উত্তর
ব্যাখ্যা
⇒ The Special Powers Act, 1974 Section-25C. Penalty for adulteration of, or sale of adulterated food, drink, drugs or cosmetics:
(1) Whoever-
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ২২ / ৩০ · ২,১০১–২,২০০ / ২,৯৬৪
⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ৩২ অনুসারে, অপরাধের শিকার ব্যক্তির মেডিক্যাল পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে চিকিৎসককে বিনামূল্যে মেডিক্যাল সার্টিফিকেট প্রদান করতে হবে—শিকার ব্যক্তি বা তার পরিবারের সদস্য এবং তদন্তকারী কর্মকর্তাকে। এই সার্টিফিকেটটি পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে প্রস্তুত হয় এবং এটি বিচার প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ৩২ অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং অপরাধের শিকার ব্যক্তির মেডিক্যাল পরীক্ষা:
(১) এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং অপরাধের শিকার ব্যক্তির মেডিক্যাল পরীক্ষা সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করিয়া সরকারি হাসপাতালে কিংবা সরকার কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে স্বীকৃত কোন বেসরকারি হাসপাতালে সম্পন্ন করা যাইবে এবং সরকারি হাসপাতালে এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের শিকার ব্যক্তি নিজে হাজির হইলে কিংবা এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি বা অপরাধের শিকার ব্যক্তি পুলিশ কর্তৃক উপস্থাপিত হইলে তাহাদের মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্য কোন ফি প্রদেয় হইবে না।
(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত কোন হাসপাতালে এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের শিকার ব্যক্তিকে চিকিৎসার জন্য উপস্থিত করা হইলে, উক্ত হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাহার মেডিক্যাল পরীক্ষা অতিদ্রুত সম্পন্ন করিবে এবং উক্ত মেডিক্যাল পরীক্ষা সম্পন্ন হইবার পরবর্তী বাহাত্তর ঘণ্টার মধ্যে এই সংক্রান্ত একটি সার্টিফিকেট বিনামূল্যে অপরাধের শিকার ব্যক্তিকে বা, ক্ষেত্রমত, তাহার পরিবারকে ও তদন্তকারী কর্মকর্তাকে প্রদান করিবে এবং এইরূপ অপরাধ সংঘটনের বিষয়টি স্থানীয় থানাকে অবহিত করিবে।
(৩) এই ধারার অধীন যুক্তিসঙ্গত সময়ের মধ্যে কোন মেডিক্যাল পরীক্ষা সম্পন্ন না করার ক্ষেত্রে, তৎসম্পর্কে ব্যাখ্যা সম্বলিত প্রতিবেদন পর্যালোচনার পর নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা কিংবা, ক্ষেত্রমত, মেডিক্যাল পরীক্ষার আদেশ প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ বা তাহার নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, ম্যাজিষ্ট্রেট, ট্রাইব্যুনাল বা সংশ্লিষ্ট অন্য কোন কর্তৃপক্ষ যদি এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, যুক্তিসঙ্গত সময়ের মধ্যে মেডিক্যাল পরীক্ষা সম্পন্ন না হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকই দায়ী, তাহা হইলে উহা দায়ী ব্যক্তির অদক্ষতা ও অসদাচরণ বলিয়া বিবেচিত হইবে এবং এই অদক্ষতা ও অসদাচরণ তাহার বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদনে লিপিবদ্ধ করা হইবে এবং উপযুক্ত ক্ষেত্রে চাকুরী বিধিমালা অনুযায়ী তাহার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে, এবং সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কর্তব্যে অবহেলার জন্য তাহার নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ বা, ক্ষেত্রমত, যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ট্রাইব্যুনাল নির্দেশ দিতে পারিবে ৷
⇒ হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ধারা ১৪১(খ) অনুযায়ী, ধারা ১৩৮-এর অধীন চেকের অপরাধের জন্য অভিযোগ অবশ্যই সেই তারিখ হতে এক মাসের মধ্যে দায়ের করতে হবে, যেই তারিখে ধারা ১৩৮-এর দফা (গ)-এর অধীন কার্যকারণের কারণ সৃষ্টি হয়। এই এক মাস সময়সীমা ধারা ১৩৮-এর দফা (গ) অনুসারে কার্যকারণের কারণ সৃষ্টির তারিখ থেকে গণনা করতে হবে। সময়সীমা অতিক্রম করলে আদালত অভিযোগ আমলে নেবেন না।
⇒ হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ ধারা ১৪১: ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (অধ্যাদেশ নং V of 1898)-এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, নিম্নলিখিত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হইবে:
(ক) ধারা ১৩৮-এর অধীন দণ্ডনীয় কোনো অপরাধের বিচার কেবলমাত্র সেই ক্ষেত্রে আমলে নেওয়া যাইবে, যদি উক্ত অপরাধের জন্য অভিযোগ লিখিতভাবে দায়ের করা হয় এবং উক্ত অভিযোগটি চেকের প্রাপক বা ক্ষেত্রবিশেষে চেকের যথাযথ অধিকারপ্রাপ্ত ধারক কর্তৃক দাখিল করা হয়;
(খ) এইরূপ অভিযোগ অবশ্যই সেই তারিখ হইতে এক মাসের মধ্যে দায়ের করিতে হইবে, যেই তারিখে ধারা ১৩৮-এর দফা (গ)-এর অধীন কার্যকারণের কারণ সৃষ্টি হয়;
(গ) ধারা ১৩৮-এর অধীন দণ্ডনীয় কোনো অপরাধ বিচার করিবার ক্ষমতা সেশন আদালতের অধস্তন কোনো আদালতের থাকিবে না।
⇒ The Negotiable Instruments Act, 1881: Section 141: Cognizance of offences:
Notwithstanding anything contained in the Code of Criminal Procedure, 1898 (Act V of 1898),-
(a) no court shall take cognizance of any offence punishable under section 138 except upon a complaint, in writing, made by the payee or, as the case may be, the holder in due course of the cheque;
(b) such complaint is made within one month of the date on which the cause of action arises under clause (c) of the proviso to section 138;
(c) no court inferior to that of a Court of Sessions shall try any offence punishable under section 138.
