বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Evidence Act, 1872

মোট প্রশ্ন১,৬৬৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Evidence Act, 1872

PrepBank · পাতা / ১৭ · ১০০ / ১,৬৬৪

.
একজন শিশুকে কীসের ভিত্তিতে যোগ্য সাক্ষী হিসেবে গণ্য করা হবে?
  1. বোধশক্তি
  2. বয়স
  3. শিক্ষাগত যোগ্যতা
  4. )সবগুলোর উপর
সঠিক উত্তর:
বোধশক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বোধশক্তি
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষীর যোগ্যতা: সাক্ষীর সাক্ষ্য দেওয়ার যোগ্যতা সম্পর্কে আলোচনা আছে ১১৮- ১৩১ ও ১৩৩ ধারায়।

সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারা- যে সাক্ষ্য দিতে পারে:
সকল ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানের যোগ্য, যদি আদালত মনে না করেন যে, তাহার অল্প বয়স, অতি বৃদ্ধ বয়স, দৈহিক বা মানসিক ব্যাধি বা অনুরূপ অন্য কোন কারণে তাহাদিগকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝিতে বা সেই প্রশ্নে যুক্তিসঙ্গত উত্তর দিতে তাঁহারা অক্ষম।

ব্যাখ্যা- কোন বিকৃত মস্তিক ব্যক্তি যদি তাহার মস্তিষ্ক বিকৃতির জন্য তাহাকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝিতে বা উহার যুক্তিসঙ্গত উত্তর দিতে অক্ষম না হয়, তবে সেই ব্যক্তি সাক্ষ্যদানে অযোগ্য হইবে না।

উক্ত ধারা অনুযায়ী প্রশ্ন বুঝে উত্তর দিতে সক্ষম সকল ব্যক্তি যোগ্য সাক্ষী। যেমন- বোধশক্তিসম্পন্ন শিশু, অল্পবয়স্ক বুদ্ধিমান বালক, প্রশ্ন বুঝে উত্তরদানে সক্ষম বিকৃতমস্তিস্কের ব্যক্তি; বোবা, জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝে উত্তরদানে সক্ষম ব্যক্তি। এক্ষেত্রে তাদের বয়স, দৈহিক বা মানসিক অবস্থা, শিক্ষাগত যোগ্যতা সাক্ষ্য প্রদানে বাধার সৃষ্টি করবে না।
-------------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section: 118. Who may testify:
-All persons shall be competent to testify unless the Court considers that they are prevented from understanding the questions put to them, or from giving rational answers to those questions, by tender years, extreme old age, disease, whether of body or mind, or any other cause of the same kind. 
 
Explanation.–A lunatic is not incompetent to testify, unless he is prevented by his lunacy from understanding the questions put to him and giving rational answers to them.
.
যখন কোন ঘটনা প্রমাণিত বা মিথ্যা প্রমাণিত নয়, তখন তাকে কি বলে?
  1. প্রমাণিত
  2. অপ্রমাণিত
  3. সত্য প্রমাণিত
  4. মিথ্যা প্রমাণিত
সঠিক উত্তর:
অপ্রমাণিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপ্রমাণিত
ব্যাখ্যা
⇒ প্রমাণিত (proved): কোন ঘটনা তখনই প্রমাণিত বলা হয় যখন আদালত এর উপর আনীত বিষয়সমূহ বিবেচনা করে ঘাটনাটির অস্তিত্ব আছে বলে হয় বিশ্বাস করেন অথবা এর অস্তিত্ব এতই সম্ভব বিবেচনা করেন যে, একজন বুদ্ধিবৃত্তি সম্পন্ন মানুষ বিশেষ ক্ষেত্রের পরিস্থিতি বিবেচনা করে এর অস্তিত্ব অনুমান করতে পারেন। 

⇒ মিথ্যা প্রমানিত (disproved): কোন ঘটনা তখনই মিথ্যা প্রমাণিত বলা হয় যখন আদালত এর উপর আনীত বিষয়সমূহ বিবেচনা করে ঘটনাটির অস্তিত্ব নেই বলে বিশ্বাস করেন অথবা এর অস্তিত্বহীনতা এতই সম্ভব বিবেচনা করেন যে, একজন বুদ্ধিবৃত্তি সম্পন্ন মানুষ বিশেষ ক্ষেত্রের পরিস্থিতি বিবেচনা করে এর অস্তিত্ব নেই বলে অনুমান করতে পারেন।

⇒ অপ্রমাণিত (not to be proved): কোন ঘটনা তখনই অপ্রমাণিত বলা হয় যখন তা প্রমাণিত বা মিথ্যা প্রমাণিত কোনটিই হয় না। (A fact is said not to be proved when it is neither proved nor disproved).

----------------
⇒ A fact is said to be proved when, after considering the matters before it, the Court either believes it to exist, or considers its existence so probable that a prudent man ought, under the circumstances of the particular case, to act upon the supposition that it exists.

⇒ A fact is said to be disproved when, after considering the matters before it, the Court either believes that it does not exist, or considers its non-existence so probable that a prudent man ought, under the circumstances of the particular case, to act upon the supposition that it does not exist.

⇒ A fact is said not to be proved when it is neither proved nor disproved.
.
What type of communications are protected under Section 129?
  1. Only written communications
  2. All communications between individuals
  3. Any communication made in a public place
  4. Confidential communications with legal advisers
সঠিক উত্তর:
Confidential communications with legal advisers
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Confidential communications with legal advisers
ব্যাখ্যা
Section 129: Confidential communications with legal advisers:
No one shall be compelled to disclose to the Court any confidential communication which has taken place between him and his legal professional adviser, unless he offers himself as a witness, in which case he may be compelled to disclose any such communications as may appear to the Court necessary to be known in order to explain any evidence which he has given, but no others.

সাক্ষ্য আইনের ১২৯ ধারা: আইন উপদেষ্টার সঙ্গে গোপন সংবাদের আদান-প্রদান:

কোন ব্যক্তি এবং তার পেশাদার আইন উপদেষ্টার ভিতর গোপনীয় বার্তার আদান-প্রদান হলে, সেই ব্যক্তি যদি মোকদ্দমার সাক্ষ্য দেয়ার ইচ্ছা প্রকাশ না করেন, তবে সে গোপনীয় আদান-প্রদানের বিষয় আদালতে ব্যক্ত করতে তাকে বাধ্য করা যাবে না। যদি তিনি সাক্ষ্য দেন, তবে তার দেয়া সাক্ষ্যের ব্যাখ্যার জন্য উক্ত গোপনীয় সংবাদ আদান- প্রদানের বিষয় আদালতের জানা প্রয়োজন হলে শুধু তাকে তা প্রকাশ করতে বাধ্য করা যাবে, অন্যথায় নয়।
.
'Opinion as to handwriting, when relevant'- সাক্ষ্য আইনের কোন ধারার বিষয়বস্তু কী?
  1. ৪২ ধারা
  2. ৪৬ ধারা
  3. ৪৭ ধারা
  4. ৪৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪৭ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৭ ধারা
ব্যাখ্যা
Section 47- Opinion as to handwriting, when relevant:
When the Court has to form an opinion as to the person by whom any document was written or signed, the opinion of any person acquainted with the handwriting of the person by whom it is supposed to be written or signed that it was or was not written or signed by that person, is a relevant fact.

Explanation.– A person is said to be acquainted with the handwriting of another person when he has seen that person write, or when he has received documents purporting to be written by that person in answer to documents written by himself or under his authority and addressed to that person, or when, in the ordinary course of business, documents purporting to be written by that person have been habitually submitted to him.

• সাক্ষ্য আইনের ৪৭ ধারা- হস্তলিপি সম্বন্ধে অভিমত যেক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক:
একটি দলিল কোন ব্যক্তির দ্বারা লিখিত অথবা স্বাক্ষরিত হয়েছে সে সম্বন্ধে আদালতকে যখন কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয়, তখন যে ব্যক্তির দ্বারা এটা লিখিত অথবা স্বাক্ষরিত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, সে ব্যক্তির দ্বারা এটা লিখিত বা স্বাক্ষরিত হচ্ছে বা হয়নি এ মর্মে উক্ত ব্যক্তির হস্তলিপির সঙ্গে পরিচিত কোন ব্যক্তির অভিমত প্রাসঙ্গিক পরিগণিত।

ব্যাখ্যা- এক ব্যক্তি যেক্ষেত্রে অন্য এক ব্যক্তিকে লিখতে দেখেছে অথবা যেক্ষেত্রে সে ব্যক্তির নিকট প্রেরিত নিজের লেখার বা নিজ কর্তৃত্বে লিখিত কোন নথির উত্তরে তার নিকট হতে তার দ্বারা লিখিত বলে প্রতীয়মান নথি পেয়েছে প্রতীয়মান কাগজপত্র বরাবর তার নিকট দাখিল হয়ে আসছে, সেক্ষেত্রে প্রথমোক্ত ব্যক্তির শেষোক্ত ব্যক্তির হস্তলিপির সঙ্গে পরিচিত বলে ধরা হয়।

⇒ উক্ত ধারামতে, একজন ব্যক্তির অভিমত অন্য ব্যক্তির হস্তলিপি বা হাতের লেখা প্রমাণের ক্ষেত্রে তখন প্রাসঙ্গিক হবে, যখন কোন ব্যক্তি-
- অপর ব্যক্তিকে লিখতে দেখেছে;
- অপর ব্যক্তির লিখিত কোন দলিল পেয়েছে;
- স্বাভাবিক কাজকর্ম হিসেবে যে ব্যক্তি অপর ব্যক্তির হাতের লেখার সাথে পরিচিত হয়েছে।
.
নিচের কোনটি সাক্ষ্য আইনের ৪৪ ধারার আওতায় পড়ে?
  1. আদালত রায় দেওয়ার ক্ষেত্রে ক্ষমতাসম্পন্ন ছিল না
  2. আদালতের রায় ষড়যন্ত্রমূলকভাবে নেওয়া হয়েছিল
  3. আদালতের রায় প্রতারণামূলকভাবে নেওয়া হয়েছিল
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৪৪ ধারা-
যে কোনো মামলা বা অন্যান্য কার্যধারার পক্ষ নিজেকে প্রমাণ করার জন্য দেখাতে পারে যে, যে কোনো রায়, আদেশ বা ডিক্রি, যা ৪০, ৪১ বা ৪২ ধারার অধীনে প্রাসঙ্গিক, এবং যা বিপক্ষ পক্ষ দ্বারা প্রমাণিত হয়েছে, তা হয় একটি অযোগ্য আদালত দ্বারা প্রদান করা হয়েছে অথবা প্রতারণা (Fraud) বা ষড়যন্ত্র (Collusion) করে প্রাপ্ত হয়েছে।

[Any party to a suit or other proceeding may show that any judgment, order or decree which is relevant under section 40, 41 or 42, and which has been proved by the adverse party, was delivered by a Court not competent to deliver it, or was obtained by fraud or collusion.]
.
সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী, কোন পরিস্থিতিতে একজন মৃত ব্যক্তির বিবৃতি প্রাসঙ্গিক হতে পারে?
  1. স্বার্থবিরোধী বিবৃতি
  2. উক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত বিবৃতি
  3. মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত বিবৃতি
  4. জীবিত থাকা অবস্থায় করা বিবৃতি
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত বিবৃতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত বিবৃতি
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত বিবৃতি।
→ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারায় বলা হয়েছে যে, যখন একজন ব্যক্তি মারা যান অথবা নিখোঁজ হন, তার তখনকার বিবৃতি কিছু বিশেষ পরিস্থিতিতে আদালতে গ্রহণযোগ্য হতে পারে। এর মধ্যে একটি হলো মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত বিবৃতি (dying declaration)। যদি কোনো ব্যক্তি মৃত্যুর পূর্বে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে বিবৃতি দিয়ে থাকে, তা তখন আদালতে গ্রহণযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবে, কারণ এই বিবৃতিটি সরাসরি তার মৃত্যুর কারণকে প্রমাণ করার জন্য ব্যবহৃত হতে পারে।
অন্য যে কোনো বিবৃতি, যেমন উক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত বা স্বার্থবিরোধী বিবৃতি, এই ধারায় প্রাসঙ্গিক নয়, কারণ এটি মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত নয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে, আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-
ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারণ সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যুকালীন ঘোষণা (dying declaration);
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি (statement made in course of business);
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরণের মামলার উদ্ভব করতে পারে (statement against interest of maker);
iv) সর্বসাধারণের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত (opinion as to public right or custom, or matters of general interest);
v) পারিবারিক দলিল বা উইল (statement made in will or deed relating to family affairs);
vi) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি (relates to existence of relationship);
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি (Statement made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question).
-----------
-The Evidence Act, 1872, Section-32: Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc., is relevant.
- When it relates to cause of death;
or is made in course of business;
or against interest of maker;
or gives opinion as to public right or custom, or matters of general interest;
or relates to existence of relationship;
or is made in will or deed relating to family affairs;
or in document relating to transaction mentioned in section 13, clause (a);
or is made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question

Illustrations:
(a) The question is, whether A was murdered by B; or
A dies of injuries received in a transaction in the course of which she was ravished. The question is whether she was ravished by B; or
The question is whether A was killed by B under such circumstances that a suit would lie against B by A's widow.
Statements made by A as to the cause of his or her death, referring respectively to the murder, the rape and the actionable wrong under consideration are relevant facts.
.
ত্রিশ বৎসরের পুরাতন দলিল সম্পর্কে আদালতের অনুমানের প্রকৃতি কি হইবে?
  1. দলিলটি চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof) 
  2. অবশ্যই সত্য বলিয়া ধরিয়া নিবেন (Shall presume)
  3. সত্য বলিয়া ধরিয়া নিতে পারেন (May presume)
  4. কোনটি নয়।
সঠিক উত্তর:
সত্য বলিয়া ধরিয়া নিতে পারেন (May presume)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সত্য বলিয়া ধরিয়া নিতে পারেন (May presume)
ব্যাখ্যা
⇒ ধারা ৯০ অনুযায়ী ৩০ বছরের পুরনো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয়বস্তুকে আদালত সঠিক মনে করবে যদি দলিলটি ৩০ বছরের পুরাতন হয় এবং আদালতের দৃষ্টিতে সঠিক হেফাজত হতে দলিলটি আদালতে দাখিল করা হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯০ ধারা অনুযায়ী ৩০ বছরের পুরানো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয় বস্তুকে আদালত সঠিক বলে মনে করতে পারে আবার নাও করতে পারে। ৯০ ধারায় বলা হয়েছে ৩০ বছরের পুরানো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয়বস্তুকে আদালত সঠিক বলে মনে করবে যদি দলিলটি সঠিক ব্যক্তির দখল থেকে আসে।

⇒ ৩০ বছরের পুরোনো দলিল সম্পর্কে আদালত May presume করেন। 

 ⇒৯০ ধারার অনুমান শুধুমাত্র মূল দলিলের জন্য। কোন প্রত্যয়িত কপি বা জাবেদা নকলের জন্য নয়।

⇒ এ ধারার বিধানের অনুযায়ী-

১. দলিলটি ৩০ বছরের পুরাতন হতে হবে।
২. দলিলটি সঠিক ব্যক্তির হেফাজত হতে আদালতে দাখিল করতে হবে।

⇒ Presumption as to documents thirty years old:
Section 90. Where any document, purporting or proved to be thirty years old, is produced from any custody which the Court in the particular case considers proper, the Court may presume that the signature and every other part of such document, which purports to be in the handwriting of any particular person, is in that person's handwriting, and, in the case of a document executed or attested, that it was duly executed and attested by the persons by whom it purports to be executed and attested. 
 
⇒ Explanation.-Documents are said to be in proper custody if they are in the place in which, and under the care of the person with whom, they would naturally be; but no custody is improper if it is proved to have had a legitimate origin, or if the circumstances of the particular case are such as to render such an origin probable. 
 This explanation applies also to section 81. 
.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৩২-এর মোট কতগুলো ক্ষেত্র বা পরিস্থিতি রয়েছে যা মৃত বা অক্ষম ব্যক্তির বিবৃতিকে প্রাসঙ্গিক করে?
  1. ৫টি 
  2. ৬টি
  3. ৮টি
  4. ১০টি
সঠিক উত্তর:
৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮টি
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৩২ অনুযায়ী, যখন কোনো ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অক্ষম হয়, তখন তার কিছু নির্দিষ্ট বিবৃতি প্রাসঙ্গিক হতে পারে। এই ধারায় নিম্নলিখিত ৮টি পরিস্থিতি অন্তর্ভুক্ত:
১) মৃত্যুকালীন ঘোষণা (dying declaration) — যখন ব্যক্তি মারা যাওয়ার পূর্বে কোনো ঘটনার সম্পর্কে মন্তব্য করেন।
২) ব্যবসার কার্যক্রমে বিবৃতি (statement made in course of business) — যখন কোনো ব্যক্তি তার ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে বিবৃতি দেন।
৩) স্বার্থবিরোধী বিবৃতি (statement against interest) — যে বিবৃতি ব্যক্তির নিজের স্বার্থের বিরুদ্ধে চলে।
৪) জনস্বার্থ বা প্রথা সংক্রান্ত বিবৃতি (opinion as to public right or custom) — যখন কোনো ব্যক্তি সর্বসাধারণের অধিকার বা প্রথা সম্পর্কিত বিবৃতি দেন।
৫) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্পর্কিত বিবৃতি (relates to existence of relationship) — আত্মীয়তার অস্তিত্বের ব্যাপারে বিবৃতি।
৬) পারিবারিক দলিল বা উইলে করা বিবৃতি (statement made in will or deed relating to family affairs) — উইল বা পারিবারিক দলিলে করা বিবৃতি।
৭) লেনদেন সংক্রান্ত দলিলের বিবৃতি- "transaction mentioned in section 13, clause (a)"ধারা ১৩-এর (ক) অংশে উল্লেখিত লেনদেন সংক্রান্ত দলিলের বিবৃতি।
৮) কিছু ব্যক্তির প্রদত্ত বিবৃতি (statement made by several persons) — যখন একাধিক ব্যক্তি একটি বিশেষ বিষয় সম্পর্কে একই মতামত দেন।
-----------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section-32: Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc., is relevant.
- When it relates to cause of death;
or is made in course of business;
or against interest of maker;
or gives opinion as to public right or custom, or matters of general interest;
or relates to existence of relationship;
or is made in will or deed relating to family affairs;
or in document relating to transaction mentioned in section 13, clause (a);
or is made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question

.
মোকদ্দমার এক পক্ষ অন্য পক্ষকে কোনো দলিল উপস্থাপনের জন্য নোটিশ দিলে এবং সেই দলিল উপস্থাপন করা হলে, তাহলে কার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সেই দলিল প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে?
  1. আদালত
  2. দলিল পর্যালোচনাকারী পক্ষ
  3. নোটিশ প্রদানকারী পক্ষ
  4. দলিল উপস্থাপনকারী পক্ষ
সঠিক উত্তর:
দলিল উপস্থাপনকারী পক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিল উপস্থাপনকারী পক্ষ
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১৬৩ ধারা:
"যদি এক পক্ষ অন্য পক্ষকে একটি দলিল উপস্থাপনের জন্য নোটিশ দেয় এবং সেই দলিল উপস্থাপন ও পর্যালোচনা করা হয়, তাহলে প্রথম পক্ষকে সেই দলিল প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করতে দিতে হবে, যদি দলিল উপস্থাপনকারী পক্ষ সেটা চায়।"

[When a party calls for a document which he has given the other party notice to produce, and such document is produced and inspected by the party calling for its production, he is bound to give it as evidence if the party producing it requires him to do so.]
১০.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১১ অনুযায়ী, সাধারণত অপ্রাসঙ্গিক কোন তথ্য প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠে?
  1. যদি তা সাক্ষীর ব্যক্তিগত মতামত হয়
  2. যদি তা আদালতের পূর্ববর্তী রায়ের সাথে মেলে
  3. যদি তা মামলার সাথে অপ্রত্যক্ষভাবে সম্পর্কিত হয়
  4. যদি তা বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক তথ্যের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয়
সঠিক উত্তর:
যদি তা বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক তথ্যের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি তা বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক তথ্যের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১১ (Section 11: When facts not otherwise relevant become relevant) অনুযায়ী, সাধারণভাবে যে তথ্যগুলো প্রাসঙ্গিক নয়, সেগুলোও দুটি শর্তে প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে:
১. যদি সেই তথ্যটি বিচার্য বিষয় (fact in issue) অথবা প্রাসঙ্গিক তথ্যের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ (inconsistent) হয়।
২. অথবা, সেই তথ্য নিজে বা অন্য তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে বিচার্য বিষয়ের অস্তিত্ব বা অনস্তিত্বকে অত্যন্ত সম্ভাব্য বা অসম্ভব করে তোলে।

উদাহরণ (Illustration):
A-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ—সে চট্টগ্রামে একটি অপরাধ করেছে। যদি দেখা যায়, ঐ সময় সে ঢাকায় ছিল, তাহলে সেই তথ্যটি সাধারণভাবে অপরাধের বিবরণ না হলেও প্রাসঙ্গিক হয়ে যায়, কারণ এটি তার অপরাধ করার সম্ভাবনাকে কমিয়ে দেয়।

অপশন বিশ্লেষণ:
ক) সাক্ষীর ব্যক্তিগত মতামত ⇒ এটি সাক্ষ্য আইনে সাধারণত অগ্রহণযোগ্য, যদি না সে বিশেষজ্ঞ হয় (ধারা ৪৫)।
খ) আদালতের পূর্ববর্তী রায়ের সাথে মেলে ⇒ এটা res judicata বা অন্য ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে, কিন্তু ১১ ধারার অন্তর্গত নয়।
গ) মামলার সাথে অপ্রত্যক্ষভাবে সম্পর্কিত ⇒ শুধুমাত্র পরোক্ষ সম্পর্ক থাকলে তা যথেষ্ট নয়; প্রাসঙ্গিকতা বিচার্য বিষয়ের সম্ভাবনা বৃদ্ধির ওপর নির্ভর করে।
ঘ) যদি তা বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক তথ্যের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয় ⇒ সঠিক, কারণ এটি ধারা ১১ এর সরাসরি ভাষা অনুসারে প্রাসঙ্গিক করে তোলে।

তাই সঠিক উত্তর: ঘ) যদি তা বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক তথ্যের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয়।

⇒ The Evidence Act, 1872, Section-11. When facts not otherwise relevant become relevant:
- Facts not otherwise relevant are relevant–
(1) If they are inconsistent with any fact in issue or relevant fact;
(2) If by themselves or in connection with other facts they make the existence or non-existence of any fact in issue or relevant fact highly probable or improbable.

