বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন ও অন্যান্য

মোট প্রশ্ন৩,৮২৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন ও অন্যান্য

PrepBank · পাতা / ৩৮ · ৩০১৪০০ / ৩,৮২৪

৩০১.
বিশ্বের শীর্ষ পরিবেশবান্ধব কারখানার স্বীকৃতি অর্জন করেছে বাংলাদেশের কোন গার্মেন্টস? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৬]
  1. ওরিয়েন্ট গার্মেন্টস লিমিটেড
  2. হ্যামস গার্মেন্টস লিমিটেড
  3. গ্রিনলিফ গার্মেন্টস লিমিটেড
  4. ফেয়ারটেক্স গার্মেন্টস লিমিটেড
ব্যাখ্যা

• বিশ্বের শীর্ষ পরিবেশবান্ধব কারখানা: 
- বাংলাদেশের গাজীপুরের শ্রীপুরে অবস্থিত হ্যামস গার্মেন্টস লিমিটেড বিশ্বের শীর্ষ পরিবেশবান্ধব কারখানা হিসেবে স্বীকৃতি অর্জন করেছে।
- হ্যামস গার্মেন্টস লিমিটেড যুক্তরাষ্ট্রের ইউএস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল (ইউএসজিবিসি) লিড প্লাটিনাম সনদে ১১০ এর মধ্যে ১০৮ স্কোর পেয়েছে। 
- এটি বর্তমানে বিশ্বের যেকোনো গ্রিন ফ্যাক্টরির মধ্যে সর্বোচ্চ স্কোর।
- হ্যামস গার্মেন্টস হা-মিম গ্রুপের অংশ, যা বাংলাদেশের অন্যতম বড় গার্মেন্টস রপ্তানিকারক।
- বর্তমানে বাংলাদেশে ২৭৩টি লিড সার্টিফায়েড গ্রিন ফ্যাক্টরি রয়েছে, যার মধ্যে ১১৫টি প্লাটিনাম ও ১৩৯টি গোল্ড মানের।

উল্লেখ্য,
- বিশ্বের শীর্ষ ১০০টি সর্বোচ্চ রেটিংপ্রাপ্ত গ্রিন কারখানার মধ্যে ৬৯টিই এখন বাংলাদেশে অবস্থিত।   [ব্যাখ্যা আপডেট - ফেব্রুয়ারি, ২০২৬]

তথ্যসূত্র: বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড ও প্রথম আলো। (Link) 

৩০২.
'মনপুরা-৭০' কী?
  1. উপন্যাস
  2. চলচ্চিত্র
  3. চিত্রকর্ম
  4. নদীবন্দর
ব্যাখ্যা
সম্প্রতি, শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের একটি চিত্রকর্ম পাঁচ লাখ ১৬ হাজার পাউন্ডে বিক্রি হয়েছে।
- বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় আট কোটি ২৫ লাখ টাকার সমান।
- কাগজের ওপর কালো কালির রেখা ও ওয়াশে করা চিত্রকর্মটি ১৯৭০ সালের।
- তাতে মাটির ওপর পড়ে থাকা মৃত মা ও শিশুর শরীরের অবয়ব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
- এটি জয়নুলের ‘মনপুরা ৭০’ সিরিজের একটি কাজ।
- দক্ষিণাঞ্চলের চর মনপুরায় ১৯৭০ সালের প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ের পর জয়নুল আবেদিন এসব বিখ্যাত ছবি আঁকেন।

মনপুরা-৭০:
- 'মনপুরা-৭০' একটি চিত্রকর্ম।
- সারি সারি লাশের পাশে স্বজনহারা এক মানুষের বিলাপের ছবি ‘মনপুরা ৭০'।
- জয়নুল আবেদিন এই বিখ্যাত ছবি আঁকেন দক্ষিণাঞ্চলের চর মনপুরায় ১৯৭০ সালের প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ের পর।
- এ ঝড়ে প্রাণ হারান লক্ষাধিক মানুষ।
- জয়নুল আবেদিনের এই ছবি শোভা পাচ্ছে রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরের ৩৫ নম্বর গ্যালারিতে।

সূত্র- প্রথম আলো রিপোর্ট।  
৩০৩.
সুন্দরবনকে World Heritage ঘোষণা করেছে-
  1. UNDP
  2. ILO
  3. UNICEF
  4. UNESCO
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন:
- সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি ।
- এ বনের অধিকাংশ এলাকা জোয়ার ভাটার কারণে দিনে দু'বার লোনা পানি দ্বারা বিধৌত হয় বলে একে ম্যানগ্রোভ বন বলা হয়।
- ম্যানগ্রোভ বন হলো উপকূলীয় বন।
- সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ১০০০০ বর্গ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ।

⇒ সুন্দরবন সংলগ্ন জেলা ৩টি।
- সেগুলো হলো বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা।

⇒ সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী।
- সুন্দরী গাছের নাম থেকেই এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন।
- সুন্দরবনের অন্যান্য গাছের মধ্যে গরান, গেওয়া, কেওড়া, ধুন্দল, গোলপাতা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
- বন্যপ্রাণীসমূহের মধ্যে: রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিত্রা হরিণ, বানর ইত্যাদি।

⇒ ১৮৭৮ সালে সমগ্র সুন্দরবন এলাকাকে সংরক্ষিত বন হিসাবে ঘোষণা দেয়া হয়।
- ৭ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘের সংস্থা ইউনেস্কো পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনকে ৭৯৮তম 'World Heritage site' বা বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে।

উল্লেখ্য,
⇒ ইউনেস্কো ঘোষিত বাংলাদেশের বিশ্ব ঐতিহ্য:
- বাংলাদেশের তিনটি স্থান ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় স্থান করে নিয়েছে:
১. নওগাঁ জেলার পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার (১৯৮৫ সালে),
২. বাগেরহাট জেলার ষাটগম্বুজ মসজিদ (১৯৮৫ সালে),
৩. সুন্দরবন (১৯৯৭ সালে)।

উৎস: i) বনবিভাগ ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।
৩০৪.
নারী-পুরুষ সমতায় (Gender Equality) দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান কত?
  1. ক) প্রথম
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) তৃতীয়
  4. ঘ) চতুর্থ
ব্যাখ্যা

World Economic Forum (WEF) - এর বৈশ্বিক লিঙ্গবৈষম্য প্রতিবেদন, ২০২০ অনুসারে - বৈশ্বিক সূচকে ১৫৩টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান - ৫০ যা আগের বছর ছিলো ৪৮। এই সূচকে বাংলাদেশের স্কোর - ৭২.৬%। দক্ষিণ এশিয়ার আর কোন দেশ সূচকে ১০০ এর মধ্যে নেই। বাংলাদেশের পরের অবস্থান - নেপাল (১০১ তম)।
উৎসঃ সাম্প্রতিক তথ্য। Live MCQ সাম্প্রতিক সমচার PDF এ নজর রাখুন।

৩০৫.
৭ মার্চের ভাষণটি ইউনেস্কো কর্তৃক আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করে -
  1. ১২ জানুয়ারি, ২০১৭ সালে
  2. ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সালে
  3. ৩০ অক্টোবর, ২০১৭ সালে
  4. ২৪ জানুয়ারি, ২০১৮ সালে
ব্যাখ্যা
৭ই মার্চের ভাষণটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করে - ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর।

• ৭ই মার্চের ভাষণ:
- বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ ছিল বাঙালি জাতির ইতিহাসের অসামান্য ও অপরিহার্য এক গুরুত্বপূর্ণ দলিল। 
- ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চে রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) প্রদত্ত ভাষণ।
- এই ভাষণের মাধমে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে বাঙালি জাতির প্রতি স্বাধীনতা সংগ্রামের ডাক দেন।

৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের বিশ্ব স্বীকৃতি:
- বিশ্ব ইতিহাসে যে ভাষণগুলো বিখ্যাত হয়ে আছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক এই ভাষণটি সেগুলোর অন্যতম।
- বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ Jacob F. Field এর বিশ্বসেরা ভাষণ নিয়ে লেখা "We shall Fight on the beaches: The Speeches that Inspired History" শীর্ষক গ্রন্থে বঙ্গবন্ধু সাতই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণটি স্থান পেয়েছে।

- কেবল তাই নয়, ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো এই ভাষণটিকে World's Documentary Heritage এর মর্যাদা দিয়ে International Memory of the World Register-এ অর্ন্তভুক্ত করেছে।
- বাঙালি জাতির স্বাধীনতার প্রতীক এই দূরদর্শী ভাষণের স্বীকৃতি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এক মহত্তর অর্জন।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩০৬.
কবে সুন্দরবনকে UNESCO World Heritage Site হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়?
  1. ১৯৯৫ সালে
  2. ১৯৯৭ সালে
  3. ১৯৯৮ সালে
  4.  ১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা

• সুন্দরবন:

- সুন্দরবন সমুদ্র উপকূলবর্তী নোনা পরিবেশের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বনভূমি এবং এটি অখন্ড বন হিসেবে বিশ্বে সর্ববৃহৎ।
- বনভূমিটি গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রের মোহনায় অবস্থিত এবং বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে বিস্তৃত।
- মোট বিস্তার: প্রায় ১০,০০০ বর্গকিলোমিটার।
- বাংলাদেশের অংশ: ৬,০১৭ বর্গকিলোমিটার।
-"সুন্দরবন"-এর আক্ষরিক অর্থ: “সুন্দর জঙ্গল” বা “সুন্দর বনভূমি”।
সুন্দরী গাছ থেকে সুন্দরবনের নামকরণ হয়ে থাকতে পারে, যা এখানে প্রচুর জন্মায়।

• স্বীকৃতি ও মর্যাদা:
- ১৯৯৭ সালের ৬ ডিসেম্বর ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি লাভ।
- ১৯৯২ সালের ২১ মে সুন্দরবন রামসার স্থান হিসেবে স্বীকৃতি লাভ।

• ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য:
- জালের মতো জড়িয়ে আছে সামুদ্রিক স্রোতধারা, কাদা চর এবং ম্যানগ্রোভ বনভূমির লবণাক্ততাসহ ছোট ছোট দ্বীপ।

তথ্যসূত্র: বাগেরহাট জেলা, জাতীয় তথ্য বাতায়ন ওয়েবসাইট।

৩০৭.
বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু পদ্মা ব্রিজ এ কয়টি স্প্যান/সেকশন রয়েছে?
  1. ৩৩টি
  2. ৪১টি
  3. ৪৩টি
  4. ৪৫টি
ব্যাখ্যা
পদ্মা সেতু:

- পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত পদ্মা সেতু একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু।
- এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু।
- সেতুটি মুন্সিগঞ্জের মাওয়া, লৌহজংকে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে।
- এর ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্ত উত্তর-পুর্বাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
- মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার।
- সেতুতে মোট পাইল রয়েছে ২৭২টি।
- পদ্মা সেতু তৈরি করা হয়েছে ৯ মাত্রার ভূমিকম্প সহনীয় করে।
- পদ্মা সেতুর মোট স্প্যান ৪১টি, যার প্রতিটির দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার।
- পদ্মা সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৪২টি।
- পদ্মা সেতুর নেভিগেশন ক্লিয়ারেন্স ১৮.৩০ মিটার।
- ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ সালে প্রথম স্প্যান বসানো হয়।
- ১০ ডিসেম্বর ২০২০ সালে শেষ স্প্যান বসানো হয়।
- ২৫ জুন ২০২২ সালে পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার বাংলা, জুন ২৫, ২০২২।
৩০৮.
বঙ্গবন্ধু জুলিও কুরি শান্তি পদক গ্রহণ করেন কবে?
  1. ১০ অক্টোবর ১৯৭২
  2. ১৭ জানুয়ারি ১৯৭৩
  3. ২৩ মে ১৯৭৩
  4. ২৩ অক্টোবর ১৯৭৩
ব্যাখ্যা
- শান্তিতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে বিশ্ব শান্তি পরিষদ জুলিও কুরি শান্তি পদকে ভূষিত করে।
- ১৯৭২ সালের ১০ অক্টোবর চিলির সান্টিয়াগো শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্ব শান্তি পরিষদের সভায় বঙ্গবন্ধুকে জুলিও কুরি শান্তি পদকের জন্যে মনোনীত করা হয়।
- ১৯৭৩ সালের ২৩শে মে ঢাকায় বিশ্ব শান্তি পরিষদ আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে এর তৎকালীন মহাসচিব রমেশ চন্দ্র বঙ্গবন্ধুর হাতে জুলিও কুরি শান্তি পদক তুলে দেন।
- জুলিও কুরি শান্তি পদক প্রবর্তিত হয় ১৯৫০ সালে।
(তথ্যসূত্রঃ কারাগারের রোজনামচা ও একুশে টেলিভিশন)
৩০৯.
তিস্তা সোলার বিদ্যুৎ কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. দিনাজপুর
  2. কক্সবাজার
  3. পটুয়াখালী
  4. গাইবান্ধা
ব্যাখ্যা
তিস্তা সোলার বিদ্যুৎ কেন্দ্র:
⇒ গাইবান্ধা জেলার, সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর ইউনিয়নে ১ হাজার একর জমির ওপর তিস্তা সোলার নির্মাণ করা হয়।

উল্লেখ্য,
⇒ ২ আগস্ট, ২০২৩ বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র তিস্তা সোলার লিমিটেড উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
⇒  তিস্তা সোলার বিদ্যুৎকেন্দ্র:
- তিস্তা সোলার বিদ্যুৎকেন্দ্র যা তিস্তা সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশের উত্তর অঞ্চলের সবচেয়ে বড় সোলার বিদ্যুৎকেন্দ্র।
- এটি ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন।
- সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পটি নির্মাণ করেন বাংলাদেশের বেক্সিমকো কোম্পানির সহযোগী প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড।
- ২ আগস্ট, ২০২৩ তিস্তা সোলার লিমিটেডের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- এ কেন্দ্র থেকে দিনে ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যোগ হবে জাতীয় গ্রিডে।

উৎস: ৩ আগস্ট ২০২৩, দ্যা ডেইলি স্টার বাংলা।
৩১০.
কয়জন বিশিষ্ট নারীকে ‘বেগম রোকেয়া পদক ২০২৫’ প্রদান করা হয়েছে?
  1. ৩ জন
  2. ৪ জন
  3. ৫ জন
  4. ৬ জন
ব্যাখ্যা

বেগম রোকেয়া পদক, ২০২৫:
- বিভিন্ন পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান ও গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা পালনের স্বীকৃতি হিসেবে ‘বেগম রোকেয়া পদক ২০২৫’ পান ৪ জন বিশিষ্ট নারী।

- তারা হলেন: 
• নারী শিক্ষা (গবেষণা)- ড. রুভানা রাকিব, 
• নারী অধিকার (শ্রম অধিকার)- কল্পনা আক্তার,
• মানবাধিকার- ড. নাবিলা ইদ্রিস ও
• নারী জাগরণ (ক্রীড়া)- রিতু পর্ণা চাকমা।

- ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ রোকেয়া দিবস পালন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে চারজনের হাতে রোকেয়া পদক তুলে দেওয়া হয়।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো নিউজ। [link]

৩১১.
কতজন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫’ দেওয়া হয়?
  1. ৬ জন
  2. ৮ জন
  3. ৯ জন
  4. ৭ জন
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫:
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ২০২৫ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন।
- পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রত্যেককে পাঁচ লাখ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৫০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হবে।
- ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে দেয়া হয় ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫’।

⇒ স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫ প্রাপ্ত:
- মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতি: মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর),
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর),
- সাহিত্য: মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর),
- সংস্কৃতি: নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর),
- সমাজসেবা: স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর),
- শিক্ষা ও গবেষণা: বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর,
- প্রতিবাদী তারুণ্য: আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
৩১২.
জাতিসংঘের কোন সংস্থা জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দিয়ে থাকে?
  1. UNEP
  2. UNESCO
  3. WIPO
  4. UNDP
ব্যাখ্যা
জিআই (GI):
- জিআই (GI) এর পূর্ণরুপ হলো (Geographical indication) ভৌগলিক নির্দেশক।
- জাতিসংঘের সংস্থা WIPO (World Intellectual Property Organization) হলো জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রতিষ্ঠান।
- ভৌগোলিক নির্দেশক (Geographical indication) হচ্ছে একটি প্রতীক বা চিহ্ন, যা পণ্য ও সেবার উৎস, গুণাগুণ ও সুনাম ধারণ এবং প্রচার করে।
- কোনো দেশের আবহাওয়া ও পরিবেশ যদি কোনো পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো গুরুত্ব রাখে, সেই দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে যদি বিষয়টি সম্পর্কিত হয়, তাহলে সেটাকে সে দেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

বাংলাদেশে জিআই পণ্য:
- বাংলাদেশে বর্তমানে জিআই পণ্য রয়েছে ২১টি।
- জামদানি, ইলিশ, ক্ষীরশাপাতি আম, মসলিন, বাগদা চিংড়ি, কালিজিরা চাল, বিজয়পুরের সাদা মাটি, রাজশাহীর সিল্ক, রংপুরের শতরঞ্জি, দিনাজপুরের কাটারিভোগ চাল, রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফজলি আম, শীতলপাটি, বগুড়ার দই, শেরপুরের তুলসীমালা ধান, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ল্যাংড়া আম, চাঁপাইনবাবগঞ্জের আশ্বিনা আম, নাটোরের কাঁচাগোল্লা, টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ির চমচম, কুমিল্লার রসমালাই, কুষ্টিয়ার তিলেখাজা এবং বাংলাদেশ ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল।

উৎস: i) পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
         ii) ১ জানুয়ারি, ২০২৪, প্রথম আলো। 
৩১৩.
নিচের কোন স্থানটি বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে এখনও স্থান পায়নি?
  1. পাহাড়পুর
  2. মহাস্থানগড়
  3. ষাটগম্বুজ
  4. সুন্দরবন
ব্যাখ্যা
• মহাস্থানগড় বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে এখনও স্থান পায়নি।

