বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন ও অন্যান্য

মোট প্রশ্ন৩,৮২৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন ও অন্যান্য

PrepBank · পাতা ২৪ / ৩৮ · ২,৩০১২,৪০০ / ৩,৮২৪

২,৩০১.
ভাওয়াইয়া কোন অঞ্চলের বিখ্যাত লোকসংগীত?
  1. ক) ময়মনসিংহ
  2. খ) রংপুর
  3. গ) খুলনা
  4. ঘ) সিলেট
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের রংপুর অঞ্চলের বিখ্যাত লোকসংগীত হলো ভাওয়াইয়া। রংপুর ও কুচবিহার জেলা এই গানের জন্মস্থান।
- ভাওয়াইয়া গানের বিখ্যাত শিল্পী হলেন আব্বাসউদ্দীন আহমেদ।
- ময়মনসিংহ অঞ্চলের বিখ্যাত লোকসঙ্গীত হলো ভাটিয়ালি ও জারি গান।
- সিলেটের হাওরাঞ্চল ধামাইল গানের জন্যে বিখ্যাত।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
২,৩০২.
বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে ১৭-২৬ মার্চ ২০২১ সরকার গৃহিত দশদিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার থিম কী ছিলো?
  1. মুজিব অম্লান
  2. মুজিব চিরন্তন
  3. মুজিবময় বাংলাদেশ
  4. শাশ্বত মুজিব
ব্যাখ্যা
- বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার গত ১৭ মার্চ থেকে ২৬ মার্চ দশদিনব্যাপী উৎযাপন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
- দশদিনব্যাপী অনুষ্ঠানের থিম হলো ‘মুজিব চিরন্তন’। এসব অনুষ্ঠানের বিভিন্ন দিবসে সার্কভুক্ত বিদেশী পাচঁটি দেশের সরকার/রাষ্ট্র প্রধানরা উপস্থিত ছিলো।
- এছাড়া আরো পাঁচটি দেশের সরকার/রাষ্ট্র প্রধান শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন।
(সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক)
২,৩০৩.
নজরুল পুরস্কার ২০২৩ এ ভূষিত হয়েছেন কে?
  1. খিলখিল কাজী
  2. মিজানুর রহমান
  3. মাইনুল হাসান
  4. শাহীন সামাদ
ব্যাখ্যা
নজরুল পুরস্কার:

- জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৪তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বাংলা একাডেমিতে নজরুল পুরস্কার ২০২৩ প্রদান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
- অনুষ্ঠানে নজরুলসংগীত-চর্চা ও প্রসারে সামগ্রিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রখ্যাত শিল্পী শাহীন সামাদকে বাংলা একাডেমি প্রবর্তিত নজরুল পুরস্কার ২০২৩-এ ভূষিত করা হয়।
- এই পুরস্কারের অর্থমূল্য দুই লাখ টাকা।
- ২০২২ সালে বাংলা একাডেমি নজরুল পুরস্কার চালু করে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক যুগান্তর, ২৪ মে ২০২৩।
২,৩০৪.
কোন দেশকে হারিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা ধরে রেখেছে বাংলাদেশের নারী ফুটবল দল? [মার্চ, ২০২৫]
  1. নেপাল
  2. ভুটান
  3. ভারত
  4. শ্রীলংকা
ব্যাখ্যা
সাফ নারী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৪:
- দশরথ রঙ্গশালাতেই নেপালকে কাঁদিয়ে প্রথমবার সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জিতেছিল বাংলাদেশ।
- ২০২২ সালের ফাইনালে নেপালকে ৩-১ গোলে উড়িয়ে চ্যাম্পিয়নের মুকুট মাথায় তোলে বাংলাদেশ।
- ২০২৪ সালে স্বাগতিক নেপালকে ২-১ গোলে হারিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা ধরে রেখেছেন লাল–সবুজের অদম্য মেয়েরা।
- নেপালের মাটিতে টানা দ্বিতীয় সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে জিতে নিজেদের নতুন উচ্চতায় তুলেছে বাংলাদেশের মেয়েরা।

উৎস: প্রথম আলো (৩১ অক্টোবর ২০২৪)।
২,৩০৫.
বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের জার্সি নম্বর কত?
  1. ৪৫
  2. ৭৫
  3. ৯৯
ব্যাখ্যা

- ১৯৯৯ বিশ্বকাপের সময় থেকে ক্রিকেটারদের জার্সিতে নম্বরের প্রচলন শুরু হয়।
- তখন প্রতিটি দলের অধিনায়কদের ১ নম্বর ও ২-১৫ পর্যন্ত হতো বাকি ক্রিকেটারদের জার্সি নম্বর।
- প্রথম থেকেই এ পদ্ধতি থেকে একটু ব্যতিক্রম ছিল দক্ষিণ আফ্রিকা।
- তৎকালীন অধিনায়ক হ্যান্সি ক্রোনিয়ের জার্সি নম্বর ছিল ৫। আর ১ নম্বর জার্সিটির মালিক ছিলেন কার্স্টেন।
- আর এখন  ক্রিকেটাররা নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী জার্সি পড়ে থাকেন।
- বাংলাদেশের বিশ্বখ্যাত অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান ৭৫ নম্বর জার্সি পরেন। 
- তিনি যখন বিকেএসপিতে ছিলেন তখন তার ক্যাডেট নম্বর ছিল ‘ক্রিকেট ২৭৫’।
- সেই থেকেই তার জার্সি নম্বর ৭৫।
- জাতীয় দল, ঘরোয়া ক্রিকেট, আইপিএল, বিগ ব্যাশসহ বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি লীগে ৭৫ নম্বর জার্সি গায়ে চাপান বিশ্বসেরা এ অলরাউন্ডার। 

উৎস:- বিসিবি।
২,৩০৬.
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ঢাকার কোন এলাকায় অবস্থিত?
  1. সেগুনবাগিচা
  2. ধানমণ্ডি
  3. মগবাজার
  4. বনানী
ব্যাখ্যা
তৎকালীন সময়ে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর 'সেগুনবাগিচা' এলাকায় ছিলো।
কিন্তু, 
২০১৭ সালের ১৬ এপ্রিল আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মাধ্যমে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্মিত নিজস্ব ভবনে 'মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর' স্থানান্তর করা হয়।
--------------- 
• মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর:

- মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মুক্তিযুদ্ধ-ভিত্তিক একটি জাদুঘর।
- এটি বাংলাদেশের একমাত্র মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর।
- এটি ১৯৯৬ সালের ২২ মার্চ ঢাকাস্থ সেগুনবাগিচার একটি পুরানো দ্বিতল বাড়িতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে এটি ঢাকার এফ-১১/এ-বি, সিভিক সেক্টর, আগারগাঁওয়ে অবস্থিত।
- এই জাদুঘরের উদ্বোধন হয় ১৯৯৬ সালের ২২ শে মার্চ। 
- মুক্তিযুদ্ধের অনেক দুর্লভ বস্তু আছে এই জাদুঘরে।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
২,৩০৭.
সম্প্রতি কোন দেশে জাতির পিতার ভাস্কর্য নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে?
  1. ক) কিউবা
  2. খ) বলিভিয়া
  3. গ) ব্রাজিল
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
(রেফারেন্সঃ প্রথম আলো)
২,৩০৮.
বাংলাদেশে প্রথমবার কাবাডি টেস্ট সিরিজ অনুষ্ঠিত হয় কবে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৪ সালে
  3. ১৯৭৬ সালে
  4. ১৯৭৮ সালে
ব্যাখ্যা
কাবাডি:
- কাবাডি খেলাকে জাতীয় খেলার মর্যাদা দেয়া হয় ১৯৭২ সালে। 
- এই খেলার নাম ছিল হাডুডু। ১৯৭২ সালে খেলাটিকে কাবাডি নামকরণ করা হয়। 
- বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশন গঠিত হয় ১৯৭৩ সালে।  

উল্লেখ্য,
- কাবাডি ফেডারেশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশে প্রথমবার কাবাডি টেস্ট সিরিজ হয়েছিল।
- ৫১ বছর পর নেপালের বিপক্ষে সিরিজ দিয়ে ফের কাবাডি টেস্ট সিরিজ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
- সিরিজের প্রথম ম্যাচে নেপালকে ২৪ পয়েন্টের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে লাল-সবুজের দল।

তথ্যসূত্র- নিউজ প্রতিবেদন। [Link]
২,৩০৯.
সম্প্রতি বাংলাদেশে কোন দেশের দূতাবাস খোলা হয়েছে?
  1. ক) আর্জেন্টিনা
  2. খ) দক্ষিন সুদান
  3. গ) সুইডেন
  4. ঘ) নেপাল
ব্যাখ্যা
• ঢাকায় আর্জেন্টিনার দূতাবাস:
- ২৭ ফেব্রুয়ারি,২০২৩ সালে ৪৫ বছর পর রাজধানীর বনানীতে আর্জেন্টিনার দূতাবাস উদ্বোধন করা হয়।
- এ সময় উপস্থিত ছিলেন আর্জেন্টিনার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সান্তিয়াগো ক্যাফিয়ারো ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।
- এ সফরে ৪৫ বছর আগে বন্ধ হয়ে যাওয়া লাতিন আমেরিকার দেশ আর্জেন্টিনার দূতাবাস চালু ও দুই দেশের মধ্যে ফুটবল এবং কৃষিতে সহযোগিতাসহ চারটি চুক্তি এবং সমঝোতা স্মারক সইকরা হয়েছে।

তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথম আলো।
২,৩১০.
বাংলাদেশ কত সালে আইসিসি ট্রফিতে চ্যাম্পিয়ন হয়?
  1. ১৯৯৭ সালে
  2. ১৯৯৮ সালে
  3. ১৯৯৯ সালে
  4. ২০০০ সালে
ব্যাখ্যা
- ১৯৯৭ সালের ১৩ এপ্রিল মালয়েশিয়ায় কেনিয়াকে হারিয়ে আইসিসি ট্রফিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল টাইগাররা।
- পুরো টুর্নামেন্টে অপরাজিত ছিল আকরাম খানের নেতৃত্বাধীন লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত ‍টুর্নামেন্টটি ছিল ১৯৯৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপের বাছাইপর্ব।
- এর মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
 
উৎস: দৈনিক প্রথম আলো। [লিঙ্ক]
২,৩১১.
Inclusive Development Index ( IDI)-এর ভিত্তিতে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের স্থান কত? 
  1. প্রথম স্থান
  2. দ্বিতীয় স্থান
  3. তৃতীয় স্থান
  4. চতুর্থ স্থান
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

• World Economic Forum (WEF) বা বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম The Inclusive Development Index প্রকাশ করে থাকে। এই রিপোর্টে বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক অর্থনীতির গতি-প্রকৃতি বিষয়ে বিশ্লেষণ থাকে।

বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম (World Economic Forum) কর্তৃক প্রকাশিত,
- Inclusive Delopment Index (IDI) সূচকের উদীয়মান অর্থনীতি বিভাগে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান — ৩৪তম।
- দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। প্রথম স্থানে রয়েছে নেপাল।
- ২০১৮ সালে Inclusive Delopment Index এর সর্বশেষ তথ্য বের হয়েছে।

Source: The Daily Star, 24.01.2018, World Economic Forum.
২,৩১২.
জাপান সরকারের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় খেতাবে ভূষিত হয়েছেন -
  1. ক) ড. আবুল বারকাত
  2. খ) ড. ইসরাইল খান
  3. গ) ড. রাজিয়া সুলতানা
  4. ঘ) সিরাজুল ফরিদ
ব্যাখ্যা
জাপান সরকারের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় খেতাব

জাপান সরকারের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় খেতাব 'অর্ডার অব দ্য রাইজিং সান, গোল্ড রে উইথ নেক রিবন ২০২২'-এ ভূষিত হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান, জাপানিজ স্টাডিজ বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান অর্থনীতিবিদ ড. আবুল বারকাত। 

- বাংলাদেশের শিক্ষাজগতে জাপান-বিষয়ক বহুমুখী অধ্যয়নের ভিত্তি স্থাপনে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে অধ্যাপক বারকাতকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়
- ১৮৭৫ সালে জাপানের সম্রাট মেইজি দ্য গ্রেট-এর রাজকীয় এক ফরমানবলে দ্য অর্ডার অব দ্য রাইজিং সান খেতাব প্রবর্তন করা হয়, যা দেশটির ইতিহাসে প্রবর্তিত প্রথম কোনও খেতাব।


তথ্যসূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, ডিসেম্বর ২০২২।
২,৩১৩.
'আমার সোনার বাংলা 'কবিতার কত চরণকে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে ঘোষণা করা হয়?
  1. ৪ চরণ
  2. ৮ চরণ
  3. ১০ চরণ
  4. ৬ চরণ
ব্যাখ্যা

• জাতীয় সঙ্গীত:
 -রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে প্রথম ৪ চরণ বাজানো হয়।
- বঙ্গভঙ্গের প্রেক্ষাপটে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত 'আমার সোনার বাংলা 'কবিতার প্রথম ১০ চরণকে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং তা গৃহীত  হয় ১৯৭২ সালের ১৩ জানুয়ারি।
- ১৯০৬ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক রচিত ‘আমার সোনার বাংলা’ শীর্ষক সঙ্গীতটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে গৃহীত হয়।
- জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের বিধান অনুযায়ী কণ্ঠে গাইতে গেলে দশ চরণ আর যন্ত্র সঙ্গীতে বাজাতে গেলে চার চরণ পর্যন্ত বাজাতে হবে।
-  বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত "আমার সোনার বাংলা" এর রচয়িতা ও সুরকার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, সংবিধান।

২,৩১৪.
প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে কে 'র‌্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার'(Ramon Magsaysay Award) লাভ করেন?
  1. ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী
  2. আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
  3. ড. জাফর ইকবাল
  4. তহফুন নেসা আবদুল্লাহ
ব্যাখ্যা

 - বাংলাদেশিদের মধ্যে প্রথম  'র‌্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার পান সমাজসেবী তহরুন্নেসা আবদুল্লাহ।(১৯৭৮)
-  বাংলাদেশের ১৩তম র‍্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার (২০২৩) বিজয়ী ব্যক্তি হলেন করভি রাকসান্দ।

'ম্যাগসেসে পুরস্কার':
- বাংলাদেশিদের মধ্যে প্রথম 'র‌্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার পান সমাজসেবী তহরুন্নেসা আবদুল্লাহ।

- তিনি ম্যাগসাইসাই পান ১৯৭৮ সালে।
- তিনি প্রধানত নারী সমবায় সমিতি গঠন ও পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ে কাজ করেন।
- পুরস্কারের ধরন: সমাজসেবা/কমিউনিটি লিডারশিপ।
- পরিচিতি: এশিয়ার নোবেলখ্যাত এই পুরস্কার ফিলিপাইনের ম্যানিলাভিত্তিক ফাউন্ডেশন থেকে দেওয়া হয়।

• বাংলাদেশ থেকে এখন পর্যন্ত ১৩ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি মর্যাদাপূর্ণ ম্যাগসেসে পুরস্কার পেয়েছেন।
- তহরুন্নেসা আবদুল্লাহ (১৯৭৮)।
- স্যার ফজলে হাসান আবেদ (১৯৮০)।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস (১৯৮৪)।
- ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (১৯৮৫)।
- রিচার্ড উইলিয়াম টিম (১৯৮৭)।
 - মোহাম্মদ ইয়াসিন (১৯৮৮)।
- অ্যাঞ্জেলা গোমেজ এ পুরস্কার পান ১৯৯৯ সালে।
- অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ ২০০৪ সালে।
- মতিউর রহমান ২০০৫ সালে
- এম নোমান খান ২০১০ সালে।
- সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ২০১২ সালে।
- বিজ্ঞানী ফেরদৌসী কাদরী ম্যাগসেসে পুরস্কার ২০২১ সালে।
- বাংলাদেশের ১৩তম র‍্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার (২০২৩) বিজয়ী ব্যক্তি হলেন করভি রাকসান্দ।

উৎস: ডেইলি স্টার পত্রিকা।[লিঙ্ক]

২,৩১৫.
বাংলাদেশের নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায়?
  1. ক) নারায়ণগঞ্জ
  2. খ) ফরিদপুর
  3. গ) চাঁদপুর
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

