বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ৮৪ / ১৫৫ · ৮,৩০১৮,৪০০ / ১৫,৪৭০

৮,৩০১.
দণ্ডবিধির ১৯৩ ধারা অনুসারে, বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম ছাড়া অন্য কোন ক্ষেত্রে ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা সাক্ষ্য দানের সর্বোচ্চ শাস্তি কত?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৭ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৯৩ ধারার বিধান মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি কোন বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের যে কোন পর্যায়ে ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্যদান ব্যবহার করার জন্য ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এতদ্‌ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে; এবং
-কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ক্ষেত্রে ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্য দান করে বা তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
- ব্যাখ্যা (Explanation) ১:- সামরিক আদালত (Court-martial) সংঘটিত বিচারও একটি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম।
- ব্যাখ্যা (Explanation) ২:- কোন আদালতের কোন কার্যক্রম শুরু হওয়ার পূর্বে আইনের নির্দেশানুগ প্রারম্ভিক তদন্ত ও বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি পর্যায় যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।
- ব্যাখ্যা (Explanation) ৩:- কোন আদালত দ্বারা আইনানুসারে নির্দেশিত এবং কোন আদালতের ক্ষমতানুসারে পরিচালিত কোন তদন্ত বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি পর্যায় যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।
-------------
The Penal Code, 1860-Section-193. Punishment for false evidence: Whoever intentionally gives false evidence in any stage of judicial proceeding, or fabricates false evidence for the purpose of being used in any stage of a judicial proceeding, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine;
and whoever intentionally gives or fabricates false evidence in any other case, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.
Explanation 1.-A trial before a Court-martial is a judicial proceeding.
Explanation 2.-An investigation directed by law preliminary to a proceeding before a Court of Justice, is a stage of a judicial proceeding, though that investigation may not take place before a Court of Justice.
Explanation 3.-An investigation directed by a Court of Justice according to law, and conducted under the authority of a Court of Justice, is a stage of a judicial proceeding, though that investigation may not take place before a Court of Justice.

৮,৩০২.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর অধীন সালিশী কাউন্সিল কোন মর্মে সার্টিফিকেট ইস্যু করতে পারে?
  1. তালাকের ক্ষেত্রে স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে দেনমোহরের টাকার অংক নির্দিষ্ট করে
  2. স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে ভরণপোষণ বাবদ প্রদানের নিমিত্ত টাকার অংক নির্দিষ্ট করে
  3. বহুবিবাহের ক্ষেত্রে স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে ক্ষতিপূরণের টাকার অংক নির্দিষ্ট করে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে ভরণপোষণ বাবদ প্রদানের নিমিত্ত টাকার অংক নির্দিষ্ট করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে ভরণপোষণ বাবদ প্রদানের নিমিত্ত টাকার অংক নির্দিষ্ট করে
ব্যাখ্যা
ধারা ৯- ভরণপোষণ

১) যেক্ষেত্রে কোন স্বামী তাহার স্ত্রীকে পর্যাপ্তভাবে ভরণপোষণ দিতে অসমর্থ হয় অথবা একাধিক স্ত্রী থাকিলে  তাহাদিগকে সমভাবে ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হয় সেক্ষেত্রে স্ত্রী বা স্ত্রীগণের সকলে অথবা স্ত্রীগণের যে কোন জন অপর কোন আইনসঙ্গত প্রতিকার প্রার্থনা ব্যতীতও চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন করিতে পারে। চেয়ারম্যান একটি সালিশী কাউন্সিল গঠন করিবেন ও উক্ত কাউন্সিল স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে ভরণপোষণ বাবদ প্রদানের নিমিত্ত টাকার অংক নির্দিষ্ট করিয়া সার্টিফিকেট ইস্যু করিতে পারিবেন।

২) একজন স্বামী অথবা স্ত্রী নির্ধারিত পন্থায় নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে নির্ধারিত ফিস প্রদানপূর্বক উক্ত সার্টিফিকেট পুর্নবিবেচনার নিমিত্ত সহকারী জজের নিকট আবেদন পেশ করিতে পারেন। তাঁহার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে এবং কোন আদালতে এই সম্পর্কে প্রশ্ন তোলা যাইবে না।

৩) ১নং অথবা ২নং উপধারা অনুযায়ী দেয় কোন টাকা যথাসময়ে পরিশোধ না করিলে বকেয়া ভূমিরাজস্বরুপ আদায়যোগ্য হইবে।

Section 9- Maintenance
(1) If any husband fails to maintain his wife adequately, or where there are more wives than one, fails to maintain them equitably, the wife, or all or any of the wives, may in addition to seeking, any other legal remedy available apply to the Chairman who shall constitute an Arbitration Council to determine the matter, and the Arbitration Council may issue a certificate specifying the amount which shall be paid as maintenance by the husband. 
 
