বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

Other Property Related Acts

মোট প্রশ্ন২৬এই পাতা২৬প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

Other Property Related Acts

PrepBank · পাতা / · ২৬ / ২৬

.
ভূমি জরিপের সময় কোন আইনের বিধি ৩০ এর আলোকে আপত্তি দেওয়া যায়?
  1. The State Acquisition Rules, 1951
  2. The State Acqusition (Bond) Rules, 1957
  3. The State Acqusition and Tenancy Act, 1950
  4. The Tenancy Rules, 1955
সঠিক উত্তর:
The Tenancy Rules, 1955
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Tenancy Rules, 1955
ব্যাখ্যা
The Tenancy Rules, 1955 - এর ৩০ বিধি অনুসারে ভূমি জরিপের সময় আপত্তি দেয়া যায়। এই বিধির মাধ্যমে ভূমির মালিক ৩০(১) (g) অনুসারে আবেদন করতে পারে এবং যে কোনো সময় তার আপত্তিগুলো তুলে ধরতে পারে। Security of tenure under section 5 মতে দেশের আদালত তার সিদ্ধান্ত প্রদান করবে।

প্রজাস্বত্ত বিধি অনুযায়ী জরিপ শেষ হওয়ার পর ভূমি রেকর্ডের খসড়া প্রকাশিত হওয়ার পর জমির মালিকদের বা তাদের প্রতিনিধিদের পর্যবেক্ষণের জন্য ৩০ কার্য দিবস খোলা রাখা হয় ৷ এই খসড়া রেকর্ডে যদি কোন ভুল ত্রুটি ধরা পড়ে তাহলে ৩০ ধারা মোতাবেক আপত্তি দাখিল করতে হবে, যাকে লোক মুখে Dispute বলে ৷ ৩০ ধারায় আপত্তি দাখিলের পর উক্ত আপত্তি বা Dispute মামলার রায় যার বিপক্ষে যাবে সে ব্যক্তি প্রয়োজন মনে করলে উক্ত রায়ের দিন থেকে ৩০ দিনের মধ্যে আইন অনুযায়ী আপিল দায়ের করতে পারবেন ৷এক্ষেত্রে আপিল দায়েরকারীকে তার দাবীর স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও সাক্ষী আদালতে হাজির করতে হবে ৷
.
আইনগত দখলের অধিকারী ব্যক্তিকে আদালত বা কর্তৃপক্ষের আদেশ ছাড়া উচ্ছেদ করা হলে, উচ্ছেদকারী ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর অধীনে সর্বোচ্চ কী শাস্তি পেতে পারে?
  1. ৬ মাস কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  2. ১ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  3. ২ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  4. ৩ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩- ধারা ৭: অবৈধ দখল প্রতিরোধ ও দণ্ড:
(১) State Acquisition and Tenancy Act, 1950 (Act No. XXVIII of 1951) এর section 143 বা 144 এর অধীন প্রণীত হালনাগাদকৃত বলবৎ সর্বশেষ খতিয়ান মালিক অথবা তাহার নিকট হইতে উত্তরাধিকারসূত্রে বা হস্তান্তর বা দখলের উদ্দেশ্যে আইনানুগভাবে সম্পাদিত দলিল বা আদালতের আদেশের মাধ্যমে মালিকানা বা দখলের অধিকার প্রাপ্ত না হইলে, কোনো ব্যক্তি উক্ত ভূমি স্বীয় দখলে রাখিতে পারিবেন না।

(২) আইনানুগভাবে দখলের অধিকারপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তিকে উপযুক্ত আদালত বা কর্তৃপক্ষের আদেশ ব্যতীত তাহার দখলীয় ভূমি হইতে উচ্ছেদ বা দখলচ্যুত করা যাইবে না এবং তাহাকে উক্ত ভূমির দখল বা উহাতে প্রবেশে বাধা প্রদান করা যাইবে না।
 
(৩) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) বা (২) এর বিধান লংঘন করেন, তাহা হইলে তাহার অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ, এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ২(দুই) বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, উত্তরাধিকারসূত্রে বা হস্তান্তরের মাধ্যমে মালিকানাপ্রাপ্ত ভূমির দখলদার ব্যক্তি রেকর্ড সংশোধন বা স্বীয় স্বত্ব ঘোষণার দাবিতে মামলা বা অন্য কোনো কার্যধারা দায়ের করিয়া থাকিলে তাহার উক্ত কার্য এই ধারার অধীন অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে না।
.
অসাধু বা প্রতারণামূলকভাবে কোনো ব্যক্তিকে কোনো দলিল স্বাক্ষর, সিলমোহর, সম্পাদনা বা পরিবর্তন করিতে বাধ্য করার সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কত?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
ব্যাখ্যা
ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর ৫ ধারার বিধান ভূমি জালিয়াতি সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড: 
(১) ভূমি হস্তান্তর, জরিপ, রেকর্ড হালনাগাদকরণ বা ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত নিম্নবর্ণিত কোনো কার্য ভূমি জালিয়াতি সংক্রান্ত অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে, যথা:-
(ক) কোনো ব্যক্তির ক্ষতি বা অনিষ্ট সাধন করিবার বা কোনো দাবি বা অধিকার সমর্থন করিবার অথবা কোনো ব্যক্তিকে কোনো সম্পত্তি পরিত্যাগ বা চুক্তি সম্পাদন করিতে বাধ্য করিবার অথবা প্রতারণা করা যাইতে পারে এইরূপ অভিপ্রায়ে কোনো মিথ্যা দলিল বা কোনো মিথ্যা দলিলের অংশবিশেষ প্রস্তুতকরণ;
(খ) কোনো দলিল বা উহার অংশবিশেষ এইরূপ কোনো ব্যক্তি কর্তৃক বা তাহার কর্তৃত্ববলে প্রস্তুত, স্বাক্ষরিত, সিলমোহরকৃত বা সম্পাদিত বলিয়া বিশ্বাস করিবার অভিপ্রায়ে, যে ব্যক্তি কর্তৃক বা যে ব্যক্তির কর্তৃত্ববলে উহা প্রস্তুত, স্বাক্ষরিত, সিলমোহরকৃত বা সম্পাদিত হয় নাই বলিয়া সে জ্ঞাত বা অবগত, অথবা এইরূপ কোনো সময়, যে সময় উহা প্রস্তুত, স্বাক্ষরিত, সিলমোহরকৃত বা সম্পাদিত হয় নাই বলিয়া সে জ্ঞাত বা অবগত, অসাধু বা প্রতারণামূলকভাবে অনুরূপ দলিল বা উহার অংশবিশেষ প্রস্তুত, স্বাক্ষর, সিলমোহর বা সম্পাদন;
(গ) কোনো দলিল সম্পাদিত হইবার পর আইনানুগ কর্তৃত্ব ব্যতিরেকে, অসাধু বা প্রতারণামূলকভাবে, উহার কোনো অংশ কর্তন করা বা অন্য কোনোভাবে উহার কোনো গুরুত্বপূর্ণ অংশের পরিবর্তন;
(ঘ) সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কোনো মিথ্যা দলিল প্রস্তুতকরণ;
(ঙ) অসাধু বা প্রতারণামূলকভাবে কোনো ব্যক্তিকে কোনো দলিল স্বাক্ষর, সিলমোহর, সম্পাদনা বা পরিবর্তন করিতে বাধ্য করা

