বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন ও অন্যান্য

মোট প্রশ্ন৩,৮২৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন ও অন্যান্য

PrepBank · পাতা ১১ / ৩৮ · ১,০০১১,১০০ / ৩,৮২৪

১,০০১.
'বিটিভি ওয়ার্ল্ড' চালু হয় কখন?
  1. ৭ মার্চ, ২০০৪
  2. ৯ মার্চ, ২০০৪
  3. ৩ এপ্রিল, ২০০৪
  4. ১১ এপ্রিল, ২০০৪
সঠিক উত্তর:
১১ এপ্রিল, ২০০৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ এপ্রিল, ২০০৪
ব্যাখ্যা
বিটিভি 
- রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) কার্যক্রম শুরু করে ১৯৬৪ সালে।
- শিক্ষা এবং বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান নির্মাণের পাশাপাশি নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন নিশ্চিত করা এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রেখে দেশ ও জনগণের প্রতি  দায়বদ্ধ থেকে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় অবদান রাখা এ জাতীয় গণমাধ্যমের দায়িত্ব।
- প্রতিদিন বাংলা ও ইংরেজি ভাষায়  ৯ টি সংবাদ বুলেটিনসহ বিটিভি সম্প্রচার করছে নাটক, প্রামাণ্যচিত্র, সংগীত, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও তথ্য বিষয়ক নানা অনুষ্ঠান।
- উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ‌‘রূপকল্প ২০৪১‍’ বাস্তবায়নে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছ।
- বিটিভি টেরিস্ট্রিয়াল সম্প্রচারের মাধ্যমে প্রতিদিন ১৭ ঘন্টা ৩০ মিনিট আর স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ২৪ ঘন্টা দর্শকদের কাছে নানা বৈচিত্র্যময় অনুষ্ঠান ও সংবাদ পৌঁ‌ছে দিচ্ছে।
- দু’টি পূর্ণাঙ্গ টেলিভিশন কেন্দ্র ও ১৪টি রিলে স্টেশনের মাধ্যমে  দেশব্যাপী সম্প্রচারিত হয়।
- ঢাকায় এর সদর দফতর ও প্রধান কেন্দ্র অবস্থিত।
- বর্তমানে চট্টগ্রাম কেন্দ্র থেকে স্থানীয়ভাবে নির্মিত পৃথক অনুষ্ঠানমালা প্রতিদিন ২৪ ঘন্টা সম্প্রচারিত হচ্ছে।
- ২০০৪ সালের ১১ এপ্রিল বিটিভি ওয়ার্ল্ড স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সম্প্রচার শুরু করে।
- ফলে বিটিভির সম্প্রচার এখন দেশের সীমানা ছাড়িয়ে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে দর্শকদের কাছে পৌঁ‌ছে যাচ্ছে।  
- বিটিভি ওয়ার্ল্ড ২৪ ঘন্টা বিরতিহীন স্যাটেলাইট সম্প্রচার করে যাচ্ছে।
- দেশের শতকরা ৯৫ ভাগ এলাকা এবং ৯৭ ভাগ জনগণ বিটিভির সম্প্রচার কাভারেজের  আওতাভুক্ত।
- অনুষ্ঠানমালার শতকরা ৯৩.২ ভাগই নিজস্বভাবে নির্মাণ করে থাকে বিটিভি, বাকিটা বাইরের নির্মাতাদের কাছ থেকে নেয়া হয়।
- জনস্বার্থে অনুষ্ঠানমালার শতকরা ০৯.৪২ ভাগ জুড়ে থাকে কৃষি, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা, নারী ও শিশু, শিক্ষা ও মানবাধিকার সংক্রান্ত বিষয়াবলী।
- অনুষ্ঠানের শতকরা ১৪ ভাগ খবর, ১৪.১৩ ভাগ উন্নয়ন ও শিক্ষা, ১৯.৯১ ভাগ বিনোদন ও সংস্কৃতি এবং বাকি ১১.০৬ ভাগ অন্যান্য বিষয়ের উপর নির্মিত হয়।
- জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানমালা সরাসরি সম্প্রচার ছাড়াও ক্রিকেট, ফুটবল এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ক্রীড়া মাঠ থেকে সরাসরি সম্প্রচার করে বিটিভি। 

উৎস- বিটিভির ওয়েবসাইট লিংক।
১,০০২.
বাংলাদেশ ক্রিকেট দল কত সালে ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে?
  1. ১৯৭৯ সালে
  2. ১৯৮৬ সালে
  3. ১৯৯৭ সালে
  4. ১৯৯৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ক্রিকেট দল:
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম ১৯৭৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিক আইসিসি ট্রফি দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আত্মপ্রকাশ করে।
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ এশিয়া কাপে।
- বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস পায় ১৯৯৭ সালে।
- ১৯৯৭ সালের আইসিসি ট্রফি জয়ের মাধ্যমেই বাংলাদেশ পেয়েছিল প্রথমবারের মতো ক্রিকেটের সর্বোচ্চ আসর।
- একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে বাংলাদেশ তাদের প্রথম জয়টা পায় ২২ ম্যাচ হারের পর। 
- ১৯৯৮ সালে মোহাম্মদ রফিকের অসাধারণ নৈপুণ্যে (৭৭ রান ও ৩ উইকেট) কেনিয়ার বিরুদ্ধে ভারতের মাটিতে জয় পায় বাংলাদেশ। 
- প্রথম বিশ্বকাপ আসরে খেলার সুযোগ পায় ১৯৯৯ সালে। 
- ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল টেস্ট খেলার মর্যাদা অর্জন করে।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট জয় পায় ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চট্টগ্রামে। 

উৎস: প্রথম আলো, ০৬ আগস্ট, ২০২০।
১,০০৩.
বাংলাদেশের প্রথম টেস্টে কোন ক্রিকেটার শতরানের অনবদ্য ইনিংস খেলেন?
  1. ক) আশরাফুল
  2. খ) আকরাম খান
  3. গ) বুলবুল
  4. ঘ) নানু
সঠিক উত্তর:
গ) বুলবুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বুলবুল
ব্যাখ্যা
টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ টেস্ট ম্যাচে প্রথম জয় পায় ২০০৫ সালে।
- টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে ১০ নভেম্বর ২০০০ সালে।
- প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৪০০ রান করে বাংলাদেশ।

- টেস্টে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক তামিম ইকবাল।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ জয় পায় কোন দলের বিপক্ষে  জিম্বাবুয়ে।
- টেস্টে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ব্যক্তিগত হাজার রান সংগ্রাহক হাবিবুল বাশার।
- ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম অধিনায়ক গাজী আশরাফ হোসেন লিপু।

তথ্যসূত্র - bangladesh.gov.bd
১,০০৪.
ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ মনসুর আলী কোন জেলায় জন্মগ্রহণ করেন?
  1. ময়মনসিংহ
  2. মুন্সিগঞ্জ
  3. সিরাজগঞ্জ
  4. পাবনা
সঠিক উত্তর:
সিরাজগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিরাজগঞ্জ
ব্যাখ্যা

ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ মনসুর আলী: 
- ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ মনসুর আলী সিরাজগঞ্জ জেলার কাজিপুর থানার কুড়িপাড়া গ্রামে ১৯১৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর জন্মস্থান সিরাজগঞ্জ জেলা বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত।
- তিনি ছিলেন একজন প্রখ্যাত আইনজীবী, রাজনীতিক এবং মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক।
- মোহাম্মদ মনসুর আলী দীর্ঘ সময় পাবনা জেলায় রাজনীতি এবং আইনব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
- তার রাজনৈতিক জীবন ছিল অত্যন্ত সক্রিয় এবং তিনি ১৯৫০-এর দশকে আওয়ামী মুসলিম লীগের সদস্য হিসেবে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন।
- এর পর তিনি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন এবং ১৯৬৬ সালে ছয়দফা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তার অবদান বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে ছিল অসীম।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে তিনি অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। 

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 

১,০০৫.
বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে কত সালে?
  1. ২০০৯ সালে
  2. ২০১০ সালে
  3. ২০১১ সালে
  4. ২০১২ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১১ সালে
ব্যাখ্যা
নারী ক্রিকেট দল:

- ২০১১ সালে যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল।
- ২০১৮ সালে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল এশিয়া কাপের শিরোপা জয় করে।
- ২০১৮ সালে মালয়েশিয়ায় টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এশিয়া কাপ।
- বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল ২০২১ সালে টেস্ট মর্যাদা পায়।

তথ্যসূত্র - ঢাকা টাইমস, ০২ এপ্রিল ২০২১।
১,০০৬.
বাংলাদেশ কোন অলিম্পিক গেমসে- এ প্রথম অংশগ্রহন করে? 
  1. প্যারিস
  2. টোকিও
  3. লস অ্যাঞ্জেলেস
  4. সিউল 
সঠিক উত্তর:
লস অ্যাঞ্জেলেস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লস অ্যাঞ্জেলেস
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ প্রথম অলিম্পিক গেমসে অংশগ্রহণ করে ১৯৮৪ লস অ্যাঞ্জেলেস।
- প্রতিযোগী ছিল: ১ জন।
- সাইদুর রহমান ডন অ্যাথলেটিকস।
- ২০২৪ সালে সর্বশেষ প্যারিসে অলিম্পিক গেমসের ৩০তম আসর বসে।
- ২০২৪ সালের পূর্বে বাংলাদেশ অলিম্পিকের ১১টি আসরে অংশ নিয়েছে।
- পরবর্তী ২০২৮ লস অ্যাঞ্জেলেসে অলিম্পিকের ৩১ তম আসর বসবে।

উৎস: প্রথম আলো এবং যুগান্তর।[লিঙ্ক]

১,০০৭.
‘বঙ্গবন্ধু’ সেতুর দৈর্ঘ্য কত?
  1. ৪ কিমি
  2. ৪.৩ কিমি
  3. ৪.৬ কিমি
  4. ৪.৮ কিমি
সঠিক উত্তর:
৪.৮ কিমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪.৮ কিমি
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু বহুমূখী সেতু:
- বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ার দীর্ঘতম এবং বিশ্বের ১১তম দীর্ঘ সেতু এটি।
- ১৯৯৮ সালের ২৩ জুন তারিখে এটি উদ্বোধন করা হয়।
- বাংলাদেশের ৩টি বড় নদীর মধ্যে সবচেয়ে বৃহত্তম এবং পানি নির্গমনের দিক থেকে বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম নদী যমুনার উপর এটি নির্মিত হয়েছে।
- বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান এর নামানুসারে সেতুটির নামকরণ করা হয়।
- বঙ্গবন্ধু সেতু বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চলের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে দুই অংশকে একত্রিত করেছে।
- টাঙ্গাইল থেকে সিরাজগঞ্জ পর্যন্ত বিস্তৃত এই সেতু এশীয় মহাসড়ক ও আন্তঃএশীয় রেলপথের উপর অবস্থিত।
- সেতুটি নির্মাণে মোট খরচ হয় ৯৬২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- আইডিএ, জাপানের ওইসিএফ প্রত্যেকে ২২ শতাংশ পরিমাণ তহবিল সরবরাহ করে এবং বাকি ৩৪ শতাংশ ব্যয় বহন করে বাংলাদেশ।
- সেতুটির দৈর্ঘ্য ৪.৮ কি. মি. এবং প্রস্থ ১৮.৫ মি.।
- সেতুটিকে ৮০-৮৫ মিটার লম্বা এবং ২.৫ ও ৩.১৫ মিটার ব্যাসের ১২১টি ইস্পাতের খুঁটির উপর বসানো হয়েছে।
- সেতুটিতে স্প্যানের সংখ্যা ৪৯।
- সেতুটির উপর দিয়ে ৪ লেনের সড়ক এবং ২টি রেলট্র্যাক নেওয়া হয়েছে।

উৎস: i) বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
         ii) ২০ ডিসেম্বর ২০১৭, প্রথম আলো।
১,০০৮.
'Law of the Sea Convention' অনুযায়ী উপকূল থেকে কত দূরত্ব পর্যন্ত Exclusive Economic Zone হিসেবে গণ্য?
  1. ক) ৪৪ নটিক্যাল মাইল
  2. খ) ৩৭০ নটিক্যাল মাইল
  3. গ) ২০০ নটিক্যাল মাইল
  4. ঘ) ২২ নটিক্যাল মাইল
সঠিক উত্তর:
গ) ২০০ নটিক্যাল মাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০০ নটিক্যাল মাইল
ব্যাখ্যা
সমুদ্রসীমা:

- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল।
- রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল।
- মহীসোপানের দৈর্ঘ্য ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল।
- সমুদ্র অঞ্চলের আয়তন ১,১৮,৮১৩ বর্গ কিলোমিটার।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,০০৯.
বাংলাদেশে প্রথম বেতার সম্প্রচার শুরু হয় -
  1. ১৯৩৯ সালে
  2. ১৯৪৭ সালে
  3. ১৯৫২ সালে
  4. ১৯৭১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৩৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৩৯ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে বেতার:
- বাংলাদেশে প্রথম বেতার সম্প্রচার শুরু হয় ১৯৩৯ সালে ১৬ই ডিসেম্বর।
- বাংলাদেশ বেতারের সদর দপ্তর ঢাকার আগারগাঁও এ অবস্থিত।
- ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডে একটি ভাড়া করা বাড়িতে দুটি স্টুডিও নিয়ে এর যাত্রা শুরু হয়।
- প্রথম নামকরণ করা হয় “ঢাকা ধ্বনি বিস্তার কেন্দ্র”।
- ঢাকা বেতারের সম্প্রচার যন্ত্র অর্থাৎ ট্রান্সমিটারটি বসানো হয়েছিল বর্তমান কল্যাণপুর।
- কালের পরিক্রমায় বেতার ভবন স্থানান্তরিত হয় শাহবাগে ১৯৬০ সালের ৮ই ফেব্রুয়ারি।
- ১৯৮৩ সালের ৩০ জুলাই ঢাকাস্থ শের-ই-বাংলা নগরে বর্তমান অত্যাধুনিক পূর্ণাঙ্গ জাতীয় বেতার ভবনে ঢাকা প্রচার কেন্দ্র স্থানান্তরিত হলে শাহবাগের সাবেক প্রচার ভবনটি বাংলাদেশ বেতারের সদর দপ্তরে রূপান্তরিত হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ বেতারের ১৪টি আঞ্চলিক কেন্দ্র ও ৬টি ইউনিট হতে ১৬টি মধ্যম তরঙ্গ ট্রান্সমিটার, ২টি ক্ষুদ্র তরঙ্গ ট্রান্সমিটার ও ৩৪টি এফএম ট্রান্সমিটারের মাধ্যমে দৈনিক ৪৯৭ ঘণ্টা অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হচ্ছে।
- এছাড়া বাংলাদেশ বেতারের ওয়েবসাইট ও বাংলাদেশ বেতার অ্যাপস্ এর মাধ্যমে ১৪টি কেন্দ্রের ৩০টি চ্যানেলের অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হচ্ছে।

উৎস: বাংলাদেশ বেতার ওয়েবসাইট।
১,০১০.
The Foreshadowing of Bangladesh গবেষণা গ্রন্থটির লেখক কে?
  1. রেহমান সোবহান
  2. আনিসুর রহমান
  3. নুরুল ইসলাম
  4. হারুন-অর-রশিদ
সঠিক উত্তর:
হারুন-অর-রশিদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হারুন-অর-রশিদ
ব্যাখ্যা
The Foreshadowing of Bangladesh:
- The Foreshadowing of Bangladesh গবেষণা গ্রন্থটির লেখক হারুন-অর-রশিদ।
- এটি '১৯৪৭ সালের আগে বাংলার মুসলমানদের অবহেলিত ইতিহাস'।

উল্লেখ্য,
• হারুন-অর-রশিদ:
- হারুন-আর-রশিদ একজন জনপ্রিয় প্রাবন্ধিক, গবেষক, কলাম লেখক এবং বহু গ্রন্থের প্রণেতা।
- ১৯৪৭-পূর্ব ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনাধীন অবিভক্ত বাংলা, পাকিস্তানি শাসনকাল, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, সমসাময়িক ভারত ও বাংলাদেশের রাজনীতি, এর গতিধারা ও রাজনৈতিক উন্নয়ন’ তাঁর গবেষণার ক্ষেত্র।
- বাঙালির রাষ্ট্রচিন্তা ও স্বাধীন জাতি-রাষ্ট্র গঠন সব সময় তাঁর গবেষণার কেন্দ্রীয় বিষয়।

⇒ তাঁর গবেষণা-গ্রন্থের মধ্যে -
- The Foreshadowing of Bangladesh 1906-1947 (fourth edition, UPL 2015),
- Inside Bengal Politics 1936-1947 : Unpublished Correspondence of Partition Leaders (second edition, UPL 2012),
- বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী পুনর্পাঠ (ইউপিএল ২০১৩),
- বাঙালির রাষ্ট্রচিন্তা ও স্বাধীন বাংলাদেশের . অভ্যুদয় (আগামী প্রকাশনী ২০০৩),
- বাংলাদেশ : রাজনীতি সরকার ও শাসনতান্ত্রিক উন্নয়ন ১৭৫৭-২০০০ (নিউ এজ পাবলিকেশন্স ২০০১),
- “আমাদের বাঁচার দাবী’ : ৬ দফার ৫০ বছর (বাংলা একাডেমি ২০১৬),
- মূলধারার রাজনীতি : বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, কাউন্সিল ১৯৪৯-২০১৬ (বাংলা একাডেমি ২০১৬),
- ৭ই মার্চের ভাষণ কেন বিশ্ব ঐতিহ্য-সম্পদ : বঙ্গবন্ধু মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশ, (বাংলা একাডেমি ও অন্যপ্রকাশ ২০১৮) বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

⇒ প্রফেসর হারুন-অর-রশিদ বর্তমানে বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটিতে ‘বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের এনসাইক্লোপিডিয়া’ (২০ খণ্ড) রচনা প্রকল্পের প্রধান হিসেবে গবেষণাকর্মে নিয়োজিত।
- বঙ্গবন্ধুবিষয়ক গবেষণায় অবদান রাখার জন্য ২০২১ সালে তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারে ভূষিত হন।

উৎস: i) Amazon.com
ii) Rokomari.com
১,০১১.
বাংলাদেশ টেলিভিশনের পাইলট প্রকল্প হিসেবে যাত্রা শুরু হয় কত সালে?
  1. ১৯৯২ সালে
  2. ১৯৬৫ সালে
  3. ১৯৭৭ সালে
  4. ১৯৬৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৪ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ টেলিভিশন:
- বাংলাদেশ টেলিভিশন বাংলাভাষায় বিশ্বের প্রথম টেলিভিশন।
- ১৯৬৪ সালের ২৫শে ডিসেম্বর একটি পাইলট প্রকল্প হিসেবে এর যাত্রা শুরু হয়।
- তৎকালীন ডি আই টি ভবনের (বর্তমানে রাজউক কার্যালয়) দুটি কক্ষে মাত্র ৩ ঘন্টা চলতো এর সম্প্রচার কার্যক্রম।
- ১৯৬৭ সালে তৎকালীন পাকিস্তান টেলিভিশন কর্পোরেশন ও ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশে (পি.ও নং-১১৫) বাংলাদেশ টেলিভিশন নামে রাষ্ট্রীয় টিভি চ্যানেলে পরিণত হয়।
- ১৯৭৫ সালের ৯ই ফেব্রুয়ারি বিটিভি স্থানান্তরিত হয় রামপুরার নিজস্ব টিভি ভবনে।
- ৬ই মার্চ ১৯৭৫ সাল হতে রামপুরা টিভি ভবনে নতুন আঙ্গিকে শুরু হয় বিটিভির সম্প্রচার কার্যক্রম।
- ১৯৮০ সালে শুরু হয় বিটিভির রঙিন সম্প্রচার।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,০১২.
জাতিসংঘের মানব উন্নয়ন সূচক ২০২৫ -এ বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
  1. ১২৯তম
  2. ১৩০তম
  3. ১৩১তম
  4. ১৩২তম
সঠিক উত্তর:
১৩০তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩০তম
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘের মানব উন্নয়ন সূচক (HDI):
- এই প্রতিবেদন প্রকাশ করে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP) ।
- প্রতিবেদন অনুযায়ী বিশ্বে মানব উন্নয়ন সূচকে শীর্ষ দেশ: আইসল্যান্ড।
- আর সর্বনিম্নে রয়েছে সিয়েরা লিওন।
- এই সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান: ১৩০তম।

• মানব উন্নয়ন সূচকে শীর্ষ দেশগুলো:
১. আইসল্যান্ড,
২. নরওয়ে,
৩. সুইজারল্যান্ড,
৪. ডেনমার্ক,
৫. জার্মানি।

উৎস: Human Development Report 2025.

