত দণ্ড দ্বারা সংক্ষুব্ধ পক্ষ, উক্ত আদেশ, রায় বা দণ্ডাদেশ প্রদানের তারিখ হইতে ষাট দিনের মধ্যে, হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করিতে পারিবেন।
৮২৫.
সংবিধানের ৪৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মৌলিক অধিকার বলবৎ করার জন্য কোন আদালতে মামলা করা যাবে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. জেলা আদালত
  3. মহানগর আদালত
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মৌলিক অধিকার বলবৎ করার জন্য হাইকোর্ট বিভাগের নিকট মামলা রুজু করার অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে।
৪৪(১) অনুচ্ছেদ:
এই অনুচ্ছেদের অধীনে, সংবিধানের তৃতীয় ভাগে বর্ণিত মৌলিক অধিকারসমূহ বলবৎ করানোর জন্য হাইকোর্ট বিভাগে রিট মামলা দায়ের করা যায়।
৪৪(২) অনুচ্ছেদ:
সংসদ যদি চায়, তাহলে আইনের মাধ্যমে অন্য কোনো আদালতকেও নির্দিষ্ট এলাকার মধ্যে এই ক্ষমতা প্রয়োগের অনুমতি দিতে পারে। তবে বর্তমানে শুধুমাত্র হাইকোর্ট বিভাগই মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনের মামলার এখতিয়ারভুক্ত আদালত।

→ অর্থাৎ মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনের প্রতিকার পেতে সরাসরি হাইকোর্ট বিভাগে রিট দায়ের করতে হয়।
৮২৬.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর মিথ্যা মামলা দায়ের বা অভিযোগ দায়েরের শাস্তি অনধিক _____ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
ধারা ১৭: মিথ্যা মামলা, অভিযোগ দায়ের ইত্যাদির শাস্তি

(১) যদি কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির ক্ষতিসাধনের অভিপ্রায়ে উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই আইনের অন্য কোন ধারার অধীন মামলা বা অভিযোগ করার জন্য ন্যায্য বা আইনানুগ কারণ নাই জানিয়াও মামলা বা অভিযোগ দায়ের করেন বা করান তাহা হইলে মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তি এবং যিনি অভিযোগ দায়ের করাইয়াছেন উক্ত ব্যক্তি অনধিক সাত বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

(২) কোন ব্যক্তির লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ট্রাইব্যুনাল উপ-ধারা (১) এর অধীন সংঘটিত অপরাধের অভিযোগ গ্রহণ ও মামলার বিচার করিতে পারিবে।

Section 17: Punishment for filing any false case, complaint etc.

i. If any person files or causes to be filed any case or complaint against a person under this Act for the purpose of causing injury to that person, although he knows that he had not any proper or; legal ground to do so, the person filing or causing to be filed that case or complain shall be punished with rigorous imprisonment for either description which may extend to seven years and also with fine.

ii. The Tribunal can take cognizance and adjudicate any offence under subsection (і), on a written application by any person.
৮২৭.
The General Clauses Act,1897 এর ধারা ২৫ অনুযায়ী, জরিমানা আদায়ের ক্ষেত্রে কোন আইন বা বিধান প্রযোজ্য হবে?
  1. দণ্ডবিধি
  2. ফৌজদারি কার্যবিধি
  3. দেওয়ানি কার্যবিধি
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
ব্যাখ্যা

The General Clauses Act,1897: ধারা ২৫: জরিমানা আদায়:
যে কোন আইন, বিধি (Regulation), নিয়ম বা উপ-নিয়ম (bye-law) অনুযায়ী আরোপিত জরিমানা আদায়ের ক্ষেত্রে, যদি সংশ্লিষ্ট আইন, বিধি বা নিয়মে এ বিষয়ে বিশেষভাবে অন্য কিছু বলা না থাকে, তবে তখন বর্তমানে প্রযোজ্য দণ্ডবিধি (Sections 63–70) এবং ফৌজদারি কার্যবিধি (Code of Criminal Procedure) অনুযায়ী জারি ও কার্যকরীকরণের বিধান প্রযোজ্য হবে।

অর্থাৎ, সাধারণ নিয়মে জরিমানা আদায়ে দণ্ডবিধি ও দণ্ডবিধি কার্যবিধির বিধানগুলো প্রযোজ্য থাকবে, যতক্ষণ না কোনো আইন বা নিয়মে এর বিপরীত স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা থাকে।

৮২৮.
Kazi Mukhlesur Rahman vs. Bangladesh 26 DLR (SC) (Berubari Case) is also known as the-
  1. Second Amendment Case
  2. Third Amendment Case
  3. Fourth Amendment Case
  4. Fifth Amendment Case
সঠিক উত্তর:
Third Amendment Case
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Third Amendment Case
ব্যাখ্যা
• মামলার পূর্ণ নাম: Kazi Mukhlesur Rahman vs Bangladesh and another, 1974, 26 DLR (SC) (1974) 44;
অন্য নাম: 'বেরুবাড়ী মামলা', 'Third Amendment Case'.

রায় ঘোষণা: ৩ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪; আপিল বিভাগ রায় ঘোষণা করেন।
রায় কার্যকর: ২৮ নভেম্বর, ১৯৭৪

Author Judge: ASM Sayem CJ.

মামলার বিচারক: এ মামলায় আপিল বিভাগের ৪ জন বিচারপতি ছিলেন:
০১. ASM Sayeem CJ.
০২. Abdullah Jabir J.
০৩. AB Mahmud Hussain J.
0৪. Ahsanuddin Chowdhury J.

প্রেক্ষাপট:
১৬ মে ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সীমানা চুক্তি/ছিটমহল বিনিময় চুক্তি দিল্লীতে স্বাক্ষরিত হলে বেরুবাড়ী ইউনিয়ন ভারতের মানচিত্রভুক্ত হয়; যা তৎকালীন সংবিধান-বহির্ভূত। ফলে বেরুবাড়ী ইউনিয়নবাসীর পক্ষে HCD-এ জনস্বার্থে আইনজীবী মোখলেছুর রহমান রিট করেন। ফলে HCD সংবিধান সংশোধন করে চুক্তি বলবৎ করার আদেশ দিলে ৩য় সংশোধনী পাশ করে আর্টিকেল ২ সংশোধন করা হয় এবং চুক্তি কার্যকর করা হয়।

মামলাটির সাথে একাধিক নাম জড়িত বিধায় বেরুবাড়ী মামলা, ৩য় সংশোধনী মামলা ইত্যাদি একাধিক নামে পরিচিত।
৮২৯.
ভারতীয় উপমহাদেশে সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের খসড়া তৈরির জন্য কত সালে ৩য় আইন কমিশন গঠিত হয়?
  1. ১৮৫৮ সালে
  2. ১৮৬১ সালে
  3. ১৮৭০ সালে
  4. ১৮৭৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৬১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৬১ সালে
ব্যাখ্যা

⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের খসড়া প্রণয়নের উদ্দেশ্যে ১৮৬১ সালে ৩য় আইন কমিশন (3rd Law Commission) গঠন করা হয়।
- এই কমিশন প্রথমবারের মতো একটি খসড়া প্রস্তুত করলেও, পরবর্তীতে এতে বিভিন্ন সংশোধন ও পরিবর্তন আনা হয়।
- অবশেষে ১৮৮২ সালে ভারতীয় উপমহাদেশে "Transfer of Property Act" কার্যকর হয়।
- তাই, "৩য় আইন কমিশন" গঠিত হয়েছিল ১৮৬১ সালে।

⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস:
- ১৮৬১: ভারতীয় উপমহাদেশে ৩য় আইন কমিশন গঠিত হয়।
- ১৮৭০: উক্ত কমিশন আইনের খসড়া তৈরি করে।
- মি. আর্থার হাউস: আইনটি নিয়ে কাজ শুরু করেন।
- হুইটলি স্টোকস: তার পদত্যাগের পর আইনটি পুনঃপরীক্ষা করেন এবং ১৮৭৭ সালে বাছাই কমিটিতে প্রেরণ করেন।
- ১৮৭৮: বাছাই কমিটি প্রাথমিক রিপোর্ট পেশ করে।
-  ১৮৭৯: আইন কমিশনের রিপোর্ট যাচাইয়ের জন্য কমিটি গঠিত হয়, যারা পরিবর্তন ও পরিবর্ধন করে রিপোর্ট প্রকাশ করে এবং সংশোধিত বিলটি ভারতীয় গেজেটে প্রকাশিত হয়।

৮৩০.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ১১ অনুযায়ী, অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশিত সময়ের মধ্যে হাজির না হলে আদালত কী করতে পারবে?
  1. মামলা খারিজ করতে পারবে
  2. মামলা স্থগিত রাখতে পারবে
  3. অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জরিমানা করতে পারবে
  4. অভিযুক্ত ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে বিচার কার্য সম্পন্ন করতে পারবে
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে বিচার কার্য সম্পন্ন করতে পারবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে বিচার কার্য সম্পন্ন করতে পারবে
ব্যাখ্যা
ধারা ১১-আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার:
যদি আদালতের এ মর্মে বিশ্বাস করিবার যুক্তিসংগত কারণ থাকে যে,- 
(ক) অভিযুক্ত ব্যক্তি তাহার গ্রেফতার বা তাহাকে বিচারের জন্য সোপর্দকরণ এড়াইবার জন্য পলাতক রহিয়াছেন বা আত্মগোপন করিয়াছেন, এবং 
(খ) গ্রেফতারী পরোয়ানা জারীর সাত দিনের মধ্যে তাহার গ্রেফতারের কোন সম্ভাবনা নাই- 
 
তাহা হইলে আদালত অন্ততঃ একটি বাংলা দৈনিক খবরের কাগজে প্রজ্ঞাপিত আদেশ দ্বারা আদেশে উল্লিখিত সময় যাহা সাত দিনের বেশী হইবে না, এর মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আদালতে হাজির হইবার জন্য নির্দেশ দিতে পারিবে এবং উক্ত সময়ের মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতে হাজির হইতে ব্যর্থ হইলে আদালত তাহার অনুপস্থিতিতে বিচার কার্য সম্পন্ন করিতে পারিবে৷
৮৩১.
ওয়াকফ আলাল আওলাদ-এর ক্ষেত্রে সম্পত্তি কীভাবে ব্যবহৃত হয়?
  1. সম্পত্তি সম্পূর্ণরূপে দাতব্য কাজে ব্যবহৃত হবে
  2. সম্পত্তি সম্পূর্ণরূপে সরকারের হাতে থাকবে
  3. সম্পত্তি প্রথমে পরিবারের কল্যাণে ব্যবহার হবে
  4. কোনটিই সঠিক নয়
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি প্রথমে পরিবারের কল্যাণে ব্যবহার হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি প্রথমে পরিবারের কল্যাণে ব্যবহার হবে
ব্যাখ্যা
ওয়াকফ আলাল আওলাদ:
ওয়াকফ আলাল আওলাদ ইচ্ছে ইসলাম ধর্ম কর্তৃক স্বীকৃত বিশেষ ধরনের ওয়াকফ। এ ধরনের ওয়াকফের ক্ষেত্রে ওয়াফকারী সম্পত্তিটি তার বংশধরদের কল্যাণের উদ্দেশ্যে সংরক্ষণ করতে পারে। তবে বংশধরদের উপকার শেষান্তে সম্পত্তিটি অবশ্যই ধর্মীয় বা দাতব্য উদ্দেশ্যে ব্যয় বা ব্যবহার হবে। এটি ওয়াকফ আলাল আওলাদ বলে। অর্থাৎ ওয়াকিফের নিজের জন্য বা তার পরিবার বর্গের জন্য কোন ওয়াকফ করা হলে তাকে ওয়াকফ-আলাল- আউলাদ বলে।

Abul Fata Mahomed Ishak Vs Russomoy Dhur Chowdry (1894) নামক বিখ্যাত মামলায় পারিবারিক ওয়াকফ বা ওয়াকফ আল-আউলাদকে অবৈধ ঘোষনা করা হয়েছিল। পরবর্তীতে ১৯১৩ সালে The Mussalman Wakf validating Act, 1913 পাশের মাধ্যমে ওয়াকফ-আলাল আউলাদকে বৈধতা দেওয়া হয়। তবে শর্ত হলো এরকম ওয়াকফের চূড়ান্ত উপকার গরীব অথবা দাতব্য/ ধর্মীয় উদ্দেশ্যে হতে হবে।

সুতরাং বলা যায়, ওয়াকফকারী তার বংশধরদের কল্যাণে ওয়াফের উদ্দেশ্যের স্থগিত অবস্থার কারণে ওয়াকফটি অবৈধ হবে না। তবে সেরকম সংরক্ষণ বংশের পর বংশ চলতে থাকতে পারে না। সেরকম সংরক্ষণ অবশ্যই নির্দিষ্ট সময়ের জন্য হবে।
৮৩২.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন ট্রাইব্যুনাল যদি নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে মামলার বিচার শেষ করতে ব্যর্থ হয়, তবে কত কার্যদিবসের মধ্যে হাইকোর্টে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে?
  1. ৭ কার্যদিবস
  2. ১০ কার্যদিবস
  3. ১৫ কার্যদিবস
  4. ৩০ কার্যদিবস
সঠিক উত্তর:
১০ কার্যদিবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন ট্রাইব্যুনাল যদি নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে ট্রাইব্যুনালকে ১০ কার্যদিবসের মধ্যে হাইকোর্টকে প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে।

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ২৪: বিচারকার্য সম্পন্নের সময়সীমা:
(১) এই আইনের অধীন সংঘটিত কোন অপরাধের অভিযোগ গঠনের ১৮০ (একশত আশি) কার্যদিবসের মধ্যে ট্রাইব্যুনাল বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে। 
(২) উপ-ধারা (১) এর বিধান সত্ত্বেও, উক্ত সময়সীমার মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিতে ব্যর্থতা বিচারকার্যকে বাতিল করিবে না, কিন্তু, ট্রাইব্যুনাল উক্ত সময়ের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিতে সমর্থ না হইবার কারণ ব্যাখ্যা করিয়া ১০ (দশ) কার্যদিবসের মধ্যে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে প্রতিবেদন প্রেরণ করিবে।

৮৩৩.
বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬৪(৩) অনুসারে অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্ব পালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে কী ধরনের অধিকার রয়েছে?
  1. রায় দেওয়ার অধিকার
  2. বক্তব্য পেশ করার অধিকার
  3. মামলা দায়ের করার অধিকার
  4. বিচারকদের নিয়োগ দেওয়ার অধিকার
সঠিক উত্তর:
বক্তব্য পেশ করার অধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বক্তব্য পেশ করার অধিকার
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬৪(৩)-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে: "অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্ব পালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁহার বক্তব্য পেশ করিবার অধিকার থাকিবে।"
- এটি Right of Audience হিসেবে পরিচিত। অর্থাৎ, অ্যাটর্নি-জেনারেল তাঁর দায়িত্ব পালনের প্রয়োজনে বাংলাদেশের যেকোনো আদালতে সরাসরি বক্তব্য পেশ করতে পারেন। এটি শুধুমাত্র বক্তব্য পেশের অধিকার—মামলা দায়ের করা বা রায় দেওয়ার ক্ষমতা নয়।

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬৪: অ্যাটর্নি-জেনারেল: 
(১) সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হইবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল পদে নিয়োগদান করিবেন।
(২) অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করিবেন।
(৩) অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্ব পালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁহার বক্তব্য পেশ করিবার অধিকার থাকিবে।
(৪) রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি-জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করিবেন।

⇒ Article 64: The Attorney-General:
(1) The President shall appoint a person who is qualified to be appointed as a Judge of the Supreme Court to be Attorney-General for Bangladesh.
(2) The Attorney-General shall perform such duties as may be assigned to him by the President.
(3) In the performance of his duties, the Attorney-General shall have the right of audience in all courts of Bangladesh.
(4) The Attorney-General shall hold office during the pleasure of the President, and shall receive such remuneration as the President may determine.

৮৩৪.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৩১(২) অনুযায়ী, মাদক অপরাধের তদন্ত ৬০ দিনের মধ্যে শেষ না হলে অতিরিক্ত কত দিন সময় দেওয়া যায়?
  1. ৭ কার্যদিবস
  2. ১৫ কার্যদিবস
  3. ৩০ কার্যদিবস
  4. ৪৫ কার্যদিবস
সঠিক উত্তর:
১৫ কার্যদিবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা
⇒ "মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮" এর ধারা ৩১(২) অনুযায়ী, মাদক অপরাধের তদন্ত ৬০ দিনের মধ্যে শেষ না হলে অতিরিক্ত ১৫ কার্যদিবস সময় দেওয়া যায়। 
- ধারা ৩১(১)(খ) অনুযায়ী, যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনের সময় হাতেনাতে ধৃত না হয়, তবে তদন্ত প্রাথমিক তথ্যপ্রাপ্তি বা তদন্তের আদেশ প্রাপ্তির তারিখ থেকে ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। তবে, ধারা ৩১(২) এ উল্লেখ আছে যে, কোনো যুক্তিসংগত কারণে এই সময়ের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করা সম্ভব না হলে, তদন্তকারী অফিসার কারণ লিপিবদ্ধ করে অতিরিক্ত ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত শেষ করবেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে অবহিত করবেন।

অর্থাৎ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ৩১(২)-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে:
যদি ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত শেষ করা সম্ভব না হয়, তদন্তকারী অফিসার যুক্তিসঙ্গত কারণ লিপিবদ্ধ করে, অতিরিক্ত ১৫ (পনেরো) কার্যদিবসের সময় পাবেন তদন্ত শেষ করার জন্য।

প্রাসঙ্গিক অংশ:
"কোনো যুক্তিসংগত কারণে উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সময়ের মধ্যে তদন্তকার্য সম্পন্ন করা সম্ভব না হইলে, তদন্তকারী অফিসার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া অতিরিক্ত ১৫ (পনেরো) কার্যদিবসের মধ্যে মাদকদ্রব্য অপরাধের তদন্তকার্য সম্পন্ন করিবেন..."
৮৩৫.
A প্রতিশ্রুতি দিলো যে, সে B-কে টাকা দেবে যদি B C-কে বিয়ে করে। পরে C অন্য কাউকে বিয়ে করল। এখন—
  1. চুক্তি কার্যকর থাকবে
  2. চুক্তি বাতিল হয়ে যাবে
  3. আদালত বৈধ ঘোষণা করবে
  4. শর্তসাপেক্ষে কার্যকর থাকবে
সঠিক উত্তর:
চুক্তি বাতিল হয়ে যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি বাতিল হয়ে যাবে
ব্যাখ্যা

⇒ চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৩৪ অনুসারে, Contingent Contract হলো এমন চুক্তি যা কোনো ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত ঘটনার উপর নির্ভরশীল।
এখানে শর্ত ছিল: B যদি C-কে বিয়ে করে, তবে A টাকা দেবে। কিন্তু C অন্য কাউকে বিয়ে করেছে, অর্থাৎ শর্ত পূরণ আর কখনো সম্ভব নয়।
- তাই, ধারা ৩৪ অনুযায়ী ঘটনাটি অসম্ভব (impossible) হয়ে গেছে। ফলে চুক্তি Void (বাতিল) হয়ে যাবে।

- চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৩৪ অনুসারে, যদি কোন কন্টিনজেন্ট কন্ট্রাক্ট (শর্তসাপেক্ষ চুক্তি) কোন ব্যক্তির ভবিষ্যৎ আচরণের উপর নির্ভরশীল হয় এবং সেই ব্যক্তি এমন কোন কাজ করে যা দ্বারা সেই শর্ত পূরণ করা অসম্ভব হয়ে যায়, তাহলে চুক্তিটি void (বাতিল) হয়ে যায়।

এখানে, চুক্তিটি contingent upon B marrying C (B-এর C-কে বিয় করার উপর শর্তাধীন)। কিন্তু C অন্য একজনকে (D-কে) বিয়ে করে ফেলেছে। C-এর এই কাজটি B-এর C-কে বিয়ে করার সম্ভাবনাকে অসম্ভব করে দিয়েছে (কারণ বাংলাদেশে বহুবিবাহ আইনত অবৈধ)।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো: খ) চুক্তি বাতিল হয়ে যাবে।

----------
⇒ The Contract Act, 1872 section-34. When event on which contract is contingent to be deemed impossible, if it is the future conduct of a living person:
 If the future event on which a contract is contingent is the way in which a person will act at an unspecified time, the event shall be considered to become impossible when such person does anything which renders it impossible that he should so act within any definite time, or otherwise than under further contingencies. 