Transfer of Property Act, 1882-এর ধারা ৮১-“Marshalling Securities”:
যদি কোনো ব্যক্তি (মালিক) দুই বা তার বেশি সম্পত্তি (properties) কোনো একজন ব্যক্তির কাছে বন্ধক (mortgage) রাখেন,
এবং তারপর সেই সম্পত্তিগুলোর মধ্যে এক বা একাধিক সম্পত্তি আবার অন্য ব্যক্তির কাছে বন্ধক রাখেন, তাহলে- দ্বিতীয় (পরবর্তী) বন্ধকগ্রহীতা (subsequent mortgagee) যতক্ষণ পর্যন্ত বিপরীত কোনো চুক্তি না থাকে- এই অধিকারের অধিকারী হবেন যে, আগের বন্ধকের টাকা (prior mortgage-debt) সেই সম্পত্তি বা সম্পত্তিগুলো থেকে পরিশোধ করা হবে যেগুলো দ্বিতীয় বন্ধকগ্রহীতার কাছে বন্ধক রাখা হয়নি, যতদূর পর্যন্ত তা সম্ভব হয়।
তবে এই অধিকার এভাবে প্রয়োগ করা যাবে না যাতে-
আগের বন্ধকগ্রহীতার (prior mortgagee) অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হয়, অথবা এমন কোনো ব্যক্তির অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হয় যিনি বিনিময়ে (for consideration) ঐ সম্পত্তির কোনো স্বার্থ অর্জন করেছেন।
ধরা যাক-
মালিক A-এর দুটি জমি আছে X ও Y। তিনি দুটোই B-এর কাছে বন্ধক রাখলেন (প্রথম বন্ধক)। পরে A, জমি Y-কে আবার C-এর কাছে বন্ধক রাখলেন (দ্বিতীয় বন্ধক)। এখন, C (দ্বিতীয় বন্ধকগ্রহীতা) কোর্টে বলতে পারেন— “প্রথম বন্ধকের টাকা আগে জমি X থেকে পরিশোধ করা হোক, যাতে আমার বন্ধককৃত জমি Y-এর উপর চাপ না পড়ে।” এটিই হলো Marshalling- অর্থাৎ, একাধিক সম্পত্তি বন্ধক রাখা হলে, পরবর্তী বন্ধকগ্রহীতার স্বার্থ রক্ষার জন্য আদালত ন্যায়সঙ্গতভাবে নির্ধারণ করতে পারে কোন সম্পত্তি থেকে আগে ঋণ পরিশোধ হবে।
“The power under the Constitution will always be in the people” — এই বিখ্যাত উক্তিটি বলেছেন George Washington (জর্জ ওয়াশিংটন), যিনি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম রাষ্ট্রপতি এবং মার্কিন সংবিধানের অন্যতম প্রধান রক্ষক ও প্রতিষ্ঠাতা। এটি George Washington-এর ১৭৮৭ সালের ১০ নভেম্বর Bushrod Washington-কে লেখা এক ঐতিহাসিক চিঠি থেকে নেওয়া।
⇒ এই উক্তির মাধ্যমে জর্জ ওয়াশিংটন বোঝাতে চেয়েছিলেন যে-
• জনগণই রাষ্ট্রের মূল উৎস-
সংবিধান জনগণের সম্মতিতে গঠিত, তাই সরকার জনগণের ইচ্ছার বাইরে কিছু করতে পারে না।
• সরকার জনগণের প্রতিনিধি মাত্র-
তারা জনগণের হয়ে প্রশাসন চালায়, কিন্তু জনগণই ক্ষমতার উৎস ও নিয়ন্ত্রক।
• সংবিধান জনগণের অধিকার রক্ষা করে-
সরকার সংবিধানের অধীনে চলে, আর সংবিধান জনগণের ইচ্ছা ও স্বাধীনতার প্রতিফলন।
⇒ এই ধারণাটি এসেছে American Constitution (1787) প্রণয়নের সময়কার ভাবনা থেকে। তখন আমেরিকার জনগণ ব্রিটিশ উপনিবেশ থেকে স্বাধীনতা অর্জন করে এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা গঠন করতে চেয়েছিল যেখানে রাজা নয়, জনগণই হবে সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী।
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানেও একই মূলনীতি প্রকাশিত হয়েছে-
“The Republic shall be a democracy in which all powers belong to the people.” (বাংলাদেশ সংবিধান, অনুচ্ছেদ ৭)
অর্থাৎ, রাষ্ট্রের সব ক্ষমতা জনগণের এবং সংবিধান জনগণের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার বৈধতা প্রদান করে।
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২১–এ নাগরিক ও সরকারি কর্মচারীদের কর্তব্য নির্ধারণ করা হয়েছে। নাগরিকদের জন্য—আইন মানা ও জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা, সরকারি কর্মচারীদের জন্য—সর্বদা জনগণের সেবা করা। তাই সঠিক উত্তর অনুচ্ছেদ ২১।
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২১ এর বিধান নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য:
(১) সংবিধান ও আইন মান্য করা, শৃঙ্খলা রক্ষা করা, নাগরিকদায়িত্ব পালন করা এবং জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য৷
(২) সকল সময়ে জনগণের সেবা করিবার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য৷
----------------
⇒ The Constitution of the People’s Republic of Bangladesh: Article-21: Duties of citizens and of public servants:
(1) It is the duty of every citizen to observe the Constitution and the laws, to maintain discipline, to perform public duties and to protect public property.
(2) Every person in the service of the Republic has a duty to strive at all times to serve the people.
• জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের ৬ ধারায় বলা আছে- যখন কোনো আইন বা প্রবিধি অন্য কোনো আইনকে রহিত করে তখন:
১. রহিতকরণ আইন রহিত হওয়ার সময় কার্যকর ছিল না বা অস্তিত্ব ছিল না এরূপ কোনো আইনকে পুনর্জীবিত করবে না।
২. রহিত হয়ে যাওয়া কোনো আইন [Repealed Act]-এর অধীনে যথাযথভাবে কৃত ব্য ব্যাহত কোনো কার্যক্রম কিছুকে রহিতকরণ আইন [Repealing Act] ক্ষুণ্ণ করবে না।
৩. রহিত কোনো আইনের অধীনে অর্জিত বা প্রাপ্ত কোনো অধিকার, বাধ্যবাধকতা বা দায়কে রহিতকরণ আইন [Repealing Act] ক্ষুণ্ণ করবে না।
৪. রহিত আইনের অধীনে কৃত কোনো অপরাধের ক্ষেত্রে প্রদত্ত কোনো দণ্ড, বাজেয়াপ্তকরণ বা শাস্তিকে ক্ষুণ্ণ করবে না।
৫. উল্লিখিত অধিকার, বাধ্যবাধকতা, দায়, দণ্ড, বাজেয়াপ্তকরণ বা শাস্তি-সম্পর্কিত কোনো তদন্ত, আইনগত কার্যক্রম [Legal Proceeding] বা প্রতিকারকে রহিতকরণ আইন [Repealing Act] ক্ষুণ্ণ করবে না।
পূর্বের আইনের অধীনে কোনো আইনগত কার্যক্রম চলমান থাকলে তা অব্যাহত থাকবে এবং তার অধীনে দও, বাজেয়াপ্ত বা শাস্তিও আরোপ করা যাবে যেন বিলোপকারী আইনটি [Repealing Act] প্রণীত হয় নাই।
⇒ হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১-এর ধারা ১৩৮ অনুযায়ী, তহবিলের অপর্যাপ্ততার কারণে চেক ডিশনার (বাউন্স) হলে প্রদানকারীর শাস্তি "এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, বা চেকের অর্থের তিনগুণ পর্যন্ত জরিমানা, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।"
- হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ধারা ১৩৮- অর্থের ঘাটতির কারণে চেক প্রত্যাখ্যান:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি নিজের ব্যাংক হিসাবে রক্ষিত অর্থ থেকে অন্য কোনো ব্যক্তিকে পরিশোধের জন্য একটি চেক প্রদান করেন এবং উক্ত চেকটি ব্যাংক কর্তৃক প্রত্যাখ্যাত হয় ওই হিসাবে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকার কারণে, অথবা উক্ত ব্যাংকের সাথে চুক্তি অনুযায়ী অনুমোদিত পরিমাণের চেয়ে বেশি অর্থ চেকের মাধ্যমে তোলা হয়েছে - তবে উক্ত ব্যক্তিকে একটি অপরাধে দোষী গণ্য করা হবে এবং তাকে ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা চেকের পরিমাণের তিন গুণ পর্যন্ত অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।
