বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বিজেএস-এর জন্য অতিরিক্ত আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন২,৯৬৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বিজেএস-এর জন্য অতিরিক্ত আইনসমূহ

PrepBank · পাতা / ৩০ · ১০০ / ২,৯৬৪

.
প্রধান বিচারপতিকে কে নিয়োগ দেন?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. আইনমন্ত্রী
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৯৫(১): বিচারক-নিয়োগ:
প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি। অন্যান্য বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতির পরামর্শ গ্রহণ করেন।

৯৫(২): বিচারক হতে হলে –
- বাংলাদেশি নাগরিক হতে হবে।
- সুপ্রিম কোর্টে অন্তত ১০ বছর অ্যাডভোকেট হিসেবে প্র্যাকটিস করতে হবে, অথবা
- বিচার বিভাগে অন্তত ১০ বছর পদে অধিষ্ঠান করতে হবে।

৯৫(৩):
"সুপ্রিম কোর্ট" বলতে সংবিধান প্রবর্তনের পূর্বে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমায় হাইকোর্ট হিসেবে কাজ করা কোনো আদালতও অন্তর্ভুক্ত হবে।
.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ৮ ধারায় কমিশনারগণের কয়টি অযোগ্যতার বিষয় উল্লেখ আছে?
  1. ৫টি
  2. ৬টি
  3. ৭টি
  4. ৮টি
সঠিক উত্তর:
৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭টি
ব্যাখ্যা

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ৮ ধারাতে কমিশনার হওয়ার মোট ৭টি অযোগ্যতার বিষয় উল্লেখ আছে।

দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ৮: কমিশনারগণের যোগ্যতা, অযোগ্যতা, ইত্যাদি:
(১) আইনে, শিক্ষায়, প্রশাসনে, বিচারে বা শৃঙ্খলা বাহিনীতে অন্যুন ২০ (বিশ) বত্সরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি কমিশনার হইবার যোগ্য হইবেন৷

(২) কোন ব্যক্তি কমিশনার হিসাবে নিযুক্ত হইবার বা থাকিবার যোগ্য হইবেন না, যদি তিনি-
(ক) বাংলাদেশের নাগরিক না হন;
(খ) কোন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ঋণ খেলাপী হিসাবে ঘোষিত বা চিহ্নিত হন;
(গ) আদালত কর্তৃক দেউলিয়া ঘোষিত হইবার পর দেউলিয়াত্বের দায় হইতে অব্যাহতি লাভ না করেন;
(ঘ) নৈতিক স্খলন বা দুর্নীতিজনিত কোন অপরাধের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হইয়া আদালত কর্তৃক কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইয়াছেন;
(ঙ) সরকারী চাকুরীতে নিয়োজিত থাকেন;
(চ) দৈহিক বা মানসিক বৈকল্যের কারণে কমিশনের দায়িত্ব পালনে অক্ষম হন; এবং
(ছ) বিভাগীয় মামলায় গুরুদণ্ড প্রাপ্ত হন৷

.
'Nemo Debet Bis Vexari' প্রবাদটি নিচের কোনটি বুঝাতে ব্যবহৃত হয়-
  1. Truth is the mother of justice
  2. Doctrine of Double Jeopardy
  3. Doctrime of previous acquittal or previous conviction
  4. খ ও গ উভয়ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
খ ও গ উভয়ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ ও গ উভয়ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• "Nemo Debet Bis Vexari" অর্থ হলো:
"No man should be vexed twice" অর্থাৎ একই অপরাধের জন্য কাউকে দুবার বিচার করা যাবে না বা দুইবার সাজা দেওয়া যাবে না: এটাই Doctrine of Double Jeopardy.

• ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৩ ধারায় বলা হয়েছে, একবার দণ্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য পুনরায় বা দ্বিতীয়বার বিচার করা যাবে না [person once convicted or acquitted not to be tried for same offence twice]। ৪০৩ ধারা [nemo debet bis vexari] নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত যার অর্থ হলো কোন ব্যক্তিকে দ্বিতীয় বারের জন্য বিচারাধীন করা যাবে না যার জন্য তাকে একবার বিচার করা হয়েছিল।
.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৭ ধারায় কাদের বিরুদ্ধে শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. মাদকদ্রব্য সেবনকারী
  2. মাদকদ্রব্য আমদানিকারী
  3. বেআইনি অথবা হয়রানিমূলক তল্লাশিকারী
  4. মাদকদ্রব্য উৎপাদনে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি বা উপকরণ দখলকারী
সঠিক উত্তর:
মাদকদ্রব্য উৎপাদনে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি বা উপকরণ দখলকারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাদকদ্রব্য উৎপাদনে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি বা উপকরণ দখলকারী
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮–এর ধারা ৩৭- মাদকদ্রব্য উৎপাদনে ব্যবহারযোগ্য যন্ত্রপাতি, ইত্যাদি রাখিবার দণ্ড:
লাইসেন্সপ্রাপ্ত নহেন এইরূপ কোনো ব্যক্তির নিকট অথবা তাহার দখলকৃত কোনো স্থানে যদি মাদকদ্রব্য উৎপাদনে ব্যবহারযোগ্য কোনো যন্ত্রপাতি, ওয়াশ অথবা অন্যান্য উপকরণ পাওয়া যায়, তাহা হইলে তিনি অন্যূন ২ (দুই) বৎসর অনূর্ধ্ব ১০ (দশ) বৎসর কারাদণ্ডে এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবে।
.
The term 'doli incapax' means:
  1. Guilty of crime
  2. Capable of crime
  3. Strict liability in crime
  4. Incapable of crime
সঠিক উত্তর:
Incapable of crime
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Incapable of crime
ব্যাখ্যা

• Doli incapax – Incapable of crime Or incapable of forming the intent to commit a crime. 

Doli incapax ল্যাটিন শব্দ, যার অর্থ হলো – “অপরাধে অক্ষম” বা “অপরাধ করার অভিপ্রায় গঠন করতে অক্ষম”।

অর্থাৎ, কোনো ব্যক্তি অপরাধ করেছে কি না তা নির্ধারণের জন্য কেবলমাত্র কর্ম (actus reus) যথেষ্ট নয়; তার সাথে অপরাধমূলক মনোভাব (mens rea) থাকা আবশ্যক। শিশুদের ক্ষেত্রে ধরা হয় যে, নির্দিষ্ট বয়স পর্যন্ত তারা অপরাধ করার মতো মানসিক সক্ষমতা রাখে না।

যেমন: দণ্ডবিধির ধারা ৮২ বলছে –
“৯ বছরের কম বয়সী শিশুর দ্বারা সংঘটিত কোনো কাজ অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না।”

অর্থাৎ, শিশু যদি ৯ বছরের কম বয়সী হয়, তবে সে যা-ই করুক না কেন, আইন অনুযায়ী তা অপরাধ ধরা হবে না। কারণ আইন ধরে নেয় যে এই বয়সে শিশু অপরাধের উদ্দেশ্য বুঝতে বা অপরাধমূলক ইচ্ছা তৈরি করতে সক্ষম নয়।

.
The Transfer of Property Act, 1882 এ বিধানে সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তিতে দলিল সম্পাদন ও রেজিষ্ট্রির সময় উল্লেখ না থাকলে কত সময় ধরে নিতে হবে?
  1. ২ মাস
  2. ৪ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ১ মাস
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ The Transfer of Property Act, 1882 এর ৫৪ক ধারার বিধান বিক্রয় চুক্তি নিবন্ধিত হতে হবে, প্রভৃতি:
 হস্তান্তরগ্রহীতা সম্পত্তি বা এর কোন অংশের দখল গ্রহণ করুক বা না করুক, কোন স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তি শুধুমাত্র লিখিত দলিল সম্পাদন এবং The Registration Act, 1908 এর আওতায় রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে করা যাবে।
- স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তিতে বিক্রয় দলিল সম্পাদন ও রেজিস্ট্রেশনের জন্য যে সময়ের উল্লেখ থাকবে রেজিস্ট্রেশনের তারিখ হতে তা কার্যকর হবে এবং যদি কোন সময় উল্লেখ না থাকে তাহলে এই সময় ৬ মাস ধরে নিতে হবে
--------------
⇒ The Transfer of Property Act, 1882 Section 54A. Contract for sale to be registered, etc.
Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act or any other law for the time being in force, a contract for sale of any immoveable property can be made only by an instrument in writing and registered under the Registration Act, 1908, whether or not the transferee has taken possession of the property or any part thereof. 

In a contract for sale of any immoveable property, a time, to be effective from the date of registration, shall be mentioned for execution and registration of the instrument of sale, and if no time is mentioned, six months shall be deemed to be the time.

.
কার সম্মতি ব্যতীত বাংলাদেশ কোন যুদ্ধ ঘোষণা বা যুদ্ধে অংশ গ্রহণ কবে না?
  1. রাষ্ট্রপতির
  2. প্রধানমন্ত্রীর
  3. সরকারের
  4. সংসদের
সঠিক উত্তর:
সংসদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংসদের
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬৩ এর বিধান যুদ্ধ:
 (১) সংসদের সম্মতি ব্যতীত যুদ্ধ ঘোষণা করা যাইবে না কিংবা প্রজাতন্ত্র কোন যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করিবেন না। 
----------
⇒ Article 63. War:
 (1) War shall not be declared and the Republic shall not participate in any war except with the assent of Parliament.
.
ধারা ১১৭ অনুযায়ী, কৃষিকাজের জন্য লীজের ক্ষেত্রে সরকার কখন প্রজ্ঞাপন কার্যকর করতে পারে?
  1. প্রকাশের সাথে সাথে
  2. ছয় মাস পর
  3. তিন মাস পর
  4. এক মাস পর
সঠিক উত্তর:
ছয় মাস পর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছয় মাস পর
ব্যাখ্যা
ধারা ১১৭: কৃষিকাজের জন্য লীজের অব্যাহতি (Exemption of leases for agricultural purposes)-
এই অধ্যায়ের কোনো বিধান কৃষিকাজের জন্য দেওয়া লীজের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না, তবে এমন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে, যদি সরকার সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা ঘোষণা করে যে, এই অধ্যায়ের সব বা কিছু বিধান কৃষিকাজের জন্য দেওয়া সব বা কোনো লীজের ক্ষেত্রে, সেসময়ের প্রচলিত স্থানীয় আইনসহ বা তার অধীন, প্রযোজ্য হবে।

তবে, এই ধরনের প্রজ্ঞাপন প্রকাশের ছয় মাস পর তা কার্যকর হবে।
.
The General Clauses Act,1897 এর ধারা ৯ অনুযায়ী, “to” শব্দের ব্যবহার কী নির্দেশ করে?
  1. প্রথম দিন বাদ দেওয়া
  2. শেষ দিন অন্তর্ভুক্ত করা
  3. শুধুমাত্র কাজের দিন গণনা করা
  4. শেষ দিন বাদ দেওয়া
সঠিক উত্তর:
শেষ দিন অন্তর্ভুক্ত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেষ দিন অন্তর্ভুক্ত করা
ব্যাখ্যা

The General Clauses Act,1897: ধারা ৯: সময়ের শুরু এবং শেষের গণনা:
(১) যে কোন সংসদীয় আইন বা বিধিনিষেধ (Act of Parliament বা Regulation) এই ধারার প্রবর্তনের পরে প্রণীত হোক, দিনের একটি সিরিজ বা অন্য যে কোন সময়কালকে প্রথম দিনটি বাদ দেওয়ার জন্য যথেষ্ট হবে “from” শব্দটি ব্যবহার করা, এবং সিরিজের বা সময়কালটির শেষ দিনটি অন্তর্ভুক্ত করার জন্য “to” শব্দটি ব্যবহার করা।

অর্থাৎ, আইন বা নিয়মে যদি বলা হয় “from”, তবে প্রথম দিন গণনা থেকে বাদ দেওয়া হবে। আর যদি বলা হয় “to”, তবে শেষ দিন গণনার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

(২) এই ধারা ১৮৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি পরে প্রণীত সব সংসদীয় আইন এবং ১৮৮৭ সালের ১৪ জানুয়ারি বা তার পরে প্রণীত সব নিয়ম ও বিধিনিষেধের জন্যও প্রযোজ্য।

১০.
শিশু আইনের কত ধারায় সুবিধাবঞ্চিত শিশুর বর্ণনা উল্লেখ রয়েছে?
  1. ৮৭ ধারায়
  2. ৮৯ ধারায়
  3. ৮৬ ধারায়
  4. ৮৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৮৯ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৮৯- সুবিধাবঞ্চিত শিশু:

(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নিম্নবর্ণিত শিশুগণ সুবিধাবঞ্চিত শিশু হিসাবে গণ্য হইবে, যথা:- 
 
(ক) যে শিশুর মাতা-পিতার যেকোন একজন বা উভয় মৃত্যুবরণ করিয়াছে; 
(খ) আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবকহীন শিশু; 
(গ) নির্দিষ্ট কোন গৃহ বা আবাসস্থলহীন এবং জীবনধারণের জন্য দৃশ্যমান অবলম্বনহীন কোন শিশু; 
(ঘ) ভিক্ষাবৃত্তি বা শিশুর মঙ্গলের পরিপন্থী কোন কার্যে লিপ্ত শিশু; 
(ঙ) কারাভোগরত মাতা-পিতার ওপর নির্ভরশীল বা কারাভোগরত মাতার সহিত কারাগারে অবস্থানরত শিশু; 
(চ) যৌন নির্যাতন বা হয়রানির শিকার শিশু; 
(ছ) যৌনবৃত্তি বা সমাজবিরোধী বা রাষ্ট্রবিরোধী কার্যে নিয়োজিত কোন ব্যক্তি বা অপরাধীর বাসস্থান বা কর্মস্থলে অবস্থানকারী বা গমনাগমনকারী শিশু; 
(জ) যে কোন ধরনের প্রতিবন্ধী শিশু; 
(ঝ) মাদক বা অন্য কোন কারণে অস্বাভাবিক আচরণগত সমস্যাযুক্ত শিশু; 
(ঞ) অসৎ সঙ্গে পতিত বা নৈতিক অবক্ষয়ের সম্মুখীন হইতে পারে অথবা অপরাধ জগতে প্রবেশের ঝুঁকির সম্মুখীন শিশু; 
(ট) বস্তিতে বসবাসকারী শিশু; 
(ঠ) রাস্তা-ঘাটে বসবাসকারী গৃহহীন শিশু; 
(ড) হিজড়া শিশু; 
(ঢ) বেদে ও হরিজন শিশু; 
(ণ) এইচআইভি-এইড্‌স এ আক্রান্ত (infected) বা ক্ষতিগ্রস্ত (affected) শিশু; অথবা 
(ত) শিশু-আদালত বা বোর্ড কর্তৃক বিবেচিত কোন শিশু, যাহার বিশেষ সুরক্ষা, যত্ন-পরিচর্যা ও উন্নয়ন নিশ্চিত করা প্রয়োজন। 
 
(২) সরকার সুবিধাবঞ্চিত শিশুর বিশেষ সুরক্ষা, যত্ন-পরিচর্যা ও উন্নয়ন নিশ্চিত করিবার লক্ষ্যে, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করিতে পারিবে।
১১.
আইনগত সহায়তা প্রদান প্রবিধানমালা, ২০১৫-এর প্রবিধান ৬ অনুযায়ী সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগে দেওয়ানি বা ফৌজদারি আপীলের জন্য আইনজীবীর সর্বোচ্চ ফি কত?
  1. ২,০০০ টাকা
  2. ৩,০০০ টাকা
  3. ৭,০০০ টাকা
  4. ১০,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৭,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান প্রবিধানমালা, ২০১৫-এর প্রবিধান ৬ অনুযায়ী, সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগে দেওয়ানি বা ফৌজদারি আপীলের জন্য আইনজীবীর সর্বোচ্চ ফি নির্ধারিত হয়েছে ৭,০০০ টাকা। এছাড়াও, এই ধরনের মামলার জন্য আনুষঙ্গিক খরচ হিসেবে সর্বোচ্চ ৩,০০০ টাকা নির্ধারিত রয়েছে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর ৭,০০০ টাকা।

১২.
A Contract by which one party promises to save the other from loss caused to him by the conduct of the promisor himself or by the conduct of any other person, is called-
  1. Contract of Guarantee
  2. Contract of Wagering
  3. Contract of Bailment
  4. Contract of Indemnity
সঠিক উত্তর:
Contract of Indemnity
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Contract of Indemnity
ব্যাখ্যা
• Section 124- "Contract of indemnity" defined:
A contract by which one party promises to save the other from loss caused to him by the conduct of the promisor himself, or by the conduct of any other person, is called a "contract of indemnity".

Illustration-
A contracts to indemnify B against the consequences of any proceedings which C may take against B in respect of a certain sum of 200 Taka. This is a contract of indemnity.

চুক্তি আইনের ১২৪ ধারা- "ক্ষতিপূরণের চুক্তি”-এর সংজ্ঞা:
যে চুক্তির মাধ্যমে এক পক্ষ অপর পক্ষকে স্বয়ং অঙ্গীকারকারীর আচরণ বা অন্য কোন ব্যক্তির আচরণ হতে সৃষ্ট ক্ষতি হতে রক্ষা করার অঙ্গীকার করেন, তাকে ক্ষতিপূরণের চুক্তি বলে।

উদাহরণ:
ক কোন বিশেষ ২০০ টাকা সম্পর্কে খ-এর বিরুদ্ধে গ-এর সম্ভাব্য আইনগত কার্যধারা পরিচালনার বিরুদ্ধে খ-কে ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য চুক্তি করেন। তা একটি ক্ষতিপূরণের চুক্তি।
১৩.
The State Acquisition and Tenancy Act 1950 এর কত ধারার বিধান মতে সরকার যে কোন সংখ্যক Land Survey Tribunal গঠন করতে পারে?
  1. ১৪৫
  2. ১৪৫ক
  3. ১৪৫খ
  4. ১৪৬
সঠিক উত্তর:
১৪৫ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৫ক
ব্যাখ্যা
- The State Acquisition and Tenancy Act 1950 এর ১৪৫ক (১) ধারার বিধান ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল (Land Survey Tribunal) প্রতিষ্ঠা:
- সরকার গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা ধারা ১৪৪ এর অধীনে সর্বশেষ সংশোধিত খতিয়ান চূড়ান্ত প্রকাশের ফলে সৃষ্ট মামলার নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল স্থাপন করতে পারবেন।
----------
Land Survey Tribunal:
- Section 145A. (1) The Government may, by notification in the official Gazette, establish as many Land Survey Tribunals as may be required to dispose of the suits arising out of the final publication of the last revised record-of-rights prepared under section 144.
১৪.
হিন্দু আইনে 'প্রতিনিধিত্ব মতবাদ' কাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. জীবিত পুত্রদের ক্ষেত্রে
  2. শুধুমাত্র বিধবা স্ত্রীর ক্ষেত্রে
  3. মৃত ব্যক্তির পুত্র এবং কন্যার ক্ষেত্রে
  4. মৃত ব্যক্তির পুত্র, পৌত্র ও প্রপৌত্রের ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
মৃত ব্যক্তির পুত্র, পৌত্র ও প্রপৌত্রের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত ব্যক্তির পুত্র, পৌত্র ও প্রপৌত্রের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
→ হিন্দু আইনে মৃতের সম্পত্তির উত্তরাধীকার বিষয়ে দুই ধরনের উত্তরাধীকার পদ্ধতি চালু আছে:
(ক) মিতক্ষরা পদ্ধতি
(খ) দায়ভাগ পদ্ধতি।

বাংলাদেশে বসবাসরত হিন্দু ধর্মীয় লোকজন মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বণ্টনের ক্ষেত্রে দায়ভাগ পদ্ধতি অনুসরণ করেন। দায়ভাগ মূলত জীমূতবাহন রচিত হিন্দু ধর্মীয় সম্পত্তির উত্তরাধীকার বিষয়ক আইন গ্রন্থ। এ আইনগ্রন্থ অনুযায়ী, যারা মৃত ব্যক্তির আত্মার কল্যানের জন্য পিণ্ডদানের অধিকারী, কেবলমাত্র তারাই মৃত ব্যক্তির সপিণ্ড এবং যোগ্য উত্তরাধিকারী হিসেবে মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি পেয়ে থাকেন। মিতক্ষরা পদ্ধতি অনুসারে জন্ম হওয়ামাত্রই যেমন একজন পুত্র সন্তান পূর্ব পুরুষের সম্পত্তিতে পিতার সমান অংশীদারী হন, দায়ভাগ আইনে তেমনটা হয় না।

- হিন্দু দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে- শুধুমাত্র পুত্র, পৌত্র (যার বাবা মৃত), প্রপৌত্র (যার বাবা ও পিতামহ দুজনই মৃত) উত্তরাধিকারী হিসেবে থাকলে, পৌত্রিক পূর্বপুরুষের সম্পত্তিতে 'প্রতিনিধিত্ব মতবাদ' বা Doctrine of Representation প্রযোজ্য হবে। নারীদের ক্ষেত্রে এ নীতি প্রযোজ্য নয়।
১৫.
রাষ্ট্রপতি কার অনুমোদন ব্যতীত সুপ্রীম কোর্টে উপদেষ্টামূলক মতামতের জন্য আবেদন করতে পারেন না?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. জাতীয় সংসদ
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. কারো অনুমোদন প্রয়োজন নেই
সঠিক উত্তর:
কারো অনুমোদন প্রয়োজন নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারো অনুমোদন প্রয়োজন নেই
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১০৬- সুপ্রীম কোর্টের উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার:
যদি কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হয় যে, আইনের এইরূপ কোন প্রশ্ন উত্থাপিত হইয়াছে বা উত্থাপনের সম্ভাবনা দেখা দিয়াছে, যাহা এমন ধরনের ও এমন জনগুরুত্বসম্পন্ন যে, সেই সম্পর্কে সুপ্রীম কোর্টের মতামত গ্রহণ করা প্রয়োজন, তাহা হইলে তিনি প্রশ্নটি আপীল বিভাগের বিবেচনার জন্য প্রেরণ করিতে পারিবেন এবং উক্ত বিভাগ স্বীয় বিবেচনায় উপযুক্ত শুনানীর পর প্রশ্নটি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে স্বীয় মতামত জ্ঞাপন করিতে পারিবেন।

⇒ সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি যদি মনে করেন যে কোনো আইনি প্রশ্ন জনগুরুত্বপূর্ণ, তাহলে তিনি কারো অনুমোদন ছাড়াই সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগে উপদেষ্টামূলক মতামতের জন্য পাঠাতে পারেন। এটি রাষ্ট্রপতির একক এখতিয়ারভুক্ত বিষয়, কারো অনুমোদন প্রয়োজন নেই।
১৬.
সংবিধানের ১৪৭ অনুচ্ছেদে নিম্নের কোন পদাধিকারী ব্যক্তির পারিশ্রমিক সম্পর্কে উল্লেখ করা হয় নাই?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. সুপ্রীম কোর্টের বিচারক
  3. অ্যাটর্নি জেনারেল
  4. মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি জেনারেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি জেনারেল
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ১৪৭ অনুচ্ছেদে ৮ শ্রেণীর পদাধিকারী ব্যক্তিদের পারিশ্রমিক, বিশেষ-অধিকার ও কর্মের অন্যান্য শর্ত সংসদের আইনের দ্বারা বা অধীনে নির্ধারণ সংক্রান্ত বিধান আলোচনা করা হয়েছে-
 