নদী গবেষণা ইনস্টিটিউটঃ
নদী মাতৃক এ বাংলাদেশ একটি অতি জটিল পলিভরণকৃত ব-দ্বীপ।
- অসংখ্য বিনুনি শাখা প্রশাখা সহ গঙ্গা-পদ্মা, ব্রহ্মপুত্র-যমুনা ও মেঘনা এ ৩টি অন্যতম প্রধান ও সুবৃহৎ আন্তর্জাতিক নদীমালা কর্তৃক বাহিত পলিতে গঠিত এ বাংলাদেশ।
- এতদবিষয়ে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে তৎকালীন সরকার ১৯৪৮ সালে ঢাকার গ্রীণরোডে প্রায় ১২ একর জমির উপর ‘‘হাইড্রলিক রিসার্চ ল্যাবরেটরী’’ নামে একটি গবেষণাগার স্থাপন করে।
- স্বাধীনতা উত্তরকালে ব্যাপক বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও গবেষণার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৮ সালে নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করে এবং ‘‘হাইড্রলিক রিসার্চ ল্যাবরেটরী’’ প্রতিষ্ঠানটি ইহার সহিত একীভূত করে।
- ১৯৮৯ সালে ফরিদপুর শহরের উপকন্ঠে ৮৬ একর জমির উপর এক মনোরম পরিবেশে নদী গবেষণা ইনষ্টিটিউট প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে পানি সম্পদ সেক্টরে বহুমুখী গবেষণা কার্যক্রম উত্তরোত্তর বৃদ্ধির লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ১৯৯০ সনের ৫৩নং আইন বলে নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট কেএকটি সংবিধিবদ্ধ স্বায়ত্ব-শাসিত সংস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে এবং বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিয়ন্ত্রণাধীন হতে আলাদা করে সরাসরি পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ন্যস্ত করে।

উৎসঃ বাংলাদেশ নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট ও ফরিদপুর জেলা ওয়েবসাইট।

২,৩১৬.
বাংলাদেশ কত সালে Permanent Court of Arbitration এর সদস্যপদ লাভ করে?  
  1. ক) ২০১২
  2. খ) ২০১৩
  3. গ) ২০১৪
  4. ঘ) ২০১৫
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ Permanent Court of Arbitration (PCA) এর সদস্যপদ লাভ করে - ২৬ ফ্রেব্রুয়ারি ২০১২ সালে।
• স্থায়ী সালিসী আদালত (Permanent Court of Arbitration) ১৮৯৯ সালে গঠিত হয়।
• আন্তর্জাতিক বিভিন্ন দেশ ও কমিউনিটির মধ্যে বিবাদের শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য এই আদালত স্থাপন করা হয়।
•  PCA এর সদরদপ্তর নেদারল্যান্ডসের হেগে (পিস প্যালেস) অবস্থিত।

উৎস: PCA ওয়েবসাইট।
২,৩১৭.
বাংলাদেশ জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের কততম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করে?
  1. ৩৮তম
  2. ৩৯তম
  3. ৪০তম
  4. ৪১তম
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন:

- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ২৯তম অধিবেশনে ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬ তম সদস্য।
- বাংলাদেশ ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করে।
- বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
- আনোয়ারুল করিম চৌধুরী ২০০১ সালে নিরাপত্তা পরিষদে সভাপতিত্ব করেন।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২,৩১৮.
সোনাকান্দা দুর্গ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. নারায়ণগঞ্জ
  2. দিনাজপুর
  3. সাভার
  4. কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
সোনাকান্দা দুর্গ:
- সোনাকান্দা দুর্গ  শীতলক্ষ্যা নদীর পূর্বতীরে নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দরে অবস্থিত একটি মুগল জলদুর্গ।
- হাজীগঞ্জ দুর্গের প্রায় বিপরীত দিকে এ দুর্গের অবস্থান।
- নদীপথে ঢাকার সাথে সংযোগকারী গুরুত্বপূর্ণ নদীপথগুলির নিরাপত্তা বিধানের জন্য মুগলগণ কতকগুলি জলদুর্গ নির্মাণ করেছিলেন, সোনাকান্দা দুর্গ তার অন্যতম।
- বন্দর উপজেলা সদর হতে ১.৫ কিঃ মিঃ দূরত্বে অবস্থিত এ দূর্গটি ঐতিহাসিক পুরাকীর্তির একটি নিদর্শণ।
- আনুমানিক ১৬০০ খ্রিষ্টাব্দে সুলতান মীর জুমলা ধলেশ্বরী ও শীতলক্ষ্যা নদীতে জলদস্যুদের নিধন করার জন্য শীতলক্ষ্যা নদীর পূর্ব তীরবর্তী সোনাকান্দা এলাকায় এ দূর্গটি স্থাপন করেন।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৩১৯.
বাংলাদেশ সম্প্রতি নিচের কোনটির নির্বাহী বোর্ডের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছে?
  1. বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি
  2. জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল
  3. ইউনিসেফ
  4. জাতিসংঘ অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সম্প্রতি (২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২) প্রথমবারের মতো বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (WFP) নির্বাহী বোর্ডের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছে।
ইতালিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এবং FAO, IFAD ও WFP তে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি শামীম আহসান বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

এছাড়া, জাতিসংঘের বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাবাব ফাতিমা সম্প্রতি UN Women এর নির্বাহী বোর্ডের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছে।

অন্যদিকে,
- ইউনিসেফ বোর্ড প্রেসিডেন্ট : রদ্রিগো এ. কারাজো (কোস্টারিকা)
- জাতিসংঘ জনসখংখ্যা তহবিল বোর্ড প্রেসিডেন্ট : ইউকো ব্র্যান্ডিথ (নেদারল্যান্ডস)
- অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন বোর্ড প্রেসিডেন্ট : মুনির আকরাম (কোলেন ভিক্সেন কেলাপাইল (বতসোয়ানা)।

(তথ্যসূত্র: সংস্থাগুলোর সরকারি ওয়েবসাইট)
২,৩২০.
'আবার তোরা মানুষ হ' চলচ্চিত্রটির পরিচালক কে?
  1. আলমগীর কবির
  2. হারুনর রশীদ
  3. খান আতাউর রহমান
  4. নারায়ণ ঘোষ মিতা
ব্যাখ্যা
আবার তোরা মানুষ হ (১৯৭৩):
- চলচ্চিত্রটির পরিচালক খান আতাউর রহমান।
- এ চলচ্চিত্রে যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ের সামাজিক বিশৃঙ্খলা ও অবক্ষয়ের চিত্র উঠে এসেছে।
- বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন ফারুক, রাইসুল ইসলাম আসাদ, ববিতা, রোজী আফসারী, রওশন জামিলসহ অনেকে।
- এখানে আছে উচ্ছৃঙ্খল ছাত্র ও তরুণদের কার্যকলাপ এবং একজন আদর্শবাদী অধ্যক্ষের দৃঢ়তা।

উৎস: ২৮ ডিসেম্বর, ২০২১, প্রথম আলো।
২,৩২১.
স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী উত্তর আমেরিকান প্রথম দেশ -
  1. বার্বাডোস
  2. মেক্সিকো
  3. কানাডা
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী,
- প্রথম উত্তর আমেরিকার দেশ- বার্বাডোস
- ১৯৭২ সালের ২০ জানুয়ারি বার্বাডোস বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।

- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৪ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি ফ্রান্স ও কানাডা বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল।

- প্রথম সমাজতান্ত্রিক বা ইউরোপীয় দেশ- পূর্ব জার্মানি।
- ১১ জানুয়ারি, ১৯৭২ সালে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় পূর্ব জার্মানি।
- ১২ জানুয়ারি, ১৯৭২ সালে পোল্যান্ড বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- প্রথম দক্ষিণ আমেরিকার দেশ- ভেনেজুয়েলা।

- প্রথম মুসলিম দেশ বা আফ্রিকান দেশ- সেনেগাল।
- প্রথম আরব বা মধ্যপ্রাচ্যের দেশ- ইরাক।
- প্রথম উপসাগরীয় দেশ- কুয়েত।
- প্রথম ওশেনিয়ার দেশ- টোংগা।

উৎস:- ইউএস স্টেট ডিপার্টমেন্ট ওয়েবসাইট, কালের কণ্ঠ এবং বাংলাদেশ প্রতিদিন।
২,৩২২.
পৃথিবীর দীর্ঘতম কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের দৈর্ঘ্য কত কিলোমিটার?
  1. ১২৫
  2. ১৪০
  3. ১২০
  4. ১৬১
ব্যাখ্যা
দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত:
- পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত।
- ইংরেজ ক্যাপ্টেন মি. হেরাম কক্স (Captain Hiram Coxs)-এর নামানুসারে এ জায়গার নামকরণ হয় কক্সবাজার।
- কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের দৈর্ঘ্য ১২০ কিলোমিটার।
- সমুদ্রের তীর ঘেঁষে গড়ে উঠা সংরক্ষিত বনভূমি সমৃদ্ধ ৯৬ কিলোমিটার পাহাড়ের সারি এখানকার অন্যতম বিরল প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য বলে বিবেচিত।
- সমুদ্র সৈকতের পথ ধরে ১০-১২ কিলোমিটার দক্ষিণে গেলে হিমছড়ি পিকনিক স্পট।
- এখানকার ঝর্ণা, ঝাউবন, পাহাড় আর বনানীর সৌন্দর্য্য চিত্তাকর্ষক। কক্সবাজারের সন্নিকটেই বৌদ্ধ তীর্থস্থান রামু।
- কক্সবাজারের উত্তর-পশ্চিমে সমুদ্র মাঝে রয়েছে মহেশখালী দ্বীপ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২,৩২৩.
বাংলাদেশের পক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে প্রথম সেঞ্চুরি করেন কে?
  1. এনামুল হক মণি
  2. মেহেরাব হোসেন অপি
  3. জাবেদ ওমর বেলিম
  4. আমিনুল ইসলাম বুলবুল
ব্যাখ্যা
টেস্টে প্রথম:
- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।
- ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ জয় পায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।
- প্রথম টেস্ট উইকেট শিকার করেছেন নাইমুর রহমান।
- প্রথম হাফ সেঞ্চুরি করেন হাবিবুল বাশার।
- প্রথম সেঞ্চুরি করেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি: মুশফিকুর রহিম।
- প্রথম ৫ উইকেট শিকার করেন নাইমুর রহমান।
- প্রথম ১০০ উইকেট মোহাম্মদ রফিকের।
- প্রথম ব্যক্তিগত হাজার রান সংগ্রাহক হাবিবুল বাশার।
- একমাত্র ১০ উইকেট’ শিকার করেন এনামুল হক জুনিয়র।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮।
২,৩২৪.
একুশে পদক প্রবর্তন করেন কে?
  1. বাংলা একাডেমী
  2. জিয়াউর রহমান
  3. খন্দকার মোশাররফ হোসেন
  4. হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
ব্যাখ্যা

একুশে পদক:
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার একুশে পদক।
- জিয়াউর রহমান একুশে পদক প্রবর্তন করেন ১৯৭৬ সালে। 
- বাংলাদেশ সরকারের 'সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়' এই পুরস্কার প্রদান করে।
- জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্যে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।

• একুশে পদক ২০২৬:
- ২০২৬ সালের একুশে পদকের জন্য দেশের নয়জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানকে মনোনীত করেছে সরকার।
- ব্যান্ড সংগীতের দল ওয়ারফেজ মনোনীত হয়েছে প্রতিষ্ঠান হিসেবে।

• একুশে পদক ২০২৬ প্রাপ্ত ব্যক্তি:
- চলচ্চিত্রে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ফরিদা আক্তার ববিতা,
- চারুকলায় অধ্যাপক মো. আব্দুস সাত্তার,
- স্থাপত্যে মেরিনা তাবাসসুম,
- সংগীতে আইয়ুব বাচ্চু,
- নৃত্যে অর্থি আহমেদ,
- নাট্যকলায় ইসলাম উদ্দিন পালাকার,
- সাংবাদিকতায় শফিক রেহমান,
- শিক্ষায় অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আলম মজুমদার ও
- ভাস্কর্যে তেজস হালদার যশ।

উৎস: ডেইলি স্টার বাংলা ও প্রথম আলো।

২,৩২৫.
নিচের কোন চলচ্চিত্রটি মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত?
  1. ক) ধীরে বহে মেঘনা
  2. খ) চিত্রা নদীর পাড়ে
  3. গ) সূর্য দীঘল বাড়ী
  4. ঘ) হাজার বছর ধরে
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত একটি চলচ্চিত্র হলো ‘ধীরে বহে মেঘনা’।
এটির পরিচালক আলমগীর কবির এবং পরিকল্পনাকারী জহির রায়হান।
ছবিটি ১৯৭৩ সালে মুক্তি পায়।
অন্যদিকে,
- চিত্রা নদীর পাড়ে : দেশভাগের পটভূমিতে
- সূর্য দীঘল বাড়ী : গ্রামীণ জীবন
- হাজার বছর ধরে : বাংলার আবহমান জীবনপ্রবাহ।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং দৈনিক প্রথম আলো)
২,৩২৬.
'তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা 
  2. খুলনা 
  3. রাজশাহী 
  4. হবিগঞ্জ
ব্যাখ্যা
তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ:
- তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলাধীন তেলিয়াপাড়ায় অবস্থিত।

⇒ এই স্মৃতিসৌধ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত স্মৃতিসৌধ।
- তেলিয়াপাড়া চা বাগানের বাংলোর পূর্ব দিকে নির্মাণ করা হয়েছে ২, ৩ ও ৪নং সেক্টরের শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মরণে তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ।
- ১৯৭৫ সালের জুন মাসে এ স্মৃতিসৌধের উদ্বোধন করেন প্রাক্তন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল কে এম শফিউল্লাহ।

উল্লেখ্য,
- মুক্তিযুদ্ধের প্রথম বৈঠক এখানে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ১৯৭১ সালের একাত্তর সালের ৪ এপ্রিল সামরিক বাহিনীর বাঙালি কর্মকর্তারা সিলেটের তেলিয়াপাড়া চা বাগানে এক বৈঠকে মিলিত হন। সেখানে তারা মুক্তিযুদ্ধের রণকৌশল প্রণয়ন করে। পরে এটি তেলিয়াপাড়া স্ট্র্যাটেজি নামে পরিচিত হয়। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় এম এ জি ওসমানী যুদ্ধে নেতৃত্ব দেবেন এবং বাংলাদেশকে চারটি সামরিক অঞ্চলে ভাগ করে সশস্ত্র যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া হবে। ১২-১৭ জুলাই কলকাতায় মুজিবনগর সরকারের নেতৃত্বে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ সংক্রান্ত একটি দীর্ঘ সম্মেলন হয়, সেখানেই তিনটি নিয়মিত বাহিনী তৈরি এবং বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বিবিসি বাংলা।
২,৩২৭.
টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বাংলাদেশের কোন ক্রিকেটার সর্বোচ্চ রান করেছে? (অক্টোবর, ২০২৪)
  1. তামিম ইকবাল
  2. মুশফিকুর রহিম
  3. সাকিব আল হাসান
  4. মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।] 

সম্প্রতি,  টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন সাকিব আল হাসান।  ক্যারিয়ারের শেষ টি-টোয়েন্টি খেলে ফেলেছেন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। 

এক নজরে সাকিবের T20 ক্যারিয়ার:
- বাংলাদেশের জার্সি গায়ে দীর্ঘ টি-২০ ক্যারিয়ারে সাকিব খেলেছেন মোট ১২৯টি ম্যাচ।
- ব্যাট হাতে করেছেন দেশের হয়ে সর্বোচ্চ ২৫৫১ রান। সর্বোচ্চ রান ৮৪, ব্যাটিং গড় ২৩.১৯। 
- বল হাতে সাকিব নিয়েছেন ১৪৯ উইকেট। সেরা বোলিং ফিগার ২০ রানে ৫ উইকেট। ম্যাচে ৫ উইকেট নিয়েছেন দুইবার। তার বোলিং গড় ২০.৯১।

সূত্র- ক্রিকইনফো।
২,৩২৮.
কত সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়?
  1. ১৯৫৫ সালে
  2. ১৯৬০ সালে
  3. ১৯৬৫ সালে
  4. ১৯৭০ সালে
ব্যাখ্যা
- বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার দেওয়া হয় - ১৯৬০ সাল থেকে।

• বাংলা একাডেমি:
- বাংলা একাডেমি বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সর্ববৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ৩ ডিসেম্বর, ১৯৫৫ ঢাকার বর্ধমান হাউসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- আবু হোসেন সরকার ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক বর্ধমান হাউসে বাংলা একাডেমির উদ্বোধন করেন।
- প্রথম মহপরিচালক - প্রফেসর মযহারুল ইসলাম।
- বাংলা একাডেমির প্রথম সভাপতি মাওলানা আঁকরাম খাঁ (১৯৬১ সাল)।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
২,৩২৯.
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ শুরু হয় কোন বছর?
  1. ১৯৮৪ সালে
  2. ১৯৮৮ সালে
  3. ১৯৯৪ সালে
  4. ১৯৯৮ সালে
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ:
- জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের দীর্ঘ ইতিহাসের শুরু জাতিসংঘের জন্মের মাত্র তিন বছর পর ১৯৪৮ সালে থেকে।
- জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশের যাত্রা শুরু ১৯৮৮ সালে।
- সে সময় এ দেশের উর্দি পরা সদস্যদের ইরান ও ইরাকের মধ্যে অস্ত্রবিরতি পর্যবেক্ষণে মোতায়েন করা হয়েছিল।