মহাস্থানগড়:
- মহাস্থানগড় করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত।
- পূর্বে মহাস্থানগড়ের নাম ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর।
- বগুড়া শহর হতে ১৫ কিঃমিঃ দূরে পুণ্ড্রবর্ধনের প্রশাসনিক কেন্দ্রবিন্দু ছিল এই মহাস্থানগড়।
- মহাস্থানগড় সমগ্র বাংলার সর্বপ্রধান ও সর্বপ্রাচীন এ দূর্গনগরী ।
- সমগ্র বাংলার সর্বপ্রধান ও সর্বপ্রাচীন এ দুর্গ নগরী ইটের বেষ্টনী প্রাচীর দ্বারা সুরক্ষিত যা উত্তর দক্ষিনে ১৫২৫ মিঃদীর্ঘ এবং পূর্ব পশ্চিমে ১৩৭০মিঃ প্রশস্থ ও চতুপার্শ্বস্থ সমতল ভূমি হতে ৫মিঃ উঁচু।
- কয়েক শতাব্দী পর্যন্ত এ স্থান পরাক্রমশালী মৌর্য, গুপ্ত এবং পাল শাসকবর্গের প্রাদেশিক রাজধানী ও পরবর্তীকালে হিন্দু সমান্ত রাজাগণের রাজধানী ছিল।
- বিখ্যাত চীনা পরিব্রাজক হয়েন সাঙ ভারতবর্ষ ভ্রমণকালে (৬৩৯-৬৪৫) পুন্ড্রনগর পরিদর্শন করেন।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যের সংখ্যা তিনটি। এগুলো হলো:
⇒ নওগাঁ জেলার পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার (১৯৮৫ সালে)।
- পাহাড়পুরের সোমপুর বৌদ্ধবিহার ৩২২তম বিশ্ব ঐতিহ্য।

⇒ বাগেরহাট জেলার ষাটগম্বুজ মসজিদ (১৯৮৫ সালে)।
- ষাটগম্বুজ মসজিদ ৩২১তম বিশ্ব ঐতিহ্য।

⇒ সুন্দরবন (১৯৯৭ সালে)।
- সুন্দরবন ইউনেস্কো ঘোষিত ৭৯৮তম বিশ্ব ঐতিহ্য।

তথ্যসূত্র - ইউনেস্কো ওয়েবসাইট ও বগুড়া জেলা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৩১৪.
BREB has about _______ consumers of the country in its load.
  1. ক) 70%
  2. খ) 80%
  3. গ) 85%
  4. ঘ) 90%
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি) তার ৮০ টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মাধ্যমে সারা দেশে নিরলসভাবে সেবা দিয়ে যাচ্ছে।
- আরইবির আওতাধীন ৪৬২টি উপজেলার গ্রীডভূক্ত এলাকায় শতভাগ বিদ্যুতায়ন সম্পন্ন হয়েছে।
- বর্তমানে এ সংস্থার মোট গ্রাহক সংখ্যা ০৩ কোটি ০৩ লক্ষ, যা জাতীয় গ্রাহক সংখ্যার (৩ কোটি ৮২ লক্ষ) প্রায় ৮০ %। 

উৎসঃ www.reb.gov.bd/
৩১৫.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে গো-চারণের জন্য বাথান আছে?
  1. সিরাজগঞ্জ
  2. দিনাজপুর
  3. বরিশাল
  4. ফরিদপুর
ব্যাখ্যা
• চারণ ভূমি:
- বাথান হলো বিস্তৃত তৃণাচ্ছাদিত ভূমি যেখানে গবাদি পশুর পাল উন্মুক্তভাবে চরে ঘাস খায় এবং নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত সেখানেই থাকে।
- অতীতে দেশের সর্বত্রই বাথান ‍ভূমির উপস্থিতি থাকলেও বর্তমানে চলনবিল সংলগ্ন সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর, নাটোর, হাওরাঞ্চল ও চরাঞ্চলে অস্থায়ী বাথান ভূমি দেথতে পাওয়া যায়।

- সিলেট, হবিগঞ্জ, নেত্রকোনা ও কিশোরগঞ্জের হাওর এলাকায় শীতকালে কিছু অস্থায়ী বাথান গড়ে ওঠে।
- সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের বাথান ‍ভূমির আয়তন প্রায় ১,২০০ (বারশো) একর।
- বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে সমৃদ্ধ এবং উন্নত দুগ্ধশিল্প গড়ে উঠেছে শাহজাদপুরে।
- এরই ধারাবাহিকতায় শাহজাদপুরে তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের বৃহত্তম দুগ্ধপ্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা 'মিল্ক ভিটা'।
- আর এর মূলে রয়েছে এখানকার ঐতিহ্যবাহী বাথানভূমির আবদান

উৎস: সিরাজগঞ্জ জেলা ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।
৩১৬.
জাতীয় স্মৃতিসৌধের উচ্চতা কত?
  1. ৪৬.৫ মি.
  2. ৪৬ মি.
  3. ৪৫.৫ মি.
  4. ৪৫ মি.
ব্যাখ্যা
• জাতীয় স্মৃতিসৌধ:
- জাতীয় স্মৃতিসৌধ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে নিহত মুক্তিযোদ্ধা ও নিহত বেসামরিক বাঙালি ও অবাঙ্গালিদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নিবেদিত একটি স্মারক স্থাপনা।
- এটি সাভারে অবস্থিত।
- এর অপর নাম 'সম্মিলিত প্রয়াস'।
- জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন।
- ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ সরকারের গণপূর্ত বিভাগ মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের জন্য একটা জাতীয় স্মৃতিসৌধ নির্মাণের পরিকল্পনা নেয় এবং নকশা আহবান করে।
- এর উচ্চতা ১৫০ ফুট — (৪৫.৭২ মি.) যা প্রায় ৪৬ মিটার।

উল্লেখ্য,
- স্মৃতিসৌধের রয়েছে ৭টি খাঁজ।
- ১৯৫২ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত ৭টা বড় আন্দোলন হয়েছিল।
- ওই খাঁজগুলো দিয়ে সেই সব আন্দোলন বোঝানো হয়েছে।
১. ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন।
২. ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন।
৩. ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র আন্দোলন।
৪. ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন।
৫. ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন।
৬. ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান এবং
৭. ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ।

উৎস:
i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩১৭.
অপরাজেয় বাংলা ভাস্কর্যটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
  3. চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
  4. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা

অপরাজেয় বাংলা:
- অপরাজেয় বাংলা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মরণে নিবেদিত একটি ভাস্কর্য যা তিনজন মুক্তিযোদ্ধাকে চিত্রায়ণ করেছে।
- এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে অবস্থিত।
- অপরাজেয় বাংলা নির্মাণ করেন মুক্তিযোদ্ধা ভাস্কর সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ।
- এর নাম দিয়েছিলেন মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিক সালেহ চৌধুরী।
- ১৯৭৩ সালে ভাস্কর্যটি তৈরি করা শুরু হয়।
- ১৯৭৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে অপরাজেয় বাংলা উদ্বোধন করা হয়।
- ৬ ফুট বেদির উপর নির্মিত এর উচ্চতা ১২ ফুট, প্রস্থ ৮ ফুট ও ব্যাস ৬ ফুট।
- এই ভাস্কর্যটিতে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের অংশগ্রহণের দৃশ্য তুলে ধরা হয়েছে।
- বেদিতে দাঁড়ানো তিন মুক্তিযোদ্ধার প্রতিচ্ছবি যেন অন্যায় ও বৈষম্য দূর করে দেশে সাম্য প্রতিষ্ঠার গান গাইছে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক যুগান্তর, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯।

৩১৮.
সাবাস বাংলাদেশ ভাস্কর্যটির স্থপতি কে?
  1. সৈয়দ মাইনুল হোসেন
  2. নিতুন কুণ্ডু
  3. শামীম শিকদার
  4. শিল্পী আব্দুর রাজ্জাক  
ব্যাখ্যা

সাবাস বাংলাদেশ
- সাবাস বাংলাদেশ ভাস্কর্যটির স্থপতি ছিলেন নিতুন কুণ্ডু। 
- নিতুন কুণ্ডু (১৯৩৫-২০০৬) একজন বাংলাদেশী চিত্রশিল্পী, নকশাবিদ, ভাস্কর ও শিল্পপতি ছিলেন।
- সাবাস বাংলাদেশ হলো বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি স্মৃতিবিজড়িত ভাস্কর্য।
-  ভাস্কর্যটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত। 
- এই ভাস্কর্যটি স্বাধীনতাযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী তরুণ মুক্তিযোদ্ধাদের সাহস ও ত্যাগের প্রতীক।
- ভাস্কর্যটির ভিত্তিপ্রস্তরের ফলকে সুকান্ত ভট্টাচার্যের "দুর্মর" কবিতার অংশ খোদাই করা আছে।

অন্যদিকে,
- জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি হচ্ছে- সৈয়দ মাইনুল হোসেন।
- স্বাধীনতা সংগ্রাম স্থাপত্যের স্থপতি হচ্ছে- শামীম শিকদার।
- জাগ্রত চৌরাঙ্গী’র প্রধান ভাস্কর ছিলেন শিল্পী আব্দুর রাজ্জাক।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী। 

৩১৯.
বাংলা একাডেমির মূল ভবনের নাম কী ছিল?
  1. মৈত্রী ভবন
  2. বাংলা হাউস
  3. বর্ধমান হাউস
  4. সাহিত্য ভবন
ব্যাখ্যা

বাংলা একাডেমি:
​- বাংলা একাডেমি বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সর্ববৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
​- ১৩৬২ বঙ্গাব্দের ১৭ অগ্রহায়ণ (৩ ডিসেম্বর, ১৯৫৫) ঢাকায় এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
​- বাংলা একাডেমির মূল ভবনের নাম ছিল বর্ধমান হাউস।
​- আবু হোসেন সরকার বাংলা একাডেমির উদ্বোধন করেন।
​- ১৯৬০ সালে ‘দি বেঙ্গলী একাডেমি অ্যাক্ট’ গৃহীত হলে এটি সরকারি অর্থে পরিচালিত স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা লাভ করে।

​উল্লেখ্য,
​- বাংলা একাডেমির প্রথম মহাপরিচালক ছিলেন প্রফেসর মযহারুল ইসলাম।
​- বাংলা একাডেমির প্রথম সভাপতি ছিলেন মাওলানা আঁকরাম খাঁ।
​- ১৯৬০ সাল থেকে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার দেওয়া হয়।

​তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া ও বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।

৩২০.
জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৪' পেয়েছেন কতজন বিশিষ্ট ব্যক্তি?
  1. ৮ জন
  2. ৯ জন
  3. ১০ জন
  4. ১১ জন
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার ২০২৪:
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৪' পেয়েছেন ১০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি।
• স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ - কাজী আব্দুস সাত্তার, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফ্লাইট সার্জেন্ট মোঃ ফজলুল হক (মরণোত্তর) ও বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ আবু নঈম মোঃ নজিব উদ্দীন খাঁন (মরণোত্তর)।
• বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি - ড. মোবারক আহমদ খান।
• চিকিৎসাবিদ্যা - ডাঃ হরিশংকর দাশ।
• সংস্কৃতি - মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান।
• ক্রীড়া - ফিরোজা খাতুন।
• সমাজসেবা/জনসেবা - অরন্য চিরান, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডাঃ মোল্লা ওবায়েদুল্লাহ বাকী ও এস.এম. আব্রাহাম লিংকন।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রি পরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট ও ডেইলি স্টার, মার্চ ১৫, ২০২৪।
৩২১.
৪৯তম জেলা হিসেবে বাংলাদেশের রেল নেটওয়ার্কে যুক্ত হয়েছে-
  1. নাটোর
  2. শেরপুর
  3. নড়াইল
  4. জয়পুরহাট
ব্যাখ্যা
রেল নেটওয়ার্ক:
- বর্তমান দেশে মোট ৪৯ জেলা রেল নেটওয়ার্কের অন্তর্ভূক্ত রয়েছে।
- ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে দেশের ৪৯তম জেলা হিসেবে রেল নেটওয়ার্কে যুক্ত হয় নড়াইল।
- পদ্মা সেতু রেল সেতু প্রকল্পের আওতায় ২৮ কিলোমিটার রেলপথ পড়েছে নড়াইলে।
- এই দিন থেকেই খুলনা-ঢাকা এবং বেনাপোল-ঢাকা রুটে জাহানাবাদ এক্সপ্রেস ও রূপালী এক্সপ্রেস নামের আন্তঃনগর ট্রেন নড়াইল-লোহাগড়ার মধ্য দিয়ে চলাচল শুরু হয়েছে।
- এরই প্রেক্ষিতে, নড়াইল শহর ও লোহাগড়া উপজেলায় একটি করে রেলস্টেশনও নির্মাণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- এ দেশে প্রথম রেলওয়ের সূচনা হয় ১৮৬২ সালের ১৫ নভেম্বর দর্শনা- জগতি রেললাইন নির্মাণের মাধ্যমে।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট।
৩২২.
২০২৫ সালে প্রতিবাদী তারুণ্যের স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন কে? 
  1. বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর
  2. নভেরা আহমেদ
  3. মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ
  4. আবরার ফাহাদ
ব্যাখ্যা

- স্বাধীনতা পদক বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদক।
- ১৯৭৭ সালে প্রথম এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

• স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫:

- ৭ বিশিষ্ট ব্যক্তিকে দেয়া হয় ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫’।
- ৭ জনের মধ্যে ৬ জনকে মরণোত্তর পুরস্কার প্রাপ্ত হয়।
- শুধু বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর জীবিত পুরস্কার প্রাপ্ত হন।
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে :অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর),।
- সাহিত্যে: মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর), । 
- সংস্কৃতিতে: নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর),।
- সমাজসেবায়: স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর),।
- মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতিতে: মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর),।
- শিক্ষা ও গবেষণায় : বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর ।
- প্রতিবাদী তারুণ্যের : আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

৩২৩.
বঙ্গবন্ধু “নদী পদক” প্রবর্তন করা হয় কত সালে?
  1. ক) ২০১৯
  2. খ) ২০১৭
  3. গ) ২০১৮
  4. ঘ) ২০২০
ব্যাখ্যা

পদক প্রদান সংক্রান্ত নির্দেশিকা অনুসারে উপজেলা, জেলা, বিভাগীয় এবং জাতীয় বা কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতি বছর সেপ্টেম্বর মাসে বিশ্ব নৌ দিবসে বা প্রধানমন্ত্রীর সুবিধাজনক সময়ে এ পদক দেয়া হবে।
- নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় পুরস্কারের সংখ্যা ও মূল্যমান বাস্তবতার নিরিখে পরিবর্তন করতে পারবে।
- প্রধানমন্ত্রী ‘বঙ্গবন্ধু নদী পদক নীতিমালা-২০১৯' অনুমোদন করেছেন।

উৎস: Live Mcq সাম্প্রতিক সমাচার

৩২৪.
বঙ্গবন্ধু-পিয়েরে ট্রুডো কৃষি প্রযুক্তি কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ময়মনসিংহ
  2. খ) নেত্রকোনা
  3. গ) শেরপুর
  4. ঘ) গাজীপুর
ব্যাখ্যা
- বঙ্গবন্ধু-পিয়েরে ট্রুডো কৃষি প্রযুক্তি কেন্দ্র গাজীপুরে অবস্থিত।
- ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ তারিখে গাজীপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট এর ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধু-পিয়েরে ট্রুডো কৃষি প্রযুক্তি কেন্দ্র উদ্বোধন করেন।

উৎস: বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।
৩২৫.
২০২৫ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী কে?
  1. মারিয়া করিনা মাচাদো
  2. নিহন হিডানকিও
  3. বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচী
  4. সুমুমু কিতাগাওয়া
ব্যাখ্যা

২০২৫ সালের নোবেল বিজয়ী:
- ২০২৫ সালে মোট ১৪ জন ব্যক্তিকে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়।

⇒ সাহিত্য:
- ২০২৫ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার জিতেছেন হাঙ্গেরিয়ান লেখক লাজলো ক্রাজনাহরকাই।
- অবদান: 'ভয়ঙ্কর পরিস্থিতিতেও শিল্পের শক্তি দেখানো তার প্রভাবশালী ও দূরদর্শী সাহিত্যকর্মের জন্য' তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।

⇒ শান্তি:
- ২০২৫ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন ভেনেজুয়েলার রাজনীতিবিদ ও মানবাধিকারকর্মী মারিয়া কোরিনা মাচাদো।
- অবদান: ভেনেজুয়েলার জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় অবিরাম প্রচেষ্টা এবং একনায়কতন্ত্র থেকে ন্যায়ভিত্তিক ও শান্তিপূর্ণ গণতন্ত্রে উত্তরণের সংগ্রামের জন্য নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

⇒ চিকিৎসাবিজ্ঞান:
- ২০২৫ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন
• ম্যারি ই. ক্রনকো,
• ফ্রেড রামসডেল ও
• শিমন সাকাগুচি।
- অবদান: মানবদেহের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থার কার্যপ্রণালী বিষয়ে গবেষণার জন্য দুই মার্কিন ও এক জাপানি গবেষক এই পুরস্কার পান।

⇒ পদার্থবিজ্ঞান:
- ২০২৫ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন
• জন ক্লার্ক,
• মিশেল দেভরেট ও
• জন এম মার্টিনিস।
- অবদান: ম্যাক্রোস্কোপিক কোয়ান্টাম মেকানিক্যাল টানেলিং এবং ইলেকট্রিক সার্কিটে এনার্জি কোয়ান্টাইজেশন গবেষণার জন্য তারা নোবেল পান।

⇒ রসায়ন:
- ২০২৫ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন
• সুসুমু কিতাগাওয়া,
• রিচার্ড রবসন ও
• ওমর এম. ইয়াগি।
- অবদান: মেটাল-অর্গানিক ফ্রেমওয়ার্ক নামে নতুন একধরনের আণবিক কাঠামো আবিষ্কারের জন্য তারা এ পুরস্কার পান।

⇒ অর্থনীতি:
- ২০২৫ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন
• ইওয়েল মোকিয়র,
• ফিলিপ আগিয়োঁ ও
• পিটার হাউইট।
- অবদান: উদ্ভাবননির্ভর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ব্যাখ্যা করার জন্য ২০২৫ সালে তাদের নোবেল পুরস্কার দেওয়া হলো।

