বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বিজেএস-এর জন্য অতিরিক্ত আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন২,৯৬৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বিজেএস-এর জন্য অতিরিক্ত আইনসমূহ

PrepBank · পাতা / ৩০ · ২০১৩০০ / ২,৯৬৪

২০১.
প্রমাণিত অসদাচরণ বা অসামর্থ্যের কারণে সংসদের _______সমর্থিত সংসদের প্রস্তাবক্রমে প্রদত্ত রাষ্ট্রপতির আদেশ ব্যতীত কোন বিচারককে অপসারিত করা যাইবে না।
  1. মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ গরিষ্ঠতার দ্বারা
  2. উপস্থিত মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ গরিষ্ঠতার দ্বারা
  3. কোরামের সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ গরিষ্ঠতার দ্বারা
  4. উল্লেখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ গরিষ্ঠতার দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ গরিষ্ঠতার দ্বারা
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদের বিধান: বিচারকদের পদের মেয়াদ:

(১) এই অনুচ্ছেদের অন্যান্য বিধানাবলী সাপেক্ষে কোন বিচারক সাতষট্টি বৎসর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন।

(২) প্রমাণিত অসদাচরণ বা অসামর্থ্যের কারণে সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ গরিষ্ঠতার দ্বারা সমর্থিত সংসদের প্রস্তাবক্রমে প্রদত্ত রাষ্ট্রপতির আদেশ ব্যতীত কোন বিচারককে অপসারিত করা যাইবে না।

(৩) এই অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন প্রস্তাব সম্পর্কিত পদ্ধতি এবং কোন বিচারকের অসদাচরণ বা অসামর্থ্য সম্পর্কে তদন্ত ও প্রমাণের পদ্ধতি সংসদ আইনের দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করিতে পারিবেন।

(৪) কোন বিচারক রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ করিয়া স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন।
--------------
⇒ Article 96. Tenure of office of Judges:
(1) Subject to the other provisions of this article, a Judge shall hold office until he attains the age of sixty-seven years. 

(2) A Judge shall not be removed from his office except by an order of the President passed pursuant to a resolution of Parliament supported by a majority of not less than two-thirds of the total number of members of Parliament, on the ground of proved misbehaviour or incapacity. 
(3) Parliament may by law regulate the procedure in relation to a resolution under clause (2) and for investigation and proof of the misbehaviour or incapacity of a Judge. 
(4) A Judge may resign his office by writing under his hand addressed to the President.
২০২.
কোন কোন ব্যক্তি কি অবস্থায় পাওয়ার অব অ্যাটর্নি (Power of Attorney) দলিল করে দিতে পারবে, কখন তা স্বীকৃত হবে এবং কিভাবে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি প্রস্তুত করতে হবে তা The Registration Act, 1908 এর কত ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ধারা ৩১
  2. ধারা ৩২
  3. ধারা ৩৩
  4. ধারা ৩৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৩
ব্যাখ্যা
• Section 33. Power-of-attorney recognizable for purposes of section 32:
(1) For the purposes of section 32, the following powers-of-attorney shall alone be recognized, namely:- 
(a) if the principal at the time of executing the power-of-attorney resides in any part of Bangladesh in which this Act is for the time being in force, a power-of-attorney executed before and authenticated by the Registrar or Sub-Registrar within whose district or sub-district the principal resides; 
(b) if the principal at the time aforesaid resides in any other part of Bangladesh, a power-of-attorney executed before and authenticated by any Magistrate; 
(c) if the principal at the time aforesaid does not reside in Bangladesh a power-of-attorney executed before and authenticated by a Notary Public, or any Court, Judge, Magistrate, Bangladesh Consul or Vice-Consul or representative of the Government: 
Provided that the following persons shall not be required to attend at any registration-office or Court for the purpose executing any such power-of-attorney as is mentioned in clauses (a) and (b) of this section, namely:- 
 
(i) persons who by reason of bodily infirmity are unable without risk or serious inconvenience so to attend; 
(ii) persons who are in jail under civil or criminal process; and 
(iii) persons exempt by law from personal appearance in Court. 
 
(2) In the case of every such person the Registrar or Sub-Registrar or Magistrate, as the case may be, if satisfied that the power-of-attorney has been voluntarily executed by the person purporting to be the principal, may attest the same without requiring his personal attendance at the office or Court aforesaid. 
(3) To obtain evidence as to the voluntary nature of the execution, the Registrar or Sub-Registrar or Magistrate may either himself go to the house of the person purporting to be the principal, or to the jail in which he is confined, and examine him, or issue a commission for his examination. 
(4) Any power-of-attorney mentioned in this section may be proved by the production of it without further proof when it purports on the face of it to have been executed before and authenticated by the person or Court hereinbefore mentioned in that behalf.
২০৩.
Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 এর ২৪ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো নোটিশ জারি বা প্রদান না করা হয়, তবে অকৃষি জমির সহ-অংশীদার অগ্রক্রয়ের আবেদন করতে পারবে-
  1. হস্তান্তরের পর যেকোনো সময়
  2. হস্তান্তরের ৪ মাসের মধ্যে
  3. হস্তান্তরের খবর জানার ৪ মাসের মধ্যে
  4. হস্তান্তরের খবর জানার ৩ মাসের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
হস্তান্তরের খবর জানার ৪ মাসের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হস্তান্তরের খবর জানার ৪ মাসের মধ্যে
ব্যাখ্যা

Non-Agricultural Tenancy Act, 1949: ধারা ২৪ – সহ-অংশীদার বা হস্তান্তরকারীর সোজাসুজি জমির মালিকের ক্রয় অধিকার:
(১) যদি কোনো অকৃষি জমির অংশ বা শেয়ার, যা একজন অকৃষি ভাড়াটিয়ার অধীনে থাকে, হস্তান্তর করা হয়, তবে সেই জমির এক বা একাধিক সহ-অংশীদার:
- ধারা ২৩ অনুযায়ী নোটিশ জারি ও প্রদান হওয়ার চার মাসের মধ্যে, অথবা
- যদি কোনো নোটিশ জারি বা প্রদান না করা হয়, তবে হস্তান্তরের খবর জানার চার মাসের মধ্যে,

আদালতের কাছে আবেদন করতে পারেন যাতে উক্ত অংশ বা শেয়ার তাদের বা তাদের মধ্যে যে কোন একজনের নামে হস্তান্তর করা হয়।

Section 24- Power of the co-sharer or the immediate landlord of transferor to purchase:
(1) If a portion or share of the non-agricultural land held by a non-agricultural tenant is transferred, one or more co-sharer tenants of such land may, within four months of the service of notice issued under section 23 and, in case no notice had been issued or served, then within four months from the date of knowledge of such transfer, apply to the court for such portion or share to be transferred to himself or to themselves, as the case may be. 

২০৪.
সংসদ সদস্য শপথ না নিলে কত দিনের মধ্যে তাঁর আসন শূন্য ঘোষণা করা হয়?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা
 অনুচ্ছেদ ৬৭- সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া:
(১) কোন সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হইবে, যদি
(ক) তাঁহার নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে নব্বই দিনের মধ্যে তিনি তৃতীয় তফসিলে নির্ধারিত শপথগ্রহণ বা ঘোষণা করিতে ও শপথপত্রে বা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরদান করিতে অসমর্থ হন:
তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ মেয়াদ অতিবাহিত হইবার পূর্বে স্পীকার যথার্থ কারণে তাহা বর্ধিত করিতে পারিবেন;
(খ) সংসদের অনুমতি না লইয়া তিনি একাদিক্রমে নব্বই বৈঠক-দিবস অনুপস্থিত থাকেন;
(গ) সংসদ ভাঙ্গিয়া যায়;
(ঘ) তিনি এই সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন অযোগ্য হইয়া যান; অথবা
(ঙ) এই সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে বর্ণিত পরিস্থিতির উদ্ভব হয়।

(২) কোন সংসদ-সদস্য স্পীকারের নিকট স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন, এবং স্পীকার- কিংবা স্পীকারের পদ শূন্য থাকিলে বা অন্য কোন কারণে স্পীকার স্বীয় দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হইলে ডেপুটি স্পীকার- যখন উক্ত পত্র প্রাপ্ত হন, তখন হইতে উক্ত সদস্যের আসন শূন্য হইবে।
২০৫.
১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি না হলে, সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক সর্বোচ্চ কত কার্যদিবস সময় বাড়াতে পারেন?
  1. ১৫ কার্যদিবস
  2. ৩০ কার্যদিবস
  3. ৬০ কার্যদিবস
  4. ৯০ কার্যদিবস
সঠিক উত্তর:
৯০ কার্যদিবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪৫: মামলা নিষ্পত্তির জন্য নির্ধারিত সময়সীমা:
(১) ট্রাইব্যুনালের বিচারক এই অধ্যাদেশের অধীন কোনো মামলার অভিযোগ গঠনের তারিখ হইতে ১৮০ (একশত আশি) কার্যদিবসের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করিবেন।

(২) ট্রাইব্যুনালের বিচারক উপ-ধারা (১) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো মামলা নিষ্পত্তি করিতে ব্যর্থ হইলে, তিনি উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া উক্ত সময়সীমা সর্বোচ্চ ৯০ (নব্বই) কার্যদিবস পর্যন্ত বৃদ্ধি করিতে পারিবেন।

(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ট্রাইব্যুনালের বিচারক কোনো মামলা নিষ্পত্তি করিতে ব্যর্থ হইলে, তিনি উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া বিষয়টি প্রতিবেদন আকারে হাইকোর্ট বিভাগকে অবহিত করিয়া মামলার কার্যক্রম পরিচালনা অব্যাহত রাখিতে পারিবেন।
২০৬.
দায়ভাগা মতবাদ অনুসারী যৌথ পরিবারের কর্তা নিম্নের কোন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
  1. সম্পত্তি হস্তান্তর করা
  2. ঋণ গ্রহণ করা
  3. হিসাব প্রদান করা
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
• দায়ভাগা মতবাদ অনুসারী যৌথ পরিবারের কর্তাদের ক্ষমতা:
পরিবারে তার বিশ্বস্ত ভূমিকার কারণে, কর্তা পরিবার এবং এর ব্যবসার সাধারণ কল্যাণের জন্য সিদ্ধান্ত নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। তার সৎ ভূমিকায়, একজন কর্তা পুরো পরিবারের পক্ষে সিদ্ধান্ত নেন এবং ক্ষমতা ভোগ করেন যা তাকে অনুমতি দেয়:
 
১. চুক্তিতে প্রবেশ করা;
২. পারিবারিক উদ্দেশ্যে ঋণ নেওয়া;
৩. ঋণ স্বীকার করা;
৪. সালিশের জন্য বিষয় উল্লেখ করা;
৫. মামলা পরিচালনা করা;
৬. যৌথ পরিবারের সম্পত্তি বিচ্ছিন্ন করা;
৭. স্যুট ইত্যাদিতে ব্যবসার প্রতিনিধিত্ব করা;
৮. সম্পত্তি হস্তান্তর করা;
৯. হিসাব প্রদান করা।
২০৭.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের অধীনে Land Survey Tribunal এর কোন রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি আপীল করতে পারে কত দিনের মধ্যে-
  1. ২ মাসের মধ্যে
  2. ৩ মাসের মধ্যে
  3. ৪ মাসের মধ্যে
  4. ৬ মাসের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
৩ মাসের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মাসের মধ্যে
ব্যাখ্যা
⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের ১৪৫খ ধারার বিধান: ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনাল:
(১) সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের রায়, ডিক্রি বা আদেশ হইতে উদ্ভূত আপিল শুনানির জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন করিতে পারিবে।
(৪) ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের রায়, ডিক্রি বা আদেশ হইতে উদ্ভূত আপিল ব্যতীত, অন্য কোনো আপিল ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালে চলিবে না।
(৫) উপ-ধারা (৬) এর বিধান সাপেক্ষে, ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের কোনো রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ কোনো ব্যক্তি উক্তরূপ রায়, ডিক্রি বা আদেশের তিন মাসের মধ্যে ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালে আপিল করিতে পারিবেন।
(৬) উপ-ধারা (৫) এ উল্লিখিত মেয়াদ উত্তীর্ণ হইবার পরেও পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে আপিল গৃহীত হইতে পারে, যদি ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনাল আপিলকারী কর্তৃক প্রদর্শিত বিলম্বের কারণ বিষয়ে সন্তুষ্ট হন।
----------
Section 145B. Land Survey Appellate Tribunal:
(1) The Government may, by notification in the official Gazette, establish as many Land Survey Appellate Tribunals as may be required to hear the appeals arising out of the judgment, decree or order of the Land Survey Tribunals.
(2) The Government may, by notification in the official Gazette, fix and alter the territorial limits of the jurisdiction of any Land Survey Appellate Tribunal.
(3) The Government shall appoint the judge of the Land Survey Appellate Tribunal from among the persons who are District judges.]
(3A) Until such judge is appointed under sub-section (3), the Government may empower the District Judge as the judge of the Land Survey Appellate Tribunal of the district.
(3B) The District Judge, empowered under sub-section (3A), shall be deemed to be the judge of the Land Survey Appellate Tribunal appointed under sub-section (3).
(3C) The Government may, if necessary, appoint one or more Additional District Judges as a judge of the Land Survey Appellate Tribunal to hear appeals transferred by the judge of the Land Survey Appellate Tribunal appointed or empowered under this section.]
(4) No appeal other than the appeals arising out of the judgment, decree or order of the Land Survey Tribunal shall lie in the Land Survey Appellate Tribunal.
(5) Subject to the provision of sub-section (6), any person aggrieved by any judgment, decree or order of the Land Survey Tribunal may, within three months from the date of such judgment, decree or order, prefer an appeal to the Land Survey Appellate Tribunal.
(6) An appeal may be admitted within next three months even after the expiry of the period specified in sub-section (5), if the Land Survey Appellate Tribunal is satisfied with the reasons for delay shown by the appellant.
২০৮.
'ক', 'খ' এর নিকট ঋণী এবং 'খ' উক্ত ঋণ 'গ' কে হস্তান্তর করে। পরবর্তীতে 'খ', 'ক' এর নিকট টাকা চাইলে 'ক' হস্তান্তরের নোটিশ না পাওয়ায় 'খ' কে টাকা পরিশোধ করিল। এক্ষেত্রে এই ঋন পরিশোধ-
  1. বৈধ হবে
  2. অবৈধ হবে
  3. 'গ' এর অনুমোদন সাপেক্ষে বৈধ
  4. আদালতের অনুমোদন সাপেক্ষে বৈধ
সঠিক উত্তর:
বৈধ হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈধ হবে
ব্যাখ্যা

সম্পত্তি হস্তান্তর আইন,১৮৮২ এর ধারা ১৩০ অনুযায়ী, যদি হস্তান্তরের দলিল সম্পাদিত হলেও দেনাদার বা তৃতীয় ব্যক্তি (যিনি হস্তান্তরের ব্যাপারে অবগত নয়) নোটিশ না পেয়ে ঋণ পরিশোধ করে, তবে সেই পরিশোধ হস্তান্তরের বিরুদ্ধে বৈধ গণ্য হবে।

উদাহরণে, ‘ক’ হস্তান্তরের নোটিশ না পাওয়ায় ‘খ’ কে টাকা পরিশোধ করেছে। তাই এই পরিশোধ বৈধ, এবং ‘গ’ ‘ক’-এর বিরুদ্ধে টাকা আদায় করতে পারবে না।

সম্পত্তি হস্তান্তর আইন,১৮৮২ এর ধারা ১৩০- নালিশযোগ্য দাবির হস্তান্তর:

(১) নালিশযোগ্য দাবির হস্তান্তর, পণসহ বা ব্যতিরেকে, তাহা শুধু হস্তান্তরকারী বা তাহার যথাযথ এজেন্ট দ্বারা স্বাক্ষরিত দলিল দ্বারা করা যাইবে এবং এইরূপ হস্তান্তর উক্ত দলিল সম্পাদনের মাধ্যমেই কার্যকর হইবে এবং ইহার দ্বারা হস্তান্তরকারীর ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে বা অন্য কোনোভাবে হউক না কেন, তাহার সকল অধিকার ও প্রতিকার হস্তান্তরগ্রহীতার উপর বর্তাইবে এবং কোনো নোটিশ দেওয়া হউক বা না হউক উক্ত হস্তান্তর কার্যকর থাকিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, উপরোক্ত দলিল সম্পাদিত না হইলে যে ঋণ বা দাবি হস্তান্তরকারী, দেনাদার বা অন্য কাহারও নিকট হইতে আদায় করা হইত, সেই ঋণ বা দাবি সম্পর্কিত দেনাদার বা অন্য কেহ (যে হস্তান্তরের পক্ষ নহে এবং তৎসম্পর্কে জানে না) কোনো আদান-প্রদান করিলে তাহা হস্তান্তরের বিরুদ্ধে বৈধ হইবে।

(২) কোনো নালিশযোগ্য দাবির হস্তান্তরগ্রহীতা, হস্তান্তরের ব্যাপারে উপরে বর্ণিত দলিল করিয়া উক্ত দাবি আদায়ের নিমিত্ত তাহার নিজ নামে মামলা শুরু বা কার্য করিতে পারিবেন এবং হস্তান্তরকারীর নিকট হইতে এই মামলা বা কাজের সম্মতি না নিয়া বা তাহাকে পক্ষ না করিয়াই তাহা করিতে পারিবেন।

ব্যতিক্রম- এই ধারার কোনো কিছুই জাহাজি বিমা বা অগ্নিবিমার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না এবং বিমা আইন, ১৯৩৮ এর ধারা ৩৮ এর বিধানকে ক্ষুণ্ণ করিবে না।

উদাহরণ-
(ক) 'ক', 'খ' এর নিকট ঋণী এবং 'খ' উক্ত ঋণ 'গ' কে দিল। পরবর্তীতে 'খ' 'ক' এর নিকট টাকা চাহিলে 'ক' ১৩১ ধারায় 'গ' এর নিকট জারিকৃত হস্তান্তরের নোটিশ না পাইয়া 'খ' কে টাকা পরিশোধ করিল। এইক্ষেত্রে এই দেওয়া বৈধ হইবে এবং 'গ' টাকার জন্য মামলা করিতে পারিবে না।

(খ) 'ক' একটি জীবনবিমা করিল ও তাহার বর্তমানে বা ভবিষ্যতে কোনো ঋণ সংগ্রহের জন্য উক্ত বিমা এক ব্যাংকের নামে ট্রান্সফার করিল। 'ক' মৃত্যুবরণ করিলে উক্ত ব্যাংক, ধারা ১৩০ এর উপ-ধারা (১) এর শর্তাংশ ও ধারা ১৩২ এর বিধান সাপেক্ষে, বিমার সব টাকা পাইবে এবং 'ক' এর কোনো নির্বাহক থাকিলে তাহার সম্মতি ব্যতিরেকে মামলা করিতে পারিবে।

২০৯.
হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক কার তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণে দাপ্তরিক দায়িত্ব সম্পন্ন করেন?
  1. মহাপরিদর্শক
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. উপজেলা নির্বাহী অফিসার
  4. জেলা রেজিস্ট্রার
সঠিক উত্তর:
জেলা রেজিস্ট্রার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা রেজিস্ট্রার
ব্যাখ্যা

হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ এর ধারা ১৩- তত্ত্বাবধান, নিয়ন্ত্রণ, ইত্যাদি:
(১) প্রত্যেক হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা রেজিস্ট্রারের তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণে থাকিয়া তাহার দাপ্তরিক ও অর্পিত দায়িত্ব সম্পন্ন করিবেন।
(২) হিন্দু বিবাহ নিবন্ধকগণের উপর মহাপরিদর্শক, নিবন্ধন এর সাধারণ তত্ত্বাবধানের ক্ষমতা থাকিবে। 
(৩) জেলা রেজিস্ট্রার তাহার স্থানীয় অধিক্ষেত্র এলাকায় যে কোন সময় যে কোন হিন্দু বিবাহ নিবন্ধকের কার্যালয় পরিদর্শন করিতে পারিবেন। 

ব্যাখ্যাঃ এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে “মহাপরিদর্শক” অর্থ Registration Act, 1908 এর অধীন নিযুক্ত মহাপরিদর্শক নিবন্ধন, বা তদকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তা।

২১০.
দেবোত্তর সম্পত্তি কী?
  1. যে সম্পত্তি ব্যক্তি মালিকানায় থাকে
  2. যে সম্পত্তি সরকারি কাজে ব্যবহৃত হয়
  3. যে সম্পত্তি পৈতৃক সূত্রে প্রাপ্ত হয়
  4. যে সম্পত্তি মন্দির ও দেবতার উদ্দেশ্যে দান করা হয়
সঠিক উত্তর:
যে সম্পত্তি মন্দির ও দেবতার উদ্দেশ্যে দান করা হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে সম্পত্তি মন্দির ও দেবতার উদ্দেশ্যে দান করা হয়
ব্যাখ্যা
মন্দির নির্মাণ করে তাতে দেবমূর্তি প্রতিষ্ঠা করে পূজা-অর্চনার ব্যয় নির্বাহের জন্য সম্পত্তি দান করলে তা সাধারণত 'দেবোত্তর সম্পত্তি' বলে পরিচিতি পায়। আইনের দৃষ্টিতে এ রকম বিগ্রহ বা দেবতার মূর্তি একটি বৈধ আইনি সত্তা বা জুডিশিয়াল পারসন। এ রকম সম্পত্তির আইনি মালিক ওই বিগ্রহই। কারণ তার উদ্দেশে সেটি দান করা।

- মন্দিরে প্রতিষ্ঠিত দেবতার নিত্য পূজা- অর্চনার কাজে যিনি নিয়োজিত থাকেন তিনিই সেবায়েত। একজন সেবায়েত দেবতা বা বিগ্রহের যাবতীয় বিষয়ের কার্যনির্বাহীও বটে।দেবতা সম্পত্তির মালিক হলেও কার্যত সম্পত্তি পরিচালনায় সম্পূর্ণ অক্ষম। সেজন্য দেবতার পক্ষে তদীয় সম্পত্তি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য একজন উপযুক্ত পরিচালকের প্রয়োজন। আর সে দায়িত্ব ন্যস্ত থাকে সেবায়েতের উপর।

- দেবোত্তর সম্পত্তির সেবায়েত কে হবেন আর তার উত্তরাধিকার কারা হবেন, কোন নিয়মে হবেন তা সাধারণত অর্পণনামা বা উৎসর্গপত্রে লেখা থকে। সেবায়েত দেবতার বিরুদ্ধে কাজ করলে বা তার দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে তাকে প্রয়োজনে আদালত কর্তৃক অপসারণ করে অন্য সেবায়েত নিয়োগ করা যায়।
২১১.
কত নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদেরকে নিয়োগ করেন?
  1. ৪৮ (৩)
  2. ৫৬ (৩)
  3. ৫৫ (৩)
  4. ৫৬ (২)
সঠিক উত্তর:
৫৬ (২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৬ (২)
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতির নির্বাহী ক্ষমতা ও কার্যাবলি: 

- বাংলাদেশ সরকারের সকল নির্বাহী কার্যক্রম রাষ্ট্রপতির নামে গৃহীত হবে। [অনুচ্ছেদ: ৫৫(৪)]
- তিনি সরকারি কার্যাদি বণ্টন ও পরিচালনার জন্য বিধিসমূহ বা নিয়ম-কানুন প্রণয়ন করবেন। [অনুচ্ছেদ: ৫৫(৬)]
- রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদেরকে নিয়োগ করবেন। [অনুচ্ছেদ: ৫৬ (২)]
- রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের আস্থাভাজন ব্যক্তিকে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে নিয়োগ করবেন। [অনুচ্ছেদ: ৫৬(৩)]
- সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হিসেবে তিনি সামরিক কর্মকর্তাদেরকে নিয়োগ করবেন এবং প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগসমূহ পরিচালনা করবেন। [অনুচ্ছেদ: ৬১]
- রাষ্ট্রপতি সুপ্রিম কের্টের প্রধান বিচারপতি, কর্ম-কমিশনের সভাপতি ও সদস্যবৃন্দ, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনার, বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল,মহা-হিসাবরক্ষক ও নিয়ন্ত্রক এবং বিদেশে রাষ্ট্রদূতদেরকে নিয়োগ করবেন।

অনুচ্ছেদ ৫৬: মন্ত্রিগণ

(১) একজন প্রধানমন্ত্রী থাকিবেন এবং প্রধানমন্ত্রী যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রী থাকিবেন। 
(২) প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদিগকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করিবেন: 
তবে শর্ত থাকে যে, তাঁহাদের সংখ্যার অন্যূন নয়-দশমাংশ সংসদ-সদস্যগণের মধ্য হইতে নিযুক্ত হইবেন এবং অনধিক এক-দশমাংশ সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য ব্যক্তিগণের মধ্য হইতে মনোনীত হইতে পারিবেন।
(৩) যে সংসদ-সদস্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হইবেন, রাষ্ট্রপতি তাঁহাকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করিবেন। 
(৪) সংসদ ভাংগিয়া যাওয়া এবং সংসদ-সদস্যদের অব্যবহিত পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের মধ্যবর্তীকালে এই অনুচ্ছেদের (২) বা (৩) দফার অধীন নিয়োগ দানের প্রয়োজন দেখা দিলে সংসদ ভাংগিয়া যাইবার অব্যবহিত পূর্বে যাঁহারা সংসদ-সদস্য ছিলেন, এই দফার উদ্দেশ্যসাধনকল্পে তাঁহারা সদস্যরূপে বহাল রহিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন।

Article 56: Ministers

(1) There shall be a Prime Minister, and such other Ministers, Ministers of State and Deputy Ministers as may be determined by the Prime Minister. 

