বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা / ১৫৫ · ৮০১৯০০ / ১৫,৪৭০

৮০১.
কোন মামলায় যে কোন পক্ষে একজনের অধিক অ্যাডভোকেট নিযুক্ত থাকলে, মামলা পরিচালনার অধিকার থাকবে-
  1. অ্যাডভোকেট যিনি সর্বপ্রথম নিযুক্ত
  2. নিযুক্তির এ্যাডভোকেটদের মধ্যে যিনি সিনিয়র
  3. যিনি পক্ষ কর্তৃক মনোনীত অ্যাডভোকেট
  4. নিযুক্তির এ্যাডভোকেটদের মধ্যে যে কোন একজন
সঠিক উত্তর:
নিযুক্তির এ্যাডভোকেটদের মধ্যে যিনি সিনিয়র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিযুক্তির এ্যাডভোকেটদের মধ্যে যিনি সিনিয়র
ব্যাখ্যা
⇒ পেশাগত সদাচরণ ও নিয়মানুবর্তিতা [Cannons of Professional Conduct and Etiquette]  ১ম অধ্যায় আইনজীবীদের পারস্পরিক আচরণ[Conduct with regard to other Advocates] বিধি ১১ এর বিধান যদি কোন মামলায় একাধিক আইনজীবী নিযুক্ত হয়ে থাকে, সেই ক্ষেত্রে অধিকার বলে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী উক্ত মামলা পরিচালনা করবে এবং কনিষ্ঠ আইনজীবী তাকে সহযোগিতা করবে।
অর্থাৎ কোন মামলায় একপক্ষে একাধিক আইনজীবী নিয়োজিত হলে, সেই ক্ষেত্রে জৈাষ্ঠ আইনজীবী মামলা পরিচালনা করবে।
---------------------
Rule-11. Where more than one Advocate is engaged on any side it is the right of the senior member to lead the case and the junior members to assist him.
৮০২.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৪৫ক-এর অধীনে বিশেষজ্ঞ সাক্ষীর প্রধান কর্তব্য কী?
  1. সংশ্লিষ্ট পক্ষকে সাহায্য করা
  2. আদালতকে সাহায্য করা
  3. নিজস্ব মতামত গোপন রাখা
  4. অপরাধের প্রতিবেদন সংরক্ষণ করা
সঠিক উত্তর:
আদালতকে সাহায্য করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতকে সাহায্য করা
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারা- শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত:
(১) আদালতের অনুমতি ব্যতীত একজন সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না যদি না তার রিপোর্টের একটি অনুলিপি, উপ-ধারা (২) অনুসারে সমস্ত পক্ষকে দেওয়া না হয়।
(২) একজন বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন আদালতের কাছে পাঠানো হবে এবং সেই পক্ষের কাছে নয় যার পক্ষে তাকে পরীক্ষা করা হয়েছে এবং আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।

অর্থাৎ, শারীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হিসেবে কোন সাক্ষী দিতে-
১. আদালতের অনুমতি গ্রহণ করবে;
২. তার বিশেষজ্ঞ প্রতিবেদন বা মতামতের কপি সকল পক্ষকে সরবরাহ করবে।
৩. আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।

Section 45A: Opinion of experts on physical or forensic evidence.-
( 1) Except by leave of the Court a witness shall not testify as an expert on physical or forensic unless a copy of his report has, pursuant to sub-section (2), been given to all the parties.
(2) An expert’s report shall be addressed to the Court and not to the party on whose behalf he is examined and he shall owe a duty to help the Court.
৮০৩.
ডাকাতি করার প্রস্তুতি হিসেবে অপরাধী পূর্বে অস্ত্র ও মাস্ক সংগ্রহ করেছিল। সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় এই ঘটনা প্রাসঙ্গিক?
  1. ৭ ধারায়
  2. ৮ ধারায়
  3. ৯ ধারায়
  4. ১০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ ধারায়
ব্যাখ্যা

• The Evidence Act, 1872-এর Section 8 অনুযায়ী, কোনো ঘটনার প্রস্তুতি (Preparation), অভিপ্রায় (Motive) এবং পূর্ববর্তী বা পরবর্তী কার্য (Previous or Subsequent Conduct) প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য করা হয়। এখানে অপরাধী ডাকাতি করার জন্য পূর্বে অস্ত্র ও মাস্ক সংগ্রহ করেছিল, যা প্রস্তুতির প্রমাণ, সুতরাং এটি Section 8-এর অধীনে প্রাসঙ্গিক।

অভিপ্রায় (Motive):
একজন ব্যক্তির হত্যার অভিপ্রায় দেখানো যেতে পারে যে, তিনি অপরাধীর মানসিক অবস্থা কি ছিল। যেমন অত্যাধিক ঋণগ্রস্ততা বা প্রতিহিংসার অভিপ্রায়।
উদাহরণ:
ক) এক জীবিত স্ত্রীকে ফেলে অন্য একজনের সাথে বিবাহ করার উদ্দেশ্যে স্বামী প্রথম স্ত্রীকে হত্যা করেছে।
খ) একজন প্রতিবেশীর জমি দখল করার জন্য অন্য প্রতিবেশী তাকে হত্যা করেছে।

প্রস্তুতি (Preparation):
অপরাধ সংঘটনের পূর্ব প্রস্তুতি নেওয়ার প্রমাণ যেমন অস্ত্র সংগ্রহ করা, লুকানো পরিকল্পনা করা ইত্যাদি।
উদাহরণ:
ক) ডাকাতি করার জন্য অপরাধী পূর্বে অস্ত্র ও মাস্ক সংগ্রহ করেছিল।
খ) এক ব্যক্তি তার বন্ধুকে হত্যা করার পরিকল্পনা করে তার বাড়িতে বিষাক্ত খাবার পাঠিয়েছিল।

পূর্ববর্তী কার্য (Previous Conduct):
অপরাধীর পূর্ববর্তী কাজকর্ম যা তার আচরণের ধারা প্রদর্শন করে।
উদাহরণ:
ক) বহুবার স্ত্রীকে নির্যাতন ও মারধর করার পর এক দিন স্বামী তাকে হত্যা করেছে।
খ) এক ব্যক্তি পূর্বে বারবার তার প্রতিবেশীর সম্পত্তি অপহরণ করেছে এবং পরে তাকে হত্যা করেছে।

পরবর্তী কার্য (Subsequent Conduct):
অপরাধের পর অপরাধীর আচরণ যেমন পলাতক অবস্থা, সন্দেহজনক কাজ, মিথ্যা বক্তব্য প্রদান ইত্যাদি।
উদাহরণ:
ক) হত্যাকাণ্ডের পর অপরাধী পালিয়ে গিয়েছিল এবং জামাকাপড় পরিবর্তন করেছিল।
খ) অপরাধের পর অপরাধী তার ছদ্মনাম ব্যবহার করে অন্যত্র পালিয়ে গিয়েছিল।

৮০৪.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী আদালত সমন অমান্যের জন্য অনধিক কত টাকা জরিমানা করতে পারে?
  1. ২০০
  2. ৫০০
  3. ১০০০
  4. ১০০
সঠিক উত্তর:
৫০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০০
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩২ অনুসারে, সমন অমান্যের জন্য যাকে সমন প্রদান করা হয়েছে, আদালত তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে নিম্নোক্ত আদেশসমূহ দিতে পারে-
ক) গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করতে পারেন;
খ) তার সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করতে পারেন;
গ) অনধিক পাঁচশত টাকা জরিমানা করতে পারেন;
ঘ) তার হাজিরার জন্য তাকে জামানত দেয়ার আদেশ করতে পারেন ও জামানত না দিলে তাকে জেলে প্ররণ করতে পারেন।
--------------------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Section-32: Penalty for default-
The Court may compel the attendance of any person to whom a summons has been issued under section 30 and for that purpose may-
a) issue a warrant for his arrest;
b) attach and sell his property;
c) impose a fine upon him not exceeding five hundred Taka; 
d) order him to furnish security for his appearance and in default commit to the civil prison.
৮০৫.
Contract of Bailment সংজ্ঞায়িত হয়েছে?
  1. ধারা ১৩৮
  2. ধারা ১২৮
  3. ধারা ১৪৬
  4. ধারা ১৪৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪৮
ব্যাখ্যা
• চুক্তি আইনের ১৪৮ ধারার বিধান "জিম্মা", "জিম্মাদাতা" এবং "জিম্মাদার" এদের সংজ্ঞা (Bailment, bailor, and bailee defined):

- জিম্মা- চুক্তির ভিত্তিতে কোন ব্যক্তি কর্তৃক অপর কোন ব্যক্তিকে কোনো উদ্দেশ্যে কোন মালপত্র এরূপভাবে প্রদান করা হয় যে, যখন উদ্দেশ্য সাধিত হয় তখন মাল প্রদানকারীর নির্দেশ অনুসারে তা ফেরত দিতে বা অন্যভাবে এর বিলি ব্যবস্থা করতে হবে।

- জিম্মাদাতা- মালামাল প্রদানকারী ব্যক্তিকে জিম্মাদাতা বলা হয়।

- জিম্মাদার- যে ব্যক্তির নিকট এগুলি প্রদান করা হয় তাকে জিম্মাদার বলা হয়।

- জিম্মা এমন একধরনের চুক্তি যেখানে ২টি পক্ষ থাকে। যেমন: জিম্মাদাতা ও জিম্মাদার।
- এই ধরনের চুক্তি দ্বারা অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তর করা যায়।

-----------
Section 148. "Bailment", "bailor", and "bailee" defined:
 A "bailment" is the delivery of goods by one person to another for some purpose, upon a contract that they shall, when the purpose is accomplished, be returned or otherwise disposed of according to the directions of the person delivering them.
The person delivering the goods is called the "bailor".
The person to whom they are delivered is called the "bailee". 
 
Explanation – If a person already in possession of the goods of another contracts to hold them as a bailee, he thereby becomes the bailee, and the owner becomes the bailor, of such goods although they may not have been delivered by way of bailment.
৮০৬.
অতিরিক্ত দায়রা জজ কোন আপীল শুনানী করবেন?
  1. যেকোনো আপীল
  2. শুধুমাত্র দায়রা জজের অনুমোদিত আপীল
  3. শুধুমাত্র সরকারের নির্দেশিত আপীল
  4. দায়রা জজ বা সরকারের নির্দেশিত আপীল
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ বা সরকারের নির্দেশিত আপীল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ বা সরকারের নির্দেশিত আপীল
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪০৯- দায়রা আদালতে আপীলের শুনানীর পদ্ধতি:
দায়রা আদালতে বা দায়রা জজ বরাবর দাখিলকৃত আপীল দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ শ্রবণ করবেন।

শর্ত থাকে যে, অতিরিক্ত দায়রা জজ সেই আপীলই শ্রবণ করবেন, যেগুলোর বিষয়ে সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা নির্দেশ প্রদান করবেন বা দায়রা জজ যেগুলো তাঁর বরাবর অর্পণ করেন।

Section 409- Appeals to Court of Session how heard:
An appeal to the Court of Session or Sessions Judge shall be heard by the Sessions Judge or by an Additional Sessions Judge:
Provided that an Additional Sessions Judge shall hear only such appeals as the Government may by general or special order, direct or as the Sessions Judge of the Division may make over to him.
৮০৭.
'ক' একটি বিল অব এক্সচেঞ্জে নিজের নাম স্বাক্ষর করে। তার উদ্দেশ্য, বিলটিতে নিজের নাম স্বাক্ষর করে তা একই নামের অপর একজন ব্যক্তি কর্তৃক সম্পাদিত হয়েছে বলে বিশ্বাস সৃষ্টি করবে। 'ক' _________ করেছে।
  1. প্রতারণা
  2. মানহানি
  3. জালিয়াতি
  4. মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান
সঠিক উত্তর:
জালিয়াতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জালিয়াতি
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: জালিয়াতি।

দণ্ডবিধির ধারা ৪৬৪: মিথ্যা দলিল তৈরি-
একজন ব্যক্তি মিথ্যা দলিল তৈরি করে বলে গণ্য হবে, যদি সে নিচের যেকোনো এক বা একাধিক উপায়ে কাজ করে:

প্রথমতঃ
যে ব্যক্তি অসৎ উদ্দেশ্যে বা প্রতারণার মাধ্যমে কোনো দলিল বা দলিলের অংশ নিজে তৈরি করে, স্বাক্ষর করে, সীল দেয় বা কার্যকর করে বা এ ধরনের কোনো চিহ্ন তৈরি করে, যাতে এটি বিশ্বাসযোগ্য হয় যে উক্ত দলিলটি এমন একজন ব্যক্তি দ্বারা বা তার অনুমতিতে তৈরি, স্বাক্ষরিত, সীলযুক্ত বা কার্যকর হয়েছে—যার দ্বারা বা অনুমতিতে এটি বাস্তবে করা হয়নি, বা যে সময়ের কথা বলা হচ্ছে, সে সময় এটি করা হয়নি—তাহলে এটি মিথ্যা দলিল তৈরি।

দ্বিতীয়তঃ
যে ব্যক্তি আইনানুগ কর্তৃত্ব ছাড়া, অসৎ বা প্রতারণামূলক উদ্দেশ্যে, নিজের বা অন্য কারো দ্বারা তৈরি করা একটি দলিলে কোনো গুরুত্বপূর্ণ অংশে বদল বা পরিবর্তন করে (যেমন কেটে দেওয়া বা যোগ করা), তা সে ব্যক্তি জীবিত হোক বা মৃত—তাও মিথ্যা দলিল তৈরি হিসেবে গণ্য হবে।

তৃতীয়তঃ
যে ব্যক্তি কারো মানসিক ভারসাম্যহীনতা, মাতলামি বা প্রতারণার কারণে তাকে বুঝতে না দিয়েই দলিলে স্বাক্ষর, সীল বা পরিবর্তন করায়—তবুও এটি মিথ্যা দলিল তৈরির অপরাধ।

ব্যাখ্যা ১:
একজন ব্যক্তি যদি নিজের নামেই স্বাক্ষর করেন, তবুও নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে সেটি জালিয়াতি (Forgery) হিসেবে গণ্য হতে পারে।

উদাহরণ (ক):
A একটি বিল অব এক্সচেঞ্জে নিজের নামেই স্বাক্ষর করে, এই উদ্দেশ্যে যে, যেন লোকে মনে করে বিলটি অন্য একজন (যার নাম A-এর সঙ্গে মিলে যায়) তৈরি করেছে। এইভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানোর উদ্দেশ্যে নিজের নাম ব্যবহার করায়, A জালিয়াতি করেছে।
৮০৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারার বিধান অনুযায়ী আদালত স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করেন?
  1. ১৪৪ ধারায়
  2. ১৪৫ ধারায়
  3. ১৪৬ ধারায়
  4. ১৪৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৪৬ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৬ ধারা মতে জমি বা পানি নিয়ে বিরোধের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট যদি প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে তিনি সম্পত্তি ক্রোক বা রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৬ ধারার বিধান: বিরোধীয় বিষয় ক্রোক করার ক্ষমতা: ম্যাজিষ্ট্রেট যদি সিদ্ধান্ত নেন যে, পক্ষবৃন্দের কেউই সে সময়ে বিরোধী বিষয়বস্তুতে দখলকার ছিলনা, অথবা তাদের মধ্য থেকে কোন পক্ষ সেই সময়ে উহাতে দখলকার ছিল, সেই সম্পর্কে তিনি নিজে সন্তুষ্ট হতে অপারগ হলে আদালতে পক্ষবৃন্দের অধিকার বা দখল পাইবার অধিকারী ব্যক্তি সাব্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত তিনি তা ক্রোক করতে পারবেনঃ

শর্ত থাকে যে, অনুরূপ উপরে বর্ণিত ম্যাজিস্ট্রেট যদি পরিতুষ্ট হন, বিরোধীয় বিষয় সম্পর্কে আর শান্তিভঙ্গের কোনরূপ সম্ভাবনা নেই, সেক্ষেত্রে তিনি যে কোন সময় ক্রোক বাতিল করতে পারেন।

(২) যেক্ষেত্রে কোন ম্যাজিস্ট্রেট বিরোধীয় বস্তু ক্রোক করেন, সেক্ষেত্রে তিনি যদি সঠিক হিসাবে মনে করেন এবং কোন দেওয়ানী আদালত যদি ইতিপূর্বে বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ না করে থাকেন, সেক্ষেত্রে তিনি উহার জন্য একটি তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করতে পারবেন এবং ম্যাজিস্ট্রেটোর নিয়ন্ত্রণ দ্বারা উক্ত তত্ত্বাবধায়কের দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়কের যাবতীয় ক্ষমতা থাকবেঃ

শর্ত থাকে যে, কোন দেওয়ানী আদালত যদি পরবর্তী ধাপে উক্ত বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করেন, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়ক তাঁর বরাবর দখল অর্পণ করবেন এবং অতঃপর তাকে উক্ত দায়িত্ব থেকে রেহাই দেয়া হবে।
৮০৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির অনুসারে, দায়রা আদালতে চার্জ গঠনের সময় অভিযুক্তকে অপরাধ স্বীকার করা সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয় কোন ধারা অনুসারে?
  1. ধারা ২৬৫ক
  2. ধারা ২৬৫ঘ
  3. ধারা ২৬৫চ
  4. ধারা ২৬৫ঙ
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬৫ঘ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬৫ঘ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ অনুযায়ী দায়রা আদালতে বিচার সংক্রান্ত ধারাগুলোর মধ্যে ধারা ২৬৫ঘ (Section 265D) বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এই ধারায় বলা হয়েছে—
“When a charge has been framed, the charge shall be read and explained to the accused and the accused shall be asked whether he pleads guilty or claims to be tried.”
- অর্থাৎ, চার্জ গঠনের সময়, বিচারক: অভিযোগ পড়ে শোনাবেন এবং ব্যাখ্যা করবেন। এরপর অভিযুক্তকে প্রশ্ন করবেন— সে অপরাধ স্বীকার করে কিনা।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 265D. Framing charge:
(1) If, after such consideration and hearing as aforesaid, the Court is of opinion that there is ground for presuming that the accused has committed an offence, it shall frame in writing a charge against the accused. 
(2) Where the Court frames a charge under sub-section (1), the charge shall be read and explained to the accused shall be asked whether he pleads guilty of the offence charged or claims to be tried.
৮১০.
কত বছরের পুরাতন ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে সরকার ৯০ক ধারা মতে অনুমান করতে পারেন?
  1. ৫ বছর
  2. ১০ বছর
  3. ১৫ বছর
  4. ৩০ বছর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
ব্যাখ্যা
♦ ২০২২ সালে সাক্ষ্য আইনে যে সংশোধনী আনা হয়েছে তাতে ডিজিটাল ডকুমেন্ট এর বিষয়ে ৯০ক ধারায় অনুমান করার ক্ষমতা দিয়েছে আদালত কে। 

৫ বছরের পুরানো ডিজিটাল রেকর্ড সম্পর্কে আদালত may presume ধরে নিবেন। ডিজিটাল রেকর্ডটি সঠিক ব্যক্তির হেফাজত থেকে দাখিল করতে হবে। ৯০ ধারার দলিলের মতোই ব্যবহার হবে।
৮১১.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্যের (Secondary Evidence) সংজ্ঞা দেওয়া আছে?
  1. ধারা ৬১
  2. ধারা ৬২
  3. ধারা ৬৩
  4. ধারা ৬৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬৩
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৬৩-এই স্পষ্টভাবে মাধ্যমিক সাক্ষ্য (Secondary Evidence)-এর সংজ্ঞা উল্লেখ করা হয়েছে।
অন্য ধারাগুলোর বিষয়:
- ধারা ৬১ → দলিলী সাক্ষ্যের সংজ্ঞা (Documentary Evidence)
- ধারা ৬২ → প্রাথমিক সাক্ষ্যের সংজ্ঞা (Primary Evidence)
- ধারা ৬৪ → দলিল সাধারণত প্রাথমিক সাক্ষ্য দিয়ে প্রমাণ করতে হবে।
সুতরাং মাধ্যমিক সাক্ষ্যের সংজ্ঞা শুধুমাত্র ধারা ৬৩-এ দেওয়া আছে।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ৬৩ ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্য (Secondary Evidence) সম্পর্কিত বিধানাবলি রয়েছে।
এই ধারায় বলা হয়েছে:
১. এই আইনে বর্ণিত বিধানমতে প্রদত্ত সার্টিফাইডকৃত অনুলিপি;
২. যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় মূল থেকে তৈরিকৃত অনুলিপি যা নিজেই অনুলিপির নির্ভুলতা নিশ্চিত করে এবং সেই অনুলিপির সাথে তুলনাকৃত অন্যান্য অনুলিপি;
৩. মূল থেকে তৈরিকৃত বা মূলের সাথে তুলনাকৃত অনুলিপি;
৪. দলিলের মূল অংশবিশেষ যা যারা এটি সম্পাদন করেনি তাদের বিরুদ্ধে গ্রহণযোগ্য;
৫. কোন দলিলের বিষয়বস্তুর মৌখিক বিবরণ যা দেয় এমন কেউ যিনি নিজে এটি দেখেছেন।
-----------
⇒ The Evidence Act, 1872 section 63. Secondary evidence:
-"Secondary evidence means and includes, among other things-
(1) Certified copies given under the provisions hereinafter contained;
(2) Copies made from the original by mechanical processes which in themselves insure the accuracy of the copy, and copies compared with such copies;
(3) Copies made from or compared with the original;
(4) Counterparts of documents as against the parties who did not execute them;
(5) Oral accounts of the contents of a document given by some person who has himself perceived it."

৮১২.
যদি একাধিক ব্যক্তিবর্গ লিখিতভাবে একমত হয়ে একটি বিষয় সম্পর্কে আদালতের মতামত জানার জন্য উপস্থাপন করে, তাহলে দেওয়ানি আদালত নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে-
  1. বিষয়টি পরীক্ষা করবে
  2. মতামত প্রদান করবে
  3. পরীক্ষা ছাড়া মতামত প্রদান করবে
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
ব্যাখ্যা
Section 90- Power to state case for opinion of Court:
Where any persons agree in writing to state a case for the opinion of the Court, then the Court shall try and determine the same in the manner prescribed.