(২) কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এ বর্ণিত কোনো অপরাধ সংঘটন করিলে উহা হইবে একটি অপরাধ এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ৭(সাত) বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।
.
কোর্ট ফী আইনে কয় প্রকারের কোর্ট ফীর উল্লেখ আছে?
  1. ৫ প্রকার
  2. ২ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৩ প্রকার
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
ব্যাখ্যা
• কোর্ট ফি:
দেওয়ানী মামলা করতে গেলে, প্রতি মামলায় আদালতকে একটি নিদিষ্ট পরিমাণ ফি বা খরচ দিতে হয়, আদালতকে দেওয়া এই খরচ কে কোর্ট ফি বলে। কোর্ট ফি সরকারের আয়ের একটি উৎস, সাধারণত প্রতি বছর সরকার তার বার্ষিক অর্থ পরিকল্পনায় কি বা কত হারে কোন বিষয়ে কেমন কোর্ট ফি নেয়া হবে তা নির্ধারণ করে।

কোর্ট ফি নির্ধারণ:
কিভাবে কোর্ট ফি নির্ধারণ করা হবে তা Court Fees Act 1870 এর Chapter III এবং Schedule I এবং II তে বলা আছে।

কোর্ট ফি ২ ধরনের:
১/ মূল্যমানের উপর ভিত্তি করে [Ad-valorem court fee];
২/ নির্দিষ্ট [Fixed court fee]।

মূল্যমানের উপর ভিত্তি করে [Ad-valorem court fee]:
কোন মোকদ্দমার মূল্যমান এর উপর বা দাবীর মূল্যমানের উপর ভিত্তি করে এই কোর্ট ফি নির্ণয় করা হয়ে থাকে।

নির্দিষ্ট [Fixed court fee]:
কিছু বিষয়ে বিচারের বিষয়টি যাই থাকুক না কেন আদালতেকে সুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট পরিমান ফি দিতে হয়। মোকদ্দমার মূল্যমানের উপর কোর্ট ফি নির্ভর করে না।
.
ভূমি উন্নয়ন কর আইন-২০২৩ অনুসারে, কত বিঘা পর্যন্ত কৃষি জমির উন্নয়ন কর মওকুফ করা হয়েছে?
  1. ৬০ বিঘা
  2. ২৫ বিঘা
  3. ৩০ বিঘা
  4. ১০০ বিঘা
সঠিক উত্তর:
২৫ বিঘা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ বিঘা
ব্যাখ্যা
ভূমি উন্নয়ন কর আইন-২০২৩:

- ভূমি উন্নয়ন কর ধার্য ও আদায়ে নতুন আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে ‘ভূমি উন্নয়ন কর আইন-২০২৩’ পাস হয়েছে।
- 'ভূমি উন্নয়ন কর আইন-২০২৩’ শীর্ষক আইনে জনস্বার্থে ২৩টি ধারা সন্নিবেশ করা হয়েছে।
- এই আইন অনুযায়ী, ২৫ বিঘা পর্যন্ত কৃষিজমির উন্নয়ন কর মওকুফের বিধান রাখা হয়েছে।
- তবে ২৫ বিঘার বেশি জমির মালিক হলে পুরোটারই ভূমি উন্নয়ন কর দিতে হবে।
- বাংলা সনের পরিবর্তে ইংরেজি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী ওই কর আদায় করা হবে।
- এ ছাড়া ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা, উত্তরাধিকারী, কালেক্টর ইত্যাদি সংজ্ঞাকে যুগোপযোগী করা হয়েছে।
- এ ছাড়া এই আইনের বিধান অনুযায়ী, কোনো ভূমির মালিক টানা তিন বছর ভূমি উন্নয়ন কর না দিলে তাকে প্রথম বছর থেকে তৃতীয় বছর পর্যন্ত সোয়া ৬ শতাংশ হারে জরিমানাসহ কর পরিশোধ করতে হবে।

ধারা ৩- কৃষি ভূমির ভূমি উন্নয়ন কর

(১) সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, কৃষি ভূমি, চা বাগান এবং অন্যান্য ভূমির ভূমি উন্নয়ন করের হার, সীমা ও শর্ত নির্ধারণ করিতে পারিবে।

(২) কৃষিকার্যের উপর নির্ভরশীল ব্যক্তি বা পরিবারভিত্তিক কৃষি ভূমির মোট পরিমাণ ৮.২৫ (আট দশমিক দুই পাঁচ) একর বা ২৫ (পঁচিশ) বিঘা পর্যন্ত হইলে উহার ভূমি উন্নয়ন কর মওকুফ থাকিবে এবং ইক্ষু, লবণ চাষের ভূমি ও কৃষকের পুকুর (বাণিজ্যিক মৎস্যচাষ ব্যতীত) উক্ত মওকুফের অন্তর্ভুক্ত হইবে:

তবে শর্ত থাকে যে, কৃষিকার্যের উপর নির্ভরশীল ব্যক্তি ও পরিবারভিত্তিক কৃষি ভূমির মোট পরিমাণ ৮.২৫ (আট দশমিক দুই পাঁচ) একর বা ২৫ (পঁচিশ) বিঘার অধিক হইলে, সম্পূর্ণ কৃষি ভূমির ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করিতে হইবে।

