বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বিজেএস-এর জন্য অতিরিক্ত আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন২,৯৬৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বিজেএস-এর জন্য অতিরিক্ত আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ১৩ / ৩০ · ১,২০১১,৩০০ / ২,৯৬৪

১,২০১.
খাই খালাসী রেহেন এর বৈশিষ্ট্য কী?
  1. দাতা দলিল জমা দেন
  2. গ্রহীতা টাকা পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত দখল রাখে
  3. শর্তাধীন বিক্রয় চূড়ান্ত করা হয়
  4. দখল হস্তান্তর করা হয় না
সঠিক উত্তর:
গ্রহীতা টাকা পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত দখল রাখে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রহীতা টাকা পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত দখল রাখে
ব্যাখ্যা

⇒ নগদ অর্থ ঋণ হিসেবে গ্রহণের নিশ্চয়তার উদ্দেশ্যে ভবিষ্যত দেনা সৃষ্টি করতে পারে, এমন সম্পত্তির স্বত্ব অপরের নিকট হস্তান্তর করাকে রেহেন বা বন্ধক বলে।

সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে ৬ প্রকার রেহেনের উল্লেখ রয়েছে।

ক) সাধারণ রেহেন:
সম্পত্তির দখল হস্তান্তর না করে রেহেনের টাকা ব্যক্তিগতভাবে পরিশােধের দায়িত্ব গ্রহণ করলে তাকে সাধারণ রেহেন বলে। এখানে শর্ত থাকে চুক্তি মােতাবেক ঋণ গ্রহীতা টাকা পরিশােধ করতে না পারলে ঋণদাতা উক্ত সম্পত্তি বিক্রয় করে তার প্রাপ্য টাকা গ্রহণ করতে পারবে।

(খ) শর্তাধীন বিক্রয়ের মাধ্যমে রেহেন :
যদি কোন সম্পত্তি এই শর্তে বিক্রয় করা হয় যে, নির্দিষ্ট তারিখে টাকা পরিশােধ না করলে বিক্রয় চূড়ান্ত হবে অর্থাৎ নির্দিষ্ট সময়ে টাকা পরিশােধ করলে বিক্রয় বাতিল হবে তাহলে তাকে শর্তাধীন বিক্রয়ের মাধ্যমে নেহেন বলে।

(গ) খাই খালাসী রেহেন:
দাতা সম্পত্তির দখল গ্রহীতাকে প্রদান করবে, টাকা পরিশােধ না হওয়া পর্যন্ত দখল রাখবে তাকে খাই খালাসী রেহেন বলে ।

(ঘ) ইংলিশ রেহেন:
দাতা নির্দিষ্ট তারিখে রেহেনের টাকা পরিশােধের অঙ্গীকার করে সম্পত্তি গ্রহীতার নিকট হস্তান্তর করবে। শর্ত থাকবে নির্দিষ্ট তারিখে টাকা পরিশােধ করলে গ্রহীতা দাতাকে সম্পত্তি ফিরিয়ে দিবে। এটি হলাে ইংলিশ রেহেন।

(ঙ) দলিল জমা দেওয়ার রেহেন:
ঢাকা, নারায়নগঞ্জ, চট্টগ্রাম শহরে বা সরকারী গেজেট দ্বারা নির্ধারিত অন্য কোন শহরে কোন ব্যক্তি যখন মহাজন বা তার প্রতিনিধির উপর জামানত সৃষ্টির জন্য দলিল জমা দেয়া হয় তাকে দলিল জমা দেওয়ার রেহেন বলে।

(চ) সংজ্ঞাহীন রেহেন:
যে রেহেন উপরােক্ত কোন রেহেনের অন্তর্ভুক্ত হয় না তাকে সংজ্ঞাহীন রেহেন বলে ।

১,২০২.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ কবে কার্যকর হয়?
  1. ১ জানুয়ারি, ২০২৩
  2. ২৬ মার্চ, ২০২৩
  3. ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  4. ১১ নভেম্বর, ২০২৩
সঠিক উত্তর:
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
ব্যাখ্যা
⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ তারিখে কার্যকর হয়।
- এই আইনটি Family Courts Ordinance, 1985 কে রহিত করে সময়োপযোগী করে পুনঃপ্রণয়ন করা হয়েছে।
- এই আইনের মাধ্যমে পারিবারিক বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য একটি আধুনিক ও কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে।
- আইনটি কার্যকর হওয়ার তারিখটি আইনের প্রস্তাবনায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
১,২০৩.
Under what condition is partial redemption of mortgaged property allowed?
  1. When interest is fully paid
  2. When property is inherited
  3. When the mortgage deed allows it
  4. When mortgagee acquires the mortgagor’s share
সঠিক উত্তর:
When mortgagee acquires the mortgagor’s share
উত্তর
সঠিক উত্তর:
When mortgagee acquires the mortgagor’s share
ব্যাখ্যা
ধারা ৬০- বন্ধক রাখা সম্পত্তির অংশ বিশেষ মুক্ত করার বিধান:
যদি কোনো ব্যক্তি বন্ধক রাখা একটি সম্পত্তির শুধুমাত্র একটি অংশ বা শেয়ারে আগ্রহী হন, তাহলে তিনি কেবলমাত্র নিজের অংশটুকু মুক্ত করতে পারবেন না, বন্ধকের বাকি টাকার অনুপাতে পরিশোধ করে;
কিন্তু ব্যতিক্রম হচ্ছে- যদি বন্ধকরক্ষক (mortgagee) বা একাধিক বন্ধকরক্ষক থাকলে সকলেই পুরো বা আংশিকভাবে সেই বন্ধকদাতার শেয়ার অধিগ্রহণ করেন, তাহলে তখন কেবল সেই ব্যক্তি তার অংশ মুক্ত করতে পারেন।

[Nothing in this section shall entitle a person interested in a share only of the mortgaged property to redeem his own share only, on payment of a proportionate part of the amount remaining due on the mortgage, except only where a mortgagee, or, if there are more mortgagees than one, all such mortgagees, has or have acquired, in whole or in part, the share of a mortgagor.]
১,২০৪.
বাংলাদেশ সংবিধানের ৩৩ অনুচ্ছেদের ১ ও ২ দফার বিধান কোন ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. সরকারি কর্মচারী
  2. বাংলাদেশের নাগরিক
  3. নিবর্তনমূলক আটক আইনে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি
  4. উল্লিখিত সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
সঠিক উত্তর:
নিবর্তনমূলক আটক আইনে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিবর্তনমূলক আটক আইনে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
উত্তর: নিবর্তনমূলক আটকের আইনে আটক ব্যক্তি।

অনুচ্ছেদ ৩৩: গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ
(১) গ্রেপ্তারকৃত কোন ব্যক্তিকে যথাসম্ভব শীঘ্র গ্রেপ্তারের কারণ জ্ঞাপন না করিয়া প্রহরায় আটক রাখা যাইবে না এবং উক্ত ব্যক্তিকে তাঁহার মনোনীত আইনজীবীর সহিত পরামর্শের ও তাঁহার দ্বারা আত্মপক্ষ-সমর্থনের অধিকার হইতে বঞ্চিত করা যাইবে না।

(২) গ্রেপ্তারকৃত ও প্রহরায় আটক প্রত্যেক ব্যক্তিকে নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেটের সম্মুখে গ্রেপ্তারের চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে (গ্রেপ্তারের স্থান হইতে ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে আনয়নের জন্য প্রয়োজনীয় সময় ব্যতিরেকে) হাজির করা হইবে এবং ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত তাঁহাকে তদতিরিক্তকাল প্রহরায় আটক রাখা যাইবে না।

(৩) এই অনুচ্ছেদের (১) ও (২) দফার কোন কিছুই সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না,
(ক) যিনি বর্তমান সময়ের জন্য বিদেশী শত্রু; অথবা
(খ) যাঁহাকে নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইনের অধীন গ্রেপ্তার করা হইয়াছে বা আটক করা হইয়াছে।

(৪) নিবর্তনমূলক আটকের বিধান- সংবলিত কোন আইন কোন ব্যক্তিকে ছয় মাসের অধিক কাল আটক রাখিবার ক্ষমতা প্রদান করিবে না যদি সুপ্রীম কোর্টের বিচারক রহিয়াছেন বা ছিলেন কিংবা সুপ্রীম কোর্টের বিচারকপদে নিয়োগলাভের যোগ্যতা রাখেন, এইরূপ দুইজন এবং প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত একজন প্রবীণ কর্মচারীর সমন্বয়ে গঠিত কোন উপদেষ্টা-পর্ষদ্ উক্ত ছয় মাস অতিবাহিত হইবার পূর্বে তাঁহাকে উপস্থিত হইয়া বক্তব্য পেশ করিবার সুযোগদানের পর রিপোর্ট প্রদান না করিয়া থাকেন যে, পর্ষদের মতে উক্ত ব্যক্তিকে তদতিরিক্ত কাল আটক রাখিবার পর্যাপ্ত কারণ রহিয়াছে।

(৫) নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইনের অধীন প্রদত্ত আদেশ অনুযায়ী কোন ব্যক্তিকে আটক করা হইলে আদেশদানকারী কর্তৃপক্ষ তাঁহাকে যথাসম্ভব শীঘ্র আদেশদানের কারণ জ্ঞাপন করিবেন এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে বক্তব্য-প্রকাশের জন্য তাঁহাকে যত সত্বর সম্ভব সুযোগদান করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, আদেশদানকারী কর্তৃপক্ষের বিবেচনায় তথ্যাদি-প্রকাশ জনস্বার্থবিরোধী বলিয়া মনে হইলে অনুরূপ কর্তৃপক্ষ তাহা প্রকাশে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করিতে পারিবেন।

(৬) উপদেষ্টা-পর্ষদ কর্তৃক এই অনুচ্ছেদের (৪) দফার অধীন তদন্তের জন্য অনুসরণীয় পদ্ধতি সংসদ আইনের দ্বারা নির্ধারণ করিতে পারিবেন।
১,২০৫.
The General Clauses Act, 1897 আইনের ৩(৩৯) ধারায় "ব্যক্তি" বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
  1. শুধুমাত্র প্রকৃত ব্যক্তি
  2. শুধুমাত্র সরকারি প্রতিষ্ঠান
  3. শুধুমাত্র নিবন্ধিত কোম্পানি
  4. কোম্পানি, সমিতি, ব্যক্তি বিশেষকে
সঠিক উত্তর:
কোম্পানি, সমিতি, ব্যক্তি বিশেষকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোম্পানি, সমিতি, ব্যক্তি বিশেষকে
ব্যাখ্যা
• Section 3(39) of The General Clauses Act,1897-

"Person" shall include any company or association or body of individuals, whether incorporated or not:
"ব্যক্তি" বলিতে, নিগমিত হউক বা না হউক, কোন কোম্পানি বা সমিতি অথবা ব্যক্তি বিশেষের সমষ্টিকে অন্তর্ভূক্ত করিবে।

• ব্যক্তি (Person) বলতে নিগমবদ্ধ (Incorporated) করা হউক বা না হউক, কোন কোম্পানী বা সমিতি বা ব্যক্তি সমষ্টিকে বুঝায়। দণ্ডবিধির ১১ ধারার বিধান মতে 'ব্যক্তি' বলতে সমিতিভূক্ত হউক বা না হউক, যে কোন কোম্পানী বা সমিতি বা ব্যক্তি সংস্থার অন্তর্ভুক্ত হওয়া বুঝায়। মানুষ ছাড়াও কোম্পানী, সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান, সমিতি, মাতৃগর্ভস্থ শিশু ইত্যাদিও ব্যক্তি হিসেবে আইনে স্বীকৃতি পায়।

Conforce Limited v. Titas Gas Transmission মামলায় বর্ণিত হয়েছে-
"Person occuring in section 3(39) of General clauses Act, 1897 shall include any company or association or body of individuals whether incorporated or not."."
১,২০৬.
“অন্তর্ঘাতমূলক কার্য (Sabotage)” এর শাস্তি কোন আইনের অধীনে নির্ধারিত?
  1. দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪
  2. বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪
  3. মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮
  4. মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২
সঠিক উত্তর:
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪
ব্যাখ্যা
⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ১৫ ধারার বিধান- অন্তর্ঘাতী কার্য/নাশকতা (Sabotage):
(১) কোনো ব্যক্তি যদি নিম্নলিখিত কোনো সম্পদ বা সেবার কার্যকারিতা ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে কোনো কাজ করে, তবে তা অন্তর্ঘাত হিসেবে গণ্য হবে:
(ক) সরকার বা কোনো স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা জাতীয়কৃত বাণিজ্যিক বা শিল্প প্রতিষ্ঠান দ্বারা ব্যবহৃত বা ব্যবহারের উদ্দেশ্যে কোনো ভবন, যানবাহন, যন্ত্রপাতি, যন্ত্রাংশ বা অন্যান্য সম্পদ;
(খ) কোনো রেলপথ, আকাশ রোপওয়ে, সড়ক, খাল, সেতু, কালভার্ট, কজওয়ে, বন্দর, ডকইয়ার্ড, বাতিঘর, বিমানবন্দর, টেলিগ্রাফ বা টেলিফোন লাইন বা পোস্ট, বা টেলিভিশন বা বেতার স্থাপন;
(গ) কোনো রেলপথের রোলিং স্টক বা কোনো জাহাজ বা বিমান;
(ঘ) কোনো ভবন বা অন্যান্য সম্পদ যা কোনো মৌলিক পণ্য উৎপাদন, বিতরণ বা সরবরাহের সাথে সম্পর্কিত, কোনো স্যুয়েজ কাজ, খনি বা কারখানা;
(ঙ) এই আইনের অধীনে বা অন্য কোনো আইনের অধীনে নিষিদ্ধ বা সুরক্ষিত কোনো স্থান বা এলাকা;
(চ) কোনো পাট, পাটজাত পণ্য, পাট গোডাউন, পাট মিল বা পাট বেলিং প্রেস।

(২) উপ-ধারা (১) এর বিধানাবলি কোনো ব্যক্তি কর্তৃক এইরূপ কোনো কার্য করা হইতে বিচ্যুতির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে, উক্ত ব্যক্তি কর্তৃক যে কার্য করা সরকারের বা সরকারি কর্তৃপক্ষের বা কোনো ব্যক্তির প্রতি তাহার কর্তব্যের অন্তর্ভুক্ত।

(৩) কোনো ব্যক্তি যদি এই ধারার কোনো বিধান লঙ্ঘন করেন, তাহা হইলে তিনি মৃত্যুদণ্ডে, বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, বা অনধিক চৌদ্দ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে, এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হইবেন।
১,২০৭.
সাইবার নিরাপত্তা আইনে কোনো পুলিশ অফিসার কোন ক্ষেত্রে পরোয়ানা ব্যতিরেকে তল্লাশি বা গ্রেফতার করতে পারে?
  1. উক্ত আইনের অধীন কোনো অপরাধ সংঘটিত হলে
  2. উক্ত আইনের অধীন অপরাধ সংঘটিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে
  3. সাক্ষ্য প্রমাণাদি হারানোর সম্ভাবনা থাকলে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩

ধারা ৪২-পরোয়ানা ব্যতিরেকে তল্লাশি, জব্দ ও গ্রেফতার

(১) যদি কোনো পুলিশ অফিসারের এইরূপ বিশ্বাস করিবার কারণ থাকে যে, কোনো স্থানে এই আইনের অধীন কোনো অপরাধ সংঘটিত হইয়াছে বা হইতেছে বা হইবার সম্ভাবনা রহিয়াছে বা সাক্ষ্য প্রমাণাদি হারানো, নষ্ট হওয়া, মুছিয়া ফেলা, পরিবর্তন বা অন্য কোনো উপায়ে দুষ্প্রাপ্য হইবার বা করিবার সম্ভাবনা রহিয়াছে, তাহা হইলে তিনি, অনুরূপ বিশ্বাসের কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, নিম্নবর্ণিত কার্য সম্পাদন করিতে পারিবেন,

(ক) উক্ত স্থানে প্রবেশ করিয়া তল্লাশি এবং প্রবেশে বাধাপ্রাপ্ত হইলে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ;

(খ) উক্ত স্থানে তল্লাশিকালে প্রাপ্ত অপরাধ সংঘটনে ব্যবহার্য কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, তথ্য-উপাত্ত বা অন্যান্য সরঞ্জামাদি এবং অপরাধ প্রমাণে সহায়ক কোনো দলিল জব্দকরণ;

(গ) উক্ত স্থানে উপস্থিত যে কোনো ব্যক্তির দেহ তল্লাশি;

(ঘ) উক্ত স্থানে উপস্থিত কোনো ব্যক্তি এই আইনের অধীন কোনো অপরাধ করিয়াছেন বা করিতেছেন বলিয়া সন্দেহ হইলে উক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার।

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন তল্লাশি সম্পন্ন করিবার পর পুলিশ অফিসার তল্লাশি পরিচালনার রিপোর্ট ট্রাইব্যুনালের নিকট দাখিল করিবেন।
১,২০৮.
নিমাই মারা গেছেন এবং তার পুত্র, পৌত্র, প্রপৌত্র, বিধবা স্ত্রী, কন্যা, দৌহিত্র কেউই জীবিত নেই। তার পিতা এবং মাতা জীবিত আছেন। দায়ভাগ মতবাদে এই ক্ষেত্রে সম্পত্তির অধিকার কী হবে?
  1. পিতা পূর্ণ স্বত্ব পাবেন
  2. পিতা জীবনস্বত্ব পাবেন
  3. মাতা সম্পত্তির জীবনস্বত্ব পাবেন
  4. পিতা এবং মাতা উভয়ে পূর্ণ স্বত্ব পাবেন
সঠিক উত্তর:
পিতা পূর্ণ স্বত্ব পাবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিতা পূর্ণ স্বত্ব পাবেন
ব্যাখ্যা

উত্তর: ক) পিতা পূর্ণ স্বত্ব পাবেন।

দায়ভাগ মতবাদে উত্তরাধিকারের ক্রম:

দায়ভাগ মতবাদে সম্পত্তির উত্তরাধিকারের ক্রম নির্ধারিত। প্রথমে পুত্র, পৌত্র, প্রপৌত্র, বিধবা স্ত্রী, কন্যা, এবং দৌহিত্র (কন্যার পুত্র) সম্পত্তির অধিকারী হন।
এই সকল উত্তরাধিকারী জীবিত না থাকলে, পরবর্তী অগ্রাধিকার পান মৃত ব্যক্তির পিতা। পিতা জীবিত থাকলে তিনি সম্পত্তির পূর্ণ স্বত্ব পান।
পিতা জীবিত না থাকলে তবেই মাতা সম্পত্তির অধিকারী হন, এবং তিনি জীবনস্বত্ব (life interest) পান, অর্থাৎ তিনি জীবদ্দশায় সম্পত্তি ভোগ করতে পারেন, কিন্তু তা বিক্রি বা হস্তান্তর করতে পারেন না।
পিতা এবং মাতার পরে ক্রমানুসারে সহোদর ভাই, বৈমাত্রেয় ভাই, ভাইয়ের পুত্র, ভাইয়ের পুত্রের পুত্র, বোনের পুত্র, পিতামহ, পিতামহী, এবং পিতার ভাই সম্পত্তির অধিকারী হন।

এই ঘটনায় প্রয়োগ:
নিমাইয়ের কোনো পুত্র, পৌত্র, প্রপৌত্র, বিধবা স্ত্রী, কন্যা, বা দৌহিত্র জীবিত নেই। তাই এই সকল অগ্রাধিকারের উত্তরাধিকারী বাদ পড়েন। নিমাইয়ের পিতা জীবিত আছেন। দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে, পিতা এই পর্যায়ে সম্পত্তির প্রধান উত্তরাধিকারী হিসেবে বিবেচিত হন এবং তিনি সম্পত্তির পূর্ণ স্বত্ব পাবেন। যেহেতু পিতা জীবিত আছেন, মাতা এই ক্ষেত্রে সম্পত্তির অধিকার পাবেন না, কারণ পিতার অগ্রাধিকার মাতার চেয়ে বেশি।

১,২০৯.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের ফাঁদ মামলা (Trap Case) পরিচালনার জন্য ন্যূনতম কোন পদমর্যাদার কর্মকর্তা প্রয়োজন?
  1. কমিশনার
  2. পরিচালক
  3. উপ-পরিচালক
  4. সহকারী পরিচালক
সঠিক উত্তর:
পরিচালক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিচালক
ব্যাখ্যা

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ এর বিধি ১৬ অনুযায়ী, ফাঁদ মামলা (Trap Case) পরিচালনার জন্য কমিশনারের অনুমোদনক্রমে পরিচালক পদমর্যাদার নিম্নে নয় এমন কর্মকর্তা ক্ষমতাপ্রাপ্ত হবেন। এই বিধি অনুসারে, ফাঁদ মামলা পরিচালনার জন্য ন্যূনতম পরিচালক পদমর্যাদার কর্মকর্তার প্রয়োজন। ফাঁদ মামলা হলো দুর্নীতি প্রতিরোধে তফসিলভুক্ত অপরাধে জড়িত ব্যক্তিকে হাতেনাতে ধরার জন্য পরিকল্পিত কার্যক্রম, এবং এটি সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় উচ্চ পদমর্যাদার কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়।

- বিধি ১৬ (দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭): এই বিধিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, ফাঁদ মামলা প্রস্তুত বা পরিচালনার জন্য কমিশনারের অনুমোদন প্রয়োজন, এবং ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তার পদমর্যাদা পরিচালক বা তার ঊর্ধ্বতন হতে হবে। এটি নিশ্চিত করে যে এ ধরনের সংবেদনশীল কার্যক্রম দায়িত্বশীল ও অভিজ্ঞ কর্মকর্তার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।

- কারণ ফাঁদ মামলা সাধারণত ঘুষ গ্রহণ বা অন্যান্য দুর্নীতিজনিত অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের ধরার জন্য পরিচালিত হয়। এই প্রক্রিয়ায় আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতা, সাক্ষ্য সংগ্রহ, এবং নৈতিকতার বিষয় জড়িত থাকে। তাই, পরিচালক পদমর্যাদার কর্মকর্তারা তাদের অভিজ্ঞতা ও দায়িত্বশীলতার কারণে এই কাজের জন্য উপযুক্ত বলে বিবেচিত হন।

অর্থাৎ দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ এর বিধি ১৬ অনুসারে, ফাঁদ মামলা পরিচালনার জন্য ন্যূনতম পরিচালক পদমর্যাদার কর্মকর্তা প্রয়োজন। এই বিধান কার্যক্রমের সংবেদনশীলতা এবং আইনি নির্ভুলতা নিশ্চিত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) পরিচালক।

১,২১০.
Termination of agency কোন ধারায় আছে?
  1. ২০১ ধারায়
  2. ২০৩ ধারায়
  3. ২০৪ ধারায়
  4. ২০০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২০১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১ ধারায়
ব্যাখ্যা
• চুক্তি আইনের ২০১ ধারার বিধান প্রতিনিধিত্বের পরিসমাপ্তি (Termination of agency):
প্রতিনিধিত্বের পরিসমাপ্তি ঘটতে পারে-
- প্রিন্সিপাল তার ক্ষমতা প্রত্যাহার করলে; অথবা
- এজেন্ট তার এজেন্সির কাজ পরিহার করলে; অথবা
- এজেন্সির কাজ সম্পন্ন হয়ে গেলে; অথবা
- প্রিন্সিপাল বা এজেন্টের মধ্যে কারও মৃত্যু হলে বা অপ্রকৃতিস্থ হলে; অথবা 
- দেনাদারদের প্রতিকারের জন্য প্রিন্সিপাল দেউলিয়া হলে।
-------------
• Section 201. Termination of agency:
 An agency is terminated by the principal revoking his authority; or by the agent renouncing the business of the agency; or by the business of the agency being completed; or by either the principal or agent dying or becoming of unsound mind; or by the principal being adjudicated an insolvent under the provisions of any Act for the time being in force for the relief of insolvent debtors.
১,২১১.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ৮১ ধারা অনুযায়ী, এই আইন কার্যকর হওয়ার পর কৃষি জমির একমাত্র শ্রেণীর অধিকারী কে হবেন?
  1. রায়ত
  2. মালিক
  3. জমিদার
  4. প্রজাস্বত্বধারী
সঠিক উত্তর:
মালিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মালিক
ব্যাখ্যা

⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০-এর ধারা ৮১ অনুযায়ী, আইন কার্যকর হওয়ার পর কোনো এলাকায় কৃষি জমির একমাত্র শ্রেণীর অধিকারী হবে ‘মালিক’। এই মালিকদের অধিকার ও দায়িত্ব এই ধারা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবে।

⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ৮১ ধারা: রায়তি কৃষকের শ্রেণিবিভাগ এবং তাহাদের অধিকার ও দায়িত্বসমূহ নিয়ন্ত্রণ:
(১) কোনো এলাকায় এই ভাগ সম্পূর্ণরূপে কার্যকর হইবার তারিখে অথবা তারিখ হইতে উক্ত এলাকায় কেবল মালিক নামে কৃষি জমির এক শ্রেণির অধিকারী থাকিবে এবং উক্ত ভূমি মালিকদের অধিকার ও দায়সমূহ এই ভাগের বিধান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, এই ধারা উক্তরূপ কোনো মালিককে তাহার জোতের খনিজ সম্পদের অধিকারসহ ভূনিম্নস্থ কোনো স্বার্থের উপর কোনো অধিকার প্রদান করিবে না:
আরও শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে সরকার নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কোনো ভূমি ইজারা প্রদান করে, সেইক্ষেত্রে উক্ত ইজারা-গ্রহীতার অধিকার ও দায়সমূহ ইজারায় বর্ণিত শর্তাবলি অনুযায়ী পরিচালিত হইবে।
-------------
⇒The State Acquisition and Tenancy Act, 1950- Section 81- Class of agricultural tenants and regulation of their rights and liabilities:
(1) On and from the date of coming into force of the whole of this Part in any area, there shall, within that area, be only one class of holders of agricultural land, namely, maliks, and the rights and liabilities of every such land-holder shall be regulated by the provisions of this Part: 
Provided that nothing in this section shall confer on any such malik any right to any interests in the sub-soil including rights to minerals in his holding:
Provided further that when the Government lease out any land for any particular period, the rights and liabilities of such a lessee shall be governed by such terms and conditions as may be set forth in the lease.

