উত্তর
ব্যাখ্যা
- ভাওয়াইয়া গানের বিখ্যাত শিল্পী হলেন আব্বাসউদ্দীন আহমেদ।
- ময়মনসিংহ অঞ্চলের বিখ্যাত লোকসঙ্গীত হলো ভাটিয়ালি ও জারি গান।
- সিলেটের হাওরাঞ্চল ধামাইল গানের জন্যে বিখ্যাত।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ২৪ / ৩৮ · ২,৩০১–২,৪০০ / ৩,৮২৪
• জাতীয় সঙ্গীত:
-রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে প্রথম ৪ চরণ বাজানো হয়।
- বঙ্গভঙ্গের প্রেক্ষাপটে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত 'আমার সোনার বাংলা 'কবিতার প্রথম ১০ চরণকে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং তা গৃহীত হয় ১৯৭২ সালের ১৩ জানুয়ারি।
- ১৯০৬ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক রচিত ‘আমার সোনার বাংলা’ শীর্ষক সঙ্গীতটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে গৃহীত হয়।
- জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের বিধান অনুযায়ী কণ্ঠে গাইতে গেলে দশ চরণ আর যন্ত্র সঙ্গীতে বাজাতে গেলে চার চরণ পর্যন্ত বাজাতে হবে।
- বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত "আমার সোনার বাংলা" এর রচয়িতা ও সুরকার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
উৎস: বাংলাপিডিয়া, সংবিধান।
- বাংলাদেশিদের মধ্যে প্রথম 'র্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার পান সমাজসেবী তহরুন্নেসা আবদুল্লাহ।(১৯৭৮)
- বাংলাদেশের ১৩তম র্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার (২০২৩) বিজয়ী ব্যক্তি হলেন করভি রাকসান্দ।
'ম্যাগসেসে পুরস্কার':
- বাংলাদেশিদের মধ্যে প্রথম 'র্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার পান সমাজসেবী তহরুন্নেসা আবদুল্লাহ।
- তিনি ম্যাগসাইসাই পান ১৯৭৮ সালে।
- তিনি প্রধানত নারী সমবায় সমিতি গঠন ও পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ে কাজ করেন।
- পুরস্কারের ধরন: সমাজসেবা/কমিউনিটি লিডারশিপ।
- পরিচিতি: এশিয়ার নোবেলখ্যাত এই পুরস্কার ফিলিপাইনের ম্যানিলাভিত্তিক ফাউন্ডেশন থেকে দেওয়া হয়।
• বাংলাদেশ থেকে এখন পর্যন্ত ১৩ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি মর্যাদাপূর্ণ ম্যাগসেসে পুরস্কার পেয়েছেন।
- তহরুন্নেসা আবদুল্লাহ (১৯৭৮)।
- স্যার ফজলে হাসান আবেদ (১৯৮০)।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস (১৯৮৪)।
- ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (১৯৮৫)।
- রিচার্ড উইলিয়াম টিম (১৯৮৭)।
- মোহাম্মদ ইয়াসিন (১৯৮৮)।
- অ্যাঞ্জেলা গোমেজ এ পুরস্কার পান ১৯৯৯ সালে।
- অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ ২০০৪ সালে।
- মতিউর রহমান ২০০৫ সালে
- এম নোমান খান ২০১০ সালে।
- সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ২০১২ সালে।
- বিজ্ঞানী ফেরদৌসী কাদরী ম্যাগসেসে পুরস্কার ২০২১ সালে।
- বাংলাদেশের ১৩তম র্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার (২০২৩) বিজয়ী ব্যক্তি হলেন করভি রাকসান্দ।
উৎস: ডেইলি স্টার পত্রিকা।[লিঙ্ক]
নদী গবেষণা ইনস্টিটিউটঃ
নদী মাতৃক এ বাংলাদেশ একটি অতি জটিল পলিভরণকৃত ব-দ্বীপ।