(৩) কৃষি ভূমি পল্লি এলাকা বা পৌর এলাকার যে কোন স্থানে অবস্থিত হউক না কেন, সকল ক্ষেত্রে অভিন্ন ভূমি উন্নয়ন কর হার ও শর্ত প্রযোজ্য হইবে।
.
Special Committee on the East Bengal State Acquisition and Tenancy Bill, 1948 এর Chairman কে ছিলেন?
  1. এ, কে, ফজলুল হক
  2. তাফাজ্জল আলী
  3. আব্দুর রাশিদ তর্কবাগীশ
  4. নাজির হোসেন খন্দকার
সঠিক উত্তর:
এ, কে, ফজলুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ, কে, ফজলুল হক
ব্যাখ্যা
Special Committee on the East Bengal State Acquisition and Tenancy Bill, 1948 এর Chairman ছিলেন এ, কে, ফজলুল হক।

আবুল কাশেম ফজলুল হক (২৬ অক্টোবর ১৮৭৩ - ২৭ এপ্রিল ১৯৬২) বাঙালি রাজনীতিবিদ। বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে বাঙালি কূটনীতিক হিসেবে পরিচিত লাভ করেন। রাজনৈতিক মহল এবং সাধারণ মানুষের নিকট শেরেবাংলা এবং 'হক সাহেব' নামে পরিচিত ছিলেন।

তিনি রাজনৈতিক অনেক পদে অধিষ্ঠান করেছেন, তার মধ্যে কলকাতার মেয়র (১৯৩৫), অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী (১৯৩৭ - ১৯৪৩), পূর্ব পাকিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী(১৯৫৪), পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (১৯৫৫), পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর (১৯৫৬ - ১৯৫৮) অন্যতম। যুক্তফ্রন্ট গঠনে প্রধান নেতাদের মধ্যে তিনি অন্যতম।
.
ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর অধীন অপরাধের বিচার মামলা প্রাপ্তির তারিখ হতে কতদিনের মধ্যে সমাপ্ত করতে হবে?
  1. ৯০ দিন
  2. ১২০ দিন
  3. ১৮০ দিন
  4. ৩৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৮০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮০ দিন
ব্যাখ্যা
• ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর ধারা ১৯- অপরাধের বিচার:

(১) এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ, আমলযোগ্য (cognizable), ধারা ৪ ও ৫ এ বর্ণিত অপরাধ অ-জামিনযোগ্য (non-bailable), অন্যান্য ধারায় বর্ণিত অপরাধ জামিনযোগ্য এবং আপোষযোগ্য (compoundable) হইবে।

(২) এই আইনের অন্যান্য বিধানাবলি সাপেক্ষে, এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ প্রথম শ্রেণির জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিচার্য হইবে।

(৩) এই আইনের অধীন অপরাধের বিচার মামলা প্রাপ্তির তারিখ হইতে ১৮০ (একশত আশি) দিনের মধ্যে সমাপ্ত করিতে হইবে।

(৪) এই আইনের অন্যান্য বিধানাবলি সাপেক্ষে, এই আইনের অধীন অপরাধের বিচার ও আপিলের ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে।
.
ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর কত ধারায় ভূমি অপরাধের ক্ষেত্রে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার বিধান আছে?
  1. ১৮
  2. ২০
  3. ২১
  4. ২২
সঠিক উত্তর:
২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২
ব্যাখ্যা
ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর ২২ ধারার বিধান মোবাইল কোর্ট কর্তৃক বিচার্য:
-  এই আইনের ধারা ৪, ৫, ১৫ ও ১৭ এ বর্ণিত অপরাধ ব্যতীত অন্যান্য অপরাধসমূহ মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ৫৯ নং আইন) এর তফসিলভুক্ত হওয়া সাপেক্ষে, মোবাইল কোর্ট কর্তৃক বিচার্য হইবে।
.
নিম্নবর্ণিত কোন মামলায় Ad valorem কোর্ট ফি দিতে হবে না?
  1. দলিল বাতিল
  2. বণ্টন মামলা
  3. চুক্তি বলবৎকরণ
  4. দখল পুনরুদ্ধার
সঠিক উত্তর:
বণ্টন মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বণ্টন মামলা
ব্যাখ্যা
কোর্ট ফি ২ ধরনের:
১/ মূল্যমানের উপর ভিত্তি করে [Ad-valorem court fee];
২/ নির্দিষ্ট [Fixed court fee]।
 
মূল্যমানের উপর ভিত্তি করে [Ad-valorem court fee]:
কোন মোকদ্দমার মূল্যমান এর উপর বা দাবীর মূল্যমানের উপর ভিত্তি করে এই কোর্ট ফি নির্ণয় করা হয়ে থাকে।
 
নির্দিষ্ট [Fixed court fee]:
কিছু বিষয়ে বিচারের বিষয়টি যাই থাকুক না কেন আদালতেকে সুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট পরিমান ফি দিতে হয়। মোকদ্দমার মূল্যমানের উপর কোর্ট ফি নির্ভর করে না।

 বণ্টন মামলায় দখলে থাকলে ৩০০ টাকা Fixed court fee এবং দখলে না থাকলে Ad-valorem court fee দিতে হবে।
১০.
ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩-এর ধারা ৭ অনুযায়ী অবৈধ দখলের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  2. ২ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা

ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩- ধারা ৭: অবৈধ দখল প্রতিরোধ ও দণ্ড:
(১) State Acquisition and Tenancy Act, 1950 (Act No. XXVIII of 1951) এর section 143 বা 144 এর অধীন প্রণীত হালনাগাদকৃত বলবৎ সর্বশেষ খতিয়ান মালিক অথবা তাহার নিকট হইতে উত্তরাধিকারসূত্রে বা হস্তান্তর বা দখলের উদ্দেশ্যে আইনানুগভাবে সম্পাদিত দলিল বা আদালতের আদেশের মাধ্যমে মালিকানা বা দখলের অধিকার প্রাপ্ত না হইলে, কোনো ব্যক্তি উক্ত ভূমি স্বীয় দখলে রাখিতে পারিবেন না।

