বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন ও অন্যান্য

মোট প্রশ্ন৩,৮২৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন ও অন্যান্য

PrepBank · পাতা ২৯ / ৩৮ · ২,৮০১২,৯০০ / ৩,৮২৪

২,৮০১.
Maritime boundary dispute between Bangladesh and Myanmar was resolved by the -
  1. Permanent Court of Justice
  2. International Tribunal for the Law of the Sea
  3. Permanent Court of Arbitration
  4. International Court of Justice
  5. None of them
সঠিক উত্তর:
International Tribunal for the Law of the Sea
উত্তর
সঠিক উত্তর:
International Tribunal for the Law of the Sea
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সমুদ্র বিজয়:
- জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালে 'The Territorial Waters and Maritime Zones Act' পাশ করেন।
- এই আইনে বঙ্গোপসাগরের ১২ নটিক্যাল মাইল আঞ্চলিক সমুদ্র অঞ্চল, ২০০ নটিক্যাল মাইল অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং এর বাহিরে ৩৫০ নটিক্যাল মাইল মহীসোপান অঞ্চল দাবি করা হয়। 
 
বাংলাদেশ বনাম মিয়ানমার:
- ২০১২ সালের ১৪ মার্চ জার্মানিতে অবস্থিত সমুদ্র আইন বিষয়ক আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল (International Tribunal for the Law of the Sea) এই মামলার রায় দেয়া হয়।
- রায় অনুসারে বাংলাদেশ তার উপকূল থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে অধিকার প্রতিষ্ঠা করে।
- এছাড়াও সমুদ্রে অবস্থিত ২৮টি ব্লকের মধ্যে ১৮টি ব্লকের মালিকানা বাংলাদেশ পায় ।
 
বাংলাদেশ বনাম ভারত:
- ২০১৪ সালের ৭ জুলাই নেদারল্যান্ডে অবস্থিত স্থায়ী সালিশি আদালত (PCA-Permanent Court of Arbitration) এই রায় আদালতের রায়ে বাংলাদেশ ভারত ও মিয়ানমার থেকে ১, ১৮, ৮১৩ বর্গ কিলোমিটার সমুদ্র অঞ্চল, ১২ নটিক্যাল মাইল রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা, ২০০ নটিক্যাল মাইল একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চল (Exclusive Economic Zone - EEZ) এবং চট্টগ্রাম উপকূল থেকে ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত মহীসোপানের তলদেশে অবস্থিত সব ধরনের প্রাণিজ ও অপ্রাণিজ সম্পদের ওপর সার্বভৌম অধিকার প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

উৎস: i) বাংলাদেশ ওশানোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
         ii) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।  
২,৮০২.
ঢাকার বিখ্যাত তারা মসজিদ তৈরি করেছিলেন-
  1. শায়েস্তা খান
  2. নবাব সলিমুল্লাহ
  3. মির্জা আহমেদ জান
  4. মির্জা গোলাম খান
সঠিক উত্তর:
মির্জা আহমেদ জান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মির্জা আহমেদ জান
ব্যাখ্যা
• ঢাকার বিখ্যাত তারা মসজিদ তৈরি করেন — 'মির্জা আহমেদ জান'। 

• তারা মসজিদ: 
- তারা মসজিদ পুরানো ঢাকার আরমানিটোলায় আবুল খয়রাত সড়কে অবস্থিত।
- সাদা মার্বেলের গম্বুজের ওপর নীলরঙা তারায় খচিত এ মসজিদ নির্মিত হয় আঠারো শতকের প্রথম দিকে।
- মির্জা গোলাম পীর (মির্জা আহমদ জান) ঢাকার বিখ্যাত ‘তারা মসজিদ’ তৈরি করেন।
- ১৯২৬ সালে, ঢাকার তৎকালীন স্থানীয় ব্যবসায়ী, আলী জান বেপারী মসজিদটির সংস্কার করেন। সে সময় জাপানের রঙিন চিনি-টিকরি পদার্থ ব্যবহৃত হয় মসজিদটির মোজাইক কারুকাজে।
- মসজিদের বতর্মান দৈর্ঘ্য ৭০ ফুট (২১.৩৪ মিটার), প্রস্থ ২৬ ফুট (৭.৯৮ মিটার)।

উল্লেখ্য, 
- ছোট কাটরা  নির্মান করেন শায়েস্তা খান এবং বড় কাটরা নির্মান করেন শাহ সুজা ।
-  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য নওয়াব সলিমুল্লাহ বিশেষ ভূমিকা পালন করেন। এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য তিনি ঢাকার রমনা এলাকায় নিজ জমি দান করেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন।
২,৮০৩.
রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা কত মেগাওয়াট?
  1. ১২০০ মেগাওয়াট
  2. ১৩২০ মেগাওয়াট
  3. ১৪০০ মেগাওয়াট
  4. ২৪০০ মেগাওয়াট
সঠিক উত্তর:
১৩২০ মেগাওয়াট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩২০ মেগাওয়াট
ব্যাখ্যা
রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র: 
- রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার রামপালে অবস্থিত।
- এটি একটি কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা: বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি (প্রাঃ) লিমিটেড (বিআইএফপিসিএল)।
- উৎপাদন ক্ষমতা ১,৩২০ (২×৬৬০) মেগাওয়াট ক্ষমতা (সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তি)।
- প্রকল্প ব্যয়: ১৬,০০০ কোটি টাকা।
 
উল্লেখ্য,
- সুন্দরবনের সংরক্ষিত বনাঞ্চল থেকে রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প এলাকা ১৪ কিলোমিটার দূরে। 
- সরকারি হিসেবে বিশ্ব ঐতিহ্য এলাকা থেকে প্রকল্পের দূরত্ব ৬৯ কিলোমিটার। 
 
উৎস: i) বিদ্যুৎ বিভাগ ওয়েবসাইট।
          ii) ১০ মার্চ ২০১৬, বিবিসি বাংলা।
২,৮০৪.
২০২৪ সালে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার লাভ করেন কে?
  1. মোবারক আহমদ খান
  2. হরিশংকর দাশ
  3. মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান
  4. ফিরোজা খাতুন
সঠিক উত্তর:
মোবারক আহমদ খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোবারক আহমদ খান
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার ২০২৪:
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৪' পেয়েছেন ১০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি।
• স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ - কাজী আব্দুস সাত্তার, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফ্লাইট সার্জেন্ট মোঃ ফজলুল হক (মরণোত্তর) ও বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ আবু নঈম মোঃ নজিব উদ্দীন খাঁন (মরণোত্তর)।
• বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি - ড. মোবারক আহমদ খান।
• চিকিৎসাবিদ্যা - ডাঃ হরিশংকর দাশ।
• সংস্কৃতি - মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান।
• ক্রীড়া - ফিরোজা খাতুন।
• সমাজসেবা/জনসেবা - অরন্য চিরান, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডাঃ মোল্লা ওবায়েদুল্লাহ বাকী ও এস.এম. আব্রাহাম লিংকন।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রি পরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট ও ডেইলি স্টার, মার্চ ১৫, ২০২৪।
২,৮০৫.
মহাস্থানগড়কে কোন সালে সার্কের রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করা হয়?
  1. ২০১১ সালে
  2. ২০১৩ সালে
  3. ২০১৬ সালে
  4. ২০১৮ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৬ সালে
ব্যাখ্যা
মহাস্থানগড়:
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি।
- প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন রাজ্যের রাজধানী মহাস্থানগড়ের নাম ছিল পুণ্ড্রনগর।
- এখানে মৌর্য, গুপ্ত, পাল, সেন সাম্রাজ্যের প্রচুর নিদর্শন পাওয়া গেছে।
- বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১৩ কিলোমিটার উত্তরে করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরে মহাস্থানগড় অবস্থিত।
- সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষ্মণ সেন (১০৮২-১১২৫) যখন গৌড়ের রাজা ছিলেন তখন এই গড় অরক্ষিত ছিল।
- ১৮৭৯ সালে প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন রাজ্যের ঐতিহাসিক নিদর্শন আবিষ্কার করেন ব্রিটিশ প্রত্নতত্ত্ববিদ আলেকজান্ডার কানিংহ্যাম।
- এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন ঐতিহাসিক স্থান।

⇒ ২০১৬ সালে এটিকে সার্কের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- ২১ জানুয়ারি, ২০১৭ থেকে এই অনুষ্ঠানমালা শুরু হয়।

উল্লেখ্য,
- দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার (সার্ক) অঙ্গপ্রতিষ্ঠান সার্ক কালচারাল সেন্টার (শ্রীলঙ্কা) ২০১৫ সাল থেকে ‘সার্ক সাংস্কৃতিক রাজধানী’ ঘোষণার আয়োজন শুরু করেছে।
- প্রথমবারের মতো ‘সার্ক সাংস্কৃতিক রাজধানী’ ঘোষণা করা হয় আফগানিস্তানের ঐতিহাসিক নগরী বামিয়ানকে।

উৎস: i) বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) প্রথম আলো।
২,৮০৬.
২০২৩ সালে ক্লাইমেট মোবিলিটি চ্যাম্পিয়ন লিডার অ্যাওয়ার্ড লাভ করে কে?
  1. শেখ রেহানা
  2. মো: সাহাবুদ্দিন
  3. প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
  4. সায়মা ওয়াজেদ
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
ব্যাখ্যা
ক্লাইমেট মোবিলিটি চ্যাম্পিয়ন লিডার অ্যাওয়ার্ড:
- ২০২৩ সালে ক্লাইমেট মোবিলিটি চ্যাম্পিয়ন লিডার অ্যাওয়ার্ড লাভ করে – প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘ক্লাইমেট মোবিলিটি চ্যাম্পিয়ন লিডার অ্যাওয়ার্ডে’ ভূষিত করেছে আইওএম এবং জাতিসংঘ সমর্থিত গ্লোবাল সেন্টার ফর ক্লাইমেট মোবিলিটি সংস্থা।
- দুবাইতে বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন- কপ ২৮ এর সাইডলাইনে একটি উচ্চ স্তরের প্যানেল অধিবেশনে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি রাষ্ট্রদূত ডেনিস ফ্রান্সিস এবং ইন্টারন্যাশনাল অর্গাইনাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আইওএম) মহাপরিচালক অ্যামি পোপের কাছ থেকে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে পুরস্কারটি গ্রহণ করেন।

তথ্যসূত্র: The Business Standard.
২,৮০৭.
বাংলাদেশের প্রথম কমিউনিটি রেডিও সেন্টার কোনটি?
  1. রেডিও পল্লীকণ্ঠ
  2. রেডিও মেঘনা
  3. রেডিও পদ্মা
  4. রেডিও বলাকা 
সঠিক উত্তর:
রেডিও পদ্মা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেডিও পদ্মা
ব্যাখ্যা

- দেশের প্রথম কমিউনিটি বেতার রেডিও পদ্মা’।
- রাজশাহী থেকে দেশের প্রথম কমিউনিটি বেতার রেডিও পদ্মা’র আনুষ্ঠানিক সম্প্রচার শুরু হয়েছে গত ০৭ অক্টোবর ২০১১ ইং তারিখ থেকে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক মাননীয় তথ্যমন্ত্রী জনাব আবুল কালাম আজাদ অনুষ্ঠানিকভাবে রেডিও পদ্মা’র সম্প্রচার কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন।

• বাংলাদেশ বেতার, ঢাকা কেন্দ্র:
- বৃটিশ ভারতের এ অঞ্চল, যা বর্তমানে বাংলাদেশ নামে পরিচিত; প্রথম বেতার সম্প্রচার শুরু হয় ১৯৩৯ সালে ১৬ই ডিসেম্বর।
- ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডে একটি ভাড়া করা বাড়িতে (বর্তমানে এটি বোরহান উদ্দিন কলেজ) দুটি স্টুডিও নিয়ে এর যাত্রা শুরু হয়।
- প্রথম নামকরণ করা হয় “ঢাকা ধ্বনি বিস্তার কেন্দ্র”। 
- ঢাকা বেতারের সম্প্রচার যন্ত্র অর্থাৎ ট্রান্সমিটারটি বসানো হয়েছিল বর্তমান কল্যাণপুর।
- কালের পরিক্রমায় বেতার ভবন স্থানান্তরিত হয় শাহবাগে ১৯৬০ সালের ৮ই ফেব্রুয়ারি।
- ১৯৮৩ সালের ৩০ জুলাই ঢাকাস্থ শের-ই-বাংলা নগরে বর্তমান অত্যাধুনিক পূর্ণাঙ্গ জাতীয় বেতার ভবনে ঢাকা প্রচার কেন্দ্র স্থানান্তরিত হলে শাহবাগের সাবেক প্রচার ভবনটি বাংলাদেশ বেতারের সদর দপ্তরে রূপান্তরিত হয়।

উৎস: ¡)জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং রেডিও পদ্মার ওয়েবসাইট।
         ¡¡) ডেইলি স্টার পত্রিকা।[লিঙ্ক]

২,৮০৮.
বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল কত সালে প্রথমবারের মতো এশিয়া কাপের শিরোপা লাভ করে?
  1. ২০১৬ সালে
  2. ২০১৮ সালে
  3. ২০২১ সালে
  4. ২০২৩ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৮ সালে
ব্যাখ্যা

নারী ক্রিকেট দল:
- ২০১১ সালে যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল।
- ২০১৮ সালে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল এশিয়া কাপের শিরোপা জয় করে।
- ২০১৮ সালে মালয়েশিয়ায় টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এশিয়া কাপ।
- বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল ২০২১ সালে টেস্ট মর্যাদা পায়।

উৎস: ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও ঢাকা টাইমস।

২,৮০৯.
সাহিত্যে 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫' কে লাভ করেন?
  1. অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম
  2. মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান
  3. বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর
  4. মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ
সঠিক উত্তর:
মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ
ব্যাখ্যা

স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫:
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ২০২৫ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন।
- পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রত্যেককে পাঁচ লাখ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৫০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হবে।

⇒ স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫ প্রাপ্ত:
- সাহিত্য: মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর),
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর),
- সংস্কৃতি: নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর),
- সমাজসেবা: স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর),
- মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতি: মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর),
- শিক্ষা ও গবেষণা: বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর,
- প্রতিবাদী তারুণ্য: আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

২,৮১০.
বাংলাদেশে মরমী কবি হিসেবে পরিচিত কে? 
  1. লালন ফকির
  2. শাহ আব্দুল করিম
  3. হাসন রাজা
  4. জীবানান্দ দাশ
সঠিক উত্তর:
হাসন রাজা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাসন রাজা
ব্যাখ্যা

হাসন রাজা:
- হাসন রাজা মরমি কবি, সাধক।
- তাঁর প্রকৃত নাম দেওয়ান হাসন রজা চৌধুরী।
- সিলেট জেলার সুনামগঞ্জে লক্ষ্মণশ্রী গ্রামের এক জমিদার পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- হাসন রাজার পিতৃকুল ও মাতৃকুল উভয়ই ছিল অযোধ্যাবাসী এবং হিন্দু ধর্মাবলম্বী।
- পরে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে তাঁরা সুনামগঞ্জ আসেন।
• তার কয়েকটি গান:
- আঁখি মঞ্জিয়া দেখ রূপ রে।
- আগুন লাগাইয়া দিল কুনে, হাছন রাজার মনে।
- সোনা বন্ধে আমারে দেওয়ানা বানাইলো।
- নিশা লাগিল রে বাঁকা দুই নয়নে।

অন্যদিকে,
- করিম, শাহ আবদুল (১৯১৬-২০০৯) লোকসঙ্গীত শিল্পী, গীতিকার, সুরকার।
- লালন শাহ (১৭৭২-১৮৯০) বাউল সাধনার প্রধান গুরু, বাউল গানের শ্রেষ্ঠ রচয়িতা, গায়ক।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

২,৮১১.
বাংলাদেশ অলিম্পিকের কততম আসরে অংশগ্রহন করে?
  1. ২১তম
  2. ২২তম
  3. ২৩তম
  4. ২৪তম
সঠিক উত্তর:
২৩তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩তম
ব্যাখ্যা
অলিম্পিকে বাংলাদেশ:

- ১৯৮০ সালেই মস্কো অলিম্পিকে অংশ নেওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশের।
- কিন্তু শেষ মুহূর্তে গেমস বয়কট করে।
- ১৯৮৪ সালে (২৩তম আসর) লস্ অ্যাঞ্জেলস অলিম্পিক গেমসে মার্চ পাস্টে জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে মাঠে নামলেও সেবার কোনো ডিসিপ্লিনে অংশ নেয়নি।
- ১৯৮৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদরা অংশ নেন।
- এরপর নিয়মিত অলিম্পিক গেমসে লাল-সবুজের পতাকা উড়ছে। 
- এখন পর্যন্ত কোনো আসরেই পদক জেতা হয়নি বাংলাদেশের।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ প্রতিদিন, ২৮ অক্টোবর, ২০১৯ ও লাইব্রেরী অব কংগ্রেস ওয়েবসাইট।
২,৮১২.
ফাউন্ডেশন অব সার্ক রাইটার্স অ্যান্ড লিটারেচার (FOSWAL) কাকে বিশেষ সাহিত্য সম্মাননায় ভূষিত করে?
  1. ক) শেখ মুজিবুর রহমান
  2. খ) আবদুল্লাহ আবু সাঈদ
  3. গ) অধ্যাপক হাসানুজ্জামান
  4. ঘ) সৈয়দ আবু তাহের
সঠিক উত্তর:
ক) শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
• FOSWAL সাহিত্য পুরস্কার:
- ২৬-২৮ মার্চ ২০২৩ ভারতের নয়াদিল্লিতে Foundation of SAARC Writers and Literature (FOSWAL)-এর Literacy Festival অনুষ্ঠিত হয়।
- উৎসবের প্রথম দিন ২৬ মার্চ, ২০২৩ তিনটি বইয়ের জন্য জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে বিশেষ সাহিত্য পুরস্কারে ভূষিত করে।
- বঙ্গবন্ধুর ৩টি বই হলো অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগারের রোজনামচা এবং আমার দেখা নয়াচীন।
- ২০০১ সাল থেকে FOSWAL এ পুরস্কার প্রদান করে আসছে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো (২ এপ্রিল, ২০২৩)।
২,৮১৩.
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০২২-এ সেরা নায়কের পুরস্কার পেয়েছেন কে?
  1. চঞ্চল চৌধুরী
  2. মোশাররফ করিম
  3. সিয়াম আহমেদ
  4. শরিফুল রাজ
সঠিক উত্তর:
চঞ্চল চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চঞ্চল চৌধুরী
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার:

- জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০২২-এ শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র নির্বাচিত হয়েছে ‘কুড়া পক্ষীর শূন্যে উড়া’ এবং ‘পরাণ’ কে।
- জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০২২-এ সেরা নায়কের পুরস্কার পেয়েছেন চঞ্চল চৌধুরী।
- যুগ্মভাবে সেরা নায়িকা হিসেবে নাম ঘোষণা করা হয়েছে জয়া আহসান ও রিকিতা নন্দিনী শিমুর নাম।
- চলচ্চিত্র শিল্পের বিকাশ ও উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য সরকার ব্যক্তিবিশেষকে এবং শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র ও প্রামাণ্যচিত্রকে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান করে থাকে।
- এ পুরস্কারের ক্ষেত্রগুলি হলো শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র, কাহিনীকার, পরিচালক, চিত্র সম্পাদক, সংলাপ রচয়িতা, চিত্র নাট্যকার, অভিনেতা ও অভিনেত্রী, পার্শ্ব অভিনেতা ও পার্শ্ব অভিনেত্রী, সঙ্গীত পরিচালক, চিত্রগ্রাহক, গীতিকার, শিল্প নির্দেশক, শব্দগ্রাহক, গায়ক, গায়িকা, শিশু শিল্পী, নৃত্য পরিচালক, সুরকার, মেকআপ ম্যান, পান্ডুলিপি, সংলাপ, প্রামাণ্যচিত্র, স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ও শিশু শিল্পীদের বিশেষ পুরস্কার।
- এসব ক্ষেত্রে শ্রেষ্ঠ বিবেচিত চলচ্চিত্র ও শ্রেষ্ঠ কলাকুশলীদের পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- প্রতিটি পুরস্কারের মান শ্রেষ্ঠ পরিচালকের জন্য নগদ দশ হাজার টাকা এবং অন্যান্য প্রতিটি ক্ষেত্রে নগদ পাঁচ হাজার টাকা।
- পুরস্কারপ্রাপ্তদের প্রত্যেককে নগদ অর্থের সঙ্গে একটি করে র‌্যাপ্লিকা প্রদান করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ড ওয়েবসাইট।
২,৮১৪.
জাতিসংঘ থেকে ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বাংলাদেশকে কোন সাফল্যের স্বীকৃতি প্রদান করা হয়?
  1. ক) নারীর উন্নয়ন
  2. খ) অর্থনৈতিক উন্নয়ন
  3. গ) দারিদ্র্য বিমোচন
  4. ঘ) শিক্ষা উন্নয়ন
সঠিক উত্তর:
খ) অর্থনৈতিক উন্নয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অর্থনৈতিক উন্নয়ন
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ থেকে বিশ্বব্যাংকের বরাত দিয়ে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ২০১৩ সালে বাংলাদেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়নকে অত্যাশ্চর্য (stunning) বলে অভিহিত করেছে।
ওই রিপোর্টে আরো বলা হয়ঃ “Development pessimism about Bangladesh was understandable, but has been now proven wrong.
Some countries have done well in human development indicators, and others have done well in economic growth, but Bangladesh belongs to a rather small group of countries that have done well on both fronts, the initial pessimism notwithstanding.
This is the crux of the ‘development surprise’ that transformed Bangladesh.”
২,৮১৫.
হাডুডু খেলাকে কাবাডি নামকরণ করা হয় কবে? 
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৬ সালে
  3. ১৯৮৪ সালে
  4. ১৯৭৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা

- ১৯৭২ সালে হাডুডু খেলাকে কাবাডি নামকরণ করা হয় এবং এ খেলাকে জাতীয় খেলার মর্যাদা দেওয়া হয়।

কাবাডি
- কাবাডি ১২.৫০ মিটার দৈর্ঘ্য ও ১০ মিটার প্রস্থের আয়তাকার মাঠ থাকে।
- প্রতি দলে ১২ জন করে খেলোয়াড় নিয়ে অনুষ্ঠিত দুটি দলের খেলা।
- প্রতি দলে ১২ জন করে খেলোয়াড় থাকলেও ৭ জন খেলোয়াড় কোর্টে খেলে।
- এবং বাকি ৫ জন অতিরিক্ত খেলোয়াড় হিসেবে কোর্টের বাইরে থাকে।
-  প্রতিযোগিতার সময় দুই অর্ধ মিলিয়ে মোট ৪০ মিনিট ও দুই অর্ধের মাঝামাঝি ৫ মিনিট বিরতি।
- কোনো পক্ষ তার বিপক্ষের প্রত্যেক খেলোয়াড়কে আউট করার সুবাদে একটি করে পয়েন্ট লাভ করে,
- বিপক্ষ দলের সমস্ত খেলোয়াড়কে আউট করতে পারলে লোনা বাবদ অতিরিক্ত ২ পয়েন্ট পায়। 
- ১৯৭২ সালে হাডুডু খেলাকে কাবাডি নামকরণ করা হয় এবং এ খেলাকে জাতীয় খেলার মর্যাদা দেওয়া হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

২,৮১৬.
আমাদের জাতীয় পতাকার মাপের অনুপাত কত?
  1. ৫:২
  2. ৫:৩
  3. ৩:১
  4. ৭:৫
  5. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
৫:৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫:৩
ব্যাখ্যা
জাতীয় পতাকা:
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা করেন কামরুল হাসান।
- পতাকা বিধি (১৯৭২) অনুসারে জাতীয় পতাকার রং গাঢ় সবুজ এবং ১০:৬ বা ৫:৩ অনুপাতে আয়তাকার, তাতে থাকবে সবুজ অংশের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত।
- লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে পতাকার মোট দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ।
- প্রথম অবস্থায় পতাকার কেন্দ্রস্থলে বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত ছিল।
- ২রা মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা দিবস।
- ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ছাত্রদের পক্ষে পতাকাটি উত্তোলন করেছিলেন তৎকালীন ডাকসুর ভিপি আ স ম আব্দুর রব।।
- শিবনারায়ণ দাস বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পতাকার অন্যতম এবং মূল নকশাকার।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ২ মার্চ ২০২২ ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ২ মার্চ ২০২৩।
২,৮১৭.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের প্রথম জাদুঘর?
  1. ঢাকা জাদুঘর
  2. বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর
  3. বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর
  4. জাতীয় জাদুঘর
সঠিক উত্তর:
বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর
ব্যাখ্যা
- বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর ১৯১০ সালের এপ্রিল মাসে দিঘাপতিয়া রাজপরিবারের কুমার শরৎকুমার রায় এর পৃষ্ঠপোষকতায় প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর হচ্ছে বাংলাদেশের প্রথম জাদুঘর।
- ১৯২৫ সালে বলধার নরেন্দ্রনারায়ণ রায় চৌধুরী বোটানিক্যাল গার্ডেনসহ ঢাকায় প্রতিষ্ঠা করেন বলধা জাদুঘর।
- ১৯১৩ সালে ঢাকা মিউজিয়াম প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২,৮১৮.
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ঈদের জামাত সাধারণত কোথায় হয়ে থাকে?
  1. বায়তুল মোকাররম – ঢাকা
  2. শাহ মখদুম মসজিদ – রাজশাহী
  3. জাতীয় ঈদগাহ - ঢাকা
  4. শোলাকিয়া – কিশোরগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
শোলাকিয়া – কিশোরগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শোলাকিয়া – কিশোরগঞ্জ
ব্যাখ্যা
• শোলাকিয়া ঈদ জামাত: 
- বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত অন্যতম সর্ববৃহৎ ঈদের জামাত।
- কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের পূর্বপ্রান্তে নরসুন্দা নদীর উত্তর তীরে অবস্থিত শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে ঐতিহ্যবাহী এই জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
জনশ্রুতি আছে যে, 
- ১৮২৮ সালে শোলাকিয়া ঈদগাহে সোয়া লাখ মুসল্লি একসঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করেন। সেই থেকে এটি শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠ হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও পত্রিকা রিপোর্ট।
২,৮১৯.
'গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস'-এ বাংলাদেশের কোন খেলোয়াড়ের নাম উঠেছে?
  1. ক) সালমা খাতুন
  2. খ) রানী হামিদ
  3. গ) শারমিন আকতার
  4. ঘ) জোবেরা রহমান লিনু
সঠিক উত্তর:
ঘ) জোবেরা রহমান লিনু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জোবেরা রহমান লিনু
ব্যাখ্যা
গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে জোবেরা রহমান লিনু তালিকাভুক্ত হয়েছেন টেনিস খেলে। [সূত্র: প্রথম আলো]
২,৮২০.
মুজিব বর্ষের দিন গণনা শুরু হয় কবে থেকে?
  1. ক) ২০১৯ সালের ১৭ মার্চ
  2. খ) ২০১৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর
  3. গ) ২০২০ সালের ১০ জানুয়ারি
  4. ঘ) ২০২০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি
সঠিক উত্তর:
গ) ২০২০ সালের ১০ জানুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০২০ সালের ১০ জানুয়ারি
ব্যাখ্যা

চলতি বছরের বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দিন থেকে মুজিব বর্ষের দিন গণনা শুরু হয়। ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ১৭ মার্চ পর্যন্ত সময়কে (২০২০-২১) বাংলাদেশ সরকার মুজিব বর্ষ হিসাবে ঘোষনা করে।
উৎসঃ সাম্প্রতিক তথ্য। Live MCQ সাম্প্রতিক সমচার PDF এ নজর রাখুন।

২,৮২১.
জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ কতজন সৈন্য প্রেরণ করেছিল?
  1. ১৫ জন
  2. ২৫ জন
  3. ৪৫ জন
  4. ৫৫ জন
সঠিক উত্তর:
১৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ জন
ব্যাখ্যা
 জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ:
- জাতিসংঘের উদ্যোগে গঠিত শান্তিরক্ষা বাহিনী এখন পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে শান্তিরক্ষায় নিয়োজিত।
- ১৯৪৮ সালে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন শুরু হয়।
- জাতিসংঘের নিজস্ব কোন শান্তিরক্ষা বাহিনী নেই।
- পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে শান্তিরক্ষা বাহিনীর জন্য সদস্য সংগ্রহ করা হয়।
- বাংলাদেশের সেনাবাহিনীও জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ১৩৬তম সদস্য হিসাবে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
- সর্বপ্রথম বাংলাদেশ ১৯৮৮ সালে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সৈন্য পাঠায়।
- ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশ দুটি অপারেশনে অংশগ্রহণ করে, একটি ইরাক-ইরান (UNIIMOG) এবং অন্যটি নামিবিয়া (UNTAG)।
- UNIIMOG মিশনে ১৫ জন সদস্য প্রেরণ করে আনুষ্ঠানিকভাবে শান্তিরক্ষী মিশন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে।

⇒ ১৯৮৮ সালে সেনাবাহিনীর ১৫ সদস্যের একটি পর্যবেক্ষকদল ইরাক-ইরান শান্তি রক্ষা কার্যক্রমে যোগ দেয়। 
- ১৯৮৯ সালে বাংলাদেশ পুলিশ নামিবিয়ায় জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা কার্যক্রমে যোগ দেয়।
- ১৯৯৩ সালে বাংলাদেশ নৌবাহিনী মোজাম্বিকে এবং বাংলাদেশ বিমানবাহিনী বসনিয়া-হার্জেগোভিনায় জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা কার্যক্রম শুরু করে।

⇒ বিগত চার দশক ধরে শান্তিরক্ষা মিশনে বিশেষ অবদান রাখছে বাংলাদেশ।
- বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ৪০টি দেশে ৬৩টি মিশনে অংশ গ্রহণ করেছে।

উৎস: i) United Nations in Bangladesh ওয়েবসাইট।
ii) ARMED FORCES DIVISION ওয়েবসাইট।
২,৮২২.
বঙ্গবন্ধু টানেলের এপ্রোচ সড়কের দৈর্ঘ্য কত?
  1. ৩.৩২ কিমি
  2. ৫.৩৫ কিমি
  3. ৭.৬৩ কিমি
  4. ৯.৩৯ কিমি
সঠিক উত্তর:
৫.৩৫ কিমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫.৩৫ কিমি
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু টানেল:

- চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশ বাংলাদেশের প্রথম বহুলেন সড়ক টানেল উদ্বোধন করা হয়েছে।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৮শে অক্টোবর ২০২৩ সালে টানেলটি উদ্বোধন করেন।
- বাংলাদেশ সরকার এটির নামকরণ করেছে বঙ্গবন্ধু টানেল।
- দক্ষিণ এশিয়ায় নদীর তলদেশ দিয়ে যানবাহন চলাচলকারী প্রথম টানেল এটি।
- মোট দৈর্ঘ্য – ৯.৩৯ কিমি।
- মূল টানেলের দৈর্ঘ্য – ৩.৩১৫ কিমি অথবা ৩.৩২ কিমি।
- এপ্রোচ সড়কের দৈর্ঘ্য – ৫.৩৫ কিমি।
- টানেলের ধরন – দুই লেনের ডুয়েল টানেল।
- প্রবেশপথ – চট্টগ্রাম বিমানবন্দর ও সমুদ্রবন্দরের কাছে, কর্ণফুলী নদীর ভাটির দিকে নেভি কলেজের কাছে।
- বহির্গমন – আনোয়ারা প্রান্তে সার কারখানার কাছে।

তথ্যসূত্র - বিবিসি বাংলা, ২৮ অক্টোবর ২০২৩।
২,৮২৩.
'দ্যা আইডিয়া অব জাস্টিস' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. ক) মার্থা ন্যুসবাম
  2. খ) নুরুল ইসলাম
  3. গ) অমর্ত্য সেন
  4. ঘ) জোসেফ স্টিগলিটজ
সঠিক উত্তর:
গ) অমর্ত্য সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অমর্ত্য সেন
ব্যাখ্যা
- 'দি আইডিয়া অফ জাস্টিস' হল নোবেল বিজয়ী অমর্ত্য সেনের একটি বিখ্যাত গ্রন্থ।
- ২০০৯ সালে প্রকাশিত এ বইটি রাউলসের 'এ থিওরি অফ জাস্টিস' এর সমালোচনা ও সংশোধন।
- 'দি আইডিয়া অব জাস্টিস' এর মূলকথা হলো- ন্যায্যতা কোন বিমুর্ত, র্ব-নির্ধারিত ধারণা নয়, বিভিন্ন পরিস্থিতিতে নানান মাপকাঠি দিয়ে ন্যায় অন্যায়ের বিচার করতে হবে।

উৎস:ব্রিটানিকা।
২,৮২৪.
‘সেভেন সামিট’-এর কৃতিত্ব অর্জন করেন কে?
  1. ওয়াসফিয়া নাজরীন
  2. নিশাত মজুমদার
  3. মুসা ইব্রাহীম
  4. এম এ মুহিত
সঠিক উত্তর:
ওয়াসফিয়া নাজরীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়াসফিয়া নাজরীন
ব্যাখ্যা
ওয়াসফিয়ার 'সেভেন সামিট' জয়:
- বাংলাদেশের পর্বতারোহী ওয়াসফিয়া নাজরীন ‘সেভেন সামিট’-এর কৃতিত্ব অর্জন করেন।
- বাংলাদেশের প্রথম পর্বতারোহী হিসেবে সাত মহাদেশের সাতটি সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ জয় (সেভেন সামিট) করলেন ওয়াসফিয়া নাজরীন।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ অন সেভেন সামিট কর্মসূচির অংশ হিসেবে ২০১১ সালে ওয়াসফিয়া তাঁর সেভেন সামিট অভিযান শুরু করেন।
- ২০১২ সালে তিনি পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেন।
- এর আগে তিনি আফ্রিকার মাউন্ট কিলিমানজারো, এশিয়ার মাউন্ট এভারেস্ট, অ্যান্টার্কটিকার মাউন্ট ভিনসন, ইউরোপের এলব্রুস, উত্তর আমেরিকার মাউন্ট ডেনালি, দক্ষিণ আমেরিকার অ্যাকোংকাগুয়া পর্বতশৃঙ্গ জয় করেন।

⇒ ২০১৪ সালে দুঃসাহসী অভিযানের জন্য ওয়াসফিয়া নাজরীনকে ন্যাশনাল জিওগ্রাফির বর্ষসেরা অভিযাত্রীর খেতাব দেওয়া হয়।

উৎস: i) প্রথম আলো। [link]
ii) BBC.
২,৮২৫.
ইউনেস্কো ঘোষিত বাংলাদেশের ৬ষ্ঠ অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য কোনটি?
  1. জামদানি বুননশিল্প
  2. শীতলপাটি বুননশিল্প
  3. মঙ্গল শোভাযাত্রা
  4. টাঙ্গাইল শাড়ি বয়নশিল্প
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইল শাড়ি বয়নশিল্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইল শাড়ি বয়নশিল্প
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের শতাব্দীপ্রাচীন টাঙ্গাইল শাড়ি বয়নশিল্পের ঐতিহ্য ইউনেসকোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান পেয়েছে। ভারতের নয়াদিল্লির লালকেল্লায় এক অধিবেশনে ইউনেসকোর রিপ্রেজেন্টেটিভ লিস্ট অব ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ অব হিউম্যানিটিতে (আইসিএইচ) আনুষ্ঠানিকভাবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
- বাংলাদেশের ষষ্ঠ আইসিএইচ উপাদান হিসেবে টাঙ্গাইল বয়নশিল্প চূড়ান্তভাবে তালিকাভুক্ত হলো।

• ইউনেসকোর 'অপরিমেয়/বিমূর্ত/অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য:

⇒ ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ বা বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হলো সেই সব জ্ঞান, দক্ষতা, প্রথা, আচরণ ও শিল্প-অনুশীলন যা কোনো সমাজ বা সম্প্রদায় পরম্পরাগতভাবে টিকিয়ে রাখে।

⇒ ২০০৩ সালে ইউনেসকোর তত্ত্বাবধানে ‘কনভেনশন ফর দ্য সেফগার্ডিং অব দ্য ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ’ নামে যাত্রা শুরু করে। এই কনভেনশনে স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্রগুলোকে আইসিএইচ উপাদান শনাক্ত, রক্ষা ও প্রচারের জন্য বাধ্যবাধকতা দেয়। বাংলাদেশ ২০০৯ সালের ১১ সেপ্টেম্বর এই কনভেনশনে স্বাক্ষর করে।

উল্লেখ্য,
 - বর্তমানে দেশে ৬টি ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রয়েছে।
- এগুলো হলো:
 ১) বাউলগান (২০০৮), 
২) জামদানি বুননশিল্প (২০১৩), 
৩) মঙ্গল শোভাযাত্রা (২০১৬), 
৪) শীতলপাটি বুননশিল্পের (২০১৭) ও 
৫) ঢাকা শহরের ‘রিকশা ও রিকশাচিত্র’ (২০২৩)।
৬) টাঙ্গাইল শাড়ি বয়নশিল্প (২০২৫)

উৎস: প্রথম আলো।

২,৮২৬.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ‘দ্য জুয়েল ইন দ্য ক্রাউন’ হিসেবে কোন দেশকে বিবেচনা করা হতো?
  1. জাপান
  2. ভারত
  3. রাশিয়া
  4. উত্তর কোরিয়া
সঠিক উত্তর:
ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও কুমিল্লা সেনানিবাস:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় কুমিল্লা সেনানিবাস ছিল ব্রিটিশদের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র।
- ব্রিটিশ কমান্ডার ফিল্ড মার্শাল উইলিয়াম জোসেফ স্লিম বার্মার যুদ্ধে নেতৃত্ব দেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানিজরা সিঙ্গাপুর দখল করার পাশাপাশি চীনের অনেক জায়গা দখল করে ভারতের দিকে অগ্রসর হতে থাকে।
- পরে জাপানিরা বার্মায় রেঙ্গুন দখল করে ভারতের দিকে অগ্রসর হয়, তখন ভারতকে ‘দ্য জুয়েল ইন দ্য ক্রাউন’ হিসেবে বিবেচনা করা হতো।
- কুমিল্লা সেনানিবাস থেকে উইলিয়াম স্লিম তাঁর সৈনিকদের প্রস্তুত করেন। তখন প্রতিপক্ষও ফেনীসহ বিভিন্ন এলাকায় বোমাবর্ষণ শুরু করে।
- একপর্যায়ে উইলিয়াম স্লিম একটা আন্ডারগ্রাউন্ড কমান্ডো ফোর্স গঠন করেন; কুমিল্লা সেনানিবাসে যা এখনো আছে।
- কুমিল্লায় যুদ্ধ না হলেও এর কৌশলগত অবস্থান এবং ময়নামতির হাসপাতাল অঞ্চলটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ করে তোলে।
- যুদ্ধকালে কুমিল্লা ও চট্টগ্রামে হাসপাতাল তৈরি হয়। আহত মিত্র সৈনিকদের চিকিৎসা ও মৃত্যুপরবর্তী সমাহিত করতে ময়নামতিতে যুদ্ধসমাধি স্থাপন করা হয়।
- বর্তমান স্থানটিতে প্রথমে ব্রিটিশদের সমাহিত করার কাজ শুরু হয়।
- জাপানিরা শত্রুপক্ষ হওয়ায় তাঁদের সমাধিস্থলের একটি কোণে জায়গা দেওয়া হয়।
- যাঁরা মুসলিম ছিলেন, তাঁদের পৃথকভাবে একটি (দক্ষিণ-পশ্চিম) পাশে দাফন করা হয়। কারণ, মুসলিমদের কবর দেওয়ার পদ্ধতি ভিন্ন।
- সেখানে সমাহিত করা বেশির ভাগই আহত অবস্থায় ময়নামতিতে চিকিৎসার জন্য এসে মারা গিয়েছিলেন।
- পাহাড়ি ও বন্যামুক্ত সুন্দর পরিবেশ থাকার কারণে ময়নামতিকে সমাধিস্থল হিসেবে বেছে নেওয়া হয়।
- বার্মায় যুদ্ধে অনেক সৈনিক নিহত হন। ওই সময় কুমিল্লা, চট্টগ্রামসহ কয়েকটি স্থানে যুদ্ধসমাধি তৈরি করেছিলেন ব্রিটিশরা। 

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো।
২,৮২৭.
কোন দলের বিপক্ষে বিশ্বকাপ ক্রিকেটে বাংলাদেশের অভিষেক ঘটে?
  1. ক) পাকিস্থান
  2. খ) নিউজিল্যান্ড
  3. গ) ভারত
  4. ঘ) দক্ষিণ আফ্রিকা
সঠিক উত্তর:
খ) নিউজিল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নিউজিল্যান্ড
ব্যাখ্যা
- বিশ্বকাপ ক্রিকেটের সপ্তম আসরে ১৯৯৯ সালের ১৭মে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশ দলের অভিষেক ঘটে। 
- এ ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয় ইংল্যান্ডে। 
- এই বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ড এবং পাকিস্তানকে হারিয়ে ইতিহাস রচনা করে বাংলাদেশ। 

উল্লেখ্য,
-  ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে। 
- বাংলাদেশ ২৬ জুন ২০০০ সালে আইসিসির দশম পূর্ণাঙ্গ সদস্য হিসেবে টেস্ট খেলার মর্যাদা অর্জন করে। 
- ২০০০ সালের নভেম্বরে ভারতের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট খেলতে নামা বাংলাদেশ ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে প্রথম টেস্ট জয়ের স্বাদ পায়। 

উৎস
: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ওয়েবসাইট।
২,৮২৮.
বাংলাদেশ কত সালে WIPO-এর সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৯৮৪ সালে
  4. ১৯৮৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫ সালে
ব্যাখ্যা
WIPO:
- WIPO-এর পূর্ণরূপ: World Intellectual Property Organization.
- WIPO হলো জাতিসংঘের বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ বিষয়ক বৈশ্বিক সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৪ জুলাই, ১৯৬৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১৯৭০ সালে।
- জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার অন্তর্ভুক্ত হয় ১৯৭৪ সালে।
- সংশোধিত হয়: ১৯৭৯ সালে।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৩টি।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান মহাপরিচালক: ড্যারেন ট্যাং (সিঙ্গাপুর)।

⇒ মূল উদ্দেশ্য বিশ্বব্যাপী সৃজনশীল বা সৃষ্টিশীল কর্মকান্ডকে উৎসাহিত করা।
- WIPO ভৌগলিক নির্দেশক পণ্যের স্বীকৃতি দেয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৮৫ সালের ১১ মে WIPO এর সদস্যপদ লাভ করে।

উৎস: WIPO ওয়েবসাইট।
২,৮২৯.
বাংলাদেশের ‘গ্লোব বায়োটেক’ কর্তৃক উদ্ভাবিত করোনার ভ্যাকসিন এর নাম কি?
  1. ক) ব্যানভ্যাক্স
  2. খ) ব্যানকোভিড
  3. গ) বঙ্গভ্যাক্স
  4. ঘ) বঙ্গভিড
সঠিক উত্তর:
গ) বঙ্গভ্যাক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বঙ্গভ্যাক্স
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের গ্লোব বায়োটেক এর উদ্ভাবিত তিনটি করোনা ভাইরাস টীকা ১৫ অক্টোবর, ২০২০ তারিখে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) তালিকাভুক্ত করেছে। এখন পর্যন্ত গ্লোব বায়োটেকই সফলভাবে ৩টি টীকা উৎপাদনকারী একমাত্র প্রতিষ্ঠান। গ্লোবের উদ্ভাবিত ভ্যাকসিনটির নাম প্রথমে ব্যানকোভিড রাখা হলেও পরবর্তীতে ১ ডিসেম্বর এর নাম পরিবর্তন করে বঙ্গভ্যাক্স রাখা হয়।
সূত্রঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, নভেম্বর ২০২০ এবং independent24.com

২,৮৩০.
বাংলাদেশ প্রথম ওয়ানডে সিরিজ জিতেছে কাদের বিপক্ষে?
  1. পাকিস্তান
  2. ভারত
  3. জিম্বাবুয়ে 
  4. শ্রীলঙ্কা
সঠিক উত্তর:
জিম্বাবুয়ে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিম্বাবুয়ে 
ব্যাখ্যা

ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ ওয়ানডে ক্রিকেট স্ট্যাটাস লাভ করে ১৯৯৭ সালে।
- ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে।
- ১৭ মে, ১৯৯৮ সালে কেনিয়ার বিপক্ষে একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে প্রথম জয় পায়।
- ২০০৫ সালে বাংলাদেশ প্রথম ওয়ানডে সিরিজ জয় লাভ করে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে ২০০০ সালে।
- ২০০০ সালের ১০ই নভেম্বর বাংলাদেশ সর্বপ্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে ভারতের বিপক্ষে।
- ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশ টেস্ট ম্যাচে প্রথম জয় পায়।
- ১০ জানুয়ারি, ২০০৫ সালে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট সিরিজ জয় লাভ করে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।

উৎস: ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮।

২,৮৩১.
নিম্নের কোনটি ড. মুহাম্মদ ইউনূসের থ্রি জিরো তত্ত্বের আলোচ্য বিষয় নয়?
  1. বেকারত্ব
  2. কার্বন নিঃসরণ
  3. সামাজিক ব্যবসা
  4. দারিদ্র্য
সঠিক উত্তর:
সামাজিক ব্যবসা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামাজিক ব্যবসা
ব্যাখ্যা
সামাজিক ব্যবসা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের থ্রি জিরো তত্ত্বের আলোচ্য বিষয় নয়।

থ্রি জিরো তত্ত্ব:

- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।
-  ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বজুড়ে আলোচিত তার তিন শূন্য বা থ্রি জিরো তত্ত্বের জন্য।
- সেগুলো হচ্ছে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনা।
- তা অর্জনে প্রয়োজন তারুণ্য, প্রযুক্তি, সুশাসন ও সামাজিক ব্যবসা।

- গ্রামীণ ব্যাংক ও ক্ষুদ্রঋণ ধারণার প্রবর্তক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- আর এই অবদানের জন্য তিনি শান্তিতে নোবেল পান ২০০৬ সালে।
- এই ক্ষুদ্রঋণ ধারণার মূল লক্ষ্যই ক্ষুধামুক্ত বিশ্ব গড়া।

উৎস: Yunus Centre.
২,৮৩২.
স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের অধিনায়ক ছিলেন -
  1. তানভীর মাজহারুল তান্না
  2. জামাল ভূইয়া
  3. জাকারিয়া পিন্টু
  4. প্রতাপ শংকর হাজরা
সঠিক উত্তর:
জাকারিয়া পিন্টু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাকারিয়া পিন্টু
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল:
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে বাংলাদেশের একটি ফুটবল দল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত অর্জন এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্যার্থে অর্থ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে ভারতের বিভিন্ন স্থানে প্রদর্শনী ফুটবল খেলায় অংশ নেয়।
- এই দলটি ‘স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল’ নামে পরিচিত ছিল।
- মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্যার্থে অর্থ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে ভারতের বিভিন্ন স্থানে প্রদর্শনী ফুটবল খেলায় অংশ নেয়।
- পৃথিবীর ইতিহাসে যুদ্ধকালীন প্রথম ফুটবল দল এটি।

উল্লেখ্য,
- জুন মাসে কলকাতায় শামসুল হক প্রতিষ্ঠা করেন বাংলাদেশ ক্রীড়া সমিতি।
- তার সাহায্যে এগিয়ে এলেন সমিতির প্রথম সেক্রেটারি লুতফর রহমান, কোচ আলী ইমাম ও ইস্ট এন্ড ক্লাবের সাবেক ফুটবলার সাঈদুর রহমান প্যাটেল।

⇒ স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের অধিনায়ক ছিলেন জাকারিয়া পিন্টু এবং সহ-অধিনায়ক ছিলেন প্রতাপ শংকর হাজরা।
- কোচ ও ম্যানেজার ছিলেন যথাক্রমে ননি বসাক ও তানভীর মাজহারুল তান্না।
- ম্যাচ খেলা থেকে অর্জিত পাঁচ লাখ ভারতীয় রুপি ক্রীড়া সমিতি জমা দিয়েছে মুক্তিযুদ্ধের ফান্ডে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) The Daily Star Bangla.
২,৮৩৩.
নিচের কোন দেশটির দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষা বাংলা?
  1. সিয়েরা লিওন
  2. ঘানা
  3. কঙ্গো
  4. মোজাম্বিক
সঠিক উত্তর:
সিয়েরা লিওন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিয়েরা লিওন
ব্যাখ্যা
সিয়েরা লিওনে বাংলা ভাষা:
- পশ্চিম আফ্রিকার একটি দেশ সিয়েরা লিওন।
- ২০০২ সালে সিয়েরা লিওনে অফিসিয়াল ভাষা বা দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষা হিসাবে বাংলা ভাষার নাম ঘোষণা করা হয়।
- ভৌগলিক বা সাংস্কৃতি উভয় ক্ষেত্রে বাংলাদেশ থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন সিয়েরা লিওন।
- কিন্তু এ দুই দেশের সম্পর্ক এতটাই গভীর ও আন্তরিক যে, এ দেশের ভাষাকে নিজেদের করে নিয়েছে আফ্রিকার দেশটি।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯১ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত দেশটি গৃহযুদ্ধে বিধ্বস্ত হয়েছে।
- সেই সময়টাতে সিয়েরা লিওনে শান্তি ফেরাতে বিপুল পরিমাণ শান্তি বাহিনী নিয়োগ করে জাতিসংঘ।
- তাদের বড় একটি অংশজুড়ে ছিল বাংলাদেশি সেনাবাহিনীর সদস্যরা।
- এ দেশের সেনারা সিয়েরা লিওনের বিদ্রোহীদের সঙ্গে যুদ্ধ করেছেন।
- ২০০২ এর কিছু আগে পরে শান্তি ফিরে আসে দেশটিতে। 
- প্রেসিডেন্ট আহমাদ তেজান কাব্বাহ কৃতজ্ঞতা জানাতে এবং বাংলাদেশি সেনা সদস্যদের ভূমিকাকে চিরস্মারণীয় রাখতে বাংলা ভাষাকে দেশটির সরকারি ভাষার মর্যাদা দেন। 

উৎস: ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭, কালের কণ্ঠ।
২,৮৩৪.
যুব হকি এশিয়া কাপ- ২০২৫ এ বাংলাদেশ নারী দল কততম স্থান অর্জন করেছে? [জুলাই, ২০২৫]
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
সঠিক উত্তর:
৩য়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩য়
ব্যাখ্যা
যুব হকি এশিয়া কাপ:
- ২০২৫ সালে অনূর্ধ্ব-১৮ এশিয়া কাপে এবারই প্রথম অংশগ্রহণ করেছে বাংলাদেশ নারী হকি দল।
- প্রথমবারেই তৃতীয় হয়ে ব্রোঞ্জ পদক জিতেছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
- ১৩ জুলাই, ২০২৫ চীনের দাজহুতে কাজাখস্তানকে ৬-২ গোলে হারিয়ে তৃতীয় হয়ে টুর্নামেন্ট শেষ করেছে বাংলাদেশের মেয়েরা। 
- হ্যাটট্রিক করে ম্যাচসেরা হয়েছেন বাংলাদেশের আইরিন আক্তার।
- অন্যদিকে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে মালয়েশিয়ার কাছে ৫-২ গোলে হেরে পদক হাতছাড়া করেছে পুরুষ হকি দল।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [LINK]
২,৮৩৫.
নিপোর্ট (NIPORT) কী ধরনের গবেষণা প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) নদী গবেষণা
  2. খ) বন্দর গবেষণা
  3. গ) জনসংখ্যা গবেষণা
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
গ) জনসংখ্যা গবেষণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জনসংখ্যা গবেষণা
ব্যাখ্যা
• উল্লেখিত প্রশ্নের উত্তর: জনসংখ্যা গবেষণা। 

- জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট) ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত।
- স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি কর্মসূচী ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার একটি আদর্শ আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠান তৈরির দিকে দৃষ্টি রেখে ১৯৭৭ সালে জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট)-এর আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- নিপোর্ট স্বস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন এবং মাঠপর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তা/কর্মচারীদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি এবং মনোভাবের পরিবর্তনের জন্য বিভিন্ন ধরণের প্রশিক্ষণ প্রদান করে আসছে।
- নিপোর্টের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে প্রজনন স্বাস্থ্য, শিশু স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচিকে জোরদার করার জন্য কর্মসূচিভিত্তিক মূল্যায়নধর্মী অপারেশনাল গবেষণা ও সার্ভে পরিচালনা করা এবং কর্মসূচি উন্নয়নের জন্য গবেষণার ফলাফল কার্যকরভাবে বিভিন্ন পর্যায়ে উপস্থাপন করা।

সূত্র: নিপোর্ট।
২,৮৩৬.
থ্রি-জিরো তত্ত্বের প্রবক্তা কে?
  1. ড. মনসুর রহমান
  2. ড. ফজলে হাসান আবেদ
  3. ড. আব্দুল হক
  4. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
ব্যাখ্যা

• থ্রি - জিরো তত্ত্বে:
- অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের টেকসই উন্নয়নের 'থ্রি-জিরো' তত্ত্ব ।
- থ্রি-জিরো তত্ত্ব' আর্থিক স্বাধীনতা, কর্মঠ জনশক্তি তৈরি এবং পরিবেশ উন্নয়নে বর্তমান পৃথিবীতে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও কার্যকর একটি মডেল।
- এটি একটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি, যা তিনটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য অর্জনের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। 

⇒ সেগুলো হচ্ছে-
• জিরো দারিদ্র্য,
• জিরো বেকারত্ব,
• জিরো নেট কার্বন নিঃসরণ। 

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে অনুষ্ঠিত বৈশ্বিক জলবায়ু সম্মেলনে বাসযোগ্য নিরাপদ পৃথিবী ও নতুন সভ্যতা গড়ে তুলতে ‘থ্রি জিরো’ তত্ত্বকে বৃহৎ পরিসরে তুলে ধরেছেন অধ্যাপক ইউনূস।

উৎস: The Business Standard.

