বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণ

মোট প্রশ্ন৩৫,৭১৩এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণ

PrepBank · পাতা ১৫৯ / ৩৫৪ · ১৫,৮০১১৫,৯০০ / ৩৫,৭১৩

১৫,৮০১.
ধ্বনি সৃষ্টিতে বায়ুর প্রবাহ অনুযায়ী 'ধ' কোন ধরনের বর্ণ?
  1. অল্পপ্রাণ
  2. মহাপ্রাণ
  3. ঘোষ
  4. অঘোষ
সঠিক উত্তর:
মহাপ্রাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাপ্রাণ
ব্যাখ্যা

• ধ্বনি সৃষ্টিতে বায়ুর প্রবাহ অনুযায়ী বিভাজন:
- ব্যঞ্জন ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে বায়ু প্রবাহের বেগ কমবেশি হওয়ার ভিত্তিতে ব্যঞ্জনধ্বনিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা : ক) অল্পপ্রাণ খ) মহাপ্রাণ।

অল্পপ্রাণ ব্যঞ্জন:
সেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ফুসফুস থেকে নির্গত বায়ুপ্রবাহের মাত্রা অপেক্ষাকৃত কম, সেগুলােকে বলা হয় অল্পপ্রাণ ধ্বনি।
যেমন: প, ব, ত, দ, স, ট, ড, ড়, চ, জ, শ, ক, গ ইত্যাদি।

• মহাপ্রাণ ব্যঞ্জন:
সেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ফুসফুস থেকে নির্গত বায়ুপ্রবাহ অপেক্ষাকৃত বেশি, সেগুলােকে বলা হয় মহাপ্রাণ ধ্বনি।
যেমন: ফ, ভ, থ, , ঠ, ঢ, ঢ়, ছ, ঝ, খ, ঘ, হ ইত্যাদি।

• ধ্বনি কম্পনমাত্রা অনুযায়ী বিভাজন:
ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে স্বরযন্ত্র ধ্বনিদ্বারে বায়ুর কম্পন কমবেশি হওয়ার ভিত্তিতে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা: ১। ঘোষ ব্যঞ্জন ২। অঘোষ ব্যঞ্জন।

ঘোষ ব্যঞ্জন:
- যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ধ্বনিদ্বারের কম্পন অপেক্ষাকৃত বেশি, সেসব ধ্বনিকে বলা হয় ঘোষ ব্যঞ্জন ধ্বনি।
যথা-
- ব, ভ, ম, দ, ধ, ন, র, ল, ড, ঢ, ড়, ঢ়, জ, ঝ, গ, ঘ, ঙ, হ।

অঘোষ ব্যঞ্জন:
- যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময় ধ্বনিদ্বারের কম্পন অপেক্ষাকৃত কম, সেসব ধ্বনিকে অঘোষ ব্যঞ্জন বলা হয়।
যথা:
- প, ফ, ত, থ, স, ট, ঠ, চ, ছ, শ, ক, খ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম ও দশম শ্রেণি (২০২৫)।

১৫,৮০২.
কোন বাক্যটি শুদ্ধ? 
  1. তিনি বিদেশের উদ্দেশ্য যাত্রা করেছেন।
  2. তিনি বিদেশের উদ্দেশে যাত্রা করেছেন।
  3. তিনি বিদেশের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছেন।
  4. তিনি বিদেশের উদ্দেশ যাত্রা করেছেন।
সঠিক উত্তর:
তিনি বিদেশের উদ্দেশে যাত্রা করেছেন।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনি বিদেশের উদ্দেশে যাত্রা করেছেন।
ব্যাখ্যা

উত্তর: খ) তিনি বিদেশের উদ্দেশে যাত্রা করেছেন। কারণ বাক্যটিতে- কোন দিকে যাচ্ছে বোঝাচ্ছে।

এখানে, 
'উদ্দেশ্য' (বিশেষ্য):
- লক্ষ্য, উদ্দেশ, কারণ।
ব্যবহার: "কী উদ্দেশ্য?", "উদ্দেশ্য কী?", "উদ্দেশ্য পূরণ"
উদাহরণ: জীবনের উদ্দেশ্য।

'উদ্দেশে' (অব্যয়):
কোন দিকে, অভিমুখে, লক্ষ্য করে।
ব্যবহার: "ঢাকার উদ্দেশে", "তার উদ্দেশে"।
উদাহরণ: ঢাকার উদ্দেশে রওনা।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৫,৮০৩.
সঠিক বানান নির্ণয় করুন-
  1. কুজ্জ্বটিকা
  2. আদ্যোক্ষর
  3. সুকেশীনী
  4. ভবিষ্যৎবাণী
  5. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে, অপশনের সবগুলো বানানই অশুদ্ধ। 

অশুদ্ধ: 'আদ্যোক্ষর'।
শুদ্ধ: আদ্যাক্ষর। 

- অশুদ্ধ বানান:কুজ্জ্বটিকা। 
- শুদ্ধ বানান: কুজ্ঝটিকা।

- অশুদ্ধ বানান: সুকেশীনী।  
- শুদ্ধ বানান: সুকেশিনী।  

- অশুদ্ধ বানান:ভবিষ্যৎবাণী। 
- শুদ্ধ বানান: ভবিষ্যদ্বাণী। 

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৫,৮০৪.
বাক্যের সঠিক গঠনপ্রণালী, বিভিন্ন উপাদানের সংযোজন, বিয়োজন, এদের সার্থক ব্যবহারযোগ্যতা, বাক্যমধ্যে শব্দ বা পদের স্থান বা ক্রম, পদের রূপ পরিবর্তন ইত্যাদি বিষয় কোথায় আলোচিত হয়?
  1. ক) Syntax
  2. খ) Phonology
  3. গ) Semantics
  4. ঘ) Morphology
সঠিক উত্তর:
ক) Syntax
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Syntax
ব্যাখ্যা

সব ভাষারই ব্যাকরণেই প্রধানত নিম্নলিখিত চারটি বিষয়ের আলোচনা করা হয়।
ধ্বনিতত্ত্ব (Phonology) -
ধ্বনির উচ্চারণপ্রণালী, উচ্চারণের স্থান, ধ্বনির প্রতীক বা বর্ণের বিণ্যাস, ধ্বনিসংযোগ বা সন্ধি, ধ্বনির পরিবর্তন ও লোপ, ণত্ব ও ষত্ব বিধান ইত্যাদি বাংলা ব্যাকরণে ধ্বনিতত্বে আলোচ্য বিষয়।
শব্দতত্ত্ব বা রূপতত্ত্ব (Morphology) -
এক বা একাধিক ধ্বনির অর্থবোধক সম্মিলনে শব্দ তৈরি হয়, শব্দের ক্ষুদ্রাংশকে বলা হয় রূপ। রূপ গঠন করে শব্দ। সেই জন্য শব্দতত্ত্বকে রূপতত্ত্ব বলে।
বাক্যতত্ত্ব বা পদক্রম (Syntax) -
বাক্যের সঠিক গঠনপ্রণালী, বিভিন্ন উপাদানের সংযোজন, বিয়োজন, এদের সার্থক ব্যবহারযোগ্যতা, বাক্যমধ্যে শব্দ বা পদের স্থান বা ক্রম, পদের রূপ পরিবর্তন ইত্যাদি বিষয় বাক্যতত্ত্বে আলোচিত হয়।বাক্যতত্বকে পদক্রম ও বলে।
অর্থতত্ত্ব (Semantics) -
শব্দের অর্থবিচার, বাক্যের অর্থবিচার, অর্থের বিভিন্ন প্রকারভেদ, যেমন - মুখ্যার্থ, গৌনার্থ, বিপরীতার্থ ইত্যাদি অর্থতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।

উৎসঃবাংলা ভাষার ব্যাকরণ (নবম - দশম শ্রেণি)

১৫,৮০৫.
অপাদান কারকে ৫মী বিভক্তির প্রয়োগ ঘটেছে কোন বাক্যে?
  1. ক) তিলে তৈল হয়।
  2. খ) তিলে তৈল আছে।
  3. গ) মেঘ থেকে বৃষ্টি হয়।
  4. ঘ) বিপদে মাের রক্ষা কর।
সঠিক উত্তর:
গ) মেঘ থেকে বৃষ্টি হয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মেঘ থেকে বৃষ্টি হয়।
ব্যাখ্যা
মেঘ থেকে বৃষ্টি হয় = অপাদান কারকে ৫মী বিভক্তি

অপাদান কারক
- এ বনে বাঘের ভয় = অপাদান কারকে ৭মী বিভক্তি
- তিলে তৈল হয় = অপাদান কারকে ৭মী বিভক্তি
- তিথির চেয়ে বিথী বড় = অপাদান কারকে ষষ্ঠী বিভক্তি
- পরাজয়ে ডরে না বীর = অপাদান কারকে ৭মী বিভক্তি 
- বিপদে মাের রক্ষা কর = অপাদান কারকে ৭মী বিভক্তি 
- লােভে পাপ পাপে মৃত্যু = অপাদান কারকে ৭মী বিভক্তি 
- ছাদ থেকে পানি পড়ে = অপাদান কারকে৫মী বিভক্তি

- তিলে তৈল আছে = অধিকরন কারকে ৭মী বিভক্তি।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,৮০৬.
কোনটি মধ্যস্বর লোপের উদাহরণ?
  1. আশা > আশ
  2. আজি > আজ
  3. সুবর্ণ > স্বর্ণ
  4. অলাবু > লাবু > লাউ
সঠিক উত্তর:
সুবর্ণ > স্বর্ণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুবর্ণ > স্বর্ণ
ব্যাখ্যা
• আদি স্বরলোপ:  
- প্রথম স্বরধ্বনি লোপ পেলে তাকে আদি স্বরলোপ বলে।
- যেমন -
- অলাবু> লাবু > লাউ,
- উদ্ধার > উধার > ধার।

• মধ্যস্বর লোপ:
- শব্দের মধ্যে অবস্থিত স্বরধ্বনি লোপ পেলে তাকে মধ্যস্বর লোপ বলে।
যেমন -
- অগুরু > অগ্রু,
- সুবর্ণ > স্বর্ণ ।


• অন্ত্যস্বর লোপ:
- শব্দের শেষে অবস্থিত স্বরধ্বনি লোপ পেলে তাকে অন্ত্যস্বর লোপ বলে।
- যেমন:
- আশা > আশ,
- আজি > আজ,
- চারি > চার,
- সন্ধ্যা > সঞঝা > সাঁঝ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিত, নবম ও দশম শ্রেণি ( ২০১৯ সংস্করণ)
১৫,৮০৭.
'হিমালয়' শব্দটি কোন সন্ধিততে গঠিত?
  1. স্বর
  2. ব্যঞ্জন
  3. বিসর্গ
  4. নিপাতনে সিদ্ধ
সঠিক উত্তর:
স্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বর
ব্যাখ্যা

স্বরসন্ধি:
- স্বরধ্বনির সঙ্গে স্বরধ্বনির মিলনের নাম স্বরসন্ধি।
- অ-কার কিংবা আ-কারের পর অ-কার কিংবা আ-কার থাকলে উভয় মিলে আ-কার হয়, আ-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়।

যেমন:
- নর + অধম = নরাধম,
- হিম + আলয় = হিমালয়,
- যথা + অর্থ = যথার্থ,
- বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়,
- কথা + অমৃত = কথামৃত ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

১৫,৮০৮.
'উনপাঁজুরে' বাগ্‌ধারার অর্থ কী?
  1. অপদার্থ
  2. স্বেচ্ছাচারী
  3. দুর্বল
  4. দুর্লভ বস্তু
  5. কোনোটি নয়
সঠিক উত্তর:
দুর্বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্বল
ব্যাখ্যা
• 'উনপাঁজুরে' বাগ্‌ধারার অর্থ - দুর্বল

অন্যদিকে,
- 'ডুমুরের ফুল' বাগ্‌ধারার অর্থ - দুর্লভ বস্তু।
- 'অকাল কুষ্মাণ্ড ও আমড়া কাঠের' ঢেঁকি বাগ্‌ধারার অর্থ - অপদার্থ।
- 'গোকুলের ষাঁড়' বাগ্‌ধারার অর্থ - স্বেচ্ছাচারী।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) ও ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৫,৮০৯.
‘প্রাচীন সংস্কার ওই ভুষণ্ডির কাকেরাই আঁকাড়ে ধরে রাখে।’ এখানে ভুষন্ডির কাক বাগধারাটির অর্থ কি?
  1. ক) অর্বাচীন
  2. খ) অহংকার
  3. গ) ভন্ড
  4. ঘ) দীর্ঘকালের অভিজ্ঞ ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
ঘ) দীর্ঘকালের অভিজ্ঞ ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দীর্ঘকালের অভিজ্ঞ ব্যক্তি
ব্যাখ্যা

ভুষন্ডির কাক - দীর্ঘকালের অভিজ্ঞ ব্যক্তি
ভুঁই-ফোঁড় - অর্বাচীন
পায়া ভারি - অহংকার
বিড়াল-তপস্বী - ভন্ড
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।

১৫,৮১০.
সাধিত ধাতু কোনটি?
  1. শো
  2. পড়া
  3. খা
সঠিক উত্তর:
পড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পড়া
ব্যাখ্যা
সাধিত ধাতু:
- মৌলিক ধাতু কিংবা কোনো কোনো নাম শব্দের সঙ্গে 'আ' প্রত্যয় যোগে যে ধাতু গঠিত হয়, তাকে সাধিত ধাতু বলে।
যেমন -
- দেখ + আ = দেখা,
- পড় + আ = পড়া,
- বল + আ = বলা।
- সাধিত ধাতুর সঙ্গে কাল ও পুরুষসূচক বিভক্তি যুক্ত করে ক্রিয়াপদ গঠিত হয়।
যেমন -
→ মা শিশুকে চাঁদ দেখায়। (এখানে দেখ+আ+বর্তমান কালের সাধারণ নামপুরুষের ক্রিয়া বিভক্তি 'য়' = দেখায়)।
এরূপ - শোনায়, বসায় ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
মৌলিক ধাতু:

- যেসব ধাতু বিশ্লেষণ করা সম্ভব নয়, সেগুলোই মৌলিক ধাতু।
- এগুলোকে সিদ্ধ বা স্বয়ংসিদ্ধ ধাতুও বলা হয়।
যেমন - চল্, পড়্‌, কর্, শো, হ, খা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৫,৮১১.
নিচের কোনটি ভুল?
  1. ক) উদীচী
  2. খ) তিতিক্ষা
  3. গ) ইন্দ্রিয়
  4. ঘ) গরু
সঠিক উত্তর:
ঘ) গরু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গরু
ব্যাখ্যা
গরু বানানের শুদ্ধরূপ হলো গোরু। 
উৎস : বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান
১৫,৮১২.
প্রত্যক্ষ উক্তি থেকে পরোক্ষ উক্তিতে রূপান্তরের সময় কোন পরিবর্তনগুলো ঘটতে পারে?
  1. উক্তি চিহ্নের সংখ্যা পরিবর্তন
  2. কালবাচক ও স্থানবাচক শব্দের পরিবর্তন
  3. বক্তব্যকারীর নাম পরিবর্তন
  4. ক্রিয়ার রূপ অপরিবর্তিত থাকা
সঠিক উত্তর:
কালবাচক ও স্থানবাচক শব্দের পরিবর্তন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কালবাচক ও স্থানবাচক শব্দের পরিবর্তন
ব্যাখ্যা

• উক্তি:
- বক্তার কথা উপস্থাপনের ধরনকে উক্তি বলে।
- উক্তি দুই প্রকার: প্রত্যক্ষ উক্তি ও পরোক্ষ উক্তি।

যেমন -
→ প্রত্যক্ষ উক্তি: ছেলেটি বলেছিল, "আজ আমি অনেক পড়েছি।"
→ পরোক্ষ উক্তি: ছেলেটি বলেছিল যে, সেদিন সে অনেক পড়েছে।
- যে উক্তিতে বক্তার কথা সরাসরি উদ্ধৃত করা হয়, তাকে বলে প্রত্যক্ষ উক্তি।
- আর যে উক্তিতে বক্তার কথা অন্যের দ্বারা বর্ণিত হয়, তাকে বলে পরোক্ষ উক্তি।
- প্রত্যক্ষ উক্তি লেখার সময়ে উদ্ধারচিহ্ন ব্যবহৃত হয়।

যেমন -
→ রফিক হেসে বললো, "আমি আপনাকে লক্ষ করিনি।"
→ কালো চুলের মানুষটি বলল, "দশ পর্যন্ত গুনতে পারি। যোগ কী আমার ধারণা আছে। কিন্তু বিয়োগ করতে পারি না।”

• প্রত্যক্ষ উক্তিকে পরোক্ষ উক্তিতে পরিবর্তন করার সময়ে — কালবাচক ও স্থানবাচক শব্দের পরিবর্তন হয়।
যেমন -
→ প্রত্যক্ষ উক্তি: লোকটি বললেন, "আমি আগামীকাল এখানে আবার আসব।"
→ পরোক্ষ উক্তি: লোকটি বললেন যে, তিনি পরদিন সেখানে আবার যাবেন।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

১৫,৮১৩.
একাধিক বাক্যের মধ্যে অর্থের নিকট-সম্বন্ধ থাকলে কোন বিরাম চিহ্ন বসবে?
  1. সেমিকোলন
  2. কোলন
  3. হাইফেন
  4. কমা
সঠিক উত্তর:
সেমিকোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেমিকোলন
ব্যাখ্যা

সেমিকোলন-চিহ্ন ( ; ):
- সেমিকোলন বা অর্ধচ্ছেদ হলো বাক্যের মধ্যে ব্যবহৃত এক ধরনের বাক্যান্তর্গত চিহ্ন।
- মনোভাব প্রকাশের বেলায় একটা ভাব একটিমাত্র বাক্যে শেষ হয়ে সন্নিহিত ভাবের নতুন বাক্য শুরু করতে চাইলে একটু বেশি থামতে হয়।
- অর্থাৎ একাধিক বাক্যের মধ্যে অর্থের নিকট-সম্বন্ধ থাকলে বাক্যগুলোকে একটু বেশি থামার চিহ্ন দিয়ে ভাগ করতে হয়।
- এর জন্যে সেমিকোলন বসে। 
- 'কমা' অপেক্ষা বেশি বিরতির প্রয়োজন হলে সেমিকোলন বসে। 

যেমন:
- কোন বইয়ের সমালোচনা করা সহজ; কিন্তু বই লেখা অত সহজ না। 

উৎস:  ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।

১৫,৮১৪.
‘চালাক ছেলে’ এখানে ‘চালাক’ কোন পদের উদাহরণ?
  1. বিশেষ্য
  2. ক্রিয়া
  3. বিশেষণ
  4. ক্রিয়া বিশেষণ
সঠিক উত্তর:
বিশেষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশেষণ
ব্যাখ্যা
• বিশেষণ পদ:
যে শব্দ দিয়ে সাধারণত বিশেষ্য ও সর্বনামের গুণ, দোষ, সংখ্যা, পরিমাণ, অবস্থা ইত্যাদি বোঝায়, তাকে বিশেষণ বলে। যেমন সুন্দর ফুল, বাজে কথা, পঞ্চাশ টাকা, হাজার সমস্যা, তাজা মাছ।

বিশেষণের শ্রেণিবিভাগ
কোন কোন শ্রেণির শব্দকে বিশেষিত করে, সেই অনুযায়ী বিশেষণকে আলাদা করা যায়। বিশেষণ শব্দটি কীভাবে গঠিত হয়েছে, সেই বিবেচনায়ও বিশেষণকে ভাগ করা সম্ভব। এছাড়া বাক্যের মধ্যে বিশেষণটির অবস্থান কোথায় তা দিয়েও বিশেষণকে চিহ্নিত করা যায়। এসব বিবেচনায় বিশেষণকে নানা নামে উপস্থাপন করা যেতে পারে। যথা:

• বর্ণবাচক:
যে বিশেষণ দিয়ে রং নির্দেশ করা হয়, তাকে বর্ণবাচক বিশেষণ বলে। যেমন: নীল আকাশ, সবুজ মাঠ, লাল ফিতা এখানে 'নীল', 'সবুজ' বা 'লাল' হলো বর্ণবাচক বিশেষণ।

• গুণবাচক:
যে বিশেষণ দিয়ে গুণ বা বৈশিষ্ট্য বোঝায়, তাকে গুণবাচক বিশেষণ বলে। যেমন: চালাক ছেলে, ঠান্ডা পানি- এখানে 'চালাক' ও 'ঠান্ডা' হলো গুণবাচক বিশেষণ।

• অবস্থাবাচক:
যে বিশেষণ দিয়ে অবস্থা বোঝায়, তাকে অবস্থাবাচক বিশেষণ বলে। যেমন: চলন্ত ট্রেন, তরল পদার্থ- এখানে 'চলন্ত' ও 'তরল' অবস্থাবাচক বিশেষণ।

• ক্রমবাচক:
যে বিশেষণ দিয়ে ক্রমসংখ্যা বোঝায়, তাকে ক্রমবাচক বিশেষণ বলে। যেমন: এক টাকা, আট দিন এখানে 'এক' ও 'আট' ক্রমবাচক বিশেষণ।

• পূরণবাচক:
যে বিশেষণ দিয়ে পূরণসংখ্যা বোঝায়, তাকে পূরণবাচক বিশেষণ বলে। যেমন: তৃতীয় প্রজন্ম, ৩৪তম অনুষ্ঠান এখানে 'তৃতীয়' ও '৩৪তম' পূরণবাচক বিশেষণ।

• পরিমাণবাচক:
যে বিশেষণ দিয়ে পরিমাণ বা আয়তন বোঝায়, তাকে পরিমাণবাচক বিশেষণ বলে। যেমন: আধা কেজি চাল, অনেক লোক এখানে 'আধা কেজি' ও 'অনেক' পরিমাণবাচক বিশেষণ।

• উপাদানবাচক:
যে বিশেষণ দিয়ে উপাদান নির্দেশ করে, তাকে উপাদানবাচক বিশেষণ বলে। যেমন: বেলে মাটি, পাথুরে মূর্তি এখানে 'বেলে' ও 'পাথুরে' উপাদানবাচক বিশেষণ।

• প্রশ্নবাচক:
যে বিশেষণ দিয়ে প্রশ্নবাচকতা নির্দেশিত হয়, তাকে প্রশ্নবাচক বিশেষণ বলে। যেমন: কেমন গান? কতক্ষণ সময়? এখানে 'কেমন' ও 'কতক্ষণ' প্রশ্নবাচক বিশেষণ।

• নির্দিষ্টতাবাচক:
যে বিশেষণ দিয়ে বিশেষিত শব্দকে নির্দিষ্ট করা হয়, তাকে নির্দিষ্টতাবাচক বিশেষণ বলে। যেমন: এই দিনে, সেই সময় এখানে 'এই' ও 'সেই' নির্দিষ্টতাবাচক বিশেষণ।

• ভাববাচক বিশেষণ:
যেসব বিশেষণ বাক্যের অন্তর্গত অন্য বিশেষণকে বিশেষিত করে, সেসব বিশেষণকে ভাববাচক বিশেষণ বলে। যেমন: 'খুব ভালো খবর' ও 'গাড়িটা বেশ জোরে চলছে' এসব বাক্যে 'খুব' এবং 'বেশ' ভাববাচক বিশেষণ।

• বিধেয় বিশেষণ:
বাক্যের বিধেয় অংশে যেসব বিশেষণ বসে, সেব বিশেষণকে বিধেয় বিশেষণ বলে।
যেমন: ‘লোকটা পাগল’ বা ‘এই পুকুরের পানি ঘোলা’- বাক্য দুটির ‘পাগল’ ও ‘ঘোলা’ বিধেয় বিশেষণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২৩-সংস্করণ)।
১৫,৮১৫.
“আহ্বান” শব্দের বিশেষণ রূপ কোনটি?
  1. ক) অহিত
  2. খ) আহরিত
  3. গ) আন্বিত
  4. ঘ) আহূত
সঠিক উত্তর:
ঘ) আহূত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আহূত
ব্যাখ্যা
• 'আহ্বান' শব্দের বিশেষণ রূপ = 'আহূত'

• আহ্বান (বিশেষ্য)
- সংস্কৃত শব্দ 
- প্রকৃতি প্রত্যয় = আ+√হ্বে+অন
অর্থ: 
- নিমন্ত্রন, আমন্ত্রন
- সম্বোধন, ডাক 

• আহূত (বিশেষণ)
- সংস্কৃত শব্দ 
অর্থ: আহ্বান করা হয়েছে এমন। 

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৫,৮১৬.
নিচের কোনটি অশুদ্ধ বানান?
  1. অনূদীত
  2. অনূর্ধ্ব
  3. অনুভূতি
  4. অনূপ
সঠিক উত্তর:
অনূদীত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনূদীত
ব্যাখ্যা
• অশুদ্ধ বানান - অনূদীত।

• শুদ্ধ বানান - অনূদিত।
- এটি সংস্কৃত শব্দ।
- প্রকৃত-প্রত্যয় = [অনু+√বাদ্+ত]
অর্থ:
- অনুবাদ করা হয়েছে এমন,
- ভাষান্তরিত।

অন্যদিকে,
অনূপ, অনূর্ধ্ব এবং অনুভূতি শব্দের বানানগুলো শুদ্ধ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৫,৮১৭.
নিচের কোনটি অশুদ্ধ?
  1. ক) উম্মেথিত
  2. খ) উপকর্তা
  3. গ) আগমশুল্ক
  4. ঘ) ইদ্দত
সঠিক উত্তর:
ক) উম্মেথিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) উম্মেথিত
ব্যাখ্যা
• অশুদ্ধ - উম্মেথিত
• শুদ্ধবানান = উন্মথিত
- সংস্কৃত শব্দ
- প্রকৃতি প্রত্যয় = উদ্+√মন্থ+ত্
অর্থ: আলোড়িত, উদ্বেলিত ইত্যাদি।

• উপকর্তা, ইদ্দত, আগমশুল্ক শব্দ গুলো শুদ্ধ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৫,৮১৮.
পরের ই-কার আগে উচ্চারিত হলে কিংবা যুক্ত ব্যঞ্জনধ্বনির আগে ই-কার বা উ-কার উচ্চারিত হলে তাকে কী বলা হয়?
  1. অন্ত্যস্বরাগম 
  2. অপিনিহিতি
  3. অসমীকরণ
  4. স্বরসঙ্গতি
সঠিক উত্তর:
অপিনিহিতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপিনিহিতি
ব্যাখ্যা

• অপিনিহিতি (Apenthesis): 
- পরের ই-কার আগে উচ্চারিত হলে কিংবা যুক্ত ব্যঞ্জনধ্বনির আগে ই-কার বা উ-কার উচ্চারিত হলে তাকে অপিনিহিতি বলে। যেমন আজি আইজ, সাধু সাউধ, রাখিয়া > রাইখ্যা, বাক্য > বাইক্য, সত্য সইত্য, চারি  > চাইর, মারি  > মাইর ইত্যাদি।