(2) The appointments of the Prime Minister and other Ministers and of the Ministers of State and Deputy Ministers, shall be made by the President: 
Provided that not less than nine-tenths of their number shall be appointed from among members of Parliament and not more than one tenth of their number may be chosen from among persons qualified for election as members of Parliament. 
 
(3) The President shall appoint as Prime Minister the member of Parliament who appears to him to command the support of the majority of the members of Parliament. 
 
(4) If occasion arises for making any appointment under clause (2) or clause (3) between a dissolution of Parliament and the next following general election of members of Parliament, the persons who were such members immediately before the dissolution shall be regarded for the purpose of this clause as continuing to be such members.
২১২.
'Qui priorest tempore prior est jure' কোন নীতি সম্পর্কিত?
  1. ক্রয় নীতি
  2. বিক্রয় নীতি
  3. অগ্রাধিকার নীতি
  4. হস্তান্তর নীতি
সঠিক উত্তর:
অগ্রাধিকার নীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্রাধিকার নীতি
ব্যাখ্যা
⇒ The Transfer of property Act, 1882-এর ৪৮ ধারায় 'qui prior est tempore potior est jure' নীতি প্রতিফলিত হয়েছে। তাই এ ধারাটি Doctrine of Priority'র ধারা নামে পরিচিত।

⇒  ধারা ৪৮: হস্তান্তর দ্বারা সৃষ্ট অধিকারের অগ্রাধিকার (Priority of rights created by transfer)
যদি কোন ব্যক্তি একই স্থাবর সম্পত্তি বিভিন্ন সময় হস্তান্তর করে একাধিক অধিকার সৃষ্টি করেন এবং সেই অধিকারগুলি একই সঙ্গে বা পরিপূর্ণভাবে বলবৎ না হয়, সেক্ষেত্রে বিশেষ চুক্তির অবর্তমানে পূর্বে সৃষ্ট অধিকার পরে সৃষ্ট অধিকারের উপর অগ্রাধিকার পাবে।

নোটঃ
• রেজিস্ট্রিকৃত দলিল অরেজিস্ট্রিকৃত দলিলের উপর প্রাধান্য পাবে।
• একই তারিখে রেজিস্ট্রিকৃত দুটি দলিলের মধ্যে যার নম্বর আগে সেটি অগ্রাধিকার পাবে।
------------------
⇒ Section 48: Priority of rights created by transfer
Where a person purports to create by transfer at different times rights in or over the same immoveable property, and such rights cannot all exist or be exercised to their full extent together, each later created right shall, in the absence of a special contract or reservation binding the earlier transferees, be subject to the rights previously created.
২১৩.
সেবায়েত কোন ধরনের সম্পত্তি রক্ষণাবেক্ষণ করেন?
  1. বিধবার সম্পত্তি
  2. দেবোত্তর সম্পত্তি
  3. নাবালকের সম্পত্তি
  4. ক ও গ
সঠিক উত্তর:
দেবোত্তর সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেবোত্তর সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
• মন্দির নির্মাণ করে তাতে দেবমূর্তি প্রতিষ্ঠা করে পূজা-অর্চনার ব্যয় নির্বাহের জন্য সম্পত্তি দান করলে তা সাধারণত 'দেবোত্তর সম্পত্তি' বলে পরিচিতি পায়। আইনের দৃষ্টিতে এ রকম বিগ্রহ বা দেবতার মূর্তি একটি বৈধ আইনি সত্তা বা জুডিশিয়াল পারসন। এ রকম সম্পত্তির আইনি মালিক ওই বিগ্রহই। কারণ তার উদ্দেশে সেটি দান করা।

দেবোত্তর দুই রকমের হয়। যখন কোনো পরিবারের কোনো ব্যক্তি পারিবারিক গৃহদেবতার পূজা-অর্চনার জন্য কোনো সম্পত্তি দান করে যান, তখন তাকে 'ব্যক্তিগত বা পারিবারিক দেবোত্তর' বলা হয়। কারণ তখন বিগ্রহের সেবা ও পূজার দায়িত্ব তার বংশধরদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে।
অপরদিকে, সর্বসাধারণের জন্য অনুরূপ দান সম্পন্ন হলে এটি 'সর্বজনীন দেবোত্তর' সম্পত্তি হিসেবে পরিগণিত হয়। কারণ এতে কোনো একক ব্যক্তি বা পরিবারের স্বার্থ বা দায়দায়িত্ব থাকে না। সে অবস্থায় এটি সাধারণের সম্পত্তি হিসেবে পরিগণিত হয়। যেমন, রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দির।

মন্দিরে প্রতিষ্ঠিত দেবতার নিত্য পূজা- অর্চনার কাজে যিনি নিয়োজিত থাকেন তিনিই সেবায়েত। একজন সেবায়েত দেবতা বা বিগ্রহের যাবতীয় বিষয়ের কার্যনির্বাহীও বটে। দেবতা সম্পত্তির মালিক হলেও কার্যত সম্পত্তি পরিচালনায় সম্পূর্ণ অক্ষম। সেজন্য দেবতার পক্ষে তদীয় সম্পত্তি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য একজন উপযুক্ত পরিচালকের প্রয়োজন। আর সে দায়িত্ব ন্যস্ত থাকে সেবায়েতের উপর।

দেবোত্তর সম্পত্তির সেবায়েত কে হবেন আর তার উত্তরাধিকার কারা হবেন, কোন নিয়মে হবেন তা সাধারণত অর্পণনামা বা উৎসর্গপত্রে লেখা থকে। সেবায়েত দেবতার বিরুদ্ধে কাজ করলে বা তার দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে তাকে প্রয়োজনে আদালত কর্তৃক অপসারণ করে অন্য সেবায়েত নিয়োগ করা যায়।
২১৪.
নিম্নোক্ত কোন আইনে স্ত্রীর ভরণপোষণ সংক্রান্ত বিরোধের প্রতিকার দেয়া হয়েছে?
  1. পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩
  2. The Muslim Family Laws Ordinance, 1961
  3. The Dissolution of Muslim Marriages Act, 1939
  4. উল্লিখিত সকল আইনে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল আইনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল আইনে
ব্যাখ্যা
ভরণপোষণ সংক্রান্ত বিরোধের প্রতিকার:

⇒ স্বামী তার স্ত্রীকে যথাােপযুক্ত কারণ ছাড়া ভরণপোষণ দিতে অস্বীকার করলে স্ত্রী তার ভরণপোষণ উদ্ধারের জন্য পারিবারিক আদালতে মামলা করতে পারে।

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ৫ ধারায় পারিবারিক আদালতসমূহকে ভরণপোষণ সংক্রান্ত মামলার বিচার করার এখতিয়ার দেয়া হয়েছে।

⇒ The Muslim Family Laws Ordinance, 1961 এর ৯ ধারা অনুসারে একজন স্ত্রী তার ভরণপোষণের যথার্থ পরিমাণ নির্ধারণের জন্য চেয়ারম্যানের নিকট আবেদন করতে পারে।

⇒ The Dissolution of Muslim Marriages Act, 1939 এর ২ ধারায় বলা হয়েছে- কোনো স্বামী ২ বছর যাবৎ স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হলে সেক্ষেত্রে স্ত্রী আদালতে বিবাহবিচ্ছেদের ডিক্রির জন্য আবেদন করতে পারবে।
২১৫.
The term 'Adult Franchise' is related to-
  1. Human Rights
  2. Elections
  3. Fundamental Rights
  4. None of above
সঠিক উত্তর:
Elections
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Elections
ব্যাখ্যা
• Adult franchise means that the right to vote should be given to all adult citizens without the discrimination of caste, class, colour, religion or sex. It is based on equality which is a basic principle of democracy. It demands that the right to vote should be equally available among all.

অর্থাৎ নির্ধারিত বয়স সাপেক্ষে সকল নাগরিক ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে। ধর্ম, জাত, বর্ণ ও নারী-পুরুষভেদের ভিত্তিতে কোনো ভেদাভেদ থাকবে না। বাংলাদেশ সংবিধানের ১২২ অনুচ্ছেদে এই নীতির কথা উল্লেখ আছে।

অনুচ্ছেদ ১২২: ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা


(১) প্রাপ্তবয়স্কের ভোটাধিকার-ভিত্তিতে সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।

(২) কোন ব্যক্তি সংসদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত কোন নির্বাচনী এলাকায় ভোটার-তালিকাভু্ক্ত হইবার অধিকারী হইবেন, যদি-

(ক) তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হন;
(খ) তাঁহার বয়স আঠার বৎসরের কম না হয়;
(গ) কোন যোগ্য আদালত কর্তৃক তাঁহার সম্পর্কে অপ্রকৃতিস্থ বলিয়া ঘোষণা বহাল না থাকিয়া থাকে;
(ঘ) তিনি ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বা আইনের দ্বারা ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বিবেচিত হন; এবং
(ঙ) তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের অধীন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত না হইয়া থাকেন।

Article 122: Qualifications for registration as voter

(1) The elections to Parliament shall be on the basis of adult franchise. 

(2) A person shall be entitled to be enrolled on the electoral roll for a constituency delimited for the purpose of election to the Parliament, if he- 

(a) is a citizen of Bangladesh; 
(b) is not less than eighteen years of age; 
(c) does not stand declared by a competent court to be of unsound mind ; 
(d) is or is deemed by law to be a resident of that constituency ; and 
(e) has not been convicted of any offence under the Bangladesh Collaborators (Special Tribunals) Order, 1972.
২১৬.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ১১(ক) ধারায় বর্ণিত যৌতুকের জন্য নারীর মৃত্যু ঘটানোর সর্বনিম্ন শাস্তি-
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ৩০ বছর কারাদণ্ড
  3. ২০ বছর কারাদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ১১- যৌতুকের জন্য মৃত্যু ঘটানো, ইত্যাদির শাস্তি

যদি কোন নারীর স্বামী অথবা স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা স্বামীর পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি যৌতুকের জন্য উক্ত নারীর মৃত্যু ঘটান বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা করেন কিংবা উক্ত নারীকে মারাত্মক জখম (grievous hurt) করেন বা সাধারণ জখম (simple hurt) করেন] তাহা হইলে উক্ত স্বামী, স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা ব্যক্তি-

(ক) মৃত্যু ঘটানোর জন্য মৃত্যুদণ্ডে বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টার জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উভয় ক্ষেত্রে উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(খ) মারাত্মক জখম (grievous hurt) করার জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অনধিক বার বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(গ) সাধারণ জখম (simple hurt) করার জন্য অনধিক তিন বৎসর কিন্তু অন্যূন এক বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
২১৭.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সুপ্রীম কোর্টের রায়ের বাধ্যতামূলক কার্যকরতার কথা বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১০১ 
  2. অনুচ্ছেদ ১১১
  3. অনুচ্ছেদ ১১২
  4. অনুচ্ছেদ ১১৩ 
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১১১
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১১১ অনুচ্ছেদে সুপ্রীম কোর্টের রায়ের বাধ্যতামূলক কার্যকরতার বিধান রয়েছে। এতে বলা হয়েছে যে, আপীল বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত আইন হাইকোর্ট বিভাগের জন্য এবং সুপ্রীম কোর্টের যেকোনো বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত আইন অধস্তন সকল আদালতের জন্য অবশ্যপালনীয় হবে। এটি আইনের অভিন্নতা এবং বিচার ব্যবস্থার হায়ারার্কিকাল স্ট্রাকচার নিশ্চিত করে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১১১ অনুচ্ছেদের বিধান: সুপ্রীম কোর্টের রায়ের বাধ্যতামূলক কার্যকরতা:
আপীল বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত আইন হাইকোর্ট বিভাগের জন্য এবং সুপ্রীম কোর্টের যে কোন বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত আইন অধস্তন সকল আদালতের জন্য অবশ্যপালনীয় হইবে।
---------
⇒ Article 111. Binding effect of Supreme Court judgments:
The law declared by the Appellate Division shall be binding on the High Court Division and the law declared by either division of the Supreme Court shall be binding on all courts subordinate to it.

২১৮.
A, B-কে প্রতারণার উদ্দেশ্যে মিথ্যা বলে যে তার কারখানায় প্রতিবছর ৫০০ মণ নীল উৎপাদিত হয়, এবং এই মিথ্যা তথ্য দিয়ে B-কে কারখানাটি কিনতে প্ররোচিত করে। এক্ষেত্রে, চুক্তিটির পরিণতি কী হবে?
  1. বৈধ
  2. বাতিল
  3. B-এর ইচ্ছানুসারে বাতিলযোগ্য
  4. A-এর ইচ্ছানুসারে বাতিলযোগ্য
সঠিক উত্তর:
B-এর ইচ্ছানুসারে বাতিলযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
B-এর ইচ্ছানুসারে বাতিলযোগ্য
ব্যাখ্যা
স্বেচ্ছায় সম্মতিহীন চুক্তির বাতিলযোগ্যতা (ধারা ১৯):
❝যখন কোনো চুক্তিতে সম্মতি প্রদান জোরপূর্বক (coercion), প্রতারণা (fraud), অথবা মিথ্যাপ্রতিনিধিত্ব (misrepresentation) দ্বারা প্রভাবিত হয়, তখন সেই চুক্তিটি বাতিলযোগ্য (voidable) হয় ঐ পক্ষের কাছে যার সম্মতি এইভাবে আদায় করা হয়েছে।❞

কর্তব্য এবং বিকল্প:
যার সম্মতি প্রতারণা বা মিথ্যাপ্রতিনিধিত্বের মাধ্যমে আদায় করা হয়েছে, সে চাইলে চুক্তি বলবৎ রাখতে পারে এবং দাবি করতে পারে যে তাকে সেই অবস্থানে ফিরিয়ে দেওয়া হোক, যেন মিথ্যা বক্তব্যগুলো সত্য হতো।

ব্যতিক্রম: যদি সম্মতি মিথ্যাপ্রতিনিধিত্ব বা এমন একটি নীরবতার মাধ্যমে আদায় হয়, যা Section 17 অনুযায়ী প্রতারণামূলক, তাহলে: চুক্তি বাতিলযোগ্য হবে না, যদি ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ সাধারণ সতর্কতার মাধ্যমে সত্য জানতে পারত।

ব্যাখ্যা: যে প্রতারণা বা মিথ্যাপ্রতিনিধিত্বে প্রভাবিত হয়ে সম্মতি দেওয়া হয়নি, তা চুক্তিকে বাতিলযোগ্য করে না।

উদাহরণ:
(ক) A, B-কে প্রতারণার উদ্দেশ্যে মিথ্যা বলে যে তার কারখানায় প্রতিবছর ৫০০ মণ নীল উৎপাদিত হয়, এবং এই মিথ্যা তথ্য দিয়ে B-কে কারখানাটি কিনতে প্ররোচিত করে।
- এই ক্ষেত্রে, চুক্তিটি B-এর ইচ্ছানুসারে বাতিলযোগ্য।
২১৯.
বাংলাদেশ সংবিধান অনুসারে নির্বাচিত হওয়ার পর কতদিনের মধ্যে শপথ না নিলে সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হয়? 
  1. ৩০ দিন
  2. ৯০ দিন
  3. ১২০ দিন
  4. ৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬৭(১)(ক) অনুযায়ী, কোনো সংসদ-সদস্য যদি তার নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে শপথগ্রহণ না করেন, তাহলে তার আসন শূন্য হয়ে যায় (যদি না স্পীকার যথার্থ কারণে সময় বাড়ান)।

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬৭- সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া:
(১) কোন সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হইবে, যদি
(ক) তাঁহার নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে নব্বই দিনের মধ্যে তিনি তৃতীয় তফসিলে নির্ধারিত শপথগ্রহণ বা ঘোষণা করিতে ও শপথপত্রে বা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরদান করিতে অসমর্থ হন:
তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ মেয়াদ অতিবাহিত হইবার পূর্বে স্পীকার যথার্থ কারণে তাহা বর্ধিত করিতে পারিবেন;
(খ) সংসদের অনুমতি না লইয়া তিনি একাদিক্রমে নব্বই বৈঠক-দিবস অনুপস্থিত থাকেন;
(গ) সংসদ ভাঙ্গিয়া যায়;
(ঘ) তিনি এই সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন অযোগ্য হইয়া যান; অথবা
(ঙ) এই সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে বর্ণিত পরিস্থিতির উদ্ভব হয়।

(২) কোন সংসদ-সদস্য স্পীকারের নিকট স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন, এবং স্পীকার- কিংবা স্পীকারের পদ শূন্য থাকিলে বা অন্য কোন কারণে স্পীকার স্বীয় দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হইলে ডেপুটি স্পীকার- যখন উক্ত পত্র প্রাপ্ত হন, তখন হইতে উক্ত সদস্যের আসন শূন্য হইবে।

২২০.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ অনুযায়ী "আইনগত সহায়তা" এর সংজ্ঞা অনুসারে নিচের কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. মধ্যস্থতাকারীকে সম্মানি প্রদান
  2. মামলার আনুষঙ্গিক খরচ প্রদান
  3. মামলায় আইনি পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান
  4. আবেদনকারীকে বিনামূল্যে বাসস্থান প্রদান
সঠিক উত্তর:
আবেদনকারীকে বিনামূল্যে বাসস্থান প্রদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবেদনকারীকে বিনামূল্যে বাসস্থান প্রদান
ব্যাখ্যা

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ধারা ২ অনুসারে "আইনগত সহায়তা" এর সংজ্ঞায় নিম্নলিখিত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত:
- মামলায় আইনি পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান
- মধ্যস্থতাকারীকে সম্মানি প্রদান
- মামলার আনুষঙ্গিক খরচ প্রদান
- আইনি তথ্য ও পরামর্শসেবা প্রদান
- মামলাপূর্ব ও মামলা-পরবর্তী মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি
তবে আবেদনকারীকে বিনামূল্যে বাসস্থান প্রদান এই সংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত নয়। আইনগত সহায়তা বলতে শুধুমাত্র আইনি সেবা ও সংশ্লিষ্ট খরচ বহনকে বোঝায়, আবেদনকারীর ব্যক্তিগত বাসস্থানের ব্যবস্থা করাকে নয়।
---------- 
⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ধারা ২(ক) “আইনগত সহায়তা” অর্থ-
(অ) আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায়-সম্বলহীন এবং নানাবিধ আর্থ-সামাজিক কারণে বিচারপ্রাপ্তিতে অসমর্থ বিচারপ্রার্থীকে-
(১) কোন আদালতে দায়েরযোগ্য, দায়েরকৃত বা বিচারাধীন মামলায় আইনি পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান;
(২) Code of Civil Procedure, 1908 (Act No. V of 1908) এবং প্রচলিত অন্যান্য আইনের বিধান অনুসারে মধ্যস্থতার মাধ্যমে কোন বিরোধ বা মামলা নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে নিযুক্ত মধ্যস্থতাকারী বা এই আইনের অধীন নিযুক্ত স্পেশাল মেডিয়েটরকে সম্মানি প্রদান;
(৩) মামলার আনুষঙ্গিক খরচ প্রদানসহ অন্য যে কোন সহায়তা প্রদান;
(আ) যে কোন আবেদনকারীকে আইনি তথ্য ও পরামর্শসেবা প্রদান;
(ই) মামলাপূর্ব যেকোন বিরোধ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি;
(ঈ) যেকোন আদালত বা ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রেরিত মামলা মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি;

২২১.
অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৮৫ক ধারা অনুযায়ী ডেপুটি কমিশনারের কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়?
  1. ভূমি হস্তান্তরের আদেশ
  2. ভূমি জরিপ সংক্রান্ত আদেশ
  3. দখল পুনরুদ্ধারের আদেশ
  4. ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের আদেশ
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের আদেশ
ব্যাখ্যা

⇒ অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৮৫ক ধারা অনুযায়ী, ডেপুটি কমিশনার কর্তৃক ধারা ৯(১) বা ধারা ২০ এর অধীনে ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের আদেশের বিরুদ্ধে জেলা জজের নিকট ৩০ দিনের মধ্যে আপীল করা যায়। এই ধারাটি স্পষ্টভাবে শুধুমাত্র ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের বিষয়ে উল্লেখ করে।
- সুতরাং, ৮৫ক ধারা অনুযায়ী, ডেপুটি কমিশনারের ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়।

⇒ অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৮৫ক ধারার বিধান আপীল:
- অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৯ (১) ধারার বিধান অনুসারে বা ২০ ধারার বিধান মোতাবেক ডেপুটি কমিশনার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করলে তার আদেশের বিরুদ্ধে জেলা জজের নিকট ৩০ দিনের মধ্যে আপীল করা যাবে।
------------
Section 85A.  Appeal:
- An appeal against an order passed by the Deputy Commissioner determining compensation under the proviso to sub-section (1) of section 9 or the proviso to section 20 shall, if presented within thirty days of such order, lie to the District Judge.

২২২.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এ বর্ণিত অপরাধ সমূহের বিচার করেন-
  1. দায়রা জজ
  2. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. স্পেশাল জজ
  4. মহানগর দায়রা জজ
সঠিক উত্তর:
স্পেশাল জজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পেশাল জজ
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৮ ধারার বিধান অপরাধের বিচার, ইত্যাদি:
- (১) আপাততঃ বলবত্ অন্য কোন আইনে ভিন্নরূপ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন ও উহার তফসিলে বর্ণিত অপরাধসমূহ কেবলমাত্র স্পেশাল জজ কর্তৃক বিচারযোগ্য হইবে৷ 

- (২) এই আইনের অধীন ও উহার তফসিলে বর্ণিত অপরাধসমূহের বিচার ও আপীল নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে The Criminal Law Amendment Act, 1958 (XL of 1958) এর বিধানাবলী প্রযোজ্য হইবে৷ 
 
- (৩) The Criminal Law Amendment Act, 1958 (XL of 1958) এর কোন বিধান এই আইনের কোন বিধানের সহিত অসংগতিপূর্ণ হইলে এই আইনের বিধান কার্যকর হইবে৷
২২৩.
“মানব পাচার প্রতিরোধ তহবিল” গঠন করবে কে?
  1. সরকার
  2. ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি
  3. মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল
  4. জাতীয় মানব পাচার দমন সংস্থা
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৪২: মানব পাচার প্রতিরোধ তহবিল:
(১) এই আইন বলবৎ হইবার পর সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, ‘‘মানব-পাচার প্রতিরোধ তহবিল’’ নামে একটি তহবিল গঠন করিবে এবং উক্ত তহবিল বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে পরিচালিত ও ব্যবহৃত হইবে। 
 
(২) মানব পাচার প্রতিরোধ তহবিলে নিম্নবর্ণিত উৎস হইতে প্রাপ্ত অর্থ জমা হইবে, যথাঃ— 
(ক) সরকারের মঞ্জুরী বা অনুদান; 
(খ) কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত অনুদান; বা 
(গ) কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রদত্ত অনুদান; এবং 
(ঘ) মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমনের উদ্দেশ্যে প্রাপ্ত অন্য যে কোন উৎস হইতে প্রাপ্ত অর্থ। 
২২৪.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর কত ধারায় সরকার লিগ্যাল এইড অফিসার নিয়োগ করতে পারে?
  1. ধারা ২১
  2. ধারা ২২ক
  3. ধারা ২৩
  4. ধারা ২১ক
সঠিক উত্তর:
ধারা ২১ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২১ক
ব্যাখ্যা
ধারা ২১ক- লিগ্যাল এইড অফিসার নিয়োগ, দায়িত্ব, ইত্যাদি:

(১) সরকার, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, প্রয়োজনীয় সংখ্যক লিগ্যাল এইড অফিসার নিয়োগ এবং তাহাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য নির্ধারণ করিতে পারিবে। 
 
(২) লিগ্যাল এইড অফিসার আইনগত সহায়তা প্রার্থীকে আইনে পরামর্শ প্রদান করিতে পারিবে এবং প্রচলিত আইনের অধীন কোন আদালত বা ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক উহার স্থানীয় অধিক্ষেত্রের আওতাধীন এলাকায় কর্মরত লিগ্যাল এইড অফিসারের নিকট বিকল্প পদ্ধতিতে বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য কোন বিষয় প্রেরণ করা হইলে উহা নিষ্পত্তির ক্ষমতা সংশ্লিষ্ট লিগ্যাল এইড অফিসারের থাকিবে।
২২৫.
নিবন্ধনের জন্য দলিল কে দাখিল করতে পারে?
  1. দলিলের গ্রহীতা
  2. দলিল সম্পাদনকারী
  3. দলিল সম্পাদনকারীর প্রতিনিধি
  4. উল্লিখিত সবাই
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবাই
ব্যাখ্যা
ধারা ৩২- দলিল নিবন্ধনের জন্য দাখিলকারী ব্যক্তি:
ধারা ৮৯ এ উল্লিখিত ক্ষেত্রসমূহ ব্যতীত, এই আইনের অধীন নিবন্ধনের জন্য প্রত্যেক দলিল, উহার নিবন্ধন বাধ্যতামূলক বা ঐচ্ছিক যাহাই হউক, দাখিল করিতে হইবে-
(ক) উক্ত দলিলের অধীন কোন সম্পাদনকারী বা গ্রহীতা, বা কোন ডিক্রি বা আদেশের নকলের ক্ষেত্রে, ডিক্রি বা আদেশের অধীন গ্রহীতা কর্তৃক, অথবা
(খ) উক্ত ব্যক্তিগণের প্রতিনিধি বা মনোনীত ব্যক্তি কর্তৃক, অথবা
(গ) উক্তরূপ ব্যক্তি, প্রতিনিধি বা মনোনীত ব্যক্তি দ্বারা অতঃপর উল্লেখকৃত পদ্ধতিতে সম্পাদিত ও প্রমাণীকৃত পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দ্বারা যথাযথভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত এজেন্ট কর্তৃক।