বাংলা অর্থ:
যদি কোনো ব্যক্তিরা লিখিতভাবে একমত হয়ে একটি বিষয়কে আদালতের মতামত জানার জন্য উপস্থাপন করে, তাহলে আদালত নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সেই বিষয়টি পরীক্ষা করবে এবং মতামত প্রদান করবে।

অর্থাৎ, যদি দুই বা তদধিক ব্যক্তি লিখিতভাবে একটি বিষয়কে আদালতের কাছে উপস্থাপন করে এবং সেই বিষয়ে আদালতের মতামত জানতে চায়, তাহলে আদালত নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সেই বিষয়টি পরীক্ষা করবে এবং তার মতামত প্রদান করবে।
৮১৩.
সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারা অনুযায়ী, বোবা সাক্ষীর লিখিত বা ইশারায় প্রদত্ত সাক্ষ্যকে কী হিসেবে গণ্য করা হয়? 
  1. লিখিত সাক্ষ্য 
  2. মৌখিক সাক্ষ্য
  3. বিশেষ সাক্ষ্য
  4. দলিল সাক্ষ্য
সঠিক উত্তর:
মৌখিক সাক্ষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌখিক সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১১৯ বিশেষভাবে বোবা সাক্ষী (Dumb witnesses)-এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ধারা ১১৯-এর অনুসারে বোবা সাক্ষী: একজন সাক্ষী যিনি কথা বলতে অক্ষম, তিনি যেকোনো উপায়ে তার সাক্ষ্য দিতে পারবেন যাতে তা বোধগম্য হয়, যেমন লিখে বা ইশারায়; কিন্তু এই ধরনের লিখিত সাক্ষ্য অবশ্যই লিখিত হতে হবে এবং ইশারা খোলা আদালতে করতে হবে। এভাবে দেওয়া সাক্ষ্য মৌখিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে।

⇒The Evidence Act, 1872 এর ১১৯ ধারা অনুযায়ী, বোবা ব্যক্তি আদালতে প্রকাশ্যে লিখে বা ইশারায় সাক্ষ্য দিতে পারবেন।
এই ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি কোনো সাক্ষী বধির বা বোবা হন এবং সে লিখতে বা ইশারা করতে পারেন, তাহলে তাকে লিখিত বা ইশারার মাধ্যমে সাক্ষ্য দিতে দেওয়া যেতে পারে।
সুতরাং, একজন বোবা সাক্ষীকে আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য দুটি পদ্ধতি অনুসরণ করা যেতে পারে:
লিখিত সাক্ষ্য: বোবা ব্যক্তি তার সাক্ষ্য লিখিতভাবে দিতে পারবেন। তিনি প্রত্যেক প্রশ্নের উত্তর লিখবেন এবং সেই লিখিত উত্তরগুলি আদালতে পাঠ করা হবে।
ইশারার মাধ্যমে সাক্ষ্য: বোবা ব্যক্তি ইশারা করে তার সাক্ষ্য দিতে পারবেন। একজন দোভাষী তার ইশারাগুলি অনুবাদ করবেন এবং সেই অনুবাদগুলি আদালতে পাঠ করা হবে।
--------
⇒The Evidence Act, 1872-Section-119. Dumb witnesses: A witness who is unable to speak may give his evidence in any other manner in which he can make it intelligible, as by writing or by signs; but such writing must be written and the signs made in open Court. Evidence so given shall be deemed to be oral evidence.

৮১৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় “সম্পত্তি বাটোয়ারা বা অংশ পৃথকীকরণ”-এর বিধান রয়েছে?
  1. ৬৫ ধারায়
  2. ৬২ ধারায়
  3. ৫৪ ধারায়
  4. ৫২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ৫৪ নম্বর ধারা (Section 54) বিশেষভাবে “অবিভক্ত সম্পত্তির বাটোয়ারা বা অংশ পৃথকীকরণ” বিষয়ক বিধান প্রদান করে।
- এই ধারায় বলা হয়েছে: যদি ডিক্রি হয়- সরকারি রাজস্বের আওতাভুক্ত অবিভক্ত সম্পত্তির বাটোয়ারা, বা ঐ ধরনের সম্পত্তির নির্দিষ্ট অংশ পৃথকভাবে দখলের জন্য, তবে এই বাটোয়ারা বা অংশ পৃথকীকরণের কার্য সম্পাদন করবে:
- কালেক্টর, অথবা কালেক্টরের মনোনীত গেজেটেড অধস্তন কর্মকর্তা,
এবং এটি সম্পন্ন করতে হবে তৎকালীন প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী (যেমন ভূমি বাটোয়ারা আইন)।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় বিধান সম্পত্তি বাটোয়ারা বা অংশ পৃথকীকরণ (Partition of estate or separation of share): সরকারি রাজস্ব প্রদানের প্রয়োজনে কোন অবিভক্ত সম্পত্তি বাটোয়ারার জন্য বা সম্পত্তির কোন অংশের পৃথক দখলের জন্য ডিক্রি প্রদত্ত হলে, কালেক্টর বা মনোনীত কর্মকর্তা বাটোয়ারা বা অংশ পৃথকীকরণ সম্পন্ন করবেন।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Section-54: Partition of estate or separation of share:
- Where the decree is for the partition of an undivided estate assessed to the payment of revenue to the Government, or for the separate possession of a share of such an estate, the partition of the estate or the separation of the share shall be made by the Collector or any gazetted subordinate of the Collector deputed by him in this behalf, in accordance with the law (if any) for the time being in force relating to the partition, or the separate possession of shares, of such estates.
৮১৫.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারায় আপোসযোগ্য মামলার বিষয় বর্ণিত হয়েছে?
  1. ২০২
  2. ২৫৬
  3. ৩৪০
  4. ৩৪৫
সঠিক উত্তর:
৩৪৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪৫
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৩৪৫ ধারায় আপোসযোগ্য মামলার বিষয় বর্ণিত হয়েছে। 
৮১৬.
কোন ___________ কর্তৃক প্রদত্ত যে কোন দণ্ডের মার্জনা, বিলম্বন ও বিরাম মঞ্জুর করিবার এবং যে কোন দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করিবার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির থাকিবে?
  1. আদালত অথবা ট্রাইব্যুনাল
  2. আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষ
  3. আদালত ও ট্রাইব্যুনাল
  4. আদালত বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষ
সঠিক উত্তর:
আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষ
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদের বিধান: ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার:
- কোন আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত যে−কোন দণ্ডের মার্জনা, বিলম্বন ও বিরাম মঞ্জুর করিবার এবং যে−কোন দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করিবার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির থাকিবে।
----------------
⇒ Article 49. Prerogative of mercy:
The President shall have power to grant pardons, reprieves and respites and to remit, suspend or commute any sentence passed by any court, tribunal or other authority. 
৮১৭.
'ফৌজদারী মামলার ক্ষেত্রে তামাদি আইন প্রযোজ্য নয়'- এই বক্তব্যের ব্যতিক্রম কোনটি?
  1. এজাহার দায়ের
  2. পুলিশ রিপোর্ট দাখিল
  3. চার্জ গঠন
  4. আপিল দায়ের
সঠিক উত্তর:
আপিল দায়ের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল দায়ের
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) আপিল দায়ের।

তামাদি অর্থ বিলুপ্ত বা অচল। তামাদি শব্দটি আরবি ভাষা হতে উদ্ভূত। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আইনগত দাবী আদায় না করলে উক্ত দাবী বাতিল হয়েছে বলে গণ্য হবে এটাই তামাদি।

প্রশ্নে উল্লিখিত বক্তব্যটি হলো - “ফৌজদারী মামলার ক্ষেত্রে তামাদি আইন (Limitation Act) প্রযোজ্য নয়।”
অর্থাৎ, সাধারণভাবে ফৌজদারী মামলায় মামলা দায়ের, তদন্ত, চার্জ গঠন ইত্যাদির ক্ষেত্রে তামাদি আইন প্রযোজ্য হয় না। অর্থাৎ এগুলোর জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা না থাকলেও মামলা চলতে পারে।

কিন্তু ব্যতিক্রম হলো- আপিল (Appeal) দায়েরের ক্ষেত্রে। ফৌজদারী মামলার রায় ঘোষণার পর আপিল দায়েরের নির্দিষ্ট সময়সীমা আছে, যা Limitation Act, 1908 অনুযায়ী নির্ধারিত। যেমন- তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১৫০ অনুচ্ছেদ অনুসারে, মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করার জন্য ৭ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে। এই সময়সীমা দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে গণনা করা হয়।

৮১৮.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর কোন দুটি ধারার বিধানকে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬২ ধারা প্রভাবিত করবে না?
  1. ১৭ ও ১৮ ধারা
  2. ২১ ও ২৩ ধারা
  3. ২৭ ও ৩২(১) ধারা
  4. ৪০ ও ৪১ ধারা
সঠিক উত্তর:
২৭ ও ৩২(১) ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭ ও ৩২(১) ধারা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬২ ধারা: পুলিশকে দেওয়া বিবৃতি স্বাক্ষর করা যাবে না এবং এসব বিবৃতির প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার:
(১) কোনো ব্যক্তি যদি এই অধ্যায়ের অধীনে তদন্ত চলাকালীন পুলিশের কাছে কোনো বিবৃতি প্রদান করেন, তাহলে সেটি লিখিত আকারে লিপিবদ্ধ হলেও তিনি তা স্বাক্ষর করতে পারবেন না। এছাড়া, পুলিশ ডায়েরি বা অন্য কোনো নথিতে থাকা এমন কোনো বিবৃতি তদন্তাধীন অপরাধের বিচার বা তদন্তে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না, যদি না নিম্নলিখিত শর্ত প্রযোজ্য হয়:

প্রথম শর্ত: যদি কোনো সাক্ষী প্রসিকিউশনের পক্ষে সাক্ষ্য দিতে আসেন এবং তার পূর্বে লিপিবদ্ধ করা বিবৃতি থাকে, তাহলে অভিযুক্ত ব্যক্তির অনুরোধে আদালত উক্ত বিবৃতি পর্যালোচনা করতে পারে। সেই অনুযায়ী, অভিযুক্তকে তার একটি অনুলিপি সরবরাহ করা হবে, যাতে সাক্ষীকে বিপরীত প্রমাণ প্রদানের জন্য জেরা করা যায় (প্রমাণ আইন, ১৮৭২-এর ১৪৫ ধারা অনুসারে)। যদি উক্ত বিবৃতির কোনো অংশ বিপরীত প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তবে সেই সাক্ষীর পুনঃজিজ্ঞাসাবাদ (re-examination) চলাকালীন শুধুমাত্র ব্যাখ্যার উদ্দেশ্যে তা ব্যবহার করা যেতে পারে।

দ্বিতীয় শর্ত: যদি আদালত মনে করে যে উক্ত বিবৃতির কোনো অংশ মামলার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, অথবা সেটির প্রকাশ অভিযুক্তের জন্য প্রয়োজনীয় নয় এবং জনস্বার্থে তা অপ্রয়োজনীয় ও ক্ষতিকর, তাহলে আদালত তার মতামত লিপিবদ্ধ করবে (কিন্তু কারণ উল্লেখ করবে না) এবং অভিযুক্তকে সরবরাহকৃত অনুলিপি থেকে সেই অংশ বাদ দেবে।

(২) এই ধারা সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৩২(১) ধারা (মৃত্যুর আগে প্রদত্ত বিবৃতি) বা ২৭ ধারা (অভিযুক্তের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আবিষ্কৃত প্রমাণ) সংক্রান্ত বিধানকে প্রভাবিত করবে না।

৮১৯.
কোন ব্যক্তির বিবাহ বলবৎ থাকা অবস্থায়, সালিশী কাউন্সিলের অনুমতি ব্যতীত পুনরায় কোন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলে অনধিক কত বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে?
  1. ১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে
  2. ৩ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে
  3. ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে
  4. ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে
সঠিক উত্তর:
১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে
ব্যাখ্যা
The Muslim Family Laws Ordinance, 1961 এর ৬ ধারা: বহুবিবাহ:

১) কোন ব্যক্তির বিবাহ বলবৎ থাকা অবস্থায় সে সালিশী কাউন্সিলের লিখিত অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবে না বা ঐরূপ অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ অনুষ্ঠিত হলে তা The Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 এর অধীনে রেজিস্ট্রিকৃত হবে না।

২) অনুমতির দরখাস্ত নির্ধারিত ফি সহ চেয়ারম্যানের নিকট দাখিল করতে হবে ও তাতে প্রস্তাবিত বিবাহের কারণসমূহ এবং এই বিবাহের ব্যাপারে বর্তমানে স্ত্রী কিংবা স্ত্রীগণের সম্মতি নেয়া হয়েছে কিনা তার উল্লেখ থাকতে হবে।

৩) দরখাস্ত গ্রহণ করার পর চেয়ারম্যান আবেদনকারীকে ও বর্তমান স্ত্রী কিংবা স্ত্রীগণের প্রত্যেককে একজন করে প্রতিনিধি মনোনীত করতে বলবেন। উক্তরূপে গঠিত সালিশি কাউন্সিল প্রস্তাবিত বিবাহ প্রয়োজনীয় ও ন্যায়সঙ্গত বলে মনে করলে সেক্ষেত্রে প্রার্থিত আবেদন মঞ্জুর করতে পারবেন।

৪) উক্ত দরখাস্তে বিবেচনা করার সময় সালিশি কাউন্সিল নিষ্পত্তির কারণাদি লিপিবদ্ধ করবেন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যে কোন পক্ষ নির্দিষ্ট ফি প্রদানক্রমে সহকারী জজের নিকট পুনর্বিবেচনার (Revision) জন্য দরখাস্ত দাখিল করতে পারে; তার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে ও কোন আদালতে এই সম্পর্কে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।

৫) কোন লোক যদি সালিশী কাউন্সিলের অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় তবে সে-

ক) বর্তমান স্ত্রী কিংবা স্ত্রী গণের তলবী ও স্থগিত দেনমোহরের সম্পূর্ণ টাকা তৎক্ষণাৎ পরিশোধ করতে হবে। উক্ত টাকা উক্তরুপে পরিশোধ না করা হলে বকেয়া ভূমি রাজস্বরূপে আদায়যোগ্য হবে: এবং
খ) অভিযোগে অপরাধী সাব্যস্ত হলে এর শান্তি- অনধিক ১ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।

Section 6- Polygamy:
(1) No man, during the subsistence of an existing marriage, shall, except with the previous permission in writing of the Arbitration Council, contract another marriage, nor shall any such marriage contracted without such permission be registered under the Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 (LII of 1974). 

(2) An application for permission under sub-section (1) shall be submitted to the Chairman in the prescribed manner, together with the prescribed fee, and shall state the reasons for the proposed marriage, and whether the consent of the existing wife or wives has been obtained thereto.

(3) On receipt of the application under sub-section (2), the Chairman shall ask the applicant and his existing wife or wives each to nominate a representative, and the Arbitration Council so constituted may, if satisfied that the proposed marriage is necessary and just, grant, subject to such conditions, if any, as may be deemed fit, the permission applied for. 

(4) In deciding the application the Arbitration Council shall record its reasons for the decision, and any party may, in the prescribed manner, within the prescribed period, and on payment of the prescribed fee, prefer an application for revision to the Assistant Judge concerned and his decision shall be final and shall not be called in question in any Court. 

(5) Any man who contracts another marriage without the permission of the Arbitration Council shall- 
(a) pay immediately the entire amount of the dower, whether prompt or deferred, due to the existing wife or wives, which amount, if not so paid, shall be recoverable as arrears of land revenue; and 
(b) on conviction upon complaint be punishable with simple imprisonment which may extend to one year, or with fine which may extend to ten thousand taka, or with both.
৮২০.
চুক্তি আইনের ধারা ২৩ অনুযায়ী, কোনো চুক্তির প্রতিদান বা উদ্দেশ্য বৈধ হবে, যদি না—
  1. এটি আইন দ্বারা অনুমোদিত হয়
  2. এটি আইন দ্বারা নিষিদ্ধ হয়
  3. এটি সকল পক্ষের জন্য লাভজনক হয়
  4. এটি আদালতের দ্বারা অনুমোদিত হয়
সঠিক উত্তর:
এটি আইন দ্বারা নিষিদ্ধ হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি আইন দ্বারা নিষিদ্ধ হয়
ব্যাখ্যা

• চুক্তি আইনের ২৩ ধারা: কোন কোন প্রতিদানসমূহ এবং উদ্দেশ্যাবলি আইনানুগ এবং কোন কোনটি আইনানুগ নয়:
একটি চুক্তির প্রতিদান বা উদ্দেশ্য বৈধ বলে গণ্য হয়, যদি তা নিম্নলিখিত না হয় – এটি আইন দ্বারা নিষিদ্ধ,
অথবা এর প্রকৃতি এমন যে অনুমোদিত হলে কোনো আইনের বিধানকে ব্যর্থ করবে, অথবা এটি প্রতারণাপূর্ণ, অথবা এটি অন্য কারো ব্যক্তিগত বা সম্পত্তিগত ক্ষতি সংক্রান্ত বা নির্দেশক, অথবা আদালত এটি অনৈতিক বা জননীতির পরিপন্থি মনে করে।

এই সকল ক্ষেত্রে, চুক্তির প্রতিদান বা উদ্দেশ্য বেআইনি বলে বিবেচিত হয়। যে কোনো চুক্তির উদ্দেশ্য বা প্রতিদান বেআইনি, তা বাতিল।

Section 23- What considerations and objects are lawful and what not:
The consideration or object of an agreement is lawful, unless- it is forbidden by law; or is of such a nature that, if permitted, it would defeat the provisions of any law; or is fraudulent; or involves or implies injury to the person or property of another; or the Court regards it as immoral, or opposed to public policy.
In each of these cases, the consideration or object of an agreement is said to be unlawful. Every agreement of which the object or consideration is unlawful is void.

৮২১.
বেআইনি সমাবেশে যোগদান করার জন্য একজনের সর্বোচ্চ কত সময়ের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ২ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৪২ ধারার বিধান- বেআইনি সমাবেশের সদস্য হওয়া:
যে ব্যক্তি এমন কিছু ঘটনার বিষয়ে অবগত থাকা সত্ত্বেও, যা কোনো সমাবেশকে অবৈধ সমাবেশ (unlawful assembly) হিসেবে পরিণত করে, ইচ্ছাকৃতভাবে সেই সমাবেশে যোগ দেয় অথবা তাতে অংশগ্রহণ অব্যাহত রাখে, সে ব্যক্তি অবৈধ সমাবেশের সদস্য বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪৩ ধারার বিধান- শাস্তি: 
কোন ব্যক্তি যদি বেআইনি সমাবেশে যোগদান করে, তবে তাকে ছয় মাস পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে।

৮২২.
কোনটি অপরাধমূলক প্রবেশ বলিয়া গণ্য হইবে?
  1. কোন ব্যক্তির কোন সম্পদের উপর কোন অপরাধ অনুষ্ঠানে অভিপ্রায় প্রবেশ করে,
  2. সম্পত্তির দখলদার কোন ব্যক্তিকে ভীতিপ্রদর্শন করিবার অভিপ্রায় প্রবেশ করে,
  3. সম্পত্তি দখলদার কোন ব্যাক্তিকে অপমান করিবার অভিপ্রায়ে প্রবেশ করে,
  4. 'ক', 'খ' ও 'গ'-এর বর্ণিত যে কোন একটি।
সঠিক উত্তর:
'ক', 'খ' ও 'গ'-এর বর্ণিত যে কোন একটি।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক', 'খ' ও 'গ'-এর বর্ণিত যে কোন একটি।
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৪১ ধারার বিধান অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ:- কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তির দখলভুক্ত সম্পত্তির মধ্যে বা উপরে প্রবেশ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের বা অনুরূপ সম্পত্তি দখলকারী ব্যক্তিকে ভীতি প্রদর্শনের, অপমান করার বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ প্রবেশ করে, অথবা, আইনানুগভাবে অনুরূপ সম্পত্তির মধ্যে বা উপরে প্রবেশের পর বেআইনীভাবে সেখানে অবস্থান করে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে ভীতি প্রদর্শনের, অপমান করার বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অনুরূপ বে-আইনীভাবে সেখানে অবস্থান করে, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ' করেছে বলে পরিগণিত হবে।
-----------
Section 441: Criminal trespass:- Whoever enters into or upon property in the possession of another with intent to commit an offence or to intimidate, insult or annoy any person in possession of such property. or, having lawfully entered into or upon such property, unlawfully remains there with intent thereby to intimidate insult or annoy any such person, or with intent to commit an offence, is said to commit "criminal trespass".
৮২৩.
আদালত নিম্নলিখিত কোন বিষয়ের বিচারিক দৃষ্টিগোচরে (judicial notice) গ্রহণ করবে?
  1. অপ্রকাশিত আইন
  2. ব্যক্তিগত জীবনের ঘটনা
  3. মামলা পরিচালনাকারী আইনজীবী নাম
  4. বিদেশি ব্যক্তির অভ্যন্তরীণ কাজ
সঠিক উত্তর:
মামলা পরিচালনাকারী আইনজীবী নাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলা পরিচালনাকারী আইনজীবী নাম
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২–এর ধারা ৫৭ অনুসারে, আদালত শুধুমাত্র কিছু নির্দিষ্ট বিষয়ই বিচারিক দৃষ্টিগোচর হিসেবে গ্রহণ করে। এগুলি সাধারণত এমন বিষয় যা সরকারি, রাষ্ট্রীয়, বা বিশেষভাবে স্বীকৃত এবং জনসাধারণের জন্য প্রাসঙ্গিক।
- সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৫৭ অনুযায়ী, আদালত বিচারিকভাবে লক্ষণীয় (Judicial Notice) হিসেবে গ্রহণ করবে, অর্থাৎ এগুলোর জন্য আলাদা প্রমাণের প্রয়োজন নেই:
- মামলা পরিচালনাকারী আইনজীবীর নাম (ধারা ৫৭(১২)): আদালত নিজেই মামলার সঙ্গে জড়িত আইনজীবী, বিচারক ও আদালতের কর্মকর্তাদের নাম ও পদবী স্বীকার করে নেয়।

বিচারিক দৃষ্টিগোচর গ্রহণযোগ্য:
- মামলা পরিচালনাকারী আইনজীবী নাম (গ): আদালত মামলা পরিচালনাকারী আইনজীবীর নাম এবং তার ভূমিকা প্রমাণ করার জন্য বিশেষভাবে দৃষ্টিগোচর নিতে পারে, কারণ এটি আদালতের প্রক্রিয়ার একটি অংশ।