- অসংখ্য বিনুনি শাখা প্রশাখা সহ গঙ্গা-পদ্মা, ব্রহ্মপুত্র-যমুনা ও মেঘনা এ ৩টি অন্যতম প্রধান ও সুবৃহৎ আন্তর্জাতিক নদীমালা কর্তৃক বাহিত পলিতে গঠিত এ বাংলাদেশ।
- এতদবিষয়ে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে তৎকালীন সরকার ১৯৪৮ সালে ঢাকার গ্রীণরোডে প্রায় ১২ একর জমির উপর ‘‘হাইড্রলিক রিসার্চ ল্যাবরেটরী’’ নামে একটি গবেষণাগার স্থাপন করে।
- স্বাধীনতা উত্তরকালে ব্যাপক বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও গবেষণার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৮ সালে নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করে এবং ‘‘হাইড্রলিক রিসার্চ ল্যাবরেটরী’’ প্রতিষ্ঠানটি ইহার সহিত একীভূত করে।
- ১৯৮৯ সালে ফরিদপুর শহরের উপকন্ঠে ৮৬ একর জমির উপর এক মনোরম পরিবেশে নদী গবেষণা ইনষ্টিটিউট প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে পানি সম্পদ সেক্টরে বহুমুখী গবেষণা কার্যক্রম উত্তরোত্তর বৃদ্ধির লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ১৯৯০ সনের ৫৩নং আইন বলে নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট কেএকটি সংবিধিবদ্ধ স্বায়ত্ব-শাসিত সংস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে এবং বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিয়ন্ত্রণাধীন হতে আলাদা করে সরাসরি পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ন্যস্ত করে।
উৎসঃ বাংলাদেশ নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট ও ফরিদপুর জেলা ওয়েবসাইট।
একুশে পদক:
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার একুশে পদক।
- জিয়াউর রহমান একুশে পদক প্রবর্তন করেন ১৯৭৬ সালে।
- বাংলাদেশ সরকারের 'সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়' এই পুরস্কার প্রদান করে।
- জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্যে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।
• একুশে পদক ২০২৬:
- ২০২৬ সালের একুশে পদকের জন্য দেশের নয়জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানকে মনোনীত করেছে সরকার।
- ব্যান্ড সংগীতের দল ওয়ারফেজ মনোনীত হয়েছে প্রতিষ্ঠান হিসেবে।
• একুশে পদক ২০২৬ প্রাপ্ত ব্যক্তি:
- চলচ্চিত্রে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ফরিদা আক্তার ববিতা,
- চারুকলায় অধ্যাপক মো. আব্দুস সাত্তার,
- স্থাপত্যে মেরিনা তাবাসসুম,
- সংগীতে আইয়ুব বাচ্চু,
- নৃত্যে অর্থি আহমেদ,
- নাট্যকলায় ইসলাম উদ্দিন পালাকার,
- সাংবাদিকতায় শফিক রেহমান,
- শিক্ষায় অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আলম মজুমদার ও
- ভাস্কর্যে তেজস হালদার যশ।
উৎস: ডেইলি স্টার বাংলা ও প্রথম আলো।
সংশপ্তক:
- ‘সংশপ্তক’ মহান মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে নির্মিত ভাস্কর্য।
- মুক্তিযুদ্ধে অকুতোভয় বাঙালির বীরত্বগাথার স্মারক এই ভাস্কর্য।।
- জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার ভবনের সামনে এই ভাস্কর্যটির অবস্থান।
- চার স্তরের লাল সিরামিক ইটের বেদির ওপর ব্রোঞ্জের তৈরি ভাস্কর্য
- এর উচ্চতা ১৫ ফুট।
- ১৯৯০ সালের ২৬ মার্চ, ভাস্কর্য স্থাপিত হয়।
- এর ভাস্কর স্থপতি হামিদুজ্জামান খান।
