বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন ও অন্যান্য

মোট প্রশ্ন৩,৮২৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন ও অন্যান্য

PrepBank · পাতা ২০ / ৩৮ · ১,৯০১২,০০০ / ৩,৮২৪

১,৯০১.
বাংলাদেশের কোথায় প্লাইস্টোসিন কালের সোপান দেখা যায়? 
  1. কুমিল্লা 
  2. রাজশাহী
  3. নওগাঁ
  4. সবগুলো 
সঠিক উত্তর:
সবগুলো 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো 
ব্যাখ্যা

প্লাইস্টোসিন কালের সোপান:
- প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহ হলো হিমবাহ যুগের কারণে সমুদ্রপৃষ্ঠের ওঠানামা ও নদী উপত্যকার ক্ষয়-ক্ষতির ফলস্বরূপ গঠিত স্তরীভূত উঁচু ভূমি।
- এই সোপানসমূহ গঠিত হয়েছে সমুদ্রপৃষ্ঠের বারবার ওঠানামা এবং নদীতে পলি জমার কারণে। 
- মাটি সাধারণত লালচে, স্তরীভূত ও অনুর্বর, যা ‘লাল মাটি’ নামে পরিচিত। 
- এগুলো প্রায় ২৫,০০০ বছর আগে গঠিত হয়েছিল এবং প্লাবনভূমির তুলনায় তুলনামূলকভাবে উঁচু ও কম প্লাবিত। 
- সোপানগুলো বেঞ্চের মতো স্তরীভূত গঠনযুক্ত এবং বাংলাদেশে প্লাইস্টোসিনকালের ভূ-প্রকৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

- প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়-
১) বরেন্দ্রভূমি;
২) মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং
৩) লালমাই পাহাড়।

- বাংলাদেশে এগুলো দেখা যায়— 
- উত্তর-পশ্চিমের বরেন্দ্রভূমি (রাজশাহী, নওগাঁ, দিনাজপুর, বগুড়া, পাবনা),
- মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় (টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, গাজীপুর) এবং
- দক্ষিণ-পূর্বের কুমিল্লার লালমাই পাহাড়ে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকা। 

১,৯০২.
কোন মুঘল সম্রাটের সময় লালবাগ দুর্গ নির্মাণ করা হয়েছিল?
  1. ক) আকবর
  2. খ) শাহজাহান
  3. গ) জাহাঙ্গীর
  4. ঘ) আওরঙ্গজেব
সঠিক উত্তর:
ঘ) আওরঙ্গজেব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আওরঙ্গজেব
ব্যাখ্যা
মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের সময় লালবাগ দুর্গ নির্মাণ করা হয়েছিল। 

- লালবাগ দুর্গ মুগল প্রাসাদ দুর্গ। এটি আওরঙ্গাবাদ দুর্গ নামেও পরিচিত।
- পুরাতন ঢাকা নগরীর দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে দূর্গটির অবস্থান।
- নদীটি বর্তমানে আরও দক্ষিণে সরে গিয়ে দুর্গ থেকে বেশ খানিকটা দূর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। 

- যুবরাজ মুহম্মদ আজম বাংলার সুবাহদার থাকাকালীন ১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দে এর নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
- কিন্তু নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হওয়ার আগেই আওরঙ্গজেব তাঁকে দিল্লিতে ডেকে পাঠান।
- তাঁর উত্তরসূরি শায়েস্তা খান ১৬৮৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত ঢাকায় অবস্থান করলেও দুর্গের কাজ সমাপ্ত করেন নি।
- ১৬৮৪ খ্রিস্টাব্দে শায়েস্তা খানের কন্যা বিবি পরী এখানে মারা গেলে দুর্গটিকে তিনি অপয়া হিসেবে বিবেচনা করে নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেন।

উৎস : বাংলাপিডিয়া
১,৯০৩.
নিপোর্ট কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ প্রতিষ্ঠান?
  1. স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়
  2. শিক্ষা মন্ত্রণালয়
  3. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
  4. প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

• জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট): 
• NIPORT (নিপোর্ট) এর পূর্নরূপ National Institute of Population Research and Training.
• ইহা হলো বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
• এটি  স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয় যা ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত।
• স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি কর্মসূচী ব্যবস্থাপনার  ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার একটি আদর্শ আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠান তৈরির দিকে দৃষ্টি রেখে ১৯৭৭ সালে জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট)-এর আত্মপ্রকাশ ঘটে।
• নিপোর্ট স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকে।

উৎস: NIPORT ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।

১,৯০৪.
BTRC-এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Bangladesh Telephone and Regulatory Commission
  2. Bangladesh Telecom Regulatory Commission
  3. Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission
  4. Bangladesh Telephone Regulatory Commission
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission
ব্যাখ্যা

BTRC:
- BTRC-এর পূর্ণরূপ Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission.
- Bangladesh Telecommunication Regulatory Act 2001 এর অধীনে ৩১ জানুয়ারি ২০০২ সালে Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission (BTRC) গঠিত হয়।
- বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) হলো বাংলাদেশের একটি স্বাধীন কমিশন।
- এটি বাংলাদেশে টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ এবং টেলিযোগাযোগ সেবা নিয়ন্ত্রণের নিমিত্তে কাজ করে থাকে।
- বিটিআরসি বাংলাদেশে টেলিযোগাযোগ সংক্রান্ত বিষয়াবলী যেমন, সেলুলার নেটওয়ার্ক, পিএসটিএন, কৃত্রিম উপগ্রহ এবং ক্যাবল ইত্যাদির রক্ষণাবেক্ষন, উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
- ১৯৭৯ সালে বাংলাদেশ টেলিগ্রাফ ও টেলিফোন বোর্ড অধ্যাদেশের মাধ্যমে বাংলাদেশ টেলিগ্রাফ ও টেলিফোন বোর্ড গঠিত হয়। অধ্যাদেশটি পরে ১৯৯৫ সালে সংশোধন করা হয়।
- বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি) বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ আইন, ২০০১, (২০০১ সালের আইন নং ১৮) এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত একটি স্বাধীন নিয়ন্ত্রক কমিশন ১৬ এপ্রিল, ২০০১ তারিখে বাংলাদেশ গেজেটে অসাধারণভাবে প্রকাশিত হয়।
- এটি চালু হওয়ার সাথে সাথে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের প্রয়োজনীয় কর্তৃত্ব, দায়িত্ব এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো বিটিআরসি-র উপর ন্যস্ত করা হয়।

তথ্যসূত্র - BTRC ওয়েবসাইট।

১,৯০৫.
'জুলাই শহীদ স্মৃতি ভবন' কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত?
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়
  3. সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
  4. খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা

• জুলাই শহিদ স্মৃতি ভবন:
- জুলাই শহিদ স্মৃতি ভবন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের আবাসনের জন্য নবনির্মিত ‘জুলাই শহিদ স্মৃতি ভবন’ ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ শনিবার উদ্বোধন করা হয়েছে।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান প্রধান অতিথি হিসেবে এই ভবনটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
- উল্লেখ্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের ১১- তলা বিশিষ্ট ‘জুলাই শহিদ স্মৃতি ভবন’-এর ২৫২ টি কক্ষে ১ হাজার ৮জন শিক্ষার্থীর আবাসনের ব্যবস্থা রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- জুলাই ৩৬ গেইট - সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে।
- ‘শহীদ মীর মুগ্ধ তোরণ- খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়।

উৎস: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট ও পত্রিকা প্রতিবেদন।

১,৯০৬.
একুশে পদক কোন মন্ত্রণালয় ঘোষণা করে?
  1. সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়
  2. শিক্ষা মন্ত্রণালয়
  3. তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়
  4. মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

• একুশে পদক-২০২৫:
- একুশে পদক ২০২৫এ ১৭ জন ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠান পায়।
- একুশে পদক ঘোষণা করে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় মন্ত্রণালয়।
- ক্রীড়ায় একুশে পদক পাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল।
- গবেষণায়: মঈদুল হাসান (মূলধারা ৭১ এর রচয়িতা)।
- ভাষা ও সাহিত্যে: শহীদুল জহির (মরণোত্তর) ও হেলাল হাফিজ (মরণোত্তর)।
- সংস্কৃতি ও শিক্ষায়: ড. শহীদুল আলম।
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে: মেহেদী হাসান খান, রিফাত নবী, মো. তানবিন ইসলাম সিয়াম ও শাবাব মুস্তাফা।
- সাংবাদিকতায় :মাহফুজ উল্লা (মরণোত্তর) এবং
- সাংবাদিকতা ও মানবাধিকার: মাহমুদুর রহমান।
- শিল্পকলার চলচ্চিত্রে: আজিজুর রহমান।
- সংগীতে :উস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া ও ফেরদৌস আরা, 
- আলোকচিত্রে: নাসির আলী মামুন।
-  চিত্রকলায়: রোকেয়া সুলতানা।
- শিক্ষায়: ড. নিয়াজ জামান।
- সমাজসেবায় :মোহাম্মদ ইউসুফ চৌধুরি।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

১,৯০৭.
বাংলাদেশের প্রথম চলচ্চিত্রটির প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয় কোন প্রেক্ষাগৃহে?
  1. ক) পালকী
  2. খ) তাজমহল
  3. গ) রূপমহল
  4. ঘ) নূরমহল
সঠিক উত্তর:
গ) রূপমহল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রূপমহল
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের প্রথম চলচ্চিত্রটির প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয় “রূপমহল” প্রেক্ষাগৃহে।

বাংলাদেশের প্রথম চলচ্চিত্র:
- বাংলাদেশের প্রথম চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’।
- ১৯৫৬ সালের ৩ আগস্ট বাংলাদেশের প্রথম চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’।
- এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন পূর্ব পাকিস্তানের তৎকালীন গভর্নর শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক।
- চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন আবদুল জব্বার খান।
- অভিনয় করেন পূর্ণিমা সেন, সাইফুদ্দিন, বিনয় বিশ্বাস, আবদুল জব্বার খান, ইনাম আহমেদ, জহরত আরা। সংগীত পরিচালক ছিলেন সমর দাস। গান করেন মাহবুবা হাসনাত ও আবদুল আলীম। নৃত্য পরিচালনা করেন গওহর জামিল। চিত্রগ্রাহক ছিলেন মুরারী মোহন জামান। সম্পাদনায় আবদুল লতিফ।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ৩ আগস্ট ২০২১।
১,৯০৮.
কোন দেশকে পরাজিত ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল?
  1. কানাডা
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. যুক্তরাজ্য
  4. নেপাল
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
নারী ক্রিকেট দল:
- ২০১১ সালে যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল।
- ২০১৮ সালে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল এশিয়া কাপের শিরোপা জয় করে।
- ২০১৮ সালে মালয়েশিয়ায় টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এশিয়া কাপ।
- বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল ২০২১ সালে টেস্ট মর্যাদা পায়।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট।
১,৯০৯.
তারেক রহমান ব্যক্তি হিসেবে বাংলাদেশের কততম প্রধানমন্ত্রী?
  1. ১১তম
  2. ১৩তম
  3. ১২তম
  4. ১০ম
সঠিক উত্তর:
১১তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১তম
ব্যাখ্যা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান:
- তারেক রহমান বাংলাদেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী।
- ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) হয়ে সরকারপ্রধান হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
- বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার পর ছেলে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বাংলাদেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন।

• বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ। এর পর একে একে শেখ মুজিবুর রহমান, মুহাম্মদ মনসুর আলী, শাহ আজিজুর রহমান, আতাউর রহমান খান, মিজানুর রহমান চৌধুরী, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, কাজী জাফর আহমেদ, বেগম খালেদা জিয়া, শেখ হাসিনা, এর মধ্যে বেগম খালেদা জিয়া দু’বার এবং শেখ হাসিনা ৫ বার প্রধানমন্ত্রী হন।

• ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটে বিজয়ী হয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে বিএনপি। 
- ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখে দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তাকে শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

উৎস: বাংলাদেশ টেলিভিশন ওয়েবসাইট।

১,৯১০.
পাটের তৈরি ঢেউটিন (জুটিন) আবিষ্কার করেন -
  1. ক) মাকসুদুল আলম
  2. খ) ইসমাইল হোসেন খান
  3. গ) ড. মোবারক আহমেদ খান
  4. ঘ) কুদরত-ই-খোদা
সঠিক উত্তর:
গ) ড. মোবারক আহমেদ খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ড. মোবারক আহমেদ খান
ব্যাখ্যা
 • আবিষ্কার:
 - বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ড. মোবারক আহমেদ খান ২০০৮ সালে পাট থেকে ঢেউটিন তৈরির পদ্ধতি আবিষ্কার করেন।
- তার এই ঢেউটিন জুটিন নামে পরিচিত।
- তিনি পাট থেকে পলিথিন তৈরির পদ্ধতিও আবিষ্কার করেন যা সোনালী ব্যাগ নামে পরিচিত।

অন্যদিকে,
 - মাকসুদুল আলম বাংলাদেশের একজন প্রথিতযশা বিজ্ঞানী।
- তিনি ২০১০ সালে পাটের জীবন রহস্য উদ্ভাবন করেন।
-  তিনি পেঁপে, রাবার ও এক ধরনের ছত্রাকেরও জীবন রহস্য উদঘাটন করেন।
- ২০১৪ সালের ২০ ডিসেম্বর তিনি যুক্তরাষ্ট্রে মারা যান।
- পাট থেকে সবুজ চা উদ্ভাবন করেন ইসমাইল হোসেন খান।

উৎস: বিবিসি বাংলা নিউজ।
 
১,৯১১.
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০২২-এ শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র নির্বাচিত হয়েছে -
  1. হাওয়া
  2. সুড়ঙ্গ
  3. পরাণ
  4. প্রহেলিকা
সঠিক উত্তর:
পরাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরাণ
ব্যাখ্যা
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার: 

- জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০২২-এ শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র নির্বাচিত হয়েছে ‘কুড়া পক্ষীর শূন্যে উড়া’ এবং ‘পরাণ’ কে।
- জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০২২-এ সেরা নায়কের পুরস্কার পেতে যাচ্ছেন চঞ্চল চৌধুরী।
- যুগ্মভাবে সেরা নায়িকা হিসেবে নাম ঘোষণা করা হয়েছে জয়া আহসান ও রিকিতা নন্দিনী শিমুর নাম।
- চলচ্চিত্র শিল্পের বিকাশ ও উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য সরকার ব্যক্তিবিশেষকে এবং শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র ও প্রামাণ্যচিত্রকে  জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান করে থাকে।
- এ পুরস্কারের ক্ষেত্রগুলি হলো শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র, কাহিনীকার, পরিচালক, চিত্র সম্পাদক, সংলাপ রচয়িতা, চিত্র নাট্যকার, অভিনেতা ও অভিনেত্রী, পার্শ্ব অভিনেতা ও পার্শ্ব অভিনেত্রী, সঙ্গীত পরিচালক, চিত্রগ্রাহক, গীতিকার, শিল্প নির্দেশক, শব্দগ্রাহক, গায়ক, গায়িকা, শিশু শিল্পী, নৃত্য পরিচালক, সুরকার, মেকআপ ম্যান, পান্ডুলিপি, সংলাপ, প্রামাণ্যচিত্র, স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ও শিশু শিল্পীদের বিশেষ পুরস্কার।
- এসব ক্ষেত্রে শ্রেষ্ঠ বিবেচিত চলচ্চিত্র ও শ্রেষ্ঠ কলাকুশলীদের পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- প্রতিটি পুরস্কারের মান শ্রেষ্ঠ পরিচালকের জন্য নগদ দশ হাজার টাকা এবং অন্যান্য প্রতিটি ক্ষেত্রে নগদ পাঁচ হাজার টাকা।
- পুরস্কারপ্রাপ্তদের প্রত্যেককে নগদ অর্থের সঙ্গে একটি করে র‌্যাপ্লিকা প্রদান করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও দৈনিক প্রথম আলো, ৩১ অক্টোবর, ২০২৩।
১,৯১২.
বাংলাদেশের প্রথম ভৌগলিক নির্দেশক পণ্য কোনটি?
  1. ইলিশ
  2. জামদানি
  3. মসলিন
  4. শীতলপাটি
সঠিক উত্তর:
জামদানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামদানি
ব্যাখ্যা
জিআই (GI):
- জিআই (GI) এর পূর্ণরুপ হলো (Geographical indication) ভৌগলিক নির্দেশক।
- জাতিসংঘের সংস্থা WIPO (World Intellectual Property Organization) হলো জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রতিষ্ঠান।
- কোনো একটি দেশের নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের মাটি, পানি, আবহাওয়ার প্রেক্ষাপটে সেখানকার জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি যদি কোনো একটি পণ্য উৎপাদনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তাহলে সেটিকে সেই দেশের জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- দেশে ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (নিবন্ধন ও সুরক্ষা) আইন পাস হয় ২০১৩ সালে।

⇒ দেশের প্রথম জিআই পণ্য হিসেবে নিবন্ধন পায় জামদানি।

উৎস: i) পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
১,৯১৩.
যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয় কবে?
  1. ২৮ মার্চ, ১৯৭২
  2. ১ এপ্রিল, ১৯৭২
  3. ৪ এপ্রিল, ১৯৭২
  4. ৭ মে, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
৪ এপ্রিল, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ এপ্রিল, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
⇒ যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ৪ এপ্রিল।