Illustrations:
(a) The question is whether A committed a crime at Chittagong on a certain day.
The fact that, on that day, A was at [Dhaka] is relevant.
The fact that, near the time when the crime was committed, A was at a distance from the place where it was committed, which would render it highly improbable, though not impossible, that he committed it, is relevant.
(b) The question is, whether A committed a crime.
The circumstances are such that the crime must have been committed either by A, B, C or D. Every fact which shows that the crime could have been committed by no one else and that it was not committed by either B, C or D, is relevant.
১১.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৪৩ অনুযায়ী, Leading questions কখন করা যায়?
  1. জেরায়
  2. পুনঃজিজ্ঞাসাবাদে
  3. মূল জিজ্ঞাসাবাদে
  4. কোনোটিতেই নয়
সঠিক উত্তর:
জেরায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেরায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৪৩-এ বলা হয়েছে:
"Leading questions may be asked in cross-examination."
অর্থাৎ লিডিং প্রশ্ন জেরা (Cross-examination)-তে করা যেতে পারে।

- ধারা ১৪১ অনুসারে: লিডিং প্রশ্ন হলো এমন প্রশ্ন যা এমন উত্তর ইঙ্গিত করে যা প্রশ্নকারী চায় বা প্রত্যাশা করে।
- ধারা ১৪৩ অনুযায়ী, জেরা চলাকালীন লিডিং প্রশ্ন করা বৈধ এবং তা সাক্ষ্য যাচাইয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- তবে প্রধান জিজ্ঞাসাবাদ বা পুনঃজিজ্ঞাসাবাদে এমন প্রশ্ন করতে চাইলে আদালতের অনুমতি প্রয়োজন হয় (ধারা ১৪২)।

উদাহরণ:
"তুমি তো অপরাধীর সাথে দেখা করেছিলে, তাই না?"
-এটি একটি লিডিং প্রশ্ন, কারণ এতে উত্তরদাতার কাছে নির্দিষ্ট উত্তর ইঙ্গিত করা হয়েছে।
১২.
'B', 'A'- কে একটি অপরাধ করতে দেখেছে, 'B'-নিজে আদালতে না এসে 'C' কে এটি বলে। 'C' আদালতে এসে বলে যে, সে শুনেছে যে 'B' 'A'- কে অপরাধ করতে দেখেছে। তাহলে 'C' এর সাক্ষ্য আদালতে-
  1. সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহনযোগ্য
  2. সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহনযোগ্য নয়
  3. মৌখিক সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহনযোগ্য
  4. গ্রহনযোগ্যতা আদালতের বিবেচনামূলক
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহনযোগ্য নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহনযোগ্য নয়
ব্যাখ্যা
⇒ পরোক্ষ বা জনশ্রুত সাক্ষ্য (indirect/hearsay evidence)- পরোক্ষ বা জনশ্রুত সাক্ষ্য হলো তাই যা আদালতে উপস্থিত সাক্ষী পূর্বে অন্য সাক্ষীর নিকট থেকে শোনাক্রমে প্রদান করে।
-অর্থাৎ নিজে না দেখে অন্যের কাছ থেকে শুনে যে সাক্ষ্য দেয়া হয়। তাকে পরোক্ষ বা জনশ্রুত সাক্ষ্য বা hearsay evidence বলে। জনশ্রুত সাক্ষ আদালতে গ্রহনযোগ্য নয়
⇒ এখানে 'B', 'A'- কে একটি অপরাধ করতে দেখে তাহলে নিয়ম হলো, 'B'-নিজে ৬০ ধারার অধীনে আদালতে এসে এ বিষয়ে সাক্ষ্য দেবে। কিন্তু 'B' না এসে 'C' এসে বলে যে, সে শুনেছে যে 'B' 'A'- কে অপরাধ করতে দেখেছে তাহলে এটি জনশ্রুত সাক্ষ্য বলে গণ্য হবে, যা গ্রহনযোগ্য নয়।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারার বিধান মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবে মৌখিক সাক্ষ্য সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবে,
অর্থাৎ সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি দেখা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে, সে উহা দেখিয়াছে তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।
⇒ সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি শোনা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে সে উহা শুনিয়াছে, তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।
⇒ জনশ্রুত সাক্ষ্য (hearsay evidence) ধরনের মৌখিক সাক্ষ্য সাধারণত গ্রহণযোগ্য নয়।
----------------
⇒ Section 60. Oral evidence must be direct
Oral evidence must, in all cases whatever, be direct; that is to say- 
if it refers to a fact which could be seen, it must be the evidence of a witness who says he saw it; 
if it refers to a fact which could be heard, it must be the evidence of a witness who says he heard it;
১৩.
ফৌজদারি কার্যধারায় অভিযুক্ত ব্যক্তির খারাপ চরিত্র সাধারণত কখন প্রাসঙ্গিক হয়?
  1. আদালত ইচ্ছা করলে
  2. যদি সে কোনো গুরুতর অপরাধ করে
  3. যদি তার ভালো চরিত্র সম্পর্কে প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়
  4. কোনো ক্ষেত্রেই নয়
সঠিক উত্তর:
যদি তার ভালো চরিত্র সম্পর্কে প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি তার ভালো চরিত্র সম্পর্কে প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪: আগের খারাপ চরিত্র সম্পর্কিত তথ্য অপ্রাসঙ্গিক, তবে প্রতিক্রিয়াস্বরূপ প্রাসঙ্গিক হতে পারে:ণ
ফৌজদারি কার্যধারায় অভিযুক্ত ব্যক্তির পূর্বের খারাপ চরিত্র সাধারণত অপ্রাসঙ্গিক। তবে, যদি তার ভালো চরিত্র সম্পর্কে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়, তাহলে তার খারাপ চরিত্র সম্পর্কিত প্রমাণও প্রাসঙ্গিক হয়ে যায়।

ব্যাখ্যা ১:
এই ধারা সেইসব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় যেখানে কোনো ব্যক্তির খারাপ চরিত্র নিজেই একটি বিবেচ্য বিষয় (Fact in Issue)।

ব্যাখ্যা ২:
আগের কোনো দণ্ডাদেশ (Conviction) খারাপ চরিত্রের প্রমাণ হিসেবে প্রাসঙ্গিক হতে পারে।
১৪.
নিম্নের কোনটি সরকারি দলিল (Public Document) হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. নিবন্ধিত বিক্রয় দলিল
  2. হাইকোর্ট বিভাগের রায় 
  3. দেওয়ানি আদালতের রায় 
  4. অনিবন্ধিত পারিবারিক বাটোয়ারা দলিল
সঠিক উত্তর:
অনিবন্ধিত পারিবারিক বাটোয়ারা দলিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনিবন্ধিত পারিবারিক বাটোয়ারা দলিল
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৭৪ অনুযায়ী নিবন্ধিত বিক্রয় দলিল, হাইকোর্ট বিভাগের রায়, দেওয়ানি আদালতের রায়,সরকারি দলিল  কারণ এগুলো বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের অংশ এবং সরকারি রেকর্ড হিসেবে সংরক্ষিত হয়। তাই অনিবন্ধিত পারিবারিক বাটোয়ারা দলিল সরকারি দলিল নয়।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২,ধারা ৭৪,সরকারি দলিল: নিম্নলিখিত দলিলসমূহ সরকারি দলিল (Public Documents) হিসেবে গণ্য হবে-
(১) যে সকল দলিল 
(i) সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের,
(ii) সরকারি সংস্থা ও ট্রাইব্যুনালের, এবং
(iii) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের বা বিদেশের কোনো অংশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় সরকারি কর্মকর্তার কার্য বা কার্য্যের বিবরণ।
(২) বাংলাদেশে সরকারিভাবে সংরক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ  বিবরণ।
---------------------------
⇒ The Evidence Act, 1872: Section- 74. Public documents:
The following documents are public documents:-
(1) documents forming the acts or records of the acts-
(i) of the sovereign authority,
(ii) of official bodies and tribunals, and
(iii) of public officers, legislative, judicial and executive of any part of Bangladesh or of the Commonwealth, or of a foreign country;
(2) public records kept in Bangladesh of private documents.

১৫.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী কম্পিউটার আউটপুট গ্রহণযোগ্য হওয়ার জন্য নিচের কোন শর্ত পূরণ করতে হবে না?
  1. কম্পিউটারটি নিয়মিত তথ্য সংরক্ষণ বা প্রক্রিয়াকরণের জন্য ব্যবহৃত হয়েছে
  2. তথ্যটি নিয়মিতভাবে কম্পিউটারে প্রবেশ করানো হয়েছে
  3. কম্পিউটারটি সবসময় সঠিকভাবে কাজ করেছে
  4. তথ্যটি মূল দলিল থেকে হাতে লেখা হয়েছে
সঠিক উত্তর:
তথ্যটি মূল দলিল থেকে হাতে লেখা হয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তথ্যটি মূল দলিল থেকে হাতে লেখা হয়েছে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬৫খ(২) অনুযায়ী, কম্পিউটার আউটপুট গ্রহণযোগ্য হওয়ার জন্য কিছু নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করতে হবে। এই শর্তগুলো হলো:
(a) কম্পিউটার আউটপুটটি এমন একটি সময়ে উৎপাদিত হয়েছে যখন কম্পিউটারটি নিয়মিতভাবে তথ্য সংরক্ষণ বা প্রক্রিয়াকরণের জন্য ব্যবহৃত হয়েছে।
(b) সেই সময়ে, ডিজিটাল রেকর্ডে থাকা তথ্য বা যে তথ্য থেকে এটি উদ্ভূত হয়েছে, তা নিয়মিতভাবে কম্পিউটারে প্রবেশ করানো হয়েছে।
(c) সেই সময়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশে কম্পিউটারটি সঠিকভাবে কাজ করছিল, অথবা যদি কোনো সময়ে ত্রুটি থাকে, তবে তা রেকর্ড বা এর সঠিকতাকে প্রভাবিত করেনি।
(d) ডিজিটাল রেকর্ডে থাকা তথ্যটি সেই কার্যক্রমের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় কম্পিউটারে প্রবেশ করানো তথ্য থেকে উৎপন্ন বা প্রতিলিপি।

⇒ এখন প্রশ্নে দেওয়া অপশন গুলো বিশ্লেষণ করে:
ক) কম্পিউটারটি নিয়মিত তথ্য সংরক্ষণ বা প্রক্রিয়াকরণের জন্য ব্যবহৃত হয়েছে।
- এটি ধারা 65B(2)(a) অনুযায়ী একটি প্রয়োজনীয় শর্ত। তাই এটি পূরণ করতে হবে।
খ) তথ্যটি নিয়মিতভাবে কম্পিউটারে প্রবেশ করানো হয়েছে।
এটি ধারা 65B(2)(b) অনুযায়ী একটি প্রয়োজনীয় শর্ত। তাই এটিও পূরণ করতে হবে।
গ) কম্পিউটারটি সবসময় সঠিকভাবে কাজ করেছে।
ধারা 65B(2)(c) অনুযায়ী, কম্পিউটারটি সাধারণত সঠিকভাবে কাজ করা উচিত, তবে এটি "সবসময়" সঠিকভাবে কাজ করার শর্ত নয়। যদি কোনো সময়ে ত্রুটি থাকে এবং তা রেকর্ডের সঠিকতাকে প্রভাবিত না করে, তবুও আউটপুট গ্রহণযোগ্য হবে। তাই এটি একটি শর্ত হলেও "সবসময়" শব্দটি কঠোরভাবে প্রযোজ্য নয়। তবে এটি ভুল উত্তর নয়, কারণ এটি আংশিকভাবে শর্তের সাথে সম্পর্কিত।

ঘ) তথ্যটি মূল দলিল থেকে হাতে লেখা হয়েছেধারা ৬৫খ-এ কম্পিউটার আউটপুটের ক্ষেত্রে "হাতে লেখা" তথ্যের কোনো উল্লেখ নেই।
বরং, তথ্যটি কম্পিউটারে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় প্রবেশ করানো এবং ডিজিটালভাবে উৎপাদিত হওয়ার কথা বলা হয়েছে। হাতে লেখা তথ্য কম্পিউটার আউটপুটের সংজ্ঞার বাইরে।
- তাই এটি কোনো শর্ত নয় এবং পূরণ করার প্রয়োজন নেই।

- অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬৫খ অনুযায়ী, কম্পিউটার আউটপুট গ্রহণযোগ্য হওয়ার জন্য "তথ্যটি মূল দলিল থেকে হাতে লেখা হয়েছে" (ঘ) শর্ত পূরণ করতে হবে না। এটি ধারা ৬৫খ-এর কোনো শর্তের সাথে সম্পর্কিত নয়।

⇒ The Evidence Act, 1872- Section 65B: Admissibility of Digital Records:
(2) The conditions referred to in sub-section (1) in respect of a computer output shall be the following, namely :-
(a) the computer output containing the information was produced by the computer during the period over which the computer was used regularly to store or process information for the purposes or any activities regularly carried on over that period by the person having lawful control over the use of the computer;
(b) during the said period, information of the kind contained in the digital record or of the kind from which the information so contained is derived was regularly fed into the computer in the ordinary course of the said activities;
(c) throughout the material part of the said period, the computer was operating properly or, if not, then in respect of any period in which it was not operating properly or was out of operation during that part of the period, was not such as to affect the digital record or the accuracy of its contents; and
(d) the information contained in digital record reproduces or is derived from such information fed into the computer in the ordinary course of the said activities.
১৬.
ধারা ৯৫ অনুসারে, দলিলের ভাষা যদি বাস্তব অবস্থার সঙ্গে মিলে না যায়, তখন-
  1. দলিল বাতিল হবে
  2. নতুন দলিল করতে হবে
  3. প্রমাণ দেওয়া যাবে যে ভাষাটি বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছিল
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
প্রমাণ দেওয়া যাবে যে ভাষাটি বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রমাণ দেওয়া যাবে যে ভাষাটি বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছিল
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৯৫ – বিদ্যমান বাস্তব অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে দলিলের ভাষা অর্থহীন হলে প্রমাণ:
যখন কোনো দলিলে ব্যবহৃত ভাষা আপাতদৃষ্টিতে পরিষ্কার ও নির্ভুল হলেও বিদ্যমান বাস্তবতার সাথে তা অর্থবোধক না হয়, তখন এটি প্রমাণের জন্য সাক্ষ্য প্রদান করা যেতে পারে যে ভাষাটি বিশেষ কোনো অর্থে ব্যবহার করা হয়েছিল।

উদাহরণ:
- ক ‘খ’-কে একটি দলিলের মাধ্যমে বলে “আমার ঢাকা শহরের বাড়ি খ’-কে বিক্রি করলাম”।
- কিন্তু ক-এর ঢাকায় কোনো বাড়ি নেই, তবে দেখা যায় যে তার নারায়ণগঞ্জে একটি বাড়ি ছিল, এবং খ দলিল সম্পাদনের পর থেকে সেই বাড়ির দখলে ছিল।
- এসব বিষয় প্রমাণ করা যেতে পারে, যেন বোঝা যায় দলিলটি মূলত নারায়ণগঞ্জের বাড়ির জন্য প্রযোজ্য।

১৭.
The Evidence Act,1872 এর ধারা ২৩ কোন ধরনের মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. কেবল ফৌজদারি মামলা
  2. কেবল দেওয়ানি মামলা
  3. ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম
  4. দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলা
সঠিক উত্তর:
কেবল দেওয়ানি মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেবল দেওয়ানি মামলা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৩ ধারার বিধান: দেওয়ানি মোকদ্দমায় স্বীকৃতি যখন প্রাসঙ্গিক:
দেওয়ানি মোকদ্দমায় কোন স্বীকৃতি যদি এরূপ প্রকাশ্য শর্তাধীন করা হয় যে, ঐ সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া হবে না অথবা যদি এরূপ পরিস্থিতিতে করা হয় যে, তা সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া হবে না বলে পক্ষগণের মধ্যে চুক্তি হয়েছে বলে আদালত অনুমান করতে পারেন, তবে তা প্রাসঙ্গিক হবে না।
ব্যাখ্যা: কোন অ্যাডভোকেট ১২৬ ধারা অনুসারে কোন বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য থাকলে এই ধারার কোন বিধান অনুসারে তিনি সাক্ষ্য দেওয়া হতে অব্যাহতি পাবে না।

⇒ দেওয়ানি মোকদ্দমায় স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক নয় যদি-
- স্বীকৃতিটি এই শর্তে করা হয় যে উক্ত স্বীকারোক্তি সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না।
- সাক্ষ্য না দেয়ার জন্য পক্ষগণের মধ্যে কোন চুক্তি থাকলে।

Section 23: Admissions in civil cases when relevant:
In civil cases no admission is relevant, if it is made either upon an express condition that evidence of it is not to be given, or under circumstances from which the Court can infer that the parties agreed together that evidence of it should not be given.
Explanation.– Nothing in this section shall be taken to exempt any Advocate from giving evidence of any matter of which he may be compelled to give evidence under section 126.
১৮.
একটি সশস্ত্র অভ্যুত্থানে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার জন্য A অভিযুক্ত। উক্ত অভ্যুত্থানের সময় X নামক স্থানে জনগণের সম্পত্তি বিনষ্ট করা হয়, Y নামক স্থানে নিরাপত্তা রক্ষীদের এবং অন্যান্য সেনাবাহিনীকে আক্রমণ করা হয় এবং Z নামক স্থানে সংশোধনাগার ভেঙ্গে অনেক বন্দীকে মুক্ত করার চেষ্টা করা হয়। A শুধুমাত্র X স্থানে উপস্থিত ছিল কিন্তু Y এবং Z নামক স্থানে উপস্থিত ছিলনা। A এর বিচারের ক্ষেত্রে A এর বিরুদ্ধে
  1. Y এবং Z নামক স্থানে সংঘটিত ঘটনা প্রাসঙ্গিক হবেনা
  2. X নামক স্থানে সংঘটিত ঘটনা প্রাসঙ্গিক হবে কিন্তু Y এবং Z নামক স্থানে সংঘটিত ঘটনা প্রাসঙ্গিক হবেনা
  3. X, Y এবং Z নামক স্থানে সংঘটিত ঘটনা প্রাসঙ্গিক হবেনা কারণ A সকল স্থানে উপস্থিত ছিলনা
  4. X, Y এবং Z নামক স্থানে সংঘটিত ঘটনা প্রাসঙ্গিক হবে যদিও A সকল স্থানে উপস্থিত ছিলনা।
সঠিক উত্তর:
X, Y এবং Z নামক স্থানে সংঘটিত ঘটনা প্রাসঙ্গিক হবে যদিও A সকল স্থানে উপস্থিত ছিলনা।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
X, Y এবং Z নামক স্থানে সংঘটিত ঘটনা প্রাসঙ্গিক হবে যদিও A সকল স্থানে উপস্থিত ছিলনা।
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ৬ ধারায় এর বিধান আছে। যেহেতু সশস্ত্র অভ্যুত্থানের অংশ হিসাবে X,Y এবং Z নামক স্থানে বিভিন্ন ঘটনা ঘটানো হয়েছে, তাই A এর বিচারের ক্ষেত্রে A এর বিরুদ্ধে উক্ত সকল ঘটনা একই কার্যের অংশ হিসাবে বা Resgestae নীতি অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক হবে। উক্ত সকল ঘটনার ক্ষেত্রে A উপস্থিত ছিল কিনা বা সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছিল কিনা তা বিবেচ্য বিষয় না বা উক্ত ঘটনাসমূহ একই স্থানে এবং একই সময়ে সংঘটিত হয়েছে কিনা তা বিবেচ্য বিষয় না।
♦Res Gestae বা 'একই কার্যের অংশ - Res Gestae (রেস গেস্টাই) অর্থ হলো একই কাজের অংশ বিশেষ বা একই Transaction এ সংগঠিত অনেকগুলো ঘটনা। অর্থাৎ কোন একটি কাজ করতে গিয়ে উক্ত কাজের ধারাবাহিকতায় অন্য যেসব কাজ করা হয় বা পারিপার্শ্বিক অবস্থা তা ঐ একই কাজের ধারাবাহিক অংশ হিসেবে Res Gestae বলে পরিচিত।
♦সাক্ষ্য আইনের ৬ ধারায় Res gestae নীতিটি কি সেটা উল্লেখ করা হয়েছে এবং ৭, ৮, ৯ এবং ১৪ ধারায় ব্যাখ্যা করা হয়েছে। সংঘটিত ব্যাপার বা Res gestae সেই সকল বিষয়কে বোঝায় যেগুলো একই কার্যের (Same Transaction) অংশ গঠন করে।
১৯.
A একটি হারিয়ে যাওয়া দলিলের বিষয়বস্তু মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। দলিলটি যে হারিয়ে গেছে তা প্রমাণ করার দায়ভার-
  1. আদালতের
  2. যে ব্যক্তি হারিয়েছে তার
  3. রেজিস্ট্রাট অফিসারের
  4. A এর উপর
সঠিক উত্তর:
A এর উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A এর উপর
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারা অনুযায়ী দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দেওয়া যেতে পারে যখন মূল দলিলটি বিনষ্ট হয়েছে বা হারিয়ে গেছে[ধারা ৬৫ (গ)]। অর্থাৎ আদালত দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণে মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারে যদি মূল দলিলটি বিনষ্ট বা হারিয়ে যায়। এখন প্রশ্ন হল দলিলটি যে বিনষ্ট বা হারিয়ে গেছে তা প্রমানের দায়িত্ব কার। ১০৪ ধারা অনুযায়ী যে ব্যক্তি দলিলের বিষয়বস্তু মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করতে চায়, তাকে প্রমাণ করতে হবে যে দলিলটি বিনষ্ট হয়েছে বা হারিয়ে গেছে।
২০.
ধারা ৮৯ক এর অধীন শারীরিক বা ফরেনসিক সাক্ষ্যের ক্ষেত্রে আদালত-
  1. কোনো অনুমান করবে না
  2. শুধুমাত্র সাক্ষ্য সম্পর্কে অনুমান করতে পারে
  3. যে সংগ্রহ করেছে, তার সম্পর্কে আদালত অনুমান করতে পারে
  4. যার থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে, তার সম্পর্কে আদালত অনুমান করতে পারে
সঠিক উত্তর:
যার থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে, তার সম্পর্কে আদালত অনুমান করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যার থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে, তার সম্পর্কে আদালত অনুমান করতে পারে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৮৯ক: শারীরিক বা ফরেনসিক সাক্ষ্য হিসাবে অনুমান:

আদালত অনুমান করতে পারে যদি না বিপরীত প্রমাণিত হয় যে, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণগুলি সেই ব্যক্তির অন্তর্গত বা তৈরি করা হয়েছে যার কাছ থেকে এটি সংগ্রহ করা হয়েছে।
[The court may presume, unless the contrary is proved, that the physical or forensic evidence was contained in or made by the person from whom it was obtained.]

অর্থাৎ শারীরিক বা ফরেনসিক সাক্ষ্য যার থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে, তার সম্পর্কে আদালত অনুমান করতে পারে।
২১.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী নিম্নের কোন ঘটনা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাবে?
  1. প্রাসঙ্গিক ঘটনা
  2. বিচার্য ঘটনা
  3. সম্ভাব্য ঘটনা
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫ ধারার বিধান বিচার্য ঘটনা ও প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাইতে পারে:

⇒ কোন মামলায় বা কার্যক্রমে বিচার্য প্রত্যেক বিষয়ের এবং এই আইনের অতঃপর যে সকল বিষয় প্রাসঙ্গিক বলিয়া ঘোষিত হইয়াছে তাহাদের অস্তিত্ব বা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাইতে পারে। ইহা ভিন্ন অন্য কোন বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাইবে না।

⇒ ব্যাখ্যাঃ দেওয়ানী কার্যবিধি সম্পর্কে বর্তমান প্রচলিত কোন আইন অনুসারে কোন ব্যাক্তি যে বিষয় প্রমাণ করার অধিকার নহে, এই ধারা অনুসারে সেই ব্যাক্তি সেই বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য দিতে পারে না।

--------------
⇒ Evidence may be given of facts in issue and relevant facts:

Section 5. Evidence may be given in any suit or proceeding of the existence or non-existence of every fact in issue and of such other fact as are hereinafter declared to be relevant, and of no others. 
 
Explanation.-This section shall not enable any person to give evidence of a fact which he is disentitled to prove by any provision of the law for the time being in force relating to Civil Procedure.
২২.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী কোনটি সরকারি দলিল নয়?
  1. আরজি
  2. উইল
  3. জন্ম সনদ
  4. সংসদের আইন
সঠিক উত্তর:
উইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উইল
ব্যাখ্যা
→ উল্লিখিত প্রশ্নে সাক্ষ্য আইনের অনুযায়ী উইল সরকারি দলিল নয়। অন্যদিকে আরজি, জন্ম সনদ, সংসদের আইন সরকারি দলিল।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ থেকে ৭৮ ধারায় সরকারী দলিল সংক্রান্ত বিধানসমূহ আলোচনা করা হয়েছে। সমগ্র বাংলাদেশের দলিলগুলোকে সাক্ষ্য আইন মতে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
১. সরকারী দলিল (Public Document); এবং ২. বেসরকারী/ব্যক্তিগত দলিল (Private Document).

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারার বিধান সরকারী দলিল (Public Document)- সরকারীভাবে রক্ষিত দলিলকে সরকারী দলিল বা Public document বলে। কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ যেমন-সংসদের আইন, সরকারি সংস্থা বা ট্রাইবুনাল সমূহের নথিপত্র অর্থাৎ দেশী বিদেশী আইন, বিচার বা শাসন বিভাগীয় কোন কর্মচারীর কার্যাবলির লিখিত বিবরণ ও নথিপত্রকে সরকারী দলিল বা Public Document বলে।
- অন্যভাবে বলা যায়, সরকারী দলিল বলতে সেই সমস্ত দলিলকে বোঝায় যে সমস্ত দলিল কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের সরকারী প্রতিষ্ঠানে বা ট্রাইব্যুনালের এবং বাংলাদেশের কোন অংশের বা কমনওয়েলথের বা বিদেশে সরকারী অফিসার, আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কার্যাবলী বা কাজের লিপিবদ্ধ বিবরণকে অন্তর্ভুক্ত করে।

- সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারা মতে নিম্নলিখিত দলিল গুলি সরকারী দলিল:
(১) যে সমস্ত দলিল (ক) কোন সাবভৌম কর্তৃপক্ষের, (খ) সরকারী প্রতিষ্ঠান বা ট্রাইব্যুনালের এবং (গ) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের কোন অংশের অথবা বিদেশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কোন অফিসারের কার্য অথবা কার্যের লিপিবদ্ধ বিবরণ।
(২) বাংলাদেশে সরকারীভাবে রক্ষিত ব্যাক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ বিবরণ।

- সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারায় সরকারি দলিলের কোনো তালিকা না দিয়ে এর বৈশিষ্ট বলে দেওয়া হয়েছে। আদালতের ডিক্রি, আদেশ, আরজি তা যখন আদালতে দাখিল করা হয় এবং সমনের আসল এগুলো সবই আদালতের কার্যক্রমের অংশ। সুতরাং এগুলো সবই সরকারি দলিল হিসেবে গণ্য হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৫ ধারার বিধান বেসরকারি দলিল (Private document)- সরকারি দলিল ব্যতীত সকল দলিলই বেসরকারি বা ব্যক্তিগত দলিল । কবিতা, উইল, বিক্রয় চুক্তি, দানপত্র, মূল বিক্রয় দলিল, কবলা দলিল, চিঠিপত্র সবই বেসরকারি দলিল বা Private document.
২৩.
সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারা অনুসারে, যদি শুধুমাত্র দুষ্কর্মের সহযোগীর সাক্ষ্যের ভিত্তিতে আসামীকে দণ্ড দেওয়া হয়, তাহলে ঐ দণ্ড-
  1. বেআইনী হবে
  2. বাতিলযোগ্য হবে
  3. আপিলযোগ্য হবে না
  4. বেআইনী হবে না
সঠিক উত্তর:
বেআইনী হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেআইনী হবে না
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩৩- দুষ্কর্মের সহযোগী:
আসামীর বিরুদ্ধে দুষ্কর্মের সহযোগী সাক্ষ্য দেয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলে পরিগণিত হবেন। আসামীকে দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সাজা দেয়া হলে, শুধুমাত্র সে কারণে ঐ সাজা বেআইনী হবে না।
 
Section 133- Accomplice:
An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.