১,০১৩.
২০২৫ সালে ক্রীড়া ক্ষেত্রে একুশে পদক প্রাপ্ত হয়েছে-
  1. বাংলাদেশ অনুর্ধ্ব-১৯ নারী ফুটবল দল
  2. বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল
  3. বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল
  4. বাংলাদেশ জাতীয় হকি দল
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল
ব্যাখ্যা

• একুশে পদক- ২০২৫:
- একুশে পদক বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার। 
- বাংলাদেশ সরকারের 'সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়' এই পুরস্কার প্রদান করে। 
- ১৯৭৬ সালে জিয়াউর রহমান একুশে পদক প্রবর্তন করেন। 
- জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্যে এ পদক দেওয়া হয়।
- দেশের ১৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলকে একুশে পদক- ২০২৫ প্রদান করা হয়েছে।

» পদকপ্রাপ্তরা হলেন-
- শিল্পকলায় (চলচ্চিত্র): আজিজুর রহমান (মরণোত্তর),
- সংগীতে: উস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া (মরণোত্তর) ও ফেরদৌস আরা,
- আলোকচিত্রে: নাসির আলী মামুন, 
- চিত্রকলায়: রোকেয়া সুলতানা,
- গবেষণায়: মঈদুল হাসান,
- ভাষা ও সাহিত্যে: শহীদুল জহির (মো. শহীদুল হক) (মরণোত্তর) ও হেলাল হাফিজ (মরণোত্তর),
- সংস্কৃতি ও শিক্ষায়: ড. শহীদুল আলম,
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে: মেহদী হাসান খান (দলনেতা), রিফাত নবী (দলগত), মো. তানবিন ইসলাম সিয়াম (দলগত) ও শাবাব মুস্তাফা (দলগত);
- সাংবাদিকতায়: মাহফুজ উল্লা (মরণোত্তর)
- সাংবাদিকতা ও মানবাধিকারে: মাহমুদুর রহমান, 
- শিক্ষায়: ড. নিয়াজ জামান, 
- সমাজসেবায়: মোহাম্মদ ইউসুফ চৌধুরী (মরণোত্তর),
- ক্রীড়ায়: বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল।

তথ্যসূত্র: সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়।

১,০১৪.
বাংলাদেশের ক্রিকেটে প্রথম টেস্ট অধিনায়ক কে ছিলেন?
  1. হাবিবুল বাশার
  2. মোহাম্মদ আশরাফুল
  3. নাইমুর রহমান
  4. খালেদ মাসুদ
সঠিক উত্তর:
নাইমুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইমুর রহমান
ব্যাখ্যা
- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল টেস্ট খেলার মর্যাদা অর্জন করে।
- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট জয় পায় ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চট্টগ্রামে।
- টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- বাংলাদেশ তার শততম টেস্ট খেলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে।

উল্লেখ্য,
- ২০১৭ সালে শ্রীলঙ্কার কলম্বোয় ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়।
- শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করেন বাংলাদেশের সেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান।

সূত্র: ESPNcricinfo ও প্রথম আলো।
১,০১৫.
বাংলাদেশ IDA-এর কততম সদস্য?
  1. ১০৮তম
  2. ১০৯তম
  3. ১১৭তম
  4. ১১৮তম
সঠিক উত্তর:
১০৯তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৯তম
ব্যাখ্যা
বিশ্বব্যাংক গ্রুপ:
- IBRD সাধারণত বিশ্বব্যাংক নামে পরিচিত।
- IBRD এর পূর্ণরূপ হলো: International Bank for Reconstruction and Development.
- ১৯৪৪ সালের ব্রেটন উডস সম্মেলনের মাধ্যমে IBRD এর আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- বিশ্বব্যাংক ৫টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে গঠিত।
- প্রতিষ্ঠানগুলো হলো:
1. International Bank for Reconstruction and Development (IBRD).
2. International Finance Corporation (IFC).
3. Multilateral Investment Guarantee Agency (MIGA).
4 International Center for Settlement of Investment Disputes (ICSID).
5.International Development Association (IDA).

⇒ IDA:
- IDA-এর পূর্ণরূপ: International Development Association.
- যেসব দেশ IBRD থেকে ঋণ পায় না, IDA তাদের সহজ শর্তে ঋণ প্রদান করে থাকে।
- এজন্যে এটি Soft Loan Window নামে পরিচিত।
- IDA ১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটির বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৭৪টি।
- সর্বশেষ সদস্য বুলগেরিয়া।
- IDA সদস্য দেশগুলোর যথাক্রমে বেসরকারি খাতের উন্নয়নে এবং বহুপাক্ষিক বিনিয়োগে গ্যারান্টি প্রদান করে থাকে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৭ আগস্ট IDA এর সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ IDA থেকে সবচেয়ে বেশি সাহায্য পায়।
- বাংলাদেশ IDA-১০৯তম এবং World Bank-এর ১১৮তম সদস্য।

উৎস: World Bank ওয়েবসাইট।
১,০১৬.
বাংলাদেশে ভার্চুয়াল আদালতের কার্যক্রম শুরু হয়-
  1. ১১ জুন, ২০২০
  2. ১১ জুন, ২০২১
  3. ১১ মে, ২০২০
  4. ১১ মে, ২০২১
সঠিক উত্তর:
১১ মে, ২০২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ মে, ২০২০
ব্যাখ্যা
ভার্চুয়াল আদালত:
- ২০২০ সালের ৭ মে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে “আদালত কর্তৃক তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার অধ্যাদেশ- ২০২০” এর খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়।
- ২০২০ সালের ৯ মে ভার্চুয়াল উপস্থিতিকে স্বশরীরে উপস্থিতি হিসেবে গণ্য করে অধ্যাদেশটি জারি করেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো: আব্দুল হামিদ।
- ১০ মে ভার্চুয়াল আদালত পরিচালনা সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করে ১১ মে ২০২০ সালে থেকে সীমিত পরিসরে বিচারিক কার্যক্রম শুরুর মাধ্যমে ভার্চুয়াল আদালতের কার্যক্রম শুরু হয় ।
- প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গড়তে সরকারের যে অঙ্গীকার, তা পূরণে বিচার বিভাগীয় সফলতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত ভার্চুয়াল আদালত।
- ভার্চুয়াল আদালতের মাধ্যমে ১ লাখ ৬ হজার ৭৯ জন ব্যক্তি জামিনপ্রাপ্ত হয়ে কারামুক্ত হয়েছেন।

উৎস: channelionline.com
১,০১৭.
বিশ্বের কোন দেশ প্রথম ভাষা জাদুঘর করেছে?
  1. ভারত
  2. সৌদি আরব
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. বাংলাদেশ
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন জাদুঘর:
- বাংলা একাডেমির বর্ধমান হাউসের দ্বিতীয় তলায় পূর্ব পাশে ৪টি কক্ষ নিয়ে গড়ে তোলা হয়েছে ভাষা আন্দোলন জাদুঘর।
- এটি বিশ্বের প্রথম ভাষা জাদুঘর।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১০ সালের ১লা ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলন জাদুঘর উদ্বোধন করেন।
- জাদুঘরের নিদর্শনগুলোর মধ্যে আছে ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস, প্রেক্ষাপট, ঘটনাবলি সম্পর্কে বিভিন্ন লেখকের বইয়ের প্রচ্ছদ, ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ শীর্ষক পুস্তিকার প্রচ্ছদ, ভাষা আন্দোলন বিষয়ক বিভিন্ন রচনার অংশবিশেষ, ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক আলোকচিত্র, তৎকালীন প্রকাশিত বিভিন্ন পত্রিকার ভাষা আন্দোলন বিষয়ক প্রতিবেদন।

এছাড়াও রয়েছে -
- মধ্যযুগের কবি আবদুল হাকিম রচিত ‘নূরনামা’র পঙ্ক্তিমালা, বাংলা ভাষার ওপর ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত, মাইকেল মধুসূদন দত্ত ও অতুল প্রসাদ সেনের কবিতা, ১৯৫৬ সালে হামিদুর রহমান প্রণীত কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের আদি নকশা, বর্তমান শহিদ মিনারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের দৃশ্য, মাতৃভাষার সপক্ষে প্রথম প্রস্তাবক ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত, ভাষাবিদ ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আলোকচিত্র, তৎকালীন প্রকাশিত পত্রিকার বিশেষ সংখ্যা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবন চত্বরে সংগ্রামী ছাত্রছাত্রীদের ১৪৪ ধারা ভাঙার প্রস্তুতি, শিক্ষার্থীদের মিছিল, ধর্মঘট চলাকালে পুলিশের লাঠির আঘাতে আহত ছাত্রনেতা শওকত আলীকে শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক রিকশায় করে হাসপাতালে নিয়ে যাবার ছবি, ইডেন কলেজের মেয়েদের তৈরি শহিদ মিনারসহ আরও নানা দুর্লভ আলোকচিত্র।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১,০১৮.
সার্কের প্রথম মহাসচিব কে ছিলেন?
  1. ইব্রাহীম হুসাইন
  2. আবুল আহসান
  3. আব্দুর রউফ
  4. হারুনুর রশীদ
সঠিক উত্তর:
আবুল আহসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবুল আহসান
ব্যাখ্যা
সার্ক:
- সার্ক হলো দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর একটি বহুপাক্ষিক আঞ্চলিক সহযোগিতা ফোরাম।
- ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর ঢাকায় সার্ক প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সার্কের প্রথম মহাসচিব ছিলেন বাংলাদেশের আবুল আহসান।
- সার্কের বর্তমান মহাসচিব বাংলাদেশের মোঃ গোলাম সারোয়ার। (জুলাই, ২০২৫)
- প্রথম সার্ক সম্মেলন ১৯৮৫ সালের ৭-৮ ডিসেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়।
- এর সদর দপ্তর নেপালের কাঠমুন্ডু শহরে অবস্থিত।
- সার্কের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৮টি।
- এগুলো হলো:
• বাংলাদেশ।
• ভারত
• পাকিস্তান
• নেপাল
• শ্রীলংকা
• ভুটান
• মালদ্বীপ
• আফগানিস্তান।

তথ্যসূত্র - সার্ক ওয়েবসাইট।
১,০১৯.
ক্রিকেট পিচের প্রস্থ-
  1. ১২ ফুট
  2. ১০ ফুট
  3. ১৫ ফুট
  4. ২০ ফুট 
সঠিক উত্তর:
১০ ফুট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ ফুট
ব্যাখ্যা

ক্রিকেট:
- ক্রিকেট খেলার জন্ম ইংল্যান্ডে।
- প্রায় ১৭০০ সাল থেকে ক্রিকেট খেলা শুরু হয়।
- সেই সময় একটি উইকেট বসিয়ে কয়েকটি নিয়ম মেনে ক্রিকেট খেলা হত।
- পরে মেরিলিবোন ক্রিকেট ক্লাব (MCC) প্রতিষ্ঠার পর ক্রিকেট খেলার জন্য প্রথম আইনকানুন তৈরি করা হয়।
- ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রণ ও নিয়ম-কানুন দেখাশোনা করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (ICC)।
- ICC ১৯০৯ সালে গঠিত হয়।
- এই সংস্থা খেলার সব নিয়ম, প্রচার এবং পরিচালনার দায়িত্ব পালন করে।
- ক্রিকেট খেলার মোট ৪২টি আইন আছে।
- খেলার জন্য যে অংশ ব্যবহার করা হয় তাকে পিচ (pitch) বলা হয়।
- পিচের দৈর্ঘ্য ২২ গজ (২০.১২ মিটার) এবং প্রস্থ ১০ ফুট (৩.০৫ মিটার)।

উৎস: শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান ও খেলাধুলা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত 

১,০২০.
সম্প্রতি কোন বাংলাদেশি ভারতে রাষ্ট্রীয় বেসামরিক সম্মাননা ‘পদ্মশ্রী’-তে ভূষিত হন?
  1. ড. মো. মশিউর রহমান
  2. রতন চৌধুরী
  3. রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা
  4. স্বপ্না আক্তার
সঠিক উত্তর:
রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা
ব্যাখ্যা
পদ্মশ্রী পুরস্কার পাচ্ছেন রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা:
- দেশের পাশাপাশি ওপার বাংলাতেও দারুণ শ্রোতাপ্রিয় রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা।
- ভারতের মর্যাদাপূর্ণ রাষ্ট্রীয় বেসামরিক সম্মাননা ‘পদ্মশ্রী’-তে ভূষিত হলেন বাংলাদেশের বরেণ্য রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা। 
- এটি ভারতের চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা।
- ভারত সরকার ১৯৫৪ সালে পদ্ম পুরস্কার দেওয়া শুরু করে।
- ১৯৫৫ সালে এটি ‘পদ্মবিভূষণ’, ‘পদ্মভূষণ’ এবং ‘পদ্মশ্রী-এ তিনটি বিভাগে দেওয়া হয়।
- সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখা ব্যক্তিদের এ পুরস্কার দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- এর আগে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের ‘বঙ্গভূষণ’ পেয়েছিলেন তিনি।
- সংগীতে অবদানের জন্য ২০১৬ সালে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক স্বাধীনতা পুরস্কার পান বন্যা।
- এছাড়া ফিরোজা বেগম স্মৃতি স্বর্ণপদকসহ বিভিন্ন সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন এ শিল্পী।

 উৎস: ২৭ জানুয়ারি ২০২৪, যুগান্তর।
১,০২১.
বিশ্বের বৃহত্তম পাটকল বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ফরিদপুর
  2. শরীয়তপুর
  3. নড়াইল
  4. গোপালগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
গোপালগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোপালগঞ্জ
ব্যাখ্যা
আকিজ জুট মিল:
- বিশ্বের বৃহত্তম পাটকল আকিজ জুট মিলস।
- এটি গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় অবস্থিত।
- ৪৫০ বিঘা জুড়ে বিস্তৃত পাটকলটিতে ছয়টি কারখানা আছে। 
- আকিজ গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম শেখ আকিজ উদ্দিনের উদ্যোগী ছেলেরা প্রতিকূলতাকে উপেক্ষা করে বাংলাদেশের পাট শিল্পে অর্থ ঢেলে যাচ্ছেন।
- আকিজ গ্রুপের চেয়ারম্যান এবং আকিজ জুট মিলের মালিক শেখ নাসির উদ্দিন।

উল্লেখ্য,
বাংলাদেশের পাট শিল্প:
- বাংলাদেশে বছরে ১১-১২ লাখ টন পাট উৎপাদন হয়।
- যার মধ্যে দুই লাখ টন কাঁচা পাট সরাসরি রপ্তানি করা হয় এবং আরও দুই লাখ টন স্থানীয়ভাবে ব্যবহার করা হয়।
- বাকি সাত লাখ টন ব্যবহার করা হয় বিভিন্ন পণ্য বিশেষ করে বিশ্ববাজারে রপ্তানির জন্য সুতা তৈরিতে। 

উৎস: ১২ আগস্ট, ২০২৩, The Business Standard।
১,০২২.
সম্প্রতি বাংলাদেশ বিমান বাহিনীকে কোন দেশের জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োজিত করা রয়েছে? [জুন, ২০২৫]
  1. কঙ্গো প্রজাতন্ত্র
  2. মধ্য আফ্রিকা প্রজাতন্ত্র
  3. দক্ষিণ সুদান
  4. লেবানন
সঠিক উত্তর:
মধ্য আফ্রিকা প্রজাতন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মধ্য আফ্রিকা প্রজাতন্ত্র
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ:
- জাতিসংঘের উদ্যোগে গঠিত শান্তিরক্ষা বাহিনী এখন পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে শান্তিরক্ষায় নিয়োজিত।
- ১৯৪৮ সালে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন শুরু হয়।
- জাতিসংঘের নিজস্ব কোন শান্তিরক্ষা বাহিনী নেই।
- ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশ দুটি অপারেশনে অংশগ্রহণ করে, একটি ইরাক-ইরান (UNIIMOG) এবং অন্যটি নামিবিয়া (UNTAG)।

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি [জুন, ২০২৫] বাংলাদেশ বিমানবাহিনী মধ্য আফ্রিকা প্রজাতন্ত্রে নিয়োজিত জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে কন্টিনজেন্টের ১২৫ জন সদস্য প্রতিস্থাপন করেছে। 
- বিমানবাহিনী প্রধান জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সততা, পেশাদারি ও আন্তরিকতার সঙ্গে অর্পিত দায়িত্ব পালন করে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী তথা দেশের সুনাম বয়ে আনতে কন্টিনজেন্ট সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান।
- বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সমরাস্ত্র ব্যবহারে সক্ষম এবং নাইট ভিশন প্রযুক্তিসমৃদ্ধ তিনটি এমআই-১৭১ হেলিকপ্টার ও বিভিন্ন গ্রাউন্ড সাপোর্ট ইকুইপমেন্ট মধ্য আফ্রিকা প্রজাতন্ত্রে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নিযুক্ত রয়েছে।
- সেখানে বানামুহু-৬ কন্টিনজেন্টের নেতৃত্বে থাকবেন এয়ার কমোডর ইমরানুর রহমান।
- ১৯ জুন, ২০২৫ তারিখে কন্টিনজেন্টের সদস্যরা ঢাকায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মধ্য আফ্রিকা প্রজাতন্ত্রের উদ্দেশে যাত্রা করেন।

উৎস: i) United Nations in Bangladesh ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
১,০২৩.
'ছেঁড়াদ্বীপ' কোন উপজেলার অন্তর্গত?
  1. উখিয়া
  2. টেকনাফ
  3. কুতুবদিয়া
  4. রামু
সঠিক উত্তর:
টেকনাফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেকনাফ
ব্যাখ্যা

১. সবচেয়ে পূর্বের স্থান-
- স্থান: আখাইনঠং।
- উপজেলা: থানচি।
- জেলা: বান্দরবান।
 
২. সবচেয়ে পশ্চিমের স্থান-
- স্থান: মনাকষা।
- উপজেলা: শিবগঞ্জ।
- জেলা: চাপাইনবাবগঞ্জ।
 
৩. সবচেয়ে দক্ষিণের স্থান-
- স্থান: ছেঁড়া দ্বীপ।
- উপজেলা: টেকনাফ।
- জেলা: কক্সবাজার।
 
৪. সবচেয়ে উত্তরের স্থান-
- স্থান: বাংলাবান্দা।
- উপজেলা: তেঁতুলিয়া।
- জেলা: পঞ্চগড়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন

১,০২৪.
'গিরিকন্যা' চলচ্চিত্রটি কোন ভাষায় নির্মিত?
  1. চাকমা
  2. মারমা
  3. ম্রো
  4. মণিপুরী
সঠিক উত্তর:
মারমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মারমা
ব্যাখ্যা
গিরিকন্যা:
- মারমা ভাষায় প্রথম চলচ্চিত্র ‘তংস্মাসে বা গিরিকন্যা’।
- চলচ্চিত্রের নির্মাতা প্রদীপ ঘোষ।
- মারমা জনগোষ্ঠীর প্রাণ-প্রকৃতি রক্ষার অঙ্গীকার নিয়ে মারমা ভাষায় প্রথম চলচ্চিত্র “গিরিকন্যা”।

উল্লেখ্য,
- বান্দরবানের মারমা জনগোষ্ঠীর প্রবীণ চিকিৎসক ডা. মং উষা থোয়াই-এর গল্প অবলম্বনে ‘গিরিকন্যা’ নির্মিত হয়েছে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বিবিসি।
১,০২৫.
ছোট কাটরা কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. তুরাগ 
  2. শীতলক্ষ্যা 
  3. বুড়িগঙ্গা 
  4. মেঘনা 
সঠিক উত্তর:
বুড়িগঙ্গা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বুড়িগঙ্গা 
ব্যাখ্যা

• ছোট কাটরা:
- ছোট কাটরা শায়েস্তা খানের আমলে তৈরি একটি স্থাপনা বা ইমারত।
- আনুমানিক ১৬৬৩ থেকে ১৬৬৪ সালের দিকে এ ইমারতটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়।
- এবং  ১৬৭১ সালে শেষ হয়েছিল।
- এটির অবস্থান বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে।
- ইমারতটি দেখতে অনেকটা বড় কাটরার মত হলেও এটি আকৃতিতে বড় কাটরার চেয়ে ছোট।
- এবং এ কারণেই এর নাম হয়েছিল ছোট কাটরা।
- ১৮১৬ সালে মিশনারি লিওনার্দ ঢাকার প্রথম ইংরেজি স্কুল।
- ছোট কাটরার সাথে বিবি চম্পার স্মৃতিসৌধ অবস্থিত ছিল।

উল্লেখ্য,
- ঢাকার বড় কাটরা নির্মাণ করেন  শাহ সুজা।
- সুবেদার ইসলাম খান বাংলার রাজধানী ঢাকায় স্থানান্তর করেন।
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা ছিলেন বাংলার শেষ নবাব।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,০২৬.
হোসেনী দালান কে নির্মাণ করেন?
  1. মীর মুরাদ
  2. ইসলাম খান
  3. মীর জুমলা
  4. শায়েস্তা খান
সঠিক উত্তর:
মীর মুরাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মীর মুরাদ
ব্যাখ্যা
হোসেনী দালান:
- হোসেনী দালান পুরানো ঢাকায় অবস্থিত শিয়া সম্প্রদায়ের একটি ইমারত।
- এটি মুঘল আমলে নির্মিত হয়েছিল।
- শাহ সুজার শাসনকালে জনৈক মীর মুরাদ প্রথম এ ইমারত নির্মাণ করেন বলে মনে করা হয়।

⇒ ৬১ হিজরির ১০ মুহররম তারিখে ইরাকের কারবালার যুদ্ধে আল-হোসেনের শহীদত্বকে স্মরণ করার জন্য ইমারত নির্মাণ করা ছিল শিয়া সম্প্রদায়ের মধ্যে প্রচলিত একটি সাধারণ রীতি।
- শাহ সুজার শাসনকালে জনৈক মীর মুরাদ প্রথম এ ইমারত নির্মাণ করেন বলে মনে করা হয়।
- শাহ সুজা নিজে সুন্নি মুসলমান হলেও শিয়াদের মধ্যে প্রচলিত রীতিনীতির পৃষ্ঠপোষকতা করতে আগ্রহী ছিলেন।
- সৈয়দ মুরাদ একদা স্বপ্নে আল হোসেনকে একটি ‘তাজিয়াখানা’ নির্মাণ করতে দেখে এই ইমারত নির্মাণে উৎসাহিত হন।
- তিনিই এই ইমারতের নাম রাখেন হোসেনী দালান।
- ইমারতটি সম্ভবত একটি ছোট্ট স্থাপনা ছিল।
- পরবর্তীকালে ১৮০৭ ও ১৮১০ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির উদ্যোগে ইমারতটির সংস্কার করা হয় এবং ১৮৯৭ সালের ভূমিকম্পের পর এর কিছু অংশ নতুন করে পুনর্নির্মাণ করা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,০২৭.
অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী ছিলেন একজন খ্যাতিমান-
  1. ক) সাহিত্যিক
  2. খ) সাংবাদিক
  3. গ) প্রকৌশলী
  4. ঘ) চিকিৎসক
সঠিক উত্তর:
গ) প্রকৌশলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্রকৌশলী
ব্যাখ্যা
অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী ছিলেন বাংলাদেশের একজন খ্যাতিমান প্রকৌশলী, গবেষক, তথ্যপ্রযুক্তিবিদ ও বিজ্ঞানী।
তিনি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক ছিলেন। তিনি বাংলাদেশের সকল বৃহৎ ভৌত অবকাঠামো প্রকল্পে বিশেষজ্ঞ প্যানেলের নেতৃত্ব দিয়েছেন। এছাড়া তিনি ১৯৯৬ সালে গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারেরও উপদেষ্টা ছিলেন।
বাংলাদেশ সরকার তাকে ২০১৭ সালে একুশে পদক প্রদান এবং ২০১৮ সালে জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে মনোনীত করে।
তিনি ১৯৪৩ সালে সিলেটে জন্ম গ্রহণ করেন এবং ২০২০ সালের ২৮ এপ্রিল ইন্তেকাল করেন।
(সূত্রঃ প্রথম আলো)
১,০২৮.
বাংলাদেশের রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের সহায়তাকারী দেশ কোনটি?
  1. ক) ভারত
  2. খ) রাশিয়া
  3. গ) চীন
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
খ) রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রাশিয়া
ব্যাখ্যা
• গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ও রাশিয়ান ফেডারেশনের মধ্যে ১৩ মে ২০০৯ তারিখে একটি ‘পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার’ বিষয়ক একটি ‘সমঝোতা স্বাক্ষর’, ২১ মে ২০১০  তারিখে ‘Framework Agreement’ স্বাক্ষর  এবং ০২ নভেম্বর ২০১১ তারিখে  রূপপুরে প্রতিটি আনুমানিক ১০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা সম্পন্ন দু’ ইউনিট বিশিষ্ট পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন সংক্রান্ত সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর হয়।

Source: rooppurnpp.gov.bd
১,০২৯.
Who won the 'FOSWAL Literature Award 2023'?
  1. Fazle Hasan Abed
  2. Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman
  3. Anishul Haq
  4. Selina Hossain
সঠিক উত্তর:
Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman
ব্যাখ্যা
• FOSWAL সাহিত্য পুরস্কার: 
→ ২৬-২৮ মার্চ ২০২৩ ভারতের নয়াদিল্লীতে Foundation of SAARC Writers and Literature (FOSWAL) এর সাহিত্য উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। 
→  এই উৎসব থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে তার রচিত ৩টি বইয়ের জন্য বিশেষ সাহত্যি পুরস্কারে (FOSWAL) ভূষিত করে। 

বইগুলো হলো;
→ কারাগারের রোজনামচা,
→ অসমাপ্ত আত্মজীবনী,
→ আমার দেখা নয়াচীন।
→ ২০০১ সাল থেকে এই পুরস্কার প্রদান করা শুরু হয়েছে।

তথ্যসূত্র: তথ্যসূত্র: The Business Standard (Mar 26, 2023)
১,০৩০.
'জুলাই শহীদ স্মৃতি ভবন' কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত?
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়
  3. সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
  4. খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা

• জুলাই শহিদ স্মৃতি ভবন:
- জুলাই শহিদ স্মৃতি ভবন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের আবাসনের জন্য নবনির্মিত ‘জুলাই শহিদ স্মৃতি ভবন’ ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ শনিবার উদ্বোধন করা হয়েছে।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান প্রধান অতিথি হিসেবে এই ভবনটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
- উল্লেখ্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের ১১- তলা বিশিষ্ট ‘জুলাই শহিদ স্মৃতি ভবন’-এর ২৫২ টি কক্ষে ১ হাজার ৮জন শিক্ষার্থীর আবাসনের ব্যবস্থা রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- জুলাই ৩৬ গেইট - সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে।
- ‘শহীদ মীর মুগ্ধ তোরণ- খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়।

উৎস: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট ও পত্রিকা প্রতিবেদন।

১,০৩১.
ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম পত্রিকা কোনটি?
  1. ক) ঢাকা নিউজ
  2. খ) ঢাকা প্রকাশ
  3. গ) জ্যোতি
  4. ঘ) রঙ্গপুর বার্তাবহ
সঠিক উত্তর:
ক) ঢাকা নিউজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ঢাকা নিউজ
ব্যাখ্যা
ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম পত্রিকা হলো ঢাকা নিউজ। এটি ছিলো ইংরেজি ভাষার একটি সাপ্তাহিক পত্রিকা যা ১৮৫৬ সালের ১৮ এপ্রিল প্রথম প্রকাশিত হয়। এর প্রথম সম্পাদক ছিলেন আলেকজান্ডার ফর্বেস। ১৮৬৯ সালে এর প্রকাশনা বন্ধ হয়ে যায়।
ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম বাংলা সংবাদপত্র কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার সম্পাদিত ঢাকা প্রকাশ যা ১৮৬১ সালের ৭ মার্চ প্রথম প্রকাশিত হয়। রঙ্গপুর বার্তাবহ (১৮৪৭ সালের আগস্টে প্রকাশিত) বাংলাদেশ ভূখণ্ড থেকে প্রকাশিত প্রথম পত্রিকা। জ্যোতি (১৯২১ সালের ৫ আগস্ট চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত) বাংলাদেশ ভূখণ্ডের প্রথম দৈনিক পত্রিকা।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
১,০৩২.
'কুসুম্বা মসজিদ' কোন শাসনামলের স্থাপত্য নিদর্শন?
  1. সেন
  2. মুঘল
  3. সুলতানি
  4. ইংরেজ
সঠিক উত্তর:
সুলতানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুলতানি
ব্যাখ্যা
কুসুম্বা মসজিদ:
- নওগাঁর মান্দা উপজেলায় ঐতিহাসিক কুসুম্বা মসজিদের অবস্থান।
- মসজিদটি ধরে রেখেছে সুলতানি আমলের অনন্য নিদর্শন।
- এর মিহরাবের ওপর সুলতান আলাউদ্দীন হোসেন শাহর নাম লিপিবদ্ধ করা।
- ধারণা করা হয়, তাঁর শাসনামলে মসজিদটি নির্মিত।
- এটি চারকোনাবিশিষ্ট। কালো ও ধূসর রঙের পাথর আর পোড়ামাটির ইটে গড়া এই মসজিদ।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের ৫ টাকার নোটে কুসুম্বা মসজিদের ছবি ছাপানো আছে।

উৎস: প্রথম আলো।
১,০৩৩.
ড. মুহাম্মদ ইউনূস কত সালে তেভাগা খামার প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৯৭৬ সালে
  4. ১৯৭৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা

ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন শিক্ষক ছিলেন।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।
- তিনি গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
- তিনি এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- এছাড়াও র‍্যামন ম্যাগসেসে এওয়ার্ড ও বিশ্ব খাদ্য পুরস্কারসহ আরও অনেক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছেন।

উল্লেখ্য,
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৭৪ সালে তেভাগা খামার প্রতিষ্ঠা করেন।
- প্রকল্পটিকে আরও কার্যকর করতে ইউনূস এবং তার সহযোগীরা 'গ্রাম সরকার' কর্মসূচি প্রস্তাব করেন। যেটি ১৯৭০-এর দশকের শেষের দিকে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রবর্তন করেন। এই কর্মসূচির অধীনে ২০০৩ সালে ৪০,৩৯২টি গ্রাম সরকার গঠিত হয়।
- মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৭৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেন গরিব বাংলাদেশীদের মধ্যে ঋণ দেবার জন্য।

উৎস: i) Yunus Centre ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

১,০৩৪.
বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রোগ্রামার কে?
  1. সেলিনা হোসেন
  2. শাহেদা মুস্তাফিজ
  3. ফারজানা ইসলাম
  4. তাহমিনা আক্তার
সঠিক উত্তর:
শাহেদা মুস্তাফিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাহেদা মুস্তাফিজ
ব্যাখ্যা
প্রথম নারী প্রোগ্রামার:
- বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রোগ্রামার শাহেদা মুস্তাফিজ।
- ১৯৪৯ সালে জন্ম নেওয়া এ প্রতিভাবান নারী প্রোগ্রামার অর্থনীতিতে পড়াশোনা করেও প্রযুক্তির জগতে নিজের স্থান করে নিয়েছেন।
শাহেদা মুস্তাফিজ যুক্তরাষ্ট্রের এনসিআর করপোরেশনে সফটওয়্যার আর্কিটেকচারে এক বছরের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।
- ১৯৭৬ সালে এনসিআর বাংলাদেশের সিস্টেমস ম্যানেজার হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু হয়।
- এরপর তিনি লিডস করপোরেশনে ২২ বছর কাজ করেন, যেখানে তিনি ব্যাংকিং সফটওয়্যার ‘এনসিআর ব্যাংক’ (পরে ‘পিসি ব্যাংক’) তৈরি করেন, যা দেশের ব্যাংকিং খাতের অটোমেশনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- ১৯৯৮ সালে গড়ে তোলেন নিজের প্রতিষ্ঠান প্রবিতি সিস্টেমস।
- এ ছাড়া তিনি কানাডার ‘টোয়েন্টি-টোয়েন্টি টেকনোলজিস ইনকরপোরেটেড’-এর বাংলাদেশ শাখার ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং যুক্তরাষ্ট্রের ‘ই-টেকনোলজিকস ইনকরপোরেটেড’-এর বাংলাদেশ শাখার নির্বাহী সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
-  কাজের বাইরে তিনি শিশুদের জন্য এবং বিশেষ করে নারীদের জন্য কম্পিউটার প্রশিক্ষণকেন্দ্র পরিচালনা করেছেন।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
১,০৩৫.
কোন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে 'জোবেরা রহমান লিনু' গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস গড়েছেন?
  1. দাবা
  2. সাঁতার
  3. ফুটবল
  4. টেবিল টেনিস
সঠিক উত্তর:
টেবিল টেনিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেবিল টেনিস
ব্যাখ্যা
জোবেরা রহমান লিনু:
- জোবেরা রহমান লিনু বাংলাদেশের বিখ্যাত টেবিল টেনিস খেলোয়াড়।
- ২০০২ সালের মে মাসে নাম লেখান ‘গিনেস বুক রেকর্ডসে’।
- ২০০৫ সালে বাংলাদেশে ইউনিসেফের ক্রীড়াদূতও হয়েছিলেন লিনু।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের টেবিল টেনিসের রেকর্ড ১৬ বারের চ্যাম্পিয়ন তিনি।
- মাত্র আট বছর বয়সে ১৯৭৩ সালে জোবেরা রহমান লিনু প্রথম টেবিল টেনিস প্রতিযোগিতায় অংশ নেন।
- ১৯৭৪ সালে প্রথম জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নেন।
- ১৯৭৭ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত ১৬ বার জাতীয় চ্যাম্পিয়ন তিনি।

উৎস: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
১,০৩৬.
পদ্মা সেতুর নকশা প্রনয়ণ করে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. AOECM
  2. AEOCN
  3. ACEOM
  4. AECOM
সঠিক উত্তর:
AECOM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
AECOM
ব্যাখ্যা
পদ্মা সেতু:
- পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত পদ্মা সেতু একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু।
- এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু।
- এর ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্ত উত্তর-পুর্বাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।

⇒ মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার, প্রস্থ ১৮.১০ মিটার।
- পদ্মা সেতুর মোট স্প্যান ৪১টি।
- পদ্মা সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৪২টি।
- ২৫ জুন, ২০২২ তারিখে পদ্মা সেতু উদ্বোধন করা হয়।
- পদ্মা সেতু ঢাকার সাথে দক্ষিণাঞ্চলের ২১টি জেলার সংযোগ স্থাপন করেছে।

উল্লেখ্য,
- পদ্মা সেতুর নকশা প্রনয়ণ করে নিউজিল্যান্ড ভিত্তিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান এইসিওম (AECOM)।

উৎস: i) বিবিসি।
ii) সেতু বিভাগ ওয়েবসাইট।
১,০৩৭.
চিত্রকর্ম 'নাইওর' এর চিত্রকর কে?
  1. এস. এম. সুলতান
  2. কামরুল হাসান
  3. জয়নুল আবেদীন
  4. রফিকুন্নবী
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা
শিল্পী কামরুল হাসান:

- তাঁর প্রকৃত নাম আবু শরাফ মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
- ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর পিতার কর্মস্থল কলকাতায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার নারেঙ্গা গ্রামে।
- কামরুল হাসানের শিক্ষাজীবন কাটে কলকাতায়।
- তিনি কলকাতার মডেল এম ই স্কুল (১৯৩০-৩৫) এবং কলকাতা মাদ্রাসায় (১৯৩৬-৩৭) প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন।
- ১৯৩৮ সালে তিনি কলকাতার গভর্নমেন্ট স্কুল অব আর্টস-এ ভর্তি হন এবং ১৯৪৭ সালে চিত্রকলায় স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।
- ‘তিনকন্যা’ ও ‘নাইওর’ তাঁর বিখ্যাত চিত্রকর্ম।
- ১৯৮৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারি তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,০৩৮.
‘খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায়’ গানটির রচয়িতা কে?
  1. হাছন রাজা
  2. লালন শাহ
  3. শাহ আবদুল করিম
  4. আবদুর রহমান বয়াতি
সঠিক উত্তর:
লালন শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লালন শাহ
ব্যাখ্যা
লালন শাহ:
- ‘খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায়’ গানটির রচয়িতা বাউল সম্রাট খ্যাত লালন শাহ।
তার অন্যান্য গানের মধ্যে রয়েছে:
- ‘বাড়ির কাছে আরশী নগর’
- ‘আমার ঘরখানায় কে বিরাজ করে’
- ‘মিলন হবে কত দিনে’
- ‘কেউ মালা, কেউ তসবি গলায়, তাইতো জাত ভিন্ন বলায়’
- ‘তিন পাগলের মেলা’
- ‘সময় গেলে সাধন হবে না’।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১,০৩৯.
বাংলাদেশ নারী পুলিশের কোন কন্টিনজেন্ট জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা পদক লাভ করেছে?
  1. ব্যানএফপিইউ-৪
  2. ব্যানএফপিইউ-৩
  3. ব্যানএফপিইউ-২
  4. ব্যানএফপিইউ-১ 
সঠিক উত্তর:
ব্যানএফপিইউ-১ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যানএফপিইউ-১ 
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বাহিনী: 
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৪৮
- প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট: প্রথম আরব-ইসয়ায়েল সংঘাতের সময় জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক পর্যবেক্ষক মোতায়েনের অনুমোদন দেয়।
- প্রথম মিশন প্রেরণ: ফিলিস্তিনের জেরুজালেমে।
 - প্রথম মিশনের নাম: United Nations Truce Supervision Organization - UNTSO
- বাংলাদেশ যোগদান: ১৯৮৮ সালে ইরান-ইরাক সামরিক পর্যবেক্ষক দল (UNIMOG) প্রেরণের মাধ্যমে।
-  বাংলাদেশ নারী পুলিশ: বাংলাদেশ নারী পুলিশ ২০১০ সালে প্রথমবার 'ফর্মেড পুলিশ ইউনিট' নামে পূর্ণাঙ্গ পুলিশ ইউনিট শান্তিরক্ষী মিশনে কঙ্গো যাত্রা করে।
- গত ৭ আগস্ট, ২০২৫ তারিখে গণপ্রজাতন্ত্রী কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে (মনুস্ক) দায়িত্বরত বাংলাদেশ পুলিশের নারী কন্টিনজেন্ট ব্যানএফপিইউ-১ সদস্যদের অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা পদক দেওয়া হয়েছে।

তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ পুলিশের ওয়েবসাইট।

১,০৪০.
দেশে মুঠোফোনের মাধ্যমে আর্থিক সেবার যাত্রা শুরু হয় কবে?
  1. ২০১০ সালের মার্চে
  2. ২০১১ সালের মার্চে
  3. ২০১৪ সালের মার্চে
  4. ২০২৪ সালের মার্চে
সঠিক উত্তর:
২০১১ সালের মার্চে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১১ সালের মার্চে
ব্যাখ্যা
মোবাইল আর্থিক সেবা (এমএফএস):
- হাতে থাকা মুঠোফোন এখন আর্থিক লেনদেনের বড় মাধ্যম হয়ে উঠেছে।
- যোগাযোগের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় আর্থিক লেনদেনে ব্যবহৃত হচ্ছে মুঠোফোন।
- বিকাশ, নগদ ও রকেটের মতো মোবাইলে আর্থিক সেবায় (এমএফএস) এক মাসে ১ লাখ ৭১ হাজার ৬৬৪ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে, অর্থাৎ দেশে মুঠোফোনের মাধ্যমে প্রতিদিন লেনদেন হয়েছে ৫ হাজার ৫৩৭ কোটি টাকা।
- জানুয়ারি ২০২৫ তে এমএফএস-সেবায় সব মিলিয়ে গ্রাহকের সংখ্যা ছিল ২৩ কোটি ৯৩ লাখ ২৯৯।
- এর মধ্যে সক্রিয় হিসাব ৮ কোটি ৮৫ লাখ। 
- গ্রাহকসেবা দিতে সারা দেশে এজেন্ট রয়েছে ১৮ লাখ ৪১ হাজার ৯৭৯টি।
- এমএফএস-সেবার শীর্ষে রয়েছে বিকাশ।
- তাদের নিবন্ধিত গ্রাহকসংখ্যা প্রায় আট কোটি।
- বিকাশে দিনে লেনদেন হয় প্রায় চার হাজার কোটি টাকা।
- বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদিত ও ডাক বিভাগের সেবা নগদসহ দেশে এখন এমএফএস প্রতিষ্ঠান রয়েছে ১৩টি।
- এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো বিকাশ, নগদ, রকেট, উপায়, এমক্যাশ, মাইক্যাশ, ট্যাপ প্রভৃতি।
- দেশে মুঠোফোনের মাধ্যমে আর্থিক সেবার যাত্রা শুরু হয় ২০১১ সালের মার্চে।
- বেসরকারি খাতের ডাচ্-বাংলা ব্যাংক প্রথম এ সেবা চালু করে।
- পরে সেবাটির নাম বদলে রাখা হয় রকেট।
- এরপর ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে এমএফএস-সেবা চালু করে বিকাশ।

উৎস: প্রথম আলো (২৩ মার্চ ২০২৫)
১,০৪১.
এডি সায়েন্টিফিক ইনডেক্স ২০২৬ -এ সেরা বিজ্ঞানীদের তালিকায় স্থান পেয়েছেন বাংলাদেশের কোন বিজ্ঞানী? 
  1. অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান
  2. অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমান
  3. অধ্যাপক ড. কামরুল ইসলাম
  4. অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ আল মামুন
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান
ব্যাখ্যা

• এডি সায়েন্টিফিক ইনডেক্স, ২০২৬: 
- গবেষণা ও অ্যাকাডেমিক উৎকর্ষের স্বীকৃতিস্বরূপ এডি সায়েন্টিফিক ইনডেক্স র‍্যাঙ্কিং ২০২৬-এ মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং শাখায় মালয়েশিয়ায় প্রথম, এশিয়ায় দ্বিতীয় এবং বিশ্বে সপ্তম অবস্থান অর্জন করেছেন বাংলাদেশি বিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান।

- সম্প্রতি প্রকাশিত এডি সায়েন্টিফিক ইনডেক্স ২০২৬ অনুযায়ী, ইঞ্জিনিয়ারিং ও টেকনোলজি/মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে তালিকাভুক্ত বিশ্বের ৩৩ হাজার ৩৭১ জন বিজ্ঞানীর মধ্যে এই মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে উঠে আসেন অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান।
- ২০২৫ সালেও একই র‍্যাঙ্কিংয়ে তিনি বিশ্বে সপ্তম ছিলেন। 
- স্কলারজিপিএস ২০২৫ অনুযায়ী টেকসই জ্বালানি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি গবেষণায় তিনি বিশ্বসেরা বিজ্ঞানী হিসেবে প্রথম স্থান অর্জন করেন।
- ২০২৫ সালের ওবাদা পুরস্কারে ‘বিশিষ্ট বিজ্ঞানী’ ক্যাটাগরিতে তিনি সম্মানিত হন।
- বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে এই আন্তর্জাতিক পুরস্কারে ২০২৫ সালে বিশ্বব্যাপী মাত্র আটজন বিজ্ঞানী নির্বাচিত হন, যাদের একজন ড. সাইদুর রহমান।

তথ্যসূত্র: ইত্তেফাক। (Link) 

১,০৪২.
বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) বান্দরবান
  2. খ) সিলেট
  3. গ) সুন্দরবন
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
ঘ) চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট চট্টগ্রামের ষোলশহর এলাকায় অবস্থিত।
উৎসঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন, চট্টগ্রাম জেলা।
১,০৪৩.
বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন বিহার কোনটি?
  1. সোমপুর বিহার
  2. সীতাকোট বিহার
  3. আনন্দ বিহার
  4. শালবন বিহার
সঠিক উত্তর:
সীতাকোট বিহার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সীতাকোট বিহার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের হিসাবমতে, বাংলাদেশে মোট ৫১৮টি প্রত্নতাত্ত্বিক সাইট রয়েছে।
এক্ষেত্রে, প্রশ্নে উল্লেখিত সাইটগুলোর সংক্ষিপ্ত বিবরণ হচ্ছে -

সীতাকোট বিহার:
- দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলায় সীতাকোট বিহার অবস্থিত।
- বিহারটিতে মোট ৪১টি প্রায় সমআয়তনের কক্ষ ছিল।
- এই কক্ষগলি একটি প্রশস্ত টানা বারান্দার সংগে যুক্ত ছিল।
- সীতাকোট বিহার আঙ্গিনার মধ্যবর্তী স্থানে কোন প্রধান মন্দির ছিলনা।
- এখানে পাহাড়পুর,শালবন বিহার এবং আনন্দ বিহারের মত ঐতিহ্যবাহী পোড়ামাটির ফলক দেখা যায়না।
- তবে আকার আয়তনের দিক থেকে এই বিহারের সংগে বগুড়ায় অবস্থিত ভাসু বিহার এর অনেক মিল রয়েছে।
- সীতাকোট বিহার থেকে প্রাপ্ত দুইটি ব্রোঞ্জ মূর্তির গঠন শৈলী থেকে অনুমান করা যায় যে, এগুলি ৭ম-৮ম শতাব্দীতে তৈরী।
- সময়কাল: - খ্রিঃ ৭-৮ম শতক।

সোমপুর বিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন। ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।
- সময়কাল: অষ্টম-নবম শতক (আনুমানিক ৭৭০ - ৮১০ খিঃ)

শালবন বিহার:
- বাংলাদেশের অন্যতম প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন কুমিল্লার শালবন বিহার যা দেব সাম্রাজ্যের কীর্তি।
- এটি দেববংশের চতুর্থ রাজা ভবদেব খ্রিস্টীয় আট শতকে নির্মাণ করেন।
- বিহারের আসল নাম 'ভবদেব মহাবিহার'।
- সময়কাল:- অষ্টম শতক

আনন্দ বিহার:
- আনন্দবিহার প্রত্নতাত্ত্বিক দিক থেকে সমৃদ্ধ কুমিল্লার নিকটবর্তী কোটবাড়ি এলাকায় অবস্থিত।
- বিহারটি নির্মাণ করেন - প্রথম দেববংশের তৃতীয় শাসক শ্রী আনন্দ দেব।
- সময়কাল:- অষ্টম শতক।

[উপরোক্ত আলোচনা থেকে এটা বলা যায় যে, প্রশ্নে উল্লেখিত অপশনগুলোর মধ্যে সিতাকোট বিহার সবচেয়ে প্রাচীন।]

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট জেলার ওয়েবসাইট।
১,০৪৪.
বাংলাদেশে স্টারলিংক আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে কবে?
  1. ১০ এপ্রিল, ২০২৫
  2. ২০ এপ্রিল, ২০২৫
  3. ২০ মে, ২০২৫
  4. ২০ জুন, ২০২৫
সঠিক উত্তর:
২০ মে, ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ মে, ২০২৫
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে স্টারলিংক সেবা:
- বাংলাদেশে স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবা চালুর জন্য স্পেসএক্সের সহযোগী প্রতিষ্ঠান স্টারলিংককে অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)।
- বাংলাদেশ বিনিয়োগ সম্মেলনের ভেন্যু রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে ৯ এপ্রিল, ২০২৫ পরীক্ষামূলকভাবে স্টারলিংকের ইন্টারনেট সেবা ব্যবহার করা হয়।
- ২০ মে, ২০২৫ বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে স্টারলিংক।

উল্লেখ্য,
- প্রাথমিকভাবে স্টারলিংক দুটি প্যাকেজ নিয়ে বাংলাদেশে তাদের সেবা চালু করছে।
- প্যাকেজ দুটি হলো – স্টারলিংক রেসিডেন্স এবং রেসিডেন্স লাইট।
- এর মধ্যে স্টারলিংক রেসিডেনশিয়াল প্যাকেজের মাসিক খরচ ধরা হয়েছে ৬০০০ টাকা এবং রেসিডেনশিয়াল লাইট প্যাকেজের মাসিক খরচ ৪২০০ টাকা।
- তবে উভয় প্যাকেজের জন্যই গ্রাহকদেরকে ৪৭ হাজার টাকা এককালীন যন্ত্রপাতির খরচ বহন করতে হবে।
- এখানে কোন স্পিড ও ডাটা লিমিট নেই।
- ব্যক্তি ৩০০ এমবিপিএস পর্যন্ত গতির আনলিমিটেড ডেটা ব্যবহার করতে পারবেন।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট।
১,০৪৫.
বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো সমুদ্রপথে ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে কোন রুটে?
  1. মংলা-খুলনা
  2. বরিশাল-পটুয়াখালী
  3. চট্টগ্রাম - সন্দ্বীপ
  4. কক্সবাজার - সেন্টমার্টিন
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম - সন্দ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম - সন্দ্বীপ
ব্যাখ্যা
সমুদ্রপথে ফেরি চলাচল:
- দেশে প্রথমবারের মতো সমুদ্রপথে চট্টগ্রাম-সন্দ্বীপ রুটে ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে।
- এর মাধ্যমে ফেরি যুগে প্রবেশ করল চট্টগ্রামের দ্বীপ উপজেলা সন্দ্বীপ।
- চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের বাঁশবাড়িয়া ফেরিঘাট থেকে সন্দ্বীপের গুপ্তছড়া ফেরিঘাট নৌপথে এই ফেরি চলাচল করবে।
- ২৪ মার্চ চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেরার বাঁশবাড়িয়া ঘাটে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন এই ফেরি সেবার উদ্বোধন করেন।
- ফেরি 'কপোতাক্ষ' দিয়ে শুরু হওয়া এই সেবা প্রতিদিন চারবার যাতায়াত করবে, যা সন্দ্বীপের প্রায় চার লাখ মানুষের জন্য সরাসরি যোগাযোগের নতুন দ্বার উন্মুক্ত করেছে।
- এই ফেরি সেবা চালুর ফলে বাস, ট্রাক, ট্যাংক লরি, মিনিবাস, প্রাইভেট কারসহ সব ধরনের যানবাহন সরাসরি দ্বীপে পৌঁছানোর সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
১,০৪৬.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন - 
  1. স্যার সৈয়দ আহমেদ
  2. নওয়াব আবদুল লতিফ
  3. নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ
  4. উপরের কেউ নন 
সঠিক উত্তর:
নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ
ব্যাখ্যা

নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহর ভূমিকা:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ বিশেষ ভূমিকা পালন করেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ঢাকার রমনা এলাকায় নিজের জমি দান করেন।

বঙ্গভঙ্গের পর:
বঙ্গভঙ্গের পরে ঢাকায় ‘সর্বভারতীয় মুসলিম শিক্ষা সম্মেলন’ এবং ‘পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রাদেশিক শিক্ষা সমিতির’ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়, যা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা আরও জোরদার করে।

সরকারের ওপর চাপ:
নওয়াব সলিমুল্লাহ ১৯০৫ সাল থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য সরকারের ওপর চাপ দিচ্ছিলেন।

লর্ড হার্ডিঞ্জের আগমন:
১৯১২ সালের ২৯ জানুয়ারি লর্ড হার্ডিঞ্জ ঢাকায় এসে তিন দিন অবস্থান করেন। ৩১ জানুয়ারি, নওয়াব সলিমুল্লাহর নেতৃত্বে ১৯ সদস্যের একটি মুসলিম প্রতিনিধি দল বড়লাটের সঙ্গে দেখা করে এবং পূর্ববঙ্গের মুসলমানদের স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য একটি মানপত্র প্রদান করে।

সরকারি সুপারিশ:
১৯১২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ভারত সরকার একটি ইশতেহার জারি করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সুপারিশ ঘোষণা করে।

শিক্ষার সূচনা:
১৯২১ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে পাঠদান শুরু হয়।

সূত্র: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া।

১,০৪৭.
বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান কে?
  1. সাকিব আল হাসান 
  2. তামিম ইকবাল
  3. আমিনুল ইসলাম বুলবুল
  4. নাইমুর রহমান
সঠিক উত্তর:
আমিনুল ইসলাম বুলবুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমিনুল ইসলাম বুলবুল
ব্যাখ্যা

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল টেস্ট খেলার মর্যাদা অর্জন করে।
- বাংলাদেশ টেস্ট ম্যাচে প্রথম জয় লাভ করে ২০০৫ সালে।

উল্লেখ্য,
- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।
- বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি করেন মুশফিকুর রহিম।
- টেস্টে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক তামিম ইকবাল।
- টেস্টে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ব্যক্তিগত হাজার রান সংগ্রাহক হাবিবুল বাশার।

⇒ বাংলাদেশ তার শততম টেস্ট খেলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে।
- ২০১৭ সালে শ্রীলঙ্কার কলম্বোয় ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়।

• শ্রীলঙ্কা: ৩৩৮ ও ৩১৯
• বাংলাদেশ: ৪৬৭ ও ১৯১/৬
• ফল: বাংলাদেশ ৪ উইকেটে জয়ী।

উৎস: ESPNcricinfo.

১,০৪৮.
সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে কোন দ্বীপের সাথে বৈদ্যুতিক সংযোগ স্থাপন করা হয়েছে?
  1. ক) সন্দ্বীপ
  2. খ) হাতিয়া
  3. গ) ভাসানচর
  4. ঘ) মনপুরা
সঠিক উত্তর:
ক) সন্দ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সন্দ্বীপ
ব্যাখ্যা
• সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে প্রথম সন্দীপ (চট্টগ্রাম) উপজেলায় বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হয় ।
- সাগর তলদেশে সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপনের মাধ্যমে সাগর দ্বীপ সন্দ্বীপকে জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডের আওতায় আনা হয়েছে।
- ‘চট্টগ্রাম বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড থেকে সন্দ্বীপ পর্যন্ত ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ সাগর তলদেশে এই সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপন করা হয়েছে।
- এতে সন্দ্বীপের চার লাখ অধিবাসী গ্রিড বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় এলো।
- সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপনের ফলে পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ সরবরাহের সুযোগ সৃষ্টি হওয়ায় এখানে শিল্প কারখানা স্থাপনসহ বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডের ব্যাপক প্রসার ঘটবে।'
- সর্বশেষ রাঙ্গাবালি (পটুয়াখালী) উপজেলা বিদ্যুতের আওতায় আসে।

তথ্যসূত্র:- বাংলা ট্রিবিউন এবং সাম্প্রতিক সমাচার এপ্রিল ২০২২।
১,০৪৯.
বাংলাদেশের প্রথম নারী হিসেবে বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে আরোহণ করেছেন কে?
  1. ওয়াসফিয়া নাজরীন
  2. রাফিয়া বেগম
  3. দিলরুবা আক্তার
  4. নিশাত মজুমদার
সঠিক উত্তর:
নিশাত মজুমদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিশাত মজুমদার
ব্যাখ্যা
এভারেস্ট জয়ী নারী:
- বাংলাদেশের প্রথম নারী হিসেবে বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে আরোহণ করেছেন নিশাত মজুমদার।
- ২০১২ সালের ১৯ মে শনিবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ন’টার সময় তিনি এভারেস্ট শিখরে পা রাখেন।
- নিশাত মজুমদার ও সেই সঙ্গে আর এক বাংলাদেশী এম এ মুহিতের এভারেস্ট শীর্ষে আরোহণ করেন।
- ২০১০ সালের ২৩শে মে প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন মুসা ইব্রাহিম।
- তবে বাংলাদেশের কোনও মহিলা হিসেবে প্রথম সেই কৃতিত্বের অধিকারিণী হলেন নিশাত মজুমদার।
- এভারেস্টজয়ী নিশাত মজুমদার এর আগে ২০০৭ সালের সেপ্টেম্বরে হিমালয়ের মেরা পর্বতশৃঙ্গ (২১ হাজার ৮৩০ ফুট) জয় করেন।

তথ্যসূত্র - বিবিসি নিউজ বাংলা, ১৯ মে ২০১২।
১,০৫০.
ছায়ানটের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন -
  1. আতাউর রহমান
  2. সুফিয়া কামাল
  3. শামসুল হক
  4. জাহানারা ইমাম
সঠিক উত্তর:
সুফিয়া কামাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুফিয়া কামাল
ব্যাখ্যা
ছায়ানট:
-  বাংলা ১৩৬৮, ইংরেজি ১৯৬১ সালে সারাবিশ্বে রবীন্দ্রশতবার্ষিকীর আয়োজন বাংলার এই প্রান্তের সংস্কৃতি সচেতন মানুষের মনেও চাঞ্চল্য জাগায়। 
- উদ্যোগী হলেন বিচারপতি মাহবুব মুর্শেদ, ডক্টর গোবিন্দচন্দ্র দেব, অধ্যাপক মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী প্রমুখ বুদ্ধিজীবী, তেমনি ঢাকার কিছু সংস্কৃতিকর্মীও আগুয়ান হলো শতবর্ষ উদযাপনের উদ্দেশ্যে।

