বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণ

মোট প্রশ্ন৩৫,৭১৩এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণ

PrepBank · পাতা ১৬৯ / ৩৫৪ · ১৬,৮০১১৬,৯০০ / ৩৫,৭১৩

১৬,৮০১.
বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বরধ্বনির সংখ্যা কয়টি?
  1. ২টি
  2. ৩০টি
  3. ২৫টি
  4. ৩২টি
সঠিক উত্তর:
২৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫টি
ব্যাখ্যা
মৌলিকতা অনুযায়ী, স্বরধ্বনিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা:
১. মৌলিক স্বরধ্বনি, 
২. যৌগিক স্বরধ্বনি। 

• মৌলিক স্বরধ্বনি:
যে স্বরধ্বনিকে আর বিশ্লেষণ করা যায় না, তাকে মৌলিক স্বর বলে। বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা ৭টি।
যেমন:
ই, এ, অ্যা, আ, অ, ও, উ।
বাংলা বর্ণমালায় 'অ্যা' ধ্বনিজ্ঞাপক কোনো বর্ণ নেই।

• যৌগিক স্বরধ্বনি:
একাধিক স্বরধ্বনি মিলে যে ধ্বনি সৃষ্টি হয় তাকে যৌগিক স্বরধ্বনি বা দ্বিস্বরধ্বনি বলে। বাংলা ভাষায় যৌগিক স্বরধ্বনি মোট ২৫টি। এর মধ্যে মাত্র ২টি যৌগিক স্বরধ্বনির নিজস্ব বর্ণ আছে।
যথা:
ও + ই = ঐ,
ও+ উ = ঔ।

বাকি ২৩টি যৌগিক স্বরধ্বনির নিজস্ব বর্ণ বা প্রতীক নেই।

অর্থ্যাৎ, 
বাংলা ভাষায় যৌগিক স্বরধ্বনির সংখ্যা ২৫। কিন্তু বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বরজ্ঞাপক দু টো বর্ণ রয়েছে। যথা : ঐ এবং ঔ। অন্য যৌগিক স্বরের প্রতীক স্বরূপ কোন বর্ণ নেই। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২২ সংস্করণ)।
১৬,৮০২.
নিচের কোন শব্দে তাড়নজাত ধ্বনি রয়েছে?
  1. ফলা
  2. ঘোষ
  3. মূঢ়
  4. বন
সঠিক উত্তর:
মূঢ়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূঢ়
ব্যাখ্যা
• তাড়নজাত ব্যঞ্জনধ্বনি:
তাড়িত ব্যঞ্জন যে ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের সামনের অংশ দন্তমূলের একটু উপরে অর্থাৎ মূর্ধায় টোকা দেওয়ার মতাে করে একবার ছুঁয়ে যায়, তাকে তাড়িত ব্যঞ্জন বলে।
বাংলায় তাড়নজাত ধ্বনি: ড় এবং ঢ়
 
যেমন- 
বাড়ি, মূঢ় প্রভৃতি শব্দের ড়, ঢ় তাড়িত ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

অন্য অপশন:
ক) ফলা - কোনো তাড়নজাত ধ্বনি নেই;
খ) ঘোষ - কোনো তাড়নজাত ধ্বনি নেই;
ঘ) বন - কোনো তাড়নজাত ধ্বনি নেই।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি- নবম-দশম শ্রেণি,  (২০২১ সংস্করণ)।
১৬,৮০৩.
যুক্তবর্ণের শুদ্ধ গঠন কোনটি?
  1. ম্‌ + হ = হ্ম
  2. ক্‌ + ষ্‌ + ন = ক্ষ্ম
  3. ক্ + স = ক্স
  4. জ্‌ + ঞ = ঞ্জ
সঠিক উত্তর:
ক্ + স = ক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ + স = ক্স
ব্যাখ্যা
• যুক্তবর্ণের শুদ্ধ গঠন- ক্ + স = ক্স। 

অশুদ্ধ যুক্তবর্ণগুলোর শুদ্ধরূপ হলো:
• হ্‌ + ম = হ্ম।
• ক্‌ + ষ্‌ + ম = ক্ষ্ম।
• ঞ্‌ + জ = ঞ্জ।

-----------------------
সহজে চেনা যায়, কখনো সহজে চেনা যায় না, এদিক দিয়ে যুক্তবর্ণ দুই রকম। যথা:
১. স্বচ্ছ ও
২. অস্বচ্ছ।

• স্বচ্ছ যুক্তবর্ণ:
ক্ট, জ্জ, জ্ব, ঞ, ণ্ট, ণ্ঠ, ন্ড, দ্দ, দ্ব, ণ্ঠ, ড্ড, ন্স, প্ট, প্ত, প্প, ন্স, ল্প, ল্ট, ল্ড, ল্প, ফ, শ্চ, শ্ছ, ষ্ট, ষ্ঠ, স্ফ, স্খ, স্ট, স্ক ইত্যাদি।

• অস্বচ্ছ যুক্তবর্ণ: 
ক্ত = (ক্ + ত), 
ক্ম = (ক্ + ম), 
ক্ষ = (ক্ + ষ), 
ক্ষ্ম = (ক্ + ষ্ + ম),
ক্স = (ক্ + স), 
গু = (গ্ + উ),
গ্ধ = (গ্ + ধ), 
ঙ্গ = (ঙ্ + গ), 
ণ্ড = (ণ্ + ড),
জ্ঞ = (জ + ঞ), 
ঞ্চ = (ঞ্ + চ), 
ঞ্জ = (ঞ্ + জ), 
ষ্ণ = (ষ্ + ণ)
হু = (হ্ + উ), 
হৃ = (হ + ঋ), 
হ্ন = (হ্ + ন), 
হ্ম = (হ্ + ম) ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি( ২০২২ সংস্করণ)।
১৬,৮০৪.
‘সেতার’ কোন সমাস নিষ্পন্ন শব্দ?
  1. দ্বিগু
  2. বহুব্রীহি
  3. কর্মধারয়
  4. তৎপুরুষ
সঠিক উত্তর:
বহুব্রীহি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বহুব্রীহি
ব্যাখ্যা
সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি: যে বহুব্রীহি সমাসের পূর্বপদ সংখ্যাবাচক, তাকে সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি সমাস বলে।
যেমন – চার ভুজ যে ক্ষেত্রের = চতুর্ভুজ,
সে (তিন) তার যে যন্ত্রের = সেতার।

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণি, বাংলা ব্যাকরণ (২০২১ সংস্করণ)
১৬,৮০৫.
'মেঘ করলে বৃষ্টি হয়' - বাক্যটির জটিল রূপ নিচের কোনটি?
  1. মেঘ করে, এবং তখন বৃষ্টি হয়।
  2. যখন মেঘ করে, বৃষ্টি হয়।
  3. যখন মেঘ করে, তখন বৃষ্টি হয়।
  4. যদি মেঘ করে তখন বৃষ্টি হয়।
সঠিক উত্তর:
যখন মেঘ করে, তখন বৃষ্টি হয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন মেঘ করে, তখন বৃষ্টি হয়।
ব্যাখ্যা
♠ সরল বাক্য:
- যে বাক্যে একটি সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে।
• তুমি এলে আমি যাব।
• দয়া করে সব খুলে বলুন।  
• সূর্যোদয়ে অন্ধকার দূর হয়। 
• সত্য কথা না বলে বিপদে পড়েছ। 
• আমরা তিন ভাইবোন ( ক্রিয়া অনুপস্থিত)।

♠ জটিল বাক্য:  
- যে-সে, যারা-তারা, যিনি-তিনি, যা-তা প্রভৃতি সাপেক্ষ সর্বনাম;
- এবং যদি-তবে, যদিও-তবু, যেহেতু-সেহেতু, যত-তত, যেমন-তেমন প্রভৃতি সাপেক্ষ যোজক দিয়ে যখন অধীন বাক্যগুলো যুক্ত থাকে, তাকে জটিল বাক্য বলে।   
 
• যদিও তিনি ধনী, তথাপি তিনি সুখী না। 
•  যদি সে কাল আসে, তাহলে আমি যাব। 
• যে ছেলেটি এখানে এসেছিল, সে আমার ভাই।
• যখন বৃষ্টি নামল, তখন আমরা ছাতা খুঁজতে শুরু করলাম।  

♣ সরল বাক্য থেকে জটিল বাক্য:  
- যে-সে, যিনি-তিনি, যারা তারা, যা-তা ইত্যাদি সাপেক্ষ সর্বনাম এবং যদি তবে, যেহেতু সেহেতু, যখনতখন, যত-তত, যেমন-তেমন ইত্যাদি সাপেক্ষ যোজক যুক্ত করে সরল বাক্যকে জটিল বাক্যে রূপান্তরিত করা যায়।
- যেমন: 
• সরল বাক্য: মেঘ করলে বৃষ্টি হয়। 
• জটিল বাক্য: যখন মেঘ করে, তখন বৃষ্টি হয়।    

• সরল বাক্য: সূর্যোদয়ে পদ্মফুল ফোটে। 
• জটিল বাক্য: যখন সূর্য উদিত হয়, তখন পদ্মফুল ফোটে।  
• সরল বাক্য: দুর্জন লোক পরিত্যাজ্য। 
• জটিল বাক্য: যেসব লোক দুর্জন, তারা পরিত্যাজ্য। 
• সরল বাক্য: তুমি চেষ্টা না করায় ব্যর্থ হয়েছ। 
• জটিল বাক্য: যেহেতু তুমি চেষ্টা করোনি, তাই ব্যর্থ হয়েছ।    

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২৩ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৬,৮০৬.
কোন বাগ্‌ধারা জোড়টি বিপরীতার্থক অর্থ প্রকাশ করে?
  1. ক) জোর কপাল, আটকপাল
  2. খ) গোবরগনেশ, গোমূর্খ
  3. গ) কানকাটা, চশমখোর
  4. ঘ) শরতের শিশির, পদ্মপাতার জল
সঠিক উত্তর:
ক) জোর কপাল, আটকপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জোর কপাল, আটকপাল
ব্যাখ্যা
• 'জোর কপাল' এবং 'আটকপাল' বাগ্‌ধারা জোড়টি বিপরীতার্থক অর্থ প্রকাশ করে।
জোর কপাল = সুপ্রসন্ন ভাগ্য
আটকপাল = হতভাগ্য 

অন্যদিকে, 
কানকাটা, চশমখোর = নির্লজ্জ 
গোবরগনেশ, গোমূর্খ = অতি মূর্খ
শরতের শিশির, পদ্মপাতার জল = ক্ষণস্থায়ী

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৬,৮০৭.
'বিবিক্ষা' শব্দটির সম্প্রসারিত বাক্য কোনটি?
  1. বমন করার ইচ্ছা
  2. প্রবেশ করার ইচ্ছা
  3. ভোজন করার ইচ্ছা
  4. বাস করার ইচ্ছা
সঠিক উত্তর:
প্রবেশ করার ইচ্ছা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রবেশ করার ইচ্ছা
ব্যাখ্যা

• 'প্রবেশ করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - বিবিক্ষা। 

অন্যদিকে, 
- 'বমন করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ- বিবমিষা।
- 'বাস করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ- বিবৎসা।
- 'ভোজন করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ- বুভুক্ষা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৬,৮০৮.
‘হরকিসিম’ শব্দটিতে ‘হর’ কোন ভাষার উপসর্গ?
  1. ক) ফারসি
  2. খ) হিন্দি
  3. গ) ইংরেজি
  4. ঘ) বাংলা
সঠিক উত্তর:
খ) হিন্দি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হিন্দি
ব্যাখ্যা
- ‘হর’ একটি  হিন্দি উপসর্গ।
- হর প্রত্যেক অর্থে ব্যবহার হয়।
- যেমন : 
- হর প্রত্যেক অর্থে হররোজ, হরকিসিম, হরেক, হরহামেশা।


উৎস : বাংলা দ্বিতীয় পত্র (এসএসসি প্রোগ্রাম) : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,৮০৯.
নিচের কোন শব্দটির পুরুষবাচক শব্দ নেই?
  1. গিন্নী
  2. মৎসী
  3. দাই
  4. শারি
সঠিক উত্তর:
দাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাই
ব্যাখ্যা
নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ:
 যেমন:
- সতীন, 
- সৎমা, 
- এয়ো, 
- দাই এবং
- সধবা ইত্যাদি।

অন্যদিকে: 
• 'মৎস্য' এর স্ত্রীবাচক শব্দ - মৎসী।
• 'শুক' এর স্ত্রীবাচক শব্দ - শারি।
• 'কর্তা' এর স্ত্রীবাচক শব্দ - গিন্নী।

উৎস:
১) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)। 
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৬,৮১০.
শিরোনামের প্রধান অংশ কোনটি ?
  1. ক) ডাকটিকিট
  2. খ) পোস্টাল কোড
  3. গ) প্রেরকের ঠিকানা
  4. ঘ) প্রাপকের ঠিকানা
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রাপকের ঠিকানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রাপকের ঠিকানা
ব্যাখ্যা
• শিরোনামের প্রধান অংশ হচ্ছে প্রাপকের নাম ঠিকানা।

সাধারণত একটি ব্যক্তিগত চিঠিতে ছয়টি অংশ বিদ্যমান থাকে।
যথা:
১. মঙ্গল সূচক শব্দ।
২. স্থান ও তারিখ।
৩. সম্বোধন ও সম্ভাষণ।
৪. চিঠির বক্তব্য।
৫. লেখকের স্বাক্ষর, বিদায় সম্ভাষণ।
৬. শিরোনাম- প্রেরক ও প্রাপকের নাম ঠিকানা।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৬,৮১১.
শুদ্ধ বানান - 
  1. প্রতিদন্দ্বীতা
  2. প্রতিদন্দ্বিতা
  3. প্রতিদ্বন্দ্বীতা
  4. প্রতিদ্বন্দ্বিতা
সঠিক উত্তর:
প্রতিদ্বন্দ্বিতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিদ্বন্দ্বিতা
ব্যাখ্যা

বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
 • শুদ্ধ বানান - প্রতিদ্বন্দ্বিতা।

- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
- এটি সংস্কৃত শব্দ।

শব্দের অর্থ:
- পরস্পরের দ্বন্দ্ব বা বিরোধ।
- প্রতিযোগিতা।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৬,৮১২.
কৃৎপ্রত্যয় সাধিত শব্দ কোনটি?
  1. সৌভাগ্য
  2. শ্রবণীয়
  3. বাগ্মী
  4. নীলিমা
সঠিক উত্তর:
শ্রবণীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্রবণীয়
ব্যাখ্যা
√দুল + অনা = দোলনা; √রক্ষ্‌ + অনীয় = রক্ষনীয়; √শ্রব্‌ + অনীয় = শ্রবণীয় কৃৎ প্রত্যয়যোগে গঠিত। অন্যদিকে, সুভগ+ষ্ণ্য > অ = সৌভাগ্য, নীল+ইমন > ইমা = নীলিমা এবং বাচ্ + মিন = বাগ্মী 'তদ্ধিত প্রত্যয়যোগে' গঠিত শব্দ।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম-দশম শ্রেণী
১৬,৮১৩.
স্বভাবত মূর্ধন্য-ষ হয়নি কোনটিতে?
  1. ক) কলুষ
  2. খ) পাষাণ
  3. গ) বিষম
  4. ঘ) কোষ
  5. ঙ) ঔষধ
সঠিক উত্তর:
গ) বিষম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বিষম
ব্যাখ্যা
কলুষ, পাষাণ, কোষ, ঔষধ শব্দগুলোতে স্বভাবতই মূর্ধন্য-ষ হয়েছে। এরূপ আরো কিছু শব্দ হলো মানুষ, আষাঢ়, দ্বেষ, রোষ, ষড়যন্ত্র ইত্যাদি। বিষম শব্দটি ই-কারান্ত উপযোগে গঠিত হওয়ায় এতে ষ হয়েছে। এরূপ অভিষেক, প্রতিষ্ঠান, প্রতিষেধক। (সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম-দশম শ্রেণী)
১৬,৮১৪.
'গৃহী' এর বিপরীত শব্দ কোনটি?
  1. দাতা
  2. বৈরাগি
  3. সন্ন্যাসী
  4. বৈভব
সঠিক উত্তর:
সন্ন্যাসী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সন্ন্যাসী
ব্যাখ্যা