⇒ একজন সহ-অভিযুক্ত ব্যক্তি যখন সাক্ষ্য দেয়, তখন তা সাধারণত বিচারকদের কাছে সন্দেহের চোখে দেখা হয়। সাক্ষীর বক্তব্য এককভাবে বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করতে পারে না, যতক্ষণ না তা অন্যান্য সাক্ষ্য ও প্রমাণের সঙ্গে মিল রেখে প্রতিষ্ঠিত হয়। বিশেষত, ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৩৭ এবং সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩৩ অনুসারে, একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি একই মামলায় অপর আসামিদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে পারেন। তবে, তার বক্তব্যে অসঙ্গতি থাকলে সেটিকে অতিরিক্ত সতর্কতার সাথে বিবেচনা করতে হয়।

এছাড়া, আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন, ১৯৭৩-এর ধারা ১৫-এর অধীনে এই বিধানটি সুস্পষ্টভাবে উল্লেখিত। ট্রাইব্যুনালের আইনের আলোকে, এপ্রুভার বা রাজসাক্ষী হতে হলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অবশ্যই নিজের অপরাধ স্বীকার করে সংশ্লিষ্ট অপরাধে জড়িত অন্যান্য ব্যক্তিদের সম্পর্কে নিরপেক্ষ ও প্রাসঙ্গিক তথ্য প্রদান করতে হয়। এর বিনিময়ে তার বিরুদ্ধে চলমান মামলায় শাস্তি লঘু করা বা কিছু ক্ষেত্রে দণ্ড মওকুফের সুযোগ থাকতে পারে।
২৪.
"Document" means any matter expressed or described upon any substance by means of letters, figures or marks, or by more than one of those means, intended to be used, or which may be used, for the purpose of recording that matter.- সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় এই সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ধারা ২
  2. ধারা ৩
  3. ধারা ৪
  4. ধারা ৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩
ব্যাখ্যা
The Evidence Act,1872 এর ধারা ৩ মতে-
"Document" means any matter expressed or described upon any substance by means of letters, figures or marks, or by more than one of those means, intended to be used, or which may be used, for the purpose of recording that matter.

'দলিল বা Document' বলতে কোন পদার্থের উপর অক্ষর, সংখ্যা বা চিহ্নের (letters, figures or marks) সাহায্যে প্রকাশিত বা বর্ণিত কোন বিষয়কে বোঝায়।

সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী দলিল বলে গণ্য হয়-
⇒ যে কোনো লিখন;
⇒ মুদ্রিত, লিথোগ্রাফ বা ফটোগ্রাফকৃত শব্দ;
⇒ কোন মানচিত্র বা নকশা, কোন ধাতু খন্ড বা প্রস্তর খন্ডের উপর খোদাইকৃত কোন বিষয় অথবা কোন ব্যঙ্গচিত্র (caricature)।
২৫.
যদি মূল দলিলটি কোনো ব্যক্তির দখলে থাকে যিনি আদালতের নোটিশ সত্ত্বেও তা উপস্থাপন করেন না, তবে কী করা যেতে পারে?
  1. কোনো সাক্ষ্য গ্রহণ করা যাবে না
  2. গৌণ সাক্ষ্য গ্রহণ করা যেতে পারে
  3. মৌখিক সাক্ষ্য গ্রহণ করা যেতে পারে
  4. শুধুমাত্র প্রাথমিক সাক্ষ্য গ্রহণ করা যেতে পারে
সঠিক উত্তর:
গৌণ সাক্ষ্য গ্রহণ করা যেতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গৌণ সাক্ষ্য গ্রহণ করা যেতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৬৫(ক) অনুসারে:
-"যখন মূল দলিলটি এমন ব্যক্তির দখলে থাকে যিনি:
(i) যার বিরুদ্ধে দলিলটি প্রমাণ করা হচ্ছে, বা
(ii) আদালতের এখতিয়ারের বাইরে, বা
(iii) দলিলটি উপস্থাপনের জন্য আইনগতভাবে বাধ্য,
এবং ধারা ৬৬ অনুযায়ী নোটিশ দেওয়ার পরও তিনি দলিলটি উপস্থাপন করেন না, তখন গৌণ সাক্ষ্য দেওয়া যাবে।"

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৬৫(ক) অনুযায়ী, গৌণ সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট শর্ত দেওয়া আছে। এর মধ্যে একটি শর্ত হলো:
"When the original is shown or appears to be in the possession or power of the person against whom the document is sought to be proved, or of any person out of reach of, or not subject to, the process of the Court, or of any person legally bound to produce it, and when, after the notice mentioned in section 66, such person does not produce it."

- অর্থাৎ, যদি মূল দলিলটি এমন কোনো ব্যক্তির দখলে থাকে যার বিরুদ্ধে দলিলটি প্রমাণ করতে হবে, অথবা যিনি আইনত এটি উপস্থাপন করতে বাধ্য, এবং ধারা 66-এ উল্লেখিত নোটিশ দেওয়া সত্ত্বেও তিনি তা উপস্থাপন না করেন, তবে আদালত গৌণ সাক্ষ্য (secondary evidence) গ্রহণ করতে পারে।
২৬.
সাক্ষ্য আইনের ১৭ ধারায় নিচের কোন সংজ্ঞাটি রয়েছে?
  1. Admission
  2. Confession
  3. Res Gestae
  4. Presumption
সঠিক উত্তর:
Admission
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Admission
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৭ ধারার বিধান: স্বীকৃতির সংজ্ঞা: স্বীকৃতি হচ্ছে মৌখিক বা ঐ দালিলিক বিবৃতি অথবা ডিজিটাল রেকর্ড যা বিচার্য বিষয় - বা প্রাসঙ্গিক ঘটনা প্রসঙ্গে কোনো অনুমানের ইঙ্গিত দেয়, এবং যা এ আইনের পরবর্তীতে বর্ণিত পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের যে কেউ কর্তৃক প্রদত্ত হয়।
---------------------
⇒The Evidence Act  1872, Section 17: Admission defined:
- An admission is a statement, oral or documentary or contained in digital record, which suggests any inference as to any fact in issue or relevant fact, and which is made by any of the persons, and under the circumstances, hereinafter mentioned.
২৭.
The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারানুযায়ী একজন সাক্ষী নিজের লিখিত দেখে তথ্য আদালতে জবানবন্দী দিতে পারবেন?
  1. ১৫৬
  2. ১৫৭
  3. ১৫৮
  4. ১৫৯
সঠিক উত্তর:
১৫৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৯
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষী সাক্ষ্য দেওয়ার সময় তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য আদালতের অনুমতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট দলিল দেখে উত্তর দিতে পারেন। এক্ষেত্রে সাক্ষী তার নিজের লেখা, অন্যের লেখা বা দলিলের নকল দেখেও উত্তর দিতে পারেন। এটাই হল Refreshing memory। সাক্ষ্য আইনের ১৫৯ ধারায় স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করন বা Refreshing memory এর বিধান রয়েছে। এছাড়াও সাক্ষ্য আইনের ১৫৯ থেকে ১৬১ ধারায় এ সংক্রান্ত আলোচনা করা হয়েছে যা নিম্নরূপ-

i) সাক্ষ্য আইনের ১৫৯ ধারা অনুসারে কোন মামলার তদন্তকারী পুলিশ অফিসার আদালতে সাক্ষ্য প্রদানকালে তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য কেস ডায়েরী দেখতে পারবেন। এভাবে ১৫৯ ধারার অধীন একজন বিশেষজ্ঞ তার পেশা সম্পর্কিত পুস্তক দেখিয়ে স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে পারে।

ii) সাক্ষ্য আইনের ১৬০ ধারা অনুসারে কোন মামলার তদন্তকারী পুলিশ অফিসার তার মামলা তদন্তকালে কেস ডায়েরীতে লিপিবদ্ধকৃত বিষয়াবলী সম্পর্কে আদালতে সাক্ষ্য দিতে পারেন।

iii) সাক্ষ্য আইনের ১৬১ ধারা অনুসারে কোন মামলার তদন্তকারী পুলিশ অফিসার সাক্ষ্য আইনের ১৬০ ধারা অনুসারে সাক্ষ্য দেওয়ার সময় বিবাদী পক্ষ জেরা করতে পারবেন। অর্থাৎ স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য কোন সাক্ষী কর্তৃক যে লিখিত বিবৃতি ব্যবহার করা হয়েছে, বিরোধী পক্ষ উক্ত লিখিত বিবৃতি দেখতে চাইতে পারে, উক্ত সাক্ষীকে জেরা করতে পারে বা উক্ত সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে
২৮.
বিবাহ স্থির থাকাকালে কিংবা বিবাহ বিচ্ছেদের ২৮০ দিনে সন্তানের জন্মই উহার বৈধতা চূড়ান্ত প্রমাণ'- ইহা সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় বর্ণিত আছে?
  1. ১১১ ধারা
  2. ১১২ ধারা
  3. ১১০ ধারা
  4. ১১৩ ধারা
সঠিক উত্তর:
১১২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১২ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১২ ধারা অনুযায়ী সন্তানের জন্মই বিবাহ স্থির থাকাকালে এর বৈধতার ছড়ান্ত প্রমাণঃ কোন ব্যক্তির মাতার সঙ্গে এক ব্যক্তির আইনসঙ্গত বিবাহ কায়েম থাকাকালে অথবা বিবাহবিচ্ছেদের পর দুইশত আশি দিনের ভিতর তার মাতা অভিবাহিতা থাকাকালে যদি তার জন্ম হয় ও যদি এটা দেখান না হয় যে, ঐ ব্যক্তি যখন মাতৃগর্ভে এসে থাকতে অনুরূপ কোন সময়ে বিবাহিত পক্ষদ্বয়ের মধ্যে মিলনের পথ উন্মুক্ত ছিল, তাহলে সে যে জন্মেছে এ প্রসঙ্গ দ্বারা অবশ্যই চূড়ান্ত ভাবে প্রমাণিত হবে যে, সে সে ব্যক্তির বৈধ সন্তান।

-----------------
⇒ Birth during marriage conclusive proof of legitimacy:
Section 112. The fact that any person was born during the continuance of a valid marriage between his mother and any man, or within two hundred and eighty days after its dissolution, the mother remaining unmarried, shall be conclusive proof that he is the legitimate son of that man, unless it can be shown that the parties to the marriage had no access to each other at any time when he could have been begotten.
২৯.
নিচের কোনটি পাবলিক দলিল (Public document)?
  1. কবিতা
  2. দানপত্র
  3. কবলা দলিল
  4. আদালতের রায়
সঠিক উত্তর:
আদালতের রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের রায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারার বিধান সরকারী দলিল: নিম্নলিখিত দলিলগুলো সরকারী দলিল:
(১) যে সমস্ত দলিল-
(ক) কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের,
(খ) সরকারী প্রতিষ্ঠান বা ট্রাইব্যুনালের এবং
(গ) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের যে কোন স্থানের অথবা বিদেশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কোন অফিসারের কার্য অথবা কার্যের লিপিবদ্ধ বিবরণ।
(২) বাংলাদেশে সরকারীভাবে রক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ বিবরণ।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৫ ধারার বিধান বেসরকারি দলিল (Private document)- সরকারি দলিল ব্যতীত সকল দলিলই বেসরকারি বা ব্যক্তিগত দলিল। 
⇒ কবিতা, উইল, বিক্রয় চুক্তি, দানপত্র, মূল বিক্রয় দলিল, কবলা দলিল, চিঠিপত্র সবই বেসরকারি দলিল বা Private document.

⇒  আদালতের রায় ৭৪(১) ধারার বিধান মতে পাবলিক ডকুমেন্টস। কারণ রায় বিচার বিভাগীয় কাজের অংশ। 
--------------
Section-74. Public documents:

The following documents are public documents:–
(1) documents forming the acts or records of the acts- 
(i) of the sovereign authority, 
(ii) of official bodies and tribunals, and 
(iii) of public officers, legislative, judicial and executive of any part of Bangladesh or of the Commonwealth, or of a foreign country; 
(2) public records kept in Bangladesh of private documents.

Section-75.Private documents: All other documents are private.
৩০.
কোন ধরণের বিবৃতি সর্বদা বিবৃতিদানকারীর বিরুদ্ধে যায়?
  1. Dying Declaration
  2. Confession
  3. Admission
  4. Dying Deposition
সঠিক উত্তর:
Confession
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Confession
ব্যাখ্যা
Confession (স্বীকারোক্তি):
বিবৃতিদানকারীর বিরুদ্ধে সরাসরি প্রভাব ফেলে এমন বিবৃতিকে Confession (স্বীকারোক্তি) বলা হয়। এটি এমন একটি বিবৃতি যেখানে অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজেই স্বীকার করেন যে তিনি অপরাধ সংঘটিত করেছেন।

অন্যদিকে:

Dying Declaration (মরণোত্তর ঘোষণা):
এটি একটি বিবৃতি যা মৃত্যুপথযাত্রী ব্যক্তি দেন, যেখানে তিনি তার মৃত্যুর কারণ বা মৃত্যুর জন্য দায়ী ব্যক্তির সম্পর্কে বলেন। এটি সবসময় বিবৃতিদানকারীর বিরুদ্ধে যায় না, বরং অপরাধীর বিরুদ্ধে যেতে পারে।

Admission (অঙ্গীকার বা স্বীকারোক্তি):
Admission মানে আংশিক বা পরোক্ষ স্বীকারোক্তি, যা সবসময় বিবৃতিদানকারীর বিরুদ্ধে যায় না। এটি কোনো ব্যক্তি কর্তৃক প্রাসঙ্গিক তথ্য বা ঘটনা স্বীকার করাকে বোঝায়, তবে এটি সরাসরি অপরাধ স্বীকার করে না।

Dying Deposition (মৃত্যুর পূর্বের জবানবন্দি):
Dying Deposition এবং Dying Declaration প্রায় একই ধরনের, তবে Dying Deposition বিচারকের সামনে শপথের ভিত্তিতে লিপিবদ্ধ করা হয় এবং এটি অধিকতর গ্রহণযোগ্য। এটি সবসময় বিবৃতিদানকারীর বিরুদ্ধে যায় না।
৩১.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় সরকারি দলিলের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ৭২ ধারা
  2. ৭৪ ধারা
  3. ৭৬ ধারা
  4. ৭৮ ধারা
সঠিক উত্তর:
৭৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৪ ধারা
ব্যাখ্যা
→ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৭৪ ধারায় সরকারি দলিল (Public Document) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
এই ধারায় বলা হয়েছে যে, যে সমস্ত দলিল সরকারিভাবে রক্ষিত থাকে এবং সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ, সরকারি সংস্থা বা ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সংরক্ষিত হয়, সেগুলো সরকারি দলিল হিসেবে গণ্য হবে।
৭৪ ধারার মূল বক্তব্য:
- সংসদের আইন, সরকারি সংস্থা বা ট্রাইব্যুনালের নথিপত্র।
- দেশি-বিদেশি আইন, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কার্যাবলির লিখিত বিবরণ।
- সরকারিভাবে সংরক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ বিবরণ।

→ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২: ৭৪ ধারার বিধান সরকারি দলিল:
নিম্নলিখিত দলিলসমূহ সরকারি দলিল (Public Documents) হিসেবে গণ্য হবে—
(১) যে সকল দলিল নিম্নলিখিত কর্তৃপক্ষ বা সংস্থার কার্যাবলির অংশ বা রেকর্ড হিসেবে গঠিত:
(i) সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের,
(ii) সরকারি সংস্থা ও ট্রাইব্যুনালের, এবং
(iii) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের বা বিদেশের কোনো অংশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় সরকারি কর্মকর্তার।
(২) বাংলাদেশে সরকারিভাবে সংরক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ রেকর্ড।
--------
⇒ The Evidence Act, 1872: Section- 74. Public documents:
The following documents are public documents:– 
(1) documents forming the acts or records of the acts- 
(i) of the sovereign authority, 
(ii) of official bodies and tribunals, and 
(iii) of public officers, legislative, judicial and executive of any part of Bangladesh or of the Commonwealth, or of a foreign country; 
(2) public records kept in Bangladesh of private documents.
৩২.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে "ডিজিটাল রেকর্ড" বা "ইলেকট্রনিক রেকর্ড" এর অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. ড্রোন ডেটা
  2. সিসিটিভি ফুটেজ
  3. মোবাইল ফোন রেকর্ড
  4. ডিঅক্সিরাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড
সঠিক উত্তর:
ডিঅক্সিরাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিঅক্সিরাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩ অনুসারে, "ডিজিটাল রেকর্ড" বা "ইলেকট্রনিক রেকর্ড" বলতে বোঝায় যেকোনো রেকর্ড, ডেটা বা তথ্য যা ম্যাগনেটিক, ইলেকট্রো-ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল, কম্পিউটার মেমরি, মাইক্রো ফিল্ম, কম্পিউটার জেনারেটেড মাইক্রো ফিচে ইত্যাদি মাধ্যমে উৎপন্ন, প্রস্তুত, পাঠানো, গৃহীত বা সংরক্ষিত হয়। এতে অন্তর্ভুক্ত: অডিও, ভিডিও, ডিভিডি, সিসিটিভি রেকর্ডস, ড্রোন ডেটা, সেল ফোন রেকর্ডস, হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার বা অন্যান্য ডিজিটাল ডিভাইস (ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন, ২০১৮ অনুসারে সংজ্ঞায়িত)।

অপশন ক, খ এবং গ (ড্রোন ডেটা, সিসিটিভি ফুটেজ, মোবাইল ফোন রেকর্ড) সকলই এই সংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত, কারণ এগুলো ইলেকট্রনিক/ডিজিটাল মাধ্যমে সংরক্ষিত ডেটা।
কিন্তু ঘ) ডিঅক্সিরাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড (DNA) একটি জৈবিক উপাদান (বডি ম্যাটেরিয়াল), যা ডিজিটাল রেকর্ডের সংজ্ঞায় অন্তর্ভুক্ত নয়। এটি পরিবর্তে ধারা ৩-এ "ফিজিক্যাল বা ফরেনসিক সাক্ষ্য"-এর অংশ, যেখানে রক্ত, সেমেন, চুল, অঙ্গ বা DNA-সম্পর্কিত উপাদানগুলো অপরাধ প্রমাণ বা অস্বীকারের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- DNA ডিজিটাল ডিভাইস বা ইলেকট্রনিক স্টোরেজের মাধ্যমে সংজ্ঞায়িত নয়, বরং এটি একটি শারীরিক বা জেনেটিক উপাদান যা ফিজিক্যাল বা ফরেনসিক সাক্ষ্য।

৩৩.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৯৪ অনুসারে, দলিলের ভাষা যদি নিজে থেকেই স্পষ্ট এবং বাস্তব পরিস্থিতির সাথে মিলে যায়, তাহলে–
  1. দলিল বাতিলযোগ্য
  2. পক্ষগণ নতুন সাক্ষ্য দিতে পারবে
  3. দলিলটি অব্যবহৃত বলে গণ্য হবে
  4. এমন সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয় যা বলে দলিলের উদ্দেশ্য ভিন্ন ছিল
সঠিক উত্তর:
এমন সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয় যা বলে দলিলের উদ্দেশ্য ভিন্ন ছিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এমন সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয় যা বলে দলিলের উদ্দেশ্য ভিন্ন ছিল
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৯৪ অনুযায়ী—
- যখন কোনো দলিলের ভাষা নিজে থেকেই পরিষ্কার ও সুনির্দিষ্ট, এবং তা যদি বিদ্যমান বাস্তব পরিস্থিতির সাথে পুরোপুরি মিলে যায়, তখন—
- এই বিষয়ের বিরুদ্ধে কোনো সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয় যা প্রমাণ করার চেষ্টা করে যে দলিলটি আসলে ভিন্ন কিছু বোঝাতে চেয়েছিল।

অর্থাৎ ধারা ৯৪ অনুযায়ী, স্পষ্ট ভাষার দলিল বাস্তব পরিস্থিতিতে সঠিকভাবে প্রয়োগ হলে তা নিয়ে ভিন্ন ব্যাখ্যার প্রমাণ গ্রহণযোগ্য নয়।

⇒The Evidence Act, 1872, Section- 94. Exclusion of evidence against application of document of existing facts:
- When language used in a document is plain in itself, and when it applies accurately to existing facts, evidence may not be given to show that it was not meant to apply to such facts.

Illustration:
A sells to B, by deed, "my estate at Rangpur containing 100 bighas". A has an estate at Rangpur containing 100 bighas. Evidence may not be given of the fact that the estate meant to be sold was one situated at a different place and of a different size.

৩৪.
According to Section 133 of The Evidence Act, 1872, an accomplice is considered a:
  1. Biased witness
  2. Incompetent witness
  3. Competent witness
  4. Unreliable witness
সঠিক উত্তর:
Competent witness
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Competent witness
ব্যাখ্যা
Section 133- Accomplice:
An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারার বিধান: দুষ্কর্মের সহযোগীঃ
আসামীর বিরুদ্ধে দুষ্কর্মের সহযোগী সাক্ষ্য দেয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলে পরিগণিত হবেন। আসামীকে দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সাজা দেয়া হলে শুধুমাত্র সে কারণে ঐ সাজা বেআইনি হবে না।
৩৫.
What must be true for a statement to be relevant under Section 32(3) of The Evidence Act, 1872?
  1. It must be made under oath
  2. It must be made in front of a judge
  3. It must be made for public interest
  4. It must be against the maker's proprietary interest
সঠিক উত্তর:
It must be against the maker's proprietary interest
উত্তর
সঠিক উত্তর:
It must be against the maker's proprietary interest
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-

৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরনের মামলার উদ্ভব করতে পারে (statement against interest of maker);
- যখন বিবৃতিটি উক্ত ব্যক্তির অর্থনৈতিক বা স্বত্ব সম্পর্কিত স্বার্থের বিরুদ্ধে হয়, অথবা যখন এটি সত্য হলে, তা তাকে বা তার বিরুদ্ধে কোন অপরাধমূলক মামলা বা ক্ষতিপূরণের মামলা করার জন্য উন্মুক্ত করবে বা করেছিল।

[When the statement is against the pecuniary or proprietary interest of the person making it, or when, if true, it would expose him or would have exposed him to a criminal prosecution or to a suit for damages.]

এই ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি একজন ব্যক্তি কোনো বিবৃতি দেন যা তার আর্থিক বা স্বত্ব সম্পর্কিত স্বার্থের বিরুদ্ধে থাকে, অথবা সত্য হলে তা তাকে অপরাধের মুখোমুখি করতে পারে, তাহলে ওই বিবৃতি প্রাসঙ্গিক হতে পারে।
৩৬.
সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারা অনুসারে বিচারক মামলা চলাকালীন কোন বিষয় সম্পর্কে সাক্ষী বা পক্ষগণকে প্রশ্ন করতে পারেন?
  1. শুধুমাত্র মূল ঘটনা
  2. শুধুমাত্র অপ্রাসঙ্গিক বিষয়ে
  3. প্রাসঙ্গিক বা অপ্রাসঙ্গিক ঘটনা উভয়
  4. শুধুমাত্র প্রাসঙ্গিক ঘটনা
সঠিক উত্তর:
প্রাসঙ্গিক বা অপ্রাসঙ্গিক ঘটনা উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাসঙ্গিক বা অপ্রাসঙ্গিক ঘটনা উভয়
ব্যাখ্যা

ধারা ১৬৫: জজ কর্তৃক প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করিবার কিংবা কিছু দাখিল করিবার আদেশ দানের ক্ষমতা: বিচারক প্রাসঙ্গিক ঘটনা আবিষ্কার করিবার জন্য কিংবা তৎসম্পর্কে উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য যেকোনো সাক্ষীকে যেকোনো সময় অথবা যেকোনো প্রাসঙ্গিক বা অপ্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে পক্ষগণকে যেকোনো প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করিতে পারিবেন, এবং যেকোনো দলিল বা বস্তু উপস্থাপন করিবার আদেশ দিতে পারিবেন। পক্ষগণ বা তাহাদের প্রতিনিধিগণ অনুরূপ কোনো প্রশ্ন বা আদেশ সম্পর্কে কোনো আপত্তি করিতে পারিবে না। অনুরূপ কোনো প্রশ্নের উত্তরে সাক্ষী যাহা বলিবে তৎসম্পর্কে আদালতের অনুমতি ব্যতিরেকে সাক্ষীকে কোনো জেরা করিতেও পারিবে না।
তবে শর্ত এই যে, এই আইন অনুযায়ী যে সকল ঘটনা প্রাসঙ্গিক ও যথারীতি প্রমাণিত বলিয়া ঘোষিত হইবে, তাহার ভিত্তিতে মোকদ্দমার রায় দান করিতে হইবে।
আরও শর্ত এই যে, কোনো সাক্ষীকে বিরুদ্ধ পক্ষ কোনো প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করিলে বা কোনো দলিল দাখিল করিতে বলিলে এই আইনের ১২১ ও ১৩১ ধারা অনুযায়ী সাক্ষী যদি সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে বা সেই দলিল দাখিল করিতে অস্বীকার করিতে পারিতেন; তবে আদালত এই ধারা অনুযায়ী কোনো সাক্ষীকে উক্তরূপ কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে বা কোনো দলিল দাখিল করিতে বাধ্য করিতে পারিবেন না। এই আইনের ১৪৮ বা ১৪৯ ধারা অনুযায়ী অপর কোনো লেকের পক্ষে যে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা অসঙ্গত, বিচারকও সেইরূপ প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করিবেন না। ইতিপূর্বে এই আইনের যে সব ব্যতিক্রম উল্লেখ করা হইয়াছে, তাহা ছাড়া অন্য কোনো ক্ষেত্রে কোনো দলিল সম্পর্কে প্রাথমিক সাক্ষ্যদানের আবশ্যকতা আদালত মওকুফ করিতে পারিবেন।
--------------------------------------------
The Evidence Act 1872,Section165, Judge's power to put questions or order production: The Judge may, in order to discover or to obtain proper proof of relevant facts, ask any question he pleases, in any form, at any time, of any witness, or of the parties about any fact relevant or irrelevant; and may order the production of any document or thing: and neither the parties nor their agents shall be entitled to make any objection to any such question or order, nor, without the leave of the Court, to cross-examine any witness upon any answer given in reply to any such question.
Provided that the judgment must be based upon facts declared by this Act to be relevant, and duly proved:
Provided also that this section shall not authorize any Judge to compel any witness to answer any question or to produce any document which such witness would be entitled to refuse to
answer or produce under sections 121 to 131, both inclusive, if the question were asked or the document were called for by the adverse party; nor shall the Judge ask any question which it would be improper for any other person to ask under section 148 or 149; nor shall he dispense with primary evidence of any document, except in the cases herein- before excepted.