শাস্তি:
- সর্বোচ্চ ১ বছরের কারাদণ্ড, অথবা
- চেকের মূল অঙ্কের সর্বোচ্চ ৩ গুণ অর্থদণ্ড, অথবা
- উভয়ই।
শর্তাবলি:
এই ধারা প্রযোজ্য হবে তখনই, যদি:
(ক) চেকটি ইস্যুর তারিখ হতে ৬ মাসের মধ্যে বা তার মেয়াদ থাকাকালীন, যেটি আগে ঘটে, ব্যাংকে উপস্থাপন করা হয়;
(খ) চেক প্রত্যাখ্যাত হওয়ার বিষয়ে ব্যাংক থেকে তথ্য পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে, প্রাপ্য বা উপযুক্ত ধারক লিখিতভাবে টাকা চেয়ে নোটিশ প্রদান করেন;
(গ) নোটিশ পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে, চেকদাতা উক্ত অর্থ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হন।
(১ক) উপ-ধারা (১)-এর (খ) দফায় উল্লিখিত নোটিশ প্রদান করা যেতে পারে নিম্নলিখিত ৩টি পদ্ধতিতে:
(ক) ব্যক্তিগতভাবে চেকদাতাকে প্রদান করে;
(খ) প্রাপকের সাধারণ বা সর্বশেষ পরিচিত ঠিকানায় প্রাপ্তিস্বীকারসহ রেজিস্টার্ড ডাকযোগে পাঠিয়ে;
(গ) একটি বহুল প্রচারিত বাংলা জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশ করে।
(২) যদি উপ-ধারা (১) অনুযায়ী অর্থদণ্ড আদায় করা হয়, তবে চেকের মূল পরিমাণ পর্যন্ত অর্থ চেকধারককে প্রদান করা হবে (যতটুকু আদায় সম্ভব হয়)।
(৩) উপ-ধারা (১) ও (২)-এর বিধান সত্ত্বেও, চেকধারক সিভিল আদালতের মাধ্যমে বকেয়া টাকা আদায়ের মামলা দায়ের করার অধিকার সংরক্ষণ করেন, যদি পুরো অর্থ বা আংশিক অর্থ আদায় না হয়।
⇒ Third Law Commission (1868–1870) প্রথমবারের মতো Transfer of Property Bill খসড়া প্রণয়ন করে।
উদ্দেশ্য ছিল ভারতের সিভিল কোডের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে স্থাবর সম্পত্তির হস্তান্তর সম্পর্কিত আইনকে একত্রিত ও পরিষ্কারভাবে উপস্থাপন করা।
পরবর্তীতে Dr. Whitley Stokes (1877) বিলটি পুনর্বিন্যাস করেন।
এরপর Fourth Law Commission (1879) এটি পর্যালোচনা করে এবং সুপারিশের ভিত্তিতে Transfer of Property Act, 1882 কার্যকর হয়।
অর্থাৎ, বিলটি প্রথমে Third Law Commission-এর কাছে রেফার করা হয়েছিল।
⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ৮(৫) অনুযায়ী, লিখিত জবাব দাখিল করার সময় বাদীর সংখ্যার দ্বিগুণ অবিকল নকল আদালতে জমা দিতে হবে।
- উদাহরণস্বরূপ, যদি মোকদ্দমায় ১ জন বাদী থাকে, তাহলে ২ কপি নকল জমা দিতে হবে। এই নকলগুলোর সাথে তপশিল, দলিল ও দলিলের তালিকা সংযুক্ত করতে হবে।
– পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩, ধারা ৮(৫) মোকদ্দমাতে যতসংখ্যক বাদী রহিয়াছে তাহার দ্বিগুণসংখ্যক লিখিত জবাবের অবিকল নকল লিখিত জবাবের সহিত প্রদান করিতে হইবে।
⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩-এর ধারা ৮ লিখিত জবাব:
(১) বিবাদীর উপস্থিতির জন্য নির্ধারিত তারিখে, বাদী ও বিবাদী পারিবারিক আদালতে হাজির হইবে এবং বিবাদী তাহার আত্মপক্ষ সমর্থনে লিখিত জবাব দাখিল করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, বিবাদী উপযুক্ত কারণ প্রদর্শনপূর্বক সময় প্রার্থনা করিলে আদালত তাহার আত্মপক্ষ সমর্থনে লিখিত জবাব দাখিলের জন্য অনধিক ২১(একুশ) দিনের মধ্যে অপর একটি তারিখ ধার্য করিতে পারিবে।
(২) লিখিত জবাবে আত্মপক্ষ সমর্থনে উপস্থিত করিতে ইচ্ছুক সাক্ষীগণের নাম ও ঠিকানার তফসিল থাকিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, বিবাদী আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে, পরবর্তী যেকোনো পর্যায়ে সাক্ষী আহ্বান করিতে পারিবে, যদি আদালত মনে করে যে, ন্যায়বিচারের স্বার্থে উক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ প্রয়োজন।
(৩) যেক্ষেত্রে বিবাদী তাহার আত্মপক্ষ সমর্থনে সাক্ষ্য হিসাবে তাহার দখলে বা ক্ষমতাধীনে রহিয়াছে এইরূপ কোনো দলিলের উপর নির্ভর করেন সেইক্ষেত্রে তিনি লিখিত জবাব দাখিলের সময় আদালতে উহা উপস্থাপন করিবেন এবং একই সময় উক্ত দলিল বা উহার কোনো অবিকল নকল বা ছায়ালিপি বা অন্য যেকোনো কপি লিখিত জবাবের সহিত নথিভুক্ত করিবার জন্য দাখিল করিবেন এবং উক্ত দলিল একটি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করিয়া উহা লিখিত জবাবের সহিত সংযুক্ত করিবেন।
(৪) যেক্ষেত্রে বিবাদী তাহার লিখিত জবাবের সমর্থনে সাক্ষ্য হিসাবে এমন কোনো দলিলের উপর নির্ভর করেন যাহা তাহার দখলে বা ক্ষমতাধীন নাই, সেইক্ষেত্রে তিনি লিখিত জবাবের সহিত সংযুক্ত করিবার তালিকায় এইরূপ দলিল অন্তর্ভুক্ত করিবেন এবং যাহার দখলে বা ক্ষমতাধীন উহা রহিয়াছে তাহা উল্লেখ করিবেন।
(৫) উপধারা (২), (৩) ও (৪) এ বর্ণিত তপশিল ও দলিলসমূহের তালিকাসহ মোকদ্দমাতে যতসংখ্যক বাদী রহিয়াছে তাহার দ্বিগুণসংখ্যক লিখিত জবাবের অবিকল নকল লিখিত জবাবের সহিত প্রদান করিতে হইবে।
(৬) উপধারা (৫) এ বর্ণিত তপশিল, দলিল এবং দলিলসমূহের তালিকাসহ লিখিত জবাবের অনুলিপি বাদী, ক্ষেত্রমত, আদালতে উপস্থিত তাহার প্রতিনিধি বা আইনজীবীকে প্রদান করিতে হইবে।
(৭) যেক্ষেত্রে লিখিত জবাব দাখিল করিবার সময় বিবাদী কর্তৃক কোনো দলিল আদালতে দাখিল করিবার প্রয়োজন ছিল অথবা লিখিত জবাবের সহিত সংযুক্ত করিবার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করিবার প্রয়োজন ছিল তবে উহা দাখিল বা অন্তর্ভুক্ত করা হয় নাই, সেইক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি ব্যতীত, মোকদ্দমার শুনানিতে উক্ত দলিল তাহার অনুকূলে সাক্ষ্য হিসাবে গৃহীত হইবে না।
(৮) আদালত কোনো ব্যতিক্রমী ক্ষেত্র ব্যতীত উপধারা (৭) এর অধীন কোনো দলিল অন্তর্ভুক্তির অনুমতি প্রদান করিবে না।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯ক (১১):
কোর্ট ফি আইন, ১৮৭০ (১৮৭০ সালের ৭নং আইন) এ যা কিছুই বর্ণিত থাকুক না কেন, কোন মোকদ্দমার বিরোধ বা বিরোধসমূহ এই ধারার অধীনে মীমাংসায় নিষ্পত্তি হলে পক্ষসমূহের মাধ্যমে আরজি কিংবা জবাবে প্রদত্ত কোর্ট ফি ফেরত দেয়ার নির্দেশ প্রদান করে কোর্ট একটি সার্টিফিকেট জারি করবে এবং সার্টিফিকেট জারির তারিখ থেকে ষাট দিনের ভিতর পক্ষসমূহ তা ফেরত পাওয়ার অধিকারী হবে।
Section 89A (11)-
Notwithstanding anything contained in the Court-fees Act, 1870 (Act No. VII of 1870), where a dispute or disputes in a suit are settled on compromise under this section, the Court shall issue a certificate directing refund of the court fees paid by the parties in respect of the plaint or written statement; and the parties shall be entitled to such refund within 60 (sixty) days of the issuance of the certificate.