(২) আইনানুগভাবে দখলের অধিকারপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তিকে উপযুক্ত আদালত বা কর্তৃপক্ষের আদেশ ব্যতীত তাহার দখলীয় ভূমি হইতে উচ্ছেদ বা দখলচ্যুত করা যাইবে না এবং তাহাকে উক্ত ভূমির দখল বা উহাতে প্রবেশে বাধা প্রদান করা যাইবে না।

(৩) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) বা (২) এর বিধান লংঘন করেন, তাহা হইলে তাহার অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ, এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ২(দুই) বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, উত্তরাধিকারসূত্রে বা হস্তান্তরের মাধ্যমে মালিকানাপ্রাপ্ত ভূমির দখলদার ব্যক্তি রেকর্ড সংশোধন বা স্বীয় স্বত্ব ঘোষণার দাবিতে মামলা বা অন্য কোনো কার্যধারা দায়ের করিয়া থাকিলে তাহার উক্ত কার্য এই ধারার অধীন অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে না।

১১.
একজন বাড়িওয়ালাকে তার পাওনা ভাড়া আদায়ে The Small Cause Courts Act, 1887 এর 27A ধারার বিধানমতে কত দিনের মধ্যে Small causes Court এর আবেদন করতে হবে?
  1. ০৩ মাস
  2. ১২ মাস
  3. ০৬ মাস
  4. ০৩ বছর
সঠিক উত্তর:
১২ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ মাস
ব্যাখ্যা
• The Small Cause Courts Act, 1887 এর ২৭ ধারার অধীনে যেকোনো ব্যক্তি সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (Distress warrant) - এর জন্য আবেদন করতে পারে। ২৭(ক) ধারায় বলা হয়েছে-

একজন বাড়িওয়ালা তার পাওনা ভাড়া আদায়ের জন্য ১২ মাসের বা ১ বছরের মধ্যে Small Causes Court এ আবেদন করতে হবে।
১২.
একজন কৃষি জমির মালিক কত পরিমাণ কৃষি জমি নিজ মালিকানায় রাখতে পারবেন?
  1. ৬০ বিঘা
  2. ১০০ বিঘা
  3. ৩৭৫ বিঘা
  4. কৃষক এবং জমির শ্রেণিভেদে পূর্বের সবগুলো সঠিক
সঠিক উত্তর:
৬০ বিঘা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ বিঘা
ব্যাখ্যা
একজন কৃষি জমির মালিক ৬০ বিঘার বেশি কৃষি জমি নিজ মালিকানায় রাখতে পারে না। যদি উত্তরাধিকার সূত্রে কোনো প্লাবনের (Diluvion) ভূমি জেগে উঠে এবং তা তার বিদ্যমান সম্পত্তিসহ ৬০ বিঘার বেশি হয় তবে তা রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ৮৬(৫) ধারা অনুসারে সরকারের নিকট বর্তাবে। অন্যদিকে ৯০ ধারা অনুসারে কোনো ব্যক্তি তার নিজের এবং পরিবারের জন্য সব মিলিয়ে ৩৭৫ বিঘার বেশি ভূমি গ্রহণ বা ক্রয় করতে পারবেন না।

অন্যদিকে, ভূমি সংস্কার আইন, ২০২৩ এর ৪ ধারাতেও উল্লেখ আছে যে, ৬০ (ষাট) প্রমিত বিঘার অধিক কৃষি ভূমির মালিক বা তাহার পরিবার হস্তান্তর, উত্তরাধিকার, দান বা অন্য কোনো উপায়ে নতুন কোনো কৃষি ভূমি অর্জন করিতে পারিবেন না। যদি কোনো ভূমির মালিক এই ধারার বিধান লঙ্ঘন করিয়া ক্রয়সূত্রে কোনো নতুন কৃষি ভূমি অর্জন করেন, তাহা হইলে যে পরিমাণ ভূমি ৬০ (ষাট) প্রমিত বিঘার অতিরিক্ত হইবে তাহা সরকারের অনুকূলে বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে সমর্পিত হইবে এবং উক্ত সমর্পিত ভূমির মূল্য বাবদ কোনো ক্ষতিপূরণ প্রদেয় হইবে না: তবে শর্ত থাকে যে, উত্তরাধিকার, দান বা উইল এর মাধ্যমে অর্জিত ভূমির ক্ষেত্রে উক্ত বিধান প্রযোজ্য হইবে না।
১৩.
ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর ধারা ৮ অনুযায়ী দখল পুনরুদ্ধারের আবেদন নিষ্পত্তি হতে হবে কত দিনের মধ্যে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর ধারা ৮(৪) অনুযায়ী,
- দখল পুনরুদ্ধারের আবেদন প্রাপ্তির পর ৩ (তিন) মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে।
- এ সময়ের মধ্যে কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
অন্যান্য অপশনগুলো (১ মাস, ২ মাস, ৬ মাস) এই আইনে উল্লেখিত সময়সীমার সাথে মেলে না।

⇒ উদ্ধৃতি (আইনের ধারা ৮(৪)):
"উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো আবেদন প্রাপ্তির পর হইতে ৩(তিন) মাসের মধ্যে উহার নিষ্পত্তি, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, দখল পুনরুদ্ধার করিতে হইবে..."
১৪.
ভূমি প্রতারণা সংক্রান্ত অপরাধের ক্ষেত্রে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এ সর্বোচ্চ কী শাস্তি নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ৩ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  3. ৫ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  4. ৭ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর ধারা ৪- ভূমি প্রতারণা সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড:
(১) ভূমি হস্তান্তর, জরিপ, রেকর্ড হালনাগাদকরণ বা ব্যবস্থাপনা বিষয়ে নিম্নবর্ণিত কোনো কার্য ভূমি প্রতারণা সংক্রান্ত অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে, যথা:-