৩৭.
কোন আইন দ্বারা ডিজিটাল রেকর্ডকে সাক্ষ্য আইনের দালিলিক সাক্ষ্যের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে?
  1. The Evidence(Amendment) Act, 2020
  2. The Evidence(Amendment) Rules, 2021
  3. The Evidence(Amendment) Act, 2022
  4. The Evidence(Amendment) Act, 2021
সঠিক উত্তর:
The Evidence(Amendment) Act, 2022
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Evidence(Amendment) Act, 2022
ব্যাখ্যা
The Evidence(Amendment) Act, 2022 দ্বারা ডিজিটাল রেকর্ডকে দলিলের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কম্পিউটারে প্রস্তুতকৃত যে কোন লেখা, সিসিটিভির ভিডিও বা মোবাইলে ধারণকৃত ছবি বা ভিডিও বা ওয়েবসাইট প্রকাশিত গেজেট ইত্যাদি ডিজিটাল রেকর্ড মর্মে গণ্য হবে এবং এগুলো সাক্ষ্য আইন অনুসারে দলিলের অন্তর্ভুক্ত হবে।

ধারা ৩: The Evidence(Amendment) Act, 2022 এর সংশোধন অনুসারে ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেকট্রিক রেকর্ড বলতে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো যুক্ত হবে-

⇒ ম্যাগনেটিক বা ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল, কম্পিউটার মেমরি, মাইক্রোফিল্ম;
⇒ অডিও, ভিডিও, ডিজিটাল বহুমুখী ডিস্ক বা ডিজিটাল ভিডিও ডিস্ক (ডিভিডি), কম্পিউটার উৎপাদিত মাইক্রোফিচ ইত্যাদিতে প্রস্তুতকৃত, প্রেরিত, গৃহীত বা ধারণকৃত কোন রেকর্ড, ডাটা বা তথ্য;
⇒ ড্রোন ডেটা বা ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশনের রেকর্ড (সিসিটিভি), সেল ফোন, হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার; বা
⇒ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ তে সংজ্ঞায়িত অন্য কোন ডিজিটাল ডিভাইসের কোন রেকর্ডস।
৩৮.
সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারা কী সম্পর্কিত?
  1. সাক্ষীর গোপনীয়তা
  2. সাক্ষ্য গ্রহণের ক্রম
  3. দলিলের সত্যতা যাচাই
  4. বিচারকের প্রশ্ন করার ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
বিচারকের প্রশ্ন করার ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারকের প্রশ্ন করার ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারার বিধান: বিচারক কর্তৃক প্রশ্ন জিজ্ঞেস করার বা কিছু দাখিল করার আদেশ প্রদানের ক্ষমতা-
বিচারক প্রাসঙ্গিক ঘটনা উদঘাটন করার জন্য অথবা উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য যে কোন সাক্ষীকে যে কোন সময় যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন, অথবা প্রাসঙ্গিক বা অপ্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে পক্ষগণকে যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন এবং যে কোন দলিল বা বস্তু উপস্থাপন করার আদেশ দিতে পারবেন।

তবে শর্ত থাকে যে, এই আইন অনুসারে যে সকল ঘটনা প্রাসঙ্গিক ও যথারীতি প্রমাণিত বলে ঘোষিত হবে, তার ভিত্তিতেই মামলার রায় দান করতে হবে।

⇒ পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিগণ বিচারকের কোন প্রশ্ন বা আদেশ সম্পর্কে কোন আপত্তি করতে পারবে না। অনুরূপ কোন প্রশ্নের উত্তরে সাক্ষী যা বলবে ঐ সম্পর্কে আদালতের অনুমতি ব্যতীত সাক্ষীকে কোন জেরা করতেও পারবে না।
⇒ ১৬৫ ধারার ক্ষমতা আদালতের সহজাত ক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত।
⇒ ১৬৫ ধারার ক্ষমতাবলে উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য আদালত মামলার পক্ষ বা সাক্ষী অথবা কোন ব্যক্তিকে অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করতে পারে।
৩৯.
সাক্ষ্য আইনে "সাক্ষ্য" (Evidence) কত প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকার
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩ অনুসারে, "সাক্ষ্য" (Evidence) তিন প্রকারে বিভক্ত: 
১. মৌখিক সাক্ষ্য (Oral Evidence): আদালতের সামনে সাক্ষীদের দেওয়া বক্তব্য, যা তদন্তাধীন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত।
২. দলিলি সাক্ষ্য (Documentary Evidence): আদালতের পরিদর্শনের জন্য পেশ করা নথি বা ডকুমেন্ট।
৩. ভৌত বা ফরেনসিক সাক্ষ্য (Physical or Forensic Evidence): রক্ত, চুল, ডিএনএ, আঙুলের ছাপ, পায়ের ছাপ ইত্যাদি উপাদান বা বস্তু, যা অপরাধের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে বা কোনো তথ্য প্রমাণ বা অপ্রমাণ করে।

৪০.
According to Section 31 of The Evidence Act, 1872, an admission is:
  1. A complete defense
  2. Always conclusive proof
  3. Irrelevant to the case
  4. Not conclusive proof, but may act as estoppel
সঠিক উত্তর:
Not conclusive proof, but may act as estoppel
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Not conclusive proof, but may act as estoppel
ব্যাখ্যা
 Section-31- Admissions not conclusive proof, but may stop: 
Admissions are not conclusive proof of the matters admitted but they may operate as estoppels under the provisions hereinafter contained.

সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারার বিধান: স্বীকৃতি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু প্রতিবন্ধক হতে পারে: 
কোন বিষয়ে স্বীকৃতি সেই বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। কিন্তু এই আইনে অতঃপর বর্ণিত বিধানসমূহ অনুসারে এগুলি প্রতিবন্ধক হিসেবে কার্যকর হতে পারে।
৪১.
'মামলায় কোন বিষয় প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন হইবে না।'- সাক্ষ্য আইনের কত ধারার বিধান?
  1. ১১৪ ধারার
  2. ১২৪ ধারার
  3. ১৩৪ ধারার
  4. ১৫৪ ধারার
সঠিক উত্তর:
১৩৪ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৪ ধারার
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের  ১৩৪ ধারার বিধান- সাক্ষীর সংখ্যা:
মামলায় কোন বিষয় প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন হইবে না।

Section 134: Number of witnesses
No particular number of witnesses shall in any case be required for the proof of any fact.
৪২.
‘একজন আসামীর দোষস্বীকারোক্তি শুধু তার বিরুদ্ধে কার্যকর হবে’ The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারায় এই নীতির ব্যতিক্রম আছে?
  1. ২৪
  2. ২৫
  3. ২৯
  4. ৩০
সঠিক উত্তর:
৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারামতে দোষ স্বীকার শুধুমাত্র দোষ স্বীকারকারীর নিজের বিরুদ্ধে নয়, বরং তা একই অপরাধে যৌথ-ভাবে অভিযুক্ত অন্য অপরাধীর (co-accused) বিরুদ্ধেও প্রমান করা যায়।

যেমন- গ-কে হত্যা করার অপরাধে ক ও খ-এর যৌথভাবে বিচার হচ্ছে। প্রমাণ করা হয়েছে যে, ক বলেছিল খ ও আমি গ-কে হত্যা করেছি। আদালত খ-এর বিরুদ্ধে এই স্বীকারোক্তির কার্যকারিতা বিবেচনা করতে পারেন ।

অন্যদিকে গ-কে হত্যা করার অপরাধে ক এর বিচার হয়। সাক্ষ্য আছে যে, ক ও খ কর্তৃক গ নিহত হয়েছে এবং খ বলেছে ক ও আমি গ-কে হত্যা করেছি। এক্ষেত্রে আদালত খ এর উক্ত বিবৃতি ক এর বিরুদ্ধে বিবেচনা নাও করতে পারেন। কারণ ক এর সাথে যৌথভাবে খ-এর বিচার হচ্ছে না।

♦ অর্থাৎ ‘একজন আসামীর দোষস্বীকারোক্তি শুধু তার বিরুদ্ধে কার্যকর হবে’ The Evidence Act, 1872 এর ৩০ ধারায় এই নীতির ব্যতিক্রম আছে। যখন  যৌথভাবে বিচার হবে তখন আদালত একজনের দোষস্বীকারোক্তি অন্যজনের  বিরুদ্ধে কার্যকারিতা বিবেচনা করতে পারেন ।
৪৩.
‘ক’-কতৃর্ক ‘খ’-এর নিকট বিক্রিত একটি ঘোড়া সুস্থ কি না এই প্রশ্নে, ‘ক’,‘খ’-কে বলল, ‘গ’-এর কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসা কর, ‘গ’-এ সম্পর্কে সবকিছু জানে। ‘গ’ এর প্রদত্ত বিবৃতি-
  1. স্বীকৃতি হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়
  2. স্বীকৃতি হিসেবে গণ্য হবে
  3. আদালত মনে করলে তা গ্রহণ করতে পারে
  4. ‘গ’-কোনো বিবৃতি প্রদান করার অধিকার রাখে না
সঠিক উত্তর:
স্বীকৃতি হিসেবে গণ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বীকৃতি হিসেবে গণ্য হবে
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন (ধারা ২০): পক্ষের দ্বারা স্পষ্টভাবে উল্লেখিত ব্যক্তির স্বীকৃতি [Admissions by persons expressly referred to by party to suit]:

যদি কোনো মামলার পক্ষ নিজেই কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির প্রতি তথ্য জানার জন্য স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে, তাহলে ঐ ব্যক্তির প্রদত্ত বিবৃতি স্বীকৃতি (Admission) হিসেবে গণ্য হবে।
[Statements made by persons to whom a party to the suit has expressly referred for information in reference to a matter in dispute are admissions.]

উদাহরণ:
A, B-কে একটি ঘোড়া বিক্রি করেছে এবং প্রশ্ন উঠেছে যে ঘোড়াটি সুস্থ ছিল কি না। A যদি B-কে বলে, "C-কে জিজ্ঞাসা কর, C এ সম্পর্কে সব জানে," তাহলে C-এর বক্তব্য স্বীকৃতি হিসেবে গণ্য হবে।
[The question is whether a horse sold by A to B is sound. A says to B–"Go and ask C; C knows all about it." C's statement is an admission.]
৪৪.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩৮ অনুযায়ী, পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) কে করতে পারে?
  1. আদালত
  2. সাক্ষী নিজে
  3. বিরুদ্ধ পক্ষ
  4. সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩৮ অনুযায়ী, সাক্ষীর প্রথম জবানবন্দি (Examination-in-chief) এবং তারপর বিরোধী পক্ষের জেরা (Cross-examination) হওয়ার পর, যদি পক্ষদ্বয় চায়, তবে সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ (যে পক্ষ সাক্ষীকে উপস্থিত করেছে) পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) করতে পারে। পুনঃজবানবন্দির উদ্দেশ্য হল, জেরার সময় উত্থাপিত ভুল বা অস্পষ্টতা দূর করা, তবে এটি শুধুমাত্র জেরার বিষয় সম্পর্কিত হতে পারে এবং কোনো নতুন বিষয় উত্থাপন করা যাবে না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারায় জবানবন্দি (Examination in Chief), জেরা (Cross Examination), এবং পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
- সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief]: যে পক্ষ সাক্ষীকে হাজির করে সেই পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তখন তাকে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief] বলে।
- জেরা [Cross Examination]: বিরুদ্ধ পক্ষ যখন সেই সাক্ষীকে প্রশ্ন করে, তখন তাকে জেরা বলে [Cross Examination] বলে।
- পুনঃজবানবন্দি [Re-examination]: জেরার পর সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ যদি আবার সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তবে তাকে পুনঃজবানবন্দি (Re- examination) বলে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারার বিধান: সাক্ষ্য গ্রহণের ক্রম [Order of Examination]:
সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারায় সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, জেরা এবং পুনঃজবানবন্দি গ্রহণ করা যায়। ১৩৮ ধারায় সাক্ষ্য গ্রহণের ৩টি ক্রম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রথম ক্রম হলো সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, দ্বিতীয় ক্রম হলো সাক্ষীর আহ্বানকারী পক্ষের বিরোধী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীকে জেরা (ইচ্ছা করলে করতে পারে) এবং তারপর সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক পুনঃজবানবন্দি (যদি পক্ষদ্বয় ইচ্ছা করে) করা হয়।
------------
⇒ The Evidence Act, 1872 section 137:
- Examination-in-chief: The examination of a witness by the party who calls him shall be called his examination-in-chief.
- Cross-examination: The examination of a witness by the adverse party shall be called his cross-examination.
- Re-examination: The examination of a witness, subsequent to the cross-examination by the party who called him, shall be called his re-examination.

⇒ The Evidence Act, 1872 section 138. Order of examinations:
Witnesses shall be first examined-in-chief, then (if the adverse party so desires) cross-examined, then (if the party calling him so desires) re-examined.
The examination and cross-examination must relate to relevant facts but the cross-examination need not be confined to the facts to which the witness testified on his examination-in-chief.
৪৫.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫১ অনুযায়ী, যখন কোনো জীবিত ব্যক্তির মতামত আদালতে প্রাসঙ্গিক হয়, তখন নিচের কোনটি আদালতে সাক্ষ্য হিসেবে গৃহীত হতে পারে?
  1. কেবল তার নাম
  2. তার মতামতের ভিত্তি
  3. তার ব্যক্তিগত বিশ্বাস
  4. অন্যের মতামত যা তিনি শুনেছেন
সঠিক উত্তর:
তার মতামতের ভিত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার মতামতের ভিত্তি
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) তার মতামতের ভিত্তি।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫১ বলছে, যখন কোনো জীবিত ব্যক্তির মতামত আদালতে প্রাসঙ্গিক হয় (যেমন—বিশেষজ্ঞ মতামত), তখন সেই মতামতের ভিত্তিগুলোও প্রাসঙ্গিক হিসেবে গৃহীত হবে। অর্থাৎ, একজন বিশেষজ্ঞ কেবল তার মতামত নয়, বরং তার মতামত যেসব পরীক্ষার বা যুক্তির উপর ভিত্তি করে গঠিত হয়েছে, সেগুলিও আদালতে উপস্থাপন করতে পারবেন।
- এই বিধান বিচারককে তার সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করে কারণ এতে মতামতের যৌক্তিকতা ও ভিত্তি স্পষ্ট হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৫১ (Section 51 of the Evidence Act, 1872) অনুযায়ী, “যখন কোনো জীবিত ব্যক্তির মতামত কোনো মামলায় প্রাসঙ্গিক হয়, তখন সেই মতামতের উপর ভিত্তি করে যে কারণ বা ভিত্তি গঠিত হয়েছে, তা-ও প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হবে।”
উদাহরণ হিসেবে, যদি একজন বিশেষজ্ঞ সাক্ষ্য দেয় যে তিনি একটি রাসায়নিক পরীক্ষা করে ফলাফল পেয়েছেন, তাহলে তিনি কেবল ফলাফলই বলবেন না, সেই পরীক্ষাটি কীভাবে করেছেন, সেটিও বলতে পারবেন। কারণ তা তার মতামতের ভিত্তি।
- অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ৫১ ধারাই নিশ্চিত করে যে, বিশেষজ্ঞ বা প্রাসঙ্গিক মতামতের ভিত্তিগুলোও (Grounds of opinion) আদালতে প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসেবে গৃহীত হতে পারে।

⇒ The Evidence Act, 1872, Section- 51. Grounds of opinion, when relevant:
- Whenever the opinion of any living person is relevant the grounds on which such opinion is based are also relevant.

- Illustration: An expert may give an account of experiments performed by him for the purpose of forming his opinion.
৪৬.
সাক্ষ্য আইনের ৪৮ ধারার ব্যাখ্যা অনুযায়ী "সাধারণ প্রথা বা অধিকার" বলতে কী বোঝায়?
  1. শুধুমাত্র ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান
  2. ব্যক্তিগত অধিকারের কথা
  3. সরকার কর্তৃক প্রদত্ত বিশেষ অধিকার
  4. কোনো শ্রেণির মধ্যে প্রচলিত প্রথা বা অধিকার
সঠিক উত্তর:
কোনো শ্রেণির মধ্যে প্রচলিত প্রথা বা অধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো শ্রেণির মধ্যে প্রচলিত প্রথা বা অধিকার
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৮ ধারার বিধান- অধিকার অথবা প্রথার অস্তিত্ব সম্বন্ধে অভিমত যখন প্রাসঙ্গিক:
কোন সাধারণ প্রথা অথবা অধিকারের অস্তিত্ব সম্পর্কে যেক্ষেত্রে আদালতকে কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব থাকলে যে সমস্ত ব্যক্তির পক্ষে তা জানা স্বাভাবিক, এর অস্তিত্ব সম্বন্ধে তার অভিমত প্রাসঙ্গিক।

ব্যাখ্যা: "সাধারণ প্রথা অথবা অধিকার" কথাটি বলতে যথেষ্ঠ সংখ্যক ব্যক্তির একটি শ্রেণীর ভিতর সাধারণভাবে প্রচলিত প্রথা বা অধিকারও বুঝায়।
 
উদাহরণ:
কোন একটি গ্রামের অধিবাসীদের নির্ধারিত কোন একটি কূপের পানির ব্যবহার করার অধিকার থাকলে, তা এ ধারার অর্থ অনুযায়ী সাধারণ অধিকার বলে বিবেচিত হবে।
-----------------------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section 48- Opinion as to existence of right or custom, when relevant:
When the Court has to form an opinion as to the existence of any general custom or right, the opinions, as to the existence of such custom or right, of persons who would be likely to know of its existence if it existed, are relevant.

Explanation- The expression "general custom or right" includes customs or rights common to any considerable class of persons.

Illustration:
The right of the villagers of a particular village to use the water of a particular well is a general right within the meaning of this section. 
৪৭.
নিম্নলিখিত কোনটি সরকারী দলিল না?
  1. অনিবন্ধিত পারিবারিক বাটোয়ারা দলিল।
  2. নিবন্ধিত বিক্রয় দলিল।
  3. হাইকোর্ট বিভাগের সিদ্ধান্ত।
  4. দেওয়ানী আদালতের সিদ্ধান্ত
সঠিক উত্তর:
অনিবন্ধিত পারিবারিক বাটোয়ারা দলিল।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনিবন্ধিত পারিবারিক বাটোয়ারা দলিল।
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ থেকে ৭৮ ধারায় সরকারী দলিল সংক্রান্ত বিধানসমূহ আলোচনা করা হয়েছে। সমগ্র বাংলাদেশের দলিলগুলোকে সাক্ষ্য আইন মতে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-

১. সরকারী দলিল (Public Document); এবং

২. বেসরকারী/ব্যক্তিগত দলিল (Private Document)।

⇒  ধারা-৭৪: সরকারী দলিল (Public Document)- সরকারীভাবে রক্ষিত দলিলকে সরকারী দলিল বা Public document বলে। কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ যেমন-সংসদের আইন, সরকারি সংস্থা বা ট্রাইবুনাল সমূহের নথিপত্র অর্থাৎ দেশী বিদেশী আইন, বিচার বা শাসন বিভাগীয় কোন কর্মচারীর কার্যাবলির লিখিত বিবরণ ও নথিপত্রকে সরকারী দলিল বা Public Document বলে। অন্যভাবে বলা যায়, সরকারী দলিল বলতে সেই সমস্ত দলিলকে বোঝায় যে সমস্ত দলিল কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের সরকারী প্রতিষ্ঠানে বা ট্রাইব্যুনালের এবং বাংলাদেশের কোন অংশের বা কমনওয়েলথের বা বিদেশে সরকারী অফিসার, আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কার্যাবলী বা কাজের লিপিবদ্ধ বিবরণকে অন্তর্ভুক্ত করে।

  ধারা-৭৫: বেসরকারি দলিল (Private document)- সরকারি দলিল ব্যতীত সকল দলিলই বেসরকারি বা ব্যক্তিগত দলিল। কবিতা, উইল, বিক্রয় চুক্তি, দানপত্র, মূল বিক্রয় দলিল, কবলা দলিল, চিঠিপত্র সবই বেসরকারি দলিল বা Private document.

⇒  [বি.দ্র- বাংলাদেশ সরকারের হেফাজতে রক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের নথিপত্র যেমন- রেজিস্ট্রি দলিলের বিবরণ, আদালতের রায়, ডিক্রি, আদেশ, মামলার আরজির জবাব, খতিয়ান, Crpc ১৬৪ ধারার confessional statement সবই সরকারী দলিল বা Public Document]

⇒  অনিবন্ধিত পারিবারিক বাটোয়ারা দলিল একটি বেসরকারি বা ব্যক্তিগত দলিল।
৪৮.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় 'স্বাভাবিক ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া' (course of business) একটি প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হয়?
  1. ধারা ৬
  2. ধারা ১১
  3. ধারা ১৩
  4. ধারা ১৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৬
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৬-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে: যখন প্রশ্ন ওঠে যে কোনো নির্দিষ্ট কাজ করা হয়েছে কি না, তখন স্বাভাবিক ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া বা রুটিনের (course of business) অস্তিত্ব একটি প্রাসঙ্গিক তথ্য বলে গণ্য হবে।

- ধারা ১৬ অনুযায়ী, যদি কোনো নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য একটি ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া বিদ্যমান থাকে, তাহলে সেই কাজটি করার প্রাসঙ্গিক তথ্য হিসেবে গণ্য হবে। অর্থাৎ, যে কাজটি ব্যবসায়িক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে স্বাভাবিকভাবে হওয়ার কথা, তার প্রমাণ সাপেক্ষে সেই কাজের হওয়া বা না হওয়া প্রাসঙ্গিক হতে পারে।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১৬ অনুসারে, কোনো কাজ স্বাভাবিক ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া (course of business) অনুযায়ী সম্পাদিত হলে, সেই প্রক্রিয়ার অস্তিত্বই প্রমাণ করে যে কাজটি করা হয়েছিল।

⇒The Evidence Act, 1872, Section- 16. Existence of course of business when relevant:
- When there is a question whether a particular act was done, the existence of any course of business, according to which it naturally would have been done, is a relevant fact.

৪৯.
What duty does an expert owe under Section 45A(2) of The Evidence Act, 1872?
  1. To help the Court
  2. To maintain confidentiality
  3. To help the prosecution
  4. To help the police investigating the case
সঠিক উত্তর:
To help the Court
উত্তর
সঠিক উত্তর:
To help the Court
ব্যাখ্যা

Section 45A: Opinion of experts on physical or forensic evidence:
(1) Except by leave of the Court a witness shall not testify as an expert on physical or forensic unless a copy of his report has, pursuant to sub-section (2), been given to all the parties.

(2) An expert’s report shall be addressed to the Court and not to the party on whose behalf he is examined and he shall owe a duty to help the Court.

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারা- শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত: 
(১) আদালতের অনুমতি ব্যতীত একজন সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না যদি না তার রিপোর্টের একটি অনুলিপি, উপ-ধারা (২) অনুসারে সমস্ত পক্ষকে দেওয়া না হয়।

(২) একজন বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন আদালতের কাছে পাঠানো হবে এবং সেই পক্ষের কাছে নয় যার পক্ষে তাকে পরীক্ষা করা হয়েছে এবং আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।

৫০.
একটি চুরির ঘটনায় গৃহকর্মী নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে বলেন যে, তিনি ঘটনাস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন এবং তখন বাজারে ছিলেন। সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুযায়ী উক্ত ঘটনা সম্পর্কযুক্ত?
  1. ৯ ধারা
  2. ১১ ধারা
  3. ১২ ধারা
  4. ১৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
১১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১১ অনুসারে, অপরাধের স্থান ও সময়ে অপরাধীর অনুপস্থিতি প্রমাণ করা হলে, তা ঘটনার প্রাসঙ্গিকতা প্রমাণ করতে পারে।
যখন কোনো অপরাধীর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়, তখন সে Plea of alibi দিয়ে দাবি করতে পারে যে সে অপরাধের সময় অন্য কোথাও উপস্থিত ছিল এবং সুতরাং অপরাধে জড়িত থাকতে পারে না। 'Plea of alibi' হল একটি আইনগত জবাব, যা কোনো অপরাধীকে নিজেকে দোষমুক্ত প্রমাণ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এর অর্থ হল "অন্যত্র উপস্থিতি"। এটি হল একটি বিশেষ প্রকৃতির অপরাধমুক্তির প্রমাণ যেখানে প্রসিকিউটরদের দাবিকৃত অপরাধের স্থান ও সময়ে অপরাধীর অনুপস্থিতি প্রমাণিত হয়।

অর্থাৎ উক্ত চুরির ঘটনায় গৃহকর্মী নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করার বিষয়টি সাক্ষ্য আইনের ধারা ১১ অনুসারে প্রাসঙ্গিক।

উদাহরণস্বরূপ,
যদি কাউকে খুনের অভিযোগ আনা হয়, তাহলে সে Plea of alibi দিয়ে দাবি করতে পারে যে সে খুনের সময় অন্য কোথাও ছিল এবং তার অনুপস্থিতির প্রমাণ দেখাতে পারে। এটি তাকে দোষী সাব্যস্ত হওয়া থেকে রক্ষা করতে পারে।
------------
⇒ The Evidence Act,1872, Section 11. When facts not otherwise relevant become relevant:
Facts not otherwise relevant are relevant–
(1) If they are inconsistent with any fact in issue or relevant fact;
(2) If by themselves or in connection with other facts they make the existence or non-existence of any fact in issue or relevant fact highly probable or improbable.