(2) A husband or wife may, in the prescribed manner, within the prescribed period, and on payment of the prescribed fee, prefer an application for revision of the certificate to the Assistant Judge concerned and his decision shall be final and shall not be called in question in any Court. 
 
(3) Any amount payable under sub-section (1) or (2), if not paid in due time, shall be recoverable as arrears of land revenue.
৮,৩০৩.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১৫০ ধারা অনুসারে, কোন পরিস্থিতিতে রাজস্ব কর্মকর্তার আদেশ পর্যালোচনা করা যাবে না?
  1. আদেশটি মৌখিক হলে
  2. আদেশটি বাতিল না হলে
  3. আবেদনকারী অনুপস্থিত থাকলে
  4. আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়ে থাকলে
সঠিক উত্তর:
আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়ে থাকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়ে থাকলে
ব্যাখ্যা
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ধারা ১৫০: রাজস্ব কর্মকর্তার দ্বারা পর্যালোচনা (Review by Revenue-officer):
(১) কোনো স্বার্থসম্পন্ন পক্ষের আবেদনক্রমে অথবা নিজ উদ্যোগে, একজন রাজস্ব কর্মকর্তা নিজে বা তাঁর পূর্বসূরিদের দ্বারা এই অংশের অধীনে গৃহীত কোনো আদেশ পর্যালোচনা করতে পারেন এবং সেই পর্যালোচনার মাধ্যমে উক্ত আদেশ সংশোধন, বাতিল বা অনুমোদন করতে পারেন:

তবে শর্ত থাকে যে—
(ক) কোনো আদেশের পর্যালোচনার আবেদন সেই আদেশ প্রদানের তারিখ থেকে ত্রিশ দিনের মধ্যে না করা হলে তা গৃহীত হবে না, তবে ত্রিশ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর আবেদন করা হলে, আবেদনকারীকে প্রমাণ করতে হবে যে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন না করার যথার্থ কারণ ছিল।
(খ) কোনো আদেশের বিরুদ্ধে যদি আপিল করা হয়ে থাকে বা কোনো উচ্চতর রাজস্ব কর্তৃপক্ষের কাছে সংশোধনের আবেদন করা হয়ে থাকে, তবে সেই আদেশ পর্যালোচনা করা যাবে না।
(গ) কোনো আদেশ পর্যালোচনার মাধ্যমে সংশোধন বা বাতিল করার আগে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে যুক্তিসঙ্গত নোটিশ প্রদান করতে হবে যেন তারা উপস্থিত হয়ে নিজেদের বক্তব্য পেশ করতে পারে।

(২) পর্যালোচনার আবেদন প্রত্যাখ্যান বা পূর্বের কোনো আদেশ পর্যালোচনার মাধ্যমে অনুমোদন করার বিরুদ্ধে কোনো আপিল করা যাবে না।
৮,৩০৪.
'ক', 'গ'-এর নির্দেশ ছাড়াই জ্ঞাতসারে 'গ'-এর মালিকানাধীন একটি সম্পত্তি 'খ'-এর নিকট বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হয়। এক্ষেত্রে 'ক' সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৫ ধারায় এই চুক্তির-
  1. 'গ' এর অনুমোদন ছাড়াই চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন কার্যকর করতে পারে
  2. চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন কার্যকর করতে পারে না
  3. 'গ' এর অনুমোদন সাপেক্ষে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন কার্যকর করতে পারে
  4. চুক্তি সম্পাদনের বিকল্প হিসেবে 'খ' থেকে জরিমানা আদায় করতে পারে
সঠিক উত্তর:
চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন কার্যকর করতে পারে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন কার্যকর করতে পারে না
ব্যাখ্যা
ধারা-২৫: স্বত্বহীন অথবা অনুমতিক্রমে বসতকারি ব্যক্তি কর্তৃক চুক্তি (Contracts to sell property by one who has no title, or who is a voluntary settler)-
⇒ স্বত্ব না থাকা সত্ত্বেও কোন সম্পত্তি (স্থাবর বা অস্থাবর) বিক্রয় অথবা ভাড়া দেয়া হলে, বিক্রেতা অথবা ইজারাদাতার পক্ষে ঐ চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করা যায় না। তবে এক্ষেত্রে ক্রেতা/ইজারাদার চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা করতে পারে।