• 'গৃহী' এর বিপরীত শব্দ - সন্ন্যাসী।

উল্লেখ্য,
বৈরাগি- বানান অশুদ্ধ।
বৈভব অর্থ- ধনসম্পদ। 

• কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিপরীত শব্দ:
• 'কুঞ্চন' এর বিপরীত শব্দ - প্রসারণ।
• 'বর্জন' এর বিপরীত শব্দ - গ্রহণ।
• 'দুর্জন' এর বিপরীত শব্দ - সজ্জন।
• 'উৎকর্ষ' এর বিপরীত শব্দ - অপকর্ষ।
• 'দাতা' এর বিপরীত শব্দ - গ্রহীতা।
• 'ক্ষয়িষ্ণু' এর বিপরীত শব্দ - বর্ধিষ্ণু।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১৬,৮১৫.
বাংলা অনুনাসিক স্বরধ্বনির সংখ্যা কতটি?
  1. ৫টি
  2. ৬টি
  3. ৭টি 
  4. ৮টি
সঠিক উত্তর:
৭টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭টি 
ব্যাখ্যা

• অনুনাসিক স্বরধ্বনি:
মৌলিক স্বরধ্বনিগুলো উচ্চারণের সময়ে বায়ু শুধু মুখ দিয়ে বেরিয়ে আসে। এ সময়ে কোমল তালু স্বাভাবিক অবস্থায় থাকে। কিন্তু ধ্বনিগুলো উচ্চারণের সময়ে কোমল তালু খানিকটা নিচে নেমে গেলে কিছুটা বায়ু নাক দিয়েও বের হয়। এর ফলে ধ্বনিগুলো অনুনাসিক হয়ে যায়। স্বরধ্বনির এই অনুনাসিকতা বোঝাতে বাংলা স্বরবর্ণের উপরে চন্দ্রবিন্দু (ঁ) ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

• মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি: 
যথা- 
[ই], [এ], [অ্যা], [আ], [অ], [ও], [উ]।

• অনুনাসিক স্বরধ্বনি ৭টি: 
যথা- 
[ইঁ], [এঁ], [অ্যাঁ], [আঁ], [অঁ], [ওঁ], [উঁ]।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২সংস্করণ)।

১৬,৮১৬.
"প্রচুর শ্রম এবং অভূতপূর্ব একাগ্রতা দিয়ে সে তার দীর্ঘ সময়ের কাজটি শেষ করেছে।" - বাক্যে কয়টি বিশেষণ শব্দ রয়েছে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
• বাক্যটি হচ্ছে: "প্রচুর শ্রম এবং অভূতপূর্ব একাগ্রতা দিয়ে সে তার দীর্ঘ সময়ের কাজটি শেষ করেছে।"

এই বাক্যে ৩টি বিশেষণ শব্দ রয়েছে:

• প্রচুর - (শ্রমের পরিমাণ বর্ণনা করছে);
• অভূতপূর্ব - (একাগ্রতার বিশেষতা বর্ণনা করছে);
• দীর্ঘ - (সময় বর্ণনা করছে)।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ), বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৬,৮১৭.
কোন বানানটি ভুল?
  1. বাজিকর
  2. ম্লানত্ব
  3. আপমর
  4. আপিস
  5. অবমর্শ
সঠিক উত্তর:
আপমর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপমর
ব্যাখ্যা

• 'আপমর' বানানটি ভুল।
শুদ্ধ বানান - আপামর।

অন্যদিকে,
সঠিক বানান :
- ম্লানত্ব, 
- বাজিকর
- আপিস 
- অবমর্শ।

উৎস: বাংলা একাডেমী আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৬,৮১৮.
'Allotment' এর বাংলা পরিভাষা -
  1. বিনোদন
  2. বরাদ্দ
  3. উপনাম
  4. সংশোধিত
সঠিক উত্তর:
বরাদ্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরাদ্দ
ব্যাখ্যা
• 'Allotment' এর বাংলা পরিভাষা - বরাদ্দ

অন্যদিকে,
Alias - ওরফে / উপনাম। 
Amended - সংশোধিত। 
Amusement - বিনোদন।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৬,৮১৯.
‘ঝানু’ শব্দের বিপরীত শব্দ নয় কোনটি?
  1. ক) অপটু
  2. খ) অপক্ব
  3. গ) ঝুনা
  4. ঘ) কাঁচা
সঠিক উত্তর:
গ) ঝুনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ঝুনা
ব্যাখ্যা

- ঝানু শব্দের সমার্থক শব্দ হচ্ছে অপটু, অপক্ব বা কাঁচা 
- অন্যদিকে ঝুনা শব্দের অর্থ হচ্ছে পাকা।

উৎসঃ আধুনিক বাংলা অভিধান ও বাংলা ভাষা ও জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

১৬,৮২০.
নিম্নের কোনটি সঠিক বানান?
  1. ঐকমত্য
  2. অগ্নাশয়
  3. আন্তরীক্ষ
  4. উৎকুলিত
সঠিক উত্তর:
ঐকমত্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঐকমত্য
ব্যাখ্যা
ঐকমত্য - বানানটি শুদ্ধ।
ঐকুমত্য (বিশেষ্য):
অর্থ - একমত, মতের অভিন্নতা।
------------
অশুদ্ধ বানানের শুদ্ধ রূপ- 
অগ্ন্যাশয় (বিশেষ্য):
অর্থ - পাচনগ্রন্থি

আন্তরিক্ষ (বিশেষণ):
অর্থ - আকাশসমন্ধীয়।

উৎকূলিত (বিশেষণ):
অর্থ - কূলে উঠানো হয়েছে এমন, কূলে উৎক্ষিপ্ত।


উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
১৬,৮২১.
'টাকায় সবই হয়' কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  1. অধিকরণ কারকে ৭মী
  2. অপাদান কারকে ৭মী
  3. করণ কারকে ৭মী
  4. কর্ম কারকে ৭মী
সঠিক উত্তর:
করণ কারকে ৭মী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
করণ কারকে ৭মী
ব্যাখ্যা
• করণ কারক:
- 'করণ' শব্দটির অর্থ: যন্ত্র, সহায়ক বা উপায়।
- ক্রিয়া সম্পাদনের যন্ত্র, উপকরণ বা সহায়ককেই করণ কারক বলা হয়।
- বাক্যস্থিত ক্রিয়াপদের সঙ্গে 'কীসের দ্বারা' বা 'কী উপায়ে' প্রশ্ন করলে যে উত্তরটি পাওয়া যায়, তা-ই করণ কারক।
যেমন-
- 'টাকায় সবই হয়' বাক্যে 'টাকায়' হচ্ছে সবকিছু হওয়ার উপায়।

একইভাবে,
- টাকায় বাঘের দুধ মিলে;
- সাধনায় সব হয়;
- ফলে বৃক্ষের পরিচয়;
- ব্যায়ামে শরীর ভালো থাকে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম- দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৬,৮২২.
"গবাদি" শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
  1. গব + আদি
  2. গোঃ + আদি
  3. গৌ + আদি
  4. গো + আদি
সঠিক উত্তর:
গো + আদি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গো + আদি
ব্যাখ্যা
সন্ধির নিয়ম:
• এ, ঐ, ও, ঔ-কারের পর এ, ঐ স্থানে যথাক্রমে অয়, আয় এবং ও, ঔ স্থানে যথাক্রমে অব্ ও আব্ হয়।

যেমন:
- গৈ + অক = গায়ক,
- পো + অন = পবন,
- লো + অন = লবণ,
- গো + আদি = গবাদি,
- গো + এষণা = গবেষণা,
- পো + ইত্র = পবিত্র।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৬,৮২৩.
নিচের কোনটি সংস্কৃত শব্দ?
  1. জানোয়ার
  2. ঢেঁকি
  3. সাপ
  4. গণপ্রজাতন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
গণপ্রজাতন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গণপ্রজাতন্ত্রী
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
• 'গণপ্রজাতন্ত্রী' একটি সংস্কৃত শব্দ।

• তৎসম শব্দ:
- প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত যেসব বাংলা শব্দের লিখিত চেহারা সংস্কৃত ভাষার শব্দের অনুরূপ সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলে।
- যথা: পৃথিবী, আকাশ, গ্রহ, বৃক্ষ।
- সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুসরণ করে গঠিত পারিভাষিক শব্দকেও তৎসম শব্দ বলা হয়।
- যথা: অধ্যাদেশ, গণপ্রজাতন্ত্রী, মহাপরিচালক, সচিবালয় ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- জানোয়ার- আরবি শব্দ।
- ঢেঁকি - দেশি শব্দ।
- সাপ - তদ্ভব শব্দ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম ও দশম শ্রেণি (২০২৪ সংস্করণ)।
১৬,৮২৪.
'ব্যাষ্টি' শব্দের বিপরীত শব্দ-
  1. বিয়োগ
  2. সমষ্টি
  3. বিস্মৃতি
  4. সৃষ্টি
সঠিক উত্তর:
সমষ্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমষ্টি
ব্যাখ্যা

• 'ব্যাষ্টি' শব্দের বিপরীত শব্দ সমষ্টি।
• সৃষ্টির শব্দের বিপরীত শব্দ ধ্বংস।
• স্মৃতি শব্দের বিপরীত শব্দ বিস্মৃতি।
• যোগ শব্দের বিপরীত শব্দ বিয়োগ।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।

১৬,৮২৫.
“ক্ষুদার্তকে খাদ্য দাও” - বাক্যে ‘ক্ষুদার্ত’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  1. ক) সম্প্রদান কারকে শুণ্য বিভক্তি
  2. খ) সম্প্রদান কারকে সপ্তমী বিভক্তি
  3. গ) সম্প্রদান কারকে চতুর্থী বিভক্তি
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) সম্প্রদান কারকে চতুর্থী বিভক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সম্প্রদান কারকে চতুর্থী বিভক্তি
ব্যাখ্যা
“ক্ষুদার্তকে খাদ্য দাও” - বাক্যে ‘ক্ষুদার্ত’ সম্প্রদান কারকে চতুর্থী বিভক্তি

সম্প্রদান কারক:

যাকে স্বত ত্যাগ করে কিছু দেওয়া হয় তাকে সম্প্রদান কারক বলে । কাকে দান করা হলো ? প্রশ্নের উত্তরে যা পাওয়া যায় সেটই সম্প্রদান কারক।

• সম্প্রদান কারকে দ্বিতীয়া বিভক্তির বদলে চতুর্থী বিভক্তি যুক্ত হয় । চতুর্থী বিভক্তি সাধারণত আর কোথাও যুক্ত হয় না । ‘কে/রে' বিভক্তি দুটি সম্প্রদান কারকের সঙ্গে থাকলে তা চতুর্থী বিভক্তি । 

• অন্য কোনো কারকের সঙ্গে থাকবে তা দ্বিতীয়া বিভক্তি হিসেবে গণ্য হয় । তবে কোথাও নিমিত্তার্থে 'কে' বিভক্তি যুক্ত হলে তা চতুর্থী বিভক্তি হিসেবে গণ্য করতে তার যেমন - বেলা যে পড়ে এল, জলকে চল । (নিমিত্তার্থে চতুর্থী বিভক্তি)।

সম্প্রদান কারকে বিভক্তির প্রয়োগ :
- ভিক্ষা দাও আসিলে ভিক্ষুক। (কাকে ভিক্ষা দাও? ভিক্ষুক) : এখানে ভিক্ষুক সম্প্রদান কারকে শূন্য বিভক্তি। 
- ক্ষুদার্তকে খাদ্য দাও। (কাকে দান করা হলো? অসহায়কে) : সম্প্রদান কারকে চতুর্থী বিভক্তি।
- অন্ধজনে দেহ আলো। (কাকে দান করা হলো? অন্ধজনে) : সম্প্রদান কারকে সপ্তমী বিভক্তি। 
- সমিতিতে চাঁদা দাও। (কাকে দান করা হলো? সমিতিতে) : সম্প্রদান কারকে সপ্তমী বিভক্তি।

উৎস : প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি - ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন ।
১৬,৮২৬.
‘শিমুল গাছটা বড় হলে চারদিকে তুলো ছড়িয়ে অস্থির করে দেবে।’- কোন ধরনের বাক্যের উদাহরণ?
  1. মিশ্র বাক্য
  2. সরল বাক্য
  3. জটিল বাক্য
  4. যৌগিক বাক্য
সঠিক উত্তর:
সরল বাক্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরল বাক্য
ব্যাখ্যা
• সরল বাক্য:
বাক্যে একটি মাত্র কর্তা এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে।
যেমন:
- পুকুরে পদ্মফুল জন্মে।
- তোমরা বাড়ি যাও।
- শিমুল গাছটা বড় হলে চারদিকে তুলো ছড়িয়ে অস্থির করে দেবে।
- পয়লা পয়লা কাজে নেমে সবাই ভিমরি ভায়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৬,৮২৭.
‘সন্মার্গ’ শব্দের শুদ্ধ সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. সদ্ + মার্গ
  2. সৎ + মার্গ
  3. সন্ + মার্গ
  4. সম্ + মার্গ
সঠিক উত্তর:
সৎ + মার্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৎ + মার্গ
ব্যাখ্যা
• ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম:
আগে ৎ, দ্‌, ধ্‌ এবং পরে ন্‌ / ম্‌ থাকলে ৎ, দ্‌ বা ধ্‌ স্থানে ন্‌ হয়, এবং পরের ন-এর সঙ্গে মিলে ন্ন কিংবা ম এর সঙ্গে মিলে ন্ম হয়।
যেমন:
- উৎ + নতি = উন্নতি;
- ক্ষুধ্‌ + নিবৃত্তি = ক্ষুন্নিবৃত্তি;
- রাধ্‌ + না = রান্না;
- তদ্ + মাত্র = তন্মাত্র;
- সৎ + মার্গ = সন্মার্গ;
- মৃৎ + ময় = মৃন্ময়।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৬,৮২৮.
নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. ন্যূন্যতম
  2. নূন্যতম
  3. নুনতম
  4. ন্যূনতম
সঠিক উত্তর:
ন্যূনতম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যূনতম
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) ন্যূনতম।
--------------------
বাংলা একাডেমী আধুনিক বানান অভিধান অনুসারে,
শুদ্ধ বানান - ন্যূনতম।

• 'ন্যূনতম' মানে হলো সর্বনিম্ন বা কমপক্ষে।
বাক্য গঠন: এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হলে ন্যূনতম ৪০% নম্বর পেতে হবে।

অশুদ্ধ বানান- শুদ্ধ বানান:
মূর্ধণ্য- মূর্ধন্য, 
অতিথী- অতিথি,
নিরীক্ষন- নিরীক্ষণ,
শারিরীক- শারীরিক।  

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৬,৮২৯.
নিচের কোনটি ভাব বিশেষ্য এর উদাহরণ?
  1. হাত 
  2. জবা
  3. সাইকেল
  4. রাগ
সঠিক উত্তর:
রাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাগ
ব্যাখ্যা

• ইন্দ্রিয়গ্রাহ্যতার দিক থেকে সাধারণ বিশেষ্যকে দুটি উপশ্রেণিতে ভাগ করা যায় : 
 
মূর্ত বিশেষ্য:
- এমন ব্যাক্তি বা বস্তুর নাম বোঝায় যা দেখা যায়, স্পর্শ করা, ঘ্রান নেওয়া কিংবা পরিমাপ করা যায় । যেমন -  গোলাপ, বাক্স, হাত ইত্যাদি।