অন্যদিকে, নিচের বিষয়গুলো বিচারিক দৃষ্টিগোচর হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়:
- অপ্রকাশিত আইন (ক): কোনো আইন যদি প্রকাশিত না হয়, তাহলে তা আদালতের বিচারিক দৃষ্টিগোচর হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। আদালত শুধুমাত্র প্রকাশিত আইন ও বিধি অনুসরণ করবে।
- ব্যক্তিগত জীবনের ঘটনা (খ): ব্যক্তিগত ঘটনা বা তথ্য সাধারণত বিচারিক দৃষ্টিগোচর হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়, কারণ এগুলি আদালতে প্রমাণযোগ্য হওয়া উচিত এবং প্রকাশ্যে আদালতের বিবেচনায় আনা যায় না।
- বিদেশি ব্যক্তির অভ্যন্তরীণ কাজ (ঘ): বিদেশি ব্যক্তির অভ্যন্তরীণ কাজ আদালতের বিচারিক দৃষ্টিগোচর হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়, কারণ এই ধরনের বিষয় আন্তর্জাতিক বা রাষ্ট্রীয় বিবেচনায় পড়ে, যেগুলি সাধারণত আদালতের পরিধির বাইরে থাকে।
৮২৪.
The General Clauses Act, 1897-এর ধারা ২২ অনুযায়ী, গৃহীত আইন কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত প্রণীত বিধি বা আদেশ কখন কার্যকর হবে?
  1. সংসদ অনুমোদনের পর
  2. প্রণয়নের সাথে সাথে
  3. যখন আইন কার্যকর হয়
  4. রাষ্ট্রপতির অনুমতির পরে
সঠিক উত্তর:
যখন আইন কার্যকর হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন আইন কার্যকর হয়
ব্যাখ্যা
ধারা ২২- আইন গৃহীত ও কার্যকর হইবার মধ্যবর্তী সময়ে বিধি বা উপ-আইন প্রণয়ন এবং আদেশ জারী:
যে ক্ষেত্রে, গৃহীত হইবার সঙ্গে সঙ্গে কার্যকর হয় না এইরূপ সংসদের কোন আইন বা প্রবিধি দ্বারা, উক্ত আইন বা প্রবিধি প্রয়োগ সম্পর্কে, বা তদধীন কোন আদালত বা দপ্তর প্রতিষ্ঠা, বা কোন বিচারক বা কর্মকর্তার নিয়োগ সম্পর্কে করণীয় বিষয়ে বিধি বা উপ- আইন প্রণয়ন, বা আদেশ জারী করিবার ক্ষমতা প্রদান করা হয়, সেই ক্ষেত্রে উল্লিখিত ক্ষমতা উক্ত আইন বা প্রবিধি গৃহীত হইবার পরবর্তীতে যে কোন সময়ে প্রয়োগ করা যাইবে; কিন্তু উক্তরূপে প্রণীত বা জারীকৃত বিধি, উপ-আইন বা আদেশ, উক্ত আইন বা প্রবিধি প্রবর্তন হইবার পূর্ব পর্যন্ত কার্যকর হইবে না।
৮২৫.
হিন্দুদের বিবাহে কোন অনুষ্ঠানগুলো অপরিহার্য?
  1. দান ও ভিক্ষা
  2. যজ্ঞ ও সপ্তপদী
  3. দত্তহোম ও অর্চনা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
যজ্ঞ ও সপ্তপদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যজ্ঞ ও সপ্তপদী
ব্যাখ্যা

হিন্দু বিবাহে অবশ্য পালনীয় অনুষ্ঠান:
বাংলাদেশে হিন্দুদের বিবাহে নানা প্রকার অনুষ্ঠান দৃষ্ট হয়। বর্ণ এবং স্থানভেদে এইগুলির পার্থক্যও লক্ষ করা যায়। কিন্তু দুইটি অনুষ্ঠান পালন বিবাহ ব্রাহ্ম মতেই হউক অথবা আসুর মতেই হউক অপরিহার্য। যথা:
(১) যজ্ঞ অথবা কুশণ্ডিকা: ইহার অর্থ পবিত্র যজ্ঞাগ্নির সম্মুখে শাস্ত্রীয় নির্দেশ মত বেদমন্ত্র পঠন।

(২) সপ্তপদী:`
ইহার অর্থ বর এবং কন্যার যজ্ঞাগ্নির চারিদিকে যুগ্মভাবে সাত কদম হাঁটা। এই অনুষ্ঠানের সময় বর কন্যাকে যুগ্মভাবে পুরোহিতের মাধ্যমে কতিপয় বেদমন্ত্র পাঠ করিতে হয়, বাংলায় যাহার সারমর্ম বর কন্যার যুগ্মভাবে পবিত্র যজ্ঞাগ্নির সম্মুখে দাম্পত্যজীবনে পরস্পরের প্রতি পরস্পরের দায়িত্ব এবং কর্তব্য বিষয়ে অঙ্গীকার। সপ্তপদী হওয়া মাত্র বিবাহ আইন সম্পন্ন হইয়া যায় দানে অথবা পণে অর্থাৎ ব্রাহ্ম অথবা আসুর যে কোন মতেই বিবাহ হউক না কেন এই দুইটি অনুষ্ঠান অবশ্য পালন করিতে হইবে।

৮২৬.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সংবিধানকে প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন ঘোষণা করা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৫
  2. অনুচ্ছেদ ৬
  3. অনুচ্ছেদ ৭
  4. অনুচ্ছেদ ৭ক
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭
ব্যাখ্যা

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭-এ স্পষ্টভাবে ঘোষণা করা হয়েছে যে, এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তি। এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় বলা হয়েছে যে, প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ, এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হবে। (২) দফায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন, এবং অন্য কোনো আইন যদি এই সংবিধানের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, তবে সেই আইনের অসামঞ্জস্যপূর্ণ অংশ বাতিল হবে।

অর্থাৎ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭-এ স্পষ্টভাবে সংবিধানকে প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) অনুচ্ছেদ ৭।

৮২৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় ঘোষণার ফলাফল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ৪১ ধারা
  2. ৪২ধারা
  3. ৪৩ ধারা 
  4. ৪৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪৩ ধারা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৩ ধারা 
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ধারা ৪৩:,ঘোষণার ফলাফল: এই অধ্যায়ের অধীনে প্রদত্ত ঘোষণা শুধু মামলার পক্ষগণ, এবং তাহাদের মাধ্যমে দাবিদার ব্যক্তিগণের উপর, এবং, যেক্ষেত্রে পক্ষগণের মধ্যে কোনো ট্রাস্টি থাকেন, সেক্ষেত্রে এইরূপ ব্যক্তিগণের উপর যাহারা ঘোষণার দিন পর্যন্ত বাঁচিয়া থাকিতেন, তাহা হইলে এইরূপ পক্ষগণ যাহাদের জন্য ট্রাস্টি হইতেন তাহাদের উপর, অবশ্য পালনীয় হইবে।
উদাহরণ ক একজন হিন্দু ধর্মাবলম্বী, তাহার কথিত স্ত্রী খ এবং তাহার মাকে বিবাদি করিয়া দায়েরকৃত মামলায় তাহার বিবাহ যথারীতি সম্পন্ন হইয়াছে এই ঘোষণা প্রদান এবং তাহার দাম্পত্য অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য আদেশ প্রদানের আবেদন জানান। আদালত সেইরূপ ঘোষণা ও আদেশ প্রদান করে। গ, খ কে তাহার স্ত্রী দাবি করেন এবং খ-কে উদ্ধার করিবার জন্য ক-এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। পূর্ববর্তী মামলায় প্রদত্ত ঘোষণা গ-এর উপর বাধ্যকর নহে।
-----------
The Specific Relief Act, 1877, Section 43, Effect of declaration: A declaration made under this Chapter is binding only on the parties to the suit, persons claiming through them respectively, and, where any of the parties are trustees, on the persons for whom, if in existence at the date of the declaration, such parties would be trustees.
Illustration: A, a Hindu, in a suit to which B, his alleged wife, and her mother, are defendants, seeks a declaration that his marriage was duly solemnized and an order for the restitution of his conjugal rights. The Court makes the declaration and order. C, claiming that B is his wife, then sues A for the recovery of B. The declaration made in the former suit is not binding upon C.

৮২৮.
সাক্ষ্য আইনের ৭৫ ধারার বিধান কী?
  1. সরকারি দলিল
  2. বেসরকারি দলিল
  3. ব্যক্তিগত দলিল
  4. খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৫ ধারার অনুযায়ী বেসরকারি দলিল (Private document)- সরকারি দলিল ব্যতীত সকল দলিলই বেসরকারি বা ব্যক্তিগত দলিল। কবিতা, উইল, বিক্রয় চুক্তি, দানপত্র, মূল বিক্রয় দলিল, কবলা দলিল, চিঠিপত্র সবই বেসরকারি দলিল বা Private document.
------------------------ 
⇒ Private documents
Section 75. All other documents are private.

⇒ Public documents
Section 74. The following documents are public documents:– 
(1) documents forming the acts or records of the acts- 
(i) of the sovereign authority, 
(ii) of official bodies and tribunals, and 
(iii) of public officers, legislative, judicial and executive of any part of Bangladesh or of the Commonwealth, or of a foreign country; 
(2) public records kept in Bangladesh of private documents.
৮২৯.
ক” চুরির দায়ে খ” কে ফৌজদারীতে সৌপর্দ করে। ক” আদালতকে বিস্বাস করতে চায় যে, খ” চুরির কথা গ’ এর নিকট স্বীকার করেছিল। স্বীকৃতির বিষয়টি প্রমাণের দায়ভার-
  1. ক” এর উপর
  2. খ” এর উপর
  3. ক” এর পরিচিত ব্যক্তির
  4. আসামী পক্ষের
সঠিক উত্তর:
ক” এর উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক” এর উপর
ব্যাখ্যা
♦কোনো ব্যক্তি কোনো নির্দিষ্ট তথ্য প্রমাণ করতে চাইলে, তাকে অবশ্যই তা প্রমাণ করতে হবে। যেহেতু ক” আদালতকে বিশ্বাস করাতে চায় যে, খ” চুরির কথা গ” এর নিকট স্বীকার করেছিল, তাই এই নির্দিষ্ট স্বীকৃতির বিষয়টি ক- কে প্রমাণ করতে হবে।
৮৩০.
দায়রা আদালত কোন ধরণের চার্জ গঠন করবে?
  1. মৌখিক
  2. লিখিত
  3. মৌখিক বা লিখিত
  4. আদালতের ইচ্ছানুযায়ী
সঠিক উত্তর:
লিখিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিখিত
ব্যাখ্যা
• ম্যাজিস্ট্রেট এবং দায়রা আদালতে ফৌজদারি মামলার বিচার করা হয়।আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি,চার্জ গঠন,খালাস বা শাস্তি প্রদানের আদেশ দিয়ে থাকে। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫ক-২৬৫জ তে দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

ধারা ২৬৫(ঘ) তে অভিযোগ গঠন সম্পর্কে বলা আছে-
বিবেচনা ও শুনানির পর যদি আদালত অভিমত ব্যক্ত করেন যে, অভিযুক্ত একটা অপরাধ করেছে বা এরূপ মনে করার কারণ আছে,তাহলে আদালত অভিযুক্তের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ (চার্জ) গঠন করবেন।
যেক্ষেত্রে আদালত অভিযোগ গঠন করেন,সেক্ষেত্রে অভিযোগ অভিযুক্তকে পড়ে শুনাতে হবে ও ব্যাখা করতে হবে এবং অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসা করতে হবে যে,সে দোষ স্বীকার করে কিংবা বিচার প্রার্থনা করে কিনা।
৮৩১.
'Supplemental proceedings' - দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারার বিধান?
  1. ধারা ৭৪
  2. ধারা ৮৪
  3. ধারা ৯৪
  4. ধারা ৯৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯৪
ব্যাখ্যা
ধারা ৯৪: সম্পূরক কার্যধারা (Supplemental Proceedings):
ন্যায়বিচার ব্যর্থ হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে আদালত, যদি প্রযোজ্য হয়, নিম্নলিখিত আদেশসমূহ দিতে পারে—

(ক) বিবাদীকে গ্রেফতারের জন্য ওয়ারেন্ট ইস্যু করতে এবং তাকে আদালতে উপস্থিত করাতে, যাতে সে ব্যাখ্যা দিতে পারে কেন তাকে জামিনে না রাখা হবে; এবং যদি সে জামিনের আদেশ মানতে ব্যর্থ হয়, তাহলে তাকে সিভিল হাজতে প্রেরণ করা যেতে পারে।

(খ) বিবাদীকে নির্দেশ দিতে পারে যে, সে যেন তার নিজস্ব কোনো সম্পত্তি আদালতের নিকট উপস্থাপন করতে জামিন প্রদান করে; অথবা আদালত তার সম্পত্তি সংযুক্ত (attachment) করার আদেশ দিতে পারে।

(গ) আদালত অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary Injunction) প্রদান করতে পারে এবং যদি তা অমান্য করা হয়, তাহলে দোষী ব্যক্তিকে সিভিল হাজতে পাঠানো যেতে পারে এবং তার সম্পত্তি সংযুক্ত ও বিক্রয়ের আদেশ দেওয়া যেতে পারে।

(ঘ) কোনো সম্পত্তির রিসিভার (Receiver) নিয়োগ করতে পারে এবং তার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালিত না হলে, তার সম্পত্তি সংযুক্ত ও বিক্রয়ের মাধ্যমে বাধ্য করতে পারে।

(ঙ) আদালত এমন অন্যান্য অন্তর্বর্তী আদেশ (Interlocutory Orders) প্রদান করতে পারে যা ন্যায়সঙ্গত ও উপযুক্ত বলে মনে হয়।
৮৩২.
ক্ষতির সমান অর্থ প্রদানকে __________ বলে।
  1. নামমাত্র ক্ষতিপূরণ
  2. পরিপূরক ক্ষতিপূরণ
  3. দৃষ্টান্তমূলক/শাস্তিমূলক ক্ষতিপূরণ
  4. পূর্ব নির্ধারিত ক্ষতিপূরণ
সঠিক উত্তর:
পরিপূরক ক্ষতিপূরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিপূরক ক্ষতিপূরণ
ব্যাখ্যা
• খেসারত বা ক্ষতিপূরণ (Damages or Compensation): চুক্তিভঙ্গজনিত কারণে ক্ষতিপূরণ বাবদ যে অর্থ পাওয়া যাবে তাকে বলে খেসারত বা ক্ষতিপূরণ। চুক্তি ভঙ্গের কারণে ক্ষতিগ্রস্থ পক্ষের যে লোকসান বা ক্ষতি হয়েছে তা আদায়ের জন্য সে অপর পক্ষের বিরুদ্ধে মামলা দিতে পারবে। আদালত নিম্নবর্ণিত চার প্রকারের খেসারত প্রদানের জন্য নির্দেশ দিতে পারেন-
ক) নামমাত্র ক্ষতিপূরণ
খ) পরিপূরক বা ক্ষতিপূরণমূলক ক্ষতিপূরণ
গ) দৃষ্টান্তমূলক বা শাস্তিমূলক ক্ষতিপূরণ
ঘ) পূর্ব নির্ধারিত ক্ষতিপূরণ

ক) নামমাত্র খেসারত বা ক্ষতিপূরণ(Nominal Damages or Compensation): মামলাকারী (বাদীর) ক্ষতির পরিমাণ খুব সামান্য হলে বা আদালতের বিবেচনার বাদী কোন ক্ষতি না হলে বাদী পক্ষকে ডিক্রী পাবার অধিকারের স্বীকৃতি স্বরূপ নাম মাত্র খেসারত প্রদানের নির্দেশ দিয়ে থাকেন। যেমন- ১ পয়সা বা ১ টাকা ইত্যাদি।

খ) পরিপুরক খেসারত (Compensatory Damages or Compensation) : ক্ষতির সমান অর্থ প্রদানকে পরিপূরক খেসারত বা ক্ষতিপূরণ বলে। যেমন ৫০ টাকা ক্ষতি। তাই ৫০ টাকা দেবার আদেশ প্রদান করা হলো। 

গ) দৃষ্টান্তমূলক/শাস্তিমূলক শিক্ষনীয় খেসারত (Exemplary Punitire or Vindictive Damages) : অনেক ক্ষেত্রে আদালত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসাবে চুক্তিভঙ্গকারীকে প্রকৃত ক্ষতি অপেক্ষা বেশী খেসারত প্রদানের আদেশ দিতে পারেন, ইহাকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিমূলক বা প্রতিহিংসামূলক খেসারত বলে। চুক্তিভঙ্গকারীকে উপযুক্ত শিক্ষা প্রদানের জন্যই এইরূপ নির্দেশ দেয়া হয়।

ঘ) পূর্ব নির্ধারিত খেসারত : চুক্তিতে যদি উল্লেখ থাকে কি ক্ষতি হলে কি খেসারত দিবে, তাকে পূর্ব নির্ধারিত খেসারত বলে। উল্লেখ্য যে, বিবাহের চুক্তি ভঙ্গ, ব্যাংকে টাকা থাকা সত্ত্বেও চেক ফেরৎ, মানহানী মামলা ইত্যাদি ক্ষেত্রে আদালত এরূপ খেসারত প্রদানের নির্দেশ দিতে  পারেন।
৮৩৩.
'ক' জমি বিক্রি করেন। বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রি হয় ৫ জানুয়ারি, ২০২১। ক্রেতা ১০ জানুয়ারি, ২০২১ জমিতে দখল গ্রহণ করেন। অগ্রক্রয়ের মামলা করার সময় শুরু হবে-
  1. ৫ জানুয়ারি, ২০২১ থেকে
  2. ১০ জানুয়ারি, ২০২১ থেকে
  3. চুক্তির দিন থেকে
  4. বিক্রয়ের নোটিশের দিন থেকে
সঠিক উত্তর:
১০ জানুয়ারি, ২০২১ থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ জানুয়ারি, ২০২১ থেকে
ব্যাখ্যা

 ⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১০ অনুচ্ছেদ অনুসারে,
অগ্রক্রয়ের (pre-emption) অধিকার কার্যকর করার জন্য মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ ১ বছর।

এই মেয়াদ গণনা শুরু হয়:
→ ক্রেতা যদি সম্পত্তিতে প্রত্যক্ষ দখল গ্রহণ করে, তাহলে দখল গ্রহণের তারিখ থেকে।
→ যদি ক্রেতা প্রত্যক্ষ দখল গ্রহণ না করে, তাহলে বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রিকৃত হওয়ার তারিখ থেকে।

এ ঘটনায় ক্রেতা ১০ জানুয়ারি, ২০২১ দখল গ্রহণ করেছেন, তাই  তামাদি সময় শুরু ১০ জানুয়ারি, ২০২১ থেকে।

৮৩৪.
সাক্ষীকে বিরক্তি উদ্রেগকারী প্রশ্ন করা হতে কে নিষেধ করতে পারে?
  1. সাক্ষী নিজেই
  2. আইনজীবী
  3. আদালত
  4. উপরের সকলেই
সঠিক উত্তর:
আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১৪৯ ধারামতে যুক্তি সংগত কারন ছাড়া (Without reasonable Grounds) সাক্ষীকে কোন প্রকার প্রশ্ন করা যাবে না।
সাক্ষ্য আইনের ১৫১ ধারামতে আদালত সাধারণত অশালীন ও মানহানিকর (indecent and scandalous question) প্রশ্ন করতে বাধা দিতে পারেন।

• তবে বিচার্য বিষয়ের সাথে প্রাসঙ্গিক হলে অশালীন ও মানহানিকর প্রশ্নও করা যায়।
সাক্ষ্য আইনের ১৫২ ধারামতে সাক্ষীকে কোনভাবেই অপমানজনক বা বিরক্তিকর প্রশ্ন করা যাবেনা।

আদালত অপমানজনক বা বিরক্তিকর প্রশ্ন নিষিদ্ধ করতে পারে।
৮৩৫.
সাক্ষ্য আইনের নিয়ম অনুসারে, নিচের কোনটি সঠিক?
  1. প্রাথমিক সাক্ষ্য সর্বোত্তম প্রমাণ
  2. মাধ্যমিক সাক্ষ্য কখনই গ্রহণযোগ্য নয়
  3. মাধ্যমিক সাক্ষ্য সবসময় অগ্রাধিকার পায়
  4. দলিলের বিষয়বস্তু শুধুমাত্র মৌখিক সাক্ষ্যে প্রমাণযোগ্য
সঠিক উত্তর:
প্রাথমিক সাক্ষ্য সর্বোত্তম প্রমাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাথমিক সাক্ষ্য সর্বোত্তম প্রমাণ
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারাসমূহ (বিশেষত ৬১–৬৫) অনুযায়ী,
যদি কোনো দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ করতে হয়, তা প্রধানত প্রাথমিক সাক্ষ্য (Primary Evidence) দ্বারা করতে হবে।
ধারা ৬১ বলে:
- “The contents of documents may be proved either by primary or by secondary evidence.”
কিন্তু এর পরের ধারা ৬২ স্পষ্ট করে দেয়:
- Primary Evidence অর্থাৎ মূল দলিল বা তার আসল কপি – এটিই হলো সর্বোত্তম প্রমাণ।

- সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬১ (Section 61: Proof of contents of documents) এবং সংশ্লিষ্ট ধারা ৬২ (Primary evidence) ও ধারা ৬৩-৬৫ (Secondary evidence) এর বিধান অনুযায়ী, দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণের ক্ষেত্রে প্রাথমিক সাক্ষ্য (primary evidence) এবং মাধ্যমিক সাক্ষ্য (secondary evidence) উভয়ই ব্যবহার করা যায়।
- তবে, সাক্ষ্য আইনের মূল নীতি হলো "সর্বোত্তম প্রমাণের নিয়ম" (Best Evidence Rule), যার অর্থ হলো যে কোনো ঘটনা বা দলিল প্রমাণের জন্য সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও মূল উৎস থেকে প্রাপ্ত সাক্ষ্যই অগ্রাধিকার পাবে। এই ক্ষেত্রে প্রাথমিক সাক্ষ্যকে সর্বোত্তম প্রমাণ হিসেবে গণ্য করা হয়।