১,২১২.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর কোন ধারায় কোর্ট ফি সংক্রান্ত বিধান উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ২০
  2. ধারা ২৫
  3. ধারা ৩০
  4. ধারা ৩৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৫
ব্যাখ্যা

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ২৫ এ কোর্ট ফি সংক্রান্ত বিধান উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে ফি ২০০ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ২৫ অনুসারে, এই আইনের অধীনে কোনো মোকদ্দমা দায়ের করার জন্য ২০০ টাকা কোর্ট ফি প্রদান করতে হবে। এই ফি পরিশোধের মাধ্যমে মোকদ্দমা দায়েরের প্রক্রিয়া শুরু হয়।

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর-২৫ ধারার বিধান: কোর্ট ফি:
পারিবারিক আদালতে এই আইনের অধীন কোনো মোকদ্দমার আরজি দাখিল করিতে প্রদেয় কোর্ট ফি হইবে ২০০ (দুইশত) টাকা।

১,২১৩.
'ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮' কোন আইন দ্বারা রহিত করা হয়েছে?
  1. ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০২৩
  2. সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩
  3. সাইবার অপরাধ আইন, ২০২৩
  4. ডিজিটাল নিরাপত্তা বিধিমালা, ২০২৩
সঠিক উত্তর:
সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩
ব্যাখ্যা
 সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ (২০২৩ সনের ৩৯ নং আইন) দ্বারা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন,২০১৮ রহিত করা হয়েছে।

•২০২৩ সালের ২৮ আগস্ট বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বেশ কয়েকটি ধারা সংশোধন করে ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩’ নামে নতুন একটি আইনের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। পূর্বের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২টি ধারা বাতিল করে নতুন আইনে ৬০টি ধারা করা হয়। ২০২৩ সালের ৭ আগস্ট অনুষ্ঠিত বৈঠকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ ‘সাইবার নিরাপত্তা বিল-২০২৩’ পাস হয়।

উল্লেখ্য যে, এ আইনের অধীনে সংঘটিত অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি ১৪ বছরের কারাদন্ড বা এক কোটি টাকা জরিমানা বা উভয় দন্ডের বিধান রাখা হয়েছে।
১,২১৪.
পারিবারিক আদালত অবমাননার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ড দেয়া যায়?
  1. ২০০ টাকা
  2. ৩০০ টাকা
  3. ৫০০ টাকা
  4. ১০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকা
ব্যাখ্যা

• পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩এর ধারা ২৩- পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত অবমাননা:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি আইনসংগত কারণ ব্যতিরেকে-
(ক) পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালতের প্রতি অসম্মান প্রদর্শন করেন, বা
(খ) পরিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালতের কার্যে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন, বা
(গ) পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত কর্তৃক জিজ্ঞাসিত কোনো প্রশ্নের উত্তর প্রদানে বাধ্য থাকা সত্ত্বেও, উত্তর প্রদানের অস্বীকার করেন, বা
(ঘ) সত্য কথা বলিবার জন্য শপথ গ্রহণ করিতে অথবা পারিবারিক আদালতে বা পারিবারিক আপিল আদালতে তৎকর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতিতে স্বাক্ষরদান করিতে অস্বীকার করেন,
তাহা হইলে তিনি পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত অবমাননা করিয়াছেন মর্মে গণ্য হইবেন।

(২) উপধারা (১) এর অধীন কৃত অপরাধের ক্ষেত্রে, পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত উক্তরূপ অবমাননার দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিচার করিতে পারিবে এবং তাহাকে অনধিক ২০০ (দুইশত) টাকা র্অথদণ্ডে দণ্ডিত করিতে পারিবে।

১,২১৫.
Ex post facto laws নিচের কোনটির সাথে সম্পর্কিত?
  1. দেওয়ানী আইন
  2. ফৌজদারী আইন
  3. দেওয়ানী আইন ও ফৌজদারী আইন
  4. সাংবিধানিক আইন
সঠিক উত্তর:
সাংবিধানিক আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাংবিধানিক আইন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধান অনুচ্ছেদে ৩৫: অপরাধ ও দণ্ড সম্পর্কে রক্ষণ

অপরাধ ও দণ্ড সম্পর্কে রক্ষণ:
অনুচ্ছেদে ৩৫(১) এর বিধান হচ্ছে- অপরাধ করার সময় বলবৎ কার্যকর ছিল, এমন আইন ব্যতীত অন্য আইনে দণ্ড দেওয়া যাবে না। এ নীতিটাই Ex Post Facto Laws (ভূতাপেক্ষ আইন)।

অর্থাৎ অপরাধ সংঘটনকালে বলবৎ আইনে যে শাস্তি ছিল তার অধিক বা ভিন্ন কোনো আইনে শাস্তি দেওয়া যাবে না বা নতুন আইন প্রণয়ন করে ভিন্নতর/তার অধিক শাস্তি দেওয়া যাবে না। যেমন- ১৯৯০ সালে কাউসার সাহেবের যে অপরাধের জন্য যাবজ্জীবন সাজা হতো ২০২১ সালে নতুন আইন করে সে একই অপরাধের জন্য মৃত্যুদণ্ড দেওয়া যাবে না।

Ex post facto laws (ভূতাপেক্ষ আইন) এর বিরুদ্ধে সংবিধানের ৩৫(১) অনুচ্ছেদে সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে। সংবিধানে এ সম্পর্কে বলা থাকলেও এটি ফৌজদারি আইনের সাথে সম্পর্কিত। কারণ ফৌজদারি আইনের ক্ষেত্রে Retrospective Effect (ভূতাপেক্ষ প্রভাব) দেওয়া যায় না। যেহেতু সংবিধানে সরাসরি এই আইন সম্পর্কিত বিধান রয়েছে তাই অধিকতর গ্রহণযোগ্য হিসেবে 'সাংবিধানিক আইন' কে উত্তর হিসেবে নেয়া হয়েছে।
১,২১৬.
হাইকোর্ট বিভাগ সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭ এর কোন ধারার অধীনে যুগ্ম জেলা জজ বা সহকারী জজকে বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করতে পারে?
  1. ধারা ২২
  2. ধারা ২৩
  3. ধারা ২৪
  4. ধারা ২৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৩
ব্যাখ্যা

⇒ সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭-এর ধারা ২৩ অনুসারে, হাইকোর্ট বিভাগ সাধারণ বা বিশেষ আদেশের মাধ্যমে যুগ্ম জেলা জজ (Joint District Judge), সিনিয়র সহকারী জজ (Senior Assistant Judge) বা সহকারী জজ (Assistant Judge)-কে নির্দিষ্ট মামলা বা কার্যক্রমের বিষয়ে এখতিয়ার গ্রহণ করার জন্য ক্ষমতা প্রদান করতে পারে। এই ধারার উপ-ধারা (১) স্পষ্টভাবে বলে যে, হাইকোর্ট বিভাগ যুগ্ম জেলা জজ বা সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজকে নির্দিষ্ট কার্যক্রম গ্রহণ বা বিচারের জন্য অনুমোদন দিতে পারে। এছাড়াও, জেলা জজ এই ধরনের কার্যক্রম যুগ্ম জেলা জজ বা সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজের আদালতে হস্তান্তর করতে পারেন।

- ধারা ২৩-এর প্রাসঙ্গিক অংশ: "The High Court Division may, by general or special order, authorise any Joint District Judge or Senior Assistant Judge or Assistant Judge to take cognizance of, or any District Judge to transfer to a Joint District Judge or Senior Assistant Judge or Assistant Judge under his administrative control, any of the proceedings next hereinafter mentioned or any class of those proceedings specified in the order."

- এই ধারাটি হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতাকে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করে যে তারা যুগ্ম জেলা জজ বা সহকারী জজদের বিশেষ এখতিয়ার প্রদান করতে পারে।

তাই, সঠিক উত্তর হলো খ) ধারা ২৩।

১,২১৭.
কোন ব্যক্তির সংবিধানের অধীন কোনো প্রতিকারের জন্য সুপ্রীম কোর্টে আবেদন করার অধিকার নেই?
  1. মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত
  2. যুদ্ধাপরাধী
  3. নাশকতাকারী
  4. রাষ্ট্রদ্রোহী
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধাপরাধী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধাপরাধী
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের ৪৭ অনুচ্ছেদের বিধান: কতিপয় আইনের হেফাজত:
- সংবিধানের ৪৭(৩) অনুচ্ছেদে বিধান: এই সংবিধানে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও গণহত্যাজনিত অপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ বা যুদ্ধাপরাধ এবং আন্তর্জাতিক আইনের অধীন অন্যান্য অপরাধের জন্য কোন সশস্ত্র বাহিনী বা প্রতিরক্ষা বাহিনী বা সহায়ক বাহিনীর সদস্য বা অন্য কোন ব্যক্তি, ব্যক্তি সমষ্টি বা সংগঠন কিংবা যুদ্ধবন্দীকে আটক, ফৌজদারীতে সোপর্দ কিংবা দণ্ডদান করিবার বিধান-সংবলিত কোন আইন বা আইনের বিধান এই সংবিধানের কোন বিধানের সহিত অসমঞ্জস বা তাহার পরিপন্থী, এই কারণে বাতিল বা বেআইনী বলিয়া গণ্য হইবে না কিংবা কখনও বাতিল বা বেআইনী হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না।

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের ৪৭ক অনুচ্ছেদের বিধান:সংবিধানের কতিপয় বিধানের অপ্রযোজ্যতা:
 (১) যে ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই সংবিধানের ৪৭ অনুচ্ছেদের (৩) দফায় বর্ণিত কোন আইন প্রযোজ্য হয়, সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদ, ৩৫ অনুচ্ছেদের (১) ও (৩) দফা এবং ৪৪ অনুচ্ছেদের অধীন নিশ্চয়কৃত অধিকারসমূহ প্রযোজ্য হইবে না।

(২) এই সংবিধানে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও যে ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই সংবিধানের ৪৭ অনুচ্ছেদের (৩) দফায় বর্ণিত কোন আইন প্রযোজ্য হয়, এই সংবিধানের অধীন কোন প্রতিকারের জন্য সুপ্রীম কোর্টে আবেদন করিবার কোন অধিকার সেই ব্যক্তির থাকিবে না।

অর্থাৎ যুদ্ধাপরাধীর সংবিধানের অধীন কোনো প্রতিকারের জন্য সুপ্রীম কোর্টে আবেদন করার অধিকার নেই। 
১,২১৮.
The meaning of Latin maxim 'Actus non facit reum, nisi mens sit rea' is-
  1. অপরাধমূলক কোন কার্য ব্যক্তিকে অপরাধী করে
  2. ক্ষতিকর কাজের আইনী প্রতিকার নেই
  3. অপরাধমূলক অভিপ্রায় না থাকলে, কোন কার্য ব্যক্তিকে অপরাধী করে না
  4. অপরাধমূলক অভিপ্রায় ব্যক্তিকে অপরাধী করে না
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক অভিপ্রায় না থাকলে, কোন কার্য ব্যক্তিকে অপরাধী করে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক অভিপ্রায় না থাকলে, কোন কার্য ব্যক্তিকে অপরাধী করে না
ব্যাখ্যা
Actus non facit reum, nisi mens sit rea (অপরাধমূলক অভিপ্রায় না থাকলে কোন কার্য ব্যক্তিকে অপরাধী করে না)

এই প্রবচনটির ইংরেজি প্রতিশব্দ হচ্ছে, 'An act does not make one guilty unless there be guilty intention. কোন অন্যায় বা নিষিদ্ধ কাজ ইচ্ছাকৃতভাবে যদি কেউ সংঘটন করে বা অবহেলা করে সম্পাদন করে তাহলে অনুরূপ কাজের জন্য তাকে দায়ী হতে হয়। ইচ্ছাকৃতভাবে সম্পাদিত কাজের ক্ষেত্রে ধরে নেয়া হয় যে, অনুরূপ কাজে আসামীর অপরাধমূলক অভিপ্রায় ছিল। আসামীকে শাস্তি দিতে হলে অপরাধ সংঘটনের সময়ে তার মনের যে অবস্থা ছিল তা প্রসিকিউসন পক্ষকে অবশ্যই প্রমাণ করতে হয়। অপরাধের প্রকৃতিভেদে অপরাধী মনেরও প্রকৃতিভেদ ঘটে।

এটা যে আইন দ্বারা সৃষ্ট, সেই আইন কিংবা নজীর দ্বারা নির্ধারিত হয়ে থাকে। জনগণের স্বাধীনতা সংরক্ষণের জন্য এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যে, আদালত কাউকে দোষী সাব্যস্ত করবেন না যতক্ষণ না তার একটি দোষী মন থাকে। তাঁর মতে, তবে যদি কোন আইন দ্বারা এর প্রয়োজনীয়তা অস্বীকার করা হয় তবে তা স্বতন্ত্র বিষয় হবে। তবে এই প্রবচনের মূলনীতি প্রয়োগ করতে হলে বর্ণিত বিধান সতর্কতার সাথে বিবেচনা করতে হয়। এ প্রবচনটি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে Fowler v. Padget মামলায় প্রধান বিচারপতি Lord Kenyon বলেন, "The intent and the act must both concur to constitute the crime."
১,২১৯.
স্ত্রীধন বলতে কি বোঝায়?
  1. উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া স্ত্রীর সম্পত্তি
  2. উপহার হিসেবে স্ত্রীর প্রাপ্ত সম্পত্তি
  3. স্ত্রীর নিজস্ব অর্জিত সম্পত্তি
  4. খ ও গ
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
ব্যাখ্যা
স্ত্রীর স্বোপার্জিত কিংবা উপহার হিসেবে প্রাপ্ত সম্পত্তি হচ্ছে স্ত্রীধন। তারা এ ধন নিজের ইচ্ছামতো বিক্রয় অথবা দান করতে পারে। উপার্জনের উৎস অনুযায়ী স্ত্রীধন চার প্রকার। স্ত্রীধনের উত্তরাধিকারও ভিন্ন ধরনের এবং তা কন্যাদের অধিকতর উত্তরাধিকার ক্ষমতা প্রদান করে।

স্ত্রীধনের প্রকৃতি অনুযায়ী তার উত্তরাধিকারক্রম এরূপ:

ক. শুল্ক (কন্যাপণ): ভাই, মা, পিতা ও স্বামী;

খ. যৌতুক (বিবাহকালে প্রাপ্ত উপহার): অবাগ্দত্তা কন্যা, বাগ্দত্তা কন্যা, বিবাহিতা কন্যা যার পুত্র রয়েছে কিংবা পুত্রসম্ভবা, বন্ধ্যা বিবাহিতা কন্যা এবং নিঃসন্তান বিধবা কন্যা সমান অংশে; পুত্র, দৌহিত্র, পৌত্র, প্রপৌত্র, সতীন পুত্র, সতীন পৌত্র, সতীন প্রপৌত্র। উপর্যুক্তদের অভাবে স্ত্রীলোকের যৌতুক সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হবে স্বামী, ভাই, মা, বাবা;

গ. অন্বাধেয় (বিবাহোত্তরকালে পিতৃদত্ত): এক্ষেত্রে উত্তরাধিকারক্রম প্রায় যৌতুকের মতোই, তবে পার্থক্য হলো- বিবাহিতা কন্যাদের চেয়ে পুত্ররা অগ্রাধিকার পায় এবং নিঃসন্তান অবস্থায় মৃত স্ত্রীলোকের ক্ষেত্রে উত্তরাধিকারী হয় তার ভাই, মা, পিতা, স্বামী;

ঘ. অযৌতুক (বিবাহের পূর্বে বা পরে আত্মীয়গণ কর্তৃক প্রদত্ত; বিবাহের পূর্বে পিতৃদত্ত): এ ক্ষেত্রে পুত্র এবং কুমারী কন্যারা সমান অংশীদার; বিবাহিত পুত্রবতী অথবা পুত্রসম্ভবা কন্যা, পৌত্র, দৌহিত্র, বন্ধ্যা বিবাহিতা কন্যা এবং নিঃসন্তান বিধবা কন্যা।

উপযুক্তদের অভাবে অযৌতুক স্ত্রীধনের উত্তরাধিকারীরা হলো: ভাই, মা, পিতা, স্বামী, দেবর, স্বামীর ভ্রাতুষ্পুত্র, বোনপো, স্বামীর ভাগিনেয়, নিজের ভ্রাতুষ্পুত্র, জামাতা, স্বামীর সপিন্ড, সকুল্য ও সমানোদক, পিতার জ্ঞাতি।
১,২২০.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধে ব্যবহৃত কোন যন্ত্রপাতির ক্ষেত্রে আদালত কী আদেশ দিতে পারে?
  1. রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তির
  2. উক্ত যন্ত্রপাতি বিক্রি করার
  3. উক্ত যন্ত্রপাতি ধ্বংস করার
  4. উল্লিখিত সকল আদেশ
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তির
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২

ধারা ৭- অপরাধ সংঘটনে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি, অস্ত্র, ইত্যাদি

আদালত উপযুক্ত বিবেচনা করিলে, কোন অপরাধ সংঘটনের জন্য ব্যবহৃত কোন যন্ত্রপাতি, অস্ত্র বা যানবাহন, এবং উক্ত অপরাধের দ্বারা সংগৃহীত অর্থ, মালামাল বা সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তির বা উহার বৈধ মালিক বা দখলদারের নিকট ফেরত দিবার আদেশ দিতে পারিবে।
১,২২১.
সংবিধানের তৃতীয় তফশিল অনুযায়ী, নিচের কোন ব্যক্তিকে শপথগ্রহণ করানো বা ঘোষণাপত্র পাঠ করানো সংক্রান্ত ক্ষমতা দেওয়া হয়নি?
  1. স্পীকার
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুযায়ী শপথগ্রহণ বা ঘোষণাপত্র পাঠ করানোর ক্ষমতা শুধুমাত্র স্পিকার, রাষ্ট্রপতি এবং প্রধান বিচারপতি—এই তিন ব্যক্তিকে দেওয়া হয়েছে।
- প্রধানমন্ত্রীকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। তিনি নিজে রাষ্ট্রপতির কাছে শপথ নেন, কিন্তু অন্য কাউকে শপথ গ্রহণ করানোর ক্ষমতা সংবিধানের তৃতীয় তফশিল অনুযায়ী তার নেই।

⇒ তৃতীয় তফসিল:
- বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে ৯টি পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তির শপথগ্রহণ বা ঘোষনাপত্র পাঠের বিষয় উল্লেখ আছে।
- শপথগ্রহণ বা ঘোষণাপত্র পাঠ করানোর ক্ষমতা ৩ জন ব্যক্তিকে দেওয়া হয়ছে।
- যথা- স্পীকার , রাষ্ট্রপতি , প্রধান বিচারপতি।

⇒ স্পীকার কর্তৃক - রাষ্ট্রপতি, সংসদ-সদস্য;
⇒ রাষ্ট্রপতি কর্তৃক - প্রধানমন্ত্রী, অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী, স্পীকার, ডেপুটি স্পীকার, প্রধান বিচারপতি; 
⇒ প্রধান বিচারপতি কর্তৃক - সুপ্রীম কোর্টের অন্যান্য বিচারক, সরকারী কর্মকমিশনের সদস্য, মহাহিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনার।

১,২২২.
সংবিধানের ১১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে কী নিশ্চিত করা হবে?
  1. আইনের প্রয়োগ
  2. জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ
  3. মৌলিক মানবাধিকার
  4. ন্যায়ানুগ ও সাম্যবাদী সমাজলাভ
সঠিক উত্তর:
জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধানের ১১ অনুচ্ছেদ: গণতন্ত্র ও মানবাধিকার
প্রজাতন্ত্র হইবে একটি গণতন্ত্র, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকিবে, মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হইবে এবং প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হইবে

১,২২৩.
শিশু আদালত কর্তৃক প্রদত্ত রায়ের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা যায়-
  1. দায়রা জজ আদালতে
  2. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  3. হাইকোর্ট বিভাগে
  4. নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
ব্যাখ্যা
⇒ শিশু আইন, ২০১৩ এর ৪১ ধারার বিধান আপিল ও পুনর্বিবেচনা:
- (১) ফৌজদারী কার্যবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন শিশু-আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে উক্ত আদেশ বা রায় প্রদানের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করা যাইবে। 

- (২) শিশু-আদালতের কোনো আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে পুনর্বিবেচনা (Revision) করা যাইবে।

- (৩) এই ধারার অধীন আপিল বা, ক্ষেত্রমত, পুনর্বিবেচনার আবেদন দাখিল করা হইলে উক্ত আবেদনটি দায়েরের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে উহা নিষ্পত্তি করিতে হইবে।
১,২২৪.
আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান ও সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধা নীতিটি সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ২৩
  2. অনুচ্ছেদ ২৪
  3. অনুচ্ছেদ ২৫
  4. অনুচ্ছেদ ২৬
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৫
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৫ (শিরোনাম: আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন)–এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে:
“জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা, অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা—এই সকল নীতি হইবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি…”
- এই অনুচ্ছেদে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মৌলিক নীতিমালা নির্ধারণ করা হয়েছে এবং সেখানে আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান ও সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নীতি হিসেবে উল্লেখ রয়েছে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৫ আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন: 
জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা, অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা-এই সকল নীতি হইবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি এবং এই সকল নীতির ভিত্তিতে রাষ্ট্র 
(ক) আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তিপ্রয়োগ পরিহার এবং সাধারণ ও সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের জন্য চেষ্টা করিবেন; 
(খ) প্রত্যেক জাতির স্বাধীন অভিপ্রায় অনুযায়ী পথ ও পন্থার মাধ্যমে অবাধে নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ ও গঠনের অধিকার সমর্থন করিবেন; এবং 
(গ) সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণবৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে সমর্থন করিবেন৷
১,২২৫.
What does "onus probandi" mean in legal terms?
  1. Right to appeal
  2. Burden of proof
  3. Prima facie evidence
  4. Presumption of innocence
সঠিক উত্তর:
Burden of proof
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Burden of proof
ব্যাখ্যা
⇒ "Onus Probandi" একটি ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ, যার অর্থ "প্রমাণের ভার" বা "Burden of Proof"। এটি আইনের একটি মৌলিক নীতি যা নির্ধারণ করে কোন পক্ষকে আদালতে তার দাবি বা অভিযোগ প্রমাণের দায়িত্ব বহন করতে হবে।
অর্থাৎ "Onus probandi" একটি ল্যাটিন শব্দ, যার অর্থ "burden of proof" বা বাংলায় "প্রমাণের ভার"।  আইনি পরিভাষায় এটি বোঝায় যে একটি দাবি বা অভিযোগ প্রমাণ করার দায়িত্ব কার উপর বর্তায়। যিনি কোনো বিষয়ে দাবি করেন, সাধারণত তার উপরই প্রমাণের ভার থাকে।

সঠিক উত্তর: খ) Burden of proof.
১,২২৬.
রায়তের দখলে থাকা চা বাগানের খাস জমি কার লিখিত অনুমতি ছাড়া হস্তান্তর করা যাবে না?
  1. ভূমি সংস্কার বোর্ড
  2. ডেপুটি কমিশনার
  3. জেলা ভূমি অফিসার
  4. উপজেলা নির্বাহী অফিসার
সঠিক উত্তর:
ডেপুটি কমিশনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেপুটি কমিশনার
ব্যাখ্যা
ধারা ৮৮: রায়াতদের হোল্ডিং-এর হস্তান্তরযোগ্যতা:
রায়তের হোল্ডিং বা তার অংশ বা হিস্যা, এই আইন অনুযায়ী, অন্যান্য স্থাবর সম্পত্তির মতোই রায়তের দ্বারা হস্তান্তর করা যাবে।

