উত্তর
ব্যাখ্যা
অন্যদিকে,
ননীর পুতুল -শ্রমবিমুখ।
অন্ধের নড়ি - একমাত্র অবলম্বন।
ভূতের বেগার - অযথা শ্রম।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ১১ / ৩৫৪ · ১,০০১–১,১০০ / ৩৫,৭১৩
ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি সমাস:
- পূর্বপদ ও পরপদ উভয়ই বিশেষ্য হলে বা কখনো কখনো ক্রিয়াবিশেষ্য হলে ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি সমাস হয়।
যেমন:
- গোঁফে খেজুর যার = গোঁফখেজুরে,
- কথা সর্বস্ব যার = কথাসর্বস্ব,
- আশীতে বিষ যার = আশীবিষ,
- বোঁটা খসেছে যার = বোঁটাখসা ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণী (২০১৯ ও ২০২২ সংস্করণ)।
• প্রগত সমীভবন:
- পূর্ব ধ্বনির প্রভাবে পরবর্তী ধ্বনির পরিবর্তনকে প্রগত সমীভবন বলে।
যেমন:
- চক্র > চক্ক,
- পক্ব > পক্ক।
অন্যদিকে,
পরাগত সমীভবন:
- পরবর্তী ধ্বনির প্রভাবে পূর্ববর্তী ধ্বনির পরিবর্তন কে পরাগত সমীভবন বলে।
যেমন:
- তৎ + জন্য > তজ্জন্য,
- তৎ + হিত >তদ্ধিত।
অন্যোন্য সমীভবন:
- যখন পরস্পরের প্রভাবে দুটো ধ্বনিই পরিবর্তিত হয় তখন তাকে বলে অনন্যান্য সমীভবন।
যেমন:
- সংস্কৃত সত্য > প্রাকৃত সচ্চ।
- সংস্কৃত বিদ্যা > প্রাকৃত বিজ্জা ইত্যাদি।
অপিনিহিতি:
- পরে উচ্চারিত হওয়া ‘ই/উ’ আগে উচ্চারিত হওয়াকে অপিনিহিতি বলে।
যেমন:
- চারি > চাইর,
- মারি > মাইর।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।
অনুনাসিক স্বরধ্বনি:
- মৌলিক স্বরধ্বনিগুলো উচ্চারণের সময়ে বায়ু শুধু মুখ দিয়ে বেরিয়ে আসে। এ সময়ে কোমল তালু স্বাভাবিক অবস্থায় থাকে। কিন্তু ধ্বনিগুলো উচ্চারণের সময়ে কোমল তালু খানিকটা নিচে নেমে গেলে কিছুটা বায়ু নাক দিয়েও বের হয়।
অনুনাসিক স্বরধ্বনি:
- [ইঁ], [এঁ], [অ্যাঁ], [আঁ], [অঁ], [ওঁ], [উঁ]।
অন্যদিকে,
মৌলিক স্বরধ্বনি - [ই], [এ], [অ্যা], [আ], [অ], [ও], [উ]।
দ্বিস্বরধ্বনি - [ই্] এবং [উ্]
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২সংস্করণ)।
বাংলা একডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
- 'নিদাঘ' শব্দের অর্থ: গ্রীষ্মকাল।
- ব্যুৎপত্তি: নি+√দহ+ অ।
'নিদাঘ' অর্থ:
২) উত্তাপ।
৩) উষ্মা।
৪) ঘাম।
উৎস: বাংলা একডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
• ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম:
আগে ৎ, দ্, ধ্ এবং পরে ন্ / ম্ থাকলে ৎ, দ্ বা ধ্ স্থানে ন্ হয়, এবং পরের ন-এর সঙ্গে মিলে ন্ন কিংবা ম এর সঙ্গে মিলে ন্ম হয়।
যেমন:
- উৎ + নতি = উন্নতি;
- ক্ষুধ্ + নিবৃত্তি = ক্ষুন্নিবৃত্তি;
- রাধ্ + না = রান্না;
- তদ্ + মাত্র = তন্মাত্র;
- সৎ + মার্গ = সন্মার্গ;
- মৃৎ + ময় = মৃন্ময়।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'আনন্দ'-এর সমার্থক শব্দ নয়-'শ্রান্তি'।
'শ্রান্তি' শব্দের অর্থ:
- বিরাম, পরিশ্রমজনিত অবসাদ, নিবৃত্তি।
'আনন্দ'-এর সমার্থক শব্দ