বাংলাদেশের স্বীকৃতি লাভ:
- ১৯৭২ জানুয়ারি মাসেই পূর্ব জার্মানি, বুলগেরিয়া, পোল্যান্ড, মিয়ানমার, নেপাল, সোভিয়েত ইউনিয়ন স্বীকৃতি দেয়।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ইরাক প্রথম আরব দেশ হিসেবে ০৮ জুলাই ১৯৭২ সালে বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- ১৯৭৪ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- সেনেগাল (১ ফেব্রুয়ারি), মালয়েশিয়া (২৪ ফেব্রুয়ারি), ইন্দোনেশিয়া (২৪ ফেব্রুয়ারি), গাম্বিয়া (মার্চ), গ্যাবন (৬ এপ্রিল), সিয়েরা লিওন (২১ এপ্রিল), ইরাক (৮ জুলাই), দক্ষিণ ইয়েমেন (৩১ জুলাই), উগান্ডা (৫ আগস্ট), বুরকিনা ফাসো (১৯ আগস্ট) প্রভৃতি মুসলিম দেশ ১৯৭২ সালের মধ্যেই বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- ইরান ও তুরস্ক ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট, দৈনিক কালের কণ্ঠ, ডিসেম্বর ২১, ২০১৬ ও বিবিসি, মার্চ ২৬, ২০২১।
১,৯১৪.
প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে কে 'দ্য হেগ অ্যাওয়ার্ড' লাভ করেছেন?
  1. শেখ হাসিনা
  2. নাসরিন সুলতানা
  3. সৈয়দা সুলতানা রাজিয়া
  4. ফেরদৌসী কাদরী
সঠিক উত্তর:
সৈয়দা সুলতানা রাজিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দা সুলতানা রাজিয়া
ব্যাখ্যা
দ্য হেগ অ্যাওয়ার্ড:
- ২০১৩ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার পর থেকে OPCW কনভেনশনের উদ্দেশ্যগুলোর সাথে সম্পর্কিত বিশ্বজুড়ে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে তাঁদের স্বতন্ত্র কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ এ পুরস্কার দিয়ে আসছে।
- বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. সৈয়দা সুলতানা রাজিয়া ‘OPCW-The Hague Award’ এ ভূষিত হয়েছেন।
- প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ড. সৈয়দা সুলতানা রাজিয়া  এ পুরস্কার অর্জন করেন।
- রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ সংস্থার (OPCW) মহাপরিচালক, রাষ্ট্রদূত ফার্নান্দো আরিয়াস এবং ডাচ সরকারের পক্ষে রাষ্ট্রদূত হেঙ্ক ভ্যান ডার কোয়াস্ট, OPCW-এর ২৮তম বার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যৌথভাবে তাঁর হাতে এ পুরস্কার তুলে দেন।
- এবছর OPCW-The Hague Award এর সহ-প্রাপক ছিলেন আফ্রিকান সেন্টার ফর সায়েন্স অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটির পরিচালক হুবার্ট কে ফয় এবং সুইজারল্যান্ডের স্পিজ ল্যাবরেটরি।
- ড. রাজিয়াকে বাংলাদেশে রাসায়ানিক সুরক্ষা এবং সুরক্ষার উন্নয়নে অবদান এবং এর বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা বোর্ডের সদস্য হিসেবে তাঁর ভূমিকার জন্য এ স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে।
- তিনি OPCW-এর বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা বোর্ডে ২০১৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত সদস্য হিসেবে কাজ করেছেন এবং ‘রাসায়নিক অস্ত্রমুক্ত বিশ্ব সুরক্ষিত’ করার জন্য নতুন জ্ঞান সৃজনে অবদান রেখেছেন।

উল্লেখ্য,
- ২০২৩ সালে ক্লাইমেট মোবিলিটি চ্যাম্পিয়ন লিডার অ্যাওয়ার্ড লাভ করে – প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

উৎস: তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) ওয়েবসাইট।
১,৯১৫.
অলিম্পিক গেমসে স্থান পাওয়া ‘স্টেপস’ নামের ভাস্কর্যটি নির্মান করেন কে? 
  1. নভেরা আহমেদ
  2. হামিদুর রহমান খান
  3. হামিদুজ্জামান খান
  4. রশিদ চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
হামিদুজ্জামান খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হামিদুজ্জামান খান
ব্যাখ্যা

• ‘স্টেপস’ ভাস্কর্য: 
- ‘স্টেপস’ ভাস্কর্যটি নির্মাণ করেছেন হামিদুজ্জামান খান। 
- এর থিম হলো স্বাধীনতা ও অগ্রগতির ধাপ / steps to freedom and progress।
- ভাস্কর্যটি ১৯৮৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে Olympic Sculpture Park-এ স্থাপিত হয়েছে, যা ১৯৮৮ সালের সিউল অলিম্পিকের অংশ হিসেবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে।

• হামিদুজ্জামান খান: 
- হামিদুজ্জামান খান বাংলাদেশের আধুনিক ভাস্কর্যের পথিকৃৎদের একজন। 
- তিনি ১৯৮১ সালে বঙ্গভবনে 'পাখি পরিবার',
- ১৯৮৭ সালে বাংলা একাডেমিতে 'মুক্তিযোদ্ধা',
- ১৯৮৮ সালে আশুগঞ্জ জিয়া সারকারখানায় 'জাগ্রত বাংলা'এবং
- ১৯৮৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার সিউল অলিম্পিক পার্কে 'স্টেপস' (সিঁড়ি) নির্মাণ করেন। 
- ২০০৬ সালে তিনি একুশে পদক লাভ করেন। 
- ২০২৫ সালের ২০ জুলাই মারা যান।
 
তথ্যসূত্র: বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড, বেঙ্গল ফাউন্ডেশন ও প্রথম আলো।  

১,৯১৬.
বিমানের বিখ্যাত "বলাকা" লোগোটি ডিজাইন করেছিলেন কে?
  1. জয়নুল আবেদীন
  2. এ.এন. সাহা
  3. রফিকুন্নবী
  4. কামরুল হাসান
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা

কামরুল হাসান:
- কামরুল হাসান একজন চিত্রশিল্পী।
- তিনি  ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন।
- কামরুল হাসান বাংলাদেশের স্বাধিকার ও অসহযোগ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন (১৯৬৯-৭০) এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
- তিনি ‘পটুয়া কামরুল হাসান’ নামে পরিচিতি লাভ করেন।
- কামরুল হাসানের চিত্রকলার প্রধান উপাদান নর-নারী, পশুপাখি (প্রধানত গরু ও শৃগাল), সাপ ও প্রকৃতি।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় প্রতীকের ডিজাইনার কামরুল হাসান।
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা করেন কামরুল হাসান।
- কামরুল হাসানের 'তিন কন্যা' ও 'নাইওর' চিত্রকর্ম অবলম্বনে যুগোস্লাভ সরকার (১৯৮৫) ও বাংলাদেশ সরকার (১৯৮৬) ডাকটিকেট প্রকাশ করেছে।
- বিমানের বিখ্যাত "বলাকা" লোগোটি ডিজাইন করেছিলেন শিল্পী কামরুল হাসান।

• কামরুল হাসানের অন্যান্য চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে 
- 'রায়বেশে নৃত্য',
- ‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে',
- ‘দেশ আজ বিশ্ববেহায়ার খপ্পরে’ প্রভৃতি।

উল্লেখ্য,
- দুর্ভিক্ষ-চিত্রমালার জন্য বিখ্যাত ছিলেন জয়নুল আবেদীন।
- সংবিধানের অঙ্গসজ্জা কার্যক্রমের মূল তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন - জয়নুল আবেদীন।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামের ডিজাইনার - এ.এন. সাহা।
- বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ কার্টুনিস্ট হলেন - রফিকুন্নবী।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া ।

১,৯১৭.
বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে কোন দলের বিপক্ষে?
  1. ভারত
  2. পাকিস্তান
  3. শ্রীলংকা
  4. কেনিয়া
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে ১৯৯৭ সালে।
- ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে।
- ১৭ মে, ১৯৯৮ সালে কেনিয়ার বিপক্ষে একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে প্রথম জয় পায়।
- ২০০৫ সালে বাংলাদেশ প্রথম ওয়ানডে সিরিজ জয় লাভ করে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে ২০০০ সালে।
- ২০০০ সালের ১০ই নভেম্বর বাংলাদেশ সর্বপ্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে ভারতের বিপক্ষে।
- ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশ টেস্ট ম্যাচে প্রথম জয় পায়।
- ১০ জানুয়ারি, ২০০৫ সালে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট সিরিজ জয় লাভ করে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮।
১,৯১৮.
বাংলাদেশ প্রথম অনলাইনভিত্তিক নিউজ এজেন্সি হলো -
  1. বিডি নিউজ
  2. বাংলাদেশ নিউজ সার্ভিস
  3. ইউনাইটেড নিউজ অব বাংলাদেশ
  4. প্রোব নিউজ এজেন্সি
সঠিক উত্তর:
বিডি নিউজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিডি নিউজ
ব্যাখ্যা

সংবাদ সংস্থা:
- সংবাদ সংস্থা সংবাদ সংগ্রহ করে সংবাদপত্র, সাময়িকী ও ইলেট্রনিক্স সম্প্রচার কেন্দ্রগুলির মধ্যে বণ্টন করার প্রতিষ্ঠান।
- এদেশের সংবাদ সংস্থাগুলির কার্যক্রম শুরু হয়েছিল বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অভ্যুদয়ের আগেই।

⇒ বিডিনিউজ বাংলাদেশের প্রথম অনলাইনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম।
- Bdnews24.com বাংলাদেশে ভিত্তিক একটি ইংরেজি এবং বাংলা ভাষার নিউজ পোর্টাল। 
- ২০০৫ সালে ওয়েবভিত্তিক বার্তা সংস্থা হিসেবে এর যাত্রা শুরু।

উৎস: i) Bdnews24.com
ii) বাংলাপিডিয়া।

১,৯১৯.
নিচের কোনটি শিক্ষা বিভাগের ট্রেনিংয়ের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) ডিপিই
  2. খ) ইউজিসি
  3. গ) নায়েম
  4. ঘ) ব্যান্সডক
সঠিক উত্তর:
গ) নায়েম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নায়েম
ব্যাখ্যা
- National Academy for Educational Management (NAEM-নায়েম) হলো দেশের শিক্ষা বিভাগের ট্রেনিংয়ের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৫৯ সালে স্থাপিত হয়।
- এর অবস্থান ঢাকার নিউমার্কেটে ঢাকা কলেজের পাশে।
- এখানে সর্বস্তরের শিক্ষক ও শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

অন্যদিকে,
- DPE (Directorate of Primary Education) হলো প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
- BANSDOC হলো বাংলাদেশ জাতীয় বিজ্ঞান ও কারিগরি তথ্য নথিকরণ কেন্দ্র।
- UGC (University Grant Commission) হলো বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন।

(তথ্যসূত্র: নায়েম ও সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইট)
১,৯২০.
মহাস্থানগড় কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. ক) কপোতাক্ষ
  2. খ) করতোয়া
  3. গ) মধুমতি
  4. ঘ) আত্রাই
সঠিক উত্তর:
খ) করতোয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) করতোয়া
ব্যাখ্যা
মহাস্থানগড় -
- পূর্বে মহাস্থানগড়ের নাম ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর।
- মহাস্থানগড় করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত।
- বগুড়া শহর হতে ১৫ কিঃমিঃ দূরে পুন্ড্রবর্ধনের প্রশাসনিক কেন্দ্রবিন্দু ছিল এই মহাস্থানগড়।
- মহাস্থানগড় সমগ্র বাংলার সর্বপ্রধান ও সর্বপ্রাচীন এ দূর্গনগরী ।
- সমগ্র বাংলার সর্বপ্রধান ও সর্বপ্রাচীন এ দূর্গ নগরী ইটের বেষ্টনী প্রাচীর দ্বারা সুরক্ষিত যা উত্তর দক্ষিনে ১৫২৫ মিঃদীর্ঘ এবং পূর্ব পশ্চিমে ১৩৭০মিঃ প্রশস্থ ও চতুপার্শ্বস্থ সমতল ভূমি হতে ৫মিঃ উচু।
- কয়েক শতাব্দী পর্যন্ত এ স্থান পরাক্রমশালী মৌর্য , গুপ্ত এবং পাল শাসকবর্গের প্রাদেশিক রাজধানী ও পরবর্তীকালে হিন্দু সমান্ত রাজাগণের রাজধানী ছিল।
- বিখ্যাত চীনা পরিব্রাজক হুয়েন সাঙ ভারতবর্ষ ভ্রমণকালে (৬৩৯-৬৪৫) পুন্ড্রনগর পরিদর্শন করেন।

তথ্যসূত্র - বগুড়া জেলা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,৯২১.
যমুনা রেলসেতু প্রকল্পে অর্থায়ন করেছে কোন দেশ?
  1. চীন
  2. জাপান
  3. রাশিয়া
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান
ব্যাখ্যা
যমুনা রেল সেতু:
- যমুনা সেতু যমুনার নদীর ওপর অবস্থিত রেল সেতু।
- সেতুটি টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জকে সংযুক্ত করেছে।
- সেতুর দৈর্ঘ্য ৪.৮ কিলোমিটার।
- সেতুর মোট স্প্যান ৪৯টি।
- সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৫০টি।
- সেতুটিতে ডুয়েল গেজ ডাবল রেললাইন নির্মাণ করা হয়েছে।
- ১৮ মার্চ, ২০২৫ তারিখে যমুনা সেতু আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- যমুনা নদীত রেলসেতু নির্মাণের প্রকল্প নেওয়া হয় ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে।
- প্রকল্পের নকশা প্রণয়নসহ সেতুর নির্মাণ ব্যয় প্রথমে ধরা হয়েছিল ৯ হাজার ৭৩৪ কোটি ৭ লাখ টাকা। পরে ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় ১৬ হাজার ৭৮০ কোটি ৯৬ লাখ টাকা।
- এর মধ্যে ২৭ দশমিক ৬০ শতাংশ দেশীয় অর্থায়ন এবং জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) অর্থায়ন করছে ৭২ দশমিক ৪০ শতাংশ। 

উৎস:
i) প্রথম আলো।
ii) সেতু বিভাগ ওয়েবসাইট।
১,৯২২.
একাডেমি অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন কোন বাঙ্গালি?
  1. সুস্মিতা সেন
  2. সত্যজিৎ রায়
  3. অমর্ত্য সেন
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সত্যজিৎ রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সত্যজিৎ রায়
ব্যাখ্যা

• সত্যজিৎ রায়: 
- সত্যজিৎ রায় আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বাঙালি চলচ্চিত্রকার; আলোকচিত্রী, চিত্রকর, শিশুসাহিত্যিক, সঙ্গীতজ্ঞ হিসেবেও সুপরিচিত।
- ১৯২১ সালের ২ মে তিনি কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। 
- তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে: বিষয় চলচ্চিত্র, একেই বলে শুটিং, আওয়ার ফিল্মস দেয়ার ফিল্মস, ফেলুদা সিরিজ, শঙ্কু সিরিজ, পিকুর ডায়েরী ইত্যাদি। 
- পথের পাঁচালী- এর জন্য ১৯৫৫ থেকে ১৯৬৬-এর মধ্যে ভারত ছাড়াও মোট ১১টি আন্তর্জাতিক পুরস্কার; অপরাজিত পেয়েছে ভেনিস, সানফ্রান্সিসকো, বার্লিন, ডেনমার্কসহ ৫টি আন্তর্জাতিক পুরস্কার।
- তিনি ভারত সরকারের নিকট থেকে ৪০টি পুরস্কার এবং আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ৬০টি পুরস্কার লাভ করেন।
- প্রথম বাঙালী ও দ্বিতীয় ভারতীয় হিসেবে অস্কার লাভ করেন ১৯৯২ সালে।
- ১৯৯২ সালের ২৩ এপ্রিল কলকাতায় সত্যজিৎ রায়ের মৃত্যু হয়।

উল্লেখ্য,
- অস্কার পুরস্কারটির অন্য নাম অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডস।
- পুরস্কারটি প্রদান করা হয়- ২৪টি ক্যাটাগরিতে।
- পুরস্কারটি প্রথম প্রদান করা হয় ১৯২৯ সাল থেকে।
- অস্কার পুরস্কারের অনুষ্ঠানস্থল - লস অ্যাঞ্জেলস, ডলবি থিয়েটার হল, যুক্তরাষ্ট্র।
- প্রথম অস্কার বিজয়ী ভারতীয়- বানু আথাইয়া; ১৯৮২ সালে গান্ধী চলচ্চিত্রের জন্য।
- এককভাবে দুটি ক্যাটাগরিতে অস্কার বিজয়ী প্রথম ভারতীয়- এ. আর. রহমান। 
- প্রথম বাংলাদেশি অস্কার বিজয়ী- নাফিস বিন জাফর; ২০০৭ ও ২০১৫ সালে।

তথ্যসূত্র:
i) বাংলাপিডিয়া।
ii) Oscar 2023: From AR Rahman To Satyajit Ray, Here's A ., Indiatimes.com.