তথ্যসূত্র - Nobel Prize ওয়েবসাইট।

৩২৬.
২০২৩ সালে সার্ক সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন কে?
  1. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  2. অধ্যাপক আনিসুজ্জামান
  3. সেলিনা হোসেন
  4. শামসুর রাহমান
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

সার্ক সাহিত্য পুরস্কার:

- সার্ক সাহিত্য পুরস্কার সার্ক লেখক ও সাহিত্য প্রতিষ্ঠান (ফসওয়াল) কর্তৃক প্রবর্তিত বার্ষিক পুরস্কারবিশেষ।
- ২০০১ সাল থেকে অনিয়মিতভাবে এ পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য,
- ২০২৩ সালে সার্ক সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
-  ২৬ মার্চ, ২০২৩ তারিখে ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’, ‘কারাগারের রোজনামচা’ ও ‘আমার দেখা নয়াচীন ১৯৫২’- এই তিনটি বইয়ের জন্য বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে এই বিশেষ সাহিত্য পুরস্কার দিয়েছে ফাউন্ডেশন অফ সার্ক রাইটার্স অ্যান্ড লিটারেচার।

উৎস: ৩ এপ্রিল, ২০২৩, প্রথম আলো।
৩২৭.
কোন প্রতিষ্ঠান ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দান করে?
  1. ক) UN
  2. খ) UNDP
  3. গ) UNICEF
  4. ঘ) UNESCO
ব্যাখ্যা
২১ ফেব্রুয়ারির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:
- প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়।
- ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কোর ৩০তম অধিবেশনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব পাস হয়।
- ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে পৃথিবীর ১৮৮টি দেশে এই দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন শুরু হয়।

- ২০০৭ সালের ১৬ মে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে একটি প্রস্তাব উত্থাপন হয় যেখানে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের আহবান জানানো হয় এবং একই প্রস্তাবে ২০০৮ সালকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা বর্ষ ঘোষণা করা হয়।
- পরবর্তীতে ২০১০ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬৫তম অধিবেশনে ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব পাস হয়।

তথ্যসূত্র: ইউনেস্কো ও জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৩২৮.
২০২৪ সালে সংস্কৃতিতে স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার লাভ করেন কে?
  1. মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান
  2. ফিরোজা খাতুন
  3. ওবায়েদুল্লাহ বাকী
  4. নজিব উদ্দীন খাঁন
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার ২০২৪:
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৪' পেয়েছেন ১০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি।
• স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ - কাজী আব্দুস সাত্তার, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফ্লাইট সার্জেন্ট মোঃ ফজলুল হক (মরণোত্তর) ও বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ আবু নঈম মোঃ নজিব উদ্দীন খাঁন (মরণোত্তর)।
• বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি - ড. মোবারক আহমদ খান।
• চিকিৎসাবিদ্যা - ডাঃ হরিশংকর দাশ।
• সংস্কৃতি - মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান।
• ক্রীড়া - ফিরোজা খাতুন।
• সমাজসেবা/জনসেবা - অরন্য চিরান, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডাঃ মোল্লা ওবায়েদুল্লাহ বাকী ও এস.এম. আব্রাহাম লিংকন।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রি পরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট ও ডেইলি স্টার, মার্চ ১৫, ২০২৪।
৩২৯.
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি বোলার কে?
  1. সাকিব আল হাসান
  2. লাসিথ মালিঙ্গা
  3. শহিদ আফ্রিদি
  4. মিচেল স্টার্ক
ব্যাখ্যা
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ 
- ২০০৭ সালে শুরু হয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ।
- প্রথম আসরের চ্যাম্পিয়ন - ভারত। অধিনায়ক - এম.এস ধোনি।
- প্রথম আসরে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন - মো আশরাফুল।

- এই পর্যন্ত ৯টি আসরেই খেলেছেন মাত্র ২ জন ক্রিকেটার। সাকিব আল হাসান ও রোহত শর্মা।

- টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি বোলার - সাকিব আল হাসান (বাংলাদেশ)।
- প্রথম এবং একমাত্র ক্রিকেটার হিসাবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে ৫০ উইকেট লাভ করেন সাকিব আল হাসান।
- সবচেয়ে বেশি রান - বিরাট কোহলি(ভারত)। 

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৪
- নবম আসর।
- আয়োজক - যুক্তরাষ্ট্র ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
- মোট দল - ২০টি দল ও মোট ম্যাচ - ৫৫টি।
- চ্যাম্পিয়ন - ভারত।
- রানার্স আপ - দক্ষিণ আফ্রিকা।

- ২০২৬ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম আসর অনুষ্ঠিত হবে ভারত ও শ্রীলংকায়।

তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার বাংলা।
৩৩০.
২০২৫ সালে মোট কতজন ব্যক্তিকে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়?
  1. ১৩ জন
  2. ১৪ জন
  3. ১৫ জন
  4. ১৬ জন
ব্যাখ্যা

২০২৫ সালের নোবেল বিজয়ী:
- ২০২৫ সালে মোট ১৪ জন ব্যক্তিকে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়।

⇒ সাহিত্য:
- ২০২৫ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার জিতেছেন হাঙ্গেরিয়ান লেখক লাজলো ক্রাজনাহরকাই।
- অবদান: 'ভয়ঙ্কর পরিস্থিতিতেও শিল্পের শক্তি দেখানো তার প্রভাবশালী ও দূরদর্শী সাহিত্যকর্মের জন্য' তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।

⇒ শান্তি:
- ২০২৫ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন ভেনেজুয়েলার রাজনীতিবিদ ও মানবাধিকারকর্মী মারিয়া কোরিনা মাচাদো।
- অবদান: ভেনেজুয়েলার জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় অবিরাম প্রচেষ্টা এবং একনায়কতন্ত্র থেকে ন্যায়ভিত্তিক ও শান্তিপূর্ণ গণতন্ত্রে উত্তরণের সংগ্রামের জন্য নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

⇒ চিকিৎসাবিজ্ঞান:
- ২০২৫ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন
• ম্যারি ই. ক্রনকো,
• ফ্রেড রামসডেল ও
• শিমন সাকাগুচি।
- অবদান: মানবদেহের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থার কার্যপ্রণালী বিষয়ে গবেষণার জন্য দুই মার্কিন ও এক জাপানি গবেষক এই পুরস্কার পান।

⇒ পদার্থবিজ্ঞান:
- ২০২৫ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন
• জন ক্লার্ক,
• মিশেল দেভরেট ও
• জন এম মার্টিনিস।
- অবদান: ম্যাক্রোস্কোপিক কোয়ান্টাম মেকানিক্যাল টানেলিং এবং ইলেকট্রিক সার্কিটে এনার্জি কোয়ান্টাইজেশন গবেষণার জন্য তারা নোবেল পান।

⇒ রসায়ন:
- ২০২৫ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন
• সুসুমু কিতাগাওয়া,
• রিচার্ড রবসন ও
• ওমর এম. ইয়াগি।
- অবদান: মেটাল-অর্গানিক ফ্রেমওয়ার্ক নামে নতুন একধরনের আণবিক কাঠামো আবিষ্কারের জন্য তারা এ পুরস্কার পান।

⇒ অর্থনীতি:
- ২০২৫ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন
• ইওয়েল মোকিয়র,
• ফিলিপ আগিয়োঁ ও
• পিটার হাউইট।
- অবদান: উদ্ভাবননির্ভর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ব্যাখ্যা করার জন্য ২০২৫ সালে তাদের নোবেল পুরস্কার দেওয়া হলো।

তথ্যসূত্র - Nobel Prize ওয়েবসাইট।

৩৩১.
নিচের কোন ভৌগোলিক এলাকাটি “রামসার সাইট” হিসেবে স্বীকৃত?
  1. কাপ্তাই হ্রদ
  2. রামসাগর
  3. বগা লেক
  4. টাঙ্গুয়ার হাওর
ব্যাখ্যা
- ইরানের রামসার শহরে ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারিতে জলাভূমি ও তার সম্পদের সংরক্ষণ ও যথাযথ ব্যবহার বিষয়ক রামসার কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়।
- রামসার কনভেনশন কার্যকর হয় ১৯৭৫ সালের ২১ ডিসেম্বর।

বাংলাদেশ ও রামসার: 
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
- এ চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের দুটি স্থান রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে -
- সুন্দরবন রিজার্ভ ফরেষ্ট (২১ মে ১৯৯২) ও
- টাঙ্গুয়ার হাওর (১০ জুলাই ২০০০) রামসার সাইটের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

উৎস: রামসার ওয়েবসাইট।
৩৩২.
টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের এক ইনিংসে সর্বোচ্চ রান-
  1. ক) ৪০৬
  2. খ) ৬৩৮
  3. গ) ৪২৬
  4. ঘ) ৪৩৬
ব্যাখ্যা
• টেস্ট ক্রিকেট:
- ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর ভারতের বিপক্ষে উদ্বোধনী টেস্ট খেলে বাংলাদেশ।
- টেস্টে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের সর্বোচ্চ দলীয় স্কোর ৬৩৮।
- ২০১৩ সালের মার্চে গলে শ্রীলংকার বিপক্ষে এ স্মরণীয় স্কোর গড়ে টাইগাররা।
- আর দলীয় সর্বনিম্ন স্কোর ৬২। লংকানদের বিপক্ষেই কলম্বোতে ২০০৭ সালের জুলাইয়ে।


- টেস্ট ক্রিকেটে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানের ইনিংস সাকিবের (২১৭ রান)।
- ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে ওয়েলিংটনে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এ মহাকাব্যিক ইনিংস খেলেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার।
- বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে ব্যক্তিগতভাবে সবচেয়ে বেশি রান তামিম ইকবালের।

তথ্যসূত্র: নৈনিক যুগান্তর (২ মে, ২০১৮)।
৩৩৩.
টাইম ম্যাগাজিন- ২০২৫ -এ বিশ্ব স্বাস্থ্যে প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তিদের তালিকার মধ্যে কোন বাংলাদেশি অন্তর্ভুক্ত?
  1. ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা
  2. ডা. তাহমিদ আহমেদ
  3. ডা. মো. শামিউল ইসলাম
  4. ডা. মো. হারুন-অর-রশিদদ
ব্যাখ্যা
- যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক খ্যাতনামা সাময়িকী ‘টাইম’ তাদের ২০২৫ সালের ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য খাতে প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তি’র তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে ডা. তাহমিদ আহমেদকে।
- ডা. তাহমিদ আহমেদ আইসিডিডিআরবির নির্বাহী পরিচালক ।

উল্লেখ্য,
- যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাতিমান টাইম সাময়িকীর করা ২০২৫ সালের বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় আছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
- ‘টাইম–১০০’ শীর্ষক এই তালিকায় অধ্যাপক ইউনূসকে ‘লিডার বা নেতা’ ক্যাটাগরিতে রাখা হয়েছে।

উৎস : প্রথম আলো।
৩৩৪.
বিখ্যাত চিত্রকর্ম ‘ম্যাডোনা-৪৩’ এর চিত্রকর কে?
  1. জয়নুল আবেদিন
  2. কামরুল হাসান
  3. এস এম সুলতান
  4. রফিকুন্নবী
ব্যাখ্যা
• বিখ্যাত চিত্রকর্ম ‘ম্যাডোনা-৪৩’ এর চিত্রকর জয়নুল আবেদিন।

জয়নুল আবেদিন:
- জয়নুল আবেদিন ১৯১৪ সালে ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি বেড়ে উঠেছেন ব্রহ্মপুত্রের লালিত্যে গড়ে ওঠা সবুজ শ্যামলিমায়।
- জয়নুল তাঁর প্রথম জীবনেই নদী ও অবারিত প্রকৃতির মাঝে রোমান্টিকতার অনুপ্রেরণা পান।
- তিনি ১৯৩৩ সালে কলকাতা সরকারি আর্ট স্কুলে ভর্তি হন এবং পাঁচ বছর সেখানে ব্রিটিশ / ইউরোপীয় স্টাইলের ওপর পড়াশুনা করেন।
- জয়নুল আবেদিন ও তাঁর কয়েকজন সহযোগী, যারা দেশ ভাগের পর ঢাকায় অভিবাসী হয়েছিলেন, আর্ট ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেন।
- ‘দুই মহিলা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩), ‘পাইন্যার মা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩) ও ‘মহিলা’ (জলরং, ১৯৫৩), 'ফসল মাড়াই', জলরং (১৯৬৩) হলো এ আমলের উল্লেখযোগ্য চিত্রকর্ম।
- ১৯৭৬ সালের ২৮ মে ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৩৩৫.
স্বাধীন দেশ হিসাবে বাংলাদেশকে মিয়ানমার স্বীকৃতি দেয়-
  1. ১৩ জানুয়ারি ১৯৭৪
  2. ১৩ জানুয়ারি ১৯৭২
  3. ১৩ জানুয়ারি ১৯৭৩
  4. ১৩ জানুয়ারি ১৯৭৫
ব্যাখ্যা
মিয়ানমার
- বাংলাদেশের সাথে মিয়ানমারের সীমান্তদৈর্ঘ্য ২৭১ কিমি।
- রাঙামাটি, বান্দরবান ও কক্সবাজার; এই তিন জেলার সাথে মিয়ানমারের সীমানা রয়েছে।
- মিয়ানমারের আরাকান ও চিন; এই দুই রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমানা রয়েছে।
- নাফ নদী এই দুই দেশকে পৃথক করেছে।

উল্লেখ্য, 
-মিয়ানবার ১৩ জানুয়ারি ১৯৭২ এ স্বাধীন দেশ হিসাবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

তথ্যসূত্র- বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ওয়েবসাইট।
৩৩৬.
বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সমুদ্রসীমা বিরোধের মীমাংসা হয় কবে?
  1. ৭ জুলাই, ২০১২
  2. ৭ জুলাই, ২০১৪
  3. ১৪ মার্চ, ২০১২
  4. ১৪ মার্চ, ২০১৪
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সমুদ্র বিজয়:
- জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালে 'The Territorial Waters and Maritime Zones Act' পাশ করেন।
- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে সমুদ্র বিজয় হয়।

বাংলাদেশ বনাম মিয়ানমার:
- ২০১২ সালের ১৪ মার্চ জার্মানিতে অবস্থিত সমুদ্র আইন বিষয়ক আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে (ITLOS) এই মামলার রায় দেয়া হয়।
- রায় অনুসারে বাংলাদেশ তার উপকূল থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে অধিকার প্রতিষ্ঠা করে।
- এছাড়াও সমুদ্রে অবস্থিত ২৮টি ব্লকের মধ্যে ১৮টি ব্লকের মালিকানা বাংলাদেশ পায় ।

বাংলাদেশ বনাম ভারত:
- ২০১৪ সালের ৭ জুলাই নেদারল্যান্ডে অবস্থিত স্থায়ী সালিশি আদালত (UNCLOS) এই রায় আদালতের রায়ে বাংলাদেশ ভারত ও মিয়ানমার থেকে ১, ১৮, ৮১৩ বর্গ কিলোমিটার সমুদ্র অঞ্চল, ১২ নটিক্যাল মাইল রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা, ২০০ নটিক্যাল মাইল একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চল (Exclusive Economic Zone - EEZ) এবং চট্টগ্রাম উপকূল থেকে ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত মহীসোপানের তলদেশে অবস্থিত সব ধরনের প্রাণিজ ও অপ্রাণিজ সম্পদের ওপর সার্বভৌম অধিকার প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

উল্লেখ্য,
• অর্জিত মোট সমুদ্রসীমা: ১,১৮,৮১৩ বর্গ কি.মি.,
• উপকূলীয় দৈৰ্ঘ্য: ৭১২ কিলোমিটার,
• টেরিটোরিয়াল সমুদ্রসীমা: ১২ নটিক্যাল মাইল,
• EEZ সমুদ্রসীমা: ২০০ নটিক্যাল মাইল, 
• মহীসোপান এলাকা: ৩৫০ নটিক্যাল মাইল, 
• বঙ্গোপসাগরের গড় গভীরতা: ২,৬০০ মিটার,
• সর্বোচ্চ গভীরতা: ৫,২৫৮ মিটার,
• পৃথিবীর বৃহত্তম উপদ্বীপ: Bengal Fan.

