বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ৯৬ / ১৫৫ · ৯,৫০১৯,৬০০ / ১৫,৪৭০

৯,৫০১.
আরজিতে মামলার কারণ উল্লেখ না থাকলে কি হবে?
  1. আরজি ফেরত
  2. আরজি নাকচ
  3. মামলা খারিজ
  4. মামলা চলবে
সঠিক উত্তর:
আরজি নাকচ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি নাকচ
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির আাদেশ ৭ এর বিধি ১১ আনুযায়ী নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে আরজি নাকোচ করা হবে।
ক) যেক্ষেত্রে এটি মোকদ্দামার কারণ ব্যক্ত করে নাই;
খ) যেক্ষেত্রে দাবীকৃত প্রতিকারের অবমূল্যায়ন করা হয়েছে এবং আদালতের নির্দেশ মত বাদী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উহা সংশোধন করতে ব্যর্থ হয়েছে;
গ) যেক্ষেত্রে দাবীকৃত প্রতিকারের যথার্থই মূল্যায়ন করা হয়েছে; কিন্তু প্রয়োজন অপেক্ষা কম মূল্যের স্ট্যাম্পযুক্ত কাগজে আরজি লেখা হয়েছে এবং আদালতের নির্দেশত বাদী নিদিষ্ট সময়ের মধ্যে বিক্রীত স্ট্যাম্প কাগজ সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয়েছে।
ঘ) যেক্ষেত্রে আরজির বিবৃতি অনুযায়ী উক্ত মামলা কোন আইন দ্বারা নিষিদ্ধ বলে প্রতীয়মান হয়; তবে শর্ত থাকে যে, মামলার মূল্যমান বা আবশ্যকীয় স্ট্যাম্প কাগজ দাখিল করার জন্য আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময় কোনক্রমেই একুশ দিনের অধিক হবে না।
৯,৫০২.
১৫ বছরের নিচের কোন শিশু মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধ ব্যতীত অন্য কোন অপরাধ করলে, সেই অপরাধের বিচার করতে পারে-
  1. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্যকোন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উপরের সবগলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগলো
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ২৯খ ধারা মতে কিশোরদের ক্ষেত্রে এখতিয়ার (Jurisdiction in the case of juveniles): মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ ব্যতীত অন্য কোন অপরাধে অপরাধীর বয়স ১৫ বছরের কম হলে তার বিচার যে কোন চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট করতে পারেন ।
♦অর্থাৎ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্যকোন ম্যাজিস্ট্রেট ১৫ বছরের নিচের কোন শিশুর বিচার করতে পারবে যদি সে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধ ব্যতীত অন্য কোন অপরাধ করে।
৯,৫০৩.
Negotiable instrument Act, 1881 এর অধীন ১৩৮ ধারার মামলায় যুগ্ম দায়রা জজের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আসামী নিম্নের কোন আদালতে আপীল দায়ের করবে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. আপিল বিভাগ
  3. দায়রা জজ আদালত
  4. স্পেশাল জজ আদালত
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ আদালত
ব্যাখ্যা
• হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮ ধারায় চেক ডিজঅনার মামলায় প্রদত্ত দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে। তবে প্রদত্ত দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে কোথায় আপীল করা যাবে সে সম্পর্কে ১৩৮ থেকে ১৪১ ধারায় কিছু বলা হয়নি। এক্ষেত্রে ফৌজদারী কার্যবিধির আপিলের বিধান প্রযোজ্য হবে।  

চেক ডিজঅনারের মামলাটি যখন যুগ্ম দায়রা জজ কর্তৃক বিচার হয়, তাহলে দায়রা জজের নিকট ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। এক্ষেত্রে CrPC এর ৪০৮ ধারার আপিলের বিধানটি প্রযোজ্য হবে। এখানে বলা হয়েছে, যুগ্ম দায়রা জজের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজের নিকট আপীল করা যাবে।

চেক ডিজঅনারের মামলায় চেকে উল্লেখিত অর্থের সর্বনিম্ন ৫০% জমা দিয়ে আপিল দায়ের করতে হবে। চেক ডিজঅনারকৃত চেকের টাকার ৫০% টাকা যে আদালত শাস্তি দেয়, সে আদালতে জমা দিয়ে আপিল দায়ের করতে হবে। তার মানে ৫০% টাকাটা বিচারিক আদালতে জমা দিতে হবে, আপিল আদালতে নয়।
৯,৫০৪.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারায় নালিশের দরখাস্ত প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগকারীর জবানবন্দি রেকর্ড করেন?
  1. ১৯০ ধারায়
  2. ২০০ ধারায়
  3. ২০১ ধারায়
  4. ২০২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২০০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০ ধারায়
ব্যাখ্যা

- ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৯০ এ ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অপরাধ আমলে নেয়ার বিধান উল্লেখ রয়েছে। কিন্তু ২০০ ধারায় নালিশের দরখাস্ত প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগকারীর জবানবন্দি রেকর্ড করেন।

- ফৌজদারী মামলা দায়ের করার জন্য অপরাধ আমলে নেওয়ার এখতিয়ারসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ দায়ের করা হলে, অপরাধ আমলে নিতে ম্যাজিস্ট্রেট কি পদ্ধতি অনুসরণ করবে সেটাই ২০০ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে। নালিশ গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেটের প্রথম দায়িত্ব হলো নালিশকারীর জবানবন্দি গ্রহণ করা।  

- ২০০ ধারার বিধান করা হয়েছে,নালিশের ভিত্তিতে অপরাধ আমলে নিচ্ছে এমন ম্যাজিস্ট্রেট অবিলম্বে বা তাৎক্ষণিকভাবে নালিশকারীকে বা উপস্থিত সাক্ষীগণের (যদি থাকে) মধ্যে যে কয়জনকে উপযুক্ত মনে করে তাদের শপথপূর্বক জবানবন্দি গ্রহণ করবেন এবং জবানবন্দির সারমর্ম লিখিত আকারে লিপিবদ্ধ করবেন। নালিশকারী বা যে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে সেই ব্যক্তি এবং ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক উক্ত জবানবন্দির সারমর্মে স্বাক্ষর করবেন।

- যে ক্ষেত্রে জবানবন্দি গ্রহণ করার প্রয়োজন নেই-
ক. যেক্ষেত্রে লিখিত আকারে নালিশ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে ১৯২ ধারার অধীন মামলা স্থানান্তর করার পূর্বে নালিশকারী বা উপস্থিত সাক্ষীর (যদি থাকে) জবানবন্দি গ্রহণ বা পরীক্ষা করার প্রয়োজন নেই [ধারা ২০০(ক)]
খ. যেকোন মামলায় যেক্ষেত্রে আদালত লিখিত আকারে নালিশ দায়ের করে [ধারা ২২০ (কক)] বা
গ. সরকারী কর্মকর্তা তার অফিসিয়াল দায়িত্ব পালনে লিখিত আকারে নালিশী দরখাস্ত দায়ের করে সেই ক্ষেত্রেও নালিশকারীর বা উপস্থিত সাক্ষীর (যদি থাকে) জবানবন্দি গ্রহণ করার প্রয়োজন নেই [ধারা ২০০ (কক)]।
---------
The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 200 Examination of complainant:
- A Magistrate taking cognizance of an offence on complaint shall at once examine upon oath the complainant and such of the witnesses present, if any, as he may consider necessary, and the substance of the examination shall be reduced to writing and shall be signed by the complainant or witness so examined, and also by the Magistrate: 

Provided as follows:- 
(a) when the complaint is made in writing, nothing herein contained shall be deemed to require such examination before transferring the case under section 192; 
(aa) when the complaint is made in writing nothing herein contained shall be deemed to require such examination in any case in which the complaint has been made by a Court or by a public servant acting or purporting to act in the discharge of his official duties; 
(c) when the case has been transferred under section 192 and the Magistrate so transferring it has already examined the complainant and witness if any, the Magistrate to whom it is so transferred shall not be bound to re-examine them.

৯,৫০৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির বিধান অনুযায়ী, অর্থ পরিশোধের ডিক্রি আদায়ের জন্য কোন ধরনের নারীদের গ্রেপ্তার বা সিভিল কারাগারে আটক করা নিষিদ্ধ নয়?
  1. গর্ভবতী নারী
  2. বিধবা নারী
  3. স্তন্যদানকারী নারী
  4. বৃদ্ধ, অসুস্থ নারী 
সঠিক উত্তর:
বিধবা নারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধবা নারী
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ৫৬-তে স্পষ্টভাবে শুধুমাত্র নিম্নোক্ত শ্রেণির নারীদের অর্থের ডিক্রি এক্সিকিউশনে গ্রেপ্তার বা দেওয়ানি কারাগারে আটক করা নিষিদ্ধ করা হয়েছে:
- বৃদ্ধা (old)
- দুর্বল/অসুস্থ (infirm)
- গর্ভবতী (pregnant)
- স্তন্যদানকারী (breast-feeding) নারী
তবে বিধবা (widow) হওয়ার কারণে কোনো নারীকে এই সুরক্ষা দেওয়া হয়নি। তাই বিধবা নারীদের এই ক্ষেত্রে গ্রেপ্তার বা আটক করা নিষিদ্ধ নয় (যদি তারা উপরের চারটি শ্রেণির মধ্যে না পড়েন)। সুতরাং সঠিক উত্তর: খ) বিধবা নারী। 

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৫৬– অর্থ পরিশোধের ডিক্রি কার্যকরে নারীদের গ্রেফতার বা আটক নিষিদ্ধ:
এই অধ্যায়ে অন্য যেই কিছুই বলা থাকুক না কেন, আদালত কোনো বৃদ্ধা, দুর্বল, গর্ভবতী বা স্তন্যদানকারী নারীকে অর্থ পরিশোধের ডিক্রি কার্যনির্বাহে দেওয়ানি কারাগারে আটক বা গ্রেফতারের আদেশ প্রদান করতে পারবে না।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section 56- Prohibition of arrest or detention of women in execution of decree for money:
- Notwithstanding anything in this Part, the Court shall not order the arrest or detention in the civil prison of an old, infirm, pregnant or breast-feeding woman in execution of a decree for the payment of money.

৯,৫০৬.
টাকার ডিক্রি জারি মামলায় কোন ধরনের দায়িককে দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা যাবে না?
  1. ষাটোর্ধ্ব পুরুষ
  2. যে-কোনো বয়সী স্ত্রীলোক
  3. বিকলাঙ্গ পুরুষ
  4. নিঃষ্ব ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
যে-কোনো বয়সী স্ত্রীলোক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে-কোনো বয়সী স্ত্রীলোক
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারাঃ ৫৬ হল- অর্থের ডিক্রি জারিতে মহিলাকে গ্রেফতারের বা আটকের বাধা-নিষেধ (Prohibition of arrest or detention of women in execution of decree for money): আদালত অর্থ পরিশোধের ডিক্রি জারির জন্য কোন মহিলাকে দেওয়ানি জেলে গ্রেফতার বা আটক রাখার কোন আদেশ প্রদান করবেন না।
৯,৫০৭.
'A' প্রতি বাক্স নীল ১,০০০ টাকা দরে ৪০ বাক্স নীল বিক্রয় করতে এবং 'B' তা ক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হয়। উক্ত চুক্তির প্রতিকার কী?
  1. সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে
  2. সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না
  3. আংশিকভাবে কার্যকর করা যাবে
  4. ঘোষণামূলক প্রতিকার দেয়া যাবে
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা-২১: কোন চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না (Contracts not specifically enforceable)-
 
চুক্তির প্রকৃতি অনুসারে কিছু কিছু চুক্তির সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদন করার জন্য আদালত নির্দেশ দিয়ে থাকেন এবং কিছু কিছু চুক্তির ক্ষেত্রে আদালত সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করে না। যে যে ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আবেদন নামঞ্জুর করতে পারে তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। কারণ এগুলি সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের যোগ্য নয়।
 
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা-
১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে;
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে;
৩) চুক্তির শর্তাবলি নির্ণয় করা না গেলে;
৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য বা প্রত্যাহারযোগ্য হলে;
৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে;
৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানি কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি;
৭) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে  অথবা;
৮) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে।
 
প্রশ্নে উল্লিখিত চুক্তির ক্ষেত্রে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট তাই সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারা অনুযায়ী সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না।
৯,৫০৮.
মোকদ্দমার কোন পক্ষ আদালতে হাজির হতে পারে-
  1. ব্যক্তিগত ভাবে
  2. স্বীকৃত প্রতিনিধির মাধ্যমে
  3. আইনজীবীর মাধ্যমে
  4. ক বা খ বা গ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
মোকদ্দমার কোন পক্ষ ব্যক্তিগতভাবে অথবা স্বীকৃত প্রতিনিধির অথবা আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে হাজির হতে পারে। তবে আদালত নির্দেশ প্রদান করলে সংশ্লিষ্ট পক্ষের হাজিরা বা উপস্থিতি ব্যক্তিগতভাবেই দিতে হবে।

• আদেশ ৩ বিধি ১ (উপস্থিতি ইত্যাদি ব্যক্তিগতভাবে, স্বীকৃত প্রতিনিধি বা আইনজীবী মারফতে হতে পারে)-

মোকদ্দমার কোন পক্ষের আদালতে হাজিরা দেয়া, আবেদন করা বা আইন মোতাবেক অন্য যা করা কর্তব্য, প্রত্যক্ষভাবে অন্য কোন বিপরীত বিধান না থাকলে উক্ত কার্যগুলো সংশ্লিষ্ট পক্ষ ব্যক্তিগতভাবে সম্পন্ন করতে পারে, অথবা তার স্বীকৃত প্রতিনিধি কর্তৃক কিংবা তার পক্ষে [ক্ষেত্র বিশেষ উপস্থিত, দরখাস্ত কিংবা কার্যকরী] কোন উকিলের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় হাজিরা দিতে, আবেদন করতে বা অন্য কোন কাজ সমাধান করতে পারেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, আদালত নির্দেশ প্রদান করলে সংশ্লিষ্ট পক্ষের হাজিরা বা উপস্থিতি ব্যক্তিগতভাবেই দিতে হবে।

Order 3 Rule 1: Appearances, etc. may be in person, by recognized agent or by pleader-
Any appearance, application or act in or to any Court, required or authorised by law to be made or done by a party in such Court, may, except where otherwise expressly provided by any law for the time being in force, be made or done by the party in person, or by his recognized agent, or by a pleader appearing, applying or acting, as the case may be, on his behalf:
Provided that any such appearance shall, if the Court so directs, be made by the in person.
৯,৫০৯.
দেওয়ানী কার্যবিধি (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৫ অনুসারে মিথ্যা বা উৎপীড়নমূলক মামলার জন্য সর্বোচ্চ ক্ষতিপূরণ খরচ কত টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. বিশ হাজার টাকা
  2. ত্রিশ হাজার টাকা
  3. পঞ্চাশ হাজার টাকা
  4. এক লক্ষ টাকা
সঠিক উত্তর:
পঞ্চাশ হাজার টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চাশ হাজার টাকা
ব্যাখ্যা
⇒  দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৫A ধারা অনুযায়ী, কোনো পক্ষ যদি মিথ্যা বা উৎপীড়নমূলক মামলা দায়ের করে, তাহলে আদালত প্রতিপক্ষকে ক্ষতিপূরণ বাবদ নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে।
- আগে এই সর্বোচ্চ পরিমাণ ছিল “twenty” অর্থাৎ ২০ হাজার টাকা, কিন্তু— দেওয়ানী কার্যবিধি (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৫ অনুযায়ী, ৩৫A ধারার উপ-ধারা (১)-এ “twenty” শব্দের পরিবর্তে “fifty” শব্দটি প্রতিস্থাপিত হয়েছে।
অর্থাৎ এখন সর্বোচ্চ ক্ষতিপূরণ ৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত ধার্য করা যেতে পারে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section- 35A. Compensatory costs in respect of false or vexatious claims or defences.
(1) If in any suit or other proceeding, including an execution proceeding, not being an appeal, any party objects to the claim or defence on the ground that the claim or defence, or any part of it, is false or vexatious, and if, thereafter, such claim or defence is disallowed, in whole or in part, the Court shall, after recording its reasons for holding such claim or defence to be false or vexatious, make an order for the payment to the objector, such cost by way of compensation which may, without exceeding the limit of the Court's pecuniary jurisdiction, extend upto fifty thousand taka.
(2) No person against whom an order has been made under this section shall, by reason thereof, be exempted from any criminal liability in respect of any claim or defence made by him.
(3) The amount of any cost awarded under this section in respect of a false or vexatious claim or defence shall be taken into account in any subsequent suit for damages or compensation in respect of such claim or defence.
৯,৫১০.
'খ' উঁচু ছাদ থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে, কিন্তু নিচে সফট ল্যান্ডিং ব্যবস্থা থাকায় সে বেঁচে যায়। দণ্ডবিধি অনুসারে 'খ' এর এই কাজের জন্য সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. শুধুমাত্র জরিমানা
  2. ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  3. ১ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. কোনো শাস্তি নেই
সঠিক উত্তর:
১ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩০৯ অনুসারে: "যেকোনো ব্যক্তি আত্মহত্যার চেষ্টা করে এবং এমন চেষ্টার অংশ হিসেবে কোনো কাজ সম্পাদন করলে, তাকে সর্বোচ্চ ১ (এক) বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে।"

⇒ দণ্ডবিধির ৩০৯ ধারা- আত্মহত্যা করার চেষ্টা:
কোন ব্যক্তি যদি আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে এবং অনুরূপ অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কার্য করে, তবে উক্ত ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒The Penal Code, 1860-Section Section 309- Attempt to commit suicide:
Whoever attempts to commit suicide and does any act towards the commission of such offence, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.

৯,৫১১.
বাংলাদেশ আইনজীবী ও বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ১১ অনুযায়ী, বার কাউন্সিল কয়টি স্থায়ী কমিটি গঠন করবে? 
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ আইনজীবী ও বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ১১(১) অনুসারে বার কাউন্সিল ৩টি স্থায়ী কমিটি গঠন করবে। কমিটিগুলো হলো:
১. নির্বাহী কমিটি (Executive Committee)
২. অর্থ কমিটি (Finance Committee)
৩. আইন শিক্ষা কমিটি (Legal Education Committee)
- এই কমিটিগুলো ছাড়াও বার কাউন্সিল প্রয়োজন অনুযায়ী অন্যান্য কমিটি গঠন করতে পারে, কিন্তু স্থায়ী কমিটি হিসেবে এই তিনটি কমিটি গঠন বাধ্যতামূলক।

⇒ বাংলাদেশ আইনজীবী ও বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২ - অনুচ্ছেদ ১১:
(১) বার কাউন্সিল নিম্নলিখিত স্থায়ী কমিটি গঠন করবে:
(ক) একটি নির্বাহী কমিটি, যা কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচিত পাঁচজন সদস্য নিয়ে গঠিত হবে;
(খ) একটি অর্থ কমিটি, যা কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচিত পাঁচজন সদস্য নিয়ে গঠিত হবে;
(গ) একটি আইন শিক্ষা কমিটি, যা নয়জন সদস্য নিয়ে গঠিত হবে—যার মধ্যে পাঁচজন কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচিত হবেন এবং চারজন কাউন্সিল কর্তৃক কো-অপ্টেড (co-opted) হবেন, যারা কাউন্সিলের সদস্য নন। এই চারজনের মধ্যে কমপক্ষে দুজন বাংলাদেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজের আইন বিভাগের শিক্ষক হবেন।
(২) উল্লিখিত কমিটিগুলোর ক্ষমতা ও কার্যাবলী যেরূপ নির্ধারণ করা হবে, সেরূপ হবে।
(৩) বার কাউন্সিল এই আদেশের অধীনে তার কার্যাবলী সম্পাদনের জন্য প্রয়োজন মনে করলে তার সদস্যদের মধ্য থেকে অন্যান্য কমিটি গঠন করতে পারবে।
---------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972, Article-11: (1) The Bar Council shall constitute the following standing committees namely:-
(a) an executive committee consisting of five members elected by the Council from amongst its members;
(c) a finance committee consisting of five members elected by the Council from amongst its members;
(d) a legal education committee consisting of nine members-five elected by the Council from amongst its members and four co-opted by the Council from persons other than the members of the Council at least two of whom shall be teachers of law in any university or college in Bangladesh.

(2) The aforesaid committees shall have such powers and functions as may be prescribed.
(3) The Bar Council may constitute from amongst its members such other committees as it may deem necessary for the performance of its functions under this Order.

৯,৫১২.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর অধীন “বিচারপ্রার্থী” বলতে বোঝাবে-
  1. দায়েরকৃত মামলার প্রকৃত বাদী, বিবাদী, ফরিয়াদী বা আসামী
  2. দায়েরযোগ্য বা দায়েরকৃত মামলার প্রকৃত বাদী, বিবাদী, ফরিয়াদী বা আসামী
  3. দায়েরযোগ্য বা দায়েরকৃত মামলার প্রকৃত বাদী, বিবাদী
  4. দায়েরযোগ্য বা দায়েরকৃত মামলার সম্ভাব্য বা প্রকৃত বাদী, বিবাদী, ফরিয়াদী বা আসামী
সঠিক উত্তর:
দায়েরযোগ্য বা দায়েরকৃত মামলার সম্ভাব্য বা প্রকৃত বাদী, বিবাদী, ফরিয়াদী বা আসামী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়েরযোগ্য বা দায়েরকৃত মামলার সম্ভাব্য বা প্রকৃত বাদী, বিবাদী, ফরিয়াদী বা আসামী
ব্যাখ্যা
• আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০-

ধারা ২(ছ) “বিচারপ্রার্থী” অর্থ-
কোন আদালতে দায়েরযোগ্য বা দায়েরকৃত [দেওয়ানী, পারিবারিক বা ফৌজদারী মামলার] সম্ভাব্য বা প্রকৃত বাদী, বিবাদী, ফরিয়াদী বা আসামী।
৯,৫১৩.
How many types of punishments are prescribed in the Penal Code, 1860?
  1. 2
  2. 3
  3. 5
  4. 7
সঠিক উত্তর:
5
উত্তর
সঠিক উত্তর:
5
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি মূলত দণ্ড সম্পর্কিত আইন, দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় শাস্তির প্রকারভেদ রয়েছে।
- দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় পাঁচ প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে।
যথা:
(i) মৃত্যুদণ্ড (Death penalty)
(ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life)
(iii) কারাদণ্ড(Imprisonment) দুই প্রকার:
ক) সশ্রম( Rigorous, that is, with hard labour) এবং
খ) বিনাশ্রম (Simple)
(iv) সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (forfeiture of property)
(v) অর্থদণ্ড (fine)
-ব্যাখ্যা: যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদায় সশ্রম কারাদণ্ড হবে।
-------------------
⇒ Section-53: The punishments to which offenders are liable under the provisions of this Code are,-
Firstly,- Death;
Secondly,- Imprisonment for life;
Thirdly,-[Omitted]
Fourthly,-Imprisonment, which is of two descriptions, namely:
(1) Rigorous, that is, with hard labour;
(2) Simple;
Fifthly,- Forfeiture of property;
Sixthly,- Fine.
Explanation.-In the punishment of imprisonment for life, the imprisonment shall be rigorous.
৯,৫১৪.
তামাদি আইন শুধু প্রতিকারে বাধা প্রদান করে এবং এটা কোন অধিকার বিলুপ্ত করে না। এই নিয়মের ব্যতিক্রম বলা আছে তামাদি আইনের কত ধারায়?
  1. ২৬ ধারা 
  2. ২৭ ধারা 
  3. ২৮ ধারা 
  4. ২৯ ধারা 
সঠিক উত্তর:
২৮ ধারা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮ ধারা 
ব্যাখ্যা

তামাদি আইন শুধু প্রতিকারে বাধা প্রদান করে এবং এটা কোন অধিকার বিলুপ্ত করে না। এই নিয়মের ব্যতিক্রম বলা আছে তামাদি আইনের ২৮ ধারায়।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২৮ অনুসারে, যখন কোনো মামলা বা দরখাস্ত দায়েরের জন্য নির্ধারিত সময়সীমা (তামাদি মেয়াদ) অতিক্রান্ত হয়ে যায়, তখন শুধুমাত্র মামলা দায়েরের সুযোগই হারায় না, বরং বাদীর সেই সম্পত্তির উপর আইনগত অধিকারও (right itself) বিলুপ্ত হয়ে যায়।

⇒ তামাদি আইনের ধারা ২৮: সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্তি:
কোনো সম্পত্তির দখল প্রাপ্তির জন্য মামলা দায়ের করার ব্যাপারে এই আইনে যে মেয়াদ নির্ধারিত করে দেয়া হয়েছে, তা উত্তীর্ণ হওয়ার পর সেই সম্পত্তিতে বাদীর অধিকার বিলপ্ত হয়ে যাবে।
-------------------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section 28: Extinguishment of right to property:
At the determination of the period hereby limited to any person for instituting a suit for possession of any property, his right to such property shall be extinguished.