⇒ নিবন্ধনের উদ্দেশ্যে দলিল দাখিলের জন্য প্রাধিকারপ্রাপ্ত ব্যক্তিগণ হইলেন-
(১) কোন সম্পাদনকারী, বা
(২) তাহার প্রতিনিধি বা মনোনীত ব্যক্তি, বা
(৩) উক্ত (১) বা (২) দফার মধ্যে যে কোন একজনের এজেন্ট, বা
(৪) দলিলের কোন একজন গ্রহীতা, বা
(৫) তাহার প্রতিনিধি বা মনোনীত ব্যক্তি, বা
(৬) উক্ত (৪) বা (৫) দফার মধ্যে যে কোন একজনের এজেন্ট।
২২৬.
The Criminal Law Amendment Act, 1958 অনুযায়ী স্পেশাল জজের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল কোথায় দায়ের করা যাবে?
  1. দায়রা আদালতে
  2. হাইকোর্ট বিভাগে
  3. দুর্নীতি দমন কমিশনে
  4. চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী আইন সংশোধন আইন, ১৯৫৮ এর ধারা-১০ এ আপিল সংক্রান্ত বিধান রয়েছে।
- ধারা-১০(১) অনুসারে: "স্পেশাল জজের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল হাইকোর্ট বিভাগে দায়ের করা যাবে, যদি বিচারক দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ বা সহকারী দায়রা জজ হন।"
অর্থাৎ, স্পেশাল জজ যদি দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ বা সহকারী দায়রা জজ পদমর্যাদার হন, তাহলে তাঁর রায়ের বিরুদ্ধে আপিল সরাসরি হাইকোর্ট বিভাগে দায়ের করতে হবে।

⇒ ফৌজদারী আইন সংশোধন আইন, ১৯৫৮ এর ধারা-১০: আপিল, রিভিশন ও মামলা স্থানান্তর:
আপিল: স্পেশাল জজের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল হাইকোর্ট বিভাগে দায়ের করা যাবে, যদি বিচারক দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ বা সহকারী দায়রা জজ হন।
রিভিশন: আপিল গ্রহণকারী আদালত রিভিশনের ক্ষমতা রাখবে।
খালাসের বিরুদ্ধে আপিল: স্পেশাল জজ যদি কোনো অভিযুক্তকে খালাস দেন, তবে দুর্নীতি দমন কমিশন পাবলিক প্রসিকিউটরকে আপিল দায়েরের নির্দেশ দিতে পারবে।
মামলা স্থানান্তর: হাইকোর্ট বিভাগ এক স্পেশাল জজের আদালত থেকে অন্য স্পেশাল জজের আদালতে মামলা স্থানান্তর করতে পারবে। তবে, ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৫২৬ সত্ত্বেও, স্থানান্তরের আবেদন নাকচ করলে স্পেশাল জজ মামলার শুনানি মূলতবি করতে বাধ্য নন এবং নাকচের কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।
অভিযোগ প্রত্যাহার: কমিশনের লিখিত আদেশ ছাড়া এই আইনের অধীনে কোনো অভিযোগ প্রত্যাহার করা যাবে না।

২২৭.
শিশু-আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে কী ধরণের আবেদন করা যায়?
  1. শুধু রিট
  2. শুধু আপিল
  3. শুধু রিভিশন
  4. আপিল ও রিভিশন উভয়
সঠিক উত্তর:
আপিল ও রিভিশন উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল ও রিভিশন উভয়
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৪১: "আপিল ও পুনর্বিবেচনা":
(১) ফৌজদারী কার্যবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন শিশু-আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে উক্ত আদেশ বা রায়] প্রদানের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করা যাইবে। 

(২) শিশু-আদালতের কোনো আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে পুনর্বিবেচনা (Revision) করা যাইবে।

(৩) এই ধারার অধীন আপিল বা, ক্ষেত্রমত, পুনর্বিবেচনার আবেদন দাখিল করা হইলে উক্ত আবেদনটি দায়েরের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে উহা নিষ্পত্তি করিতে হইবে।
২২৮.
দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হওয়ার জন্য একজন ব্যক্তির নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে ন্যূনতম কত বছরের অভিজ্ঞতা থাকা প্রয়োজন?
  1. ১৫ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ২৫ বছর
  4. ৩০ বছর
সঠিক উত্তর:
২০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ বছর
ব্যাখ্যা
• দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪: ধারা ৮- কমিশনারগণের যোগ্যতা, অযোগ্যতা, ইত্যাদি
(১) আইনে, শিক্ষায়, প্রশাসনে, বিচারে বা শৃঙ্খলা বাহিনীতে অন্যূন ২০ (বিশ) বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি কমিশনার হইবার যোগ্য হইবেন।
 
(২) কোন ব্যক্তি কমিশনার হিসাবে নিযুক্ত হইবার বা থাকিবার যোগ্য হইবেন না, যদি তিনি- 
(ক) বাংলাদেশের নাগরিক না হন; 
(খ) কোন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ঋণ খেলাপী হিসাবে ঘোষিত বা চিহ্নিত হন; 
(গ) আদালত কর্তৃক দেউলিয়া ঘোষিত হইবার পর দেউলিয়াত্বের দায় হইতে অব্যাহতি লাভ না করেন; 
(ঘ) নৈতিক স্খলন বা দুর্নীতিজনিত কোন অপরাধের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হইয়া আদালত কর্তৃক কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইয়াছেন; 
(ঙ) সরকারী চাকুরীতে নিয়োজিত থাকেন; 
(চ) দৈহিক বা মানসিক বৈকল্যের কারণে কমিশনের দায়িত্ব পালনে অক্ষম হন; এবং 
(ছ) বিভাগীয় মামলায় গুরুদণ্ড প্রাপ্ত হন।
২২৯.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন,২০১৮ এর অধীন কোনো অফিসার কর্তৃক বেআইনি তল্লাশির দণ্ড কী?
  1. অনূর্ধ্ব ১ বৎসর কারাদণ্ড
  2. অনূর্ধ্ব ৩ বৎসর কারাদণ্ড
  3. অনূর্ধ্ব ৬ মাস কারাদণ্ড
  4. অনূর্ধ্ব ৫ বৎসর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
অনূর্ধ্ব ১ বৎসর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনূর্ধ্ব ১ বৎসর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৯- বেআইনি অথবা হয়রানিমূলক তল্লাশি, ইত্যাদির দণ্ড

যদি তল্লাশি, আটক অথবা গ্রেফতার করিবার ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো অফিসার- 
(ক) সন্দেহ করিবার যুক্তিসংগত কোনো কারণ ব্যতিরেকে তল্লাশির নামে কোনো স্থানে প্রবেশ করেন ও তল্লাশি চালান, 
(খ) হয়রানিমূলকভাবে বাজেয়াপ্তযোগ্য কোনো বস্তু তল্লাশি করিবার নামে কোনো ব্যক্তির কোনো সম্পদ আটক করেন, এবং 
(গ) কোনো ব্যক্তিকে হয়রানিমূলক তল্লাশি করেন অথবা গ্রেফতার করেন, তাহা হইলে তিনি অনূর্ধ্ব ১ (এক) বৎসর কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।
২৩০.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের কোন ধারায় Contingent Interest সম্পর্কিত বিধান আছে?
  1. ১৭ ধারা
  2. ১৯ ধারা
  3. ২১ ধারা
  4. ২৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
২১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ধারা ২১-এ Contingent Interest (ঘটনাসাপেক্ষ স্বার্থ) সম্পর্কিত বিধান রয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, যখন সম্পত্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তির জন্য একটি নির্দিষ্ট অনিশ্চিত ঘটনা ঘটলে বা না ঘটলে স্বার্থ সৃষ্টি হয়, তখন সেই ব্যক্তির স্বার্থ ঘটনাসাপেক্ষ স্বার্থ হিসেবে গণ্য হবে। যদি উক্ত নির্দিষ্ট ঘটনা ঘটলে, অথবা না ঘটলে ঘটনা অসম্ভব হয়ে গেলে, তখন ওই স্বার্থ কায়েমি স্বার্থ (vested interest) হিসেবে বিবেচিত হবে।

এছাড়া, ব্যতিক্রম হিসেবে বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি একটি নির্দিষ্ট বয়স পূর্ণ হওয়ার পর সম্পত্তির ওপর স্বত্ব অর্জন করেন এবং তার বয়স পূর্ণ হওয়ার পূর্বে যদি আয় প্রদান করা হয়, তবে সেটি ঘটনাসাপেক্ষ স্বার্থ হিসেবে গণ্য হবে না।

এভাবে ধারা ২১-এ Contingent Interest সম্পর্কিত বিধান স্পষ্টভাবে দেওয়া হয়েছে।
২৩১.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ৩৯ ধারায় কে ক্ষতিপূরণের মামলা দায়ের করতে পারে?
  1. সরকার
  2. ভিকটিম
  3. ট্রাইব্যুনালে
  4. মিথ্যা মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
ভিকটিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিকটিম
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৩৯: ক্ষতিপূরণ আদায়ে দেওয়ানী মামলা রুজু করিবার অধিকার:
ফৌজদারী মামলা রুজু করিবার অধিকার অক্ষুণ্ন রাখিয়া এবং দায়েরকৃত কোন ফৌজদারী মামলার পাশাপাশি, ভিকটিম বা পাচারের শিকার ব্যক্তি এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের ফলে সৃষ্ট তাহার প্রকৃত ক্লেশ (sufferance) বা আইনগত ক্ষতির (legal injury) জন্য বা উক্ত অপরাধের সহিত সম্পৃক্ত কোন চুক্তি লংঘনের জন্য দেওয়ানী আদালতে ক্ষতিপূরণের মামলা দায়ের করিতে পারিবে।
২৩২.
'নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বপালনে সহায়তা করা সকল নির্বাহী কর্তৃপক্ষের কর্তব্য হইবে।' বাংলাদেশ সংবিধানের কত অনুচ্ছেদের বিধান?
  1. ১১৬
  2. ১২৬
  3. ১২৫
  4. ১২৩
সঠিক উত্তর:
১২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২৬
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদের বিধান: নির্বাচন কমিশনকে নির্বাহী কর্তৃপক্ষের সহায়তাদান:  নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বপালনে সহায়তা করা সকল নির্বাহী কর্তৃপক্ষের কর্তব্য হইবে।
------------
⇒ The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh -Article 126. Executive authorities to assist Election Commission:
 It shall be the duty of all executive authorities to assist the Election Commission in the discharge of its functions.  
২৩৩.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ধারা ৬ অনুযায়ী, আর্বিট্রেশন কাউন্সিলের পূর্বানুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিবাহ করলে শাস্তি কী?
  1. ৩ মাসের কারাদণ্ড ও ৫,০০০ টাকা জরিমানা
  2. ৬ মাসের কারাদণ্ড ও ৫,০০০ টাকা জরিমানা
  3. ১ বছরের কারাদণ্ড বা ১০,০০০ টাকা জরিমানা
  4. ৩ বছরের কারাদণ্ড বা ১০,০০০ টাকা জরিমানা
সঠিক উত্তর:
১ বছরের কারাদণ্ড বা ১০,০০০ টাকা জরিমানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছরের কারাদণ্ড বা ১০,০০০ টাকা জরিমানা
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ধারা ৬(৫) অনুযায়ী, যদি কেউ বর্তমান বিবাহ বহাল থাকা অবস্থায় আর্বিট্রেশন কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিবাহ করে, তাহলে তাকে শাস্তি দেওয়া হবে।
শাস্তি হলো: ১ বছরের পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা জরিমানা, বা উভয় দণ্ড।
এই বিধান মূলত দ্বিতীয় বিবাহের ক্ষেত্রে পরিবারিক ও সামাজিক সুস্থতা নিশ্চিত করার জন্য প্রণীত।
অর্থাৎ অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিবাহ করলে ১ বছর পর্যন্ত জেল বা ১০,০০০ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড প্রযোজ্য।

২৩৪.
মিতাক্ষরা ও দায়ভাগ মতবাদ কোন উৎসের অন্তর্ভুক্ত?
  1. শ্রুতি
  2. স্মৃতি
  3. প্রথা
  4. ব্যাখ্যা বা নিবন্ধ
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা বা নিবন্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা বা নিবন্ধ
ব্যাখ্যা
• হিন্দু আইনের মূল উৎস চারটি। এগুলো হলো—
১) শ্রুতি (Shruti) – এটি হিন্দু ধর্মের মৌলিক ভিত্তি। বেদসমূহ (ঋগ্বেদ, যজুর্বেদ, সামবেদ, অথর্ববেদ) শ্রুতি শাস্ত্রের অন্তর্ভুক্ত।
২) স্মৃতি (Smriti) – প্রাচীন ঋষিদের লিপিবদ্ধ করা সামাজিক ও ধর্মীয় বিধি-নিষেধ, যেমন মনুস্মৃতি, যাজ্ঞবল্ক্য স্মৃতি, নারদ স্মৃতি, পরাশর স্মৃতি ইত্যাদি।
৩) ব্যাখ্যা বা নিবন্ধ (Commentaries and Digests) – বিভিন্ন স্মৃতি ও শাস্ত্রের ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ। এর দুটি প্রধান মতবাদ হলো মিতাক্ষরা মতবাদ ও দায়ভাগ মতবাদ।
৪) প্রথা (Custom) – দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত রীতিনীতি, যা আইনি স্বীকৃতি পেয়েছে। এটি তিন ধরনের— স্থানীয় প্রথা, শ্রেণি প্রথা ও পারিবারিক প্রথা।

এছাড়া, আধুনিক সময়ে আদালতের রায়, বিধিবদ্ধ আইন ও সুবিচার হিন্দু আইনের আধুনিক উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়।
২৩৫.
Land Survey Tribunal ______ নির্ধারিত তারিখ থেকে ১৮০ দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করবে।
  1. অভিযোগ দায়েরের
  2. চূড়ান্ত শুনানির জন্য
  3. সাক্ষ্য গ্রহণের
  4. প্রাথমিক শুনানির জন্য
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্ত শুনানির জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্ত শুনানির জন্য
ব্যাখ্যা
- The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ধারার ১৪৫ক উপধারা (৭ক) এর বিধান-

চূড়ান্ত শুনানির জন্য নির্ধারিত তারিখ থেকে ১৮০ দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করতে হবে।
 
(7A) The Land Survey Tribunal shall conclude the trail of a suit within 180 (one hundred and eighty) days from the date fixed for its final hearing.
২৩৬.
মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে স্ত্রীর অংশ কত হবে যদি স্বামীর সন্তান না থাকে?
  1. ১/২
  2. ১/৩
  3. ১/৪
  4. ১/৮
সঠিক উত্তর:
১/৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১/৪
ব্যাখ্যা
স্ত্রী (Wife):
- স্ত্রীও স্বামীর মতো কুরআনের প্রাথমিক উত্তরাধিকারী। স্ত্রীর ক্ষেত্রে দুটি অবস্থা রয়েছে, এবং স্ত্রীর অংশ কখনোই সম্পূর্ণভাবে বঞ্চিত হয় না।
- ইসলামের আবির্ভাবের পূর্বে, স্ত্রী মৃত স্বামীর সম্পত্তি থেকে কিছুই পেতেন না। তবে ইসলামী আইন অনুযায়ী, স্ত্রীর উত্তরাধিকার নির্ধারিত হয়েছে।

স্ত্রীর দুটি অবস্থা:
(ক) ১/৪ (১/৪ অংশ):
- অবস্থা: যদি মৃত ব্যক্তি কোনো সন্তান বা পুত্র সন্তান না রেখে মারা যান, তবে স্ত্রীর অংশ হবে ১/৪।
- শর্ত: মৃত ব্যক্তি যদি কোনো সন্তান বা পুত্র সন্তান না রেখে মারা যান, তবে স্ত্রী তার স্বামীর সম্পত্তির ১/৪ অংশ পাবেন।

(খ) ১/৮ (১/৮ অংশ):
- অবস্থা: যদি মৃত ব্যক্তি কোনো সন্তান বা পুত্র সন্তান রেখে যান, তবে স্ত্রীর অংশ হবে ১/৮।
- শর্ত: মৃত ব্যক্তি যদি সন্তান বা পুত্র সন্তান রেখে মারা যান (যত নিচের স্তরের সন্তানই হোক), তবে স্ত্রী তার স্বামীর সম্পত্তির ১/৮ অংশ পাবেন।

একাধিক স্ত্রী থাকলে বণ্টনের নিয়ম:
- যদি একাধিক স্ত্রী থাকে, তবে তারা সমানভাবে ভাগ পাবেন।
- সংখ্যার ভিত্তিতে ভাগ বাড়বে না। অর্থাৎ, একাধিক স্ত্রীর মধ্যে তাদের অংশ সমান হবে, কোনো স্ত্রীর ভাগ বাড়বে না।

অর্থাৎ স্ত্রী কখনোই সম্পূর্ণভাবে বঞ্চিত হন না। যদি মৃত ব্যক্তি সন্তান না রেখে মারা যান, স্ত্রীর অংশ হবে ১/৪, এবং যদি সন্তান বা পুত্র সন্তান থাকে, স্ত্রীর অংশ হবে ১/৮। একাধিক স্ত্রীর ক্ষেত্রে, তারা সমানভাবে ভাগ পাবেন।
২৩৭.
প্রথাকে আইনের মর্যাদা পেতে হলে কোন শর্তগুলি পূর্ণ করতে হবে?
  1. অবশ্যই সুপ্রাচীন, সুনিশ্চিত, যুক্তিযুক্ত এবং সুপ্রমাণিত হতে হবে
  2. নৈতিকতা বিরোধী অথবা সাধারণ নিয়মের পরিপন্থি হতে পারবে না
  3. আইনসভা কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত হবেনা
  4. সবগুলো উপাদানই থাকতে হবে
সঠিক উত্তর:
সবগুলো উপাদানই থাকতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো উপাদানই থাকতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ প্রথাকে আইনের মর্যাদা পেতে হলে তা অবশ্যই সুপ্রাচীন, সুনিশ্চিত, যুক্তিযুক্ত এবং সুপ্রমাণিত হতে হবে, এটি নৈতিকতা বিরোধী অথবা সাধারণ নিয়মের পরিপন্থি হতে পারবে না, এবং এটি আইনসভা কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত হবেনা।
অর্থাৎ সঠিক উত্তর: ঘ) সবগুলো উপাদানই থাকতে হবে।


⇒ প্রথা (Customs):
প্রথা হলো এমন একটি নিয়ম বা রীতি যা একটি বিশেষ পরিবার, শ্রেণী, বা অঞ্চলে অনেক দিন ধরে প্রচলিত এবং আইনের মর্যাদা অর্জন করেছে। প্রথা এবং লিখিত আইনের মধ্যে বিরোধ হলে, প্রথা বেশি শক্তিশালী হতে পারে। একটি বিখ্যাত মামলায় বলা হয়েছে, "প্রথার প্রমাণ আইন থেকে বেশি শক্তিশালী হতে পারে।"
কিছু পণ্ডিত ব্যক্তির মতে, প্রথা একসময় হিন্দু ধর্মশাস্ত্রের অংশ ছিল, কিন্তু পরে লিখিত আকারে স্মৃতিশাস্ত্রে তা রাখা হয়নি, তবে তা সমাজে চালু রয়েছে।

⇒ প্রথা তিন প্রকার:
স্থানীয় প্রথা: যা কোনো নির্দিষ্ট স্থানে বা অঞ্চলে প্রচলিত।
শ্রেণি প্রথা: যা হিন্দু সমাজের কোনো নির্দিষ্ট শ্রেণি বা সম্প্রদায়ে প্রচলিত।
পারিবারিক প্রথা: যা কোনো বিশেষ পরিবারে দীর্ঘদিন ধরে চালু রয়েছে।

⇒ আইনের মর্যাদা পেতে প্রথার শর্ত:
সুপ্রাচীন, সুনিশ্চিত, যুক্তিযুক্ত এবং সুপ্রমাণিত হতে হবে: প্রথাটি অনেক পুরনো এবং প্রমাণিত হতে হবে।
নৈতিকতা বিরোধী বা সাধারণ নিয়মের পরিপন্থি না হওয়া: প্রথাটি সমাজের নৈতিকতার বিরুদ্ধে বা আইন বিরোধী হতে পারবে না।
আইনসভা কর্তৃক নিষিদ্ধ না হওয়া: প্রথাটি যদি কোনো আইন দ্বারা নিষিদ্ধ হয়, তবে তা আইনের মর্যাদা পাবে না।
অব্যাহতভাবে চালু থাকতে হবে: প্রথাটি দীর্ঘকাল ধরে চালু থাকতে হবে এবং হঠাৎ বন্ধ হওয়া উচিত নয়।
২৩৮.
সংবিধানের ১৩৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আইনের দ্বারা বাংলাদেশের জন্য কয়টি সরকারী কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার বিধান করা যাবে?
  1. একটি
  2. একাধিক
  3. এই সংক্রান্ত বিধান নেই
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
Article 137: Establishment of commissions
Provision shall be made by law for establishing one or more public service commissions for Bangladesh, each of which shall consist of a chairman and such other members as shall be prescribed by law.

