বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বিজেএস-এর জন্য অতিরিক্ত আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন২,৯৬৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বিজেএস-এর জন্য অতিরিক্ত আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ২২ / ৩০ · ২,১০১২,২০০ / ২,৯৬৪

২,১০১.
The Special Powers Act, 1974 অনুযায়ী ভেজাল খাদ্য প্রস্তুত ও বিক্রয়ের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. মৃত্যুদণ্ড
  3. ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইনে ২৫গ বাধার বিধান: ভেজাল দেওয়া বা ভেজাল খাদ্য, পানীয়, ঔষধ বা প্রসাধনী বিক্রয় করার শাস্তি:
এখানে ভেজাল খাদ্য প্রস্তুত ও বিক্রয়ের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড এর বিধান রয়েছে।

⇒ The Special Powers Act, 1974 Section-25C. Penalty for adulteration of, or sale of adulterated food, drink, drugs or cosmetics:
(1) Whoever-
(a) adulterates any article of food or drink, so as to make such article noxious as food or drink, intending to sell such article as food or drink, or knowing it to be likely that the same will be sold as food or drink; or
(b) sells, or offers or exposes for sale, as food or drink, any article which has been rendered or has become noxious, or is in a state unfit for food or drink, knowing or having reason to believe that the same is noxious as food or drink; or
(c) adulterates any drug or medical preparation in such a manner as to lessen the efficacy or change the operation of such drug or medical preparation, or to make it noxious, intending that it shall be sold or used for, or knowing it to be likely that it will be sold or used for, any medical purpose, as if it had not undergone such adulteration; or
(d) knowing any drug or medical preparation to have been adulterated is such a manner as to lessen its efficacy, to change its operation, or to render it noxious, sells the same, or offers or exposes it for sale, or issues it from any dispensary for medical purposes as unadulterated, or causes it to be used for medical purposes by any person not knowing of the adulteration; or
(e) knowingly sells, or offers or exposes for sale, or issues from a dispensary for medical purposes, any drug or medical preparation, as a different drug or medical preparation,
shall be punishable with death, or with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term which may extend to fourteen years, and shall also be liable to fine.

(2) Whoever-
(a) adulterates any hair oil, toilet soap or other cosmetic in such a manner as to make it harmful to hair, skin,
complexion or any part of the body, intending that it shall be sold or used for, or knowing it to be likely that it will be sold or used for, any cosmetic purpose; or
(b) knowing any hair oil, toilet soap or other cosmetic to have been adulterated in such a manner as to make it harmful to hair, skin, complexion or any part of the body, sells the same, or offers or exposes it for sale, as adulterated,
 shall be punishable with rigorous imprisonment for a term which may extend to five years, and shall also be liable to fine.
২,১০২.
কোন আইন পূর্ববর্তী আইনকে বাতিল করে প্রণীত হলে পূর্ববর্তী বাতিলকৃত আইনের কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ কোনো সুবিধা ভোগ করলে সেই সুবিধা-
  1. অকার্যকর হয়ে যাবে
  2. যথাযথভাবে ফেরত দিতে হবে
  3. ক্ষুণ্ণ হবে না
  4. যথাযথভাবে ফেরত দিতে হবে না, কিন্তু চলমান থাকবে না
ব্যাখ্যা
⇒ জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের ৬ ধারায় বলা আছে- যখন কোনো আইন বা প্রবিধি অন্য কোনো আইনকে রহিত করে তখন:

১. রহিতকরণ আইন  রহিত হওয়ার সময় কার্যকর ছিল না বা অস্তিত্ব ছিল না এরূপ কোনো আইনকে পুনর্জীবিত করবে না।
২. রহিত হয়ে যাওয়া কোনো আইন [Repealed Act]-এর অধীনে যথাযথভাবে কৃত ব্য ব্যাহত কোনো কিছুকে রহিতকরণ আইন [Repealing Act] ক্ষুণ্ণ করবে না।
৩. রহিত কোনো আইনের অধীনে অর্জিত বা প্রাপ্ত কোনো অধিকার, বাধ্যবাধকতা বা দায়কে রহিতকরণ আইন [Repealing Act] ক্ষুণ্ণ করবে না।
৪. রহিত আইনের অধীনে কৃত কোনো অপরাধের ক্ষেত্রে প্রদত্ত কোনো দণ্ড, বাজেয়াপ্তকরণ বা শাস্তিকে ক্ষুণ্ণ করবে না।
৫. উল্লিখিত অধিকার, বাধ্যবাধকতা, দায়, দণ্ড, বাজেয়াপ্তকরণ বা শাস্তি-সম্পর্কিত কোনো তদন্ত, আইনগত কার্যক্রম [Legal Proceeding] বা প্রতিকারকে রহিতকরণ আইন [Repealing Act] ক্ষুণ্ণ করবে না।
পূর্বের আইনের অধীনে কোনো আইনগত কার্যক্রম চলমান থাকলে তা অব্যাহত থাকবে এবং তার অধীনে দও, বাজেয়াপ্ত বা শাস্তিও আরোপ করা যাবে যেন বিলোপকারী আইনটি [Repealing Act] প্রণীত হয় নাই।
------------
-The General Clauses Act, 1897 Section 6: Effect of repeal:
Where this Act, or any Act of Parliament or Regulation made after the commencement of this Act, repeals any enactment hitherto made or hereafter to be made, then, unless a different intention appears, the repeal shall not- 
(a) revive anything not in force or existing at the time at which the repeal takes effect; or 
(b) affect the previous operation of any enactment so repealed or anything duly done or suffered thereunder; or 
(c) affect any right, privilege, obligation or liability acquired, accrued or incurred under any enactment so repealed; or 
(d) after any penalty, forfeiture or punishment incurred in respect of any offence committed against any enactment so repealed; or
(e) affect any investigation, legal proceeding or remedy in respect of any such right, privilege, obligation, liability, penalty, forfeiture or punishment as aforesaid; 
and any such investigation, legal proceeding or remedy may be instituted, continued or enforced, and any such penalty, forfeiture or punishment may be imposed as if the repealing Act or Regulation had not been passed.
২,১০৩.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর অধীন সংঘটিত অপরাধের শিকার ব্যক্তির মেডিক্যাল পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার কত ঘন্টার মধ্যে এই সংক্রান্ত একটি সার্টিফিকেট বিনামূল্যে ভিকটিমকে প্রদান করতে হবে?
  1. ৩৬ ঘন্টা
  2. ৪৮ ঘন্টা
  3. ৭২ ঘন্টা
  4. ২৪ ঘন্টা
ব্যাখ্যা

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ৩২ অনুসারে, অপরাধের শিকার ব্যক্তির মেডিক্যাল পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে চিকিৎসককে বিনামূল্যে মেডিক্যাল সার্টিফিকেট প্রদান করতে হবে—শিকার ব্যক্তি বা তার পরিবারের সদস্য এবং তদন্তকারী কর্মকর্তাকে। এই সার্টিফিকেটটি পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে প্রস্তুত হয় এবং এটি বিচার প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ৩২ অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং অপরাধের শিকার ব্যক্তির মেডিক্যাল পরীক্ষা:
(১) এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং অপরাধের শিকার ব্যক্তির মেডিক্যাল পরীক্ষা সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করিয়া সরকারি হাসপাতালে কিংবা সরকার কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে স্বীকৃত কোন বেসরকারি হাসপাতালে সম্পন্ন করা যাইবে এবং সরকারি হাসপাতালে এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের শিকার ব্যক্তি নিজে হাজির হইলে কিংবা এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি বা অপরাধের শিকার ব্যক্তি পুলিশ কর্তৃক উপস্থাপিত হইলে তাহাদের মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্য কোন ফি প্রদেয় হইবে না।

(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত কোন হাসপাতালে এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের শিকার ব্যক্তিকে চিকিৎসার জন্য উপস্থিত করা হইলে, উক্ত হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাহার মেডিক্যাল পরীক্ষা অতিদ্রুত সম্পন্ন করিবে এবং উক্ত মেডিক্যাল পরীক্ষা সম্পন্ন হইবার পরবর্তী বাহাত্তর ঘণ্টার মধ্যে এই সংক্রান্ত একটি সার্টিফিকেট বিনামূল্যে অপরাধের শিকার ব্যক্তিকে বা, ক্ষেত্রমত, তাহার পরিবারকে ও তদন্তকারী কর্মকর্তাকে প্রদান করিবে এবং এইরূপ অপরাধ সংঘটনের বিষয়টি স্থানীয় থানাকে অবহিত করিবে।
(৩) এই ধারার অধীন যুক্তিসঙ্গত সময়ের মধ্যে কোন মেডিক্যাল পরীক্ষা সম্পন্ন না করার ক্ষেত্রে, তৎসম্পর্কে ব্যাখ্যা সম্বলিত প্রতিবেদন পর্যালোচনার পর নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা কিংবা, ক্ষেত্রমত, মেডিক্যাল পরীক্ষার আদেশ প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ বা তাহার নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, ম্যাজিষ্ট্রেট, ট্রাইব্যুনাল বা সংশ্লিষ্ট অন্য কোন কর্তৃপক্ষ যদি এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, যুক্তিসঙ্গত সময়ের মধ্যে মেডিক্যাল পরীক্ষা সম্পন্ন না হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকই দায়ী, তাহা হইলে উহা দায়ী ব্যক্তির অদক্ষতা ও অসদাচরণ বলিয়া বিবেচিত হইবে এবং এই অদক্ষতা ও অসদাচরণ তাহার বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদনে লিপিবদ্ধ করা হইবে এবং উপযুক্ত ক্ষেত্রে চাকুরী বিধিমালা অনুযায়ী তাহার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে, এবং সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কর্তব্যে অবহেলার জন্য তাহার নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ বা, ক্ষেত্রমত, যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ট্রাইব্যুনাল নির্দেশ দিতে পারিবে ৷

২,১০৪.
The Hindu Marriage Disabilities Removal Act,1946 দ্বারা কোন ধরনের বাধা দূর করা হয়?
  1. বয়সজনিত বাধা
  2. গোত্রজনিত বাধা
  3. পুনর্বিবাহজনিত বাধা
  4. উল্লিখিত কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ১৯৪৬ সালের হিন্দু বিয়ে (অসমর্থতা দূরীকরণ) আইন (The Hindu Marriage Disabilities Removal Act, 1946) অনুযায়ী,

হিন্দুদের মধ্যে কোন বিবাহ যেটা অন্যান্যভাবে বৈধ, সেই বিবাহ গোত্র বা প্রবরের কারণে অবৈধ হবে না। এই আইন পাশ হওয়ার পর বিভিন্ন উপ- বর্ণের পাত্র-পাত্রীর মধ্যে বিয়ের ক্ষেত্রে সব বাধা দূর করা হয়।

যেমন- ভিন্ন বর্ণের কোন ছেলে এবং মেয়ে বিয়ে করলে সনাতন আইনে বিবাহ অবৈধ হলেও, ১৯৪৬ সালের আইনের কারণে বিবাহটি বৈধ হবে।
২,১০৫.
Wakf শব্দের অর্থ কী?
  1. মুক্ত করা
  2. আটক করা
  3. দান করা
  4. গ্রহণ করা
ব্যাখ্যা
Waqf শব্দটি আরবি শব্দ। এর অর্থ নিয়োধ বা আটক করা। ওয়াকফ হলো কোনো সম্পত্তি ধর্মীয় বা দাতব্য উদ্দেশ্যে স্থায়ীভাবে উৎসর্গ করা। সাধারণত ওয়াকফ বলতে ইসলাম ধর্মাবলম্বী কোনো ব্যক্তি কর্তৃক ইসলাম ধর্ম অনুসারে ধর্মীয়, সাধু বা দাতব্য বলে স্বীকৃত কোনো উদ্দেশ্যে স্থায়ীভাবে সম্পত্তি উৎসর্গ করা বুঝায়। কোনো ব্যক্তি তার সম্পত্তি সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর নামে উৎসর্গ করতে পায়ে, যে সম্পত্তির চূড়ান্ত সুবিধা পরিব ব্যক্তিগণ পাবে অথবা সম্পত্তিটি ধর্মীয় উদ্দেশ্যে ব্যবহার হবে।

• ওয়াক্কের অপরিহার্য উপাদান হলো-
ক. উৎসর্গ (Dedication);
খ. উদ্দেশ্য (Purpose)।

ক. উৎসর্গ (Dedication):
সম্পত্তির মালিককে আল্লাহরনামে সম্পত্তিটি স্থায়ীভাবে এবং শর্তহীনভাবে উৎসর্গ করতে হবে। সুতরাং অস্থায়ীভাবে কোনো সম্পত্তি ওয়াকফ করা যায় না। চারজন সুন্নি ইমামের মধ্যে শুধু ইমাম মালিক (রাহঃ) অস্থায়ী ওয়াকফকে বৈধ বলেছেন। বাকী তিনজন ইমাম অস্থায়ী ওয়াকফকে অবৈধ বলেছেন।

খ. উদ্দেশ্য (Purpose):
ওয়াকফ করার উদেশ্য অবশ্যই ধর্মীয় বা দাতব্য হতে হবে। যেমন। কোনো মসজিদের জন্য অথবা গরীব, দুঃস্থ মানুষের ভরণপোষণের জন্য ওয়াকফ করা যায়।
ওয়াকফ অবশ্যই বৈধ উদ্দেশ্যে করতে হবে। যদি কেউ বেআইনি উদ্দেশ্যে ওয়াকফ করে তাহলে ওয়াক্‌ফটি অবৈধ হবে। যদি এমন হয় ওয়াকফকারীর কিছু উদ্দেশ্য বৈধ এবং কিছু উদ্দেশ্য অবৈধ সেক্ষেত্রে উদ্দেশ্যের যতটুকু বৈধ ওয়াকফ, ততটুকু বৈধ হবে বাকী অংশ অবৈধ হবে।
২,১০৬.
চুক্তি প্রবলের মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদকাল কত বছর?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইন ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ ১১৩ অনুযায়ী,

চুক্তি প্রবলের মামলা করার তামাদির মেয়াদ হচ্ছে এক বছর, অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭ এর ১২ ধারার অধীন চুক্তি প্রবলের মামলা করতে হবে এক বছরের মধ্যে।
২,১০৭.
The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 অনুসারে বাংলা বৎসর বলতে অন্তর্ভুক্ত হবে-
  1. বৈশাখ মাসের শেষ দিন সমাপ্ত হয় এমন কোন বৎসর।
  2. ফাল্গুন মাসের শেষ দিন সমাপ্ত হয় এমন কোন বৎসর।
  3. মাঘ মাসের শেষ দিন সমাপ্ত হয় এমন কোন বৎসর।
  4. চৈত্র মাসের শেষ দিন সমাপ্ত হয় এমন কোন বৎসর।
ব্যাখ্যা
-  অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ অনুসারে, বাংলা বৎসর অর্থ চৈত্র মাসের শেষ দিন সমাপ্ত হয় এমন কোন একটি বৎসর।
- অন্যদিকে, রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর অধীন বাংলা বৎসর বলতে ১লা বৈশাখে শুরু হয় এমন কোন বৎসর বোঝানো হয়েছে।
- সুতরাং অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এবং রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০-এ উল্লেখিত বাংলা বৎসর একই অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
- কারণ চৈত্র মাস শেষের মাধ্যমে ১লা বৈশাখ শুরু হয়।
---------------
- Section 2(1) “Bengali year” means a year ending on the last day of the Bengali month of Chaitra.
২,১০৮.
মাদকদ্রব্য সংক্রান্ত অপরাধসমূহ ___________ কর্তৃক বিচার্য হবে।
  1. স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল
  2. মাদকদ্রব্য ট্রাইব্যুনাল
  3. এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত
  4. শুধুমাত্র দায়রা আদালত
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৪৪: অপরাধের বিচার, ইত্যাদি:
(১) এই আইনের অধীন মাদকদ্রব্য অপরাধসমূহ অপরাধের গুরুত্ব অনুযায়ী এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক বিচার্য হইবে।

(২) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সংশ্লিষ্ট দায়রা জজ, মহানগর দায়রা জজ, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, উহার এখতিয়ারাধীন এলাকার জন্য, কেবল মাদকদ্রব্য অপরাধ বিচারের নিমিত্ত, প্রয়োজনে, এক বা একাধিক এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত নির্দিষ্ট করিবেন।
২,১০৯.
"Every agreement in restrain of the marriage of any person, other than a minor, is void." চুক্তি আইনের কত ধারার বিধান?
  1. ২৩
  2. ২৫
  3. ২৬
  4. ২৭
ব্যাখ্যা
⇒ The Contract Act, 1872 Section 26. Agreement in restraint of marriage void:
 Every agreement in restrain of the marriage of any person, other than a minor, is void.
--------------
⇒ চুক্তি আইনের ২৬ ধারার বিধান: বিবাহে প্রতিবন্ধক সম্মতি বাতিল: 
- নাবালক ছাড়া কোন ব্যক্তির বিবাহের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী প্রত্যেকটি সম্মতি বাতিল। 
২,১১০.
The Negotiable Instruments Act, 1881 এর ধারা ১৪১-এর অধীন, চেকের অপরাধের জন্য অভিযোগ কত দিনের মধ্যে দাখিল করতে হবে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ধারা ১৪১(খ) অনুযায়ী, ধারা ১৩৮-এর অধীন চেকের অপরাধের জন্য অভিযোগ অবশ্যই সেই তারিখ হতে এক মাসের মধ্যে দায়ের করতে হবে, যেই তারিখে ধারা ১৩৮-এর দফা (গ)-এর অধীন কার্যকারণের কারণ সৃষ্টি হয়। এই এক মাস সময়সীমা ধারা ১৩৮-এর দফা (গ) অনুসারে কার্যকারণের কারণ সৃষ্টির তারিখ থেকে গণনা করতে হবে। সময়সীমা অতিক্রম করলে আদালত অভিযোগ আমলে নেবেন না।

⇒ হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ ধারা ১৪১: ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (অধ্যাদেশ নং V of 1898)-এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, নিম্নলিখিত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হইবে:
(ক) ধারা ১৩৮-এর অধীন দণ্ডনীয় কোনো অপরাধের বিচার কেবলমাত্র সেই ক্ষেত্রে আমলে নেওয়া যাইবে, যদি উক্ত অপরাধের জন্য অভিযোগ লিখিতভাবে দায়ের করা হয় এবং উক্ত অভিযোগটি চেকের প্রাপক বা ক্ষেত্রবিশেষে চেকের যথাযথ অধিকারপ্রাপ্ত ধারক কর্তৃক দাখিল করা হয়;
(খ) এইরূপ অভিযোগ অবশ্যই সেই তারিখ হইতে এক মাসের মধ্যে দায়ের করিতে হইবে, যেই তারিখে ধারা ১৩৮-এর দফা (গ)-এর অধীন কার্যকারণের কারণ সৃষ্টি হয়;
(গ) ধারা ১৩৮-এর অধীন দণ্ডনীয় কোনো অপরাধ বিচার করিবার ক্ষমতা সেশন আদালতের অধস্তন কোনো আদালতের থাকিবে না।

⇒ The Negotiable Instruments Act, 1881: Section 141: Cognizance of offences:
Notwithstanding anything contained in the Code of Criminal Procedure, 1898 (Act V of 1898),- 
(a) no court shall take cognizance of any offence punishable under section 138 except upon a complaint, in writing, made by the payee or, as the case may be, the holder in due course of the cheque; 
(b) such complaint is made within one month of the date on which the cause of action arises under clause (c) of the proviso to section 138; 
(c) no court inferior to that of a Court of Sessions shall try any offence punishable under section 138.

২,১১১.
'Marshalling Securities' সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ এর কত ধারার বিধান?
  1. ৮০ ধারা
  2. ৮১ ধারা
  3. ৮২ ধারা
  4. ৮৩ ধারা
ব্যাখ্যা

Transfer of Property Act, 1882-এর ধারা ৮১-“Marshalling Securities”:
যদি কোনো ব্যক্তি (মালিক) দুই বা তার বেশি সম্পত্তি (properties) কোনো একজন ব্যক্তির কাছে বন্ধক (mortgage) রাখেন,
এবং তারপর সেই সম্পত্তিগুলোর মধ্যে এক বা একাধিক সম্পত্তি আবার অন্য ব্যক্তির কাছে বন্ধক রাখেন, তাহলে- দ্বিতীয় (পরবর্তী) বন্ধকগ্রহীতা (subsequent mortgagee) যতক্ষণ পর্যন্ত বিপরীত কোনো চুক্তি না থাকে- এই অধিকারের অধিকারী হবেন যে, আগের বন্ধকের টাকা (prior mortgage-debt) সেই সম্পত্তি বা সম্পত্তিগুলো থেকে পরিশোধ করা হবে যেগুলো দ্বিতীয় বন্ধকগ্রহীতার কাছে বন্ধক রাখা হয়নি, যতদূর পর্যন্ত তা সম্ভব হয়।

তবে এই অধিকার এভাবে প্রয়োগ করা যাবে না যাতে-
আগের বন্ধকগ্রহীতার (prior mortgagee) অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হয়, অথবা এমন কোনো ব্যক্তির অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হয় যিনি বিনিময়ে (for consideration) ঐ সম্পত্তির কোনো স্বার্থ অর্জন করেছেন।

ধরা যাক-
মালিক A-এর দুটি জমি আছে X ও Y। তিনি দুটোই B-এর কাছে বন্ধক রাখলেন (প্রথম বন্ধক)। পরে A, জমি Y-কে আবার C-এর কাছে বন্ধক রাখলেন (দ্বিতীয় বন্ধক)। এখন, C (দ্বিতীয় বন্ধকগ্রহীতা) কোর্টে বলতে পারেন— “প্রথম বন্ধকের টাকা আগে জমি X থেকে পরিশোধ করা হোক, যাতে আমার বন্ধককৃত জমি Y-এর উপর চাপ না পড়ে।” এটিই হলো Marshalling- অর্থাৎ, একাধিক সম্পত্তি বন্ধক রাখা হলে, পরবর্তী বন্ধকগ্রহীতার স্বার্থ রক্ষার জন্য আদালত ন্যায়সঙ্গতভাবে নির্ধারণ করতে পারে কোন সম্পত্তি থেকে আগে ঋণ পরিশোধ হবে।

২,১১২.
মুসলিম আইনে ইজাব কি?
  1. প্রতিদান
  2. ইজমা
  3. গ্রহণ
  4. প্রস্তাব
ব্যাখ্যা
⇒ Marriage এর আরবি শব্দ হলো 'Nikah যার আক্ষরিক অর্থ হলো একত্রে আংশগ্রহণ Joining Together। বিবাহ হলো যৌন সহবাস এবং সন্তান উৎপাদনের বৈধতার চুক্তি।

ইসলামে বিবাহ হলো একটি চুক্তি (দেওয়ানী চুক্তি) কোন ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান [Religious Sacramenti না। কারণ বিবাহের বৈধতার জন্য প্রস্তাব [Offer] এবং গ্রহণ (Acceptance) হলো বিবাহের দুইটি মৌলিক শর্ত এবং বিবাহের বৈধতার জন্য কোন নির্দিষ্ট ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক না।

⇒ আইনগত উপাদান/শর্তসমূহ
১. প্রস্তাব (Offer) বা (Ijab)
২. গ্রহণ ( Acceptance) বা (Qabul)
৩. সাক্ষীদের উপস্থিতি (Presence of Witnesses)

বিবাহের এক পক্ষ কর্তৃক অপর পক্ষকে প্রস্তাব প্রদান এবং অপর পক্ষ কর্তৃক উক্ত প্রস্তাব গ্রহণ হলো মুসলিম বিবাহের পূর্ব শর্ত। প্রস্তাব ও গ্রহণ একই বৈঠকে সম্পন্ন করতে হবে।

⇒ সাক্ষী (Witness) প্রাপ্ত বয়স্ক এবং যোগ্যতা সম্পন্ন সাক্ষীদের উপস্থিতিতে একপক্ষ কর্তৃক প্রস্তাব প্রদান করা হবে এবং অন্য পক্ষ কর্তৃক প্রস্তাব গ্রহণ করতে হবে।
২,১১৩.
“The Power Under the Constitution Will Always Be in the People”- কে বলেছেন?
  1. Benjamin Franklin
  2. George Washington
  3. Abraham Lincoln
  4. Ronald Reagan
ব্যাখ্যা

“The power under the Constitution will always be in the people” — এই বিখ্যাত উক্তিটি বলেছেন George Washington (জর্জ ওয়াশিংটন), যিনি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম রাষ্ট্রপতি এবং মার্কিন সংবিধানের অন্যতম প্রধান রক্ষক ও প্রতিষ্ঠাতা। এটি George Washington-এর ১৭৮৭ সালের ১০ নভেম্বর Bushrod Washington-কে লেখা এক ঐতিহাসিক চিঠি থেকে নেওয়া।

⇒ এই উক্তির মাধ্যমে জর্জ ওয়াশিংটন বোঝাতে চেয়েছিলেন যে-

• জনগণই রাষ্ট্রের মূল উৎস-
সংবিধান জনগণের সম্মতিতে গঠিত, তাই সরকার জনগণের ইচ্ছার বাইরে কিছু করতে পারে না।

• সরকার জনগণের প্রতিনিধি মাত্র-
তারা জনগণের হয়ে প্রশাসন চালায়, কিন্তু জনগণই ক্ষমতার উৎস ও নিয়ন্ত্রক।

• সংবিধান জনগণের অধিকার রক্ষা করে-
সরকার সংবিধানের অধীনে চলে, আর সংবিধান জনগণের ইচ্ছা ও স্বাধীনতার প্রতিফলন।

⇒ এই ধারণাটি এসেছে American Constitution (1787) প্রণয়নের সময়কার ভাবনা থেকে। তখন আমেরিকার জনগণ ব্রিটিশ উপনিবেশ থেকে স্বাধীনতা অর্জন করে এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা গঠন করতে চেয়েছিল যেখানে রাজা নয়, জনগণই হবে সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানেও একই মূলনীতি প্রকাশিত হয়েছে-
“The Republic shall be a democracy in which all powers belong to the people.” (বাংলাদেশ সংবিধান, অনুচ্ছেদ ৭)

অর্থাৎ, রাষ্ট্রের সব ক্ষমতা জনগণের এবং সংবিধান জনগণের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার বৈধতা প্রদান করে।

২,১১৪.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে নাগরিক ও সরকারি কর্মচারীদের কর্তব্যের কথা বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ২০
  2. অনুচ্ছেদ ২১
  3. অনুচ্ছেদ ২৩
  4. অনুচ্ছেদ ২৪
ব্যাখ্যা

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২১–এ নাগরিক ও সরকারি কর্মচারীদের কর্তব্য নির্ধারণ করা হয়েছে। নাগরিকদের জন্য—আইন মানা ও জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা, সরকারি কর্মচারীদের জন্য—সর্বদা জনগণের সেবা করা। তাই সঠিক উত্তর অনুচ্ছেদ ২১।

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২১ এর বিধান নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য:
(১) সংবিধান ও আইন মান্য করা, শৃঙ্খলা রক্ষা করা, নাগরিকদায়িত্ব পালন করা এবং জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য৷ 
(২) সকল সময়ে জনগণের সেবা করিবার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য৷
----------------
⇒ The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh: Article-21: Duties of citizens and of public servants:
(1) It is the duty of every citizen to observe the Constitution and the laws, to maintain discipline, to perform public duties and to protect public property. 
(2) Every person in the service of the Republic has a duty to strive at all times to serve the people.