৯,৫১৫.
‘B’ একটি ঘরে ‘X’-কে তালাবদ্ধ করে রাখে, যার ফলে ‘X’ কোনো দিকে যেতে পারে না। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর কোন ধারা অনুসারে ‘B’ অপরাধী হবে?
  1. ধারা ৩৩৯
  2. ধারা ৩৪০
  3. ধারা ৩৪১
  4. ধারা ৩৪২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৪০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৪০
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৪০ অনুসারে, কোনো ব্যক্তিকে এমনভাবে অন্যায়ভাবে সংযম করা যে তিনি নির্দিষ্ট সীমার বাইরে যেতে পারেন না, তাকে অন্যায় বন্দীকরণ (Wrongful Confinement) বলা হয়। ‘B’-এর কাজ ধারা ৩৪০-এর অধীনে অপরাধ।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪০ ধারার বিধান অবৈধ অবরোধ:
যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তির চলাচলে অবৈধভাবে এমন নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে যে, উক্ত ব্যক্তি নিৰ্দিষ্ট সীমা অতিক্রম করতে পারে না, তবে সে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে অবরোধ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
উদাহরণ:
(ক) ক, চ-কে একটি দেয়াল-ঘেরা জায়গায় যেতে বাধ্য করে এবং সেখানে চ-কে তালাবদ্ধ করে রাখে। ফলে চ সে দেয়ালের মধ্যবর্তী নির্দিষ্ট সীমার বাইরে যেতে অসমর্থ হয়। ক চ-কে অবৈধভাবে অবরোধ করেছে।
(খ) ক কোন অট্টালিকার সকল বহির্দ্বারে আগ্নেয়াস্ত্রে-সজ্জিত ব্যক্তিদের মোতায়েন করে চ-কে বলে যে, চ অট্টালিকা হতে নিষ্ক্রমণের চেষ্টা করলে আগ্নেয়াস্ত্র-সজ্জিত ব্যক্তিরা চ-এর প্রতি গুলিবর্ষণ করবে। ক অবৈধভাবে চ-কে অবরোধ করেছে।

⇒The Penal Code, 1860- Section 340- Wrongful confinement:
Whoever wrongfully restrains any person in such a manner as to prevent that person form proceeding beyond certain circumscribing limits, is said "wrongfully to confine" that person.
Illustrations-
(a) A causes Z to go within a walled space, and locks Z in. Z is thus prevented from proceeding in any direction beyond the circumscribing line of wall. A wrongfully confines Z. 
(b) A places men with firearms at the outlets of a building, and tells Z that they will fire at Z if Z attempts to leave the building. A wrongfully confines Z.

৯,৫১৬.
অ্যাডভোকেট হওয়ার জন্য নিম্নের কোনটি বাধ্যতামূলক যোগ্যতা?
  1. ১৮ বছর বয়স সম্পূর্ণ করা
  2. ২১ বছর বয়স সম্পূর্ণ করা
  3. ১০ বছর মোক্তার হিসেবে কাজ করা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
২১ বছর বয়স সম্পূর্ণ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ বছর বয়স সম্পূর্ণ করা
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ২১ বছর বয়স সম্পূর্ণ করা।

The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ ২৭: অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা:
(১) এই আদেশ এবং এর অধীনে প্রণীত বিধিমালার বিধানাধীনভাবে, একজন ব্যক্তি অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার যোগ্য হবেন যদি তিনি নিম্নোক্ত শর্তাবলি পূরণ করেন:
(ক) তিনি বাংলাদেশের নাগরিক;

(খ) তিনি ২১ বছর বয়স সম্পূর্ণ করেছেন;

(গ) তিনি নিচের যেকোনো একটি যোগ্যতা অর্জন করেছেন:
(i) বাংলাদেশ ভূখণ্ডের কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করেছেন; অথবা

(ii) ২৬শে মার্চ, ১৯৭১ তারিখের পূর্বে পাকিস্তানের কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করেছেন:
তবে শর্ত থাকে যে, বার কাউন্সিল যদি সন্তুষ্ট হয় যে, কোনো ব্যক্তি ২৫শে মার্চ, ১৯৭১-এর পর বাংলাদেশের বাইরে অবস্থান করছিলেন এবং অনিয়ন্ত্রিত পরিস্থিতির কারণে দেশে ফিরতে পারেননি, তাহলে কাউন্সিল ঐ ডিগ্রিকে স্বীকৃতি দিতে পারে; অথবা

(iii) ১৪ই আগস্ট, ১৯৪৭-এর পূর্বে, ভারত শাসন আইন, ১৯৩৫ অনুযায়ী সংজ্ঞায়িত ভারতের অন্তর্ভুক্ত যেকোনো এলাকার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন ডিগ্রি অর্জন করেছেন; অথবা

(iv) বাংলাদেশের বাইরে অবস্থিত বার কাউন্সিল কর্তৃক স্বীকৃত যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন; অথবা
তিনি ব্যারিস্টার।

(ঘ) তিনি বার কাউন্সিল নির্ধারিত পরীক্ষা উত্তীর্ণ হয়েছেন; এবং

(ঙ) তিনি নির্ধারিত ভর্তি ফি প্রদান করেছেন এবং বার কাউন্সিল কর্তৃক নির্ধারিত অন্যান্য শর্ত পূরণ করেছেন।

(১ক) উপধারা (১) সত্ত্বেও, যে ব্যক্তি কমপক্ষে সাত বছর মোক্তার (Mukhtar) হিসেবে কর্মরত ছিলেন, এবং যদি তিনি উপধারা (১)-এর (ক), (খ), (ঘ) ও (ঙ) দফাগুলো পূরণ করেন, তাহলে তাঁকেও অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত করা যেতে পারে, তবে অন্যান্য প্রযোজ্য বিধির আলোকে।

(২) কাউকে অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত করার পূর্বে, বার কাউন্সিল চাইলে তাঁকে কোনো নির্ধারিত প্রশিক্ষণ কোর্সে অংশগ্রহণ করতে বাধ্য করতে পারে।

(৩) একজন ব্যক্তি অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার অযোগ্য হবেন যদি:
(ক) তিনি সরকার বা কোনো সরকারি স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার চাকরি থেকে নৈতিক স্খলন সংক্রান্ত অভিযোগে বরখাস্ত হন এবং বরখাস্তির পর কমপক্ষে দুই বছর অতিক্রান্ত না হয়; অথবা
(খ) তিনি নৈতিক স্খলন সংক্রান্ত কোনো অপরাধে দণ্ডিত হন এবং দণ্ডভোগের পর কমপক্ষে পাঁচ বছর (বা সরকার কর্তৃক গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নির্ধারিত কম সময়) অতিক্রান্ত না হয়।
৯,৫১৭.
"কোনো নারী শুধুমাত্র তার লিঙ্গের কারণে আইনজীবী হিসেবে প্রবেশের জন্য অযোগ্য ঘোষণা করা যাবে না" – এটি বাংলাদেশ বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২ এর কোন অনুচ্ছেদের অংশ?
  1. অনুচ্ছেদ ২৭
  2. অনুচ্ছেদ ২৮
  3. অনুচ্ছেদ ২৯
  4. অনুচ্ছেদ ৩০
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৮
ব্যাখ্যা
⇒ "কোনো নারী শুধুমাত্র তার লিঙ্গের কারণে আইনজীবী হিসেবে প্রবেশের জন্য অযোগ্য ঘোষণা করা যাবে না" বিষয়টি বাংলাদেশ বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ২৮-এ উল্লেখ করা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, নারীদের লিঙ্গের কারণে আইনজীবী হিসেবে প্রবেশের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের বৈষম্য করা যাবে না।
- অর্থাৎ, শুধুমাত্র নারীর লিঙ্গের কারণে তাকে আইনজীবী হওয়ার ক্ষেত্রে কোনো বাধা সৃষ্টি করা হবে না।

অনুচ্ছেদ ২৭, ২৯, এবং ৩০-এ এই বিষয়টি আলোচিত হয়নি, তাই সঠিক উত্তর হলো অনুচ্ছেদ ২৮।

→ The Bangladesh Legal Practitioner's and Bar Council Order, 1972 (President's Order) Article-28.
- No woman shall be disqualified for admission to be an advocate for reason only of her sex.
৯,৫১৮.
'ক', 'খ'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। এক্ষেত্রে, 'খ'-এর মৃত্যু কে প্রমাণ করবে?
  1. 'ক'
  2. আদালত
  3. 'খ'-এর সাক্ষী
  4. মৃত্যুকালীন ঘোষণা যাকে প্রদান করেছে
সঠিক উত্তর:
'ক'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক'
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারার বিধান- যে ঘটনা সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য করার জন্য প্রমাণ করতে হবে তা প্রমাণের দায়িত্ব:
যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি অন্য কোন বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে পারে, তজ্জন্য বিষয় প্রমাণ করা আবশ্যক, সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানে ইচ্ছুক তার উপর উপরে বর্ণিত বিষয় প্রমাণের দায়িত্ব ন্যস্ত।

উদাহরণ:
(ক) 'ক', 'খ'-এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। এক্ষেত্রে অবশ্যই 'খ'-এর মৃত্যু 'ক'-এর প্রমাণ করতে হবে।
(খ) একটি হারিয়ে যাওয়া দলিলের প্রসঙ্গের মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা 'ক' প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। দলিলাটি যে হারিয়ে গিয়েছে, অবশ্যই তা 'ক'-এর প্রমাণ করতে হবে।

৯,৫১৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৭ বিধি ৪ অনুসারে, আদালত কখন পুনর্বিবেচনার আবেদন অগ্রাহ্য করতে পারে?
  1. ডিক্রি বা আদেশ বাতিল হলে
  2. যথেষ্ট অজুহাত না থাকলে
  3. বিপরীত পক্ষ উপস্থিত না থাকলে
  4.  আবেদনকারী নতুন প্রমাণ উপস্থাপন করলে
সঠিক উত্তর:
যথেষ্ট অজুহাত না থাকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যথেষ্ট অজুহাত না থাকলে
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৭ বিধি-৪: যেক্ষেত্রে আবেদন অগ্রাহ্য হয়:
১) যদি আদালতের নিকট দৃষ্টিগোচর হয় যে, পুনর্বিবেচনা করার মত যথেষ্ট অজুহাত নেই, তাহলে আদালত পুনর্বিবেচনার আবেদন অগ্রাহ্য করতে পারবে।

২) আবেদন মঞ্জুর হওয়ার ক্ষেত্রেঃ যদি আদালত মনে করেন যে, পুনর্বিবেচনার আবেদন মঞ্জুর করা উচিতঃ তবে শর্ত থাকে যে,
ক) যে ডিক্রি বা আদেশ পুনর্বিবেচনার প্রার্থনা করা হয়েছে, সে ডিক্রি বা আদেশ সম্পর্কে বিপরীত পক্ষকে উপস্থিত হয়ে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ প্রদানের জন্য পূর্বে নোটিশ প্রদান করা না হলে পুনর্বিবেচনার প্রার্থনা মঞ্জুর করা যাবে না; এবং

খ) প্রার্থনাকারী এমন ধরনের নতুন তথ্য বা প্রমাণের উদঘাটন করেছে যা ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের সময় তার জ্ঞাতসারে ছিল না বা উপস্থাপন করা সম্ভব হয়নি, উক্ত অভিযোগের কারণে পুনর্বিবেচনার প্রার্থনা আবেদন করা হলে ঐরূপ অভিযোগ সম্বন্ধে দৃঢ় প্রমাণ ব্যতীত পুনর্বিবেচনার প্রার্থনা মঞ্জুর করা যাবে না।

৯,৫২০.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী "বিচার্য বিষয়" কত প্রকার?
  1. এক প্রকার
  2. দুই প্রকার
  3. তিন প্রকার
  4. চার প্রকার
সঠিক উত্তর:
দুই প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই প্রকার
ব্যাখ্যা
⇒ আদেশ ১৪ বিধি-১ বিচার্য বিষয় প্রণয়ন:
(১) যখন কোন ঘটনার বা আইনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে একপক্ষ দুঢ়ভাবে ঘোষণা করে এবং অপরপক্ষ অস্বীকার করে, তখনই বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়।
(২) গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলতে আইনগত বা তথ্যসংক্রান্ত সেই সমস্ত বিষয় বুঝাবে, বাদী কর্তৃক তার মামলা করার অধিকার প্রতিপন্ন করার জন্য যে বিষয়ে অভিযোগ আনয়ন করতে হবে, অথবা বিবাদী কর্তৃক আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য যে বিষয়ের উপর নির্ভর করতে হবে।
(৩) একপক্ষ কর্তৃক দৃঢ়ভাবে ঘোষিত এবং অপর পক্ষ কর্তৃক অস্বীকৃত প্রত্যেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এক একটি আলাদা বিচার্য বিষয়ের সৃষ্টি করে।
(৪) বিচার্য বিষয় দুই প্রকার : ক) তথ্যগত বা ঘটনা সংক্রান্ত বিচার্য বিষয়, খ) আইনগত বিচার্য বিষয়।
-----------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-14. Framing of issues:
(1) Issues arise when a material proposition of fact or law is affirmed by the one party and denied by the other.
(2) Material propositions are those propositions of law or fact which a plaintiff must allege in order to show a right to sue or a defendant must allege in order to constitute his defence.
(3) Each material proposition affirmed by one party and denied by the other shall form the subject of a distinct issue.
(4) Issues are of two kinds: (a) issues of fact, (b) issues of law.
৯,৫২১.
৩৬৪ ধারায় অভিযুক্তের জবানবন্দি গ্রহণের পর কে স্বাক্ষর করবেন?
  1. শুধু ম্যাজিস্ট্রেট
  2. শুধু অভিযুক্ত
  3. তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা
  4. অভিযুক্ত এবং ম্যাজিস্ট্রেট উভয়
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত এবং ম্যাজিস্ট্রেট উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত এবং ম্যাজিস্ট্রেট উভয়
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৬৪- অভিযুক্তের জবানবন্দি যেভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে:
(১) যেক্ষেত্রে কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা হাইকোর্ট ডিভিশন ব্যতীত অন্য কোন আদালত, কোন অভিযুক্তের জবানবন্দি গ্রহণ করেন, সেক্ষেত্রে তাকে জিজ্ঞাসিত প্রত্যেকটি প্রশ্ন ও তাঁর প্রদত্ত প্রত্যেকটি জবাবসহ সমগ্র , যে ভাষায় তার জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে সে ভাষায় বা তা সম্ভব না হলে আদালতের ভাষায় কিংবা ইংরেজি ভাষায় পূর্ণাংগরূপে লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং উক্ত নথি তাকে দেখাতে হবে বা পড়ে শুনাতে হবে অথবা যে ভাষায় তা লেখা হয়েছে ঐ সে বুঝতে না পারলে, যে ভাষা সে বুঝে ঐ ভাষায় তা তাকে বুঝিয়ে দিতে হবে এবং সে তার জবাব ব্যাখা করতে বা তাতে জবাবে নতুন কিছু যোগ করতে পারবে।

(২) সে যখন সমগ্র জবানবন্দি সত্য হিসাবে স্বীকার করে, তখন অভিযুক্ত এবং উক্ত আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট বা জাজ তাতে স্বাক্ষর করবেন এবং উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ স্বহস্তে সার্টিফাই করবেন যে, জবানবন্দি তাঁর উপস্থিতিতে ও শ্রবণের মধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে এবং নথিতে অভিযুক্তের বিবৃতির একটি পূর্ণাঙ্গ ও সত্য বিবরণ রয়েছে।

(৩) ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ স্বয়ং অভিযুক্তের জবানবন্দি লিপিবদ্ধ না করলে জবানবন্দি চলার সময় তিনি আদালতের ভাষায় বা ইংরেজীর সঙ্গে পর্যাপ্তভাবে পরিচিত হলে ইংরেজি ভাষায় তার একটি স্মারক তৈরী করতে থাকবেন এবং এরূপ স্মারক ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ কর্তৃক স্বহস্তে লিখিত ও স্বাক্ষরিত হবে এবং নথির সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে। ম্যাজিস্ট্রেট বা জাজ যদি উক্ত স্মারক তৈরী করতে না পারেন, সেক্ষেত্রে তিনি তাঁর এরূপ অসামর্থ্যের কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।

(৪) এই ধারার কোন বিধান ধারা-২৬৩ অনুসারে অভিযুক্তের জবানবন্দি গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে মর্মে পরিগণিত করা যাবে না।
৯,৫২২.
ইজারার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরেও, ইজারাদাতার সম্মতিতে দখল বজায় রাখাকে কী বলা হয়?
  1. Holding out
  2. Illegal tenancy
  3. Holding over
  4. Adverse possession
সঠিক উত্তর:
Holding over
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Holding over
ব্যাখ্যা
• ধারা ১১৬: মেয়াদ পরবর্তী দখলের প্রতিক্রিয়া-
যদি কোন সম্পত্তির ইজারাগ্রহীতা বা নিম্ন ইজারগ্রহীতা ইজারার মেয়াদ পরিসমাপ্তির পরও ইজারা সম্পত্তিতে দখল বজায় রাখে এবং ইজারাদাতা বা তার আইনগত প্রতিনিধি ইজারাগ্রহীতা বা নিম্ন ইজারাগ্রহীতার নিকট হতে খাজনা গ্রহণ করে বা দখল বহাল রাখবার জন্য অন্য কোন ভাবে সম্মতি প্রদান করে, তাহলে ভিন্নরূপ চুক্তির অবর্তমানে যে উদ্দেশ্যে ঐ সম্পত্তি ইজারা দেওয়া হয়েছে সেই উদ্দেশ্যের ভিত্তিতে ১০৬ ধারা অনুযায়ী এই ইজারা বছর হতে বছরে বা মাস হতে মাসে নবায়িত হবে।

উদাহরণ
• পাঁচ বছরের জন্য A, B-কে একটি বাড়ি ভাড়া দিলেন। B আবার মাসিক একশত টাকা ভাড়ায় বাড়িটি C-কে ভাড়া দিলেন। পাঁচ বছর কেটে গেল কিন্তু C বাড়িটি তার দখলে রেখে দিলেন এবং A-কে ভাড়া দিতে লাগলেন। C-এর ইজারা মাস হতে মাসে নবায়িত হলো।
• A, C-এর জীবন কালের জন্য B-কে একটি খামার ইজারা দিলেন। C মারা গেলেন, কিন্তু B, A-এর সম্মতিতে দখল বজায় রাখলেন। B-এর ইজারা বছর হতে বছরে নবায়িত হলো।

এই ধারানুযায়ী কোন ইজারার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও যদি কোন ইজারাগ্রহীতা ইজারাদাতার সম্মতিতে ইজারা সম্পত্তির দখল বজায় রাখে তা (Holding over) বা মেয়াদ উত্তীর্ণ দখল বলে পরিগণিত হবে। একেই Doctrine of Holding over বলে। এই রকম দখলের অনুমতি দেওয়া হলে তা বছর হতে বছর বা মাস হতে মাস ভিত্তিতে নবায়িত হবে। এরূপ ইজারাগ্রহীতাকে Tenant at will, Tenant holding over বলে।
৯,৫২৩.
"ক” এমন একটি কাজ করেছে যা চুরি বা চোরাইমাল গ্রহণ অথবা অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ হতে পারে।এক্ষেত্রে “ক”-কে, কোন অপরাধের জন্য অভিযুক্ত করা যেতে পারে?
  1. যেকোন একটি অপরাধের জন্য
  2. সকল অপরাধের জন্য
  3. ক বা খ
  4. ফরিয়াদির ইচ্ছানুযায়ী
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৩ তে প্রত্যেকটি সুস্পষ্ট আলাদা অপরাধের জন্য পৃথক অভিযোগ গঠনের বিধান রয়েছে।এই ধারা অনুসারে ২৩৪,২৩৫,২৩৬ ও ২৩৯ ধারায় উল্লেখিত ক্ষেত্র ব্যতীত কোন ব্যক্তি কোন অপরাধে অভিযুক্ত হলে,প্রত্যেকটি সুস্পষ্ট অপরাধের জন্য একটি পৃথক অভিযোগ হবে এবং এরূপ প্রত্যেকটি অভিযোগের বিচার পৃথকভাবে হবে।

• তবে ধারা ২৩৬ অনুযায়ী-
যদি একটিমাত্র কাজ অথবা ধারাবাহিক কতিপয় কাজ এরূপ প্রকৃতির হয় যে,যেসকল তথ্য প্রদান করা যায় তার ভিত্তিতে কতিপয় অপরাধের মধ্যে কোনটি গঠিত হয় সে সম্পর্কে সন্দেহ থাকে,তাহলে অভিযুক্তকে এরূপ সকল অথবা যেকোন একটি সংঘটিত অপরাধে অভিযুক্ত করা যাবে এবং যেকোনো সংখ্যক অভিযোগের বিচার একই সময় হতে পারবে:অথবা তাকে উক্ত অপরাধসমূহের মধ্যে যে কোন একটির জন্য বিকল্পভাবে অভিযুক্ত করা যাবে।
[If a single act or series of acts is of such a nature that it is doubtful which of several offences the facts which can be proved will constitute,the accused may be charged with having committed all or any of such offences,and any number of such charges may be tried at once; or he may be charged in the alternative with having committed some one of the said offences.]

অর্থাৎ “ক”-কে শুধুমাত্র ছবি বা চোরাইমাল গ্রহণ বা অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ এর জন্য অভিযুক্ত করা; অথবা চুরি,চোরাইমাল গ্রহণ,অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ সকল অপরাধের জন্য অভিযুক্ত করা যাবে।
৯,৫২৪.
A person entitled to the possession of specific moveable property may recover the same in the manner prescribed by ______________.
  1. The Specific Relief Act, 1877
  2. The Code of Civil Procedure,1908
  3. The Civil Courts Act, 1887
  4. The Code of Criminal Procedure, 1898
সঠিক উত্তর:
The Code of Civil Procedure,1908
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Code of Civil Procedure,1908
ব্যাখ্যা
• Section-10: Recovery of specific moveable property:
A person entitled to the possession of specific moveable property may recover the same in the manner prescribed by the Code of Civil Procedure.
Explanation 1- A trustee may sue under this section for the possession of property to the beneficial interest in which the person for whom he is trustee is entitled.
Explanation 2- A special or temporary right to the present possession of property is sufficient to support a suit under this section.