১,৯২৩.
শাপলা চত্বরের স্থপতি?
  1. ক) আজিজুল জলিল পাশা
  2. খ) মোস্তফা মনোয়ার
  3. গ) শামীম শিকদার
  4. ঘ) নিতুন কুণ্ডু
সঠিক উত্তর:
ক) আজিজুল জলিল পাশা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আজিজুল জলিল পাশা
ব্যাখ্যা
♦উল্লেখিত প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো - আজিজুল জলিল পাশা।

• স্থপতি:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে অবস্থিত 'শাপলা চত্ত্বর'- এর স্থপতি আজিজুল জলিল পাশা।
- বাংলাদেশের জাতীয় ফুল এই শাপলা (জলপদ্ম প্রজাতির শালুক)।
- ভাস্কর্যটি একটি ঝরনা দ্বারা বেষ্টিত।
- আজিজুল জলিল পাশার আরেকটি বিখ্যাত কীর্তি হচ্ছে - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলের সামনে অবস্থিত - 'দোয়েল চত্বর'।
- এটি ১৯৭৪ সালে নির্মিত হয়েছিল।

এছাড়াও
- ‘সাবাশ বাংলাদেশ’ ভাস্কর্যের স্থপতি নিতুন কুণ্ডু।
- এটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের তাজউদ্দিন আহমদ সিনেট ভবন চত্বরে অবস্থিত।
- ১৯৯২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি শহীদ জননী জাহানারা ইমাম সাবাশ বাংলাদেশ ভাস্কর্যের উদ্বোধন করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া 
১,৯২৪.
মূল পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য কত কিলোমিটার?
  1. ৪.৮০ কিলোমিটার
  2. ৫.২১ কিলোমিটার
  3. ৬.১৫ কিলোমিটার
  4. ৬.৫২ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
৬.১৫ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬.১৫ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
পদ্মা সেতু:

- পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত পদ্মা সেতু একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু।
- এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু।
- সেতুটি মুন্সিগঞ্জের মাওয়া, লৌহজংকে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে।
- এর ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্ত উত্তর-পুর্বাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
- মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার।
- সেতুতে মোট পাইল রয়েছে ২৭২টি।
- পদ্মা সেতু তৈরি করা হয়েছে ৯ মাত্রার ভূমিকম্প সহনীয় করে।
- পদ্মা সেতুর মোট স্প্যান ৪১টি, যার প্রতিটির দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার।
- পদ্মা সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৪২টি।
- পদ্মা সেতুর নেভিগেশন ক্লিয়ারেন্স ১৮.৩০ মিটার।
- ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ সালে প্রথম স্প্যান বসানো হয়।
- ১০ ডিসেম্বর ২০২০ সালে শেষ স্প্যান বসানো হয়।
- ২৫ জুন ২০২২ সালে পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার বাংলা, জুন ২৫, ২০২২।
১,৯২৫.
বাংলাদেশে পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয় কবে?
  1. ক) ১৯৭৪ সালে
  2. খ) ১৯৭৫ সালে
  3. গ) ১৯৭৬ সালে
  4. ঘ) ১৯৭৭ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা
• পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম:
- বাংলাদেশের পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতর হচ্ছে সরকারি সংস্থা। পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয় ১৯৭৬ সালে
- সরকার ১৯৬০ সালে সীমিত আকারে এবং ১৯৬৫ সালে সারা দেশে জাতীয় পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম শুরু করে।
- অর্থাৎ সরকারের আগেই পরিবার পরিকল্পনার কাজ শুরু করেছিল এফপিএবি।
- স্বাধীনতার পর প্রতিষ্ঠানের নাম হয় বাংলাদেশ পরিবার পরিকল্পনা সমিতি।
- বাংলাদেশে ১৯৭৬ সালে প্রথম জনসংখ্যা নীতি প্রণয়নে ভূমিকা রাখে বাংলাদেশ পরিবার পরিকল্পনা সমিতি।
- ১৯৯০-র দশকের গোড়ার দিকে মুক্তবাজার অর্থনীতিতে প্রবেশের পর সরকার পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচিতে প্রজনন স্বাস্থ্য রক্ষার উপাদানগুলি অন্তর্ভুক্তির একটি পূর্ণাঙ্গ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
১,৯২৬.
‘মোদের গরব’ ভাস্কর্যটি কোথায় স্থাপিত হয়?
  1. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে
  2. শাহবাগে
  3. গাজীপুরের চৌরাস্তায়
  4. বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গনে
সঠিক উত্তর:
বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গনে
ব্যাখ্যা
মোদের গরব:
- মোদের গরব বাংলা একাডেমি ভবনের সামনে অবস্থিত একটি ভাস্কর্য।
- ১৯৫২ সালে বাংলা ভাষা আন্দোলনের সময় বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসাবে প্রতিষ্ঠা করার দাবি জানানো হয়।
- এই আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে শহীদদের সম্মানে এই ভাস্কর্যটি তৈরী করা হয়।
- মোদের গরব ভাস্কর্যটির নকশা ও নির্মাণ করেছেন বাংলাদেশের খ্যাতিমান ভাস্কর শিল্পী অখিল পাল।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,৯২৭.
কোন অর্থ বছরে উপকূলীয় সবুজ বেষ্টনী প্রকল্প শুরু হয়?
  1. ১৯৯২-৯৩ অর্থ বছরে
  2. ১৯৯৪-৯৫ অর্থ বছরে
  3. ১৯৯৫-৯৬ অর্থ বছরে
  4. ১৯৯৭-৯৮ অর্থ বছরে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৫-৯৬ অর্থ বছরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৫-৯৬ অর্থ বছরে
ব্যাখ্যা
উপকূলীয় সবুজবেষ্টনী:
- একানববই’র ঘূর্ণিঝড়ের পরেই বাংলাদেশ সরকার উপকূলীয় সবুজবেষ্টনী তৈরীর প্রকল্প হাতে নেয়।
- প্রকল্পটি সূত্রবদ্ধকরণের কাজ চলে ১৯৯৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ১৯৯৪ সালের মার্চ পর্যন্ত এবং ১৯৯৫ সালের ২রা মার্চ এটি এশিয়া উন্নয়ন ব্যাংক কর্তৃক অনুমোদিত হয়।
- ১৯৯৫-৯৬ অর্থ বছরে উপকূলীয় সবুজ বেষ্টনী প্রকল্প শুরু হয়।
- ২০০২ সনের ৩১ শে ডিসেম্বর পর্যন্ত শেষ সময়সীমা নির্ধারণ করে ২৮ জুলাই থেকে প্রকল্পটি কার্যকর ঘোষণা করা হয়।

• এ প্রকল্পে মোট ১০টি বনবিভাগকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে:
(১) পটুয়াখালী বনবিভাগ (বরগুনা এবং পটুয়াখালী জেলা নিয়ে গঠিত),
(২) চট্টগ্রাম বনবিভাগ (চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার নিয়ে গঠিত),
(৩) ভোলা বনবিভাগ,
(৪) লক্ষীপুর বনবিভাগ,
(৫) নোয়াখালী বনবিভাগ,
(৬) ফেনী বনবিভাগ,
(৭) পিরোজপুর বনবিভাগ,
(৮) বাগেরহাট বনবিভাগ,
(৯) বরিশাল বনবিভাগ, এবং
(১০) ঝালকাঠি বনবিভাগ। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং বাংলাপিডিয়া। [লিঙ্ক]
১,৯২৮.
আহসান মঞ্জিলের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. নওয়াব আবদুল গনি
  2. খাজা আহসানুল্লাহ
  3. নবাব গাজীউদ্দিন
  4. নবাব আব্দুল লতিফ
সঠিক উত্তর:
নওয়াব আবদুল গনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নওয়াব আবদুল গনি
ব্যাখ্যা
আহসান মঞ্জিল:
- আহসান মঞ্জিলের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন ঢাকার নওয়াব খাজা আবদুল গনি।
- ১৮৩০ সালে তিনি ফরাসিদের নিকট থেকে পুরনো কুঠিবাড়িটি কিনে সেটিকে নিজ বাসভবনে রূপান্তর করেন।
- এরপর ইউরোপীয় স্থাপত্য প্রতিষ্ঠান মার্টিন অ্যান্ড কোম্পানিকে দিয়ে একটি মাস্টার প্ল্যান তৈরি করান, এর ভিত্তিতে নির্মিত হয় আহসান মঞ্জিল।

উল্লেখ্য, 
- এর নির্মাণকাজ শুরু হয় ১৮৫৯ সালে এবং শেষ হয় ১৮৭২ সালে।
- প্রাসাদটির নামকরণ করা হয় খাজা আবদুল গনির পুত্র খাজা আহসানুল্লাহ-র নামে।
- এই ভবনটি ছিল ঢাকার নবাব পরিবারের রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু। দীর্ঘ সময় ধরে এখান থেকেই পূর্ব বাংলার মুসলমানদের নেতৃত্ব দেওয়া হয়েছে।  

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১,৯২৯.
নিচের কোথায় বাংলাদেশের একমাত্র মেরিন একাডেমী?
  1. ক) ঢাকার সাভার
  2. খ) নারায়ণগঞ্জে
  3. গ) খুলনায়
  4. ঘ) চট্টগ্রামের জলদিয়ায়
সঠিক উত্তর:
ঘ) চট্টগ্রামের জলদিয়ায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) চট্টগ্রামের জলদিয়ায়
ব্যাখ্যা
বাণিজ্য জাহাজের জন্য দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে ১৯৬২ সালে চট্টগ্রামে প্রতিষ্ঠিত হয়। এ একাডেমী আন্তর্জাতিক বাণিজ্য জাহাজের ক্যাডেট, ডেক অফিসার এবং মেরিন ইঞ্জিনিয়ারদের প্রশিক্ষণ ও অনুশীলনের সুযোগ-সুবিধা দিয়ে থাকে। চট্টগ্রামের অদূরে, কর্ণফুলী এবং বঙ্গোপসাগরের মোহনায় গড়ে ওঠে এ মেরিন একাডেমী।
১,৯৩০.
ঐতিহাসিক পানাম নগর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ময়নামতি
  2. খ) মহাস্থানগড়
  3. গ) সোনারগাঁও
  4. ঘ) লালমাই
সঠিক উত্তর:
গ) সোনারগাঁও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সোনারগাঁও
ব্যাখ্যা
পানাম নগর:

- পানাম নগর সোনারগাঁয়ের একটি প্রাচীন এলাকা।
- বর্তমান নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলার অন্তর্গত এ এলাকা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে মোগরাপাড়া ক্রসিং থেকে প্রায় আড়াই কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত।
- তেরো শতকের শেষপাদে সোনারগাঁয়ে হিন্দু আমলের রাজধানী শহরটি এখানেই অবস্থিত ছিল বলে ধারণা করা হয়।
- পরবর্তী সময়ে পুরনো রাজধানী শহরের দক্ষিণে যে মুসলিম রাজধানী শহর গড়ে ওঠে, তারও অংশ ছিল এ পানাম এলাকা। সম্ভবত এখানে তখন মুসলিম শাসনকর্তাদের আবাসস্থল ছিল।
- মুগলদের সোনারগাঁও অধিকারের (১৬১১) পর মহাসড়ক ও সেতু নির্মাণ করে রাজধানী শহরের সঙ্গে পানাম এলাকার সরাসরি যোগাযোগ স্থাপিত হয়।
- পানামে এখনও মুগল আমলের তিনটি ইটনির্মিত সেতু রয়েছে। এগুলি হলো পানাম সেতু, দালালপুর পুল ও  পানামনগর সেতু।
- পানামনগর একটি একক বৈশিষ্ট্যমন্ডিত শহর। গড়ে ৫ মিটার প্রশস্ত ও ৬০০ মিটার দীর্ঘ একটিমাত্র সড়কের দুপাশ ঘিরে গড়ে উঠেছে শহরটি।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,৯৩১.
বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান কে?
  1. মুশফিকুর রহিম
  2. আমিনুল ইসলাম বুলবুল
  3. নাইমুর রহমান
  4. হাবিবুল বাশার
সঠিক উত্তর:
আমিনুল ইসলাম বুলবুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমিনুল ইসলাম বুলবুল
ব্যাখ্যা

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল:
- ২০০০ সালে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে।
- ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর।
- ২০০৫ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সালে বাংলাদেশ টেস্ট ম্যাচে প্রথম জয় পায়।
- প্রথম টেস্ট সিরিজ জয় লাভ করে ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট ম্যাচের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।
- দেশের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- বাংলাদেশের পক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি করেন মুশফিকুর রহিম।
- টেস্টে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক তামিম ইকবাল।
- টেস্টে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ব্যক্তিগত হাজার রান সংগ্রাহক হাবিবুল বাশার।

উৎস: ESPNcricinfo ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ওয়েবসাইট।

১,৯৩২.
বাংলাদেশের জাতীয় খেলা কোনটি?
  1. ক) ফুটবল
  2. খ) ক্রিকেট
  3. গ) গোল্লাছুট
  4. ঘ) হা ডু ডু
সঠিক উত্তর:
ঘ) হা ডু ডু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) হা ডু ডু
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় খেলা হলো হা ডু ডু । একে ১৯৭২ সালে কাবাডি নামকরণ করা হয় এবং জাতীয় খেলার মর্যাদা প্রদান করা হয়। বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারতের পাঞ্জাব, বিহার, মহারাষ্ট্র, তামিলনাডু, অন্ধ্রপ্রদেশ ও তেলেঙ্গানা রাজ্যে হা ডু ডু বা কাবাডি জাতীয় খেলা। (সূত্র: যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, বাংলাপিডিয়া)
১,৯৩৩.
সম্প্রতি, যুক্তরাজ্যে 'উইমেন ইন ডিপ্লোমেসি' পুরস্কারে ভূষিত হন কে? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. রুবিনা হামিদ
  2. আবিদা ইসলাম
  3. শারমিন চৌধুরী
  4. শাহীন আনাম
সঠিক উত্তর:
আবিদা ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবিদা ইসলাম
ব্যাখ্যা

উইমেন ইন ডিপ্লোমেসি পুরস্কার:
- যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার আবিদা ইসলাম 'উইমেন ইন ডিপ্লোমেসি' পুরস্কারে ভূষিত হন। 
- ২৯ জুলাই ২০২৫ তাকে লন্ডনে কর্মরত নারী কূটনীতিকদের পেশাদারিত্ব ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য এই সম্মাননা দেওয়া হয়। 
- লন্ডনে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের দূতাবাসে কর্মরত নারী কূটনীতিকদের বিশেষ ফোরাম 'উইমেন ইন ডিপ্লোমেসি সেক্রেটারিয়েট' এই পুরস্কার প্রদান করে। 
- বাংলাদেশের হাইকমিশনার আবিদা ইসলাম 'চ্যাম্পিয়ন ফর উইমেন রাইটস রাইটস অ্যান্ড জেন্ডার ইকুয়ালিটি' ক্যাটাগরিতে সম্মাননাটি পান।
- কূটনীতিতে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানো এবং নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার জন্য 'উইমেন ইন ডিপ্লোমেসি নেটওয়ার্ক গঠন করা হয়।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন।

১,৯৩৪.
মুজিবনগর স্মৃতি সৌধ কোন জায়গায় অবস্থিত?
  1. মেহেরপুর
  2. কুষ্টিয়া
  3. চুয়াডাঙ্গা
  4. ঢাকা
সঠিক উত্তর:
মেহেরপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেহেরপুর
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর স্মৃতি সৌধ:

- মেহেরপুর জেলায় অবস্থিত।
-
স্থপতি - তানভীর কবির।
- ১৯৭১ সালে মুজিবনগরে প্রবাসী সরকারের শপথগ্রহণের স্মৃতি রক্ষার্থে এটি নির্মিত হয়।
- ১৯৭৪ সালে এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয় এবং ১৯৮৭ সালের ১৭ এপ্রিল তা উদ্বোধন করা হয়।
- এই সৌধে ২৩টি ত্রিকোণাকৃতি স্তম্ভ রয়েছে যা পাকিস্তান আমলের ২৩ বছরকে নির্দেশ করে। সামগ্রিকভাবে এতে উদীয়মান সূর্যের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যূদয়কে বুঝানো হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,৯৩৫.
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে প্রকাশ পাওয়া ‘শেখ হাসিনা: অ্যা ট্রু লিজেন্ড' প্রামাণ্যচিত্রটি পরিচালনা করেছেন -
  1. ক) নাসির উদ্দীন ইউসুফ
  2. খ) রায়হান রাফি
  3. গ) দীপংকর দীপন
  4. ঘ) আয়শা এরিন
সঠিক উত্তর:
ঘ) আয়শা এরিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আয়শা এরিন
ব্যাখ্যা
‘শেখ হাসিনা: অ্যা ট্রু লিজেন্ড' 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে প্রকাশ পাওয়া ‘শেখ হাসিনা: অ্যা ট্রু লিজেন্ড' প্রামাণ্যচিত্রটি পরিচালনা করেছেন আয়শা এরিন।

প্রামাণ্য চলচ্চিত্রটিতে বিদেশি গণমাধ্যম যেভাবে শেখ হাসিনার জীবন পরিক্রমাকে দেখে, তা স্থান পেয়েছে। একজন শেখ হাসিনার নেতৃত্ব নিয়ে গবেষণা করে তাঁর রাজনীতিক হতে পারা এবং শাসক হতে পারার কী কী গুণাবলি-চরিত্র নিয়ে অদম্য সত্তা হতে পেরেছেন, তা জায়গা করে নিয়েছে। মূলত মাননীয় প্রধান্মন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রজন্মের কাছে কিংবা অনাগত প্রজন্মের জন্য তুলে ধরার জন্যই এই প্রয়াস।

তথ্যসূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, নভেম্বর ২০২২ ও দৈনিক ইত্তেফাক।
১,৯৩৬.
প্রাচ্যের ডান্ডি নামে খ্যাত কোনটি?
  1. চট্টগ্রাম
  2. খুলনা
  3. নারায়ণগঞ্জ
  4. টঙ্গী
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
ব্যাখ্যা

নারায়ণগঞ্জ

⇒ ১৭৬৬ সালে হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতা বিকন লাল পান্ডে (বেণুর ঠাকুর বা লক্ষীনারায়ণ ঠাকুর নামেও পরিচিত) ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির নিকট থেকে এ অঞ্চলের মালিকানা গ্রহণ করেন।

- তিনি প্রভু নারায়ণের সেবার ব্যয়ভার বহনের উদ্দেশ্যে একটি দলিল প্রণয়ন করেন।
- সেই দলিলের মাধ্যমে শীতলক্ষা নদীর তীরে অবস্থিত মার্কেটকে দেবোত্তর সম্পত্তি হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- এর ফলেই পরবর্তীকালে এ স্থানের নাম হয় নারায়ণগঞ্জ।
- সপ্তদশ ও অষ্টাদশ শতাব্দীর মধ্যভাগ পর্যন্ত প্রাচীন বাংলার মানচিত্রে নারায়ণগঞ্জ নামের কোনো নগরীর অস্তিত্ব পাওয়া যায় না।
- নারায়ণগঞ্জ নামকরণের পূর্বে সোনার গাঁ ছিল প্রাচীন বাংলার রাজধানী।
- মুসলিম আমলের সোনার গাঁ নামের উদ্ভব প্রাচীন সুবর্ণগ্রামকে কেন্দ্র করেই।
- বহু অঞ্চলে মুসলিম অধিকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে ঢাকা নগরের অভ্যুদয়ের পূর্ব পর্যন্ত দক্ষিণ-পূর্ববঙ্গের প্রশাসনিক কেন্দ্র ছিল সোনার গাঁ।

- ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি নারায়ণগঞ্জে আগমনের পর উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার পরিকল্পনা গ্রহণ করে।
- সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী নদীপথে নারায়ণগঞ্জের সঙ্গে সমুদ্রপথের চট্টগ্রাম বন্দর ও কলকাতার যোগাযোগ স্থাপিত হয়।
- বিভিন্ন নদীপথে নৌ-পরিবহন ব্যবস্থা চালু করা হয়।
- তখন কলকাতা ও আসাম থেকে যাত্রী ও মালামাল নিয়ে স্টিমার নারায়ণগঞ্জ নৌবন্দরে ভিড়ত।
- সে সময় রাজধানী ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য স্থানে ভ্রমণের একমাত্র প্রধান পথ ছিল নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দর।
- এ কারণেই নারায়ণগঞ্জকে বাংলা ভ্রমণের প্রবেশদ্বার বলা হতো।
- প্রাচ্যের ড্যান্ডিখ্যাত নারায়ণগঞ্জে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটেছিল ব্রিটিশ আমল থেকেই।
- হাজার বছরের ব্যবসার ঐতিহ্য ধরে রেখেছেন নারায়ণগঞ্জের ব্যবসায়ীরা।
- মসলিন কাপড় উৎপাদনের কারণে দুনিয়াজুড়ে নাম ছড়িয়ে পড়েছিল নারায়ণগঞ্জের।
- একসময় পাটের ব্যবসার আধিপত্য ছিল নারায়ণগঞ্জে।
- যে কারণে দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম পাটকল আদমজী জুট মিল গড়ে উঠেছিল নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং বণিক বার্তা।