- সাক্ষ্য আইনের নিয়ম অনুসারে, প্রাথমিক সাক্ষ্য সর্বোত্তম প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হয় এবং এটি আদালতে প্রাধান্য পায়।
- তাই সঠিক উত্তর হলো ক) প্রাথমিক সাক্ষ্য সর্বোত্তম প্রমাণ।
৮৩৬.
মোকদ্দমা দায়েরকৃত আদালতে কখন আদালতের এখতিয়ার সম্পর্কিত কোন আপত্তি উত্থাপন করতে হবে?
  1. বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময় বা পূর্বে
  2. বাদী বা বিবাদী যখনই আবেদন করে
  3. বিচার্য বিষয় নির্ধারণের পর যেকোন সময়
  4. বাদী যখনই আবেদন করে
সঠিক উত্তর:
বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময় বা পূর্বে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময় বা পূর্বে
ব্যাখ্যা
• যে আদালতে প্রথমে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়, সেই আদালতে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগ এবং বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময় বা পূর্বে আদালতের এখতিয়ার সম্পর্কিত  আপত্তি উত্থাপন করা যায়।

• ধারা ২১: এখতিয়ারে আপত্তি-
যে আদালতে প্রথমে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়, সেই আদালতে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগ এবং বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময় বা পূর্বে, আদালতের এখতিয়ার সম্পর্কিত কোন আপত্তি উত্থাপন করতে হবে। যদি তা না করা হয় এবং ন্যায় বিচারের উদ্দেশ্য ব্যাহত না হলে কোন আপীল বা রিভিশন আদালত মামলা দায়ের স্থান সম্পর্কে কোন আপত্তি গ্রহণ করবে না। কিন্তু ন্যায় বিচার ব্যাহত হলে এবং ন্যায় বিচারের স্বার্থে, আপীল বা রিভিশনের সময় আদালত এখতিয়ার সংক্রান্ত আপত্তি গ্রহণ করতে পারে।

Sec 21: Objections to jurisdiction-
No objection as to the place of suing shall be allowed by any appellate or revisional Court unless such objection was taken in the Court of first instance at the earliest possible opportunity and in all cases where issues are settled at or before such settlement, and unless there has been a consequent failure of justice.
৮৩৭.
দেওয়ানী কার্যবিধিতে কোন ধরণের বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান আছে?
  1. Mediation and Reconciliation
  2. Mediation and Arbitration
  3. Arbitration and Reconciliation
  4. Mediation and Compromise
সঠিক উত্তর:
Mediation and Arbitration
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mediation and Arbitration
ব্যাখ্যা
- দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক ধারা মোতাবেক mediation বা মধ্যস্ততার বিধান ও ৮৯খ ধারা মোতাবেক Arbitration বা  সালিশের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান রাখা হয়েছে।

- দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯খ ধারায় সালিশ বা Arbitration এর বিধান রয়েছে। ৮৯খ ধারা অনুযায়ী দেওয়ানী আদালত কোন বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য বিরোধীয় বিষয়টি সালিশের নিকট পাঠাতে পারেন এবং এই জন্য মোকদ্দমার পক্ষগণ মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে তা তুলে নেওয়ার জন্য আদালতের নিকট আবেদন করলে আদালত আবেদন মঞ্জুর করবেন এবং মোকদ্দমা তুলে নেওয়ার অনুমতি দিবেন। তারপর সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী বিরোধটি নিষ্পত্তি করতে হবে অর্থাৎ কোন বিরোধ সালিশে (Arbitration) পাঠানো হলে তা সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী নিষ্পত্তি করতে হবে।

- তবে এই ক্ষেত্রে কোন কারণে সালিশ অনুষ্ঠিত না হলে বা সালিশের রোয়েদাদ প্রদত্ত না হলে উক্ত মোকদ্দমাটি পক্ষগণ পুনঃ দাখিল করতে পারবেন।

- সর্বশেষ ২০১২ সালে দেওয়ানী কার্যবিধির বিকল্প বিরোধ সংক্রান্ত বিধানগুলো (ধারা-৮৯ক থেকে ৮৯৫) সংশোধন করা হয়। এছাড়া ২০১৭ সালের সংশোধনী অনুযায়ী জেলা লিগ্যাল এইড কর্মকর্তা কোনো দেওয়ানী মামলায় একজন মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করতে পারে।
৮৩৮.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ অনুযায়ী তদন্তকারী কর্মকর্তার তদন্ত সম্পন্ন করার জন্য কত কর্মদিবস সময় বরাদ্দ?
  1. ৬০ কর্মদিবস
  2. ৯০ কর্মদিবস
  3. ১২০ কর্মদিবস
  4. ১৮০ কর্মদিবস
সঠিক উত্তর:
১২০ কর্মদিবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২০ কর্মদিবস
ব্যাখ্যা

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ২০ক (১) অনুযায়ী, তদন্তকারী কর্মকর্তাকে এই আইন ও তফসিলে উল্লিখিত কোনো অপরাধের তদন্ত কার্য ক্ষমতা প্রাপ্তির তারিখ থেকে অনধিক ১২০ (একশত বিশ) কর্মদিবসের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।
সুতরাং, তদন্তকারী কর্মকর্তার জন্য প্রাথমিকভাবে বরাদ্দ সময় হলো ১২০ কর্মদিবস।

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ২০ক- তদন্তের সময়সীমা:
(১) অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ধারা ২০ এর অধীন ক্ষমতা প্রাপ্তির তারিখ হইতে অনধিক ১২০ (একশত বিশ) কর্মদিবসের মধ্যে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে এই আইন ও তফসিলে উল্লিখিত কোন অপরাধের তদন্ত কার্য সম্পন্ন করিতে হইবে।
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন যুক্তিসঙ্গত কারণে, উক্ত উপ-ধারায় উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত কার্য সম্পন্ন করা সম্ভবপর না হইলে তদন্তকারী কর্মকর্তা সময়সীমা বৃদ্ধির জন্য কমিশনের নিকট আবেদন করিতে পারিবেন এবং উক্ত ক্ষেত্রে কমিশন আরও অনধিক ৬০ (ষাট) কর্মদিবস সময় বৃদ্ধি করিতে পারিবে।
(৩) তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-ধারা (১) বা, ক্ষেত্রমত, (২) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত কার্য সম্পন্ন করিতে ব্যর্থ হইলে,-
(ক) উক্ত তদন্ত কার্য ৯০ (নব্বই) কর্মদিবসের মধ্যে সমাপ্তির জন্য নূতনভাবে অন্য কোন কর্মকর্তাকে, ধারা ২০ এর বিধান অনুসারে, ক্ষমতা অর্পণ করিতে হইবে; এবং
(খ) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অদক্ষতার অভিযোগে, ক্ষেত্রমত, কমিশন, পুলিশ বা সংশ্লিষ্ট সংস্থার জন্য প্রযোজ্য আইন বা বিধি-বিধান অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে হইবে।

৮৩৯.
ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারায় গ্রেফতারী অফিসারকে অপরাধজনক অস্ত্র আটক করার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. ফৌজদারী কার্যবিধির ৫১ ধারায়
  2. ফৌজদারী কার্যবিধির ৫২ ধারায়
  3. ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৩ ধারায়
  4. ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৭ ধারায়
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধি ৫৩ ধারার বিধান: আপত্তিকর অস্ত্রশস্ত্র আটক করার ক্ষমতা: এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে আটককারী অফিসার বা অপর কোন ব্যক্তি আটককৃত ব্যক্তির নিকট কোন আক্রমণাত্মক অস্ত্র থাকলে তা তার কাছ থেকে নিতে পারবেন এবং এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে যে আদালত বা অফিসার বরাবর তাকে ঐ আটকরকৃত ব্যক্তিকে উপস্থিত করতে হবে সেই আদালত বা অফিসার বরাবর তিনি উক্তরূপে গৃহীত সমস্ত অস্ত্র প্রত্যর্পণ করবেন।

---------------------
♦ Section 53. Power to seize offensive weapons: The officer or other person making any arrest under this Code may take from the person arrested any offensive weapons which he has about his person, and shall deliver all weapons so taken to the Court or officer before which or whom the officer or person making the arrest is required by this Code to produce the person arrested.
৮৪০.
According to Section 2(19) of The General Clauses Act, 1897, a financial year begins on which date?
  1. 1st January
  2. 1st June
  3. 1st July
  4. 30th June
সঠিক উত্তর:
1st July
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1st July
ব্যাখ্যা

The General Clauses Act, 1897 এর ৩(১৯) ধারার বিধান- অর্থ-বছর (financial year): 
জুলাই মাসের ১ম দিবসে আরম্ভ এবং জুন মাসের ৩০ তম দিবসে সমাপ্ত বছরকে বুঝাবে।

Section 3(19)-
"financial year" shall mean the year commencing on the first day of July and ending on the 30th day of June.

৮৪১.
কোন পরিস্থিতিতে আদালত তার কর্মচারীকে নাবালকের অভিভাবক হিসেবে নিযুক্ত করতে পারে?
  1. যখন বাদী অনুপস্থিত থাকে
  2. যখন বিবাদী অনুপস্থিত থাকে
  3. যখন যোগ্য ও ইচ্ছুক কেউ না থাকে
  4. যখন নাবালক সাক্ষ্য দিতে পারে না
সঠিক উত্তর:
যখন যোগ্য ও ইচ্ছুক কেউ না থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন যোগ্য ও ইচ্ছুক কেউ না থাকে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩২, বিধি ৪(৪) অনুযায়ী যদি কোনো নাবালকের মামলার জন্য অভিভাবক হিসাবে কোনো যোগ্য ও ইচ্ছুক ব্যক্তি না পাওয়া যায়, তাহলে আদালত তার কোনো কর্মচারীকে (যেমন: কোর্ট অফিসার) নাবালকের পক্ষে মামলার অভিভাবক হিসেবে নিযুক্ত করতে পারেন।
- সেই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিতে পারেন যে,ওই কর্মচারীর খরচ এক বা একাধিক পক্ষ বহন করবে, অথবা, যদি আদালতে নাবালকের জন্য কোনো তহবিল থাকে, সেখান থেকেও খরচ বহন করা যেতে পারে।

- সুতরাং, যখন মামলার জন্য যোগ্য এবং ইচ্ছুক কেউ পাওয়া যায় না, তখনই আদালত তার কর্মচারীকে নাবালকের অভিভাবক হিসেবে নিযুক্ত করতে পারেন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩২, বিধি-৪: মামলাকে পরবর্তী হিসাবে কাজ করতে বা নিযুক্ত হতে পারে:
(১) কোন ব্যক্তি সুস্থ মনের অধিকার এবং প্রাপ্ত বয়স্ক হলে কোন নাবালকের নেকস্ট ফ্রেন্ড হিসাবে অথবা মামলার জন্য তার অভিভাবক হিসাবে কাজ করতে পারে: 
তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত ব্যক্তির স্বার্থ ঐ নাবালকের স্বার্থের প্রতিকূলে নহে এবং সে নেকস্ট ফ্রেন্ডের ক্ষেত্রে, কোন বিবাদী নহে, এবং মামলার অভিভাবকের ক্ষেত্রে কোন বাদী নহে।
(২) যেক্ষেত্রে কোন নাবালকের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ নিযুক্ত বা ঘোষিত কোন অভিভাবক আছে, সেক্ষেত্রে উক্ত অভিভাবক ব্যতিত অপর কোন ব্যক্তি নাবালকের পক্ষে নেকস্ট ফ্রেন্ড হিসাবে কাজ করতে বা মামলার জন্য তার অভিভাবক নিযুক্ত হতে পারবে, যদি না আদালত কারণ লিপিবদ্ধ করে বিবেচনা করেন যে, নাবালকের কল্যাণের জন্য অন্য কোন ব্যক্তিকে কাজ করতে বা অভিভাবক নিযুক্ত হতে অনুমতি দেয়া পয়োজন।
(৩) কোন ব্যক্তিকে তার অনুমতি ব্যতিত মামলার অভিভাবক নিয়োগ করা যাব না।
(৪) যেক্ষেত্রে অন্য কোন ব্যক্তি মামলার অভিভাবক হিসাবে কাজ করার জন্য যোগ্য এবং ইচ্ছুক নাই, সেক্ষেত্রে আদালত তার কোন কর্মচারীকে অনুরূপ অভিভাবক নিযুক্ত করতে পানে এবং নির্দেশ দিতে পারেন যে, উক্ত কর্মচারীকে বা কোন এক বা একাধিক পক্ষ কর্তৃক বহন করতে হবে, অথবা নাবালকের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট কোন তহবিল আদালতে থাকলে তা হতে খরচ হবে এবং ন্যায় বিচার ও অবস্থার পয়োজনে অনুরূপ খরচার পরিশোধ বা মেনে নেয়া সম্পর্কে নির্দেশ দিতে পারেন।
৮৪২.
'পারমিট ব্যতীত কোনো ব্যক্তি অ্যালকোহল পান করিতে পারিবেন না'- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর কত ধারায় এই বিধান উল্লেখ আছে?
  1. ৯ ধারায়
  2. ১০ ধারায়
  3. ১১ ধারায়
  4. ১২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ ধারায়
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ১১: অ্যালকোহল পান, ইত্যাদি সম্পর্কে বিধি-নিষেধ:
(১) পারমিট ব্যতীত কোনো ব্যক্তি অ্যালকোহল পান করিতে পারিবেন না এবং চিকিৎসার প্রয়োজনে সিভিল সার্জন অথবা সরকারি মেডিক্যাল কলেজের অন্যূন কোনো সহযোগী অধ্যাপকের লিখিত ব্যবস্থাপত্র ব্যতীত কোনো মুসলমানকে অ্যালকোহল পান করিবার জন্য পারমিট প্রদান করা যাইবে না। 

(২) মুচি, মেথর, ডোম, চা শ্রমিক ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কর্তৃক তাড়ি ও পচুঁই পান করিবার ক্ষেত্রে এবং রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলাসমূহ এবং অন্যান্য অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কর্তৃক ঐতিহ্যগতভাবে প্রচলিত অথবা প্রস্তুতকৃত মদ পান করিবার ক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এর কোনো কিছুই প্রযোজ্য হইবে না। 

(৩) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন- 
(ক) লাইসেন্সপ্রাপ্ত বার-এ বসিয়া বিদেশি ও পারমিটধারী দেশিয় নাগরিকগণ অ্যালকোহল পান করিতে পারিবেন; এবং 
(খ) কূটনৈতিক পাসপোর্টধারী বিদেশি নাগরিকরা শুল্ক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত পাস বইধারী অথবা প্রচলিত ব্যাগেজ রুলসের দ্বারা স্বীকৃত ব্যক্তির ক্ষেত্রে, অ্যালকোহল আমদানি, রপ্তানি, ক্রয়, বহন, সংরক্ষণ অথবা পানের ব্যাপারে কোনো কিছুই প্রযোজ্য হইবে না। 

(৪) অ্যালকোহল সংক্রান্ত সকল শুল্কমুক্ত কার্যক্রম (Duty Free Operations) এই আইনের অধীন প্রদত্ত লাইসেন্সবলে সম্পাদিত হইবে।
৮৪৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী কত ধরনের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদায়যোগ্য?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ১২ অনুযায়ী, চুক্তির সুনির্দিষ্ট পারফরমেন্স আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে নিম্নলিখিত চারটি ক্ষেত্রে আদায়যোগ্য:
১) যখন চুক্তিভুক্ত কাজ সম্পাদন পুরোপুরি বা অংশত কোনো ট্রাস্টের অন্তর্ভুক্ত থাকে।
২) যখন চুক্তিভুক্ত কাজ সম্পাদন না করলে কার্যত যে ক্ষতি হবে তার মানদণ্ড নির্ধারণের কোন উপায় নেই।
৩) যখন চুক্তিভুক্ত কাজ এমন যে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে যথেষ্ট প্রতিকার পাওয়া যায় না।
৪) যখন সম্ভাবনা থাকে যে আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না।
সুতরাং, মোট ৪টি পৃথক পরিস্থিতিতে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ আদায় করতে পারে।

​⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা- যে-সব ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদায়যোগ্য:
যদি এ অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধিবদ্ধ না থাকে, তবে যে কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আদায় করা যেতে পারে:
(ক) যখন সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন পুরোপুরি বা অংশত একটি জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হয়;
(খ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ সম্পাদন না করলে কার্যত যে ক্ষতি সাধিত হবে, তার নির্ণয় করার কোন মানদণ্ডের অস্তিত্ব থাকে না;
(গ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ এমন হয় যে, তা সম্পাদন না করে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রতিকার লাভ করা যায় না; অথবা
(ঘ) যখন এই সম্ভাবনা থাকে যে, সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন না করার জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না।

ব্যাখ্যা: যদি না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না বিপরীত কিছু প্রমাণিত হয়, আদালত এটা অবশ্যই ধরে নিবে যে, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের পর্যাপ্ত প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে সম্ভব নয় এবং অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার তেমনভাবে করা যায়।
----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Sections-12. Cases in which specific performance enforceable:
Except as otherwise provided in this Chapter, the specific performance of any contract may in the discretion of the Court be enforced-
(a) when the act agreed to be done is in the performance, wholly or partly, of a trust;
(b) when 4[there] exists no standard for ascertaining the actual damage caused by non-performance of the act agreed to be done;
(c) when the act agreed to be done is such that pecuniary compensation for its non-performance would not afford adequate relief; or
(d) When it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the non-performance of the act agreed to be done.

Explanation- Unless and until the contrary is proved, the Court shall presume that the breach of a contract to transfer immoveable property cannot be adequately relieved by compensation in money, and that the breach of a contract to transfer moveable property can be thus relieved.

৮৪৪.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ২য় বিভাগের বিষয়বস্তু কী?
  1. দরখাস্ত দায়েরের তামাদির মেয়াদ
  2. আপিল দায়েরের তামাদির মেয়াদ
  3. মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ
  4. পিটিশন সংক্রান্ত তামাদির মেয়াদ
সঠিক উত্তর:
আপিল দায়েরের তামাদির মেয়াদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল দায়েরের তামাদির মেয়াদ
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে ৩টি বিভাগ উল্লেখ করা হয়েছে। এই ৩টি বিভাগে ৩ ধরণের বিষয়ের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রথম বিভাগ (First Division):
মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling suits];
অনুচ্ছেদ: ১-১৪৯ পর্যন্ত।

দ্বিতীয় বিভাগ (Second Division):
আপিল দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling appeals];
অনুচ্ছেদ: ১৫০-১৫৭ পর্যন্ত।

তৃতীয় বিভাগ (Third Division):
বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling applications and petitions];
অনুচ্ছেদ: ১৫৮-১৮৩ পর্যন্ত।
৮৪৫.
একজন অভিযোগকারী একটি মামলায় অভিযোগ দায়ের করেছেন, এবং মামলা চলাকালে তিনি সিদ্ধান্ত নেন যে তিনি তার অভিযোগ প্রত্যাহার করবেন। তিনি ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে নালিশ প্রত্যাহার করেন। এক্ষেত্রে, নালিশ প্রত্যাহারের ফলাফল কী?
  1. মামলা স্থগিত করা হবে
  2. অভিযুক্তের বিরুদ্ধে নতুন মামলা শুরু হবে
  3. ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস প্রদান করবেন
  4. অভিযোগকারীকে জরিমানা করা হবে
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস প্রদান করবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস প্রদান করবেন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৮ এ অভিযোগকারী কর্তৃক নালিশ প্রত্যাহারের ফলাফল দেয়া হয়েছে-
ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে মামলার চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যে কোন সময় অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করতে পারে। অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস [Acquittal] দিবে।

Section-248: Withdrawal of complaint:
If a complainant, at any time before a final order is passed in any case under this Chapter, satisfies the Magistrate that there are sufficient grounds for permitting him to withdraw his complaint the Magistrate may permit him to withdraw the same, and shall thereupon acquit the accused.
৮৪৬.
ভবিষ্যতে কোনো কিছু ঘটা বা না ঘটার উপরে চুক্তি নির্ভর করলে, উক্ত চুক্তি __________।
  1. Void contract
  2. Voidable Contract
  3. Contingent contract
  4. Contract in guarantee
সঠিক উত্তর:
Contingent contract
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Contingent contract
ব্যাখ্যা
ধারা ৩১- ঘটনা-নির্ভর চুক্তি:

কোনো চুক্তির আনুষঙ্গিক [Collateral] কোনো ঘটনা সংঘটিত হলে বা না হলে, কোনো কিছু করা বা বিরত থাকার চুক্তিই হচ্ছে:- ঘটনা-নির্ভর চুক্তি। অর্থাৎ, ভবিষ্যতে কোনো কিছু ঘটা বা না ঘটার উপরে চুক্তি নির্ভর করলে তাকেই Contingent Contract বলে।

উদাহরণ: 'ক'-এর বাড়ি পুড়ে গেলে 'খ', 'ক'-কে ১০,০০০ টাকা দিবে। এটি ঘটনা-নির্ভর চুক্তি।

Section 31 of The Contract Act, 1872: Contingent Contact

A "contingent contract" is a contract to do or not to do something, if some event, collateral to such contract, does or does not happen. 