যেমন- 'ক', 'গ'-এর নির্দেশ ছাড়াই এমন একটি সম্পত্তি 'খ'-এর নিকট বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হয় যে সম্পত্তি সম্পর্কে ক জানে যে, তা 'গ'-এর মালিকানাধীন। 'ক' এই চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন কার্যকর করতে পারেনা, এমনকি যদি তা 'গ' অনুমোদন করতে ইচ্ছুকও থাকে।

⇒ যদিও বিক্রেতা/ইজারাদাতা এই বিশ্বাসে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন যে সম্পত্তিতে তার ভাল স্বত্ব আছে, কিন্তু বিক্রয় বা ভাড়া প্রদান সম্পন্ন করার সময় ক্রেতা বা ইজারাদারকে যুক্তিসঙ্গত সন্দেহমূলক স্বত্ব প্রদান করতে পারেন নি, সেক্ষেত্রেও বিক্রেতা অথবাইজারাদাতার পক্ষে ঐ চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না।

যেমন- ক কতিপয় জমিতে দখলে থাকা অবস্থায় তা জ-এর নিকট বিক্রয় করার জন্য চুক্তিবদ্ধ হল। পরবর্তীতে অনুসন্ধানে প্রকাশ পেল যে, ক. খ-এর উত্তরাধিকারী হিসাবে এই জমি দাবি করছে, যিনি বহু বৎসর পূর্বেই দেশত্যাগ করেছেন এবং সাধারণভাবে বিশ্বাস করা হয় যে, খ মারা গিয়াছেন, কিন্তু খ-এর মৃত্যু সম্পর্কে যথেষ্ট প্রমাণ নাই। এ অবস্থায় ক এই চুক্তিটির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন করার জন্য জ-কে বাধ্য করতে পারে না।

⇒ যে ব্যক্তি চুক্তিতে আবদ্ধ হওয়ার পূর্বেই চুক্তির বিষয়বস্তুর বন্দোবস্ত প্রদান করেছেন (যদিও তা কোন মূল্যবান প্রতিদানের উপর প্রতিষ্ঠিত নয়), তিনি তার পক্ষে ঐ চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করতে পারেন না।

যেমন- ক স্বাভাবিক স্নেহ-ভালবাসার বশবর্তী হয়ে তার ভাই ও ভাইয়ের সন্তান-সন্ততিকে কতিপয় সম্পত্তি বন্দোবস্ত প্রদান (settlement) করেন এবং তারপর একজন আগন্তকের (stranger) নিকট উক্ত বন্দোবস্তকৃত সম্পত্তি বিক্রি করার জন্য চুক্তিবদ্ধ হন। ক-এই চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন দাবি করতে পারেন না, কেননা তা করতে গেলে পূর্বের বন্দোবস্ত বাতিল করে দিতে হয় এবং উক্ত বন্দোবস্তের অধীনে দাবীদার ব্যক্তিগণের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্থ হয়।
৮,৩০৫.
রানা একটি দেওয়ানী মামলায় বাদী ছিলেন এবং তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন। রানার আইনগত প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার জন্য কতদিনের মধ্যে দরখাস্ত দাখিল করতে হবে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১৭৬ এর বিধান:
মৃত বাদী অথবা আপিলকারীর আইনগত প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন দরখাস্ত মৃত বাদী বা আপিলকারীর মৃত্যুর তারিখ হতে ৯০ দিনের মধ্যে দাখিল করতে হবে।

- অন্যদিকে,
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৭৭ অনুযায়ী-মৃত বিবাদী বা প্রতিবাদীর আইনগত প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন দরখাস্ত মৃত বিবাদী বা প্রতিবাদীর মৃত্যুর তারিখ হতে ৯০ দিনের মধ্যে দাখিল করতে হবে।
৮,৩০৬.
আদেশ-১০ বিধি-৪ অনুয়ায়ী, যদি কোন পক্ষ আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও ব্যক্তিগতভাবে হাজির না হয় এবং তার কোনো আইনসঙ্গত কারণ না থাকে, তবে আদালত কী করতে পারে?
  1. মামলা স্থগিত রাখতে পারেন
  2. মামলার পুনঃশুনানি ঘোষণা করতে পারেন
  3. সেই পক্ষের বিরুদ্ধে রায় দান করতে পারেন
  4. শুধুমাত্র জরিমানা আরোপ করতে পারেন
সঠিক উত্তর:
সেই পক্ষের বিরুদ্ধে রায় দান করতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেই পক্ষের বিরুদ্ধে রায় দান করতে পারেন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ১০ বিধি ৪(২) অনুসারে: যদি কোন পক্ষ আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও ব্যক্তিগতভাবে হাজির না হয় এবং এর জন্য কোনো আইনসঙ্গত কারণ না থাকে তাহলে আদালত সেই পক্ষের বিরুদ্ধে রায় দান করতে পারেন অথবা মামলা সম্পর্কে অন্য কোন উপযুক্ত আদেশ দিতে পারেন। 

