বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ৮৭ / ১৫৫ · ৮,৬০১৮,৭০০ / ১৫,৪৭০

৮,৬০১.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৪৫ক অনুযায়ী, বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন কার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়?
  1. আদালতের উদ্দেশ্যে
  2. মামলার একটি পক্ষের উদ্দেশ্যে
  3. সরকারি কর্তৃপক্ষের উদ্দেশ্যে
  4. বিশেষজ্ঞের নিজস্ব সংস্থার উদ্দেশ্যে
সঠিক উত্তর:
আদালতের উদ্দেশ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের উদ্দেশ্যে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৪৫ক(২) অনুযায়ী বলা হয়েছে: “An expert’s report shall be addressed to the Court and not to the party on whose behalf he is examined…”
অর্থাৎ, বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদনটি আদালতের উদ্দেশ্যেই প্রণীত হবে, কোনো পক্ষের জন্য নয়। বিশেষজ্ঞের প্রধান দায়িত্ব হলো আদালতকে সহায়তা করা, পক্ষপাতিত্ব নয়।
- প্রতিবেদন কোনো পক্ষের হয়ে তৈরি করা যাবে না। এটি আদালতের নিকট প্রদান করতে হবে। বিশেষজ্ঞ সাক্ষী আদালতের সাহায্যকারী হিসেবে কাজ করেন, কোনো পক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে নয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৪৫ক: বিশেষজ্ঞের মতামত শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে:
(১) আদালতের অনুমতি ছাড়া কোনো সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হিসেবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না, যতক্ষণ না তার প্রতিবেদনটি (উপ-ধারা ২ অনুযায়ী) সমস্ত পক্ষকে প্রদান করা হয়।
(২) বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদনটি আদালতের উদ্দেশ্যে প্রদান করা হবে এবং কোনো পক্ষের পক্ষে নয়, এবং বিশেষজ্ঞের কর্তব্য হচ্ছে আদালতকে সাহায্য করা।
--------
⇒ The Evidence Act, 1872 Section 45A. Opinion of experts on physical or forensic evidence:
(1) Except by leave of the Court a witness shall not testify as an expert on physical or forensic unless a copy of his report has, pursuant to sub-section (2), been given to all the parties.
(2) An expert’s report shall be addressed to the Court and not to the party on whose behalf he is examined and he shall owe a duty to help the Court.
৮,৬০২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৪ ধারায় যখন অভিযুক্ত জবানবন্দি সত্য হিসেবে স্বীকার করে, তখন কে স্বাক্ষর করবে?
  1. পুলিশ অফিসার
  2. শুধুমাত্র অভিযুক্ত
  3. শুধুমাত্র ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ
  4.  অভিযুক্ত এবং আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ উভয়ে
সঠিক উত্তর:
 অভিযুক্ত এবং আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ উভয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 অভিযুক্ত এবং আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ উভয়ে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৬৪- অভিযুক্তের জবানবন্দি যেভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে:-
(১) যেক্ষেত্রে কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা হাইকোর্ট ডিভিশন ব্যতীত, অন্য কোন আদালত, কোন অভিযুক্তের জবানবন্দি গ্রহণ করেন, সেক্ষেত্রে তাকে জিজ্ঞাসিত প্রত্যেকটি প্রশ্ন ও তাঁর প্রদত্ত প্রত্যেকটি জবাবসহ সমগ্র , যে ভাষায় তার জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে সে ভাষায় বা তা সম্ভব না হলে আদালতের ভাষায় কিংবা ইংরেজি ভাষায় পূর্ণাঙ্গরূপে লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং উক্ত নথি তাকে দেখাতে হবে বা পড়ে শুনাতে হবে অথবা যে ভাষায় তা লেখা হয়েছে ঐ সে বুঝতে না পারলে যে ভাষায় সে বুঝে ঐ ভাষায় তা তাকে বুঝিয়ে দিতে হবে এবং সে তার জবাব ব্যাখ্যা করতে বা তাতে জবাবে নতুন কিছু যোগ করতে পারবে।

(২) সে যখন সমগ্র জবানবন্দি সত্য হিসাবে স্বীকার করে, তখন অভিযুক্ত এবং উক্ত আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ তাতে স্বাক্ষর করবেন এবং উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ স্বহস্তে সার্টিফাই করবেন যে, জবানবন্দি তাঁর উপস্থিতিতে ও শ্রবণের মধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে এবং নথিতে অভিযুক্তের বিবৃতির একটি পূর্ণাঙ্গ ও সত্য বিবরণ রয়েছে।

(৩) ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ স্বয়ং অভিযুক্তের জবানবন্দি লিপিবদ্ধ না করলে জবানবন্দি চলার সময় তিনি আদালতের ভাষায় বা ইংরেজির সঙ্গে পর্যাপ্তভাবে পরিচিত হলে ইংরেজি ভাষায় তার একটি স্মারক তৈরি করতে থাকবেন এবং এরূপ স্মারক ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ কর্তৃক স্বহস্তে লিখিত ও স্বাক্ষরিত হবে এবং নথির সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে। ম্যাজিস্ট্রেট বা জর্জ যদি উক্ত স্মারক তৈরি করতে না পারেন, সেক্ষেত্রে তিনি তাঁর এরূপ অসামর্থ্যের কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।

(৪) এই ধারার কোন বিধান ধারা-২৬৩ অনুসারে অভিযুক্তের জবানবন্দি গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে মর্মে পরিগণিত করা যাবে না।

৮,৬০৩.
Section 419 deals with which aspect of appeal?
  1. How appeals are heard
  2. Time limitations for appeal
  3. Powers of appellate court
  4. Petition of Appeal
সঠিক উত্তর:
Petition of Appeal
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Petition of Appeal
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 419: Petition of Appeal:
Every appeal shall be made in the form of a petition in writing presented by the appellant or his pleader, and every such petition shall (unless the Court to which it is presented otherwise directs) be accompanied by a copy of the judgment or order appealed against.

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৯ ধারার বিধান: আপিলে দায়েরের পদ্ধতি:
প্রত্যেকটি আপিল দায়ের করতে হবে পিটিশন বা দরখাস্ত আকারে। আপিলের পিটিশন আপিলকারী বা তার উকিল দাখিল করবে। যে রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হচ্ছে তার কপি আপিলের পিটিশনের সাথে দাখিল করতে হবে।

৮,৬০৪.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১৪৩ ধারা অনুসারে স্বত্বলিপি হালনাগাদ সংরক্ষণ কার্যক্রমে কোন কারণপ্রসূতঃ পরিবর্তন স্বত্বলিপিতে সন্নিবেশযোগ্য নয়?
  1. হস্তান্তরের ফলে নামজারী
  2. জোতের একত্রীকরণ
  3. রিসিভার নিয়োগ
  4. জমি সিকন্তি হেতু খাজনা মওকুফ
সঠিক উত্তর:
রিসিভার নিয়োগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিসিভার নিয়োগ
ব্যাখ্যা

⇒ The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১৪৩ ধারা অনুসারে স্বত্বলিপি হালনাগাদ সংরক্ষণ কার্যক্রমে গ) রিসিভার নিয়োগ কারণপ্রসূতঃ পরিবর্তন স্বত্বলিপিতে সন্নিবেশযোগ্য নয়।
- ১৪৩ ধারায় সুনির্দিষ্টভাবে যে কারণগুলিতে পরিবর্তনগুলি অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলা হয়েছে, সেগুলি হল:
ক) হস্তান্তর অথবা উত্তরাধিকারের ভিত্তিতে নামজারী।
খ) জোত ক্ষুদ্রতর অংশ ভাগকরণ, একত্রীকরণ বা সংযুক্তকরণ।
গ) সরকার কর্তৃক ক্রয় করা ভূমি অথবা জোতের নূতন বন্দোবস্ত।
ঘ) ভূমি পরিত্যাগ অথবা সিকস্তি অথবা অধিগ্রহণজনিত কারণে খাজনা মওকুফ।
রিসিভার নিয়োগ একটি প্রশাসনিক বা আদালতের আদেশ, যা জমির স্বত্বের সরাসরি পরিবর্তন ঘটায় না, তাই এটি ১৪৩ ধারা অনুযায়ী খতিয়ান হালনাগাদ করার কারণ হিসেবে গণ্য হয় না।

⇒  রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের ১৪৩ ধারার বিধান খতিয়ান সংরক্ষণ: কালেক্টর অত্র আইনের ৪র্থ খণ্ড অথবা এই খণ্ড অনুযায়ী প্রস্তুতকৃত অথবা পুনঃপরীক্ষিত খতিয়ান নির্ধারিত পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করিবেন, প্রকৃত ভুল শুদ্ধ করিয়া ও উহাতে নিম্নলিখিত হেতুতে পরিবর্তনগুলি অন্তর্ভুক্ত করিবেন-
ক) হস্তান্তর অথবা উত্তরাধিকারের ভিত্তিতে নামজারী।
খ) জোত ক্ষুদ্রতর অংশ ভাগকরণ, একত্রীকরণ বা সংযুক্তকরণ,
গ) সরকার কর্তৃক ক্রয় করা ভূমি অথবা জোতের নূতন বন্দোবস্ত: এবং
ঘ) ভূমি পরিত্যাগ অথবা সিকস্তি অথবা অধিগ্রহণজনিত কারণে খাজনা মওকুফ। 
----------- 
⇒ The State Acquisition and Tenancy Act, 1950, Section 143. Maintenance of the record-of-rights:
- The Collector shall maintain up-to-date, in the prescribed manner, the record-of-rights prepared or revised under Part IV or under this Part by correcting clerical mistakes and by incorporating therein the changes on account of- 
(a) the mutation of names as a result of transfer or inheritance; 
(b) the subdivision, amalgamation or consolidation of holdings; 
(c) the new settlement of lands or of holdings purchased by the Government; and 
(d) the abatement of rent on account of abandonment or diluvion or acquisition of land.

৮,৬০৫.
একজন শৈল্য চিকিৎসক সরল বিশ্বাসে একজন রােগীকে বলেন "আপনি আর বাঁচবেন না, এতে উক্ত রোগী মানসিক আঘাত পেয়ে মারা যায়। এক্ষেত্রে শৈল্য চিকিৎসক নিচের কোন ধারার অপরাধ করেছেন?
  1. দণ্ডবিধির ৮৮ ধারার
  2. দণ্ডবিধির ৯৩ ধারার
  3. দণ্ডবিধির ৯৫ ধারার
  4. দণ্ডবিধির ৯৬ ধারার
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৯৩ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৯৩ ধারার
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৯৩ ধারার বিধান সদবিশ্বাসে কৃত যোগাযোগ:
 কোন ব্যক্তির মঙ্গলার্থে আন্তরিক সদিচ্ছাক্রমে কৃত যোগাযোগ বা খবর প্রদান, উক্ত খবর প্রদানের ফলে উক্ত ব্যক্তির কোন প্রকার ক্ষতি হওয়ার দরুণ অপরাধ হবে না।

♦ উদাহরণ
ক একজন সার্জন। তিনি আন্তরিক সদিচ্ছা থেকে জনৈক রোগীকে তার এই মত জানান যে, সে বাঁচবে না। ইহাতে মর্মান্তিক আঘাত প্রাপ্তির ফলে রোগীটির মৃত্যু হয়। কএর কাজটি অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না, যদিও তিনি জানতেন যে, তার এইরূপ মত দেওয়ার ফলে রেগিটির মৃত্যু ঘটতে পারে।

------------------------------------
♦ Communication made in good faith
Section 93. No communication made in good faith is an offence by reason of any harm to the person to whom it is made, if it is made for the benefit of that person. 
 
♦ Illustration 
A, a surgeon, in good faith, communicates to a patient his opinion that he cannot live. The patient dies in consequence of the shock. A has committed no offence, though he knew it to be likely that the communication might cause the patient's death.
৮,৬০৬.
কোন কারণে দলিল সংশোধন করা যেতে পারে?
  1. কেবল আইনি ত্রুটির কারণে
  2. প্রতারণা বা পক্ষসমূহের পারস্পরিক ভুলে
  3. কেবল দলিল নিবন্ধিত না হলে
  4. দলিল পক্ষসমূহের প্রকৃত উদ্দেশ্য প্রকাশ করলে
সঠিক উত্তর:
প্রতারণা বা পক্ষসমূহের পারস্পরিক ভুলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতারণা বা পক্ষসমূহের পারস্পরিক ভুলে
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারার বিধান- যখন দলিল সংশোধন করা যেতে পারে:
যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষসমূহের পারস্পরিক ভুলের দরুন কোন চুক্তি বা অপর কোন লিখিত দলিল সত্যিকারভাবে তাদের উদ্দেশ্য ব্যক্ত করে না, যেকোন পক্ষ বা তাদের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিল সংশোধিত করে নেওয়ার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে এবং যদি আদালত এটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের বেলায় প্রতারণা বা ভুল কার হয়েছে এবং তা কার্যকরী করার ব্যপারে পক্ষসমূহের সত্যিকার উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে অক্ষম হয়, সেখানে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুসারে যতদূর পর্যন্ত তা তৃতীয় পক্ষ কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করে করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন, যাতে তা সে উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয়।

৮,৬০৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৫৩ এর অধীনে, থানা ইনচার্জ কোন পরিস্থিতিতে ওয়ারেন্ট ছাড়া কোনো স্থানে প্রবেশ করতে পারেন?
  1. মাদকদ্রব্য খুঁজতে
  2. চুরি যাওয়া মাল খুঁজতে
  3. সন্দেহজনক ব্যক্তিকে খুঁজতে
  4. ভুয়া ওজন ও পরিমাপক যন্ত্র খুঁজতে
সঠিক উত্তর:
ভুয়া ওজন ও পরিমাপক যন্ত্র খুঁজতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভুয়া ওজন ও পরিমাপক যন্ত্র খুঁজতে
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: ঘ) ভুয়া ওজন ও পরিমাপক যন্ত্র খুঁজতে। 
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৫৩(১) এর বিধান অনুযায়ী:
"(১) কোনো পুলিশ স্টেশনের অফিসার ইনচার্জ যদি ন্যায্যভাবে বিশ্বাস করেন যে, তার কার্য এলাকায় কোনো স্থানে ভুয়া ওজন বা পরিমাপক যন্ত্র রাখা আছে বা ব্যবহৃত হচ্ছে, তাহলে তিনি ওয়ারেন্ট ছাড়াই ঐ স্থানে প্রবেশ করতে পারেন তা পরিদর্শন বা অনুসন্ধানের জন্য।
(২) যদি তিনি সেখানে ভুয়া যন্ত্র খুঁজে পান, তিনি তা জব্দ করতে পারেন এবং অবিলম্বে ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাতে বাধ্য থাকবেন।"

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৫৩(১) এর বিধান অনুযায়ী: থানা ইনচার্জ (ওসি) ওয়ারেন্ট ছাড়াই তার থানা এলাকার মধ্যে যে কোনো স্থানে প্রবেশ করতে পারেন, যদি: তার বিশ্বাস করার যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকে যে সেখানে ভুয়া ওজন, পরিমাপ বা ওজন পরিমাপের যন্ত্র আছে বা ব্যবহার হচ্ছে এর উদ্দেশ্য হল এসব ভুয়া যন্ত্রপাতি পরিদর্শন বা তল্লাশি করা। ধারা ১৫৩(২) অনুসারে: যদি ভুয়া ওজন বা পরিমাপের যন্ত্র পাওয়া যায়, তা তাৎক্ষণিকভাবে জব্দ করতে হবে জব্দকৃত জিনিস সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট আদালতকে অবহিত করতে হবে

⇒ The Code of Criminal Procedure- Section-153. Inspection of weights and measures:
(1) Any officer in charge of a police-station may, without a warrant, enter any place within the limits of such station for the purpose of inspecting or searching for any weights or measures or instruments for weighing, used or kept therein, whenever he has reason to believe that there are in such place any weights, measures or instruments for weighing which are false. 
(2) If he finds in such place any weights, measures or instruments for weighing which are false, he may seize the same, and shall forthwith give information of such seizure to a Magistrate having jurisdiction.
৮,৬০৮.
কোনো ব্যক্তি প্রতারণায় ব্যবহৃত হবে জেনে দলিল জাল করলে তার সর্বোচ্চ কারাদণ্ড _______ বছর।
  1. ১৪
  2. ১০
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৬৮ মতে কোনো ব্যক্তি প্রতারণায় ব্যবহৃত হবে জেনে দলিল জাল করলে তার সর্বোচ্চ কারাদণ্ড সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
৮,৬০৯.
মিথ্যা বা হয়রানিমূলক মোকদ্দমা বা দাবির কারণে ক্ষতিগ্রস্থ পক্ষকে আদালত সর্বোচ্চ কত টাকা ক্ষতিপূরণমূলক খরচ দিতে পারে?
  1. ৩০০০
  2. ৫০০০
  3. ২০০০০
  4. ১০০০০
সঠিক উত্তর:
২০০০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০০০
ব্যাখ্যা
- দেওয়ানী কার্যবিধির - ৩৫ক ধারা বিধান হল মিথ্যা বা বিরক্তিকর দাবি বা জবাব সম্পর্কে ক্ষতিপূরণমূলক খরচ: মিথ্যা বা হয়রানিমূলক মোকদ্দমা বা দাবির কারণে ক্ষতিগ্রস্থ পক্ষ ক্ষতিপূরণমূলক খরচের (Compensatory Cost ) জন্য আবেদন করতে পারে। আদালত সর্বোচ্চ ২০,০০০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণমূলক খরচ প্রদানের আদেশ দিতে পারবেন । এই ধারাটি আপিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
- এই ধারায় কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদেশ প্রদান করা হলে তাকে ফৌজদারি দায় হতে অব্যাহতি দিয়েছে বলে ধরে নেওয়া হবে না।
- ৩৫ক ধারায় প্রদত্ত ক্ষতিপূরণমূলক খরচের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে।
- ৩৫ ধারার খরচ হল সাধারণ খরচ যা মামলার কারণে পক্ষদের খরচ হয় যেমন- কোর্ট ফি, আইনজীবীর ফি ও এই সংক্রান্ত অন্যান্য খরচ।
- ৩৫ক ধারায় মিথ্যা ও হয়রানিকর দাবির কারণে আদালত সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণমূলক খরচ দিতে পারে।
- ৩৫খ তে যে খরচের আদেশ দেওয়া হয় তা মূলত interlocutory matter এ কোনো দরখাস্ত নির্ধারিত সময়ে দাখিল না করে বিলম্বে দাখিল করার জন্য আরোপ করা হয়।

- দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৫ক ধারার বিধান: মিথ্যা বা বিব্রতকর দাবি বা আত্মপক্ষ সমর্থনের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণমূলক খরচ:
১) যদি কোন মোকদ্দমা অথবা জারির কর্মপদ্ধতিসহ অন্য কার্যক্রমে, কিন্তু আপিলে নয়, কোন পক্ষ দাবিতে অথবা জবাবে এই জন্য আপত্তি প্রদান করে যে, দাবি কিংবা জবাব, অথবা উহার কোন পার্ট, মিথ্যা বা বিরক্তিকর, এবং তৎপরবর্তীতে ঐরূপ দাবি কিংবা জবাবকে মিথ্যা অথবা বিরক্তিকর হিসাবে ধারণা প্রদান করার কারণ লিপিবদ্ধ করার পর ক্ষতিপূরণ হিসাবে আপত্তিকারীকে খরচা প্রদান করার আদেশ দিবে, যা আদালতের আর্থিক এতিয়ারের পরিসীমা অতিক্রান্ত না করে বিশ হাজার টাকা পর্যন্ত হবে।

২) এই ধারার অধীন তাতে বর্ণিত কারণে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদেশ প্রদান করা হলে ঐ দাবি কিংবা জবাব সম্পর্কে তাকে ফৌজদারি দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হবে না।

৩) মিথ্যা কিংবা বিরক্তিকর দাবি অথবা জবাবের নিমিত্তে উক্ত ধারার অধীন মঞ্জুরীকৃত খরচার পরিমাণ পরবর্তী খেসারত অথবা ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমায় ঐরূপ দাবি অথবা জবাব সম্পর্কে বিবেচনায় রাখতে হবে।
------------
CPC Section 35A. Compensatory costs in respect of false or vexatious claims or defences:
(1) If in any suit or other proceeding, including an execution proceeding, not being an appeal, any party objects to the claim or defence on the ground that the claim or defence, or any part of it, is false or vexatious, and if, thereafter, such claim or defence is disallowed, in whole or in part, the Court shall, after recording its reasons for holding such claim or defence to be false or vexatious, make an order for the payment to the objector, such cost by way of compensation which may, without exceeding the limit of the Court's pecuniary jurisdiction, extend upto twenty thousand taka.
 
(2) No person against whom an order has been made under this section shall, by reason thereof, be exempted from any criminal liability in respect of any claim or defence made by him.