Illustration:
A agrees to pay B a sum of money if B marries C. 
C marries D. The marriage of B to C must now be considered impossible, although it is possible that D may die and that C may afterwards marry B.

৮৩৬.
হিন্দু দায়ভাগা আইন অনুযায়ী নিম্নের কোন ব্যক্তি সপিণ্ড?
  1. বোন-এর পুত্র
  2. ভাই-এর পুত্র
  3. পুত্র
  4. সকলেই
সঠিক উত্তর:
সকলেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সকলেই
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের সম্পত্তি বণ্টন হয়ে থাকে দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে। এই মতবাদ অনুসারে উত্তরাধিকার নির্ণয় করতে যে নীতি অনুসরণ করা হয়, তা হলো মৃত ব্যক্তির আত্মার কল্যাণে আধ্যাত্মিক নীতি (ডকট্রিন অব স্পিরিচুয়াল বিলিফ)। হিন্দু ধর্মাবলম্বী কোনো মানুষ মারা গেলে মৃত ব্যক্তির আত্মার সদ্‌গতির জন্য শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে হয়। শেষকৃত্যের তিনটি ধাপ আছে-
১. পিণ্ডদান;
২. পিণ্ডলেপ ও
৩. জলদান।

• মৃত ব্যক্তির শ্রাদ্ধে যে ব্যক্তি পিণ্ডদানের অধিকারী, তাকে বলা হয় ‘সপিণ্ড’। পুরুষ সপিণ্ডর সংখ্যা ৪৮ জন এবং মহিলা সপিণ্ডর সংখ্যা ৫ জন মিলে সর্বমোট ৫৩ জন সপিণ্ড হবে।

নিম্নে প্রথম ২০ জন সপিন্ডগণের তালিকা ক্রমানুসারে দেওয়া হলঃ

১) পুত্র;
২) পুত্রের পুত্র;
৩) পুত্রের পুত্রের পুত্র;
৪) স্ত্রী, পুত্রের স্ত্রী, পুত্রের পুত্রের স্ত্রী, পুত্রের পুত্রের পুত্রের স্ত্রী।(বিধবা);
৫) কন্যা;
৬) কন্যার পুত্র;
৭) পিতা;
8) মাতা;
৯) ভাই, সহোদর ভাই না থাকলে বৈমাত্রেয় ভাই;
১০) ভাই এর পুত্র, সহোদর ভাই না থাকলে বৈমাত্রেয় ভাই এর পুত্র;
১১) ভাই এর পুত্রের পুত্র, সহোদর ভাই না থাকলে বৈমাত্রেয় ভাই এর পুত্রের পুত্র;
১২) বোনের পুত্র;
১৩) পিতার পিতা;
১৪) পিতার মাতা;
১৫) পিতার ভাই;
১৬) পিতার ভাইয়ের পুত্র;
১৭) পিতার ভাইয়ের পুত্রের পুত্র;
১৮) পিতার বোনের পুত্র;
১৯) পিতার পিতার পিতা;
২০) পিতার পিতার মাতা।
৮৩৭.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সুপ্রীম কোর্টকে "কোর্ট অব রেকর্ড" ঘোষণা করা হয়েছে?
  1. ১০৭ অনুচ্ছেদ
  2. ১০৮ অনুচ্ছেদ
  3. ১০৯ অনুচ্ছেদ
  4. ১১১ অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
১০৮ অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৮ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৮ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে: "সুপ্রীম কোর্ট একটি 'কোর্ট অব রেকর্ড' হইবেন এবং ইহার অবমাননার জন্য তদন্তের আদেশদান বা দণ্ডাদেশদানের ক্ষমতাসহ আইন-সাপেক্ষে অনুরূপ আদালতের সকল ক্ষমতার অধিকারী থাকিবেন।"
- অর্থাৎ, এই অনুচ্ছেদে সুপ্রীম কোর্টকে "Court of Record" হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

"Court of Record" অর্থ এমন একটি আদালত: যার রায়, আদেশ, ও কার্যক্রম লিখিতভাবে রেকর্ড হয় এবং ভবিষ্যতে উদাহরণ বা নজির হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।
- যার কাছে contempt of court (আদালত অবমাননা) সংক্রান্ত মামলায় বিচার ও শাস্তি দেওয়ার ক্ষমতা থাকে।
৮৩৮.
অকৃষি প্রজা নিম্নের কোন উদ্দেশ্যে অকৃষি জমি ব্যবহার করতে পারেন?
  1. ধর্মীয় উদ্দেশ্যে
  2. ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে
  3. আবাসিক উদ্দেশ্যে
  4. উল্লিখিত সকল উদ্দেশ্যে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল উদ্দেশ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল উদ্দেশ্যে
ব্যাখ্যা
The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 ধারা ৪: অকৃষি প্রজা যে সকল উদ্দেশ্যে অকৃষি জমি ব্যবহার করতে পারেন-
(ক) গৃহস্থালি বা আবাসিক উদ্দেশ্যে;
(খ) শিল্প বা ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে;
(গ) ধর্মীয় বা অন্যান্য উদ্দেশ্যে।
৮৩৯.
কোনো অকৃষি প্রজা যদি নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে জমি কোর্ফা পত্তন দেয়, তাহলে তার-
  1. জরিমানা হবে
  2. অধিকার স্থগিত হবে
  3. অধিকার বাতিল হবে
  4. জমির উপর কর বসবে
সঠিক উত্তর:
অধিকার বাতিল হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধিকার বাতিল হবে
ব্যাখ্যা
NAT Act, 1949 ধারা ২৬ক: কোর্ফা পত্তন নিষিদ্ধ (Bar to Sub-let):
(১) এই আইন, বা প্রচলিত অন্য কোনো আইন, কিংবা কোনো চুক্তিতে ভিন্ন কিছু থাকলেও, কোনো অকৃষি প্রজা (non-agricultural tenant) তার ভাড়া নেওয়া জমির পুরোটা বা কোনো অংশ অন্য কাউকে কোর্ফা পত্তন দিতে পারবে না- যে কোনো শর্তেই হোক না কেন।

(২) যদি কেউ এই নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে তার ভাড়াকৃত জমি বা তার কোনো অংশ কোর্ফা পত্তন করে, তাহলে-
- সেই প্রজার জমির ওপর অধিকার বাতিল (extinguished) হয়ে যাবে।
- এবং সেই জমি বা তার অংশ সকল দায়-দেনা মুক্তভাবে সরকার (প্রাদেশিক সরকার)-এর অধীনে চলে যাবে।
৮৪০.
The Negotiable Instruments Act, 1881 অনুযায়ী আসামীর প্রতি নোটিশ প্রদানের কোনটি অনুমোদিত পদ্ধতি নয়?
  1. সরাসরি
  2. ডাকযোগে
  3. জাতীয় বাংলা পত্রিকায়
  4. ই-মেইল ও ফ্যাক্সযোগে
সঠিক উত্তর:
ই-মেইল ও ফ্যাক্সযোগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ই-মেইল ও ফ্যাক্সযোগে
ব্যাখ্যা
The Negotiable Instruments Act, 1881 অনুযায়ী নোটিশ দেওয়ার পদ্ধতি - ১৩৮ (১ক): ৩টি উপায়ে নোটিশ দেয়া যায়-
ⅰ) ব্যক্তিগতভাবে নোটিশ সরবরাহ করেন;
ii) উক্ত ব্যক্তির বসবাস বা ব্যবসার স্থানে প্রাপ্তি স্বীকারসহ রেজিস্টার্ড ডাকযোগে;
iii) বহুল প্রচারিত ১টি দৈনিক বাংলা পত্রিকায় প্রকাশ করে।

অর্থাৎ The Negotiable Instruments Act, 1881 অনুযায়ী আসামীর প্রতি  ই-মেইল ও ফ্যাক্সযোগে নোটিশ প্রদান অনুমোদিত পদ্ধতি নয়।

----------------
Section 138-(1A) The notice required to be served under clasue (b) of sub-section (1) shall be served in the following manner-
(a) by delivering it to the person on whom it is to be served; or
(b) by sending it by registered post with acknowledgement due to that person at his usual or last known place of abode or business in Bangladesh; or
(c) by publication in a daily Bangla national newspaper having wide circulation.
৮৪১.
মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ এর কোন ধারায় "বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তি" এর বিধান আছে?
  1. ধারা ১১২
  2. ধারা ১১৫
  3. ধারা ১২০
  4. ধারা ১২৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২৫
ব্যাখ্যা

⇒ মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২-এর সপ্তদশ অধ্যায় (আপীল ও রিভিশন)-এর অধীনে ধারা ১২৫-এ "বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তি" (Alternative Dispute Resolution) এর বিস্তারিত বিধান প্রদান করা হয়েছে। এই ধারায় করদাতার বিকল্প উপায়ে (সমঝোতার ভিত্তিতে) বিরোধ নিষ্পত্তির আবেদন, সহায়তাকারী নিয়োগ, সময়সীমা গণনা, গোপনীয়তা, এবং জালিয়াতি বা ফৌজদারি অপরাধ জড়িত বিরোধের বর্জন ইত্যাদি বিষয়ে বিধান রয়েছে।
- অর্থাৎ মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ এর সপ্তদশ অধ্যায়-এ আপীল ও রিভিশন সম্পর্কিত বিধান রয়েছে। এই অধ্যায়েরই ধারা ১২৫-এ "বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তি" (Alternative Dispute Resolution - ADR) সম্পর্কে বিশেষ বিধান সন্নিবেশিত করা হয়েছে।

৮৪২.
According to Article 63(1) of constitution, when can the Republic declare war?
  1. Without any approval
  2. At the discretion of the President
  3. With the assent of Parliament
  4. At the discretion of the Prime Minister
সঠিক উত্তর:
With the assent of Parliament
উত্তর
সঠিক উত্তর:
With the assent of Parliament
ব্যাখ্যা

Article 63: War:
(1) War shall not be declared and the Republic shall not participate in any war except with the assent of Parliament.

​অনুচ্ছেদ ৬৩: যুদ্ধ:
(১) সংসদের সম্মতি ব্যতীত যুদ্ধ ঘোষণা করা যাইবে না কিংবা প্রজাতন্ত্র কোন যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করিবেন না।

৮৪৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯ক(১) অনুসারে, মধ্যস্থতার প্রক্রিয়া শুরু হয় কখন?
  1. আরজি দাখিলের পরপর
  2. লিখিত জবাব দাখিলের পর
  3. সাক্ষ্যগ্রহণের পরে
  4. রায় ঘোষণার আগে
সঠিক উত্তর:
লিখিত জবাব দাখিলের পর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিখিত জবাব দাখিলের পর
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধি ধারা ৮৯ক(১): মধ্যস্থতা (Mediation):
অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩ (আইন নং ৮, ২০০৩)–এর অধীন মামলাগুলি ছাড়া, যে কোনো দেওয়ানি মোকদ্দমায় লিখিত জবাব (Written Statement) দাখিলের পর, যদি উভয় পক্ষ (বাদী ও বিবাদী) নিজে বা তাদের উকিলের মাধ্যমে আদালতে উপস্থিত থাকে,
তাহলে আদালত শুনানি স্থগিত করে (adjourn the hearing) মামলার বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য মধ্যস্থতা (mediation) করার ব্যবস্থা করবে।

এই মধ্যস্থতার উদ্দেশ্যে আদালত- নিজে মধ্যস্থতা করতে পারে, অথবা মামলাটি পাঠাতে পারে আইনগত সহায়তা কর্মকর্তা (Legal Aid Officer)-এর নিকট, যিনি আইনগত সহায়তা আইন, ২০০০ (আইন নং ৬, ২০০০) অনুসারে নিয়োজিত, অথবা সংশ্লিষ্ট পক্ষগণের নিযুক্ত উকিলগণের নিকট, অথবা যেসব ক্ষেত্রে কোনো উকিল নিযুক্ত নেই, সেখানে পক্ষগণ নিজেরাই, অথবা জেলা জজ কর্তৃক প্রণীত প্যানেলভুক্ত কোনো মধ্যস্থতাকারী (mediator)–এর নিকট, মামলার বিরোধ মধ্যস্থতার মাধ্যমে মীমাংসার চেষ্টা করার জন্য রেফার করতে পারেন।

৮৪৪.
হস্তলিখিত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন নি এমন একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য কে ছিলেন?
  1. আব্দুর রউফ
  2. সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত
  3. শাহ আজিজুর রহমান
  4. খন্দকার মোশতাক আহমদ
সঠিক উত্তর:
সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধানে একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য যিনি স্বাক্ষর করেননি, তিনি হলেন সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।

→ সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বাংলাদেশের গণপরিষদের সদস্য ছিলেন এবং সংবিধান প্রণয়নের সময় তিনি বিরোধী দলের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন।
- তবে তিনি বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধানে স্বাক্ষর করেননি, এবং তার এই সিদ্ধান্তের পেছনে রাজনৈতিক কারণে বিরোধিতা ছিল।
৮৪৫.
The Non-Agricultural Tenancy Act 1949 অনুসারে অকৃষি প্রজা ও মালিকের মধ্যে উন্নয়ন বিষয়ক কোনো প্রশ্নের সমাধান করতে পারেন কে?
  1. দেওয়ানী আদালত
  2. সহকারী কমিশনার
  3. ডেপুটি কমিশনার
  4. স্থানীয় সরকার
সঠিক উত্তর:
ডেপুটি কমিশনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেপুটি কমিশনার
ব্যাখ্যা
⇒ The Non-Agricultural Tenancy Act 1949 এর ধারা ৬৬ মতে উন্নয়ন ইত্যাদি করার অধিকারের প্রশ্নে কালেক্টর সিদ্ধান্ত দিবেন:
১) যদি অকৃষি প্রজা ও তার ভূ-স্বত্বাধিকারীর মধ্যে এমন প্রশ্ন উঠে-
ক) উন্নয়ন কাজ করার অধিকার সম্বন্ধে; বা
খ) কোন বিশেষ একটি কাজ উন্নয়নমূলক কি না,
তখন যে কোন পক্ষের আবেদন অনুযায়ী ডেপুটি কমিশনার সে সম্পর্কে সিদ্ধান্ত প্রদান করবেন।
 ২) ডেপুটি কমিশনারের প্রদত্ত আদেশের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে জেলা জজের নিকট আপিল করা যাবে। এরূপ আপিলের ক্ষেত্রে জেলা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত।
 অর্থাৎ উন্নয়ন করার অধিকার আছে কিনা বা কোন নির্দিষ্ট কাজ উন্নয়নমূলক কিনা সেই বিষয়ে কোন প্রশ্ন দেখা দিলে সেই প্রশ্ন ডেপুটি কমিশনার নির্ধারণ করবেন।
-------------------------
⇒ The Non-Agricultural Tenancy Act 1949 Section 66. Collector to decide question as to right to make improvement, etc.
(1) If a question arises between the non-agricultural tenant and his landlord-
(a) as to the right to make an improvement, or 
(b) as to whether a particular work is an improvement, the Deputy Commissioner may, on the application of either party, decide the question.
(2) An appeal, if presented within thirty days from the date of the order appealed against, shall lie to the District Judge from every order passed by the Deputy Commissioner under sub-section (1) and the order passed by the District Judge on such appeal shall be final.
৮৪৬.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৩ ধারায়, মাদকদ্রব্য-সংক্রান্ত অবৈধ সম্পদ ও অর্থ যাচাইয়ের জন্য কোন আইনের আওতায় ব্যবস্থা নিতে হবে?
  1. দণ্ডবিধি, ১৮৬০
  2. আয়কর অধ্যাদেশ, ১৯৮৪
  3. মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২
  4. দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪
সঠিক উত্তর:
মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৩৩: ব্যাংক হিসাব, ইত্যাদি নিরীক্ষা ও নিষ্ক্রিয়করণ:
(১) যদি মহাপরিচালক অথবা তদন্তকারী অফিসারের এইরূপ বিশ্বাস করিবার যথেষ্ট কারণ থাকে যে, কোনো ব্যক্তি কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধের সহিত জড়িত থাকিয়া অবৈধ অর্থ ও সম্পদ সংগ্রহে লিপ্ত রহিয়াছেন এবং উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই আইনের বিধান অনুসারে কার্যক্রম গ্রহণের নিমিত্ত তাহার ব্যাংক হিসাব অথবা আয়কর অথবা সম্পদের কর সম্পর্কীয় রেকর্ডপত্র পরীক্ষা করা প্রয়োজন, তাহা হইলে তদন্তকারী অফিসার মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে।

(২) তদন্তকারী অফিসার মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ধারা ২ এর উপ-ধারা (শ) এ উল্লিখিত সম্পৃক্ত মাদকদ্রব্য অপরাধ (অবৈধ মাদক ও নেশাজাতীয় দ্রব্যের ব্যবসা) নিয়ন্ত্রণের জন্য তদন্তকারী অফিসার হিসাবে গণ্য হইবেন এবং তিনি অবৈধ মাদক ব্যবসার মাধ্যমে অর্জিত অর্থ অথবা সম্পদ সম্পর্কে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ অনুযায়ী তদন্তসহ পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করিতে পারিবেন।

(৩) প্রয়োজনে তদন্তকারী অফিসার উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত অনুরূপ বিশ্বাসের কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া উক্ত হিসাব অথবা রেকর্ডপত্র পরীক্ষা নিরীক্ষা করা কিংবা সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাব নিষ্ক্রিয়করণ (Freezing) করা কিংবা সম্পদ যাচাই-বাছাইয়ের (Scrutinizing) অনুমতি প্রদানের জন্য 23[এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে] আবেদন করিতে পারিবে।

(৪) উপ-ধারা (৩) এর অধীন পেশকৃত আবেদন পর্যালোচনা করিয়া এবং আবেদনকারীকে শুনানির সুযোগ প্রদান করিয়া 24[এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত] আবেদনটি নিষ্পত্তি করিবে এবং যদি তিনি প্রার্থিত অনুমতি যুক্তিসংগত বলিয়া মনে করেন, তাহা হইলে অনুমতি প্রদান করিবেন এবং উহার একটি অনুলিপি সংশ্লিষ্ট ব্যাংক, কর অফিসার অথবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করিবে।

(৫) উপ-ধারা (৪) এর অধীন অনুমতিপ্রাপ্ত অফিসার তাহার পরীক্ষা-নিরীক্ষার অগ্রগতি ও ফলাফল সম্পর্কে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতকে নির্ধারিত সময়ে অবহিত করিবে।
৮৪৭.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ অনুযায়ী, বিবাহ বিচ্ছেদ, দেনমোহর বা ভরণপোষণের মোকদ্দমায় কোন আদালতের বিশেষ এখতিয়ার থাকবে?
  1. যার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমানার মধ্যে সালিশী কাউন্সিল গঠিত হয়েছে
  2. যার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমানার মধ্যে স্বামী বসবাস করেন
  3. যার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমানার মধ্যে স্ত্রী বসবাস করেন
  4. যার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমানার মধ্যে বিবাহ সম্পন্ন হয়েছে
সঠিক উত্তর:
যার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমানার মধ্যে স্ত্রী বসবাস করেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমানার মধ্যে স্ত্রী বসবাস করেন
ব্যাখ্যা

পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ৬- মোকদ্দমা দায়ের:
(১) এই আইনের অধীন কোনো মোকদ্দমা সেই পারিবারিক আদালতে আরজি দাখিলের মাধ্যমে দায়ের করিতে হইবে যাহার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমানার মধ্যে-
(ক) মোকদ্দমার কারণ সম্পূর্ণভাবে বা আংশিকভাবে উদ্ভূত হইয়াছে; অথবা
(খ) পক্ষগণ একত্রে বসবাস করেন বা সর্বশেষ বসবাস করিয়াছিলেন:

তবে শর্ত থাকে যে, বিবাহ বিচ্ছেদ, দেনমোহর বা ভরণপোষণের মোকদ্দমায় সেই আদালতেরও এখতিয়ার থাকিবে, যাহার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমানার মধ্যে স্ত্রী সাধারণত বসবাস করেন।

৮৪৮.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ৩৫(১) ধারায় গ্রেফতারকৃত অভিযুক্তকে কত ঘন্টার মধ্যে ট্রাইব্যুনালে হাজির করতে হবে?
  1. ১২ ঘন্টা
  2. ২৪ ঘন্টা
  3. ৪৮ ঘন্টা
  4. ৭২ ঘন্টা
সঠিক উত্তর:
২৪ ঘন্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ ঘন্টা
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) ২৪ ঘন্টার মধ্যে।

সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৩৫: বেআইনি প্রবেশ বা অনুপ্রবেশ বা হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে পরোয়ানা ব্যতিরেকে তল্লাশি, জব্দ ও গ্রেফতার:

(১) গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোতে সাইবার হামলা কিংবা কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ডিজিটাল ডিভাইস, ইত্যাদিতে বেআইনি প্রবেশ বা অনুপ্রবেশ বা হ্যাকিং এর মাধ্যমে মুছিয়া ফেলা, পরিবর্তন, নষ্ট হওয়া, সাক্ষ্য প্রমাণাদি হারানো বা অন্য কোনো উপায়ে দুষ্প্রাপ্য হইবার বা করিবার সম্ভাবনা থাকে, তাহা হইলে পুলিশ অফিসার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, নিম্নবর্ণিত কার্য সম্পাদন করিতে পারিবেন, যথা:-

(ক) উক্ত স্থানে প্রবেশ করিয়া তল্লাশি এবং প্রবেশে বাধাপ্রাপ্ত হইলে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ;

(খ) উক্ত স্থানে তল্লাশিকালে প্রাপ্ত অপরাধ সংঘটনে ব্যবহার্য কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, তথ্য-উপাত্ত বা অন্যান্য সরঞ্জামাদি এবং অপরাধ প্রমাণে সহায়ক কোনো দলিল জব্দকরণ;

(গ) উক্ত স্থানে উপস্থিত যে কোনো ব্যক্তির দেহ তল্লাশি;

(ঘ) উক্ত স্থানে উপস্থিত কোনো ব্যক্তি এই অধ্যাদেশের অধীন কোনো অপরাধ করিয়াছেন বা করিতেছেন বলিয়া সন্দেহ হইলে উক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার।

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন তল্লাশি সম্পন্ন করিবার পর পুলিশ অফিসার তল্লাশি পরিচালনার প্রতিবেদন ট্রাইব্যুনালের নিকট অনতিবিলম্বে দাখিল করিবেন।

(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করিবার পর পুলিশ অফিসার সংবিধানের ৩৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী উক্ত ব্যক্তিকে অনতিবিলম্বে বা যাতায়াতের সময় ব্যতীত অনধিক ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টার মধ্যে নিকটস্থ ম্যাজিস্ট্রেট বা ট্রাইব্যুনালে হাজির করিবেন।

৮৪৯.
"স্থাবর সম্পত্তি" এর উদাহরণ নয় কোনটি?
  1. পথের অধিকার
  2. গাছে থাকা ফল
  3. মাছ ধরার অধিকার
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
গাছে থাকা ফল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাছে থাকা ফল
ব্যাখ্যা
The Registration Act, 1908 ধারা ২(৬)- "স্থাবর সম্পত্তি" (immoveable property) বলতে বোঝায়-
ভূমি, ভবন, ভূমি থেকে উৎপন্ন সুবিধাসমূহ এবং ভূমির সঙ্গে সংযুক্ত বা ভূমির সঙ্গে স্থায়ীভাবে সংযুক্ত যেকোনো বস্তু, উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত ভাতা, পথ, আলো, ফেরিঘাট ও মাছ ধরার অধিকারের মতো বিষয়সমূহকে।

তবে এর অন্তর্ভুক্ত নয়-
(ক) দাঁড়ানো কাঠ, জন্মানো ফসল বা ঘাস, তাৎক্ষণিক কাটা হবে কি না সেটা বিবেচ্য নয়;
(খ) গাছে থাকা ফল বা রস—তা বর্তমানে থাকুক বা ভবিষ্যতে উৎপন্ন হোক;
(গ) ভূমির সঙ্গে সংযুক্ত বা মাটিতে স্থাপনকৃত যন্ত্রপাতি, যদি তা জমির অংশ হিসেবে বিবেচিত না হয়ে পৃথকভাবে বিবেচিত হয়।
৮৫০.
কোন আদালত স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারে না?
  1. সহকারী জজ আদালত
  2. জেলা জজ আদালত
  3. আপিল বিভাগ
  4. স্মল কজ কোর্ট
সঠিক উত্তর:
স্মল কজ কোর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্মল কজ কোর্ট
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৮২ মতে কোন কোন আদালত বিক্রয় করার আদেশ প্রদান করতে পারে: স্মল কজ কোর্ট ব্যতীত অন্য যে কোন আদালত ডিক্রি জারিতে স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয়ের আদেশ প্রদান করতে পারে।
- সুতরাং স্মল কজ কোর্ট ডিক্রি জারিতে স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয়ের আদেশ প্রদান করতে পারে না।
-------------------
⇒ Order-21 Rule-82. What Courts may order sales:
- Sales of immovable property in execution of decrees may be ordered by any Court other than a Court of Small Causes.
৮৫১.
'ওয়াকফ আলাল আওলাদ' বলতে কী বোঝায়?
  1. জনগণের কল্যাণে করা ওয়াকফ
  2. বংশধরদের ভরণপোষণ বা উপকারার্থে করা ওয়াকফ
  3. সমাজের কল্যাণে করা ওয়াকফ
  4. ক এবং গ
সঠিক উত্তর:
বংশধরদের ভরণপোষণ বা উপকারার্থে করা ওয়াকফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বংশধরদের ভরণপোষণ বা উপকারার্থে করা ওয়াকফ
ব্যাখ্যা
ওয়াকফ আলাল আওলাদ:

ওয়াকফ আলাল আওলাদ ইচ্ছে ইসলাম ধর্ম কর্তৃক স্বীকৃত বিশেষ ধরনের ওয়াকফ। এ ধরনের ওয়াকফের ক্ষেত্রে ওয়াফকারী সম্পত্তিটি তার বংশধরদের কল্যাণের উদ্দেশ্যে সংরক্ষণ করতে পারে। তবে বংশধরদের উপকার শেষান্তে সম্পত্তিটি অবশ্যই ধর্মীয় বা দাতব্য উদ্দেশ্যে ব্যয় বা ব্যবহার হবে। এটি ওয়াকফ আলাল আওলাদ বলে। অর্থাৎ ওয়াকিফের নিজের জন্য বা তার পরিবার বর্গের জন্য কোন ওয়াকফ করা হলে তাকে ওয়াকফ-আলাল- আউলাদ বলে।

Abul Fata Mahomed Ishak Vs Russomoy Dhur Chowdry (1894) নামক বিখ্যাত মামলায় পারিবারিক ওয়াকফ বা ওয়াকফ আল-আউলাদকে অবৈধ ঘোষনা করা হয়েছিল। পরবর্তীতে ১৯১৩ সালে The Mussalman Wakf validating Act, 1913 পাশের মাধ্যমে ওয়াকফ-আলাল আউলাদকে বৈধতা দেওয়া হয়। তবে শর্ত হলো এরকম ওয়াকফের চূড়ান্ত উপকার গরীব অথবা দাতব্য/ ধর্মীয় উদ্দেশ্যে হতে হবে।

সুতরাং বলা যায়, ওয়াকফকারী তার বংশধরদের কল্যাণে ওয়াফের উদ্দেশ্যের স্থগিত অবস্থার কারণে ওয়াকফটি অবৈধ হবে না। তবে সেরকম সংরক্ষণ বংশের পর বংশ চলতে থাকতে পারে না। সেরকম সংরক্ষণ অবশ্যই নির্দিষ্ট সময়ের জন্য হবে।
৮৫২.
স্থাবর সম্পত্তির ইজারার পরিসমাপ্তি ঘটে-
  1. বাজেয়াপ্তির মাধ্যমে
  2. নির্ধারিত সময় শেষ হলে
  3. আত্মসমর্পণের মাধ্যমে
  4. উল্লিখিত সকল ভাবে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ভাবে
ব্যাখ্যা
⇒ The Transfer of Property Act, 1882 এর ধারা ১১১ অনুযায়ী নিম্নলিখিতভাবে স্থাবর সম্পত্তির ইজারার পরিসমাপ্তি ঘটে-
(ক) নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার মাধ্যমে;
(খ) লিজের মেয়াদ কোনো নির্দিষ্ট ঘটনার ওপর নির্ভরশীল থাকলে, সেই ঘটনা ঘটার মাধ্যমে;
(গ) লিজদাতার সম্পত্তিতে স্বার্থ শেষ হয়ে গেলে, অথবা তার হস্তান্তরের ক্ষমতা কোনো ঘটনার ওপর নির্ভর করলে, সেই ঘটনা ঘটার মাধ্যমে;
(ঘ) সম্পত্তির সম্পূর্ণ স্বার্থ একই ব্যক্তি ও একই অধিকারভুক্ত হয়ে গেলে;
(ঙ) স্পষ্ট আত্মসমর্পণের মাধ্যমে—অর্থাৎ, উভয় পক্ষের সম্মতিতে লিজগ্রহীতার নিজস্ব অধিকার লিজদাতাকে ফিরিয়ে দেওয়া;
(চ) ইঙ্গিতপূর্ণ আত্মসমর্পণের মাধ্যমে;

(ছ) বাজেয়াপ্তির (forfeiture) মাধ্যমে—যেমনঃ
১. লিজগ্রহীতা এমন কোনো শর্ত ভঙ্গ করেন যাতে লিজদাতা পুনরায় দখল নিতে পারেন,
২. লিজগ্রহীতা নিজেকে লিজগ্রহীতা না বলে অন্য কারো পক্ষে মালিকানা দাবি করেন বা নিজে মালিকানা দাবি করেন,
৩. লিজগ্রহীতা দেউলিয়া ঘোষিত হন এবং লিজে উল্লিখিত থাকে যে এ অবস্থায় লিজদাতা পুনরায় দখল নিতে পারবেন—এবং এই যে কোনো ক্ষেত্রে, লিজদাতা বা তার স্থানাভিষিক্ত ব্যক্তি লিজগ্রহীতাকে লিখিতভাবে লিজ শেষ করার ইচ্ছা জানালে;

(জ) লিজ শেষ করার বা ছাড়ার বা ছাড়ার ইচ্ছার নোটিশের মেয়াদ শেষ হলে, যদি এটি পক্ষগুলোর একপক্ষ অপর পক্ষকে নিয়ম মেনে প্রদান করে।
৮৫৩.
Section 138A of Negotiable Instruments Act, 1881 states that an appeal will not lie unless-
  1. The appellant files a written explanation
  2. 50% of the dishonoured cheque amount is deposited
  3. 25% of the dishonoured cheque amount is deposited
  4. Both A & B
সঠিক উত্তর:
50% of the dishonoured cheque amount is deposited
উত্তর
সঠিক উত্তর:
50% of the dishonoured cheque amount is deposited
ব্যাখ্যা

Negotiable Instruments Act, 1881: Section 138A- Restriction in respect of appeal-
Notwithstanding anything contained in the Code of Criminal Procedure, 1898, no appeal against any order of sentence under sub-section (1) of section 138 shall lie, unless an amount of not less than fifty per cent of the amount of the dishonoured cheque is deposited before filing the appeal in the court which awarded the sentence.

⇒  হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ১৩৮ক ধারার বিধান- আপিলের ক্ষেত্রে বাধা-নিষেধ:
১৩৮ ধারার আওতায় প্রদত্ত শাস্তির আদেশের (Order of Sentence) বিরুদ্ধে আপিল করার পূর্বে প্রত্যাখ্যাত চেকের পরিমাণের 
৫০% অর্থ দণ্ড প্রদানকারী আদালতের নিকট জমা দিতে হবে।

৮৫৪.
কায়েমি স্বার্থের ক্ষেত্রে যে ঘটনার উপর স্বার্থটি নির্ভর করে, তা-
  1. সংঘটিত হতে পারে
  2. সংঘটিত নাও হতে পারে
  3. অবশ্যই সংঘটিত হবে
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
অবশ্যই সংঘটিত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবশ্যই সংঘটিত হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ১৯: কায়েমি স্বার্থ
যেক্ষেত্রে কার্যকর হওয়ার সময় নির্ধারণ না করে সম্পত্তি হস্তান্তর দ্বারা কোন ব্যক্তির অনুকূলে স্বার্থ সৃষ্টি করা হয়, অথবা হস্তান্তরে এরূপ শর্ত থাকে যে, তা অবিলম্বে বলবৎ হবে, অথবা এরূপ একটি ঘটনার পর বলবৎ হবে, যা অবশ্যই ঘটবে, সেক্ষেত্রে হস্তান্তরের শর্তাবলি হতে বিপরীত উদ্দেশ্য প্রতীয়মান না হলে এরূপ স্বার্থ কায়েমি বলে গণ্য হবে।
দখল পাওয়ার পূর্বে হস্তান্তরগ্রহীতার মৃত্যু হলে ন্যস্ত স্বার্থ বা কায়েমি স্বার্থ ব্যর্থ হবে না।

Section 19: Vested interest
Where, on a transfer of property, an interest therein is created in favour of a person without specifying the time when it is to take effect, or in terms specifying that it is to take effect forthwith or on the happening of an event which must happen, such interest is vested, unless a contrary intention appears from the terms of the transfer. 
A vested interest is not defeated by the death of the transferee before he obtains possession.
৮৫৫.
নিম্নের কোন কারণে রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করা যাবে?
  1. মানসিক অসামর্থ্যের কারণে
  2. গুরুতর অসদাচারণের অভিযোগে
  3. শারিরীকভাবে অক্ষম হলে
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
গুরুতর অসদাচারণের অভিযোগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুরুতর অসদাচারণের অভিযোগে
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৫২ অনুচ্ছেদের বিধান রাষ্ট্রপতির অভিশংসন:

(১) এই সংবিধান লংঘন বা গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগে রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসিত করা যাইতে পারিবে; ইহার জন্য সংসদের মোট সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের স্বাক্ষরে অনুরূপ অভিযোগের বিবরণ লিপিবদ্ধ করিয়া একটি প্রস্তাবের নোটিশ স্পীকারের নিকট প্রদান করিতে হইবে; স্পীকারের নিকট অনুরূপ নোটিশ প্রদানের দিন হইতে চৌদ্দ দিনের পূর্বে বা ত্রিশ দিনের পর এই প্রস্তাব আলোচিত হইতে পারিবে না; এবং সংসদ অধিবেশনরত না থাকিলে স্পীকার অবিলম্বে সংসদ আহবান করিবেন।
(২) এই অনুচ্ছেদের অধীন কোন অভিযোগ তদন্তের জন্য সংসদ কর্তৃক নিযুক্ত বা আখ্যায়িত কোন আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা কর্তৃপক্ষের নিকট সংসদ রাষ্ট্রপতির আচরণ গোচর করিতে পারিবেন।
(৩) অভিযোগ-বিবেচনাকালে রাষ্ট্রপতির উপস্থিত থাকিবার এবং প্রতিনিধি-প্রেরণের অধিকার থাকিবে।
(৪) অভিযোগ-বিবেচনার পর মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে অভিযোগ যথার্থ বলিয়া ঘোষণা করিয়া সংসদ কোন প্রস্তাব গ্রহণ করিলে প্রস্তাব গৃহীত হইবার তারিখে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হইবে।
(৫) এই সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ-অনুযায়ী স্পীকার কর্তৃক রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব-পালনকালে এই অনুচ্ছেদের বিধানাবলী এই পরিবর্তন-সাপেক্ষে প্রযোজ্য হইবে যে, এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় স্পীকারের উল্লেখ ডেপুটি স্পীকারের উল্লেখ বলিয়া গণ্য হইবে এবং (৪) দফায় রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হইবার উল্লেখ স্পীকারের পদ শূন্য হইবার উল্লেখ বলিয়া গণ্য হইবে; এবং (৪) দফায় বর্ণিত কোন প্রস্তাব গৃহীত হইলে স্পীকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনে বিরত হইবেন।
৮৫৬.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে অভিযোগপত্র গৃহীত হওয়ার কত দিনের মধ্যে পলাতক আসামিকে হাজির করার জন্য বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ২০ দিন
সঠিক উত্তর:
২০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ দিন
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২১ (আসামির অনুপস্থিতিতে বিচার):
ফৌজদারী কার্যবিধির Section 87, 88 ও 339B এ ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যেক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনালের এই মর্মে বিশ্বাস করিবার যুক্তিসংগত কারণ থাকে যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি তাহার গ্রেফতার বা তাহাকে বিচারের জন্য সোপর্দকরণ এড়াইবার জন্য পলাতক রহিয়াছেন বা আত্মগোপন করিয়াছেন এবং তাহার আশু গ্রেফতারের কোন সম্ভাবনা নাই, সেইক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগপত্র গৃহীত হইবার তারিখ হইতে পরবর্তী বিশ দিনের মধ্যে উক্ত অনুপস্থিত বা পলাতক অভিযুক্ত ব্যক্তিকে হাজির করিবার নিমিত্ত তথ্যপ্রযুক্তির যে কোন উপযুক্ত মাধ্যমে বা একটি বাংলা দৈনিক জাতীয় খবরের কাগজে প্রজ্ঞাপিত আদেশ দ্বারা বা অন্যবিধ যুক্তিসংগত যে কোন উপায়ে উক্ত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নোটিশ জারি করিয়া হাজির হইবার নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যদি উক্ত অভিযুক্ত ব্যক্তি ট্রাইব্যুনালে হাজির না হন, তাহা হইলে ট্রাইব্যুনাল তাহার অনুপস্থিতিতে বিচার করিতে পারিবে:

তবে শর্ত থাকে যে, যদি কোন অভিযুক্ত ব্যক্তি ট্রাইব্যুনালে হাজির হইবার পর বা তাহাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করিবার পর বা তাহাকে ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক জামিনে মুক্তি দেওয়ার পর পলাতক হন, তাহা হইলে তাহার ক্ষেত্রে উল্লিখিত বিধান প্রযোজ্য হইবে না, এবং সেইক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল, কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, অভিযুক্ত ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে তাহার বিচার সম্পন্ন করিতে পারিবে।]
৮৫৭.
অ্যাটর্নি-জেনারেল কার কর্তৃক প্রদত্ত দায়িত্ব পালন করেন?
  1. সুপ্রিম কোর্ট
  2. সংসদ
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদের বিধান: অ্যাটর্নি-জেনারেল:
(১) সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হইবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল পদে নিয়োগ দান করিবেন।
(২) অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করিবেন।
(৩) অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্ব পালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁহার বক্তব্য পেশ করিবার অধিকার থাকিবে।
(৪) রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি-জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করিবেন। 

The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh - Article 64. The Attorney-General:
(1) The President shall appoint a person who is qualified to be appointed as a Judge of the Supreme Court to be Attorney-General for Bangladesh.
(2) The Attorney-General shall perform such duties as may be assigned to him by the President.
(3) In the performance of his duties, the Attorney-General shall have the right of audience in all courts of Bangladesh.
(4) The Attorney-General shall hold office during the pleasure of the President, and shall receive such remuneration as the President may determine.