Illustrations:

(a) The question is whether A committed a crime at Chittagong on a certain day.
The fact that, on that day, A was at Dhaka is relevant.
The fact that, near the time when the crime was committed, A was at a distance from the place where it was committed, which would render it highly improbable, though not impossible, that he committed it, is relevant.
(b) The question is, whether A committed a crime.
The circumstances are such that the crime must have been committed either by A, B, C or D. Every fact which shows that the crime could have been committed by no one else and that it was not committed by either B, C or D, is relevant.
৫১.
এস্টোপেল কোন নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত?
  1. কথায় বা কাজে কাহারো ক্ষতি করা যাইবে না,
  2. কোনো ব্যক্তির পরস্পর বিরোধি বক্তব্য গ্রহণীয় নয়,
  3. আইনের প্রত্যক্ষ ক্ষতি করা যাইবে না,
  4. মৌখিক সাক্ষ্য প্রত্যক্ষ হইতে,
সঠিক উত্তর:
কোনো ব্যক্তির পরস্পর বিরোধি বক্তব্য গ্রহণীয় নয়,
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো ব্যক্তির পরস্পর বিরোধি বক্তব্য গ্রহণীয় নয়,
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনে estoppel শব্দটি বহুল পরিচিত। সাধারণতঃ স্বকার্যজনিত বাধা বা Estoppel হচ্ছে যা একবার স্বীকার করে নেয়া হয় তা পরবর্তীতে অস্বীকার করার বাধা। অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের যে নীতি কোন ব্যক্তিকে তার পূর্বে প্রদত্ত কোন বক্তব্যকে পরবর্তীতে অস্বীকার করতে বিরত রাখে তা Estoppel বা প্রতিবন্ধক বা স্বকার্যজনিত বাধা নামে পরিচিত।

মূলতঃ কোন ব্যক্তির পরষ্পর বিরোধী বক্তব্য গ্রহণীয় নয়, এটাই এস্টপলের মূলনীতি।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১৫, ১১৬ ও ১১৭ ধারায় এস্টপেল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। এছাড়াও সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮ ধারায় এবং সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৪৩ ধারায় Estoppel সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১৫ ধারায় বলা হয়েছে যখন কোন ব্যক্তি তার ঘোষনা, কাজ বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে অন্য ব্যক্তিকে কোন বিষয়কে সত্য বলে বিশ্বাস করিয়েছেন এবং সেই বিশ্বাসের ভিত্তিতে উক্ত ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বলেছেন, তখন উক্ত ব্যক্তি বা তার মধ্যে অথবা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে কোন মামলায় প্রথমোক্ত ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধি তার পূর্বে প্রদত্ত ঘোষণা, কার্য বা কার্য বিরতির বিষয়টি অস্বীকার করতে পারবে না"।

⇒ প্রতিবন্ধঃ- যেক্ষেত্রে এক ঘোষণা, কার্য বা কার্যবিররিত দ্বারা স্বেচ্ছায় অপর ব্যক্তিকে কিছু সত্য বলে বিশ্বাস করিয়েছেন অতবা বিশ্বাস করতে দিয়েছেন এবং সে বিশ্বাসের ভিত্তিতে কাজ করতে দিয়েছেন, সেক্ষেত্রে এদের প্রতিনিধিদের মধ্যে কোন মোকদ্দমায় প্রথমোক্ত ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধি উক্ত প্রসঙ্গের সত্যতা অস্বীকার করতে পারবেন না।

Section-115. Estoppel: When one person has, by his declaration, act or omission, intentionally caused or permitted another person to believe a thing to be true and to act upon such belief, neither he nor his representative shall be allowed, in any suit or proceeding between himself and such person or his representative, to deny the truth of that thing.
৫২.
'A' একজন মক্কেল, অ্যার্টনী 'B' কে বলে যে, 'আমি জাল দলিলের মাধ্যমে সম্পত্তির দখল গ্রহণ করতে চাই। যে জন্যে আপনাকে মামলা করতে অনুরোধ করছি। অ্যার্টনীর সাথে মক্কেলের এমন যোগাযোগ-
  1. ১২৬ ধারায় প্রকাশ করা হতে সুরক্ষিত
  2. এ্যাডভোকেট এমন যোগাযোগ প্রকাশ করতে পারে
  3. অ্যাটর্নী এমন যোগাযোগ প্রকাশ করতে পারে না
  4. ক এবং গ উভয়
সঠিক উত্তর:
এ্যাডভোকেট এমন যোগাযোগ প্রকাশ করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ্যাডভোকেট এমন যোগাযোগ প্রকাশ করতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২৬ ধারার বিধান পেশা সম্পর্কিত বার্তা:
ব্যারিস্টার, এটর্নি বা উকিল মক্কেলের ব্যারিস্টার, এটর্নি বা উকিল হিসাবে কাজ করিবার সময় এবং উদ্দেশ্যে উক্ত মক্কেল কর্তৃক বা মক্কেলের পক্ষ হইতে তাহার নিকট প্রদত্ত কোন বার্তার বিষয় মক্কেলের অনুমতি ব্যতীত প্রকাশ করিতে অনুমতি পাইবেন না। অথবা বৃত্তিগত কার্য সম্পাদানকালে এবং প্রসঙ্গে মক্কেলের যেই সকল দলিলের সহিত তিনি পরিচিত হইয়াছিলেন, সেইগুলির বিষয়বস্তু বা অবস্থার কোন বিবৃতি দিতে পারিবেন না অথবা তাহার কার্যকালে ও উদ্দেশ্যে মক্কেলকে তিনি যে পরামর্শ দিয়াছেন, তাহা প্রকাশ করিতে পারিবেন না।

⇒ তবে শর্ত থাকে যে, নিম্নলিখিত বিষয়গুলি প্রকাশ হইতে এই ধারার কিছু অব্যাহিত দিবেন না।

(১) বেআইনী উদ্দেশ্যে সাধনকল্পে যে সংবাদ আদান- প্রদান করা হইয়াছে,

(২) ব্যরিস্টার, এটর্নি বা উকিল পেশাগত কার্যে নিযুক্ত থাকিবার সময় তৎকর্তৃক লক্ষিত বিষয় যদ্বারা প্রতীয়মান হয় যে, তাহার নিযুক্তির পরে কোন অপরাধ বা প্রতারণা সংঘটিত হইয়াছে অনুরূপ ঘটনার প্রতি উক্ত ব্যরিস্টার, এটর্নি বা উকিল মনোযোগ তাহার মক্কেল কর্তৃক বা মক্কেলের পক্ষ হইতে আকৃষ্ট করা হইয়াছিল কিনা তাহা গুরুত্বপূর্ণ নয়।

⇒ ব্যাখ্যা: এই ধারার বর্ণিত বাধ্যবাধকতা নিযুক্তির অবসান ঘটিবার পরও অব্যাহত থাকে।

The Evidence Act, 1872 এর ১২৬ ধারা মতে কোন বেআইনি উদ্দেশ্য সাধনের চেষ্টা হিসাবে কোন তথ্য প্রকাশ করা হলে এডভোকেট এমন তথ্য প্রকাশ করতে পারে এবং তা গোপন রাখতে বাধ্য না।
৫৩.
সাক্ষ্য আইনের ৫৯ ধারা অনুযায়ী, দলিলের বিষয়বস্তু ব্যতীত সকল ঘটনা কোন ধরনের সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে?
  1. প্রাথমিক সাক্ষ্য
  2. মৌখিক সাক্ষ্য
  3. মাধ্যমিক সাক্ষ্য
  4. লিখিত সাক্ষ্য
সঠিক উত্তর:
মৌখিক সাক্ষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌখিক সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৫৯ ধারা- মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা ঘটনা প্রমাণ: 
দলিলের বিষয়বস্তু ব্যতীত সকল ঘটনা মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে।

Section 59- Proof of facts by oral evidence:
All facts, except the contents of documents, may be proved by oral evidence.
৫৪.
ধারা ৮৯ক অনুযায়ী, ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে আদালতের অনুমান কী হবে?
  1. এটি প্রাসঙ্গিক নয়
  2. এটি তদন্ত কর্মকর্তার দ্বারা প্রণীত
  3. এটি অপরাধের স্থান থেকে নেওয়া হয়েছে
  4. এটি প্রাপ্ত ব্যক্তির অন্তর্গত বা তার দ্বারা তৈরি
সঠিক উত্তর:
এটি প্রাপ্ত ব্যক্তির অন্তর্গত বা তার দ্বারা তৈরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি প্রাপ্ত ব্যক্তির অন্তর্গত বা তার দ্বারা তৈরি
ব্যাখ্যা
• ধারা ৮৯ক: শারীরিক বা ফরেনসিক সাক্ষ্য হিসাবে অনুমান:

আদালত অনুমান করতে পারে যদি না বিপরীত প্রমাণিত হয় যে, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণগুলি সেই ব্যক্তির অন্তর্গত বা তৈরি করা হয়েছে যার কাছ থেকে এটি সংগ্রহ করা হয়েছে।
[The court may presume, unless the contrary is proved, that the physical or forensic evidence was contained in or made by the person from whom it was obtained.]
৫৫.
সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারার অধীনে কোন ক্ষেত্রে স্বীকারোক্তি প্রাসঙ্গিক হবে?
  1. আসামি নির্দোষ দাবি করলে
  2. আসামি আদালতে স্বীকার করলে
  3. আসামি পুলিশের সামনে দোষ স্বীকার করলে
  4. স্বীকারোক্তির ফলে কোনো বস্তু বা প্রমাণ উদ্ধার হলে
সঠিক উত্তর:
স্বীকারোক্তির ফলে কোনো বস্তু বা প্রমাণ উদ্ধার হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বীকারোক্তির ফলে কোনো বস্তু বা প্রমাণ উদ্ধার হলে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারা অনুসারে, যদি কোনো আসামি পুলিশের হেফাজতে থেকে এমন কোনো তথ্য দেয়, যা দ্বারা কোনো বস্তু বা প্রমাণ উদ্ধার হয়, তবে সেই তথ্যের প্রাসঙ্গিক অংশ আদালতে গ্রহণযোগ্য হবে। তবে সম্পূর্ণ স্বীকারোক্তি নয়, শুধুমাত্র যে অংশটি উদ্ধারকৃত আলামতের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত, সেটি প্রাসঙ্গিক ও গ্রহণযোগ্য হবে।

- সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারা অনুযায়ী- আসামীর নিকট থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে যদি আলামত উদ্ধার হয়, তাহলে উক্ত স্বীকারোক্তি তার বিরুদ্ধে প্রমাণ করা যেতে পারে।
- সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারা: আসামীর নিকট হতে প্রাপ্ত তথ্য কতটুকু প্রমাণ হতে পারে:
পুলিশ অফিসারের হেফাজতে থাকা কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছ থেকে ঘটনার বিষয়ে সাক্ষ্য হতে প্রাপ্ত কোন তথ্যে, যদি এমন বিষয় উদঘাটিত হয় যা ঘটনার সাথে স্পষ্টরূপে সম্পর্কযুক্ত হয় তবে তা দোষ স্বীকার হোক বা না হোক প্রমাণ করা যেতে পারে।
-------------------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section 27: How much of information received from accused may be proved:
Provided that, when any fact is deposed to as discovered in consequence of information received from a person accused of any offence, in the custody of a police officer, so much of such information, whether it amounts to a confession or not, as relates distinctly to the fact thereby discovered, may be proved.
৫৬.
সাক্ষ্য আইনের ১২৯ ধারায় বলা হয়েছে কোন ব্যক্তিকে আদালতের নিকট গোপনীয় যোগাযোগ প্রকাশ করতে বাধ্য করা যাবে না যা-
  1. শিক্ষক এবং ছাত্রে মধ্যে আলাপ হয়
  2. কোম্পানি এবং এর মক্কেলদের মধ্যে আলাপ হয়
  3. পেশাগত আইনি উপদেষ্টা এবং তার মক্কেলের মধ্যে হয়
  4. ভূমির মালিক এবং ভাড়াটিয়ার মধ্যে হয়
সঠিক উত্তর:
পেশাগত আইনি উপদেষ্টা এবং তার মক্কেলের মধ্যে হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেশাগত আইনি উপদেষ্টা এবং তার মক্কেলের মধ্যে হয়
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২৯ ধারামতে: আইনী উপদেষ্টার সাথে গোপন যোগাযোগ (Confidential communications with legal advisers)- কোন ব্যক্তি এবং তার আইন উপদেষ্টার মধ্যে গোপন যোগাযোগ আদালতে প্রকাশ করতে বাধ্য করা যাবেনা। তবে উক্ত ব্যক্তি যদি কোন মোকদ্দমায় সাক্ষ্য দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে, তবে আদালতে তার দেওয়া সাক্ষ্য ব্যাখ্যার জন্য উক্ত গোপন যোগাযোগ প্রকাশ করতে তাকে বাধ্য করা যাবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২৯ ধারার বিধান: আইন উপদেষ্টার সঙ্গে গোপন সংবাদের আদান-প্রদানঃ-কোন ব্যক্তি এবং তার পেশাদার আইন উপদেষ্টার ভিতর গোপনীয় বার্তার আদান-প্রদান হলে, সে ব্যক্তি যদি মোকদ্দমার সাক্ষ্য দেয়ার ইচ্ছা প্রকাশ না করেন, তবে সে গোপনীয় আদান-প্রদানের বিষয় আদালতে ব্যক্ত করতে তাকে বাধ্য করা যাবে না। যদি তিনি সাক্ষ্য দেন, তবে তার দেয়া সাক্ষ্যের ব্যাখ্যার জন্য উক্ত গোপনীয় সংবাদ আদান- প্রদানের বিষয় আদালতের জানা প্রয়োজন হলে শুধু তাকে তা প্রকাশ করতে বাধ্য করা যাবে, অন্যথায় নয়।
----------------
⇒The Evidence Act, 1872-Section-129. Confidential communications with legal advisers: No one shall be compelled to disclose to the Court any confidential communication which has taken place between him and his legal professional adviser, unless he offers himself as a witness, in which case he may be compelled to disclose any such communications as may appear to the Court necessary to be known in order to explain any evidence which he has given, but no others.

৫৭.
‘A’ এবং ‘B’-এর মধ্যে একটি মামলায় ‘A’ দাবি করে যে ‘B’ তার কাছে ঋণী। ‘B’ পূর্বে একটি মৌখিক বক্তব্যে বলেছিল, “আমি ‘A’-এর কাছে ৫০,০০০ টাকা ঋণী।” সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুসারে এই বক্তব্য একটি ‘স্বীকারোক্তি’ (Admission) হিসেবে গ্রহণযোগ্য?
  1. ধারা ১৭
  2. ধারা ১৮
  3. ধারা ১৯
  4. ধারা ২০
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৮
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৮ অনুসারে, মামলার পক্ষগুলোর দ্বারা বা তাদের প্রতিনিধি দ্বারা দেওয়া বক্তব্য স্বীকারোক্তি (Admission) হিসেবে গ্রহণযোগ্য। এখানে ‘B’ মামলার একটি পক্ষ এবং তার মৌখিক বক্তব্য, “আমি ‘A’-এর কাছে ৫০,০০০ টাকা ঋণী,” ঋণের বিষয়ে সরাসরি প্রাসঙ্গিক। তাই এই বক্তব্য ধারা ১৮-এর অধীনে স্বীকারোক্তি হিসেবে গ্রহণযোগ্য।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৮ ধারামতে, নিম্নলিখিত ব্যক্তিগণের স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক হবে। যথা-
ⅰ)) মোকদ্দমার পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধির স্বীকৃতি;
ii) প্রতিনিধিত্বমূলক মামলার ক্ষেত্রে মামলার বাদী বা বিবাদীর প্রতিনিধি হিসেবে প্রদত্ত স্বীকৃতি;
iii) মামলার বিষয় বস্তুতে মালিকানা বা আর্থিক স্বার্থের অধিকারী ব্যক্তিদের বক্তব্য অথবা তাদের নিকট থেকে স্বার্থ প্রাপ্ত ব্যক্তিতে বক্তব্য অর্থাৎ মামলার বিষয়বস্তুতে কোনভাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির স্বীকৃতি; অথবা
iv) মামলার কোন পক্ষের বিরুদ্ধে যার অবস্থান বা দায় রয়েছে তেমন ব্যক্তির স্বীকৃতি বা বক্তব্য।
-------------
⇒The Evidence Act, 1872, Section-18:
- Admission -by party to proceeding or his agent-
Statements made by a party to the proceeding, or by an agent to any such party, whom the Court regards, under the circumstances of the case, as expressly or impliedly authorized by him to make them, are admissions.
- by suit or in representative character-
Statements made by parties to suits suing or sued in a representative character, are not admissions, unless they were made while the party making them held that character.
- by party interested in subject-matter;Statements made by–
(1) persons who have any proprietary or pecuniary interest in the subject-matter of the proceeding, and who make the statement in their character of persons so interested, or
- by person from whom interest derived-
(2) persons from whom the parties to the suit have derived their interest in the subject-matter of the suit, are admissions, if they are made during the continuance of the interest of the persons making the statements.

৫৮.
খায়রুল ও হারুন হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত। হারুন দোষ স্বীকার করে। হারুন এর দোষ স্বীকার খায়রুল এর বিরুদ্ধে প্রযোজ্য হবে-
  1. খায়রুল ও হারুনের যৌথভাবে বিচার হলে।
  2. হারুন নিজের সাথে খায়রুলকে জড়িয়ে দোষ স্বীকার করলে।
  3. হারুন এর দোষ স্বীকার প্রমাণিত হলে।
  4. সবগুলো।
সঠিক উত্তর:
সবগুলো।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো।
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ ধারা-৩০ অনুযায়ী- যেখানে একই অপরাধে একাধিক ব্যক্তির যৌথভাবে বিচার হচ্ছে এবং তাদের মধ্যে একজনের দোষ স্বীকার, যা দ্বারা সে নিজেকে ও অন্যকে জড়িত করেছে, তা প্রমাণ করা হয়েছে, সেখানে আদালত উক্ত দোষ স্বীকারকারী ও অপর ব্যক্তির বিরুদ্ধে সেই দোষ স্বীকার বিবেচনা করতে পারেন।
৫৯.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুসারে কোন অধিকার বা প্রথার অস্তিত্ব (existence of right or custom) সম্পর্কে জ্ঞাত ব্যক্তির মতামত প্রাসঙ্গিক?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৫১ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ৪৮ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ৪৫ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ৪৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৪৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৪৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৮ ধারার বিধান: অধিকার বা প্রথার অস্তিত্ব সম্পর্কে মতামত যখন প্রাসঙ্গিক (Opinion as to existence of right or custom, when relevant): প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব প্রমাণের ক্ষেত্রে ঐ এলাকার যেসকল লোকের ঐ প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব জানা সম্ভব তাদেরকে বিশেষজ্ঞ হিসেবে ধরে নেয়া হয়েছে এবং তাদের মতামতকে প্রাসঙ্গিক ঘোষণা করা হয়েছে।
---------------------
⇒ Opinion as to existence of right or custom, when relevant:
Section 48. When the Court has to form an opinion as to the existence of any general custom or right, the opinions, as to the existence of such custom or right, of persons who would be likely to know of its existence if it existed, are relevant. 

⇒ Explanation.–The expression "general custom or right" includes customs or rights common to any considerable class of persons. 
 
Illustration 
The right of the villagers of a particular village to use the water of a particular well is a general right within the meaning of this section.
৬০.
সাক্ষ্য আইনের বিধান অনুযায়ী 'Dying Declaration' কীভাবে দেয়া যায়?
  1. ইশারায়
  2. মৌখিক ভাবে
  3. লিখিত ভাবে
  4. উল্লিখিত সবভাবে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবভাবে
ব্যাখ্যা

⇒ The Evidence Act এর ধারা-৩২(১) এর বিধান মৃত্যুকালীন ঘোষণা (Dying declaration)-
সাক্ষ্য আইনে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলতে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত বিবৃতিকে বোঝায়। ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) ধারা মোতাবেক কোন ব্যক্তি মৃত্যুর সম্মুখীন হয়ে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে যে বিবৃতি প্রদান করেন, তাকে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বা dying declaration বলা হয়। মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারার আওতায় সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য।

মৃত্যুকালীন ঘোষণা করা যায়: ১. ইশারায় ২. মৌখিক ভাবে  ৩. লিখিত ভাবে ।
মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রযোজ্য: দেওয়ানি মোকদ্দমা ও ফৌজদারি মামলা উভয় ক্ষেত্রেই।
মৃত্যুকালীন ঘোষণা করা যায় যার নিকট: যেকোনো ব্যক্তির নিকট বা সামনে; যেমন: ডাক্তার, পুলিশ, ম্যাজিস্ট্রেট।
মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণ করার আগে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে যে- ঘোষণা প্রদানকারী মৃত [১০৪ ধারার বিধান]।

মৃত্যুকালীন ঘোষণা গ্রহণযোগ্য হবে না: মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রদানকারী মৃত্যুবরণ না করলে [বেঁচে থাকলে]; উক্ত ঘোষণা- সাক্ষ্যগত মূল্য হারাবে। তবে ধারা ১৪৫, ১৫৭ অনুযায়ী সমর্থনমূলক সাক্ষ্য [Dying Recognition] হিসাবে ব্যবহার করা যাবে।

৬১.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৩৩ অনুযায়ী, আসামীর বিরুদ্ধে কে সাক্ষ্য দিতে পারে?
  1. পুলিশ অফিসার
  2. বিশেষজ্ঞ সাক্ষী
  3. দুষ্কর্মের সহযোগী
  4. আদালতের কর্মকর্তা
সঠিক উত্তর:
দুষ্কর্মের সহযোগী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুষ্কর্মের সহযোগী
ব্যাখ্যা
⇒সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৩৩ অনুযায়ী, দুষ্কর্মের সহযোগী (Accomplice) একজন সাক্ষ্য দিতে উপযুক্ত (competent) ব্যক্তি এবং তার অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতেও সাজা দেওয়া বেআইনী হবে না।
অর্থাৎ, যদি সে নিজেও অপরাধে জড়িত থাকে, তবুও সে অন্য আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে পারে এবং আদালত তা গ্রহণ করতে পারে।

⇒সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারার বিধান- দুষ্কর্মের সহযোগী:
আসামীর বিরুদ্ধে দুষ্কর্মের সহযোগী সাক্ষ্য দেয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলে পরিগণিত হবেন। আসামীকে দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সাজা দেয়া হলে, শুধুমাত্র সে কারণে ঐ সাজা বেআইনী হবে না।
--------
⇒The Evidence Act, 1872-Section-133- Accomplice:
An accomplice shall be a competent witness against an accused person, and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.
৬২.
ক আহত অবস্থায় পুলিশের নিকট খ-কে দোষী উল্লেখ করে এবং পরবর্তীতে হাসপাতালে ভর্তি করানোর পর মারা যায়। ক-এর এই জবানবন্দির সাক্ষ্যগত মূল্য কী?
  1. পুলিশের নিকট দেওয়ায় এই জবানবন্দি সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়
  2. ক সাথে সাথে মারা না যাওয়ায় এই জবানবন্দি গ্রহণযোগ্য নয়
  3. মৃত্যুকালীন ঘোষণা হিসেবে এই জবানবন্দি সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য
  4. এটি স্বীকৃতি হিসেবে গ্রহণযোগ্য
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুকালীন ঘোষণা হিসেবে এই জবানবন্দি সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুকালীন ঘোষণা হিসেবে এই জবানবন্দি সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য
ব্যাখ্যা
♦সাধারণত পুলিশের নিকট প্রদত্ত জবানবন্দির সাক্ষ্যগত মূল্য নাই (ধারা ২৬)। তবে মৃত্যুকালীন ঘোষণা পুলিশের সামনে দিলেও তা যদি পুলিশ আদালতে এসে উল্লেখ করে তবে তা গ্রহণযোগ্য (ধারা ৩২)।
♦১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) মৃত ব্যক্তি মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে প্রদত্ত বিবৃতিকে সাধারণত মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলা হয়৷ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা মতে, কোন নিহত ব্যক্তি মৃত্যুর পূর্বে যদি তার মৃত্যুর কারণ, অবস্থা এবং পরিস্থিতি বর্ণনা করে কোন বিবৃতি বা জবানবন্দি প্রদান করে থাকেন তবে তাকে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলা হয়।
৬৩.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৫১ অনুযায়ী আদালত কোন ধরনের প্রশ্ন নিষিদ্ধ করতে পারে?
  1. অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন
  2. বিভ্রান্তিকর প্রশ্ন
  3. পুনরাবৃত্তিমূলক প্রশ্ন
  4. অশ্লীল ও কুৎসাজনক প্রশ্ন
সঠিক উত্তর:
অশ্লীল ও কুৎসাজনক প্রশ্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অশ্লীল ও কুৎসাজনক প্রশ্ন
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৫১ এর সরাসরি বিধান হলো: আদালত যে কোনো প্রশ্ন বা জিজ্ঞাসাবাদকে অশ্লীল (indecent) বা কেলেঙ্কারিজনক/কুৎসাজনক (scandalous) মনে করলে তা নিষিদ্ধ করতে পারেন, এমনকি প্রশ্নটির কিছু প্রাসঙ্গিকতা বা গুরুত্ব থাকলেও।
তবে ব্যতিক্রম: যদি প্রশ্নটি বিচার্য বিষয় (facts in issue) বা তার অস্তিত্ব নির্ধারণের জন্য অপরিহার্য হয়, তাহলে আদালত তা অনুমোদন করতে পারেন।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৫১ ধারা- অশ্লীল ও কুৎসাজনক প্রশ্ন: যদি কোন প্রশ্ন বা জিজ্ঞাসাবাদ আদালত অশ্লীল অথবা কেলেঙ্কারীজনক মনে করেন, তবে আদালতের বিচার্য বিষয়ের ক্ষেত্রে প্রশ্নটির কিছু গুরুত্ব থাকলেও আদালত এর প্রশ্ন নিষিদ্ধ করতে পারেন প্রশ্নটি যদি না বিচার্য বিষয় সম্পর্কিত হয় অথবা বিচার্য বিষয়ের অস্তিত্ব নির্ধারণের জন্য যা জানা প্রয়োজন এমনি বিষয় সম্পর্কিত হয়।
------------
⇒The Evidence Act, 1872-Section 151- Indecent and scandalous questions: The Court may forbid any questions or inquiries which it regards as indecent or scandalous, although such questions or inquiries may have some bearing on the questions before the Court, unless they relate to facts in issue, or to matters necessary to be known in order to determine whether or not the facts in issue existed.