২,৮৩৭.
‘বঙ্গবন্ধু-১’ স্যাটেলাইট মহাকাশে উৎক্ষেপণ করা হয় কবে?
  1. ২ মে ২০১৮
  2. ১২ মে ২০১৮
  3. ২ জুন ২০১৮
  4. ১২ জুন ২০১৮
সঠিক উত্তর:
১২ মে ২০১৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ মে ২০১৮
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১: 
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১ নির্মাণ করেছে বিশ্বের অন্যতম খ্যাতনামা স্যাটেলাইট নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান ফ্রান্সের থেলেস এলেনিয়া স্পেস। 
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের গায়ে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকার রঙের নকশার ওপর ইংরেজিতে লেখা রয়েছে বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু- ১। 
- বাংলাদেশ সরকারের একটি মনোগ্রামও রয়েছে এতে।
- বাংলাদেশ সময় ১২ মে, ২০১৮ তারিখ শুক্রবার দিবাগত রাত ২টা ১৪ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারের উৎক্ষেপণ মঞ্চ থেকে 'বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট– ১' মহাকাশে পাঠানো হয়।
- ফ্যালকন ৯ রকেটের নতুন সংস্করণ ব্লক ফাইভ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটকে নিয়ে যাত্রা করে নিজস্ব কক্ষপথে।
- রকেট উৎক্ষেপণের আধা ঘণ্টাখানেক পর স্যাটেলাইটটি কাঙ্ক্ষিত জিওস্টেশনারি ট্রান্সফার অরবিটে পৌঁছায়।
- এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সম্প্রচার, টেলিযোগাযোগ ও ডেটা কমিউনিকেশন সেবা পাওয়া যাবে।
- এর মাধ্যমে বিশ্বের ৫৭তম স্যাটেলাইট সদস্য দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলো বাংলাদেশ। 
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে মোট খরচ হয়েছে ২ হাজার ৯০২ কোটি টাকা।
- এর মেয়াদ ১৫ বছর।
- এই স্যাটেলাইটের গ্রাউন্ড স্টেশন সংখ্যা ২টি।
-- ট্রান্সপন্ডার রয়েছে ৪০টি।
 
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
২,৮৩৮.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন দেশের জাতীয় সঙ্গিতের রচয়িতা নন?
  1. ক) বাংলাদেশ
  2. খ) ভারত
  3. গ) নেপাল
  4. ঘ) শ্রীলংকা
সঠিক উত্তর:
গ) নেপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নেপাল
ব্যাখ্যা
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তিনটি দেশের জাতীয় সঙ্গীত রচনা করেছেন। ১. ভারত, ২. বাংলাদেশ ও ৩. শ্রীলঙ্কা।
২,৮৩৯.
দেশের ইতিহাসে প্রথম নারী শিক্ষা সচিব কে?
  1. রেহানা পারভীন
  2. জোবায়দা আক্তার 
  3. সেলিনা বেগম 
  4. নাজনিন খাতুন
সঠিক উত্তর:
রেহানা পারভীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেহানা পারভীন
ব্যাখ্যা

প্রথম নারী শিক্ষা সচিব:
- বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম নারী শিক্ষা সচিব রেহানা পারভীন।

⇒ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের নতুন সচিব হয়েছেন রেহানা পারভীন।
- তিনি এর আগে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (এনএসডিএ) নির্বাহী চেয়ারম্যান (সচিব) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
- ১৮ আগস্ট, ২০২৫ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে রেহানা পারভীন আনুষ্ঠানিকভাবে দেশের প্রথম নারী শিক্ষা সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেলেন।

উল্লেখ্য,
- শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে ২০১৬ সালের নভেম্বরে দুটি বিভাগে ভাগ করা হয়।
- একটি হলো মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং অন্যটি কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ।
- ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার পর থেকে অবিভক্ত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে মোট ৩৩ জন সিনিয়র সচিব ও সচিব দায়িত্ব পালন করেছেন।
- বিভাগ বিভক্ত হওয়ার পর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে এখন পর্যন্ত সাতজন সিনিয়র সচিব ও সচিব দায়িত্ব পালন করলেও তাদের কেউ নারী ছিলেন না।

উৎস: প্রথম আলো।

২,৮৪০.
”দুর্বার বাংলা” ভাস্কর্যটি কোথায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
  2. খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
  3. বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
  4. কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর:
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা

- ”দুর্বার বাংলা” ভাস্কর্যটি খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত।
- ২০১৩ সালে এই ভাস্কর্যটি তৈরি হয়।
- ”দুর্বার বাংলা” ভাস্কর্যটির  ভাস্কর গোপাল চন্দ্র পাল।

এছাড়াও,
• কিছু গুরত্বপূর্ণ কিছু ভাস্কর্যিএবং তাদের স্থপতি।
- জাতীয় স্মৃতিসৌধ এর স্থপতি- সৈয়দ মাইনুল হোসেন।
- কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এর স্থপতি- হামিদুর রহমান।
- সাবাশ বাংলাদেশ ভাস্কর্যটির স্থপতি- নিতুন কুন্ডু।
- সংশপ্তক ভাস্কর্যটির স্থপতি হামিদুজ্জামান।
-  বিজয় ৭১” ভাস্কর্যটির স্থপতি- শ্যামল চৌধুরী।
- ”মোদের গর্ব” ভাস্কর্যটির স্থপতি- অখির পাল।
- মিশুক ভাস্কর্যটির স্থপতি- মুস্তফা মনোয়ার।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং পত্রিকার রিপোর্ট।

২,৮৪১.
গৌড়ের সোনা মসজিদ কার আমলে নির্মিত হয়?
  1. শায়েস্তা খান
  2. ঈশা খাঁ
  3. ফকরুদ্দনি মোবারক শাহ
  4. হুসেন শাহ
সঠিক উত্তর:
হুসেন শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হুসেন শাহ
ব্যাখ্যা

ছোট সোনা মসজিদ:
- ছোট সোনা মসজিদ সুলতানি আমলের একটি অনন্য স্থাপত্য নিদর্শন। এটি 'সুলতানি স্থাপত্যের রত্ন' বলে আখ্যায়িত৷
- মধ্যযুগের সুলতানি আমলের গৌড়নগরীর এক ঐতিহাসিক স্থাপনা ছোট সোনা মসজিদ।
- মসজিদটিকে বলা হতো ‘গৌড়ের রত্ন'।
- চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রাচীন ঐতিহ্যের প্রধানতম নিদর্শন হচ্ছে ছোট সোনামসজিদ।
- মধ্যযুগে বাংলার স্বাধীন সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহের রাজত্বকালে (১৪৯৩-১৫১৯) নির্মিত হয় সোনামসজিদ।
- প্রধান প্রবেশ পথের উপরিভাগে স্থাপিত একটি শিলালিপি অনুযায়ী জনৈক মজলিস-ই-মাজালিস মজলিস মনসুর ওয়ালী মুহম্মদ বিন আলী কর্তৃক মসজিদটি নির্মিত হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২,৮৪২.
বিকেএসপির নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা কার্যক্রম চালু হয় কত সালে?
  1. ১৯৮৪ সালে
  2. ১৯৮৫ সালে
  3. ১৯৮৬ সালে
  4. ১৯৮৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৬ সালে
ব্যাখ্যা
বিকেএসপি:
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৪ সালে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অধীনে প্রকল্প আকারে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব স্পোর্টস (বিআইএস) প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করে।
- ১৯৭৬ সালে এ প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হয়।
- ১৯৮৩ সালে এক অধ্যাদেশের মাধ্যমে এর নাম পরিবর্তন করে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) রাখা হয়।
- বিকেএসপির নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা কার্যক্রম চালু হয় ১৯৮৬ সালে।
- সাভারের জিরানীতে ১১৯ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠানটি অবস্থিত।
- বিকেএসপি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি বিধিবদ্ধ স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠানের ৪টি শাখা রয়েছে। প্রশাসনিক, প্রশিক্ষণ, ক্রীড়া বিজ্ঞান এবং একাডেমিক।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
২,৮৪৩.
'মোদের গরব' ভাস্কর্যের নকশাকার কে?
  1. শ্যামল চৌধুরী
  2. অখিল পাল
  3. শামীম সিকদার
  4. হামিদুর রহমান
সঠিক উত্তর:
অখিল পাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অখিল পাল
ব্যাখ্যা
মোদের গরব:
- মোদের গরব বাংলা একাডেমী ভবনের সামনে অবস্থিত একটি ভাস্কর্য।
- ১৯৫২ সালে বাংলা ভাষা আন্দোলনের সময় বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসাবে প্রতিষ্ঠা করার দাবি জানানো হয়।
- এই আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে শহীদদের সম্মানে এই ভাস্কর্যটি তৈরী করা হয়।
- মোদের গরব ভাস্কর্যটির নকশাকার ও নির্মাণ করেছেন বাংলাদেশের খ্যাতিমান ভাস্কর শিল্পী অখিল পাল।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২,৮৪৪.
'সওগাত' পত্রিকাটি সম্পাদনা করেন কে?
  1. মোহাম্মদ এয়াকুব আলী চৌধুরী
  2. মোহাম্মদ আকরাম খাঁ
  3. মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন
  4. মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন
ব্যাখ্যা
• 'সওগাত' পত্রিকা: 
- ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ সাল) অগ্রহায়ণ মাসে মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীনের সম্পাদনায়  কলকাতা থেকে এটি প্রকাশিত হয়।
- কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন সওগাতের প্রধান লেখকদের অন্যতম।
- তিনি যখন করাচিতে বেঙ্গল রেজিমেন্টে কর্মরত, তখন ‘বাউন্ডুলের আত্মকাহিনী’ নামে একটি ছোট গল্প পাঠান।
- এটিই ছিল তাঁর সওগাতে প্রকাশিত প্রথম লেখা।
- সওগাতের অন্যান্য প্রধান লেখক ছিলেন বেগম রোকেয়া, কাজী আবদুল ওদুদ, আবুল কালাম শামসুদ্দীন, আবুল মনসুর আহমদ এবং আবুল ফজল।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুরও এতে লিখেছেন।

• তাছাড়া, 
 - মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক সম্পাদিত পত্রিকা- 'মোসলেম ভারত'।
- 'মোহাম্মদ আকরাম খাঁ' সম্পাদিত পত্রিকা- সাপ্তাহিক মোহাম্মদী।  
- মোহাম্মদ এয়াকুব আলী চৌধুরী সম্পাদিত পত্রিকা- 'কোহিনূর'।


উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।
২,৮৪৫.
ইলিশ মাছের পূর্ণাঙ্গ জীবনরহস্য উন্মোচনে গবেষকদলের নেতৃত্ব দেন কে?
  1. ড. মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান
  2. ড. মো. সামছুল আলম
  3. ড. জাকির হোসেন
  4. ড. মোবারক আহমেদ খান
সঠিক উত্তর:
ড. মো. সামছুল আলম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মো. সামছুল আলম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ বায়োলজি অ্যান্ড জেনেটিক্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. সামছুল আলমের নেতৃত্বে বাকৃবির একদল গবেষক ২০১৮ সালের ৮ সেপ্টেম্বর ইলিশের জীবনরহস্য উন্মোচনের ঘোষণা দেয়।
এই দলের অন্যরা হলেন অধ্যাপক ড. মো. বজলুর রহমান মোল্লা, অধ্যাপক ড. মো. শহিদুল ইসলাম ও অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ গোলাম কাদের খান।
তবে একই সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হাসিনা খানের নেতৃত্বে অপর একটি গবেষকদলও ইলিশের জীবনরহস্য উন্মোচনের ঘোষণা দেয়।
(সূত্র: দৈনিক সমকাল : ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮)
২,৮৪৬.
বাংলাদেশের সাথে ভারতের কয়টি ছিটমহল যুক্ত হয়?
  1. ৫১টি
  2. ১১১টি
  3. ৭৬টি
  4. ১৬২টি
সঠিক উত্তর:
১১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১১টি
ব্যাখ্যা
• ছিটমহল:
- একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় অবস্থিত অন্য কোনো স্বাধীন রাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত এলাকাই ছিটমহল নামে পরিচিত।
- ২০১৫ সালের পূর্বে ভারত বাংলাদেশ এর মধ্যাকার সর্বমোট ১৬২ টি ছিটমহল ছিল।
- ০১আগষ্ট, ২০১৫ সালের রাত ১২:০১ মিনিটে ভারত - বাংলাদেশ ঐতিহাসিক মুজিব-ইন্দিরা চুক্তির অংশ হিসাবে নিজেদের ছিটমহলগুলো পরস্পরের সাথে বিনিময় করে।
- ভারতের ১১১টি ছিটমহল ছিল বাংলাদেশের অভ্যন্তরে - আর বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল ছিল ভারতের অভ্যন্তরে।
- বাংলাদেশ-ভারত ছিটমহল বিনিময়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত হন ভারতের ১১১টি ছিটমহলের নাগরিক,
-  অন্যদিকে ভারতের সঙ্গে যুক্ত হন বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহলের নাগরিক।
- দাশিয়ারছড়া ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার ১৬২টি বিলুপ্ত ছিটমহলের মধ্যে আয়তন ও লোকসংখ্যার দিক থেকে সবচেয়ে বড়।

উৎস: প্রথম আলো, বিবিসি ও শিক্ষক বাতায়ন।
২,৮৪৭.
২০২৪ সালের ‘বর্ষপণ্য’ কোনটি?
  1. চামড়া শিল্প
  2. তৈরি পোশাক
  3. চা-শিল্প
  4. হস্তশিল্প
সঠিক উত্তর:
হস্তশিল্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হস্তশিল্প
ব্যাখ্যা
২০২৪ সালের বর্ষপণ্য: 
- হস্তশিল্পকে ২০২৪ সালের বর্ষপণ্য ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নারীর ক্ষমতায়নে ভূমিকা রাখায় এ খাতে বিশেষ নজর দিতে ‘হস্তশিল্প’কে ‘বর্ষপণ্য’ হিসেবে ঘোষণা করেছেন। 
- ঢাকায় অনুষ্ঠিত ২৮তম আন্তর্জাতিক বানিজ্যমেলার উদ্বোধনের সময় তিনি এই ঘোষণা দেন। 

সূত্র: বাসস প্রত্রিকা রিপোর্ট। 
২,৮৪৮.
’বেলা’ কী ধরনের সংগঠন?
  1. মানবাধিকার সহায়তা সংগঠন
  2. জেন্ডার সমতা বিষয়ক সংগঠন
  3. অর্থনৈতিক সংগঠন
  4. পরিবেশ আইনজীবীদের সংগঠন 
সঠিক উত্তর:
পরিবেশ আইনজীবীদের সংগঠন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিবেশ আইনজীবীদের সংগঠন 
ব্যাখ্যা

 BELA (Bangladesh Environmental Lawyers Association)
-বাংলাদেশের বেসরকারি পরিবেশ আইনজীবীদের সংগঠন হলো ’বেলা’।
- ১৯৯২ সালে মহিউদ্দীন ফারুক এটি প্রতিষ্ঠা করে । 
- নাইকোর বিরুদ্ধে মামলা করে টেংরাটিলা গ্যাসফিল্ডে বিস্ফোরনের কারণে  এটি সারাদেশে প্রসংশা কুড়ায়।
- বাংলাদেশ মহিলা সমিতি নারীদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করার পাশাপাশি নারীদের বিভিন্ন আইনি বিষয়গুলিতেও সহায়তা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধি করছে।
- বর্তমানে এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করছেন, সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
- তিনি ২০১২ সালে এশিয়ার নোবেল পুরস্কার হিসেবে বিবেচ্য ফিলিপাইনভিত্তিক রামোন ম্যাগসেসে পুরস্কার লাভ করেন

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো। 

২,৮৪৯.
১৯৯২ সালে সুন্দরবন কততম রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে?
  1. ৫৫৮তম
  2. ৫৬০তম
  3. ৬৬৫তম
  4. ৭৯৮তম
সঠিক উত্তর:
৫৬০তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৬০তম
ব্যাখ্যা
• সুন্দরবন:
- সুন্দরবন বিশ্বের একক বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন।
- সুন্দরবন দুটি বন বিভাগে বিভক্ত: সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগ ও সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগ।
- সুন্দরবনের মোট আয়তন ৬০১৭ বর্গকিলোমিটার।
- সমগ্র সুন্দরবন খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটে বিস্তৃত।
- সুন্দরবন ৫৬০তম রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
এছাড়া ৩টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য কেন্দ্র এবং ৩টি বিশেষায়িত বণ্যপ্রানী (ডলফিন) অভয়ারণ্য বিদ্যমান।
- ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সনে UNESCO সুন্দরবনের ৩টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যকে ৭৯৮তম World Heritage Site হিসেবে ঘোষণা করে।
- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৯ সনে নীলকমলে World Heritage Site-এর নামফলক উন্মোচন করেন।
- সুন্দরবনের জলভাগ জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধ হওয়ায় ১৯৯২ সালের ২১ মে থেকে এটি Ramsar Site হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
- টাঙ্গুয়ার হাওর ১০ জুলাই, ২০০০ সালে রামসার সাইটের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র: বন সংরক্ষণ দপ্তর ও রামসার সাইট।
২,৮৫০.
বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের অর্থায়নে নির্মিত প্রথম শহিদ মিনার কোথায় অবস্থিত?
  1. ইংল্যান্ড
  2. জাপান
  3. ভারত
  4. কানাডা
সঠিক উত্তর:
জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান
ব্যাখ্যা

- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নিজের অর্থায়নে ২০০৫ সালে জাপানের টোকিওতে শহিদ মিনার নির্মিত হয়। 