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-১০, বিধি-৪(২) অনুসারে, যদি কোনো পক্ষ আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও নির্ধারিত তারিখে ব্যক্তিগতভাবে হাজির না হয় এবং তার কোনো আইনসঙ্গত কারণ না থাকে, তবে আদালত তবে সেই পক্ষের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করতে পারেন বা মামলাটির সম্পর্কে অন্য কোন আদেশ প্রদান করতে পারেন।

এতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আদালত তখন ঐ পক্ষের বিরুদ্ধে রায় দিতে পারেন বা অন্য উপযুক্ত আদেশ প্রদান করতে পারেন, যা বিচারক পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবেন।
৮,৩০৭.
যদি কেউ 'ক' কে হত্যার intention বা knowledge নিয়ে কোন কাজ করে, কিন্তু তার ফলে 'খ' এর মৃত্যু হয় (যার মৃত্যুর intention তার ছিল না), তাহলে অপরাধটি দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুসারে শাস্তিযোগ্য হিসেবে গণ্য হবে?
  1. ২৯৯ ধারা
  2. ৩০০ ধারা
  3. ৩০১ ধারা
  4. ৩০২ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩০১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০১ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩০১ এ precisely এই নীতিটি বর্ণনা করা হয়েছে, যা Doctrine of Transfer of Malice (দূষ্প্রেচ্ছেদ হস্তান্তর নীতি) নামে পরিচিত।
- এই ধারা অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি 'ক' ব্যক্তিকে হত্যার ইচ্ছা (intention) বা জ্ঞান (knowledge) নিয়ে কোনো কাজ করে,
কিন্তু সেই কাজের ফলে 'খ' ব্যক্তির মৃত্যু ঘটে (যার মৃত্যুর ইচ্ছা বা জ্ঞান অপরাধীর ছিল না),
তাহলে অপরাধীটি 'ক' ব্যক্তির প্রতি তার যে দূষ্প্রেচ্ছেদ (malice) বা অপরাধমূলক ইচ্ছা/জ্ঞান ছিল, তা 'খ' ব্যক্তির ক্ষেত্রে হস্তান্তরিত (transfer) হবে।
অর্থাৎ, অপরাধীটি 'খ' এর মৃত্যুর জন্য ঠিক ততটাই দায়ী হবে, যতটা দায়ী হতো যদি সে 'ক' কেই হত্যা করত।
যদি 'ক' কে হত্যার ইচ্ছা murder (খুন)এর পর্যায়ে পড়ত, তবে 'খ' এর মৃত্যুও murder হিসেবে গণ্য হবে।
যদি এটি culpable homicide not amounting to murder (শাস্তিযোগ্য নরহত্যা কিন্তু খুন নয়) হতো, তবে সেভাবে গণ্য হবে।

অন্যান্য অপশন বিশ্লেষণ:
ক) ২৯৯ ধারা: এটি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার (Culpable Homicide) সাধারণ সংজ্ঞা দেয়। এটি specific ভাবে transfer of malice-এর বিষয়টি covered করে না।
খ) ৩০০ ধারা: এটি খুন (Murder) এর সংজ্ঞা ও ব্যতিক্রমগুলি বর্ণনা করে। এটি সরাসরি এই principle-টি addressed করে না।
ঘ) ৩০২ ধারা: এটি খুনের শাস্তি (মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড) নির্ধারণ করে। এটি অপরাধের সংজ্ঞা দেয় না।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হল গ) ৩০১ ধারা, যা specifically এই বিশেষ situation-টির জন্য প্রযোজ্য।
 
 ⇒ দণ্ডবিধির ৩০১ ধারার বিধান: যার মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য ছিল তাকে ব্যতীত অপর ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাইয়া শাস্তি যোগ্য নরহত্যা সংঘটন:-
-কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন কার্য করে যা কর্তৃক মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা বা উদ্দেশ্য তার ছিল অথবা যার দরুন মৃত্যু সংঘটন হতে পারে বলে তার জানা ছিল এবং এই কার্য কর্তৃক সে এমন কোন ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা করে, যার মৃত্যু সে কামনা করে নাই বা যার মৃত্যু হতে পারে বলে তার জানা ছিল না, তবে অপরাধী যে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা করেছিল, কিংবা যে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটতে পারে বলে জানত সে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করলে তার অপরাধটি যে-রূপ হত, এই ক্ষেত্রেও সেরূপ হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 301: Culpable homicide by causing death of person other than person whose death was intended:
-If a person, by doing anything which he intends or knows to be likely to cause death, commits culpable homicide by causing the death of any person, whose death he neither intends nor knows himself to be likely to cause, the culpable homicide committed by the offender is of the description of which it would have been if he had caused the death of the person whose death he intended or knew himself to be likely to cause.