২,১১৫.
রহিতকরণ আইনের [Repealing Act] অধীনে কোন অধিকার বা দায় ক্ষুণ্ণ হবে?
  1. পূর্বের আইন অনুযায়ী প্রাপ্ত অধিকার
  2. পূর্বের আইনের অধীনে চলমান আইনগত কার্যক্রম
  3. ক এবং খ উভয়
  4. উপরোক্ত কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

• জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের ৬ ধারায় বলা আছে- যখন কোনো আইন বা প্রবিধি অন্য কোনো আইনকে রহিত করে তখন:

১. রহিতকরণ আইন  রহিত হওয়ার সময় কার্যকর ছিল না বা অস্তিত্ব ছিল না এরূপ কোনো আইনকে পুনর্জীবিত করবে না।
২. রহিত হয়ে যাওয়া কোনো আইন [Repealed Act]-এর অধীনে যথাযথভাবে কৃত ব্য ব্যাহত কোনো কার্যক্রম কিছুকে রহিতকরণ আইন [Repealing Act] ক্ষুণ্ণ করবে না।
৩. রহিত কোনো আইনের অধীনে অর্জিত বা প্রাপ্ত কোনো অধিকার, বাধ্যবাধকতা বা দায়কে রহিতকরণ আইন [Repealing Act] ক্ষুণ্ণ করবে না।
৪. রহিত আইনের অধীনে কৃত কোনো অপরাধের ক্ষেত্রে প্রদত্ত কোনো দণ্ড, বাজেয়াপ্তকরণ বা শাস্তিকে ক্ষুণ্ণ করবে না।
৫. উল্লিখিত অধিকার, বাধ্যবাধকতা, দায়, দণ্ড, বাজেয়াপ্তকরণ বা শাস্তি-সম্পর্কিত কোনো তদন্ত, আইনগত কার্যক্রম [Legal Proceeding] বা প্রতিকারকে রহিতকরণ আইন [Repealing Act] ক্ষুণ্ণ করবে না।
পূর্বের আইনের অধীনে কোনো আইনগত কার্যক্রম চলমান থাকলে তা অব্যাহত থাকবে এবং তার অধীনে দও, বাজেয়াপ্ত বা শাস্তিও আরোপ করা যাবে যেন বিলোপকারী আইনটি [Repealing Act] প্রণীত হয় নাই।

২,১১৬.
'No man is above the law and no man is below it.' Who said that?
  1. Franklin
  2. Dickens
  3. W. Douglas
  4. Roosevelt
ব্যাখ্যা
• হোয়াইট হাউজের নামকরণকারী যুক্তরাষ্ট্রের ২৬তম ছিলেন Theodore Roosevelt.
 
প্রেসিডেন্ট Theodore Roosevelt -এর এ উক্তিটি সংক্ষেপে প্রশ্নে দেওয়া হয়েছিল, পুরো উক্তিটি হচ্ছে-
'No man is above the law and no man is below it; nor do we ask any man's permission when we ask him to obey it. Obedience to the law is demanded as a right; not asked as a favor.'
 
ন্যায়বিচার সম্পর্কিত উনার আরেকটি বিখ্যাত উক্তি হচ্ছে-
Justice consists not in being neutral between right and wrong, but in finding out the right and upholding it, wherever found, against the wrong.
২,১১৭.
"শ্রীবালুসু বনাম শ্রীবালুসু" (Sri Balusu vs Sri Balusu -1899) মামলায় নিচের কোন নিয়ম প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. হিন্দু বিধবাদের পুনর্বিবাহ বৈধ হবে
  2. হিন্দু নারীদের বিচ্ছেদের অধিকার বৈধ হবে
  3. একমাত্র পুত্রকে দত্তক নেয়া বৈধ হবে
  4. হিন্দু নারীদের সম্পত্তিতে অধিকার বৈধ হবে
ব্যাখ্যা
⇒ শ্রীবালুসু বনাম শ্রীবালুসু (1899) 22 Mad-308, 26 IA 113
 
এই মামলার বিবাদী মাদ্রাজ উপমতপন্থী হিন্দু আইনের আওতাভুক্ত কোন এক পিতার একমাত্র পুত্র ছিল। সেই অঞ্চলের এক বিধবা তাহার স্বামীর নিকটবর্তী সপিগুদের অনুমতি নিয়া উক্ত পিতার একমাত্র পুত্রকে দত্তক নেন। বিধবার মৃত স্বামীর ভাবী উত্তরাধিকারী এই মামলার বাদী উক্ত দত্তকের বৈধতা সম্পর্কে প্রশ্ন উত্থাপন করিয়া মামলা দায়ের করেন।
 
বিচার্য বিষয়:
১। স্বামীর অনুমতি ব্যতীত তাহার নিকটবর্তী সপিণ্ডদের সম্মতি নিয়া কোন বিধবা আইনত দত্তক নিতে পারে কিনা।
২। একমাত্র পুত্রকে দত্তক নেওয়া যায় কিনা।
 
বিজ্ঞ প্রিভিকাউন্সিল সুপ্রাচীন ধর্মশাস্ত্রগুলি পর্যালোচনা করিয়া এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, মাদ্রাজ উপমতপন্থী অনুযায়ী স্বামীর মৃত্যুর পর নিকটবর্তী সপিগুদের অনুমতি স্বামীর অনুমতির ন্যায় গণ্য হইবে। অতএব প্রথম বিচার্য বিষয়টি বাদীর বিপক্ষে যাইবে।
 
বিজ্ঞ প্রিভিকাউন্সিল আরও সাব্যস্ত করেন যে, কোন কোন প্রাচীন মুনিঋষি একমাত্র পুত্রকে দত্তক দেওয়া বা নেওয়া সমর্থন করেন নাই সত্য, কিন্তু তাহাদের মতামত পড়িয়া বিজ্ঞ প্রিভিকাউন্সিলের এই ধারণাই জন্মে যে, বশিষ্ট সৌণক প্রমুখ মুনিগণ এই বিষয়ে যে মত দিয়েছেন তাহা নির্দেশক (recommendatory) ছিল, কোন অবস্থাতেই আদেশমূলক (mandatory) ছিল না। অতএব কেহ যদি সেই নির্দেশ উপেক্ষা করিয়া দত্তক নিয়া থাকে, তবে (Factum valet) নীতি অনুযায়ী ইহা বৈধ বিবেচিত হইবে।
 
নিম্ন আদালতে একমাত্র পুত্রকে দত্তক বৈধ সাব্যস্ত হয়। মাদ্রাজ হাইকোর্টে আপীলে নিম্ন আদালতের রায় বহাল থাকে। বাদী এই রায়ের অসম্মতিতে প্রিভিকাউন্সিলে আপীল দায়ের করে। প্রিভি কাউন্সিলে হাইকোর্টের রায় বহাল থাকে।
The main issue raised was one of law as to the invalidity of the adoption of an only son. Both Courts decided that the adoption was valid.
২,১১৮.
দেওয়ানী মোকদ্দমায় যুগ্ম জেলা জজের আর্থিক এখতিয়ার কত?
  1. সর্বোচ্চ ২৫ লক্ষ টাকা
  2. সর্বোচ্চ ৫ লক্ষ টাকা
  3. সীমাহীন
  4. সর্বোচ্চ ২০ লক্ষ টাকা
ব্যাখ্যা
• কোন দেওয়ানি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা হবে সেটা ২টি বিষয় বিবেচনা করে নির্ধারণ করা হয়-
১) আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং
২) আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ থেকে ২৩ ধারায় দেওয়ানী আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং আর্থিক এখতিয়ার সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭ অনুসারে নির্ধারিত হয়।

• The Civil Courts Act, 1887 আইনের ১৯ ধারার বিধান অনুযায়ী-

⇒ সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার সর্বোচ্চ ১৫ লক্ষ টাকা
⇒ সিনিয়র সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার ১৫ লক্ষ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা
⇒ যুগ্ম জেলা জজ ২৫ লক্ষ টাকার অধিক মূল্যমানের; মোকদ্দমার বিচার করতে পারে।

অর্থাৎ যুগ্ম জেলা জজ ২৫ লক্ষ টাকা থেকে শুরু করে যেকোনো মূল্যমানের মোকদ্দমার বিচার করার এখতিয়ার আছে।
২,১১৯.
What does Section 34A of the Special Powers Act, 1974 primarily deal with?
  1. Bail conditions
  2. Arrest procedures
  3. Execution of death sentences
  4. Appeals against death sentences
ব্যাখ্যা
The Special Powers Act, 1974: Section 34A- Execution of death sentences:
When a person is sentenced to death under this Act, the sentence may be executed by hanging him by the neck till he is dead or by shooting him in the prescribed manner till he is dead as the Special Tribunal may direct.

ধারা ৩৪ক - মৃত্যুদণ্ডে কার্যকর করণ:
যখন কোনো ব্যক্তিকে এই আইনের অধীনে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়, তখন বিশেষ ট্রাইব্যুনাল যেভাবে নির্দেশ করবে সেই অনুযায়ী তার গলায় ফাঁসি দিয়ে মৃত্যু পর্যন্ত ঝুলিয়ে রাখা হবে অথবা নির্ধারিত পদ্ধতিতে গুলি করে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হবে।
২,১২০.
হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ধারা ১৩৮ অনুযায়ী, তহবিলের অপর্যাপ্ততার কারণে চেক বাউন্স হলে প্রদানকারীর কী শাস্তি হতে পারে?
  1. ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড ও চেকের অর্থের দ্বিগুণ জরিমানা বা উভয়
  2. ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও চেকের অর্থের তিনগুণ জরিমানা বা উভয়
  3. ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও চেকের অর্থের দ্বিগুণ জরিমানা বা উভয়
  4. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও চেকের অর্থের তিনগুণ জরিমানা বা উভয়
ব্যাখ্যা

⇒ হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১-এর ধারা ১৩৮ অনুযায়ী, তহবিলের অপর্যাপ্ততার কারণে চেক ডিশনার (বাউন্স) হলে প্রদানকারীর শাস্তি "এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, বা চেকের অর্থের তিনগুণ পর্যন্ত জরিমানা, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।"

- হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ধারা ১৩৮- অর্থের ঘাটতির কারণে চেক প্রত্যাখ্যান:

(১) যদি কোনো ব্যক্তি নিজের ব্যাংক হিসাবে রক্ষিত অর্থ থেকে অন্য কোনো ব্যক্তিকে পরিশোধের জন্য একটি চেক প্রদান করেন এবং উক্ত চেকটি ব্যাংক কর্তৃক প্রত্যাখ্যাত হয় ওই হিসাবে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকার কারণে, অথবা উক্ত ব্যাংকের সাথে চুক্তি অনুযায়ী অনুমোদিত পরিমাণের চেয়ে বেশি অর্থ চেকের মাধ্যমে তোলা হয়েছে - তবে উক্ত ব্যক্তিকে একটি অপরাধে দোষী গণ্য করা হবে এবং তাকে ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা চেকের পরিমাণের তিন গুণ পর্যন্ত অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।

শাস্তি:
- সর্বোচ্চ ১ বছরের কারাদণ্ড, অথবা
- চেকের মূল অঙ্কের সর্বোচ্চ ৩ গুণ অর্থদণ্ড, অথবা
- উভয়ই।

শর্তাবলি:
এই ধারা প্রযোজ্য হবে তখনই, যদি:
(ক) চেকটি ইস্যুর তারিখ হতে ৬ মাসের মধ্যে বা তার মেয়াদ থাকাকালীন, যেটি আগে ঘটে, ব্যাংকে উপস্থাপন করা হয়;
(খ) চেক প্রত্যাখ্যাত হওয়ার বিষয়ে ব্যাংক থেকে তথ্য পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে, প্রাপ্য বা উপযুক্ত ধারক লিখিতভাবে টাকা চেয়ে নোটিশ প্রদান করেন;
(গ) নোটিশ পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে, চেকদাতা উক্ত অর্থ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হন।
(১ক) উপ-ধারা (১)-এর (খ) দফায় উল্লিখিত নোটিশ প্রদান করা যেতে পারে নিম্নলিখিত ৩টি পদ্ধতিতে:
(ক) ব্যক্তিগতভাবে চেকদাতাকে প্রদান করে;
(খ) প্রাপকের সাধারণ বা সর্বশেষ পরিচিত ঠিকানায় প্রাপ্তিস্বীকারসহ রেজিস্টার্ড ডাকযোগে পাঠিয়ে;
(গ) একটি বহুল প্রচারিত বাংলা জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশ করে।
(২) যদি উপ-ধারা (১) অনুযায়ী অর্থদণ্ড আদায় করা হয়, তবে চেকের মূল পরিমাণ পর্যন্ত অর্থ চেকধারককে প্রদান করা হবে (যতটুকু আদায় সম্ভব হয়)।
(৩) উপ-ধারা (১) ও (২)-এর বিধান সত্ত্বেও, চেকধারক সিভিল আদালতের মাধ্যমে বকেয়া টাকা আদায়ের মামলা দায়ের করার অধিকার সংরক্ষণ করেন, যদি পুরো অর্থ বা আংশিক অর্থ আদায় না হয়।

২,১২১.
The Bill on Transfer of Property was referred to:
  1. First Law Commission
  2. Second Law Commission
  3. Third Law Commission
  4. Fourth Law Commission
ব্যাখ্যা

⇒ Third Law Commission (1868–1870) প্রথমবারের মতো Transfer of Property Bill খসড়া প্রণয়ন করে।
উদ্দেশ্য ছিল ভারতের সিভিল কোডের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে স্থাবর সম্পত্তির হস্তান্তর সম্পর্কিত আইনকে একত্রিত ও পরিষ্কারভাবে উপস্থাপন করা।
পরবর্তীতে Dr. Whitley Stokes (1877) বিলটি পুনর্বিন্যাস করেন।
এরপর Fourth Law Commission (1879) এটি পর্যালোচনা করে এবং সুপারিশের ভিত্তিতে Transfer of Property Act, 1882 কার্যকর হয়।
অর্থাৎ, বিলটি প্রথমে Third Law Commission-এর কাছে রেফার করা হয়েছিল।

২,১২২.
নিচের কোনটি চেকদাতাকে নোটিশ প্রদানের বৈধ পদ্ধতি নয়?
  1. ব্যক্তিগতভাবে প্রদান
  2. টেলিফোনে মৌখিকভাবে জানানো
  3. রেজিস্টার্ড ডাকযোগে প্রাপকের ঠিকানায়
  4. জাতীয় বাংলা দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশ
ব্যাখ্যা
হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ধারা ১৩৮ - চেক ডিজঅনার (প্রত্যাখ্যান) সংক্রান্ত:
(১ক) উপ-ধারা (১)-এর (খ) দফায় উল্লিখিত নোটিশ প্রদান করা যেতে পারে নিম্নলিখিত ৩টি পদ্ধতিতে:
(ক) ব্যক্তিগতভাবে চেকদাতাকে প্রদান করে;
(খ) প্রাপকের সাধারণ বা সর্বশেষ পরিচিত ঠিকানায় প্রাপ্তিস্বীকারসহ রেজিস্টার্ড ডাকযোগে পাঠিয়ে;
(গ) একটি বহুল প্রচারিত বাংলা জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশ করে।

সঠিক উত্তর: খ) টেলিফোনে মৌখিকভাবে জানানো।
২,১২৩.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ অনুযায়ী, লিখিত জবাবের কত সংখ্যক অবিকল নকল আদালতে লিখিত জবাবের সাথে দাখিল করতে হবে?
  1. বিবাদীর সংখ্যার সমান
  2. বাদীর সংখ্যার দ্বিগুণ
  3. বাদীর সংখ্যার তিনগুণ
  4. বাদীর সংখ্যার সমান
ব্যাখ্যা

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ৮(৫) অনুযায়ী, লিখিত জবাব দাখিল করার সময় বাদীর সংখ্যার দ্বিগুণ অবিকল নকল আদালতে জমা দিতে হবে। 
- উদাহরণস্বরূপ, যদি মোকদ্দমায় ১ জন বাদী থাকে, তাহলে ২ কপি নকল জমা দিতে হবে। এই নকলগুলোর সাথে তপশিল, দলিল ও দলিলের তালিকা সংযুক্ত করতে হবে।

– পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩, ধারা ৮(৫) মোকদ্দমাতে যতসংখ্যক বাদী রহিয়াছে তাহার দ্বিগুণসংখ্যক লিখিত জবাবের অবিকল নকল লিখিত জবাবের সহিত প্রদান করিতে হইবে।

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩-এর ধারা ৮ লিখিত জবাব:
(১) বিবাদীর উপস্থিতির জন্য নির্ধারিত তারিখে, বাদী ও বিবাদী পারিবারিক আদালতে হাজির হইবে এবং বিবাদী তাহার আত্মপক্ষ সমর্থনে লিখিত জবাব দাখিল করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, বিবাদী উপযুক্ত কারণ প্রদর্শনপূর্বক সময় প্রার্থনা করিলে আদালত তাহার আত্মপক্ষ সমর্থনে লিখিত জবাব দাখিলের জন্য অনধিক ২১(একুশ) দিনের মধ্যে অপর একটি তারিখ ধার্য করিতে পারিবে।
(২) লিখিত জবাবে আত্মপক্ষ সমর্থনে উপস্থিত করিতে ইচ্ছুক সাক্ষীগণের নাম ও ঠিকানার তফসিল থাকিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, বিবাদী আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে, পরবর্তী যেকোনো পর্যায়ে সাক্ষী আহ্বান করিতে পারিবে, যদি আদালত মনে করে যে, ন্যায়বিচারের স্বার্থে উক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ প্রয়োজন।
(৩) যেক্ষেত্রে বিবাদী তাহার আত্মপক্ষ সমর্থনে সাক্ষ্য হিসাবে তাহার দখলে বা ক্ষমতাধীনে রহিয়াছে এইরূপ কোনো দলিলের উপর নির্ভর করেন সেইক্ষেত্রে তিনি লিখিত জবাব দাখিলের সময় আদালতে উহা উপস্থাপন করিবেন এবং একই সময় উক্ত দলিল বা উহার কোনো অবিকল নকল বা ছায়ালিপি বা অন্য যেকোনো কপি লিখিত জবাবের সহিত নথিভুক্ত করিবার জন্য দাখিল করিবেন এবং উক্ত দলিল একটি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করিয়া উহা লিখিত জবাবের সহিত সংযুক্ত করিবেন।
(৪) যেক্ষেত্রে বিবাদী তাহার লিখিত জবাবের সমর্থনে সাক্ষ্য হিসাবে এমন কোনো দলিলের উপর নির্ভর করেন যাহা তাহার দখলে বা ক্ষমতাধীন নাই, সেইক্ষেত্রে তিনি লিখিত জবাবের সহিত সংযুক্ত করিবার তালিকায় এইরূপ দলিল অন্তর্ভুক্ত করিবেন এবং যাহার দখলে বা ক্ষমতাধীন উহা রহিয়াছে তাহা উল্লেখ করিবেন।
(৫) উপধারা (২), (৩) ও (৪) এ বর্ণিত তপশিল ও দলিলসমূহের তালিকাসহ মোকদ্দমাতে যতসংখ্যক বাদী রহিয়াছে তাহার দ্বিগুণসংখ্যক লিখিত জবাবের অবিকল নকল লিখিত জবাবের সহিত প্রদান করিতে হইবে।
(৬) উপধারা (৫) এ বর্ণিত তপশিল, দলিল এবং দলিলসমূহের তালিকাসহ লিখিত জবাবের অনুলিপি বাদী, ক্ষেত্রমত, আদালতে উপস্থিত তাহার প্রতিনিধি বা আইনজীবীকে প্রদান করিতে হইবে।
(৭) যেক্ষেত্রে লিখিত জবাব দাখিল করিবার সময় বিবাদী কর্তৃক কোনো দলিল আদালতে দাখিল করিবার প্রয়োজন ছিল অথবা লিখিত জবাবের সহিত সংযুক্ত করিবার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করিবার প্রয়োজন ছিল তবে উহা দাখিল বা অন্তর্ভুক্ত করা হয় নাই, সেইক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি ব্যতীত, মোকদ্দমার শুনানিতে উক্ত দলিল তাহার অনুকূলে সাক্ষ্য হিসাবে গৃহীত হইবে না।
(৮) আদালত কোনো ব্যতিক্রমী ক্ষেত্র ব্যতীত উপধারা (৭) এর অধীন কোনো দলিল অন্তর্ভুক্তির অনুমতি প্রদান করিবে না।

২,১২৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক ধারার অধীনে কোনো মোকদ্দমা সমঝোতায় (compromise) নিষ্পত্তি হলে, আদালত প্রদত্ত কোর্ট ফি ফেরত দেয়ার নির্দেশ প্রদান করে কী জারি করবে?
  1. ডিক্রি
  2. অন্তর্বর্তী আদেশ
  3. সার্টিফিকেট
  4. নোটিশ
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯ক (১১):
কোর্ট ফি আইন, ১৮৭০ (১৮৭০ সালের ৭নং আইন) এ যা কিছুই বর্ণিত থাকুক না কেন, কোন মোকদ্দমার বিরোধ বা বিরোধসমূহ এই ধারার অধীনে মীমাংসায় নিষ্পত্তি হলে পক্ষসমূহের মাধ্যমে আরজি কিংবা জবাবে প্রদত্ত কোর্ট ফি ফেরত দেয়ার নির্দেশ প্রদান করে কোর্ট একটি সার্টিফিকেট জারি করবে এবং সার্টিফিকেট জারির তারিখ থেকে ষাট দিনের ভিতর পক্ষসমূহ তা ফেরত পাওয়ার অধিকারী হবে।

Section 89A (11)-
Notwithstanding anything contained in the Court-fees Act, 1870 (Act No. VII of 1870), where a dispute or disputes in a suit are settled on compromise under this section, the Court shall issue a certificate directing refund of the court fees paid by the parties in respect of the plaint or written statement; and the parties shall be entitled to such refund within 60 (sixty) days of the issuance of the certificate.