- উচ্ছ্বাস, উল্লাস, স্ফুরণ।
আনন্দ'-এর আরো কিছু সমার্থক শব্দ:
- খুশি, আমোদ, মজা, পুলক, হর্ষ, আহ্লাদ, স্ফূর্তি, সন্তোষ, পরিতোষ, প্রমোদ, উল্লাস, উচ্ছ্বাস।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ, মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ), বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
রাজা শব্দের সমার্থক শব্দগুলো হলো:
- প্রজানাথ ,
- মহীপাল,
- ভূপাল
- অধিরাজ,
- নরপতি,
- নরেশ,
- নরেন্দ্র,
- বাদশা,
- মহীন্দ্র ইত্যাদি।
কিষাণ শব্দের অর্থ কৃষ; চাষি।
উৎস :বাংলা ভাষা শিক্ষা (হায়াৎ মামুদ) ও বাংলা একাডেমি অভিধান।
বর ফারসি উপসর্গ
বর দ্বারা বাইরে বুঝানো হয়েছে।
যেমন বরখেলাপ,বদনাম
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ডঃ সৌমিত্র শেখর।
• সঠিক উত্তর - কোনোটিই নয়।
• 'তৃষ্ণার্ত' শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ - তৃষ্ণা + ঋত।
সন্ধির নিয়ম:
- অ-কার কিংবা আ-কারের পর 'ঋত'-শব্দ থাকলে (অ, আ+ঋ) উভয় মিলে 'আর' হয় এবং বানানে পূর্ববর্তী বর্ণে আ ও পরবর্তী বর্ণে রেফ লেখা হয়।
যেমন:
- অ + ঋ = আর, শীত + ঋত = শীতার্ত।
- আ + ঋ = আর, তৃষ্ণা + ঋত = তৃষ্ণার্ত।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
বাংলা ভাষার ব্যাকরণের ইতিবৃত্ত:
- পর্তুগিজ পাদ্রি মনোএল দা আসসুম্পসাঁউ রচিত ও 'ভোকাবুলারিও এম ইদিওমা বেনগল্লা ই পোরতুগিজ' গ্রন্থের ব্যাকরণ অংশই বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ, কিন্তু প্রথম ব্যাকরণগ্রন্থ নয়।
- এটি ১৭৩৪ খ্রিষ্টাব্দে রচিত, ১৭৪৩ খ্রিষ্টাব্দে পর্তুগালের রাজধানী লিসবন শহর থেকে রোমান লিপিতে মুদ্রিত ও প্রকাশিত হয়।
বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণগ্রন্থ নাথিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড রচিত 'এ গ্রামার অফ দি বেঙ্গল ল্যাঙ্গুয়েজ'। এই গ্রন্থটি ১৭৭৬ খ্রিষ্টাব্দে প্রধানত ইংরেজি, অংশত বাংলায় রচিত এবং ১৭৭৮ খ্রিষ্টাব্দে হুগলি থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত হয়। (অর্থ্যাৎ, কোনোটিই নয় উত্তর)
- এরপর উইলিয়াম কেরি ১৮০১ সালে, গঙ্গাকিশোর ভট্টাচার্য ১৮১৬ সালে, কিথ সাহেব ১৮২০ সালে বাংলা ব্যাকরণ রচনার প্রয়াস পান। কিন্তু এই সবগুলোই ইংরেজি ভাষায় লেখা।
- ১৮২৬ সালে রাজা রামমোহন রায় ইংরেজিতে বাংলা ব্যাকরণ লেখেন। এরপর তিনি ১৮৩৩ সালে স্কুল বুক সোসাইটির জন্য ওই গ্রন্থ বাংলায় অনুবাদ করে নাম দেন 'গৌড়ীয় ব্যাকরণ'। সে-বিচারে এই গ্রন্থটি বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থ।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।
• অনন্বয়ী অব্যয়:
- যে সকল অব্যয় বাক্যের অন্য পদের সঙ্গে কোনো সম্বন্ধ না রেখে স্বাধীনভাবে নানাবিধ ভাব প্রকাশে ব্যবহৃত হয়, তাদের অনন্বয়ী অব্যয় বলে।
যেমন:
• উচ্ছ্বাস প্রকাশে:
- মরি মরি! কী সুন্দর প্রভাতের রূপ!