৮,৩০৮.
দন্ডবিধির কত ধারায় রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শনের বিশেষাধিকার সংরক্ষণ করা হয়েছে?
  1. ৫৪ ধারায়
  2. ৫৫ ধারায়
  3. ৫৫ক ধারায়
  4. ৫৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫৫ক ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৫ক ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ সরকার দণ্ডবিধির ৫৪ ধারা অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ড হ্রাস করে এবং ৫৫ ধারা অনুযায়ী যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাস করে যে কোন দণ্ডে রূপান্তর করতে পারে । দণ্ডবিধির ৫৫ক ধারায় বলা হয়েছে, ৫৪ ও ৫৫ ধারার কোন কিছু রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শন, শাস্তি কমানো, লাঘব বা মওকুফের অধিকার ক্ষতিগ্রস্থ করবে না।

♦ সরকার দন্ডবিধির ৫৪ ও ৫৫ ধারামতে দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির দন্ড হ্রাস বা মওকুফ করতে পারে এবং রাষ্ট্রপতির ৫৫ক ধারামতে  ক্ষমা প্রদর্শন, শাস্তি কমানো, লাঘব বা মওকুফ করতে পারে।

♦ সংবিধানের আওতায় ক্ষমা প্রদর্শন- বাংলাদেশ সংবিধানের ৪৯ নং অনুচ্ছেদমতে রাষ্ট্রপতি কোন দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির দন্ড হ্রাস বা মওকুফ করতে পারেন।
প্রাণ-ভিক্ষা: মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত অপরাধীরা সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদ মতে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণ-ভিক্ষা করে থাকেন।
৮,৩০৯.
আরজির সাথে দাখিলকৃত দলিলের তালিকা কে পরীক্ষা করে স্বাক্ষর করবে?
  1. আদালতের প্রধান কেরানী পরীক্ষা করবে এবং বিচারক স্বাক্ষর করবে
  2. বিচারক পরীক্ষা করে, স্বাক্ষর করবে
  3. আদালতের প্রধান কেরানী পরীক্ষা করে স্বাক্ষর করবে
  4. বাদীর উকিল পরীক্ষা করবে এবং বাদী স্বাক্ষর করবে
সঠিক উত্তর:
আদালতের প্রধান কেরানী পরীক্ষা করে স্বাক্ষর করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের প্রধান কেরানী পরীক্ষা করে স্বাক্ষর করবে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়ের করতে হলে প্রথমে যে দলিল প্রস্তুত করতে হয়, সেটা হলো আরজি। আরজি দাখিলের মধ্য দিয়ে দেওয়ানি মোকদ্দমা শুরু হয়।দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১ থেকে ১৮ নং বিধিতে আরজি সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

• আদেশ ৭  বিধি-৯ তে আরজি গ্রহণের পদ্ধতি দেয়া হয়েছে-

যেসকল দলিল বাদী আরজির সাথে পেশ করে (যদি থাকে), আরজির উপর সেই গুলির একটি তালিকা লিখে বা আরজির সাথে সংযুক্ত করে দিতে হবে। আরজি গৃহীত হলে যতজন বিবাদী রয়েছে, সাদা কাগজে আরজির ততসংখ্যক নকল পেশ করবে। বাদী আরজির সাথে যে তালিকা, সংক্ষিপ্ত বিবৃতি, নকল দাখিল করে তা আদালতের প্রধান কেরানী পরীক্ষাপূর্বক সেগুলো সঠিক থাকলে সেইগুলোতে স্বাক্ষর করবে।

Order 7 Rule 9 (Procedure of admitting plaint)-


1) The plaintiff shall endorse on the plant, or annex thereto, a list of the documents (if any) which he has produced along with it; and, if the plaint is admitted, shall present as many copies on plain paper of the plaint as there are defendants, unless the Court by reason of the length of the plaint or the number of the defendants, or any other sufficient reason, permits him to present a like number of concise statements of the nature of the claim made, or of the relief claimed in the suit, in which case he shall present such statements.

2) Concise statements: Where the plaintiff sues, or the defendant or any of the defendants is sued, in a representative capacity, such statements shall show in what capacity the plantiff or defendant sues or is sued.