⇒ আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ৮-এর শিরোনামই হল "দ্রুত বিচার আদালত গঠন"। এই ধারায় সরকার কর্তৃক গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে জেলায় ও মেট্রোপলিটন এলাকায় দ্রুত বিচার আদালত গঠন, বিচারক নিয়োগ এবং অধিক্ষেত্র নির্ধারণের বিধান রয়েছে।
⇒ আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ৮- দ্রুত বিচার আদালত গঠন:
(১) সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে প্রত্যেক জেলায় এবং মেট্রোপলিটন এলাকায় এক বা একাধিক দ্রুত বিচার আদালত গঠন করিতে পারিবে এবং উক্ত প্রজ্ঞাপনে প্রত্যেকটি দ্রুত বিচার আদালতের স্থানীয় অধিক্ষেত্র নির্ধারণ করিয়া দিতে পারিবে৷
(২) সরকার বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত একজন প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটকে উক্ত আদালতের বিচারক নিযুক্ত করিবে।
The Special Powers Act, 1974 এর ধারা ২৪: সান্ধ্য আইন-
(১) কোনো জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মহানগরী এলাকায় পুলিশ কমিশনার, সরকারের নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে, নির্দেশ প্রদান করিতে পারেন যে, আদেশে উল্লিখিত অব্যাহতি সাপেক্ষে, আদেশে উল্লেখিত এলাকা বা এলাকাসমূহে উপস্থিত কোনো ব্যক্তি, আদেশে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা ব্যক্তি কর্তৃক প্রদত্ত লিখিত অনুমতি ব্যতীত, ঘরের বাহির হইবে না।
(২) যদি কোনো ব্যক্তি এই ধারার অধীন প্রদত্ত কোনো আদেশ লঙ্ঘন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক এক বৎসরের কারাদণ্ডে, বা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
⇒ মুসলিম উত্তরাধিকার আইনের ধারা অনুযায়ী, স্ত্রীর উত্তরাধিকার নির্ভর করে মৃত স্বামীর সন্তান আছে কি নেই।
মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে স্ত্রীর অংশ নিম্নলিখিতভাবে নির্ধারিত হয়:
যদি মৃত স্বামীর সন্তান বা পুত্রের সন্তান (নাতি) থাকে: স্ত্রী পাবে ১/৮ অংশ (কোরআনের সূরা নিসা ৪:১২ অনুযায়ী)।
যদি মৃত স্বামীর কোনো সন্তান বা নাতি না থাকে: স্ত্রী পাবে ১/৪ অংশ।
অর্থাৎ যদি স্বামীর সন্তান থাকে, স্ত্রীর অংশ ১/৮ এবং যদি কোনো সন্তান না থাকে, স্ত্রীর অংশ ১/৪।
এটি কোরআন অনুযায়ী নির্ধারিত “যাওয়িল ফুরূদ” (Zawil Furud) এর মধ্যে একটি নির্দিষ্ট অংশ।
সুতরাং, সন্তান থাকলে স্ত্রীর অংশ হবে ১/৮।
⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ২৫ক(১) অনুযায়ী, যখন কোনো অভিযোগকারী প্রাথমিক সাক্ষ্যপ্রমাণসহ থানায় হাজির হন, তখন অফিসার ইনচার্জের প্রাথমিক দায়িত্ব হলো অভিযোগটি তাৎক্ষণিকভাবে এজাহারভুক্ত করা। এর পাশাপাশি, তিনি অপরাধের শিকার ব্যক্তির প্রয়োজনীয় মেডিক্যাল পরীক্ষা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন, যা এই আইনের অন্যান্য বিধানাবলির সাপেক্ষে। এই ধারার মূল উদ্দেশ্য হলো নারী ও শিশু নির্যাতনের অভিযোগ দ্রুত ও কার্যকরভাবে গ্রহণ এবং প্রক্রিয়াকরণ নিশ্চিত করা।
⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ২৫ক-থানার অফিসার ইনচার্জের দায়িত্ব:
(১) এই আইনের অধীন সংঘটিত কোন অপরাধের প্রাথমিক সাক্ষ্যপ্রমাণসহ কোনো অভিযোগকারী থানায় হাজির হইলে অফিসার ইনচার্জ তাৎক্ষণিকভাবে তাহার অভিযোগটি এজাহারভুক্ত করিবেন এবং ক্ষেত্রমত এই আইনের অন্যান্য বিধানাবলি সাপেক্ষে অপরাধের শিকার ব্যক্তির প্রয়োজনীয় মেডিক্যাল পরীক্ষা ও চিকিৎসার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করিবেন।
(২) অভিযোগকারী প্রাথমিক সাক্ষ্যপ্রমাণসহ থানায় হাজির হইলে তাহাকে কেবল এই যুক্তিতে ফিরাইয়া দেওয়া যাইবে না যে, তাহার ঘটনাটি অন্য থানার এখতিয়ারাধীন এলাকায় ঘটিয়াছে, বরং যেই থানাতেই অভিযোগ করা হউক না কেন, উক্ত থানার অফিসার ইনচার্জ অবিলম্বে অভিযোগকারীর বক্তব্য লিপিবদ্ধ করিবেন, অপরাধের শিকার ব্যক্তির প্রয়োজনীয় মেডিক্যাল পরীক্ষা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করিবেন এবং অনতিবিলম্বে কেস ডায়েরিসহ অভিযোগটি উপযুক্ত থানায় প্রেরণ করিবেন।
পারিবারিক আদালত আইন,২০২৩ এর ধারা ৯- আরজি ও লিখিত জবাব সংশোধন:
এই আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে আদালত, কোনো পক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে, করণিক ভুল সংশোধনের উদ্দেশ্যে অথবা অন্য কোনো কারণে পক্ষগণের মধ্যে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করিবার জন্য আরজি বা লিখিত জবাব সংশোধনের আদেশ দিতে পারিবে :
তবে শর্ত থাকে যে, যদি আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয়, এইরূপ সংশোধনের আবেদন মোকদ্দমার বিচার কার্যক্রম বিলম্বিত করিবার উদ্দেশ্যে আনয়ন করা হইয়াছে, সেইক্ষেত্রে আদালত উক্তরূপ সংশোধনীর আদেশ প্রদান করিবে না।
⇒ মুসলিম আইনে বিবাহকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়:
- সহিহ বিবাহ – যাবতীয় শর্ত পূরণসহ সম্পন্ন বিবাহ।
- ফাসিদ বিবাহ – অনিয়মিত বিবাহ, যাতে কিছু শর্তের অভাব বা লঙ্ঘন আছে কিন্তু বিবাহটি মূলত বে-আইনি নয়। এ ধরনের বিবাহ সংশোধনযোগ্য।
- বাতিল বিবাহ – সম্পূর্ণ অবৈধ বিবাহ, যা কোনোভাবেই বৈধ হয় না।
⇒ অনিয়মিত বিবাহের সংজ্ঞা (Definition of irregular marriage):
যে বিবাহ মূলত বে-আইনী নয়, কিন্তু এতে বৈধ বিবাহের কোনো নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়েছে বলে প্রমাণিত হয়, তবে ঐ বিবাহকে অনিয়মিত বিবাহ বা ফাসিদ বিবাহ বলে। অর্থাৎ যে বিবাহ ত্রুটিপূর্ণ, কিন্তু বাতিল নয় এটিই অনিয়মিত বিবাহ।
যেমন: সাক্ষী ছাড়া বিবাহ, ইদ্দতের মধ্যে বিবাহ, স্ত্রীর বোন বিবাহ করা ইত্যাদি।
মুসলিম আইনে "অনিয়মিত বিবাহ" (ফাসিদ) বলতে এমন বিবাহকে বোঝায় যাতে বিবাহের কিছু আনুষ্ঠানিক শর্ত লঙ্ঘন করা হয়েছে, কিন্তু বিবাহটি সম্পূর্ণ বাতিল নয় (সংশোধনযোগ্য)।
ক) সাক্ষী ছাড়া বিবাহ: এটি ফাসিদ, কারণ মুসলিম বিবাহের জন্য কমপক্ষে দুইজন সাক্ষী বাধ্যতামূলক।
গ) ইদ্দত পালনরত মহিলাকে বিবাহ: এটি ফাসিদ, কারণ ইদ্দতকালীন (প্রতীক্ষার সময়) মহিলাকে বিবাহ করা নিষিদ্ধ।
ঘ) একই সাথে দুই বোনকে বিবাহ: এটি ফাসিদ, কারণ ইসলামে একই সময়ে দুই বোনকে বিবাহ করা হারাম।
খ) প্রথম স্ত্রী থাকতে দ্বিতীয় বিবাহ: এটি ফাসিদ নয়, অর্থাৎ এটি অনিয়মিত বিবাহ নয়। ইসলামী আইন পুরুষকে নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে সর্বোচ্চ চারটি বিবাহ করার অনুমতি দেয়। তাই প্রথম স্ত্রীর অনুমতি না নিয়ে বা তার অজান্তে দ্বিতীয় বিবাহ করলেও বিবাহটি সহিহ (বৈধ) হিসেবে গণ্য হয়, তবে এটি নৈতিক ও সামাজিক দিক থেকে অপ্রশংসনীয় এবং স্ত্রীর হক নষ্ট করার দায়িত্ব বহন করে। এটি ফাসিদ নয়, কারণ এটি মূল নিয়মের পরিপন্থী নয়।
- সুতরাং, প্রথম স্ত্রী থাকতে দ্বিতীয় বিবাহ অনিয়মিত বিবাহ নয়, বরং শরীয়তের সীমার মধ্যে একটি বৈধ বিবাহ।
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৩৮: শিশু ভিকটিম এবং শিশু সাক্ষীর অধিকার রক্ষা:
(১) ভিকটিম এবং সাক্ষীর সুরক্ষা বিধান বিষয়ক এই আইনের বিধানসমূহের সামগ্রীকতাকে ক্ষুণ্ন না করিয়া, মানব পাচার অপরাধের শিকার শিশু এবং শিশু সাক্ষী লইয়া কাজ করিবার সময় ট্রাইব্যুনালসহ যে কোন ব্যক্তি শিশুর সর্বোত্তম কল্যাণ এবং অগ্রাধিকারের নীতি প্রয়োগ করিবে এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক দলিলে সন্নিবেশিত নীতিসহ আপাততঃ বলবৎ এতদবিষয়ক যে কোন আইনের বিধানসমূহ অনুসরণ করিবে এবং মানব পাচারের শিকার শিশুদের অপরাধী হিসেবে অভিযুক্ত হওয়া অথবা তাহাদের এবং শিশু সাক্ষীদের কলঙ্কিত হওয়া বা সামাজিকভাবে একঘরে হওয়া এড়াইবার জন্য এই আইনের অধীন কর্মরত সংশ্লিষ্ট সকলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে।