• স্বীকৃতি বা অস্বীকৃতি জ্ঞাপনে:
- হ্যাঁ, আমি যাব। না, আমি যাব না।
• সম্মতি প্রকাশে:
- আমি আজ আলবত যাব। নিশ্চয়ই পারব।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
প্রশ্ন: STRANGE-এর বিপরীত?
সমাধান:
STRANGE অর্থ - অচেনা, অপরিচিত, অস্বাভাবিক, বা অদ্ভুত।
প্রতিটি অপশন যাচাই করি:
ক) Similar → সদৃশ বা মিল রয়েছে।
খ) Familiar → পরিচিত, চেনা → STRANGE-এর সঠিক বিপরীত।
গ) Peculiar → বিরল, অদ্ভুত → STRANGE-এর সমার্থক শব্দের কাছাকাছি।
ঘ) Obstinate → জিদি, অনড় → কোন সম্পর্ক নেই।
সুতরাং STRANGE-এর বিপরীত অর্থ হলো Familiar.
ক্রিয়াজাত অনুসর্গ:
- যেসব অনুসর্গ ক্রিয়াপদ থেকে তৈরি হয়েছে, তাকে ক্রিয়াজাত অনুসর্গ বলে।
যেমন:
- বহুদিন ধরে অপেক্ষা করে আছি।
- তুমি আসবে বলে দাঁড়িয়ে আছি।
- মন দিয়ে পড়ালেখা কর।
অন্যদিকে,
সাধারণ অনুসর্গ:
- যেসব অনুসর্গ ক্রিয়া ছাড়া অন্য শব্দ থেকে তৈরি হয়, তাকে সাধারণ অনুসর্গ বলে।
যেমন:
- আজ বাংলাদেশ বনাম ভারতের খেলা।
- কার কাছে গেলে জানা যাবে?
- এমন কাজ তোমার দ্বারা হবেনা।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ ও ২০১৯ সংস্করণ)।
• বামেতর (বিশেষণ পদ):
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- ডান;
- ডাহিন;
- দক্ষিণ।
কবিতায় ব্যবহার: প্রমীলার বামেতর নয়ন নাচিল- মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• ধ্বনি নির্দেশক প্রতীক বা চিহ্নকে বর্ণ বলে।
- ভাষা লিখে প্রকাশ করার সাংকেতিক চিহ্ন সমূহকে বর্ণ বলে।
- বর্ণ হলো দৃশ্যগ্রাহ্য রূপ।
অন্যদিকে,
• শব্দের ক্ষুদ্রতম অংশকে - ধ্বনি বলে।
- ধ্বনি হলো- শ্রুতিগ্রাহ্য রূপ।
• বাগযন্ত্রের স্বল্পতম প্রয়াসে উচ্চারিত ধ্বনি বা ধ্বনিগুচ্ছকে অক্ষর বলে।
যেমন-
- সমাবর্তন শব্দে চারটি অক্ষর আছে।
- সম+আ+√বৃৎ +অন = সমাবর্তন।
----------------
• বর্ণ:
- ভাষার ক্ষুদ্রতম একককে ধ্বনি বলে।
- বাংলা ভাষায় ৩৭টি মৌলিক ধ্বনি রয়েছে।
- ধ্বনির প্রতীককে বলা হয় বর্ণ।
- এই বর্ণ কানে শােনার বিষয়কে চোখে দেখার বিষয়ে পরিণত করে।
- ভাষার সবগুলাে বর্ণকে একত্রে বলা হয় বর্ণমালা।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২- সংস্করণ) এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
• কতিপয় মিশ্র শব্দের উদাহরণঃ
- ডাক্তার-বাবু = ইংরেজি + তৎসম,
- খ্রিস্টাব্দ = ইংরেজি + তৎসম,
- চৌ-হদ্দি = ফারসি + আরবী,
- হাট-বাজার = বাংলা + ফারসি,
- কালি-কলম = সংস্কৃত + আরবি,
- পকেট-মার = ইংরেজি + বাংলা,
- ডাক্তার-খানা = ইংরেজি + ফারসি,
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম দশম শ্রেণী ও বাংলা একাডেমি অভিধান।
• 'Translate' শব্দের বাংলা পারিভাষিক শব্দ- অনুবাদ করা।
অন্যদিকে,
• 'Technical' অর্থ - পারিভাষিক।
• 'Interpreter' অর্থ - দোভাষী।
