PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন ও অন্যান্য
বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন ও অন্যান্য
PrepBank · পাতা ২৯ / ৩৮ · ২,৮০১–২,৯০০ / ৩,৮২৪
উত্তর
ব্যাখ্যা
• তারা মসজিদ:
- তারা মসজিদ পুরানো ঢাকার আরমানিটোলায় আবুল খয়রাত সড়কে অবস্থিত।
- সাদা মার্বেলের গম্বুজের ওপর নীলরঙা তারায় খচিত এ মসজিদ নির্মিত হয় আঠারো শতকের প্রথম দিকে।
- মির্জা গোলাম পীর (মির্জা আহমদ জান) ঢাকার বিখ্যাত ‘তারা মসজিদ’ তৈরি করেন।
- ১৯২৬ সালে, ঢাকার তৎকালীন স্থানীয় ব্যবসায়ী, আলী জান বেপারী মসজিদটির সংস্কার করেন। সে সময় জাপানের রঙিন চিনি-টিকরি পদার্থ ব্যবহৃত হয় মসজিদটির মোজাইক কারুকাজে।
- মসজিদের বতর্মান দৈর্ঘ্য ৭০ ফুট (২১.৩৪ মিটার), প্রস্থ ২৬ ফুট (৭.৯৮ মিটার)।
উল্লেখ্য,
- ছোট কাটরা নির্মান করেন শায়েস্তা খান এবং বড় কাটরা নির্মান করেন শাহ সুজা ।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য নওয়াব সলিমুল্লাহ বিশেষ ভূমিকা পালন করেন। এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য তিনি ঢাকার রমনা এলাকায় নিজ জমি দান করেন।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৪' পেয়েছেন ১০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি।
• স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ - কাজী আব্দুস সাত্তার, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফ্লাইট সার্জেন্ট মোঃ ফজলুল হক (মরণোত্তর) ও বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ আবু নঈম মোঃ নজিব উদ্দীন খাঁন (মরণোত্তর)।
• বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি - ড. মোবারক আহমদ খান।
• চিকিৎসাবিদ্যা - ডাঃ হরিশংকর দাশ।
• সংস্কৃতি - মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান।
• ক্রীড়া - ফিরোজা খাতুন।
• সমাজসেবা/জনসেবা - অরন্য চিরান, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডাঃ মোল্লা ওবায়েদুল্লাহ বাকী ও এস.এম. আব্রাহাম লিংকন।
তথ্যসূত্র - মন্ত্রি পরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট ও ডেইলি স্টার, মার্চ ১৫, ২০২৪।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি।
- প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন রাজ্যের রাজধানী মহাস্থানগড়ের নাম ছিল পুণ্ড্রনগর।
- এখানে মৌর্য, গুপ্ত, পাল, সেন সাম্রাজ্যের প্রচুর নিদর্শন পাওয়া গেছে।
- বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১৩ কিলোমিটার উত্তরে করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরে মহাস্থানগড় অবস্থিত।
- সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষ্মণ সেন (১০৮২-১১২৫) যখন গৌড়ের রাজা ছিলেন তখন এই গড় অরক্ষিত ছিল।
- ১৮৭৯ সালে প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন রাজ্যের ঐতিহাসিক নিদর্শন আবিষ্কার করেন ব্রিটিশ প্রত্নতত্ত্ববিদ আলেকজান্ডার কানিংহ্যাম।
- এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন ঐতিহাসিক স্থান।
⇒ ২০১৬ সালে এটিকে সার্কের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- ২১ জানুয়ারি, ২০১৭ থেকে এই অনুষ্ঠানমালা শুরু হয়।
উল্লেখ্য,
- দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার (সার্ক) অঙ্গপ্রতিষ্ঠান সার্ক কালচারাল সেন্টার (শ্রীলঙ্কা) ২০১৫ সাল থেকে ‘সার্ক সাংস্কৃতিক রাজধানী’ ঘোষণার আয়োজন শুরু করেছে।
- প্রথমবারের মতো ‘সার্ক সাংস্কৃতিক রাজধানী’ ঘোষণা করা হয় আফগানিস্তানের ঐতিহাসিক নগরী বামিয়ানকে।
উৎস: i) বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) প্রথম আলো।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ২০২৩ সালে ক্লাইমেট মোবিলিটি চ্যাম্পিয়ন লিডার অ্যাওয়ার্ড লাভ করে – প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘ক্লাইমেট মোবিলিটি চ্যাম্পিয়ন লিডার অ্যাওয়ার্ডে’ ভূষিত করেছে আইওএম এবং জাতিসংঘ সমর্থিত গ্লোবাল সেন্টার ফর ক্লাইমেট মোবিলিটি সংস্থা।
- দুবাইতে বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন- কপ ২৮ এর সাইডলাইনে একটি উচ্চ স্তরের প্যানেল অধিবেশনে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি রাষ্ট্রদূত ডেনিস ফ্রান্সিস এবং ইন্টারন্যাশনাল অর্গাইনাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আইওএম) মহাপরিচালক অ্যামি পোপের কাছ থেকে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে পুরস্কারটি গ্রহণ করেন।
তথ্যসূত্র: The Business Standard.
উত্তর
ব্যাখ্যা
- দেশের প্রথম কমিউনিটি বেতার রেডিও পদ্মা’।
- রাজশাহী থেকে দেশের প্রথম কমিউনিটি বেতার রেডিও পদ্মা’র আনুষ্ঠানিক সম্প্রচার শুরু হয়েছে গত ০৭ অক্টোবর ২০১১ ইং তারিখ থেকে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক মাননীয় তথ্যমন্ত্রী জনাব আবুল কালাম আজাদ অনুষ্ঠানিকভাবে রেডিও পদ্মা’র সম্প্রচার কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন।
• বাংলাদেশ বেতার, ঢাকা কেন্দ্র:
- বৃটিশ ভারতের এ অঞ্চল, যা বর্তমানে বাংলাদেশ নামে পরিচিত; প্রথম বেতার সম্প্রচার শুরু হয় ১৯৩৯ সালে ১৬ই ডিসেম্বর।
- ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডে একটি ভাড়া করা বাড়িতে (বর্তমানে এটি বোরহান উদ্দিন কলেজ) দুটি স্টুডিও নিয়ে এর যাত্রা শুরু হয়।
- প্রথম নামকরণ করা হয় “ঢাকা ধ্বনি বিস্তার কেন্দ্র”।
- ঢাকা বেতারের সম্প্রচার যন্ত্র অর্থাৎ ট্রান্সমিটারটি বসানো হয়েছিল বর্তমান কল্যাণপুর।
- কালের পরিক্রমায় বেতার ভবন স্থানান্তরিত হয় শাহবাগে ১৯৬০ সালের ৮ই ফেব্রুয়ারি।
- ১৯৮৩ সালের ৩০ জুলাই ঢাকাস্থ শের-ই-বাংলা নগরে বর্তমান অত্যাধুনিক পূর্ণাঙ্গ জাতীয় বেতার ভবনে ঢাকা প্রচার কেন্দ্র স্থানান্তরিত হলে শাহবাগের সাবেক প্রচার ভবনটি বাংলাদেশ বেতারের সদর দপ্তরে রূপান্তরিত হয়।
উৎস: ¡)জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং রেডিও পদ্মার ওয়েবসাইট।
¡¡) ডেইলি স্টার পত্রিকা।[লিঙ্ক]
উত্তর
ব্যাখ্যা
নারী ক্রিকেট দল:
- ২০১১ সালে যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল।
- ২০১৮ সালে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল এশিয়া কাপের শিরোপা জয় করে।
- ২০১৮ সালে মালয়েশিয়ায় টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এশিয়া কাপ।
- বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল ২০২১ সালে টেস্ট মর্যাদা পায়।
উৎস: ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও ঢাকা টাইমস।
উত্তর
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫:
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ২০২৫ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন।
- পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রত্যেককে পাঁচ লাখ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৫০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হবে।
⇒ স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫ প্রাপ্ত:
- সাহিত্য: মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর),
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর),
- সংস্কৃতি: নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর),
- সমাজসেবা: স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর),
- মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতি: মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর),
- শিক্ষা ও গবেষণা: বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর,
- প্রতিবাদী তারুণ্য: আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।
উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
হাসন রাজা:
- হাসন রাজা মরমি কবি, সাধক।
- তাঁর প্রকৃত নাম দেওয়ান হাসন রজা চৌধুরী।
- সিলেট জেলার সুনামগঞ্জে লক্ষ্মণশ্রী গ্রামের এক জমিদার পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- হাসন রাজার পিতৃকুল ও মাতৃকুল উভয়ই ছিল অযোধ্যাবাসী এবং হিন্দু ধর্মাবলম্বী।
- পরে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে তাঁরা সুনামগঞ্জ আসেন।
• তার কয়েকটি গান:
- আঁখি মঞ্জিয়া দেখ রূপ রে।
- আগুন লাগাইয়া দিল কুনে, হাছন রাজার মনে।
- সোনা বন্ধে আমারে দেওয়ানা বানাইলো।
- নিশা লাগিল রে বাঁকা দুই নয়নে।
অন্যদিকে,
- করিম, শাহ আবদুল (১৯১৬-২০০৯) লোকসঙ্গীত শিল্পী, গীতিকার, সুরকার।
- লালন শাহ (১৭৭২-১৮৯০) বাউল সাধনার প্রধান গুরু, বাউল গানের শ্রেষ্ঠ রচয়িতা, গায়ক।
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ১৯৮০ সালেই মস্কো অলিম্পিকে অংশ নেওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশের।
- কিন্তু শেষ মুহূর্তে গেমস বয়কট করে।
- ১৯৮৪ সালে (২৩তম আসর) লস্ অ্যাঞ্জেলস অলিম্পিক গেমসে মার্চ পাস্টে জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে মাঠে নামলেও সেবার কোনো ডিসিপ্লিনে অংশ নেয়নি।
- ১৯৮৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদরা অংশ নেন।
- এরপর নিয়মিত অলিম্পিক গেমসে লাল-সবুজের পতাকা উড়ছে।
- এখন পর্যন্ত কোনো আসরেই পদক জেতা হয়নি বাংলাদেশের।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ প্রতিদিন, ২৮ অক্টোবর, ২০১৯ ও লাইব্রেরী অব কংগ্রেস ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ২৬-২৮ মার্চ ২০২৩ ভারতের নয়াদিল্লিতে Foundation of SAARC Writers and Literature (FOSWAL)-এর Literacy Festival অনুষ্ঠিত হয়।
- উৎসবের প্রথম দিন ২৬ মার্চ, ২০২৩ তিনটি বইয়ের জন্য জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে বিশেষ সাহিত্য পুরস্কারে ভূষিত করে।
- বঙ্গবন্ধুর ৩টি বই হলো অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগারের রোজনামচা এবং আমার দেখা নয়াচীন।
- ২০০১ সাল থেকে FOSWAL এ পুরস্কার প্রদান করে আসছে।
তথ্যসূত্র: প্রথম আলো (২ এপ্রিল, ২০২৩)।
উত্তর
ব্যাখ্যা
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার:
- জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০২২-এ শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র নির্বাচিত হয়েছে ‘কুড়া পক্ষীর শূন্যে উড়া’ এবং ‘পরাণ’ কে।
- জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০২২-এ সেরা নায়কের পুরস্কার পেয়েছেন চঞ্চল চৌধুরী।
- যুগ্মভাবে সেরা নায়িকা হিসেবে নাম ঘোষণা করা হয়েছে জয়া আহসান ও রিকিতা নন্দিনী শিমুর নাম।
- চলচ্চিত্র শিল্পের বিকাশ ও উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য সরকার ব্যক্তিবিশেষকে এবং শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র ও প্রামাণ্যচিত্রকে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান করে থাকে।
- এ পুরস্কারের ক্ষেত্রগুলি হলো শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র, কাহিনীকার, পরিচালক, চিত্র সম্পাদক, সংলাপ রচয়িতা, চিত্র নাট্যকার, অভিনেতা ও অভিনেত্রী, পার্শ্ব অভিনেতা ও পার্শ্ব অভিনেত্রী, সঙ্গীত পরিচালক, চিত্রগ্রাহক, গীতিকার, শিল্প নির্দেশক, শব্দগ্রাহক, গায়ক, গায়িকা, শিশু শিল্পী, নৃত্য পরিচালক, সুরকার, মেকআপ ম্যান, পান্ডুলিপি, সংলাপ, প্রামাণ্যচিত্র, স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ও শিশু শিল্পীদের বিশেষ পুরস্কার।
- এসব ক্ষেত্রে শ্রেষ্ঠ বিবেচিত চলচ্চিত্র ও শ্রেষ্ঠ কলাকুশলীদের পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- প্রতিটি পুরস্কারের মান শ্রেষ্ঠ পরিচালকের জন্য নগদ দশ হাজার টাকা এবং অন্যান্য প্রতিটি ক্ষেত্রে নগদ পাঁচ হাজার টাকা।
- পুরস্কারপ্রাপ্তদের প্রত্যেককে নগদ অর্থের সঙ্গে একটি করে র্যাপ্লিকা প্রদান করা হয়।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ড ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
ওই রিপোর্টে আরো বলা হয়ঃ “Development pessimism about Bangladesh was understandable, but has been now proven wrong.