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-১০ ধারা: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধার:
সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানি কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।

ব্যাখ্যা- ১:
এই ধারা অনুসারে একজন জিম্মাদার যার জন্য জিম্মাদার নিযুক্ত হয়েছে, সে ব্যক্তির হিতকর স্বার্থে নিয়োগ করার অধিকার রয়েছে এমন অস্থাবর সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা রুজু করতে পারে।

ব্যাখ্যা- ২:
সম্পত্তির বর্তমান দখলের জন্য অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকারকেই এই ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট।
৯,৫২৫.
Order 18 Rule 4A অনুযায়ী হলফনামা আদালতে জমা দেওয়ার আগে কী বাধ্যতামূলক?
  1. ফি প্রদান
  2. আদালতের অনুমতি
  3. বিপক্ষ পক্ষকে এক কপি প্রদান করা
  4. সাক্ষীকে এক কপি প্রদান করা
সঠিক উত্তর:
বিপক্ষ পক্ষকে এক কপি প্রদান করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিপক্ষ পক্ষকে এক কপি প্রদান করা
ব্যাখ্যা

Order XVIII, Rule 4A- Examination-in-chief on affidavit and admissibility of documents:
(১) এই কোড বা Evidence Act, 1872–এ ভিন্ন কিছু থাকলেও তা সত্ত্বেও আরজি (plaint) বা লিখিত জবাবে (written statement) যে তথ্য উল্লেখ আছে, বাদী বা বিবাদীকে মৌখিকভাবে (orally) সেগুলো পুনরায় বলতে বা অস্বীকার করতে হবে না।

(২) প্রত্যেক ক্ষেত্রে, বাদী বা বিবাদীর Examination-in-chief (প্রধান জবানবন্দি) হবে হলফনামার (affidavit) মাধ্যমে। এরপর তিনি জেরা (cross-examination) হতে পারবেন, এবং প্রয়োজনে পুনঃজেরা (re-examination)–ও হতে পারে।

প্রথম শর্ত (Proviso 1)-
হলফনামা আদালতে জমা দেওয়ার আগে এক কপি বিপক্ষ পক্ষকে অবশ্যই সরবরাহ করতে হবে।

দ্বিতীয় শর্ত (Proviso 2)-
যদি হলফনামার সঙ্গে কোনো নথি দাখিল করা হয় এবং পক্ষসমূহ সেই নথির ওপর নির্ভর করে, তাহলে ঐ নথির প্রমাণ (proof) ও গ্রহণযোগ্যতা (admissibility) আদালতের আদেশের ওপর নির্ভর করবে।

৯,৫২৬.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে Special Magistrate বা বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট কত প্রকার?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ১২ ধারামতে Special Magistrate তিন প্রকার। যথা-
ⅰ) বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (Special Executive Magistrate);
ii) বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট (Special Magistrate);
iii) বিশেষ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (Special Metropolitan Magistrate).

- ফৌজদারি কার্যবিধির ১২(১) ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার মেট্রোপলিটন এলাকার বাহিরে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণযোগ্য ক্ষমতা নির্ধারিত মেয়াদের জন্য কোন ব্যক্তির উপর অর্পণ করলে, উক্ত ব্যক্তিবর্গ বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বলে গণ্য হবে।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ১২(৩) ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার হাইকোর্ট বিভাগের সাথে পরামর্শক্রমে মেট্রোপলিটন এলাকার বাহিরে কোন প্রথম শ্রেণী, দ্বিতীয় শ্রেণী বা তৃতীয় শ্রেণীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণযোগ্য ক্ষমতা নির্ধারিত মেয়াদের জন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণ করলে, উক্ত ম্যাজিস্ট্রেটগণ বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট বলে গণ্য হবে।
-ফৌজদারি কার্যবিধির ১২(৫) ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার হাইকোর্ট বিভাগের সাথে পরামর্শক্রমে, মেট্রোপলিটন এলাকার মধ্যে কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণযোগ ক্ষমতা নির্ধারিত মেয়াদের জন্য কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণ করলে, উক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ বিশেষ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বলে গণ্য হবে।
------------------------------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-12. Special Magistrate:
(1) The Government may confer upon any person all or any of the powers conferred or conferrable by or under this Code on an Executive Magistrate in respect of particular cases or a particular class or classes of cases, or in regard to cases generally in any local area outside a Metropolitan area: 
Provided that no power shall be conferred under the sub-section on any police officer below the grade of an Assistant Superintendent of Police and no powers shall be conferred on a such police officer except so far as may be necessary for preserving the peace, preventing crime and detecting apprehending and detaining offenders, in order to bring the offender before a Magistrate, and for the performance by the officer of any other duties imposed upon him by any law for the time being in force. 
(2) The persons on whom the powers under sub-section (1) are conferred shall be called Special Executive Magistrates and shall be appointed for such term as the Government may by general or special order direct. 
(3) The Government may, in consultation with the High Court Division confer upon any Magistrate all or any of the powers conferred or conferrable by or under this Code on a Judicial Magistrate of the first, second or third class in respect of particular cases or a particular class or classes of cases or in regard to cases generally in any local area outside a Metropolitan area. 
(4) The Magistrate on whom the powers under sub-section (3) are conferred shall be called Special Magistrates and shall be appointed for such term as the Government may, in consultation with the High Court Division, by general or special order direct. 
(5) The Government may in consultation with the High Court Division confer upon any Metropolitan Magistrate all or any of the powers conferred or conferrable by or under this Code on Metropolitan Magistrate in respect of particular cases or a particular class or classes, or in regard to cases generally in any Metropolitan Area. 
(6) The persons on whom the powers under sub-section (5) are conferred shall be called Special Metropolitan Magistrates and shall be appointed for such term as the Government may in consultation with High Court Division by general or special order direct.
৯,৫২৭.
নিচের কোনটি The Limitation Act, 1908-এর ২৮ ধারার মূল বিধান?
  1. আদালত তামাদির সময়সীমা যেকোনো সময় বাড়াতে পারে
  2. তামাদির সময় পার হলেও মালিকানার অধিকার অক্ষুণ্ণ থাকে
  3. তামাদির মেয়াদ পার হয়ে গেলে সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যায়
  4. আদালত ব্যক্তির অধিকারের জন্য নতুন সময় নির্ধারণ করতে পারে
সঠিক উত্তর:
তামাদির মেয়াদ পার হয়ে গেলে সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তামাদির মেয়াদ পার হয়ে গেলে সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যায়
ব্যাখ্যা
উত্তর: (গ) তামাদির মেয়াদ পার হয়ে গেলে সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যায়।
⇒ The Limitation Act, 1908-এর ২৮ ধারা অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি তামাদি আইনে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তার সম্পত্তির অধিকার প্রমাণ করতে ব্যর্থ হন, তবে তার ঐ সম্পত্তির উপর কোনো অধিকার থাকবে না এবং সেটি সম্পূর্ণরূপে বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

 উদাহরণ:
যদি একজন ব্যক্তি তার জমির মালিকানা পুনরুদ্ধারের জন্য ১২ বছর এর মধ্যে মামলা না করেন, তাহলে তামাদি মেয়াদ অতিক্রান্ত হওয়ার পর তিনি আইনি অধিকার হারাবেন এবং জমির বর্তমান দখলদার মালিক হয়ে যাবে।

→ এ কারণেই বলা হয়, "Limitation does not only bar the remedy but also extinguishes the right." অর্থাৎ, তামাদির সময়সীমা পার হয়ে গেলে শুধু মামলা করার অধিকারই হারায় না, বরং সম্পত্তির অধিকারই বিলুপ্ত হয়ে যায়।
-----------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section- 28. Extinguishment of right to property:
At the determination of the period hereby limited to any person for instituting a suit for possession of any property, his right to such property shall be extinguished.
৯,৫২৮.
The Transfer of Property Act, 1882 অনুসারে কোনটি নালিশযোগ্য দাবী?
  1. স্থাবর সম্পত্তি বন্ধক দ্বারা নেওয়া ঋণ
  2. চুক্তি ভঙ্গজনিত ক্ষতিপূরণের দাবী
  3. অস্থাবর সম্পত্তি আটক রেখে নেওয়া ঋণ
  4. ভবিষ্যৎ ভাড়ার দাবী
সঠিক উত্তর:
ভবিষ্যৎ ভাড়ার দাবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভবিষ্যৎ ভাড়ার দাবী
ব্যাখ্যা
• নালিশযোগ্য দাবী (Actionable Claim) অনিরাপদ ঋণের দাবীকে নালিশযোগ্য দাবী বলা হয়েছে। অনিরাপদ ঋণ অর্থ যে ঋণের বিপরীতে কোন জামানত থাকে না বা জামানতবিহীন ঋণ। জামানতসহ বন্ধকের ক্ষেত্রে ঋণের দাবী নালিশযোগ্য দাবী না কারণ বন্ধক একটি নিরাপদ ঋণ।

-উল্লিখিত প্রশ্নে- স্থাবর সম্পত্তি বন্ধক দ্বারা নেওয়া ঋণ, চুক্তি ভঙ্গজনিত ক্ষতিপূরণের দাবী, অস্থাবর সম্পত্তি আটক রেখে নেওয়া ঋণ হচ্ছে নিরাপদ ঋন। কারন প্রতি ক্ষেত্রে জামানত আছে। কিন্তু ভবিষ্যৎ ভাড়ার দাবী অনিরাপদ ঋন। এক্ষেত্রে কোনো জামানতের নিশ্চয়তা নেই। তাই বলা যায়, The Transfer of Property Act, 1882 অনুসারে ভবিষ্যৎ ভাড়ার দাবী একটি নালিশযোগ্য দাবী।
৯,৫২৯.
একজন অবিবাহিতা কন্যা স্ত্রীধন রেখে মারা গেলে প্রথমে কে উত্তরাধিকারী হয়?
  1. পিতা
  2. মাতা
  3. সহোদর ভ্রাতা
  4. সহোদর বোন
সঠিক উত্তর:
সহোদর ভ্রাতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সহোদর ভ্রাতা
ব্যাখ্যা

স্ত্রীধনের উত্তরাধিকার: 
স্ত্রীধনের উত্তরাধিকার পুরুষদের উত্তরাধিকার হতে ভিন্ন প্রকৃতির। কোন অবিবাহিতা কন্যা স্ত্রীধন রাখিয়া মারা গেলে দায়ভাগ এবং মিতাক্ষরা উভয় মতপন্থী মতে নিম্নোক্ত তালিকা অনুযায়ী ক্রমিকানুসারে তাহার ওয়ারিশদের উপর বর্তায়। যথা:
(ক) সহোদর ভ্রাতা।
(খ) মাতা।
(গ) পিতা
(ঘ) পিতার নিকটতম উত্তরাধিকারীগণ।

৯,৫৩০.
একজন ব্যক্তি নাবালক অবস্থায় উন্মাদে পরিণত হলে, তামাদি আইন অনুযায়ী মামলা দায়েরের মেয়াদ কখন থেকে গণনা শুরু হবে?
  1. অধিকার সৃষ্টির সময় থেকেই
  2. যখন সে উন্মাদ অবস্থা থেকে মুক্তি পাবে
  3. যখন সে নাবালক অবস্থা থেকে মুক্তি পাবে
  4. যখন সে উভয় অবস্থা (নাবালক ও উন্মাদ) থেকেই মুক্তি পাবে
সঠিক উত্তর:
যখন সে উভয় অবস্থা (নাবালক ও উন্মাদ) থেকেই মুক্তি পাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন সে উভয় অবস্থা (নাবালক ও উন্মাদ) থেকেই মুক্তি পাবে
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৬(২) অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি তামাদির মেয়াদ গণনা শুরুর সময় একাধিক বৈধ অপারগতা (যেমন: নাবালকত্ব ও উন্মাদত্ব) এর অধীন থাকে, বা এক অপারগতা চলাকালে আরেক অপারগতায় পতিত হয়, তবে সমস্ত অপারগতা শেষ হওয়ার পর থেকে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে।
- সুতরাং, উভয় অপারগতা (নাবালকত্ব ও উন্মাদত্ব) শেষ হওয়ার পর তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ৬ ধারা বিধান- বৈধ অপারগতা:
(১) যেক্ষেত্রে মামলা বা কার্যধারা দায়ের করার কিংবা ডিক্রি জারির জন্য দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী ব্যক্তি, যেই সময় হতে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে, সেই সময় নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকে, সেক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি তাহার উপরোক্ত অপারগতার অবসান হওয়ার পর, অপারগতা না থাকলে, প্রথম তফসিলের তৃতীয় কলামে অথবা ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারায় বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে যা করতে পারতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা বা কার্যধারা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করতে পারবে।
(২) যেক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে, সেই সময় উপরে বর্ণিত যেই কোনো দুইটি অপারগতার অবসান হওয়ার পূর্বেই সে আরেকটি অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি তাহার উভয় অপারগতার অবসান হওয়ার পর, অপারগতা না থাকলে, উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে তা করতে পারতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করতে পারবে।
(৩) যেক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত তাহার অপারগতা অব্যাহত থাকে, সেক্ষেত্রে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি ঐ ব্যক্তির মৃত্যুর পর অপারগতা না থাকলে উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে তা করা যেতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দাখিল করতে পারবে।
(৪) যেক্ষেত্রে উপরোক্ত ব্যক্তির মৃত্যুর তারিখে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি অনুরূপ কোন অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে (১) ও (২) উপধারায় বিধৃত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে।

৯,৫৩১.
দাঙ্গা সংঘটনের উদ্দেশ্যে বেপরোয়াভাবে উস্কানি প্রদান করার শাস্তির বিধান কোথায় রয়েছে?
  1. ১৫১ ধারায়
  2. ১৫৩ ধারায়
  3. ১৫৩ক ধারায়
  4. ১৫৩খ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৫৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দাঙ্গা সংঘটনের উদ্দেশ্যে বেপরোয়াভাবে উস্কানি প্রদান করার জন্য ১৫৩ ধারায় ২ ধরণের শাস্তি রয়েছে। যথা-

-(i) উক্ত উস্কানির ফলে দাঙ্গা সংঘটিত হলে শান্তি- অনধিক ১ বৎসর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দক।

-(ii) উক্ত উস্কানির ফলে দাঙ্গা সংঘটিত না হলে শাস্তি- অনধিক ৬ মাস কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়াদণ্ড।

♦ দণ্ডবিধির ১৫৩ ধারার বিধান দাঙ্গা সংঘটনের উদ্দেশ্যে বেপরোয়াভাবে উস্কানি দান করা-দাঙ্গা অনুষ্ঠিত হওয়ার ক্ষেত্রে; দাঙ্গা অনুষ্ঠিত না হওয়ার ক্ষেত্রে:- কোন ব্যক্তি যদি দুরভিসন্ধি মূলক ভাবে, বা বেপরোয়াভাবে কোন বেআইনী কার্য করে কাউকে উস্কানি দেয় এবং এইরূপ উস্কানি দিয়ে দাঙ্গার অপরাধ সংঘটনই কাজটির উদ্দেশ্য হয় অথবা এইরূপ প্ররোচনা দানের ফলে দাঙ্গার অপরাধ অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে উক্ত ব্যক্তির জানা থাকে,

- তবে-অনুরূপ উস্কানির ফলে দাঙ্গার অপরাধটি অনুষ্ঠিত হলে, উক্ত ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে; এবং এইরূপ প্ররোচনাদানের ফলে দাঙ্গার অপরাধটি অনুষ্ঠিত না হলে, সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
৯,৫৩২.
একটি মোকদ্দমায় 'ক' একাধিক বাদীদের মধ্যে একজন। সকল বাদীদের পক্ষে শুধু 'ক' মোকদ্দমা পরিচালনা করতে পারে যদি-
  1. বাদীপক্ষ লিখিতভাবে ক্ষমতা অর্পণ করে
  2. বিবাদীপক্ষ মৌখিক বা লিখিতভাবে ক্ষমতা অর্পণ করে
  3. আদালত লিখিত ভাবে ক্ষমতা অর্পণ করে
  4. বাদীপক্ষ মৌখিক ভাবে ক্ষমতা অর্পণ করে
সঠিক উত্তর:
বাদীপক্ষ লিখিতভাবে ক্ষমতা অর্পণ করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদীপক্ষ লিখিতভাবে ক্ষমতা অর্পণ করে
ব্যাখ্যা
• আদেশ ১ বিধি ১২ অনুযায়ী-

১) কোন মোকদ্দমায় অধিক সংখ্যক বাদি বিদ্যমান থাকলে তন্মধ্যে যেকোন এক ব্যক্তিকে অথবা একাধিক ব্যক্তিকে সকলে তাদের পক্ষে আদালতে উপস্থিত হয়ে মোকদ্দমাকেন্দ্রিক অভিযোগাদির উত্তর দিতে বা কার্য করতে তথা তদারক করার ক্ষমতা প্রদান করতে পারবে,
অনুরূপভাবে কোন মোকদ্দমার অধিক সংখ্যক বিবাদি বিদ্যমান থাকলে, তন্মধ্যে যেকোন একজনকে বা একাধিক জনকে অপর সকলে তাদের পক্ষে আদালতে হাজির হয়ে মোকদ্দমাকেন্দ্রিক অভিযোগাদির উত্তর দিতে বা কার্য করতে তথা তদারক করার ক্ষমতা অর্পণ করতে পারবে।

২) ক্ষমতা প্রদানকারী পক্ষের স্বাক্ষরে ক্ষমতা অর্পণ লিখিতভাবে করতে হবে এবং তা আদালতে দাখিল করতে হবে।

Appearance of one of several plaintiffs or defendants for others-
(1) Where there are more plaintiffs than one, any one or more of them may be authorized by any other of them to appear, plead or act for such other in any proceedings; and in like manner, where there are more defendants than one, any one or more of them may be authorized by any other of them to appear, plead or act for such other in any proceeding.
(2) The authority shall be in writing signed by the party giving it and shall be filed in Court. 
৯,৫৩৩.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় 'বিচারালয়' এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ১৯
  2. ২০
  3. ২১
  4. ২২
সঠিক উত্তর:
২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ২০ ধারার বিধান 'বিচারালয়' বা 'আদালত':- 'বিচারালয়' বা 'আদালত' বলতে শুধু বিচার কার্য করতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত বিচারক বা বিচারক সংস্থাকে বুঝাবে, যেক্ষেত্রে এইরূপ বিচারক বা বিচারক সংস্থা বিচার কার্য করছেন।
------------------
→ The Penal Code,1860- Section 20: "Court of Justice":- The words "Court of Justice" denote a Judge who is empowered by law to act judicially alone, or a body of Judges which is empowered by law to act judicially as a body, when such Judge or body of Judges is acting judicially.
৯,৫৩৪.
পারিবারিক আদালতের প্রাধান্য সম্পর্কিত বিধান পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর কোন ধারা দ্বারা নির্ধারিত?
  1. ধারা ২
  2. ধারা ৩
  3. ধারা ৪
  4. ধারা ৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩
ব্যাখ্যা

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ৩ এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই আইনের বিধানাবলি অন্য যেকোনো আইনের উপর প্রাধান্য পাবে। ধারা ৩-এ বলা হয়েছে: “আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের বিধানাবলি প্রাধান্য পাইবে।”
এর মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর অধীনে নির্ধারিত বিষয়ে (যেমন বিবাহ বিচ্ছেদ, দেনমোহর, ভরণপোষণ, অভিভাবকত্ব ইত্যাদি) এই আইনের বিধানগুলো অন্য কোনো আইনের সাথে সাংঘর্ষিক হলেও প্রাধান্য পাবে। এটি পারিবারিক আদালতের আইনি ক্ষমতা ও এখতিয়ারকে শক্তিশালী করে এবং বিষয়টি সুনির্দিষ্টভাবে নিয়ন্ত্রণ করে।
অর্থাৎ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ৩ এই আইনের প্রাধান্য সুনিশ্চিত করে, যা অন্যান্য আইনের উপর এর বিধানাবলির প্রাধান্য নির্ধারণ করে। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) ধারা ৩।

৯,৫৩৫.
দেওয়ানী কার্যবিধির কত আদেশের কত বিধি অনুযায়ী আপীল আদালত রায় ঘোষণা করতে পারে?
  1. আদেশ ৪১, বিধি ৩০
  2. আদেশ ৪১, বিধি ৩১
  3. আদেশ ৪১, বিধি ৩২
  4. আদেশ ৪২, বিধি ২
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪১, বিধি ৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪১, বিধি ৩০
ব্যাখ্যা
⇒ আপিলে রায়:
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-৩০ এর বিধান রায় কখন এবং কোথায় ঘোষিত হয়:  আপিল আদালত পক্ষগণ বা তাদের উকিলদের শুনানির পর এবং আপিলের বা যে আদালতের ডিক্রি হতে আপিল করা হয়েছে সে আদালতের কার্যধারার কোন অংশ রেফারেন্সের জন্য প্রয়োজনীয় বলে বিবেচিত হলে সেটা উল্লেখ করে তৎক্ষণাৎ বা পরবর্তী তারিখ সম্পর্কে যার নোটিশে পক্ষগণকে বা উকিলগণকে প্রদান করতে হবে, প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষিত হবে।
-------------
⇒ Judgment in appeal:

Order 41 Rule.-30: Judgment. When and where pronounced.- The Appellate Court after hearing the parties or their pleaders and referring to any part of the proceedings, whether on appeal or in the Court from whose decree the appeal is preferred, to which reference may be considered necessary, shall pronounce judgment in open Court, either at once or on some future day of which notice shall be given to the parties or their pleaders.
৯,৫৩৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুযায়ী কোন ধরনের মোকদ্দমায় আদালত তার ডিক্রির কপি নিবন্ধন কর্মকর্তার বরাবরে প্রেরণ করবেন?
  1. দলিল বাতিলের
  2. চুক্তি বাতিলের
  3. দলিল সংশোধনের
  4. চুক্তি সংশোধনের
সঠিক উত্তর:
দলিল বাতিলের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিল বাতিলের
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-৩৯ ধারার বিধান: যখন বাতিলের আদেশ প্রদানযোগ্য:
-যেকোন ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে লিখিত চুক্তি অবৈধ বা বাতিলযোগ্য, যার যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা রয়েছে যে, তেমন দলিল নিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দিলে তা তার গুরুতর ক্ষতির কারণ হবে, তবে সে তা বাতিল বা বাতিলযোগ্য ঘোষণার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে তেমন রায় প্রদান করতে এবং চুক্তি বিলুপ্তি হিসাবে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।

-যদি দলিল নিবন্ধন আইন অনুসারে নিবন্ধিকৃত হয়ে থাকে, তবে আদালত তার ডিক্রির একটি কপি সে কর্মকর্তার বরাবরে প্রেরণ করবেন, যার কার্যালয়ে উক্ত দলিল নিবন্ধন করা হয়েছে এবং তেমন কর্মকর্তা তার বইতে দলিলের নকলে তার বিলুপ্তির বিষয়াবলী লিপিবদ্ধ করবেন।

-অর্থাৎ দলিল বাতিলের মোকদ্দমায় আদালত তার ডিক্রির কপি নিবন্ধন কর্মকর্তার বরাবরে প্রেরণ করবেন।
-----------------
⇒The Specific Relief Act, 1877-Section-39: When cancellation may be ordered:
-Any person against whom a written instrument is void or voidable, who has reasonable apprehension that such instrument, if left outstanding, may cause him serious injury, may sue to have it adjudged void or viodable; and the Court may, in its discretion, so adjudge it and order it to be delivered up and cancelled.
If the instrument has been registered under the Registration Act, 1908, the Court shall also send a copy of its decree to the officer in whose office the instrument has been so registered; and such officer shall note on the copy of the instrument contained in his books the fact of its cancellation.
৯,৫৩৭.
“Rule of Harmonious Construction” অনুসারে বিধানগুলি কীভাবে ব্যাখ্যা করা হয়?
  1. এক বিধান বাতিল করে অন্যটি কার্যকর করা হয়
  2. এক বিধানকে অন্যটির সাথে সামঞ্জস্য রেখে কার্যকর করা হয়
  3. সকল বিধানকে অবৈধ ঘোষণা করা হয়
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
এক বিধানকে অন্যটির সাথে সামঞ্জস্য রেখে কার্যকর করা হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক বিধানকে অন্যটির সাথে সামঞ্জস্য রেখে কার্যকর করা হয়
ব্যাখ্যা
Rule of Harmonious Construction:
- একই আইনের মধ্যে পরস্পর অসংগতিপূর্ণ বা সাংঘর্ষিক বিধান বিদ্যমান থাকলে তাকে এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে, যেন ঐ আইনের সবগুলো বিধানকে একই সাথে কার্যকর করা যায়।
- আইন ব্যাখ্যার এই নীতিই 'Rule of Harmonious Construction' (আইন ব্যাখ্যার বৈরিতামুক্ত নীতি/সামঞ্জস্যমূলক নীতি) নামে পরিচিত।
- যখন দুটি বা ততোধিক বিধান একে অপরের সাথে বিরোধপূর্ণ মনে হয়, তখন এই নিয়ম অনুসরণ করা হয়।
- এর মূল উদ্দেশ্য হলো আইনগুলো একে অপরের পরিপূরক হয়ে কাজ করুক, এবং কোনো বিধান অপরটির বিরুদ্ধে না গিয়ে একত্রে কার্যকর থাকুক।

ভারতীয় সুপ্রীমকোর্ট 'Rule of Harmonious Construction' নীতির নিম্নরূপ ব্যাখ্যা দিয়েছেন:
(১) কোনো আইনে দুটি ধারার প্রয়োগে যদি দেখা যায়, ধারা দু'টি একে অন্যের সাথে বিরোধপূর্ণ; তাহলে ধারা দু'টি এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে, যেন ধারা দুটিকে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে প্রয়োগ করা যায়। অর্থাৎ, এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে যেন উভয় ধারা কার্যকর হয়।