- ভাস্কর্যটিতে মূর্ত হয়েছে যুদ্ধে শত্রুর আঘাতে এক হাত ও এক পা হারিয়েও বন্দুক হাতে লড়ে যাওয়া এক বীরের প্রতিকৃতি।
- যিনি পঙ্গুত্ববরণ করেও নির্ভীক এবং যুদ্ধে জয়লাভে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।
'মর থেংগারি:
- 'মর থেংগারি/My Bicycle' বাংলাদেশে নির্মিত চাকমা ভাষার প্রথম চলচ্চিত্র।
⇒ 'মর থেংগারি' চলচ্চিত্রের পরিচালক অং রাখাইন।
- চাকমা ভাষায় 'মর থেংগারি' শব্দের অর্থ আমার বাইসাইকেল (My Bicycle)।
- সিনেমার কাহিনি আবর্তিত হয়েছে পাহাড়ঘেড়া এক গ্রামের কমল নামের চাকমা যুবককে ঘিরে।
- বাংলাদেশে ১৩ তম আন্তর্জাতিক স্বল্পদৈর্ঘ্য ও মুক্ত চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয়েছে চাকমা ভাষার চলচ্চিত্র 'মর থেংগারি'।
উৎস: বিবিসি।
- নারী শিক্ষায় বিশেষ অবদানের জন্য ২০২৫ সালে বেগম রোকেয়া পদক পেয়েছেন- ড. রুভানা রাকিব।
• বেগম রোকেয়া পদক ২০২৫:
- ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে রোকেয়া দিবস পালন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নারীশিক্ষা, নারী অধিকার, মানবাধিকার ও নারী জাগরণে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে চারজনের হাতে রোকেয়া পদক তুলে দেওয়া হয়।
পদক প্রাপ্তরা হলেন-
- নারীশিক্ষা শ্রেণিতে (গবেষণা) - রুভানা রাকিব,
- নারী অধিকার শ্রেণিতে (শ্রম অধিকার) - কল্পনা আক্তার,
- মানবাধিকার শ্রেণিতে - নাবিলা ইদ্রিস,
- নারী জাগরণ শ্রেণিতে (ক্রীড়া) - ঋতুপর্ণা চাকমা।
তথ্যসূত্র: মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
বাংলাদেশ-ভারত যৌথ নদী কমিশন (JRC):
- ১৯৭২ সালে ঢাকায় বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবর রহমান এবং ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর মধ্যে আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষর শেষে ১৯ মার্চ, ১৯৭২ তারিখে যৌথ ঘোষণার মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭২ সালের জুন মাস থেকেই যৌথ নদী কমিশন (জে.আর.সি) তার কার্যক্রম শুরু করলেও এর কার্যবিধি ১৯৭২ সালের ২৪ নভেম্বর ঢাকায় স্বাক্ষরিত হয়। ভারতের নয়াদিল্লীতেও অনুরূপ একটি যৌথ নদী কমিশন রয়েছে।
• বাংলাদেশ হিমালয় থেকে উৎসরিত ৩টি বৃহৎ নদীঃ গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনার পলল দ্বারা সৃষ্টি হয়েছে। এটি পৃথিবীর একটি অন্যতম বৃহৎ বদ্বীপ। বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে প্রায় ৪০৫টি নদী প্রবাহিত হচ্ছে। এ নদীগুলোর মধ্যে ৫৭টি হচ্ছে আন্তঃসীমান্ত নদী যার মধ্যে ৫৪টি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অভিন্ন এবং ৩টি বাংলাদেশ ও মায়ানমারের মধ্যে অভিন্ন।
• ১৯৭২ সালের মার্চ মাসে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ ও প্রজাতন্ত্রী ভারত সরকারের প্রধানমন্ত্রীদ্বয়ের মধ্যে যৌথ ঘোষণার মাধ্যমে দু’দেশের বিশেষজ্ঞ সমন্বয়ে অভিন্ন নদীর ব্যাপক জরিপ কার্যক্রম পরিচালন এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে প্রকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণের বিস্তারিত প্রকল্প প্রণয়ন ও প্রধান প্রধান নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও সেচ প্রকল্পের উপর সমীক্ষা পরিচালন, উভয় দেশের জনগণের পারস্পরিক সুবিধা অর্জনের লক্ষ্যে এতদাঞ্চলের পানি সম্পদের ন্যায়সঙ্গত ব্যবহার এবং বাংলাদেশের সাথে ভারত সংলগ্ন এলাকায় পাওয়ার গ্রীড সংযোজনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য স্থায়ী ভিত্তিতে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশন গঠিত হয়।