• দেশের বাহিরে শহিদ মিনার:
- বাংলাদেশের বাইরে প্রথম শহিদ মিনার স্থাপিত হয় ইংল্যান্ডের রাজধানী লন্ডনে। 
- গ্রেট মেনচেস্টারের ওল্ডহ্যামের ওয়েস্টহুড নেবারহুডে তৈরি হয়েছে এ মিনার।
-  ১৯৯৭ সালের ৫ অক্টোবর সেখানকার ‘বাংলাদেশি কালচারাল অ্যান্ড হিস্ট্রি ইন ওল্ডহ্যাম’ সে দেশে শহিদ মিনার নির্মাণ করে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে। 
- তাছাড়া গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ২০০৫ সালে জাপানের টোকিওতে শহিদ মিনার নির্মিত হয়। 
- জাপান বাংলাদেশ সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে প্রতিবছর বৈশাখি মেলা অনুষ্ঠিত হওয়ার সূত্র ধরে বাংলাদেশ সরকার এই শহিদ মিনারটি নির্মাণ করে।
 
তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।

২,৮৫১.
কোন বাংলাদেশী ক্রিকেটার বর্তমানে সবচেয়ে বেশি টেস্ট সেঞ্চুরীর অধিকারী?
  1. তামিম ইকবাল
  2. মুশফিকুর রহিম
  3. মমিনুল হক
  4. সাকিব আল হাসান
সঠিক উত্তর:
মমিনুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মমিনুল হক
ব্যাখ্যা

বর্তমানে টেস্ট ক্রিকেটে মমিনুল হকের সেঞ্চুরীর সংখ্যা - ১০টি।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাথে সর্বশেষ সিরিজে চট্টগ্রামে তিনি সেঞ্চুরির ২ অঙ্কের কোটা পূর্ণ করেন।
অন্যদিকে, টেস্টে তামিম, মুশফিক ও সাকিবের সেঞ্চুরীর সংখ্যা যথাক্রমে, ৯, ৭ ও ৫টি।
উৎসঃ Cricinfo.com

২,৮৫২.
ভাষা আন্দোলনে আত্মদানকারী শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে সরকার কর্তৃক প্রবর্তিত বেসামরিক পুরস্কার কোনটি?
  1. স্বাধীনতা পদক
  2. একুশে পদক
  3. ভাষা শহীদ পদক
  4. প্রধানমন্ত্রী পদক
সঠিক উত্তর:
একুশে পদক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একুশে পদক
ব্যাখ্যা
একুশে পদক: 
- একুশে পদক ভাষা আন্দোলনে আত্মদানকারী শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে সরকার কর্তৃক প্রবর্তিত অন্যতম সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার।
- ১৯৭৬ সালে প্রথম এ পুরস্কার চালু করা হয়।
- জাতীয় জীবনে নিজ নিজ ক্ষেত্রে বিশিষ্ট অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ সরকার একুশে পদক প্রদান করে থাকে।
- এ পুরস্কারের জন্য বিবেচ্য ক্ষেত্রগুলি হলো সাহিত্য, সাংবাদিকতা, শিক্ষা, গবেষণা, অর্থনীতি ও দারিদ্য বিমোচন, শিল্প-সংস্কৃতি, সঙ্গীত, নৃত্য, চারুকলা, নাট্যাভিনয়, ভাস্কর্য, এবং ভাষা আন্দোলনে অবদান।
- প্রতিটি পুরস্কারে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে নগদ ১৮ ক্যারেট মানের তিন ভরি ওজনের স্বর্ণপদক, সম্মাননাপত্র ও নগদ অর্থ।
- সরকার ভাষা আন্দোলনে আত্মদানকারী আবুল বরকত রফিক উদ্দিন আহমদ, আবদুস সালাম ও আবদুল জববার এ চারজন শহীদকে ২০০০ সালে মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
২,৮৫৩.
কে দুর্ভিক্ষের উপর ছবি এঁকে বিখ্যাত হন?
  1. ক) কামরুল হাসান
  2. খ) কাইয়ুম চৌধুরী
  3. গ) সফিউদ্দিন আহমেদ
  4. ঘ) জয়নুল আবেদীন
সঠিক উত্তর:
ঘ) জয়নুল আবেদীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জয়নুল আবেদীন
ব্যাখ্যা
১৯৪৩ সালে বাংলায় সংঘটিত পঞ্চাশের মন্বন্তরের পটভূমিতে বিভিন্ন ছবি এঁকে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন খ্যাতি অর্জন করেন। দুর্ভিক্ষের উপর তার চিত্রকর্মের মধ্যে ম্যাডোনা-৪৩, দ্য রেবেল ক্রো উল্লেখযোগ্য। এছাড়া তার অন্যান্য চিত্রকর্মের মধ্যে নবান্ন, সংগ্রাম, মনপুরা-৭০, মইটানা, পাইন্যার মা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
(সূত্র: বাংলাপিডিয়া)
২,৮৫৪.
স্থাপত্য ক্ষেত্রে একুশে পদক-২০২৬ প্রাপ্ত ব্যক্তি কে?
  1. মেরিনা তাবাসসুম 
  2. তেজস হালদার
  3. মোস্তফা মনোয়ার
  4. অর্থি আহমেদ
সঠিক উত্তর:
মেরিনা তাবাসসুম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেরিনা তাবাসসুম 
ব্যাখ্যা

একুশে পদক ২০২৬:
- দেশের নয়জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানকে ২০২৬ সালের একুশে পদকের জন্য মনোনীত করেছে সরকার।
- প্রতিষ্ঠান হিসেবে- ব্যান্ড সংগীতের দল ওয়ারফেজ মনোনীত হয়েছে।

একুশে পদক ২০২৬ প্রাপ্ত ব্যক্তি:
- চলচ্চিত্রে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ফরিদা আক্তার ববিতা,
- চারুকলায় অধ্যাপক মো. আব্দুস সাত্তার,
- স্থাপত্যে মেরিনা তাবাসসুম,
- সংগীতে আইয়ুব বাচ্চু,
- নৃত্যে অর্থি আহমেদ,
- নাট্যকলায় ইসলাম উদ্দিন পালাকার,
- সাংবাদিকতায় শফিক রেহমান,
- শিক্ষায় অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আলম মজুমদার ও
- ভাস্কর্যে তেজস হালদার যশ।

উৎস: ডেইলি স্টার বাংলা ও প্রথম আলো।

২,৮৫৫.
ড. মুহাম্মদ ইউনূস কত সালে ইউনেস্কোর ‘দ্য ট্রি অব পিস’ পুরস্কার লাভ করেন?
  1. ১৯৮৭ সালে
  2. ১৯৯৩ সালে
  3. ১৯৯৯ সালে
  4. ২০০৮ সালে
  5. ২০২৪ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২৪ সালে
ব্যাখ্যা

ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- তিনি ১৯৮৭ সালে স্বাধীনতা পদক লাভ করেন।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০২৪ সালে ইউনেস্কোর ‘দ্য ট্রি অব পিস’ (The Tree of Peace) পুরস্কারটি লাভ করেন। এটি আজারবাইজানে অনুষ্ঠিত একাদশ গ্লোবাল বাকু ফোরামে তাকে সম্মাননা হিসেবে প্রদান করা হয়। 

⇒ ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন শিক্ষক ছিলেন।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।
- তিনি গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
- তিনি এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- এছাড়াও র‍্যামন ম্যাগসেসে এওয়ার্ড ও বিশ্ব খাদ্য পুরস্কারসহ আরও অনেক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছেন।

উল্লেখ্য,
- মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৯৬ সালে সাবেক প্রধান বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন।

⇒ ইংরেজি ভাষায় লেখা ‘ব্যাংকার টু দ্যা পুওর’ (Banker to the Poor) ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আত্মজীবনী।
- তাঁর আরও কিছু বই: দারিদ্র্যমুক্ত বিশ্বের জন্য, গ্রামীণ ব্যাংক ও আমার জীবন, বাংলাদেশ ২০১০, যোগ্য প্রার্থী আন্দোলন, ক্রিয়েটিং অ্যা ওয়ার্ল্ড উইদাউট পোভার্টি, সামাজিক ব্যবসা, এ ওয়ার্ল্ড অব থ্রি জিরোস, বালক পরিব্রাজকের দিনলিপি প্রভৃতি। 

⇒ ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বজুড়ে আলোচিত তার তিন শূন্য বা থ্রি জিরো তত্ত্বের জন্য।
- সেগুলো হচ্ছে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনা।
- তা অর্জনে প্রয়োজন তারুণ্য, প্রযুক্তি, সুশাসন ও সামাজিক ব্যবসা।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) প্রথম আলো।

২,৮৫৬.
পাহাড়পুর প্রত্নস্থল সর্বপ্রথম কে পরিদর্শন করেন?
  1. ওয়েস্টম্যাকট
  2. আলেকজান্ডার কানিংহাম
  3. বুকানন হ্যামিল্টন
  4. এনড্রো জেড ফায়ার
সঠিক উত্তর:
বুকানন হ্যামিল্টন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বুকানন হ্যামিল্টন
ব্যাখ্যা
পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- এই মহাবিহার বাংলাদেশের নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলায় অবস্থিত।
- এটি প্রাচীন বাংলার একটি বৌদ্ধ বিহার।

⇒ পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- পাল রাজবংশের রাজা ধর্মপাল (৭৮১-৮২১) অষ্টম শতকের শেষ দিকে এ বিহার নির্মাণ করেন।
- সোমপুর বিহার এশিয়া মহাদেশের মধ্যে বৃহত্তম বিহার।
- এর দৈর্ঘ্য পূর্ব-পশ্চিমে ৯১৯ ফুট এবং উত্তর-দক্ষিণে ৯২২ ফুট।
- মূল ভবনে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের জন্য ১৭৭টি কক্ষ ছিল।
- ৮০০ জন ভিক্ষুর বাসপোযোগী ছিল।
- এ বিহারে ১২৫নং কক্ষে মাটির পাত্রে খলিফা হারুন-অর-রশিদের শাসনামলের রৌপ্য মুদ্রা পাওয়া যায়। 

⇒ পূর্বভারতে জরিপ কাজ পরিচালনাকালে ১৮০৭ ও ১৮১২ সালে বুকানন হ্যামিল্টন সর্ব প্রথম প্রত্নস্থলটি পরিদর্শন করেন।
- পরবর্তীকালে ওয়েস্টম্যাকট পাহাড়পুর পরিভ্রমণে আসেন।
- স্যার আলেকজান্ডার কানিংহাম ১৮৭৯ সালে এ স্থান পরিদর্শন করেন ও ২২ ফুট বর্গাকার একটি ইমারত আবিষ্কার করেন।
- প্রত্নস্থলটি ১৯০৯ সালের পুরাকীর্তি আইনের আওতায় ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগ কর্তৃক ১৯১৯ সালে সংরক্ষিত পুরাকীর্তি হিসেবে ঘোষিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৮৫৭.
বাংলাদেশ কত সাল থেকে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনীতে কাজ করছে?
  1. ১৯৭৮ সাল
  2. ১৯৯৯ সাল
  3. ১৯৮৮ সাল
  4. ১৯৮৯ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৮৮ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৮ সাল
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ:
- স্বাধীনতার পর ৮ আগস্ট, ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদের জন্য আবেদন করে।
- ১০ আগস্ট, ১৯৭২ সালে চীন বাংলাদেশের সদস্যপদের বিরুদ্ধে ভেটো প্রদান করে।
- ১৯৭২ সালের ১৭ অক্টোবর জাতিসংঘে পর্যবেক্ষকের মর্যাদা লাভ করে।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সংস্থাটির ১৩৬তম সদস্যপদ লাভ করে।
- একই অধিবেশনে একই দিন ১৩৭তম সদস্য হিসেবে গ্রানাডা এবং ১৩৮তম সদস্য হিসেবে গিনি বিসাউ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
- জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীর কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৪৮ সালে।
- বাংলাদেশ ১৯৮৮ সাল থেকে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা বাহিনীতে কাজ করছে।
- আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস ২৯ মে।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট ও পৌরনীতি ও নাগরিকতা নবম-দশম শ্রেণি।
২,৮৫৮.
জাতীয় অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী কবে মৃত্যুবরণ করেন?
  1. ক) ২৫ এপ্রিল, ২০২০
  2. খ) ২৮ এপ্রিল, ২০২০
  3. গ) ৩০ এপ্রিল, ২০২০
  4. ঘ) ১ মে, ২০২০
সঠিক উত্তর:
খ) ২৮ এপ্রিল, ২০২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২৮ এপ্রিল, ২০২০
ব্যাখ্যা
২০১৮ সালে বাংলাদেশ সরকার তাঁকে জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ দেয়। ইংল্যান্ডের ম্যানচেস্টার ইউনিভার্সিটি থেকে একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে তিনি সম্মানসূচক ‘ডক্টর অব ইঞ্জিনিয়ারিং’ ডিগ্রি অর্জন করেছেন। (রেফারেন্স- প্রথম আলো)
২,৮৫৯.
বিশ্বকাপ ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেন কে?
  1. সাকিব আল হাসান
  2. মুশফিকুর রহিম
  3. মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ
  4. তামিম ইকবাল
সঠিক উত্তর:
মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ
ব্যাখ্যা

বিশ্বকাপে সেঞ্চুরি:
- বিশ্বকাপ ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।
- ২০১৫ সালে ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করেন তিনি।
- দুটি সেঞ্চুরি আছে সাকিব আল হাসানের, একটি মুশফিকুর রহিমের।
- ২০২৩ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের একমাত্র ব্যাটার হিসেবে সেঞ্চুরি করেন মাহমুদউল্লাহ।
- মুম্বাইতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তিনি খেলেছিলেন ১১১ রানের ইনিংস। ওই সেঞ্চুরিতে একাধিক রেকর্ডের মালিক হন তিনি।
- প্রোটিয়াদের বিপক্ষে শতকটি ছিল বিশ্বমঞ্চে তার তৃতীয়।
- একাধিক বিশ্বকাপে সেঞ্চুরি করা বাংলাদেশের প্রথম খেলোয়াড়ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও ডেইলি স্টার, ১১ নভেম্বর, ২০২৩।

২,৮৬০.
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের চিত্রকর্ম কোনটি?
  1. চর দখল
  2. নাইওর
  3. হত্যাযজ্ঞ
  4. পাইন্যার মা
সঠিক উত্তর:
পাইন্যার মা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাইন্যার মা
ব্যাখ্যা
জয়নুল আবেদিন:
- জয়নুল আবেদিন ১৯১৪ সালে ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি বেড়ে উঠেছেন ব্রহ্মপুত্রের লালিত্যে গড়ে ওঠা সবুজ শ্যামলিমায়।
- জয়নুল তাঁর প্রথম জীবনেই নদী ও অবারিত প্রকৃতির মাঝে রোমান্টিকতার অনুপ্রেরণা পান।
- তিনি ১৯৩৩ সালে কলকাতা সরকারি আর্ট স্কুলে ভর্তি হন এবং পাঁচ বছর সেখানে ব্রিটিশ / ইউরোপীয় স্টাইলের ওপর পড়াশুনা করেন।
- জয়নুল আবেদিন ও তাঁর কয়েকজন সহযোগী, যারা দেশ ভাগের পর ঢাকায় অভিবাসী হয়েছিলেন, আর্ট ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেন।
- ‘দুই মহিলা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩), ‘পাইন্যার মা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩) ও ‘মহিলা’ (জলরং, ১৯৫৩), 'ফসল মাড়াই', জলরং (১৯৬৩) হলো এ আমলের উল্লেখযোগ্য চিত্রকর্ম।
- ১৯৭৬ সালের ২৮ মে ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
২,৮৬১.
সম্প্রতি কোন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে?
  1. ক) ডা. এম কিউ কে তালুকদার
  2. খ) অধ্যাপক জাফর ইকবাল
  3. গ) অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান
  4. ঘ) ড. সৌমিত্র শেখর
সঠিক উত্তর:
ক) ডা. এম কিউ কে তালুকদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ডা. এম কিউ কে তালুকদার
ব্যাখ্যা
• দেশের বিশিষ্ট শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ, ‘নারী ও শিশু স্বাস্থ্যকেন্দ্র’র বোর্ড অব ট্রাস্টির চেয়ারম্যান এবং প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক অধ্যাপক ডা. এম কিউ কে তালুকদারকে জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
• সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ জাতীয় অধ্যাপক (নিয়োগ, শর্তাবলি ও সুবিধাদি) সিদ্ধান্তমালা-১৯৮১ অনুযায়ী, অধ্যাপক ডা. এম কিউ কে তালুকদারকে পাঁচ বছরের জন্য জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলো।

তথ্যসূত্র:- লাইভ এম সি কিউ সাম্প্রতিক সমাচার, অক্টোবর - ২০২২ এবং ইনকিলাব।
২,৮৬২.
টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরিয়ান কে?
  1. সাকিব আল হাসান
  2. তামিম ইকবাল 
  3. মুশফিকুর রহিম
  4. মাহমুদউল্লাহ
সঠিক উত্তর:
মুশফিকুর রহিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুশফিকুর রহিম
ব্যাখ্যা

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরিয়ান:
- টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরিয়ান হলেন মুশফিকুর রহিম।
- তিনি ২০১৩ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গলে এই ঐতিহাসিক কীর্তি গড়েন, ২০০ রান করে।
- তিনি বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরি করেন এবং এখন পর্যন্ত তিনবার ডাবল সেঞ্চুরি করা একমাত্র বাংলাদেশী ক্রিকেটার।

• প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি:  ২০১৩ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ২০০ রান।
• দ্বিতীয় ডাবল সেঞ্চুরি: ২০১৮ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২১৯* রান (অপরাজিত)।
• তৃতীয় ডাবল সেঞ্চুরি:  ২০২০ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২০০* রান (অপরাজিত)।