(২) একটি ধারার বিধানকে এমনভাবে ব্যাখ্যা করা যাবে না, যাতে অন্য কোনো ধারার বিধান অকার্যকর বা সাংঘর্ষিক হয়।
৯,৫৩৮.
'ক' তাঁর বাসায় কাজ করা ৮ বছর বয়সী শিশু মিঠুনকে না খাইয়ে, মারধর করে এবং প্রচণ্ড ঠান্ডায় বাইরে আটকে রাখে। এতে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। এই অবস্থায় 'ক' এর সর্বোচ্চ কী দণ্ড হতে পারে?
  1. ১ বছর কারাদণ্ড
  2. ২ বছর কারাদণ্ড
  3. ৫ বছর কারাদণ্ড
  4. ৭ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৫ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
শিশুর প্রতি নিষ্ঠুরতার দণ্ড- (ধারা ৭০, শিশু আইন ২০১৩)
কোন ব্যক্তি যদি তাহার হেফাজতে, দায়িত্বে বা পরিচর্যায় থাকা কোন শিশুকে আঘাত, উৎপীড়ন, অবহেলা, বর্জন, অরক্ষিত অবস্থায় পরিত্যাগ ব্যক্তিগত পরিচর্যার কাজে ব্যবহার বা অশালীনভাবে প্রদর্শন করে এবং এইরূপভাবে আঘাত, উৎপীড়ন, অবহেলা, বর্জন, পরিত্যাগ ব্যক্তিগত পরিচর্যা বা প্রদর্শনের ফলে উক্ত শিশুর অহেতুক দুর্ভোগ সৃষ্টি হয় বা স্বাস্থ্যের এইরূপ ক্ষতি হয়, যাহাতে সংশ্লিষ্ট শিশুর দৃষ্টিশক্তি বা শ্রবণশক্তি নষ্ট হয়, শরীরের কোন অঙ্গ বা ইন্দ্রিয়ের ক্ষতি হয় বা কোন মানসিক বিকৃতি ঘটে, তাহা হইলে তিনি এই আইনের অধীন অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
৯,৫৩৯.
সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে নিম্নে বর্ণিত কোন শর্ত প্রযোজ্য?
  1. সম্মতির জন্য প্রধানমন্ত্রীর নিকট উপস্থাপন করা হবে
  2. সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন এক-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত হতে হবে
  3. সংশোধনী বিলের শিরোনামে যে বিধান সংশোধন করা হবে, তা স্পষ্টরূপে উল্লেখ থাকবে
  4. উল্লিখিত সকল শর্ত প্রযোজ্য
সঠিক উত্তর:
সংশোধনী বিলের শিরোনামে যে বিধান সংশোধন করা হবে, তা স্পষ্টরূপে উল্লেখ থাকবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংশোধনী বিলের শিরোনামে যে বিধান সংশোধন করা হবে, তা স্পষ্টরূপে উল্লেখ থাকবে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪২: সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা

এই সংবিধানে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও- (ক) সংসদের আইন-দ্বারা এই সংবিধানের কোন বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিতকরণের দ্বারা সংশোধিত হইতে পারিবেঃ তবে শর্ত থাকে যে,

(অ) অনুরূপ সংশোধনীর জন্য আনীত কোন বিলের সম্পূর্ন শিরোনামে এই সংবিধানের কোন বিধান সংশোধন করা হইবে বলিয়া স্পষ্টরূপে উল্লেখ না থাকিলে বিলটি বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা যাইবে না;
(আ) সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত না হইলে অনুরূপ কোন বিলে সম্মতিদানের জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হইবে না;

(খ) উপরি-উক্ত উপায়ে কোন বিল গৃহীত হইবার পর সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট তাহা উপস্থাপিত হইলে উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিবেন, এবং তিনি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।

Article 142: Power to amend any provision of the Constitution

Notwithstanding anything contained in this Constitution- (a) any provision thereof may be amended by way of addition, alteration, substitution or repeal by Act of Parliament: Provided that-
(i) no Bill for such amendment shall be allowed to proceed unless the long title thereof expressly states that it will amend a provision of the Constitution;
(ii) no such Bill shall be presented to the President for assent unless it is passed by the votes of not less than two thirds of the total number of members of Parliament; 
 
(b) when a Bill passed as aforesaid is presented to the President for his assent he shall, within the period of seven days after the Bill is presented to him assent to the Bill, and if he fails so to do he shall be deemed to have assented to it on the expiration of that period.
৯,৫৪০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারা অনুসারে নিযুক্ত রিসিভারের দায়িত্ব,কর্তব্য ও ক্ষমতা কোন আইন অনুযায়ী নিয়ন্ত্রিত হবে? 
  1. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন
  2. দেওয়ানী কার্যবিধি
  3. ফৌজদারী কার্যবিধি
  4. সাক্ষ্য আইন
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানী কার্যবিধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানী কার্যবিধি
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারা- তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ সুবিবেচনামূলক: প্রক্রিয়াধীন মামলায় তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ আদালতের সম্পূর্ণ ইচ্ছাধীন।
তার নিয়োগের ধরন ও ফলাফল এবং তার অধিকার, ক্ষমতা, কর্তব্য এবং দায়দায়িত্ব দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হবে।
------------------------
Section 44- Appointment of receivers discretionary: The appointment of a receiver pending a suit is a matter resting in the discretion of the Court.
Reference to Code of Civil Procedure: The mode and effect of his appointment, and his rights, powers, duties and liabilities, are regulated by the Code of Civil Procedure.

৯,৫৪১.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৫১৪ ধারায় কীসের পদ্ধতি বর্ণিত আছে?
  1. জামিনদারের অব্যাহতির
  2. জামিননামা গ্রহণের
  3. জামিননামা বাজেয়াপ্তির
  4. নাবালক কর্তৃক জামিননামা প্রদানের
সঠিক উত্তর:
জামিননামা বাজেয়াপ্তির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামিননামা বাজেয়াপ্তির
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫১৪: জামিননামা বাজেয়াপ্তি পদ্ধতি-

(১) যে আদালত এই আইন অনুসারে জামিননামা গ্রহণ করেছেন সেই আদালত অথবা কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত বা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতের সন্তুষ্টি বিধান করে,অথবা জামিননামাটি কোন আদালতে হাজির হবার জন্য প্রদত্ত হলে সেই আদালতের সন্তুষ্টি বিধান করে যখন প্রমানীত হয় যে, জামিননামাটি বাজেয়াপ্ত হয়েছে তখন আদালত এরূপ প্রমাণ লিপিবদ্ধ করবেন এবং এরূপ মুচলেকাবদ্ধ ব্যক্তিকে উহাতে উল্লেখিত অর্থ প্রদান করতে, অথবা কেন উহা প্রদান করা হবে না তার কারণ দর্শাতে বলতে পারবেন।

(২) যদি পর্যাপ্ত কারণ প্রদর্শন করা না হয় এবং জরিমানার টাকা প্রদান করা না হয়, তাহলে উক্ত ব্যক্তির অস্থাবর সম্পত্তি বা তিনি মারা গেলে তার পরিত্যক্ত সম্পত্তির মধ্য হতে অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়ের নিমিত্তে পরোয়ানা জারী করে অর্থ আদায়ের জন্য অগ্রসর হতে পারবেন।

(৩) এরূপ পরোয়ানা যে আদালত ইস্যু করেন সেই আদালতের স্থানীয় সীমার মধ্যে কার্যকর করা যাবে; এবং এই আদালত উক্ত সীমার বাইরে উক্ত ব্যক্তি অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়ের ক্ষমতা দিতে পারবেন; যদি উক্ত সম্পত্তি যে জেলা ম্যাজিষ্ট্রেটের বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেটের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে অবস্থিত তার দ্বারা উহা পৃষ্ঠাঙ্কিত হয়।

(৪) যদি উক্ত জরিমানার টাকা পরিশোধ করা না হয় এবং উক্ত ক্রোক ও বিক্রয় দ্বারা যদি আদায় করা না যায়, তাহলে যে আদালত পরোয়ানা ইস্যু করেছেন সেই আদালতের আদেশক্রমে মুচেলেকাবদ্ধ ব্যক্তি দেওয়ানি জেলে ছয় মাস পর্যন্ত আবদ্ধ থাকবেন।

(৫) আদালত ইহার বিবেচনামূলক ক্ষমতার দ্বারা উল্লেখিত অর্থের অংশ বিশেষ মওকুফ করতে এবং অংশ বিশেষ পরিশোধে বাধ্য করতে পারবেন।

(৬) কোন জামিননামা বাজেয়াপ্ত হবার পূর্বে উহার জামিনদার মারা গেলে তার সম্পত্তি উক্ত জরিমানা সম্পর্কিত সমস্ত দায় হতে মুক্ত হয়ে যাবে।

(৭) যে ব্যক্তি ১০৬ বা ১১৮ বা ৫৬২ ধারা অনুসারে জামানত দিয়াছে সেই ব্যক্তি যদি এমন কোন অপরাধে দণ্ডিত হয় যে অপরাধ করা তার জামিননামার শর্ত লংঘন' বলে পরিগনিত হয়, অথবা তার ৫১৪খ ধারার জামিননামার শর্ত লংঘন বলে পরিগণিত হয়, তাহলে যে আদালত তাকে উক্ত অপরাধে দণ্ডিত করেছেন, সেই আদালতের রায়ের একটি সইমোহর সকল এই ধারা অনুসারে তার জামিনদার বা জামিনদারগণের বিরুদ্ধে আনীত প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যাবে, এবং এই নকল এভাবে ব্যবহৃত হলে বিপরীত সত্য প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত ধরে নিবেন যে, সে উক্ত অপরাধ করেছে।
৯,৫৪২.
A টাকাসহ একটি টাকার থলে খুঁজে পায় কিন্তু জানে না টাকার থলেটা কার। পরবর্তীতে সে জানতে পারে যে, টাকার থলেটা Z-এর। এটা জেনেও A এই টাকা নিজ খরচ করে ফেলে। A এর অপরাধটি দণ্ডবিধির-
  1. ধারা ৪০৩
  2. ধারা ৪০৪
  3. ধারা 800
  4. ধারা ৪০৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪০৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪০৩
ব্যাখ্যা
♦ পেনাল কোডের ৪০৩ ধারার বিধান অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ: কোন ব্যক্তি যদি অসাধুভাবে কোন অস্থাবর সম্পত্তি আত্মসাৎ করে অথবা তা তার নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি ১ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কিছু সময়ের জন্য একটি অসাধু আত্মসাত্ত এই ধারা অনুযায়ী আত্মসাৎ বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ২:- কোন ব্যক্তি যদি কোন সম্পত্তি কারো দখলে নেই দেখতে পেয়ে সম্পত্তিটি তার মালিকের স্বপক্ষে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে অথবা মালিককে প্রত্যর্পণের উদ্দেশ্যে নিয়ে যায়, তবে সে অসাধুভাবে তা নিয়ে গিয়েছে বা আত্মসাৎ করেছে বলে গণ্য হবে না এবং কোন অপরাধে অপরাধী হবে না;
কিন্তু সে উপরে বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে যদি সে সম্পত্তিটির মালিককে জানা সত্ত্বেও বা মালিককে খুঁজে বাহির করার উপায় থাকা সত্ত্বেও তা নিজের কাজে ব্যবহার করে, অথবা যদি সে মালিককে খুঁজে বাহির করার ও তাকে বিজ্ঞাপিত করার জন্য যুক্তিসঙ্গত মাধ্যম অবলম্বনের উদ্দেশ্যে যথোপযুক্ত সময় পর্যন্ত সম্পত্তিটি সংরক্ষণ না করে তা তার নিজের কাজে ব্যবহার করে। অনুরূপ ক্ষেত্রে যুক্তিসঙ্গত মাধ্যম কি এবং যথোপযুক্ত সময় কত দীর্ঘ হবে তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন। সম্পত্তিটি প্রাপকের পক্ষে তার যথার্থ মালিককে তা জানার বা কোন বিশেষ ব্যক্তি যে তার মালিক তা জানার আবশ্যকতা নেই; যদি সে সম্পত্তিটি আত্মসাৎ করার সময় সেটা যে তার নয় তা বিশ্বাস করে বা সরল মনে বিশ্বাস করে যে, প্রকৃত মালিককে খুঁজে বের করা সম্ভব নয়, তবে তাই যথেষ্ট হবে।

♦  যেহেতু টাকার মালিক কে এটা জানার পর A টাকা নিজ ব্যবহারে পরিণত করেছে, তাই সে অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ করেছে বলে গণ্য হবে। তাই সে ৪০৩ ধারায় দণ্ডিত হবে।
৯,৫৪৩.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় অনুমান (presume) এর সংজ্ঞা রয়েছে?
  1. ২ ধারায়
  2. ৩ ধারায়
  3. ৪ ধারায়
  4. ৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৪ নম্বর ধারায় অনুমান (Presume) সম্পর্কিত বিধান দেওয়া হয়েছে। এই ধারায় "May Presume," "Shall Presume," এবং "Conclusive Proof"—এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণার সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪ ধারার মতে অনুমান করতে পারে (May presume): যেখানেই এই আইনের বিধান আছে যে, আদালত কোন বিষয় ধরে নিতে পারেন, সেখানে আদালত হয় সেই বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন; না হয় তা প্রমাণ করার আহ্বান জানাবেন।
⇒ অনুমান করবে (Shall presume): যেখানেই এই আইনের নির্দেশ আছে যে, আদালত কোন বিষয় অবশ্যই ধরে নিবেন, সেখানে উক্ত বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন।
⇒ চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof): এই আইনে যখন একটি বিষয়কে অপর একটি বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ বলে গণ্য করা হয়, তখন আদালত প্রথমোক্ত বিষয় প্রমাণিত হলে অপর বিষয়ও প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন এবং তা মিথ্যা প্রমাণিত। করার জন্য সাক্ষ্যদানের অনুমতি দিবেন না।

ধারা ৪-এর মূল বিষয়বস্তু:
- May Presume (সাধারণ অনুমান): আদালত কোনো বিষয়কে প্রমাণিত বলে ধরে নিতে পারে, তবে তা পাল্টে দেওয়ার জন্য প্রমাণ গ্রহণ করতে পারে।
- Shall Presume (আবশ্যিক অনুমান): আদালত অবশ্যই নির্দিষ্ট বিষয়কে প্রমাণিত ধরে নেবে, যতক্ষণ না তা খণ্ডন করা হয়।
- Conclusive Proof (চূড়ান্ত প্রমাণ): কোনো একটি নির্দিষ্ট বিষয় একবার প্রমাণিত হলে আদালত সেটিকে সত্য ধরে নেবে এবং তার বিপরীতে কোনো প্রমাণ গ্রহণ করবে না।
---------
The Evidence Act, 1872: Section- 4:
"May presume" - Whenever it is provided by this Act that the Court may presume a fact, it may either regard such fact as proved, unless and until it is disproved, or may call for proof of it:
“Shall presume” - Whenever it is directed by this Act that the Court shall presume a fact, it shall regard such fact as proved, unless and until it is disproved:
“Conclusive proof” - When one fact is declared by this Act to be conclusive proof of another, the Court shall, on proof of the one fact, regard the other as proved, and shall not allow evidence to be given for the purpose of disproving it.
৯,৫৪৪.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইনে মিথ্যা তথ্য প্রদানকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি কত?
  1. ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  2. ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  3. ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ২৮গ: “মিথ্যা তথ্য প্রদানের দণ্ড”:
(১) মিথ্যা জানিয়া বা তথ্যের সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত না হইয়া কোন ব্যক্তি ভিত্তিহীন কোন তথ্য, যে তথ্যের ভিত্তিতে এই আইনের অধীন তদন্ত বা বিচার কার্য পরিচালিত হইবার সম্ভাবনা থাকে, প্রদান করিলে তিনি মিথ্যা তথ্য প্রদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে। 
 
(২) কোন ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত কোন মিথ্যা তথ্য প্রদান করিলে তিনি এই ধারার অধীন অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য তিনি অন্যূন ২ (দুই) বৎসর বা অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন। 
 
(৩) তথ্য প্রদানকারী কমিশনের বা সরকারি কোন কর্মকর্তা-কর্মচারী হইলে এবং তিনি উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত কোন মিথ্যা তথ্য প্রদান করিলে তাহার বিরুদ্ধে উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত দণ্ড প্রদান করা হইবে।]
৯,৫৪৫.
একটি আপিল দায়েরে তামাদির মেয়াদ গণনায় সংশ্লিষ্ট রায়ের নকল তুলতে ব্যয়িত সময় -
  1. যুক্ত হবে
  2. সম্পূর্ণ বাদ যাবে
  3. অর্ধেক বাদ যাবে
  4. বাদ যাবে নাকি যুক্ত হবে তা আদালতের বিবেচনাধীন বিষয়
সঠিক উত্তর:
সম্পূর্ণ বাদ যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পূর্ণ বাদ যাবে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ১২ ধারা- আইনানুগ কার্যধারায় যে পরিমাণ সময় গণনা হতে বাদ দিতে হবে-

(১) কোনো মামলা, আপিল বা দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে, যেদিন হতে উক্ত মেয়াদ গণনা করতে হবে সেই দিন বাদ দিতে হবে।

(২) কোনো আপিল, আপিলের অনুমতির দরখাস্ত অথবা রায় পুনরীক্ষণের দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে, যে রায় সম্পর্কে অভিযোগ করা হবে, তা যেদিন ঘোষণা করা হয়েছে, সেইদিন এবং যে ডিক্রি, দন্ডাদেশ বা আদেশ সম্পর্কে আপিল করা হবে বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হবে, তার নকল গ্রহণ করতে যেই সময় আবশ্যক, তা বাদ দিতে হবে।

(৩) যেক্ষেত্রে ডিক্রি সম্পর্কে আপিল বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত ডিক্রি যেই রায়ের উপর প্রতিষ্ঠিত, সেই রায়ের নকল পেতে যে সময় লাগে, তাও বাদ দিতে হবে।

(৪) কোনো রোয়েদাদ নাকচ করার দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে, রোয়েদাদের নকল পেতে যে সময় লাগে, তা বাদ দিতে হবে।

⇒ অর্থাৎ তামাদি আইনের ১২ ধারা মতে কতিপয় সময় বাদ দিয়ে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে। যথা-
১) মামলা, আপিল বা দরখাস্তের মেয়াদ আরম্ভের দিন;
২) রায় ঘোষণার দিন;
৩) রায়ের নকল গ্রহণে ব্যয়িত সময়;
৪) রোয়েদাদ উত্তোলন করতে যে সময় ব্যয় হয়।
৯,৫৪৬.
A একটি বিনিময় বিলে এই উদ্দেশ্যে তার নিজ নাম স্বাক্ষর করে যে, এটি একই নামের অন্য কোনো ব্যক্তি ড্র (Draw) করেছে বলে বিশ্বাস করা হয়। A অপরাধ করেছে
  1. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
  2. প্রতারণা
  3. জালিয়াতি
  4. সবকটি
সঠিক উত্তর:
জালিয়াতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জালিয়াতি
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধি ৪৬৪ ধারা অনুযায়ী যে সব কাজ জালিয়াতি বলে গণ্য হবে তা হলো-
(i) কোন ব্যক্তি নিজে যদি এই উদ্দেশ্যে স্বাক্ষর করে যে, তার স্বাক্ষর বা নামটি একই নামের অন্য কোন ব্যক্তির বলে চালিয়ে দেবেন;
(ii) যখন কোন ব্যক্তি অন্য কারো স্বাক্ষর জালিয়াতি করে স্বাক্ষর করে;
(iii) যদি কোন ব্যক্তি কোন বিলে পৃষ্ঠাঙ্কন করে এই উদ্দেশ্যে যে, তা অন্য কেউ করেছে বলে চালিয়ে দেবেন:
(iv) যদি কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির সাথে ষড়যন্ত্র করে তার নামে কোন সম্পত্তি নামমাত্র মূল্যে ইজারা নেয় কিন্তু তার উদ্দেশ্য ছিল মূলত তৃতীয় কোন ব্যক্তিকে তার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা; অথবা
(v) যদি কোন ব্যক্তি নিজেকে দেউলিয়া ঘোষণা করার উদ্দেশ্যে অন্য কোন ব্যক্তির কাছে সম্পদ গচ্ছিত রাখে এবং সে উদ্দেশ্য কোন প্রমিসরি নোট তৈরি করে।
♦কোন ব্যক্তির নিজের নাম স্বাক্ষরও জালিয়াতির সামিল হতে পারে। নিজের নামে স্বাক্ষর করলেই জালিয়াতি হবে বিষয়টা এমন নয়। বরং নিজের নাম স্বাক্ষর জালিয়াতি হতে পারে যদি স্বাক্ষরটা দ্বারা কোন মিথ্যা দলিল তৈরী করা হয়, কোন অধিকার দাবী করতে, কোন ব্যক্তিকে ক্ষতি করতে বা প্রতারণা করতে ইত্যাদি। যেহেতু A একটি বিনিময় বিলে এই উদ্দেশ্যে তার নিজ নাম স্বাক্ষর করে যে, এটি একই নামের অন্য কোনো ব্যক্তি ড্র (Draw) করেছে বলে বিশ্বাস করা হয়, সেহেতু জালিয়াতি করেছে বলে গণ্য হবে। [দণ্ডবিধি, ধারা ৪৬৪ এর ব্যাখ্যা ১ এর মাঝে তা উল্লেখ আছে।]
৯,৫৪৭.
একই দানপত্রে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ উভয় সম্পত্তি একত্রে দান করা হলে-
  1. উভয় সম্পত্তির দান বাতিল হবে
  2. বর্তমান সম্পত্তির দান অবৈধ হবে
  3. ভবিষ্যৎ সম্পত্তির দান বাতিল হবে
  4. উভয় সম্পত্তির দান বৈধ হবে
সঠিক উত্তর:
ভবিষ্যৎ সম্পত্তির দান বাতিল হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভবিষ্যৎ সম্পত্তির দান বাতিল হবে
ব্যাখ্যা
• ধারা ১২৪ (বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সম্পত্তি একত্রে দান)

সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১২৪ ধারায় বলা হয়েছে, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ উভয় সম্পত্তি একত্রে দান করা হলে, শেষােক্ত সম্পত্তির দান বাতিল বলে গণ্য হবে।

Section 124:  Gift of existing and future property
A gift comprising both existing and future property is void as to the latter.
৯,৫৪৮.
বিচারপতির সঙ্গে বিচারাধীন বিষয়ে গোপন আলোচনা আইনজীবীর পক্ষে কেমন আচরণ?
  1. স্বাভাবিক
  2. অনৈতিক
  3. প্রয়োজনীয়
  4. আইনসম্মত
সঠিক উত্তর:
অনৈতিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনৈতিক
ব্যাখ্যা
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর ৩য় অধ্যায় অনুযায়ী, বিচারপতির সঙ্গে গোপনে বিচারাধীন বিষয়ে আলোচনা করা একটি অনুচিত ও অনৈতিক আচরণ, যা ন্যায়বিচার ও নিরপেক্ষতা নষ্ট করে। এটি বিচারব্যবস্থার প্রতি আস্থার ক্ষতি করতে পারে, তাই আইনজীবীকে এ ধরনের আচরণ থেকে বিরত থাকতে হয়।
- পেশাগত আচরণবিধি (Canons of Professional Conduct and Etiquette): অধ্যায়-৩ (আদালতের প্রতি কর্তব্য), বিধি ৪ অনুযায়ী: আদালতের প্রতি আইনজীবীর কর্তব্য হলো সর্বদা সম্মান বজায় রাখা এবং বিচারাধীন মামলার বিষয়ে বিচারকের সঙ্গে গোপন আলোচনা করা থেকে বিরত থাকা। এই ধরনের গোপন আলোচনা বিচার প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও ন্যায়পরায়ণতা ক্ষুণ্ন করে এবং আইনজীবীর পেশাগত নীতিমালা ও নৈতিকতার বিরুদ্ধে যায়। তাই বিচারাধীন বিষয়ে গোপন আলোচনা আইনজীবীর জন্য অনৈতিক আচরণ হিসেবে বিবেচিত।
- বিচারাধীন মামলা নিয়ে বিচারপতির সাথে গোপন আলোচনা অনৈতিক, পেশাবিরোধী ও আইনত নিষিদ্ধ। আইনজীবীকে অবশ্যই সততা, স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচারের নীতিতে আদালতের প্রতি কর্তব্য পালন করতে হবে।
৯,৫৪৯.
লিখিতভাবে দায় স্বীকার করলে তামাদির মেয়াদ গণনা কখন থেকে নতুন করে শুরু হবে?
  1. ঋণ নেওয়ার দিন থেকে
  2. মামলা দায়েরের দিন থেকে
  3. লিখিত দায় স্বীকারের দিন থেকে
  4. ঋণ পরিশোধের নির্ধারিত সময় অতিক্রমের দিন থেকে
সঠিক উত্তর:
লিখিত দায় স্বীকারের দিন থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিখিত দায় স্বীকারের দিন থেকে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ১৯ অনুযায়ী, যদি তামাদি মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার আগে কোনো ব্যক্তি লিখিতভাবে দায় স্বীকার করে (যেমন—ঋণ বা পাওনা স্বীকার করে), তাহলে সেই দায় স্বীকারের দিন থেকে নতুন করে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে।