অন্যদিকে,
• অন্ত্যস্বরাগম (pothesis):
- কোনো কোনো সময় শব্দের শেষে অতিরিক্ত স্বরধ্বনি আসে। এরূপ স্বরাগমকে বলা হয় অন্ত্যস্বরাগম। যেমন দিশ্ > দিশা, পোখত্ > পোক্ত, বেঞ্চ > বেঞ্চি, সত্য > সত্যি ইত্যাদি।

• অসমীকরণ (Dissimilation):
- একই স্বরের পুনরাবৃত্তি দূর করার জন্য মাঝখানে যখন স্বরধ্বনি যুক্ত হয় তখন তাকে বলে অসমীকরণ। যেমন ধপ ধপ > ধপাধপ, টপ টপ > টপাটপ ইত্যাদি।

• স্বরসঙ্গতি (Vowel harmony):
- একটি স্বরধ্বনির প্রভাবে শব্দে অপর স্বরের পরিবর্তন ঘটলে তাকে স্বরসঙ্গতি বলে। যেমন দেশি > দিশি, বিলাতি > বিলিতি, মুলা > মুলো ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

১৫,৮১৯.
নিচের কোন শব্দ জোড়াটি ব্যতিক্রম?
  1. ক) তরঙ্গ, বীচি
  2. খ) মার্তণ্ড, দ্যুলোক
  3. গ) শশধর, হিমাংশু
  4. ঘ) তনয়, সুত
সঠিক উত্তর:
খ) মার্তণ্ড, দ্যুলোক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মার্তণ্ড, দ্যুলোক
ব্যাখ্যা
তরঙ্গ, বীচি হলো ঢেউয়ের সমার্থক শব্দ। শশধর, হিমাংশু হলো চাঁদের সমার্থক শব্দ। মার্তন্ড হলো সূর্যের সমার্থক শব্দ এবং দ্যুলোক হলো স্বর্গের সমার্থক শব্দ। তনয়,সুত হলো ছেলের সমার্থক শব্দ।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর
১৫,৮২০.
'দফা নিকেশ' বাগ্‌ধারার অর্থ কী?
  1. অপব্যয়
  2. দুর্লভ বস্তু
  3. সমূহ সর্বনাশ
  4. অপব্যয়ী
সঠিক উত্তর:
সমূহ সর্বনাশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমূহ সর্বনাশ
ব্যাখ্যা
• 'দফা নিকেশ' বাগ্‌ধারার অর্থ - সমূহ সর্বনাশ

অন্যদিকে,
- 'আকাশের চাঁদ' বাগ্‌ধারার অর্থ - দুর্লভ বস্তু।
- 'উড়নপেকে' বাগ্‌ধারার অর্থ - অপব্যয়ী।
- ‘নয় ছয়’ বাগ্‌ধারার অর্থ - অপব্যয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৫,৮২১.
কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. মুমুর্ষু
  2. মুমূর্ষু
  3. মূমুর্ষু
  4. মূমূর্ষূ
সঠিক উত্তর:
মুমূর্ষু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুমূর্ষু
ব্যাখ্যা
• মুমূর্ষু (বিশেষণ পদ)। 
- এটি সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত শব্দ।
অর্থ:
- মৃত্যুকাল আসন্ন এমন।
- মরণাপন্ন
- মৃতপ্রায়।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৫,৮২২.
‘সব ঝিনুকে মুক্তা মিলে না’ - বাক্যে 'ঝিনুকে' কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  1. অধিকরণে ৭মী
  2. কর্মে ২য়া
  3. অপাদানে ৭মী
  4. করণে ৭মী
সঠিক উত্তর:
অপাদানে ৭মী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপাদানে ৭মী
ব্যাখ্যা

• ‘সব ঝিনুকে মুক্তা পাওয়া যায় না’ - বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি অপাদান কারকে ৭মী বিভক্তি।

---------------------
• অপাদান কারক:
- যা থেকে কিছু বিচ্যুত, গৃহীত, জাত, বিরত, আরম্ভ, দূরীভূত ও রক্ষিত হয় এবং যা দেখে কেউ ভীত হয়, তাকেই অপাদান কারক বলে।
- বাক্যের ক্রিয়াপদকে কোথা হতে, কি থেকে, কিসের থেকে ইত্যাদি প্রশ্ন করলে উত্তরে যে কারক পাওয়া যায়, তা-ই হলো অপাদান কারক। 
যেমন -
→ বিচ্যুত: মেঘ থেকে বৃষ্টি পড়ে।
→ গৃহীত: দুধ থেকে দই হয়।
→ জাত: খেজুর রসে গুড় হয়।
→ বিরত: পাপে বিরত হও।
- অপাদান কারকে বিভিন্ন বিভক্তি ছাড়াও হইতে, হতে, থেকে, দিয়া, দিয়ে ইত্যাদি অনুসর্গ ব্যবহৃত হয়।

• অপাদান কারকে বিভিন্ন বিভক্তির প্রয়োগ:
(ক) প্রথমা বা শূন্য বা 'অ' বিভক্তি:
- বোঁটা-আলগা ফল গাছে থাকে না। 
- 'মনে পড়ে সেই জ্যৈষ্ঠ দুপুরে পাঠশালা পলায়ন।'

(খ) দ্বিতীয়া বা 'কে' বিভক্তি: বাবাকে বড্ড ভয় পাই।

(গ) ষষ্ঠী বা 'এর' বিভক্তি: যেখানে বাঘের ভয় সেখানে সন্ধে হয়।

(ঘ) সপ্তমী বা 'এ' বিভক্তি:
→ লোকমুখে শুনেছি।
→ তিলে তৈল হয়।
→ বিপদে মোরে করিবে ত্রাণ, এ নহে মোর প্রার্থনা।
→ সব ঝিনুকে মুক্তা পাওয়া যায় না।
- য় বিভক্তি: টাকায় টাকা হয়।

• ‘সব ঝিনুকে মুক্তা পাওয়া যায় না’ - বাক্যের ক্রিয়াপদকে 'কি থেকে মুক্তা পাওয়া যায় না' প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় 'ঝিনুকে' (ঝিনুক থেকে)। তাই, 'ঝিনুকে' অপাদানে ৭মী বিভক্তি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ); বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৫,৮২৩.
'ষ্ণ' যুক্তবর্ণটি কিভাবে গঠিত হয়েছে?
  1. ণ্ + ষ
  2. ষ্ + ণ
  3. ন্ + ষ
  4. ষ্ + ন
সঠিক উত্তর:
ষ্ + ণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষ্ + ণ
ব্যাখ্যা
এর সঠিক রূপ হলোঃ
- ষ্ + ণ = ষ্ণ
গুরুত্বপূর্ণ কিছু যুক্তবর্ণঃ
- হ্ + ম = হ্ম
- হ্ + উ = হু
- হ্ + ঋ = হৃ
- হ্ + ন = হ্ন

[উৎস:বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, সংস্করণ-২০২১]
১৫,৮২৪.
’Terrorism’- এর বাংলা পরিভাষা কোনটি?
  1. ক) সন্ত্রাসবাদ
  2. খ) উগ্র
  3. গ) সন্ত্রাসবাদী
  4. ঘ) সন্ত্রাসী
সঠিক উত্তর:
ক) সন্ত্রাসবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সন্ত্রাসবাদ
ব্যাখ্যা
• Terrorism অর্থ - সন্ত্রাসবাদ
Terrorist - সন্ত্রাসবাদী।

• আরো কিছু পারিভাষিক শব্দ-
Syntax - বাক্যপ্রকরণ,
Progress-প্রগতি,
Progressive - প্রগতিশীল,
Illiterate - নিরক্ষর,
Illiteracy - নিরক্ষরতা।

উৎস: প্রশাসনিক পরিভাষা, বাংলা একাডেমি।
১৫,৮২৫.
"ধাতু" শব্দটির যথার্থ পরিচয় কোনটি?
  1. ধ্বনির ক্ষুদ্রতম অংশ
  2. ক্রিয়ার মূল অংশ
  3. বাক্যের অবিভাজ্য অংশ
  4. পদের প্রধান অংশ
সঠিক উত্তর:
ক্রিয়ার মূল অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রিয়ার মূল অংশ
ব্যাখ্যা
ধাতু:
- ক্রিয়ার মূল অংশকে ধাতু বলে।
- ক্রিয়া পদকে বিশ্লেষণ করলে দুটো অংশ পাওয়া যায়:
১. ধাতু বা ক্রিয়ামূল:
- কর্, যা, খা, পা, বল্, দেখ, খেল্, দে ইত্যাদি।

২. ক্রিয়াবিভক্তি:
- আ, ই, ছি, ছে, বে, তে, লে, লাম ইত্যাদি।

ধাতু তিন প্রকার।
যথা:
১. মৌলিক ধাতু,
২. সাধিত ধাতু ও
৩. যৌগিক বা সংযোগমূলক ধাতু।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
১৫,৮২৬.
'ভামিনী' শব্দের সমার্থক শব্দ-
  1. ক) ভেজাল
  2. খ) নারী
  3. গ) দামিনী
  4. ঘ) বিহগ
সঠিক উত্তর:
খ) নারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নারী
ব্যাখ্যা
নারী শব্দের সমার্থক শব্দ - ভামিনী, বনিতা, কান্তা, রমণী, ললনা, পত্নী, বামা, অঙ্গনা, মহিলা, কামিনী ইত্যাদি।
নকল শব্দের সমার্থক শব্দ - ভেজাল,
বিদ্যুৎ শব্দের সমার্থক শব্দ - দামিনী এবং
পাখি শব্দের সমার্থক শব্দ - বিহগ।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৫,৮২৭.
“তপন” শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
  1. ক) জলধি
  2. খ) প্রভাকর
  3. গ) বারিদ
  4. ঘ) রাতুল
সঠিক উত্তর:
খ) প্রভাকর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্রভাকর
ব্যাখ্যা
'আফতাব' শব্দের সমার্থক অর্ক। এরূপ- সূর্য, রবি, তপন, সবিতা, প্রভাকর ইত্যাদি শব্দগুলো আফতাব শব্দের সমার্থক।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর
১৫,৮২৮.
কোনটি প্রাদি সমাসের উদাহরণ?
  1. ক) দা-কুমড়া
  2. খ) পঙ্কজ
  3. গ) পরিভ্রমণ
  4. ঘ) আশিবীষ
সঠিক উত্তর:
গ) পরিভ্রমণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পরিভ্রমণ
ব্যাখ্যা
প্র, প্রতি, অনু প্রভৃতি অব্যয়ের সঙ্গে যদি কৃৎ প্রত্যয় সাধিত বিশেষ্যের সমাস হয় তাকে প্রাদি সমাস বলে। পরি(চর্তুদিক) যে ভ্রমণ = পরিভ্রমণ। প্রবচন, অনুতাপ, প্রভাত, প্রগতি এগুলোও প্রাদি সমাস।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- নবম ও দশম শ্রেণীর বোর্ড বই
১৫,৮২৯.
'উদাহরণ' শব্দের প্রতিশব্দ কোনটি
  1. অতিষ্ঠা
  2. তাৎপর্য
  3. পসার
  4. বড়বা
সঠিক উত্তর:
অতিষ্ঠা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা
'উদাহরণ' শব্দের প্রতিশব্দ 'অতিষ্ঠা'
'উদ্দেশ্য' এর সমার্থক শব্দ 'তাৎপর্য'
'অশ্ব'এর সমার্থক শব্দ 'বড়বা'
'দোকান' এর সমার্থক শব্দ 'পসার'
'উদাহরণ' শব্দের আরো কিছু  প্রতিশব্দ হলো:
- দৃষ্টান্ত
- নিদর্শন
- নজির
- নমুনা
- উল্লেখ

[ উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মাহমুদ]
১৫,৮৩০.
Q. 01-16: Choose the correct answer.
১) নিচের কোনটি মুন্ডারী ভাষার শব্দ?
  1. ক) চাকু
  2. খ) চিনি
  3. গ) চাকর
  4. ঘ) চুলা
সঠিক উত্তর:
ঘ) চুলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) চুলা
ব্যাখ্যা
চুলা - মুন্ডারী ভাষার শব্দ।
চাকু- তুর্কি ভাষার শব্দ।
চাকর - ফারসি ভাষার শব্দ।
চিনি - তৎসম শব্দ।

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
১৫,৮৩১.
কোন শব্দটি ফারসি?
  1. আসমান
  2. হুলিয়া
  3. মজলুম
  4. আমানত
সঠিক উত্তর:
আসমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসমান
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি, আধুনিক  বাংলা অভিধান অনুসারে,
আসমান (বিশেষ্য):
- ফারসি  শব্দ।
- আসমান শব্দের বিশেষণ - আসমানি।

বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত আরো কতিপয় ফারসি শব্দ:
- বেহেশত,
- দোজখ,
- ফেরেশতা,
- নামাজ,
- খোদা,
- গুনাহ,
- পয়গম্বর ইত্যাদি।
------------------- 
বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে, 
'আমানত', মজলুম, হুলিয়া  - 'আরবি' ভাষার শব্দ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৫,৮৩২.
'Booklet' এর বাংলা পরিভাষা -
  1. জ্ঞাপন-পত্র
  2. প্রতিজ্ঞাপত্র
  3. পুস্তিকা
  4. খোলা ডাক
সঠিক উত্তর:
পুস্তিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুস্তিকা
ব্যাখ্যা
• 'Booklet' এর বাংলা পরিভাষা - পুস্তিকা