- উক্ত ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৭২ সালের ২৪ নভেম্বর অংশগ্রহণকারী দুদেশের মধ্যে যোগাযোগ অব্যাহত রেখে সর্বাধিক যৌথ ফলপ্রসূ প্রচেষ্টার মাধ্যমে অভিন্ন নদীসমূহ থেকে সর্বোচ্চ সুফল প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশনের স্ট্যাটিউট স্বাক্ষরিত হয়।
- ভারত-বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশনের বাংলাদেশ পক্ষের কাজ সম্পাদনে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সংযুক্ত দপ্তর হিসেবে যৌথ নদী কমিশন, বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা হয়।
• রূপকল্প (Vision): টেকসই পানি নিরাপত্তার লক্ষ্যে আন্তঃসীমান্ত নদীর পানি সম্পদের ন্যায়সঙ্গত বণ্টন ও যৌথ ব্যবস্থাপনা।
• অভিলক্ষ্য (Mission): আন্তঃসীমান্ত নদী অববাহিকাভূক্ত দেশ এর সাথে পানি বণ্টন চুক্তি স্বাক্ষর এবং পানি সম্পদের যৌথ ব্যবস্থাপনা।
উৎস: i) যৌথ নদী কমিশন ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।
• বেগম রোকেয়া পদক ২০২৫:
- নারীশিক্ষা, নারী অধিকার, মানবাধিকার ও নারী জাগরণে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এবার চার নারীকে রোকেয়া পদক ২০২৫ দেওয়া হচ্ছে।
- ‘বেগম রোকেয়া পদক ২০২৫’ প্রাপ্ত চার নারী হচ্ছেন নারীশিক্ষা শ্রেণিতে (গবেষণা) রুভানা রাকিব,
- নারী অধিকার শ্রেণিতে (শ্রম অধিকার) কল্পনা আক্তার,
- মানবাধিকার শ্রেণিতে নাবিলা ইদ্রিস
- ও নারী জাগরণ শ্রেণিতে (ক্রীড়া) ঋতুপর্ণা চাকমা।
- জাতীয় পুরস্কার–সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি রোকেয়া পদকের জন্য ওই চারজনের নাম চূড়ান্তভাবে সুপারিশ করে।
উৎস: মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়।
• ড. মুহাম্মদ ইউনুস :
ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশী নোবেল বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
তিনি ১৯৪০ সালে চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার বাথুয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিষয়ের একজন শিক্ষক।
তিনি ক্ষুদ্রঋণ (Microcredit) এবং 'সামাজিক ব্যবসা' ধারণার প্রবর্তক।
অধ্যাপক ইউনুস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
মুহাম্মদ ইউনূস ও তাঁর প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার প্রাপ্তির দিক থেকে তিনি দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে দ্বিতীয়।
তাঁর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ 'দারিদ্র্যহীন বিশ্বের অভিমুখে' এবং '(Banker to the Poor)।
তিনি বিশ্ব খাদ্য পুরষ্কার পেয়েছিলেন।
তাঁর রচিত অন্যান্য বই :
A world of three zeros,
Creating a world unlimited potential ,
Without poverty,
Super happiness,
উৎস: ইউনূস সেন্টার।
সংশপ্তক:
- মহান মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে নির্মিত ভাস্কর্য ‘সংশপ্তক’।