(২) পুলিশ বা সরকার বা এই আইনের বিষয়বস্ত্ত লইয়া কর্মরত কোন ব্যক্তি শিশু-বান্ধব কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ বা শিশু-বান্ধব প্রক্রিয়া ব্যতীত অন্য কোনভাবে এই আইনের সহিত দ্বন্দ্বে (Conflict) বা ইহার সংস্পর্শে (Contact) আসা কোন শিশু লইয়া কাজ করিবে না এবং মানব পাচারের শিকার কোন শিশুকে বা ভিকটিম শিশুকে উন্নয়ন কেন্দ্রে (development centre/remand home) প্রেরণ করা বা আটক রাখা যাইবেনা।
⇒ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৮(৪) অনুযায়ী, তথ্য-উপাত্ত অপসারণ, স্থানান্তর বা ব্লক করার পর ৩ (তিন) দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের অনুমতি গ্রহণ করতে হবে। এই সময়ের মধ্যে অনুমতি গ্রহণ না করা হলে বা ট্রাইব্যুনাল অনুমতি প্রদান না করলে, অপসারিত, স্থানান্তরিত বা ব্লককৃত তথ্য-উপাত্ত পুনরায় অবমুক্ত করতে হবে।
⇒ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৮- কতিপয় তথ্য-উপাত্ত অপসারণ বা ব্লক করিবার ক্ষমতা:
(১) মহাপরিচালকের নিজ অধিক্ষেত্রভুক্ত কোনো বিষয়ে ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে প্রকাশিত বা প্রচারিত কোনো তথ্য-উপাত্ত সাইবার সুরক্ষার ক্ষেত্রে হুমকি সৃষ্টি করিলে তিনি উক্ত তথ্য-উপাত্ত অপসারণ, ক্ষেত্রমত, স্থানান্তর বা ব্লক করিবার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন বা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে, অতঃপর বিটিআরসি বলিয়া উল্লিখিত, অনুরোধ করিতে পারিবেন।(২) যদি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিকট তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণসাপেক্ষে বিশ্বাস করিবার কারণ থাকে যে, ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে প্রকাশিত বা প্রচারিত কোনো তথ্য দেশের অখণ্ডতা, নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা, জনশৃঙ্খলা ক্ষুণ্ণ করে, ধর্মীয় বা সাম্প্রদায়িক ঘৃণামূলক বা জাতিগত বিদ্বেষমূলক বক্তব্য, যাহা সহিংসতা তৈরির উদ্বেগ সৃষ্টি করে বা বিশৃঙ্খলা বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের নির্দেশনা প্রদান করে, তাহা হইলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী উক্ত তথ্য-উপাত্ত অপসারণ বা ব্লক করিবার জন্য বা, ক্ষেত্রমত, স্থানান্তরের জন্য মহাপরিচালকের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে বা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বিটিআরসিকে অনুরোধ করিতে পারিবে।
(৩) উপ-ধারা (১) ও (২) এর অধীন কোনো অনুরোধ প্রাপ্ত হইলে বা ট্রাইব্যুনালের আদেশ প্রাপ্ত হইলে বিটিআরসি বা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সংশ্লিষ্ট সংস্থা, উপযুক্ত ক্ষেত্রে, উক্ত তথ্য-উপাত্ত অপসারণ বা, ক্ষেত্রমত, ব্লক করিবার জন্য কোনো প্রযুক্তি কোম্পানিকে অনুরোধ করিতে পারিবে এবং অতঃপর উহা সরকারকে অবহিত করিবে এবং কোনো কন্টেন্ট ব্লক করা হইলে স্বচ্ছতার স্বার্থে সরকার সকল ব্লক হওয়া কন্টেন্টের তথ্য জনসম্মুখে প্রকাশ করিবার ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে।
(৪) উপ-ধারা (১), (২) ও (৩) এর অধীন তথ্য-উপাত্ত অপসারণ, ক্ষেত্রমত, স্থানান্তর বা ব্লক করিবার ৩ (তিন) দিনের মধ্যে উক্ত বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের অনুমতি গ্রহণ করিতে হইবে এবং উল্লিখিত সময়ের মধ্যে অনুমতি গ্রহণ না করিলে বা ট্রাইব্যুনাল অনুমতি প্রদান না করিলে অপসারিত বা, ক্ষেত্রমত, স্থানান্তরিত বা ব্লককৃত তথ্য-উপাত্ত পুনরায় বাধ্যতামূলকভাবে অবমুক্ত করিতে হইবে।
(৫) এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, প্রয়োজনীয় অন্যান্য বিষয়াদি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে।
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৪ অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: “আইনের দ্বারা যেরূপ প্রতিষ্ঠিত হইবে, সুপ্রীম কোর্ট ব্যতীত সেইরূপ অন্যান্য অধস্তন আদালত থাকিবে।”
অর্থাৎ, সুপ্রীম কোর্ট ছাড়া বাকি সকল অধস্তন আদালত (যেমন: জেলা ও দায়রা জজ আদালত, ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, বিশেষ আদালত ইত্যাদি) সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হবে।
- সুতরাং, অধস্তন আদালতসমূহ আইনের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হবে।
Nemo debet esse judex in propria causa — একটি ল্যাটিন term, যার অর্থ হলো:
- “No one should be a judge in his own cause.”
- “কেউ নিজের মামলার বিচারক হতে পারে না”
এটি ন্যায়বিচারের একটি মৌলিক নীতি, যা “Natural Justice” (প্রাকৃতিক ন্যায়নীতি)-এর একটি প্রধান স্তম্ভ।
নীতির প্রয়োগের দুটি দিক রয়েছে:
যখন বিচারক সরাসরি মামলার পক্ষভুক্ত (Party):
যদি কোনো বিচারক কোনো মামলার সরাসরি পক্ষ হয়ে থাকেন, তবে তিনি সে মামলার বিচার করতে পারবেন না।
উদাহরণ: বিচারক যদি অভিযুক্ত বা মামলার বাদী হন, তাহলে তিনি নিজেই নিজের বিষয়ে নিরপেক্ষ সিদ্ধান্ত দিতে পারবেন না।
যখন বিচারকের মামলায় ব্যক্তিগত স্বার্থ রয়েছে (Interest):
যদি বিচারকের আর্থিক, পারিবারিক, রাজনৈতিক বা অন্য কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ মামলার ফলাফলের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে, তাহলেও তিনি সে মামলার বিচার করতে পারবেন না।
উদাহরণ: বিচারক যদি কোনো প্রতিষ্ঠানের শেয়ারহোল্ডার হন, আর সেই প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে মামলা চলে, তবে তিনি সেই মামলায় বিচারক হতে পারেন না।
⇒ মুসলিম আইনের উৎস প্রধানত ৪টি-
১. পবিত্র কোরআন;
২. হাদিস;
৩. ইজমা;
৪. কিয়াস।
ইজমা:
ইজমা শব্দটি আরবি। এর আভিধানিক অর্থ- ঐকমত্য হওয়া, শক্তিশালী করা, দৃঢ় সিদ্ধান্ত নেওয়া, একমত হওয়া ইত্যাদি। সুতরাং কোন বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করার নামই হলো ইজমা। ইসলামি শরীআতের ভাষায়-"কোন কাজ অথবা কথার ওপর এক যুগের উম্মাতে মুহাম্মদীর ন্যায়বান মুজতাহিদগণের ঐক্যবদ্ধ সিদ্ধান্তকে বলে।" ইজমা শরীআতের তৃতীয় উৎস। গুরুত্বের বিচারে কুরআন ও হাদিসের পরেই ইজমার স্থান। কোন বিশেষ যুগে আইন সংক্রান্ত কোন বিশেষ প্রশ্নের সমস্যার সমাধান কুরআন ও হাদিসকে কেন্দ্র করে মুসলিম পণ্ডিতগণ যে সম্মিলিত অভিমত পোষণ করেছেন ইসলামি শরীআতে তাই হলো ইজমা। ইজমা রাসূলুল্লাহ (স)-এর বাণী দ্বারা বৈধ প্রমাণিত হয়েছে।
• ২০০৪ সালে The Registration (Amendment) Act, 2004 সংশোধন করা হয় এবং ১ জুলাই, ২০০৫ থেকে কার্যকর হয়।
Registration (Amendment) Act, 2004- এর মাধ্যমে 17A ধারা নতুনভাবে সংযোজিত হয়েছে। এই 17A ধারার মাধ্যমে স্থাবর সম্পত্তির বায়নাপত্র বা বিক্রয়চুক্তি'র নিবন্ধন [Registration] বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
ধারা ১৭এ অনুসারে, বিক্রয়চুক্তি (বায়নাপত্র) অবশ্যই
⇒ লিখিত,
⇒ পক্ষগণের দ্বারা সম্পাদিত ও
⇒ রেজিস্ট্রিকৃত হতে হবে।
উল্লেখ্য, বিক্রয়চুক্তি সম্পাদনের ৬০ দিনের মধ্যে তা রেজিস্ট্রেশনের জন্য উপস্থাপন করতে হবে।
শিশু আইন, ২০১৩, ধারা ৭১: শিশুকে ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োগের দণ্ড:
কোন ব্যক্তি যদি কোন শিশুকে ভিক্ষার উদ্দেশ্যে নিয়োগ করেন বা কোন শিশুর দ্বারা ভিক্ষা করান অথবা শিশুর হেফাজত, তত্ত্বাবধান বা দেখাশুনার দায়িত্বে নিয়োজিত কোন ব্যক্তি যদি কোন শিশুকে ভিক্ষার উদ্দেশ্যে নিয়োগদানে প্রশ্রয়দান করেন বা উৎসাহ প্রদান করেন বা ভিক্ষার উদ্দেশ্যে প্রদান করেন, তাহা হইলে তিনি এই আইনের অধীন অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং
উক্ত অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ড অথবা অনধিক (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
Article 64: The Attorney-General-
(1) The President shall appoint a person who is qualified to be appointed as a Judge of the Supreme Court to be Attorney-General for Bangladesh.