২,১২৫.
বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৮ অনুচ্ছেদ অনুসারে, সুপ্রীম কোর্ট কী হিসেবে বিবেচিত হয়?
  1. কোর্ট অব আপিল
  2. কোর্ট অব রেকর্ড
  3. কোর্ট অব রিভিউ
  4. কোর্ট অব জাজমেন্ট
ব্যাখ্যা
উত্তর: খ) কোর্ট অব রেকর্ড।

বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৮ অনুচ্ছেদের বিধান: "কোর্ট অব রেকর্ড" রূপে সুপ্রীম কোর্ট:
সুপ্রীম কোর্ট একটি "কোর্ট অব্ রেকর্ড" হইবেন এবং ইহার অবমাননার জন্য তদন্তের আদেশদান বা দণ্ডাদেশদানের ক্ষমতাসহ আইন-সাপেক্ষে অনুরূপ আদালতের সকল ক্ষমতার অধিকারী থাকিবেন।

[The Supreme Court shall be a court of record and shall have all the powers of such a court including the power subject to law to make an order for the investigation of or punishment for any contempt of itself.]
২,১২৬.
“দ্রুত বিচার আদালত গঠন” সংক্রান্ত বিধান আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর কোন ধারায় আছে?
  1. ধারা ৬
  2. ধারা ৭
  3. ধারা ৮
  4. ধারা ৯
ব্যাখ্যা

⇒ আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ৮-এর শিরোনামই হল "দ্রুত বিচার আদালত গঠন"। এই ধারায় সরকার কর্তৃক গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে জেলায় ও মেট্রোপলিটন এলাকায় দ্রুত বিচার আদালত গঠন, বিচারক নিয়োগ এবং অধিক্ষেত্র নির্ধারণের বিধান রয়েছে।

⇒ আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ৮- দ্রুত বিচার আদালত গঠন:
(১) সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে প্রত্যেক জেলায় এবং মেট্রোপলিটন এলাকায় এক বা একাধিক দ্রুত বিচার আদালত গঠন করিতে পারিবে এবং উক্ত প্রজ্ঞাপনে প্রত্যেকটি দ্রুত বিচার আদালতের স্থানীয় অধিক্ষেত্র নির্ধারণ করিয়া দিতে পারিবে৷
(২) সরকার বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত একজন প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটকে উক্ত আদালতের বিচারক নিযুক্ত করিবে।

২,১২৭.
সরকারী কর্ম কমিশনের কোন সদস্যের স্বীয় পদে বহাল থাকার মেয়াদ-
  1. দায়িত্বগ্রহণের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসর
  2. ৬৫ বৎসর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত
  3. ৬৭ বৎসর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত
  4. ক বা খ এর মধ্যে যা আগে ঘটে
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ১৩৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী-
আইনের দ্বারা বাংলাদেশের জন্য এক বা একাধিক সরকারী কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার বিধান করা যাইবে এবং একজন সভাপতিকে ও আইনের দ্বারা যেরূপ নির্ধারিত হইবে, সেইরূপ অন্যান্য সদস্যকে লইয়া প্রত্যেক কমিশন গঠিত হইবে।

সংবিধানের ১৩৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী-
(প্রত্যেক সরকারী কর্ম কমিশনের সভাপতি ও অন্যান্য সদস্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন: তবে শর্ত থাকে যে, প্রত্যেক কমিশনের যতদূর সম্ভব অর্ধেক (তবে অর্ধেকের কম নহে) সংখ্যক সদস্য এমন ব্যক্তিগণ হইবেন, যাঁহারা কুড়ি বৎসর বা ততোধিককাল বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে যে কোন সময়ে কার্যরত কোন সরকারের কর্মে কোন পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন এবং সংসদ কর্তৃক প্রণীত যে কোন আইন-সাপেক্ষে কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সভাপতি ও অন্যান্য সদস্যের কর্মের শর্তাবলী রাষ্ট্রপতি আদেশের দ্বারা যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সেইরূপ হইবে।


• অনুচ্ছেদ ১৩৯: পদের মেয়াদ

(১) এই অনুচ্ছেদের বিধানাবলী-সাপেক্ষে কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সভাপতি বা অন্য কোন সদস্য তাঁহার দায়িত্বগ্রহণের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসর বা তাঁহার পয়ষট্টি বৎসর বয়স পূর্ণ হওয়া ইহার মধ্যে যাহা অগ্রে ঘটে, সেই কাল পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন।

(২) সুপ্রীম কোর্টের কোন বিচারক যেরূপ পদ্ধতি ও কারণে অপসারিত হইতে পারেন, সেইরূপ পদ্ধতি ও কারণ ব্যতীত কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সভাপতি বা অন্য কোন সদস্য অপসারিত হইবেন না।

(৩) কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সভাপতি বা অন্য কোন সদস্য রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ্য করিয়া স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন।

(৪) কর্মাবসানের পর কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সদস্য প্রজাতন্ত্রের কর্মে পুনরায় নিযুক্ত হইবার যোগ্য থাকিবেন না, তবে এই অনুচ্ছেদের (১) দফা-সাপেক্ষে
(ক) কর্মাবসানের পর কোন সভাপতি এক মেয়াদের জন্য পুনর্নিয়োগ-লাভের যোগ্য থাকিবেন; এবং
(খ) কর্মাবসানের পর কোন সদস্য (সভাপতি ব্যতীত) এক মেয়াদের জন্য কিংবা কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সভাপতিরূপে নিয়োগ-লাভের যোগ্য থাকিবেন।

Article 139: Term of office

(1) The term of office of the chairman and other members of a public service commission shall, subject to the provisions of this article, expire five years after the date on which he entered upon his office, or when he attains the age of sixty five years, whichever is earlier. 

(2) The chairman and other members of such a commission shall not be removed from office except in like manner and on the like grounds as a Judge of the Supreme Court.

(3) A chairman or other member of a public service commission may resign his office by writing under his hand addressed to the President. 

(4) On ceasing to hold office a member of a public service commission shall not be eligible for further employment in the service of the Republic, but, subject to the provisions of clause (1)- 
(a) a chairman so ceasing shall be eligible for re appointment for one further term; and 
(b) a member (other than the chairman) so ceasing shall be eligible for re appointment for one further term or for appointment as chairman of a public service commission.
২,১২৮.
একজন ব্যক্তি সান্ধ্য আইন (কারফিউ) লঙ্ঘন করে বাড়ির বাইরে বের হয়। তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ কী সাজা হতে পারে?
  1. ৬ মাসের কারাদণ্ড
  2. ১ বছরের কারাদণ্ড
  3. ২ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৩ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

The Special Powers Act, 1974 এর ধারা ২৪: সান্ধ্য আইন- 
(১) কোনো জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মহানগরী এলাকায় পুলিশ কমিশনার, সরকারের নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে, নির্দেশ প্রদান করিতে পারেন যে, আদেশে উল্লিখিত অব্যাহতি সাপেক্ষে, আদেশে উল্লেখিত এলাকা বা এলাকাসমূহে উপস্থিত কোনো ব্যক্তি, আদেশে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা ব্যক্তি কর্তৃক প্রদত্ত লিখিত অনুমতি ব্যতীত, ঘরের বাহির হইবে না।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি এই ধারার অধীন প্রদত্ত কোনো আদেশ লঙ্ঘন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক এক বৎসরের কারাদণ্ডে, বা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

২,১২৯.
বিচার বিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিদের কর্ম সংক্রান্ত বিধি-বিধান-
  1. সুপ্রীম কোর্টের সাথে পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রযুক্ত হবে
  2. সংসদের সাথে পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রযুক্ত হবে
  3. রাষ্ট্রপতির পরামর্শক্রমে সুপ্রীম কোর্ট কর্তৃক প্রযুক্ত হবে
  4. সুপ্রীম কোর্টের সাথে পরামর্শক্রমে প্রধান বিচারপতি কর্তৃক প্রযুক্ত হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ১১৬: অধস্তন আদালতসমূহের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা-

বিচার-কর্মবিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিদের এবং বিচারবিভাগীয় দায়িত্বপালনে রত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ (কর্মস্থল- নির্ধারণ, পদোন্নতিদান ও ছুটি মঞ্জুরীসহ) ও শৃংখলাবিধান রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত থাকিবে এবং সুপ্রীম কোর্টের সহিত পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক তাহা প্রযুক্ত হইবে।
২,১৩০.
'Nemo est supra leges' প্রবচনের সমার্থক বাক্য কোনটি?
  1. কেউ দোষ স্বীকারে বাধ্য নয়
  2. ক্ষতিকর কর্মের আইনী প্রতিকার নেই
  3. কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়
  4. কেউ সার্বভৌমত্বের ঊর্ধ্বে নয়
ব্যাখ্যা
- Nemo est supra leges:
“No one is above the laws.”A maxim meaning that no person is exempt from the binding force of the law.

- Nemo est supra leges: ল্যাটিন ম্যাক্সিম 'Nemo est supra leges'-এর অর্থ 'No man is above the law- কেউ আইনের উর্ধ্বে নয়' প্রবচন সংশ্লিষ্ট বিধান সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদে প্রতিফলিত হয়েছে।
- ধনী-দরিদ্র, এমপি-মন্ত্রী নির্বিশেষে যে কেউ অপরাধ করলে প্রত্যককেই বিচারের সম্মুখীন হতে হয়।
- অপরাধ প্রমাণিত হলে আইন কাউকে ক্ষমা করে না।
- কারণ, সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী- 'সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।' আলোচিত Rule of law নীতির ভাষ্যও একই।
⇒ Article 27. Equality before law:
 All citizens are equal before law and are entitled to equal protection of law.
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদের বিধান: আইনের দৃষ্টিতে সমতা: 
সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।
২,১৩১.
মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে মৃত স্বামীর সম্পত্তি বণ্টনে স্ত্রীর অংশ কত হয় যদি তাদের সন্তান থাকে?
  1. ১/৪ অংশ
  2. ১/৮ অংশ
  3. ১/৬ অংশ
  4. ১/২ অংশ
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম উত্তরাধিকার আইনের ধারা অনুযায়ী, স্ত্রীর উত্তরাধিকার নির্ভর করে মৃত স্বামীর সন্তান আছে কি নেই।
মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে স্ত্রীর অংশ নিম্নলিখিতভাবে নির্ধারিত হয়:
যদি মৃত স্বামীর সন্তান বা পুত্রের সন্তান (নাতি) থাকে: স্ত্রী পাবে ১/৮ অংশ (কোরআনের সূরা নিসা ৪:১২ অনুযায়ী)।
যদি মৃত স্বামীর কোনো সন্তান বা নাতি না থাকে: স্ত্রী পাবে ১/৪ অংশ।

অর্থাৎ যদি স্বামীর সন্তান থাকে, স্ত্রীর অংশ ১/৮ এবং যদি কোনো সন্তান না থাকে, স্ত্রীর অংশ ১/৪।
এটি কোরআন অনুযায়ী নির্ধারিত “যাওয়িল ফুরূদ” (Zawil Furud) এর মধ্যে একটি নির্দিষ্ট অংশ।
সুতরাং, সন্তান থাকলে স্ত্রীর অংশ হবে ১/৮।

২,১৩২.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২৫ক(১) অনুযায়ী, অভিযোগকারী থানায় হাজির হলে অফিসার ইনচার্জের প্রাথমিক দায়িত্ব কী?
  1. মামলা তদন্ত শুরু করা
  2. অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা
  3. অভিযোগটি এজাহারভুক্ত করা
  4. ট্রাইব্যুনালে প্রতিবেদন পাঠানো
ব্যাখ্যা

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ২৫ক(১) অনুযায়ী, যখন কোনো অভিযোগকারী প্রাথমিক সাক্ষ্যপ্রমাণসহ থানায় হাজির হন, তখন অফিসার ইনচার্জের প্রাথমিক দায়িত্ব হলো অভিযোগটি তাৎক্ষণিকভাবে এজাহারভুক্ত করা। এর পাশাপাশি, তিনি অপরাধের শিকার ব্যক্তির প্রয়োজনীয় মেডিক্যাল পরীক্ষা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন, যা এই আইনের অন্যান্য বিধানাবলির সাপেক্ষে। এই ধারার মূল উদ্দেশ্য হলো নারী ও শিশু নির্যাতনের অভিযোগ দ্রুত ও কার্যকরভাবে গ্রহণ এবং প্রক্রিয়াকরণ নিশ্চিত করা।

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ২৫ক-থানার অফিসার ইনচার্জের দায়িত্ব:
(১) এই আইনের অধীন সংঘটিত কোন অপরাধের প্রাথমিক সাক্ষ্যপ্রমাণসহ কোনো অভিযোগকারী থানায় হাজির হইলে অফিসার ইনচার্জ তাৎক্ষণিকভাবে তাহার অভিযোগটি এজাহারভুক্ত করিবেন এবং ক্ষেত্রমত এই আইনের অন্যান্য বিধানাবলি সাপেক্ষে অপরাধের শিকার ব্যক্তির প্রয়োজনীয় মেডিক্যাল পরীক্ষা ও চিকিৎসার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করিবেন।
(২) অভিযোগকারী প্রাথমিক সাক্ষ্যপ্রমাণসহ থানায় হাজির হইলে তাহাকে কেবল এই যুক্তিতে ফিরাইয়া দেওয়া যাইবে না যে, তাহার ঘটনাটি অন্য থানার এখতিয়ারাধীন এলাকায় ঘটিয়াছে, বরং যেই থানাতেই অভিযোগ করা হউক না কেন, উক্ত থানার অফিসার ইনচার্জ অবিলম্বে অভিযোগকারীর বক্তব্য লিপিবদ্ধ করিবেন, অপরাধের শিকার ব্যক্তির প্রয়োজনীয় মেডিক্যাল পরীক্ষা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করিবেন এবং অনতিবিলম্বে কেস ডায়েরিসহ অভিযোগটি উপযুক্ত থানায় প্রেরণ করিবেন।

২,১৩৩.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ ১৯৬১ এর বিধান অনুযায়ী, কোন ব্যক্তি বিবাহ বলবৎ থাকা অবস্থায় সালিশী কাউন্সিলের অনুমতি ব্যতীত পুনরায় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলে, উক্ত বিবাহ-
  1. বাতিল হবে
  2. অবৈধ হবে
  3. রেজিস্ট্রিকৃত হবে না
  4. উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
• The Muslim Family Laws Ordinance, 1961 এর ৬ ধারা: বহুবিবাহ:

১) কোন ব্যক্তির বিবাহ বলবৎ থাকা অবস্থায় সে সালিশী কাউন্সিলের লিখিত অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবে না বা ঐরূপ অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ অনুষ্ঠিত হলে তা The Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 এর অধীনে রেজিস্ট্রিকৃত হবে না।
 
২) অনুমতির দরখাস্ত নির্ধারিত ফি সহ চেয়ারম্যানের নিকট দাখিল করতে হবে ও তাতে প্রস্তাবিত বিবাহের কারণসমূহ এবং এই বিবাহের ব্যাপারে বর্তমানে স্ত্রী কিংবা স্ত্রীগণের সম্মতি নেয়া হয়েছে কিনা তার উল্লেখ থাকতে হবে।
 
৩) দরখাস্ত গ্রহণ করার পর চেয়ারম্যান আবেদনকারীকে ও বর্তমান স্ত্রী কিংবা স্ত্রীগণের প্রত্যেককে একজন করে প্রতিনিধি মনোনীত করতে বলবেন। উক্তরূপে গঠিত সালিশি কাউন্সিল প্রস্তাবিত বিবাহ প্রয়োজনীয় ও ন্যায়সঙ্গত বলে মনে করলে সেক্ষেত্রে প্রার্থিত আবেদন মঞ্জুর করতে পারবেন।
 
৪) উক্ত দরখাস্তে বিবেচনা করার সময় সালিশি কাউন্সিল নিষ্পত্তির কারণাদি লিপিবদ্ধ করবেন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যে কোন পক্ষ নির্দিষ্ট ফি প্রদানক্রমে সহকারী জজের নিকট পুনর্বিবেচনার (Revision) জন্য দরখাস্ত দাখিল করতে পারে; তার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে ও কোন আদালতে এই সম্পর্কে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।
 
৫) কোন লোক যদি সালিশী কাউন্সিলের অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় তবে সে-
ক) বর্তমান স্ত্রী কিংবা স্ত্রীগণের তলবী ও স্থগিত দেনমোহরের সম্পূর্ণ টাকা তৎক্ষণাৎ পরিশোধ করতে হবে। উক্ত টাকা উক্তরুপে পরিশোধ না করা হলে বকেয়া ভূমি রাজস্বরূপে আদায়যোগ্য হবে: এবং
খ) অভিযোগে অপরাধী সাব্যস্ত হলে এর শান্তি- অনধিক ১ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদন্ড অথবা অনধিক ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদন্ড বা উভয়দণ্ড।
২,১৩৪.
চেক ডিজঅনার মামলা কোন আদালতে দায়ের করতে হয়?
  1. দায়রা আদালতে
  2. যুগ্ম দায়রা আদালতে
  3. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
চেক ডিজঅনারের মামলা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়ের করতে হয়। মেট্রোপলিটন এরিয়াতে চেক ডিজঅনারের মামলা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়ের করা হয়। আর অন্য এলাকাতে এই মামলা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়ের করা হয়। তারপর চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত অথবা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত মামলাটি প্রস্তুত করে বিচারের জন্য দায়রা আদালতে পাঠিয়ে দিবেন। হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ১৩৮ ধারা অনুযায়ী চেক ডিজঅনারের মামলা দায়ের করা হয়।

একটা কথা বলে রাখা প্রয়োজন, চেক ডিজঅনারের মামলা কখনো চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত কিংবা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বিচার করতে পারবে না। প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারী কার্যবিধির ২০০ ধারা অনুযায়ী নালিশকারীকে পরীক্ষা করবেন। পরীক্ষা করার পর যদি ম্যাজিস্ট্রেট দেখেন নালিশের Prima facie ভিত্তি আছে তাহলে তিনি মামলা আমলে নিয়ে মামলাটি প্রস্তুত করে বিচারের জন্য এখতিয়ারসম্পন্ন দায়রা আদালতে পাঠিয়ে দিবেন। তারপর মামলাটি উক্ত আদালত কর্তৃক বিচার করা হবে। চেক ডিজঅনারের মামলা সবসময় সি.আর মামলা হিসেবে বিবেচিত হবে। কারণ এই সকল মামলা সরাসরি এখতিয়ার সম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়ের করা হয়ে থাকে।
২,১৩৫.
The Family Courts Ordinance, 1985 এর কত ধারায় বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান করা হয়েছে?
  1. ১১ ও ১৩ ধারায়
  2. ১০ ও ১৩ ধারায়
  3. ১০ ও ১১ ধারায়
  4. ১২,১৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
The Family Courts Ordinance, 1985 এর ১০ ও ১৩ ধারায় বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান করা হয়েছে। এই আইনে ২ ধরণের উপায়ে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান করা হয়েছে-
১. আপোষ (Compromise) বা
২. মীমাংসা (Reconciliation)

এই আইনে, বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির ২টি পর্যায় উল্লেখ করা হয়েছে-
১. বিচার-পূর্ব কার্যধারায়
২. বিচার-পরবর্তী কার্যধারায়

১০ ধারায় বিচার-পূর্ব শুনানীর পর্যায়ে এবং ১৩ ধারায় বিচার-পরবর্তী পর্যায়ে আপোষ-মীমাংসার বিধান উল্লেখ আছে। ১০(৩) ধারা অনুযায়ী, বিচার-পূর্ব শুনানীর পর্যায়ে আদালত পক্ষগণের মধ্যেকার বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করবে এবং যদি সম্ভব হয়, পক্ষগণের মধ্যে আপোষ বা মীমাংসা করার চেষ্টা করবে। ১৩(১) ধারায় দেয়া আছে, সকল পক্ষের সাক্ষ্য সমাপ্তির পর পারিবারিক আদালত পক্ষগণের মধ্যে আপোষ বা মীমাংসা করার আরও একটি চেষ্টা করবে।
২,১৩৬.
প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি কার সুপারিশ গ্রহণ করে থাকেন?
  1. জাতীয় সংসদ
  2. মন্ত্রিসভা
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮ এর বিধান রাষ্ট্রপতি:
 (১) বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকিবেন, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ-সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হইবেন। 
(২) রাষ্ট্রপ্রধানরূপে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করিবেন এবং এই সংবিধান ও অন্য কোন আইনের দ্বারা তাঁহাকে প্রদত্ত ও তাঁহার উপর অর্পিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালন করিবেন। 
(৩) এই সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্টপতি তাঁহার অন্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করিবেন: 

তবে শর্ত থাকে যে, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে আদৌ কোন পরামর্শদান করিয়াছেন কি না এবং করিয়া থাকিলে কি পরামর্শ দান করিয়াছেন, কোন আদালত সেই সম্পর্কে কোন প্রশ্নের তদন্ত করিতে পারিবেন না।

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯৫ এর বিধান  বিচারক-নিয়োগ:
(১) প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং প্রধান বিচারপতির সহিত পরামর্শ করিয়া রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করিবেন।

অর্থাৎ বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৫(১) নং অনুচ্ছেদ অনুয়ায়ী মহামান্য রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দিয়ে থাকেন। এক্ষেত্রে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সুপারিশ অনুসরণ করেন না।
- সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী এবং প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর সুপারিশ অনুসারে কর্মসম্পাদন করেন না। অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতিকে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুসারে কর্ম সম্পাদন করতে হয়।
২,১৩৭.
চেক প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পর প্রাপক কত দিনের মধ্যে লিখিত নোটিশ প্রদান করবে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা
হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ধারা ১৩৮ - চেক ডিজঅনার (প্রত্যাখ্যান) সংক্রান্ত:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি নিজের ব্যাংক হিসাবে রক্ষিত অর্থ থেকে অন্য কোনো ব্যক্তিকে পরিশোধের জন্য একটি চেক প্রদান করেন এবং উক্ত চেকটি ব্যাংক কর্তৃক প্রত্যাখ্যাত হয় ওই হিসাবে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকার কারণে, অথবা উক্ত ব্যাংকের সাথে চুক্তি অনুযায়ী অনুমোদিত পরিমাণের চেয়ে বেশি অর্থ চেকের মাধ্যমে তোলা হয়েছে - তবে উক্ত ব্যক্তিকে একটি অপরাধে দোষী গণ্য করা হবে এবং তাকে ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা চেকের পরিমাণের তিন গুণ পর্যন্ত অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।