• 'Translator' অর্থ - অনুবাদক।
উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রশাসনিক পরিভাষা এবং অভিগম্য অভিধান।
তৎপুরুষ সমাস: সমস্যমান পদের বিভক্তি ও সন্নিহিত অনুসর্গ লোপ পেয়ে যে সমাস হয়, তার নাম তৎপুরুষ সমাস।এই সমাস এপরপদের প্রাধান্য পায়।
যেমন,
-পথের রাজা = রাজপথ।
- চিনি দিয়ে পাতা = চিনিপাতা।
- তেলে ভাজা = তেলেভাজা।
বহুব্রীহি সমাস: যে সমাসে পুর্বপদ বা পরপদ কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কিছু বোঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।
যেমন,
লাল পাড় যে শাড়ির = লালপেড়ে,
কানে কানে যে কথা = কানাকানি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
• তৎসম শব্দ:
- প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত যেসব বাংলা শব্দের লিখিত চেহারা সংস্কৃত ভাষার শব্দের অনুরূপ সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলে।
যথা: পৃথিবী, আকাশ, গ্রহ, বৃক্ষ।
- সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুসরণ করে গঠিত পারিভাষিক শব্দকেও তৎসম শব্দ বলা হয়।
যথা: অধ্যাদেশ, গণপ্রজাতন্ত্রী, মহাপরিচালক, সচিবালয় ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
- ‘দাঁত’ শব্দটি একটি তদ্ভব শব্দ।
- দেশি শব্দ- ’ঢেঁকি, কুঁড়ি’।
উল্লেখ্য,
- উৎস বিবেচনায় বাংলা শব্দভান্ডারকে চার শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়: তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি (২০২৫ সালের সংস্করণ)।
• 'তোষামোদকারী' - শব্দটি দিয়ে "খয়ের খাঁ" বাগ্ধারা নির্দেশ করা হয়। 'খয়ের খাঁ' বাগধারাটির অর্থ - তোষামোদকারী।
অন্যদিকে,
- ‘লেফাফা দুরস্ত’ বাগধারাটির অর্থ 'পরিপাটি'।
- 'কংস মামা' বাগধারাটির অর্থ - নির্মম আত্মীয়,
- 'খোদার খাসি' বাগধারাটির অর্থ - ভাবনাচিন্তা হীন বা হৃষ্টপুষ্ট ব্যক্তি।
সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ৯ম - ১০ম শ্রেণি (২০১৮)।
• বাক্যতত্ত্ব:
বাক্যতত্ত্বে বাক্য নিয়ে আলোচনা করে। বাক্যের নির্মাণ ও গঠন বাক্যতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়। বাক্যের মধ্যে পদ ও বর্গ কীভাবে বিন্যস্ত থাকে, বাক্যতত্ত্ব তা বর্ণনা করে।
তাছাড়া এক ধরনের বাক্যকে অন্য ধরনের বাক্যে রূপান্তর, বাক্যের বাচ্য, উক্তি ইত্যাদি বাক্যতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়। কারক বিশ্লেষণ, বাক্যের যোগ্যতা, বাক্যের উপাদান লোপ, যতিচিহ্ন প্রভৃতি বাক্যতত্ত্বে আলোচনা করা হয়।
অন্যদিকে,
• 'ক্রিয়ার কাল' রূপতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।
• 'প্রতিশব্দ' ও 'বাগ্ধারা' নিয়ে ব্যাকরণের অর্থতত্ত্ব অংশে আলোচনা করা হয়ে থাকে।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১-সংস্করণ)।
আনী-প্রত্যয় যোগে গঠিত সংস্কৃত স্ত্রীবাচক শব্দ হলো:
বন - বনানী;
মাতুল - মাতুলানী;
অরণ্য - অরণ্যানি;
চৌধুরী - চৌধুরানী;
শেতাঙ্গ - শেতাঙ্গিনী;
বেদে - বেদেনী।
উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
Latitude - অক্ষাংশ
Coup - অভ্যুত্থান
Aesthetics - নান্দনিকতা
Successor - উত্তরাধিকার
উৎসঃ অক্সফোর্ড ডিকশনারি
আদায় - কাঁচকলায়, দা-কুমড়া ও অহি-নকুল - বাগধারাগুলোর অর্থ সমার্থক। এগুলোর অর্থ - ভীষণ শত্রুতা।
অন্যদিকে,
'গাছ পাথর' বাগধারাটির অর্থ হিসেব নিকেশ।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর বাংলা ব্যাকরণ বই ও ভাষা-শিক্ষা, ড.হায়াৎ মামুদ
রায় (Judgement) শব্দটি আরবি ভাষা থেকে আগত।
এর অর্থ - বিচারকের সিদ্ধান্ত; আদালতের বা বিচারকের বিচার-ফল।
- জবানবন্দি, নমুনা, দস্তখত এই শব্দগুলোর উৎস ফারসি।
উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান
• 'প্রবিষ্ট' এর বিপরীত শব্দ - প্রস্থিত।
গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিপরীত শব্দ:
- 'অনুরক্ত' এর বিপরীত শব্দ - বিরক্ত
- 'অনুমেয়' এর বিপরীত শব্দ - অননুমেয়
- 'নিয়ত' এর বিপরীত শব্দ - বিরত
- 'দরদি' এর বিপরীত শব্দ-নির্দয়
- 'উদ্ধত' এর বিপরীত শব্দ-বিনীত
- 'উগ্র' এর বিপরীত শব্দ-মৃদু / সৌম্য
- 'ঔদ্ধত্য' এর বিপরীত শব্দ-বিনয়
উৎস: ভাষা- শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• অক্ষর:
এর ইংরেজি নাম - syllable. অল্প প্রয়াসে যে ধ্বনি বা ধ্বনিগুচ্ছ একবারে উচ্চারিত হয় তাকে অক্ষর বলে। তাই একে শব্দাংশ ও বলা হয়।
অক্ষর মূলত দুই প্রকার।
যথা-
- মুক্তাক্ষর: টানা যাবে (যেমন- ক/লা)
- বদ্ধাক্ষর: টানা যাবে না (যেমন- দিন, রাত)
যেমন: 'বিশ্ববিদ্যালয়' শব্দে ৫টি অক্ষর রয়েছে (বি + শ্ব + বি + দ্যা + লয়)।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান; বাংলা কবিতার ছন্দ বিশ্লেষণ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
অগ্র দন্তমূলীয় বর্ণ:
- ত, থ, দ, ধ, ন, ল, স।
অন্যদিকে,
জিহ্বামূলীয় বর্ণ:
- ক, খ, গ, ঘ, ঙ।
অগ্রতালু বা তালব্য বর্ণ বর্ণ:
- চ, ছ, জ, ঝ, ঞ, শ, য, য়।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
• 'ঠুটো জগন্নাথ' এর সমার্থক বাগ্ধারা 'কুমড়ো কাটা বটঠাকুর'।
• 'ঠুটো জগন্নাথ' বাগ্ধারার অর্থ - অকর্মণ্য।
• 'কুমড়ো কাটা বটঠাকুর' বাগ্ধারার অর্থ - অকর্মণ্য লোক।
অন্যদিকে,
• ‘চিনে জোঁক’ অর্থ - নাছোড়বান্দা।
• তীর্থের কাক' অর্থ - সুযোগ সন্ধানী।
• 'খয়ের খাঁ' অর্থ - তোষামোদকারী।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম - দশম শ্রেণি (২০২১- সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• চোখ শব্দের সমার্থক শব্দ- নয়ন, লোচন, অক্ষি।
• সলিল শব্দের সমার্থক শব্দ নীর, পানি, জল, বারি ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।