উৎস: i) বাংলাদেশ ওশানোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
         ii) ২৪ অক্টোবর ২০২৩, দৈনিক ইত্তেফাক।
৩৩৭.
ঢাকার বিখ্যাত তারা মসজিদ তৈরি করেছিলেন-
  1. ক) নবাব সলিমুল্লাহ
  2. খ) মির্জা আহমেদ খান
  3. গ) মির্জা গোলাম পীর
  4. ঘ) শায়েস্তা খান
ব্যাখ্যা
বাংলাদশের পুরানো ঢাকার আরমানিটোলা-র আবুল খয়রাত সড়কে অবস্থিত ‘তারা মসজিদ’। খ্রিষ্টীয় আঠারো শতকে ঢাকার জমিদার মির্জা গোলাম পীর (মির্জা আহমদ জান) এই মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন। তারা মসজিদের আরও কিছু প্রচলিত নাম আছে, যেমন, মির্জা গোলাম পীরের মসজিদ বা সিতারা মসজিদ।

সূত্র: dhaka.gov.bd
--------------------

তারা মসজিদ পুরানো ঢাকার আরমানিটোলায় আবুল খয়রাত সড়কে অবস্থিত। সাদা মার্বেলের গম্বুজের ওপর নীলরঙা তারায় খচিত এ মসজিদ নির্মিত হয় আঠারো শতকের প্রথম দিকে। মসজিদের গায়ে এর নির্মাণ-তারিখ খোদাই করা ছিল না।

জানা যায়, আঠারো শতকে ঢাকার 'মহল্লা আলে আবু সাঈয়ীদ'-এ (পরে যার নাম আরমানিটোলা হয়) আসেন জমিদার মির্জা গোলাম পীর (মির্জা আহমদ জান)। ঢাকার ধণাঢ্য ব্যক্তি মীর আবু সাঈয়ীদের নাতি ছিলেন তিনি। মির্জা গোলাম পীর এ মসজিদ নির্মাণ করেন। ‌মির্জা সাহেবের মসজিদ হিসেবে এটি তখন বেশ পরিচিতি পায়। ১৮৬০ সালে মারা যান মির্জা গোলাম পীর। পরে, ১৯২৬ সালে, ঢাকার তৎকালীন স্থানীয় ব্যবসায়ী, আলী জান বেপারী মসজিদটির সংস্কার করেন। সে সময় জাপানের রঙিন চিনি-টিকরি পদার্থ ব্যবহৃত হয় মসজিদটির মোজাইক কারুকাজে।

সূত্র: parjatan.gov.bd
৩৩৮.
পুঠিয়া রাজবাড়ি কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. দিনাজপুর
  2. রাজশাহী
  3. রংপুর
  4. চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
পুঠিয়া রাজবাড়ি:
- পুঠিয়া রাজবাড়ি রাজশাহী জেলার পুঠিয়া উপজেলায় অবস্থিত।
- ১৮৯৫ সালে মহারানী হেমন্তকুমারী দেবী আকর্ষনীয় ইন্দো ইউরোপীয় স্থাপত্যরীতিতে আয়তাকার দ্বিতল বর্তমান রাজবাড়িটি নির্মাণ করেন।
- দোতলা রাজবাড়ি ভবনের সম্মুখে উত্তর দিকে খোলা প্রাঙ্গণের অপর পার্শ্বে রয়েছে সম্মুখভাগ ৬০.৯৬ মিটার বিস্তৃত বিশাল পিরামিড আকৃতির চারতলা মনোরম দোলমঞ্চ। ভবনের পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্তে রয়েছে একই ধরনের দুটি সম্প্রসারিত অংশ এবং প্রায় ১৫.২৪ মিটার দীর্ঘ মধ্যবর্তী অংশে রয়েছে এক বিশাল তোরণ।
- চারদিকে পরিখাবেষ্টিত রাজবাড়ির এ বিশাল এলাকায় টেরাকোটা অলঙ্করণ সমৃদ্ধ বেশ কয়েকটি সুদৃশ্য মন্দির আছে।
- এদের মধ্যে রয়েছে পঞ্চরত্ন গোবিন্দ মন্দির, প্রাসাদের পেছনে একটি ছোট দোচালা সুদৃশ্য মন্দির, পশ্চিম দিকে কুঁড়েঘর আকৃতির জগদ্ধাত্রী মন্দির এবং রাজবাড়ির প্রবেশপথে বিরাট শিবমন্দির।

পুঠিয়া রাজবংশ:
- পুঠিয়া রাজবংশ মুঘল সম্রাট আকবর এর সময় (১৫৫৬-১৬০৫) প্রতিষ্ঠিত হয়। সে সময় পুঠিয়া লস্করপুর পরগনার অর্ন্তগত ছিল। ১৫৭৬ সালে মুঘল সম্রাট আকবর এর সুবেদার মানসিংহ বাংলা দখল করার সময় পুঠিয়া এলাকার আফগান জায়গীরদার লস্কর খানের সাথে যুদ্ধ হয়। এ যুদ্ধে পুঠিয়া রাজবংশের প্রথম পুরুষ বৎসাচার্য যিনি পুঠিয়ায় একটি আশ্রম পরিচালনা করতেন, তিনি মানসিংহকে বুদ্ধি পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করায় লস্কর খান পরাজিত হন। এ জন্য মানসিংহ বৎসাচার্যকে পুঠিয়া এলাকার জমিদারী দান করেন। বৎসাচার্য জমিদারী নিজ নামে না নিয়ে তার পুত্র পীতম্বর এর নামে বন্দোবস্ত নেন। পীতম্বর জমিদারীর আয়তন বৃদ্ধি করেন।পীতম্বর নিঃসন্তান অবস্থায় মৃত্যু বরণকরলে তার সহোদর নীলাম্বর জমিদারী প্রাপ্ত হন। সম্রাট জাহাঙ্গীর তাকে রাজা উপাধি দান করেন।

তথ্যসূত্র - পুঠিয়া উপজেলা ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
৩৩৯.
নিম্নের কোনটি পূর্বে রোহিতগিরি নামে পরিচিত ছিল?
  1. সীতাকোট বিহার
  2. ময়নামতি
  3. সোমপুর মহাবিহার
  4. মহামুনি বিহার
ব্যাখ্যা
ময়নামতি:
- কুমিল্লা শহর থেকে মাত্র ৭ কিলোমিটার পশ্চিমে ময়নামতি অবস্থিত।
- ময়নামতিতে রয়েছে ৮ম শতকের পুরার্কীতির নিদর্শন।
- ময়নামতির উত্তর - দক্ষিণে রয়েছে প্রায় ১৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য ও ২ কিলোমিটার প্রস্থ নিয়ে বিস্তৃত প্রাচীনকালের রোহিতগিরি যা লালমাটির পাহাড় নামে পরচিতি।
- এর উত্তরাংশ দশম শতকে দেব বংশের রাজা মানিক্য চন্দ্রর রাজধানীকে কন্দ্রে করে তার স্ত্রী মরণামতরি নামে নামকরণ করা হয় ময়নামতি।

⇒ ময়নামতি বৌদ্ধ বিহার:
- লালমাই ময়নামতি গিরি শ্রেণীর মধ্যবর্তী স্থানে এই বিহারটি অবস্থিত।
- এই বিহারটির প্রত্যেক বাহুর দৈর্ঘ্য ৫৫০ ফুট।
- চারটি বাহুতে মোট ১১৫টি ভিক্ষু কক্ষ আছে যাতে বৌদ্ধ ভিক্ষুরা বসবাস করতেন।
- এর মধ্যবর্তী স্থানে রয়েছে বিশাল প্রবেশ দ্বার।
- উম্মুক্ত চত্বরে ক্রশাকৃতির প্রধান মন্দির।
- মূল বিহারটি দেব বংশের চতুর্থ রাজা ভবদেব কর্তৃক আনুমানিক ৮ম শতাব্দীতে নির্মিত হয়েছে।
- শালবন বিহার খনন করে অসংখ্য মূল্যবান প্রত্নতত্ত্ব আবিস্কার করা হয়েছে।
- এগুলোর মধ্যে আছে ৮টি তাম্রলিপি, ১৮টি স্বর্ণ ও ৩৫০টি রৌপ্য মুদ্রা, স্বর্ণালংকার, নানা ধরণের মূর্তি, পোড়ামাটির বিএফলক, সীল ও নিত্য ব্যবহার্য দ্রব্য।

উৎস: বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ওয়েবসাইট।
৩৪০.
নিচের কোন বাংলাদেশী চলচ্চিত্র নির্মাতা অস্কার পুরস্কার লাভ করেছেন?
  1. ক) তারেক মাসুদ
  2. খ) মোস্তফা সালােয়ার ফারুকী
  3. গ) সত্যজিৎ রায়
  4. ঘ) মাের্শেদুল ইসলাম
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
সত্যজিৎ রায় অস্কার লাভ করেছেন তবে উনার জাতীয়তা বাংলাদেশী না হওয়ায় প্রশ্নের উত্তর হবে কেউই না।
৩৪১.
দেশের সবচেয়ে সর্ববৃহৎ বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপজেলায়
  2. কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায়
  3. কক্সবাজারের সদর উপজেলায়
  4. কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলায়
ব্যাখ্যা
দেশের বৃহৎ বায়ু বিদ্যুৎকেন্দ্র:
⇒ কক্সবাজার সদর উপজেলার দক্ষিণ-পশ্চিমাংশে খুরুশকুল ইউনিয়নের অবস্থান।

উল্লেখ্য,
⇒ দেশের বৃহৎ বায়ুবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মিত হচ্ছে কক্সবাজারের খুরুশকুলে।
⇒ এর উৎপাদন ক্ষমতা ৬০ মেগাওয়াট 
⇒ বায়ু বিদ্যুতে বাংলাদেশে বড় আকারের এটিই প্রথম কোনো প্রকল্প।
⇒ এ বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে বেসরকারি উদ্যোগে। ইউএস-ডিকে গ্রিন এনার্জি (বিডি) লিমিটেড নামে একটি কোম্পানি নির্মাণ করছে এ বিদ্যুৎকেন্দ্র।
⇒ কক্সবাজারে স্থাপিত ৬০ মেগাওয়াটের বায়ু বিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ শুরু হয় ২০২২ সালের ৩১ মার্চ
⇒ বেসরকারি উদ্যোগে বাস্তবায়ন হওয়া প্রকল্পটিতে আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা দিয়েছে চীন।
⇒ চীনের অর্থায়নে প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৯০০ কোটি টাকা।

তথ্যসূত্র -Live MCQ সালতামামি ২০২৩, কালের কণ্ঠ (১৩ অক্টোবর, ২০২৩)।
৩৪২.
লালবাগ কেল্লার চত্বরে কতটি স্থাপনা রয়েছে?
  1. ক) ৩টি
  2. খ) ৪টি
  3. গ) ৫টি
  4. ঘ) ৬টি
ব্যাখ্যা
লালবাগ কেল্লা:

- কেল্লার চত্বরে তিনটি স্থাপনা রয়েছে-
১. কেন্দ্রস্থলের দরবার হল ও হাম্মাম খানা।
২. পরীবিবির সমাধি।
৩. উত্তর পশ্চিমাংশের শাহী মসজিদ।

- একদম শুরুর দিকে এই কেল্লার নাম ছিল “কেল্লা আওরঙ্গবাদ”।
- লালবাগ কেল্লার নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৬৭৮ সালে।
- সর্বপ্রথম লালবাগ কেল্লার নির্মাণ কাজ শুরু করেন আজম শাহ।
- তৎকালীন মুঘল সম্রাট আজম শাহ এর নির্মাণ কাজ শুরু করেন
- আজম শাহ ছিলেন মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব এর পুত্র আর সম্রাট শাহ জাহানের নাতি।

তথ্যসূত্র - ঢাকা জেলা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৩৪৩.
২০২৪ সালে শিক্ষায় একুশে পদক লাভ করেন কে?
  1. লুৎফর রহমান রিটন
  2. কাওসার চৌধুরী
  3. ড. জিনবোধি ভিক্ষু
  4. রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

একুশে পদক-২০২৪:
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার এই ‘একুশে পদক’।
- বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিতে ২১ জন বিশিষ্ট নাগরিক এবার একুশে পদক পেয়েছেন।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মঙ্গলবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে মনোনীত ও তাদের প্রতিনিধিদের হাতে পদক তুলে দেন।
- সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় গত ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ সালের একুশে পদকের জন্য মনোনীতদের নাম ঘোষণা করে।
- তাদের মধ্যে ছয়জনই মরণোত্তর এ সম্মাননা পেলেন।
 
উল্লেখ্য,
- ভাষা আন্দোলন ক্যাটাগরিতে দু’জন: মৌ. আশরাফুদ্দীন আহমদ(মরণোত্তর), বীর মুক্তিযোদ্ধা হাতেম আলী মিয়ার (মরণোত্তর)। 
- শিল্পকলায় ১২ জন: জালাল উদ্দীন খা(মরণোত্তর), বীর মুক্তিযোদ্ধা কল্যানী ঘোষ (মরণোত্তর), বিদিত লাল দাস(মরণোত্তর), এন্ড্রু কিশোর (মরণোত্তর), শুভ্রদেব, শিবলী মোহাম্মদ, ডলি জহুর, এম এ আলমগীর, খান মো.মুস্তাফা ওয়ালিদ(শিমুল মুস্তাফা), রূপা চক্রবর্তী, শাহজাহান আহমেদ বিকাশ, কাওসার চৌধুরী।
- সমাজসেবায় দু’জন: মো. জিয়াউল হক, রফিক আহামদ।
- ভাষা ও সাহিত্যে চার জন: মুহাম্মদ সামাদ, লুৎফর রহমান রিটন, মিনার মনসুর, রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ(মরণোত্তর)।
- শিক্ষায় একজন: প্রফেসর ড. জিনবোধি ভিক্ষু।
 
উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
৩৪৪.
বাংলাদেশের বাহিরে প্রথম শহীদ মিনার নির্মিত হয় -
  1. রাশিয়ায়
  2. ফ্রান্সে
  3. ইংল্যান্ডে
  4. জাপানে
ব্যাখ্যা
শহীদ মিনার
- বাংলাদেশের বাইরে প্রথম শহীদ মিনার স্থাপিত হয় ইংল্যান্ডের রাজধানী লন্ডনে। 
- গ্রেট মেনচেস্টারের ওল্ডহ্যামের ওয়েস্টহুড নেবারহুডে তৈরি হয়েছে এ মিনার।
-  ১৯৯৭ সালের ৫ অক্টোবর সেখানকার ‘বাংলাদেশি কালচারাল অ্যান্ড হিস্ট্রি ইন ওল্ডহ্যাম’ সে দেশে শহীদ মিনার নির্মাণ করে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে। 
- তাছাড়া গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ২০০৫ সালে জাপানের টোকিওতে শহীদ মিনার নির্মিত হয়। 
- জাপান বাংলাদেশ সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে প্রতিবছর বৈশাখি মেলা অনুষ্ঠিত হওয়ার সূত্র ধরে বাংলাদেশ সরকার এই শহীদ মিনারটি নির্মাণ করে।
 
উৎস : বাংলাপিডিয়া।
৩৪৫.
ঐতিহাসিক ষাট গম্বুজ মসজিদ কত শতকে নির্মিত হয়? 
  1. পনেরো শতকে
  2. সতেরো শতকে
  3. চোদ্দ শতকে
  4. ষোল শতকে
ব্যাখ্যা

ঐতিহাসিক ষাট গম্বুজ মসজিদ পনেরো শতকে নির্মিত হয়।

• ঐতিহাসিক ষাট গম্বুজ মসজিদ:
- ষাট গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ।
- মসজিদটির গায়ে কোনো শিলালিপি নেই।
- খান-ই-জাহান নির্মাণ করেছিলেন।
- ধারণা করা হয় তিনি ১৫শ শতাব্দীতে এটি নির্মাণ করেন।
- এটি বাংলাদেশের তিনটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের একটি।;
- বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দে ইউনেস্কো এই সম্মান প্রদান করে।
- সুলতান নাসিরউদ্দীন মাহমুদ শাহের (১৪৩৫-৫৯) আমলে খান আল-আজম উলুগ খানজাহান সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে খলিফাবাদ রাজ্য গড়ে তোলেন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩৪৬.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের একমাত্র পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র?
  1. মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্র
  2. রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্র
  3. রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র
  4. খুরুশকুল বিদ্যুৎ কেন্দ্র
ব্যাখ্যা
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- বাংলাদেশের একমাত্র পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- এটি পাবনা জেলায় অবস্থিত। 
- দেশে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয় ১৯৬১ সালে।
- পাবনা জেলার রূপপুরে প্রকল্প এলাকার জন্য প্রায় ২৬০ একর জমি এবং বৈদ্যুতিক সাব-ষ্টেশন নির্মাণসহ ৭২টি আবাসিক ইউনিটের নির্মাণ কাজও আংশিকভাবে সম্পন্ন করা হয়। 
- বাংলাদেশ সরকার ও রাশিয়ান ফেডারেশনের মধ্যে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন সংক্রান্ত সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর হয়।
- ৩০ নভেম্বর ২০১৭ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ১ নং ইউনিটের প্রথম কংক্রিট ঢালাই মাননীয় প্রধান মন্ত্রী উদ্বোধন করেন।

উল্লেখ্য,
- ৫ অক্টোবর, ২০২৩ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে ইউরেনিয়ামের প্রথম চালান হস্তান্তর করা হয়।
- এর মধ্য দিয়ে বিশ্বের ৩৩তম পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে যুক্ত হলো বাংলাদেশ।

অন্যদিকে -
- মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্র কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। 
- খুরুশকুল বিদ্যুৎ কেন্দ্র একটি বায়ু বিদ্যুৎকেন্দ্র।

উৎস: i) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
         ii) ৫ অক্টোবর, ২০২৩, প্রথম আলো।
৩৪৭.
কোন অর্থবছরে ‘বয়স্কভাতা’ কর্মসূচি প্রবর্তন করা হয়?
  1. ক) ১৯৯৬-৯৭
  2. খ) ১৯৯৫-৯৬
  3. গ) ১৯৯৭-৯৮
  4. ঘ) ১৯৯৮-৯৯
ব্যাখ্যা
• দেশের বয়োজ্যেষ্ঠ দুস্থ ও স্বল্প উপার্জনক্ষম অথবা উপার্জনে অক্ষম বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা বিধানে ও পরিবার ও সমাজে মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছরে  ‘বয়স্কভাতা’ কর্মসূচি প্রবর্তন  করা হয়।
- প্রাথমিকভাবে দেশের সকল ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি ওয়ার্ডে ৫ জন পুরুষ ও ৫ জন মহিলাসহ ১০ জন দরিদ্র বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিকে প্রতিমাসে ১০০ টাকা হারে ভাতা প্রদানের আওতায় আনা হয়।
- পরবর্তীতে দেশের সকল পৌরসভা ও সিটিকর্পোরেশন এ কর্মসূচির আওতাভুক্ত করা হয়।

সূত্র: সমাজসেবা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৩৪৮.
বাংলাদেশ কবে জাতিসংঘের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়?
  1. ১৯৭২ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর
  2. ১৯৭৩ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর
  3. ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর
  4. ১৯৭৫ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ: 
- ১৯৪৫ সালের ২৪শে অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ আত্মপ্রকাশ করে।
- এজন্য প্রতি বছর ২৪শে অক্টোবরকে জাতিসংঘ দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
- বিশ্বের স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহ জাতিসংঘের সদস্য।
- ৫০টি সদস্যরাষ্ট্র নিয়ে, জাতিসংঘের যাত্রা শুরু হয়।
- বর্তমানে এর সংখ্যা ১৯৩টি। 
- জাতিসংঘ চার্টার বা সনদের নিয়মকানুন মেনে চলতে আগ্রহী বিশ্বের যে কোনো শান্তিকামী স্বাধীন দেশ জাতিসংঘের সদস্য হতে পারে।
- বর্তমানে বিশ্বের ১৯৩টি দেশ জাতিসংঘের সদস্য।
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়
- দক্ষিণ সুদান জাতিসংঘের ১৯৩তম সদস্যরাষ্ট্র।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩৪৯.
ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশের সর্বশেষ স্থান কোনটি? 
  1. টাঙ্গুয়ার হাওর
  2. সুন্দরবন
  3. ষাট গম্বুজ মসজিদ
  4. পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার
ব্যাখ্যা

বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান:
• বাংলাদেশে ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যের সংখ্যা তিনটি।
- এগুলো হলো:
- নওগাঁ জেলার পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার (৩২২তম, ১৯৮৫)
- বাগেরহাট জেলার ষাটগম্বুজ মসজিদ (৩২১তম, ১৯৮৫)
- সুন্দরবন (৭৯৮তম, ১৯৯৭)।
- ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশের সর্বশেষ স্থান সুন্দরবন।


উৎস: ইউনেস্কো ওয়েবসাইট।

৩৫০.
এশিয়া কাপের শিরোপাজয়ী বাংলাদেশী অধিনায়ক কে?
  1. সাকিব আল হাসান
  2. আকবর আলী
  3. সালমা খাতুন
  4. নিগার সুলতানা
ব্যাখ্যা
♦ নারী ক্রিকেট ও বাংলাদেশ
- ১৯৭২ সালে গঠিত হয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড।
- বাংলাদেশের নারী ক্রিকেট দলের ২০০৭ সালে থাইল্যান্ডের বিপক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে।
- ২০০৭ সালের এসিসি প্রতিযোগিতায় শিরোপা জয় করে।
- ২০১১ সালের মহিলাদের ক্রিকেট বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের প্রতিযোগিতায় ৫ম হয়ে একদিনের আন্তর্জাতিকে খেলার মর্যাদা লাভ করে।

- ২০১৮ এসিসি প্রমিলা এশিয়া কাপের ফাইনালে ভারতকে হারিয়ে বাংলাদেশ শিরোপা জেতে।
- সে আসরে অধিনায়ক ছিলেন সালমা খাতুন।

- ২০১৯ সাউথ এশিয়ান গেমসে অংশ নিয়ে স্বর্ণপদক পায় বাংলাদেশ (শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে)।
- ২০২১ সালের এপ্রিলে বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল টেস্ট স্ট্যাটাস অর্জন করে।

তথ্যসূত্র - বিসিবি ওয়েবসাইট। 
৩৫১.
ইপিআর এর কতজন সদস্য বীরশ্রেষ্ঠ উপাধি পেয়েছেন?
  1. ৩ জন
  2. ১ জন
  3. ২ জন
  4. ৪ জন
ব্যাখ্যা
- ইপিআর এর ২ জন সদস্য বীরশ্রেষ্ঠ উপাধি পেয়েছেন ।
- তারা হলেন ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ এবং ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ।
- সবথেকে বেশি বীরশ্রেষ্ঠ উপাধিতে ভূষিত হয়েছে সেনাবাহিনীর ৩ জন সদস্য।
- তারা হলেন সিপাহী মোস্তফা কামাল, সিপাহী হামিদুর রহমান এবং ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর।
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান বিমান বাহিনীর একমাত্র বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা।
- ইঞ্জিনিয়ার রুহুল আমিন নৌবাহিনীর খেতাবপ্রাপ্ত বীরশ্রেষ্ঠ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া
৩৫২.
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি কে? 
  1. তানভীর কবীর
  2. হামিদুর রহমান
  3. হামিদুজ্জামান
  4. অস্কার বাদল
ব্যাখ্যা
• ‘কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি হামিদুর রহমান। 

• কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার:

- শহিদ মিনার ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিসৌধ।
- এটি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার কেন্দ্রস্থলে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ প্রাঙ্গণে অবস্থিত।
- বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দেবার পরে ১৯৫৭ সালের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের কাজ শুরু হয়।
- এর নির্মাণ কাজ শেষ হয় ১৯৬৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত কমিটির তত্ত্বাবধানে।
শেরেবাংলা এ.কে. ফজলুল হক এবং আওয়ামী লীগের উদ্যোগে যুক্তফ্রন্ট সরকার কর্তৃক ১৯৫৬ সালে পূর্ব পাকিস্তানের সর্বত্র স্বতঃস্ফূর্তভাবে একুশে ফেব্রুয়ারি পালিত হয়।

- এরফলেই শহীদ মিনারের নতুন স্থাপনা নির্মাণ করা সহজতর হয়ে ওঠে।
- বাংলাদেশের বিখ্যাত চিত্রশিল্পী হামিদুর রহমান মহান ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত শহীদ মিনারের স্থপতি হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছেন।
- তাঁরই রূপকল্পনা অনুসারে নভেম্বর, ১৯৫৭ সালে তিনি ও নভেরা আহমেদের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে সংশোধিত আকারে শহীদ মিনারের নির্মাণ কাজ কাজ শুরু হয়।
- ১৯৬৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহিদ ব্যক্তিত্ব আবুল বরকতের মাতা হাসিনা বেগম কর্তৃক নতুন শহিদ মিনারের উদ্বোধন করা হয়।

উল্লেখ্য, 
- শহিদ মিনার প্রথম নির্মিত হয় ১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি। 
- শহীদ মিনারটি ছিল ১০ ফুট উচ্চ ও ৬ ফুট চওড়া।
- ২৪ ফেব্রুয়ারি সকালে, শহীদ শফিউরের পিতা অনানুষ্ঠানিকভাবে শহীদ মিনারের উদ্বোধন করেন। 
- ২৬ ফেব্রুয়ারি পুলিশ ও সেনাবাহিনী মেডিকেলের ছাত্র হোস্টেল ঘিরে ফেলে এবং প্রথম শহীদ মিনার ভেঙ্গে ফেলে।

 উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন, ঢাকা জেলা ওয়েব সাইট।
৩৫৩.
চেতনা-৭১ স্থাপত্যটির অবস্থান কোথায়?
  1. কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ
  2. পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
  3. শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট
  4. জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা

‘চেতনা ৭১’:
- শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাধীনতার ভাস্কর্য ‘চেতনা ৭১’।
- এই ভাস্কর্যটির নকশা করেছেন স্থপতি নৃপল খান।
- নির্মাণ কাজে নিয়োজিত ছিলেন তারই সংগঠন ‘নৃ’ এর স্কুল অব স্কালপচার।
- চেতনা ৭১ ভাস্কর্যটি রূপ লাভ করে ২০১১ সালের ৩০ জুলাই।
- ভাস্কর্যটিতে বর্তমান সময়ের শিক্ষার্থীদের আদলে ব্যবহার করা হয়েছে। পোশাক ও আনুষঙ্গিক উপকরণও বর্তমান সময়ের। মডেলে ছাত্রের হাতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উঁচুতে তুলে ধরার ভঙ্গিমা এবং ছাত্রীর হাতে বই, যা বাংলাদেশের সংবিধানের প্রতীক নির্দেশ করে।
- একাডেমিক ভবনগুলোর সঙ্গে মিল রেখে বেদির নিচের প্লট ৩টা বানানো হয়েছে সিরামিক ইট দিয়ে।
- প্লেটটির ব্যাস ১৫ ফুট, মাঝের প্লেটের ব্যাস সাড়ে ১৩ ফুট এবং উপরের প্লেট ১২ ফুট। প্রত্যেকটি আবার ১০ ইঞ্চি করে উঁচু। প্লেট ৩টার উপরে মূল বেদিটি হবে ৪ ফুট উঁচু, তার উপরে ৮ ফুট উঁচু ফিগার।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা ও ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট।

৩৫৪.
টেস্ট ক্রিকেটের সদস্য হিসেবে বাংলাদেশের অবস্থান কি?
  1. সপ্তম
  2. অষ্টম
  3. নবম
  4. দশম
ব্যাখ্যা
টেস্টে বাংলাদেশ:

- ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল টেস্ট খেলার মর্যাদা অর্জন করে।
- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।
- ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ জয় পায় কোন দলের বিপক্ষে  জিম্বাবুয়ে।
- বর্তমানে টেস্ট ক্রিকেটের সদস্য হিসেবে বাংলাদেশের অবস্থান নবম।

তথ্যসূত্র - ICC অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৩৫৫.
পুঠিয়া রাজবাড়ি কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. কুমিল্লা
  2. টাঙ্গাইল
  3. বগুড়া
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা

পুঠিয়া রাজবাড়ি:
- পুঠিয়া রাজবাড়ি রাজশাহী জেলার পুঠিয়া উপজেলায় অবস্থিত।
- ১৮৯৫ সালে মহারানী হেমন্তকুমারী দেবী আকর্ষনীয় ইন্দো ইউরোপীয় স্থাপত্যরীতিতে আয়তাকার দ্বিতল বর্তমান রাজবাড়িটি নির্মাণ করেন।
- দোতলা রাজবাড়ি ভবনের সম্মুখে উত্তর দিকে খোলা প্রাঙ্গণের অপর পার্শ্বে রয়েছে সম্মুখভাগ ৬০.৯৬ মিটার বিস্তৃত বিশাল পিরামিড আকৃতির চারতলা মনোরম দোলমঞ্চ। ভবনের পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্তে রয়েছে একই ধরনের দুটি সম্প্রসারিত অংশ এবং প্রায় ১৫.২৪ মিটার দীর্ঘ মধ্যবর্তী অংশে রয়েছে এক বিশাল তোরণ।
- চারদিকে পরিখাবেষ্টিত রাজবাড়ির এ বিশাল এলাকায় টেরাকোটা অলঙ্করণ সমৃদ্ধ বেশ কয়েকটি সুদৃশ্য মন্দির আছে।
- এদের মধ্যে রয়েছে পঞ্চরত্ন গোবিন্দ মন্দির, প্রাসাদের পেছনে একটি ছোট দোচালা সুদৃশ্য মন্দির, পশ্চিম দিকে কুঁড়েঘর আকৃতির জগদ্ধাত্রী মন্দির এবং রাজবাড়ির প্রবেশপথে বিরাট শিবমন্দির।

পুঠিয়া রাজবংশ:
- পুঠিয়া রাজবংশ মুঘল সম্রাট আকবর এর সময় (১৫৫৬-১৬০৫) প্রতিষ্ঠিত হয়। সে সময় পুঠিয়া লস্করপুর পরগনার অর্ন্তগত ছিল। ১৫৭৬ সালে মুঘল সম্রাট আকবর এর সুবেদার মানসিংহ বাংলা দখল করার সময় পুঠিয়া এলাকার আফগান জায়গীরদার লস্কর খানের সাথে যুদ্ধ হয়। এ যুদ্ধে পুঠিয়া রাজবংশের প্রথম পুরুষ বৎসাচার্য যিনি পুঠিয়ায় একটি আশ্রম পরিচালনা করতেন, তিনি মানসিংহকে বুদ্ধি পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করায় লস্কর খান পরাজিত হন। এ জন্য মানসিংহ বৎসাচার্যকে পুঠিয়া এলাকার জমিদারী দান করেন। বৎসাচার্য জমিদারী নিজ নামে না নিয়ে তার পুত্র পীতম্বর এর নামে বন্দোবস্ত নেন। পীতম্বর জমিদারীর আয়তন বৃদ্ধি করেন।পীতম্বর নিঃসন্তান অবস্থায় মৃত্যু বরণকরলে তার সহোদর নীলাম্বর জমিদারী প্রাপ্ত হন। সম্রাট জাহাঙ্গীর তাকে রাজা উপাধি দান করেন।

তথ্যসূত্র - পুঠিয়া উপজেলা ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

৩৫৬.
বাংলা একাডেমির মূল ভবনের নাম কী ছিল?
  1. আহসান মঞ্জিল
  2. চামেলী হাউজ
  3. বাংলা ভবন
  4. বর্ধমান হাউজ
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি:
- বাংলা একাডেমি বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সর্ববৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ১৩৬২ বঙ্গাব্দের ১৭ অগ্রহায়ণ (৩ ডিসেম্বর, ১৯৫৫) ঢাকার বর্ধমান হাউসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলা একাডেমির বর্তমান মহাপরিচালকের নাম জনাব মুহম্মদ নূরুল হুদা।
- আবু হোসেন সরকার ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক বর্ধমান হাউসে (স্থাপিত ১৯০৬) বাংলা একাডেমীর উদ্বোধন করেন।
- বাংলা একাডেমির প্রথম সভাপতি মাওলানা আঁকরাম খাঁ (১৯৬১ সাল)।
- বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার দেওয়া হয় ১৯৬০ সাল থেকে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
৩৫৭.
২০১৮ সালে মহিলা টি-টোয়েন্টি এশিয়া কাপ ক্রিকেটে কোন দেশ শিরোপা জিতেছে?
  1. ক) পাকিস্তান
  2. খ) বাংলাদেশ
  3. গ) ভারত
  4. ঘ) শ্রালংকা
ব্যাখ্যা
• ২০১৮ সালে মহিলা টি-টোয়েন্টি এশিয়া কাপ ক্রিকেটে বাংলাদেশ শিরোপা জিতেছে। 

• ২০১৮ সালের গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশ ভারতকে সাত উইকেটে হারায়।
- এটা ছিল নারীদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলায় ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রথম জয়। 

সূত্র: প্রথম আলো। 
৩৫৮.
বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. বগুড়া

  2. গাজীপুর

  3. নারায়ণগঞ্জ

  4. ঢাকা

ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র:
- বাংলাদেশ লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (সংক্ষেপে: বিপিএটিসি) একটি সংবিধিবদ্ধ প্রশিক্ষণমূলক প্রতিষ্ঠান যা সরকারি, বেসরকারি ও স্বশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে।
- এটি ঢাকা জেলার সাভারে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে অবস্থিত।
- এছাড়া এর প্রশাসনিক তত্ত্বাবধানে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের সদর দপ্তরে চারটি আঞ্চলিক লোকপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে।
- প্রতিষ্ঠানটি ২৮ এপ্রিল, ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি বাংলাদেশ লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র অধ্যাদেশ ১৯৮৪ দ্বারা গঠিত ও পরিচালিত।
- ১৯৮৪ সালের ২৬ নং অধ্যাদেশের আওতায় লোকপ্রশাসন ও ব্যবস্থাপনার জন্য প্রতিষ্ঠানটি একটি সমন্বিত জাতীয় সংবিধিবদ্ধ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সরকারের একজন সচিব এর প্রধান কর্মকর্তা।
- পদবী রেক্টর। রেক্টরের অধীনে পাঁচটি বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত যুগ্ম-সচিব পর্যায়ে রয়েছে পাঁচজন এমডিএস।
- বিভাগগুলো হলো: ব্যবস্থাপনা ও লোকপ্রশাসন, কর্মসূচি প্রণয়ন ও পর্যবেক্ষণ, উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক বিষয়াদি, গবেষণা ও নির্দেশনা এবং প্রকল্প প্রণয়ন।
- একজন মন্ত্রীর সভাপতিত্বে ১২-সদস্য বিশিষ্ট বোর্ড অব গভর্নরস প্রতিষ্ঠানটির সাধারণ নীতিমালা নির্ধারণ করে।

উৎস: বাংলাদেশ লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ওয়েবসাইট। 

৩৫৯.
ভারতে বর্তমানে রাজ্য সংখ্যা কয়টি?
  1. ক) ২৭টি
  2. খ) ২৮টি
  3. গ) ২৯টি
  4. ঘ) ৩০টি
ব্যাখ্যা
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, সেপ্টেম্বর-২০১৯।
৩৬০.
"লিটল বাংলাদেশ" এর অবস্থান কোথায়?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. লাইবেরিয়া
  4. কানাডা
ব্যাখ্যা

- ‘লিটল বাংলাদেশ’ গড়ে উঠেছে সুদূর যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার বুকে লস অ্যাঞ্জেলেসে।

⇒ ২০১০ সালে লস অ্যাঞ্জেলেস সিটি কাউন্সিল আনুষ্ঠানিকভাবে এলাকাটিকে ‘লিটল বাংলাদেশ’ ঘোষণা করে। তৎকালীন মেয়র অ্যান্টোনিও ভিলারাইগোসা বলেন, ‘এটি শুধু একটি নাম নয়; বরং বাংলাদেশি কমিউনিটির অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়ার মাধ্যম।

⇒ লিটল বাংলাদেশ তৈরির ইতিহাস নিয়ে একটি বই লিখেছেন কাজী মশহুরুল হুদা। তিনি ছিলেন ‘লিটল বাংলাদেশ ফরমেশনের’ কো-অর্ডিনেটর ও লিটল বাংলাদেশ বিউটিফিকেশন প্রজেক্টের আহ্বায়ক।

উৎস: প্রথম আলো।

৩৬১.
'পাইন্যার মা' কি?
  1. একটি নদীবন্দর
  2. একটি উপন্যাস
  3. একটি চিত্রশিল্প
  4. একটি মঞ্চনাটক
ব্যাখ্যা
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের বিখ্যাত চিত্রকর্মের মধ্যে নবান্ন অন্যতম।
এছাড়া তার অন্যান্য চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে:
- ম্যাডোনা-৪৩
- মনপুরা-৭০
- সংগ্রাম
- গাঁয়ের বধূ
- মইটানা
- পাইন্যার মা ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
- তিনকন্যা ও রাঁয়বেশে নৃত্য : কামরুল হাসানের চিত্রকর্ম
- চর দখল : এসএম ‍সুলতানের চিত্রকর্ম।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 
৩৬২.
বাংলাদেশ মিয়ানমার সমুদ্রসীমা মামলার রায় হয় -
  1. ১৫ জুন, ২০০৯
  2. ২০শে মে, ২০১০
  3. ১৮ এপ্রিল, ২০১২
  4. ১৪ মার্চ, ২০১২
ব্যাখ্যা
সমুদ্র সীমা:
- বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তির মামলার রায় হয় ২০১২ সালের ১৪ মার্চ।
- জার্মানির হামবুর্গে অবস্থিত সমুদ্র আইনবিষয়ক আন্তর্জাতিক ট্রাইবুনাল International Tribunal for the Law of the Sea (ITLOS) এ সমুদ্রসীমা বিষয়ক এই মামলাটি নিষ্পত্তি হয়।
- এই রায়ের ফলে বাংলাদেশ লাভ করে ১,১১,৬৩১ বর্গকিলোমিটার সমুদ্রসীমা।

অন্যদিকে,
- PCA (Permanent Court of Arbitration) আদালতে বাংলাদেশ ও ভারতের সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি হয়।