ভাব বিশেষ্য:
- নির্বস্তুক অবস্থা, মনোগত ভাব বা গুনগত বৈশিষ্ট্য ইত্যাদির নাম বোঝায়। যেমন -
আনন্দ, ইচ্ছা, শান্তি, ক্ষমা, পাপ, যুক্তি, রাগ ইত্যাদি।

এ শ্রেণীর বিশেষ্যের সঙ্গে বহুবচন প্রয়োগ খুব স্বাভাবিক নয়।

উৎস: বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (প্রথম খণ্ড)।

১৬,৮৩০.
নিচের কোনটি নিত্য সমাস?
  1. ভালমন্দ
  2. দেশান্তর
  3. বেয়াদব
  4. পঞ্চনদ
সঠিক উত্তর:
দেশান্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেশান্তর
ব্যাখ্যা
নিত্য সমাস:
- যে সমাসে সমস্যমান পদগুলো নিত্য সমাসবদ্ধ থাকে, ব্যাসবাক্যের দরকার হয় না, তাকে নিত্য সমাস বলে। তদর্থবাচক ব্যাখ্যামূলক শব্দ বা বাক্যাংশ যোগে এগুলোর অর্থ বিশদ করতে হয়।

যেমন:
অন্য গ্রাম = গ্রামান্তর,
কেবল দর্শন = দর্শনমাত্র,
অন্য গৃহ = গৃহান্তর,
অন্য দেশ = দেশান্তর,
তুমি আমি ও সে = আমরা,
দুই এবং নব্বই = বিরানব্বই।

অন্যদিকে, 
- ভাল ও মন্দ = ভালমন্দ; দ্বন্দ্ব সমাস। 
- নঞ্ আদব = বেয়াদব; নঞ্ তৎপুরুষ সমাস।
- পঞ্চ নদের সমাহার = পঞ্চনদ; দ্বিগু সমাস বলে। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ);  ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৬,৮৩১.
সংখ্যাবাচক শব্দের আগে বসে অনির্দিষ্টতা বোঝায় কোনটি?
  1. প্রত্যয়
  2. পদাশ্রিত নির্দেশক
  3. অনুসর্গ
  4. বিভক্তি 
সঠিক উত্তর:
পদাশ্রিত নির্দেশক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদাশ্রিত নির্দেশক
ব্যাখ্যা
• পদাশ্রিত নির্দেশক:
যে সব অব্যয় বা প্রত্যয় বিশেষ্য ও সর্বনাম পদকে নির্দেশ করার জন্য বিশেষ্য বা সর্বনামের সঙ্গে যুক্ত হয়, সেগুলোকে পদাশ্রিত নির্দেশক বলা হয়।

বচনভেদে পদাশ্রিত নির্দেশকের প্রয়োগ:
• একবচনে ব্যবহৃত পদাশ্রিত নির্দেশক: টি, টা, খানা, খানি, গাছা, গাছি ইত্যাদি।
উদাহরণ: কলমটি, বইটা, বৈঠকখানা, বইখানি, লাঠিগাছা, চুড়িগাছি ইত্যাদি।

• বহুবচনে ব্যবহৃত পদাশ্রিত নির্দেশক: গুলি, গুলা, গুলো ইত্যাদি।
উদাহরণ: আমগুলি, ফলগুলো, বিড়ালগুলা প্রভৃতি।

• কোনো সংখ্যা বা পরিমাপের স্বল্পতা বোঝাতে ব্যবহৃত পদাশ্রিত নির্দেশক: টে, টুক, টুকু, টুকুন, টো, গোটা ইত্যাদি।
উদাহরণ: তিনটে চাল, ভাতটুকু, পায়েসটুকু, এতটুকুন মেয়ে, দুটো ভাত প্রভৃতি।

• পদাশ্রিত নির্দেশক 'গোটা' শব্দটি বচনবাচক ও সংখ্যাবাচক শব্দের আগে বসে অনির্দিষ্টতা বোঝায়।
যেমন-
গোটা দেশটাই গোল্লায় গেছে।
গোটা দুই আম দাও।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৬,৮৩২.
'মিছিলটি সামনে এগিয়ে যায়' - বাক্যটিতে কোন ধরনের ক্রিয়াবিশেষণ ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. কালবাচক ক্রিয়াবিশেষণ
  2. ধরনবাচক ক্রিয়াবিশেষণ
  3. স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ
  4. পদাণু ক্রিয়াবিশেষণ
সঠিক উত্তর:
স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ
ব্যাখ্যা
ক্রিয়া বিশেষণ:
যে শব্দ ক্রিয়াকে বিশেষিত করে, তাকে ক্রিয়া বিশেষণ বলে।

ক্রিয়া বিশেষণকে কয়েক ভাগে ভাগ করা যায়।  
• স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ:
ক্রিয়ার স্থান নির্দেশ করে স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ।
যেমন: 
- মিছিলটি সামনে এগিয়ে যায়। 
- তাকে কোথাও খুজে পাওয়া যাচ্ছে না।
---------------------
অন্যদিকে,
• ধরনবাচক ক্রিয়াবিশেষণ:
কোনাে ক্রিয়া কীভাবে সম্পন্ন হয়, ধরন বাচক ক্রিয়া বিশেষণ তা নির্দেশ করে।
যেমন:
- টিপ টিপ বৃষ্টি পড়ছে।
- ঠিকভাবে চললে কেউ কিছু বলবে না।

⇒ কালবাচক ক্রিয়াবিশেষণ:
এই ধরনের ক্রিয়াবিশেষণ ক্রিয়া সম্পাদনের কাল নির্দেশ করে। 
যেমন: 
- যথাসময়ে সে হাজির হয়।

• পদাণু ক্রিয়াবিশেষণ:
বাক্যের মধ্যে বিশেষ কোনাে ভূমিকা পালন না করলেও কি, যে, বা, না, তাে প্রভৃতি পদাণু ক্রিয়াবিশেষণ হিসেবে কাজ করে।
যেমন:
- কি: আমি কি যাব?
- যে: খুব যে বলেছিলেন আসিবেন!
- বা: কখনাে বা দেখা হবে।
- না: একটু ঘুরে আসুন না, ভালাে লাগবে।
- তাে: মরি তাে মরব।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৬,৮৩৩.
'এ খারাপ কাজটি তুমিই করেছ বলে রব উঠেছে।' বাক্যে 'উঠা' শব্দটি কী অর্থ প্রকাশ করেছে?
  1. গুজব উঠা
  2. শুনতে পাওয়া
  3. অভিযোগ
  4. সমাজে স্থান পাওয়া
সঠিক উত্তর:
গুজব উঠা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুজব উঠা
ব্যাখ্যা
'উঠা' শব্দের বিশিষ্ট প্রয়োগ:
১. রব উঠা (গুজব উঠা)- এ খারাপ কাজটি তুমিই করেছ বলে রব উঠেছে।
২. জাতে উঠা (সমাজে স্থান পাওয়া)- চাকুরি হওয়ায় মজিদ এখন জাতে উঠেছে।
৩. কানে উঠা (শুনতে পাওয়া)- কথাটা মায়ের কান পর্যন্ত উঠেছে।
৪. মন উঠা (সন্তুষ্ট হওয়া)- এত অল্প টাকায় তার মন উঠবে না।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,৮৩৪.
কোনটি অব্যয়জাত বিশেষণের উদাহরণ? 
  1. হঠাৎ বড়লোক
  2. অনাগত দিন
  3. কাঁদকাঁদ চেহারা
  4. চৌচালা ঘর
সঠিক উত্তর:
হঠাৎ বড়লোক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হঠাৎ বড়লোক
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ক) হঠাৎ বড়লোক

বিভিন্নভাবে বিশেষণ গঠনের পদ্ধতি:
ক. ক্রিয়াজাত - হারানো সম্পত্তি, খাবার পানি, অনাগত দিন
খ. অব্যয়জাত - আচ্ছা মানুষ, উপরি পাওনা, হঠাৎ বড়লোক
গ. সর্বনামজাত - কবেকার কথা, কোথাকার কে, স্বীয় সম্পত্তি।
ঘ. সমাসসিদ্ধ - বেকার, নিয়ম-বিরুদ্ধ, জ্ঞানহারা, চৌচালা ঘর
ঙ. বীপ্সামূলক - হাসিহাসি মুখ, কাঁদকাঁদ চেহারা, ডুবুডুবু নৌকা।
চ. অনুকার অব্যয়জাত - কনকনে শীত, শনশনে হাওয়া, ধিকিধিকি আগুন, টসটসে ফল, তকতকে মেঝে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)। 

১৬,৮৩৫.
নিচের কোন শব্দটি ষ-ত্ব বিধান অনুযায়ী শুদ্ধ?
  1. ভবিষ্যৎ
  2. খোষ 
  3. অগ্নিষাৎ 
  4. নকষা 
সঠিক উত্তর:
ভবিষ্যৎ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভবিষ্যৎ
ব্যাখ্যা

ষ-ত্ব বিধান:
- ‘ভবিষ্যৎ’ শব্দটিতে ষ-ত্ব বিধান সঠিকভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে।
- নিয়ম অনুযায়ী, যদি কোনো শব্দে ‘অ’ বা ‘আ’-এর ভিন্ন স্বরধ্বনি এবং ক বা র-এর পরে প্রত্যয়ের ‘স’ থাকে, তবে সেটি মূর্ধন্য ‘ষ’ হয়ে লেখা হয়।
- ‘ভবিষ্যৎ’ শব্দে দেখা যায়, ‘ভ’ এর সঙ্গে ‘ই’ কার যুক্ত আছে, যা ‘অ/আ’ থেকে ভিন্ন স্বরধ্বনি, এবং প্রত্যয়ের পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনে ‘স’ এর স্থলে ‘ষ’ বসানো হয়েছে।
 --------------------------
অন্যদিকে,
• খোষ বানানটি অশুদ্ধ। 
- শুদ্ধ বানান- খোশ। 
- খোশ ফারসি শব্দ। 
- ফারসি শব্দের পরে 'ষ' ব্যবহার করা হয়না। 

• সাৎ প্রত্যয়যুক্ত শব্দে 'ষ' হয়না। তাই অগ্নিষাৎ শব্দটি ষ-ত্ব বিধান অনুযায়ী অশুদ্ধ। 

• নকশা আরবি শব্দ। আরবি শব্দের পরে 'ষ' হয়না। তাই নকষা শব্দটি ষ-ত্ব বিধান অনুযায়ী অশুদ্ধ। 

উৎস: 
ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ; 
বাংলা ২য় পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১৬,৮৩৬.
'জেলেনি' কোন প্রত্যয়যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ?
  1. ইনি
  2. ইন
  3. আনী
  4. নি
সঠিক উত্তর:
নি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নি
ব্যাখ্যা

নরবাচক শব্দকে নারীবাচক শব্দে পরিবর্তিত করতে সাধারণত কিছু প্রত্যয় যোগ করতে হয়।
যেমন-
- আ প্রত্যয়: বৃদ্ধ - বৃদ্ধা, প্রিয় - প্রিয়া
- ই প্রত্যয়: দাদা - দাদি, জেঠা - জেঠি ।
- ইনি প্রত্যয়: কাঙাল - কাঙালিনি, বাঘ - বাঘিনি।
- ইনী প্রত্যয়: বিজয় - বিজয়িনী, তেজস্বী - তেজস্বিনী।
- ঈ প্রত্যয়: নার - নারী, কিশোর - কিশোরী।
- নি প্রত্যয়: জেলে - জেলেনি, বেদে - বেদেনি।
- বতী প্রত্যয়: গুণবান - গুণবতী, পূণ্যবান - পূণ্যবতী।
- মতী প্রত্যয়: বুদ্ধিমান - বুদ্ধিমতী, শ্রীমান - শ্রীমতী ইত্যাদি ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম (২০২২ সংস্করণ)।

১৬,৮৩৭.
যে সমাসের পূর্বপদ সংখ্যাবাচক এবং সমস্ত পদের দ্বারা সমাহার বোঝায় তাকে বলে?
  1. দ্বন্দ্ব সমাস
  2. রূপক সমাস
  3. বহুব্রীহি সমাস
  4. দ্বিগু সমাস
সঠিক উত্তর:
দ্বিগু সমাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিগু সমাস
ব্যাখ্যা
• দ্বিগু সমাস:
যে সমাসে সংখ্যাবাচক শব্দ পূর্বে বসে সমাহার/সমষ্টি বোঝায় এবং পরপদের অর্থই প্রাধান্য পায় তাকে দ্বিগু সমাস বলে।
যেমন:
- নব রত্নের সমাহার = নবরত্ন।
- সপ্ত অহের সমাহার = সপ্তাহ।

অথবা, সমাহার (সমষ্টি) বা মিলনার্থে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের যে সমাস হয় তাকে দ্বিগু সমাস বলে।
যেমন:
- ত্রি (তিন) কালের সমাহার = ত্রিকাল;
- তে (তিন) মাথার সমাহার = তেমাথা;
- শত অব্দের সমাহার = শতাব্দী।

[লক্ষণীয়: পূর্বপদে সংখ্যাবাচক শব্দ থাকলে, ওই শব্দ দিয়ে যদি সমাহার বা সমষ্টি না বোঝায় এবং পরপদের অর্থ প্রাধান্য পায়, তবে তা দ্বিগু সমাস নয়।]

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৬,৮৩৮.
কোন বাক্যে নিম্নরেখ শব্দ বিশেষ্যরূপে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. ভালো বাড়ি পাওয়া কঠিন
  2. মন্দ কথা বলতে নেই
  3. শীতকালে কুয়াশা পড়ে
  4. গভীর নিশীথে প্রকৃতি সুপ্ত
সঠিক উত্তর:
গভীর নিশীথে প্রকৃতি সুপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গভীর নিশীথে প্রকৃতি সুপ্ত
ব্যাখ্যা
• যে পদে সাধারণত কোনো ব্যক্তি, বস্তু, জাতি, সমষ্টি, বিষয়, স্থান, কাল, ভাব, কর্ম বা গুণের নাম বোঝানো হয় বা কোনো কিছুর নাম বোঝায় তাকে বিশেষ্য পদ বলে। 
যেমন:
- বিশেষণ রূপে: নিশীথ রাতে বাজছে বাঁশি ।
- বিশেষ্য রূপে: গভীর নিশীথে প্রকৃতি সুপ্ত।

• বাংলা ভাষায় একই পদ বিশেষ্য ও বিশেষণ রূপে ব্যবহৃত হতে পারে।
যেমন:
বিশেষণ রূপে - ভালো বাড়ি পাওয়া কঠিন ।
বিশেষ্য রূপে - আপন ভালো সবাই চায় ৷

বিশেষণ রূপে - মন্দ কথা বলতে নেই ।
বিশেষ্য রূপে - এখানে কী মন্দটা তুমি দেখলে?