অন্যদিকে,
Book-post - খোলা ডাক।
Bond - মুচলেকা / প্রতিজ্ঞাপত্র। 
Bulletin - জ্ঞাপন-পত্র।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৫,৮৩৩.
ক্রিয়ার রূপ পরিবর্তিত হয়-
  1. পক্ষভেদে
  2. বচন ভেদে
  3. কালভেদে
  4. ক + গ
সঠিক উত্তর:
ক + গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক + গ
ব্যাখ্যা
বাক্যে উদ্দেশ্য বা কর্তা কী করে বা কর্তার কী ঘটে বা হয়, তা নির্দেশ করা হয় যে পদ দিয়ে তাকে ক্রিয়া বলে।
যেমন-
- রাজীব খেলছে।
- বৃষ্টি হতে পারে

• পক্ষ (পুরুষ) এবং কাল ভেদে ক্রিয়ার রূপভেদ হয়। যেমন-
- পক্ষভেদ: আমি পড়ি, আমরা পড়ি, তুমি পড়ো, তোমরা পড়ো, সে পড়ে, তারা পড়ে।
- কালভেদ: আমি পড়ি, আমি পড়ছি, আমি পড়েছি, আমি পড়েছিলাম, আমি পড়ছিলাম, আমি পড়ব।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম ও দশম শ্রেণি (২০২৪ সংস্করণ)।
১৫,৮৩৪.
'আমি আগামীকাল বাড়ি ফিরব।' - এটি কোন বাচ্যের উদাহরণ?
  1. ভাববাচ্য
  2. কর্তাবাচ্য
  3. কর্মবাচ্য
  4. কর্মকর্তৃবাচ্য
সঠিক উত্তর:
কর্তাবাচ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্তাবাচ্য
ব্যাখ্যা
কর্তাবাচ্য:
- যে বাক্যের ক্রিয়া কর্তাকে অনুসরণ করে, তাকে কর্তাবাচ্য বলে। এক্ষেত্রে ক্রিয়ার রূপটি কর্তার পক্ষ অনুযায়ী হয়।

যেমন:
- আমি আগামীকাল বাড়ি ফিরব।
- শরতে শিউলি ফোটে।
- ঝরণা ছবি আঁকে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৫,৮৩৫.
'ইলশেগুড়িঁ' বাগ্‌ধারার অর্থ কী?
  1. অত্যন্ত ছোট মাছ
  2. গুড়িগুড়ি বৃষ্টি
  3. গুড়ি গুড়ি কচুরিপানা
  4. ইলিশের মৌসুম
সঠিক উত্তর:
গুড়িগুড়ি বৃষ্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুড়িগুড়ি বৃষ্টি
ব্যাখ্যা

• 'ইলশেগুড়িঁ' বাগ্‌ধারার অর্থ গুড়িগুড়ি বৃষ্টি।

গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি এক কথায় প্রকাশ: 

- কচুপোড়া - অখাদ্য বস্তু। 
- একবনের শিয়াল - একদলের লোক। 
- একডাকের পথ - অনতিদূর, খুব অল্প পথ। 
- ঊনপঞ্চাশ বায়ু - পাগলামি। 
- উদীচী ঊষা - উত্তর বা সুমেরুজ্যোতি। 
- ইলশেগুড়ি - গুড়িগুড়ি বৃষ্টি। 
- অন্নজল ওঠা - আয়ু শেষ হওয়া। 
- অগাধ জল/সমুদ্র - চরম বিপদ।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৫,৮৩৬.
প্রথাগত ছন্দ কত প্রকার?
  1. দুই প্রকার 
  2. পাঁচ প্রকার 
  3. তিন প্রকার
  4. চার প্রকার
সঠিক উত্তর:
তিন প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন প্রকার
ব্যাখ্যা
ছন্দ:
- ছন্দ  কাব্যের গতিসৌন্দর্য বিধায়ক একটি স্বতঃস্ফূর্ত নির্মাণকৌশল।
- হাজার বছর ধরে বিচিত্র আবেগ, অনুভূতি ও বিষয়ভাবনা দ্বারা পরিপুষ্ট বাংলা কাব্যের গতিময় নান্দনিক সৌন্দর্য সৃষ্টির উদ্দেশ্যে কবিরা বহুবিধ ছন্দের নির্মাণ ও বিকাশ সাধন করেছেন।
- ভারতবর্ষে ছন্দচর্চার ইতিহাস অনেক প্রাচীন।
 - সুদূর অতীতে বৈদিক ভাষা ও সাহিত্য (খ্রি.পূ ২৫০০-৯০০ অব্দ) চর্চার সময়কাল থেকেই ভারতবর্ষে কাব্যের প্রধান উপাদানরূপে ছন্দের চর্চা হয়ে আসছে।

- বাংলায় কবিতায় ব্যবহৃত ছন্দ প্রধানত তিন প্রকার।
যেমন:
১) স্বরবৃত্ত,
২) অক্ষরবৃত্ত ও 
৩) মাত্রাবৃত্ত

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৫,৮৩৭.
এইমাত্র সম্পন্ন ক্রিয়ার কালকে কী বলে?
  1. সাধারণ বর্তমান
  2. ঘটমান বর্তমান
  3. পুরাঘটিত বর্তমান
  4. অনুজ্ঞা বর্তমান
সঠিক উত্তর:
পুরাঘটিত বর্তমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুরাঘটিত বর্তমান
ব্যাখ্যা
বর্তমান কাল:
- বর্তমানে যে ক্রিয়া সম্পন্ন হয় তাকে বর্তমান কাল বলে।
- বর্তমান কাল চার প্রকার: সাধারণ বর্তমান, ঘটমান বর্তমান, পুরাঘটিত বর্তমান এবং অনুজ্ঞা বর্তমান।

পুরাঘটিত বর্তমান:
এইমাত্র সম্পন্ন ক্রিয়ার কালকে পুরাঘটিত বর্তমান কাল বলে।
যেমন -
- আমি অঙ্কটি করেছি
- তারা বাড়িতে ফিরেছে

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৫,৮৩৮.
‘তন্ডুল’ শব্দের প্রতিশব্দ নিম্নের কোনটি?
  1. ক) পর্বত
  2. খ) যুদ্ধ
  3. গ) অন্ন
  4. ঘ) বস্ত্র
সঠিক উত্তর:
গ) অন্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অন্ন
ব্যাখ্যা

- অন্ন শব্দের সমার্থক শব্দ সমূহঃ ভাত, ওদন, আহার, দব্য, তন্ডুল।

- বস্ত্র শব্দের সমার্থক শব্দ সমূহঃ বসন , বাস, পরিধেয়, অম্বর, কাপড়, পরিচ্ছদ পোষাক, 

- যুদ্ধ শব্দের সমার্থক শব্দ সমূহঃ সংগ্রাম, সমর, আহব, বিগ্রহ, রণ।

- পর্বত শব্দের সমার্থক শব্দ সমূহঃ মহীধর, পাহাড়, গিরি, অচল, শৈল, ভূধর, অদ্রি, শিখরী, শৃঙ্গী, শৃঙ্গধর, মহীধ্র, ভূভৃৎ, নগ।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৫,৮৩৯.
'তৃষ্ণার্ত' এর সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. তৃষ্ণা + অর্ত
  2. তৃষ্ণা + আর্ত
  3. তৃষ্ণা + ঋত
  4. তৃষ্ণা + রিত
সঠিক উত্তর:
তৃষ্ণা + ঋত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃষ্ণা + ঋত
ব্যাখ্যা
- 'তৃষ্ণার্ত' এর সন্ধি বিচ্ছেদ - 'তৃষ্ণা + ঋত'।
- এটি একটি স্বরসন্ধি (তৎসম শব্দের)।

• সন্ধির নিয়ম:
অ-কার কিংবা আ-কারের পর 'ঋত'-শব্দ থাকলে (অ, আ+ঋ) উভয় মিলে 'আর' হয় এবং বানানে পূর্ববর্তী বর্ণে আ ও পরবর্তী বর্ণে রেফ লেখা হয়।
যেমন:
- অ + ঋ = আর, শীত + ঋত = শীতার্ত।
- আ + ঋ = আর, তৃষ্ণা + ঋত = তৃষ্ণার্ত।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৫,৮৪০.
সাধু রীতির বিকাশ ঘটে কোন শতকে?
  1. উনিশ
  2. সতেরো
  3. পনেরো
  4. আঠারো
সঠিক উত্তর:
উনিশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উনিশ
ব্যাখ্যা
সাধু ভাষা/রীতি:
- দাপ্তরিক কাজ, সাহিত্য রচনা, যোগাযোগ ও জ্ঞানচর্চার প্রয়োজনে লেখ্য বাংলা ভাষায় সাধু রীতির জন্ম হয়।
- উনিশ শতকের শুরুর দিকে সাধু রীতির বিকাশ ঘটে।
- সাধু রীতিতে ক্রিয়াপদ দীর্ঘতর হয়ে থাকে।
- সাধু ভাষায় ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদ এক বিশেষ গঠন পদ্ধতি মেনে চলে।
- চলিত ভাষায় ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদ পরিবর্তিত ও সহজতর রূপ লাভ করে।
- সুতরাং, এই দুটি পদের ভিন্নতার জন্যই সাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্য নির্ণয় করা যায়।
- সাধু রীতির বহু সর্বনামে 'হ'-বর্ণ যুক্ত থাকে, যেমন- তাহারা, ইহাদের, যাহা, তাহা, উহা, কেহ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম দশম শ্রেণি (সংস্করণ- ২০২১)।
১৫,৮৪১.
'পূর্বেই' শব্দটির চলিত রূপ কোনটি?
  1. পূর্বে
  2. পূর্ব
  3. পুব
  4. আগেই
সঠিক উত্তর:
আগেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আগেই
ব্যাখ্যা
• 'পূর্বেই' এর চলিত রূপ হচ্ছে - আগেই

চলিত রীতি:
- চলিত রীতি পরিবর্তনশীল। একশ বছর আগে যে চলিত রীতি সে যুগের শিষ্ট ও ভদ্রজনের কথিত ভাষা বা মুখের বুলি হিসেবে প্রচলিত ছিল, কালের প্রবাহে বর্তমানে তা অনেকটা পরিবর্তিত রূপ লাভ করেছে।
- এ রীতি তদ্ভব শব্দবহুল।
- চলিত রীতি সংক্ষিপ্ত ও সহজবোধ্য এবং বক্তৃতা, আলাপ-আলোচনা ও নাট্যসংলাপের জন্য বেশি উপযোগী।
- সাধু রীতিতে ব্যবহৃত সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ চলিত রীতিতে পরিবর্তিত ও সহজতর রূপ লাভ করে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৫,৮৪২.
প্রায় সমার্থক শব্দযোগে গঠিত দ্বন্দ্ব সমাস কোনটি?
  1. স্বর্গ-নরক
  2. পোকা-মাকড়
  3. অহি-নকুল
  4. ছোট-বড়
সঠিক উত্তর:
পোকা-মাকড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পোকা-মাকড়
ব্যাখ্যা
• দ্বন্দ্ব সমাস:
যে সমাসে প্রত্যেক সমস্যমান পদের অর্থ প্রাধান্য থাকে, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে।

প্রায় সমার্থক ও সহচর শব্দযোগে দ্বন্দ্ব সমাস:
- দয়া-মায়া,
- কাপড়-চোপড়,
- পোকা-মাকড়,
- দয়া-মায়া,
- ধূতি-চাদর ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• বিরোধার্থক শব্দযোগে দ্বন্দ্ব সমাস:  অহি-নকুল, স্বর্গ-নরক ইত্যাদি।
• বিপরীতার্থক শব্দযোগে দ্বন্দ্ব সমাস: ছোট-বড়। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
১৫,৮৪৩.
কোন শব্দটিতে বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়ের প্রয়োগ ঘটেছে?
  1. ক) কানকাটা
  2. খ) চৌকিদার
  3. গ) দিগগজ
  4. ঘ) বেয়াক্কেল
সঠিক উত্তর:
খ) চৌকিদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চৌকিদার
ব্যাখ্যা
বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়ের উদাহরণ- চৌকিদার

বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়: শব্দের পরে যেসব বিদেশি প্রত্যয় ‍যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয় সেগুলোকে বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয় বলে। যেমন:
দেনা+দার = দেনাদার
চৌকি+দার = চৌকিদার
পাহারা+দার = পাহারাদার
কলম+বাজ = কলমবাজ
ধড়ি+বাজ = ধড়িবাজ
ধোঁকা+বাজ = ধোঁকাবাজ 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী এবং ( উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
১৫,৮৪৪.
কোন পদাশ্রিত নির্দেশক শব্দের আগে বসতে পারে?
  1. গোটা
  2. টি
  3. খানি
  4. টুকু
সঠিক উত্তর:
গোটা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোটা
ব্যাখ্যা
- গোটা নির্দেশক:
- 'গোটা' বচনবাচক শব্দটির আগে বসে এবং খানা, খানি পরে বসে।
- এগুলো নির্দেশক ও অনির্দেশক দুই অর্থেই প্রযোজ্য।
- 'গোটা' শব্দ আগে বসে এবং সংশ্লিষ্ট পদটি নির্দিষ্টতা না বুঝিয়ে অনির্দিষ্টতা বোঝায়।
যেমন-
- গোটা দেশই ছারখার হয়ে গেছে।
- গোটাদুই কমলালেবু আছে (অনির্দিষ্ট)। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।
১৫,৮৪৫.
নিচের কোনটি স্পর্শধ্বনি নয়?
  1. ক) ফ
  2. খ) ধ
  3. গ) জ
  4. ঘ) হ
সঠিক উত্তর:
ঘ) হ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) হ
ব্যাখ্যা
ক-ম পর্যন্ত ২৫ বর্ণকে স্পর্শধ্বনি বলে। হ হচ্ছে উষ্মধ্বনি। উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
১৫,৮৪৬.
কোনটি সাধিত শব্দ?
  1. সংসদ
  2. তিন
  3. গাছ
  4. কলম
সঠিক উত্তর:
সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংসদ
ব্যাখ্যা
সাধিত শব্দ:
- যেসব শব্দকে বিশ্লেষণ করলে তার মধ্যে এক বা একাধিক অর্থপূর্ণ অংশ থাকে, সেগুলোকে সাধিত শব্দ বলে। উপসর্গ বা প্রত্যয় যোগ করলে অথবা সমাস প্রক্রিয়ায় সাধিত শব্দ তৈরি হয়।