3) The plaintiff may, by leave of the Court, amend such statements so as to make them correspond with the plaint.
4) The chief ministerial officer of the Court shall sign such list and copies or statements if, on examination, he finds them to be correct.
৮,৩১০.
দায়রা জজ যদি কোনো অনিবার্য কারণে অনুপস্থিত থাকেন বা দায়িত্ব পালনে অক্ষম হন, তবে কোন আদালত জরুরি কোনো আবেদন নিষ্পত্তি করতে পারেন?
  1. যুগ্ম দায়রা জজ
  2. অতিরিক্ত দায়রা জজ
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, 1898- ধারা ১৭ক: যুগ্ম দায়রা জজদের অধীনতা:
(১) সকল যুগ্ম দায়রা জজ (Joint Sessions Judges) সেই দায়রা জজের (Sessions Judge) অধীনস্থ, যার আদালতে তারা বিচারকার্য পরিচালনা করে থাকেন। দায়রা জজ সময় সময় এই আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিচারকার্যের বণ্টন সংক্রান্ত বিধি তৈরি করতে পারেন অথবা বিশেষ নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।

(২) দায়রা জজ যদি কোনো অনিবার্য কারণে অনুপস্থিত থাকেন বা দায়িত্ব পালনে অক্ষম হন, তবে তিনি অতিরিক্ত দায়রা জজ বা যুগ্ম দায়রা জজ-এর মাধ্যমে জরুরি কোনো আবেদন নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করতে পারেন। এই ক্ষেত্রে, ঐ অতিরিক্ত বা যৌথ দায়রা জজ উক্ত আবেদন নিষ্পত্তির অধিকার রাখেন।
৮,৩১১.
তামাদি আইনের 'বৈধ অপারগতা' সংক্রান্ত বিধান কোন মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. অগ্রক্রয়
  2. বাটোয়ারা
  3. স্বত্ব ঘোষণা
  4. দখল পুনরুদ্ধার
সঠিক উত্তর:
অগ্রক্রয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্রক্রয়
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ৬-৭ ধারায় মামলা করার অধিকার সৃষ্টির সময় বাদী legal disability তে আক্রান্ত থাকলে তখন তামাদির মেয়াদ গণনা বন্ধ রাখার বিধান আছে। কিন্তু তামাদি আইনে ৮ ধারায় বলা আছে এই বিধান অগ্রক্রয়ের আবেদন বা মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

⇒ তামাদি আইনের ৮ ধারার বিধান: বিশেষ ব্যতিক্রম: ৬ অথবা ৭ ধারার কোন কিছুই অগ্রক্রয়ের অধিকার বলবতের মামলায় প্রযোজ্য নহে। যেই মেয়াদের মধ্যে মামলা অবশ্যই দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিতে হইবে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অপারগতার অবসানে বা মৃত্যুর পর তাহা উক্ত ধারাদ্বয়ের কোন কিছুই তিন বৎসরের অধিক বর্ধিত করিয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না।
উদাহরণ:
(ক) ক নাবালক থাকাকালে মিরাস আদায়ের জন্য মামলা করিবার অধিকার লাভ করে। ইহার ১১ বৎসর পর সে সাবালক হয়। সাধারণ আইন অনুসারে ক মামলা দায়ের করিবার জন্য মাত্র অবশিষ্ট এক বৎসর সময় পায়। কিন্তু ৬ ধারা ও অত্র ধারা অনুসারে সে আরও দুই বৎসর অতিরিক্ত সময় পাইবে। অর্থাৎ সাবালক হইবার পর তিন বৎসরের মধ্যে সে মামলা দায়ের করিতে পারিবে।
----------------
⇒ The Limitation Act:- Section 8: Special exceptions:
- Nothing in section 6 or in section 7 applies to suits to enforce rights of pre-emption, or shall be deemed to extend, for more than three years from the cessation of the disability or the death of the person affected thereby, the period within which any suit must be instituted or application made.
৮,৩১২.
'চ' একজন বাদী হিসেবে একটি মামলা পরিচালনা করছেন। হঠাৎ তিনি দেউলিয়া হয়ে যান এবং তার রিসিভার মামলাটি পরিচালনা করতে অস্বীকৃতি জানান। তাহলে আদালত -
  1. মোকদ্দমা বাতিল করবে
  2. মোকদ্দমা স্থগিত করবে
  3. মোকদ্দমায় নতুন বাদী নিয়োগ করবে
  4. রিসিভারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা বাতিল করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা বাতিল করবে
ব্যাখ্যা
বাদীর দেউলিয়ায় মোকদ্দমার পরিচালনা:
যদি বাদী দেউলিয়া হয়ে যান এবং তাদের মামলার পরিচালনা স্বত্বনিয়োগী বা রিসিভার দ্বারা করা হয়, তবে মামলাটি তখনও চলবে যদি স্বত্বনিয়োগী বা রিসিভার মামলার খরচের জন্য জামানত দিতে প্রস্তুত থাকেন। জামানত না দিলে বা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জামানত দিতে অস্বীকৃতি জানালে, আদালত মামলাটি বাতিল করতে পারে
আর যদি স্বত্বনিয়োগী বা রিসিভার জামানত না দেন বা মামলা চালাতে ব্যর্থ হন, বিবাদী আদালতে আবেদন করতে পারে যে, বাদীর দেউলিয়ার অজুহাতে মামলাটি বাতিল করা হোক। আদালত মামলাটি খারিজ করে এবং বিবাদীকে বাদীর সম্পত্তির বিরুদ্ধে প্রমাণিত খরচ প্রদান করার আদেশ দিতে পারে।