Some countries have done well in human development indicators, and others have done well in economic growth, but Bangladesh belongs to a rather small group of countries that have done well on both fronts, the initial pessimism notwithstanding.
This is the crux of the ‘development surprise’ that transformed Bangladesh.”
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ১৯৭২ সালে হাডুডু খেলাকে কাবাডি নামকরণ করা হয় এবং এ খেলাকে জাতীয় খেলার মর্যাদা দেওয়া হয়।
কাবাডি
- কাবাডি ১২.৫০ মিটার দৈর্ঘ্য ও ১০ মিটার প্রস্থের আয়তাকার মাঠ থাকে।
- প্রতি দলে ১২ জন করে খেলোয়াড় নিয়ে অনুষ্ঠিত দুটি দলের খেলা।
- প্রতি দলে ১২ জন করে খেলোয়াড় থাকলেও ৭ জন খেলোয়াড় কোর্টে খেলে।
- এবং বাকি ৫ জন অতিরিক্ত খেলোয়াড় হিসেবে কোর্টের বাইরে থাকে।
- প্রতিযোগিতার সময় দুই অর্ধ মিলিয়ে মোট ৪০ মিনিট ও দুই অর্ধের মাঝামাঝি ৫ মিনিট বিরতি।
- কোনো পক্ষ তার বিপক্ষের প্রত্যেক খেলোয়াড়কে আউট করার সুবাদে একটি করে পয়েন্ট লাভ করে,
- বিপক্ষ দলের সমস্ত খেলোয়াড়কে আউট করতে পারলে লোনা বাবদ অতিরিক্ত ২ পয়েন্ট পায়।
- ১৯৭২ সালে হাডুডু খেলাকে কাবাডি নামকরণ করা হয় এবং এ খেলাকে জাতীয় খেলার মর্যাদা দেওয়া হয়।
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা করেন কামরুল হাসান।
- পতাকা বিধি (১৯৭২) অনুসারে জাতীয় পতাকার রং গাঢ় সবুজ এবং ১০:৬ বা ৫:৩ অনুপাতে আয়তাকার, তাতে থাকবে সবুজ অংশের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত।
- লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে পতাকার মোট দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ।
- প্রথম অবস্থায় পতাকার কেন্দ্রস্থলে বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত ছিল।
- ২রা মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা দিবস।
- ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ছাত্রদের পক্ষে পতাকাটি উত্তোলন করেছিলেন তৎকালীন ডাকসুর ভিপি আ স ম আব্দুর রব।।
- শিবনারায়ণ দাস বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পতাকার অন্যতম এবং মূল নকশাকার।
তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ২ মার্চ ২০২২ ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ২ মার্চ ২০২৩।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর হচ্ছে বাংলাদেশের প্রথম জাদুঘর।
- ১৯২৫ সালে বলধার নরেন্দ্রনারায়ণ রায় চৌধুরী বোটানিক্যাল গার্ডেনসহ ঢাকায় প্রতিষ্ঠা করেন বলধা জাদুঘর।
- ১৯১৩ সালে ঢাকা মিউজিয়াম প্রতিষ্ঠিত হয়।
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত অন্যতম সর্ববৃহৎ ঈদের জামাত।
- কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের পূর্বপ্রান্তে নরসুন্দা নদীর উত্তর তীরে অবস্থিত শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে ঐতিহ্যবাহী এই জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
জনশ্রুতি আছে যে,
- ১৮২৮ সালে শোলাকিয়া ঈদগাহে সোয়া লাখ মুসল্লি একসঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করেন। সেই থেকে এটি শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠ হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।
উৎস: বাংলাপিডিয়া ও পত্রিকা রিপোর্ট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
চলতি বছরের বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দিন থেকে মুজিব বর্ষের দিন গণনা শুরু হয়। ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ১৭ মার্চ পর্যন্ত সময়কে (২০২০-২১) বাংলাদেশ সরকার মুজিব বর্ষ হিসাবে ঘোষনা করে।
উৎসঃ সাম্প্রতিক তথ্য। Live MCQ সাম্প্রতিক সমচার PDF এ নজর রাখুন।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘের উদ্যোগে গঠিত শান্তিরক্ষা বাহিনী এখন পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে শান্তিরক্ষায় নিয়োজিত।
- ১৯৪৮ সালে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন শুরু হয়।
- জাতিসংঘের নিজস্ব কোন শান্তিরক্ষা বাহিনী নেই।
- পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে শান্তিরক্ষা বাহিনীর জন্য সদস্য সংগ্রহ করা হয়।
- বাংলাদেশের সেনাবাহিনীও জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছে।
উল্লেখ্য,
- ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ১৩৬তম সদস্য হিসাবে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
- সর্বপ্রথম বাংলাদেশ ১৯৮৮ সালে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সৈন্য পাঠায়।
- ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশ দুটি অপারেশনে অংশগ্রহণ করে, একটি ইরাক-ইরান (UNIIMOG) এবং অন্যটি নামিবিয়া (UNTAG)।
- UNIIMOG মিশনে ১৫ জন সদস্য প্রেরণ করে আনুষ্ঠানিকভাবে শান্তিরক্ষী মিশন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে।
⇒ ১৯৮৮ সালে সেনাবাহিনীর ১৫ সদস্যের একটি পর্যবেক্ষকদল ইরাক-ইরান শান্তি রক্ষা কার্যক্রমে যোগ দেয়।
- ১৯৮৯ সালে বাংলাদেশ পুলিশ নামিবিয়ায় জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা কার্যক্রমে যোগ দেয়।
- ১৯৯৩ সালে বাংলাদেশ নৌবাহিনী মোজাম্বিকে এবং বাংলাদেশ বিমানবাহিনী বসনিয়া-হার্জেগোভিনায় জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা কার্যক্রম শুরু করে।
⇒ বিগত চার দশক ধরে শান্তিরক্ষা মিশনে বিশেষ অবদান রাখছে বাংলাদেশ।
- বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ৪০টি দেশে ৬৩টি মিশনে অংশ গ্রহণ করেছে।
উৎস: i) United Nations in Bangladesh ওয়েবসাইট।
ii) ARMED FORCES DIVISION ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশ বাংলাদেশের প্রথম বহুলেন সড়ক টানেল উদ্বোধন করা হয়েছে।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৮শে অক্টোবর ২০২৩ সালে টানেলটি উদ্বোধন করেন।
- বাংলাদেশ সরকার এটির নামকরণ করেছে বঙ্গবন্ধু টানেল।
- দক্ষিণ এশিয়ায় নদীর তলদেশ দিয়ে যানবাহন চলাচলকারী প্রথম টানেল এটি।
- মোট দৈর্ঘ্য – ৯.৩৯ কিমি।
- মূল টানেলের দৈর্ঘ্য – ৩.৩১৫ কিমি অথবা ৩.৩২ কিমি।
- এপ্রোচ সড়কের দৈর্ঘ্য – ৫.৩৫ কিমি।
- টানেলের ধরন – দুই লেনের ডুয়েল টানেল।
- প্রবেশপথ – চট্টগ্রাম বিমানবন্দর ও সমুদ্রবন্দরের কাছে, কর্ণফুলী নদীর ভাটির দিকে নেভি কলেজের কাছে।
- বহির্গমন – আনোয়ারা প্রান্তে সার কারখানার কাছে।
তথ্যসূত্র - বিবিসি বাংলা, ২৮ অক্টোবর ২০২৩।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ২০০৯ সালে প্রকাশিত এ বইটি রাউলসের 'এ থিওরি অফ জাস্টিস' এর সমালোচনা ও সংশোধন।
- 'দি আইডিয়া অব জাস্টিস' এর মূলকথা হলো- ন্যায্যতা কোন বিমুর্ত, র্ব-নির্ধারিত ধারণা নয়, বিভিন্ন পরিস্থিতিতে নানান মাপকাঠি দিয়ে ন্যায় অন্যায়ের বিচার করতে হবে।
উৎস:ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের পর্বতারোহী ওয়াসফিয়া নাজরীন ‘সেভেন সামিট’-এর কৃতিত্ব অর্জন করেন।
- বাংলাদেশের প্রথম পর্বতারোহী হিসেবে সাত মহাদেশের সাতটি সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ জয় (সেভেন সামিট) করলেন ওয়াসফিয়া নাজরীন।
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ অন সেভেন সামিট কর্মসূচির অংশ হিসেবে ২০১১ সালে ওয়াসফিয়া তাঁর সেভেন সামিট অভিযান শুরু করেন।
- ২০১২ সালে তিনি পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেন।
- এর আগে তিনি আফ্রিকার মাউন্ট কিলিমানজারো, এশিয়ার মাউন্ট এভারেস্ট, অ্যান্টার্কটিকার মাউন্ট ভিনসন, ইউরোপের এলব্রুস, উত্তর আমেরিকার মাউন্ট ডেনালি, দক্ষিণ আমেরিকার অ্যাকোংকাগুয়া পর্বতশৃঙ্গ জয় করেন।
⇒ ২০১৪ সালে দুঃসাহসী অভিযানের জন্য ওয়াসফিয়া নাজরীনকে ন্যাশনাল জিওগ্রাফির বর্ষসেরা অভিযাত্রীর খেতাব দেওয়া হয়।
উৎস: i) প্রথম আলো। [link]
ii) BBC.
