বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন ও অন্যান্য

মোট প্রশ্ন৩,৮২৪এই পাতা৮৯প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন ও অন্যান্য

PrepBank · পাতা ৩৮ / ৩৮ · ৩,৭০১৩,৭৮৯ / ৩,৮২৪

৩,৭০১.
এশিয়াটিক সোসাইটির প্রতিষ্ঠািতা কে?
  1. স্যার উইলিয়াম জোন্স
  2. লর্ড ক্যানিং
  3. সিরাজুল ইসলাম
  4. লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন
সঠিক উত্তর:
স্যার উইলিয়াম জোন্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্যার উইলিয়াম জোন্স
ব্যাখ্যা
এশিয়াটিক সোসাইটির প্রতিষ্ঠািতা স্যার উইলিয়াম জোন্স।
বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি:
- বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি নাম করণ করা হয়: ১৯৭২ সালে।
- কলকাতা এশিয়াটিক সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৫ জানুয়ারি ১৭৮৪ সালে।
- ভারত ভাগের পর “এশিয়াটিক সোসাইটি অব পাকিস্তান”  প্রতিষ্ঠাতা করা হয়: ৩ জানুয়ারি ১৯৫২।
- বাংলাদেশ এশিয়া সোসাইটি বাংলাপিডিয়া  নামে এনসাইক্লোপেডিয়া বের করে: ২০০৩ সালে।
- বাংলাপিডিয়া সম্পাদনা করেন: ড. সিরাজুল ইসলাম।
- এর লক্ষ্য: এশিয়ার মানুষ ও প্রকৃতি নিয়ে গবেষণা করা।

উল্লেখ্য,
- এশিয়াটিক সোসাইটি অব পাকিস্তান এর প্রথম সম্পাদক: ড. আহমদ হাসান দানী।
- এশিয়াটিক সোসাইটি অব পাকিস্তান এর প্রথম সভাপতি: আব্দুল হামিদ।
- বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি বর্তমান সভাপতি: অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ।

উৎস: বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি।
৩,৭০২.
২০২১ সালে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা পদক লাভ করেন কে?
  1. ক) মোঃ রফিকুল ইসলাম
  2. খ) আব্দুল জব্বার
  3. গ) সফিউদ্দীন আহমেদ
  4. ঘ) রফিকুন নবী
সঠিক উত্তর:
ক) মোঃ রফিকুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মোঃ রফিকুল ইসলাম
ব্যাখ্যা

জাতীয় পর্যায়ে মাতৃভাষার সংরক্ষণ, পুনরুজ্জীবন ও বিকাশে অবদানের স্বীকৃতিসরূপ এবারের এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে অধ্যাপক রফিকুল ইসলামকে।
- আর জাতীয় পর্যায়ে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা সংরক্ষণে অবদানের স্বীকৃতিসরূপ এই সম্মাননা পেয়েছেন খাগড়াছড়ির জাবারাং কল্যাণ সমিতির নির্বাহী পরিচালক মথুরা বিকাশ ত্রিপুরা।
- এছাড়া আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উজবেকিস্তানের গবেষক ইসমাইলভ গুলম মিরজায়েভিচ এবং লাতিন আমেরিকার আদি ভাষাগুলো নিয়ে কাজ করা বলিভিয়ার অনলাইন উদ্যোগ অ্যাক্টিভিজমো লেংকুয়াস বাংলাদেশ সরকারের এই সম্মাননা পেয়েছে।

উৎস: Live Mcq সাম্প্রতিক সমাচার

৩,৭০৩.
সোমপুর বিহার বিশ্ব ঐতিহ্যের স্থান হিসেবে ঘোষিত হয় কবে?
  1. ১৯৮৫ সালে
  2. ১৯৮৭ সালে
  3. ১৯৯৫ সালে
  4. ১৯৯৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫ সালে
ব্যাখ্যা
সোমপুর বিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- এই মহাবিহার বাংলাদেশের নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলায় অবস্থিত।
- এটি প্রাচীন বাংলার একটি বৌদ্ধ বিহার।

⇒ পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- পাল রাজবংশের রাজা ধর্মপাল (৭৮১-৮২১) অষ্টম শতকের শেষ দিকে এ বিহার নির্মাণ করেন।
- সোমপুর বিহার এশিয়া মহাদেশের মধ্যে বৃহত্তম বিহার।
- এর দৈর্ঘ্য পূর্ব-পশ্চিমে ৯১৯ ফুট এবং উত্তর-দক্ষিণে ৯২২ ফুট।
- মূল ভবনে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের জন্য ১৭৭টি কক্ষ ছিল।
- ৮০০ জন ভিক্ষুর বাসপোযোগী ছিল।
- এ বিহারে ১২৫নং কক্ষে মাটির পাত্রে খলিফা হারুন-অর-রশিদের শাসনামলের রৌপ্য মুদ্রা পাওয়া যায়।

উল্লেখ্য,
- ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যের স্থান হিসেবে ঘোষণা দেয়।
 
উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,৭০৪.
বাংলাদেশ কত সালে LDC তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়?
  1. ১৯৭৩ সালে
  2. ১৯৭৪ সালে
  3. ১৯৭৫ সালে
  4. ১৯৭৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা
LDC (Least Developed Countries):
- বাংলাদেশ ২০২৬ সালে LDC হতে উত্তরণ করবে।
- LDC হলো জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন ১৯৭১ সালে তৈরিকৃত বিশ্বের সবচেয়ে অনুন্নত দেশসমূহের একটি তালিকা।
- বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে LDC তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
- বর্তমানে LDC তালিকায় ৪৬টি দেশ রয়েছে।
- এ পর্যন্ত মোট ৬টি দেশ LDC তালিকা থেকে উত্তরণ করতে সমর্থ হয়েছে।
- বাংলাদেশ ২০১৮ সালে প্রথমবারের মতো LDC তালিকা থেকে উত্তরণের যোগ্যতা অর্জন করে।
- অর্জিত লক্ষ্যসমূহ ২০২১ সাল পর্যন্ত অক্ষুণ্ণ থাকায় ২০২৬ সালে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে LDC তালিকা থেকে বের হয়ে যাবে।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৩,৭০৫.
বাংলাদেশে একমাত্র 'World Trade Center' কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. মুন্সীগঞ্জ
  3. নারায়ণঞ্জ
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রথম ও একমাত্র 'ওয়ার্ল্ড' ট্রেড সেন্টার:
- দ্যা ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার চট্টগ্রাম বাংলাদেশে প্রথম ও একমাত্র বাণিজ্যিক কেন্দ্র।
- এটি চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে অবস্থিত।
- চট্টগ্রাম চেম্বার অব কর্মাস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের অর্থায়নে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারটি নির্মাণ করা হয়েছে।
- ২১ তলা ভবনের শীর্ষস্থানীয় এই ভবনটির উচ্চতা ৯০,৭০ মিটার (২৯৮ ফুট)।
- সব আধুনিক সুবিধার ব্যবস্থাসহ ট্রেড সেন্টারটি আন্তর্জাতিক মানের পর্যায়ে আমদানির-রপ্তানিসহ দেশের সামগ্রিক ব্যবসায়িক কার্যক্রমে সাহায্য করে।
- ভবনটি ২০১৬ সালে উদ্বোধন করা হয়ে।

উল্লেখ্য,
- এই ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের মধ্য দিয়ে বিশ্বের ৩২৭টি ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হয় বন্দরনগরী চট্টগ্রাম।

উৎস: World Trade Center Chittagong ওয়েবসাইট।
৩,৭০৬.
কান চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কারপ্রাপ্ত বাংলাদেশের ছায়াছবি-
  1. মুক্তির কথা (১৯৯৯)
  2. মাটির ময়না (২০০২)
  3. অন্তর্যাত্রা (২০০৬)
  4.  রানওয়ে (২০১০)
সঠিক উত্তর:
মাটির ময়না (২০০২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাটির ময়না (২০০২)
ব্যাখ্যা

তারেক মাসুদ:
- মাসুদ, তারেক একজন চলচ্চিত্রকার। 
- ১৯৫৬ সালের ৬ ডিসেম্বর ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার নূরপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- প্রামাণ্যচিত্র মুক্তির গান (১৯৯৫)-এর মাধ্যমে চলচ্চিত্রকার হিসেবে তারেক মাসুদ বাংলাদেশে ব্যাপকভাবে পরিচিত হয়ে ওঠেন।
- মুক্তির গান ‘ফিল্ম সাউথ এশিয়া’ (১৯৯৭) থেকে বিশেষ সম্মাননা অর্জন করে।
- তাঁর প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য কাহিনীচিত্র মাটির ময়নার (২০০২) মাধ্যমে তারেক মাসুদ আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করেন।
- মাটির ময়না (২০০২) বাংলাদেশে নির্মিত প্রথম চলচ্চিত্র যা কান চলচ্চিত্র উৎসবে ফিপ্রেস্কি আন্তর্জাতিক সমালোচক পুরস্কারের আওতায় শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রের পুরস্কার অর্জন করে। 
- তারেক মাসুদের উল্লেখযোগ্য আরও কয়েকটি চলচ্চিত্র হলো অন্তর্যাত্রা (২০০৬), নরসুন্দর (২০০৯) এবং রানওয়ে (২০১০)।
- স্বল্পদৈর্ঘ্য, পূর্ণদৈর্ঘ্য, প্রামাণ্যচিত্র ও অ্যানিমেশন মিলিয়ে তারেক মাসুদ মোট ১৬টি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন।
- ২০১১ সালের ১৩ আগস্ট কাগজের ফুল-এর সুটিংস্পট নির্বাচন করে ফেরার পথে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় তিনি নিহত হন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৩,৭০৭.
‘‘১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ড: প্রবাসে বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যার দুঃসহ দিন’’ বইটির রচয়িতা কে?
  1. শেখ হাসিনা
  2. সায়মা ওয়াজেদ পুতুল
  3. আহমদ কায়কাউস
  4. সরাফ আহমেদ
সঠিক উত্তর:
সরাফ আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরাফ আহমেদ
ব্যাখ্যা
                                     
- ১৫ আগস্ট নির্মম হত্যাকাণ্ডের সময় বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা ছিলেন বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে।
- বেলজিয়াম, জার্মানি, ভারত ও ব্রিটেনে কীভাবে কেটেছিল তাঁদের সেই সব দুঃসহ দিন সেই বর্ণনা রয়েছে বইটিতে।
- ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ সাড়া জাগানো এই বইটির লেখক সরাফ আহমেদ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী এবং জার্মান প্রবাসী সাংবাদিক ও লেখক।
- ২০২১ সালে প্রথমা প্রকাশন থেকে বইটি প্রকাশিত হয়েছে।

সূত্র- প্রথম আলো। 
৩,৭০৮.
The first Bangladeshi who climbed Mount Everest is
  1. ক) Neil Armstrong
  2. খ) Musa Ibrahim
  3. গ) Musa Islam
  4. ঘ) Edmond Hillary
  5. ঙ) Serpa Tenjing
সঠিক উত্তর:
খ) Musa Ibrahim
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Musa Ibrahim
ব্যাখ্যা
এভারেস্ট বিজয়ী:

- বাংলাদেশের প্রথম এভারেস্ট বিজয়ী মুসা ইব্রাহীম।
- ২৩ মে ২০১০ সালে তিনি এভারেস্ট জয় করেন।
- এভারেস্টের দুই দিক থেকে দুইবার জয় করেন এম এ মুহিত।
- বাংলাদেশের প্রথম এভারেস্ট বিজয়ী নারী নিশাত মজুমদার (১৯মে, ২০১২)।
- দ্বিতীয় এভারেস্ট বিজয়ী নারী ওয়াসফিয়া নাজরীন।

তথ্যসূত্র - সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
৩,৭০৯.
সৈয়দ নজরুল ইসলাম জন্মগ্রহণ করেন-
  1. ক) যশোদল
  2. খ) কাপাসিয়া
  3. গ) কুড়িপাড়া
  4. ঘ) সাতুরিয়া
সঠিক উত্তর:
ক) যশোদল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) যশোদল
ব্যাখ্যা
জানুয়ারি, ১৯২৫ সালে যশোদল, কিশোরগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম। তিনি বাংলাদেশের প্রথম উপ-রাষ্ট্রপতি বা বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি। ২৩ জুলাই, ১৯২৫ সালে কাপাসিয়া, গাজীপুরে জন্মগ্রহণ করেন তাজউদ্দীন আহমদ। তিনি বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী।
৩,৭১০.
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রথম টেস্ট অধিনায়ক কে?
  1. নাইমুর রহমান দুর্জয়
  2. আমিনুল ইসলাম বুলবুল 
  3. হাবিবুল বাশার
  4. মোহাম্মদ আশরাফুল
সঠিক উত্তর:
নাইমুর রহমান দুর্জয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইমুর রহমান দুর্জয়
ব্যাখ্যা

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল:
- টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ: ২০০০ সালে।
- প্রথম টেস্ট ম্যাচ: ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর, ভারতের বিপক্ষে।
- অধিনায়ক (প্রথম টেস্টে): নাইমুর রহমান দুর্জয়।
- প্রথম টেস্ট জয়: ২০০৫ সালে, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চট্টগ্রামে।
- প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান: আমিনুল ইসলাম বুলবুল।

উল্লেখ্য,  
- প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি: মুশফিকুর রহিম।
- প্রথম ১০০০ রান সংগ্রাহক: হাবিবুল বাশার।
- শততম টেস্ট ম্যাচ: ২০১৭ সালে, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে, কলম্বোতে অনুষ্ঠিত।
- শততম টেস্টে সেঞ্চুরি: সাকিব আল হাসান।
- বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে নিজের শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করেন- মুশফিকুর রহিম।

• বিশেষ তথ্য-
- মোহাম্মদ আশরাফুল টেস্ট ক্রিকেট ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ ক্রিকেটার হিসেবে সেঞ্চুরি করার রেকর্ড গড়েন।
-তিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করেন ২০০১ সালে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার টেস্ট ম্যাচের তৃতীয় দিনে।

উৎস: ১. ESPNcricinfo.com ও ২. The Business Standard পত্রিকা রিপোর্ট।

৩,৭১১.
'আমার সোনার বাংলা' কবিতার কয়টি চরণ আমাদের জাতীয় সংগীত হিসেবে গৃহীত হয়েছে?
  1. ১০
  2. ১২
  3. ১৬
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত:
- বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের প্রতি বেশি আলোকপাত করা হয়।
- 'আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি' এই গানটির প্রথম ১০ চরন বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গৃহীত।
- এটি প্রথম ১৯০৫ (১৩১২) সালে বঙ্গদর্শন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- গানটির গীতিকার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
- এই গানের সুরকার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর স্বয়ং এবং এতে বাউল গগন হরকরার সুরের প্রভাব রয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৩,৭১২.
লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?
  1. বড় সরদার বাড়ি, সোনারগাঁও
  2. ছোট সরদার বাড়ি,সোনারগাঁও
  3. রাজবাড়ি,ময়মনসিংহ
  4. আহসান মঞ্জিল, ঢাকা
সঠিক উত্তর:
বড় সরদার বাড়ি, সোনারগাঁও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বড় সরদার বাড়ি, সোনারগাঁও
ব্যাখ্যা
বড় সরদার বাড়ি
- সোনারগাঁর পানামনগরের চোখ-ধাঁধানো অপরূপ নিদর্শন বড় সরদার বাড়ি।
- সুলতানি আমলের পথ ধরে মোগল আর সর্বশেষ ব্রিটিশ রাজত্বের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ধারক পুরনো বড় সরদার বাড়ি নির্মাণ করেছেন ঐশ্বর্যকান্ত সাহা সরদার নামের একজন ব্যবসায়ী।
- তখন থেকে পরিচিতি পায় ‘বড় সরদার বাড়ি’।
- পুরনো ভবনের মালিকানা পরিবর্তনের পর ভবন মালিকের ইচ্ছানুযায়ী কিছু অলংকরণকাজ করা হয়।
- ১৩০৮ সালে শ্রীশ্রী যুক্ত গোপীনাথ ও ১৩৩০ সালে জিউর শ্রীশ্রী চরণ ভরসা ভবনটির সংস্কার করেন। 
- স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে সরকার সরদার বাড়ি খ্যাত প্রাচীন ইমারতটি ৫৬ একর ভূমিসহ অধিগ্রহণ করে।
- ১৯৭৯ সালে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর কর্তৃক আংশিক সংস্কারের পর এটিতে বাংলাদেশের বিষেশায়িত লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর গড়ে তোলা হয়।

উৎস: সোনারগা উপজেলার ওয়েবসাইট।
৩,৭১৩.
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৭২
  2. খ) ১৯৭৫
  3. গ) ১৯৮০
  4. ঘ) ১৯৯৫
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৮০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৮০
ব্যাখ্যা
• প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮০ সালে

• প্রথম (১৯৭৩-৭৮) এবং দ্বিতীয় (১৯৮০-৮৫) পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাকালে বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় দেশের ৮টি অঞ্চলে ৪৪টি থানায় International Development Agency (IDA)-এর অধীনে সার্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষা (Universal Primary Education) প্রবর্তিত হয়।
- এছাড়া প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় উপানুষ্ঠানিক শিক্ষার (Non-formal Education) জন্য একটি ব্যাপক পরিকল্পনা গৃহীত হয়, যেমন গণবিদ্যালয়, সাক্ষরতা বিদ্যালয়, ফিডার স্কুল (Feeder School) যা প্রাথমিক শিক্ষার অগ্রসরকল্পে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে।

• এছাড়া, বিদ্যমান প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম অন্তর্বর্তীকালীন দ্বি-বার্ষিক পরিকল্পনায়ও (১৯৭৮-৮০) অপরিবর্তিত ছিল।
- দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণের সময়ে প্রাথমিক শিক্ষার সফল উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি স্বতন্ত্র প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরও প্রতিষ্ঠিত হয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া
 
৩,৭১৪.
'কবর' নাটকটি কত সালে লেখা হয়েছিল?
  1. ১৯৫২ সালে
  2. ১৯৫৩ সালে
  3. ১৯৫৪ সালে
  4. ১৯৫৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৩ সালে
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের নাটকের ইতিহাসে মুনীর চৌধুরীর লেখা ‘কবর’ নাটকটি স্মরণীয় নাম।
- কারাগারের ভেতরে বসে প্রতিকূল পরিস্থিতিতে এই নাটকটি যেভাবে লেখা এবং মঞ্চস্থ করা হয়েছিল।
- 'কবর' নাটকটি লেখা হয়েছিল ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে, কারারক্ষীদের চোখ ফাঁকি দিয়ে।
- রাতে কারাগারের বাতি নিভিয়ে দেয়া হলে লণ্ঠনের আলোয় সেই নাটকের প্রথম মঞ্চায়ন হয়েছিল ঢাকা কারাগারে।
- তখন কারাগারে থাকা কমিউনিস্ট নেতা রণেশ দাশগুপ্তের অনুরোধে ভাষা আন্দোলনে হত্যাকাণ্ড নিয়ে তিনি ‘কবর’ নাটক লেখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক কারাবন্দী অধ্যাপক মুনীর চৌধুরী।
- নাটকটি মুনীর চৌধুরী লেখা শেষ করেছিলেন ১৯৫৩ সালের ১৭ জানুয়ারি আর জেলখানায় অভিনীত হয়েছিল ২১ ফেব্রুয়ারি।
- পরবর্তীতে এটি ভাষা আন্দোলন নিয়ে বাংলাদেশে মঞ্চায়িত হওয়া অন্যতম জনপ্রিয় নাটকে পরিণত হয়েছে।

উৎস: বিবিসি বাংলা (১৭ জানুয়ারি ২০২৩)
৩,৭১৫.
OIC-এর কততম সম্মেলনে বাংলাদেশ এর সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
সঠিক উত্তর:
২য়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২য়
ব্যাখ্যা
OIC:
- OIC-এর পূর্ণরূপ: The Organisation of Islamic Cooperation.
- এটি একটি ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা।
- এটি মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট।
- গঠিত হয়: ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯, মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে।
- ইসরাইল কর্তৃক আল আকসা মসজিদে অগ্নিসংযোগের প্রেক্ষাপটে OIC গঠিত হয়।
- প্রথম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়: রাবাত, মরক্কো (১৯৬৯ সালে)।

⇒ প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ২৪টি।
- বর্তমান সদস্য: ৫৭টি।
- সদরদপ্তর: জেদ্দা, সৌদি আরব।
- বর্তমান মহাসচিব: ইব্রাহিম তাহা।
- এর অফিসিয়াল ভাষা: আরবি, ইংরেজি এবং ফরাসি।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ OIC-এর সদস্যপদ লাভ করে ১৯৭৪ সালে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৪ সালের ২২ - ২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে ইসলামী সম্মেলন সংস্থার (OIC) দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনে বাংলাদেশ ওআইসির সদস্যপদ (৩২তম) লাভ করে।

উৎস: OIC ওয়েবসাইট।
৩,৭১৬.
‘টেরিটোরিয়াল ওয়াটারস অ্যান্ড মেরিটাইম জোনস অ্যাক্ট, ১৯৭৪’ কে প্রণয়ন করেন?
  1. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  2. শেখ হাসিনা
  3. দিতমীর বুশানি
  4. এ কে আব্দুল মোমেন
সঠিক উত্তর:
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
টেরিটোরিয়াল ওয়াটারস অ্যান্ড মেরিটাইম জোনস অ্যাক্ট, ১৯৭৪:
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালে বঙ্গোপসাগরের সামুদ্রিক সম্পদের উপর বাংলাদেশের মানুষের সার্বভৌমত্ব ও সার্বভৌম অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং সমুদ্র সম্পদ অনুসন্ধান ও আহরণের নিমিত্ত ‘Territorial Waters and Maritime Zones Act, 1974’ প্রণয়ন করেন।
- পরবর্তীতে, ১৯৮২ সালে United Nations Convention on the Law of the Sea (UNCLOS, 1982) জাতিসংঘে পাশ হয়।
- এরই ধারাবাহিকতায়, UNCLOS, 1982, আন্তর্জাতিক আইনসমূহ এবং সমুদ্রসীমা নির্ধারণ সংক্রান্ত মামলার রায়সমূহের যথাযথ প্রতিফলনের নিমিত্ত ‘Territorial Waters and Maritime Zones Act, 1974’ আইনটিকে অধিকতর সংশোধনপূর্বক ‘Territorial Waters and Maritime Zones (Amendment) Act, 2021’- এর খসড়া প্রস্তুত করা হয় এবং পরবর্তীতে লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভোটিং গ্রহণ করা হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,৭১৭.
বাংলাদেশ প্রথম ওয়ানডে এবং টেস্ট সিরিজ জয় করে কোন দেশের বিপক্ষে?
  1. পাকিস্তান
  2. দক্ষিণ আফ্রিকা
  3. জিম্বাবুয়ে
  4. নেদারল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
জিম্বাবুয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিম্বাবুয়ে
ব্যাখ্যা
 বাংলাদেশ  ক্রিকেটে :
- বাংলাদেশ প্রথম ওয়ানডে এবং টেস্ট সিরিজ জয় করে জিম্বাবুয়ে বিপক্ষে।
- বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে ১৯৯৭ সালে।
- ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে।
- ১৭ মে, ১৯৯৮ সালে কেনিয়ার বিপক্ষে একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে প্রথম জয় পায়।
- ২০০৫ সালে বাংলাদেশ প্রথম ওয়ানডে সিরিজ জয় লাভ করে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।
- বাংলাদেশ টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে ২০০০ সালে।
- ২০০০ সালের ১০ই নভেম্বর বাংলাদেশ সর্বপ্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে ভারতের বিপক্ষে।
- ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশ টেস্ট ম্যাচে প্রথম জয় পায়।
- ১০ জানুয়ারি, ২০০৫ সালে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট সিরিজ জয় লাভ করে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।

 উৎস: দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮।
৩,৭১৮.
দেশের প্রথম 'জুলাই শহিদ স্মৃতিস্তম্ভ' উদ্বোধন করা হয়েছে কোথায়?
  1. রাজশাহী 
  2. খুলনা
  3. কুমিল্লা
  4. নারায়ণগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
ব্যাখ্যা
জুলাই শহিদ স্মৃতিস্তম্ভ:
- নারায়ণগঞ্জে দেশের প্রথম 'জুলাই শহিদ স্মৃতিস্তম্ভ' উদ্বোধন করা হয়েছে।
- শহীদদের স্মরণে সরকারি উদ্যোগে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সহায়তায় নির্মিত হয়েছে এই স্মৃতিস্তম্ভ।
- ১৩ জুলাই, ২০২৫ জেলার সদর উপজেলার হাজীগঞ্জ এলাকায় স্মৃতিস্তম্ভটি উদ্বোধন করেন অন্তর্বর্তী সরকারের পাঁচ উপদেষ্টা।
- স্মৃতিস্তম্ভের ফলকে ২১ জন শহিদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

সূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন।
৩,৭১৯.
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার অনুপাত কত?
  1. ১০:৬
  2. ৬:৪
  3. ৫:৬
  4. ১২:৬
সঠিক উত্তর:
১০:৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০:৬
ব্যাখ্যা

জাতীয় পতাকা:
- পতাকা বিধি (১৯৭২) অনুসারে জাতীয় পতাকার রং গাঢ় সবুজ এবং সবুজ অংশের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত।
- আয়তাকার এই পতাকার অনুপাত হচ্ছে অনুপাত: ১০:৬ (৫:৩)।
- লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে পতাকার মোট দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ।
- প্রথম অবস্থায় পতাকার কেন্দ্রস্থলে বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত ছিল।
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার এই রূপটি ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি সরকারিভাবে গৃহীত হয়।

⇒ ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ছাত্রনেতারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যে পতাকা উত্তোলন করেন সে পতাকার আদলে মুজিবনগর সরকার জাতীয় পতাকার নমুনা নির্ধারণ করেন।
- শিবনারায়ণ দাস বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পতাকার অন্যতম এবং মূল নকশাকার।
- তিনি একজন ছাত্রনেতা ও স্বভাব আঁকিয়ে ছিলেন।
- ১৯৭০ সালের ৬ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইকবাল হলের (বর্তমান শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল) ১১৬ নং কক্ষে রাত এগারটার পর পুরো পতাকার নকশা সম্পন্ন করেন।
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা করেন কামরুল হাসান।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩,৭২০.
দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র জেনোসাইড মিউজিয়াম কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. রাজশাহী
  4. খুলনা
সঠিক উত্তর:
খুলনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুলনা
ব্যাখ্যা
• গণহত্যা জাদুঘর:
- একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে গণহত্যা-নির্যাতনের স্মৃতিকে জনমানসে তুলে ধরতে ২০১৪ সালে খুলনায় বেসরকারি উদ্যোগে সরকারি সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠিত হয় '১৯৭১: গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘর'
, সংক্ষেপে যেটি 'গণহত্যা জাদুঘর' নামে পরিচিত।
- এই গণহত্যা জাদুঘর দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র জাদুঘর যারা একাত্তরের নির্মমতার স্মৃতি সংরক্ষণ, প্রদর্শন ও একাত্তরে সংগঠিত গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ে কাজ করে চলেছে।
- ১১ সদস্যের ট্রাস্টি বোর্ডের অধীনে এটি পরিচালিত হয়।
- একাত্তরের গণহত্যায় শহিদদের নানা স্মৃতি স্মারক-এরমাধ্যমেমুক্তিযুদ্ধের ভয়াবহ গণহত্যা এখানে তুলে ধরা হয়েছে।
- জাদুঘরের দেয়ালজুড়ে একাত্তরের আলোকচিত্র আর শিল্পকর্মে ফুটে উঠেছে শিউরে ওঠেন জাদুঘর পরিদর্শনেআসা স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ দেশি ও বিদেশি পরিদর্শকবৃন্দ।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
৩,৭২১.
গৌড়মতি কোন ফসলের জাত?
  1. ধানের জাত
  2. আমের জাত
  3. আলুর জাত
  4. গমের জাত
সঠিক উত্তর:
আমের জাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমের জাত
ব্যাখ্যা

গৌড়মতি আম: 
- গৌড়মতি একটি নতুন জাতের আম।
- এটি চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলায় আবিষ্কৃত হয়েছে এবং
- এটি নাবি জাতের অর্থাৎ মৌসুমের শেষের দিকে পাওয়া যায়।
- আশ্বিনা ও ল্যাংড়া জাতের আমের প্রাকৃতিক পরাগায়নের মাধ্যমে এটির উৎপত্তি হয়েছে বলে কৃষিবিদদের ধারণা।
- গৌড় অঞ্চলের নাম অনুসারে এবং মূল্যবান বৈশিষ্ট্যের কারণে এর নাম রাখা হয়েছে ‘গৌড়মতি’। 

আমের অন্যান্য জাতসমূহের মধ্যে রয়েছে:
- মহানন্দা, আম্রপালি, হিমসাগর বা ক্ষীরসাপাত, ফজলি, ল্যাংড়া, হাড়িভাঙ্গা, মোহনভোগ, বান্দিগুড়ি, গোপালভোগ ও সূর্যপুরীসহ বিভিন্ন জাতের আম। 

এছাড়াও, 
উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

সূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট

৩,৭২২.
সাগরকন্যা বলা হয় কোন জেলাকে?
  1. ভোলা
  2. কক্সবাজার
  3. চট্রগ্রাম
  4. পটুয়াখালী
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী
ব্যাখ্যা
- পটুয়াখালী জেলাকে বলা হয় সাগরকন্যা।
- বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত এ জেলারই ঐতিহ্য বহনকারী বেলাভূমি।
- অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি সাগর কন্যা কুয়াকাটা। 
- একই স্থানে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত অবলোকন করার মনোমুগ্ধকর পর্যটন স্পট।

উৎস: পটুয়াখালী জেলার ওয়েবসাইট। 
৩,৭২৩.
বাংলাদেশের জাতীয় নারী ক্রিকেট দলের ক্যাপ্টেন কে? [জুলাই, ২০২৫]
  1. নিগার সুলতানা জ্যোতি
  2. ফারজানা হক
  3. শারমিন আক্তার
  4. নাহিদা আক্তার
সঠিক উত্তর:
নিগার সুলতানা জ্যোতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিগার সুলতানা জ্যোতি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল:
- বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) দ্বারা পরিচালিত একটি আন্তর্জাতিক নারী ক্রিকেট দল।
- এটি বাংলাদেশকে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় প্রতিনিধিত্ব করে।
- বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দলের বর্তমান অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি।

- বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে ২০১১ সালে যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে।
- এশিয়া কাপের শিরোপা জয় লাভ করে ২০১৮ সালে।
- টেস্ট ক্রিকেটে মর্যাদা পায় ২০২১ সালে ।
- একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম নারী সেঞ্চুরিয়ান ফারজানা হক পিংকি।

উল্লেখ্য,
- ২০২৫ সালের নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপের সূচি ঘোষণা করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। এই টুর্নামেন্টটি ভারত এবং শ্রীলঙ্কায় আয়োজন করা হবে।
- বিশ্বকাপ শুরু হবে ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে।
- এই বিশ্বকাপের প্রথম পর্বে চার ভেন্যুতে সাতটি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ।
- বাংলাদেশ তাদের শেষ ম্যাচটি খেলবে ভারতের বিপক্ষে। ২৬ অক্টোবর সেই ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে বেঙ্গালুরুতে।

উৎস: i) বিসিবি।
ii) ICC ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
৩,৭২৪.
২০২৫ সালে সমাজসেবায় স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেছেন কে?
  1. স্যার ফজলে হাসান আবেদ
  2. মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ
  3. অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম
  4. বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর
সঠিক উত্তর:
স্যার ফজলে হাসান আবেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্যার ফজলে হাসান আবেদ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫:
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫' পেয়েছেন ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি।
• বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর)।
• সাহিত্য: মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর)।
• সংস্কৃতি: নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর)।
• সমাজসেবা: স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর)।
• মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতি: মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর)।
• শিক্ষা ও গবেষণা: জনাব বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর।
• প্রতিবাদী তারুন্য: আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রি পরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।
৩,৭২৫.
পাহাড়পুরের 'সোমপুর বিহার' কোন শাসনামলের স্থাপত্য নিদর্শন?
  1. পাল
  2. সেন
  3. মৌর্য
  4. গুপ্ত
সঠিক উত্তর:
পাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাল
ব্যাখ্যা
সোমপুর বিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- প্রাচীন বাংলার এই বৌদ্ধ বিহার নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলায় অবস্থিত।

⇒ পাল রাজবংশের রাজা ধর্মপাল (৭৮১-৮২১) অষ্টম শতকের শেষ দিকে এ বিহার নির্মাণ করেন।
- সোমপুর বিহার এশিয়া মহাদেশের মধ্যে বৃহত্তম বিহার।
- এর দৈর্ঘ্য পূর্ব-পশ্চিমে ৯১৯ ফুট এবং উত্তর-দক্ষিণে ৯২২ ফুট।
- মূল ভবনে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের জন্য ১৭৭টি কক্ষ ছিল।