আদেশ ২২ বিধি ৮- যখন বাদীর দেউলিয়ায় মোকদ্দমায় বাধা হয়:
১) বাদীর স্বত্বনিয়োগী বা রিসিভার তার পাওনাদারদের স্বার্থে মোকদ্দমাটি পরিচালনা করতে থাকলে কোন বাদীর অসচ্ছলতা মোকদ্দমাটি বিলুপ্ত করাবে না, যদি না অনুরূপ ভারপ্রাপ্ত স্বত্বনিয়োগী কিংবা রিসিভার মোকদ্দমাটি চালাতে অথবা (যদি না কোন বিশেষ কারণে আদালত ভিন্ন প্রকার নির্দেশ দেয়) আদালতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উহার খরচ মোকদ্দমায় খরচাদির জন্য জামানত দিতে অস্বীকৃত জানান।

২) যখন স্বত্বনিয়োগী মোকদ্দমা পরিচালনা করতে বা জামানত দিতে ব্যর্থ হয়, তখন পদ্ধতিঃ যেক্ষেত্রে স্বত্বনিয়োগী বা রিসিভার মোকদ্দমাটি চালাতে এবং অনুরূপভাবে আদেশকৃত সময়ের মধ্যে উক্ত জামানত দিতে অবহেলা বা অস্বীকার করে সেক্ষেত্রে বিবাদী বাদীর অসচ্ছলতার অজুহাতে মোকদ্দমাটি খারিজ করার জন্য আবেদন করতে পারে এবং আদালত মোকদ্দমাটি খারিজ করে এবং বিবাদীকে বাদীর এস্টেটের বিরুদ্ধে ঋণ হিসাবে প্রমাণিত বিবাদীর উক্ত মোকদ্দমায় পরিচালনাবন্ধ উদ্বৃত্ত খরচাদি প্রদান করতে আদেশ দিতে পারে।
৮,৩১৩.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় সর্বোচ্চ কত টাকা মুলতবি খরচের আদেশ দেয়া যায়?
  1. ১০০ টাকা
  2. ২০০ টাকা
  3. ১০০০ টাকা
  4. ২০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি মোকদ্দমায় মুলতবির খরচ সর্বনিম্ন ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা হতে পারে।

• আইনে মুলতবি [Adjournment] অর্থ হলো আদালতের কার্যপ্রণালিতে কোনো মামলার শুনানি পরবর্তী কোনো তারিখ পর্যন্ত স্থগিত বা মুলতবি করা। সাধারণত কোন মোকদ্দমার শুনানী শুরু হলে তা চলমান থাকবে। কিন্তু অনিবার্য অবস্থার প্রেক্ষাপটে মোকদ্দমার কোন পক্ষ আদালতে হাজির নাও হতে পারে এবং তখন শুনানী মুলতবির আবেদন করা প্রয়োজনীয় হয়। দেওয়ানি কার্যবিধির ১৭নং আদেশে [Adjournment] বা মুলতবির বিধানসমূহ রয়েছে। আদালত মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে (At any stage of the suit) মোকদ্দমার শুনানী মুলতবি রাখতে পারে। ১৭নং আদেশ অনুযায়ী মুলতবির কিছু সাধারন বিধান-