উত্তর
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের শতাব্দীপ্রাচীন টাঙ্গাইল শাড়ি বয়নশিল্পের ঐতিহ্য ইউনেসকোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান পেয়েছে। ভারতের নয়াদিল্লির লালকেল্লায় এক অধিবেশনে ইউনেসকোর রিপ্রেজেন্টেটিভ লিস্ট অব ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ অব হিউম্যানিটিতে (আইসিএইচ) আনুষ্ঠানিকভাবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
- বাংলাদেশের ষষ্ঠ আইসিএইচ উপাদান হিসেবে টাঙ্গাইল বয়নশিল্প চূড়ান্তভাবে তালিকাভুক্ত হলো।
• ইউনেসকোর 'অপরিমেয়/বিমূর্ত/অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য:
⇒ ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ বা বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হলো সেই সব জ্ঞান, দক্ষতা, প্রথা, আচরণ ও শিল্প-অনুশীলন যা কোনো সমাজ বা সম্প্রদায় পরম্পরাগতভাবে টিকিয়ে রাখে।
⇒ ২০০৩ সালে ইউনেসকোর তত্ত্বাবধানে ‘কনভেনশন ফর দ্য সেফগার্ডিং অব দ্য ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ’ নামে যাত্রা শুরু করে। এই কনভেনশনে স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্রগুলোকে আইসিএইচ উপাদান শনাক্ত, রক্ষা ও প্রচারের জন্য বাধ্যবাধকতা দেয়। বাংলাদেশ ২০০৯ সালের ১১ সেপ্টেম্বর এই কনভেনশনে স্বাক্ষর করে।
উল্লেখ্য,
- বর্তমানে দেশে ৬টি ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রয়েছে।
- এগুলো হলো:
১) বাউলগান (২০০৮),
২) জামদানি বুননশিল্প (২০১৩),
৩) মঙ্গল শোভাযাত্রা (২০১৬),
৪) শীতলপাটি বুননশিল্পের (২০১৭) ও
৫) ঢাকা শহরের ‘রিকশা ও রিকশাচিত্র’ (২০২৩)।
৬) টাঙ্গাইল শাড়ি বয়নশিল্প (২০২৫)
উৎস: প্রথম আলো।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় কুমিল্লা সেনানিবাস ছিল ব্রিটিশদের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র।
- ব্রিটিশ কমান্ডার ফিল্ড মার্শাল উইলিয়াম জোসেফ স্লিম বার্মার যুদ্ধে নেতৃত্ব দেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানিজরা সিঙ্গাপুর দখল করার পাশাপাশি চীনের অনেক জায়গা দখল করে ভারতের দিকে অগ্রসর হতে থাকে।
- পরে জাপানিরা বার্মায় রেঙ্গুন দখল করে ভারতের দিকে অগ্রসর হয়, তখন ভারতকে ‘দ্য জুয়েল ইন দ্য ক্রাউন’ হিসেবে বিবেচনা করা হতো।
- কুমিল্লা সেনানিবাস থেকে উইলিয়াম স্লিম তাঁর সৈনিকদের প্রস্তুত করেন। তখন প্রতিপক্ষও ফেনীসহ বিভিন্ন এলাকায় বোমাবর্ষণ শুরু করে।
- একপর্যায়ে উইলিয়াম স্লিম একটা আন্ডারগ্রাউন্ড কমান্ডো ফোর্স গঠন করেন; কুমিল্লা সেনানিবাসে যা এখনো আছে।
- কুমিল্লায় যুদ্ধ না হলেও এর কৌশলগত অবস্থান এবং ময়নামতির হাসপাতাল অঞ্চলটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ করে তোলে।
- যুদ্ধকালে কুমিল্লা ও চট্টগ্রামে হাসপাতাল তৈরি হয়। আহত মিত্র সৈনিকদের চিকিৎসা ও মৃত্যুপরবর্তী সমাহিত করতে ময়নামতিতে যুদ্ধসমাধি স্থাপন করা হয়।
- বর্তমান স্থানটিতে প্রথমে ব্রিটিশদের সমাহিত করার কাজ শুরু হয়।
- জাপানিরা শত্রুপক্ষ হওয়ায় তাঁদের সমাধিস্থলের একটি কোণে জায়গা দেওয়া হয়।
- যাঁরা মুসলিম ছিলেন, তাঁদের পৃথকভাবে একটি (দক্ষিণ-পশ্চিম) পাশে দাফন করা হয়। কারণ, মুসলিমদের কবর দেওয়ার পদ্ধতি ভিন্ন।
- সেখানে সমাহিত করা বেশির ভাগই আহত অবস্থায় ময়নামতিতে চিকিৎসার জন্য এসে মারা গিয়েছিলেন।
- পাহাড়ি ও বন্যামুক্ত সুন্দর পরিবেশ থাকার কারণে ময়নামতিকে সমাধিস্থল হিসেবে বেছে নেওয়া হয়।
- বার্মায় যুদ্ধে অনেক সৈনিক নিহত হন। ওই সময় কুমিল্লা, চট্টগ্রামসহ কয়েকটি স্থানে যুদ্ধসমাধি তৈরি করেছিলেন ব্রিটিশরা।
তথ্যসূত্র: প্রথম আলো।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- এ ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয় ইংল্যান্ডে।
- এই বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ড এবং পাকিস্তানকে হারিয়ে ইতিহাস রচনা করে বাংলাদেশ।
উল্লেখ্য,
- ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে।
- বাংলাদেশ ২৬ জুন ২০০০ সালে আইসিসির দশম পূর্ণাঙ্গ সদস্য হিসেবে টেস্ট খেলার মর্যাদা অর্জন করে।
- ২০০০ সালের নভেম্বরে ভারতের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট খেলতে নামা বাংলাদেশ ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে প্রথম টেস্ট জয়ের স্বাদ পায়।
উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- WIPO-এর পূর্ণরূপ: World Intellectual Property Organization.
- WIPO হলো জাতিসংঘের বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ বিষয়ক বৈশ্বিক সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৪ জুলাই, ১৯৬৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১৯৭০ সালে।
- জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার অন্তর্ভুক্ত হয় ১৯৭৪ সালে।
- সংশোধিত হয়: ১৯৭৯ সালে।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৩টি।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান মহাপরিচালক: ড্যারেন ট্যাং (সিঙ্গাপুর)।
⇒ মূল উদ্দেশ্য বিশ্বব্যাপী সৃজনশীল বা সৃষ্টিশীল কর্মকান্ডকে উৎসাহিত করা।
- WIPO ভৌগলিক নির্দেশক পণ্যের স্বীকৃতি দেয়।
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৮৫ সালের ১১ মে WIPO এর সদস্যপদ লাভ করে।
উৎস: WIPO ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের গ্লোব বায়োটেক এর উদ্ভাবিত তিনটি করোনা ভাইরাস টীকা ১৫ অক্টোবর, ২০২০ তারিখে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) তালিকাভুক্ত করেছে। এখন পর্যন্ত গ্লোব বায়োটেকই সফলভাবে ৩টি টীকা উৎপাদনকারী একমাত্র প্রতিষ্ঠান। গ্লোবের উদ্ভাবিত ভ্যাকসিনটির নাম প্রথমে ব্যানকোভিড রাখা হলেও পরবর্তীতে ১ ডিসেম্বর এর নাম পরিবর্তন করে বঙ্গভ্যাক্স রাখা হয়।
সূত্রঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, নভেম্বর ২০২০ এবং independent24.com
উত্তর
ব্যাখ্যা
ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ ওয়ানডে ক্রিকেট স্ট্যাটাস লাভ করে ১৯৯৭ সালে।
- ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে।
- ১৭ মে, ১৯৯৮ সালে কেনিয়ার বিপক্ষে একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে প্রথম জয় পায়।
- ২০০৫ সালে বাংলাদেশ প্রথম ওয়ানডে সিরিজ জয় লাভ করে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।
টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে ২০০০ সালে।
- ২০০০ সালের ১০ই নভেম্বর বাংলাদেশ সর্বপ্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে ভারতের বিপক্ষে।
- ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশ টেস্ট ম্যাচে প্রথম জয় পায়।
- ১০ জানুয়ারি, ২০০৫ সালে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট সিরিজ জয় লাভ করে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।
উৎস: ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮।
উত্তর
ব্যাখ্যা
থ্রি জিরো তত্ত্ব:
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বজুড়ে আলোচিত তার তিন শূন্য বা থ্রি জিরো তত্ত্বের জন্য।
- সেগুলো হচ্ছে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনা।
- তা অর্জনে প্রয়োজন তারুণ্য, প্রযুক্তি, সুশাসন ও সামাজিক ব্যবসা।
- গ্রামীণ ব্যাংক ও ক্ষুদ্রঋণ ধারণার প্রবর্তক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- আর এই অবদানের জন্য তিনি শান্তিতে নোবেল পান ২০০৬ সালে।
- এই ক্ষুদ্রঋণ ধারণার মূল লক্ষ্যই ক্ষুধামুক্ত বিশ্ব গড়া।
উৎস: Yunus Centre.
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে বাংলাদেশের একটি ফুটবল দল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত অর্জন এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্যার্থে অর্থ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে ভারতের বিভিন্ন স্থানে প্রদর্শনী ফুটবল খেলায় অংশ নেয়।
- এই দলটি ‘স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল’ নামে পরিচিত ছিল।
- মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্যার্থে অর্থ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে ভারতের বিভিন্ন স্থানে প্রদর্শনী ফুটবল খেলায় অংশ নেয়।
- পৃথিবীর ইতিহাসে যুদ্ধকালীন প্রথম ফুটবল দল এটি।
উল্লেখ্য,
- জুন মাসে কলকাতায় শামসুল হক প্রতিষ্ঠা করেন বাংলাদেশ ক্রীড়া সমিতি।
- তার সাহায্যে এগিয়ে এলেন সমিতির প্রথম সেক্রেটারি লুতফর রহমান, কোচ আলী ইমাম ও ইস্ট এন্ড ক্লাবের সাবেক ফুটবলার সাঈদুর রহমান প্যাটেল।
⇒ স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের অধিনায়ক ছিলেন জাকারিয়া পিন্টু এবং সহ-অধিনায়ক ছিলেন প্রতাপ শংকর হাজরা।
- কোচ ও ম্যানেজার ছিলেন যথাক্রমে ননি বসাক ও তানভীর মাজহারুল তান্না।
- ম্যাচ খেলা থেকে অর্জিত পাঁচ লাখ ভারতীয় রুপি ক্রীড়া সমিতি জমা দিয়েছে মুক্তিযুদ্ধের ফান্ডে।
উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) The Daily Star Bangla.
উত্তর
ব্যাখ্যা
- পশ্চিম আফ্রিকার একটি দেশ সিয়েরা লিওন।
- ২০০২ সালে সিয়েরা লিওনে অফিসিয়াল ভাষা বা দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষা হিসাবে বাংলা ভাষার নাম ঘোষণা করা হয়।
- ভৌগলিক বা সাংস্কৃতি উভয় ক্ষেত্রে বাংলাদেশ থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন সিয়েরা লিওন।
- কিন্তু এ দুই দেশের সম্পর্ক এতটাই গভীর ও আন্তরিক যে, এ দেশের ভাষাকে নিজেদের করে নিয়েছে আফ্রিকার দেশটি।
উল্লেখ্য,
- ১৯৯১ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত দেশটি গৃহযুদ্ধে বিধ্বস্ত হয়েছে।
- সেই সময়টাতে সিয়েরা লিওনে শান্তি ফেরাতে বিপুল পরিমাণ শান্তি বাহিনী নিয়োগ করে জাতিসংঘ।
- তাদের বড় একটি অংশজুড়ে ছিল বাংলাদেশি সেনাবাহিনীর সদস্যরা।
- এ দেশের সেনারা সিয়েরা লিওনের বিদ্রোহীদের সঙ্গে যুদ্ধ করেছেন।
- ২০০২ এর কিছু আগে পরে শান্তি ফিরে আসে দেশটিতে।
- প্রেসিডেন্ট আহমাদ তেজান কাব্বাহ কৃতজ্ঞতা জানাতে এবং বাংলাদেশি সেনা সদস্যদের ভূমিকাকে চিরস্মারণীয় রাখতে বাংলা ভাষাকে দেশটির সরকারি ভাষার মর্যাদা দেন।
উৎস: ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭, কালের কণ্ঠ।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ২০২৫ সালে অনূর্ধ্ব-১৮ এশিয়া কাপে এবারই প্রথম অংশগ্রহণ করেছে বাংলাদেশ নারী হকি দল।
- প্রথমবারেই তৃতীয় হয়ে ব্রোঞ্জ পদক জিতেছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
- ১৩ জুলাই, ২০২৫ চীনের দাজহুতে কাজাখস্তানকে ৬-২ গোলে হারিয়ে তৃতীয় হয়ে টুর্নামেন্ট শেষ করেছে বাংলাদেশের মেয়েরা।
- হ্যাটট্রিক করে ম্যাচসেরা হয়েছেন বাংলাদেশের আইরিন আক্তার।
- অন্যদিকে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে মালয়েশিয়ার কাছে ৫-২ গোলে হেরে পদক হাতছাড়া করেছে পুরুষ হকি দল।
তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [LINK]
উত্তর
ব্যাখ্যা
- জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট) ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত।
- স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি কর্মসূচী ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার একটি আদর্শ আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠান তৈরির দিকে দৃষ্টি রেখে ১৯৭৭ সালে জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট)-এর আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- নিপোর্ট স্বস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন এবং মাঠপর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তা/কর্মচারীদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি এবং মনোভাবের পরিবর্তনের জন্য বিভিন্ন ধরণের প্রশিক্ষণ প্রদান করে আসছে।
- নিপোর্টের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে প্রজনন স্বাস্থ্য, শিশু স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচিকে জোরদার করার জন্য কর্মসূচিভিত্তিক মূল্যায়নধর্মী অপারেশনাল গবেষণা ও সার্ভে পরিচালনা করা এবং কর্মসূচি উন্নয়নের জন্য গবেষণার ফলাফল কার্যকরভাবে বিভিন্ন পর্যায়ে উপস্থাপন করা।
সূত্র: নিপোর্ট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• থ্রি - জিরো তত্ত্বে:
- অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের টেকসই উন্নয়নের 'থ্রি-জিরো' তত্ত্ব ।
- থ্রি-জিরো তত্ত্ব' আর্থিক স্বাধীনতা, কর্মঠ জনশক্তি তৈরি এবং পরিবেশ উন্নয়নে বর্তমান পৃথিবীতে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও কার্যকর একটি মডেল।
- এটি একটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি, যা তিনটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য অর্জনের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
⇒ সেগুলো হচ্ছে-
• জিরো দারিদ্র্য,
• জিরো বেকারত্ব,
• জিরো নেট কার্বন নিঃসরণ।
উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে অনুষ্ঠিত বৈশ্বিক জলবায়ু সম্মেলনে বাসযোগ্য নিরাপদ পৃথিবী ও নতুন সভ্যতা গড়ে তুলতে ‘থ্রি জিরো’ তত্ত্বকে বৃহৎ পরিসরে তুলে ধরেছেন অধ্যাপক ইউনূস।
উৎস: The Business Standard.