১) রাষ্ট্রপতি,
২) প্রধানমন্ত্রী,
৩) স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকার,
৪) মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা উপ-মন্ত্রী
৫) সুপ্রীম কোর্টের বিচারক,
৬) মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক,
৭) নির্বাচন কমিশনার,
৮) সরকারী কর্ম কমিশনের সদস্য।

অপরদিকে,
সংবিধানের ৬৪নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, রাষ্ট্রপতি অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ দেন। অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে -
(১) সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হইবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল-পদে নিয়োগদান করিবেন।
(২) অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করিবেন।
(৩) অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্ব পালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁহার বক্তব্য পেশ করিবার অধিকার থাকিবে।
(৪) রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি-জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করিবেন।
১৭.
হিন্দু আইনে দত্তক গ্রহণের প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. সম্পত্তি হস্তান্তর
  2. অভিভাবকত্ব প্রতিষ্ঠা
  3. পিন্ডদান ও বংশ রক্ষা
  4. বিবাহের বৈধতা প্রমাণ
সঠিক উত্তর:
পিন্ডদান ও বংশ রক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিন্ডদান ও বংশ রক্ষা
ব্যাখ্যা

⇒ হিন্দু আইনে দত্তক গ্রহণের প্রাথমিক উদ্দেশ্য হলো ধর্মীয় কর্তব্য (পিণ্ডদান) এবং পারিবারিক বংশধারা রক্ষা করা। 
১) ধর্মীয় কারণ – পিণ্ডদান:
- শাস্ত্রমতে পুত্রহীন ব্যক্তির আত্মার মুক্তি অসম্ভব।
- দত্তক পুত্র মৃত পিতার জন্য পিণ্ডদান করে এবং তিন পুরুষ (পুত্র, পৌত্র, প্রপৌত্র) পর্যন্ত এই কর্তব্য পালন করে।
২) পার্থিব কারণ – বংশ রক্ষা:
- পারিবারিক নাম, ঐতিহ্য ও সম্পত্তির ধারাবাহিকতা বজায় রাখা।
- বংশধারা টিকিয়ে রাখা হিন্দু সমাজে গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক কর্তব্য।

১৮.
Factum Valet মতবাদের অর্থ কী?
  1. যা করা উচিত, তা করা হলে তা বৈধ
  2. যা করা উচিত নয়, তা করা হলে তা অবৈধ
  3. যা করা উচিত নয়, তা করা হলে তা বৈধ
  4. যা করা উচিত, তা করা হলে তা অবৈধ
সঠিক উত্তর:
যা করা উচিত নয়, তা করা হলে তা বৈধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যা করা উচিত নয়, তা করা হলে তা বৈধ
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) যা করা উচিত নয়, তা করা হলে তা বৈধ।
→ Factum Valet একটি আইনি নীতি যা বলে, "যা করা উচিত নয়, তা করা হলে তা বৈধ বলে গণ্য হবে," যদি প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা বা বিধি অনুসরণ করা হয়। অর্থাৎ, কিছু নির্দিষ্ট বিধি বা নির্দেশনাবলী অমান্য করা হলেও, যদি সেই কাজটি যথাযথ ধর্মীয় বা আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে করা হয়, তবে সেই কাজটি বৈধ হিসেবে গণ্য হতে পারে।

এই নীতি মূলত নির্দেশাত্মক বিধান (Directory provisions) এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যেখানে আইনের সুপারিশ অনুসরণ না করেও, কাজটি একটি শর্তসাপেক্ষে বৈধ হতে পারে।

হিন্দু আইনে Factum Valet মতবাদ: 
- Factum Valet হল হিন্দু দায়ভাগা আইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি, যা ল্যাটিন প্রবচন "Quod fieri non debet factum valet"-এর উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
- এই প্রবচনের অর্থ হলো, "যা করা উচিত নয়, তা করা হয়ে গেলে তা বৈধ বলে গণ্য হবে।" এই নীতিটি হিন্দু আইনে ব্যাপকভাবে প্রযোজ্য এবং এটি নির্দিষ্ট আইনি বিধান লঙ্ঘন করেও কৃতকার্যকে বৈধতা দেয়।

আইনের বিধানের প্রকারভেদ:
আইনের বিধানগুলিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়:
নির্দেশাত্মক বিধান (Directory Provision):
- এই বিধানগুলি সুপারিশমূলক বা নির্দেশমূলক। এগুলি মানা বাঞ্ছনীয়, তবে এগুলি লঙ্ঘন করলে কৃতকার্য অবৈধ হয় না।
অবশ্য পালনীয় বিধান (Mandatory Provision):
- এই বিধানগুলি বাধ্যতামূলক। এগুলি লঙ্ঘন করলে কৃতকার্য অবৈধ বলে গণ্য হয় এবং তা বৈধ করা যায় না।
Factum Valet নীতি নির্দেশাত্মক বিধানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। অর্থাৎ, নির্দেশাত্মক বিধান লঙ্ঘন করে কোনো কাজ করা হলে, তা বৈধ বলে গণ্য হয়।
১৯.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের কোন ধারায় “প্রতীয়মান মালিক কর্তৃক হস্তান্তর” এর বিধান আছে?
  1. ধারা ৩৮
  2. ধারা ৪১
  3. ধারা ৪৩
  4. ধারা ৪০
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪১
ব্যাখ্যা

⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২-এর ধারা ৪১-এ "প্রতীয়মান মালিক কর্তৃক হস্তান্তর" (Transfer by Ostensible Owner)-এর বিধান রয়েছে। এই ধারা অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি প্রকৃত মালিকদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্মতিতে স্থাবর সম্পত্তির প্রতীয়মান মালিক হিসাবে থাকে এবং সরল বিশ্বাসে ও যুক্তিসঙ্গত সাবধানতা নিয়ে কোনো গ্রহীতা মূল্যের বিনিময়ে তা ক্রয় করে, তাহলে হস্তান্তরকারীর প্রকৃত হস্তান্তর ক্ষমতা না থাকলেও হস্তান্তরটি বাতিলযোগ্য হবে না।

⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৪১ ধারার বিধান: প্রতীয়মান মালিক কর্তৃক হস্তান্তর: যখন কোন ব্যক্তি, স্থাবর সম্পত্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিগণের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্মতিক্রমে, ঐ সম্পত্তির প্রতীয়মান মালিক বলে পরিগণিত হয় এবং মূল্যের বিনিময়ে সে তা হস্তান্তর করে, তখন তার হস্তান্তরের ক্ষমতা নির্ধারণের জন্য গৃহীত যুক্তিসঙ্গত সাবধানতা গ্রহণ করে থাকলে এবং সরল বিশ্বাসে কার্য করে থাকলে, দাতার হস্তান্তরের ক্ষমতা ছিল না, এই যুক্তিতে হস্তান্তর বাতিলযোগ্য হবে না।
----------------
⇒ The Transfer of Property Act, 1882 Section 41. Transfer by ostensible owner:
- Where, with consent, express or implied, of the persons interested in immoveable property, a person is the ostensible owner of such property and transfers the same for consideration, the transfer shall not be voidable on the ground that the transferor was not authorised to make it: provided that the transferee, after taking reasonable care to ascertain that the transferor had power to make the transfer, has acted in good faith.

২০.
আন্তর্জাতিক চুক্তিসমূহ কে সংসদে পেশ করার ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. স্পিকার
  4. পররাষ্ট্রমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪৫ক: আন্তর্জাতিক চুক্তি

বিদেশের সহিত সম্পাদিত সকল চুক্তি রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করা হইবে, এবং রাষ্ট্রপতি তাহা সংসদে পেশ করিবার ব্যবস্থা করিবেনঃ তবে শর্ত থাকে যে, জাতীয় নিরাপত্তার সহিত সংশ্লিষ্ট অনুরুপ কোন চুক্তি কেবলমাত্র সংসদের গোপন বৈঠকে পেশ করা হইবে।

Article 145A: International treaties
All treaties with foreign countries shall be submitted to the President, who shall cause them to be laid before Parliament: Provided that any such treaty connected with national security shall be laid in a secret session of Parliament
২১.
বাংলাদেশ সংবিধানের কত অনুচ্ছেদের বিধান মতে শৃঙ্খলামূলক আইনের ক্ষেত্রে মৌলিক অধিকার প্রযোজ্য হইবে না?
  1. অনুচ্ছেদ ৪৪
  2. অনুচ্ছেদ ৪৫
  3. অনুচ্ছেদ ৪৬
  4. অনুচ্ছেদ ১০২
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৪৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৪৫
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৫ এর বিধান শৃঙ্খলামূলক আইনের ক্ষেত্রে অধিকারের পরিবর্তন:
কোন শৃঙ্খলা-বাহিনীর সদস্য-সম্পর্কিত কোন শৃঙ্খলামূলক আইনের যে কোন বিধান উক্ত সদস্যদের যথাযথ কর্তব্যপালন বা উক্ত বাহিনীতে শৃঙ্খলারক্ষা নিশ্চিত করিবার উদ্দেশ্যে প্রণীত বিধান বলিয়া অনুরূপ বিধানের ক্ষেত্রে এই ভাগের কোন কিছুই প্রযোজ্য হইবে না।
----------
⇒ Article 45. Modification of rights in respect of disciplinary law:
Nothing in this Part shall apply to any provision of a disciplinary law relating to members of a disciplined force, being a provision limited to the purpose of ensuring the proper discharge of their duties or the maintenance of discipline in that force.
২২.
Which section of The Special Powers Act, 1974 provides for the confirmation of death sentences by the High Court Division?
  1. Section 28
  2. Section 29
  3. Section 30(1)
  4. Section 30(2)
সঠিক উত্তর:
Section 30(2)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 30(2)
ব্যাখ্যা

The Special Powers Act, 1974 - Section 30: Appeals and confirmation of death sentences:
(1) An appeal from any order, judgment or sentence of a Special Tribunal may be preferred to the High Court Division within thirty days from the date of delivery or passing thereof.

(2) Where a Special Tribunal passes a sentence of death, the proceedings shall be submitted forthwith to the High Court Division and the sentence shall not be executed unless it is confirmed by that Division.

বিশেষ ক্ষমতা আইন,১৯৭৪- ধারা ৩০- আপিল এবং মৃত্যুদণ্ডের অনুমোদন:
(১) বিশেষ ট্রাইব্যুনালের কোনো আদেশ, রায় বা দণ্ডের বিরুদ্ধে উক্ত আদেশ, রায় বা দন্ড আরোপ বা প্রদানের ত্রিশ দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করা যাইবে।

(২) যেক্ষেত্রে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল কোনো মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে, সেইক্ষেত্রে অনতিবিলম্বে উহার কার্যধারা হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করিতে হইবে এবং হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক মৃত্যুদণ্ড অনুমোদিত না হওয়া পর্যন্ত উহা কার্যকর করা যাইবে না।

২৩.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অনুযায়ী ভিক্ষাবৃত্তি ইত্যাদির উদ্দেশ্যে শিশুর অঙ্গহানি করার শাস্তি কী?
  1. মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড
  3. ১০ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  4. ৭ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ১২ ধারার বিধান ভিক্ষাবৃত্তি, ইত্যাদির উদ্দেশ্যে শিশুকে অঙ্গহানি করার শাস্তি:
যদি কোন ব্যক্তি ভিক্ষাবৃত্তি বা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিক্রির উদ্দেশ্যে কোন শিশুর হাত, পা, চক্ষু বা অন্য কোন অংগ বিনষ্ট করেন বা অন্য কোনভাবে বিকলাংগ বা বিকৃত করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন। 
২৪.
রাষ্ট্রপতি প্রণীত অধ্যাদেশ কত দিনের মধ্যে সংসদের মাধ্যমে আইনে পরিণত করা না হলে বিলুপ্ত হয়ে যাবে?
  1. অধ্যাদেশ প্রণয়নের তারিখ হতে ৯০ দিন
  2. প্রথম সংসদ অধিবেশনের ১ম দিন হতে ৩০ দিন
  3. প্রথম সংসদ অধিবেশনে উত্থাপনের তারিখ হতে ৩০ দিন
  4. অধ্যাদেশ প্রণয়নের তারিখ হতে ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
প্রথম সংসদ অধিবেশনে উত্থাপনের তারিখ হতে ৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রথম সংসদ অধিবেশনে উত্থাপনের তারিখ হতে ৩০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩(২) অনুচ্ছেদ অনুসারে: রাষ্ট্রপতি প্রণীত অধ্যাদেশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে উপস্থাপিত হতে হবে।
উপস্থাপনের পর ৩০ দিন অতিবাহিত হলে অথবা এর আগেই সংসদ যদি অধ্যাদেশটি অননুমোদনের প্রস্তাব পাস করে, তাহলে অধ্যাদেশটির কার্যকরতা লোপ পাবে।
সুতরাং, সময় গণনা হবে প্রথম সংসদ অধিবেশনে উত্থাপনের তারিখ হতে ৩০ দিন।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা:
(১) সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় অথবা উহার অধিবেশনকাল ব্যতীত কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট আশু ব্যবস্থাগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে বলিয়া সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে তিনি উক্ত পরিস্থিতিতে যেরূপ প্রয়োজনীয় বলিয়া মনে করিবেন, সেইরূপ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করিতে পারিবেন এবং জারী হইবার সময় হইতে অনুরূপভাবে প্রণীত অধ্যাদেশ সংসদের আইনের ন্যায় ক্ষমতাসম্পন্ন হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার অধীন কোন অধ্যাদেশে এমন কোন বিধান করা হইবে না,
(ক) যাহা এই সংবিধানের অধীন সংসদের আইন-দ্বারা আইনসঙ্গতভাবে করা যায় না;
(খ) যাহাতে এই সংবিধানের কোন বিধান পরিবর্তিত বা রহিত হইয়া যায়; অথবা
(গ) যাহার দ্বারা পূর্বে প্রণীত কোন অধ্যাদেশের যে কোন বিধানকে অব্যাহতভাবে বলবৎ করা যায়।
(২) এই অনুচ্ছেদের (১) দফার অধীন প্রণীত কোন অধ্যাদেশ জারী হইবার পর অনুষ্ঠিত সংসদের প্রথম বৈঠকে তাহা উপস্থাপিত হইবে এবং ইতঃপূর্বে বাতিল না হইয়া থাকিলে অধ্যাদেশটি অনুরূপভাবে উপস্থাপনের পর ত্রিশ দিন অতিবাহিত হইলে কিংবা অনুরূপ মেয়াদ উত্তীর্ণ হইবার পূর্বে তাহা অননুমোদন করিয়া সংসদে প্রস্তাব গৃহীত হইলে অধ্যাদেশটির কার্যকরতা লোপ পাইবে।
(৩) সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থার কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট ব্যবস্থা-গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে বলিয়া সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে তিনি এমন অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করিতে পারিবেন, যাহাতে সংবিধান-দ্বারা সংযুক্ত তহবিলের উপর কোন ব্যয় দায়যুক্ত হউক বা না হউক, উক্ত তহবিল হইতে সেইরূপ ব্যয়নির্বাহের কর্তৃত্ব প্রদান করা যাইবে এবং অনুরূপভাবে প্রণীত কোন অধ্যাদেশ জারী হইবার সময় হইতে তাহা সংসদের আইনের ন্যায় ক্ষমতাসম্পন্ন হইবে। 
(৪) এই অনুচ্ছেদের (৩) দফার অধীন জারীকৃত প্রত্যেক অধ্যাদেশ যথাশীঘ্র সংসদে উপস্থাপিত হইবে এবং সংসদ পুনর্গঠিত হইবার তারিখ হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে এই সংবিধানের ৮৭, ৮৯ ও ৯০ অনুচ্ছেদসমূহের বিধানাবলী প্রয়োজনীয় উপযোগীকরণসহ পালিত হইবে।

২৫.
চুক্তি আইনের ১১ ধারা অনুযায়ী, চুক্তি সম্পাদনের জন্য নিম্নের কোন শর্তটি প্রয়োজনীয় নয়?
  1. শিক্ষিত হওয়া
  2. সাবালক হওয়া
  3. সুস্থ মনের অধিকারী হওয়া
  4. আইন দ্বারা অযোগ্য না হওয়া
সঠিক উত্তর:
শিক্ষিত হওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিক্ষিত হওয়া
ব্যাখ্যা

⇒ চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১১ অনুযায়ী চুক্তি সম্পাদনের জন্য যে শর্তগুলো আবশ্যক, সেগুলো হলো—
- ব্যক্তি সাবালক হতে হবে
- ব্যক্তি সুস্থ মনের অধিকারী হতে হবে
- ব্যক্তি কোনো আইনে চুক্তি করার জন্য অযোগ্য ঘোষিত হওয়া যাবে না
→  শিক্ষিত হওয়া (educated) — এই শর্তটি ধারা ১১–তে কোথাও উল্লেখ নেই।
অতএব, শিক্ষিত না হলেও একজন ব্যক্তি আইনত চুক্তি করার যোগ্য হতে পারেন।

⇒ কারা চুক্তি সম্পাদনে যোগ্যতা চুক্তি আইনের ১১ ধারায় বলা হয়েছে। এ ধারায় বলা হয়েছে যে, প্রত্যেক ব্যক্তিই চুক্তি করার যোগ্য যদি সে নিজ আইনে সাবালক, এবং সুস্থ মনের অধিকারীএবং নিজ আইনে চুক্তি করার জন্য অযোগ্য না হন। [Every person is competent to contract who is age of majority according to the law to which he is subject, and sound mind and is not disqualified from contracting by any law to which he is subject.]
 
• চুক্তি করার অযোগ্য ব্যক্তি:
চুক্তি আইনের ১১ ধারা অনুসারে বলা যায় তিন ধরনের ব্যক্তি চুক্তি করা জন্য অযোগ্য। এ ব্যক্তিরা হলেন:
১। নাবালক,
২। অসুস্থ মনের অধিকারী বা মানসিকভাবে অসুস্থ ব্যক্তি এবং
৩। নিজ আইনে অযোগ্য ব্যক্তি।
পূর্বে বলা হয়েছে ব্যক্তি বলতে প্রাকৃতিক এবং কৃত্রিম ব্যক্তি উভয়কে বোঝানো হয়েছে। কৃত্রিম ব্যক্তি যদি আইন অনুসারে গঠিত ও নিবন্ধিত না হয় তাহলে চুক্তি সম্পাদনে অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।

২৬.
রহিম ব্যাংক থেকে ১০,০০০ টাকা ঋণ নিল। রহিমের বন্ধু করিম ব্যাংকের কাছে প্রতিশ্রুতি দিল যে, রহিম ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হলে সে (করিম) ঐ টাকা পরিশোধ করবে। The Contract Act, 1872 অনুসারে এই পরিস্থিতিতে করিম কে?
  1. ঋণগ্রহীতা
  2. জামিনদার
  3. পাওনাদার
  4. প্রধান দেনাদার
সঠিক উত্তর:
জামিনদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামিনদার
ব্যাখ্যা

⇒The Contract Act, 1872 অনুসারে অনাদায়ের ক্ষেত্রে কোনো তৃতীয় ব্যক্তির অঙ্গীকার পালন, অথবা দায় পরিশোধের চুক্তিকে জামিনের চুক্তি (The Contract of Guarantee) বলা হয়।

⇒ চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১২৬ অনুসারে:
- জামিনদার (Surety): যে ব্যক্তি তৃতীয় পক্ষের (প্রধান দেনাদার) দায় পরিশোধের গ্যারান্টি প্রদান করে।
- প্রধান দেনাদার (Principal Debtor): যার দায় পরিশোধের গ্যারান্টি দেওয়া হয়।
- পাওনাদার (Creditor): যাকে গ্যারান্টি দেওয়া হয়।
এই ক্ষেত্রে:
- করিম ব্যাংককে গ্যারান্টি দিয়েছে যে রহিম ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হলে সে টাকা পরিশোধ করবে → জামিনদার। 
- রহিম প্রকৃত ঋণগ্রহীতা → প্রধান দেনাদার। 
- ব্যাংক ঋণদাতা → পাওনাদার। 
সুতরাং, করিম জামিনদার (Surety) এর ভূমিকায় রয়েছে।

⇒ চুক্তি আইনের ১২৬ ধারার বিধান "জামিনের চুক্তি", "জামিনদার", "প্রধান দেনাদার" এবং "পাওনাদার" ("Contract of guarantee", "surety", "principal debtor" "creditor"):
- জামিনের চুক্তি: জামিনের চুক্তি হল অনাদায়ের ক্ষেত্রে কোন তৃতীয় ব্যক্তির অঙ্গীকার পালন বা দায় পরিশোধের চুক্তি।
- জামিনদার: যে ব্যক্তি এমন অঙ্গীকার করে তাকে জামিনদার বলে।
- প্রধান দেনাদার: যে ব্যক্তির অনাদায় সম্পর্কে জামিন প্রদান করা হয় তাকে প্রধান দেনাদার বলা হয়।
- পাওনাদার: যে ব্যক্তির নিকট এমন জামিন প্রদান করা হয় তাকে পাওনাদার বলে। জামিনের চুক্তি মৌখিক বা লিখিত উভয় প্রকার হতে পারে।
-----------
⇒ The Contract Act, 1872, Section 126. "Contract of guarantee", "surety", "principal debtor" and "creditor":
 A "contract of guarantee" is a contract to perform the promise, or discharge the liability, of a third person in case of his default.
The person who gives the guarantee is called the "surety": the person in respect of whose default the guarantee is given is called the "principal debtor", and the person to whom the guarantee is given is called the "creditor". A guarantee may be either oral or written.

২৭.
The Civil Courts Act, 1887 এর কোন ধারা অনুযায়ী, জেলা জজ আপিল স্থানান্তরের ক্ষমতা রাখেন?
  1. ২২ ধারা
  2. ২৩ ধারা
  3. ২৪ ধারা
  4. ২৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
২২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒The Civil Courts Act, 1887 এর ধারা ২২ অনুসারে, জেলা জজ তার প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণাধীন যুগ্ম জেলা জজের কাছে সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক প্রদত্ত ডিক্রি বা আদেশ থেকে উদ্ভূত আপিল স্থানান্তর করতে পারেন। এছাড়া, স্থানান্তরিত আপিল প্রত্যাহার করে নিজে নিষ্পত্তি করতে বা অন্য উপযুক্ত আদালতে স্থানান্তর করতে পারেন।

⇒ The Civil Courts Act, 1887 এর ধারা ২২: জেলা জজের আপিল স্থানান্তরের ক্ষমতা:
(১) জেলা জজ, তার প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণাধীন যে কোনো যুগ্ম জেলা জজের নিকট, তার নিকটে মুলতুবি থাকা এবং সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক প্রদত্ত ডিক্রি বা আদেশ থেকে উদ্ভূত যে কোনো আপিল স্থানান্তর করতে পারবেন।
(২) জেলা জজ, এভাবে স্থানান্তরিত কোনো আপিল প্রত্যাহার করে তা নিজে শুনানি ও নিষ্পত্তি করতে পারবেন অথবা তার প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণাধীন অন্য কোনো উপযুক্ত আদালতে স্থানান্তর করতে পারবেন।
(৩) এই ধারার অধীনে স্থানান্তরিত আপিলসমূহ সেই নিয়ম অনুসারে নিষ্পত্তি করা হবে, যেভাবে জেলা জজ কর্তৃক নিষ্পত্তিকৃত অনুরূপ আপিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়।

⇒ The Civil Courts Act, 1887, Section-22: Power of District Judge to transfer appeals:
(1) A District Judge may transfer to any Joint District Judge under his administrative control any appeals pending before him from the decrees or orders of Senior Assistant Judges or Assistant Judges.
(2) The District Judge may withdraw any appeal so transferred, and either hear and depose of it himself or transfer it to a Court under his administrative control competent to dispose of it.
(3) Appeals transferred under this section shall be disposed of subject to the rules applicable to like appeals when disposed of by the District Judge.