- তামাদি আইনের ১৯ ধারায় লিখিত প্রাপ্তি স্বীকারের ফলাফল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। কোন মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিলের জন্য আইন দ্বারা নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই অপর পক্ষ যদি উক্ত মামলার বা দরখাস্তের বিষয়বস্তু সম্পর্কিত সম্পত্তি বা অধিকার সম্পর্কে লিখিত প্রাপ্তি স্বীকারের মাধ্যমে দায় স্বীকার করে নেয় সেক্ষেত্রে উত্তরুপ স্বীকৃতি স্বাক্ষরিত হওয়ার দিন থেকে নতুন করে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।
তামাদি আইনের ১৯ ধারার শর্তসমূহ নিম্নরূপ-
- লিখিত হতে হবে
- উক্ত পক্ষ কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে
- অবশ্যই তামাদি মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই করতে হবে
- উক্ত স্বীকৃতি অবশ্যই সম্পত্তি বা অধিকার সম্পর্কে হবে।

⇒ The Limitation Act, 1908, Section 19: Effect of acknowledgement in writing-
(1) Where, before the expiration of the period prescribed for a suit or application in respect of any property or right, an acknowledgement of liability in respect of such property or right has been made in writing signed by the party against whom such property or right is claimed, or by some person through whom he derives title or liability, a fresh period of limitation shall be computed from the time when the acknowledgement was so signed.
(2) Where the writing containing the acknowledgement is undated, oral evidence may be given of the time when it was signed; but, subject to the provisions of the Evidence Act, 1872, oral evidence of its contents shall not be received.
Explanation I- For the purposes of this section an acknowledgement may be sufficient though it omits to specify the exact nature of the property or right, or avers that the time for payment, delivery, performance or enjoyment has not yet come, or is accompanied by a refusal to pay, deliver, perform or permit to enjoy, or is coupled with a claim to a set-off, or is addressed to a person other than the person entitled to the property or right.
Explanation II- For the purposes of this section, “signed” means signed either personally or by an agent duly authorized in this behalf.
Explanation III- For the purposes of this section an application for the execution of a decree or order is an application respect of a right.
৯,৫৫০.
স্থাবর সম্পত্তি নিলাম বিক্রিতে ক্রেতা হিসাবে ঘোষণার অব্যবহিত পরেই ক্রেতাকে ক্রয়মূল্যের ________ টাকা জমা দিতে হবে।
  1. ২৫%
  2. ৫০%
  3. ৭৫%
  4. ৩০%
সঠিক উত্তর:
২৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫%
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৮৪ বিধান অনুযায়ী,
স্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রয়ের ক্রেতা বলে ঘোষিত ব্যক্তি ঘোষণার পরপরই ক্রয়মূল্যের ২৫% টাকা জমা প্রদান করবে এবং তা প্রদানে ব্যর্থ হলে সম্পত্তিটি তখনই পুনরায় নিলামে বিক্রয় করা হবে।

আদেশ ২১ বিধি-৮৪ - ক্রেতা কর্তৃক জমা এবং ব্যর্থতার প্রেক্ষিতে পুনর্বিক্রয়:
১) স্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রয়ে সময় খরিদ্দার বলে ঘোষিত ব্যক্তি বিক্রয় পরিচালনাকারী কর্মচারী কিংবা অপর ব্যক্তির নিকট উক্ত ঘোষণা অব্যবহিত পরই তার ক্রয় মূল্যের টাকার শতকরা পঁচিশ ভাগ টাকা জমা প্রদান করবে এবং অনুরূপ প্রদানে ব্যর্থ হলে সম্পত্তিটি তখনই পুনরায় নিলামে বিক্রয় করা হবে,

২) যেক্ষেত্রে ডিক্রিদার ক্রেতা এবং ৭২ বিধির অধীনে ক্রয় মূল্যের দাবী সমন্বয়ের অধিকারী, সেক্ষেত্রে আদালত এই বিধির আবশ্যকতা পরিত্যাগ করতে পারে
৯,৫৫১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারার বিধান কী?
  1. Rescission for mistake
  2. Principles of rectification
  3. When rescission may be adjudged
  4. Alternative prayer for rescission in suit for specific performance
সঠিক উত্তর:
Rescission for mistake
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Rescission for mistake
ব্যাখ্যা
⇒ SR Act: Section-36. Rescission for mistake:
Rescission of a contract in writing cannot be adjudged for mere mistake, unless the party against whom it is adjudged can be restored to substantially the same position as if the contract had not been made.
----------------------------
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারার বিধান: ভুলের জন্য রদ:
কেবলমাত্র ভুলের জন্য বিচারপূর্বক লিখিত চুক্তি রদ করা যায় না, যদি না যে পক্ষের বিরুদ্ধে রায় প্রদান করা হচ্ছে সে পক্ষকে উল্লেখযোগ্যভাবে একই মর্যাদায় পুনরুদ্ধার করা যায়, যেন কখনও চুক্তিই করা হয় নাই।
৯,৫৫২.
অপরাধীকে বাঁচানোর জন্য অপরাধের সাক্ষ্য নষ্ট করার শাস্তি হতে পারে-
  1. মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে অনধিক ৭ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।
  2. যাবজ্জীবন বা অন্যূন ১০ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে অনধিক ৩ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।
  3. ১০ বছরের কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে মূল কারাদণ্ডের এক চতুর্থাংশ কারাদণ্ড বা  অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২০১ ধারা মতে অপরাধীকে বাঁচানোর জন্য অপরাধের সাক্ষ্য নষ্ট করার শাস্তি হতে পারে-

(i)  মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে অনধিক ৭ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।
(ii)  যাবজ্জীবন বা অন্যূন ১০ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে অনধিক ৩ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।
(iii) ১০ বছরের কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে মূল কারাদণ্ডের এক চতুর্থাংশ কারাদণ্ড বা  অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।

---------------------------------------- 
⇒ দণ্ডবিধির ২০১ ধারার বিধান অপরাধের সাক্ষ্য প্রমাণের বিলোপসাধন অথবা অপরাধীকে অব্যাহতি দেওয়ার মিথ্যা খবর দেওয়া: কোন ব্যক্তি যদি কোন অপরাধীকে আইনের সাজা হতে বাঁচাবার উদ্দেশ্যে, কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানা সত্ত্বেও অথবা অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও, সে অপরাধটি সংঘটনের কোন সাক্ষ্য বা প্রমাণ বিলুপ্ত করে বা করায়, অথবা সে উদ্দেশ্য নিয়ে সে অপরাধটি সম্পর্কে কোন খবর দেয়, যা সে মিথ্যা বলে জানে অথবা যা মিথ্যা বলে তার বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে, তখন-

যদি অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:- যদি, যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে সে জানে বা যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে তার বিশ্বাস সে অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে;

যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:- এবং যদি অপরাধটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে;

যদি দশ বৎসর অপেক্ষা কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:- এবং যদি অপরাধটি দশ বৎসর অপেক্ষা কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য যে ধরনের (সম্ভ্রম অথবা বিনাশ্রম) কারাদণ্ডের বিধান করা হয়েছে, সে ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং অপরাধটির জন্য দীর্ঘতম যে মেয়াদের কারাদণ্ডের বিধান করা হয়েছে, তার কারাদণ্ডের মেয়াদ উহার এক চতুর্থাংশ পর্যন্ত যেকোন দৈর্ঘ্যের হবে, অথবা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
----------
⇒ Section 201. Causing disappearance of evidence of offence, or giving false information to screen offender- if a capital offence; if punishable with imprisonment for life; if punishable with less than ten years’ imprisonment:
 Whoever, knowing or having reason to believe that an offence has been committed, causes any evidence of the commission of that offence to disappear, with the intention of screening the offender from legal punishment, or with that intention gives any information respecting the offence which he knows or believes to be false, 
 
shall, if the offence which he knows or believes to have been committed is punishable with death, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine; 
 
and if the offence is punishable with imprisonment for life, or with imprisonment which may extend to ten years, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine; 
 
and if the offence is punishable with imprisonment for any term not extending to ten years, shall be punished with imprisonment of the description provided for the offence, for a term which may extend to one-fourth part of the longest term of the imprisonment provided for the offence, or with fine, or with both. 
 
⇒ Illustration 
A, knowing that B has murdered Z, assists B to hide the body with the intention of screening B from punishment. A is liable to imprisonment of either description for seven years, and also to fine.
৯,৫৫৩.
'স্বীকৃতিকারীর বিপক্ষে স্বীকৃতি প্রমাণ করা যায় কিন্তু পক্ষে প্রমাণ করা যায় না'- এই নীতির ব্যতিক্রম সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ২৩ ধারায়
  2. ২০ ধারায়
  3. ২১ ধারায়
  4. ২২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ ধারায়
ব্যাখ্যা
সাধারণ নিয়ম হলো- 'স্বীকৃতিকারীর বিপক্ষে স্বীকৃতি প্রমাণ করা যায় কিন্তু পক্ষে প্রমাণ করা যায় না' এই নীতির ব্যতিক্রম আছে। সাক্ষ্য আইনের ২১ ধারা অনুযায়ী উক্ত ব্যতিক্রম গুলি নিম্নে উল্লেখ করা হলো:

⇒ স্বীকৃতিকারীর স্বীকৃতি যদি এমন হয় যে স্বীকৃতিকারী মৃত্যু হলে তা প্রাসঙ্গিক হবে তাহলে স্বীকৃতিকারী বা তার প্রতিনিধির পক্ষে তা ব্যবহার করা যাবে।
⇒ স্বীকৃতিতে যদি মানসিক বা দৈহিক সম্পর্কে প্রাসঙ্গিক কোন বিষয় উল্লেখ থাকে, তাহলে উক্ত মানসিক বা দৈহিক বিশেষ অবস্থা বিদ্যমান থাকাকালীন কোন বিবৃতি প্রদান করলে এবং উক্ত বিবৃতি মিথ্যা মনে করা অসম্ভব হলে স্বীকৃতিকারীর পক্ষে তা প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।
⇒ স্বীকৃতি টি যদি স্বীকৃতি হিসেবে প্রাসঙ্গিক না হয়ে ভিন্নভাবে প্রাসঙ্গিক হয়, তাহলে স্বীকৃতিকারী পক্ষে তা ব্যবহার করা যাবে।
৯,৫৫৪.
সাক্ষ্য আইনের বিধান অনুসারে Judicial Confession হলো-
  1. পুলিশের নিকট দোষ স্বীকার
  2. জনগণের নিকট দোষ স্বীকার
  3. পুলিশের চার্জশিট গঠনের সময় দোষ স্বীকার
  4. ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক লিপিবদ্ধ আসামীর দোষ স্বীকার
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক লিপিবদ্ধ আসামীর দোষ স্বীকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক লিপিবদ্ধ আসামীর দোষ স্বীকার
ব্যাখ্যা
⇒ স্বীকারোক্তি বা দোষ স্বীকার (Confession)- কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজের দোষ স্বীকার করে যে বক্তব্য দেয়, তাকে স্বীকারোক্তি বা দোষ স্বীকার (Confession) বলে। ল্যাটিন প্রবচন nemo tenetur seipsum accusare এর বাংলা অর্থ হল কোন ব্যক্তিকে নিজেকে অপরাধী সাব্যস্ত করতে বাধ্য করা যায় না। সাক্ষ্য আইনের ২৪ ধারাতেও বলা হয়েছে "কোন ব্যক্তিকে দোষ স্বীকার করতে বাধ্য করা হলে তা অপ্রাসঙ্গিক হবে।"

⇒ সুতরাং কোন আসামী যদি ক্ষমতাবান ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট কোন প্রকার ভয় ভীতি প্রদর্শন, প্রলোভন ও প্রতিশ্রুতি ব্যতীত স্বেচ্ছায় নিজের দোষ স্বীকার করে, তবে তাকে স্বীকারোক্তি বা Confession বলা হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ২৪ থেকে ৩০, ৮০, ১১৪ (বি), ১৩৩; ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪, ৩৬৪, ৩৩৭ ধারা: দন্ডবিধির ৩৩০, ৩৪৮ ধারা এবং সংবিধানের ৩৫(২) অনুচ্ছেদে Confession বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
৯,৫৫৫.
ধারা ২৪০ অনুযায়ী, অবশিষ্ট অভিযোগ কে প্রত্যাহার করতে পারে?
  1. আসামি
  2. রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী
  3. অভিযোগকারী
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা

ধারা ২৪০ — একাধিক অভিযোগের মধ্যে এক বা একাধিক অভিযোগে দণ্ডিত হলে অবশিষ্ট অভিযোগ প্রত্যাহার:
যখন একই ব্যক্তির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ একত্রে আনা হয় এবং সেই অভিযোগগুলোর মধ্যে এক বা একাধিক অভিযোগে তাকে দোষী সাব্যস্ত (Conviction) করা হয়, তখন—
- অভিযোগকারী (Complainant) অথবা রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (Prosecutor) আদালতের সম্মতিতে অবশিষ্ট অভিযোগ বা অভিযোগসমূহ প্রত্যাহার করতে পারবেন, অথবা
- আদালত নিজ উদ্যোগে ঐ অবশিষ্ট অভিযোগগুলোর তদন্ত বা বিচার স্থগিত রাখতে পারে।

ফলাফল:
ঐ অবশিষ্ট অভিযোগ প্রত্যাহার করলে সেটি সংশ্লিষ্ট অভিযোগে খালাস (Acquittal) বলে গণ্য হবে। তবে, যদি পূর্বের দণ্ডাদেশ (Conviction) বাতিল হয়, তাহলে আদালত (দণ্ডাদেশ বাতিলকারী উচ্চ আদালতের নির্দেশ সাপেক্ষে) পূর্বে প্রত্যাহার করা অভিযোগ বা অভিযোগগুলোর তদন্ত বা বিচার পুনরায় চালিয়ে যেতে পারবে।

৯,৫৫৬.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর কত ধারায় হয়রানিমূলক তল্লাশির শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. ৩৮ ধারায়
  2. ৩১ ধারায়
  3. ৩৯ ধারায়
  4. ৪১ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩৯ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
• মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৩৯ অনুসারে, যদি তল্লাশি, আটক অথবা গ্রেফতার করিবার ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো অফিসার- 

(ক) সন্দেহ করিবার যুক্তিসংগত কোনো কারণ ব্যতিরেকে তল্লাশির নামে কোনো স্থানে প্রবেশ করেন ও তল্লাশি চালান, 

(খ) হয়রানিমূলকভাবে বাজেয়াপ্তযোগ্য কোনো বস্তু তল্লাশি করিবার নামে কোনো ব্যক্তির কোনো সম্পদ আটক করেন, এবং 

(গ) কোনো ব্যক্তিকে হয়রানিমূলক তল্লাশি করেন অথবা গ্রেফতার করেন, তাহা হইলে তিনি অনূর্ধ্ব ১ (এক) বৎসর কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।
৯,৫৫৭.
৩৪০ ধারা অনুসারে কখন ফৌজদারী আদালতে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তি সাক্ষী হতে পারে?
  1. লিখিত অনুরোধের ভিত্তিতে
  2. তদন্তকারীর কর্মকর্তার অনুরোধের ভিত্তিতে
  3. রাষ্ট্রপক্ষের লিখিত অনুরোধের ভিত্তিতে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
লিখিত অনুরোধের ভিত্তিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিখিত অনুরোধের ভিত্তিতে
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৪০ ধারায় ২টি বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে:
(i) উকিলের মাধ্যমে অভিযুক্ত ব্যক্তির আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার দেওয়া হয়েছে।
(ii) অভিযুক্ত ব্যক্তির সাক্ষী হওয়ার যোগ্যতা
♦শর্ত হলো অভিযুক্ত ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসাবে আহ্বান করা যাবে না তার লিখিত অনুরোধ ছাড়া।
♦অর্থাৎ সাক্ষী শুধুমাত্র লিখিত অনুরোধ করলে, আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্মপক্ষ সমর্থনে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য আহ্বান করতে পারে।
৯,৫৫৮.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১৪৪ ধারার অধীনে খতিয়ান প্রস্তুত বা সংশোধনের আদেশ দিলে কোন ধারানুযায়ী ঐ আদেশের বিরুদ্ধে দেওয়ানী আদালতে কোনো প্রতিকার চাওয়া যাবে না?
  1. ১৪৪
  2. ১৪৪A
  3. ১৪৪B
  4. ১৪৫
সঠিক উত্তর:
১৪৪B
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৪B
ব্যাখ্যা
⇒ The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১৪৪খ ধারার বিধান দেওয়ানি আদালতের এখতিয়ারে বিধি-নিষেধ:
-এই অধ্যায় অনুযায়ী কোন খতিয়ান বা স্বত্বলিপি বা তার অংশ বিশেষ প্রস্তুতকরণ, প্রকাশনা, স্বাক্ষরকরণ বা প্রত্যয়ন সম্পর্কে দেওয়ানি আদালতে কোন ধরনের মোকদ্দমা বা আবেদন দাখিল করা যাবে না।
- উক্ত মোকদ্দমা এবং আবেদন যদি দেওয়ানি আদালতে বিচারাধীন থাকে তা আর অগ্রসর হবে না এবং বাতিল হবে।
- উক্তরূপ কোন মোকদ্দমার রায়, ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করা হয় তা অকার্যকর হবে এবং কোন আইনগত বৈধতা থাকবে না।
---------------
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 Section 144B. Bar to jurisdiction of civil court: 
 (1) When an order has been made under sub-section (1) of section 144 directing the preparation or revision of record-of-rights in respect of any area, then, subject to the provisions of section 111, a civil court shall not entertain any suit or application for the alteration of any rent or determination of the status of any tenant of the incidents of any tenancy in such area and if any such suit or application relating to such area is pending before a civil court on or after the date of such order, it shall not be further proceeded with and shall abate and if any judgement, decree or order has been passed in any such suit or any order has been passed on any such application, after the said date, it shall be inoperative and of no legal effect. 

(2) No suit or application shall be brought in a civil court in respect of any order directing the preparation or revision of record-of-rights under this Chapter or in respect of framing, publication, signing or attestation of such a record or a ny part of it, and if any such suit or application is pending before a civil court, it shall not be further proceeded with and shall abate and if any judgment, decree or order has been passed in any such suit or any order has been passed on any such application, it shall be inoperative and of no legal effect.
৯,৫৫৯.
ক ও চ যৌথভাবে একটি ঘোড়ার মালিক। চ-এর অন্যায় ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যে ক ঘোড়াটিকে গুলিবিদ্ধ করে। ক” এর ­অপরাধ-
  1. চুরি
  2. অর্থ আত্মসাৎ
  3. ক্ষতি বা অনিষ্ট সাধন
  4. জোরপূর্বক সম্পত্তি আদায়
সঠিক উত্তর:
ক্ষতি বা অনিষ্ট সাধন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতি বা অনিষ্ট সাধন
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধি ৪২৫ ধারা অনুযায়ী অন্যের অন্যায় ক্ষতি বা লোকসানের (Wrongful loss or damage) উদ্দেশ্যে কোন সম্পত্তি ধ্বংস বা বিনষ্ট অথবা সম্পত্তির মূল্য/উপযোগীতা হ্রাস বা ক্ষতিগ্রস্ত করাকে অনিষ্ট বা ক্ষতি (mischief) বলে।

♦কোন ব্যক্তিকে ক্ষতি বা অনিষ্টসাধনের জন্য দায়ী করতে হলে এটা প্রমান করার প্রয়োজন নেই যে, যে ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্থ হবে সম্পত্তিটি উক্ত ব্যক্তির দখলে বা মালিকানাধীন ছিল। যেহেতু ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যে ক ঘোড়াটিকে গুলিবিদ্ধ করেছে তাই ক” ক্ষতি সাধনের জন্য দোষী হবে।
৯,৫৬০.
ডিজিটাল আকারে চুক্তির অনুমানের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক?
  1. may presume
  2. shall presume
  3. conclusive proof
  4. None of them
সঠিক উত্তর:
shall presume
উত্তর
সঠিক উত্তর:
shall presume
ব্যাখ্যা
• Section 85A- Presumption as to agreements in digital forms:
The Court shall presume that every digital record purporting to be an agreement containing the digital signatures of the parties was so concluded by affixing the digital signature of the parties.