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
প্রথম নারী শিক্ষা সচিব:
- বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম নারী শিক্ষা সচিব রেহানা পারভীন।
⇒ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের নতুন সচিব হয়েছেন রেহানা পারভীন।
- তিনি এর আগে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (এনএসডিএ) নির্বাহী চেয়ারম্যান (সচিব) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
- ১৮ আগস্ট, ২০২৫ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে রেহানা পারভীন আনুষ্ঠানিকভাবে দেশের প্রথম নারী শিক্ষা সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেলেন।
উল্লেখ্য,
- শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে ২০১৬ সালের নভেম্বরে দুটি বিভাগে ভাগ করা হয়।
- একটি হলো মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং অন্যটি কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ।
- ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার পর থেকে অবিভক্ত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে মোট ৩৩ জন সিনিয়র সচিব ও সচিব দায়িত্ব পালন করেছেন।
- বিভাগ বিভক্ত হওয়ার পর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে এখন পর্যন্ত সাতজন সিনিয়র সচিব ও সচিব দায়িত্ব পালন করলেও তাদের কেউ নারী ছিলেন না।
উৎস: প্রথম আলো।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ”দুর্বার বাংলা” ভাস্কর্যটি খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত।
- ২০১৩ সালে এই ভাস্কর্যটি তৈরি হয়।
- ”দুর্বার বাংলা” ভাস্কর্যটির ভাস্কর গোপাল চন্দ্র পাল।
এছাড়াও,
• কিছু গুরত্বপূর্ণ কিছু ভাস্কর্যিএবং তাদের স্থপতি।
- জাতীয় স্মৃতিসৌধ এর স্থপতি- সৈয়দ মাইনুল হোসেন।
- কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এর স্থপতি- হামিদুর রহমান।
- সাবাশ বাংলাদেশ ভাস্কর্যটির স্থপতি- নিতুন কুন্ডু।
- সংশপ্তক ভাস্কর্যটির স্থপতি হামিদুজ্জামান।
- বিজয় ৭১” ভাস্কর্যটির স্থপতি- শ্যামল চৌধুরী।
- ”মোদের গর্ব” ভাস্কর্যটির স্থপতি- অখির পাল।
- মিশুক ভাস্কর্যটির স্থপতি- মুস্তফা মনোয়ার।
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং পত্রিকার রিপোর্ট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
ছোট সোনা মসজিদ:
- ছোট সোনা মসজিদ সুলতানি আমলের একটি অনন্য স্থাপত্য নিদর্শন। এটি 'সুলতানি স্থাপত্যের রত্ন' বলে আখ্যায়িত৷
- মধ্যযুগের সুলতানি আমলের গৌড়নগরীর এক ঐতিহাসিক স্থাপনা ছোট সোনা মসজিদ।
- মসজিদটিকে বলা হতো ‘গৌড়ের রত্ন'।
- চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রাচীন ঐতিহ্যের প্রধানতম নিদর্শন হচ্ছে ছোট সোনামসজিদ।
- মধ্যযুগে বাংলার স্বাধীন সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহের রাজত্বকালে (১৪৯৩-১৫১৯) নির্মিত হয় সোনামসজিদ।
- প্রধান প্রবেশ পথের উপরিভাগে স্থাপিত একটি শিলালিপি অনুযায়ী জনৈক মজলিস-ই-মাজালিস মজলিস মনসুর ওয়ালী মুহম্মদ বিন আলী কর্তৃক মসজিদটি নির্মিত হয়।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৪ সালে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অধীনে প্রকল্প আকারে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব স্পোর্টস (বিআইএস) প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করে।
- ১৯৭৬ সালে এ প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হয়।
- ১৯৮৩ সালে এক অধ্যাদেশের মাধ্যমে এর নাম পরিবর্তন করে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) রাখা হয়।
- বিকেএসপির নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা কার্যক্রম চালু হয় ১৯৮৬ সালে।
- সাভারের জিরানীতে ১১৯ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠানটি অবস্থিত।
- বিকেএসপি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি বিধিবদ্ধ স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠানের ৪টি শাখা রয়েছে। প্রশাসনিক, প্রশিক্ষণ, ক্রীড়া বিজ্ঞান এবং একাডেমিক।
তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- মোদের গরব বাংলা একাডেমী ভবনের সামনে অবস্থিত একটি ভাস্কর্য।
- ১৯৫২ সালে বাংলা ভাষা আন্দোলনের সময় বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসাবে প্রতিষ্ঠা করার দাবি জানানো হয়।
- এই আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে শহীদদের সম্মানে এই ভাস্কর্যটি তৈরী করা হয়।
- মোদের গরব ভাস্কর্যটির নকশাকার ও নির্মাণ করেছেন বাংলাদেশের খ্যাতিমান ভাস্কর শিল্পী অখিল পাল।
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ সাল) অগ্রহায়ণ মাসে মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীনের সম্পাদনায় কলকাতা থেকে এটি প্রকাশিত হয়।
- কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন সওগাতের প্রধান লেখকদের অন্যতম।
- তিনি যখন করাচিতে বেঙ্গল রেজিমেন্টে কর্মরত, তখন ‘বাউন্ডুলের আত্মকাহিনী’ নামে একটি ছোট গল্প পাঠান।
- এটিই ছিল তাঁর সওগাতে প্রকাশিত প্রথম লেখা।
- সওগাতের অন্যান্য প্রধান লেখক ছিলেন বেগম রোকেয়া, কাজী আবদুল ওদুদ, আবুল কালাম শামসুদ্দীন, আবুল মনসুর আহমদ এবং আবুল ফজল।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুরও এতে লিখেছেন।
• তাছাড়া,
- মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক সম্পাদিত পত্রিকা- 'মোসলেম ভারত'।
- 'মোহাম্মদ আকরাম খাঁ' সম্পাদিত পত্রিকা- সাপ্তাহিক মোহাম্মদী।
- মোহাম্মদ এয়াকুব আলী চৌধুরী সম্পাদিত পত্রিকা- 'কোহিনূর'।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।
উত্তর
ব্যাখ্যা
এই দলের অন্যরা হলেন অধ্যাপক ড. মো. বজলুর রহমান মোল্লা, অধ্যাপক ড. মো. শহিদুল ইসলাম ও অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ গোলাম কাদের খান।
তবে একই সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হাসিনা খানের নেতৃত্বে অপর একটি গবেষকদলও ইলিশের জীবনরহস্য উন্মোচনের ঘোষণা দেয়।
(সূত্র: দৈনিক সমকাল : ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮)
উত্তর
ব্যাখ্যা
- একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় অবস্থিত অন্য কোনো স্বাধীন রাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত এলাকাই ছিটমহল নামে পরিচিত।
- ২০১৫ সালের পূর্বে ভারত বাংলাদেশ এর মধ্যাকার সর্বমোট ১৬২ টি ছিটমহল ছিল।
- ০১আগষ্ট, ২০১৫ সালের রাত ১২:০১ মিনিটে ভারত - বাংলাদেশ ঐতিহাসিক মুজিব-ইন্দিরা চুক্তির অংশ হিসাবে নিজেদের ছিটমহলগুলো পরস্পরের সাথে বিনিময় করে।
- ভারতের ১১১টি ছিটমহল ছিল বাংলাদেশের অভ্যন্তরে - আর বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল ছিল ভারতের অভ্যন্তরে।
- বাংলাদেশ-ভারত ছিটমহল বিনিময়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত হন ভারতের ১১১টি ছিটমহলের নাগরিক,
- অন্যদিকে ভারতের সঙ্গে যুক্ত হন বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহলের নাগরিক।
- দাশিয়ারছড়া ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার ১৬২টি বিলুপ্ত ছিটমহলের মধ্যে আয়তন ও লোকসংখ্যার দিক থেকে সবচেয়ে বড়।
উৎস: প্রথম আলো, বিবিসি ও শিক্ষক বাতায়ন।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- হস্তশিল্পকে ২০২৪ সালের বর্ষপণ্য ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নারীর ক্ষমতায়নে ভূমিকা রাখায় এ খাতে বিশেষ নজর দিতে ‘হস্তশিল্প’কে ‘বর্ষপণ্য’ হিসেবে ঘোষণা করেছেন।
- ঢাকায় অনুষ্ঠিত ২৮তম আন্তর্জাতিক বানিজ্যমেলার উদ্বোধনের সময় তিনি এই ঘোষণা দেন।
সূত্র: বাসস প্রত্রিকা রিপোর্ট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
BELA (Bangladesh Environmental Lawyers Association)
-বাংলাদেশের বেসরকারি পরিবেশ আইনজীবীদের সংগঠন হলো ’বেলা’।
- ১৯৯২ সালে মহিউদ্দীন ফারুক এটি প্রতিষ্ঠা করে ।
- নাইকোর বিরুদ্ধে মামলা করে টেংরাটিলা গ্যাসফিল্ডে বিস্ফোরনের কারণে এটি সারাদেশে প্রসংশা কুড়ায়।
- বাংলাদেশ মহিলা সমিতি নারীদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করার পাশাপাশি নারীদের বিভিন্ন আইনি বিষয়গুলিতেও সহায়তা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধি করছে।
- বর্তমানে এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করছেন, সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
- তিনি ২০১২ সালে এশিয়ার নোবেল পুরস্কার হিসেবে বিবেচ্য ফিলিপাইনভিত্তিক রামোন ম্যাগসেসে পুরস্কার লাভ করেন
উৎস: বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- সুন্দরবন বিশ্বের একক বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন।
- সুন্দরবন দুটি বন বিভাগে বিভক্ত: সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগ ও সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগ।
- সুন্দরবনের মোট আয়তন ৬০১৭ বর্গকিলোমিটার।
- সমগ্র সুন্দরবন খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটে বিস্তৃত।
- সুন্দরবন ৫৬০তম রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
এছাড়া ৩টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য কেন্দ্র এবং ৩টি বিশেষায়িত বণ্যপ্রানী (ডলফিন) অভয়ারণ্য বিদ্যমান।
- ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সনে UNESCO সুন্দরবনের ৩টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যকে ৭৯৮তম World Heritage Site হিসেবে ঘোষণা করে।
- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৯ সনে নীলকমলে World Heritage Site-এর নামফলক উন্মোচন করেন।
- সুন্দরবনের জলভাগ জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধ হওয়ায় ১৯৯২ সালের ২১ মে থেকে এটি Ramsar Site হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
- টাঙ্গুয়ার হাওর ১০ জুলাই, ২০০০ সালে রামসার সাইটের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
তথ্যসূত্র: বন সংরক্ষণ দপ্তর ও রামসার সাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নিজের অর্থায়নে ২০০৫ সালে জাপানের টোকিওতে শহিদ মিনার নির্মিত হয়।
• দেশের বাহিরে শহিদ মিনার:
- বাংলাদেশের বাইরে প্রথম শহিদ মিনার স্থাপিত হয় ইংল্যান্ডের রাজধানী লন্ডনে।
- গ্রেট মেনচেস্টারের ওল্ডহ্যামের ওয়েস্টহুড নেবারহুডে তৈরি হয়েছে এ মিনার।