তবে,
- চা বাগানের খাস জমি (যা ধারা ২০(২) অনুযায়ী রায়তের দখলে থাকে) বা তার অংশ, ডেপুটি কমিশনারের লিখিত অনুমতি ছাড়া হস্তান্তর করা যাবে না, এবং এই হস্তান্তর চা বাগানের পূর্ণতা বা চা চাষের কার্যক্রমে কোনো ধরনের বাধা সৃষ্টি করতে পারবে না।

অর্থাৎ The State Acquisition and Tenancy Act এর ধারা ৮৮ অনুযায়ী, রায়তের দখলে থাকা চা বাগানের খাস জমি বা তার অংশ ডেপুটি কমিশনারের লিখিত অনুমতি ছাড়া হস্তান্তর করা যাবে না। এছাড়া, হস্তান্তর চা বাগানের পূর্ণতা বা চা চাষের কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করতে পারবে না। 
১,২২৭.
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ অনুসারে অপর কোনো ব্যক্তির পরিচয় ধারণ করে প্রতারণার শাস্তি অনধিক কত বৎসর কারাদণ্ড?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ এর ২৪ ধারার বিধান পরিচয় প্রতারণা বা ছদ্মবেশ ধারণ:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে বা জ্ঞাতসারে কোনো কম্পিউটার, কম্পিউটার প্রোগ্রাম, কম্পিউটার সিস্টেম, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, কোনো ডিজিটাল ডিভাইস, ডিজিটাল সিস্টেম বা ডিজিটাল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করিয়া- 
(ক) প্রতারণা করিবার বা ঠকাইবার উদ্দেশ্যে অপর কোনো ব্যক্তির পরিচয় ধারণ করেন বা অন্য কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত কোনো তথ্য নিজের বলিয়া প্রদর্শন করেন, বা 
(খ) উদ্দেশ্যমূলকভাবে জালিয়াতির মাধ্যমে কোনো জীবিত বা মৃত ব্যক্তির ব্যক্তিসত্তা নিম্নবর্ণিত উদ্দেশ্যে নিজের বলিয়া ধারণ করেন,- 
(অ) নিজের বা অপর কোনো ব্যক্তির সুবিধা লাভ করা বা করাইয়া দেওয়া, 
(আ) কোনো সম্পত্তি বা সম্পত্তির স্বার্থ প্রাপ্তি, 
(ই) অপর কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তিসত্তার রূপ ধারণ করিয়া কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তিসত্তার ক্ষতিসাধন, 
তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ। 

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৫(পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন। 
(৩) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত অপরাধ দ্বিতীয়বার বা পুনঃপুন সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৭ (সাত) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১০ (দশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
১,২২৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯খ অনুযায়ী, মামলার কোন পর্যায়ে পক্ষগণ সালিশের উদ্দেশ্যে মামলা প্রত্যাহারের আবেদন করতে পারে?
  1. যেকোনো পর্যায়ে
  2. রায় ঘোষণার পর
  3. কেবল শুনানির শুরুতে
  4. বিচার্য বিষয় গঠনের পর
সঠিক উত্তর:
যেকোনো পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেকোনো পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯খ(১) অনুযায়ী বলা হয়েছে "যদি কোন মামলার পক্ষগণ কার্যক্রমের কোন পর্যায়ে আদালতের নিকট এই ভিত্তিতে মামলা প্রত্যাহারের জন্য আবেদন করে যে তারা মামলার বিরোধ বা বিরোধগুলি সালিশের নিকট প্রেরণ করবে..."
- এর মানে হলো, পক্ষগণ মামলার যেকোনো পর্যায়ে সালিশে যাওয়ার জন্য আদালতের অনুমতি চাইতে পারে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা-৮৯খ: সালিশী:
১) মোকদ্দমার বিরোধ অথবা বিরোধসমূহ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে সালিশের নিকট প্রেরণ করবেন এই কারণে মোকদ্দমার পক্ষসমূহ কার্যপদ্ধতির যে কোন পর্যায়ে মোকদ্দমাটি তুলে নেয়ার জন্য আদালতের সমীপে আবেদন করলে আদালত আবেদন অনুমোদন করবে এবং মোকদ্দমা তুলে নেয়ার অনুমতি প্রদান করবে এবং তৎপরবর্তীতে যতদূর প্রযোজ্য, সালিশী আইন,২০০১ (২০০১ সালের ১নং আইন) অনুযায়ী বিরোধ বা বিরোধসমূহ নিষ্পত্তি হবে,
তবে শর্ত থাকে যে, কোন কারণে কার্য প্রক্রিয়া অনুষ্ঠিত না হলে বা সালিসের রোয়েদাদ প্রদত্ত না হলে এই উপ-ধারার অধীন তুলে নেয়ার অনুমতিপ্রাপ্ত মোকদ্দমার পক্ষসমূহ পুনঃ দাখিলের অধিকার অর্জন করবে।
২) ১নং উপ-ধারানুযায়ী পেশকৃত আবেদন সালিসী আইন, ২০০১ (২০০১ সালের ১নং আইন) এর ধারা নং ৯ এর অধীনে সালিসের সম্মতি বলে ধরে নিতে হবে।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 Section 89B. Arbitration:
(1) If the parties to a suit, at any stage of the proceeding, apply to the Court for withdrawal of the suit on ground that they will refer the dispute or disputes in the suit to arbitration for settlement, the Court shall allow the application and permit the suit to be withdrawn; and the dispute or disputes, thereafter, shall be settled in accordance with Salish Ain, 2001 (Act No. 1 of 2001) so far as may be applicable:
Provided that, if, for any reason, the arbitration proceeding referred to above does not take place or an arbitral award is not given, the parties shall be entitled to re-institute the suit permitted to be withdrawn under this sub-section.
(2) An application under sub-section (1) shall be deemed to be an arbitration agreement under section 9 of the Salish Ain, 2001 (Act No. 1 of 2001).
১,২২৯.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৬৯ ধারায় আদালতের হস্তক্ষেপ ব্যতীত কোন ধরণের সম্পত্তি বিক্রয় করার অধিকার দেয়া হয়েছে?
  1. ইজারাধীন সম্পত্তি
  2. বিচারাধীন সম্পত্তি
  3. বেদখলকৃত সম্পত্তি
  4. বন্ধকী সম্পত্তি
সঠিক উত্তর:
বন্ধকী সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বন্ধকী সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
[ধারা ৬৯] আদালতের হস্তক্ষেপ ব্যতীত বিক্রয়-
 
আদালতের হস্তক্ষেপ ব্যতীত বন্ধকী সম্পত্তি বিক্রয় করতে বন্ধকগ্রহীতাকে ৬৯ ধারায় ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। বন্ধকের ক্ষেত্রে সাধারণ নিয়ম হলো- ৬৭ ধারায় বন্ধকগ্রহীতা ফোরক্লোসার বা আদালতের মাধ্যমে বন্ধকি সম্পত্তি বিক্রয়ের জন্য মোকদ্দমা দায়ের করবে। এমনকি ৬৮ ধারায় বন্ধকি-অর্থের জন্য বন্ধকগ্রহীতা মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে। কিন্তু কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে, ৬৯ ধারা-বন্ধকগ্রহীতাকে বন্ধকী-সম্পত্তি আদালতের আশ্রয় গ্রহণ ছাড়াই বিক্রয় করার অধিকার দিয়েছে।
যেমন:

ক. যেক্ষেত্রে বন্ধকটি হলো ইংলিশ বন্ধক এবং কোন পক্ষই হিন্দু, মোহাম্মাদান বা বৌদ্ধ বা সরকারী গেজেটে প্রকাশিত কোন বংশ, বা শ্রেণীর না;
খ. যেক্ষেত্রে বন্ধকগ্রহীতা এবং বন্ধকী দলিল সরকারকে বিক্রয়ে ব্যক্তভাবে ক্ষমতা দিয়েছে;
গ. যেক্ষেত্রে বন্ধকী দলিল বিক্রয়ের ব্যক্ত ক্ষমতা দিয়েছে এবং বন্ধকটি ঢাকা বা সরকারি গেজেটে প্রকাশিত কোন শহরে সম্পাদন করা হয়েছে।
১,২৩০.
মরজ-উল-মউত এর সময় উত্তরাধিকারী নয় এমন ব্যক্তির বরাবর প্রদত্ত দান উত্তরাধিকারীগণের সম্মতি ব্যতীত-
  1. সম্পূর্ণ বাতিল
  2. এক তৃতীয়াংশ কার্যকর
  3. সম্পূর্ণ কার্যকর
  4. এক চতুর্থাংশ কার্যকর
সঠিক উত্তর:
এক তৃতীয়াংশ কার্যকর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক তৃতীয়াংশ কার্যকর
ব্যাখ্যা
মরজ-উল-মউত বা মৃত্যুশয্যায় দান:
- মরজ শব্দের অর্থ- রোগ, মউত শব্দের অর্থ- মৃত্যু। মরজ-উল-মউত'র অর্থ মৃত্যুরোগ (Death Sickness) বা যে রোগে মৃত্যুর সম্ভাবনা আছে।
- অসুস্থ অবস্থায় মৃত্যু আশঙ্কায় থেকে তথা মৃত্যু শয্যায় থেকে দান করাকে মরজ-উল-মউত বলে। এরূপ দানের পর দাতার মৃত্যু হলে তা উইলের ন্যায় কার্যকর হবে অর্থাৎ তখন উইলের সীমাবদ্ধতা, বিধান ইত্যাদি প্রযোজ্য হবে। 
অর্থাৎ যখন কোনো ব্যক্তি এমন অসুস্থতায়/রোগে ভোগে, যার ফলে মৃত্যুর সম্ভাবনা আছে বলে মনে হয়, এমতাবস্থায় কোনো দান (Gift/Hiba) করলে, দানটিকে মৃত্যুশয্যায় দান (Marz-ul-Maut) বলে।

- এমন দান উইল (Wasiyyat) বলে গণ্য হবে এবং উইলের বিধান প্রযোজ্য হবে। অর্থাৎ, এমন দানের ক্ষেত্রে উইলের ২টি শর্ত পূরণ করতে হয়-
১. সম্পত্তির ১/৩ এর বেশি দান (Gift/Hiba) করা যাবে না।
২. উত্তরাধিকারী বরাবর দান করা যাবে না।

⇒ কোনো ব্যক্তি মরজ-উল-মউতের সময় উত্তরাধিকারী নয় এমন ব্যক্তি বরাবর তার সম্পত্তির সর্বোচ্চ ১/৩ অংশ সম্পত্তি দান (Gift/Hiba) করতে পারেন।
১,২৩১.
'ক' মজুতদারি ও কালোবাজারি কারবারের জন্য দোষী সাব্যস্ত হন। এক্ষেত্রে বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ অনুযায়ী তার সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ ‘ক’ যদি মজুতদারি ও কালোবাজারি (hoarding বা black‑market dealing)–এর জন্য দোষী সাব্যস্ত হন, তাহলে তার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত হতে পারে।

বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ধারা ২৫: মজুতদারি ও কালোবাজারি কারবারের শাস্তি-
(১) যদি কোনো ব্যক্তি মজুতদারি ও কালোবাজারি কারবারের জন্য দোষী সাব্যস্ত হন, তাহা হইলে তিনি মৃত্যুদণ্ডে, বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, বা অনধিক চৌদ্দ বৎসরের সশ্রম কারাদন্ডে, বা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, মজুতদারি অপরাধের ক্ষেত্রে, এইরূপ অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি প্রমাণ করিতে পারেন যে, তিনি আর্থিক বা অন্যকোনো লাভ করিবার উদ্দেশ্য ব্যতীত মজুত করিয়াছিলেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক তিন মাসের কারাদণ্ডে, এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হইবেন।

(২) আদালত মজুতদারি বা কালোবাজারি কারবারের অপরাধে দণ্ড দানের সময় অপরাধের সহিত সম্পৃক্ত সবকিছু সরকারের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করিবার আদেশ প্রদান করিবে।

‘ক’ কর্তৃক সংঘটিত অপরাধ মজুতদারি বা কালোবাজারি-এই ধারার অন্তর্ভুক্ত—সেক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে 'মৃত্যুদণ্ড' প্রযোজ্য হয়।
১,২৩২.
বিশেষ ক্ষমতা আইনের অধীন আদালত কর্তৃক প্রদত্ত কোন দণ্ড কে বাতিল করার অধিকারী?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. সরকার
  4. ক বা গ
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
• ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ৩০ক ধারায় সরকার বিশেষ আদালত কর্তৃক প্রদত্ত কোন দণ্ড যেকোন সময় হ্রাস, বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারে।

Section 30A: Power of Government to remit, suspend or commute any sentence
Without prejudice to the provisions of Chapter XXIX of the Code, the Government may at any time remit, suspend or commute any sentence passed by Special Tribunal under this Act.
১,২৩৩.
কোন ক্ষেত্রে বিবাহিতা হিন্দু নারী স্বামী হতে পৃথক থেকেও, স্বামীর নিকট হতে ভরণ-পোষণের অধিকার পেতে পারে?
  1. স্বামী ধর্মান্তর হলে
  2. স্বামী পুনরায় বিবাহ করলে
  3. স্ত্রীর প্রতি নিষঠুর আচরণ করলে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• বিবাহিতা হিন্দু নারীর পৃথক বাসস্থান এবং ভরণপোষণ আইনটি ১৯৪৬ সালের। এই আইনে বিবাহিতা হিন্দু নারী বিচ্ছেদ ছাড়াও, স্বামী হতে পৃথক থাকতে পারে। উক্ত আইনে উল্লেখিত ক্ষেত্রসমূহে স্ত্রী স্বামী হতে পৃথক থেকেও স্বামীর নিকট হতে ভরণ-পোষণের অধিকার পেতে পারে। ক্ষেত্রগুলো হলো-

⇒ স্বামী যদি দুরারোগ্য কুষ্ঠ, সিফলিস ইত্যাদি সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত হয় এবং এই সমস্ত ব্যাধি যদি স্ত্রীর নিকট হতে সংক্রামিত না হয়;
if he (husband) is suffering from any loathsome disease not contracted from her;

⇒ স্বামী যদি স্ত্রীর প্রতি নিষঠুর আচরণ করে এবং নিষ্ঠুরতা যদি এই প্রকারের হয় যে স্বামীগৃহে তার জীবনাশংকা থাকে;
if he is gulity of such cruelty towards her as renders it unsafe or undesirable for her to live with him;

⇒ স্বামী যদি গৃহে কোন উপ-পত্নী রেখে তার সাথে বসবাস করতে থাকে;
if he keeps a concubine in the house or habitually resides with a concubine;

⇒ স্বামী যদি ধর্মান্তর হয়;
if he ceases to be a Hindu by conversion to another religion;

⇒ স্বামী যদি স্ত্রীর অনুমতি ব্যতিরেকে তাকে পরিত্যাগ করে;
if he is guilty of desertion, that is to say, of abandoning her without her consent or against her wish;

⇒ স্বামী যদি পুনরায় বিবাহ করে;
if he marries again; এবং

⇒ অন্য কোন যুক্তিসঙ্গত কারণে।
for any other justifiable cause
১,২৩৪.
জাতীয় সংসদের স্পীকার কার সাথে পরামর্শক্রমে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের কর্মচারীদের নিয়োগ কর্মের শর্তসমূহ নির্ধারণ করবেন?
  1. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
  2. সরকারী কর্ম কমিশন
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. রাষ্ট্রপতি
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৯ অনুচ্ছেদের বিধান সংসদ-সচিবালয়:
(১) সংসদের নিজস্ব সচিবালয় থাকিবে। 
(২) সংসদের সচিবালয়ে কর্মচারীদের নিয়োগ ও কর্মের শর্তসমূহ সংসদ আইনের দ্বারা নির্ধারণ করিতে পারিবেন। 
(৩) সংসদ কর্তৃক বিধান প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত স্পীকারের সহিত পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি সংসদের সচিবালয়ে কর্মচারীদের নিয়োগ ও কর্মের শর্তসমূহ নির্ধারণ করিয়া বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবেন এবং অনুরূপভাবে প্রণীত বিধিসমূহ যে কোন আইনের বিধান-সাপেক্ষে কার্যকর হইবে।
১,২৩৫.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৯ ধারার বিধান কী?
  1. Operation of transfer
  2. Oral transfer
  3. Rule against perpetuity
  4. Condition restraining alienation
সঠিক উত্তর:
Oral transfer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Oral transfer
ব্যাখ্যা
⇒  সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৯ ধারার বিধান: মৌখিক হস্তান্তর:
যে সকল ক্ষেত্রে লিখিত হওয়ার আবশ্যকতা আইন দ্বারা প্রত্যক্ষ ভাবে উল্লেখ করা হয় নাই, সে সকল ক্ষেত্রে লিখিত দলিল ছাড়াই সম্পত্তি হস্তান্তর করা যেতে পারে।

- Section 9: Oral transfer:
A transfer of property may be made without writing in every case in which a writing is not expressly required by law.

মৌখিক হস্তান্তর (Oral transfer) :
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৯ ধারায় বলা হয়েছে, যেসকল ক্ষেত্রে লিখিত দলিলের আবশ্যকতা আইনে সুস্পষ্ট ভাবে উল্লেখ করা হয় নাই, সেসকল ক্ষেত্রে লিখিত দলিল ছাড়াই সম্পত্তি হস্তান্তর করা যেতে পারে। রেজিস্ট্রেশন আইন সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের পরিপূরক। সুতরাং যে সকল হস্তান্তরে রেজিস্ট্রেশনের বিধান রয়েছে, তা মৌখিক ভাবে হস্তান্তর করা যায় না। এক্ষেত্রে বলা যায়, যে সকল সম্পত্তির হস্তান্তর লিখিত দলিলের মাধ্যমে হওয়ার প্রয়োজন নেই এবং যে সকল হস্তান্তরের জন্য রেজিস্ট্রেশনের প্রয়োজন নেই সে সকল হস্তান্তর মৌখিক ভাবে করা যায়।
১,২৩৬.
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে কয় প্রকার অনুমোদিত বিবাহের প্রচলন আছে?
  1. ২ প্রকার
  2. ৪ প্রকার
  3. ৩ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৪ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ প্রকার
ব্যাখ্যা
• দায়ভাগ ও মিতাক্ষরা অনুসারে হিন্দুদের মধ্যে আট প্রকার বিবাহ প্রচলিত ছিল, যার প্রথম চারটি সামাজিকভাবে অনুমোদিত এবং অবশিষ্ট চারটি অননুমোদিত।
আট প্রকার বিবাহ হলো:

অনুমোদিত ৪ প্রকার:

ব্রাহ্ম: সর্বোত্তম পদ্ধতি, যাতে অলঙ্কারে সজ্জিতা কন্যাকে শিক্ষিত ও চরিত্রবান বরের হাতে তুলে দেয়া হতো; এক্ষেত্রে বরের নিকট থেকে কোন পণ নেয়া হতো না;
দৈব: এ ধরনের বিবাহে যজ্ঞ সম্পাদনকারী পুরোহিতের নিকট কন্যা সম্প্রদান করা হতো;
আর্য: এ বিবাহে কনের পিতা বরের নিকট থেকে এক বা দুই জোড়া গাভী গ্রহণ করতেন;
প্রজাপত্য: এ বিবাহে কনের পিতা বরের নিকট থেকে কোন পণ গ্রহণ ছাড়াই কন্যা দান করতেন এবং তাদের আশীর্বাদ করতেন যাতে তারা পারস্পরিক বিশ্বাস ও সুখের সঙ্গে দাম্পত্য জীবন যাপন করতে পারে।
 
অননুমোদিত ৪ প্রকার:

অসুর: এ বিবাহে বর পিতা অথবা অভিভাবকের নিকট থেকে মূল্য দিয়ে কনেকে ক্রয় করত;
রাক্ষস: এ বিবাহে কন্যার আত্মীয়দের প্রহার করে রোরুদ্যমান কন্যাকে তুলে নেয়া হতো;
গন্ধর্ব: বর ও কনের পরস্পরের পরিচয় ও সম্মতিতে এ বিবাহ অনুষ্ঠিত হতো;
পৈশাচ: নিকৃষ্টতম বিবাহ; এতে কন্যার প্রেমিক (কন্যার সম্মতি ব্যতিরেকে) নিদ্রিত অবস্থায় অথবা মদোম্মত্ত বা উম্মত্ত কন্যার সঙ্গে সঙ্গত হতো।
১,২৩৭.
Doctrine of Pulpit (Al-Mimbariya) কোন খলিফার ঘটনার সাথে সম্পর্কিত?
  1. হযরত আবু বকর সিদ্দিক (রা.)
  2. হযরত ওমর (রা.)
  3. হযরত উসমান (রা.)
  4. হযরত আলী (রা.)
সঠিক উত্তর:
হযরত আলী (রা.)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হযরত আলী (রা.)
ব্যাখ্যা
আল-মিম্বারিয়াহ বা মিম্বর মামলা: Doctrine of Pulpit (Al-Mimbariya):
- এ নীতি মসজিদের 'মিম্বার' থেকে ঘোষণা করা হয়েছিল বলে Doctrine of Pulpit বা Al-Mimbariya নামে খ্যাত/প্রসিদ্ধ।

এ গুরুত্বপূর্ণ নীতি/নিয়মটি একাধিক নামে পরিচিত;
i) Doctrine of Awl.
ii) Doctrine of increase.
iii) Al-Mimbariya Case.

- ইসলামের চতুর্থ খলীফা হজরত আলী (রা.)-এর বিচারিক সিদ্ধান্তের ফল হচ্ছে 'আউল' নীতি।
- প্রসিদ্ধ ইসলামি আইনবিদ আব্দুর রহমান দই-এর মতে, এ নীতির প্রবক্তা নিয়ে মতভেদ রয়েছে।
১,২৩৮.
সংবিধানের ১৩ অনুচ্ছেদ অনুসারে, উৎপাদনযন্ত্র, উৎপাদনব্যবস্থা ও বণ্টণপ্রণালীসমূত্রের মালিক বা নিয়ন্ত্রক হবে -
  1. রাষ্ট্র
  2. জনগণ
  3. প্রজাতন্ত্র
  4. সরকার
সঠিক উত্তর:
জনগণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনগণ
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ১৩ অনুচ্ছেদ অনুসারে, উৎপাদনযন্ত্র, উৎপাদনব্যবস্থা ও বণ্টণপ্রণালীসমূত্রের মালিক বা নিয়ন্ত্রক হবে জনগণ। ১৩ অনুচ্ছেদে মালিকানার নীতি (principles of ownership) আলোচনা করা হয়েছে। এই অনুচ্ছেদে ৩ শ্রেণীর মালিকানার সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে, যথাঃ

⇒ রাষ্ট্রীয় মালিকানা (State ownership);
⇒ সমবায়ী মালিকানা (Co-operative ownership);
⇒ বাক্তিগত মালিকানা (private ownership)।
 
অনুচ্ছেদ: ১৩- মালিকানার নীতি:
 
উৎপাদনযন্ত্র, উৎপাদনব্যবস্থা ও বন্টনপ্রণালীসমূহের মালিক বা নিয়ন্ত্রক হইবেন জনগণ এবং এই উদ্দেশ্যে মালিকানা-ব্যবস্থা নিম্নরূপ হইবে:
ক) রাষ্ট্রীয় মালিকানা, অর্থাৎ অর্থনৈতিক জীবনের প্রধান প্রধান ক্ষেত্র নিয়ে সুষ্ঠু ও গতিশীল রাষ্ট্রায়ত্ত সরকারী খাত সৃষ্টির মাধ্যমে জনগণের পক্ষে রাষ্ট্রের মালিকানা।
খ) সমবায়ী মালিকানা, অর্থাৎ আইনের দ্বারা নির্ধারিত সীমার মধ্যে সমবায়সমূহের সদস্যদের পক্ষে সমবায়সমূহের মালিকানা; এবং
গ) ব্যক্তিগত মালিকানা, অর্থাৎ আইনের দ্বারা নির্ধারিত সীমার মধ্যে ব্যক্তির মালিকানা।
১,২৩৯.
পারিবারিক আদালত রায় ঘোষণা করার পর পক্ষগণকে কত দিনের মধ্যে নোটিশ প্রদান করতে হবে?
  1. ৫ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ১০ দিন
  4. ১৫ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ১৪(২) অনুযায়ী, আদালত রায় ঘোষণার পর অনধিক ৭ (সাত) দিনের মধ্যে পক্ষগণ বা তাদের আইনজীবীদেরকে নোটিশ প্রদান করতে হবে।
– পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩, ধারা ১৪(২) রায় ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে অথবা অনধিক ৭ (সাত) দিনের মধ্যে রায় সম্পর্কে পক্ষগণ বা তাহাদের প্রতিনিধি বা আইনজীবীগণকে যথাযথ নোটিশ প্রদান করিতে হইবে ও ডিক্রি প্রদত্ত হইবে।

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ১৪ বিচারের সমাপ্তি:
(১) পারিবারিক আদালত, সকল পক্ষের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হইবার পর, উভয় পক্ষের মধ্যে আপোষ বা মীমাংসা প্রতিষ্ঠার জন্য পুনরায় প্রচেষ্টা চালাইবে।
(২) উপধারা (১) এর অধীন আপোষ বা মীমাংসা প্রতিষ্ঠা সম্ভব না হইলে, আদালত রায় ঘোষণা করিবে এবং উক্ত রায় ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে অথবা অনধিক ৭ (সাত) দিনের মধ্যে রায় সম্পর্কে পক্ষগণ বা তাহাদের প্রতিনিধি বা আইনজীবীগণকে যথাযথ নোটিশ প্রদান করিতে হইবে ও ডিক্রি প্রদত্ত হইবে।

১,২৪০.
According to Section 124 of The Transfer of Property Act, 1882, if a gift includes both existing and future property, the gift is:
  1. Entirely valid
  2. Entirely void
  3. Valid only for the existing property
  4. Valid only for the future property
সঠিক উত্তর:
Valid only for the existing property
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Valid only for the existing property
ব্যাখ্যা
Section 124:  Gift of existing and future property:
A gift comprising both existing and future property is void as to the latter.