- শতবার্ষিকী উদ্‌যাপন করবার পর এক বনভোজনে গিয়ে সুফিয়া কামালসহ বহু অনুপ্রাণিত কর্মী সাংস্কৃতিক আন্দোলন চালিয়ে যাবার জন্যে সমিতি গঠন করার সিদ্ধান্ত নেন। 
- জন্ম হয় ছায়ানটের।
-১৯৬১ সালে সুফিয়া কামালকে সভাপতি আর ফরিদা হাসানকে সম্পাদক করে প্রথম কমিটি গঠিত হয়।
- পাকিস্তানি যুগে কঠোর সামরিক শাসনে পদানত স্বদেশে রবীন্দ্রসঙ্গীত ও রবীন্দ্রভাবনা অবলম্বন করে ছায়ানট যাত্রা শুরু করে।

উৎস: ছায়ানট অফিসিয়াল ওয়েবসাইট  এবং প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
১,০৫১.
’The Ultimate Fate of the Universe’ গ্রন্থের লেখক কে?
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  2. ড. জামাল নজরুল ইসলাম
  3. ড. নজরুল ইসলাম খান
  4. ফজলে হাসান আবেদ
সঠিক উত্তর:
ড. জামাল নজরুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. জামাল নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা

• বিজ্ঞানী প্রফেসর জামাল নজরুল ইসলাম:
- বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানী প্রফেসর ড. জামাল নজরুল ইসলাম।
- পেশাগতভাবে তিনি ছিলেন একজন তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী, এবং তাঁর গবেষণার ক্ষেত্র ছিল আপেক্ষিকতা, বিশ্বতত্ত্ব এবং কোয়ান্টাম তত্ত্ব।
- আইনষ্টাইনের আপেক্ষিকতার তত্ত্ব, কোয়ান্টাম মেকানিক্স, কসমোলজি ও মহাবিশ্বের সৃষ্টি তত্ত্বের মতো জটিল বিষয় নিয়ে করেছেন মৌলিক গবেষণা।
- তাঁর বাবার কর্মস্থলে , ১৯৩৯ সালের ২৪শে ফেব্রুয়ারি ঝিনাইদহে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৮৩ সালে কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস থেকে প্রকাশিত তাঁর বই ’দি আল্টিমেট ফেইট অফ দি ইউনিভার্স’ বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হয়।
- বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত বাংলা ভাষায় তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত বই ⎯ 'কৃষ্ণগহ্বর’ (ব্ল্যাক হোল)।
- তাঁর গবেষণা আইনস্টাইন-পরবর্তী মহাবিশ্ব গবেষণায় বিরাট অবদান রেখেছে।
- সৌরজগতের বিভিন্ন গ্রহ কখনো এক সরলরেখায় এলে পৃথিবীর ওপর তার প্রভাব পড়বে কি না, তা নিয়ে কাজ করেছেন তিনি।
- পশ্চিমের উন্নত দেশে ৩০ বছরের অভ্যস্ত জীবন, সম্মানজনক পদ, গবেষণার অনুকূল পরিবেশ, বিশ্বমানের গুণীজন সাহচর্য এবং আর্থিকভাবে লোভনীয় চাকরি ছেড়ে ১৯৮৪ সালে ফিরে আসেন নিজ জেলা চট্টগ্রামে।
-চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে গণিত বিভাগে যোগ দিলেন মাসিক তিন হাজার টাকা বেতনে।
- দেশে ফিরে এসে একদিকে জামাল নজরুল ইসলাম গড়ে তুলেছেন উচ্চতর বিজ্ঞান গবেষণাগার আন্তর্জাতিক মানের প্রতিষ্ঠান গাণিতিক ও ভৌতবিজ্ঞান গবেষণাকেন্দ্র বা রিচার্স সেন্টার ফর ম্যাথমেটিক্যাল অ্যান্ড ফিজিক্যাল সায়েন্স (আরসিএমপিএস),

উল্লেখ্য,
- ২০০০ সালে তিনি বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ’একুশে পদকে’ ভূষিত হন।
- ২০১৩ সালের ১৬ই মার্চ চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

উৎস:
i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬, প্রথম আলো।

১,০৫২.
টিভি-০০৫ (টেট্রাভ্যালেন্ট) কোন রোগের টিকা?
  1. ডেঙ্গু
  2. যক্ষ্মা
  3. ম্যালেরিয়া
  4. কোভিড
সঠিক উত্তর:
ডেঙ্গু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেঙ্গু
ব্যাখ্যা
টিভি-০০৫:
- টিভি-০০৫ (টেট্রাভ্যালেন্ট) ডেঙ্গু রোগের টিকা।
- ডেঙ্গু ভাইরাসের চারটি ধরন: ডেন-১, ডেন-২, ডেন-৩ ও ডেন-৪।
- বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ডেঙ্গু রোগের টিকার সফল পরীক্ষা হয়েছে।
- আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআরবি) ও যুক্তরাষ্ট্রের ভার্মন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইউভিএম) লার্নার কলেজ অব মেডিসিনের গবেষকেরা এই টিকার সফল পরীক্ষা করেছেন। 
- টিকার পরীক্ষামূলক প্রয়োগে দেখা গেছে, চারটি ধরনের বিরুদ্ধেই এই টিকা অ্যান্টিবডি তৈরিতে সাফল্য দেখিয়েছে।
- এই টিকার নাম দেওয়া হয়েছে টিভি-০০৫ (টেট্রাভ্যালেন্ট)।

উৎস: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, প্রথম আলো।
১,০৫৩.
গ্র্যান্ডমাস্টার খেতাব অর্জনকারী বাংলাদেশি দাবাড়ু -
  1. নিয়াজ মোরশেদ
  2. জিয়াউর রহমান
  3. এনামুল হোসেন রাজীব
  4. বর্ণিত সবাই
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবাই
ব্যাখ্যা
দাবায় বাংলাদেশের গ্র্যান্ড মাস্টার:
- গ্র্যান্ড মাস্টার দাবার সর্বোচ্চ খেতাব।
- এটি দাবার আন্তর্জাতিক সংগঠন ‘ফিদে’র তরফ থেকে দেওয়া হয়।
- একজন দাবারুকে ফিদে মাস্টার খেতাব পেতে হলে কমপক্ষে ২৩০০ রেটিং থাকতে হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ থেকে পাঁচজন দাবাড়ু গ্র্যান্ড মাস্টার সম্মাননা অর্জন করেছেন।
- বাংলাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার নিয়াজ মোরশেদ। ১৯৮৭ সালে ২১ বছর বয়সে উপমহাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার খেতাব অর্জন করেন নিয়াজ মোরশেদ। তিনি ছিলেন দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম ও এশিয়ার পঞ্চম গ্র্যান্ড মাস্টার।
- দাবায় বাংলাদেশের দ্বিতীয় গ্র্যান্ড মাস্টার জিয়াউর রহমান। ২০০২ সালে দ্বিতীয় গ্র্যান্ডমাস্টার হন জিয়াউর রহমান। তিনি বাংলাদেশি দাবাড়ুদের মধ্যে সর্বোচ্চ ফিদে রেটিং অর্জন করেছিলেন।
- ২০০৬ সালে রিফাত বিন সাত্তার ৩য় গ্র্যান্ড মাস্টার।
- ২০০৭ সালে আবদুল্লাহ আল রাকিব ৪র্থ গ্র্যান্ড মাস্টার।
- সর্বশেষ ২০০৮ সালে ৫ম গ্র্যান্ড মাস্টার এনামুল হোসেন রাজীব

⇒ তবে তারও আগে ১৯৮৫ সালে রানী হামিদ আন্তর্জাতিক মহিলা মাস্টার খেতাব পান।

উৎস: i) কালের কন্ঠ।
ii) প্রথম আলো।
১,০৫৪.
ঢাকা মেট্রোরেল প্রকল্পের সার্বিক তত্ত্বাবধানে রয়েছে কোন সংস্থা?
  1. ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ
  2. বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন সংস্থা
  3. ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড
  4. সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড
ব্যাখ্যা
মেট্রোরেল:
- ঢাকা মেট্রোরেল প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানের নাম Dhaka Mass Transit Company Limited.

উল্লেখ্য,
⇒ এর দৈর্ঘ্য ১২৯ কি.মি.।
- বাংলাদেশে প্রথম মেট্রোরেল চালু হয় ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২ তারিখে।
- মেট্রোরেল জনসাধারণের জন্য চালু হয় ২৯ ডিসেম্বর, ২০২২ তারিখে।
- মেট্রোরেলের প্রথম চালক মরিয়ম আফিজা।
- এশিয়ার মধ্যে ২২তম দেশ হিসেবে মেট্রোরেল সিস্টেম চালু হয়েছে বাংলাদেশে।
- প্রথম পর্যায়ের মেট্রোরেল চলাচলের লাইন নম্বর ছিল- ম্যাস র‍্যাপিড ট্রানজিট লাইন ৬ (MRT Line-6)।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য-
- বাংলাদেশের মেট্রোরেলের লোগোর ডিজাইনার- আলী আহসান নিশান।
- মেট্রোরেলের পরিচালনা ব্যবস্থার নাম - কমিউনিকেশন বেজড ট্রেন কন্ট্রোল সিস্টেম।
- মেট্রোরেলের কোচগুলোর নির্মাতা জাপানের কাওয়াসাকি-মিতসুবিশি কনসোর্টিয়াম।
- ঢাকা মেট্রোরেল প্রকল্পে অর্থায়ন করেছে- জাইকা ও বাংলাদেশ সরকার।
- মেট্রোরেল উদ্বোধন উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক ৫০ টাকা মূল্যমানের স্মারক নোট চালু করেছে।
- মেট্রোরেলের জন্য গঠিত পুলিশের বিশেষ ইউনিটের নাম - এমআরটি পুলিশ।

উৎস: i) Dhaka Metro Mass Rapid Transit System - Railway Technology.
ii) বিবিসি বাংলা।
১,০৫৫.
বাংলাদেশ কত সালে প্রথম বিশ্ব অলিম্পিক গেমসে অংশগ্রহন করেছে?
  1. ১৯৮২ সালে
  2. ১৯৮৪ সালে
  3. ১৯৮৫ সালে
  4. ১৯৮৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৪ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশন:
- বাংলাদেশ অলিম্পিক সংস্থা (Bangladesh Olympic Association - BOA) বাংলাদেশের জাতীয় অলিম্পিক কমিটি.
- এটি আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির (IOC) স্বীকৃতিপ্রাপ্ত। 
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭৬ সালে।
- বিশ্ব অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশানের সদস্যপদ লাভ করে: ১৯৮০ সালে।
- সদর দপ্তর: পুরানা পল্টন, ঢাকা। 
- বর্তমান সভাপতি: জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ প্রথম বিশ্ব অলিম্পিক গেমসে অংশগ্রহন করেছে ১৯৮৪ সালে।

উৎস: Bangladesh Olympic Association ওয়েবসাইট।

১,০৫৬.
চট্টগ্রামে বাংলাদেশ টেলিভিশনের একটি নতুন পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্র স্থাপিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৯৪ সালে
  2. খ) ১৯৯৫ সালে
  3. গ) ১৯৯৬ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৭ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৯৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৯৬ সালে
ব্যাখ্যা
- চট্টগ্রামে বাংলাদেশ টেলিভিশনের একটি নতুন পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্র স্থাপিত হয় ১৯৯৬ সালে।

বাংলাদেশ টেলিভিশন-
- বাংলাদেশ টেলিভিশনের যাত্রা শুরু হয় ১৯৬৪ সালের ২৫শে ডিসেম্বর।
- তৎকালীন ডি আই টি ভবনের (বর্তমানে রাজউক কার্যালয়) দুটি কক্ষে মাত্র ৩ ঘন্টা চলতো এর সম্প্রচার কার্যক্রম।
- ১৯৬৭ সালে তৎকালীন পাকিস্তান টেলিভিশন কর্পোরেশন ও ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশে (পি.ও নং-১১৫) বাংলাদেশ টেলিভিশন নামে রাষ্ট্রীয় টিভি চ্যানেলে পরিণত হয়।
- ৬ই মার্চ ১৯৭৫ সাল হতে রামপুরা টিভি ভবনে নতুন আঙ্গিকে শুরু হয় বিটিভির সম্প্রচার কার্যক্রম।
- ১৯৮০ সালে শুরু হয় বিটিভির রঙিন সম্প্রচার। 
- বিটিভি, বিটিভি ওয়ার্ল্ড, বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্র ও সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশনের অনুষ্ঠান ০১ জুলাই ২০১৯ থেকে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের মাধ্যমে বহির্বিশ্বে সম্প্রচার কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ টেলিভিশন অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,০৫৭.
চীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় কবে? 
  1. ৩১ আগস্ট, ১৯৭৫ সালে
  2. ১১ আগস্ট, ১৯৭৬ সালে
  3. ১ আগস্ট, ১৯৭৫ সালে
  4. ২৩ আগস্ট, ১৯৭৬ সালে
সঠিক উত্তর:
৩১ আগস্ট, ১৯৭৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১ আগস্ট, ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি প্রদানকারী দেশসমূহ:
- বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দিয়েছে ভুটান।
- ভুটান ৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে প্রথম দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিল।
- ভুটানের পর একই দিনে ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল।
- চীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়- ৩১ আগস্ট, ১৯৭৫ সালে। 
---------------------------------------
• স্বীকৃতি প্রদানকারী দেশসমূহ:
- স্বাধীনতার পর বিভিন্ন দেশ পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।

• আরব বিশ্বের মধ্যে প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদানকারী দেশ ছিল- ইরাক। 
• অনারব মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে প্রথম স্বীকৃতি দেয়- ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া- একই দিনে, ১৯৭২ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি। 
• ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে প্রথম স্বীকৃতি দেয়- পূর্ব জার্মানি।
• আফ্রিকার দেশগুলোর মধ্যে সবার আগে সেনেগাল বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
• সমাজতান্ত্রিক দেশ হিসেবে প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদানকারী দেশ ছিল- পোল্যান্ড।
• দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে প্রথম স্বীকৃতি প্রদান করে- ভেনিজুয়েলা।
• উত্তর আমেরিকার দেশগুলোর মধ্যে প্রথম স্বীকৃতি দেয়- বার্বাডোস।
• ওশেনিয়া অঞ্চলে প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়- টোঙ্গা।

• মহাশক্তিগুলোর মধ্যে সোভিয়েত ইউনিয়ন (রাশিয়া) বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে ২৪ জানুয়ারি ১৯৭২।
• যুক্তরাষ্ট্র স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ৪ এপ্রিল ১৯৭২। অপরদিকে ।
• পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪।

উৎস: BBC News ও দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকা [লিঙ্ক]। 

১,০৫৮.
প্রথম স্বাধীনতা পদক লাভ করেন-
  1. ক) শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন
  2. খ) মাওলানা ভাসানী
  3. গ) কাজী নজরুল ইসলাম
  4. ঘ) উপরের সবাই
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবাই
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা পদক বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা বা পদক। এটি ১৯৭৭ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান চালু করেন। ১৯৭৭ সালে মোট ১০ জন ব্যক্তিকে স্বাধীনতা পদক প্রদান করা হয়। তারা হলেনঃ মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী (জনসেবা), কাজী নজরুল ইসলাম (সাহিত্য), শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন (চারুকলা), ড. মোকাররম হোসেন খন্দকার (বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি), মাহবুব আলম চাষী (পল্লী উন্নয়ন), বিগ্রেডিয়ার মাহমুদুর রহমান (চিকিৎসা), ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ), রুনা লায়লা (সংগীত), হাবিলদার মোস্তাক আহমেদ (ক্রীড়া) এবং এনায়েত করিম (জনসেবা)। (সূত্রঃ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট)
১,০৫৯.
পাট থেকে স্যানিটারি প্যাড তৈরি করে এএসটিএমএইচ প্রতিযোগিতায় পুরস্কার জিতেছেন কোন বাংলাদেশি বিজ্ঞানী?
  1. মেরিনা তাবাসসুম
  2. রোজিনা ইসলাম
  3. ফারহানা সুলতানা
  4. নুসরাত জাহান চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
ফারহানা সুলতানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফারহানা সুলতানা
ব্যাখ্যা
- নারী ও মেয়েদের মাসিক ব্যবস্থাপনাকে পরিবেশবান্ধব করার ক্ষেত্রে পাট থেকে প্রাপ্ত সেলুলোজ দিয়ে স্যানিটারি প্যাড তৈরির মেশিন বানিয়ে আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআরবি) বিজ্ঞানী ফারহানা সুলতানা একটি আন্তর্জাতিক পুরস্কার জিতেছেন।
- আইসিডিডিআরবি’র সহকারী বিজ্ঞানী ফারহানা সুলতানা আমেরিকান সোসাইটি ফর ট্রপিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড হাইজিন (এএসটিএমএইচ) আয়োজিত ‘মহামারি ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় স্বাস্থ্য সম্মত বিশ্ব সম্প্রদায়’ শীর্ষক চতুর্থ ইনোভেশন পিস প্রতিযোগিতায় গ্র্যান্ড পুরস্কার জিতেছেন।
উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট।
১,০৬০.
গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মনোগ্রামে কতটি তারকা চিহ্ন রয়েছে?
  1. ক) ৪
  2. খ) ৫
  3. গ) ৬
  4. ঘ) ২
সঠিক উত্তর:
ক) ৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৪
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রাম হচ্ছে লাল রঙের বৃত্তের মাঝে হলুদ রঙের বাংলাদেশের মানচিত্র।
- বৃত্তের উপর দিকে লেখা 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ' নিচে লেখা 'সরকার' এবং বৃত্তের দু'পাশে দু'টি করে মোট চারটি তারকা চিহ্ন আছে।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামের ডিজাইনার এ. এন. সাহা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,০৬১.
পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (আরডিএ) কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. বগুড়া
  3. কুমিল্লা
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
বগুড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বগুড়া
ব্যাখ্যা
পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (আরডিএ): 
- স্বাধীনতাত্তোর ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে প্রাথমিক পর্যায়ে যে সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছিলেন তার মধ্যে দেশের দারিদ্রপীড়িত উত্তরাঞ্চলে পল্লী উন্নয়ন ভিত্তিক প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা অন্যতম।
- ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার আওতায় ২.০০ কোটি টাকা বরাদ্দ প্রদানের মাধ্যমে একাডেমি প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- পরবর্তীতে ১৯৯০ সালে ১০নং আইনের দ্বারা পল্লী উন্নয়ন একাডেমি, বগুড়া একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
- অবস্থান: শেরপুর, বগুড়া। 
- একাডেমির মূল দায়িত্ব প্রশিক্ষণ, গবেষণা, প্রায়োগিক গবেষণা পরিচালনা ও পরামর্শ সেবা প্রদান করা।
- একাডেমি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে উল্লিখিত দায়িত্ব সফলভাবে পালন করে আসছে।
- বর্তমানে আরডিএ সুনির্দিষ্ট ভিশন ও মিশনকে সামনে রেখে কর্মকান্ড পরিচালনা করে  যাচ্ছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,০৬২.
বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলন করা হয়-
  1. ২ মার্চ, ১৯৭১
  2. ৭ মার্চ, ১৯৭১
  3. ২৬ মার্চ, ১৯৭১
  4. ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
২ মার্চ, ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ মার্চ, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
জাতীয় পতাকা:

- পতাকা বিধি (১৯৭২) অনুসারে জাতীয় পতাকার রং গাঢ় সবুজ এবং ১০:৬ অনুপাতে আয়তাকার, তাতে থাকবে সবুজ অংশের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত।
- লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে পতাকার মোট দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ।
- প্রথম অবস্থায় পতাকার কেন্দ্রস্থলে বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত ছিল।
- ২রা মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা দিবস।
- ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ছাত্রনেতারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যে পতাকা উত্তোলন করেন। সে পতাকার আদলে মুজিবনগর সরকার জাতীয় পতাকার নমুনা নির্ধারণ করেন।
- শিবনারায়ণ দাস বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পতাকার অন্যতম এবং মূল নকশাকার।
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা করেন কামরুল হাসান।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ২ মার্চ ২০২২।
১,০৬৩.
বাংলাদেশের জাতীয় নাট্যশালা কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ধানমন্ডি
  2. খ) মিরপুর
  3. গ) বেইলি রোড
  4. ঘ) সেগুনবাগিচা
সঠিক উত্তর:
ঘ) সেগুনবাগিচা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সেগুনবাগিচা
ব্যাখ্যা
• শিল্পকলা একাডেমি:
- বাংলাদেশের 'জাতীয় নাট্যশালা' সেগুনবাগিচায় শিল্পকলা একাডেমীতে অবস্থিত।
- রূপকল্প - শিল্প সংস্কৃতি ঋদ্ধ সৃজনশীল মানবিক বাংলাদেশ।
- বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি বাংলাদেশে সংস্কৃতিচর্চার একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
- জাতীয় সংস্কৃতির গৌরবময় বিকাশকে অব্যাহত রাখতে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- বাংলাদেশের সকল জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে শিল্পকলার চর্চা ও বিকাশের উদ্দেশে ১৯৭৪ সালে ১৯ ফেব্রুয়ারি একটি বিশেষ আইন দ্বারা এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- একাডেমির প্রথম মহাপরিচালক ছিলেন ড. মুস্তাফা নূর-উল ইসলাম।
- বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ছয়টি বিভাগ নিয়ে গঠিত।
- বিভাগগুলো হলো: চারুকলা বিভাগ, নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগ, সংগীত নৃত্য ও আবৃত্তি বিভাগ, গবেষনা ও প্রকাশনা বিভাগ, প্রশিক্ষণ বিভাগ, প্রযোজনা বিভাগ।
- ছয়টি বিভাগ পরিচালিত হয় ছয় জন পরিচালকের দায়িত্বে।
- একাডেমীর সর্বোচ্চ নির্বাহী কর্মকর্তা হচ্ছেন মহাপরিচালক।
- সরকার কর্তৃক নিযুক্ত এই মহাপরিচালকই সার্বিক প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমান মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
১,০৬৪.
বাংলাদেশ কত সাল থেকে দাবা অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহন করছে?
  1. ১৯৮০ সাল
  2. ১৯৮৪ সাল
  3. ১৯৮৮ সাল
  4. ১৯৯০ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৮৪ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৪ সাল
ব্যাখ্যা
 • গ্র্যান্ড মাস্টার:
- ১৯৮৪ সাল থেকে দাবা অলিম্পিয়াডে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ দাবা দল।
- গ্র্যান্ড মাস্টার দাবার সর্বোচ্চ খেতাব।
- এটি দাবার আন্তর্জাতিক সংগঠন 'ফিদে'র তরফ থেকে দেওয়া হয়।
- একজন দাবারুকে ফিদে মাস্টার খেতাব পেতে হলে কমপক্ষে ২৩০০ রেটিং থাকতে হয়।
- ১৯৮৭ সালে মাত্র ২১ বছর বয়সে বাংলাদেশের নিয়াজ মোর্শেদ প্রথম গ্র্যান্ড মাস্টার খেতাব জয় করেন।
- তিনি ছিলেন দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম ও এশিয়ার পঞ্চম গ্র্যান্ড মাস্টার।
- নিয়াজ মোর্শেদ, জিয়াউর রহমান, রিফাত বিন সাত্তার, আব্দুল্লাহ আল রাকিব, এনামুল হোসেন রাজীব এখন
- পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে এই পাঁচজন দাবাড়ু গ্র্যান্ড মাস্টার সম্মাননা অর্জন করেছেন।
- তবে তারও আগে ১৯৮৫ সালে রানী হামিদ আন্তর্জাতিক মহিলা মাস্টার খেতাব পান।

উৎস:- বাংলাপিডিয়া।
১,০৬৫.
মেট্রোরেলের স্টেশন কতটি?
  1. ক) ১৬টি
  2. খ) ১৭টি
  3. গ) ১৮টি
  4. ঘ) ১৯টি
সঠিক উত্তর:
খ) ১৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৭টি
ব্যাখ্যা
- মেট্রোরেলের স্টেশন স্টেশন সংখ্যা- ১৭ টি।

• মেট্রোরেল:
- অনুমোদন পায়- ১৮ ডিসেম্বর, ২০১২। 
- নির্মাণ কাজ শুরু করে- ২৬ জুন, ২০১৬।
- উদ্বোধন হয়- ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর উদ্বোধন করেন।
- উত্তরা-কমলা মোট দৈর্ঘ্য- ২১.২৬ কিলোমিটার।
- মেট্রো ট্রেনের সংখ্যা- ৬ কোচ বিশিষ্ট ২৪ টি।
- মালিকানা- ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লি.
- মেট্রোরেল এর স্লোগান- বাঁচবে সময়, বাঁচবে পরিবেশ, যানজট কমাবে মেট্রোরেল।
- মেট্রোরেলের প্রথম নারী চালক- মরিয়ম আফিজা এবং যাত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- সর্বোচ্চ পরিকল্পিত গতি- ১০০ কিলোমিটার/ঘণ্টা।
- যাত্রী পরিবহন- ক্ষমতা: ঘণ্টায় ৬০ হাজার এবং দৈনিক ৫ লাখ।
- মেট্রোরেল প্রকল্পের কাজ পুরপুরি শেষ হওয়ার কথা- ২০২৬ সালে।

উৎস: DMTCL এবং দৈনিক পত্রিকা রিপোর্ট।
১,০৬৬.
’ম্যাডোনা-৪৩’ চিত্রকর্মটি কোন ঘটনার ভিত্তি করে আঁকা হয়েছে?
  1. মুক্তিযুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে
  2. দুর্ভিক্ষের পরিপ্রেক্ষিতে
  3. ম্যাডোনা চলচ্চিত্রের পরিপ্রেক্ষিতে
  4. ভাষা আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে
সঠিক উত্তর:
দুর্ভিক্ষের পরিপ্রেক্ষিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্ভিক্ষের পরিপ্রেক্ষিতে
ব্যাখ্যা

ম্যাডোনা-৪৩:
- ১৯৪৩ সালের ভয়াল দুর্ভিক্ষের পরিপ্রেক্ষিতে জয়নুল আবেদিনের আঁকা স্কেচধর্মী চিত্রকর্ম 'ম্যাডোনা'।
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন ১৯৪৩ সালের দুর্ভিরে সময় যেসব ছবি এঁকেছেন, তার বেশিরভাগেরই মূল বিষয়বস্তু ছিল মা ও শিশু।
- মূলত এই দু'টি চরিত্রকে প্রাধান্য দিয়েই তিনি এঁকেছেন একের পর এক কালজয়ী ছবি।
- এই চিত্রমালা দুর্ভিক্ষের ভয়াবহতা ও মানবিক দুর্দশা ফুটিয়ে তোলে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ সংবিধানের মূল সাজসজ্জার পরিকল্পনাকারী ছিলেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন।
- 'মুক্তিযোদ্ধা' জয়নুল আবেদিনের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চিত্রকর্ম।
- তাঁর আরো কিছু বিখ্যাত শিল্পকর্ম: দুর্ভিক্ষ, সংগ্রাম, সাঁওতাল রমণী, বিদ্রোহী, মনপুরা, নবান্ন, মহিলা ইত্যাদি 'দুই মহিলা' (গোয়াশ, ১৯৫৩), 'পাইন্যার মা' (গোয়াশ, ১৯৫৩) ও 'মহিলা' (জলরং, ১৯৫৩), 'ফসল মাড়াই', জলরং (১৯৬৩) হলো এ আমলের উল্লেখযোগ্য চিত্রকর্ম।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১,০৬৭.
বিখ্যাত ’তারা মসজিদ’ কে নির্মাণ করেন?
  1. শায়েস্তা খান
  2. ইসলাম খান চিশতী
  3. মির্জা আহমদ জান
  4. নওয়াব আব্দুল লতিফ
সঠিক উত্তর:
মির্জা আহমদ জান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মির্জা আহমদ জান
ব্যাখ্যা

তারা মসজিদ:
- বাংলাদশের পুরানো ঢাকার আরমানিটোলা-র আবুল খয়রাত সড়কে অবস্থিত ‘তারা মসজিদ’।
- খ্রিষ্টীয় আঠারো শতকে ঢাকার জমিদার মির্জা গোলাম পীর (মির্জা আহমদ জান) এই মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন।
- তারা মসজিদের আরও কিছু প্রচলিত নাম আছে, যেমন, মির্জা গোলাম পীরের মসজিদ বা সিতারা মসজিদ।
- মসজিদের বতর্মান দৈর্ঘ্য ৭০ ফুট (২১.৩৪ মিটার), প্রস্থ ২৬ ফুট (৭.৯৮ মিটার)।

⇒ সতের শতকে দিল্লি, আগ্রা ও লাহোরে নির্মিত মোঘল স্থাপত্য শৈলী অনুসরণে এই মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছিল।
- মসজিদের কোথায়ও এর তৈরির সময় উল্লেখ নেই বলে কবে এই মসজিদটি নির্মাণ করা হয়, তার সুস্পষ্ট কোনো নথি পাওয়া যায়নি।
- তবে, মসজিদটি তৈরির পর ১৮৬০ খ্রিষ্টাব্দে মির্জা গোলাম পীর মৃত্যুবরণ করেন।

⇒ ১৯২৬ খ্রিষ্টাব্দে ঢাকার তৎকালীন স্থানীয় ব্যবসায়ী, আলী জান বেপারী মসজিদটির সংস্কার করেন।
- এই সময় মসজিদটির আকার বৃদ্ধি করা হয়।
- ১৯৮৭ খ্রিষ্টাব্দে এই মসজিদটির পুনরায় সংস্কার করা হয়।
- এই সময় পুরনো একটি মেহরাব ভেঙে দুটো গম্বুজ আর তিনটি নতুন মেহরাব বানানো হয়।
- সব মিলিয়ে বর্তমানে এর গম্বুজ সংখ্যা পাঁচটিতে দাঁড়িয়েছে।
- এর ফলে মসজিদের জায়গা সম্প্রসারিত হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

১,০৬৮.
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আত্মজীবনীমূলক বইটির নাম কী?
  1. তিন শূন্যের পৃথিবী
  2. সামাজিক ব্যবসা
  3. দারিদ্র্য হীন বিশ্বের অভিমুখে
  4. বাংলাদেশ ২০১০
সঠিক উত্তর:
দারিদ্র্য হীন বিশ্বের অভিমুখে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দারিদ্র্য হীন বিশ্বের অভিমুখে
ব্যাখ্যা

• অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২৮ জুন, ১৯৪০ সালে চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী উপজেলার বাথুয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। 
- শিক্ষা জীবনের শুরুতে ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার গ্রামের মহাজন ফকিরের স্কুল নামে একটি বিদ্যালয়ে অধ্যয়ন শুরু করেন। 
- মাধ্যমিক পর্যায়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূস চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল থেকে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ৩৯ হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে ১৬ তম স্থান অধিকার করেন। 
- ১৯৫৭ সালে মুহাম্মদ ইউনূস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগের সম্মান শ্রেণীতে ভর্তি হন এবং সেখান থেকেই বিএ এবং এমএ সম্পন্ন করেন।
- স্নাতকের পর কর্মজীবনের শুরুতেই মুহাম্মদ ইউনূস ব্যুরো অব ইকোনমিক্স -এ গবেষণা সহকারী হিসাবে যোগদান করেন।
- পরবর্তীতে ১৯৬২ সালে চট্টগ্রাম কলেজের অর্থনীতির প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন।
- ১৯৬৫ সালে তিনি ফুলব্রাইট স্কলারশিপ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যান এবং পূর্ণ বৃত্তি নিয়ে ভেন্ডারবিল্ট বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১৯৬৯ সালে অর্থনীতিতে পিএইচডি ডিগ্রী লাভ করেন।
- ১৯৬৯ থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত মুহাম্মদ ইউনূস যুক্তরাষ্ট্রের মিডল টেনেসি স্টেট ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষকতা করেন।
- পরবর্তীতে ১৯৭২ সালে দেশে ফিরে তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন এবং বিভাগীয় প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- ১৯৭৬ সালে মুহাম্মদ ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেন।
- মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন।
- তাঁর আত্মজীবনী মূলক বই – দারিদ্র্য হীন বিশ্বের অভিমুখে।
- অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে তিনি শপথ গ্রহণ করেন - ০৮ আগস্ট ২০২৪।

তার লেখা অন্যান্য বই: 
- তিন শূন্যের পৃথিবী
- বাংলাদেশ ২০১০
- সামাজিক ব্যবসা
- বালক পরিব্রাজকের দিনলিপি
- যোগ্য প্রার্থীর আন্দোলন 

তথ্যসূত্র: ইউনুস সেন্টার ঢাকা এবং বাংলাপিডিয়া।

১,০৬৯.
'The Spirit of Islam' বইটির লেখক কে?
  1. ক) সৈয়দ আমীর আলী
  2. খ) রাজা রামমোহন রায়
  3. গ) নওয়াব আব্দুল লতিফ
  4. ঘ) উপরের কেউ নন
সঠিক উত্তর:
ক) সৈয়দ আমীর আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সৈয়দ আমীর আলী
ব্যাখ্যা
• 'The Spirit of Islam' বইটির লেখক সৈয়দ আমীর আলী। 

- সৈয়দ আমীর আলী The Spirit of Islam এবং A short History of the Saracens নামে দুটি গ্রন্থ রচনা করেন।
- ১৮৪৯ খ্রিস্টাব্দে হুগলীর এক সম্ভ্রান্ত শিয়া পরিবারে তাঁর জন্ম ।
- তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.এ এবং বি.এল ডিগ্রি লাভ করেন।
- লন্ডনের লিঙ্কন্স ইন থেকে ব্যারিস্টারি পাশ করার পর ১৮৭৩ খ্রিস্টাব্দে দেশে ফিরে তিনি কলকাতা হাইকোর্টে আইন ব্যবসা শুরু করেন।
- তিনি ১৮৯০ খ্রিস্টাব্দে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি নিযুক্ত হন। 
- ১৯০৪ সালে তিনি লন্ডনে চলে যান এবং সেখানে স্থায়ীভাবে বসতি স্থাপন করেন।
- ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দে তিনি লন্ডনে প্রিভি কাউন্সিলের সদস্য নিয়োজিত হন এবং আমৃত্যু সে পদে বহাল থাকেন।


তথ্যসুত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, (HSC Programme) উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৭০.
Who is the architect of the National Memorial?
  1. Syed Mainul Hossain
  2. Abdur Razzaq
  3. Hamidur Rahman
  4. Novera Ahmed
  5. Tanveer Kabir
সঠিক উত্তর:
Syed Mainul Hossain
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Syed Mainul Hossain
ব্যাখ্যা
জাতীয় স্মৃতিসৌধ:
- জাতীয় স্মৃতিসৌধ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে নিহত মুক্তিযোদ্ধা ও নিহত বেসামরিক বাঙালি ও অবাঙ্গালিদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নিবেদিত একটি স্মারক স্থাপনা।
- এটি সাভারে অবস্থিত।
- এর অপর নাম 'সম্মিলিত প্রয়াস'।
- এর স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন।
- ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ সরকারের গণপূর্ত বিভাগ মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের জন্য একটা জাতীয় স্মৃতিসৌধ নির্মাণের পরিকল্পনা নেয় এবং নকশা আহবান করে।
- এর উচ্চতা ১৫০ ফুট (৪৫.৭২ মি)।

⇒ ১৯৭২ সালের ডিসেম্বর প্রথম বিজয় দিবসে জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমান এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন।
- ১৯৮২ সালের আগষ্ট মাসে সৌধের নির্মাণ কাজ শেষ হয়।
- জাতীয় স্মৃতিসৌধ ১৯৮২ সালে উদ্বোধন করা হয়।

উল্লেখ্য,
- স্মৃতিসৌধের রয়েছে ৭টি খাঁজ।
- ১৯৫২ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত ৭টা বড় আন্দোলন হয়েছিল।
- ওই খাঁজগুলো দিয়ে সেই সব আন্দোলন বোঝানো হয়েছে।
১. ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন।
২. ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন।
৩. ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র আন্দোলন।
৪. ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন।
৫. ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন।
৬. ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান।
৭. ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,০৭১.
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের প্রথম সভাপতি কে?
  1. শাহ এ এম এস কিবরিয়া
  2. আনোয়ারুল করিম চৌধুরী
  3. আবু তৈয়ব মুহাম্মদ জহিরুল আলম
  4. হুমাযুন রশীদ চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
হুমাযুন রশীদ চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হুমাযুন রশীদ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রথম বাংলাদেশী:
- জাতিসংঘের সকল সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ গঠিত।
- সাধারণ পরিষদের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৩টি।
- সদস্য দেশগুলোর ভোটে নির্বাচিত সাধারণ পরিষদের সভাপতির মেয়াদ এক বছর।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ প্রথম জাতিসংঘের সাধারন পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয় ১৯৮৬ সালে।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘ সাধারন পরিষদে দুইবার সভাপতি নির্বাচিত হয়।
- প্রথমবার ১৯৮৬ সালে, দ্বিতীয়বার ১৯৯৯ সালে।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রথম বাংলাদেশী সভাপতি হুমায়ূন রশিদ চৌধুরী।
- বাংলাদেশের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

অন্যদিকে,
- জাতিসংঘে বাংলাদেশের সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি আনোয়ারুল করিম চৌধুরী ২০০২ সালে সংস্থাটির আন্ডারসেক্রেটারি নিযুক্ত হয়েছিলেন। 
- ২০০৮ সালের অক্টোবরে লেফটেন্যান্ট জেনারেল আবু তৈয়ব মুহাম্মদ জহিরুল আলম লাইবেরিয়ায় জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে ফোর্স কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব নেন।
- জাতিসংঘের কোনো সংস্থার শীর্ষ পদে প্রথম প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া।

উৎস: UN General Assembly ওয়েবসাইট
১,০৭২.
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কে?
  1. জয়নুল আবেদীন
  2. কামরুল হাসান
  3. হাশেম খান
  4. হামিদুর রহমান
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার — কামরুল হাসান।
------------------ 
• কামরুল হাসান:
- কামরুল হাসান একজন চিত্রশিল্পী।
- প্রকৃত নাম আবু শরাফ মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
- ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর পিতার কর্মস্থল কলকাতায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- কামরুল হাসান বাংলাদেশের স্বাধিকার ও অসহযোগ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন (১৯৬৯-৭০) এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
- তিনি ‘পটুয়া কামরুল হাসান’ নামে পরিচিতি লাভ করেন।
- ১৯৬০ সালে তিনি ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের নকশাকেন্দ্রের প্রধান নকশাবিদ নিযুক্ত হন।
- কামরুল হাসানের চিত্রকলার প্রধান উপাদান নর-নারী, পশুপাখি (প্রধানত গরু ও শৃগাল), সাপ ও প্রকৃতি।
- চিত্রকলায় অসাধারণ অবদানের জন্য কামরুল হাসান বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পুরস্কার ও সম্মানে ভূষিত হন।
- সেসবের মধ্যে প্রেসিডেন্ট পুরস্কার (১৯৬৫), কুমিল্লা ফাউন্ডেশন স্বর্ণপদক (১৯৭৭), স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার (১৯৭৯), চারুশিল্পী সংসদ সম্মান (১৯৮৪), বাংলা একাডেমির ফেলো (১৯৮৫) উল্লেখযোগ্য।