ধারা-৮৫ক: ডিজিটাল আকারে চুক্তির অনুমান:
আদালত অনুমান করবে, যে প্রতিটি ডিজিটাল রেকর্ড পক্ষগুলির ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্বলিত একটি চুক্তি যা পক্ষগুলির ডিজিটাল স্বাক্ষর সংযুক্ত করে সম্পন্ন করা হয়েছিলো।
৯,৫৬১.
ফৌজদারি কার্যবিধির অনুসারে, অনুপস্থিতিতে বিচারের (Trial in absentia) জন্য কতটি জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে হয়?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
→ ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার শুরু করার জন্য ২টি জাতীয় দৈনিক বাংলা পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৩৯খ অনুযায়ী, যদি কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতের সামনে উপস্থিত না হন এবং তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব না হয় বা তিনি আত্মগোপন করেন, তবে আদালত তার অনুপস্থিতিতে বিচার শুরু করতে পারে, তবে তার জন্য কিছু প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে।
- এ ক্ষেত্রে, প্রথম শর্ত হলো, অভিযুক্তকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য ২টি জাতীয় দৈনিক বাংলা পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে হবে। এই বিজ্ঞপ্তিতে অভিযুক্তকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আদালতে হাজির হতে বলা হয়। যদি সেই সময়ের মধ্যে অভিযুক্ত হাজির না হন, তবে আদালত তার অনুপস্থিতিতে বিচারের জন্য সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
- এই প্রক্রিয়াকে "Trial in absentia" বা "অনুপস্থিতিতে বিচার" বলা হয়, যা মূলত তখন করা হয় যখন আদালত বিশ্বাস করে যে, অভিযুক্ত পলায়ন করেছে বা তার গ্রেফতার সম্ভব নয় এবং সে আত্মগোপন করেছে।
- এছাড়াও, ধারা ৮৭ এবং ৮৮ এর বিধান অনুসরণ করতে হয়, যেখানে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করার পর অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা না গেলে এবং আদালত নিশ্চিত হয় যে, তার গ্রেফতার করার কোন সম্ভাবনা নেই, তখনই এই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়।
- এই নিয়মটি নিশ্চিত করে যে, অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচারের আগে যথাযথ প্রচার এবং নোটিফিকেশন প্রকাশ করা হয়েছে, যাতে তার অধিকার ক্ষুণ্ন না হয় এবং আইনের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা থাকে।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure- Section 339B: Trial in absentia-
(1) Where after the compliance with the requirements of section 87 and section 88, the Court has reason to believe that an accused person has absconded or concealing himself so that he cannot be arrested and produced for trial and there is no immediate prospect of arresting him, the Court taking cognizance of the offence complained of shall, by order published in at least two national daily Bengali Newspapers having wide circulation, direct such person to appear before it within such period as may be specified in the order, and if such person fails to comply with such direction, he shall be tried in his absence.
(2) Where in a case after the production or appearance of an accused before the Court or his release on bail, the accused person absconds or fails to appear, the procedure as laid down in sub-section (1) shall not apply and the Court competent to try such person for the offence complained of shall, recording its decision so to do, try such person in his absence.
৯,৫৬২.
তামাদি আইনের ২৩ ধারা কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. মামলা দায়েরের সময়সীমা
  2. অবিরাম চুক্তিভঙ্গ বা অন্যায়
  3. রায় পুনরীক্ষণের সময়সীমা
  4. ডিক্রীর নকল সংগ্রহের সময়
সঠিক উত্তর:
অবিরাম চুক্তিভঙ্গ বা অন্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবিরাম চুক্তিভঙ্গ বা অন্যায়
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ২৩ ধারা বলে, অবিরাম চুক্তিভঙ্গ বা অন্যায় চলাকালীন প্রতি মুহূর্তেই নতুন করে তামাদি শুরু হয়। অর্থাৎ, চুক্তিভঙ্গ বা অন্যায় যতক্ষণ চলবে, ততক্ষণ মামলা করার সময়ও বাড়তে থাকবে। এটা যাতে কেউ দীর্ঘ সময়ের অন্যায়ের জন্য মামলা করতে না পারে বলে নয়।

⇒ The Limitation Act, 1908 এর ২৩ ধারার বিধান অবিরাম চুক্তিভঙ্গ বা অন্যায় করা:
- যেইক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি ভঙ্গ করা হয় এবং যেইক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি নিরপেক্ষভাবে অন্যায় করা হয়, সেক্ষেত্রে চুক্তি ভঙ্গ বা অন্যায় চলাকালীন সময়ের প্রতি মুহূর্তেই নূতন করিয়া তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হইতে শুরু করে।
- এমন অনেক চুক্তি রহিয়াছে, যাহা ভঙ্গ হইলে প্রতি মুহূর্তে নালিশের কারণ উদ্ভব হইতে পারে। চুক্তি বহির্ভূত এমন অনেক লোকসান রহিয়াছে, যাহা প্রতিমুহূর্তে নালিশের কারণের উদ্ভব ঘটায়। এইসব ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ প্রতি মুহূর্তে বৃদ্ধি পায়।
----------
⇒ The Limitation Act, 1908: Section-23: Continuing breaches and wrongs:
In the case of a continuing breach of contract and in the case of a continuing wrong independent of contract, a fresh period of limitation begins to run at every moment of the time during which the breach or the wrong, as the case may be, continues.
৯,৫৬৩.
পেশাগত আচরণ বিধিমালা অনুসারে, বিচারক পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে একজন আইনজীবীর কী ধরনের ভূমিকা রাখা উচিত?
  1. রাজনৈতিক দলের সুপারিশ অনুযায়ী সমর্থন জানানো
  2. পরিবারের সদস্যদের নিয়োগের জন্য বিশেষ সুপারিশ করা
  3. শুধুমাত্র নিজের চেম্বারের সহকর্মীদের পক্ষে সুপারিশ করা
  4. প্রার্থীর আইনি জ্ঞান, বিচারিক দক্ষতা ও চরিত্রগত সততাকে প্রাধান্য দেওয়া
সঠিক উত্তর:
প্রার্থীর আইনি জ্ঞান, বিচারিক দক্ষতা ও চরিত্রগত সততাকে প্রাধান্য দেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রার্থীর আইনি জ্ঞান, বিচারিক দক্ষতা ও চরিত্রগত সততাকে প্রাধান্য দেওয়া
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) প্রার্থীর আইনি জ্ঞান, বিচারিক দক্ষতা ও চরিত্রগত সততাকে প্রাধান্য দেওয়া।
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette অনুযায়ী, একজন অ্যাডভোকেটের দায়িত্ব হলো বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক বিবেচনা, ব্যক্তিগত সম্পর্ক বা পারিবারিক প্রভাব না রেখে শুধুমাত্র আইনি জ্ঞান, বিচারিক দক্ষতা এবং চরিত্রগত সততাকে প্রাধান্য দেওয়া।
এটি বিচারকদের নির্বাচন প্রক্রিয়ার একটি মৌলিক নৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি, যাতে বিচারকদের নির্বাচনের ক্ষেত্রে বিচারিক নিরপেক্ষতা এবং পেশাগত উৎকর্ষ বজায় থাকে। একজন অ্যাডভোকেটকে বিচারক নিয়োগে মুক্ত, নিরপেক্ষ, এবং ন্যায্য প্রক্রিয়ার দিকে মনোযোগ দিতে হবে, এবং তারা অবশ্যই এমন প্রার্থীকে সমর্থন করবেন যারা বিচারকের দায়িত্ব পালনে উপযুক্ত এবং নৈতিকভাবে সৎ।

অতএব, রাজনৈতিক বা পারিবারিক সম্পর্কের ভিত্তিতে বিচারক নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা অনৈতিক এবং আইনিভাবে সমর্থনযোগ্য নয়।

⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette, অধ্যায়-৩, বিধি-৭ অনুযায়ী, একজন অ্যাডভোকেটের দায়িত্ব হচ্ছে বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক বিবেচনা নয়, বরং যোগ্যতা এবং নৈতিকতাকে প্রাধান্য দেওয়া। অ্যাডভোকেটদের উচিত শুধুমাত্র যোগ্য ও নৈতিকভাবে উপযুক্ত ব্যক্তিদের বিচারক হিসেবে নিয়োগের জন্য সমর্থন করা। তারা অবশ্যই চেষ্টা করবেন এমন ব্যক্তিদের নিয়োগ দিতে যারা বিচারকদের দায়িত্ব পালনে মুক্ত এবং নিরপেক্ষ থাকবেন, এবং যারা রাজনৈতিক বা ব্যবসায়িক চাপ থেকে মুক্ত।

7. It is the duty of Advocates to endeavour to prevent political considerations from outweighing judicial fitness in the appointment and selection of Judges. They should protest earnestly and actively against the appointment or selection of persons who are unsuitable for the Bench and thus should strive to have elevated thereto only those willing to forego other employments whether of a business, political or other character, which may embarrass their free and fair consideration of questions before them for decision. The aspiration of Advocates for judicial position should be governed by an impartial estimate of their ability to add honour to the office and not by a desire for the distinction the position may bring to themselves.
৯,৫৬৪.
একজন ব্যক্তি মৃত্যুর আগে বলেন, "আমাকে X হত্যা করেছে।" এই বিবৃতিটি কোন ধারা অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক হবে?
  1. ৩২(১) ধারা
  2. ৩২(২) ধারা
  3. ৩২(৩) ধারা
  4. ৩২(৮) ধারা
সঠিক উত্তর:
৩২(১) ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২(১) ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-
 
ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারন সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যুকালীন ঘোষনা;
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি;
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরনের মামলার উদ্ভব করতে পারে;
iv) সর্বসাধারনের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত;
ⅴ) পারিবারিক দলিল বা উইল;
vi) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি;
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি;
৯,৫৬৫.
তামাদি আইন, ১৯০৮ এর কোন ধারা Trust-related মামলার সময়সীমা নিয়ে বলা হয়েছে?
  1. ধারা ৬
  2. ধারা ১০
  3. ধারা ১৯
  4. ধারা ২৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১০
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১০ এ Trust related মামলার সময়সীমা নিয়ে বলা হয়েছে। এই ধারা অনুসারে, Trustee (বিশ্বাসপালনকারী) বা তার legal representative (আইনি প্রতিনিধি) এর বিরুদ্ধে Trust সম্পত্তি বা তহবিলের conversion (অন্যের কাজে ব্যবহার) বা diversion (অন্য খাতে প্রবাহিত করা) এর জন্য, বা তার হিসাব দাখিলের জন্য মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে কোনো সময়সীমা প্রযোজ্য নয়। অর্থাৎ, এমন মামলা যেকোনো সময় দায়ের করা যায়।

অন্য Options গুলো সম্পর্কে:
ধারা ৬: আইনি অক্ষমতা (minority, insanity ইত্যাদি) সম্পর্কিত।
ধারা ১৯: দায় স্বীকার (acknowledgment) এর মাধ্যমে সময়সীমা পুনরায় শুরু হওয়া সম্পর্কিত।
ধারা ২৬: Easement (সুখ) অধিকার অর্জন সম্পর্কিত।

সুতরাং, Trust-related মামলার সময়সীমা সম্পর্কিত ধারা হলো ধারা ১০। তামাদি আইন, ১৯০৮, ধারা ১০ এর অধীনে ট্রাস্ট-সম্পর্কিত মামলার জন্য বিশেষ বিধান প্রদান করে।

⇒ তামাদি আইনের ১০ ধারা অনুযায়ী, নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে ট্রাস্ট হিসেবে থাকা সম্পত্তির মালিক বা ব্যবস্থাপককে ট্রাস্টি হিসেবে গণ্য করা হয়।
- এই ধারায় বলা হয়েছে, কোনো নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে ট্রাস্ট হিসেবে থাকা সম্পত্তির মালিকের বিরুদ্ধে মামলা কোনো সময়সীমার জন্য বন্ধ হবে না। অর্থাৎ, তামাদি আইনের অন্যান্য বিধানের মতো এখানে নির্দিষ্ট সময়সীমার বাধ্যবাধকতা নেই।
- বিশেষত, হিন্দু, মুসলিম বা বৌদ্ধ ধর্মীয় বা দাতব্য সম্পত্তির ব্যবস্থাপককে ট্রাস্টি হিসেবে গণ্য করা হয় এবং এই সম্পত্তি ট্রাস্টি কর্তৃক নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত বলে বিবেচিত হয়।
-  অর্থাৎ তামাদি আইনের ১০ ধারা অনুসারে, হিন্দু, মুসলিম বা বৌদ্ধ ধর্মীয় বা দাতব্য সম্পত্তির ব্যবস্থাপককে ট্রাস্টি হিসেবে গণ্য করা হয়।
---------
⇒ The Limitation Act:- Section- 10. Suits against express trustees and their representatives:
Notwithstanding anything hereinbefore contained, no suit against a person in whom property has become vested in trust for any specific purpose, or against his legal representatives or assigns (not being assigns for valuable consideration), for the purpose of following in his or their hands such property or the proceeds thereof, or for an account of such property or proceeds, shall be barred by any length of time. 
For the purposes of this section any property comprised in a Hindu, Muslim or Buddhist religious or charitable endowment shall be deemed to be property vested in trust for a specific purpose, and the manager of any such property shall be deemed to be the trustee thereof.

৯,৫৬৬.
The Limitation Act, 1908 এর ধারা ৮ কোন ধরনের মামলায় প্রযোজ্য নয়?
  1. ঋণ আদায়ের মামলা
  2. ঘোষণামূলক মামলা
  3. অগ্রক্রয়ের মামলা
  4. বংশগত পদলাভ সম্পর্কিত মামলা
সঠিক উত্তর:
অগ্রক্রয়ের মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্রক্রয়ের মামলা
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের ৮ ধারার বিধান: বিশেষ ব্যতিক্রম:
৬ অথবা ৭ ধারার কোন কিছুই অগ্রক্রয়ের অধিকার বলবতের মামলায় প্রযোজ্য নহে। যেই মেয়াদের মধ্যে মামলা অবশ্যই দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিতে হইবে, 
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অপারগতার অবসানে বা মৃত্যুর পর তাহা উক্ত ধারাদ্বয়ের কোন কিছুই তিন বৎসরের অধিক বর্ধিত করিয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না।

উদাহরণ:

(ক) ক নাবালক থাকাকালে মিরাস আদায়ের জন্য মামলা করিবার অধিকার লাভ করে। ইহার ১১ বৎসর পর সে সাবালক হয়। সাধারণ আইন অনুসারে ক মামলা দায়ের করিবার জন্য মাত্র অবশিষ্ট এক বৎসর সময় পায়। কিন্তু ৬ ধারা ও অত্র ধারা অনুসারে সে আরও দুই বৎসর অতিরিক্ত সময় পাইবে। অর্থাৎ সাবালক হইবার পর তিন বৎসরের মধ্যে সে মামলা দায়ের করিতে পারিবে।

৯,৫৬৭.
দায়রা জজ কোন ধারার ক্ষমতাবলে cognizance গ্রহণ করেন?
  1. ১৯০
  2. ১৯৩
  3. ১৯৫
  4. ১৯৬
সঠিক উত্তর:
১৯৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৩
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৩ ধারায় দায়রা আদালতকে অপরাধ আমলে নেয়ার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।

• অপরাধ আমলে নেওয়া অর্থ আদালত কর্তৃক কোন অপরাধ বিচারের জন্য গ্রহণ করা।কোন অপরাধ সংঘটিত হলে আদালতে অথবা থানায় অপরাধের অভিযোগ করা যায়।আদালত অপরাধের অভিযোগ পাওয়ার পর তা বিচারের জন্য গ্রহণ করবেন অথবা খারিজ বা ফেরত দিবেন।যদি তিনি গ্রহণ করে মামলার পরবর্তী কার্যক্রম শুরু করেন তখন তাকে অপরাধ আমলে নেয়া বলে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৩ ধারামতে,

দায়রা আদালতের সরাসরি মামলা আমলে নেয়ার এখতিয়ার নেই,ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধ আমলে নেয়ার পর দায়রা আদালতে প্রেরণ করলে দায়রা আদালত বিচারার্থে অপরাধ আমলে নিতে পারেন।অর্থাৎ দায়রা আদালত মূল এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত নয়,তবে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ২০৫(গ) ধারায় মামলা পাঠানো হলেই কেবল উক্ত মামলা দায়রা জজ আমলে নিয়ে বিচার করতে পারেন।

এই ধারার অধীন অতিরিক্ত দায়রা জজ বা যুগ্ম দায়রা জজ ও অপরাধ আমলে নিতে পারেন।নিম্নলিখিত ২টি ক্ষেত্রে অতিরিক্ত দায়রা জজ বা যুগ্ম দায়রা জজ অপরাধ আমলে নিতে পারে । যথা-

i) সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা বিচারের নির্দেশ দিলে; অথবা
ii) দায়রা জজ বিচারের জন্য অতিরিক্ত দায়রা জজ বা যুগ্ম দায়রা জজকে অর্পণ করলে।

৯,৫৬৮.
যদি কারাদণ্ড ছয় মাসের বেশি হয় কিন্তু এক বছর না হয়, নির্জন কারাবাসের সর্বোচ্চ মেয়াদ কত দিন হবে?
  1. ১৪ দিন
  2. ১ মাস
  3. ২ মাস
  4. ৩ মাস
সঠিক উত্তর:
২ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ যদি কারাদণ্ড ছয় মাসের বেশি হয় কিন্তু এক বছর না হয়, নির্জন কারাবাসের সর্বোচ্চ মেয়াদ ২ মাস হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৭৩ ধারার বিধান, নির্জন কারাবাস:- যদি কোন ব্যক্তিকে এমন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত করা হয়, যে অপরাধের জন্য আদালত এই আইনবলে তাকে সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারেন তবে, আদালত তার দণ্ডাজ্ঞার মাধ্যমেই আদেশ করতে পারবেন যে অপরাধীকে তার বিরুদ্ধে প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদের কোন অংশবিশেষের বা কয়েকটি অংশের জন্য-যা সর্বসাকুল্যে তিন মাসের বেশি হতে পারবে না-নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কতসময়ের জন্য অপরাধীকে নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে তা নিম্নে নির্দেশ করা যাচ্ছে: কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক না হলে অনধিক এক মাস পর্যন্ত; কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক কিন্তু এক বৎসরের অনধিক হলে অনধিক দুই মাস পর্যন্ত; কারাদণ্ডের মেয়াদ এক বৎসরের অধিক হলে অনধিক তিন মাস পর্যন্ত।

⇒ দণ্ডবিধির ৭৪ ধারার বিধান, নির্জন কারাবাসে সাজার সীমা:- নির্জন কারাবাস আদেশ কার্যকরীকরণে অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদ কোন ক্ষেত্রেই একাদিক্রমে ১৪ দিনের বেশি হবে না এবং কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদও কারাবাসের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না; প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ তিন মাসের বেশি হলে প্রদত্ত কারাদণ্ডের সমগ্র মেয়াদের মধ্যে কোন এক মাসে নির্জন কারাবাসের মেয়াদ সাত দিনের বেশি হবে না এবং অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না।
-----------
⇒Section 73. Solitary confinement:
 Whenever any person is convicted of an offence for which under this Code the Court has power to sentence him to rigorous imprisonment, the Court may, by its sentence, order that the offender shall be kept in solitary confinement for any portion or portions of the imprisonment to which he is sentenced, not exceeding three months in the whole, according to the following scale, that is to say
a time not exceeding one month if the term of imprison-ment shall not exceed six months:
a time not exceeding two months if the term of imprisonment shall exceed six months and shall not exceed one year:
a time not exceeding three months if the term of imprisonment shall exceed one year.

⇒Section 74. Limit of solitary confinement:
In executing a sentence of solitary confinement, such confinement shall in no case exceed fourteen days at a time, with intervals between the periods of solitary confinement of not less duration than such periods, and when the imprisonment awarded shall exceed three months, the solitary confinement shall not exceed seven days in any one month of the whole imprisonment awarded, with intervals between the periods of solitary confinement of not less duration than such periods.
৯,৫৬৯.
আদালত পুনর্বিবেচনার আবেদন প্রত্যাখ্যান করলে, আদেশ ৪৭ বিধি-৭ অনুসারে-
  1. আপিল করা যাবে
  2. আপত্তি তোলা যাবে
  3. আপিল করা যাবে না
  4. উচ্চ আদালতে পুনঃআবেদন করা যাবে
সঠিক উত্তর:
আপিল করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল করা যাবে না
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪৭ বিধি-৭: প্রত্যাখ্যাত আদেশ আপিলযোগ্য নয়, আবেদন মঞ্জুর আদেশের বিরুদ্ধে আপত্তি:

১) আদালত পুনর্বিবেচনার প্রার্থনা অগ্রাহ্যের আদেশ প্রদান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল চলবে না; কিন্তু প্রার্থনা কবুলের আদেশ প্রদান করলে তার বিরুদ্ধে নিম্নোক্ত কারণে আপত্তি পেশ করা যাবে-
ক) বিধি-২ তে বর্ণিত বিধানের পরিপন্থী;
খ) বিধি-৪ এ বর্ণিত বিধানের পরিপন্থী;
গ) আবেদনের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ অতীত হওয়ার পর এবং যথেষ্ট কারণ ব্যতীত সেটি করা হয়েছিল বলে আপত্তি উত্থাপন করা যেতে পারে; আবেদন মঞ্জুর করে প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে, বা সংশ্লিষ্ট মোকদ্দমায় প্রদত্ত চূড়ান্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দাখিল করে ঐরূপ আপত্তি উত্থাপন করা চলবে।
৯,৫৭০.
কোন বিষয়ে আদালত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করার অনুমতি দিতে পারে-
  1. undisputed
  2. documentary evidence
  3. controversial
  4. oral evidence
সঠিক উত্তর:
undisputed
উত্তর
সঠিক উত্তর:
undisputed
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ১৪২ ধারা অনুযায়ী সাধারণত জবানবন্দী বা পুনঃজবানবন্দীতে নির্দেশক প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যায় না, বিরুদ্ধ পক্ষ আপত্তি না তুললে অথবা আদালতের অনুমতি নিয়ে জবানবন্দী বা পুনঃজবানবন্দীতেও ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন জিজ্ঞেস করা যায়।
কখন নির্দেশক বা ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন [Leading qustion] জিজ্ঞেস করা যায়:
i) ভূমিকামূলক বিষয়ে (introductory matters);
ii) অবিতর্কিত বা স্বীকৃত বিষয়ে (undisputed matters);
iii) যথেষ্টমানে প্রমানিত বিষয়ে (matters that have been sufficiently proved); এবং
iv) নির্দিষ্ট পরিচয় দানকারী, বৈসাদৃশ্যমূলক,স্মৃতিচারনমূলক বিষয়ে Leading qustion করা যায়।
৯,৫৭১.
চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর কত ধারার ক্ষেত্রে তামাদি আইন প্রযোজ্য নয়?
  1. ৫ ধারার ক্ষেত্রে
  2. ২৫ ধারার ক্ষেত্রে
  3. ৫২ ধারার ক্ষেত্রে
  4. ৩৫ ধারার ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
২৫ ধারার ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ ধারার ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইন,১৯০৮ এর ধারা ২৯ অনুসারে, তামাদি আইন প্রযোজ্য নয়-

⇒ বিশেষ আইনের ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৫ ধারা
চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ২৫ ধারার ক্ষেত্রে
⇒ বিবাহ বিচ্ছেদ আইন মোতাবেক আনীত মামলার ক্ষেত্রে
⇒ সুখাধিকার আইন, ১৮৮২ এর আওতাভূক্ত এলাকা থেকে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ২৬ ও ২৭ ধারা এবং ২ ধারায় বর্ণিত "সুখাধিকার" এর সংজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।
৯,৫৭২.
যদি অভিযোগকারী মামলার চূড়ান্ত আদেশ হওয়ার আগে ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে নালিশ প্রত্যাহার করেন, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট কোন ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন?
  1. নতুন তদন্তের আদেশ
  2. অভিযুক্তকে মুক্তির আদেশ
  3. অভিযুক্তকে খালাসের আদেশ
  4. অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা চালিয়ে যাওয়ার আদেশ
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে খালাসের আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে খালাসের আদেশ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৮ এ অভিযোগকারী কর্তৃক নালিশ প্রত্যাহারের ফলাফল দেয়া হয়েছে-
ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে মামলার চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যে কোন সময় অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করতে পারে। অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস [Acquittal] দিবে।

⇒ অপরদিকে,ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৪ ধারা অনুযায়ী পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের সম্মতিতে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ রায় ঘোষণার পূর্বে প্রত্যাহার করতে পারে। পাবলিক প্রসিকিউটর অভিযোগ গঠনের আগে মামলা প্রত্যাহার করলে, আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি  (Discharge) দিতে পারে আর অভিযোগ গঠনের পরে মামলা প্রত্যাহার করলে, আদালত অভিযুক্তকে খালাস [Acquittal] দিতে পারে ।

Section-248: Withdrawal of complaint:
If a complainant, at any time before a final order is passed in any case under this Chapter, satisfies the Magistrate that there are sufficient grounds for permitting him to withdraw his complaint the Magistrate may permit him to withdraw the same, and shall thereupon acquit the accused.
৯,৫৭৩.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর কোন ধারায় অধ্যাদেশের অপর কোনো আইনের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বিধান সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ধারা ২
  2. ধারা ৩
  3. ধারা ৪
  4. ধারা ৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩
ব্যাখ্যা

⇒ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৩-এর শিরোনাম হলো "অধ্যাদেশের প্রযোজ্যতা"। এই ধারার উপ-ধারা (১) এ বলা হয়েছে: এই অধ্যাদেশের বিধান কোন আইনের বিধানের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ হলে এই অধ্যাদেশের বিধানই কার্যকর থাকবে।

⇒ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৩-অধ্যাদেশের প্রযোজ্যতা:
(১) এই অধ্যাদেশের কোনো বিধানের সহিত অন্য কোনো আইনের কোনো বিধান যদি অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, তাহা হইলে উক্ত আইনের সংশ্লিষ্ট বিধানের সহিত এই অধ্যাদেশের বিধানটি যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয় ততখানির ক্ষেত্রে এই অধ্যাদেশের বিধান কার্যকর থাকিবে।
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, তথ্য অধিকার সংক্রান্ত বিষয়ের ক্ষেত্রে তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ২০ নং আইন) এর বিধানাবলি কার্যকর থাকিবে।

৯,৫৭৪.
'The Proclamation of Independence' -সংবিধানের কোন তফসিলে সন্নিবেশিত হয়েছে?
  1. ৪র্থ
  2. ৫ম
  3. ৬ষ্ঠ
  4. ৭ম
সঠিক উত্তর:
৭ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ম
ব্যাখ্যা
• পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধানে আরও ৩টি তফসিল সংযোজন করা হয়। স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র (The Proclamation of Independence) সংবিধানের ৭ম তফসিলে সংযোজন করা হয়েছে।

• বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল আছে।

- প্রথম তফসিল : অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন
- দ্বিতীয় তফসিল : রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বিলুপ্ত)
- তৃতীয় তফসিল : শপথ ও ঘোষণা
- চতুর্থ তফসিল : ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানবলী
- পঞ্চম তফসিল : বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ
- ষষ্ঠ তফসিল : বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত স্বাধীনতার ঘোষণা
- সপ্তম তফসিল : মুজিবনগর সরকার জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।
৯,৫৭৫.
ধারা ৩৪২ এর অধীন আসামী আদালতের প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করলে বা মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে, আদালত-
  1. এই বিষয়ে অনুমান করতে পারে
  2. আসামীকে পুনরায় গ্রেফতার করতে পারে
  3. আসামীকে জরিমানা করতে পারে
  4. আসামীকে শাস্তির জন্য দায়ী করবে
সঠিক উত্তর:
এই বিষয়ে অনুমান করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এই বিষয়ে অনুমান করতে পারে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৪২ ধারা অনুযায়ী আদালত আসামীকে পরীক্ষা করতে পারবে। পরীক্ষা করতে পারবে অর্থ হলো প্রসিকিউশন পক্ষের সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে এবং আসামীকে আত্মপক্ষ সমর্থনের আহ্বান জানাবার পূর্বে আদালত আসামীকে মামলা সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্ন করতে পারবে যেন আসামী তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যে উত্থাপিত কোন বিষয় বিশ্লেষণ করতে সক্ষম হয়।
আদালত মামলার বিচার বা অনুসন্ধানের পূর্বে যেকোনো সময়ে এবং আসামীকে কোন পূর্ব সতর্ক করা ছাড়া, আদালত আসামীকে এমন প্রশ্ন করতে পারে। কিন্তু এটা অবশ্যই আসামীকে তার আত্মপক্ষ সমর্থনে আহ্বান করার পূর্বে করতে হবে।

উক্ত ধারা অনুযায়ী,
আদালত অভিযুক্তের নিকট যে প্রশ্ন করে, অভিযুক্ত এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করলে বা মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে, সে শাস্তির জন্য দায়ী হবে না। কিন্তু আদালত এই ক্ষেত্রে অনুমান করতে পারে।

Section 342- Power to examine the accused:
(1) For the purpose of enabling the accused to explain any circumstances appearing in the evidence against him, the Court may, at any stage of any inquiry or trial without previously warning the accused, put such questions to him as the Court considers necessary, and shall, for the purpose aforesaid, question him generally on the case after the witnesses for the prosecution have been examined and before he is called on for his defence. 
 