১,৯৩৭.
রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের উৎপাদন ক্ষমতা কত?
  1. ৬০০ মেগাওয়াট
  2. ৬২০ মেগাওয়াট
  3. ৬৪০ মেগাওয়াট
  4. ৬৬০ মেগাওয়াট
সঠিক উত্তর:
৬৬০ মেগাওয়াট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৬০ মেগাওয়াট
ব্যাখ্যা
• রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে:
- রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা ১৩২০ মেগাওয়াট।
- রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার রামপালে অবস্থিত একটি কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি (প্রাঃ) লিমিটেড (বিআইএফপিসিএল)
- বাগেরহাটের রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু হয় -২৪ অক্টোবর, ২০২৩।
- শুরুতে দ্বিতীয় ইউনিটে ৬৬০ মেগাওয়াটের মধ্যে ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়।
- ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে ৬৬০ মেগাওয়াটের দুটি ইউনিট রয়েছে।

→ তথ্যসূত্র: বিদ্যুৎ বিভাগ ও প্রথম আলো।
১,৯৩৮.
বাংলাদেশ-ভারত ছিটমহল বিনিময় কার্যকর হয় - 
  1. ক) ২০১৩ সালে
  2. খ) ২০১৪ সালে
  3. গ) ২০১৫ সালে
  4. ঘ) ২০১৬ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ২০১৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০১৫ সালে
ব্যাখ্যা
• ছিটমহল:
- একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় অবস্থিত অন্য কোনো স্বাধীন রাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত এলাকাই ছিটমহল নামে পরিচিত।
-  ২০১৫ সালের পূর্বে ভারত বাংলাদেশ এর মধ্যাকার সর্বমোট ১৬২ টি ছিটমহল ছিল।
- ০১ আগষ্ট, ২০১৫ সালের রাত ১২:০১ মিনিটে ভারত বাংলাদেশ ঐতিহাসিক মুজিব-ইন্দিরা চুক্তির অংশ হিসাবে নিজেদের ছিটমহলগুলো পরস্পরের সাথে বিনিময় করে।
- ভারতের ১১১টি ছিটমহল ছিল বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আর বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল ছিল ভারতের অভ্যন্তরে।
- বাংলাদেশ-ভারত ছিটমহল বিনিময়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত হন ভারতের ১১১টি ছিটমহলের নাগরিক।
- অন্যদিকে ভারতের সঙ্গে যুক্ত হন বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহলের নাগরিক।
- দাশিয়ারছড়া ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার ১৬২টি বিলুপ্ত ছিটমহলের মধ্যে আয়তন ও লোকসংখ্যার দিক থেকে সবচেয়ে বড়।

উৎস: প্রথম আলো এবং  বিবিসি পত্রিকা রিপোর্ট।
১,৯৩৯.
ইউনেস্কো বাংলাদেশে মোট কতটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানকে স্বীকৃতি দিয়েছে?
  1. ৪টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

◊ ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানকে স্বীকৃতি দেয়া:
- ইউনেস্কো বাংলাদেশে মোট ৩টি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানকে স্বীকৃতি দিয়েছে:
- এর মধ্যে ২টি সাংস্কৃতিক ও ১টি প্রাকৃতিক ঐতিহ্য।
- এই তিনটি স্থান হলো: পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার (সাংস্কৃতিক),
- বাগেরহাটের মসজিদ শহর (সাংস্কৃতিক) এবং
- সুন্দরবন (প্রাকৃতিক)।

উল্লেখ্য,
⇔ সোমপুর মহাবিহার:
- সোমপুর মহাবিহার, বা পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার, ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের তালিকায় ৩২২তম হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।
- ১৯৮৫ সালে এটি এই মর্যাদা লাভ করে।
 দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম বৌদ্ধ বিহার হিসেবে স্বীকৃত এই স্থাপনাটি অষ্টম শতাব্দীতে পাল সম্রাট ধর্মপাল নির্মাণ করেছিলেন।
⇔ মসজিদের শহর বাগেরহাট:
-১৯৮৫ সালে মসজিদের শহর বাগেরহাট ইউনেস্কোর “ঐতিহাসিক মসজিদের শহর” হিসেবে স্বীকৃতি পায়।
- শহরটির স্বতন্ত্র স্থাপত্যশৈলী ও ঐতিহাসিক গুরুত্বের কারণেই এটি তালিকাভুক্ত হয়।
- একই বছরে ইউনেস্কো বাগেরহাটকে ৩২১তম বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে।
- এই শহরটি বিশেষভাবে বিখ্যাত প্রায় ৩৬০টিরও বেশি মসজিদ, পাশাপাশি বহু সরকারি স্থাপনা, সমাধি, সেতু, সড়ক ও জলাধারের জন্য - যার মধ্যে ষাটগম্বুজ মসজিদ সর্বাধিক পরিচিত।
⇔ সুন্দরবন:
- সুন্দরবন ৬ ডিসেম্বর ১৯৯৭ সালে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি পেয়ে তালিকায় ৭৯৮তম স্থান অর্জন করে। -বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন, সমৃদ্ধ ও বিরল জীববৈচিত্র্য, এবং রয়েল বেঙ্গল টাইগারের প্রধান আবাসস্থল হওয়ার কারণে সুন্দরবনকে এই মর্যাদা প্রদান করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন।

১,৯৪০.
“আজিজ-উল-হক রুরাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাওয়ার্ড-২০২২” পেয়েছে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) BARD
  2. খ) BANI
  3. গ) BRDB
  4. ঘ) BPUD
সঠিক উত্তর:
ক) BARD
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) BARD
ব্যাখ্যা
BARD: 
- বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমী (বার্ড) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীনে পল্লী উন্নয়ন বিষয়ে গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও প্রায়োগিক কর্মকান্ডে নিয়োজিত একটি স্বায়ত্তশাসিত জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৫৯ সালে কুমিল্লা জেলার কোর্টবাড়িতে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন আখতার হামিদ খান ৷
- পল্লী উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে অসামান্য অবদানের জন্য “আজিজ-উল-হক রুরাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাওয়ার্ড-২০২২” লাভ করেছে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড)।
- আন্তঃমহাদেশীয় আন্তর্জাতিক সংস্থা সিরডাপ ২০২১ সালে সংস্থাটির প্রথম প্রধান নির্বাহী জনাব আজিজ-উল-হকের সন্মানে “আজিজ-উল-হক রুরাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাওয়ার্ড” চালু করে।
- ২০২১ সালে উক্ত পদক লাভ করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

উৎস: বার্ড এর ওয়েবসাইট।
১,৯৪১.
আই.সি.ডি.ডি.আর.বি (iccdr,b) এর বর্তমান নির্বাহী পরিচালক কে?
  1. জন ডি ক্লেমেন্স
  2. রিচার্ড ফাউসি
  3. ড. তাহমিদ আহমেদ
  4. ড. আবু ইউসুফ ফকির
সঠিক উত্তর:
ড. তাহমিদ আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. তাহমিদ আহমেদ
ব্যাখ্যা
প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশ এর নির্বাহী পরিচালক পদে কোন বাংলাদেশি নিয়োগ পেলেন।
আইসিডিডিআরবির বোর্ড অব ট্রাস্টিজ ড. তাহমিদ আহমেদ সংস্থাটির নতুন নির্বাহী পরিচালক পদে নিয়োগ লাভ করেন।
বর্তমানে তিনি প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক পদে দায়িত্ব পালন করছেন।
২০২১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে তিনি নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
(সূত্রঃ প্রথম আলো আর্কাইভ)
১,৯৪২.
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ডাক টিকেটে কোন ছবি ছিল?
  1. জাতীয় স্মৃতি সৌধ
  2. লালবাগের কেল্লা
  3. সোনা মসজিদ
  4. শহীদ মিনার
সঠিক উত্তর:
শহীদ মিনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শহীদ মিনার
ব্যাখ্যা
• স্বাধীনতার প্রথম ডাকটিকিট:
- ২৯ জুলাই ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধকালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সাময়িক সরকার ৮টি ডাকটিকিটের একটি সেট আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ের জন্য প্রকাশ করেন।
- মুক্তিযুদ্ধ শেষে ১৬ই ডিসেম্বর ১৯৭১ এর পর প্রথম স্মারক ডাকটিকিট ২১ ফেব্রুয়ারী ১৯৭২, প্রকাশিত হয়।
- প্রকাশিত প্রথম ডাকটিকিটে ছিল ১৯৫২ সালের মহান ভাষা আন্দোলনের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের ছবি।
- তারপর বাংলাদেশ ডাকবিভাগ অবিরাম নির্দিষ্ট স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ করে চলছে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ঘটনা, উত্তরাধিকার ও সংস্কৃতির উপর।
- বাংলাদেশ ডাকবিভাগ ৭৩২ প্রকার ডাকটিকিট এবং ২৮টি সুভ্যেনির প্রকাশ করেছে।

সূত্র - ডাক অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট। (লিঙ্ক)
১,৯৪৩.
প্রথম স্বীকৃতিপ্রাপ্ত বাংলাদেশের জিআই পণ্য কোনটি?
  1. ইলিশ 
  2. মসলিন 
  3. জামদানি শাড়ি
  4. বাগদা চিংড়ি
সঠিক উত্তর:
জামদানি শাড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামদানি শাড়ি
ব্যাখ্যা

জিআই পণ্য:
- জিআই (GI) এর পূর্ণরূপ হলো (Geographical indication) ভৌগলিক নির্দেশক। 
- WIPO (world intellectual property organization) হলো জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রতিষ্ঠান।
- কোনো একটি দেশের নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের মাটি, পানি, আবহাওয়ার প্রেক্ষাপটে সেখানকার জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি যদি কোনো একটি পণ্য উৎপাদনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তাহলে সেটিকে সেই দেশের জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- অর্থাৎ সেই পণ্য শুধু ওই এলাকা ছাড়া অন্য কোথাও উৎপাদন করা সম্ভব নয়।
- দেশে ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (নিবন্ধন ও সুরক্ষা) আইন পাস হয় ২০১৩ সালে।

⇒ দেশের প্রথম স্বীকৃতিপ্রাপ্ত জিআই পণ্য জামদানি শাড়ি।
- ২০১৬ সালে দেশের প্রথম ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (জিআই) হিসেবে নিবন্ধন পায় জামদানি।

উৎস: i) পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

১,৯৪৪.
পবিত্র কুরআনের প্রথম বাংলা অনুবাদ কে করেন?
  1. গোলাম মোস্তফা
  2. ফররুখ আহমদ
  3. ভাই গিরীশচন্দ্র সেন
  4. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর:
ভাই গিরীশচন্দ্র সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাই গিরীশচন্দ্র সেন
ব্যাখ্যা
• বাংলা ভাষায় প্রথম কুরআন শরীফের সার্থক ও পূর্ণাঙ্গ অনুবাদ করেন — ভাই গিরীশচন্দ্র সেন।

• গিরিশচন্দ্র সেন:
- নরসিংদী জেলার পাঁচদোনা গ্রামে তাঁর জন্ম।
- তিনি ছিলেন ধর্মবেত্তা ও অনুবাদক।
- তিনি 'সুলভ সমাচার' ও 'বঙ্গবন্ধু' পত্রিকার সহযোগী সম্পাদক এবং 'মাসিক মহিলা' পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- কেশবচন্দ্র সেন ও বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামীর প্রভাবে ১৮৭১ সালে তিনি ব্রাহ্মধর্মে দীক্ষিত হন।
- কুরআনের বঙ্গানুবাদ বাংলা সাহিত্যে তাঁর সর্বশ্রেষ্ঠ কীর্তি।
- সকলের নিকট তিনি ‘ভাই গিরিশচন্দ্র’ নামে পরিচিত ছিলেন।

• তাঁর রচিত কিছু গ্রন্থ:

তাপসমালা:

- গিরিশচন্দ্রের বিখ্যাত গ্রন্থ তাপসমালা।
- এটি ৯৬ জন ওলি-আউলিয়ার জীবনচরিত, যা শেখ ফরীদুদ্দীন আত্তারের ফারসি ভাষায় রচিত তায্কেরাতুল আত্তলিয়ার ভাবাদর্শে রচিত।

তত্ত্বরত্নমালা:
- গিরিশচন্দ্রের উল্লেখযোগ্য আরেকটি গ্রন্থ হলো তত্ত্বরত্নমালা।
- এটি শেখ ফরীদুদ্দীন আত্তারের মানতেকুত্তায়েব ও মওলানা জালালউদ্দীন রূমীর মসনবী শরীফ নামক প্রখ্যাত ফারসি গ্রন্থদ্বয় থেকে সংকলিত।
- এতে নীতিকথা ও শিক্ষণীয় বিষয় ছোট ছোট গল্পের আকারে রসাত্মকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

 এছাড়াও,
তিনি হাদিস-পূর্ব বিভাগ শিরোনামে মিশ্কাত শরীফের প্রায় অর্ধাংশের অনুবাদ প্রকাশ করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১,৯৪৫.
”শুভলং ঝর্ণা” কোথায় অবস্থিত?
  1. রাঙ্গামাটি
  2. খাগড়াছড়ি
  3. বান্দরবান
  4. মৌলভীবাজার
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা
শুভলং ঝর্ণা
- রাঙ্গামাটি জেলার বরকল উপজেলায় শুভলং ঝর্ণা অবস্থিত।
- মূল ঝর্ণার জলধারা প্রায় ৩০০ ফুট উঁচু ।
- গরম পানির ঝর্ণা এবং শীতল পানির ঝর্ণা বান্দরবানে রয়েছে

এছাড়াও,
- হামহাম ঝর্ণা মৌলভীবাজারে অবস্থিত। 
- বান্দরবান জেলায় পরিচিত জলপ্রপাত শৈলপ্রপাত ঝর্ণা।
- খাগড়াছড়ি জেলায় তৈদুছড়া ঝর্ণা এবং রিসাং ঝর্ণা। 

উৎস: পরিবেশ অধিদপ্তর।
১,৯৪৬.
Which of the following is a Literature Award by the government of Bangladesh?
  1. ক) Ekushey Padak
  2. খ) Shilpakala Padak
  3. গ) Shishu Academy Award
  4. ঘ) Independence Day Award
  5. ঙ) None of these
সঠিক উত্তর:
ক) Ekushey Padak
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Ekushey Padak
ব্যাখ্যা
- একুশে পদক বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক। 
- ১৯৭৬ সাল থেকে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় একুশে পদক প্রদান করে আসছে।
- ভাষা আন্দোলন, শিল্পকলা, মুক্তিযুদ্ধ, সাংবাদিকতা, গবেষণা, শিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, অর্থনীতি, সমাজসেবা, রাজনীতি, ভাষা ও সাহিত্য এবং সরকার নির্ধারিত অন্য যেকোন ক্ষেত্রে জীবিত/মৃত কোন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা সংস্থাকে এই পদক প্রদান করা হয়।

তথ্যসূত্র:  সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
১,৯৪৭.
বাংলাদেশ ক্রিকেট দল আইসিসি ট্রফিতে চ্যাম্পিয়ন হয় কত সালে?
  1. ২০০৩ সালে
  2. ২০০০ সালে
  3. ১৯৯৭ সালে
  4. ১৯৯৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল:
- আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে জাতীয় ক্রিকেট দল হিসেবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল।
- তারা টাইগারস নামেও পরিচিত।
- বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (সংক্ষেপে বিসিবি) এই দল পরিচালনা করে।
- বাংলাদেশ আইসিসি’র টেস্ট এবং ওয়ানডে ক্রিকেট স্ট্যাটাসপ্রাপ্ত স্থায়ী সদস্য দেশগুলোর অন্তর্ভূক্ত।

⇒ ১৯৭৯ সালে বাংলাদেশ প্রথমবার সুযোগ পায় আইসিসি ট্রফি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের।
- ১৯৯৭ সালের ১৩ এপ্রিল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল মালয়েশিয়ায় নিজেদের প্রথম আইসিসি ট্রফিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল কেনিয়ার বিপক্ষে। 
- ১৯৯৭ আইসিসি ট্রফি জয়ের পরপরই বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে।
- এরপর ১৯৯৯ সালে প্রথম বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ ও ২০০০ সালে হয় টেস্ট স্ট্যাটাস প্রাপ্তি। 

উৎস: i) ESPNcricinfo.
ii) প্রথম আলো।
১,৯৪৮.
বাংলা একাডেমী প্রাঙ্গনে কত সাল থেকে অমর একুশে গ্রন্থমেলা আয়োজিত হয়ে আসছে?
  1. ক) ১৯৬১ সাল
  2. খ) ১৯৭২ সাল
  3. গ) ১৯৮৪ সাল
  4. ঘ) ১৯৮৯ সাল
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৮৪ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৮৪ সাল
ব্যাখ্যা
- ১৯৮৪ সাল থেকে বাংলা একাডেমীর উদ্যোগে প্রতিষ্ঠানটির প্রাঙ্গনে ‘অমর একুশে গ্রন্থমেলা’ আয়োজিত হয়ে আসছে।
- প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি মাস জুড়ে এই গ্রন্থমেলা আয়োজিত হয়। এটি দেশের বৃহত্তম বইমেলা।
- ২০১৪ সাল থেকে বাংলা একাডেমী প্রাঙ্গন ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান জুড়ে অমর একুশে গ্রন্থমেলা আয়োজিত হয়ে আসছে।
- বাংলাদেশ ভূখণ্ডে প্রথম ১৯৬৫ সালে কথা সাহিত্যিক সরদার জয়েনউদ্দীনের উদ্যোগে তৎকালীন পাবলিক লাইব্রেরির (বর্তমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি) নীচতলায় প্রথম বইমেলা আয়োজিত হয়।
(তথ্যসূত্র: প্রথম আলো)
১,৯৪৯.
চেতনা- ৭১ স্থাপত্যটির অবস্থান-
  1. কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ
  2. জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়-
  3. পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
  4. শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট
সঠিক উত্তর:
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট
ব্যাখ্যা
চেতনা '৭১' মুক্তিযুদ্ধের স্মরণে নির্মিত ভাস্কর্য যা শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত।