• ধারা ১২৪- বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সম্পত্তি একত্রে দান:
বর্তমান ও ভবিষ্যৎ উভয় সম্পত্তি একত্রে দান করা হলে, শেষােক্ত সম্পত্তির দান বাতিল বলে গণ্য হবে।

ধারা ১২৪ অনুযায়ী,
যদি কোনো ব্যক্তি বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ সম্পত্তি একত্রে দান করেন, তবে সেই দানের যে অংশটি ভবিষ্যৎ সম্পত্তি বা ভবিষ্যতে অর্জিত হতে পারে, তা বাতিল বলে গণ্য হবে। এর অর্থ হলো, দাতার মালিকানাধীন বর্তমানে বিদ্যমান সম্পত্তি দান করা বৈধ হলেও ভবিষ্যৎ সম্পত্তি, যা দাতার দানকালে তার মালিকানায় নেই এবং ভবিষ্যতে অর্জিত হতে পারে এমন সম্পত্তি, দানের আওতায় আসবে না এবং সেই অংশটি আইনের বাতিল বলে বিবেচিত হবে।
১,২৪১.
দাতার ইচ্ছাধীন সময়কালে পুনঃপ্রবর্তনযোগ্য কোনো কিছু গ্রহণ ও তার আয় ভোগ করার অস্থায়ী অনুমতিকে _____ বলে।
  1. আরিয়ত
  2. সাদাকা
  3. শর্তযুক্ত হেবা
  4. শর্তযুক্ত ওয়াকফ
সঠিক উত্তর:
আরিয়ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরিয়ত
ব্যাখ্যা
- আরিয়ত (Areeat): এর অর্থ সম্পত্তির মালিকানা হস্তান্তর বুঝায় না বরং আরিয়ত হলো এমন ধরনের দান যেক্ষেত্রে দাতার ইচ্ছাধীন সময়কাল পর্যন্ত সম্পত্তির আয় এবং লভ্যাংশ ভোগ করার অস্থায়ী অনুমতি দেওয়া হয়। আরিয়ত চাইলে রদ করা যায়।
অর্থাৎ আরিয়ত (Areeat) শব্দটির সাথে সম্পর্কযুক্ত হচ্ছে দান।

- দাতার ইচ্ছাধীন সময়কালে পুনঃপ্রবর্তনযোগ্য কোনো কিছু গ্রহণ ও তার আয় ভোগ করার অস্থায়ী অনুমতিকে আরিয়ত (Areeat) বলে।
১,২৪২.
The Contract Act, 1872 এর বিধান মতে কোন শর্তটি জিম্মা (bailment) এর আবশ্যকীয় উপাদান নয়?
  1. চুক্তি থাকতে হবে
  2. বিষয়বস্তু অর্পণ বা হস্তান্তর করতে হবে
  3. স্থাবর সম্পত্তি হতে হবে
  4. বিশেষ উদ্দেশ্যে জিম্মা
সঠিক উত্তর:
স্থাবর সম্পত্তি হতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থাবর সম্পত্তি হতে হবে
ব্যাখ্যা
• চুক্তি আইনের ১৪৮ ধারার বিধান "জিম্মা", "জিম্মাদাতা" এবং "জিম্মাদার" এদের সংজ্ঞা (Bailment, bailor, and bailee defined):

- জিম্মা- চুক্তির ভিত্তিতে কোন ব্যক্তি কর্তৃক অপর কোন ব্যক্তিকে কোনো উদ্দেশ্যে কোন মালপত্র এরূপভাবে প্রদান করা হয় যে, যখন উদ্দেশ্য সাধিত হয় তখন মাল প্রদানকারীর নির্দেশ অনুসারে তা ফেরত দিতে বা অন্যভাবে এর বিলি ব্যবস্থা করতে হবে।

- জিম্মাদাতা- মালামাল প্রদানকারী ব্যক্তিকে জিম্মাদাতা বলা হয়।

- জিম্মাদার- যে ব্যক্তির নিকট এগুলি প্রদান করা হয় তাকে জিম্মাদার বলা হয়।

- জিম্মা এমন একধরনের চুক্তি যেখানে ২টি পক্ষ থাকে। যেমন: জিম্মাদাতা ও জিম্মাদার।
- এই ধরনের চুক্তি দ্বারা অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তর করা যায়।

অর্থাৎ উল্লিখিত প্রশ্নে Contract of Bailment এ জামানত হিসেবে স্থাবর সম্পত্তি হতে হবে শর্তটি জিম্মা (bailment) এর আবশ্যকীয় উপাদান নয়।
-----------
Section 148. "Bailment", "bailor", and "bailee" defined:
 A "bailment" is the delivery of goods by one person to another for some purpose, upon a contract that they shall, when the purpose is accomplished, be returned or otherwise disposed of according to the directions of the person delivering them.
The person delivering the goods is called the "bailor".
The person to whom they are delivered is called the "bailee". 
 
Explanation – If a person already in possession of the goods of another contracts to hold them as a bailee, he thereby becomes the bailee, and the owner becomes the bailor, of such goods although they may not have been delivered by way of bailment.
১,২৪৩.
'মুশাহ' হলো কোনো সম্পত্তির ________ অংশ।
  1. বিভক্ত
  2. অবিভাজ্য
  3. অর্ধেক
  4. গুরত্বপূর্ণ
সঠিক উত্তর:
অবিভাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবিভাজ্য
ব্যাখ্যা
'মুশাহ' বা 'Musha' হলো কোনো সম্পত্তির অবিভাজ্য বা অবিভক্ত অংশ। হানাফি আইন অনুসারে অবিভক্ত যৌথ সম্পত্তি যা বিভক্ত করা যায় এমন সম্পত্তি দান করলে দানটি বৈধ হবে না। কিন্তু পরবর্তীতে এটি বিভক্ত করা হলে দানটি বৈধ হয়ে যাবে।

কিন্তু চারটি বিশেষ ক্ষেত্র আছে যেসব ক্ষেত্রে দানের বিষয়বস্তু বিভক্ত করা না হলেও দানটি বৈধ হবে।

⇒ যদি সম্পত্তিটি অবিভাজ্য হয় অথবা যদি সম্পত্তিটি এমন হয় যে, অবিভক্ত অবস্থায় সম্পত্তিটি ব্যবহারের জন্য বেশি উপযোগী;
⇒ যদি দুই বা ততোধিক অংশীদারদের যেকোনো একজন তার অংশটি অপর কোনো অংশীদারকে দান করে;
⇒ কোনো অবিভক্ত ভূমির ভাড়ার কোনো নির্দিষ্ট অংশ আলাদাভাবে গ্রহণ এবং উত্তোলন করার অধিকার থাকলে সেটিকে অবিভক্ত জমি ধরা হবে না এবং এটি দান করলে দানটি অবৈধ হবে না;
⇒ দানকারী যদি কোনো হোল্ডিংয়ে দান গ্রহীতাকে যৌথ মালকানার স্বীকৃতি দেয় এবং সেরকম দখলের 'স্বীকৃতি দিলে সেটি বৈধ দান হবে।
১,২৪৪.
যাজ্ঞবল্ক কর্তৃক সংকলিত 'যাজ্ঞবন্ধ্য সংহিতা' গ্রন্থ হিন্দু আইনের কোন উৎসের অন্তর্গত?
  1. প্রথা
  2. স্মৃতি
  3. শ্রুতি
  4. নিবন্ধ
সঠিক উত্তর:
স্মৃতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্মৃতি
ব্যাখ্যা
স্মৃতি:
- স্মৃতি অর্থ যা স্মরণে রাখা হয়েছিল, প্রাচীনকালে মানুষের পালনীয় ঐশ্বরিক নির্দেশাবলি যা আর্য ঋষিগণ গুরুশিষ্য-পরম্পরায় স্মরণে রেখেছিলেন এবং পরবর্তীকালে যা মুনিগণ পুস্তক আকারে সংকলন করেছিলেন, তা-ই সংহিতা বা স্মৃতিশাস্ত্র নামে পরিচিত।
- স্মৃতি সম্বন্ধীয় প্রধানত তিনটি গ্রন্থ হচ্ছে- 
ক. মনু কর্তৃক সংকলিত মনু সংহিতা;
খ. যাজ্ঞবল্ক কর্তৃক সংকলিত যাজ্ঞবন্ধ্য সংহিতা;
গ. নারদ কর্তৃক সংকলিত নারদ সংহিতা।

অর্থাৎ স্মৃতি বলতে বোঝায় প্রাচীনকালে আর্য ঋষিদের স্মরণে রাখা এবং পরবর্তীতে মুনিদের দ্বারা সংকলিত ঐশ্বরিক নির্দেশাবলি। এ ধরনের নির্দেশাবলি সংহিতা বা স্মৃতিশাস্ত্র নামে পরিচিত। স্মৃতিশাস্ত্রের প্রধান তিনটি গ্রন্থ হলো:
১. মনু সংহিতা (মনু কর্তৃক সংকলিত),
২. যাজ্ঞবল্ক্য সংহিতা (যাজ্ঞবল্ক কর্তৃক সংকলিত),
৩. নারদ সংহিতা (নারদ কর্তৃক সংকলিত)।
১,২৪৫.
সংবিধানের কত অনুচ্ছেদ অনুযায়ী দ্রুত বিচার ট্রাইবুন্যাল অধ্যাদেশ-২০০২ করা হয়েছে?
  1. ৯৩ (২ক) অনুচ্ছেদ
  2. ৯৩ (১) অনুচ্ছেদ
  3. ৬৫ (১) অনুচ্ছেদ
  4. ৬৫ (২) অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
৯৩ (১) অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৩ (১) অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
⇒ অনুচ্ছেদ: ৯৩ অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা: বিশেষ ক্ষমতায় আইন প্রণয়নের রূপ বা রীতি হলো অধ্যাদেশ। রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারে। সংসদ ভেঙ্গে যাওয়া অবস্থায় অথবা উহার অধিবেশনকাল ব্যতীত সময়ে রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারে। রাষ্ট্রপতির নিকট আশু ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রয়েছে বলে সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হলে তিনি উক্ত পরিস্থিতিতে যেরূপ প্রয়োজনীয় বলে মনে করবে, সেইরুপ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করতে পারবে।
⇒ অর্থাৎ বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী দ্রুত বিচার ট্রাইবুন্যাল অধ্যাদেশ-২০০২ করা হয়েছে।

⇒ অনুচ্ছেদ ৯৩: অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা:

 (১) সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় অথবা উহার অধিবেশনকাল ব্যতীত] কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট আশু ব্যবস্থাগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে বলিয়া সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে তিনি উক্ত পরিস্থিতিতে যেরূপ প্রয়োজনীয় বলিয়া মনে করিবেন, সেইরূপ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করিতে পারিবেন এবং জারী হইবার সময় হইতে অনুরূপভাবে প্রণীত অধ্যাদেশ সংসদের আইনের ন্যায় ক্ষমতাসম্পন্ন হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার অধীন কোন অধ্যাদেশে এমন কোন বিধান করা হইবে না,

(ক) যাহা এই সংবিধানের অধীন সংসদের আইন-দ্বারা আইনসঙ্গতভাবে করা যায় না;
(খ) যাহাতে এই সংবিধানের কোন বিধান পরিবর্তিত বা রহিত হইয়া যায়; অথবা
(গ) যাহার দ্বারা পূর্বে প্রণীত কোন অধ্যাদেশের যে কোন বিধানকে অব্যাহতভাবে বলবৎ করা যায়।

(২) এই অনুচ্ছেদের (১) দফার অধীন প্রণীত কোন অধ্যাদেশ জারী হইবার পর অনুষ্ঠিত সংসদের প্রথম বৈঠকে তাহা উপস্থাপিত হইবে এবং ইতঃপূর্বে বাতিল না হইয়া থাকিলে অধ্যাদেশটি অনুরূপভাবে উপস্থাপনের পর ত্রিশ দিন অতিবাহিত হইলে কিংবা অনুরূপ মেয়াদ উত্তীর্ণ হইবার পূর্বে তাহা অননুমোদন করিয়া সংসদে প্রস্তাব গৃহীত হইলে অধ্যাদেশটির কার্যকরতা লোপ পাইবে।

(৩) সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থার কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট ব্যবস্থা-গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে বলিয়া সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে তিনি এমন অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করিতে পারিবেন, যাহাতে সংবিধান-দ্বারা সংযুক্ত তহবিলের উপর কোন ব্যয় দায়যুক্ত হউক বা না হউক, উক্ত তহবিল হইতে সেইরূপ ব্যয়নির্বাহের কর্তৃত্ব প্রদান করা যাইবে এবং অনুরূপভাবে প্রণীত কোন অধ্যাদেশ জারী হইবার সময় হইতে তাহা সংসদের আইনের ন্যায় ক্ষমতাসম্পন্ন হইবে।

(৪) এই অনুচ্ছেদের (৩) দফার অধীন জারীকৃত প্রত্যেক অধ্যাদেশ যথাশীঘ্র সংসদে উপস্থাপিত হইবে এবং সংসদ পুনর্গঠিত হইবার তারিখ হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে এই সংবিধানের ৮৭, ৮৯ ও ৯০ অনুচ্ছেদসমূহের বিধানাবলী প্রয়োজনীয় উপযোগীকরণসহ পালিত হইবে।
১,২৪৬.
The Registration Act, 1908 এর ২৬ ধারার বিধান অনুযায়ী বাংলাদেশের বাইরে সম্পাদিত দলিল কত সময়ের মধ্যে রেজিস্ট্রির জন্য দাখিল করতে হবে?
  1. দলিল সম্পাদনের ৩ মাসের মধ্যে
  2. দলিল সম্পাদনের ৬ মাসের মধ্যে
  3. দলিলটি বাংলাদেশে পৌঁছাবার পরবর্তী ৪ মাসের মধ্যে
  4. দলিলটি বাংলাদেশে পৌঁছাবার পরবর্তী ৬ মাসের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
দলিলটি বাংলাদেশে পৌঁছাবার পরবর্তী ৪ মাসের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিলটি বাংলাদেশে পৌঁছাবার পরবর্তী ৪ মাসের মধ্যে
ব্যাখ্যা
⇒ রেজিস্ট্রেশন আইনের ২৬ ধারার বিধান বাংলাদেশের বাহিরে সম্পাদিত দলিলপত্র:- বাংলাদেশের বাহিরে সকল বা যে কোন পক্ষ কর্তৃক সম্পাদিত বলিয়া দাবিকৃত কোন দলিল দাখিলকরনের জন্য ইতঃপূর্বে নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পরও যেক্ষেত্রে নিবন্ধনের জন্য দাখিল করা না হয়, সেইক্ষেত্রে নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে.-
(ক) দলিলটি উক্তরূপে সম্পাদিত, এবং
(খ) ইহা বাংলাদেশে পৌছিবার পর চার মাস সময়ের মধ্যে নিবন্ধনের জন্য দাখিল করা হইয়াছে।
তাহা হইলে তিনি, উপযুক্ত ফি পরিশোধ সাপেক্ষে, উক্ত দলিল নিবন্ধনের জন্য গ্রহণ করিতে পারিবেন।
---------------
⇒ The Registration Act, 1908 Section 26. Documents executed out of Bangladesh:
-When a document purporting to have been executed by all or any of the parties out of Bangladesh is not presented for registration will after the expiration of the time hereinbefore prescribed in that behalf, the registering officer, if satisfied- 
(a) that the instrument was so executed, and 
(b) that it has been presented for registration within four months after its arrival in Bangladesh, 
may, on payment of the proper registration fee, accept such document for registration.
১,২৪৭.
"The Muslim Family Laws Ordinance, 1961" অনুসারে, যদি "P" এর পুত্র "A" উত্তরাধিকার খোলার বা আরম্ভের আগে মারা যান, তাহলে "A"-এর সন্তান "X" এবং "Y" কী পাবে?
  1. "A" এর অংশের সমান
  2. "A" এর অংশের অর্ধেক
  3. "A" এর অংশের দ্বিগুণ
  4. কিছুই পাবে না
সঠিক উত্তর:
"A" এর অংশের সমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
"A" এর অংশের সমান
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ক) "A" এর অংশের সমান।

→ The Muslim Family Laws Ordinance, 1961-এর ধারা ৪ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি তার উত্তরাধিকারী হওয়ার আগেই মারা যান, তাহলে তার সন্তানরা তার অংশের উত্তরাধিকারী হবে।
এটি প্রতিস্থাপনমূলক উত্তরাধিকার (Doctrine of Representation) নামে পরিচিত, যার ফলে সন্তানরা তাদের পিতার উত্তরাধিকারী হওয়ার পূর্ণ অধিকার পায়।

ধাপে ধাপে বিশ্লেষণ:
- "P" হলেন মূল ব্যক্তি, যার মৃত্যুর পর তার সম্পত্তি উত্তরাধিকারীদের মধ্যে বণ্টিত হবে।
- "A" হলেন "P" এর পুত্র, অর্থাৎ তিনি সাধারণত "P" এর উত্তরাধিকারী হতেন।
- কিন্তু "A" উত্তরাধিকার খোলার (P-এর মৃত্যুর) আগে মারা গেছেন।
- ধারা ৪ অনুযায়ী, "A"-এর সন্তানরা ("X" ও "Y") মিলে "A"-এর অংশ পাবে।
- অর্থাৎ, "X" ও "Y" সমান ভাগে তাদের পিতার (A) অংশ পাবে।

সঠিক উত্তর: ক) "A" এর অংশের সমান।
- কারণ, "X" এবং "Y" একসাথে "A" এর অংশের সমান পাবে, যা প্রতি শাখা অনুসারে (Per Stirpes) বণ্টনের নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত হয়।
১,২৪৮.
The General Clauses Act,1897 এর ধারা ১৬ অনুযায়ী, নিয়োগের ক্ষমতা কীসের সাথে সম্পর্কিত?
  1. নীতি নির্ধারণের ক্ষমতা
  2. বরখাস্তের ক্ষমতা
  3. পদবী পরিবর্তনের ক্ষমতা
  4. বেতন নির্ধারণের ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
বরখাস্তের ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরখাস্তের ক্ষমতা
ব্যাখ্যা

• The General Clauses Act,1897: ধারা ১৬: নিয়োগের ক্ষমতা সাময়িক বরখাস্ত বা বরখাস্তের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে-আইনসভা কর্তৃক প্রণীত আইন বা প্রবিধান দ্বারা যদি কোন কর্তৃপক্ষকে নিয়োগের ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে, ভিন্নরূপ কোন উদ্দেশ্য প্রতীয়মান না হলে, অনুরূপ কর্তৃপক্ষের উল্লেখিত ক্ষমতা প্রয়োগের আওতায় নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত বা বরখাস্ত করার ক্ষমতা থাকবে।

Section 16- Power to appoint to include power to suspend or dismiss:
Where, by any Act of Parliament or Regulation, a power to make any appointment is conferred, then unless a different intention appears, the authority having for the time being power to make the appointment shall also have power to suspend or dismiss any person appointed whether by itself of any other authority in exercise of that power.

১,২৪৯.
রায়াতকে তার অধিকার বা জমির অংশ থেকে উচ্ছেদ করার জন্য কোন ধরনের আদেশ প্রয়োজন?
  1. সরকারের আদেশ
  2. সিভিল কোর্টের আদেশ
  3. ভূমি অফিসের আদেশ
  4. রেজিস্ট্রেশন অফিসের আদেশ
সঠিক উত্তর:
সিভিল কোর্টের আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিভিল কোর্টের আদেশ
ব্যাখ্যা
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950- ধারা ৮৫ - রায়াতের উচ্ছেদের ভিত্তি:
"একটি রায়াতকে তার অধিকার বা অধিকারভুক্ত কোন অংশ থেকে উচ্ছেদ করা যাবে না, সিভিল কোর্টের একটি উচ্ছেদ আদেশ ছাড়া, যা সম্পূর্ণ অধিকার বা যে কোন অংশের জন্য, যেটি সংশ্লিষ্ট আইন অনুসারে রায়াতের বিরুদ্ধে কোনো অপরাধ বা আইন লঙ্ঘনের কারণে দেওয়া হয়েছে।"

অর্থাৎ, একটি রায়াতকে তার জমি বা জমির অংশ থেকে উচ্ছেদ করতে হলে, সেটি কেবল সিভিল কোর্টের আদেশের মাধ্যমে হতে পারে, যেখানে রায়াত কোনো আইনি লঙ্ঘন করেছে বা এই আইনের কোনো শর্ত ভঙ্গ করেছে।
১,২৫০.
অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর কত ধারায় জারীর পর্যায়ে মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান আছে?
  1. ৩৮ ধারায়
  2. ৪৪ ধারায়
  3. ৩৯ ধারায়
  4. ৪১ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
• অর্থ ঋণ আদালত,২০০৩ আইনে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে অর্থ ঋণ সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির ২টি পদ্ধতি আলোচনা করা হয়েছে। যথা
১. মধ্যস্থতার মাধ্যমে
২. আপোষ নিষ্পত্তির মাধ্যমে

• ধারা ২২ থেকে ২৫ এবং ৩৮, এবং ৪৪ক ধারায় মধ্যস্থতা সম্পর্কিত বিধান করা হয়েছে। অন্যদিকে আপোষ নিষ্পত্তির বিষয়টি ৪৫ ধারায় উল্লেখ আছে।
অর্থ ঋণ মামলার ক্ষেত্রে ২২ ধারা অনুসারে লিখিত জবাব দাখিলের পর মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করা যায়। এই পর্যায়ে মধ্যস্থতা ব্যর্থ হলে ২৩ ধারার অধীন রায় বা আদেশ প্রদানের পূর্বে পুনরায় বিকল্প পদ্ধতিতে মামলা নিষ্পত্তি করতে পারে।

আবার, ৩৮ ধারা অনুসারে জারীর পর্যায়ে মধ্যস্থতার মাধ্যমে জারী মামলার বিষয়বস্তু নিষ্পত্তি করা যায়। অন্যদিকে ৪৪ক ধারায় আপীল বা রিভিশনের পর্যায়ে মধ্যস্থতার মাধ্যমে আপীল বা রিভিশন মামলার বিষয়বস্তু নিষ্পত্তি করা যায়।
১,২৫১.
The State Acquisition and Tenancy Act,1950 এর কত ধারায় হোল্ডিং-এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ২(১২) ধারায়
  2. ২(১৩) ধারায়
  3. ২(১৪) ধারায়
  4. ২(১৫) ধারায়
সঠিক উত্তর:
২(১৩) ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২(১৩) ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ২(১৩) ধারায় হোল্ডিং-এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
- ধারা ২(১৩)- জোত [Holding]:
'হোল্ডিং বা জোত' অর্থ ভূমির একটি খণ্ড অথবা খণ্ডসমূহ বা তার একটি অবিভক্ত অংশ যা কোনো রায়ত বা অধীনস্থ রায়ত কর্তৃক অধিকৃত এবং যা কোনো পৃথক প্রজাস্বত্বের বিষয়বস্তু;
একটি খতিয়ানে একটি দাগ থাকতে পারে, আবার একাধিক দাগও থাকতে পারে। এ রকম একটি খতিয়ানের অন্তর্ভুক্ত ভূমিকে হোল্ডিং বা জোত-জমা বলা হয়।
-----------------------------
⇒The State Acquisition and Tenancy Act, 1950-Section-2(13) “holding” means a parcel or parcels of land or an undivided share thereof, held by a raiyat or an under-raiyat and forming the subject of a separate tenancy;
১,২৫২.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের দানের বিধান অনুযায়ী, বন্ধকী সম্পত্তিকে পুনরায় বন্ধক -
  1. দেয়া যাবে না
  2. বন্ধকগ্রহীতার মৌখিক অনুমতি সাপেক্ষে দেয়া যাবে
  3. বন্ধকগ্রহীতার লিখিত অনুমতি সাপেক্ষে দেয়া যাবে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
বন্ধকগ্রহীতার লিখিত অনুমতি সাপেক্ষে দেয়া যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বন্ধকগ্রহীতার লিখিত অনুমতি সাপেক্ষে দেয়া যাবে
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৩ঘ: বন্ধককৃত স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তর করা যাবে না