শিল্পকর্ম:
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় প্রতীকের ডিজাইনার কামরুল হাসান।
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা করেন কামরুল হাসান।
- কামরুল হাসানের 'তিন কন্যা' ও 'নাইওর' চিত্রকর্ম অবলম্বনে যুগোস্লাভ সরকার (১৯৮৫) ও বাংলাদেশ সরকার (১৯৮৬) ডাকটিকেট প্রকাশ করেছে।
- বিমানের বিখ্যাত "বলাকা" লোগোটি ডিজাইন করেছিলেন শিল্পী কামরুল হাসান।

কামরুল হাসানের অন্যান্য চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে -
- রায়বেশে নৃত্য,
- ‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে,
- ‘দেশ আজ বিশ্ববেহায়ার খপ্পরে’ প্রভৃতি।

অন্যদিকে,
• দুর্ভিক্ষ–চিত্রমালার জন্য বিখ্যাত ছিলেন জয়নুল আবেদীন।

• সংবিধানের অঙ্গসজ্জা কার্যক্রমের মূল তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন - জয়নুল আবেদীন এবং অঙ্গসজ্জা করেন- হাশেম খান।

• বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ হামিদুর (১৯৪৫-১৯৭১) ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সিপাহি এবং মুক্তিযুদ্ধে শহীদ। 

উৎস:
i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি।

iii) ডিসেম্বর ২১, ২০২২, বণিক বার্তা।
১,০৭৩.
'আমার দেখা নয়াচীন' বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা কততম প্রকাশিত গ্রন্থ?
  1. চতুর্থ
  2. দ্বিতীয়
  3. প্রথম
  4. তৃতীয়
সঠিক উত্তর:
তৃতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয়
ব্যাখ্যা
আমার দেখা নয়াচীন” জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর চীন ভ্রমণের উপর লেখা গ্রন্থ।
- এই গ্রন্থটি তার প্রকাশিত তৃতীয় গ্রন্থ।
- ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২০ বাংলা একাডেমি এটি প্রকাশ করে।
- ১৯৫২ সালের সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে বিশ্ব শান্তি সম্মেলনে যোগ দিতে নয়া চীন যান বঙ্গবন্ধু।
- তার এ সফরের অভিজ্ঞতাই এ গ্রন্থে বর্ণনা করা হয়েছে।

(সূত্রঃ আমার দেখা নয়াচীন : বঙ্গবন্ধ শেখ মুজিবুর রহমান)
১,০৭৪.
কোন বাংলাদেশী প্রথম সাঁতরে ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রম করেন?
  1. মিজানুর রহমান
  2. আব্দুল মালেক
  3. শাহ আলম
  4. ব্রজেন দাস
সঠিক উত্তর:
ব্রজেন দাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রজেন দাস
ব্যাখ্যা
ব্রজেন দাস:
- ব্রজেন দাস বাংলাদেশের একজন বাঙালি সাঁতারু।
- তিনিই প্রথম দক্ষিণ এশীয় ব্যক্তি যিনি সাঁতার কেটে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেন।
- ১৯৫৮ সালের ১৮ আগস্ট তিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করেন।
- তিনি মোট ৬ বার ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেন।
- সর্বশেষ ১৯৬১ সালে ১০ ঘণ্টা ৩৫ মিনিটে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়েন।
- ক্রীড়া ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ১৯৯৯ সালে তিনি মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৯৮ সালের ১ জুন তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

উল্লেখ্য,
⇒ ইংলিশ চ্যানেল:
- ইংলিশ চ্যানেল আটলান্টিক মহাসাগরের একটি অংশ।
- এটি উত্তর ফ্রান্স থেকে গ্রেট ব্রিটেনের দ্বীপকে পৃথক করে।
- এই চ্যানেল উত্তর সাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে সংযুক্ত করেছে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
        ii) Britannica.
১,০৭৫.
২০২৪ সালে কত জন একুশে পদকে ভূষিত হয়েছেন?
  1. ১৭ জন
  2. ১৯ জন
  3. ২১ জন
  4. ২৩ জন
সঠিক উত্তর:
২১ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ জন
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

একুশে পদক-২০২৪:

- বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার এই ‘একুশে পদক’।
- বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিতে ২১ জন বিশিষ্ট নাগরিক এবার একুশে পদক পেয়েছেন।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মঙ্গলবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে মনোনীত ও তাদের প্রতিনিধিদের হাতে পদক তুলে দেন।
- সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় গত ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ সালের একুশে পদকের জন্য মনোনীতদের নাম ঘোষণা করে।
- তাদের মধ্যে ছয়জনই মরণোত্তর এ সম্মাননা পেলেন।

উল্লেখ্য,
- ভাষা আন্দোলন ক্যাটাগরিতে দু’জন: মৌ. আশরাফুদ্দীন আহমদ(মরণোত্তর), বীর মুক্তিযোদ্ধা হাতেম আলী মিয়ার (মরণোত্তর)। 
- শিল্পকলায় ১২ জন: জালাল উদ্দীন খা(মরণোত্তর), বীর মুক্তিযোদ্ধা কল্যানী ঘোষ (মরণোত্তর), বিদিত লাল দাস(মরণোত্তর), এন্ড্রু কিশোর (মরণোত্তর), শুভ্রদেব, শিবলী মোহাম্মদ, ডলি জহুর, এম এ আলমগীর, খান মো.মুস্তাফা ওয়ালিদ(শিমুল মুস্তাফা), রূপা চক্রবর্তী, শাহজাহান আহমেদ বিকাশ, কাওসার চৌধুরী।
- সমাজসেবায় দু’জন: মো. জিয়াউল হক, রফিক আহামদ।
- ভাষা ও সাহিত্যে চার জন: মুহাম্মদ সামাদ, লুৎফর রহমান রিটন, মিনার মনসুর , রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ(মরণোত্তর)।
- শিক্ষায় একজন: প্রফেসর ড. জিনবোধি ভিক্ষু।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
১,০৭৬.
স্বাধীনতার পর মুক্তিযুদ্ধের প্রথম ভাস্কর্য কোনটি?
  1. অপরাজেয় বাংলা
  2. মোদের গরব
  3. শাবাশ বাংলাদেশ
  4. জাগ্রত চৌরঙ্গী
সঠিক উত্তর:
জাগ্রত চৌরঙ্গী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাগ্রত চৌরঙ্গী
ব্যাখ্যা

জাগ্রত চৌরঙ্গী:
- জাগ্রত চৌরঙ্গী মুক্তিযুদ্ধের স্মরণে নির্মিত এটিই প্রথম ভাস্কর্য।
- গাজীপুরের জয়দেবপুর চৌরাস্তার ঠিক মাঝখানে সড়কদ্বীপে অবস্থিত ভাস্কর্যটি।
- এটি নির্মাণ করেন খ্যাতিমান ভাস্কর আবদুর রাজ্জাক।
- ১৯৭৩ সালের সেপ্টেম্বরে এর নির্মাণ কাজ শেষ হয়।
- ভাস্কর আবদুর রাজ্জাক সহযোগী হামিদুজ্জামান খানকে নিয়ে ১৯৭২ সালে ভাস্কর্যটির নির্মাণকাজ শুরু করেন।

• ভাস্কর্যটির বৈশিষ্ট্য
- ভিত বা বেদিসহ জাগ্রত চৌরঙ্গীর উচ্চতা ৪২ ফুট ২ ইঞ্চি। 
- ২৪ ফুট ৫ ইঞ্চি ভিত বা বেদির ওপর মূল ভাস্কর্যের ডান হাতে গ্রেনেড ও বাঁ হাতে রাইফেল।
- ভাস্কর্যটিতে ১৬ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ৩ নম্বর সেক্টরের ১০০ জনের নাম ও
- ১১ নম্বর সেক্টরের ১০৭ জন শহীদ সৈনিক ও মুক্তিযোদ্ধাদের নাম লেখা আছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১,০৭৭.
দ্বিতীয় বাংলাদেশী হিসেবে পৃথিবীর অষ্টম উঁচু পর্বত মানাসলু জয় করেন কে?
  1. বাবর আলী
  2. তৌফিক আহমেদ
  3. তানভীর আহমেদ
  4. এম এ মুহিত
সঠিক উত্তর:
তৌফিক আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৌফিক আহমেদ
ব্যাখ্যা

মানাসলু শৃঙ্গ জয়:
- দ্বিতীয় বাংলাদেশী হিসেবে পৃথিবীর অষ্টম উঁচু পর্বত মানাসলু জয় করেন পর্বতারোহী তৌফিক আহমেদ।
- তিনি গত ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ নেপালের স্থানীয় সময় রাত তিনটায় 'মানাসলু' শিখরে ওঠেন ।
- এর পরদিন ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে কৃত্রিম অক্সিজেন ছাড়াই পৃথিবীর অষ্টম সর্বোচ্চ চূড়া জয় করেন পর্বতারোহী বাবর আলী।
- বাবর আলীর পাশপাশি বাংলাদেশের আরেক পর্বতারোহী তানভীর আহমেদও একই দিনে ‘মানাসলু’ জয় করেছেন। 
- তাদের এই যৌথ অভিযানের নাম ‘মানাসলু অ্যাসেন্ট: ভার্টিক্যাল ডুয়ো’।

উল্লেখ্য,
- হিমালয় পর্বতমালার ৮ হাজার ১৬৩ মিটার উঁচু ‘মাউন্টেন অব দ্য স্পিরিট’ নামে পরিচিত মানাসলু পর্বতের অবস্থান নেপালের মানসিরি হিমাল রেঞ্জে।
- ২০১১ সালে ১২ অক্টোবর প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে মানাসলু শৃঙ্গে ওঠেন এভারেস্টজয়ী পর্বতারোহী এম এম মুহিত।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

১,০৭৮.
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেন কে?
  1. মুশফিকুর রহিম
  2. তামিম ইকবাল খান
  3. লিটন দাস
  4. মাহমুদুল্লাহ।
সঠিক উত্তর:
তামিম ইকবাল খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তামিম ইকবাল খান
ব্যাখ্যা
- তামিম ইকবাল খান।
- আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে একমাত্র সেঞ্চুরি তামিমের, ২০১৬ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম পর্বে ওমানের বিপক্ষে।
- ওয়ানডেতে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি রান তামিম ইকবাল খানের।
- ওয়ানডেতে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরি।

• বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি করার কৃতিত্বও মুশফিকের।
- ২০১৩ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গলে ২০০ রান করেছিলেন তিনি।

উৎস: প্রথম আলো।
১,০৭৯.
কত সালে ইউনেস্কো পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারকেকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়?
  1. ১৯৮৫ সালে
  2. ১৯৮৬ সালে
  3. ১৯৮৭ সালে
  4. ১৯৮৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫ সালে
ব্যাখ্যা
পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- এই মহাবিহার বাংলাদেশের নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলায় অবস্থিত।
- এটি প্রাচীন বাংলার একটি বৌদ্ধ বিহার।

⇒ পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- পাল রাজবংশের রাজা ধর্মপাল (৭৮১-৮২১) অষ্টম শতকের শেষ দিকে এ বিহার নির্মাণ করেন।
- সোমপুর বিহার এশিয়া মহাদেশের মধ্যে বৃহত্তম বিহার।
- এর দৈর্ঘ্য পূর্ব-পশ্চিমে ৯১৯ ফুট এবং উত্তর-দক্ষিণে ৯২২ ফুট।
- মূল ভবনে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের জন্য ১৭৭টি কক্ষ ছিল।

⇒ পূর্বভারতে জরিপ কাজ পরিচালনাকালে ১৮০৭ ও ১৮১২ সালে বুকানন হ্যামিল্টন সর্ব প্রথম প্রত্নস্থলটি পরিদর্শন করেন।
- পরবর্তীকালে ওয়েস্টম্যাকট পাহাড়পুর পরিভ্রমণে আসেন।
- স্যার আলেকজান্ডার কানিংহাম ১৮৭৯ সালে এ স্থান পরিদর্শন করেন ও ২২ ফুট বর্গাকার একটি ইমারত আবিষ্কার করেন।
- প্রত্নস্থলটি ১৯০৯ সালের পুরাকীর্তি আইনের আওতায় ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগ কর্তৃক ১৯১৯ সালে সংরক্ষিত পুরাকীর্তি হিসেবে ঘোষিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,০৮০.
জিআই পণ্যের স্বীকৃতি পাওয়া 'মহিষের দুধের দই' কোন জেলার ঐতিহ্য?
  1. নোয়াখালী
  2. পিরোজপুর
  3. ভোলা
  4. নরসিংদী
সঠিক উত্তর:
ভোলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভোলা
ব্যাখ্যা
জিআই (GI):
- জিআই (GI) এর পূর্ণরুপ হলো (Geographical indication) ভৌগলিক নির্দেশক।
- জাতিসংঘের সংস্থা WIPO (World Intellectual Property Organization) হলো জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রতিষ্ঠান।
- ভৌগোলিক নির্দেশক (Geographical indication) হচ্ছে একটি প্রতীক বা চিহ্ন, যা পণ্য ও সেবার উৎস, গুণাগুণ ও সুনাম ধারণ এবং প্রচার করে।
- কোনো দেশের আবহাওয়া ও পরিবেশ যদি কোনো পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো গুরুত্ব রাখে, সেই দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে যদি বিষয়টি সম্পর্কিত হয়, তাহলে সেটাকে সে দেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- জিআই পণ্যের স্বীকৃতি পাওয়া 'মহিষের দুধের দই' দ্বীপ জেলা ভোলার ঐতিহ্য।
- ২০২৪ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মুনিম হাসান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ‘ভোলার মহিষের দুধের কাঁচা দই’কে জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- ভোলার দুইশ বছরের ঐতিহ্যবাহী মহিষের দুধের কাঁচা দইকে জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতির জন্য ২০২৩ সালের ১৯ ডিসেম্বর তখনকার ভোলার জেলা প্রশাসক পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তরে আবেদন করেন।
- আবেদনের প্রেক্ষিতে ২৯ নম্বর শ্রেণিতে পণ্যটি জিআই-৫৫ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর।

উৎস: i) পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
১,০৮১.
সম্প্রতি, বাংলাদেশ কোন সংস্থার আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং কাউন্সিলে নির্বাচিত হয়েছে? [মে, ২০২৫]
  1. বিশ্বব্যাংক
  2. জাতিসংঘ
  3. বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
  4. আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল
সঠিক উত্তর:
জাতিসংঘ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতিসংঘ
ব্যাখ্যা
এপিসিআইসিটি (APCICT) এবং এপিডিআইএম (APDIM):
- সম্প্রতি, থাইল্যান্ডের ব্যাংককে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (ইউএনইএসসিএপি) ৮১তম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- এ অধিবেশনে বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক জয়লাভ করে।
- জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (ইউএনইএসসিএপি) এর ২টি আঞ্চলিক সংস্থার গভর্নিং কাউন্সিলে নির্বাচিত হয়েছে।
- সংস্থাগুলো হলো: এশিয়া-প্যাসিফিক ট্রেনিং সেন্টার অন আইসিটি ফর ডেভেলপমেন্ট (এপিসিআইসিটি) ও এশিয়া-প্যাসিফিক সেন্টার ফর দ্য ডেভেলপমেন্ট অব ডিজাস্টার ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্টের (এপিডিআইএম)।
- দুইটি সংস্থায় বাংলাদেশের মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে তিন বছরের জন্য।

উল্লেখ্য,
- এপিসিআইসিটি (APCICT) এর কাজ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT) ব্যবহারের মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশগুলোর উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা।
- এপিডিআইএম (APDIM) এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর দুর্যোগ প্রস্তুতি ও মোকাবেলা সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করে।

তথ্যসূত্র: নিউজ রিপোর্ট। [LINK]
১,০৮২.
বর্তমানে নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
  1. ক) ৪৭
  2. খ) ৪৮
  3. গ) ৪৯
  4. ঘ) ৫০
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৫০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৫০
ব্যাখ্যা
১৭ ডিসেম্বর ২০১৯ সালে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম (WEF) বৈশ্বিক লিঙ্গ সমতা প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সার্ক ভুক্ত দেশসমূহের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান প্রথম এবং বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ৫০ তম। ২০১৮ সালে ছিল ৪৮ তম এবং ২০১৭ সালে ছিল ৪৭ তম।
১,০৮৩.
'বাহাদুর শাহ পার্ক' কীসের স্মৃতি বহন করে?
  1. সিপাহী বিদ্রোহ
  2. নীল বিদ্রোহ
  3. তেভাগা আন্দোলন
  4. ভারতছাড় আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
সিপাহী বিদ্রোহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিপাহী বিদ্রোহ
ব্যাখ্যা
বাহাদুর শাহ পার্ক:
- বাহাদুর শাহ পার্ক বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার লক্ষ্মীবাজারে অবস্থিত।
- ১৮৫৮ সালে রানি ভিক্টোরিয়ার নামানুসারে এই স্থানের নামকরণ হয় ‘ভিক্টোরিয়া পার্ক’।
- পার্কটি আন্টাঘর ময়দান নামে পরিচিত ছিল।
- ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহের পর এক প্রহসনমূলক বিচারে ইংরেজ শাসকেরা ফাঁসি দেয় অসংখ্য বিপ্লবী সিপাহিকে।
- তারপর জনগণকে ভয় দেখাতে সিপাহিদের লাশ এনে ঝুলিয়ে দেওয়া হয় এই ময়দানের বিভিন্ন গাছের ডালে।
- ১৯৫৭ সালে (মতান্তরে ১৯৬১) সিপাহি বিদ্রোহের শতবার্ষিকী পালন উপলক্ষে এখানে একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করে পার্কের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় বাহাদুর শাহ পার্ক।
- সিপাহী বিদ্রোহ অনুষ্ঠিত হয়েছিল ইংরেজ শাসনের সমাপ্তি ঘটিয়ে মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ এর শাসন পুনরায় আনার জন্য।
- তাই তাঁর নামানুসারে এর নতুন নামকরণ করা হয় ‘বাহাদুর শাহ পার্ক’।

 উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,০৮৪.
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রথম বাংলায় ভাষণ প্রদান করেন কে?
  1. ক) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. খ) বিচারপতি আবু সায়িদ চৌধুরী
  3. গ) শেখ মুজিবুর রহমান
  4. ঘ) সুভাষচন্দ্র বসু
সঠিক উত্তর:
গ) শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে প্রথম ব্যক্তি হিসেবে বাংলায় ভাষণ প্রদান করেন।
এর আগে একই বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হিসেবে সদস্যপদ লাভ করে।
(সূত্রঃ জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
১,০৮৫.
‘জয় বাংলা’ ভাস্কর্যটি কোথায়?
  1. ক) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. খ) চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় 
  3. গ) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
  4. ঘ) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় 
সঠিক উত্তর:
ক) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
• ‘জয় বাংলা’ ভাস্কর্য:
- মুক্তিযুদ্ধের স্মারক হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল চত্বরে স্থাপিত হয়েছে একটি ভাস্কর্য।
- ‘জয় বাংলা’ নামের এ ভাস্কর্যটির শিল্পী অধ্যাপক মো. হামিদুজ্জামান খান ও তাঁর সহধর্মিণী আইভি জামান।
- ভাস্কর্যটি উন্মোচন করেন উপাচার্য অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক।
- ‘জয় বাংলা’ স্লোগান সামনে রেখে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল, তার সঙ্গে নতুন প্রজন্মের যোগসূত্র স্থাপন করতে এই ভাস্কর্য কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।
১,০৮৬.
বাংলাদেশের একমাত্র কিশোরী সংশোধন প্রতিষ্ঠানটি কোথায় অবস্থিত?
  1. টঙ্গি
  2. কোনাবাড়ি
  3. যশোর
  4. গাজীপুর
সঠিক উত্তর:
কোনাবাড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনাবাড়ি
ব্যাখ্যা
শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র (সংশোধন প্রতিষ্ঠান): 
- শিশু আইন ২০১৩ অনুযায়ী আইনের সাথে সংঘর্ষে জড়িত বা সংস্পর্শে আসা শিশু বা অভিবাবক কর্তৃক প্রেরীত শিশুদের উন্নয়ন ও স্বাভাবিক জীবনে একীভূত করার লক্ষ্যে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র পরিচারিত হচ্ছে।
- এই কেন্দ্রগুলির লক্ষ্য হল শিশুদের উন্নয়ন ও স্বাভাবিক জীবনে পুনঃএকীভূত করা।
- কেন্দ্রগুলিতে কেইস ওয়ার্ক, গাইডেন্স, কাউন্সেলিং এর মাধ্যমে শিশুদের মানসিক উন্নয়ন করা হয়।
- বাংলাদেশের একমাত্র কিশোরী সংশোধন প্রতিষ্ঠানটি গাজীপুরের কোনাবাড়িতে অবস্থিত।
- বাংলাদেশে ৩টি শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র রয়েছে। 
 