৬৪.
'ক' একটি হারিয়ে যাওয়া দলিলের বিষয়বস্তু মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। 'ক' কে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে-
  1. দলিলটি রেজিস্ট্রাট
  2. দলিলটি হারিয়ে গেছে
  3. দলিলটি তার দখলে ছিল
  4. দলিলটি তার দখলে নাই
সঠিক উত্তর:
দলিলটি হারিয়ে গেছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিলটি হারিয়ে গেছে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারামতে একটি সাক্ষ্যকে আদালতের নিকট গ্রহণযোগ্য করাতে যদি কোন ঘটনা প্রমানের প্রয়োজন হয়, তাহলে যে পক্ষ সাক্ষ্যকে গ্রহণযোগ্য করাতে চায় তাকেই উক্ত ঘটনা প্রমান করতে হবে।

⇒ যেমন- 'B' একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। 'A', 'B'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে চায়। সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারামতে এখানে 'A'-কে অবশ্যই 'B'-এর মৃত্যু প্রমাণ করতে হবে; কেননা মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রাসঙ্গিক এবং গ্রহণযোগ্য হবে যদি ঘোষণাকারী মৃত হয়। অর্থাৎ মৃত্যুকালীন ঘোষণাটির গ্রহণযোগ্যতা নির্ভর করছে ঘোষণাকারী মৃত কিনা সেই তথ্যের উপর। আর ঘোষণাকারী মৃত কিনা তা প্রমাণের ভার সেই ব্যক্তির উপর বর্তাবে যে মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ হিসাবে দিতে চায়। যেহেতু এখানে 'A', 'B'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে চায় সুতরাং মৃত্যুকালীন ঘোষণাকে গ্রহণযোগ করার জন্য, 'B'-এর মৃত্যু সংক্রান্ত প্রমাণ দাখিলের দায়ভার 'A',-এর উপর বর্তাবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারার বিধান যে ঘটনা সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য করার জন্য প্রমাণ করতে হবে তা প্রমাণের দায়িত্বঃ- যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি অন্য কোন বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে পারে, তজ্জন্য বিষয় প্রমাণ করা আবশ্যক, সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানে ইচ্ছুক তার উপর উপরেবর্ণিত বিষয় প্রমাণের দায়িত্ব ন্যস্ত।

⇒ উদাহরণ:

(ক) 'ক' 'খ'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। এক্ষেত্রে অবশ্যই 'খ'-এর মৃত্যু 'ক'-এর প্রমাণ করতে হবে।

(খ) একটি হারিয়ে যাওয়া দলিলের প্রসঙ্গের মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা 'ক' প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। দলিলাটি যে হারিয়ে গিয়েছে, অবশ্যই তা 'ক'-এর প্রমাণ করতে হবে।

--------------------
Section-104. Burden of proving fact to be proved to make evidence admissible: The burden of proving any fact necessary to be proved in order to enable any person to give evidence of any other fact is on the person who wishes to give such evidence.

(a) A wishes to prove a dying declaration by B. A must prove B's death.

(b) A wishes to prove, by secondary evidence, the contents of a lost document. A must prove that the document has been lost.
৬৫.
সাক্ষ্য আইনের বিধান অনুসারে কার দ্বারা প্রদত্ত বিবৃতিকে ‘Admission’ হিসেবে গণ্য করা হয়?
  1. শুধুমাত্র বিচারক
  2. পুলিশ অফিসার
  3. মামলার পক্ষ বা তার এজেন্ট
  4. তৃতীয় পক্ষ যারা মামলার সাথে সম্পর্কিত নয়
সঠিক উত্তর:
মামলার পক্ষ বা তার এজেন্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার পক্ষ বা তার এজেন্ট
ব্যাখ্যা
⇒ Evidence Act, 1872-এর Section 17 ও 18 অনুযায়ী, Admission বলতে বোঝানো হয় মামলার পক্ষ বা তার প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অনুমোদিত এজেন্ট কর্তৃক প্রদত্ত বক্তব্য, যা মামলার প্রাসঙ্গিক তথ্যের ওপর প্রভাব ফেলে।
- শুধুমাত্র মামলার পক্ষ বা তার অনুমোদিত এজেন্ট কর্তৃক প্রদত্ত বক্তব্যই আইনিভাবে "Admission" হিসেবে গণ্য হয়।

সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৮ অনুসারে, নিম্নলিখিত ব্যক্তিদের বিবৃতিকে Admission হিসেবে গণ্য করা হয়:
- মামলার কোনো পক্ষ (Plaintiff বা Defendant), পক্ষের এজেন্ট (Agent), যদি আদালত মনে করে যে এজেন্ট ঐ পক্ষের পক্ষে বিবৃতি দিতে স্পষ্ট বা অন্তর্নিহিতভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত।
- Admission মৌখিক, লিখিত বা ডিজিটাল হতে পারে (ধারা ১৭)।
- প্রতিনিধিত্বমূলক ক্ষমতায় দেওয়া বিবৃতিও Admission হয়, যদি তা সেই চরিত্রে দেওয়া হয় (ধারা ১৮-এর দ্বিতীয় অংশ)।
সুতরাং, সঠিক উত্তর গ) মামলার পক্ষ বা তার এজেন্ট।
-----------
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৮ ধারামতে, নিম্নলিখিত ব্যক্তিগণের স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক হবে। যথা-
ⅰ)) মোকদ্দমার পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধির স্বীকৃতি;
ii) প্রতিনিধিত্বমূলক মামলার ক্ষেত্রে মামলার বাদী বা বিবাদীর প্রতিনিধি হিসেবে প্রদত্ত স্বীকৃতি;
iii) মামলার বিষয় বস্তুতে মালিকানা বা আর্থিক স্বার্থের অধিকারী ব্যক্তিদের বক্তব্য অথবা তাদের নিকট থেকে স্বার্থ প্রাপ্ত ব্যক্তিতে বক্তব্য অর্থাৎ মামলার বিষয়বস্তুতে কোনভাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির স্বীকৃতি; অথবা
iv) মামলার কোন পক্ষের বিরুদ্ধে যার অবস্থান বা দায় রয়েছে তেমন ব্যক্তির স্বীকৃতি বা বক্তব্য।

⇒The Evidence Act, 1872, Section-18:
- Admission -by party to proceeding or his agent-
Statements made by a party to the proceeding, or by an agent to any such party, whom the Court regards, under the circumstances of the case, as expressly or impliedly authorized by him to make them, are admissions.
- by suit or in representative character-
Statements made by parties to suits suing or sued in a representative character, are not admissions, unless they were made while the party making them held that character.
- by party interested in subject-matter;Statements made by–
(1) persons who have any proprietary or pecuniary interest in the subject-matter of the proceeding, and who make the statement in their character of persons so interested, or
- by person from whom interest derived-
(2) persons from whom the parties to the suit have derived their interest in the subject-matter of the suit, are admissions, if they are made during the continuance of the interest of the persons making the statements.
৬৬.
The Evidence Act, 1872 এর ৩০ ধারা অনুযায়ী একজন অভিযুক্ত ব্যক্তির দোষ স্বীকারোক্তি অন্যান্য সহ-অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য হিসেবে ______
  1. গ্রহণযোগ্য হবে
  2. গ্রহণযোগ্য হবে না
  3. আংশিক গ্রহনযোগ্য হবে
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
গ্রহণযোগ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রহণযোগ্য হবে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩০- যখন দোষ স্বীকারোক্তি সহ-অভিযুক্তদের [co-accused) বিরুদ্ধে সাক্ষ্যে ব্যবহার করা যায়:

সাক্ষ্য আইনের সাধারণ নিয়ম হলো যে ব্যক্তি দোষ স্বীকারোক্তি প্রদান করে উক্ত দোষ স্বীকারোক্তি তার বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা হবে অন্যকোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে না। কিন্তু সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারা এই নিয়মের ব্যতিক্রম।

সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারায় বলা হয়েছে-
যেখানে একের অধিক ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য যৌথ বিচার করা হচ্ছে, সেখানে কোন একজন অভিযুক্ত নিজেকে সহ অন্যান্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের জড়িয়ে কোন দোষ স্বীকারোক্তি প্রদান করলে, উক্ত স্বীকারোক্তি সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য হলে তা স্বীকারোক্তি প্রদানকারীসহ অন্যান্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।

শর্তসমূহ:
১. একই অপরাধের জন্য একাধিক ব্যক্তি অভিযুক্ত হতে হবে:
২. উক্ত একই অপরাধের জন্য তাদের যৌথ বিচার (Tried jointly) করা হবে:
৩. উক্ত অভিযুক্তদের মধ্যে কোন একজন অভিযুক্ত নিজেকেসহ অন্যান্য অভিযুক্তকে জড়িয়ে কোন দোষ স্বীকারোক্তি প্রদান করবে;
৪. এমন দোষ স্বীকারোক্তি প্রমাণিত হলে আদালত উক্ত দোষ স্বীকারোক্তি প্রদানকারীসহ অন্যান্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য হিসাবে আমলে নিতে পারে।
৬৭.
যে দলিল আইনে সত্যায়ন করার জন্য নির্দেশিত, সেই দলিল প্রমাণ করার জন্য অন্ততপক্ষে কয়জন সত্যায়নকারী সাক্ষী তলব না করা পর্যন্ত দলিলটি সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না?
  1. ২ জন
  2. ১ জন
  3. ৩ জন
  4. নির্দিষ্ট নয়
সঠিক উত্তর:
১ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ জন
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৬৮ ধারা- যে দলিল সত্যায়িত করা আইনত প্রয়োজন, তা সম্পাদনের প্রমাণ:
 
যে দলিল আইনে সত্যায়ন করার জন্য নির্দেশিত সেই দলিল প্রমাণ করার জন্য অন্ততপক্ষে একজন সত্যায়নকারী সাক্ষী তলব না করা পর্যন্ত দলিলটি সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না।
তবে শর্ত থাকে যে, উইল ব্যতীত অন্য কোন দলিল যদি রেজিস্ট্রি করা হয়ে থাকে এবং সম্পাদনকারী যদি সম্পাদনের কথা নির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করা না হয়, তা হলে সত্যায়নকারী সাক্ষীকে তলব করা প্রয়োজন হবে না।
 
Section 68- Proof of execution of document required by law to be attested:
If a document is required by law to be attested, it shall not be used as evidence until one attesting witness at least has been called for the purpose of proving its execution, if there be an attesting witness alive, and subject to the process of the Court and capable of giving evidence: 
 
Provided that it shall not be necessary to call an attesting witness in proof of the execution of any document, not being a will, which has been registered in accordance with the provisions of the Registration Act, 1908, unless its execution by the person by whom it purports to have been executed is specifically denied.
৬৮.
সাক্ষ্য আইনের ৪৫ ধারার বিধান অনুসারে কোন ক্ষেত্রে বিশারদের মতামত সাক্ষ্য হিসেবে প্রাসঙ্গিক নয়?
  1. ফরেনসিক সাক্ষ্য 
  2. টাইপ রাইটিং
  3. বিদেশী আইন
  4. বিক্রয় দলিল
সঠিক উত্তর:
বিক্রয় দলিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিক্রয় দলিল
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৪৫ অনুযায়ী বিশারদের (Expert) মতামত শুধুমাত্র নির্দিষ্ট ১৩টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। এর মধ্যে রয়েছে: বিদেশী আইন, বিজ্ঞান, ফরেনসিক সাক্ষ্য, ডিজিটাল রেকর্ড, হস্তলিপি, আঙ্গুলের ছাপ, পায়ের ছাপ, তালুর ছাপ, টাইপ রাইটিং, ট্রেড বা টেকনিকাল শব্দের, ব্যবহার, ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচয় ইত্যাদি।
কিন্তু বিক্রয় দলিল (Sale Deed) এর সত্যতা, বৈধতা বা বিষয়বস্তু প্রমাণের জন্য বিশারদের মতামতের প্রয়োজন হয় না। এটি একটি প্রাথমিক দলিল (Primary Document) এবং এর বিষয়বস্তু ধারা ৬১-৬৬ অনুযায়ী প্রাথমিক বা গৌণ সাক্ষ্য দিয়ে প্রমাণ করতে হয়, বিশারদের মতামত দিয়ে নয়।
- সুতরাং, প্রশ্নের চারটি অপশনের মধ্যে যেটি ধারা ৪৫-এর আওতায় পড়ে না তা হলো: ঘ) বিক্রয় দলিল।

⇒The Evidence Act, 1872- Section- 45. Opinion of Experts:
  When the Court has to form an opinion upon a point of foreign law, or of science, physical or forensic evidence or digital record, or art, or as to identity of hand writing or finger impression or footprint or palm impression or iris impression or typewriting or usage of trade or technical terms or identity of person or animal, the opinion upon that point of person specially skilled in such foreign law, science, physical or forensic evidence or digital record or art, or in questions as to identity of handwriting or finger impression, footprint, palm impression, typewriting, usage of trade, technical term or identity of person or animal, as the case may be, are relevant facts. Such persons are called experts.

৬৯.
সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারার বিধান হিসেবে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. প্রাথমিক সাক্ষ্য ও তার প্রকারভেদ
  2. মাধ্যমিক সাক্ষ্য ও তার প্রকারভেদ
  3. ডিজিটাল সাক্ষ্য ও তার প্রকারভেদ
  4. ফরেনসিক সাক্ষ্য ও তার প্রকারভেদ
সঠিক উত্তর:
মাধ্যমিক সাক্ষ্য ও তার প্রকারভেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাধ্যমিক সাক্ষ্য ও তার প্রকারভেদ
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ৬৩ ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্য (Secondary Evidence) সম্পর্কিত বিধানাবলী রয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে:

"Secondary evidence means and includes, among other things-
(1) Certified copies given under the provisions hereinafter contained;
(2) Copies made from the original by mechanical processes which in themselves insure the accuracy of the copy, and copies compared with such copies;
(3) Copies made from or compared with the original;
(4) Counterparts of documents as against the parties who did not execute them;
(5) Oral accounts of the contents of a document given by some person who has himself perceived it."

অর্থাৎ এই ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্যের কয়েকটি উদাহরণ দেওয়া হয়েছে যেমন:
১. এই আইনে বর্ণিত বিধানমতে প্রদত্ত সার্টিফাইডকৃত অনুলিপি;
২. যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় মূল থেকে তৈরিকৃত অনুলিপি যা নিজেই অনুলিপির নির্ভুলতা নিশ্চিত করে এবং সেই অনুলিপির সাথে তুলনাকৃত অন্যান্য অনুলিপি;
৩. মূল থেকে তৈরিকৃত বা মূলের সাথে তুলনাকৃত অনুলিপি;
৪. দলিলের মূল অংশবিশেষ যা যারা এটি সম্পাদন করেনি তাদের বিরুদ্ধে গ্রহণযোগ্য;
৫. কোন দলিলের বিষয়বস্তুর মৌখিক বিবরণ যা দেয় এমন কেউ যিনি নিজে এটি দেখেছেন।
৭০.
সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারায় দুষ্কর্মের সহযোগী সম্পর্কে কী বলা হয়েছে?
  1. দুষ্কর্মের সহযোগী সাক্ষ্য দিতে অযোগ্য
  2. দুষ্কর্মের সহযোগী অন্য সহযোগী আসামীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে পারবেন
  3. দুষ্কর্মের সহযোগী শুধুমাত্র নিজের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে পারবেন
  4. দুষ্কর্মের সহযোগী কোনভাবেই সাক্ষ্য দিতে পারবেন না
সঠিক উত্তর:
দুষ্কর্মের সহযোগী অন্য সহযোগী আসামীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে পারবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুষ্কর্মের সহযোগী অন্য সহযোগী আসামীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে পারবেন
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারায় দুষ্কর্মের সহযোগী সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, দুষ্কর্মের সহযোগী অন্য সহযোগী আসামীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে পারবেন এবং এর উপর ভিত্তি করে যদি আসামিকে সাজা দেওয়া হয়, তবে তা বেআইনি হবে না।
- এটির মানে হল, দুষ্কর্মের সহযোগীকে সাক্ষী হিসেবে গ্রহণ করা যেতে পারে, এবং তার সাক্ষ্য শুধুমাত্র সহযোগী আসামীর বিরুদ্ধে নয়, বরং অপরাধীকে শাস্তি দেওয়ার জন্য যথাযথ প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য। তবে, তার সাক্ষ্য যদি একমাত্র প্রমাণ হিসেবে নেওয়া হয়, তাহলে আসামিকে সাজা দেওয়া হতে পারে।
অতএব, সঠিক উত্তর: খ) দুষ্কর্মের সহযোগী অন্য সহযোগী আসামীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে পারবেন।

- এটি সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারার বিধান অনুযায়ী, দুষ্কর্মের সহযোগী একজন যোগ্য সাক্ষী হতে পারেন।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারার বিধান দুষ্কর্মে সহযোগী: দুষ্কর্মের সহযোগী আসামীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলিয়া গণ্য হইবেন। দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে আসামিকে সাজা দেওয়া হইলে কেবল সেই কারণেই উক্ত সাজা বেআইনি হইবে না।

⇒ ১৩৩ ধারা অনুযায়ী একজন দুষ্কর্মের সহযোগী অন্যান্য সহযোগী আসামীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ার যোগ্য এবং এর উপর ভিত্তি করে শাস্তি দেওয়া হলে বেআইনি হবে না।
-------------------
⇒ The Evidence Act, 1872- Section-133. Accomplice: An accomplice shall be a competent witness against an accused person, and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.
৭১.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় শনাক্তকরণ প্যারেড বা Test Identification Parade-কে সাক্ষ্য হিসাবে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে?
  1. ১২
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায় শনাক্তকরণ প্যারেড বা Test Identification Parade-কে সাক্ষ্য হিসাবে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারার বিধান: প্রাসঙ্গিক ঘটনার ব্যাখ্যা বা উপস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ঘটনা (Facts necessary to explain or introduce relevant facts): যে সমস্ত বিষয় বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের ইঙ্গিতবহ অনুমানকে সমর্থন বা অপ্রমাণ করে, অথবা বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়কে ব্যাখ্যা করে বা পরিচয় করায়, অথবা কোন ব্যক্তি বা বস্তুর প্রাসঙ্গিক পরিচয় প্রতিষ্ঠা করে, অথবা বিচার্য প্রাসঙ্গিক বিষয়টি ঘটার সময় ও স্থান নির্দেশ করে, অথবা প্রাসঙ্গিক বিষয় ঘটনাকারী ব্যক্তির সম্পর্কে আলোকপাত করে, সেই সময় বিষয়ের যতখানি সংশ্লিষ্ট উদ্দেশ্য সাধনের জন্য প্রয়োজন ততখানি প্রাসঙ্গিক।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায় Test Identification Parade (শনাক্তকরণ প্যারেড) এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যাতে করে এই পদ্ধতির মাধ্যমে সাক্ষী অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত -
১. কোন সম্পত্তি সনাক্ত করতে সক্ষম হয় বা,
২. কোন ব্যক্তি যেমন আসামীকে সনাক্ত করতে সক্ষম হয়।

⇒ প্রাসঙ্গিক ঘটনা ব্যাখ্যা বা উপস্থাপন করার জন্য যে সকল ঘটনা আবশ্যক সেগুলো প্রাসঙ্গিক। এ মূল ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট বা ঐ ঘটনা, তার স্থান, কাল ব্যাখ্যা করতে পারে এমন ঘটনাকে ৯ ধারায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।

⇒ এজাহারে অনেক সময় আসামির নাম উল্লেখ না করে অভিযোগকারী আসামিকে দেখলে চিনবেন এই মর্মে অভিযোগ দায়ের করেন। তখন তদন্তকারী কর্মকর্তা এই আসামি সনাক্তকরণ মহড়ার জন্য আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন করেন।

⇒ P.R.B-282 অনুযায়ী TI Parade বলতে বুঝায় যে, “কোন সন্দেহভাজন আটককৃত অপরাধের সাথে জড়িত অভিযুক্ত আসামিকে জেলখানার  ভিতরে বাদী এবং সাক্ষী কর্তৃক ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে  নির্ধারিত দিন ও তারিখে সনাক্তকরণের জন্য যে মহড়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করা হয় তাহাকেই টি আই প্যারেড বা টেস্ট আইডেন্টিফিকেশন প্যারেড বা সনাক্তকরণ মহড়া বলে।”

⇒ নির্ধারিত তারিখে সাক্ষী, ভিকটিম বা অভিযোগকারীকে হাজির করার এবং সেই সাথে যারা সন্দেহজনক ভাবে অভিযুক্ত (একাধিক ব্যক্তি) তাদের হাজির করার নির্দেশ দেন আদালত। তখন ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে জেলহাজতে রাখার আদেশ প্রদান পূর্বক সনাক্তকরণ মহড়ার তারিখ ও স্থান নির্ধারণ করে আদেশ দেন। লক্ষ্য রাখতে হবে যে, এখানে সাক্ষী, ভিকটিম বা অভিযোগকারী যেন টিআই প্যারেড এরপূর্বে ওই অভিযুক্ত ব্যক্তিদের কে কোনক্রমে দেখার সুযোগ না পায়। শুধুমাত্র এই টি আই প্যারেড চলাকালীন সময়ে তাদেরকে দেখবেন। তারপর সাক্ষী বা ভিকটিম বা অভিযোগকারী শনাক্ত করবেন আসল অপরাধী কে? এই মহড়াকে টি আই প্যারেড বলে।
৭২.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় বিশেষজ্ঞদের মতামত সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ২৫ ধারায়
  2. ৩০ ধারায়
  3. ৪৫ ধারায়
  4. ৬০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪৫ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৪৫ ধারার বিধান: বিশেষজ্ঞদের মতামত (Expert Opinion):

যখন আদালতকে বিদেশী আইন, বা বিজ্ঞান, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ বা ডিজিটাল রেকর্ড, বা চারুকলা, বা হাতের লেখা বা আঙ্গুলের ছাপ বা পায়ের ছাপের বা হাতের তালুর ছাপ বা চোখের আইরিসের ছাপ বা টাইপ রাইটিং বা ব্যবসায়িক প্রথা ব্যবহার বা টেকনিক্যাল শব্দ বা ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচয় শনাক্তের প্রশ্নে কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয় তখন বিশেষভাবে দক্ষ ব্যক্তির এই ধরনের বিদেশী আইন, বিজ্ঞান, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ বা ডিজিটাল রেকর্ড বা চারুকলায় বা হাতের লেখা বা আঙ্গুলের ছাপ, পায়ের ছাপ, হাতের তালুর ছাপ, টাইপ রাইটিং, ব্যবসায়িক প্রথা, টেকনিক্যাল শব্দ বা ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচয় শনাক্তের প্রশ্নে অভিমত অনুরূপ প্রশ্নে প্রাসঙ্গিক বিষয়। এই ধরনের ব্যক্তিদের বিশেষজ্ঞ বলা হয়।

⇒  Expert Opinion আদালতের জন্য বাধ্যকর নয়, এটি আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা। এটি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু অনুসমর্থন প্রকৃতির। অর্থাৎ অন্যান্য সাক্ষ্যের সাথে মিলিয়ে আদালত সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

⇒ উল্লেখ্য যে পরবর্তীতে সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারাইয় বিধান শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত গ্রহণের বিধান যুক্ত করা হয়েছে।
৭৩.
মৃত্যুকালীন বিবৃতি (Dying Declaration) কার নিকট করা যায়?
  1. শুধু পুলিশ
  2. যেকোনো ব্যক্তি
  3. শুধু ডাক্তার
  4. শুধু ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
যেকোনো ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেকোনো ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলতে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত বিবৃতিকে বোঝায়।
- ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) ধারা মোতাবেক কোন ব্যক্তি মৃত্যুর সম্মুখীন হয়ে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে যে বিবৃতি প্রদান করেন, তাকে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বা dying declaration বলা হয়। মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারার আওতায় সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য। 
- 'Dying Declaration' বা মৃত্যুকালীন বিবৃতি যেকোনো ব্যক্তির নিকট বা সামনে করা যায়।
 
⇒  সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-
 
ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারণ সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যুকালীন ঘোষণা;
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি;
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরণের মামলার উদ্ভব করতে পারে;
iv) সর্বসাধারণের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত;
ⅴ) পারিবারিক দলিল বা উইল;
vi) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি;
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি;
৭৪.
সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্যের উদাহরণ হিসেবে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. মৌখিক বিবরণ
  2. মূল দলিলের অনুলিপি
  3. মূল দলিলের ফটোগ্রাফ
  4. মূল দলিলের উপস্থিতি
সঠিক উত্তর:
মূল দলিলের উপস্থিতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল দলিলের উপস্থিতি
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারায়, মাধ্যমিক সাক্ষ্য হিসেবে মৌখিক বিবরণ, মূল দলিলের অনুলিপি, এবং মূল দলিলের ফটোগ্রাফ অন্তর্ভুক্ত হয়, তবে মূল দলিলের উপস্থিতি কখনোই মাধ্যমিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে না।
মাধ্যমিক সাক্ষ্য এমন সাক্ষ্য যা মূল দলিল বা মূল প্রমাণের অনুলিপি বা বিকল্প উপায়ে উপস্থাপন করা হয়। কিন্তু, মূল দলিলের উপস্থিতি তখনই প্রমাণ হিসেবে গণ্য হয় যখন সেটা মূল দলিল হিসাবে আদালতে সরাসরি উপস্থাপন করা হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্যের বিধান রয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারা অনুসারে মূল দলিল আদালতে হাজির না করে মূল দলিলের প্রতিলিপি বা অনুলিপি আদালতে উপস্থাপন করাকে মাধ্যমিক সাক্ষ্য বা Secondary Evidence বলে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারার বিধান মাধ্যমিক সাক্ষ্য- মাধ্যমিক সাক্ষ্য অর্থ এবং তাহার অন্তর্ভুক্ত হয়:
(১) বর্ণিত বিধানবলি অনুসারে প্রদত্ত জাবেদা নকল;
(২) মূল দলিল হইতে এরূপ যান্ত্রিক উপায়ে প্ৰস্তুত নকল, যাহাতে নকলের নির্ভুলতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায় এবং এরূপ নকলের সহিত মিলাইয়া লওয়া অন্য নকল;
(৩) মূল দলিল হইতে প্রস্তুত করা অথবা মূল দলিলের সহিত মিলাইয়া লওয়া নকল;
(৪) কোন দলিলের প্রতিলিপি যে পক্ষ উক্ত দলিল সম্পাদন করে নাই, তাহার বিরুদ্ধে উহা ব্যবহারের ক্ষেত্রে;
(৫) যে ব্যক্তি নিজের কোন দলিল দেখিয়াছে, তাহার দেওয়া উক্ত দলিলের বিষয় বস্তু সম্পর্কে মৌক্ষিক বিবরণ।

উদাহরণ:
(ক) একটি মূল দলিলের সহিত উহার ফটোগ্রাফ মিলাইয়া দেখা না হইয়া থাকলেও যদি প্রমাণ করা হয় যে, ফটোগ্রাফটি যে দলিলের ফটোগ্রাফ, তাহাই মূল দলিল; তবে উক্ত ফটোগ্রাফ উক্ত মূল দলিলের মাধ্যমিক সাক্ষ্য বলিয়া গণ্য হইবে।
---------
The Evidence Act, 1872: Section- 63. Secondary evidence:
Secondary evidence means and includes-
(1) certified copies given under the provisions hereinafter contained;
(2) copies made from the original by mechanical processes which in themselves insure the accuracy of the copy, and copies compared with such copies;
(3) copies made from or compared with the original;
(4) counterparts of documents as against the parties who did not execute them;
(5) oral accounts of the contents of a document given by some person who has himself seen it.