অনুচ্ছেদ ১৩৭: কমিশন-প্রতিষ্ঠা
আইনের দ্বারা বাংলাদেশের জন্য এক বা একাধিক সরকারী কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার বিধান করা যাবে এবং একজন সভাপতিকে ও আইনের দ্বারা যেরুপ নির্ধারিত হবে, সেইরুপ অন্যান্য সদস্যকে নিয়ে প্রত্যেক কমিশন গঠিত হবে।

• সরকারী কর্ম কমিশন

প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগদানের জন্য উপযুক্ত ব্যক্তিদিগকে মনোনয়নের উদ্দেশ্যে যাচাই ও পরীক্ষা-পরিচালনার জন্য সংবিধানে সরকারী কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার বিধান করা হয়েছে। ১৩৭ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে আইনের দ্বারা বাংলাদেশের জন্য এক বা একাধিক সরকারী কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার বিধান করা যাবে এবং একজন সভাপতিকে ও আইনের দ্বারা যেরুপ নির্ধারিত হবে, সেইরুপ অন্যান্য সদস্যকে নিয়ে প্রত্যেক কমিশন গঠিত হবে।

কর্ম কমিশনের সভাপতি এবং সদস্যরা রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগকৃত হবে কিন্তু প্রত্যেক কমিশনের যতদূর সম্ভব অর্ধেক (তবে অর্ধেকের কম নাহে) সংখ্যক সদস্য এমন ব্যক্তিগণ হবে, যারা ২০ বৎসর বা ততোধিককাল বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে যে কোন সময়ে কার্যরত কোন সরকারের কর্মে কোন পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। সংসদ কর্তৃক প্রণীত যে কোন আইন-সাপেক্ষে কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সভাপতি ও অন্যান্য সদস্যের কর্মের শর্তাবলী রাষ্ট্রপতি আদেশের দ্বারা যেরুপ নির্ধারণ করবে, সেইরুপ হবে।
২৩৯.
শিশু আদালত শিশুর _______ ব্যতীত কোন মামলার বিচার কার্য পরিচালনা করবে না। 
  1. বৈধ অভিভাবক
  2. আইনানুগ অভিভাবক
  3. মাতা-পিতা
  4. আইনগত প্রতিনিধি
সঠিক উত্তর:
আইনগত প্রতিনিধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনগত প্রতিনিধি
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৫- আইনগত প্রতিনিধিত্ব, ইত্যাদি

(১) আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশু এবং আইনের সংস্পর্শে আসা শিশুর পক্ষে আইনগত প্রতিনিধিত্ব ব্যতীত কোন আদালত কোন মামলার বিচার কার্য পরিচালনা করিবে না। 
 
(২) শিশু তাহার আইনগত প্রতিনিধিকে নিজের ভাষায় এবং, ক্ষেত্রমত, ব্যাখ্যাকারীর সাহায্যে প্রয়োজনীয় মতামত প্রদান করিবার অধিকার সংরক্ষণ করিবে। 
 
(৩) শিশুর মাতা-পিতা এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্য কর্তৃক কোন আইনজীবী নিয়োগ করা না হইলে অথবা মাতা-পিতা অথবা তাহাদের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা বর্ধিত পরিবারের সদস্য না থাকিলে অথবা আইনজীবী নিয়োগের আর্থিক সামর্থ্য না থাকিলে, শিশু-আদালত জেলা আইনগত সহায়তা প্রদান কমিটি বা, ক্ষেত্রমত, সুপ্রিম কোর্ট’ এর তালিকাভুক্ত বা প্যানেলভুক্ত আইনজীবীগণের মধ্য হইতে একজন উপযুক্ত আইনজীবীকে মামলার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য দায়িত্ব প্রদান করিবার লক্ষ্যে আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এবং উহার অধীন প্রণীত বিধিমালা, প্রবিধানমালা ও নীতিমালা অনুসারে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে।
২৪০.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণের কথা বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৩৫
  2. অনুচ্ছেদ ৩৪
  3. অনুচ্ছেদ ৩৩
  4. অনুচ্ছেদ ৩২
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৪
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৪-এ জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণের কথা বলা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, সকল প্রকার জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধ এবং যদি এই বিধান লঙ্ঘিত হয়, তবে তা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
- এটি মানবাধিকার সুরক্ষার উদ্দেশ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৪ জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ:
(১) সকল প্রকার জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধ; এবং এই বিধান কোনভাবে লঙ্ঘিত হইলে তাহা আইনতঃ দণ্ডনীয় অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে।
(২) এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই সেই সকল বাধ্যতামূলক শ্রমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না, যেখানে
(ক) ফৌজদারী অপরাধের জন্য কোন ব্যক্তি আইনতঃ দণ্ডভোগ করিতেছেন; অথবা
(খ) জনগণের উদ্দেশ্যসাধনকল্পে আইনের দ্বারা তাহা আবশ্যক হইতেছে।
২৪১.
'ক' নদীর পাশের জমি 'খ'- এর নিকট রেহেন দিল এবং জমি প্রাকৃতিকভাবে বৃদ্ধি পেল। উক্ত বর্ধিত অংশের অধিকারী হবে-
  1. 'ক'
  2. 'খ'
  3. রাষ্ট্র
  4. 'ক' এবং 'খ' উভয়
সঠিক উত্তর:
'খ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'খ'
ব্যাখ্যা

The Transfer of Property Act, 1882 এর ধারা ৭০: রেহেনকৃত সম্পত্তি বৃদ্ধি বা সংযোজন-
রেহেনের তারিখের পর যদি রেহেন সম্পত্তিতে কোনো বৃদ্ধি ঘটিয়া থাকে, তাহা হইলে ভিন্নরূপ কোনো চুক্তি না থাকিলে, জামানতের দরুন রেহেনগ্রহীতা উক্ত বৃদ্ধির অধিকারী হইবেন।

উদাহরণ-
(ক) 'ক', 'খ' এর নিকট নদীর পাশের এক খণ্ড জমি রেহেন দিল। পয়স্থিজনিত কারণে, উক্ত জমি বৃদ্ধি পাইল। জামানতের দরুন 'খ' উক্ত বর্ধিত অংশের অধিকারী হইবে।

(খ) 'ক' 'খ' এর নিকট এক খণ্ড দালান করিবার যোগ্য জমি রেহেন দিল এবং পরবর্তীতে তাহাতে একটি বাড়ি নির্মাণ করিল। 'খ' জামানতের দরুন জমি ও বাড়ির অধিকারী হইবে।

২৪২.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে মৌলিক অধিকার বলবৎ করার জন্য হাইকোর্ট বিভাগে মামলা রুজুর অধিকারের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৪২
  2. অনুচ্ছেদ ৪৩
  3. অনুচ্ছেদ ৪৪
  4. অনুচ্ছেদ ৪৫
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৪৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৪৪
ব্যাখ্যা

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৪(১)-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, তৃতীয় ভাগে প্রদত্ত মৌলিক অধিকারসমূহ বলবৎ করার জন্য সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে মামলা রুজু করার অধিকারের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। এই বিধান নাগরিকদের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে আইনি প্রতিকার পাওয়ার নিশ্চয়তা প্রদান করে। অনুচ্ছেদ ৪৪(২)-এ আরও বলা হয়েছে যে, সংসদ আইনের মাধ্যমে অন্য কোনো আদালতকে এই ক্ষমতা প্রদান করতে পারে, তবে হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতা অক্ষুণ্ণ থাকবে।

অর্থাৎ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৪-এ মৌলিক অধিকার বলবৎ করার জন্য হাইকোর্ট বিভাগে মামলা রুজুর অধিকারের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) অনুচ্ছেদ ৪৪।

২৪৩.
'ক', 'খ' এর ক্লাবে গান গাওয়ার চুক্তিতে আবদ্ধ হয়েও ইচ্ছাকৃত অনুপস্থিত থাকায় 'খ', 'গ' কে দিয়ে গান গাওয়ান। এক্ষেত্রে The Contract Act, 1872 অনুসারে কোনটি সঠিক?
  1. 'ক' চুক্তি পালনে বাধ্য নন
  2. 'খ' চুক্তি বাতিল করতে পারেন
  3. 'ক', 'খ' কে ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য নন
  4. 'ক' ক্ষতিপূরণ দাবী করতে পারেন
সঠিক উত্তর:
'খ' চুক্তি বাতিল করতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'খ' চুক্তি বাতিল করতে পারেন
ব্যাখ্যা
⇒ এই প্রসঙ্গে 'ক' যেহেতু ইচ্ছাকৃতভাবে গান গাওয়া থেকে বিরত থেকেছেন, সেহেতু তিনি চুক্তিভঙ্গ করেছেন। এটি চুক্তিভঙ্গের ক্ষেত্র। এই ক্ষেত্রে, 'খ' আদালতে গিয়ে 'ক' এর কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারবেন।
The Contract Act, 1872 এর ৭৩ ধারায় উল্লেখ আছে, যখন একটি চুক্তি ভঙ্গ করা হয়, তখন যে পক্ষ চুক্তিটি ভঙ্গ করলেন, সেই পক্ষের নিকট থেকে-
- যে পক্ষ এরূপ ভঙ্গের কারণে ক্ষতিগ্রস্থ হলেন সেই পক্ষ তা দ্বারা তার লোকসান বা ক্ষতি হলে এবং
- ভঙ্গের ফলে স্বাভাবিকভাবে উদ্ধৃত বা ভঙ্গের ফলে তার যেরূপ ফলাফল হবে বলে জেনেছিল সেরূপ লোকসান বা ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ পাওয়ার অধিকারী।
- চুক্তিভঙ্গের কারণে দূরবর্তী ও পরোক্ষ কোন লোকসান বা ক্ষতির জন্য এরূপ ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে না।

- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার অনুযায়ী, 'ক' চুক্তি পালনে বাধ্য নন। সেই সাথে, 'ক' এর ক্ষতিপূরণ দেয়ার বাধ্যবাধকতা নেই এবং 'ক' ক্ষতিপূরণ দাবী করতে পারে না।
সুতরাং, The Contract Act অনুযায়ী, ‘খ’, 'ক' থেকে যৌক্তিক ক্ষতিপূরণ আদায় করার অধিকার রাখেন। কিন্তু অপশনে এরকম কোনো প্রতিকার না থাকায় উত্তর বাতিল করা হলো।
২৪৪.
সুপ্রিম কোর্ট লিগাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান কে হবেন?
  1. অ্যাটর্নি জেনারেল
  2. হাইকোর্ট বিভাগের একজন বিচারপতি
  3. আপিল বিভাগের একজন বিচারপতি
  4. বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগের একজন বিচারপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগের একজন বিচারপতি
ব্যাখ্যা
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০- ধারা  ৮ক- সুপ্রীম কোর্ট কমিটি:

(১) বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টে সুপ্রীম কোর্ট কমিটি নামে একটি কমিটি থাকিবে এবং উহা নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে গঠিত হইবে, যথা: — 
 
(ক) প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত হাইকোর্ট বিভাগের একজন বিচারপতি, যিনি ইহার চেয়ারম্যানও হইবেন; 
(খ) সুপ্রীম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক এবং উক্ত সমিতি কর্তৃক মনোনীত সমিতির অন্য একজন সদস্য; 
(গ) প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত সুপ্রীম কোর্টে আইন পেশায় নিয়োজিত মানবাধিকার ও সমাজকল্যাণ কার্যক্রম পরিচালনাকারী দুইজন আইনজীবী, যাহাদের মধ্যে একজন মহিলা থাকিবেন; 
(ঘ) বোর্ড কর্তৃক মনোনীত জাতীয়ভাবে প্রতিষ্ঠিত আইন ও মানবাধিকার ইস্যুতে কার্যক্রম পরিচালনাকারী বেসরকারি সংস্থার দুইজন প্রতিনিধি; 
(ঙ) বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল কর্তৃক মনোনীত একজন অন্যূন ডেপুটি অ্যাটর্নি-জেনারেল; 
(চ) বোর্ডের চেয়ারম্যান কর্তৃক মনোনীত সংস্থার অন্যূন উপ-পরিচালক পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা;
(ছ) অ্যাটর্নি-জেনারেল এর সহিত পরামর্শক্রমে কমিটির চেয়ারম্যান কর্তৃক মনোনীত একজন সহকারী অ্যাটর্নি-জেনারেল, যিনি ইহার সাচিবিক দায়িত্বও পালন করবেন। 
 
(২) উপ-ধারা (১) এর দফা (গ) এবং (ঘ) এর অধীন মনোনীত সদস্যগণ তাহাদের মনোনয়নের তারিখ হইতে দুই বৎসর মেয়াদে স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন।
২৪৫.
রেজিস্ট্রেশন আইনের ধারা ৯০ অনুযায়ী, নিম্নলিখিত কোনটি নিবন্ধন থেকে অব্যাহতি পায়??
  1. ব্যাংক ঋণের চুক্তিপত্র
  2. ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির দানপত্র
  3. ব্যবসায়িক অংশীদারিত্বের চুক্তি
  4. সরকারের নিযুক্ত কর্মকর্তা কর্তৃক প্রেরিত জরিপ নকশা
সঠিক উত্তর:
সরকারের নিযুক্ত কর্মকর্তা কর্তৃক প্রেরিত জরিপ নকশা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারের নিযুক্ত কর্মকর্তা কর্তৃক প্রেরিত জরিপ নকশা
ব্যাখ্যা
ধারা ৯০- সরকার কর্তৃক বা সরকারের অনুকূলে সম্পাদিত কতিপয় দলিলের নিবন্ধন অব্যাহতি পাইবে-
(১) এই আইনের কোন কিছুই নিম্নবর্ণিত কোন দলিল বা নকশার নিবন্ধনকে আবশ্যক করিবে না, বা কোন সময় আবশ্যক ছিল বলিয়া গণ্য করিবে না, যথা:

(ক) ভূমি-রাজস্ব সম্পর্কিত বন্দোবস্তের নিষ্পত্তি বা পুনর্বিবেচনার জন্য নিয়োগকৃত কোন কর্মকর্তা কর্তৃক প্রেরিত, প্রাপ্ত, বা সত্যায়িত দলিল যাহা উক্তরূপ বন্দোবস্ত সম্পর্কিত রেকর্ডের অংশ গঠন করে; বা
(খ) ভূমি জরিপ প্রস্তুতকরণ বা পুনর্বিবেচনাকরণের জন্য সরকারের পক্ষে নিয়োগকৃত কোন কর্মকর্তা কর্তৃক প্রেরিত, প্রাপ্ত, বা প্রমাণীকৃত দলিলপত্র বা নকশাসমূহ যাহা উক্তরূপ জরিপের অংশ গঠন করে; বা
(গ) আপাতত বলবৎ কোন আইনের অধীন, গ্রামাঞ্চলের রেকর্ড প্রস্তুতকরণের নিমিত্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত পাটোয়ারি বা অন্যান্য কর্মকর্তা কর্তৃক যে সকল দলিল নির্ধারিত সময় অন্তর কোন রাজস্ব কার্যালয়ে নথিভুক্ত হয়; বা
(ঘ) সরকার কর্তৃক ভূমি সম্পর্কিত বা ভূমিতে নিহিত কোন স্বার্থের মঞ্জুরি বা স্বত্ব নিয়োগ সৃষ্টির প্রমাণস্বরূপ সনদ, ইনাম, স্বত্বের দলিল বা অন্যান্য দলিল;

(২) এই আইনের বিধানাবলি অনুযায়ী, উক্তরূপ সকল দলিল এবং নকশাসমূহ ধারা ৪৮ এবং ৪৯ এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নিবন্ধিত হইয়াছে বা হইবে বলিয়া গণ্য হইবে।
২৪৬.
দলিল সম্পাদন অস্বীকারের কারণে সাব- রেজিস্ট্রার কর্তৃক নিবন্ধন প্রত্যাখ্যাত হলে তার বিরুদ্ধে রেজিস্ট্রারের নিকট_______ করতে হবে।
  1. আপিল
  2. আপত্তি
  3. দরখাস্ত
  4. আপিলের অনুমতির প্রার্থনা
সঠিক উত্তর:
দরখাস্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দরখাস্ত
ব্যাখ্যা
রেজিষ্ট্রেশন আইনের ৭৩ ধারার বিধান সম্পাদন অস্বীকারের কারণে সাব-রেজিস্ট্রার নিবন্ধন করিতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করিলে রেজিস্ট্রারের নিকট আবেদন।-
(১) যেক্ষেত্রে কোন সাব রেজিস্ট্রার দলিলের সম্পাদনকারী বলিয়া কথিত ব্যক্তি, বা তাহার প্রতিনিধি বা স্বত্বনিয়োগী কর্তৃক দলিল সম্পাদন অস্বীকারের কারণে দলিল নিবন্ধন করিতে অস্বীকৃতিজ্ঞাপন করেন, সেইক্ষেত্রে এইরূপ দলিলের অধীন দাবিদার, বা পূর্বোক্তমতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধি, স্বত্বনিয়োগী বা এজেন্ট, অগ্রাহ্যের আদেশ প্রদানের পর ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে, দলিল নিবন্ধন করাইবার অধিকার বহাল করিবার নিমিত্ত উক্ত সাব-রেজিস্ট্রার যে রেজিস্ট্রারের অধস্তন সেই রেজিস্ট্রারের নিকট আবেদন করিতে পারিবেন।
(২) এইরূপ আবেদন লিখিত হইতে হইবে এবং ধারা ৭১ এর অর্ধস লিপিবদ্ধ কারণসমূহের একটি নকল উহার সহিত সংযুক্ত করিতে হইবে, এবং আরজির সত্যপাঠের অনুরূপ আইনানুগ পদ্ধতি অনুসরনে আবেদনে বর্ণিত বক্তব্যসমূহ আবেদনকারী কর্তৃক প্রতিপাদিত হইবে।
২৪৭.
কোন ধরণের রিট আবেদন শুধুমাত্র সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি করতে পারেন?
  1. Writ of Habeas Corpus
  2. Writ of Quo Warranto
  3. Writ of Mandamus
  4. (ক) ও (খ) উভয়
সঠিক উত্তর:
Writ of Mandamus
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Writ of Mandamus
ব্যাখ্যা
রিট [Writ]
আদালত বা যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ঘোষিত বা প্রচারিত বিধান বা আদেশ। এমন আদেশের মাধ্যমে আদালত কোন ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে নির্দেশ প্রদান করে। রিট এর উৎপত্তি হলো ব্রিটিশ আইন ব্যবস্থায়। প্রাথমিকভাবে রিট মূলত রাজকীয় অধিকার [prerogrative writ or royal writ] নামে পরিচিত ছিল কারণ একমাত্র রাজা বা রাণী রিট জারি করার অধিকারী ছিল। 

রিটের প্রকারভেদ: সংবিধানে ৫ প্রকার রিট উল্লেখ করা হয়েছে-

১০২ এর ২(ক) তে ৩টি রিট উল্লেখ করা হয়েছে, (শুধুমাত্র সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি আবেদন করতে পারে)-
• ১০২(২) (ক) (অ) প্রতিষেধক বা নিষেধাজ্ঞামূলক রিট [Writ of Prohibition];
• ১০২(২) (ক) (অ) পরমাদেশ বা হুকুম জারী রিট [Writ of Mandamus];
• ১০২(২) (ক) (আ) উৎপ্রেষণ রীট [Writ of Certiorari]।

১০২ এর ২(খ) তে ২টি রিট উল্লেখ করা হয়েছে, (যে কোন ব্যক্তি আবেদন করতে পারে)-
• ১০২(২) (খ) (অ) বন্দী হাজির রিট [Writ of Habeas Corpus] এবং
• ১০২(২) (খ) (আ) কারণ দর্শাও রিট [Writ of Quo Warranto]।
২৪৮.
জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭-এর ধারা ২১ কোন আইনি নীতির প্রতিফলন ঘটায়? 
  1. Doctrine of Estoppel
  2. Doctrine of Ultra Vires
  3. Doctrine of Locus Poenitentiae
  4. All prior acts become invalid
সঠিক উত্তর:
Doctrine of Locus Poenitentiae
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Doctrine of Locus Poenitentiae
ব্যাখ্যা

⇒ The General Clauses Act, 1897-এর ধারা ২১-এ Doctrine of Locus Poenitentiae বা পেনিটেনশিয়ার স্থান আলোচিত হয়েছে, যার অর্থ হল, কোনো বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে উক্ত ক্ষমতা প্রয়োগ থেকে সরে আসা বা বাতিল করা।

⇒The General Clauses Act, 1897 এর ২১ ধারার বিধান: আদেশ, বিধি বা উপ-আইন প্রণয়নের ক্ষমতা, সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে-
-যেক্ষেত্রে সংসদের কোন আইন বা প্রবিধি দ্বারা প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-বিধি জারীর কোন ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে উক্ত ক্ষমতা একইভাবে প্রয়োগযোগ্য এবং অনুরূপ অনুমোদন ও শর্তাবলি (যদি থাকে), জারীকৃত কোন প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-আইনের সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা তা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে।
-------
⇒ The General Clauses Act, 1897, Section 21: Power to make to include power to add to, amend, vary or rescind, orders, rules or bye-laws:
-Where, by any Act of Parliament or Regulation, a power to issue notifications, orders, rules, or bye-laws is conferred, then that power includes a power, exercisable in the like manner and subject to the like sanction and conditions (if any), to add to, amend, vary or rescind any notifications, orders, rules or bye-laws so issued.

২৪৯.
'যদু' নামক একজন হিন্দু মৃতা বড় কন্যার এক দৌহিত্র এবং ছোট মৃতা কন্যার দিকের দুই দোহিত্র এবং পিতাকে রেখে মারা গেল। এক্ষেত্রে দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে পিতা সম্পত্তির কত অংশ পাবে?
  1. ১/৪ অংশ
  2. ১/৩ অংশ
  3. ১/২ অংশ
  4. কোনো অংশ পাবে না
সঠিক উত্তর:
কোনো অংশ পাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো অংশ পাবে না
ব্যাখ্যা

⇒ এক্ষেত্রে পিতা কিছু পাবে না, কারণ পিতার স্থান সপিন্ডদের তালিকায় দৌহিত্রের পরে।  তাই তিন দৌহিত্র মাথাপিছু নিয়মে প্রত্যেকে সমান অংশ পাবে। অর্থাৎ ১/৩ অংশ করে পাবে। উল্লেখ্য, হিন্দু উত্তরাধিকার আইনে মৃত ব্যক্তির পুত্র, পৌত্র, প্রপৌত্র, বিধবা স্ত্রী, কন্যা ও দৌহিত্র কেউই জীবিত না থাকেন, তাহলে মৃত ব্যক্তির পিতা সম্পত্তির উত্তরাধিকার হবেন।

হিন্দু উত্তরাধিকার আইন:
বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের সম্পত্তি বণ্টন হয়ে থাকে দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে। এই মতবাদ অনুসারে উত্তরাধিকার নির্ণয় করতে যে নীতি অনুসরণ করা হয়, তা হলো মৃত ব্যক্তির আত্মার কল্যাণে আধ্যাত্মিক নীতি (ডকট্রিন অব স্পিরিচুয়াল বিলিফ)। হিন্দুধর্মাবলম্বী কোনো মানুষ মারা গেলে মৃত ব্যক্তির আত্মার সদ্‌গতির জন্য শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে হয়। শেষকৃত্যের তিনটি ধাপ আছে। ১. পিণ্ডদান; ২. পিণ্ডলেপ ও ৩. জলদান।

সপিণ্ড:
মৃত ব্যক্তির শ্রাদ্ধে যে ব্যক্তি পিণ্ডদানের অধিকারী, তাকে বলা হয় ‘সপিণ্ড’। সপিণ্ডরাই মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির প্রধানতম অধিকারী। মাতৃকুল ও পিতৃকুলের ঊর্ধ্বতন তিন পুরুষ, পুত্র ও কন্যার অধস্তন তিন পুরুষ এবং ঊর্ধ্বতন মাতৃ ও পিতৃকূলের ছয় পুরুষ—তাঁরা হলেন পুরুষ সপিণ্ড। আর নারী সপিণ্ড পাঁচজন। তাঁরা হলেন: ১. বিধবা স্ত্রী; ২. কন্যা; ৩. মাতা; ৪. পিতার মাতা ও ৫. পিতার পিতার মাতা। পিতৃকুলের সপিণ্ডরা জীবিত থাকলে মাতৃকুলের সপিণ্ডরা সম্পত্তি পান না।

নিম্ন তালিকা অনুসারে সপিণ্ডগণ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সম্পত্তির উত্তরাধিকার হবেন (প্রথম ২০ জন):
১. পুত্র, ২. পুত্রের পুত্র, ৩, পুত্রের পুত্রের পুত্র, ৪. স্ত্রী (পুত্রের স্ত্রী/পুত্রের পুত্রের স্ত্রী/পুত্রের পুত্রের পুত্রের স্ত্রী) ৫. কন্যা, ৬. কন্যার পুত্র, ৭. পিতা, ৮, মাতা, ৯, ভ্রাতা, সহোদর ভ্রাতা না থাকলে বৈমাত্রেয় ভ্রাতা, ১০ ভ্রাতুস্পুত্র, সহোদর না থাকলে বৈমাত্রেয় ভ্রাতার পুত্র, ১১. ভ্রাতুষ্পুত্রের পুত্র, সহোদর ভ্রাতা না থাকলে বৈমাত্রেয় ভ্রাতার পুত্রের পুত্র, ১২. বোনের পুত্র, ১৩. পিতার পিতা, ১৪. পিতার মাতা, ১৫, পিতার ভ্রাতা, ১৬ পিতার ভ্রাতার পুত্র, ১৭. পিতার ভ্রাতা পুত্রের পুত্র, ১৮. পিতার ভগ্নীয় পুত্র, ১৯, পিতার পিতার পিতা, ২০ পিতার পিতার মাতা।

২৫০.
Which Article of The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh has the provision 'The seat of Parliament shall be in the capital.'?
  1. Article 65(4)
  2. Article 65(3A)
  3. Article 65(3)
  4. Article 67
সঠিক উত্তর:
Article 65(4)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Article 65(4)
ব্যাখ্যা
⇒ Article 65. Establishment of Parliament:
 (1) There shall be a Parliament for Bangladesh (to be known as the House of the Nation) in which, subject to the provisions of this Constitution, shall be vested the legislative powers of the Republic: 
 
Provided that nothing in this clause shall prevent Parliament from delegating to any person or authority, by Act of Parliament, power to make orders, rules, regulations, bye laws or other instruments having legislative effect. 
 
(2) Parliament shall consist of three hundred members to be elected in accordance with law from single territorial constituencies by direct election and, for so long as clause (3) is effective, the members provided for in that clause; the members shall be designated as Members of Parliament. 

(3) Until the dissolution of Parliament occurring next after the expiration of the period of twenty five years beginning from the date of the first meeting of the Parliament next after the Parliament in existence at the time of the commencement of the Constitution (Seventeenth Amendment) Act, 2018, there shall be reserved fifty seats exclusively for women members and they will be elected by the aforesaid members in accordance with law on the basis of procedure of proportional representation in the Parliament through single transferable vote : 
Provided that nothing in this clause shall be deemed to prevent a woman from being elected to any of the seats provided for in clause (2) of this article.

(3A) For the remaining period of the Parliament in existence at the time of the commencement of the Constitution (Fifteenth Amendment) Act, 2011, Parliament shall consist of three hundred members elected by direct election provided for in clause (2) and fifty women members provided for in clause (3).

(4) The seat of Parliament shall be in the capital.
২৫১.
একজন যুগ্ম দায়রা জজ সমন্বয়ে গঠিত স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত চার বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে-
  1. দায়রা আদালতে
  2. সিনিয়র স্পেশাল ট্রাইব্যুনালে
  3. হাইকোর্ট বিভাগে
  4. বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতে
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
ব্যাখ্যা
⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ২৬(২) ধারা অনুসারে প্রত্যেক দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ তার নিজস্ব দায়রা বিভাগের মধ্যে এই আইন অনুসারে বিচারযোগ্য অপরাধসমূহের বিচারের জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল বলে গণ্য হবে।
⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ৩০ ধারা অনুসারে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল যে দণ্ডই প্রদান করুক না কেন আপীল করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে ৩০ দিনের মধ্যে।
--------------
⇒ Section 26. Offences under this Act and certain other offences to be tried by Special Tribunals:
(1) Notwithstanding anything contained in the Code or in any other law for the time being in force, the offences specified in the Schedule to this Act shall be triable exclusively by a Special Tribunal constituted under sub-section (2). 

(2) Every Sessions Judge, Additional Sessions Judge and Assistant Sessions Judge shall, for the areas within his sessions division, be a Special Tribunal for the trial of offences triable under this Act 21: 

Provided that the Government may, for the purpose of trial of offences mentioned in paragraphs 3 and 4 of the Schedule to this Act, constitute one or more additional Special Tribunals for such areas as may be specified by the Government and an additional Special Tribunal so constituted shall consist of one member, to be appointed by the Government, who shall be a person who is a Metropolitan Magistrate or a Magistrate of the first class.