বন্ধকগ্রহীতার লিখিত অনুমতি ব্যতীত নিবন্ধনকৃত বন্ধকী সম্পত্তিকে পুনরায় বন্ধক করা যাবে না অথবা বিক্রয় করা যাবে না, এবং অন্যথায় যে কোন পুনঃবন্ধক বা বিক্রয় বাতিল হবে।

Section 53D: Immoveable Property under mortgage not to be transferred
No immoveable property under registered mortgage shall be re-mortgaged or sold without the written consent of the mortgagee, and any re-mortgage or sale made otherwise shall be void.
১,২৫৩.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন এর ৮১ ধারা অনুযায়ী কৃষি প্রজাগণকে কয় শ্রেণীতে বিভক্ত করা হয়েছে?
  1. এক শ্রেণীতে
  2. দুই শ্রেণীতে
  3. তিন শ্রেণীতে
  4. কোন শ্রেণীতে বিভক্ত করা হয়নি
সঠিক উত্তর:
এক শ্রেণীতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক শ্রেণীতে
ব্যাখ্যা
⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ৮১ ধারার বিধান: রায়তি কৃষকের শ্রেণিবিভাগ এবং তাহাদের অধিকার ও দায়িত্বসমূহ নিয়ন্ত্রণ:
(১) কোনো এলাকায় এই ভাগ সম্পূর্ণরূপে কার্যকর হইবার তারিখে অথবা তারিখ হইতে উক্ত এলাকায় কেবল মালিক নামে কৃষি জমির এক শ্রেণির অধিকারী থাকিবে এবং উক্ত ভূমি মালিকদের অধিকার ও দায়সমূহ এই ভাগের বিধান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, এই ধারা উক্তরূপ কোনো মালিককে তাহার জোতের খনিজ সম্পদের অধিকারসহ ভূনিম্নস্থ কোনো স্বার্থের উপর কোনো অধিকার প্রদান করিবে না:
আরও শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে সরকার নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কোনো ভূমি ইজারা প্রদান করে, সেইক্ষেত্রে উক্ত ইজারা-গ্রহীতার অধিকার ও দায়সমূহ ইজারায় বর্ণিত শর্তাবলি অনুযায়ী পরিচালিত হইবে।
--------
Section 81. Class of agricultural tenants and regulation of their rights and liabilities
(1) On and from the date of coming into force of the whole of this Part in any area, there shall, within that area, be only one class of holders of agricultural land, namely, maliks, and the rights and liabilities of every such land-holder shall be regulated by the provisions of this Part: 

Provided that nothing in this section shall confer on any such malik any right to any interests in the sub-soil including rights to minerals in his holding:

Provided further that when the Government lease out any land for any particular period, the rights and liabilities of such a lessee shall be governed by such terms and conditions as may be set forth in the lease.
১,২৫৪.
'নিকাহ রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব পালন সরকারী চাকরি নয়' বিধানটি মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) বিধিমালা, ২০০৯ এর কোন বিধিতে বলা আছে?
  1. ১৭
  2. ১৮
  3. ১৯
  4. ২০
সঠিক উত্তর:
১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯
ব্যাখ্যা
⇒ Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 (Act No. LII of 1974) এর Section 14 এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার ২০০৯ সালে 'মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) বিধিমালা, ২০০৯ নামে' বিধিমালা প্রণয়ন করেন।

- মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) বিধিমালা, ২০০৯ এর ১৯ বিধিতে 'নিকাহ রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব পালন সরকারী চাকরি নহে।' এই শিরোনামে বলা হয়েছে যে 'নিকাহ রেজিস্ট্রারের লাইসেন্স প্রাপ্তি বা নিকাহ রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব পালন সরকারী চাকরি হিসাবে গণ্য হইবে না।

অর্থাৎ 'নিকাহ রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব পালন সরকারী চাকরি নয়' বিধানটি মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) বিধিমালা, ২০০৯ এর ১৯ বিধিতে বলা আছে।
১,২৫৫.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ১৯(৩) অনুসারে, মামলা দায়েরের বা ট্রাইব্যুনাল হইতে তদন্তের নির্দেশ প্রাপ্তির অনধিক _______ কার্যদিবসের মধ্যে এই ধারার অধীন তদন্ত সম্পন্ন করতে হবে।
  1. ৩০
  2. ৬০
  3. ৯০
  4. ১৮০
সঠিক উত্তর:
৯০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২, ধারা ১৯: তদন্ত-
(১) পুলিশের নিকট এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটনের সংবাদ আসিলে বা ট্রাইব্যুনাল কোন অপরাধের তদন্তের নির্দেশ দিলে সংশ্লিষ্ট থানার উপ-পরিদর্শকের নিম্ন পদমর্যাদার নহেন এমন একজন পুলিশ কর্মকর্তা এই আইনের অধীন তদন্তকার্য সম্পাদন করিবেন।
 
(২) এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটিত হইতে পারে এমন ক্ষেত্রে পুলিশ অপরাধ সংঘটনের এজাহার (first information report) দাখিলের পূর্বে প্রতিরোধমূলক অনুসন্ধান (proactive inquiry) পরিচালনা করিতে পারিবেন।
 
(৩) ধারা ২০ এর বিধান সাপেক্ষে, উপ-ধারা (১) এর অধীন মামলা দায়েরের বা ট্রাইব্যুনাল হইতে তদন্তের নির্দেশ প্রাপ্তির অনধিক ৯০ (নব্বই) কার্যদিবসের মধ্যে এই ধারার অধীন তদন্ত সম্পন্ন করিতে হইবে।
 
(৪) উপ-ধারা (৩) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন না হইলে, তদন্ত কর্মকর্তা উক্ত সময়সীমা শেষ হইবার অন্তত তিন কার্যদিবস পূর্বে তাহার নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা অথবা, ট্রাইব্যুনাল হইতে তদন্তের নির্দেশ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে, ট্রাইব্যুনালের নিকট সময়সীমা বৃদ্ধির জন্য লিখিতভাবে আবেদন করিবেন অথবা উক্ত নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা অথবা, ক্ষেত্রমত, ট্রাইব্যুনাল উক্ত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত সম্পাদনে ব্যর্থতার জন্য প্রদর্শিত কারণে সন্তুষ্ট হইলে তদন্তের সময়সীমা অতিরিক্ত ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবস বৃদ্ধি করিতে পারিবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, আন্তঃরাষ্ট্রীয় তদন্তের ক্ষেত্রে কেবল ট্রাইব্যুনাল এই ধরনের তদন্তের সময়সীমা বৃদ্ধি করিতে পারিবে এবং উক্ত ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল তাহার স্বীয় বিবেচনায় যৌক্তিক মেয়াদে তদন্তের সময়সীমা বৃদ্ধি করিবে।
 
(৫) এই আইনের অধীন কোন আন্তঃরাষ্ট্রীয় অপরাধ তদন্তের ক্ষেত্রে বিদেশী সাক্ষ্য-প্রমাণ নিরীক্ষণ করিবার জন্য বিদেশ গমনের আবশ্যকতা দেখা দিলে, ট্রাইব্যুনালের অনুমতিক্রমে, তদকর্তৃক নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তদন্তকার্য সম্পন্ন করিবার উদ্দেশ্যে পুলিশ কর্তৃপক্ষ একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করিবে এবং উক্ত তদন্ত দলকে যথাসম্ভব প্রশাসনিক এবং আর্থিক সহায়তা প্রদান করিবে।
 
(৬) এই আইনের অধীন পুলিশের তদন্ত, নিরাপত্তা বিধান ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম ও দায়িত্বসমূহের সমন্বয় এবং তদারক করিবার উদ্দেশ্যে সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, পুলিশ সদর দপ্তরে একটি কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেল গঠন করিবে।
১,২৫৬.
সংবিধানের সর্বশেষ সংশোধনী কত সালে করা হয়?
  1. ২০১৭ সালে
  2. ২০১৮ সালে
  3. ২০১৯ সালে
  4. ২০২১ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৮ সালে
ব্যাখ্যা
সংবিধানের সর্বশেষ সংশোধনী (১৭তম) ২০১৮ সালে করা হয়।

সপ্তদশ সংশোধনী:
সংবিধান (সপ্তদশ সংশোধন) আইন, ২০১৮ বলে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে সংরক্ষিত নারী আসনের মেয়াদ ২৫ বৎসর বৃদ্ধি করা হয়। নারীদের জন্য সংরক্ষিত ৫০টি আসনের ১০ বৎসরের মেয়াদ ২০১৯ সালের ২৪ই জানুয়ারী শেষ হয়। সপ্তদশ সংশোধনীর মাধ্যমে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনের মেয়াদ ২৫ বৎসর বাড়ানো হয়েছে। অর্থাৎ ১১তম সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হতে পরবর্তী ২৫ বৎসর পর্যন্ত নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনের মেয়াদ থাকবে।
১,২৫৭.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর অধীন পুলিশ কখন প্রতিরোধমূলক অনুসন্ধান (proactive inquiry) পরিচালনা করতে পারে?
  1. যেকোন সময়
  2. এজাহার দাখিলের পর
  3. এজাহার দাখিলের পূর্বে
  4. অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পর
সঠিক উত্তর:
এজাহার দাখিলের পূর্বে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এজাহার দাখিলের পূর্বে
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ১৯: তদন্ত:
(১) পুলিশের নিকট এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটনের সংবাদ আসিলে বা ট্রাইব্যুনাল কোন অপরাধের তদন্তের নির্দেশ দিলে সংশ্লিষ্ট থানার উপ-পরিদর্শকের নিম্ন পদমর্যাদার নহেন এমন একজন পুলিশ কর্মকর্তা এই আইনের অধীন তদন্তকার্য সম্পাদন করিবেন। 

(২) এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটিত হইতে পারে এমন ক্ষেত্রে পুলিশ অপরাধ সংঘটনের এজাহার (first information report) দাখিলের পূর্বে প্রতিরোধমূলক অনুসন্ধান (proactive inquiry) পরিচালনা করিতে পারিবেন। 
 
(৩) ধারা ২০ এর বিধান সাপেক্ষে, উপ-ধারা (১) এর অধীন মামলা দায়েরের বা ট্রাইব্যুনাল হইতে তদন্তের নির্দেশ প্রাপ্তির অনধিক ৯০ (নববই) কার্যদিবসের মধ্যে এই ধারার অধীন তদন্ত সম্পন্ন করিতে হইবে। 
 
(৪) উপ-ধারা (৩) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন না হইলে, তদন্ত কর্মকর্তা উক্ত সময়সীমা শেষ হইবার অন্তত তিন কার্যদিবস পূর্বে তাহার নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা অথবা, ট্রাইব্যুনাল হইতে তদন্তের নির্দেশ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে, ট্রাইব্যুনালের নিকট সময়সীমা বৃদ্ধির জন্য লিখিতভাবে আবেদন করিবেন অথবা উক্ত নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা অথবা, ক্ষেত্রমত, ট্রাইব্যুনাল উক্ত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত সম্পাদনে ব্যর্থতার জন্য প্রদর্শিত কারণে সন্তুষ্ট হইলে তদন্তের সময়সীমা অতিরিক্ত ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবস বৃদ্ধি করিতে পারিবেঃ 
 
তবে শর্ত থাকে যে, আন্তঃরাষ্ট্রীয় তদন্তের ক্ষেত্রে কেবল ট্রাইব্যুনাল এই ধরনের তদন্তের সময়সীমা বৃদ্ধি করিতে পারিবে এবং উক্ত ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল তাহার স্বীয় বিবেচনায় যৌক্তিক মেয়াদে তদন্তের সময়সীমা বৃদ্ধি করিবে। 
 
(৫) এই আইনের অধীন কোন আন্তঃরাষ্ট্রীয় অপরাধ তদন্তের ক্ষেত্রে বিদেশী সাক্ষ্য-প্রমাণ নিরীক্ষণ করিবার জন্য বিদেশ গমনের আবশ্যকতা দেখা দিলে, ট্রাইব্যুনালের অনুমতিক্রমে, তদকর্তৃক নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তদন্তকার্য সম্পন্ন করিবার উদ্দেশ্যে পুলিশ কর্তৃপক্ষ একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করিবে এবং উক্ত তদন্ত দলকে যথাসম্ভব প্রশাসনিক এবং আর্থিক সহায়তা প্রদান করিবে। 

(৬) এই আইনের অধীন পুলিশের তদন্ত, নিরাপত্তা বিধান ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম ও দায়িত্বসমূহের সমন্বয় এবং তদারক করিবার উদ্দেশ্যে সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, পুলিশ সদর দপ্তরে একটি কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেল গঠন করিবে।
১,২৫৮.
চেক ডিজঅনার মামলায় আদালত কীসের ভিত্তিতে অপরাধ আমলে গ্রহণ করতে পারবে?
  1. মৌখিক অভিযোগ
  2. লিখিত অভিযোগ
  3. পুলিশের মাধ্যমে জিডি করে
  4. মৌখিক বা লিখিত অভিযোগ
সঠিক উত্তর:
লিখিত অভিযোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিখিত অভিযোগ
ব্যাখ্যা
The Negotiable Instruments Act, 1881: ধারা ১৪১: অপরাধ আমলে নেওয়া (Cognizance of offences):
ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ (১৮৯৮ সনের আইন নং V)-এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন—
(ক) ধারা ১৩৮ অনুসারে দণ্ডনীয় কোনো অপরাধের ক্ষেত্রে, আদালত কেবলমাত্র চেকের প্রাপকের অথবা প্রয়োজনে যথাযথ অধিকারসম্পন্ন ধারকের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে অপরাধ আমলে গ্রহণ করিতে পারিবে;

(খ) এইরূপ অভিযোগ উত্থাপন করতে হইবে, যেই তারিখে ধারা ১৩৮-এর প্রভিজোর ক্লজ (চ)-এর অধীনে কার্যকারণের কারণ সৃষ্টি হয়, সেই তারিখ হইতে এক মাসের মধ্যে;

(গ) ধারা ১৩৮-এর অধীন দণ্ডনীয় অপরাধ বিচার করিবার জন্য কোন আদালত সেশন কোর্টের নিচে হইতে পারিবে না।
১,২৫৯.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের অধীনে ট্রাইব্যুনাল মৃত্যুদণ্ড প্রদান করলে কী করতে হয়?
  1. তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর করতে হয়
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমোদন নিতে হয়
  3. আপিল বিভাগে নথি প্রেরণ করতে হয়
  4. হাইকোর্ট বিভাগে নথি প্রেরণ করতে হয়
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে নথি প্রেরণ করতে হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে নথি প্রেরণ করতে হয়
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০: ধারা ২৯: মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন:
এই আইনের অধীনে কোন ট্রাইব্যুনাল, মৃত্যুদণ্ড প্রদান করিলে সংশ্লিষ্ট মামলার নথিপত্র অবিলম্বে ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৩৭৪ এর বিধান অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করিতে হইবে এবং উক্ত বিভাগের অনুমোদন ব্যতীত মৃতুদণ্ড কার্যকর করা যাইবে না।
১,২৬০.
কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া স্বামী কত বছর যাবত দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে একজন বিবাহিতা স্ত্রীলোক বিবাহ বিচ্ছেদের আবেদন করতে পারেন?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৪ বছর
  4. ৭ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ ১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইনের ২ ধারা অনুযায়ী, স্ত্রী যেসব কারণে আদালতে তালাক চাইতে পারেন সেগুলো হলো-

- চার বছর পর্যন্ত স্বামী নিরুদ্দেশ থাকলে;
- দুই বছর স্বামী তার স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হলে;
- স্বামীর সাত বছর কিংবা তার চেয়ে বেশি কারাদণ্ড হলে;
- স্বামী কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া তিন বছর যাবত দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে;
- বিয়ের সময় পুরষত্বহীন থাকলে এবং তা মামলা দায়ের করা পর্যন্ত বহাল থাকে;
- স্বামী দুই বছর ধরে অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল থাকলে অথবা কুষ্ঠরোগে বা মারাত্মক যৌন ব্যধিতে আক্রান্ত থাকলে;

- বিয়ে অস্বীকার করলে। অর্থাৎ যদি কোনো মেয়ের বাবা বা অভিভাবক মেয়েকে ১৮ বছর বয়স হওয়ার আগে বিয়ে দেন এবং সেই মেয়েটি ১৯ বছর হওয়ার আগে বিয়ে অস্বীকার করে বিয়ে ভেঙে দিতে পারে। তবে শর্ত হলো, মেয়েটির সঙ্গে স্বামীর দাম্পত্য সম্পর্ক (সহবাস) যদি স্থাপিত না হয়ে থাকে তখনই কেবল বিয়ে অস্বীকার করে আদালতে বিচ্ছেদের ডিক্রি চাওয়া যাবে;

⇒ স্বামী ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধান লঙ্ঘন করে একাধিক স্ত্রী গ্রহণ করলে;

⇒ স্বামীর নিষ্ঠুরতার কারণে। নিম্নলিখিত আচরণগুলো ‘নিষ্ঠুরতা’ হিসেবে গণ্য হবে-
(ক) অভ্যাসগত আচরণে স্ত্রীকে আঘাত করা (দৈহিক আঘাত ছাড়াও মানসিক আঘাতও এর অন্তর্ভুক্ত, যা তার জীবন শোচনীয় বা দুর্বিষহ করে তুলেছে);
(খ) অন্য কোনো খারাপ নারীর সঙ্গে জীবনযাপন বা মেলামেশা;
(গ) স্ত্রীকে অনৈতিক জীবনযাপনে বাধ্য করা;
(ঘ) স্ত্রীর সম্পত্তি নষ্ট করা;
(ঙ) স্ত্রীকে নিজস্ব ধর্মপালনে বাধা দেয়া; 
(চ) যদি স্বামীর একাধিক স্ত্রী থাকে, তাদের সঙ্গে পবিত্র কোরআনের নির্দেশ অনুসারে সমান ব্যবহার না করা;
(ছ) এছাড়া মুসলিম আইনে বিয়েবিচ্ছেদের জন্য বৈধ বলে স্বীকৃত অন্য যে কোনো কারণে স্ত্রী পারিবারিক আদালতে বিয়ে বিচ্ছেদের দাবি করতে পারবে।
১,২৬১.
যদি স্বামী শপথ করেন যে তিনি চার মাস বা তারও বেশি সময় তার স্ত্রীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করবেন না, তবে এটি ইসলামী শরিয়তের অধীনে এক ধরনের তালাক (divorce) হিসেবে গণ্য হয়, যাকে বলা হয়-
  1. জিহার
  2. ইলা
  3. মুবারাত
  4. তাওফিজ
সঠিক উত্তর:
ইলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইলা
ব্যাখ্যা

ইলা (Ila):
যখন স্বামী শপথ করে বলেন যে তিনি চার মাস বা তার বেশি সময় স্ত্রীর সঙ্গে যৌন সম্পর্ক করবেন না, তখন তাকে ইলা বলা হয়।
যদি স্বামী চার মাসের মধ্যে তার শপথ ভঙ্গ না করেন, অর্থাৎ স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন না করেন, তাহলে বিবাহ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিচ্ছিন্ন (divorce effective) হয়ে যায়।

অন্যান্য বিকল্পের অর্থ:
জিহার (Zihar):
স্বামী যদি তার স্ত্রীকে নিজের মা, বোন ইত্যাদির সঙ্গে তুলনা করেন (যেমন বলেন— “তুমি আমার মায়ের মতো”), তবে একে জিহার বলা হয়।

তাওফিজ (Tafweez):
যখন স্বামী তালাক দেওয়ার অধিকার স্ত্রীকে অর্পণ করেন, তখন তাকে তাফউইজ বলা হয়।

মুবারাআত (Mubaraat):
যখন স্বামী ও স্ত্রী পারস্পরিক সম্মতিতে বিবাহবিচ্ছেদে রাজি হয়, তখন সেটি মুবারাআত নামে পরিচিত।

১,২৬২.
"Constitution is the way of life the state has chosen for itself." উক্তিটি কার?
  1. Plato
  2. Aristotle
  3. S.E. Finer
  4. Rousseau
সঠিক উত্তর:
Aristotle
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Aristotle
ব্যাখ্যা
"The Constitution is defined as 'the way of life the State has chosen for itself'" - Aristotle (384–322 BC).

অ্যারিস্টটল (Aristotle, ৩৮৪–৩২২ খ্রিস্টপূর্ব) সংবিধানকে "রাষ্ট্র যেভাবে তার নিজের জন্য জীবনযাপনের ধরণ নির্ধারণ করে" হিসেবে সংজ্ঞায়িত করেছেন। তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী, সংবিধান হলো একটি রাষ্ট্রের মূল কাঠামো এবং এটি রাষ্ট্র পরিচালনার মৌলিক নিয়ম-কানুন ও নীতিমালা নির্ধারণ করে। এই সংজ্ঞার পেছনে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা রয়েছে, যা বিশ্লেষণ করা যায়:

- সংবিধান শুধু আইনের সংকলন নয়; এটি একটি রাষ্ট্রের আদর্শ, মূল্যবোধ এবং লক্ষ্য প্রতিফলিত করে। এটি বলে দেয় যে, একটি রাষ্ট্র কীভাবে তার জনগণ, শাসক এবং আইন পরিচালিত করবে।

- অ্যারিস্টটলের মতে, সংবিধান হলো এমন একটি পদ্ধতি, যা রাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থা এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কীভাবে কাজ করবে তা নির্ধারণ করে। উদাহরণস্বরূপ, গণতান্ত্রিক, একনায়কতান্ত্রিক বা রাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রে শাসনব্যবস্থা সংবিধানের ভিত্তিতে গড়ে ওঠে।

- সংবিধান রাষ্ট্রের নাগরিকদের মধ্যে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং নৈতিকতার চর্চা নিশ্চিত করার একটি মাধ্যম। এটি রাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য অধিকার ও কর্তব্য নির্ধারণ করে।

- অ্যারিস্টটল সংবিধানকে স্থিতিশীল কিন্তু পরিবর্তনযোগ্য হিসেবে দেখেছেন। একটি রাষ্ট্র যখন তার লক্ষ্য বা চাহিদার পরিবর্তন করে, তখন সংবিধানের সংশোধনের প্রয়োজন হয়। তবে সংবিধান যেন রাষ্ট্রের মৌলিক লক্ষ্য অক্ষুণ্ণ রাখে, সেদিকে নজর রাখা উচিত।
১,২৬৩.
পিতা মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে কোন শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত?
  1. Asaba
  2. Zawil Arham
  3. Zawil Furud
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
Zawil Furud
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Zawil Furud
ব্যাখ্যা

⇒ পিতা মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে নির্ধারিত অংশীদার (Zawil Furud) হিসেবে বিবেচিত হন এবং কোরআনে তার অংশ নির্ধারিত রয়েছে।

⇒ মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে উত্তরাধিকারীরা মূলত তিন শ্রেণিতে বিভক্ত -
- নির্ধারিত অংশীদার (Zawil Furud) → যাদের অংশ কোরআন-হাদিসে নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ আছে।
- অবশিষ্টাংশ ভোগী (Asaba) → যারা নির্দিষ্ট অংশের পর অবশিষ্ট সম্পত্তি পায়।
- দূরবর্তী আত্মীয়বর্গ (Zawil Arham) → যারা নির্দিষ্ট অংশীদার বা আসাবা না হয়ে দূর সম্পর্কের আত্মীয় হিসেবে উত্তরাধিকার পায়।

⇒ পিতা (Father) হলেন একজন প্রাথমিক উত্তরাধিকারী, এবং তার জন্য কোরআনে নির্দিষ্ট অংশ (যেমন ১/৬) বর্ণিত আছে, এজন্য তিনি Zawil Furud শ্রেণিতে পড়েন। তবে পিতা অনেক ক্ষেত্রে Asaba হিসেবেও সম্পত্তি পান (যেমন সন্তান না থাকলে অবশিষ্টাংশ পাওয়া), কিন্তু তার মূল পরিচয় Zawil Furud হিসেবে।
অতএব, পিতা মূলত নির্ধারিত অংশীদার (Zawil Furud) শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত, যদিও কিছু পরিস্থিতিতে তিনি আসাবা হিসেবেও লাভবান হন।