(3) The amount of any cost awarded under this section in respect of a false or vexatious claim or defence shall be taken into account in any subsequent suit for damages or compensation in respect of such claim or defence.
৮,৬১০.
দণ্ডবিধির কত ধারায় অনিচ্ছাকৃত নেশাগ্রস্ততার কারণে বিচারশক্তি রহিত ব্যক্তির কাজ অপরাধ নয় বলে উল্লেখ আছে?
  1. ৮৩
  2. ৮৪
  3. ৮৫
  4. ৮৬
সঠিক উত্তর:
৮৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৫
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৮৫ ধারামতে কোন ব্যক্তি অনিচ্ছাকৃতভাবে নেশাস্ত হলে অর্থাৎ যে নেশাদ্রব্যের জন্য সে মাতাল হয়েছিল উক্ত নেশাদ্রব্য তার অগোচরে বা তার ইচ্ছার বিরূদ্ধে তাকে খাওয়ানো হয়েছিল এবং এর ফলে অর্থাৎ মাতাল অবস্থায় কোন অপরাধ সংঘটিত হলে উক্ত নেশাস্ত বা মাতাল ব্যক্তি উক্ত অপরাধের জন্য দায়ী হবেনা।
• তবে অপরাধ করার সময় উক্ত মাতাল ব্যক্তির মানসিক অবস্থা এমন থাকবে যে, সে তার কাজের প্রকৃতি ও পরিণতি উপলব্ধি করতে পারবে না।
৮,৬১১.
Section 128 applies when the gift consists of:
  1. A specific asset or property
  2. A portion of the donor’s property
  3. The donor’s whole property
  4. None of the above
সঠিক উত্তর:
The donor’s whole property
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The donor’s whole property
ব্যাখ্যা
ধারা ১২৮- সর্বজনীন দাতা (Universal Donee):
ধারা ১২৭ এর বিধান অনুসারে, যখন কোনো দান সম্পূর্ণভাবে দাতার (donor) সম্পত্তি নিয়ে করা হয়, তখন দানগ্রহীতা (donee) দাতার পক্ষে থাকা সমস্ত ঋণ এবং দায়-দায়িত্বের জন্য ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকবেন, যতটুকু সম্পত্তি দানে অন্তর্ভুক্ত থাকে। অর্থাৎ, দানগ্রহীতা দাতার সমস্ত ঋণ এবং দায়িত্বের জন্য সম্পত্তির পরিমাণ অনুযায়ী দায়ী থাকবেন, যা দানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

[Subject to the provisions of section 127, where a gift consists of the donor's whole property, the donee is personally liable for all the debts due by and liabilities of the donor at the time of the gift to the extent of the property comprised therein.]
৮,৬১২.
ফৌজদারী মামলায় চরিত্র সম্পর্কে কোনটি প্রাসঙ্গিক?
  1. পূর্ববর্তী খারাপ চরিত্র
  2. পূর্ববর্তী সৎচরিত্র
  3. খারাপ চরিত্র
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
পূর্ববর্তী সৎচরিত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ববর্তী সৎচরিত্র
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ৫৩ ধারা অনুযায়ী ফৌজদারি মামলায় পূর্ববর্তী সৎ চরিত্র প্রাসঙ্গিক।
৮,৬১৩.
একজন আইনজীবীর ফি নির্ধারণের ক্ষেত্রে নিম্নের কোনটি বিবেচ্য বিষয় নয়?
  1. দায়িত্ব পালনে ব্যয়িত সময় ও শ্রম
  2. সংশ্লিষ্ট মামলায় দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অন্য পেশাগত দায়িত্ব
  3. বিরোধীয় বিষয়বস্তুর মূল্যের তুলনায় মামলায় মক্কেলের লাভ
  4. অতিরিক্ত ফি প্রদানের মক্কেলের সক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত ফি প্রদানের মক্কেলের সক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত ফি প্রদানের মক্কেলের সক্ষমতা
ব্যাখ্যা
♦অচরণবিধি এর অধ্যায় ২, বিধি ১০ তে বলা আছে ফি নির্ধারণের ক্ষেত্রে একজন আইনজীবী তার পরামর্শ ও সেবারজন্য নিজের অতি মূল্যায়ন কিংবা অবমূল্যায়ন করবেনা। যদি কোন বিরোধপূর্ন সম্পত্তির মূল্য বিবেচনায় আইনজীবীর ফি কম বা না হওয়া যৌক্তিক হয়, সেক্ষেত্রে মক্কেলের সক্ষমতার কারণে উচ্চহারে ফি আদায় করা সমীচীন নহে। ফি নির্ধারনের ক্ষেত্রে সহআইনজীবীর পক্ষ হতে কোন যৌক্তিক অনুরোধ করা হলে তা সহৃদয়তার সাথে বিশেষ ভাবে বিবেচনা করতে হবে। কোন আইনজীবীর বিধবা স্ত্রী কিংবা তার এতিম সন্তানদের আইনী সহায়তা দেওয়ার প্রয়োজন হলে কোনরুপ ফি ব্যতিরেকে তাদেরকে আইনী সহায়তা দিতে হবে। ফি নির্ধারণের ক্ষেত্রে নিম্ন বর্ণিত বিষয়সমূহ বিবেচনায় রাখা সমীচীন হবে :
i) মামলার বিষয়বস্তুর নতুনত্ব, অভিনবত্ব ও প্রশ্নের জটিলতা নিরসনে কিরুপ দক্ষতা, শ্রম এবং সময় বিনিয়োগ করতে হবে।
ii) কোন মামলায় আইনীসেবা দেওয়ার জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত হলে তা উক্ত আইনজীবীর জন্য অন্য মামলায় অংশগ্রহনের ক্ষেত্রে কোন প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে কিনা কিংবা উক্ত মামলায় তার সম্পৃক্ততা না হলে ভাল হতো কিংবা উক্ত মামলায় তার অংশ গ্রহনের ফলে অন্য একটি মামলায় তার ক্ষতি হবে না।
iii) সদৃশ মামলা পরিচালনার ক্ষেত্রে আইনজীবী সমিতিতে ফি নেওয়ার কি নিয়ম প্রচলিত আছে।
iv)মামলার বিরোধপূর্ণ বিষয়ের মূল্যমান ও মামলার ফলাফলে মক্কেল কী পরিমাণ সুফল লাভ করবে।
v) ক্ষতিপূরণ প্রাপ্তিতে কিরুপ অনিশ্চয়তা কিংবা নিশ্চয়তা বিদ্যমান, এবং 
vi. আইনীসেবা দেওয়ার জন্য নিয়োগের ধরণ অর্থাৎ উক্ত নিয়োগ সাময়িক নাকি দীর্ঘমেয়াদী। উপরোক্ত বিষয়ের কোনটিই ফি নির্ধারণের ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রক হিসাবে কাজ করেনা বরং সেবার প্রকৃত মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে নির্দেশনা হিসাবে কাজ করে।
ফি নির্ধারণের ক্ষেত্রে ইহা ভুললে চলবেনা যে, আইন পেশা সুবিচার নিশ্চিত করার একটি পেশা, উক্ত পেশা কেবল মাত্র অর্থ উপার্জনের কোন পেশা নহে।
৮,৬১৪.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের ১৪৭ ধারার অধীনে ভূমি প্রশাসন বোর্ড এর নিকট আপিলের তামাদি মেয়াদ-
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ The State Acquisition and Tenancy Act 1950 এর ১৪৭ ধারার বিধান আপিল: 
- এই ভাগ বা এই আইনের অধীন প্রণীত বিধিমালাতে আপিলের বিশেষ বিধানসাপেক্ষে, এই ভাগের অধীন রাজস্ব কর্মকর্তার প্রত্যেক মূল বা আপিল আদেশের বিরুদ্ধে নিম্নরূপভাবে আপিল করা যাইবে, যথা:
(ক) কালেক্টরের অধস্তন রাজস্ব কর্মকর্তা কর্তৃক আদেশ প্রদান করা হইলে, কালেক্টরের নিকট;
(কক) বিভাগের মধ্যে জেলার কালেক্টর কর্তৃক আদেশ প্রদান করা হইলে, বিভাগীয় কমিশনারের নিকট; এবং
(গ) বিভাগীয় কমিশনার কর্তৃক আদেশ প্রদান করা হইলে, ভূমি প্রশাসন বোর্ডএর নিকট

The State Acquisition and Tenancy Act 1950 এর ১৪৮ ধারার বিধান আপিল: আপিলের জন্য তামাদির মেয়াদ:
- ধারা ১৪৭ অনুযায়ী আপিলের জন্য তামাদির মেয়াদ যে আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয় সেই আদেশের তারিখ হইতে চলিতে থাকিবে এবং উহা নিম্নরূপ হইবে, অর্থাৎ-
       (ক) কালেক্টরের নিকট আপিল__________ত্রিশ দিন।
       (খ) বিভাগীয় কমিশনারের নিকট আপিল________ষাট দিন। 
       (খখ) ভূমি প্রশাসন বোর্ড এর নিকট আপিল___________নব্বই দিন।

-----------
- Section 147. Appeals:
-Subject to any special provisions for appeal made in this Part or in any rules made under this Act, an appeal shall lie from every original or appellate order made under any of the provisions of this Part by a Revenue-officer as follows, namely:- 
(a) to the Collector, when the order is made by a Revenue-officer subordinate to the Collector; 
(aa) to the Commissioner of the division, when the order is made by the Collector of a district within the division; and
(c) to the Board of Land Administration, when the order is made by the Commissioner of a division.

- Section 148. Limitation for appeals:
The period of limitation for an appeal under section 147 shall run from the date of the order appealed against and shall be as follows, that is to say- 
(a) when the appeal lies to the Collector .............................. thirty days. 
(b) when the appeal lies to the Commissioner of a division ............ sixty days.
(bb) when the appeal lies to the Board of Land Administration ........................ ninety days.
৮,৬১৫.
দেওয়ানী কার্যবিধির ৮২ ধারা অনুসারে সরকারের নিকট রিপোর্ট প্রদানের পর কতদিনের মধ্যে ডিক্রি কার্যকর করা যাবে না?
  1. ৬ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ২ মাস
  4. ১ মাস
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৮২(২) অনুযায়ী, যদি সরকারের বিরুদ্ধে বা সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে কোনো ডিক্রি প্রদত্ত হয় এবং তা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পালন না হয়, তবে আদালত বিষয়টি সরকারের নিকট রিপোর্ট আকারে প্রেরণ করেন। রিপোর্ট প্রেরণের তারিখ থেকে তিন মাস অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত সেই ডিক্রির কার্যকরীকরণ (execution) আদেশ জারি করা যাবে না।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ৮২ ধারার বিধান: ডিক্রি জারি:
১) সরকারের বিরুদ্ধে বা সরকারি অফিসারের বিরুদ্ধে পূর্বোক্তরূপ কোন কার্যের দায়ে কোন ডিক্রি প্রদত্ত হলে ঐ ডিক্রির নির্দেশ কত দিনের মধ্যে পালন করতে হবে, ডিক্রিতে তা উল্লেখ করতে হবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যদি ডিক্রির নির্দেশ পালন করা না হয়, তবে আদালত বিষয়টি সম্পর্কে যথাযথ আদেশের জন্য সরকারের নিকট রিপোর্ট প্রেরণ করবেন।
২)সরকারের বিরুদ্ধে বা সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে প্রদত্ত ডিক্রিটি যদি অনিষ্পন্ন থাকে, তবে উক্ত রিপোর্ট প্রদানের তারিখ হতে তিন মাস অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত ডিক্রিটির কার্যকরীকরণের আদেশ (execution) জারি করা যাবে না।
-----------
⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section 82. Execution of decree:
(1) Where the decree is against the Government or against a public officer in respect of any such act as aforesaid, a time shall be specified in the decree within which it shall be satisfied; and, if the decree is not satisfied within the time so specified, the Court shall report the case for the orders of the Government.
(2) Execution shall not be issued on any such decree unless it remains unsatisfied for the period of three months computed from the date of such report.
৮,৬১৬.
ক্ষমতা প্রত্যাহারের বিষয়টি ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারায় বর্ণিত আছে?
  1.  ধারা ৩১
  2. ধারা ৩৫
  3. ধারা ৪১
  4. ধারা ৪৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪১
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪১-এ ক্ষমতা প্রত্যাহারের বিষয়টি স্পষ্টভাবে বর্ণিত আছে। ধারা ৪১-এর শিরোনামই হল: "Withdrawal of powers" (ক্ষমতা প্রত্যাহার)।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪১ ধারার বিধান হল, ক্ষমতাদি প্রত্যাহারকরণ: 
(১) সরকার এই কার্যবিধি অনুসারে কোন ব্যক্তি বা ইহার অধীনস্থ কোন অফিসারকে অর্পিত সকল বা যে কোন ক্ষমতা প্রত্যাহার করতে পারবেন, শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে উক্তরূপ ক্ষমতা অর্পণ এই কার্যবিধি অনুসারে হয় সেক্ষেত্রে এই বিষয়ে হাইকোর্ট ডিভিশনের সাথে আলোচনা করতে হবে। এ ধরণের প্রত্যাহার সেই আদালতের সাথে আলোচনা করে ঠিক করতে হবে।
(২) যেক্ষেত্রে কোন ক্ষমতা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত হয়, সেক্ষেত্রে তা সেভাবে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রত্যায়িত হতে পারবে।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-41: Withdrawal of powers:
(1)The Government may withdraw all or any of the powers conferred under this Code on any person by it or by any officer subordinate to it:
Provided that where the conferring of a power is, under this code, required to be made in consultation with the High Court Division, the withdrawal thereof shall be made in consultation with that Court.
(2) Any powers conferred by the Chief Judicial Magistrate or the District Magistrate may be withdrawn by the chief Judicial Magistrate or the District Magistrate respectively.

৮,৬১৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় "বিচারক" এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ধারা ২(৮)
  2. ধারা ২(৯)
  3. ধারা ২(১০)
  4. ধারা ২(১১)
সঠিক উত্তর:
ধারা ২(৮)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২(৮)
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(৮) এ "বিচারক বা জজ" এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে-

"বিচারক বা জজ" বলতে দেওয়ানি আদালতের প্রিজাইডিং অফিসার বোঝায়।
"Judge" means the Presiding Officer of a Civil Court.
৮,৬১৮.
দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অনুসারে নিম্নলিখিত কোনটি প্ররোচনার (Abetment) উপায়?
  1. Instigation
  2. Conspiracy
  3. Intentional Aid
  4. উল্লিখিত সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলোই
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ১০৭ অনুসারে, অপরাধে প্ররোচনা (Abetment) তিনটি উপায়ে সংঘটিত হয়:
১) Instigation (প্ররোচনা বা উসকানি) – কোনো ব্যক্তিকে অপরাধ করার জন্য উদ্বুদ্ধ করা।
২) Conspiracy (ষড়যন্ত্র) – এক বা একাধিক ব্যক্তির সাথে অপরাধের জন্য গোপন চক্রান্তে লিপ্ত হওয়া, যাতে অবৈধ কাজ বা অস্বীকার ঘটে।
৩) Intentional Aid (ইচ্ছাকৃত সহায়তা) – অপরাধ সংঘটনে ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো কাজ বা অস্বীকারের মাধ্যমে সাহায্য করা।
- সুতরাং, উল্লিখিত সবগুলোই প্ররোচনার উপায়।

⇒ দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা (Abetment):
অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা বলতে এমন কাজ বা কার্যক্রম বোঝায় যা অন্যকে অপরাধ করতে উসকানির মাধ্যমে সহায়তা করে। এর মধ্যে রয়েছে:
- অনুপ্রেরণা বা উসকানি (Instigation): অন্য কাউকে অপরাধ করার জন্য উদ্বুদ্ধ বা প্ররোচিত করা।
- ষড়যন্ত্র (Conspiracy): অপরাধ করার জন্য অন্য কারও সাথে গোপনে পরিকল্পনা করা।
- সহায়তা (Assistance): অপরাধ সংঘটনে সরাসরি সাহায্য করা।
-  যখন কোনো ব্যক্তি অন্য কাউকে অপরাধ করতে সাহায্য বা উসকানি দেয়, তখন তাকে অপরাধের সাথে সম্পর্কিত হিসেবে দণ্ডবিধির ১০৮ ধারায় প্ররোচনাকারী হিসেবে গণ্য করা হয়।
- দণ্ডবিধির ১০৭ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, যেকোনো ব্যক্তি যদি অপরাধ করার জন্য কাউকে প্ররোচিত করে বা অপরাধ সংঘটনের জন্য চক্রান্তে লিপ্ত হয়, তবে তাকে অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনাকারী বলে গণ্য করা হবে।

উদাহরণ: যদি একজন ব্যক্তি অন্য কাউকে চুরি করতে উসকানি দেয় বা চুরির জন্য তাকে সাহায্য করে, তবে সে সেই অপরাধের জন্য দায়ী হবে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860 Section 107: Abetment of a thing: 
- A person abets the doing of a thing, who-
Firstly.- Instigates any person to do that thing; or
Secondly.- Engages with one or more other person or persons in any conspiracy for the doing of that thing, if an act or illegal omission takes place in pursuance of that conspiracy, and in order to the doing of that thing; or
Thirdly.- Intentionally aids, by any act or illegal omission, the doing of that thing.

Explanation-1.- A person who, by wilful misrepresentation, or by wilful concealment of a material fact which he is bound to disclose, voluntarily causes or procures, or attempts to cause or procure, a thing to be done, is said to instigate the doing of that thing.
Explanation-2.- Whoever, either prior to or at the time of the commission of an act, does anything in order to facilitate the commission of that act, and thereby facilitates the commission thereof, is said to aid the doing of that act.

৮,৬১৯.
কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিওর এর ২৪৮ ধারা অনুসারে Complaint প্রত্যাহৃত হলে অভিযুক্ত ব্যক্তি ______।
  1. মুক্তি পাবে
  2. অব্যাহতি পাবে
  3. খালাস পাবে
  4. ডিসচার্জ হবে
সঠিক উত্তর:
খালাস পাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খালাস পাবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৮ এ অভিযোগকারী কর্তৃক নালিশ প্রত্যাহারের ফলাফল দেয়া হয়েছে-

এই ধারা অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে মামলার চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যে কোন সময় অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করতে পারে।অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্ত ব্যক্তিকে খালাস [Acquittal] দিবে।

• অপরদিকে,
৪৯৪ ধারা অনুযায়ী পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের সম্মতিতে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ রায় ঘোষণার পূর্বে প্রত্যাহার করতে পারে। পাবলিক প্রসিকিউটর অভিযোগ গঠনের আগে মামলা প্রত্যাহার করলে,আদালত অভিযুক্তকে [Discharge] দিতে পারে এবং অভিযোগ গঠনের পরে মামলা প্রত্যাহার করলে,আদালত অভিযুক্তকে খালাস [Acquittal] দিতে পারে।
৮,৬২০.
আইনত প্রত্যায়িত হতে হয় এমন দলিলের সম্পাদন প্রমানের জন্য-
  1. প্রত্যেক প্রত্যয়নকারী সাক্ষীর সাক্ষ্য প্রয়োজন।
  2. কোন প্রত্যয়নকারী সাক্ষীর সাক্ষ্য প্রয়োজন নেই।
  3. অন্তত একজন প্রত্যয়নকারী সাক্ষীর সাক্ষ্য প্রয়োজন।
  4. কমপক্ষে তিনজন প্রত্যয়নকারী সাক্ষীর সাক্ষ্য প্রয়োজন।
সঠিক উত্তর:
অন্তত একজন প্রত্যয়নকারী সাক্ষীর সাক্ষ্য প্রয়োজন।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্তত একজন প্রত্যয়নকারী সাক্ষীর সাক্ষ্য প্রয়োজন।
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৮ ধারার বিধান যে দলিল সত্যায়িত করা আইনত প্রয়োজন, তা সম্পাদনের প্রমাণ (Proof of execution of document required by law to be attested): 
 যে দলিল আইনে সত্যায়ন করার জন্য নির্দেশিত সেই দলিল প্রমাণ করার জন্য অন্ততপক্ষে একজন সত্যায়নকারী সাক্ষী তলব না করা পর্যন্ত দলিলটি সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না। তবে শর্ত থাকে যে উইল ব্যতীত অন্য কোন দলিল যদি-
⇒  রেজিস্ট্রি করা হয়ে থাকে এবং সম্পাদনকারী যদি সম্পাদনের কথা নির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করা না হয়, তা হলে প্রত্যয়নকারী সাক্ষীকে তলব করা প্রয়োজন হবে না।
-----------------
⇒ The Evidence Act,1872: Section 68: Proof of execution of document required by law to be attested:
- If a document is required by law to be attested, it shall not be used as evidence until one attesting witness at least has been called for the purpose of proving its execution, if there be an attesting witness alive, and subject to the process of the Court and capable of giving evidence: 
⇒ Provided that it shall not be necessary to call an attesting witness in proof of the execution of any document, not being a will, which has been registered in accordance with the provisions of the Registration Act, 1908, unless its execution by the person by whom it purports to have been executed is specifically denied.
৮,৬২১.
হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ১৩৮ ধারার শাস্তির মধ্যে নিচের কোনটি অন্তর্ভুক্ত?
  1. চেকের মূল অঙ্কের দ্বিগুণ অর্থদণ্ড
  2. চেকের মূল অঙ্কের তিন গুণ অর্থদণ্ড
  3. সর্বোচ্চ ৩ বছরের কারাদণ্ড
  4. কোনো অর্থদণ্ড নেই, শুধু কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
চেকের মূল অঙ্কের তিন গুণ অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চেকের মূল অঙ্কের তিন গুণ অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ধারা ১৩৮- অর্থের ঘাটতির কারণে চেক প্রত্যাখ্যান:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি নিজের ব্যাংক হিসাবে রক্ষিত অর্থ থেকে অন্য কোনো ব্যক্তিকে পরিশোধের জন্য একটি চেক প্রদান করেন এবং উক্ত চেকটি ব্যাংক কর্তৃক প্রত্যাখ্যাত হয় ওই হিসাবে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকার কারণে, অথবা উক্ত ব্যাংকের সাথে চুক্তি অনুযায়ী অনুমোদিত পরিমাণের চেয়ে বেশি অর্থ চেকের মাধ্যমে তোলা হয়েছে - তবে উক্ত ব্যক্তিকে একটি অপরাধে দোষী গণ্য করা হবে এবং তাকে ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা চেকের পরিমাণের তিন গুণ পর্যন্ত অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।

শাস্তি:
- সর্বোচ্চ ১ বছরের কারাদণ্ড, অথবা
- চেকের মূল অঙ্কের সর্বোচ্চ ৩ গুণ অর্থদণ্ড, অথবা
- উভয়ই।

শর্তাবলি:
এই ধারা প্রযোজ্য হবে তখনই, যদি:
(ক) চেকটি ইস্যুর তারিখ হতে ৬ মাসের মধ্যে বা তার মেয়াদ থাকাকালীন, যেটি আগে ঘটে, ব্যাংকে উপস্থাপন করা হয়;
(খ) চেক প্রত্যাখ্যাত হওয়ার বিষয়ে ব্যাংক থেকে তথ্য পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে, প্রাপ্য বা উপযুক্ত ধারক লিখিতভাবে টাকা চেয়ে নোটিশ প্রদান করেন;
(গ) নোটিশ পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে, চেকদাতা উক্ত অর্থ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হন।