(3) A Special Tribunal consisting of the Sessions Judge may transfer, at any stage of the trial, any case from one Special Tribunal to another Special Tribunal within his sessions division.

⇒ Section 30. Appeals and confirmation of death sentences:

(1) An appeal from any order, judgment or sentence of a Special Tribunal may be preferred to the High Court Division within thirty days from the date of delivery or passing thereof. 
(2) Where a Special Tribunal passes a sentence of death, the proceedings shall be submitted forthwith to the High Court Division and the sentence shall not be executed unless it is confirmed by that Division.
২৫২.
According to Article 112, which authorities must assist the Supreme Court?
  1. Only the judicial branch
  2. Only the executive branch
  3. Both executive and legislative branch
  4. Both executive and judicial authorities
সঠিক উত্তর:
Both executive and judicial authorities
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Both executive and judicial authorities
ব্যাখ্যা
Article 112- Action in aid of Supreme Court:
All authorities, executive and judicial, in the Republic shall act in aid of the Supreme Court.

সুপ্রীম কোর্টের সহায়তা:
প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানার অন্তর্ভুক্ত সকল নির্বাহী ও বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষ সুপ্রীম কোর্টের সহায়তা করিবেন।
২৫৩.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ যোগাযোগের গোপনীয়তা রক্ষার অধিকার নিশ্চিত করেছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৪১
  2. অনুচ্ছেদ ৪২
  3. অনুচ্ছেদ ৪৩
  4. অনুচ্ছেদ ৪৪
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৪৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৪৩
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ৪৩: গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ:
রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা, জনসাধারণের নৈতিকতা বা জনস্বাস্থ্যের স্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধা নিষেধ-সাপেক্ষে প্রত্যেক নাগরিকের
(ক) প্রবেশ, তল্লাশী ও আটক হইতে স্বীয় গৃহে নিরাপত্তা লাভের অধিকার থাকিবে; এবং
(খ) চিঠিপত্রের ও যোগাযোগের অন্যান্য উপায়ের গোপনীয়তা রক্ষার অধিকার থাকিবে।

Article 43: Protection of home and correspondence
Every citizen shall have the right, subject to any reasonable restrictions imposed by law in the interests of the security of the State, public order, public morality or public health –
(a) to be secured in his home against entry, search and seizure; and
(b) to the privacy of his correspondence and other means of communication.

২৫৪.
'Rule of Marshalling' অনুযায়ী রেহেন টাকা পরিশোধের ক্ষেত্রে পরবর্তী ক্রেতা কী দাবি করতে পারে?
  1. রেহেন চুক্তি বাতিল করা হোক
  2. সমস্ত সম্পত্তির মালিকানা তাকে দেওয়া হোক
  3. ক্রয়কৃত সম্পত্তি থেকে টাকা পরিশোধ হোক
  4. যে সম্পত্তি ক্রয়কৃত নয়, তা থেকে টাকা পরিশোধ হোক
সঠিক উত্তর:
যে সম্পত্তি ক্রয়কৃত নয়, তা থেকে টাকা পরিশোধ হোক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে সম্পত্তি ক্রয়কৃত নয়, তা থেকে টাকা পরিশোধ হোক
ব্যাখ্যা
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৫৬ ধারা- পরবর্তী ক্রেতা কর্তৃক বিন্যাস (Marshalling by subsequent purchaser):
যদি দুই বা ততোধিক সম্পত্তির মালিক সকল সম্পত্তি প্রথমে একজনের নিকট রেহেন দেয় এবং তারপর এর মধ্য হতে এক বা একাধিক সম্পত্তি অন্য জনের নিকট বিক্রয় করে, তাহলে ক্রেতা যে সম্পত্তি ক্রয় করে নাই, তা হতে রেহেনের টাকা যতদূর সম্ভব, পরিশোধ করে নেওয়ার দাবি করতে পারে; কিন্তু এরূপ দাবি রেহেনগ্রহীতা বা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি অথবা মূল্যের বিনিময়ে এই সম্পত্তির কোন একটি স্বত্ব অর্জন করেছে তেমন কোন ব্যক্তির স্বার্থ ক্ষুন্ন করবে না।

সহজ ভাষায়-
যদি কোনো ব্যক্তি তার মালিকানাধীন একাধিক সম্পত্তি একসাথে বন্ধক (রেহেন) দেয় এবং পরে এই সম্পত্তিগুলোর মধ্য থেকে এক বা একাধিক সম্পত্তি অন্য কাউকে বিক্রি করে, তাহলে যে ক্রেতা সম্পত্তি কিনেছে, সে চাইতে পারে- বন্ধকী টাকা যেন প্রথমে অন্য যেসব সম্পত্তি সে কিনেনি, সেগুলো বিক্রি করে পরিশোধ করা হয়।

তবে শর্ত হলো:
এ দাবির মাধ্যমে বন্ধকগ্রহীতা বা যারা টাকার বিনিময়ে ঐ সম্পত্তিতে অধিকার পেয়েছে, তাদের স্বার্থ যেন কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।
২৫৫.
স্থানীয় এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানী আদালতের উপর জেলা জজের কোন ধরনের নিয়ন্ত্রন থাকবে?
  1. বিচারিক
  2. প্রশাসনিক
  3. প্রশাসনিক ও বিচারিক
  4. বিচারিক ও দাপ্তরিক
সঠিক উত্তর:
প্রশাসনিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশাসনিক
ব্যাখ্যা
• The Civil Courts Act,1887 অনুযায়ী স্থানীয় এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানী আদালতের উপর জেলা জজের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রন থাকবে।

Section 9: Administrative control of Courts-
Subject to the superintendence of the High Court Division, the District Judge shall have administrative control over all the Civil Courts under this Act within the local limits of his jurisdiction.
২৫৬.
শিশু আইনে বিকল্প পন্থা গ্রহণের জন্য বিষয়টি কখন প্রবেশন কর্মকর্তার নিকট প্রেরণ করা যায়?
  1. শিশুকে গ্রেফতারের আগে
  2. সাক্ষ্য গ্রহণের পূর্বে
  3. সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে
  4. বিচার কার্যক্রমের যেকোন পর্যায়ে
সঠিক উত্তর:
বিচার কার্যক্রমের যেকোন পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচার কার্যক্রমের যেকোন পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪৮- বিকল্প পন্থা (diversion)
 
(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশুকে গ্রেফতার বা আটকের পর হইতে বিচার কার্যক্রমের যেকোন পর্যায়ে আনুষ্ঠানিক বিচার কার্যক্রমের পরিবর্তে, শিশুর পারিবারিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, আর্থিক, নৃতাত্ত্বিক, মনস্তাত্ত্বিক ও শিক্ষাগত পটভূমি বিবেচনাপূর্বক, বিরোধীয় বিষয় মীমাংসাসহ তাহার সর্বোত্তম স্বার্থ নিশ্চিতকল্পে বিকল্প পন্থা (diversion) গ্রহণ করা যাইবে। 
 
(২) ফৌজদারি কার্যবিধি বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, শিশুর গ্রেফতারের পর হইতে বিচার কার্যক্রমের যেকোন পর্যায়ে, শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা বা, ক্ষেত্রমত, শিশু-আদালত আনুষ্ঠানিক বিচার প্রক্রিয়ার পরিবর্তে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির নিমিত্ত বিকল্প পন্থা গ্রহণের জন্য বিষয়টি প্রবেশন কর্মকর্তার নিকট প্রেরণ করিতে পারিবে। 
 
(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন বিকল্প পন্থা গ্রহণ করা হইলে সংশ্লিষ্ট শিশু, তাহার মাতা-পিতা এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্য বিকল্প পন্থার শর্ত প্রতিপালন করিতেছে কি না প্রবেশন কর্মকর্তা তাহা লক্ষ্য রাখিবেন এবং বিষয়টি, সময় সময়, শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা বা, ক্ষেত্রমত, শিশু-আদালতকে অবহিত করিবেন। 
 
(৪) শিশু, তাহার মাতা-পিতা এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্য বিকল্প পন্থার কোন শর্ত ভঙ্গ করিলে প্রবেশন কর্মকর্তা বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে লিখিত আকারে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা বা, ক্ষেত্রমত, শিশু-আদালতকে অবহিত করিবেন। 
 
(৫) বিকল্প পন্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া ও পদ্ধতি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে। 
 
(৬) এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে অধিদপ্তর বিকল্প পন্থা বাস্তবায়নের জন্য যথাযথ যুগোপযোগী ও বাস্তবায়নযোগ্য কার্যক্রম গ্রহণ করিতে পারিবে।
২৫৭.
কোন মুসলিম পুরুষ সালিসি পরিষদের অনুমতি ব্যতীত পুনরায় বিবাহ করলে, অনধিক কত বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে?
  1. ৩ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  2. ১ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  3. ১ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. ৩ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১  উত্তরাধিকার, বিবাহ রেজিস্ট্রি, বহুবিবাহ, তালাক, দেনমোহর ও ভরণপোষণ সংক্রান্ত আইন। এ অধ্যাদেশে পারিবারিক বিভিন্ন বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য একটি সালিসী কাউন্সিল গঠনের কথা বলা হয়। স্থানীয় ইউনিয়ন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান এবং প্রতিযোগী পক্ষগণের মধ্য থেকে একজন করে প্রাপ্তবয়স্ক প্রতিনিধি সমন্বয়ে এই কাউন্সিল গঠিত হবে। পৌর এলাকায় পৌরসভার চেয়ারম্যান এবং মিউনিসিপাল কর্পোরেশন এলাকায় কর্পোরেশনের মেয়র বা প্রশাসক সালিসী কাউন্সিলের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করবেন।

৬ ধারায় বলা হয়-
 কোন ব্যক্তির একটি বিবাহ বলবৎ থাকা অবস্থায় সালিস পরিষদের পূর্বানুমতি ছাড়া পুনরায় বিবাহ করতে পারবে না এবং এরূপ অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ সম্পন্ন হলে তা রেজিস্ট্রি করা যাবে না। বিবাহ করতে হলে সালিস পরিষদের অনুমতির জন্য নির্ধারিত ফি দিয়ে নির্ধারিত পদ্ধতিতে চেয়ারম্যানের নিকট আবেদন করতে হবে এবং আবেদনপত্রে প্রস্তাবিত বিবাহের কারণ, প্রয়োজনীয়তা এবং এ বিবাহে বর্তমান স্ত্রী বা স্ত্রীগণের সম্মতি আছে কিনা তা উল্লেখ করতে হবে।

কোন পুরুষ সালিস পরিষদের অনুমতি ব্যতীত যদি আরও একটি বিবাহ করে, তাহলে তাকে-
(ক) অবিলম্বে তার বর্তমান স্ত্রী বা স্ত্রীগণের সমস্ত দেনমোহরের টাকা পরিশোধ করতে হবে। পরিশোধ করা না হলে তা বকেয়া রাজস্বের ন্যায় আদায় করা যাবে;
(খ) অভিযোগক্রমে দোষী সাব্যস্ত হলে তাকে এক বৎসর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা দশ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় দন্ডে দন্ডিত করা হবে
২৫৮.
যদি কোন দলিল দাখিল করতে ক্ষমতাবান নন এমন কোন ব্যক্তি কর্তৃক দাখিলকৃত দলিল নিবন্ধন হয়, তাহলে উক্ত দলিল পুন:নিবন্ধনের জন্য দলিল গ্রহীতা আবেদন করতে পারবে দলিল নিবন্ধন যে অবৈধ হয়েছে তা অবগত হওয়ার-
  1. ২ মাসের মধ্যে
  2. ৩ মাসের মধ্যে
  3. ৪ মাসের মধ্যে
  4. ৬ মাসের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
৪ মাসের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ মাসের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• নিবন্ধন আইনের ২৩ক ধারার বিধান মতে: দলিল নিবন্ধন করার ক্ষমতাসম্পন্ন নয় এমন ব্যক্তি রেজিস্ট্রার বা সাব রেজিস্ট্রারের নিকট কোন দলিল দাখিল করে নিবন্ধন করলে তা অবৈধ বলে গণ্য হবে।

- উক্ত দলিলের নিবন্ধন অবৈধ হয়েছে জানার দিন থেকে ৪ মাসের মধ্যে পুনরায় রেজিস্ট্রারের নিকট নিবন্ধনের জন্য দাখিল করতে হবে।
২৫৯.
'The Election Commission shall be independent in the exercise of its functions'.Which article of the Constitution contains the provision?
  1. Article 118 (2)
  2. Article 118 (1)
  3. Article 118 (3)
  4. Article 118 (4)
সঠিক উত্তর:
Article 118 (4)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Article 118 (4)
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১১৮: নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা

(১) প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন থাকিবে এবং উক্ত বিষয়ে প্রণীত কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারকে নিয়োগদান করিবেন।

(২) একাধিক নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া নির্বাচন কমিশন গঠিত হইলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার তাহার সভাপতিরূপে কার্য করিবেন।

(৩) এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে কোন নির্বাচন কমিশনারের পদের মেয়াদ তাঁহার কার্যভার গ্রহণের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসরকাল হইবে এবং
(ক) প্রধান নির্বাচন কমিশনার-পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন, এমন কোন ব্যক্তি প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না;
(খ) অন্য কোন নির্বাচন কমিশনার অনুরূপ পদে কর্মাবসানের পর প্রধান নির্বাচন কমিশনাররূপে নিয়োগলাভের যোগ্য হইবেন, তবে অন্য কোনভাবে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না।

(৪) নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকিবেন এবং কেবল এই সংবিধান ও আইনের অধীন হইবেন।

(৫) সংসদ কর্তৃক প্রণীত যে কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে নির্বাচন কমিশনারদের কর্মের শর্তাবলী রাষ্ট্রপতি আদেশের দ্বারা যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সেইরূপ হইবে; তবে শর্ত থাকে যে, সুপ্রীম কোর্টের বিচারক যেরূপ পদ্ধতি ও কারণে অপসারিত হইতে পারেন, সেইরূপ পদ্ধতি ও কারণ ব্যতীত কোন নির্বাচন কমিশনার অপসারিত হইবেন না।

(৬) কোন নির্বাচন কমিশনার রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ করিয়া স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন।

Article 118: Establishment of Election Commission

(1) There shall be an Election Commission for Bangladesh consisting of 67[the Chief Election Commissioner and not more than four Election Commissioners] and the appointment of the Chief Election Commissioner and other Election Commissioners (if any) shall, subject to the provisions of any law made in that behalf, be made by the President. 
 
(2) When the Election Commission consists of more than one person, the Chief Election Commissioner shall act as the chairman thereof. 

(3) Subject to the provisions of this Constitution the term of office of an Election Commissioner shall be five years from the date on which he enters upon his office, and – 
(a) a person who has held office as Chief Election Commissioner shall not be eligible for appointment in the service of the Republic; 
(b) any other Election Commissioner shall, on ceasing to hold office as such, be eligible for appointment as Chief Election Commissioner but shall not be otherwise eligible for appointment in the service of the Republic. 
 
(4) The Election Commission shall be independent in the exercise of its functions and subject only to this Constitution and any other law. 

(5) Subject to the provisions of any law made by Parliament, the conditions of service of Election Commissioners shall be such as the President may, by order, determine: 
Provided that an Election Commissioner shall not be removed from his office except in like manner and on the like grounds as a Judge of the Supreme Court. 

(6) An Election Commissioner may resign his office by writing under his hand addressed to the President.
২৬০.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর অধীনে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হলে, ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারার বিধান অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করতে হবে?
  1. ধারা ২৭৪
  2. ধারা ৩৭৪
  3. ধারা ১৭৪
  4. ধারা ৪৭৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৭৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৭৪
ব্যাখ্যা
ধারা ২৯: মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন-
 
এই আইনের অধীনে কোন ট্রাইব্যুনাল, মৃত্যুদণ্ড প্রদান করিলে সংশ্লিষ্ট মামলার নথিপত্র অবিলম্বে ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৩৭৪ এর বিধান অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করিতে হইবে এবং উক্ত বিভাগের অনুমোদন ব্যতীত মৃতুদণ্ড কার্যকর করা যাইবে না।
 
Section 29: Confirmation of death penalty-
 
When any Tribunal under this Act passes the sentence of death, the proceeding shall immediately be sent to the High Court Division according to the provision of section 374 of the Code of Criminal Procedure and the sentence shall not be executed unless it is confirmed by the High Court Division.
২৬১.
Every promise and every set of promises, forming the consideration for each other, is ___________.
  1. proposal
  2. contract
  3. agreement
  4. reciprocal promise
সঠিক উত্তর:
agreement
উত্তর
সঠিক উত্তর:
agreement
ব্যাখ্যা
Contract Act, 1872 এর  (Section 2(e)-
“Every promise and every set of promises, forming the consideration for each other, is an agreement.”

বাংলা:
“প্রত্যেক প্রতিশ্রুতি এবং প্রতিশ্রুতিগুচ্ছ, যেগুলি একে অপরের প্রতিদান বা বিবেচনা (consideration) হিসেবে গৃহীত হয়, তা একটি  'agreement' গঠন করে।”
২৬২.
হিন্দু আইনে পিতার মাতা এবং পিতার পিতার মাতা কী হিসেবে গণ্য হন?
  1. ট্রাস্টি
  2. নারী সপিণ্ড
  3. পুরুষ সপিণ্ড
  4. দূর সম্পর্কের আত্মীয়
সঠিক উত্তর:
নারী সপিণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারী সপিণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের সম্পত্তি বণ্টন দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে হয়ে থাকে। এই মতবাদ অনুযায়ী, উত্তরাধিকার নির্ধারণের সময় মৃত ব্যক্তির আত্মার কল্যাণের জন্য আধ্যাত্মিক নীতি (ডকট্রিন অব স্পিরিচুয়াল বিলিফ) অনুসরণ করা হয়। হিন্দু ধর্মাবলম্বী একজন ব্যক্তি মারা গেলে, তার আত্মার সদ্‌গতি কামনা করে শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হয়। শেষকৃত্যের তিনটি প্রধান ধাপ রয়েছে:
১. পিণ্ডদান
২. পিণ্ডলেপ
৩. জলদান

⇒ মৃত ব্যক্তির শ্রাদ্ধে যে ব্যক্তি পিণ্ডদান করতে পারেন, তাকে ‘সপিণ্ড’ বলা হয়। সপিণ্ডরা মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির প্রধান অধিকারী হিসেবে গণ্য হন। সপিণ্ডের মধ্যে মাতৃকুল ও পিতৃকুলের ঊর্ধ্বতন তিন পুরুষ, পুত্র ও কন্যার অধস্তন তিন পুরুষ এবং ঊর্ধ্বতন মাতৃ ও পিতৃকূলের ছয় পুরুষ—এরা পুরুষ সপিণ্ড হিসেবে পরিচিত। নারী সপিণ্ডের মধ্যে পাঁচটি ব্যক্তি অন্তর্ভুক্ত হন, যাঁরা হলেন:
১. বিধবা স্ত্রী
২. কন্যা
৩. মাতা
৪. পিতার মাতা
৫. পিতার পিতার মাতা।

⇒ পিতার মাতা এবং পিতার পিতার মাতা নারী সপিণ্ড হিসেবে গণ্য হন। সপিণ্ডরা মৃত ব্যক্তির শ্রাদ্ধ ও পিণ্ডদান প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে, এবং এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে, তারা মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির প্রধান অধিকারীও হয়ে থাকেন। নারী সপিণ্ডের মধ্যে এই দুইজন অন্তর্ভুক্ত হন।
২৬৩.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এ লাইসেন্স বা পারমিট একাদিক্রমে কত বছর নবায়ন না করলে পুনরায় নবায়নের যোগ্য হবে না?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৪ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ১৩(২)-এর শর্তাংশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে: "কোনো লাইসেন্স অথবা পারমিট একাদিক্রমে ৩ (তিন) বৎসর নবায়ন না করা হইলে উহা পুনরায় নবায়নের যোগ্য হইবে না।"
অর্থাৎ, যদি কোনো লাইসেন্স বা পারমিট ধারাবাহিকভাবে তিন বছর নবায়ন না করা হয়, তবে তা আর নবায়নের যোগ্য থাকবে না। এরপর নতুন করে আবেদন করতে হতে পারে।

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ১৩ ধারার বিধান লাইসেন্স, ইত্যাদি: 
(১) লাইসেন্স, পারমিট ও পাস বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, ফরমে, শর্তে এবং ফিস প্রদান সাপেক্ষে মহাপরিচালক অথবা তাহার নিকট হইতে এতদুদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো অফিসার কর্তৃক প্রদান করা যাইবে।
(২) লাইসেন্স, পারমিট অথবা পাসের মেয়াদ উহাতে উল্লিখিত শর্তে নির্ধারিত সময় পর্যন্ত অথবা উহার প্রদানের তারিখ হইতে সংশ্লিষ্ট অর্থ বৎসর সমাপ্ত হওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকিবে: 
তবে শর্ত থাকে, কোনো লাইসেন্স অথবা পারমিট একাদিক্রমে ৩ (তিন) বৎসর নবায়ন না করা হইলে উহা পুনরায় নবায়নের যোগ্য হইবে না।

২৬৪.
মুসলিম শরীয়াহ অনুযায়ী, কোরআনিক অংশীদারদের মধ্যে কতজন পুরুষ ও কতজন মহিলা?
  1. ৬ পুরুষ, ৬ মহিলা
  2. ৪ পুরুষ, ৮ মহিলা
  3. ৫ পুরুষ, ৭ মহিলা
  4. ৩ পুরুষ, ৯ মহিলা
সঠিক উত্তর:
৪ পুরুষ, ৮ মহিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ পুরুষ, ৮ মহিলা
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম শরীয়া আইন অনুযায়ী মোট ১২ জন কোরানিক অংশীদার রয়েছে।
যথা- অংশীদার বলতে কোরানিক অংশীদারদেরকে বুঝানো হয়।
- কোরআনিক অংশীদারদের মোট ১২ জনের মধ্যে পুরুষ ৪ জন এবং মহিলা ৮ জন রয়েছেন।
- পুরুষ (৪ জন):
১. স্বামী (Husband)
২. বাবা (Father)
৩. দাদা (True Grandfather)
৪. বৈপিত্রেয় ভাই (Uterine Brother)

- মহিলা (৮ জন):
১. স্ত্রী (Wife)
২. মা (Mother)
৩. কন্যা (Daughter)
৪. পুত্রের কন্যা (Son's Daughter)
৫. দাদী (True Grandmother)
৬. আপন বোন (Full Sister)
৭. বৈমাত্রেয় বোন (Consanguine Sister)
৮. বৈপিত্রেয় বোন (Uterine Sister)

সুতরাং, সঠিক উত্তর: খ) ৪ পুরুষ, ৮ মহিলা।

২৬৫.
সংসদ মৌলিক অধিকার বলবৎ করার ক্ষমতা অন্য আদালতকে দিতে পারে-
  1. রাষ্ট্রপতির নির্দেশে
  2. সুপ্রীম কোর্টের অনুমোদনে
  3. আইন প্রণয়নের মাধ্যমে
  4. প্রধান বিচারপতির পরামর্শে
সঠিক উত্তর:
আইন প্রণয়নের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইন প্রণয়নের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
উত্তর: আইন প্রণয়নের মাধ্যমে।

অনুচ্ছেদ ৪৪: মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ
(১) এই ভাগে প্রদত্ত অধিকারসমূহ বলবৎ করিবার জন্য এই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগের নিকট মামলা রুজু করিবার অধিকারের নিশ্চয়তা দান করা হইল। 

(২) এই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীন হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতার হানি না ঘটাইয়া সংসদ আইনের দ্বারা অন্য কোন আদালতকে তাহার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে ঐ সকল বা উহার যে কোন ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষমতা দান করিতে পারিবেন।

Article 44: Enforcement of fundamental rights
(1) The right to move the High Court Division in accordance with clause (1) of article 102, for the enforcement of the rights conferred by this Part is guaranteed. 