⇒ প্রত্নস্থলটি ১৯০৯ সালের পুরাকীর্তি আইনের আওতায় ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগ কর্তৃক ১৯১৯ সালে সংরক্ষিত পুরাকীর্তি হিসেবে ঘোষিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,৭২৬.
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের পক্ষে দ্রুততম সেঞ্চুরি করেন কে? [জুন, ২০২৫]
  1. তানজিদ তামিম
  2. তৌহিদ হৃদয়
  3. লিটন কুমার দাস
  4. পারভেজ হোসেন ইমন
সঠিক উত্তর:
পারভেজ হোসেন ইমন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারভেজ হোসেন ইমন
ব্যাখ্যা
বাংলাাদেশ টি–টোয়েন্টি ক্রিকেট:
- পারভেজ হোসেন ইমন দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে পেয়েছেন আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরি।
- সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করেন।
- সময়: ১৭মে ২০২৫।
- প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচে [ তিন ম্যাচের সিরিজে]
- এটি বাংলাদেশের দ্রুত্বতম টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরি।
- এর আগের ২০১৬ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ধর্মশালায় ওমানের বিপক্ষে ৬০ বলে সেঞ্চুরি করা তামিম ইকবাল।
- ব্যাট থেকে সেই ম্যাচে এসেছিল ৬৩ বলে ১০৩ রানের ইনিংস।
- পারভেজ আজ ফিফটি পেয়েছেন ২৮ বলে।
- সেঞ্চুরি করেছেন তামিমের চেয়ে কম (৫৩) বল খেলে।
- টি–টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের হয়ে এটিই তাই দ্রুততম সেঞ্চুরি এখন পারভেজ হোসেন ইমন।  

উৎস: প্রথম আলো। [লিঙ্ক]
৩,৭২৭.
ষষ্ঠ বাংলাদেশি হিসেবে মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেছেন-
  1. বাবর আলী
  2. ইকরামুল হাসান শাকিল
  3. মো. খালেদ হোসাইন
  4. শাওন হাসান
সঠিক উত্তর:
ইকরামুল হাসান শাকিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইকরামুল হাসান শাকিল
ব্যাখ্যা

ইকরামুল হাসান শাকিল:
- ৬ষ্ঠ বাংলাদেশি হিসেবে মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেছেন ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ২০২৫ সালের ১৯ মে তিনি এভারেস্ট চূড়া জয় করেন।
- সবচেয়ে কম সময়ে এই দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে নতুন রেকর্ডও গড়েছেন তিনি।
- কক্সবাজার থেকে হেঁটে গিয়ে পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে বাংলাদেশের পতাকা ওড়ালেন ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ইকরামুল হাসান তাঁর এই অভিযানের নাম দিয়েছেন ‘সি টু সামিট’, অর্থাৎ সমুদ্র থেকে শৃঙ্গ।
- শাকিলের 'সি টু সামিট' অভিযাত্রা শুরু হয় ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ তারিখে কক্সবাজার থেকে।
- এরপর ৯০ দিনের মধ্যেই বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালের মধ্য দিয়ে প্রায় এক হাজার ৩০০ কিলোমিটার দীর্ঘ পথ পাড়ি দেন এবং ২৯ হাজার ৩১ ফুট উচ্চতার এভারেস্ট জয় করেন।

⇒ এখন পর্যন্ত ছয়জন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয় করেছেন।
- তাঁরা হলেন মুসা ইব্রাহীম, এম এ মুহিত, নিশাত মজুমদার, ওয়াসফিয়া নাজরীন, মো. খালেদ হোসাইন, বাবর আলী, ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ১ম বাংলাদেশি: মুসা ইব্রাহিম, ২০১০ সালের ২৩ মে।
- ২য় বাংলাদেশি: এম এ মুহিত, ২০১১ সালের ২১ মে।
- ৩য় বাংলাদেশি: নিশাত মজুমদার, ২০১২ সালের ১৯ মে।
- ৪র্থ বাংলাদেশি: ওয়াসফিয়া নাজরিন, ২০১২ সালের ২৬ মে।
- ৫ম বাংলাদেশি: বাবর আলী, ২০২৪ সালের ১৯ মে।
- ৬ষ্ঠ বাংলাদেশি: ইকরামুল হাসান শাকিল, ২০২৫ সালের ১৯ মে।

এছাড়াও,
- মো. খালেদ হোসেন, ২০১৩ সালের ২০ মে মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন। তবে চূড়া থেকে নামার পথে দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি। তাই এভারেস্ট জয়ী হিসেবে নিবন্ধিত হতে পারেননি।

উৎস: i) The Business Standard.
ii) প্রথম আলো।

৩,৭২৮.
বাংলাদেশের সাহিত্যে সর্বোচ্চ পুরষ্কার কোনটি?
  1. ক) ২১শে পদক
  2. খ) স্বাধীনতা দিবস পুরষ্কার
  3. গ) বাংলা একাডেমি পুরষ্কার
  4. ঘ) শিশু একাডেমি পুরষ্কার
সঠিক উত্তর:
গ) বাংলা একাডেমি পুরষ্কার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বাংলা একাডেমি পুরষ্কার
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার বাংলাদেশের সাহিত্যে সর্বোচ্চ পুরষ্কার।
- বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার  বাংলা ভাষা ও সাহিত্য ক্ষেত্রে সামগ্রিক অবদানের জন্য লেখকদের সৃজনী প্রতিভার স্বীকৃতি স্বরূপ এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- ১৯৬০ সালে এ পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়।
- বাংলা সাহিত্যের ১০টি শাখায় এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- প্রতিটি পুরস্কারের মূল্যমান ৩,০০,০০.০০ (তিন লক্ষ) টাকা।
- প্রতি বছর মাসব্যাপী আয়োজিত অমর একুশে গ্রন্থমেলা ও অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পুরস্কার প্রাপ্তদের পুস্কারের অর্থমূল্যের চেক, সম্মাননা পত্র ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন।

• স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার
- স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার।
- মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ স্বীকৃতি স্বরূপ ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ সরকার এ পুরস্কার প্রবর্তন করে।

সূত্র: বাংলা একাডেমি ও বাংলাপিডিয়া
 
৩,৭২৯.
’টোকাই’ কার অনবদ্য সৃষ্টি কর্ম?
  1. মুর্তজা বশীর
  2. রফিকুন নবী
  3. রশীদ চেীধুরী
  4. মোস্তফা মনোয়ার
সঠিক উত্তর:
রফিকুন নবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রফিকুন নবী
ব্যাখ্যা
রফিকুন নবী:
- রনবী’ নামেই তিনি জনসাধারণের কাছে বিপুল সমাদৃত।
- তাঁর অনবদ্য সৃষ্টি ‘টোকাই’–এর প্রতিকৃতি।
- সুবিধাবঞ্চিত শিশুটি এই বিত্তবৈভবে তিলোত্তমা রাজধানীর ফুটপাতে সড়কবাতির পাশে বসে-শুয়ে খুব সহজ–সরল ভাষায় মাত্র দু-একটি কথায় বলে যাচ্ছে সমাজের পর্বতপ্রমাণ অসংগতির কথা।

⇒ অপরদিকে,
- মোস্তফা মনোয়ার মীনা কার্টুনের স্রষ্টা। 
- ২৪ সেপ্টেম্বর মীনা দিবস ঘোষণা করা হয়।
- মর্তুজা বশীর চিত্রশিল্পী ও কার্টুনিস্ট।
- তার বিখ্যাত সিরিজ  এপিটাফ।
- রশীদ চেীধুরী বয়ন শিল্পের ভিন্নতর মাধ্যম ট্যাপোস্টির জনক।
- তার চিত্রকর্ম তেল রং, গুয়াশ ও জল রং ব্যবহার করেন।

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো।
৩,৭৩০.
ঢাকার বড় কাটরা ও ছোট কাটরা শহরের নিম্নোক্ত একটি এলাকায় অবস্থিত?
  1. চকবাজার
  2. সদরঘাট
  3. লালবাগ
  4. ইসলামপুর
সঠিক উত্তর:
চকবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চকবাজার
ব্যাখ্যা
• বড় কাটরা ও ছোট কাটরা:
বড় কাটরা ও ছোট কাটরা ঢাকা শহরের — চকবাজার এলাকায় অবস্থিত।

বড় কাটরা:
- মুগল রাজধানী ঢাকার চক বাজারের দক্ষিণে বুড়িগঙ্গা নদীর পাড়ে অবস্থিত।
- শাহ সুজা বাংলাদেশে অন্যতম মুঘল স্থাপত্য ‘বড় কাটরা’ নির্মাণ করেন।
- ১৬৪৪ সালে শাহ সুজা বড় কাটরা নির্মাণ করেন।

ছোট কাটরা:
- পুরাতন ঢাকার একটি মুঘল স্থাপত্য নিদর্শন।
- এটি বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে পুরান ঢাকার চকবাজারের হাকিম হাবিবুর রহমান লেনে অবস্থিত।
- মুঘল সুবাদার শায়েস্তা খান ১৬৬৪ সালের দিকে এটি নির্মাণ করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩,৭৩১.
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. হোসেন মোহাম্মদ এরশাদ
  2. ড. মোস্তফা নূর ইসলাম
  3. শেখ মুজিবুর রহমান
  4. তাজউদ্দিন আহমেদ
সঠিক উত্তর:
শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী
- দেশব্যাপী সংস্কৃতি চর্চার বিকাশ ও প্রসারে ১৯৭৪ সালের এই দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শিল্পকলা একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেন।
- বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী  বাংলাদেশে সংস্কৃতিচর্চার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র।
- বাংলাদেশের সকল জেলা ও থানা (বর্তমানে উপজেলা) পর্যায়ে শিল্পকলার চর্চা ও বিকাশের উদ্দেশে সাবেক পাকিস্তান আর্টস কাউন্সিল ভেঙ্গে দিয়ে ১৯৭৪ সালে জাতীয় সংসদের এক বিধিবলে এটি ঢাকার রমনা থানার সেগুনবাগিচায় প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় কর্তৃক পরিচালিত।
- পাঁচটি বিভাগের মাধ্যমে একাডেমীর যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- একাডেমীর সর্বোচ্চ নির্বাহী কর্মকর্তা হচ্ছেন মহাপরিচালক।
- সরকার কর্তৃক নিযুক্ত এই মহাপরিচালকই সার্বিক প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেন।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 
৩,৭৩২.
নিম্নের কোনটি ইউনেস্কোর 'মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড' তালিকায় স্থান পেয়েছে?
  1. সুলতানা’স ড্রিম
  2. পদ্মা নদীর মাঝি
  3. চিলেকোঠার সেপাই
  4. পুতুলনাচের ইতিকথা
সঠিক উত্তর:
সুলতানা’স ড্রিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুলতানা’স ড্রিম
ব্যাখ্যা
Sultana’s Dream:
- Sultana’s Dream গ্রন্থটি রোকেয়া নিজেই বাংলায় অনুবাদ করেন সুলতানার স্বপ্ন নামে।
- এটি একটি প্রতীকী রচনা এবং এতে বর্ণিত Lady Land বা নারীস্থান মূলত রোকেয়ারই স্বপ্নকল্পনার প্রতীক।
- 'Sultana’s Dream' গ্রন্থটি রোকেয়া নিজেই বাংলায় অনুবাদ করেন সুলতানার স্বপ্ন নামে।
- এটি একটি প্রতীকী রচনা এবং এতে বর্ণিত Lady Land বা নারীস্থান মূলত রোকেয়ারই স্বপ্নকল্পনার প্রতীক।

উল্লেখ্য,
- জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা ইউনেসকোর ‘বিশ্বস্মৃতি’ বা ‘ওয়ার্ল্ড মেমোরি’র তালিকায় স্থান পেয়েছে রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের লেখা নারীর মুক্তিপ্রত্যাশী উপন্যাস ‘সুলতানা’স ড্রিম’।
- এর মধ্য দিয়ে বাংলা অঞ্চলে নারীস্বাধীনতার অন্যতম পথিকৃৎ রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের ঐতিহ্যগত উত্তরাধিকারের স্বীকৃতি পায় বাংলাদেশ।
- মঙ্গোলিয়ার রাজধানী উলান বাটোরে ইউনেসকোর ‘মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড কমিটি ফর এশিয়া অ্যান্ড প্যাসিফিক’ বা মৌক্যাপের দশম সাধারণ সভায় ঘোষণাটি দেওয়া হয়।

⇒ বাংলাদেশের পক্ষ থেকে মৌক্যাপের কাছে ‘সুলতানা’স ড্রিম’-এর নামের আবেদন জানিয়েছিল মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর।
- ৮ - ১০ মে, ২০২৪ মঙ্গোলিয়ার উলান বাটোরে অনুষ্ঠিত হয় মৌক্যাপের সাধারণ সভা।
- সেখানে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এ স্বীকৃতি গ্রহণ করেন মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি মফিদুল হক। 

অন্যদিকে,
- অপশনের বাকি তিনটি স্থান পায়নি।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) প্রথম আলো।
৩,৭৩৩.
‘আদিনাথ মন্দির’ কোথায় অবস্থিত?
  1. সন্দ্বীপে
  2. কুতুবদিয়া দ্বীপে
  3. সোনাদিয়া দ্বীপে
  4. মহেশখালী দ্বীপে
সঠিক উত্তর:
মহেশখালী দ্বীপে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহেশখালী দ্বীপে
ব্যাখ্যা
আদিনাথ মন্দির:
- চর্তুদিকে সাগর বেষ্টিত মহেশখালী দ্বীপের অন্যতম দর্শনীয় স্থান আদিনাথ মন্দির।
- ষোড়শ থেকে অষ্টাদশ শতাব্দীর মধ্যে আদিনাথ মন্দিরটি প্রতিষ্ঠিত হয় বলে ধারণা করা হয়। 
- সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে ২৮৮ ফুট উঁচু মৈনাক পাহাড় চূঁড়ায় আদিনাথ মন্দিরটি অবস্থিত।
- মন্দিরের দৈর্ঘ্য ১০.৮৭ মিটার,  প্রস্থ ৮.৬২ মিটার, উচ্চতা ৫.৯৩ মিটার।
- আদিনাথ মন্দিরের পাদদেশে রাখাইন সম্প্রদায়ের একটি পাড়া ও ঠাকুরতলা বৌদ্ধ বিহার নামে একটি বিহার রয়েছে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,৭৩৪.
২০ জুলাই ২০২৩ জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায় কোনটি?
  1. সিলেটের মনিপুরি শাড়ী
  2. নাটোরের কাঁচাগোল্লা
  3. বাংলাদেশের শীতলপাটি
  4. বগুড়ার দই
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের শীতলপাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের শীতলপাটি
ব্যাখ্যা
জিআই (GI):
- জিআই (GI) এর পূর্ণরুপ হলো (Geographical indication) ভৌগলিক নির্দেশক।
- WIPO (world intellectual property organization) হলো জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রতিষ্ঠান।
- ভৌগোলিক নির্দেশক (Geographical indication) হচ্ছে একটি প্রতীক বা চিহ্ন, যা পণ্য ও সেবার উৎস, গুণাগুণ ও সুনাম ধারণ এবং প্রচার করে।

বাংলাদেশের GI পণ্য সমূহ:
- বাংলাদেশের প্রথম জিআই পণ্য হিসেবে নিবন্ধন পায় জামদানি।
- এরপর একে একে ঢাকাই মসলিন, রাজশাহীর সিল্ক, রংপুরের শতরঞ্জি, নেত্রকোনার বিজয়পুরের সাদা মাটি, দিনাজপুরের কাটারিভোগ, বাংলাদেশি কালিজিরা, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ক্ষীরশাপাতি আম, ইলিশ, বাগদা চিংড়িসহ ১৭টি পণ্য জিআই সনদ পায়।

উল্লেখ্য,
- ২০ জুলাই ২০২৩ তারিখে ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে বাংলাদেশের শীতলপাটি। 

উৎস: পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তর, শিল্প মন্ত্রনালয়। [লিঙ্ক] 
৩,৭৩৫.
বাংলাদেশ ভারতের মধ্যে মোট কয়টি ছিটমহল বিনিময় হয়?
  1. ক) ১১১ টি
  2. খ) ৫১ টি
  3. গ) ১৬২ টি
  4. ঘ) ১৫২ টি
সঠিক উত্তর:
গ) ১৬২ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৬২ টি
ব্যাখ্যা
- ছিটমহল বিনিময় কার্যকর হয় ২০১৫ সালের ৩১ জুলাই মধ্যরাতে।
- বাংলাদেশ ভারতের মধ্যে মোট ১৬২ টি ছিটমহল বিনিময় হয়।
- বাংলাদেশের মধ্যে থাকা ভারতের ১১১টি ছিটমহল বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত।
- ভারতের মধ্যে থাকা বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল ভারতের অন্তর্ভুক্ত।
- বাংলাদেশের ভাগে অন্তর্ভুক্ত ১৭,১৬০ একর জায়গা।
- ভারতের ভাগে অন্তর্ভুক্ত ৭১১০ একর জায়গা।