(১ক) উপ-ধারা (১)-এর (খ) দফায় উল্লিখিত নোটিশ প্রদান করা যেতে পারে নিম্নলিখিত ৩টি পদ্ধতিতে:
(ক) ব্যক্তিগতভাবে চেকদাতাকে প্রদান করে;
(খ) প্রাপকের সাধারণ বা সর্বশেষ পরিচিত ঠিকানায় প্রাপ্তিস্বীকারসহ রেজিস্টার্ড ডাকযোগে পাঠিয়ে;
(গ) একটি বহুল প্রচারিত বাংলা জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশ করে।

(২) যদি উপ-ধারা (১) অনুযায়ী অর্থদণ্ড আদায় করা হয়, তবে চেকের মূল পরিমাণ পর্যন্ত অর্থ চেকধারককে প্রদান করা হবে (যতটুকু আদায় সম্ভব হয়)।

(৩) উপ-ধারা (১) ও (২)-এর বিধান সত্ত্বেও, চেকধারক সিভিল আদালতের মাধ্যমে বকেয়া টাকা আদায়ের মামলা দায়ের করার অধিকার সংরক্ষণ করেন, যদি পুরো অর্থ বা আংশিক অর্থ আদায় না হয়।
৮,৬২২.
কোন বেআইনী সমাবেশ ভঙ্গ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জেনেও তাতে যোগদান করলে, উক্ত ব্যক্তি অনধিক কত বছরের জেল হতে পারে?
  1. ৬ বছর
  2. ৬ মাসের
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১৪৫ ধারার বিধান: বেআইনী সমাবেশকে ছত্রভঙ্গ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জানা সত্ত্বেও উহাতে যোগদান করা অথবা উহাতে থেকে যাওয়া:- কোন বেআইনী সমাবেশকে আইন-নির্দেশিত পদ্ধতিতে ছত্রভঙ্গ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা সত্ত্বেও কোন ব্যক্তি উক্ত বেআইনী সমাবেশে যোগদান করলে বা উক্ত বেআইনী সমাবেশে থাকলে তাকে দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে।

-------------------------
♦ Section 145. Joining or continuing in unlawful assembly, knowing it has been commanded to disperse:- Whoever joins or continues in an unlawful assembly, knowing that such unlawful assembly has been commanded in the manner prescribed by law to disperse, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৮,৬২৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫(৬) ধারা অনুযায়ী, অপরাধ আপস-মীমাংসা হলে তা কী হিসাবে গণ্য হবে?
  1. বিচার স্থগিত
  2. দণ্ড স্থগিত
  3. অভিযুক্তের খালাস
  4. অপরাধ স্বীকারোক্তি
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তের খালাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তের খালাস
ব্যাখ্যা
⇒  ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫(৬) ধারা অনুযায়ী: "যদি কোন মামলা এই ধারার অধীন আপস-মীমাংসা করা হয়, তবে অভিযুক্ত ব্যক্তি সেই মামলায় খালাস প্রাপ্ত হয়েছে বলে গণ্য হবে।"
অর্থাৎ, যেসব অপরাধ আপসযোগ্য (compoundable offences) হিসেবে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় তালিকাভুক্ত, সেসব অপরাধে অভিযোগকারী ও অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে আপস করে নেয় এবং আইনানুযায়ী প্রয়োজনীয় অনুমতি নেয়, তাহলে আদালত সেই মামলার কার্যক্রম বন্ধ করে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে "acquitted" অর্থাৎ খালাস ঘোষণা করে। এটি অপরাধ প্রমাণিত হওয়ার কোনো বিষয় নয় বরং আপসের ফলে মামলার নিষ্পত্তি।
-  তাই "খালাস" গণ্য হওয়া একটি আইনি ফলাফল, যা বিচারের মাধ্যমে নয়, বরং আপস-মীমাংসার মাধ্যমে ঘটে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-345(6) The composition of an offence under this section shall have the effect of an acquittal of the accused with whom the offence has been compounded.
৮,৬২৪.
যে আদালতের ডিক্রির বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে, সেই আদালতে আবেদন করার বিধানটি দেওয়ানী কার্যবিধির কোথায় উল্লেখ আছে?
  1. আদেশ ৪৪, বিধি ১
  2. আদেশ ৪৫, বিধি ২
  3. আদেশ ৪৬, বিধি ৩
  4. আদেশ ৪৩, বিধি ৪
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪৫, বিধি ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪৫, বিধি ২
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির (Code of Civil Procedure, 1908) আদেশ ৪৫ (Order XLV) মূলত "Appeals to the Appellate Division" অর্থাৎ আপিল বিভাগে আপিল সংক্রান্ত বিধান প্রদান করে।
আদেশ ৪৫, বিধি ২-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে:
“Whoever desires to appeal to the Appellate Division shall apply by petition to the Court whose decree is complained of.”
অর্থাৎ, যে কেউ আপিল বিভাগে আপিল করার ইচ্ছা পোষণ করলে, তাকে সেই আদালতে আবেদন করতে হবে যার ডিক্রির বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে।

- আপিল বিভাগে আপিল করার জন্য প্রথমেই যে আদালতের ডিক্রির বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে, সেই আদালতে আবেদন করতে হয়—এটি দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪৫, বিধি ২-তে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে।

৮,৬২৫.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর কত ধারায় ধর্মীয় বিষয়ে ঘৃণা ও বিদ্বেষমূলক তথ্য প্রকাশের দণ্ড দেয়া আছে?
  1. ধারা ২৪
  2. ধারা ২৫
  3. ধারা ২৬
  4. ধারা ২৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২৬: সাইবার স্পেসে ধর্মীয় বা জাতিগত বিষয়ে সহিংসতা, ঘৃণা ও বিদ্বেষমূলক তথ্য প্রকাশ, ইত্যাদির অপরাধ ও দণ্ড:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে বা জ্ঞাতসারে বা ছদ্ম পরিচয়ে নিজের বা অন্যের আইডিতে অবৈধ প্রবেশ করিয়া এমন কোনো কিছু সাইবার স্পেসে প্রকাশ বা প্রচার করেন বা করান, যাহা ধর্মীয় বা সাম্প্রদায়িক ঘৃণামূলক বা জাতিগত বিদ্বেষমূলক বক্তব্য এবং যাহা সহিংসতা তৈরি বা উদ্বেগ সৃষ্টি করে বা বিশৃঙ্খলা বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের নির্দেশনা করে, তাহা হইলে অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১০ (দশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
৮,৬২৬.
বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল কোন অ্যাডভোকেটকে অসদাচরণের জন্য নিবন্ধন বাতিলের আদেশ দিলে, অ্যাডভোকেট কি পদক্ষেপ নিতে পারে?
  1. আপিল করতে পারে
  2. রিভিউ করতে পারে
  3. আপিল এবং রিভিউ উভয় করতে পারে
  4. প্রথমে আপিল এবং পরে রিভিউ করতে পাওে
সঠিক উত্তর:
আপিল এবং রিভিউ উভয় করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল এবং রিভিউ উভয় করতে পারে
ব্যাখ্যা
♦বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর ৩৪ (৮) অনুচ্ছেদের অধীন বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রিভিউ করা যেতে পারে বা ৩৬ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে ৯০ দিনের মধ্যে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করতে পারে।
৮,৬২৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির _______ অনুসারে, গ্রেফতারকারী কর্মকর্তা গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির দেহতল্লাশি করতে পারেন এবং প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র ছাড়া তাঁর নিকট যা পাওয়া যাবে, তা নিরাপদ হেফাজতে রাখবেন।
  1. ৪৬ ধারা
  2. ৫১ ধারা
  3. ৫২ ধারা
  4. ৫৩ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫১ ধারা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১ ধারা অনুসারে, গ্রেফতারকারী কর্মকর্তা গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির দেহতল্লাশি করতে পারেন এবং প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র ছাড়া তাঁর নিকট যা পাওয়া যাবে, তা নিরাপদ হেফাজতে রাখবেন।

ফৌজদারি কার্যবিধি ৫১ ধারা: গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির তল্লাশি:

যখন কোনো ব্যক্তিকে পুলিশ অফিসার গ্রেফতার করেন এমন এক পরোয়ানায় যা জামিন দেওয়ার সুযোগ দেয় না, অথবা জামিন দেওয়ার সুযোগ থাকলেও গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি জামিন দিতে অক্ষম, এবং
যখন কোনো ব্যক্তি গ্রেফতার হন কোনো পরোয়ানা ছাড়া, অথবা কোনো ব্যক্তিগত ব্যক্তি গ্রেফতার করেন পরোয়ানায়, এবং সেই ব্যক্তি আইনগতভাবে জামিন নিতে অক্ষম অথবা জামিন দিতে অক্ষম,
তাহলে গ্রেফতারকারী অফিসার বা, যদি গ্রেফতারটি কোনো ব্যক্তিগত ব্যক্তি করে থাকে, তবে পুলিশ অফিসার, যাকে সেই গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি সোপর্দ করেন, সেই ব্যক্তি তল্লাশি করতে পারেন এবং তার কাছ থেকে সমস্ত জিনিসপত্র, প্রয়োজনীয় পরিধেয় কাপড় ছাড়া, নিরাপদ হেফাজতে রাখবেন।

Section 51- Search of arrested persons:
Whenever a person is arrested by a police-officer under a warrant which does not provide for the taking of bail, or under a warrant which provides for the taking of bail but the person arrested cannot furnish bail, and 
Whenever a person is arrested without warrant, or by a private person under a warrant, and cannot legally be admitted to bail, or is unable to furnish bail, 
the officer making the arrest or, when the arrest is made by a private person, the police-officer to whom he makes over the person arrested, may search such person, and place in safe custody all articles, other than necessary wearing-apparel, found upon him.
৮,৬২৮.
রেহেনী সম্পত্তি উদ্ধারের ক্ষেত্রে ধারা ৬১ রেহেনদাতাকে কী অধিকার দেয়?
  1. সম্পূর্ণ ঋণ মওকুফ করার
  2. আদালতের আদেশ ছাড়াই উদ্ধার করার
  3. পৃথক পৃথকভাবে বা একত্রে সম্পত্তি উদ্ধারের
  4. রেহেনগ্রহীতার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করার
সঠিক উত্তর:
পৃথক পৃথকভাবে বা একত্রে সম্পত্তি উদ্ধারের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৃথক পৃথকভাবে বা একত্রে সম্পত্তি উদ্ধারের
ব্যাখ্যা
• ধারা ৬১: পৃথক ভাবে বা একই সাথে রেহেনমুক্ত করার অধিকার-
একজন রেহেনদাতা যখন তার দুই বা ততোধিক সম্পত্তি একই রেহেনগ্রহীতার নিকট রেহেন দেয় এবং উক্ত দুই বা ততোধিক সম্পত্তির অর্থ পরিশোধের সময় হয় তখন রেহেনদাতা এই ধারার অধীন রেহেনী সম্পত্তি পৃথক পৃথকভাবে বা একই সাথে উদ্ধার করতে পারে।

- এই ধারায় Doctrine of Consolidation প্রতিফলিত হয়েছে।

উদাহরণ:
রফিক, 'ক' এবং 'খ' দুটি বাড়ির মালিক। সে 'ক' বাড়িটি ৩০ হাজার টাকায় করিমকে রেহেন দেয় এবং পরবর্তীতে 'খ' বাড়িটি ৬০ হাজার টাকায় একই ব্যক্তি করিমকে রেহেন দেয়। এক্ষেত্রে রফিক চাইলে 'ক' এবং 'খ' দুটি বাড়ি পৃথক পৃথকভাবে বা একই সাথে রেহেন উদ্ধার করতে পারে। 

Section 61: Right to redeem separately or simultaneously-
A mortgagor who has executed two or more mortgages in favour of the same mortgagee shall, in the absence of a contract to the contrary, when the principal money of any two or more of the mortgagees has become due, be entitled to redeem any one such mortgage separately, or any two or more of such mortgages together.
৮,৬২৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১২০ অনুসারে, কোন ব্যক্তি কারাগারে থাকলে মুচলেকা (security guarantee) প্রদানের মেয়াদ কখন থেকে শুরু হবে?
  1. বন্ড স্বাক্ষরের তারিখ থেকে
  2. আদেশ জারির তারিখ থেকে
  3. আদালত নির্ধারিত তারিখ থেকে
  4. কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর থেকে
সঠিক উত্তর:
কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর থেকে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১২০ অনুসারে, কোনো ব্যক্তি যদি কারাগারে থাকেন এবং তার বিরুদ্ধে ধারা ১০৬ বা ধারা ১১৮ এর অধীনে মুচলেকা প্রদানের আদেশ জারি করা হয়, তবে মুচলেকা প্রদানের মেয়াদ কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর থেকে শুরু হবে।

- ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১২০(১) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, যদি কোনো ব্যক্তি, যার বিরুদ্ধে ধারা ১০৬ বা ধারা ১১৮ এর অধীনে মুচলেকা প্রদানের আদেশ দেওয়া হয়, সেই সময়ে কারাদণ্ড ভোগ করছেন বা কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন, তবে মুচলেকা প্রদানের মেয়াদ তার কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর থেকে শুরু হবে। এর কারণ হলো, কারাগারে থাকা অবস্থায় ব্যক্তি শান্তি ভঙ্গ বা অপরাধমূলক কার্যকলাপে জড়িত হওয়ার সুযোগ পান না, তাই নিরাপত্তা বন্ডের প্রয়োজনীয়তা তার মুক্তির পর থেকে কার্যকর হয়।
- ধারা ১২০(২) এ আরও উল্লেখ আছে যে, যদি ব্যক্তি কারাগারে না থাকেন, তবে মুচলেকা প্রদানের মেয়াদ সাধারণত আদেশ জারির তারিখ থেকে শুরু হবে, তবে ম্যাজিস্ট্রেট যথাযথ কারণে পরবর্তী কোনো তারিখ নির্ধারণ করতে পারেন।
--------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-120.Commencement of period for which security is required:
(1) If any person, in respect of whom an order requiring security is made under section 106 or section 118, is, at the time such order is made, sentenced to, or undergoing a sentence of, imprisonment the period for which such security is required shall commence on the expiration of such sentence.
(2) In other cases such period shall commence on the date of such order unless the Magistrate, for sufficient reason, fixes a later date.

৮,৬৩০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারায় অভিযুক্ত কোন ধরনের সাক্ষী হতে পারে?
  1. Prosecution witness
  2. Defence witness
  3. both of above
  4. None of above
সঠিক উত্তর:
Defence witness
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Defence witness
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারায় অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনজীবী দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার (Right to be defended by a pleader) আছে।
অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনজীবী দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার আছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি আসামি পক্ষে সাক্ষী হওয়ার যোগ্য এবং একই বিচারে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ বা তার সাথে একই মামলায় অভিযুক্ত অন্য কোন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য শপথ গ্রহণপূর্বক দিতে পারবে।

তবে শর্ত এই যে-
⇒ সেই ব্যক্তি নিজে লিখিতভাবে অনুরোধ না করলে তাকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা হবে না; অথবা
⇒ সে সাক্ষ্য দিতে ব্যর্থ হলে মামলার কোন পক্ষ বা আদালত সেই বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে পারবে না এবং তার বিরুদ্ধে বা একই বিচারে অভিযুক্ত অন্য কোন অভিযুক্তর বিরুদ্ধে কোন অনুমান করা যাবে না।

Section 340: Right of person against whom proceedings are instituted to be defended and his competency to be a witness-
(1) Any person accused of an offence before a Criminal Court, or against whom proceedings are instituted under this Code in any such Court, may of right be defended by a pleader. 
(2) Any person against whom proceedings are instituted in any such Court under section 107, or under Chapter X, Chapter XI, Chapter XII or Chapter XXXVI, or under section 552, may offer himself as a witness in such proceedings. 
(3) Any person accused of an offence before a Criminal Court shall be a competent witness for the defence and may give evidence on oath in disproof of the charges made against him or any person charged together with him at the same trial: 
 
Provided that- 
(a) he shall not be called as a witness except on his own request in writing; or 
(b) his failure to give evidence shall not be made the subject of any comment by any of the parties or the Court or give rise to any presumption against himself or any persons charged together with him at the same trial.
৮,৬৩১.
কোন ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি প্রযোজ্য হবে?
  1. বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বাংলাদেশি কোন নাগরিক কর্তৃক সংঘটিত অপরাধ
  2. বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বিদেশি নাগরিক কর্তৃক সংঘটিত অপরাধ
  3. বাংলাদেশের নিবন্ধিত জাহাজে বা বিমানে বিদেশি নাগরিক কর্তৃক সংঘটিত অপরাধ
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ২ থেকে ৪ ধারায় দণ্ডবিধির প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। যে ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি প্রয়াগ হবে-
(i) বাংলাদেশের সকল নাগরিকের ক্ষেত্রে: দেশে-বিদেশে যেখানেই অপরাধ সংঘটন করুক না কেন।
(ii) বিদেশি নাগরিকের ক্ষেত্রে: যদি সে বাংলাদেশে অথবা বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংঘটন করে।
(iii) বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংগঠন করার ক্ষেত্রে: উক্ত বাংলাদেশি জাহাজ বা বিমান বাংলাদেশ বা বিদেশে যেখানেই অবস্থান করুক না কেন।
৮,৬৩২.
ট্রাইব্যুনালের কোন আদেশ দ্বারা সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি আপিল করতে পারে-
  1. জেলা জজ আদালতে
  2. আপিল বিভাগে
  3. বার কাউন্সিল আপিল বোর্ডে
  4. হাইকোর্ট বিভাগে
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 অনুচ্ছেদ ৩৬ অনুযায়ী ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে ৯০ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে আপিল করতে হবে।
- এই আপিল বার কাউন্সিল নিজে অথবা অভিযুক্ত আইনজীবী স্বেচ্ছায় করতে পারেন।
-------------------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972: Article-36. (1) Any person aggrieved by an order of a Tribunal under Article 34 may, within ninety days from the date of the communication of the order to him, prefer an appeal to the High Court.
(2) Every such appeal shall be heard by a Division Bench of the High Court which may pass such order thereon as it may deem fit and the order of the High Court shall be final.
৮,৬৩৩.
'ক' তার জমিতে 'খ' ও 'গ'-এর অনধিকার প্রবেশের কারণে মামলা করে। 'খ' দাবি করে, ওই জমিতে সাধারণের চলাচলের অধিকার আছে; কিন্তু 'ক' তা অস্বীকার করে। অথচ পূর্বে 'ক' ও 'গ'-এর এক মামলায় আদালত ডিক্রি দিয়েছিল যে, সেখানে সাধারণের চলাচলের অধিকার রয়েছে। আদালতের এই ডিক্রি বর্তমানে 'ক' এবং 'খ' এর মধ্যেকার মামলায়-
  1. প্রাসঙ্গিক হবে
  2. চূড়ান্ত প্রমাণ হবে না
  3. প্রাসঙ্গিক হবে না
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪২ ধারায় জনসংশ্লিষ্ট প্রকৃতির [Public Nature] বিষয়ে আদালতের রায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে। সাক্ষ্য আইনের সাধারণ নিয়ম হলো রায়ের পক্ষ নয় এমন কোন ব্যক্তির ক্ষেত্রে উক্ত রায় বাধ্যকর হবেনা। কিন্তু এই নিয়মের প্রথম ব্যতিক্রম ৪১ ধারায় এবং দ্বিতীয় ব্যতিক্রম সাক্ষ্য আইনের ৪২ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে, একই পক্ষ হোক বা না হোক, জনসংশ্লিষ্ট প্রকৃতির বিষয় যেমন প্রথা, প্রেসক্রিপশন (অনুমতি সাপেক্ষে ব্যবহার অধিকার) ইত্যাদি বিষয়ে আদালতের রায় প্রাসঙ্গিক।

⇒ উদাহরণ
'ক' 'খ' এর বিরুদ্ধে তার জমিতে অনধিকার প্রবেশের কারণে মামলা করে। 'খ' উক্ত জমিতে সাধারণ জনগণের চলাচলের অধিকার আছে বলে দাবী করে। 'ক' এই দাবী অস্বীকার করে। 'ক' এবং 'গ' এর মধ্যে উক্ত জমি নিয়ে পূর্বের কোন এক মামলায় আদালত উক্ত জমিতে সাধারণের চলাচলের অধিকার আছে বলে ডিক্রি প্রদান করেছিল। আদালতের এই ডিক্রি বর্তমানে 'ক' এবং 'খ' এর মধ্যেকার মামলায় প্রাসঙ্গিক হবে। কিন্তু এটা চলাচলের অধিকার যে আছে তার চূড়ান্ত প্রমাণ না।
৮,৬৩৪.
তামাদি আইনের ধারা ৭ অনুযায়ী, একাধিক বাদীর মধ্যে একজন বৈধ অপারগতায় থাকলে এবং তার সম্মতি ছাড়া মামলা পরিচালনা সম্ভব না হলে, তামাদি মেয়াদ কীভাবে প্রভাবিত হবে?
  1.  সকলের বিরুদ্ধে তামাদি মেয়াদ চলবে
  2. কারও বিরুদ্ধে তামাদি মেয়াদ চলবে না
  3. আদালতের নির্দেশের উপর নির্ভর করবে
  4. শুধুমাত্র অপারগত ব্যক্তির বিরুদ্ধে তামাদি মেয়াদ চলবে
সঠিক উত্তর:
কারও বিরুদ্ধে তামাদি মেয়াদ চলবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারও বিরুদ্ধে তামাদি মেয়াদ চলবে না
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৭ একাধিক বাদী বা আবেদনকারীর মধ্যে একজন বা কয়েকজনের বৈধ অপারগতা (Legal Disability) সম্পর্কে বিধান প্রদান করে। এই ধারা অনুযায়ী যদি একাধিক ব্যক্তি যৌথভাবে কোনো মামলা দায়ের বা আবেদন করার অধিকারী হন এবং তাদের মধ্যে একজন বা কয়েকজন বৈধ অপারগতায় (যেমন, নাবালক, উন্মাদ বা চরম বুদ্ধিহীনতায় ভুগছেন) থাকেন, তবে নিম্নলিখিত দুটি পরিস্থিতি বিবেচনা করা হয়:
১) যদি অপারগত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া মামলা পরিচালনা সম্ভব না হয়: এই ক্ষেত্রে, তামাদি মেয়াদ কারও বিরুদ্ধে চলবে না যতক্ষণ না অপারগত ব্যক্তি সক্ষম হয়ে ওঠেন বা তাদের সম্মতি ছাড়া মামলা পরিচালনার সুযোগ তৈরি হয়। অর্থাৎ, তামাদি মেয়াদ স্থগিত থাকে যতক্ষণ না সকল পক্ষ সক্ষম হয় বা অপারগতা অবসান হয়।
২)যদি অপারগত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া মামলা পরিচালনা সম্ভব হয়: এই ক্ষেত্রে, তামাদি মেয়াদ সকলের বিরুদ্ধে স্বাভাবিকভাবে চলবে।

উদাহরণ (ধারা ৭-এর ইলাস্ট্রেশন থেকে):
ইলাস্ট্রেশন (খ): A একটি ঋণ গ্রহণ করে, যেখানে E, F এবং G একটি ফার্মের পার্টনার। E এবং F উন্মাদ এবং G নাবালক। এই ক্ষেত্রে, যেহেতু E, F এবং G-এর সম্মতি ছাড়া ঋণের পরিশোধের জন্য মামলা পরিচালনা সম্ভব নয়, তাই তামাদি মেয়াদ কারও বিরুদ্ধে চলবে না যতক্ষণ না E বা F সুস্থ হয় অথবা G প্রাপ্তবয়স্ক হয়।

- অর্থাৎ তামাদি আইনের ধারা ৭ অনুযায়ী, যদি একাধিক বাদীর মধ্যে একজন বৈধ অপারগতায় থাকেন এবং তার সম্মতি ছাড়া মামলা পরিচালনা সম্ভব না হয়, তবে কারও বিরুদ্ধে তামাদি মেয়াদ চলবে না যতক্ষণ না অপারগতা অবসান হয় বা সম্মতি ছাড়া মামলা পরিচালনার সুযোগ তৈরি হয়। এটি নিশ্চিত করে যে অপারগত ব্যক্তির অধিকার সংরক্ষিত থাকে।
----------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section 7. Disability of one of several plaintiffs or applicants:
Where one of several persons jointly entitled to institute a suit or proceeding or make an application for the execution of a decree is under any such disability, and discharge can be given without the concurrence of such person, time will run against them all:
but, where no such discharge can be given, time will not run as against any of them until one of them becomes capable of giving such discharge without the concurrence of the others or until the disability has ceased.