(2) Without prejudice to the powers of the High Court Division under article 102, Parliament may by law empower any other court, within the local limits of its jurisdiction, to exercise all or any of those powers.
২৬৬.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইনের ৮গ ধারা অনুযায়ী সুপ্রীম কোর্ট কমিটির সভার কার্যপদ্ধতি কী দ্বারা নির্ধারণ করা হয়?
  1. রাষ্ট্রপতির আদেশে দ্বারা
  2. মন্ত্রণালয়ের আদেশে দ্বারা
  3. সুপ্রীম কোর্ট কমিটি দ্বারা
  4. সরকারি প্রজ্ঞাপন দ্বারা
সঠিক উত্তর:
সুপ্রীম কোর্ট কমিটি দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রীম কোর্ট কমিটি দ্বারা
ব্যাখ্যা

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ৮গ ধারার (১) উপ-ধারা অনুসারে, সুপ্রীম কোর্ট কমিটি উহার সভার কার্যপদ্ধতি নিজেই নির্ধারণ করিতে পারিবে। এর অর্থ হলো, কমিটি নিজের বিবেচনায় সভা পরিচালনার নিয়ম-কানুন প্রণয়ন করতে পারে, এবং এই ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির আদেশ, মন্ত্রণালয়ের আদেশ বা সরকারি প্রজ্ঞাপনের কোনো ভূমিকা নেই। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) সুপ্রীম কোর্ট কমিটি দ্বারা।

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ৮গ ধারার বিধান সুপ্রীম কোর্ট কমিটির সভা:
(১) এই ধারার অন্যান্য বিধানাবলী সাপেক্ষে, সুপ্রীম কোর্ট কমিটি উহার সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করিতে পারিবে।
(২) সুপ্রীম কোর্ট কমিটির সভা উহার চেয়ারম্যান কর্তৃক নির্ধারিত স্থান ও সময়ে অনুষ্ঠিত হইবে:
 তবে শর্ত থাকে যে, প্রতি দুইমাস অন্তর অন্তর কমপক্ষে একটি সভা অনুষ্ঠিত হইবে।
(৩) সুপ্রীম কোর্ট কমিটির চেয়ারম্যান উক্ত কমিটির সকল সভায় সভাপতিত্ব করিবেন।
(৪) সুপ্রীম কোর্ট কমিটির সভার কোরামের জন্য উহার মোট সদস্য সংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ সদস্যের উপস্থিতির প্রয়োজন হইবে, তবে মূলতবী সভার ক্ষেত্রে কোন কোরামের প্রয়োজন হইবে না।
(৫) শুধুমাত্র কোন সদস্য পদের শূন্যতা বা কমিটি গঠনে ক্রটি থাকার কারণে কমিটির কোন কার্য বা কার্যধারা অবৈধ হইবে না এবং তৎসম্পর্কে কোন প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।

২৬৭.
হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ অনুযায়ী, হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক হিসাবে নিয়োগ পাওয়ার জন্য যোগ্যতা কিভাবে নির্ধারিত হবে?
  1. বিধি দ্বারা
  2. আদালত দ্বারা
  3. সরকারি গেজেট দ্বারা
  4. জেলা রেজিস্ট্রার দ্বারা
সঠিক উত্তর:
বিধি দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি দ্বারা
ব্যাখ্যা
⇒ হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ এর ধারা ৪(৩) অনুযায়ী, হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক হিসাবে নিয়োগ পাওয়ার জন্য যোগ্যতা, অধিক্ষেত্র এবং অন্যান্য বিষয়াদি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হবে।
- অর্থাৎ, সরকারের প্রণীত বিধির মাধ্যমে এই যোগ্যতা এবং অন্যান্য শর্তাবলী নির্ধারিত হবে, যা হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক নিয়োগের জন্য প্রযোজ্য।

⇒ হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ ধারা ৪ বিবাহ নিবন্ধক নিয়োগ: 
 (১) এই আইনের অধীন হিন্দু বিবাহ নিবন্ধনের উদ্দেশ্যে, সরকার, সিটি কর্পোরেশন এলাকার ক্ষেত্রে তদ্কর্তৃক সময় সময় নির্ধারিত এলাকা, এবং সিটি কর্পোরেশন বহির্ভূত এলাকার ক্ষেত্রে প্রতিটি উপজেলা এলাকায় একজন ব্যক্তিকে হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক হিসেবে নিয়োগ প্রদান করিবে। 
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন নিয়োগপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক হিসাবে অভিহিত হইবেন। 
(৩) হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্তির যোগ্যতা, অধিক্ষেত্র, হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক কর্তৃক আদায়যোগ্য ফিস এবং তৎসংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়াদি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে।
২৬৮.
পারিবারিক আদালত বিবাদীর প্রার্থনামতে লিখিত বর্ণনা দাখিলের জন্য সর্বোচ্চ সময় দিতে পারে-
  1. অন্যূন ২১ দিন
  2. ২১ কর্মদিবস
  3. অনধিক ২১ দিন
  4. অন্যূন ২১ কর্মদিবস
সঠিক উত্তর:
অনধিক ২১ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ২১ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩-এর ধারা ৮ লিখিত জবাব:
(১) বিবাদীর উপস্থিতির জন্য নির্ধারিত তারিখে, বাদী ও বিবাদী পারিবারিক আদালতে হাজির হইবে এবং বিবাদী তাহার আত্মপক্ষ সমর্থনে লিখিত জবাব দাখিল করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, বিবাদী উপযুক্ত কারণ প্রদর্শনপূর্বক সময় প্রার্থনা করিলে আদালত তাহার আত্মপক্ষ সমর্থনে লিখিত জবাব দাখিলের জন্য অনধিক ২১(একুশ) দিনের মধ্যে অপর একটি তারিখ ধার্য করিতে পারিবে।
(২) লিখিত জবাবে আত্মপক্ষ সমর্থনে উপস্থিত করিতে ইচ্ছুক সাক্ষীগণের নাম ও ঠিকানার তফসিল থাকিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, বিবাদী আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে, পরবর্তী যেকোনো পর্যায়ে সাক্ষী আহ্বান করিতে পারিবে, যদি আদালত মনে করে যে, ন্যায়বিচারের স্বার্থে উক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ প্রয়োজন।
(৩) যেক্ষেত্রে বিবাদী তাহার আত্মপক্ষ সমর্থনে সাক্ষ্য হিসাবে তাহার দখলে বা ক্ষমতাধীনে রহিয়াছে এইরূপ কোনো দলিলের উপর নির্ভর করেন সেইক্ষেত্রে তিনি লিখিত জবাব দাখিলের সময় আদালতে উহা উপস্থাপন করিবেন এবং একই সময় উক্ত দলিল বা উহার কোনো অবিকল নকল বা ছায়ালিপি বা অন্য যেকোনো কপি লিখিত জবাবের সহিত নথিভুক্ত করিবার জন্য দাখিল করিবেন এবং উক্ত দলিল একটি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করিয়া উহা লিখিত জবাবের সহিত সংযুক্ত করিবেন।
(৪) যেক্ষেত্রে বিবাদী তাহার লিখিত জবাবের সমর্থনে সাক্ষ্য হিসাবে এমন কোনো দলিলের উপর নির্ভর করেন যাহা তাহার দখলে বা ক্ষমতাধীন নাই, সেইক্ষেত্রে তিনি লিখিত জবাবের সহিত সংযুক্ত করিবার তালিকায় এইরূপ দলিল অন্তর্ভুক্ত করিবেন এবং যাহার দখলে বা ক্ষমতাধীন উহা রহিয়াছে তাহা উল্লেখ করিবেন।
(৫) উপধারা (২), (৩) ও (৪) এ বর্ণিত তপশিল ও দলিলসমূহের তালিকাসহ মোকদ্দমাতে যতসংখ্যক বাদী রহিয়াছে তাহার দ্বিগুণসংখ্যক লিখিত জবাবের অবিকল নকল লিখিত জবাবের সহিত প্রদান করিতে হইবে।
(৬) উপধারা (৫) এ বর্ণিত তপশিল, দলিল এবং দলিলসমূহের তালিকাসহ লিখিত জবাবের অনুলিপি বাদী, ক্ষেত্রমত, আদালতে উপস্থিত তাহার প্রতিনিধি বা আইনজীবীকে প্রদান করিতে হইবে।
(৭) যেক্ষেত্রে লিখিত জবাব দাখিল করিবার সময় বিবাদী কর্তৃক কোনো দলিল আদালতে দাখিল করিবার প্রয়োজন ছিল অথবা লিখিত জবাবের সহিত সংযুক্ত করিবার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করিবার প্রয়োজন ছিল তবে উহা দাখিল বা অন্তর্ভুক্ত করা হয় নাই, সেইক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি ব্যতীত, মোকদ্দমার শুনানিতে উক্ত দলিল তাহার অনুকূলে সাক্ষ্য হিসাবে গৃহীত হইবে না।
(৮) আদালত কোনো ব্যতিক্রমী ক্ষেত্র ব্যতীত উপধারা (৭) এর অধীন কোনো দলিল অন্তর্ভুক্তির অনুমতি প্রদান করিবে না।

২৬৯.
এই সংবিধানকে "গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান" বলিয়া উল্লেখ করা হইবে- সংবিধানের কোথায় বলা হয়েছে?
  1. প্রস্তাবনায়
  2. অনুচ্ছেদ ১৫২
  3. অনুচ্ছেদ ১৪৮
  4. অনুচ্ছেদ ১৫৩
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৫৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৫৩
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৫৩: প্রবর্তন, উল্লেখ ও নির্ভরযোগ্য পাঠ

(১) এই সংবিধানকে "গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান" বলিয়া উল্লেখ করা হইবে এবং ১৯৭২ সালের ডিসেম্বর মাসের ১৬ তারিখে ইহা বলবৎ হইবে, যাহাকে এই সংবিধানে "সংবিধান-প্রবর্তন" বলিয়া অভিহিত করা হইয়াছে।

(২) বাংলায় এই সংবিধানের একটি নির্ভরযোগ্য পাঠ ও ইংরাজীতে অনুদিত একটি নির্ভরযোগ্য অনুমোদিত পাঠ থাকিবে এবং উভয় পাঠ নির্ভরযোগ্য বলিয়া গণপরিষদের স্পীকার সার্টিফিকেট প্রদান করিবেন।

(৩) এই অনুচ্ছেদের (২) দফা-অনুযায়ী সার্টিফিকেটযুক্ত কোন পাঠ এই সংবিধানের বিধানাবলীর চূড়ান্ত প্রমাণ বলিয়া গণ্য হইবে; তবে শর্ত থাকে যে, বাংলা ও ইংরাজী পাঠের মধ্যে বিরোধের ক্ষেত্রে বাংলা পাঠ প্রাধান্য পাইবে।

Article 153: Commencement, citation and authenticity

(1) This Constitution may be cited as the Constitution of the People's Republic of Bangladesh and shall come into force on the sixteenth day of December, 1972, in this Constitution referred to as the commencement of this Constitution.

(2) There shall be an authentic text of this Constitution in Bengali, and an authentic text of an authorised translation in English, both of which shall be certified as such by the Speaker of the Constituent Assembly. 

(3) A text certified in accordance which clause (2) shall be conclusive evidence of the provisions of this Constitution: Provided that in the event of conflict between the Bengali and the English text, the Bengali text shall prevail.
২৭০.
সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হিসেবে নিয়োগ পেতে একজন এ্যাডভোকেটকে সর্বনিম্ন কত বছর প্র্যাকটিস করতে হয়?
  1. ৫ বছর
  2. ১০ বছর
  3. ১৫ বছর
  4. ২০ বছর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯৫(২)(ক) অনুযায়ী:
“(২) কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক না হইলে, এবং
(ক) সুপ্রীম কোর্টে অন্যূন দশ বৎসরকাল এ্যাডভোকেট না থাকিয়া থাকিলে; ...
তিনি বিচারকপদে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না।”
অর্থাৎ, সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হিসেবে নিয়োগের জন্য একজন ব্যক্তিকে কমপক্ষে ১০ বছরকাল সুপ্রীম কোর্টে এ্যাডভোকেট হিসেবে প্র্যাকটিস করতে হবে।
এটি যোগ্যতার একটি প্রধান শর্ত।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯৫ বিচারক-নিয়োগ
(১) প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং প্রধান বিচারপতির সহিত পরামর্শ করিয়া রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করিবেন। 
(২) কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক না হইলে, এবং 
(ক) সুপ্রীম কোর্টে অন্যূন দশ বৎসরকাল এ্যাডভোকেট না থাকিয়া থাকিলে; অথবা 
(খ) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে অন্যূন দশ বৎসর কোন বিচার বিভাগীয় পদে অধিষ্ঠান না করিয়া থাকিলে; অথবা 
(গ) সুপ্রীমকোর্টের বিচারক পদে নিয়োগলাভের জন্য আইনের দ্বারা নির্ধারিত যোগ্যতা না থাকিয়া থাকিলে ; 
তিনি বিচারকপদে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না। 
(৩) এই অনুচ্ছেদে ‘‘সুপ্রীম কোর্ট’’ বলিতে এই সংবিধান প্রবর্তনের পূর্বে যে কোন সময়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে যে আদালত হাইকোর্ট হিসাবে এখতিয়ার প্রয়োগ করিয়াছে, সেই আদালত অন্তর্ভুক্ত হইবে।
২৭১.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এ “স্পেশাল জজ” বলতে কোন আইনের অধীনে নিযুক্ত জজকে বোঝায়?
  1. The Anti-Corruption Act, 1957
  2. The Criminal Law Amendment Act, 1958
  3. The Code of Criminal Procedure, 1898
  4. The Anti-Corruption (Tribunal) Ordinance, 1960
সঠিক উত্তর:
The Criminal Law Amendment Act, 1958
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Criminal Law Amendment Act, 1958
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ২(ঠ):
“স্পেশাল জজ” অর্থ the Criminal Law Amendment Act, 1958 (Act No. XL of 1958) এর section 3 এর অধীন নিযুক্ত Special Judge৷
২৭২.
কোন ব্যাক্তি নৈতিক স্খলনজনিত কোন ফৌজদারী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে অন্যূন দুই বৎসরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন এবং তাঁহার মুক্তিলাভের পরে কত বছর পর সংসদে নির্বাচিত হবার যোগ্য হবেন?
  1. ২ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের বিধান: সংসদে নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা:

(১) কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক হইলে এবং তাঁহার বয়স পঁচিশ বৎসর পূর্ণ হইলে এই অনুচ্ছেদের (২) দফায় বর্ণিত বিধান-সাপেক্ষে তিনি সংসদের সদস্য নির্বাচিত হইবার এবং সংসদ-সদস্য থাকিবার যোগ্য হইবেন।

(২) কোন ব্যক্তি সংসদের সদস্য নির্বাচিত হইবার এবং সংসদ-সদস্য থাকিবার যোগ্য হইবেন না, যদি

(ক) কোন উপযুক্ত আদালত তাঁহাকে অপ্রকৃতিস্থ বলিয়া ঘোষণা করেন;
(খ) তিনি দেউলিয়া ঘোষিত হইবার পর দায় হইতে অব্যাহতি লাভ না করিয়া থাকেন;
(গ) তিনি কোন বিদেশী রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন করেন কিংবা কোন বিদেশী রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য ঘোষণা বা স্বীকার করেন;
(ঘ) তিনি নৈতিক স্খলনজনিত কোন ফৌজদারী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হইয়া অন্যূন দুই বৎসরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন এবং তাঁহার মুক্তিলাভের পর পাঁচ বৎসরকাল অতিবাহিত না হইয়া থাকে;
(ঙ) তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের অধীন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত হইয়া থাকেন;
(চ) আইনের দ্বারা পদাধিকারীকে অযোগ্য ঘোষণা করিতেছে না, এমন পদ ব্যতীত তিনি প্রজাতন্ত্রের কর্মে কোন লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত থাকেন; অথবা
(ছ) তিনি কোন আইনের দ্বারা বা অধীন অনুরূপ নির্বাচনের জন্য অযোগ্য হন।

(২ক) এই অনুচ্ছেদের (২) দফার (গ) উপ-দফা তে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন ব্যক্তি জন্মসূত্রে বাংলাদেশের নাগরিক হইয়া কোন বিদেশী রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন করিলে এবং পরবর্তীতে উক্ত ব্যক্তি-
(ক) দ্বৈত নাগরিকত্ব গ্রহণের ক্ষেত্রে, বিদেশী রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ত্যাগ করিলে; কিংবা
(খ) অন্য ক্ষেত্রে, পুনরায় বাংলাদেশের নাগরিকত্ব গ্রহণ করিলে-
এই অনুচ্ছেদের উদ্দেশ্য সাধনকল্পে তিনি বিদেশী রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন না।
 
(৩) এই অনুচেছদের উদ্দেশ্য সাধনকল্পে কোন ব্যক্তি কেবল রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পীকার, ডেপুটি স্পীকার, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা উপ-মন্ত্রী হইবার কারণে প্রজাতন্ত্রের কর্মে কোন লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত বলিয়া গণ্য হইবেন না।

(৪) কোন সংসদ-সদস্য তাঁহার নির্বাচনের পর এই অনুচ্ছেদের (২) দফায় বর্ণিত অযোগ্যতার অধীন হইয়াছেন কি না কিংবা এই সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুসারে কোন সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হইবে কি না, সে সম্পর্কে কোন বিতর্ক দেখা দিলে শুনানী ও নিষ্পত্তির জন্য প্রশ্নটি নির্বাচন কমিশনের নিকট প্রেরিত হইবে এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে কমিশনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে।

(৫) এই অনুচ্ছেদের (৪) দফার বিধানাবলী যাহাতে পূর্ণ কার্যকরতা লাভ করিতে পারে, সেই উদ্দেশ্যে নির্বাচন কমিশনকে ক্ষমতাদানের জন্য সংসদ যেরূপ প্রয়োজন বোধ করিবেন, আইনের দ্বারা সেইরূপ বিধান করিতে পারিবেন।
২৭৩.
কোনো আইন পূর্ববর্তী আইনকে বাতিল করে প্রণীত হলে, বিলোপকারী আইনটি [Repealing Act] বাতিলকৃত আইনের অধীনে কোনো আইনগত কার্যক্রম-
  1. অকার্যকর করবে
  2. স্থগিত রাখবে
  3. ক্ষুন্ন করবে না
  4. বাতিল করবে
সঠিক উত্তর:
ক্ষুন্ন করবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষুন্ন করবে না
ব্যাখ্যা
• জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের ৬ ধারায় বলা আছে- যখন কোনো আইন বা প্রবিধি অন্য কোনো আইনকে রহিত করে তখন:

১. রহিতকরণ আইন  রহিত হওয়ার সময় কার্যকর ছিল না বা অস্তিত্ব ছিল না এরূপ কোনো আইনকে পুনর্জীবিত করবে না।
২. রহিত হয়ে যাওয়া কোনো আইন [Repealed Act]-এর অধীনে যথাযথভাবে কৃত ব্য ব্যাহত কোনো কিছুকে রহিতকরণ আইন [Repealing Act] ক্ষুণ্ণ করবে না।
৩. রহিত কোনো আইনের অধীনে অর্জিত বা প্রাপ্ত কোনো অধিকার, বাধ্যবাধকতা বা দায়কে রহিতকরণ আইন [Repealing Act] ক্ষুণ্ণ করবে না।
৪. রহিত আইনের অধীনে কৃত কোনো অপরাধের ক্ষেত্রে প্রদত্ত কোনো দণ্ড, বাজেয়াপ্তকরণ বা শাস্তিকে ক্ষুণ্ণ করবে না।
৫. উল্লিখিত অধিকার, বাধ্যবাধকতা, দায়, দণ্ড, বাজেয়াপ্তকরণ বা শাস্তি-সম্পর্কিত কোনো তদন্ত, আইনগত কার্যক্রম [Legal Proceeding] বা প্রতিকারকে রহিতকরণ আইন [Repealing Act] ক্ষুণ্ণ করবে না।
পূর্বের আইনের অধীনে কোনো আইনগত কার্যক্রম চলমান থাকলে তা অব্যাহত থাকবে এবং তার অধীনে দও, বাজেয়াপ্ত বা শাস্তিও আরোপ করা যাবে যেন বিলোপকারী আইনটি [Repealing Act] প্রণীত হয় নাই।

Section 6: Effect of repeal

Where this Act, or any Act of Parliament or Regulation made after the commencement of this Act, repeals any enactment hitherto made or hereafter to be made, then, unless a different intention appears, the repeal shall not- 
(a) revive anything not in force or existing at the time at which the repeal takes effect; or 
(b) affect the previous operation of any enactment so repealed or anything duly done or suffered thereunder; or 
(c) affect any right, privilege, obligation or liability acquired, accrued or incurred under any enactment so repealed; or 
(d) after any penalty, forfeiture or punishment incurred in respect of any offence committed against any enactment so repealed; or
(e) affect any investigation, legal proceeding or remedy in respect of any such right, privilege, obligation, liability, penalty, forfeiture or punishment as aforesaid; 
and any such investigation, legal proceeding or remedy may be instituted, continued or enforced, and any such penalty, forfeiture or punishment may be imposed as if the repealing Act or Regulation had not been passed.
২৭৪.
হিন্দু আইনের দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে নারী সপিণ্ড কয়জন?
  1. ৩ জন
  2. ৪ জন
  3. ৭ জন
  4. ৫ জন
সঠিক উত্তর:
৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ জন
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের সম্পত্তি বণ্টন হয়ে থাকে দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে। এই মতবাদ অনুসারে উত্তরাধিকার নির্ণয় করতে যে নীতি অনুসরণ করা হয়, তা হলো মৃত ব্যক্তির আত্মার কল্যাণে আধ্যাত্মিক নীতি (ডকট্রিন অব স্পিরিচুয়াল বিলিফ)। হিন্দু ধর্মাবলম্বী কোনো মানুষ মারা গেলে মৃত ব্যক্তির আত্মার সদ্‌গতির জন্য শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে হয়। শেষকৃত্যের তিনটি ধাপ আছে-
১. পিণ্ডদান;
২. পিণ্ডলেপ ও
৩. জলদান।

⇒ মৃত ব্যক্তির শ্রাদ্ধে যে ব্যক্তি পিণ্ডদানের অধিকারী, তাকে বলা হয় ‘সপিণ্ড’। সপিণ্ডরাই মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির প্রধানতম অধিকারী। মাতৃকুল ও পিতৃকুলের ঊর্ধ্বতন তিন পুরুষ, পুত্র ও কন্যার অধস্তন তিন পুরুষ এবং ঊর্ধ্বতন মাতৃ ও পিতৃকূলের ছয় পুরুষ— তাঁরা হলেন পুরুষ সপিণ্ড। আর নারী সপিণ্ড পাঁচজন।
-তাঁরা হলেন:
১. বিধবা স্ত্রী;
২. কন্যা;
৩. মাতা;
৪. পিতার মাতা ও
৫. পিতার পিতার মাতা।
২৭৫.
চুক্তি আইনের কত ধারায় "ক্ষতিপূরণের চুক্তি" সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
  1. ধারা ১১০
  2. ধারা ১২০
  3. ধারা ১২৪
  4. ধারা ১৩০
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২৪
ব্যাখ্যা
• চুক্তি আইনের ১২৪ ধারা- "ক্ষতিপূরণের চুক্তি”-এর সংজ্ঞা:
- যে চুক্তির মাধ্যমে এক পক্ষ অপর পক্ষকে স্বয়ং অঙ্গীকারকারীর আচরণ বা অন্য কোন ব্যক্তির আচরণ হতে সৃষ্ট ক্ষতি হতে রক্ষা করার অঙ্গীকার করেন, তাকে ক্ষতিপূরণের চুক্তি বলে।

উদাহরণ:
'ক' কোন বিশেষ ২০০ টাকা সম্পর্কে 'খ'-এর বিরুদ্ধে 'গ'-এর সম্ভাব্য আইনগত কার্যধারা পরিচালনার বিরুদ্ধে 'খ'-কে ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য চুক্তি করেন। তা একটি ক্ষতিপূরণের চুক্তি।

Section 124- "Contract of indemnity" defined:
A contract by which one party promises to save the other from loss caused to him by the conduct of the promisor himself, or by the conduct of any other person, is called a "contract of indemnity".