২৮.
The General Clauses Act,1897 এর কত ধারায় "ব্যক্তি" এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. Section 3(29)
  2. Section 3(39)
  3. Section 3(41)
  4. Section 3(19)
সঠিক উত্তর:
Section 3(39)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 3(39)
ব্যাখ্যা
Section 3(39) of The General Clauses Act,1897-

"Person" shall include any company or association or body of individuals, whether incorporated or not: 
"ব্যক্তি" বলিতে, নিগমিত হউক বা না হউক, কোন কোম্পানি বা সমিতি অথবা ব্যক্তি বিশেষের সমষ্টিকে অন্তর্ভূক্ত করিবে।
২৯.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৯ ধারা অনুসারে, মৌখিক হস্তান্তর কখন আইনত অনুমোদিত?
  1. আদালতের মাধ্যমে হস্তান্তরের ক্ষেত্রে
  2. যখন হস্তান্তরের জন্য রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক
  3. যেখানে লিখিত দলিলের আবশ্যকতা আইনে উল্লেখ নেই
  4. ব্যক্তিগত উপহার দেওয়ার ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
যেখানে লিখিত দলিলের আবশ্যকতা আইনে উল্লেখ নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেখানে লিখিত দলিলের আবশ্যকতা আইনে উল্লেখ নেই
ব্যাখ্যা

⇒  সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৯ ধারার বিধান: মৌখিক হস্তান্তর:
যে সকল ক্ষেত্রে লিখিত হওয়ার আবশ্যকতা আইন দ্বারা প্রত্যক্ষ ভাবে উল্লেখ করা হয় নাই, সে সকল ক্ষেত্রে লিখিত দলিল ছাড়াই সম্পত্তি হস্তান্তর করা যেতে পারে।

- Section 9: Oral transfer:
A transfer of property may be made without writing in every case in which a writing is not expressly required by law.

মৌখিক হস্তান্তর (Oral transfer) :
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৯ ধারায় বলা হয়েছে, যেসকল ক্ষেত্রে লিখিত দলিলের আবশ্যকতা আইনে সুস্পষ্ট ভাবে উল্লেখ করা হয় নাই, সেসকল ক্ষেত্রে লিখিত দলিল ছাড়াই সম্পত্তি হস্তান্তর করা যেতে পারে। রেজিস্ট্রেশন আইন সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের পরিপূরক। সুতরাং যে সকল হস্তান্তরে রেজিস্ট্রেশনের বিধান রয়েছে, তা মৌখিক ভাবে হস্তান্তর করা যায় না। এক্ষেত্রে বলা যায়, যে সকল সম্পত্তির হস্তান্তর লিখিত দলিলের মাধ্যমে হওয়ার প্রয়োজন নেই এবং যে সকল হস্তান্তরের জন্য রেজিস্ট্রেশনের প্রয়োজন নেই সে সকল হস্তান্তর মৌখিক ভাবে করা যায়।

৩০.
The Contract Act, 1872 অনুসারে প্রতিদানবিহীন সম্মতি বাতিল নয়, যদি সেটি _____ হয়।
  1. ক্ষতির আশংকায়
  2. তামাদি বারিত ঋণ শোধে
  3. লিখিত ও প্রতিশ্রুত
  4. লিখিত কিন্তু অনিবন্ধিত
সঠিক উত্তর:
তামাদি বারিত ঋণ শোধে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তামাদি বারিত ঋণ শোধে
ব্যাখ্যা
• চুক্তি আইনের ২৫ ধারায় বলা হয়েছে, প্রতিদানবিহীন চুক্তি বাতিল। সেই সাথে কতিপয় ক্ষেত্রে প্রতিদান ছাড়াই চুক্তি বৈধ উল্লেখ করা হয়েছে, যেমন-
১. স্বাভাবিক ভালোবাসা ও স্নেহজনিত কারণে গঠিত কোন চুক্তি বৈধ। যেমন, স্বাভাবিক স্নেহ ভালোবাসা হেতু ক তার পুত্র খ-কে ১০০০ টাকা দিতে অঙ্গীকার করে। ক তার এই অঙ্গীকার লিখিত এবং নিবন্ধিত করে। এটা একটি বৈধ চুক্তি, যদিও কোন প্রতিদান নেই।
২. অতীত স্বেচ্ছামূলক সেবার জন্য ক্ষতিপূরণ প্রদানের চুক্তি। যেমন- ক, খ-এর ব্যাগ কুড়িয়ে পায় এবং তাকে অর্পণ করে। খ, ক-কে ৫০ টাকা প্রদানের প্রতিশ্রুতি প্রদান করে। এটা একটি বৈধ চুক্তি। অর্থাৎ উক্তিটি পুরোপুরি সত্য।
৩. তামাদি আইনে বাতিল কোনো ঋণ পরিশোধের অঙ্গীকার। যেমন, ক, খ-এর নিকট ১০০০ টাকা ঋণী কিন্তু ঋণটি তামাদিতে বারিত। উক্ত ঋণের মধ্যে ৫০০ টাকা পরিশোধ করার জন্য খ, ক-কে লিখিত প্রতিশ্রুতি দিলো। এটা একটি চুক্তি।
৪. সম্পত্তি দানের ক্ষেত্রে;
৫. পাওনা আদায়ের দাবি ত্যাগ;
৬. বিনা পারিশ্রমিকে গচ্ছিত দান।
অর্থাৎ তামাদি বারিত ঋণ শোধের ক্ষেত্রে প্রতিদান আবশ্যক নয়।
৩১.
এস. এ (S.A) খতিয়ান তৈরির কাজ কোন জেলা থেকে শুরু হয়?
  1. কক্সবাজার
  2. দিনাজপুর
  3. পটুয়াখালী
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী
ব্যাখ্যা
⇒ এস. এ খতিয়ান:
পাকিস্তান আমলে ১৯৫০ সালে রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের চতুর্থ অধ্যায় এর ১৭ হতে ৩১ দ্বারা মতে ১৯৫৬-৬০ সালের দিকে যে খতিয়ান তৈরি করা হয় তাকে এস. এ (State Acquision) খতিয়ান বলে।
- এটা করতে The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১৭ ধারার অধীন State Acquisition Survey এর উপর ভিত্তি করে এস.এ খতিয়ান তৈরী করা হয়েছিল। তাই এই খতিয়ানকে এস.এ খতিয়ান বলা হয়।
- এটা ১৯৫৪ সালে পটুয়াখালীতে শুরু হয়ে ১৯৬৫ সালে ফরিদপুরে শেষ হয়েছিল।
৩২.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২০ অনুযায়ী, সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার সাথে জড়িত থাকার জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছরের কারাদণ্ড ও ৫০ লাখ টাকা জরিমানা
  2. ২ বছরের কারাদণ্ড ও ১ কোটি টাকা জরিমানা
  3. ২ বছরের কারাদণ্ড ও ২ কোটি টাকা জরিমানা
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড ও ৫ কোটি টাকা জরিমানা
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড ও ১ কোটি টাকা জরিমানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড ও ১ কোটি টাকা জরিমানা
ব্যাখ্যা

⇒ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২০(২) এর বিধান অনুসারে: (২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
সুতরাং, সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি হলো—দুই বছরের কারাদণ্ড এবং এক কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে বা উভয় দণ্ড একসাথে প্রযোজ্য হতে পারে।
অতএব, সঠিক উত্তর খ) ২ বছরের কারাদণ্ড ও ১ কোটি টাকা জরিমানা।

⇒ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২০: সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার অপরাধ ও দণ্ড:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার নিমিত্ত কোনো পোর্টাল বা অ্যাপস বা ডিভাইস তৈরি করেন বা পরিচালনা করেন বা জুয়া খেলায় অংশগ্রহণ করেন বা খেলায় সহায়তা বা উৎসাহ প্রদান করেন বা উৎসাহ প্রদানের জন্য বিজ্ঞাপনে অংশগ্রহণ এবং প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রচার বা বিজ্ঞাপিত করেন তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।
(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

৩৩.
Vis Major-এর সাথে সবচেয়ে নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত আইনি নীতি কোনটি?
  1. Force Majeure
  2. Strict Liability
  3. Res Ipsa Loquitur
  4. Volenti Non Fit Injuria
সঠিক উত্তর:
Force Majeure
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Force Majeure
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ক) Force Majeure.
⇒ "Vis Major" (Act of God) এবং "Force Majeure" দুটি আইনি ধারণা যা অনাকাঙ্ক্ষিত ও অনিয়ন্ত্রণযোগ্য ঘটনাবলির কারণে দায়মুক্তির সাথে সম্পর্কিত। এদের মধ্যে গভীর সম্পর্ক রয়েছে:
১. Vis Major (Act of God): 
- প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন: বন্যা, ভূমিকম্প, সুনামি, বজ্রপাত ইত্যাদি।
- মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে এবং অপ্রত্যাশিত ঘটনা।
- দায়মুক্তির শর্ত: ঘটনাটি অনিবার্য এবং যেকোনো রকম সতর্কতা অবলম্বন করলেও এড়ানো সম্ভব ছিল না।
২. Force Majeure:
- Vis Major-এর চেয়ে বিস্তৃত ধারণা।
- প্রাকৃতিক দুর্যোগ (Vis Major) + মানবসৃষ্ট দুর্যোগ যেমন: যুদ্ধ, দাঙ্গা, সরকারি নিষেধাজ্ঞা, শ্রমিক ধর্মঘট ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত।
- চুক্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হয় (যেমন: "Force Majeure Clause")।
৩. সম্পর্ক: Vis Major, Force Majeure-এর একটি উপসেট। সব Act of God, Force Majeure-এর অন্তর্ভুক্ত, কিন্তু সব Force Majeure ঘটনা Act of God নয়।

অন্যান্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
খ) Strict Liability: এটি একটি দায় নির্ধারণ সংক্রান্ত নীতি, যেখানে কোনো অবহেলা প্রমাণ ছাড়াই ক্ষতির জন্য দায়ী করা হয়। Vis Major কখনও কখনও এর একটি প্রতিরক্ষা হিসেবে কাজ করতে পারে, কিন্তু নীতি দুটি মূলত ভিন্ন।
গ) Res Ipsa Loquitur: এটি একটি আইনি প্রমাণের নীতি ("ঘটনাই কথা বলে"), যা অবহেলা প্রমাণের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি Vis Major-এর সাথে সম্পর্কিত নয়।
ঘ) Volenti Non Fit Injuria: এটি একটি প্রতিরক্ষামূলক নীতি ("স্বেচ্ছায় ঝুঁকি গ্রহণকারীর ক্ষতি হয় না"), যা সম্মতি ও ঝুঁকির উপর ভিত্তি করে কাজ করে। এটিও Vis Major-এর থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন ধারণা।

- অর্থাৎ Vis Major এবং Force Majeure উভয়ই অপ্রত্যাশিত বা প্রাকৃতিক বিপর্যয়, যেমন প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা যুদ্ধের পরিস্থিতিকে বোঝায় যা কোনো পক্ষের জন্য চুক্তির শর্ত পূরণ করতে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

৩৪.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ধারা ২(ক) অনুসারে, আইনগত সহায়তা প্রদান করা হয় কোন ক্ষেত্রে?
  1. শুধুমাত্র দায়েরকৃত মামলায়
  2. শুধুমাত্র বিচারাধীন মামলায়
  3. শুধুমাত্র দায়েরযোগ্য মামলায়
  4. দায়েরযোগ্য, দায়েরকৃত বা বিচারাধীন সকল মামলায়
সঠিক উত্তর:
দায়েরযোগ্য, দায়েরকৃত বা বিচারাধীন সকল মামলায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়েরযোগ্য, দায়েরকৃত বা বিচারাধীন সকল মামলায়
ব্যাখ্যা

আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ২(ক) ধারার বিধান:
“আইনগত সহায়তা” অর্থ আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায় সম্বলহীন এবং নানাবিধ আর্থ-সামাজিক কারণে বিচার প্রাপ্তিতে অসমর্থ বিচারপ্রার্থীকে-
(অ) কোন আদালতে দায়েরযোগ্য, দায়েরকৃত বা বিচারাধীন মামলায় আইনগত পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান;
(আ) Code of Civil Procedure, 1908 (Act No. V of 1908) এবং প্রচলিত অন্যান্য আইনের বিধান অনুসারে মধ্যস্থতা বা সালিশের মাধ্যমে কোন মামলা নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে নিযুক্ত মধ্যস্থতাকারী বা সালিশকারীকে সম্মানী প্রদান;
(ই) মামলার প্রাসঙ্গিক খরচ প্রদানসহ অন্য যে কোন সহায়তা প্রদান; এবং
(ঈ) উপ-ধারা (অ) হইতে (ই) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হারে আইনজীবীকে সম্মানী প্রদান;

৩৫.
মালিকি মতবাদের মূল উৎস কী?
  1. কিয়াস
  2. কুরআন ও হাদিস
  3. স্থানীয় প্রথা ও রীতিনীতি
  4. কেবল ইজমা
সঠিক উত্তর:
কুরআন ও হাদিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুরআন ও হাদিস
ব্যাখ্যা

মুসলিম আইনের চার প্রধান মতবাদ (Schools of Islamic Law):
মুসলিম আইনকে চারটি প্রধান সুন্নি মতবাদে বিভক্ত করা হয়েছে। এই মতবাদগুলো প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ইসলামের প্রাথমিক যুগে, এবং প্রত্যেকটি নির্দিষ্ট ইমামের অনুসৃত পদ্ধতি ও ব্যাখ্যার ভিত্তিতে গড়ে ওঠে।

হানাফি মতবাদ (Hanafi School)
- প্রতিষ্ঠাতা: ইমাম আবু হানিফা (৭০২–৭৭২ খ্রিস্টাব্দ)।
- কুরআন ও হাদিসের পাশাপাশি ইজতিহাদ (ব্যক্তিগত বিশ্লেষণ) এবং রায় ব্যবহারের উপর গুরুত্ব দেয়।
- হানাফি মতবাদ মুসলিম আইনের সবচেয়ে উদার ও সহনশীল।
- স্থানীয় প্রথা ও রীতিনীতি গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হয়।

মালিকি মতবাদ (Maliki School)
- প্রতিষ্ঠাতা: ইমাম মালিক ইবনে আনাস (৭১১–৭৯৫ খ্রিস্টাব্দ)।
- মদিনার মানুষের প্রথা এবং প্রাথমিক মুসলিম সমাজের রীতিনীতিকে আইনের ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করা হয়।
- কুরআন ও হাদিস প্রধান উৎস, তবে মদিনার ঐতিহ্য এবং ইজমাও বিবেচ্য।

শাফেয়ি মতবাদ (Shafi'i School)
- ইমাম মুহাম্মদ ইবনে ইদ্রিস আশ-শাফেয়ি (৭৬৭–৮২০ খ্রিস্টাব্দ)।
- কুরআন ও হাদিসকে প্রধান উৎস হিসেবে গ্রহণ করা হয়।
- ইজমা (মুসলিম সমাজের ঐক্যমত) এবং কিয়াস (যুক্তিগত বিশ্লেষণ) ব্যবহারের উপর জোর দেয়।

হাম্বলি মতবাদ (Hanbali School)
- ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল (৭৮০–৮৫৫ খ্রিস্টাব্দ)।
- এটি সবচেয়ে রক্ষণশীল সুন্নি মতবাদ।
- কুরআন ও হাদিস ছাড়া অন্য কোনো উৎসকে খুব কম গ্রহণ করে।

৩৬.
রাষ্ট্রপতি কত বছর মেয়াদের জন্য অতিরিক্ত বিচারক নিয়োগ করতে পারেন?
  1. এক বছর
  2. দুই বছর
  3. তিন বছর
  4. পাঁচ বছর
সঠিক উত্তর:
দুই বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই বছর
ব্যাখ্যা

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯৮-এ বলা হয়েছে যে, রাষ্ট্রপতি সুপ্রীম কোর্টের কোনো বিভাগের বিচারক-সংখ্যা সাময়িকভাবে বৃদ্ধির প্রয়োজন মনে করলে, যথাযথ যোগ্যতাসম্পন্ন এক বা একাধিক ব্যক্তিকে অনধিক দুই বছরের জন্য অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ করতে পারেন। এছাড়াও, হাইকোর্ট বিভাগের কোনো বিচারককে আপীল বিভাগে অস্থায়ী মেয়াদের জন্য আসন গ্রহণের ব্যবস্থা করতে পারেন।
অর্থাৎ রাষ্ট্রপতি সুপ্রীম কোর্টে অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে অনধিক দুই বছরের জন্য নিয়োগ দিতে পারেন। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) দুই বছর।

৩৭.
Every person in the service of the Republic has a duty to strive at all times __________.
  1. to serve the country.
  2. to serve the government.
  3. to serve the people.
  4. to serve the citizens.
সঠিক উত্তর:
to serve the people.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
to serve the people.
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২১ এর বিধান নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য:
(১) সংবিধান ও আইন মান্য করা, শৃঙ্খলা রক্ষা করা, নাগরিকদায়িত্ব পালন করা এবং জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য৷ 
(২) সকল সময়ে জনগণের সেবা করিবার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য৷
----------------
⇒ The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh: Article-21: Duties of citizens and of public servants:
(1) It is the duty of every citizen to observe the Constitution and the laws, to maintain discipline, to perform public duties and to protect public property. 
(2) Every person in the service of the Republic has a duty to strive at all times to serve the people.
৩৮.
The State Acquisition Tenancy Act, 1950 এর ১১ ধারার (২) উপধারায় কালেক্টরের আদেশের বিরুদ্ধে কোথায় আপিল করতে হবে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. জেলা জজের নিকট
  3. ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালে
  4. ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালে
সঠিক উত্তর:
জেলা জজের নিকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা জজের নিকট
ব্যাখ্যা
• The State Acquisition Tenancy Act, 1950 এর ১৪ ধারা- আপিল:

১১ ধারার (২) উপধারায় কালেক্টরের আদেশে ক্ষুব্ধ কোনো ব্যক্তি উক্ত আদেশের তারিখ হইতে ৩০ দিনের মধ্যে উক্ত এলাকার এখতিয়ারবান জেলা জজের নিকট আপিল দায়ের করিতে পারিবে এবং উক্ত আপিলে জেলা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে ।

Section 14- Appeal:
Any person who is aggrieved by an order of the Collector under sub-section (2) of section 11 or under sub-section (2) of section 13, may prefer an appeal to the District Judge having jurisdiction over the area within thirty days from the date of such order; and the decision of the District Judge having jurisdiction over the area, on such appeal, shall be final.
৩৯.
শিশু আইন অনুসারে শিশুর বয়স নির্ধারণের প্রাসঙ্গিক তারিখ কোনটা হবে?
  1. আদালতে উপস্থিত হওয়ার তারিখ
  2. অপরাধ সংঘটনের তারিখ
  3. গ্রেপ্তার করার তারিখ
  4. বিচারকার্য শুরু হওয়ার তারিখ
সঠিক উত্তর:
অপরাধ সংঘটনের তারিখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধ সংঘটনের তারিখ
ব্যাখ্যা
ধারা ২০- শিশুর বয়স নির্ধারণে প্রাসঙ্গিক তারিখ:

আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইন, আদালতের রায় বা আদেশে ভিন্নরূপ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, অপরাধ সংঘটনের তারিখই হইবে শিশুর বয়স নির্ধারণের জন্য প্রাসঙ্গিক তারিখ।
৪০.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১৫০ ধারার অধীনে রাজস্ব কর্মকর্তার নিকট পর্যালোচনার আবেদন কত দিনের মধ্যে করতে হবে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা

The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ধারা ১৫০: রাজস্ব কর্মকর্তার দ্বারা পর্যালোচনা (Review by Revenue-officer):
(১) কোনো স্বার্থসম্পন্ন পক্ষের আবেদনক্রমে অথবা নিজ উদ্যোগে, একজন রাজস্ব কর্মকর্তা নিজে বা তাঁর পূর্বসূরিদের দ্বারা এই অংশের অধীনে গৃহীত কোনো আদেশ পর্যালোচনা করতে পারেন এবং সেই পর্যালোচনার মাধ্যমে উক্ত আদেশ সংশোধন, বাতিল বা অনুমোদন করতে পারেন:

তবে শর্ত থাকে যে—
(ক) কোনো আদেশের পর্যালোচনার আবেদন সেই আদেশ প্রদানের তারিখ থেকে ত্রিশ দিনের মধ্যে না করা হলে তা গৃহীত হবে না, তবে ত্রিশ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর আবেদন করা হলে, আবেদনকারীকে প্রমাণ করতে হবে যে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন না করার যথার্থ কারণ ছিল।
(খ) কোনো আদেশের বিরুদ্ধে যদি আপিল করা হয়ে থাকে বা কোনো উচ্চতর রাজস্ব কর্তৃপক্ষের কাছে সংশোধনের আবেদন করা হয়ে থাকে, তবে সেই আদেশ পর্যালোচনা করা যাবে না।
(গ) কোনো আদেশ পর্যালোচনার মাধ্যমে সংশোধন বা বাতিল করার আগে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে যুক্তিসঙ্গত নোটিশ প্রদান করতে হবে যেন তারা উপস্থিত হয়ে নিজেদের বক্তব্য পেশ করতে পারে।

(২) পর্যালোচনার আবেদন প্রত্যাখ্যান বা পূর্বের কোনো আদেশ পর্যালোচনার মাধ্যমে অনুমোদন করার বিরুদ্ধে কোনো আপিল করা যাবে না।

৪১.
বাংলাদেশের সংবিধানের ৯ম ভাগে কোন বিষয় সম্পর্কিত বিধান রয়েছে?
  1. মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
  2. সংবিধান সশোধন
  3. বাংলাদেশের কর্মবিভাগ
  4. জরুরী বিধানাবলী
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের কর্মবিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের কর্মবিভাগ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১১টি ভাগ রয়েছে-

প্রথম ভাগ- প্রজাতন্ত্র,
দ্বিতীয় ভাগ- রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি,
তৃতীয় ভাগ- মৌলিক অধিকার,
চতুর্থ ভাগ- নির্বাহী বিভাগ,
পঞ্চম ভাগ- আইনসভা,
ষষ্ঠ ভাগ- বিচার বিভাগ,
সপ্তম ভাগ- নির্বাচন,
অষ্টম ভাগ- মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক,
নবম ভাগ- বাংলাদেশের কর্মবিভাগ, নবম-ক ভাগ- জরুরী বিধানাবলী,
দশম ভাগ- সংবিধান সশোধন, এবং
একাদশ ভাগ- বিবিধ।
৪২.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কত অনুচ্ছেদ অনুযায়ী 'প্রত্যেক নাগরিকের বাংলাদেশ ত্যাগ ও বাংলাদেশে পুনঃপ্রবেশ করার অধিকার থাকবে?'
  1. ৩২ অনুচ্ছেদ
  2. ৩৬ অনুচ্ছেদ
  3. ৩৭ অনুচ্ছেদ
  4. ৩৮ অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
৩৬ অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
• গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৬ অনুচ্ছেদের বিধান চলাফেরার স্বাধীনতা:
জনস্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ- সাপেক্ষে বাংলাদেশের সর্বত্র অবাধ চলাফেরা, ইহার যে কোন স্থানে বসবাস ও বসতিস্থাপন এবং বাংলাদেশ ত্যাগ ও বাংলাদেশে পুনঃপ্রবেশ করিবার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের থাকিবে।