Illustration: A contracts to pay B Taka 10,000 if B's house is burnt. This is a contingent contract.
৮৪৭.
"পেশাগত আচরণ ও শিষ্ঠাচার বিধিমালা" এর মোট কতটি অধ্যায় আছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
⇒ Canons of Professional conduct & Etiquette-এ মোট ৪টি অধ্যায় আছে।
যথা-
১ম অধ্যায়- অন্যান্য আইনজীবীদের প্রতি আচরণ।
২য় অধ্যায়- মক্কেলদের প্রতি আচরণ।
৩য় অধ্যায়- আদালতের প্রতি কর্তব্য।
৪র্থ অধ্যায়- জনসাধারণের প্রতি আচরণ।
--------------------
 Chapter-1: Conduct with regard to other advocates:
Chapter-2: Conduct with regard to clients:
Chapter-3: Duty to the court:
Chapter-4: Conduct with regard to the public generally:
৮৪৮.
অপরাধী স্বামীকে লুকিয়ে রাখলে বা আশ্রয় দিলে স্ত্রী দোষী হবে না এটি দণ্ডবিধির কোন ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ১৭৩ ধারায়
  2. ১৭১ ধারায়
  3. ১৬৫ ধারায়
  4. ২১২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২১২ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১২ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ২১২ ধারার ব্যতিক্রম অনুযায়ী অপরাধী ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী অভিযুক্ত অপরাধীকে লুকিয়ে রাখলে বা আশ্রয় দিলে এই ধারায় সে দোষী হবে না;

♦ দন্ডবিধির ২১৬ ধারায় হাজত হতে পলায়নকারীকে স্বামী বা স্ত্রীকে আশ্রয় দান করলে দায়ী হবে না ।

♦ দন্ডবিধির ২১৬ক ধারায় ডাকাত/দস্যু ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী তাকে লুকিয়ে রাখলে বা আশ্রয় দিলে এই ধারায় সে দোষী হবে না।
৮৪৯.
A কে জখম করে হত্যার জন্য B অভিযুক্ত। C, E, F এবং G হলো সাক্ষী। C জানায় সে B কে দেখেছে A কে জখম করতে। E বলে যে, সে B কে দেখেছে একটি রক্ত মাখা ছুরি নিয়ে দৌড়াতে এবং A কে রক্ত মাখা জামা পরিধান অবস্থায় দেখেছে। F একজন ডাক্তার। F বলে যে, যে ব্যবহৃত ছুরি B এর দখলে পাওয়া গেছে সেই অস্ত্র দিয়ে সম্ভবত A কে জখম করা হতে পারে যা A এর মৃত্যু ঘটিয়েছে। G বলে যে, সে C এর নিকট হতে শুনেছে যে C দেখেছে B, A কে জখম করেছে। কাদের সাক্ষ্য আদালতে গ্রহণযোগ্য হবে?
  1. C, E
  2. C, E, F
  3. C, E, F, G
  4. C, E, G
সঠিক উত্তর:
C, E, F
উত্তর
সঠিক উত্তর:
C, E, F
ব্যাখ্যা
- The Evidence Act 1872 এর ৬০ ধারা অনুযায়ী মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে। G প্রত্যক্ষ সাক্ষী নয়, সে C এর নিকট থেকে শুনেছে। তাই C, E, F এর সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হলেও G এর সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে না। (ব্যতিক্রম ধারাঃ ৩২, ৩৩, ১৫৮)
৮৫০.
কোন ক্ষেত্রে আপিল বা রিভিশন আদালতে বিচারিক আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার সম্পর্কে আপত্তি গ্রাহ্য হবে?
  1. অনিশ্চয়তা সম্পর্কে যুক্তিসঙ্গত কারণ ছিল
  2. ন্যায়বিচার ব্যর্থ হয়েছে
  3. ক এবং খ
  4. কোনো ভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৬ থেকে ১৮ পর্যন্ত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করা যায় তা উল্লেখ করা আছে।

•  আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার অনিশ্চিত হলে, মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করা যায় তা উল্লেখ করা আছে দেওয়ানী কার্যবিধির  ১৮ ধারাতে- 

১) কোন স্থাবর সম্পত্তি যখন দুই বা ততোধিক আদালতের কোনটির স্থানীয় সীমানার এখতিয়ারে অবস্থিত, সে সম্পর্কে অনিশ্চয়তার অভিযোগ থাকলে এরূপ আদালতের মধ্যে যে কোন একটি আদালত যদি সন্তুষ্ট হয়ে মনে করে যে, এরূপ অনিশ্চয়তার ন্যায়সঙ্গত কারণ রয়েছে তাহলে তদমর্মে একটি বিবৃতি লিপিবদ্ধ করে ঐ সম্পত্তির ব্যাপারে যে কোন মোকদ্দমা গ্রহণ ও বিচার করতে পারবে এবং এরূপ মোকদ্দমার ডিক্রির ঐরূপ কার্যকারিতা থাকবে, যেরূপ এই আদালতের নিজস্ব এখতিয়ারে স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে সম্পত্তি অবস্থিত হলে কার্যকারিতা থাকতঃ
তবে শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমাটির প্রকৃতি ও দাবির মূল্য এরূপ হতে হবে যার সম্পর্কে আদালত এখতিয়ার প্রয়োগ করতে সক্ষম হয়।

২) যেখানে (১) উপ-ধারা অনুযায়ী বিবৃতি রেকর্ডকৃত করা হয়নি এবং আপিল অথবা রিভিশন আদালতে এ মর্মে আপত্তি উত্থাপন করা হয় যে, যে স্থানে সম্পত্তিটি অবস্থিত, সে স্থানে কোন প্রকার ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করার এখতিয়ার আদালতের নেই, তাহলে আপিল বা রিভিশন আদালত যদি মনে করেন যে, মোকদ্দমা দায়ের করার সময় আদালতের এখতিয়ারের ব্যাপারে অনিশ্চয়তা সম্পর্কে যুক্তিসঙ্গত কারণ ছিল এবং এর কারণে ন্যায়বিচার ব্যর্থ হয়েছে; তাহলে আপত্তিটি গ্রাহ্য হবে।
৮৫১.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী কয়টি ক্ষেত্রে দেহ বা শরীরকে প্রতিরক্ষার জন্য আক্রমণকারীর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায়?
  1. ৩ টি ক্ষেত্রে
  2. ৪ টি ক্ষেত্রে
  3. ৬ টি ক্ষেত্রে
  4. ৮ টি ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
৬ টি ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ টি ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১০০ ধারা অনুযায়ী ছয়টি ক্ষেত্রে দেহ বা শরীরকে প্রতিরক্ষার জন্য আক্রমণকারীর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায়। যথা:  

      (i) এমন আক্রমণ যা মৃত্যু ঘটাতে পারে।
      (ii) এমন আক্রমণ যা গুরুতর আঘাত তৈরি করতে পারে।
      (iii) ধর্ষণের অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ।
      (iv) অপকৃত কাম লালসার অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ।
      (v) মনুষ্যহরণ বা অপহরণের চেষ্টায় আক্রমণ।
      (vi) আইনের আশ্রয় নিতে বাধা দিতে অবৈধভাবে আটক রাখলে।
-----------------------
Section 100. When the right of private defence of the body extends to causing death:
 The right of private defence of the body extends, under the restrictions mentioned in the last preceding section, to the voluntary causing of death or of any other harm to the assailant, if the offence which occasions the exercise of the right be of any of the descriptions hereinafter enumerated, namely:- 
Firstly.-Such an assault as may reasonably cause the apprehension that death will otherwise be the consequence of such assault; 
Secondly.-Such an assault as may reasonably cause the apprehension that grievous hurt will otherwise be the consequence of such assault; 
Thirdly.-An assault with the intention of committing rape; 
Fourthly.-An assault with the intention of gratifying unnatural lust; 
Fifthly.-An assault with the intention of kidnapping or abducting; 
Sixthly.-An assault with the intention of wrongfully confining a person, under circumstances which may reasonably cause him to apprehend that he will be unable to have recourse to the public authorities for his release.
৮৫২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় বাদী সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের পরিবর্তে অথবা সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনসহ অতিরিক্ত হিসেবে ক্ষতিপূরণের জন্য আবেদন করতে পারে?
  1. ১৭ ধারা
  2. ১৮ ধারা 
  3. ১৯ ধারা
  4. ২০ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৯ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারার বিধান কতিপয় ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুরের ক্ষমতা:
কোন ব্যক্তি যে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মামলা দায়ের করেছে, সে হয় তেমন কাজ সম্পাদনের অতিরিক্ত অথবা তার পরিপূরক হিসেবে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে।
যদি তেমন কোন মামলায় আদালত সিদ্ধান্ত করেন যে, সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন মঞ্জুর করা আবশ্যক, কিন্তু মামলার ন্যায়বিচারের জন্য এটুকুই যথেষ্ট নয় এবং চুক্তিভঙ্গের জন্য বাদীকে কিছু ক্ষতিপূরণ প্রদান করাও প্রয়োজন, তা হলে আদালত সে অনুসারে তার জন্য ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করবেন।
- এই ধারা অনুসারে যে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করা হবে তা আদালত কর্তৃক নির্দেশিত পন্থায় নিরূপণ করা যেতে পারে।
ব্যাখ্যা: চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে এমন পরিস্থিতি আদালত কর্তৃক এই ধারা অর্পিত এখতিয়ার প্রয়োগকে বাধাগ্রস্ত করে না।
---------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 19: Power to award compensation in certain cases:
Any person suing for the specific performance of a contract may also ask for compensation for its breach, either in addition to, or in substitution for, such performance.
If in any such suit the Court decides that specific performance ought not to be granted, but that there is a contract between the parties which has been broken by the defendant and that plaintiff is entitled to compensation for that
If in any such suit the Court decides that specific performance ought to be granted, but that it is not sufficient to satisfy the justice of the case, and that some compensation for breach of the contract should also be made to the plaintiff, it shall award him such compensation accordingly.
Compensation awarded under this section may be assessed in such manner as the Court may direct.

৮৫৩.
পলাতক ব্যক্তির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার পর কত দিনের মধ্যে যদি তিনি উপস্থিত হন, তবে সম্পত্তি ফেরত দেওয়া যেতে পারে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৮৯ (Restoration of attached property) অনুসারে, কোনো পলাতক ব্যক্তির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (attachment) করার পর, যদি তিনি ২ (দুই) বছরের মধ্যে স্বেচ্ছায় উপস্থিত হন বা তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করা হয় এবং তিনি আদালতকে সন্তুষ্ট করতে সক্ষম হন যে:
১. তিনি পরোয়ানা এড়ানোর জন্য পলাতক ছিলেন না বা আত্মগোপন করেননি, এবং
২. তিনি proclamation-এর এমন কোনো নোটিস পাননি যা তাকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উপস্থিত হতে সক্ষম করত,
তাহলে তার সম্পত্তি, অথবা সম্পত্তি বিক্রি হয়ে গেলে তার নীট বিক্রয়লব্ধ অর্থ, সমস্ত ক্রোক-সংক্রান্ত খরচ বাদ দিয়ে তাকে ফেরত দেওয়া হবে।অতএব, সঠিক সময়সীমা হল ২ বছর।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৯ ধারার বিধান- ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধার:
- যার সম্পত্তি ৮৮ ধারার (৭) উপধারা অনুসারে সরকারের এখতিয়ারভুক্ত রয়েছে বা হয়েছে, সে যদি ক্রোক করার তারিখ থেকে ২ (দুই) বৎসরের মধ্যে যে আদালতের আদেশে সম্পত্তি ক্রোক করা হয়েছিল সেই আদালতের বা সেই আদালত যে আদালতের আওতাধীন সেই আদালতে ইচ্ছাকৃতভাবে হাজির হয় বা তাকে গ্রেফতার করে হাজির করানো হয় এবং এ মর্মে প্রমাণ দ্বারা সে উক্ত আদালতের সন্তুষ্টি উৎপাদনপূর্বক প্রমাণ করে যে,
সে পলাতক (ফেরার) ছিল না বা পরোয়ানার নির্বাহ এড়াবার জন্য সে পলায়ন করেনি এবং তিনি হুলিয়া হতে এরূপ জ্ঞানার্জন করেনি যাতে তিনি উহাতে উল্লেখিত সময়সীমার মধ্যে হাজিরা দিতে পারেন, তাহলে ক্রোক সম্পর্কিত সমস্ত খরচ কেটে নিয়ে উক্ত সম্পত্তি বা তা বিক্রয় করা হয়ে থাকলে নীট মূল্য অথবা আংশিকভাবে বিক্রয় করা হয়ে থাকলে নীট মূল্য ও আংশিক সম্পত্তি তাকে অর্পণ করতে হবে।
-------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section-89: Restoration of attached property:
If, within two years from the date of the attachment any person whose property is or has been at the disposal of the Government, under sub-section (7) of section 88, appears voluntarily or is apprehended and brought before the Court by whose order the property was attached, or the Court to which such Court is subordinate, and proves to the satisfaction of such Court that he did not abscond or conceal himself for the purpose of avoiding execution of the warrant, and that he had not such notice of the proclamation as to enable him to attend within the time specified therein, such property, or, if the same has been sold, the nett proceeds of the sale, or, if part only thereof has been sold, the nett proceeds of the sale and the residue of the property, shall, after satisfying thereout all costs incurred in consequence of the attachment, be delivered to him.

৮৫৪.
According to Section 53, if an offender is sentenced to life imprisonment, it is considered to be:
  1. Without labor
  2. Rigorous imprisonment
  3. Simple imprisonment
  4. Conditional imprisonment
সঠিক উত্তর:
Rigorous imprisonment
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Rigorous imprisonment
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি মূলত দণ্ড সম্পর্কিত আইন, দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় শাস্তির প্রকারভেদ রয়েছে। দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় পাঁচ প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে।
যথা:
(i) মৃত্যুদণ্ড (Death penalty);
(ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life);
(iii) কারাদণ্ড(Imprisonment) দুই প্রকার:
ক) সশ্রম( Rigorous, that is, with hard labour) এবং
খ) বিনাশ্রম (Simple);

(iv) সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (forfeiture of property);
(v) অর্থদণ্ড (fine).

ব্যাখ্যা: যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদায় সশ্রম কারাদণ্ড হবে।

Section 53: The punishments to which offenders are liable under the provisions of this Code are,-
Firstly,- Death;
Secondly,- Imprisonment for life;
Thirdly,-[Omitted]
Fourthly,- Imprisonment, which is of two descriptions, namely:
(1) Rigorous, that is, with hard labour;
(2) Simple;

Fifthly,- Forfeiture of property;
Sixthly,- Fine.

Explanation.- In the punishment of imprisonment for life, the imprisonment shall be rigorous.
৮৫৫.
যার বিরুদ্ধে ডিক্রি প্রদান করা হয়, তাকে বলা হয়-
  1. ডিক্রিপ্রত্যাশী
  2. ডিক্রিদার
  3. দায়িক
  4. কোনোটি নয়
সঠিক উত্তর:
দায়িক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়িক
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(১০) তে “দায়িক” (Judgment-debtor) এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে-
"দায়িক বলতে এমন ব্যক্তিকে বুঝায়, যার বিপক্ষে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে বা জারিযোগ্য আদেশ প্রদান করা হয়েছে।"
"Judgment-debtor" means any person against whom a decree has been passed or an order capable of execution has been made"
 
• অপরদিকে, ধারা ২(৩) অনুসারে-
"ডিক্রিদার বলতে এমন একজন ব্যক্তিকে বুঝায়, যার অনুকূলে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে অথবা জারিযোগ্য কোন আদেশ প্রদান করা হয়েছে।"
"Decree-holder means any person in whose favour decree has been passed or an order capable of execution has been made"

• ডিক্রিপ্রত্যাশী বলতে এমন ব্যক্তিকে বুঝায়, যার অনুকূল বা প্রতিকূলে ডিক্রি অথবা জারিযোগ্য কোন আদেশ প্রদান করা হতে পারে।
৮৫৬.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী প্রত্যেকটি সমনের উপরে কার স্বাক্ষর থাকবে?
  1. বাদী ও বিবাদীর আইনজীবীর
  2. বাদী বা তার কর্তৃক নিযুক্ত আইনজীবীর
  3. বিচারক বা তার কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তার
  4. সমন জারীকারক পুলিশ অফিসারে
সঠিক উত্তর:
বিচারক বা তার কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারক বা তার কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তার
ব্যাখ্যা
→ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫ বিধি ১নং অনুযায়ী-
১) মোকদ্দমা যথাযথভাবে রুজু হওয়ার পর নির্ধারিত তারিখে হাজির এবং দাবীর সমর্থনে জবাব দানের জন্য মোকদ্দমা রুজুর পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে এতদুদ্দেশ্যে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা বিবাদির নিকট সমন প্রেরণ করবে। তবে শর্ত থাকে যে, যদি আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা উক্ত সময়সীমার মধ্যে সমন প্রেরণ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে সে অসদাচরণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হবেন আরো শর্ত থাকে যে, যদি বিবাদি আরজী দাখিল করার সময়ে হাজির হয়ে বাদির দাবি স্বীকার করে নেন, তাহলে এরূপ কোন সমন প্রেরণ করা যাবে না।
২) বিবাদির উপর উপবিধি-১ মোতাবেক সমন প্রেরণ করা হলে নিম্নোক্ত যে কোন পদ্ধতিতে বিবাদি হাজিরা দিতে পারবে—
ক) ব্যক্তিগতভাবে, অথবা
খ) মক্কেলের নির্দেশ প্রাপ্ত এবং মোকদ্দমা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সকল প্রশ্নের উত্তর প্রদানে সক্ষম এবং কোন কৌশুলী কর্তৃক, অথবা
গ) অনুরূপ সকল প্রশ্নের উত্তর দানে সক্ষম কোন ব্যক্তি সহযোগে কোন কৌশুলী কর্তৃক বিবাদি হাজিরা দিতে পারে।
৩) প্রত্যেকটি সমনে বিচারক অথবা তৎকর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তার স্বাক্ষর থাকবে এবং আদালতের সীলমোহরে মোহরাঙ্কিত থাকতে হবে।
------------ 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-5 Rule-1.Summons:
When a suit has been duly instituted a summons shall be issued by the officer of the Court appointed in this behalf to the defendant within five working days from the date of filing the suit to appear and answer the claim on a day to be therein specified: Provided that if the officer of the Court fails to issue the summons within the said period of time, he shall be liable for misconduct: Provided further that no such summons shall be issued when the defendant has appeared at the presentation of the plaint and admitted the plaintiff's claim.
(2) A defendant to whom a summons has been issued under subrule (1) may appear− (a) in person, or (b) by a pleader duly instructed and able to answer all material questions relating to the suit, or (c) by a pleader accompanied by some person able to answer all such questions.
(3) Every such summons shall be signed by the Judge or such officer as he appoints, and shall be sealed with the seal of the Court.
৮৫৭.
অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত ক্ষয়জাত দ্রব্য ফৌজদারী আদালতের নির্দেশে বিক্রি করার বিধান আছে The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ________।
  1. ৫২২ ধারায়
  2. ৫২৩ ধারায়
  3. ৫২৪ ধারায়
  4. ৫২৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫২৫ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫২৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারা অনুযায়ী-

আটককৃত চোরাই মাল দ্রুত ধ্বংসশীল বা ক্ষয়শীল হলে অথবা উক্ত সম্পত্তি বিক্রয় করা মালিকের জন্য কল্যাণকর হলে অথবা উক্ত সম্পত্তির মূল্য ১০ টাকার কম হলে যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আটকের খবর দেয়া হয়েছে, সেই ম্যাজিস্ট্রেট যে কোন সময় উক্ত সম্পত্তি বিক্রির আদেশ দিতে পারেন।
অর্থাৎ এমন সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি যদি অপরিচিত বা অনুপস্থিত থাকে এবং সম্পত্তি দ্রুত ও স্বাভাবিকভাবে ক্ষয়শীল হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট যেকোন সময় তা বিক্রয়ের নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 525- Power to sell perishable property
If the person entitled to the possession of such property is unknown or absent and the property is subject to speedy and natural decay, or if the Magistrate to whom its seizure is reported is of opinion that its sale would be for the benefit of the owner, or that the value of such property is less than ten taka the Magistrate may at any time direct it to be sold; and the provisions of sections 523 and 524 shall, as nearly as may be practicable, apply to the net proceeds of such sale.
৮৫৮.
"Registering officers to be deemed public servants" নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর কত ধারার বিধান?
  1. ৮৪ ধারা
  2. ৮৫ ধারা
  3. ৮১ ধারা
  4. ৭৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
৮৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৪ ধারা
ব্যাখ্যা
• নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর ৮৪ ধারার বিধান: নিবন্ধনকারী কর্মকর্তাগণ সরকারি কর্মচারী হিসেবে বিবেচিত হবেন (Registering officers to be deemed public servants):

১) প্রত্যেক নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এ বর্ণিত সরকারি কর্মচারী বলে বিবেচিত হবেন।

২) নিবন্ধনকারী কর্মকর্তার প্রয়োজনে প্রত্যেক ব্যক্তি তার নিকট সংবাদ প্রদান করতে আইনত বাধ্য থাকবেন। 

- অর্থাৎ এই আইন অনুযায়ী প্রত্যেক নিবন্ধনকারী কর্মকর্তাগণ সরকারি কর্মচারী হিসেবে গণ্য হবেন।
-প্রত্যেক ব্যক্তি তাদের নিকট সংবাদ প্রদানে বাধ্য থাকবেন।
৮৫৯.
দলিল বাতিলের মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ কত বছর?
  1. ১২
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
♦ তামাদি আইনের  সিডিউল ১, আর্টিকেল ৯১ মতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন-এর ৩৯ ধারায় মোকদ্দমা দায়ের করতে হলে এই দলিলের বিষয়ে জানার ৩ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে।
৮৬০.
সরকারি কর্মচারী হিসেবে ছদ্মবেশ ধারণ করার শাস্তি-
  1. ১ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  2. ২ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  3. অনধিক ৩ বছরের কারাদণ্ড
  4. শুধুমাত্র অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি- ১৭০ ধারা মতে সরকারি কর্মচারী হিসেবে ছদ্মবেশ ধারণ করার শাস্তি হলো ২ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
৮৬১.
The Evidence Act, 1872 এর ধারা ২৫ কোন নিয়মের ব্যতিক্রম?
  1. Res gestae rule
  2. Hearsay rule
  3. Confession rule
  4. Opinion rule
সঠিক উত্তর:
Confession rule
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Confession rule
ব্যাখ্যা

সাধারণত Confession Rule অনুযায়ী-
একজন অভিযুক্ত যদি নিজের অপরাধ স্বীকার করে (confession), তবে সেই স্বীকারোক্তি আদালতে অত্যন্ত শক্তিশালী প্রমাণ হিসেবে গণ্য। অর্থাৎ, অভিযুক্তের নিজের মুখে বলা দোষ স্বীকার- সাধারণত স্বীকারোক্তির (confession) নিয়ম অনুযায়ী গ্রহণযোগ্য প্রমাণ।

কিন্তু Evidence Act-এর ধারা ২৫ একটি ব্যতিক্রম সৃষ্টি করে। ধারা ২৫ বলে-
“কোনো পুলিশ অফিসারের নিকট প্রদত্ত স্বীকারোক্তি আদালতে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।”

অর্থাৎ, অভিযুক্ত নিজের মুখে অপরাধ স্বীকার করলেও ➡ যদি তা পুলিশের সামনে করা হয়, তবে তা গ্রহণযোগ্য নয়। এটাই Confession Rule-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যতিক্রম।