Illustration-
A contracts to indemnify B against the consequences of any proceedings which C may take against B in respect of a certain sum of 200 Taka. This is a contract of indemnity.
২৭৬.
ইসলামী পরিভাষায় ‘ফারায়েয’ কী বোঝায়?
  1. মৃত ব্যক্তির ওসিয়ত
  2. মৃত ব্যক্তির ঋণ পরিশোধ
  3. মৃত ব্যক্তির জানাজার নামাজ
  4. মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকার সম্পত্তি বণ্টনের বিধান
সঠিক উত্তর:
মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকার সম্পত্তি বণ্টনের বিধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকার সম্পত্তি বণ্টনের বিধান
ব্যাখ্যা
⇒ 'ফারায়েয' (فرائض) শব্দটি আরবি 'ফরীযাহ' (فريضة) এর বহুবচন, যার অর্থ হলো ফরযকৃত বা নির্ধারিত বিষয়।
- ইসলামী শরীয়তে ‘ফারায়েয’ বলতে মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি তার উত্তরাধিকারীদের মধ্যে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী বণ্টনের বিধানকে বোঝায়।
একজন ব্যক্তি মারা গেলে তার সম্পত্তি কয়েকটি পর্যায়ে ব্যবস্থাপনা করা হয়:
১. প্রথমে তার দাফন-কাফনের খরচ মেটানো হয়।
২. এরপর তার ঋণ (যদি থাকে) পরিশোধ করা হয়।
৩. তারপর যদি সে কোনো বৈধ ওসিয়ত করে থাকে (এক-তৃতীয়াংশ সীমার মধ্যে), তা বাস্তবায়ন করা হয়।
৪. সবশেষে বাকি সম্পত্তি শরীয়তের নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী উত্তরাধিকারীদের মধ্যে বণ্টন করা হয়, যাকে ‘ফারায়েয’ বলা হয়। 

অর্থাৎ , 'ফারায়েয' ওসিয়ত, ঋণ পরিশোধ বা জানাজার নামাজের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়; বরং এটি উত্তরাধিকার সম্পত্তি বণ্টনের শরীয়ত নির্ধারিত বিধানকে বোঝায়।
২৭৭.
'Doctrine of Double Jeopardy' কোন ল্যাটিন নীতির উপর ভিত্তি করে গঠিত?
  1. Audi alteram partem
  2. Volenti non fit injuria
  3. Actus non facit reum nisi mens sit rea
  4. Nemo debet bis puniri pro uno delicto
সঠিক উত্তর:
Nemo debet bis puniri pro uno delicto
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Nemo debet bis puniri pro uno delicto
ব্যাখ্যা
• 'Doctrine of double jeopardy' বা 'দোবারা সাজা মতবাদ' যে নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত তা হলো:
Nemo debet bis puniri pro uno delicto.
যার অর্থ- 'No one shall be punished twice for one fault. অর্থাৎ 'একই অপরাধের জন্য দু'বার শাস্তি দেয়া যায় না।'

The General Clauses Act, 1897 এর ধারা ২৬ এর মধ্যে দোবারা সাজা নীতি বা ‘Doctrine of Double Jeopardy' প্রতিফলিত হয়েছে।

২৬ ধারার বিধান: দুই বা ততোধিক আইনের অধীন শাস্তিযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে বিধান:
যেক্ষেত্রে কোন কার্য বা বিচ্যুতি দুই বা ততোধিক আইনের অধীন শাস্তিযোগ্য অপরাধ হয়, সেই ক্ষেত্রে অপরাধীকে ঐ আইন সমূহের সকল বা যে কোন একটির অধীন অভিযুক্ত এবং শান্তি প্রদান করা যাবে, কিন্তু একই অপরাধের জন্য দুইবার শান্তি প্রদান করা যাবে না।

দোবারা সাজা নীতিটি আরো কয়েকটি আইনে বর্ণিত আছে। যথা:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৫(২);
- ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪০৩;
- দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ১১;
- সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৪০; এবং
- ফৌজদারি আইন সংশোধন আইন, ১৯৫৮ এর ধারা ৮।
২৭৮.
দত্তক গ্রহণের পর যদি দত্তকী পিতার স্বাভাবিক পুত্র জন্মগ্রহণ করে, তবে হিন্দু উত্তরাধিকার আইনে দত্তকী পুত্র সম্পত্তির কত ভাগ পান?
  1. অর্ধেক
  2. ১/৩ অংশ
  3. ১/৪ অংশ
  4. ১/৬ অংশ
সঠিক উত্তর:
১/৩ অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১/৩ অংশ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে হিন্দু উত্তরাধিকার আইনে দত্তকী পুত্র (Adopted Son) সাধারণত দত্তক গ্রহণকারী পিতার স্বাভাবিক পুত্রের মতোই সম্পত্তির অধিকারী হন। তবে এই অধিকারে কিছু বিশেষ ব্যতিক্রম ও মতপার্থক্য রয়েছে:

১. স্বাভাবিক পুত্র থাকলে:

যদি দত্তক গ্রহণের পর দত্তকী পিতার নিজস্ব (স্বাভাবিক) পুত্র জন্মগ্রহণ করে, তাহলে দত্তকী পুত্র দত্তকী পিতার সম্পত্তির তিন ভাগের এক ভাগ (১/৩) উত্তরাধিকার সূত্রে পান। তবে, শুদ্র শ্রেণির দত্তকী পুত্র দত্তকী পিতার সম্পত্তিতে সমান অংশ পাওয়ার অধিকারী হন।

২. স্বাভাবিক পুত্র না থাকলে:
যদি দত্তকী পুত্র ছাড়া দত্তকী পিতার আর কোনো পুত্র না থাকে, তাহলে দত্তকী পুত্রই সম্পত্তির পূর্ণ উত্তরাধিকারী হিসেবে বিবেচিত হন।

২৭৯.
মুসলিম আইনানুসারে একই শ্রেণিভুক্ত দুই বা ততোধিক অগ্রক্রয়াধিকারী থাকলে-
  1. কেউ পাবেন না
  2. মূল মালিকের সিদ্ধান্ত প্রাধান্য পাবে
  3. প্রয়োজন বিবেচনায় বণ্টন করা হবে
  4. প্রত্যেকেই সমান অংশ দাবি করতে পারবেন
সঠিক উত্তর:
প্রত্যেকেই সমান অংশ দাবি করতে পারবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যেকেই সমান অংশ দাবি করতে পারবেন
ব্যাখ্যা
অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ:
- Sharif Sharik, Sharif Khalit Ges Sharif Jar এই তিন প্রকারের অগ্রক্রয়ের অধিকারীদের মধ্যে প্রতিযোগ্যগিতা হলে ক্রমিক অনুসারে অগ্রাধিকার পাবে। 
- বিভিন্ন শ্রেণির অগ্রক্রয়ের অধিকারীদের মধ্যে প্রতিযোগিতা হলে প্রথম স্তরের অধিকারী দ্বিতীয় স্তরকে এবং দ্বিতীয় স্তরের অধিকারী তৃতীয় স্তরকে রহিত করবে।
- একই স্তরের একাধিক ব্যক্তি অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে চাইলে তারা সবাই অগ্রক্রয়ের অধিকারকৃত ভূমির সমান ভাগ পাবে। 
- যদি এমন হয় যে, অগ্রক্রয়ের অধিকার দাবিকারীরা একই স্তরের হলেও তাদের কেউ একজন অন্যকোনো যুক্তিতে অধিকতর যোগ্য দাবিদার হলে সে ব্যক্তি অগ্রাধিকার পাবে।
- বিক্রি সম্পন্ন হবার পরই অগ্রক্রয়ের অধিকারের প্রশ্ন আসে। তাই অপরিচিত কোনো ব্যক্তি বরাবর বিক্রি সম্পন্ন হবার পূর্বে এই তিন শ্রেণির কোনো ব্যক্তি অগ্রক্রয়ের কোনো অধিকার দাবি করতে পারে না।
- অগ্রক্রয়ের অধিকারের মামলা তখনই করা যাবে যখন কোনো অগ্রক্রয়ের অধিকারধারী ব্যক্তি ব্যতিরেকে তৃতীয় কোনো ব্যক্তির নিকট সম্পত্তিটি বিক্রি করা হয়।

- একই শ্রেণীভুক্তি অগ্রক্রয়াধিকারীদের মধ্যে অগ্রক্রয়:
- মুসলিম আইনানুসারে একই শ্রেণিভুক্ত দুই বা ততোধিক অগ্রক্রয়াধিকারী থাকলে, প্রত্যেকেই সমান অংশ দাবি করতে পারবে।
- কারণ অগ্রক্রয়াধিকারীদের একই শ্রেণীর মধ্যে নৈকট্যের ক্রমকে মুসলিম আইন স্বীকৃতি প্রদান করেনা।
- যখন দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন পথাধিকারের অংশ গ্রহণের যুক্তিতে অগ্রক্রয়ের দাবি করে তখন তাদের সকলেই সমান অধিকার লাভ করবে,
- যদিও তাদের মধ্যে কোন একজন পার্শ্ববর্তী বা সংলগ্ন প্রতিবেশী।
২৮০.
যদি একই ভূমি নিয়ে নিবন্ধিত এবং অনিবন্ধিত উভয় দলিল থাকে, তাহলে উক্ত অনিবন্ধিত দলিলটির চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ এর জন্য সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় মামলা করা যায়?
  1. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারায়
  2. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারায়
  3. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৭ ধারায়
  4. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
• রেজিস্ট্রেশন আইনের ৫০ ধারার বিধান ভূমি সম্পর্কিত কতিপয় নিবন্ধিত দলিল অ-নিবন্ধিত দলিলের বিপরীতে কার্যকর হইবে:-(১) এই আইনের ধারা ১৭ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (ক), (খ), (গ) ও (ঘ) এ উল্লিখিত প্রত্যেক প্রকারের দলিল এবং ধারা ১৮ এর অধীন নিবন্ধনযোগ্য প্রত্যেক দলিল, যে পরিমাণ স্থাবর সম্পত্তি অন্তর্ভুক্ত করে বা স্থাবর সম্পত্তির বিষয়ে কোন লেনদেন সংক্রান্ত কোনরূপ পণ গ্রহণ বা প্রদানের প্রাপ্তিস্বীকার করে, যদি যথাযথভাবে নিবন্ধিত হয় তাহা হইলে, আদালতের ডিক্রি বা আদেশ ব্যতীত, সেই একই পরিমাণ সম্পত্তি সংক্রান্ত অ-নিবন্ধিত দলিলের প্রতিকূলে কার্যকর হইবে, উক্ত অ-নিবন্ধিত দলিল নিবন্ধিত দলিলের মত একই প্রকৃতির হউক বা না হউক:

তবে শর্ত থাকে যে, পূর্বের তারিখের অনিবন্ধিত দলিলের অধীন যে ব্যক্তি সম্পত্তির দখলে রহিয়াছেন, তিনি সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ (১৮৮২ সনের ৪নং আইন) এর ধারা ৫৩ক এর অধীন সকল প্রকার অধিকারপ্রাপ্ত হইবেন, যদি উক্ত ধারার সকল শর্ত পূরণ করা হয়:

আরও শর্ত থাকে যে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ (১৮৭৭ সনের ১নং আইন) এর ধারা ২৭ এর দফা (খ) এর বিধান সাপেক্ষে, যে ব্যক্তির অনুকূলে অনিবন্ধিত দলিল সম্পাদিত হইয়াছে, তিনি উক্ত অনিবন্ধিত দলিলের চুক্তি, পরবর্তীতে নিবন্ধিত দলিলের অধীন দাবিদার ব্যক্তির বিরুদ্ধে বলবৎ করিবার জন্য সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের মামলা দায়ের করিবার অধিকারী হইবেন।

(২) এই ধারার উপ-ধারা (১) এর কোন কিছুই ধারা ১৭ এর উপ-ধারা (১) এর শর্তাংশের অধীন অব্যাহতিপ্রাপ্ত ইজারার ক্ষেত্রে বা একই ধারার উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত ফোম দলিলের ক্ষেত্রে, বা এই আইন প্রবর্তনকালে বলবৎ আইনের অধীন প্রাধান্য ছিল না এইরূপ ফোন মিবর্ধিত দলিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না।
--------------
Section 50. Certain registered documents relating to land to take effect against unregistered documents:
(1) Every document of the kinds mentioned in clauses (a), (b), (c) and (d) of section 17, sub-section (1), and every document registrable under section 18, in so far as such document affects immoveable property or acknowledges the receipt or payment of any consideration in respect of any transaction relating to immoveable property, shall, if duly registered, take effect as regards the property comprised therein, against every unregistered document relating to the same property, and not being a decree or order, whether such unregistered document be of the same nature as the registered document or not: 
 
Provided that the person in possession of the property under an unregistered document prior in date, would be entitled to the rights under section 53A of the Transfer of Property Act, 1882 if the conditions of that section are fulfilled: 
 
Provided further that the person in whose favour an unregistered document is executed shall be entitled to enforce the contract under the unregistered document in suit for specific performance against a person claiming under a subsequent registered document, subject to the provisions of clause (b) of section 27 of the Specific Relief Act, 1877. 
 
(2) Nothing in sub-section (1) applies to leases exempted under the proviso to sub-section (1) of section 17 or to any document mentioned in sub-section (2) of the same section, or to any registered document which had not priority under the law in force at the commencement of this Act. 
২৮১.
কোনো আইন পূর্ববর্তী আইনকে বাতিল করে প্রবর্তিত হলে, ঐ আইন পূর্ববর্তী বাতিলকৃত আইনের অধীনে যথাযথভাবে কৃত বা ব্যাহত কোনো কার্যক্রম-
  1. সরাসরি বাতিল করবে
  2. অসাঞ্জস্যপূর্ণ হলে বাতিল করবে
  3. প্রাপ্ত অধিকারকে ক্ষুণ্ণ করবে না
  4. এর কোনোটি প্রযোজ্য হবে না
সঠিক উত্তর:
প্রাপ্ত অধিকারকে ক্ষুণ্ণ করবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাপ্ত অধিকারকে ক্ষুণ্ণ করবে না
ব্যাখ্যা
• জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের ৬ ধারায় বলা আছে- যখন কোনো আইন বা প্রবিধি অন্য কোনো আইনকে রহিত করে তখন:

১. রহিতকরণ আইন  রহিত হওয়ার সময় কার্যকর ছিল না বা অস্তিত্ব ছিল না এরূপ কোনো আইনকে পুনর্জীবিত করবে না।
২. রহিত হয়ে যাওয়া কোনো আইন [Repealed Act]-এর অধীনে যথাযথভাবে কৃত ব্য ব্যাহত কোনো কার্যক্রম কিছুকে রহিতকরণ আইন [Repealing Act] ক্ষুণ্ণ করবে না।
৩. রহিত কোনো আইনের অধীনে অর্জিত বা প্রাপ্ত কোনো অধিকার, বাধ্যবাধকতা বা দায়কে রহিতকরণ আইন [Repealing Act] ক্ষুণ্ণ করবে না।
৪. রহিত আইনের অধীনে কৃত কোনো অপরাধের ক্ষেত্রে প্রদত্ত কোনো দণ্ড, বাজেয়াপ্তকরণ বা শাস্তিকে ক্ষুণ্ণ করবে না।
৫. উল্লিখিত অধিকার, বাধ্যবাধকতা, দায়, দণ্ড, বাজেয়াপ্তকরণ বা শাস্তি-সম্পর্কিত কোনো তদন্ত, আইনগত কার্যক্রম [Legal Proceeding] বা প্রতিকারকে রহিতকরণ আইন [Repealing Act] ক্ষুণ্ণ করবে না।
পূর্বের আইনের অধীনে কোনো আইনগত কার্যক্রম চলমান থাকলে তা অব্যাহত থাকবে এবং তার অধীনে দও, বাজেয়াপ্ত বা শাস্তিও আরোপ করা যাবে যেন বিলোপকারী আইনটি [Repealing Act] প্রণীত হয় নাই।

Section 6: Effect of repeal

Where this Act, or any Act of Parliament or Regulation made after the commencement of this Act, repeals any enactment hitherto made or hereafter to be made, then, unless a different intention appears, the repeal shall not- 
(a) revive anything not in force or existing at the time at which the repeal takes effect; or 
(b) affect the previous operation of any enactment so repealed or anything duly done or suffered thereunder; or 
(c) affect any right, privilege, obligation or liability acquired, accrued or incurred under any enactment so repealed; or 
(d) after any penalty, forfeiture or punishment incurred in respect of any offence committed against any enactment so repealed; or
(e) affect any investigation, legal proceeding or remedy in respect of any such right, privilege, obligation, liability, penalty, forfeiture or punishment as aforesaid; 
and any such investigation, legal proceeding or remedy may be instituted, continued or enforced, and any such penalty, forfeiture or punishment may be imposed as if the repealing Act or Regulation had not been passed.
২৮২.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ৭ ধারা অনুযায়ী,  আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতির ক্ষেত্রে আদালত কী আদেশ দিতে পারে?
  1. ধ্বংস করার
  2. বিক্রি করার
  3. রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তির
  4. স্থানীয় থানার অনুকূলে বাজেয়াপ্তির
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তির
ব্যাখ্যা

আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ৭- অপরাধ সংঘটনে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি, অস্ত্র, ইত্যাদি:
আদালত উপযুক্ত বিবেচনা করিলে, কোন অপরাধ সংঘটনের জন্য ব্যবহৃত কোন যন্ত্রপাতি, অস্ত্র বা যানবাহন, এবং উক্ত অপরাধের দ্বারা সংগৃহীত অর্থ, মালামাল বা সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তির বা উহার বৈধ মালিক বা দখলদারের নিকট ফেরত দিবার আদেশ দিতে পারিবে।

২৮৩.
সংবিধানের কোন সংশোধনী দ্বারা সংসদীয় পদ্ধতির সরকার পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ৮ম
  2. ৯ম
  3. ১১ম
  4. ১২ম
সঠিক উত্তর:
১২ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ম
ব্যাখ্যা
সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী:
- ১৯৯১ সালের ৬ আগস্টের এ সংশোধনী হয়।
- এ সংশোধনীর মাধ্যমে ১৭ বছর পর দেশে পুনরায় সংসদীয় সরকার প্রতিষ্ঠিত হয় এবং উপরাষ্ট্রপতির পদ বিলুপ্ত করা হয়।
- সংশোধনীটি উত্থাপন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
- ৩০৭-০ ভোটে বিলটি পাস হয়।
- একাদশের মত এ বিলটিও সরকারি ও বিরোধী দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে পাস হয়।

অন্যদিকে -
- অষ্টম সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বলে ঘোষণা করা হয়।
- নবম সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি ও উপরাষ্ট্রপতি যতবার ইচ্ছা রাষ্ট্রপতি পদের জন্য নির্বাচন করতে পারতেন।
- একাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ কর্তৃক প্ৰয়োগকৃত সকল কার্যক্রম বৈধ করা হয় এবং পুনরায় তাঁর প্রধান বিচারপতি পদে ফিরে যাবার বিধান করা হয়।
২৮৪.
Whoever commits offence of manufactures, converts or sells or keeps, offers or exposes for sale any arms, ammunition or military stores in contravention of the provisions of section 5 of the Arms Act, 1878 এর সর্ব নিম্ন শাস্তি কত বছর?
  1. ১০
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
Section 5- Unlicensed manufacture, conversion and sale prohibited

No persons shall manufacture, convert or sell, or keep, offer or expose for sale, any arms, ammunition or military stores, except under a license and in the manner and to the extent permitted thereby. 

Nothing herein contained shall prevent any person from selling any arms or ammunition which he lawfully possesses for his own private use to any person who is not by any enactment for the time being in force prohibited from possessing the same; but every person so selling arms or ammunition to any person other than a person entitled to possess the same by reason of an exemption under section 27 of this Act shall, without unnecessary delay, give to the Magistrate of the district, or to the officer in charge of the nearest police-station, notice of the sale and of the purchaser's name and address.

Section 20- For secret breaches of sections 5, 6, 10, 14 and 15

Whoever does any act mentioned in clause (a), (c), (d) or (f) of section 19, in such manner as to indicate an intention that such act may not be known to any public servant as defined in the Penal Code, or to any person employed upon a railway or to the servant of any public carrier, and whoever, on any search being made under section 25 conceals or attempts to conceal any arms, ammunition or military stores, shall be punished with imprisonment for a term which may extend to seven years, or with fine, or with both: 
 
Provided that if an offence committed under this section is in respect of a pistol, revolver, rifle or 17[shot gun or other fire-arm], the offender shall be punished with transportation for life on any shorter term, or with imprisonment for a term which may extend to fourteen years, or with fine.
২৮৫.
অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ধারা ৬(১) অনুযায়ী, অ-কৃষি জমি ব্যবহার করার ক্ষেত্রে প্রজার প্রধান শর্ত কী?
  1. জমি বিক্রি করা যাবে না
  2. জমির মূল্যের ক্ষতি না করা
  3. আবাসিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে হবে
  4. মালিকের অনুমতি গ্রহণ করতে হবে
সঠিক উত্তর:
জমির মূল্যের ক্ষতি না করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জমির মূল্যের ক্ষতি না করা
ব্যাখ্যা

অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ধারা ৬: অ- কৃষি জমির ব্যবহার পদ্ধতি:
(১) অ-কৃষি জমি অধিকারে আছে এমন কোনো প্রজা উক্ত জমি যেকোনোভাবে ব্যবহার করিতে পারিবেন, তবে এই আইনের অধীন যে সকল উদ্দেশ্যে অ- কৃষি জমি অধিকারে রাখা যায় উহাদের কোনোটির সহিত যেন উক্ত ব্যবহার অসংগতিপূর্ণ না হয় এবং বাস্তবে উক্ত জমির মূল্যের যেন কোনো ক্ষতি না হয়।

(২) যে প্রজাস্বত্বের প্রতি ধারা ৭ বা ধারা ৮ এর বিধানাবলি প্রযোজ্য উহার অন্তর্ভুক্ত অ-কৃষি জমির অধিকারসম্পন্ন প্রজার নিম্নবর্ণিত কাজ করিবার অধিকার থাকিবে, যথাঃ-
(ক) পাকা কাঠামোসহ যে কোনো কাঠামো নির্মাণ করা;
(খ) মসজিদ, মন্দির বা অন্য কোনো উপাসনালয় নির্মাণ করা;
(গ) পুকুর খনন করা; এবং
(ঘ) বৃক্ষ রোপণ করা এবং উক্ত জমির উপরস্থ গাছের ফুল, ফল ও অন্যান্য জিনিস ভোগ করা এবং কাঠ আহরণ ও ব্যবহার বা হস্তান্তর করা।

(৩) যে প্রজাস্বত্বের প্রতি ধারা ৯ এর বিধানাবলি প্রযোজ্য উহার অন্তর্ভুক্ত অ-কৃষি জমির অধিকারসম্পন্ন প্রজার নিম্নবর্ণিত কাজসমূহ করিবার অধিকার থাকিবে, যথা:-
(ক) পাকা কাঠামো ব্যতীত অন্য যে কোনো কাঠামো নির্মাণ করা;
(খ) বৃক্ষ রোপণ করা, এবং গাছের ফুল, ফল ও অন্যান্য জিনিস ভোগ করা; এবং
(গ) উক্ত জমিতে তাহার রোপিত গাছের কাঠ আহরণ ও ব্যবহার বা হস্তান্তর করা।

২৮৬.
SAT Act, 1950 এর ৯২ ধারা অনুসারে, উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জমি কত বছর ধারাবাহিক চাষাবাদ না করলে জমির উপর রায়তের স্বার্থ বিলোপ হতে পারে?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৭ বছর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
ব্যাখ্যা
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950-এর ধারা ৯২ অনুসারে কোনো জোত বা হোল্ডিং-এ একজন রায়তের স্বার্থ বিলোপ হতে পারে, নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে-
(ক) যখন তিনি কোনো উইল না রেখে (অতীবাহিত মৃত্যু) মারা যান এবং তাঁর উত্তরাধিকারী আইন অনুসারে উত্তরাধিকার লাভের যোগ্য না থাকেন;

(খ) যখন তিনি কোনো কৃষি বর্ষের শেষে রাজস্ব কর্মকর্তাকে নির্ধারিত ফরম, নিয়ম এবং সময়ে নোটিশ দিয়ে নিজের হোল্ডিং বা জমি স্বেচ্ছায় হস্তান্তর করেন;

(গ) যখন তিনি বকেয়া খাজনা পরিশোধের কোনো ব্যবস্থা না করে নিজের বাসস্থান স্বেচ্ছায় ত্যাগ করেন এবং নিজে অথবা তাঁর পরিবারের সদস্য বা কর্মচারী, শ্রমিক, অংশীদার বা বর্গাদারের সাহায্যে ধারাবাহিকভাবে ৩ বছর পর্যন্ত নিজের হোল্ডিং বা জমি চাষাবাদ বন্ধ রাখেন;

(ঘ) যখন রায়তের জমি উত্তরাধিকার সূত্রে এমন একজন ব্যক্তির কাছে যায়, যিনি প্রকৃত চাষী নন এবং তিনি নিজে বা তাঁর পরিবারের সদস্য, কর্মচারী, শ্রমিক, অংশীদার বা বর্গাদারের সাহায্যে ধারাবাহিকভাবে ৫ বছর জমি চাষাবাদ করতে ব্যর্থ হন এবং চাষ না করার যথেষ্ট কারণও নেই।
২৮৭.
______________ পদমর্যাদার বিচারকের সমন্বয়ে পারিবারিক আদালত গঠিত হবে।
  1. জেলা জজ
  2. সহকারী জজ
  3. সিনিয়র সহকারী জজ
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩- ধারা ৪: পারিবারিক আদালত প্রতিষ্ঠা:
(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, প্রত্যেক জেলায় এক বা একাধিক পারিবারিক আদালত প্রতিষ্ঠা করিতে পারিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, কোনো জেলায় একাধিক পারিবারিক আদালত প্রতিষ্ঠিত হইলে, সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, উক্ত আদালতসমূহের স্থানীয় এখতিয়ার নির্ধারণ করিবে।

(২) সহকারী জজ বা সিনিয়র সহকারী জজ পদমর্যাদার ১ (এক) জন বিচারক সমন্বয়ে পারিবারিক আদালত গঠিত হইবে।

(৩) উপধারা (১) এর অধীন পারিবারিক আদালত প্রতিষ্ঠার পূর্ব পর্যন্ত স্বীয় অধিক্ষেত্রভুক্ত সহকারী জজ আদালত বা সিনিয়র সহকারী জজ আদালত পারিবারিক আদালত হিসাবে দায়িত্ব পালন করিবে।
২৮৮.
রাষ্ট্রপতির অভিশংসন প্রস্তাব গৃহীত হওয়ার জন্য সংসদের কত শতাংশ সদস্যের ভোট প্রয়োজন?
  1. অর্ধেক
  2. এক-তৃতীয়াংশ
  3. দুই-তৃতীয়াংশ
  4. চার-পঞ্চমাংশ
সঠিক উত্তর:
দুই-তৃতীয়াংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই-তৃতীয়াংশ
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৫২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে সংবিধান লঙ্ঘন বা গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগে অভিশংসন প্রস্তাব উত্থাপন করা যেতে পারে।

অভিশংসন প্রক্রিয়া:
১) অভিযোগ উত্থাপন:
- সংসদের মোট সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ (৫০%+ বা অর্ধেকের বেশি) সদস্যদের স্বাক্ষরযুক্ত অভিযোগ স্পিকারের কাছে দাখিল করতে হয়।
২) তদন্ত ও বিবেচনা:
- অভিযোগের তদন্তের জন্য সংসদ কোনো আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা কর্তৃপক্ষ নিযুক্ত করতে পারে।
- রাষ্ট্রপতির নিজেকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ থাকবে।
৩) অভিশংসন প্রস্তাব গৃহীত হওয়ার শর্ত:
- অভিযোগ বিবেচনার পর, সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ (৬৬.৬৭%) ভোটে যদি অভিযোগ যথার্থ বলে ঘোষণা করা হয়, তাহলে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হয়ে যাবে।