যেমন:
- গরমিল, পরিচালক, সম্পাদকীয়, সংসদ, নীলাকাশ ইত্যাদি।

অন্যদিকে:
তিন, গাছ, কলম - মৌলিক শব্দ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিত, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৫,৮৪৭.
নিচের কোনটি যৌগিক ক্রিয়ার উদাহরণ নয়?
  1. এগিয়ে চলা
  2. বেঁধে দেওয়া
  3. করে তোলা
  4. মন দেওয়া
সঠিক উত্তর:
মন দেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মন দেওয়া
ব্যাখ্যা

• 'মন দেওয়া' সংযোগ ক্রিয়ার উদাহরণ।

• যৌগিক ক্রিয়া:
অসমাপিকা ক্রিয়ার সঙ্গে সমাপিকা ক্রিয়া যুক্ত হয়ে যখন একটি ক্রিয়া গঠন করে, তখন তাকে যৌগিক ক্রিয়া বলে।
যেমন
- মরে যাওয়া,
- কমে আসা,
- এগিয়ে চলা,
- হেসে ওঠা,
- উঠে পড়া,
- পেয়ে বসা,
- সরে দাঁড়ানো,
- বেঁধে দেওয়া,
- বুঝে নেওয়া,
- বলে ফেলা,
- করে তোলা,
- চেপে রাখা ইত্যাদি।

উল্লেখ্য,
- বিশেষ্য, বিশেষণ বা ধ্বন্যাত্মক শব্দের পরে করা, কাটা, হওয়া, দেওয়া, ধরা, পাওয়া, খাওয়া, মারা প্রভৃতি ক্রিয়া যুক্ত হয়ে সংযোগ ক্রিয়া গঠিত হয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি, ২০২৫ সালের সংস্করণ।

১৫,৮৪৮.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. আনুসঙ্গিক
  2. আনুষাঙ্গিক
  3. অনুসাঙ্গিক
  4. আনুষঙ্গিক
সঠিক উত্তর:
আনুষঙ্গিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আনুষঙ্গিক
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান: আনুষঙ্গিক (বিশেষণ),
- এটি সংস্কৃত শব্দ।
- সঠিক প্রকৃতি প্রত্যয় = (আনুষঙ্গ + ইক),
অর্থ:
১. সংশ্লিষ্ট; প্রাসঙ্গিক।
২. গৌণ; অপ্রধান।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৫,৮৪৯.
'লোকটা জাতিতে বৈষ্ণব।' - বাক্যে 'জাতিতে' কোন কারক?
  1. অপাদান
  2. করণ
  3. অধিকরণ
  4. কর্ম
সঠিক উত্তর:
করণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
করণ
ব্যাখ্যা
করণ কারক:
- যার দ্বারা বা যে উপায়ে কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাকে করণ কারক বলে। এই কারকে সাধারণত ‘দ্বারা’, ‘দিয়ে’, ‘কর্তৃক' ইত্যাদি অনুসর্গ যুক্ত হয়।

যেমন:
- ভেড়া দিয়ে চাষ করা সম্ভব নয়।
- চাষিরা ধারালো কাস্তে দিয়ে ধান কাটছে।
- লোকটা জাতিতে বৈষ্ণব।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২২ সংস্করণ)।
১৫,৮৫০.
নিচের কোনটি সঠিক বানান?
  1. পসারিণি
  2. পসারিনী
  3. পসারিনি
  4. পসারিণী
সঠিক উত্তর:
পসারিণী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পসারিণী
ব্যাখ্যা

• ঋ, র, ষ এর পরে স্বরধ্বনি, হ, য়, ব, ং, ক-বর্গীয় এবং প-বর্গীয় ধ্বনি থাকলে পরবর্তী দন্ত ন মূর্ধন্য ণ হয়। যেমনঃ
- পসারিণী,
- অগ্রহায়ণ,
- রূপায়ণ,
- প্রণয়ন,
- কৃপণ,
- গৃহিণী,
- নিরীক্ষণ,
- ক্ষণজীবী ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।

১৫,৮৫১.
'উক্তি' -এর প্রকৃতি ও প্রত্যয় কোনটি?
  1. √ উচ্ + ক্তি
  2. √ বচ্ + উক্তি
  3. √ বচ্ + ক্তি
  4. √ উচ্ + তি
সঠিক উত্তর:
√ বচ্ + ক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
√ বচ্ + ক্তি
ব্যাখ্যা
• 'উক্তি' - এর সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয়: √ বচ্ + ক্তি।

• সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয় ‘ক্তি' যোগে শব্দ গঠনে চ এবং জ এর স্থলে 'ক' হয়।

যেমন:
- বচ+ক্তি = উক্তি,
- মুচ+ক্তি = মুক্তি,
- ভজ+ক্তি = ভক্তি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৫,৮৫২.
চলিত ভাষার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য-
  1. ক) একটি উপভাষা
  2. খ) তৎসম শব্দবহুল ভাষা
  3. গ) একটি ভাষারীতি
  4. ঘ) সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয়
সঠিক উত্তর:
গ) একটি ভাষারীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) একটি ভাষারীতি
ব্যাখ্যা
বাংলাভাষার একটি বিশেষ ভাষারীতি হলো চলিত। এটি কোন ভাষা নয় বরং ভাষার একটি রূপমাত্র। এটির বৈশিষ্ট্য হলো এটি সহজ, সরল, সংক্ষিপ্ত এবং গতিশীল ভাষারীতি। এতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের সংক্ষিপ্ত রুপ ব্যবহৃত হয়। বাংলা ভাষায় প্রথম চৌধুরী চলিত ভাষারীতির প্রবর্তক। তার সম্পাদিত সবুজপত্র পত্রিকা এ রীতি প্রচলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ‘বীরবলের হালখাতা’ চলিত ভাষারীতিতে লিখিত প্রথমগ্রন্থ। (সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা : ড. সৌমিত্র শেখর)
১৫,৮৫৩.
‘হাতি’ শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
  1. পন্নগ
  2. মাতঙ্গ
  3. সায়র
  4. ভুজঙ্গ
সঠিক উত্তর:
মাতঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাতঙ্গ
ব্যাখ্যা

'হাতি' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- গজ, হস্তী, করী, দ্বিপ, বারণ, মাতঙ্গ, কুঞ্জর, দন্তী ইত্যাদি। 

অন্যদিকে,
'সাপ' শব্দের সমার্থক:
- সৰ্প, অহি, ফণী, নাগ, ভুজগ, ভুজঙ্গ, আশীবিষ, উরগ, বিষধর, পন্নগ ইত্যাদি।

'সমুদ্র' শব্দের সমার্থক:
- সাগর, সিন্ধু, সায়র, দরিয়া, জলধি, অকূল, পাথার, বারিধি, রত্নাকর, নীলাম্বু, পয়োধি ইত্যাদি

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

১৫,৮৫৪.
শব্দের শেষে যুক্ত হয়না কোনটি?
  1. ক) প্রত্যয়
  2. খ) উপসর্গ
  3. গ) নির্দেশক
  4. ঘ) বলক
সঠিক উত্তর:
খ) উপসর্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) উপসর্গ
ব্যাখ্যা
শব্দের শেষে যুক্ত হয়না - উপসর্গ।

উপসর্গ:
যেসব শব্দাংশ শব্দমূলের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে উপসর্গ বলে। 'পরিচালক' শব্দের ‘পরি অংশ একটি উপসর্গ ।
প্রত্যয়:
যেসব শব্দাংশ শব্দমূলের পরে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে প্রত্যয় বলে। সাংবাদিক” শব্দের ইক’ অংশ একটি প্রত্যয়।
নির্দেশক:
যেসব শব্দাংশ পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পদকে নির্দিষ্ট করে, সেগুলোকে নির্দেশক বলে। ‘লোকটি বা ভালোটুকু পদের টি' বা ‘টুকু হলো নির্দেশকের উদাহরণ।
বলক:
যেসব শব্দাংশ পদের সঙ্গে যুক্ত হলে বক্তব্য জোরালো হয়, সেগুলোকে বলক বলে। তখনই বা ‘এখনও পদের ই বা ‘ও’ হলো বলকের উদাহরণ।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি ২০২২ সংস্করণ।
১৫,৮৫৫.
কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. ক) উদীচী
  2. খ) উদীচি
  3. গ) উদিচি
  4. ঘ) উদিচী
সঠিক উত্তর:
ক) উদীচী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) উদীচী
ব্যাখ্যা
উদীচী (বিশেষ্য) দিক।
উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান।
১৫,৮৫৬.
পদের শ্রেণিবিভাগ নয় কোনটি?
  1. যোজক
  2. আবেগ
  3. উপসর্গ
  4. অনুসর্গ
সঠিক উত্তর:
উপসর্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপসর্গ
ব্যাখ্যা
• পদের শ্রেণিবিভাগের অন্তর্ভুক্ত নয়- উপসর্গ। 

• পদ বিবেচনায় শব্দের শ্রেণিবিভাগ:
শব্দ যখন বাক্যে ব্যবহৃত হয়, তখন তার নাম হয় পদ। বাক্যের অন্তর্গত এসব শব্দ বা পদকে মোট আটটি শ্রেণিতে ভাগ করে বর্ণনা করা যায়।
যথা:
১. বিশেষ্য, ২. সর্বনাম, ৩. বিশেষণ, ৪. ক্রিয়া, ৫. ক্রিয়াবিশেষণ, ৬. অনুসর্গ, ৭. যোজক ও ৮. আবেগ।

বাক্যে প্রয়োগের উপরে শব্দশ্রেণির এই আট রকম বিভাজন চূড়ান্ত হয়ে থাকে। যেমন- যখন বলা হয়: 'লাল থেকে নীল ভালো, তখন 'লাল' এটি বিশেষ্য পদ। কিন্তু যখন বলা হয়: আমি একটি লাল ফুল তুলেছি- তখন 'লাল' বিশেষণ পদ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১-সংস্করণ)।
১৫,৮৫৭.
'পূর্বে গণ্য হওয়ার যোগ্যতা' - এর এক কথায় প্রকাশ কী হবে?
  1. পূর্বাচল
  2. পূর্বাশা
  3. পূর্বিতা
  4. পূর্বাবধি
সঠিক উত্তর:
পূর্বিতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্বিতা
ব্যাখ্যা
- পূর্বে গণ্য হওয়ার যোগ্যতা - পূর্বিতা। 
- যে কল্পিত পর্বতের আড়াল থেকে সূর্য উদিত হয় - পূর্বাচল 
- পূর্বদিক - পূর্বাশা 
- আগে থেকে - পূর্বাবধি 
 
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৫,৮৫৮.
নিচের কোন সন্ধিবিচ্ছেদটি সঠিক?
  1. অতী + ইত = অতীত
  2. ক্ষুধা + রিত = ক্ষুধার্ত
  3. গিরি + ঈশ = গিরীশ
  4. রবি + ঈন্দ্র = রবীন্দ্র
সঠিক উত্তর:
গিরি + ঈশ = গিরীশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গিরি + ঈশ = গিরীশ
ব্যাখ্যা
গিরি + ঈশ = গিরীশ ; সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ।

অন্যদিকে,
- অতীত এর সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ - অতি + ইত = অতীত।
- ক্ষুধার্ত এর সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ - ক্ষুধা + ঋত = ক্ষুধার্ত।
- রবীন্দ্র এর সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ - রবি + ইন্দ্র = রবীন্দ্র।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২২সংস্করণ)।
১৫,৮৫৯.
শুদ্ধ বাক্য কোনটি?
  1. ক) আমার আর বাঁচিবার সাধ নাই
  2. খ) কাঁটা হেরি ক্ষান্ত কেন কমল তুলিতে
  3. গ) দৈন্য সর্বদা মহত্বের পরিচায়ক নয়
  4. ঘ) এ কথা প্রমাণ হয়েছে
সঠিক উত্তর:
খ) কাঁটা হেরি ক্ষান্ত কেন কমল তুলিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কাঁটা হেরি ক্ষান্ত কেন কমল তুলিতে
ব্যাখ্যা
'কাঁটা হেরি ক্ষান্ত কেন কমল তুলিতে' এটি শুদ্ধ বাক্য। বাকিগুলো অশুদ্ধ। 'আমার আর বাঁচিবার সাধ নাই' -এর শুদ্ধরূপ হলো আমার আর বাঁচার সাধ নাই। 'দৈন্য সর্বদা মহত্বের পরিচায়ক নয়' -এর শুদ্ধরূপ হলো 'দৈন্য সর্বদা মহত্ত্বের পরিচায়ক নয়'। 'এ কথা প্রমাণ হয়েছে' -এর শুদ্ধ রূপ হলো 'এ কথা প্রমাণিত হয়েছে'।
(সূত্রঃ বিষয় বাংলা : ড. সৌমিত্র শেখর)
১৫,৮৬০.
নিচের কোনটি উপসর্গের কাজ?
  1. ক) অর্থের সংকোচন
  2. খ) অর্থের প্রসারন
  3. গ) অর্থ পরিবর্তন
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
উপসর্গের বৈশিষ্ট্য- 
১. উপসর্গের নিজস্ব কোনাে অর্থ নেই।
২. এরা নতুন অর্থবােধক শব্দ তৈরি করে।
৩. উপসর্গগুলাে বদ্ধরূপমূল হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৪. উপসর্গগলাে অর্থের সংকোচন, অর্থ পরিবর্তন, অর্থের প্রসার ঘটায়।
৫. এগুলাে নামবাচক ও কৃদন্ত শব্দের পূর্বে বসে। 