৮৬২.
'ক' তার ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠানের সুনাম ১০০০ টাকায় বিক্রয়ের জন্য 'খ'-এর সাথে চুক্তি করে এবং এই শর্তে রাজি হয় যে, 'ক' উক্ত ব্যবসা চিটাগং-এ পরিচালনা করবেনা। 'খ' ১০০০ টাকা 'ক'-কে পরিশোধ করে কিন্তু ক' চিটাগং-এ উক্ত ব্যবসা পরিচালনা করতে থাকে। এই ক্ষেত্রে 'খ'________ আদেশ পেতে পারে।
  1. ‘ক’-কে চট্টগ্রামে ব্যবসা পরিচালনা হতে বিরত রাখতে 'খ' নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে
  2. 'ক' কে তার কাস্টমারদের 'খ'-এর নিকট পাঠাতে বাধ্য করতে বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে
  3. ‘ক’-এর নিকট হতে আর্থিক ক্ষতিপূরণ পেতে পারে
  4. ‘ক’-এর ব্যবসার উপর চুক্তি বলবৎকরণের আদেশ পেতে পারে।
সঠিক উত্তর:
‘ক’-কে চট্টগ্রামে ব্যবসা পরিচালনা হতে বিরত রাখতে 'খ' নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
‘ক’-কে চট্টগ্রামে ব্যবসা পরিচালনা হতে বিরত রাখতে 'খ' নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে
ব্যাখ্যা
♦The Specific Relief Act, 1877 এর ৫৭ ধারার বিধান হল নেতিবাচক চুক্তি পালন করার জন্যে ইনজাংশনঃ ৫৬ ধারার (চ) অনুচ্ছেদ 'যে চুক্তির কার্য সম্পাদন সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করা যায় না, তেমন চুক্তি নিরোধের উদ্দেশ্যে'- বিধান থাকা সত্ত্বেও যেখানে একটি চুক্তি সুস্পষ্টভাবে বা ইঙ্গিতবোধকভাবে কতিপয় নির্দিষ্ট কাজ করা এবং কতিপয় নির্দিষ্ট কাজ না করার সম্মতির সমন্বয় যেখানে হ্যা সূচক চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনে বাধ্য করতে আদালত অসমর্থ হলেও সে পরিস্থিতি আদালতকে না সূচক কার্যসম্পাদনের ব্যাপারে ইনজাংশন মঞ্জুর করা থেকে নিবারণ করবে না। তবে শর্ত হচ্ছে বাদী দার উপর যতটুকু অবশ্য পালনীয়, চুক্তির ততটুকু পালন করতে ব্যর্থ হয়নি।
♦অর্থাৎ 'ক' কে চট্টগ্রামে ব্যবসা পরিচালনা হতে বিরত রাখতে 'খ' নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে।
৮৬৩.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর 89A ধারানুযায়ী মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ হওয়ার কত দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে?
  1. ১০
  2. ৬০
  3. ৩০
সঠিক উত্তর:
৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০
ব্যাখ্যা
The Code of Civil Procedure, 1908 এর 89A ধারানুযায়ী মধ্যস্থতাকারী নিয়োগের ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে, তবে আদালত নিজ উদ্যোগে বা পক্ষগণের যৌথ আবেদনের ভিত্তিতে আরো অনধিক ৩০ দিন পর্যন্ত সময় বৃদ্ধি করতে পারে।

সুতরাং মধ্যস্থতা নিষ্পত্তির সাধারণ সময়সীমা ৬০ দিন কিন্তু সর্বোচ্চ সময়সীমা ৯০ দিন।

অর্থাৎ The Code of Civil Procedure, 1908 এর 89A ধারানুযায়ী মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে।
-------------------
The Code of Civil Procedure, 1908 Section 89A(4) Within ten days from the date of reference under sub-section (1), the parties shall inform the Court in writing whom they have appointed as mediator, and if the parties fail to appoint the mediator during this time, the Court shall, within seven days, appoint a mediator from the panel as mentioned in sub-section (10) and the mediation under this section shall be concluded within 60 (sixty) days from the day on which the Court is so informed, [or the dispute or disputes are referred to Legal Aid Officer, or a mediator is appointed by the Court], as the case may be, unless the Court of its own motion or upon a joint prayer of the parties, extends the time for a further period of not exceeding 30 (thirty) days.
৮৬৪.
কোন শর্তে দাদা মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির ১/৬ অংশের উত্তরাধিকারী হবে?
  1. যদি মৃত ব্যক্তির পুত্র বা পুত্রের পুত্র না থাকে।
  2. যদি মৃত ব্যক্তির পুত্র বা পুত্রের পুত্র থাকে।
  3. যদি মৃত ব্যক্তির পিতা না থাকে।
  4. খ এবং গ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
⇒ দাদা দুটি শর্তে মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির ১/৬ অংশের উত্তরাধিকারী হবে। 

• যদি মৃত ব্যক্তির পুত্র বা পুত্রের পুত্র থাকে;

• যদি মৃত ব্যক্তির পিতা না থাকে।

উল্লেখ্য
যদি মৃত ব্যক্তির পুত্র বা পুত্রের পুত্র না থাকে। তাহলে দাদা অবশিষ্টভোগী হিসেবে ১/৬ অংশের বেশি সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হবে।
৮৬৫.
The Specific Relief Act, 1877 এর 21A ধারায় ‘স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় সংক্রান্ত অরেজিস্ট্রিকৃত কোনো ‍চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য নয়’ - বিধান সংযোজন করা হয় কোন সালে?
  1. ২০০৩
  2. ২০০৪
  3. ২০০৫
  4. ২০১২
সঠিক উত্তর:
২০০৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৪
ব্যাখ্যা
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১(ক) ধারাটি ২০০৪ সালের সংশোধনী দ্বারা সংযুক্ত হয়েছে যা ১লা জুলাই ২০০৫ থেকে কার্যকর রয়েছে অর্থাৎ ১লা জুলাই ২০০৫ সালের পূর্বে সম্পাদিত স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তি অরেজিস্ট্রিকৃত বা অনিবন্ধিত হলেও সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যেত, কিন্তু ১লা জুলাই ২০০৫ সালের পর ২১(ক) ধারার শর্তাবলি পূরণ করতে হবে। 

- উল্লেখ্য যে, ২১(ক) ধারাটি শুধুমাত্র স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তির জন্য প্রযোজ্য কিন্তু স্থাবর সম্পত্তি বন্ধক, লিজ বা দান ইত্যাদি চুক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

- অর্থাৎ বন্ধক, লিজ বা দান ইত্যাদি চুক্তি লিখিত এবং রেজিষ্ট্রিকৃত বা নিবন্ধিত না হলেও তা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে; কিন্তু স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তি (contract for sale) অবশ্যই লিখিত এবং নিবন্ধিত হতে হবে অন্যথায় তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না।

- সহজভাবে বলা যায়, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারা অনুযায়ী স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। কিন্তু অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে অরেজিষ্ট্রিকৃত বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যেতে পারে।

- The Specific Relief Act, 1877 এর 21A ধারাটি সংযুক্ত হয় ২০০৪ সালের ২৭ নং আইন দ্বারা। আর কার্যকর হয় ১ জুলাই ২০০৫ তারিখ হতে। কার্যকরের তারিখ হতে চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য জমা প্রদান বাধ্যতামূলক করা হয়।
৮৬৬.
চেক ডিজঅনারের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ৬ মাসের কারাদণ্ড
  2. ১ বছরের কারাদণ্ড
  3. চেকের সমপরিমাণ জরিমানা
  4. চেকের দ্বিগুণ জরিমানা
সঠিক উত্তর:
১ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ১৩৮- অর্থের ঘাটতির কারণে চেক প্রত্যাখ্যান:
যদি কোনো ব্যক্তি তার ব্যাংক হিসাব থেকে চেক প্রদান করেন এবং ব্যাংক সেই চেকটি অর্থের ঘাটতির কারণে বা অনুমোদিত সীমা অতিক্রম করার কারণে অবৈরত ঘোষণা করে, তবে সেই ব্যক্তি অপরাধী বলে গণ্য হবেন।

শাস্তি:
- সর্বোচ্চ ১ বছরের কারাদণ্ড, অথবা
- চেকের মূল অঙ্কের সর্বোচ্চ ৩ গুণ অর্থদণ্ড, অথবা
- উভয়ই।

তবে শর্ত থাকে যে, এই ধারা তখনই প্রযোজ্য যদি:
(ক) চেকটি প্রদান তারিখ থেকে ৬ মাসের মধ্যে বা যতদিন বৈধ, তার মধ্যে ব্যাংকে উপস্থাপন করা হয়।
(খ) চেক প্রত্যাখ্যানের তথ্য পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে লিখিত নোটিশ প্রদান করা হয় ড্রয়ার (চেকদাতা)-কে।
(গ) ড্রয়ার সেই নোটিশ পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে অর্থ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হন।
৮৬৭.
দণ্ডবিধির ৩৫০ ধারায় কী বলা আছে?
  1. অবৈধ আবরোধ
  2. বল প্রয়োগের সংজ্ঞা
  3. অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ
  4. আক্রমণ
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ
ব্যাখ্যা
• ৩৫০ ধারা মতে সম্মতি ছাড়া বা অপরাধ করার উদ্দেশ্যে কোন ব্যক্তির উপর বল প্রয়োগের ফলে জখম, ভয় বা বিরক্তি সৃষ্টি করা হলে তাকে অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ বলে।
৮৬৮.
হানাফী মুসলিম 'M' এর পুত্র 'N' ১৯৬০ সালে মারা যায়। ১৯৬৫ সালে 'M', ১ পুত্র এবং মৃত পুত্রের ১ পুত্র রেখে মারা যান। ‘M’ এর সম্পত্তিতে ‘N’-এর পুত্র কত অংশ পাবে?
  1. ১/২ অংশ
  2. ১/৩ অংশ
  3. ১/৬ অংশ
  4. কোনো সম্পত্তি পাবে না
সঠিক উত্তর:
১/২ অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১/২ অংশ
ব্যাখ্যা

MFLO, 1961 এর 4 ধারা অনুসারে:
উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি বণ্টনের ক্ষেত্রে যাহার সম্পত্তি বণ্টিত হবে তার মৃত্যুর পূর্বে যদি তার পুত্র বা কন্যার মৃত্যু ঘটে এবং উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি বণ্টনের সময় ঐ মৃত পুত্র বা কন্যার সন্তান যদি কেউ থাকে, তবে ঐ মৃত পুত্র বা কন্যা জীবিত থাকলে যে পরিমাণ সম্পত্তি পেত, তার সমান অংশ ঐ মৃত পুত্র বা কন্যার সন্তানরা অংশ অনুপাতে [per-stripes] পাবে। এ নিয়মকেই 'Doctrine of Representation' বলা হয়।

এখানে, Section 4 অনুযায়ী 'N' বেঁচে থাকলে যে অংশ পেত, 'N' এর পুত্র তা পাবে। সুতরাং, মোট সম্পত্তির ১/২ অংশ 'M' এর জীবিত পুত্র এবং বাকি ১/২ অংশ 'N' - এর পুত্র পাবে।

উল্লেখ্য:
যেহেতু MFLO, 1961 আইনটি ১৯৬১ সালের ১৫ জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে, সেহেতু, 'M' ১৯৬৫ সালে মৃত্যুবরণ করার পরই উত্তরাধিকার সৃষ্টি হয়েছে। 'N'-এর ১৯৬০ সালে মৃত্যুবরণ করা এখানে বিবেচ্য নয়।

৮৬৯.
'ক' একজন নিলামকারীর কাছে কিছু জমি বিক্রির নির্দেশ দেয়। পরে 'ক' ২০ বিঘা জমির জন্য নিলামকারীর ক্ষমতা বাতিল করে, কিন্তু নিলামকারী অজান্তে সমস্ত জমি 'খ' কে বিক্রি করে দেয়। 'খ' জানত না যে ক্ষমতা বাতিল করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে, 'খ' কোন ধারার বিধান অনুযায়ী চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন কার্যকর করতে পারবে না?
  1. ধারা ২৬(গ)
  2. ধারা ২৭(গ)
  3. ধারা ২৮(গ)
  4. ধারা ২৩(গ)
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৮(গ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৮(গ)
ব্যাখ্যা
ধারা ২৮- যে পক্ষগণকে কার্যসম্পাদনে বাধ্য করা যাবে না:
নিম্ন বর্ণিত ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন চুক্তিবদ্ধ পক্ষের বিরুদ্ধে কার্যকরী করা যাবে না –
ক) যদি চুক্তির তারিখে বিরাজমান বিষয়বস্তুর অবস্থার চেয়ে তৎকর্তৃক গৃহীতব্য‌ প্রতিদান এতই অপর্যাপ্ত হয় যে তা নিজেই বা অপরাপর পরিস্থিতির সহযােগে প্রতারণা বা বাদীর মাধ্যমে অন্যায় সুবিধা গ্রহণের সাক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায়;

খ) যদি চুক্তির আওতাধীন যে পক্ষের মাধ্যমে কার্যসম্পাদন করা কর্তব্য হয় সে পক্ষের সম্মতি ভুল বিরবণ (ইচ্ছাকৃত হােক বা অনিচ্ছাকৃত হােক) গােপন চক্রান্ত বা অসদাচরণের মাধ্যমে অর্জন করা হয়ে থাকে বা তেমন পক্ষের এমন কোন আশ্বাস প্রদানের মাধ্যমে করা হয়ে থাকে, যা উল্লেখযােগ্যভাবে পরিপূর্ণ করা হয় নি;

গ) যদি ভুল তথ্যের মাধ্যমে প্রভাবিত হয়ে বা ভুল ধারণার বশবর্তী হয়ে বা অপ্রত্যাশিতভাবে তার সম্পত্তি প্রদান করা হয়ে থাকে। তবে শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে চুক্তিতে ভুলের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের বিধান থাকে সেক্ষেত্রে তেমন বিধানের আওতার মধ্যে ভুলের জন্য ক্ষতিপূরণ করা যেতে পারে এবং তেমন কার্যকরীকরণ যথাযথ হলে অন্যান্য বিষয়ে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যেতে পারে।

উদাহরণ: উপধারা-গ এর-
ক একজন নিলামকারীকে নির্দিষ্ট জমি বিক্রয়ের নির্দেশ প্রদান করে। ক পরবর্তী সময়ে এই জমির ২০ বিঘার ব্যাপারে নিলামকারীর প্রাধিকার খারিজ করে, কিন্তু নিলামকারী অসতর্কতাবশতঃ সমগ্র জমিটাই খ-এর কাছে বিক্রয় করে, যে খারিজের ব্যাপারটি সম্পর্কে জানত না। খ চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন কার্যকরী করতে পারবে না।
৮৭০.
অর্থদন্ড কত বছরের মধ্যে যেকোন সময় আদায় করা যায়-
  1. ৬ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ২ বছর
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৭০ ধারার বিধান অর্থদণ্ড ছয় বৎসরের মধ্যে বা কারাদণ্ড চলতে থাকাকালে আদায়যোগ্য: মৃত্যুর ফলে সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না:- অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ দণ্ডাদেশ দানের পরবর্তী ছয় বৎসরের মধ্যে যে কোন সময়ে আদায় করা যাবে, এবং উক্ত দণ্ডাদেশবলে অপরাধী যদি ছয় বৎসর হতেও দীর্ঘতর মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়, তবে অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ উক্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে যে কোন সময়ে আদায় করা হবে; অপরাধীর মৃত্যুর পর তার যে সম্পত্তি তার দায় পরিশোধ আইনত দায়গ্রস্ত হতে পারে, অপরাধীর মৃত্যুর ফলে অনুরূপ সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না।

♦অর্থাৎ দণ্ডবিধির ৭০ ধারা অনুযায়ী, দণ্ডাজ্ঞা প্রদানের পরবর্তী ৬ বছরের মধ্যে অর্থদণ্ড আদায়যোগ্য । যদি অপরাধী ৬ বৎসরের বেশি সময়ের জন্য দণ্ডিত হয়, তাহলে উক্ত দণ্ডের মেয়াদ সমাপ্ত হওয়ার পূর্বে যেকোন সময়ে অর্থদণ্ড আদায়যোগ্য হবে।
৮৭১.
মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে ‘আউল’ নীতির প্রয়োগের প্রধান কারণ কী?
  1. সম্পত্তি সম্পূর্ণ বণ্টন করা
  2. অংশীদারদের সংখ্যা কমানোর জন্য
  3. ঋণ পরিশোধের জন্য সম্পত্তি ব্যবহার
  4. শরীয়তের গাণিতিক জটিলতা সমাধান করা
সঠিক উত্তর:
শরীয়তের গাণিতিক জটিলতা সমাধান করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শরীয়তের গাণিতিক জটিলতা সমাধান করা
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে ‘আউল’ নীতি প্রয়োগ করা হয় শরীয়তের গাণিতিক জটিলতা সমাধানের জন্য, যখন অংশীদারদের অংশাবলীর যোগফল মূল সম্পদের চেয়ে বেশি হয়।
- মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে 'আউল' নীতির প্রধান প্রয়োগের কারণ হলো শরীয়তের গাণিতিক জটিলতা সমাধান করা। যখন কুরআনে বর্ণিত নির্ধারিত অংশীদারদের (যাবিল ফুরুজ) প্রাপ্য অংশের যোগফল সম্পত্তির মোট অংশ (১ বা ১০০%) ছাড়িয়ে যায়, তখন আউল নীতি প্রয়োগ করে এই অসামঞ্জস্য দূর করা হয়। 
অর্থাৎ এই পরিস্থিতি স্বাভাবিকভাবে ঘটতে পারে কারণ অংশীদারদের বিভিন্ন বিন্যাসে এবং সমাবেশে গাণিতিকভাবে অংশের যোগফল ১ এর চেয়ে বেশি হয়।
- আউল নীতি প্রবর্তিত হয় এই গাণিতিক জটিলতা সমাধানের জন্য, যাতে অংশীদারদের নির্ধারিত অংশ সম্পর্কিত অনুপাত অনুসারে সমন্বয় করা যায় এবং সম্পত্তি বণ্টন সঠিকভাবে সম্ভব হয়।

উদাহরণস্বরূপ, 
- যদি স্বামী (১/২), ২ কন্যা (২/৩), এবং মা (১/৬) থাকে, তাহলে মোট অংশ = ১/২ + ২/৩ + ১/৬ = ৮/৬ (১.৩৩)। আউল প্রয়োগে প্রত্যেকের অংশকে ৮/৬ দ্বারা ভাগ করে সমাধান করা হয়।

উল্লেখ্য যে,
- আউল নীতি ইজমা (ইসলামী ঐকমত্য) দ্বারা প্রতিষ্ঠিত।
- এটি কুরআন বা হাদীসে সরাসরি উল্লেখ নেই, তবে ইসলামী ফিকহে গৃহীত হয়েছে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর ঘ।

৮৭২.
কোন মামলায় আদালত ডিক্রির কপি রেজিস্ট্রি অফিসে প্রেরণ করতে আইনগত বাধ্য?
  1. রেজিস্টার্ড দলিল বেআইনিমর্মে ঘোষণামূলক মোকদ্দমা
  2. রেজিস্টার্ড দলিল সংশোধনের মোকদ্দমা
  3. রেজিস্টার্ড দলিল বাতিলের মোকদ্দমা
  4. রেজিস্টার্ড দলিল রদরহিতের মোকদ্দমা
সঠিক উত্তর:
রেজিস্টার্ড দলিল বাতিলের মোকদ্দমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেজিস্টার্ড দলিল বাতিলের মোকদ্দমা
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারায় দলিল বাতিল সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। এই ধারানুযায়ী নিবন্ধিত দলিল বাতিল করা হলে, ডিক্রির একটি কপি সংশ্লিষ্ট নিবন্ধন কর্মকর্তার কাছে পাঠাতে হবে যার কার্যালয়ে উক্ত দলিল নিবন্ধিত হয়েছিলো।

• দলিল বাতিল সংক্রান্ত তথ্য:

⇒ দলিল বাতিলের মোকদ্দমা করতে পারে:
১) দলিলের যেকোনো পক্ষ;
২) দলিলের পক্ষ নয় এমন ব্যক্তি, কিন্তু যার ক্ষতিগ্রস্ত [Serious Injury] হওয়ার সম্ভাবনা আছে;
৩) যেকোনো ব্যক্তি; যার বিরুদ্ধে দলিলটি বাতিল বা বাতিলযোগ্য।

⇒ আদালত বিবেচনামূলক/স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে নিম্নোক্ত আদেশ দিবে বা প্রতিকার মঞ্জুর করবে:
১. বাতিল বা বাতিলযোগ্য বলে আইনানুযায়ী নিষ্পত্তি করবে,বা
২. দলিলটি অর্পণের আদেশ দিবে, বা
৩. দলিলটি বাতিলের আদেশ দিবে।

তামাদির মেয়াদ: অবগত হওয়ার সময় থেকে ৩ বছর (অনুচ্ছেদ ৯১, তামাদি আইন)।
কোর্ট ফিস: মূল্যানুপাতিক [অ্যাড-ভ্যালোরেম]।

৮৭৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৬ ধারায় আপিল আদালত নিম্নে উল্লিখিত কোন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
  1. দণ্ডাদেশ স্থগিত করতে পারে
  2. আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে
  3. ক এবং খ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
ব্যাখ্যা
• আপিল চলমান থাকলে দণ্ড স্থগিত এবং জামিনের জন্য ৪২৬ ধারায় আবেদন করা যায়। ৪২৬ ধারায় আপিল আদালতকে আপিল চলাকালীন সময় দণ্ড স্থগিত এবং আসামীকে জামিন দেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। 
 