Illustrations:
(a) A incurs a debt to a firm of which B, C and D are partners. B is insane, and C is a minor. D can give a discharge of the debt without the concurrence of B and C. Time runs against B, C and D. 
(b) A incurs a debt to a firm of which E, F and G are partners. E and F are insane, and G is a minor. Time will not run against any of them until either E or F becomes sane, or G attains majority.

৮,৬৩৫.
কত সালে সি. এস খতিয়ান তৈরি করা হয়?
  1. ১৯৩০ সালে
  2. ১৯৫০ সালে
  3. ১৯৪০ সালে
  4. ১৯৬০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৪০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪০ সালে
ব্যাখ্যা
• মূলত জমির মালিকানা স্বত্ব রক্ষা ও রাজস্ব আদায়ের জন্য জরিপ বিভাগ কর্তৃক প্রতিটি মৌজার জমির এক বা একাধিক মালিকের নাম, পিতা বা স্বামীর নাম, ঠিকানা, দাগ নম্বর, ভূমির পরিমাণ, হিস্যা(অংশ), খাজনা ইত্যাদি বিবরণসহ যে ভূমি স্বত্ব প্রস্তুত করা হয় তাকে খতিয়ান বলে।

বাংলাদেশে সাধারণত ৪ ধরনের খতিয়ান রয়েছে। যথা-
১. সি. এস খতিয়ান;
২. এস. এ খতিয়ান;
৩. আর. এস খতিয়ান;
৪. বি. এস খতিয়ান / সিটি জরিপ।

সি. এস খতিয়ান: 
১৯৪০ সালে ব্রিটিশ সরকার জরিপ করে যে খতিয়ান তৈরি করে তাকে সি. এস খতিয়ান বলা হয়। আমাদের দেশে এটিই প্রাথমিক খতিয়ান হিসাবে বিবেচিত।

এস. এ খতিয়ান:
পাকিস্তান আমলে ১৯৫০ সালে রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের চতুর্থ অধ্যায় এর ১৭ হতে ৩১ দ্বারা মতে ১৯৫৬-৬০ সালের দিকে যে খতিয়ান তৈরি করা হয় তাকে এস. এ (State Acquisition) খতিয়ান বলে।

আর. এস খতিয়ান:
বাংলাদেশ সরকার পূর্বের তৈরিকৃত খতিয়ানের ভুল ত্রুটি সংশোধন করার জন্য নতুনভাবে উদ্যোগ নিয়ে যে খতিয়ান প্রস্তুত করেন তা আর. এস (Revisional Survey) খতিয়ান নামে পরিচিত।

বি. এস খতিয়ান / সিটি জরিপ:
১৯৯৮-৯৯ সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত চলমান জরিপকে বি. এস খতিয়ান বা সিটি জরিপ বলে। এই খতিয়ান প্রস্তুতের কার্যক্রম এখনো চলছে।
৮,৬৩৬.
কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক বা তথ্য পরিকাঠামোকে 'গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো' হিসাবে ঘোষণা দিতে পারে-
  1. সরকার
  2. জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সি
  3. জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা কাউন্সিল
  4. ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
• সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর পঞ্চম অধ্যায়ে 'গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো' সংক্রান্ত বিধান রয়েছে।

ধারা ১৫- গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো

এই আইনের উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক বা তথ্য পরিকাঠামোকে 'গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো' হিসাবে ঘোষণা করিতে পারিবে।

ধারা ১৬- গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোর নিরাপত্তা পরিবীক্ষণ ও পরিদর্শন

(১) মহাপরিচালক, এই আইনের বিধানাবলি যথাযথভাবে প্রতিপালিত হইতেছে কি না তাহা নিশ্চিত করিবার জন্য প্রয়োজনে, সময় সময়, কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো পরিবীক্ষণ ও পরিদর্শন করিবেন এবং এতদ্‌সংক্রান্ত প্রতিবেদন সরকারের নিকট দাখিল করিবেন।

(২) এই আইনের আওতায় ঘোষিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোসমূহ, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, প্রতি বৎসর উহার অভ্যন্তরীণ ও বহিঃস্থ পরিকাঠামো পরিবীক্ষণপূর্বক একটি পরিবীক্ষণ প্রতিবেদন সরকারের নিকট উপস্থাপন করিবে এবং উক্ত প্রতিবেদনের বিষয়বস্তু মহাপরিচালককে অবহিত করিবে।

(৩) মহাপরিচালকের নিকট যদি যুক্তিসঙ্গতভাবে বিশ্বাস করিবার কারণ থাকে যে, তাহার অধিক্ষেত্রভুক্ত কোনো বিষয়ে কোনো ব্যক্তির কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোর জন্য হুমকিস্বরূপ বা ক্ষতিকর, তাহা হইলে তিনি, স্ব-প্রণোদিতভাবে বা কাহারও নিকট হইতে কোনো অভিযোগ প্রাপ্ত হইয়া, উহার অনুসন্ধান করিতে পারিবেন।

(৪) এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, নিরাপত্তা পরিবীক্ষণ ও পরিদর্শন কার্যক্রম সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ব্যক্তি দ্বারা সম্পন্ন করিতে হইবে।
৮,৬৩৭.
The Limitation Act, 1908 এর কত ধারায় "Easement” সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ২৮
  2. ২৭
  3. ২৬
  4. ২৫
সঠিক উত্তর:
২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬
ব্যাখ্যা
♦ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ২৬ ধারায় সুখাধিকার অর্জন [ Acquisition of right to easements) নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। মালিক না হয়েও অন্যের জমি ব্যবহার করার অধিকার হলো সুখাধিকার। সুখাধিকার [Easement] এমন এক ধরনের অধিকার যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির জমি বিশেষ কোন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে যেমন আলো বাতাসের অধিকার, চলাচলের অধিকার ইত্যাদি।
৮,৬৩৮.
একজন প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট কত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং কত টাকা পর্যন্ত জরিমানা করতে পারেন?
  1. ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা
  2. ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা
  3. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও ৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা
  4. ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা
সঠিক উত্তর:
৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩২(১)(ক) অনুসারে: প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট (এবং মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট) সর্বোচ্চ ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড প্রদান করতে পারেন। এছাড়া তিনি ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা আরোপ করতে পারেন।
অতএব, সঠিক উত্তর হলো ঘ নং অপশন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ৩২ ধারার বিধান ম্যাজিস্ট্রেটগণ যে দণ্ডাদেশ প্রদান করতে পারেন:
(১) ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতসমূহ নিম্নোক্ত দণ্ডাদেশসমূহ প্রদান করতে পারেন, যথা:-
(ক) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত:
কারাদণ্ড: অনধিক পাঁচ বছর মেয়াদের জন্য, যার মধ্যে আইন দ্বারা অনুমোদিত নির্জন কারাবাস অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে;
জরিমানা: অনধিক পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত; 
(খ) দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত:
কারাদণ্ড: অনধিক তিন বছর মেয়াদের জন্য, যার মধ্যে আইন দ্বারা অনুমোদিত নির্জন কারাবাস অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে;
জরিমানা: অনধিক তিন লক্ষ টাকা পর্যন্ত;
(গ) তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত:
কারাদণ্ড: অনধিক দুই বছর মেয়াদের জন্য;
জরিমানা: অনধিক দুই লক্ষ টাকা পর্যন্ত।
(২) যেকোনো ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত আইন দ্বারা অনুমোদিত যেকোনো দণ্ডাদেশের সমন্বয়ে একটি বৈধ দণ্ডাদেশ প্রদান করতে পারেন।

৮,৬৩৯.
‘ক’,‘খ’- কে হত্যার অভিযোগে পুলিশ কতৃর্ক গ্রেফতার হলে সে পুলিশের কাছে হত্যার কথা স্বীকার করে এবং তার দেওয়া তথ্যমতে পুলিশ হত্যায় ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করে। ‘ক’-এর প্রদত্ত স্বীকারোক্তি কত ধারায় প্রাসঙ্গিক হবে?
  1. ২৫ ধারায়
  2. ২৬ ধারায়
  3. ২৭ ধারায়
  4. ২৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ২৭: অভিযুক্তের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য কতটুকু প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য:
সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তি পুলিশের হেফাজতে থাকা অবস্থায় কোনো তথ্য প্রদান করে এবং তার ফলে কোনো নতুন তথ্য বা প্রমাণ আবিষ্কৃত হয়, তাহলে শুধুমাত্র সেই অংশটুকু প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে, যা সরাসরি উক্ত আবিষ্কৃত তথ্যের সাথে সম্পর্কিত।

মূল ব্যাখ্যা:
- অভিযুক্ত ব্যক্তি পুলিশের হেফাজতে থাকলে তার দেওয়া পুরো স্বীকারোক্তি গ্রহণযোগ্য নয়।
- তবে যদি তার দেওয়া তথ্যের মাধ্যমে কোনো বস্তু (যেমন: অস্ত্র, লাশ বা চুরি যাওয়া দ্রব্য) উদ্ধার করা হয়, তাহলে শুধুমাত্র সেই উদ্ধার সংক্রান্ত অংশটুকু আদালতে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে।

উদাহরণ ১:
একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি পুলিশের হেফাজতে বলে— "আমি হত্যার অস্ত্রটি লুকিয়ে রেখেছি" এবং তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী পুলিশ অস্ত্র উদ্ধার করে।
- এখানে "অস্ত্রটি লুকিয়ে রেখেছি" এই তথ্যটি গ্রহণযোগ্য, কারণ এর ফলে অস্ত্র পাওয়া গেছে।

উদাহরণ ২:
একজন অভিযুক্ত পুলিশকে বলে— "আমি লুকিয়ে রাখা টাকা বের করতে পারি" এবং তার নির্দেশনায় পুলিশ টাকা উদ্ধার করে।
- এখানে শুধুমাত্র টাকা উদ্ধার সংক্রান্ত তথ্যটি গ্রহণযোগ্য, কিন্তু তার আগে দেওয়া কোনো অপরাধ স্বীকারোক্তি গ্রহণযোগ্য নয়।
৮,৬৪০.
'Declaration of Independence'- সংবিধানের কোন তফসিলে সন্নিবেশিত হয়েছে?
  1. ৭ম
  2. ৬ষ্ঠ
  3. ৫ম
  4. ৪র্থ
সঠিক উত্তর:
৬ষ্ঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ষ্ঠ
ব্যাখ্যা
• সংবিধানে মোট তফসিল ৭টি, কিন্তু বর্তমানে ৬টি কার্যকর রয়েছে।

প্রথম তফসিল- অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন;

দ্বিতীয় তফসিল- রাষ্ট্রপতি-নির্বাচন; (বিলুপ্ত)

তৃতীয় তফসিল- শপথ ও ঘোষণা;

চতুর্থ তফসিল- ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী;

পঞ্চম তফসিল- ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ তারিখে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণ;

ষষ্ঠ তফসিল- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক প্রদত্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা (Declaration of Independence);

সপ্তম তফসিল- ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল তারিখে মুজিবনগর সরকারের জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।
৮,৬৪১.
সাক্ষ্য আইনের বিধান অনুযায়ী, কোনটি বেসরকারি দলিলের উদাহরণ?
  1. দানপত্র বা উইল
  2. সংসদের আইন
  3. আদালতের রেকর্ড
  4. উল্লিখিত সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
দানপত্র বা উইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দানপত্র বা উইল
ব্যাখ্যা

⇒ বেসরকারি দলিল (Private Document) হলো সেই সমস্ত দলিল যা সরকারি সংস্থা বা ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রমের অংশ নয়, বরং ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য তৈরি বা ব্যবহৃত হয়।
- দানপত্র বা উইল একটি বেসরকারি দলিল, কারণ এটি সাধারণত ব্যক্তি বা পরিবারের মধ্যে সম্পাদিত হয় এবং এর সাথে কোনো সরকারি সংস্থার সংশ্লিষ্টতা থাকে না।

- বেসরকারি দলিল হলো সেইসব দলিল, যা ব্যক্তি বা বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে সম্পাদিত হয় এবং সরকারি কোনো অনুমোদনের প্রয়োজন হয় না। দানপত্র (Gift Deed) বা উইল (Will) এই ধরনের দলিলের উদাহরণ।
অর্থাৎ দানপত্র বা উইল হলো একটি বেসরকারি দলিল, কারণ এটি ব্যক্তিগত লেনদেনের অংশ। 
তাই সঠিক উত্তর: (ক) দানপত্র বা উইল।

৮,৬৪২.
The Evidence Act, 1872 এর ১৪৬ ধারার বিধান মতে জেরায় কোন ধরনের প্রশ্নের মাধ্যমে সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা বিনষ্ট করা যায়?
  1. অশালীন
  2. কুৎসাজনক
  3. বিভ্রান্তিকর
  4. চরিত্র আঘাত করে এমন
সঠিক উত্তর:
চরিত্র আঘাত করে এমন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চরিত্র আঘাত করে এমন
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ১৪৬ ধারা অনুসারে, চরিত্রে আঘাত করে সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা সম্পর্কে দূর্বলতা সৃষ্টি করার জন্য বা সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা বিনষ্ট করার জন্য জেরায় প্রশ্ন করা বৈধ।
♦সাক্ষ্য আইন (সংশোধন), ২০২২ এর ১৪৬ ধারা অনুযায়ী জেরায় তিন ধরনের প্রশ্ন করা বৈধ। যে সকল প্রশ্ন যা দ্বারা সাক্ষীর
(i)  সত্যবাদিতা পরীক্ষা করা যায়
(ii)  তার পরিচয় মর্যাদা জানা যায়
(iii) তার চরিত্র আঘাত করে বিশ্বাতযোগ্যতা সম্পর্কে দুর্বলতা সৃষ্টি করা যায
♦তবে শর্ত থাকে যে, ধর্ষণের অপরাধ বা ধর্ষণের চেষ্টার জন্য একটি মামলায় ক্লজ(৩) এর অধীন ভিকটিমের সাধারণ অনৈতিক চরিত্র বা পূর্ববর্তী যৌন আচরণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদে কোন প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।
৮,৬৪৩.
‘মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে’ - এই সাধারণ নীতির ব্যতিক্রম সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় আছে?
  1. ৩০ ধারায়
  2. ৩১ ধারায়
  3. ৩৩ ধারায়
  4. ৩৪ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
• সাধারণত মৌখিক সাক্ষ্য প্রত্যক্ষ হতে হয়, অর্থাৎ সাক্ষীকে আদালতে উপস্থিত হয়ে স্বচক্ষে দেখা বা শোনা ঘটনা বর্ণনা করতে হয়। কিন্তু ৩৩ ধারার অধীনে, যদি সাক্ষী উপস্থিত হতে না পারে, তবে পূর্ববর্তী বিচারিক কার্যক্রমে প্রদত্ত তার সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হতে পারে, যদিও এটি প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য নয়।

সাক্ষ্য আইন, ধারা ৩৩: পরবর্তী মামলায় পূর্বে দেওয়া সাক্ষ্যের প্রাসঙ্গিকতা-
যদি কোনো সাক্ষী পূর্বে কোনো বিচারিক কার্যধারায় বা আইনের দ্বারা স্বীকৃত কোনো ব্যক্তির সামনে সাক্ষ্য প্রদান করে থাকেন, তবে সেই সাক্ষ্য পরবর্তী বিচারিক কার্যধারায় বা একই বিচারিক কার্যধারার পরবর্তী পর্যায়ে প্রাসঙ্গিক হবে, যদি নিম্নলিখিত শর্তগুলোর যেকোনো একটি প্রযোজ্য হয়—
- সাক্ষী মারা গেছেন,
- সাক্ষীকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না,
- সাক্ষী সাক্ষ্য দিতে অক্ষম,
- প্রতিপক্ষ ইচ্ছাকৃতভাবে সাক্ষীকে সাক্ষ্য দেওয়া থেকে বিরত রেখেছে,
- সাক্ষীকে হাজির করতে এত বিলম্ব বা খরচ হবে, যা আদালতের দৃষ্টিতে অযৌক্তিক।

শর্তাবলী:
এই ক্ষেত্রে, নিম্নলিখিত শর্তগুলো পূরণ হলে পূর্ববর্তী সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে—
- প্রথম ও পরবর্তী মামলাটি একই পক্ষ বা তাদের স্বার্থের প্রতিনিধিদের মধ্যে হতে হবে।
- প্রথম মামলায় প্রতিপক্ষের পক্ষ থেকে সাক্ষীকে জেরা করার সুযোগ থাকতে হবে।
- প্রথম ও পরবর্তী মামলার বিষয়বস্তু মূলত একই হতে হবে।

এটি মৌখিক সাক্ষ্যের ব্যতিক্রম কারণ এতে সাক্ষীর অনুপস্থিতিতে তার পূর্ববর্তী সাক্ষ্য প্রমাণ হিসেবে গৃহীত হয়। তাই প্রশ্নের সঠিক উত্তর "৩৩ ধারায়"।
৮,৬৪৪.
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 একটি -
  1. সংসদ কতৃর্ক পাশ হওয়া আইন
  2. সরকার এর আদেশবলে তৈরি আইন
  3. রাষ্ট্রপতির আদেশবলে তৈরি আইন
  4. সুপ্রীম কোর্ট এর আদেশবলে তৈরি আইন
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতির আদেশবলে তৈরি আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতির আদেশবলে তৈরি আইন
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972, অর্থাৎ President’s Order No. 46 of 1972, একটি রাষ্ট্রপতির আদেশ হিসেবে ১৮ মে ১৯৭২ তারিখে জারি করা হয়, এবং তা বাংলাদেশের আইন সে সম্পর্কে বিকল্প ও সংহত আইন হিসেবে স্বীকৃত linkedin.com+15scribd.com+15legislativediv.portal.gov.bd+15। এ আদেশের মাধ্যমে Bangladesh Bar Council গঠিত হয় এবং এটি সংবিধান থেকে স্বাধীনভাবে রাষ্ট্রপতির নির্বাহী ক্ষমতা ব্যবহার করে প্রণীত একটি আইন—সংসদ বা বিচার বিভাগ কর্তৃক তৈরি নয় scribd.comclcbd.org।

Bar Council Order-এর মূলে ছিল আইনজীবীবৃন্দ নিয়ন্ত্রণ এবং অ্যাডভোকেশন পেশার স্বকীয়তা রক্ষা। এই আদেশে Bar Council-এর গঠন, সদস্য সংখ্যা (১৫ জন: যার মধ্যে একজন অটো-চেয়ারম্যান ex‑officio হিসেবে Attorney‑General), সদস্য নির্বাচন প্রক্রিয়া, কার্যাবলী ও ক্ষমতা ইত্যাদি সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।
৮,৬৪৫.
‘A’ নামক একজন ব্যক্তি ‘B’-এর কাছে জমি ভাড়া দেয় এবং ‘B’ চুক্তি করে যে সে জমি থেকে বালি বা নুড়ি খনন করবে না। ‘B’ এই চুক্তি লঙ্ঘন করে খনন শুরু করে। এই ক্ষেত্রে ‘A’ কী করাতে পারে?
  1. চুক্তি বাতিল করতে পারে।
  2. আর্থিক ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে।
  3. নিষেধাজ্ঞার জন্য মামলা করতে পারে।
  4. কোনো আইনি পদক্ষেপ নিতে পারবে না।
সঠিক উত্তর:
নিষেধাজ্ঞার জন্য মামলা করতে পারে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিষেধাজ্ঞার জন্য মামলা করতে পারে।
ব্যাখ্যা

⇒ Specific Relief Act, 1877-এর Section 54-এর Illustration (a) অনুযায়ী, যদি 'A' 'B'-কে জমি ভাড়া দেয় এবং 'B' চুক্তি লঙ্ঘন করে বালি বা নুড়ি খনন শুরু করে, তাহলে 'A' আদালতের কাছে একটি Perpetual Injunction (চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা) মামলা করতে পারে। এই Injunction-এর মাধ্যমে 'B'-কে চুক্তি লঙ্ঘন করে খনন কাজ করা থেকে বিরত রাখা হবে। এটি চুক্তিভঙ্গ রোধ করার একটি প্রতিকার।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫৪ ধারার বিধান চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরের সময়। এই অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত বা এই অধ্যায়ে বর্ণিত অন্যান্য বিধানের অধীন আবেদনকারীর স্বপক্ষে বিরাজমান বাধ্যবাধকতা, তা প্রকাশ্য হোক বা অনুমিত হোক ভঙ্গ করাকে নিরোধ করার জন্য চিরস্থায়ী ইনজাংশন মঞ্জুর করা যেতে পারে।
যেক্ষেত্রে তেমন বাধ্যবাধকতা চুক্তির ফলে উদ্ভূত হয়, সেক্ষেত্রে আদালত এই আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ের বিধানসমূহ ও নিয়মাবলি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবেন।
যেক্ষেত্রে প্রতিবাদী বাদীর সম্পত্তির অধিকারে বা সম্ভোগে অনধিকার হস্তক্ষেপ করে বা হস্তক্ষেপের হুমকি দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রসমূহে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন:
(ক) যেক্ষেত্রে প্রতিবাদীর জন্য সম্পত্তির জিম্মাদার;
(খ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘনের ফলে কৃত বাস্তব ক্ষতি অথবা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোন মানদণ্ড নেই;
(গ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘন এমন ধরনের যে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা তার পর্যাপ্ত প্রতিকার করা যাবে না;
(ঘ) যেক্ষেত্রে এমন সম্ভাবনা থাকে যে, অধিকার লঙ্ঘনের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না;
(ঙ) যেক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় কার্যধারার জটিলতা নিবারণের জন্য ইনজাংশন প্রয়োজনীয়।
ব্যাখ্যা: এই ধারার লক্ষ্য অনুযায়ী ট্রেডমার্ক সম্পত্তি মর্মে পরিগণিত হবে।
-----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 54 Perpetual injunctions when granted: Subject to the other provisions contained in, or referred to by, this Chapter, a perpetual injunction may be granted to prevent the breach of an obligation existing in favour of the applicant, whether expressly or by implication.
When such obligation arises from contract, the Court shall be guided by the rules and provisions contained in Chapter II of this Act.
When the defendant invades or threatens to invade the plaintiff's right to, or enjoyment of, property, the Court may grant a perpetual injunction in the following cases (namely):-
(a) where the defendant is trustee of the property for the plaintiff;
(b) where there exists no standard for ascertaining the actual damage caused, or likely to be caused, by the invasion;
(c) where the invasion is such that pecuniary compensation would not afford adequate relief;
(d) where it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the invasion;
(e) where the injunction is necessary to prevent a multiplicity of judicial proceedings.
Explanation - For the purpose of this section a trademark is property.