⇒ ১৯৮৮ সালে সেনাবাহিনীর ১৫ সদস্যের একটি পর্যবেক্ষকদল ইরাক-ইরান শান্তি রক্ষা কার্যক্রমে যোগ দেয়।
- এর মাধ্যমে জাতিসংঘের পতাকাতলে শান্তি রক্ষা মিশনে কাজ শুরু করে বাংলাদেশ।
- এক বছর পর ১৯৮৯ সালে বাংলাদেশ পুলিশ নামিবিয়ায় জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা কার্যক্রমে যোগ দেয়।
- মুসলিমপ্রধান দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশই সর্বপ্রথম ২০১০ সালে জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে পুলিশের নারী দল পাঠায়।

উৎস: United Nations in Bangladesh ওয়েবসাইট।
২,৩৩০.
'সংশপ্তক' ভাস্কর্য কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
  3. চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
  4. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা

সংশপ্তক:
- ‘সংশপ্তক’ মহান মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে নির্মিত ভাস্কর্য।
- মুক্তিযুদ্ধে অকুতোভয় বাঙালির বীরত্বগাথার স্মারক এই ভাস্কর্য।।
- জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার ভবনের সামনে এই ভাস্কর্যটির অবস্থান।
- চার স্তরের লাল সিরামিক ইটের বেদির ওপর ব্রোঞ্জের তৈরি ভাস্কর্য
- এর উচ্চতা ১৫ ফুট।
- ১৯৯০ সালের ২৬ মার্চ, ভাস্কর্য স্থাপিত হয়।
- এর ভাস্কর স্থপতি হামিদুজ্জামান খান।
- ভাস্কর্যটিতে মূর্ত হয়েছে যুদ্ধে শত্রুর আঘাতে এক হাত ও এক পা হারিয়েও বন্দুক হাতে লড়ে যাওয়া এক বীরের প্রতিকৃতি।
- যিনি পঙ্গুত্ববরণ করেও নির্ভীক এবং যুদ্ধে জয়লাভে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

২,৩৩১.
সর্বশেষ জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে কোনটি? [১৪ ডিসেম্বর, ২০২৪]
  1. মধুপুরের আনারস
  2. সিলেটের মনিপুরি শাড়ি
  3. সুন্দরবনের মধু
  4. শেরপুরের ছানার পায়েস
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

জিআই(GI) পণ্য:

- জিআই (GI) এর পূর্ণরুপ হলো (Geographical indication) ভৌগলিক নির্দেশক।
- WIPO (world intellectual property organization) হলো জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রতিষ্ঠান।
- ভৌগোলিক নির্দেশক (Geographical indication) হচ্ছে একটি প্রতীক বা চিহ্ন, যা পণ্য ও সেবার উৎস, গুণাগুণ ও সুনাম ধারণ এবং প্রচার করে।
- কোনো দেশের আবহাওয়া ও পরিবেশ যদি কোনো পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো গুরুত্ব রাখে, সেই দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে যদি বিষয়টি সম্পর্কিত হয়, তাহলে সেটাকে সে দেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

বাংলাদেশের GI পণ্য সমূহ:
- দেশের প্রথম ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (জিআই) হিসেবে নিবন্ধন পায় জামদানি।
- সর্বশেষ জিআই পণ্য হিসেবে শেরপুরের ছানার পায়েস স্বীকৃতি পেয়েছে। [১৪ ডিসেম্বর,২০২৪]
- ব্রিটিশ আমলে শেরপুরের ঘোষপট্টিতে প্রথম ছানার পায়েস তৈরি হয়।

তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার নিউজ। [link]
২,৩৩২.
জহির রায়হানের 'আরেক ফাল্গুন' কোন পটভূমিতে রচিত উপন্যাস?
  1. ক) মুক্তিযুদ্ধ
  2. খ) ভাষা আন্দোলন
  3. গ) ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
  4. ঘ) ছয় দফা
ব্যাখ্যা
- জহির রায়হান একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশী কথাসাহিত্যিক এবং চলচ্চিত্র পরিচালক।
- তাঁর আসল নাম ছিল মোহাম্মদ জহিরুল্লাহ।
- 'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাসের রচয়িতা জহির রায়হান।
- 'আরেক ফাল্গুন' ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম উপন্যাস। 
- এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৬৯ সালে।
- এই উপন্যাসের পটভূমি বায়ান্নর রক্তস্নাত ভাষা আন্দোলন।
- এছাড়াও তাঁর রচিত অন্যান্য উপন্যাস- 
শেষ বিকেলের মেয়ে (প্রথম উপন্যাস),
বরফ গলা নদী,
আর কতদিন,
কয়েকটি মৃত,
তৃষ্ণা, এ
কুশে ফেব্রুয়ারি। 

উৎস: লাইভ এমসিকিউ লেকচার এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২,৩৩৩.
Bangladesh Special Economic Zone (BSEZ) is located in -
  1. ক) Mirsrai, Chittagong
  2. খ) Araihajar, Narayanganj
  3. গ) Savar, Dhaka
  4. ঘ) Ghazaria, Munshiganj
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ স্পেশাল ইকোনমিক জোন (BSEZ) বা জাপানিজ অর্থনৈতিক অঞ্চল নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে অবস্থিত।

বাংলাদেশ সরকার এবং জাপানের যৌথ উদ্যোগের নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার উপজেলায় এক হাজার একর জমির উপর জাপানি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে।
২০১৯ সালে এটি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দুইদেশের মধ্যে সরকারি পর্যায়ে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ স্পেশাল ইকোনমিক জোন লিমিটেড গঠিত হয় যা অর্থনৈতিক অঞ্চলটির সার্বিক তদারকি করছে। 

(তথ্যসূত্র: বেজা ওয়েবসাইট এবং বনিক বার্তা)
২,৩৩৪.
নিচের কোন বাংলাদেশি 'ম্যাগসেসে পুরস্কার' বিজয়ী নন?
  1. ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী
  2. করভী রাসখান্দ
  3. আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ
  4. ড. আনিসুজ্জামান
ব্যাখ্যা
ম্যাগসেসে পুরস্কার:
- ফিলিপাইনের সপ্তম প্রেসিডেন্ট র‌্যামন ম্যাগসেসের নামে প্রতিষ্ঠিত র‌্যামন ম্যাগসেসে অ্যাওয়ার্ড ফাউন্ডেশনের বোর্ড অব ট্রাস্টিস এ পুরস্কার দিয়ে থাকে।
- এশিয়ার নোবেলখ্যাত এই র‌্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার।
- ২০২৩ সালে এই পুরস্কার পেয়েছেন জাগো ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা করভী রাখসান্দ।
- ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় প্রতিবছর ৩১ আগস্ট এ পুরস্কার দেওয়া হয়।
- ৩১ আগস্ট র‌্যামন ম্যাগসাইসাইয়ের জন্মদিন।
- করভী রাখসান্দ বাংলাদেশ থেকে সম্মানজনক এই পুরস্কার পাওয়া ত্রয়োদশ ব্যক্তি।
- উল্লেখ্য, বাংলাদেশিদের মধ্যে প্রথম ম্যাগসাইসাই পান সমাজসেবী তহরুন্নেসা আবদুল্লাহ। 

ম্যাগসেসে পুরস্কার পাওয়া বাংলাদেশের অন্য ১২ জন:
- ফেরদৌস কাদরী, তহরুন্নেসা আবদুল্লাহ, স্যার ফজলে হাসান আবেদ, ড. মুহাম্মদ ইউনূস, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, রিচার্ড উইলিয়াম টিম, মোহাম্মদ ইয়াসিন, অ্যাঞ্জেলা গোমেজ, আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ, মতিউর রহমান, এ এইচ এম নোমান খান, সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

উৎস: i) ৩১ আগস্ট, ২০২১, প্রথম আলো।
         ii) ১ সেপ্টেম্বর ২০২৩, যুগান্তর।
২,৩৩৫.
Let There Be Light ছবিটি পরিচালনা করেন কে?
  1. ক) তারেক মাসুদ
  2. খ) শাহরিয়ার কবির
  3. গ) জহির রায়হান
  4. ঘ) তানভীর মোকাম্মেল
ব্যাখ্যা
- Let There Be Light ছবিটি পরিচালনা করেন জহির রায়হান।
জহির রায়হান পরিচালিত অন্যান্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে:
- Stop Genocide
- জীবন থেকে নেওয়া
- কখনও আসেনি
- কাজল
- কাঁচের দেয়াল
- বেহুলা
- আনোয়ারা
- সঙ্গম
- বাহানা প্রভৃতি।
(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
২,৩৩৬.
Which Bangladeshi player's name has been included in Guinness book records?
  1. Salma khatun
  2. Zobera Rahman Linu
  3. Rani Hamid
  4. Shakib Al Hassan
ব্যাখ্যা
জোবেরা রহমান লিনু: 
- জোবেরা রহমান লিনু বাংলাদেশের বিখ্যাত টেবিল টেনিস খেলোয়াড়।
- বাংলাদেশের টেবিল টেনিসের রেকর্ড ১৬ বারের চ্যাম্পিয়ন তিনি।
-  ১৯৭৭ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত ১৬ বার জাতীয় চ্যাম্পিয়ন তিনি।
- তিনটি বাংলাদেশ গেমস শিরোপা।
- টেবিল টেনিসে লিনুর এই কীর্তি গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে ঠাঁই করে নিয়েছে।
- বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের ইতিহাসেও লিনু হয়েছেন অনন্য। 

উৎস: ১২ জানুয়ারি, ২০২১, কালের কন্ঠ। 
২,৩৩৭.
শান্তিতে নোবেল বিজয়ী প্রথম বাংলাদেশি-
  1. ক) অমর্ত্য সেন
  2. খ) ডঃ মুহাম্মদ ইউনূস
  3. গ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  4. ঘ) সঞ্জীব চৌধুরী
ব্যাখ্যা
অধ্যাপক ডঃ মুহাম্মদ ইউনূস:

- জন্ম: ২৮ জুন ১৯৪০ (বয়স ৭৪)চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ।
- কাজের ক্ষেত্র: ক্ষুদ্রঋণ, কল্যাণমূলক অর্থনীতি, নীতিবিদ্যা ।
- শিক্ষায়তন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ভ্যান্ডারবিল্ট ইউনিভার্সিটি ।
- অবদান: গ্রামীণ ব্যাংক, ক্ষুদ্রঋণ ।
- পুরস্কারস: স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার (১৯৮৭),বিশ্ব খাদ্য পুরস্কার (১৯৯৪),নোবেল শান্তি পুরস্কার (২০০৬), প্রেসিডেনশিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম (২০০৯)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২,৩৩৮.
'টাঙ্গুয়ার হাওড়'কে বাংলাদেশের দ্বিতীয় 'রামসার সাইট' হিসেবে ঘোষণা করা হয়?
  1. ১৯৯৭ সালে
  2. ১৯৯৮ সালে
  3. ১৯৯৯ সালে
  4. ২০০০ সালে
ব্যাখ্যা
টাঙ্গুয়ার হাওর:
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মিঠা পানির জলাভূমি টাঙ্গুয়ার হাওর সিলেটের সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।
- হাওরটি সুনামগঞ্জ শহর থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে তাহিরপুর ও ধর্মপাশা উপজেলায়।
- প্রায় ১০০ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত এই হাওরের স্থানীয় নাম বেশ মজার, ‘নয়কুড়ি কান্দার ছয়কুড়ি বিল’।
- ২০০০ সালের ২৯ জানুয়ারি এই হাওরকে বাংলাদেশের দ্বিতীয় ‘রামসার সাইট’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ভারতের মেঘালয় পাহাড় থেকে ৩৮টি ঝরনা নেমে এসে মিশেছে টাঙ্গুয়ার হাওরে।
- হাওরের প্রধান বিল ৫৪টি।, তবে ছোট-বড় মিলে মোট বিল আছে ১০৯টি।
- ভারতের মেঘালয়ের খাসিয়া, জৈন্তা পাহাড়ের পাদদেশে সারি সারি হিজল-করচ শোভিত, পাখিদের কলকাকলি মুখরিত টাংগুয়ার হাওর মাছ, পাখি এবং অন্যান্য জলজ প্রাণীর এক বিশাল অভয়াশ্রম।
- এটি একটি মাদার ফিশারী।

উৎস: i) বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) কালের কন্ঠ।
২,৩৩৯.
'সামাজিক ব্যবসা' ধারণাটির প্রবক্তা কে?
  1. ফজলে হাসান আবেদ
  2. রেহমান সোবহান
  3. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  4. আবুল মনসুর আহমদ
ব্যাখ্যা
সামাজিক ব্যবসা’ তত্ত্ব:
- সামাজিক ব্যবসা (Social Business) হচ্ছে এমন ধরনের ব্যবসা যেখানে উদ্যোক্তা বা বিনিয়োগকারী একটি সামাজিক সমস্যা সমাধানের জন্য ব্যক্তিগত লাভের আশা ছাড়াই বিনিয়োগ করেন।
- সামাজিক ব্যবসায়ের ধারণাটি হলো, যে ব্যবসায় মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে নয় বরং সমাজের কল্যাণ সাধনের জন্য বিনিয়োগকারীগণ অর্থ বিনিয়োগ করে এবং নির্দিষ্ট সময় শেষে বিনিয়োগকারীগন তাদের অর্থ ফেরত পান তাকেই সামাজিক ব্যবসায় বলে।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস হলেন বাংলাদেশের অর্থনীতিবিদ এবং সামাজিক ব্যবসা (Social Business) তত্ত্বের প্রবক্তা।

⇒ ২০০৯ সালের জানুয়ারি মাসে দাভোসে অনুষ্ঠিত বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরমের সম্মেলনে তিনি সামাজিক ব্যবসার ৭টি মূলনীতি ঘোষণা করেন।
১। দারিদ্র বিমোচনসহ এক বা একাধিক বিষয় যেমন- শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রযুক্তি ও পরিবেশগত খাতে বিরাজমান সমস্যার সমাধানের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিগত মুনাফাবিহীন কল্যাণকর ব্যবসা এটি।
২। সকলের অর্থনৈতিক সক্ষমতা অর্জন করাই এ ব্যবসার লক্ষ্য।
৩। সামাজিক ব্যবসায় বিনিয়োগকারীরা শধু তাদের বিনিয়োগকৃত অর্থই ফেরত পাবে, এর বাহিরে কোনো প্রকার লভ্যাংশ নিতে পারবে না।
৪। বিনিয়োগকারী তার বিনিয়োগকৃত অর্থ ফেরত নেয়ার পর বিনিয়োগকৃত অর্থের মুনাফা কোম্পানীর সম্প্রসারণ কাজে ব্যবহৃত হবে।
৫। এ ব্যবসা হবে পরিবেশ বান্ধব।
৬। এখানে যারা কাজ করবেন তারা ভালো কাজের পরিবেশ ও চলমান বাজার অনুযায়ী বেতন-ভাতা পাবেন।
৭। সামাজিক ব্যবসা হবে আনন্দের সাথে ব্যবসা।

উৎস: i) Yunus Centre.
ii) দৈনিক ইত্তেফাক।
২,৩৪০.
কোনটি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চলাচলকারী ট্রেন নয়?
  1. ক) মিতালী এক্সপ্রেস
  2. খ) মেঘনা এক্সপ্রেস
  3. গ) মৈত্রী এক্সপ্রেস
  4. ঘ) বন্ধন এক্সপ্রেস
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চলাচলকারী ট্রেন - ৩টি।
- এগুলো হলো:- মৈত্রী এক্সপ্রেস, মিতালী এক্সপ্রেস, বন্ধন এক্সপ্রেস।
- মেঘনা এক্সপ্রেস  চাদপুর-চট্রগ্রাম রুটে চলাচলকারী একটি ট্রেন।

এছাড়াও,
- ঢাকা- রাজশাহী রুটে বিরতিহীন নতুন আন্তঃনগর ট্রেন হলো বনলতা এক্সপ্রেস।
- ২৫ এপ্রিল ২০১৯ প্রধানমন্ত্রী এ ট্রেন উদ্বোধন করেন।
- ১২ টি কম্পার্টমেন্টের এই ট্রেন সপ্তাহে শনি থেকে বৃহঃবার ঢাকা - রাজশাহী রুটে বিরতিহীন চলাচল করে।

উৎস:- দৈনিক যুগান্তর ও বাংলাদেশ রেলওয়ে।
২,৩৪১.
‘শেখ হাসিনা জাতীয় যুব ‍উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের’ পরিবর্তিত নতুন নাম কী?
  1. বাংলাদেশ যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউট
  2. জাতীয় যুব উন্নয়ন কর্পোরেশন
  3. জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউট
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

- ‘শেখ হাসিনা জাতীয় যুব ‍উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের’ নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। শেখ হাসিনার নাম বাদ দিয়ে এর নাম করা হয়েছে জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউট।
- রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে এসংক্রান্ত শেখ হাসিনা জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৪ জারি করেছেন।
- রাষ্ট্রপতি ২০২৪ সালের ২৫ আগস্ট অধ্যাদেশ জারি করার পর ২৭ আগস্ট তা গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়। 
- আইনে বলা হয়েছে, ২০১৮ সালের ১৪ নম্বর আইনের ধারা ১-এর সংশোধন করা হয়েছে। উল্লিখিত ‘শেখ হাসিনা’ শব্দটি বিলুপ্ত হবে। আইনে অন্যান্য যেসব জায়গায় ‘শেখ হাসিনা’ শব্দটি রয়েছে সেটাও বিলুপ্ত করার কথা বলা হয়েছে।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পর এই প্রথম কোনো প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন করে অধ্যাদেশ জারি হয়েছে। 

জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউট
-  বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন প্রচেষ্টায় যুব উন্নয়ন বিষয়ক কার্যক্রম এদেশের উন্নয়ন মাত্রার গতি নির্ধারক।
- যুবদের উদ্যোগ ও উদ্ভাবনী ক্ষমতার সঠিক বিকাশ ও উপযুক্ত লালনের জন্য প্রয়োজন পরিপূর্ণ শিক্ষা ও উপযুক্ত প্রশিক্ষণ।
- যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের আওতায় ২৭১০.২৪ লক্ষ টাকা বরাদ্দে একটি উন্নয়ন প্রকল্প হিসাবে ১৯৯৮ইং সনে শেখ হাসিনা জাতীয় যুব ইন্সটিটিউটের যাত্রা শুরু হয়।

তথ্যসূত্র: জাতীয় যুব উন্নয়ন ইন্সটিটিউট। 
২,৩৪২.
চাকমা ভাষায় নির্মিত বাংলাদেশের প্রথম সিনেমা কোনটি?
  1. Blue Sky
  2. My Dream
  3. My Bicycle
  4. The Hilltop
ব্যাখ্যা

'মর থেংগারি:
- 'মর থেংগারি/My Bicycle' বাংলাদেশে নির্মিত চাকমা ভাষার প্রথম চলচ্চিত্র।

⇒ 'মর থেংগারি' চলচ্চিত্রের পরিচালক অং রাখাইন।
- চাকমা ভাষায় 'মর থেংগারি' শব্দের অর্থ আমার বাইসাইকেল (My Bicycle)।
- সিনেমার কাহিনি আবর্তিত হয়েছে পাহাড়ঘেড়া এক গ্রামের কমল নামের চাকমা যুবককে ঘিরে।
- বাংলাদেশে ১৩ তম আন্তর্জাতিক স্বল্পদৈর্ঘ্য ও মুক্ত চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয়েছে চাকমা ভাষার চলচ্চিত্র 'মর থেংগারি'।

উৎস: বিবিসি।

২,৩৪৩.
নারী শিক্ষায় বিশেষ অবদানের জন্য ২০২৫ সালে বেগম রোকেয়া পদক কে পেয়েছেন? 
  1.  ড. শিরীন আখতার
  2. ড. নীলা চৌধুরী
  3. ড. রুভানা রাকিব
  4. ড. ফারজানা ইসলাম
ব্যাখ্যা

- নারী শিক্ষায় বিশেষ অবদানের জন্য ২০২৫ সালে বেগম রোকেয়া পদক পেয়েছেন-    ড. রুভানা রাকিব। 

• বেগম রোকেয়া পদক ২০২৫:
-  ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে রোকেয়া দিবস পালন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নারীশিক্ষা, নারী অধিকার, মানবাধিকার ও নারী জাগরণে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে চারজনের হাতে রোকেয়া পদক তুলে দেওয়া হয়। 
পদক প্রাপ্তরা হলেন-
- নারীশিক্ষা শ্রেণিতে (গবেষণা) - রুভানা রাকিব, 
- নারী অধিকার শ্রেণিতে (শ্রম অধিকার) - কল্পনা আক্তার, 
- মানবাধিকার শ্রেণিতে - নাবিলা ইদ্রিস, 
- নারী জাগরণ শ্রেণিতে (ক্রীড়া) - ঋতুপর্ণা চাকমা।

তথ্যসূত্র: মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়। 

২,৩৪৪.
বাংলাদেশ-ভারত যৌথ নদী কমিশন (JRC) কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. মার্চ, ১৯৭২
  2. নভেম্বর, ১৯৭২
  3. জানুয়ারি, ১৯৭৩
  4. মার্চ, ১৯৭৩
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ-ভারত যৌথ নদী কমিশন (JRC):
- ১৯৭২ সালে ঢাকায় বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবর রহমান এবং ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর মধ্যে আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষর শেষে ১৯ মার্চ, ১৯৭২ তারিখে যৌথ ঘোষণার মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭২ সালের জুন মাস থেকেই যৌথ নদী কমিশন (জে.আর.সি) তার কার্যক্রম শুরু করলেও এর কার্যবিধি ১৯৭২ সালের ২৪ নভেম্বর ঢাকায় স্বাক্ষরিত হয়। ভারতের নয়াদিল্লীতেও অনুরূপ একটি যৌথ নদী কমিশন রয়েছে।

• বাংলাদেশ হিমালয় থেকে উৎসরিত ৩টি বৃহৎ নদীঃ গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনার পলল দ্বারা সৃষ্টি হয়েছে। এটি পৃথিবীর একটি অন্যতম বৃহৎ বদ্বীপ। বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে প্রায় ৪০৫টি নদী প্রবাহিত হচ্ছে। এ নদীগুলোর মধ্যে ৫৭টি হচ্ছে আন্তঃসীমান্ত নদী যার মধ্যে ৫৪টি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অভিন্ন এবং ৩টি বাংলাদেশ ও মায়ানমারের মধ্যে অভিন্ন।

• ১৯৭২ সালের মার্চ মাসে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ ও প্রজাতন্ত্রী ভারত সরকারের প্রধানমন্ত্রীদ্বয়ের মধ্যে যৌথ ঘোষণার মাধ্যমে দু’দেশের বিশেষজ্ঞ সমন্বয়ে অভিন্ন নদীর ব্যাপক জরিপ কার্যক্রম পরিচালন এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে প্রকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণের বিস্তারিত প্রকল্প প্রণয়ন ও প্রধান প্রধান নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও সেচ প্রকল্পের উপর সমীক্ষা পরিচালন, উভয় দেশের জনগণের পারস্পরিক সুবিধা অর্জনের লক্ষ্যে এতদাঞ্চলের পানি সম্পদের ন্যায়সঙ্গত ব্যবহার এবং বাংলাদেশের সাথে ভারত সংলগ্ন এলাকায় পাওয়ার গ্রীড সংযোজনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য স্থায়ী ভিত্তিতে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশন গঠিত হয়।
- উক্ত ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৭২ সালের ২৪ নভেম্বর অংশগ্রহণকারী দুদেশের মধ্যে যোগাযোগ অব্যাহত রেখে সর্বাধিক যৌথ ফলপ্রসূ প্রচেষ্টার মাধ্যমে অভিন্ন নদীসমূহ থেকে সর্বোচ্চ সুফল প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশনের স্ট্যাটিউট স্বাক্ষরিত হয়।
- ভারত-বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশনের বাংলাদেশ পক্ষের কাজ সম্পাদনে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সংযুক্ত দপ্তর হিসেবে যৌথ নদী কমিশন, বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা হয়।

• রূপকল্প (Vision): টেকসই পানি নিরাপত্তার লক্ষ্যে আন্তঃসীমান্ত নদীর পানি সম্পদের ন্যায়সঙ্গত বণ্টন ও যৌথ ব্যবস্থাপনা।
• অভিলক্ষ্য (Mission): আন্তঃসীমান্ত নদী অববাহিকাভূক্ত দেশ এর সাথে পানি বণ্টন চুক্তি স্বাক্ষর এবং পানি সম্পদের যৌথ ব্যবস্থাপনা।

উৎস: i) যৌথ নদী কমিশন ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।

২,৩৪৫.
Which of the following is the longest marine drive in the world?
  1. Cox's Bazar-Teknaf
  2. Mumbai
  3. Nova-Sotia
  4. Kochi
  5. None
ব্যাখ্যা
বিশ্বের দীর্ঘতম মেরিন ড্রাইভ রোড কক্সবাজার থেকে টেকনাফ।

দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত:
- পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত।
- ইংরেজ ক্যাপ্টেন মি. হেরাম কক্স (Captain Hiram Coxs)-এর নামানুসারে এ জায়গার নামকরণ হয় কক্সবাজার।
- কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের দৈর্ঘ্য ১২০ কিলোমিটার।
- সমুদ্রের তীর ঘেঁষে গড়ে উঠা সংরক্ষিত বনভূমি সমৃদ্ধ ৯৬ কিলোমিটার পাহাড়ের সারি এখানকার অন্যতম বিরল প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য বলে বিবেচিত।

এছাড়া,
- বিশ্বের দীর্ঘতম মেরিন ড্রাইভ রোড কক্সবাজার থেকে টেকনাফ পর্যন্ত অবস্থিত প্রায় ৮০ কিলোমিটার সড়ক।
- এর একদিকে বঙ্গোপসাগর এবং অন্যদিকে সবুজ পাহাড়। 
 
উৎস: ৬ মে, ২০১৭, The Daily Star বাংলা।
২,৩৪৬.
সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে বর্তমানে বয়স্ক ভাতাভোগীর সংখ্যা কত? [মে, ২০২৫]
  1. ৪০.০১ লক্ষ জন
  2. ৫০.০১ লক্ষ জন
  3. ৬০.০১ লক্ষ জন
  4. ৭০.০১ লক্ষ জন
ব্যাখ্যা
বয়স্কভাতা কর্মসূচি:
- দেশের বয়োজ্যেষ্ঠ দুস্থ ও স্বল্প উপার্জনক্ষম অথবা উপার্জনে অক্ষম বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা বিধানে ও পরিবার ও সমাজে মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৯৭-৯৮ অর্থ বছরে ‘বয়স্কভাতা’ কর্মসূচি প্রবর্তন করা হয়।
- প্রাথমিকভাবে দেশের সকল ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি ওয়ার্ডে ৫ জন পুরুষ ও ৫ জন মহিলাসহ ১০ জন দরিদ্র বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিকে প্রতিমাসে ১০০ টাকা হারে ভাতা প্রদানের আওতায় আনা হয়।
- পরবর্তীতে দেশের সকল পৌরসভা ও সিটিকর্পোরেশনকে এ কর্মসূচির আওতাভুক্ত করা হয়।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৫৮ লক্ষ ০১ হাজার বয়স্ক ব্যক্তিকে জনপ্রতি মাসিক ৬০০ টাকা হারে ভাতা প্রদান করা হয় এবং এ খাতে বাজেট ৪২০৫.৯৬ কোটি টাকা।
- (২০২৪-২৫) অর্থবছরে ৬০.০১ লক্ষ জন বয়স্ক ব্যক্তিকে জনপ্রতি মাসে ৬০০ টাকা হারে ভাতা প্রদান করা হয়। 
- বর্তমানে ব্যয় ৪৩৫০.৯৭ কোটি টাকা। 

উৎস: সমাজসেবা অধিদফতর।
২,৩৪৭.
বাংলাদেশ শিশু একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার চালু হয় কত সালে?
  1. ১৯৮৮ সালে
  2. ১৯৮৯ সালে
  3. ১৯৯০ সালে
  4. ১৯৯১ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ শিশু একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার:
- শিশুসাহিত্যে সার্বিক অবদানের জন্য বাংলাদেশ শিশু একাডেমি বছরে একজন সাহিত্যসেবীকে এ পুরস্কার প্রদান করে।
- বাংলা ১৩৯৬ সন (১৯৮৯ খ্রি) থেকে এ পুরস্কার চালু করা হয়েছে।
- একজন কবি বা সাহিত্যিক জীবনে মাত্র একবার এ পুরস্কার লাভ করতে পারেন।
- এ পুরস্কার মরণোত্তর পুরস্কার হিসেবে দেওয়ার বিধান নেই।
- শিশু একাডেমি পুরস্কারের মান নগদ ২৫ হাজার টাকা।
- পুরস্কৃত সাহিত্যিককে নগদ অর্থ, সম্মাননা প্রতীক ও সম্মাননাপত্র প্রদান করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
২,৩৪৮.
বঙ্গবন্ধু শান্তিতে অবদানের জন্য কোন পদক লাভ করেন?
  1. ক) গান্ধী শান্তি পুরস্কার
  2. খ) জুলিও কুরি
  3. গ) স্বাধীনতা পদক
  4. ঘ) আন্তর্জাতিক শিশু শান্তি পুরস্কার
ব্যাখ্যা
• বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান:
- শান্তিতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বিশ্ব শান্তি পরিষদ' কর্তৃক 'জুলিও কুরি' শান্তি পদকে ভূষিত করে।
- ১৯৭২ সালের ১০ অক্টোবর চিলির সান্টিয়াগো শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্ব শান্তি পরিষদের সভায় বঙ্গবন্ধুকে ১৯৫০ সালে প্রবর্তিত জুলিও কুরি শান্তি পদকের জন্যে মনোনীত করা হয়।
- ১৯৭৩ সালের ২৩শে মে ঢাকায় বিশ্ব শান্তি পরিষদ আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে এর তৎকালীন মহাসচিব রমেশ চন্দ্র বঙ্গবন্ধুর হাতে জুলিও কুরি শান্তি পদক তুলে দেন।

উৎস: কারাগারের রোজনামচা ও আওয়ামীলীগ ওয়েবসাইট।
২,৩৪৯.
২০২৫ সালের নারী জাগরণ শ্রেণিতে বেগম রোকেয়া পদক পায় কে?
  1. সাবিনা আক্তার 
  2. সালমা খাতুন 
  3. ঋতুপর্ণা চাকমা
  4. নিগার সুলতানা জ্যোতি 
ব্যাখ্যা

 • বেগম রোকেয়া পদক ২০২৫: 
- নারীশিক্ষা, নারী অধিকার, মানবাধিকার ও নারী জাগরণে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এবার চার নারীকে রোকেয়া পদক ২০২৫ দেওয়া হচ্ছে।
-  ‘বেগম রোকেয়া পদক ২০২৫’ প্রাপ্ত চার নারী হচ্ছেন নারীশিক্ষা শ্রেণিতে (গবেষণা) রুভানা রাকিব,
- নারী অধিকার শ্রেণিতে (শ্রম অধিকার) কল্পনা আক্তার,
- মানবাধিকার শ্রেণিতে নাবিলা ইদ্রিস
- ও নারী জাগরণ শ্রেণিতে (ক্রীড়া) ঋতুপর্ণা চাকমা।
- জাতীয় পুরস্কার–সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি রোকেয়া পদকের জন্য ওই চারজনের নাম চূড়ান্তভাবে সুপারিশ করে।

উৎস: মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

২,৩৫০.
Which country has recognized Bengali language as one of their national languages?
  1. Mali
  2. Senegal
  3. Ivory Coast
  4. Liberia
  5. Sierra Leone
ব্যাখ্যা
সিয়েরা লিওনে বাংলা ভাষা:
- পশ্চিম আফ্রিকার একটি দেশ সিয়েরা লিওন।
- ২০০২ সালে সিয়েরা লিওনে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলা ভাষাকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
 
উল্লেখ্য,
- ১৯৯১ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত দেশটি  গৃহযুদ্ধে বিধ্বস্ত হয়েছে।
- সেই সময়টাতে সিয়েরা লিওনে শান্তি ফেরাতে বিপুল পরিমাণ শান্তি বাহিনী নিয়োগ করে জাতিসংঘ।
- তাদের বড় একটি অংশজুড়ে ছিল বাংলাদেশি সেনাবাহিনীর সদস্যরা।
- বিদ্রোহীদের দখলকৃত অঞ্চলগুলোকে মুক্ত করতে বাংলাদেশের সেনা সদস্যদের কার্যক্রম ছিল অনবদ্য।
- বাংলাদেশিরা যা করেছেন, তার জন্য সিয়েরা লিওনের সরকার কৃতজ্ঞ।
- ২০০২ এর কিছু আগে পরে শান্তি ফিরে আসে দেশটিতে। 
- প্রেসিডেন্ট আহমাদ তেজান কাব্বাহ কৃতজ্ঞতা জানাতে এবং বাংলাদেশি সেনা সদস্যদের ভূমিকাকে চিরস্মারণীয় রাখতে বাংলা ভাষাকে দেশটির সরকারি ভাষার মর্যাদা দেন। 
 
উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
       ii) ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭, কালের কণ্ঠ।
২,৩৫১.
A World of Three Zeros. বইয়ের লেখক কে?
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনুস
  2. জামাল নজরুল ইসলাম
  3. অমর্ত্য সেন
  4. ফজলুর রহমান খান
ব্যাখ্যা

• ড. মুহাম্মদ ইউনুস : 
ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশী নোবেল বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ। 
তিনি ১৯৪০ সালে চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার বাথুয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিষয়ের একজন শিক্ষক। 
তিনি ক্ষুদ্রঋণ (Microcredit) এবং 'সামাজিক ব্যবসা' ধারণার প্রবর্তক।
অধ্যাপক ইউনুস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা। 
মুহাম্মদ ইউনূস ও তাঁর প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
 শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার প্রাপ্তির দিক থেকে তিনি দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে দ্বিতীয়। 

তাঁর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ 'দারিদ্র্যহীন বিশ্বের অভিমুখে' এবং '(Banker to the Poor)।
তিনি বিশ্ব খাদ্য পুরষ্কার পেয়েছিলেন।

তাঁর রচিত অন্যান্য বই :
A world of three zeros,
Creating a world unlimited potential ,
Without poverty,
Super happiness,