উক্ত ধারা অনুযায়ী আপিল চলমান থাকাকালে আপিল আদালতে যে দণ্ডাদেশ বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে, সেই দণ্ডাদেশ বা আদেশ কার্যকর করা স্থগিত করতে পারে এবং আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে। বিচারিক আদালত কর্তৃক কোন ব্যক্তি অনধিক ১ বছরের কারাদন্ডে দন্ডিত হলে এবং উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান থাকলে এবং বিচারিক আদালত যদি মনে করে যে, উক্ত ব্যক্তি আপিল দায়ের করতে পারে তাহলে বিচারিক আদালত উক্ত ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে।
হাইকোর্ট বিভাগ যদি সন্তুষ্ট হয় যে, দণ্ডিত ব্যক্তিকে আপিল বিভাগে অনুমতি সাপেক্ষে আপীল [leave to appeal] করার বিশেষ অনুমতি দেয়া হয়েছে, তখন হাইকোর্ট বিভাগ যে দণ্ড দিয়েছে আপীল চলাকালীন সময় উক্ত দণ্ড স্থগিত বা আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে।
৮৭৪.
তপন, একজন উন্মাদ ব্যক্তিকে আত্মহত্যার জন্য প্ররোচিত করে এবং সেই ব্যক্তি আত্মহত্যা করে। তপন দণ্ডবিধির কোন ধারার আওতায় অপরাধ করেছে এবং তার সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারা; মৃত্যুদণ্ড
  2. দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারা; যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারা; অনধিক ৭ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারা; অনধিক ১০ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারা; মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারা; মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারা- শিশুর বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:
যদি আঠারো বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তি, কোন উন্মাদ ব্যক্তি, প্রলাপগ্রস্ত ব্যক্তি, নির্বোধ ব্যক্তি, বা কোন ব্যক্তি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি এই আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করে, সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা অনধিক দশ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 305: Abetment of suicide of child or insane person:
If any person under eighteen years of age, any insane person, any delirious person, any idiot, or any person in a state of intoxication commits suicide, whoever abets the commission of such suicide shall be punished with death or imprisonment for life, or imprisonment for a term not exceeding ten years, and shall also be liable to fine.
৮৭৫.
“প্রতিবেশীর জমি দখলের উদ্দেশ্যে তাকে হত্যা”- এটি কোন প্রকার প্রাসঙ্গিকতা?
  1. প্রস্তুতি
  2. অভিপ্রায়
  3. পরবর্তী কার্য
  4. পূর্ববর্তী কার্য
সঠিক উত্তর:
অভিপ্রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিপ্রায়
ব্যাখ্যা
• The Evidence Act, 1872 এর ৮ ধারায় বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অভিপ্রায় (Motive), প্রস্তুতি (Preparation) এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্য (Previous or Subsequent Conduct) কে প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসাবে গণ্য করা হয়েছে। কিছু উদাহরণ নিম্নরূপ:

অভিপ্রায় (Motive):
একজন ব্যক্তির হত্যার অভিপ্রায় দেখানো যেতে পারে যে, তিনি অপরাধীর মানসিক অবস্থা কি ছিল। যেমন অত্যাধিক ঋণগ্রস্ততা বা প্রতিহিংসার অভিপ্রায়।
উদাহরণ:
ক) এক জীবিত স্ত্রীকে ফেলে অন্য একজনের সাথে বিবাহ করার উদ্দেশ্যে স্বামী প্রথম স্ত্রীকে হত্যা করেছে।
খ) একজন প্রতিবেশীর জমি দখল করার জন্য অন্য প্রতিবেশী তাকে হত্যা করেছে।

প্রস্তুতি (Preparation):
অপরাধ সংঘটনের পূর্ব প্রস্তুতি নেওয়ার প্রমাণ যেমন অস্ত্র সংগ্রহ করা, লুকানো পরিকল্পনা করা ইত্যাদি।
উদাহরণ:
ক) ডাকাতি করার জন্য অপরাধী পূর্বে অস্ত্র ও মাস্ক সংগ্রহ করেছিল।
খ) এক ব্যক্তি তার বন্ধুকে হত্যা করার পরিকল্পনা করে তার বাড়িতে বিষাক্ত খাবার পাঠিয়েছিল।

পূর্ববর্তী কার্য (Previous Conduct):
অপরাধীর পূর্ববর্তী কাজকর্ম যা তার আচরণের ধারা প্রদর্শন করে।
উদাহরণ:
ক) বহুবার স্ত্রীকে নির্যাতন ও মারধর করার পর এক দিন স্বামী তাকে হত্যা করেছে।
খ) এক ব্যক্তি পূর্বে বারবার তার প্রতিবেশীর সম্পত্তি অপহরণ করেছে এবং পরে তাকে হত্যা করেছে।

পরবর্তী কার্য (Subsequent Conduct):
অপরাধের পর অপরাধীর আচরণ যেমন পলাতক অবস্থা, সন্দেহজনক কাজ, মিথ্যা বক্তব্য প্রদান ইত্যাদি।
উদাহরণ:
ক) হত্যাকাণ্ডের পর অপরাধী পালিয়ে গিয়েছিল এবং জামাকাপড় পরিবর্তন করেছিল।
খ) অপরাধের পর অপরাধী তার ছদ্মনাম ব্যবহার করে অন্যত্র পালিয়ে গিয়েছিল।
৮৭৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ৯ ধারায়
  2. ১০ ধারায়
  3. ১১ ধারায়
  4. ১২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির  ১০ ধারার বিধান নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট: (১) প্রতিটি জেলায় এবং প্রতিটি মেট্রোপলিটন এলাকায় সরকার যত সংখ্যক প্রয়োজন মনে করবেন সেই সংখ্যক ব্যক্তিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিযুক্ত করবেন এবং তাঁদের মধ্য হতে একজনকে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিযুক্ত করবেন।

(২) সরকার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে যে কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে নিযুক্তি করতেও পারবেন এবং অনুরূপ অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সরকারের নির্দেশ অনুসারে এই কোড বা সাময়িকভাবে কার্যকর অপর কোন আইন অনুসারে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের যাবতীয় বা যে কোন ক্ষমতাপ্রাপ্ত হবেন।

(৩) কোন সময় কোন জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের পদ শূন্য হবার দরুণ কোন কর্মকর্তা সরকারের আদেশ সাপেক্ষে অস্থায়ীভাবে জেলা প্রশাসনের মুখ্য নিবাহীর ঐ পদটির উত্তরাধিকার হলে তিনি সরকার কর্তৃক জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রদত্ত সকল ক্ষমতা ও তাঁর উপর অর্পিত যাবতীয় দায়িত্ব যথাক্রমে প্রয়োগ ও পালন করবেন।

(৪) সরকার অথবা সরকারের নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সময়ে সময়ে আদেশ প্রদানপূর্বক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটবৃন্দ তাঁদেরকে উক্ত কোড বলে প্রদত্ত যাবতীয় বা যে কোন ক্ষমতা যে স্থানীয় এলাকার মধ্যে প্রয়োগ করতে পারবেন তা নির্ধারণ করে দিতে পারবেন এবং অনুরূপ এলাকা নির্ধারণে ভিন্নরূপ ব্যবস্থিত ক্ষেত্র ব্যতিত অনুরূপ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ার ও ক্ষমতা সমগ্র জেলায় পরিব্যপ্ত হবে।

(৫) সরকার সমীচীন  প্রয়োজন মনে করলে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন)-এ নিযুক্ত কোন ব্যক্তিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রূপে নিয়োগ দিতে পারবেন এবং অনুরূপ সদস্যকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতাদি অর্পণ করতে পারবেন।

(৬) উপ-ধারা-৪ এ বর্ণিত স্থানীয় এলাকা নির্ধারণ সাপেক্ষে, কোন জেলা বা উপজেলায় সহকারী কমিশনার, অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনার বা উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে নিযুক্ত সকল ব্যক্তি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হবেন এবং তাঁদের স্ব স্ব স্থানীয় এলাকার অভ্যন্তরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।

(৭) এই ধারার কোন কিছুই সরকারকে সাময়িকভাবে বলবৎ কোন আইনবলে পুলিশ কমিশনারকে কোন মেট্রোপলিটন এলাকা সম্পর্কে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের যাবতীয় বা যে কোন ক্ষমতা অর্পণ করতে পারবেন না।
৮৭৭.
ফৌজদারী কার্যবিধির অধীন সর্বোচ্চ কত দিনের জন্য শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকার আদেশ দিতে পারে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৪ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির মুচলেকার মেয়াদ:
-ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৬ দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির শান্তি রক্ষা মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ৩ বছর।
-ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৭ দন্ডিত হওয়ার ক্ষেত্র ব্যতিত অন্যান্য ক্ষেত্রে শান্তি রক্ষা মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ১ বছর।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৮ রাষ্ট্রদ্রোহীতামূলক বিষয় প্রচারকারীর সদাচরণ মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ১ বছর।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৯ ভবঘুরে ও সন্দেহজনক ব্যক্তিবৃন্দের সদাচরণের মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ১ বছর।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১১০ অভ্যাসগত অপরাধীদের সদাচরণ মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ৩ বছর।

- অর্থাৎ ফৌজদারী কার্যবিধির অধীন শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকার আদেশ দিতে পারে সর্বোচ্চ ৩ বছর।
৮৭৮.
'ক' একটি রাস্তায় বাধার সৃষ্টি করে, যে রাস্তা 'খ' এর অতিক্রম করার অধিকার রয়েছে। 'ক' সরল বিশ্বাসে মনে করে যে, তার উক্ত পথ বন্ধ করার অধিকার রয়েছে। এক্ষেত্রে, 'ক' এর অপরাধ কী?
  1. অন্যায় আটক
  2. অন্যায়ভাবে বাধা
  3. অবৈধ অবরোধ
  4. কোনো অপরাধ নয় 
সঠিক উত্তর:
কোনো অপরাধ নয় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো অপরাধ নয় 
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর : কোনো অপরাধ নয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৩৯ ধারার বিধান- অবৈধ বাধা (Wrongful restraint):
যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তিকে ইচ্ছাপূর্বক এমনভাবে বাধাদান করে যার ফলে উক্ত ব্যক্তির যেদিকে যাবার অধিকার রয়েছে, এমন কোন দিকে উক্ত ব্যক্তির যাবার পথ রুদ্ধ হয়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বাধাদান করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যতিক্রম:
যদি কোন লোক স্থলে বা জলে কোন বেসরকারি পথে বাধা দেওয়ার আইনসম্মত অধিকার তার রয়েছে বলে সরল মনে বিশ্বাসবশতঃ উক্ত পথে বিঘ্ন সৃষ্টি করে, তবে তার কাজ এই ধারার অর্থের আওতায় অপরাধ হবে না।

⇒ উদাহরণ:
যে পথ অতিক্রম করার অধিকার চ-এর রয়েছে, সে পথে ক বিঘ্ন সৃষ্টি করে। ক সরল মনে বিশ্বাস করে না যে, পথটি রোধ করার অধিকার তার রয়েছে। ক-এর পথ রোধের ফলে চ পথ অতিক্রম করতে অসমর্থ হয়। ক অবৈধভাবে চ-কে বাধাদান করেছে।

৮৭৯.
ফৌজদারী কার্যবিধি অনুসারে "জামিনযোগ্য অপরাধ" বলতে কী বোঝায়?
  1. যে কোনো অপরাধ যা জামিনযোগ্য
  2. শুধুমাত্র পুলিশ কর্তৃক জামিনযোগ্য অপরাধ
  3. যে অপরাধে আদালত জামিন দিতে বাধ্য
  4. দ্বিতীয় তফসিলে জামিনযোগ্য হিসেবে উল্লিখিত অপরাধ
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় তফসিলে জামিনযোগ্য হিসেবে উল্লিখিত অপরাধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় তফসিলে জামিনযোগ্য হিসেবে উল্লিখিত অপরাধ
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজধারী কার্যবিধি ৪(খ) ধারায় জামিনযোগ্য অপরাধ বা “Bailable Offence’ সম্পর্কে বলা হয়েছে। যে সকল অপরাধ ফৌজদারী কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে জামিনযোগ্য বলে দেখানো হয়েছে যা বর্তমানে বলবৎ কোন আইন দ্বারা জামিন যোগ্য করা হয়েছে তাকে জামিনযোগ্য অপরাধ বলা হয়।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪(খ) অনুসারে "জামিনযোগ্য অপরাধ" এর সংজ্ঞা নিম্নরূপ: "bailable offence" means an offence shown as bailable in the second schedule, or which is made bailable by any other law for the time being in force.
অর্থাৎ, "জামিনযোগ্য অপরাধ" বলতে সেই অপরাধকে বোঝায় যা দ্বিতীয় তফসিলে জামিনযোগ্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, অথবা কোনো সক্রিয় আইন দ্বারা যাকে জামিনযোগ্য করা হয়েছে।

সুতরাং, সঠিক উত্তর হল ঘ) দ্বিতীয় তফসিলে জামিনযোগ্য হিসেবে উল্লিখিত অপরাধ।

৮৮০.
রাষ্ট্রপতির মেয়াদ শেষে শূন্য পদ পূরণের নির্বাচন কখন হবে?
  1. যখনই সরকার সিদ্ধান্ত নেবে
  2. মেয়াদ শেষের ৩০-৬০ দিন আগে
  3. মেয়াদ শেষের ৬০-৯০ দিন আগে
  4. মেয়াদ শেষের ১২০ দিন পরে
সঠিক উত্তর:
মেয়াদ শেষের ৬০-৯০ দিন আগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেয়াদ শেষের ৬০-৯০ দিন আগে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) মেয়াদ শেষের ৬০-৯০ দিন আগে।
⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের ধারা ১২৩ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচন পরিচালনার জন্য নির্ধারিত সময়সীমা রয়েছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ধারা ১২৩(১) অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণে পদটি শূন্য হলে, মেয়াদ-সমাপ্তির তারিখের পূর্ববর্তী ৯০ দিন থেকে ৬০ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত করতে হবে।
- অর্থাৎ, রাষ্ট্রপতির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে-আগেই নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে যেন নতুন রাষ্ট্রপতি নির্ধারিত সময়েই দায়িত্ব গ্রহণ করতে পারেন।

উদাহরণ:
যদি রাষ্ট্রপতির মেয়াদ শেষ হয় ৩০শে জুন, তাহলে ১লা এপ্রিল থেকে ১লা মে এর মধ্যে নির্বাচন হতে হবে।
৮৮১.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৩৪৪ ধারার অধীন হাইকোর্ট ব্যতীত অন্য কোনো আদালতের আদেশ কেমন হতে হবে?
  1. মৌখিক
  2. লিখিত
  3. বিচারক কর্তৃক স্বাক্ষরিত
  4. খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৪৪- কার্যক্রম স্থগিত বা মুলতবি রাখার ক্ষমতা:
(১) কোন সাক্ষীর অনুপস্থিতি বা অন্য কোন যৌক্তিক কারণে যদি কোন অনুসন্ধান বা বিচার আরম্ভ, স্থগিত রাখা বা মুলতবি রাখা প্রয়োজনীয় বা সংগত হয়ে পড়ে, সেক্ষেত্রে আদালত সঠিক মনে করলে কারণ উল্লেখপূর্বক লিখিত আদেশ দ্বারা যে শর্তে সঠিক মনে করেন সে শর্তে, যে সময়ের জন্য যৌক্তিক মনে করেন সেই সময়ের জন্য সময়ে সময়ে তা স্থগিত বা মুলতবি রাখতে পারবেন এবং আসামী হাজতে থাকলে পরোয়ানা দ্বারা তাকে রিমান্ডে দিতে পারবেনঃ

রিমান্ডঃ শর্ত থাকে যে, এই ধারা অনুসারে, কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোন আসামীকে একসঙ্গে ১৫ (পনের) দিনের অধিক মেয়াদের জন্য রিমান্ডে পাঠাতে পারবেন না।

(২) হাইকোর্ট বিভাগ ব্যতিরেকে অন্য কোন আদালত কর্তৃক এই ধারার অধীন প্রদত্ত প্রত্যেকটি আদেশ লিখিত ও বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে।

ব্যাখ্যাঃ আসামী অপরাধ করে থাকতে পারে এ মর্মে সন্দেহ সৃষ্টির মত পর্যাপ্ত সাক্ষ্য যদি সংগ্রহ হয়ে থাকে, এবং রিমান্ডের দ্বারা আরও সাক্ষ্য হতে পারে বলে যদি প্রতীয়মান হয়, তাহলে তা আসামীকে রিমান্ডে দিবার একটি যৌক্তিক কারণ হবে।
৮৮২.
The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 এর কত অনুচ্ছেদে বাংলাদেশের বার কাউন্সিলের একজন সচিব থাকার বিধান আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৬
  2. অনুচ্ছেদ ৬(ক)
  3. অনুচ্ছেদ ৫(ক)
  4. অনুচ্ছেদ ৭
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬(ক)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬(ক)
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 অনুচ্ছেদ ৬ (ক) অনুযায়ী বাংলাদেশের বার কাউন্সিলের একজন সচিব থাকবেন।
-----------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972: Article-6A. There shall be a Secretary of the Bar Council appointed by the Government from amongst the District Judges or Additional District Judges on such terms and conditions as may be determined by it.
৮৮৩.
আদালত কোন ক্ষেত্রে ধারা ৪৭ অনুযায়ী কোনো ব্যক্তির মতামত গ্রহণ করতে পারে?
  1. যখন সাক্ষ্য মৌখিক হয়
  2. যখন দলিল জাল বলে দাবি করা হয়
  3. যখন সাক্ষীর চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন ওঠে
  4. যখন হস্তলিপি বা স্বাক্ষর নিয়ে প্রশ্ন ওঠে
সঠিক উত্তর:
যখন হস্তলিপি বা স্বাক্ষর নিয়ে প্রশ্ন ওঠে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন হস্তলিপি বা স্বাক্ষর নিয়ে প্রশ্ন ওঠে
ব্যাখ্যা

• সাক্ষ্য আইনের ৪৭ ধারা- হস্তলিপি সম্বন্ধে অভিমত যেক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক:
একটি দলিল কোন ব্যক্তির দ্বারা লিখিত অথবা স্বাক্ষরিত হয়েছে সে সম্বন্ধে আদালতকে যখন কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয়, তখন যে ব্যক্তির দ্বারা এটা লিখিত অথবা স্বাক্ষরিত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, সে ব্যক্তির দ্বারা এটা লিখিত বা স্বাক্ষরিত হচ্ছে বা হয়নি এ মর্মে উক্ত ব্যক্তির হস্তলিপির সঙ্গে পরিচিত কোন ব্যক্তির অভিমত প্রাসঙ্গিক পরিগণিত।

ব্যাখ্যা- এক ব্যক্তি যেক্ষেত্রে অন্য এক ব্যক্তিকে লিখতে দেখেছে অথবা যেক্ষেত্রে সে ব্যক্তির নিকট প্রেরিত নিজের লেখার বা নিজ কর্তৃত্বে লিখিত কোন নথির উত্তরে তার নিকট হতে তার দ্বারা লিখিত বলে প্রতীয়মান নথি পেয়েছে প্রতীয়মান কাগজপত্র বরাবর তার নিকট দাখিল হয়ে আসছে, সেক্ষেত্রে প্রথমোক্ত ব্যক্তির শেষোক্ত ব্যক্তির হস্তলিপির সঙ্গে পরিচিত বলে ধরা হয়।

⇒ উক্ত ধারামতে, একজন ব্যক্তির অভিমত অন্য ব্যক্তির হস্তলিপি বা হাতের লেখা প্রমাণের ক্ষেত্রে তখন প্রাসঙ্গিক হবে, যখন কোন ব্যক্তি-
- অপর ব্যক্তিকে লিখতে দেখেছে;
- অপর ব্যক্তির লিখিত কোন দলিল পেয়েছে;
- স্বাভাবিক কাজকর্ম হিসেবে যে ব্যক্তি অপর ব্যক্তির হাতের লেখার সাথে পরিচিত হয়েছে।

৮৮৪.
'ক' তার ৭ বছরের শিশুর দ্বারা আগ্নেয়াস্ত্র বহন করান। উক্ত অপরাধের জন্য তিনি অনধিক কত বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন? 
  1. ৭ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ২ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
 শিশু আইন, ২০১৩, ধারা ৭৯: শিশুর দ্বারা আগ্নেয়াস্ত্র বা অবৈধ ও নিষিদ্ধ বস্ত্ত বহন এবং সন্ত্রাসী কার্য সংঘটনের দণ্ড:
(১) যদি কোন ব্যক্তি কোন শিশুর দ্বারা আগ্নেয়াস্ত্র বা অবৈধ ও নিষিদ্ধ বস্তু বহন করান বা পরিবহন করান, তাহা হইলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এই আইনের অধীন অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ৩ (তিন) বৎসর কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন। 
 
(২) কোন ব্যক্তি শিশুর প্রকৃত দায়িত্বসম্পন্ন বা তত্ত্বাবধানকারী ইউক, বা না হউক, কোন শিশুকে সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ১৬ নং আইন) এর ধারা ৬ এ উল্লিখিত কোন সন্ত্রাসী কার্যে নিয়োজিত করিলে বা ব্যবহার করিলে তিনি স্বয়ং উক্ত সন্ত্রাসী কার্য সংঘটনের অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং তজ্জন্য তিনি উক্ত ধারায় উল্লিখিত দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
৮৮৫.
নিম্নলিখিত কোনটি The Evidence (Amendment) Act, 2022 অনুসারে ডিজিটাল রেকর্ড হিসেবে বিবেচিত হবে-
  1. ম্যাগনেটিক রেকর্ড
  2. ড্রোন ডেটা
  3. ক ও খ উভয়ে
  4. ক বা খ কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়ে
ব্যাখ্যা
• The Evidence(Amendment) Act, 2022 দ্বারা ডিজিটাল রেকর্ডকে দলিলের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কম্পিউটারে প্রস্তুতকৃত যে কোন লেখা, সিসিটিভির ভিডিও বা মোবাইলে ধারণকৃত ছবি বা ভিডিও বা ওয়েবসাইট প্রকাশিত গেজেট ইত্যাদি ডিজিটাল রেকর্ড মর্মে গণ্য হবে এবং এগুলো সাক্ষ্য আইন অনুসারে দলিলের অন্তর্ভুক্ত হবে।

ধারা ৩: The Evidence(Amendment) Act, 2022 এর সংশোধন অনুসারে ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেকট্রিক রেকর্ড বলতে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো যুক্ত হবে-
ম্যাগনেটিক বা ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল, কম্পিউটার মেমরি, মাইক্রোফিল্ম;
⇒ অডিও, ভিডিও, ডিজিটাল বহুমুখী ডিস্ক বা ডিজিটাল ভিডিও ডিস্ক (ডিভিডি), কম্পিউটার উৎপাদিত মাইক্রোফিচ ইত্যাদিতে প্রস্তুতকৃত, প্রেরিত, গৃহীত বা ধারণকৃত কোন রেকর্ড, ডাটা বা তথ্য;
ড্রোন ডেটা বা ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশনের রেকর্ড (সিসিটিভি), সেল ফোন, হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার; বা
⇒ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ তে সংজ্ঞায়িত অন্য কোন ডিজিটাল ডিভাইসের কোন রেকর্ডস।
৮৮৬.
একতরফাসূত্রে আপিল শুনানী হলে পুনঃশুনানীর জন্য আবেদনের সময়সীমা কত?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
♦ তামাদি আইনের ১৬৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী একতরফাসূত্রে আপিল শুনানী হলে পুনঃশুনানীর জন্য আবেদনের সময়সীমা হল ৩০ দিন।
৮৮৭.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে, রুল কমিটির সদস্যদের কে নিয়োগ করেন?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. আইন মন্ত্রণালয়
  4. সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১২৩(৩) ধারা অনুযায়ী, রুল কমিটির সদস্যদের প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করেন এবং তিনি কমিটির একজন সদস্যকে সভাপতি হিসেবে মনোনীত করেন।