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,৮৬১.
'কথায় যা প্রকাশ করা যায় না' এর সঠিক বাক্য সংকোচন কোনটি?
  1. অকথ্য
  2. অনির্বচনীয়
  3. অবক্তব্য
  4. অবাচ্য
সঠিক উত্তর:
অনির্বচনীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনির্বচনীয়
ব্যাখ্যা
• 'কথায় যা প্রকাশ করা যায় না' এক কথায় বলে - অনির্বচনীয়। 

অন্যদিকে, 
• 'বলা উচিত নয় যা' এক কথায় বলে - অকথ্য/ অবক্তব্য/অবাচ্য। 

এরূপ কিছু গুরুত্বপূর্ণ এক কথায় প্রকাশ হলো-
• কেউ যা জানে না - অজ্ঞাত/ অজানা।
• কখনো যা চিন্তা করা যায় না - অচিন্ত্য/অচিন্তনীয়।
• কথা যে বলতে পারে না - অবলা।
• কী করতে হবে যে স্থির করতে পারে না - কিংকর্তব্যবিমূঢ়।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৫,৮৬২.
'গ্রাহী' শব্দের সঠিক প্রকৃতি প্রতয় নির্ণয় করুন-
  1. √গ্রহ + ণিন
  2. √গ্রা + হী
  3. √গৃ + হীণ
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
√গ্রহ + ণিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
√গ্রহ + ণিন
ব্যাখ্যা
• সূত্র:
- ণিন-প্রত্যয় (ণ ইৎ, ইণ থাকে, ইন্ 'ঈ'-কার হয়):
- √গ্রহ+ ণিন = গ্রাহী, √পা + ণিন =পায়ী।
- এরূপ-কারী, দ্রোহী, সত্যবাদী, ভাবী, স্থায়ী, গামী।
- কিন্তু 'ণিন' যুক্ত হলে 'হন' ধাতুর স্থলে 'ঘাত' হয়।
- যথা: আত্ম-√হণ্‌+ণিন = আত্মঘাতী।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।
১৫,৮৬৩.
সাধারণ ভবিষ্যৎ কালের উদাহরণ কোনটি?
  1. ভালোভাবে পৌঁছে যেয়ো।
  2. দু-এক দিনের মধ্যে সে আসবে।
  3. তাড়াতাড়ি কাজটি কোরো।
  4. এমন ঘটনা ঘটতেই থাকবে।
সঠিক উত্তর:
দু-এক দিনের মধ্যে সে আসবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দু-এক দিনের মধ্যে সে আসবে।
ব্যাখ্যা
সাধারণ ভবিষ্যৎ:
- ভবিষ্যৎ কালে যে কাজ সাধারণভাবে সম্পন্ন হবে বোঝায়, তাকে সাধারণ ভবিষ্যৎ কাল বলে।
যেমন-
- আমরা রংপুরে যাব।
- দু-এক দিনের মধ্যে সে আসবে।

অন্যদিকে,
ঘটমান ভবিষ্যৎ:
- যে ক্রিয়া ভবিষ্যৎ কালে চলতে থাকবে বোঝায়, তাকে ঘটমান ভবিষ্যৎ কাল বলে।
যেমন -
- আমাদের কাজ আমরা করতে থাকব।
- এমন ঘটনা ঘটতেই থাকবে।

অনুজ্ঞা ভবিষ্যৎ:
- যে ক্রিয়া দিয়ে ভবিষ্যৎ কালের আদেশ, অনুমতি, অনুরোধ, প্রার্থনা, আমন্ত্রণ, আশীর্বাদ, উপদেশ, উপেক্ষা ইত্যাদি প্রকাশ করা হয়, তাকে অনুজ্ঞা ভবিষ্যৎ কাল বলে।
যেমন –
- তাড়াতাড়ি কাজটি কোরো।
- ভালোভাবে পৌঁছে যেয়ো।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
১৫,৮৬৪.
'আমার হৃদয় মন্দিরে আশার বীজ উপ্ত হল।'- বাক্যটি যোগ্যতা হারাবার কারণ কী?
  1. ক) বাহুল্য দোষ
  2. খ) দুর্বোধ্যতা
  3. গ) উপমার ভুল প্রয়ােগ
  4. ঘ) গুরুচণ্ডালী দোষ
সঠিক উত্তর:
গ) উপমার ভুল প্রয়ােগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উপমার ভুল প্রয়ােগ
ব্যাখ্যা
• উপমার ভুল প্রয়ােগ:
উপমা ভাষাবিশেষের সম্পদ। বিশেষ অর্থে প্রসঙ্গ অনুযায়ী এসব উপমা প্রয়ােগ করা হয়ে থাকে।
সঠিকভাবে এসব উপমা ব্যবহার না করলে বাক্য তার যােগ্যতা হারায়।

 • যেমন- আমার হৃদয় মন্দিরে আশার বীজ উপ্ত হল।
এখানে উপমার ভুল প্রয়ােগ ঘটেছে, কারণ বীজ মন্দিরে বপন করা হয় না, বপন করা হয় ক্ষেতে।
বাক্যটি হবে 'আমার হৃদয় ক্ষেত্রে আশার বীজ উপ্ত হল।'

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,৮৬৫.
কোনটি অন্ত্যস্বরাগমের উদাহরণ?
  1.  প্রীতি > পিরীতি
  2. আলাহিদা > আলাদা
  3.  সত্য > সত্যি
  4. স্রেফ > সেরেফ
সঠিক উত্তর:
 সত্য > সত্যি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 সত্য > সত্যি
ব্যাখ্যা

• অন্ত্যস্বরাগম:
কোনো কোনো সময় শব্দের শেষে অতিরিক্ত স্বরধ্বনি আসে। এরূপ স্বরাগমকে বলে অন্ত্যস্বরাগম।
যেমন:
- দিস্ > দিশা;
- পোখত্ > পোক্ত;
-বেঞ্চ > বেঞ্চি;
- সত্য > সত্যি ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
--------------
• অন্তর্হতি-  আলাহিদা > আলাদা। 
• মধ্য স্বরাগম, বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তি-  প্রীতি > পিরীতি; স্রেফ > সেরেফ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং মাধ্যমিক বাংলা দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫,৮৬৬.
'আনন্দ' শব্দটি কোন বিশেষ্যের উদাহরণ?
  1. ভাব বিশেষ্য
  2. বস্তু-বিশেষ্য
  3. গুণ-বিশেষ্য
  4. নাম-বিশেষ্য
সঠিক উত্তর:
গুণ-বিশেষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুণ-বিশেষ্য
ব্যাখ্যা
গুণ-বিশেষ্য:
- গুণগত অবস্থা ও ধারণার নামকে গুণ-বিশেষ্য বলে।

যেমন:
- সরলতা, দয়া, আনন্দ, গুরুত্ব, দীনতা, ধৈর্য ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
নাম-বিশেষ্য - সঞ্চিতা, ইত্তেফাক, অপরাজেয় বাংলা, ঢাকা, হিমালয়, পদ্মা।
বস্তু-বিশেষ্য - ইট, লবণ, আকাশ, টেবিল, বই ইত্যাদি।
ভাববাচক বিশেষ্য - ভোজন, শয়ন, দর্শন, দেখা, শোনা প্রভৃতি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ ও ২০১৯ সংস্করণ)।
১৫,৮৬৭.
নিচের কোনটি তৎসম শব্দ?
  1. ক) মাটি
  2. খ) চামার
  3. গ) গেরাম
  4. ঘ) মস্তক
সঠিক উত্তর:
ঘ) মস্তক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মস্তক
ব্যাখ্যা
• তৎসম শব্দ:
- সংস্কৃত শব্দ যদি অপরিবর্তিতরূপে হুবহু বাংলায় ব্যবহৃত হয় তাহলে সেই শব্দকে তৎসম শব্দ বলে।
- 'তৎসম' অর্থ তার (তৎ) সমান (সম)। এখানে 'তার' অর্থ সংস্কৃতের।

• নিচে তৎসম শব্দের উদাহরণ হলো:
- চন্দ্র, সূর্য, আকাশ, মনুষ্য, হস্ত, পদ, মস্তক, চক্ষু, কর্ণ, বৃক্ষ, স্বামী ইত্যাদি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৫,৮৬৮.
'বোকার মতো কাজ করো না।'- 'মতো' অনুসর্গটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. ক) ন্যায়
  2. খ) নিকট
  3. গ) নিমিত্ত
  4. ঘ) ক্ষণকাল
সঠিক উত্তর:
ক) ন্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ন্যায়
ব্যাখ্যা
'কী হেতু এসেছ তুমি, কহ বিস্তারিয়া।' - 'হেতু' অনুসর্গটি 'নিমিত্ত' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
'বোকার মতো কাজ করো না।'- 'মতো' অনুসর্গটি 'ন্যায়' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
আমার কাছে আর কে আসবে?- 'কাছে' অনুসর্গটি 'নিকট' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
নিমেষ মাঝেই সব শেষ।- 'মাঝে' অনুসর্গটি 'ক্ষণকাল' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ,  নবম-দশম শ্রেণি।
১৫,৮৬৯.
কম্পনজাত বর্ণ কোনটি?
  1. ক) ড়
  2. খ) ঢ়
  3. গ) র
  4. ঘ) ল
সঠিক উত্তর:
গ) র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) র
ব্যাখ্যা
কম্পনজাত ব্যঞ্জন ধ্বনির একমাত্র উদাহরণ হলো : র।
এই ধ্বনির লিখিত রূপকে বলে কম্পনজাত বর্ণ বলে৷
ড়, ঢ় হলো তাড়িত ব্যঞ্জনবর্ণ। ল হলো পার্শ্বিক ব্যঞ্জনবর্ণ।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ৷
১৫,৮৭০.
'মাথা দেওয়া'- বলতে কি বুঝায়?
  1. আগ্রহ দেখানো
  2. শপথ করা
  3. দায়িত্ব গ্রহণ
  4. ভাবনা করা
সঠিক উত্তর:
দায়িত্ব গ্রহণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়িত্ব গ্রহণ
ব্যাখ্যা
• 'মাথা দেওয়া' শব্দটি দ্বারা ‘দায়িত্ব গ্রহণ’ অর্থ বুঝায়।

• ‘মাথা’ শব্দের রীতিসিদ্ধ প্রয়োগ:
- ‘মাথা ধরা’ অর্থ - রোগ বিশেষ।
- ‘মাথা ব্যথা’ অর্থ - আগ্রহ।
- ‘মাথা দেওয়া’ অর্থ - দায়িত্ব গ্রহণ।
- ‘মাথাপিছু’ অর্থ - জনপ্রতি।
- ‘গাঁয়ের মাথা’ অর্থ - মোড়ল।
- ‘মাথা খাওয়া’ অর্থ - শপথ করা।
- ‘মাথা ঘামানো’ অর্থ - ভাবনা করা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৫,৮৭১.
কোন শব্দটি ষ-ত্ব বিধানের নিয়ম মেনে গঠিত?
  1. ভাষণ
  2. কৃষক
  3. ভাষা
  4. আষাঢ়
সঠিক উত্তর:
কৃষক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষক
ব্যাখ্যা

• 'ঋ' এবং ঋ কারের পর 'ষ' হয়।
যেমন-
- ঋষি, কৃষক, উৎকৃষ্ট, দৃষ্টি, সৃষ্টি, ইত্যাদি।

• কতগুলো শব্দে স্বভাবতই 'ষ' হয়।
যেমন-
- ষড়ঋতু, রোষ, কোষ, আষাঢ়, ভাষণ, ভাষা, ঊষা, পৌষ, কলুষ, পাষাণ, মানুষ, ঔষধ, ষড়যন্ত্র, ভূষণ, দ্বেষ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

১৫,৮৭২.
সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. ক) পত + অঞ্জলি = পতঞ্জলি
  2. খ) অন্তঃ + লিন = অন্তর্লীণ
  3. গ) ষট্‌ + আনন = ষড়ানন
  4. ঘ) তথা + এবচ = অতৈবচ
সঠিক উত্তর:
গ) ষট্‌ + আনন = ষড়ানন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ষট্‌ + আনন = ষড়ানন
ব্যাখ্যা

- ‘পতঞ্জলি’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ ‘পতৎ + অঞ্জলি’। এটি নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধির উদাহরণ।
- অন্তর্লীন = অন্তঃ + লীন। এটি বিসর্গ সন্ধি।
- তথা + এবচ = তথৈবচ। এটি একটি স্বরসন্ধি।
সোর্সঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

১৫,৮৭৩.
'ধী' অর্থ-
  1. ক) প্রজ্ঞাবান
  2. খ) জ্ঞান
  3. গ) নিরীহ
  4. ঘ) শান্ত
সঠিক উত্তর:
খ) জ্ঞান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জ্ঞান
ব্যাখ্যা
ধীমান: বুদ্ধিমান, মেধাবী, কর্মতৎপর।
ধী : বুদ্ধি; বোধশক্তি; জ্ঞান; মেধা (সুধী, ধীমান, ধীশক্তি)।
মেধা : ধীমান; বুদ্ধিমান।
উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান
১৫,৮৭৪.
অংশ অনুসারে বাক্য কয় প্রকার?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
ক) ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২
ব্যাখ্যা
বাক্য:
ভাষার মূল উপকরণ বাক্য এবং বাক্যেরে মৌলিক উপাদান শব্দ।
যে সুবিন্যস্ত পদসমষ্টি দ্বারা কোনো বিষয়ে বক্তার মনোভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ পায় তাকে বাক্য বলে।