৮,৬৪৬.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫- এ কোন অপরাধটি আদালতের সম্মতিসাপেক্ষে আপোসযোগ্য?
  1. সাইবার প্রতারণা
  2. সাইবার স্পেসে জুয়া খেলা
  3. সাইবার সন্ত্রাসী কার্য সংঘটন
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সাইবার প্রতারণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাইবার প্রতারণা
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪৬(৩): অপরাধের আমলযোগ্যতা, জামিনযোগ্যতা ও আপোসযোগ্যতা ইত্যাদি:
ধারা ১৮ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (ক) ও (খ), ধারা ১৯, ২১, ২২, ২৪ ও ২৫ এ উল্লিখিত অপরাধসমূহ আদালতের সম্মতিসাপেক্ষে আপোসযোগ্য হইবে।

⇒ ধারা ১৮: কম্পিউটার, ডিজিটাল ডিভাইস, কম্পিউটার সিস্টেম, ইত্যাদিতে বে-আইনি প্রবেশ ও দণ্ড।
⇒ ধারা ১৯: কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম ও সাইবার স্পেসের ভৌত অবকাঠামো, ইত্যাদির ক্ষতিসাধনের অপরাধ ও দণ্ড।
⇒ ধারা ২২: সাইবার স্পেসে প্রতারণার অপরাধ ও দণ্ড।
⇒ ধারা ২৪: আইনানুগ কর্তৃত্ব বহির্ভূত ই ট্রানজেকশনের অপরাধ ও দণ্ড।
⇒ ধারা ২৫: যৌন হয়রানি, ব্ল‍্যাকমেইলিং বা অশ্লীল বিষয়বস্তু প্রকাশ সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড।
৮,৬৪৭.
দণ্ডবিধির ৩০৩ ধারা কোন ধরনের অপরাধীদের জন্য প্রযোজ্য?
  1. শিশু অপরাধী
  2. যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত
  3. প্রথমবারের মত অপরাধ সংঘটনকারী
  4. যেকোন ধরনের কারাদণ্ড প্রাপ্ত
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধি ৩০৩ ধারার বিধান- যাবজ্জীবন কারাবাসে দণ্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক খুনের শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত অবস্থায় খুন করে, তবে সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

Section 303- Punishment for murder by life-convict:
Whoever, being under sentence of imprisonment for life, commits murder, shall be punished with death.
৮,৬৪৮.
তামাদি আইন, ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ ১৪৪ অনুযায়ী, জবরদখল করা স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের মামলায় তামাদি মেয়াদ কত বছর?
  1. ৬ বছর
  2. ১২ বছর
  3. ৩০ বছর
  4. ৪৮ বছর
সঠিক উত্তর:
১২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ বছর
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ : ১৪৪, প্রথম তফসিল, তামাদি আইন, ১৯০৮-
যদি কারো জমি বা স্থাবর সম্পত্তি অন্য কেউ জবরদখল করে নেয়, সেই দখল পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ (Limitation Period) - ১২ বছর। এই সময় গণনা শুরু হবে যখন প্রতিপক্ষের দখল বাদীর স্বার্থের বিরুদ্ধে (adverse) হয়ে ওঠে।

৮,৬৪৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত আদেশের অধীন আদালত সাক্ষীকে পুনঃআহ্বান (recall) করে জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে?
  1. আদেশ ১৮ বিধি ১২
  2. আদেশ ১৮ বিধি ১৫
  3. আদেশ ১৮ বিধি ১৭
  4. আদেশ ১৮ বিধি ১০
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৮ বিধি ১৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৮ বিধি ১৭
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮ নং আদেশে মোকদ্দমার শুনানী এবং সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ [Hearing of the Suit and Examination of Witnesses] সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

আদেশ ১৮ বিধি-১৭ঃ আদালত কর্তৃক সাক্ষীকে পুনঃ আহ্বান ও জবানবন্দি (recall and examine witness)-

যে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে, আদালতে উক্ত সাক্ষীকে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে পুনঃ আহ্বান করতে পারে এবং (বর্তমানে প্রচলিত সাক্ষ্য আইনের বিধান সাপেক্ষে) আদালত সঙ্গত মনে করে এরূপ প্রশ্ন তাকে জিজ্ঞাসা করতে পারে।
[The Court may at any stage of a suit recall any witness who has been examined and may (subject to the law of evidence for the time being in force) put such questions to him as the Court thinks fit.]
৮,৬৫০.
৪৭ আদেশের ৪ বিধির অধীন রিভিউ এর আবেদন না-মঞ্জুর করলে, সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির প্রতিকার-
  1. আপীল
  2. রিভিশন
  3. রিভিউ
  4. কোনটি না
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা
♦ ৪৭ আদেশ ৪ বিধি এর বিধান যেক্ষেত্রে আবেদনপত্র অগ্রাহ্য হয় (Application where rejected): আদালত যদি মনে করেন রিভিউ এর যথেষ্ট কারণ আছে তাহলে তা মঞ্জুর করতে এবং যদি মনে করেন যথেষ্ট কারণ নেই তাহলে তা না মঞ্জুর করতে পারেন।

♦ ৪৭ আদেশ ৭ বিধি এর বিধান প্রত্যাখ্যানের আদেশ আপিলযোগ্য নয় ; আবেদন মঞ্জুর করার আদেশে আপত্তি (Order of rejection not appealable Objection to order granting application): রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করলে তার বিরুদ্ধে আপিল চলে তবে রিভিউ আবেদন না মঞ্জুর করলে রিভিশন চলবে।

♦ অর্থাৎ রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করলে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি আপীল করতে পারে কিন্তু রিভিউ আবেদন না-মঞ্জুর করলে, সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি রিভিশন দায়ের করতে পারে।
৮,৬৫১.
সরকার কর্তৃক কোন ব্যক্তি তার জমি হতে বেদখল হলে সে মামলা করতে পারে-
  1. দখল উদ্ধারের
  2. স্বত্ব ঘোষনা ও দখল উদ্ধারের
  3. কেবল স্বত্ব ঘোষণার
  4. স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার
সঠিক উত্তর:
স্বত্ব ঘোষনা ও দখল উদ্ধারের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বত্ব ঘোষনা ও দখল উদ্ধারের
ব্যাখ্যা
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুযায়ী কোনো সম্পত্তি থেকে সরকার কর্তৃক অন্যায়ভাবে দখলচ্যুত হলে এবং দখলচ্যুত ব্যক্তি সম্পত্তির বৈধ মালিক বা দাবিদার হয়ে থাকলে: ৮ ও ৪২ ধারা অনুযায়ী স্বত্ব ঘোষণা ও দখল উদ্ধারের জন্য মোকদ্দমা করতে পারবে।

♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৯ ধারা অনুযায়ী সরকার কর্তৃক কোন ব্যক্তি তার জমি হতে বেদখল হলে সে কোন ভাবে সরকারের বিরুদ্ধে দখল উদ্ধারের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে না। কিন্তু উক্ত বেদখলকৃত ব্যক্তি ৮ এবং ৪২ ধারা অনুযায়ী স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারসহ স্বত্ত্ব ঘোষণার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে। কারণ এই দুইটি ধারার অধীন সরকারের বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়েরে কোন বাধা নেই।
৮,৬৫২.
তামাদি আইনের কোন ধারা অনুসারে চুক্তি আইন, ১৮৭২-এর ধারা ২৫ এর ক্ষেত্রে তামাদি আইন প্রযোজ্য হয় না?
  1. ২৬ ধারা
  2. ২৭ ধারা
  3. ২৮ ধারা
  4. ২৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
২৯ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২৯(১) অনুযায়ী চুক্তি আইন, ১৮৭২-এর ধারা ২৫ এর ক্ষেত্রে তামাদি আইন প্রযোজ্য হয় না।

⇒ তামাদি আইন,১৯০৮ এর ধারা ২৯ অনুসারে, তামাদি আইন প্রযোজ্য নয়-
- বিশেষ আইনের ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৫ ধারা
- চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ২৫ ধারার ক্ষেত্রে
- বিবাহ বিচ্ছেদ আইন মোতাবেক আনীত মামলার ক্ষেত্রে
- সুখাধিকার আইন, ১৮৮২ এর আওতাভুক্ত এলাকা থেকে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ২৬ ও ২৭ ধারা এবং ২ ধারায় বর্ণিত "সুখাধিকার" এর সংজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ - ধারা ২৯: সংরক্ষন (Savings)
(১) এই আইনের কোনো কিছুই ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের ধারা ২৫-কে প্রভাবিত করবে না।
(২) যদি কোনো বিশেষ আইন কোনো মোকদ্দমা, আপিল বা আবেদনের জন্য তামাদির একটি ভিন্ন মেয়াদ নির্ধারণ করে, যা প্রথম তফসিলে উল্লিখিত মেয়াদ থেকে আলাদা, তাহলে ধারা ৩-এর বিধান প্রযোজ্য হবে, যেন সেই মেয়াদ প্রথম তফসিলে উল্লিখিত হয়েছে। এবং কোনো বিশেষ আইন দ্বারা নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ নির্ধারণের জন্য:
(ক) ধারা ৪, ধারা ৯ থেকে ১৮ এবং ধারা ২২-এর বিধানগুলো কেবলমাত্র সেই পরিমাণে প্রযোজ্য হবে, যতটুকু সেই বিশেষ আইন দ্বারা স্পষ্টভাবে বাতিল করা হয়নি; এবং
(খ) এই আইনের অন্যান্য বিধানগুলো প্রযোজ্য হবে না।
(৩) এই আইনের কোনো কিছুই ডিভোর্স আইন (Divorce Act) এর অধীনে দায়েরকৃত মোকদ্দমাগুলোর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
(৪) ধারা ২৬ এবং ২৭, এবং ধারা ২-এ উল্লিখিত "সুবিধা" (easement)-এর সংজ্ঞা, ১৮৮২ সালের সুবিধা আইন (Easements Act, 1882) যে অঞ্চলে প্রযোজ্য, সেই অঞ্চলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
-------------
⇒ The Limitation Act, 1908 Section-29. Savings:
(1) Nothing in this Act shall affect section 25 of the Contract Act, 1872.
(2) Where any special law prescribes for any suit, appeal or application a period of limitation different from the period prescribed therefore by the first schedule, the provision of section 3 shall apply, as if such period were prescribed therefor in that schedule, and for the purpose of determining any period of limitation prescribed for any suit, appeal or application by any special law-
(a) the provisions contained in section 4, sections 9 to 18, and section 22 shall apply only in so far as, and to the extent to which, they are not expressly excluded by such special law; and
(b) the remaining provisions of this Act shall not apply.
(3) Nothing in this Act shall apply to suits under the Divorce Act.
(4) Sections 26 and 27 and the definition of “easement” in section 2 shall not apply to cases arising in territories to which the Easements Act, 1882, may for the time being extend.
৮,৬৫৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৭ বিধি ১(৭) এর অধীন মোকদ্দমা পুনর্বহালের আবেদনের সাথে জমাকৃত খরচা কাকে প্রদান করতে হবে?
  1. সরকারকে
  2. আদালতকে
  3. নিজ সাক্ষীকে
  4. মোকদ্দমার অন্য পক্ষকে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার অন্য পক্ষকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার অন্য পক্ষকে
ব্যাখ্যা
• আদেশ ১৭ বিধি ১(৭):
উপ-বিধি (৩) কিংবা (৪) এর অধীন মোকদ্দমা খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তি হলে তা শুনানির নিমিত্তে পুনর্বহাল করা হবে না, যদি না যার অমান্যের কারণে মোকদ্দমাটি খারিজ হয় কিংবা একতরফা নিষ্পত্তি হয়, তিনি খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তির ত্রিশ দিনের মধ্যে তা পুনর্বহালের আবেদনের সঙ্গে আদালতে দুই হাজার টাকা ব্যায়াদির খরচা জমা প্রদান করেন; এবং অনুরূপ আবেদনের প্রেক্ষিতে অন্য কার্যধারা ছাড়িয়ে মোকদ্দমাটি পুনর্বহাল করা হবে এবং জমাকৃত খরচা অন্য পক্ষকে দিতে হবে।
৮,৬৫৪.
প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা দায়েরের জন্য কার অনুমতি প্রয়োজন?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. আদালত
  3. বিবাদী
  4. সরকার
সঠিক উত্তর:
আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা দায়ের করার জন্য আদালতের অনুমতি প্রয়োজন। দেওয়ানি কার্যবিধির ১ নং আদেশের ৮ নং বিধি অনুযায়ী, যদি কোনো মামলায় বহু ব্যক্তির একই ধরনের স্বার্থ থাকে, তবে আদালতের অনুমতিক্রমে একজন বা একাধিক ব্যক্তি সেই মামলার জন্য প্রতিনিধিত্ব করতে পারেন।
- প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমায়, স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তির পক্ষে একজন বা একাধিক ব্যক্তি মামলা দায়ের করতে পারবেন, তবে এর জন্য আদালতের অনুমতি প্রয়োজন। আদালত এটি নিশ্চিত করবে যে প্রতিনিধির মাধ্যমে মামলাটি সঠিকভাবে পরিচালিত হবে এবং যে ব্যক্তি বা ব্যক্তিরা মামলার মাধ্যমে প্রতিনিধিত্ব করছেন, তাদের স্বার্থ সঠিকভাবে রক্ষিত হচ্ছে।
এছাড়া, আদালতকে গণ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নোটিশ প্রদান বা ব্যক্তিগতভাবে নোটিশ প্রদান করার বিষয়টি নিশ্চিত করার দায়িত্বও দেওয়া থাকে।

অতএব, প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা দায়েরের জন্য আদালতের অনুমতি প্রয়োজন।
৮,৬৫৫.
তামাদি আইনের কোন অনুচ্ছেদে স্থাবর সম্পত্তি দখল উদ্ধারের নালিশ দায়েরের মেয়াদ উল্লেখিত আছে?
  1. ১১২ অনুচ্ছেদ
  2. ১১৪ অনুচ্ছেদ
  3. ১৪২ অনুচ্ছেদ
  4. ১৪৫ অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
১৪২ অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪২ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ১৪২ নং অনুচ্ছেদমতে, বেদখল হওয়ার ১২ বছরের মধ্যে স্থাবর সম্পত্তি দখল উদ্ধারের নালিশ দায়েরের করতে হবে।
৮,৬৫৬.
অজ্ঞাত পরিচয়ের [anonymous communication] মাধ্যমে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের শাস্তি সর্বোচ্চ কত বছর কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ধারা ৫০৭- অজ্ঞাত পরিচয় দ্বারা অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন:
যে ব্যক্তি অজ্ঞাত পরিচয় দ্বারা অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন করে, বা যে ব্যক্তি হুমকি প্রদানের জন্য যার নাম বা অবস্থান গোপন রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করে, তাকে দুই বছরের পর্যন্ত যেকোন ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে। এছাড়া, এই অপরাধের জন্য পূর্ববর্তী ধারায় প্রদত্ত শাস্তিও তাকে প্রদান করা হবে।

Criminal intimidation by an anonymous communication:
Whoever commits the offence of criminal intimidation by an anonymous communication, or having taken precaution to conceal the name or abode of the person from whom the threat comes, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, in addition to the punishment provided for the offence by the last preceding section.
৮,৬৫৭.
দেওয়ানি মামলায় মিথ্যা আরজি বা জবাব দাখিল করলে সর্বোচ্চ কত টাকা ক্ষতিপূরণ দেয়ার বিধান আছে?
  1. ১৫,০০০ টাকা
  2. ১০,০০০ টাকা
  3. ২০,০০০ টাকা
  4. ৩০,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
২০,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি মামলায় মিথ্যা আরজি বা জবাব দাখিল করলে  সর্বোচ্চ ২০,০০০/-(বিশ হাজার) টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেয়ার বিধান আছে।

• প্রত্যেক মোকদ্দমার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কিছু খরচ/ব্যয় থাকে। দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫,৩৫ক এবং ৩৫খ ধারায় খরচের বিষয়ে বিধান রয়েছে। খরচ প্রদানের আদেশ আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা। দেওয়ানি কার্যবিধির আওতায় তিন (৩) ধরনের খরচ প্রদান করা হয়ে থাকে। যথা-
 i) সাধারণ খরচ;
ii) ক্ষতিপূরণমূলক খরচ;  এবং
iii) বিলম্বের জন্য খরচ। 

• ধারা ৩৫ক: ক্ষতিপূরণমূলক খরচ (Compensatory cost)-
দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় ক্ষতিপূরণমূলক খরচের বিধান রয়েছে। মূল মোকদ্দমায় বা ডিক্রি জারিতে কোন পক্ষ আরজি বা লিখিত জবাবে মিথ্যা বা বিরক্তিকর (false or vexatious) বিষয় দাবি করলে, আদালত মিথ্যা বা বিরক্তিকর দাবি উত্থাপনকারীকে সর্বোচ্চ ২০,০০০/-(বিশ হাজার) টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ স্বরূপ খরচের আদেশ দিতে পারে।

Section 35A: Compensatory costs in respect of false or vexatious claims or defences-
(1) If in any suit or other proceeding, including an execution proceeding, not being an appeal, any party objects to the claim or defence on the ground that the claim or defence, or any part of it, is false or vexatious, and if, thereafter, such claim or defence is disallowed, in whole or in part, the Court shall, after recording its reasons for holding such claim or defence to be false or vexatious, make an order for the payment to the objector, such cost by way of compensation which may, without exceeding the limit of the Court's pecuniary jurisdiction, extend upto twenty thousand taka. 
 
(2) No person against whom an order has been made under this section shall, by reason thereof, be exempted from any criminal liability in respect of any claim or defence made by him. 
 
(3) The amount of any cost awarded under this section in respect of a false or vexatious claim or defence shall be taken into account in any subsequent suit for damages or compensation in respect of such claim or defence.]
৮,৬৫৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধার মামলায় বাদী নিচের কোনটি প্রমাণ করতে হবে না?
  1. সম্পত্তিটি দখলে ছিল
  2. সম্পত্তিতে বাদীর স্বত্ব রয়েছে
  3. বিবাদী তাকে বেদখল করেছে
  4. বাদী ৬ মাসের মধ্যে মামলা করেছে
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তিতে বাদীর স্বত্ব রয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তিতে বাদীর স্বত্ব রয়েছে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন এর ৯ ধারায় দখল পুনরুদ্ধার করতে হলে বাদীকে প্রমাণ করতে হবে নালিশি সম্পত্তি তার দখলে ছিল এবং উক্ত সম্পত্তি হতে তাকে গত ৬ মাসের মধ্যে জোরপূর্বক বা বেআইনিভাবে বেদখল করা হয়েছে।
-এই ধারায় ( স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধার মামলায়) স্বত্ব প্রমাণ বা স্বত্বের প্রশ্ন উত্থাপন করার প্রয়োজন নেই, তথাপিও পক্ষ চাইলে উত্থাপন করতে পারেন।
ধারাঃ ৯- স্থাবর সম্পত্তির দখল পুরুদ্ধার (স্বত্বছাড়া শুধু দখল পুনুরুদ্ধার/মামলা করার সময়সীমা ৬ মাস)
-------------------------
SR Act- Section-9. Suit by person dispossessed of immoveable property:
If any person is dispossessed without his consent of immoveable property otherwise than in due course of law, he or any person claiming through him may, by suit recover possession thereof, notwithstanding any other title that may be set up in such suit.
 