উৎস: Live MCQ লেকচার।
৩,৭৩৬.
কোন বাংলাদেশি দুই বার এভারেস্ট জয় করেন?
  1. মুসা ইব্রাহীম
  2. এম এ মুহিত
  3. বাবর আলী
  4. নিশাত মজুমদার
সঠিক উত্তর:
এম এ মুহিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এম এ মুহিত
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশি এভারেস্ট জয়ী:
- বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম এভারেস্ট পর্বত বা মাউন্ট এভারেস্ট (Mount Everest)।
- ১৯৫৩ সালে এডমন্ড হিলারি ও তেনজিং নোরগে নেপালের দিক থেকে দক্ষিণ-পূর্ব শৈলশিরা ধরে প্রথম এই শৃঙ্গ জয় করেন।
- বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশ হচ্ছে ৬৭তম এভারেস্টজয়ী দেশ।
- এখন পর্যন্ত ৫ জন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয় করেছেন।
- তাঁরা হলেন মুসা ইব্রাহীম, এম এ মুহিত, নিশাত মজুমদার, ওয়াসফিয়া নাজরীন ও বাবর আলী।
- প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ২৩ মে ২০১০ সালে প্রথম এভারেস্ট জয় করেন মুসা ইব্রাহীম। নারীদের মধ্যে প্রথম বাংলাদেশি এভারেস্টজয়ী হচ্ছেন নিশাত মজুমদার।
- এম এ মুহিত একমাত্র বাংলাদেশি, যিনি দুবার এভারেস্ট জয় করেছেন।
- সর্বশেষ ১৯ মে, ২০২৪ সালে এভারেস্ট জয় করেন বাবর আলী।

উল্লেখ্য,
- মো. খালেদ হোসেন, ২০১৩ সালের ২০ মে মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন।
- তবে চূড়া থেকে নামার পথে দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি।
- তাই এভারেস্ট জয়ী হিসেবে নিবন্ধিত হতে পারেননি।

তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথম আলো- ২৯ আগস্ট ২০২২, দৈনিক কালের কণ্ঠ- ৬ ডিসেম্বর, ২০২২ ও দ্যা ডেইলি স্টার- ১৯ মে, ২০২৪।
৩,৭৩৭.
বর্তমানে জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি কে? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
  1. আতাউল করিম
  2. মো. জসীম উদ্দিন
  3. সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী
  4. আব্দুল মালেক চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি:
- জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হলেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের অগ্রণী প্রতিনিধি।
- ২০ অক্টোবর, ২০২৪ তারিখে সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরীকে সরকার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে বাংলাদেশের নতুন স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে।
- তিনি সেখানে মোহাম্মদ আব্দুল মুহিতের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন।

উল্লেখ্য,
- রাষ্ট্রদূত চৌধুরী ২০২০ সালের ১১ নভেম্বর কাঠমান্ডুতে বাংলাদেশ দূতাবাসে যোগদান করেন।
- কূটনৈতিক জীবনে চৌধুরী নয়াদিল্লি, ইসলামাবাদ, এবং নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশ মিশনে বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
৩,৭৩৮.
বাংলাদেশ জাতিসংঘের কোন শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে প্রথম অংশগ্রহণ করে?
  1. United Nations Iran-Iraq Military Observer Group (UNIIMOG)
  2. United Nations Operation in the Congo (ONUC)
  3. United Nations Observer Mission in Sierra Leone (UNOMSIL)
  4. United Nations Iraq-Kuwait Observation Mission (UNIKOM)
সঠিক উত্তর:
United Nations Iran-Iraq Military Observer Group (UNIIMOG)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
United Nations Iran-Iraq Military Observer Group (UNIIMOG)
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশ:
- জাতিসংঘের নিজস্ব কোন শান্তিরক্ষা বাহিনী নেই।
- ১৯৪৮ সালে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন শুরু হয়।
- ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ১৩৬তম সদস্য হিসাবে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।

⇒ বাংলাদেশের সেনাবাহিনীও জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছে।
- সর্বপ্রথম বাংলাদেশ ১৯৮৮ সালে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সৈন্য পাঠায়।
- ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশ দুটি অপারেশনে অংশগ্রহণ করে, একটি ইরাক-ইরান (UNIIMOG) এবং অন্যটি নামিবিয়া (UNTAG)।
- UNIIMOG মিশনে ১৫ জন সদস্য প্রেরণ করে আনুষ্ঠানিকভাবে শান্তিরক্ষী মিশন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে।
- ১৯৮৮ সালে সেনাবাহিনীর ১৫ সদস্যের একটি পর্যবেক্ষকদল ইরাক-ইরান শান্তি রক্ষা কার্যক্রমে যোগ দেয়।

উৎস: i) United Nations in Bangladesh ওয়েবসাইট।
ii) ARMED FORCES DIVISION ওয়েবসাইট।
৩,৭৩৯.
শিক্ষা ও গবেষণা ক্ষেত্রে স্বাধীনতা পুরস্কার, ২০২৫ পেয়েছেন কে?
  1. অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম
  2. স্যার ফজলে হাসান আবেদ
  3. বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর
  4. মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান
সঠিক উত্তর:
বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর
ব্যাখ্যা

স্বাধীনতা পুরস্কার, ২০২৫:
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫' পেয়েছেন ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি।
• বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর)।
• সাহিত্য:  মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর)।
• সংস্কৃতি: নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর)।
• সমাজসেবা: স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর)।
• মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতি: মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর)।
• শিক্ষা ও গবেষণা: বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর।
• প্রতিবাদী তারুন্য: আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রি পরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।

৩,৭৪০.
বাংলাদেশ কত সালে ইসলামী সম্মেলন সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা
ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা (OIC):
- ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট।
- ইসরাইল কর্তৃক আল আকসা মসজিদে অগ্নিসংযোগের প্রেক্ষাপটে মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯ তারিখে OIC গঠিত হয়।

⇒ প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ২৪টি।
- সদরদপ্তর: জেদ্দা, সৌদি আরব।
- বর্তমান মহাসচিব: ইব্রাহিম তাহা।
- বর্তমান সদস্য: ৫৭টি।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৪ সালে পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত ওআইসির ২য় শীর্ষ সম্মেলনে সদস্য পদ লাভ করে বাংলাদেশ। 
- ১৯৭৪ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে আয়োজিত ইসলামী সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) সম্মেলনে তত্কালীন মুসলিম বিশ্বের সমস্যা এবং সম্ভাবনা তুলে ধরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এক যুগান্তকারী বক্তব্য দেন।
- বাংলাদেশ OIC-এর ৩২তম সদস্য।

উৎস: OIC ওয়েবসাইট।
৩,৭৪১.
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ বেসরকারি ক্ষুদ্রঋণ দানকারী সংস্থা কোনটি?
  1. স্বনির্ভর বাংলাদেশ
  2. প্রশিকা
  3. আশা
  4. ব্র্যাক
সঠিক উত্তর:
ব্র্যাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্র্যাক
ব্যাখ্যা
ব্র্যাক (বাংলাদেশ রুরাল এডভান্সমেন্ট কমিটি):
- ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ বেসরকারি ক্ষুদ্রঋণ দানকারী সংস্থা হলো ব্র্যাক।
- দরিদ্র মানুষের ক্ষমতায়নের জন্য বিশেষত নারীর ক্ষমতায়নের জন্য সংস্থাটি কাজ করে থাকে।

স্বনির্ভর বাংলাদেশ:
- স্বনির্ভর বাংলাদেশের আত্মপ্রকাশ ১৯৭৫ সালে।
- শুরুতে কৃষি ও বন মন্ত্রণালয়ের সাথে একটি সংযুক্ত সেল হিসেবে কাজ করে।
- বেসরকারি সমাজ উন্নয়নমূলক সংস্থা হিসেবে তৃণমূল জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কাজ শুরু করে ১৯৮৫ সালে।

প্রশিকা:
- ১৯৭৫ সালে ঢাকা ও কুমিল্লা জেলার কয়েকটি গ্রামে কাজ শুরু করে।
- প্রশিকা সমিতির সদস্যদের টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচির আওতায় পরিবেশসম্মত কৃষি, সেচ, পশুসম্পদ বৃদ্ধি, মৌমাছি পালন, মৎস্য চাষ, সামাজিক বনায়ন, বসতবাড়িতে বাগান, বীজ উৎপাদন, ক্ষুদ্র ব্যবসা ইত্যাদি কার্যক্রম চালাচ্ছে।

আশা (এসোসিয়েশন্স ফর সোশ্যাল এডভান্সমেন্ট):
- আশা ১৯৯২ সাল হতে ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচি পরিচালনা করে আসছে।
- আশা বর্তমানে আত্মনির্ভর ক্ষুদ্রঋণদানকারী সংস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভকরেছে।

উৎস: অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩,৭৪২.
বঙ্গবন্ধু জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের কততম অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ প্রদান করেন?
  1. ৩০তম
  2. ২৯তম
  3. ২৮তম
  4. ৩১তম
সঠিক উত্তর:
২৯তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯তম
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ:
- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- জাতিসংঘের বর্তমান সদস্য ১৯৩টি।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ৮ আগস্ট জাতিসংঘের সদস্যপদের জন্য আবেদন করে।
- ১০ আগস্ট, ১৯৭২ সালে চীন বাংলাদেশের সদস্যপদের বিরুদ্ধে ভেটো প্রদান করে।
- স্থায়ী সদস্য হওয়ার পর এটি ছিল চীনের প্রথম ভেটো।
- ১৯৭২ সালের ১৭ অক্টোবর জাতিসংঘে পর্যবেক্ষকের মর্যাদা লাভ করে।
- বাংলাদেশের জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সাল।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬ তম সদস্য। 
- বাংলাদেশকে প্রথম জাতিসংঘ সংস্থায় সদস্যরূপে স্বাগত জানায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
- ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সালে সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলায় ভাষণ প্রদান করেন।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৩,৭৪৩.
মহাস্থানগড় কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. করতোয়া
  2. আত্রাই
  3. কপোতাক্ষ
  4. মধুমতি
সঠিক উত্তর:
করতোয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
করতোয়া
ব্যাখ্যা
মহাস্থানগড়:
- মহাস্থানগড় করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত।
- পূর্বে মহাস্থানগড়ের নাম ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর।
- বগুড়া শহর হতে ১৫ কিঃমিঃ দূরে পুণ্ড্রবর্ধনের প্রশাসনিক কেন্দ্রবিন্দু ছিল এই মহাস্থানগড়।
- মহাস্থানগড় সমগ্র বাংলার সর্বপ্রধান ও সর্বপ্রাচীন এ দূর্গনগরী।
- সমগ্র বাংলার সর্বপ্রধান ও সর্বপ্রাচীন এ দুর্গ নগরী ইটের বেষ্টনী প্রাচীর দ্বারা সুরক্ষিত যা উত্তর দক্ষিনে ১৫২৫ মিঃদীর্ঘ এবং পূর্ব পশ্চিমে ১৩৭০মিঃ প্রশস্থ ও চতুপার্শ্বস্থ সমতল ভূমি হতে ৫মিঃ উঁচু।
- কয়েক শতাব্দী পর্যন্ত এ স্থান পরাক্রমশালী মৌর্য, গুপ্ত এবং পাল শাসকবর্গের প্রাদেশিক রাজধানী ও পরবর্তীকালে হিন্দু সমান্ত রাজাগণের রাজধানী ছিল।
- বিখ্যাত চীনা পরিব্রাজক হয়েন সাঙ ভারতবর্ষ ভ্রমণকালে (৬৩৯-৬৪৫) পুন্ড্রনগর পরিদর্শন করেন।

তথ্যসূত্র - বগুড়া জেলা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৩,৭৪৪.
বাংলাদেশ কখন জাতিসংঘের LDC (Least Developed Countries) তালিকাভুক্ত হয়?
  1. ১৯৭৫ সালে
  2. ১৯৮৫ সালে
  3. ১৯৯৫ সালে
  4. ১৯৬৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা

LDC:
- LDC-এর পূর্ণরূপ: Least Developed Countries বা স্বল্পোন্নত দেশ।
- ১৯৭১ সালের ১৮ নভেম্বর প্রথম স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা করা হয়।
- প্রারম্ভিক তালিকায় ২৫টি দেশ অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- বর্তমানে ৪৪টি দেশ এলডিসি তালিকাভুক্ত।
- মাথাপিছু কম জাতীয় আয়, অনুন্নত মানবসম্পদসহ আর্থসামাজিক উন্নয়নে নিম্ন সূচকের দেশগুলোই এলডিসির অন্তর্ভুক্ত।
- সিডিপি তিনটি সূচক যথা মাথাপিছু জাতীয় আয়, মানবসম্পদ সূচক এবং অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত ভঙ্গুরতা সূচকের ভিত্তিতে তিন বছর পরপর স্বল্পোন্নত দেশগুলোর আর্থসামাজিক পরিস্থিতি মূল্যায়নের মাধ্যমে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের বিষয় পর্যালোচনা করে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
- ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বর থেকে বাংলাদেশ এ তালিকা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার কথা।
- এলডিসি থেকে বের হলে বাংলাদেশের কিছু বাণিজ্য ও অন্যান্য সুবিধা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।
- LDC থেকে মুক্ত হলে বাংলাদেশ ৩টি সুবিধা হারাবে।
- বাংলাদেশ যদি স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বেরিয়ে যায়, তাহলে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে শুল্কছাড় সুবিধা কমবে, বিদেশি ঋণের সুদের হার বাড়বে এবং দেশি শিল্পকারখানা তীব্র প্রতিযোগিতায় পড়ে অনেকগুলো বন্ধ হওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে।
- কিছু দেশ ও অঞ্চলে বাংলাদেশের বাণিজ্যে শুল্কছাড় সুবিধা ২০২৯ সাল পর্যন্ত থাকবে, আর ওষুধ উৎপাদনে মেধাস্বত্বে ছাড় সুবিধা থাকবে ২০৩৩ সাল পর্যন্ত।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) UN ওয়েবসাইট। 

৩,৭৪৫.
বাঘা মসজিদ জেলায় অবস্থিত্য?
  1. বগুড়া
  2. দিনাজপুর
  3. টাঙ্গাইল
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
ব্যাখ্যা
বাঘা মসজিদ:
- বাঘা মসজিদ রাজশাহী শহরের বাঘা উপজেলায় অবস্থিত।
- একটি উঁচু টিলার উপর টেরাকোটা অলংকরণে সমৃদ্ধ দশ গম্বুজ বিশিষ্ট অতুলনীয় বাঘা মসজিদটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম মসজিদ গুলির অন্যতম।
- বাংলার (গৌড়) সুলতান নশরত শাহের আমলে ১৫২৩ খৃষ্টাব্দে মসজিদটি নির্মাণ করা হয়।
- মসজিদ চত্ত্বরের পার্শ্বেই রয়েছে একাধিক পীর আউলিয়াগনের মাজার।
- মসজিদটি ২৫৬ বিঘা জমির ওপর অবস্থিত। সমভুমি থেকে থেকে ৮-১০ ফুট উঁচু করে মসজিদের আঙিনা তৈরি করা হয়েছে।
- মসজিদটিতে সর্বমোট ১০টি গম্বুজ, ৪টি মিনার (যার শীর্ষদেশ গম্বুজাকৃতির) এবং ৫টি প্রবেশদ্বার রয়েছে।
- এই মসজিদটি চারদিক হতে প্রাচীর দিয়ে ঘেরা এবং প্রাচীরের দু’দিকে দু’টি প্রবেশদ্বার রয়েছে। মসজিদের ভিতরে-বাইরে সবর্ত্রই টেরাকোটার নকশা রয়েছে।

তথ্যসূত্র - রাজশাহী জেলা ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
৩,৭৪৬.
Sheikh Hasina Rural Development Academy will be established in which district of Bangladesh?
  1. ক) Jessore
  2. খ) Rangpur
  3. গ) Jamalpur
  4. ঘ) Gopalganj
সঠিক উত্তর:
গ) Jamalpur
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Jamalpur
ব্যাখ্যা
- জামালপুরের পল্লী উন্নয়ন একাডেমির নাম হবে শেখ হাসিনা পল্লী উন্নয়ন একাডেমি, জামালপুর।
- বাংলাদেশে আরও দুটি পল্লী উন্নয়ন একাডেমি হচ্ছে।
- এর মধ্যে একটি হবে জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায়, আরেকটি রংপুর জেলায়।
- আর রংপুর পল্লী উন্নয়ন একাডেমির নাম হবে শেখ রাসেল পল্লী উন্নয়ন একাডেমি, রংপুর।
- মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই দুটি একাডেমি করার জন্য আইনের খসড়া চূড়ান্তভাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