(ক) অন্যের মালিকানাধীন ভূমি স্বীয় মালিকানাধীন ভূমি হিসাবে প্রচার করা;
(খ) তথ্য গোপন করিয়া কোনো ভূমি, সম্পূর্ণ বা উহার অংশবিশেষ, কোনো ব্যক্তি বরাবর হস্তান্তর বা সমর্পণ করা:
(গ) স্বীয় মালিকানাধীন ভূমির অতিরিক্ত ভূমি বা অন্যের মালিকানাধীন ভূমি, তদ্‌কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত না হইয়া, কোনো ব্যক্তি বরাবর হস্তান্তর বা সমর্পণ করা;
(ঘ) কোনো ব্যক্তি অপর কোনো ব্যক্তি বলিয়া মিথ্যা পরিচয় প্রদান করিয়া বা জ্ঞাতসারে এক ব্যক্তিকে অপর ব্যক্তিরূপে প্রতিস্থাপিত করিয়া কোনো ভূমি সম্পূর্ণ বা উহার অংশবিশেষ হস্তান্তর বা সমর্পণ করা;
(ঙ) মিথ্যা বিবরণ সংবলিত কোনো দলিল স্বাক্ষর বা সম্পাদন করা;
(চ) কর্তৃপক্ষের নিকট মিথ্যা বা অসত্য তথ্য প্রদান করা; এবং
(ছ) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে বিধি দ্বারা নির্ধারিত অন্য কোনো কার্য সম্পাদন।

(২) কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এ বর্ণিত কোনো অপরাধ সংঘটন করিলে তজ্জন্য তিনি অনধিক ৭(সাত) বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।
১৫.
ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর অধীন অপরাধসমূহ কোন আদালত কর্তৃক বিচার্য?
  1. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  2. প্রথম শ্রেণির জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. চীফ জুডিসিয়াল বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা

ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর  ধারা ১৯: অপরাধের বিচার:
(১) এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ, আমলযোগ্য (cognizable), ধারা ৪ ও ৫ এ বর্ণিত অপরাধ অ-জামিনযোগ্য (non-bailable), অন্যান্য ধারায় বর্ণিত অপরাধ জামিনযোগ্য এবং আপোষযোগ্য (compoundable) হইবে।

(২) এই আইনের অন্যান্য বিধানাবলি সাপেক্ষে, এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ প্রথম শ্রেণির জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিচার্য হইবে।

(৩) এই আইনের অধীন অপরাধের বিচার মামলা প্রাপ্তির তারিখ হইতে ১৮০ (একশত আশি) দিনের মধ্যে সমাপ্ত করিতে হইবে।

(৪) এই আইনের অন্যান্য বিধানাবলি সাপেক্ষে, এই আইনের অধীন অপরাধের বিচার ও আপিলের ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে।

১৬.
ঘোষণামূলক মামলায় কত টাকা কোর্ট ফী দিতে হয়?
  1. ১০০ টাকা
  2. ২০০ টাকা
  3. ৩০০ টাকা
  4. ৫০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৩০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• The Specific Relief Act, 1877 ধারা ৪২- ঘোষনামূলক মোকদ্দমা (Declaration suit)  

মর্যাদা বা অধিকার ঘোষনা সম্পর্কে আদালতের ইচ্ছাধীন বিবেচনামূলক ক্ষমতা অথবা আনুষঙ্গিক প্রতিকারের জন্য এই মামলা করা হয়। সহজভাবে বলা যায় যেকোন ব্যক্তির আইন সঙ্গত পরিচয়, মর্যাদা বা কোন সম্পত্তিতে তার কোন অধিকার যদি থাকে, অপর কোন ব্যক্তি তা অস্বীকার করে বা করতে চায়, তখন সেই ব্যক্তি তার অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য এই মামলা করতে পারে। আদালত সেই অনুযায়ী প্রতিকার দিবে। এটিই ঘোষনামূলক মোকদ্দমা।

এই মোকদ্দমার জন্য নির্দিষ্ট ৩০০ টাকা কোর্ট ফী দিতে হবে।
⇒ এই মোকদ্দমায় আনুষঙ্গিক প্রতিকার চাইতে হয়।
⇒ যখন কোন বাদী আনুষঙ্গিক প্রতিকার না চায়, তাহলে আদালত তার কোনো প্রতিকার মঞ্জুর করে না।
১৭.
ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর ২২ ধারা অনুযায়ী কোন অপরাধগুলো মোবাইল কোর্ট কর্তৃক বিচার্য হবে না?
  1. ধারা ৭, ১৮, ১৯, ২০ এ বর্ণিত অপরাধ
  2. ধারা ৩, ৬, ৭, ৮ এ বর্ণিত অপরাধ
  3. ধারা ৬, ১০, ১১, ১২ এ বর্ণিত অপরাধ
  4. ধারা ৪, ৫, ১৫ ও ১৭ এ বর্ণিত অপরাধ
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪, ৫, ১৫ ও ১৭ এ বর্ণিত অপরাধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪, ৫, ১৫ ও ১৭ এ বর্ণিত অপরাধ
ব্যাখ্যা

⇒ ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর ২২ ধারা অনুযায়ী, এই আইনের ধারা ৪, ৫, ১৫ ও ১৭ এ বর্ণিত অপরাধগুলো মোবাইল কোর্ট কর্তৃক বিচার্য হবে না।
- এই ধারাগুলোতে উল্লিখিত অপরাধগুলো হলো:
ধারা ৪: ভূমি প্রতারণা সংক্রান্ত অপরাধ (যেমন, অন্যের ভূমিকে নিজের বলে প্রচার করা, মিথ্যা তথ্য প্রদান করা ইত্যাদি), যা অনধিক ৭ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয়।
ধারা ৫: ভূমি জালিয়াতি সংক্রান্ত অপরাধ (যেমন, মিথ্যা দলিল প্রস্তুত করা, দলিলে পরিবর্তন করা ইত্যাদি), যা অনধিক ৭ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয়।
ধারা ১৫: ধারা ৮ এর অধীন প্রদত্ত আদেশ অমান্য বা লঙ্ঘন করা, যা অনধিক ২ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয়।
ধারা ১৭: একই অপরাধ পুনঃসংঘটনের ক্ষেত্রে দ্বিগুণ দণ্ড।
এই অপরাধগুলো সাধারণত গুরুতর প্রকৃতির বা জটিল বিচার প্রক্রিয়ার প্রয়োজন হওয়ায় মোবাইল কোর্টের এখতিয়ারের বাইরে রাখা হয়েছে। অন্যদিকে, এই আইনের অন্যান্য অপরাধগুলো (যেমন ধারা ৭, ৮, ৯, ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৬, ১৮, ২০) মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ৫৯ নং আইন) এর তফসিলভুক্ত হওয়া সাপেক্ষে মোবাইল কোর্ট কর্তৃক বিচার্য হতে পারে।
সুতরাং, ধারা ৪, ৫, ১৫ ও ১৭ এ বর্ণিত অপরাধগুলো মোবাইল কোর্ট কর্তৃক বিচার্য হবে না।