- ১৯৯৭ সালের ৫ অক্টোবর সেখানকার ‘বাংলাদেশি কালচারাল অ্যান্ড হিস্ট্রি ইন ওল্ডহ্যাম’ সে দেশে শহিদ মিনার নির্মাণ করে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।
- তাছাড়া গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ২০০৫ সালে জাপানের টোকিওতে শহিদ মিনার নির্মিত হয়।
- জাপান বাংলাদেশ সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে প্রতিবছর বৈশাখি মেলা অনুষ্ঠিত হওয়ার সূত্র ধরে বাংলাদেশ সরকার এই শহিদ মিনারটি নির্মাণ করে।
তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
উত্তর
ব্যাখ্যা
বর্তমানে টেস্ট ক্রিকেটে মমিনুল হকের সেঞ্চুরীর সংখ্যা - ১০টি।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাথে সর্বশেষ সিরিজে চট্টগ্রামে তিনি সেঞ্চুরির ২ অঙ্কের কোটা পূর্ণ করেন।
অন্যদিকে, টেস্টে তামিম, মুশফিক ও সাকিবের সেঞ্চুরীর সংখ্যা যথাক্রমে, ৯, ৭ ও ৫টি।
উৎসঃ Cricinfo.com
উত্তর
ব্যাখ্যা
- একুশে পদক ভাষা আন্দোলনে আত্মদানকারী শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে সরকার কর্তৃক প্রবর্তিত অন্যতম সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার।
- ১৯৭৬ সালে প্রথম এ পুরস্কার চালু করা হয়।
- জাতীয় জীবনে নিজ নিজ ক্ষেত্রে বিশিষ্ট অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ সরকার একুশে পদক প্রদান করে থাকে।
- এ পুরস্কারের জন্য বিবেচ্য ক্ষেত্রগুলি হলো সাহিত্য, সাংবাদিকতা, শিক্ষা, গবেষণা, অর্থনীতি ও দারিদ্য বিমোচন, শিল্প-সংস্কৃতি, সঙ্গীত, নৃত্য, চারুকলা, নাট্যাভিনয়, ভাস্কর্য, এবং ভাষা আন্দোলনে অবদান।
- প্রতিটি পুরস্কারে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে নগদ ১৮ ক্যারেট মানের তিন ভরি ওজনের স্বর্ণপদক, সম্মাননাপত্র ও নগদ অর্থ।
- সরকার ভাষা আন্দোলনে আত্মদানকারী আবুল বরকত রফিক উদ্দিন আহমদ, আবদুস সালাম ও আবদুল জববার এ চারজন শহীদকে ২০০০ সালে মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত করে।
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
উত্তর
ব্যাখ্যা
(সূত্র: বাংলাপিডিয়া)
উত্তর
ব্যাখ্যা
একুশে পদক ২০২৬:
- দেশের নয়জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানকে ২০২৬ সালের একুশে পদকের জন্য মনোনীত করেছে সরকার।
- প্রতিষ্ঠান হিসেবে- ব্যান্ড সংগীতের দল ওয়ারফেজ মনোনীত হয়েছে।
একুশে পদক ২০২৬ প্রাপ্ত ব্যক্তি:
- চলচ্চিত্রে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ফরিদা আক্তার ববিতা,
- চারুকলায় অধ্যাপক মো. আব্দুস সাত্তার,
- স্থাপত্যে মেরিনা তাবাসসুম,
- সংগীতে আইয়ুব বাচ্চু,
- নৃত্যে অর্থি আহমেদ,
- নাট্যকলায় ইসলাম উদ্দিন পালাকার,
- সাংবাদিকতায় শফিক রেহমান,
- শিক্ষায় অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আলম মজুমদার ও
- ভাস্কর্যে তেজস হালদার যশ।
উৎস: ডেইলি স্টার বাংলা ও প্রথম আলো।
উত্তর
ব্যাখ্যা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- তিনি ১৯৮৭ সালে স্বাধীনতা পদক লাভ করেন।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০২৪ সালে ইউনেস্কোর ‘দ্য ট্রি অব পিস’ (The Tree of Peace) পুরস্কারটি লাভ করেন। এটি আজারবাইজানে অনুষ্ঠিত একাদশ গ্লোবাল বাকু ফোরামে তাকে সম্মাননা হিসেবে প্রদান করা হয়।
⇒ ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন শিক্ষক ছিলেন।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।
- তিনি গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
- তিনি এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- এছাড়াও র্যামন ম্যাগসেসে এওয়ার্ড ও বিশ্ব খাদ্য পুরস্কারসহ আরও অনেক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছেন।
উল্লেখ্য,
- মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৯৬ সালে সাবেক প্রধান বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন।
⇒ ইংরেজি ভাষায় লেখা ‘ব্যাংকার টু দ্যা পুওর’ (Banker to the Poor) ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আত্মজীবনী।
- তাঁর আরও কিছু বই: দারিদ্র্যমুক্ত বিশ্বের জন্য, গ্রামীণ ব্যাংক ও আমার জীবন, বাংলাদেশ ২০১০, যোগ্য প্রার্থী আন্দোলন, ক্রিয়েটিং অ্যা ওয়ার্ল্ড উইদাউট পোভার্টি, সামাজিক ব্যবসা, এ ওয়ার্ল্ড অব থ্রি জিরোস, বালক পরিব্রাজকের দিনলিপি প্রভৃতি।
⇒ ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বজুড়ে আলোচিত তার তিন শূন্য বা থ্রি জিরো তত্ত্বের জন্য।
- সেগুলো হচ্ছে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনা।
- তা অর্জনে প্রয়োজন তারুণ্য, প্রযুক্তি, সুশাসন ও সামাজিক ব্যবসা।
উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) প্রথম আলো।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- এই মহাবিহার বাংলাদেশের নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলায় অবস্থিত।
- এটি প্রাচীন বাংলার একটি বৌদ্ধ বিহার।
⇒ পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- পাল রাজবংশের রাজা ধর্মপাল (৭৮১-৮২১) অষ্টম শতকের শেষ দিকে এ বিহার নির্মাণ করেন।
- সোমপুর বিহার এশিয়া মহাদেশের মধ্যে বৃহত্তম বিহার।
- এর দৈর্ঘ্য পূর্ব-পশ্চিমে ৯১৯ ফুট এবং উত্তর-দক্ষিণে ৯২২ ফুট।
- মূল ভবনে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের জন্য ১৭৭টি কক্ষ ছিল।
- ৮০০ জন ভিক্ষুর বাসপোযোগী ছিল।
- এ বিহারে ১২৫নং কক্ষে মাটির পাত্রে খলিফা হারুন-অর-রশিদের শাসনামলের রৌপ্য মুদ্রা পাওয়া যায়।
⇒ পূর্বভারতে জরিপ কাজ পরিচালনাকালে ১৮০৭ ও ১৮১২ সালে বুকানন হ্যামিল্টন সর্ব প্রথম প্রত্নস্থলটি পরিদর্শন করেন।
- পরবর্তীকালে ওয়েস্টম্যাকট পাহাড়পুর পরিভ্রমণে আসেন।
- স্যার আলেকজান্ডার কানিংহাম ১৮৭৯ সালে এ স্থান পরিদর্শন করেন ও ২২ ফুট বর্গাকার একটি ইমারত আবিষ্কার করেন।
- প্রত্নস্থলটি ১৯০৯ সালের পুরাকীর্তি আইনের আওতায় ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগ কর্তৃক ১৯১৯ সালে সংরক্ষিত পুরাকীর্তি হিসেবে ঘোষিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।
উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- স্বাধীনতার পর ৮ আগস্ট, ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদের জন্য আবেদন করে।
- ১০ আগস্ট, ১৯৭২ সালে চীন বাংলাদেশের সদস্যপদের বিরুদ্ধে ভেটো প্রদান করে।
- ১৯৭২ সালের ১৭ অক্টোবর জাতিসংঘে পর্যবেক্ষকের মর্যাদা লাভ করে।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সংস্থাটির ১৩৬তম সদস্যপদ লাভ করে।
- একই অধিবেশনে একই দিন ১৩৭তম সদস্য হিসেবে গ্রানাডা এবং ১৩৮তম সদস্য হিসেবে গিনি বিসাউ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
- জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীর কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৪৮ সালে।
- বাংলাদেশ ১৯৮৮ সাল থেকে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা বাহিনীতে কাজ করছে।
- আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস ২৯ মে।
উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট ও পৌরনীতি ও নাগরিকতা নবম-দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
বিশ্বকাপে সেঞ্চুরি:
- বিশ্বকাপ ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।
- ২০১৫ সালে ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করেন তিনি।
- দুটি সেঞ্চুরি আছে সাকিব আল হাসানের, একটি মুশফিকুর রহিমের।
- ২০২৩ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের একমাত্র ব্যাটার হিসেবে সেঞ্চুরি করেন মাহমুদউল্লাহ।
- মুম্বাইতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তিনি খেলেছিলেন ১১১ রানের ইনিংস। ওই সেঞ্চুরিতে একাধিক রেকর্ডের মালিক হন তিনি।
- প্রোটিয়াদের বিপক্ষে শতকটি ছিল বিশ্বমঞ্চে তার তৃতীয়।
- একাধিক বিশ্বকাপে সেঞ্চুরি করা বাংলাদেশের প্রথম খেলোয়াড়ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।
তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও ডেইলি স্টার, ১১ নভেম্বর, ২০২৩।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- জয়নুল আবেদিন ১৯১৪ সালে ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি বেড়ে উঠেছেন ব্রহ্মপুত্রের লালিত্যে গড়ে ওঠা সবুজ শ্যামলিমায়।
- জয়নুল তাঁর প্রথম জীবনেই নদী ও অবারিত প্রকৃতির মাঝে রোমান্টিকতার অনুপ্রেরণা পান।
- তিনি ১৯৩৩ সালে কলকাতা সরকারি আর্ট স্কুলে ভর্তি হন এবং পাঁচ বছর সেখানে ব্রিটিশ / ইউরোপীয় স্টাইলের ওপর পড়াশুনা করেন।
- জয়নুল আবেদিন ও তাঁর কয়েকজন সহযোগী, যারা দেশ ভাগের পর ঢাকায় অভিবাসী হয়েছিলেন, আর্ট ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেন।
- ‘দুই মহিলা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩), ‘পাইন্যার মা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩) ও ‘মহিলা’ (জলরং, ১৯৫৩), 'ফসল মাড়াই', জলরং (১৯৬৩) হলো এ আমলের উল্লেখযোগ্য চিত্রকর্ম।
- ১৯৭৬ সালের ২৮ মে ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।
তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ জাতীয় অধ্যাপক (নিয়োগ, শর্তাবলি ও সুবিধাদি) সিদ্ধান্তমালা-১৯৮১ অনুযায়ী, অধ্যাপক ডা. এম কিউ কে তালুকদারকে পাঁচ বছরের জন্য জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলো।
তথ্যসূত্র:- লাইভ এম সি কিউ সাম্প্রতিক সমাচার, অক্টোবর - ২০২২ এবং ইনকিলাব।
উত্তর
ব্যাখ্যা
টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরিয়ান:
- টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরিয়ান হলেন মুশফিকুর রহিম।
- তিনি ২০১৩ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গলে এই ঐতিহাসিক কীর্তি গড়েন, ২০০ রান করে।
- তিনি বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরি করেন এবং এখন পর্যন্ত তিনবার ডাবল সেঞ্চুরি করা একমাত্র বাংলাদেশী ক্রিকেটার।
• প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি: ২০১৩ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ২০০ রান।
• দ্বিতীয় ডাবল সেঞ্চুরি: ২০১৮ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২১৯* রান (অপরাজিত)।
• তৃতীয় ডাবল সেঞ্চুরি: ২০২০ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২০০* রান (অপরাজিত)।
উৎস: প্রথম আলো।
উত্তর