উৎস:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, এপ্রিল ২০২২।
৩,৭৪৭.
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সর্বশেষ কোন পুরস্কারে ভূষিত হন?
  1. ক) সেরেস
  2. খ) হুপে-বোয়ানি
  3. গ) এসডিজি অগ্রগতি
  4. ঘ) চ্যাম্পিয়ন অব দ্যা আর্থ
সঠিক উত্তর:
গ) এসডিজি অগ্রগতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এসডিজি অগ্রগতি
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘ পরিবেশ উন্নয়ন কর্মসূচি দেশে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিবেশ এবং টেকসই উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখার জন্য লিডারশীপ ক্যাটাগরিতে শেখ হাসিনাকে তাদের সর্বোচ্চ পুরস্কার ‘চ্যাম্পিয়ন অব দ্যা আর্থ-২০১৫’ পুরস্কারে ভূষিত করেছে।
-  এছাড়া, টেকসই ডিজিটাল কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য International Telecommunication Union (ITU) শেখ হাসিনাকে ICTs in Sustainable Development Award-2015 প্রদান করে।
-  নারী শিক্ষা ও উদ্যোক্তা তৈরিতে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি ২৭ এপ্রিল ২০১৮ Global Women’s Leadership Award-এ ভূষিত হন। - ইনস্টিটিউট অব সাউথ এশিয়ান উইমেন ২০১৯  সালে তাঁকে Lifetime Contribution for Women Empowerment Award প্রদান করে। - জাতিসংঘের সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট সল্যুশনস নেটওয়ার্ক (এসডিএসএন) কর্তৃক তিনি ২০২১ সালে ‘এসডিজি অগ্রগতি’ পুরস্কারে ভূষিত হন।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে সুদীর্ঘ ২৫ বছরের গৃহযুদ্ধ অবসানের ক্ষেত্রে শেখ হাসিনার অসামান্য অবদানের জন্য ১৯৯৮ সালে ইউনেস্কো তাঁকে ‘হুপে-বোয়ানি’ (Houphouet-Boigny) শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করে।
- জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি ক্ষুধার বিরুদ্ধে আন্দোলনের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ শেখ হাসিনাকে সম্মানজনক ‘সেরেস’ (CERES) মেডেল প্রদান করে।
 
উৎস : প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের ওয়েবসাইট
৩,৭৪৮.
"বাংলা একাডেমি সাম্মানিক ফেলোশিপ- ২০২৪" লাভ করেন কত জন বিশিষ্ট ব্যক্তি?
  1. ৫জন
  2. ৬জন
  3. ৭জন
  4. ১০জন
সঠিক উত্তর:
৭জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭জন
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
-----------------
• "বাংলা একাডেমি সাম্মানিক ফেলোশিপ-২০২৪":
বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সাতজন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে বাংলা একাডেমি সাম্মানিক ফেলোশিপ ২০২৪ এর জন্য মনোনীত করা হয়।

বাংলা একাডেমি সাম্মানিক ফেলোশিপ-২০২৪ পুরস্কারপ্রাপ্ত গুণীজণরা হলেন:
১. মঈদুল হাসান - মুক্তিযুদ্ধ।
২. রিচার্ড এম ইটন - ইতিহাস।
৩. অধ্যাপক ডা. সায়েবা আখতার - চিকিৎসাবিজ্ঞান।
৪. ড. ফেরদৌসী কাদরী - বিজ্ঞান।
৫. সুগত চাকমা - ভাষা গবেষণা।
৬. শহিদুল আলম - শিল্পকলা।
৭. শম্ভু আচার্য - শিল্পকলা।

এছড়াও, 
বাংলা একাডেমি পরিচালিত ছয়টি পুরস্কার ও পুরস্কার বিজয়ী:
→ সা’দত আলি আখন্দ সাহিত্য পুরস্কার ২০২৪
পুরস্কার বিজয়ী: সদ্য প্রয়াত অনুবাদক ও গবেষক মোহাম্মদ হারুন-উর-রশিদ।
→ সাহিত্যিক মোহম্মদ বরকতুল্লাহ প্রবন্ধসাহিত্য পুরস্কার ২০২৪
পুরস্কার বিজয়ী: প্রাবন্ধিক-গবেষক ড. ওয়াকিল আহমদ।
→ কবীর চৌধুরী শিশুসাহিত্য পুরস্কার ২০২৪
পুরস্কার বিজয়ী: শিশুসাহিত্যিক আবু সালেহ। 
→ অধ্যাপক মমতাজউদদীন আহমদ নাট্যজন পুরস্কার ২০২৪
পুরস্কার বিজয়ী: নাট্যজন নায়লা আজাদ।
→ আবু রুশ্দ সাহিত্য পুরস্কার ২০২৪
পুরস্কার বিজয়ী: কথাসাহিত্যিক নাসিমা আনিস।
→ রাবেয়া খাতুন কথাসাহিত্য পুরস্কার ২০২৪
পুরস্কার বিজয়ী: কথাসাহিত্যিক সুশান্ত মজুমদার & কথাসাহিত্যিক সুমন মজুমদার।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো নিউজ। [লিঙ্ক]
৩,৭৪৯.
বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য পদে যোগদান করেছে কোন সালে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ও জাতিসংঘ:
 স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ৮ আগস্ট জাতিসংঘের সদস্যপদের জন্য আবেদন করে।
- ১০ আগস্ট, ১৯৭২ সালে চীন বাংলাদেশের সদস্যপদের বিরুদ্ধে ভেটো প্রদান করে।
- জাতিসংঘে পর্যবেক্ষকের মর্যাদা লাভ করে ১৯৭২ সালের ১৭ অক্টোবর।
- বাংলাদেশের জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬ তম সদস্য।

উল্লেখ্য,
- বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতিসংঘের ৭৯তম অধিবেশনে ভাষণ প্রদান করেন।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৩,৭৫০.
বাংলা একাডেমীর বর্তমান মহাপরিচালক কে? (জানুয়ারি, ২০২৬)
  1. অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক
  2. অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম
  3. অধ্যাপক মযহারুল ইসলাম
  4. অধ্যাপক মুহম্মদ নূরুল হুদা
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম
ব্যাখ্যা

 • বাংলা একাডেমি:
- বাংলা একাডেমী বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সর্ববৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ১৩৬২ বঙ্গাব্দের ১৭ অগ্রহায়ণ (৩ ডিসেম্বর, ১৯৫৫) ঢাকার বর্ধমান হাউসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলা একাডেমীর বর্তমান মহাপরিচালকের নাম- অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম (জানুয়ারি, ২০২৫)।
- বাংলা একাডেমির বর্তমান সভাপতি -অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক (জানুয়ারি, ২০২৫)।
- আবু হোসেন সরকার ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক বর্ধমান হাউসে (স্থাপিত ১৯০৬) বাংলা একাডেমীর উদ্বোধন করেন।
- প্রথম মহপরিচালক- প্রফেসর মযহারুল ইসলাম।
- বাংলা একাডেমির প্রথম সভাপতি মাওলানা আঁকরাম খাঁ (১৯৬১ সাল)।
- বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার দেওয়া হয় - ১৯৬০ সাল থেকে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলা একাডেমী ওয়েবসাইট।

৩,৭৫১.
২০২৫ সালে মোট কতজন ব্যক্তিকে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়?
  1. ১২ জন
  2. ১৩ জন
  3. ১৪ জন
  4. ১৫ জন
সঠিক উত্তর:
১৪ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ জন
ব্যাখ্যা

২০২৫ সালের নোবেল বিজয়ী:
- ২০২৫ সালে মোট ১৪ জন ব্যক্তিকে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়।

⇒ সাহিত্য:
- ২০২৫ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার জিতেছেন হাঙ্গেরিয়ান লেখক লাজলো ক্রাজনাহরকাই।
- অবদান: 'ভয়ঙ্কর পরিস্থিতিতেও শিল্পের শক্তি দেখানো তার প্রভাবশালী ও দূরদর্শী সাহিত্যকর্মের জন্য' তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।

⇒ শান্তি:
- ২০২৫ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন ভেনেজুয়েলার রাজনীতিবিদ ও মানবাধিকারকর্মী মারিয়া কোরিনা মাচাদো।
- অবদান: ভেনেজুয়েলার জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় অবিরাম প্রচেষ্টা এবং একনায়কতন্ত্র থেকে ন্যায়ভিত্তিক ও শান্তিপূর্ণ গণতন্ত্রে উত্তরণের সংগ্রামের জন্য নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

⇒ চিকিৎসাবিজ্ঞান:
- ২০২৫ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন
• ম্যারি ই. ক্রনকো,
• ফ্রেড রামসডেল ও
• শিমন সাকাগুচি।
- অবদান: মানবদেহের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থার কার্যপ্রণালী বিষয়ে গবেষণার জন্য দুই মার্কিন ও এক জাপানি গবেষক এই পুরস্কার পান।

⇒ পদার্থবিজ্ঞান:
- ২০২৫ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন
• জন ক্লার্ক,
• মিশেল দেভরেট ও
• জন এম মার্টিনিস।
- অবদান: ম্যাক্রোস্কোপিক কোয়ান্টাম মেকানিক্যাল টানেলিং এবং ইলেকট্রিক সার্কিটে এনার্জি কোয়ান্টাইজেশন গবেষণার জন্য তারা নোবেল পান।

⇒ রসায়ন:
- ২০২৫ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন
• সুসুমু কিতাগাওয়া,
• রিচার্ড রবসন ও
• ওমর এম. ইয়াগি।
- অবদান: মেটাল-অর্গানিক ফ্রেমওয়ার্ক নামে নতুন একধরনের আণবিক কাঠামো আবিষ্কারের জন্য তারা এ পুরস্কার পান।

⇒ অর্থনীতি:
- ২০২৫ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন
• ইওয়েল মোকিয়র,
• ফিলিপ আগিয়োঁ ও
• পিটার হাউইট।
- অবদান: উদ্ভাবননির্ভর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ব্যাখ্যা করার জন্য ২০২৫ সালে তাদের নোবেল পুরস্কার দেওয়া হলো।

তথ্যসূত্র - Nobel Prize ওয়েবসাইট।

৩,৭৫২.
 বাংলাদেশ প্রথম কত সালে অলিম্পিকে অংশগ্রহণ করে?
  1. ১৯৭৬ সালে
  2. ১৯৮০ সালে 
  3. ১৯৮৪ সালে 
  4. ১৯৮৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৪ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৪ সালে 
ব্যাখ্যা

• অলিম্পিকে বাংলাদেশ:

- ১৯৮০ সালেই মস্কো অলিম্পিকে অংশ নেওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশের। কিন্তু শেষ মুহূর্তে গেমস বয়কট করে।
- ১৯৮৪ লস অ্যাঞ্জেলেস গেমসে বাংলাদেশ প্রথম ক্রীড়াবিদ পাঠায়।
- তিন সদস্যের ওই দলে একমাত্র ক্রীড়াবিদ ছিলেন সাইদুর রহমান ডন।
- মার্চপাস্টে বাংলাদেশ দলের পতাকা বহন করেন তিনি।
- দলনেতা ছিলেন তৎকালীন জাতীয় ক্রীড়া নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের সভাপতি মেজর জেনারেল একেএস আবদুল ওয়াহেদ।
- ম্যানেজার ছিলেন খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার আবদুর রহমান।
- ১৯৮৮ সালে সিউলে আট সদস্যের বাংলাদেশ দল অংশ নেয়। তাদের মধ্যে ছয়জন ক্রীড়াবিদ ও দুজন কর্মকর্তা।
- এরপর নিয়মিত অলিম্পিক গেমসে লাল-সবুজের পতাকা উড়ছে। 
- এখন পর্যন্ত কোনো আসরেই পদক জেতা হয়নি বাংলাদেশের

উৎস: বাংলা ট্রিবিউন।

৩,৭৫৩.
'চেতনা ৭১' ভাস্কর্যটি কোথায় অবস্থিত?
  1. খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে
  2. শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে
  3. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে
  4. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
সঠিক উত্তর:
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে
ব্যাখ্যা

'চেতনা ৭১’:
- শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাধীনতার ভাস্কর্য ‘চেতনা ৭১’।
- এই ভাস্কর্যটির নকশা করেছেন স্থপতি নৃপল খান।
- নির্মাণ কাজে নিয়োজিত ছিলেন তারই সংগঠন ‘নৃ’ এর স্কুল অব স্কালপচার।
- চেতনা ৭১ ভাস্কর্যটি রূপ লাভ করে ২০১১ সালের ৩০ জুলাই।
- ভাস্কর্যটিতে বর্তমান সময়ের শিক্ষার্থীদের আদলে ব্যবহার করা হয়েছে। পোশাক ও আনুষঙ্গিক উপকরণও বর্তমান সময়ের। মডেলে ছাত্রের হাতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উঁচুতে তুলে ধরার ভঙ্গিমা এবং ছাত্রীর হাতে বই, যা বাংলাদেশের সংবিধানের প্রতীক নির্দেশ করে।
- একাডেমিক ভবনগুলোর সঙ্গে মিল রেখে বেদির নিচের প্লট ৩টা বানানো হয়েছে সিরামিক ইট দিয়ে।
- প্লেটটির ব্যাস ১৫ ফুট, মাঝের প্লেটের ব্যাস সাড়ে ১৩ ফুট এবং উপরের প্লেট ১২ ফুট। প্রত্যেকটি আবার ১০ ইঞ্চি করে উঁচু। প্লেট ৩টার উপরে মূল বেদিটি হবে ৪ ফুট উঁচু, তার উপরে ৮ ফুট উঁচু ফিগার।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকা ও ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট।

৩,৭৫৪.
২০২৫ সালে কোন বাংলাদেশি স্থপতি আগা খান স্থাপত্য পুরস্কার লাভ করেন?
  1. মাজহারুল ইসলাম
  2. মেরিনা তাবাশ্যুম
  3. কাজী গোলাম নাসির
  4. ফেরদৌসী রহমান
সঠিক উত্তর:
মেরিনা তাবাশ্যুম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেরিনা তাবাশ্যুম
ব্যাখ্যা

আগা খান স্থাপত্য পুরস্কার:
- ২০২৫ সালে আগা খান স্থাপত্য পুরস্কার লাভ করে মেরিনা তাবাশ্যুম।
- মেরিনা তাবাশ্যুম ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’–এর প্রধান পরামর্শক।

⇒ বাংলাদেশের খ্যাতিমান স্থপতি মেরিনা তাবাশ্যুম দ্বিতীয় দফায় স্থাপত্যের সম্মানজনক স্বীকৃতি আগা খান পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন।
- তাঁর নকশা করা ‘খুদি বাড়ি’ প্রকল্প আগা খান স্থাপত্য পুরস্কার–২০২৫–এর জন্য মনোনীত হয়েছে।
- সেপ্টেম্বর, ২০২৫-এ কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে এই পুরস্কারের জন্য মেরিনা তাবাশ্যুমসহ সাত বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হয়।
- বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারপারসন মেরিনা তাবাশ্যুম প্রথম বাংলাদেশি স্থপতি, যিনি দ্বিতীয়বার এ পুরস্কার জিতেছেন। 
- মেরিনা তাবাশ্যুম এর আগে ২০১৬ সালে ঢাকার দক্ষিণখানে বাইতুর-রউফ মসজিদের নকশার জন্য আগা খান স্থাপত্য পুরস্কার জিতেছিলেন। সুলতানি আমলের স্থাপত্যের আদলে নকশা করা এ মসজিদ ২০১২ সালে নির্মিত হয়।

উল্লেখ্য,
- প্রয়াত প্রিন্স করিম আগা খান চতুর্থ ১৯৭৭ সালে আগা খান পুরস্কার প্রবর্তন করেন। এ পুরস্কারের মাধ্যমে এমন নির্মাণশৈলী চিহ্নিত করে উৎসাহ দেওয়া হয়, যাতে মুসলিম অধ্যুষিত জনগোষ্ঠীর আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটে।

উৎস: প্রথম আলো।

৩,৭৫৫.
নিচের কোনটি ড. ইউনূসের লেখা একটি বই?
  1. Wings of Fire
  2. Banker to the Poor
  3. Ignited Minds
  4. Poverty is Destiny
সঠিক উত্তর:
Banker to the Poor
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Banker to the Poor
ব্যাখ্যা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।
- অধ্যাপক ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
- মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এই পুরস্কার লাভ করেন।
- ড. ইউনূস বিশ্ব খাদ্য পুরস্কারসহ আরও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছেন।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ সরকারের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান করা হয়।

উল্লেখ্য,
- গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ ইউনূসের আত্মজীবনী ইংরেজি ভাষায় লেখা ‘ব্যাংকার টু দ্যা পুওর’ (Banker to the Poor)।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বজুড়ে আলোচিত তার তিন শূন্য বা থ্রি জিরো তত্ত্বের জন্য।
- সেগুলো হচ্ছে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনা।
 
সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও পত্রিকা রিপোর্ট ।
৩,৭৫৬.
স্টারলিংক বাংলাদেশে বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কত বছরের লাইসেন্স পেয়েছে? [মে, ২০২৫]
  1. ৫ বছর
  2. ১০ বছর
  3. ১৫ বছর
  4. ২০ বছর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে স্টারলিংক:
- স্যাটেলাইটের মাধ্যমে বাংলাদেশে ইন্টারনেট সেবা দেবে ইলন মাস্কের মালিকানাধানী প্রতিষ্ঠান স্টারলিংক ।
- প্রতিষ্ঠানটিকে ১০ বছর মেয়াদে দুটি লাইসেন্স দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।
- লাইসেন্স দুটি হলো: নন-জিওস্টেশনারি স্যাটেলাইট অরবিট অপারেটর লাইসেন্স, রেডিও কমিউনিকেশন অ্যাপারেটার্স লাইসেন্স।
- প্রথম লাইসেন্সটি হস্তান্তর করেছে বিটিআরসির লাইসেন্সিং বিভাগ, যার মাধ্যমে স্টারলিংক বাংলাদেশে তাদের বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে।
- দ্বিতীয় লাইসেন্সটি হস্তান্তর করা হয় বিটিআরসির স্পেকট্রাম বিভাগ থেকে; যার আওতায় ইন্টারনেট–সেবা প্রদানের জন্য অনুমোদিত তরঙ্গ ব্যবহার করাসহ বেতার যন্ত্র ও আনুষঙ্গিক যন্ত্রাংশ আমদানি ও ব্যবহার করতে পারবে স্টারলিংক।

উল্লেখ্য,
- দেশে স্টারলিংক ইন্টারনেটের পরীক্ষামূলক ব্যবহার শুরু হয় ৯ এপ্রিল, ২০২৫।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [LINK]
৩,৭৫৭.
স্বাধীন বাংলাদেশে ১০০ টাকার নোট কবে প্রথম চালু করা হয়?
  1. ১৬ মার্চ, ১৯৭২
  2. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
  3. ৪ মার্চ, ১৯৭২
  4. ৪ জানুয়ারি, ১৯৭৩
সঠিক উত্তর:
৪ মার্চ, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ মার্চ, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
• স্বাধীন বাংলাদেশে ১০০ টাকার নোট প্রথম চালু হয় — ৪ মার্চ, ১৯৭২ তারিখে।

• বাংলাদেশের প্রচলিত মুদ্রা:
- ২০০৮ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রথম ১০০০ টাকার নোট প্রচলন করে।
- ১৯৭২ সালে ১, ৫, ১০ ও ১০০ টাকার নোট প্রচলন হয়।
- ১৯৭৫ সালে : ৫০ টাকার নোট
- ১৯৭৭ সালে : ৫০০ টাকার নোট
- ১৯৮০ সালে : ২০ টাকার নোট
- ১৯৮৯ সালে : ২ টাকার নোট
- ২০২০ সালে : ২০০ টাকার নোট।

সূত্র: প্রথম আলো ও বাংলাদেশ ব্যাংক। 
৩,৭৫৮.
নজরুল মঞ্চ কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র
  2. খ) ময়মনসিংহে
  3. গ) শিল্পকলা একাডেমী
  4. ঘ) বাংলা একাডেমি
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাংলা একাডেমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাংলা একাডেমি
ব্যাখ্যা
নজরুল চত্বর ও নজরুল মঞ্চ অবস্থিত বাংলা একাডেমিতে। (সূত্রঃ বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট)
৩,৭৫৯.
বাংলাদেশের প্রথম সিনেমা হলের নাম কী?
  1. পিকচার হাউজ
  2. সিনেমা হাউজ
  3. মধুমিতা
  4. রূপমহল
সঠিক উত্তর:
পিকচার হাউজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিকচার হাউজ
ব্যাখ্যা
পিকচার হাউজ:
- বাংলাদেশের প্রথম সিনেমা হলের নাম পিকচার হাউজ (পরবর্তীকালে শাবিস্তান)।

উল্লেখ্য,
- ১৮৯৮ সালে কলকাতার ব্রাডফোর্ড বায়স্কোপ কম্পানি বাংলাদেশে প্রথম চলচ্চিত্র দেখায়। ১৮৯৮ সালের ২৪ এপ্রিলের বাংলা সাপ্তাহিক ‘ঢাকা প্রকাশ’ জানাচ্ছে, ব্রাডফোর্ড বায়স্কোপ কম্পানি কর্তৃক সদরঘাটের কাছে পাটুয়াটুলীর ক্রাউন থিয়েটারে এ অঞ্চলে প্রথম চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয়েছিল।
- ঢাকার প্রথম প্রেক্ষাগৃহ হচ্ছে পিকচার হাউস, যেটি পরে হয় নিউ পিকচার হাউস। আরো পরে শাবিস্তান। ১৯১৩-১৪ সালে প্রথম প্রডাকশন কম্পানি হিসেবে পিকচার হাউসের যাত্রা শুরু।
- ১৯৪৭ সালে বাংলাদেশে ৮০টির মতো সিনেমা হল ছিল।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) কালের কন্ঠ।
৩,৭৬০.
সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশীপ-২০২৪ এ 'সেরা খেলোয়াড়' কে?
  1. সাবিনা খাতুন
  2. রূপনা চাকমা
  3. ঋতুপর্ণা চাকমা
  4. দেকি লাজোম
সঠিক উত্তর:
ঋতুপর্ণা চাকমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঋতুপর্ণা চাকমা
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
---------------------------
২০২৪ নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ:
- ২০২৪ নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশ শিরোপা লাভ করে।
- ২০২৪ সালের অক্টোবরে নেপালে অনুষ্ঠিত হয়।
- নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ৭ম সংস্করণ।
- অংশগ্রহণকারী দল: ৭টি।
- মোট ম্যাচ: ১২টি।
- মোট গোল: ৬২টি।
- চ্যাম্পিয়ন: বাংলাদেশ।
- রানার্স আপ: নেপাল।
- সেরা খেলোয়াড়: ঋতুপর্ণা চাকমা।
- সেরা গোলরক্ষক: রূপনা চাকমা।
- ফেয়ার প্লে ট্রফি: ভুটান।

উল্লেখ্য,
- সাফ চ্যাম্পিয়ন নারী ফুটবল দলকে যমুনায় সংবর্ধনা প্রদান করেছেন অন্তবর্তীকালীন সরকারের  প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ ইউনূস।
- সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৪ এ বিজয়ী  নারী ফুটবল দলকে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের পক্ষ এক কোটি টাকা পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- সাফজয়ী ফুটবল দলের অধিনায়ক সাবিনা খাতুন দলের পক্ষে এ পুরস্কার গ্রহণ করেন।

তথ্যসূত্র: SAFF Championship ওয়েবসাইট।
৩,৭৬১.
সীতাকোট বিহার কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রাজশাহী
  2. বগুড়া
  3. নওগাঁ
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
সীতাকোট বিহার:
- সীতাকোট বিহার একটি বৌদ্ধ বিহার।
- বিহারটি দিনাজপুর জেলার নওয়াবগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত।
- বিহারটিতে মোট কক্ষের সংখ্যা ৪১টি।
- এখানে পাহাড়পুর, শালবন বিহার এবং আনন্দ বিহারের মত ঐতিহ্যবাহী পোড়ামাটির ফলক দেখা যায়না।
- তবে আকার আয়তনের দিক থেকে এই বিহারের সঙ্গে বগুড়ায় অবস্থিত ভাসু বিহার এর অনেক মিল রয়েছে।
- সীতাকোট বিহার থেকে প্রাপ্ত দুইটি ব্রোঞ্জ মূর্তির গঠন শৈলী থেকে অনুমান করা যায় যে, এগুলি ৭ম-৮ম শতাব্দীতে তৈরী।
- এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন বিহার।

 উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,৭৬২.
'মনপুরা-৭০' কার চিত্রকর্ম?
  1. এস এম সুলতান
  2. নভেরা আহমেদ
  3. আবদুল কাইয়ুম
  4. জয়নুল আবেদিন
সঠিক উত্তর:
জয়নুল আবেদিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়নুল আবেদিন
ব্যাখ্যা

মনপুরা ৭০:
- সত্তরের ভয়াবহ ঘুর্ণিঝড়ে বিপর্যস্ত মানুষের অসহায়তাকে অবলম্বন করে একটি চিত্রশিল্প ‘মনপুরা ৭০’।
- ‘মনপুরা ৭০’ শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের শিল্পকর্ম।
- আধুনিকযুগে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন শিল্পচর্চার পথিকৃৎ।
- ১৯৪৩-এর বাংলার মন্বন্তর-ভিত্তিক চিত্রমালা তাঁকে ভারতব্যাপী খ্যাতি এনে দেয় এবং এক সকরুণ মানব-ট্র্যাজেডির তাৎক্ষণিক, সহানুভূতিপূর্ণ ও সবল রূপায়ন হিসেবে এগুলি বহির্বিশ্বেও শিল্পরসিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
- দুর্ভিক্ষের স্কেচে, কেবল তুলির কালো রেখায় যার সূচনা, সেটাকে বর্ণপ্রয়োগের ন্যূনতায় ও স্পেস ব্যবহারের পরিমিতিবোধে তিনি ক্রমশ এক নিজস্ব শৈলীতে রূপান্তরিত করেন।
- তাঁর এ পর্যায়ের ছবিগুলো- ‘বিদ্রোহী’, ‘মই দেওয়া’, ‘সাঁওতাল যুগল’ ‘সংগ্রাম’ এবং লোকশৈলীর মটিফে জ্যামিতিক বিন্যাসে সন্নিবেশিত চিত্র- ‘পাইন্যার মা’, ‘প্রসাধন’, ‘গুণটানা' প্রভৃতি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৩,৭৬৩.
নিম্নের কোন পত্রিকাটির প্রকাশনা উপলক্ষ্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আশীর্বাণী পাঠিয়েছিলেন?
  1. সবুজপত্র
  2. শনিবারের চিঠি
  3. কল্লোল
  4. ধূমকেতু
সঠিক উত্তর:
ধূমকেতু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধূমকেতু
ব্যাখ্যা
• ধূমকেতু পত্রিকা: 
- কাজী নজরুল ইসলামের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় অর্ধসপ্তাহিক পত্রিকা ধূমকেতু।
- ১৯২২ সালে অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকা হিসেবে 'ধূমকেতু' কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয়।
- ধূমকেতু পত্রিকায় রবীন্দ্রনাথের বাণী ছাপা হয়েছিল - "আয় চলে আয় রে ধূমকেতু/ আঁধারে বাঁধ অগ্নিসেতু -"।
- ধূমকেতুর পূজা সংখ্যায় (২৬শে সেপ্টেম্বর ১৯২২) 'আনন্দময়ীর আগমনে' প্রকাশিত হলে পত্রিকাটি ব্রিটিশ সরকার দ্বারা বাজেয়াপ্ত হয় এবং তিনি গ্রেফতার হন।

• কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত অন্যান্য পত্রিকা -
- ‘লাঙ্গল’ (১৯২৫) পত্রিকার প্রধান পরিচালক ছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম, এটি ১৯২৫ সালে প্রকাশিত হয়। 
- 'দৈনিক নবযুগ' পত্রিকাটি কাজী নজরুল ইসলাম কমরেড মুজাফ্‌ফর আহমদ এর সাথে যৌথভাবে সম্পাদনা করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৩,৭৬৪.
বঙ্গবন্ধু কখন পাকিস্তানি কারাগার থেকে প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরে আসেন?
  1. ক) ১০ জানুয়ারি, ১৯৭১
  2. খ) ৯ জানুয়ারি, ১৯৭২
  3. গ) ১০ জানুয়ারি, ১৯৭২
  4. ঘ) ৮ জানুয়ারি, ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
গ) ১০ জানুয়ারি, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১০ জানুয়ারি, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৮ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পান। তিনি ১০ জানুয়ারি, ১৯৭২ সালে প্রথমে ইংল্যান্ড পরে ভারতের দিল্লী হয়ে স্বাধীন বাংলাদেশে ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত রাজকীয় বিমান বাহিনীর কমেট বিমানযোগে প্রত্যাবর্তন করেন।
৩,৭৬৫.
‘উত্তরা গণভবন’ কোথায় অবস্থিত?
  1. বগুড়া
  2. দিনাজপুর
  3. নওগাঁ
  4. নাটোর
সঠিক উত্তর:
নাটোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাটোর
ব্যাখ্যা

 উত্তরা গণভবন:
- নাটোর শহর থেকে ৩ কিলোমিটার উত্তরে এক মনোরম পরিবেশে ইতিহাস খ্যাত দিঘাপতিয়া রাজবাড়ী তথা উত্তরা গণভবন অবস্থিত।
- নাটোরের রাণী ভবানী তাঁর নায়েব দয়ারামের উপরে সন্তুষ্ট হয়ে তাঁকে দিঘাপতিয়া পরগনা উপহার দেন।
- ১৯৪৭ সালে তৎকালীন পাকিস্তান সরকার জমিদারী প্রথা বিলুপ্ত করার পর ১৯৫২ সালে দিঘাপতিয়ার শেষরাজা প্রতিভানাথ রায় সপরিবারে রাজপ্রাসাদ ত্যাগ করে কলকাতায় চলে যান।
- পরবর্তীতে ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত রাজ প্রাসাদটি পরিত্যাক্ত থাকে।
- ১৯৬৬ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান সরকারের নিয়ন্ত্রণে আসে এবং সরকারি ভবন হিসেবে সংস্কার হয়।
- ১৯৭২ সালে এটিকে উত্তরা গণভবন হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- চারিদিকে মনোরম লেক, সুউচ্চ প্রাচীর পরিবেষ্টিত ছোট বড় ১২টি কারুকার্যখচিত ও দৃষ্টিনন্দন ভবন নিয়ে উত্তরা গণভবন ৪১.৫১ একর জমির উপর অবস্থিত।
- এর অভ্যন্তরে রয়েছে ইতালী থেকে সংগৃহীত মনোরম ভাস্কর্যে সজ্জিত বাগান, যেখানে রয়েছে বিরল প্রজাতির নানা উদ্ভিদ।

উৎস: নাটোর জেলা, জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩,৭৬৬.
বাংলাদেশের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান করে কোন মন্ত্রণালয়?
  1. শিল্প মন্ত্রণালয়
  2. সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়
  3. তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়
  4. বাংলা একাডেমি
সঠিক উত্তর:
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার: 
​- জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে প্রদান করা হয়।
​- এটি বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পের জন্য সর্বোচ্চ সম্মাননা।
- বাংলাদেশে সরকারিভাবে প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান করা হয় ১৯৭৫ সালে।
- তবে এই পুরস্কারটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রদান করা হয়েছিল ১৯৭৬ সালের ৪ এপ্রিল।
- প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র হিসেবে পুরস্কার লাভ করে "লাঠিয়াল"।
- এই পুরস্কারটি বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক পরিচালিত হয় ।
-  এটি বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি।

উৎস: ​বাংলাপিডিয়া।

৩,৭৬৭.
বিটিভি ওয়ার্ল্ড চালু হয় কত সালে?
  1. ১৯৯৮ সালে
  2. ২০০০ সালে
  3. ২০০১ সালে
  4. ২০০৪ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৪ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ টেলিভিশন:
- বাংলাদেশ টেলিভিশন বাংলা ভাষায় বিশ্বের প্রথম টেলিভিশন।
- এটি ১৯৬৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর ঢাকার ডিআইটি ভবন (বর্তমান রাজউক ভবন) থেকে পাইলট প্রকল্প হিসেবে সম্প্রচার শুরু করে।
- ১৯৮০ সাল থেকে বিটিভি রঙিন সম্প্রচার শুরু করে।
- ১৯৯৬ সালের ১৯ ডিসেম্বর বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্র চালু হয়।
- ২০০৪ সালের ১১ই এপ্রিল বিটিভি ওয়ার্ল্ড চালু হয়।
- ২০১৯ সালের ২ সেপ্টেম্বর থেকে সমগ্র ভারতে বিটিভি ওয়ার্ল্ডের সম্প্রচার শুরু হয়।

⇒ বিটিভির পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রের সংখ্যা ২টি। যথা:
• ঢাকা।
• চট্টগ্রাম।

⇒ উপকেন্দ্র বা রিলে কেন্দ্রের সংখ্যা ১৪টি। এগুলো হলো:
- নাটোর, খুলনা, ময়মনসিংহ, সিলেট, রংপুর, নোয়াখালী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ঠাকুরগাঁও, রাজশাহী, ঝিনাইদহ, সাতক্ষীরা, পটুয়াখালী, উখিয়া এবং রাঙ্গামাটি।

তথ্যসূত্র - বিটিভি ওয়েবসাইট।
৩,৭৬৮.
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৯৬
  2. ১৯৯৮
  3. ২০০০
  4. ২০০৮
সঠিক উত্তর:
১৯৯৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৬
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর:
- ১৯৯৬ সালের ২২ মার্চ ঢাকার সেগুনবাগিচায় একটি পুরানো দ্বিতল বাড়িতে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক দেশের প্রথম জাদুঘর 'মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর' প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ২০১৭ সালের ১৬ এপ্রিল আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মাধ্যমে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্মিত নিজস্ব ভবনে 'মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর' স্থানান্তর করা হয়।
- বাংলাদেশের প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক জাদুঘর হলো ‘শহীদ স্মৃতি সংগ্রহশালা’। এটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত যা ১৯৭৬ সালে স্থাপিত হয়।