(2) The Attorney-General shall perform such duties as may be assigned to him by the President.
(3) In the performance of his duties, the Attorney-General shall have the right of audience in all courts of Bangladesh.
(4) The Attorney-General shall hold office during the pleasure of the President, and shall receive such remuneration as the President may determine.
অনুচ্ছেদ ৬৪: অ্যাটর্নি-জেনারেল:
(১) সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হইবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল পদে নিয়োগদান করিবেন।
(২) অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করিবেন।
(৩) অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্ব পালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁহার বক্তব্য পেশ করিবার অধিকার থাকিবে।
(৪) রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি-জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করিবেন।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা - ২(চ):
“নবজাতক শিশু” অর্থ অনূর্ধ্ব চল্লিশ দিন বয়সের কোন শিশু;
“Newborn child” means a child who is not more than forty days old.
⇒ The Civil Courts Act, 1887-এর ধারা 14(1) ও (2) অনুযায়ী একমাত্র সরকার-ই দেওয়ানি আদালতের বসার স্থান নির্ধারণ বা পরিবর্তনের এখতিয়ার রাখে।
- সরকার সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করে।
⇒ The Civil Courts Act, 1887 এর ধারা ১৪ – আদালতের আসনস্থল:
(১) সরকার সরকারি গেজেটে (Official Gazette) বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে যে কোনো দেওয়ানি আদালতের আসনস্থল স্থির করতে বা পরিবর্তন করতে পারে।
(২) বর্তমানে যে সকল স্থানে এই ধরনের আদালত অনুষ্ঠিত হচ্ছে, সেগুলি স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই ধারা অনুযায়ী স্থির করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।
⇒ The Civil Courts Act, 1887- section-14. Place of sitting of Courts:
(1) The Government may, by notification in the official Gazette, fix and alter the place or places at which any Civil Court under this Act is to be held.
(2) All places at which any such Courts are now held shall be deemed to have been fixed under this section.
⇒ The General Clauses Act, 1897-এর ধারা ২১-এ Doctrine of Locus Poenitentiae বা পেনিটেনশিয়ার স্থান আলোচিত হয়েছে, যার অর্থ হল, কোনো বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে উক্ত ক্ষমতা প্রয়োগ থেকে সরে আসা বা বাতিল করা।
⇒The General Clauses Act, 1897 এর ২১ ধারার বিধান: আদেশ, বিধি বা উপ-আইন প্রণয়নের ক্ষমতা, সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে-
-যেক্ষেত্রে সংসদের কোন আইন বা প্রবিধি দ্বারা প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-বিধি জারীর কোন ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে উক্ত ক্ষমতা একইভাবে প্রয়োগযোগ্য এবং অনুরূপ অনুমোদন ও শর্তাবলি (যদি থাকে), জারীকৃত কোন প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-আইনের সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা তা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে।
-------
⇒ The General Clauses Act, 1897, Section 21: Power to make to include power to add to, amend, vary or rescind, orders, rules or bye-laws:
-Where, by any Act of Parliament or Regulation, a power to issue notifications, orders, rules, or bye-laws is conferred, then that power includes a power, exercisable in the like manner and subject to the like sanction and conditions (if any), to add to, amend, vary or rescind any notifications, orders, rules or bye-laws so issued.
সঠিক উত্তর: গ) এক ধরনের চুক্তি।
Abdul Kadir v Salima (1886): ঘটনার বিবরণ:
Abdul Kadir ও Salima বিয়ের পর তিন মাস সুখে সংসার করেন। পরে Salima তার বাবার বাড়ি গেলে তার বাবা তাকে Abdul Kadir–এর কাছে ফিরে যেতে দেননি। তাই Abdul Kadir তার স্ত্রী ও শ্বশুরের বিরুদ্ধে বিবাহিত অধিকার পুনরুদ্ধারের (Restitution of Conjugal Rights) মামলা করেন।
প্রতিবাদীরা (স্ত্রী ও শ্বশুর) আদালতে তিনটি কারণ দেখানঃ
- বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে;
- ক্রূরতা (Cruelty);
- মোহর (Dower) প্রদান করা হয়নি।
আদালত প্রথম ও তৃতীয় কারণ (বিবাহবিচ্ছেদ ও ক্রূরতা) বাতিল করলেও মোহর প্রদান না করার যুক্তি বৈধ বলে স্বীকার করে। যদিও বিয়ের আগে মোহরের সুনির্দিষ্ট পরিমাণ ঠিক করা হয়নি, আদালত বলে দেন – মোহর (prompt dower) আগে দিতে হবে।
Abdul Kadir পরে পুরো মোহর আদালতে জমা দেন। আদালত শর্তযুক্ত রায় দেন যে, মোহর প্রদান করলে তিনি তার স্ত্রীকে ফেরত পেতে পারেন। কিন্তু উভয় পক্ষই এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন।
আপিল আদালত Abdul Kadir–এর আপিল খারিজ করে দেয়, কারণ মামলার শুরুতেই তিনি মোহর দেননি; তাই তার মামলার “দাঁড়ানোর অধিকার” (standing) ছিল না।
সবশেষে বিষয়টি আল্লাহাবাদ হাইকোর্টের পূর্ণ বেঞ্চে যায়, যেখানে মোহর না দেওয়া থাকলে স্বামীর দাবির গ্রহণযোগ্যতা আছে কি না – সে প্রশ্নে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
যুক্তি:
আপিলকারী (Abdul Kadir): দাবী করেছিলেন যে, বিবাহিত অধিকার পুনরুদ্ধারের অধিকার মোহর প্রদানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।প্রতিবাদকারী: স্বামীর মামলা খারিজ হওয়া উচিত, কারণ মাহর প্রদান হয়নি।
রায়:
জাস্টিস সায়েদ মাহমুদ-এর মতামত (পূর্ণ বেঞ্চ দ্বারা অনুমোদিত) তিনটি মূল বিষয়ে কেন্দ্রীভূত:
১. মুসলিম বিবাহ ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, এটি আইনগত চুক্তি।
২. মাহরের প্রকৃতি এবং এর প্রভাব স্বামীর বিবাহিত অধিকার পুনরুদ্ধারের অধিকার-এর উপর।
⇒ সেবায়েত (Shebait) হলো হিন্দু আইনে দেবোত্তর সম্পত্তি (Debottar Property) বা মন্দিরের আইনি ও ধর্মীয় পরিচালক।
- দেবোত্তর সম্পত্তি হলো যে সম্পত্তি মন্দির বা দেবতার উদ্দেশ্যে দান করা হয়।
- এই সম্পত্তি পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করেন সেবায়েত, যিনি দেবতার প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন।
সেবায়েতের ভূমিকা ও বৈশিষ্ট্য:
- সেবায়েত মন্দির বা দেবতার সেবক হিসেবে কাজ করেন এবং সম্পত্তি রক্ষণাবেক্ষণ করেন।
- তিনি দেবতার আইনি প্রতিনিধি হিসেবেও বিবেচিত হন।
নিয়োগ:
- সাধারণত বংশানুক্রমিক (পরিবার বা সম্প্রদায়ের মাধ্যমে)।
- কিছু ক্ষেত্রে ট্রাস্ট বা আদালত কর্তৃক নিযুক্ত হতে পারেন।
ক্ষমতা:
- সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা ও পূজা-অর্চনা পরিচালনা।
- Legal Necessity (আইনসম্মত প্রয়োজন) থাকলে সম্পত্তি বিক্রি বা বন্ধক দিতে পারেন (আদালতের অনুমোদন সাপেক্ষে)।
সীমাবদ্ধতা:
- সেবায়েত স্বেচ্ছায় সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারেন না (যেমন: ব্যক্তিগত লাভের জন্য)।
- দেবোত্তর সম্পত্তির আয় শুধু ধর্মীয় কাজে ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: গ) ২ বছর।
• আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ ধারা ৫- অপরাধ সংঘটনের সহায়তার শাস্তি:
কোন ব্যক্তি কোন আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করিলে তিনি ধারা ৪-এ উল্লিখিত দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।