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য বিদেশি নাগরিকদেরকে ৩ ক্যাটাগরিতে সম্মাননা দেওয়া হয়। বিদেশিদের জন্য সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা হচ্ছে- 'বাংলাদেশ স্বাধীনতা সম্মাননা'।
২০১১ সালে বিদেশি নাগরিক 'জুলিয়ান ফ্রান্সিস' কে 'Friends of Bangladesh' পুরস্কার দেয়া হয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
পতাকা হাতে প্যারাট্রুপারের বিশ্বরেকর্ড:
- ২০২৫ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের বিজয় দিবস উদযাপনের সময় নতুন বিশ্ব রেকর্ড গড়েছে।
- ৫৪ জন প্যারাট্রুপার জাতীয় পতাকা হাতে একসাথে প্যারাস্যুটিং করেছে।
- বিজয় দিবসে ঢাকার তেজগাঁওয়ের পুরোনো বিমানবন্দরে ‘টিম বাংলাদেশে’র উদ্যোগে এই বিশেষ মহড়া ও রেকর্ড গড়ার আয়োজন করা হয়।
- স্বাধীনতার ৫৪ বছর পূর্তি উদযাপন উপলক্ষে ৫৪ জন প্যারাট্রুপার ১২ হাজার উচ্চতায় বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সি-১৩০বি পরিবহন বিমান থেকে জাতীয় পতাকাসহ ফ্রি ফল জাম্পের মাধ্যমে আকাশ থেকে ভূমিতে অবতরণ করে।
- এটি বিশ্বের সর্বাধিক পতাকা হাতে প্যারাস্যুটিংয়ের প্রদর্শনী।
তথ্যসূত্র- ইত্তেফাক। [link]
উত্তর
ব্যাখ্যা
লালবাগ কেল্লা:
- লালবাগ কেল্লার নাম ছিল কেল্লা আওরঙ্গবাদ বা আওরঙ্গবাদ দুর্গ।
- এটি মোগল আমল এর একটি চমৎকার নিদর্শন।
- এই কেল্লার নকশা করেন শাহ আজম।
- মোগল সম্রাট আওরঙ্গজেব-এর ৩য় পুত্র আজম শাহ ১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দে ঢাকার সুবেদারের বাসস্থান হিসেবে এ দুর্গের নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
- নবাব শায়েস্তা খাঁ ১৬৮০ সালে ঢাকায় এসে পুনরায় দুর্গের নির্মাণকাজ শুরু করেন।
- শায়েস্তা খানের কন্যা পরী বিবির মৃত্যুর পর শায়েস্তা খান ১৬৮৪ খ্রিস্টাব্দে এর নির্মাণ বন্ধ করে দেন।
- পরী বিবিকে দরবার হল এবং মসজিদের ঠিক মাঝখানে সমাহিত করা হয়।
- ১৮৪৪ সালে ঢাকা কমিটি নামে একটি আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠান দুর্গের উন্নয়ন কাজ শুরু করে।
- এ সময় দুর্গটি লালবাগ দুর্গ নামে পরিচিতি লাভ করে।
- ১৯১০ সালে লালবাগ দুর্গের প্রাচীর সংরক্ষিত স্থাপত্য হিসেবে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধীনে আনা হয়।
উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও প্রথম আলো।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বাংলা একাডেমি ১৮ মে ২০২৩ নজরুলসংগীত চর্চা ও প্রসারে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সংগীতশিল্পী শাহীন সামাদকে 'নজরুল পুরস্কার ২০২৩' দেওয়ার ঘোষণা দেয় ।
- ২৪ মে ২০২৩ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৪তম জন্মবার্ষিকী উদ্যাপন উপলক্ষে বাংলা একাডেমি এ পুরস্কার প্রদান করে।
- নজরুল পুরস্কারের অর্থমূল্য ২ লাখ টাকা।
উৎস: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, জুন ২০২৩।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
- তিনি দীর্ঘকাল বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে অধ্যাপনা করেন।
- এছাড়া ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য এবং এশিয়া-প্যাসিফিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেন।
- দেশের প্রায় সকল বৃহৎ ভৌত অবকাঠামো প্রকল্পে তিনি বিশেষজ্ঞ প্যানেলে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
- ১৯৯৬ সালে গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারেরও তিনি উপদেষ্টা ছিলেন।
- বাংলাদেশ সরকার তাকে ২০১৭ সালে একুশে পদক প্রদান করে এবং ২০১৮ সালে জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে মনোনীত করে।
- ১৯৪৩ সালে সিলেটে জন্ম নেওয়া অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী গত ২৮ এপ্রিল ২০২০ ইন্তেকাল করেন।
(সূত্রঃ প্রথম আলো)
উত্তর
ব্যাখ্যা
মাদার অব হিউম্যানিটি:
- মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নির্যাতনের শিকার রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দেয়ায় ইতোমধ্যে বিশ্বের কাছে প্রশংসিত হয়েছে বাংলাদেশ।
- ব্রিটিশ মিডিয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘মাদার অব হিউম্যানিটি’(মানবতার জননী) বলে আখ্যায়িত করেছে।
- কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কুতুপালং রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্প পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী।
- এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে ব্রিটেনভিত্তিক গণমাধ্যম 'চ্যানেল ফোর'।
- চ্যানেলটির এশিয়া প্রতিনিধি জনাথান মিলার তার প্রতিবেদনে তুলে ধরেন ক্যাম্পে থাকা রোহিঙ্গাদের মানবেতর জীবনের কিছু অংশ।
- ওই প্রতিবেদনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘মাদার অব হিউম্যানিটি’ বলে ভূষিত করা হয়।
অন্যদিকে -
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে প্রচ্ছদ প্রতিবেদন করেছে নেদারল্যান্ডসের নামকরা 'ডিপ্লোম্যাট ম্যাগাজিন'।
- সাময়িকীটি তাদের প্রচ্ছদ প্রতিবেদনের শিরোনাম করেছে ‘শেখ হাসিনা : মাদার অব হিউম্যানিটি’।
উৎস: ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, কালের কন্ঠ।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বাহাদুর শাহ পার্ক বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার লক্ষ্মীবাজারে অবস্থিত।
- পার্কটি আন্টাঘর ময়দান নামে পরিচিত ছিল।
- এরপর এর নামকরণ হয় ভিক্টোরিয়া পার্ক।
- এখন এটি বাহাদুর শাহ পার্ক নামে পরিচিত।
⇒ ঢাকার আর্মেনীয়দের বিলিয়ার্ড ক্লাব ছিল এই ময়দানে। স্থানীয়ভাবে ‘আন্টাঘর’ নামে পরিচিত ছিল এটি। ক্লাবঘরটির পৃষ্ঠপোষক ছিলেন ঢাকার নবাব আব্দুল গণি ও নবাব আহসান উল্লাহ।
⇒ ১৮৫৭ সালে মোগল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহের আমলে এই ময়দান বিশেষ খ্যাতি অর্জন করে। ১৮৫৭ সালের ২২ নভেম্বর ইংরেজ মেরিন সেনারা ঢাকার লালবাগের কেল্লায় দেশীয় সেনাদের নিরস্ত্র করার লক্ষ্যে আক্রমণ চালায়। কিন্তু সিপাহীরা বাধা দিলে যুদ্ধ বেঁধে যায়। যুদ্ধে আহত ও পালিয়ে যাওয়া সিপাহীদের ধরে এনে সংক্ষিপ্ত কোর্ট মার্শালের মাধ্যমে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। বিচারের পর ১১ জন সিপাহীকে আন্টাঘর ময়দানে এনে প্রকাশ্যে ফাঁসি দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য,
- ১৮৫৮ সালে রানি ভিক্টোরিয়া ভারতবর্ষের শাসনভার গ্রহণের পর এই ময়দানের নামকরণ হয় ‘ভিক্টোরিয়া পার্ক’। ১৯৫৭ সালের আগ পর্যন্ত পার্কটি এই নামেই পরিচিত ছিল।
- ১৯৫৭ সালে (মতান্তরে ১৯৬১) সিপাহী বিদ্রোহের শতবার্ষিকী উপলক্ষে এখানে একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণের মধ্য দিয়ে ময়দানের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় বাহাদুর শাহ পার্ক।
উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় উচ্চতর কৃষি শিক্ষা ও গবেষণার অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠান।
- স্থলজ ও জলজ উৎপাদনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত কৃষিবিজ্ঞানের সকল শাখাই এর কার্যক্রমভুক্ত।
- ‘পূর্ব পাকিস্তান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ ১৯৬১’-এর প্রেক্ষিতে ১৯৫৯ সালে জাতীয় শিক্ষা কমিশন এবং খাদ্য ও কৃষি কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।
- স্থাপিত হয়: ১৮ আগস্ট ১৯৬১ সালে।
- ১৯৬১-১৯৬২ শিক্ষাবর্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু হয়।
- বিশেষজ্ঞ কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে এটি স্থাপিত হয়।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।
উল্লেখ্য,
- ময়মনসিংহ শহর থেকে ৪ (চার) কিলোমিটার দক্ষিণে পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের তীরে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান।
- যাত্রা শুরুকালে স্বাভাবিকভাবেই বিশ্ববিদ্যালয়টির পরিধি ছিল ছোট।
- ভেটেরিনারি ও কৃষি -এ দু’টি অনুষদ এবং এর অর্ন্তভূক্ত বিভিন্ন বিভাগ নিয়ে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হয়।
- দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে, সময়ের প্রয়োজনেই এর অনুষদ ও বিভাগের সংখ্যা বাড়তে থাকে।
- বর্তমানে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬ টি অনুষদ এবং এই ৬ টি অনুষদের অর্ন্তভূক্ত ৪৪টি বিভাগ রয়েছে।
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
উত্তর
ব্যাখ্যা
২০২৪ সালের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ১১৬তম।
অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচক ২০২৪:
- যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান হেরিটেজ ফাউন্ডেশন অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচক-২০২৪ প্রকাশ করেছে।
⇒ অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচকে শীর্ষদেশ:
১. সিঙ্গাপুর।
২. সুইজারল্যান্ড।
৩. আয়ারল্যান্ড।
৪. তাইওয়ান।
উল্লেখ্য
- ২০২৪ সালের সূচকে ৫৪.৪ পয়েন্ট স্কোর পেয়ে ১৭৬টি দেশের মধ্যে ১১৬তম অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।
অন্যদিকে,
- সর্বনিম্ন দেশ উত্তর কোরিয়া (পয়েন্ট ২.৯)।
উৎস: The Heritage Foundation ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে বর্তমানে মোট ১১টি শিক্ষাবোর্ড রয়েছে -
১। বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড,
২। বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড,
৩। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা,
৪। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রাম,
৫। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, কুমিল্লা,
৬। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, রাজশাহী,
৭। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, যশোর,
৮। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, বরিশাল,
৯। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, সিলেট,
১০। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, দিনাজপুর,
১১। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ময়মনসিংহ।
উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট):
• NIPORT (নিপোর্ট) এর পূর্নরূপ National Institute of Population Research and Training.