- মুক্তিযুদ্ধে অকুতোভয় বাঙালির বীরত্বগাথার স্মারক এই ভাস্কর্য।।
- জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার ভবনের সামনে ভাস্কর্যটির অবস্থান।
- চার স্তরের লাল সিরামিক ইটের বেদির ওপর ব্রোঞ্জের তৈরি ভাস্কর্যের উচ্চতা ১৫ ফুট।
- ২৬ মার্চ, ১৯৯০ সালে ভাস্কর্য স্থাপিত হয়।
- এর ভাস্কর স্থপতি হামিদুজ্জামান খান।
- ভাস্কর্যটিতে মূর্ত হয়েছে যুদ্ধে শত্রুর আঘাতে এক হাত ও এক পা হারিয়েও বন্দুক হাতে লড়ে যাওয়া এক বীরের প্রতিকৃতি। যিনি পঙ্গুত্ববরণ করেও নির্ভীক এবং যুদ্ধে জয়লাভে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১:
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১ নির্মাণ করেছে বিশ্বের অন্যতম খ্যাতনামা স্যাটেলাইট নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান ফ্রান্সের থেলেস এলেনিয়া স্পেস।
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের গায়ে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকার রঙের নকশার ওপর ইংরেজিতে লেখা রয়েছে বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু ১।
- বাংলাদেশ সরকারের একটি মনোগ্রামও রয়েছে এতে।
- বাংলাদেশ সময় ১১ মে ২০১৮ খ্রিস্টাব্দ তারিখ শুক্রবার দিবাগত রাত ২টা ১৪ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারের উৎক্ষেপণ মঞ্চ থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট – ১ মহাকাশে পাঠানো হয়।
- ফ্যালকন ৯ রকেটের নতুন সংস্করণ ব্লক ফাইভ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটকে নিয়ে যাত্রা করে নিজস্ব কক্ষপথে।
- রকেট উৎক্ষেপণের আধা ঘণ্টাখানেক পর স্যাটেলাইটটি কাঙ্ক্ষিত জিওস্টেশনারি ট্রান্সফার অরবিটে পৌঁছায়।
- এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সম্প্রচার, টেলিযোগাযোগ ও ডেটা কমিউনিকেশন সেবা পাওয়া যাবে।
- এর মাধ্যমে বিশ্বের ৫৭তম স্যাটেলাইট সদস্য দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলো বাংলাদেশ।
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট - ১ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে মোট খরচ হচ্ছে ২ হাজার ৯০২ কোটি টাকা।
উৎস: বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১, portal.gov.bd.
⇒ বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) এর বর্তমান চেয়ারম্যান সাংবাদিক আনোয়ার আলদীন।
বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস):
- এটি বাংলাদেশের প্রধান ও জাতীয় সংবাদ সংস্থা।
- বাসস ১ জানুয়ারী, ১৯৭২ সালে চালু হয়েছিল।
- অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস অফ পাকিস্তান (এপিপি) এর ঢাকা ব্যুরো নতুন দেশের জাতীয় সংবাদ সংস্থায় পরিণত হয়েছিল।
- ঢাকায় এর প্রধান কার্যালয়।
- বাসস-এর এখন চট্টগ্রাম, রাজশাহী, রংপুর, বগুড়া, খুলনা, বরিশাল, রাঙ্গামাটি এবং সিলেটেও ব্যুরো রয়েছে।
- দেশের ৬৪টি প্রশাসনিক জেলায় জাতীয় সংবাদ সংস্থার সংবাদদাতা রয়েছে।
- বাংলাদেশে বাংলা সংবাদপত্রের সংখ্যা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে ১৯৯৯ সালে বাসস বাংলা সংবাদ পরিষেবা চালু করে।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা ওয়েবসাইট।
বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্ট ম্যা:
- বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন মুশফিকুর রহিম।
⇒ প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্ট খেলেছেন মুশফিকুর রহিম।
- বাংলাদেশ-আয়ারল্যান্ড সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে এই মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি।
- আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে ১০৬ রানের ইনিংস খেলেন মুশফিক।
- এতে বিশ্বের ১১তম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্টে সেঞ্চুরির মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি।
- ভেন্যু: মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়াম।
- সময়: ২০ নভেম্বর, ২০২৫।
উল্লেখ্য,
- টেস্ট ইতিহাসের অষ্টম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করে জয় পেয়েছেন তিনি। মুশফিকের আগে এই তালিকায় নাম লিখিয়েছেন গর্ডন গ্রিনিজ, ইনজামাম উল হক, রিকি পন্টিং, গ্রায়েম স্মিথ, হাশিম আমলা, জো রুট ও ডেভিড ওয়ার্নার।
উৎস: প্রথম আলো।
• লাইবেরিয়া:
- 'বাংলাদেশ স্কয়ার' লাইবেরিয়ায় অবস্থিত।
- ২০০৮ সালে এটি নির্মাণ করা হয়।
- নির্মাণ করেছে বাংলাদেশের শান্তি রক্ষীরা।
- লাইবেরিয়া, পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলের একটি দেশ।
- লাইবেরিয়ার ভূখণ্ড নিম্ন এবং বালুকাময় উপকূলীয় সমভূমি থেকে ঘূর্ণায়মান পাহাড় এবং আরও অভ্যন্তরীণ বিচ্ছিন্ন মালভূমি পর্যন্ত বিস্তৃত।
- লাইবেরিয়া আফ্রিকার একমাত্র কৃষ্ণাঙ্গ রাষ্ট্র যা কখনো ঔপনিবেশিক শাসনের অধীন হয়নি এবং আফ্রিকার প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্র।
- ১৮৪৭ সালে লাইবেরিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয় এবং এর সীমানা প্রসারিত করা হয়।
উৎস: ব্রিটানিকা।
জলাভূমি–নির্ভর প্রাণী অভয়ারণ্য:
- দেশে প্রথমবারের মতো রাজশাহী জেলার দুটি জলাভূমিকে ‘জলাভূমি–নির্ভর প্রাণী অভয়ারণ্য’ ঘোষণা করেছে সরকার।
- অভয়ারণ্য দুটি হলো রাজশাহীর তানোর উপজেলার বিলজোয়ানা মৌজার ১.৬৫ একর জলাভূমি এবং গোদাগাড়ী উপজেলার বিলভালা ১৫.০৮ একর জলাভূমিকে।
- ৭ মে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের বন শাখা-২ থেকে জারি করা পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
- বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২ অনুযায়ী এই ঘোষণা কার্যকর হবে।
উল্লেখ্য,
- বিলজোয়ানা ও বিলভালা শীতকালে দেশি ও পরিযায়ী পাখির অন্যতম আশ্রয়স্থল।
- এসব বিলে কালেম, কোড়া, ডাহুক, গুড়গুড়ি, জলপিপি, জলময়ূরসহ দেশি জলচর পাখির পাশাপাশি বিভিন্ন প্রজাতির পরিযায়ী হাঁস দেখা যায়।
- প্রায় শতাধিক পাখি ছাড়াও উভচর, সরীসৃপ ও স্তন্যপায়ী প্রাণীর বসবাস রয়েছে এসব জলাভূমিতে।
- অভয়ারণ্য ঘোষণার ফলে এখন থেকে এই এলাকাগুলোতে পাখি ও বন্যপ্রাণীর নিরাপদ আবাস নিশ্চিত হবে।
উৎস:THE BUSINESS STANDARD পত্রিকা রিপোর্ট।
চুকনগর বধ্যভূমি:
- পৃথিবীর ইতিহাসে জঘন্যতম যেসব গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে একটি চুকনগর গণহত্যা।
- এটি খুলনা জেলার ডুমুরিয়ার ছোট্ট শহরে অবস্থিত।