৮৫৮.
"One Thing a judge must never do. He must never lose his temper. However sorely tried" উক্তিটি কার?
  1. Lord Diplock
  2. Lord Denning
  3. Lord Kenyon
  4. Thomas Fuller
সঠিক উত্তর:
Lord Denning
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Lord Denning
ব্যাখ্যা
• Baron Alfred Tom Denning, OM, PC, DL (23 January 1899 – 5 March 1999) was a British barrister and judge.

- Lord Denning always emphasised that a Judge must be cool, quiet and sober.

- He stated: "One thing a Judge must never do. He must never lose his temper."
৮৫৯.
A, B-কে তার বাড়ি ভাড়া দেওয়ার ক্ষমতা দেন। পরে A নিজেই সেই বাড়ি ভাড়া দেন। A-এর এই কাজটি কী?
  1. B-এর বিরুদ্ধে অবহেলা
  2. B-এর সাথে নতুন চুক্তি
  3. B-এর ক্ষমতার নিহিত প্রত্যাহার
  4. B-এর ক্ষমতার স্পষ্ট প্রত্যাহার
সঠিক উত্তর:
B-এর ক্ষমতার নিহিত প্রত্যাহার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
B-এর ক্ষমতার নিহিত প্রত্যাহার
ব্যাখ্যা

⇒ চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ধারা ২০৭ এবং এর Illustration অনুসারে, এজেন্টের কর্তৃত্ব প্রত্যাহার (Revocation of Authority) প্রকাশ্য (Expressed) বা নিহিত (Implied) হতে পারে। Principal-এর conduct (আচরণ) থেকে যদি implied revocation বোঝা যায়, তা বৈধ।

এখানে, A (প্রিন্সিপাল) প্রথমে B (এজেন্ট) কে তার বাড়ি ভাড়া দেওয়ার authority দিয়েছেন। পরে A নিজেই বাড়িটি ভাড়া দিলেন। A-এর এই conduct (আচরণ) থেকে বোঝা যায় যে তিনি B-এর authority আর কার্যকর থাকতে দিচ্ছেন না। এটি B-এর authority-এর একটি নিহিত প্রত্যাহার (Implied Revocation)।

ধারা ২০৭-এর Illustrationটি এই scenario-টি সরাসরি কভার করে: "A empowers B to let A's house. Afterwards A lets it himself. This is an implied revocation of B's authority."

অতএব, A-এর কাজটি B-এর ক্ষমতার নিহিত প্রত্যাহার।
---------
⇒ The Contract Act, 1872 section- 207. Revocation and renunciation may be expressed or implied:
Revocation and renunciation may be expressed or may be implied in the conduct of the principal or agent respectively. 
Illustration:
A empowers B to let A's house. Afterwards A lets it himself. This is an implied revocation of B's authority.

৮৬০.
The State Acquisition Tenancy Act, 1950 এর কত ধারায় "Preparation of record-of-rights" এর বিধান আছে?
  1. ১৭
  2. ১৮
  3. ১৯
  4. ২০
সঠিক উত্তর:
১৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭
ব্যাখ্যা
The State Acquisition Tenancy Act, 1950 এর ১৭ ধারার বিধান স্বত্বলিপি প্রস্তুতকরণ (Preparation of record-of-rights):
- সরকার অধিগ্রহণ ও অধিগ্রহণকৃত স্বার্থের ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের জন্য- খতিয়ান তৈরির ঘোষণা দিতে পারেন, সর্বশেষ প্রস্তুতকৃত ও চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত স্বত্বলিপি বা খতিয়ান রাজস্ব কর্মকর্তা কর্তৃক রিভিশন বা পুনর্বিবেচনা করতে পারে।
-----------
- Section 17. Preparation of record-of-rights:
(1) The Government may, with a view to acquisition under the provisions of this Act of the interests of all rent-receivers within any district, part of a district or local area and of such other interests in land therein as are liable to be acquired under the provisions of this Act, and with a view to the assessment of compensation payable for all such interests including the interests which have already been acquired under Chapter II, make an order directing- 
(a) that a record-of-rights be prepared in respect of such district, part of a district or local area, or 
(b) that the record-of-rights, last prepared and finally published under Chapter X of the Bengal Tenancy Act, 1885, in respect of such district, part of a district or local area, be revised, by a Revenue-officer in accordance with the provisions of this Chapter and with such rules as may be made in this behalf by the Government. 
(2) If any order has been made under section 101 of the Bengal Tenancy Act, 1885, or under section 117 of the Sylhet Tenancy Act, 1936, for the preparation of a record-of-rights in respect of any district, part of a district or local area, but the preparation of such record-of-rights has not been completed or such record-of-rights has not been finally published at the time when an order is made under sub-section (1) for the preparation or revision of a record-of-rights in respect of such district, part or area, then on the making of an order under the said sub-section, all further proceedings relating to the preparation of the record-of-rights under the said Act shall be stayed; and such record-of-rights shall be prepared in accordance with the provisions of this Chapter and with such rules as may be made in this behalf by the Government: 

Provided that any proceedings in respect of the preparation of such record-of-rights commenced under Chapter X of the Bengal Tenancy Act, 1885, or under Chapter IX of the Sylhet Tenancy Act, 1936, and undertaken prior to the publication of the draft of such record-of-rights under section 103A of the Bengal Tenancy Act, 1885, or under section 119 of the Sylhet Tenancy Act, 1936, as the case may be, shall, for the purposes of the preparation of such record-of-rights under this Chapter, be deemed to have been commenced and undertaken under this Chapter. 
(3) A notification in the official Gazette of an order under sub-section (1) shall be conclusive evidence that the order has been duly made.
৮৬১.
যদি কোন সন্তান থাকে তাহলে স্ত্রী স্বামীর সম্পত্তির কত অংশ পাবে?
  1. ২/৫ অংশ
  2. ১/৮ অংশ
  3. ১/১২ অংশ
  4. ১/৪ অংশ
সঠিক উত্তর:
১/৮ অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১/৮ অংশ
ব্যাখ্যা
⇒ স্ত্রী দুটি অবস্থায় সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হয়।

i) ১/৪ অংশ।

ii)  ১/৮ অংশ।

ক) যদি মৃত ব্যক্তি কোনো সন্তান বা পুত্রের সন্তান না রেখে মারা যায়, তাহলে স্ত্রী মৃত ব্যক্তির রেখে যাওয়া সম্পত্তির ১/৪ অংশ পাবে।

খ) যদি মৃত ব্যাক্তি কোনো সন্তান বা পুত্রের সন্তান রেখে মারা যায়, তাহলে স্ত্রী মৃত ব্যক্তির রেখে যাওয়া সম্পত্তির ১/৮ অংশ পাবে।
৮৬২.
What does Article 19(2) of constitution require the State to remove?
  1. Political differences
  2. Religious differences
  3. Foreign influences
  4. Social and economic inequality
সঠিক উত্তর:
Social and economic inequality
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Social and economic inequality
ব্যাখ্যা

Article 19: Equality of opportunity:
(1) The State shall endeavour to ensure equality of opportunity to all citizens.

​(2) The State shall adopt effective measures to remove social and economic inequality between man and man and to ensure the equitable distribution of wealth among citizens, and of opportunities in order to attain a uniform level of economic development throughout the Republic.

​(3) The State Shall endeavour to ensure equality of opportunity and participation of women in all spheres of national life.

​অনুচ্ছেদ ১৯: সুযোগের সমতা:
(১) সকল নাগরিকের অন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র সচেষ্ট হবে।
(২) মানুষে মানুষে সামাজিক ও অর্থনৈতিক অসাম্য বিলোপ করিবার জন্য, নাগরিকদের মধ্যে সম্পদের সুষম বন্টন নিশ্চিত করিবার জন্য এবং প্রজাতন্ত্রের সর্বত্র অর্থনৈতিক উন্নয়নের সমান স্তর অর্জনের উদ্দেশ্যে সুষম সুযোগ-সুবিধাদান নিশ্চিত করিবার জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন৷
(৩) জাতীয় জীবনের সর্স্তররে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা রাষ্ট্র নিশ্চিত করবে।।

৮৬৩.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইনে প্রাথমিক তদন্তকারী কর্মকর্তা বর্ধিত সময়সীমার মধ্যেও তদন্ত কার্য সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হলে, নূতনভাবে তদন্ত ক্ষমতা প্রাপ্ত অন্য কোন কর্মকর্তা কত কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত সমাপ্ত করতে হবে?
  1. ৩০
  2. ৬০
  3. ৯০
  4. ১২০
সঠিক উত্তর:
৯০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০
ব্যাখ্যা
⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২০ক ধারার বিধান তদন্তের সময়সীমা: 
(১) অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ধারা ২০ এর অধীন ক্ষমতা প্রাপ্তির তারিখ হইতে অনধিক ১২০ (একশত বিশ) কর্মদিবসের মধ্যে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে এই আইন ও তফসিলে উল্লিখিত কোন অপরাধের তদন্ত কার্য সম্পন্ন করিতে হইবে। 
 
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন যুক্তিসঙ্গত কারণে, উক্ত উপ-ধারায় উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত কার্য সম্পন্ন করা সম্ভবপর না হইলে তদন্তকারী কর্মকর্তা সময়সীমা বৃদ্ধির জন্য কমিশনের নিকট আবেদন করিতে পারিবেন এবং উক্ত ক্ষেত্রে কমিশন আরও অনধিক ৬০ (ষাট) কর্মদিবস সময় বৃদ্ধি করিতে পারিবে। 
 
(৩) তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-ধারা (১) বা, ক্ষেত্রমত, (২) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত কার্য সম্পন্ন করিতে ব্যর্থ হইলে,- 
(ক) উক্ত তদন্ত কার্য ৯০ (নব্বই) কর্মদিবসের মধ্যে সমাপ্তির জন্য নূতনভাবে অন্য কোন কর্মকর্তাকে, ধারা ২০ এর বিধান অনুসারে, ক্ষমতা অর্পণ করিতে হইবে; এবং 
 
(খ) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অদক্ষতার অভিযোগে, ক্ষেত্রমত, কমিশন, পুলিশ বা সংশ্লিষ্ট সংস্থার জন্য প্রযোজ্য আইন বা বিধি-বিধান অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে হইবে। 
৮৬৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতা সর্বোচ্চ কত দিনের মধ্যে সম্পন্ন করা যাবে?
  1. ৬০ দিনের মধ্যে
  2. ৯০ দিনের মধ্যে
  3. ১২০ দিনের মধ্যে
  4. ১৮০ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
৯০ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতা সর্বোচ্চ ৯০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করা যাবে।

• দেওয়ানি কার্যবিধিতে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির দুটি (২) পন্থা বর্ণিত হয়েছে
১- মধ্যস্থতা (Mediation) 
২- সালিশী (Arbitration)

সাধারন নিয়মসমূহ-

⇒ মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে। অর্থাৎ সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে।মধ্যস্থতার ফি পক্ষগণ নির্ধারণ করবে। যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।

⇒ সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে। উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারী করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন চলবে না। 

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন,২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

⇒ মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বেচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে। অর্থাৎ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে।

Section: 89A(4)-

Within ten days from the date of reference under sub-section (1), the parties shall inform the Court in writing whom they have appointed as mediator, and if the parties fail to appoint the mediator during this time, the Court shall, within seven days, appoint a mediator from the panel as mentioned in sub-section (10) and the mediation under this section shall be concluded within 60 (sixty) days from the day on which the Court is so informed, or the dispute or disputes are referred to Legal Aid Officer, or a mediator is appointed by the Court, as the case may be, unless the Court of its own motion or upon a joint prayer of the parties, extends the time for a further period of not exceeding 30 (thirty) days.
৮৬৫.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্যপদের মেয়াদ সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ১৩৭ অনুচ্ছেদে
  2. ১৩৮ অনুচ্ছেদে
  3. ১৩৯ অনুচ্ছেদে
  4. ১৪০ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১৩৯ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৯ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
• সংবিধানে সরকারি কর্ম কমিশন সংক্রান্ত ৫ টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।

সংবিধানের -
- ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশন-প্রতিষ্ঠা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ১৩৮ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্য-নিয়োগ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ১৩৯ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্যপদের মেয়াদ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ১৪০ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের দায়িত্ব সম্পর্কে বলা হয়েছে।
-  ১৪১ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশন বার্ষিক রিপোর্ট কিভাবে জমা দিবে তার কথা উল্লেখ রয়েছে।

অনুচ্ছেদ ১৩৯- পদের মেয়াদ:

(১) এই অনুচ্ছেদের বিধানাবলী-সাপেক্ষে কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সভাপতি বা অন্য কোন সদস্য তাঁহার দায়িত্বগ্রহণের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসর বা তাঁহার পয়ষট্টি বৎসর বয়স পূর্ণ হওয়া ইহার মধ্যে যাহা অগ্রে ঘটে, সেই কাল পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন।

(২) সুপ্রীম কোর্টের কোন বিচারক যেরূপ পদ্ধতি ও কারণে অপসারিত হইতে পারেন, সেইরূপ পদ্ধতি ও কারণ ব্যতীত কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সভাপতি বা অন্য কোন সদস্য অপসারিত হইবেন না।

(৩) কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সভাপতি বা অন্য কোন সদস্য রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ্য করিয়া স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন।

(৪) কর্মাবসানের পর কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সদস্য প্রজাতন্ত্রের কর্মে পুনরায় নিযুক্ত হইবার যোগ্য থাকিবেন না, তবে এই অনুচ্ছেদের (১) দফা-সাপেক্ষে
(ক) কর্মাবসানের পর কোন সভাপতি এক মেয়াদের জন্য পুনর্নিয়োগ-লাভের যোগ্য থাকিবেন; এবং
(খ) কর্মাবসানের পর কোন সদস্য (সভাপতি ব্যতীত) এক মেয়াদের জন্য কিংবা কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সভাপতিরূপে নিয়োগ-লাভের যোগ্য থাকিবেন।
৮৬৬.
'All authorities, executive and judicial, in the Republic shall act in aid of the Supreme Court.' - বাংলাদেশের সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে এই বিধান আছে?
  1. ১১০ অনুচ্ছেদে
  2. ১১১ অনুচ্ছেদে
  3. ১১২ অনুচ্ছেদে
  4. ১১৪ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১১২ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১২ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১১২ অনুচ্ছেদের বিধান: সুপ্রীম কোর্টের সহায়তা:
 প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানার অন্তর্ভুক্ত সকল নির্বাহী ও বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষ সুপ্রীম কোর্টের সহায়তা করিবেন।

Article 112. Action in aid of Supreme Court:
All authorities, executive and judicial, in the Republic shall act in aid of the Supreme Court.

৮৬৭.
The maxim 'Qui priorest tempore priorest jure' indicates-
  1. Doctrine of Double Jeopardy
  2. Doctrine of Supremacy of Law
  3. Doctrine of Guilty mind
  4. Doctrine of Priority
সঠিক উত্তর:
Doctrine of Priority
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Doctrine of Priority
ব্যাখ্যা
• Qui priorest tempore priorest jure

- সময়ের দিক হতে যিনি অগ্রবর্তী হবেন আইনের দিক হতে তিনিই সুবিধা পাবেন।
- He who is prior in time is better in law.

১৮৮২ সনের সম্পত্তি হস্তান্তর ৪৮ ধারায় এই নীতির প্রতিফলন লক্ষ্য করা যায়। যখন কোন ব্যক্তি সম্পত্তির এমন স্বত্ত্ব বিভিন্ন সময়ে হস্তান্তর করে যা একত্র অবস্থানযোগ্য নয় তখন পরবর্তী হস্তান্তর পূর্ববর্তী হস্তান্তরের অধীন হবে। এই নীতি কেবলমাত্র তখনই প্রয়োগ করা যায় যখন হস্তান্তর সিদ্ধ ও সম্পূর্ণ হয়। দু'টি হস্তান্তরের মধ্যে যদি দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয় এবং একটির আইনানুগ কার্যকারিতা নষ্ট না করে যদি অপরটি কার্যকর করা না যায় তখনই অগ্রাধিকারের এই নীতি প্রয়োগের প্রয়োজন হয়। এই প্রবচনের উপর ভিত্তি করেই পরবর্তীতে 'Doctrine of priority'-র উৎপত্তি হয়েছে।
৮৬৮.
The 'right to pre-emption' is-
  1. right to inherit directly
  2. right to substitution
  3. right to repurchase
  4. All of the above
সঠিক উত্তর:
right to substitution
উত্তর
সঠিক উত্তর:
right to substitution
ব্যাখ্যা
• Pre-emption হলো জমির ক্রয় সংক্রান্ত একটি অধিকার। আরবি ভাষায় এটি 'শুফা' (Shufaa)। নামে পরিচিত। অগ্রক্রয় বলতে অন্য কোনো ব্যক্তির ক্রয়কৃত স্থাবর সম্পত্তি ক্রয়ের মাধ্যমে মালিকানা লাভের অধিকারকে বুঝায়, যা কোনো ব্যক্তির পক্ষে ঐ সম্পত্তিতে শরিক কিংবা প্রতিবেশী হওয়ার কারণে সৃষ্টি হয়।

উদাহরণ:- A এবং B একটি জমির যৌথ মালিক। ৪ তার অংশটি অপর অপরিচিত ব্যক্তি C কে বিক্রয় করে দেয়। এই ক্ষেত্রে B কর্তৃক বিক্রিত সম্পত্তিটি ক্রয়ের প্রথম অধিকার A এর। এ ক্ষেত্রে এ সম্পত্তিটি তার নিকট বিক্রি করার জন্য B কে বাধ্য করতে পারে। সম্পত্তিটি অপরিচিত ব্যক্তি C এর পূর্বে A এর ক্রয় করার অধিকার অগ্রক্রয়ের অধিকার নামে পরিচিত।

• অগ্রক্রয়ের অধিকার শুধু স্থাবর সম্পত্তির সাথে সম্পর্কীত। অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে অগ্রক্রয় অধিকার প্রযোজ্য নয়। অগ্রক্রয়ের অধিকার মূলত প্রতিস্থাপনের অধিকার। এটি সম্পত্তিটি পুনরায় ক্রয়ের অধিকার নয়।।

মুসলিম হানাফী আইন অনুযায়ী, ৩ শ্রেণির ব্যক্তির অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগের অধিকার আছে-
১) শাফি-ই-শরিক [Shafi-e-sharik]- সম্পত্তিতে কোন সহ-অংশীদার।
২) শাফি-ই-খালিত [Shafi-e-Khalit]- সুবিধাসমূহের ক্ষেত্রে অংশগ্রহণকারী।
৩) শাফি-ই-জার [Shafi-e-jar]- সংলগ্ন বা পার্শ্ববর্তী স্থাবর সম্পত্তির মালিক।
৮৬৯.
বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ মামলা নামে পরিচিত-
  1. Kesavanda Bharati v/s State of Kerala
  2. Secretary, Ministry of Finance v/s Md Masdar Hossain and others
  3. Anwar Hossain Chowdury v. Bangladesh
  4. Kazi Mukhlesur Rahman vs. Bangladesh
সঠিক উত্তর:
Secretary, Ministry of Finance v/s Md Masdar Hossain and others
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Secretary, Ministry of Finance v/s Md Masdar Hossain and others
ব্যাখ্যা
বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ মামলা:

সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদে উল্লেখিত 'নির্বাহী বিভাগ হতে বিচারবিভাগের পৃথকীকরণ' সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ মূলনীতিটি বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ আদালত নির্দেশনা দিয়েছে Secretary, Ministry of Finance vs Md Masdar Hossain and others মামলায় যা বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ মামলা বা মাসদার হোসেন মামলা নামে পরিচিত। এই রিট দায়ের করে ২২৩ জন যারা ছিল জেলা জজ, অতিরিক্ত জেলা জজ বা অধস্তন বিচারক বা নিম্ন আদালতের অন্যান্য বিচারক। ১৯৯৫ সালে হাইকোর্টে রীটটি দায়ের করা হয় এবং ১৯৯৭ সালের ৭ মে হাইকোর্ট বিভাগ বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ সংক্রান্ত মামলার রায় ঘোষণা করে। সরকার এই রায়ের বিরুদ্ধে আপীল করলে, আপীল বিভাগ ১৯৯৯ সালের ২রা ডিসেম্বর রায় ঘোষণা করে।

এই রায়ের প্রধান অংশ তৎকালীন প্রধান বিচারপতি মোস্তফা কামাল/ কর্তৃক লিখিত এবং পঠিত হয়েছিল। এবং এই কারণে তাকে এই মামলার Author Judge বলা হয়। ২০০৭ সালের ১লা নভেম্বর ফৌজদারী কার্যবিধি সংশোধন করে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট পদ সৃষ্টি করে এবং এর মাধ্যমে অধস্তন বিচার বিভাগ নির্বাহী বিভাগ হতে পৃথক হয়।

Kazi Mukhlesur Rahman vs. Bangladesh
এই মামলার আলোকে বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে সীমানা সংক্রান্ত চুক্তি বা দিল্লি চুক্তি বাস্তবায়ন করতে ১৯৭৪ সালের ২৮ শে নভেম্বর সংবিধানের তৃতীয় সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের ২নং অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়। এই মামলাটি বেরুবাড়ী কেস বা তৃতীয় সংশোধনী মামলা [Third Amendment Case] নামে পরিচিত।

Kesavanda Bharati v. State of Kerala
এই মামলায় বলা হয়েছে, আইন বিভাগ, নির্বাহী বিভাগ ও বিচার বিভাগের মধ্যে ক্ষমতার পৃথকীকরণ সংবিধানের একটি মৌল কাঠামো [Basic Features]।

• আনোয়ার হোসেন চৌধুরী বনাম বাংলাদেশ
এটা ৮ম সংশোধনী মামলা বা মৌল কাঠামো মতবাদ সংক্রান্ত মামলা নামেও পরিচিত। ৮ম সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের ১০০ অনুচ্ছেদের বৈধতা Anwar Hossain Chowdury v. Bangladesh মামলায় চ্যালেঞ্জ করা হয়েছিল। ৮ম সংশোধনীর মাধ্যমে সংশোধিত ১০০ অনুচ্ছেদ সংবিধানের মৌল কাঠামো ধ্বংস করেছে এবং এই কারণে সংশোধিত ১০০ অনুচ্ছেদ সংবিধান বর্হিভূত বা ultra vires of the Constitution এবং বাতিল বলে ১৯৮৯ সালের ২ সেপ্টেম্বর আপীল বিভাগ রায় ঘোষণা করে।
৮৭০.
হিন্দু আইনে নিচের কোন সম্পত্তি স্ত্রীধন হিসেবে গন্য হবে না?
  1. নারীর স্বোপার্জিত আয় বা সম্পদ
  2. উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি
  3. আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে প্রাপ্ত দান বা উপহার
  4. বিবাহের সময় পিতা কর্তৃক প্রদত্ত যৌতুক
সঠিক উত্তর:
উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
- হিন্দু প্রচলিত আইনে সম্পত্তিতে নারীর পূর্ণ অধিকার থাকবে কেবলমাত্র স্ত্রীধনের উপর।
- স্ত্রীধন হচ্ছে নারীর স্বোপার্জিত আয় বা সম্পদ, বিবাহের সময় পিতা কর্তৃক প্রদত্ত যৌতুক অথবা দান বা উপহার।
- নারীকে যে সমস্ত সম্পত্তি দান বা উপহার দেয়া হয় তা তাদের আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকেই আসে।
- এই সম্পত্তি নারী ইচ্ছামত হস্তান্তর করতে পারে এবং তার মৃত্যুর পর তার নিজস্ব উত্তরাধিকারীর উপর এই সম্পত্তির অধিকার বর্তায়।
- এই দানের বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে দাতাদের ইচ্ছার উপর নির্ভরশীল।

- কোন হিন্দু স্ত্রী উত্তরাধিকারসূত্রে তার স্বামীর নিকট হতে যে সম্পত্তি অর্জন করে তা বিধবার সম্পত্তি নামে পরিচিত। স্ত্রীধন এবং বিধবার সম্পত্তি এক না। স্ত্রীধনের সাথে বিধবার সম্পত্তির পার্থক্য হলো এই যে বিধবার সম্পত্তি বলতে শুধুমাত্র উত্তরাধিকারসূত্রে কোন নারী যে সম্পত্তি স্বামীর নিকট থেকে পেয়ে থাকে কিন্তু উত্তরাধিকার সম্পত্তি স্ত্রীধনের অন্তর্ভুক্ত না।
-স্ত্রীধনের উপর মহিলার একচ্ছত্র মালিকানা থাকে এবং সে যেমন প্রয়োজন তেমনভাবে হস্তান্তর করতে পারে। কিন্তু বিধবার সম্পত্তির ক্ষেত্রে নারী শুধুমাত্র সীমিত স্বার্থ অর্জন [Limited Interest] করে বা শুধুমাত্র জীবন-স্বত্ব অর্জন [Life Interest] করে।

- হিন্দু আইনে উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি স্ত্রীধন হিসেবে গন্য হবে না।
৮৭১.
সংবিধানের ৭৪(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে সংসদের প্রথম বৈঠকে কাকে নির্বাচন করা হয়?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. স্পীকার
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
স্পীকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পীকার
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৪ অনুচ্ছেদের বিধান: স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার:
(১) কোন সাধারণ নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকে সংসদ-সদস্যদের মধ্য হইতে সংসদ একজন স্পীকার ও একজন ডেপুটি স্পীকার নির্বাচিত করিবেন, এবং এই দুই পদের যে কোনটি শূন্য হইলে সাত দিনের মধ্যে কিংবা ঐ সময়ে সংসদ বৈঠকরত না থাকিলে পরবর্তী প্রথম বৈঠকে তাহা পূর্ণ করিবার জন্য সংসদ-সদস্যদের মধ্য হইতে একজনকে নির্বাচিত করিবেন।

(২) স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকারের পদ শূন্য হইবে, যদি-
(ক) তিনি সংসদ-সদস্য না থাকেন;
(খ) তিনি মন্ত্রী-পদ গ্রহণ করেন;
(গ) পদ হইতে তাঁহার অপসারণ দাবী করিয়া মোট সংসদ-সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সমর্থিত কোন প্রস্তাব (প্রস্তাবটি উত্থাপনের অভিপ্রায় জ্ঞাপন করিয়া অন্যূন চৌদ্দ দিনের নোটিশ প্রদানের পর) সংসদে গৃহীত হয়;
(ঘ) তিনি রাষ্ট্রপতির নিকট স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে তাঁহার পদ ত্যাগ করেন;
(ঙ) কোন সাধারণ নির্বাচনের পর অন্য কোন সদস্য তাঁহার কার্যভার গ্রহণ করেন; অথবা
(চ) ডেপুটি স্পীকারের ক্ষেত্রে, তিনি স্পীকারের পদে যোগদান করেন।

(৩) স্পীকারের পদ শূন্য হইলে বা তিনি [রাষ্ট্রপতিরূপে কার্য করিলে] কিংবা অন্য কোন কারণে তিনি স্বীয় দায়িত্বপালনে অসমর্থ বলিয়া সংসদ নির্ধারণ করিলে স্পীকারের সকল দায়িত্ব ডেপুটি স্পীকার পালন করিবেন, কিংবা ডেপুটি স্পীকারের পদও শূন্য হইলে সংসদের কার্যপ্রণালী-বিধি-অনুযায়ী কোন সংসদ-সদস্য তাহা পালন করিবেন; এবং সংসদের কোন বৈঠকে স্পীকারের অনুপস্থিতিতে ডেপুটি স্পীকার কিংবা ডেপুটি স্পীকারও অনুপস্থিত থাকিলে সংসদের কার্যপ্রণালী-বিধি-অনুযায়ী কোন সংসদ-সদস্য স্পীকারের দায়িত্ব পালন করিবেন।

(৪) সংসদের কোন বৈঠকে স্পীকারকে তাঁহার পদ হইতে অপসারণের জন্য কোন প্রস্তাব বিবেচনাকালে স্পীকার (কিংবা ডেপুটি স্পীকারকে তাঁহার পদ হইতে অপসারণের জন্য কোন প্রস্তাব বিবেচনাকালে ডেপুটি স্পীকার) উপস্থিত থাকিলেও সভাপতিত্ব করিবেন না এবং এই অনুচ্ছেদের (৩) দফায় বর্ণিত ক্ষেত্রমত স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকারের অনুপস্থিতিকালীন বৈঠক সম্পর্কে প্রযোজ্য বিধানাবলী অনুরূপ প্রত্যেক বৈঠকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে।

(৫) স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকারের অপসারণের জন্য কোন প্রস্তাব সংসদে বিবেচিত হইবার কালে ক্ষেত্রমত স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকারের কথা বলিবার ও সংসদের কার্যধারায় অন্যভাবে অংশগ্রহণের অধিকার থাকিবে এবং তিনি কেবল সদস্যরূপে ভোটদানের অধিকারী হইবেন।

(৬) এই অনুচ্ছেদের (২) দফার বিধানাবলী সত্ত্বেও ক্ষেত্রমত স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকার তাঁহার উত্তরাধিকারী কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল রহিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।
৮৭২.
“Revival of repealed enactments” ধারা কার্যকর হতে হলে কী স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে?
  1. আইন প্রণয়নের তারিখ
  2. পুনরায় কার্যকর করার উদ্দেশ্য
  3. সংসদের অনুমোদনের তারিখ
  4. রাষ্ট্রপতির অনুমোদন
সঠিক উত্তর:
পুনরায় কার্যকর করার উদ্দেশ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুনরায় কার্যকর করার উদ্দেশ্য
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) পুনরায় কার্যকর করার উদ্দেশ্য।

​Section 7 of The General Clauses Act,1897: Revival of repealed enactments-

(1) In any Act of Parliament] or Regulation made after the commencement of this Act, it shall be necessary, for the purpose of reviving, either wholly or partially, any enactment wholly or partially repealed, expressly to state that purpose.

(2) This section applies also to all 72[Acts of Parliament] made after the third day of January, 1868, and to all Regulations made on or after the fourteenth day of January, 1887.

​ধারা ৭(১): এই আইন কার্যকর হওয়ার পর যে কোনও সংসদীয় আইন (Act of Parliament) বা বিধি/নিয়ম (Regulation) প্রণীত হবে, সেখানে যদি কোনো পূর্বে বাতিল বা অংশভাবে বাতিল করা আইনকে পুনরায় প্রযোজ্য (revive) করতে চাওয়া হয়, তবে সেটি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে যে আইনটি পুনরায় প্রযোজ্য হচ্ছে, সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে।

৭(২): এই ধারা প্রযোজ্য হবে –
৩ জানুয়ারি, ১৮৬৮ এর পর প্রণীত সব সংসদীয় আইনে, এবং
১৪ জানুয়ারি, ১৮৮৭-এর পর প্রণীত সব বিধি/নিয়মে।

​সংক্ষেপে বলা যায়:
যে কোনো বাতিল বা অংশভাবে বাতিল আইনকে পুনরায় কার্যকর করতে চাইলে আইনটি স্পষ্টভাবে সেই উদ্দেশ্য উল্লেখ করতে হবে, এবং এই নিয়ম পুরনো কিছু আইন ও বিধিতেও প্রযোজ্য।

৮৭৩.
গ্রাম আদালত গঠন হওয়ার অনধিক কত দিনের মধ্যে পক্ষগণের মধ্যে আপোষ বা মীমাংসার মাধ্যমে বিচার্য বিষয় নিষ্পত্তির উদ্যোগ গ্রহণ করবে?
  1. ৫ দিনের মধ্যে
  2. ৭ দিনের মধ্যে
  3. ১৫ দিনের মধ্যে
  4. ৩০ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
১৫ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬: ধারা ৬খ- প্রাক বিচার:

(১) ধারা ৫ এর অধীন গ্রাম আদালত গঠিত হইবার অনধিক ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে গ্রাম আদালতের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হইবে এবং উক্ত অধিবেশনে গ্রাম আদালত উভয় পক্ষের শুনানী করিয়া মামলার বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করিবে এবং পক্ষগণের মধ্যে আপোষ বা মীমাংসার মাধ্যমে বিচার্য বিষয় নিষ্পত্তির উদ্যোগ গ্রহণ করিবে।

(২) উপ-ধারা (১) অনুযায়ী আপোষ বা মীমাংসার মাধ্যমে বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করা হইলে, উক্তরূপ উদ্যোগ গ্রহণের তারিখ হইতে ১৫ (পনেরো) দিনের মধ্যে উহা নিষ্পত্তি করিতে হইবে।

(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন বিচার্য বিষয় নিষ্পত্তি হইলে, মীমাংসার শর্তাবলী উল্লেখপূর্বক উভয়পক্ষ যৌথভাবে একটি আপোষনামা স্বাক্ষর বা বাম হস্তের বৃদ্ধাঙ্গুলির ছাপ প্রদান করিবেন এবং সাক্ষী হিসাবে উভয়পক্ষের মনোনীত সদস্যগণ আপোষনামায় স্বাক্ষর করিবেন।

(৪) উপ-ধারা (৩) অনুযায়ী আপোষনামা স্বাক্ষরিত হইলে, গ্রাম আদালত নির্ধারিত ফরমে উহার আদেশ লিপিবদ্ধ করিবে এবং উক্তরূপ আদেশ গ্রাম আদালতের আদেশ বা ডিক্রী বলিয়া গণ্য হইবে।

(৫) এই ধারার অধীন আপোষনামার মাধ্যমে বিচার্য বিষয় নিষ্পত্তি করা হইলে উহার বিরুদ্ধে আপীল বা রিভিশন দায়ের করা যাইবে না।
৮৭৪.
মুসলিম ব্যক্তিগত আইন (শরিয়ত) প্রয়োগ আইন, ১৯৩৭ এর অধীন কোনো ব্যক্তি সুবিধা পেতে চাইলে তাকে কোন বিষয়টি প্রমাণ করতে হবে?
  1. সে মুসলিম
  2. সে চুক্তি করতে সক্ষম
  3. সে বাংলাদেশে বসবাসকারী
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ মুসলিম ব্যক্তিগত আইন (শরিয়ত) প্রয়োগ আইন, ১৯৩৭ এর ৩ নং ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি কোনো ব্যক্তি এই আইনের সুবিধা পেতে চায়, তবে তাকে নিম্নলিখিত তিনটি বিষয় প্রমাণ করতে হবে:
১) সে মুসলিম – ব্যক্তি অবশ্যই মুসলিম হতে হবে।
২) সে চুক্তি করতে সক্ষম – ব্যক্তি ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের ১১ নং ধারার অধীনে চুক্তি করতে সক্ষম হতে হবে।
৩) সে বাংলাদেশে বসবাসকারী – ব্যক্তি অবশ্যই বাংলাদেশে বসবাসকারী হতে হবে।
এই তিনটি শর্ত পূরণ করলে, ব্যক্তি ঘোষণাপত্র দাখিল করে এই আইনের সুবিধা লাভ করতে পারবেন।

⇒ মুসলিম ব্যক্তিগত আইন (শরিয়ত) প্রয়োগ আইন, ১৯৩৭ এর ৩. ধারার বিধান: ঘোষণাপত্র দাখিলের ক্ষমতা:
(১) যে কোনো ব্যক্তি, যদি সে—
(ক) মুসলিম হয়,
(খ) ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের ১১ নং ধারার অর্থে চুক্তি করতে সক্ষম হয়, এবং
(গ) বাংলাদেশে বসবাস করে,
তবে সে নির্ধারিত কর্তৃপক্ষের নিকট নির্ধারিত ফরমে ঘোষণাপত্র দাখিল করিয়া জানাইতে পারিবে যে সে এই ধারার সুবিধা গ্রহণ করিতে চায়।
এই ঘোষণার পর, ঘোষণাকারী ব্যক্তি এবং তাহার অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তান ও তাহাদের বংশধরদের ক্ষেত্রে ২ নং ধারার বিধান প্রযোজ্য হইবে, এবং সেখানে উল্লিখিত বিষয়গুলোর পাশাপাশি দত্তক গ্রহণ, উইল এবং উত্তরাধিকারী নির্ধারণ সংক্রান্ত বিষয়গুলিও অন্তর্ভুক্ত হইবে।

(২) যদি নির্ধারিত কর্তৃপক্ষ কোনো ঘোষণাপত্র গ্রহণ করিতে অসম্মতি জানায়, তবে ঘোষণাকারী ব্যক্তি সরকারের নিযুক্ত নির্দিষ্ট কর্মকর্তা বরাবর আপিল করিতে পারিবে। যদি সেই কর্মকর্তা আপিলকারীর যোগ্যতা সম্পর্কে সন্তুষ্ট হন, তবে তিনি নির্ধারিত কর্তৃপক্ষকে ঘোষণাপত্র গ্রহণের আদেশ প্রদান করিতে পারিবেন।
---------
The Muslim Personal Law (Shariat) Application Act, 1937- Section-3. Power to make a declaration:
(1) Any person who satisfies the prescribed authority- 
(a) that he is a Muslim, and 
(b) that he is competent to contract within the meaning of section 11 of the Contract Act, 1872, and 
(c) that he is a resident of Bangladesh, 
may by declaration in the prescribed form and filed before the prescribed authority declare that he desires to obtain the benefit of the provisions of this section, and thereafter the provisions of section 2 shall apply to the declarant and all his minor children and their descendants as if in addition to the matters enumerated therein adoption, wills and legacies were also specified.