ধারা ৪ অনুযায়ী, আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধের শাস্তি হিসেবে দেয়া আছে-
(১) কোন ব্যক্তি কোন আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ করিলে তিনি অন্যুন দুই বৎসর এবং অনধিক সাত বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন৷
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন দণ্ডপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি অপরাধ সংঘটনকালে সরকার কিংবা সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা কোন প্রতিষ্ঠান বা কোন ব্যক্তির আর্থিক ক্ষতিসাধন করিলে তদ্জন্য আদালত তদ্বিবেচনায় উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ক্ষতিগ্রস্ত সরকার বা সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির অনুকূলে প্রদান করিবার জন্য উক্ত দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে আদেশ দিতে পারিবে এবং এই ক্ষতিপূরণের অর্থ সরকারী দাবী হিসাবে আদায়যোগ্য হইবে৷
অর্থাৎ, কোন ব্যক্তি কোন আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করলে, উক্ত ব্যক্তি সর্বোচ্চ ৭ বছর এবং সর্বনিম্ন ২ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে।
⇒ আদালত ও ট্রাইব্যুনাল সমূহের উপর হাইকোর্ট বিভাগের তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অতিরিক্ত বলে বিবেচিত হয়। অতএব, সঠিক উত্তর গ) সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ।
ক) সংবিধানের ১০৯ অনুচ্ছেদ (মূল বিধান):
- এই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, "হাইকোর্ট বিভাগ দেশের সকল অধস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনালের উপর তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ করবে।"
- এটি হাইকোর্টের মৌলিক ও সরাসরি ক্ষমতা প্রদান করে। এই বিধান অধস্তন আদালতের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ, নির্দেশ প্রদান এবং আইনি প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার ভিত্তি।
খ) দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারা (প্রয়োগমূলক বিধান):
- এই ধারায় হাইকোর্টকে এই ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে যে, সে যেকোনো অধস্তন আদালতের কাছ থেকে রেকর্ড তলব করতে পারে এবং সেই রেকর্ড পরীক্ষা করে দেখতে পারে যে অধস্তন আদালত আইন অনুযায়ী কাজ করছে কিনা। অর্থাৎ এটি হাইকোর্ট বিভাগকে রিভিশন এর মাধ্যমে তত্ত্বাবধান ক্ষমতা প্রয়োগের একটি প্রক্রিয়াগত পদ্ধতি নির্ধারণ করে।
ঘ) ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৩৯ ধারা (নির্দিষ্ট ক্ষমতা):
- এটিও হাইকোর্ট বিভাগের রিভিশন ক্ষমতা, যার মাধ্যমে নিম্ন আদালতের ফৌজদারী মামলার রেকর্ড তলব করে আদেশ সংশোধন বা পরিবর্তন করা যায়। অর্থাৎ এটি ফৌজদারী বিষয়ে হাইকোর্ট বিভাগের রিভিশন ক্ষমতা নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ (অতিরিক্ত বিধান):
- সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ হাইকোর্ট বিভাগকে রিট জারি করার ক্ষমতা দেয়, যার মাধ্যমে অধস্তন আদালতের এখতিয়ার বহির্ভূত বা বেআইনি কার্যক্রমকে চ্যালেঞ্জ করা যায়। যা নিম্ন আদালতের আদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করার একটি শক্তিশালী মাধ্যম। ১০২ অনুচ্ছেদ একটি সাধারণ এখতিয়ার বিধান, যা তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণের নির্দিষ্ট ক্ষমতার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
অর্থাৎ এটি হাইকোর্টের সাধারণ এখতিয়ার নির্ধারণ করে, কিন্তু এটি সরাসরি অধস্তন আদালতের উপর তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা প্রদান করে না।
অতএব, হাইকোর্টের তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে এই বিধানটি অপ্রয়োজনীয় বা অতিরিক্ত হিসেবে বিবেচিত হয়।
সঠিক উত্তর: গ) সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ।
• মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ- ১৯৬১ এর ধারা ৯- ভরণপোষণ:
১) যেক্ষেত্রে কোন স্বামী তাহার স্ত্রীকে পর্যাপ্তভাবে ভরণপোষণ দিতে অসমর্থ হয় অথবা একাধিক স্ত্রী থাকিলে তাহাদিগকে সমভাবে ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হয় সেক্ষেত্রে স্ত্রী বা স্ত্রীগণের সকলে অথবা স্ত্রীগণের যে কোন জন অপর কোন আইনসঙ্গত প্রতিকার প্রার্থনা ব্যতীতও চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন করিতে পারে। চেয়ারম্যান একটি সালিশী কাউন্সিল গঠন করিবেন ও উক্ত কাউন্সিল স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে ভরণপোষণ বাবদ প্রদানের নিমিত্ত টাকার অংক নির্দিষ্ট করিয়া সার্টিফিকেট ইস্যু করিতে পারিবেন।
২) একজন স্বামী অথবা স্ত্রী নির্ধারিত পন্থায় নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে নির্ধারিত ফিস প্রদানপূর্বক উক্ত সার্টিফিকেট পুর্নবিবেচনার নিমিত্ত সহকারী জজের নিকট আবেদন পেশ করিতে পারেন। তাঁহার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে এবং কোন আদালতে এই সম্পর্কে প্রশ্ন তোলা যাইবে না।
৩) ১নং অথবা ২নং উপধারা অনুযায়ী প্রদেয় কোন টাকা যথাসময়ে পরিশোধ না করিলে বকেয়া ভূমি রাজস্বরুপ আদায়যোগ্য হইবে।
The Registration Act, 1908 এর ধারা ৮৪- নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা সরকারি কর্মচারী হিসাবে গণ্য হইবেন:
(১) এই আইনের অধীন নিয়োজিত প্রত্যেক নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা দণ্ডবিধির সংজ্ঞা অনুযায়ী সরকারি কর্মচারী বলিয়া গণ্য হইবেন।
(২) প্রত্যেক ব্যক্তি উক্তরূপ নিবন্ধনকারী কর্মকর্তার চাহিদা অনুসারে তাহাকে সংবাদ সরবরাহ করিতে আইনত বাধ্য থাকিবেন।
(৩) দণ্ডবিধির ধারা ২২৮ এ উল্লিখিত, "বিচারিক কার্যক্রম (Judicial proceedings)" অর্থে এই আইনের অধীন যে কোন কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত হইবে।
⇒ সংবিধানের ৯৫(১) অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে বলা আছে: "প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং প্রধান বিচারপতির সহিত পরামর্শ করিয়া রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করিবেন।"
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদের বিধান: বিচারক-নিয়োগ:
(১) প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং প্রধান বিচারপতির সহিত পরামর্শ করিয়া রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করিবেন।
(২) কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক না হইলে, এবং
(ক) সুপ্রীম কোর্টে অন্যূন দশ বৎসরকাল এ্যাডভোকেট না থাকিয়া থাকিলে; অথবা
(খ) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে অন্যূন দশ বৎসর কোন বিচার বিভাগীয় পদে অধিষ্ঠান না করিয়া থাকিলে; অথবা
(গ) সুপ্রীমকোর্টের বিচারক পদে নিয়োগলাভের জন্য আইনের দ্বারা নির্ধারিত যোগ্যতা না থাকিয়া থাকিলে ; তিনি বিচারকপদে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না।
(৩) এই অনুচ্ছেদে ‘‘সুপ্রীম কোর্ট’’ বলিতে এই সংবিধান প্রবর্তনের পূর্বে যে কোন সময়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে যে আদালত হাইকোর্ট হিসাবে এখতিয়ার প্রয়োগ করিয়াছে, সেই আদালত অন্তর্ভুক্ত হইবে।
⇒ Article 95: Appointment of Judges:
(1) The Chief Justice shall be appointed by the President, and the other Judges shall be appointed by the President after consultation with the Chief Justice.