১৮.
দলিল রদের মোকদ্দমায় কোর্ট ফি কত?
  1. এ্যাড-ভ্যালোরেম
  2. নির্ধারিত ৩০০ টাকা
  3. ২০০ টাকা
  4. আদালতের নির্দেশ মতে
সঠিক উত্তর:
এ্যাড-ভ্যালোরেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ্যাড-ভ্যালোরেম
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৩৯ ধারা অনুযায়ী, ২টি ক্ষেত্রে আদালত দলিল বাতিলের মোকদ্দমায় দলিল বাতিলের আদেশ মঞ্জুর করতে পারেন-
কোন লিখিত দলিল বাতিল/ বাতিলযোগ্য, যদি বাদীর চুক্তি সম্পর্কে আশংকা থাকে যে, এরূপ দলিল যদি অনিস্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা ক্ষতির কারন হতে পারে। এটি আদালতের বিবেচনা মূলক ক্ষমতা।

দলিল বাতিল করার ক্ষেত্রে কিছু তথ্য হলোঃ-

• জাল দলিল রেজিষ্ট্রেশন হয়ে থাকলে তা বাতিলের মামলা করা যাবে দেওয়ানি আদালতে।
• সম্পত্তিতে যার স্বার্থ আছে তিনিই দলিল বাতিলের মামলা করতে পারবেন।
• জাল দলিল সম্পর্কে জানার ৩ বছরের মধ্যে ঐ দলিল বাতিলের মামলা করতে হবে।
• দলিল আংশিক বাতিলের মামলা করা যায়।
• যিনি কোন দলিলকে জাল বা জোর পূর্বক সম্পাদিত বলে দবি করবেন তাকে তার দাবির সত্যতা প্রমাণ করতে হবে।
• নাবলকের সম্পত্তি জাল দলিলের মাধ্যমে হাতিয়ে নিলে ঐ নাবালকের অভিবাবক বা ঐ নাবালক সাবালকত্ব অর্জনের পর সে নিজে মামলা করতে পারবেন।
দলিল রদ বা বাতিলের জন্য ‘এড-ভ্যালোরেম কোর্ট ফি’ প্রদান করে মামলা দায়ের করতে হবে।
• দলিল বাতিলের মামলার সাথে অন্য প্রতিকার যেমন-দখল পাবার প্রার্থনাও কারা যাবে তবে এর জন্য অতিরিক্ত কোর্ট ফি দিতে হবে।
১৯.
আইনটির সঠিক নাম কি?
  1. The Small Cause Courts Act, 1887
  2. The Small Causes Court Act, 1887
  3. The Small Cause Court Act, 1887
  4. কোনটিই সঠিক নয়
সঠিক উত্তর:
The Small Cause Courts Act, 1887
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Small Cause Courts Act, 1887
ব্যাখ্যা
• আইনটির সঠিক নাম- The Small Cause Courts Act,1887

এই আইনের ৫ ধারায় বলা হয়েছে, সরকার লিখিত আদেশের মাধ্যমে স্বল্প এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত প্রতিষ্ঠা করবে।
কোন কোন আদালতকে A Court of Small Causes হিসেবে গণ্য করা হবে,সেটা দেওয়ানী আদালত আইন,১৮৮৭ এর ধারা ২৫-এ আলোচনা করা হয়েছে। এখানে বলা হয়েছে, A Court of Small Causes এর বিচারক হবেন যুগ্ম জেলা জজ, সিনিয়র সহকারী জজ এবং সহকারী জজ। এক্ষেত্রে যুগ্ম জেলা জজ আদালতের আর্থিক এখতিয়ার হবে ২০ হাজার টাকা, সিনিয়র সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার হবে ১০ হাজার টাকা এবং সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার হবে ৬ হাজার টাকা।সরকার ৬ ধারার বিধান অনুযায়ী কোন বিচারককে ক্ষুদ্র এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতের বিচারক নিয়োগ করতে পারে।

স্বল্প এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতের আর্থিক এখতিয়ার-
সাধারনত স্বল্প এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতের আর্থিক এখতিয়ার ২৫০০০ টাকা। তার মানে Court of Small Causes ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত মূল্যমানের দেওয়ানী মামলার বিচার করতে পারবে অথবা আমলে নিতে পারবে।
২০.
ক্রেতা বরাবর বিক্রিত ভূমির দখল হস্তান্তর না করিবার সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কত?
  1. ৫ বছর
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর ৯ ধারার বিধান ক্রেতা বরাবর বিক্রিত ভূমির দখল হস্তান্তর না করিবার দণ্ড:
 - বিক্রয়ের জন্য নির্ধারিত মূল্যের সম্পূর্ণ অর্থ বিক্রেতা বরাবর পরিশোধ করা সত্ত্বেও যদি তিনি, যুক্তিসঙ্গত কারণ ব্যতীত, ক্রেতা বরাবর উক্ত ভূমির দখল হস্তান্তর না করেন, তাহা হইলে উহা হইবে একটি অপরাধ, এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ২(দুই) বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।
২১.
ভূমি উন্নয়ন কর আইন, ২০২৩ অনুযায়ী কৃষিকার্যের উপর নির্ভরশীল ব্যক্তি ও পরিবারভিত্তিক কৃষি ভূমির মোট পরিমাণ ২৫ (পঁচিশ) বিঘার অধিক হলে-
  1. অতিরিক্ত কৃষি ভূমির ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করতে হবে।
  2. শুধুমাত্র ২৫(পঁচিশ) বিঘা কৃষি ভূমির ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করতে হবে।
  3. সম্পূর্ণ কৃষি ভূমির ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করতে হবে।
  4. পাঁচশত টাকা উন্নয়ন কর পরিশোধ করতে হবে।
সঠিক উত্তর:
সম্পূর্ণ কৃষি ভূমির ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করতে হবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পূর্ণ কৃষি ভূমির ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করতে হবে।
ব্যাখ্যা
⇒ ভূমি উন্নয়ন কর আইন, ২০২৩ এর ৩ ধারার বিধান: কৃষি ভূমির ভূমি উন্নয়ন কর:
(১) সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, কৃষি ভূমি, চা বাগান এবং অন্যান্য ভূমির ভূমি উন্নয়ন করের হার, সীমা ও শর্ত নির্ধারণ করিতে পারিবে।
(২) কৃষিকার্যের উপর নির্ভরশীল ব্যক্তি বা পরিবারভিত্তিক কৃষি ভূমির মোট পরিমাণ ৮.২৫ (আট দশমিক দুই পাঁচ) একর বা ২৫ (পঁচিশ) বিঘা পর্যন্ত হইলে উহার ভূমি উন্নয়ন কর মওকুফ থাকিবে এবং ইক্ষু, লবণ চাষের ভূমি ও কৃষকের পুকুর (বাণিজ্যিক মৎস্যচাষ ব্যতীত) উক্ত মওকুফের অন্তর্ভুক্ত হইবে:

তবে শর্ত থাকে যে, কৃষিকার্যের উপর নির্ভরশীল ব্যক্তি ও পরিবারভিত্তিক কৃষি ভূমির মোট পরিমাণ ৮.২৫ (আট দশমিক দুই পাঁচ) একর বা ২৫ (পঁচিশ) বিঘার অধিক হইলে, সম্পূর্ণ কৃষি ভূমির ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করিতে হইবে।

(৩) কৃষি ভূমি পল্লি এলাকা বা পৌর এলাকার যে কোন স্থানে অবস্থিত হউক না কেন, সকল ক্ষেত্রে অভিন্ন ভূমি উন্নয়ন কর হার ও শর্ত প্রযোজ্য হইবে।
২২.
অবৈধ দখল প্রতিরোধ করতে 'ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩' এর ৭ ধারায় শাস্তির কী বিধান করা হয়েছে?
  1. অনধিক ২ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  2. অনধিক ৫ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  3. অনধিক ৩ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  4. অনধিক ৭ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
অনধিক ২ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ২ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩

ধারা ৭: অবৈধ দখল প্রতিরোধ ও দণ্ড

(১) State Acquisition and Tenancy Act, 1950 (Act No. XXVIII of 1951) এর section 143 বা 144 এর অধীন প্রণীত হালনাগাদকৃত বলবৎ সর্বশেষ খতিয়ান মালিক অথবা তাহার নিকট হইতে উত্তরাধিকারসূত্রে বা হস্তান্তর বা দখলের উদ্দেশ্যে আইনানুগভাবে সম্পাদিত দলিল বা আদালতের আদেশের মাধ্যমে মালিকানা বা দখলের অধিকার প্রাপ্ত না হইলে, কোনো ব্যক্তি উক্ত ভূমি স্বীয় দখলে রাখিতে পারিবেন না।
 
(২) আইনানুগভাবে দখলের অধিকারপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তিকে উপযুক্ত আদালত বা কর্তৃপক্ষের আদেশ ব্যতীত তাহার দখলীয় ভূমি হইতে উচ্ছেদ বা দখলচ্যুত করা যাইবে না এবং তাহাকে উক্ত ভূমির দখল বা উহাতে প্রবেশে বাধা প্রদান করা যাইবে না।
 
(৩) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) বা (২) এর বিধান লংঘন করেন, তাহা হইলে তাহার অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ, এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ২(দুই) বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন:
 
তবে শর্ত থাকে যে, উত্তরাধিকারসূত্রে বা হস্তান্তরের মাধ্যমে মালিকানাপ্রাপ্ত ভূমির দখলদার ব্যক্তি রেকর্ড সংশোধন বা স্বীয় স্বত্ব ঘোষণার দাবিতে মামলা বা অন্য কোনো কার্যধারা দায়ের করিয়া থাকিলে তাহার উক্ত কার্য এই ধারার অধীন অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে না।
২৩.
ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর কোন ধারার অধীন অপরাধগুলো অ-জামিনযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হয়?
  1. ধারা ৪ ও ৫
  2. ধারা ৭ ও ৯
  3. ধারা ১১ ও ১২
  4. ধারা ১৫ ও ১৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪ ও ৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪ ও ৫
ব্যাখ্যা

⇒ ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩-এর ধারা ১৯(১) অনুসারে, এই আইনের অধীন অপরাধগুলোর মধ্যে ধারা ৪ (ভূমি প্রতারণা সংক্রান্ত অপরাধ) এবং ধারা ৫ (ভূমি জালিয়াতি সংক্রান্ত অপরাধ) এর অধীন সংঘটিত অপরাধগুলো অ-জামিনযোগ্য (non-bailable) হিসেবে বিবেচিত হয়। এই ধারাগুলোর অধীন অপরাধগুলোর গুরুতর প্রকৃতির কারণে, যেমন মিথ্যা দলিল প্রস্তুতকরণ, তথ্য গোপন করে ভূমি হস্তান্তর, বা প্রতারণামূলক কার্যকলাপ, এগুলোকে অ-জামিনযোগ্য হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে।

⇒ ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩-এর ধারা ১৯ অপরাধের বিচার:
(১) এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ, আমলযোগ্য (cognizable), ধারা ৪ ও ৫ এ বর্ণিত অপরাধ অ-জামিনযোগ্য (non-bailable), অন্যান্য ধারায় বর্ণিত অপরাধ জামিনযোগ্য এবং আপোষযোগ্য (compoundable) হইবে।
(২) এই আইনের অন্যান্য বিধানাবলি সাপেক্ষে, এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ প্রথম শ্রেণির জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিচার্য হইবে।
(৩) এই আইনের অধীন অপরাধের বিচার মামলা প্রাপ্তির তারিখ হইতে ১৮০ (একশত আশি) দিনের মধ্যে সমাপ্ত করিতে হইবে।
(৪) এই আইনের অন্যান্য বিধানাবলি সাপেক্ষে, এই আইনের অধীন অপরাধের বিচার ও আপিলের ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে।