- এটি বৃহত্তর সিলেটের প্রথম মুক্তিযুদ্ধ ভাস্কর্য।
- ২০০৫-০৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা ২০০৯ সালের ২৬ মার্চ মিনি অডিটোরিয়ামের পশ্চিম পাশে চেতনা ’৭১ নামে একটি অস্থায়ী ভাস্কর্য নির্মাণ করেন।
- অস্থায়ী ভাস্কর্যটি স্থায়ী ভাস্কর্যে পুনঃস্থাপনের লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে গঠন করা হয় “ভাস্কর্য পুনঃস্থাপন কমিটি”।
- পরবর্তীতে স্থায়ী ভাস্কর্য নির্মাণের প্রক্রিয়া শুরু হয়, আর তারই প্রতিফলিত রূপ চেতনা '৭১'।
১,৯৫০.
কে বাংলা একাডেমী পুরস্কার ১৯৭২ ও স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫ প্রত্যাখ্যান করেন?
  1. আনোয়ার হোসেন
  2. বদরুদ্দীন উমর
  3. যতীন সরকার
  4. সিরাজুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
বদরুদ্দীন উমর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বদরুদ্দীন উমর
ব্যাখ্যা

বদরুদ্দীন উমর:
- বদরুদ্দীন উমর একজন লেখক, গবেষক ও রাজনীতিক। 
- তিনি বাংলা একাডেমী পুরস্কার ১৯৭২ ও স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫ প্রত্যাখ্যান করেন।

⇒ ২০২৫ সালে বদরুদ্দীন উমর স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫ প্রত্যাখ্যান করেন।
- ১৯৭৩ সাল থেকে তাকে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা থেকে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। 
- এর আগে ১৯৭২ সালে বদরুদ্দীন উমরকে বাংলা একাডেমি পুরস্কার দেওয়া হয়, তবে তিনি তা তাৎক্ষণিক প্রত্যাখ্যান করেন।
- ১৯৭৪ সালে তিনি ইতিহাস পরিষদের পুরস্কার পান এবং তা প্রত্যাখ্যান করেন।

উল্লেখ্য,
- বদরুদ্দীন উমর ১৯৩১ সালের ২০ ডিসেম্বর ব্রিটিশ ভারতের বর্ধমান শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
- তার পিতার নাম আবুল হাশিম ও মাতার নাম মাহমুদা আখতার মেহেরবানু বেগম।
- তার পিতা আবুল হাশিম একজন রাজনীতিবিদ ছিলেন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৫৩ সালে স্নাতক সম্মান ডিগ্রি অর্জন করেন। দর্শন বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন ১৯৫৫ সালে। ১৯৬১ সালে তিনি যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফিলোসফি, পলিটিক্স অ্যান্ড ইকোনমিক্স (পিপিই) ডিগ্রি লাভ করেন।

উৎস: প্রথম আলো।

১,৯৫১.
বাংলাদেশের প্রধান জাহাজ নির্মাণ কারখানা কোথায় অবস্থিত? 
  1. নারায়ণগঞ্জ
  2. কক্সবাজার
  3. চট্টগ্রাম
  4. খুলনা
সঠিক উত্তর:
খুলনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুলনা
ব্যাখ্যা
• জাহাজ নির্মাণ শিল্প:
- জাহাজ নির্মাণ শিল্প বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক শিল্পখাত। 
- বাংলাদেশের প্রধান জাহাজ নির্মাণ কারখানা — খুলনায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশের ২০০শ'র মতো জাহাজ নির্মাণ কোম্পানি রয়েছে যেগুলো ঢাকা, চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ, বরিশাল ও খুলনাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে।
- বর্তমানে দেশে নৌপথে ছোট-বড় ১২৫০০ অধিক সংখ্যক জলযান মালামাল ও যাত্রী পরিবহনে ব্যবহৃত হয়।
- এই সকল নৌযান তৈরিতে ২০টি আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ও ১০০টি স্থানীয় মানের শিপইয়ার্ড ও ডকইয়ার্ড রয়েছে। 
- আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন শিপইয়ার্ডগুলো বছরে গড়ে ১০০টি জাহাজ নির্মাণে সক্ষম।
- দেশে বর্তমানে সর্বোচ্চ ১০০০০ DWT ক্ষমতাসম্পন্ন জাহাজ নির্মাণ হচ্ছে। 
- বাংলাদেশে বঙ্গোপসাগরের একটি দীর্ঘ উপকূলীয় সীমারেখা ছাড়াও প্রায় ৭০০টি ছোট-বড় নদী রয়েছে। 
- দেশের তিন-চতুর্থাংশ মালামাল নৌপথে পরিবহন হয়।
- ২০০৮ সালে বাংলাদেশ জাহাজ রপ্তানি শুরু করে। 
- বিগত কয়েক বছরে দেশের শিপইয়ার্ডগুলো ইউরোপ, আফ্রিকা ও এশিয়ার কয়েকটি দেশে ৪০টি জাহাজ রপ্তানি করে ১৮০ মিলিয়ন ডলার আয়ের মাধ্যমে দেশের জাহাজ নির্মাণ শিল্পের ভাবমূর্তি উন্নয়নে অবদান রেখেছে। 

উৎস: বাংলাদেশের শিল্প মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১,৯৫২.
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর মেয়াদ কত বছর?
  1. ক) ১০ বছর
  2. খ) ১২ বছর
  3. গ) ১৩ বছর
  4. ঘ) ১৫ বছর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৫ বছর
ব্যাখ্যা
• বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট  - ১:
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট - ১ বাংলাদেশের প্রথম ভূস্থির যোগাযোগ ও সম্প্রচার উপগ্রহ।
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট - ১ উৎক্ষেপণের মাধ্যমে ৫৭তম দেশ হিসেবে স্যাটেলাইটের অভিজাত ক্লাবে যুক্ত হলো বাংলাদেশের নাম।
- মন্ত্রণালয়/বিভাগঃ ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় (ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ)।
- বাস্তবায়নকারী সংস্থাঃ বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন।
- আয়ুষ্কাল:- ১৫ বছর ধরা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন।
১,৯৫৩.
'Untranquil Recollections: The Years of Fulfilment' শীর্ষক গ্রন্থটির লেখক কে?
  1. আনিসুর রহমান
  2. রেহমান সােবহান
  3. নুরুল ইসলাম
  4. রওনক জাহান
সঠিক উত্তর:
রেহমান সােবহান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেহমান সােবহান
ব্যাখ্যা
রেহমান সােবহান:
- অধ্যাপক রেহমান সোবহান বাংলাদেশি অর্থনীতিবিদ।
- তিনি ৬০ এর দশকে বাঙ্গালি জাতীয়তাবাদ আন্দোলনের অন্যতম সক্রিয় কর্মী ছিলেন।
- তিনি সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান।
- তিনি ১৯৯১ সালে তত্ত্ববধায়ক সরকারের অন্যতম উপদেষ্টা ছিলেন।
- Untranquil Recollections: The Years of Fulfilment বইটি তাঁর রচিত।
- বইটি ২০১৫ সালে প্রকাশিত।
- - ১৯৬১ থেকে ১৯৭১ এই ১০ বছরে লেখা অধ্যাপক রেহমান সোবহানের নিবন্ধ, কলাম ও সম্পাদকীয় ইত্যাদি নিয়ে গ্রন্থিত বই “ফ্রম টু ইকোনমিস টু টু নেশনস: মাই জার্নি টু বাংলাদেশ”। 

উৎস: সিপিডি ওয়েবসাইট & কালের কন্ঠ পত্রিকা রিপোর্ট ।
১,৯৫৪.
‘রেইডার’ শব্দটি কোন খেলার সাথে সম্পৃক্ত?
  1. ব্যাডমিন্টন
  2. কাবাডি
  3. ফুটবল
  4. রাগবি
সঠিক উত্তর:
কাবাডি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাবাডি
ব্যাখ্যা
• কাবাডি:
- পাক ভারত উপমহাদেশে কাবাডি খেলা অতি প্রাচীন।
- বাংলাদেশের গ্রাম-গঞ্জে হাডুডু নামে এই খেলা অত্যন্ত জনপ্রিয়।
- আঞ্চলিক খেলা হওয়ার কারণে এই খেলার তেমন কোনো বিধিবদ্ধ নিয়মকানুন ছিল না।
- খেলাধুলার উন্নয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশে বিভিন্ন ফেডারেশন গঠিত হয়।
- কাবাডি খেলায় দম নিয়ে যে বিপক্ষ খেলোয়ার কোর্টে হানা দেয় তাকে রেইডার বলে।
- তারই প্রেক্ষিতে ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশন গঠিত হয়।

উৎস: শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান ও খেলাধুলা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
১,৯৫৫.
বাংলাদেশ জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন কতবার? [জুন, ২০২৫]
  1. ১ বার
  2. ৩ বার
  3. ২ বার
  4. ৫ বার
সঠিক উত্তর:
২ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বার
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ:
- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- সদর দপ্তর: যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত।
- দাপ্তরিক ভাষা: ৬টি।
- জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। (জুন, ২০২৫)
- তিনি পর্তুগালের নাগরিক।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৫১টি।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৩টি। (জুন, ২০২৫)
- জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ২ টি (ভ্যাটিকান ও ফিলিস্তিন)।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য দেশের সংখ্যা ১৫টি।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা ০৫টি।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা ১০টি।

বাংলাদেশ কর্তৃক পালনকৃত দায়িত্ব:
- বাংলাদেশ জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন ২ বার।

- প্রথম মেয়াদ (১৯৭৯-১৯৮০)।
- বাংলাদেশ দক্ষিণ আফ্রিকার উপর অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে।
- দ্বিতীয় মেয়াদ (২০০০-২০০১)।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
১,৯৫৬.
শিশু কিশোর বিকাশ ও সংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্র 'নন্দন কানন' এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. এস এম সুলতান
  2. অতীশ দিপঙ্কর
  3. শাহ আব্দুল করিম
  4. ফকির লালন শাহ
  5. কামরুল হাসান
সঠিক উত্তর:
এস এম সুলতান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এস এম সুলতান
ব্যাখ্যা
'নন্দন কানন' এর প্রতিষ্ঠাতা - এস এম সুলতান।

এস এম সুলতান: 
- এস এম সুলতান ১০ আগস্ট, ১৯২৩ সালে নড়াইলে জন্মগ্রহন করেন।
- 'শিশুস্বর্গ ও চারুপীঠ' এবং 'নন্দন কানন' এর প্রতিষ্ঠাতা তিনি।
- উল্লেখযোগ্য চিত্রশিল্প: হত্যাযজ্ঞ, চর দখল, ধান কাটা।
- তিনি ১৯৯৩ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার পান।
- তিনি ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক 'ম্যান অব দ্য ইয়ার' পদকে ভূষিত হন।
- এশিয়া উইক পত্রিকা তাকে 'ম্যান অব এশিয়া' খেতাব দেয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,৯৫৭.
জমিদারি প্রথা রদে প্রধান ভূমিকা পালন করেন কে?
  1. কাজী মোতাহার হোসেন
  2. শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  3. একে ফজলুল হক
  4. খাজা নাজিমুদ্দিন
সঠিক উত্তর:
একে ফজলুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একে ফজলুল হক
ব্যাখ্যা
একে ফজলুল হক:
 - জমিদারি প্রথা (১৯৫০) রদে প্রধান ভূমিকা পালন করেন শেরে বাংলা একে ফজলুল হক।
- শেরে বাংলা একে ফজলুল হক ১৮৭৩ সালে বরিশাল জেলার রাজাপুর থানার সাতুরিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯৩৫ সালে কলকাতার মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী (১৯৩৭-৪৩) ছিলেন শেরে বাংলা একে ফজলুল হক।
- পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী এবং পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় সপ্তম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
১,৯৫৮.
বাংলা একাডেমি কত বঙ্গাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৩৬১ বঙ্গাব্দে
  2. ১৩৬২ বঙ্গাব্দে
  3. ১৩৬৩ বঙ্গাব্দে
  4. ১৩৬৪ বঙ্গাব্দে
সঠিক উত্তর:
১৩৬২ বঙ্গাব্দে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৬২ বঙ্গাব্দে
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি:
- বাংলা একাডেমীর মুল ভবনের নাম ছিল বর্ধমান হাউস।
- বাংলা একাডেমী বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সর্ববৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ১৩৬২ বঙ্গাব্দের ১৭ অগ্রহায়ণ (৩ ডিসেম্বর, ১৯৫৫) ঢাকার বর্ধমান হাউসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলা একাডেমির বর্তমান মহাপরিচালকের নাম- জনাব মুহম্মদ নূরুল হুদা।
- বাংলা একাডেমির বর্তমান সভাপতি হিসেবে দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন সেলিনা হোসেন।
- আবু হোসেন সরকার ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক বর্ধমান হাউসে (স্থাপিত ১৯০৬) বাংলা একাডেমীর উদ্বোধন করেন।
- প্রথম মহাপরিচালক প্রফেসর মযহারুল ইসলাম।
- বাংলা একাডেমির প্রথম সভাপতি মাওলানা আঁকরাম খাঁ (১৯৬১ সাল)।
- বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার দেওয়া হয় ১৯৬০ সাল থেকে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
১,৯৫৯.
বাংলাদেশের হয়ে দুইবার এভারেস্ট জয় করেন কে?
  1. ক) মুসা ইব্রাহীম
  2. খ) এম এ মুহিত
  3. গ) নিশাত মজুমদার
  4. ঘ) লোকমান হোসেন
সঠিক উত্তর:
খ) এম এ মুহিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এম এ মুহিত
ব্যাখ্যা
এভারেস্ট বিজয়ে বাংলাদেশ: 
- প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন মুসা ইব্রাহীম (২৩মে, ২০১০ সালে)। ৬৭তম এভারেস্টজয়ী।
- বাংলাদেশের হয়ে দুই বার এভারেস্টের চূড়ায় আরোহন করেছেন- এম এ মুহিত।
- প্রথম বাংলাদেশী নারী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন- নিশাত মজুমদার (১৯ মে, ২০১২)।

উৎস: Live MCQ লেকচার।
১,৯৬০.
ন্যাশনাল কার্ড স্কিম 'টাকা পে' উদ্বোধন করা হয় -
  1. ৬ নভেম্বর, ২০২৩
  2. ৩ নভেম্বর, ২০২৩
  3. ৫ নভেম্বর, ২০২৩
  4. ১ নভেম্বর, ২০২৩
সঠিক উত্তর:
১ নভেম্বর, ২০২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ নভেম্বর, ২০২৩
ব্যাখ্যা
পে কার্ড:
- ১ নভেম্বর, ২০২৩ তারিখে এই ডেবিট কার্ডের উদ্বোধন হয়।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে চালু হয়েছে ‘টাকা পে’ কার্ড।
- এটি ভিসা, মাস্টারকার্ড ও অ্যামেক্সের মতো আন্তর্জাতিক কার্ড সেবার একটি স্থানীয় বিকল্প।
- প্রাথমিকভাবে রাষ্ট্রমালিকানাধীন সোনালী ব্যাংক, বেসরকারি খাতের দি সিটি ব্যাংক ও ব্র্যাক ব্যাংক টাকা পে কার্ড সেবা চালু করেছে।
- টাকা পে কার্ডের লেনদেন নিষ্পত্তি হবে শুধু বাংলাদেশ ব্যাংকের অধীন ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ অব বাংলাদেশ (এনপিএসবি)–এর মাধ্যমে। 
- ভবিষ্যতে টাকা পে কার্ড ভারতেও ব্যবহার করা যাবে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা।
- শুরু থেকেই দেশের সব এটিএম, পয়েন্টস অব সেলস ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে এই কার্ড ব্যবহার করা যাবে।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
১,৯৬১.
পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে কত টাকার স্মারক নোট মুদ্রণ করা হয়?
  1. ক) ১০০ টাকা
  2. খ) ৫০ টাকা
  3. গ) ৭৫ টাকা
  4. ঘ) ৪০ টাকা
সঠিক উত্তর:
ক) ১০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১০০ টাকা
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন সময়ের কিছু স্মারক নোট: 
- মেট্রোরেলের উদ্বোধন উপলক্ষে ৫০ টাকা মূল্যমানের একটি স্মারক নোট মুদ্রণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে ১০০ টাকা মূল্যমানের স্মারক নোট মুদ্রণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- ২০১২ সালে ভাষা আন্দোলনের ৬০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে ৬০ টাকা মূল্যমানের স্মারক নোট মুদ্রণ করে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- ১৯৯৬ সালে স্বাধীনতার রজত জয়ন্তী উপলক্ষ্যে ১০ টাকা মূল্যমানের স্মারক নোট মুদ্রণ করে।
- ২০১১ সালে বিজয়ের ৪০ বছর উপলক্ষ্যে ৪০ টাকা মূল্যমানের স্মারক নোট মুদ্রণ করে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- ২০১৩ সালে দ্য সিকিউরিটি প্রিন্টিং কর্পোরেশন লিমিটেড এর রজত জয়ন্তী উপলক্ষ্যে ২৫ টাকা মূল্যমানের স্মারক নোট মুদ্রণ করে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- ২০১৩ সালে জাতীয় জাদুঘরের ১০০ বছর পূর্তিতে ১০০ টাকা মূল্যমানের স্মারক নোট মুদ্রণ করে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- ২০১৮ সালে উন্নয়নশীল দেশে পদার্পণের মুহূর্তকে স্মরণীয় রাখতে ৭০ টাকা মূল্যমানের স্মারক নোট মুদ্রণ করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন, প্রথম আলো, the daily star, news24.
১,৯৬২.
বাংলাদেশ জাতিসংঘের কততম অধিবেশনে সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ২৭তম অধিবেশন
  2. ২৯তম অধিবেশন
  3. ৩০তম অধিবেশন
  4. ৩১তম অধিবেশন
সঠিক উত্তর:
২৯তম অধিবেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯তম অধিবেশন
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন:
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ২৯ তম অধিবেশনে ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬ তম সদস্য।
- বাংলাদেশ ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করে।
- বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

সূত্র - জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।
১,৯৬৩.
কোন সালে কেনিয়াকে হারিয়ে বাংলাদেশ প্রথম আর্ন্তজাতিক ক্রিকেট ম্যাচ জিতে?
  1. ক) ১৯৯৭
  2. খ) ১৯৯৮
  3. গ) ১৯৯৯
  4. ঘ) ২০০০
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৯৮
ব্যাখ্যা
১৯৯৭ সাল পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের ক্রিকেট:

১৯৯৭ সালে মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত হয় ৬ষ্ঠ আই সি সি ট্রফি। পুরো প্রতিযোগিতা কৃত্রিম টার্ফ বসানো পীচে অনুষ্ঠিত হয়।
- এই প্রতিযোগিতার সেমিফাইনালে তৎকালীন অধিনায়ক আকরাম খানের অসামান্য ব্যাটিং দৃঢ়তায় হল্যান্ডকে হারিয়ে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ ক্রিকেটে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে ( সেরা ৩টি দল এই সুযোগ পায় )।
- বৃষ্টি বিঘ্নিত ফাইনালে কেনিয়াকে ১ উইকেটে পরাজিত করে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হয়।
- একই বছরে (১৯৯৭ সালে) বাংলাদেশকে আই সি সি ওয়ানডে স্ট্যাটাস প্রদান করে।

- ১৯৯৮ সালে ভারতে অনুষ্ঠিত একটি ত্রিদেশীয় প্রতিযোগিতায় কেনিয়াকে হারিয়ে বাংলাদেশ একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাদের প্রথম জয় লাভ করে।
- ঐ বছরের অক্টোবর মাসে সব টেস্ট খেলুড়ে দেশকে নিয়ে বাংলাদেশে আয়োজিত হয় নকআউট ধাঁচের মিনি বিশ্বকাপ।

- ১৯৯৯ সালে ইংল্যান্ডে আয়োজিত হয় ৭ম বিশ্বকাপ ক্রিকেট।
- এতে বাংলাদেশে ২৪ মে স্কটল্যান্ডকে ২২ রানে এবং ৩১ মে ৩১ মে নর্দাম্পটনে পাকিস্তানকে ৬২ রানে পরাজিত করে।

- ১৯৯৯-২০০০ মৌসুমে এদেশে প্রথম শ্রেণীর জাতীয় ক্রিকেট লীগ শুরু হয়, যাতে অংশ নেয় সকল বিভাগীয় দল।
- ২৬ জুন, ২০০০-এ বাংলাদেশ টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে।
- সেই বছরের ১০ থেকে ১৪ নভেম্বর ঢাকার বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ তাদের অভিষেক টেস্ট ম্যাচ খেলে ভারতের বিপক্ষে।

উৎস: প্রথম আলো আর্কাইভ ও শিক্ষক বাতায়ন।
১,৯৬৪.
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে সভাপতিত্ব করেন কোন বাংলাদেশী?
  1. ক) এস এ করিম
  2. খ) ইসমাত জাহান
  3. গ) আনোয়ারুল করিম চৌধুরী
  4. ঘ) হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
গ) আনোয়ারুল করিম চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আনোয়ারুল করিম চৌধুরী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ১৯৭৯-৮০ এবং ২০০০-২০০১ মেয়াদে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয়। এর মধ্যে ২০০০ সালের মার্চ মাসে নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করে। তখন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আনোয়ারুল করিম চৌধুরী নিরাপত্তা পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে। হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী ১৯৮৬ সালে ৪১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন। (সূত্রঃ জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
১,৯৬৫.
জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (NAEM) কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৫৯ সাল
  2. ১৯৬০ সাল
  3. ১৯৫৭ সাল
  4. ১৯৭২ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৫৯ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৯ সাল
ব্যাখ্যা

জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (NAEM):
- নায়েম বাংলাদেশের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা ক্ষেত্রে একটি উৎকৃষ্ট কেন্দ্র এবং এটি শিক্ষার উৎকর্ষ সাধনে কাজ করে যাচ্ছে।
- NAEM- এর পূর্ণরুপ: National Academy for Educational Management.
- শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৫৯ খ্রিষ্টাব্দে এডুকেশন এক্সটেনশন সেন্টার (EEC) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- একটি বিবর্তন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ১৯৯২ খ্রিষ্টাব্দে এটিকে জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম)-এ রূপান্তর করা হয়।
- নায়েমের চূড়ান্ত লক্ষ্য হচ্ছে শিক্ষা ক্ষেত্রে জাতীয় ও বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য শিক্ষক এবং শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তাগণকে জ্ঞান, পেশাগত দক্ষতা, ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ও নেতৃত্বের গুণাবলি দ্বারা সমৃদ্ধ করা।

উৎস: NAEM ওয়েবসাইট।

১,৯৬৬.
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৫২ সালের ২৪শে ফেব্রুয়ারি
  2. ১৯৫২ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি
  3. ১৯৫৭ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি
  4. ১৯৬৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি
সঠিক উত্তর:
১৯৬৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার
- কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ঢাকার কেন্দ্রস্থলে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ প্রাঙ্গণে অবস্থিত।
- ১৯৫৭ সালের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের কাজ শুরু হয়।
- এর নির্মাণ কাজ শেষ হয় ১৯৬৩ সালে।
- বাংলাদেশের বিখ্যাত চিত্রশিল্পী হামিদুর রহমান মহান ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত শহীদ মিনারের স্থপতি।
- ১৯৬৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহীদ আবুল বরকতের মাতা হাসিনা বেগম কর্তৃক নতুন শহীদ মিনারের উদ্বোধন করা হয়।

উল্লেখ্য,
- প্রথম শহীদ মিনার ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্ররা ১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি বিকেলে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ শুরু করে রাত্রির মধ্যে তা সম্পন্ন করে।
- ২৪ ফেব্রুয়ারি  শহীদ শফিউরের পিতা অনানুষ্ঠানিকভাবে শহীদ মিনারের উদ্বোধন করেন।
- ২৬ ফেব্রুয়ারি পুলিশ ও সেনাবাহিনী প্রথম শহীদ মিনারটি ভেঙ্গে ফেলে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৯৬৭.
ভাষা আন্দোলনে অবদান রাখায় একুশে পদক ২০২৪ পেয়েছেন কে?
  1. কাওসার চৌধুরী
  2. হাতেম আলী মিয়া
  3. রফিক আহামদ
  4. মুহাম্মদ সামাদ
সঠিক উত্তর:
হাতেম আলী মিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাতেম আলী মিয়া
ব্যাখ্যা
একুশে পদক-২০২৪:
- বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের ২১ জন বিশিষ্ট নাগরিককে একুশে পদক-২০২৪ প্রদান করা হয়।
পদকপ্রাপ্তরা হলেন-
• ভাষা আন্দোলনে মৌ. আশরাফুদ্দীন আহমদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধা হাতেম আলী মিয়া (মরণোত্তর)।
• সঙ্গীতে জালাল উদ্দীন খাঁ (মরণোত্তর), বীর মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণী ঘোষ, বিদিত লাল দাস (মরণোত্তর), এন্ড্রু কিশোর (মরণোত্তর) ও শুভ্র দেব।
• অভিনয়ে ডলি জহুর ও এমএ আলমগীর।
• আবৃতিতে খান মো. মুস্তাফা ওয়ালীদ (শিমুল মুস্তাফা) ও রূপা চক্রবর্তী।
• নৃত্যকলায় শিবলী মোহাম্মদ।
• চিত্রকলায় শাহজাহান আহমেদ বিকাশ।
• মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ ও আর্কাইভিংয়ে কাওসার চৌধুরী।
সমাজসেবায় মো. জিয়াউল হক ও আলহাজ রফিক আহামদ।
• ভাষা ও সাহিত্যে- মুহাম্মদ সামাদ, লুৎফর রহমান রিটন, মিনার মনসুর ও রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ (মরণোত্তর)।
• শিক্ষায় প্রফেসর ড. জিনবোধি ভিক্ষু একুশে পদক পেয়েছেন।

তথ্যসূত্র - সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১,৯৬৮.
কোন প্রতিষ্ঠান গবেষণার জন্য একুশে পদক ২০২০ অর্জন করে?
  1. বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইন্সটিটিউট
  2. বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইন্সটিটিউট
  3. বাংলাদেশ চা গবেষণা ইন্সটিটিউট
  4. বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউট
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইন্সটিটিউট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইন্সটিটিউট
ব্যাখ্যা
একুশে পদক বাংলাদেশের একটি জাতীয় এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার।
বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দেশের ২০ জন বিশিষ্ট নাগরিক ও একটি প্রতিষ্ঠানকে ২০২০ সালের একুশে পদক প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।
গবেষণায় বিশেষ অব্দানের জন্য একুশে পদক পায় বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনিস্টিটিউট।
[ সূত্রঃ সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়]
১,৯৬৯.
কোন সালে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়?
  1. ক) ১৯৫২ সালে
  2. খ) ১৯৫৪ সালে
  3. গ) ১৯৫৬ সালে
  4. ঘ) ১৯৫৮ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৫৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৫৬ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৫৪ সালে প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট জয়লাভ করলে ৭ মে অনুষ্ঠিত গণপরিষদের অধিবেশনে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। বাংলাকে পাকিস্তানের দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষা হিসাবে স্বীকৃতি দিয়ে সংবিধানে পরিবর্তন আনা হয় ১৯৫৬ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি।
১,৯৭০.
বাংলাদেশ সরকারের কোন মডেলটিকে জাতিসংঘ স্বীকৃতি দিয়েছে?
  1. সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা
  2. স্মার্ট সাইবার সিকিউরিটি
  3. কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্যসেবা
  4. সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি
সঠিক উত্তর:
কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্যসেবা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্যসেবা
ব্যাখ্যা
কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্যসেবা: 
- বাংলাদেশের সব মানুষকে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার আওতায় আনার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৮ সালে বাংলাদেশে এই অনন্য কমিউনিটি ক্লিনিকভিত্তিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা চালু করেছিলেন। 
- এটি সারাদেশের তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের দোরগোড়ায় সরকারের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার সুফল সরবরাহে বিপ্লব ঘটিয়েছে।  
- এ পর্যন্ত সারা দেশে পাবলিক-প্রাইভেট অংশীদারিত্বে ১৪ হাজারেরও বেশি কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা করেছে। 
- এসব ক্লিনিকে ৩২ ধরনের ওষুধ বিনামূল্যে দেয়া হয়।
- প্রতি ৬০০০ মানুষের জন্য ১টি কমিউনিটি ক্লিনিক। 

উল্লেখ্য,
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অসামান্য উদ্ভাবন ‘কমিউনিটি ক্লিনিক’-কে জাতিসংঘ ‘দ্য শেখ হাসিনা ইনিশিয়েটিভ’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
- এতে প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবায় বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক মহলে এক অনুকরণীয় রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
- ২০৩০ সালের মধ্যে সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা অর্জনের বৈশ্বিক প্রচেষ্টায় এক অবিস্মরণীয় মাইলফলক। 

উৎস: মে ১৭, ২০২৩, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।
১,৯৭১.
বিশ্বের সবচেয়ে বড় শরণার্থী শিবির বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত? [ডিসেম্বর, ২০২৪]
  1. কক্সবাজার
  2. বান্দরবান
  3. চট্টগ্রাম
  4. নোয়াখালী
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
কুতুপালং শরণার্থী শিবির:
- বিশ্বের সবচেয়ে বড় শরণার্থী শিবির হলো কুতুপালং শরণার্থী শিবির।
- এটি বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের মুসলিম জনগোষ্ঠি।
- রাখাইনে দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতনের শিকার হয়ে আসছিলেন তারা।
- ২০১৭ সালের আগস্টে সেনা বাহিনী নারকীয় হত্যাযজ্ঞ, অগ্নিসংযোগ শুরু করলে লাখ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে।
- কক্সবাজারের কুতুপালং শিবিরে বর্তমানে প্রায় ৯ লাখ শরণার্থী অবস্থান করছে।

উৎস: i) Reuters.
ii) USA for UNHCR.
১,৯৭২.
'অপরাজেয় বাংলা' ভাস্কর্যটির নাম দিয়েছিলেন কে?
  1. সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ
  2. শামীম শিকদার
  3. সালেহ চৌধুরী
  4. মোস্তফা মনোয়ার
সঠিক উত্তর:
সালেহ চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালেহ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
অপরাজেয় বাংলা:
- অপরাজেয় বাংলা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মরণে নিবেদিত একটি ভাস্কর্য যা তিনজন মুক্তিযোদ্ধাকে চিত্রায়ণ করেছে।
- এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে অবস্থিত।
- অপরাজেয় বাংলা নির্মাণ করেন মুক্তিযোদ্ধা ভাস্কর সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ।
- এর নাম দিয়েছিলেন মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিক সালেহ চৌধুরী।
- ১৯৭৩ সালে ভাস্কর্যটি তৈরি করা শুরু হয়।
- ১৯৭৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে অপরাজেয় বাংলা উদ্বোধন করা হয়।
- ৬ ফুট বেদির উপর নির্মিত এর উচ্চতা ১২ ফুট, প্রস্থ ৮ ফুট ও ব্যাস ৬ ফুট।
- এই ভাস্কর্যটিতে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের অংশগ্রহণের দৃশ্য তুলে ধরা হয়েছে।
- বেদিতে দাঁড়ানো তিন মুক্তিযোদ্ধার প্রতিচ্ছবি যেন অন্যায় ও বৈষম্য দূর করে দেশে সাম্য প্রতিষ্ঠার গান গাইছে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক যুগান্তর, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯।
১,৯৭৩.
‘ওয়ার্ল্ড রোবট অলিম্পিয়াড ২০২৪’ এ বাংলাদেশ কয়টি পদক অর্জন করেছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।] 
-----------------------
ওয়ার্ল্ড রোবট অলিম্পিয়াড ২০২৪
- ২৮ নভেম্বর ২০২৪ তুরস্কের ইজমিরে শুরু হয় ওয়ার্ল্ড রোবট অলিম্পিয়াডের ২১তম আসর
- তুরস্কে আয়োজিত বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ রোবটিকস প্রতিযোগিতা ‘ওয়ার্ল্ড রোবট অলিম্পিয়াড ২০২৪’-এ অংশ নিয়ে বাংলাদেশের দুটি দল দুইটি ব্রোঞ্জ পদক অর্জন করেছে।
- বাংলাদেশের চারটি দল ও ১২ জন প্রতিযোগী তিনটি বিভাগে (ফিউচার ইঞ্জিনিয়ার্স, ফিউচার ইনোভেটরস, রোবো স্পোর্টস) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে।

পদকজয়ী দল:
১. সাইবার স্কোয়াড: বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ পাবলিক কলেজের শিক্ষার্থী আফিয়া হুমায়রার নেতৃত্বে।
২. চেইঞ্জ মেকার্স ২০২৪: শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাদিয়া আনজুম পুষ্পর নেতৃত্বে।

বাংলাদেশের অংশগ্রহণকারী দল:
- মায়ের দোয়া_রোবটিকস।
- সাইবার স্কোয়াড।
- চেইঞ্জ মেকার্স ২০২৪।
- টিম সাইবারওয়েভ।

উল্লেখ্য, 
বাংলাদেশ ২০২০ সালে এই অলিম্পিয়াডের সদস্য হয়।
২০২১ সালে প্রথমবারের মতো অংশ নিয়ে অনলাইনে দশম স্থান অর্জন করে।
২০২২ সালে সশরীরে অংশ নিয়ে ব্রোঞ্জ পদকসহ অষ্টম স্থান অর্জন করে।
২০২৩ সালে পঞ্চম স্থান অর্জন করে।
২০২৪ সালে দুটি ব্রোঞ্জ পদক অর্জন বাংলাদেশের জন্য নতুন মাইলফলক।

এছাড়াও, 
- ২০২৪ সালে জানুয়ারি মাসে বাংলাদেশ দল ২৫তম আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াডে ৩টি স্বর্ণপদকসহ মোট ১৫টি পদক অর্জন করেছে।
- স্বর্ণপদক ছাড়া বাকিগুলোর মধ্যে রয়েছে ৬টি রৌপ্যপদক, ৪টি ব্রোঞ্জপদক ও ২টি টেকনিক্যাল পদক। 

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড রোবট অলিম্পিয়াড ওয়েবসাইট এবং প্রথমা আলো নিউজ।  [লিঙ্ক]
১,৯৭৪.
বাকল্যান্ড বাঁধ কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. ক) বুড়িগঙ্গা
  2. খ) হোয়াংহো
  3. গ) সিন্ধু
  4. ঘ) শীতলক্ষ্যা
সঠিক উত্তর:
ক) বুড়িগঙ্গা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বুড়িগঙ্গা
ব্যাখ্যা
বাকল্যান্ড বাঁধ:

- বাকল্যান্ড বাঁধ ঢাকা শহরের দক্ষিণ দিক দিয়ে প্রবহমান বুড়িগঙ্গা নদীর উত্তর তীরে একটি শহর পরিবেষ্টনী বাঁধ।
- ১৮৬৪ সনে তৎকালীন নগর কমিশনার সি.টি বাকল্যান্ড এই বাঁধ নির্মাণের প্রকল্প গ্রহণ করেন।
- নদীর ঘাট পর্যন্ত কার্গো ও যাত্রীবাহী স্টিমার চলাচল সুগম করার জন্য পাড়ের নিম্নভাগে পলি প্রতিরোধ করা এবং প্লাবন ও ভাঙন থেকে ঢাকা শহর রক্ষা প্রকল্পের অধীনে এই বাঁধ নির্মিত হয়।
- এ প্রকল্পের জন্য প্রথম চাঁদাদাতাদের মধ্যে ছিলেন খাজা আব্দুল গণি এবং ভাওয়াল জমিদার কালীনারায়ণ রায়।
- ঢাকার প্রায় সকল সম্পদশালী লোকের কাছ থেকে চাঁদা সংগ্রহে উল্লেখযোগ্য সাফল্য সত্ত্বেও এই বিশাল প্রকল্পের জন্য তা ছিল অপ্রতুল। বাকল্যান্ড তখন সরকারি সহযোগিতার জন্য ধর্না দেন।
- এই বাঁধ প্রায় দেড় কিলোমিটার দীর্ঘ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,৯৭৫.
নিচের কোনটি বাংলা ভাষার প্রথম সাময়িকপত্র?
  1. বেঙ্গল গেজেট
  2. দিগদর্শন
  3. সমাচার দর্পণ
  4. বঙ্গদর্শন
সঠিক উত্তর:
দিগদর্শন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিগদর্শন
ব্যাখ্যা
দিগদর্শন
- দিগদর্শন বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম সাময়িক পত্রিকা।
- শ্রীরামপুরের ব্যাপ্টিস্ট মিশন কর্তৃক প্রকাশিত এবং বিখ্যাত খ্রিস্টান ধর্মপ্রচারক জোশুয়া মার্শম্যান এর পুত্র জন ক্লার্ক মার্শম্যান কর্তৃক সম্পাদিত এটি ছিল মাসিক পত্রিকা।
- দিগ্দর্শনের প্রথম সংখ্যাটি ১৮১৮ সালের এপ্রিল মাসে প্রকাশিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,৯৭৬.
নিচের কোন সংস্থাটি ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছে?
  1. ক) UNDP
  2. খ) UNESCO
  3. গ) UNICEF
  4. ঘ) UNCTAD
সঠিক উত্তর:
খ) UNESCO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) UNESCO
ব্যাখ্যা
২১ ফেব্রুয়ারির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:
- প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়।
- ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কোর ৩০তম অধিবেশনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব পাস হয়।
- ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে পৃথিবীর ১৮৮টি দেশে এই দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন শুরু হয়।