উৎস:
- মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ওয়েবসাইট।
৩,৭৬৯.
সম্প্রতি, বাংলাদেশিদের জন্য কোন দেশ ‘ই-ভিসা সেবা’ চালু করেছে ? [ডিসেম্বর,২০২৪]
  1. ভারত
  2. মালদ্বীপ
  3. থাইল্যান্ড
  4. মালয়েশিয়া
সঠিক উত্তর:
থাইল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থাইল্যান্ড
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।] 
----------------
বাংলাদেশিদের জন্য ‘ই-ভিসা সেবা’

- বাংলাদেশিদের জন্য ভ্রমণ সহজ করার লক্ষ্যে থাইল্যান্ড ই-ভিসা সেবা চালু করেছে।
- আগামী ২ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশিদের জন্য ই-ভিসা সেবা শুরু হবে।
- সাধারণ নাগরিকরা ২ জানুয়ারি থেকে এই সেবা পাবেন,
- তবে সরকারি পাসপোর্টধারীরা ১৯ ডিসেম্বর থেকেই ই-ভিসা সুবিধা পাবেন।
- আবেদনকারীরা ১০ দিনের মধ্যে ইমেইলে অনুমোদিত ভিসা পাবেন।
- আবেদনকারীদের ওয়েবসাইটে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে আবেদন করতে হবে।
- এছাড়া, আবেদনকারীরা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে দূতাবাসের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে আবেদন ফি জমা দিতে পারবেন।
- এই নতুন ব্যবস্থার মাধ্যমে আবেদনকারীরা ই-মেইলে অনুমোদিত ভিসা পাবেন এবং সেটি প্রিন্ট করে থাই ইমিগ্রেশন সেন্টারে উপস্থাপন করতে পারবেন।

উল্লেখ্য, 
- ই-ভিসা সেবা চালুর ফলে আগামী ২৪ ডিসেম্বর থেকে ঢাকার থাইল্যান্ড ভিসা সেন্টারটি বন্ধ করে দেওয়া হবে।

তথ্যসূত্র: বিজিবি ওয়েবসাইট ও ডেইলি স্টার বাংলা। [লিঙ্ক]
৩,৭৭০.
২০১০ সালে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) গঠিত হয় কোনটির অধীনে?
  1. পরিকল্পনা মন্ত্রনালয়
  2. অর্থ মন্ত্রনালয়
  3. বাণিজ্য মন্ত্রনালয়
  4. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
ব্যাখ্যা
• ২০১০ সালে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- বিদ্যমান ভৌত অবকাঠামো–সংকট থেকে উত্তরণের উপায় হিসেবে সরকারি ও বেসরকারি খাতের অংশীদারত্বমূলক উদ্যোগের (পাবলিক–প্রাইভেট পার্টনারশিপ বা পিপিপি) ওপর সরকার গুরুত্ব আরোপ করে আসছে।
- এ লক্ষ্যে ২০১০ সালে পিপিপি পলিসি প্রণয়ন করা হয়েছে, পিপিপি আইন গৃহীত হয়েছে ২০১৫ সালে।
- পিপিপি আইনে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের সঙ্গে সংযুক্ত করে পিপিপি অফিস খোলা হয়েছে। 

• ভিশন: টেকসই অবকাঠামো উন্নয়ন।
• মিশন: সরকারি বেসরকারি অংশিদারিত্ব নীতির মাধ্যমে টেকসই গণসেবা প্রদানের লক্ষ্যে সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের জন্য একটি উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টি করা।

• উদ্দেশ্য:
(১) সরকারী বেসরকারি অংশীদারিত্বের মাধ্যমে টেকসই গনসেবামূলক অবকাঠামো তৈরীতে সরকারী প্রতিষ্ঠানকে সহযোগিতা করা।
(২) গণসেবা প্রদানের লক্ষ্যে অবকাঠামো উন্নয়ন বেসরকারি বিনিয়োগ উৎসাহীকরণ;
(৩) পিপিপি প্রকল্প বাস্তবায়নে বিনিয়োগকারীগণের অধিকতর আস্থা অর্জনের লক্ষ্যে আইনী কাঠামো তৈরী করা।

সূত্র: পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি)।
৩,৭৭১.
বিশ্বকাপ ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেন কে?
  1. মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ
  2. তামিম ইকবাল
  3. সাকিব আল হাসান
  4. মুশফিকুর রহিম
সঠিক উত্তর:
মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ
ব্যাখ্যা

বিশ্বকাপে সেঞ্চুরি:
- বিশ্বকাপ ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।
- ২০১৫ সালে ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করেন তিনি।
- দুটি সেঞ্চুরি আছে সাকিব আল হাসানের, একটি মুশফিকুর রহিমের।
- ২০২৩ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের একমাত্র ব্যাটার হিসেবে সেঞ্চুরি করেন মাহমুদউল্লাহ।
- মুম্বাইতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তিনি খেলেছিলেন ১১১ রানের ইনিংস। ওই সেঞ্চুরিতে একাধিক রেকর্ডের মালিক হন তিনি।
- প্রোটিয়াদের বিপক্ষে শতকটি ছিল বিশ্বমঞ্চে তার তৃতীয়।
- একাধিক বিশ্বকাপে সেঞ্চুরি করা বাংলাদেশের প্রথম খেলোয়াড়ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও ডেইলি স্টার, ১১ নভেম্বর, ২০২৩।

৩,৭৭২.
‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫’ কতজন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে দেওয়া হয়?
  1. ৬ জন
  2. ৭ জন
  3. ৮ জন
  4. ১০ জন
সঠিক উত্তর:
৭ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ জন
ব্যাখ্যা

স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫:
- ৭ বিশিষ্ট ব্যক্তিকে দেয়া হয় ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫’।
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে :অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর),।
- সাহিত্যে: মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর), । 
- সংস্কৃতিতে: নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর),।
- সমাজসেবায়: স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর),।
- মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতিতে: মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর),।
- শিক্ষা ও গবেষণায় : বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর ।
- প্রতিবাদী তারুণ্যের : আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

উল্লেখ্য,
- স্বাধীনতা পদক বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদক।
- ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস ২৬শে মার্চ এই পদক প্রদান করা হয়ে আসছে।
- ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর শহিদদের স্মরণে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
 
উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

৩,৭৭৩.
'বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার-২০২৪' পুরস্কার লাভ করে -
  1. ৪ জন
  2. ৫ জন
  3. ৭ জন
  4. ১০ জন
সঠিক উত্তর:
৭ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ জন
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার-২০২৪:
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের সমসাময়িক জীবিত লেখকদের সামগ্রিক মৌলিক অবদান চিহ্নিত করে তাঁদের সৃজনী প্রতিভাকে স্বীকৃতি দেওয়ার মাধ্যমে শিক্ষা ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে অনুকুল পরিবেশ সৃষ্টি করাই বাংলা একাডেমির সাহিত্য পুরস্কার প্রদানের উদ্দেশ্য।
- প্রতি বছর মাসব্যাপী আয়োজিত অমর একুশে গ্রন্থমেলা ও অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পুরস্কার প্রাপ্তদের পুস্কারের অর্থমূল্যের চেক, সম্মাননা পত্র ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন।

• ফেব্রুয়ারি, ২০২৫-এ ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে 'বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৪' প্রদান করা হয়। তারা হলেন-
- কবিতায়: মাসুদ খান,
- নাটক ও নাট্যসাহিত্যে: শুভাশিস সিনহা,
- প্রবন্ধ/গদ্যে: সলিমুল্লাহ খান,
- অনুবাদে: জি এইচ হাবীব,
- গবেষণায়: মুহম্মদ শাহজাহান মিয়া,
- বিজ্ঞানে: রেজাউর রহমান,
- ফোকলোরে: সৈয়দ জামিল আহমেদ।

উল্লেখ্য,
- শুরুতে এ তালিকায় ১০ জন কবি, লেখক ও গবেষকের নাম ছিল। তবে পুনর্বিবেচনার পর চূড়ান্ত তালিকায় সাতজনের নাম রাখা হয়েছে।

উৎস: i) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
৩,৭৭৪.
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদানকারী প্রথম ইউরোপীয় দেশ -
  1. পশ্চিম জার্মানি
  2. পূর্ব জার্মানি
  3. বুলগেরিয়া
  4. ফিনল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
পূর্ব জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ব জার্মানি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে মোট ১৫০টি দেশ স্বীকৃতি প্রদান করে।
- ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পর বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে সর্বপ্রথম ভুটান স্বীকৃতি প্রদান করে।
- ভুটান ও ভারত উভয় দেশই বাংলাদেশকে ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর স্বীকৃতি দিয়েছিল।
- সর্বশেষ দেশ হিসেবে চীন বাংলাদেশকে ১৯৭৫ সালের ৩১ আগস্ট স্বীকৃতি প্রদান করে।

উল্লেখ্য,
- তৃতীয় দেশ ও প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে পূর্ব জার্মানি ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

অন্যদিকে,
- বুলগেরিয়া ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- পশ্চিম জার্মানি ১৯৭২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- ফিনল্যান্ড ১৯৭২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৩,৭৭৫.
কলাগাছের সুতায় 'কলাবতী' শাড়ি উৎপাদন হয়েছে কোন জেলায়?
  1. ক) সিলেট
  2. খ) বান্দরবান
  3. গ) সিরাজগঞ্জ
  4. ঘ) টাঙ্গাইল
সঠিক উত্তর:
খ) বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বান্দরবান
ব্যাখ্যা
• কলাবতী' শাড়ি:
- দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো, মৌলভীবাজার জেলার তাঁত ডিজাইনার রাধাবতী দেবী কলাগাছের তন্তু থেকে এই মণিপুরী ডিজাইনের শাড়ি তৈরি করেছেন।
- মৌলভীবাজারে ১৯৯২ সাল থেকে মণিপুরি শাড়ি বানাচ্ছেন কারিগর রাধাবতী দেবী। এ পর্যন্ত তিনি কত শাড়ি বানিয়েছেন, তার হিসাব নেই। তবে এবার তিনি বুনেছেন কলাগাছের সুতার শাড়ি।
- বান্দরবান জেলা প্রশাসক (ডিসি) ইয়াছমিন পারভীন তিবরীজি কলাগাছের তন্তু থেকে শাড়ি বানিয়ে দেওয়ার কথা বলেছিলেন রাধাবতী দেবীকে। 
- ‘বান্দরবানের ডিসি স্যার এই শাড়ির নাম দিয়েছেন কলাবতী শাড়ি।
- সব মিলে শাড়ি বানাতে ১০ থেকে ১২ দিন লেগেছে।
- 'কলাবতী' শাড়ি উৎপাদন হয়েছে বান্দরবান জেলায়।

[এই শাড়িটি তৈরি করেছেন মৌলভীবাজার জেলার তাঁত ডিজাইনার রাধাবতী দেবী তাই অনেকে মনে করতে পারে এটি উৎপাদন হয়েছে মৌলভীবাজার জেলায় কিন্তু এই শাড়িটি তৈরি করা হয়েছে মূলত বান্দরবান জেলা প্রশাসক (ডিসি) ইয়াছমিন পারভীন তিবরীজির উদ্বেগে বান্দরবান জেলায়। শাড়িটি তৈরি করা হলে রাধাবতী দেবী বান্দরবান থেকে নিজ জেলায় ফিরে আসেন।]

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো।
৩,৭৭৬.
OIC -এর কোন সম্মেলনে বাংলাদেশ সদস্যপদ লাভ করে?
  1. জেদ্দা সম্মেলনে
  2. দোহা সম্মেলনে
  3. কায়রো সম্মেলনে
  4. লাহোর সম্মেলনে
সঠিক উত্তর:
লাহোর সম্মেলনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাহোর সম্মেলনে
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে লাহোর সম্মেলনে ওআইসি সদস্যপদ লাভ করে।

- ১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর মরক্কোর রাজধানী রাবাতে ইসলামি সম্মেলন সংস্থা (ওআইসি) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সদরদপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায়।
- ওআইসি সদস্য দেশ ৫৭ টি।
- ওআইসির শীর্ষ সম্মেলন প্রতি তিন বছর পর পর অনুষ্ঠিত হয়।
- ওআইসির সর্বশেষ ১৪তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় সৌদি আরবের মক্কায় - ২০১৯ সালে।
- ওআইসির অফিসিয়াল ভাষা ৩টি। যথাঃ আরবি, ইংরেজি এবং ফরাসি।

উৎস: OIC ওয়েবসাইট।

৩,৭৭৭.
বাংলা একাডেমি পরিচালিত ’সাহিত্যিক মোহম্মদ বরকতুল্লাহ প্রবন্ধ সাহিত্য পুরস্কার-২০২৫’ পেয়েছেন কে?
  1. তারিক আনাম খান
  2. সানাউল হক খান
  3. হাফিজ রশিদ খান
  4. অধ্যাপক মনসুর মুসা
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক মনসুর মুসা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক মনসুর মুসা
ব্যাখ্যা

- ২০২৫ সালে বাংলা একাডেমি পরিচালিত আটটি পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। 
- মোট ৯ জন এ পুরস্কার পেয়েছেন এ বছর।

⇒ এ বছর সাহিত্যিক মোহম্মদ বরকতুল্লাহ প্রবন্ধ সাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন অধ্যাপক মনসুর মুসা।
- ভাষাভিত্তিক গবেষণার মূল্যায়নে তাঁকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়। এ পুরস্কারের অর্থমূল্য এক লাখ টাকা।


⇒ মেহের কবীর বিজ্ঞানসাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন-খসরু চৌধুরী।
- তাঁকে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে প্রকৃতি ও বিজ্ঞানচর্চায় সামগ্রিক মূল্যায়নে। এ পুরস্কারের অর্থমূল্য এক লাখ টাকা।

⇒ মযহারুল ইসলাম কবিতা পুরস্কার পেয়েছেন সানাউল হক খান। বাংলা কবিতায় সামগ্রিক মূল্যায়নে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। পুরস্কারের অর্থমূল্য এক লাখ টাকা।

⇒ সা’দত আলী আখন্দ সাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন হাফিজ রশিদ খান।
- বিভিন্ন নৃগোষ্ঠীর জীবন ও সাহিত্য বিষয়ে গবেষণার মূল্যায়নে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে তাঁকে। এ পুরস্কারের অর্থমূল্য এক লাখ টাকা।

⇒ অধ্যাপক মমতাজউদদীন আহমদ নাট্যজন পুরস্কার পেয়েছেন তারিক আনাম খান।
- তিনি অভিনয়, নাট্য নির্দেশনায় ও সংগঠক হিসেবে সামগ্রিক অবদানের মূল্যায়নে এ পুরস্কার পেয়েছেন। এর অর্থমূল্য এক লাখ টাকা।

⇒ আবু রুশ্দ সাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন শিবব্রত বর্মন।
- অনুবাদ-সাহিত্যে অনন্য অবদানের মূল্যায়নে তাঁকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়। পুরস্কারের অর্থমূল্য এক লাখ টাকা।

⇒ হালীমা-শরফুদ্দীন বিজ্ঞান পুরস্কার পেয়েছেন সফিক ইসলাম ‘গণিতের রাজ্যে আনন্দভ্রমণ’ গ্রন্থের জন্য।
- গণিতকে সহজবোধ্য ও উপভোগ্যভাবে উপস্থাপনের জন্য তাঁকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। পুরস্কারের অর্থমূল্য ৫০ হাজার টাকা।

⇒ রাবেয়া খাতুন কথাসাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন দুজন।
- এর মধ্যে প্রথমজন সুব্রত বড়ুয়া। তাঁকে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে কথাসাহিত্যে সামগ্রিক অবদানের মূল্যায়নে। এ পুরস্কারের অর্থমূল্য দুই লাখ টাকা।

- আর অনূর্ধ্ব ৪৯ বছর বয়সী লেখকদের মধ্যে ২০২৪ সালে প্রকাশিত ‘সিসিফাস শ্রম’ গল্পগ্রন্থের মূল্যায়নে ‘রাবেয়া খাতুন কথাসাহিত্য পুরস্কার ২০২৫’ পুরস্কার পেয়েছেন আনিসুর রহমান। এ পুরস্কারের অর্থমূল্য এক লাখ টাকা।