বিশেষণ রূপে - তোমার এ পুণ্য প্রচেষ্টা সফল হোক ।
বিশেষ্য রূপে - পুণ্যে মতি হোক ।

বিশেষণ রূপে - শীতকালে কুয়াশা পড়ে।
বিশেষ্য রূপে - শীতের সকালে চারদিক কুয়াশায় অন্ধকার ।

বিশেষণ রূপে - সত্য পথে থেকে সত্য কথা বল।
বিশেষ্য রূপে - এ এক বিরাট সত্য ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৬,৮৩৯.
ভয়ার্ত শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কি?
  1. ভয় + আর্ত
  2. ভয় + ঋত
  3. ভয়া + রত
  4. ভয় + ঋ
সঠিক উত্তর:
ভয় + ঋত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভয় + ঋত
ব্যাখ্যা

- অ-ধ্বনি বা আ-ধ্বনির পরে ঋত শব্দের ঋ থাকলে সন্ধিতে আর্ হয়।
- বানানে আর্ - এর আ-কার আগের বেঞ্জনেযুক্ত এবং ঋ - ধ্বনি রেফ হয়ে ত এর মাথায় বসে।
- সংক্ষেপে:
- অ+ ঋত= আর্ত
- আ+ ঋত = আর্ত 
- উদাহরণ 
- দূঃখ + ঋত= দূঃখার্ত
- শীত+ ঋত = শীতার্ত
- ভয় + ঋত = ভয়ার্ত 
- তৃষ্ণা + ঋত = তৃষ্ণার্ত 
- পিপাসা + ঋত = পিপাসার্ত

[উৎসঃ ভাষা - শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ]

১৬,৮৪০.
‘কুশীলব’ কোন ধরনের দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ?
  1. অলুক দ্বন্দ্ব
  2. একশেষ দ্বন্দ্ব
  3. বিরোধার্থক দ্বন্দ্ব
  4. নিপাতনে সিদ্ধ দ্বন্দ্ব
সঠিক উত্তর:
নিপাতনে সিদ্ধ দ্বন্দ্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিপাতনে সিদ্ধ দ্বন্দ্ব
ব্যাখ্যা
• দ্বন্দ্ব সমাস:
দ্বন্দ্ব শব্দের অর্থ সংঘাত বা বিবাদ হলেও সমাসের ক্ষেত্রে ‘দ্বন্দ্ব’ শব্দটি মিলন, জোড়া ও যুগল অর্থেই ব্যবহৃত হয়। সুতরাং যে সমাসে সমস্যমান প্রত্যেক পদের অর্থের প্রাধান্য থাকে তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে।

- এ সমাসে পূর্বপদ ও পরপদের সম্বন্ধ বোঝানোর জন্য ব্যাসবাক্যে ও, এবং, আর- এ তিনটি অব্যয়পদ সংযোজক হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
 
দ্বন্দ্ব সমাস নিম্নোক্ত কয়েক প্রকার হতে পারে-
- মিলনার্থক দ্বন্দ্ব,
- বিরোধার্থক দ্বন্দ্ব,
- বিপরীতার্থক দ্বন্দ্ব,
- অঙ্গবাচক দ্বন্দ্ব,
- বহুপদবিশিষ্ট দ্বন্দ্ব,
- সংখ্যাবাচক দ্বন্দ্ব,
- সমার্থক দ্বন্দ্ব,
- একশেষ দ্বন্দ্ব,
- অলুক দ্বন্দ্ব,
- নিপাতনে সিদ্ধ দ্বন্দ্ব।

-------------------
• নিপাতনে সিদ্ধ দ্বন্দ্ব: 
যে দ্বন্দ্ব সমাস কোনো নিয়ম মানে না তাকে নিপাতনে সিদ্ধ দ্বন্দ্ব সমাস বলে। যেমন: 
- অহঃ ও নিশা = অহর্নিশ।
- অহঃ ও রাত্র = অহোরাত্র।
- দিবা ও রাত্রি = দিবারাত্র।
- কুশ ও লব = কুশীলব।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ও বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
১৬,৮৪১.
'হাসি দিয়ে ঘরটাকে ভরিয়ে রাখতো সে'। বাক্যটিতে 'দিয়ে' হলো-
  1. অব্যয়
  2. প্রত্যয়
  3. অনুসর্গ
  4. উপসর্গ
সঠিক উত্তর:
অনুসর্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুসর্গ
ব্যাখ্যা
• 'হাসি দিয়ে ঘরটিকে ভরিয়ে রাখতো সে।' - বাক্যটিতে 'দিয়ে' একটি অনুসর্গ।  
----------- 
অনুসর্গ: 
- যেসব শব্দ কোনো শব্দের পরে বসে শব্দটিকে বাক্যের সাথে সম্পর্কিত করে, সেসব শব্দকে অনুসর্গ বলে ।
- বাংলা কিছু অনুসর্গ আছে এদের মধ্যে দ্বারা, দিয়া (দিয়ে), কর্তৃক, হইতে, চেয়ে, অপেক্ষায়, মধ্যে প্রভৃতি কয়েকটি অনুসর্গ বিভক্তি রুপে ব্যবহৃত হয় ।

• কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অনুসর্গের উদাহরণ:
হইতে, হতে, চেয়ে, দ্বারা, দিয়া, দিয়ে, কর্তৃক ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৬,৮৪২.
৭-১৭ শব্দের অর্থ নির্ণয় করুন: কদাকার
  1. কাঁদা যুক্ত
  2. বিশ্রী
  3. অপলাপ
  4. কম দরকারী
  5. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
বিশ্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশ্রী
ব্যাখ্যা
• কদাকার (বিশেষণ পদ)
- এটি সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- কুৎসিত আকৃতিবিশিষ্ট,
- বেঢপ।

অন্যদিকে,
• বিশ্রী (বিশেষণ পদ),
অর্থ: কদাকার, কুৎসিত, শ্রীহীন ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৬,৮৪৩.
কোনটি ঘৃষ্ট ধ্বনি?
  1. জ্
সঠিক উত্তর:
জ্
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জ্
ব্যাখ্যা

ঘৃষ্ট ধ্বনি:
- এ জাতীয় ধ্বনির উচ্চারণগত বৈশিষ্ট্য দুই ধরনের-বাতাস প্রথমে স্পৃষ্ট ধ্বনির মতো মুখের মধ্যে সম্পূর্ণ রুদ্ধ হয় কিন্তু দ্রুত বের না হয়ে কিছুটা বিলম্বে ঘর্ষণ ধ্বনি তৈরি করে বের হয়।
সে-হিসাবে এ জাতীয় ধ্বনির উচ্চারণগত বৈশিষ্ট্য হলো: স্পৃষ্ট + ঘর্ষণজাত = ঘৃষ্ট। ইংরেজি child, jam শব্দের ch, j এ জাতীয় ধ্বনি। বাংলা কাচ, মাছ, কাজ, মাঝ, শব্দের [চ্, ছ্, জ্, ঝ্ ] ঘৃষ্ট ধ্বনি।

অন্যদিকে,
- শ উষ্ম ধ্বনি।
- ম নাসিক্য ধ্বনি।
- ঘ স্পৃষ্ট ধ্বনি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (প্রথম খণ্ড)।

১৬,৮৪৪.
ব্যাকরণের কোন অংশে 'যতিচিহ্ন' আলোচিত হয়?
  1. ধ্বনিতত্ত্ব
  2. রূপতত্ত্ব
  3. অর্থতত্ত্ব
  4. বাক্যতত্ত্ব
সঠিক উত্তর:
বাক্যতত্ত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাক্যতত্ত্ব
ব্যাখ্যা
• 'যতিচিহ্ন' ব্যাকরণের বাক্যতত্ত্বে আলোচিত হয়। 

• বাক্যতত্ত্ব:
- বাক্যতত্ত্বে বাক্য নিয়ে আলোচনা করা হয়। বাক্যের নির্মাণ ও গঠন বাক্যতত্ত্বের মূল আলোচ্য।
- বাক্যের মধ্যে পদ ও বর্গ কিভাবে বিন্যস্ত থাকে বাক্যতত্ত্বে তা বর্ণনা করা হয়।
- এছাড়া বাক্যের রূপান্তর, বাক্যের বাচ্য, উক্তি ইত্যাদি এই অংশের আলোচ্য বিষয়।
- কারক বিশ্লেষণ, বাক্যের যোগ্যতা, বাক্যের উপাদান লোপ, যতিচিহ্ন ইত্যাদি বাক্যতত্ত্ব অংশে আলোচিত হয়।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
১৬,৮৪৫.
'Demographic' এর বাংলা পরিভাষা-
  1. জনসংখ্যা
  2. গণতন্ত্র
  3. জনতাত্ত্বিক
  4. সমাজতন্ত্র
সঠিক উত্তর:
জনতাত্ত্বিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনতাত্ত্বিক
ব্যাখ্যা
• 'Demographic' এর বাংলা পরিভাষা → জনতাত্ত্বিক।

অন্যদিকে,
Democracy → গণতন্ত্র;
Demography → জনতত্ত্ব;
Socialism → সমাজতন্ত্র।

উৎস: বাংলা একাডেমি প্রশাসনিক পরিভাষা।
১৬,৮৪৬.
‘যথাসাধ্য’ কোন সমাস?
  1. বহুব্রীহি সমাস
  2. অব্যয়ীভাব সমাস
  3. নিত্য সমাস
  4. কর্মধারয় সমাস
সঠিক উত্তর:
অব্যয়ীভাব সমাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অব্যয়ীভাব সমাস
ব্যাখ্যা
অব্যয়ীভাব সমাস:
- পূর্বপদে অব্যয়যোগে নিষ্পন্ন সমাসে যদি অব্যয়েরই অর্থের প্রাধান্য থাকে তবে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে।
- অব্যয়ীভাব সমাসে কেবল অব্যয়ের অর্থযোগে ব্যাসবাক্যটি রচিত হয়।
যেমন:
- অতিক্রান্ত (উৎ) অর্থে: বেলাকে অতিক্রান্ত = উদ্বেল,
- শৃঙ্খলাকে অতিক্রান্ত =  উচ্ছৃঙ্খল।
- অনতিক্রম্যতা (যথা) অর্থে:  রীতিকে অতিক্রম না করে = যথারীতি,
- সাধ্যকে অতিক্রম না করে = যথাসাধ্য।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৬,৮৪৭.
'এক সেকেন্ড' বিরতি কাল নয় কোন যতিচিহ্নের?
  1. কোলন ড্যাস চিহ্ন
  2. বিস্ময় চিহ্ন
  3. ব্র্যাকেট চিহ্ন
  4. ড্যাস চিহ্ন
সঠিক উত্তর:
ব্র্যাকেট চিহ্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্র্যাকেট চিহ্ন
ব্যাখ্যা
• যতিচিহ্ন:
মুখের কথাকে লিখিত রূপ দেওয়ার সময়ে কম-বেশি থামা বোঝাতে যেসব চিহ্ন ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে যতিচিহ্ন বলে। বক্তব্যকে স্পষ্ট করতেও কিছু চিহ্ন ব্যবহৃত হয়ে থাকে। যতিচিহ্নকে বিরামচিহ্ন বা বিরতিচিহ্নও বলা হয়।

• নিম্নের উল্লেখিত যতিচিহ্নের বিরতি কালের পরিমাণ 'এক সেকেন্ড'-
- দাড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ,
- প্রশ্নবোধক চিহ্ন,
- বিস্ময় চিহ্ন,
- কোলন,
- কোলন ড্যাস,
- ড্যাস।

• থামার প্রয়োজন নেই-
- হাইফেন,
- ইলেক বা লোপ চিহ্ন,
- ব্র্যাকেট।

উৎস: বাংলা ভষার ব্যাকরণ, নবম দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৬,৮৪৮.
'সংসার বিনষ্ট করা' কোন বাগধারাটির অর্থ?
  1. ক) ঘর ভাঙানো
  2. খ) ঘর থাকতে বাবুই ভেজা
  3. গ) ছেঁড়া চুলে খোঁপা বাঁধা
  4. ঘ) উড়ে এসে জুড়ে বসা
সঠিক উত্তর:
ক) ঘর ভাঙানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ঘর ভাঙানো
ব্যাখ্যা
ঘর ভাঙানো - সংসার বিনষ্ট করা
ঘর থাকতে বাবুই ভেজা - সুযোগ থাকতে কষ্ট
ছেঁড়া চুলে খোঁপা বাঁধা - বৃথা চেষ্টা
উড়ে এসে জুড়ে বসা - অনধিকারির অধিকার
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণি
১৬,৮৪৯.
'গোঁফ খেজুরে' বাগ্‌ধারার অর্থ কী?
  1. গুরুত্বহীন লোক
  2. নির্লজ্জ
  3. অত্যন্ত অলস
  4. অতি মূর্খ
  5. তোষামোদকারী
সঠিক উত্তর:
অত্যন্ত অলস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অত্যন্ত অলস
ব্যাখ্যা
• 'গোঁফ খেজুরে' বাগ্‌ধারার অর্থ - অত্যন্ত অলস।

অন্যদিকে, 
• 'উলুখাগড়া' অর্থ - গুরুত্বহীন লোক। 
• 'চশমখোর' অর্থ - নির্লজ্জ। 
• 'গোমূর্খ' অর্থ - অতি মূর্খ। 
• 'খয়ের খাঁ' অর্থ - তোষামোদকারী। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৬,৮৫০.
‘তাকে চিঠি পাঠানো হয়েছে’ - বাক্যটি তে ‘পাঠানো’ কোন পদবাচক শব্দ?
  1. ক) বিশেষ্য বাচক
  2. খ) ক্রিয়া বাচক
  3. গ) অনুসর্গ বাচক
  4. ঘ) যোজক বাচক
সঠিক উত্তর:
ক) বিশেষ্য বাচক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বিশেষ্য বাচক
ব্যাখ্যা
বিশেষ্য সাধারণত ৬ প্রকার।
যথা -
১. নাম-বিশেষ্য: ব্যাক্তি, কাল, দেশ, স্থান, সৃষ্টি প্রভৃতির সুনির্দিষ্ট নাম কে নাম-বিশেষ্য বলে।
যেমন:
- ব্যক্তিনাম: হাবিব, সজল, লতা, শম্পা।
- কালনাম: সোমবার, বৈশাখ, জানুয়ারি, রমজান।
- স্থাননাম: ঢাকা, বাংলাদেশ, হিমালয়, পদ্মা।
- সৃষ্টিনাম: গীতাঞ্জলি, সঞ্চিতা, ইত্তেফাক, অপরাজেয় বাংলা।

২. জাতি-বিশেষ্য: এ ধরনের বিশেষ্য নির্দিষ্ট কোনো নামকে না বুঝিয়ে প্রাণী অপ্রাণীর সাধারণ নাম কে বোঝায়।
যেমন- মানুষ, গরু, ছাগল, ফুল, ফল ইত্যাদি।

৩. বস্তু-বিশেষ্য: কোনো দ্রব্য বা বস্তুর নামকে বস্তু-বিশেষ্য বলে।
যেমন- ইট, লবণ, আকাশ, টেবিল, বই ইত্যাদি।

৪. সমষ্টি-বিশেষ্য: এ ধরনের বিশেষ্যকে দিয়ে ব্যক্তি বা প্রাণীর সমষ্টি কে বোঝায়।
যেমন- জনতা, পরিবার, ঝাঁক, বাহিনী, মিছিল ইত্যাদি।

৫. গুণ-বিশেষ্য: গুণগত অবস্থা বা ধারনার নাম কে গুণ বিশেষ্য বলে।
যেমন- সরলতা, আনন্দ, দয়া, গুরুত্ব, দীনতা, ইত্যাদি।

৬. ক্রিয়া-বিশেষ্য: যে বিশেষ্য দিয়ে কোনো ক্রিয়া বা কাজের নাম বোঝায় তাকে ক্রিয়া বিশেষ্য বলে।
যেমন- পঠন, ভোজন, শয়ন, করানো, পাঠানো, নেওয়া ইত্যাদি।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি বই।
১৬,৮৫১.
ভাষার জগতে বাংলার স্থান কোথায়?
  1. ষষ্ঠ
  2. সপ্তম
  3. অষ্টম
  4. নবম
সঠিক উত্তর:
সপ্তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সপ্তম
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলা ভাষা:
- বাঙালি জনগোষ্ঠী যে ভাষা দিয়ে তাদের মনের ভাব প্রকাশ করে তার নাম বাংলা ভাষা।
- বাংলা ভাষা 'ইন্দো-ইউরোপীয়' ভাষা-পরিবারের সদস্য।
- বাংলা ভাষার নিকটতম আত্মীয় 'অহমিয়া' ও 'ওড়িয়া'।
- ধ্রুপদি ভাষা 'সংস্কৃত' এবং 'পালির' সঙ্গে বাংলা ভাষার রয়েছে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক।

[বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণী (নতুন বই) অনুসারে, মাতৃভাষার দিক থেকে বিশ্বে বাংলা ভাষার অবস্থান ষষ্ঠ। Ethnologue এর রিপোর্ট অনুসারে, ভাষাভাষীর জনসংখ্যার দিক দিয়ে বাংলা ভাষার অবস্থান সপ্তম।]

[আমরা অধিক গ্রহণযোগ্য উত্তর হিসেবে সপ্তম উত্তর নিয়েছি তবে এই প্রশ্নটি পরীক্ষায় আসলে আপনি চাইলে নিজ বিবেচনায় উত্তর করতে পারেন।]

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ), Encyclopedia Britannica (Link).
১৬,৮৫২.
"প্রাগুক্ত" শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
  1. প্রা + গুক্ত
  2. প্রাগ্ + উক্ত
  3. প্রাক্ + উক্ত
  4. প্রা + উক্ত
সঠিক উত্তর:
প্রাক্ + উক্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাক্ + উক্ত
ব্যাখ্যা
সন্ধির নিয়ম:
- বর্গের প্রথম ব্যঞ্জনের (ক্ / চ্‌  / ট্‌ / ত / প) পরে স্বরধনি থাকলে বর্গের প্রথম ব্যঞ্জনস্থলে তৃতীয় ব্যঞ্জন (গ্‌ / জ্ / ড্/ দ্‌ /ব্‌) হয়।

যেমন:
→ দিক্ + অন্ত = দিগন্ত,
→ বাক্ + অর্থ = বাগর্থ, 
→ প্রাক্ + উক্ত = প্রাগুক্ত
→ বাক্ + ঈশ = বাগীশ, 
→ ণিচ্ + অন্ত = ণিজন্ত, 
→ অচ্ + অন্তা = অজন্তা,
→ ষট্ + আনন = ষড়ানন, 
→ ষট্ + ঋতু = ষড়ঋতু ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, সপ্তম শ্রেণি।
১৬,৮৫৩.
‘অন্ধকার হয়ে এসেছে, বন্ধুরাও মুখ ভার করে রইল।’ কোন ধরনের বাক্যের উদাহরণ?
  1. সরল বাক্য
  2. জটিল বাক্য
  3. যৌগিক বাক্য
  4. খণ্ড বাক্য
সঠিক উত্তর:
যৌগিক বাক্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যৌগিক বাক্য
ব্যাখ্যা
• যৌগিক বাক্য:
দুই বা ততোধিক স্বাধীন বাক্য যখন যোজকের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে একটি বাক্যে পরিণত হয়, তখন তাকে যৌগিক বাক্য বলে। এবং, ও, আর, অথবা, বা, কিংবা, কিন্তু, অথচ, সেজন্য, ফলে ইত্যাদি যোজক যৌগিক বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। কমা (,), সেমিকোলন (;), কোলন (:), ড্যাশ (−) ইত্যাদি যতিচিহ্নও যোজকের কাজ করে।

যেমন:
- তিনি আমাকে দশটি টাকা দিলেন এবং বাড়ি যেতে বললেন।
- হামিদ বই পড়ছে, আর সীমা রান্না করছে।
- সে ঘর ঝাড়ু দিল, ঘর মুছল, তারপর পড়তে বসল ৷
- অন্ধকার হয়ে এসেছে, বন্ধুরাও মুখ ভার করে রইল।
- তোমরা চেষ্টা করেছ, কিন্তু আশানুরূপ ফল পাওনি, এতে দোষের কিছু নেই।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৬,৮৫৪.
‘শশাঙ্ক’ শব্দের ব্যাসবাক্য কী হবে?
  1. ক) শশের অঙ্ক
  2. খ) অঙ্কের শশ
  3. গ) অঙ্কে শশ যার
  4. ঘ) শশ অঙ্কে যার
সঠিক উত্তর:
ঘ) শশ অঙ্কে যার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শশ অঙ্কে যার
ব্যাখ্যা
• যে সমাসে পূর্বপদ বা পরপদ কোনটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোন অর্থ বোঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।
- শশাঙ্ক একটি বহুব্রীহি সমাস।
- যার ব্যাসবাক্য হলো - শশ অঙ্ক যার

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৬,৮৫৫.
নিচের কোনটি বিশেষ্য পদ?
  1. চাতুর্য
  2. নিপুণ
  3. প্রচুর
  4. প্রণীত
সঠিক উত্তর:
চাতুর্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাতুর্য
ব্যাখ্যা

• বিশেষ্য পদ - চাতুর্য
- এটি সংস্কৃত শব্দ।
- শব্দটির বিশেষণ পদ - চতুর।

শব্দের অর্থ:
-  চতুরতা।

অন্যদিকে,
বিশেষণ পদ - নিপুণ, প্রচুর, প্রণীত।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৬,৮৫৬.
'দুঃশাসন' কোন সমাসের উদাহরণ?
  1. তৎপুরুষ সমাস 
  2. দ্বন্দ্ব সমাস 
  3. কর্মধারয় সমাস
  4. বহুব্রীহি সমাস 
সঠিক উত্তর:
কর্মধারয় সমাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্মধারয় সমাস
ব্যাখ্যা

• সাধারণ কর্মধারয় সমাস: 
মধ্যপদলোপী, উপমান, উপমিত, রূপক কর্মধারয় সমাস ছাড়া অন্যান্য কর্মধার সমাসকে সাধারণ কর্মধারয় সমাস বলে। সমাসবদ্ধ শব্দে বিশেষ্য ও বিশেষণের অবস্থানগত পার্থক্য নির্দেশ করে সাধারণ কর্মধারয় সমাসের কিছু উদাহরণ নিচে দেয়া হলো:

বিশেষণ + বিশেষ্য:
মহৎ যে আত্মা = মহাত্মা; কাঁচা যে কলা = কাঁচকলা; দুঃ যে শাসন = দুঃশাসন; দুঃ যে অবস্থা = দুরবস্থা। এ-রকম: ঝরাপাতা, মহানগর, গুণিজন, মহানবি, কুশাসন, ক্ষুধিত-পাষাণ, সুকীর্তি, সৎকর্ম, খাস-কামরা, সুখ্যাতি ইত্যাদি।

বিশেষণ + বিশেষণ:
যে চালাক সেই চতুর = চালাকচতুর, যিনি সুস্থ তিনিই সবল = সুস্থসবল।
এরকম: অম্লমধুর, কঠিনকোমল, কাঁচাপাকা, কাঁচামিঠা, গরমভাজা, গণ্যমান্য, গুরুমশাই, গাঢ়নীল, দীনহীন, দীনদরিদ্র, দীনদুঃখী, বাঁধাধরা, ভীষণসুন্দর, মিঠেকড়া, মোটাতাজা, সহজসরল, সাদাকালো, স্নিগ্ধসজল, হৃষ্টপুষ্ট ইত্যাদি।

বিশেষ্য + বিশেষণ:
সিদ্ধ যে আলু = আলুসিদ্ধ, বাটা যে হলুদ = হলুদবাটা। এ-রকম: নরাধম, মাছভাজা, চালভাজা, পটলতাজা, নরোত্তম, বেগুনপোড়া, লঙ্কাবাটা ইত্যাদি।

বিশেষ্য + বিশেষ্য:
যিনিই দাদা তিনিই ভাই = দাদাভাই, যিনিই মৌলভি তিনিই সাহেব = মৌলভিসাহেব। এ-রকম: খোকাবাবু, খাঁসাহেব, গোলাপফুল, ভূলোক, গুরুদেব, গিন্নিমা, ঠাকুরদাদা, ডাক্তারসাহেব, ঢাকানগরী, শুকতারা, দাদাশ্বশুর, দেবর্ষি, ঠাকুরমশাই, লাটসাহেব, জ্ঞাতিশত্রু, জজসাহেব ইত্যাদি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১৬,৮৫৭.
'সাপ' শব্দের সমার্থক শব্দ -
  1. কলাপী
  2. কেশরী
  3. মৃগরাজ
  4. পন্নগ
সঠিক উত্তর:
পন্নগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পন্নগ
ব্যাখ্যা
'সাপ' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- সৰ্প, অহি, ফণী, নাগ, ভুজগ, ভুজঙ্গ, আশীবিষ, উরগ, বিষধর, পন্নগ

অন্যদিকে,
'সিংহ' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- কেশরী, পশুরাজ, মৃগেন্দ্র, মৃগরাজ

'ময়ূর' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- কলাপী , কেকী , শিখী , শিখণ্ডী , বর্হী , বর্হিণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৬,৮৫৮.
“সাতাশ যদি হতো একশ সাতাশ” - এখানে কী বুঝাতে নিত্যবৃত্ত অতীত ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. ক) কামনা
  2. খ) ইচ্ছা
  3. গ) সম্ভাবনা
  4. ঘ) অসম্ভব কল্পনায়
সঠিক উত্তর:
ঘ) অসম্ভব কল্পনায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অসম্ভব কল্পনায়
ব্যাখ্যা

নিত্যবৃত্ত অতীত কাল : অতীত কালে যে ক্রিয়া সাধারণ অভ্যস্ততা অর্থে ব্যবহৃত হয়, তাকে নিত্যবৃত্ত অতীত কাল বলে। যেমন : আমরা তখন রোজ সকালে নদীর তীরে ভ্রমণ করতাম।
নিত্যবৃত্ত অতীত কালের বিশিষ্ট প্রয়োগ :
ক. কামনা প্রকাশে : আজ যদি সুমন আসত, কেমন মজা হতো।
খ. অসম্ভব কল্পনায় : সাতাশ যদি হতো একশ সাতাশ।
গ. সম্ভবনা প্রকাশে : তুমি যদি যেতে, তবে ভালোই হতো।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ - নবম-দশম শ্রেণি।

১৬,৮৫৯.
ব্যঞ্জনান্ত ধ্বনিকে কী বলে?
  1. একাক্ষর
  2. যুক্তাক্ষর
  3. বদ্ধাক্ষর
  4. মুক্তাক্ষর
সঠিক উত্তর:
বদ্ধাক্ষর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বদ্ধাক্ষর
ব্যাখ্যা

 অক্ষর (Syllable):
- বাগযন্ত্রের ক্ষুদ্রতম প্রয়াসে উচ্চারিত ধ্বনি বা শব্দাংশের নাম অক্ষর (Syllable)। অক্ষর দু প্রকার। 
যথা:
১. মুক্তাক্ষর ও
২. বদ্ধাক্ষর।
• মুক্তাক্ষর:
যখন একটি অক্ষরে একটিই বর্ণ থাকে, তখন তাকে মুক্তাক্ষর বলে। অযুগ্ন বা মুক্ত স্বরান্ত ধ্বনিকে মুক্তাক্ষর বলে। একে স্বরান্ত অক্ষরও বলা হয়।
যেমন:
- ‘ভালোবাসো যদি বলিবে না কেন?’
এখানে (ভা) (লো) (বা) (সো) (য) (দি) (ব) (লি) (বে) (না) (কে) (ন) এই সবগুলোই (১২টি) মুক্তাক্ষর। 

- মুক্তাক্ষর U চিহ্ন দিয়ে বোঝানো হয়।
- মুক্তাক্ষর উচ্চারণের শেষে মুখ খোলা থাকে, ফলে অক্ষর উচ্চারণ করে ও তাকে প্রয়োজন মতো প্রলম্বিত করা চলে। 
যেমন: অপরিচিত। 

• বদ্ধাক্ষর:
ব্যঞ্জনধ্বনি বা অর্ধস্বরধ্বনির মাধ্যমে যে সব অক্ষরের সমাপ্তি ঘটে তাকে বদ্ধাক্ষর বলে।
বদ্ধ অর্থ্যাৎ যুগ্মাস্বরান্ত বা ব্যঞ্জনান্ত ধ্বনিকে বদ্ধাক্ষর বলে। 
যেমন : 'সোম বার দিনরাত হরতাল।
[এখানে (সোম্) (বার্) (দিন্) (রাত) (হর্) (তাল্) এই সবগুলোই (৬টি) বদ্ধাক্ষর।] 

বদ্ধাক্ষর ( - ) চিহ্ন দিয়ে বোঝানো হয়। 

উৎস: বাংলা কবিতার ছন্দ বিশ্লেষণ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৬,৮৬০.
শুদ্ধ বানান কোনটি?
  1. প্রনিপাত
  2. প্রণিপাত
  3. প্রণীপাত
  4. প্রণিপত
সঠিক উত্তর:
প্রণিপাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রণিপাত
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান - 'প্রণিপাত'
- বিশেষ্য পদ।
- সংস্কৃত শব্দ।
প্রকৃতি প্রত্যয়: প্র + নি + √পত্‌ + অ।
অর্থ:
- নত হয়ে গুরুজনের পদধুলি গ্রহণ।
- অভিবাদন।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান। 
১৬,৮৬১.
নিচের কোনটি আরবি শব্দ নয়?
  1. নামাজ
  2. আদালত
  3. অজুহাত
  4. তসবি
সঠিক উত্তর:
নামাজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নামাজ
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
• 'নামাজ' একটি ফারসি শব্দ।

অন্যদিকে,
আদালত, অজুহাত ও তসবি আরবি শব্দ।

• কিছু আরবি শব্দ:

- আল্লাহ, ইসলাম, ইমান, অজুহাত, আদালত, বাকি, ওযু, কোরবানী, কিয়ামত, জান্নাত, জাহান্নাম ,তসবি, হজ, যাকাত, হালাল, হারাম, কানুন, খবর, তারিখ, মৌলবি, উকিল ইত্যাদি।

উৎস:  বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৬,৮৬২.
'নাটিকা' শব্দটি কোন অর্থে স্ত্রীলিঙ্গ?
  1. বৃহদার্থে
  2. ক্ষুদ্রার্থে
  3. স্ত্রীবাচক অর্থে
  4. সাহিত্য অর্থে
সঠিক উত্তর:
ক্ষুদ্রার্থে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষুদ্রার্থে
ব্যাখ্যা
• 'নাটিকা' ক্ষুদ্রার্থে স্ত্রীবাচক শব্দ।

স্ত্রীলিঙ্গান্তর করলে ক্ষুদ্রার্থ প্রকাশ পায়, এমন কয়েকটি শব্দ:
• একাঙ্ক - একাঙ্কিকা,
• নাটক - নাটিকা,
• মালা - মালিকা,
• গীত - গীতিকা,
• পুস্তক - পুস্তিকা,
• ঘট - ঘটি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৬,৮৬৩.
কোনটি উপপদ তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ?
  1. পঙ্কজ
  2. রেলগাড়ি
  3. বাকপটু
  4. দানবীর
সঠিক উত্তর:
পঙ্কজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঙ্কজ
ব্যাখ্যা

• উপপদ তৎপুরুষ সমাস:
- যে পদের পরবর্তী ক্রিয়ামূলের সঙ্গে কৃৎ-প্রত্যয় যুক্ত হয় সে পদকে উপপদ বলে। কৃদন্ত পদের সঙ্গে উপপদের যে সমাস হয়, তাকে বলে উপপদ তৎপুরুষ সমাস।
যেমন:
- জলে চরে যা = জলচর।
- জল দেয় যে = জলদ।
- পঙ্কে জন্মে যা = পঙ্কজ।
- পকেট মারে যে = পকেটমার।
• এরূপ সত্যবাদী, ইন্দ্রজিৎ, ছেলেধরা, ধামাধরা, পাতাচাটা, হাড়ভাঙ্গা, মাছিমারা, ছাড়পোকা এবং বর্ণচোরা ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- রেলগাড়ি = রেলে চলে যে গাড়ি- কর্মধারয় সমাস।
- বাকপটু = বাকে পটু - ৭মী তৎপুরুষ সমাস।
- দানে বীর = দানবীর - ৭মী তৎপুরুষ সমাস।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।