অংশ অনুসারে বাক্য ২ প্রকার।
যথা: 
১. উদ্দেশ্য বা কর্তা - যাকে উদ্দেশ্য করে বা যার সম্পর্কে কিছু বলা হয় তাকে উদ্দেশ্য বা কর্তা বলে।
যেমন - রাফিন বই পড়ছে।

২. বিধেয় বা সমাপিকা ক্রিয়া: বাক্যে উদ্দেশ্য সম্পর্কে যা কিছু বলা হয় তাকে বিধেয় বলে।
যেমন - কোমল গান গায়।

উৎস : প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি - ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
১৫,৮৭৫.
'খ্যাংরাকাঠি' বাগধারার অর্থ -
  1. বিসদৃশরকম রোগা
  2. গালাগালি করা
  3. ভুলকাজ
  4. ছটফট করা
সঠিক উত্তর:
বিসদৃশরকম রোগা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিসদৃশরকম রোগা
ব্যাখ্যা
• 'খ্যাংরাকাঠি' বাগধারার অর্থ - বিসদৃশরকম রোগা।

অন্যদিকে,
- 'খেউর গাওয়া' বাগধারার অর্থ - গালাগালি করা।
- 'খামকাজ' বাগধারার অর্থ - ভুলকাজ।
- 'খাবি খাওায়া' বাগধারার অর্থ - ছটফট করা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৫,৮৭৬.
কোন বাক্যটি শুদ্ধ তা নির্দেশ করুন?
  1. এতে গৗরব লোপ পেয়েছে।
  2. তার আবৃত্তিতে মাধুর্যতা আছে।
  3. সুশিক্ষার কোন বিকল্প নাই।
  4. সকল সদস্যগণকে অভিনন্দন জানাচ্ছি।
সঠিক উত্তর:
সুশিক্ষার কোন বিকল্প নাই।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুশিক্ষার কোন বিকল্প নাই।
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বাক্য = সুশিক্ষার কোন বিকল্প নাই। 

উল্লেখ্য: অনেকের মতে "সুশিক্ষা" শব্দটি অপপ্রয়োগ। কিন্তু বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে "সুশিক্ষা" ও "কুশিক্ষা" দুটি শব্দই সঠিক ও প্রমিত। 




অন্যদিকে,
• এতে গৗরব লোপ পেয়েছে।
- এই বাক্যে গৌরব বানান ভুলভাবে দেওয়া আছে। 

• তার আবৃত্তিতে মাধুর্যতা আছে।
• শুদ্ধ বাক্য = তার আবৃত্তিতে মাধুর্য আছে।

• সকল সদস্যগণকে অভিনন্দন জানাচ্ছি।
• শুদ্ধ বাক্য = সকল সদস্যকে অভিনন্দন জানাচ্ছি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড.হায়াৎ মামুদ।
১৫,৮৭৭.
"আধুত" বলতে কী বোঝায়?
  1. ইষৎ রক্তবর্ণ
  2. ইষৎ কম্পিত
  3. ইষৎ উষ্ণ
  4. ঈষৎ নীলবর্ণ
সঠিক উত্তর:
ইষৎ কম্পিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইষৎ কম্পিত
ব্যাখ্যা

• 'ইষৎ কম্পিত' এর এক কথায় প্রকাশ - আধুত

অন্যদিকে,
ইষৎ রক্তবর্ণ - আরক্ত।
ইষৎ উষ্ণ - কবোষ্ণ।
ঈষৎ নীলবর্ণ - নীলাভ

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধানা, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ।

১৫,৮৭৮.
সঠিক বিপরীত শব্দজোড় নয় কোনটি?
  1. ক) রোষ - প্রসাদ
  2. খ) সাধু - তস্কর
  3. গ) স্থাপিত - উৎকলিত
  4. ঘ) বিবাদী - প্রতিবাদী
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিবাদী - প্রতিবাদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিবাদী - প্রতিবাদী
ব্যাখ্যা
বিবাদী ও প্রতিবাদী সমার্থক শব্দ। এদের বিপরীত শব্দ হলো বাদী। (সূত্রঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা : ড. সৌমিত্র শেখর)
১৫,৮৭৯.
'ডাগর' এর বিপরীতার্থক শব্দ -
  1. উৎকৃষ্ট
  2. নিম্নস্থ
  3. বয়স্ক
  4. ম্লান
সঠিক উত্তর:
ম্লান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্লান
ব্যাখ্যা

• 'ডাগর' এর বিপরীতার্থক শব্দ - ম্লান

উল্লেখ্য,
'ডাগর' শব্দের অর্থ - বড়ো, উৎকৃষ্ট, মূল্যবান, বয়স্ক
'স্নান' শব্দের অর্থ - ক্ষীণ, নিষ্প্রভ (স্নান আলো)।

অন্যদিকে,
পদস্থ - নিম্নস্থ।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৫,৮৮০.
ভগ্নাংশ পূরণবাচক শব্দ কোনটি?
  1. দ্বিতীয়
  2. সোয়া
  3. তেসরা
  4. চতুর্থ
সঠিক উত্তর:
সোয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোয়া
ব্যাখ্যা

সোয়া হচ্ছে ভগ্নাংশ পূরণবাচক শব্দ।

• পূরণবাচক সংখ্যা শব্দ
- পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ দিয়ে কোনো সংখ্যার ক্রমিক অবস্থান বা পরিমাণ বোঝানো হয়।

• পূরণবাচক সংখ্যা শব্দ তিন ধরনের হয়:
১. সাধারণ পূরণবাচক

- যেগুলো সাধারণ সংখ্যা বা ক্রম বোঝায়।
- যেমন: প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম ইত্যাদি।

২. তারিখ পূরণবাচক:
বাংলা ভাষায় তারিখ নির্দেশ করার জন্য সংখ্যাশব্দের পূরণবাচকে নির্দিষ্ট কিছু প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়।
যেমন: পয়লা/পহেলা, দোসরা, তেসরা, চৌঠা, পাঁচই, ছয়ই, সাতই, আটই.......ত্রিশে, একত্রিশে ইত্যাদি।

৩. ভগ্নাংশ পূরণবাচক
- কখনো পূর্ণসংখ্যার থেকে খানিকটা কম বা খানিকটা বেশি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- যেমন আধ, সাড়ে, পোয়া, সোয়া, দেড়, আড়াই, তেহাই ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০২৫ সংস্করণ)।

১৫,৮৮১.
'Equator' এর বাংলা পরিভাষা কোনটি?
  1. দ্রাঘিমারেখা
  2. নিরক্ষরেখা
  3. মধ্যরেখা
  4. অক্ষ
সঠিক উত্তর:
নিরক্ষরেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিরক্ষরেখা
ব্যাখ্যা
•'Equator' এর বাংলা পরিভাষা - নিরক্ষরেখা।

অন্যদিকে,
• ‘Longitude’ এর বাংলা পরিভাষা - দ্রাঘিমাংশ।
• ‘Axis’ এর বাংলা পরিভাষা - অক্ষ।
• ‘Meridian’ এর বাংলা পরিভাষা - মধ্যরেখা।

উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রশাসনিক পরিভাষা।
১৫,৮৮২.
কোনটি কর্মধারয় সমাস?
  1. গাছপাকা
  2. কুশীলব
  3. বাগবিতণ্ডা
  4. দুঃশাসন
  5. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
দুঃশাসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুঃশাসন
ব্যাখ্যা

• কর্মধারয় সমাস:
- মধ্যপদলোপী, উপমান, উপমিত, রূপক কর্মধারয় সমাস ছাড়া অন্যান্য কর্মধারয় সমাসকে সাধারণ কর্মধারয় সমাস বলে।

যেমন:
- কাঁচা যে কলা = কাঁচকলা,
- দুঃ যে শাসন = দুঃশাসন,
- মহৎ যে আত্মা = মহাত্মা।

অন্যদিকে,
- তৎপুরুষ সমাস - 'বাক্ দ্বারা বিতণ্ডা = বাগবিতণ্ডা।
- দ্বন্দ্ব সমাস - কুশ ও লব = কুশীলব।
- সপ্তমী তৎপুরুষ সমাস - গাছে পাকা = গাছপাকা।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১৫,৮৮৩.
তালব্য বর্ণ কোনগুলো?
  1. ফ, ভ
  2. ছ, শ
  3. ল, স
  4. ত, ধ
সঠিক উত্তর:
ছ, শ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছ, শ
ব্যাখ্যা
তালব্য ব্যঞ্জন:
- যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভে ডগা খানিকটা প্রসারিত হয়ে শক্ত তালুর কাছে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে তালব্য ব্যঞ্জন বলে।
- চাচা, ছাগল, জাল, ঝড়, শসা প্রভৃতি শব্দের চ, , জ, ঝ, তালব্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।
 
অন্যদিকে:
- ফ, ভ - ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন। 
- ল, স - দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন।
- ত, ধ - দন্ত্য ব্যঞ্জন।
 
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
১৫,৮৮৪.
নিচের কোনটি 'কুহক'-এর সমার্থক শব্দ নয়?
  1. বচন
  2. মায়া
  3. ভেলকি
  4. ছল
সঠিক উত্তর:
বচন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বচন
ব্যাখ্যা
'কুহক' এর সমার্থক শব্দ:
- মায়া, ইন্দ্রজাল, ছল, ধোকা, ভেলকি।

এছাড়া,
• কথা এর সমার্থক শব্দ - বচন।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
১৫,৮৮৫.
'আকস্মিক' শব্দের প্রকৃতি ও প্রত্যয় -
  1. ক) আকস্মাৎ + ষ্ণিক
  2. খ) অকস + ষ্ণিক
  3. গ) অকস্মাৎ + ষ্ণিক
  4. ঘ) অকসমি + ষ্ণিক
সঠিক উত্তর:
গ) অকস্মাৎ + ষ্ণিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অকস্মাৎ + ষ্ণিক
ব্যাখ্যা
ষ্ণিক (ইক) - প্রত্যয়ঃ
দক্ষতা বা বেত্তা অর্থে:
- সাহিত্য + ষ্ণিক = সাহিত্যিক
- বেদ + ষ্ণিক = বৈদিক
- বিজ্ঞান + ষ্ণিক = বৈজ্ঞানিক

বিষয়ক অর্থে:
- সমুদ্র + ষ্ণিক = সামুদ্রিক
- নগর + ষ্ণিক = নাগরিক

বিশেষণ গঠনে:
- হেমন্ত + ষ্ণিক = হৈমন্তিক
- অকস্মাৎ + ষ্ণিক = আকস্মিক

[উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, সংস্করণ-২০১৯]
১৫,৮৮৬.
লোকটি ধীরে হাঁটে।- বাক্যে ‘ধীরে’ কোন পদ?
  1. ক) বিশেষণ
  2. খ) ক্রিয়াবিশেষণ
  3. গ) বিশেষ্য
  4. ঘ) ক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
খ) ক্রিয়াবিশেষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ক্রিয়াবিশেষণ
ব্যাখ্যা
• ক্রিয়াবিশেষণ: যে শব্দ ক্রিয়াকে বিশেষিত করে, তাকে ক্রিয়াবিশেষণ বলে। নিচের বাক্য তিনটির নিম্নরেখ শব্দগুলো ক্রিয়াবিশেষণের উদাহরণ:
ছেলেটি দ্রুত দৌড়ায়।
লোকটি ধীরে হাঁটে।
মেয়েটি গুনগুনিয়ে গান করছে।

 • ক্রিয়াপদ: বাক্যে উদ্দেশ্য বা কর্তা কী করে বা কর্তার কী ঘটে বা হয়, তা নির্দেশ করা হয় যে পদ দিয়ে তাকে ক্রিয়া পদ বলে।
যেমন:
রাজীব খেলছে।
বৃষ্টি হতে পারে।

• বিশেষ্য: যেসব শব্দ দিয়ে ব্যক্তি, প্রাণী, স্থান, বস্তু, ধারণা ও গুণের নাম বোঝায়, সেগুলোকে বিশেষ্য বলে। যেমন- নজরূল, বাঘ, ঢাকা, ইট, ভোজন, সততা ইত্যাদি।

• বিশেষণ: যে শব্দ বিশেষ্য ও সর্বনামের গুণ, দোষ, সংখ্যা, পরিমাণ, অবস্থা ইত্যাদি বোঝায়, তাকে বিশেষণ পদ বলে।
যেমন-
সুন্দর ফুল
বাজে কথা
পঞ্চাশ টাকা
হাজার সমস্যা
 
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
১৫,৮৮৭.
কারক ও বিভক্তি নির্ণয় করুন।
কাননে কুসুমকলি সকলি ফুটিল।
  1. ক) কর্তায় শূন্য
  2. খ) কর্মে শূন্য
  3. গ) করণে দ্বিতীয়া
  4. ঘ) অপাদানে দ্বিতীয়া
সঠিক উত্তর:
ক) কর্তায় শূন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কর্তায় শূন্য
ব্যাখ্যা
• কর্তৃকারক:
বাক্যস্থিত যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদ ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে ক্রিয়ার কর্তা বা কর্তৃকারক বলে।
ক্রিয়াকে ‘কে/ কারা’ দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটিই কর্তৃকারক।
যেমন: হামিদ বই পড়ে।
 