(2) A person shall not be qualified for appointment as a Judge unless he is a citizen of Bangladesh and –
(a) has, for not less than ten years, been an advocate of the Supreme Court ; or
(b) has, for not less than ten years, held judicial office in the territory of Bangladesh ; or
(c) has such qualifications as may be prescribed by law for appointment as a Judge of the Supreme Court.
(3) In this article, “Supreme Court” includes a court which at any time before the commencement of this Constitution exercised jurisdiction as a High Court in the territory of Bangladesh.
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ৮৯ক(১০) অনুসারে, জেলা জজ মধ্যস্থতাকারীদের (Mediators) প্যানেল প্রস্তুত করার জন্য জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির সাথে পরামর্শ করবেন। এই প্যানেলে উকিল, অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে প্রশিক্ষিত ব্যক্তি এবং অন্যান্য উপযুক্ত ব্যক্তিদের (যারা সরকারি চাকরিতে লাভজনক পদে নেই) অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। এই প্যানেলটি সময়ে সময়ে হালনাগাদ করা হয় এবং জেলা জজের প্রশাসনিক এখতিয়ারের অধীন সকল দেওয়ানি আদালতকে এটি সম্পর্কে অবহিত করা হয়।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ৮৯ক(১০) অনুযায়ী "জেলা জজ, জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির সাথে পরামর্শ করে মধ্যস্থতাকারীদের একটি প্যানেল প্রস্তুত করবেন (যা সময় সময় আপডেট করা হবে)। এই প্যানেলে আইনজীবী, অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, মধ্যস্থতায় প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তি এবং সরকারি চাকরিতে নিযুক্ত নয় এমন ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে।"
এবং জেলা জজ নিজ প্রশাসনিক এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানি আদালতকে এই প্যানেল সম্পর্কে অবহিত করবেন।
--------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section-(10) For the purposes of this section, the District Judge shall, in consultation with the President of the District Bar Association, prepare a panel of mediators (to be updated from time to time) consisting of pleaders, retired judges, persons known to be trained in the art of dispute resolution, and such other person or persons, except persons holding office of profit in the service of the Republic, as may be deemed appropriate for the purpose, and shall inform all the Civil Courts under his administrative jurisdiction about the panel:
Provided that, a mediator under this sub-section shall not act as a mediator between the parties if he had ever been engaged by either of the parties as a pleader in any suit in any Court.
⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩-এর ধারা ৮(১) অনুযায়ী বিবাদী সমন প্রাপ্তির পর লিখিত জবাব দাখিল করবে।
- যদি সে নির্ধারিত দিনে জবাব দাখিল করতে না পারে, তবে সময় প্রার্থনা করতে পারে।
- আদালত যুক্তিসঙ্গত কারণ দেখলে তাকে অতিরিক্ত সময় দিতে পারে, তবে এই অতিরিক্ত সময় সর্বাধিক ২১ দিন হতে পারবে।
- অর্থাৎ, মূল নির্ধারিত সময়ের বাইরে আদালত সর্বোচ্চ ২১ দিনের বেশি সময় দিতে পারবে না।
⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩-এর ধারা ৮ লিখিত জবাব:
(১) বিবাদীর উপস্থিতির জন্য নির্ধারিত তারিখে, বাদী ও বিবাদী পারিবারিক আদালতে হাজির হইবে এবং বিবাদী তাহার আত্মপক্ষ সমর্থনে লিখিত জবাব দাখিল করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, বিবাদী উপযুক্ত কারণ প্রদর্শনপূর্বক সময় প্রার্থনা করিলে আদালত তাহার আত্মপক্ষ সমর্থনে লিখিত জবাব দাখিলের জন্য অনধিক ২১(একুশ) দিনের মধ্যে অপর একটি তারিখ ধার্য করিতে পারিবে।
(২) লিখিত জবাবে আত্মপক্ষ সমর্থনে উপস্থিত করিতে ইচ্ছুক সাক্ষীগণের নাম ও ঠিকানার তফসিল থাকিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, বিবাদী আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে, পরবর্তী যেকোনো পর্যায়ে সাক্ষী আহ্বান করিতে পারিবে, যদি আদালত মনে করে যে, ন্যায়বিচারের স্বার্থে উক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ প্রয়োজন।
(৩) যেক্ষেত্রে বিবাদী তাহার আত্মপক্ষ সমর্থনে সাক্ষ্য হিসাবে তাহার দখলে বা ক্ষমতাধীনে রহিয়াছে এইরূপ কোনো দলিলের উপর নির্ভর করেন সেইক্ষেত্রে তিনি লিখিত জবাব দাখিলের সময় আদালতে উহা উপস্থাপন করিবেন এবং একই সময় উক্ত দলিল বা উহার কোনো অবিকল নকল বা ছায়ালিপি বা অন্য যেকোনো কপি লিখিত জবাবের সহিত নথিভুক্ত করিবার জন্য দাখিল করিবেন এবং উক্ত দলিল একটি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করিয়া উহা লিখিত জবাবের সহিত সংযুক্ত করিবেন।
(৪) যেক্ষেত্রে বিবাদী তাহার লিখিত জবাবের সমর্থনে সাক্ষ্য হিসাবে এমন কোনো দলিলের উপর নির্ভর করেন যাহা তাহার দখলে বা ক্ষমতাধীন নাই, সেইক্ষেত্রে তিনি লিখিত জবাবের সহিত সংযুক্ত করিবার তালিকায় এইরূপ দলিল অন্তর্ভুক্ত করিবেন এবং যাহার দখলে বা ক্ষমতাধীন উহা রহিয়াছে তাহা উল্লেখ করিবেন।
(৫) উপধারা (২), (৩) ও (৪) এ বর্ণিত তপশিল ও দলিলসমূহের তালিকাসহ মোকদ্দমাতে যতসংখ্যক বাদী রহিয়াছে তাহার দ্বিগুণসংখ্যক লিখিত জবাবের অবিকল নকল লিখিত জবাবের সহিত প্রদান করিতে হইবে।
(৬) উপধারা (৫) এ বর্ণিত তপশিল, দলিল এবং দলিলসমূহের তালিকাসহ লিখিত জবাবের অনুলিপি বাদী, ক্ষেত্রমত, আদালতে উপস্থিত তাহার প্রতিনিধি বা আইনজীবীকে প্রদান করিতে হইবে।
(৭) যেক্ষেত্রে লিখিত জবাব দাখিল করিবার সময় বিবাদী কর্তৃক কোনো দলিল আদালতে দাখিল করিবার প্রয়োজন ছিল অথবা লিখিত জবাবের সহিত সংযুক্ত করিবার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করিবার প্রয়োজন ছিল তবে উহা দাখিল বা অন্তর্ভুক্ত করা হয় নাই, সেইক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি ব্যতীত, মোকদ্দমার শুনানিতে উক্ত দলিল তাহার অনুকূলে সাক্ষ্য হিসাবে গৃহীত হইবে না।
(৮) আদালত কোনো ব্যতিক্রমী ক্ষেত্র ব্যতীত উপধারা (৭) এর অধীন কোনো দলিল অন্তর্ভুক্তির অনুমতি প্রদান করিবে না।
• ২০০৪ সালে The Registration (Amendment) Act, 2004 সংশোধন করা হলেও ১ জুলাই, ২০০৫ থেকে কার্যকর হয়।
Registration (Amendment) Act, 2004-এর মাধ্যমে 17A ধারা নতুনভাবে সংযোজিত হয়েছে। এই 17A ধারার মাধ্যমে স্থাবর সম্পত্তির বায়নাপত্র বা বিক্রয়চুক্তি'র নিবন্ধন [Registration] বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
ধারা ১৭এ অনুসারে-
বিক্রয়চুক্তি (বায়নাপত্র) অবশ্যই লিখিত, পক্ষগণের দ্বারা সম্পাদিত ও রেজিস্ট্রিকৃত হতে হবে এবং বিক্রয়চুক্তি সম্পাদনের ৬০ দিনের মধ্যে তা রেজিস্ট্রেশনের জন্য উপস্থাপন করতে হবে।