- ২০০৭ সালের ১৬ মে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে একটি প্রস্তাব উত্থাপন হয় যেখানে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের আহবান জানানো হয় এবং একই প্রস্তাবে ২০০৮ সালকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা বর্ষ ঘোষণা করা হয়।
- পরবর্তীতে ২০১০ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬৫তম অধিবেশনে ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব পাস হয়।

তথ্যসূত্র: ইউনেস্কো ও জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
১,৯৭৭.
'তিনকন্যা' চিত্রকর্মের চিত্রকর কে?
  1. হাসেম খান
  2. জয়নুল আবেদিন
  3. এসএম সুলতান
  4. কামরুল হাসান
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা
শিল্পী কামরুল হাসান:
 
- তাঁর প্রকৃত নাম আবু শরাফ মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
- ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর পিতার কর্মস্থল কলকাতায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার নারেঙ্গা গ্রামে।
- কামরুল হাসানের শিক্ষাজীবন কাটে কলকাতায়।
- তিনি কলকাতার মডেল এম ই স্কুল (১৯৩০-৩৫) এবং কলকাতা মাদ্রাসায় (১৯৩৬-৩৭) প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন।
- ১৯৩৮ সালে তিনি কলকাতার গভর্নমেন্ট স্কুল অব আর্টস-এ ভর্তি হন এবং ১৯৪৭ সালে চিত্রকলায় স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।
- ‘তিনকন্যা’ ও ‘নাইওর’ তাঁর বিখ্যাত চিত্রকর্ম।
- ১৯৮৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারি তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
 
তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,৯৭৮.
‘গম্ভীরা’ বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের মানুষের ঐতিহ্যবাহী লোকসঙ্গীত?
  1. সিলেট
  2. রংপুর
  3. চট্টগ্রাম
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
ব্যাখ্যা
গম্ভীরা গান:
- গম্ভীরা গান  এক প্রকার জনপ্রিয়  লোকসঙ্গীত।
- সাধারণত বৃহত্তর  রাজশাহী অঞ্চলে এ গান প্রচলিত।
- ‘গম্ভীরা’ হচ্ছে এক প্রকার উৎসব।
- ধারণা করা হয় যে, গম্ভীরা উৎসবের প্রচলন হয়েছে শিবপূজাকে কেন্দ্র করে।
- শিবের এক নাম ‘গম্ভীর’, তাই শিবের উৎসব গম্ভীরা উৎসব এবং শিবের বন্দনাগীতিই হলো গম্ভীরা গান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,৯৭৯.
কে হিন্দু বিধবা বিবাহ প্রচলন করেন?
  1. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  2. রাজা রামমোহন রায়
  3. অতিশ দীপঙ্কর
  4. প্রফুল্ল চন্দ্র রায়
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ব্যাখ্যা
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সংস্কৃত পন্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী।
- তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। 
- কোলকাতায় সংস্কৃতি কলেজে অধ্যয়নকালে তার অগাধ পান্ডিত্য ও মেধার স্বীকৃতি স্বরুপ শিক্ষক মন্ডলী তাঁকে বিদ্যাসাগর উপাধিতে ভূষিত করেন। 
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাগরের অমরকীর্তি হিন্দু বিধবা বিবাহ প্রচলন।
- ১৮২৯ সালে প্রণীত সতীদাহ প্রথা উচ্ছেদ আইনের ফলে হিন্দু বিধবারা সহমরণ থেকে মুক্তি পেলেও বিধবা বিবাহের রীতি না থাকায় বিধবারা মানবেতর জীবনযাপনে বাধ্য হয়।
- ১৮৫৫ সালের ৪ঠা অক্টোবর তিনি হিন্দু সমাজের বিভিন্ন স্তরের ৯৮৭ জনের স্বাক্ষরিত একখানা স্মারকলিপি ভারত সরকারের নিকট পেশ করেন। 
- লর্ড ডার্লহৌসীর সহায়তায় ১৮৫৬ সালের ২৬শে জুলাই বিধবা বিবাহ আইন পাস হলেও তা বাস্তবায়ন সহজ হয়নি।
- ১৮৭০ সালের ১১ই আগষ্ট নিজ পুত্র নারায়নচন্দ্র বন্দোপাধ্যায়ের বিয়ের মাধ্যমে তিনি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।

উল্লেখ্য,
- বহুবিবাহ এবং বাল্য বিবাহ রোধেও তিনি প্রয়াস চালান।

উৎস: সমাজকল্যাণ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯৮০.
বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি হয় যে সংস্থার মাধ্যমে -
  1. Permanent Court of Arbitration
  2. International Tribunal for the Law of the Sea
  3. International Tribunal of Justice
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
International Tribunal for the Law of the Sea
উত্তর
সঠিক উত্তর:
International Tribunal for the Law of the Sea
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সমুদ্র বিজয়:
- একদিকে নিকটতম প্রতিবেশী ভারত, অন্যদিকে মিয়ানমার।
- এ দুই প্রতিবেশীর সমুদ্রসীমার দাবিতে সাগরে অবরুদ্ধ অবস্থায় পড়েছিল বাংলাদেশ।
- কিন্তু বাংলাদেশ ওই দুই দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক রেখে আন্তর্জাতিক আদালতে গেছে এবং সেখানে নিজের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে।
- ২০১২ সালে সমুদ্র আইন বিষয়ক আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ে সাগরের ৮০ হাজার বর্গকিলোমিটার বিরোধপূর্ণ এলাকার মধ্যে ৭০ হাজার বর্গকিলোমিটার পেয়েছে বাংলাদেশ।
- সমুদ্র আইন বিষয়ক আন্তর্জাতিক আদালত বাংলাদেশকে বঙ্গোপসাগরের ৬৮৫ বর্গকিলোমিটার একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং এর বাইরে মহীসোপানে প্রবেশেরও সুযোগ দেয়।
- ২০১৪ সালে জাতিসংঘের স্থায়ী সালিসি আদালতে ভারতের সঙ্গে বিরোধপূর্ণ ২৫ হাজার ৬০২ বর্গকিলোমিটার সাগর এলাকার মধ্যে ১৯ হাজার ৪৬৭ বর্গকিলোমিটার এলাকায় বাংলাদেশের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দুটি আদালতই রায় দিয়েছেন ‘ন্যায্যতার (ইকুইটি)’ ভিত্তিতে।

⇒ বাংলাদেশ বনাম মিয়ানমার:
- ২০১২ সালের ১৪ মার্চ জার্মানিতে অবস্থিত সমুদ্র আইন বিষয়ক আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে (International Tribunal for the Law of the Sea- ITLOS) এই মামলার রায় দেয়া হয়।
- রায় অনুসারে বাংলাদেশ তার উপকূল থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে অধিকার প্রতিষ্ঠা করে।
- এছাড়াও সমুদ্রে অবস্থিত ২৮টি ব্লকের মধ্যে ১৮টি ব্লকের মালিকানা বাংলাদেশ পায়।

উৎস: i) বাংলাদেশ ওশানোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
ii) ITLOS ওয়েবসাইট।
১,৯৮১.
দেশের প্রাচীন তম ঐতিহাসিক স্থান কোনটি?
  1. ক) ময়নামতি
  2. খ) পাহাড়পুর
  3. গ) মহাস্থানগড়
  4. ঘ) পানাম
সঠিক উত্তর:
গ) মহাস্থানগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মহাস্থানগড়
ব্যাখ্যা
মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি। প্রসিদ্ধ এই নগরী ইতিহাসে পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর নামেও পরিচিত ছিল। এক সময় মহাস্থানগড় বাংলার রাজধানী ছিল।
( বাংলাপিডিয়ার আলোকে)
১,৯৮২.
মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায় থেকে একমাত্র বীরত্বসূচক খেতাবপ্রাপ্ত ব্যক্তি কে?
  1. ক) ত্রিদিব রায়
  2. খ) দীপঙ্কর তালুকদার
  3. গ) ইউ কে চিং
  4. ঘ) বীর বাহাদুর কর্মকার
সঠিক উত্তর:
গ) ইউ কে চিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইউ কে চিং
ব্যাখ্যা
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্যে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের মধ্য থেকে একমাত্র ব্যক্তি হিসেবে ইউ কে চিং বীর বিক্রম খেতাব লাভ করেন।
- তিনি মারমা সম্প্রদায়ভুক্ত ও বান্দরবান জেলার বাসিন্দা।
- ২০১৪ সালের ২৫ জুলাই তিনি মারা যান।
(তথ্যসূত্র: বাংলা ট্রিবিউন)
১,৯৮৩.
বিখ্যাত সাধক শাহ সুলতান বলখীর মাজার কোথায়?
  1. পাহাড়পুর
  2. ময়নামতি
  3. মহাস্থানগড়
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
মহাস্থানগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাস্থানগড়
ব্যাখ্যা
বিখ্যাত সাধক শাহ সুলতান বলখীর মাজার মহাস্থানগড়ে অবস্থিত।
- শাহ সুলতান বলখী মাহিসাওয়ার ১৪শ শতাব্দীর মুসলিম ধর্ম প্রচারক।
- তিনি পুণ্ড্রবর্ধন এবং সন্দ্বীপ ইসলাম প্রচার করেছিলেন।
- কথিত আছে মাছের পিঠে আরোহণ করে তিনি বরেন্দ্র ভূমিতে আসেন।
- তাই তাকে মাহী সওয়ার বলা হয়।
- পুত্র মানত করে গরু কোরবানি দেয়াড় অপরাধে রাজা পরশুরাম তার বলির আদেশ দেন ।
- এবং তাকে সাহায্য করতেই মাহী সওয়ারের আগমন ঘটে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৯৮৪.
কত সালে প্রথম 'একুশে পদক' প্রদান করা হয়?
  1. ১৯৭৬ সালে
  2. ১৯৭৭ সালে
  3. ১৯৭৮ সালে
  4. ১৯৭৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা
একুশে পদক:
- এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার।
- ১৯৭৬ সালে জিয়াউর রহমান একুশে পদক প্রবর্তন করেন।
- জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্যে এ পদক দেওয়া হয়।
- ১৯৭৬ সালে সাহিত্য, সাংবাদিকতা এবং শিক্ষায় মোট ৯ জনকে একুশে পদক প্রদান করা হয়। পদক প্রাপ্তরা হলেন:
• সাহিত্যে: আবদুল কাদির, কাজী নজরুল ইসলাম, কবি জসীম উদদীন এবং সুফিয়া কামাল।
• সাংবাদিকতায়: আবুল কালাম শামসুদ্দিন, তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া ও আবদুস সালাম।
• শিক্ষায় মুহম্মদ কুদরত এ খুদা ও মুহম্মদ মনসুর উদ্দিন।

উল্লেখ্য, একুশে পদক-২০২৫ প্রাপ্ত ব্যক্তি:
⇒ বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য দেশের ১৭ জন বিশিষ্ট নাগরিক এবং বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলকে ২০২৫ সালের একুশে দেওয়া হয়েছে তাদের মধ্যে ছয়জনই মরণোত্তর এ সম্মাননা পেয়েছেন। পুরস্কার প্রাপ্তরা -
- চলচ্চিত্রে আজিজুর রহমান (মরণোত্তর)।
- সংগীতে ওস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া (মরণোত্তর) ও ফেরদৌস আরা।
- আলোকচিত্রে নাসির আলী মামুন।
- চিত্রকলায় রোকেয়া সুলতানা।
- সাংবাদিকতায় মাহফুজ উল্লা (মরণোত্তর)।
- সাংবাদিকতা ও মানবাধিকারে মাহমুদুর রহমান।
- সংস্কৃতি ও শিক্ষায় শহীদুল আলম।
- শিক্ষায় নিয়াজ জামান।
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে মেহদী হাসান খান, রিফাত নবী, তানবিন ইসলাম সিয়াম ও শাবাব মুস্তাফা।
- সমাজসেবায় মোহাম্মদ ইউসুফ চৌধুরী (মরণোত্তর)।
- ভাষা ও সাহিত্যে হেলাল হাফিজ (মরণোত্তর) ও শহীদুল জহির (মরণোত্তর)।
- গবেষণায় মঈদুল হাসান।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
১,৯৮৫.
ইউনেস্কো বাংলাদেশের অন্তর্গত সুন্দরবনকে World Heritage Site হিসেবে ঘোষণা দেয়-
  1. ১৯৯৫ সালে
  2. ১৯৯৬ সালে
  3. ১৯৯৭ সালে
  4. ১৯৯৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা

• সুন্দরবন:
- সুন্দরবন বিশ্বের একক বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন।
- সুন্দরবন দুটি বন বিভাগে বিভক্ত: সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগ ও সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগ।
- বাংলাদেশ অংশে সুন্দরবনের মোট আয়তন ৬০১৭ বর্গ কি.মি.।

- ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে UNESCO সুন্দরবনের ৩টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যকে ৭৯৮তম World Heritage Site হিসেবে ঘোষণা করে।
- সুন্দরবনের জলভাগ জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধ হওয়ায় ১৯৯২ সনের ২১ মে থেকে এটি Ramsar Site হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
- টাঙ্গুয়ার হাওর ১০ জুলাই, ২০০০ সালে রামসার সাইটের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

উৎস: বন সংরক্ষণ দপ্তর ও রামসার সাইট।

১,৯৮৬.
খাবার স্যালাইনের উদ্ভাবক প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. ক) BRAC
  2. খ) ICDDR,B
  3. গ) NIPSON
  4. ঘ) INCEPTA
সঠিক উত্তর:
খ) ICDDR,B
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ICDDR,B
ব্যাখ্যা
• ICDDR,B:
- ICDDR,B এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার হলো -  ওরস্যালাইন
- আইসিডিডিআর.বি (ICDDR,B/আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ) ঢাকা শহরের মহাখালীতে অবস্থিত চিকিৎসাবিষয়ক গবেষণা এবং সেবা প্রদানকারী আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান।
- আনুষ্ঠানিকভাবে এটির আন্তর্জাতিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ১৯৭৯ সালে।
- ICDDR,B এর পূর্ণরূপ হচ্ছে (International Centre for Diarrhoeal Disease Research, Bangladesh).
-  ICDDR,B এর সদর দপ্তর ঢাকার মহাখালীতে অবস্থিত।

উৎস:  আইসিডিডিআরবি এর ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।
১,৯৮৭.
MDG-এর অন্যতম লক্ষ্য কি?
  1. ক) দেশ থেকে পোলিও নির্মূল
  2. খ) HIV / AIDS নির্মূল করা
  3. গ) যক্ষ্মা নির্মূল করা
  4. ঘ) ক্ষুধা ও দারিদ্র্য দূর করা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক্ষুধা ও দারিদ্র্য দূর করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক্ষুধা ও দারিদ্র্য দূর করা
ব্যাখ্যা
First goal of MDG is to “Eradicate extreme poverty and hunger”. “Combat HIV/AIDS, malaria and other diseases” is sixth among eight goals.
Source: undp.org
১,৯৮৮.
বাংলাদেশের প্রথম নারী হিসেবে মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেন কে?
  1. ওয়াসফিয়া নাজরিন
  2. নিশাত মজুমদার
  3. রোজিনা খাতুন
  4. শারমিন আক্তার
সঠিক উত্তর:
নিশাত মজুমদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিশাত মজুমদার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের এভারেস্ট বিজয়ী:
- প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেন মুসা ইব্রাহিম।
- ২০১০ সালের ২৩ মে বাংলাদেশ সময় সকাল ৫টা ১৬ মিনিটে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এভারেস্টের চূড়ায় ওঠেন এবং লাল-সবুজ পতাকা ওড়ান মুসা।
- মূলত তার হাত ধরেই পর্বতবিজয়ী দেশের তালিকায় উঠে আসে বাংলাদেশের নাম। 
- প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে এভারেস্টে আরোহণ করেন নিশাত মজুমদার। 
- সময়: ২০১২ সালের ১৯ মে। 
- দ্বিতীয় বাংলাদেশি নারী হিসেবে ২০১২ সালে এভারেস্ট জয় করেন ওয়াসফিয়া নাজরীন।
- ২০১১ সালে এম এ মুহিত ২১ মে দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন। 

উল্লেখ্য, 
- সপ্তম বাংলাদেশি হিসেবে বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেছেন ইকরামুল হাসান শাকিল।

উৎস: প্রথম আলো। 
১,৯৮৯.
বাংলাদেশ টেলিভিশনের উপকেন্দ্রের সংখ্যা কয়টি?
  1. ১০টি
  2. ১২টি
  3. ১৪টি
  4. ১৬টি
সঠিক উত্তর:
১৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ টেলিভিশন:
- বাংলাদেশ টেলিভিশন বাংলা ভাষায় বিশ্বের প্রথম টেলিভিশন।
- এটি ১৯৬৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর ঢাকার ডিআইটি ভবন (বর্তমান রাজউক ভবন) থেকে পাইলট প্রকল্প হিসেবে সম্প্রচার শুরু করে।
- ১৯৮০ সাল থেকে বিটিভি রঙিন সম্প্রচার শুরু করে।
- ১৯৯৬ সালের ১৯ ডিসেম্বর বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্র চালু হয়।
- ২০০৪ সালের ১১ই এপ্রিল বিটিভি ওয়ার্ল্ড চালু হয়।
- ২০১৯ সালের ২ সেপ্টেম্বর থেকে সমগ্র ভারতে বিটিভি ওয়ার্ল্ডের সম্প্রচার শুরু হয়।
- ২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর মাধ্যমে বিটিভি সম্প্রচার শুরু করে।
- বিটিভির পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রের সংখ্যা ২টি। যথা:
• ঢাকা।
• চট্টগ্রাম।
- উপকেন্দ্র বা রিলে কেন্দ্রের সংখ্যা ১৪টি। এগুলো হলো:
নাটোর, খুলনা, ময়মনসিংহ, সিলেট, রংপুর, নোয়াখালী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ঠাকুরগাঁও, রাজশাহী, ঝিনাইদহ, সাতক্ষীরা, পটুয়াখালী, উখিয়া এবং রাঙ্গামাটি।