শর্তাবলি:
এই ধারা প্রযোজ্য হবে তখনই, যদি:
(ক) চেকটি ইস্যুর তারিখ হতে ৬ মাসের মধ্যে বা তার মেয়াদ থাকাকালীন, যেটি আগে ঘটে, ব্যাংকে উপস্থাপন করা হয়;
(খ) চেক প্রত্যাখ্যাত হওয়ার বিষয়ে ব্যাংক থেকে তথ্য পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে, প্রাপক বা উপযুক্ত ধারক লিখিতভাবে টাকা চেয়ে নোটিশ প্রদান করেন;
(গ) নোটিশ পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে, চেকদাতা উক্ত অর্থ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হন।

(১ক) উপ-ধারা (১)-এর (খ) দফায় উল্লিখিত নোটিশ প্রদান করা যেতে পারে নিম্নলিখিত ৩টি পদ্ধতিতে:
(ক) ব্যক্তিগতভাবে চেকদাতাকে প্রদান করে;
(খ) প্রাপকের সাধারণ বা সর্বশেষ পরিচিত ঠিকানায় প্রাপ্তিস্বীকারসহ রেজিস্টার্ড ডাকযোগে পাঠিয়ে;
(গ) একটি বহুল প্রচারিত বাংলা জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশ করে।

(২) যদি উপ-ধারা (১) অনুযায়ী অর্থদণ্ড আদায় করা হয়, তবে চেকের মূল পরিমাণ পর্যন্ত অর্থ চেকধারককে প্রদান করা হবে (যতটুকু আদায় সম্ভব হয়)।

(৩) উপ-ধারা (১) ও (২)-এর বিধান সত্ত্বেও, চেকধারক সিভিল আদালতের মাধ্যমে বকেয়া টাকা আদায়ের মামলা দায়ের করার অধিকার সংরক্ষণ করেন, যদি পুরো অর্থ বা আংশিক অর্থ আদায় না হয়।
২,১৩৮.
শিশু আদালত কোন ধরনের মামলায় শিশুকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে?
  1. শুধুমাত্র গুরুতর অপরাধে
  2. শুধুমাত্র জামিনযোগ্য মামলায়
  3. শুধুমাত্র অজামিনযোগ্য মামলায়
  4. জামিনযোগ্য ও অজামিনযোগ্য উভয় মামলায়
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩: ধারা ২৯ - শিশু-আদালত কর্তৃক আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশুর জামিনে মুক্তি প্রদান:
(১) এই আইনসহ ফৌজদারী কার্যবিধি বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে ভিন্নরূপ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, শিশু-আদালতে হাজিরকৃত কোন শিশুর মামলা বিকল্প পন্থায় পরিচালনা করা না হইলে, শিশু-আদালত সংশ্লিষ্ট শিশুকে, অপরাধটি জামিনযোগ্য বা অজামিনযোগ্য যাহাই হউক না কেন, জামানতসহ বা জামানত ছাড়াই জামিনে মুক্তি প্রদান করিতে পারিবে।

(২) শিশুর নিজের মুচলেকায় অথবা শিশুর মাতা-পিতা এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্য, প্রবেশন কর্মকর্তা অথবা কোন প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার, শিশু-আদালত যাহাকে উপযুক্ত বিবেচনা করিবে, তত্ত্বাবধানে জামানত প্রদান সাপেক্ষে অথবা জামানত ছাড়া শিশুকে জামিন প্রদান করা যাইবে।

(৩) উপ-ধারা (১) এবং (২) এর অধীন জামিন মঞ্জুর করা না হইলে, শিশু আদালত উক্তরূপ নামঞ্জুরের কারণ লিপিবদ্ধ করিবে এবং সংশ্লিষ্ট শিশুকে কোনো প্রত্যায়িত প্রতিষ্ঠানে প্রেরণের জন্য আদেশ প্রদান করিবে।
২,১৩৯.
বিধবা স্ত্রী স্বামীর সম্পত্তিতে কী অধিকার পাবে?
  1. সম্পত্তির একচেটিয়া মালিক হবে
  2. এক পুত্রের সমান অংশ পাবে
  3. এক পুত্রের অর্ধেক অংশ পাবে
  4. কোনো অংশ পাবে না
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ, ভারত এবং পাকিস্তানে হিন্দুদের মধ্যে দু’ধরনের উত্তরাধিকার পদ্ধতি চালু রয়েছে। যথা- দায়ভাগ পদ্ধতি এবং মিতাক্ষরা পদ্ধতি। দায়ভাগ পদ্ধতি বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আসামে প্রচলিত আছে। দায়ভাগ মতে পিন্ডদানের অধিকারী ব্যক্তি মাত্রই মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারী। যারা পিন্ড দিতে পারে তারাই মৃত ব্যক্তির ত্যাজ্য সম্পত্তির ওয়ারিশ বলা হয়। ভারতের অন্যান্য প্রদেশ এবং পাকিস্তানে মিতাক্ষরা পদ্ধতি প্রযোজ্য হয়ে থাকে।

উত্তরাধিকার সম্পর্কিত কিছু সাধারণ নিয়ম-
(১) পুত্র পিতার সমগ্র সম্পত্তির একক উত্তরাধিকারী;
(২) পুত্র একাধিক হলে সমান হারে সম্পত্তি পাবে; 
(৩) পুত্র মারা গিয়ে থাকলে পৌত্র উত্তরাধিকারী হবে (পিতার অংশ পাবে);
(৪) বিধবা স্ত্রী এক পুত্রের সমান অংশ ‘জীবন স্বত্ব পাবে (সম্পত্তিতে হিন্দু নারীদের অধিকার আইনের ৩(১) ধারা);
(৫) একাধিক বিধবা স্ত্রী থাকলে সকলে একত্রে এক পুত্রের সমান সম্পত্তি পাবে;
(৬) মৃতের বিধবা পুত্রবধূ/প্রপৌত্রবধূ থাকলে সে এক পুত্রের সমান ‘জীবন স্বত্ত্ব’ পাবে;
(৭) কন্যার পূর্বের কোন উত্তরাধিকারী না থাকলে কন্যা পিতার সম্পত্তি পাবে;
(৮) কন্যাদের মধ্যে ‘কুমারী কন্যার’ দাবি প্রথম এবং সে-ই সব সম্পত্তি পাবে;
(৯) কুমারী কন্যা না থাকলে পুত্রবর্তী কন্যা উত্তরাধিকারী হবে;
(১০) বন্ধ্যাকন্যা, বিধবা কন্যা, সন্তানহীন কন্যা এবং যে সব কন্যার শুধু কন্যা সন্তান আছে তারা উত্তরাধিকারী হবে না। তবে এরূপ কন্যাদের মধ্যে যে, কোন দত্তকপুত্র গ্রহণ করেছে সে বঞ্চিত হবে না।
২,১৪০.
পারিবারিক আদালত কখন আরজি বা লিখিত জবাব সংশোধনের আবেদন প্রত্যাখ্যান করতে পারে?
  1. যদি সংশোধন ন্যায়বিচারের জন্য আবশ্যক হয়
  2. যদি সংশোধন আইনগত ভুলের কারণে প্রয়োজন হয়
  3. যদি সংশোধন বিচার কার্যক্রম বিলম্বিত করার উদ্দেশ্যে আনা হয়
  4. খ এবং গ উভয় ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা

পারিবারিক আদালত আইন,২০২৩ এর ধারা ৯- আরজি ও লিখিত জবাব সংশোধন:
এই আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে আদালত, কোনো পক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে, করণিক ভুল সংশোধনের উদ্দেশ্যে অথবা অন্য কোনো কারণে পক্ষগণের মধ্যে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করিবার জন্য আরজি বা লিখিত জবাব সংশোধনের আদেশ দিতে পারিবে :

তবে শর্ত থাকে যে, যদি আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয়, এইরূপ সংশোধনের আবেদন মোকদ্দমার বিচার কার্যক্রম বিলম্বিত করিবার উদ্দেশ্যে আনয়ন করা হইয়াছে, সেইক্ষেত্রে আদালত উক্তরূপ সংশোধনীর আদেশ প্রদান করিবে না।

২,১৪১.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী স্থানীয় শাসন কর্তৃপক্ষের কাজ কোনটি?
  1. জনশৃংখলা রক্ষা করা
  2. রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অংশগ্রহণ করা
  3. স্থানীয় সরকারের বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি প্রকাশ করা
  4. স্থানীয় শাসন কর্তৃপক্ষের নির্বাচনের ব্যবস্থা করা
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৫৯: স্থানীয় শাসন
 
(১) আইনানুযায়ী নির্বাচিত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত প্রতিষ্ঠানসমূহের উপর প্রজাতন্ত্রের প্রত্যেক প্রশাসনিক এককাংশের স্থানীয় শাসনের ভার প্রদান করা হইবে।

(২) এই সংবিধান ও অন্য কোন আইন-সাপেক্ষে সংসদ আইনের দ্বারা যেরূপ নির্দিষ্ট করিবেন, এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় উল্লিখিত অনুরূপ প্রত্যেক প্রতিষ্ঠান যথোপযুক্ত প্রশাসনিক এককাংশের মধ্যে সেইরূপ দায়িত্ব পালন করিবেন এবং অনুরূপ আইনে নিম্নলিখিত বিষয় সংক্রান্ত দায়িত্ব অন্তর্ভুক্ত হইতে পারিবে:
(ক) প্রশাসন ও সরকারী কর্মচারীদের কার্য;
(খ) জনশৃংখলা রক্ষা;
(গ) জনসাধারণের কার্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন-সম্পর্কিত পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন।

Article 59: Local government

(1) Local government in every administrative unit of the Republic shall be entrusted to bodies, composed of persons elected in accordance with law. 

(2) Everybody such as is referred to in clause (1) shall, subject to this Constitution and any other law, perform within the appropriate administrative unit such functions as shall be prescribed by Act of Parliament, which may include functions relating to – 
(a) administration and the work of public officers; 
(b) the maintenance of public order; 
(c) the preparation and implementation of plans relating to public services and economic development.
২,১৪২.
একজন ব্যক্তি মিছিলে অংশ নিয়ে জনসাধারণের যানবাহন ভাঙচুর করে এবং একটি সরকারী বাসের ক্ষতি সাধন করে। দ্রুত বিচার আইন, ২০০০ এর অধীনে এই ব্যক্তির সর্বনিম্ন কী শাস্তি হতে পারে?
  1. ৬ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  2. ২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. ১ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. ৩ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
দ্রুত বিচার আইনের ধারা ৪(১):
"কোন ব্যক্তি কোন আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ করিলে তিনি অন্যুন দুই বৎসর এবং অনধিক সাত বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।"

⇒ প্রশ্নে উল্লিখিত অপরাধটি একটি আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ, কারণ এতে:
- জনসাধারণের যানবাহন ভাঙচুর করা হয়েছে, এবং
- সরকারি সম্পদের ক্ষতিসাধন ঘটেছে।

⇒ এজন্য আইন মোতাবেক, কমপক্ষে ২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড দেওয়া আদালতের বাধ্যতামূলক এখতিয়ারভুক্ত।
২,১৪৩.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর অধীনে নারীর আত্মহত্যায় প্ররোচনা ইত্যাদির শাস্তি-
  1. অনধিক ১০ বছর অন্যূন ৫ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  2. অনধিক ১২ বছর অন্যূন ৫ বছর কারাদণ্ড
  3. অনধিক ৮ বছর অন্যূন ৫ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. অনধিক ১০ বছর অন্যূন ৫ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ৯ক- নারীর আত্মহত্যায় প্ররোচনা, ইত্যাদির শাস্তি

কোন নারীর সম্মতি ছাড়া বা ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোন ব্যক্তির ইচ্ছাকৃত (Wilful) কোন কার্য দ্বারা সম্ভ্রমহানি হইবার প্রত্যক্ষ কারণে কোন নারী আত্মহত্যা করিলে, উক্ত ব্যক্তি উক্ত নারীকে অনুরূপ কার্য দ্বারা আত্মহত্যা করিতে প্ররোচিত করিবার অপরাধে অপরাধী হইবেন এবং উক্ত অপরাধের জন্য তিনি অনধিক দশ বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
২,১৪৪.
নিম্নলিখিত কোন বিবাহটি মুসলিম আইনে অনিয়মিত বিবাহ নয়?
  1. সাক্ষী ছাড়া বিবাহ
  2. প্রথম স্ত্রী থাকতে দ্বিতীয় বিবাহ
  3. ইদ্দত পালনকারী মহিলাকে বিবাহ
  4. একই সাথে দুই বোনেকে বিবাহ করা 
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম আইনে বিবাহকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়:
- সহিহ বিবাহ – যাবতীয় শর্ত পূরণসহ সম্পন্ন বিবাহ।
- ফাসিদ বিবাহ – অনিয়মিত বিবাহ, যাতে কিছু শর্তের অভাব বা লঙ্ঘন আছে কিন্তু বিবাহটি মূলত বে-আইনি নয়। এ ধরনের বিবাহ সংশোধনযোগ্য।
- বাতিল বিবাহ – সম্পূর্ণ অবৈধ বিবাহ, যা কোনোভাবেই বৈধ হয় না।

⇒ অনিয়মিত বিবাহের সংজ্ঞা (Definition of irregular marriage):
যে বিবাহ মূলত বে-আইনী নয়, কিন্তু এতে বৈধ বিবাহের কোনো নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়েছে বলে প্রমাণিত হয়, তবে ঐ বিবাহকে অনিয়মিত বিবাহ বা ফাসিদ বিবাহ বলে। অর্থাৎ যে বিবাহ ত্রুটিপূর্ণ, কিন্তু বাতিল নয় এটিই অনিয়মিত বিবাহ।
যেমন: সাক্ষী ছাড়া বিবাহ, ইদ্দতের মধ্যে বিবাহ, স্ত্রীর বোন বিবাহ করা ইত্যাদি।

মুসলিম আইনে "অনিয়মিত বিবাহ" (ফাসিদ) বলতে এমন বিবাহকে বোঝায় যাতে বিবাহের কিছু আনুষ্ঠানিক শর্ত লঙ্ঘন করা হয়েছে, কিন্তু বিবাহটি সম্পূর্ণ বাতিল নয় (সংশোধনযোগ্য)।
ক) সাক্ষী ছাড়া বিবাহ: এটি ফাসিদ, কারণ মুসলিম বিবাহের জন্য কমপক্ষে দুইজন সাক্ষী বাধ্যতামূলক।
গ) ইদ্দত পালনরত মহিলাকে বিবাহ: এটি ফাসিদ, কারণ ইদ্দতকালীন (প্রতীক্ষার সময়) মহিলাকে বিবাহ করা নিষিদ্ধ।
ঘ) একই সাথে দুই বোনকে বিবাহ: এটি ফাসিদ, কারণ ইসলামে একই সময়ে দুই বোনকে বিবাহ করা হারাম।

খ) প্রথম স্ত্রী থাকতে দ্বিতীয় বিবাহ: এটি ফাসিদ নয়, অর্থাৎ এটি অনিয়মিত বিবাহ নয়। ইসলামী আইন পুরুষকে নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে সর্বোচ্চ চারটি বিবাহ করার অনুমতি দেয়। তাই প্রথম স্ত্রীর অনুমতি না নিয়ে বা তার অজান্তে দ্বিতীয় বিবাহ করলেও বিবাহটি সহিহ (বৈধ) হিসেবে গণ্য হয়, তবে এটি নৈতিক ও সামাজিক দিক থেকে অপ্রশংসনীয় এবং স্ত্রীর হক নষ্ট করার দায়িত্ব বহন করে। এটি ফাসিদ নয়, কারণ এটি মূল নিয়মের পরিপন্থী নয়।

- সুতরাং, প্রথম স্ত্রী থাকতে দ্বিতীয় বিবাহ অনিয়মিত বিবাহ নয়, বরং শরীয়তের সীমার মধ্যে একটি বৈধ বিবাহ।

২,১৪৫.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ ১৯৬১ এর ৪ ধারায় প্রদত্ত 'প্রতিনিধিত্বের নীতি' নিম্নের কাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. মৃত কন্যার সন্তান
  2. মৃত বোনের সন্তান
  3. মৃত ভাইয়ের সন্তান
  4. উল্লিখিত সকলের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• ১৯৬১ সালে মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশের ৪ ধারায় উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে প্রতিনিধিত্বের নীতি অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ কার্যকর হওয়ার পর অর্থাৎ ১৫-০৭-১৯৬১ইং তারিখ হতে দাদা/নানার মৃত্যুর পর দাদা বা নানার সম্পত্তিতে উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে প্রতিনিধিত্বের নীতি অনুযায়ী মাতা বা পিতাহারা সন্তান বা সন্তানরা ওইটুকু সম্পত্তি পাবে যতটুকু তার/তাদের পিতা/মাতা বেঁচে থাকলে পেত।
 
উদাহরণ হিসেবে বলা যায়-

‘ক’ নামক ব্যক্তি জীবিত থাকাস্থায় তার ‘খ’ নামক ছেলে ও ‘গ’ নামক মেয়ে মারা যায়। ‘খ’ মৃত্যুকালে এক ছেলে ‘ঘ’ ও এক মেয়ে ‘ঙ’ কে এবং ‘গ’ মৃত্যুকালে এক ছেলে ‘চ’ ও এক মেয়ে ‘ছ’ কে জীবিত রেখে যায়। অতঃপর ‘ক’-এর মৃত্যুর পর পিতার ওয়ারিশ সূত্রে ‘খ’ ‘ক’-এর নিকট যে সম্পত্তি পেত ‘ঘ’ ও ‘ঙ’ ওই সম্পত্তি তাদের পিতা ‘খ’-এর ওয়ারিশ হিসেবে ‘ক’-এর নিকট হতে প্রাপ্ত হবে। অনুরূপভাবে ‘গ’ পিতার ওয়ারিশসূত্রে যে সম্পত্তি ‘ক’-এর নিকট থেকে পেত, ‘চ’ ও ‘ছ’ ওই সম্পত্তি তাদের মাতা ‘গ’-এর ওয়ারিশ হিসেবে ‘ক’-এর নিকট থেকে প্রাপ্ত হবে। এক্ষেত্রেও সম্পত্তির অংশ ছেলে ও মেয়ের ক্ষেত্রে ২ঃ১ অনুপাতে হবে। অর্থাৎ পুত্র কন্যার দ্বিগুণ পাবে।
 
১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশের ৪ ধারা অনুযায়ী শুধু পূর্বে মৃত পুত্র বা কন্যার সন্তান/সন্তানদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। অর্থাৎ পুত্রের পুত্র বা কন্যা এবং কন্যার পুত্র বা কন্যার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। অন্য কোনো ওয়ারিশের ক্ষেত্রে এ আইন প্রযোজ্য নয়।

Section 4- Succession: In the event of the death of any son or daughter of the propositus before the opening of succession, the children of such son or daughter, if any, living at the time the succession opens, shall per stirpes receive a share equivalent to the share which such son or daughter, as the case may be, would have received if alive.
২,১৪৬.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ কত ধারায় শিশু ভিকটিম এবং শিশু সাক্ষীর অধিকার রক্ষা সম্পর্কিত বিধান আছে?
  1. ৩৮ ধারায়
  2. ৩৯ ধারায়
  3. ৪০ ধারায়
  4. ৪১ ধারায়
ব্যাখ্যা

মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৩৮: শিশু ভিকটিম এবং শিশু সাক্ষীর অধিকার রক্ষা:
(১) ভিকটিম এবং সাক্ষীর সুরক্ষা বিধান বিষয়ক এই আইনের বিধানসমূহের সামগ্রীকতাকে ক্ষুণ্ন না করিয়া, মানব পাচার অপরাধের শিকার শিশু এবং শিশু সাক্ষী লইয়া কাজ করিবার সময় ট্রাইব্যুনালসহ যে কোন ব্যক্তি শিশুর সর্বোত্তম কল্যাণ এবং অগ্রাধিকারের নীতি প্রয়োগ করিবে এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক দলিলে সন্নিবেশিত নীতিসহ আপাততঃ বলবৎ এতদবিষয়ক যে কোন আইনের বিধানসমূহ অনুসরণ করিবে এবং মানব পাচারের শিকার শিশুদের অপরাধী হিসেবে অভিযুক্ত হওয়া অথবা তাহাদের এবং শিশু সাক্ষীদের কলঙ্কিত হওয়া বা সামাজিকভাবে একঘরে হওয়া এড়াইবার জন্য এই আইনের অধীন কর্মরত সংশ্লিষ্ট সকলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে।
 
(২) পুলিশ বা সরকার বা এই আইনের বিষয়বস্ত্ত লইয়া কর্মরত কোন ব্যক্তি শিশু-বান্ধব কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ বা শিশু-বান্ধব প্রক্রিয়া ব্যতীত অন্য কোনভাবে এই আইনের সহিত দ্বন্দ্বে (Conflict) বা ইহার সংস্পর্শে (Contact) আসা কোন শিশু লইয়া কাজ করিবে না এবং মানব পাচারের শিকার কোন শিশুকে বা ভিকটিম শিশুকে উন্নয়ন কেন্দ্রে (development centre/remand home) প্রেরণ করা বা আটক রাখা যাইবেনা।

২,১৪৭.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ অনুযায়ী তথ্য-উপাত্ত অপসারণ বা ব্লক করার পর কত দিনের মধ্যে ট্রাইব্যুনালের অনুমতি গ্রহণ করতে হবে?
  1. ৩ দিন
  2. ৫ দিন
  3. ৭ দিন
  4. ১০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৮(৪) অনুযায়ী, তথ্য-উপাত্ত অপসারণ, স্থানান্তর বা ব্লক করার পর ৩ (তিন) দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের অনুমতি গ্রহণ করতে হবে। এই সময়ের মধ্যে অনুমতি গ্রহণ না করা হলে বা ট্রাইব্যুনাল অনুমতি প্রদান না করলে, অপসারিত, স্থানান্তরিত বা ব্লককৃত তথ্য-উপাত্ত পুনরায় অবমুক্ত করতে হবে।

⇒ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৮- কতিপয় তথ্য-উপাত্ত অপসারণ বা ব্লক করিবার ক্ষমতা:
(১) মহাপরিচালকের নিজ অধিক্ষেত্রভুক্ত কোনো বিষয়ে ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে প্রকাশিত বা প্রচারিত কোনো তথ্য-উপাত্ত সাইবার সুরক্ষার ক্ষেত্রে হুমকি সৃষ্টি করিলে তিনি উক্ত তথ্য-উপাত্ত অপসারণ, ক্ষেত্রমত, স্থানান্তর বা ব্লক করিবার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন বা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে, অতঃপর বিটিআরসি বলিয়া উল্লিখিত, অনুরোধ করিতে পারিবেন।(২) যদি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিকট তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণসাপেক্ষে বিশ্বাস করিবার কারণ থাকে যে, ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে প্রকাশিত বা প্রচারিত কোনো তথ্য দেশের অখণ্ডতা, নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা, জনশৃঙ্খলা ক্ষুণ্ণ করে, ধর্মীয় বা সাম্প্রদায়িক ঘৃণামূলক বা জাতিগত বিদ্বেষমূলক বক্তব্য, যাহা সহিংসতা তৈরির উদ্বেগ সৃষ্টি করে বা বিশৃঙ্খলা বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের নির্দেশনা প্রদান করে, তাহা হইলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী উক্ত তথ্য-উপাত্ত অপসারণ বা ব্লক করিবার জন্য বা, ক্ষেত্রমত, স্থানান্তরের জন্য মহাপরিচালকের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে বা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বিটিআরসিকে অনুরোধ করিতে পারিবে।
(৩) উপ-ধারা (১) ও (২) এর অধীন কোনো অনুরোধ প্রাপ্ত হইলে বা ট্রাইব্যুনালের আদেশ প্রাপ্ত হইলে বিটিআরসি বা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সংশ্লিষ্ট সংস্থা, উপযুক্ত ক্ষেত্রে, উক্ত তথ্য-উপাত্ত অপসারণ বা, ক্ষেত্রমত, ব্লক করিবার জন্য কোনো প্রযুক্তি কোম্পানিকে অনুরোধ করিতে পারিবে এবং অতঃপর উহা সরকারকে অবহিত করিবে এবং কোনো কন্টেন্ট ব্লক করা হইলে স্বচ্ছতার স্বার্থে সরকার সকল ব্লক হওয়া কন্টেন্টের তথ্য জনসম্মুখে প্রকাশ করিবার ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে।
(৪) উপ-ধারা (১), (২) ও (৩) এর অধীন তথ্য-উপাত্ত অপসারণ, ক্ষেত্রমত, স্থানান্তর বা ব্লক করিবার ৩ (তিন) দিনের মধ্যে উক্ত বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের অনুমতি গ্রহণ করিতে হইবে এবং উল্লিখিত সময়ের মধ্যে অনুমতি গ্রহণ না করিলে বা ট্রাইব্যুনাল অনুমতি প্রদান না করিলে অপসারিত বা, ক্ষেত্রমত, স্থানান্তরিত বা ব্লককৃত তথ্য-উপাত্ত পুনরায় বাধ্যতামূলকভাবে অবমুক্ত করিতে হইবে।
(৫) এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, প্রয়োজনীয় অন্যান্য বিষয়াদি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে।