১,২৬৪.
'Marriage among Muhammadans is not a sacrament, but purely a civil contract'- was said in which of the following leading cases?
  1. Abdul Kadir v. Salima
  2. Abdus Salam v. Mst. Razia Begum
  3. Anwar Hossain v. Momtaz Begum
  4. Hefzur Rahman v. Shamsun Nahar Begum
সঠিক উত্তর:
Abdul Kadir v. Salima
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Abdul Kadir v. Salima
ব্যাখ্যা
Abdul Kadir v. Salima:
এই মামলাটি একটি মুসলিম দম্পতির মধ্যে ঘটে, যেখানে স্বামী তার স্ত্রীর কাছ থেকে বৈবাহিক অধিকার ফিরে পেতে আদালতে আবেদন করেন। তিন মাস একসাথে থাকার পর স্ত্রী তার বাবার বাড়িতে চলে যান এবং স্বামীকে ফিরে আসতে দিতে অস্বীকার করেন। স্বামী অনেকবার স্ত্রীর বাবার সাথে কথা বলার চেষ্টা করেন, কিন্তু কোনো ফল মেলেনি। তাই তিনি আদালতে Restitution of Conjugal Rights (বৈবাহিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা) মামলা দায়ের করেন।

স্ত্রী আদালতে ডিভোর্সের মামলা এবং মোহর প্রদান না করার অভিযোগ করেন। আদালত প্রথম দুটি অভিযোগ খারিজ করে দিলেও মোহর নিয়ে গুরুত্ব দেয়। এরপর স্বামী আদালতে মোহরের টাকা পরিশোধ করেন এবং আদালত শর্ত সাপেক্ষে রায় দেয়, যার মধ্যে বলা হয় মোহর পরিশোধের পরই বৈবাহিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হবে।

উভয় পক্ষই এই রায় নিয়ে আপিল করলেও, আপিল কোর্ট বলে যে, স্বামী Restitution of Conjugal Rights মামলা দাওয়ার পরিশোধ না করেই দাখিল করেছেন, তাই তিনি আইনগত সেবা পাওয়ার অধিকারী নন। পরে এই বিষয়টি আল্লাহাবাদ হাই কোর্ট এ পাঠানো হয়।

এলাহাবাদ হাই পর্যবেক্ষণ করে যে, মুসলিম বিবাহ একটি আইনি চুক্তি, যা কোনো ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান নয়। কোর্ট মুনশী বজলুর রহীম বনাম শামসুন-নিসা বেগম (১৮৬৭) মামলার রায়ের উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত দেয়, যেখানে বলা হয়েছিল যে স্ত্রীর মোহর পরিশোধ না হলে, তিনি স্বামীর সাথে বসবাস করতে বা যৌন সম্পর্ক করতে অস্বীকৃতি জানাতে পারেন। তবে, যদি একত্রে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করা হয় এবং সেসময় পরিপূর্ণ সম্মতি থাকে, তাহলে শর্তসাপেক্ষে Restitution of Conjugal Rights মামলার রায় কার্যকর হতে পারে, যেটি মোহরের দ্রুত পরিশোধের ওপর নির্ভরশীল।
১,২৬৫.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর অধীনেএখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সময়সীমা কত?
  1. ১৫ কার্যদিবস
  2. ৩০ কার্যদিবস
  3. ৪৫ কার্যদিবস
  4. ৬০ কার্যদিবস
সঠিক উত্তর:
৩০ কার্যদিবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) ৩০ কার্যদিবস।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা
৫৩- আপিল:
এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে, রায় প্রদানের তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবসের মধ্যে, আপিল করা যাইবে।
তবে শর্ত থাকে যে, রায়ের জাবেদা নকল পাওয়ার জন্য যে সময় অতিবাহিত হইবে উহা উক্ত সময় হইতে কর্তন করিতে হইবে।

১,২৬৬.
The Waqfs Ordinance, 1962 অনুসারে Administrator of Waqfs-এর মেয়াদ কত বছর?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৭ বছর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ The Waqfs Ordinance, 1962-এর ধারা ৭(৩) অনুসারে, ওয়াকফ প্রশাসক (Administrator of Waqfs) সাধারণত ৫ বছরের জন্য নিযুক্ত হন এবং তার মেয়াদ শেষে পুনর্নিযুক্তির যোগ্যতা রাখেন। এই অধ্যাদেশটি বাংলাদেশে ওয়াকফ সম্পত্তির প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ করে, এবং প্রশাসকের নিয়োগ সরকার করে। মেয়াদের এই নির্ধারণটি প্রশাসকের স্থায়িত্ব এবং কার্যকারিতা নিশ্চিত করার জন্য করা হয়েছে।

অর্থাৎ The Waqfs Ordinance, 1962-এর ধারা ৭(৩) স্পষ্টভাবে ৫ বছরের মেয়াদ নির্ধারণ করেছে, যা ওয়াকফ সম্পত্তির কার্যকর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করে।
----------
⇒ The Waqfs Ordinance, 1962 Section-7. Appointment of the Administrator:
(1) The Government shall appoint an Administrator of Waqfs for Bangladesh.
(2) No person shall be appointed as Administrator unless he is a Muslim and possesses such qualifications as may be prescribed by the rules. 
(3) The Administrator shall ordinarily be appointed for five years, and shall be eligible for re appointment.

১,২৬৭.
একজন হিন্দু লোক রাম মারা গেলেন। তিনি রেখে গেলেন ৪ কন্যা এবং মাতা। কন্যাদের মধ্যে একজন অবিবাহিতা, একজন বিবাহিতা ও পুত্রবতী, একজন বন্ধ্যা, একজন বিধবা, যার ২ কন্যাসন্তান আছে। এই ক্ষেত্রে কার সম্পত্তির দাবী সবার আগে থাকবে?
  1. মাতা
  2. বিধবা কন্যা
  3. অবিবাহিতা কন্যা 
  4. বিবাহিতা ও পুত্রবতী কন্যা
সঠিক উত্তর:
অবিবাহিতা কন্যা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবিবাহিতা কন্যা 
ব্যাখ্যা

⇒ এই ক্ষেত্রে অবিবাহিতা কন্যার দাবী সর্বাগ্রে, সুতরাং অবিবাহিতা কন্যা রামের সকল সম্পত্তি জীবনস্বত্বে পাইবে। অন্যান্য কন্যাগণ কোন অংশ পাবে না। মাতাও কিছু পাবে না। কারণ কন্যাদের স্থান ৫নং এবং মাতার স্থান ৮নং।

অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সপিণ্ডদের ক্রমিকানুসারে তালিকা:

১-৩ পুত্র, পৌত্র এবং প্রপৌত্র তাহারা স্থলবর্তী নিয়ম অনুসারে সর্বাগ্রে এবং এক সঙ্গে উত্তরাধিকারিত্বের দাবীদার। এই বিষয়ে একই নিয়ম মিতাক্ষরা আইনেও প্রযোজ্য।
সকল মতপন্থীদের মতেই ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয় এবং বৈশ্য পিতার অবৈধ সন্তান অর্থাৎ রক্ষিতার সন্তান কোন উত্তরাধিকারিত্ব দাবী করিতে পারে না। তবে সেইসব অবৈধ সন্তান পিতার ত্যাজ্যবিত্ত হইতে ভরণপোষণ পাওয়ার অধিকারী। শুদ্রের বেলায় দাসী অথবা রক্ষিতার অবৈধ পুত্র বৈধ পুত্রের ভাগ পাওয়ার অধিকারী। অর্থাৎ অবৈধ পুত্র বৈধ হইলে যে অংশ পাইত তাহার অর্ধেক পাইবে।

৪। বিধবা:
১৯৩৭ সালে সম্পত্তিতে হিন্দু নারীর অধিকার সংক্রান্ত আইন পাশ হওয়ার পর হইতে বিধবা একের অধিক হইলে সকলে একত্রে এক পুত্রের সমান অংশ জীবন স্বত্বে পাইবে। ১-৩ নং এর মধ্যে কেহ না থাকিলে স্বামীর ত্যাজ্যবিত্তে বিধবার জীবনস্বত্ব হইবে।

৫। কন্যা:
কন্যাদের মধ্যে অবিবাহিতা কন্যার দাবী প্রথম। পরে পুত্রবতী অথবা পুত্রসম্ভবা কন্যাদের দাবী। বন্ধ্যা কন্যা, পুত্র সন্তান হীনা বিধবা কন্যা এবং যে সব কন্যাদের কেবলমাত্র কন্যা সন্তান আছে তাহারা উত্তরাধিকার হইতে বঞ্চিত হইবে।

৬। দৌহিত্র: কন্যার পর কন্যার পুত্র সন্তানের দাবী।
৭। পিতা;
৮। মাতা;
৯। ভ্রাতা;
১০। ভ্রাতুষ্পুত্র।

১,২৬৮.
In a gift under the Transfer of Property Act, 1882, "If the donee dies before acceptance, ____________."
  1. the gift is voidable
  2. the gift is void
  3. the gift is valid
  4. both A and B
সঠিক উত্তর:
the gift is void
উত্তর
সঠিক উত্তর:
the gift is void
ব্যাখ্যা
The Transfer of Property Act, 1882 Section 122.“Gift” defined:
 “Gift” is the transfer of certain existing moveable or immoveable property made voluntarily and without consideration, by one person, called the donor, to another, called the donee, and accepted by or on behalf of the donee.
Acceptance when to be made:
Such acceptance must be made during the lifetime of the donor and while he is still capable of giving. 
If the donee dies before acceptance, the gift is void.
--------------
⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১২২ ধারার বিধান: দান (Gift) এর সংজ্ঞা:
- এক ব্যক্তি স্বেচ্ছায় এবং প্রতিদান ছাড়া নির্দিষ্ট বিদ্যমান কোন অস্থাবর বা স্থাবর সম্পত্তি অন্য ব্যক্তিকে হস্তান্তর করলে এবং সে ব্যক্তি বা তার পক্ষ হতে এই হস্তান্তর গ্রহণ করলে তাকে দান বলা হয়।
- যে ব্যক্তি এভাবে সম্পত্তি হস্তান্তর করে তাকে দাতা এবং যে ব্যক্তি তা গ্রহণ করে তাকে দানগ্রহীতা বলা হয়।

দান কখন গ্রহণ করতে হয় (Acceptance when to be made)
-দাতার জীবনকালে এবং দাতা দান করতে সম্পূর্ণ সক্ষম অবস্থায় উক্ত দান অবশ্যই গ্রহণ করতে হবে।
- দান গ্রহণের পূর্বে যদি দানগ্রহীতা মারা যায় তাহলে দান বাতিল হবে।
১,২৬৯.
'দলিল নিবন্ধনের সকল ফিস দলিল দাখিলের সময় প্রদান করতে হবে'- The Registration Act, 1908 এর কত ধারার বিধান?
  1. ধারা ৮০
  2. ধারা ৮১
  3. ধারা ৮২
  4. ধারা ৮৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮০
ব্যাখ্যা

The Registration Act, 1908 এর ধারা ৮০- দলিল দাখিলের সময় ফিস প্রদেয়:
এই আইনের অধীন দলিল নিবন্ধনের সকল ফিস দলিল দাখিলের সময় প্রদেয়।

Section 80- Fees payable on presentation:
All fees for the registration of documents under this Act shall payable on the presentation of such documents.

১,২৭০.
শিশু আইন, ২০১৩ অনুযায়ী শিশু-আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে হবে কত দিনের মধ্যে?
  1. ৩০ দিনের মধ্যে
  2. ৬০ দিনের মধ্যে
  3. ৯০ দিনের মধ্যে
  4. ১২০ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
৬০ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা

⇒ শিশু আইন, ২০১৩-এর ধারা ৪১(১) অনুযায়ী, শিশু-আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে হবে ৬০ দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে।
- ধারা ৪১(১): এই ধারায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, শিশু-আদালতের আদেশ বা রায় প্রদানের তারিখ থেকে অনধিক ৬০ দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করা যাবে। এটি ফৌজদারি কার্যবিধির বিধান থেকে ভিন্ন হলেও শিশু আইনের এই নির্দিষ্ট বিধান প্রাধান্য পায়।
- আপিলের সময়সীমা: এই ৬০ দিনের সময়সীমা শিশুদের বিচার প্রক্রিয়ার দ্রুত নিষ্পত্তি এবং তাদের স্বার্থ সুরক্ষার জন্য নির্ধারিত। এই সময়ের মধ্যে আপিল দায়ের না করলে সাধারণত আপিলের সুযোগ থাকে না, যদি না বিশেষ কারণে আদালত সময় বাড়ানোর অনুমতি দেয়।

⇒ শিশু আইন, ২০১৩-এর ধারা ৪১ আপিল ও পুনর্বিবেচনা:
(১) ফৌজদারী কার্যবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন শিশু-আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে উক্ত আদেশ বা রায়] প্রদানের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করা যাইবে। 
(২) শিশু-আদালতের কোনো আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে পুনর্বিবেচনা (Revision) করা যাইবে।
(৩) এই ধারার অধীন আপিল বা, ক্ষেত্রমত, পুনর্বিবেচনার আবেদন দাখিল করা হইলে উক্ত আবেদনটি দায়েরের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে উহা নিষ্পত্তি করিতে হইবে।

১,২৭১.
According to Section 2(f) of The Special Powers Act, 1974, which of the following is not a potential result of a prejudicial act?
  1. Creating fear or alarm to the public
  2. Aiding in the maintenance of law and order
  3. Prejudice to the economic or financial interests of the State
  4. Prejudice to the maintenance of essential community supplies and services
সঠিক উত্তর:
Aiding in the maintenance of law and order
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Aiding in the maintenance of law and order
ব্যাখ্যা
Section 2(f): “prejudicial act” means any act which is intended or likely- 
 (i) to prejudice the sovereignty or defence of Bangladesh; 
(ii) to prejudice the maintenance of friendly relations of Bangladesh with foreign states; 
(iii) to prejudice the security of Bangladesh or to endanger public safety or the maintenance of public order; 
(iv) to create or excite feelings of enmity or hatred between different communities, classes or sections of people; 
(v) to interfere with or encourage or incite interference with the administration of law or the maintenance of law and order; 
(vi) to prejudice the maintenance of supplies and services essential to the community; 
(vii) to cause fear or alarm to the public or to any section of the public; 
(viii) to prejudice the economic or financial interests of the State;

"প্রতিকূল কাজ" (prejudicial act) এমন একটি কাজ যা দেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা, জননিরাপত্তা বা জনগণের মধ্যে শত্রুতা সৃষ্টি করতে পারে বা রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক স্বার্থে ক্ষতি করতে পারে। এছাড়া এটি জনসাধারণের মধ্যে আতঙ্ক বা ভীতি সৃষ্টি করতে পারে। "আইন ও শৃঙ্খলা রক্ষায় সাহায্য করা (Aiding in the maintenance of law and order)" কোনো ক্ষতিকর কার্য হিসেবে বিবেচিত নয়।
১,২৭২.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ১৪(১) এর অধীন আপোষ বা মীমাংসা প্রতিষ্ঠা সম্ভব না হলে, আদালত-
  1. পুনরায় সাক্ষ্য নেবে
  2. রায় ঘোষণা করবে
  3. মোকদ্দমা অন্য আদালতে পাঠাবে
  4. মোকদ্দমা স্থগিত রাখবে
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণা করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণা করবে
ব্যাখ্যা

পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ১৪ (বিচারের সমাপ্তি):
(১) পারিবারিক আদালত, সকল পক্ষের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হইবার পর, উভয় পক্ষের মধ্যে আপোষ বা মীমাংসা প্রতিষ্ঠার জন্য পুনরায় প্রচেষ্টা চালাইবে।

(২) উপধারা (১) এর অধীন আপোষ বা মীমাংসা প্রতিষ্ঠা সম্ভব না হইলে, আদালত রায় ঘোষণা করিবে এবং উক্ত রায় ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে অথবা অনধিক ৭ (সাত) দিনের মধ্যে রায় সম্পর্কে পক্ষগণ বা তাহাদের প্রতিনিধি বা আইনজীবীগণকে যথাযথ নোটিশ প্রদান করিতে হইবে ও ডিক্রি প্রদত্ত হইবে।

১,২৭৩.
'রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ আইন নয় তাই আদালত এগুলো বলবৎ করতে পারে না।'- কোন মামলার রায়ে বলা হয়েছে?
  1. Hossain Chy v/s Bangladesh
  2. Kazi Mukhlesur Rahman v/s Bangladesh
  3. Kudrat-E-Elahi Panir v/s Bangladesh
  4. Sheikh Abdus Sabur v/s Returning officer
সঠিক উত্তর:
Kudrat-E-Elahi Panir v/s Bangladesh
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Kudrat-E-Elahi Panir v/s Bangladesh
ব্যাখ্যা

'Kudrat-E-Elahi Panir v Bangladesh' মামলায় আদালত রায় দিয়েছে যে- রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ আইন নয়, তাই এগুলো আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য নয়।

মামলার নাম:
কুদরত-ই-এলাহী পনির  বনাম বাংলাদেশ সরকার 44 DLR (AD) 319

প্রেক্ষাপট:
- ১৯৮২ সালে সামরিক শাসনামলে উপজেলা পরিষদ গঠিত হয়।
- ১৯৯০ সালে নির্বাচিত চেয়ারম্যান কুদরত-ই-এলাহী পনির ও আহসানুল্লাহ।
- মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ১৯৯১ সালের একটি অধ্যাদেশের মাধ্যমে উপজেলা পরিষদ বিলুপ্ত করা হয়, যা ১৯৯২ সালে সংসদে আইন হিসেবে গৃহীত হয়।
- আপিলকারীগণ এই বিলুপ্তি সংক্রান্ত আইনকে সংবিধানবিরোধী দাবি করে রিট করেন।

মূল ইস্যুগুলো:
- বিলুপ্তি-সংক্রান্ত অধ্যাদেশটি সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯, ১১, ৫৯ ও ৬০ লঙ্ঘন করেছে কি না।
- উপজেলা পরিষদগুলো অনুচ্ছেদ ৫৯ অনুযায়ী স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান কি না।
- রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ জারির ক্ষমতা (ধারা ৯৩) সংসদীয় আইন প্রণয়নের বিকল্প কি না।
- উক্ত আইনটি ‘ছদ্মবেশী আইন’ (Colorable Legislation) কি না।

আপিলকারীদের যুক্তি:
সংবিধানের মূলনীতির (বিশেষত অনুচ্ছেদ ৯, ১১, ৫৯, ৬০) পরিপন্থী হওয়ায় বিলুপ্তি আইনটি অবৈধ।
উপজেলা পরিষদগুলো ছিল সাংবিধানিক স্বীকৃত স্থানীয় সরকার সংস্থা।
রাষ্ট্রপতি সংসদের অধিবেশন শুরুর আগে অধ্যাদেশ দিয়ে আইন পাশ করার মাধ্যমে ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন।
এই আইন একটি ‘ছদ্মবেশী আইন’ যা প্রকৃত অর্থে ক্ষমতা সরকারের হাতে কেন্দ্রীভূত করেছে।

বিবাদীপক্ষের যুক্তি:
উপজেলা পরিষদগুলো কার্যকর ও স্বনির্ভর ছিল না, তাই বিলুপ্ত করা হয়।
রাষ্ট্রের প্রশাসনিক কাঠামো পরিবর্তন করাই উদ্দেশ্য ছিল, রাজনৈতিক কোনো গোপন উদ্দেশ্য নয়।
উপজেলা কখনোই সংবিধানের ১৫২(১) অনুযায়ী "প্রশাসনিক অঞ্চল" ছিল না, তাই সেগুলো সাংবিধানিক স্থানীয় সরকার ছিল না।
আইনটি ছদ্মবেশী নয়, কারণ এতে উপজেলা ব্যবস্থা রক্ষার কোনো গোপন প্রচেষ্টা ছিল না।

আদালতের রায় ও পর্যবেক্ষণ:
প্রধান বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ:
- সংবিধানের মূলনীতি (Part II) আদালত দ্বারা বলবৎযোগ্য নয় (অনুচ্ছেদ ৮(২))।
- উপজেলা প্রশাসনিক অঞ্চল না হওয়ায় সেগুলো ৫৯ ধারা অনুযায়ী স্থানীয় সরকার নয়।
- বিলুপ্তি আইন সংবিধানবিরোধী নয়, বরং প্রশাসনিক পুনর্গঠনের উদ্দেশ্যে করা হয়।
- যেহেতু অধ্যাদেশ পরে সংসদে আইন হিসেবে পাস হয়েছে, তাই এটি আর একাডেমিক প্রশ্ন ছাড়া কিছু নয়।

বিচারপতি মোস্তাফা কামাল:
- রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি ‘আইন’ নয়, ‘নীতিমালা’। আদালত এগুলো বলবৎ করতে পারে না।

বিচারপতি নঈমুদ্দীন আহমদ (ভিন্নমত):
- যদি কোনো আইন সরাসরি মূলনীতির পরিপন্থী হয়, তাহলে আদালত সেটি বাতিল করতে পারে।

ছদ্মবেশী আইন সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত:
- এটি কোনো Colorable Legislation নয়; কারণ এতে কোনো গোপন বা পরোক্ষ উদ্দেশ্য ছিল না।

চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত:
- আপিল বিভাগ সরকারের পক্ষে রায় দেন।
- বিলুপ্তি-সংক্রান্ত আইন সংবিধানের ৯, ১১, ৫৯ ও ৬০ অনুচ্ছেদের পরিপন্থী নয়।
- উপজেলা পরিষদগুলো সংবিধান অনুযায়ী স্থানীয় সরকার ছিল না, কারণ উপজেলা কখনোই প্রশাসনিক অঞ্চল হিসেবে নির্ধারিত হয়নি।

১,২৭৪.
If it is not possible, for reasons of ________, to hold such election within the period specified in the clause of Article 123, such election shall be held within ninety days following next after the last day of such period.
  1. political issue
  2. an act of God
  3. economic emergency
  4. any of the given options
সঠিক উত্তর:
an act of God
উত্তর
সঠিক উত্তর:
an act of God
ব্যাখ্যা
Article 123: Time for holding elections

(1) In the case of a vacancy in the office of President occurring by reason of the expiration of his term of office an election to fill the vacancy shall be held within the period of ninety to sixty days prior to the date of expiration of the term:
Provided that if the term expires before the dissolution of the Parliament by members of which he was elected the election to fill the vacancy shall not be held until after the next general election of members of Parliament, but shall be held within thirty days after the first sitting of Parliament following such general election. 
 
(2) In the case of a vacancy in the office of President occurring by reason of the death, resignation or removal of the President, an election to fill the vacancy shall be held within the period of ninety days after the occurrence of the vacancy.
 
(3) A general election of the members of Parliament shall be held- 
(a) in the case of a dissolution by reason of the expiration of its term, within the period of ninety days preceding such dissolution ; and 
(b) in the case of a dissolution otherwise than by reason of such expiration, within ninety days after such dissolution: 
Provided that the persons elected at a general election under sub-clause (a) shall not assume office as members of Parliament except after the expiration of the term referred to therein.
 
(4) An election to fill the seat of a member of Parliament which falls vacant otherwise than by reason of the dissolution of Parliament shall be held within ninety days of the occurrence of the vacancy: 
Provided that in a case where, in the opinion of the Chief Election Commissioner, it is not possible, for reasons of an act of God, to hold such election within the period specified in this clause, such election shall be held within ninety days following next after the last day of such period.