(2) Where the prescribed authority refuses to accept a declaration under sub-section (1), the person desiring to make the same may appeal to such officer as the Government may, by general or special order, appoint in this behalf, and such officer may, if he is satisfied that the appellant is entitled to make the declaration, order the prescribed authority to accept the same.
৮৭৫.
'Computation of time (সময়ের গণনা)'- The General Clauses Act, 1897 এর কত ধারায় এই বিধান উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ৬
  2. ধারা ৮
  3. ধারা ১০
  4. ধারা ১২
সঠিক উত্তর:
ধারা ১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১০
ব্যাখ্যা
সময়ের গণনা (Section 10 of the General Clauses Act):
(১) যদি সংসদ কর্তৃক প্রণীত কোনো আইন বা বিধিমালার মাধ্যমে (যা এই আইনের প্রবর্তনের পরে গৃহীত হয়েছে) নির্দিষ্ট কোনো কার্য বা প্রক্রিয়া কোনো আদালত বা দপ্তরে একটি নির্দিষ্ট দিনে বা নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সম্পন্ন করার জন্য নির্দেশনা বা অনুমতি দেওয়া হয়, এবং সেই নির্দিষ্ট দিন বা নির্ধারিত সময়সীমার শেষ দিনে আদালত বা দপ্তর বন্ধ থাকে, তাহলে সেই কার্য বা প্রক্রিয়া যথাসময়ে সম্পন্ন হয়েছে বলে গণ্য করা হবে যদি তা পরবর্তী কার্যদিবসে সম্পন্ন করা হয় যেদিন আদালত বা দপ্তর খোলা থাকে।

শর্ত সাপেক্ষে:
এই ধারার কোনো কিছুই এমন কোনো কার্য বা প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না যার উপর Limitation Act, 1877 (সময়সীমা আইন, ১৮৭৭) প্রযোজ্য।

(২) এই ধারা ১৪ জানুয়ারি, ১৮৮৭ তারিখ বা তার পরে প্রণীত সকল সংসদীয় আইন ও বিধিমালার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
৮৭৬.
মুসলিম আইনানুযায়ী 'Affinity' এর কারণে কাকে বিবাহ করা নিষিদ্ধ?
  1. ভগ্নি
  2. কন্যা
  3. পুত্রের স্ত্রী
  4. ভগ্নির দুধ মাতা
সঠিক উত্তর:
পুত্রের স্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুত্রের স্ত্রী
ব্যাখ্যা
-মুসলিম আইনানুযায়ী 'Affinity' বা আত্মীয়তার কারণে যাদের সাথে বিবাহ নিষিদ্ধ, তা হলো- পুত্রের স্ত্রী।

ইসলামী বিধান অনুযায়ী, একজন ব্যক্তির পুত্রের স্ত্রীর সাথে তার বিবাহ করা মানবিক এবং নৈতিকভাবে নিষিদ্ধ। কারণ, এক্ষেত্রে পুত্রের স্ত্রী পুত্রবধূর মর্যাদা লাভ করে। আর পুত্রবধূকে পত্নীরূপে গ্রহণ করা ইসলামে নিষিদ্ধ।

অন্যদিকে
ক) ভগ্নি, খ) কন্যা এবং ঘ) ভগ্নির দুধ মাতা - এদের সাথে বিবাহ করা ইসলামে স্পষ্টভাবেই নিষিদ্ধ। এরা আসলে "মুহারাম" বা নিকটাত্মীয়, যাদের সাথে বিবাহ করা হারাম।

তাই মুসলিম আইনানুযায়ী 'Affinity' বা আত্মীয়তার কারণে একমাত্র পুত্রের স্ত্রীর সাথে বিবাহ নিষিদ্ধ।
৮৭৭.
মরজ-উল-মউত (Marz-ul-Maut) শব্দের অর্থ কী?
  1. মৃত্যুর পর সম্পত্তি হস্তান্তর
  2. মৃত্যুর পর তৈরি হওয়া হুকুম
  3. মৃত্যুর আগে গুরুতর অসুস্থতা
  4. শরীয়াহর আইন অনুযায়ী সম্পত্তি বণ্টন
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুর আগে গুরুতর অসুস্থতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুর আগে গুরুতর অসুস্থতা
ব্যাখ্যা

⇒ "মরজ-উল-মউত" (Marz-ul-Maut) একটি আরবি শব্দ, যার অর্থ "মৃত্যুর অসুস্থতা" (death illness)। এটি এমন একটি শারীরিক অবস্থাকে বোঝায় যেখানে ব্যক্তির পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা খুবই কম এবং মৃত্যু নিকটবর্তী। এই অবস্থায় কোনো ব্যক্তি যে হিবা (গিফট) বা উইল করে, তা মৃত্যুশয্যা লেনদেন হিসেবে বিবেচিত হয় এবং শরিয়া আইনের নির্দিষ্ট নিয়মের অধীনে বিতরণ করা হয়। এই সংজ্ঞাটি Fatima Bibee v. Ahmad Baksh (1904) মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট কর্তৃক নিশ্চিত করা হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে যে মরজ-উল-মউত হলো এমন রোগ যা ব্যক্তির মনে মৃত্যুর আশঙ্কা সৃষ্টি করে।
⇒ Fatima Bibee v. Ahmad Baksh, (1904):
-The Calcutta High Court held in this case that Marz-ul-Maut is death illness, or the patient is suffering from such disease which induces in the person suffering and a belief that death would be caused thereby.

⇒ অর্থাৎ মরজ-উল-মউত শব্দের অর্থ হলো মৃত্যুর আগে গুরুতর অসুস্থতা। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) মৃত্যুর আগে গুরুতর অসুস্থতা।

৮৭৮.
আলোচিত Anwar Hossain Chowdhury v/s Bangladesh (1989) মামলায় 'Dissenting author judge' কে ছিলেন?
  1. বিচারপতি মোস্তফা কামাল
  2. বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী
  3. বিচারপতি এ টি এম আফজাল
  4. বিচারপতি এম এইচ রহমান
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি এ টি এম আফজাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি এ টি এম আফজাল
ব্যাখ্যা
৮ম সংশোধনী মামলা:

মামলার পূর্ণ নাম: Anwar Hossain Chowdhury vs. Bangladesh (1989) [41 DLR (AD) 165]
অন্য নাম: ৮ম সংশোধনী মামলা বা, 8th Amendment Case.
রায় ঘোষণা: ১৯৮৯ সালের ২ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগ এ মামলার রায় ঘোষণা করে। আপিল বিভাগের ৩:১ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় উক্ত সংশোধনী বাতিল বলে ঘোষিত হয়। এই মামলার মাধ্যমে বাংলাদেশে basic structure of the Constitution নীতি প্রতিষ্ঠিত হয়।

মামলার বিচারক: এই মামলায় আপিল বিভাগের ৪ জন বিচারপতি বিচারক ছিলেন।
Author Judge: বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী; মূল রায় লিখেছেন।
Assenting Judges:
(i) বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমদ এবং
(ii) বিচারপতি এম.এইচ রহমান, Author Judge -এর সাথে একমত পোষণ করেন বলে এই মামলার 'একমত পোষণকারী বিচারক' বলে পরিচিত।

Dissenting Judge: বিচারপতি এটিএম আফজাল ভিন্নমত পোষণ করে রায় দিয়েছিলেন বলে তিনি এই মামলার 'ভিন্নমত পোষণকারী বিচারক' বলে পরিচিত।
৮৭৯.
Feeding the grant by estoppel নীতির ক্ষেত্রে হস্তান্তর কার্যকর হবে কখন?
  1. যখন হস্তান্তরকারী চুক্তি বাতিল করে
  2. যখন হস্তান্তর গ্রহীতা অন্য কারও কাছে বিক্রি করে
  3. যখন হস্তান্তরকারী ভবিষ্যতে সম্পত্তিতে স্বত্ব অর্জন করে
  4. যখন হস্তান্তরকারী সম্পত্তির স্বত্ব ত্যাগ করে
সঠিক উত্তর:
যখন হস্তান্তরকারী ভবিষ্যতে সম্পত্তিতে স্বত্ব অর্জন করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন হস্তান্তরকারী ভবিষ্যতে সম্পত্তিতে স্বত্ব অর্জন করে
ব্যাখ্যা
⇒ Feeding the grant by estoppel নীতিটি হলো, যদি কোনো ব্যক্তি কোনো চুক্তি কার্যকর করার ক্ষমতা না থাকা সত্ত্বেও চুক্তিতে আবদ্ধ হয় এবং পরবর্তীকালে যদি এ চুক্তি কার্যকর করার ক্ষমতা অর্জন করে, তাহলে সে ঐ চুক্তি কার্যকর করতে বাধ্য থাকবে। সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৪৩ ধারা Feeding the grant by estoppel নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত।

৪৩ ধারা অনুসারে,
যেখানে কোনো ব্যক্তি প্রতারণামূলকভাবে বা ভুলক্রমে প্রকাশ করে যে, সে কোনো নির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের জন্য ক্ষমতাবান এবং মূল্যের বিনিময়ে তা হস্তান্তরের ঘোষণা করে, সেখানে পরবর্তীকালে এই চুক্তি বহাল থাকার সময় সে যদি ঐ সম্পত্তিতে কোনো স্বত্ব অর্জন করে, তাহলে হস্তান্তর গ্রহীতার ইচ্ছা অনুসারে এই হস্তান্তর তার এই পরবর্তীকালে অর্জিত স্বত্বের উপর বলবৎ হবে।

ধারা ৪৩: অনুমতি ছাড়া হস্তান্তর করা এবং পরে হস্তান্তরকারী যদি সম্পত্তিতে স্বার্থ অর্জন করেন-
যদি কোনো ব্যক্তি প্রতারণা বা ভুলভাবে দাবি করে যে, তাকে একটি স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের জন্য অনুমতি দেওয়া হয়েছে এবং সে সেই সম্পত্তি মূল্যবান কিছু দাবির মাধ্যমে হস্তান্তরের চেষ্টা করে, তবে যদি ওই সম্পত্তির ক্রেতা (ট্রান্সফেরি) চায়, তবে সেই হস্তান্তর এমন কোনও স্বার্থে প্রযোজ্য হবে, যা হস্তান্তরকারী ভবিষ্যতে সম্পত্তির উপর অধিকারী হবে, যতদিন না পর্যন্ত চুক্তিটি মুলতুবি থাকে।

এটি সৎ বিশ্বাসে হস্তান্তরকারী ব্যক্তির অধিকারকে কোনোভাবে প্রভাবিত করবে না, যারা হস্তান্তরকারী সম্পর্কিত কোনো অবগতির ভিত্তিতে বিনিময়ে সম্পত্তি গ্রহণ করেছে।
৮৮০.
হিন্দু স্মৃতির মধ্যে কোনটি সবচেয়ে প্রাচীন?
  1. মনুস্মৃতি
  2. যাজ্ঞবল্ক্য স্মৃতি
  3. নারদ স্মৃতি
  4. পরাশর স্মৃতি
সঠিক উত্তর:
মনুস্মৃতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মনুস্মৃতি
ব্যাখ্যা
স্মৃতি:
স্মৃতি হল প্রাচীনকালের সামাজিক, নৈতিক ও আইনগত বিধান, যা প্রাথমিকভাবে গুরু-শিষ্য পরম্পরায় মুখে মুখে প্রচারিত হতো এবং পরবর্তীকালে গ্রন্থাকারে লিপিবদ্ধ করা হয়।
হিন্দু আইনে উল্লেখযোগ্য স্মৃতিগুলোর মধ্যে রয়েছে—
১) মনুস্মৃতি
২) যাজ্ঞবল্ক্য স্মৃতি
৩) নারদ স্মৃতি
৪) পরাশর স্মৃতি
স্মৃতিগুলোর মাধ্যমে হিন্দু সমাজের আচরণবিধি, অপরাধ ও শাস্তির নীতিমালা নির্ধারিত হয়।

⇒ মনুস্মৃতি হিন্দু স্মৃতিগুলোর মধ্যে প্রাচীনতম ও সর্বাধিক প্রভাবশালী।
-এটি মনু ঋষির নামানুসারে রচিত এবং হিন্দু সামাজিক, নৈতিক ও আইনগত বিধানগুলোর প্রাথমিক ভিত্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

বাকি অপশন গুলোর মধ্যে:
- যাজ্ঞবল্ক্য স্মৃতি – এটি মনুস্মৃতির পরবর্তী এবং মূলত মিতাক্ষরা মতবাদের ভিত্তি হিসেবে পরিচিত।
- নারদ স্মৃতি – এটি মূলত ধর্ম, শাস্তি ও বিচারব্যবস্থা সংক্রান্ত বিধান নিয়ে লেখা এবং তুলনামূলকভাবে পরে রচিত।
- পরাশর স্মৃতি – এটি প্রধানত কালচক্র অনুযায়ী ধর্মীয় বিধানের পরিবর্তন সম্পর্কিত এবং তুলনামূলকভাবে পরে রচিত।

সুতরাং, হিন্দু স্মৃতির মধ্যে সবচেয়ে প্রাচীন হলো "মনুস্মৃতি"।
৮৮১.
যখন আদালত মামলা মধ্যস্থতায় পাঠায়, তখন পক্ষগণ কত দিনের মধ্যে লিখিতভাবে আদালতকে জানাতে হবে কে mediator হিসেবে নিয়োজিত হয়েছেন?
  1. ৭ দিনের মধ্যে
  2. ১০ দিনের মধ্যে
  3. ১৫ দিনের মধ্যে
  4. ৫ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
১০ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক(৪) ধারা অনুযায়ী, যখন আদালত মামলার বিরোধ মধ্যস্থতার জন্য পাঠায় বা উল্লেখ (refer) করে, তখন পক্ষগণকে ১০ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে আদালতকে জানাতে হবে যে তারা কাকে মধ্যস্থতাকারী (mediator) হিসেবে নিয়োগ করেছেন। এই বিধানটি নিশ্চিত করে যে মধ্যস্থতা প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু হয় এবং প্রক্রিয়াটি সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হয়।

- যদি পক্ষগণ এই ১০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয়, তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে জেলা জজ কর্তৃক প্রস্তুত প্যানেল থেকে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে। এরপর মধ্যস্থতা প্রক্রিয়া ৬০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে, যদি না আদালত নিজ উদ্যোগে বা পক্ষগণের যৌথ আবেদনের ভিত্তিতে সময় আরও ৩০ দিন পর্যন্ত বাড়ায়।

[⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section-89A(4) Within ten days from the date of reference under sub-section (1), the parties shall inform the Court in writing whom they have appointed as mediator, and if the parties fail to appoint the mediator during this time, the Court shall, within seven days, appoint a mediator from the panel as mentioned in sub-section (10) and the mediation under this section shall be concluded within 60 (sixty) days from the day on which the Court is so informed, or the dispute or disputes are referred to Legal Aid Officer, or a mediator is appointed by the Court], as the case may be, unless the Court of its own motion or upon a joint prayer of the parties, extends the time for a further period of not exceeding 30 (thirty) days.]

৮৮২.
নিচের কোন ক্ষেত্রে দান উইলের মত কার্যকর হয়?
  1. স্বামী কর্তৃক স্ত্রী বরাবর দান
  2. অজাত ব্যক্তি বরাবর দান
  3. মাতৃগর্ভে থাকা শিশু বরাবর দান
  4. মরজ-উল-মউত কালে দান
সঠিক উত্তর:
মরজ-উল-মউত কালে দান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মরজ-উল-মউত কালে দান
ব্যাখ্যা

“মরজ-উল-মউত” অর্থাৎ মৃত্যুশয্যা বা মৃত্যুভয় উপস্থিত থাকা অবস্থায় করা দান - ইসলামী আইনে উইল হিসেবে গণ্য হয়।

মরজ-উল-মউত বা মৃত্যুশয্যায় দান:
মরজ শব্দের অর্থ- রোগ, মউত শব্দের অর্থ- মৃত্যু। মরজ-উল-মউত'র অর্থ মৃত্যুরোগ (Death Sickness) বা যে রোগে মৃত্যুর সম্ভাবনা আছে। যদি কেউ মৃত্যুর আশঙ্কাজনক রোগে বা অবস্থায় দান করে, তবে সেই দান মৃত্যুর পর কার্যকর হয় এবং উইলের বিধান অনুযায়ী কার্যকর হয়। অর্থাৎ, সেই দান কেবলমাত্র মোট সম্পত্তির তৃতীয়াংশ (১/৩) পর্যন্ত বৈধ হয়। 

মূল নিয়মাবলী:
১. মৃত্যুশয্যায় দানকৃত সম্পত্তি দাতার মোট সম্পত্তির ১/৩ অংশের বেশি হতে পারে না।
২. উত্তরাধিকারীদের মধ্যে কাউকে এই দান করা যাবে না, যদি না বাকি উত্তরাধিকারীরা সম্মতি দেয়।

৮৮৩.
The Registration Act, 1908 এর ধারা ৩৯ কীসের সাথে সম্পর্কিত?
  1. দলিল জমাদান
  2. রেজিস্ট্রেশন ফিস
  3. ক্ষমতাপ্রাপ্ত এজেন্ট
  4. সমন, কমিশন ও সাক্ষী
সঠিক উত্তর:
সমন, কমিশন ও সাক্ষী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমন, কমিশন ও সাক্ষী
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৯- সমন, কমিশন এবং সাক্ষী সম্বন্ধে আইন:
দেওয়ানি মোকদ্দমায় সমন, কমিশন, সাক্ষীগণের উপস্থিতি বাধ্যকরণ, এবং তাহাদের পারিতোষিক সংক্রান্ত আপাতত বলবৎ আইন, পূর্বোক্ত ক্ষেত্র ব্যতীত এবং প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ, এই আইনের অধীন জারিকৃত কোন সমন বা কমিশন এবং উপস্থিতির জন্য সমনপ্রাপ্ত যে কোন ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে।

[The law in force for the time being as to summonses, commissions and compelling the attendance of witnesses, and for their remuneration in suits before Civil Courts, shall, save as aforesaid and mutatis mutandis, apply to any summons or commission issued and any person summoned to appear under the provisions of this Act.]
৮৮৪.
A, B-কে ১ লাখ টাকা দান করে, এবং শর্ত রাখে যে ইচ্ছামতো ১০,০০০ টাকা ফেরত নেবেন। দানটির কোন অংশ বৈধ?
  1. সম্পূর্ণ অংশ বৈধ
  2. ৯০,০০০ টাকা পর্যন্ত
  3. ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত
  4. সম্পূর্ণ দান অবৈধ
সঠিক উত্তর:
৯০,০০০ টাকা পর্যন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০,০০০ টাকা পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
ধারা ১২৬ – কখন দান স্থগিত বা বাতিল করা যেতে পারে (When gift may be suspended or revoked):
দাতা ও দানগ্রহীতা যদি এমন কোনো নির্দিষ্ট ঘটনার জন্য সম্মত হন, যা দাতার ইচ্ছার উপর নির্ভর করে না, তাহলে সেই ঘটনা ঘটলে দান স্থগিত বা বাতিল করা যেতে পারে। কিন্তু যদি দানটি এমনভাবে শর্তযুক্ত হয় যে, দাতা নিজের ইচ্ছামতো পুরো দান বা এর কোনো অংশ পূর্ব-সম্মতিসাপেক্ষে বাতিল করতে পারেন- তবে সেই দান সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে অকার্যকর বলে বিবেচিত হবে।

এছাড়াও, একটি দান এমন কোন পরিস্থিতিতে বাতিলযোগ্য, যা একটি চুক্তি হলে বাতিল করা যেত - তবে কেবলমাত্র “consideration” না থাকার কারণে নয়।
এই ধারায় আরও বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি বিনিময়মূল্য দিয়ে এবং পূর্বজ্ঞান ছাড়া দানকৃত সম্পত্তি কিনে নেয়, তবে এই বিধান তার ওপর প্রযোজ্য হবে না।

উদাহরণ:
(ক) A একটি জমি B-কে দান করে, তবে B ও তার উত্তরাধিকারীরা যদি A-র জীবদ্দশায় মারা যায়, তাহলে জমি A ফেরত নিতে পারবেন — এই শর্তে দান করা হয়। পরে B মারা যায় এবং তার কোনো উত্তরাধিকারী ছিল না। সুতরাং, A জমি ফেরত নিতে পারবেন।

(খ) A, B-কে ১ লাখ টাকা দান করে এবং শর্ত রাখে যে তিনি ইচ্ছামতো ১০,০০০ টাকা ফেরত নিতে পারবেন। এই ক্ষেত্রে দান ৯০,০০০ টাকা পর্যন্ত বৈধ, কিন্তু ১০,০০০ টাকার ক্ষেত্রে শর্তটি অবৈধ, এবং তা A- এরই থেকে যাবে।
৮৮৫.
এক জেলার পারিবারিক আপিল আদালত থেকে অন্য জেলার পারিবারিক আপিল আদালতে আপিল স্থানান্তরের ক্ষমতা- কার আছে?
  1. জেলা জজ আদালতের
  2. হাইকোর্ট বিভাগের
  3. পারিবারিক আপিল আদালতের
  4. ক এবং খ উভয়ের
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগের
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) হাইকোর্ট বিভাগের।

পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ২০: মোকদ্দমা এবং আপিল স্থানান্তর ও স্থগিতকরণ:
(১) হাইকোর্ট বিভাগ, কোনো পক্ষের আবেদনক্রমে বা স্বীয় উদ্যোগে, লিখিত আদেশ দ্বারা, দায়েরকৃত যেকোনো-

(ক) মোকদ্দমা একই জেলার এক পারিবারিক আদালত হইতে অন্য পারিবারিক আদালতে অথবা এক জেলার পারিবারিক আদালত হইতে অন্য জেলার পারিবারিক আদালতে,

(খ) আপিল এক জেলার পারিবারিক আপিল আদালত হইতে অন্য জেলার পারিবারিক আপিল আদালতে, স্থানান্তর করিতে পারিবে।

(২) পারিবারিক আপিল আদালত, কোনো পক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বা স্বীয় উদ্যোগে, লিখিত আদেশ দ্বারা এই আইনের অধীন যেকোনো মোকদ্দমা তাহার নিজ এখতিয়ারাধীন স্থানীয় সীমানার মধ্যে এক পারিবারিক আদালত হইতে অন্য পারিবারিক আদালতে স্থানান্তর করিতে পারিবে।

(৩) এই আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই ধারার অধীন যে আদালতে কোনো মোকদ্দমা বা আপিল স্থানান্তরিত হইবে সেই আদালত উহা এমনভাবে নিষ্পত্তি করিবে, যেন উহার নিকট উক্ত মোকদ্দমা বা আপিল দায়ের করা হইয়াছে :

তবে শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমা স্থানান্তরের কারণে, পরবর্তী বিচারককে নূতন করিয়া কার্যধারা আরম্ভ করিবার প্রয়োজন হইবে না, যদি না উক্ত বিচারক লিখিতভাবে কারণ উল্লেখপূর্বক ভিন্নরূপ কোনো নির্দেশ প্রদান করেন।

(৪) পারিবারিক আপিল আদালত, লিখিত আদেশ দ্বারা, তাহার এখতিয়ারাধীন স্থানীয় সীমানার মধ্যে কোনো পারিবারিক আদালতের নিকট বিচারাধীন মোকদ্দমা স্থগিত করিতে পারিবে।

(৫) হাইকোর্ট বিভাগ, লিখিত আদেশ দ্বারা, কোনো পারিবারিক আদালতে বা পারিবারিক আপিল আদালতে বিচারাধীন যেকোনো মোকদ্দমা বা আপিল স্থগিত করিতে পারিবে।

৮৮৬.
রাকিব তার একটি দোকান শুভর কাছে রেহেন রেখে, তার থেকে ১ লক্ষ টাকা ঋন গ্রহন করে। এক্ষেত্রে রাকিবের ঋণের দাবী-
  1. নিরাপদ ঋণ হিসেবে গণ্য হবে না
  2. নালিশযোগ্য দাবী হিসেবে গণ্য হবে না
  3. জামানতবিহীন ঋণ হিসেবে গণ্য হবে
  4. নালিশযোগ্য দাবী হিসেবে গণ্য হবে
সঠিক উত্তর:
নালিশযোগ্য দাবী হিসেবে গণ্য হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নালিশযোগ্য দাবী হিসেবে গণ্য হবে না
ব্যাখ্যা
নালিশযোগ্য দাবী (Actionable Claim)

অনিরাপদ ঋণের দাবীকে নালিশযোগ্য দাবী বলা হয়েছে। অনিরাপদ ঋণ অর্থ যে ঋণের বিপরীতে কোন জামানত থাকে না বা জামানতবিহীন ঋণ। জামানতসহ বন্ধকের ক্ষেত্রে ঋণের দাবী নালিশযোগ্য দাবী না কারণ বন্ধক একটি নিরাপদ ঋণ।

উল্লিখিত ক্ষেত্রে রাকিব তার একটি দোকান শুভর কাছে রেহেন রেখে, তার থেকে ১ লক্ষ টাকা ঋন গ্রহন করে। এক্ষেত্রে রাকিবের ঋণের দাবী নালিশযোগ্য দাবী হিসেবে গণ্য হবে না। কারণ বন্ধক একটি নিরাপদ ঋণ। যদি রাকিব বন্ধক ছাড়া অর্থাৎ জামানত ছাড়া ঋণ গ্রহণ করতো। তাহলে তা নালিশযোগ্য দাবী বলে গণ্য হতো।

Section 3:
“Actionable claim” means a claim to any debt, other than a debt secured by mortgage of immoveable property or by hypothecation or pledge of moveable property, or to any beneficial interest in moveable property not in the possession, either actual or constructive, of the claimant, which the Civil Courts recognize as affording grounds for relief, whether such debt or beneficial interest be existent, accruing, conditional or contingent:
৮৮৭.
According to Section 17A of The Registration Act, 1908, Within how many days must a contract for sale of immovable property be presented for registration?
  1. 15 days
  2. 30 days
  3. 60 days
  4. 90 days
সঠিক উত্তর:
60 days
উত্তর
সঠিক উত্তর:
60 days
ব্যাখ্যা

The Registration Act, 1908- Section 17A. Registration of contract for sale, etc.
(1) Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act or any other law for the time being in force, a contract for sale of any immovable property shall be in writing, executed by the parties thereto and registered. 
 
(2) A contract for sale referred to in sub-section (1) shall be presented for registration within sixty days from the date of execution of the contract and the provisions regarding registration of instruments shall apply.

⇒  ধারা ১৭ক- বিক্রয় চুক্তি, ইত্যাদির নিবন্ধন:
(১) এই আইন বা আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যে কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের চুক্তিপত্র লিখিত হইতে হইবে, তৎসঙ্গে উহা সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ কর্তৃক সম্পাদিত ও নিবন্ধিত হইতে হইবে।

(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত বিক্রয়-চুক্তি, সম্পাদনের তারিখ হইতে ৬০ দিনের মধ্যে নিবন্ধনের জন্য দাখিল করিতে হইবে এবং এইক্ষেত্রে দলিল নিবন্ধনের বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে।

৮৮৮.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর কত ধারায় বিচারের স্থান সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ধারা ১০
  2. ধারা ১১
  3. ধারা ১১ক
  4. ধারা ১৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ১১ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১১ক
ব্যাখ্যা
ধারা ১১ক- বিচারের স্থান
সাময়িকভাবে বলবৎ অন্য কোন আইনে কোন কিছু থাকা সত্ত্বেও এই অধ্যাদেশের অধীনে সংঘটিত কোন অপরাধ ঐ আদালত কর্তৃকই বিচার্য হইবে যাহার স্থানীয় এখতিয়ারের মধ্যে-
ক) অপরাধটি সংঘটিত হইয়াছিল,
খ) অভিযোগকারী বা আসামী বাস করে বা সর্বশেষ বাস করিয়াছিল।

Section 11A- Place of trial
Notwithstanding anything contained in any other law for the time being in force, an offence under this Ordinance shall be tried by a Court within the local limits of whose jurisdiction- 
(a) the offence was committed; or 
(b) the complainant or the accused resides or last resided.
৮৮৯.
সংবিধানের প্রস্তাবনা অনুসারে বাংলাদেশের জনগণ কী অক্ষুণ্ন রাখার জন্য অঙ্গীকার করেছে?
  1. ধর্মীয় ঐতিহ্য
  2. রাষ্ট্রীয় সম্পদ
  3. সামরিক শক্তি
  4. সংবিধানের প্রাধান্য
সঠিক উত্তর:
সংবিধানের প্রাধান্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবিধানের প্রাধান্য
ব্যাখ্যা

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, বাংলাদেশের জনগণ সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুণ্ন রাখার এবং এর রক্ষণ, সমর্থন ও নিরাপত্তা বিধানের জন্য অঙ্গীকার করেছে। এটি তাদের পবিত্র কর্তব্য হিসেবে বিবেচিত হয়।

৮৯০.
‘A’ এবং ‘B’ একটি মামলায় মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য আবেদন করে। দেওয়ানি কার্যবিধির বিধান অনুসারে, ‘A’ এবং ‘B’ মামলার মধ্যস্থতার জন্য মধ্যস্থতাকারী (Mediator) নিয়োগের সময়সীমা কত দিন?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৪ দিন
  4. ২১ দিন
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908-এর ধারা ৮৯ক(৪) অনুসারে, মধ্যস্থতার জন্য মধ্যস্থতাকারী (Mediator) নিয়োগের বিষয়ে পক্ষগণকে ১০ দিনের মধ্যে আদালতকে লিখিতভাবে জানাতে হবে। যদি পক্ষগণ এই সময়ের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয়, তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে জেলা জজ কর্তৃক প্রস্তুত প্যানেল থেকে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক ধারায় মধ্যস্থতার বিধান মতে মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ দিবে। উক্ত সময়ের মধ্যে না পারলে আদালত পরবর্তী ৭ দিনের মধ্যে নিয়োগ দিবে।
অর্থাৎ সর্বোচ্চ ১৭ দিনের মধ্যে নিয়োগ দিতে হবে।
- নিয়োগ দেওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে মীমাংসা করবে। তাও সম্পন্ন না হলে আরও ৩০ দিন বাড়াবে।
- অর্থাৎ সর্বোচ্চ ৯০ দিনের মধ্যে শেষ করতে হবে।
- মধ্যস্থতা প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর ৭ দিনের মধ্যে আদালত সোলে ডিক্রি (Compromise Decree) জারি করবেন।
- সোলে ডিক্রি এর বিরুদ্ধে কোনো আপিল কিংবা রিভিশন করা যাবে না।
----------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Section-89A: Mediation: 
(4) Within ten days from the date of reference under sub-section (1), the parties shall inform the Court in writing whom they have appointed as mediator, and if the parties fail to appoint the mediator during this time, the Court shall, within seven days, appoint a mediator from the panel as mentioned in sub-section (10) and the mediation under this section shall be concluded within 60 (sixty) days from the day on which the Court is so informed, or the dispute or disputes are referred to Legal Aid Officer, or a mediator is appointed by the Court, as the case may be, unless the Court of its own motion or upon a joint prayer of the parties, extends the time for a further period of not exceeding 30 (thirty) days.

৮৯১.
বাংলাদেশে অবস্থিত প্রকৃত মালিকবিহীন যে কোন সম্পত্তি প্রজাতন্ত্রের উপর ন্যস্ত হবে- সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ১৪৩(১) (ক)
  2. ধারা ১৪৩(১) (গ)
  3. ধারা ১৪৩(২)
  4. ধারা ১৪৩(১) (খ)
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪৩(১) (গ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪৩(১) (গ)
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪৩: প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি

(১) আইনসঙ্গতভাবে প্রজাতন্ত্রের উপর ন্যস্ত যে কোন ভূমি বা সস্পত্তি ব্যতীত নিম্নলিখিত প্রজাতন্ত্রের উপর ন্যস্ত হইবে: 

(ক) বাংলাদেশের যে কোন ভূমির অন্তঃস্থ সকল খনিজ ও অন্যান্য মূল্যসম্পন্ন সামগ্রী; 
(খ) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় জলসীমার অন্তর্বর্তী মহাসাগরের অন্তঃস্থ কিংবা বাংলাদেশের মহীসোপানের উপরিস্থ মহাসাগরের অন্তঃস্থ সকল ভূমি, খনিজ ও অন্যান্য মূল্যসম্পন্ন সামগ্রী; এবং 
(গ) বাংলাদেশে অবস্থিত প্রকৃত মালিকবিহীন যে কোন সম্পত্তি। 
 
(২) সংসদ সময়ে সময়ে আইনের দ্বারা বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় জলসীমা ও মহীসোপানের সীমা-নির্ধারণের বিধান করিতে পারিবেন।

Article 143: Property of the Republic

(1) There shall vest in the Republic, in addition to any other land or property lawfully vested – 

(a) all minerals and other things of value underlying any land of Bangladesh; 
(b) all lands, minerals and other things of value underlying the ocean within the territorial waters, or the ocean over the continental shelf, of Bangladesh; and 
(c) any property located in Bangladesh that has no rightful owner. 
 
(2) Parliament may from time to time by law provide for the determination of the boundaries of the territory of Bangladesh and of the territorial waters and the continental shelf of Bangladesh.
৮৯২.
শিশু-আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. শুধু আপিল
  2. শুধু রিভিশন
  3. আপিল ও রিভিশন উভয়
  4. কোনো প্রতিকার নেই
সঠিক উত্তর:
আপিল ও রিভিশন উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল ও রিভিশন উভয়
ব্যাখ্যা

শিশু আইন, ২০১৩-এর ধারা ৪১ অনুযায়ী:
শিশু-আদালতের প্রদত্ত আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে ৬০ দিনের মধ্যে আপিল করা যেতে পারে। এছাড়াও, একই আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে পুনর্বিবেচনা (Revision) করা যেতে পারে। অতএব, শিশু-আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে উভয় প্রতিকারই প্রযোজ্য।

শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৪১: "আপিল ও পুনর্বিবেচনা":
(১) ফৌজদারী কার্যবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন শিশু-আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে উক্ত আদেশ বা রায় প্রদানের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করা যাইবে। 

(২) শিশু-আদালতের কোনো আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে পুনর্বিবেচনা (Revision) করা যাইবে।

(৩) এই ধারার অধীন আপিল বা, ক্ষেত্রমত, পুনর্বিবেচনার আবেদন দাখিল করা হইলে উক্ত আবেদনটি দায়েরের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে উহা নিষ্পত্তি করিতে হইবে।

৮৯৩.
রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮ এর ধারা ২৫ অনুযায়ী, অনিবার্য কারণে দলিল নিবন্ধনে বিলম্ব হলে রেজিস্ট্রার কত মাস পর্যন্ত বিলম্বের ক্ষেত্রে দলিল গ্রহণ করতে নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. ২ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৪ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৪ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮ এর ধারা ২৫(১) অনুযায়ী, জরুরি প্রয়োজন বা অনিবার্য ঘটনার কারণে যদি কোনো দলিল নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধনের জন্য উপস্থাপন করা না যায় এবং বিলম্ব ৪ মাসের বেশি না হয়, তবে রেজিস্ট্রার নিবন্ধন ফি-এর সর্বোচ্চ দশ গুণ জরিমানা প্রদানের শর্তে দলিলটি নিবন্ধনের জন্য গ্রহণ করতে নির্দেশ দিতে পারেন।

⇒ রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮ এর ধারা ২৫- অনিবার্য কারণবশত দলিল দাখিলে বিলম্ব হলে বিধান:
১) দেশে সম্পাদিত কোন দলিল বা প্রদর কোন ডিক্রি বা আদেশের নবদল যদি কোন জরুরি প্রয়োজন বা কোন অনিবার্য ঘিটনার জন্য নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রম হওয়ার পূর্বে নিবন্ধনের জন্য উপস্থাপন করা না হয়, এবং দাখিল করতে যদি ৪ মাসের অধিক বিলম্ব না হয়, নিবন্ধন ফিসের অনুর্ধ্ব দশ গুণ টাকা জরিমানাস্বরূপ প্রদান করলে রেজিস্ট্রার উক্ত জলিল নিবন্ধনের জন্য গ্রহণ করতে নির্দেশ দিতে পারেন।
২) এরূপ নির্দেশ প্রাপ্তির জন্য আবেদন সাব-রেজিস্ট্রারের অফিসে দাখিল করা যেতে পারে এবং সঙ্গে সঙ্গেই সাব-রেজিস্ট্রার তার উর্ধ্বতন রেজিস্ট্রারের নিকট দরখাস্ত প্রেরণ করবে।
---------
⇒ The Registration Act, 1908 Section 25- Provision where delay in presentation is unavoidable
(1) If, owing to urgent necessity or unavoidable accident, any document executed, or copy of a decree or order made, in Bangladesh is not presented for registration till after the expiration of the time hereinbefore prescribed in that behalf, the Registrar, in cases where the delay in presentation does not exceed four months, may direct that, on payment of a fine not exceeding ten times the amount of the proper registration-fee, such document shall be accepted for registration.
(2) Any application for such direction may be lodged with a Sub-Registrar, who shall forthwith forward it to the Registrar to whom he is subordinate.

৮৯৪.
“এগনেটিক ওয়ারিশ” বলতে কী বোঝায়?
  1. যাদের কেবল স্ত্রী থেকে উত্তরাধিকার আসে
  2. যারা নির্দিষ্ট অংশের অধিকারী
  3. যারা পুরুষ আত্মীয়ের মাধ্যমে উত্তরাধিকারী হয়
  4. যারা অংশীদারদের পরে কিছু পান না
সঠিক উত্তর:
যারা পুরুষ আত্মীয়ের মাধ্যমে উত্তরাধিকারী হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যারা পুরুষ আত্মীয়ের মাধ্যমে উত্তরাধিকারী হয়
ব্যাখ্যা

অবশিষ্টাংশ ভোগীগণ (Residuaries):
মৃত ব্যক্তির যাদের সাথে রক্তের সম্পর্ক আছে এবং যারা অংশীদারদের নির্দিষ্ট অংশ নেবার পর কোন সম্পত্তি অবশিষ্ট থাকলে তা অথবা কোন অংশীদার না থাকলে সমস্ত সম্পত্তি মৃত ব্যক্তির সাথে রক্তের সম্পর্ক আছে এমন সমস্ত নিকটবর্তী আত্মীয়রা তালিকায় উল্লেখিত ক্রমানুসারে লাভ করে থাকে। মৃত ব্যক্তির এ সকল নিকটত্নীয়দেরকে অবশিষ্টাংশভোগী বলা হয়। এই অবশিষ্টংশ ভোগীদের কোন নির্দিষ্ট অংশ নাই। অংশীদারদের দেওয়ার পরেই কেবল অবশিষ্ট সম্পত্তি তারা পাবেন, কিন্তু এই অবশিষ্টাংশের পরিমাণ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিভিন্ন রকম হতে পারে। যদি কোন অংশীদার না থাকেন, তবে সমস্ত সম্পত্তিই আসাবা বা অংশীদারগণ পাবেন। এ সকল আসাবা বা অবশিষ্টাংশ ভোগীগণকে এগনেটিক ওয়ারিশ ও বলা হয়। কারণ এরা পুরুষ আত্মীয়ের মাধ্যমেই ওয়ারিশ হয়ে থাকে।

অবশিষ্টাংশ ভোগীগণের প্রধানতঃ নীচের তিনটি শ্রেণীতে ভাগ করা যায়-
১) নিজ অধিকারসূত্রে অবশিষ্টাংশভোগ: অবশিষ্টংশভোগীদের তালিকাভুক্ত সব পুরুষই এই শ্রেণীর অন্তর্গত। তারা কখনো
অংশীদাররূপে সম্পত্তি পায় না; শুধুমাত্র অবশিষ্টাংশভোগী হিসেবেই সম্পত্তি পেয়ে থাকে। পুত্র, পুত্রের পুত্র যত নীচেই হোক, আপন ভাই এবং বৈমাত্রেয় ভাই (যেখানে দুই মাতা কিন্তু এক পিতা) এই শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত।

২) অন্যের অধিকারসূত্রে অবশিষ্টাংশভোগী:
 তারা সবাই নারী, সংখ্যায় চারজন। তাদের প্রত্যেকেই পুরুষ আত্মীয়ের সাথে পুরুষের অর্ধেক হিসেবে সম্পত্তি লাভ করে থাকে। যেমন: কন্যা, পুত্রের সাথে, পুত্রের কন্যা যত নীচেই হোক এর সাথে, আপন বোন আপন ভাই এর সাথে এবং বৈমাত্রেয় বোন বৈমাত্রেয় ভাই এর সাথে অবশিষ্টাংশভোগী হিসেবে সম্পত্তি লাভকরে। যেমন: কন্যা, পুত্রের সাথে, পুত্রের কন্যা যত নীচের হোক পুত্রের পুত্র যত নীচের হোক এর সাথে, আপন বোন আপন ভাইয়ের সাথে এবং বৈমাত্রেয় বোন বৈমাত্রেয় ভাইয়ের সাথে অবশিষ্টাংশ ভোগী হিসেবে সম্পত্তি লাভ করে। উল্লেখিত পুরুষ আত্মীয় না থাকলে তারা সবাই অংশীদার হিসেবে সম্পত্তি পেয়ে থাকে।