১৬,৮৬৪.
'পাদপ' শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
  1. বন
  2. পাথর
  3. বৃক্ষ
  4. পর্বত
সঠিক উত্তর:
বৃক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃক্ষ
ব্যাখ্যা
• 'পাদপ' বিশেষ্য পদ। 
অর্থ:
- উদ্ভিদ। 

• 'বৃক্ষ' শব্দের সমার্থক শব্দ:

গাছ, তরু, দ্রুম, শাখী, পাদপ, মহীরুহ, উদ্ভিদ, অটবি, বিটপী, পর্ণী, গাছপালা, পল্লবী।

অন্যদিকে, 
--------------
• 'বন' শব্দের সমার্থক শব্দ:
অরণ্য, কান্তার, বিপিন, অটবি, জঙ্গল, বনজঙ্গল, দাব, বনানী, বনী, কানন, অরণ্যানী।

• 'পাথর' শব্দের সমার্থক শব্দ:
পাষাণ, প্রস্তর, শিলা, শিল, উপল, অশ্ব, দূষৎ, কাঁকর, কঙ্কর।

• 'পর্বত' শব্দের সমার্থক শব্দ:
গিরি, শৈল, পাহাড়, অদ্রি, ভূধর, মহীধর, নগ, অচল, শৃঙ্গধর, অগ, ক্ষিতিধর, মেদিনীধর, পৃথিবীধর, পৃথ্বীধর, অবনীধর, ধরণিধর, ধরাধর, বসুধাধর। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড হায়াৎ মামুদ।
১৬,৮৬৫.
নিচের কোন দুটি বাগ্‌ধারা একই অর্থ প্রকাশ করে?
  1. ঢাকের বাঁয়া ও ঢেঁকি অবতার
  2. ঠুঁটো জগন্নাথ ও কুমড়ো কাটা বটঠাকুর
  3. উড়ো কথা ও উড়ো চিঠি
  4. পদ্মপাতার জল ও জলভাত
সঠিক উত্তর:
ঠুঁটো জগন্নাথ ও কুমড়ো কাটা বটঠাকুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঠুঁটো জগন্নাথ ও কুমড়ো কাটা বটঠাকুর
ব্যাখ্যা

• একই অর্থে ব্যবহৃত বাগ্‌ধারা হলো:
- ‘ঠুঁটো জগন্নাথ’ বাগ্‌ধারার অর্থ - অকর্মণ্য।
- ‘কুমড়ো কাটা বটঠাকুর’ বাগধারার অর্থ - অকর্মণ্য লোক।

ভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত প্রায় একই দেখতে বাগ্‌ধারাগুলো হলো:
- ‘উড়ো কথা’ বাগ্‌ধারার অর্থ - গুজব।
- ‘উড়ো চিঠি’ বাগ্‌ধারার অর্থ - বেনামি পত্র।
- ‘ঢাকের বাঁয়া’ বাগ্‌ধারার অর্থ - অপ্রয়োজনীয়।
- ‘ঢেঁকি অবতার’ বাগ্‌ধারার অর্থ - নির্বোধ লোক।
- 'পদ্মপাতার জল', 'তাসের ঘর' এবং ‘জলের দাগ’ বাগ্‌ধারা সমূহের অর্থ - ক্ষণস্থায়ী।
- ‘জলভাত’ বাগ্‌ধারার অর্থ - সহজ সাধ্য।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৬,৮৬৬.
স্বরধ্বনির অর্ধ-সংবৃত উচ্চারণ ঘটেছে নিচের কোন বর্ণে?
  1. ক) [উ]
  2. খ) [এ]
  3. গ) [ই]
  4. ঘ) [অ্যা]
সঠিক উত্তর:
খ) [এ]
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) [এ]
ব্যাখ্যা
• স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোঁট কতটুকু খােলা বা বন্ধ থাকে অর্থাৎ কী পরিমাণ উন্মুক্ত হয়, তার ভিত্তিতে স্বরধ্বনি চার ভাগে বিভক্ত:
- সংবৃত: [ই], [উ];
- অর্ধ-সংবৃত: [এ], [ও];
- অর্ধ-বিবৃত: [অ্যা] [অ];
- বিবৃত: [আ]।

• সংবৃত স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোট কম খেলে;
• বিবৃত স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোট বেশি খােলে।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
১৬,৮৬৭.
'Incumbent' এর বাংলা পরিভাষা কোনটি?
  1. অস্ত্রাগার
  2. পদধারী
  3. মূল্যায়ন
  4. আক্রমণকারী
সঠিক উত্তর:
পদধারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদধারী
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি প্রশাসনিক পরিভাষা অনুসারে,
- 'Incumbent' এর বাংলা পরিভাষা: 'পদধারী'।

অন্যদিকে, 
'Assailant'- এর বাংলা পরিভাষা 'আক্রমণকারী', 
'Evaluation'- এর বাংলা পরিভাষা: 'মূল্যায়ন', 
'Arsenal'- এর বাংলা পরিভাষা: 'অস্ত্রাগার'। 

উৎস: বাংলা একাডেমি প্রশাসনিক পরিভাষা।
১৬,৮৬৮.
কোনটি অশুদ্ধ বানান?
  1. পুনরুজ্জীবন
  2. অন্তঃস্তল
  3. অদ্ভুত
  4. ধাঁধা
সঠিক উত্তর:
অন্তঃস্তল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্তঃস্তল
ব্যাখ্যা

• অশুদ্ধ বানান - অন্তঃস্তল
- শুদ্ধ বানান - অন্তস্তল।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
- শব্দটি সংস্কৃত ভাষা হতে আগত।

শব্দের অর্থ:
- মনো-মধ্য;
- মন, হৃদয়।

অন্যদিকে,
- পুনরুজ্জীবন,
- অদ্ভুত,
- ধাঁধা।
উপরিউক্ত শব্দগুলোর বানান শুদ্ধ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৬,৮৬৯.
'ঢেঁকি স্বর্গে গেলেও ধান ভানে' প্রবাদটি কী অর্থ প্রকাশ করে?
  1. অসচ্ছল অবস্থা
  2. অপ্রাসঙ্গিক কাজ করা
  3. কোনো না কোনোভাবে কার্যসিদ্ধি
  4. দুর্ভাগ্য সর্বত্রগামী
সঠিক উত্তর:
দুর্ভাগ্য সর্বত্রগামী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্ভাগ্য সর্বত্রগামী
ব্যাখ্যা
• 'ঢেঁকি স্বর্গে গেলেও ধান ভানে' অর্থ - দুর্ভাগ্য সর্বত্রগামী। 

অন্যদিকে, 
• 'নুন আনতে পান্তা ফুরায়' অর্থ - অসচ্ছল অবস্থা। 
• 'ধান ভানতে শিবের-গীত্র/ধেনো হাটে ওল নামানো' অর্থ - অপ্রাসঙ্গিক কাজ করা। 
• 'ধারে না হলে ভারে কাটে' অর্থ - কোনো না কোনোভাবে কার্যসিদ্ধি। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৬,৮৭০.
Analysis অর্থ কী?
  1. ক) সাদৃশ্য
  2. খ) আলোচনা
  3. গ) উল্লেখ
  4. ঘ) বিশ্লেষণ
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিশ্লেষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিশ্লেষণ
ব্যাখ্যা
Analysis - মন্তব্যসহকারে (পুস্তক, কোনো চরিত্র বা পরিস্থিতির) বিশ্লেষণ।
উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান
১৬,৮৭১.
নিচের কোন শব্দটি সংস্কৃত উপসর্গযোগে গঠিত?
  1. পাতিহাঁস
  2. কদবেল
  3. রামছাগল
  4. অধিপতি
সঠিক উত্তর:
অধিপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধিপতি
ব্যাখ্যা

• 'অধিপতি' সংস্কৃত 'অধি' উপসর্গযোগে গঠিত হয়েছে।

• 'অধি' উপসর্গযোগে গঠিত অন্যান্য শব্দ:
- অধিকার, অধিবাস, অধিগত, 
- অধিরোহণ, অধিষ্ঠান, 
- অধিকার, অধিপতি, অধিবাসী।

অন্যদিকে,
- পাতিহাঁস, কদবেল ও রামছাগল বাংলা উপসর্গ যথাক্রমে পাতি, কদ ও রাম যোগে গঠিত হয়েছে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।

১৬,৮৭২.
'কাক > কাগ' কোন ধরনের ধ্বনি পরিবর্তন?
  1. ব্যঞ্জনচ্যুতি
  2. ঘোষীভবন
  3. বিপ্রকর্ষ
  4. ধ্বনি বিপর্যয়
সঠিক উত্তর:
ঘোষীভবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘোষীভবন
ব্যাখ্যা
• 'কাক > কাগ'- ঘোষীভবন এর উদাহরণ। 

• ঘোষীভবন:
অঘোষধ্বনি ঘোষধ্বনি হিসেবে উচ্চারিত হলে তাকে ঘোষীভবন বলে। 
যেমন : 
কাক > কাগ, 
শাক > শাগ,  
শালা > হালা।

উল্লেখ্য, 
এটি পরাগত সমীভবন বা স্বরসঙ্গতির উদাহরণ নয়। কারণ, সমীভবনে এক ধ্বনিতে রূপ লাভ করে। এগুলো বরং এক ধরনের ব্যঞ্জন বিকৃতি। যে কারণে অনেক গ্রন্থে আলাদা করে এগুলো দেওয়া নেই। 

অন্যদিকে,
• ব্যঞ্জনচ্যুতি:
- পাশাপাশি সমউচ্চারণের দুটি ব্যঞ্জনধ্বনি থাকলে তার একটি লোপ পায়, এরূপ লোপকে বলা হয় ধ্বনিচ্যুতি বা ব্যঞ্জনচ্যুতি ।
যেমন: বউদিদি > বউদি , বড়দাদা > বড়দা, ছোটদাদা > ছোটদা ইত্যাদি।

• মধ্য স্বরাগম বা বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তি:
- সময় সময় উচ্চারণের সুবিধার জন্য সংযুক্ত ব্যঞ্জন-ধ্বনির মাঝখানে স্বরধ্বনি আসে। একে বলা হয় মধ্য স্বরাগম বা বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তি।
 যেমন:
- রত্ন > রতন,
- ধর্ম > ধরম, 
- প্রীতি > পিরীতি ইত্যাদি।

ধ্বনি বিপর্যয়:
- শব্দের মধ্যবর্তী দুটো ব্যঞ্জনধ্বনি পরস্পর পরিবর্তন ঘটলে হলে তাকে ধ্বনি বিপর্যয় বলে। 
যেমন:
- পিশাচ ˃ পিচাশ,
- লাফ˃ ফাল,
- বাক্‌স > বাস্‌ক,
- রিকসা্‌ > রিস্‌কা ইত্যাদি।

উৎস : ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৬,৮৭৩.
নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ না?
  1. ক) তোমার সঙ্গে আমার একটি গোপনীয় পরামর্শ আছে।
  2. খ) সুধীমন্ডলী উপস্থিত আছেন।
  3. গ) তারা যেন ভুল করার প্রতিযোগিতায় নেমেছে।
  4. ঘ) আশাকরি তুমি নিরারোগ্য হয়েছো।
সঠিক উত্তর:
ঘ) আশাকরি তুমি নিরারোগ্য হয়েছো।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আশাকরি তুমি নিরারোগ্য হয়েছো।
ব্যাখ্যা
তোমার সঙ্গে আমার একটি গোপনীয় পরামর্শ আছে।
সুধীমন্ডলী উপস্থিত আছেন।
তারা যেন ভুল করার প্রতিযোগিতায় নেমেছে।
আশাকরি তুমি আরোগ্য লাভ করিয়াছো।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর
১৬,৮৭৪.
ভাষার মূল উপকরণ/প্রাণ কী?
  1. ধ্বনি
  2. শব্দ
  3. বর্ণ
  4. বাক্য
সঠিক উত্তর:
বাক্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাক্য
ব্যাখ্যা

- ভাষার মূল উপাদান - 'ধ্বনি'।
- বাক্যের মৌলিক উপাদান/ক্ষুদ্রতম - শব্দ।
- ভাষার মূল উপকরণ/প্রাণ - বাক্য।
- ভাষার মূল উপদান/ক্ষুদ্রতম একক ধ্বনি এবং
- বর্ণ হচ্ছে শব্দের গঠনগত একক।

উল্লেখ্য,
বাক্যের ক্ষুদ্রতম একক/উপাদান হলো 'ধ্বনি'। কিন্তু বাক্যের মৌলিক উপাদান শব্দ। বাক্যের ক্ষেত্রে মৌলিক কথাটি উল্লেখ থাকলে উত্তর শব্দ হবে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

১৬,৮৭৫.
”তিনি রোজ সকালে হাটতে বের হতেন।” কোন কালের উদাহরণ?
  1. সাধারণ অতীত
  2. ঘটমান অতীত
  3. পুরাঘটিত অতীত
  4. নিত্য অতীত
সঠিক উত্তর:
নিত্য অতীত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিত্য অতীত
ব্যাখ্যা

• নিত্য অতীত:
- অতীত কালে প্রায়ই ঘটতো এমন বোঝালে নিত্য অতীত কাল হয়।
যেমন-
- খুব সকালে ঘুম থেকে উঠতাম।
- তিনি রোজ সকালে হাটতে বের হতেন।

• সাধারণ অতীত:
- অতীত কালে যে কাজ সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে বোঝায়, তাকে সাধারণ অতীত কাল বলে।
যেমন-
- তখন বাতিটা জ্বলে উঠল।

• ঘটমান অতীত:
- যে ক্রিয়া অতীত কালে চলছিল বোঝায়, তাকে ঘটমান অতীত কাল বলে।
যেমন-
- তারা মাঠে খেলছিল।

• পুরাঘটিত অতীত:
- অতীতের যে ক্রিয়া বহু পূর্বেই ঘটে গেছে এবং পরে আরো কিছু ঘটনা ঘটেছে, তার কালকে পুরাঘটিত অতীত কাল বলে।
যেমন-
- খরবটা তুমি আমাকে চিঠিতে জানিয়েছিলে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি, ২০২৫ সালের সংস্করণ।

১৬,৮৭৬.
'পয়লা' কোন ভাষা থেকে আগত শব্দ?
  1. দেশি
  2. সংস্কৃত
  3. আরবি 
  4. ফারসি
সঠিক উত্তর:
দেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেশি
ব্যাখ্যা

বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
• 'পয়লা' একটি দেশি শব্দ।

• দেশি শব্দ:
বাংলা অঞ্চলের আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ভাষা থেকে কিছু শব্দ বাংলা ভাষায় স্থান পেয়েছে, এগুলোকে দেশি শব্দ বলা হয়।

• কিছু দেশি শব্দ:
 ঢোল, ডিঙি, টোপর, বাখারি, কয়লা, কামড়, চাউল, ঝোল, , ডাহা, ঢিল, পয়লা, ডাঁসা, ডাব, ডাঙর, ঢিল, মাঠ, চাটাই, , ঝিনুক, শিকড়, কচি, খড়, পেট।

উৎস:  বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান ও বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম ও দশম শ্রেণি (২০২৪ সংস্করণ)।

১৬,৮৭৭.
'দীর্ঘজীবী’ অর্থে কোন বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) পায়া ভারি 
  2. খ) কেউ কেটা
  3. গ) কাকভূষণ্ডী
  4. ঘ) ঝিঙেফুল
সঠিক উত্তর:
গ) কাকভূষণ্ডী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কাকভূষণ্ডী
ব্যাখ্যা
• ‘কাকভূষণ্ডী’ বাগধারার অর্থ = দীর্ঘজীবী।

• অন্যদিকে:
- ‘পায়া ভারি’  বাগধারাটির অর্থ = অহঙ্কার।
- 'কেউ কেটা' বাগধারার অর্থ = সামান্য।
- 'ঝিঙেফুল' ফোটা বাগধারার অর্থ = আয়ু ফুরিয়ে আসা।

• কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা:
- 'কালে ভদ্রে' বাগধারাটির অর্থ = কদাচিৎ। 
- ‘ডাকাবুকো’ বাগধারাটির অর্থ = নির্ভীক।
- ‘কূপমুন্ডক’ বাগধারার অর্থ = সীমাবদ্ধ জ্ঞান।
- ‘কানকাটা’  বাগধারাটির অর্থ = বেহায়া।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
১৬,৮৭৮.
কোন ধরনের দ্বিত্বে বিভক্তিযুক্ত হয়?
  1. পুনরাবৃত্ত দ্বিত্বে
  2. অনুকার দ্বিত্বে
  3. ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্বে
  4. কোনোটি নয়
সঠিক উত্তর:
পুনরাবৃত্ত দ্বিত্বে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুনরাবৃত্ত দ্বিত্বে
ব্যাখ্যা

• 'পুনরাবৃত্ত দ্বিত্বে' - বিভক্তিযুক্ত হয়।

পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব:
- পুনরায় আবৃত্ত হলে তাকে পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব বলে।
- পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব বিভক্তিহীন বা বিভক্তিযুক্ত হতে পারে।
যেমন – জ্বর জ্বর, পর পর, কবি কবি, হাতে হাতে, কথায় কথায়, জোরে জোরে ইত্যাদি।

বিভক্তিহীন পুনরাবৃত্ত:
ভালাে ভালাে (কথা), কত কত (লােক), হঠাৎ হঠাৎ (ব্যথা), ঘুম ঘুম (চোখ), উড় উড়ু (মন), গরম গরম (জিলাপি), হায় হায় (করা)।

বিভক্তিযুক্ত পুনরাবৃত্ত:
কথায় কথায় (বাড়া), মজার মজার (কথা), ঝাঁকে ঝাঁকে (চলা), চোখে চোখে (রাখা), মনে মনে (হাসা), সুরে সুরে (বলা), পথে পথে (হাঁটা)।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।

১৬,৮৭৯.
কোনটি বাংলা ধাতু?
  1. খাদ্‌
  2. কাট্
  3. স্থা
  4. গম্
সঠিক উত্তর:
কাট্
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাট্
ব্যাখ্যা

বাংলা ধাতু:
- যেসব ধাতু বা ক্রিয়ামূল সংস্কৃত থেকে সোজাসুজি আসেনি সেগুলো হলো বাংলা ধাতু।
যেমন - কাট্, কাঁদ্‌, জান্‌, নাচ্ ইত্যাদি।


অন্যদিকে,
সংস্কৃত ধাতু:
- বাংলা ভাষায় যেসব তৎসম ক্রিয়াপদের ধাতু প্রচলিত রয়েছে তাদের সংস্কৃত ধাতু বলে।
যেমন - কৃ, গম্, ধৃ, গঠ্‌, স্থা, খাদ্‌ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

১৬,৮৮০.
'মহৈশ্বর্য' এর সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী হবে?
  1. মহা + ঐশর্য
  2. মহা + ঐশ্বর্য
  3. মহ + ঐশ্বর্য
  4. মহা + ঔশ্বর্য
সঠিক উত্তর:
মহা + ঐশ্বর্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহা + ঐশ্বর্য
ব্যাখ্যা
• মহা + ঔশ্বর্য =মহৈশ্বর্য; স্বরসন্ধির উদাহরণ। 

• সূত্র:
- অ-কার কিংবা আ-কারের পর এ-কার কিংবা ঐ-কার থাকলে উভয়ে মিলে ঐ-কার হয়; ঐ-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সাথে যুক্ত হয়।
যেমন-
- অ + এ = ঐ;  জন + এক = জনৈক।
- আ + এ = ঐ; সদা + এব = সদৈব।
- অ + ঐ = ঐ; মত + ঐক্য = মতৈক্য।
- আ + ঐ = ঐ; মহা + ঐশ্বর্য = মহৈশ্বর্য।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।
১৬,৮৮১.
‘অমোঘ’ শব্দের অর্থ কী?
  1. ক) সার্থক
  2. খ) বাসনা
  3. গ) নশ্বর
  4. ঘ) ইচ্ছা
সঠিক উত্তর:
ক) সার্থক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সার্থক
ব্যাখ্যা
অমোঘ (বিশেষণ)
- সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- অব্যর্থ,
- অপরিবর্তনীয়,
- অটল,
- সফল,
- সার্থক।

অমোঘ (বিশেষ্য)
- অমোঘতা।
১৬,৮৮২.
নিচের কোন বানানটি সঠিক?
  1. ক) শিল্পদ্যোক্তা
  2. খ) মূর্চ্ছনা
  3. গ) সংস্রব
  4. ঘ) মনকষ্ট
সঠিক উত্তর:
গ) সংস্রব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সংস্রব
ব্যাখ্যা

'সংস্রব' বানানটি শুদ্ধ।
অর্থঃ সম্পর্ক; সম্বন্ধ; ছোঁয়াচ (নেতাদের সংস্রব)।

প্রশ্নের অন্যন্য অপশনগুলির সঠিক রূপ -
শিল্পোদ্যোক্তা
মূর্ছনা
মনঃকষ্ট

উৎসঃ ভাষা - শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১৬,৮৮৩.
বানানের নিয়ম অনুসারে ‘র, ষ, ক্ষ’ এই তিনটি অক্ষরের পরে বসে-
  1. ক) ণ
  2. খ) ঙ
  3. গ) ষ
  4. ঘ) শ
সঠিক উত্তর:
ক) ণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ণ
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলা শব্দের বানানে দন্ত্য-ন এর পরিবর্তে মূর্ধন্য-ণ ব্যবহার হওয়ার কিছু নিয়ম রয়েছে। সাধারণভাবে ‘র, ষ, ক্ষ’ এই তিনটি অক্ষরের পর মূর্ধন্য-ণ ব্যবহৃত হয়। 
• এখারে র অর্থ: র, ঋ, রেফ্, র-ফলা, ঋ-কার। উদাহরণ- কারণ, ঋণ, কর্ণ, তৃণ ইত্যাদি।
• ষ : ষণ্ড, ঘর্ষণ, বিষ্ণু, ভূষণ, দূষণ ইত্যাদি।
• ক্ষ : ক্ষণ, ক্ষীণ, ক্ষুণ্ন, ক্ষৌণী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা লেখার নিয়মকানুন, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৬,৮৮৪.
কোনটি বাংলা ভাষার মৌলিক অংশ নয়?
  1. ক) শব্দ
  2. খ) ছন্দ
  3. গ) বাক্য
  4. ঘ) অর্থ
সঠিক উত্তর:
খ) ছন্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ছন্দ
ব্যাখ্যা

বাংলা ভাষার মৌলিক অংশ - ৪ টি।
ক. ধ্বনি
খ. শব্দ
গ. বাক্য
ঘ. অর্থ
---------------
বাংলা ভাষার মৌলিক রূপ - ২ টি।
ক. লৈখিক
খ. মৌখিক


উৎস : ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং নবম-দশম শ্রেণির ‘বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি’।

১৬,৮৮৫.
‘বুলবুলিতে ধান খেয়েছে।’- বাক্যে ব্যবহৃত 'বুলবুলিতে' কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  1. কর্মকারকে ২য়া বিভক্তি
  2. কর্তৃকারকে ৭মী বিভক্তি
  3. করণ কারকে শূণ্য বিভক্তি
  4. অপাদান কারকে ৭মী বিভক্তি
সঠিক উত্তর:
কর্তৃকারকে ৭মী বিভক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্তৃকারকে ৭মী বিভক্তি
ব্যাখ্যা
⇒'বুলবুলিতে ধান খেয়েছে' - বাক্যে 'বুলবুলিতে' কর্তৃকারকে ৭মী বিভক্তির প্রয়োগ ঘটেছে।

• কর্তৃকারক:
বাক্যস্থিত যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদ ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে কর্তৃকারক বলে। ক্রিয়াকে ‘কে/ কারা’ দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটিই কর্তৃকারক।
- তবে কর্মবাচ্য ও ভাববাচ্যের বাক্যে এই নিয়ম খাটবে না।

• কর্তৃকারকে বিভক্তির প্রয়োগের উদাহরণ-
- পাখি সব করে রব = কর্তৃকারকে শূন্য বিভক্তি।
- আমার দ্বারা এ কাজ হবে না সাধন = কর্তৃকারকে তৃতীয়া বিভক্তি।
- পাছে লােকে কিছু বলে = কর্তৃকারকে ৭মী বিভক্তি।
- ঘােড়ায় গাড়ি টানে = কর্তৃকারকে ৭মী বিভক্তি।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,৮৮৬.
তারিখ পূরণবাচক শব্দ কোনটি?
  1. আড়াই
  2. একত্রিশে
  3. দ্বাদশী
  4. এগারোতম
সঠিক উত্তর:
একত্রিশে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একত্রিশে
ব্যাখ্যা
• তারিখ পূরণবাচক শব্দ ‘একত্রিশে’।

----------------
• পূরণবাচক:
পূরণবাচক সংখ্যা দিয়ে যেকোনো সংখ্যার ক্রমিক অবস্থান ও পরিমাণকে বোঝায়।

পূরণবাচক সংখ্যা শব্দ ৩ প্রকার। যথা:
• সাধারণ পূরণবাচক,
• তারিখ পূরণবাচক,
• ভগ্নাংশ পূরণবাচক।

• সাধারণ পূরণবাচক:
ক্রমবাচক সংখ্যার পর্যায় বা অবস্থান নির্দেশ করতে সাধারণ পূরণবাচক হয়ে থাকে। যেমন- প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ইত্যাদি। এদের সংক্ষিপ্ত রূপেও লেখা যায় যেমন- ১ম, ২য়, ৩য় ইত্যাদি।

- ১১ থেকে ১৮ পর্যন্ত সংখ্যার পূর্ণ পূরণবাচক ও সংক্ষিপ্ত পূরণবাচক দুই রকম: একাদশ(১১শ) ও এগারোতম(১১তম), দ্বাদশ(১২ শ) ইত্যাদি। 

- ১৯ থেকে ৯৯ পর্যন্ত সংক্ষিপ্ত পূরণবাচক শব্দে শুধু তম প্রত্যয় যোগ করা হয়। যেমন: উনিশতম, বিশতম, একুশতম ইত্যাদি।

- বাংলা ভাষায় সাধারণ পূরণবাচক শব্দে নারীবাচক রূপের ব্যবহার আছে। যেমন - প্রথমা(১মা), দ্বিতীয়া(২য়া), তৃতীয়া(৩য়া), চতুর্থী, একাদশী(১১শী), দ্বাদশী(১২শী), ত্রয়োদশী(১৩শী) ইত্যাদি।

-----------------------
• তারিখ পূরণবাচক:
বাংলা ভাষায় তারিখ নির্দেশ করার জন্য সংখ্যাশব্দের পূরণবাচকে নির্দিষ্ট কিছু প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়।
যেমন: পয়লা/পহেলা, দোসরা, তেসরা, চৌঠা, পাঁচই, ছয়ই, সাতই, আটই.......ত্রিশে, একত্রিশে ইত্যাদি।

• ভগ্নাংশ পূরণবাচক:
কখনো পূর্ণসংখ্যার থেকে খানিকটা কম বা খানিকটা বেশি বোঝাতে ভগ্নাংশ পূরণবাচক হয়।
যেমন: আধ, সাড়ে, পোয়া, সোয়া, দেড়, আড়াই, তেহাই ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৬,৮৮৭.
'এ' বর্ণের বিকৃত উচ্চারণ হয়েছে নিচের কোন শব্দে?
  1. একটা
  2. দেশ
  3. এক্‌টি
  4. এলো
সঠিক উত্তর:
একটা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটা
ব্যাখ্যা

• মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি। এ একটি মৌলিক স্বরধ্বনি।
- ‘এ’ বর্ণের দুটি উচ্চারণ রয়েছে। যথা: [এ] এবং [অ্যা]। 

• সাধারণ উচ্চারণ [এ], কিন্তু পাশের ধ্বনির প্রভাবে এ কখনো কখনো 'অ্যা' উচ্চারিত হয়। 
- 'এ' বর্ণের স্বাভাবিক উচ্চারণ: একটি [এক্‌টি], দেশ [দেশ্‌], এলো [এলো]।
- 'এ' বর্ণের [অ্যা] উচ্চারণ: একটা [অ্যাকটা], বেলা [ব্যালা], খেলা [খ্যালা]। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি,  নবম-দশম শ্রেণি (২০২২-সংস্করণ)। 

১৬,৮৮৮.
নিচের কোনটি কর্তৃবাচ্যের উদাহরণ?
  1. রোগী পথ্য সেবন করে।
  2. চোরটা ধরা পড়েছে।
  3. এবার ট্রেনে ওঠা যাক।
  4. এ রাস্তা আমার চেনা নেই।
সঠিক উত্তর:
রোগী পথ্য সেবন করে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোগী পথ্য সেবন করে।
ব্যাখ্যা
• কর্তৃবাচ্য:
যে বাক্যে কর্তার অর্থ-প্রাধান্য রক্ষিত হয় এবং ক্রিয়াপদ কর্তার অনুসারী হয়, তাকে কর্তৃবাচ্যের বাক্য বলে।

• কর্তৃবাচ্যে কর্তায় প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি এবং কর্মে দ্বিতীয়া, ষষ্ঠী বা শূন্য বিভক্তি হয়।
যথা -
- শিক্ষক ছাত্রদের পড়ান।
- রোগী পথ্য সেবন করে।

অন্যদিকে,
--------------------
• কর্মবাচ্য:
যে বাক্যে কর্মের সাথে ক্রিয়ার সম্বন্ধ প্রধানভাবে প্রকাশিত হয়, তাকে কর্মবাচ্য বলে।
যেমন:
- শিকারি কর্তৃক ব্যাঘ্র নিহত হয়েছে।
- চোরটা ধরা পড়েছে।

• ভাববাচ্য:
যে বাচ্যে কর্ম থাকে না এবং বাক্যে ক্রিয়ার অর্থই বিশেষভাবে ব্যক্ত হয় তাকে ভাববাচ্য বলে।

১. ভাববাচ্যের ক্রিয়া সর্বদাই নাম পুরুষের হয়। ভাববাচ্যের কর্তায় ষষ্ঠী, দ্বিতীয়া অথবা তৃতীয়া বিভক্তি প্রযুক্ত হয়।
যেমন-
(ক) আমার (কর্তায় ষষ্ঠী) খাওয়া হলো না। (নাম পুরুষের ক্রিয়া)
(খ) আমাকে (কর্তায় দ্বিতীয়া) এখন যেতে হবে। (নাম পুরুষের ক্রিয়া)
(গ) তোমার দ্বারা (কর্তায় তৃতীয়) এ কাজ হবে না। (নাম পুরুষের ক্রিয়া)

২. কখনো কখনো ভাববাচ্যে কর্তা উহ্য থাকে, কর্ম দ্বারাই ভাববাচ্য গঠিত হয়।
যেমন-
- এ পথে চলা যায় না।
- এবার ট্রেনে ওঠা যাক।
- কোথা থেকে আসা হচ্ছে?