২,১৪৮.
সুপ্রীম কোর্ট ব্যতীত অন্যান্য অধস্তন আদালত কীভাবে প্রতিষ্ঠিত হবে?
  1. আইনের দ্বারা
  2. রাষ্ট্রপতির আদেশে
  3. সংসদের সিদ্ধান্তে
  4. সুপ্রীম কোর্টের নির্দেশে
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৪ অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: “আইনের দ্বারা যেরূপ প্রতিষ্ঠিত হইবে, সুপ্রীম কোর্ট ব্যতীত সেইরূপ অন্যান্য অধস্তন আদালত থাকিবে।”
অর্থাৎ, সুপ্রীম কোর্ট ছাড়া বাকি সকল অধস্তন আদালত (যেমন: জেলা ও দায়রা জজ আদালত, ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, বিশেষ আদালত ইত্যাদি) সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হবে।
- সুতরাং, অধস্তন আদালতসমূহ আইনের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হবে।

২,১৪৯.
জাতীয় নিরাপত্তার সাথে সংশ্লিষ্ট কোন চুক্তি-
  1. রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করা হবে না
  2. সংসদের নিকট পেশ করা হবে না
  3. সংসদের গোপন বৈঠকে পেশ করা হবে
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪৫ক: আন্তর্জাতিক চুক্তি-

বিদেশের সহিত সম্পাদিত সকল চুক্তি রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করা হইবে, এবং রাষ্ট্রপতি তাহা সংসদে পেশ করিবার ব্যবস্থা করিবেনঃ
তবে শর্ত থাকে যে, জাতীয় নিরাপত্তার সহিত সংশ্লিষ্ট অনুরুপ কোন চুক্তি কেবলমাত্র সংসদের গোপন বৈঠকে পেশ করা হইবে।

Article 145A: International treaties-
All treaties with foreign countries shall be submitted to the President, who shall cause them to be laid before Parliament:

Provided that any such treaty connected with national security shall be laid in a secret session of Parliament
২,১৫০.
প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে যে নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হয়, তা কীভাবে পরিচালিত হয়?
  1. রাষ্ট্রপতির আদেশে
  2. সংবিধান অনুসারে
  3. সুপ্রিম কোর্টের পরামর্শে
  4. প্রধানমন্ত্রীর একক সিদ্ধান্তে
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৫(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হয় এবং এটি সংবিধান অনুযায়ী পরিচালিত হয়।
- অর্থাৎ, প্রধানমন্ত্রী তাঁর ক্ষমতা ব্যবহার করতে পারেন, কিন্তু তা অবশ্যই সংবিধানের বিধানসমূহের মধ্যে থাকতে হবে।
→ সুতরাং প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে পরিচালিত নির্বাহী ক্ষমতা সরাসরি সংবিধান দ্বারা পরিচালিত হয়, এবং তা রাষ্ট্রপতির আদেশ বা প্রধানমন্ত্রীর একক সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয় না।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৫ অনুচ্ছেদ- মন্ত্রিসভা:
(১) প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকিবে এবং প্রধানমন্ত্রী ও সময়ে সময়ে তিনি যেরূপ স্থির করিবেন, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী লইয়া এই মন্ত্রিসভা গঠিত হইবে। 
(২) প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক বা তাঁহার কর্তত্বে এই সংবিধান-অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হইবে। 
(৩) মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকিবেন। 
(৪) সরকারের সকল নির্বাহী ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতির নামে গৃহীত হইয়াছে বলিয়া প্রকাশ করা হইবে। 
(৫) রাষ্ট্রপতির নামে প্রণীত আদেশসমূহ ও অন্যান্য চুক্তিপত্র কিরূপে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত হইবে, রাষ্ট্রপতি তাহা বিধিসমূহ-দ্বারা নির্ধারণ করিবেন এবং অনুরূপভাবে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত কোন আদেশ বা চুক্তিপত্র যথাযথভাবে প্রণীত বা সম্পাদিত হয় নাই বলিয়া তাহার বৈধতা সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না। 
(৬) রাষ্ট্রপতি সরকারী কার্যাবলী বন্টন ও পরিচালনার জন্য বিধিসমূহ প্রণয়ন করিবেন।
২,১৫১.
একটি আইনের দুইটি ধারা পরস্পর সাংঘর্ষিক হলে আইনটি কিভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে?
  1. অবস্থাভেদে একটি ধারা কার্যকর হবে
  2. পূর্বের ধারাটি কার্যকর হবে পরের ধারাটি বাতিল হবে
  3. পূর্বের ধারাটি বাতিল হবে পরের ধারাটি কার্যকর হবে
  4. এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে যেন উভয় ধারা কার্যকর হয়
ব্যাখ্যা
- Rule of Harmonious Construction:
যখন একই আইনের মধ্যে পরস্পর বিরোধী এক বা একাধিক বিধান থাকে। একই আইনের মধ্যে পরস্পর অসংগতিপূর্ণ বা সাংঘর্ষিক বিধান বিদ্যমান থাকলে তাকে এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে, যাতে ঐ আইনের সবগুলো বিধানকে একই সাথে কার্যকর করা যায় এবং এতে বিদ্যমান পরস্পর বৈরিতা প্রত্যাখ্যান করা সম্ভব হয়।

- Rule of Harmonious Construction নীতির বিধান হল:
(১) কোনো আইনে দুটি ধারার প্রয়োগে যদি দেখা যায়, ধারা দু'টি একে অন্যের সাথে বিরোধপূর্ণ; তাহলে ধারা দু'টি এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে, যেন ধারা দুটিকে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে প্রয়োগ করা যায়। 
অর্থাৎ, এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে যেন উভয় ধারা কার্যকর হয়।
(২) একটি ধারার বিধানকে এমনভাবে ব্যাখ্যা করা যাবে না, যাতে অন্য কোনো ধারার বিধান অকার্যকর বা সাংঘর্ষিক হয়।
২,১৫২.
স্থানীয় শাসন সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানসমূহের দায়িত্বের মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. জনশৃংখলা রক্ষা
  2. জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা
  3. প্রশাসন ও সরকারী কর্মচারীদের কার্য
  4. অর্থনৈতিক উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৯(২) অনুযায়ী, স্থানীয় শাসন সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানসমূহের দায়িত্বের মধ্যে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে—
১) প্রশাসন ও সরকারি কর্মচারীদের কার্য পরিচালনা
২) জনশৃঙ্খলা রক্ষা
৩)জনসাধারণের কার্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন-সম্পর্কিত পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন

তবে, "জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা" স্থানীয় শাসন প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না। এটি মূলত কেন্দ্রীয় সরকারের, বিশেষ করে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর দায়িত্ব।
→ অতএব, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা স্থানীয় শাসনের দায়িত্ব নয়, তাই 'খ' অপশনটি সঠিক উত্তর।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৯ স্থানীয় শাসন:
(১) আইনানুযায়ী নির্বাচিত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত প্রতিষ্ঠানসমূহের উপর প্রজাতন্ত্রের প্রত্যেক প্রশাসনিক এককাংশের স্থানীয় শাসনের ভার প্রদান করা হইবে।
(২) এই সংবিধান ও অন্য কোন আইন-সাপেক্ষে সংসদ আইনের দ্বারা যেরূপ নির্দিষ্ট করিবেন, এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় উল্লিখিত অনুরূপ প্রত্যেক প্রতিষ্ঠান যথোপযুক্ত প্রশাসনিক এককাংশের মধ্যে সেইরূপ দায়িত্ব পালন করিবেন এবং অনুরূপ আইনে নিম্নলিখিত বিষয় সংক্রান্ত দায়িত্ব অন্তর্ভুক্ত হইতে পারিবে:
(ক) প্রশাসন ও সরকারী কর্মচারীদের কার্য;
(খ) জনশৃংখলা রক্ষা;
(গ) জনসাধারণের কার্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন-সম্পর্কিত পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ স্থানীয় শাসন- ৬০ সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা:
- এই সংবিধানের ৫৯ অনুচ্ছেদের বিধানাবলীকে পূর্ণ কার্যকরতাদানের উদ্দেশ্যে সংসদ আইনের দ্বারা উক্ত অনুচ্ছেদে উল্লিখিত স্থানীয় শাসন সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানসমূহকে স্থানীয় প্রয়োজনে কর আরোপ করিবার ক্ষমতাসহ বাজেট প্রস্তুতকরণ ও নিজস্ব তহবিল রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষমতা প্রদান করিবেন।
২,১৫৩.
The State Acquisition Tenancy Act, 1950 এর কত ধারায় "Bar to jurisdiction of civil court" এর বিধান আছে?
  1. ১৪৪
  2. ১৪৪ক
  3. ১৪৪খ
  4. ১৪৫
ব্যাখ্যা
The State Acquisition Tenancy Act, 1950 এর ১৪৪খ ধারার বিধান: দেওয়ানি আদালতের এখতিয়ারে বিধি-নিষেধ (Bar to jurisdiction of civil court):
-এই অধ্যায় অনুযায়ী কোন খতিয়ান বা স্বত্বলিপি বা তার অংশ বিশেষ প্রস্তুতকরণ, প্রকাশনা, স্বাক্ষরকরণ বা প্রত্যয়ন সম্পর্কে দেওয়ানি আদালতে কোন ধরনের মোকদ্দমা বা আবেদন দাখিল করা যাবে না।
- উক্ত মোকদ্দমা এবং আবেদন যদি দেওয়ানি আদালতে বিচারাধীন থাকে তা আর অগ্রসর হবে না এবং বাতিল হবে।
- উক্তরূপ কোন মোকদ্দমার রায়, ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করা হয় তা অকার্যকর হবে এবং কোন আইনগত বৈধতা থাকবে না।

⇒ The State Acquisition Tenancy Act, 1950 Section 144B. Bar to jurisdiction of civil court:
(1) When an order has been made under sub-section (1) of section 144 directing the preparation or revision of record-of-rights in respect of any area, then, subject to the provisions of section 111, a civil court shall not entertain any suit or application for the alteration of any rent or determination of the status of any tenant of the incidents of any tenancy in such area and if any such suit or application relating to such area is pending before a civil court on or after the date of such order, it shall not be further proceeded with and shall abate and if any judgement, decree or order has been passed in any such suit or any order has been passed on any such application, after the said date, it shall be inoperative and of no legal effect. 

(2) No suit or application shall be brought in a civil court in respect of any order directing the preparation or revision of record-of-rights under this Chapter or in respect of framing, publication, signing or attestation of such a record or a ny part of it, and if any such suit or application is pending before a civil court, it shall not be further proceeded with and shall abate and if any judgment, decree or order has been passed in any such suit or any order has been passed on any such application, it shall be inoperative and of no legal effect.
২,১৫৪.
The Latin maxim “Nemo debet esse judex in propria causa” means –
  1. The act speaks for itself
  2. Everyone is equal before the law
  3. No one should be a judge in his own cause
  4. Ignorance of law is not an excuse
ব্যাখ্যা

Nemo debet esse judex in propria causa — একটি ল্যাটিন term, যার অর্থ হলো:
- “No one should be a judge in his own cause.”
- “কেউ নিজের মামলার বিচারক হতে পারে না”

এটি ন্যায়বিচারের একটি মৌলিক নীতি, যা “Natural Justice” (প্রাকৃতিক ন্যায়নীতি)-এর একটি প্রধান স্তম্ভ।

নীতির প্রয়োগের দুটি দিক রয়েছে:
যখন বিচারক সরাসরি মামলার পক্ষভুক্ত (Party):
যদি কোনো বিচারক কোনো মামলার সরাসরি পক্ষ হয়ে থাকেন, তবে তিনি সে মামলার বিচার করতে পারবেন না।
উদাহরণ: বিচারক যদি অভিযুক্ত বা মামলার বাদী হন, তাহলে তিনি নিজেই নিজের বিষয়ে নিরপেক্ষ সিদ্ধান্ত দিতে পারবেন না।

যখন বিচারকের মামলায় ব্যক্তিগত স্বার্থ রয়েছে (Interest):
যদি বিচারকের আর্থিক, পারিবারিক, রাজনৈতিক বা অন্য কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ মামলার ফলাফলের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে, তাহলেও তিনি সে মামলার বিচার করতে পারবেন না।
উদাহরণ: বিচারক যদি কোনো প্রতিষ্ঠানের শেয়ারহোল্ডার হন, আর সেই প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে মামলা চলে, তবে তিনি সেই মামলায় বিচারক হতে পারেন না।

২,১৫৫.
‘ইজমা’ বলতে বোঝায়-
  1. একক মতামত
  2. মুসলিম আইনজ্ঞদের ঐকমত্য
  3. সকল মুসলিমদের মতামত
  4. কোরআনের অনুবাদ
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম আইনের উৎস প্রধানত ৪টি-
১. পবিত্র কোরআন;
২. হাদিস;
৩. ইজমা;
৪. কিয়াস।

ইজমা:
ইজমা শব্দটি আরবি। এর আভিধানিক অর্থ- ঐকমত্য হওয়া, শক্তিশালী করা, দৃঢ় সিদ্ধান্ত নেওয়া, একমত হওয়া ইত্যাদি। সুতরাং কোন বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করার নামই হলো ইজমা। ইসলামি শরীআতের ভাষায়-"কোন কাজ অথবা কথার ওপর এক যুগের উম্মাতে মুহাম্মদীর ন্যায়বান মুজতাহিদগণের ঐক্যবদ্ধ সিদ্ধান্তকে বলে।" ইজমা শরীআতের তৃতীয় উৎস। গুরুত্বের বিচারে কুরআন ও হাদিসের পরেই ইজমার স্থান। কোন বিশেষ যুগে আইন সংক্রান্ত কোন বিশেষ প্রশ্নের সমস্যার সমাধান কুরআন ও হাদিসকে কেন্দ্র করে মুসলিম পণ্ডিতগণ যে সম্মিলিত অভিমত পোষণ করেছেন ইসলামি শরীআতে তাই হলো ইজমা। ইজমা রাসূলুল্লাহ (স)-এর বাণী দ্বারা বৈধ প্রমাণিত হয়েছে।

২,১৫৬.
বায়নাপত্র বা বিক্রয়চুক্তি'র নিবন্ধন করার বিধান-
  1. অনাবশ্যক
  2. বাধ্যতামূলক
  3. নির্দেশনামূলক
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

• ২০০৪ সালে The Registration (Amendment) Act, 2004 সংশোধন করা হয় এবং ১ জুলাই, ২০০৫ থেকে কার্যকর হয়।

Registration (Amendment) Act, 2004- এর মাধ্যমে 17A ধারা নতুনভাবে সংযোজিত হয়েছে। এই 17A ধারার মাধ্যমে স্থাবর সম্পত্তির বায়নাপত্র বা বিক্রয়চুক্তি'র নিবন্ধন [Registration] বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

ধারা ১৭এ অনুসারে, বিক্রয়চুক্তি (বায়নাপত্র) অবশ্যই
⇒ লিখিত,
⇒ পক্ষগণের দ্বারা সম্পাদিত ও
⇒ রেজিস্ট্রিকৃত হতে হবে।

উল্লেখ্য, বিক্রয়চুক্তি সম্পাদনের ৬০ দিনের মধ্যে তা রেজিস্ট্রেশনের জন্য উপস্থাপন করতে হবে।

২,১৫৭.
শিশু আইন, ২০১৩ এর কোন ধারায় শিশুকে ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োগের দণ্ডের বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৬৯
  2. ধারা ৭০
  3. ধারা ৭১
  4. ধারা ৭২
ব্যাখ্যা

শিশু আইন, ২০১৩, ধারা ৭১: শিশুকে ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োগের দণ্ড:
কোন ব্যক্তি যদি কোন শিশুকে ভিক্ষার উদ্দেশ্যে নিয়োগ করেন বা কোন শিশুর দ্বারা ভিক্ষা করান অথবা শিশুর হেফাজত, তত্ত্বাবধান বা দেখাশুনার দায়িত্বে নিয়োজিত কোন ব্যক্তি যদি কোন শিশুকে ভিক্ষার উদ্দেশ্যে নিয়োগদানে প্রশ্রয়দান করেন বা উৎসাহ প্রদান করেন বা ভিক্ষার উদ্দেশ্যে প্রদান করেন, তাহা হইলে তিনি এই আইনের অধীন অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং
উক্ত অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ড অথবা অনধিক (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

২,১৫৮.
একজন হিন্দু ব্যক্তি সম্পত্তির কত অংশ উইল করতে পারে?
  1. এক-তৃতীয়াংশ
  2. অর্ধেক
  3. দুই-তৃতীয়াংশ
  4. নির্দিষ্ট বিধান নেই
ব্যাখ্যা
• উইল হচ্ছে নিজের অবর্তমানে কাউকে সম্পত্তি দিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা। তবে কোনো মুসলমান তাঁর দাফন-কাফনের ব্যয় ও দেনা পরিশোধের পর সম্পত্তির এক-তৃতীয়াংশের বেশি উইল করতে পারবে না। অর্থাৎ উইলের ক্ষেত্রে পুরো সম্পত্তি দিয়ে যেতে পারবেন না। যদি এক-তৃতীয়াংশের বেশি উইল করা হয়, তাহলে সে উইল কার্যকর করা যাবে না।
তবে সম্পত্তির উইলের ক্ষেত্রে অন্য ওয়ারিশদের অনুমতি নিয়ে এর বেশিও উইল করা যাবে। দান সঙ্গে সঙ্গে হস্তান্তর করতে হয়। উইল কার্যকর হয় মৃত্যুর পর। তবে নাবালক সন্তান থাকলে দানের ক্ষেত্রে সন্তান সাবালক হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হস্তান্তর করতে হবে।

একজন হিন্দু ব্যক্তিও তাঁর সম্পত্তি উইল করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে কোনো সুনির্দিষ্ট নিয়ম নেই। একজন হিন্দু ব্যক্তি তাঁর সমুদয় সম্পত্তি উইল করতে পারেন। হিন্দু সম্প্রদায়ের ক্ষেত্রে জেলা জজ আদালত থেকে উইলকারীর মৃত্যুর পর উইল প্রবেট করতে হয়। প্রবেট হচ্ছে আদালতের মাধ্যমে উইলের প্রমাণ। যেকোনো হেবা বা দান লিখিত আকারে হতে হবে তা রেজিস্ট্রি করে নিতে হবে।
২,১৫৯.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২৫ অনুচ্ছেদ অনুসারে কয়টি নীতি রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি হবে?
  1. ৫টি
  2. ৪টি
  3. ৩টি
  4. ২টি
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ২৫ অনুচ্ছেদে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি কি সেটা আলোচনা করা হয়েছে। ২৫ অনুচ্ছেদ অনুসারে, নিম্নলিখিত ৪টি নীতি রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি হবে-
১. জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা,
২. অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা,
৩. আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং
8. আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা।

আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন করতে উপরে উল্লেখিত নীতির ভিত্তিতে রাষ্ট্র-
ক) আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তিপ্রয়োগ পরিহার এবং সাধারণ ও সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের জন্য চেষ্টা করবে;
খ) প্রত্যেক জাতির স্বাধীন অভিপ্রায় অনুযায়ী পথ ও পন্থার মাধ্যমে অবাধে নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ ও গঠনের অধিকার সমর্থন করবে; এবং
গ) সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণবৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে সমর্থন করবে

Article 25: Promotion of international peace, security and solidarity
The State shall base its international relations on the principles of respect for national sovereignty and equality, non interference in the internal affairs of other countries, peaceful settlement of international disputes, and respect for international law and the principles enunciated in the United Nations Charter, and on the basis of those principles shall – 
(a) strive for the renunciation of the use of force in international relations and for general and complete disarmament; 
(b) uphold the right of every people freely to determine and build up its own social, economic and political system by ways and means of its own free choice; and 
(c) support oppressed peoples throughout the world waging a just struggle against imperialism, colonialism or racialism.
২,১৬০.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ কত ধারায় ভিকটিমকে ক্ষতিপূরণ আদায়ে দেওয়ানী মামলা রুজু করিবার অধিকার দেয়া হয়েছে?
  1. ৪০ ধারায়
  2. ৩৮ ধারায়
  3. ৩৯ ধারায়
  4. ৩৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৯- ক্ষতিপূরণ আদায়ে দেওয়ানী মামলা রুজু করিবার অধিকার:

ফৌজদারী মামলা রুজু করিবার অধিকার অক্ষুণ্ন রাখিয়া এবং দায়েরকৃত কোন ফৌজদারী মামলার পাশাপাশি, ভিকটিম বা পাচারের শিকার ব্যক্তি এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের ফলে সৃষ্ট তাহার প্রকৃত ক্লেশ (sufferance) বা আইনগত ক্ষতির (legal injury) জন্য বা উক্ত অপরাধের সহিত সম্পৃক্ত কোন চুক্তি লংঘনের জন্য দেওয়ানী আদালতে ক্ষতিপূরণের মামলা দায়ের করিতে পারিবে।
২,১৬১.
মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) আইন, ১৯৭৪ অনুযায়ী নিকাহ রেজিস্ট্রার কে?
  1. আদালত কর্তৃক নিযুক্ত ব্যক্তি
  2. সরকার কর্তৃক নিযুক্ত ব্যক্তি
  3. স্বয়ং বিবাহ সম্পাদনকারী ব্যক্তি
  4. স্থানীয় কমিটি কর্তৃক নিযুক্ত ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
⇒ মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) আইন, ১৯৭৪-এর ধারা ৪ অনুযায়ী, সরকার বিবাহ নিবন্ধনের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক নিকাহ রেজিস্ট্রার নিয়োগ করে। এই রেজিস্ট্রারগণ নির্দিষ্ট এলাকার জন্য সরকার কর্তৃক লাইসেন্সপ্রাপ্ত ব্যক্তি, যাদের দায়িত্ব হলো মুসলিম বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন করা।
সুতরাং, মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) আইন, ১৯৭৪ অনুসারে, নিকাহ রেজিস্ট্রার হলেন সরকার কর্তৃক নিযুক্ত ব্যক্তি।