উৎস: ইউনূস সেন্টার।

২,৩৫২.
বাংলাদেশ টেলিভিশন থেকে প্রচারিত প্রথম নাটক কোনটি?
  1. একতলা দোতলা
  2. সংশপ্তক
  3. বাংলা আমার বাংলা
  4. জনতার কাছে আমি
ব্যাখ্যা
প্রথম নাটক:
- রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) কার্যক্রম শুরু করে ১৯৬৪ সালে।
- তখন এটি পরিচিত ছিল ঢাকা টেলিভিশন হিসেবে।
- মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তীতে টেলিভিশনের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) এবং এর রাষ্ট্রায়ত্তকরণ করা হয়।
- ১৯৭৫ সালে ডিআইটি ভবন ছেড়ে রামপুরায় টেলিভিশনের নিজস্ব ভবন তৈরি করা হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ টেলিভিশনের প্রথম নাটক ছিল ‘একতলা দোতলা’।
- এর নাট্যকার শহীদ মুনীর চৌধুরী।
- প্রযোজক শহীদ মনিরুল আলম।
- ১৯৬৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে টিভিতে সেই নাটক প্রচারিত হয়। নাটকে অভিনয় করেছিলেন ফেরদৌসী মজুমদার।

অন্যদিকে,
- ১৯৭১ সালে শহীদুল্লাহ কায়সারের উপন্যাস ‘সংশপ্তক’ থেকে ধারাবাহিক নাটক সংশপ্তক নির্মাণ শুরু হয়েছিল।
- ১৯৭১ সালে ১৬ ডিসেম্বর দেশ স্বাধীন হওয়ার পর বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচারিত প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক ‘বাংলা আমার বাংলা’। নাটকটি লিখেছিলেন ড. ইনামুল হক, প্রযোজনা করেছিলেন আবদুল্লাহ আল মামুন।
- ১৯৭২ সালের মধ্যবর্তী সময়ে আমজাদ হোসেনের রচনা ও মুস্তাফিজুর রহমানের প্রযোজনায় প্রচারিত হয় আলোচিত মুক্তিযুদ্ধের নাটক ‘জনতার কাছে আমি’।

উৎস: i) প্রথম আলো। [link]
ii) বাংলাদেশ টেলিভিশন ওয়েবসাইট।
২,৩৫৩.
বাংলাদেশের প্রাচীনতম বৌদ্ধ বিহার কোনটি?
  1. ক) সীতাকোট বিহার
  2. খ) জগদ্দল বিহার
  3. গ) সোমপুর বিহার
  4. ঘ) পাহাড়পুর বিহার
ব্যাখ্যা
- সীতাকোট বিহার বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার। 
- বিহারটি দিনাজপুর জেলার নওয়াবগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত।  যা ৫ম - ৬ষ্ঠ শতকে নির্মান করা হয়। 
- ১৯৬৮ সালে এর খনন কাজ শুরু হয় । 
- প্রায় বর্গাকৃতির এ স্থাপত্যটির পরিমাপ পূর্ব-পশ্চিমে ৬৫.২৩ মি এবং উত্তর-দক্ষিণে ৬৪.১১ মি।
- বিহারটিতে মোট কক্ষের সংখ্যা ৪১টি ।
- শালবন বিহার কুমিল্লার কাছে কোটবাড়ির বর্তমান বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমীর লাগোয়া লালমাই পাহাড়ের মধ্যবর্তী এলাকায় এর অবস্থিতি।
- ৭ম শতকের শেষ বা ৮ম শতকের প্রথম দিকের ( পাল আমলে )কোনো এক সময়ে প্রথম দেববংশের তৃতীয় শাসক শ্রী আনন্দ দেব কর্তৃক নির্মিত হয় আনন্দবিহার । 

উৎস: বাংলাদেশ প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদপ্তর ও পর্যটন কর্পোরেশনের ওয়েবসাইট।
২,৩৫৪.
সংশপ্তক ভাস্কর্যের ভাস্কর কে?
  1. হামিদুজ্জামান খান
  2. নিতুন কুন্ডু
  3. হামিদুর রহমান
  4. আব্দুর রাজ্জাক
ব্যাখ্যা

সংশপ্তক:
- মহান মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে নির্মিত ভাস্কর্য ‘সংশপ্তক’।
- মুক্তিযুদ্ধে অকুতোভয় বাঙালির বীরত্বগাথার স্মারক এই ভাস্কর্য।।
- জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার ভবনের সামনে ভাস্কর্যটির অবস্থান।
- চার স্তরের লাল সিরামিক ইটের বেদির ওপর ব্রোঞ্জের তৈরি ভাস্কর্যের উচ্চতা ১৫ ফুট।
- ২৬ মার্চ, ১৯৯০ সালে ভাস্কর্য স্থাপিত হয়।
- এর ভাস্কর স্থপতি হামিদুজ্জামান খান।
- ভাস্কর্যটিতে মূর্ত হয়েছে যুদ্ধে শত্রুর আঘাতে এক হাত ও এক পা হারিয়েও বন্দুক হাতে লড়ে যাওয়া এক বীরের প্রতিকৃতি। যিনি পঙ্গুত্ববরণ করেও নির্ভীক এবং যুদ্ধে জয়লাভে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

২,৩৫৫.
বাংলার প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার 'শালবন বিহার' কোথায় অবস্থিত?
  1. পাহাড়পুর
  2. ময়নামতি
  3. মহাস্থানগড়
  4. বিক্রমপুর
ব্যাখ্যা
• শালবন বিহার:
- এটি কুমিল্লার ময়নামতিতে অবস্থিত।
- কুমিল্লার ময়নামতিতে খননকৃত সব প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের মধ্যে শালবন বিহার অন্যতম প্রধান।
- কোটবাড়িতে বার্ডেরকাছে লালমাই পাহাড়ের মাঝামাঝি এলাকায় এ বিহারটির অবস্থান।
- শাল-গজারির ঘন বন ছিল বলে এ বিহারটির নামকরণ হয়েছিল শালবন বিহার।
- এর সন্নিহিত গ্রামটির নাম শালবনপুর।
- ধারণা করা হয় যে খ্রিষ্টীয় সপ্তম শতাব্দীর শেষ থেকে অষ্টম শতাব্দীর প্রথম ভাগে দেববংশের চতুর্থ রাজা শ্রীভবদেব এ বৌদ্ধ বিহারটি নির্মাণ করেন।
- শালবন বিহারের ছয়টি নির্মাণ ও পুনর্নির্মাণ পর্বের কথা জানা যায়।
- শালবন বিহারের প্রতিটি বাহু ১৬৭.৭ মিটার দীর্ঘ।
- বিহারের চার দিকের দেয়াল পাঁচ মিটার পুরু।
- কক্ষগুলো বিহারের চার দিকের বেষ্টনী দেয়াল পিঠ করে নির্মিত।
- বিহারে সর্বমোট ১৫৫টি কক্ষ আছে।

উল্লেখ্য
- বিহারটির ধ্বংসাবশেষ থেকে আটটি তাম্রলিপি, প্রায় ৪০০টি স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রা, অসংখ্য পোড়া মাটির ফলক বা টেরাকোটা, সিলমোহর, ব্রৌঞ্জ ও মাটির মূর্তি পাওয়া গেছে। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৩৫৬.
'দ্য রেবেল ক্রো’ চিত্রকর্মটির শিল্পী কে?
  1. জয়নুল আবেদীন
  2. এস এম সুলতান
  3. কাইয়ুম চৌধুরী
  4. কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা
চিত্রকর্মের শিল্পী:
- দ্য রেবেল ক্রো’ চিত্রকর্মের শিল্পী হলেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন।

অন্যান্য চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে:
- ম্যাডোনা-৪৩,
- নবান্ন, 
- মনপুরা-৭০,
- মইটানা, 
- পাইন্যার মা প্রভৃতি।
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন ১৯৪৩ সালে বাংলায় সংঘটিত দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে বিভিন্ন ছবি এঁকে খ্যাতি অর্জন করেন। দুর্ভিক্ষের উপর তার বিখ্যাত চিত্রকর্ম হলো ম্যাডোনা-৪৩।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২,৩৫৭.
প্রথম বাংলাদেশী এভারেস্ট বিজয়ী মুসা ইব্রাহীম কোন সালে মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গে আরোহণ করেন?
  1. ক) ২০০৮
  2. খ) ২০১১
  3. গ) ২০০৯
  4. ঘ) ২০১০
ব্যাখ্যা
- প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে লালমনিরহাট জেলার মুসা ইব্রাহিম ২০১০ সালের ২৩ মে বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ এভারেস্ট জয় করার মর্যাদা লাভ করেন।
- এভারেস্ট বিজয়ী প্রথম বাংলাদেশি নারী লক্ষ্মীপুরের নিশাত মজুমদার। ১৯মে, ২০১২ তিনি এভারেস্ট জয় করেন।
- সাত মহাদেশের সাতটি সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ জয়ী প্রথম বাংলাদেশী ফেনীর ওয়াসফিয়া নাজরীন।
- এভারেস্টের দুই দিক দুইবার জয় করেন এম এ মুহিত।

উৎস: প্রথম আলো ও ডয়েচভেলে রিপোর্ট।
২,৩৫৮.
‘চেতনা ৭১’ ভাস্কর্যটির নকশা করেছেন কে?
  1. নিতুন কন্ডু
  2. মোবারক হোসেন নৃপাল
  3. হামিদুর রহমান
  4. মৃনাল হক
ব্যাখ্যা
‘চেতনা ৭১’:
- শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাধীনতার ভাস্কর্য ‘চেতনা ৭১’।
- এই ভাস্কর্যটির নকশা করেছেন স্থপতি মোবারক হোসেন নৃপাল।
- নির্মাণ কাজে নিয়োজিত ছিলেন তারই সংগঠন ‘নৃ’ এর স্কুল অব স্কালপচার।
- চেতনা ৭১ ভাস্কর্যটি রূপ লাভ করে ২০১১ সালের ৩০ জুলাই।
- ভাস্কর্যটিতে বর্তমান সময়ের শিক্ষার্থীদের আদলে ব্যবহার করা হয়েছে। পোশাক ও আনুষঙ্গিক উপকরণও বর্তমান সময়ের। মডেলে ছাত্রের হাতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উঁচুতে তুলে ধরার ভঙ্গিমা এবং ছাত্রীর হাতে বই, যা বাংলাদেশের সংবিধানের প্রতীক নির্দেশ করে।
- একাডেমিক ভবনগুলোর সঙ্গে মিল রেখে বেদির নিচের প্লট ৩টা বানানো হয়েছে সিরামিক ইট দিয়ে।
- প্লেটটির ব্যাস ১৫ ফুট, মাঝের প্লেটের ব্যাস সাড়ে ১৩ ফুট এবং উপরের প্লেট ১২ ফুট। প্রত্যেকটি আবার ১০ ইঞ্চি করে উঁচু। প্লেট ৩টার উপরে মূল বেদিটি হবে ৪ ফুট উঁচু, তার উপরে ৮ ফুট উঁচু ফিগার।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকা ও ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট।
২,৩৫৯.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য নয়?
  1. ঢাকার রিকশা ও রিকশাচিত্র
  2. জামদানি বুননশিল্প
  3. ইফতার
  4. বাউলগান
ব্যাখ্যা
ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য:
- ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ আর সৃষ্টিশীলতাকে লালন করার প্রত্যয়ে ইউনেস্কো ঘোষিত সংস্কৃতি বিষয়ক বিভিন্ন কনভেনশনের আলোকে বিএনসিইউ’র সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মকান্ড পরিচালিত হয়। 
- বর্তমানে দেশে ৫টি ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রয়েছে।
- এগুলো হলো: বাউলগান (২০০৮), জামদানি বুননশিল্প (২০১৩), মঙ্গল শোভাযাত্রা (২০১৬) ও শীতলপাটি বুননশিল্পের (২০১৭) ও ঢাকা শহরের ‘রিকশা ও রিকশাচিত্র’ (২০২৩)। 

উল্লেখ্য,
- ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের আন্তসরকার কমিটির ১৮তম অধিবেশনে বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে ঢাকা শহরের ‘রিকশা ও রিকশাচিত্র’।
- এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের  পর পঞ্চম বিমূর্ত ঐতিহ্য হিসেবে ইউনেসকোর ‘ইনটেনজিবল কালচারাল হেরিটেজ অব হিউম্যানিটি’ তালিকায় স্থান পেল রিকশা ও রিকশাচিত্র।

উৎস: i) বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন।
         ii) ৬ ডিসেম্বর ২০২৩, প্রথম আলো
২,৩৬০.
When was the Ganges water Treaty signed?
  1. 2 December 1997
  2. 12 December 1997
  3. 18 December 1997
  4. 2 December 1996
  5. 12 December 1996
ব্যাখ্যা
গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি:
- হিমালয়ের হিমবাহে উৎপন্ন গঙ্গা নদী।
- গঙ্গা নদী ভারতের উত্তর প্রদেশ, বিহার ও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশের গোয়ালন্দের কাছে ব্রহ্মপুত্র নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- গঙ্গা নদী বাংলাদেশে পদ্মা নামে অভিহিত।
- ভারত ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের প্রথম পরিকল্পনা করে ১৯৫১ সালে। 
- এ অঞ্চলের পানিসম্পদের সুষম বন্টন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১৯ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী একটি স্থায়ী  যৌথ নদী কমিশন গঠনের উদ্দেশ্যে এক যৌথ ঘোষণায় স্বাক্ষর করেন।
- এ ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৭২ সালের নভেম্বরে একটি যৌথ নদী কমিশন গঠিত হয়। 
- ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর গঙ্গার পানি বন্টন সম্পর্কে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়।
- ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর নয়াদিল্লিতে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদি গঙ্গার পানি বন্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২,৩৬১.
'বন্ধু স্যাটেলাইট-১' কোন দেশ থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়?
  1. ক) রাশিয়া
  2. খ) ফ্রান্স
  3. গ) যুক্তরাজ্য
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১:
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১ নির্মাণ করেছে বিশ্বের অন্যতম খ্যাতনামা স্যাটেলাইট নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান ফ্রান্সের থেলেস এলেনিয়া স্পেস।
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের গায়ে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকার রঙের নকশার ওপর ইংরেজিতে লেখা রয়েছে বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু ১।
- বাংলাদেশ সরকারের একটি মনোগ্রামও রয়েছে এতে।
- বাংলাদেশ সময় ১১ মে ২০১৮ খ্রিস্টাব্দ তারিখ শুক্রবার দিবাগত রাত ২টা ১৪ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারের উৎক্ষেপণ মঞ্চ থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট – ১ মহাকাশে পাঠানো হয়।
- ফ্যালকন ৯ রকেটের নতুন সংস্করণ ব্লক ফাইভ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটকে নিয়ে যাত্রা করে নিজস্ব কক্ষপথে।
- রকেট উৎক্ষেপণের আধা ঘণ্টাখানেক পর স্যাটেলাইটটি কাঙ্ক্ষিত জিওস্টেশনারি ট্রান্সফার অরবিটে পৌঁছায়।
- এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সম্প্রচার, টেলিযোগাযোগ ও ডেটা কমিউনিকেশন সেবা পাওয়া যাবে।
- এর মাধ্যমে বিশ্বের ৫৭তম স্যাটেলাইট সদস্য দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলো বাংলাদেশ।
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট - ১ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে মোট খরচ হচ্ছে ২ হাজার ৯০২ কোটি টাকা।

উৎস: বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১, portal.gov.bd.