Article 36. Freedom of movement:
Subject to any reasonable restrictions imposed by law in the public interest, every citizen shall have the right to move freely throughout Bangladesh, to reside and settle in any place therein and to leave and re-enter Bangladesh.
৪৩.
যদি কোনো চুক্তি সম্পাদনের পর কাজটি অসম্ভব হয়ে যায়, তবে-
  1. চুক্তি অব্যাহত থাকে
  2. সময় বৃদ্ধি করা হয়
  3. চুক্তিটি বাতিল হয়ে যায়
  4. পক্ষগুলো নতুন চুক্তি করবে
সঠিক উত্তর:
চুক্তিটি বাতিল হয়ে যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তিটি বাতিল হয়ে যায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৬: অসম্ভব কাজ করার চুক্তি-
(১) স্বাভাবিকভাবে অসম্ভব কাজের জন্য চুক্তি — বাতিল
যে চুক্তি এমন একটি কাজ করার উদ্দেশ্যে করা হয় যা নিজেই অসম্ভব, সেই চুক্তি বাতিল (void)।

(২) চুক্তির পরে কাজটি অসম্ভব বা অবৈধ হলে — চুক্তি বাতিল
যদি কোনো কাজ, চুক্তি সম্পাদনের পরে, এমন কোনো ঘটনার কারণে (যা প্রতিশ্রুতিদাতা রোধ করতে পারেননি) অসম্ভব বা অবৈধ হয়ে পড়ে, তবে চুক্তিটি সেই মুহূর্তে বাতিল হয়ে যায়।

(৩) অসম্ভব বা অবৈধ কাজ জানার পরও চুক্তি করলে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে
যদি কোনো ব্যক্তি এমন কিছু করার প্রতিশ্রুতি দেন, যা তিনি জানতেন বা যৌক্তিকভাবে জানার কথা ছিল যে সেটি অসম্ভব বা অবৈধ, এবং প্রতিশ্রুতিপ্রাপক তা না জানেন, তাহলে প্রতিশ্রুতিদাতাকে প্রতিশ্রুতি না রাখার ফলে হওয়া ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

উদাহরণ (Illustrations):
(ক) A ও B-এর মধ্যে একটি চুক্তি হয় যেখানে A যাদুবলে গুপ্তধন আবিষ্কার করবে। — চুক্তিটি বাতিল।
(খ) A ও B একে অপরকে বিয়ে করার চুক্তি করে, কিন্তু বিয়ের সময় আসার আগে A পাগল হয়ে যায় — চুক্তিটি বাতিল।
(গ) A, B-কে বিয়ে করার চুক্তি করে, যদিও সে ইতিমধ্যে C-র সাথে বিবাহিত এবং বহুবিবাহ তার আইনে নিষিদ্ধ — B-এর ক্ষতির জন্য A ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য।
(ঘ) A, B-এর জন্য বিদেশি বন্দরে মাল তোলার চুক্তি করে। পরবর্তীতে সেই দেশের সঙ্গে যুদ্ধ ঘোষণা করে A-এর সরকার — চুক্তিটি বাতিল হয়ে যায়।
(ঙ) A ৬ মাসের জন্য থিয়েটারে অভিনয়ের চুক্তি করে, কিন্তু কিছুদিন অসুস্থ থাকায় অভিনয় করতে পারে না — সেই দিনগুলোর জন্য চুক্তি বাতিল।
৪৪.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ৪২ ধারায় কোন আইনের প্রযোজ্যতার বিধান রয়েছে?
  1. সাক্ষ্য আইন, ১৮৭৩
  2. ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮
  3. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬
  4. উল্লিখিত সকল আইন
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল আইন
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪২: ফৌজদারি কার্যবিধি, Evidence Act ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের প্রয়োগ:
(১) এই অধ্যাদেশে ভিন্নরূপ কোনো বিধান না থাকিলে, উহার অধীন কার্যক্রম গ্রহণের ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮, Evidence Act, 1872 এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে।

(২) ট্রাইব্যুনাল ফৌজদারি কার্যবিধি এর অধীন আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী দায়রা আদালতের সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করিতে পারিবে।
৪৫.
বিশেষ ক্ষমতা আইনের অধীন আটককৃতদের গ্রেফতারের কারণ পর্যালোচনার জন্য সরকার ৯ ধারার অধীন কয় সদস্যবিশিষ্ট উপদেষ্টা পর্ষদ গঠন করবেন?
  1. ৫ সদস্যবিশিষ্ট
  2. ৩ সদস্যবিশিষ্ট
  3. ৭ সদস্যবিশিষ্ট
  4. ৬ সদস্যবিশিষ্ট
সঠিক উত্তর:
৩ সদস্যবিশিষ্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ সদস্যবিশিষ্ট
ব্যাখ্যা
উপদেষ্টা পর্ষদঃ

বিশেষ ক্ষমতা আইনের অধীন আটককৃতদের গ্রেফতারের কারণ পর্যালোচনার জন্য সরকার ৯ ধারার অধীন তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা পর্ষদ গঠন করবেন।

সদস্যগণ:
⇒ ২জন সুপ্রিম কোর্টের বিচারক ছিলেন/আছেন/হওয়ার যোগ্য এমন হতে হবে, এবং এই দুজনের মধ্যে একজন চেয়ারম্যান হবেন।
⇒ বাকী ১জন প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত সিনিয়র কর্মকর্তা থেকে হবে।
 
১০ ধারার অধীন সরকার কাউকে আটকের ১২০দিনের মধ্যে গ্রেফতারের কারণ সম্বলিত একটি রিপোর্ট উপদেষ্টা পর্ষদের নিকট প্রেরণ করবে এবং ১১ ধারার অধীন উপদেষ্টা পর্ষদ আটকের সর্বোচ্চ ১৭০ দিনের মধ্যে সরকারকে প্রতিবেদন পাঠাবে।
 
⇒ আটকটি বাতিল না হলে, প্রতি ৬ মাসে তা একবার করে পর্ষদ কর্তৃক রিভিউ করতে হবে (ধারা ১২)।

⇒ তবে, সরকার চাইলে যেকোন সময় গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে মুক্তি দিতে পারবে (ধারা ১৩)।
৪৬.
The Registration Act, 1908 এর ২৪ ধারার বিধান অনুযায়ী বিভিন্ন সময়ে কতিপয় ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত দলিল কত সময়ের মধ্যে নিবন্ধন এবং পুনঃনিবন্ধনের জন্য দাখিল করতে হবে?
  1. ১ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ২ মাস
  4. ৪ মাস
সঠিক উত্তর:
৪ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ রেজিস্ট্রেশন আইনের ২৪ ধারার বিধান: বিভিন্ন সময়ে কতিপয় ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত দলিল: যেখানে বিভিন্ন ব্যক্তি বিভিন্ন সময়ে কোন দলিল সম্পাদন করে, সেখানে উক্ত দলিল নিবন্ধন এবং পুনঃনিবন্ধনের জন্য প্রত্যেক সম্পাদনের তারিখ হতে ৪ মাসের মধ্যে দাখিল করতে হবে।
-------------------------
The Registration Act, 1908 Section 24. Documents executed by several persons at different times:
Where there are several persons executing a document at different times, such document may be presented for registration and re-registration within four months from the date of each execution.
৪৭.
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এ কয় ধরনের কার্যকে "ক্ষতিকর কার্য (prejudicial act)" হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ৫ ধরনের
  2. ৬ ধরনের
  3. ৭ ধরনের
  4. ৮ ধরনের
সঠিক উত্তর:
৮ ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ ধরনের
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) ৮ ধরনের।

বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ধারা ২(চ):

"ক্ষতিকর কার্য (prejudicial act)"  অর্থ নিম্নবর্ণিত অভিপ্রায় বা সম্ভাবনা রহিয়াছে এইরূপ কোনো কার্য করা, যথা:-
১. রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব বা প্রতিরক্ষা ক্ষতিগ্রস্ত করা;
২. বাংলাদেশ এবং বিদেশি রাষ্ট্রের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক নষ্ট বা বিঘ্নিত করা;
৩. দেশের সুরক্ষা, জননিরাপত্তা বা সাধারণ শৃঙ্খলা হ্রাস বা ভঙ্গ করা;
৪. বিভিন্ন সম্প্রদায়, শ্রেণি বা অংশ, বা জনগণের মধ্যে বৈরিতা বা বিদ্বেষ ছড়িয়ে দেওয়া;
৫. আইনের রক্ষণাবেক্ষণ বা আইনশৃঙ্খলা ব্যাহত করা, বা তা উসকে দেওয়া;
৬. জনগণের জন্য প্রয়োজনীয় সরবরাহ ও সেবায় বাধা সৃষ্টি করা;
৭. জনগণের মাঝে ভয় বা আতঙ্ক সৃষ্টি করা;
৮. রাষ্ট্রীয় অর্থনৈতিক ও আর্থিক স্বার্থ ক্ষুন্ন বা ক্ষতিগ্রস্ত করা।

Section 2(f): “prejudicial act” means any act which is intended or likely- 
(i) to prejudice the sovereignty or defence of Bangladesh; 
(ii) to prejudice the maintenance of friendly relations of Bangladesh with foreign states; 
(iii) to prejudice the security of Bangladesh or to endanger public safety or the maintenance of public order; 
(iv) to create or excite feelings of enmity or hatred between different communities, classes or sections of people; 
(v) to interfere with or encourage or incite interference with the administration of law or the maintenance of law and order; 
(vi) to prejudice the maintenance of supplies and services essential to the community; 
(vii) to cause fear or alarm to the public or to any section of the public; 
(viii) to prejudice the economic or financial interests of the State;
৪৮.
Which maxim means "Youth is very liable to err"?
  1. Factum infectum fieri aequit
  2. Facilis est lapsus juventutis
  3. Fraus et just nunquam cohabitant
  4. Factum unuis alteri noceri non debet
সঠিক উত্তর:
Facilis est lapsus juventutis
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Facilis est lapsus juventutis
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) Facilis est lapsus juventutis.
⇒ ল্যাটিন ম্যাক্সিম "Facilis est lapsus juventutis" এর অর্থ হলো "Youth is very liable to err," অর্থাৎ যুবকরা সহজেই ভুল করে।
- এটি ইঙ্গিত করে যে যৌবনকালে ভুল করা স্বাভাবিক এবং সহজ। 

অন্য অপশনগুলোর অর্থ ভিন্ন:
ক) Factum infectum fieri aequit: "What is done cannot be undone" (যা করা হয়েছে তা পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায় না)।
গ) Fraus et just nunquam cohabitant: "Fraud and justice never dwell together" (প্রতারণা এবং ন্যায়বিচার কখনো একসঙ্গে থাকে না)।
ঘ) Factum unuis alteri noceri non debet: "The deed of one should not hurt another" (একজনের কাজ অন্যের ক্ষতি করবে না)।

৪৯.
"Culpae Paena Par Esto" শব্দমালা দ্বারা কী বোঝায়?
  1. The practice of the court is the law of the court.
  2. Let punishment be in proportion to the crime.
  3. The law pays no regard to trifling thing.
  4. One may waive a legal right existing in his favour.
সঠিক উত্তর:
Let punishment be in proportion to the crime.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Let punishment be in proportion to the crime.
ব্যাখ্যা
"Culpae Poena Par Esto"

- আইনের মূল ভিত্তিসমূহের মধ্যে "Culpae Poena Par Esto" অন্যতম।
- "Culpae Poena Par Esto" একটি Roman maxim; যার অর্থ হলো: Let the punishment fit the crime.

অর্থাৎ, অপরাধের শাস্তি অপরাধের অনুপাতেই হওয়া উচিত/অপরাধ অনুযায়ীই শাস্তি হবে।
৫০.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ অনুযায়ী কমিশনের সভার কোরাম গঠনের জন্য ন্যূনতম কতজন কমিশনারের উপস্থিতি প্রয়োজন?
  1. একজন
  2. দুইজন
  3. তিনজন
  4. চারজন
সঠিক উত্তর:
দুইজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুইজন
ব্যাখ্যা

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ১৪(৪) অনুসারে, কমিশনের সভার কোরাম গঠনের জন্য চেয়ারম্যানসহ ন্যূনতম দুইজন কমিশনারের উপস্থিতি প্রয়োজন।

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ১৪-কমিশনের সভা:
(১) এই ধারার অন্যান্য বিধানাবলী সাপেক্ষে, কমিশন উহার সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করিতে পারিবে৷
(২) কমিশনের সকল সভা চেয়ারম্যান কর্তৃক নির্ধারিত স্থান ও সময়ে অনুষ্ঠিত হইবে৷
(৩) চেয়ারম্যান কমিশনের সকল সভায় সভাপতিত্ব করিবেন এবং তাঁহার অনুপস্থিতিতে চেয়ারম্যান কর্তৃক মনোনীত কোন কমিশনার সভায় সভাপতিত্ব করিবেন৷
(৪) চেয়ারম্যানসহ দুই জন কমিশনারের উপস্থিতিতে সভার কোরাম গঠিত হইবে৷

৫১.
'Beneficiary' কাকে বলা হয়?
  1. যে ব্যক্তি উইল তৈরি করেন
  2. যে ব্যক্তি উইল কার্যকর করেন
  3. যে ব্যক্তি উইলের মাধ্যমে সুবিধা লাভ করে
  4. যে ব্যক্তি উইলের মাধ্যমে সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়
সঠিক উত্তর:
যে ব্যক্তি উইলের মাধ্যমে সুবিধা লাভ করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে ব্যক্তি উইলের মাধ্যমে সুবিধা লাভ করে
ব্যাখ্যা

উইল (testament) বা অছিয়ত হলো ভবিষ্যৎ দান। কোন ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার রেখে যাওয়া সম্পত্তি বা সম্পত্তির মুনাফা কিভাবে বিলি-বন্টন করা হবে তা তার মৃত্যুর পূর্বেই লিখিত বা মৌখিকভাবে নির্ধারণ করে যাওয়ার আইন সম্মত ঘোষণাই হলো উইল বা অছিয়ত।

Testator-
যে ব্যক্তি উইল তৈরি করে, অর্থাৎ যিনি মৃত্যুর পর নিজের সম্পত্তি কাকে কী দেবেন, তা নির্ধারণ করেন।

Beneficiary-
যে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান উইলের মাধ্যমে সম্পত্তি বা উপকার লাভ করে। উইলের মাধ্যমে যার নামে সম্পত্তি বা অন্য কোনো সুবিধা (উপহার, টাকা, জমি ইত্যাদি) নির্দিষ্ট করা হয়, তিনি উইলের সুবিধাভোগী বা Beneficiary। Beneficiary উইলদাতার (Testator) মৃত্যুর পর উইল কার্যকর হলে সম্পত্তি গ্রহণের অধিকার লাভ করেন। একজন উইলে একাধিক Beneficiary থাকতে পারেন।

Heir-
উইল না থাকলে যে ব্যক্তি শরিয়ত বা উত্তরাধিকার আইনে সম্পত্তি লাভ করে।

Executor-
যিনি Testator-এর মৃত্যুর পর উইলের শর্ত অনুযায়ী সম্পত্তি বিতরণ করেন।

৫২.
'First in time, first in right'- সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের কত ধারায় এই নীতি প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. ১৪ ধারায়
  2. ৪৮ ধারায়
  3. ৩৫ ধারায়
  4. ৫২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৮ ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ধারা ৪৮: হস্তান্তর দ্বারা সৃষ্ট অধিকারের অগ্রাধিকার (Priority of rights created by transfer):
যদি কোন ব্যক্তি একই স্থাবর সম্পত্তি বিভিন্ন সময় হস্তান্তর করে একাধিক অধিকার সৃষ্টি করেন এবং সেই অধিকারগুলি একই সঙ্গে বা পরিপূর্ণভাবে বলবৎ না হয়, সেক্ষেত্রে বিশেষ চুক্তির অবর্তমানে পূর্বে সৃষ্ট অধিকার পরে সৃষ্ট অধিকারের উপর অগ্রাধিকার পাবে।

অর্থাৎ, একই সম্পত্তিতে একাধিক হস্তান্তর বা অধিকার সৃষ্টির ক্ষেত্রে, যে অধিকার প্রথমে তৈরি হয়েছে, সেটি সর্বপ্রথম কার্যকর হবে।পরবর্তীতে যে অধিকার বা দাবী তৈরি হবে, তা পূর্বের অধিকারের প্রতি বাধ্য থাকবে, যদি না বিশেষভাবে চুক্তি বা সংরক্ষণ থাকে। সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৪৮ ধারায় “প্রথম আসা অধিকারের অগ্রাধিকার” (First in time, first in right) নীতি প্রতিফলিত হয়েছে।

৫৩.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১২৯ ধারায় কোন বিষয় সংক্রান্ত বিধান উল্লেখ রয়েছে?
  1. দান প্রত্যাহার
  2. স্থাবর সম্পত্তির রেজিস্ট্রেশন
  3. মৃত্যুর সম্ভাবনাকালে অস্থাবর সম্পত্তির দান
  4. মৃত্যুর সম্ভাবনাকালে স্থাবর সম্পত্তির দান
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুর সম্ভাবনাকালে অস্থাবর সম্পত্তির দান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুর সম্ভাবনাকালে অস্থাবর সম্পত্তির দান
ব্যাখ্যা
• সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১২৯ ধারায় বলা হয়েছে যে-
সপ্তম অধ্যায়ে বর্ণিত দান সংক্রান্ত বিধান মৃত্যুর সম্ভাবনাকালে অস্থাবর সম্পত্তির দান সংক্রান্ত কোন বিধানকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে না।

মৃত্যুর সম্ভাবনা কালে দান (Donatio martis causa) :
মৃত্যুভয়ে ভীত হয়ে কোন সম্পত্তি দান করা হলে তাকে মৃত্যুর সম্ভাবনা কালে দান বলে। মানুষ মরণশীল, তবুও মানুষ জানে না কখন সে মারা যাবে। এমন অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে, যার জন্য সে মনে করতে পারে অতি তাড়াতাড়ি তার মৃত্যু হবে। মানুষ গুরুতর রোগে আক্রান্ত হতে পারে, যে রোগের কোন চিকিৎসা নেই বা যে রোগের চিকিৎসা কার্যকর হচ্ছে না। রোগ ক্রমেই জটিল আকার ধারণ করে এমন সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছে যে, এখনই রোগীর মৃত্যু হবে। চিকিৎসকরা রোগীর জীবনের আসা ত্যাগ করেছেন এবং অবিলম্বে মৃত্যুর সম্ভাবনার কথা বলেছেন। এরূপ অবস্থাকে মৃত্যুর সম্ভাবনা বলে এবং এই অবস্থায় যদি কেউ দান করে তবে তাকে মৃত্যুর সম্ভাবনা কালে দান বলে। এই ধরণের দান সাধারণতঃ দান করার সাথে সাথে কার্যকর হয় না, দাতার মৃত্যুর পরে কার্যকর হয়। দাতা মৃত্যুবরণ না করে জীবিত থাকলে এই ধরণের দান কার্যকর হবে না। অন্য ভাবে বলা যায়, মৃত্যুর শয্যায় শায়িত অবস্থায় যে দান করা হয় তাকে মৃত্যু সম্ভাবনা কালে দান বলা হয়।

সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১২৯ ধারা অনুসারে মৃত্যুর সম্ভাবনাকালীন অস্থাবর সম্পত্তি দানের ক্ষেত্রে এই আইনের সপ্তম অধ্যায়ের দান সংক্রান্ত বিধান প্রযোজ্য হবে না। তবে স্থাবর সম্পত্তির দানের ক্ষেত্রে এই আইনের বিধান কার্যকর হবে।
৫৪.
জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হবেন কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধান উপদেষ্টা/প্রধানমন্ত্রী
  3. জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সির মহাপরিচালক
  4. উপদেষ্টা/মন্ত্রী, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
প্রধান উপদেষ্টা/প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান উপদেষ্টা/প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ১২: জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিল:
(১) এই অধ্যাদেশের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিল গঠিত হইবে, যথা:-
(ক) প্রধান উপদেষ্টা/প্রধানমন্ত্রী, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, যিনি ইহার চেয়ারম্যানও হইবেন;
(খ) উপদেষ্টা/মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী (যদি থাকে), ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়;
(গ) উপদেষ্টা/মন্ত্রী, আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়;
(ঘ) প্রধান উপদেষ্টা/প্রধানমন্ত্রীর মূখ্যসচিব;
(ঙ) গভর্ণর, বাংলাদেশ ব্যাংক
(চ) সচিব, আইন ও বিচার বিভাগ;
(ছ) সচিব, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ;
(জ) সচিব, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ;
(ঝ) সচিব, জন নিরাপত্তা বিভাগ;
(ঞ) পররাষ্ট্র সচিব, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়;
(ট) সচিব, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ;
(ঠ) ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ, বাংলাদেশ পুলিশ;
(ড) চেয়ারম্যান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড;
(ঢ) চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন;
(ণ) মহাপরিচালক, প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর;
(ত) মহাপরিচালক, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা;
(থ) মহাপরিচালক, ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার;
(দ) মহাপরিচালক, জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি;
(ধ) প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত সুপ্রিমকোর্টের একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারক;
(ন) চেয়ারম্যান, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন;
(প) সচিব, তথ্য কমিশন;
(ফ) হেড অব বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ); এবং
(ব) সরকার কর্তৃক মনোনীত তথ্য-প্রযুক্তি বা মানবাধিকার বিষয়ক ২ (দুই) জন বেসরকারি পর্যায়ের বিশেষজ্ঞ।

(২) মহাপরিচালক কাউন্সিলের কার্যসম্পাদনে সাচিবিক সহায়তা প্রদান করিবেন।
৫৫.
কৃষিকাজ বা শিল্প উৎপাদন ব্যতীত অন্য কোন কাজের জন্য স্থাবর সম্পত্তি ইজারা দেওয়া হলে তা _______ ইজারা বলে গন্য হবে।
  1. বার্ষিক
  2. মাসিক
  3. দৈনিক
  4. চুক্তিভিত্তিক
সঠিক উত্তর:
মাসিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাসিক
ব্যাখ্যা
• ধারা ১০৬: লিখিত চুক্তি বা স্থানীয় রীতির অবর্তমানে কতিপয় ইজারার মেয়াদ
কৃষি কার্য বা শিল্প উৎপাদনের জন্য স্থাবর সম্পত্তির ইজারা হলে তা বছর হতে বছরের ইজারা হিসেবে গণ্য করা হবে এবং এই ইজারাদাতা ও গ্রহীতার মধ্যে যে কোন পক্ষ কর্তৃক ইজারার বছরের শেষ দিন হতে ৬ মাস পূর্বে দেওয়া নোটিশ মূলে সমাপ্তিযোগ্য।
অন্য কোন উদ্দেশ্যে স্থাবর সম্পত্তির ইজারা হলে তা মাস হতে মাসের ইজারা হিসেবে গণ্য হবে এবং তা ইজারাদাতা ও গ্রহীতার মধ্যে যে কোন পক্ষ কর্তৃক ইজারার মাসের শেষ দিন হতে ১৫ দিন পূর্বে দেওয়া নোটিশ মূলে বাতিলযোগ্য।