৩. মূল ক্রিয়ার সঙ্গে সহযোগী ক্রিয়ার সংযোগ ও বিভিন্ন অর্থে ভাববাচ্যের ক্রিয়া গঠিত হয়।
যেমন-
- এ ব্যাপারে আমাকে দায়ী করা চলে না।
- এ রাস্তা আমার চেনা নেই।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৬,৮৮৯.
'আঁট' ধাতুটি কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) ঝুলানো
  2. খ) শক্ত করে বাঁধা
  3. গ) মেহনত করা
  4. ঘ) প্রার্থনা করা
সঠিক উত্তর:
খ) শক্ত করে বাঁধা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শক্ত করে বাঁধা
ব্যাখ্যা
- উল্লেখিত প্রশ্নে 'আঁট' একটি বিদেশি ধাতু।
- 'আঁট' ধাতুটি 'শক্ত করে বাঁধা' অর্থে ব্যবহৃত হয়।

• বিদেশাগত ধাতু:
- হিন্দি এবং আরবি-ফারসি ভাষা থেকে যেসকল ধাতু বাংলা ভাষায় গৃহীত হয়েছে তাকে বিদেশাগত ধাতু বা ক্রিয়ামূল বলে।
- যেমন: ভিক্ষে মেগে খায়। এ বাক্যে- ‘মাগ্‌’ ধাতু হিন্দি ‘মা’ থেকে আগত।

• কয়েকটি বিদেশি ধাতুর উদাহরণ দেয়া হলো:
- আঁট = শক্ত করে বাঁধা।
- ফির্ = পুনরাগমন, পুনরাবৃত্তি।
- খাট্ = মেহনত করা।
- চাহ্ = প্রার্থনা করা। 
- চেঁচু = চিৎকার করা।
- বিগড় = নষ্ট হওয়া।
- জম্ = ঘনীভূত হওয়া।
- ভিজ্‌ = সিক্ত হওয়া।
- ঠেল্ = ঠেলা।
- ডাক্‌ = আহ্বান করা।
- টুটু = ছিন্ন হওয়া।
- লটক = ঝুলানো।
- ডর্ = ভীত হওয়া ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৬,৮৯০.
নিচের কোনগুলো 'বলক' এর উদাহরণ?
  1. রা, এরা
  2. টি, টুকু
  3. গুলো, গোটা
  4. ই, ও
সঠিক উত্তর:
ই, ও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ই, ও
ব্যাখ্যা
• বলক:
যেসব শব্দাংশ পদের সঙ্গে যুক্ত হলে বক্তব্য জোরালাে হয়, সেগুলােকে বলক বলে।
যেমন - 
'তখনই' বা ‘এখনও' পদের 'ই' বা ‘ও’ হলাে বলকের উদাহরণ।

অন্যদিকে,
রা, এরা  - বচন এর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
টি, টুকু - পদাশ্রিত নির্দেশক এর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
গুলো, গোটা - পদাশ্রিত নির্দেশক এর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
১৬,৮৯১.
নিচের কোনটি ধ্বনি বিপর্যয়ের উদাহরণ?
  1. শরীর > শরীল
  2. রিক্সা > রিস্কা
  3. বিলাতি > বিলিতি
  4. ধাইমা > দাইমা
সঠিক উত্তর:
রিক্সা > রিস্কা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিক্সা > রিস্কা
ব্যাখ্যা

• ধ্বনি বিপর্যয়:
শব্দের মধ্যে দুটি ব্যঞ্জনের পরস্পর পরিবর্তন ঘটলে তাকে ধ্বনি বিপর্যয় বলে।
যেমন-ইংরেজি বাক্স > বাংলা বাস্ক, জাপানি রিক্সা > বাংলা রিস্কা ইত্যাদি।

অনুরূপ - পিশাচ > পিচাশ, লাফ > ফাল।

অন্যদিকে,
---------------
• বিষমীভবন:
দুটো সমবর্ণের একটির পরিবর্তনকে বিষমীভবন বলে। যেমন: শরীর > শরীল, লাল > নাল ইত্যাদি।

• স্বরসঙ্গতি:
একটি স্বরধ্বনির প্রভাবে শব্দে অপর স্বরের পরিবর্তন ঘটলে তাকে স্বরসঙ্গতি বলে।
যেমন- দেশি > দিশি, বিলাতি > বিলিতি, মুলা > মুলো ইত্যাদি।

• ব্যঞ্জন বিকৃতি:
শব্দ-মধ্যে কোনো কোনো সময় কোনো ব্যঞ্জন পরিবর্তিত হয়ে নতুন ব্যঞ্জনধ্বনি ব্যবহৃত হয়। একে বলে ব্যঞ্জন বিকৃতি।
যেমন- কবাট > কপাট, ধোবা > ধোপা, ধাইমা > দাইমা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।

১৬,৮৯২.
'মনস্তাপ' শব্দের শুদ্ধ সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. মনস্‌ + তাপ
  2. মনঃ + তাপ
  3. মনোঃ + তাপ
  4. মনোস্‌ + তাপ
  5. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
মনঃ + তাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মনঃ + তাপ
ব্যাখ্যা
• বিসর্গ সন্ধির নিয়ম:
অ-কারের পরস্থিত স-জাত বিসর্গের পর ঘোষ অল্পপ্রাণ ও ঘোষ মহাপ্রাণ ব্যঞ্জনধ্বনি, নাসিক্য ধ্বনি কিংবা অন্তঃস্থ য, অন্তঃস্থ ব, র, ল, হ থাকলে, অ-কার ও স-জাত বিসর্গ স্থলে ও-কার হয়।
যেমন:
- ততঃ + অধিক= ততোধিক।
- তিরঃ + ধান = তিরোধান,
- মনঃ + রম = মনোরম,
- মনঃ + যোগ = মনোযোগ,
- মনঃ + তাপ = মনস্তাপ,
- তপঃ + বন = তপোবন ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
১৬,৮৯৩.
বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়যোগে গঠিত শব্দ কোনটি?
  1. রেশমি
  2. ঘটকালি
  3. হিন্দুয়ানি
  4. পোদ্দারি
সঠিক উত্তর:
হিন্দুয়ানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিন্দুয়ানি
ব্যাখ্যা
• বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়:
শব্দের পরে যেসব বিদেশি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে সেসব প্রত্যয়কে বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।
যেমন:
- বিবি + আনা = বিবিয়ানা;
- দুধ + ওয়ালা = দুধওয়ালা;
- মানান + সই = মানানসই;
- মুনশি + আনা = মুনশিয়ানা;
- হিন্দু + আনি = হিন্দুয়ানি;
- খবর + দার = খবরদার;
- কারি + গর = কারিগর;
- গিন্নী + পনা = গিন্নীপনা।


------------------------------
• বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয়:
সংস্কৃত ও বিদেশি প্রত্যয় বাদে বাংলা ভাষার সকল তদ্ধিত প্রত্যয়কে বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।
যেমন:
- লতা + আনো = লতানো।
- থাল + আ = থালা।
- ব্যাঙ + আচি = ব্যাঙাচি।
- চোর + আই = চোরাই।
- ঘটক + আলি = ঘটকালি।
- পো + আত = পোয়াত।
- পেট + উক = পেটুক।
- রেশম + ই = রেশমি।
- পোদ্দার + ই = পোদ্দারি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৬,৮৯৪.
নিচের কোন বাক্যে বানানের অশুদ্ধ প্রয়োগ ঘটেছে?
  1. সে ক্রোধান্ধ হইয়াছে।
  2. নিস্ফল পরিশ্রম করলে।
  3. তাহার অপরিসীম আনন্দ হইল।
  4. মুমূর্ষু রোগীকে শুশ্রূষা করো।
সঠিক উত্তর:
নিস্ফল পরিশ্রম করলে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিস্ফল পরিশ্রম করলে।
ব্যাখ্যা
• অশুদ্ধ বাক্য: নিস্ফল পরিশ্রম করলে।
• শুদ্ধ বাক্য: নিষ্ফল পরিশ্রম করলে।

• নিয়ম:
⇒ বিসর্গযুক্ত অ-ধ্বনির সঙ্গে সন্ধি হলে বর্ণে সাধারণত 'স' যুক্ত হয় (পুরঃ + কার = পুরস্কার) এবং বিসর্গযুক্ত ই-ধ্বনির সঙ্গে সন্ধি হলে সাধারণত 'ষ' যুক্ত হয় (বহিঃ + কার = বহিষ্কার)।

⇒ তবে স্ক / স্ক সংক্রান্ত সমস্যার সহজ সমাধানকল্পে বলা যায়: অ-যুক্ত বা মুক্ত বর্ণের পরে সাধারণত 'স' হবে। যেমন: নমস্কার, পুরস্কার, বনস্পতি, তিরস্কার, বাচস্পতি ইত্যাদি।

⇒ অন্যদিকে ই-যুক্ত বর্ণের পর সাধারণত 'ষ' হবে। যেমন: আবিষ্কার, নিষ্কলঙ্ক, পরিষ্কার, নিষ্ফল, নিষ্প্রভ, নিষ্পাপ, নিষ্পন্ন, নিষ্কর, জ্যোতিষ্ক ইত্যাদি।
⇒ (স্প / স্ত / স্থ থাকলে 'ষ' হয় না। যেমন: নিস্পন্দ / নিস্তব্ধ / দুস্থ ইত্যাদি)।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৬,৮৯৫.
'আমি একটি লাল ফুল তুলেছি।'- বাক্যে 'লাল' কোন পদ?
  1. ক) বিশেষ্য
  2. খ) বিশেষণ
  3. গ) ক্রিয়া বিশেষণ
  4. ঘ) অব্যয়
সঠিক উত্তর:
খ) বিশেষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বিশেষণ
ব্যাখ্যা
- উল্লেখিত প্রশ্নে 'লাল' হচ্ছে বিশেষণ পদ।

• আমি একটি লাল ফুল তুলেছি।
- এখানে ‘লাল’ বিশেষণ পদ।

আবার যখন বলা হয়-
• ‘লাল থেকে নীল ভালো।
- এখানে 'লাল' এটি বিশেষ্য পদ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি ( ২০২১ সংস্করণ)।
১৬,৮৯৬.
নিচের কোন বাক্যটিতে কোনো অনুসর্গ ব্যবহৃত হয়নি?
  1. কোন পর্যন্ত পড়েছ?
  2. রুনা অপেক্ষা পুতুলের পরীক্ষা ভালো হয়েছে।
  3. এই উপহার তোমার জন্য।
  4. আমার যাওয়া হয়নি।
সঠিক উত্তর:
আমার যাওয়া হয়নি।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমার যাওয়া হয়নি।
ব্যাখ্যা
• "আমার যাওয়া হয়নি।" - বাক্যে কোনো অনুসর্গ ব্যবহৃত হয়নি।
--------------- 
অনুসর্গ:

- যেসব শব্দ কোনো শব্দের পরে বসে শব্দটিকে বাক্যের সঙ্গে সম্পর্কিত করে, সেসব শব্দকে অনুসর্গ বলে।
যেমন -
- সে কাজ ছাড়া কিছুই বোঝে না।
- কোন পর্যন্ত পড়েছ?

• কয়েকটি অনুসর্গের উদাহরণ:
অপেক্ষা, অবধি, অভিমুখে, আগে, উপরে, করে, কর্তৃক, কাছে, কারণে, ছাড়া, জন্য, তরে, থেকে, দরুন, দিকে, দিয়ে, দ্বারা, ধরে, নাগাদ, নিচে, পর্যন্ত, পানে, পাশে, পিছনে, প্রতি, বদলে, বনাম, বরাবর, বাইরে, বাদে, বাবদ, বিনা, ব্যতীত, ভিতরে, মতো, মধ্যে, মাঝে, লেগে, সঙ্গে, সম্মুখে, সাথে, সামনে, হতে ইত্যাদি।

• যেসব শব্দের পরে অনুসর্গ বসে, সেসব শব্দের সঙ্গে '-কে', '-র' ইত্যাদি বিভক্তিও যুক্ত হতে পারে।
যেমন -
- তোমাকে দিয়ে এ কাজ সম্ভব।
- সে পরীক্ষার জন্য পড়ছে।

• অনুসর্গ দুই প্রকার।
যথা:
১. সাধারণ অনুসর্গ ও
২. ক্রিয়াজাত অনুসর্গ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৬,৮৯৭.
বিদেশী উপসর্গযোগে গঠিত শব্দ কোনটি?
  1. নিমরাজি
  2. আনমনা
  3. অবহেলা
  4. নিখুঁত
সঠিক উত্তর:
নিমরাজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিমরাজি
ব্যাখ্যা

• 'নিমরাজি' শব্দে 'নিম' একটি ফারসি উপসর্গ।
- শব্দটিতে ‘নিম উপসর্গটি আধা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।

বিদেশি উপসর্গ:
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত আরবি, ফারসি, ইংরেজি, হিন্দি শব্দের সঙ্গে যেসব উপসর্গ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে তাদেরকে বিদেশী উপসর্গ বলা হয়।

- নিম্নরূপ কিছু ফারসি উপসর্গের উদাহরণ দেওয়া হলো:
- কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর, কম ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
- 'অবহেলা' শব্দে 'অব' একটি সংস্কৃত উপসর্গ।
- 'আনমনা' শব্দে 'আন' একটি বাংলা উপসর্গ।
- 'নিখুঁত' শব্দে ''নি' একটি বাংলা উপসর্গ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

১৬,৮৯৮.
পুরাঘটিত অতীত কাল নয় কোনটি?
  1. সেবার তাকে সুস্থই দেখেছিলাম।
  2. কাজটি কি তুমি করেছিলে?
  3. আমরা তখন রোজ সকালে নদী তীরে ভ্রমণ করতাম।
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
আমরা তখন রোজ সকালে নদী তীরে ভ্রমণ করতাম।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমরা তখন রোজ সকালে নদী তীরে ভ্রমণ করতাম।
ব্যাখ্যা

পুরাঘটিত অতীত কাল:
- যে ক্রিয়া অতীতের বহু পূর্বেই সংগঠিত হয়ে গিয়েছে এবং যার পরে আরও কিছু ঘটনা ঘটে গেছে, তার কালকে পুরাঘটিত অতীত কাল বলা হয়।
যেমন:
- সেবার তাকে সুস্থই দেখেছিলাম।
- কাজটি কি তুমি করেছিলে?

অন্যদিকে,
নিত্যবৃত্ত অতীত - আমরা তখন রোজ সকালে নদী তীরে ভ্রমণ করতাম।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬,৮৯৯.
'সন্দেশ'- শব্দটি অর্থগত দিক দিয়ে কোন শ্রেণীর শব্দ?
  1. ক) মৌলিক
  2. খ) যৌগিক
  3. গ) রুঢ়ি
  4. ঘ) যোগরুঢ়
সঠিক উত্তর:
গ) রুঢ়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রুঢ়ি
ব্যাখ্যা

রুঢ়ি শব্দ : যে শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গযাগে মূল শব্দের অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনাে বিশিষ্ট অর্থ জ্ঞাপন করে, তাকে রুঢ়ি শব্দ বলে। যেমন -হস্তী=হস্ত+ইন, অর্থ-হস্ত আছে যার; কিন্তু হস্তী বলতে একটি পশুকে বােঝায়। গবেষণা (গাে+এষণা) অর্থ- গরু খোঁজা। বর্তমান অর্থ ব্যাপক অধ্যয়ন ও পর্যালােচনা।
অন্যান্য রুঢ়ি শব্দ : বাশি, তৈল, প্রবীণ, সন্দেশ ইত্যাদি
(রেফারেন্সঃ ৯ম-১০ম শ্রেণির বাংলা ভাষার ব্যাকরণ)

১৬,৯০০.
“ব্যাথা” শব্দের সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয় কোনটি?
  1. ক) √ব্যথ্‌ + অ
  2. খ) √ব্যথ্‌ + আ
  3. গ) √ব্যথ্‌ + অ + আ
  4. ঘ) √বি + থ + অ + আ
সঠিক উত্তর:
গ) √ব্যথ্‌ + অ + আ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) √ব্যথ্‌ + অ + আ
ব্যাখ্যা

সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়ঃ
অ(অঙ্‌) + স্ত্রী প্রত্যয় যোগ -
শ্রৎ + √ধা + অ + আ = শ্রদ্ধা
√ব্যথ্‌ + অ + আ = ব্যথা
√কৃপ্‌ + অ + আ = কৃপা
সম্‌ + √জ্ঞা + অ + আ = সংজ্ঞা

উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।