(2) The accused shall not render himself liable to punishment by refusing to answer such questions, or by giving false answers to them; but the Court may draw such inference from such refusal or answers as it thinks just. 
 
(3) The answers given by the accused may be taken into consideration in such inquiry or trial, and put in evidence for or against him in any other inquiry into, or trial for, any other offence which such answers may tend to show he has committed. 
 
(4) No oath shall be administered to the accused
৯,৫৭৬.
'ক' কে কুমিল্লার জেলা জজ সাক্ষী হিসেবে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়ে সমন প্রদান করেছেন। সুতরাং 'ক' সমন অনুযায়ী সাক্ষী হিসেবে উক্ত জেলা জজের আদালতে হাজির হতে আইনতঃ বাধ্য। কিন্তু 'ক' উচ্ছাকৃতভাবে গরহাজির থাকে। এখানে 'ক' দণ্ডবিধির কোন ধারার অধীনে শাস্তি পাবে?
  1. ১৭৩ ধারা
  2. ১৭৪ ধারা
  3. ১৭৯ ধারা
  4. ১৮৮ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৭৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৪ ধারা
ব্যাখ্যা
• ১৭৪ ধারা মতে সরকারি কর্মচারীর আদেশ অনুসারে সমন বা নোটিশে উল্লেখিত স্থানে হাজির না হওয়ার শাস্তি অনধিক ১ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অনধিক পাঁচশত টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
৯,৫৭৭.
In the event of the death of any son or daughter of the porosities before the opening of successions, the children of such son or daughter, if any, living at the time the succession opens, shall per stripes receive a share equivalent to the share which such son or daughter, as the case may be would have received if alive'- বিধানটি কোন আইনে সন্নিবেশিত হয়েছে?
  1. The Family Courts Ordinance, 1985
  2. The Muslim Family Laws Ordinance, 1961
  3. Mohammedan law
  4. The Muslim Personal Law (Shariat) Application Act, 1937
সঠিক উত্তর:
The Muslim Family Laws Ordinance, 1961
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Muslim Family Laws Ordinance, 1961
ব্যাখ্যা
• The Muslim Family Laws Ordinance, 1961 (মুসলিম পরিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১) উত্তরাধিকার, বিবাহ রেজিস্ট্রি, বহুবিবাহ, তালাক, দেনমোহর ও ভরণপোষণ সংক্রান্ত আইন। এ আইনের ৪নং ধারায় উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী সংশোধন আনা হয়। মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে লা-ওয়ারিশ প্রথাকে বাতিল করা হয়। এ আইনে বলা হয়-

Section 4: Succession

In the event of the death of any son or daughter of the propositus before the opening of succession, the children of such son or daughter, if any, living at the time the succession opens, shall per stirpes receive a share equivalent to the share which such son or daughter, as the case may be, would have received if alive.
 
অর্থাৎ উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি বণ্টিত হওয়ার পূর্বে মৃত ব্যক্তির কোন পুত্র বা কন্যার মৃত্যু হলে, উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি বণ্টিত হওয়ার সময় ঐ পুত্র বা কন্যার সন্তানাদি যদি জীবিত থাকে, তাহলে ঐ মৃত পুত্র বা কন্যা বণ্টনের সময় জীবিত থাকলে সে যে অংশ পেতো, তার সন্তানাদি সমষ্টিগতভাবে অনুরূপ অংশ পাবে।
যা 'Doctrine of Representation' নীতি নামে পরিচিত।
৯,৫৭৮.
ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর অধীন অপরাধসমূহ কোন আদালত কর্তৃক বিচার্য?
  1. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  2. প্রথম শ্রেণির জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. চীফ জুডিসিয়াল বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা

ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর  ধারা ১৯: অপরাধের বিচার:
(১) এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ, আমলযোগ্য (cognizable), ধারা ৪ ও ৫ এ বর্ণিত অপরাধ অ-জামিনযোগ্য (non-bailable), অন্যান্য ধারায় বর্ণিত অপরাধ জামিনযোগ্য এবং আপোষযোগ্য (compoundable) হইবে।

(২) এই আইনের অন্যান্য বিধানাবলি সাপেক্ষে, এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ প্রথম শ্রেণির জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিচার্য হইবে।

(৩) এই আইনের অধীন অপরাধের বিচার মামলা প্রাপ্তির তারিখ হইতে ১৮০ (একশত আশি) দিনের মধ্যে সমাপ্ত করিতে হইবে।

(৪) এই আইনের অন্যান্য বিধানাবলি সাপেক্ষে, এই আইনের অধীন অপরাধের বিচার ও আপিলের ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে।

৯,৫৭৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১১ বিধি ২১ অনুযায়ী, যদি বাদী আদালতের প্রশ্নমালার উত্তর বা দলিলসমূহ উদ্‌ঘাটন/পরিদর্শন আদেশ পালন না করে, আদালত কী করবে?
  1. বাদীকে জরিমানা করবে 
  2. বাদীর মোকদ্দমা খারিজ করবে
  3. বাদীকে নতুন নোটিশ দেবে
  4. বাদীকে আরেকটি সুযোগ দেবে
সঠিক উত্তর:
বাদীর মোকদ্দমা খারিজ করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদীর মোকদ্দমা খারিজ করবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১১ বিধি ২১ অনুযায়ী, যদি বাদী আদালতের প্রশ্নমালার উত্তর বা দলিলসমূহ উদ্‌ঘাটন/পরিদর্শন আদেশ পালন না করে, তবে আদালত বাদীর মোকদ্দমা খারিজ করার আদেশ দিতে পারে। এর মানে হল যে, বাদী যদি আদালতের নির্ধারিত আদেশ মেনে না চলে, তাহলে আদালত বাদীর মামলা খারিজ করে দিতে পারে, অর্থাৎ বাদীর মামলা আর চলবে না।

- এটি আদালতের প্রক্রিয়া যাতে যথাযথ অনুসরণ করা হয় এবং কোন পক্ষ যদি আদালতের আদেশ অমান্য করে, তখন তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়, যা বিচারিক প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা এবং সঠিকতা নিশ্চিত করে।

দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ১১ বিধি ২১ অনুযায়ী:
যখন প্রশ্নকারী পক্ষ অথবা দলিলসমূহ উদ্‌ঘাটন বা পরিদর্শন প্রার্থনাকারী আদালতে আবেদন করেন, তখন আদালত অপরপক্ষকে নিম্নোক্ত আদেশ দিতে পারেন:
- প্রশ্নমালার উত্তরদান (Answer to interrogatories) এর আদেশ।
- দলিলসমূহ প্রকাশ/উদ্‌ঘাটন (Discovery of documents) এর আদেশ।
- দলিলসমূহ পরিদর্শন (Inspection of documents) এর আদেশ।

যদি সংশ্লিষ্ট পক্ষ উপরিউক্ত আদেশ পালন করতে ব্যর্থ হন বা অমান্য করেন, তবে এর ফলাফল হতে পারে:
বাদী ব্যর্থ হলে: বাদীর মোকদ্দমা খারিজ আদেশ দেওয়া হবে।
বিবাদী ব্যর্থ হলে: বিবাদীর আত্মপক্ষ সমর্থন বাতিল (Strike out defence) আদেশ দেওয়া হবে।

প্রতিকার: দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ৪৩ বিধি অনুযায়ী, যেসব আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে, সেগুলি নির্দেশিত আছে। আদেশ ১১ বিধি ২১ অনুযায়ী আদালত যে কোন আদেশ দিলে তা আপিলযোগ্য আদেশ হিসেবে গণ্য হবে। এই আদেশের বিরুদ্ধে Order 43 Rule 1(f) এর অধীনে সংক্ষুব্ধ পক্ষ আপিল করতে পারবে।
৯,৫৮০.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারায় বেআইনিভাবে আটক ব্যক্তিকে উদ্ধারে সার্চ ওয়ারেন্ট সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ৭৬
  2. ৯৬
  3. ৯৮
  4. ১০০
সঠিক উত্তর:
১০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০০ ধারায় বে-আইনীভাবে আটক ব্যক্তিকে পুনরুদ্ধারের জন্য তল্লাশী পরোয়ানা (সার্চ ওয়ারেন্ট) জারির বিধান রয়েছে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ১০০ ধারা-

যখন কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট বা মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেটের এরূপ বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, কোন ব্যক্তিকে এরূপ অবস্থায় আটক রাখা হয়েছে যে আটক রাখা অপরাধের সামিল তখন তিনি তল্লাশী পরোয়ানা প্রদান করতে পারবেন এবং যার প্রতি পরোয়ানাটি নির্দেশিত তিনি পরোয়ানা অনুসারে উক্ত আটক ব্যক্তির জন্য তল্লাশী করতে পারবেন, এবং সেই ব্যক্তিকে পাওয়া গেলে তাকে অবিলম্বে কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট হাজির করতে হবে এবং অবস্থানুসারে যেরূপ মনে করেন সেরূপ উপযুক্ত আদেশ দিবেন।

Section 100- Search for persons wrongfully confined
If any Metropolitan Magistrate, Magistrate of the first class or or an Executive Magistrate has reason to believe that any person is confined under such circumstances that the confinement amounts to an offence, he may issue a search- warrant, and the person to whom such warrant is directed may search for the person so confined; and such search shall be made in accordance therewith, and the person, if found, shall be immediately taken before a Magistrate, who shall make such order as in the circumstances of the case seems proper.
৯,৫৮১.
১০ বছর বয়সী 'ক' একজন উন্মাদ ব্যক্তি। তার মামা তাকে বুঝিয়ে-সুঝিয়ে বিষ খেতে প্ররোচনা দেয়। 'ক' সেই বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করে। তার মামা এই কাজের জন্য সর্বোচ্চ কী শাস্তি পেতে পারে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. অনধিক ১০ বছর কারাদণ্ড
  4. অনধিক ৭ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারা- শিশুর বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:
যদি আঠারো বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তি, কোন উন্মাদ ব্যক্তি, প্রলাপগ্রস্ত ব্যক্তি, নির্বোধ ব্যক্তি, বা কোন ব্যক্তি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি এই আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করে, সেই ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা অনধিক দশ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 305⇒ Abetment of suicide of child or insane person:
If any person under eighteen years of age, any insane person, any delirious person, any idiot, or any person in a state of intoxication commits suicide, whoever abets the commission of such suicide shall be punished with death or imprisonment for life, or imprisonment for a term not exceeding ten years, and shall also be liable to fine.
৯,৫৮২.
বর্তমানে তামাদি আইনের কয়টি ধারা বলবৎ আছে?
  1. ৩২ টি
  2. ২৯ টি
  3. ২৮ টি
  4. ২৫ টি
সঠিক উত্তর:
২৯ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯ টি
ব্যাখ্যা
• সর্বপ্রথম ১৮৫৯ সালে তামাদি আইন পাশ করা হয়। এই আইনটি ১৮৬২ সালে কার্যকর করা হয়। সর্বশেষ ১৯০৮ সালে পুনরায় তামাদি আইন প্রবর্তন করা হয় যা বর্তমানে বাংলাদেশে প্রযোজ্য। এটা ১৯০৮ সালের ৯নং আইন। আইনটি ১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারী হতে কার্যকর হয়।

বর্তমানে তামাদি আইনের ২৯টি ধারা এবং ১টি তফসিল বলবৎ আছে। ধারাসমূহে তামাদির মেয়াদ গণনার পদ্ধতি যেমন কোন সময় বাদ দিয়ে এবং কোন সময় যোগ করে তামাদি গণনা করতে হবে, তামাদির জন্য নির্ধারিত সময়ের পর মোকদ্দমা দায়ের করলে তার ফলাফল, তামাদির বিলম্ব মওকুফ ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং ২৬ থেকে ২৮ ধারা প্রেসক্রিপশন [prescription] ও অর্জন [acquisition] নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
৯,৫৮৩.
দণ্ডবিধির ধারা ৫৪ অনুসারে, মৃত্যুদণ্ডকে অন্য যেকোনো দণ্ডে রূপান্তর করার ক্ষমতা কার আছে?
  1. রাষ্ট্রপতির
  2. সরকারের
  3. হাইকোর্টের
  4. জেলা জজের
সঠিক উত্তর:
সরকারের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারের
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৫৪ অনুসারে, সরকার মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামির সম্মতি ব্যতীত উক্ত দণ্ডকে দণ্ডবিধিতে উল্লিখিত অন্য যেকোনো দণ্ডে (যেমন: যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, সশ্রম কারাদণ্ড ইত্যাদি) রূপান্তর (Commute) করার ক্ষমতা রাখে।

⇒ দণ্ডবিধির  ৫৪ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ড হ্রাসকরণ:- মৃত্যুদণ্ড দান করা যেতে পারে এইরূপ প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধকারীর সম্মতি ব্যতিরেকে উক্ত দত্তকে এই বিধি ও আইন বলে ব্যবস্থিত অন্য যেকোন স্বল্প দণ্ডে রূপান্তরিত করতে পারবেন।
---------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 54. Commutation of sentence of death:- In every case in which sentence of death shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for any other punishment provided by this Code.

৯,৫৮৪.
The Evidence Act, 1872 প্রণয়ন করেন-
  1. James Stephen
  2. James Stuart
  3. James Steven
  4. James Spenser
সঠিক উত্তর:
James Stephen
উত্তর
সঠিক উত্তর:
James Stephen
ব্যাখ্যা
⇒ ১৮৭২ সালের আগে উপমহাদেশে পূর্ণাঙ্গ সাক্ষ্য আইন ছিল না। ১৮৭১ সালে স্যার জেমস স্টিফেন সাক্ষ্য আইন প্রণয়ন করার আগে ১৮৬৮ সালে স্যার হেনরি সামারও একটি খসড়া প্রণয়ন করেছিলেন তা সহায়ক ছিল না বলে বর্জন করা হয়।

⇒ বর্তমান সাক্ষ্য আইন (১৮৭২ সালের ১ নং আইন) পাশ হয় ১৮৭২ সালের ১৫ই মার্চ। কার্যকর হয় একই বছরের পহেলা সেপ্টেম্বর।

⇒ স্যার জেমস স্টিফেনকে সাক্ষ্য আইনের জনক বলা হয়।


⇒ সাক্ষ্য আইন ১৮৭২ সালের ১নং আইন। The Evidence Act, 1872 ( ACT NO. I OF 1872 )

⇒ ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনটি ১১টি অধ্যায়ে (Chapter) বিভক্ত এবং এতে মোট ১৬৭টি ধারা (Section) সন্নিবেশিত রয়েছে। এছাড়াও সাক্ষ্য আইনে ৩টি ভাগ (Part) রয়েছে।
⇒ ১৮৫০ সালে সর্ব প্রথম স্যার হেনরি সামার মেইন সাক্ষ্য আইনের খসড়া বিল তৈরি করলেও তা ভারতে ব্যবহারের অনুপযোগী ছিল। পরবর্তীতে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ১৮৭১ সালে স্যার জেমস স্টিফেনকে (Fitz-James Stephen) সাক্ষ্য আইনের খসড়া প্রস্তুতের দায়িত্ব দেয় এবং স্যার জেমস স্টিফেন ১৮৭১ সালে সাক্ষ্য আইনের খসড়া প্রণয়ন করেন। সুতরাং সাক্ষ্য আইনের খসড়া প্রস্তুতকারী হলো স্যার জেমস স্টিফেন।
৯,৫৮৫.
'ক' মারা গেলেন। তিনি স্ত্রী ও তিন কন্যা রেখে গেছেন। কোনো পুত্র নেই। মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে কন্যাদের জন্য নির্ধারিত অংশ কত হবে?
  1. ১/২
  2. ১/৩
  3. ২/৩
  4. ১/৬
সঠিক উত্তর:
২/৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২/৩
ব্যাখ্যা

উত্তর: গ) ২/৩ অংশ।

⇒ মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে, কন্যার অংশ তিন ধরনের হয়ে থাকে– ১/২, ২/৩ এবং অবশিষ্টাংশভোগী।

যখন ১/২ অংশ পাবে: দুটি শর্ত পূরণ করলে এই অংশ পাবে। তা হলো-
১। কোন পুত্র থাকবে না;
২। একমাত্র কন্যা হিসেবে অংশীদার হলে

যখন ২/৩ অংশ পাবে: দুটি শর্তে এই অংশ পাবে-
১। কোন পুত্র থাকবে না;
২। দুই বা তার অধিক কন্যা থাকলে।

যখন অবশিষ্টাংশভোগী হিসেবে পাবে:
কন্যার সাথে যদি পুত্র ও থাকে তবে কন্যা আর অংশীদার হিসেবে অংশ পায় না। তখন সে অবশিষ্টাংশভোগী হিসেবে পুত্রের সাথে ২:১ অনুপাতে অংশ পাবে। যাকে Tasib Rule বলা হয়।

৯,৫৮৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন-১৮৭৭ এর ৩৫ ধারা অনুযায়ী কয়টি ক্ষেত্রে চুক্তি রদের মোকদ্দমা করা যায়?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন-১৮৭৭ এর ৩৫ ধারা অনুযায়ী ৩ ক্ষেত্রে চুক্তি রদের মোকদ্দমা করা যায়।
(১) যেক্ষেত্রে চুক্তিটি লিখিত এবং বাতিলযোগ্য।
(২) যেক্ষেত্রে চুক্তিটি যে কারনে অবৈধ তা চুক্তি হতে স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয় না এবং যদি বাদী অপেক্ষা বিবাদী বেশি দায়ী।
(৩) ডিক্রী হয়েছে এমন চুক্তির ক্ষেত্রে ক্রেতা মূল্য পরিশোধে ব্যর্থ হয়।
৯,৫৮৭.
নিম্নবর্ণিত কোন বিষয়টি নির্ধারনের জন্য আরজিতে দেওয়ানি মামলার মূল্যায়ন দেখানো হয়?
  1. আদালতের এখতিয়ার
  2. প্রসেস ফি
  3. সম্পদের সীমা
  4. প্রদেয় আয়কর
সঠিক উত্তর:
আদালতের এখতিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের এখতিয়ার
ব্যাখ্যা
♦ আরজিতে কোন কোন বিষয় উল্লেখ করতে হবে তা দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ নং অর্ডারের ১ নং বিধিতে উল্লেখ করা হয়েছে। দেওয়ানী আদালতের এখতিয়ার নির্ধারন করার জন্য আরজিতে দেওয়ানী মামলার মূল্যমান দেখানো হয়। যেমন, যদি আরজিতে উল্লেখ করা হয়, মোকদ্দমার মূল্যমান ৫লক্ষ টাকা, তাহলে  সহকারী জজের নিকট মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।
৯,৫৮৮.
The Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, কবে থেকে কার্যকর হয়?
  1. ৮ মে, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
  2. ৮ জুলাই, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
  3. ৮ আগষ্ট, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
  4. ৮ জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
সঠিক উত্তর:
৮ মে, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ মে, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 (২০২৫ সনের ১৮ নং অধ্যাদেশ) এর সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন বিষয়ক ধারা ১(১) এবং ১(২)-তে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে এই অধ্যাদেশটি ৮ মে, ২০২৫ তারিখে জারি হয়েছে এবং এটি অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে। এই তারিখটি অধ্যাদেশের প্রকাশনার সাথে সম্পর্কিত এবং এটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদের অধীনে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতাবলে প্রণীত ও জারি করা হয়েছে।

- অর্থাৎ, প্রশ্নটি The Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance কার্যকর হওয়ার তারিখ সম্পর্কে। প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, The Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 এর ধারা ১(২) তে বলা হয়েছে যে এটি ৮ মে, ২০২৫ তারিখে জারি হয়েছে এবং অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে।

সুতরাং, সঠিক উত্তর: ক) ৮ মে, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ।

- এই অধ্যাদেশটি দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর বিভিন্ন ধারা ও বিধিতে সংশোধনী এনেছে, যার মাধ্যমে মোকদ্দমার প্রক্রিয়া আরও দ্রুত ও কার্যকর করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

৯,৫৮৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারামতে, ট্রেডমার্ক সংক্রান্ত নিচের কোন বিধান সঠিক?
  1. ট্রেডমার্ক সম্পত্তি মর্মে পরিগণিত হবে
  2. ট্রেডমার্ক সম্পত্তি মর্মে পরিগণিত হবে না
  3. ট্রেডমার্ক স্থাবর সম্পত্তির সংজ্ঞার আওতাভুক্ত হবে
  4. বর্ণিত কোনোটিই সঠিক নয়
সঠিক উত্তর:
ট্রেডমার্ক সম্পত্তি মর্মে পরিগণিত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রেডমার্ক সম্পত্তি মর্মে পরিগণিত হবে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারার বিধানে বলা আছে যে,
বিবাদী যখন বাদীর সম্পত্তির অধিকারে বা ভোগ দখলে অনধিকার হস্তক্ষেপ করে বা করার হুমকি দেয়, তখন আদালত ৫টি ক্ষেত্রে বিবাদীর বিরুদ্ধে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করেতে পারে।

(ক) যেক্ষেত্রে প্রতিবাদীর জন্য সম্পত্তির জিম্মাদার;
(খ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘনের ফলে কৃত বাস্তব ক্ষতি অথবা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোন মানদণ্ড নেই;
(গ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘন এমন ধরনের যে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা তার পর্যাপ্ত প্রতিকার করা যাবে না;
(ঘ) যেক্ষেত্রে এমন সম্ভাবনা থাকে যে, অধিকার লঙ্ঘনের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না;
(ঙ) যেক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় কার্যধারার জটিলতা নিবারণের জন্য ইনজাংশন প্রয়োজনীয়।

ব্যাখ্যাঃ এই ধারার লক্ষ্য অনুযায়ী ট্রেডমার্ক সম্পত্তি মর্মে পরিগণিত হবে।
৯,৫৯০.
দেওয়ানি আদালতসমূহের আর্থিক এখতিয়ার সর্বশেষ কবে সংশোধন করা হয়?
  1. ২০১০ সালে
  2. ২০১৮ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০২১ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২১ সালে
ব্যাখ্যা
The Civil Courts Act, 1887 সর্বশেষ সংশোধন করা হয় ২০২১ সালের ১১ই জানুয়ারি এবং উক্ত দিন হতে সংশোধনী আইনটি কার্যকর হয়। উক্ত সংশোধনী দ্বারা ১৯ ও ২১ ধারা সংশোধন করা হয় এবং দেওয়ানী আদালতের আর্থিক এখতিয়ার বৃদ্ধি করা হয়।