Illustrations:
(a) A photograph of an original is secondary evidence of its contents, though the two have not been compared, if it is proved that the thing photographed was the original.
৭৫.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩৮ অনুযায়ী, সাক্ষ্য গ্রহণের সঠিক ক্রম কী?
  1. জেরা → জবানবন্দি → পুনঃজবানবন্দি
  2. জবানবন্দি → জেরা → পুনঃজবানবন্দি
  3. পুনঃজবানবন্দি → জবানবন্দি → জেরা
  4. জেরা → পুনঃজবানবন্দি → জবানবন্দি
সঠিক উত্তর:
জবানবন্দি → জেরা → পুনঃজবানবন্দি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জবানবন্দি → জেরা → পুনঃজবানবন্দি
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) জবানবন্দি → জেরা → পুনঃজবানবন্দি। 
→ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩৮ অনুযায়ী, সাক্ষ্য গ্রহণের সঠিক ক্রম হলো:
- জবানবন্দি: প্রথমে, যে পক্ষ সাক্ষীকে আদালতে হাজির করেছে, সে পক্ষ সাক্ষীকে প্রশ্ন করে (Examination-in-chief)।
- জেরা: তারপর, বিরোধী পক্ষ (যদি চায়) সাক্ষীকে জেরা করতে পারে (Cross-examination)।
- পুনঃজবানবন্দি: শেষে, যদি সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ চায়, তবে তাকে পুনরায় প্রশ্ন করা হয় (Re-examination)।
এই ক্রমটি সাক্ষ্য গ্রহণের নিয়মিত প্রক্রিয়া এবং আইনি প্রক্রিয়ায় সাক্ষীর বক্তব্য এবং তথ্য সঠিকভাবে যাচাই করা হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারায় জবানবন্দি (Examination in Chief), জেরা (Cross Examination), এবং পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
- সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief]: যে পক্ষ সাক্ষীকে হাজির করে সেই পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তখন তাকে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief] বলে।
- জেরা [Cross Examination]: বিরুদ্ধ পক্ষ যখন সেই সাক্ষীকে প্রশ্ন করে, তখন তাকে জেরা বলে [Cross Examination] বলে।
- পুনঃজবানবন্দি [Re-examination]: জেরার পর সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ যদি আবার সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তবে তাকে পুনঃজবানবন্দি (Re- examination) বলে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারার বিধান: সাক্ষ্য গ্রহণের ক্রম [Order of Examination]:
সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারায় সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, জেরা এবং পুনঃজবানবন্দি গ্রহণ করা যায়। ১৩৮ ধারায় সাক্ষ্য গ্রহণের ৩টি ক্রম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রথম ক্রম হলো সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, দ্বিতীয় ক্রম হলো সাক্ষীর আহ্বানকারী পক্ষের বিরোধী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীকে জেরা (ইচ্ছা করলে করতে পারে) এবং তারপর সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক পুনঃজবানবন্দি (যদি পক্ষদ্বয় ইচ্ছা করে) করা হয়।
------------
⇒ The Evidence Act, 1872 section 137:
- Examination-in-chief: The examination of a witness by the party who calls him shall be called his examination-in-chief.
- Cross-examination: The examination of a witness by the adverse party shall be called his cross-examination.
- Re-examination: The examination of a witness, subsequent to the cross-examination by the party who called him, shall be called his re-examination.

⇒ The Evidence Act, 1872 section 138. Order of examinations:
Witnesses shall be first examined-in-chief, then (if the adverse party so desires) cross-examined, then (if the party calling him so desires) re-examined.
The examination and cross-examination must relate to relevant facts but the cross-examination need not be confined to the facts to which the witness testified on his examination-in-chief.
৭৬.
সর্বনিম্ন কত বছর বয়সী শিশু আদালতে সাক্ষী হিসাবে সাক্ষ্য দিতে পারে?
  1. ১২
  2. ১৬
  3. ১৮
  4. কোনো বয়সসীমা নেই
সঠিক উত্তর:
কোনো বয়সসীমা নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো বয়সসীমা নেই
ব্যাখ্যা
♦ আদালতের বিচার কার্যক্রমে কারা সাক্ষ্য দিতে পারবে সে সম্পর্কে সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারায় বলা হয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারামতে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝতে ও যুক্তিসংগত উত্তর দিতে সক্ষম যে কোন ব্যক্তি সাক্ষ্য দিতে পারে।

♦ সাধারণত অল্প বয়স্ক শিশু, অতিবৃদ্ধ ব্যক্তি, দৈহিক বা মানসিক ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যক্তি, মাতাল অথবা পাগল ব্যক্তি সাক্ষী হিসেবে অযোগ্য অর্থাৎ তারা সাক্ষ্য দিতে পারে না; তবে যদি তারা জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝতে ও যুক্তিসংগত উত্তর দিতে সক্ষম হয় তাহলে সাক্ষী হিসেবে যোগ্য বলে গণ্য হবে। এক্ষেত্রে তাদের বয়স, দৈহিক বা মানসিক অবস্থা সাক্ষ্য প্রদানে বাধার সৃষ্টি করবেনা ।
৭৭.
'মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে' এটি সাক্ষ্য আইনের কত ধারার বিধান?
  1. ৫৯ ধারা
  2. ৬০ ধারার
  3. ৬১ ধারার
  4. ৬২ ধারার
সঠিক উত্তর:
৬০ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারা অনুযায়ী-মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে অর্থাৎ সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেয় তা সে নিজে প্রত্যক্ষভাবে দেখতে হবে বা শুনতে হবে বা উপলব্ধি করতে হবে। অন্যের মারফত শোনা ঘটনা এক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য হবে না।
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৬০ মতে- মৌখিক সাক্ষ্যকে সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে ( oral evidence must be direct)। অথাৎ এটি যদি এমন বিষয় সম্পর্কে হয়, যা দেখা যেতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলবে যে, সে এটি দেখেছে তার সাক্ষ্যই দিতে হবে; এটি যদি এমন বিষয় সম্পর্কে হয় যা শোনা যেতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলে যে, সে এটি শুনেছে, তার সাক্ষ্যই দিতে হবে। অর্থাৎ অন্যের কাছ থেকে শোনা সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয়।
-------------------
⇒ The Evidence Act,1872: Section-60: Oral evidence must be direct:
- Oral evidence must, in all cases whatever, be direct; that is to say- 
if it refers to a fact which could be seen, it must be the evidence of a witness who says he saw it; 
if it refers to a fact which could be heard, it must be the evidence of a witness who says he heard it; 
if it refers to a fact which could be perceived by any other sense or in any other manner, it must be the evidence of a witness who says he perceived it by that sense or in that manner; 
if it refers to an opinion or to the grounds on which that opinion is held, it must be the evidence of the person who holds that opinion on those grounds: 
Provided that the opinions of experts expressed in any treatise commonly offered for sale, and the grounds on which such opinions are held, may be proved by the production of such treatises if the author is dead or cannot be found, or has become incapable of giving evidence, or cannot be called as a witness without an amount of delay or expense which the Court regards as unreasonable: 
Provided also that, if oral evidence refers to existence or condition of any material thing other than a document, the Court may, if it thinks fit, require the production of such material thing for its inspection.
৭৮.
ধারা ১০৮ অনুযায়ী, একজন ব্যক্তিকে মৃত বলে অনুমান করতে হলে, তাকে কত বছর নিখোঁজ থাকতে হবে?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৮ ধারা অনুযায়ী-
আদালত কোন ব্যক্তিকে মৃত অনুমান করতে বাধ্য যদি বিগত ৭ বৎসর যাবৎ তার কোন খবর পাওয়া না যায়। এমন ব্যক্তিকে যে জীবিত দাবী করে, তাকেই প্রমাণ করতে হবে উক্ত ব্যক্তি জীবিত।

Section 108 ⇒ Burden of proving that person is alive who has not been heard of for seven years:
Provided that when the question is whether a man is alive or dead, and it is proved that he has not been heard of for seven years by those who would naturally have heard of him if he had been alive, the burden of proving that he is alive is shifted to the person who affirms it.
৭৯.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৬৩ অনুযায়ী, দলিল প্রদর্শন ও পরিদর্শনের পরে দলিলকে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা হয়-
  1. যদি দলিলটি সরকারি হয়
  2. যদি উভয় পক্ষ সম্মত হয়
  3. যদি আদালত আদেশ দেয়
  4. যদি দলিল প্রদানকারী পক্ষ চায়
সঠিক উত্তর:
যদি দলিল প্রদানকারী পক্ষ চায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি দলিল প্রদানকারী পক্ষ চায়
ব্যাখ্যা
Evidence Act, 1872 এর ধারা ১৬৩- নোটিশে তলব করা ও প্রদত্ত দলিলকে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার:
যখন কোনো পক্ষ অপর পক্ষকে নোটিশ দিয়ে কোনো দলিল তলব করে, এবং সেই দলিল প্রদর্শন করা হয় ও তলবকারী পক্ষ তা পরিদর্শন করে, তখন যদি দলিল প্রদানকারী পক্ষ চায়, তাহলে তলবকারী পক্ষ বাধ্য থাকবে সেই দলিলকে প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করতে।

"When a party calls for a document which he has given the other party notice to produce, and such document is produced and inspected by the party calling for its production, he is bound to give it as evidence if the party producing it requires him to do so."
৮০.
According to the rule given under Section 135, what regulates the order of witnesses being produced and examined?
  1. The discretion of the witnesses
  2. The preference of the plaintiff
  3. The availability of the witnesses
  4. The law and practice relating to civil and criminal procedure
সঠিক উত্তর:
The law and practice relating to civil and criminal procedure
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The law and practice relating to civil and criminal procedure
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১৩৫ ধারা: সাক্ষীদের উপস্থাপনের ও পরীক্ষা করার ক্রম:
সাক্ষীদের উপস্থাপন এবং পরীক্ষা করার যে ক্রম তা দেওয়ানী ও ফৌজদারী কার্যক্রমের জন্য প্রযোজ্য আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবে। যদি কোন আইন না থাকে, তবে আদালতের বিবেচনার উপর নির্ভর করবে।

[The order in which witnesses are produced and examined shall be regulated by the law and practice for the time being relating to civil and criminal procedure respectively, and, in the absence of any such law, by the discretion of the Court.]
৮১.
The Evidence Act 1872 এর কত ধারায় দুষ্কর্মের সহযোগীর সাক্ষ্য বিষয়ে বলা হয়েছে?
  1. ১৩১ ধারায়
  2. ১৩২ ধারায়
  3. ১৩৩ ধারায়
  4. ১৩৪ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৩৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ The Evidence Act 1872 এর ১৩৩ ধারায় দুষ্কর্মের সহযোগীর সাক্ষ্য অর্থাৎ একই অপরাধে অভিযুক্ত একাধিক ব্যক্তির মধ্যে কেউ যদি নিজেকে এবং অন্য অভিযুক্তদের জড়িয়ে দোষ স্বীকার করে সে বিষয়ে বলা হয়েছে।
⇒  ১৩৩ ধারা অনুযায়ী একজন দুষ্কর্মের সহযোগী অন্যান্য সহযোগী আসামীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ার যোগ্য এবং এর উপর ভিত্তি করে শাস্তি দেওয়া হলে বেআইনী হবে না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারার বিধান: দুষ্কর্মের সহযোগীঃ-আসামীর বিরুদ্ধে দুষ্কর্মের সহযোগী সাক্ষ্য দেয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলে পরিগণিত হবেন। আসামীকে দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সাজা দেয়া হলে শুধুমাত্র সে কারণে ঐ সাজা বেআইনি হবে না।

-------------------
Section-133. Accomplice: An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.
৮২.
নিম্নের কোন ক্ষেত্রে সাক্ষী উত্তর প্রদানে বাধ্য?
  1. মামলা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রশ্ন করলে
  2. সাক্ষীর পরিচয় আবিষ্কার করার উদ্দেশ্যে উপস্থাপিত প্রশ্ন
  3. সাক্ষীকে কোন অপরাধের সাথে জড়িত করতে পারে এমন মামলা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ ১৪৬ ধারায় উল্লেখিত জেরায় যে সকল প্রশ্ন করা আইনসম্মত হয়, উক্তরূপ কোন প্রশ্ন যদি এমন বিষয় সম্পর্কিত হয়, যা সংশ্লিষ্ট মোকদ্দমা বা কার্যক্রমের সাথে প্রাসঙ্গিক, তবে সেক্ষেত্রে ১৩২ ধারার বিধান প্রযোজ্য হবে।

⇒ কারণ ১৩২ ধারায় বিধান করা হয়েছে, জেরায় যে সকল প্রশ্ন করা আইনসম্মত এরূপ প্রশ্নের উত্তর সাক্ষীকে কোন অপরাধের সাথে জড়িত করবে এই অজুহাতে উত্তর দান করা হতে সাক্ষীকে অব্যাহতি দেওয়া যায় না। অর্থাৎ তিনি উত্তর দিতে বাধ্য থাকবে।
৮৩.
'Character as affecting damages' এর বিধান আছে কত ধারায়?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৪২ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ৫২ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ৫৫ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ৫৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৫৫ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৫৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৫ ধারার বিধান: ক্ষতিপূরণ নির্ধারনের ক্ষেত্রে (Character as affecting damages)- সাক্ষ্য আইনের ৫৫ ধারামতে দেওয়ানি মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ নির্ধারনের ক্ষেত্রে চরিত্র প্রাসঙ্গিক হবে।

⇒ Character as affecting damages:
Section 55. In civil cases the fact that the character of any person is such as to affect the amount of damages which he ought to receive, is relevant. 
 
⇒ Explanation.– In sections 52, 53, 54 and 55, the word "character" includes both reputation and disposition; but, except as provided in section 54, evidence may be given only of general reputation and general disposition, and not of particular acts by which reputation or disposition were shown.
৮৪.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৭৪ ধারায় কোন দলিলসমূহকে “সরকারি দলিল” বলা হয়েছে?
  1. ব্যক্তিগত দলিল
  2. ট্রাইব্যুনালের কার্যাবলির রেকর্ড
  3. বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নথি
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
ট্রাইব্যুনালের কার্যাবলির রেকর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রাইব্যুনালের কার্যাবলির রেকর্ড
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২: ৭৪ ধারার বিধান- সরকারি দলিল:
নিম্নলিখিত দলিলসমূহ সরকারি দলিল (Public Documents) হিসেবে গণ্য হবে—
(১) যে সকল দলিল নিম্নলিখিত কর্তৃপক্ষ বা সংস্থার কার্যাবলির অংশ বা রেকর্ড হিসেবে গঠিত:
(i) সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের,
(ii) সরকারি সংস্থা ও ট্রাইব্যুনালের, এবং
(iii) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের বা বিদেশের কোনো অংশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় সরকারি কর্মকর্তার।
(২) বাংলাদেশে সরকারিভাবে সংরক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ রেকর্ড।
--------
⇒ The Evidence Act, 1872: Section- 74. Public documents:
The following documents are public documents:– 
(1) documents forming the acts or records of the acts- 
(i) of the sovereign authority, 
(ii) of official bodies and tribunals, and 
(iii) of public officers, legislative, judicial and executive of any part of Bangladesh or of the Commonwealth, or of a foreign country; 
(2) public records kept in Bangladesh of private documents.
৮৫.
ফৌজদারি মামলায় কোন স্বীকারোক্তি (Confession) গ্রহণযোগ্য নয়?
  1. কর্তৃপক্ষের প্রভাব থাকলে
  2. সুবিধা বা ক্ষতি এড়ানোর আশায় হলে
  3. ভয়, প্রলোভন বা প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে হলে
  4. উপরের সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ২৪ অনুযায়ী, একটি স্বীকারোক্তি (Confession) অগ্রহণযোগ্য হবে যদি—
- কর্তৃপক্ষের ব্যক্তি (Person in authority) দ্বারা প্রভাবিত হয় (যেমন: পুলিশ, ম্যাজিস্ট্রেট),
- কোনো সুবিধা পাওয়া বা শাস্তি এড়ানোর লোভ/ভয় (Temporal advantage/evil) থাকে,
- প্রলোভন, হুমকি বা প্রতিশ্রুতি (Inducement, threat, promise)-এর ভিত্তিতে দেওয়া হয়।
উপরের তিনটি কারণই স্বীকারোক্তিকে অগ্রহণযোগ্য করে তোলে। তাই সঠিক উত্তর "ঘ) উপরের সবগুলোই"।

সাক্ষ্য আইনের ২৪ ধারা - প্রলোভন, ভীতি বা প্রতিশ্রুতি দ্বারা সৃষ্ট স্বীকারোক্তি, যখন ফৌজদারি কার্যবিধিতে অপ্রাসঙ্গিক:
যদি কোনো আসামী তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সাথে সম্পর্কিত কোনো প্রলোভন, ভীতি বা প্রতিশ্রুতি দ্বারা প্রভাবিত হয়ে স্বীকারোক্তি প্রদান করেন এবং আদালত মনে করেন যে, এই স্বীকারোক্তি কোনো কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে আসামীকে লাভ বা ক্ষতি থেকে মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা দেখানোর জন্য প্রদান করা হয়েছে, তবে সেই স্বীকারোক্তি ফৌজদারি কার্যবিধিতে প্রাসঙ্গিক হবে না।
----------
⇒The Evidence Act, 1872, Section- 24. Confession caused by inducement, threat or promise, when irrelevant in criminal proceeding: 
- A confession made by an accused person is irrelevant in a criminal proceeding, if the making of the confession appears to the Court to have been caused by any inducement, threat or promise having reference to the charge against the accused person, proceeding from a person in authority and sufficient, in the opinion of the Court, to give the accused person grounds which would appear to him reasonable for supposing that by making it he would gain any advantage or avoid any evil of a temporal nature in reference to the proceedings against him.
৮৬.
"প্রাথমিক সাক্ষ্য হল মূল দলিল বা নথি যা সরাসরি আদালতে উপস্থাপন করা হয়"— এটি সাক্ষ্য আইনের কোন ধারার বিধান?
  1. ৬০ ধারা
  2. ৬২ ধারা
  3. ৬৪ ধারা
  4. ৬৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
৬২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬২ ধারা
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৬২ ধারা অনুযায়ী প্রাথমিক সাক্ষ্য (Primary Evidence) হল মূল দলিল বা নথি যা সরাসরি আদালতে উপস্থাপন করা হয়।

৬২ ধারার সংজ্ঞা:
"Primary evidence means the document itself produced for the inspection of the Court."
অর্থাৎ, যে কোনো মূল দলিল বা নথি যদি সরাসরি আদালতে উপস্থাপন করা হয়, তবে সেটিই প্রাথমিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে।
প্রাথমিক সাক্ষ্যের কিছু বৈশিষ্ট্য:
- এটি মূল দলিল বা নথির সরাসরি উপস্থাপনা।
- এটি দলিল বা নথির সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ।
- যখন কোনো দলিল একাধিক খণ্ডে থাকে, তখন প্রত্যেক খণ্ডই প্রাথমিক সাক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত হয়।
- যদি কোনো দলিলের একাধিক প্রতিলিপি (Copy) থাকে এবং তা একাধিক পক্ষের মধ্যে সম্পাদিত হয়, তবে প্রতিটি প্রতিলিপি সম্পাদনকারীর বিরুদ্ধে প্রাথমিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে।
----------
⇒ The Evidence Act, 1872- Section- 62. Primary evidence:
Primary evidence means the document itself produced for the inspection of the Court.
Explanation 1.-Where a document is executed in several parts, each part is primary evidence of the document.
Where a document is executed in counterpart, each counterpart being executed by one or some of the parties only, each counterpart is primary evidence as against the parties executing it.
Explanation 2.-Where a number of documents are all made by one uniform process, as in the case of printing, lithography or photography, each is primary evidence of the contents of the rest; but, where they are all copies of a common original, they are not primary evidence of the contents of the original.