২,৩৬২.
বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) এর বর্তমান চেয়ারম্যান কে? (অক্টোবর, ২০২৫)
  1. মাহফুজ আলম
  2. হাবিবুল আওয়াল
  3. হাবিবুর রহমান
  4. আনোয়ার আলদীন
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) এর বর্তমান চেয়ারম্যান সাংবাদিক আনোয়ার আলদীন।

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস):
- এটি বাংলাদেশের প্রধান ও জাতীয় সংবাদ সংস্থা।
- বাসস ১ জানুয়ারী, ১৯৭২ সালে চালু হয়েছিল।
- অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস অফ পাকিস্তান (এপিপি) এর ঢাকা ব্যুরো নতুন দেশের জাতীয় সংবাদ সংস্থায় পরিণত হয়েছিল।
- ঢাকায় এর প্রধান কার্যালয়।
- বাসস-এর এখন চট্টগ্রাম, রাজশাহী, রংপুর, বগুড়া, খুলনা, বরিশাল, রাঙ্গামাটি এবং সিলেটেও ব্যুরো রয়েছে।
- দেশের ৬৪টি প্রশাসনিক জেলায় জাতীয় সংবাদ সংস্থার সংবাদদাতা রয়েছে।
- বাংলাদেশে বাংলা সংবাদপত্রের সংখ্যা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে ১৯৯৯ সালে বাসস বাংলা সংবাদ পরিষেবা চালু করে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা ওয়েবসাইট।

২,৩৬৩.
দেশের প্রথম কমিউনিটি বেতার কোনটি?
  1. রেডিও ফুর্তি
  2. রেডিও মেঘনা
  3. রেডিও টুডে
  4. রেডিও পদ্মা
ব্যাখ্যা
রেডিও পদ্মা:
- দেশের প্রথম কমিউনিটি বেতারের নাম 'রেডিও পদ্মা'।
- রাজশাহী থেকে এই কমিউনিটি বেতার রেডিও পদ্মা’র আনুষ্ঠানিক সম্প্রচার শুরু হয়েছে।
- আনুষ্ঠানিক সম্প্রচার শুরু হয়েছে ৭ অক্টোবর ২০১১ তারিখে। 

উল্লেখ্য,
- পদ্মা নদীকে ঘিরে বৃহত্তর রাজশাহী অঞ্চলের শিক্ষা, সংস্কৃতি, জীবন ধারা, জ্ঞান, গরিমা গড়ে উঠেছে।
- এই কারণে এই রেডিও স্টেশনের নামকরণ করা হয়েছে এই নদীকে নিয়ে।

⇒ সেন্টার ফর কমিউনিকেশন এ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (সিসিডি বাংলাদেশ) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিষয়ক একটি জ্ঞানচর্চা কেন্দ্র।
- প্রতিষ্ঠানলগ্ন থেকে সিসিডি দেশের উত্তরাঞ্চলে কর্মরত সাংবাদিকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি, আঞ্চলিক মিডিয়ার সক্ষমতা বাড়নো এবং যোগাযোগ মাধ্যমকে মানুষের কল্যাণার্থে ব্যবহারে উৎসাহ যোগানোর লক্ষ্যে নানা গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে।
- সিসিডি’র মূল লক্ষ্য হচ্ছে গণমাধ্যম ও তথ্য প্রযুক্তিকে প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কণ্ঠ জাগরণে ব্যবহারে উৎসাহ যোগানো, সর্বস্তরের মানুষের তথ্যগত ক্ষমতায়নে প্রয়াস চালানো।
- এই লক্ষ্য অর্জনের একটি সামাজিক উদ্যেগ হচ্ছে রেডিও পদ্মা।

উৎস: রেডিও পদ্মা ওয়েবসাইট।
২,৩৬৪.
বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন কে?
  1. মুশফিকুর রহিম
  2. মুমিনুল হক
  3. লিটন দাস
  4. নাজমুল হোসেন
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্ট ম্যা:
- বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন মুশফিকুর রহিম। 

⇒ প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্ট খেলেছেন মুশফিকুর রহিম।
- বাংলাদেশ-আয়ারল্যান্ড সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে এই মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি। 
- আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে ১০৬ রানের ইনিংস খেলেন মুশফিক।
- এতে বিশ্বের ১১তম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্টে সেঞ্চুরির মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি।  
- ভেন্যু: মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়াম।
- সময়: ২০ নভেম্বর, ২০২৫।

উল্লেখ্য,
- টেস্ট ইতিহাসের অষ্টম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করে জয় পেয়েছেন তিনি। মুশফিকের আগে এই তালিকায় নাম লিখিয়েছেন গর্ডন গ্রিনিজ, ইনজামাম উল হক, রিকি পন্টিং, গ্রায়েম স্মিথ, হাশিম আমলা, জো রুট ও ডেভিড ওয়ার্নার।

উৎস: প্রথম আলো।

২,৩৬৫.
কোনটি বাংলাদেশের GI পণ্যের অর্ন্তভুক্ত নয়?
  1. ঢাকাই মসলিন
  2. কালিজিরা চাল
  3. রংপুরে শতরঞ্জি
  4. দিনাজপুরের লিচু
ব্যাখ্যা
• জিআই (GI):
- জিআই (GI) এর পূর্ণরুপ হলো (Geographical indication) ভৌগলিক নির্দেশক।
- দেশের ১৭তম এবং সর্বশেষ জিআই পণ্যের স্বীকৃতি পেয়েছে নাটোরের কাঁচাগোল্লা। 

- বাংলাদেশের GI পণ্য সমূহ:
- ১. জামদানি ২. ইলিশ ৩. চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাতি আম ৪. বিজয়পুরের সাদা মাটি ৫. দিনাজপুরের কাটারীভোগ ৬. কালিজিরা ৭. রংপুরের শতরঞ্জি ৮. রাজশাহী সিল্ক ৯. ঢাকাই মসলিন ১০. বাগদা চিংড়ি ১১. ফজলি আম ১২. তুলসীমালা ধান ১৩. বগুড়ার বিখ্যাত সরার দই ১৪. ল্যাংড়া ১৫. আশ্বিনা আম ১৬. শীতলপাটি ১৭. নাটোরের কাঁচাগোল্লা।

তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার (১০ আগস্ট, ২০২৩)
২,৩৬৬.
বাংলাদেশ শিশু একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার চালু করা হয় কত বঙ্গাব্দে?
  1. ১৩৯৪ বঙ্গাব্দে
  2. ১৩৯৫ বঙ্গাব্দে
  3. ১৩৯৬ বঙ্গাব্দে
  4. ১৩৯৭ বঙ্গাব্দে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ শিশু একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার:
- শিশুসাহিত্যে সার্বিক অবদানের জন্য বাংলাদেশ শিশু একাডেমি বছরে একজন সাহিত্যসেবীকে এ পুরস্কার প্রদান করে।
- বাংলা ১৩৯৬ বঙ্গাব্দে (১৯৮৯ খ্রি) থেকে এ পুরস্কার চালু করা হয়েছে।
- একজন কবি বা সাহিত্যিক জীবনে মাত্র একবার এ পুরস্কার লাভ করতে পারেন।
- এ পুরস্কার মরণোত্তর পুরস্কার হিসেবে দেওয়ার বিধান নেই।
- শিশু একাডেমি পুরস্কারের মান নগদ ২৫ হাজার টাকা।
- পুরস্কৃত সাহিত্যিককে নগদ অর্থ, সম্মাননা প্রতীক ও সম্মাননাপত্র প্রদান করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
২,৩৬৭.
বঙ্গবন্ধুকে কখন “জুলিও কুরী” পুরস্কার প্রদান করা হয়?
  1. ক) ১৯৭২ সালে
  2. খ) ১৯৭৩ সালে
  3. গ) ১৯৭১ সালে
  4. ঘ) ১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধুকে “জুলিও কুরী” পুরস্কার প্রদান করা হয় -১৯৭৩ সালের ২৩শে।

- শান্তিতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বিশ্ব শান্তি পরিষদ' জুলিও কুরি শান্তি পদকে ভূষিত করে।
- ১৯৭২ সালের ১০ অক্টোবর চিলির সান্টিয়াগো শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্ব শান্তি পরিষদের সভায় বঙ্গবন্ধুকে ১৯৫০ সালে প্রবর্তিত জুলিও কুরি শান্তি পদকের জন্যে মনোনীত করা হয়।
- ১৯৭৩ সালের ২৩শে মে ঢাকায় বিশ্ব শান্তি পরিষদ আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে এর তৎকালীন মহাসচিব রমেশ চন্দ্র বঙ্গবন্ধুর হাতে জুলিও কুরি শান্তি পদক তুলে দেন।

তথ্যসূত্র: কারাগারের রোজনামচা ও আওয়ামী-লীগ ওয়েবসাইট।
২,৩৬৮.
ইউনেস্কো সুন্দরবনকে কততম বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে ঘোষণা করেছে?
  1. ৫৬০তম
  2. ৭৯৮তম
  3. ৬৬০তম
  4. ৬৯৮তম
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন: 
- বাংলায় সুন্দরবন-এর আক্ষরিক অর্থ সুন্দর জঙ্গল বা সুন্দর বনভূমি।
- সুন্দরবনের নামকরণ হয়েছে খুব সম্ভবত এর প্রধান বিশেষ গাছ সুন্দরীর (Heritiera fomes) নাম থেকেই।
- সুন্দরবন হলো বঙ্গোপসাগর উপকূলবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত একটি প্রশস্ত বনভূমি যা বিশ্বের প্রাকৃতিক বিস্ময়াবলীর অন্যতম।
- প্রায় ১০,০০০ বর্গকিলোমিটার আয়তনের পৃথিবীর বৃহত্তম নিরবিচ্ছিন্ন জোয়ারধৌত ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশের খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলা এবং ভারতের পশ্চিম বঙ্গ রাজ্যের চব্বিশ পরগণা জেলায় অবস্থিত।
- সমগ্র সুন্দরবনের প্রায় ৬,০১৭ বর্গকিলোমিটার বাংলাদেশে স্থিত।
- এ বনের প্রধান বৃক্ষ প্রজাতি সুন্দরী এবং গেওয়া।
- এছাড়া পশুর, ধুন্দল, গরান, বাইন, কাঁকড়া, কেওড়া ইত্যাদি গাছও প্রাকৃতিক ভাবে জন্মে।
- ১৯৯৬ সালে সুন্দরবনে তিনটি অভয়ারণ্য ও ২০১২ সালে তিনটি ডলফিন অভয়ারণ্য প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে এবং ২০১৪ সালে সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড কে মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়া হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
- জীববৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ বিধায় ১৯৯২ সালে সুন্দরবন ৫৬০তম রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
- ইউনেস্কো ১৯৯৭ সালে সুন্দরবনের ১,৩৯,৭০০ হেক্টর বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য এলাকাকে ৭৯৮তম বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে ঘোষণা করেছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
২,৩৬৯.
বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি করা হয় কোন সংস্থার মাধ্যমে?
  1. ক) International Tribunal for the Law of the Sea
  2. খ) Permanent Court of Arbitration
  3. গ) International Tribunal of Justice
  4. ঘ) Commission on the Limits of the Continental Shelf
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তির মামলার রায় হয় ২০১২ সালের ১৪ মার্চ।
- জার্মানির হামবুর্গে অবস্থিত সমুদ্র আইনবিষয়ক আন্তর্জাতিক ট্রাইবুনাল International Tribunal for the Law of the Sea (ITLOS) এ সমুদ্রসীমা বিষয়ক এই মামলাটি নিষ্পত্তি হয়।
- এই রায়ের ফলে বাংলাদেশ লাভ করে ১,১১,৬৩১ বর্গকিলোমিটার সমুদ্রসীমা।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বঙ্গোপসাগরের মহীসোপান সংক্রান্ত বিরোধ জাতিসংঘের মহীসোপান নির্ধারণসংক্রান্ত CLCS (Commission on the Limits of the Continental Shelf) এ বিচারাধীন রয়েছে।
- বাংলাদেশ ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারিতে CLCS এ নিজেদের মহীসোপান সীমা দাবী করে আবেদন জমা দেয়।
- সম্প্রতি ভারত সরকার বাংলাদেশের দাবীর প্রেক্ষিতে CLCS এ আপত্তিপত্র জমা দেয়।
অন্যদিকে,
- PCA (Permanent Court of Arbitration) আদালতে বাংলাদেশ ও ভারতের সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি হয়।

তথ্যসূত্র:- সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইট।
২,৩৭০.
বাংলাদেশের অন্তর্গত সুন্দরবনের আয়তন কত?
  1. ২৪০০ বর্গমাইল
  2. ১৯৫০ বর্গমাইল
  3. ৯২৫ বর্গমাইল
  4. ২০০ বর্গমাইল
ব্যাখ্যা
• সুন্দরবনের মোট আয়তন ৩৮৬০ বর্গমাইল বা ১০০০০ বর্গকি.মি প্রায়।
- এর মধ্যে ৩/৫ অংশ বা ২৩১৮ বর্গমাইল বা ৬০০০ বর্গকি.মি বাংলাদেশ অংশে পড়েছে।
- কাছাকাছি অপশন হিসাবে ক) ২৪০০ বর্গমাইল অপশনটি নেওয়া হলো।

উল্লেখ্য,
- ৬ ডিসেম্বর ১৯৯৭ সালে ইউনেস্কো সুন্দরবনকে ৭৯৮ তম ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- এটি পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন এবং বাংলাদেশের জাতীয় বন।

উৎস: বাংলাদেশ বনবিভাগ ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা।
২,৩৭১.
কত সাল থেকে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব পদক চালু হয়?
  1. ২০১৯ সাল
  2. ২০২১ সাল
  3. ২০১৩ সাল
  4. ১৯৯৯ সাল
ব্যাখ্যা
•  জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিনী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব। 
- ১৯৩০ সালের ৮ আগস্ট গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ায় সম্ভ্রান্ত শেখ পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। 
-  বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীর অবদানের স্বীকৃতি প্রদানের লক্ষ্যে ২০২১ সালে প্রবর্তিত হয়।
- প্রতিবছর ৮ অগাস্ট বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব পদক দেওয়া হয়।

- বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের অবদানকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য আটটি ক্ষেত্রে নারীদের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রতিবছর সর্বোচ্চ পাঁচজন নারীকে এই পদক দেওয়া হয়।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো।
২,৩৭২.
'বাংলাদেশ স্কয়ার' কোথায় অবস্থিত?
  1. কানাডা
  2. সোমালিয়া
  3. সিয়েরা লিওন
  4. লাইবেরিয়া
ব্যাখ্যা

• লাইবেরিয়া: 
- 'বাংলাদেশ স্কয়ার' লাইবেরিয়ায় অবস্থিত। 
- ২০০৮ সালে এটি নির্মাণ করা হয়। 
- নির্মাণ করেছে বাংলাদেশের শান্তি রক্ষীরা। 
- লাইবেরিয়া, পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলের একটি দেশ। 
- লাইবেরিয়ার ভূখণ্ড নিম্ন এবং বালুকাময় উপকূলীয় সমভূমি থেকে ঘূর্ণায়মান পাহাড় এবং আরও অভ্যন্তরীণ বিচ্ছিন্ন মালভূমি পর্যন্ত বিস্তৃত। 
- লাইবেরিয়া আফ্রিকার একমাত্র কৃষ্ণাঙ্গ রাষ্ট্র যা কখনো ঔপনিবেশিক শাসনের অধীন হয়নি এবং আফ্রিকার প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্র। 
- ১৮৪৭ সালে লাইবেরিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয় এবং এর সীমানা প্রসারিত করা হয়। 

উৎস: ব্রিটানিকা।

২,৩৭৩.
‘প্রাচ্যের অক্সফোর্ড' কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ১৯০১
  2. খ) ১৯১১
  3. গ) ১৯২১
  4. ঘ) ১৯৩১
ব্যাখ্যা
• ১৯২১ সালে ‘প্রাচ্যের অক্সফোর্ড' প্রতিষ্ঠিত হয়। 

• দেশের অন্যতম সেরা বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাচ্যের অক্সফোর্ড নামে বহুল পরিচিত।
- প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯২১ সালের ১ জুলাই আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে কার্যক্রম শুরু করে। 
- ঢাকার রমনা এলাকার প্রায় ৬০০ একর জমি নিয়ে এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- এর প্রাথমিক অবকাঠামোর বড় একটি অংশ গড়ে উঠে ঢাকা কলেজের শিক্ষকমন্ডলী এবং কলেজ ভবনের (বর্তমান কার্জন হল) উপর ভিত্তি করে।
- ৩টি অনুষদ (কলা, বিজ্ঞান ও আইন),
- ১২টি বিভাগ, ৬০ জন শিক্ষক, ৮৪৭ জন ছাত্র-ছাত্রী এবং ৩টি আবাসিক হল নিয়ে এ প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করে।

সূত্র: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট। 
২,৩৭৪.
বাংলাদেশ সর্বপ্রথম কোন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্য লাভ করেন?
  1. Commonwealth
  2. United Nations
  3. FAO
  4. OIC
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্যপদ:
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম কমনওয়েলথের সদস্য হিসেবে সদস্যপদ লাভ করে। ১৯৭২ সালের ১৮ এপ্রিল কমনওয়েলথের সদস্য পদ পায়। 

অন্যদিকে: 
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সংস্থাটির ১৩৬তম সদস্যপদ লাভ করে।
- FAO এর সদস্য পদ লাভ করে ১২ নভেম্বর ১৯৭৩ সালে। 
- OIC এর সদস্য পদ লাভ করে ১৯৭৪ সালে ফেব্রুয়ারি। 

সূত্র: স্ব স্ব ওয়েবসাইট ও পত্রিকা রিপোর্ট। 
২,৩৭৫.
দেশের প্রথম 'জলাভূমি–নির্ভর প্রাণী অভয়ারণ্য' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. সিলেট
  2. মৌলভীবাজার
  3. রাজশাহী
  4. মুন্সিগঞ্জ
ব্যাখ্যা

 জলাভূমি–নির্ভর প্রাণী অভয়ারণ্য:
- দেশে প্রথমবারের মতো রাজশাহী জেলার দুটি জলাভূমিকে ‘জলাভূমি–নির্ভর প্রাণী অভয়ারণ্য’ ঘোষণা করেছে সরকার।
- অভয়ারণ্য দুটি হলো রাজশাহীর তানোর উপজেলার বিলজোয়ানা মৌজার ১.৬৫ একর জলাভূমি এবং গোদাগাড়ী উপজেলার বিলভালা ১৫.০৮ একর জলাভূমিকে।
- ৭ মে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের বন শাখা-২ থেকে জারি করা পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
- বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২ অনুযায়ী এই ঘোষণা কার্যকর হবে।