২৪.
নিম্নের কোন আইনের মাধ্যমে বেনামী হস্তান্তর নিষিদ্ধ করা হয়েছে?
  1. The State Acquisition And Tenancy Act 1950
  2. The Land Reforms Ordinance, 1984
  3. The Transfer of Property Act, 1882
  4. The Registration Act, 1908
সঠিক উত্তর:
The Land Reforms Ordinance, 1984
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Land Reforms Ordinance, 1984
ব্যাখ্যা
পূর্বে  Land Reforms Ordinance, 1984 আইনে বেনামী হস্তান্তর নিষিদ্ধ ছিল। এই আইন রহিত করে 'ভূমি সংস্কার আইন, ২০২৩' প্রণীত হয়। বর্তমানে এই আইনের ৫ ধারার অধীন বেনামী হস্তান্তর নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

ধারা ৫- স্থাবর সম্পত্তির বেনামি লেনদেন:

(১) কোনো ব্যক্তি নিজের উপকারার্থে কোনো স্থাবর সম্পত্তির বেনামি লেনদেন করিতে পারিবেন না।

ব্যাখ্যা- এই ধারায় ‘বেনামি লেনদেন' বলিতে কোনো ব্যক্তি কর্তৃক নিজের উপকারার্থে অন্য কোনো ব্যক্তির নামে কোনো স্থাবর সম্পত্তি ক্রয়কে বুঝাইবে।

(২) কোনো স্থাবর সম্পত্তির মালিক রেজিস্ট্রিকৃত দলিলের মাধ্যমে উক্ত সম্পত্তি হস্তান্তর বা দান করিলে, ইহা অনুমান করিতে হইবে যে, মালিক হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে উক্ত সম্পত্তিতে নিহিত তাহার উপকারদায়ক স্বার্থ হস্তান্তর বা দান করিয়াছেন এবং হস্তান্তর গ্রহীতা তাহার নিজের উপকারার্থে উক্ত সম্পত্তি ধারণ করিয়াছেন এবং মালিক উক্ত সম্পত্তিতে তাহার উপকারদায়ক স্বার্থ হস্তান্তর করিবার অভিপ্রায় করেন নাই অথবা হস্তান্তর-গ্রহীতা মালিকের উপকারার্থে উক্ত সম্পত্তি ধারণ করিয়াছেন, ইহা প্রমাণ করিবার জন্য মৌখিক বা দালিলিক কোনো সাক্ষ্য কোনো আদালত বা কর্তৃপক্ষের সম্মুখে কোনো কার্যধারায় গ্রহণযোগ্য হইবে না।

(৩) কোনো স্থাবর সম্পত্তির রেজিস্ট্রিকৃত দলিলের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তির নিকট হস্তান্তর করা হইলে, ইহা অনুমান করিতে হইবে যে, উক্ত ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তি তাহার নিজ উপকারার্থে অর্জন করিয়াছেন এবং উক্তরূপ হস্তান্তরের পণ অন্য কোনো ব্যক্তি পরিশোধ বা প্রদান করিলে ইহা অনুমান করিতে হইবে যে, উক্ত অন্য ব্যক্তি হস্তান্তর-গ্রহীতার উপকারার্থে উক্ত পণ পরিশোধ বা প্রদান করিবার অভিপ্রায় করিয়াছেন এবং হস্তান্তর-গ্রহীতা অন্য কোনো ব্যক্তির উপকারার্থে বা পণ পরিশোধকারী বা প্রদানকারীর উপকারার্থে উক্ত সম্পত্তি ধারণ করিয়াছেন, ইহা প্রমাণ করিবার জন্য মৌখিক বা দালিলিক কোনো সাক্ষ্য কোনো আদালত বা কর্তৃপক্ষের সম্মুখে কোনো কার্যধারায় গ্রহণযোগ্য হইবে না।
২৫.
ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এ সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে-
  1. ২ বছর কারাদণ্ড
  2. ৫ বছর কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. ১০ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ ভূমি সংশ্লিষ্ট অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকারের উদ্দেশ্যে বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন।
- সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ও নাগরিকের স্বীয় মালিকানাধীন ভূমিতে দখল ও প্রাপ্য অধিকার নিশ্চিতকরণে ভূমি সংশ্লিষ্ট অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রয়োজনীয় প্রতিকারের লক্ষ্যে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণসহ সুসংহত বিধান করা এবং ভূমি বিরোধ দ্রুত নিরসন করার জন্য। বাংলাদেশ সরকার ২০২৩ সালে "ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩" প্রণয়ন করে।
এই আইনের ৪ ধারায় " ভূমি প্রতারণা সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড" এবং ৫ ধারায় "ভূমি জালিয়াতি সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড" এর বিধান হিসেবে ৭ বছর কারাদণ্ড রাখা হয়েছে। যেটা ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এ সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান।

অর্থাৎ ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এ সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান হলো ৭ বছর কারাদণ্ড।
২৬.
'ক' বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক থেকে ৫,০০,০০০/-টাকা ঋণ নিয়ে পরিশোধে ব্যর্থ হয়। ব্যাংক 'ক' এর বিরুদ্ধে দায়ের করতে পারবে-
  1. অর্থঋণ আদালতে নিয়মিত মামলা
  2. যুগ্ম জেলা জজ আদালতে টাকার মামলা
  3. সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে টাকার মামলা
  4. সার্টিফিকেট মামলা
সঠিক উত্তর:
সার্টিফিকেট মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সার্টিফিকেট মামলা
ব্যাখ্যা
• অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ধারা ৫ অনুযায়ী,

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণ আদায় সম্পর্কিত যাবতীয় মামলা ধারা ৪ এর অধীন প্রতিষ্ঠিত, ঘোষিত বা গণ্য হওয়া অর্থ ঋণ আদালতে দায়ের করিতে হইবে এবং উক্ত আদালতেই উহাদের নিষ্পত্তি হইবে।

তবে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক ও রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক অনূর্ধ্ব ৫,০০,০০০ টাকার (পাঁচ লক্ষ টাকা) দাবী সম্বলিত মামলাসমূহ অর্থ ঋণ আদালতে দায়ের না করিয়া The Public Demands Recovery Act, 1913 এর বিধান অনুযায়ী সার্টিফিকেট মামলা হিসাবেও দায়ের করা যাইবে।