উৎস: প্রথম আলো।

২,৮৬৩.
'Friends of Bangladesh' পুরস্কার কাকে দেয়া হয়েছে?
  1. শ্যাম সুন্দর সিং
  2. জুলিয়ান ফ্রান্সিস
  3. শংকর কৃষ্ণা
  4. অবঃ কর্ণেল অশোক তারা
সঠিক উত্তর:
জুলিয়ান ফ্রান্সিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুলিয়ান ফ্রান্সিস
ব্যাখ্যা
• এটি সাম্প্রতিক প্রশ্ন ছিল। বর্তমানে গুরত্বপূর্ণ নয়।

মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য বিদেশি নাগরিকদেরকে ৩ ক্যাটাগরিতে সম্মাননা দেওয়া হয়। বিদেশিদের জন্য সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা হচ্ছে- 'বাংলাদেশ স্বাধীনতা সম্মাননা'।

২০১১ সালে বিদেশি নাগরিক 'জুলিয়ান ফ্রান্সিস' কে 'Friends of Bangladesh' পুরস্কার দেয়া হয়।
২,৮৬৪.
২০২৫ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের পতাকা হাতে প্যারাস্যুটিং করে কতজন বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন?
  1. ৫০ জন
  2. ৫২ জন
  3. ৫৪ জন
  4. ৫৬ জন
সঠিক উত্তর:
৫৪ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪ জন
ব্যাখ্যা

পতাকা হাতে প্যারাট্রুপারের বিশ্বরেকর্ড:
- ২০২৫ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের বিজয় দিবস উদযাপনের সময় নতুন বিশ্ব রেকর্ড গড়েছে।
- ৫৪ জন প্যারাট্রুপার জাতীয় পতাকা হাতে একসাথে প্যারাস্যুটিং করেছে।
- বিজয় দিবসে ঢাকার তেজগাঁওয়ের পুরোনো বিমানবন্দরে ‘টিম বাংলাদেশে’র উদ্যোগে এই বিশেষ মহড়া ও রেকর্ড গড়ার আয়োজন করা হয়।
- স্বাধীনতার ৫৪ বছর পূর্তি উদযাপন উপলক্ষে ৫৪ জন প্যারাট্রুপার ১২ হাজার উচ্চতায় বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সি-১৩০বি পরিবহন বিমান থেকে জাতীয় পতাকাসহ ফ্রি ফল জাম্পের মাধ্যমে আকাশ থেকে ভূমিতে অবতরণ করে।
- এটি বিশ্বের সর্বাধিক পতাকা হাতে প্যারাস্যুটিংয়ের প্রদর্শনী।

তথ্যসূত্র- ইত্তেফাক। [link]

২,৮৬৫.
কোন আমলে ঢাকায় "লালবাগ কেল্লা" প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. সুলতানী আমলে
  2. বৃটিশ আমলে
  3. মোগল আমলে
  4. নবাবী আমলে
সঠিক উত্তর:
মোগল আমলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোগল আমলে
ব্যাখ্যা
লালবাগের কেল্লা মোগল আমলে প্রতিষ্ঠিত।

লালবাগ কেল্লা:
- লালবাগ কেল্লার নাম ছিল কেল্লা আওরঙ্গবাদ বা আওরঙ্গবাদ দুর্গ।
- এটি মোগল আমল এর একটি চমৎকার নিদর্শন।
- এই কেল্লার নকশা করেন শাহ আজম।
- মোগল সম্রাট আওরঙ্গজেব-এর ৩য় পুত্র আজম শাহ ১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দে ঢাকার সুবেদারের বাসস্থান হিসেবে এ দুর্গের নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
- নবাব শায়েস্তা খাঁ ১৬৮০ সালে ঢাকায় এসে পুনরায় দুর্গের নির্মাণকাজ শুরু করেন।
- শায়েস্তা খানের কন্যা পরী বিবির মৃত্যুর পর শায়েস্তা খান ১৬৮৪ খ্রিস্টাব্দে এর নির্মাণ বন্ধ করে দেন।
- পরী বিবিকে দরবার হল এবং মসজিদের ঠিক মাঝখানে সমাহিত করা হয়।
- ১৮৪৪ সালে ঢাকা কমিটি নামে একটি আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠান দুর্গের উন্নয়ন কাজ শুরু করে।
- এ সময় দুর্গটি লালবাগ দুর্গ নামে পরিচিতি লাভ করে।
- ১৯১০ সালে লালবাগ দুর্গের প্রাচীর সংরক্ষিত স্থাপত্য হিসেবে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধীনে আনা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও প্রথম আলো।
২,৮৬৬.
নজরুলসংগীত চর্চা ও প্রসারে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বাংলা একাডেমি নজরুল পুরস্কার লাভ করেন-
  1. ক) খায়রুল আনাম শাকিল
  2. খ) শাহীন সামাদ
  3. গ) ফখরুল আলম
  4. ঘ) শর্মিলা বন্দ্যোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর:
খ) শাহীন সামাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শাহীন সামাদ
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি নজরুল পুরস্কার- ২০২৩:
- বাংলা একাডেমি ১৮ মে ২০২৩ নজরুলসংগীত চর্চা ও প্রসারে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সংগীতশিল্পী শাহীন সামাদকে 'নজরুল পুরস্কার ২০২৩' দেওয়ার ঘোষণা দেয় ।
- ২৪ মে ২০২৩ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৪তম জন্মবার্ষিকী উদ্‌যাপন উপলক্ষে বাংলা একাডেমি এ পুরস্কার প্রদান করে। 
- নজরুল পুরস্কারের অর্থমূল্য ২ লাখ টাকা।

উৎস: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, জুন ২০২৩।
২,৮৬৭.
রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র কোন দেশের সহায়তায় তৈরী হচ্ছে
  1. আমেরিকা
  2. রাশিয়া
  3. জাপান
  4. চীন
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
ব্যাখ্যা
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র:

- পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার রূপপুরে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মিত হচ্ছে।
- এটি নির্মাণে কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা করছে রাশিয়া।
- রাশিয়ান রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান রোসাটম এতে কারিগরি সহায়তা করছে। অপর রাশিয়ান কোম্পানি টিভিএল জয়েন্ট স্টক এতে জ্বালানি সরবরাহ করবে।
- তবে বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ সঞ্চালন প্রকল্পে অর্থ সহায়তা করছে ভারত সরকার।
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে স্থাপিত প্রথম ইউনিটের ক্ষমতা ১২০০ মেগা ওয়াট।
- মোট উৎপাদন ক্ষমতা ২,৪০০ মেগাওয়াট।
- মোট ব্যয় প্রায় ১২.৬৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- রাশিয়া সরকার ঋণ দিচ্ছে ১১.৪ বিলিয়ন ডলার।
- ২০২৩ সালে কেন্দ্রটি চালু করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- রূপপুর পরমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের মূল জ্বালানি হলো ইউরেনিয়াম-২৩৫।

তথ্যসূত্র - রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।
২,৮৬৮.
অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন?
  1. ক) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. খ) বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়
  3. গ) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
  4. ঘ) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর:
খ) বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
- অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী ছিলেন বাংলাদেশের একজন খ্যাতিমান প্রকৌশলী, গবেষক, তথ্যপ্রযুক্তিবিদ ও বিজ্ঞানী।
- তিনি দীর্ঘকাল বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে অধ্যাপনা করেন।
- এছাড়া ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য এবং এশিয়া-প্যাসিফিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেন।
- দেশের প্রায় সকল বৃহৎ ভৌত অবকাঠামো প্রকল্পে তিনি বিশেষজ্ঞ প্যানেলে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
- ১৯৯৬ সালে গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারেরও তিনি উপদেষ্টা ছিলেন।
- বাংলাদেশ সরকার তাকে ২০১৭ সালে একুশে পদক প্রদান করে এবং ২০১৮ সালে জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে মনোনীত করে।
- ১৯৪৩ সালে সিলেটে জন্ম নেওয়া অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী গত ২৮ এপ্রিল ২০২০ ইন্তেকাল করেন।
(সূত্রঃ প্রথম আলো)
২,৮৬৯.
"Mother of Humanity" খ্যাতি কে পেয়েছেন?
  1. ইন্দিরা গান্ধী
  2. অং সান সুচী
  3. শেখ হাসিনা
  4. মাদার তেরেসাঁ
সঠিক উত্তর:
শেখ হাসিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেখ হাসিনা
ব্যাখ্যা
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ নয়।

মাদার অব হিউম্যানিটি:

- মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নির্যাতনের শিকার রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দেয়ায় ইতোমধ্যে বিশ্বের কাছে প্রশংসিত হয়েছে বাংলাদেশ।
- ব্রিটিশ মিডিয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘মাদার অব হিউম্যানিটি’(মানবতার জননী) বলে আখ্যায়িত করেছে।
- কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কুতুপালং রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্প পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী।
- এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে ব্রিটেনভিত্তিক গণমাধ্যম 'চ্যানেল ফোর'।
- চ্যানেলটির এশিয়া প্রতিনিধি জনাথান মিলার তার প্রতিবেদনে তুলে ধরেন ক্যাম্পে থাকা রোহিঙ্গাদের মানবেতর জীবনের কিছু অংশ।
- ওই প্রতিবেদনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘মাদার অব হিউম্যানিটি’ বলে ভূষিত করা হয়।

অন্যদিকে -
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে প্রচ্ছদ প্রতিবেদন করেছে নেদারল্যান্ডসের নামকরা 'ডিপ্লোম্যাট ম্যাগাজিন'।
- সাময়িকীটি তাদের প্রচ্ছদ প্রতিবেদনের শিরোনাম করেছে ‘শেখ হাসিনা : মাদার অব হিউম্যানিটি’।

উৎস: ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, কালের কন্ঠ।
২,৮৭০.
‘ভিক্টোরিয়া পার্ক'-এর নাম পরিবর্তন করে কী নামকরণ করা হয়?
  1. আর্মেনীয় ক্লাব
  2. ‘খাজা হাফিজুল্লাহ পার্ক
  3. লালবাগকেল্লা
  4. বাহাদুর শাহ পার্ক
সঠিক উত্তর:
বাহাদুর শাহ পার্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাহাদুর শাহ পার্ক
ব্যাখ্যা
বাহাদুর শাহ পার্ক:
- বাহাদুর শাহ পার্ক বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার লক্ষ্মীবাজারে অবস্থিত।
- পার্কটি আন্টাঘর ময়দান নামে পরিচিত ছিল।
- এরপর এর নামকরণ হয় ভিক্টোরিয়া পার্ক।
- এখন এটি বাহাদুর শাহ পার্ক নামে পরিচিত।

⇒ ঢাকার আর্মেনীয়দের বিলিয়ার্ড ক্লাব ছিল এই ময়দানে। স্থানীয়ভাবে ‘আন্টাঘর’ নামে পরিচিত ছিল এটি। ক্লাবঘরটির পৃষ্ঠপোষক ছিলেন ঢাকার নবাব আব্দুল গণি ও নবাব আহসান উল্লাহ। 

⇒ ১৮৫৭ সালে মোগল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহের আমলে এই ময়দান বিশেষ খ্যাতি অর্জন করে। ১৮৫৭ সালের ২২ নভেম্বর ইংরেজ মেরিন সেনারা ঢাকার লালবাগের কেল্লায় দেশীয় সেনাদের নিরস্ত্র করার লক্ষ্যে আক্রমণ চালায়। কিন্তু সিপাহীরা বাধা দিলে যুদ্ধ বেঁধে যায়। যুদ্ধে আহত ও পালিয়ে যাওয়া সিপাহীদের ধরে এনে সংক্ষিপ্ত কোর্ট মার্শালের মাধ্যমে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। বিচারের পর ১১ জন সিপাহীকে আন্টাঘর ময়দানে এনে প্রকাশ্যে ফাঁসি দেওয়া হয়। 

উল্লেখ্য,
- ১৮৫৮ সালে রানি ভিক্টোরিয়া ভারতবর্ষের শাসনভার গ্রহণের পর এই ময়দানের নামকরণ হয় ‘ভিক্টোরিয়া পার্ক’। ১৯৫৭ সালের আগ পর্যন্ত পার্কটি এই নামেই পরিচিত ছিল।
- ১৯৫৭ সালে (মতান্তরে ১৯৬১) সিপাহী বিদ্রোহের শতবার্ষিকী উপলক্ষে এখানে একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণের মধ্য দিয়ে ময়দানের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় বাহাদুর শাহ পার্ক।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৮৭১.
বাংলাদেশের প্রথম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়টি কোন শহরে অবস্থিত?
  1. দিনাজপুর
  2. চট্টগ্রাম
  3. বরিশাল
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়:
- বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় উচ্চতর কৃষি শিক্ষা ও গবেষণার অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠান।
- স্থলজ ও জলজ উৎপাদনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত কৃষিবিজ্ঞানের সকল শাখাই এর কার্যক্রমভুক্ত।
- ‘পূর্ব পাকিস্তান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ ১৯৬১’-এর প্রেক্ষিতে ১৯৫৯ সালে জাতীয় শিক্ষা কমিশন এবং খাদ্য ও কৃষি কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।
- স্থাপিত হয়: ১৮ আগস্ট ১৯৬১ সালে।
- ১৯৬১-১৯৬২ শিক্ষাবর্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু হয়।
- বিশেষজ্ঞ কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে এটি স্থাপিত হয়।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।

উল্লেখ্য,
- ময়মনসিংহ শহর থেকে ৪ (চার) কিলোমিটার দক্ষিণে পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের তীরে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান।
- যাত্রা শুরুকালে স্বাভাবিকভাবেই বিশ্ববিদ্যালয়টির পরিধি ছিল ছোট।
- ভেটেরিনারি ও কৃষি -এ দু’টি অনুষদ এবং এর অর্ন্তভূক্ত বিভিন্ন বিভাগ নিয়ে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হয়।
- দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে, সময়ের প্রয়োজনেই এর অনুষদ ও বিভাগের সংখ্যা বাড়তে থাকে।
- বর্তমানে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬ টি অনুষদ এবং এই ৬ টি অনুষদের অর্ন্তভূক্ত ৪৪টি বিভাগ রয়েছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৮৭২.
২০২৪ সালের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
  1. ১০৯তম
  2. ১১১তম
  3. ১১৬তম
  4. ১১৯তম
সঠিক উত্তর:
১১৬তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৬তম
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

২০২৪ সালের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ১১৬তম।

অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচক ২০২৪:

- যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান হেরিটেজ ফাউন্ডেশন অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচক-২০২৪ প্রকাশ করেছে।

⇒ অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচকে শীর্ষদেশ:
১. সিঙ্গাপুর।
২. সুইজারল্যান্ড।
৩. আয়ারল্যান্ড।
৪. তাইওয়ান।

উল্লেখ্য
- ২০২৪ সালের সূচকে ৫৪.৪ পয়েন্ট স্কোর পেয়ে ১৭৬টি দেশের মধ্যে ১১৬তম অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।

অন্যদিকে,
- সর্বনিম্ন দেশ উত্তর কোরিয়া (পয়েন্ট ২.৯)।

উৎস: The Heritage Foundation ওয়েবসাইট।
২,৮৭৩.
বাংলাদেশে মোট শিক্ষা বোর্ড কতটি রয়েছে?
  1. ক) ৮ টি
  2. খ) ১০টি
  3. গ) ১১ টি
  4. ঘ) ১২টি
সঠিক উত্তর:
গ) ১১ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১১ টি
ব্যাখ্যা
শিক্ষা বোর্ড:
- বাংলাদেশে বর্তমানে মোট ১১টি শিক্ষাবোর্ড রয়েছে - 
১। বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড, 
২। বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড,
৩। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা, 
৪। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রাম, 
৫। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, কুমিল্লা, 
৬। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, রাজশাহী, 
৭। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, যশোর,  
৮। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, বরিশাল,  
৯। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, সিলেট, 
১০। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, দিনাজপুর,
১১। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ময়মনসিংহ।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৮৭৪.
জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট) কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সাল
  2. ১৯৭৭ সাল
  3. ১৯৮২ সাল
  4. ১৯৮৯ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৭৭ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৭ সাল
ব্যাখ্যা

• জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট): 
• NIPORT (নিপোর্ট) এর পূর্নরূপ National Institute of Population Research and Training.
• ইহা হলো বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
• এটি  স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয় যা ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত।
• স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি কর্মসূচী ব্যবস্থাপনার  ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার একটি আদর্শ আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠান তৈরির দিকে দৃষ্টি রেখে ১৯৭৭ সালে জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট)-এর আত্মপ্রকাশ ঘটে।
• নিপোর্ট স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকে।

উৎস: NIPORT ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।

২,৮৭৫.
'বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) সিলেট
  2. খ) পাবনা
  3. গ) সাভার
  4. ঘ) নাটোর
সঠিক উত্তর:
গ) সাভার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সাভার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট ঢাকার সাভারে অবস্থিত। এটি ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
২,৮৭৬.
বাংলাদেশের নারী ফুটবল দল প্রথমবারের মতো কোন টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করে?
  1. অলিম্পিক গেমস
  2. ফিফা মহিলা বিশ্বকাপ
  3. সাফ মহিলা চ্যাম্পিয়নশিপ
  4. এএফসি নারী এশিয়ান কাপ
সঠিক উত্তর:
এএফসি নারী এশিয়ান কাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এএফসি নারী এশিয়ান কাপ
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল এএফসি নারী এশিয়ান কাপে প্রথমবারের মতো অংশ নেওয়ার সুযোগ পায়।

- ২০২৬ সালে এএফসি নারী এশিয়ান কাপ ফুটবল অনুষ্ঠিত হয় অস্ট্রেলিয়া।
- আগামী ১-২১ মার্চ অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এএফসি নারী এশিয়ান কাপ ফুটবল।
- ২০২৬ সালে ১-২১ মার্চ অস্ট্রেলিয়ার তিন শহর সিডনি, পার্থ ও গোল্ডকোস্টে অনুষ্ঠিত হবে নারী ফুটবল এশিয়া কাপ।
- এএফসি এশিয়ান কাপের ড্রতে গ্রুপ 'বি'তে খেলবে বাংলাদেশ।  
- বাংলাদেশের সঙ্গে চীন, কোরিয়া ও উজবেকিস্তানের। 
- কোয়ার্টার ফাইনালে উঠলে বাংলাদেশের ২০২৭ নারী বিশ্বকাপে খেলার সুবর্ণ সুযোগ।
- কোয়ার্টার ফাইনালে জয়ী চার দল সেমিফাইনাল খেলার পাশাপাশি সরাসরি ব্রাজিল বিশ্বকাপের টিকিট পাবে। 