এই ধারার আওতায় প্রত্যেকটি নোটিশ অবশ্যই লিখিত এবং নোটিশ দাতা বা তার পক্ষ হতে স্বাক্ষরিত হতে হবে এবং এই নোটিশ ডাকযোগে বা অর্পণের মাধ্যমে বা ব্যক্তিগত ভাবে প্রদান করতে হবে অথবা তার পরিবারের কোন সদস্যকে বা তার বাসভবনের কোন কর্মচারীকে তা প্রদান করতে হবে। অথবা যদি এরূপ সম্ভব না হয় তাহলে সম্পত্তির প্রকাশ্য স্থানে লটকিয়ে দিতে হবে।

⇒ কোন চুক্তি বা প্রচলিত আইনের অবর্তমানে কৃষিকাজ ব্য শিল্প উৎপাদনের জন্য স্থাবর সম্পত্তি ইজারা দেয়া হলে তা বার্ষিক ইজারা বলে গণ্য হবে।
কৃষিকাজ বা শিল্প উৎপাদন ব্যতীত অন্য কোন কাজের জন্য স্থাবর সম্পত্তি ইজারা দেওয়া হলে তা মাসিক ইজারা বলে গন্য হবে।
৫৬.
বাংলাদেশের আইনসভার নাম কি?
  1. জাতীয় পরিষদ
  2. পার্লামেন্ট
  3. জাতীয় সংসদ
  4. গণ পরিষদ
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা
• গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬৫: সংসদ-প্রতিষ্ঠা:

(১) "জাতীয় সংসদ" নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকিবে এবং এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইনপ্রণয়ন-ক্ষমতা সংসদের উপর ন্যস্ত হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, সংসদের আইন-দ্বারা যে কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ-আইন বা আইনগত কার্যকরতাসম্পন্ন অন্যান্য চুক্তিপত্র প্রণয়নের ক্ষমতার্পণ হইতে এই দফার কোন কিছুই সংসদকে নিবৃত্ত করিবে না।

(২) একক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকাসমূহ হইতে প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে আইনানুযায়ী নির্বাচিত তিন শত সদস্য লইয়া এবং এই অনুচ্ছেদের (৩) দফার কার্যকরতাকালে উক্ত দফায় বর্ণিত সদস্যদিগকে লইয়া সংসদ গঠিত হইবে; সদস্যগণ সংসদ-সদস্য বলিয়া অভিহিত হইবেন।

(৩) সংবিধান (সপ্তদশ সংশোধন) আইন, ২০১৮ প্রবর্তনকালে বিদ্যমান সংসদের অব্যবহিত পরবর্তী সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে শুরু করিয়া পঁচিশ বৎসরকাল অতিবাহিত হইবার অব্যবহিত পরবর্তীকালে সংসদ ভাংগিয়া না যাওয়া পর্যন্ত পঞ্চাশটি আসন কেবল মহিলা-সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত থাকিবে এবং তাঁহারা আইনানুযায়ী পূর্বোক্ত সদস্যদের দ্বারা সংসদে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতির ভিত্তিতে একক হস্তান্তরযোগ্য ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হইবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার কোন কিছুই এই অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন কোন আসনে কোন মহিলার নির্বাচন নিবৃত্ত করিবে না।

(৩ক) সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধন) আইন, ২০১১ প্রবর্তনকালে বিদ্যমান সংসদের অবশিষ্ট মেয়াদে এই অনুচ্ছেদের (২) দফায় বর্ণিত প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত তিন শত সদস্য এবং (৩) দফায় বর্ণিত পঞ্চাশ মহিলা-সদস্য লইয়া সংসদ গঠিত হইবে।

(৪) রাজধানীতে সংসদের আসন থাকিবে।

Article 65- Establishment of Parliament:
(1) There shall be a Parliament for Bangladesh (to be known as the House of the Nation) in which, subject to the provisions of this Constitution, shall be vested the legislative powers of the Republic: 
Provided that nothing in this clause shall prevent Parliament from delegating to any person or authority, by Act of Parliament, power to make orders, rules, regulations, bye laws or other instruments having legislative effect.

(2) Parliament shall consist of three hundred members to be elected in accordance with law from single territorial constituencies by direct election and, for so long as clause (3) is effective, the members provided for in that clause; the members shall be designated as Members of Parliament. 

(3) Until the dissolution of Parliament occurring next after the expiration of the period of twenty five years beginning from the date of the first meeting of the Parliament next after the Parliament in existence at the time of the commencement of the Constitution (Seventeenth Amendment) Act, 2018, there shall be reserved fifty seats exclusively for women members and they will be elected by the aforesaid members in accordance with law on the basis of procedure of proportional representation in the Parliament through single transferable vote : 
Provided that nothing in this clause shall be deemed to prevent a woman from being elected to any of the seats provided for in clause (2) of this article.

(3A) For the remaining period of the Parliament in existence at the time of the commencement of the Constitution (Fifteenth Amendment) Act, 2011, Parliament shall consist of three hundred members elected by direct election provided for in clause (2) and fifty women members provided for in clause (3).

(4) The seat of Parliament shall be in the capital.
৫৭.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর অধীনে ডিক্রি বাস্তবায়নের জন্য আদালত কতদিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে?
  1. ১ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ১৭(৩) অনুসারে, ডিক্রি বাস্তবায়নের জন্য আদালতে আবেদন করতে হবে ডিক্রি প্রদানের তারিখ থেকে ১ বছরের মধ্যে। এই সময়সীমা ডিক্রিদার (যিনি ডিক্রি পেয়েছেন) কর্তৃক ডিক্রিটি বাস্তবায়নের জন্য আবেদন করার জন্য নির্ধারিত হয়েছে।
এই সময়সীমা মেনে চলা জরুরি, কারণ সময়সীমা অতিক্রম করলে ডিক্রি বাস্তবায়নের জন্য আবেদন করা যাবে না।
- এই বিধানটি ডিক্রিদারকে ডিক্রি বাস্তবায়নের জন্য পর্যাপ্ত সময় দেয়, পাশাপাশি আইনি প্রক্রিয়াকে সুশৃঙ্খল রাখে।
------------
⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ১৭ ধারার বিধান: ডিক্রি বলবৎকরণ:
(১) পারিবারিক আদালত নির্ধারিত ফরমে ও পদ্ধতিতে ডিক্রি প্রদান করিবে এবং উহার বিবরণ নির্ধারিত ডিক্রি রেজিস্টার বহিতে লিপিবদ্ধ করিবে।
(২) যদি ডিক্রির দাবি পূরণকল্পে আদালতের সম্মুখে কোনো অর্থ পরিশোধ করা হয় বা কোনো সম্পত্তি হস্তান্তর করা হয়, তাহা হইলে উপরিউক্ত রেজিস্ট্রারে অনুরূপ পরিশোধ বা হস্তান্তরের বিষয় লিপিবদ্ধ করিতে হইবে।

(৩) যেক্ষেত্রে ডিক্রি অর্থ পরিশোধ সম্পর্কিত হয় এবং আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ে ডিক্রিকৃত অর্থ পরিশোধিত না হয়, সেইক্ষেত্রে উক্তরূপ নির্ধারিত সময় অতিবাহিত হইবার ১ (এক) বৎসরের মধ্যে ডিক্রিদার কর্তৃক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ডিক্রিটি বাস্তবায়ন করা হইবে, যথা:
(ক) দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন কোনো দেওয়ানি আদালত কর্তৃক প্রদত্ত অর্থের ডিক্রির ন্যায়; অথবা
(খ) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত জরিমানা প্রদানের আদেশের ন্যায় এবং উক্তরূপে বাস্তবায়নের পর ডিক্রির আদায়কৃত অর্থ ডিক্রিদারকে প্রদান করিতে হইবে।
(৪) উপধারা (৩) এর দফা (ক) এর অধীন ডিক্রি বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে, পারিবারিক আদালত দেওয়ানি আদালত হিসাবে গণ্য হইবে এবং দেওয়ানি আদালতের সকল ক্ষমতা উহার থাকিবে।
(৫) উপধারা (৩) এর দফা (খ) এর অধীন ডিক্রি বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে পারিবারিক আদালতের বিচারক একজন প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে গণ্য হইবেন এবং ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন উক্ত ম্যাজিস্ট্রেটের সকল ক্ষমতা তাহার থাকিবে এবং তিনি ডিক্রিকৃত বকেয়া অর্থ আদায়ের জন্য উক্ত কার্যবিধিতে এ জরিমানা আদায়ের জন্য বর্ণিত পদ্ধতিতে ওয়ারেন্ট জারি করিতে পারিবেন এবং ওয়ারেন্ট জারির পর অপরিশোধিত সম্পূর্ণ ডিক্রিকৃত অর্থ বা উহার কোনো অংশের জন্য রায় দেনাদারকে অনধিক ৩ (তিন) মাস অথবা পরিশোধ হওয়া পর্যন্ত, যাহা পূর্বে ঘটে, কারাদণ্ডের আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।
(৬) যেক্ষেত্রে কোনো ডিক্রি অর্থ পরিশোধ সংক্রান্ত না হয়, সেইক্ষেত্রে উক্ত ডিক্রি দেওয়ানি আদালতের অর্থ সংক্রান্ত ডিক্রি ব্যতীত অন্য কোনো ডিক্রির ন্যায় বাস্তবায়ন করিতে হইবে এবং এতদুদ্দেশ্যে আদালত একটি দেওয়ানি আদালত হিসাবে গণ্য হইবে এবং দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন উক্ত আদালতের সকল ক্ষমতা উহার থাকিবে।
(৭) ডিক্রি প্রদানকারী পারিবারিক আদালত স্বয়ং ডিক্রি বাস্তবায়ন করিবে অথবা ডিক্রি প্রদানকারী আদালত ডিক্রি বাস্তবায়নের জন্য অন্য কোনো পারিবারিক আদালতে উহা বদলি করিতে পারিবে এবং উক্ত ডিক্রি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে যে আদালতে বদলি করা হইয়াছে সেই আদালতের ডিক্রি প্রদানকারী পারিবারিক আদালতের সকল ক্ষমতা থাকিবে, যেন উক্ত আদালতই ডিক্রি প্রদান করিয়াছে।
(৮) আদালত, উপযুক্ত বিবেচনা করিলে, তৎকর্তৃক প্রদত্ত ডিক্রির অর্থ কিস্তিতে পরিশোধ করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে এবং যেরূপ উপযুক্ত মনে করিবে সেইরূপ কিস্তির সংখ্যা নির্ধারণ করিয়া দিতে পারিবে।
৫৮.
ঘটনা নির্ভর চুক্তির ক্ষেত্রে ঘটনাটি হতে হবে-
  1. অতীত ও নিশ্চিত
  2. বর্তমান ও নির্ধারিত
  3. ভবিষ্যত এবং অনিশ্চিত
  4. আদালতের আদেশ দ্বারা নির্ধারিত
সঠিক উত্তর:
ভবিষ্যত এবং অনিশ্চিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভবিষ্যত এবং অনিশ্চিত
ব্যাখ্যা
Contract Act, 1872- ধারা ৩১: “ঘটনা নির্ভর চুক্তি” এর সংজ্ঞা:
“ঘটনা নির্ভর চুক্তি” হইল এমন একটি চুক্তি যাহার সহিত সংশ্লিষ্ট কোনো ঘটনা ঘটিলে বা না ঘটিলে কোনো কিছু করিতে হয় বা করা হইতে বিরত থাকিতে হয়।
A "contingent contract" is a contract to do or not to do something, if some event, collateral to such contract, does or does not happen.

⇒ এই ধরনের চুক্তির কার্যকারিতা নির্ভর করে কোনো ভবিষ্যৎ, অনিশ্চিত ঘটনার উপর, যা ঘটতে পারে বা নাও পারে।

উদাহরণ-
ক, খ এর সহিত এই মর্মে চুক্তি করিল যে, ক, খ-কে ১০,০০০ টাকা পরিশোধ করিবেন যদি খ এর বাড়ি পুড়িয়া যায়। ইহা একটি ঘটনা নির্ভর চুক্তি।
৫৯.
মুসলিম আইন অনুযায়ী বিবাহ বৈধ হওয়ার জন্য ন্যূনতম কতজন সাক্ষীর উপস্থিতি আবশ্যক?
  1. ২ জন মুসলিম পুরুষ ও ১ জন মহিলা
  2. ২ জন পুরুষ অথবা ১ জন পুরুষ ও ২ জন মহিলা
  3. ২ জন মুসলিম পুরুষ অথবা ১ জন মুসলিম পুরুষ ও ২ জন মুসলিম মহিলা
  4. ৩ জন মুসলিম পুরুষ অথবা ২ জন মুসলিম পুরুষ ও ২ জন মুসলিম মহিলা
সঠিক উত্তর:
২ জন মুসলিম পুরুষ অথবা ১ জন মুসলিম পুরুষ ও ২ জন মুসলিম মহিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ জন মুসলিম পুরুষ অথবা ১ জন মুসলিম পুরুষ ও ২ জন মুসলিম মহিলা
ব্যাখ্যা
'বিবাহ` শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো মিলানো, একত্র করা। ইসলামী আইন অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট একজন নর ও নারীর একত্রিত হওয়ার চুক্তিকেই বিবাহ বলে।

ডি এফ মোল্লা তাঁর ‘মুসলিম আইনের মূলনীতি’ বইয়ে বিবাহের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেছেন
“বিবাহ বা নিকাহ এমন একটি চুক্তি যার উদ্দেশ্য বা লক্ষ্য হলো বৈধভাবে সন্তান লাভ ও প্রতিপালন।

বিচারপতি মাহমুদ তাঁর ‘আঃ কাদির ও সালিসী মোকদ্দমার রায়ে বলেছেন,
“মুসলিম বিবাহ কেবল ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, একটি বিশুদ্ধ দেওয়ানী চুক্তি যার উদ্দেশ্য পারিবারিক জীবন যাপন ও বৈধ সন্তান দান।"

মুসলিম বিবাহের অবশ্য পূরণীয় শর্তাবলী-
বিবাহ করতে ইচ্ছুক পক্ষদ্বয়ের মধ্যে এক পক্ষকে প্রস্তাব দিতে হবে এবং অপর পক্ষ থেকে তা গ্রহণ করতে হবে। এটিই বিবাহ বন্ধন সংগঠিত হওয়ার মূল শর্ত। বিবাহের জন্য পাত্র এবং পাত্রীর স্বতঃস্ফূর্ত সম্মতির প্রয়োজন। বল প্রয়োগে সম্মতি আদায়ে বিবাহ বাতিল বলে গণ্য হবে।

মুসলিম আইনে বিবাহের চুক্তি বৈধ হওয়ার জন্য সাক্ষী থাকা আবশ্যক। কমপক্ষে ২ জন মুসলিম পুরুষ, অথবা ১ জন মুসলিম পুরুষ ও ২ জন মুসলিম মহিলা সাক্ষী থাকতে হবে। এটি শরিয়াহ অনুযায়ী বৈধতার জন্য বাধ্যতামূলক। সাক্ষীদের প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ মস্তিষ্কের অধিকারী এবং ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে যোগ্য হতে হবে।তারা বিবাহ চুক্তি (নিকাহ) সম্পাদনের সময় উপস্থিত থাকতে হবে এবং উভয় পক্ষের সম্মতি শুনতে হবে হানাফি মাযহাব অনুসারে, সাক্ষী ছাড়া বিবাহ বৈধ নয়। শিয়া মতানুসারে সাক্ষীর উপস্থিতি সব ক্ষেত্রে আবশ্যক নয়, তবে এটি নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে প্রযোজ্য।
৬০.
'A' agrees to sell to 'B' his white horse for Taka five hundred or Taka one thousand. The agreement is-
  1. valid
  2. void
  3. voidable at option of 'A'
  4. None of above
সঠিক উত্তর:
void
উত্তর
সঠিক উত্তর:
void
ব্যাখ্যা
• ধারা ২৯- অনিশ্চয়তার জন্য সম্মতি বাতিল:

যে সম্মতির অর্থ অনিশ্চিত বা সুনিশ্চিত করা সম্ভব নয় এমন সম্মতি বাতিল। ২৯ ধারার অধীন কেন সম্মতি বাতিল শুধুমাত্র যেক্ষেত্রে উক্ত সম্মতির অর্থ বা ভাষা অস্পষ্ট বা অনিশ্চিত এবং যেগুলো সুনির্দিষ্ট করা যায় না।

উল্লিখিত ক্ষেত্রে, 'ক' তার সাদা ঘোড়া ৫০০ টাকায় বা ১০০০ টাকায় বিক্রয় করার জন্য 'খ' এর সাথে সম্মত হয়। কিন্তু দুইটি মূল্যের মধ্যে কোন মূল্য পরিশোধ করতে হবে সেটার কোন উল্লেখ না থাকায় অনিশ্চয়তার কারণে চুক্তিটি বাতিল।

Section 29: Agreements void for uncertainty
Agreements, the meaning of which is not certain, or capable of being made certain, are void.
৬১.
A তার পুত্র B-কে তার অপ্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় কিছু টাকা ধার দেয়। B সাবালক হওয়ার পর A তার পিতৃত্বের প্রভাব খাটিয়ে B-এর কাছ থেকে ধারিত টাকার চেয়ে বেশি অর্থের জন্য একটি বন্ড আদায় করে নেয়। এটি ________ উদাহরণ।
  1. প্রতারণার
  2. অযাচিত প্রভাবের
  3. ভ্রান্ত উপস্থাপনের
  4. বলপ্রয়োগের
সঠিক উত্তর:
অযাচিত প্রভাবের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অযাচিত প্রভাবের
ব্যাখ্যা
ধারা ১৬: "অযাচিত প্রভাব" (Undue Influence):
(১) যেখানে চুক্তি সম্পাদনের সময় চুক্তিপক্ষদের মধ্যে এমন সম্পর্ক বিদ্যমান থাকে যাতে এক পক্ষ অপর পক্ষের ইচ্ছাকে প্রভাবিত করার মতো অবস্থানে থাকে এবং সে সেই প্রভাব ব্যবহার করে অন্য পক্ষের উপর অন্যায় সুবিধা গ্রহণ করে - তখন বলা হয় চুক্তিটি "অযাচিত প্রভাব" দ্বারা প্রভাবিত।

(২) নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে একজন ব্যক্তি অন্যের ইচ্ছার উপর প্রভাব বিস্তার করার অবস্থানে আছেন বলে বিবেচিত হবেন:
(ক) তিনি অন্যের উপর বাস্তব বা আপাত কর্তৃত্ব রাখেন, অথবা fiduciary (বিশ্বাসভিত্তিক) সম্পর্কে রয়েছেন; অথবা
(খ) তিনি এমন কোনো ব্যক্তির সঙ্গে চুক্তি করেন, যার মানসিক সক্ষমতা বয়স, অসুস্থতা বা মানসিক/শারীরিক কষ্টের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত।

(৩) যখন কেউ অপরের ইচ্ছার উপর প্রভাব বিস্তার করার অবস্থানে থেকে তার সঙ্গে চুক্তি করেন, এবং সেই চুক্তি আপাতদৃষ্টিতে বা উপস্থাপিত প্রমাণে অন্যায্য বা অপ্রতিসাম্য (unconscionable) বলে মনে হয়- তখন প্রমাণের দায় বর্তায় প্রভাব বিস্তারকারীর উপর, যে চুক্তিটি অবৈধ প্রভাবে প্রভাবিত নয় তা প্রমাণ করতে হবে।

- এই উপ-ধারা Evidence Act, 1872-এর ধারা ১১১ প্রভাবিত করে না।

উদাহরণ (Illustration):
(ক) A তার পুত্র B-কে তার অপ্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় কিছু টাকা ধার দেয়। B সাবালক হওয়ার পর A তার পিতৃত্বের প্রভাব খাটিয়ে B-এর কাছ থেকে ধারিত টাকার চেয়ে বেশি অর্থের জন্য একটি বন্ড আদায় করে নেয়। এটি অযাচিত প্রভাবের একটি উদাহরণ।
৬২.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ৯৫ ধারা অনুযায়ী, রায়ত কোন ধরনের বন্ধক দিতে পারবেন
  1. স্বত্বের দলিল জমার মাধ্যমে সৃষ্ট বন্ধক
  2.  শর্তসাপেক্ষ বিক্রয় বন্ধক
  3. আংশিক খাই খালাসী বন্ধক
  4. সম্পূর্ণ খাই খালাসী বন্ধক
সঠিক উত্তর:
সম্পূর্ণ খাই খালাসী বন্ধক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পূর্ণ খাই খালাসী বন্ধক
ব্যাখ্যা

রায়তের সম্পত্তি বন্ধকী (Mortgage) সংক্রান্ত বিধিনিষেধ- ধারা ৯৫, The State Acquisition and Tenancy Act, 1950: 
(১) যেকোনো অন্য প্রযোজ্য আইন সত্ত্বেও, কোনো রায়ত তার অধিকারী সম্পত্তিতে সম্পূর্ণ খাই খালাসী (complete usufructuary) বন্ধক ছাড়া অন্য কোনো ধরনের usufructuary mortgage করতে পারবে না।

এই পূর্ণ খাই খালাসী বন্ধকও সেই সীমাবদ্ধতার অধীনে হবে যা ধারা ৯০ অনুযায়ী রায়তের সম্পত্তি বা তার অংশ/শেয়ারের হস্তান্তরে প্রযোজ্য।

কোনো রায়ত এই ধরণের বন্ধক করতে পারবে সর্বোচ্চ ৭ বছরের জন্য (চুক্তি স্পষ্ট বা নীরব হোক)।

প্রদত্ত শর্ত:
- বন্ধকয়ের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে যে কোনো সময়, রায়ত বন্ধক বাতিল (redeem) করতে পারবে।
- এর জন্য যে অর্থ প্রদান করতে হবে, তা হবে মোট প্রাপ্ত অর্থের সেই অংশ যা বাকি সময়ের অনুপাতে (unexpired period / total period) হিসাব করা হবে।

(২) প্রতিটি পূর্ণ ব্যবহারাধিকারী বন্ধক Registration Act, 1908 অনুযায়ী নিবন্ধনযোগ্য হতে হবে।

(৩) যদি কোনো রায়তের বন্ধকী উপ-ধারা (১)-এর শর্ত পূরণ না করে বা নিবন্ধিত না হয়, তবে তা বাতিল (void) হবে।

(৪) যেকোনো ক্ষেত্রে, যদি বন্ধক গ্রহণকারী (mortgagee) মেয়াদ শেষ হওয়ার পরে বন্ধকী বাতিল বা জমির পুনরুদ্ধার (redemption/restoration) করতে বাধা দেয়, তখন রায়াত Subdivisional Magistrate বা সরকারের অনুমোদিত কোনো কর্মকর্তার কাছে আবেদন করতে পারবে। আবেদন ও মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে প্রয়োজনীয় অর্থ প্রদান করলে, ম্যাজিস্ট্রেট বা অনুমোদিত কর্মকর্তা নির্দেশ দিবেন যে mortgagee জমি রায়াতকে ফেরত দেবে এবং সমস্ত সম্পর্কিত দলিল হস্তান্তর করবে।