তথ্যসূত্র - বিটিভি ওয়েবসাইট।
১,৯৯০.
'সুলতানি স্থাপত্যের রত্ন' হিসেবে আখ্যায়িত কোনটি?
  1. কুসুম্বা মসজিদ
  2. ষাট গম্বুজ মসজিদ
  3. ছোট সোনা মসজিদ
  4. সাতগম্বুজ মসজিদ
সঠিক উত্তর:
ছোট সোনা মসজিদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছোট সোনা মসজিদ
ব্যাখ্যা
ছোট সোনা মসজিদ:
- চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রাচীন ঐতিহ্যের প্রধানতম নিদর্শন হচ্ছে ছোট সোনা মসজিদ।
- ছোট সোনা মসজিদ 'সুলতানি স্থাপত্যের রত্ন' বলে আখ্যায়িত।

- প্রধান প্রবেশ পথের উপরিভাগে স্থাপিত একটি শিলালিপি অনুযায়ী জনৈক মজলিস-ই-মাজালিস মজলিস মনসুর ওয়ালী মুহম্মদ বিন আলী কর্তৃক মসজিদটি নির্মিত হয়।
- শিলালিপিতে নির্মানের সঠিক তারিখ সম্বলিত অক্ষরগুলি মুছে গেছে।
- তবে এতে সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহ এর নামের উল্লেখ থেকে এটা সুস্পষ্ট যে, মসজিদটি তার রাজত্বকালের (১৪৯৪-১৫১৯) কোন এক সময় নির্মিত।
- বিশাল এক দিঘির দক্ষিণপাড়ের পশ্চিম প্রান্ত জুড়ে এর অবস্থান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,৯৯১.
ঘাটু গান কোন অঞ্চলের ঐতিহ্য?
  1. হাওড় অঞ্চল
  2. উপকূলীয় অঞ্চল
  3. বরেন্দ্র অঞ্চল
  4. ভাটি অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
হাওড় অঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাওড় অঞ্চল
ব্যাখ্যা

ঘাটু গান:
- ঘাটু গান বিলুপ্তপ্রায় এক প্রকার লোকগীতি।
- ঘাটে ঘাটে নৌকা ভিড়িয়ে এ গান গাওয়া হয় বলে এর নাম হয়েছে ‘ঘাটের গান’ বা ‘ঘাটু গান’।
- রাধাকৃষ্ণের প্রণয়লীলা ও দৈনন্দিন জীবনের বিচিত্র ঘটনা ঘাটু গানের বিষয়বস্তু।
- ঘাটু দলের প্রধান অর্থাৎ মূল গায়েনকে বলে ‘সরকার’।
- ঘাটু গান মূলত ছুকরাভিত্তিক গান।
- বারো থেকে পনেরো বছরের ছেলে ছুকরাকে ঘাটু বানাবার জন্য মেয়েলি চেহারার ছেলেকে ঘাগড়ি বা শাড়ি পড়িয়ে ম্যাচিং করা ব্লাউজ, কানে দুল, দুহাতে রঙিন রুমাল বেঁধে মঞ্চে উঠানো হতো। ঘা
- একটা অল্প বয়সী ছেলেকে মেয়ে সাজিয়ে সহজ নাচের মুদ্রা শিখিয়ে বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে বাইজির নাচের মতো করে এই অনুষ্ঠান হতো।
- এ গানে বাদ্যযন্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয় ঢোল, তবলা, বেহালা, সারিন্দা, মন্দিরা, বাঁশি, করতাল, হারমোনিয়াম প্রভৃতি।
- ঘাটু গানের প্রধান পৃষ্ঠপোষক গ্রামের জোতদাররা এবং এর প্রধান কর্মী সমকামী যুবকরা।
-  বৃহত্তর সিলেটের আজমিরীগঞ্জের উদয় আচার্য ছিলেন ঘাটু গানের প্রবর্তক।
- তাঁর মাধ্যমে ঘাটু গানের প্রবর্তন হয়। তখন ঘাটু গান গাওয়া হতো পূজা বা অর্চনার মতো একটি পবিত্র মাধ্যম হিসেবে।
- এ গান সুনামগঞ্জ ছাড়াও নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ এবং গোটা হাওড় অঞ্চল ছিল এই গানে আবাসভূমি।বর্তমানে শিক্ষার প্রভাবে এ গানের জনপ্রিয়তা  হ্রাস পেয়েছে।
- বিশেষত বর্ষাকালে হাওর অঞ্চলে ঘাটু গানের আসর বসতো।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
        ii) ১৯ এপ্রিল ২০১৯, প্রথম আলো। iii) bd news.

১,৯৯২.
বাংলা একাডেমীর বর্তমান মহাপরিচালকের নাম কী?
  1. ক) জনাব হাবীবুল্লাহ সিরাজী
  2. খ) জনাব মুহম্মদ নূরুল হুদা
  3. গ) অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান
  4. ঘ) প্রফেসর ড. সৈয়দ মোহাম্মদ শাহে
সঠিক উত্তর:
খ) জনাব মুহম্মদ নূরুল হুদা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জনাব মুহম্মদ নূরুল হুদা
ব্যাখ্যা
-- বাংলা একাডেমী  বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সর্ববৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান। ১৩৬২ বঙ্গাব্দের ১৭ অগ্রহায়ণ (৩ ডিসেম্বর ১৯৫৫) ঢাকার বর্ধমান হাউসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
-- ১৯৫২ সালের  ভাষা আন্দোলন এবং এ দেশের মুসলিম মধ্যবিত্তের জাগরণ ও আত্মপরিচয় বিকাশের প্রেরণায় এ প্রতিষ্ঠানের জন্ম হয়।
-- বাংলা একাডেমীর বর্তমান মহাপরিচালকের নাম- জনাব মুহম্মদ নূরুল হুদা।
-- আবু হোসেন সরকার ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক বর্ধমান হাউসে (স্থাপিত ১৯০৬) বাংলা একাডেমীর উদ্বোধন করেন।
-- প্রথম মহপরিচালক- প্রফেসর মযহারুল ইসলাম।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া ও বাংলা একাডেমী ওয়েবসাইট।
১,৯৯৩.
'দ্য আর্থশট প্রাইজ, ২০২৫' লাভ করে কোন বাংলাদেশি সংস্থা?
  1. ব্র্যাক
  2. ফ্রেন্ডশিপ এনজিও
  3. জাগো ফাউন্ডেশন
  4. শক্তি ফাউন্ডেশন
সঠিক উত্তর:
ফ্রেন্ডশিপ এনজিও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রেন্ডশিপ এনজিও
ব্যাখ্যা

দ্য আর্থশট প্রাইজ, ২০২৫:
- ২০২৫ সালে প্রথম বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিশ্বের বৃহত্তম পরিবেশ পুরস্কার দ্য আর্থশট প্রাইজ লাভ করে 'ফ্রেন্ডশিপ'। 
- ফিক্স আওয়ার ক্লাইমেট ক্যাটাগরিতে ম্যানগ্রোভ প্রকল্পের জন্য এই পুরষ্কার অর্জন করে প্রতিষ্ঠানটি। 
- ফ্রেন্ডশিপের ম্যানগ্রোভ বনায়ন প্রকল্পে দক্ষিণাঞ্চলে সুন্দরবনের নিকটে ২০০ হেক্টরেরও বেশি এলাকায় ৬ লক্ষ ৫০ হাজারের বেশি ম্যানগ্রোভ চারা রোপণ করা হয়েছে, যেখানে মোট ৬২ কিলোমিটারের বেশি বাঁধ/প্রাকৃতিক প্রতিরোধ-বেষ্টনী গড়ে উঠেছে। 
- এই ম্যানগ্রোভ বন প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের অভিঘাত থেকে উপকূলীয় গ্রামগুলোকে রক্ষা করছে এবং এখন পর্যন্ত ১ লাখ ২৫ হাজারের বেশি মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে।
- ৭ নভেম্বর, ২০২৫ ব্রাজিলের রাজধানী রিও ডি জেনিরোতে ফ্রেন্ডশিপ-এর পক্ষে পুরস্কার গ্রহণ করেন প্রতিষ্ঠাতা রুনা খান। 

উল্লেখ্য,
- ২০২০ সাল থেকে যুক্তরাজ্যের প্রিন্স উইলিয়ামের পক্ষ থেকে দ্য আর্থশট প্রাইজ প্রদান করা হয়।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

১,৯৯৪.
দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনায় বিদ্যুৎ উৎপাদন কত হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে?
  1. ক) ৪৬ হাজার মেগাওয়াট
  2. খ) ৬২ হাজার মেগাওয়াট
  3. গ) ৫৩ হাজার মেগাওয়াট
  4. ঘ) ৫৮ হাজার মেগাওয়াট
সঠিক উত্তর:
খ) ৬২ হাজার মেগাওয়াট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৬২ হাজার মেগাওয়াট
ব্যাখ্যা
• রূপকল্প-২০৪১ বাস্তবায়নের জন্যে বাংলাদেশ সরকার ২০২১-২০৪১ মেয়াদে ২০ বছর মেয়াদী দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে।
• ২০২১ হতে ২০৪১ অর্থবছরের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা প্রতি বছর গড়ে ৩১০০ মেগাওয়াট বৃদ্ধির মাধ্যমে ৬২ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
• এই পরিকল্পনায় ২০৩১ সালে দেশের গড় প্রবৃদ্ধি হবে ৯ শতাংশ।
• ২০৪১ সালে গড় প্রবৃদ্ধি হবে ৯.৯ শতাংশ।
• দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মূললক্ষ্য ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করা।  

তথ্যসূত্র:- পরিকল্পনা কমিশন।
১,৯৯৫.
যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বিচারপতি হয়েছেন কে?
  1. শিরিন আক্তার
  2. সোমা সাঈদ
  3. ফাহমিদা সুলতানা
  4. সোনিয়া আফরিন
সঠিক উত্তর:
সোমা সাঈদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোমা সাঈদ
ব্যাখ্যা

যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বিচারপতি:
- যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এবং নিউইয়র্কের কুইন্সের প্রথম মুসলিম বিচারপতি হিসেবে নিউইয়র্ক স্টেট সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি নির্বাচিত হয়েছেন সোমা এস সাঈদ।
- দেড় দশকের বেশি সময় আইন পেশায় যুক্ত থাকার পর ২০২১ সালে ডেমোক্রেটিক পার্টির মনোনয়নে কুইন্স কাউন্টি সিভিল কোর্টের বিচারক নির্বাচিত হন সোমা।
- ২০২২ সালে তাকে নিউ ইয়র্ক কাউন্টি ক্রিমিনাল কোর্টে দায়িত্ব দেওয়া হয়, যেখানে তিনি ২০২৩ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।
- এছাড়া তিনি কুইন্স কাউন্টি উইমেনস বার অ্যাসোসিয়েশনের প্রথম দক্ষিণ এশীয় ও মুসলিম নারী সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

তথ্যসূত্র- ইত্তেফাক। [link]

১,৯৯৬.
লুই আই কান কোন দেশে জন্মগ্রহন করেন?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) যুক্তরাজ্য
  3. গ) পোল্যান্ড
  4. ঘ) এস্তোনিয়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) এস্তোনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) এস্তোনিয়া
ব্যাখ্যা
 লুই আই কান-
- ১৯০১ সালে এস্তোনিয়ায় জন্মগ্রহণকারী লুই আই কান তাঁর মা–বাবার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসিত হন। 
- লুই আই কান বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ভবনের স্থপতি।
- লুই আই কান পেনসিলভানিয়া ইউনিভার্সিটি থেকে স্থাপত্যে স্নাতক হয়ে ফিলাডেলফিয়ায় তিনি তাঁর কর্ম জীবন শুরু করেন। 
- ফিলাডেলফিয়ার রিচার্ড মেডিকেল ল্যাবরেটরি নকশার মাধ্যমে তিনি প্রথম খ্যাতি অর্জন করেন।
- তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে আছে ইয়েল আর্ট গ্যালারি, কিমবেল আর্ট মিউজিয়াম, ভারতে আহমেদাবাদ ম্যানেজমেন্ট সেন্টার, নেপালে ফ্যামিলি প্লানিং সেন্টার।
- তাঁর সেরা কাজ মনে করা হয় বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ভবনকে।১৯৫৯ সালে প্রথম ঢাকায় জাতীয় সংসদ ভবন কমপ্লেক্সটির পরিকল্পনা গৃহীত হয়। তখনকার খ্যাতনামা স্থপতি লুই কান ভবন কমপ্লেক্সটির নকশা প্রণয়নের দায়িত্ব পান। ১৯৬২ সালে মূল নকশা প্রস্তুত হয়। কমপ্লেক্সটির নির্মাণকাজ শেষ হয় ১৯৮২ সালে। 

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট, ১১ এপ্রিল ২০১৫।
১,৯৯৭.
'সকল ক্ষেত্রে সঠিক কাজ সম্পাদনের জন্য প্রয়োজন সৃজনশীল ও মেধাবী নেতৃত্ব। প্রয়োজন সৃষ্টিশীল মেধাবী মানুষ'। কথাটি বলেছেন-
  1. ক) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  2. খ) শেখ হাসিনা
  3. গ) তাজউদ্দিন আহমেদ
  4. ঘ) শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক
সঠিক উত্তর:
খ) শেখ হাসিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শেখ হাসিনা
ব্যাখ্যা
- জুন ২৫ ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা  ঢাকায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সন্মেলনকেন্দ্রে  সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ ২০১৪ পুরস্কার প্রদান করেন।
- এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বক্তৃতাদানকালে উল্লিখিত উক্তিটি করেন।

উৎস: pmo.portal.gov.bd
১,৯৯৮.
বাংলাদেশ 'বিশ্ব পরমানু ক্লাব'-এর সদস্য হয় কবে?
  1. ৪ নভেম্বর, ২০১৬
  2. ৪ নভেম্বর, ২০১৮
  3. ৪ নভেম্বর, ২০২২
  4. ৪ নভেম্বর, ২০২৩
  5. ৪ নভেম্বর, ২০১৭
সঠিক উত্তর:
৪ নভেম্বর, ২০১৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ নভেম্বর, ২০১৭
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বিভিন্ন সংস্থার সদস্যপদ লাভ: 
কমনওয়েলথ(৩৪ তম) - ১৮ এপ্রিল, ১৯৭২।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা(WHO) - ১৭ মে, ১৯৭২ (UN ভুক্ত প্রথম সংস্থা)।
ILO - ২২ জুন, ১৯৭২।
IMF, বিশ্ব ব্যাংক - ১৭ আগস্ট, ১৯৭২।
UNESCO - ২৭ অক্টোবর, ১৯৭২।
FAO - ১২ নভেম্বর, ১৯৭৩।
NAM - ১৯৭৩ সালে।
OIC - ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪।
জাতিসংঘ - ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪।
CIRDAP - ৮ এপ্রিল, ১৯৮৭।
WTO - ১ জানুয়ারি, ১৯৯৫।
বিশ্ব পরমানু ক্লাব - ৪ নভেম্বর, ২০১৭।

উৎস: সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইট, জাতীয় তথ্য বাতায়ন, বাংলাপিডিয়া।
১,৯৯৯.
মেট্রোরেল নির্মাণে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করে কোন দেশ?
  1. ফ্রান্স
  2. রাশিয়া
  3. জাপান
  4. চীন
সঠিক উত্তর:
জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান
ব্যাখ্যা
মেট্রোরেল:
- বাংলাদেশ সরকারের মালিকাধীন Dhaka Mass Transit Company Limited.
- এর দৈর্ঘ্য ১২৯ কি.মি.।
- মেট্রোরেলের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করা হয় ২৬ জুন, ২০১৬ তারিখে।
- ঢাকা মেট্রোরেলের প্রথম রেলপথ এমআরটি লাইন-৬। 
- মেট্রোরেল উদ্বোধন করা হয় ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২ তারিখে।
- মেট্রোরেলের প্রথম যাত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- মেট্রোরেলের প্রথম চালক মরিয়ম আফিজা।
- সাধারণ যাত্রীদের জন্যে মেট্রোরেল উন্মুক্ত করা হয় ২৯ ডিসেম্বর, ২০২২ তারিখে।
- মেট্রোরেলের কোচগুলোর নির্মাতা জাপানের কাওয়াসাকি-মিতসুবিশি কনসোর্টিয়াম।
- জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা জাইকা মেট্রোরেল প্রকল্পে যোগ দেয়।

উৎস: Dhaka Metro Mass Rapid Transit System - Railway Technology.
২,০০০.
ফ্রান্স বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় কবে?
  1. ১২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭১
  2. ১৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২
  3. ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২
  4. ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে মোট ১৫০টি দেশ স্বীকৃতি দিয়েছে।
- বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে সর্বপ্রথম স্বীকৃতি দেয় ভুটান এবং ভারত।
- উভয় দেশই বাংলাদেশকে ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে স্বীকৃতি দিয়েছিল।
- অপরদিকে সর্বশেষ দেশ হিসেবে চীন বাংলাদেশকে ১৯৭৫ সালের ৩১ আগস্ট স্বীকৃতি দেয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মুসলিম দেশ আফ্রিকার সেনেগাল।
- এশিয়ার মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- এশিয়ার বাইরে প্রথম দেশ হিসেবে ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি স্বীকৃতি দেয় পূর্ব-জার্মানি।
- প্রথম পশ্চিমা দেশ হিসেবে গ্রেট ব্রিটেন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি।
- বাংলাদেশকে ৪ এপ্রিল, ১৯৭২ তারিখে স্বীকৃতি দেয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। 
- প্রথম আরব দেশ হিসেবে ইরাক ৮ জুলাই, ১৯৭২ তারিখে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের মধ্যে সর্ব প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে ভেনিজুয়েলা (২ মে ১৯৭২)।
- ফ্রান্স বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২।
- ব্রাজিল বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে ১৫ মে, ১৯৭২।
- আর্জেন্টিনা বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে ২৫ মে ১৯৭২।
- বলিভিয়া বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে ২ আগস্ট, ১৯৭২।

উৎস: i) ২১ ডিসেম্বর, ২০১৬, কালের কন্ঠ।
         ii) ২৬ মার্চ, ২০২১, সারাবাংলা।
         ii) ১১ মার্চ, ২০১৭, ডেইলি কক্সবাজার।