উল্লেখ্য,
- বিলজোয়ানা ও বিলভালা শীতকালে দেশি ও পরিযায়ী পাখির অন্যতম আশ্রয়স্থল।
- এসব বিলে কালেম, কোড়া, ডাহুক, গুড়গুড়ি, জলপিপি, জলময়ূরসহ দেশি জলচর পাখির পাশাপাশি বিভিন্ন প্রজাতির পরিযায়ী হাঁস দেখা যায়।
- প্রায় শতাধিক পাখি ছাড়াও উভচর, সরীসৃপ ও স্তন্যপায়ী প্রাণীর বসবাস রয়েছে এসব জলাভূমিতে।
- অভয়ারণ্য ঘোষণার ফলে এখন থেকে এই এলাকাগুলোতে পাখি ও বন্যপ্রাণীর নিরাপদ আবাস নিশ্চিত হবে।

উৎস:THE BUSINESS STANDARD পত্রিকা রিপোর্ট।

২,৩৭৬.
এশিয়া কাপ ২০২২ - এ বাংলাদেশের হয়ে অভিষেক ম্যাচে হ্যাটট্রিক করেন -
  1. ক) শারমিন সুপ্তা
  2. খ) সালমা খাতুন
  3. গ) পান্না খাতুন
  4. ঘ) ফারিহা ইসলাম
ব্যাখ্যা
▪ নারী এশিয়া কাপে মালয়েশিয়ার বিপক্ষে অভিষেক টি-২০ তে হ্যাটট্রিক করেন বাংলাদেশের ফারিহা ইসলাম
▪ আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে দ্বিতীয় বাংলাদেশি নারী ক্রিকেটার হিসেবে হ্যাটট্রিক করেছেন তিনি।

তথ্যসূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, নভেম্বর ২০২২
২,৩৭৭.
সম্প্রতি (সেপ্টেম্বর ২০২৩) ফ্রিস্টাইল ফুটবলে কোন বাংলাদেশী ‘অ্যারাউন্ড দ্য মুন’ গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লিখিয়েছেন? 
  1. শিশির আহমেদ
  2. রওনক আসলাম
  3. আতিক আজিজ
  4. জুবলি আহমেদ
ব্যাখ্যা
অ্যারাউন্ড দ্য মুন:
- ফ্রিস্টাইল ফুটবলে ‘অ্যারাউন্ড দ্য মুন’ এর অর্থ হলো হাতের স্পর্শ ছাড়া মাথার চারপাশে ফুটবল ঘোরানো।
- ফ্রিস্টাইল ফুটবলে ‘অ্যারাউন্ড দ্য মুন’ কঠিন এই কাজই করেছেন ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী আতিক আজিজ।
- ৩০ সেকেন্ডে ২৯ বার মাথার চারপাশে ফুটবল ঘুরিয়েছেন তিনি।
- নাম লিখিয়েছেন গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের ‘মোস্ট অ্যারাউন্ড দ্য মুন ফুটবল কন্ট্রোল ট্রিকস ইন থার্টি সেকেন্ডস’ বিভাগে।

উল্লেখ্য,
- এর আগের রেকর্ডটিও ছিল একজন বাংলাদেশির।
- নটর ডেম কলেজের শিক্ষার্থী মুনতাকিম উল ইসলামের।
- ৩০ সেকেন্ডে ২৭ বার ফুটবল ঘুরিয়ে রেকর্ড করেছিলেন তিনি।

উৎস: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩, প্রথম আলো। [link]
২,৩৭৮.
কোন খেলার পোশাকি নাম কাবাডি?
  1. হাডুডু
  2. ডাণ্ডাগুলি
  3. দাড়িয়াবান্ধা
  4. গোল্লাছুট
ব্যাখ্যা
 বাংলাদেশের জাতীয় খেলা
- কাবাডি, বাংলাদেশের জাতীয় খেলা। 
- হাডুডু খেলার পোশাকি নাম কাবাডি।
- ১৯৭২ সালে কাবাডিকে বাংলাদেশের জাতীয় খেলা হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশের অপেশাদার কাবাডি ফেডারেশন গঠিত হয়।
- ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ সফররত ভারতীয় কাবাডি দলের সঙ্গে প্রথম কাবাডি টেস্ট খেলে।
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৯ সালে আন্তঃস্কুল প্রতিযোগিতায় কাবাডির অন্তর্ভুক্তি বাধ্যতামূলক করেছিল।
- ২০১৬ সালে প্রো কাবাডি বিশ্বকাপ হয়।

- ডাণ্ডাগুলি, দাড়িয়াবান্ধা, গোল্লাছুট এইগুলো বাংলাদেশের জনপ্রিয় খেলা।
- কাবাডি সহ এই খেলাগুলোর ক্ষেত্রে কোন রকম উপকরণ প্রায় লাগে না বলেই দরিদ্র বাংলায় এইগুলো জনপ্রিয়তা লাভ করে।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো।
২,৩৭৯.
'চুকনগর বধ্যভূমি' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. বগুড়া
  3. কুষ্টিয়া 
  4. খুলনা 
ব্যাখ্যা

চুকনগর বধ্যভূমি:
- পৃথিবীর ইতিহাসে জঘন্যতম যেসব গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে একটি চুকনগর গণহত্যা।
- এটি খুলনা জেলার ডুমুরিয়ার ছোট্ট শহরে অবস্থিত।
- ১৯৭১ সালের ২০ মে মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে খুলনার ডুমুরিয়ার ছোট্র শহর চুকনগরে পাকিস্তানি বর্বর সেনারা নির্মম এ হত্যাকান্ড ঘটায়।
- এ স্থানে একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মিত হয়েছে।

⇒ চুকনগর গণহত্যা:
- অতর্কিত এ হামলা চালিয়ে মুক্তিকামী ১০-১২ হাজার মানুষকে নির্বিচারে হত্যা করে তারা।
- মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি সেনারা যে নির্মম অত্যাচার, নির‌যাতন ও হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে, তারও এক নীরব সাক্ষী হয়ে আছে আজকের চুকনগর।
- ওই দিন যাদের হত্যা করা হয়েছে, তাদের বেশিরভাগ পুরুষ হলেও বহু নারী ও শিশুকেও হত্যা করে পাকিস্তানি সেনারা।
- পাকিস্তানি বাহিনীর অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে দক্ষিণাঞ্চলের জনগোষ্ঠী বাঁচার তাগিদে ভারতে যাবার সিদ্ধান্ত নেয়।
- মে মাসের মাঝামাঝি সময় বৃহত্তর খুলনার বাগেরহাট, রামপাল, মোড়েলগঞ্জ, কচুয়া, শরণখোলা, মংলা, দাকোপ, বটিয়াঘাটা, চালনা, ফরিদপুর, বরিশালসহ বিভিন্ন অঞ্চলের হাজার হাজার মানুষ ভারতে যাবার উদ্দেশে রওনা হন।
- ভারতে যাবার জন্যে তারা ট্রানজিট হিসেবে বেছে নেন ডুমুরিয়ার চুকনগরকে।
- ২০মে সকাল ১০টার দিকে ৩টি ট্রাকে করে হঠাৎ পাকিস্তানি সেনারা চুকনগর বাজারের ঝাউতলায় (তৎকালীন পাতখোলা) এসে থামে।
- দুপুর ৩টা পর্যন্ত তারা নির্বিচারে মানুষ হত্যা করতে থাকে।
- মাঠে, ক্ষেতে, খালে-বিলে পড়ে থাকে লাশ আর লাশ।
- এসব স্থান থেকে লাশ নিয়ে নদীতে ফেলার কাজ শুরু করেন স্থানীয়রা।
- চুকনগরের ফসলি জমিগুলোয় আজও পাওয়া যায় সেদিনের শহীদদের হাড়গোড়, তাদের শরীরে থাকা বিভিন্ন অলঙ্কার। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২,৩৮০.
২০২৫ সালে সমাজসেবায় একুশে পদক লাভ করেন কে?
  1. মেহেদী হাসান খান
  2. রিফাত নবী
  3. শাবাব মুস্তফা
  4. মো: ইউসুফ চৌধুরী
ব্যাখ্যা

একুশে পদক ২০২৫ প্রাপ্ত ব্যক্তি:
• গবেষণা - মঈদুল হাসান (মূলধারা ৭১ এর রচয়িতা)।
• ভাষা ও সাহিত্যে - শহীদুল জহির (মো. শহীদুল হক) (মরণোত্তর) ও হেলাল হাফিজ (মরণোত্তর)।
• সংস্কৃতি ও শিক্ষা - ড. শহীদুল আলম (ফটোগ্রাফার, মানবাধিকার কর্মী এবং দৃকের প্রতিষ্ঠাতা),
• বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি - মেহেদী হাসান খান (অভ্র'র জনক) ও রিফাত নবী, তানবিন ইসলাম সিয়াম ও শাবাব মুস্তাফা।
• সাংবাদিকতা - মাহফুজ উল্লা (মরণোত্তর)।
• সাংবাদিকতা ও মানবাধিকার - মাহমুদুর রহমান।
• শিল্পকলা (চলচ্চিত্র) - আজিজুর রহমান (মরণোত্তর) (ছুটির ঘণ্টা এবং আরও অনেক ছবির পরিচালক),
• সংগীত - উস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া (মরণোত্তর) ও ফেরদৌস আরা।
• আলোকচিত্র - নাসির আলী মামুন।
• চিত্রকলা - রোকেয়া সুলতানা।
• শিক্ষা - ড. নিয়াজ জামান।
• সমাজসেবা - মোহাম্মদ ইউসুফ চৌধুরী (মরণোত্তর)।

উৎস: ডেইলি স্টার বাংলা ও প্রথম আলো।

২,৩৮১.
পাট উৎপাদনে বিশ্বে শীর্ষ দেশ কোনটি?
  1. বাংলাদেশ
  2. চীন
  3. ভারত
  4. মিশর
ব্যাখ্যা
পাট উৎপাদন:

- পাট উৎপাদনে বিশ্বে শীর্ষ দেশ বাংলাদেশ।
- ২য় অবস্থানে আছে ভারত।
- ৩য় অবস্থানে আছে মিয়ানমার।
- ৪র্থ অবস্থানে আছে নেপাল।

তথ্যসূত্র - দৈনিক কালের কন্ঠ, ০৬ মার্চ ২০২৩। (লিংক)
২,৩৮২.
ছয় দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন কে?
  1. ক) আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  2. খ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  3. গ) ফজলুল হক
  4. ঘ) সামসুল হক
ব্যাখ্যা
ছয় দফা কর্মসূচি ঘোষণা:

- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালে ছয় দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- লাহোরে এই ঘোষনা দেন।

ছয় দফা কর্মসূচি,
১) লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে সংবিধান রচনা করে পাকিস্তানের জন্য একটি যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসনতন্ত্র প্রণয়ন করতে হবে। এটি হবে সংসদীয় পদ্ধতির যুক্তরাষ্ট্র ব্যবস্থা। প্রাপ্ত বয়স্কদের সরাসরি ভোটে সকল নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আইনসভাগুলো হবে সার্বভৌম ।
২) শুধু দেশরক্ষা এবং পররাষ্ট্র বিষয় থাকবে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে। অবশিষ্ট ক্ষমতা থাকবে প্রদেশগুলোর হাতে।
৩) দেশের দুই অংশে সহজেই বিনিময়যোগ্য অথচ পৃথক দুটো মুদ্রা থাকবে। অথবা ফেডারেল ব্যাংকের অধীনে দুই দেশের দুটি রিজার্ভ ব্যাংক ব্যবস্থাসহ একই ধরনের মুদ্রা চালু থাকবে।
৪) আঞ্চলিক সরকারে হাতে থাকবে সকল প্রকার কর ধার্য করার ও আদায়ের ক্ষমতা। আদায়কৃত রাজস্বের একটি অংশ কেন্দ্রীয় সরকারকে দেয়া হবে ।
৫) দুই অঞ্চলের বৈদেশিক মুদ্রার আলাদা আলাদা হিসেব থাকবে। প্রয়োজনে দুই অঞ্চল থেকে সমানভাবে অথবা সংবিধানে নির্ধারিত হারে কেন্দ্র বৈদেশিক মুদ্রা পাবে। ৬) অঙ্গরাজ্যগুলো আঞ্চলিক সেনাবাহিনী অর্থাৎ মিলিশিয়া ও প্যারা মিলিশিয়া গঠন ও পরিচালনা করতে পারবে।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২,৩৮৩.
বাংলাদেশে প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয় কখন থেকে?
  1. ক) ১৯৫৪ সাল থেকে
  2. খ) ১৯৫৫ সাল থেকে
  3. গ) ১৯৫৭ সাল থেকে
  4. ঘ) ১৯৫৮ সাল থেকে
ব্যাখ্যা
• গ্যাসক্ষেত্র:
- প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছিলো ১৯৫৫ সালে সিলেটের হরিপুরে ।
- প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয় ১৯৫৭ সালে। 
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক গ্যাস ক্ষেত্র হলো তিতাস গ্যাসক্ষেত্র।
- এটি ১৯৬২ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পাকিস্তান শেল অয়েল কোম্পানি কর্তৃক আবিস্কৃত হয়।
- দেশে বর্তমানে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা ২৮টি।
- সর্বশেষ সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলায় দেশের ২৮তম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২,৩৮৪.
প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে হিমালয়ের দুর্গম ‘ডোলমা খাং’ পর্বতচূড়া জয় করেন কে?
  1. ক) সান্তা মরিয়ম
  2. খ) সালমা ইসলাম
  3. গ) শায়লা বিথী
  4. ঘ) রাবেয়া খাতুন
ব্যাখ্যা
• শায়লা বিথী:
- প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে হিমালয়ের প্রায় ৬ হাজার ৩৩২ মিটার উঁচু ডোলমা খাং পর্বতচূড়ায় পা রাখেন বাংলাদেশি পর্বতারোহী শায়লা বিথী।
 - প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে তিনি দুর্গম এ পর্বতচূড়ায় পা রাখেন। 
- ৫ নভেম্বর, ২০২২ সালে ডোলমা খাং চূড়ায় বাংলাদেশের পতাকা উড়ান শায়লা বিথী। 

- ২০১৬ সালে তিনি ভারতের নেহেরু ইনস্টিটিউট অব মাউন্টিনিয়ারিং থেকে পর্বতারোহণের মৌলিক প্রশিক্ষণ কোর্স সম্পন্ন করেন। 
- প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে ২০১৮ সালের মে মাসে তিনি ৭ হাজার ৪৫ মিটার উচ্চতায় তিব্বতের লাকপারি পর্বতচূড়া জয় করেন।
- ২০১৯ সালের মে মাসে প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে ৫ হাজার ৭৫৫ মিটার দীর্ঘ হিমালয়ের দুর্গম তাশিলাপচা গিরিপথ পার হন। 

তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার নিউজ।
২,৩৮৫.
রায়ের বাজার বধ্যভূমির স্থপতি কে?
  1. ক) শামীম সিকদার
  2. খ) হামিদুজ্জামান খান
  3. গ) সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালেক
  4. ঘ) ফরিদউদ্দিন আহমেদ
ব্যাখ্যা

শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতিকে স্মরনীয় করে রাখতে ১৯৯৩ সালে বাংলাদেশ সরকার রায়েরবাজারের বধ্যভূমিতে একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
- পরবর্তীতে স্থপতি ফরিদউদ্দীন আহমেদ এবং স্থপতি জামি-আল-শফি-র নকশায় ১৯৯৬ সালে স্মৃতিসৌধ নির্মাণের কাজ শুরু হয়ে ১৯৯৯ সালে শেষ হয়।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া

২,৩৮৬.
বাংলা ভাষার প্রথম দৈনিক পত্রিকা কোনটি?
  1. ক) রংপুর বার্তাবহ
  2. খ) সমাচার দর্পণ
  3. গ) ঢাকা প্রকাশ
  4. ঘ) সংবাদ প্রভাকর
ব্যাখ্যা
- বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম দৈনিক পত্রিকা হলো সংবাদ প্রভাকর
- ১৮৩৯ সালের ১৪ জুন ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনায় সংবাদ প্রভাকর দৈনিক পত্রিকা হিসেবে প্রথম প্রকাশিত হয়। 
- এই সময়ের পূর্বে এটি ১৮৩১ সালে সাপ্তাহিক পত্রিকা হিসেবে প্রকাশিত হয়। 
- সমাচার দর্পণ (২৩ মে ১৮১৮) হলো বাংলা ভাষার প্রথম সাপ্তাহিক পত্রিকা।
- রংপুর বার্তাবহ (আগস্ট ১৮৪৭ ) হলো বাংলাদেশ ভূখণ্ড থেকে প্রকাশিত প্রথম পত্রিকা। 
- ঢাকা প্রকাশ (৭ মার্চ ১৮৬১) হলো ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম বাংলা পত্রিকা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
২,৩৮৭.
বাংলাদেশ কত তারিখে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO)-এর সদস্য পদ লাভ করে?
  1. ৮ ডিসেম্বর, ১৯৭২
  2. ১৫ জুন, ১৯৭২
  3. ১২ নভেম্বর, ১৯৭৩
  4. ২২ জুন, ১৯৭২
ব্যাখ্যা