(৫) যদি mortgagee নির্দেশিত তারিখে জমি ফেরত না দেয়, তখন ম্যাজিস্ট্রেট বা অনুমোদিত কর্মকর্তা রায়াতের আবেদন অনুযায়ী মর্টগেজি (mortgagee) কে উচ্ছেদ করে জমিতে দখল ফিরিয়ে দিতে পারবেন। এই উচ্ছেদ প্রক্রিয়ায় প্রয়োজন হলে প্রয়োজনীয় বল প্রয়োগ (force) করা বা করানো যাবে।

৬৩.
চেক ডিজঅনারের জন্য আদালত জরিমানা করতে পারে চেকে উল্লিখিত অর্থের-
  1. অর্ধেক
  2. ২ গুন
  3. ৩ গুন
  4. ৪ গুন
সঠিক উত্তর:
৩ গুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ গুন
ব্যাখ্যা
• অপর্যাপ্ত তহবিল, ত্রুটিপূর্ণ স্বাক্ষর ও অন্য যে কোন যথাযথ কারনে বাহক কর্তৃক সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে জমা দেয়া চেক যদি প্রত্যাখ্যাত হয় বা চেকে উল্লেখিত টাকা বাহককে প্রদান করা সম্ভব না হয় সেটিকেই বলা হয় চেক ডিজঅনার। কোন কারনে চেক ডিজঅনার হলে চেক প্রদানকারীর বিরুদ্ধে হস্তারযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ (Negotiable Instrument Act, 1881) অনুযায়ী আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহনের সুযোগ রয়েছে।

হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮(১) ধারায় চেক প্রত্যাখিত হবার শাস্তির কথা বলা হয়েছে। এখানে বলা আছে চেক ডিজঅনারের শাস্তি হল ১ বছরের কারাদণ্ড অথবা চেকে উল্লেখিত টাকার ৩ গুন জরিমানা অথবা উভয়।
৬৪.
There are two different sects among the Muslims. They are-
  1. Hanafi and Shafi.
  2. Sunni and Shia.
  3. Maliki and Hanabali.
  4. None of Them
সঠিক উত্তর:
Sunni and Shia.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Sunni and Shia.
ব্যাখ্যা
⇒ Schools of Islamic law:
⇒ There are two different sects among the Muslims. They are Sunni and Shia. Most of the Muslims around the world are Sunni.
⇒ Among Sunni, there are four most famous Imams, which eventually have created four different schools of thought. They are: Hanafi, Shafi, Maliki and Hanabali.
⇒ The main difference between Sunni and Shia Muslims is based on whether or not they believe that Prophet Muhammad explicitly designated a successor.
⇒ Sunni Muslims believe that the Prophet did not explicitly declare a successor. Shia Muslims believe that the Prophet publicly designated his cousin and son-in-law, Hazrat Ali (peace be upon him), as the first in a line of hereditary Imams from the Prophet’s family to lead the community after him.
৬৫.
“ইসতিহসান” অর্থ কী?
  1. জনকল্যাণ
  2. অনুমোদন
  3. গবেষণা
  4. প্রত্যাখ্যান
সঠিক উত্তর:
অনুমোদন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুমোদন
ব্যাখ্যা

ইসতিহসান:
'ইসতিহসান' অর্থ সমর্থন বা অনুমোদন। এ শব্দটি 'কোরআন এবং হাদিসের ব্যাখ্যা হিসাবে ব্যবহৃত হয়। ইসলামী আইনের অপ্রধান উৎসগুলোর মধ্যে ইমাম আবু হানিফা একেও একটি উৎসরূপে গণ্য করেন। কোন নির্দিষ্ট সমস্যার একাধিক সমাধান থাকলে তখন ইসলামী আইনজ্ঞগণ সর্বাধিক গ্রহণীয় যে সমাধান গ্রহণ করেন তা হলো ইসতিহসান।

যখন কতিপয় আইন কোনো ক্ষেত্রে উপস্থাপন করা হয় এবং প্রযোজ্য বলে প্রতীয়মান হয়, তখন দুর্বলভিত্তিক আইনের ওপর দৃঢ়ভিত্তিক আইন প্রাধান্য লাভ করবে এবং সমর্থনীয় বা অনুমোদনযোগ্য হবে, এটাই 'ইসতিহসান। এখানে দুর্বলভিত্তিক আইন বলতে কোরআন ও হাদিসের তুলনায় দুর্বলভিত্তিক 'ইজমা' বা কিয়াসের আইনকে বুঝানো হয়েছে। কোরআন এবং হাদিস হলো দৃঢ়ভিত্তিক আইন। ইসতিহসান দ্বারা কিয়াস প্রত্যাখ্যান এবং যুক্তিযুক্ততার আইনকে সমর্থন করা বুঝায়।

৬৬.
কোন ব্যক্তি অ্যালকোহল পান কিংবা নেশাগ্রস্ত অবস্থায় গাড়ি চালালে কী দণ্ডে পতিত হবেন?
  1. অনুর্ধ্ব ৩ বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  2. অনুর্ধ্ব ৭ বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  3. অনুর্ধ্ব ২ বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  4. অনুর্ধ্ব ১ বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
অনুর্ধ্ব ১ বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুর্ধ্ব ১ বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) অনুর্ধ্ব ১ বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধার ৩৬(৫):
কোনো ব্যক্তি অ্যালকোহল পান কিংবা যে-কোনো ধরনের নেশাগ্রস্ত অবস্থায় জনসাধারণের শান্তি বিনষ্ট অথবা বিরক্তিকর কোনো আচরণ করিলে কিংবা নেশাগ্রস্ত অবস্থায় গাড়ি চালনা করিলে তিনি অনূর্ধ্ব ১ (এক) বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবে।

⇒ এই ধারা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।

৬৭.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ অনুযায়ী চেয়ারম্যানের নিকট তালাকের নোটিশ প্রদানের তারিখ হতে কত দিন অতিবাহিত হলে তালাক কার্যকর হবে?
  1. ৩০
  2. ৬০
  3. ৯০
  4. ৪৫
সঠিক উত্তর:
৯০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০
ব্যাখ্যা
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর ৭ ধারার বিধান: তালাক (Talaq):

১) কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীকে তালাক দিতে ইচ্ছা করলে সে কোন প্রকারেই হোক তালাক উচ্চারন করার পরেই সে তালাক দিয়েছে বলে চেয়ারম্যানকে লিখিত নোটিশের মাধ্যমে জানাবে এবং তার স্ত্রীকেও একটি কপি পাঠাবে।

২) উপর্যুক্ত বিধান লঙ্ঘনের শান্তি- ১ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।

৩) অন্য কোনভাবে প্রকাশ্যে কিংবা অপ্রকাশ্যে কোন তালাক প্রত্যাহার না করা হলে চেয়ারম্যানের নিকট প্রেরিত নোটিশের তারিখ হতে ৯০ দিন অতিক্রান্ত না হওয়া পর্যন্ত উক্ত তালাক কার্যকর হবে না।

৪) নোটিশ প্রাপ্তির ৩০ দিনের ভিতরে চেয়ারম্যান পক্ষদ্বয়ের মধ্যে পুনর্মিলন স্থাপনের উদ্দেশ্যে একটি সালিশী কাউন্সিল গঠন করবেন ও এই কাউন্সিল পুনর্মিলন ঘটানোর জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

৫) তালাক প্রদানের সময় স্ত্রী গর্ভবতী থাকলে ৩নং উপধারায় উল্লিখিত মেয়াদ বা গর্ভকাল এই দুই এর মধ্যে যা পরে শেষ হবে, তা অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত তালাক কার্যকর হবে না।

৬) এই ধারা অনুযায়ী কার্যকর তালাক দ্বারা যার বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটেছে সেই স্ত্রীর তৃতীয় কোনো ব্যক্তির সাথে মধ্যবর্তী বিবাহ ছাড়া তার পূর্বের স্বামীর সঙ্গে পুনর্বিবাহে কোনো বাধা থাকবে না, যদি না বিবাহবিচ্ছেদ তৃতীয়বারের মত কার্যকর হয়ে থাকে।
৬৮.
The Registration Act, 1908 অনুযায়ী “নাবালক (Minor)” কাকে বলা হয়?
  1. যে ১৬ বছরের কম বয়স্ক
  2. যে ১৮ বছর বয়স অতিক্রম করে নাই
  3. ব্যক্তিগত আইনের অধীনে যে প্রাপ্তবয়স্ক হননি
  4. নাগরিকত্ব আইনে যে প্রাপ্তবয়স্ক হননি
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত আইনের অধীনে যে প্রাপ্তবয়স্ক হননি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত আইনের অধীনে যে প্রাপ্তবয়স্ক হননি
ব্যাখ্যা
The Registration Act, 1908 ধারা ২(৮): সংজ্ঞা – "অপ্রাপ্তবয়স্ক (Minor)"
“নাবালক (Minor)” বলতে সেই ব্যক্তিকে বোঝায়, যে ব্যক্তি তার প্রযোজ্য ব্যক্তিগত আইনের অধীন অনুযায়ী প্রাপ্তবয়স্ক হয়নি।

[“minor” means a person who, according to the personal law to which he is subject, has not attained majority]
৬৯.
কোন চুক্তিকে Contingent Contract বলা হয়?
  1. চুক্তি যা তৎক্ষণাত কার্যকর হয়
  2. চুক্তি যা কোনো আনুষঙ্গিক ঘটনার উপর নির্ভর করে
  3. চুক্তি যা কোনো শর্তের আওতাধীন নয়
  4. চুক্তি যা কোনো আনুষঙ্গিক ঘটনার উপর নির্ভর করে না
সঠিক উত্তর:
চুক্তি যা কোনো আনুষঙ্গিক ঘটনার উপর নির্ভর করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি যা কোনো আনুষঙ্গিক ঘটনার উপর নির্ভর করে
ব্যাখ্যা

• The Contract Act, 1872: ধারা ৩১- ঘটনা-নির্ভর চুক্তি (Contingent Contact):
কোনো চুক্তির আনুষঙ্গিক [Collateral] কোনো ঘটনা সংঘটিত হলে বা না হলে, কোনো কিছু করা বা বিরত থাকার চুক্তিই হচ্ছে:- ঘটনা-নির্ভর চুক্তি। অর্থাৎ, ভবিষ্যতে কোনো কিছু ঘটা বা না ঘটার উপরে চুক্তি নির্ভর করলে তাকেই Contingent Contract বলে।

[A "contingent contract" is a contract to do or not to do something, if some event, collateral to such contract, does or does not happen. ]

উদাহরণ:
ক-এর বাড়ি পুড়ে গেলে খ, ক-কে ১০,০০০ টাকা দিবে। এটি ঘটনা-নির্ভর চুক্তি।

৭০.
The maxim 'res ipsa loquitur' is related to-
  1. Rule of law
  2. Rule of evidence
  3. Rule of innocence
  4. None of the above
সঠিক উত্তর:
Rule of evidence
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Rule of evidence
ব্যাখ্যা
• Res ipsa loquitur:
- এর অর্থ হলো স্বব্যক্ত ঘটনা,- The thing speaks for itself.
- এটি আইনের একটি ধারণা, যা সাধারণত "Rule of evidence" বা প্রমাণের নিয়ম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

Res Ipsa Loquitur একটি পরিস্থিতিতে প্রয়োগ করা হয়, যেখানে ঘটনার প্রকৃতি নিজেই বলে দেয় যে কোন অবহেলা (negligence) হয়েছে। এখানে সরাসরি প্রমাণের প্রয়োজন হয় না, কারণ ঘটনা বা দুর্ঘটনার অবস্থা এমন হয় যে এটি বিবেচনা করা হয় "এই ধরণের ঘটনা স্বাভাবিকভাবে কারো অবহেলা ছাড়া ঘটে না।"

উদাহরণ:
ধরা যাক, একজন রোগীর পেটে অপারেশনের পর ডাক্তার একটি অস্ত্রোপচারের যন্ত্র রেখে দিয়েছেন। এমন ঘটনা কখনোই চিকিৎসকের অবহেলা ছাড়া ঘটতে পারে না। সুতরাং Res Ipsa Loquitur এখানে প্রযোজ্য হবে।
৭১.
বাংলাদেশের সংবিধানে কাকে ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার দেওয়া হয়েছে?
  1. সরকার
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. প্রধান বিচারপত
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদের বিধান-ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার:

- কোন আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত যে−কোন দণ্ডের মার্জনা, বিলম্বন ও বিরাম মঞ্জুর করিবার এবং যে−কোন দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করিবার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির থাকিবে। 
৭২.
প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় ও পররাষ্ট্রীয় নীতি সংক্রান্ত বিষয়াদি সম্পর্কে কাকে অবহিত রাখবেন?
  1. মন্ত্রিসভা
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. জনগণ
  4. সংসদ
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ৪৮: রাষ্ট্রপতি:
(১) বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকিবেন, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ-সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হইবেন।

(২) রাষ্ট্রপ্রধানরূপে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করিবেন এবং এই সংবিধান ও অন্য কোন আইনের দ্বারা তাঁহাকে প্রদত্ত ও তাঁহার উপর অর্পিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালন করিবেন।

(৩) এই সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্ট্রপতি তাঁহার অন্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে আদৌ কোন পরামর্শদান করিয়াছেন কি না এবং করিয়া থাকিলে কি পরামর্শ দান করিয়াছেন, কোন আদালত সেই সম্পর্কে কোন প্রশ্নের তদন্ত করিতে পারিবেন না।

(৪) কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হইবার যোগ্য হইবেন না, যদি তিনি-
(ক) পঁয়ত্রিশ বৎসরের কম বয়স্ক হন; অথবা
(খ) সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য না হন; অথবা
(গ) কখনও এই সংবিধানের অধীন অভিশংসন দ্বারা রাষ্ট্রপতির পদ হইতে অপসারিত হইয়া থাকেন।

(৫) প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় ও পররাষ্ট্রীয় নীতি সংক্রান্ত বিষয়াদি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত রাখিবেন এবং রাষ্ট্রপতি অনুরোধ করিলে যে−কোন বিষয় মন্ত্রিসভায় বিবেচনার জন্য পেশ করিবেন।

৭৩.
কোন ব্যক্তি মানিলন্ডারিং অপরাধ করলে কারাদণ্ডের সাথে অতিরিক্ত ____________ অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
  1. সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির দ্বিগুন মূল্যের সমপরিমাণ
  2. ১০ (দশ) লক্ষ টাকা
  3. ক এবং খ এর মধ্যে যা কম সেই পরিমাণ
  4. ক এবং খ এর মধ্যে যা বেশি সেই পরিমাণ
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ এর মধ্যে যা বেশি সেই পরিমাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ এর মধ্যে যা বেশি সেই পরিমাণ
ব্যাখ্যা
• মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪ ধারার বিধান: মানিলন্ডারিং অপরাধ ও দণ্ড:

(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, মানিলন্ডারিং একটি অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে। 

(২) কোন ব্যক্তি মানিলন্ডারিং অপরাধ করিলে বা মানিলন্ডারিং অপরাধ সংঘটনের চেষ্টা, সহায়তা বা ষড়যন্ত্র করিলে তিনি অন্যূন ৪ (চার) বৎসর এবং অনধিক ১২ (বার) বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির দ্বিগুন মূল্যের সমপরিমাণ বা ১০ (দশ) লক্ষ টাকা পর্যন্ত, যাহা অধিক, অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কর্তৃক ধার্যকৃত সময়সীমার মধ্যে অর্থদণ্ড পরিশোধে ব্যর্থ হইলে, আদালত অপরিশোধিত অর্থদণ্ডের পরিমাণ বিবেচনায় অতিরিক্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।

(৩) আদালত কোন অর্থদণ্ড বা দণ্ডের অতিরিক্ত হিসাবে দণ্ডিত ব্যক্তির সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে যাহা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মানিলন্ডারিং বা কোন সম্পৃক্ত অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত বা সংশ্লিষ্ট। 

(৪) কোন সত্তা এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটন করিলে বা অপরাধ সংঘঠনের চেষ্টা, সহায়তা বা ষড়যন্ত্র করিলে ধারা ২৭ এর বিধান সাপেক্ষে, উপ-ধারা (২) এর বিধান অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে এবং অপরাধের সহিত সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির মূল্যের অন্যূন দ্বিগুণ অথবা ২০ (বিশ) লক্ষ টাকা, যাহা অধিক হয়, অর্থদন্ড প্রদান করা যাইবে এবং উক্ত প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন বাতিলযোগ্য হইবে: 
তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত সত্তা আদালত কর্তৃক ধার্যকৃত সময়সীমার মধ্যে অর্থদন্ড পরিশোধে ব্যর্থ হইলে আদালত অপরিশোধিত অর্থদন্ডের পরিমাণ বিবেচনায় সত্তার মালিক, চেয়ারম্যান বা পরিচালক যে নামেই অভিহিত করা হউক না কেন, তাহার বিরুদ্ধে কারাদন্ডে দন্ডিত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।

(৫) সম্পৃক্ত অপরাধে অভিযুক্ত বা দণ্ডিত হওয়া মানিলন্ডারিং এর কারণে অভিযুক্ত বা দণ্ড প্রদানের পূর্বশর্ত হইবে না।
৭৪.
হিন্দুদের আর্য বিবাহে কনের পিতা বরের কাছ থেকে কী গ্রহণ করতেন?
  1. পণ
  2. জমি
  3. গাভী
  4. অলঙ্কার
সঠিক উত্তর:
গাভী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাভী
ব্যাখ্যা
⇒ আর্য বিবাহের ক্ষেত্রে কনের পিতা বরের কাছ থেকে এক বা দুই জোড়া গাভী গ্রহণ করতেন।
- এই ধরনের বিবাহে পণ হিসেবে গাভী গ্রহণ করা হতো, যা সমাজে একটি সাধারণ ও সম্মানজনক প্রথা ছিল।
- এই বিবাহের মাধ্যমে কনের পিতা কিছু সামান্য পণ হিসেবে গাভী গ্রহণ করতেন, তবে এটি কোনো অত্যধিক মূল্য ছিল না এবং সামাজিকভাবে এটি গ্রহণযোগ্য ছিল।

⇒ দায়ভাগ ও মিতাক্ষরা অনুসারে হিন্দুদের মধ্যে আট প্রকার বিবাহ প্রচলিত ছিল, যার প্রথম চারটি সামাজিকভাবে অনুমোদিত এবং অবশিষ্ট চারটি অননুমোদিত।
আট প্রকার বিবাহ হলো:
অনুমোদিত ৪ প্রকার:
ব্রাহ্ম: সর্বোত্তম পদ্ধতি, যাতে অলঙ্কারে সজ্জিতা কন্যাকে শিক্ষিত ও চরিত্রবান বরের হাতে তুলে দেয়া হতো; এক্ষেত্রে বরের নিকট থেকে কোন পণ নেয়া হতো না;
দৈব: এ ধরনের বিবাহে যজ্ঞ সম্পাদনকারী পুরোহিতের নিকট কন্যা সম্প্রদান করা হতো;
আর্য: এ বিবাহে কনের পিতা বরের নিকট থেকে এক বা দুই জোড়া গাভী গ্রহণ করতেন;
প্রজাপত্য: এ বিবাহে কনের পিতা বরের নিকট থেকে কোন পণ গ্রহণ ছাড়াই কন্যা দান করতেন এবং তাদের আশীর্বাদ করতেন যাতে তারা পারস্পরিক বিশ্বাস ও সুখের সঙ্গে দাম্পত্য জীবন যাপন করতে পারে।
অননুমোদিত ৪ প্রকার:
অসুর: এ বিবাহে বর পিতা অথবা অভিভাবকের নিকট থেকে মূল্য দিয়ে কনেকে ক্রয় করত;
রাক্ষস: এ বিবাহে কন্যার আত্মীয়দের প্রহার করে রোরুদ্যমান কন্যাকে তুলে নেয়া হতো;
গন্ধর্ব: বর ও কনের পরস্পরের পরিচয় ও সম্মতিতে এ বিবাহ অনুষ্ঠিত হতো;
পৈশাচ: নিকৃষ্টতম বিবাহ; এতে কন্যার প্রেমিক (কন্যার সম্মতি ব্যতিরেকে) নিদ্রিত অবস্থায় অথবা মদোম্মত্ত বা উম্মত্ত কন্যার সঙ্গে সঙ্গত হতো।
৭৫.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এ প্রদত্ত লাইসেন্স বা পারমিটের মেয়াদ কতদিন পর্যন্ত বলবৎ থাকে?
  1. ৬ মাস
  2. উল্লেখিত নির্ধারিত সময়
  3. অর্থবছর সমাপ্ত হওয়া পর্যন্ত
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ১৩: লাইসেন্স, ইত্যাদি:
(১) লাইসেন্স, পারমিট ও পাস বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, ফরমে, শর্তে এবং ফিস প্রদান সাপেক্ষে মহাপরিচালক অথবা তাহার নিকট হইতে এতদুদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো অফিসার কর্তৃক প্রদান করা যাইবে। 

(২) লাইসেন্স, পারমিট অথবা পাসের মেয়াদ উহাতে উল্লিখিত শর্তে নির্ধারিত সময় পর্যন্ত অথবা উহার প্রদানের তারিখ হইতে সংশ্লিষ্ট অর্থ বৎসর সমাপ্ত হওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকিবে: 
তবে শর্ত থাকে, কোনো লাইসেন্স অথবা পারমিট একাদিক্রমে ৩ (তিন) বৎসর নবায়ন না করা হইলে উহা পুনরায় নবায়নের যোগ্য হইবে না।
৭৬.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ অনুযায়ী জ্ঞাত আয়ের উৎস বহির্ভূত সম্পত্তির দখলের শাস্তি কী?
  1. সর্বনিম্ন ৩ বছর, অনধিক ৭ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  2. সর্বনিম্ন ২ বছর, অনধিক ৫ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  3. সর্বনিম্ন ৩ বছর, অনধিক ১০ বছর কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড ও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত
  4. সর্বনিম্ন ৭ বছর, অনধিক ১৪ বছর কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড ও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত
সঠিক উত্তর:
সর্বনিম্ন ৩ বছর, অনধিক ১০ বছর কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড ও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বনিম্ন ৩ বছর, অনধিক ১০ বছর কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড ও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত
ব্যাখ্যা
• ধারা ২৭- জ্ঞাত আয়ের উৎস বহির্ভূত সম্পত্তির দখল:
(১) কোন ব্যক্তি তাহার নিজ নামে, বা তাহার পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তির নামে, এমন কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির দখলে রহিয়াছেন বা মালিকানা অর্জন করিয়াছেন, যাহা অসাধু উপায়ে অর্জিত হইয়াছে এবং তাহার জ্ঞাত আয়ের উৎসর সহিত অসংগতিপূর্ণ বলিয়া মনে করিবার যথেষ্ট কারণ রহিয়াছে এবং তিনি উক্তরূপ সম্পত্তি দখল সম্পর্কে আদালতের নিকট বিচারে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা প্রদান করিতে ব্যর্থ হইলে উক্ত ব্যক্তি অনূর্ধ্ব ১০ (দশ) বৎসর এবং অন্যুন ০৩ (তিন) বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদে কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন; এবং উক্তরূপ সম্পত্তিসমূহ বাজেয়াপ্ত যোগ্য হইবে।
 