Nothing in this section shall bar any person from suing to establish his title to such property and to recover possession thereof.
No suit under this section shall be brought against the Government.
No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.
৮,৬৫৯.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর অধীন অর্থদণ্ড বা ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য ট্রাইব্যুনাল কাকে নির্দেশ দিতে পারে?
  1. জেলা জজকে
  2. পুলিশ সুপারকে
  3. জেলা প্রশাসককে
  4. জেলা কালেক্টরকে
সঠিক উত্তর:
জেলা কালেক্টরকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা কালেক্টরকে
ব্যাখ্যা

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ১৬ অনুযায়ী, অর্থদণ্ড বা ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য ট্রাইব্যুনাল জেলা কালেক্টরকে নির্দেশ দিতে পারে। ট্রাইব্যুনাল জেলা কালেক্টরকে অপরাধীর স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির তালিকা প্রস্তুত করে ক্রোক, নিলাম বিক্রয়, বা সরাসরি নিলামের মাধ্যমে অর্থ আদায়ের নির্দেশ দিতে পারে, এবং এই অর্থ ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়।

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ১৬ - অর্থদণ্ড বা ক্ষতিপূরণ আদায়ের পদ্ধতি:
১৬। এই আইনের অধীনে কোন অর্থদণ্ড আরোপ করা হইলে, ট্রাইব্যুনাল সংশ্লিষ্ট জেলার কালেক্টরকে, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে বা অনুরূপ বিধি না থাকিলে, ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক নির্ধারিত পদ্ধতিতে, অপরাধীর স্থাবর বা অস্থাবর বা উভয়বিধ সম্পত্তির তালিকা প্রস্তুতক্রমে ক্রোক ও নিলাম বিক্রয় বা ক্রোক ছাড়াই সরাসরি নিলামে বিক্রয় করিয়া বিক্রয়লব্ধ অর্থ ট্রাইব্যুনালে জমা দিবার নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে এবং ট্রাইব্যুনাল উক্ত অর্থ অপরাধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে প্রদানের ব্যবস্থা করিবে।

৮,৬৬০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন কোন ক্ষেত্র অন্তর্ভুক্ত করে না?
  1. চুক্তিভুক্ত অঙ্গীকার
  2. সুনির্দিষ্ট  কার্যসম্পাদন
  3. চুক্তি‑বহির্ভূত অঙ্গীকার
  4. লিখিত দলিলের কার্যকারিতা
সঠিক উত্তর:
চুক্তি‑বহির্ভূত অঙ্গীকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি‑বহির্ভূত অঙ্গীকার
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অপ্রযোজ্যতা:
যদি না এই আইনে কোথাও অন্যরূপে সুস্পষ্টভাবে বিধিবদ্ধ থাকে, তবে এই আইনে কোন কিছুকেই এরূপ গণ্য করা হবে না, যাতে-
(ক) চুক্তি নয়, এমন কোন অঙ্গীকারের ব্যাপারে প্রতিকারের কোন অধিকার প্রদান করা হয়;
(খ) কোন ব্যক্তিকে কোন প্রতিকারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা হয়, শুধুমাত্র নির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন ছাড়া, যা সে কোন চুক্তির অধীনে পেতে পারত; অথবা
(গ) দলিলসমূহের উপর রেজিস্ট্রেশন আইনের প্রয়োগকে প্রভাবিত করা হয়।
৮,৬৬১.
সাইবার ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে কোথায় আপীল করতে হবে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. আপীল বিভাগ
  3. জেলা জজ আদালত
  4. সাইবার আপীল ট্রাইব্যুনাল
সঠিক উত্তর:
সাইবার আপীল ট্রাইব্যুনাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাইবার আপীল ট্রাইব্যুনাল
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪১: অপরাধের বিচার ও আপীল:
(১) আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই অধ্যাদেশের অধীন সংঘটিত অপরাধসমূহ কেবল ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক বিচার্য হইবে।
(২) কোনো ব্যক্তি ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত রায়ে সংক্ষুব্ধ হইলে তিনি আপীল ট্রাইব্যুনালে আপীল দায়ের করিতে পারিবেন

⇒ ধারা ২(ক) অনুযায়ী-
“আপীল ট্রাইব্যুনাল” অর্থ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ (২০০৬ সনের ৩৯ নং আইন) এর ধারা ৮২ এর অধীন গঠিত সাইবার আপীল ট্রাইব্যুনাল;
৮,৬৬২.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ অনুসারে স্বীকৃতি চূড়ান্ত প্রমাণ না হলেও প্রমাণে কী ধরনের বাধা সৃষ্টি করে?
  1. স্বকার্য জনিত
  2. দোবারা দোষ
  3. মামলা স্থগিত
  4. উপরের সবগুলোই সঠিক
সঠিক উত্তর:
স্বকার্য জনিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বকার্য জনিত
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৩১ মতে- স্বীকৃতি স্বকার্য জনিত বিষয় সম্পর্কে চূড়ান্ত- প্রমাণ নয় তবে তা এই আইনের বর্ণিত বিধান সমূহ অনুসারে প্রতিবন্ধ হিসাবে কার্যকারী হতে পারে। যে সকল লোককে স্বাক্ষী রুপে আহ্বান করা যায় না, তাদের বিবৃতিও এই ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

♦  সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারামতে স্বীকৃতি চূড়ান্ত প্রমাণ বা conclusive proof না হলেও estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধা সৃষ্টি করতে পারে। 
৮,৬৬৩.
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল কোন ধরণের সংস্থা?
  1. বেসরকারী সংস্থা
  2. সরকারী নিয়ন্ত্রণাধীন সংস্থা
  3. সাংবিধানিক সংস্থা 
  4. সংবিধিবদ্ধ সংস্থা
সঠিক উত্তর:
সংবিধিবদ্ধ সংস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবিধিবদ্ধ সংস্থা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৩ অনুসারে,
(১) এই আদেশের বিধান অনুযায়ী বাংলাদেশ বার কাউন্সিল নামে একটি বার কাউন্সিল গঠিত হইবে।
(২) বার কাউন্সিল একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হইবে যাহার স্থায়ী ধারাবাহিকতা ও একটি সাধারণ সিলমোহর থাকিবে, স্থাবর ও অস্থাবর উভয় প্রকার সম্পত্তি অর্জন করিবার ও অধিকারে রাখিবার ক্ষমতা থাকিবে, এবং চুক্তি করিবার অধিকার থাকিবে, এবং উক্ত নামে ইহা মামলা করিতে পারিবে এবং ইহার বিরুদ্ধে মামলা করা যাইবে।
---------
3. (1) There shall be constituted in accordance with the provisions of this Order a Bar Council to be called the Bangladesh Bar Council.
(2) The Bar Council shall be a body corporate having perpetual succession and a common seal, with power to acquire and hold property, both movable and immovable, and to contract, and shall by the said name sue and be sued.

৮,৬৬৪.
অভিযোগকারী কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে?
  1. মূল মামলার খালাস আদেশের বিরুদ্ধে
  2. আপিলে প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে
  3. রিভিশনে প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
মূল মামলার খালাস আদেশের বিরুদ্ধে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল মামলার খালাস আদেশের বিরুদ্ধে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৪১৭ ধারায় খালাসের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান আলোচনা করা হয়েছে। খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়-
১- হাইকোর্ট বিভাগে
২- দায়রা জজের নিকট 

খালাস আদেশটি ম্যাজিস্ট্রেট আদালত দিলে দায়রা জজের নিকট এবং দায়রা আদালত দিলে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করতে হবে। খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে-
১. পাবলিক প্রসিকিউটর
২. অভিযোগকারী 

• ৪১৭ (১) ধারায় পাবলিক প্রসিকিউটর এবং ৪১৭ (২) ধারায় অভিযোগকারী খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে। পাবলিক প্রসিকিউটর মূল মামলার এবং আপিলে প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে। অভিযোগকারী শুধুমাত্র মূল মামলার খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে।

পাবলিক প্রসিকিউটর যেকোনো মামলায় (G.R এবং C.R উভয় মামলায়) প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে। অভিযোগকারী শুধুমাত্র নালিশী মামলায় (C.R মামলায়) প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে।

ফৌজদারী কার্যবিধির ৪১৭(৩) ধারা অনুসারে, খালাস আদেশের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী আপিল দায়ের করতে পারে ৬০ দিনের মধ্যে এবং তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৫৭ ধারা অনুচ্ছেদ অনুসারে পাবলিক প্রসিকিউটর খালাসের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে ৬ মাসের মধ্যে।
৮,৬৬৫.
অপরাধ স্বীকারের প্রকৃতির উপর ভিত্তি করে স্বীকারোক্তিকে কয় ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ২ ভাগে
  2. ৩ ভাগে
  3. ৪ ভাগে
  4. ৫ ভাগে
সঠিক উত্তর:
২ ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ভাগে
ব্যাখ্যা
⇒ কোন ফৌজদারী মামলার আসামী তার কৃত অপরাধ স্বীকার করে যে বিবৃতি প্রদান করে, তাকে বলা হয় স্বীকারোক্তি। ইংরেজিতে এটাকে Confession বলা হয়। সাক্ষ্য আইনে স্বীকারোক্তির কোন সংজ্ঞা প্রদান করা হয়নি। তবে ২৪, ২৫ ও ২৬ ধারায় তার প্রকৃতি ও বৈশিষ্ট সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ স্বীকারোক্তি কত প্রকার: কার কাছে স্বীকারোক্তি দেওয়া হচ্ছে সেদিক বিবেচনা করলে-ম্যাজিস্ট্রেট বা বিচারকের কাছে দেওয়া স্বীকারোক্তিকে judicial Confession এবং ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অন্য কাউকে দেওয়া স্বীকারোক্তিকে Extra-judicial Confession বলা হয়।

⇒ অপরাধ স্বীকারের প্রকৃতির উপর ভিত্তি করে স্বীকারোক্তিকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়-
i) Inculpatory Confessional Statement; ও
ii) Ex-culpatory Confessional Statement.

⇒ আসামি নিজেকে অপরাধের সাথে জড়িয়ে কোন দোষ স্বীকারমূলক বিবৃতি প্রদান করলে তাকে Inculpatory Confessional Statement বলা হয়।
⇒ আর আসামী নিজেকে অপরাধের সাথে না জড়িয়ে অন্য কোন ব্যক্তিকে অপরাধের সাথে জড়িয়ে কোন দোষ স্বীকারমূলক বিবৃতি প্রদান করলে তাকে Ex-culpatory Confessional Statement বলা হয়।

⇒ অপরাধ স্বীকারের পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বীকারোক্তিকে তিন ভাগে বিভক্ত করা হয়, যথা-

i) বিচারিক (Judicial) স্বীকারোক্তি;
ii) বিচার বহির্ভূত (Extra-judicial) স্বীকারোক্তি; ও
iii) প্রত্যাহৃত স্বীকারোক্তি।

⇒ আসামী তার দোষ স্বীকারমূলক বিবৃতি যদি কোন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রদান করে, তবে তাকে বলা হয় বিচারিক স্বীকারোক্তি।
⇒ আর তা যদি অন্য কোন ব্যক্তির নিকট প্রদান করা হয়, তবে তাকে বলা হয় বিচার বহির্ভূত স্বীকারোক্তি।
⇒ এছাড়া দেখা যায়, আসামী প্রথমে বিচারিক বা বিচার বহির্ভূত স্বীকারোক্তি করার পর পরবর্তীতে তার ঐ পূর্বের স্বীকারোক্তি আদালতে অস্বীকার করছে। এটাকে বলা হয় প্রত্যাহৃত স্বীকারোক্তি।
৮,৬৬৬.
আদেশ ২০ বিধি ৫ক অনুযায়ী, রায় ঘোষণার পর ডিক্রি প্রণয়ন করতে হবে:
  1. একই দিনে
  2. ৭ দিনের মধ্যে
  3. ১৫ দিনের মধ্যে
  4. ১ মাসের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
৭ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
আদেশ ২০ বিধি ৫ক: ডিক্রি প্রণয়নের সময়:
রায় ঘোষণার তারিখ হতে সাত দিনের মধ্যে ডিক্রি প্রণয়ন করতে হবে।

Order 20 Rule 5A- Time for drawn up a decree:
The decree shall be drawn up within seven days from the date of pronouncement of the judgment.
৮,৬৬৭.
'ক', 'চ'-কে বিষ প্রয়োগ করে খুন করার উদ্দেশ্যে বিষ ক্রয় করে এবং খাদ্যে বিষ মিশ্রিত করে। 'ক' বিষ মিশ্রিত খাদ্য দ্রবটি 'চ' এর খাবার টেবিলে রাখে। 'ক' কোন ধারার অধীনে অপরাধ করেছে?
  1. ২৯৯ ধারা
  2. ৩০৪ ধারা
  3. ৩০৫ ধারা
  4. ৩০৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩০৭ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০৭ ধারা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারা- খুনের উদ্যোগ:
কোন ব্যক্তি যদি এমন উদ্দেশ্য নিয়ে বা এমন আশঙ্কা জানা সত্ত্বেও এমন অবস্থায় এমন কোন কার্য করে, যার ফলে মৃত্যু ঘটলে সে খুনের দায়ে অপরাধী সাব্যস্ত হবে, তবে উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে, এবং
যদি অনুরূপ কাজের কর্তৃক কোন ব্যক্তিকে আঘাত করা হয়, তবে অপরাধী যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা ইতোপূর্বে যে সাজার উলেখ করা হয়েছে, সে দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

⇒ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তির উদ্যোগ:- যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি যদি এই ধারায় উল্লেখিত অপরাধ করে এবং তার ফলে কেউ আহত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।

উদাহরণ:
(অ) 'ক', 'চ'-কে হত্যা করার উদ্দেশ্যে এমন অবস্থায় গুলি করে, যে অবস্থায় মৃত্যু অনুষ্ঠিত হলে 'ক' খুনের দায়ে অপরাধী সাব্যস্ত হবে। 'ক' এই ধারা বলে দণ্ডিত হবে।

(আ) 'ক' একটি অতি অল্প বয়স্ক শিশুকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে উহাকে মরুভূমিতে রেখে আসে। ইহার ফলে শিশুটির মৃত্যু না হলেও ‘ক’ এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।

(ই) 'ক', 'চ' কে খুন করার উদ্দেশ্যে একটি বন্দুক ক্রয় করে উহা গুলি ভর্তি করে। এতদূর পর্যন্ত 'ক' অপরাধ করেছে বলে বিবেচনা করা হবে না। 'ক', 'চ'-এর প্রতি গুলি বর্ষণ করে। এইক্ষেত্রে সে এই ধারায় উল্লেখিত অপরাধ করেছে, এবং এই গুলি বর্ষণের দরুণ যদি সে 'চ'-কে আহত করে থাকে, তবে সে এই ধারার প্রথম অনুচ্ছেদের শেষাংশে নিদিষ্ট দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

(ঈ) 'ক', 'চ'-কে বিষ প্রয়োগ করে খুন করার উদ্দেশ্যে বিষ ক্রয় করে এবং খাদ্যে বিষ মিশ্রিত করে; বিষ মিশ্রিত খাদ্য দ্রব্যটি 'ক'-এর নিকটই রয়েছে। এতদূর পর্যন্ত 'ক' এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে বলে বিবেচনা করা হবে না। 'ক' বিষ মিশ্রিত খাদ্য দ্রবটি 'চ' এর খাবার টেবিলে রাখে অথবা উহা 'চ'-এর খাবার টেবিলে রাখার জন্য 'চ'-এর চাকরকে প্রদান করে । 'ক' এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।
৮,৬৬৮.
Evidence Act applies to:
  1. Courts-martial convened under the Army Act, 1952
  2. Courts-martial
  3. proceedings before the arbitrator
  4. None of the above
সঠিক উত্তর:
Courts-martial
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Courts-martial
ব্যাখ্যা
⇒ Extent: It extends to the whole of Bangladesh and applies to all judicial proceedings in or before any Court, including Courts-martial, other than Courts-martial convened under the Army Act, 1952, the Naval Discipline Ordinance, 1961 or the Air Force Act, 1953 but not to affidavits presented to any Court or officer, nor to proceedings before an arbitrator;

⇒ এই আইন সমগ্র বাংলাদেশে বলবৎ হবে ও ১৯৮২ সালের সেনাবাহিনী আইন বা ১৯৬১ সালের নৌ- শৃঙ্খলা আইন বা ১৯৫৩ সালের বিমান বাহিনী আইন অনুসারে গঠিত সামরিক আদালত ব্যতীত সকল আদালত এবং সামরিক আদালতে যাবতীয় বিচার কার্যে প্রযোজ্য হবে। তবে অত্র আইন কোন আদালতে অথবা কোন কর্মকর্তার নিকট উপস্থিত হলফনামা অথবা সালিসের কার্যধারায় প্রযোজ্য হবে না।

⇒ Case Law:
Judicial proceedings-The term "Judicial proceedings" is not defined by the Evidence Act, but it is defined by section 4(m) of the Criminal Procedure Code as a "proceeding in the course of which evidence is or may be legally taken on oath. "An enquiry is judicial if the object of it is to determine a jural relation between one person and another or a group of persons or between him and the community.
-QE vs Tulja. 12 ILR (BOM) 36. P42.

Departmental enquiries-In departmental enquiries the strict laws of evidence according to the Evidence Act are not applicable.
-Sisir Kumar Das vs State, 1955 AIR (Cal) 183.
৮,৬৬৯.
তামাদি আইনের ধারা ৪ কোন পরিস্থিতিতে প্রযোজ্য?
  1. মামলার পক্ষ পরিবর্তন হলে
  2. নোটিশ প্রদান না হলে
  3. আদালত স্থানান্তর হওয়া অবস্থায় তামাদি মেয়াদ শেষ হলে
  4. আদালত বন্ধ থাকা অবস্থায় তামাদি মেয়াদ শেষ হলে
সঠিক উত্তর:
আদালত বন্ধ থাকা অবস্থায় তামাদি মেয়াদ শেষ হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত বন্ধ থাকা অবস্থায় তামাদি মেয়াদ শেষ হলে
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদির আইনের ৪ ধারার বিধান- আদালত বন্ধ থাকা অবস্থায় তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হলে:
যেক্ষেত্রে কোন আদালত বন্ধ থাকা অবস্থায় কোন মামলা, আপিল বা আবেদনের জন্য তামাদির নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হয়ে যায়, সেক্ষেত্রে আদালত যেদিন খুলবে সেদিন উক্ত মামলা, আপিল বা আবেদন দাখিল করা যাবে।
------------------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section 4- Where Court is closed when period expires:
Where the period of limitation prescribed for any suit, appeal or application expires on a day when the Court is closed, the suit, appeal or application may be instituted, preferred or made on the day that the Court re-opens.

৮,৬৭০.
মৃত্যু দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন কতদিনের তামাদি মেয়াদ নির্ধারিত আছে?
  1. ৫ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ১০ দিন
  4. ২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের ক্ষেত্রে তামাদি আইন, ১৯০৮-এর তফসিলের অনুচ্ছেদ ১৫১ অনুযায়ী, সর্বনিম্ন ৭ দিনের তামাদি মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে। এই সময়সীমা মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়ার তারিখ থেকে গণনা করা হয়।
- অনুচ্ছেদ ১৫১: মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের জন্য ৭ দিন সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- এই সময়সীমা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং তাৎক্ষণিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য নির্ধারিত হয়েছে।

অতএব, মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ৭ দিনের তামাদি মেয়াদ নির্ধারিত আছে।
৮,৬৭১.
দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে নারী সপিণ্ড কয়জন?
  1. ৭ জন
  2. ৪ জন
  3. ৯ জন
  4. ৫ জন
সঠিক উত্তর:
৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ জন
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের সম্পত্তি বণ্টন হয়ে থাকে দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে। এই মতবাদ অনুসারে উত্তরাধিকার নির্ণয় করতে যে নীতি অনুসরণ করা হয়, তা হলো মৃত ব্যক্তির আত্মার কল্যাণে আধ্যাত্মিক নীতি (ডকট্রিন অব স্পিরিচুয়াল বিলিফ)। হিন্দু ধর্মাবলম্বী কোনো মানুষ মারা গেলে মৃত ব্যক্তির আত্মার সদ্‌গতির জন্য শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে হয়। শেষকৃত্যের তিনটি ধাপ আছে-
১. পিণ্ডদান;
২. পিণ্ডলেপ ও
৩. জলদান।

• মৃত ব্যক্তির শ্রাদ্ধে যে ব্যক্তি পিণ্ডদানের অধিকারী, তাকে বলা হয় ‘সপিণ্ড’। সপিণ্ডরাই মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির প্রধানতম অধিকারী। মাতৃকুল ও পিতৃকুলের ঊর্ধ্বতন তিন পুরুষ, পুত্র ও কন্যার অধস্তন তিন পুরুষ এবং ঊর্ধ্বতন মাতৃ ও পিতৃকূলের ছয় পুরুষ— তাঁরা হলেন পুরুষ সপিণ্ড। আর নারী সপিণ্ড পাঁচজন। তাঁরা হলেন:

১. বিধবা স্ত্রী;
২. কন্যা;
৩. মাতা;
৪. পিতার মাতা ও
৫. পিতার পিতার মাতা।
৮,৬৭২.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ১৯ কোন ধরনের সম্পত্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. শুধুমাত্র স্থাবর সম্পত্তি
  2. শুধুমাত্র অস্থাবর সম্পত্তি
  3. অস্থাবর ও স্থাবর উভয়ই
  4. কেবল সরকারি সম্পত্তি
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র অস্থাবর সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র অস্থাবর সম্পত্তি
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৯ ধারার বিধান- ব্যক্তি বা অস্থাবর সম্পত্তির প্রতি অনিষ্টের জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা:
 কোনো ব্যক্তি বা কোন অস্থাবর সম্পত্তির প্রতি এক আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে অনিষ্ট সাধন করা হলে এবং বিবাদী অপর আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে বসবাস করলে বা ব্যবসা চালালে অথবা এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে বসবাস করলে বা ব্যবসা চালালে অথবা ব্যক্তিগতভাবে লাভের জন্য কাজ করলে, বাদী তার ইচ্ছা অনুসারে দুই আদালতের যেকোন একটিতে ক্ষতিপূরণের মামলা করতে পারে।

উদাহরণ:
(ক) ক-চট্টগ্রামে বসবাস করে এবং সে ‘খ’-কে ঢাকায় মারধর করে। ‘খ’ ঢাকায় অথবা চট্টগ্রামে 'ক’, এর বিরুদ্ধে মামলা করতে পারে।
(খ) 'ক' চট্টগ্রামে বসবাস করে এবং ঢাকায় ‘খ’ সম্পর্কে মানহানিকর বিবৃতি প্রকাশ করে। ‘খ’ ঢাকায় অথবা চট্টগ্রামে “ক” এর বিরুদ্ধে মামলা করতে পারে।