অনুচ্ছেদ ১২৩: নির্বাচন-অনুষ্ঠানের সময়

(১) রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ অবসানের কারণে উক্ত পদ শূন্য হইলে মেয়াদ-সমাপ্তির তারিখের পূর্ববর্তী নব্বই হইতে ষাট দিনের মধ্যে শূন্য পদ পূরণের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, যে সংসদের দ্বারা তিনি নির্বাচিত হইয়াছেন সেই সংসদের মেয়াদকালে রাষ্ট্রপতির কার্যকাল শেষ হইলে সংসদের পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত অনুরূপ শূন্য পদ পূর্ণ করিবার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে না, এবং অনুরূপ সাধারণ নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকের দিন হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতির শূন্য পদ পূর্ণ করিবার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।

(২) মৃত্যু, পদত্যাগ বা অপসারণের ফলে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হইলে পদটি শূন্য হইবার পর নব্বই দিনের মধ্যে, তাহা পূর্ণ করিবার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।

(৩) সংসদ-সদস্যদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে-
(ক) মেয়াদ-অবসানের কারণে সংসদ ভাংগিয়া যাইবার ক্ষেত্রে ভাংগিয়া যাইবার পূর্ববর্তী নববই দিনের মধ্যে; এবং
(খ) মেয়াদ-অবসান ব্যতীত অন্য কোন কারণে সংসদ ভাংগিয়া যাইবার ক্ষেত্রে ভাংগিয়া যাইবার পরবর্তী নব্বই দিনের মধ্যে:
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার (ক) উপ-দফা অনুযায়ী অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে নির্বাচিত ব্যক্তিগণ, উক্ত উপ-দফায় উল্লিখিত মেয়াদ সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত, সংসদ সদস্যরূপে কার্যভার গ্রহণ করিবেন না।

(৪) সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া ব্যতীত অন্য কোন কারণে সংসদের কোন সদস্যপদ শূন্য হইলে পদটি শূন্য হইবার নব্বই দিনের মধ্যে উক্ত শূন্যপদ পূর্ণ করিবার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।
তবে শর্ত থাকে যে, যদি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের মতে, কোন দৈব-দূর্বিপাকের কারণে এই দফার নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে উক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব না হয়, তাহা হইলে উক্ত মেয়াদের শেষ দিনের পরবর্তী নব্বই দিনের মধ্যে উক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।
১,২৭৫.
কোন প্রক্রিয়া অনুযায়ী উত্তরাধিকারীগণ মৃত ব্যক্তির স্থলবর্তীরূপে সম্পত্তি প্রাপ্ত হন?
  1. উত্তরাধিকারী মনোনয়ন
  2. মাথাপিছু উত্তরাধিকার
  3. অংশপিছু উত্তরাধিকার
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
অংশপিছু উত্তরাধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অংশপিছু উত্তরাধিকার
ব্যাখ্যা
⇒ অংশপিছু উত্তরাধিকার (Succession per stirpes) হল এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে মৃত ব্যক্তির স্থলবর্তীরূপে (বা পরবর্তী প্রজন্মের সদস্যদের মাধ্যমে) উত্তরাধিকারীরা সম্পত্তি প্রাপ্ত হন।
- এর অর্থ হল, যখন কোনো ব্যক্তির মৃত্যু হয়, তখন তার উত্তরাধিকারীরা মৃত ব্যক্তির স্থান পূর্ণ করে সম্পত্তির অংশ ভাগ করে নেয়।
- এই প্রক্রিয়াতে, মৃত ব্যক্তির পুত্র, পৌত্র বা আরও নিচের প্রজন্ম তার পিতার বা পূর্বসূরীর উত্তরাধিকারী হিসেবে তাদের অংশ লাভ করে, এবং এটি প্রতিটি প্রজন্মের জন্য সমানভাবে ঘটে।
এটি প্রতিনিধিত্ব মতবাদ (Doctrine of representation) এর ভিত্তিতে কাজ করে, যেখানে পরবর্তী প্রজন্ম (যেমন পৌত্র) তাদের পূর্বসূরীদের (যেমন পিতা) স্থল পূর্ণ করে সম্পত্তি লাভ করে। এর ফলে, মৃত ব্যক্তির সন্তান বা পুত্র তাদের পূর্বপুরুষের প্রতিনিধিত্ব করে সম্পত্তির অংশ পায়।
তাহলে, অংশপিছু উত্তরাধিকার এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারীগণ তার স্থল বা অবস্থান থেকে অংশ গ্রহণ করে, এবং এটা প্রতিনিধিত্ব মতবাদ এর অধীনে চলে।
১,২৭৬.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯০ এর বিধানমতে বেআইনি বা হয়রানিমূলক তল্লাশীর সর্বোচ্চ কারাদণ্ড-
  1. ২ বৎসর
  2. ১ বৎসর
  3. ৬ মাস
  4. ৩ মাস
সঠিক উত্তর:
১ বৎসর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বৎসর
ব্যাখ্যা
• মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯০ রহিত করে মাদকদ্রব্যের নিয়ন্ত্রণ, সরবরাহ ও চাহিদা হ্রাস, অপব্যবহার ও চোরাচালান প্রতিরোধ এবং মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন ক্ষেত্রে বিদ্যমান আইন যুগোপযোগী করাসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন,২০১৮ প্রণীত হয়।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন,২০১৮ এর ধারা ৩৯ অনুসারে,

যদি তল্লাশি, আটক অথবা গ্রেফতার করিবার ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো অফিসার- 
(ক) সন্দেহ করিবার যুক্তিসংগত কোনো কারণ ব্যতিরেকে তল্লাশির নামে কোনো স্থানে প্রবেশ করেন ও তল্লাশি চালান, 
(খ) হয়রানিমূলকভাবে বাজেয়াপ্তযোগ্য কোনো বস্তু তল্লাশি করিবার নামে কোনো ব্যক্তির কোনো সম্পদ আটক করেন, এবং 
(গ) কোনো ব্যক্তিকে হয়রানিমূলক তল্লাশি করেন অথবা গ্রেফতার করেন, তাহা হইলে তিনি অনূর্ধ্ব ১ (এক) বৎসর কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।
১,২৭৭.
বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫১(১)-এ রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তির ব্যতিক্রম কী?
  1. ফৌজদারি কার্যধারা
  2. হাইকোর্টের রুল
  3. দণ্ডবিধির অধীন মামলা
  4. সরকারের বিরুদ্ধে কার্যধারা গ্রহণ
সঠিক উত্তর:
সরকারের বিরুদ্ধে কার্যধারা গ্রহণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারের বিরুদ্ধে কার্যধারা গ্রহণ
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৫১ – রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি:
(১) এই সংবিধানের ৫২ অনুচ্ছেদের হানি না ঘটাইয়া বিধান করা হইতেছে যে, রাষ্ট্রপতি তাঁহার দায়িত্ব পালন করিতে গিয়া কিংবা অনুরূপ বিবেচনায় কোন কার্য করিয়া থাকিলে বা না করিয়া থাকিলে সেইজন্য তাঁহাকে কোন আদালতে জবাবদিহি করিতে হইবে না, তবে এই দফা সরকারের বিরুদ্ধে কার্যধারা গ্রহণে কোন ব্যক্তির অধিকার ক্ষুন্ন করিবে না।

(২) রাষ্ট্রপতির কার্যভারকালে তাঁহার বিরুদ্ধে কোন আদালতে কোন প্রকার ফৌজদারী কার্যধারা দায়ের করা বা চালু রাখা যাইবে না এবং তাঁহার গ্রেফতার বা কারাবাসের জন্য কোন আদালত হইতে পরোয়ানা জারী করা যাইবে না।
-----------------------
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫১(১) অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি তাঁর দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে বা ঐরূপ বিবেচনায় কোনো কার্য করিলে বা না করিলে তাঁকে আদালতে জবাবদিহি করতে হবে না। তবে, এই দায়মুক্তি সরকারের বিরুদ্ধে কোনো ব্যক্তির কার্যধারা গ্রহণের অধিকার ক্ষুন্ন করে না—এটাই এই ধারার ব্যতিক্রম। অর্থাৎ, রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে না হলেও, সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করার অধিকার ব্যক্তি সংরক্ষণ করে।
১,২৭৮.
নিম্নবর্ণিত কোন মামলায় Ad valorem কোর্ট ফি দিতে হবে না?
  1. দলিল বাতিল
  2. বণ্টন মামলা
  3. চুক্তি বলবৎকরণ
  4. দখল পুনরুদ্ধার
সঠিক উত্তর:
বণ্টন মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বণ্টন মামলা
ব্যাখ্যা
কোর্ট ফি ২ ধরনের:
১/ মূল্যমানের উপর ভিত্তি করে [Ad-valorem court fee];
২/ নির্দিষ্ট [Fixed court fee]।
 
মূল্যমানের উপর ভিত্তি করে [Ad-valorem court fee]:
কোন মোকদ্দমার মূল্যমান এর উপর বা দাবীর মূল্যমানের উপর ভিত্তি করে এই কোর্ট ফি নির্ণয় করা হয়ে থাকে।
 
নির্দিষ্ট [Fixed court fee]:
কিছু বিষয়ে বিচারের বিষয়টি যাই থাকুক না কেন আদালতেকে সুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট পরিমান ফি দিতে হয়। মোকদ্দমার মূল্যমানের উপর কোর্ট ফি নির্ভর করে না।

 বণ্টন মামলায় দখলে থাকলে ৩০০ টাকা Fixed court fee এবং দখলে না থাকলে Ad-valorem court fee দিতে হবে।
১,২৭৯.
The Special Powers Act, 1974-এর ধারা ৮(২) অনুযায়ী আটককৃত ব্যক্তিকে আটকের কারণ সর্বোচ্চ কত দিনের মধ্যে জানাতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ The Special Powers Act, 1974 এর ধারা ৮(২) অনুসারে, আটকের আদেশ জারি করা হলে আটককৃত ব্যক্তিকে তার আটকের কারণ (grounds of detention) নিম্নলিখিত সময়ের মধ্যে জানাতে হবে:
- আটকের সময়ই অথবা
- তার পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব, তবে আটকের তারিখ থেকে সর্বোচ্চ ১৫ দিনের মধ্যে।
সুতরাং, স্পষ্টভাবে আইন অনুযায়ী সর্বোচ্চ সময়সীমা হল ১৫ দিন।
------------
⇒ The Special Powers Act, 1974, Section-8-Communication of grounds of order:
(1) In every case where an order has been made under section 3, the authority making the order shall, as soon as may be, but subject to the provisions of sub-section (2), communicate to the person affected thereby the grounds on which the order has been made to enable him to make a representation in writing against the order, and it shall be the duty of such authority to inform such person of his right of making such representation and to afford him the earliest opportunity of doing so: 
Provided that nothing in this section shall require the authority to disclose the facts which it considers to be against the public interest to disclose. 
(2) In the case of a detention order, the authority making the order shall inform the person detained under that order of the grounds of his detention at the time he is detained or as soon thereafter as is practicable, but not later than fifteen days from the date of detention.

১,২৮০.
'আইন' অর্থ কোন আইন, অধ্যাদেশ, আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ-আইন, বিজ্ঞপ্তি ও অন্যান্য আইনগত দলিল এবং বাংলাদেশে আইনের ক্ষমতাসম্পন্ন যে কোন প্রথা বা রীতি -- আইনের এ ব্যাখ্যা কোথায় প্রদান করা হয়েছে?
  1. The General Clauses Act, 1897
  2. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে
  3. The Code of Civil Procedure, 1908 এ
  4. The Civil Courts Act, 1887 এ
সঠিক উত্তর:
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১৫২ অনুচ্ছেদে আইনের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে-
"আইন" অর্থ কোন আইন, অধ্যাদেশ, আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ-আইন, বিজ্ঞপ্তি ও অন্যান্য আইনগত দলিল এবং বাংলাদেশে আইনের ক্ষমতাসম্পন্ন যে কোন প্রথা বা রীতি;

Article 152:
“law” means any Act, ordinance, order, rule, regulation, bye law, notification or other legal instrument, and any custom or usage, having the force of law in Bangladesh;
১,২৮১.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী লাইসেন্স, পারমিট বা পাস বাতিলের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে কত দিন সময় দেওয়া হয়?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ১৬(২) অনুসারে, লাইসেন্স, পারমিট বা পাস বাতিলের আদেশ দ্বারা সংক্ষুব্ধ কোনো ব্যক্তি আদেশ প্রাপ্তির তারিখ থেকে ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে আপিল করতে পারবেন।

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ১৬-লাইসেন্স, ইত্যাদি বাতিল:
(১) এই আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যদি কোনো ব্যক্তি লাইসেন্স, পারমিট অথবা পাসের কোনো শর্ত ভঙ্গ করেন অথবা যদি কোনো লাইসেন্স, পারমিট অথবা পাসধারী ব্যক্তি কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধের জন্য দণ্ডিত হন, তাহা হইলে লাইসেন্স, পারমিট অথবা পাস প্রদানকারী অফিসার তাহাকে কারণ দর্শানোর সুযোগ প্রদান করিয়া তাহার লাইসেন্স, পারমিট অথবা পাস বাতিল করিতে পারিবে। 
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রদত্ত কোনো আদেশের দ্বারা কোনো ব্যক্তি সংক্ষুব্ধ হইলে তিনি আদেশ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) দিবসের মধ্যে- 
(ক) আদেশটি যদি মহাপরিচালকের অধস্তন কোনো অফিসার কর্তৃক প্রদত্ত হইয়া থাকে, তাহা হইলে মহাপরিচালকের নিকট আপিল করিতে পারিবে; এবং 
(খ) আদেশটি যদি মহাপরিচালক কর্তৃক প্রদত্ত হইয়া থাকে, তাহা হইলে সরকারের নিকট আপিল করিতে পারিবে। 
(৩) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত আপিল কর্তৃপক্ষের রায় চূড়ান্ত হইবে এবং উহার বিরুদ্ধে কোনো আদালতে মামলা দায়ের করা যাইবে না।

১,২৮২.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর কত ধারায় পারিবারিক আদালত অবমাননার শাস্তি উল্লেখ আছে?
  1. ২১ ধারায়
  2. ২৫ ধারায়
  3. ২৩ ধারায়
  4. ২০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩

ধারা ২৩- পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত অবমাননা:

(১) যদি কোনো ব্যক্তি আইনসংগত কারণ ব্যতিরেকে-
(ক) পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালতের প্রতি অসম্মান প্রদর্শন করেন, বা
(খ) পরিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালতের কার্যে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন, বা
(গ) পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত কর্তৃক জিজ্ঞাসিত কোনো প্রশ্নের উত্তর প্রদানে বাধ্য থাকা সত্ত্বেও, উত্তর প্রদানের অস্বীকার করেন, বা
(ঘ) সত্য কথা বলিবার জন্য শপথ গ্রহণ করিতে অথবা পারিবারিক আদালতে বা পারিবারিক আপিল আদালতে তৎকর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতিতে স্বাক্ষরদান করিতে অস্বীকার করেন,
তাহা হইলে তিনি পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত অবমাননা করিয়াছেন মর্মে গণ্য হইবেন।

(২) উপধারা (১) এর অধীন কৃত অপরাধের ক্ষেত্রে, পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত উক্তরূপ অবমাননার দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিচার করিতে পারিবে এবং তাহাকে অনধিক ২০০ (দুইশত) টাকা র্অথদণ্ডে দণ্ডিত করিতে পারিবে।
১,২৮৩.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ১১ অনুসারে, যৌতুকের জন্য কোন নারীকে সাধারণ জখম (simple hurt) করার সর্বনিম্ন শাস্তি কী?
  1. ১ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  2. ২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ১১(গ) অনুসারে, যৌতুকের জন্য কোন নারীকে সাধারণ জখম (simple hurt) করার শাস্তি নিম্নরূপ: "(গ) সাধারণ জখম (simple hurt) করার জন্য অনধিক পাঁচ বৎসর কিন্তু অন্যূন দুই বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।"
এর অর্থ হলো:
- সর্বনিম্ন শাস্তি: ২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
- সর্বোচ্চ শাস্তি: ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
অতিরিক্ত: অর্থদণ্ড। 
--------
⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ১১-যৌতুকের জন্য মৃত্যু ঘটানো, ইত্যাদির শাস্তি:
যদি কোন নারীর স্বামী অথবা স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা স্বামীর পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি যৌতুকের জন্য উক্ত নারীর মৃত্যু ঘটান বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা করেন কিংবা উক্ত নারীকে মারাত্মক জখম (grievous hurt) করেন বা সাধারণ জখম (simple hurt) করেন তাহা হইলে উক্ত স্বামী, স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা ব্যক্তি-
(ক) মৃত্যু ঘটানোর জন্য মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;(
কক) মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টার জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে বা অনধিক বার বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;
(খ) মারাত্মক জখম (grievous hurt) করার জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অনধিক বার বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;
(গ) সাধারণ জখম (simple hurt) করার জন্য অনধিক পাঁচ বৎসর কিন্তু অন্যূন দুই বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

১,২৮৪.
আপিলযোগ্য আদেশের ক্ষেত্রে আপিল চূড়ান্ত হওয়ার তারিখ হতে _________ নিবন্ধনের উদ্দেশ্যে আদেশের কপি দাখিল করা যাবে।
  1. ১ মাসের মধ্যে
  2. ৩ মাসের মধ্যে
  3. ৪ মাসের মধ্যে
  4. ৬ মাসের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
৩ মাসের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মাসের মধ্যে
ব্যাখ্যা

• The Registration Act,1908 এর ধারা ২৩: দলিল দাখিলকরণের সময়:
ধারা ২৪, ২৫ এবং ২৬ এর বিধানাবলি সাপেক্ষে, উইল ব্যতীত অন্য কোন দলিল যদি উহা সম্পাদনের তারিখ হইতে তিন মাসের মধ্যে উপযুক্ত কর্মকর্তার নিকট নিবন্ধনের উদ্দেশ্যে দাখিল করা না হয়, তাহা হইলে উহা নিবন্ধনের জন্য গৃহীত হইবে না:

তবে শর্ত থাকে যে, ডিক্রি বা আদেশের নকল, ডিক্রি বা আদেশ দানের তারিখ হইতে তিন মাসের মধ্যে, বা, যেক্ষেত্রে উহা আপিলযোগ্য, সেইক্ষেত্রে আপিল চূড়ান্ত হওয়ার তারিখ হইতে তিন মাসের মধ্যে দাখিল করা যাইবে।

Section 23. Time for presenting documents:
Subject to the provisions contained in sections 24, 25 and 26, no document other than a will shall be accepted for registration unless presented for that purpose to the proper officer within 19[three months] from the date of its execution: 

Provided that a copy of a decree or order may be presented within three months from the day on which the decree or order was made, or, where it is appealable, within three months from the day on which it becomes final.

১,২৮৫.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অনুযায়ী কোনো নারীর আত্মহত্যায় প্ররোচনাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি কি?
  1. ৭ বছর কারাদণ্ড
  2. ১,০০,০০০ টাকা অর্থদণ্ড
  3. ১০ বছর কারাদণ্ড
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
১০ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ৯ক- নারীর আত্মহত্যায় প্ররোচনা, ইত্যাদির শাস্তি

কোন নারীর সম্মতি ছাড়া বা ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোন ব্যক্তির ইচ্ছাকৃত (Wilful) কোন কার্য দ্বারা সম্ভ্রমহানি হইবার প্রত্যক্ষ কারণে কোন নারী আত্মহত্যা করিলে উক্ত ব্যক্তি উক্ত নারীকে অনুরূপ কার্য দ্বারা আত্মহত্যা করিতে প্ররোচিত করিবার অপরাধে অপরাধী হইবেন এবং উক্ত অপরাধের জন্য তিনি অনধিক দশ বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
১,২৮৬.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ১৯ অনুযায়ী, কমিশন সাক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য কী করতে পারবে?
  1. পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া
  2. আদালতে হাজির করার নোটিশ জারি
  3. সাক্ষীর লিখিত বিবৃতি নেওয়া
  4. আদালতকে অনুরোধ করা
সঠিক উত্তর:
আদালতে হাজির করার নোটিশ জারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতে হাজির করার নোটিশ জারি
ব্যাখ্যা

দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ১৯ – অনুসন্ধান বা তদন্তকার্যে কমিশনের বিশেষ ক্ষমতা:
(১) দুর্নীতি সম্পর্কিত কোন অভিযোগের অনুসন্ধান বা তদন্তের ক্ষেত্রে, কমিশনের নিম্নরূপ ক্ষমতা থাকিবে, যথা:- 
(ক) সাক্ষীর প্রতি নোটিশ জারী ও উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ এবং সাক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা; 
(খ) কোন দলিল উদ্‌ঘাটন এবং উপস্থাপন করা; 
(গ) সাক্ষ্য গ্রহণ;
(ঘ) কোন আদালত বা অফিস হইতে পাবলিক রেকর্ড বা উহার অনুলিপি তলব করা;
(ঙ) সাক্ষীর জিজ্ঞাসাবাদ এবং দলিল পরীক্ষা করার জন্য নোটিশ জারী করা; এবং 
(চ) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নির্ধারিত অন্য যে কোন বিষয়৷ 
 
(২) কমিশন, যে কোন ব্যক্তিকে অনুসন্ধান বা তদন্ত সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কোন তথ্য সরবরাহ করিবার জন্য নির্দেশ দিতে পারিবে এবং অনুরূপভাবে নির্দেশিত ব্যক্তি তাহার হেফাজতে রক্ষিত উক্ত তথ্য সরবরাহ করিতে বাধ্য থাকিবেন৷ 
 
(৩) কোন কমিশনার বা কমিশন হইতে বৈধ ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তাকে উপ-ধারা (১) এর অধীন ক্ষমতা প্রয়োগে কোন ব্যক্তি বাধা প্রদান করিলে বা উক্ত উপ-ধারার অধীন প্রদত্ত কোন নির্দেশ ইচ্ছাকৃতভাবে কোন ব্যক্তি অমান্য করিলে উহা দণ্ডনীয় অপরাধ হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অনূর্ধ্ব ৩ (তিন) বত্সর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে বা অর্থদণ্ডে বা উভয় প্রকার দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷

১,২৮৭.
দায়ভাগ মতবাদ নিম্নলিখিত কোন এলাকায় প্রযোজ্য?
  1. বাংলাদেশ
  2. ভারতের পশ্চিমবঙ্গ
  3. পশ্চিমবঙ্গ ব্যতীত ভারতের অন্যান্য অংশে
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
• হিন্দু আইন হিন্দুদের ধর্মীয় এবং ব্যক্তিগত আইন। এ আইন যারা জন্মসূত্রে হিন্দু, হিন্দু ধর্মে দীক্ষিত, হিন্দু পিতা মাতার অবৈধ সন্তান এবং যে ক্ষেত্রে পিতা খ্রীষ্টান এবং মাতা হিন্দু সেই ক্ষেত্রে অবৈধ সন্তান যদি মায়ের কাছে হিন্দু আচার অনুযায়ী লালিত পালিত হয়, তবে এসব ক্ষেত্রে হিন্দু আইন প্রযোজ্য।

বাংলাদেশ, ভারত এবং পাকিস্তানে হিন্দুদের মধ্যে দু’ধরনের উত্তরাধিকার পদ্ধতি চালু রয়েছে। যথা-
১- দায়ভাগ পদ্ধতি এবং
২- মিতাক্ষরা পদ্ধতি।

দায়ভাগ পদ্ধতি বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আসামে প্রচলিত আছে। ভারতের অন্যান্য প্রদেশ এবং পাকিস্তানে মিতাক্ষরা পদ্ধতি প্রযোজ্য হয়ে থাকে। যদিও বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গে দায়ভাগ মতবাদ প্রযোজ্য, কিন্তু যে সকল ক্ষেত্রে দায়ভাগ এবং মিতাক্ষরার মধ্যে কোন বিরোধ নেই, সেই সকল ক্ষেত্রে এই অঞ্চলেও মিতাক্ষর মতবাদ প্রয়োগ করা হয়।
১,২৮৮.
একটি বিক্রয় চুক্তি সম্পাদনের কত দিনের মধ্যে রেজিস্ট্রেশনের জন্য উপস্থাপন করতে হয়?
  1. ৩০
  2. ৬০
  3. ৯০
  4. ১২০
সঠিক উত্তর:
৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০
ব্যাখ্যা

ধারা ১৭ক- বিক্রয় চুক্তি, ইত্যাদির নিবন্ধন:

(১) এই আইন বা আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যে কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের চুক্তিপত্র লিখিত হইতে হইবে, তৎসঙ্গে উহা সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ কর্তৃক সম্পাদিত ও নিবন্ধিত হইতে হইবে।

(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত বিক্রয়-চুক্তি, সম্পাদনের তারিখ হইতে ৬০ দিনের মধ্যে নিবন্ধনের জন্য দাখিল করিতে হইবে এবং এইক্ষেত্রে দলিল নিবন্ধনের বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে।

Section 17A- Registration of contract for sale, etc:
(1) Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act or any other law for the time being in force, a contract for sale of any immovable property shall be in writing, executed by the parties thereto and registered. 
 
(2) A contract for sale referred to in sub-section (1) shall be presented for registration within sixty days from the date of execution of the contract and the provisions regarding registration of instruments shall apply.