উৎস: সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইট এবং বিবিসি পত্রিকা রিপোর্ট।
৩৬৩.
ঢাকার ঐতিহ্যবাহী নবাব পরিবারের সরকারি বাসভবন ছিল-
  1. ক) লালবাগ
  2. খ) আহসান মঞ্জিল
  3. গ) বড়কাটরা
  4. ঘ) কার্জন হল
ব্যাখ্যা
আহসান মঞ্জিল:- 
- আহসান মঞ্জিল  বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে কুমারটুলি এলাকায় ঢাকার নওয়াবদের আবাসিক প্রাসাদ ও জমিদারির সদর কাচারি ,বর্তমানে জাদুঘর।
- মুগল আমলে এখানে জামালপুর পরগনার জমিদার শেখ এনায়েতউল্লাহর রঙমহল ছিল।
- পরে তাঁর পুত্র মতিউল্লাহর নিকট থেকে রঙমহলটি ফরাসিরা ক্রয় করে এখানে একটি বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
- ১৮৩০ সালে খাজা আলীমুল্লাহ ফরাসিদের নিকট থেকে কুঠিবাড়িটি কিনে নেন এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার সাধন করে এটি নিজের বাসভবনে পরিণত করেন।
- এ বাসভবনকে কেন্দ্র করে খাজা আব্দুল গনি মার্টিন অ্যান্ড কোম্পানি নামক একটি ইউরোপীয় নির্মাণ ও প্রকৌশলী প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে একটি মাস্টার প্ল্যান তৈরি করান যার প্রধান ইমারত ছিল আহসান মঞ্জিল।
- ১৮৫৯ সালে আহসান মঞ্জিলের নির্মাণ কাজ শুরু হয়ে ১৮৭২ সালে সমাপ্ত হয়।
- আবদুল গনি তাঁর পুত্র খাজা আহসানুল্লাহ র নামানুসারে ভবন এর নামকরণ করেন আহসান মঞ্জিল।
- ওই যুগে নবনির্মিত প্রাসাদ ভবনটি রঙমহল এবং পূর্বেকার ভবনটি অন্দরমহল নামে পরিচিত ছিল।
-  নওয়াব আহসানুল্লাহ অন্দরমহলটি পুনর্নির্মাণ এবং রঙমহলটি মেরামত করান।
- পরে নওয়াব আহসানুল্লাহ তা সংস্কার করিয়ে নিয়েছিলেন।
- আহসান মঞ্জিল দেশের একটি উল্লেখযোগ্য স্থাপত্য নিদর্শন।
- ১ মিটার উচু বেদির উপর স্থাপিত দ্বিতল প্রাসাদ ভবনটির আয়তন ১২৫.৪ মি x ২৮.৭৫মি। নিচতলায় মার্বেল পাথরে শোভিত।
- খাজা সলিমুল্লাহ তাঁর যাবতীয় রাজনৈতিক কর্মকান্ড এ প্রাসাদ থেকেই পরিচালনা করেছেন। 
- আহসান মঞ্জিলের ঐতিহাসিক ও স্থাপত্যিক গুরুত্ব অনুধাবন করে বাংলাদেশ সরকার ভবনটিকে সংস্কার করে জাদুঘরে পরিণত করার উদ্যোগ নেয়।
- ১৯৮৫ সালে আহসান মঞ্জিল ও সংলগ্ন চত্বর অধিগ্রহণ করা হয়।
-গণপূর্ত ও স্থাপত্য অধিদপ্তরের দায়িত্বে এর সংস্কার কাজ সমাপ্ত হয় ১৯৯২ সালে। 

উৎস:- বাংলাপিডিয়া।
৩৬৪.
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পন্সর কোন মোবাইল কোম্পানী?
  1. গ্রামীণফোন
  2. রবি
  3. বাংলালিংক
  4. টেলিটক
ব্যাখ্যা
জাতীয় ক্রিকেট দলের নতুন স্পন্সর:
- বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের নতুন স্পন্সর হয়েছে রবি আজিয়াটা লিমিটেড
- সাড়ে তিন বছরের জন্য টেলিকম সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সঙ্গে চুক্তি করেছে।
- চুক্তির মেয়াদ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে আগামী ২০২৭ সালের জুলাই পর্যন্ত।
- বিসিবির প্রধান কার্যালয়ে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে দুই পক্ষ।
- চুক্তি অনুসারে, দেশের সর্বোচ্চ ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিসিবিকে রবি প্রদান করবে ৫০ কোটি টাকা।

তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪।
৩৬৫.
বাংলাদেশ কত সালে Interpol-এর সদস্য পদ লাভ করে?
  1. ১৯৭৫ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৬ সালে
  4. ১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ সদস্য পদ লাভ করে- ১৪ অক্টোবর ১৯৭৬ সালে। 

Interpol:
- Interpol-এর পূর্ণরূপ: International Criminal Police Organization.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৭ সেপ্টেম্বর, ১৯২৩।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- সদর দপ্তর: লিঁও, ফ্রান্স।
- ইন্টারপোলের ভাষা: ইংরেজি, ফরাসি, স্প্যানিশ ও আরবি।
- সদস্য সংখ্যা: ১৯৬টি (সর্বশেষ সদস্য: পালাউ)।
- বর্তমান সভাপতি: আহমেদ নাসের আল-রাইসি (২০২১-২০২৫)।
- বর্তমান মহাসচিব: ভালডেসি উরকুইজা (ব্রাজিল)।

⇒ ইন্টারপোলের প্রধান উদ্দেশ্য হল আন্তর্জাতিক অপরাধ, যেমন মানবপাচার, মাদক চোরাচালান, সন্ত্রাসবাদ, যুদ্ধাপরাধ, আর্থিক অপরাধ, সাইবার অপরাধ, এবং অন্যান্য অপরাধের বিরুদ্ধে লড়াই করা।
= বিভিন্ন দেশের পুলিশের মধ্যে তথ্য ও সুরক্ষা সম্পর্কিত সহযোগিতা নিশ্চিত করা।
- ইন্টারপোল সদস্য রাষ্ট্রগুলোর পুলিশদের জন্য তথ্য আদান-প্রদান এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ তদন্তে সহায়তা প্রদান করে।
- ইন্টারপোল আন্তর্জাতিকভাবে পলাতক অপরাধীদের ধরার জন্য "লাল নোটিশ" জারি করে, যা বিভিন্ন দেশকে সেই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার জন্য সতর্ক করে।

উৎস: Interpolsion ওয়েবসাইট।

৩৬৬.
কোলন ক্যান্সার চিকিৎসার জন্য ফ্লোরকক্সিব নামক জৈবযৌগ আবিষ্কার করেছেন -
  1. ড. জসিম উদ্দিন
  2. ডা. মাজহারুল ইসলাম
  3. ড. আনিসুজ্জামান
  4. ড. মাকসুদুর রহমান
ব্যাখ্যা
কোলন ক্যান্সার ও ড. জসিম উদ্দিন
- প্রাণঘাতী কোলন ক্যান্সারের প্রাথমিক পর্যায়ের নাম কোলনিক অ্যাডেনোমা।
- অ্যাডেনোমায় আক্রান্ত কোষগুলোতে সাইক্লোঅক্সিজেনেজ-২ (কক্স-২) এনজাইম অতিরিক্ত মাত্রায় বিস্তৃত থাকতে দেখা যায়।
- এটি শনাক্তকরণের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ভ্যান্ডারবিল্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও চিকিৎসাবিজ্ঞানী ড. জসিম উদ্দিন একটি জৈব যৌগ আবিষ্কার করেছেন।
- এটি ফ্লোরকক্সিব নামে বিশ্বব্যাপী পরিচিত।
- এ প্রাণরাসায়নিক যৌগটি প্রাণির দেহে প্রবেশ করানোর পর এটি কক্স-২ এনজাইমের সঙ্গে যুক্ত হয়ে কাজ করা শুরু করে। 

অন্যদিকে,
- বর্তমানে ড. জসিম উদ্দিন মেরি গেডেস স্ট্যাহলম্যানের ক্যানসার রিসার্চের অধ্যাপক এবং বায়োকেমিস্ট্রির রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর হিসেবে কর্মরত আছেন।

তথ্যসুত্র - দৈনিক ইত্তেফাক।
৩৬৭.
বাংলাদেশ আইসিসি'র ১০ম টেস্ট খেলোয়াড় দেশ হিসেবে কোন সালে অন্তর্ভুক্ত হয়?
  1. ১৯৯৭ সালে 
  2. ২০০০ সালে 
  3. ১৯৯৯ সালে 
  4. ২০০২ সালে  
ব্যাখ্যা

• ক্রিকেট:
- বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (BCB) দেশের ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে ১৯৭২ সালে গঠিত হয়
- ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ আইসিসির সহযোগী সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশের প্রথম ওডিআই ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয় ৩১ মার্চ ১৯৮৬ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে এশিয়া কাপে।
- ১৯৯৭ সালে কেনিয়ার বিরুদ্ধে আইসিসি ট্রফি জয়ের পর  ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপ খেলার যোগ্যতা অর্জন করে।
- ২০০০ সালের ২৬ জুন বাংলাদেশ টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে।
- এবং আইসিসির ১০ম টেস্ট খেলোয়াড় দেশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়।
- প্রথম আইসিসি ট্রফিতে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন শফিকুল হক হিরা।
- দেশের প্রথম টেস্ট জয় আসে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।

উৎস: Bangladesh Cricket Board.

৩৬৮.
শাহ সুলতান বলখীর মাজার পাওয়া গেছে-
  1. মহাস্থানগড়ে
  2. পাহাড়পুরে
  3. ময়নামতিতে
  4. সীতাকোট বিহারে
ব্যাখ্যা

• মহাস্থানগড়: 
- মহাস্থানগড়ে বাংলাদেশের সর্বপ্রাচীন ও সর্ববৃহৎ নগর পুন্ড্রনগরের ধ্বংসাবশেষ বিদ্যমান। 
- মহাস্থানগড়ে শাহ সুলতান বলখীর মাজার রয়েছে । 
- সম্রাট অশোকের সময়ের খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতকের পাথরের চাকতিতে খোদাই করা লিপি পাওয়া গেছে । 
- স্থানটি বগুড়া শহর থেকে ১৩ কিমি ( ৮ মাইল ) উত্তরে করতোয়া নদীর তীরে ।
- পাহাড়পুরকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বৌদ্ধবিহার বলা যেতে পারে।
- পাল বংশের দ্বিতীয় রাজা  ধর্মপাল (আনু. ৭৮১-৮২১ খ্রি) এ বিহার স্থাপন করেন। 
- ময়নামতি কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কি. মি. পশ্চিমে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থান।
- এর পূর্ব নাম রোহিতগিরি ।  

উৎস:  ইতিহাস প্রথম পত্র - এইচ এস সি ,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৩৬৯.
‘অভ্র’ কীবোর্ডের প্রাথমিক সংস্করণ কত সালে প্রথম উন্মুক্ত করা হয়?
  1. ২০০১ সালে
  2. ২০০৩ সালে
  3. ২০০৫ সালে
  4. ২০০৭ সালে
ব্যাখ্যা
‘অভ্র’ কি-বোর্ড:
মূল উদ্ভাবক: ডা. মেহদী হাসান খান।
সহ প্রতিষ্ঠাতা: রিফাত নবী,তানবিন ইসলাম সিয়াম, শাবাব মুস্তফা।
উন্নয়নকারী: ওমিক্রনল্যাব।
প্রাথমিক সংস্করণ: ২৬ মার্চ ২০০৩।
স্থায়ী মুক্তি: ৫.৬. ০ / ২৭ আগস্ট ২০১৯।
লে–আউট: প্রভাত, মুনির অপটিমা, অভ্র ইজি (ওমিক্রন ল্যাব প্রকাশিত সহজ একটি লে–আউট), বর্ণনা, জাতীয় (বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল প্রকাশিত বাংলা লে–আউট)।
প্ল্যাটফর্ম: উইন্ডোজ (অভ্র), লিনাক্স (ibus-avro), ম্যাক ওএস (iAvro), অ্যান্ড্রয়েড (রিদমিক), আইওএস (রিদমিক)।

সূত্র- বিবিসি। [Link]
৩৭০.
‘সমাচার দর্পণ’ কে সম্পাদনা করেন?
  1. উইলিয়াম কেরি
  2. রামমোহন রায়
  3. জন ক্লার্ক মার্শম্যান
  4. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ব্যাখ্যা

সমাচার দর্পণ:
- 'সমাচার দর্পণ' হল প্রথম বাংলা সংবাদপত্র।
- জন ক্লার্ক মার্শম্যানের সম্পাদনায় ২৩ মে ১৮১৮ সালে প্রকাশিত হয় প্রথম বাংলা সংবাদপত্র 'সমাচার দর্পণ'।
- এটি ছিল একটি সাপ্তাহিক পত্রিকা।
- পত্রিকায় সরকারি কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের সংবাদ, সরকারি বিজ্ঞপ্তি, ব্রিটেনের খবর, ইউরোপিয়ান দেশগুলোর সংবাদ, জন্ম-মৃত্যু ও বিবাহের সংবাদ, চলতি বিষয় এবং ভারতের ইতিহাস-ঐতিহ্যের সংবাদকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হতো।
- সংবাদপত্রটি শ্রীরামপুর খ্রিস্টান মিশনের আর্থিক সহযোগিতায় প্রকাশিত হলেও এতে কোনো ধরনের ধর্মীয় গোঁড়ামি বা ধর্মীয় প্রভাব ছিল না।

তথ্যসূত্র - বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলাপিডিয়া ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ০৩ জুন, ২০১৪।

৩৭১.
বাংলাদেশ লোক ও কারু শিল্প জাদুঘর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ময়মনসিংহ
  2. ঢাকা
  3. নারায়ণগঞ্জ
  4. নেত্রকোনা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ লোক ও কারু শিল্প জাদুঘর:
- বাংলাদেশ লোক ও কারু শিল্প জাদুঘর নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁ উপজেলায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশের লোকশিল্পের সংরক্ষণ, বিকাশ ও সর্বসাধারণের মধ্যে লোকশিল্পের গৌরবময় দিক তুলে ধরার জন্য ১৯৭৫ সালে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীনের উদ্যোগে বাংলাদেশ সরকার বিশাল এলাকা নিয়ে এই জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করেন।
- সোনারগাঁয়ের “বড়সর্দারবাড়ি” নামে পরিচিত একটি প্রাচীন জমিদার প্রাসাদে এই জাদুঘর স্থাপন করা হয়েছে।
- এখানে আরো রয়েছে একটি সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার, কারুপল্লী ও একটি বিশাল লেক।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩৭২.
কতজন বিশিষ্ট ব্যক্তি রবীন্দ্র পুরস্কার- ২০২৫ এ ভূষিত হয়েছেন? [জুন, ২০২৫]
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৪ জন
  4. ৫ জন
ব্যাখ্যা
রবীন্দ্র পুরস্কার ২০২৫:
- রবীন্দ্রসাহিত্যের গবেষণা ও সমালোচনা এবং রবীন্দ্রসংগীতের আজীবন সাধনার স্বীকৃতিস্বরূপ এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- বাংলা একাডেমি ২০১০ সাল থেকে রবীন্দ্র পুরস্কার প্রবর্তন করে।
- ২০২৫ সালে রবীন্দ্র পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন ২ জন।
• রবীন্দ্র-সাহিত্যের গবেষণায় - ড. অসীম দত্ত।
• রবীন্দ্রসংগীত-চর্চায় - শিল্পী এ এম এম মহীউজজামান চৌধুরী ময়না।

উল্লেখ্য,
- এ পুরস্কারের অর্থমূল্য ১,০০,০০০.০০ (এক লক্ষ) টাকা।
- নগদ পুরস্কারের সাথে একটি সম্মাননা প্রতীক ও সম্মাননাপত্র প্রদান করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
৩৭৩.
‘সি টু সামিট’-এর কৃতিত্ব অর্জন করেন কে?
  1. নিশাত মজুমদার
  2. ইকরামুল হাসান শাকিল
  3. ওয়াসফিয়া নাজনীন
  4. মুসা ইব্রাহীম
ব্যাখ্যা
‘সি টু সামিট’-এর কৃতিত্ব অর্জন করেন ইকরামুল হাসান শাকিল।

ইকরামুল হাসান শাকিল:
- ৬ষ্ঠ বাংলাদেশি হিসেবে মাউন্ট এভারেস্ট হয় করেছেন ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ২০২৫ সালের ১৯ মে তিনি এভারেস্ট চূড়া জয় করেন।
- সবচেয়ে কম সময়ে এই দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে নতুন রেকর্ডও গড়েছেন তিনি।
- কক্সবাজার থেকে হেঁটে গিয়ে পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে বাংলাদেশের পতাকা ওড়ালেন ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ইকরামুল হাসান তাঁর এই অভিযানের নাম দিয়েছেন ‘সি টু সামিট’, অর্থাৎ সমুদ্র থেকে শৃঙ্গ।
- শাকিলের 'সি টু সামিট' অভিযাত্রা শুরু হয় ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ তারিখে কক্সবাজার থেকে।
- এরপর ৯০ দিনের মধ্যেই বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালের মধ্য দিয়ে প্রায় এক হাজার ৩০০ কিলোমিটার দীর্ঘ পথ পাড়ি দেন এবং ২৯ হাজার ৩১ ফুট উচ্চতার এভারেস্ট জয় করেন।

⇒ এখন পর্যন্ত ছয়জন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয় করেছেন।
- তাঁরা হলেন মুসা ইব্রাহীম, এম এ মুহিত, নিশাত মজুমদার, ওয়াসফিয়া নাজরীন, মো. খালেদ হোসাইন, বাবর আলী, ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ১ম বাংলাদেশি: মুসা ইব্রাহিম, ২০১০ সালের ২৩ মে।
- ২য় বাংলাদেশি: এম এ মুহিত, ২০১১ সালের ২১ মে।
- ৩য় বাংলাদেশি: নিশাত মজুমদার, ২০১২ সালের ১৯ মে।
- ৪র্থ বাংলাদেশি: ওয়াসফিয়া নাজরিন, ২০১২ সালের ২৬ মে।
- ৫ম বাংলাদেশি: বাবর আলী, ২০২৪ সালের ১৯ মে।
- ৬ষ্ঠ বাংলাদেশি: ইকরামুল হাসান শাকিল, ২০২৫ সালের ১৯ মে।