৮,৬৭৩.
বর্তমানে তামাদি আইনের কয়টি ধারা বলবৎ আছে?
  1. ২৮ টি
  2. ২৯ টি
  3. ৩১ টি
  4. ৩২ টি
সঠিক উত্তর:
২৯ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯ টি
ব্যাখ্যা
⇒ সর্বপ্রথম ১৮৫৯ সালে তামাদি আইন পাশ করা হয়। এই আইনটি ১৮৬২ সালে কার্যকর করা হয়। সর্বশেষ ১৯০৮ সালে পুনরায় তামাদি আইন প্রবর্তন করা হয় যা বর্তমানে বাংলাদেশে প্রযোজ্য। এটা ১৯০৮ সালের ৯নং আইন। আইনটি ১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারী হতে কার্যকর হয়।

বর্তমানে তামাদি আইনের ২৯টি ধারা এবং ১টি তফসিল বলবৎ আছে। ধারাসমূহে তামাদির মেয়াদ গণনার পদ্ধতি যেমন কোন সময় বাদ দিয়ে এবং কোন সময় যোগ করে তামাদি গণনা করতে হবে, তামাদির জন্য নির্ধারিত সময়ের পর মোকদ্দমা দায়ের করলে তার ফলাফল, তামাদির বিলম্ব মওকুফ ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং ২৬ থেকে ২৮ ধারা প্রেসক্রিপশন [prescription] ও অর্জন [acquisition] নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
৮,৬৭৪.
মোকদ্দমার মূল্যমান অনধিক কত হলে যুগ্ম জেলা জজের ডিক্রির বিরুদ্ধে জেলা জজের নিকট আপিল করা যাবে?
  1. ৫০ লক্ষ
  2. ৩ কোটি
  3. ৫ কোটি
  4. ১ কোটি
সঠিক উত্তর:
৫ কোটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ কোটি
ব্যাখ্যা
• The Civil Courts Act,1887 আইনের ২০ এবং ২১ ধারায় দেওয়ানি আদালতের আপিল এখতিয়ার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• ২০ ধারা অনুযায়ী, জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে হবে। 
 
২১(১) ধারা- যুগ্ম জেলা জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে যেক্ষেত্রে মূল মামলার মূল্যমান ৫০০০০০০০ (পাঁচ কোটি) টাকার অধিক না, সেক্ষেত্রে জেলা জজের নিকট আপিল করতে হবে এবং মোকদ্দমার মূল্যমান ৫০০০০০০০ (পাঁচ কোটি) টাকার বেশি হলে আপিল করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে।
 
২১(২) ধারা- সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল জেলা জজের নিকট করতে হবে।
৮,৬৭৫.
যুক্তরাজ্যে বসবাসকারী ‘X’একজন বাংলাদেশী নাগরিক সে উগান্ডার এক ব্যক্তিকে হত্যা করে। বাংলাদেশের যোগ্যতাসম্পন্ন কোন আদালত ‘X’ এর বিচার করতে পারে, যদি তাকে পাওয়া যায়-
  1. বাংলাদেশে
  2. উগান্ডায়
  3. যুক্তরাজ্যে
  4. যেকোন দেশে
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশে
ব্যাখ্যা
♦পেনাল কোড অনুযায়ী বাংলাদেশের নাগরিক দেশে-বিদেশে যেখানেই পেনাল কোডের অপরাধ করুক তাঁকে বাংলাদেশে যেখানে পাওয়া যাবে সেখানে বিচার করা যাবে। বিদেশী নাগরিক যদি বাংলাদেশে অবস্থান করে কোনো অপরাধ করলে এবং তা পেনাল কোডে দণ্ডনীয় হলে তার বিচার বাংলাদেশে করা যাবে। কিন্তু বিদেশী কোনো নাগরিক বিদেশে অপরাধ করলে সেটি বাংলাদেশে বিচার্য হবে না।
♦দণ্ডবিধির ২ থেকে ৪ ধারায় দণ্ডবিধির প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। যে ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি প্রয়াগ হবে-
(i)  বাংলাদেশের সকল নাগরিকের ক্ষেত্রে: দেশে-বিদেশে যেখানেই অপরাধ সংঘটন করুক না কেন।
(ii) বিদেশি নাগরিকের ক্ষেত্রে: যদি সে বাংলাদেশে অথবা বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংঘটন করে।
(iii) বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংগঠন করার ক্ষেত্রে: উক্ত বাংলাদেশি জাহাজ বা বিমান বাংলাদেশ বা বিদেশে যেখানেই অবস্থান করুক না কেন।
৮,৬৭৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির  ২৯খ ধারা অনুসারে কিশোর অপরাধীদের বিচারের ক্ষেত্রে কোন বয়স বিবেচনা করা হয়?
  1. গ্রেফতারের সময়ের বয়স
  2. অপরাধ করার সময়ের বয়স
  3. মামলা দায়েরের সময়ের বয়স
  4. আদালতে হাজির হওয়ার সময়ের বয়স
সঠিক উত্তর:
আদালতে হাজির হওয়ার সময়ের বয়স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতে হাজির হওয়ার সময়ের বয়স
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির  ২৯খ ধারার বিধান কিশোরদের বেলায় এখতিয়ার:
-কোন ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ ব্যতিরেকে অপর যে কোন অপরাধ করলে এবং তাকে আদালতে উপস্থিত হওয়ার বা তাকে হাজির করার তারিখে তার বয়স ১৫ (পনেরো) বৎসরের নিচে হলে তার বিচার যে কোন চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট করতে পারবেন অথবা তরুণ অপরাধীদের হেফাজত, বিচার এবং শাস্তি দেবার জন্য বলবৎ আইন কর্তৃক বা অধীনে সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট, এবং এরূপ আইনের দ্বারা আরোপিত সকল বা যেকোনো ক্ষমতা প্রয়োগ করবার জন্য উহার দ্বারা বা অধীন ক্ষমতাপ্রাপ্ত যেকোনো ম্যাজিস্ট্রেট করতে পারবেন।
-----------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-29B:Jurisdiction in the case of juveniles:
-Any offence, other than one punishable with death or transportation for life, committed by any person who at the date when he appears or is brought before the Court is under the age of fifteen years, may be tried by Chief Judicial Magistrate or the Chief Metropolitan Magistrate, or by any Magistrate specially empowered by the Government to exercise the powers conferred by or under any law providing for the custody, trial or punishment of youthful offenders, by any Magistrate empowered by or under such law to exercise all or any of the powers conferred thereby.
৮,৬৭৭.
ক’ একজন বিবাদী। তাকে আদালত ৪০ টাকা জামানত জমা দেওয়া নির্দেশ দেয় কিন্তু ‘ক’ ৪০ টাকা জামানত দিতে ব্যর্থ হয়েছে। এই ক্ষেত্রে আদালত ‘ক’ কে কত দিনের জন্য আটক রাখার আদেশ দিবেন?
  1. ৬ মাসের
  2. ৬ সপ্তাহ
  3. ৩০ দিনের
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
৬ সপ্তাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ সপ্তাহ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৮ বিধি ৪ অনুযায়ী আদালত বিবাদীকে জামানত দিতে ব্যর্থ হলে ৫০ টাকার বেশি হলে ৬ মাস এবং ৫০ টাকার কম হলে ৬ সপ্তাহের জন্য দেওয়ানী কারাগারে আটক রাখার আদেশ দিবেন।
⇒ এই আটক হলো আপিলযোগ্য আদেশ।
⇒ যেহেতু ‘ক’ আদালতের নির্দেশে ৪০ টাকা জামানত জমা দিতে ব্যর্থ হয়েছে তাই ৬ সপ্তাহের জন্য আটক হবেন।
৮,৬৭৮.
The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারামতে বিচারক নিজ গোচরে আসা কোনো বিষয়ে ঊর্ধ্বতন আদালতের আদেশ ব্যতীত উত্তর দিতে বাধ্য নয়? 
  1. ১২৭
  2. ১২১
  3. ১৩৩
  4. ১১৯
সঠিক উত্তর:
১২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২১
ব্যাখ্যা
ধারা-১২১: জজ বা ম্যাজিস্ট্রেটের সাক্ষ্য- বিচারকগন বিচারিক কার্যক্রম বা বিচারক হিসেবে তাঁদের জানার মধ্যে যা আসে তার জন্য উর্দ্ধতন আদালতের বিশেষ আদেশ ছাড়া সাক্ষ্য দিতে বাধ্য নন ।

তবে বিচারক হিসেবে নয় বরং অন্য যোগ্যতায় তার জানার মধ্যে থাকলে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য। এছাড়া বিচারকের সামনে কিছু ঘটলে তার জন্য তিনি সাক্ষী হতে পারেন ।
৮,৬৭৯.
Mahr-I-Misl অর্থ কী?
  1. নির্ধারিত দেনমোহর
  2. উপযুক্ত দেনমোহর
  3. বিলম্বিত দেনমোহর
  4. তাৎক্ষণিক দেনমোহর
সঠিক উত্তর:
উপযুক্ত দেনমোহর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপযুক্ত দেনমোহর
ব্যাখ্যা

দেনমোহরের সংজ্ঞা (Definitions of dower)
মুসলিম আইনে দেনমোহর [Dower (MAHR)] হলো অর্থ বা অন্য কোন সম্পত্তি যেটা বিবাহের প্রতিদান হিসাবে স্বামী স্ত্রীকে পরিশোধ
করবে বা অর্পণ করবে- মর্মে প্রতিজ্ঞা করে। বিবাহের চুক্তিতে দেনমোহরের পরিমাণ উল্লেখ থাকুক বা না থাকুক দেনমোহর অবশ্যই দিতে হবে। দেনমোহর স্ত্রীর অধিকার সংরক্ষণের জন্য এবং স্ত্রীর অর্থনৈতিক নিরাপত্তার জন্য দেয়া হয়।
দেনমোহর বিবাহিত মুসলিম নারীর জন্য পবিত্র কোরআন স্বীকৃত একটি বিশেষ অধিকার যা স্বামীর উপর আরোপিত একটি দায়। বিবাহের অন্যতম শর্ত মোহর বা মোহরানা যা ব্যতীত কোন বিবাহ বৈধ হতে পারে না।

দেনমোহরের শ্রেণীবিভাগ (Kinds of Dower)
১. নির্ধারিত দেনমোহর (Specified dower/Mahr-I-Muazzama): 
স্বামী স্ত্রীকে কত পরিমাণ দেনমোহর দিবে তা যদি নির্ধারিত থাকে, তাহলে উক্ত দেনমোহর হলো নির্ধারিত দেনমোহর।

২. উপযুক্ত দেনমোহর (Unspecified/proper dower/Mahr-I-Misl):
যদি দেনমোহরের পরিমাণ নির্ধারিত না থাকে, তাহলে যে পরিমাণ দেনমোহর দেওয়া হয়, তাহলো যথার্থ বা উপযুক্ত দেনমোহর। তবে এই পরিমাণটি যুক্তিযুক্ত হবে।

৩. তলবী বা চাহিদামাত্র বা তাৎক্ষনিক দেনমোহর (Prompt Dower/Mahr-I-Muajjal):
যে কোন সময় স্ত্রী চাওয়া মাত্রই যে দেনমোহর স্বামী পরিশোধ করতে বাধ্য, তাকে আশু বা তাৎক্ষণিক দেনমোহর [Prompt Dower) বলে। অর্থাৎ স্ত্রী যে কোন সময় তাৎক্ষণিক (Prompt Dower) দাবী করতে পারে। যদি স্ত্রী চাই তবে বিবাহের পরপরই তাৎক্ষণিক দেনমোহর পরিশোধযোগ্য। 

৪. স্থগিত বা বিলম্বিত দেনমোহর (Deferred Dower/Mahr -I-Muwajjal):
বিবাহ বিচ্ছেদের সময় বা কোন নির্দিষ্ট ঘটনা সাপেক্ষে বিলম্বিত দেনমোহর (Deferred Dower) পরিশোধযোগ্য। Maina Bibi v Chowdhury Wakil Ahmed 52 I.A (1924) p.521 মামলার রায়ে বলা হয়, স্বামীর মৃত্যুর পর স্ত্রী দেনমোহরের টাকা পরিশোধের জন্য কোন সম্পত্তির দখল বজায় রাখতে পারে এবং এই দখল চালিয়ে যেতে পারে যতদিন পর্যন্ত না দেনমোহরের টাকা পরিশোধিত হয়।

৮,৬৮০.
১৮৫৬ সালে নিম্নের কোন আইন পাশ হয়?
  1. বিবাহিতা হিন্দু নারীর পৃথক বাসস্থান এবং ভরণপোষণ আইন
  2. হিন্দু বিয়ে (অসমর্থতা দূরীকরণ) আইন
  3. হিন্দু বিধবা পুনর্বিবাহ আইন
  4. হিন্দু বিবাহ বিচ্ছেদ আইন
সঠিক উত্তর:
হিন্দু বিধবা পুনর্বিবাহ আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিন্দু বিধবা পুনর্বিবাহ আইন
ব্যাখ্যা
• উচ্চ-বর্ণের হিন্দু সমাজ দীর্ঘদিন যাবৎ বিধবাদের পুনরায় বিবাহের অনুমোদন দেয় নি। বিধবারা এমনকি যারা শৈশবে বা কৈশোরে বিধবা হয়েছিলেন তারাও বৈরাগ্য ও কঠোর ত্যাগ স্বীকার করে জীবনযাপন করবেন এমনটাই প্রত্যাশিত ছিল। তথাকথিত পরিবারের সম্মান ও পারিবারিক সম্পত্তি রক্ষা করার জন্য এরকম নিয়ম করা হয়েছিল। পণ্ডিত ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগরের অকালন্ত প্রচেষ্টায় ব্রিটিশ সরকার ভারতে হিন্দু বিধবা পুনর্বিবাহ আইন, ১৮৫৬, প্রণয়ন করে যার মাধ্যমে বিধবাদের উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্য সম্পত্তির অধিকার ইত্যাদি সামাজিক রক্ষাকবচ প্রদান করা হয়।

ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনাধীন সময়ে তখনকার ভারতের গভর্নর জেনারেল লর্ড ডালহৌসির সহায়তায় ভারতবর্ষের সকল বিচারব্যবস্থায় হিন্দু বিধবাদের পুনর্বিবাহ বৈধ করা হয়েছিল। ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রচেষ্টায় তৎকালীন বড়লাট লর্ড ক্যানিং আইন প্রণয়ন করে বিধবা বিবাহ কে আইনি স্বীকৃতি দেন। লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংকয়ের দ্বারা সতীদাহ বিলুপ্ত করার পর এটিই প্রথম বড় সমাজ সংস্কার আইন।
৮,৬৮১.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order IX, Rule 13 বিধির অধীন ডিক্রি বাতিল করা যাবে সর্বোচ্চ-
  1. ৩ বার
  2. বার
  3. ১ বার
  4. ৫ বার
সঠিক উত্তর:
১ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বার
ব্যাখ্যা

The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order IX, Rule 13:
(১) কোনো মামলায় যদি বিবাদীর বিরুদ্ধে ex parte ডিক্রি জারি করা হয়, তবে সে আদালতের কাছে আবেদন করতে পারে যা ডিক্রি জারি করেছে, যাতে সেই ডিক্রি বাতিল (set aside) করা হয়।

আদালত সেই বিবাদীকে সন্তুষ্ট হতে হবে যে— সমন (summons) যথাযথভাবে পৌঁছে দেওয়া হয়নি, অথবা সে যথাযথ কারণে উপস্থিত হতে পারেনি, যখন মামলার শুনানি হয়েছে।

এই শর্ত পূরণ হলে, আদালত সেই বিবাদীর বিরুদ্ধে জারি ডিক্রি বাতিল করবে এবং প্রযোজ্য হলে খরচ (costs) সম্পর্কিত শর্ত নির্ধারণ করবে। আদালত মামলার শুনানির জন্য নতুন দিনও নির্ধারণ করবে।

Proviso (শর্তাবলী):

- যদি ডিক্রি এমন প্রকৃতির হয় যে শুধুমাত্র সেই বিবাদীর বিরুদ্ধে বাতিল করা সম্ভব নয়, তাহলে আদালত তা অন্য সকল বা যেকোনো অন্যান্য বিবাদীর বিরুদ্ধেও বাতিল করতে পারে।

- একই বিবাদী এই রুলের মাধ্যমে একাধিকবার ডিক্রি বাতিল করতে পারবে না।

(২) সাব-রুল (১) অনুযায়ী করা আবেদনগুলিতে Limitation Act, 1908-এর ধারা ৫ প্রযোজ্য হবে।

৮,৬৮২.
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৮১ অনুযায়ী, বিবাদী সরকারি কর্মচারী হলে, ডিক্রি জারি ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে-
  1. তাকে গ্রেফতার করা যাবে
  2. তার সম্পত্তি ক্রোক করা যাবে
  3. ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি প্রদান করা যাবে না
  4. তার সম্পত্তি ক্রোক করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
তার সম্পত্তি ক্রোক করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার সম্পত্তি ক্রোক করা যাবে না
ব্যাখ্যা

ধারা-৮১: গ্রেফতার ও ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি:
পদাধিকারবলে কৃত কার্যের দরুন সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করা হলে-
ক) ডিক্রি জারি ব্যতীত বিবাদীকে গ্রেফতার করা বা তার সম্পত্তি ক্রোক করা যাবে না; এবং

খ) যদি আদালত মনে করেন যে, উক্ত কর্মচারী তার কর্তব্যকার্যে অনুপস্থিত থাকলে জনসাধারণের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তাহলে আদালত তাকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি প্রদান করবেন।

৮,৬৮৩.
সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর কোন ধারাগুলোর অপরাধ আমলযোগ্য ও অ-জামিনযোগ্য?
  1. ধারা ১৮, ২০, ২১
  2. ধারা ১৭, ১৯, ২৭
  3. ধারা ২২, ২৩, ২৪
  4. ধারা ২৮, ২৯, ৩০
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৭, ১৯, ২৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৭, ১৯, ২৭
ব্যাখ্যা
⇒ সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর ধারা ৫২ অনুযায়ী, এই আইনের অধীন কোন কোন অপরাধ আমলযোগ্য ও অ-জামিনযোগ্য, তা স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
-ধারা ৫২(ক) বলছে:
“এই আইনের ধারা ১৭, ১৯, ২৭ ও ৩২ এ উল্লিখিত অপরাধসমূহ আমলযোগ্য ও অ-জামিনযোগ্য হইবে।”
অতএব, ধারা ১৭, ১৯, ও ২৭–এ বর্ণিত অপরাধসমূহ আমলযোগ্য এবং অ-জামিনযোগ্য।
৮,৬৮৪.
দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর কোন ধারায় আদালতের সহজাত ক্ষমতার বিষয়ে বলা হয়েছে?
  1. ধারা ১৫১
  2. ধারা ১৪৪
  3. ধারা ১১৫
  4. ধারা ১১৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫১
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১৫১ – এটি আদালতের Inherent Power বা সহজাত ক্ষমতা সম্পর্কে কথা বলে। এই ধারা অনুযায়ী, আদালত এমন আদেশ দিতে পারে যা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে অথবা আদালতের কার্যধারার অপব্যবহার প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় হয়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫১ ধারায় আদালতের সহজাত ক্ষমতা রক্ষণের বিধান রয়েছে। ১৫১ ধারামতে দেওয়ানী আদালত ২টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা (For the ends of justice); এবং
ii) আদালতের কার্যধারা বা আদালত কর্তৃক ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা (To prevent abuse of the process of the court)।
- ন্যায়বিচারের জন্য অথবা আদালতের পরোয়ানার অবমাননা প্রতিরোধ করার জন্য প্রয়োজনীয় আদেশ দানের ব্যাপারে আদালতের যে অনন্তর্নিহিত ক্ষমতা রয়েছে, এই বিধির কোন বিধান দ্বারা তা সীমাবদ্ধ বা কোনভাবে প্রভাবিত হবে না।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section: 151. Saving of inherent powers of Court:
- Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect the inherent power of the Court to make such orders as may be necessary for the ends of justice or to prevent abuse of the process of the Court.
৮,৬৮৫.
দণ্ডবিধির ৩০০ ধারায় খুনের সংজ্ঞায় কয়টি ব্যতিক্রম আছে?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা
(i) গুরুতর এবং আকস্মিক উত্তেজনা
(ii) ব্যক্তি প্রতিরক্ষার অধিকার অতিক্রম করা
(iii) সরকারি কর্মচারী ক্ষমতা অতিক্রম করে মৃত্যু ঘটালে
(iv) আকস্মিক কলহ
(v) সম্মতিসহকারে মৃত্যু।
৮,৬৮৬.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর কত ধারায় “অপহরণ” এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ধারা ২(খ)
  2. ধারা ২(গ)
  3. ধারা ২(ঘ)
  4. ধারা ২(চ)
সঠিক উত্তর:
ধারা ২(খ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২(খ)
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২(খ):
“অপহরণ” অর্থ বলপ্রয়োগ বা প্রলুব্ধ করিয়া বা ফুসলাইয়া বা ভুল বুঝাইয়া বা ভীতি প্রদর্শন করিয়া কোন স্থান হইতে কোন ব্যক্তিকে অন্যত্র যাইতে বাধ্য করা।

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২(খ) অনুযায়ী, “অপহরণ” অর্থ এমন একটি কার্য, যেখানে বলপ্রয়োগ, প্রলুব্ধ করা, ফুসলানো, ভুল বুঝানো বা ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তিকে এক স্থান থেকে অন্যত্র যেতে বাধ্য করা হয়।