উৎস: প্রথম আলো এবং বাংলা একাডেমি।

৩,৭৭৮.
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ (BIDS) কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৫৭ সালে
  2. ১৯৬৭ সালে
  3. ১৯৭২ সালে
  4. ১৯৭৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৭ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ: 
- বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ (বিআইডিএস) একটি স্বায়ত্তশাসিত পাবলিক বহু-বিষয়ক সংস্থা যা বাংলাদেশ এবং অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশগুলির মুখোমুখি উন্নয়ন সমস্যাগুলির উপর নীতি-ভিত্তিক গবেষণা পরিচালনা করে।
- এর লক্ষ্য হল নির্ভরযোগ্য গবেষণা পরিচালনা, নীতি সংলাপ প্রচার, নীতিগত বিকল্পগুলি প্রচার এবং তথ্যবহুল নীতি নির্ধারণের জন্য জোট তৈরির মাধ্যমে উন্নয়ন সমাধানগুলিতে শেখার সুবিধা প্রদান করা।
- বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ (বিআইডিএস) এর উৎপত্তি পাকিস্তানে, পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অফ ডেভেলপমেন্ট ইকোনমিক্স (পিআইডিই) নামে এবং ১৯৫৭ সালের জুন মাসে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- পিআইডিই ১৯৭১ সালের জানুয়ারিতে ঢাকায় স্থানান্তরিত হয়। 
- ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পর, ইনস্টিটিউটটির নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ উন্নয়ন অর্থনীতি ইনস্টিটিউট (BIDE)।
- পরবর্তীতে, ১৯৭৪ সালে একটি সংসদীয় সনদ প্রদান করা হয় এবং উন্নয়ন গবেষণার বহুমুখী কেন্দ্রবিন্দু প্রতিফলিত করার জন্য ইনস্টিটিউটটির নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ (BIDS)।
- এটি একটি স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা। 

উৎস: Bangladesh Institute of Development Studies (BIDS)
৩,৭৭৯.
'মর থেংগারি’ কোন ভাষায় নির্মিত সিনেমা?
  1. মারমা
  2. মান্দি
  3. চাকমা
  4. সাঁওতাল
সঠিক উত্তর:
চাকমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাকমা
ব্যাখ্যা
- চাকমা ভাষায় নির্মিত বাংলাদেশের প্রথম সিনেমা ‘মাই বাইসাইকেল-মর থেংগারি’।
- সিনেমাটি সেন্সর বোর্ডে ৯ বছর ধরে আটকে আছে।
- অং রাখাইন পরিচালিত সিনেমাটি নানা কারণে সেন্সর পায়নি।
- এই সিনেমাটি মুক্তিযুদ্ধ ও শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শুরু হওয়া চলচ্চিত্র প্রদর্শনীতে (৩০ ডিসেম্বর, ২০২৪) দেখানো হয়।
- এছাড়া ‘সাউথ এশিয়ান ডকুমেন্টারি ফিল্ম ফেস্টিভাল ২০১৫’ তেও চলচ্চিত্রটির প্রদর্শনী হয়। (১০ জানুয়ারি ২০১৫)
- চাকমা ভাষায় থেংগারি শব্দের অর্থ বাইসাইকেল।
- সিনেমার ইংরেজি নাম মাই বাইসাইকেল।
- সিনেমার কাহিনি আবর্তিত হয়েছে পাহাড়ঘেড়া এক গ্রামের কমল নামের চাকমা যুবককে ঘিরে। শহরে জীবিকা অর্জনে বিফল হয়ে একটি বাইসাইকেল নিয়ে গ্রামে ফেরত আসেন তিনি। বাইসাইকেলে মানুষ ও মালামাল পরিবহন করে জীবিকার সন্ধান করতে থাকেন তিনি।

উৎস: প্রথম আলো (২৯ ডিসেম্বর ২০২৪) ।
৩,৭৮০.
বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০২৩-এ বাংলাদেশের কোন খেলোয়াড় সর্বোচ্চ রান করেন?
  1. লিটন দাস
  2. মুশফিকুর রহিম
  3. সাকিব আল হাসান
  4. মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ
সঠিক উত্তর:
মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ
ব্যাখ্যা
⇒ বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০২৩-এ বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ রান করেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ।

ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০২৩:
- স্বাগতিক দেশ: ভারত।
- মোট অংশগ্রহণকারী দেশ: ১০টি।
- যথা- অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, বাংলাদেশ, ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, নেদারল্যান্ড এবং আফগানিস্তান।
- মোট ম্যাচ: ৪৮টি।
- মোট ভেন্যু: ১০টি।
- উদ্বোধনী অনুষ্ঠান: ৫ অক্টোবর, ২০২৩।
- বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০২৩ এর মাস্কট এর নাম ব্লেজ ও টঙ্ক।
- চ্যাম্পিয়ন: অস্ট্রেলিয়া (৬ষ্ঠ বার)।
- রানার্স আপ: ভারত।
- সর্বাধিক রান: বিরাট কোহলি (ভারত), ৭৬৫ রান (১০ ম্যাচ)।
- সর্বাধিক উইকেট: মো. সামি (ভারত) ২৪টি (৭ ম্যাচ)।
- ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট: বিরাট কোহলি (ভারত)।
- ম্যান অব দ্য ফাইনাল: ট্রাভিস হেড (অস্ট্রেলিয়া)।

তথ্যসূত্র - আইসিসি ওয়েবসাইট।
৩,৭৮১.
Where is the 'Ethnological Museum of Bangladesh' located?
  1. Agargaon, Dhaka
  2. Agrabad, Chattogram
  3. Rajshahi
  4. Khulna
সঠিক উত্তর:
Agrabad, Chattogram
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Agrabad, Chattogram
ব্যাখ্যা

জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর (Ethnological Museum): 
- জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর বাংলাদেশের একটি অনন্য প্রতিষ্ঠান।
- চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকায় অবস্থিত জাদুঘরটির বিষয়বস্তু জাতিতত্ত্ব।
- আদিবাসী ও মূলজনগোষ্ঠীর মধ্যে পারস্পরিক পরিচিতি সম্প্রীতি সুনিবিড় করণের জন্যে জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- এই জাদঘুরে প্রায় ২৫টি আদিবাসীসহ বিদেশি ৫টি দেশের জাতিতাত্ত্বিক সামগ্রীর তুলনামূলক বিশ্লেষণের জন্যে প্রদর্শিত রয়েছে।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া

৩,৭৮২.
বাংলা সাহিত্যের গবেষণায় বিশেষ অবদান রাখার জন্য 'বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার-২০২৪' পেয়েছেন কে?
  1. মুহম্মদ শাহজাহান মিয়া
  2. সলিমুল্লাহ খান
  3. ইমতিয়ার শামীম
  4. মুহাম্মদ সামাদ
সঠিক উত্তর:
মুহম্মদ শাহজাহান মিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুহম্মদ শাহজাহান মিয়া
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার:
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের সমসাময়িক জীবিত লেখকদের সামগ্রিক মৌলিক অবদান চিহ্নিত করে তাঁদের সৃজনী প্রতিভাকে স্বীকৃতি দেওয়ার মাধ্যমে শিক্ষা ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে অনুকুল পরিবেশ সৃষ্টি করাই বাংলা একাডেমির সাহিত্য পুরস্কার প্রদানের উদ্দেশ্য।
- প্রতি বছর মাসব্যাপী আয়োজিত অমর একুশে গ্রন্থমেলা ও অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পুরস্কার প্রাপ্তদের পুস্কারের অর্থমূল্যের চেক, সম্মাননা পত্র ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন।
- প্রতিটি পুরস্কারের মূল্যমান ৩,০০,০০.০০ (তিন লক্ষ) টাকা।
- ১৯৬০ সাল থেকে প্রবর্তন করা হয় বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার।

⇒ বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার-২০২৪: 
• ফেব্রুয়ারি, ২০২৫-এ ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে 'বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৪' প্রদান করা হয়। তারা হলেন—
- কবিতায়: মাসুদ খান,
- নাটক ও নাট্যসাহিত্যে: শুভাশিস সিনহা,
- প্রবন্ধ/গদ্যে: সলিমুল্লাহ খান,
- অনুবাদে: জি এইচ হাবীব,
- গবেষণায়: মুহম্মদ শাহজাহান মিয়া,
- বিজ্ঞানে: রেজাউর রহমান,
- ফোকলোরে: সৈয়দ জামিল আহমেদ।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৩,৭৮৩.
বাংলাদেশ কমনওয়েলথ এর সদস্য হয় কত সালে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা

• কমনওয়েলথ ও বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ কমনওয়েলথ-এর অন্যতম সদস্য।
- ২৮ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ কমনওয়েলথের ৩২তম সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে অন্তর্ভূক্ত হয়।
- এর পর থেকে কমনওয়েলথের সাথে বাংলাদেশের নিবিড় সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
- এ সংস্থার মূল লক্ষ্য হল কমনওয়েলথভুক্ত রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সামাজিক অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা সমৃদ্ধি করা।

• কমনওয়েলথ:
- কমনওয়েলথ মূলত ব্রিটেনের সাবেক উপনিবেশিক দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট।
- এটি ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় সর্বসম্মতিক্রমে।
- বর্তমান সদস্য ৫৬টি।
- সদরদপ্তর: মার্লবোরো হাউস, লন্ডন।
- এর প্রধান: রাজা তৃতীয় চার্লস।

উৎস: Commonwealth ওয়েবসাইট ও পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৭৮৪.
পার্বত্য চট্রগ্রাম এলাকার জেলা কয়টি?
  1. ক) ১১টি
  2. খ) ১০টি
  3. গ) ৩টি
  4. ঘ) ৯টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩টি
ব্যাখ্যা
- পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি, ১৯৯৭  বাংলাদেশ সরকার এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তি।
-১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের প্রাক্কালে মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমার নেতৃত্বে পাহাড়ি জনগণের একটি প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন এবং সাংস্কৃতিক ও ভাষাগত পরিচিতির স্বীকৃতি সম্পর্কিত কতিপয় দাবি পেশ করেন।
- পাহাড়ি জনগণের দাবি মেনে নিতে সরকারের ব্যর্থতার ফলে তাদের স্বার্থ রক্ষার লক্ষ্যে ১৯৭৩ সালের মার্চ মাসে লারমার নেতৃত্বে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি নামে একটি রাজনৈতিক সংগঠন গড়ে ওঠে।
- পরবর্তী সময়ে এর সঙ্গে যোগ হয় শান্তি বাহিনী নামে একটি সামরিক শাখা।
- ১৯৭৫ থেকে ১৯৭৭ সালের মধ্যে শান্তি বাহিনী সামরিক দিক থেকে অধিকতর সংগঠিত হয়।
- সরকার ১৯৭৯ সালে ঐ অঞ্চলে বাঙালি বসতি স্থাপনের এক কর্মসূচি গ্রহণ করে।
- এই কর্মসূচি ছিল পার্বত্য জনগণের প্রথাগত জুমিয়া অধিকারের পরিপন্থী।
- ১৯৮৯ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদে একটি আইন পাশ করে সরকার রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান তিনটি জেলায় স্থানীয় সরকার পরিষদ গঠন করে।
- প্রত্যেক পরিষদের প্রধান ছিলেন চেয়ারম্যান।
- পার্বত্য চট্রগ্রাম শান্তিচুক্তি পাহাড়ি জনগণের বিশেষ অবস্থান ও মর্যাদার স্বীকৃতি দিয়েছে।
- এই শান্তিচুক্তির আওতায় তিন পার্বত্য জেলার স্থানীয় সরকার পরিষদ সমন্বয়ে একটি আঞ্চলিক পরিষদ গঠন করা হয়েছে।

উৎস:- বাংলাপিডিয়া।
৩,৭৮৫.
স্যার উইলিয়াম জোন্স কে ছিলেন?
  1. কলকাতা এশিয়াটিক সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা
  2. এশিয়াটিক সোসাইটি অব পাকিস্তানের সভাপতি
  3. এশিয়াটিক সোসাইটি অব পাকিস্তানের প্রথম সম্পাদক
  4. বাংলাপিডিয়ার সম্পাদক
সঠিক উত্তর:
কলকাতা এশিয়াটিক সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কলকাতা এশিয়াটিক সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা
ব্যাখ্যা
কলকাতা এশিয়াটিক সোসাইটি:
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৫ জানুয়ারী, ১৭৮৪ সাল।
- প্রতিষ্ঠাতা: স্যার উইলিয়াম জোন্স 

- এশিয়াটিক সোসাইটি অব পাকিস্তানের প্রথম সভাপতি ছিলেন আব্দুল হামিদ।
- এশিয়াটিক সোসাইটি অব পাকিস্তানের প্রথম সম্পাদক ছিলেন ড. আহমদ হাসান দানী।

উৎস: Britannica.
৩,৭৮৬.
বাংলাদেশ সর্বশেষ কবে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয়?
  1. ক) ১৯৭৯-১৯৮০ সালে
  2. খ) ১৯৯৬-১৯৯৭ সালে
  3. গ) ১৯৯৯-২০০০ সালে
  4. ঘ) ২০০০-২০০১ সালে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০০০-২০০১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০০০-২০০১ সালে
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ এশিয়া অঞ্চল থেকে মোট দুইবার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয়।
- এর মধ্যে প্রথমবার ১৯৭৯-১৯৮০ সাল মেয়াদে এবং দ্বিতীয়বার ২০০০-২০০১ সাল মেয়াদে।
- বাংলাদেশের হয়ে আনোয়ারুল করিম চৌধুরী সর্বশেষ নিরাপত্তা পরিষদে সভাপতিত্ব করেন।
(তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
৩,৭৮৭.
আন্তর্জাতিক টি-২০ তে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি হাফ সেঞ্চুরি কার? 
  1.  সাকিব আল হাসান
  2. লিটন কুমার দাস
  3. তামিম ইকবাল 
  4. মুশফিকুর রহিম 
সঠিক উত্তর:
লিটন কুমার দাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিটন কুমার দাস
ব্যাখ্যা

- আন্তর্জাতিক টি-২০ তে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি হাফ সেঞ্চুরি (১৫টি) লিটন কুমার দাস।

• লিটন কুমার দাস আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার: 
- ১০ জুন, ২০১৫ তারিখে ভারতের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার।
- ১৮ জুন, ২০১৫ তারিখে ভারতের বিপক্ষে একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার।
- ৫ জুলাই, ২০১৫ তারিখে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টুয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিকে অভিষেক ঘটে তার।


উল্লেখ্য, 
- আন্তর্জাতিক টি-২০ তে সাকিব আল হাসানের ১৩ টি  হাফ সেঞ্চুরি রয়েছে।
- তামিম ইকবাল খানের আন্তর্জাতিক টি-২০ তে ৭টি হাফ সেঞ্চুরি রয়েছে।
- মুশফিকুর রহিমের আন্তর্জাতিক টি-২০ তে ৬টি হাফ সেঞ্চুরি রয়েছে।

উৎস: ESPN Cricinfo.[LINK]

৩,৭৮৮.
নোবেল পুরস্কার প্রবর্তন করেন- 
  1. আলফ্রেড নোবেল
  2. থমাস এডিসন
  3. আলবার্ট আইনস্টাইন
  4. জন নিউটন
সঠিক উত্তর:
আলফ্রেড নোবেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলফ্রেড নোবেল
ব্যাখ্যা

• নোবেল পুরস্কার:
- নোবেল পুরস্কারের প্রবর্তক আলফ্রেড নোবেল।
- ১৯০১ সাল থেকে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়।
- অর্থনীতিতে নোবেল প্রবর্তন করা হয় ১৯৬৮ সালে।
- শুরুতে পাঁচটি শাখায় নোবেল পুরস্কার দেওয়া হতো।
- ১৯৬৯ সাল থেকে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার চালু করা হয়।
- সুইডেনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক এর ৩০০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে আলফ্রেড নোবেলের স্মরণে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়।

বর্তমানে মোট ছয়টি শাখায় নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয় যথা-
- চিকিৎসা।
- পদার্থবিদ্যা।
- রসায়ন।
- সাহিত্য।
- শান্তি।
- অর্থনীতি।

উৎস: Nobel Prize ওয়েবসাইট।

৩,৭৮৯.
বাংলা একাডেমি পুরস্কার প্রবর্তিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৫২ সালে
  2. ১৯৫৫ সালে
  3. ১৭৭৬ সালে
  4. ১৯৬০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬০ সালে
ব্যাখ্যা
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের সমসাময়িক জীবিত লেখকদের সামগ্রিক মৌলিক অবদান চিহ্নিত করে তাঁদের সৃজনী প্রতিভাকে স্বীকৃতি দেওয়ার মাধ্যমে শিক্ষা ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে অনুকুল পরিবেশ সৃষ্টি করাই বাংলা একাডেমির সাহিত্য পুরস্কার প্রদানের উদ্দেশ্য।
- ১৯৬০ সাল থেকে 'বাংলা একাডেমি' পুরস্কার প্রবর্তিত হয়। 
- বাংলা সাহিত্যের ১০টি শাখায় এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- প্রতিটি পুরস্কারের মূল্যমান ৩,০০,০০.০০ (তিন লক্ষ) টাকা।
- প্রতি বছর মাসব্যাপী আয়োজিত অমর একুশে গ্রন্থমেলা ও অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পুরস্কার প্রাপ্তদের পুস্কারের অর্থমূল্যের চেক, সম্মাননা পত্র ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন।

সূত্র: বাংলা একাডেমি ওয়েব সাইট।