⇒  মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) আইন, ১৯৭৪-এর ধারা ৪ এর বিধান নিকাহ রেজিস্ট্রার:
এই আইনের অধীন বিবাহ নিবন্ধনের উদ্দেশ্যে সরকার প্রয়োজনীয় সংখ্যক ব্যক্তিকে, যাহারা নিকাহ রেজিস্ট্রার নামে অভিহিত হইবে, তাহাদের জন্য নির্ধারিত এলাকার জন্য লাইসেন্স প্রদান করিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, কোন একটি এলাকার জন্য একাধিক নিকাহ রেজিস্ট্রার লাইসেন্সপ্রাপ্ত হইবেন না:
আরও শর্ত থাকে যে, সরকার যখনই উপযুক্ত মনে করিবে, তখনই নিকাহ রেজিস্ট্রারের জন্য নির্ধারিত এলাকার সীমা বৃদ্ধি, হ্রাস বা পরিবর্তন করিতে পারিবে।
---------- 
⇒ The Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974-Section 4. Nikah Registrars:
For the purpose of registration of marriages under this Act, the Government shall grant licenses to such number of persons, to be called Nikah Registrars, as it may deem necessary for such areas as it may specify: 
Provided that not more than one Nikah Registrar shall be licensed for any one area : 
Provided further that the Government may, whenever it deems fit so to do, extend, curtail or otherwise alter the limits of any area for which a Nikah Registrar has been licensed.
২,১৬২.
শিশু-আদালত বিচার প্রক্রিয়া সমাপ্ত হওয়ার কত কর্মদিবসের মধ্যে বিচারের ফলাফল সম্পর্কে প্রবেশন কর্মকর্তাকে লিখিতভাবে অবহিত করবে?
  1. ৫ কর্মদিবসের মধ্যে
  2. ৭ কর্মদিবসের মধ্যে
  3. ১৪ কর্মদিবসের মধ্যে
  4. ১০ কর্মদিবসের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• শিশু আইন,২০১৩ এর ধারা ৪০ এর বিধান অনুসারে, শিশু-আদালত বিচার প্রক্রিয়া সমাপ্ত হওয়ার ৭ কর্মদিবসের মধ্যে বিচারের ফলাফল সম্পর্কে শিশুর অভিভবক, আইনজীবী এবং প্রবেশন কর্মকর্তাকে লিখিতভাবে অবহিত করবে

ধারা ৪০- বিচারের ফলাফল ও মুক্তি সম্পর্কে তথ্য:

(১) বিচার প্রক্রিয়া সমাপ্ত হইবার ৭ (সাত) কর্মদিবসের মধ্যে শিশু-আদালত বিচারের ফলাফল সম্পর্কে শিশু, শিশুর মাতা-পিতা এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্য, শিশুর আইনজীবী ও প্রবেশন কর্মকর্তাকে লিখিতভাবে অবহিত করিবে। 
 
(২) কোন শিশু মুক্তিপ্রাপ্ত হইলে শিশু-আদালত তাহার মুক্তি প্রদানের তথ্য, তদ্‌কর্তৃক নির্ধারিত পদ্ধতিতে, অধিদপ্তর, প্রবেশন কর্মকর্তা বা আইনজীবীর মাধ্যমে অথবা সরাসরি উক্ত শিশু ও তাহার মাতা-পিতাকে এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্যকে অবহিত করিবে। 
 
(৩) কোন মামলায়, উপ-ধারা (২) এর অধীন, কোন শিশু মুক্তিপ্রাপ্ত হইলে এবং উক্ত মামলায় আইনের সংস্পর্শে আসা কোন শিশু জড়িত থাকিলে, শিশু-আদালত সংশ্লিষ্ট মুক্তি প্রদানের তথ্যটি, তদ্‌কর্তৃক নির্ধারিত পদ্ধতিতে, অধিদপ্তর, প্রবেশন কর্মকর্তা বা আইনজীবীর মাধ্যমে অথবা সরাসরি আইনের সংস্পর্শে আসা শিশু ও তাহার মাতা-পিতাকে এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্যকে অবহিত করিবে।
২,১৬৩.
The Attorney-General shall hold office during the pleasure of the–
  1. Prime Minister
  2. Chief Justice
  3. Parliament
  4. President
ব্যাখ্যা

Article 64: The Attorney-General-
(1) The President shall appoint a person who is qualified to be appointed as a Judge of the Supreme Court to be Attorney-General for Bangladesh.
(2) The Attorney-General shall perform such duties as may be assigned to him by the President.
(3) In the performance of his duties, the Attorney-General shall have the right of audience in all courts of Bangladesh.
(4) The Attorney-General shall hold office during the pleasure of the President, and shall receive such remuneration as the President may determine.

​অনুচ্ছেদ ৬৪: অ্যাটর্নি-জেনারেল:
(১) সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হইবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল পদে নিয়োগদান করিবেন।
(২) অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করিবেন।
(৩) অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্ব পালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁহার বক্তব্য পেশ করিবার অধিকার থাকিবে।
(৪) রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি-জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করিবেন।

২,১৬৪.
'No tax shall be levied or collected except by or under the authority of an Act of Parliament.' বাংলাদেশের সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে দেওয়া আছে?
  1. বাংলাদেশের সংবিধানের ৮০ অনুচ্ছেদে
  2. বাংলাদেশের সংবিধানের ৮১ অনুচ্ছেদে
  3. বাংলাদেশের সংবিধানের ৮২ অনুচ্ছেদে
  4. বাংলাদেশের সংবিধানের ৮৩ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৮৩ অনুচ্ছেদের বিধান: সংসদের আইন ব্যতীত করারোপে বাধা:
 সংসদের কোন আইনের দ্বারা বা কর্তৃত্ব ব্যতীত কোন কর আরোপ বা সংগ্রহ করা যাইবে না।

⇒ Article 83. No taxation except by or under Act of Parliament:

 No tax shall be levied or collected except by or under the authority of an Act of Parliament.
২,১৬৫.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, মন্ত্রিসভা কোন ব্যক্তির নেতৃত্বে গঠিত হয়?
  1. স্পিকার
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৫(১)-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে:
"প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকিবে এবং প্রধানমন্ত্রী ও সময়ে সময়ে তিনি যেরূপ স্থির করিবেন, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী লইয়া এই মন্ত্রিসভা গঠিত হইবে।"
মন্ত্রিসভা প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে গঠিত হয় এবং প্রধানমন্ত্রী তার পছন্দ অনুযায়ী অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং উপমন্ত্রী নিয়োগ দেন।
মন্ত্রিসভা সরকার পরিচালনার জন্য দায়িত্বশীল এবং এটি সংসদের কাছে দায়ী থাকে।
প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিসভা নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করে এবং রাষ্ট্রপতির নামে সরকারী কার্যাবলী প্রকাশিত হয়।
২,১৬৬.
উইল দাখিল করা যায় কোন কর্মকর্তা/কার্যালয়ের নিকট?
  1. শুধু জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. কেবল রেজিস্ট্রার
  3. কেবল সাব-রেজিস্ট্রার
  4. রেজিস্ট্রার বা সাব-রেজিস্ট্রার উভয়ের নিকট
ব্যাখ্যা
ধারা ৪০: উইল ও দত্তকগ্রহণের ক্ষমতাপত্র দাখিল করিবার অধিকারী ব্যক্তিগণ-
(১) উইলদাতা, বা তাহার মৃত্যুর পর উইলের অধীনে নির্বাহক বা অন্য প্রকারে দাবিদার কোন ব্যক্তি, নিবন্ধনের জন্য উহা যে কোন রেজিস্ট্রার বা সাব-রেজিস্ট্রারের নিকট দাখিল করিতে পারিবেন।
(২) কোন দত্তকগ্রহণের ক্ষমতাপত্র নিবন্ধনের জন্য উহার দাতা, বা তাহার মৃত্যুর পর গ্রহীতা, বা দত্তক পুত্র, যে কোন রেজিস্ট্রার বা সাব-রেজিস্ট্রারের নিকট দাখিল করিতে পারিবেন।
২,১৬৭.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অনুযায়ী “নবজাতক শিশু” বলতে বোঝায় জন্মের পর সর্বোচ্চ __________ বয়সী শিশু।
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৪০ দিন
  4. ৬০ দিন
ব্যাখ্যা

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০  এর ধারা - ২(চ):

“নবজাতক শিশু” অর্থ অনূর্ধ্ব চল্লিশ দিন বয়সের কোন শিশু;
“Newborn child” means a child who is not more than forty days old.

২,১৬৮.
সালিশী কাউন্সিলের অনুমতি ব্যতীত ২য় বিয়ে করলে, The Muslim Family Laws Ordinance, 1961 অনুসারে সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ড হতে পারে?
  1. ৫০০০ টাকা
  2. ১০০০০ টাকা
  3. ১৫০০০ টাকা
  4. ২০০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) ১০০০০ টাকা।

• The Muslim Family Laws Ordinance, 1961 এর ৬ ধারা: বহুবিবাহ:

১) কোন ব্যক্তির বিবাহ বলবৎ থাকা অবস্থায় সে সালিশী কাউন্সিলের লিখিত অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবে না বা ঐরূপ অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ অনুষ্ঠিত হলে তা The Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 এর অধীনে রেজিস্ট্রিকৃত হবে না।

২) অনুমতির দরখাস্ত নির্ধারিত ফি সহ চেয়ারম্যানের নিকট দাখিল করতে হবে ও তাতে প্রস্তাবিত বিবাহের কারণসমূহ এবং এই বিবাহের ব্যাপারে বর্তমানে স্ত্রী কিংবা স্ত্রীগণের সম্মতি নেয়া হয়েছে কিনা তার উল্লেখ থাকতে হবে।

৩) দরখাস্ত গ্রহণ করার পর চেয়ারম্যান আবেদনকারীকে ও বর্তমান স্ত্রী কিংবা স্ত্রীগণের প্রত্যেককে একজন করে প্রতিনিধি মনোনীত করতে বলবেন। উক্তরূপে গঠিত সালিশি কাউন্সিল প্রস্তাবিত বিবাহ প্রয়োজনীয় ও ন্যায়সঙ্গত বলে মনে করলে সেক্ষেত্রে প্রার্থিত আবেদন মঞ্জুর করতে পারবেন।

৪) উক্ত দরখাস্তে বিবেচনা করার সময় সালিশি কাউন্সিল নিষ্পত্তির কারণাদি লিপিবদ্ধ করবেন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যে কোন পক্ষ নির্দিষ্ট ফি প্রদানক্রমে সহকারী জজের নিকট পুনর্বিবেচনার (Revision) জন্য দরখাস্ত দাখিল করতে পারে; তার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে ও কোন আদালতে এই সম্পর্কে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।

৫) কোন লোক যদি সালিশী কাউন্সিলের অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় তবে সে-
ক) বর্তমান স্ত্রী কিংবা স্ত্রী গণের তলবী ও স্থগিত দেনমোহরের সম্পূর্ণ টাকা তৎক্ষণাৎ পরিশোধ করতে হবে। উক্ত টাকা উক্তরুপে পরিশোধ না করা হলে বকেয়া ভূমি রাজস্বরূপে আদায়যোগ্য হবে: এবং
খ) অভিযোগে অপরাধী সাব্যস্ত হলে এর শান্তি- অনধিক ১ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
২,১৬৯.
SAT Act, 1950 এর ধারা ৮১ অনুযায়ী, কোনো এলাকায় কৃষি ভূমির অধিকারী হিসাবে কোন শ্রেণি স্বীকৃত?
  1. প্রজা
  2. মালিক
  3. ইজারাদার
  4. ক ও খ উভয়
ব্যাখ্যা
ধারা ৮১: কৃষি প্রজাদের শ্রেণী এবং তাদের অধিকার ও দায়-দায়িত্ব নিয়ন্ত্রণ (বাংলা অর্থ)
(১) কোনো এলাকায় এই অংশের (Part) সব ধারা কার্যকর হওয়ার তারিখ থেকে, ওই এলাকায় শুধুমাত্র এক শ্রেণির কৃষিজমির অধিকারী থাকবে, যার নাম হবে "মালিক" (Malik), এবং সেই মালিকদের অধিকার ও দায়-দায়িত্ব এই অংশের বিধান অনুযায়ী নিয়ন্ত্রিত হবে।

- এই ধারার কোনো কিছুই কোনো মালিককে তার খতিয়ানের উপ-মাটি বা খনিজ সম্পদের ওপর অধিকার প্রদান করে না।
- যখন সরকার কোনো নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কারো কাছে জমি ইজারা দেয়, তখন সেই ইজারাদারের অধিকার ও দায়-দায়িত্ব ইজারার চুক্তিতে নির্ধারিত শর্তাবলী অনুযায়ী নিয়ন্ত্রিত হবে।
২,১৭০.
The Civil Courts Act, 1887 অনুসারে দেওয়ানী আদালত বসার স্থান নির্ধারণের এখতিয়ার কার?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. আপীল বিভাগ
  3. জেলা জজ
  4. সরকার
ব্যাখ্যা

The Civil Courts Act, 1887-এর ধারা 14(1) ও (2) অনুযায়ী একমাত্র সরকার-ই দেওয়ানি আদালতের বসার স্থান নির্ধারণ বা পরিবর্তনের এখতিয়ার রাখে।
- সরকার সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করে।

⇒ The Civil Courts Act, 1887 এর ধারা ১৪ – আদালতের আসনস্থল:
(১) সরকার সরকারি গেজেটে (Official Gazette) বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে যে কোনো দেওয়ানি আদালতের আসনস্থল স্থির করতে বা পরিবর্তন করতে পারে।
(২) বর্তমানে যে সকল স্থানে এই ধরনের আদালত অনুষ্ঠিত হচ্ছে, সেগুলি স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই ধারা অনুযায়ী স্থির করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।

⇒ The Civil Courts Act, 1887- section-14. Place of sitting of Courts:
 (1) The Government may, by notification in the official Gazette, fix and alter the place or places at which any Civil Court under this Act is to be held. 
(2) All places at which any such Courts are now held shall be deemed to have been fixed under this section.

২,১৭১.
The General Clauses Act, 1897-এর কোন ধারায় Doctrine of Locus Poenitentiae-এর বিধান আছে?
  1. ধারা ৯ 
  2. ধারা ১৪
  3. ধারা ২১
  4. ধারা ২৭
ব্যাখ্যা

⇒ The General Clauses Act, 1897-এর ধারা ২১-এ Doctrine of Locus Poenitentiae বা পেনিটেনশিয়ার স্থান আলোচিত হয়েছে, যার অর্থ হল, কোনো বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে উক্ত ক্ষমতা প্রয়োগ থেকে সরে আসা বা বাতিল করা।

⇒The General Clauses Act, 1897 এর ২১ ধারার বিধান: আদেশ, বিধি বা উপ-আইন প্রণয়নের ক্ষমতা, সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে-
-যেক্ষেত্রে সংসদের কোন আইন বা প্রবিধি দ্বারা প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-বিধি জারীর কোন ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে উক্ত ক্ষমতা একইভাবে প্রয়োগযোগ্য এবং অনুরূপ অনুমোদন ও শর্তাবলি (যদি থাকে), জারীকৃত কোন প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-আইনের সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা তা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে।
-------
⇒ The General Clauses Act, 1897, Section 21: Power to make to include power to add to, amend, vary or rescind, orders, rules or bye-laws:
-Where, by any Act of Parliament or Regulation, a power to issue notifications, orders, rules, or bye-laws is conferred, then that power includes a power, exercisable in the like manner and subject to the like sanction and conditions (if any), to add to, amend, vary or rescind any notifications, orders, rules or bye-laws so issued.

২,১৭২.
Abdul Kadir Vs. Salima (1886) মামলায় আদালত মুসলিম বিবাহকে কী বলে আখ্যায়িত করেছে?
  1. পবিত্র বন্ধন
  2. ধর্মীয় অনুষ্ঠান
  3. এক ধরনের চুক্তি
  4. সামাজিক অনুষ্ঠান
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) এক ধরনের চুক্তি।

Abdul Kadir v Salima (1886):
ঘটনার বিবরণ:
Abdul Kadir ও Salima বিয়ের পর তিন মাস সুখে সংসার করেন। পরে Salima তার বাবার বাড়ি গেলে তার বাবা তাকে Abdul Kadir–এর কাছে ফিরে যেতে দেননি। তাই Abdul Kadir তার স্ত্রী ও শ্বশুরের বিরুদ্ধে বিবাহিত অধিকার পুনরুদ্ধারের (Restitution of Conjugal Rights) মামলা করেন।

প্রতিবাদীরা (স্ত্রী ও শ্বশুর) আদালতে তিনটি কারণ দেখানঃ
- বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে;
- ক্রূরতা (Cruelty);
- মোহর (Dower) প্রদান করা হয়নি।

আদালত প্রথম ও তৃতীয় কারণ (বিবাহবিচ্ছেদ ও ক্রূরতা) বাতিল করলেও মোহর প্রদান না করার যুক্তি বৈধ বলে স্বীকার করে। যদিও বিয়ের আগে মোহরের সুনির্দিষ্ট পরিমাণ ঠিক করা হয়নি, আদালত বলে দেন – মোহর (prompt dower) আগে দিতে হবে।

Abdul Kadir পরে পুরো মোহর আদালতে জমা দেন। আদালত শর্তযুক্ত রায় দেন যে, মোহর প্রদান করলে তিনি তার স্ত্রীকে ফেরত পেতে পারেন। কিন্তু উভয় পক্ষই এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন।

আপিল আদালত Abdul Kadir–এর আপিল খারিজ করে দেয়, কারণ মামলার শুরুতেই তিনি মোহর দেননি; তাই তার মামলার “দাঁড়ানোর অধিকার” (standing) ছিল না।

সবশেষে বিষয়টি আল্লাহাবাদ হাইকোর্টের পূর্ণ বেঞ্চে যায়, যেখানে মোহর না দেওয়া থাকলে স্বামীর দাবির গ্রহণযোগ্যতা আছে কি না – সে প্রশ্নে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

যুক্তি:
আপিলকারী (Abdul Kadir): দাবী করেছিলেন যে, বিবাহিত অধিকার পুনরুদ্ধারের অধিকার মোহর প্রদানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।প্রতিবাদকারী: স্বামীর মামলা খারিজ হওয়া উচিত, কারণ মাহর প্রদান হয়নি।

রায়:
জাস্টিস সায়েদ মাহমুদ-এর মতামত (পূর্ণ বেঞ্চ দ্বারা অনুমোদিত) তিনটি মূল বিষয়ে কেন্দ্রীভূত:
১. মুসলিম বিবাহ ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, এটি আইনগত চুক্তি।
২. মাহরের প্রকৃতি এবং এর প্রভাব স্বামীর বিবাহিত অধিকার পুনরুদ্ধারের অধিকার-এর উপর।

২,১৭৩.
Land Survey Appellate Tribunal এর বিচারক হবেন-
  1. আপীল বিভাগের বিচারক
  2. হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক
  3. জেলা জজ
  4. বিভাগীয় কমিশনার
ব্যাখ্যা
- Section 145B. Land Survey Appellate Tribunal:
(1) The Government may, by notification in the official Gazette, establish as many Land Survey Appellate Tribunals as may be required to hear the appeals arising out of the judgment, decree or order of the Land Survey Tribunals.
(2) The Government may, by notification in the official Gazette, fix and alter the territorial limits of the jurisdiction of any Land Survey Appellate Tribunal.
(3) The Government shall appoint the judge of the Land Survey Appellate Tribunal from among the persons who are District judges.
(3A) Until such judge is appointed under sub-section (3), the Government may empower the District Judge as the judge of the Land Survey Appellate Tribunal of the district.
(3B) The District Judge, empowered under sub-section (3A), shall be deemed to be the judge of the Land Survey Appellate Tribunal appointed under sub-section (3).
(3C) The Government may, if necessary, appoint one or more Additional District Judges as a judge of the Land Survey Appellate Tribunal to hear appeals transferred by the judge of the Land Survey Appellate Tribunal appointed or empowered under this section.]
(4) No appeal other than the appeals arising out of the judgment, decree or order of the Land Survey Tribunal shall lie in the Land Survey Appellate Tribunal.
(5) Subject to the provision of sub-section (6), any person aggrieved by any judgment, decree or order of the Land Survey Tribunal may, within three months from the date of such judgment, decree or order, prefer an appeal to the Land Survey Appellate Tribunal.
(6) An appeal may be admitted within next three months even after the expiry of the period specified in sub-section (5), if the Land Survey Appellate Tribunal is satisfied with the reasons for delay shown by the appellant.
২,১৭৪.
জ্ঞাত আয়ের উৎস বহির্ভূত সম্পত্তি দখলের জন্য সর্বোচ্চ কত বছর কারাদণ্ড দেওয়া হতে পারে?
  1. ৫ বছর
  2. ৭ বছর
  3. ১০ বছর
  4. ১২ বছর
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) ১০ বছর।
⇒ যদি কেউ জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পত্তির ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হন, তবে সর্বোচ্চ ১০ বছর এবং সর্বনিম্ন ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।

দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ২৭ – জ্ঞাত আয়ের উৎস বহির্ভূত সম্পত্তির দখল:
(১) কোন ব্যক্তি তাহার নিজ নামে, বা তাহার পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তির নামে, এমন কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির দখলে রহিয়াছেন বা মালিকানা অর্জন করিয়াছেন, যাহা অসাধু উপায়ে অর্জিত হইয়াছে এবং তাহার জ্ঞাত আয়ের উত্সের সহিত অসংগতিপূর্ণ বলিয়া মনে করিবার যথেষ্ট কারণ রহিয়াছে এবং তিনি উক্তরূপ সম্পত্তি দখল সম্পর্কে আদালতের নিকট বিচারে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা প্রদান করিতে ব্যর্থ হইলে উক্ত ব্যক্তি অনূর্ধ্ব ১০ (দশ) বছর এবং অন্যুন ০৩ (তিন) বছর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদে কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন; এবং উক্তরূপ সম্পত্তিসমূহ বাজেয়াপ্ত যোগ্য হইবে৷ 
 
(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত কোন অপরাধের বিচার চলাকালীন যদি প্রমাণিত হয় যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজ নামে, বা তাহার পক্ষে অপর কোন ব্যক্তির নামে, তাহার জ্ঞাত আয়ের উত্সের সহিত অসঙ্গতিপূর্ণ স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির মালিকানা অর্জন করিয়াছেন বা অনুরূপ সম্পত্তির দখলে রহিয়াছেন, তাহা হইলে আদালত অনুমান করিবে (shall presume) যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি উক্ত অপরাধে দোষী, যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতে উক্ত অনুমান খণ্ডন (rebut) করিতে না পারেন; এবং কেবল উক্তরূপ অনুমানের উপর ভিত্তি করিয়া প্রদত্ত কোন দণ্ড অবৈধ হইবে না৷
২,১৭৫.
রেজিস্ট্রেশন আইনে Tout এর সংজ্ঞা দেওয়া আছে কোন ধারায়?
  1. ২(৮) ধারায়
  2. ২(১১) ধারায়
  3. ৮২ ধারায়
  4. ২(১০) ধারায়
ব্যাখ্যা
• রেজিস্ট্রেশন আইনে ২(১১) ধারা মতে দালাল (tout) বলতে নিম্নের ব্যক্তি দেরকে বুঝাবে-
ক) লাইসেন্স (অনুমোদন) ব্যতীত যে ব্যক্তি ধারা ৮০ছ এর অধীনে রেজিস্ট্রেশন অফিসের প্রাঙ্গণে নিয়মিত ভাবে আসা যাওয়া করে এবং তার নিজের কর্মসংস্থান লাভের জন্য যে অন্য কোন ব্যক্তিকে রেজিস্ট্রেশন কার্যে সাহায্য করে।
খ) যাকে ধারা ৮০ছ এর অধীনে প্রণীত নিয়মাবলি অনুসারে টাউট বা দালাল ঘোষণা করা যায়।
-------
• Section 2(11) “tout' means a person:
(a) who habitually frequents the precincts of a registration office, without a licence granted to him under the rules made under section 80G, for the purpose of obtaining employment for himself or for any other person in connection with any registration business; or
(b) who is declared to be deemed to be a tout for the purposes of this Act by rules made under section 80G;
২,১৭৬.
দেবোত্তর সম্পত্তির পরিচালককে কী বলা হয়?
  1. ট্রাস্টি
  2. সেবায়েত
  3. পুরোহিত
  4. মন্দির ব্যবস্থাপক
ব্যাখ্যা

⇒ সেবায়েত (Shebait) হলো হিন্দু আইনে দেবোত্তর সম্পত্তি (Debottar Property) বা মন্দিরের আইনি ও ধর্মীয় পরিচালক।
- দেবোত্তর সম্পত্তি হলো যে সম্পত্তি মন্দির বা দেবতার উদ্দেশ্যে দান করা হয়।
- এই সম্পত্তি পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করেন সেবায়েত, যিনি দেবতার প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন।