যথা: 
- শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র - টংগী, গাজীপুর (বালক) 
- শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র - কোনাবাড়ী, গাজীপুর (বালিকা) 
- শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র - পুলেরহাট, যশোর (বালক) 

সূত্র: সমাজসেবা অধিদপ্তর। 
১,০৮৭.
বাংলাদেশ জাতিসংঘের কত তম সদস্য?
  1. ১৩৬
  2. ১৩৭
  3. ১৩৮
  4. ১৩৯
সঠিক উত্তর:
১৩৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৬
ব্যাখ্যা

• জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬ তম সদস্য।
- সদস্য পদ লাভ করে ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সাল।
- চীন বাংলাদেশের সদস্য পদ লাভের বিরুদ্ধে ভেটো দেয়।
- ১৯৭৯-৮০ ও ২০০০-০১ সালে মোট ২বার নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য পদ লাভ করে।
- ১৯৮৬ সালে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে জাতিসংঘের মহাসচিব ছিলেন উ থান্ট।
-  বাংলাদেশ ১৯৮৮ সালে সর্বপ্রথম ইরাক-ইরান (UNIIMOG) মিশনে অংশগ্রহণ করে।

তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

১,০৮৮.
বাংলা একডেমি কোন সাল থেকে 'সা’দত আলি আখন্দ সাহিত্য পুরস্কার' প্রদান করছে?
  1. ১৯৭৬ সাল
  2. ১৯৯০ সাল
  3. ১৯৯৬ সাল
  4. ২০১০ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৯০ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯০ সাল
ব্যাখ্যা
সা’দত আলি আখন্দ সাহিত্য পুরস্কার:
- সমকালীন বাংলা সাহিত্যের সাহিত্যসেবীদের বিশিষ্ট অবদান ও তাঁদের সৃষ্টিশীল প্রতিভার স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৯০ সাল থেকে বাংলা একডেমি এ পুরস্কারটি প্রদান করছে।
- মৌলবী সা’দত আলী আখন্দ-এর পরিজন প্রদত্ত অর্থ দিয়ে বাংলা একাডেমি প্রতিবছর এ পুরস্কারের কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- বাংলা একাডেমির বার্ষিক সাধারণ সভায় পুস্কারপ্রাপ্ত লেখককে ৫০,০০০.০০ (পঞ্চাশ হাজার) টাকার চেক, সম্মাননা পত্র ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

উৎস: বাংলা একডেমি ওয়েবসাইট।
১,০৮৯.
মেট্রোরেলের পরিচালনা সংস্থার নাম কী?
  1. জাইকা
  2. এমআরটি-৬
  3. ডিএমটিসিএল
  4. ডিএইচইউটিএস
সঠিক উত্তর:
ডিএমটিসিএল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিএমটিসিএল
ব্যাখ্যা
মেট্রোরেল: 
- প্রকল্পের নাম: ম্যাস র‍্যাপিড ট্রানজিট (এমআরটি) লাইন-৬। 
- উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা: জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) ।
- পরিচালনা সংস্থা: ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)। 
- ডিএমটিসিএল গঠনের তারিখ: ৩ জুন ২০১৩ সাল। 
- ডিএমটিসিএলের রূপকল্প: বাঁচবে সময়, বাঁচবে পরিবেশ, যানজট কমাবে মেট্রোরেল। 

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল): 
Mass Rapid Transit (MRT) বা মেট্রোরেল নেটওয়ার্কের পরিকল্পনা, সার্ভে, ডিজাইন, অর্থায়ন, নির্মাণ, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের নিমিত্ত The Companies Act 1994 অনুযায়ী ০৩ জুন ২০১৩ তারিখ শতভাগ সরকারি মালিকানাধীন Dhaka Mass Transit Company Limited (DMTCL) গঠন করা হয়।

উৎস: ডিএমটিসিএল ওয়েবসাইট। 
১,০৯০.
বর্তমানে দাবা খেলায় বাংলাদেশের সর্বকনিষ্ঠ আন্তর্জাতিক মাস্টার কে?
  1. সাকলাইন মোস্তফা সাজিদ
  2. মনন রেজা নীড়
  3. মোহাম্মদ ফাহাদ রহমান
  4. আবু সুফিয়ান শাকিল
সঠিক উত্তর:
মনন রেজা নীড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মনন রেজা নীড়
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সর্বকনিষ্ঠ আন্তর্জাতিক মাস্টার:
- বাংলাদেশ দাবা দল দাবা অলিম্পিয়াডে প্রথম অংশ নেয় ১৯৮৪ সালে৷
- বর্তমানে বাংলাদেশের সর্বকনিষ্ঠ আন্তর্জাতিক মাস্টার মনন রেজা নীড়।
- ১৪ বছর তিন মাস বয়সে এই কৃতিত্ব অর্জন করলেন মনন ।
- অক্টোবর, ২০২৪-এ বিশ্ব দাবা সংস্থার চতুর্থ ফিদে জোন কাউন্সিলের সভায় তার আন্তর্জাতিক মাস্টারের খেতাব অনুমোদন হয় ৷
- তিনি আন্তর্জাতিক মাস্টার হয়েছেন গ্র্যান্ডমাস্টার নিয়াজ মোরশেদের রেকর্ড ভেঙে।
- আন্তর্জাতিক মাস্টার হতে ২৪০০ রেটিং ও তিনটি নর্ম প্রয়োজন

উল্লেখ্য:
- নিয়াজ মোরশেদ আন্তর্জাতিক মাস্টার হয়েছিলেন ১৫ বছর পাঁচ মাস বয়সে।
- মনন রেজা নীড়কে নিয়ে বাংলাদেশে এখন আন্তর্জাতিক মাস্টারের সংখ্যা দাঁড়াল পাঁচ।
- বাকি চারজন জিল্লুর রহমান, আবু সুফিয়ান, মিনহাজ উদ্দিন, ফাহাদ রহমান ।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকা৷

১,০৯১.
এ পর্যন্ত মোট কতজন বাঙালি নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন?
  1. ক) ২ জন
  2. খ) ৩ জন
  3. গ) ৪ জন
  4. ঘ) ৫ জন
সঠিক উত্তর:
গ) ৪ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪ জন
ব্যাখ্যা
এ পর্যন্ত মোট ৪ জন বাঙালি নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন। এর মধ্যে সর্বপ্রথম ১৯১৩ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সাহিত্যে নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন। দ্বিতীয় বাঙালি হিসেবে অমর্ত্য সেন ১৯৯৮ সালে অর্থনীতি, তৃতীয় বাঙালি ও প্রথম-একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে ড. মুহম্মদ ইউনুস ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার এবং সর্বশেষ ২০১৯ সালে অর্থনীতিতে অভিজিৎ ব্যানার্জি নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন। (সূত্রঃ নোবেল প্রাইজ ওয়েবসাইট)
১,০৯২.
স্বাধীনতা পদক -২০২৫ প্রাপ্ত ব্যক্তিত্ব হলেন-
  1. তৌহিদুল ইসলাম
  2. আব্দুর রাজ্জাক
  3. জামাল নাদেল চৌধুরি
  4. নভেরা আহমেদ
সঠিক উত্তর:
নভেরা আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নভেরা আহমেদ
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ নিম্নবর্ণিত ৭ (সাত) জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫' প্রদান করে।
-------------------------------------------
•অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর) {বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি}।
• মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর) {সাহিত্য}।
• নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর) {সংস্কৃতি}।
• স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর) {সমাজসেবা}।
• মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর) {মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতি}।
• জনাব বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর {শিক্ষা ও গবেষণা}।
• আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর) {প্রতিবাদী তারুন্য}।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
১,০৯৩.
প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা কোথায় উত্তোলিত হয়?
  1. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে
  2. সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে
  3. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
  4. কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রে
সঠিক উত্তর:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
ব্যাখ্যা

• জাতীয় পতাকা প্রথম উত্তোলন:
- ১৯৭১ সালের ২ মার্চ, ছাত্র সংগঠনগুলো 'স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ' গঠন করে।
- একই দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের বটতলায় একটি ছাত্রসভায় ডাকসু ভিপি আ.স.ম আবদুর রব প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।
- এই ঘটনাটি স্মরণীয় হয়ে থাকে, তাই ২ মার্চ 'জাতীয় পতাকা দিবস' হিসেবে পালন করা হয়।

জাতীয় পতাকা:
- জাতীয় পতাকা অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশও জাতীয় পতাকার আকৃতি, গড়ন, রং ও পতাকা উত্তোলনের ধরনের কিছু অনুমোদিত নিয়মকানুন অনুসরণ করে।
- পতাকা বিধি (১৯৭২) অনুসারে জাতীয় পতাকার রং হবে গাঢ় সবুজ এবং ১০:৬ অনুপাতে আয়তাকার।
- তাতে থাকবে সবুজ অংশের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত।
- লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে পতাকার মোট দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ।
- বৃত্তের কেন্দ্রবিন্দুর অবস্থান হবে পতাকার দৈর্ঘের ৯/২০ অংশ থেকে টানা লম্বের এবং প্রস্থের মাঝখান দিয়ে টানা আনুভূমিক রেখার ছেদবিন্দুতে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১,০৯৪.
ভারতের কোন রাজ্যের অন্যতম দাপ্তরিক ভাষা বাংলা?
  1. ত্রিপুরা
  2. আসাম
  3. উড়িষ্যা
  4. বিহার
সঠিক উত্তর:
ত্রিপুরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রিপুরা
ব্যাখ্যা
ভারতে ভাষা বাংলা:
- বাংলাকে 'অন্যতম' রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দেওয়ার দাবিতে ১৯৫২ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের দামাল ছেলেরা রাজপথে বুকের তাজা রক্ত ঝরিয়েছিল। 
- সেই বাংলা এখন বাংলাদেশের বাইরেও রাষ্ট্রীয় মর্যাদা অর্জন করেছে।
- বাংলা এখন বিশ্বের তিনটি দেশের দাপ্তরিক ভাষা।
- সেগুলো হলো: বাংলাদেশ, ভারত ও সিয়েরালিয়ন।

ভারত -
- ভারতে স্বীকৃত যে ২৩টি 'অফিসিয়াল ল্যাঙ্গুয়েজ' রয়েছে, বাংলা তার অন্যতম।
- বাংলা ভাষা ব্যবহারকারী জনসংখ্যার বিবেচনায় এটি দ্বিতীয়, হিন্দির পরই এর স্থান।
- ভারতে রাজ্যগুলো প্রয়োজনে হিন্দির পাশাপাশি নিজস্ব এক বা একাধিক দাপ্তরিক ভাষা গ্রহণ করতে পারে।
- পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা বাংলাকে দাপ্তরিক ভাষার মর্যাদা দিয়েছে।
- এ ছাড়া বাংলা আসাম এবং আন্দামান-নিকোবর রাজ্যের সহ-দাপ্তরিক ভাষা।
- দেশ বিভাগের কারণে পূর্ব বাংলা ছেড়ে যাওয়া জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশ 'পুনর্বাসিত' হয়েছিল বর্তমান ঝাড়খন্ড রাজ্য এলাকায়।
- বিপুল বাঙালি-অধ্যুষিত এই রাজ্য ২০১১ সালের সেপ্টেম্বরে বাংলাকে দ্বিতীয় দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে ঘোষণা করে। 

উৎস: ২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪, সমকাল।
১,০৯৫.
নিম্নে কোন সংস্থার বর্তমান সভাপতি বাংলাদেশ ? (জুলাই-২০২৫)
  1. CIRDAP
  2.  BIMSTEC
  3. D-8
  4. ASEAN
সঠিক উত্তর:
 BIMSTEC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 BIMSTEC
ব্যাখ্যা
BIMSTEC:
- BIMSTEC এর পূর্ণরূপ: Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Co- Operation.
-  বে অফ বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টি-সেক্টরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কোঅপারেশন (BIMSTEC) একটি আঞ্চলিক সংস্থা যা 06 জুন 1997 সালে ব্যাংকক ঘোষণাপত্র স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- এটি ৬ জুন, ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৭টি।
- এর সদর দপ্তর বাংলাদেশের ঢাকায় অবস্থিত।
- বিমসটেক এর বর্তমান মহাসচিব ইন্দ্রমণি পান্ডে।
-  BIMSTEC-এর বর্তমান সভাপতিত্ব করছে বাংলাদেশ। (জুলাই-২০২৫)

অন্যদিকে, 
- CIRDAP মহাপরিচালক (ডিজি) হলেন ভারতের ড. পি চন্দ্র শেখরা।
- ASEAN মহাসচিব ডাঃ কাও কিম আওয়ার।

উৎস: BIMSTEC ওয়েবসাইট।
১,০৯৬.
The Ekushey Padak award was first introduced in -
  1. 1972
  2. 1974
  3. 1975
  4. 1976
  5. 1977
সঠিক উত্তর:
1976
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1976
ব্যাখ্যা
একুশে পদক ১৯৭৬:
- ১৯৭৬ সালে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান একুশে পদক প্রবর্তন করেন।
- এটি দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পুরস্কার।
- জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্যে এ পদক দেওয়া হয়।

একুশে পদক-২০২৪:
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার এই ‘একুশে পদক’।
- বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিতে ২১ জন বিশিষ্ট নাগরিক এবার একুশে পদক পেয়েছেন।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মঙ্গলবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে মনোনীত ও তাদের প্রতিনিধিদের হাতে পদক তুলে দেন।
- সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় গত ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ সালের একুশে পদকের জন্য মনোনীতদের নাম ঘোষণা করে।
- তাদের মধ্যে ছয়জনই মরণোত্তর এ সম্মাননা পেলেন।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
১,০৯৭.
Who designed the National Emblem of Bangladesh?
  1. ক) Zainul Abedin
  2. খ) SM Sultan
  3. গ) Quamrul Hassan
  4. ঘ) Murtaza Bashir
সঠিক উত্তর:
গ) Quamrul Hassan
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Quamrul Hassan
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কামরুল হাসান। ১৯৭২ সালে কামরুল হাসান সবুজের মাঝে লাল বৃত্তের জাতীয় পতাকার নকশা করেন। এর পূর্বে ব্যবহৃত মানচিত্র খচিত পতাকাটি ১৯৭০ সালের ৬ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান জহুরুল হক হলের ১১৬ নং কক্ষে শিবনারায়ণ দাস ও আরো কয়েকজন মিলে চূড়ান্ত করেন যা ১৯৭১ সালের ২রা মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় তৎকালীন ডাকসু ভিপি আ স ম রব প্রথম উত্তোলন করেন। ১৯৭১ সালের ২৩ শে মার্চ বাংলাদেশের সর্বত্র পাকিস্তানের পতাকা’র পরিবর্তে লাল-সবুজের পতাকা উড়ানো হয়।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী
১,০৯৮.
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৬৫ সালে
  2. খ) ১৯২১ সালে
  3. গ) ১৯৫৩ সালে
  4. ঘ) ১৯৬৮ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৫৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৫৩ সালে
ব্যাখ্যা
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রাজশাহীর তিন মাইল পূর্বদিকে মতিহারে অবস্থিত।
- এটি ৬ জুলাই, ১৯৫৩ সালে স্থাপিত হয়।
- এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভাইস চ্যান্সেলর ছিলেন ড. ইতরাত হোসেন জুবেরি।

উৎস: RU Website এবং বাংলাপিডিয়া।
১,০৯৯.
বাংলাপিডিয়া কে সম্পাদনা করেন?
  1. অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম
  2. স্যার উইলিয়াম জোন্স
  3. আব্দুল হামিদ
  4. ড. আহমদ হাসান দানী
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
বাংলাপিডিয়া:
- বাংলাদেশের জাতীয় জ্ঞানকোষ।
- এ জ্ঞানকোষে প্রায় ১৪৫০ জন পণ্ডিতের সৃজনশীল কাজের সমন্বয় ঘটেছে।
- বাংলাদেশের প্রাচীনতমকাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত সকল গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের বর্ণনা বাংলাপিডিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
- প্রধান সম্পাদক: অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম।

- স্যার উইলিয়াম জোন্স ছিলেন এশিয়াটিক সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা।
- এশিয়াটিক সোসাইটি অব পাকিস্তানের প্রথম সভাপতি ছিলেন আব্দুল হামিদ।
- এশিয়াটিক সোসাইটি অব পাকিস্তানের প্রথম সম্পাদক ছিলেন ড. আহমদ হাসান দানী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট।
১,১০০.
বর্তমান কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার কে উদ্বোধন করেন?
  1. ক) হাসিনা আক্তার
  2. খ) হাসিনা খাতুন
  3. গ) হাসিনা বেগম
  4. ঘ) হাসিনা চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
গ) হাসিনা বেগম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হাসিনা বেগম
ব্যাখ্যা
শহীদ মিনার:
- ১৯৫২ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্রদের উদ্যোগে বর্তমান শহিদ মিনারের দক্ষিণ-পূর্ব পাশে প্রথম শহিদ মিনার নির্মিত হয়।
- এটি ২৪ ফেব্রুয়ারি শহিদ শফিউরের পিতা মাহবুবুর রহমান অনানুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করেন।
- ২৬ ফেব্রুয়ারি দৈনিক আজাদ পত্রিকার সম্পাদক আবুল কালাম শামসুদ্দিন আনুষ্ঠানিক ভাবে এই শহীদ মিনার উদ্বোধন করেন। ঐ দিন বিকেলবেলা পুলিশ এটি ভেঙে ফেলে।
- এরপর ১৯৬৩ সালে হামিদুর রহমানের নকশায় নির্মিত শহিদ মিনার উদ্বোধন করেন শহীদ আবুল বরকতের মা হাসিনা বেগম।

অতিরিক্ত তথ্য:
- ১৯৫৬ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি বর্তমান শহীদ মিনারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন পূর্ববঙ্গ সরকারের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী আবু হোসেন সরকার, মওলানা  আবদুল হামিদ খান ভাসানী এবং ভাষাশহীদ আবুল বরকতের মা হাসিনা বেগম।
- বর্তমান শহীদ মিনারের কাজ শুরু হয় ১৯৫৭ সালের নভেম্বর মাসে।
- ১৯৯৭ সালে প্রথম যুক্তরাজ্যের এডিনবার্গের ওল্ডহ্যামে এবং ১৯৯৯ সালে লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেটে শহীদ মিনার নির্মিত হয়। তাছাড়া গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ২০০৫ সালে জাপানের টোকিওতে শহীদ মিনার নির্মিত হয়। 

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।