- 'কাননে কুসুম কলি সকলি ফুটিল বাক্যে 'কুসুম কলি' নিজেই ফুটেছে। তাই ‘কুসুম কলি’ কর্তা কারকে শূন্য বিভক্তি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৫,৮৮৮.
বাক্যে প্রয়োজনের অতিরিক্ত শব্দ ব্যবহারে কোন দোষ ঘটে?
  1. বাহুল্য দোষ
  2. গুরুচণ্ডালী দোষ
  3. বাচ্যজনিত ভুল
  4. প্রবাদ-প্রবচনের বিকৃতিজনিত ত্রুটি
সঠিক উত্তর:
বাহুল্য দোষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাহুল্য দোষ
ব্যাখ্যা
⇒ বাহুল্য দোষ:
প্রয়োজনের অতিরিক্ত শব্দ ব্যবহার করলে বাক্যে বাহুল্য দোষ ঘটে এবং শব্দ তার যোগ্যতা গুণ হারায়। 
যেমন
• অশুদ্ধ বাক্য: 'দেশের সকল শিক্ষকগণ এখানে উপস্থিত হয়েছেন।'
• শুদ্ধ বাক্য হবে: 'দেশের সব শিক্ষক এখানে উপস্থিত হয়েছেন' অথবা 'দেশের শিক্ষকগণ এখানে উপস্থিত হয়েছেন'।

⇒ বাংলা ভাষায় একই বাক্যে দুইবার বহুবচন ব্যবহৃত হয় না। দুইবার বহুবচনবাচক চিহ্ন বা শব্দ ব্যবহার করলে বাক্য বাহুল্য দোষে দুষ্ট হয়।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,৮৮৯.
'ফরাসি' ভাষার শব্দ নয় কোনটি?
  1. ক্যাফেটেরিয়া
  2. ক্যানভাস
  3. ক্যাথলিক
  4. ক্যানটনমেন্ট
সঠিক উত্তর:
ক্যাফেটেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যাফেটেরিয়া
ব্যাখ্যা

• 'ক্যাফেটেরিয়া' শব্দটি 'স্প্যানিশ' ভাষা থেকে আগত শব্দ।
অর্থ:
বিদ্যায়তন কারখানা প্রভৃতি স্থানের সঙ্গে যুক্ত দোকান (যেখানে আহার্য কিনে নিজেই নিজেকে পরিবেশন করতে হয়)।

-------------------
• 'ফরাসি' ভাষার শব্দ:
ক্যাডার, ক্যাডেট, ক্যাথলিক, ক্যানটনমেন্ট, ক্যানটিন, ক্যানভাস, ক্যাপসুল, ক্যাপ্টেন, ক্যাফে, ক্যাবিনেট।  

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৫,৮৯০.
কোন সন্ধি বিচ্ছেদটি নির্ভুল?
  1. দুঃ + ঘটনা = দুর্ঘটনা
  2. দূঃ + ঘটনা = দুর্ঘটনা
  3. দুর + ঘটনা = দুর্ঘটনা
  4. দূর + ঘটনা = দুর্ঘটনা
সঠিক উত্তর:
দুঃ + ঘটনা = দুর্ঘটনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুঃ + ঘটনা = দুর্ঘটনা
ব্যাখ্যা

• 'দুর্ঘটনা' শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ হলো - "দুঃ + ঘটনা"। এটি একটি বিসর্গ সন্ধি।

সন্ধির নিয়ম:
এই সন্ধিতে, বিসর্গ (' ঃ') এর স্থানে 'ৎ' বা 'র্' হয় এবং তার পরের ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হয়ে একটি নতুন শব্দ তৈরি হয়। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১৫,৮৯১.
কোনটি অভিশ্রুতির উদাহরণ?
  1. বাক্য > বাইক্য
  2. সাধু > সাউধ
  3. আজি > আইজ
  4. করিয়া > করে
সঠিক উত্তর:
করিয়া > করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
করিয়া > করে
ব্যাখ্যা

• অভিশ্রুতি:
বিপর্যস্ত স্বরধ্বনি পূর্ববর্তী স্বরধ্বনির সাথে মিলে গেলে এবং তদনুসারে পরবর্তী স্বরধ্বনির পরিবর্তন ঘটালে তাকে অভিশ্রুতি বলে।
যেমন:
এরূপ-
- রাখিয়া > রাইখা > রেখে,
- করিয়া > কইর‍্যা > করে,
- শুনিয়া > শুইনা > শুনে,
- বলিয়া > বইলা > বলে,
- হাটুয়া > হাউটা > হেটো,
- মাছুয়া > মাউছুয়া > মেছো ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
----------------
• অপিনিহিতি:
পরের ই-কার আগ উচ্চারিত হলে কিংবা যুক্ত ব্যঞ্জনধ্বনির আগে ই-কার বা উ-কার উচ্চারিত হলে তাকে অপিনিহিত বলে।
যেমন:
- আজি > আইজ,
- সাধু > সাউধ,
- রাখিয়া > রাইখ্যা,
- বাক্য > বাইক্য,
- চারি > চাইর,
- মারি > মাইর। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।

১৫,৮৯২.
'মন না মতি' বাগ্‌ধারার অর্থ কী?
  1. গম্ভীর প্রকৃতির
  2. গোপন কথা প্রকাশ করা
  3. হতভাগ্য
  4. অস্থির মানব মন
সঠিক উত্তর:
অস্থির মানব মন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থির মানব মন
ব্যাখ্যা
• 'মন না মতি' বাগ্‌ধারার অর্থ - অস্থির মানব মন

অন্যদিকে,
- 'হাড় হাভাতে' বাগ্‌ধারার অর্থ - হতভাগ্য।
- 'হাটে হাঁড়ি ভাঙা' বাগ্‌ধারার অর্থ - গোপন কথা প্রকাশ করা।
- 'রাশভারি' বাগ্‌ধারার অর্থ - গম্ভীর প্রকৃতির।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৫,৮৯৩.
জন্ম শব্দের বিশেষণ?
  1. ক) জীবন
  2. খ) জাত
  3. গ) বংশ
  4. ঘ) জাতি
সঠিক উত্তর:
খ) জাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জাত
ব্যাখ্যা

জাত (বিশেষণ) - জন্মেছে এরূপ (নবজাত)।
- উৎপন্ন; সঞ্জাত; উদ্ভূত।

(বিশেষ্য) জন্ম


উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান।
১৫,৮৯৪.
'নিরাকার' শব্দের শুদ্ধ সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. নিঃ + অকার = নিরাকার
  2. নিঃ + কার = নিরাকার
  3. নিঃ + আকার = নিরাকার
  4. নিরা + কার = নিরাকার
সঠিক উত্তর:
নিঃ + আকার = নিরাকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিঃ + আকার = নিরাকার
ব্যাখ্যা
• বিসর্গ সন্ধি:
- বিসর্গের সাথে অর্থাৎ র্ ও স্-এর সাথে স্বরধ্বনির কিংবা ব্যঞ্জনধ্বনির যে সন্ধি হয় তাকে বিসর্গ সন্ধি বলে।
- বিসর্গ সন্ধি দুইভাবে সাধিত হয়। যথা:
১. বিসর্গ + স্বর এবং
২. বিসর্গ + ব্যঞ্জন।

• পূর্বপদের শেষে যদি অ/আা ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনির পর বিসর্গ (র-জাত) থাকে এবং পরপদের প্রথমে যদি স্বরধ্বনি থাকে তবে সন্ধির ফলে বিসর্গ র্‌ হয়ে যায় এবং পরের স্বরধ্বনির সঙ্গে যুক্ত হয়।
যেমন-
• ইঃ + অ = ই + র্‌:
- নিঃ + অন্ন = নিরন্ন,
- বহিঃ + অঙ্গ = বহিরঙ্গ।

• ইঃ + আ = ই + রা:
- নিঃ + আকার = নিরাকার,
- নিঃ + আশা = নিরাশা।

• উঃ + অ = উ + র:
- দুঃ + অবস্থা = দুরবস্থা,
- চতুঃ + অঙ্গ = চতুরঙ্গ।

• উঃ + আ = উ + রা:
- দুঃ + আত্মা = দুরাত্মা,
- দুঃ + আশা = দুরাশা।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৫,৮৯৫.
কোনটি সঠিক যুক্তবর্ণ?
  1. ঞ্ + চ = ঞ্চ
  2. হ্ + উ = হ্ন
  3. হ্ + ণ = হৃ
  4. হ্ + ঊ = হু
সঠিক উত্তর:
ঞ্ + চ = ঞ্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঞ্ + চ = ঞ্চ
ব্যাখ্যা

• সঠিক যুক্তবর্ণ - ঞ্ + চ = ঞ্চ

অন্যদিকে,
অশুদ্ধ যুক্তবর্ণের শুদ্ধরূপ নিম্নে দেওয়া হলো:
- হ্ + উ = হু।
- হ্ + ঋ = হৃ।
- হ্ + ন = হ্ন।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, (সংস্করণ-২০২১)।

১৫,৮৯৬.
'চতুর' এর স্ত্রীবাচক শব্দ কোনটি?
  1. চতুরী
  2. চতুরানি
  3. চতুরা
  4. চতুরি 
সঠিক উত্তর:
চতুরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুরা
ব্যাখ্যা

• শব্দের শেষে '-আ' প্রত্যয়যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ:
যেমন:
→ অজ - অজা, 
→ আধুনিক - আধুনিকা,
→ কোকিল - কোকিলা,
→ চতুর - চতুরা,
→ চঞ্চল - চঞ্চলা, 
→ নবীন - নবীনা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি; বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৫,৮৯৭.
উপসর্গ ও প্রত্যয় নিচের কোনটির অংশ?
  1. ক) পদ
  2. খ) শব্দ
  3. গ) বাক্য
  4. ঘ) কোনোটি নয়
সঠিক উত্তর:
খ) শব্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শব্দ
ব্যাখ্যা
শব্দ: 
১. প্রতিটি জনগোষ্ঠীর নিজস্ব শব্দভান্ডার থাকে। সাধারণত অভিধানে তা সংকলিত হয়।
২. অভিধানের শব্দগুলো বিচ্ছিন্ন ও পরস্পর সম্পর্কহীন।
৩. শব্দের অংশ উপসর্গ ও প্রত্যয়।
৪. গঠনগতভাবে শব্দ দুই শ্রেণির: মূল শব্দ ও সাধিত শব্দ ।
৫. শব্দ শুধু রূপতত্ত্বের আলোচ্য।

তথ্যসূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৫,৮৯৮.
‘যদি’ কোন পদের উদাহরণ?
  1. যোজক
  2. অনুসর্গ
  3. আবেগ
  4. উপসর্গ
সঠিক উত্তর:
যোজক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যোজক
ব্যাখ্যা
• ‘যদি’ যোজক পদের উদাহরণ।

যোজক:

- পদ, বর্গ বা বাক্যকে যেসব শব্দ যুক্ত করে, সেগুলোকে যোজক বলে। যেমন- এবং, ও, আর, অথবা, তবু, সুতরাং, কারণ, তবে ইত্যাদি। বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী যোজককে ৫টি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়:

সাধারণ যোজক: এ ধরনের যোজক দুটি শব্দ বা বাক্যকে যোগ করে।
যেমন:
- রহিম করিম এই কাজটি করেছে।
- জলদি দোকানে যাও এবং পাউরুটি কিনে আনো।

বিকল্প যোজক: এ ধরনের যোজক একাধিক শব্দ বা বাক্যের মধ্যে বিকল্প নির্দেশ করে।
যেমন:
- লাল বা নীল কলমটা আনো।
- চা না-হয় কফি খান।

বিরোধ যোজক: এ ধরনের যোজক বাক্যের দুটি অংশের সংযোগ ঘটায় এবং প্রথম বাক্যের বক্তব্যের সঙ্গে বিরোধ তৈরি করে।
যেমন:
- এত পড়লাম, কিন্তু পরীক্ষায় ভালো করতে পারলাম না।
- তাকে আসতে বললাম, তবু এল না।

কারণ যোজক: এ ধরনের যোজক বাক্যের দুটি অংশের মধ্যে সংযোগ ঘটায় যার একটি অন্যটির কারণ।
যেমন:
- জিনিসের দাম বেড়েছে, কারণ চাহিদা বেশি।
- বসার সময় নেই, তাই যেতে হচ্ছে।

• সাপেক্ষ যোজক: এ ধরনের যোজক একে অন্যের পরিপূরক হয়ে বাক্যে ব্যবহৃত হয়।
যেমন:
- যদি রোদ ওঠে, তবে রওনা দেব।
- যত পড়ছি, ততই নতুন করে জানছি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২৩ সংস্করণ)।
১৫,৮৯৯.
সংবৃতি শব্দের অর্থ কী?
  1. ক) অনুভূতি
  2. খ) সম্পাদন
  3. গ) আচ্ছাদিত
  4. ঘ) জন্ম
সঠিক উত্তর:
গ) আচ্ছাদিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আচ্ছাদিত
ব্যাখ্যা
সংবৃতি (বিশেষ্য)
অর্থ: 
- আবৃত, আচ্ছাদিত
- গুপ্ত, অপ্রকাশিত
- সংকুচিত 

অন্যদিকে, 
- সংবিত্তি = অনুভব 
- সংবৃত্তি = সম্পাদন, জন্ম 

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
১৫,৯০০.
নিত্য পুরুষবাচক শব্দ কোনটি?
  1. ক) ঢাকী
  2. খ) কবিরাজ
  3. গ) কৃতদার
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
কিছু পুরুষবাচক ও স্ত্রীবাচক শব্দের লিঙ্গান্তর হয় না। 

নিত্য পুরুষবাচক শব্দ - কবিরাজ, কৃতদার, অকৃতদার, ঢাকী ইত্যাদি।
নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ - কুলটা, সতীন, অর্ধাঙ্গিনী, বিধবা, অসূর্যম্পশ্যা, অরক্ষণীয়া, সপত্নী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।