- ১৯৭১ সালের ২০ মে মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে খুলনার ডুমুরিয়ার ছোট্র শহর চুকনগরে পাকিস্তানি বর্বর সেনারা নির্মম এ হত্যাকান্ড ঘটায়।
- এ স্থানে একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মিত হয়েছে।
⇒ চুকনগর গণহত্যা:
- অতর্কিত এ হামলা চালিয়ে মুক্তিকামী ১০-১২ হাজার মানুষকে নির্বিচারে হত্যা করে তারা।
- মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি সেনারা যে নির্মম অত্যাচার, নিরযাতন ও হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে, তারও এক নীরব সাক্ষী হয়ে আছে আজকের চুকনগর।
- ওই দিন যাদের হত্যা করা হয়েছে, তাদের বেশিরভাগ পুরুষ হলেও বহু নারী ও শিশুকেও হত্যা করে পাকিস্তানি সেনারা।
- পাকিস্তানি বাহিনীর অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে দক্ষিণাঞ্চলের জনগোষ্ঠী বাঁচার তাগিদে ভারতে যাবার সিদ্ধান্ত নেয়।
- মে মাসের মাঝামাঝি সময় বৃহত্তর খুলনার বাগেরহাট, রামপাল, মোড়েলগঞ্জ, কচুয়া, শরণখোলা, মংলা, দাকোপ, বটিয়াঘাটা, চালনা, ফরিদপুর, বরিশালসহ বিভিন্ন অঞ্চলের হাজার হাজার মানুষ ভারতে যাবার উদ্দেশে রওনা হন।
- ভারতে যাবার জন্যে তারা ট্রানজিট হিসেবে বেছে নেন ডুমুরিয়ার চুকনগরকে।
- ২০মে সকাল ১০টার দিকে ৩টি ট্রাকে করে হঠাৎ পাকিস্তানি সেনারা চুকনগর বাজারের ঝাউতলায় (তৎকালীন পাতখোলা) এসে থামে।
- দুপুর ৩টা পর্যন্ত তারা নির্বিচারে মানুষ হত্যা করতে থাকে।
- মাঠে, ক্ষেতে, খালে-বিলে পড়ে থাকে লাশ আর লাশ।
- এসব স্থান থেকে লাশ নিয়ে নদীতে ফেলার কাজ শুরু করেন স্থানীয়রা।
- চুকনগরের ফসলি জমিগুলোয় আজও পাওয়া যায় সেদিনের শহীদদের হাড়গোড়, তাদের শরীরে থাকা বিভিন্ন অলঙ্কার।
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
একুশে পদক ২০২৫ প্রাপ্ত ব্যক্তি:
• গবেষণা - মঈদুল হাসান (মূলধারা ৭১ এর রচয়িতা)।
• ভাষা ও সাহিত্যে - শহীদুল জহির (মো. শহীদুল হক) (মরণোত্তর) ও হেলাল হাফিজ (মরণোত্তর)।
• সংস্কৃতি ও শিক্ষা - ড. শহীদুল আলম (ফটোগ্রাফার, মানবাধিকার কর্মী এবং দৃকের প্রতিষ্ঠাতা),
• বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি - মেহেদী হাসান খান (অভ্র'র জনক) ও রিফাত নবী, তানবিন ইসলাম সিয়াম ও শাবাব মুস্তাফা।
• সাংবাদিকতা - মাহফুজ উল্লা (মরণোত্তর)।
• সাংবাদিকতা ও মানবাধিকার - মাহমুদুর রহমান।
• শিল্পকলা (চলচ্চিত্র) - আজিজুর রহমান (মরণোত্তর) (ছুটির ঘণ্টা এবং আরও অনেক ছবির পরিচালক),
• সংগীত - উস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া (মরণোত্তর) ও ফেরদৌস আরা।
• আলোকচিত্র - নাসির আলী মামুন।
• চিত্রকলা - রোকেয়া সুলতানা।
• শিক্ষা - ড. নিয়াজ জামান।
• সমাজসেবা - মোহাম্মদ ইউসুফ চৌধুরী (মরণোত্তর)।
উৎস: ডেইলি স্টার বাংলা ও প্রথম আলো।
শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতিকে স্মরনীয় করে রাখতে ১৯৯৩ সালে বাংলাদেশ সরকার রায়েরবাজারের বধ্যভূমিতে একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
- পরবর্তীতে স্থপতি ফরিদউদ্দীন আহমেদ এবং স্থপতি জামি-আল-শফি-র নকশায় ১৯৯৬ সালে স্মৃতিসৌধ নির্মাণের কাজ শুরু হয়ে ১৯৯৯ সালে শেষ হয়।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
ILO:
- ILO এর পূর্ণরূপ: International Labour Organization.