Illustration
A person is shown to have been in possession of a number of placards, all printed at one time prove one original. Any one of the placards is primary evidence of the contents of any other, but no one of them is primary evidence of the contents of the original.
৮৭.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৪৫ক-এর অধীনে বিশেষজ্ঞ সাক্ষীর প্রধান কর্তব্য কী?
  1. সংশ্লিষ্ট পক্ষকে সাহায্য করা
  2. আদালতকে সাহায্য করা
  3. নিজস্ব মতামত গোপন রাখা
  4. অপরাধের প্রতিবেদন সংরক্ষণ করা
সঠিক উত্তর:
আদালতকে সাহায্য করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতকে সাহায্য করা
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারা- শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত:
(১) আদালতের অনুমতি ব্যতীত একজন সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না যদি না তার রিপোর্টের একটি অনুলিপি, উপ-ধারা (২) অনুসারে সমস্ত পক্ষকে দেওয়া না হয়।
(২) একজন বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন আদালতের কাছে পাঠানো হবে এবং সেই পক্ষের কাছে নয় যার পক্ষে তাকে পরীক্ষা করা হয়েছে এবং আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।

অর্থাৎ, শারীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হিসেবে কোন সাক্ষী দিতে-
১. আদালতের অনুমতি গ্রহণ করবে;
২. তার বিশেষজ্ঞ প্রতিবেদন বা মতামতের কপি সকল পক্ষকে সরবরাহ করবে।
৩. আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।

Section 45A: Opinion of experts on physical or forensic evidence.-
( 1) Except by leave of the Court a witness shall not testify as an expert on physical or forensic unless a copy of his report has, pursuant to sub-section (2), been given to all the parties.
(2) An expert’s report shall be addressed to the Court and not to the party on whose behalf he is examined and he shall owe a duty to help the Court.
৮৮.
ডাকাতি করার প্রস্তুতি হিসেবে অপরাধী পূর্বে অস্ত্র ও মাস্ক সংগ্রহ করেছিল। সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় এই ঘটনা প্রাসঙ্গিক?
  1. ৭ ধারায়
  2. ৮ ধারায়
  3. ৯ ধারায়
  4. ১০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ ধারায়
ব্যাখ্যা

• The Evidence Act, 1872-এর Section 8 অনুযায়ী, কোনো ঘটনার প্রস্তুতি (Preparation), অভিপ্রায় (Motive) এবং পূর্ববর্তী বা পরবর্তী কার্য (Previous or Subsequent Conduct) প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য করা হয়। এখানে অপরাধী ডাকাতি করার জন্য পূর্বে অস্ত্র ও মাস্ক সংগ্রহ করেছিল, যা প্রস্তুতির প্রমাণ, সুতরাং এটি Section 8-এর অধীনে প্রাসঙ্গিক।

অভিপ্রায় (Motive):
একজন ব্যক্তির হত্যার অভিপ্রায় দেখানো যেতে পারে যে, তিনি অপরাধীর মানসিক অবস্থা কি ছিল। যেমন অত্যাধিক ঋণগ্রস্ততা বা প্রতিহিংসার অভিপ্রায়।
উদাহরণ:
ক) এক জীবিত স্ত্রীকে ফেলে অন্য একজনের সাথে বিবাহ করার উদ্দেশ্যে স্বামী প্রথম স্ত্রীকে হত্যা করেছে।
খ) একজন প্রতিবেশীর জমি দখল করার জন্য অন্য প্রতিবেশী তাকে হত্যা করেছে।

প্রস্তুতি (Preparation):
অপরাধ সংঘটনের পূর্ব প্রস্তুতি নেওয়ার প্রমাণ যেমন অস্ত্র সংগ্রহ করা, লুকানো পরিকল্পনা করা ইত্যাদি।
উদাহরণ:
ক) ডাকাতি করার জন্য অপরাধী পূর্বে অস্ত্র ও মাস্ক সংগ্রহ করেছিল।
খ) এক ব্যক্তি তার বন্ধুকে হত্যা করার পরিকল্পনা করে তার বাড়িতে বিষাক্ত খাবার পাঠিয়েছিল।

পূর্ববর্তী কার্য (Previous Conduct):
অপরাধীর পূর্ববর্তী কাজকর্ম যা তার আচরণের ধারা প্রদর্শন করে।
উদাহরণ:
ক) বহুবার স্ত্রীকে নির্যাতন ও মারধর করার পর এক দিন স্বামী তাকে হত্যা করেছে।
খ) এক ব্যক্তি পূর্বে বারবার তার প্রতিবেশীর সম্পত্তি অপহরণ করেছে এবং পরে তাকে হত্যা করেছে।

পরবর্তী কার্য (Subsequent Conduct):
অপরাধের পর অপরাধীর আচরণ যেমন পলাতক অবস্থা, সন্দেহজনক কাজ, মিথ্যা বক্তব্য প্রদান ইত্যাদি।
উদাহরণ:
ক) হত্যাকাণ্ডের পর অপরাধী পালিয়ে গিয়েছিল এবং জামাকাপড় পরিবর্তন করেছিল।
খ) অপরাধের পর অপরাধী তার ছদ্মনাম ব্যবহার করে অন্যত্র পালিয়ে গিয়েছিল।

৮৯.
কত বছরের পুরাতন ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে সরকার ৯০ক ধারা মতে অনুমান করতে পারেন?
  1. ৫ বছর
  2. ১০ বছর
  3. ১৫ বছর
  4. ৩০ বছর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
ব্যাখ্যা
♦ ২০২২ সালে সাক্ষ্য আইনে যে সংশোধনী আনা হয়েছে তাতে ডিজিটাল ডকুমেন্ট এর বিষয়ে ৯০ক ধারায় অনুমান করার ক্ষমতা দিয়েছে আদালত কে। 

৫ বছরের পুরানো ডিজিটাল রেকর্ড সম্পর্কে আদালত may presume ধরে নিবেন। ডিজিটাল রেকর্ডটি সঠিক ব্যক্তির হেফাজত থেকে দাখিল করতে হবে। ৯০ ধারার দলিলের মতোই ব্যবহার হবে।
৯০.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্যের (Secondary Evidence) সংজ্ঞা দেওয়া আছে?
  1. ধারা ৬১
  2. ধারা ৬২
  3. ধারা ৬৩
  4. ধারা ৬৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬৩
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৬৩-এই স্পষ্টভাবে মাধ্যমিক সাক্ষ্য (Secondary Evidence)-এর সংজ্ঞা উল্লেখ করা হয়েছে।
অন্য ধারাগুলোর বিষয়:
- ধারা ৬১ → দলিলী সাক্ষ্যের সংজ্ঞা (Documentary Evidence)
- ধারা ৬২ → প্রাথমিক সাক্ষ্যের সংজ্ঞা (Primary Evidence)
- ধারা ৬৪ → দলিল সাধারণত প্রাথমিক সাক্ষ্য দিয়ে প্রমাণ করতে হবে।
সুতরাং মাধ্যমিক সাক্ষ্যের সংজ্ঞা শুধুমাত্র ধারা ৬৩-এ দেওয়া আছে।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ৬৩ ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্য (Secondary Evidence) সম্পর্কিত বিধানাবলি রয়েছে।
এই ধারায় বলা হয়েছে:
১. এই আইনে বর্ণিত বিধানমতে প্রদত্ত সার্টিফাইডকৃত অনুলিপি;
২. যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় মূল থেকে তৈরিকৃত অনুলিপি যা নিজেই অনুলিপির নির্ভুলতা নিশ্চিত করে এবং সেই অনুলিপির সাথে তুলনাকৃত অন্যান্য অনুলিপি;
৩. মূল থেকে তৈরিকৃত বা মূলের সাথে তুলনাকৃত অনুলিপি;
৪. দলিলের মূল অংশবিশেষ যা যারা এটি সম্পাদন করেনি তাদের বিরুদ্ধে গ্রহণযোগ্য;
৫. কোন দলিলের বিষয়বস্তুর মৌখিক বিবরণ যা দেয় এমন কেউ যিনি নিজে এটি দেখেছেন।
-----------
⇒ The Evidence Act, 1872 section 63. Secondary evidence:
-"Secondary evidence means and includes, among other things-
(1) Certified copies given under the provisions hereinafter contained;
(2) Copies made from the original by mechanical processes which in themselves insure the accuracy of the copy, and copies compared with such copies;
(3) Copies made from or compared with the original;
(4) Counterparts of documents as against the parties who did not execute them;
(5) Oral accounts of the contents of a document given by some person who has himself perceived it."

৯১.
সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারা অনুযায়ী, বোবা সাক্ষীর লিখিত বা ইশারায় প্রদত্ত সাক্ষ্যকে কী হিসেবে গণ্য করা হয়? 
  1. লিখিত সাক্ষ্য 
  2. মৌখিক সাক্ষ্য
  3. বিশেষ সাক্ষ্য
  4. দলিল সাক্ষ্য
সঠিক উত্তর:
মৌখিক সাক্ষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌখিক সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১১৯ বিশেষভাবে বোবা সাক্ষী (Dumb witnesses)-এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ধারা ১১৯-এর অনুসারে বোবা সাক্ষী: একজন সাক্ষী যিনি কথা বলতে অক্ষম, তিনি যেকোনো উপায়ে তার সাক্ষ্য দিতে পারবেন যাতে তা বোধগম্য হয়, যেমন লিখে বা ইশারায়; কিন্তু এই ধরনের লিখিত সাক্ষ্য অবশ্যই লিখিত হতে হবে এবং ইশারা খোলা আদালতে করতে হবে। এভাবে দেওয়া সাক্ষ্য মৌখিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে।

⇒The Evidence Act, 1872 এর ১১৯ ধারা অনুযায়ী, বোবা ব্যক্তি আদালতে প্রকাশ্যে লিখে বা ইশারায় সাক্ষ্য দিতে পারবেন।
এই ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি কোনো সাক্ষী বধির বা বোবা হন এবং সে লিখতে বা ইশারা করতে পারেন, তাহলে তাকে লিখিত বা ইশারার মাধ্যমে সাক্ষ্য দিতে দেওয়া যেতে পারে।
সুতরাং, একজন বোবা সাক্ষীকে আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য দুটি পদ্ধতি অনুসরণ করা যেতে পারে:
লিখিত সাক্ষ্য: বোবা ব্যক্তি তার সাক্ষ্য লিখিতভাবে দিতে পারবেন। তিনি প্রত্যেক প্রশ্নের উত্তর লিখবেন এবং সেই লিখিত উত্তরগুলি আদালতে পাঠ করা হবে।
ইশারার মাধ্যমে সাক্ষ্য: বোবা ব্যক্তি ইশারা করে তার সাক্ষ্য দিতে পারবেন। একজন দোভাষী তার ইশারাগুলি অনুবাদ করবেন এবং সেই অনুবাদগুলি আদালতে পাঠ করা হবে।
--------
⇒The Evidence Act, 1872-Section-119. Dumb witnesses: A witness who is unable to speak may give his evidence in any other manner in which he can make it intelligible, as by writing or by signs; but such writing must be written and the signs made in open Court. Evidence so given shall be deemed to be oral evidence.

৯২.
আদালত নিম্নলিখিত কোন বিষয়ের বিচারিক দৃষ্টিগোচরে (judicial notice) গ্রহণ করবে?
  1. অপ্রকাশিত আইন
  2. ব্যক্তিগত জীবনের ঘটনা
  3. মামলা পরিচালনাকারী আইনজীবী নাম
  4. বিদেশি ব্যক্তির অভ্যন্তরীণ কাজ
সঠিক উত্তর:
মামলা পরিচালনাকারী আইনজীবী নাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলা পরিচালনাকারী আইনজীবী নাম
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২–এর ধারা ৫৭ অনুসারে, আদালত শুধুমাত্র কিছু নির্দিষ্ট বিষয়ই বিচারিক দৃষ্টিগোচর হিসেবে গ্রহণ করে। এগুলি সাধারণত এমন বিষয় যা সরকারি, রাষ্ট্রীয়, বা বিশেষভাবে স্বীকৃত এবং জনসাধারণের জন্য প্রাসঙ্গিক।
- সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৫৭ অনুযায়ী, আদালত বিচারিকভাবে লক্ষণীয় (Judicial Notice) হিসেবে গ্রহণ করবে, অর্থাৎ এগুলোর জন্য আলাদা প্রমাণের প্রয়োজন নেই:
- মামলা পরিচালনাকারী আইনজীবীর নাম (ধারা ৫৭(১২)): আদালত নিজেই মামলার সঙ্গে জড়িত আইনজীবী, বিচারক ও আদালতের কর্মকর্তাদের নাম ও পদবী স্বীকার করে নেয়।

বিচারিক দৃষ্টিগোচর গ্রহণযোগ্য:
- মামলা পরিচালনাকারী আইনজীবী নাম (গ): আদালত মামলা পরিচালনাকারী আইনজীবীর নাম এবং তার ভূমিকা প্রমাণ করার জন্য বিশেষভাবে দৃষ্টিগোচর নিতে পারে, কারণ এটি আদালতের প্রক্রিয়ার একটি অংশ।

অন্যদিকে, নিচের বিষয়গুলো বিচারিক দৃষ্টিগোচর হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়:
- অপ্রকাশিত আইন (ক): কোনো আইন যদি প্রকাশিত না হয়, তাহলে তা আদালতের বিচারিক দৃষ্টিগোচর হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। আদালত শুধুমাত্র প্রকাশিত আইন ও বিধি অনুসরণ করবে।
- ব্যক্তিগত জীবনের ঘটনা (খ): ব্যক্তিগত ঘটনা বা তথ্য সাধারণত বিচারিক দৃষ্টিগোচর হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়, কারণ এগুলি আদালতে প্রমাণযোগ্য হওয়া উচিত এবং প্রকাশ্যে আদালতের বিবেচনায় আনা যায় না।
- বিদেশি ব্যক্তির অভ্যন্তরীণ কাজ (ঘ): বিদেশি ব্যক্তির অভ্যন্তরীণ কাজ আদালতের বিচারিক দৃষ্টিগোচর হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়, কারণ এই ধরনের বিষয় আন্তর্জাতিক বা রাষ্ট্রীয় বিবেচনায় পড়ে, যেগুলি সাধারণত আদালতের পরিধির বাইরে থাকে।
৯৩.
সাক্ষ্য আইনের ৭৫ ধারার বিধান কী?
  1. সরকারি দলিল
  2. বেসরকারি দলিল
  3. ব্যক্তিগত দলিল
  4. খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৫ ধারার অনুযায়ী বেসরকারি দলিল (Private document)- সরকারি দলিল ব্যতীত সকল দলিলই বেসরকারি বা ব্যক্তিগত দলিল। কবিতা, উইল, বিক্রয় চুক্তি, দানপত্র, মূল বিক্রয় দলিল, কবলা দলিল, চিঠিপত্র সবই বেসরকারি দলিল বা Private document.
------------------------ 
⇒ Private documents
Section 75. All other documents are private.

⇒ Public documents
Section 74. The following documents are public documents:– 
(1) documents forming the acts or records of the acts- 
(i) of the sovereign authority, 
(ii) of official bodies and tribunals, and 
(iii) of public officers, legislative, judicial and executive of any part of Bangladesh or of the Commonwealth, or of a foreign country; 
(2) public records kept in Bangladesh of private documents.
৯৪.
ক” চুরির দায়ে খ” কে ফৌজদারীতে সৌপর্দ করে। ক” আদালতকে বিস্বাস করতে চায় যে, খ” চুরির কথা গ’ এর নিকট স্বীকার করেছিল। স্বীকৃতির বিষয়টি প্রমাণের দায়ভার-
  1. ক” এর উপর
  2. খ” এর উপর
  3. ক” এর পরিচিত ব্যক্তির
  4. আসামী পক্ষের
সঠিক উত্তর:
ক” এর উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক” এর উপর
ব্যাখ্যা
♦কোনো ব্যক্তি কোনো নির্দিষ্ট তথ্য প্রমাণ করতে চাইলে, তাকে অবশ্যই তা প্রমাণ করতে হবে। যেহেতু ক” আদালতকে বিশ্বাস করাতে চায় যে, খ” চুরির কথা গ” এর নিকট স্বীকার করেছিল, তাই এই নির্দিষ্ট স্বীকৃতির বিষয়টি ক- কে প্রমাণ করতে হবে।
৯৫.
সাক্ষীকে বিরক্তি উদ্রেগকারী প্রশ্ন করা হতে কে নিষেধ করতে পারে?
  1. সাক্ষী নিজেই
  2. আইনজীবী
  3. আদালত
  4. উপরের সকলেই
সঠিক উত্তর:
আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১৪৯ ধারামতে যুক্তি সংগত কারন ছাড়া (Without reasonable Grounds) সাক্ষীকে কোন প্রকার প্রশ্ন করা যাবে না।
সাক্ষ্য আইনের ১৫১ ধারামতে আদালত সাধারণত অশালীন ও মানহানিকর (indecent and scandalous question) প্রশ্ন করতে বাধা দিতে পারেন।

• তবে বিচার্য বিষয়ের সাথে প্রাসঙ্গিক হলে অশালীন ও মানহানিকর প্রশ্নও করা যায়।
সাক্ষ্য আইনের ১৫২ ধারামতে সাক্ষীকে কোনভাবেই অপমানজনক বা বিরক্তিকর প্রশ্ন করা যাবেনা।

আদালত অপমানজনক বা বিরক্তিকর প্রশ্ন নিষিদ্ধ করতে পারে।
৯৬.
সাক্ষ্য আইনের নিয়ম অনুসারে, নিচের কোনটি সঠিক?
  1. প্রাথমিক সাক্ষ্য সর্বোত্তম প্রমাণ
  2. মাধ্যমিক সাক্ষ্য কখনই গ্রহণযোগ্য নয়
  3. মাধ্যমিক সাক্ষ্য সবসময় অগ্রাধিকার পায়
  4. দলিলের বিষয়বস্তু শুধুমাত্র মৌখিক সাক্ষ্যে প্রমাণযোগ্য
সঠিক উত্তর:
প্রাথমিক সাক্ষ্য সর্বোত্তম প্রমাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাথমিক সাক্ষ্য সর্বোত্তম প্রমাণ
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারাসমূহ (বিশেষত ৬১–৬৫) অনুযায়ী,
যদি কোনো দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ করতে হয়, তা প্রধানত প্রাথমিক সাক্ষ্য (Primary Evidence) দ্বারা করতে হবে।
ধারা ৬১ বলে:
- “The contents of documents may be proved either by primary or by secondary evidence.”
কিন্তু এর পরের ধারা ৬২ স্পষ্ট করে দেয়:
- Primary Evidence অর্থাৎ মূল দলিল বা তার আসল কপি – এটিই হলো সর্বোত্তম প্রমাণ।

- সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬১ (Section 61: Proof of contents of documents) এবং সংশ্লিষ্ট ধারা ৬২ (Primary evidence) ও ধারা ৬৩-৬৫ (Secondary evidence) এর বিধান অনুযায়ী, দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণের ক্ষেত্রে প্রাথমিক সাক্ষ্য (primary evidence) এবং মাধ্যমিক সাক্ষ্য (secondary evidence) উভয়ই ব্যবহার করা যায়।
- তবে, সাক্ষ্য আইনের মূল নীতি হলো "সর্বোত্তম প্রমাণের নিয়ম" (Best Evidence Rule), যার অর্থ হলো যে কোনো ঘটনা বা দলিল প্রমাণের জন্য সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও মূল উৎস থেকে প্রাপ্ত সাক্ষ্যই অগ্রাধিকার পাবে। এই ক্ষেত্রে প্রাথমিক সাক্ষ্যকে সর্বোত্তম প্রমাণ হিসেবে গণ্য করা হয়।

- সাক্ষ্য আইনের নিয়ম অনুসারে, প্রাথমিক সাক্ষ্য সর্বোত্তম প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হয় এবং এটি আদালতে প্রাধান্য পায়।
- তাই সঠিক উত্তর হলো ক) প্রাথমিক সাক্ষ্য সর্বোত্তম প্রমাণ।
৯৭.
A কে জখম করে হত্যার জন্য B অভিযুক্ত। C, E, F এবং G হলো সাক্ষী। C জানায় সে B কে দেখেছে A কে জখম করতে। E বলে যে, সে B কে দেখেছে একটি রক্ত মাখা ছুরি নিয়ে দৌড়াতে এবং A কে রক্ত মাখা জামা পরিধান অবস্থায় দেখেছে। F একজন ডাক্তার। F বলে যে, যে ব্যবহৃত ছুরি B এর দখলে পাওয়া গেছে সেই অস্ত্র দিয়ে সম্ভবত A কে জখম করা হতে পারে যা A এর মৃত্যু ঘটিয়েছে। G বলে যে, সে C এর নিকট হতে শুনেছে যে C দেখেছে B, A কে জখম করেছে। কাদের সাক্ষ্য আদালতে গ্রহণযোগ্য হবে?
  1. C, E
  2. C, E, F
  3. C, E, F, G
  4. C, E, G
সঠিক উত্তর:
C, E, F
উত্তর
সঠিক উত্তর:
C, E, F
ব্যাখ্যা
- The Evidence Act 1872 এর ৬০ ধারা অনুযায়ী মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে। G প্রত্যক্ষ সাক্ষী নয়, সে C এর নিকট থেকে শুনেছে। তাই C, E, F এর সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হলেও G এর সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে না। (ব্যতিক্রম ধারাঃ ৩২, ৩৩, ১৫৮)
৯৮.
The Evidence Act, 1872 এর ধারা ২৫ কোন নিয়মের ব্যতিক্রম?
  1. Res gestae rule
  2. Hearsay rule
  3. Confession rule
  4. Opinion rule
সঠিক উত্তর:
Confession rule
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Confession rule
ব্যাখ্যা

সাধারণত Confession Rule অনুযায়ী-
একজন অভিযুক্ত যদি নিজের অপরাধ স্বীকার করে (confession), তবে সেই স্বীকারোক্তি আদালতে অত্যন্ত শক্তিশালী প্রমাণ হিসেবে গণ্য। অর্থাৎ, অভিযুক্তের নিজের মুখে বলা দোষ স্বীকার- সাধারণত স্বীকারোক্তির (confession) নিয়ম অনুযায়ী গ্রহণযোগ্য প্রমাণ।

কিন্তু Evidence Act-এর ধারা ২৫ একটি ব্যতিক্রম সৃষ্টি করে। ধারা ২৫ বলে-
“কোনো পুলিশ অফিসারের নিকট প্রদত্ত স্বীকারোক্তি আদালতে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।”

অর্থাৎ, অভিযুক্ত নিজের মুখে অপরাধ স্বীকার করলেও ➡ যদি তা পুলিশের সামনে করা হয়, তবে তা গ্রহণযোগ্য নয়। এটাই Confession Rule-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যতিক্রম।

৯৯.
“প্রতিবেশীর জমি দখলের উদ্দেশ্যে তাকে হত্যা”- এটি কোন প্রকার প্রাসঙ্গিকতা?
  1. প্রস্তুতি
  2. অভিপ্রায়
  3. পরবর্তী কার্য
  4. পূর্ববর্তী কার্য
সঠিক উত্তর:
অভিপ্রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিপ্রায়
ব্যাখ্যা
• The Evidence Act, 1872 এর ৮ ধারায় বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অভিপ্রায় (Motive), প্রস্তুতি (Preparation) এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্য (Previous or Subsequent Conduct) কে প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসাবে গণ্য করা হয়েছে। কিছু উদাহরণ নিম্নরূপ:

অভিপ্রায় (Motive):
একজন ব্যক্তির হত্যার অভিপ্রায় দেখানো যেতে পারে যে, তিনি অপরাধীর মানসিক অবস্থা কি ছিল। যেমন অত্যাধিক ঋণগ্রস্ততা বা প্রতিহিংসার অভিপ্রায়।
উদাহরণ:
ক) এক জীবিত স্ত্রীকে ফেলে অন্য একজনের সাথে বিবাহ করার উদ্দেশ্যে স্বামী প্রথম স্ত্রীকে হত্যা করেছে।
খ) একজন প্রতিবেশীর জমি দখল করার জন্য অন্য প্রতিবেশী তাকে হত্যা করেছে।

প্রস্তুতি (Preparation):
অপরাধ সংঘটনের পূর্ব প্রস্তুতি নেওয়ার প্রমাণ যেমন অস্ত্র সংগ্রহ করা, লুকানো পরিকল্পনা করা ইত্যাদি।
উদাহরণ:
ক) ডাকাতি করার জন্য অপরাধী পূর্বে অস্ত্র ও মাস্ক সংগ্রহ করেছিল।
খ) এক ব্যক্তি তার বন্ধুকে হত্যা করার পরিকল্পনা করে তার বাড়িতে বিষাক্ত খাবার পাঠিয়েছিল।

পূর্ববর্তী কার্য (Previous Conduct):
অপরাধীর পূর্ববর্তী কাজকর্ম যা তার আচরণের ধারা প্রদর্শন করে।
উদাহরণ:
ক) বহুবার স্ত্রীকে নির্যাতন ও মারধর করার পর এক দিন স্বামী তাকে হত্যা করেছে।
খ) এক ব্যক্তি পূর্বে বারবার তার প্রতিবেশীর সম্পত্তি অপহরণ করেছে এবং পরে তাকে হত্যা করেছে।

পরবর্তী কার্য (Subsequent Conduct):
অপরাধের পর অপরাধীর আচরণ যেমন পলাতক অবস্থা, সন্দেহজনক কাজ, মিথ্যা বক্তব্য প্রদান ইত্যাদি।
উদাহরণ:
ক) হত্যাকাণ্ডের পর অপরাধী পালিয়ে গিয়েছিল এবং জামাকাপড় পরিবর্তন করেছিল।
খ) অপরাধের পর অপরাধী তার ছদ্মনাম ব্যবহার করে অন্যত্র পালিয়ে গিয়েছিল।
১০০.
আদালত কোন ক্ষেত্রে ধারা ৪৭ অনুযায়ী কোনো ব্যক্তির মতামত গ্রহণ করতে পারে?
  1. যখন সাক্ষ্য মৌখিক হয়
  2. যখন দলিল জাল বলে দাবি করা হয়
  3. যখন সাক্ষীর চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন ওঠে
  4. যখন হস্তলিপি বা স্বাক্ষর নিয়ে প্রশ্ন ওঠে
সঠিক উত্তর:
যখন হস্তলিপি বা স্বাক্ষর নিয়ে প্রশ্ন ওঠে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন হস্তলিপি বা স্বাক্ষর নিয়ে প্রশ্ন ওঠে
ব্যাখ্যা

• সাক্ষ্য আইনের ৪৭ ধারা- হস্তলিপি সম্বন্ধে অভিমত যেক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক:
একটি দলিল কোন ব্যক্তির দ্বারা লিখিত অথবা স্বাক্ষরিত হয়েছে সে সম্বন্ধে আদালতকে যখন কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয়, তখন যে ব্যক্তির দ্বারা এটা লিখিত অথবা স্বাক্ষরিত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, সে ব্যক্তির দ্বারা এটা লিখিত বা স্বাক্ষরিত হচ্ছে বা হয়নি এ মর্মে উক্ত ব্যক্তির হস্তলিপির সঙ্গে পরিচিত কোন ব্যক্তির অভিমত প্রাসঙ্গিক পরিগণিত।

ব্যাখ্যা- এক ব্যক্তি যেক্ষেত্রে অন্য এক ব্যক্তিকে লিখতে দেখেছে অথবা যেক্ষেত্রে সে ব্যক্তির নিকট প্রেরিত নিজের লেখার বা নিজ কর্তৃত্বে লিখিত কোন নথির উত্তরে তার নিকট হতে তার দ্বারা লিখিত বলে প্রতীয়মান নথি পেয়েছে প্রতীয়মান কাগজপত্র বরাবর তার নিকট দাখিল হয়ে আসছে, সেক্ষেত্রে প্রথমোক্ত ব্যক্তির শেষোক্ত ব্যক্তির হস্তলিপির সঙ্গে পরিচিত বলে ধরা হয়।

⇒ উক্ত ধারামতে, একজন ব্যক্তির অভিমত অন্য ব্যক্তির হস্তলিপি বা হাতের লেখা প্রমাণের ক্ষেত্রে তখন প্রাসঙ্গিক হবে, যখন কোন ব্যক্তি-
- অপর ব্যক্তিকে লিখতে দেখেছে;
- অপর ব্যক্তির লিখিত কোন দলিল পেয়েছে;
- স্বাভাবিক কাজকর্ম হিসেবে যে ব্যক্তি অপর ব্যক্তির হাতের লেখার সাথে পরিচিত হয়েছে।