(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত কোন অপরাধের বিচার চলাকালীন যদি প্রমাণিত হয় যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজ নামে, বা তাহার পক্ষে অপর কোন ব্যক্তির নামে, তাহার জ্ঞাত আয়ের উত্সের সহিত অসঙ্গতিপূর্ণ স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির মালিকানা অর্জন করিয়াছেন বা অনুরূপ সম্পত্তির দখলে রহিয়াছেন, তাহা হইলে আদালত অনুমান করিবে (shall presume) যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি উক্ত অপরাধে দোষী, যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতে উক্ত অনুমান খণ্ডন (rebut) করিতে না পারেন; এবং কেবল উক্তরূপ অনুমানের উপর ভিত্তি করিয়া প্রদত্ত কোন দণ্ড অবৈধ হইবে না।
৭৭.
আপোষ-মীমাংসার মাধ্যমে আদালত প্রদত্ত ডিক্রিকে কি ডিক্রি বলা হয়?
  1. স্পেশাল ডিক্রি
  2. মধ্যস্থতা
  3. সোলে ডিক্রি
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
সোলে ডিক্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোলে ডিক্রি
ব্যাখ্যা
⇒ মোকদ্দমার আপস (Compromise of suit): যেক্ষেত্রে চুক্তি বা আপসমূলে কোন মোকদ্দমা সামগ্রিক বা আংশিকভাবে মীমাংসা হয়েছে, অথবা যদি বিবাদী বাদীকে পরিতুষ্ট করে থাকে, সেক্ষেত্রে আদালত উক্ত চুক্তি, আপস বা পরিতৃষ্টির বিষয়টি লিপিবদ্ধ করার আদেশ দিবেন এবং আদালত উক্ত চুক্তি বা আপস অনুযায়ী ডিক্রি প্রদান করবেন এটি হলো Compromise Decree / সম্মতিমূলক ডিক্রি/ সোলে ডিক্রি/ সোলে নামা।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৩ বিধি-৩০ মোকদ্দমার আপস: যেক্ষেত্রে আদালতের সন্তুষ্টি সহকারে এটি প্রমাণিত হয় যে, আইনসঙ্গত চুক্তি বা আপসের দ্বারা কোন মোকদ্দমা সামগ্রিক বা আংশিকভাবে সমন্বয়িত হয়েছে কিংবা যদি বিবাদি মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর সামগ্রিক বা কোন অংশের সম্পর্কে বাদিকে মিটিয়ে দেয় সেক্ষেত্রে আদালত উক্ত চুক্তি, আপস বা মিটানোর বিষয়টি লিপিবদ্ধ করার আদেশ দিবে এবং যতদূর মোকদ্দমার সঙ্গে এটি সম্পর্কিত হয়, ততদূর তদানুসারে একটি ডিক্রি প্রদান করবে।

⇒ Order 23 Rule.-3: Compromise of suit.-Where it is proved to the satisfaction of the Court that a suit has been adjusted wholly or in part by any lawfull agreement or compromise, or where the defendant satisfies the the plantiff in respect of the whole or any part of the subject-matter of the suit, the Court shall order such agreement, compromise or satisfaction to be recorded, and shall pass a decree in accordance therewith so far as it relates to the suit.
৭৮.
সংসদ সদস্যদের যোগ্যতা ও অযোগ্যতা সম্পর্কিত কোন বিতর্ক দেখা দিলে কে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন?
  1. স্পীকার
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. সুপ্রিম কোর্ট
  4. নির্বাচন কমিশন
সঠিক উত্তর:
নির্বাচন কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাচন কমিশন
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৬(৪) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদ সদস্যদের যোগ্যতা ও অযোগ্যতা সম্পর্কিত কোনো বিতর্ক দেখা দিলে তা নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠানো হবে এবং নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।
 অর্থাৎ, সংসদ সদস্যের যোগ্যতা নিয়ে যদি প্রশ্ন ওঠে—
- তিনি নির্বাচিত হওয়ার পর কোনো কারণে অযোগ্য হয়েছেন কি না, বা
- সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তার আসন শূন্য হবে কি না
এই সমস্ত বিষয়ে নির্বাচন কমিশনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে, যা আদালতে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না।

→ সংবিধান নির্দেশ করে:
-"কোন সংসদ-সদস্য তাঁহার নির্বাচনের পর ৬৬(২) দফায় বর্ণিত অযোগ্যতার অধীন হইয়াছেন কি না, কিংবা সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুসারে সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হইবে কি না, সে সম্পর্কে কোন বিতর্ক দেখা দিলে শুনানি ও নিষ্পত্তির জন্য প্রশ্নটি নির্বাচন কমিশনের নিকট প্রেরিত হইবে এবং কমিশনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে।"
৭৯.
কত সালে 'বিবাহিতা হিন্দু নারীর পৃথক বাসস্থান এবং ভরণপোষণ আইন' প্রণীত হয়?
  1. ১৯৫৬
  2. ১৯৩৭
  3. ১৯৪৬
  4. ১৯৫৫
সঠিক উত্তর:
১৯৪৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৬
ব্যাখ্যা
বিবাহিতা হিন্দু নারীর পৃথক বাসস্থান এবং ভরণপোষণ আইনটি ১৯৪৬ সালের।

এই আইনে বিবাহিতা হিন্দু নারী বিচ্ছেদ ছাড়াও, স্বামী হতে পৃথক থাকতে পারে। উক্ত আইনে উল্লেখিত ক্ষেত্রসমূহে স্ত্রী স্বামী হতে পৃথক থেকেও স্বামীর নিকট হতে ভরণ-পোষণের অধিকার পেতে পারে। ক্ষেত্রগুলো হলো-

⇒ স্বামী যদি দুরারোগ্য কুষ্ঠ, সিফলিস ইত্যাদি সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত হয় এবং এই সমস্ত ব্যাধি যদি স্ত্রীর নিকট হতে সংক্রামিত না হয়;
if he (husband) is suffering from any loathsome disease not contracted from her;

⇒ স্বামী যদি স্ত্রীর প্রতি নিষঠুর আচরণ করে এবং নিষ্ঠুরতা যদি এই প্রকারের হয় যে স্বামীগৃহে তার জীবনাশংকা থাকে;
if he is gulity of such cruelty towards her as renders it unsafe or undesirable for her to live with him;

⇒ স্বামী যদি গৃহে কোন উপ-পত্নী রেখে তার সাথে বসবাস করতে থাকে;
if he keeps a concubine in the house or habitually resides with a concubine;

⇒ স্বামী যদি ধর্মান্তর হয়;
if he ceases to be a Hindu by conversion to another religion;

⇒ স্বামী যদি স্ত্রীর অনুমতি ব্যতিরেকে তাকে পরিত্যাগ করে;
if he is guilty of desertion, that is to say, of abandoning her without her consent or against her wish;

⇒ স্বামী যদি পুনরায় বিবাহ করে;
if he marries again; এবং

⇒ অন্য কোন যুক্তিসঙ্গত কারণে।
for any other justifiable cause
৮০.
কোন রিটের জন্য যে কোন ব্যক্তি আবেদন করতে পারে?
  1. Writ of Prohibition
  2. Writ of Mandamus
  3. Writ of Certiorari
  4. Writ of Habeas Corpus
সঠিক উত্তর:
Writ of Habeas Corpus
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Writ of Habeas Corpus
ব্যাখ্যা
• রিট [Writ]:
আদালত বা যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ঘোষিত বা প্রচারিত বিধান বা আদেশ। এমন আদেশের মাধ্যমে আদালত কোন ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে নির্দেশ প্রদান করে। রিট এর উৎপত্তি হলো ব্রিটিশ আইন ব্যবস্থায়। প্রাথমিকভাবে রিট মূলত রাজকীয় অধিকার [prerogrative writ or royal writ] নামে পরিচিত ছিল কারণ একমাত্র রাজা বা রাণী রিট জারি করার অধিকারী ছিল।

রিটের প্রকারভেদ: সংবিধানে ৫ প্রকার রিট উল্লেখ করা হয়েছে-
⇒ ১০২ এর ২(ক) তে ৩টি রিট উল্লেখ করা হয়েছে, (শুধুমাত্র সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি আবেদন করতে পারে)-
• ১০২(২) (ক) (অ) প্রতিষেধক বা নিষেধাজ্ঞামূলক রিট [Writ of Prohibition];
• ১০২(২) (ক) (অ) পরমাদেশ বা হুকুম জারী রিট [Writ of Mandamus];
• ১০২(২) (ক) (আ) উৎপ্রেষণ রীট [Writ of Certiorari]।

⇒ ১০২ এর ২(খ) তে ২টি রিট উল্লেখ করা হয়েছে, (যে কোন ব্যক্তি আবেদন করতে পারে)-
• ১০২(২) (খ) (অ) বন্দী হাজির রিট [Writ of Habeas Corpus] এবং
• ১০২(২) (খ) (আ) কারণ দর্শাও রিট [Writ of Quo Warranto]।
৮১.
A-এর B-এর কাছে টাকা পাওনা ছিল। B সেই পাওনা দাবিটি C-কে হস্তান্তর করে। পরে B, A-এর কাছে টাকা দাবি করে এবং A (যিনি হস্তান্তরের বিষয়ে কোনো বিজ্ঞপ্তি পাননি) B-কে টাকা দিয়ে দেন। এক্ষেত্রে-
  1. এই পরিশোধ বৈধ
  2. এই পরিশোধ অবৈধ
  3. C, A-এর বিরুদ্ধে অর্থ আদায়ের মামলা করতে পারবে
  4. খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
এই পরিশোধ বৈধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এই পরিশোধ বৈধ
ব্যাখ্যা
ধারা ১৩০: নালিশযোগ্য দাবী (Actionable Claim) হস্তান্তর-
(১) কোনো নালিশযোগ্য দাবী হস্তান্তর করা হলে, তা মূল্যসহ বা মূল্য ছাড়া যেভাবেই হোক না কেন, শুধুমাত্র একটি লিখিত দলিল (instrument) সম্পাদনের মাধ্যমে সম্পন্ন হতে পারে। উক্ত দলিলটি হস্তান্তরকারী বা তার বৈধভাবে নিয়োজিত প্রতিনিধি কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে। দলিলটি সম্পাদনের পর হস্তান্তর কার্যকর ও সম্পূর্ণ বলে গণ্য হবে, এবং হস্তান্তরকারীর সমস্ত অধিকার ও প্রতিকার (যেমন ক্ষতিপূরণ দাবি ইত্যাদি) হস্তান্তারগ্রহীতার মধ্যে ন্যস্ত হবে - হস্তান্তরের বিজ্ঞপ্তি (section 131 অনুসারে) দেওয়া হোক বা না হোক।

তবে শর্ত থাকে যে, যদি ঋণগ্রহীতা বা অন্য কোনো ব্যক্তি যাঁর বিরুদ্ধে হস্তান্তরকারী পূর্বে নালিশযোগ্য দাবীর জন্য পদক্ষেপ নিতে পারতেন, সেই ব্যক্তি হস্তান্তরের দলিলের কোনো পক্ষ না হন অথবা তা সম্পর্কে স্পষ্টভাবে অবগত না হন, তবে তার সঙ্গে পরবর্তীতে কোনো লেনদেন হস্তান্তরের বিরুদ্ধে বৈধ বলেই গণ্য হবে।

(২) নালিশযোগ্য দাবীর হস্তান্তারগ্রহীতা সেই লিখিত দলিল সম্পাদনের পর নিজ নামেই মামলা করতে পারবেন বা আইনি পদক্ষেপ নিতে পারবেন — এজন্য হস্তান্তরকারীর সম্মতি নেওয়া বা তাকে পক্ষ করা আবশ্যক নয়।

ব্যতিক্রম: এই ধারা মেরিন বা অগ্নি বিমা নীতিমালার হস্তান্তরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় এবং বিমা আইন, ১৯৩৮-এর ধারা ৩৮-এর বিধান প্রভাবিত করে না।

উদাহরণ:
(i) A-এর B-এর কাছে টাকা পাওনা ছিল। B সেই পাওনা দাবিটি C-কে হস্তান্তর করে। এরপর B, A-এর কাছে টাকা দাবি করে এবং A (যিনি হস্তান্তরের বিষয়ে কোনো বিজ্ঞপ্তি পাননি) B-কে টাকা দিয়ে দেন। এই পরিশোধ বৈধ এবং C, A-এর বিরুদ্ধে অর্থ আদায়ের মামলা করতে পারবে না।

(ii) A নিজ জীবন বিমা করে এবং সেই বিমা একটি ব্যাংককে দেন বর্তমান বা ভবিষ্যতের কোনো ঋণ সুরক্ষিত করতে। A মারা গেলে ব্যাংক বিমার অর্থ পাওয়ার অধিকারী এবং নিজে মামলাও করতে পারে — A-এর উত্তরাধিকারীর অনুমতি ছাড়াই।
৮২.
আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনী পরামর্শ ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি) বিধিমালা, ২০১৫ অনুযায়ী-
কোনো মিমাংসা সভা মূলতবী করা হলে, অনধিক _______ দিনের মধ্যে পরবর্তী দিন ধার্য করতে হবে।
  1. ১০
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনী পরামর্শ ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি) বিধিমালা, ২০১৫ এর ১০ বিধির বিধান: মিমাংসা সভা মূলতবী:-
মিমাংসা সভার কোন দিনের কার্যক্রম সমাপ্ত না হইলে বা উক্ত দিনে পক্ষগণ আপোষ-মিমাংসায় উপনীত হইতে ব্যর্থ হইলে, লিগ্যাল এইড অফিসার, উপযুক্ত মনে করিলে, উক্ত দিনের মিমাংসা সভা মূলতবী করিয়া উভয় পক্ষের উপস্থিতির জন্য সুবিধাজনক অপর একটি দিন ধার্য করিবেন, যাহা কোনক্রমেই ৭ (সাত) দিনের অধিক হইবে না।

অর্থাৎ,
কোনো মিমাংসা সভা মূলতবী করা হলে অনধিক ৭দিনের মধ্যে পরবর্তী দিন ধার্য করতে হবে।
৮৩.
ইসলামিক আইনে এক বস্তু হতে অন্য বস্তু অনুমান করা হলো-
  1. ইসতিহসান
  2. ইসতিসলাহ
  3. ইসতিদলাল
  4. তকলিদ
সঠিক উত্তর:
ইসতিদলাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসতিদলাল
ব্যাখ্যা
ইসতিদলাল: 'ইসতিদলাল' শব্দের অর্থ হলো, এক বস্তু হতে অন্য বস্তু অনুমান করা। এটি স্বাভাবিক অনুমানের আইন। হানাফী মাযহাবের পণ্ডিতগণ তফসিরের ক্ষেত্রে এ শব্দের ব্যবহার করে থাকেন। শাফিয়ী এবং মালিকীগণ এ শব্দটিকে একটি বিশেষ অর্থে ব্যবহার করেছেন। তাদের মতে ইসতিদলাল বলতে যা বুঝায় তা তফসির বা কিয়াসের আওতায় আসে না, একে যুক্তির মাধ্যমে নির্ণীত সিদ্ধান্ত বলা যায়।

⇒ মুসলিম আইনের উৎস প্রধানত ৪টি।
১. পবিত্র কোরআন
২. হাদিস
৩. ইজমা
৪. কিয়াস

⇒  অন্যান্য উৎসগুলো হলো
ক. ইসতিহসান [Istihsan]
খ. ইসতিসলাহ [Istislah]
গ. ইসতিদলাল
ঘ. ইজতিহাদ
ঙ. তকলিদ
৮৪.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর প্রথম তফশিল অনুসারে শিশা (Shisha) কোন শ্রেণির মাদকদ্রব্য?
  1. 'ক' শ্রেণি
  2. 'খ' শ্রেণি
  3. 'গ' শ্রেণি
  4. তফশিলে নেই
সঠিক উত্তর:
'খ' শ্রেণি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'খ' শ্রেণি
ব্যাখ্যা

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর প্রথম তফশিল-এর ‘খ’ শ্রেণির মাদকদ্রব্য-এর ক্রমিক ৪-এর শেষে স্পষ্টভাবে শিশা (Shisha) উল্লেখ আছে। তফশিলের ব্যাখ্যা অংশে বলা হয়েছে: “শিশা (Shisha)' অর্থ বিভিন্ন ধরনের ভেষজের নির্যাস সহযোগে ০.২%-এর ঊর্ধ্বে নিকোটিন এবং এসেন্স ক্যারামেল মিশ্রিত ফ্রুট স্লাইস সহযোগে তৈরি যে-কোনো পদার্থ।”

অতএব, আইনের তফশিলভুক্ত সংজ্ঞা ও তালিকা অনুযায়ী শিশা = ‘খ’ শ্রেণির মাদকদ্রব্য।

৮৫.
'ক', 'খ' এর ব্যাগ কুড়িয়ে পায় এবং তাকে অর্পণ করে। 'খ', 'ক' কে ৫০ টাকা প্রদানের প্রতিশ্রুতি প্রদান করে- এটা একটি বৈধ চুক্তি। উক্তিটি-
  1. সম্পূর্ণ মিথ্যা
  2. পুরোপুরি সত্য
  3. আংশিক সত্য
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
পুরোপুরি সত্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুরোপুরি সত্য
ব্যাখ্যা
• চুক্তি আইনের ২৫ ধারায় বলা হয়েছে, প্রতিদানবিহীন চুক্তি বাতিল। সেই সাথে কতিপয় ক্ষেত্রে প্রতিদান ছাড়াই চুক্তি বৈধ উল্লেখ করা হয়েছে, যেমন-
 
১. স্বাভাবিক ভালোবাসা ও স্নেহজনিত কারণে গঠিত কোন চুক্তি বৈধ। যেমন, স্বাভাবিক স্নেহ ভালোবাসা হেতু ক তার পুত্র খ-কে ১০০০ টাকা দিতে অঙ্গীকার করে। ক তার এই অঙ্গীকার লিখিত এবং নিবন্ধিত করে। এটা একটি বৈধ চুক্তি, যদিও কোন প্রতিদান নেই।
 
২. অতীত স্বেচ্ছামূলক সেবার জন্য ক্ষতিপূরণ প্রদানের চুক্তি। যেমন- ক, খ-এর ব্যাগ কুড়িয়ে পায় এবং তাকে অর্পণ করে। খ, ক-কে ৫০ টাকা প্রদানের প্রতিশ্রুতি প্রদান করে। এটা একটি বৈধ চুক্তি। অর্থাৎ উক্তিটি পুরোপুরি সত্য।
 
৩. তামাদি আইনে বাতিল কোনো ঋণ পরিশোধের অঙ্গীকার। যেমন, ক, খ-এর নিকট ১০০০ টাকা ঋণী কিন্তু ঋণটি তামাদিতে বারিত। উক্ত ঋণের মধ্যে ৫০০ টাকা পরিশোধ করার জন্য খ, ক-কে লিখিত প্রতিশ্রুতি দিলো। এটা একটি চুক্তি।
 
৪. সম্পত্তি দানের ক্ষেত্রে;
৫. পাওনা আদায়ের দাবি ত্যাগ;
৬. বিনা পারিশ্রমিকে গচ্ছিত দান।

Section 25: Agreement without consideration void, unless it is in writing and registered, or is a promise to compensate for something done, or is a promise to pay a debt barred by limitation law: An agreement made without consideration is void, unless–

(1) it is expressed in writing and registered under the law for the time being in force for the registration of documents, and is made on account of natural love and affection between parties standing in a near relation to each other; or unless
 
(2) it is a promise to compensate, wholly or in part, a person who has already voluntarily done something for the promisor, or something which the promisor was legally compellable to do, or unless
 
(3) it is a promise, made in writing and signed by the person to be charged therewith, or by his agent generally or specially authorized in that behalf, to pay wholly or in part a debt of which the creditor might have enforced payment but for the law for the limitation of suits.

In any of these cases, such an agreement is a contract.
 
Explanation 1 – Nothing in this section shall affect the validity, as between the donor and donee, of any gift actually made.
 
Explanation 2 – An agreement to which the consent of the promisor is freely given is not void merely because the consideration is inadequate; but the inadequacy of the consideration may be taken into account by the Court in determining the question whether the consent of the promisor was freely given.
৮৬.
বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪ এর ধারা ৫ অনুযায়ী, কোন ব্যক্তির আটক স্থান কে নির্ধারণ করবে?
  1. সরকার
  2. স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উপদেষ্টা বোর্ড
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪ এর ধারা ৫: আটক স্থান ও আটক অবস্থার শর্তাবলী নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা:
যে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আটকাদেশ জারি করা হইয়াছে, সেই ব্যক্তি বাধ্য থাকিবেন-
(ক) এমন স্থানে আটক থাকিতে এবং এমন শর্তাবলীর অধীন থাকিতে, যার মধ্যে শৃঙ্খলা ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের জন্য শাস্তির শর্তও অন্তর্ভুক্ত, যাহা সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা নির্ধারণ করিতে পারেন; এবং

(খ) সরকার কর্তৃক আদেশ প্রদানের মাধ্যমে এক স্থান হইতে অন্য স্থানে স্থানান্তরিত হইবার জন্য।
৮৭.
'Lex Fori' নীতিতে কোন আইন বোঝানো হয়?
  1. যেখানে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে
  2. যেখানে চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে
  3. যেখানে আদালতের কার্যক্রম চলছে
  4. আন্তর্জাতিক আদালতের আইন
সঠিক উত্তর:
যেখানে আদালতের কার্যক্রম চলছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেখানে আদালতের কার্যক্রম চলছে
ব্যাখ্যা

Lex Fori ল্যাটিন শব্দ।
- এর অর্থ হলো “আদালতের দেশের আইন” বা “যে দেশে আদালতের কার্যক্রম চলছে সেই দেশের আইন”।

আইনে বলা হয়- “The law of evidence is lex fori.”
অর্থাৎ, সাক্ষ্য আইন হচ্ছে Lex Fori।

এর মানে দাঁড়ায়, কোনো মামলার শুনানি বা বিচার যে দেশে চলছে, সেই দেশের সাক্ষ্য আইন দিয়েই প্রমাণ, সাক্ষ্য গ্রহণ এবং বিচারকার্য সম্পন্ন হবে।

৮৮.
দ্রুত বিচার আদালতের মামলার আপীল নিষ্পত্তি কোন আদালতের মাধ্যমে হবে?
  1. হাইকোর্ট
  2. প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
  3. এখতিয়ারসম্পন্ন দায়রা আদালত
  4. দ্রুত বিচার আপিল ট্রাইব্যুনাল
সঠিক উত্তর:
এখতিয়ারসম্পন্ন দায়রা আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এখতিয়ারসম্পন্ন দায়রা আদালত
ব্যাখ্যা

আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ১২- ফৌজদারী কার্যবিধির প্রয়োগ, ইত্যাদি:
(১) এই আইনে ভিন্নরূপ কিছু না থাকিলে কোন অপরাধের অভিযোগ দায়ের বা প্রাথমিক তথ্য সরবরাহ, তদন্ত, বিচার পূর্ববর্তী কার্যক্রম, বিচার ও আপীল নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে ফৌজদারী কার্যবিধির বিধানাবলী প্রযোজ্য হইবে।
 
(২) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে আদালত একটি প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত আদালতের আপীল আদালত হইবে এখতিয়ারসম্পন্ন দায়রা আদালত।

(৩) এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ আমলযোগ্য (cognizable) হইবে।

৮৯.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ অনুসারে দুদক কেমন প্রকৃতির কমিশন?
  1. সরকারের অধীনস্থ
  2. স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কমিশন
  3. বিচার বিভাগের অধীন সংস্থা
  4. আইন মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থা
সঠিক উত্তর:
স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কমিশন
ব্যাখ্যা