সেবায়েতের ভূমিকা ও বৈশিষ্ট্য:
- সেবায়েত মন্দির বা দেবতার সেবক হিসেবে কাজ করেন এবং সম্পত্তি রক্ষণাবেক্ষণ করেন।
- তিনি দেবতার আইনি প্রতিনিধি হিসেবেও বিবেচিত হন।

নিয়োগ:
- সাধারণত বংশানুক্রমিক (পরিবার বা সম্প্রদায়ের মাধ্যমে)।
- কিছু ক্ষেত্রে ট্রাস্ট বা আদালত কর্তৃক নিযুক্ত হতে পারেন।

ক্ষমতা:
- সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা ও পূজা-অর্চনা পরিচালনা।
- Legal Necessity (আইনসম্মত প্রয়োজন) থাকলে সম্পত্তি বিক্রি বা বন্ধক দিতে পারেন (আদালতের অনুমোদন সাপেক্ষে)।

সীমাবদ্ধতা:
- সেবায়েত স্বেচ্ছায় সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারেন না (যেমন: ব্যক্তিগত লাভের জন্য)।
- দেবোত্তর সম্পত্তির আয় শুধু ধর্মীয় কাজে ব্যবহার করতে হয়।

২,১৭৭.
বাংলাদেশের নাগরিকত্ব কীসের দ্বারা নির্ধারিত হয়?
  1. আইন
  2. সংবিধান
  3. রাষ্ট্রপতির আদেশ
  4. প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইন দ্বারা নির্ধারিত হয়। সংবিধানের ৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বাংলাদেশে নাগরিকত্ব অর্জন বা হারানোর বিষয়টি বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইন দ্বারা নির্ধারিত এবং নিয়ন্ত্রিত হয়।
- এটি একটি বৈধ আইনি প্রক্রিয়া, যা নাগরিকদের অধিকার এবং দায়িত্বকে স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করে।
- নাগরিকত্বের নিয়মনীতির জন্য নির্দিষ্ট আইন প্রণীত হয়েছে যা নাগরিকত্বের বিভিন্ন শর্ত, প্রক্রিয়া ও নিয়মাবলী স্পষ্ট করে।

বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬ নাগরিকত্ব:
(১) বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইনের দ্বারা নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হইবে। 
(২) বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালী এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলিয়া পরিচিত হইবেন।
২,১৭৮.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ সংঘটনে 'K' তার বন্ধুকে সহায়তা করে। এক্ষেত্রে 'K' সর্বনিম্ন কত বছর কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হতে পারে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) ২ বছর।

• আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ ধারা ৫- অপরাধ সংঘটনের সহায়তার শাস্তি:
কোন ব্যক্তি কোন আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করিলে তিনি ধারা ৪-এ উল্লিখিত দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।

ধারা ৪ অনুযায়ী, আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধের শাস্তি হিসেবে দেয়া আছে-
 (১) কোন ব্যক্তি কোন আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ করিলে তিনি অন্যুন দুই বৎসর এবং অনধিক সাত বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন৷ 

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন দণ্ডপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি অপরাধ সংঘটনকালে সরকার কিংবা সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা কোন প্রতিষ্ঠান বা কোন ব্যক্তির আর্থিক ক্ষতিসাধন করিলে তদ্‌জন্য আদালত তদ্‌বিবেচনায় উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ক্ষতিগ্রস্ত সরকার বা সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির অনুকূলে প্রদান করিবার জন্য উক্ত দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে আদেশ দিতে পারিবে এবং এই ক্ষতিপূরণের অর্থ সরকারী দাবী হিসাবে আদায়যোগ্য হইবে৷

অর্থাৎ, কোন ব্যক্তি কোন আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করলে, উক্ত ব্যক্তি সর্বোচ্চ ৭ বছর এবং সর্বনিম্ন ২ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে।

২,১৭৯.
আদালত ও ট্রাইব্যুনাল সমূহের উপর হাইকোর্ট বিভাগের তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা প্রয়োগে নিম্নের কোন বিধানটি অতিরিক্ত বলে বিবেচিত?
  1. সংবিধানের ১০৯ অনুচ্ছেদ
  2. দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারা
  3. সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ
  4. ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৩৯ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ আদালত ও ট্রাইব্যুনাল সমূহের উপর হাইকোর্ট বিভাগের তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অতিরিক্ত বলে বিবেচিত হয়। অতএব, সঠিক উত্তর গ) সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ।

ক) সংবিধানের ১০৯ অনুচ্ছেদ (মূল বিধান):
- এই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, "হাইকোর্ট বিভাগ দেশের সকল অধস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনালের উপর তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ করবে।"
- এটি হাইকোর্টের মৌলিক ও সরাসরি ক্ষমতা প্রদান করে। এই বিধান অধস্তন আদালতের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ, নির্দেশ প্রদান এবং আইনি প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার ভিত্তি।
 
খ) দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারা (প্রয়োগমূলক বিধান):
- এই ধারায় হাইকোর্টকে এই ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে যে, সে যেকোনো অধস্তন আদালতের কাছ থেকে রেকর্ড তলব করতে পারে এবং সেই রেকর্ড পরীক্ষা করে দেখতে পারে যে অধস্তন আদালত আইন অনুযায়ী কাজ করছে কিনা। অর্থাৎ এটি হাইকোর্ট বিভাগকে রিভিশন এর মাধ্যমে তত্ত্বাবধান ক্ষমতা প্রয়োগের একটি প্রক্রিয়াগত পদ্ধতি নির্ধারণ করে।

ঘ) ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৩৯ ধারা (নির্দিষ্ট ক্ষমতা):
- এটিও হাইকোর্ট বিভাগের রিভিশন ক্ষমতা, যার মাধ্যমে নিম্ন আদালতের ফৌজদারী মামলার রেকর্ড তলব করে আদেশ সংশোধন বা পরিবর্তন করা যায়। অর্থাৎ এটি ফৌজদারী বিষয়ে হাইকোর্ট বিভাগের রিভিশন ক্ষমতা নির্ধারণ করে।
 
সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ (অতিরিক্ত বিধান):
- সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ হাইকোর্ট বিভাগকে রিট জারি করার ক্ষমতা দেয়, যার মাধ্যমে অধস্তন আদালতের এখতিয়ার বহির্ভূত বা বেআইনি কার্যক্রমকে চ্যালেঞ্জ করা যায়। যা নিম্ন আদালতের আদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করার একটি শক্তিশালী মাধ্যম। ১০২ অনুচ্ছেদ একটি সাধারণ এখতিয়ার বিধান, যা তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণের নির্দিষ্ট ক্ষমতার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
অর্থাৎ এটি হাইকোর্টের সাধারণ এখতিয়ার নির্ধারণ করে, কিন্তু এটি সরাসরি অধস্তন আদালতের উপর তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা প্রদান করে না।
অতএব, হাইকোর্টের তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে এই বিধানটি অপ্রয়োজনীয় বা অতিরিক্ত হিসেবে বিবেচিত হয়।
সঠিক উত্তর: গ) সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ।

২,১৮০.
"সংসদের কার্যধারার বৈধতা সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।"- এই বিধান বাংলাদেশের সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে রয়েছে?
  1. ৭২ অনুচ্ছেদে
  2. ৭৬ অনুচ্ছেদে
  3. ৭৮ অনুচ্ছেদে
  4. ৭৯ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৭৮: সংসদ ও সদস্যদের বিশেষ অধিকার ও দায়মুক্তি:

(১) সংসদের কার্যধারার বৈধতা সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।
(২) সংসদের যে সদস্য বা কর্মচারীর উপর সংসদের কার্যপ্রণালীনিয়ন্ত্রণ, কার্যপরিচালনা বা শৃঙ্খলারক্ষার ক্ষমতা ন্যস্ত থাকিবে, তিনি এই সকল ক্ষমতাপ্রয়োগ সম্পর্কিত কোন ব্যাপারে কোন আদালতের এখতিয়ারের অধীন হইবেন না।
(৩) সংসদে বা সংসদের কোন কমিটিতে কিছু বলা বা ভোটদানের জন্য কোন সংসদ-সদস্যের বিরুদ্ধে কোন আদালতে কার্যধারা গ্রহণ করা যাইবে না।
(৪) সংসদ কর্তৃক বা সংসদের কর্তৃত্বে কোন রিপোর্ট, কাগজপত্র, ভোট বা কার্যধারা প্রকাশের জন্য কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন আদালতে কোন কার্যধারা গ্রহণ করা যাইবে না।
(৫) এই অনুচ্ছেদ-সাপেক্ষে সংসদের আইন-দ্বারা সংসদের, সংসদের কমিটিসমূহের এবং সংসদ-সদস্যদের বিশেষ-অধিকার নির্ধারণ করা যাইতে পারিবে।

Article 78. Privileges and immunities of Parliament and members:

(1) The validity of the proceedings in Parliament shall not be questioned in any court.
(2) A member or officer of Parliament in whom powers are vested for the regulation of procedure, the conduct of business or the maintenance of order in Parliament, shall not in relation to the exercise by him of any such powers be subject to the jurisdiction of any court.
(3) A member of Parliament shall not be liable to proceedings in any court in respect of anything said, or any vote given, by him in Parliament or in any committee thereof.
(4) A person shall not be liable to proceedings in any court in respect of the publication by or under the authority of Parliament of any report, paper, vote or proceeding.
(5) Subject to this article, the privileges of Parliament and of its committees and member may be determined by Act of Parliament.
২,১৮১.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর অধীন গঠিত সালিশী কাউন্সিলের জারিকৃত সার্টিফিকেট অনুযায়ী প্রদেয় কোন টাকা যথাসময়ে পরিশোধ না করলে, বকেয়া কী হিসেবে আদায়যোগ্য হবে?
  1. জরিমানা
  2. অর্থদণ্ড
  3. ক্ষতিপূরণ
  4. ভূমি রাজস্ব
ব্যাখ্যা

• মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ- ১৯৬১ এর ধারা ৯- ভরণপোষণ:
১) যেক্ষেত্রে কোন স্বামী তাহার স্ত্রীকে পর্যাপ্তভাবে ভরণপোষণ দিতে অসমর্থ হয় অথবা একাধিক স্ত্রী থাকিলে  তাহাদিগকে সমভাবে ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হয় সেক্ষেত্রে স্ত্রী বা স্ত্রীগণের সকলে অথবা স্ত্রীগণের যে কোন জন অপর কোন আইনসঙ্গত প্রতিকার প্রার্থনা ব্যতীতও চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন করিতে পারে। চেয়ারম্যান একটি সালিশী কাউন্সিল গঠন করিবেন ও উক্ত কাউন্সিল স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে ভরণপোষণ বাবদ প্রদানের নিমিত্ত টাকার অংক নির্দিষ্ট করিয়া সার্টিফিকেট ইস্যু করিতে পারিবেন।

২) একজন স্বামী অথবা স্ত্রী নির্ধারিত পন্থায় নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে নির্ধারিত ফিস প্রদানপূর্বক উক্ত সার্টিফিকেট পুর্নবিবেচনার নিমিত্ত সহকারী জজের নিকট আবেদন পেশ করিতে পারেন। তাঁহার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে এবং কোন আদালতে এই সম্পর্কে প্রশ্ন তোলা যাইবে না।

৩) ১নং অথবা ২নং উপধারা অনুযায়ী প্রদেয় কোন টাকা যথাসময়ে পরিশোধ না করিলে বকেয়া ভূমি রাজস্বরুপ আদায়যোগ্য হইবে।

২,১৮২.
'শিশুকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া যাবে না' - এই বিধান শিশু আইন, ২০১৩ এর কত ধারায় বলা আছে?
  1. ধারা ৩২
  2. ধারা ৩৩
  3. ধারা ৩৫
  4. ধারা ৩৬
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৩৩: শিশুর ওপর নির্দিষ্ট ধরনের দণ্ড আরোপে বাধা-নিষেধ:
(১) অন্য কোন আইনে ভিন্নরূপ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন শিশুকে মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা কারাদণ্ড প্রদান করা যাইবে না: 
 
তবে শর্ত থাকে যে, কোন শিশুকে যখন এইরূপ কোন মারাত্নক ধরনের অপরাধ সংঘটন করিতে দেখা যায় যে, তজ্জন্য এই আইনের অধীন প্রদানযোগ্য কোন আটকাদেশ আদালতের মতে পর্যাপ্ত নহে, অথবা আদালত যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে শিশুটি এত বেশি অবাধ্য অথবা ভ্রষ্ট চরিত্র যে তাহাকে কোন প্রত্যয়িত প্রতিষ্ঠানে প্রেরণ করা চলে না এবং অন্যান্য যে সকল আইনানুগ পন্থায় মামলাটির সুরাহা হইতে পারে উহাদের কোন একটিও তাহার জন্য উপযুক্ত নহে, তাহা হইলে শিশু-আদালত শিশুকে কারাদণ্ড প্রদান করিয়া কারাগারে প্রেরণের জন্য আদেশ প্রদান করিতে পারিবে : 
 
আরও শর্ত থাকে যে, এইরূপে প্রদেয় কারাদণ্ডেরর মেয়াদ তাহার অপরাধের জন্য প্রদেয় দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদের অধিক হইবে না : 
 
আরও শর্ত থাকে যে, উক্তরূপ কারাদণ্ডে থাকাকালীন যেকোন সময়ে শিশু-আদালত উপযুক্ত মনে করিলে এই মর্মে নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে যে, এইরূপ কারাদণ্ডে আটক রাখিবার পরিবর্তে অভিযুক্ত শিশুকে, তাহার বয়স ১৮ (আঠারো) বৎসর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত, কোন প্রত্যয়িত প্রতিষ্ঠানে আটক রাখিতে হইবে। 
 
(২) উপ-ধারা (১) এর শর্তাংশের অধীন কোন শিশুকে কারাদণ্ড প্রদান করা হইলে, তাহাকে কারাগারে অবস্থানরত অন্যান্য প্রাপ্তবয়স্ক আসামীর সহিত মেলামেশা করিতে দেওয়া যাইবে না।
২,১৮৩.
The Special Powers Act, 1974- এ চোরাচালানের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
The Special Powers Act, 1974 এর ধারা ২৫খ: চোরাচালানের জন্য শাস্তি (Penalty for smuggling):
(১)যে কেউ- বাংলাদেশে প্রযোজ্য কোনো আইনের অধীনে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা বা বিধিনিষেধ লঙ্ঘন করে, অথবা যে কেউ কর বা শুল্ক ফাঁকি দিয়ে-
(ক) পাট, স্বর্ণ বা রূপার বুলিয়ন, স্বর্ণ বা রূপার তৈরি দ্রব্য, মুদ্রা, খাদ্যদ্রব্য, ওষুধ, আমদানিকৃত পণ্য বা অন্য যেকোনো পণ্য বাংলাদেশের বাইরে নেয়, অথবা
(খ) যেকোনো পণ্য বাংলাদেশে নিয়ে আসে,

তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি হবে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা সর্বোচ্চ ১৪ বছর ও ন্যূনতম ২ বছর মেয়াদে সশ্রম কারাদণ্ডে, দণ্ডিত হবেন এবং জরিমানারও অধিকারী হবেন।

(২) যে কেউ-
যেকোনো পণ্য, যার বাংলাদেশে প্রবেশ আইনত নিষিদ্ধ, তা বিক্রি করে, বিক্রির জন্য প্রদর্শন করে, বা বিক্রির উদ্দেশ্যে নিজের দখলে বা নিয়ন্ত্রণে রাখে, তাহা হইলে তিনি সর্বোচ্চ ৭ বছর ও ন্যূনতম ১ বছর মেয়াদে কারাদণ্ডে, এবং জরিমানায় দণ্ডিত হবেন।

ব্যাখ্যা: এই উপধারার উদ্দেশ্যে, যদি এ ধরনের নিষিদ্ধ পণ্য কোনো আবাসিক উদ্দেশ্যে নয় এমন ভবনে পাওয়া যায়, তাহলে ধরা হবে- ওই ভবনের মালিক, ভাড়াটে বা দখলকারী ব্যক্তি-ই ওই পণ্য বিক্রির উদ্দেশ্যে সংরক্ষণ করেছেন। এই ক্ষেত্রে, এটা প্রমাণ করার দায়িত্ব থাকবে মালিক বা দখলকারীর উপর যে,
- তিনি উক্ত পণ্য রাখেননি, অথবা
- পণ্য বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা হয়নি, অথবা
- পণ্য এমন সময় আনা হয়েছিল যখন তা নিষিদ্ধ ছিল না।
২,১৮৪.
Who is appointed under Section 8 of the Registration Act, 1908?
  1. Sub-Registrars
  2. Registration Commissioners
  3. Inspector-General of Registration
  4. Inspectors of Registration-offices
ব্যাখ্যা
Section 8- Inspectors of Registration-offices:
(1) The Government may also appoint officers, to be called inspectors of Registration-offices, and may prescribe the duties of such officers. 
(2) Every such Inspector shall be subordinate to the Inspector-General.

ধারা ৮- নিবন্ধন কার্যালয়ের পরিদর্শক-
(১) সরকার নিবন্ধন কার্যালয়সমূহের জন্য, পরিদর্শক নামে কর্মকর্তা নিয়োগ করিতে পারিবে, এবং এইরূপ কর্মকর্তাগণের দায়িত্ব নির্ধারণ করিতে পারিবে।
(২) এইরূপ প্রত্যেক পরিদর্শক মহা-পরিদর্শক, নিবন্ধন এর অধস্তন হইবেন।
২,১৮৫.
The Registration Act, 1908 এর অধীন নিয়োজিত নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা কোন আইনের সংজ্ঞা অনুযায়ী সরকারি কর্মচারী হিসেবে গণ্য হবেন?
  1. দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮
  2. ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮
  3. দণ্ডবিধি, ১৮৬০
  4. সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২
ব্যাখ্যা

The Registration Act, 1908 এর ধারা ৮৪- নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা সরকারি কর্মচারী হিসাবে গণ্য হইবেন:
(১) এই আইনের অধীন নিয়োজিত প্রত্যেক নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা দণ্ডবিধির সংজ্ঞা অনুযায়ী সরকারি কর্মচারী বলিয়া গণ্য হইবেন।
(২) প্রত্যেক ব্যক্তি উক্তরূপ নিবন্ধনকারী কর্মকর্তার চাহিদা অনুসারে তাহাকে সংবাদ সরবরাহ করিতে আইনত বাধ্য থাকিবেন।
(৩) দণ্ডবিধির ধারা ২২৮ এ উল্লিখিত, "বিচারিক কার্যক্রম (Judicial proceedings)" অর্থে এই আইনের অধীন যে কোন কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত হইবে।

২,১৮৬.
কয়টি ক্ষেত্রে স্ত্রীকে ইদ্দত পালন করতে হয়?
  1. ৪ টি
  2. ২ টি
  3. ৩ টি
  4. ৫ টি
ব্যাখ্যা
ইদ্দত (Iddat):

ইদ্দত শব্দের অর্থ হলো- অপেক্ষা করা। যেকোনো নারীর বিবাহ সমাপ্ত হলে, তাকে পুনরায় বিয়ে করার জন্য যে সময়কাল অবশ্যই অপেক্ষা করতে হয় তাকে ইদ্দত বলে। একজন নারীকে বিবাহ বিচ্ছেদের পর অবশ্যই ইদ্দত পালন করতে হবে। ইদ্দত পালনকালীন সময় কোন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারে না।

দুটি ক্ষেত্রে একজন নারীর ইদ্দত পালন করতে হয়-
⇒ প্রথমত স্বামী মৃত্যুবরণ করলে,
⇒ দ্বিতীয়ত তালাকপ্রাপ্ত হলে।

সময়কাল:
ক) তালাক প্রাপ্ত স্ত্রী গর্ভবতী হলে, সন্তান জন্মদান পর্যন্ত। গর্ভবতী না হলে ৩ মাস/ ৩টি মাসিক সময়কাল পর্যন্ত।
খ) স্বামী মারা গেলে মৃত্যুর পর ৪ মাস ১০ দিন (গর্ভবতী না হলে), গর্ভবতী হলে সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়া পর্যন্ত বা ৪ মাস ১০ দিন, যেটা পরে ঘটে।
২,১৮৭.
বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদ অনুসারে, প্রধান বিচারপতি ছাড়া সুপ্রীম কোর্টের অন্যান্য বিচারকদের নিয়োগ কীভাবে দেওয়া হয়?
  1. সংসদ কর্তৃক নির্বাচনের মাধ্যমে
  2. প্রধানমন্ত্রীর সুপারিশক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক
  3. প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক
  4. বিচার বিভাগীয় কমিশনের সুপারিশে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক
ব্যাখ্যা

⇒ সংবিধানের ৯৫(১) অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে বলা আছে: "প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং প্রধান বিচারপতির সহিত পরামর্শ করিয়া রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করিবেন।"

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদের বিধান: বিচারক-নিয়োগ:
(১) প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং প্রধান বিচারপতির সহিত পরামর্শ করিয়া রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করিবেন।
(২) কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক না হইলে, এবং
(ক) সুপ্রীম কোর্টে অন্যূন দশ বৎসরকাল এ্যাডভোকেট না থাকিয়া থাকিলে; অথবা
(খ) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে অন্যূন দশ বৎসর কোন বিচার বিভাগীয় পদে অধিষ্ঠান না করিয়া থাকিলে; অথবা
(গ) সুপ্রীমকোর্টের বিচারক পদে নিয়োগলাভের জন্য আইনের দ্বারা নির্ধারিত যোগ্যতা না থাকিয়া থাকিলে ; তিনি বিচারকপদে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না।
(৩) এই অনুচ্ছেদে ‘‘সুপ্রীম কোর্ট’’ বলিতে এই সংবিধান প্রবর্তনের পূর্বে যে কোন সময়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে যে আদালত হাইকোর্ট হিসাবে এখতিয়ার প্রয়োগ করিয়াছে, সেই আদালত অন্তর্ভুক্ত হইবে।

⇒ Article 95: Appointment of Judges: 
(1) The Chief Justice shall be appointed by the President, and the other Judges shall be appointed by the President after consultation with the Chief Justice.
(2) A person shall not be qualified for appointment as a Judge unless he is a citizen of Bangladesh and –
(a) has, for not less than ten years, been an advocate of the Supreme Court ; or
(b) has, for not less than ten years, held judicial office in the territory of Bangladesh ; or
(c) has such qualifications as may be prescribed by law for appointment as a Judge of the Supreme Court.
(3) In this article, “Supreme Court” includes a court which at any time before the commencement of this Constitution exercised jurisdiction as a High Court in the territory of Bangladesh.

২,১৮৮.
মুসলিম বিবাহ ও তালাক (রেজিস্ট্রীকরণ) নিয়মাবলি কত সালে প্রণীত হয়?
  1. ১৯৭৫
  2. ১৯৭৪
  3. ১৯৩৭
  4. ১৯৬১
ব্যাখ্যা
Section 14. Power to make rules:
(1) The Government may, by notification in the official Gazette, make rules to carry into effect the purposes of this Act. 
(2) In particular and without prejudice to the generality of the foregoing power, such rules may provide for- 
(a) qualifications to be required from persons to whom licences under section 4 may be granted; 
(b) fees payable to a Nikah Registrar for registration of a marriage or divorce; 
(c) any other matter for which rules are required to be made.