৩) অন্যান্যদের সাথে এবং অন্যান্য পরিস্থিতিতে অবশিষ্টাংশভোগী:
আপন বোন এবং বৈমাত্রেয়বোন, কন্যা বা পুত্রের কন্যা যত নীচেরই হোক এর সাথে অবশিষ্টাংশভোগী হিসেবে সম্পত্তি পায়। তাছাড় অন্যান্য পরিস্থিতিতে যেমন মৃত ব্যক্তির সন্তান, পুত্রের সন্তান যত নীচেরই হোক না থাকলে পিতা বা পিতার পিতা যত উপরের হোক অবশিষ্টাংশভোগী হিসেবে সম্পত্তি লাভ করে। আবার মৃত ব্যক্তির কন্যা, পুত্রের কন্যা যত নীচের হোক থাকলে পিতা, পিতার পিতা যত উপরের হোক অংশীদার এবং অবশিষ্টাংশভোগী উভয় যোগ্যতায় সম্পত্তি পেয়ে থাকে।

৮৯৫.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের কোন ধারায় Doctrine of Accumulation নীতির প্রয়োগ ঘটেছে?
  1. ধারা ২৩
  2. ধারা ১৭
  3. ধারা ২১
  4. ধারা ১১
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৭
ব্যাখ্যা
• ধারা ১৭: সঞ্চিত করার নির্দেশ (Direction for accumulation)
(১) যেক্ষেত্রে কোন সম্পত্তি হস্তান্তরের শর্তাবলিতে এরূপ নির্দেশ থাকে যে, সম্পত্তির আয় সম্পূর্ণ বা আংশিক ভাবে,
(ক) দাতার জীবনকাল, বা 
(খ) হস্তান্তরের তারিখ হতে আঠার বছরের অধিককালের জন্য সঞ্চিত করতে হবে, সেক্ষেত্রে নিম্নবর্ণিত ব্যতিক্রমের ক্ষেত্র ছাড়া এরূপ নির্দেশ উপরোক্ত মেয়াদ অপেক্ষা অধিককালের জন্য বাতিল বলে গণ্য হবে। এরূপ মেয়াদদ্বয়ের মধ্যে দীর্ঘতর মেয়াদ অতিবাহিত হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি ও এর আয় এরূপ ভাবে ব্যবহার করা যাবে, যেন যে সময়ের জন্য সঞ্চয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল তা অতিবাহিত হয়ে গেছে।

(২) এই ধারা নিম্নবর্ণিত উদ্দেশ্যের জন্য সঞ্চয়ের নির্দেশকে প্রভাবিত করবে না-
(অ) দাতা বা হস্তান্তর দ্বারা স্বত্ববান কোন ব্যক্তির ঋণ পরিশোধ, অথবা
(আ) দাতা বা হস্তান্তর দ্বারা স্বত্ত্ববান কোন ব্যক্তির সন্ধান বা দূরবর্তী বংশধরগণের সম্পত্তির আয়ের অংশ লাভের ব্যবস্থা করার জন্য, অথবা
(ই) হস্তান্তরিত সম্পত্তি সংরক্ষণ বা দেখাশুনার জন্য এবং এই সকল উদ্দেশ্যে সে অনুযায়ী সঞ্চয়ের নির্দেশ দেয়া যেতে পারে।

• এই ধারায় Doctrine of Accumulation নীতির প্রয়োগ ঘটেছে। এই ধারার মূল উদ্দেশ্য- হস্তান্তরিত সম্পত্তির আয় সঞ্চিত করার নির্ধারিত সময়কে দীর্ঘ হতে না দেওয়া। গচ্ছিত রাখার সময়সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। যথা-
১. হস্তান্তরকারীর জীবনকাল;
২. হস্তান্তরের তারিখ থেকে ১৮ বছর। এই ২টির মধ্যে যেটি দীর্ঘতর সেই সময়ের জন্য আয় গচ্ছিত রাখা যাবে।

Section 17: Direction for accumulation
1) Where the terms of a transfer of property direct that the income arising from the property shall be accumulated either wholly or in part during a period longer than- 
(a) the life of the transferor, or 
(b) a period of eighteen years from the date of the transfer, such direction shall, save as hereinafter provided, be void to the extent to which the period during which the accumulation is directed exceeds the longer of the aforesaid periods, and at the end of such last-mentioned period the property and the income thereof shall be disposed of as if the period during which the accumulation has been directed to be made had elapsed. 
 
(2) This section shall not affect any direction for accumulation for the purpose of- 
(i) the payment of the debts of the transferor or any other person taking any interest under the transfer, or 
(ii) the provision of portions for children or remoter issue of the transferor or of any other person taking any interest under the transfer, or 
(iii) the preservation or maintenance of the property transferred; and such direction may be made accordingly.
৮৯৬.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ৯৬ ধারার বিধানমতে বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রেশনের কত সময় পর অগ্রক্রয়ের দরখাস্ত আর গ্রহণযোগ্য হবে না?
  1. ২ মাস
  2. ১ বৎসর
  3. ২ বৎসর
  4. ৩ বৎসর
সঠিক উত্তর:
৩ বৎসর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বৎসর
ব্যাখ্যা
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ৯৬ ধারার বিধান: অগ্রক্রয়ের অধিকার (Right of pre-emption)
আবেদন দাখিল:
- জোতের সহ-শরীক প্রজা নন এমন কোন ব্যক্তির নিকট জোতের খন্ড বা অংশ বিক্রয় করা হলে সেক্ষেত্রে-
- ৮৯ ধারা অনুযায়ী নোটিশ প্রদানের ২ মাসের মধ্যে; বা
 - নোটিশ জারি না হয়ে থাকলে বিক্রয়ের বিষয়ে অবগত হওয়ার ২ মাসের মধ্যে উক্ত খন্ড বা অংশ তার বা তাদের নিকট বিক্রয় করার জন্য আদালতে আবেদন পেশ করতে পারবেন। তবে:-
i) উত্তরাধিকারসূত্রে সহ-শরীক প্রজা না হলে এবং
ii) বিক্রয়ের দলিল নিবন্ধন করার ৩ বছর পর এই ধারা অনুযায়ী কোন আবেদন করা যাবে না,
iii) ৯০ ধারার অধীনে ইতিমধ্যে ৩৭৫ বিঘার বেশি ভূমি ধারণ করলে সেক্ষেত্রে আবেদন করা যাবে না।
----------------
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 Section 96.Right of pre-emption:
(1) If a portion or share of a holding of a raiyat is sold to a person who is not a co-sharer tenant in the holding, one or more co-sharer tenants of the holding may, within two months of the service of the notice given under section 89, or, if no notice has been served under section 89, within two months of the date of the knowledge of the sale, apply to the Court for the said portion or share to be sold to himself or themselves: 

Provided that no application under this section shall lie unless the applicant is- 
(a) a co-sharer tenant in the holding by inheritance; and 
(b) a person to whom sale of the holding or the portion or share thereof, as the case may be, can be made under section 90: 
Provided further that no application under this section shall lie after expiry of three years from the date of registration of the sale deed. 

(2) In an application under sub-section (1), all other co-sharer tenants by inheritance of the holding and the purchaser shall be made parties. 
(3) An application under sub-section (1) shall be dismissed unless the applicant or applicants, at the time of making it, deposit in the Court- 
(a) the amount of the consideration money of the sold holding or portion or share of the holding as stated in the notice under section 89 or in the deed of sale, as the case may be; 
(b) compensation at the rate of twenty five per centum of the amount referred to in clause (a); and 
(c) an amount calculated at the rate of eight per centum simple annual interest upon the amount referred to in clause (a) for the period from the date of the execution of the deed of sale to the date of filing of the application for preemption. 
(4) On receipt of such application accompanied by such deposits, the Court shall give notice to the purchaser and to the other persons made parties thereto under sub-section (2) to appear within such period as it may fix and shall require the purchaser to state what other sums he has paid in respect of rent since the date of sale and what expenses he has incurred in annulling encumbrances on, or for making any improvement in respect of the holding, portion or share sold. 
(5) The Court shall, after giving all the parties an opportunity of being heard after holding an enquiry as to rent paid and the expenses incurred by the purchaser as referred to in sub-section (4), direct the applicant or applicants to deposit a further sum, if necessary, within such period as the Court thinks reasonable. 
(6) When an application has been made under sub-section (1), any of the remaining co-sharer tenants may, within the period referred to in sub-section (1) or within two months of the date of the service of the notice of the application under sub-section (4), whichever be earlier, apply to join in the said application; any co-sharer tenant who has not applied either under sub-section (1) or under this sub-section, shall not have any further right to purchase under this section. 
(7) On the expiry of the period within which an application may be made under sub-section (6), the Court shall determine, in accordance with the provisions of this section, which of the applications filed under sub-section (6) shall be allowed. 
(8) If the Court finds that an order allowing the applications made under sub-section (7) is to be made in favour of more than one applicant, the Court shall determine the amount to be paid by each of such applicants and, after apportioning the amount, shall order the applicant or applicants who have joined in the original application under sub-section (6) to deposit in the Court the amounts payable by him or them within such period as it thinks reasonable; and if the deposit is not made by any such applicant within such period, his application shall be dismissed. 

(9) On the expiry of the period within which a deposit, if any, is to be made under sub-section (8), the Court shall pass orders- 
(a) allowing the application or applications made by the applicant or applicants who are entitled to purchase under, and have complied with the provisions of, this section; 
(b) apportioning the holding or the portion or share of the holding among them in such manner as it deems equitable when such orders are passed in favour of more than one applicant under sub-section (8); 
(c) refunding money to any one if entitled to such refund of any money from the amount deposited by the applicant or applicants under sub-sections (3) and (5); 
(d) directing that the purchaser be paid out of the deposits made under sub-sections (3) and (5); 
(e) directing the purchaser to execute and register deed or deeds of sale within sixty days in favour of the person or persons whose application or applications have been allowed; and no tax, duty or fee shall be payable for such registration. 
(10) If the purchaser fails to execute and register deed or deeds of sale in pursuance of the directions under clause (e) of sub-section (9), within sixty days in favour of the person or persons whose application or applications have been allowed, the court shall execute and present deed or deeds of sale for registration within sixty days thereafter in favour of such person or persons whose application or applications have been allowed. 
(11) From the date of the registration of sale deed or deeds under clause (e) of sub-section (9) or under sub-section (10), the right, title and interest in the holding or portion or share thereof accruing to the purchaser from the sale shall, subject to any orders passed under sub-section (9), be deemed to have vested, free from all encumbrances which have been created after the date of sale, in the co-sharer tenant or tenants whose application or applications to purchase have been allowed under sub-section (9). 

(12) The Court on further application of such applicant or applicants may place him or them, as the case may be, in possession of the property vested in him or them. 
(13) No apportionment ordered under clause (b) of sub-section (9) shall operate as division of the holding. 
(14) An application under this section shall be made to the Court which would have jurisdiction to entertain a suit for the possession of the land in connection with which the application is brought. 
(15) An Appeal shall lie to the ordinary Civil Appellate Court from any order of the Court under this section. 
(16) Nothing in this section shall be deemed to apply to homestead land. 
(17) Nothing in this section shall take away the right of pre-emption conferred on any person by the Mohammadan Law. 
(18) Nothing in this section shall apply to any transfer of any portion or share of a holding of a raiyat or any application under section 96 of this Act, made prior to coming into force of the State Acquisition and Tenancy (Amendment) Act, 2006.]
৮৯৭.
'Nullum crimen sine lege' নীতি বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৩৫(১)
  2. অনুচ্ছেদ ৩৫(২)
  3. অনুচ্ছেদ ৩৫(৩)
  4. অনুচ্ছেদ ৩৫(৪)
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৫(১)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৫(১)
ব্যাখ্যা

ল্যাটিন ম্যাক্সিম: Nullum crimen sine lege
English Meaning: No crime without a law.
বাংলা অর্থ: আইন ছাড়া কোনো অপরাধ নয়।

- এটি দণ্ডবিধি ও ফৌজদারি ন্যায়বিচারে একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি। এই নীতির দ্বারা বোঝানো হয়, কোনো ব্যক্তিকে কোনো কাজের জন্য অপরাধী ঘোষণা করা যাবে না, যদি সেই কাজটি সেই সময় প্রচলিত আইনে অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত না থাকে। এই নীতি বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৫(১) অনুচ্ছেদে প্রতিফলিত হয়েছে।

বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৫(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে-
অপরাধের দায়যুক্ত কার্যসংঘটনকালে বলবৎ ছিল, এইরূপ আইন ভঙ্গ করিবার অপরাধ ব্যতীত কোন ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করা যাইবে না এবং অপরাধ-সংঘটনকালে বলবৎ সেই আইনবলে যে দণ্ড দেওয়া যাইতে পারিত, তাঁহাকে তাহার অধিক বা তাহা হইতে ভিন্ন দণ্ড দেওয়া যাইবে না। 

অর্থাৎ,
- অপরাধের সংঘটনের সময় প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী দণ্ড প্রদান হবে।
- কোনো ব্যক্তিকে সেই সময়ে প্রচলিত আইনে অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত না থাকা কাজের জন্য দোষী সাব্যস্ত করা যাবে না।
- অপরাধ সংঘটনের সময় প্রযোজ্য আইনের তুলনায় বেশি বা ভিন্ন দণ্ড দেওয়া যাবে না।

৮৯৮.
পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত অবমাননার ক্ষেত্রে সর্বাধিক অর্থদণ্ড কত হতে পারে?
  1. ১০০ টাকা
  2. ২০০ টাকা
  3.  ২০০০ টাকা
  4.  ৫০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ২৩(২) অনুসারে, পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত অবমাননার দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অনধিক ২০০ (দুইশত) টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা যায়।

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ২৩ ধারার বিধান:- পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত অবমাননা:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি আইনসংগত কারণ ব্যতিরেকে-
(ক) পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালতের প্রতি অসম্মান প্রদর্শন করেন, বা
(খ) পরিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালতের কার্যে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন, বা
(গ) পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত কর্তৃক জিজ্ঞাসিত কোনো প্রশ্নের উত্তর প্রদানে বাধ্য থাকা সত্ত্বেও, উত্তর প্রদানের অস্বীকার করেন, বা
(ঘ) সত্য কথা বলিবার জন্য শপথ গ্রহণ করিতে অথবা পারিবারিক আদালতে বা পারিবারিক আপিল আদালতে তৎকর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতিতে স্বাক্ষরদান করিতে অস্বীকার করেন,
তাহা হইলে তিনি পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত অবমাননা করিয়াছেন মর্মে গণ্য হইবেন।

(২) উপধারা (১) এর অধীন কৃত অপরাধের ক্ষেত্রে, পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত উক্তরূপ অবমাননার দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিচার করিতে পারিবে এবং তাহাকে অনধিক ২০০ (দুইশত) টাকা র্অথদণ্ডে দণ্ডিত করিতে পারিবে।

৮৯৯.
দ্রুত বিচার আদালত বিজ্ঞপ্তি দ্বারা পলাতক আসামিকে সর্বোচ্চ কত দিনের মধ্যে হাজির হতে নির্দেশ দিতে পারে?
  1. ৩ দিন
  2. ৫ দিন
  3. ৭ দিন
  4. ১০ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা
• আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২

ধারা ১১- আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার-

যদি আদালতের এ মর্মে বিশ্বাস করিবার যুক্তিসংগত কারণ থাকে যে,- 
(ক) অভিযুক্ত ব্যক্তি তাহার গ্রেফতার বা তাহাকে বিচারের জন্য সোপর্দকরণ এড়াইবার জন্য পলাতক রহিয়াছেন বা আত্মগোপন করিয়াছেন, এবং 
(খ) গ্রেফতারী পরোয়ানা জারীর সাত দিনের মধ্যে তাহার গ্রেফতারের কোন সম্ভাবনা নাই- 
 
তাহা হইলে আদালত অন্ততঃ একটি বাংলা দৈনিক খবরের কাগজে প্রজ্ঞাপিত আদেশ দ্বারা আদেশে উল্লিখিত সময় যাহা সাত দিনের বেশী হইবে না, এর মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আদালতে হাজির হইবার জন্য নির্দেশ দিতে পারিবে এবং উক্ত সময়ের মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতে হাজির হইতে ব্যর্থ হইলে আদালত তাহার অনুপস্থিতিতে বিচার কার্য সম্পন্ন করিতে পারিবে।
৯০০.
প্রথা থেকে কোনটি আইনের মর্যাদা পাওয়ার জন্য উপযুক্ত নয়?
  1. যে প্রথাটি সুপ্রাচীন এবং সুনিশ্চিত
  2. যে প্রথাটি নৈতিকতা বিরোধী
  3. যে প্রথাটি আইনসভা কর্তৃক নিষিদ্ধ হয়নি
  4. যে প্রথাটি প্রাচীনকাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্নভাবে চালু রয়েছে
সঠিক উত্তর:
যে প্রথাটি নৈতিকতা বিরোধী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে প্রথাটি নৈতিকতা বিরোধী
ব্যাখ্যা
⇒ প্রথা আইনের মর্যাদা পেতে হলে, তার মধ্যে কয়েকটি শর্ত থাকতে হবে। একটি প্রথা যদি নৈতিকতা বিরোধী হয় বা সাধারণ সমাজিক নিয়মের পরিপন্থি হয়, তবে সেটি আইনের মর্যাদা পেতে সক্ষম হবে না।
- অর্থাৎ, সমাজের সাধারণ ভালবাসা ও নৈতিকতার বিরুদ্ধে যেসব প্রথা চলে, তা আইনি স্বীকৃতি লাভ করবে না।
- উদাহরণস্বরূপ, সতীদাহ প্রথা, যা এক সময় হিন্দু সমাজে প্রচলিত ছিল, তা আইনে নিষিদ্ধ হয়ে গেছে কারণ এটি সমাজের নৈতিকতার বিরুদ্ধে ছিল।

⇒ প্রথা হলো এমন একটি নিয়ম বা রীতি যা একটি বিশেষ পরিবার, শ্রেণী, বা অঞ্চলে অনেক দিন ধরে প্রচলিত এবং আইনের মর্যাদা অর্জন করেছে। প্রথা এবং লিখিত আইনের মধ্যে বিরোধ হলে, প্রথা বেশি শক্তিশালী হতে পারে।
⇒ আইনের মর্যাদা পেতে প্রথার শর্ত:
- সুপ্রাচীন, সুনিশ্চিত, যুক্তিযুক্ত এবং সুপ্রমাণিত হতে হবে: প্রথাটি অনেক পুরনো এবং প্রমাণিত হতে হবে।
- নৈতিকতা বিরোধী বা সাধারণ নিয়মের পরিপন্থি না হওয়া: প্রথাটি সমাজের নৈতিকতার বিরুদ্ধে বা আইন বিরোধী হতে পারবে না।
- আইনসভা কর্তৃক নিষিদ্ধ না হওয়া: প্রথাটি যদি কোনো আইন দ্বারা নিষিদ্ধ হয়, তবে তা আইনের মর্যাদা পাবে না।
- অব্যাহতভাবে চালু থাকতে হবে: প্রথাটি দীর্ঘকাল ধরে চালু থাকতে হবে এবং হঠাৎ বন্ধ হওয়া উচিত নয়।