• ইহা হলো বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
• এটি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয় যা ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত।
• স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি কর্মসূচী ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার একটি আদর্শ আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠান তৈরির দিকে দৃষ্টি রেখে ১৯৭৭ সালে জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট)-এর আত্মপ্রকাশ ঘটে।
• নিপোর্ট স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকে।
উৎস: NIPORT ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল এএফসি নারী এশিয়ান কাপে প্রথমবারের মতো অংশ নেওয়ার সুযোগ পায়।
- ২০২৬ সালে এএফসি নারী এশিয়ান কাপ ফুটবল অনুষ্ঠিত হয় অস্ট্রেলিয়া।
- আগামী ১-২১ মার্চ অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এএফসি নারী এশিয়ান কাপ ফুটবল।
- ২০২৬ সালে ১-২১ মার্চ অস্ট্রেলিয়ার তিন শহর সিডনি, পার্থ ও গোল্ডকোস্টে অনুষ্ঠিত হবে নারী ফুটবল এশিয়া কাপ।
- এএফসি এশিয়ান কাপের ড্রতে গ্রুপ 'বি'তে খেলবে বাংলাদেশ।
- বাংলাদেশের সঙ্গে চীন, কোরিয়া ও উজবেকিস্তানের।
- কোয়ার্টার ফাইনালে উঠলে বাংলাদেশের ২০২৭ নারী বিশ্বকাপে খেলার সুবর্ণ সুযোগ।
- কোয়ার্টার ফাইনালে জয়ী চার দল সেমিফাইনাল খেলার পাশাপাশি সরাসরি ব্রাজিল বিশ্বকাপের টিকিট পাবে।
উৎস: বাসস।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• জয়নুল আবেদিন:
- তিনি একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অসাধারণ প্রতিভাবান শিল্পী।
- ইনস্টিটিউট অব আর্টস অ্যান্ড ক্র্যাফ্টস প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশে আধুনিক শিল্প আন্দোলনের তিনিই পুরোধা।
- জয়নুল আবেদিন ১৯১৪ সালে ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৪৮ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত এ প্রতিষ্ঠানের (বর্তমান চারুকলা ইনস্টিটিউ) তিনি ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ।
• বিশেষ চিত্রকর্মসমূহ:
- দুর্ভিক্ষ (১৯৪৩)।
- দ্য রেবেল ক্রো (১৯৫১)।
- দুই মহিলা, পাইন্যার মা, মহিলা (১৯৫৩)।
- ফসল মাড়াই (১৯৬৩)।
- নবান্ন (১৯৬৯)।
- মনপুরা (১৯৭০)।
- সংগ্রাম (১৯৭৬)।
অন্যদিকে,
• কামরুল হাসান এর চিত্রকর্ম- তিনকন্যা, নাইওর।
• এস এম সুলতান এর চিত্রকর্ম- চরদখল।
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ১৯৫৬ সালে ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকাসমূহের উন্নয়ন ও পরিবর্ধনের “ঢাকা ইমপ্রুভমেন্ট ট্রাস্ট” (ডিআইটি) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৭ সালে উক্ত আইন সংশোধনের মাধ্যমে “রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ” বা রাজউক হিসেবে পরিবর্তিত হয়।
- ১৯৮৭ সালে রাজউকের পরিধি সাভার, কেরানিগঞ্জ ও অন্যান্য এলাকায়।
- ১৯৫৯ সালে সর্ব প্রথম ঢাকার মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন করা হয়।
- প্রাথমিকভবে ২২০ বর্গমাইল এলাকা অন্তর্ভূক্ত ছিল যা পরবর্তীতে ৩২০ বর্গমাইলে উন্নীত করা হয়।
- ২০১০ সালে ডিটেল এরিয়া প্ল্যান (ড্যাপ) প্রনয়ন করা হয়।
- বর্তমানে চেয়ারম্যান এবং পাঁচ জন সদস্য পর্ষদের পরিচালনায় রাজধানী ঢাকা ও এর আশেপাশের শহরাঞ্চল।
উৎস: রাজউক ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের প্রারম্ভে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুর মহকুমার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে ১৭ এপ্রিল শপথ গ্রহণ করে।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বৈদ্যনাথতলা গ্রামের নামকরণ হয় মুজিবনগর।
- মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণের স্থানকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য পরবর্তী সময়ে সেখানে নির্মিত হয় মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ।
- মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ বাঙালির স্বাধীনতা যুদ্ধ ও আত্মত্যাগের প্রতীক।
- ২০.১০ একর জমির উপর স্মৃতিসৌধটি স্থাপিত।
- ২৩টি কংক্রিটের ত্রিকোণাকার স্তম্ভ সমন্বয়ে এ স্মৃতিসৌধ নির্মিত।
- স্থপতি: তানভীর কবির।
- এ সৌধটিকে উদীয়মান সূর্যের প্রতীক বলে মনে হয়।
- ২৩টি স্তম্ভ পাকিস্তানের ২৩ বছর শাসনের প্রতীক।
- ৩ ফুট ৬ ইঞ্চি উচ্চতায় ১৬০ ফুট ব্যাসে বেদীটি নির্মিত।
- ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সালে এখানে পাঠাগার, মসজিদ ও অতিথিশালা নির্মাণ করে একে মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ কমপ্লেক্সে রূপান্তরিত করা হয়।
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- চীনের সহায়তায় গড়ে তোলা হোয়েছে দেশের প্রথম রোবোটিক পুনর্বাসন কেন্দ্র।
- এটি ঢাকার বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের বেজমেন্ট-১-এ অবস্থিত।
- এখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিনির্ভর রোবটের মাধ্যমে ফিজিওথেরাপি ও বিশেষায়িত সেবা দেওয়া হবে।
- কেন্দ্রে মোট ৬২টি রোবোটিক ইউনিট স্থাপন করা হয়েছে, যার মধ্যে ২২টি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন রোবট।
- কেন্দ্রটি প্রতিষ্ঠায় সহায়তা হিসেবে চীন সরকার প্রায় ২০ কোটি টাকার রোবোটিক যন্ত্রপাতি সরবরাহ করেছে।
- এই কেন্দ্রে প্রথমে জুলাই আন্দোলনে আহত, বিশেষ করে দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসনের প্রয়োজন—এমন ব্যক্তিদের চিকিৎসায় অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [link]
উত্তর
ব্যাখ্যা
একুশে পদক-২০২৫:
- ২০২৫ সালে ১৭ জন ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানকে একুশে পদক দেওয়া হয়।
- ক্রীড়ায় একুশে পদক পাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল।
- গবেষণায়: মঈদুল হাসান (মূলধারা ৭১ এর রচয়িতা)।
- ভাষা ও সাহিত্যে: শহীদুল জহির (মরণোত্তর) ও হেলাল হাফিজ (মরণোত্তর)।
- সংস্কৃতি ও শিক্ষায়: ড. শহীদুল আলম।
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে: মেহেদী হাসান খান, রিফাত নবী, মো. তানবিন ইসলাম সিয়াম ও শাবাব মুস্তাফা।
- সাংবাদিকতায় :মাহফুজ উল্লা (মরণোত্তর) এবং
- সাংবাদিকতা ও মানবাধিকার: মাহমুদুর রহমান।
- শিল্পকলার চলচ্চিত্রে: আজিজুর রহমান।
- সংগীতে :উস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া ও ফেরদৌস আরা,
- আলোকচিত্রে: নাসির আলী মামুন।
- চিত্রকলায়: রোকেয়া সুলতানা।
- শিক্ষায়: ড. নিয়াজ জামান।
- সমাজসেবায় :মোহাম্মদ ইউসুফ চৌধুরি।
উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম ১৯৭৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিক আইসিসি ট্রফি দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আত্মপ্রকাশ করে।
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ এশিয়া কাপে।
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস পায় ১৯৯৭ সালে।
- প্রথম বিশ্বকাপ আসরে খেলার সুযোগ পায় ১৯৯৯ সালে।
- ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম অধিনায়ক গাজী আশরাফ হোসেন লিপু।
- একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে প্রথম জয় কেনিয়ার বিপক্ষে ১৭ মে, ১৯৯৮ সালে।
- প্রথম ওয়ানডে সিরিজ জয় লাভ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২০০৫ সালে।
উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) প্রথম আলো।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বর্তমান বাংলাদেশ সরকারের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।
- অধ্যাপক ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
- মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
উল্লেখ্য,
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বজুড়ে আলোচিত তার তিন শূন্য বা থ্রি জিরো তত্ত্বের জন্য।
- সেগুলো হচ্ছে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনা।
- তা অর্জনে প্রয়োজন তারুণ্য, প্রযুক্তি, সুশাসন ও সামাজিক ব্যবসা।
⇒ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বই ‘Three Zeros’।
- বইটিতে তার আলোচনার বিষয়বস্তু তিনটি বিষয়কে কেন্দ্র করে যথা— শূন্য দারিদ্র্য (Zero Poverty), শূন্য বেকারত্ব (Zero Unemployment) এবং শূন্য নিট কার্বন নির্গমন (Zero Net Carbon Emissions)।
• ‘Zero Poverty’ বা শূন্য দারিদ্র্যের আলোচনায় তিনি দেখিয়েছেন, দারিদ্র্য কোনো স্বাভাবিক বা প্রাকৃতিক অবস্থা নয়, বরং এটি একটি মানবসৃষ্ট অবস্থা, যা সম্পদের অসম বণ্টনের ফলস্বরূপ তৈরি হয়েছে।
• তার দ্বিতীয় ধারণা Zero Unemployment বা শূন্য বেকারত্ব। যেখানে তিনি উল্লেখ করেছেন— উদ্যোক্তা সৃষ্টির মাধ্যমে কর্মসংস্থান করা সম্ভব। কেননা আমাদের প্রত্যেকের মধ্যেই উদ্যোক্তা হওয়ার ক্ষমতা রয়েছে, কিন্তু সঠিক অর্থায়নের অভাবে অনেকেই তাদের সম্ভাবনা পূর্ণ করতে পারেন না।
• তৃতীয়ত তিনি Zero net carbon emissions বা পরিবেশবান্ধব উন্নয়নের দৃষ্টিভঙ্গির কথা বলেছেন। তিনি জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় সবুজ প্রযুক্তির ব্যবহার এবং পরিবেশবান্ধব অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন।
উৎস: i) Yunus Centre.
ii) Yunus Social Business।
উত্তর
ব্যাখ্যা
টেস্টে প্রথম:
- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।
- ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ জয় পায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।
- প্রথম টেস্ট উইকেট শিকার করেছেন নাইমুর রহমান।
- প্রথম হাফ সেঞ্চুরি করেন হাবিবুল বাশার।
- প্রথম সেঞ্চুরি করেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি: মুশফিকুর রহিম।
- প্রথম ৫ উইকেট শিকার করেন নাইমুর রহমান।
- প্রথম ১০০ উইকেট মোহাম্মদ রফিকের।
- প্রথম ব্যক্তিগত হাজার রান সংগ্রাহক হাবিবুল বাশার।
- একমাত্র ১০ উইকেট’ শিকার করেন এনামুল হক জুনিয়র।
তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• পৃথিবীর সবচেয়ে বড় এনজিও (NGO) হলো ব্রাক।
• ব্র্যাক:
- ব্র্যাক ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের স্যার ফজলে হাসান আবেদ প্রতিষ্ঠা করেন।
- বর্তমানে এটি বিশ্বের ১০টিরও বেশি দেশে কাজ করছে।
- স্বাস্থ্য, শিক্ষা, মাইক্রোফাইন্যান্স, দারিদ্র্য দূরীকরণসহ বহুমুখী কার্যক্রম চালায়।
- সদস্য সংখ্যা, কার্যক্রমের পরিধি এবং বাজেট – সবদিক থেকেই এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (NGO)।
উৎস: বিবিসি বাংলা রিপোর্ট, ব্র্যাক ওয়েবসাইট ও NGO Advisor Report.