উৎস: বাসস।

২,৮৭৭.
নিচের কোনটি চিত্রশিল্পী জয়নুল আবেদিন তৈরি চিত্রকর্ম?
  1. তিনকন্যা
  2. নাইওর
  3. দুর্ভিক্ষ
  4. চরদখল
সঠিক উত্তর:
দুর্ভিক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্ভিক্ষ
ব্যাখ্যা

• জয়নুল আবেদিন:
- তিনি একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অসাধারণ প্রতিভাবান শিল্পী।
- ইনস্টিটিউট অব আর্টস অ্যান্ড ক্র্যাফ্টস প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশে আধুনিক শিল্প আন্দোলনের তিনিই পুরোধা।
- জয়নুল আবেদিন ১৯১৪ সালে ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন।
-  ১৯৪৮ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত এ প্রতিষ্ঠানের (বর্তমান  চারুকলা ইনস্টিটিউ) তিনি ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ। 

• বিশেষ চিত্রকর্মসমূহ:
- দুর্ভিক্ষ (১৯৪৩)।
- দ্য রেবেল ক্রো (১৯৫১)।
- দুই মহিলা, পাইন্যার মা, মহিলা (১৯৫৩)।
- ফসল মাড়াই (১৯৬৩)।
- নবান্ন (১৯৬৯)।
- মনপুরা (১৯৭০)।
- সংগ্রাম (১৯৭৬)।

অন্যদিকে,
• কামরুল হাসান এর চিত্রকর্ম- তিনকন্যা, নাইওর।
• এস এম সুলতান এর চিত্রকর্ম- চরদখল।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

২,৮৭৮.
রাজউক (RAJUK)-এর পূর্ব নাম কী ছিল?
  1. ঢাকা সিটি কর্পোরেশন
  2. নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ
  3. ঢাকা ইমপ্রুভমেন্ট ট্রাস্ট
  4. নগর পরিকল্পনা বিভাগ
সঠিক উত্তর:
ঢাকা ইমপ্রুভমেন্ট ট্রাস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা ইমপ্রুভমেন্ট ট্রাস্ট
ব্যাখ্যা
রাজউকের ইতিহাস
- ১৯৫৬ সালে ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকাসমূহের উন্নয়ন ও পরিবর্ধনের “ঢাকা ইমপ্রুভমেন্ট ট্রাস্ট” (ডিআইটি) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৭ সালে উক্ত আইন সংশোধনের মাধ্যমে “রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ” বা রাজউক হিসেবে পরিবর্তিত  হয়।
- ১৯৮৭ সালে রাজউকের পরিধি সাভার, কেরানিগঞ্জ ও অন্যান্য এলাকায়।
- ১৯৫৯ সালে সর্ব প্রথম ঢাকার মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন করা হয়।
- প্রাথমিকভবে ২২০ বর্গমাইল এলাকা অন্তর্ভূক্ত ছিল যা পরবর্তীতে ৩২০ বর্গমাইলে উন্নীত করা হয়।
- ২০১০ সালে ডিটেল এরিয়া প্ল্যান (ড্যাপ) প্রনয়ন করা হয়।
- বর্তমানে চেয়ারম্যান এবং পাঁচ জন সদস্য পর্ষদের পরিচালনায় রাজধানী ঢাকা ও এর আশেপাশের শহরাঞ্চল। 

উৎস: রাজউক ওয়েবসাইট।
২,৮৭৯.
মুজিবনগর স্মৃতিসৌধের স্তম্ভ কয়টি?
  1. ৫টি
  2. ৭টি
  3. ১৯টি
  4. ২৩টি
সঠিক উত্তর:
২৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩টি
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ:
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের প্রারম্ভে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুর মহকুমার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে ১৭ এপ্রিল শপথ গ্রহণ করে। 
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বৈদ্যনাথতলা গ্রামের নামকরণ হয় মুজিবনগর।
- মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণের স্থানকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য পরবর্তী সময়ে সেখানে নির্মিত হয় মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ।
- মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ বাঙালির স্বাধীনতা যুদ্ধ ও আত্মত্যাগের প্রতীক। 
- ২০.১০ একর জমির উপর স্মৃতিসৌধটি স্থাপিত। 
- ২৩টি কংক্রিটের ত্রিকোণাকার স্তম্ভ সমন্বয়ে এ স্মৃতিসৌধ নির্মিত। 
- স্থপতি: তানভীর কবির।
- এ সৌধটিকে উদীয়মান সূর্যের প্রতীক বলে মনে হয়। 
- ২৩টি স্তম্ভ পাকিস্তানের ২৩ বছর শাসনের প্রতীক। 
- ৩ ফুট ৬ ইঞ্চি উচ্চতায় ১৬০ ফুট ব্যাসে বেদীটি নির্মিত।
- ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সালে এখানে পাঠাগার, মসজিদ ও অতিথিশালা নির্মাণ করে একে মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ কমপ্লেক্সে রূপান্তরিত করা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২,৮৮০.
বাংলাদেশের প্রথম রোবোটিক পুনর্বাসন কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে কোথায়?
  1. ঢাকা
  2. চট্রগ্রাম
  3. রংপুর
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা
প্রথম রোবোটিক পুনর্বাসন কেন্দ্র:
- চীনের সহায়তায় গড়ে তোলা হোয়েছে দেশের প্রথম রোবোটিক পুনর্বাসন কেন্দ্র।
- এটি ঢাকার বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের বেজমেন্ট-১-এ অবস্থিত।
- এখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিনির্ভর রোবটের মাধ্যমে ফিজিওথেরাপি ও বিশেষায়িত সেবা দেওয়া হবে।
- কেন্দ্রে মোট ৬২টি রোবোটিক ইউনিট স্থাপন করা হয়েছে, যার মধ্যে ২২টি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন রোবট।
- কেন্দ্রটি প্রতিষ্ঠায় সহায়তা হিসেবে চীন সরকার প্রায় ২০ কোটি টাকার রোবোটিক যন্ত্রপাতি সরবরাহ করেছে।
- এই কেন্দ্রে প্রথমে জুলাই আন্দোলনে আহত, বিশেষ করে দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসনের প্রয়োজন—এমন ব্যক্তিদের চিকিৎসায় অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [link]
২,৮৮১.
২০২৫ সালে ’সাংবাদিকতা ও মানবাধিকারে’ একুশে পদক লাভ করেন কে? 
  1. আজিজুর রহমান
  2. মাহমুদুর রহমান
  3. নাসির আলী মামুন
  4. রোকেয়া সুলতানা
সঠিক উত্তর:
মাহমুদুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাহমুদুর রহমান
ব্যাখ্যা

একুশে পদক-২০২৫:
- ২০২৫ সালে ১৭ জন ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানকে একুশে পদক দেওয়া হয়।
- ক্রীড়ায় একুশে পদক পাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল।
- গবেষণায়: মঈদুল হাসান (মূলধারা ৭১ এর রচয়িতা)।
- ভাষা ও সাহিত্যে: শহীদুল জহির (মরণোত্তর) ও হেলাল হাফিজ (মরণোত্তর)।
- সংস্কৃতি ও শিক্ষায়: ড. শহীদুল আলম।
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে: মেহেদী হাসান খান, রিফাত নবী, মো. তানবিন ইসলাম সিয়াম ও শাবাব মুস্তাফা।
- সাংবাদিকতায় :মাহফুজ উল্লা (মরণোত্তর) এবং
- সাংবাদিকতা ও মানবাধিকার: মাহমুদুর রহমান।
- শিল্পকলার চলচ্চিত্রে: আজিজুর রহমান।
- সংগীতে :উস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া ও ফেরদৌস আরা,
- আলোকচিত্রে: নাসির আলী মামুন।
- চিত্রকলায়: রোকেয়া সুলতানা।
- শিক্ষায়: ড. নিয়াজ জামান।
- সমাজসেবায় :মোহাম্মদ ইউসুফ চৌধুরি।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

২,৮৮২.
বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে কোন টুর্নামেন্টে?
  1. এশিয়া কাপ
  2. আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফি
  3. বিশ্বকাপ
  4. ব্রিটিশ নকআউট কাপ
সঠিক উত্তর:
এশিয়া কাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এশিয়া কাপ
ব্যাখ্যা
ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম ১৯৭৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিক আইসিসি ট্রফি দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আত্মপ্রকাশ করে।
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ এশিয়া কাপে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস পায় ১৯৯৭ সালে।
- প্রথম বিশ্বকাপ আসরে খেলার সুযোগ পায় ১৯৯৯ সালে।
- ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম অধিনায়ক গাজী আশরাফ হোসেন লিপু।
- একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে প্রথম জয় কেনিয়ার বিপক্ষে ১৭ মে, ১৯৯৮ সালে।
- প্রথম ওয়ানডে সিরিজ জয় লাভ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২০০৫ সালে।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) প্রথম আলো।
২,৮৮৩.
Who is the proponent of the concept of Three Zeros?
  1. Amartya Sen
  2. Dr. Muhammad Yunus
  3. Simon H.Johnson
  4. Billgates
সঠিক উত্তর:
Dr. Muhammad Yunus
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Dr. Muhammad Yunus
ব্যাখ্যা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বর্তমান বাংলাদেশ সরকারের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।
- অধ্যাপক ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
- মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

উল্লেখ্য,
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বজুড়ে আলোচিত তার তিন শূন্য বা থ্রি জিরো তত্ত্বের জন্য।
- সেগুলো হচ্ছে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনা।
- তা অর্জনে প্রয়োজন তারুণ্য, প্রযুক্তি, সুশাসন ও সামাজিক ব্যবসা।

⇒ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বই ‘Three Zeros’।
- বইটিতে তার আলোচনার বিষয়বস্তু তিনটি বিষয়কে কেন্দ্র করে যথা— শূন্য দারিদ্র্য (Zero Poverty), শূন্য বেকারত্ব (Zero Unemployment) এবং শূন্য নিট কার্বন নির্গমন (Zero Net Carbon Emissions)।
• ‘Zero Poverty’ বা শূন্য দারিদ্র্যের আলোচনায় তিনি দেখিয়েছেন, দারিদ্র্য কোনো স্বাভাবিক বা প্রাকৃতিক অবস্থা নয়, বরং এটি একটি মানবসৃষ্ট অবস্থা, যা সম্পদের অসম বণ্টনের ফলস্বরূপ তৈরি হয়েছে।
• তার দ্বিতীয় ধারণা Zero Unemployment বা শূন্য বেকারত্ব। যেখানে তিনি উল্লেখ করেছেন— উদ্যোক্তা সৃষ্টির মাধ্যমে কর্মসংস্থান করা সম্ভব। কেননা আমাদের প্রত্যেকের মধ্যেই উদ্যোক্তা হওয়ার ক্ষমতা রয়েছে, কিন্তু সঠিক অর্থায়নের অভাবে অনেকেই তাদের সম্ভাবনা পূর্ণ করতে পারেন না।
• তৃতীয়ত তিনি Zero net carbon emissions বা পরিবেশবান্ধব উন্নয়নের দৃষ্টিভঙ্গির কথা বলেছেন। তিনি জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় সবুজ প্রযুক্তির ব্যবহার এবং পরিবেশবান্ধব অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন।

উৎস: i) Yunus Centre.
ii) Yunus Social Business।
২,৮৮৪.
বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট ডাবল সেঞ্চুরি করেন কে?
  1. হাবিবুল বাশার
  2. তামিম ইকবাল
  3. সাকিব আল হাসান
  4. মুশফিকুর রহিম
সঠিক উত্তর:
মুশফিকুর রহিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুশফিকুর রহিম
ব্যাখ্যা

টেস্টে প্রথম:
- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।
- ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ জয় পায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।
- প্রথম টেস্ট উইকেট শিকার করেছেন নাইমুর রহমান।
- প্রথম হাফ সেঞ্চুরি করেন হাবিবুল বাশার।
- প্রথম সেঞ্চুরি করেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি: মুশফিকুর রহিম।
- প্রথম ৫ উইকেট শিকার করেন নাইমুর রহমান।
- প্রথম ১০০ উইকেট মোহাম্মদ রফিকের।
- প্রথম ব্যক্তিগত হাজার রান সংগ্রাহক হাবিবুল বাশার।
- একমাত্র ১০ উইকেট’ শিকার করেন এনামুল হক জুনিয়র।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮।

২,৮৮৫.
পৃথিবীর সবচেয়ে বড় এনজিও (NGO) এর নাম কি?
  1. ব্র্যাক
  2. প্রশিকা
  3. গ্রামীণ ব্যাংক 
  4. অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
সঠিক উত্তর:
ব্র্যাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্র্যাক
ব্যাখ্যা

• পৃথিবীর সবচেয়ে বড় এনজিও (NGO) হলো ব্রাক।

• ব্র্যাক:
- ব্র্যাক ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের স্যার ফজলে হাসান আবেদ প্রতিষ্ঠা করেন।
- বর্তমানে এটি বিশ্বের ১০টিরও বেশি দেশে কাজ করছে।
- স্বাস্থ্য, শিক্ষা, মাইক্রোফাইন্যান্স, দারিদ্র্য দূরীকরণসহ বহুমুখী কার্যক্রম চালায়।
- সদস্য সংখ্যা, কার্যক্রমের পরিধি এবং বাজেট – সবদিক থেকেই এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (NGO)।

উৎস: বিবিসি বাংলা রিপোর্ট, ব্র্যাক ওয়েবসাইট ও NGO Advisor Report.

২,৮৮৬.
ওয়াসফিয়া নাজরীন বিখ্যাত-
  1. অ্যাথলেট হিসেবে
  2. ক্রিকেটার হিসেবে
  3. এভারেস্টজয়ী হিসেবে
  4. নারী উদ্যোক্তা হিসেবে
সঠিক উত্তর:
এভারেস্টজয়ী হিসেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এভারেস্টজয়ী হিসেবে
ব্যাখ্যা

ওয়াসফিয়া নাজরীন:
- এভারেস্ট বিজয়ী পর্বতারোহী ওয়াসফিয়া নাজরীন।

- বাংলাদেশের পর্বতারোহী ওয়াসফিয়া নাজরীন ‘সেভেন সামিট’-এর কৃতিত্ব অর্জন করেন।
- বাংলাদেশের প্রথম পর্বতারোহী হিসেবে সাত মহাদেশের সাতটি সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ জয় (সেভেন সামিট) করেন ওয়াসফিয়া নাজরীন।
- ২০১২ সালের ২৬ মে তিনি পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেন।
- এর আগে তিনি আফ্রিকার মাউন্ট কিলিমানজারো, এশিয়ার মাউন্ট এভারেস্ট, অ্যান্টার্কটিকার মাউন্ট ভিনসন, ইউরোপের এলব্রুস, উত্তর আমেরিকার মাউন্ট ডেনালি, দক্ষিণ আমেরিকার অ্যাকোংকাগুয়া পর্বতশৃঙ্গ জয় করেন।
- আন্তর্জাতিক মানবতাবাদী গ্রুপ কেয়ার (CARE) এর হয়ে ওয়াসফিয়া নাজরীন কাজ করেছেন।
- তিনি ২০১৪ সালে ন্যাশনাল জিওগ্রাফির বর্ষসেরা অভিযাত্রীর খেতাব পেয়েছেন।

এছাড়াও,
- এখন পর্যন্ত ছয়জন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয় করেছেন। তাঁরা হলেন মুসা ইব্রাহীম, এম এ মুহিত, নিশাত মজুমদার, ওয়াসফিয়া নাজরীন, মো. খালেদ হোসাইন, বাবর আলী।
- ১ম বাংলাদেশি: মুসা ইব্রাহিম, ২০১০ সালের ২৩ মে।
- ২য় বাংলাদেশি: এম এ মুহিত, ২০১১ সালের ২১ মে।
- ৩য় বাংলাদেশি: নিশাত মজুমদার, ২০১২ সালের ১৯ মে।
- ৪র্থ বাংলাদেশি: ওয়াসফিয়া নাজরিন, ২০১২ সালের ২৬ মে।
- ৫ম বাংলাদেশি: বাবর আলী, ২০২৪ সালের ১৯ মে।

অন্যদিকে,
- মো. খালেদ হোসেন, ২০১৩ সালের ২০ মে মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন।
- তবে চূড়া থেকে নামার পথে দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি।
- তাই এভারেস্ট জয়ী হিসেবে নিবন্ধিত হতে পারেননি।

উৎস: প্রথম আলো এবং BBC পত্রিকা রিপোর্ট।

২,৮৮৭.
সম্প্রতি 'বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল' কোন পদক লাভ করেন? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
  1. স্বাধীনতা পুরস্কার
  2. একুশে পদক
  3. বাংলা একাডেমি পুরস্কার
  4. রাষ্ট্রপতি পুরস্কার
সঠিক উত্তর:
একুশে পদক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একুশে পদক
ব্যাখ্যা
একুশে পদক ২০২৫:
- ২০২৫ সালের একুশে পদক পাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল।
- বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য দেশের ১৭ জন বিশিষ্ট নাগরিক এবং বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলকে ২০২৫ সালের একুশে দেওয়া হয়েছে।
- ২০২৪ সালে অসাধারণ সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে এই পুরস্কার পাচ্ছে নারীরা।
- সাবিনা খাতুনের নেতৃত্বাধীন দলটি নেপালে অনুষ্ঠিত সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে পরপর শিরোপা জয়ের গৌরব অর্জন করে।
- বাংলাদেশের কোনো ক্রীড়া দলের একুশে পদক পাওয়ার ঘটনা এটাই প্রথম। 

⇒ বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল দুবার সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জিতেছে।
- প্রথমবার ২০২২ সালে, দ্বিতীয়বার ২০২৪ সালে।