এছাড়াও,
- মো. খালেদ হোসেন, ২০১৩ সালের ২০ মে মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন। তবে চূড়া থেকে নামার পথে দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি। তাই এভারেস্ট জয়ী হিসেবে নিবন্ধিত হতে পারেননি।

উৎস: i) The Business Standard.
ii) প্রথম আলো।
৩৭৪.
উয়ারী-বটেশ্বর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. নরসিংদী
  3. গাজীপুর
  4. ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

উয়ারী বটেশ্বর:
- উয়ারী-বটেশ্বর বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নস্থল।
- নরসিংদী জেলার বেলাব উপজেলা থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত উয়ারী এবং বটেশ্বর গ্রাম দু’টি ছাপাঙ্কিত রৌপ্যমুদ্রার প্রাপ্তিস্থান হিসেবে দীর্ঘদিন থেকে পরিচিত।
-প্লাইসটোসিন যুগে গঠিত মধুপুর গড়ের পূর্ব সীমান্তে অবস্থিত এ গ্রাম দু’টিতেই নিবিড় অনুসন্ধান ও সীমিত প্রত্নতাত্ত্বিক খননে আবিষ্কৃত হয়েছে আড়াই হাজার বছরের প্রাচীন দুর্গ নগর।
- প্রত্নতাত্ত্বিক খননে উয়ারী প্রত্নস্থলে আবিষ্কৃত হয়েছে ৬০০ মি. x ৬০০ মি. আয়তনের চারটি মাটির দুর্গ-প্রাচীর।
- দুর্গ প্রাচীরের ৫-৭ ফুট উঁচু ধ্বংসপ্রাপ্ত কিছু অংশ এখনো টিকে আছে।
- পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে অবস্থিত উয়ারী নগরের বাইরে আরো ৫০টি প্রত্নস্থান এ যাবত আবিষ্কৃত হয়েছে।
- উয়ারী-বটেশ্বর ছিল একটি দুর্গনগর, নগর বা একটি নগর কেন্দ্র।
- আবিষ্কৃত প্রত্নবস্তু বিশ্লেষণ করলেও দেখা যায় যে, উয়ারী-বটেশ্বর ছিল একাধারে একটি নগর ও সমৃদ্ধ বাণিজ্য কেন্দ্র।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩৭৫.
Who built the famous Ahsan Manzil of Dhaka?
  1. Nawab Abdul Ghani
  2. Qutb-ud-Din Aibak
  3. Nawab Abdul Latif
  4. Isha Khan
  5. Nawab Hafizur Rahman
ব্যাখ্যা
আহসান মঞ্জিল:
- আহসান মঞ্জিল পুরনো ঢাকার ইসলামপুরে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত।
- এটি পূর্বে ছিল ঢাকার নবাবদের প্রাসাদ।
- বর্তমানে এটি জাদুঘর হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
- এর প্রতিষ্ঠাতা নওয়াব আবদুল গনি।
- তিনি তার পুত্র খাজা আহসানুল্লাহ’র নামানুসারে এর নামকরণ করেন।
- এর নির্মাণকাল ১৮৫৯-১৮৭২ সাল।
- ১৯০৬ সালে এখানে এক অনুষ্ঠিত বৈঠকে মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত হয়।
- নওয়াব আবদুল গণি ১৮৭২ সালে প্রাসাদটি নতুন করে নির্মাণ করান।
- এই প্রাসাদের ছাদের উপর সুন্দর একটি গম্বুজ আছে।
- এক সময় এই গম্বুজের চূড়াটি ছিল ঢাকা শহরের সর্বোচ্চ।
- আহসান মঞ্জিল জাদুঘরে এখন পর্যন্ত সংগৃহীত নিদর্শন সংখ্যা ৪ হাজার ৭৭।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩৭৬.
বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের সমন্বয়কারী সংস্থা -
  1. এডিবি
  2. জাইকা
  3. বিশ্বব্যাংক
  4. আইএমএফ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম হলো বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী বা দাতাদের একটি ফোরাম।
- এটি ১৯৭৪ সালে গঠিত হয়।
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের সমন্বয়কারী সংস্থা হলো- বিশ্বব্যাংক। 
- শুরুতে এটির নাম ছিলো বাংলাদেশ এইড গ্রুপ।
- ১৯৯৭ সালে এর নাম হয় 'প্যারিস কনসোর্টিয়াম গ্রুপ' এবং ২০০২ সালে এর নামকরণ করা হয় 'বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম'। 
- প্রথমদিকে এই সংস্থার বৈঠক প্যারিসে অনুষ্ঠিত হলেও ২০০৩ সাল থেকে এর বৈঠক নিয়মিতভাবে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

উৎস: ইআরডি ওয়েবসাইট।
৩৭৭.
বাংলাদেশ IDA এর সদস্যপদ লাভ করে -
  1. ১০ মে, ১৯৭২
  2. ১৭ আগস্ট, ১৯৭২
  3. ২৩ অক্টোবর, ১৯৭২
  4. ১৯ ডিসেম্বর, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
IDA:
- IDA এর পূর্ণরূপ International Development Association.
- তৃতীয় বিশ্বের অনুন্নত দেশগুলোকে সহজ শর্তে ও স্বল্পসুদে ঋণ প্রদান করে থাকে।
- যার কারণে IDA কে 'Soft Loan Window' বলা হয়।
- যেসব দেশ IBRD থেকে ঋণ পায় না, সেসব দেশকে IDA ঋণ প্রদান করে থাকে।
- IDA বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৬০ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৭৫টি। (জুলাই, ২০২৫)
- বাংলাদেশ IDA এর সদস্যপদ লাভ করে ১৭ আগস্ট, ১৯৭২ সালে।

তথ্যসূত্র - IDA অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৩৭৮.
আত্মজীবনী ক্যাটাগরিতে ‘বাংলা একাডেমি পুরস্কার-২০২০’ লাভ করেন কে?
  1. ক) মুহাম্মদ সামাদ
  2. খ) ফেরদৌসী কাদেরী
  3. গ) সাহিদা বেগম
  4. ঘ) ফেরদৌসী মজুমদার
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি পুরস্কার-২০২০ বিজয়ীরা হলেন:
- আত্মজীবনীতে : ফেরদৌসী মজুমদার
- কবিতায় : মুহাম্মদ সামাদ
- কথাসাহিত্যে : ইমতিয়ার শামীম
- প্রবন্ধ/গবেষণায় : বেগম আকতার কামাল
- অনুবাদে : সুরেশরঞ্জন বসাক
- নাটকে : রবিউল আলম
- শিশুসাহিত্যে : আনজীর লিটন
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গবেষণায় : সাহিদা বেগম
- বিজ্ঞান/কল্পবিজ্ঞানে : অপরেশ বন্দোপাধ্যায়
- ফোকলোর বিভাগে : মুহাম্মদ হাবিবুল্লা পাঠান।
(সূত্র: প্রথম আলো)
৩৭৯.
স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদান রাখার জন্য কত জন মহিলাকে বীরপ্রতীক উপাধিতে ভূষিত করা হয়?
  1. ক) ৫ জন
  2. খ) ৭ জন
  3. গ) ২ জন
  4. ঘ) ৬ জন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সাহসী ভূমিকা পালনের জন্য যে দুই নারী 'বীরপ্রতীক' খেতাব পেয়েছেন তাঁদের একজন ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা রহমান৷ অন্যজন তারামন বিবি৷
Source: dw.com
৩৮০.
বঙ্গবন্ধু জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের কততম শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেছিলেন?
  1. ক) দ্বিতীয় সম্মেলন
  2. খ) তৃতীয় সম্মেলন
  3. গ) চতুর্থ সম্মেলন
  4. ঘ) পঞ্চম সম্মেলন
ব্যাখ্যা
- বঙ্গবন্ধু শেখ ‍মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালের ৫-৯ সেপ্টেম্বর আলজেরিয়ার রাজধানী আলজিয়ার্সে অনুষ্ঠিত জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের (ন্যাম) চতুর্থ সম্মেলনে অংশগ্রহণ ও সদস্যপদ লাভ করে।
- ন্যামের প্রথম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৬১ সালের ১-৬ সেপ্টেম্বর বর্তমান সার্বিয়ার রাজধানী বেলগ্রেড শহরে।
- সর্বশেষ ন্যাম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৯ সালের ২৫-২৬ অক্টোবর আজারবাইজানের রাজধানী বাকু শহরে।
(সূত্র: ন্যাম আজারবাইজার ওয়েবসাইট)
৩৮১.
ধর্মসাগর দীঘি কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. বগুড়া
  2. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  3. সিলেট
  4. কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
ধর্মসাগর:
- ধর্মসাগর মূলত একটি প্রাচীন দীঘি।
- দীঘিটি কুমিল্লা শহরের প্রাণ কেন্দ্রে অবস্থিত।
- এই দীঘির আয়তন ২৩.১৮ একর।
- ত্রিপুরা রাজ্যের অধিপতি মহারাজা ধর্মমাণিক্য এই দীঘিটি খনন করেন।
- তারই নামানুসারে দিঘিটির নামকরণ করা হয় ‘ধর্মসাগর’।
- ১৪৫৮ সালে দীঘিটি খনন করা হয়।
- 'রাজমালা' গ্রন্থ অনুযায়ী ধর্মমাণিক্য সুদীর্ঘ ৩২ বৎসর রাজত্ব করেন (১৪৩১-৬২ খ্রীস্টাব্দ)।
- কুমিল্লা শহর ও তার আশেপাশের অঞ্চল তাঁর রাজত্বের অধীন ছিল। জনগণের পানীয় জলের সুবিধার জন্য দীঘিটি খনন করেন।

তথ্যসূত্র - কুমিল্লা জেলা ওয়েবসাইট।
৩৮২.
'মাদার অব হিউম্যানিটি' উপাধিতে কাকে ভূষিত করা হয়?
  1. শিরীন শারমিন
  2. ইন্দিরা গান্ধী
  3. শেখ হাসিনা
  4. মাদার তেরেসা
ব্যাখ্যা
মাদার অব হিউম্যানিটি:
- মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নির্যাতনের শিকার রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দেয়ায় ইতোমধ্যে বিশ্বের কাছে প্রশংসিত হয়েছে বাংলাদেশ।
- ব্রিটিশ মিডিয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘মাদার অব হিউম্যানিটি’ (মানবতার জননী) বলে আখ্যায়িত করেছে।
- কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কুতুপালং রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্প পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী।
- এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে ব্রিটেনভিত্তিক গণমাধ্যম 'চ্যানেল ফোর'। 
- চ্যানেলটির এশিয়া প্রতিনিধি জনাথান মিলার তার প্রতিবেদনে তুলে ধরেন ক্যাম্পে থাকা রোহিঙ্গাদের মানবেতর জীবনের কিছু অংশ।
- ওই প্রতিবেদনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘মাদার অব হিউম্যানিটি’ বলে ভূষিত করা হয়।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে প্রচ্ছদ প্রতিবেদন করেছে নেদারল্যান্ডসের নামকরা 'ডিপ্লোম্যাট ম্যাগাজিন'।
- সাময়িকীটি তাদের প্রচ্ছদ প্রতিবেদনের শিরোনাম করেছে ‘শেখ হাসিনা : মাদার অব হিউম্যানিটি’।

উৎস: কালের কন্ঠ ও প্রথম আলো।
৩৮৩.
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মুসলিম দেশ কোনটি?
  1. ইরাক
  2. ইরান
  3. সেনেগাল
  4. লেবানন
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী আরব দেশ:
- আরব রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয় - ইরাক।
- ইরাক প্রথম আরব দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ৮ জুলাই ১৯৭২ সালে।
- লেবানন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ২৮ মার্চ, ১৯৭৩ সালে।
- ইরান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ সালে।

• বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী আরো কিছু উল্লেখযোগ্য রাষ্ট্র:
- বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মুসলিম দেশ আফ্রিকার - সেনেগাল।
- এশিয়ার মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

- এশিয়ার বাইরে প্রথম দেশ বা প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে - ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি স্বীকৃতি দেয় পূর্ব-জার্মানি।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ৪ এপ্রিল, ১৯৭২ তারিখে।
- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের মধ্যে সর্ব প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ভেনিজুয়েলা (২ মে ১৯৭২)।
- প্রথম পশ্চিমা দেশ হিসেবে গ্রেট ব্রিটেন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি।
- ফ্রান্স বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২।
- ব্রাজিল বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ১৫ মে, ১৯৭২।
- আর্জেন্টিনা বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ২৫ মে ১৯৭২।

তথ্যসূত্র - পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট, বঙ্গভবনের শতবর্ষ (বঙ্গভবন) ও বাংলাদেশের তারিখ (বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান), প্রথম আলো।
৩৮৪.
বাংলাদেশে সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক হচ্ছে -
  1. একুশে পদক
  2. বাংলা একাডেমি পদক
  3. স্বাধীনতা পদক
  4. প্রধানমন্ত্রী পদক
ব্যাখ্যা
• স্বাধীনতা পদক:
- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক হলো 'স্বাধীনতা পদক',
- এটি ১৯৭৭ সাল থেকে প্রদান করা হচ্ছে।
- এই পদকটি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ দ্বারা প্রদান করা হয়ে থাকে।
- 'একুশে পদক' হলো দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক,
- এটি ১৯৭৬ সাল থেকে প্রদান করা হচ্ছে। 

সূত্র: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৩৮৫.
বাংলাদেশ কবে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO)-এর সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ২২ জুন, ১৯৭২
  2. ১১ মে, ১৯৮৫
  3. ১২ নভেম্বর, ১৯৭৩
  4. ২৮ জুন, ১৯৮৫
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা:
- FAO-এর পূর্ণরূপ: Food and Agriculture Organization.
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে: ১৬ অক্টোবর ১৯৪৫ সালে।
- সদর দপ্তর: রোম, ইতালি।
- জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে: ১৯৪৬ সালে।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা: ১৯৫টি (১৯৪টি দেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন)।
- বর্তমান মহাপরিচালক: ড. কু ডংগিউ (Qu Dongyu)।
- প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য:  ক্ষুধা দূরীকরণ এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে পুষ্টি ও জীবনযাত্রার মান উন্নত করা।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO)-এর সদস্যপদ লাভ করে ১২ নভেম্বর, ১৯৭৩ তারিখে।

অন্যদিকে -
- বাংলাদেশ ১৯৮৫ সালের ২৮ জুন UNIDO এর সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ ১৯৮৫ সালের ১১ মে WIPO এর সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ২২ জুন ILO এর সদস্যপদ লাভ করে।

উৎস: FAO ওয়েবসাইট।
৩৮৬.
Bangladesh is scheduled to officially become a developing country in
  1. ক) 2025
  2. খ) 2026
  3. গ) 2027
  4. ঘ) 2028
ব্যাখ্যা
- স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বের হয়ে পূর্ণ উন্নয়নশীল দেশ হওয়ার পথে বাংলাদেশ।
- ২০২৬ সালে এ উত্তরণ ঘটবে বাংলাদেশের।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৬তম বৈঠকের ৪০তম প্লেনারি সভায় এ বিষয়ে একটি প্রস্তাব গৃহীত হয়।
- আর এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ এলডিসি ক্যাটাগরি থেকে পরবর্তী ধাপে উত্তরণের সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করল।
- বাংলাদেশের পাশাপাশি লাও ও নেপালও উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি পেতে যাচ্ছে।
- এই তিন দেশ উত্তরণের ক্ষেত্রে পাঁচ বছর প্রস্তুতির সময় পাবে। অর্থাৎ, ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বর বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে গণ্য হবে। 

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো নিউজ।
৩৮৭.
গবেষণামূলক বই ‘৩৬শে জুলাই গণঅভ্যুত্থান' এর লেখক কে?
  1. আহম্মদ ফয়েজ
  2. নুরে আলম
  3. নাহিদ ইসলাম
  4. ফাহিমউর রহমান
ব্যাখ্যা
৩৬শে জুলাই গণঅভ্যুত্থান:
- সাংবাদিক ও গবেষক মুহাম্মদ নূরে আলমের গবেষণামূলক বই ‘৩৬শে জুলাই গণঅভ্যুত্থান’।
- বইটি অমর একুশে বইমেলা-২৫ এ প্রকাশিত হয়।
- বইটিতে ৫টি অধ্যায় রয়েছে। 
- ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে ছাত্র-জনতার গণআন্দোলন, গণহত্যা, জুলাই বিপ্লবের রক্তাক্ত দিনলিপি, জুলাই শহিদদের বীরত্ব গাঁথা ইত্যাদি নানান বিষয় নিয়ে বইটি প্রকাশ করেছে ৩৬শে জুলাই থিঙ্কট্যাঙ্ক গ্রুপ।
- বইটিতে বিচার বহির্ভূত হত্যা, মানবাধিকার লঙ্ঘন, ও ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ব্যাপক ছাত্র-জনতার বিক্ষোভ ও গণহত্যার বর্ণনার রয়েছে বিস্তারিতভাবে।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]
৩৮৮.
বর্তমানে বাংলাদেশ কয়টি শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োজিত রয়েছে? [সেপ্টেম্বর, ২০২৪]
  1. ৯টি
  2. ১০টি
  3. ১১টি
  4. ১৩টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ:

- জাতিসংঘের উদ্যোগে গঠিত শান্তিরক্ষা বাহিনী এখন পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে শান্তিরক্ষায় নিয়োজিত।
- ১৯৪৮ সালে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন শুরু হয়।
- জাতিসংঘের নিজস্ব কোন শান্তিরক্ষা বাহিনী নেই।
- পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে শান্তিরক্ষা বাহিনীর জন্য সদস্য সংগ্রহ করা হয়।
- বাংলাদেশের সেনাবাহিনীও জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ১৩৬তম সদস্য হিসাবে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
- সর্বপ্রথম বাংলাদেশ ১৯৮৮ সালে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সৈন্য পাঠায়।
- ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশ দুটি অপারেশনে অংশগ্রহণ করে, একটি ইরাক-ইরান (UNIIMOG) এবং অন্যটি নামিবিয়া (UNTAG)।
- UNIIMOG মিশনে ১৫ জন সদস্য প্রেরণ করে আনুষ্ঠানিকভাবে শান্তিরক্ষী মিশন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে।