উত্তর
ব্যাখ্যা
ওয়াসফিয়া নাজরীন:
- এভারেস্ট বিজয়ী পর্বতারোহী ওয়াসফিয়া নাজরীন।
- বাংলাদেশের পর্বতারোহী ওয়াসফিয়া নাজরীন ‘সেভেন সামিট’-এর কৃতিত্ব অর্জন করেন।
- বাংলাদেশের প্রথম পর্বতারোহী হিসেবে সাত মহাদেশের সাতটি সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ জয় (সেভেন সামিট) করেন ওয়াসফিয়া নাজরীন।
- ২০১২ সালের ২৬ মে তিনি পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেন।
- এর আগে তিনি আফ্রিকার মাউন্ট কিলিমানজারো, এশিয়ার মাউন্ট এভারেস্ট, অ্যান্টার্কটিকার মাউন্ট ভিনসন, ইউরোপের এলব্রুস, উত্তর আমেরিকার মাউন্ট ডেনালি, দক্ষিণ আমেরিকার অ্যাকোংকাগুয়া পর্বতশৃঙ্গ জয় করেন।
- আন্তর্জাতিক মানবতাবাদী গ্রুপ কেয়ার (CARE) এর হয়ে ওয়াসফিয়া নাজরীন কাজ করেছেন।
- তিনি ২০১৪ সালে ন্যাশনাল জিওগ্রাফির বর্ষসেরা অভিযাত্রীর খেতাব পেয়েছেন।
এছাড়াও,
- এখন পর্যন্ত ছয়জন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয় করেছেন। তাঁরা হলেন মুসা ইব্রাহীম, এম এ মুহিত, নিশাত মজুমদার, ওয়াসফিয়া নাজরীন, মো. খালেদ হোসাইন, বাবর আলী।
- ১ম বাংলাদেশি: মুসা ইব্রাহিম, ২০১০ সালের ২৩ মে।
- ২য় বাংলাদেশি: এম এ মুহিত, ২০১১ সালের ২১ মে।
- ৩য় বাংলাদেশি: নিশাত মজুমদার, ২০১২ সালের ১৯ মে।
- ৪র্থ বাংলাদেশি: ওয়াসফিয়া নাজরিন, ২০১২ সালের ২৬ মে।
- ৫ম বাংলাদেশি: বাবর আলী, ২০২৪ সালের ১৯ মে।
অন্যদিকে,
- মো. খালেদ হোসেন, ২০১৩ সালের ২০ মে মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন।
- তবে চূড়া থেকে নামার পথে দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি।
- তাই এভারেস্ট জয়ী হিসেবে নিবন্ধিত হতে পারেননি।
উৎস: প্রথম আলো এবং BBC পত্রিকা রিপোর্ট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ২০২৫ সালের একুশে পদক পাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল।
- বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য দেশের ১৭ জন বিশিষ্ট নাগরিক এবং বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলকে ২০২৫ সালের একুশে দেওয়া হয়েছে।
- ২০২৪ সালে অসাধারণ সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে এই পুরস্কার পাচ্ছে নারীরা।
- সাবিনা খাতুনের নেতৃত্বাধীন দলটি নেপালে অনুষ্ঠিত সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে পরপর শিরোপা জয়ের গৌরব অর্জন করে।
- বাংলাদেশের কোনো ক্রীড়া দলের একুশে পদক পাওয়ার ঘটনা এটাই প্রথম।
⇒ বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল দুবার সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জিতেছে।
- প্রথমবার ২০২২ সালে, দ্বিতীয়বার ২০২৪ সালে।
উল্লেখ্য,
- মহান ২১ ফেব্রুয়ারির নামানুসারে দেওয়া হয় একুশে পদক, যা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়।
- এটি বাংলাদেশে বেসামরিক নাগরিকদের জন্য দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার।
- ভাষা আন্দোলনে বাংলার জন্য আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা ও স্বীকৃতির প্রতীক হিসেবে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।
উৎস: i) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
ii) প্রথম আলো।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর প্রথম ভুটান ও ভারত ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- বাংলাদেশের জন্য স্বীকৃতি আদায়ের কাজটি খুব সহজসাধ্য ছিল না।
- কারণ, পাকিস্তানের বৈরী প্রচারণায় মুসলিম বিশ্বসহ চীন বাংলাদেশ সম্পর্কে নেতিবাচক মনোভাব পোষণ করত।
- বঙ্গবন্ধুর সফল নেতৃত্বে ১৯৭৪ সালের মধ্যেই বাংলাদেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সোভিয়েত ইউনিয়ন, জাপানসহ বিশ্বের অধিকাংশ রাষ্ট্র ও জাতিসংঘসহ প্রায় সকল আন্তর্জাতিক সংস্থার স্বীকৃতি লাভ করে।
- সাধারণ পরিষদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ যোগদান করে।
- বঙ্গবন্ধু ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে প্রথমবারের মতো মাতৃভাষা বাংলায় ভাষণ দেন।
- বঙ্গবন্ধুর শাসনামলে বাংলাদেশ বিশ্বের ১১৬টি দেশের স্বীকৃতি ও ২৭টি আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করেন।
উৎস: i) তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) ওয়েবসাইট। [link]
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) সর্বপ্রথম ১৯৬৯ সনে জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি) হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর এখানে ২ বৎসর মেয়াদি ইন্টারমিডিয়েট ইন এডুকেশন (আই এড) কোর্স পরিচালিত হয়।
- ময়মনসিংহ ছাড়াও ঢাকা, চট্টগ্রাম, ফেনী, রংপুর ও যশোরে অনুরূপ আরো পাঁচটি জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি) স্থাপিত হয়।
- মহান স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি)গুলো রূপান্তরিত হয়ে কলেজ অব এডুকেশন নামে যাত্রা শুরু করে ।
- উক্ত কলেজগুলোতে ৩ বছর মেয়াদি ব্যাচেলর অব আর্টস ইন এডুকেশন (বিএ ইন এডুকেশন) কোর্স চালু হয় ।
- ১৯৭৮ সালে ঢাকাস্থ কলেজ অব এডুকেশনটি সরকারী কবি নজরুল কলেজ হিসেবে রূপান্তরিত হয়।
- অন্য চারটি কলেজ অব এডুকেশন (চট্টগ্রাম, ফেণি, রংপুর ও যশোর) টিচার্স ট্রেনিং কলেজে উন্নীত হয়।
- এছাড়া ১৯৭৮ সালে ময়মনসিংহস্থ কলেজ অব এডুকেশনটি "মৌলিক শিক্ষা একাডেমি" (Academy for Fundamental Education) নামে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে এর নামকরণ করা হয় ‘‘জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)" ।
- ২০০৪ সালের ১ অক্টোবর থেকে একাডেমী স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করে।
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- মাসুদ রানা বাংলাদেশের জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক কাজী আনোয়ার হোসেনের সৃষ্ট একটি কাহিনী-চরিত্র।
- ‘মাসুদ রানা’ সিরিজের প্রথম বই প্রকাশিত হয় ১৯৬৬ সালে।
- তৃতীয় বই স্বর্ণমৃগ থেকে বিদেশি কাহিনির ছায়া অবলম্বনে শুরু হয় ‘মাসুদ রানা’ লেখা।
- প্রথম দুটি বইয়ের বাইরে আর একটা মৌলিক ‘মাসুদ রানা’ লিখেছিলেন, নাম পিশাচ দ্বীপ।
- ‘মাসুদ রানা’র প্রথম চরিত্র-পরিচিতি দেওয়া হয় ১৯৬৮ সালে প্রকাশিত রানা! সাবধান!! বইয়ে।
উল্লেখ্য,
- ‘মাসুদ রানা’র কাহিনি সংগ্রহ করা হয় ইয়ান ফ্লেমিং, অ্যালিস্টেয়ার ম্যাকলিন, জেমস হেডলি চেজ, রবার্ট লুডলাম, ফ্রেডরিক ফোরসাইথ, উইলবার স্মিথসহ অনেক লেখকের বই থেকে।
- মূল কাহিনির কাঠামোতে সংযোজন-বিয়োজন করে দাঁড় করানো হয় একেকটা নতুন ‘মাসুদ রানা’।
- ‘মাসুদ রানা’র প্রথম দিকের বইগুলোর প্রকাশক ছিলেন কাজী আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী ফরিদা ইয়াসমিন।
- মাসুদ রানার প্রিয় অস্ত্র ওয়ালথার পিপিকে।
উৎস: ২০ জানুয়ারি, ২০২২, প্রথম আলো।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
২০১২ সালের জুন মাসে বইটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
এটির ভূমিকা লিখেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ইংরেজি অনুবাদ করেছেন ড. ফকরুল আলম।
প্রকাশক ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড। বর্তমান পর্যন্ত বইটি ১৪টি ভাষায় অনূদিত হয়েছে।
বঙ্গবন্ধু রচিত অপর দুটি বই হলো:
- ‘কারাগারের রোজনামচা’ (২০১৭)
- ‘আমার দেখা নয়াচীন’ (২০২০)।
(সূত্রঃ অসমাপ্ত আত্মজীবনী এবং দৈনিক ইত্তেফাক)
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ইতিহাস খ্যাত দিঘাপতিয়া রাজবাড়ী তথা উত্তরা গণভবন নাটোরে অবস্থিত।
- নাটোরের রাণী ভবানী তাঁর নায়েব দয়ারামের উপরে সন্তুষ্ট হয়ে তাঁকে দিঘাপতিয়া পরগনা উপহার দেন।
- ১৯৫২ সালে দিঘাপতিয়ার শেষরাজা প্রতিভানাথ রায় সপরিবারে রাজপ্রাসাদ ত্যাগ করে কলকাতায় চলে যান।
- পরবর্তীতে রাজ প্রাসাদটি ১৯৬৬ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান সরকারের নিয়ন্ত্রণে আসে।
- স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দিঘাপতিয়া রাজবাড়িকে ‘উত্তরা গণভবন’ নামকরণ করেন।
- উত্তরা গণভবন ৪১.৫১ একর জমির উপর অবস্থিত।
- বর্তমানে এই রাজপ্রাসাদ থেকে হারিয়ে যাওয়া রাজা-রাণীর ব্যবহৃত ঐতিহাসিক দ্রব্যসামগ্রী উদ্ধার করে একটি সংগ্রহশালা নির্মাণের প্রক্রিয়া চলছে।
উল্লেখ্য,
- ঢাকার বাইরে প্রধানমন্ত্রীর একমাত্র বাসভবন নাটোরের উত্তরা গণভবন।
উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- দেশের উপার্জনে অক্ষম বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা বিধানে সমাজসেবা অধিদফতরের তত্ত্বাবধায়নে ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছর থেকে বয়স্ক ভাতা কার্যক্রম শুরু হয়।
- প্রাথমিকভাবে দেশের সকল ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি ওয়ার্ডে ৫ জন পুরুষ ও ৫ জন মহিলাসহ ১০ জন দরিদ্র বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিকে প্রতিমাসে ১০০ টাকা হারে ভাতা প্রদানের আওতায় আনা হয়।
এছাড়াও,
- পরবর্তীতে দেশের সকল পৌরসভা ও সিটিকর্পোরেশন এ কর্মসূচির আওতাভুক্ত করা হয়।
- বর্তমান সরকার ২০০৯-১০ অর্থবছরে জনপ্রতি মাসিক ভাতার হার ২৫০ টাকা থেকে ৩০০ টাকায় উন্নীত করে।
- ২০২২-২৩ অর্থ বছরে ৫৭ লক্ষ ১ হাজার বয়স্ক ব্যক্তিকে জনপ্রতি মাসিক ৫০০ টাকা হারে ভাতা প্রদান করা হয়।
- বর্তমানে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বয়স্ক ভাতাভোগীর সংখ্যা ৫৭.০১ লক্ষ থেকে ৫৮.০১ লক্ষ জনে এবং মাসিক ভাতার হার ৫০০ টাকা হতে ৬০০ টাকায় উন্নীতকরণ করা হয়।
- বর্তমানে সকল উপকারভোগীকে নগদ ও বিকাশ এবং এজেন্ট ব্যাংকিং এর মাধ্যমে জিটুপি পদ্ধতিতে (গভর্মেন্ট টু পারসন) ভাতা প্রদান করা হচ্ছে।
উৎস: dss.gov.bd. এবং ২০২৩-২৪ জাতীয় বাজেট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- তৈরি পোশাকের পর রেমিট্যান্স থেকে বাংলাদেশ দ্বিতীয় সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা আয় করে।
- এছাড়া অন্যান্য খাতের মধ্যে পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, কৃষিপণ্য, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট এবং প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- সোভিয়েত ইউনিয়ন (বর্তমান রাশিয়া) এতে ভেটো প্রয়োগ করায় এই প্রচেষ্টা নস্যাৎ হয়ে যায়।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন বাংলাদেশের পক্ষে 'ভেটো' প্রদান করেছিল।
- চীন ও যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল।
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র ছিল ভারত ও সোভিয়েত ইউনিয়ন (বর্তমান রাশিয়া)।
- অন্যদিকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল চীন ও যুক্তরাষ্ট্র।
উৎস: বাংলাপিডিয়া
উত্তর
ব্যাখ্যা
শততম টেস্ট ম্যাচ:
- মুশফিকুর রহিম ১১তম খেলোয়াড় হিসেবে শততম টেস্টে সেঞ্চুরি অর্জন করেন।
- বিপক্ষ দল: আয়ারল্যান্ড।
- ভেন্যু: মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়াম।
- সময়: ২০ নভেম্বর, ২০২৫।
- মুশফিক প্রথম ইনিংসে করেছিলেন ১০৬ রান এবং দ্বিতীয় ইনিংসে তিনি করেন অপরাজিত ৫৩ রান।
- সব মিলিয়ে শততম টেস্টে অন্তত এক ইনিংসে সেঞ্চুরি করা ব্যাটারের সংখ্যা এখন ১১ জন।
- এদের মধ্যে মুশফিকসহ মাত্র চারজন ব্যাটার দুই ইনিংসেই ব্যাট করার সুযোগ পেয়েছেন।
• শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করা বাকি সাত ব্যাটার:
- রিকি পন্টিং, ইনজামাম উল হক, জো রু,ট কলিন কাউড্রি, জাভেদ মিঁয়াদাদ, গর্ডন গ্রিনিজ, অ্যালেক স্টুয়ার্ট, গ্রায়েম স্মিথ, হাশিম আমলা ও ডেভিড ওয়ার্নার।
উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে লাহোরে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে (২২-২৪ ফেব্রুয়ারি) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে অংশগ্রহণ করে।
- ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ বাংলাদেশ ওআইসির সদস্যপদ লাভ করে।
তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘ নারীদের অধিকার রক্ষায় ১৮ ডিসেম্বর, ১৯৭৯ সালে নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য প্রতিরোধ কনভেনশন বা Convention on the Elimination of Discrimination against Women (CEDAW) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- (CEDAW) সনদে ধারা আছে- ৩০ টি।
- পরিচ্ছদ আছে-৬ টি।
সিডোর ধারাগুলো ৩ ভাগে বিভক্ত যথা:
- প্রথম ভাগ-(১-১৬) নারী পুরুষের সমতা সর্ম্পকিত।
- দ্বিতীয় ভাগ-(১৭-২২) এর কর্মপন্থা ও দায়িত্ব বিষয়ক।
- তৃতীয় ভাগ- (২৩-৩০) প্রশাসনিক বিষয়।
- ১ম স্বাক্ষরকারী দেশ- সুইডেন।
- CEDAW কমিটির প্রথম বাংলাদেশী সদস্য- সালমা খান।
- বাংলাদেশ (CEDAW) অনুমোদন করে- ৪ নভেম্বর, ১৯৮৪ সালে।
- ২০১১ সালের জানুয়ারি থেকে এটি জাতিসংঘের উন্নয়ন গ্রুপের অন্যতম সদস্য হয়।
তথ্যসূত্র: অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (CEDAW)