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ৩(২) অনুযায়ী, দুর্নীতি দমন কমিশন একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কমিশন।
⇒ দেশে দুর্নীতি এবং দুর্নীতিমূলক কার্য প্রতিরোধের লক্ষ্যে দুর্নীতি এবং অন্যান্য সুনির্দিষ্ট অপরাধের অনুসন্ধান এবং তদন্ত পরিচালনার জন্য একটি স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন প্রতিষ্ঠা এবং আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধানকল্পে প্রণীত আইন হচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪।

- ধারা ৩- কমিশন প্রতিষ্ঠা, ইত্যাদি
(১) এই আইন, বলবৎ হইবার পর যতশীঘ্র সম্ভব, সরকার, সরকারী গেজেটে, প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে দুর্নীতি দমন কমিশন নামে একটি কমিশন প্রতিষ্ঠা করিবে।
(২) এই কমিশন একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কমিশন হইবে। 
(৩) কমিশন একটি স্বশাসিত সংস্থা হইবে এবং উহার স্থায়ী ধারাবাহিকতা ও একটি সাধারণ সীলমোহর থাকিবে এবং এই আইন ও বিধি সাপেক্ষে, উহার স্থাবর ও অস্থাবর উভয় প্রকার সম্পত্তি অর্জন করিবার, অধিকারে রাখিবার এবং উহা হস্তান্তর করিবার ক্ষমতা থাকিবে এবং উহার নামে উহা মামলা দায়ের করিতে পারিবে এবং উহার বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা যাইবে।

৯০.
"No one should be condemned unheard" এই নীতিটি সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ২৭
  2. অনুচ্ছেদ ৪৪
  3. অনুচ্ছেদ ১৩৫
  4. অনুচ্ছেদ ১৩৪
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৩৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৩৫
ব্যাখ্যা
'No one should be condemned unheard' এটি  Natural justice এর প্রিন্সিপ্যাল, যার অর্থ হচ্ছে কাউকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেয়া ছাড়া শাস্তি দেয়া যাবে না। প্রত্যেক অভিযুক্ত ব্যক্তির আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার আছে।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ১৩৫ অনুচ্ছেদে এই বিষয়টি প্রতিফলিত হয়েছে। সংবিধানের ১৩৫(২) অনুচ্ছেদের মধ্যে প্রত্যেক অসামরিক সরকারী কর্মচারীদের অপসারণ করার আগে তাকে কারণ দর্শানো সুযোগ দেয়ার বিধান আছে।
তাই বলা যায় ১৩৫(২) এর মধ্যে এটি প্রতিফলিত হয়েছে।

সংবিধানের ১৩৫ অনুচ্ছেদের বিধান হলো: অসামরিক সরকারী কর্মচারীদের বরখাস্ত প্রভৃতি:
(১) প্রজাতন্ত্রের কর্মে অসামরিক পদে নিযুক্ত কোন ব্যক্তি তাঁহার নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ-অপেক্ষা অধস্তন কোন কর্তৃপক্ষের দ্বারা বরখাস্ত বা অপসারিত বা পদাবনমিত হইবেন না।
(২) অনুরূপ পদে নিযুক্ত কোন ব্যক্তিকে তাঁহার সম্পর্কে প্রস্তাবিত ব্যবস্থাগ্রহণের বিরুদ্ধে কারণ দর্শাইবার যুক্তিসঙ্গত সুযোগদান না করা পর্যন্ত তাঁহাকে বরখাস্ত বা অপসারিত বা পদাবনমিত করা যাইবে না:
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফা সেই সকল ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না, যেখানে
(অ) কোন ব্যক্তি যে আচরণের ফলে ফৌজদারী অপরাধে দণ্ডিত হইয়াছেন, সেই আচরণের জন্য তাঁহাকে বরখাস্ত, অপসারিত বা পদাবনমিত করা হইয়াছে; অথবা
(আ) কোন ব্যক্তিকে বরখাস্ত, অপসারিত বা পদাবনমিত করিবার ক্ষমতাসম্পন্ন কর্তৃপক্ষের নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, কোন কারণে- যাহা উক্ত কর্তৃপক্ষ লিপিবদ্ধ করিবেন- উক্ত ব্যক্তিকে কারণ দর্শাইবার সুযোগদান করা যুক্তিসঙ্গতভাবে সম্ভব নহে; অথবা
(ই) রাষ্ট্রপতির নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, রাষ্ট্রের নিরাপত্তার স্বার্থে উক্ত ব্যক্তিকে অনুরূপ সুযোগদান সমীচীন নহে।
(৩) অনুরূপ কোন ব্যক্তিকে এই অনুচ্ছেদের (২) দফায় বর্ণিত কারণ দর্শাইবার সুযোগদান করা যুক্তিসঙ্গতভাবে সম্ভব কি না, এইরূপ প্রশ্ন উত্থাপিত হইলে সেই সম্পর্কে তাঁহাকে বরখাস্ত, অপসারিত বা পদাবনমিত করিবার ক্ষমতাসম্পন্ন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে।
(৪) যে ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন লিখিত চুক্তির অধীন প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত হইয়াছেন এবং উক্ত চুক্তির শর্তাবলী-অনুযায়ী যথাযথ নোটিশের দ্বারা চুক্তিটির অবসান ঘটান হইয়াছে, সেই ক্ষেত্রে চুক্তিটির অনুরূপ অবসানের জন্য তিনি এই অনুচ্ছেদের উদ্দেশ্যসাধনকল্পে পদ হইতে অপসারিত হইয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে না
----------
⇒ Article 135. Dismissal, etc. of civilian public officers:
(1) No person who holds any civil post in the service of the Republic shall be dismissed or removed or reduced in rank by an authority subordinate to that by which he was appointed. 
(2) No such person shall be dismissed or removed or reduced in rank until he has been given a reasonable opportunity of showing cause why that action should not be taken:
Provided that this clause shall not apply – 
(i) where a person is dismissed or removed or reduced in rank on the ground of conduct which has led to his conviction of a criminal offence; or 
(ii) where the authority empowered to dismiss or remove a person or to reduce him in rank is satisfied that, for a reason recorded by that authority in writing, it is not reasonably practicable to give that person an opportunity of showing cause; or 
(iii) where the President is satisfied that in the interests of the security of the State it is not expedient to give that person such an opportunity. 
 
(3) If in respect of such a person the question arises whether it is reasonably practicable to give him an opportunity to show cause in accordance with clause (2), the decision thereon of the authority empowered to dismiss or remove such person or to reduce him in rank shall be final. 
(4) Where a person is employed in the service of the Republic under a written contract and that contract is terminated by due notice in accordance with its terms, he shall not, by reason thereof, be regarded as removed from office for the purposes of this article.
৯১.
'Doctrine of double jeopardy' বা 'দোবারা সাজা মতবাদ'- উক্ত নীতিটি The General Clauses Act,1897 এর কত ধারায় প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. ধারা ২৮
  2. ধারা ২৬
  3. ধারা ২৭
  4. ধারা ৩০
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬
ব্যাখ্যা
• 'Doctrine of double jeopardy' বা 'দোবারা সাজা মতবাদ' যে নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত তা হলো:
Nemo debet bis puniri pro uno delicto.
যার অর্থ- 'No one shall be punished twice for one fault. অর্থাৎ 'একই অপরাধের জন্য দু'বার শাস্তি দেয়া যায় না।'

জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের ২৬ ধারায় বলা আছে-
Where an act or omission constitutes an offence under two or more enactments, then the offender shall be liable to be prosecuted and punished under either or any of those enactments, but shall not be liable to be punished twice for the same. 

- 'যখন কোন কার্য বা কার্য বিচ্যুতি দু'টি আইনে অপরাধ হিসেবে পরিগণিত হয় তখন একই অপরাধের কারণে অপরাধীকে দু'বার শাস্তি দেয়া যাবে না যদিও উভয় আইনে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়ে থাকে।'

জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের ২৬ ধারার উপর বিশদ আলোচনাকালে বিচারপতি মোহাম্মদ আব্দুল করিম আরও উল্লেখ করেন যে, বর্ণিত অপরাধের কারণে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে সাধারণ আইনে (general law) এবং বিশেষ আইনে (special law) দু'টি মামলা চলমান থাকলে আইন ব্যাখ্যার সূত্র এবং বিশেষ আইনে 'non-obstante clause' থাকার কারণে সাধারণ আইনের অধীনে দায়েরকৃত মামলাটির কার্যক্রম স্থগিত থাকবে এবং বিশেষ আইনের অধীনে রুজুকৃত মামলাটির বিচার কার্যক্রম চালু থাকবে।
৯২.
কোন ব্যক্তি মানিলন্ডারিং অপরাধ করলে বা মানিলন্ডারিং অপরাধ সংঘটনের চেষ্টা, সহায়তা বা ষড়যন্ত্র করলে তিনি অন্যূন কত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ এর ৪ ধারার বিধান মানিলন্ডারিং অপরাধ ও দণ্ড:
 (১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, মানিলন্ডারিং একটি অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে।
(২) কোন ব্যক্তি মানিলন্ডারিং অপরাধ করিলে বা মানিলন্ডারিং অপরাধ সংঘটনের চেষ্টা, সহায়তা বা ষড়যন্ত্র করিলে তিনি অন্যূন ৪ (চার) বৎসর এবং অনধিক ১২ (বার) বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির দ্বিগুণ মূল্যের সমপরিমাণ বা ১০ (দশ) লক্ষ টাকা পর্যন্ত, যাহা অধিক, অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন
তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কর্তৃক ধার্যকৃত সময়সীমার মধ্যে অর্থদণ্ড পরিশোধে ব্যর্থ হইলে আদালত অপরিশোধিত অর্থদণ্ডের পরিমাণ বিবেচনায় অতিরিক্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।
(৩) আদালত কোন অর্থদণ্ড বা দণ্ডের অতিরিক্ত হিসাবে দণ্ডিত ব্যক্তির সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে যাহা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মানিলন্ডারিং বা কোন সম্পৃক্ত অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত বা সংশ্লিষ্ট।
 (৪) কোন সত্তা এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটন করিলে বা অপরাধ সংগঠনের চেষ্টা, সহায়তা বা ষড়যন্ত্র করিলে ধারা ২৭ এর বিধান সাপেক্ষে, উপধারা (২) এর বিধান অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে এবং অপরাধের সহিত সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির মূল্যের অন্যূন দ্বিগুণ অথবা ২০ (বিশ) লক্ষ টাকা, যাহা অধিক হয়, অর্থদণ্ড প্রদান করা যাইবে এবং উক্ত প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন বাতিলযোগ্য হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত সত্তা আদালত কর্তৃক ধার্যকৃত সময়সীমার মধ্যে অর্থদণ্ড পরিশোধে ব্যর্থ হইলে আদালত অপরিশোধিত অর্থদণ্ডের পরিমাণ বিবেচনায় সত্তার মালিক, চেয়ারম্যান বা পরিচালক যে নামেই অভিহিত করা হউক না কেন, তাহার বিরুদ্ধে কারাদণ্ডে দণ্ডিত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।
(৫) সম্পৃক্ত অপরাধে অভিযুক্ত বা দণ্ডিত হওয়া মানিলন্ডারিং এর কারণে অভিযুক্ত বা দণ্ড প্রদানের পূর্বশর্ত হইবে না।
৯৩.
‘মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) বিধিমালা, ২০০৯’-এর বিধি ২১ক অনুসারে, বিয়ে ও তালাক নিবন্ধনের পদ্ধতি কী?
  1. মৌখিকভাবে
  2. শুধুমাত্র ম্যানুয়াল
  3. শুধুমাত্র অনলাইন
  4. ম্যানুয়াল ও অনলাইন উভয়
সঠিক উত্তর:
ম্যানুয়াল ও অনলাইন উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যানুয়াল ও অনলাইন উভয়
ব্যাখ্যা
‘মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) বিধিমালা, ২০০৯’ বিধি ২১ক- বিয়ে ও তালাক নিবন্ধন পদ্ধতি:
বিয়ে ও তালাক নিবন্ধন ম্যানুয়ালির পাশাপাশি অনলাইন পদ্ধতিতেও সম্পাদন করা যাবে।
৯৪.
বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনায় কতটি মৌলিক আদর্শের কথা বলা হয়েছে?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে—
“...যে সকল মহান আদর্শ আমাদের বীর জনগণকে জাতীয় মুক্তি সংগ্রামে আত্মনিয়োগ ও বীর শহীদদিগকে প্রাণোৎসর্গ করিতে উদ্বুদ্ধ করিয়াছিল—
জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা, সেই সকল আদর্শ এই সংবিধানের মূলনীতি হইবে।”
- এই বাক্যে পরিষ্কারভাবে চারটি মৌলিক আদর্শকে সংবিধানের মূলনীতি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

এই ৪টি মৌলিক আদর্শ হলো:
১) জাতীয়তাবাদ (Nationalism)
২) সমাজতন্ত্র (Socialism)
৩) গণতন্ত্র (Democracy)
৪) ধর্মনিরপেক্ষতা (Secularism)
→ এই চারটি আদর্শ রাষ্ট্র পরিচালনার ভিত্তি এবং সংবিধানের মূল কাঠামো গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
৯৫.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর অধীন প্রণীত বিধি কোথায় প্রকাশ করতে হবে?
  1. সরকারি গেজেটে
  2. জাতীয় সংবাদপত্রে
  3. কমিশনের ওয়েবসাইটে
  4. আইন মন্ত্রণালয়ের জার্নালে
সঠিক উত্তর:
সরকারি গেজেটে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারি গেজেটে
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ৩৪ অনুযায়ী বলা হয়েছে:
"এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কমিশন, রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমোদনক্রমে এবং সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে।"
অর্থাৎ, দুর্নীতি দমন কমিশন যদি এই আইনের অধীনে কোনো বিধি বা নিয়ম তৈরি করে, তবে সেটিকে সরকারি গেজেটে প্রকাশ করতে হয়।
- সরকারি গেজেট হলো সরকার কর্তৃক প্রকাশিত একটি অফিসিয়াল প্রকাশনা, যেখানে আইন, বিধি, নীতিমালা ও সরকারী আদেশসমূহ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হয়।
- এই প্রকাশের মাধ্যমে বিধিটি আইনি বৈধতা পায় এবং তা জনগণ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জন্য বাধ্যতামূলক হয়ে দাঁড়ায়।
৯৬.
'Immoveable property shall include land, benefits to arise out of land, and things attached to the earth, or permanently fastened to anything attached to the earth'- The General Clauses Act,1897 এর কত ধারায় এই সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. Section 3(23)
  2. Section 3(25)
  3. Section 3(27)
  4. Section 3(28)
সঠিক উত্তর:
Section 3(25)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 3(25)
ব্যাখ্যা
Section 3(25)
"Immoveable property" shall include land, benefits to arise out of land, and things attached to the earth, or permanently fastened to anything attached to the earth:
 
ধারা ৩(২৫)-
"স্থাবর সম্পত্তি" বলিতে ভূমি, ভূমি হইতে আহরিত সুবিধা, এবং ভূমির সহিত সংযুক্ত কোন বস্তু, অথবা ভূমির সহিত সংযুক্ত কোন কিছুর সহিত স্থায়ীভাবে আবদ্ধ কোন বস্তুকে অন্তর্ভূক্ত করিবে।
৯৭.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইনে জামিন দেওয়ার এখতিয়ার কার আছে?
  1. শুধু পুলিশের
  2. শুধু সরকারের
  3. শুধু বিচারিক আদালতের
  4. বিচারিক ও আপীল আদালত উভয়ের
সঠিক উত্তর:
বিচারিক ও আপীল আদালত উভয়ের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারিক ও আপীল আদালত উভয়ের
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ১৩- জামিন সংক্রান্ত বিধান:
ফৌজদারী কার্যবিধিতে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, রাষ্ট্রকে শুনানীর যুক্তিসংগত সুযোগ দিয়া এবং সংশ্লিষ্ট নথি পর্যালোচনা করিয়া আদালত কিংবা আপীল আদালত যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, এই আইনের অধীন অপরাধ সংঘটনের জন্য অভিযুক্ত কিংবা, ক্ষেত্রমত, দণ্ডপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তিকে জামিন দেওয়া ন্যায়সংগত হইবে তাহা হইলে তদ্‌মর্মে কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া আদালত কিংবা, ক্ষেত্রমত, আপীল আদালত উক্ত ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তির আদেশ দিতে পারিবে৷
৯৮.
The Negotiable Instruments Act, 1881 এর ১৩৮(১) ধারা মতে চেক ডিসঅনারের মামলায় আদালত চেকে বর্ণিত টাকার তিনগুণ অর্থদণ্ড প্রদান করলে তার কী পরিমাণ অভিযোগকারী পাবেন?
  1. অর্থদণ্ডের সম্যক টাকা
  2. চেকের সমপরিমাণ টাকা
  3. চেকের দ্বিগুণ টাকা
  4. অথদণ্ডের অর্ধেক টাকা
সঠিক উত্তর:
চেকের সমপরিমাণ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চেকের সমপরিমাণ টাকা
ব্যাখ্যা
• অপর্যাপ্ত তহবিল, ত্রুটিপূর্ণ স্বাক্ষর ও অন্য যে কোন যথাযথ কারনে বাহক কর্তৃক সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে জমা দেয়া চেক যদি প্রত্যাখ্যাত হয় বা চেকে উল্লেখিত টাকা বাহককে প্রদান করা সম্ভব না হয় সেটিকেই বলা হয় চেক ডিজঅনার। কোন কারনে চেক ডিজঅনার হলে চেক প্রদানকারীর বিরুদ্ধে হস্তারযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ (Negotiable Instrument Act, 1881) অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের সুযোগ রয়েছে।

হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮(১) ধারায় চেক প্রত্যাখিত হবার শাস্তির কথা বলা হয়েছে। এখানে বলা আছে, চেক ডিজঅনারের শাস্তি হল ১ বছরের কারাদণ্ড অথবা চেকে উল্লেখিত টাকার ৩ গুন জরিমানা অথবা উভয়।

হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ১৩৮(২) ধারার বলা হয়েছে, উপ-ধারা(১) মোতাবেক যেক্ষেত্রে অর্থদন্ড আদায় হয় সেক্ষেত্রে আদায়কৃত অর্থদন্ড হতে চেকে বর্ণিত টাকা যতদুর পর্যন্ত আদায়কৃত অর্থদন্ড হতে প্রদান করা সম্ভব চেকের ধারককে প্রদান করতে হবে। সুতরাং চেকের ধারক বা গ্রহীতা চেকে বর্ণিত টাকার বেশী পরিমান অর্থ পাওয়ার অধিকারী নয়। কোন আদালত চেকে বর্ণিত টাকার তিনগুণ পর্যন্ত জরিমানা করলেও বাদীকে চেকে বর্ণিত টাকা প্রদানের নির্দেশ দিয়ে বাকী টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেয়ার নির্দেশ দিবেন।
৯৯.
নাফাকা (Nafaqa) শব্দের অর্থ কী?
  1. ভরণপোষণ
  2. ধর্মীয় শিক্ষা
  3. অগ্রক্রয়
  4. আইনি অভিভাবকত্ব
সঠিক উত্তর:
ভরণপোষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভরণপোষণ
ব্যাখ্যা
নাফাকা (Nafaqa) মুসলিম আইন অনুসারে:
নাফাকা (Nafaqa) শব্দটি আরবি "نفقہ" থেকে এসেছে, যার অর্থ হলো জীবিকা বা ভরণপোষণ, বিশেষ করে প্রয়োজনীয় খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান ইত্যাদি প্রদান। মুসলিম আইন অনুসারে, নাফাকা একটি গুরুত্বপূর্ণ কর্তব্য যা পরিবারিক জীবনের মৌলিক চাহিদা পূরণের জন্য স্বামী, বাবা বা অভিভাবককে প্রদান করতে হয়। খাদ্য, পোশাক, বাসস্থান, স্বাস্থ্যসেবা এবং অন্যান্য মৌলিক চাহিদা নাফাকায় অন্তর্ভুক্ত।

মুসলিম আইনে নাফাকার বিবরণ:
মুসলিম শরিয়াহ অনুসারে, স্বামীর প্রধান দায়িত্ব হলো তার স্ত্রীর জন্য নাফাকা প্রদান। এটি স্বামীর আইনি ও ধর্মীয় কর্তব্য হিসেবে বিবেচিত। স্বামী তার স্ত্রীর খাদ্য, পোশাক, বাসস্থান এবং অন্যান্য মৌলিক চাহিদা পূরণে দায়িত্বশীল। নাফাকার পরিমাণ নির্ধারণ করা হয় সাধারণত স্বামী ও স্ত্রীর আর্থিক অবস্থার ওপর ভিত্তি করে। স্বামী যদি ধনী হয়, তবে স্ত্রীর জন্য তার ভরণপোষণও বেশি হতে পারে। যদি স্বামী দরিদ্র হয়, তবে স্ত্রীর নাফাকা তার আর্থিক সামর্থ্য অনুসারে নির্ধারিত হবে। সাধারণভাবে, নাফাকা এমনভাবে নির্ধারিত হবে যেন স্ত্রীর জীবনযাত্রা স্বাভাবিক থাকে, এবং তার মৌলিক প্রয়োজনগুলো পূর্ণ হয়।
১০০.
দুর্নীতি বিষয়ে অভিযোগ তদন্তের ক্ষেত্রে কমিশন হতে বৈধ ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তির কাজে বাধা প্রদান করলে সংঘটিত অপরাধের সাজা সর্বোচ্চ কত বৎসর কারাদণ্ড?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ১৯ ধারার বিধান অনুসন্ধান বা তদন্তকার্যে কমিশনের বিশেষ ক্ষমতা:
 (১) দুর্নীতি সম্পর্কিত কোন অভিযোগের অনুসন্ধান বা তদন্তের ক্ষেত্রে, কমিশনের নিম্নরূপ ক্ষমতা থাকিবে, যথা:- 
(ক) সাক্ষীর প্রতি নোটিশ জারী ও উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ এবং সাক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা; 
(খ) কোন দলিল উদ্‌ঘাটন এবং উপস্থাপন করা; 
(গ)  সাক্ষ্য গ্রহণ; 
(ঘ) কোন আদালত বা অফিস হইতে পাবলিক রেকর্ড বা উহার অনুলিপি তলব করা; 
(ঙ) সাক্ষীর জিজ্ঞাসাবাদ এবং দলিল পরীক্ষা করার জন্য নোটিশ জারী করা; এবং 
(চ) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নির্ধারিত অন্য যে কোন বিষয়৷ 

(২) কমিশন, যে কোন ব্যক্তিকে অনুসন্ধান বা তদন্ত সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কোন তথ্য সরবরাহ করিবার জন্য নির্দেশ দিতে পারিবে এবং অনুরূপভাবে নির্দেশিত ব্যক্তি তাহার হেফাজতে রক্ষিত উক্ত তথ্য সরবরাহ করিতে বাধ্য থাকিবেন৷ 

(৩) কোন কমিশনার বা কমিশন হইতে বৈধ ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তাকে উপ-ধারা (১) এর অধীন ক্ষমতা প্রয়োগে কোন ব্যক্তি বাধা প্রদান করিলে বা উক্ত উপ-ধারার অধীন প্রদত্ত কোন নির্দেশ ইচ্ছাকৃতভাবে কোন ব্যক্তি অমান্য করিলে উহা দণ্ডনীয় অপরাধ হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অনূর্ধ্ব ৩ (তিন) বছর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে বা অর্থদণ্ডে বা উভয় প্রকার দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