১,২৮৯.
মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে সম্পত্তি বণ্টনের সঠিক ক্রম কোনটি?
  1. ঋণ → ওয়ারিসদের অংশ → অসিয়াত
  2. ঋণ → অসিয়াত → ওয়ারিসদের অংশ
  3. অসিয়াত → ঋণ → ওয়ারিসদের অংশ
  4. ওয়ারিসদের অংশ → ঋণ → অসিয়াত
সঠিক উত্তর:
ঋণ → অসিয়াত → ওয়ারিসদের অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঋণ → অসিয়াত → ওয়ারিসদের অংশ
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঋণ → অসিয়াত → ওয়ারিসদের অংশ।
⇒ প্রথমে ঋণ পরিশোধ করতে হবে, তারপর অসিয়াত (যা সর্বোচ্চ ১/৩ পর্যন্ত) কার্যকর করতে হবে, তারপর অবশিষ্ট সম্পত্তি ওয়ারিসদের মধ্যে বণ্টন করতে হবে।

⇒ মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে সম্পত্তি বণ্টনের সঠিক ক্রম নিম্নরূপ:
১) প্রথমে ঋণ পরিশোধ: মৃত ব্যক্তির সকল ঋণ (দেনা) প্রথমে পরিশোধ করতে হবে। এতে ব্যক্তিগত ঋণ, দেনমোহর ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত।
২) তারপর অসিয়ত (উইল) কার্যকর: ঋণ পরিশোধের পর অসিয়ত অনুযায়ী সর্বোচ্চ ১/৩ সম্পত্তি বণ্টন করা যায় (শর্তসাপেক্ষে)। অসিয়ত শুধুমাত্র অ-ওয়ারিসদের জন্য প্রযোজ্য।
৩) সর্বশেষ ওয়ারিসদের অংশ: অবশিষ্ট সম্পত্তি কোরআন-সুন্নাহর বিধান অনুযায়ী ওয়ারিসদের মধ্যে বণ্টিত হবে।

উল্লেখ্য যে, অসিয়ত ওয়ারিসদের ক্ষতি করে না (অসিয়তের মাধ্যমে ওয়ারিসদের বঞ্চিত করা নিষিদ্ধ)। যদি ঋণ বা অসিয়ত সম্পত্তির সমস্ত অংশ নিয়ে যায়, তবে ওয়ারিসরা কিছুই পাবেন না।

উদাহরণ:
মৃত ব্যক্তির ১ লক্ষ টাকা সম্পত্তি, ২০,০০০ টাকা ঋণ ও ১০,০০০ টাকা অসিয়ত থাকলে:
- প্রথমে ২০,০০০ টাকা ঋণ পরিশোধ → অবশিষ্ট ৮০,০০০ টাকা।
- তারপর ১০,০০০ টাকা অসিয়ত দেওয়া → অবশিষ্ট ৭০,০০০ টাকা।
- শেষে ৭০,০০০ টাকা ওয়ারিসদের মধ্যে বণ্টন।

সুতরাং, সঠিক উত্তর খ) ঋণ → অসিয়াত → ওয়ারিসদের অংশ।

১,২৯০.
উত্তরকালীন অসম্ভবতা (supervening impossibility) এর ক্ষেত্রে নিম্নের কোন শর্তটি প্রযোজ্য নয়?
  1. চুক্তি করার সময় চুক্তি পালন সম্ভব ছিল
  2. চুক্তি পরবর্তী কার্যসম্পাদন অসম্ভব হয়
  3. অসম্ভবতা অঙ্গীকারকারীর অবহেলার কারণে হয়
  4. অসম্ভবতা প্রাকৃতিক বা রাষ্ট্রীয় কারণে হয়
সঠিক উত্তর:
অসম্ভবতা অঙ্গীকারকারীর অবহেলার কারণে হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অসম্ভবতা অঙ্গীকারকারীর অবহেলার কারণে হয়
ব্যাখ্যা
• চুক্তি করার পর কোন ঘটনা দ্বারা চুক্তি পালন করা অসম্ভব হয়ে পড়লে তাকে উত্তরকালীন অসম্ভবতা (Supervening impossibility) বলে। পরবর্তীকালে কোন ঘটনা দ্বারা চুক্তি পালন করা অসম্ভব হয়ে পড়লে চুক্তির পরিসমাপ্তি ঘটে। চুক্তি সৃষ্টির সময় যা করা সম্ভব ছিল পরবর্তীকালে কোন অপ্রত্যাশিত ঘটনার জন্য তা যদি অসম্ভব হয়ে পড়ে এরূপ ঘটনাকে উত্তরকালীন অসম্ভবতা (Supervening impossibility) বলে। তাই অসম্ভবতা অঙ্গীকারবদ্ধকারীর অবহেলার কারণে হয় এই শর্তটি Supervening impossibility এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

চুক্তি আইনের ৫৬ ধারার ১ম অংশে বলা হয়েছে, যে কাজ এর প্রকৃতির জন্য করা অসম্ভব সে কাজ করার সম্মতি বাতিল। উদাহরণ-ক খ-এর সাথে যাদু বলে ধন আবিষ্কার করতে সম্মত হন। সম্মতিটি বাতিল। কারণ, যাদু বলে ধন আবিষ্কার সম্ভব নয়।

উদাহরণ- ১
রোকেয়া বেগম একটি জন্মদিনের অনুষ্ঠান করার জন্য সাদমান মুশরিফাতের কাছ থেকে ৫০০০ টাকা দিয়ে এক দিনের জন্য একটি ঘর ভাড়া করলো। জন্মদিনের অনুষ্ঠানের আগের দিন ঘরটি আগুনে পুড়ে গেলো।উত্তরকালীনঅসম্ভবতার কারণে রোকেয়া বেগম এবং সাদমান মুশরিফাতের মধ্যকার চুক্তিটি পরিসমাপ্তি হয়ে গেলো।এই চুক্তির জন্য সাদমান মুশরিফাত দায়ী থাকবে না।
১,২৯১.
'হিন্দু বিবাহ নিবন্ধকগণের উপর মহাপরিদর্শক, নিবন্ধন এর সাধারণ তত্ত্বাবধানের ক্ষমতা থাকিবে' হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ অনুযায়ী এই উদ্দেশ্য পূরণকল্পে “মহাপরিদর্শক” অর্থ কোন আইনের অধীন নিযুক্ত মহাপরিদর্শকে বুঝাবে?
  1. হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২
  2. মুসলিম বিবাহ ও তালাক (রেজিষ্ট্রীকরণ) আইন, ১ঌ৭৪
  3. রেজিস্ট্রেশন আইন ১ঌ০৮
  4. হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন বিধিমালা, ২০১৩
সঠিক উত্তর:
রেজিস্ট্রেশন আইন ১ঌ০৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেজিস্ট্রেশন আইন ১ঌ০৮
ব্যাখ্যা
হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ এর ১৩  ধারার বিধান তত্ত্বাবধান, নিয়ন্ত্রণ, ইত্যাদি:

(১) প্রত্যেক হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা রেজিস্ট্রারের তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণে থাকিয়া তাহার দাপ্তরিক ও অর্পিত দায়িত্ব সম্পন্ন করিবেন।
 
(২) হিন্দু বিবাহ নিবন্ধকগণের উপর মহাপরিদর্শক, নিবন্ধন এর সাধারণ তত্ত্বাবধানের ক্ষমতা থাকিবে।
 
(৩) জেলা রেজিস্ট্রার তাহার স্থানীয় অধিক্ষেত্র এলাকায় যে কোন সময় যে কোন হিন্দু বিবাহ নিবন্ধকের কার্যালয় পরিদর্শন করিতে পারিবেন।
 
ব্যাখ্যাঃ এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে “মহাপরিদর্শক” অর্থ Registration Act, 1908 এর অধীন নিযুক্ত মহাপরিদর্শক নিবন্ধন, বা তদকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তা।
১,২৯২.
জারজ সন্তান মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে কী অবস্থায় থাকে?
  1. বৈধ উত্তরাধিকারী 
  2. আংশিক উত্তরাধিকারী
  3. উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত
  4. আদালতের অনুমতির উপর নির্ভর করে 
সঠিক উত্তর:
উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম উত্তরাধিকার আইন (ফিকহ) অনুযায়ী, জারজ সন্তান বা অবৈধ সম্পর্ক থেকে জন্মগ্রহণকারী সন্তান তার পিতা বা পিতার আত্মীয়দের কাছ থেকে কোন উত্তরাধিকার পায় না। এর প্রধান কারণ হলো:
১. বংশধারা স্বীকৃতি: মুসলিম আইনে বংশধারা কেবল বৈধ বিবাহের মাধ্যমেই প্রতিষ্ঠিত হয়। জারজ সন্তানের সাথে তার জৈবিক পিতার কোনো আইনি পিতৃত্বের সম্পর্ক থাকে না।
২. হাদিসের নির্দেশনা: ইসলামি শরিয়তে জারজ সন্তানের উত্তরাধিকার অস্বীকার করা হয়েছে।
৩. মাতার কাছ থেকে উত্তরাধিকার: তবে উল্লেখ্য, কিছু ফিকহি মতে জারজ সন্তান তার মাতা এবং মাতার আত্মীয়দের কাছ থেকে উত্তরাধিকার পেতে পারে, কারণ মাতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয় জন্মের মাধ্যমে। কিন্তু পৈতৃক দিক থেকে সে সম্পূর্ণরূপে বঞ্চিত।
৪. শাস্তিমূলক দিক: এই বিধান অবৈধ যৌন সম্পর্ক নিরুৎসাহিত করার একটি আইনি ব্যবস্থা হিসেবে বিবেচিত।
- অতএব, প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে "উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত"-ই সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ উত্তর।

১,২৯৩.
জমির মালিকানা নিয়ে প্রশ্ন জড়িত থাকলে তার প্রতিকার ও খতিয়ান সংশোধনের আদেশ কে দিতে পারেন?
  1. সহকারী কমিশনার (ভূমি)
  2. দেওয়ানী আদালত
  3. ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল
  4. সেটেলমেন্ট অফিসার
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানী আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানী আদালত
ব্যাখ্যা
- The State Acquisition and Tinancy Act, 1950 এর ১৪৫ক ধারার   সরকার সুপ্রিম কোর্টের সাথে পরামর্শক্রমে যুগ্ম জেলা জজদের মধ্য হতে ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিয়োগ করবেন।
এভাবে বিচারক নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত সরকার যুগ্ম জেলা জজদের ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের বিচারকাজের ক্ষমতা দিতে পারবে। (উপধারা- ৩ক)
এরূপভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত যুগ্ম জেলা জজ ট্রাইব্যুনালের নিয়োগপ্রাপ্ত বিচারক হিসেবে গণ্য হবেন। (উপধারা- ৩খ) 
এ ছাড়া ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল থেকে স্থানান্তরিত মামলা নিষ্পত্তির জন্য সরকার এক বা একাধিক সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজকে ট্রাইব্যুনালের বিচারক হিসেবে নিয়োগ বা ক্ষমতা দিতে পারবে। (উপধারা- ৩গ)

- মালিকানার প্রশ্ন এবং খতিয়ান সংশোধনের উদ্দেশ্যে দেওয়ানী আদালতে The Specific Relief Act, 1877'র ৪২ ধারার অধীনে মালিকানা তথা স্বত্বের ঘোষণা কিংবা ঐ সম্পত্তিতে দখলের অধিকার আছে মর্মে ঘোষণার মামলায় ডিক্রি প্রাপ্ত হয়ে উক্ত ডিক্রি বলে SAT Act, 1950'র ৫৪ ধারানুসারে খতিয়ানের ভুল সংশোধন করে নেওয়া হয়।
১,২৯৪.
একজন অকৃষি প্রজা কোন উদ্দেশ্যে জমি ব্যবহার করতে পারেন না?
  1. ব্যবসায়িক কাজে
  2. ধর্মীয় উদ্দেশ্যে
  3. চা চাষের উদ্দেশ্যে
  4. আবাসিক উদ্দেশ্যে
সঠিক উত্তর:
চা চাষের উদ্দেশ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চা চাষের উদ্দেশ্যে
ব্যাখ্যা
The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 ধারা ৪: অকৃষি প্রজা যে সকল উদ্দেশ্যে অকৃষি জমি ব্যবহার করতে পারেন-
(ক) গৃহস্থালি বা আবাসিক উদ্দেশ্যে;
(খ) শিল্প বা ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে;
(গ) ধর্মীয় বা অন্যান্য উদ্দেশ্যে।

⇒ 'চা চাষ' কৃষি কাজের (agricultural) অন্তর্গত, তাই এটি অকৃষি প্রজার জমি ব্যবহারের বৈধ উদ্দেশ্য নয়।
১,২৯৫.
কৃষি কার্য বা শিল্প উৎপাদন ব্যতীত অন্য কোন উদ্দেশ্যে স্থাবর সম্পত্তির ইজারা হলে যে কোন পক্ষ কর্তৃক ইজারার মাসের শেষ দিন হতে _______ পূর্বে দেওয়া নোটিশ মূলে বাতিলযোগ্য।
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ২১ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা
• সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১০৬ ধারা- লিখিত চুক্তি বা স্থানীয় রীতির অবর্তমানে কতিপয় ইজারার মেয়াদ:

কৃষি কার্য বা শিল্প উৎপাদনের জন্য স্থাবর সম্পত্তির ইজারা হলে তা বছর হতে বছরের ইজারা হিসেবে গণ্য করা হবে এবং এই ইজারাদাতা ও গ্রহীতার মধ্যে যে কোন পক্ষ কর্তৃক ইজারার বছরের শেষ দিন হতে ৬ মাস পূর্বে দেওয়া নোটিশ মূলে সমাপ্তিযোগ্য।

অন্য কোন উদ্দেশ্যে স্থাবর সম্পত্তির ইজারা হলে তা মাস হতে মাসের ইজারা হিসেবে গণ্য হবে এবং তা ইজারাদাতা ও গ্রহীতার মধ্যে যে কোন পক্ষ কর্তৃক ইজারার মাসের শেষ দিন হতে ১৫ দিন পূর্বে দেওয়া নোটিশ মূলে বাতিলযোগ্য।

এই ধারার আওতায় প্রত্যেকটি নোটিশ অবশ্যই লিখিত এবং নোটিশ দাতা বা তার পক্ষ হতে স্বাক্ষরিত হতে হবে এবং এই নোটিশ ডাকযোগে বা অর্পণের মাধ্যমে বা ব্যক্তিগত ভাবে প্রদান করতে হবে অথবা তার পরিবারের কোন সদস্যকে বা তার বাসভবনের কোন কর্মচারীকে তা প্রদান করতে হবে। অথবা যদি এরূপ সম্ভব না হয় তাহলে সম্পত্তির প্রকাশ্য স্থানে লটকিয়ে দিতে হবে।

Section 106- Duration of certain leases in absence of written contract or local usage:

In the absence of a contract or local law or usage to the contrary, a lease of immoveable property for agricultural or manufacturing purposes shall be deemed to be a lease from year to year, terminable, on the part of either lessor or lessee, by six months' notice expiring with the end of a year of the tenancy; and a lease of immoveable property for any other purpose shall be deemed to be a lease from month to month, terminable, on the part of either lessor or lessee, by fifteen days' notice expiring with the end of a month of the tenancy. 
 
Every notice under this section must be in writing signed by or on behalf of the person giving it, and either be sent by post to the party who is intended to be bound by it or be tendered or delivered personally to such party, or to one of his family or servants at his residence, or (if such tender or delivery is not practicable) affixed to a conspicuous part of the property.
১,২৯৬.
The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 এর ২৪ ধারা অনুসারে pre-emption-এর ক্ষেত্রে উক্ত আইনের ২৩ ধারার নোটিশ জারির কতদিনের ভিতর আদালতে মামলা দায়ের কত হবে?
  1. দুই মাস
  2. তিন মাস
  3. চার মাস
  4. ছয় মাস
সঠিক উত্তর:
চার মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চার মাস
ব্যাখ্যা
• The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 এর ধারা ২৪ এর অধীন অকৃষি ভূমির ক্ষেত্রে অগ্রক্রয়ের আবেদন করা হয়-

আবেদন করতে পারবে:
কোন প্রজা অ-কৃষি জমির অংশ/শেয়ার হস্তান্তর/বিক্রয় করলে, ঐ জমির এক বা একাধিক সহ-অংশীদার [co-sharer] ঐ জমির অংশ/শেয়ার হস্তান্তর/ক্রয় করতে আবেদন করতে পারবে।

আবেদনের সময়সীমা:
১. নোটিশ প্রদান করা হলে- নোটিশ জারি/প্রদানের তারিখ হইতে ৪ মাসের মধ্যে।
২. নোটিশ প্রদান করা না হলে- হস্তান্তর/বিক্রয় সম্পর্কে অবগত হওয়ার ৪ মাসের মধ্যে।
১,২৯৭.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর কত ধারায় একই গ্রামে রায়তের জোতের সংযুক্তকরণ বিধান আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ১১৬ ধারা
  2. ১১৭ ধারা
  3. ১১৮ ধারা
  4. ১১৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
১১৬ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৬ ধারা
ব্যাখ্যা
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১১৬ ধারার বিধান একই গ্রামে প্রজার জোতের সংযুক্তকরণ:
-একই গ্রামের মধ্যে একই প্রজার যদি পৃথক একাধিক ভূখণ্ড থাকে, তবে উক্ত ভূখণ্ডগুলি কিংবা উহার কতিপয় যদি পৃথক প্রজাস্বত্বের অধীন হয়, তবে উক্ত ভূখণ্ডগুলি রাজস্ব কর্মকর্তার আদেশক্রমে একই প্রজাস্বত্বে সংযুক্ত করা যাইবে।
----------
Section 116. Amalgamation of holdings of a tenant in the same village:
- Where various parcels of land are held by one tenant within one village, and such parcels of land or some of them are the subject of separate tenancies, such parcels of land shall, under the orders of the Revenue-officer, be amalgamated into one tenancy.
১,২৯৮.
‘ইজমা’ শব্দের অর্থ কী?
  1. মতভেদ
  2. যুক্তি প্রদান
  3. চুক্তি ভঙ্গ
  4. ঐকমত্যে পৌঁছা
সঠিক উত্তর:
ঐকমত্যে পৌঁছা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঐকমত্যে পৌঁছা
ব্যাখ্যা
⇒ মুসলিম আইনের উৎস প্রধানত ৪টি-
১. পবিত্র কোরআন;
২. হাদিস;
৩. ইজমা;
৪. কিয়াস।

⇒ অন্যান্য উৎসগুলো হলো-
ক. ইসতিহসান [Istihsan];
খ. ইসতিসলাহ [Istislah];
গ. ইসতিদলাল;
ঘ. ইজতিহাদ;
ঙ. তকলিদ।

ইজমা:
‘ইজমা’ আরবি শব্দ। এর অর্থ ঐকমত্যে পৌঁছা। কোরআন হাদিসের মৌলিক বিষয়কে সামনে রেখে নতুন কোনো বিষয়ের ব্যাপারে ঐকমত্যে পৌঁছার নাম ইজমা। সুতরাং রাসুল (সা.)-এর ইন্তেকালের পর মুসলিম সমাজে শরিয়াহর কোনো বিধান সম্পর্কে কোনো নির্দিষ্ট সময়ে মুজতাহিদদের মধ্যে সম্পাদিত সর্বসম্মত চুক্তির নাম ইজমা। উদাহরণস্বরূপ ‘নবী করিম (সা.) আমল অনুসরণে স্থিরীকৃত ইজমার ভিত্তিতে বাই আল-মুজাইয়াদাহ বৈধ বলে স্বীকৃত। বাই আল-মুজাইয়াদাহ হলো পণ্যের বিক্রেতা কর্তৃক ক্রেতার চাহিদা অনুযায়ী বাজারে সরবরাহ, যা ক্রেতা প্রতিযোগিতামূলক সর্বোচ্চ মূল্যে ক্রয় করবে। যে ক্রেতা সর্বোচ্চ মূল্য পরিশোধ করতে রাজি হয়, বিক্রেতা তার কাছে পণ্য হস্তান্তরের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।’
১,২৯৯.
What is the maximum punishment for violating a curfew order under Section 24 of The Special Powers Act, 1974?
  1. 6 months imprisonment
  2. 1 year imprisonment
  3. 2 years imprisonment
  4. 3 years imprisonment
সঠিক উত্তর:
1 year imprisonment
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1 year imprisonment
ব্যাখ্যা
Correct Answer: খ) 1 year imprisonment.

• বিশেষ ক্ষমতা আইন,১৯৭৪: ধারা ২৪: সান্ধ্য আইন:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন এলাকায় পুলিশ কমিশনার সান্ধ্য আইন [Curfew] জারি করতে পারে। উক্ত কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ছাড়া সান্ধ্য আইন এর আদেশে নির্ধারিত কোন এলাকা বা এলাকাসমূহের মধ্যে এবং নির্ধারিত সময়ের ভিতর কোন ব্যক্তি উপস্থিত থাকতে পারবে না। যদি কেউ এই আদেশ ভঙ্গ করে তাহলে সে ১ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে বা জরিমানাসহ বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে।

Section 24: Curfew:
(1) The District Magistrate or the Police Commissioner in a Metropolitan Area may, subject to the control of the Government, by order direct that, subject to any exemption specified in the order, no person present within any area or areas specified in the order shall, between such hours as may be specified in the order, be out of doors except under the authority of a written permit granted by a specified authority or person.

(2) If any person contravenes any order made under this section, he shall be punishable with imprisonment for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.
১,৩০০.
শিশু আইন, ২০১৩ এর অধীনে 'সুবিধাবঞ্চিত শিশু' এর সংজ্ঞা কোন ধারায় দেওয়া আছে?
  1. ধারা ৮৪
  2. ধারা ৮৫
  3. ধারা ৮৯
  4. ধারা ৯২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮৯
ব্যাখ্যা

⇒ শিশু আইন, ২০১৩-এর অধীনে 'সুবিধাবঞ্চিত শিশু' এর সংজ্ঞা ধারা ৮৯-এ দেওয়া আছে।
- ধারা ৮৯(১): এই ধারায় 'সুবিধাবঞ্চিত শিশু' হিসেবে বিভিন্ন শ্রেণির শিশুদের তালিকা দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে:
→ মাতা-পিতার একজন বা উভয়ের মৃত্যুবরণকারী শিশু।
→ আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবকহীন শিশু।
→ গৃহহীন বা জীবনধারণের অবলম্বনহীন শিশু।
→ ভিক্ষাবৃত্তি বা শিশুর মঙ্গলের পরিপন্থী কাজে লিপ্ত শিশু।
→ যৌন নির্যাতন বা হয়রানির শিকার শিশু।
→ প্রতিবন্ধী শিশু, মাদকাসক্ত শিশু, অসৎ সঙ্গে পতিত শিশু, বস্তিবাসী শিশু, রাস্তায় বসবাসকারী শিশু, হিজড়া শিশু, বেদে ও হরিজন শিশু, এইচআইভি-এইডসে আক্রান্ত বা ক্ষতিগ্রস্ত শিশু, এবং শিশু-আদালত বা বোর্ড কর্তৃক বিশেষ সুরক্ষা প্রয়োজন বলে বিবেচিত শিশু।
ধারা ৮৯(২): সরকার সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের বিশেষ সুরক্ষা, যত্ন-পরিচর্যা, এবং উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে।
------
⇒ শিশু আইন, ২০১৩-এর ৮৯ ধারা সুবিধাবঞ্চিত শিশু:
(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নিম্নবর্ণিত শিশুগণ সুবিধাবঞ্চিত শিশু হিসাবে গণ্য হইবে, যথা:-
(ক) যে শিশুর মাতা-পিতার যেকোন একজন বা উভয় মৃত্যুবরণ করিয়াছে;
(খ) আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবকহীন শিশু;
(গ) নির্দিষ্ট কোন গৃহ বা আবাসস্থলহীন এবং জীবনধারণের জন্য দৃশ্যমান অবলম্বনহীন কোন শিশু;
(ঘ) ভিক্ষাবৃত্তি বা শিশুর মঙ্গলের পরিপন্থী কোন কার্যে লিপ্ত শিশু;
(ঙ) কারাভোগরত মাতা-পিতার ওপর নির্ভরশীল বা কারাভোগরত মাতার সহিত কারাগারে অবস্থানরত শিশু;
(চ) যৌন নির্যাতন বা হয়রানির শিকার শিশু;
(ছ) যৌনবৃত্তি বা সমাজবিরোধী বা রাষ্ট্রবিরোধী কার্যে নিয়োজিত কোন ব্যক্তি বা অপরাধীর বাসস্থান বা কর্মস্থলে অবস্থানকারী বা গমনাগমনকারী শিশু; 
(জ) যে কোন ধরনের প্রতিবন্ধী শিশু; 
(ঝ) মাদক বা অন্য কোন কারণে অস্বাভাবিক আচরণগত সমস্যাযুক্ত শিশু; 
(ঞ) অসৎ সঙ্গে পতিত বা নৈতিক অবক্ষয়ের সম্মুখীন হইতে পারে অথবা অপরাধ জগতে প্রবেশের ঝুঁকির সম্মুখীন শিশু; 
(ট) বস্তিতে বসবাসকারী শিশু; 
(ঠ) রাস্তা-ঘাটে বসবাসকারী গৃহহীন শিশু; 
(ড) হিজড়া শিশু; 
(ঢ) বেদে ও হরিজন শিশু; 
(ণ) এইচআইভি-এইড্‌স এ আক্রান্ত (infected) বা ক্ষতিগ্রস্ত (affected) শিশু; অথবা 
(ত) শিশু-আদালত বা বোর্ড কর্তৃক বিবেচিত কোন শিশু, যাহার বিশেষ সুরক্ষা, যত্ন-পরিচর্যা ও উন্নয়ন নিশ্চিত করা প্রয়োজন। 
(২) সরকার সুবিধাবঞ্চিত শিশুর বিশেষ সুরক্ষা, যত্ন-পরিচর্যা ও উন্নয়ন নিশ্চিত করিবার লক্ষ্যে, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করিতে পারিবে।