উদাহরণস্বরূপ,
কেউ যদি একটি মেয়েকে মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে বলে যে সে তাকে বিয়ে করবে, আর সেই আশ্বাসে মেয়েটি বাড়ি ছেড়ে তার সঙ্গে চলে যায়- তাহলেও এটি “অপহরণ” হিসেবে গণ্য হবে। আবার যদি কোনো শিশুকে লজেন্স দেখিয়ে বা খেলনার লোভ দেখিয়ে এক স্থান থেকে তুলে নেওয়া হয়, সেটাও অপহরণ।
৮,৬৮৭.
'মালিকানা প্রমাণের দায়িত্ব '-এই সম্পর্কে সাক্ষ্য আইনের কত ধারার বিধান আছে?
  1. সাক্ষ্য আইনের ১০৯ ধারা
  2. সাক্ষ্য আইনের ১১০ ধারা
  3. সাক্ষ্য আইনের ১১১ ধারা
  4. সাক্ষ্য আইনের ১১২ ধারা
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ১১০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ১১০ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১০ ধারার বিধান: মালিকানা প্রমানের দায়িত্ব:- যে ব্যক্তির কর্তৃত্বাধীনে কিছু আছে বলে দেখানো হয়, সে ব্যক্তি ঐটার কিনা এই প্রশ্ন উত্থিত হলে যে ব্যক্তি দাবি করে যে, দখলকারী ব্যক্তি সে জিনিসের মালিক নয়, তবে এটা প্রমাণের দায়িত্ব সে ব্যক্তির উপরই ন্যস্ত হয়।
-----------
Section-110. Burden of proof as to ownership: When the question is whether any person is owner of anything of which he is shown to be in possession, the burden of proving that he is not the owner is on the person who affirms that he is not the owner.
৮,৬৮৮.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর অধীন অপরাধসমূহ কী ধরণের হবে?
  1. আমলঅযোগ্য এবং জামিনযোগ্য
  2. আমলঅযোগ্য এবং আপোসযোগ্য
  3. আমলযোগ্য এবং জামিনঅযোগ্য
  4. জামিনযোগ্য এবং আপোসযোগ্য
সঠিক উত্তর:
আমলযোগ্য এবং জামিনঅযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমলযোগ্য এবং জামিনঅযোগ্য
ব্যাখ্যা
• মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন এবং মানব পাচার অপরাধের শিকার ব্যক্তিবর্গের সুরক্ষা ও অধিকার বাস্তবায়ন ও নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতকরণের উদ্দেশ্যে বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন হচ্ছে মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২।

উক্ত আইনের ১৬ ধারায় বলা আছে-
এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ আমলযোগ্য (cognizable) , অ-জামিনযোগ্য (non-bailable) এবং অ-আপোসযোগ্য (non-compoundable) হইবে।
৮,৬৮৯.
দণ্ডবিধির ৫৫ ধারা মতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাস করে সরকার _____________________ কারাদণ্ড দিতে পারে।
  1. অনূর্ধ্ব ১৪ বৎসর মেয়াদের সশ্রম
  2. অনূর্ধ্ব ২০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম
  3. যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম
  4. শুধু বিনাশ্রম
সঠিক উত্তর:
অনূর্ধ্ব ২০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনূর্ধ্ব ২০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৫৫ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাস বা পরিবর্তন:- যে সকল মামলার ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়, তার প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধীর সম্মতি ব্যতীতই দণ্ড হ্রাস করে অনূর্ধ্ব ২০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে পরিবর্তন করতে পারবেন।

-------------------------------
♦ Section 55. Commutation of sentence of imprisonment for life:- In every case in which sentence of imprisonment for life shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for imprisonment of either description for a term not exceeding twenty years.
৮,৬৯০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এ কয়টি অধ্যায় রয়েছে?
  1. ৩টি
  2. ৫টি
  3. ৭টি
  4. ১০টি
সঠিক উত্তর:
১০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০টি
ব্যাখ্যা

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭:
⇒ প্রকাশকাল: ৭ই ফেব্রুয়ারী ১৮৭৭;
⇒ কার্যকর: ১লা মে, ১৮৭৭; (১নং আইন)
⇒ সর্বশেষ সংশোধন: ১লা মে ২০০৪;
⇒ সর্বশেষ সংশোধন কার্যকর: ১লা জুলাই ২০০৫;
⇒ প্রকৃতি: দেওয়ানী প্রকৃতির;
⇒ আইনের ধরণ: মূল আইন;
⇒ প্রস্তাবনা: ১টি;
⇒ খন্ড: ৩টি;
⇒ তফলিস: নেই;
⇒ অধ্যায়: ১০টি;
⇒ ধারা: ৫৭টি।

৮,৬৯১.
এক ব্যক্তি দায়রা আদালতে একটি মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছে এবং তাকে ২০ দিনের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। এই অবস্থায় তিনি কি আপিল করতে পারবেন?
  1. হ্যাঁ, কারণ কারাদণ্ড হয়েছে
  2. না, কারণ কারাদণ্ড ১ মাসের কম
  3. হ্যাঁ, কারণ এটি একটি ফৌজদারি মামলা
  4. হ্যাঁ, কারণ দণ্ডিত ব্যক্তি সবসময় আপিল করতে পারে
সঠিক উত্তর:
না, কারণ কারাদণ্ড ১ মাসের কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
না, কারণ কারাদণ্ড ১ মাসের কম
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১২ থেকে ৪১৪ ধারায় যে সকল ক্ষেত্রে আপিল দায়ের করা যাবে না, তা উল্লেখ করা হয়েছে।

ধারা ৪১৩- তুচ্ছ মামলার ক্ষেত্রে [Petty Cases]:
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৩ ধারা অনুসারে কোন দণ্ডিত ব্যক্তি আপিল করতে পারবে না যদি দায়রা আদালত অনধিক ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করে বা দায়রা আদালত বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ৫০ টাকার অর্থদণ্ড প্রদান করে।
অন্যদিকে, যদি আদালত শুধুমাত্র জরিমানা আরোপ করে এবং উক্ত জরিমানা প্রদানে ব্যর্থতার কারণে, আদালত দণ্ড আরোপ করলে উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।
৮,৬৯২.
Which of the following offenses does not require a minimum of five members?
  1. Rioting
  2. Robbery
  3. Dacoity
  4. Unlawful assembly
সঠিক উত্তর:
Robbery
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Robbery
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারায় বেআইনি সমাবেশের বিধান রয়েছে। পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি জনসাধারণের শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী কোনো সমাবেশ করলে তাকে বেআইনি সমাবেশ বা Unlawful Assembly বলে।
-দণ্ডবিধির ১৪৬ ধারায় বলা হয়েছে বেআইনি সমাবেশ কর্তৃক বা এর কোনো সদস্য কর্তৃক বলপ্রয়োগ করা  হলে বা সহিংসতা (force or violence) করা হলে তখন সমাবেশের সকল সদস্য দাঙ্গা করেছে মর্মে বলা হবে। অর্থাৎ দাঙ্গার সদস্যও পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি হবে।
-দণ্ডবিধি ৩৯১ ধারা মতে যখন ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিত হয়ে একইসাথে কোন দস্যুতা সংঘটন করে, তখন সেই দস্যুতা ডাকাতি বলে গণ্য হবে।
-দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারা অনুযায়ী চুরি করার উদ্দেশ্যে বা বলপূর্বক গ্রহণের সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন তা দস্যুতা বা Robbery বলে গণ্য হবে।
-দস্যুতার সর্বনিম্ন সদস্য ১ জন এবং সর্বোচ্চ সদস্য ৪ জন। অন্যদিকে ডাকাতির সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন। দস্যুতার সদস্য যদি ৫ বা ততোধিক হয় তখন দস্যুতা ডাকাতিতে পরিণত হয়।
---------------------------------
- সাধারণ উদ্দেশ্য বা common object বলতে তদ্রূপ উদ্দেশ্যকে বোঝায় যা পূরণকল্পে সমাবেশের সকল সদস্য সমবেত হয়েছিল এবং সেই উদ্দেশ্য হাসিল করবে বলে তারা সকলে জানত; অর্থাৎ বেআইনি সমাবেশ করার জন্য যে সকল উদ্দেশ্য থাকে সেই সকল উদ্দেশ্য সমূহ হলো সাধারণ উদ্দেশ্য।
- সাধারণ উদ্দেশ্যগুলো (common object) নিম্নরূপ যথা-
১) সরকার, সরকারি কর্মচারী বা আইনসভাকে আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগকালে বাধা বা বলপ্রয়োগের হুমকি দান;
২) আইনগত ব্যবস্থা বাস্তবায়নে বাধা ।
৩) অনিষ্ট, অপরাধজনক অনধিকার প্রবেশ বা অপর কোন অপরাধ সংঘটন ।
৪) অপরাধজনক বলপ্রয়োগ পূর্বক সম্পত্তি অর্জন বা কোন ব্যক্তিকে রাস্তা বা পানি ব্যবহার বা দখল থেকে বঞ্চিত; অথবা
৫) কোন ব্যক্তিকে যা করতে বাধ্য নয় তা করাতে ও যা করতে বাধ্য তা থেকে বিরত রাখতে বাধ্য করা।

-দণ্ডবিধি ৩৯১ ধারা মতে যখন ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিত হয়ে একইসাথে কোন দস্যুতা সংঘটন করে, তখন সেই দস্যুতা ডাকাতি বলে গণ্য হবে।

-ডাকাতির উপাদান:
(i) পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করেছিল;
(ii) উক্ত দলের এক বা একাধিক ব্যক্তি দস্যুতা করেছিল বা করার চেষ্টা করেছিল;
(iii) ডাকাত দলের সদস্যরা উপস্থিত ছিল এবং এ অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করেছিল।

-দস্যুতাকে হিংস্রতম চুরি বা হিংস্রতম বলপ্রয়োগ গ্রহণ বলা হয়। কেননা প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে।

-দস্যুতার মধ্যে নিম্নলিখিত উপাদান বিদ্যমান-
i)এক বা একাধিক ব্যক্তি তবে ৫ জনের কম যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করেছিল;
ii) আঘাতের ভয় বা মৃত্যুভয় দেখিয়ে বা অবৈধ আটকের ভয় দেখিয়েছিল;
iii) অসাধুভাবে সম্পত্তিটি প্রদানে বাধ্য করেছিল; এবং
iv) প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে।

- প্রত্যেক ডাকাতির ক্ষেত্রে দস্যুতা ( চুরি অথবা বলপূর্বক গ্রহণ) থাকে। কিন্তু দস্যুতা এবং ডাকাতির মধ্যে মূল পার্থক্য হলো সংখ্যাগত।
৮,৬৯৩.
The provisions of Section 27A of The Specific Relief Act, 1877 refers to-
  1. Sale contract
  2. Lease contract
  3. Gift contract
  4. None of above
সঠিক উত্তর:
Lease contract
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Lease contract
ব্যাখ্যা
Section 27A- Specific performance in case of part performance of contract to lease:

Subject to the provisions of this Chapter, where a contract to lease immoveable property is made in writing signed by the parties thereto or on their behalf, either party may, notwithstanding that the contract, though required to be registered, has not been registered, sue the other for specific performance of the contract if,-
(a) where specific performance is claimed by the lessor, he has delivered possession of the property to the lessee in part performance of the contract; and

(b) where specific performance is claimed by the lessee, he has, in part performance of the contract, taken possession of the property, or, being already in possession, continues in possession in part performance of the contract, and has done some act in furtherance of the contract:
Provided that nothing in this section shall affect the rights of a transferee for consideration who has no notice of the contract or of the part performance thereof.
This section applies to contracts to lease executed after the first day of April, 1930.

এই অধ্যায়ের বিধানাবলীর অধীনে, যদি স্থাবর সম্পত্তি লিজ দেয়ার একটি চুক্তি লিখিতভাবে পক্ষদ্বয় বা তাদের প্রতিনিধির স্বাক্ষরিত হয়, তবে যদিও চুক্তিটি নিবন্ধিত হওয়ার প্রয়োজন আছে কিন্তু নিবন্ধিত না হয়, তবুও আদেশ দ্বারা বাস্তবায়নের জন্য একপক্ষ অন্যপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারে যদি, -
(ক) যদি লিজদাতা বাস্তবায়নের দাবি করে, তিনি চুক্তির আংশিক বাস্তবায়নে সম্পত্তির দখল লিজগ্রহীতাকে হস্তান্তর করেছেন; এবং
(খ) যদি লিজগ্রহীতা বাস্তবায়নের দাবি করে, তিনি চুক্তির আংশিক বাস্তবায়নে সম্পত্তির দখল নিয়েছেন, অথবা ইতোমধ্যে দখলে থেকে চুক্তির আংশিক বাস্তবায়নে দখল বজায় রেখেছেন এবং চুক্তির পরিপূরকে কোনও কাজ করেছেন।

তবে এই ধারার কিছুই এমন হস্তান্তরিতের অধিকারে প্রভাব ফেলবে না যে প্রতিফলস্বরূপ হস্তান্তর গ্রহণ করে এবং যার চুক্তি বা তার আংশিক বাস্তবায়নের কোনও সংবাদ নেই।
এই ধারা ১লা এপ্রিল, ১৯৩০ এর পরে সম্পাদিত ভাড়ার চুক্তিগুলির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
৮,৬৯৪.
'Pleadings' এর অর্থ কি?
  1. আরজি
  2. লিখিত জবাব
  3. আরজি ও লিখিত জবাব
  4. উকিলের বক্তব্য
সঠিক উত্তর:
আরজি ও লিখিত জবাব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি ও লিখিত জবাব
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ৬নং আদেশের ১ নং বিধিতে প্লিডিংসের সংজ্ঞা রয়েছে। প্লিডিংস (Pleadings) বলতে আরজি অথবা লিখিত জবাবকে বোঝায় [Pleadings shall mean plaint or written statement]
 
• বাদীর প্লিডিংস হলো আরজি এবং বিবাদীর প্লিডিংস হলো লিখিত জবাব। বাদীর আরজি বা বিবাদীর লিখিত জবাব একত্রে প্লিডিংস নামে পরিচিত। আরজি হলো যে লিখিত দলিল দাখিলের মাধ্যমে বাদী প্রতিকার চেয়ে দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়ের করে। এখানে বাদী তার দাবী এবং দাবীর সমর্থনে ঘটনা উল্লেখ করে। লিখিত জবাব হলো বিবাদী সাধারণত বাদীর দাবী অস্বীকার করে লিখিত যে দলিল পেশ করে।
৮,৬৯৫.
কার পূর্ব অনুমোদন নিয়ে বার কাউন্সিলের বিধি প্রণয়ন করতে হয়?
  1. রাষ্ট্রপতির
  2. আইনমন্ত্রীর
  3. সরকারের
  4. প্রধান বিচারপতির
সঠিক উত্তর:
সরকারের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারের
ব্যাখ্যা
♣ বার কাউন্সিলের বিধি প্রণয়ন করার পূর্বে সরকারের অনুমোদন লাগে।
৮,৬৯৬.
The Code of Civil Procedure, 1908 অনুযায়ী Public nuisance প্রতিরোধে নিয়েধাজ্ঞার জন্য কে মামলা করতে পারেন?
  1. Government Pleader
  2. Attorney Genereal
  3. Public Prosecutor
  4. জেলা প্রসাশক
সঠিক উত্তর:
Attorney Genereal
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Attorney Genereal
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৯১ ধারা অনুসারে, গণ-উপদ্রবের ক্ষেত্রে অ্যাটনী জেনারেল অথবা দুই বা ততোধিক ব্যক্তি অ্যাটনী জেনারেলের লিখিত সম্মতিক্রমে কোন বিশেষ ধরনের ক্ষতি না হয়ে থাকলেও কোন ঘোষণা এবং নিষেধাজ্ঞা অথবা মোকদ্দমার পরিস্থিতির আলোকে অন্য কোন যথাযথ প্রতিকারের দাবীতে একটি মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
৮,৬৯৭.
Which of the following is included in the definition of "injury" under Section 44?
  1. Damage to property
  2. Harm to someone’s reputation or mind
  3. Harm to someone's body
  4. All of the above
সঠিক উত্তর:
All of the above
উত্তর
সঠিক উত্তর:
All of the above
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৪৪ ধারা- ক্ষতি:
যদি কোনো ব্যক্তির দেহ, মন, সুনাম বা সম্পত্তিতে অবৈধভাবে কোনরূপ ক্ষতিসাধন করা হয়, তবে তাকে 'ক্ষতি' বলে।

Section 44-“Injury”:
The word "injury" denotes any harm whatever illegally caused to any person, in body, mind, reputation or property.
৮,৬৯৮.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ১৬ বিধি-১২ অনুসারে, ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত [Small Causes Court] কোন আদেশ দিতে পারে না?
  1. স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের
  2. অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের
  3. গ্রেফতারের জন্য পরোয়ানা জারি
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের
ব্যাখ্যা

আদেশ ১৬ বিধি-১০: সাক্ষী সমন মান্য করতে অপারগ হলে কার্যপদ্ধতি-
১) যেক্ষেত্রে সাক্ষ্য দিতে কিংবা দলিল দাখিল করার জন্য যার উপর সমন দেয়া হয়েছে ঐ ব্যক্তি উক্তরূপ সমন মোতাবেক স্বয়ং হাজির হতে বা দলিল দাখিল করতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে আদালত জারিকারক অফিসারের প্রত্যয়নপত্রের সত্যতা শপথনামার মাধ্যমে নির্ণীত না হয়ে থাকে এবং যদি তা অনুরূপ সত্যায়িত না হয় তবে সমন জারি হওয়া বা না হওয়া সম্পর্কে জারিকারক অফিসারকে শপথের মাধ্যমে পরীক্ষা করবে কিংবা করতে পারে কিংবা অন্য আদালত কর্তৃক পরীক্ষা করাবে।

২) যেক্ষেত্রে আদালত সঙ্গত কারণে মনে করে যে, অনুরূপ সাক্ষ্য বা দাখিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং ঐ ব্যক্তি আইনসঙ্গত কোন অব্যাহতি ব্যতীত সমন মোতাবেক হাজির হতে বা দলিল হাজির করতে ব্যর্থ হয়েছে বা ইচ্ছাকৃতভাবে জারি এড়িয়ে গেছে তদ্‌ক্ষেত্রে আদালত ইশতেহারে বর্ণিত সময়ে এবং নির্দিষ্ট স্থানে তাকে সাক্ষ্য প্রদান করতে হাজির হতে বা দলিল হাজির করতে আদেশ প্রদান করার ইশতেহার প্রচার করতে পারবেন; এবং উক্ত ইশতেহারের একটি নকল উক্ত ব্যক্তি যে স্থানে বসবাস করে এরূপ বাড়ীর বহির্দ্বারে বা অন্য কোন দৃষ্টি আকর্ষক স্থানে টাঙ্গিয়ে দিতে হবে।

৩) উক্ত ইশতেহার প্রচারের পরিবর্তে বা সময়ে বা তার পরে যে কোন সময় আদালত উহার ঐচ্ছিক ক্ষমতায় উক্ত ব্যক্তির জামিন ব্যতীত গ্রেফতারের জন্য পরোয়ানা পাঠাতে পারবে এবং ক্রোকের খরচা ১২ বিধি অনুসারে আরোপিত হতে এরূপ কোন জরিমানার অনূর্ধ্ব, আদালতের বিবেচনামত এইরূপ অংক পরিমিত তার সম্পত্তি ক্রোক করার আদেশ দিতে পারেনঃ

তবে শর্ত থাকে যে, কোন ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের কোন আদেশ দিতে পারবে না।

৮,৬৯৯.
'জবানবন্দি ও পুনঃ জবানবন্দির সময় আদালতের অনুমতি ছাড়া ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা যাবে না'- সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় বলা আছে?
  1. ১৪২ ধারায়
  2. ১৪৩ ধারায়
  3. ১৪১ ধারায়
  4. ১৪০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৪২ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪২ ধারায়
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারা- ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন:
প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয়।
 
অর্থাৎ যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর থাকে, তাকে নির্দেশক প্রশ্ন বা ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা Leading question বলে। সাধারণত 'হ্যা' অথবা 'না' এই দুই  ভাবে প্রশ্নের উত্তর দেয়া যায়।
 
যেমন- প্রশ্ন: আপনার নাম কি 'ক'?
উত্তর: হ্যা, আমার নাম 'ক'। এখানে প্রশ্নের মধ্যে উত্তরের ইঙ্গিত রয়েছে। এটাই ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা Leading question.
 
১৪২ ধারার বিধান- বিরুদ্ধ পক্ষ যদি আপত্তি করেন, তবে জবানবন্দী ও পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা চলিবে না।
 
১৪৩ ধারার বিধান- জেরায় ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা চলিবে।
৮,৭০০.
সাক্ষ্য আইনের ২৩ ধারার বিধান কী?
  1. Admissions in civil cases when relevant
  2. Confession to police officer not to be proved
  3. Admission by party to proceeding or his agent
  4. Admissions not conclusive proof, but maybe stop
সঠিক উত্তর:
Admissions in civil cases when relevant
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Admissions in civil cases when relevant
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৩ ধারার বিধান: দেওয়ানি মোকদ্দমায় স্বীকৃতি যখন প্রাসঙ্গিক:
দেওয়ানি মোকদ্দমায় কোন স্বীকৃতি যদি এরূপ প্রকাশ্য শর্তাধীন করা হয় যে, ঐ সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া হবে না অথবা যদি এরূপ পরিস্থিতিতে করা হয় যে, তা সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া হবে না বলে পক্ষগণের মধ্যে চুক্তি হয়েছে বলে আদালত অনুমান করতে পারেন, তবে তা প্রাসঙ্গিক হবে না।
ব্যাখ্যা: কোন অ্যাডভোকেট ১২৬ ধারা অনুসারে কোন বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য থাকলে এই ধারার কোন বিধান অনুসারে তিনি সাক্ষ্য দেওয়া হতে অব্যাহতি পাবে না।

⇒ দেওয়ানি মোকদ্দমায় স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক নয় যদি-
- স্বীকৃতিটি এই শর্তে করা হয় যে উক্ত স্বীকারোক্তি সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না।
- সাক্ষ্য না দেয়ার জন্য পক্ষগণের মধ্যে কোন চুক্তি থাকলে।
--------------------
⇒ The Evidence Act,1872, Section 23: Admissions in civil cases when relevant:
In civil cases no admission is relevant, if it is made either upon an express condition that evidence of it is not to be given, or under circumstances from which the Court can infer that the parties agreed together that evidence of it should not be given.
Explanation.– Nothing in this section shall be taken to exempt any Advocate from giving evidence of any matter of which he may be compelled to give evidence under section 126.