অর্থাৎ
→ অভিযোগ উত্থাপনের জন্য: সংসদের অর্ধেক (৫০%+ সদস্য) স্বাক্ষর লাগবে।
→ অভিশংসনের জন্য: সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ (৬৬.৬৭%) ভোট প্রয়োজন।

→ তাই সঠিক উত্তর: গ) দুই-তৃতীয়াংশ।
২৮৯.
ধারা ৬৪ অনুযায়ী, বন্ধকগ্রহীতা ইজারা নবায়ন করলে-
  1. আগের ইজারা বাতিল হয়ে যায়
  2. বন্ধকদাতাকে ক্ষতিপূরণ দিতে হয়
  3. বন্ধক সম্পত্তি খারিজ হয়ে যায়
  4. বন্ধকদাতা নতুন ইজারার সুবিধা পায়
সঠিক উত্তর:
বন্ধকদাতা নতুন ইজারার সুবিধা পায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বন্ধকদাতা নতুন ইজারার সুবিধা পায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৬৪- বন্ধক রাখা ইজারা নবায়ন:
যদি বন্ধক রাখা সম্পত্তিটি কোনো ইজারাভিত্তিক (leasehold) সম্পত্তি হয়, এবং বন্ধকগ্রহীতা সেই ইজারার নবায়ন করে, তাহলে বন্ধকদাতা যখন সম্পত্তি মুক্ত করবেন (redeem), তখন- যদি ভিন্ন কোনো চুক্তি না থাকে- তাহলে তিনি নতুন ইজারার সুবিধা ভোগ করবেন।

Section 64. Renewal of mortgaged lease-
Where the mortgaged property is a lease, and the mortgagee obtains a renewal of the lease, the mortgagor, upon redemption, shall, in the absence of a contract by him to the contrary, have the benefit of the new lease.
২৯০.
নিম্নের কোন পরিস্থিতিতে বিবাহিতা হিন্দু নারী পৃথক বাস করেও স্বামীর নিকট ভরণপোষণ পাওয়ার অধিকারী হবেন?
  1. স্বামী যদি ধর্মান্তর হয়
  2. স্বামী যদি পুনরায় বিবাহ করে
  3. স্বামী যদি দুরারোগ্য সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত হন
  4. উল্লিখিত সকল কারণে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল কারণে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল কারণে
ব্যাখ্যা

• ১৯৪৬ সালের "বিবাহিতা নারীর পৃথক বাসস্থান এবং ভরণপোষণ" আইন এর ধারা ২ অনুযায়ী, নিম্নলিখিত কারণে বিবাহিতা হিন্দু নারী স্বামী হতে পৃথক থেকেও স্বামীর নিকট হতে ভরণ-পোষণ পাওয়ার অধিকারিণী-

⇒ স্বামী যদি ধর্মান্তর হয়;
⇒ স্বামী যদি পুনরায় বিবাহ করে;
⇒ স্বামী যদি স্ত্রীর অনুমতি ব্যতিরেকে তাকে পরিত্যাগ করে;
⇒ স্বামী যদি দুরারোগ্য কুষ্ঠ, সিফলিস ইত্যাদি সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত হয় এবং এই সমস্ত ব্যাধি যদি স্ত্রীর নিকট হতে সংক্রামিত না হয়;
⇒ স্বামী যদি স্ত্রীর প্রতি নিষঠুর আচরণ করে এবং নিষ্ঠুরতা যদি এই প্রকারের হয় যে স্বামীগৃহে তার জীবনাশংকা থাকে;
⇒ স্বামী যদি গৃহে কোন উপ-পত্নী রেখে তার সাথে বসবাস করতে থাকে; এবং
⇒ অন্য কোন যুক্তিসঙ্গত কারণে।
২৯১.
একটি সংঘবদ্ধ গোষ্ঠী চাকরি দেয়ার নামে গরীব কর্মীদের বিদেশে পাচার করে এবং এতে বিপুল আর্থিক মুনাফা অর্জন করছে। উক্ত ঘটনায়, গোষ্ঠীর সদস্যদের সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৭: সংঘবদ্ধ মানব পাচার অপরাধের দণ্ড:
কোন সংঘবদ্ধ গোষ্ঠীর একাধিক সদস্য গোষ্ঠীর সকল সদস্যের সাধারণ অভিপ্রায় সাধনের উদ্দেশ্যে কোন আর্থিক বা অন্য কোনো বস্তুগত বা অবস্তুগত মুনাফা অর্জনের নিমিত্ত এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটন করিলে উক্ত গোষ্ঠীর প্রত্যেক সদস্য উক্ত অপরাধ সংঘটনের দায়ে অভিযুক্ত হইবে এবং অপরাধ সংঘটনকারী ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা অন্যূন ৭(সাত) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ৫(পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

⇒ সংঘবদ্ধ মানব পাচার অপরাধে মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অন্যূন ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে। তাই সর্বোচ্চ শাস্তি হলো মৃত্যুদণ্ড।
২৯২.
যুগ্ম জেলা জজের সর্বোচ্চ আর্থিক এখতিয়ার কত?
  1. ২৫ লক্ষ টাকা
  2. ৩৫ লক্ষ টাকা
  3. সীমাহীন
  4. ৩০ লক্ষ টাকা
সঠিক উত্তর:
সীমাহীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সীমাহীন
ব্যাখ্যা
• কোন দেওয়ানি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা হবে সেটা ২টি বিষয় বিবেচনা করে নির্ধারণ করা হয়-
১) আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং
২) আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ থেকে ২৩ ধারায় দেওয়ানী আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং আর্থিক এখতিয়ার সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭ অনুসারে নির্ধারিত হয়।

• The Civil Courts Act, 1887 আইনের ১৯ ধারার বিধান অনুযায়ী-

⇒ সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার সর্বোচ্চ ১৫ লক্ষ টাকা
⇒ সিনিয়র সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার ১৫ লক্ষ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা
যুগ্ম জেলা জজ ২৫ লক্ষ টাকার অধিক মূল্যমানের; মোকদ্দমার বিচার করতে পারে।

অর্থাৎ যুগ্ম জেলা জজ ২৫ লক্ষ টাকা থেকে শুরু করে যেকোনো মূল্যমানের মোকদ্দমার বিচার করার এখতিয়ার আছে।
২৯৩.
বাংলাদেশের সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী কবে পাস হয়েছিল?
  1. ২০০৯ সালে
  2. ২০১০ সালে
  3. ২০১১ সালে
  4. ২০১৩ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১১ সালে
ব্যাখ্যা
পঞ্চদশ সংশোধনী:
- ২০১১ সালের ৩০ জুন, সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী পাস হয়।
- এই সংশোধনীতে ৫৪টি পরিবর্তন আনা হয়েছিলো।
- রাষ্ট্রের মূলনীতি হিসাবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়।

গুরত্বপূর্ণ কিছু সংশোধনী:
• তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল;
• সংরক্ষিত মহিলা আসন ৪৫ থেকে ৫০ করা;
• জরুরী অবস্থার মেয়াদ অনধিক ১২০ দিন করা হয়;
• সংবিধানে নতুন তিনটি তফসিল যুক্ত করা হয়- যথা পঞ্চম, ষষ্ঠ, ও সপ্তম।

উল্লেখ্য,
⇒ ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলসংক্রান্ত সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী আংশিক অবৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট।
- বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।
- রায়ে আদালত পঞ্চদশ সংশোধনীর মোট ছয়টি বিধান বাতিল করেছে।
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল ও গণভোট পদ্ধতি ফিরিয়ে আনা হয় এই রায়ের মাধ্যমে।
২৯৪.
কখন থেকে উইল কার্যকর হয়?
  1. উইল নিবন্ধন করার পর
  2. উইলকারী মৃত্যুর পর
  3. উইলগ্রহণকারী গ্রহণ করার পর
  4. উইল সম্পাদনের পর
সঠিক উত্তর:
উইলকারী মৃত্যুর পর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উইলকারী মৃত্যুর পর
ব্যাখ্যা
• উইল (testament) বা অছিয়ত হলো ভবিষ্যৎ দান। কোন ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার রেখে যাওয়া সম্পত্তি বা সম্পত্তির মুনাফা কিভাবে বিলি-বন্টন করা হবে তা তার মৃত্যুর পূর্বেই লিখিত বা মৌখিকভাবে নির্ধারণ করে যাওয়ার আইন সম্মত ঘোষণাই হলো উইল বা অছিয়ত।

উইলের উপাদান:
 
(১) একই সম্পত্তি নিয়ে একাধিক উইল করা হলে সর্বশেষ উইলটি সর্বপ্রথম কার্যকরী হবে এবং সম্পত্তি অবশিষ্ট থাকা সাপেক্ষে পরবর্তী উইলগুলো কার্যকরী হবে।
 
(২) অজাত ব্যক্তি উইলের তারিখ হতে ৬ মাসের মধ্যে জন্মগ্রহণ করলে তার বরাবরে করা উইল বৈধ হবে।
 
(৩) উইল মৌখিক ও লিখিত দু’ভাবেই করা যায়। এমনকি অসামর্থ্যের কারণে ইঙ্গিতেও করা যায়। তবে মৌখিক উইলের ক্ষেত্রে ২ জন পুরুষ বা ১ জন পুরুষ ও ২ জন মহিলা সাক্ষীর উপস্থিতিতে হতে হবে।
 
(৪) নাবালক উত্তরাধিকারী সাবলকত্ব লাভের পর উইলে সম্মতি দিতে পারবেন।
 
(৫) উইল দাতা মৃত্যুর পূর্বে যে কোন সময় উইল বাতিল করতে পারেন। সম্পত্তি একবার উইল করার পর পুনরায় তা অন্য কারো অনুকূলে উইল করলে পূর্বের উইলটি স্বয়ংক্রীয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে। উইল বাতিলের জন্য মামলার প্রয়োজন হয় না।
 
(৬) ১৮৭০ সনের হিন্দু আইন অনুসারে একজন হিন্দু তার সকল সম্পত্তি উইল করতে পারেন, তবে যাদের ভরণপোষনের জন্য তিনি আইনত বাধ্য তাদের জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা রেখে বাকী সম্পত্তি উইল করতে হবে।
 
(৭) উইলকারীর কোন উত্তরাধিকারী না থাকলে তিনি তার সমস্ত সম্পত্তি যে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নামে উইল করে দিতে পারেন।

(৮) উইল গ্রহণকারীকে দাতার মৃত্যুর সময় জীবিত থাকতে হবে।
 
(৯) উইলকারী মৃত্যুর মুহূর্ত হতে উইল কার্যকর হবে।
২৯৫.
নিম্নলিখিত কোন বিষয়টি মুসলিম ব্যক্তিগত আইন (শরিয়ত) প্রয়োগ আইন, ১৯৩৭ এর আওতায় পড়ে না?
  1. বিবাহ
  2. ভরণপোষণ
  3. কৃষি জমি
  4. উত্তরাধিকার
সঠিক উত্তর:
কৃষি জমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষি জমি
ব্যাখ্যা
⇒ মুসলিম ব্যক্তিগত আইন (শরিয়ত) প্রয়োগ আইন, ১৯৩৭ এর ২ নং ধারায় বলা হয়েছে যে, এই আইনটি মুসলিমদের জন্য বিবাহ, বিবাহ-বিচ্ছেদ, ভরণপোষণ, উত্তরাধিকার, হাদিয়া, মোহরানা, অভিভাবকত্ব এবং এ ধরনের অন্যান্য বিষয় এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। তবে, এই আইনের আওতায় কৃষি জমি সংক্রান্ত বিষয়গুলি আছে না। অর্থাৎ, কৃষি জমি সম্পর্কিত আইন বা বিতর্কগুলি মুসলিম ব্যক্তিগত আইন (শরিয়ত) অনুসারে নিষ্পত্তি হবে না; এগুলো অন্য আইনসমূহের অধীনে চলে।
তবে, কৃষি জমি সম্পর্কিত প্রশ্ন এই আইনের আওতাভুক্ত নয়, এটি অন্য বৈধ বিধান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।

⇒ মুসলিম ব্যক্তিগত আইন (শরিয়ত) প্রয়োগ আইন, ১৯৩৭ এর ২ ধারার বিধান মুসলিমদের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত আইন প্রযোজ্য হওয়া:
কোনো প্রচলিত রীতিনীতি বা প্রথার বিপরীতে, নিম্নলিখিত বিষয়ে (কৃষিজমি সংক্রান্ত বিষয় ব্যতীত) মুসলিমদের মধ্যে সিদ্ধান্তের মূল ভিত্তি মুসলিম ব্যক্তিগত আইন (শরিয়ত) হইবে—
- উত্তরাধিকার (ইন্তেকালের পর সম্পত্তির বণ্টন),
- নারীদের বিশেষ সম্পত্তি (যেমন ব্যক্তিগত সম্পত্তি, যা উত্তরাধিকার, চুক্তি, হাদিয়া বা ব্যক্তিগত আইনের অন্য কোনো বিধানের মাধ্যমে অর্জিত),
- বিবাহ, বিবাহ-বিচ্ছেদ (যেমন তালাক, ইলা, জিহার, লিয়ান, খুলা ও মুবারাত),
- ভরণপোষণ, মোহরানা, অভিভাবকত্ব,
- হাদিয়া (উপহার), ট্রাস্ট ও ট্রাস্ট সম্পত্তি,
- ওয়াকফ (তবে দাতব্য প্রতিষ্ঠান, দাতব্য ও ধর্মীয় দান ব্যতীত)।
------------
⇒ The Muslim Personal Law (Shariat) Application Act, 1937- Section-2: Application of Personal Law to Muslims
- Notwithstanding any custom or usage to the contrary, in all questions (save questions relating to agricultural land) regarding intestate succession, special property of females, including personal property inherited or obtained under contract or gift or any other provision of Personal Law, marriage, dissolution of marriage, including talaq, ila, zihar, lian, khula and mubaraat, maintenance, dower, guardianship, gifts, trusts and trust properties, and waqfs (other than charities and charitable institutions and charitable and religious endowments) the rule of decision in cases where the parties are Muslims shall be the Muslim Personal Law (Shariat).
২৯৬.
শিশু আইন, ২০১৩ অনুযায়ী শিশুকে ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োগের সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কত?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৭ বছর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) ৫ বছর।

শিশু আইন ২০১৩ এর ধারা ৭১: শিশুকে ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োগের দণ্ড:

কোন ব্যক্তি যদি কোন শিশুকে ভিক্ষার উদ্দেশ্যে নিয়োগ করেন বা কোন শিশুর দ্বারা ভিক্ষা করান অথবা শিশুর হেফাজত, তত্ত্বাবধান বা দেখাশুনার দায়িত্বে নিয়োজিত কোন ব্যক্তি যদি কোন শিশুকে ভিক্ষার উদ্দেশ্যে নিয়োগদানে প্রশ্রয়দান করেন বা উৎসাহ প্রদান করেন বা ভিক্ষার উদ্দেশ্যে প্রদান করেন, তাহা হইলে তিনি এই আইনের অধীন অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য তিনি-
⇒ অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ড; অথবা
⇒ অনধিক (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড; অথবা
⇒ উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

২৯৭.
মুসলিম উত্তরাধিকার আইন অনুসারে, যদি একজন বিবাহিত মহিলার মৃত্যু হয় এবং তার কোন সন্তান বা পুত্রের সন্তান না থাকে, তবে তার স্বামীর কত অংশ উত্তরাধিকার সম্পত্তি পাওয়ার অধিকার থাকে?
  1. ১/২ অংশ
  2. ১/৮ অংশ
  3. ১/৪ অংশ
  4. ১/৬ অংশ
সঠিক উত্তর:
১/২ অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১/২ অংশ
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ক) ১/২ অংশ।
⇒ মুসলিম উত্তরাধিকার আইন (ফারায়েজ) অনুসারে, একজন বিবাহিত মহিলার মৃত্যু হলে তার স্বামীর প্রাপ্ত সম্পত্তির অংশ নির্ভর করে মৃতার (মৃত ব্যক্তির) সন্তান বা পুত্রের সন্তান (নাতি) আছে কিনা তার উপর:
→ যদি মৃতার (মৃত ব্যক্তির) কোনো সন্তান বা পুত্রের সন্তান (নাতি) না থাকে, তাহলে স্বামী অর্ধেক (১/২) অংশ পাবেন।
→ যদি মৃতার (মৃত ব্যক্তির) সন্তান বা পুত্রের সন্তান থাকে, তাহলে স্বামী এক-চতুর্থাংশ (১/৪) অংশ পাবেন।
প্রশ্নে উল্লেখ করা হয়েছে যে মৃতার (মৃত ব্যক্তির) কোনো সন্তান বা পুত্রের সন্তান নেই, তাই স্বামী ১/২ অংশ পাবেন।

উদাহরণ:
যদি মৃতার (মৃত ব্যক্তির) সম্পত্তি ১,০০,০০০ টাকা হয় এবং তার কোনো সন্তান বা নাতি না থাকে, তাহলে স্বামী পাবেন ৫০,০০০ টাকা (অর্ধেক)।
যদি মৃতার (মৃত ব্যক্তির) সন্তান থাকে, তাহলে স্বামী পাবেন ২৫,০০০ টাকা (এক-চতুর্থাংশ)।

২৯৮.
যদি প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা দৈব-দূর্বিপাকের কারণে নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন সম্ভব না হয়, তবে পরবর্তী কত দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে?
  1. ৩০ দিনের মধ্যে
  2. ৬০ দিনের মধ্যে
  3. ৯০ দিনের মধ্যে
  4. ১২০ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
৯০ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা

উত্তর: গ. পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে।

সংবিধানের ১২৩ নং অনুচ্ছেদ: নির্বাচন-অনুষ্ঠানের সময় -

(১) রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ অবসানের কারণে উক্ত পদ শূন্য হলে মেয়াদ-সমাপ্তির তারিখের পূর্ববর্তী নব্বই হতে ষাট দিনের মধ্যে শূন্য পদ পূরণের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
তবে শর্ত থাকে যে, যে সংসদের দ্বারা তিনি নির্বাচিত হয়েছেন সেই সংসদের মেয়াদকালে রাষ্ট্রপতির কার্যকাল শেষ হইলে সংসদের পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত অনুরূপ শূন্য পদ পূর্ণ করার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে না, এবং অনুরূপ সাধারণ নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকের দিন হতে ত্রিশ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতির শূন্য পদ পূর্ণ করার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

(২) মৃত্যু, পদত্যাগ বা অপসারণের ফলে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে পদটি শূন্য হবার পর নব্বই দিনের মধ্যে তা পূর্ণ করার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

(৩) সংসদ-সদস্যদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে-
(ক) মেয়াদ-অবসানের কারণে সংসদ ভেঙে যাবার ক্ষেত্রে ভেঙে যাবার পূর্ববর্তী নব্বই দিনের মধ্যে; এবং
(খ) মেয়াদ-অবসান ব্যতীত অন্য কোনো কারণে সংসদ ভাংগিয়া যাবার ক্ষেত্রে ভেঙে যাবার পরবর্তী নব্বই দিনের মধ্যে।
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার (ক) উপ-দফা অনুযায়ী অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে নির্বাচিত ব্যক্তিগণ, উক্ত উপ-দফায় উল্লিখিত মেয়াদ সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত, সংসদ সদস্যরূপে কার্যভার গ্রহণ করবে না।

(৪) সংসদ ভেঙে যাওয়া ব্যতীত অন্য কোনো কারণে সংসদের কোনো সদস্যপদ শূন্য হলে পদটি শূন্য হবার নব্বই দিনের মধ্যে উক্ত শূন্যপদ পূর্ণ করার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
তবে শর্ত থাকে যে, যদি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের মতে, কোনো দৈব-দূর্বিপাকের কারণে এই দফার নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে উক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব না হয়, তা হলে উক্ত মেয়াদের শেষ দিনের পরবর্তী নব্বই দিনের মধ্যে উক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

২৯৯.
কত বছরের অধিক সময় স্বামী নিরুদ্দেশ থাকলে মুসলিম স্ত্রী আদালতে তালাক চাইতে পারেন?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৪ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৪ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ বছর
ব্যাখ্যা
• ১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইনের ২ ধারা অনুযায়ী, স্ত্রী যে-সব কারণে আদালতে তালাক চাইতে পারেন সেগুলো হলো-
⇒ চার বছর পর্যন্ত স্বামী নিরুদ্দেশ থাকলে;
⇒ দুই বছর স্বামী তার স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হলে;
⇒ স্বামীর সাত বছর কিংবা তার চেয়ে বেশি কারাদণ্ড হলে;
⇒ স্বামী কোনো যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া তিন বছর যাবত দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে;
⇒ বিয়ের সময় পুরুষত্বহীন থাকলে এবং তা মামলা দায়ের করা পর্যন্ত বহাল থাকে;
⇒ স্বামী দুই বছর ধরে অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল থাকলে অথবা কুষ্ঠরোগে বা মারাত্মক যৌন ব্যাধিতে আক্রান্ত থাকলে;
⇒ বিয়ে অস্বীকার করলে। অর্থাৎ যদি কোনো মেয়ের বাবা বা অভিভাবক মেয়েকে ১৮ বছর বয়স হওয়ার আগে বিয়ে দেন এবং সেই মেয়েটি ১৯ বছর হওয়ার আগে বিয়ে অস্বীকার করে বিয়ে ভেঙে দিতে পারে। তবে শর্ত হলো, মেয়েটির সঙ্গে স্বামীর দাম্পত্য সম্পর্ক (সহবাস) যদি স্থাপিত না হয়ে থাকে তখনই কেবল বিয়ে অস্বীকার করে আদালতে বিচ্ছেদের ডিক্রি চাওয়া যাবে;
⇒ স্বামী ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধান লঙ্ঘন করে একাধিক স্ত্রী গ্রহণ করলে;

⇒ স্বামীর নিষ্ঠুরতার কারণে। নিম্নলিখিত আচরণগুলো ‘নিষ্ঠুরতা’ হিসেবে গণ্য হবে-
(ক) অভ্যাসগত আচরণে স্ত্রীকে আঘাত করা (দৈহিক আঘাত ছাড়াও মানসিক আঘাতও এর অন্তর্ভুক্ত, যা তার জীবন শোচনীয় বা দুর্বিষহ করে তুলেছে);
(খ) অন্য কোনো খারাপ নারীর সঙ্গে জীবনযাপন বা মেলামেশা;
(গ) স্ত্রীকে অনৈতিক জীবনযাপনে বাধ্য করা;
(ঘ) স্ত্রীর সম্পত্তি নষ্ট করা;
(ঙ) স্ত্রীকে নিজস্ব ধর্মপালনে বাধা দেয়া;
(চ) যদি স্বামীর একাধিক স্ত্রী থাকে, তাদের সঙ্গে পবিত্র কোরআনের নির্দেশ অনুসারে সমান ব্যবহার না করা;
(ছ) এছাড়া মুসলিম আইনে বিয়ে বিচ্ছেদের জন্য বৈধ বলে স্বীকৃত অন্য যে কোনো কারণে স্ত্রী পারিবারিক আদালতে বিয়ে বিচ্ছেদের দাবি করতে পারবে।
৩০০.
ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিযুক্ত না হওয়া পর্যন্ত সরকার কাকে বিচারক হিসেবে ক্ষমতায়ন করতে পারে?
  1. জেলা জজ
  2. যুগ্ম জেলা জজ
  3. সহকারী জজ
  4. সিনিয়র সহকারী জজ
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ
ব্যাখ্যা
ধারা ১৪৫খ: ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনাল (Land Survey Appellate Tribunal) –

(১) সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে, প্রয়োজনে যতগুলি প্রয়োজন হয় ততগুলি ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে পারবে, যা ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত আপিল শুনানির জন্য গঠিত হবে।

(২) সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালের বিচারাধীন এলাকার সীমা নির্ধারণ বা পরিবর্তন করতে পারবে।

(৩) সরকার, জেলা জজদের মধ্য থেকে ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিয়োগ করবে।

(৩ক) যতক্ষণ না (৩) উপধারার অধীনে কোনো বিচারক নিয়োগ দেওয়া হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত সরকার প্রত্যেক জেলায় জেলা জজকে আপাতভাবে ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালের বিচারক হিসেবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত করতে পারবে।

(৩খ) (৩ক) উপধারায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত জেলা জজকে এই ধারার অধীনে নিয়োগপ্রাপ্ত বিচারক বলে গণ্য করা হবে।

(৩গ) প্রয়োজনে সরকার এক বা একাধিক অতিরিক্ত জেলা জজকে এই ট্রাইব্যুনালের বিচারক হিসেবে নিয়োগ দিতে পারবে, যিনি মূল বিচারকের কাছ থেকে স্থানান্তরিত আপিল শুনানি করবেন।

(৪) ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের রায়, ডিক্রি বা আদেশ থেকে উদ্ভূত আপিল ব্যতীত অন্য কোনো আপিল ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালে গ্রহণযোগ্য নয়।

(৫) যে কোনো ব্যক্তি যিনি ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের রায়, ডিক্রি বা আদেশে ক্ষতিগ্রস্ত, তিনি রায়ের তারিখ থেকে তিন মাসের মধ্যে ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালে আপিল দায়ের করতে পারবেন।

(৬) যদি আপিলকারী যথাযথ বিলম্বের কারণ ব্যাখ্যা করতে পারেন, তবে ট্রাইব্যুনাল সেই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট হলে পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে আপিল গ্রহণ করতে পারে।