রুল কমিটির গঠন:
দেওয়ানি কার্যবিধির ১২৩(২) ধারা অনুসারে, রুল কমিটি গঠিত হয়—
- ৩ জন সুপ্রিম কোর্টের বিচারক, যাদের মধ্যে অন্তত একজন ৩ বছর জেলা জজ হিসেবে কাজ করেছেন।
- ২ জন আইনজীবী, যারা সুপ্রিম কোর্টে প্র্যাকটিস করেন।
- ১ জন দেওয়ানি আদালতের বিচারক, যিনি উচ্চ আদালতের অধীনস্থ।
এই সমস্ত সদস্য প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত হন এবং তিনি নিজেও চাইলে কমিটির সদস্য হতে পারেন, সে ক্ষেত্রে তিনি কমিটির সভাপতি হবেন।

সুতরাং, দেওয়ানি কার্যবিধির বিধান অনুসারে রুল কমিটির সদস্যদের নিয়োগের দায়িত্ব একমাত্র প্রধান বিচারপতির।

→ The Code of Civil Procedure, 1908- Section- 123. Constitution of Rule Committees.
(1) A Committee, to be called the Rule Committee, shall be constituted for the purpose referred to in section 122. 
(2) Such Committee shall consist of the following persons, namely:- 
(a) three Judges of the Supreme Court, one of whom at least has served as a District Judge for three years; 
(b) two advocates parctising in that Court; and 
(c) a Judge of a Civil Court subordinate to the High Court Division.
(3) The members of such Committee shall be appointed by the Chief Justice, who shall also nominate one of their number to be president: 
Provided that, if the Chief Justice elects to be himself a member of the Committee, the number of other Judges appointed to be members shall be two, and the Chief Justice shall be the President of the Committee.
(4) Each member of such committee shall hold office for such period as may be prescribed by the Chief Justice in this behalf; and whenever any member retires, resigns, dies or becomes incapable of acting as a member of the Committee, the said Chief Justice may appoint another person to be a member in his stead. 
(5) There shall be a Secretary to such Committee, who shall be appointed by the Chief Justice and shall receive such remuneration as may be provided in this behalf by the Government.
৮৮৮.
ভিন্ন কোনো বিধান না থাকার সাপেক্ষে, দণ্ডবিধি ব্যতীত অন্য আইনের অধীন কোন ধরনের অপরাধ ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী জামিনযোগ্য হবে?
  1. ৫ বছরের কম শাস্তিযোগ্য হলে
  2. ৭ বছরের কম শাস্তিযোগ্য হলে
  3. ৩ বছরের কম শাস্তিযোগ্য হলে
  4. ২ বছরের কম শাস্তিযোগ্য হলে
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কম শাস্তিযোগ্য হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কম শাস্তিযোগ্য হলে
ব্যাখ্যা
• জামিনযোগ্য অপরাধ:
ফৌজদারি কার্যবিধি ৪(খ) ধারায় জামিনযোগ্য অপরাধ বা “Bailable Offence’ সম্পর্কে বলা হয়েছে। যে সকল অপরাধ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে জামিনযোগ্য বলে দেখানো হয়েছে যা বর্তমানে বলবৎ কোন আইন দ্বারা জামিন যোগ্য করা হয়েছে তাকে জামিনযোগ্য অপরাধ বলা হয়।

ফৌজদারি কার্যবিধি ২য় তফসিলে উল্লেখিত রয়েছে যে,
দণ্ডবিধি ব্যতীত অপর কোন আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে উক্ত আইনে ভিন্ন কোন বিধান না থাকলে, অপরাধটি যদি দুই বছরের কম শাস্তিযোগ্য কিংবা কেবল অর্থদণ্ড প্রদানযোগ্য হয় তবে উক্ত অপরাধটি জামিনযোগ্য হবে।
৮৮৯.
তামাদি আইন অনুসারে মামলা দায়ের করার পর নতুন কোন বাদী বা বিবাদীকে পক্ষভুক্ত করা হলে, উক্ত নতুন কোন বাদী বা বিবাদীর বিরুদ্ধে কখন তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে?
  1. সাক্ষ্য গ্রহণের পর থেকে
  2. বিচার্য বিষয় গঠনের সময় থেকে
  3. যখন আরজি দাখিল করেছিল তখন থেকে
  4. যখন নতুন বাদী বা বিবাদীকে পক্ষভুক্ত করা হয়েছে তখন থেকে
সঠিক উত্তর:
যখন নতুন বাদী বা বিবাদীকে পক্ষভুক্ত করা হয়েছে তখন থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন নতুন বাদী বা বিবাদীকে পক্ষভুক্ত করা হয়েছে তখন থেকে
ব্যাখ্যা

ধারা ২২: নতুন বাদী বা বিবাদীকে কারও স্থলাভিষিক্ত বা পক্ষভুক্ত করার ফলাফল:
(১) যেক্ষেত্রে মামলা দায়ের করার পর নতুন কোনো বাদী বা বিবাদীকে কারও স্থলাভিষিক্ত বা পক্ষভুক্ত করা হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি যেই তারিখে অনুরূপ পক্ষভুক্ত হয়েছে, তার জন্য মামলাটি সেই তারিখে দায়ের করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।
(২) যেক্ষেত্রে মামলা মুলতবী থাকাকালে স্বত্বার্পণ বা কোনো স্বত্ব হস্তান্তরের কারণে কাউকে পক্ষভুক্ত বা স্থলাভিষিক্ত করা হয় অথবা যেক্ষেত্রে বাদীকে বিবাদী কিংবা বিবাদীকে বাদীতে রূপান্তরিত করা হয়, সেক্ষেত্রে (১) উপধারার কোনো কিছুই প্রযোজ্য হবে না।
-----------
Section 22: Effect of substituting or adding new plaintiff or defendant:
(1) Where, after the institution of a suit, a new plaintiff or defendant is substituted or added, the suit shall, as regards him, be deemed to have been instituted when he was so made a party.
(2) Nothing in sub-section (1) shall apply to a case where a party is added or substituted owing to an assignment or devolution of any interest during the pendency of a suit or where a plaintiff is made a defendant or a defendant is made a plaintiff.

৮৯০.
তামাদি আইনে সুনির্দিষ্টভাবে কোন কার্যক্রমের জন্য তামাদির নির্দিষ্ট মেয়াদ নেই?
  1. আপিল
  2. দরখাস্ত
  3. রিভিউ
  4. রিভিশন
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা
⇒ রিভিশনের তামাদির মেয়াদ তামাদি আইনের কোথাও উল্লেখ নেই।

- তফসিলে মোকদ্দমা, আপিল এবং আবেদন দায়েরের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে। তফসিলে মোট ১৮৩টি অনুচ্ছেদ বলবৎ আছে। তফসিলের ৩টি বিভাগে ৩ ধরনের বিষয়ের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে-
১. মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling suits]- অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯।
২. আপিল, রিভিউ দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling appeals]- অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭।
৩. বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling applications and petitions]- অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩।

⇒ সাধারণত আদালতে, আপিলের তামাদি মেয়াদকেই রিভিশনের তামাদি হিসেবে গণ্য করা হয়।
- হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন দায়ের করতে হবে- ৯০ দিনের মধ্যে।
- জেলা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করতে হবে- ৩০ দিনের মধ্যে।
৮৯১.
পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালতের সমন ইচ্ছাপূর্বক অমান্য করলে শাস্তি কত?
  1. অনধিক ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড
  2. অনধিক ২০০ টাকা অর্থদণ্ড
  3. অনধিক ১০০ টাকা অর্থদণ্ড
  4. অনধিক ৫০ টাকা অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
অনধিক ১০০ টাকা অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ১০০ টাকা অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ২২(২) অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আদালতের সমন অমান্য করেন, তাহলে তাকে অনধিক ১০০ (একশত) টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হতে পারে।

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩, ধারা ২২ সমন জারির ক্ষমতা:
(১) পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত যেকোনো ব্যক্তিকে আদালতে হাজির হইতে এবং সাক্ষ্য প্রদানের জন্য অথবা কোনো দলিল দাখিল করিবার বা করানোর জন্য সমন জারি করিতে পারিবে :
তবে শর্ত থাকে যে-
(ক) দেওয়ারি কার্যবিধির ধারা ১৩৩ এর উপ-ধারা (১) এর অধীন যে ব্যক্তিকে স্ব-শরীরে আদালতে হাজির হইতে অব্যাহতি দেওয়া হইয়াছে তাহাকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হইতে বাধ্য করা যাইবে না;
(খ) যদি আদালতের নিকট যুক্তিসংগতভাবে প্রতীয়মান হয় যে, অযৌক্তিক বিলম্ব, ব্যয় বা অসুবিধা ব্যতীত কোনো সাক্ষীর উপস্থিতি কার্যকর করা সম্ভব হইবে না, তাহা হইলে আদালত উক্ত সাক্ষীকে সমন দিতে বা উক্ত সাক্ষীর বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে জারীকৃত সমন বলবৎ করিতে অস্বীকার করিতে পারিবে।
(২) কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন জারীকৃত সমন ইচ্ছাপূর্বক অমান্য করিলে, উহা হইবে একটি অপরাধ এবং তজ্জন্য পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে, তাহাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান সাপেক্ষে, অনধিক ১০০ (একশত) টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করিতে পারিবে।

৮৯২.
রাষ্ট্রপতির নিকট বিল পেশের পর, তিনি কত দিনের মধ্যে সম্মতিদান করবেন অথবা পুনর্বিবেচনার অনুরোধ করবেন?
  1. ৫ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ২০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ সংবিধানের ৮০(৩) ধারা অনুসারে, রাষ্ট্রপতির নিকট কোন বিল পেশ করার পর, তিনি ১৫ দিনের মধ্যে বিলটির জন্য সম্মতিদান করবেন বা পুনর্বিবেচনার জন্য বিশেষ কোনো সংশোধনী বা বার্তা সহ সংসদে ফেরত পাঠাবেন।
- তবে, অর্থবিলের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়, অর্থবিল রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য পেশের পর উল্লিখিত ১৫ দিনের মধ্যে সম্মতিদান করতে হবে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৮০: আইনপ্রণয়ন-পদ্ধতি:
(১) আইনপ্রণয়নের উদ্দেশ্যে সংসদে আনীত প্রত্যেকটি প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হইবে।
(২) সংসদ কর্তৃক কোন বিল গৃহীত হইলে সম্মতির জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করিতে হইবে।
(৩) রাষ্ট্রপতির নিকট কোন বিল পেশ করিবার পর পনর দিনের মধ্যে তিনি তাহাতে সম্মতিদান করিবেন কিংবা অর্থবিল ব্যতীত অন্য কোন বিলের ক্ষেত্রে বিলটি বা তাহার কোন বিশেষ বিধান পুনর্বিবেচনার কিংবা রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্দেশিত কোন সংশোধনী বিবেচনার অনুরোধ জ্ঞাপন করিয়া একটি বার্তাসহ তিনি বিলটি সংসদে ফেরত দিতে পারিবেন; এবং রাষ্ট্রপতি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।
(৪) রাষ্ট্রপতি যদি বিলটি অনুরূপভাবে সংসদে ফেরত পাঠান, তাহা হইলে সংসদ রাষ্টপতির বার্তাসহ তাহা পুনর্বিবেচনা করিবেন; এবং সংশোধনীসহ বা সংশোধনী ব্যতিরেকে সংসদ পুনরায় বিলটি গ্রহণ করিলে সম্মতির জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হইবে এবং অনুরূপ উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিবেন; এবং রাষ্ট্রপতি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।
(৫) সংসদ কর্তৃক গৃহীত বিলটিতে রাষ্ট্রপতি সম্মতিদান করিলে বা তিনি সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইলে তাহা আইনে পরিণত হইবে এবং সংসদের আইন বলিয়া অভিহিত হইবে।
৮৯৩.
দণ্ডবিধির ধারা ৩৪৩ অনুযায়ী, তিন বা ততোধিক দিনের অবৈধ অবরোধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছর কারাদণ্ড
  2. ২ বছর কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩৪৩ অনুসারে, যে ব্যক্তি কাউকে তিন বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখে, তার শাস্তি হলো দুই বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের (সশ্রম বা বিনাশ্রম) কারাদণ্ড, অথবা জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ড। সুতরাং সর্বোচ্চ কারাদণ্ড ২ বছর।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৩ ধারা- তিন বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধ অবরোধ:
কোন ব্যক্তি যদি কাউকে তিন বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 343: Wrongful confinement for three or more days:
Whoever wrongfully confines any person for three days or more, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

৮৯৪.
দণ্ডবিধির ধারা ১৪৪ অনুযায়ী, বেআইনি সমাবেশে মারাত্মক অস্ত্রসহ অংশগ্রহণ করলে সর্বাধিক কী দণ্ড হতে পারে?
  1. ৬ মাসের কারাদণ্ড
  2. ১ বছরের কারাদণ্ড
  3. ২ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৩ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒  দণ্ডবিধির ১৪৪ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি বেআইনি সমাবেশে মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে যোগদান করে, তবে তাকে সর্বোচ্চ দুই বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হতে পারে, অথবা তাকে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হতে পারে, অথবা উভয় দণ্ডই দেওয়া হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪৪ ধারা- মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বেআইনি সমাবেশে যোগদান করা:
কোন ব্যক্তি যদি মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে অথবা যে বস্তু অপরাধের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করলে মৃত্যু ঘটতে পারে তা কর্তৃক সজ্জিত হয়ে কোন বেআইনি সমাবেশে যোগদান করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 144- Joining unlawful assembly armed with deadly weapon:
Whoever, being armed with any deadly weapon, or with anything which, used as a weapon of offence, is likely to cause death, is a member of an unlawful assembly, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

৮৯৫.
নিঃসম্বল ব্যক্তির আপিলের ক্ষেত্রে নিঃস্বতা সম্পর্কে তদন্ত কে করবে?
  1. শুধু আপিল শ্রবণকারী আদালত
  2. শুধু ডিক্রি প্রদানকারী আদালত
  3. সংশ্লিষ্ট বার এসোসিয়েশন
  4. আপিল শ্রবণকারী অথবা ডিক্রি প্রদানকারী যেকোনো আদালত 
সঠিক উত্তর:
আপিল শ্রবণকারী অথবা ডিক্রি প্রদানকারী যেকোনো আদালত 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল শ্রবণকারী অথবা ডিক্রি প্রদানকারী যেকোনো আদালত 
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৪ বিধি-২: নিঃস্বতা সম্বন্ধে তদন্ত:
আবেদনকারীকে নিঃস্বতা সম্পর্কে আপিল আদালত স্বয়ং অথবা যে আদালতের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল আদালতের আদেশক্রমে আপিল করা হয়েছে, সেই আদালত তদন্ত করতে পারবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, আবেদনকারী যদি যে আদালতের ডিক্রি হতে আপিল করা হয় সে আদালতে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসাবে মোকদ্দমা বা আপিল করার অনুমতি পেয়ে থাকে, তাহলে আপিল আদালত অনুরূপ তদন্তের নির্দেশ দিতে কারণ না দেখলে তার নিঃস্বতা সম্পর্কে পুনরায় তদন্ত করার প্রয়োজন হবে না।

৮৯৬.
"একজন আইনজীবী কোন মক্কেলকে মামলা করতে প্ররোচিত করতে পারবেন না" এটি Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর কোন অধ্যায়ের বিধান?
  1. প্রথম অধ্যায়
  2. দ্বিতীয় অধ্যায়
  3. তৃতীয় অধ্যায়
  4. চতুর্থ অধ্যায়
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় অধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় অধ্যায়
ব্যাখ্যা
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette- এ মোট ৪টি অধ্যায়ে ৪২টি বিধি আছে।
- প্রথম অধ্যায়ে ১১ টি, দ্বিতীয় অধ্যায়ে ১৪টি, তৃতীয় অধ্যায়ে ৯টি, চতুর্থ অধ্যায়ে ৮টি।

⇒ Canons of Professional conduct & Etiquette-এ মোট ৪টি অধ্যায় আছে। যথা-
১ম অধ্যায়- অন্যান্য আইনজীবীদের প্রতি আচরণ।
২য় অধ্যায়- মক্কেলদের প্রতি আচরণ।
৩য় অধ্যায়- আদালতের প্রতি কর্তব্য।
৪র্থ অধ্যায়- জনসাধারণের প্রতি আচরণ
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর ২য় অধ্যায়ে একজন আইনজীবীর তাহার মক্কেলের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্যের বিষয়ে বর্ণিত আছে।
⇒ দ্বিতীয় ভাগ-মক্কেলের প্রতি আইনজীবীদের আচরণ এর (ছ) মতে একজন আইনজীবী কোন মক্কেলকে মামলা করতে প্ররোচিত করতে পারবেন না।
---------------------------
CHAPTER II
CONDUCT WITH REGARD TO CLIENTS:
7. An Advocate shall not advise the commencement of prosecution or defence of case, unless he has been consulted in reference thereto, except when his relation to a party or to the subject matter is such as to make it proper for him to do so.
৮৯৭.
সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারা অনুসারে, আদালত কিভাবে ব্যতিক্রমী পরিস্থিতি সম্পর্কে ধরে নেবে?
  1. The Court may presume the presence of such circumstances
  2. The Court may presume the absence of such circumstances
  3. The Court shall presume the presence of such circumstances
  4. The Court shall presume the absence of such circumstance
সঠিক উত্তর:
The Court shall presume the absence of such circumstance
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Court shall presume the absence of such circumstance
ব্যাখ্যা
Section 105- Burden of proving that case of accused comes within exceptions:
When a person is accused of any offence, the burden of proving the existence of circumstances bringing the case within any of the General Exceptions in the Penal Code, or within any special exception or proviso contained in any other part of the same Code, or in any law defining the offence, is upon him, and the Court shall presume the absence of such circumstances.

• ধারা ১০৫ - অভিযুক্তের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রমের অধীনে প্রমাণের দায়িত্ব:
যখন কোনো ব্যক্তি অপরাধের জন্য অভিযুক্ত হন, তখন সে ব্যক্তি (অভিযুক্ত) এর দায়িত্ব যে, পেনাল কোডের সাধারণ ব্যতিক্রম বা অন্য কোনো বিশেষ ব্যতিক্রম বা proviso (যে কোনো বিশেষ বিধি বা শর্ত যা একই কোড বা অন্য কোনো আইনে অপরাধের সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে) অনুসারে তার মামলার ব্যতিক্রমী পরিস্থিতি প্রমাণ করতে হবে।

এছাড়া, আদালত এই পরিস্থিতির অনুপস্থিতি (absence of such circumstances) অনুমান করবে, অর্থাৎ, অভিযুক্তকে ব্যতিক্রমী পরিস্থিতি প্রমাণ করতে হবে এবং আদালত এই পরিস্থিতি না থাকার বিষয়টিকে স্বাভাবিক ধরে নেবে।
৮৯৮.
আদেশ-৯, বিধি-১৩ক কী সম্পর্কিত?
  1. আপিল দায়ের করা
  2. নতুন মামলা দায়ের করা
  3. একতরফা ডিক্রি প্রদানের শর্তসমূহ
  4. একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিল করা
সঠিক উত্তর:
একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিল করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিল করা
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৯, বিধি ১৩ক: সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ/বাতিল (Directly setting-aside exparte decree)-
বিচার ত্বরান্বিত ও বিলম্ব দূর করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির ৯নং আদেশের ১৩ক বিধি অনুযায়ী বিবাদী একতরফা ডিক্রির বিরূদ্ধে সরাসরি রদের আবেদন করতে পারবে। সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের জন্য বিবাদীকে নিম্নলিখিত ২টি শর্ত পূরণ করতে হবে-
i) ৩০ দিনের মধ্যে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের আবেদন করতে হবে; এবং
ii) অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদান করতে হবে।
৮৯৯.
"হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২" এর অধীনে কোন বয়সের কম হিন্দু পুরুষের বিবাহ নিবন্ধনযোগ্য নয়?
  1. ১৮ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ২১ বছর
  4. ২২ বছর
সঠিক উত্তর:
২১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ বছর
ব্যাখ্যা
হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২: ধারা ৫: হিন্দু বিবাহ নিবন্ধনের ক্ষেত্রে বিধি-নিষেধ-
অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ২১ (একুশ) বৎসরের কম বয়স্ক কোন হিন্দু পুরুষ বা ১৮ (আঠার) বৎসরের কম বয়স্ক কোন হিন্দু নারী বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হইলে উহা এই আইনের অধীন নিবন্ধনযোগ্য হইবে না।
৯০০.
'ক' এর দ্বারা 'গ' এর দাঁত ভাঙার ঘটনায় 'ক' এর কৃত অপরাধ কী?
  1. সাধারণ জখম
  2. ইচ্ছাকৃত জখম
  3. মারাত্মক জখম
  4. হত্যা চেষ্টা
সঠিক উত্তর:
মারাত্মক জখম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মারাত্মক জখম
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারা অনুযায়ী, দাঁত ভাঙা গুরুতর আঘাত বা মারাত্মক জখম হিসেবে গণ্য হয়।
- এটি ৩২০ ধারার সপ্তম দৃষ্টান্ত, যা বলে যে, "হাড় বা দাঁত ভাঙা" গুরুতর আঘাত হিসাবে পরিগণিত হবে।
- এছাড়া, ইচ্ছাকৃত জখম বা সাধারণ জখম এসবের মধ্যে দাঁত ভাঙার মতো গুরুতর আঘাত অন্তর্ভুক্ত নয়। দাঁত ভাঙার ঘটনা মারাত্মক জখম হিসেবেই বিবেচিত হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংসকরণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 320: Grievous hurt:
The following kinds of hurt only are designated as "grievous":-
Firstly.-Emasculation.
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye.
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear.
Fourthly.-Privation of any member or joint.
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint.
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face.
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth.
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.