⇒ The Muslim Marriage and Divorces (Registration) Act, 1974-এর ১৪ ধারার ক্ষমতাবলে ' মুসলিম বিবাহ ও তালাক (রেজিস্ট্রীকরণ) বিধিমালা/নিয়মাবলি ১৯৭৫'-প্রণয়ন করা হয়।

এবং এটিকে রহিত করা হয় 'মুসলিম বিবাহ ও তালাক (রেজিস্ট্রীকরণ) বিধিমালা, ২০০৯'-এর ৪১ বিধির ক্ষমতাবলে। ২০০৯ সালের বিধিমালা ২০১১ সালে পুনরায় সংশোধিত হয়। বর্তমানে এই বিধিমালার অধীনে কাবিননামা অর্থাৎ বিবাহ রেজিস্ট্রেশন হয়ে থাকে।
২,১৮৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯ক(১০) অনুসারে, জেলা জজ মধ্যস্থতাকারীর প্যানেল তৈরি করবেন কার সাথে পরামর্শ করে?
  1. জেলা প্রশাসকের সাথে
  2. জেলা পুলিশ সুপারের সাথে
  3. স্থানীয় সরকার চেয়ারম্যানের সাথে
  4. জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির সাথে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ৮৯ক(১০) অনুসারে, জেলা জজ মধ্যস্থতাকারীদের (Mediators) প্যানেল প্রস্তুত করার জন্য জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির সাথে পরামর্শ করবেন। এই প্যানেলে উকিল, অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে প্রশিক্ষিত ব্যক্তি এবং অন্যান্য উপযুক্ত ব্যক্তিদের (যারা সরকারি চাকরিতে লাভজনক পদে নেই) অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। এই প্যানেলটি সময়ে সময়ে হালনাগাদ করা হয় এবং জেলা জজের প্রশাসনিক এখতিয়ারের অধীন সকল দেওয়ানি আদালতকে এটি সম্পর্কে অবহিত করা হয়।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ৮৯ক(১০) অনুযায়ী "জেলা জজ, জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির সাথে পরামর্শ করে মধ্যস্থতাকারীদের একটি প্যানেল প্রস্তুত করবেন (যা সময় সময় আপডেট করা হবে)। এই প্যানেলে আইনজীবী, অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, মধ্যস্থতায় প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তি এবং সরকারি চাকরিতে নিযুক্ত নয় এমন ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে।"
এবং জেলা জজ নিজ প্রশাসনিক এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানি আদালতকে এই প্যানেল সম্পর্কে অবহিত করবেন।
--------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section-(10) For the purposes of this section, the District Judge shall, in consultation with the President of the District Bar Association, prepare a panel of mediators (to be updated from time to time) consisting of pleaders, retired judges, persons known to be trained in the art of dispute resolution, and such other person or persons, except persons holding office of profit in the service of the Republic, as may be deemed appropriate for the purpose, and shall inform all the Civil Courts under his administrative jurisdiction about the panel: 
Provided that, a mediator under this sub-section shall not act as a mediator between the parties if he had ever been engaged by either of the parties as a pleader in any suit in any Court.

২,১৯০.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ১১(গ) এর অপরাধ কী ধরনের হবে?
  1. Cognizable, compoundable, and bailable
  2. Cognizable, non-compoundable, but bailable
  3. Cognizable, compoundable and non-bailable
  4. Non-cognizable, non-compoundable, and non-bailable
ব্যাখ্যা
ধারা ১১ এর দফা (গ) এর অপরাধ সম্পর্কে বিশেষ বিধান

১. বিচার ও আদালত কর্তৃপক্ষের বিষয় (দফা ১)
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ কার্যকর হবার পর, ধারা ১১ এর দফা (গ) এর অন্তর্ভুক্ত অপরাধ প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে বিচারযোগ্য ও গ্রহণযোগ্য হবে।
তবে, যারা ২০২৫ সাল আগেই নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে ওই ধারা অনুযায়ী মামলা করেছিলেন, তাদের মামলাগুলো পুরনো নিয়মেই পরিচালিত ও নিষ্পত্তি হবে; অর্থাৎ নতুন অধ্যাদেশ বলবৎ হলেও আগের মামলা নতুন আদালতে বদলি হবে না এবং আগের নিয়মেই চলবে।

২. অপরাধের বৈশিষ্ট্য (দফা ২)
- ধারা ১১ এর দফা (গ) এর অন্তর্ভুক্ত অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণযোগ্য (Cognizable) অর্থাৎ পুলিশ তদন্ত শুরু করতে পারবে।
- এই অপরাধ আপসযোগ্য (compoundable) অর্থাৎ বিবাদীদের সম্মতিতে মামলাটি বন্ধ করা যেতে পারে।
- অপরাধ জামিন-অযোগ্য (non-bailable) অর্থাৎ আসামীকে জামিন দেওয়া হবে না।
- এই অপরাধের ক্ষেত্রে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের অন্য ধারার পরিবর্তে ফৌজদারী কার্যবিধি (Criminal Procedure Code) এবং সাক্ষ্য আইন (Evidence Act, 1872) এর বিধান প্রযোজ্য হবে।

৩. অপরাধের সমন্বয় (দফা ৩)
যদি ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন অন্য কোনো অপরাধের সঙ্গে ধারা ১১ এর দফা (গ) এর অপরাধ যুক্ত থাকে, এবং ন্যায়বিচারের স্বার্থে উভয় অপরাধের বিচার একসঙ্গে বা একই মামলায় করা প্রয়োজন হয়, তাহলে উভয় অপরাধ একসঙ্গে একই ট্রাইব্যুনালে বিচার করা যাবে এই ক্ষেত্রে, ওই অপরাধটির বিচার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের বিধান অনুযায়ী করা হবে।
২,১৯১.
বন্ধক চলাকালীন বন্ধকী সম্পত্তির রক্ষার জন্য বন্ধকগ্রহীতা প্রয়োজনীয় ব্যয় করে থাকলে এবং সুদের হার নির্ধারিত না থাকলে, বন্ধকদাতা বার্ষিক কত % হারে বন্ধকগ্রহীতাকে সুদ প্রদান করবে?
  1. ৮% হারে
  2. ৯% হারে
  3. ৬% হারে
  4. ৫% হারে
ব্যাখ্যা
• The Transfer of Property Act, 1882 এর ধারা ৬৩ক- বন্ধকী সম্পত্তিতে উন্নয়ন:

যেক্ষেত্রে বন্ধকী সম্পত্তি বন্ধকগ্রহীতার দখলে থাকাকালীন এবং বন্ধক চলমান সময়ে যদি বন্ধকগ্রহীতা উক্ত সম্পত্তিতে কোন উন্নয়ন করে, তাহলে বন্ধকী সম্পত্তি উদ্ধার করার পর বন্ধকদাতা উক্ত উন্নয়নের অধিকারী হবে এবং কোন ব্যয় দিতে বাধ্য থাকবে না। কিন্তু যদি এমন উন্নয়ন বন্ধকী সম্পত্তি রক্ষা বা সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় হয় এবং বন্ধকগ্রহীতা যদি উন্নয়নের জন্য ব্যয় করে থাকে, তাহলে বন্ধকদাতা উপযুক্ত ব্যয় দিতে বাধ্য থাকবে এবং বন্ধকী সম্পত্তি উন্নয়নের জন্য যে ব্যয় করা হয়েছে তার জন্য বন্ধকদাতা বার্ষিক ৯% হারে বন্ধকগ্রহীতাকে সুদ প্রদান করবে, যদি না সুদের হার নির্ধারিত হয়।
২,১৯২.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনে মিথ্যা মামলা বা মিথ্যা অভিযোগ দায়েরের সর্বনিম্ন দণ্ড-
  1. ২ বৎসর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  2. ২ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড
  3. ১ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ৩ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ১৫ ধারার বিধান মিথ্যা মামলা বা মিথ্যা অভিযোগ দায়েরের দণ্ড:

(১) কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির ক্ষতিসাধন করিবার উদ্দেশ্যে এই আইনের অধীন মিথ্যা বা হয়রানিমূলক মামলা বা মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করিলে বা আইনি প্রক্রিয়ার অপব্যবহার করিলে বা অন্য কোন ব্যক্তিকে তাহা করিতে বাধ্য করিলে তিনি অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর এবং অন্যূন ২ (দুই) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ২০ (বিশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন। 
 
(২) এই আইনের অধীন প্রতিষ্ঠিত ট্রাইব্যুনাল কোন লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে অথবা তাহার স্বীয় ক্ষমতায় উপ-ধারা (১) এ বর্ণিত অপরাধ আমলে লইয়া তাহার বিচার শুরু করিতে পারিবে এবং প্রয়োজনে, কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, মূল মামলার বিচার স্থগিত করিতে পারিবে।
২,১৯৩.
The Special Powers Act, 1974 অনুযায়ী নাশকতা (sabotage) এর সর্বোচ্চ শাস্তি কত?
  1. ১৫ বৎসর কারাদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ১৪ বৎসর কারাদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ The Special Powers Act, 1974 এর ১৫ ধারার বিধান অন্তর্ঘাতী কার্য/নাশকতা (Sabotage):
১) কোন ব্যক্তি কার্যক্ষমতাকে বিকল করার, কার্য ব্যাহত করার বা ক্ষতি সাধন করার উদ্দেশ্যে কোন কাজ করতে পারবে না যা:ঃ
(এ) কোন ভবন, যানবাহন, যন্ত্রপাতি, কলকব্জা বা অন্য কোন সম্পত্তি বা সরকারের বা কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বা কোন জাতীয়করণকৃত বাণিজ্যিক শিল্প প্রতিষ্ঠানের কাজে ব্যবহৃত হয় বা ব্যবহৃত হতে পারে;
(বি) কোন রেলপথ, শূন্যে ঝুলন্ত রজ্জুপথ, রাস্তা, খাল, সেতু কালভার্ট, বাঁধ, বন্দর, ডকইয়ার্ড, বাতিঘর, বিমান বন্দর, টেলিগ্রাম লাইন বা পোস্ট বা টেলিভিশন বা বেতার স্থাপনা;
(সি) কোন রেলওয়ে বা নৌযান বা বিমানপোতের কোন রোলিং স্টোক; (ডি) কোন অত্যাবশ্যকীয় দ্রব্যের বা ময়লা নিষ্কাশন কাজে বা খনি বা কারখানার সরবরাহ বন্টন, উৎপাদনের সাথে জড়িত কোন ভবন বা অন্য সম্পত্তি;
(ই) এই আইন বা বর্তমানে বলবৎ অপর কোন আইন অনুসারে কোন নিষিদ্ধ বা সংরক্ষিত স্থান বা এলাকা; অথবা (এফ) পাট, পাটজাত দ্রব্য, পাটের গুদাম, পাটকল অথবা পাটের গাইট বাঁধার কল।

২) উপধারা (১) এর বিধান কোন ব্যক্তি কর্তৃক এমন কাজ না করার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে, যে সকল কাজ করা সরকারের বা কোন সরকারি কর্তৃপক্ষের বা কোন ব্যক্তির প্রতি উপরিউক্ত ব্যক্তির কর্তব্যের অন্তর্ভুক্ত।

৩) এ ধারার বিধান লঙ্ঘনের শান্তি- মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা ১৪ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।
----------------------
⇒ Section 15. Sabotage:
(1) No person shall do any act with intent to impair the efficiency or impede the working of, or to cause damage to,- 
(a) any building, vehicle, machinery, apparatus or other property used, or intended to be used, for the purposes of the Government or of any local authority or nationalised commercial or industrial undertaking ;
(b) any railway, aerial ropeway, road, canal, bridge, culvert, causeway, port, dockyard, light-house, aerodrome, telegraph or telephone line or post, or television or wireless installation; 
(c) any rolling-stock of any railway or any vessel or aircraft; 
(d) any building or other property used in connection with the production, distribution or supply of any essential commodity, any sewage works, mine or factory ; 
(e) any place or area prohibited or protected under this Act or any other law for the time being in force ; or
(f) any jute, jute product, jute godown, jute mill or jute bailing press.
(2) The provisions of sub-section (1) shall apply in relation to any omission on the part of any person to do anything which he is under a duty, either to Government or to any public authority or to any person, to do, as they apply to the doing of any act by a person. 
(3) If any person contravenes any of the provisions of this section, he shall be punishable with death, or with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term which may extend to fourteen years, and shall also be liable to fine.
২,১৯৪.
হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক তার দায়িত্ব পালনে কোন অসদাচরণের জন্য দায়ী হলে, উক্ত নিবন্ধকের-
  1. জরিমানা হতে পারে
  2. নিয়োগ স্থগিত করতে পারে
  3. দেওয়ানি কারাগারে দণ্ডিত হতে পারে
  4. ক বা গ
ব্যাখ্যা
• হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২
 
ধারা ১৪- নিয়োগ স্থগিত বা বাতিলকরণ:
 
সরকারের নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে এই মর্মে প্রতীয়মান হয় যে, কোন হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক তাহার দায়িত্ব পালনে কোন অসদাচরণের জন্য দায়ী অথবা তাহার কর্তব্য পালনে অসমর্থ বা শারীরিকভাবে অক্ষম, তাহা হইলে, সরকার লিখিত আদেশ দ্বারা, তাহার নিয়োগ অনধিক দুই বৎসরের জন্য স্থগিত বা বাতিল করিতে পারিবে: 
তবে শর্ত থাকে, হিন্দু বিবাহ নিবন্ধককে যথাযথ কারণ দর্শানোর সুযোগ প্রদান না করিয়া অনুরুপ কোন আদেশ প্রদান করা যাইবে না।
২,১৯৫.
সরকারি আইনগত সহায়তা কর্মসূচির আওতায় পরিচালিত আইনগত তথ্য সেবা গ্রহণের জন্য কোন শ্রেণির ব্যক্তি যোগ্য?
  1. শুধু নারী ও শিশু
  2. শুধুমাত্র সরকারি কর্মচারী
  3. শুধুমাত্র আর্থিকভাবে অসচ্ছল
  4. তার আর্থিক সক্ষমতা নির্বিশেষে যে কেউ
ব্যাখ্যা
আইনগত সহায়তা প্রদান নীতিমালা, ২০১৪ অনুচ্ছেদ ৩: তথ্য সেবা গ্রহণ, ইত্যাদি-
অনুচ্ছেদ ২ এ বর্ণিত বিধান সত্ত্বেও ও যে কোন ব্যক্তি, তাহার আর্থিক সামর্থ্য যাই হোক না কেন, সরকারি আইনগত সহায়তা কর্মসূচির আওতায় পরিচালিত আইনগত তথ্য সেবা গ্রহণ, আইনগত পরামর্শ গ্রহণ কিংবা বিকল্প পদ্ধতিতে বিরোধ নিষ্পত্তির সেবা গ্রহণের জন্য যোগ্য বলিয়া বিবেচিত হইবেন।
২,১৯৬.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ৫ ধারায় পারিবারিক আদালতের এখতিয়ার কয়টি?
ব্যাখ্যা
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ৫ ধারার বিধান পারিবারিক আদালতের এখতিয়ার: 
মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধানাবলি সাপেক্ষে, পারিবারিক আদালতে নিম্নরূপ সকল বা যেকোনো বিষয় সম্পর্কিত বা উহা হইতে উদ্ভূত যেকোনো মোকদ্দমা গ্রহণ, বিচার এবং নিষ্পত্তির এখতিয়ার থাকিবে, যথা :-

(ক) বিবাহ বিচ্ছেদ;
(খ) দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার;
(গ) দেনমোহর;
(ঘ) ভরণপোষণ; এবং
(ঙ) শিশু সন্তানদের অভিভাবকত্ব ও তত্ত্বাবধান।

অর্থাৎ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ৫ ধারায় পারিবারিক আদালতের এখতিয়ার এই ৫টি উল্লেখ্য আছে। 
২,১৯৭.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ অনুযায়ী, বিবাদী লিখিত জবাব দাখিলের জন্য অতিরিক্ত সময় চাইলে সর্বোচ্চ কত দিন দেওয়া যেতে পারে?
  1. ৭ দিন
  2. ১৪ দিন
  3. ২১ দিন
  4. ৩০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩-এর ধারা ৮(১) অনুযায়ী বিবাদী সমন প্রাপ্তির পর লিখিত জবাব দাখিল করবে।
- যদি সে নির্ধারিত দিনে জবাব দাখিল করতে না পারে, তবে সময় প্রার্থনা করতে পারে।
- আদালত যুক্তিসঙ্গত কারণ দেখলে তাকে অতিরিক্ত সময় দিতে পারে, তবে এই অতিরিক্ত সময় সর্বাধিক ২১ দিন হতে পারবে।
- অর্থাৎ, মূল নির্ধারিত সময়ের বাইরে আদালত সর্বোচ্চ ২১ দিনের বেশি সময় দিতে পারবে না।

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩-এর ধারা ৮ লিখিত জবাব:
(১) বিবাদীর উপস্থিতির জন্য নির্ধারিত তারিখে, বাদী ও বিবাদী পারিবারিক আদালতে হাজির হইবে এবং বিবাদী তাহার আত্মপক্ষ সমর্থনে লিখিত জবাব দাখিল করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, বিবাদী উপযুক্ত কারণ প্রদর্শনপূর্বক সময় প্রার্থনা করিলে আদালত তাহার আত্মপক্ষ সমর্থনে লিখিত জবাব দাখিলের জন্য অনধিক ২১(একুশ) দিনের মধ্যে অপর একটি তারিখ ধার্য করিতে পারিবে।
(২) লিখিত জবাবে আত্মপক্ষ সমর্থনে উপস্থিত করিতে ইচ্ছুক সাক্ষীগণের নাম ও ঠিকানার তফসিল থাকিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, বিবাদী আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে, পরবর্তী যেকোনো পর্যায়ে সাক্ষী আহ্বান করিতে পারিবে, যদি আদালত মনে করে যে, ন্যায়বিচারের স্বার্থে উক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ প্রয়োজন।
(৩) যেক্ষেত্রে বিবাদী তাহার আত্মপক্ষ সমর্থনে সাক্ষ্য হিসাবে তাহার দখলে বা ক্ষমতাধীনে রহিয়াছে এইরূপ কোনো দলিলের উপর নির্ভর করেন সেইক্ষেত্রে তিনি লিখিত জবাব দাখিলের সময় আদালতে উহা উপস্থাপন করিবেন এবং একই সময় উক্ত দলিল বা উহার কোনো অবিকল নকল বা ছায়ালিপি বা অন্য যেকোনো কপি লিখিত জবাবের সহিত নথিভুক্ত করিবার জন্য দাখিল করিবেন এবং উক্ত দলিল একটি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করিয়া উহা লিখিত জবাবের সহিত সংযুক্ত করিবেন।
(৪) যেক্ষেত্রে বিবাদী তাহার লিখিত জবাবের সমর্থনে সাক্ষ্য হিসাবে এমন কোনো দলিলের উপর নির্ভর করেন যাহা তাহার দখলে বা ক্ষমতাধীন নাই, সেইক্ষেত্রে তিনি লিখিত জবাবের সহিত সংযুক্ত করিবার তালিকায় এইরূপ দলিল অন্তর্ভুক্ত করিবেন এবং যাহার দখলে বা ক্ষমতাধীন উহা রহিয়াছে তাহা উল্লেখ করিবেন।
(৫) উপধারা (২), (৩) ও (৪) এ বর্ণিত তপশিল ও দলিলসমূহের তালিকাসহ মোকদ্দমাতে যতসংখ্যক বাদী রহিয়াছে তাহার দ্বিগুণসংখ্যক লিখিত জবাবের অবিকল নকল লিখিত জবাবের সহিত প্রদান করিতে হইবে।
(৬) উপধারা (৫) এ বর্ণিত তপশিল, দলিল এবং দলিলসমূহের তালিকাসহ লিখিত জবাবের অনুলিপি বাদী, ক্ষেত্রমত, আদালতে উপস্থিত তাহার প্রতিনিধি বা আইনজীবীকে প্রদান করিতে হইবে।
(৭) যেক্ষেত্রে লিখিত জবাব দাখিল করিবার সময় বিবাদী কর্তৃক কোনো দলিল আদালতে দাখিল করিবার প্রয়োজন ছিল অথবা লিখিত জবাবের সহিত সংযুক্ত করিবার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করিবার প্রয়োজন ছিল তবে উহা দাখিল বা অন্তর্ভুক্ত করা হয় নাই, সেইক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি ব্যতীত, মোকদ্দমার শুনানিতে উক্ত দলিল তাহার অনুকূলে সাক্ষ্য হিসাবে গৃহীত হইবে না।
(৮) আদালত কোনো ব্যতিক্রমী ক্ষেত্র ব্যতীত উপধারা (৭) এর অধীন কোনো দলিল অন্তর্ভুক্তির অনুমতি প্রদান করিবে না।

২,১৯৮.
বিদেশের সাথে সম্পাদিত সকল চুক্তি প্রথমে কার নিকট পেশ করতে হবে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. জাতীয় সংসদ
  4. পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪৫(ক) অনুযায়ী,
বিদেশের সাথে সম্পাদিত সকল আন্তর্জাতিক চুক্তি রাষ্ট্রপতির কাছে পেশ করতে হবে এবং তিনি তা সংসদে পেশ করার ব্যবস্থা করবেন।

বিশেষ শর্ত:
যদি কোনো চুক্তি জাতীয় নিরাপত্তার সাথে জড়িত হয়, তাহলে তা সংসদের গোপন বৈঠকে পেশ করতে হবে।
২,১৯৯.
"Contract of guarantee" এর ক্ষেত্রে কয়টি পক্ষ থাকে?
  1. ১টি পক্ষ
  2. ২টি পক্ষ
  3. ৩টি পক্ষ
  4. ৪টি পক্ষ
ব্যাখ্যা
• চুক্তি আইনের ১২৬ ধারার বিধান "জামিনের চুক্তি", "জামিনদার", "প্রধান দেনাদার" এবং "পাওনাদার" ("Contract of guarantee", "surety", "principal debtor" "creditor"):
- জামিনের চুক্তি: জামিনের চুক্তি হল অনাদায়ের ক্ষেত্রে কোন তৃতীয় ব্যক্তির অঙ্গীকার পালন বা দায় পরিশোধের চুক্তি।
- জামিনদার: যে ব্যক্তি এমন অঙ্গীকার করে তাকে জামিনদার বলে।
- প্রধান দেনাদার: যে ব্যক্তির অনাদায় সম্পর্কে জামিন প্রদান করা হয় তাকে প্রধান দেনাদার বলা হয়।
- পাওনাদার: যে ব্যক্তির নিকট এমন জামিন প্রদান করা হয় তাকে পাওনাদার বলে। জামিনের চুক্তি মৌখিক বা লিখিত উভয় প্রকার হতে পারে।

এই ধরনের চুক্তিতে ৩টি পক্ষ থাকে। যথা:-
i) জামিনদার
ii) প্রধান দেনাদার
iii) পাওনাদার
- এই ধরনের চুক্তিতে চুক্তির পক্ষদ্বয় ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তি (৩য় ব্যক্তি কর্তৃক) অঙ্গীকার পালন বা দায় পরিশোধের কথা ব্যক্ত আছে।
-----------
Section 126. "Contract of guarantee", "surety", "principal debtor" and "creditor":
 A "contract of guarantee" is a contract to perform the promise, or discharge the liability, of a third person in case of his default. The person who gives the guarantee is called the "surety": the person in respect of whose default the guarantee is given is called the "principal debtor", and the person to whom the guarantee is given is called the "creditor". A guarantee may be either oral or written.
২,২০০.
The Registration (Amendment) Act, 2004 কোন তারিখ হতে কার্যকর হয়েছে?
  1. ০১/০৭/২০০৫
  2. ০৭/১২/২০০৪
  3. ০৬/০১/২০০৫
  4. ১২/০৭/২০০৪
ব্যাখ্যা

২০০৪ সালে The Registration (Amendment) Act, 2004 সংশোধন করা হলেও ১ জুলাই, ২০০৫ থেকে কার্যকর হয়।

Registration (Amendment) Act, 2004-এর মাধ্যমে 17A ধারা নতুনভাবে সংযোজিত হয়েছে। এই 17A ধারার মাধ্যমে স্থাবর সম্পত্তির বায়নাপত্র বা বিক্রয়চুক্তি'র নিবন্ধন [Registration] বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

ধারা ১৭এ অনুসারে-
বিক্রয়চুক্তি (বায়নাপত্র) অবশ্যই লিখিত, পক্ষগণের দ্বারা সম্পাদিত ও রেজিস্ট্রিকৃত হতে হবে এবং বিক্রয়চুক্তি সম্পাদনের ৬০ দিনের মধ্যে তা রেজিস্ট্রেশনের জন্য উপস্থাপন করতে হবে।