• পূর্বে একজন সহকারী জজ দুই লাখ টাকা পর্যন্ত মূল্যমানের (সম্পত্তি বা অর্থে যে অঙ্কের টাকা নিয়ে বিরোধ) মামলা নিষ্পত্তি করতে পারতেন। এখন সেই এখতিয়ার বাড়িয়ে ১৫ লাখ টাকা করা হয়েছে। একইভাবে জ্যেষ্ঠ সহকারী জজের বিচারিক এখতিয়ার চার লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৫ লাখ টাকা এবং আপিল শুনানির ক্ষেত্রে জেলা জজের এখতিয়ার পাঁচ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে পাঁচ কোটি টাকা করা হয়েছে। ৫,০০০,০০০০ (পাঁচ কোটি) টাকার অধিক মূল্যমানের ডিক্রির বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে হবে।
৯,৫৯১.
সংক্ষিপ্ত বিচারে অনধিক ২০০/- টাকা অর্থদণ্ড হলে, ঐ আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার হলো-
  1. রেফারেন্স
  2. আপীল
  3. রিভিশন
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা
•ফৌজদারী কার্যবিধির ৪১৪ ধারায় বলা হয়েছে, ২৬০ ধারার অধীনে সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক দুইশত টাকা জরিমানা করলে ঐ আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে না। এজন্য ঐ আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করতে হবে।
৯,৫৯২.
The penal code 1860 এর বর্ণিত অপরাধ গুলোর মধ্যে সর্বনিম্ন সাজা কোনটি?
  1. এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং 100 টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড
  2. ২৪ ঘন্টা পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড দশ টাকা জরিমান
  3. ২৪ ঘন্টা পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড
  4. একদিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং 50 টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ড
সঠিক উত্তর:
২৪ ঘন্টা পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ ঘন্টা পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৫১০ ধারা অনুযায়ী প্রকাশ্যে মাতাল ব্যক্তির অশুভ আচরণ এর জন্য শাস্তি হতে পারে ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা 10 টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড।
•  ৫১০ ধারাটিতে দণ্ডবিধির সর্বনিম্ন শাস্তি উল্লেখ আছে।
৯,৫৯৩.
তামাদি আইন, ১৯০৮ অনুসারে কাদের আইনগত অক্ষম হিসেবে বিবেচনা করা হয়?
  1. নাবালক
  2. উন্মাদ ব্যক্তি
  3. জড়বুদ্ধি সম্পন্ন ব্যক্তি
  4. উল্লিখিত সকল
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৬ থেকে ৯-এ আইনগত অপারগতা সংক্রান্ত বিধান বর্ণনা করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যখন মামলা করার অধিকার অর্জন করেন কিন্তু কোনো কারণে সে সময় আইনগতভাবে মামলা করতে অক্ষম (Legally Disabled) থাকেন, তখন তামাদি মেয়াদ (Limitation Period) গণনার নিয়ম কিছুটা ভিন্ন হয়।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ (Limitation Act, 1908) এর ধারা ৬ এর বিধান অনুসারে, যেসব ব্যক্তি তাদের বয়স, মানসিক অবস্থা বা বিচারবোধের অভাবের কারণে আইনি কার্যক্রম শুরু করতে স্বাভাবিকভাবে সক্ষম নন, তাদের "আইনগত অক্ষম" (legally disabled) ব্যক্তি হিসেবে গণ্য করা হয়। এই আইন অনুযায়ী তিন শ্রেণির মানুষকে আইনগত অক্ষম হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে:
১) নাবালক (Minor) – যার বয়স ১৮ বছরের নিচে।
২) উন্মাদ ব্যক্তি (Person of Unsound Mind) – মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তি।
৩) জড়বুদ্ধি সম্পন্ন ব্যক্তি (Intellectually Disabled) – বিচারবোধ বা সিদ্ধান্তগ্রহণে অক্ষম ব্যক্তি।
- এইসব ব্যক্তিদের জন্য তামাদি মেয়াদ (Limitation Period) স্থগিত থাকে যতদিন না তারা সম্পূর্ণভাবে সক্ষম হন (অর্থাৎ সাবালক বা মানসিকভাবে সুস্থ)। তারা যখন সম্পূর্ণ সক্ষম হবেন, তখন থেকেই তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে।
- তিনটি অপশন সঠিক এবং তামাদি আইন অনুযায়ী "উল্লিখিত সকল" ব্যক্তিকে আইনগত অক্ষম ধরা হয়। তাই সঠিক উত্তর: ঘ) উল্লিখিত সকল।

- যদি কোনো ব্যক্তি যখন মামলা করার অধিকারী হন, তখন তিনি এই তিনটি অবস্থার যেকোনো একটিতে থাকেন, তাহলে তার তামাদি মেয়াদ শুরু হবে না।
- মেয়াদ গণনা শুরু হবে তখনই, যখন ওই অপারগতার অবসান ঘটবে (যেমন: সাবালক হওয়া, সুস্থ হওয়া ইত্যাদি)।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৭: যৌথ স্বার্থে আইনগত অপারগতা: 
যদি একাধিক ব্যক্তি যৌথভাবে কোনো অধিকার অর্জন করেন এবং তাদের মধ্যে একজন বা একাধিক ব্যক্তি আইনগতভাবে অক্ষম হন, তবে:
- যদি তারা পৃথকভাবে মামলা করতে না পারেন (যেমন—অবিচ্ছেদ্য স্বার্থ), তবে সকলের ক্ষেত্রেই তামাদি মেয়াদ স্থগিত থাকবে, যতক্ষণ না অক্ষম ব্যক্তির অক্ষমতা দূর হয়।
- তবে যদি অন্য ব্যক্তিরা আলাদাভাবে মামলা করতে সক্ষম হন, তাহলে তাদের জন্য তামাদি মেয়াদ চলবে।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৮: ব্যতিক্রম (Exception to Sections 6 & 7)
এই ধারা অনুসারে, কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে ধারা ৬ ও ৭-এ দেওয়া সুবিধা প্রযোজ্য হবে না। যেমন:
১. অগ্রক্রয়ের (Pre-emption) মামলায় – এই ধরনের মামলায় আইনগত অপারগতার কোনো সুবিধা প্রযোজ্য নয়।
২. সর্বোচ্চ সময়সীমা নির্ধারণ – যখন আইনগত অপারগতা দূর হয় বা অক্ষম ব্যক্তি মারা যান, তখন থেকে সর্বোচ্চ ৩ বছরের মধ্যে মামলা করতে হবে।
- যদি ৩ বছরের মধ্যে মামলা না করা হয়, তাহলে তামাদি মেয়াদ পেরিয়ে যাবে এবং মামলা খারিজ হবে।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৯: অপারগতার পরবর্তী অক্ষমতা:
- যখন একজন ব্যক্তি মামলা করার অধিকার অর্জনের সময় সক্ষম (legally capable) থাকেন এবং তামাদি মেয়াদ শুরু হয়ে যায়,
- এরপর যদি তিনি পরবর্তীতে অক্ষম হয়ে পড়েন (যেমন উন্মাদ হন), তাহলে এর প্রভাব তামাদি মেয়াদে পড়বে না।
- অর্থাৎ, একবার শুরু হওয়া তামাদি মেয়াদ আর স্থগিত হবে না।
৯,৫৯৪.
দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর ধারা ৪২৫ অনুযায়ী Mischief বলতে কী বোঝায়?
  1. অন্যকে মারধর করা
  2. ঋণ পরিশোধ না করা
  3. সরকারী দলিল জাল করা
  4. সম্পত্তি ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত করা অসৎ উদ্দেশ্যে
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত করা অসৎ উদ্দেশ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত করা অসৎ উদ্দেশ্যে
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ৪২৫ অনুযায়ী Mischief হলো, কেউ যদি অসৎ উদ্দেশ্যে কারও সম্পত্তি নষ্ট বা ক্ষতিগ্রস্ত করে, যাতে মালিক বা অন্য কারও ক্ষতি বা লোকসান হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৪২৫ ধারার বিধান ক্ষতি বা অনিষ্ট:- কোন ব্যক্তি যদি জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করার উদ্দেশ্যে, অথবা সে জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও কোন সম্পত্তি ধ্বংস বা বিনষ্ট করে, অথবা কোন সম্পত্তিতে বা উহার অবস্থানে এমন কোন পরিবর্তন সাধন করে, যার ফলে উহার মূল্য বা আবশ্যকতা বিনষ্ট হয় বা হ্রাস প্রাপ্ত হয়, বা উহা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'ক্ষতি' সাধন করেছে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা-১: ক্ষতি অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য অপরাধীর ক্ষতিগ্রস্ত কিংবা বিনষ্ট সম্পত্তির মালিকের ক্ষতি বা লোকসান করার ইচ্ছা থাকা প্রয়োজন নয়। কোন সম্পত্তির ক্ষতিসাধন করে কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা ব্যক্তিসানের উদ্দেশ্য থাকলে অথবা সম্পত্তির অনুরূপ ক্ষতিসাধন কর্তৃক কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা ব্যক্তিসানের আশঙ্কা রয়েছে জানা সত্ত্বেও সম্পত্তিটির ক্ষতিসাধন করলে অপরাধটি সংঘটিত হবে, যে সম্পত্তিটির অনুরূপ ক্ষতিসাধন করা হল, সে সম্পত্তিটি অনুরূপে অন্যায়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির সম্পত্তি হোক আর নাই হোক।
ব্যাখ্যা-২: যে ব্যক্তি কাজ সংঘটন করল সে ব্যক্তির নিজের বা মিলিতভাবে সে ব্যক্তির ও অন্যান্য ব্যক্তির সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত করে অনুষ্ঠিত কাজ কর্তৃক ক্ষতি সাধিত হতে পারে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 425. Mischief:
Whoever, with intent to cause, or knowing that he is likely to cause, wrongful loss or damage to the public or to any person, causes the destruction of any property, or any such change in any property or in the situation thereof as destroys or diminishes its value or utility, or affects it injuriously, commits "mischief".
Explanation-1: It is not essential to the offence of mischief that the offender should intend to cause loss or damage to the owner of the property injured or destroyed. It is sufficient if he intends to cause, or knows that he is likely to cause, wrongful loss or damage to any person by injuring any property, whether it belongs to that person or not.
Explanation-2: Mischief may be committed by an act affecting property belonging to the person who commits the act, or to that person and others jointly.

৯,৫৯৫.
বাংলাদেশে ADR-এর জন্য কোন আইনের মধ্যে প্রত্যক্ষ বিধান নেই?
  1. দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮
  2. ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮
  3. অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩
  4. পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮
ব্যাখ্যা

⇒ Alternative Dispute Resolution (ADR) বলতে বোঝায় আদালতের বাইরে আইনি স্বীকৃত উপায়ে (যেমন: মধ্যস্থতা, সালিশ, আপস) বিরোধ নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া, যেখানে পক্ষগণ পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে বিরোধ মেটাতে পারেন।

খ) ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (CrPC):এই আইনটি মূলত ফৌজদারি অপরাধ আমল, তদন্ত, বিচার এবং শাস্তি প্রদানের প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে। এতে মধ্যস্থতা, সালিশ বা সমঝোতার মাধ্যমে বিবাদ নিষ্পত্তির জন্য কোনো সাধারণ বা সরাসরি বিধান নেই।
গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য: এই আইনের ধারা ৩৪৫-এ "অপরাধ আপস" (Compounding of Offences) এর বিধান আছে, যার মাধ্যমে কিছু নির্দিষ্ট অপরাধের ক্ষেত্রে বাদী ও বিবাদীর মধ্যে আপসের মাধ্যমে মামলা নিষ্পত্তি করা যায়। তবে এটিকে ADR বলা যায় না, কারণ এটি শুধুমাত্র আইন দ্বারা স্বীকৃত কিছু অপরাধের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য একটি সীমিত আইনি প্রক্রিয়া, ADR-এর মতো একটি ব্যাপক ও নমনীয় বিবাদ নিষ্পত্তি পদ্ধতি নয়।

অন্য অপশন গুলা:
ক)  দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ (CPC): এই আইনে ADR-এর সরাসরি ও বাধ্যতামূলক বিধান রয়েছে। ধারা ৮৯(ক) ও ৮৯(খ) অনুযায়ী, দেওয়ানি মামলা দায়েরের পর আদালত মধ্যস্থতা, সালিশ বা সমঝোতার মাধ্যমে বিবাদটি নিষ্পত্তির জন্য পক্ষদ্বয়কে উৎসাহিত করবে এবং প্রয়োজনে এর জন্য সময় বেঁধে দেবে।
গ) অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩: এই আইনেও মামলা নিষ্পত্তির জন্য ADR-এর ব্যবস্থা রয়েছে।
আইনে অর্থ ঋণ সংক্রান্ত বিবাদ দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য মধ্যস্থতা ও সমঝোতার মাধ্যমে সমাধানের সুযোগ রাখা হয়েছে।
ঘ) পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩: এই আইনের মূল উদ্দেশ্য হলো পারিবারিক বিবাদগুলো আপস ও মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা।
আইনের ধারা ১১ ও ১৪-এ পারিবারিক বিবাদ নিষ্পত্তিতে আপস ও মধ্যস্থতার ব্যবস্থা সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

সুতরাং, প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে শুধুমাত্র ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এ সরাসরি ADR সংক্রান্ত কোনো বিধান নেই।

৯,৫৯৬.
বায়নানামা চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের জন্য কী শর্ত পূরণ করা আবশ্যক?
  1. চুক্তির বাকি বিনিময় মূল্য আদালতে দাখিল করা
  2. চুক্তিটি নিবন্ধিত হওয়া
  3. চুক্তি হওয়ার ৬ মাসের মধ্যে মামলা দায়ের করা
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন-এর ২১ক ধারায় বলা হয়েছে- বায়নানামা দলিলটি নিবন্ধিত হতে হবে এবং বায়নানামার শর্ত মোতাবেক কোনো টাকা বাকি থাকলে তা আদালতে জমা দিতে হবে। অন্যাথায় সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের ডিক্রি পেতে পারে না।
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ধারা ২১ক এর বিধান অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে অকার্যকরযোগ্যঃ এই আইন কিংবা বিদ্যমান অন্য কোন আইন বিপরীত কোন বিধান থাকলেও কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য হবে না, যদি না-
(ক) চুক্তিটি লিখিত এবং ১৯০৮ সালের চুক্তি আইনের অধীন রেজিষ্ট্রেশন হয়, হস্তান্তর গ্রহীতা ঐ সম্পত্তির কিংবা উহার কোন অংশ দখল গ্রহণ করুক বা না করুক; এবং
(খ) চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করার নিমিত্ত চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মোকদ্দমাটি রুজুর কালে আদালতে জমা দেয়া হয়।
৯,৫৯৭.
যখন আদালত কোনো ঘটনাকে __________ হিসেবে গণ্য করবেন, তখন সেই ঘটনাকে মিথ্যা প্রমাণিত করার জন্য আদালত সাক্ষ্যদানের অনুমতি দেবেন না।
  1. Conclusive Proof
  2. Shall presume
  3. May presume
  4. ক ও খ উভয়
সঠিক উত্তর:
Conclusive Proof
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Conclusive Proof
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৪ ধারার মতে- অনুমান (Presumption) ৩ প্রকার:
১) অনুমান করতে পারে (May presume);
২) অনুমান করবে (Shall presume);
৩) চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof)।

অনুমান করতে পারে (May presume):
যেখানেই এই আইনের বিধান আছে যে, আদালত কোন বিষয় ধরে নিতে পারেন, সেখানে আদালত হয় সেই বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন; না হয় তা প্রমাণ করার আহ্বান জানাবেন।

অনুমান করবে (Shall presume):
যেখানেই এই আইনের নির্দেশ আছে যে, আদালত কোন বিষয় অবশ্যই ধরে নিবেন, সেখানে উক্ত বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন।

চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof):
এই আইনে যখন একটি বিষয়কে অপর একটি বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ বলে গণ্য করা হয়, তখন আদালত প্রথমোক্ত বিষয় প্রমাণিত হলে অপর বিষয়ও প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন এবং তা মিথ্যা প্রমাণিত করার জন্য সাক্ষ্যদানের অনুমতি দিবেন না।
৯,৫৯৮.
"হিবা-বিল-ইওয়াজ" (Hiba-bil-Ewaz) কী?
  1. উইল করা সম্পত্তি
  2. ওয়াকফ সম্পত্তি
  3. বিনা প্রতিদানে দান
  4. প্রতিদান সাপেক্ষে দান
সঠিক উত্তর:
প্রতিদান সাপেক্ষে দান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিদান সাপেক্ষে দান
ব্যাখ্যা

⇒"হিবা-বিল-ইওয়াজ" (Hiba-bil-Ewaz) হলো ইসলামিক আইনে একটি বিশেষ ধরনের দান (হিবা), যেখানে দানের বিনিময়ে দাতা কিছু প্রতিদান (ইওয়াজ) গ্রহণ করেন। এটি সাধারণ "হিবা" (বিনা প্রতিদানে দান) থেকে আলাদা।

হেবা-বিল-এওয়াজ (Heba-bil-Ewaz):
সংজ্ঞা: প্রতীকী কোনো প্রতিদানের বিনিময়ে কোনো সম্পত্তির দানকে বলা হয় হেবা-বিল-এওয়াজ।
প্রক্রিয়া: দাতা (দানকারী) প্রাপকের কাছ থেকে প্রতীকী কোনো বস্তু (যেমন – ধর্মীয় গ্রন্থ, জায়নামাজ, পানির গ্লাস ইত্যাদি) গ্রহণ করে দলিল সম্পাদন করেন।
দলিলের নাম: এই দলিলকে বলা হয় হেবা-বিল-এওয়াজনামা (Deed of Heba-bil-Ewaz)।

৯,৫৯৯.
স্থানীয় শাসন সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানসমূহের দায়িত্ব নির্ধারণ করা হবে কীভাবে?
  1. স্থানীয় জনগণের ভোটে
  2. প্রধানমন্ত্রীর নির্বাহী আদেশে
  3. রাষ্ট্রপতির নির্বাহী আদেশে
  4. সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইনে
সঠিক উত্তর:
সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইনে
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৯(২) অনুযায়ী, স্থানীয় শাসন সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানসমূহের দায়িত্ব সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইনের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে।
→ সংসদ আইনের দ্বারা নির্ধারণ করবে:
- প্রশাসন ও সরকারি কর্মচারীদের কার্যক্রম
- জনশৃঙ্খলা রক্ষা
- জনসাধারণের কল্যাণ ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন

অনুচ্ছেদ ৬০ আরও উল্লেখ করে যে, সংসদ স্থানীয় শাসন প্রতিষ্ঠানসমূহকে কর আরোপ, বাজেট প্রস্তুতকরণ এবং নিজস্ব তহবিল রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষমতা প্রদান করবে।
→ অতএব, স্থানীয় শাসন সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানসমূহের দায়িত্ব সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইনের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৯ স্থানীয় শাসন:
(১) আইনানুযায়ী নির্বাচিত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত প্রতিষ্ঠানসমূহের উপর প্রজাতন্ত্রের প্রত্যেক প্রশাসনিক এককাংশের স্থানীয় শাসনের ভার প্রদান করা হইবে।
(২) এই সংবিধান ও অন্য কোন আইন-সাপেক্ষে সংসদ আইনের দ্বারা যেরূপ নির্দিষ্ট করিবেন, এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় উল্লিখিত অনুরূপ প্রত্যেক প্রতিষ্ঠান যথোপযুক্ত প্রশাসনিক এককাংশের মধ্যে সেইরূপ দায়িত্ব পালন করিবেন এবং অনুরূপ আইনে নিম্নলিখিত বিষয় সংক্রান্ত দায়িত্ব অন্তর্ভুক্ত হইতে পারিবে:
(ক) প্রশাসন ও সরকারী কর্মচারীদের কার্য;
(খ) জনশৃংখলা রক্ষা;
(গ) জনসাধারণের কার্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন-সম্পর্কিত পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ স্থানীয় শাসন- ৬০ সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা:
- এই সংবিধানের ৫৯ অনুচ্ছেদের বিধানাবলীকে পূর্ণ কার্যকরতাদানের উদ্দেশ্যে সংসদ আইনের দ্বারা উক্ত অনুচ্ছেদে উল্লিখিত স্থানীয় শাসন সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানসমূহকে স্থানীয় প্রয়োজনে কর আরোপ করিবার ক্ষমতাসহ বাজেট প্রস্তুতকরণ ও নিজস্ব তহবিল রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষমতা প্রদান করিবেন।

৯,৬০০.
অস্থাবর সম্পত্তির মালিক নয় কিন্তু দখলকারী ব্যক্তিকে কয়টি ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্টভাবে আশু দখলের অধিকারী ব্যক্তির নিকট তা অর্পণ করার জন্য বাধ্য করা যাবে?
  1. ৬টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
⇒ The Specific Relief Act, 1877-এর ১১ ধারায় অস্থাবর সম্পত্তির মালিক নয় এমন ব্যক্তি যদি তা দখল করে থাকে, তাহলে তাকে সুনির্দিষ্টভাবে চারটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে মালিক বা অধিকারী ব্যক্তির নিকট সম্পত্তি ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য বাধ্য করা যাবে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১১ ধারায় তাৎক্ষণিক দখলের অধিকারী ব্যক্তি ৪টি ক্ষেত্রে মামলা করতে পারবে। যথা-
১। যে ক্ষেত্রে বিবাদী ট্রাস্টি বা এজেন্ট হিসেবে বাদীর অস্থাবর সম্পত্তি ধারণ করে
২। বাদীর অস্থাবর সম্পত্তির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত না হয়
৩। ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করা কঠিন হলে 
৪। দাবি কৃত সম্পত্তিটি বিবাদী বেআইনিভাবে দখল/ হস্তান্তর করলে।
১১ ধারায় বাদীকে প্রমাণ করতে হবে যে বাদী সম্পত্তি বা পণ্যটি তাৎক্ষণিক দখলে রাখার অধিকারী।
তবে ১১ ধারায় সম্পত্তির মূল মালিকের বিরুদ্ধে মামলা করা যায় না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১১ ধারার বিধান: অব্যবহিত দখল লাভের অধিকারী ব্যক্তির নিকট থেকে দখল প্রদানের নিমিত্তে মালিক নয় এরূপ দখলকারী ব্যক্তির দায় দায়িত্ব:
-যে সম্পত্তির মালিক সে নিজে নয়, এমন অস্থাবর সম্পত্তির কোন বিশেষ অংশের দখলকারী বা নিয়ন্ত্রণকারী ব্যক্তিকে নিম্নোক্ত যে কোন অবস্থাতে অবিলম্বিত দখল লাভের অধিকারী ব্যক্তির নিকট সেটি প্রদানার্থে সুনির্দিষ্টভাবে বাধ্য করা যেতে পারে-
(ক) যখন দাবীকৃত সম্পত্তি দাবিদারের জিম্মাদারের বা প্রতিনিধি হিসেবে প্রতিবাদীদের নিকট রয়েছে।
(খ) যখন দাবিকৃত বস্তুর ক্ষতি টাকার মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ দাবীদারের পর্যাপ্ত প্রতিকার করবে না।
(গ) যখন দাবীকৃত বস্তুর ক্ষতির কোন সাধিত যথার্থ ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হবে।
(ঘ) যখন দাবীকৃত বস্তুর দখল দাবিদারের নিকট হতে অন্যায়ভাবে হস্তান্তরিত করা হয়েছে।
-----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section-11. Liability of person in possession, not as owner to deliver to person entitled to immediate possession:
-Any person having the possession or control of a particular article of moveable property, of which he is not the owner, may be compelled specifically to deliver it to the person entitled to its immediate possession, in any of the following cases:-
(a) when the thing claimed is held by the defendant as the agent or trustee of the claimant;
(b) when compensation in money would not afford the claimant adequate relief for the loss of the thing claimed;
(c) when it would be extremely difficult to ascertain the actual damage caused by its loss;
(d) when the possession of the thing claimed has been wrongfully transferred from the claimant.