উল্লেখ্য,
- মহান ২১ ফেব্রুয়ারির নামানুসারে দেওয়া হয় একুশে পদক, যা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়।
- এটি বাংলাদেশে বেসামরিক নাগরিকদের জন্য দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার।
- ভাষা আন্দোলনে বাংলার জন্য আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা ও স্বীকৃতির প্রতীক হিসেবে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।

উৎস: i) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
ii) প্রথম আলো।
২,৮৮৮.
বঙ্গবন্ধুর শাসনামলে বাংলাদেশ কয়টি আন্তর্জাতিক সংগঠনের সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ১৬টি
  2. ১২টি
  3. ১৮টি
  4. ২৭টি
সঠিক উত্তর:
২৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি:
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর প্রথম ভুটান ও ভারত ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- বাংলাদেশের জন্য স্বীকৃতি আদায়ের কাজটি খুব সহজসাধ্য ছিল না।
- কারণ, পাকিস্তানের বৈরী প্রচারণায় মুসলিম বিশ্বসহ চীন বাংলাদেশ সম্পর্কে নেতিবাচক মনোভাব পোষণ করত।
- বঙ্গবন্ধুর সফল নেতৃত্বে ১৯৭৪ সালের মধ্যেই বাংলাদেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সোভিয়েত ইউনিয়ন, জাপানসহ বিশ্বের অধিকাংশ রাষ্ট্র ও জাতিসংঘসহ প্রায় সকল আন্তর্জাতিক সংস্থার স্বীকৃতি লাভ করে।
- সাধারণ পরিষদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ যোগদান করে।
- বঙ্গবন্ধু ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে প্রথমবারের মতো মাতৃভাষা বাংলায় ভাষণ দেন। 
- বঙ্গবন্ধুর শাসনামলে বাংলাদেশ বিশ্বের ১১৬টি দেশের স্বীকৃতি ও ২৭টি আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করেন।

উৎস: i) তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) ওয়েবসাইট। [link]
        ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৮৮৯.
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৬৫ সনে
  2. ১৯৬৯ সনে
  3. ১৯৭২ সনে
  4. ১৯৮২ সনে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৯ সনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৯ সনে
ব্যাখ্যা

- জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) সর্বপ্রথম ১৯৬৯ সনে জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি) হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর এখানে ২ বৎসর মেয়াদি ইন্টারমিডিয়েট ইন এডুকেশন (আই এড) কোর্স পরিচালিত হয়। 
- ময়মনসিংহ ছাড়াও ঢাকা, চট্টগ্রাম, ফেনী, রংপুর ও যশোরে অনুরূপ আরো পাঁচটি জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি) স্থাপিত হয়।
- মহান স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি)গুলো রূপান্তরিত হয়ে কলেজ অব এডুকেশন নামে যাত্রা  শুরু করে ।
- উক্ত কলেজগুলোতে ৩ বছর মেয়াদি ব্যাচেলর অব আর্টস ইন এডুকেশন (বিএ ইন এডুকেশন) কোর্স চালু হয় ।
- ১৯৭৮ সালে ঢাকাস্থ কলেজ অব এডুকেশনটি সরকারী কবি নজরুল কলেজ হিসেবে রূপান্তরিত হয়। 
- অন্য চারটি কলেজ অব এডুকেশন (চট্টগ্রাম, ফেণি, রংপুর ও যশোর) টিচার্স ট্রেনিং কলেজে উন্নীত হয়।
- এছাড়া ১৯৭৮ সালে ময়মনসিংহস্থ কলেজ অব এডুকেশনটি "মৌলিক শিক্ষা একাডেমি" (Academy for Fundamental Education) নামে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- ১৯৮৫ সালে এর নামকরণ করা হয় ‘‘জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)" ।
- ২০০৪ সালের ১ অক্টোবর থেকে একাডেমী স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে কার্যক্রম  পরিচালনা করে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২,৮৯০.
‘মাসুদ রানা’ সিরিজের 'মাসুদ রানা' চরিত্রটি নিচের কোন কথাসাহিত্যিকের সৃষ্ট একটি কাহিনী?
  1. জহির রায়হান
  2. আনিসুল খক
  3. ড. আবেদ চৌধুরী
  4. কাজী আনোয়ার হোসেন
সঠিক উত্তর:
কাজী আনোয়ার হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাজী আনোয়ার হোসেন
ব্যাখ্যা
মাসুদ রানা:
- মাসুদ রানা বাংলাদেশের জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক কাজী আনোয়ার হোসেনের সৃষ্ট একটি কাহিনী-চরিত্র।
- ‘মাসুদ রানা’ সিরিজের প্রথম বই প্রকাশিত হয় ১৯৬৬ সালে।
- তৃতীয় বই স্বর্ণমৃগ থেকে বিদেশি কাহিনির ছায়া অবলম্বনে শুরু হয় ‘মাসুদ রানা’ লেখা।
- প্রথম দুটি বইয়ের বাইরে আর একটা মৌলিক ‘মাসুদ রানা’ লিখেছিলেন, নাম পিশাচ দ্বীপ।
- ‘মাসুদ রানা’র প্রথম চরিত্র-পরিচিতি দেওয়া হয় ১৯৬৮ সালে প্রকাশিত রানা! সাবধান!! বইয়ে।

উল্লেখ্য,
- ‘মাসুদ রানা’র কাহিনি সংগ্রহ করা হয় ইয়ান ফ্লেমিং, অ্যালিস্টেয়ার ম্যাকলিন, জেমস হেডলি চেজ, রবার্ট লুডলাম, ফ্রেডরিক ফোরসাইথ, উইলবার স্মিথসহ অনেক লেখকের বই থেকে।
- মূল কাহিনির কাঠামোতে সংযোজন-বিয়োজন করে দাঁড় করানো হয় একেকটা নতুন ‘মাসুদ রানা’।
- ‘মাসুদ রানা’র প্রথম দিকের বইগুলোর প্রকাশক ছিলেন কাজী আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী ফরিদা ইয়াসমিন।
- মাসুদ রানার প্রিয় অস্ত্র ওয়ালথার পিপিকে।

উৎস: ২০ জানুয়ারি, ২০২২, প্রথম আলো।
২,৮৯১.
১৯৭১ সালের কোন তারিখে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়?
  1. ক) ৭ মার্চ
  2. খ) ২৬ মার্চ
  3. গ) ১১ সেপ্টেম্বর
  4. ঘ) ১৬ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
খ) ২৬ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২৬ মার্চ
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ২৫ শে মার্চ দিবাগত রাত অর্থাৎ ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়। ওইদিন থেকেই বাংলাদেশ স্বাধীন। ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ বহিঃশত্রু মুক্ত হয়।
২,৮৯২.
'অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বইটির ইংরেজি অনুবাদক কে?
  1. ক) শেখ হাসিনা
  2. খ) অধ্যাপক আনিসুজ্জামান
  3. গ) বেবী মওদুদ
  4. ঘ) ফকরুল আলম
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফকরুল আলম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফকরুল আলম
ব্যাখ্যা
‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত তার প্রথম আত্মজীবনীমূলক বই।
২০১২ সালের জুন মাসে বইটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
এটির ভূমিকা লিখেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ইংরেজি অনুবাদ করেছেন ড. ফকরুল আলম।
প্রকাশক ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড। বর্তমান পর্যন্ত বইটি ১৪টি ভাষায় অনূদিত হয়েছে।
বঙ্গবন্ধু রচিত অপর দুটি বই হলো:
- ‘কারাগারের রোজনামচা’ (২০১৭)
- ‘আমার দেখা নয়াচীন’ (২০২০)।
(সূত্রঃ অসমাপ্ত আত্মজীবনী এবং দৈনিক ইত্তেফাক)
২,৮৯৩.
নাটোরের দিঘাপতিয়ার জমিদার বাড়িটি বর্তমানে কী নামে পরিচিত?
  1. উত্তরবঙ্গ সংসদ ভবন
  2. বঙ্গভবন
  3. গণভবন
  4. উত্তরা গণভবন
সঠিক উত্তর:
উত্তরা গণভবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তরা গণভবন
ব্যাখ্যা
উত্তরা গণভবন:
- ইতিহাস খ্যাত দিঘাপতিয়া রাজবাড়ী তথা উত্তরা গণভবন নাটোরে অবস্থিত।
- নাটোরের রাণী ভবানী তাঁর নায়েব দয়ারামের উপরে সন্তুষ্ট হয়ে তাঁকে দিঘাপতিয়া পরগনা উপহার দেন।
- ১৯৫২ সালে দিঘাপতিয়ার শেষরাজা প্রতিভানাথ রায় সপরিবারে রাজপ্রাসাদ ত্যাগ করে কলকাতায় চলে যান।
- পরবর্তীতে রাজ প্রাসাদটি ১৯৬৬ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান সরকারের নিয়ন্ত্রণে আসে।
- স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দিঘাপতিয়া রাজবাড়িকে ‘উত্তরা গণভবন’ নামকরণ করেন।
- উত্তরা গণভবন ৪১.৫১ একর জমির উপর অবস্থিত।
- বর্তমানে এই রাজপ্রাসাদ থেকে হারিয়ে যাওয়া রাজা-রাণীর ব্যবহৃত ঐতিহাসিক দ্রব্যসামগ্রী উদ্ধার করে একটি সংগ্রহশালা নির্মাণের প্রক্রিয়া চলছে।

উল্লেখ্য,
- ঢাকার বাইরে প্রধানমন্ত্রীর একমাত্র বাসভবন নাটোরের উত্তরা গণভবন।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৮৯৪.
কোন অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়নে বয়স্ক ভাতা কার্যক্রম শুরু হয়?
  1. দারিদ্র বিমোচন অধিদপ্তর
  2. সমাজসেবা অধিদফতর
  3. সমাজ কল্যাণ অধিদপ্তর
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
সমাজসেবা অধিদফতর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমাজসেবা অধিদফতর
ব্যাখ্যা
বয়স্ক ভাতা:
- দেশের উপার্জনে অক্ষম বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা বিধানে সমাজসেবা অধিদফতরের তত্ত্বাবধায়নে ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছর থেকে বয়স্ক ভাতা কার্যক্রম শুরু হয়। 
- প্রাথমিকভাবে দেশের সকল ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি ওয়ার্ডে ৫ জন পুরুষ ও ৫ জন মহিলাসহ ১০ জন দরিদ্র বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিকে প্রতিমাসে ১০০ টাকা হারে ভাতা প্রদানের আওতায় আনা হয়।

এছাড়াও,
- পরবর্তীতে দেশের সকল পৌরসভা ও সিটিকর্পোরেশন এ কর্মসূচির আওতাভুক্ত করা হয়।
- বর্তমান সরকার ২০০৯-১০ অর্থবছরে জনপ্রতি মাসিক ভাতার হার ২৫০ টাকা থেকে ৩০০ টাকায় উন্নীত করে।
- ২০২২-২৩ অর্থ বছরে ৫৭ লক্ষ ১ হাজার বয়স্ক ব্যক্তিকে জনপ্রতি মাসিক ৫০০ টাকা হারে ভাতা প্রদান করা হয়।
- বর্তমানে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বয়স্ক ভাতাভোগীর সংখ্যা ৫৭.০১ লক্ষ থেকে ৫৮.০১ লক্ষ জনে এবং মাসিক ভাতার হার ৫০০ টাকা হতে ৬০০ টাকায় উন্নীতকরণ করা হয়।
- বর্তমানে সকল উপকারভোগীকে নগদ ও বিকাশ এবং এজেন্ট ব্যাংকিং এর মাধ্যমে জিটুপি পদ্ধতিতে (গভর্মেন্ট টু পারসন) ভাতা প্রদান করা হচ্ছে। 

উৎস: dss.gov.bd. এবং ২০২৩-২৪ জাতীয় বাজেট।
২,৮৯৫.
বাংলাদেশ কোন পণ্য রপ্তানি থেকে সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন করে?
  1. ক) চা
  2. খ) তৈরী পোশাক
  3. গ) পাট
  4. ঘ) তামাক
সঠিক উত্তর:
খ) তৈরী পোশাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তৈরী পোশাক
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনকারী খাত হলো তৈরি পোশাক। ২০২২-২৩ অর্থবছরে তৈরি পোশাক রপ্তানি করে বাংলাদেশ ৪ হাজার ৬৯৯ কোটি ডলারের আয় করে।
- তৈরি পোশাকের পর রেমিট্যান্স থেকে বাংলাদেশ দ্বিতীয় সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা আয় করে।
- এছাড়া অন্যান্য খাতের মধ্যে পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, কৃষিপণ্য, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট এবং প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
 
২,৮৯৬.
মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের পক্ষে 'ভেটো' দিয়েছিল-
  1. ক) ফ্রান্স
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) চীন
  4. ঘ) রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাশিয়া
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সম্পূর্ণ শত্রুমুক্ত হওয়ার প্রাক্কালে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে একটি যুদ্ধ বিরতির প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন (বর্তমান রাশিয়া) এতে ভেটো প্রয়োগ করায় এই প্রচেষ্টা নস্যাৎ হয়ে যায়।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন বাংলাদেশের পক্ষে 'ভেটো' প্রদান করেছিল।
- চীন ও যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল।
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র ছিল ভারত ও সোভিয়েত ইউনিয়ন (বর্তমান রাশিয়া)।
- অন্যদিকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল চীন ও যুক্তরাষ্ট্র।

উৎস: বাংলাপিডিয়া
২,৮৯৭.
বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ১০০তম টেস্ট ক্রিকেট খেলোয়াড় কে?
  1. মমিনুল হক
  2. খালেদ মাসুদ পাইলট
  3. সৌম্য সরকার 
  4. মুশফিকুর রহিম
সঠিক উত্তর:
মুশফিকুর রহিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুশফিকুর রহিম
ব্যাখ্যা

শততম টেস্ট ম্যাচ:
- মুশফিকুর রহিম ১১তম খেলোয়াড় হিসেবে শততম টেস্টে সেঞ্চুরি অর্জন করেন।
- বিপক্ষ দল: আয়ারল্যান্ড।
- ভেন্যু: মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়াম।
- সময়: ২০ নভেম্বর, ২০২৫।
- মুশফিক প্রথম ইনিংসে করেছিলেন ১০৬ রান এবং দ্বিতীয় ইনিংসে তিনি করেন অপরাজিত ৫৩ রান।
- সব মিলিয়ে শততম টেস্টে অন্তত এক ইনিংসে সেঞ্চুরি করা ব্যাটারের সংখ্যা এখন ১১ জন।
- এদের মধ্যে মুশফিকসহ মাত্র চারজন ব্যাটার দুই ইনিংসেই ব্যাট করার সুযোগ পেয়েছেন।

• শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করা বাকি সাত ব্যাটার:
- রিকি পন্টিং, ইনজামাম উল হক, জো রু,ট  কলিন কাউড্রি, জাভেদ মিঁয়াদাদ, গর্ডন গ্রিনিজ, অ্যালেক স্টুয়ার্ট, গ্রায়েম স্মিথ, হাশিম আমলা ও ডেভিড ওয়ার্নার।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা

২,৮৯৮.
বঙ্গবন্ধু কত সালে ওআইসি সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন?
  1. ক) ১৯৭২ সালে
  2. খ) ১৯৭৩ সালে
  3. গ) ১৯৭৪ সালে
  4. ঘ) ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা
ওআইসি ও বাংলাদেশ

- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে লাহোরে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে (২২-২৪ ফেব্রুয়ারি) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে অংশগ্রহণ করে।
- ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ বাংলাদেশ ওআইসির সদস্যপদ লাভ করে।


তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
২,৮৯৯.
বাংলাদেশে মর্যাদা অনুসারে দ্বিতীয় বীরত্বসূচক খেতাব কোনটি?
  1. ক) বীর প্রতীক
  2. খ) বীরশ্রেষ্ঠ
  3. গ) বীর উত্তম
  4. ঘ) বীর বিক্রম
সঠিক উত্তর:
গ) বীর উত্তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বীর উত্তম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে মর্যাদা অনুসারে ২য় বীরত্বসূচক খেতাব বীর উত্তম। ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭৩ সালে মুক্তিযোদ্ধাদের খেতাব প্রদান করেছিল। ৭ জন বীরশ্রেষ্ঠ, ৬৮ জন বীর উত্তম, ১৭৫ জন বীর বিক্রম এবং ৪২৬ জন কে বীর প্রতীক খেতাবে ভূষিত করা হয়েছিল। [Source: Banglapedia]
২,৯০০.
First Bangladeshi member of 'CEDAW' Committee -
  1. ক) Mohiuddin Khan
  2. খ) Abul Hashem
  3. গ) Salma Khan
  4. ঘ) Zubair Mia
সঠিক উত্তর:
গ) Salma Khan
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Salma Khan
ব্যাখ্যা
CEDAW কমিটির প্রথম বাংলাদেশী সদস্য- সালমা খান।

- জাতিসংঘ নারীদের অধিকার রক্ষায় ১৮ ডিসেম্বর, ১৯৭৯ সালে নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য প্রতিরোধ কনভেনশন বা Convention on the Elimination of Discrimination against Women (CEDAW) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- (CEDAW) সনদে ধারা আছে- ৩০ টি।
- পরিচ্ছদ আছে-৬ টি।

সিডোর ধারাগুলো ৩ ভাগে বিভক্ত যথা: 
- প্রথম ভাগ-(১-১৬) নারী পুরুষের সমতা সর্ম্পকিত।
- দ্বিতীয় ভাগ-(১৭-২২) এর কর্মপন্থা ও দায়িত্ব বিষয়ক।
- তৃতীয় ভাগ- (২৩-৩০) প্রশাসনিক বিষয়।

- ১ম স্বাক্ষরকারী দেশ- সুইডেন।
- CEDAW কমিটির প্রথম বাংলাদেশী সদস্য- সালমা খান।
- বাংলাদেশ (CEDAW) অনুমোদন করে- ৪ নভেম্বর, ১৯৮৪ সালে।
- ২০১১ সালের জানুয়ারি থেকে এটি জাতিসংঘের উন্নয়ন গ্রুপের অন্যতম সদস্য হয়। 


তথ্যসূত্র: অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (CEDAW)