⇒ বিগত চার দশক ধরে শান্তিরক্ষা মিশনে বিশেষ অবদান রাখছে বাংলাদেশ।
- বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ৪০টি দেশে ৬৩টি মিশনে অংশ গ্রহণ করেছে।
- বর্তমানে বাংলাদেশ ১১টি শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োজিত রয়েছে

উৎস: i) United Nations in Bangladesh ওয়েবসাইট। [link]
ii) ARMED FORCES DIVISION ওয়েবসাইট।
৩৮৯.
বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট ডাবল সেঞ্চুরি কে করেন?
  1. তামিম ইকবাল
  2. সাকিব আল হাসান
  3. মমিনুল হক
  4. মুশফিকুর রহিম
ব্যাখ্যা

টেস্টে প্রথম:
- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।
- ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ জয় পায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।
- প্রথম টেস্ট উইকেট শিকার করেছেন নাইমুর রহমান।
- প্রথম হাফ সেঞ্চুরি করেন হাবিবুল বাশার।
- প্রথম সেঞ্চুরি করেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি: মুশফিকুর রহিম।
- প্রথম ৫ উইকেট শিকার করেন নাইমুর রহমান।
- প্রথম ১০০ উইকেট মোহাম্মদ রফিকের।
- প্রথম ব্যক্তিগত হাজার রান সংগ্রাহক হাবিবুল বাশার।
- একমাত্র ১০ উইকেট’ শিকার করেন এনামুল হক জুনিয়র।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮।

৩৯০.
২০২৫ সালে কতজন নারী 'অদম্য নারী পুরস্কার' লাভ করেন?
  1. ৪ জন
  2. ৫ জন
  3. ৬ জন
  4. ৭ জন
ব্যাখ্যা
'অদম্য নারী পুরস্কার-২০২৫:
- ২০২৫ সালের ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবসে দেশের অদম্য নারীদের হাতে ‘অদম্য নারী পুরস্কার-২০২৪’ সম্মাননা তুলে দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- পাঁচজন নারী ও বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল পেয়েছেন ‘অদম্য নারী পুরস্কার- ২০২৫’।

⇒ ২০২৫ সালে ‘অদম্য নারী পুরস্কার ২০২৫’ পেয়েছে:
- বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল,
- অর্থনীতিতে অবদানে শরিফা সুলতানা,
- শিক্ষা ও চাকরিতে হালিমা বেগম,
- সফল জননী নারী মেরিনা বেসরা,
- জীবনসংগ্রামে জয়ী নারী লিপি বেগম,
- সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদানে মো. মুহিন (মোহনা)।

উৎস: i) মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) The Daily Star Bangla.
৩৯১.
জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের নারীরা সর্বপ্রথম কত সালে অংশগ্রহণ করে?
  1. ২০০০ সালে
  2. ২০০৫ সালে
  3. ২০০৭ সালে
  4. ২০০৯ সালে
ব্যাখ্যা
- ২০০০ সালে ৫ নারী পুলিশের একটি টিম প্রথমবারের মতো শান্তিমিশনে পূর্ব তিমুরে অংশ নেয়।
- পরবর্তী সময়ে নানা কারণে আর নারী পুলিশের কোনো টিম মিশনে অংশ নেয়নি।
- এরপর সব বাধা অতিক্রম করে ২০১০ সালে বাংলাদেশ নারী পুলিশের প্রথম কনটিনজেন্ট পাঠানো হয় শান্তিরক্ষা হাইতি মিশনে।
- এ কনটিনজেন্টে ছিল নারী পুলিশের ১৬৮ সদস্য।
- আর এর মধ্যদিয়েই ব্যাপক আকারে শান্তি মিশনে বাংলাদেশ নারী পুলিশের যাত্রা শুরু।
- ২০১৫ সালের ৯ এপ্রিল শান্তিরক্ষা কঙ্গো মিশনে যোগ দিতে ঢাকা ত্যাগ করেন বাংলাদেশ নারী পুলিশের দ্বিতীয় কনটিনজেন্টের ১২৫ সদস্য।
- ১৯৮৮ সালে ইরাকের দাঙ্গা মেটাতে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সর্বপ্রথম অংশ নেন বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা।

সূত্র- প্রথম আলো।
৩৯২.
যুক্তরাজ্যের হাউজ অব কমন্স-এ বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত এম,পি -
  1. ক) আয়েশা হক
  2. খ) রূপা হক
  3. গ) আনোয়ারা হক
  4. ঘ) রেজওয়ানা হক
ব্যাখ্যা
যুক্তরাজ্যের হাউজ অব কমন্স-এ বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত এম,পি - রূপা হক

চার বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ এমপি হলেন:
- রুশনারা আলী,
- রূপা হক,
- টিউলিপ রেজওয়ানা সিদ্দিক
- আফসানা বেগম।

তথ্যসূত্র: ডয়চে ভেলে নিউজ।
৩৯৩.
২০২২ সাফ অনূর্ধ্ব নারী ফুটবলের সর্বাধিক গোলদাতা কে?
  1. ক) সাবিনা খাতুন
  2. খ) ইয়াসমিন আক্তার
  3. গ) সাবিনা আক্তার
  4. ঘ) রেজিয়া খাতুন
ব্যাখ্যা
২০২২ সাফ অনূর্ধ্ব নারী ফুটবল:

- সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে স্বাগতিক নেপালকে ৩-১ গোল ব্যবেধানে হারিয়ে প্রথমবারের মতো শিরোপার স্বাদ পেল বাংলাদেশের মেয়েরা।
-  টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ গোলদাতা পুরস্কার পেয়েছেন বাংলাদেশের দলনেতা সাবিনা খাতুন।
- টুর্নামেন্টে একাই দুটি হ্যাটট্রিক করার যোগ্যতা অর্জন করেন সাবিনা।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ চারটি করে গোল করেছেন বাংলাদেশের সিরাত জাহান স্বপ্না, ভারতের অ্যাঞ্জু মানং ও পাকিস্তানে নাদিয়া খান।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ তিন গোল করেছেন ভারতীয় তারকা ফুটবলার গ্রাস ডাংমেই।

উৎস: প্রথম আলো।
৩৯৪.
২০২৪ সালের পুরুষ "অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ" ক্রিকেটের চ্যাম্পিয়ন দল কোনটি?  
  1. ভারত
  2. বাংলাদেশ
  3. শ্রীলংকা
  4. আফগানিস্তান
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।] 
------------------
• অনূর্ধ্ব–১৯ (পুরুষ ) এশিয়া কাপ-২০২৪: 
- ২০২৪ সালে প্রতিপক্ষ ভারতকে হারিয়ে অনূর্ধ্ব–১৯ এশিয়া কাপের শিরোপা জিতেছে বাংলাদেশ।
- ফাইনালে ভারতকে ৫৯ রানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার এশিয়া চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ।

- ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়: সংযুক্ত আরব আমিরাত।
- ভ্যানু - দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম, দুবাই।
- চ্যাম্পিয়ন: বাংলাদেশ।
- রানার্সআপ: ভারত।
- ম্যান অব দ্য ম্যাচ: ইকবাল হোসেন।
- ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট: ইকবাল হোসেন।

উল্লেখ্য,
- ২০২৩ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো অনূর্ধ্ব–১৯ এশিয়া কাপের শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো ও বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।
৩৯৫.
বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অধিনায়ক [অক্টোবর, ২০২৪] হলেন -
  1. নান্নু
  2. বুলবুল
  3. আকরাম
  4. শান্ত
ব্যাখ্যা
তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন ছিল, বর্তমান প্রেক্ষাপটের সাথে সঙ্গতি রেখে প্রশ্নটি মডিফাই করা হয়েছে।

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল:

- আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে জাতীয় ক্রিকেট দল হিসেবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল।
- তারা টাইগারস নামেও পরিচিত।
- বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (সংক্ষেপে বিসিবি) এই দল পরিচালনা করে।
- বাংলাদেশ আইসিসি’র টেস্ট এবং ওয়ানডে ক্রিকেট স্ট্যাটাসপ্রাপ্ত স্থায়ী সদস্য দেশগুলোর অন্তর্ভূক্ত।
- বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বপ্রথম আত্মপ্রকাশ করে ১৯৭৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত আইসিসি ট্রফিতে অংশগ্রহণ করার মাধ্যমে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।

উৎস: i) Bangladesh Cricket Board।
ii) ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, বণিক বার্তা।
৩৯৬.
প্রথমবারের মতো ‘জলাভূমি নির্ভর প্রাণী অভয়ারণ্য’ ঘোষণা করা হয়েছে নিচের কোনটিকে?
  1. বিলজোয়ানা ও বিলভালা জলাভূমি
  2. চলন বিল ও ডাকাতি বিল
  3. সেন্টমার্টিন ও শাহ পরীর দ্বীপ
  4. হাকালুকি হাওর ও টাঙ্গুয়ার হাওর
ব্যাখ্যা
- বিলজোয়ানা ও বিলভালা জলাভূমিকে প্রথমবারের মতো ‘জলাভূমি নির্ভর প্রাণী অভয়ারণ্য’ ঘোষণা করা হয়েছে। 
- রাজশাহীর তানোর উপজেলার বিলজোয়ানা মৌজার ১.৬৫ একর জলাভূমি এবং গোদাগাড়ি উপজেলার বিলভালা মৌজার ১৫.০৮ একর জলাভূমিকে অভয়ারণ্য ঘোষণা করা হয়।
- বিলজোয়ানা ও বিলভালা শীতকালে দেশি ও পরিযায়ী পাখির অন্যতম আশ্রয়স্থল।
- এসব বিলে কালেম, কোড়া, ডাহুক, গুড়গুড়ি, জলপিপি, জলময়ূরসহ দেশি জলচর পাখির পাশাপাশি বালি হাঁস, পাতি সরালি, বড় সরালি, পিয়াং হাঁস, খুন্তে হাঁস, ভূতি হাঁসসহ বিভিন্ন প্রজাতির পরিযায়ী হাঁস দেখা যায়।
- প্রায় শতাধিক পাখি ছাড়াও উভচর, সরীসৃপ ও স্তন্যপায়ী প্রাণীর বসবাস রয়েছে এসব জলাভূমিতে।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও মানবসৃষ্ট চাপে এই জলাভূমির জীববৈচিত্র্য আজ হুমকির মুখে।
- অভয়ারণ্য ঘোষণার ফলে এখন থেকে এই এলাকাগুলোতে পাখি ও বন্যপ্রাণীর নিরাপদ আবাস নিশ্চিত হবে।

উৎস: THE BUSINESS STANDARD বাংলা (৭ মে, ২০২৫)
৩৯৭.
কবে থেকে বাংলাদেশে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার‘ প্রবর্তন করা হয়েছে?
  1. ক) ১৯৭৫ সাল
  2. খ) ১৯৭৬ সাল
  3. গ) ১৯৭৭ সাল
  4. ঘ) ১৯৮১ সাল
ব্যাখ্যা
১৯৭৭ সাল স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে।

• স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২২:

- ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ বাংলাদেশের জাতীয় এবং “সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার”।
- ১৮ মার্চ, ২০২২ তারিখে ৫টি ক্যাটাগরিতে ৯ জন বিশিষ্ট নাগরিক ও ২টি প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২২’ প্রদান করে বাংলাদেশ সরকারের ‘মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ'।

• ২০২২ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার প্রাপ্তরা হলেন -
- বীর মুক্তিযোদ্ধা ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী
- শহীদ কর্নেল খন্দকার নাজমুল হুদা (বীর বিক্রম)
- জনাব আব্দুল জলিল
- জনাব সিরাজ উদদীন আহমেদ
- মরহুম মোহাম্মদ ছহিউদ্দিন বিশ্বাস
- মরহুম সিরাজুল হক

• চিকিৎসাবিদ্যায় স্বাধীনতা পুরস্কার প্রাপ্তরা হলেন-
- অধ্যাপক ডাঃ কনক কান্তি বড়ুয়া
- অধ্যাপক ডাঃ মো. কামরুল ইসলাম

তথ্যসূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার
৩৯৮.
পৃথিবীর ইতিহাসে যুদ্ধকালীন প্রথম ফুটবল দল কোন দেশের?
  1. উত্তর কোরিয়া
  2. ভারত
  3. পাকিস্তান
  4. বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল:
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে বাংলাদেশের একটি ফুটবল দল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত অর্জন এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্যার্থে অর্থ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে ভারতের বিভিন্ন স্থানে প্রদর্শনী ফুটবল খেলায় অংশ নেয়।
- এই দলটি ‘স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল’ নামে পরিচিত ছিল।
- পৃথিবীর ইতিহাসে যুদ্ধকালীন প্রথম ফুটবল দল এটি।
- মূল পরিকল্পনাটা ছিলো শামসুল হকের।
- জুন মাসে কলকাতায় তিনি প্রতিষ্ঠা করেন বাংলাদেশ ক্রীড়া সমিতি এবং যারা সারা ভারতজুড়ে খেলে সমর্থন আদায় করবে আমাদের স্বাধীন বাংলার স্বীকৃতির জন্য।
- তার সাহায্যে এগিয়ে এলেন সমিতির প্রথম সেক্রেটারি লুতফর রহমান, কোচ আলী ইমাম ও ইস্ট এন্ড ক্লাবের সাবেক ফুটবলার সাঈদুর রহমান প্যাটেল।
- জাকারিয়া পিন্টু ছিলেন স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের অধিনায়ক।
- আর সহ-অধিনায়ক ছিলেন প্রতাপ শংকর হাজরা।
- কোচ ও ম্যানেজার ছিলেন যথাক্রমে ননি বসাক ও তানভীর মাজহারুল তান্না। 
- ম্যাচ খেলা থেকে অর্জিত পাঁচ লাখ ভারতীয় রুপি ক্রীড়া সমিতি জমা দিয়েছে মুক্তিযুদ্ধের ফান্ডে।

স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলে যারা ছিলেন: 
- জাকারিয়া পিন্টু (অধিনায়ক), প্রতাপ শঙ্কর হাজরা (সহ-অধিনায়ক), আলী ইমাম, মোহাম্মদ কায়কোবাদ, অমলেশ সেন, আইনুল হক, নিহার কান্তি দাস, শেখ আশরাফ আলী, বিমল কর, শাহজাহান আলম, মনসুর আলী লালু, কাজী সালাউদ্দিন, এনায়েতুর রহমান, সুভাষ সাহা, কে এম নওশেরুজ্জামান, ফজলে সাদাইন খোকন, আবুল হাকিম, তসলিমউদ্দিন শেখ, আমিনুল ইসলাম, আবদুল মমিন জোয়ারদার, মনিরুজ্জামান পেয়ারা, সাত্তার, প্রাণ গোবিন্দ কুন্ডু, মুজিবর রহমান, মেজর জেনারেল (অব.) খন্দকার নুরুন্নবী, লুৎফর রহমান, সাইদুর রহমান প্যাটেল, অনিরুদ্ধ চ্যাটার্জি, সনজিব কুমার দে, মাহমাদুর রশিদ, দেওয়ান মোহাম্মদ সিরাজউদ্দিন, নিহার কান্তি দাস।

উৎস: ২৬ মার্চ ২০২২, সময় নিউজ।
৩৯৯.
২০২৫ সালে বাংলাদেশের কততম জাতীয় অ্যাথলেটিক্স অনুষ্ঠিত হয়েছে?
  1. ৪৩তম
  2. ৪৫তম
  3. ৪৮তম
  4. ৫০তম
ব্যাখ্যা
৪৮তম জাতীয় অ্যাথলেটিক্স:
- ৪৮তম জাতীয় অ্যাথলেটিক্স ১৭ থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে আয়োজিত হয়।
- এই আসরে সারা দেশ থেকে মোট ৪৪৫জন অ্যাথলেট অংশগ্রহণ করেছেন।
- তিন দিনব্যাপী এই প্রতিযোগিতায় মোট ৪০টি ইভেন্ট সম্পন্ন হয়।
- বাংলাদেশ নৌবাহিনী ২১ সোনা, ১৭ রৌপ্য, ১২ ব্রোঞ্জসহ মোট ৫০টি পদক নিয়ে পদক তালিকার শীর্ষে ছিল।
- পদক তালিকার দুইয়ে ছিল বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
- এছাড়া, এই প্রতিযোগিতায় দেশের দ্রুততম মানব হিসেবে মোহাম্মদ ইসমাইল এবং দ্রুততম মানবী হিসেবে শিরিন আক্তার নির্বাচিত হয়েছেন।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]
৪০০.
বিখ্যাত চিত্রকর্ম ‘ তিন কন্যা’ এর চিত্রকর কে?
  1. এস এম সুলতান
  2. কামরুল হাসান
  3. জয়নুল আবেদিন
  4. হাশেম খান
ব্যাখ্যা

কামরুল হাসান:
- বাংলাদেশের পটুয়া চিত্রশিল্পী;
- পূর্ণ নাম: আবু শরাফ মোহাম্মদ কামরুল হাসান;
- জন্ম: ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর, কলকাতা, ভারত;
- মৃত্যু: ১৯৮৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারি, ঢাকা, বাংলাদেশ;
- প্রখ্যাত পরিচিতি: 'পটুয়া' নামে পরিচিত।
- বিখ্যাত শিল্পকর্ম ও স্মারক:
- তাঁর বিখ্যাত চিত্রকর্ম 'তিনকন্যা' ও 'নাইওর'।
- এই  চিত্রকর্ম অবলম্বনে যথাক্রমে যুগোস্লাভিয়া সরকার (১৯৮৫) ও বাংলাদেশ সরকার (১৯৮৬) দুটি স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ করেছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানের কভার ডিজাইনও করেছেন তিনি।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে তাঁকে সমাহিত করা হয়।
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা করেন কামরুল হাসান।
- স্বাধীনতাযুদ্ধকালে জেনারেল ইয়াহিয়ার মুখের ছবি দিয়ে আঁকা 'এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে' পোস্টারটি খুব বিখ্যাত হয়।
- বিমানের বিখ্যাত "বলাকা" লোগোটি ডিজাইন করেছিলেন শিল্পী কামরুল হাসান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।