- এটি ১৯১৯ সালে ভার্সাই চুক্তির ফলশ্রুতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৪৬ সালের ১৪ ডিসেম্বর ILO জাতিসংঘের প্রথম বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে।
- ILO এর সদরদপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৮৭টি।
- বর্তমান ১১তম মহাপরিচালক গিলবার্ট এফ হাউংবো (অক্টোবর ২০২২ থেকে)
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ২২ জুন ILO এর সদস্যপদ লাভ করে।
- ILO ১৯৬৯ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।
উৎস: ILO ওয়েবসাইট।
• বাংলাদেশ লোক ও কারু শিল্প যাদুঘর:
- সোনারগাঁ লোকশিল্প জাদুঘর রাজধানী ঢাকা থেকে ২৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁ উপজেলায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশের লোকশিল্পের সংরক্ষণ, বিকাশ ও সর্বসাধারণের মধ্যে লোকশিল্পের গৌরবময় দিক তুলে ধরার জন্য ১৯৭৫ সালে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীনের উদ্যোগে বাংলাদেশ সরকার বিশাল এলাকা নিয়ে এই জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করেন।
- সোনারগাঁয়ের “বড়সর্দারবাড়ি” নামে পরিচিত একটি প্রাচীন জমিদার প্রাসাদে এই জাদুঘর স্থাপন করা হয়েছে।
- এখানে আরো রয়েছে একটি সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার, কারুপল্লী ও একটি বিশাল লেক।
উৎস: নারায়ণগঞ্জ জেলার ওয়েবসাইট।
জাগ্রত চৌরঙ্গী:
- মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বাংলাদেশে নির্মিত প্রথম ভাস্কর্য 'জাগ্রত চৌরঙ্গী'।
- ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে ১৯ মার্চ, ১৯৭১ সালের সশস্ত্র প্রতিরোধযুদ্ধে নিহত ও আহত বীর যোদ্ধাদের অসামান্য আত্মত্যাগের স্মরণে এই ভাস্কর্য নির্মাণ করা হয়।
- ভাস্কর্যটি অবস্থান: চান্দনা চৌরাস্তা, গাজীপুর।
- স্থপতি: আবদুর রাজ্জাক।
- নির্মিত হয়: ১৯৭৩ সাল।
- দ্বিতীয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অধিনায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল আমীন আহম্মেদ চৌধুরী বীরবিক্রম ভাস্কর্যটি নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন।
- ভাস্কর্যটির বেদি ২৪ ফুট ৫ ইঞ্চি।
- বেদিসহ জাগ্রত চৌরঙ্গীর উচ্চতা ৪২ ফুট ২ ইঞ্চি।
- ভাস্কর্যটিতে ১৬ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ৩ নম্বর সেক্টরের ১০০ জন এবং ১১ নম্বর সেক্টরের ১০৭ জন শহীদ সেনা ও মুক্তিযোদ্ধার নাম রয়েছে।
- ভাস্কর্যটির নির্মাণকাজ শুরু হয় ১৯৭২ সালে। কাজ শেষ হয় ১৯৭৩ সালের সেপ্টেম্বরে।
তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ২ ডিসেম্বর ২০২০।
ক্রিকেট ইতিহাসে ওয়ানডে অভিষেকেই হ্যাট্রট্রিক করা একমাত্র বাংলাদেশি ক্রিকেটার তাইজুল ইসলাম।
ওয়ানডে ক্রিকেটে অভিষেকে হ্যাটট্রিক করেছেন চারজন বোলার।
→ সর্বপ্রথম ২০১৪ সালে তাইজুল ইসলাম,
→ ২০১৫ সালে কাগিসো রাবাদা,
→ ২০১৭ সালে ভানিন্দু হাসারাঙ্গা এবং
→ ২০১৮ সালে এই কৃতিত্ব দেখিয়েছেন শেহান মাদুশঙ্ক
উৎস: ইএসপিএন ক্রিকইনফো ও দা বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।