ILO:
- ILO এর পূর্ণরূপ: International Labour Organization.
- এটি ১৯১৯ সালে ভার্সাই চুক্তির ফলশ্রুতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৪৬ সালের ১৪ ডিসেম্বর ILO জাতিসংঘের প্রথম বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে।
- ILO এর সদরদপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৮৭টি।
- বর্তমান ১১তম মহাপরিচালক  গিলবার্ট এফ হাউংবো (অক্টোবর ২০২২ থেকে)
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ২২ জুন ILO এর সদস্যপদ লাভ করে।
- ILO ১৯৬৯ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।

উৎস: ILO ওয়েবসাইট।

২,৩৮৮.
বর্তমানে মুক্তিযুদ্ধে স্বীকৃতি পাওয়া বীরাঙ্গনার সংখ্যা-
  1. ক) ৩২২
  2. খ) ৩৩৯
  3. গ) ৩১৭
  4. ঘ) ৩২৩
ব্যাখ্যা
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, জানুয়ারি ২০২০।
২,৩৮৯.
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা কত মেগাওয়াট?
  1. ১২০০ মেগাওয়াট
  2. ১৩২০ মেগাওয়াট
  3. ১৪০০ মেগাওয়াট
  4. ২৪০০ মেগাওয়াট
ব্যাখ্যা
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- বাংলাদেশের একমাত্র পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- এটি পাবনা জেলায় অবস্থিত। 
- দেশে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয় ১৯৬১ সালে।
- পাবনা জেলার রূপপুরে প্রকল্প এলাকার জন্য প্রায় ২৬০ একর জমি এবং বৈদ্যুতিক সাব-ষ্টেশন নির্মাণসহ ৭২টি আবাসিক ইউনিটের নির্মাণ কাজও আংশিকভাবে সম্পন্ন করা হয়। 
- বাংলাদেশ সরকার ও রাশিয়ান ফেডারেশনের মধ্যে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন সংক্রান্ত সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর হয়।
- ৩০ নভেম্বর ২০১৭ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ১ নং ইউনিটের প্রথম কংক্রিট ঢালাই মাননীয় প্রধান মন্ত্রী উদ্বোধন করেন।
- এর মোট উৎপাদন ক্ষমতা ২৪০০ মেগাওয়াট।
 
উল্লেখ্য,
- ৫ অক্টোবর, ২০২৩ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে ইউরেনিয়ামের প্রথম চালান হস্তান্তর করা হয়।
- এর মধ্য দিয়ে বিশ্বের ৩৩তম পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে যুক্ত হলো বাংলাদেশ।
 
উৎস: i) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
         ii) ৫ অক্টোবর, ২০২৩, প্রথম আলো।
২,৩৯০.
বাংলাদেশের একমাত্র লােকশিল্প জাদুঘরটি কোথায় অবস্থিত ?
  1. নারায়ণগঞ্জ
  2. কুমিল্লা
  3. বাগেরহাট
  4. চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ লোক ও কারু শিল্প যাদুঘর:
- সোনারগাঁ লোকশিল্প জাদুঘর রাজধানী ঢাকা থেকে ২৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁ উপজেলায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশের লোকশিল্পের সংরক্ষণ, বিকাশ  ও সর্বসাধারণের মধ্যে লোকশিল্পের গৌরবময় দিক তুলে ধরার জন্য ১৯৭৫ সালে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীনের উদ্যোগে বাংলাদেশ সরকার বিশাল এলাকা নিয়ে এই জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করেন।
- সোনারগাঁয়ের “বড়সর্দারবাড়ি” নামে পরিচিত একটি প্রাচীন জমিদার প্রাসাদে এই জাদুঘর স্থাপন করা হয়েছে।
- এখানে আরো রয়েছে একটি সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার, কারুপল্লী ও একটি বিশাল লেক।

উৎস: নারায়ণগঞ্জ জেলার ওয়েবসাইট।

২,৩৯১.
‘ডিসকভারি অব বাংলাদেশ’ গ্রন্থটির লেখক কে?
  1. আকবর আলি খান
  2. রেহমান সোবহান
  3. এম. আর. আখতার মুকুল
  4. মেজর জেনারেল সুখওয়ান্ত সিং
ব্যাখ্যা
•  আকবর আলি খান: 
- আকবর আলি খানের জন্ম ১৯৪৪ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে। 
- মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী বিভিন্ন সময়ে তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয় সহ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ সরকারী কর্মকমিশন সচিবালয়ে কাজ করেন। 
- ‘৭১ পূর্ববর্তী সময়ে তিনি সর্বদাই অন্যায়ের বিরুদ্ধে উচ্চকণ্ঠ ছিলেন, ছিলেন বঙ্গবন্ধুর অসহযোগের সমর্থক।
- আকবর আলি খান এর বই সমূহ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও ঐতিহাসিক উত্থান নিয়ে প্রামাণ্য দলিল।
- এছাড়াও, আকবর আলি খানের বই বাংলাদেশের সামাজিক পরিবর্তন এবং
- এদেশে ইসলামের বিকাশ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ গবেষণালব্ধ দলিল।

• আকবর আলি খান এর গ্রন্থ:
- পরার্থপরতার অর্থনীতি,
- বাংলায় ইসলাম প্রচারে সাফল্য,
- বাংলাদেশের সত্তার অন্বেষা,
- ডিসকভারি অব বাংলাদেশ ইত্যাদি বই।

সূত্র: প্রথম আলো। 
২,৩৯২.
বাংলাদেশের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য অ্যানিমেশন চলচ্চিত্র নাম কী?
  1. ক) দ্য গোল্ডেন ল্যান্ড অফ বেংগল
  2. খ) হাসিনা: আ ডটার'স টেল
  3. গ) শেখ মুজিব আমার পিতা
  4. ঘ) খোকা
ব্যাখ্যা
• বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে তার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার লেখা ‘শেখ মুজিব আমার পিতা’ অবলম্বনে নির্মিতব্য দেশের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য অ্যানিমেশন চলচ্চিত্র - মুজিব আমার পিতা।
• সরকারের ICT ডিভিশনের অর্থায়নে চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন সোহেল মোহাম্মদ রানা।
• নির্মাতা প্রতিষ্ঠান 'প্রোলেন্সার স্টুডিও’।

উৎস:- প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ওয়েবসাইট।
২,৩৯৩.
'ডুব' চলচ্চিত্রের পরিচালক-
  1. ক) আকরাম খান
  2. খ) তৌকির আহমেদ
  3. গ) তারেক মাসুদ
  4. ঘ) মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
ব্যাখ্যা
২০১৮ সালে ৯১ তম অস্কারে যাওয়া বাংলাদেশী চলচ্চিত্র ডুব। এর পরিচালক মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।
২,৩৯৪.
বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) আগারগাঁও
  2. খ) জয়দেবপুর
  3. গ) শাহবাগ
  4. ঘ) সাভার
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র সাভারে অবস্থিত। চারটি প্রতিষ্ঠানকে সমন্বিত করে ১৯৮৪ সালে বিপিএটিসি গঠিত হয়।
- এর প্রধানের পদবী রেক্টর। বর্তমান রেক্টর মো. মনজুর হোসাইন।
- বিপিএটিসিতে সরকারি কর্মকর্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধিকল্পে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।
(তথ্যসূত্রঃ বিপিএটিসি ওয়েবসাইট)
২,৩৯৫.
'জাগ্রত চৌরঙ্গী' ভাস্কর্যের স্থপতি কে?
  1. নিতুন কুণ্ডু
  2. সৈয়দ জাহাঙ্গীর
  3. মনিরুজ্জামান
  4. আবদুর রাজ্জাক
ব্যাখ্যা

জাগ্রত চৌরঙ্গী:
- মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বাংলাদেশে নির্মিত প্রথম ভাস্কর্য 'জাগ্রত চৌরঙ্গী'।
- ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে ১৯ মার্চ, ১৯৭১ সালের সশস্ত্র প্রতিরোধযুদ্ধে নিহত ও আহত বীর যোদ্ধাদের অসামান্য আত্মত্যাগের স্মরণে এই ভাস্কর্য নির্মাণ করা হয়।
- ভাস্কর্যটি অবস্থান: চান্দনা চৌরাস্তা, গাজীপুর।
- স্থপতি: আবদুর রাজ্জাক।
- নির্মিত হয়: ১৯৭৩ সাল।
- দ্বিতীয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অধিনায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল আমীন আহম্মেদ চৌধুরী বীরবিক্রম ভাস্কর্যটি নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন।
- ভাস্কর্যটির বেদি ২৪ ফুট ৫ ইঞ্চি।
- বেদিসহ জাগ্রত চৌরঙ্গীর উচ্চতা ৪২ ফুট ২ ইঞ্চি।
- ভাস্কর্যটিতে ১৬ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ৩ নম্বর সেক্টরের ১০০ জন এবং ১১ নম্বর সেক্টরের ১০৭ জন শহীদ সেনা ও মুক্তিযোদ্ধার নাম রয়েছে।
- ভাস্কর্যটির নির্মাণকাজ শুরু হয় ১৯৭২ সালে। কাজ শেষ হয় ১৯৭৩ সালের সেপ্টেম্বরে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ২ ডিসেম্বর ২০২০।

২,৩৯৬.
ওয়ানডে ক্রিকেটের ইতিহাসে কোন বাংলাদেশী বোলার অভিষেক ম্যাচে হ্যাটট্রিক করেন?
  1. ক) মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ
  2. খ) তাইজুল ইসলাম
  3. গ) মাশরাফি বিন মুর্তজা
  4. ঘ) সাকিব আল হাসান
ব্যাখ্যা

ক্রিকেট ইতিহাসে ওয়ানডে অভিষেকেই হ্যাট্রট্রিক করা একমাত্র বাংলাদেশি ক্রিকেটার তাইজুল ইসলাম।

ওয়ানডে ক্রিকেটে অভিষেকে হ্যাটট্রিক করেছেন চারজন বোলার।
→ সর্বপ্রথম ২০১৪ সালে তাইজুল ইসলাম,
→ ২০১৫ সালে কাগিসো রাবাদা,
→ ২০১৭ সালে ভানিন্দু হাসারাঙ্গা এবং
→ ২০১৮ সালে এই কৃতিত্ব দেখিয়েছেন শেহান মাদুশঙ্ক

উৎস: ইএসপিএন ক্রিকইনফো ও দা বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড। 

২,৩৯৭.
বাংলাদেশের কোন প্রতিষ্ঠান ভূমি জরিপের কাজে LANDSAT ও NOAA নামক কৃত্রিম উপগ্রহ ব্যবহার করে?
  1. আবহাওয়া অধিদপ্তর
  2. ভূমি জরিপ অধিদপ্তর
  3. দূরসম্পর্ক অধ্যয়ন কেন্দ্র
  4. স্পারসো
ব্যাখ্যা
স্পারসো:
- বাংলাদেশ  মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) প্রযুক্তি ভিত্তিক বহুমাত্রিক গবেষণা ও প্রয়োগ বিষয়ে একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠানটির ম্যান্ডেট হচ্ছে- কৃষি, বন, মৎস্য, ভূতত্ত্ব, মানচিত্র অংকন, পানি সম্পদ, ভূমি ব্যবহার, আবহাওয়া, পরিবেশ, ভূগোল, সমুদ্র বিজ্ঞান, শিক্ষা এবং জ্ঞান ও বিজ্ঞানের অন্যান্য ক্ষেত্রে মহাকাশ ও দূর অনুধাবন প্রযুক্তিকে শান্তিপূর্ণভাবে ব্যবহার করা এবং উক্ত প্রযুক্তির উন্নয়ন ও ব্যবহারিক প্রয়োগের জন্য গবেষণা কাজ পরিচালনা করা।
- এর সদরদপ্তর ঢাকার আগারগাঁও- এ অবস্থিত।
- এটি ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশের ঘূর্ণিঝড় ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের পূর্বাভাস প্রদানে এ কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- সংস্থাটি LANDSAT ও NOA নামক কৃত্রিম উপগ্রহ ব্যবহার করে ভূমি জরিপের কাজে নিয়োজিত।
- বাংলাদেশের স্যটেলাইট ইমেজারিগুলো স্পারসোর তত্ত্বাবধানে থাকে।
- এটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এর অধীন।

উৎস: বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান(স্পারসো), sparrso.gov.bd.
২,৩৯৮.
জাতিসংঘের বাংলাদেশের সদস্যপদ লাভের বিরুদ্ধে ভেটো প্রদানকারী রাষ্ট্র কোনটি?
  1. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  2. সোভিয়েত ইউনিয়ন
  3. চীন
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ:
- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- জাতিসংঘের বর্তমান সদস্য ১৯৩টি। 
- বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ৮ আগস্ট জাতিসংঘের সদস্যপদের জন্য আবেদন করে।
- ১৯৭২ সালে চীন বাংলাদেশের সদস্যপদের বিরুদ্ধে ভেটো প্রদান করে।
- স্থায়ী সদস্য হওয়ার পর এটি ছিল চীনের প্রথম ভেটো।
- ১৯৭২ সালের ১৭ অক্টোবর জাতিসংঘে পর্যবেক্ষকের মর্যাদা লাভ করে।
- বাংলাদেশের জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সাল।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬ তম সদস্য। 
- বাংলাদেশকে প্রথম জাতিসংঘ সংস্থায় সদস্যরূপে স্বাগত জানায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
- ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সালে সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলায় ভাষণ প্রদান করেন।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
২,৩৯৯.
কোন কমিশনের সুপারিশের প্রেক্ষিতে ‘বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস)’ প্রতিষ্ঠা করা হয়?
  1. ক) কবির চৌধুরী শিক্ষা কমিশন
  2. খ) কুদরত-এ-খুদা শিক্ষা কমিশন
  3. গ) এম. এ বারী শিক্ষা কমিশন
  4. ঘ) শামসুল হক শিক্ষা কমিশন
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস) দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান সংগ্রহ, সংরক্ষণ, বিতরণ ও প্রচারের একমাত্র সরকারি সংস্থা।
- স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর নির্দেশনায় গঠিত ড. মুহাম্মদ কুদরত-এ-খুদা শিক্ষা কমিশনের ১৯৭৪ সালে প্রণীত সুপারিশের প্রেক্ষিতে স্বাধীন বাংলাদেশে পৃথক একটি শিক্ষাতথ্য সংস্থা হিসেবে ‘বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস)’ প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- ১৯৭৬-৭৭ অর্থ বৎসরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংযুক্ত দপ্তর হিসাবে সংস্থাটি কাজ শুরু করে।
- পরবর্তীতে সংস্থাটি শিক্ষাক্ষেত্রে ধারাবাহিক উন্নয়নের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে শিক্ষাতথ্য বিনির্মাণ ও সরবরাহ করে জাতীয় ও আন্তজার্তিক সংস্থাসমূহের কাছে সমাদৃত হয়েছে।
- বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান কার্যক্রম ছাড়াও শিক্ষা সেক্টরে আই.সি.টি. প্রশিক্ষন ও আই.সি.টি. শিক্ষার প্রসারে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে।

সূত্র: ব্যানবেইস
২,৪০০.
বাংলাদেশে তৈরি জাহাজ 'স্টেলা মেরিস' রপ্তানি হয়েছে-
  1. ফিনল্যান্ডে
  2. ডেনমার্কে
  3. নরওয়েতে
  4. সুইডেনে
ব্যাখ্যা
জাহাজ রপ্তানি:
-বাংলাদেশ থেকে জাহাজ রপ্তানি শুরু হয় ২০০৮ সালে।
- ঢাকার আনন্দ শিপইয়ার্ড ডেনমার্কে  'স্টেলা মরিস‘ নামের ছোট আকারের জাহাজ রপ্তানি করে।
- প্রতিষ্ঠানটি ২০০৮ সালে ডেনমার্কে অত্যাধুনিক কন্টেইনার জাহাজ “স্টেলা মেরিস” রপ্তানির মধ্য দিয়ে বংলাদেশের জন্য জাহাজ রপ্তানির স্বর্ণদ্বার উন্মোচন করে ও বাংলাদেশ জাহাজ রপ্তানিকারক দেশ হিসাবে পরিচিতি পায়।
- জাহাজ নির্মাণশিল্প বাংলাদেশের একটি সম্ভাবনাময় রপ্তানি খাত।
- এর পরেই যুক্ত হয় চট্টগ্রামের ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড।
- তারা জার্মানির গ্রোনা শিপিং কোম্পানির কাছ থেকে ৮৫ মিলিয়ন ডলারের আটটি জাহাজ নির্মাণের কার্যাদেশ পায়। 

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশে এ যাবৎকালে নির্মিত জাহাজগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় ও উচ্চ গতিসম্পন্ন জাহাজ ‘এনজিয়ান’ জার্মান ক্রেতা প্রতিষ্ঠান জার্মান কমরোসকি মারিটিম জিএমবিএইচ-এর প্রতিনিধির কাছে জাহাজটি হস্তান্তর করা হয়।

উৎস: আনন্দ শিপইয়ার্ড ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া, দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।