⇒ আদালত মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে (At any stage of the suit) মোকদ্দমার শুনানী মুলতবি রাখতে পারে।
⇒ চূড়ান্ত শুনানীর আগে (Before Peremptory hearing) আদালত প্রত্যেক পক্ষকে খরচ ছাড়া সর্বোচ্চ ৬টি এবং খরচসহ সর্বোচ্চ ৩টি করে মোট ৯টি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারে।
⇒ অন্যদিকে চূড়ান্ত শুনানী পর্যায়ে (At the Peremptory hearing) আদালত প্রত্যেক পক্ষকে খরচসহ সর্বোচ্চ ৩টি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারে। তবে খরচ ছাড়া আদালত কোন মুলতবি মঞ্জুর করে না।
⇒ মুলতবির খরচ সর্বনিম্ন ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা হতে পারে।
⇒ মুলতবির আবেদন মঞ্জুর করা বা না করা আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।
৮,৩১৪.
তামাদি আইনের কত অনুচ্ছেদে পুনঃনিরীক্ষণের [Review] জন্য দরখাস্তের তামাদির বিধান দেওয়া আছে?
  1. ১৭১
  2. ১৭৩
  3. ১৮৩
  4. ১৮১
সঠিক উত্তর:
১৭৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৩
ব্যাখ্যা
⇒ রিভিউ দায়েরের স্থান এবং সময়সীমা:
- তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৭৩ অনুচ্ছেদের বিধান মতে ডিক্রি বা আদেশ জারির সময় হতে ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউ দায়ের করতে হবে।
- যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছে, সেই আদালতেই ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউ আবেদন করতে হয়।

অর্থাৎ যে আদালত ডিগ্রি প্রদান করে সেই আদালতে তামাদি আইনের ১৭৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউর আবেদন দায়ের করতে হবে। 
৮,৩১৫.
তামাদি আইনের ১১ ধারায় কোন ধরনের চুক্তির তামাদি মেয়াদ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে?
  1. বৈদেশিক চুক্তি
  2. ক্ষতিপূরণ চুক্তি
  3. নাবালকের চুক্তি
  4. বাতিলযোগ্য চুক্তি
সঠিক উত্তর:
বৈদেশিক চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈদেশিক চুক্তি
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১১ বৈদেশিক চুক্তির উপর মামলার (Suits on foreign contracts) ক্ষেত্রে তামাদির বিধান উল্লেখ করেছে। উক্ত ধারা অনুযায়ী, বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির উপর বাংলাদেশে যেইসব মামলা দায়ের করা হয়, সেগুলি এ আইনে উল্লেখিত তামাদির বিধিসমূহের অধীন।
- বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির উপর বাংলাদেশে দায়েরকৃত মামলার ক্ষেত্রে বিদেশী কোনো আইনে তামাদি সংক্রান্ত বিধি জবাব স্বরূপ গ্রহণীয় হবে না।
- তবে যদি সেই বিধি অনুসারে, চুক্তিটির পরিসমাপ্তি ঘটে থাকে এবং যদি উক্ত বিধি অনুসারে নির্ধারিত সময়কালে সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ সেই দেশে স্থায়ীভাবে বসবাস করে থাকে, সেক্ষেত্রে তার ব্যতিক্রম হবে।

⇒ The Limitation Act, 1908, Section 11: Suits on foreign contracts:
(1) Suits instituted in Bangladesh on contracts entered into in a foreign country are subject to the rules of limitation contained in this Act.
(2) No foreign rule of limitation shall be a defence to a suit instituted in Bangladesh on a contract entered into in a foreign country, unless the rule has extinguished the contract and the parties were domiciled in such country during the period prescribed by such rule.

৮,৩১৬.
কার অনুমোদন ব্যতিরেকে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর অধীন অপরাধ বিচারার্থ আমলে নেয়া যাবে না?
  1. সরকার
  2. স্পেশাল জজ
  3. বাছাই কমিটি
  4. দুর্নীতি দমন কমিশন
সঠিক উত্তর:
দুর্নীতি দমন কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্নীতি দমন কমিশন
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ৩২ – মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে অনুমোদন, ইত্যাদি:
(১) ফৌজদারী কার্যবিধি বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, নির্ধারিত পদ্ধতিতে কমিশনের অনুমোদন (Sanction) ব্যতিরেকে কোন আদালত এই আইনের অধীন কোন অপরাধ বিচারার্থ আমলে (Cognizance) গ্রহণ করিবে না। 
 
(২) এই আইনের অধীন মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে কমিশন এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, সরকার ও কমিশন কর্তৃক প্রদত্ত অনুমোদনপত্রের কপি মামলা দায়েরের সময় আদালতে দাখিল করিতে হইবে।
৮,৩১৭.
Summary dismissal of appeal এর বিধান রয়েছে কোন ধারায়?
  1. ৪২০ ধারায়
  2. ৪২৩ ধারায়
  3. ৪২২ ধারায়
  4. ৪২১ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪২১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২১ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা- ৪২১: আপিল সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ (Summary dismissal of appeal)- ৪২১ ধারামতে আদালত মনে করলে আপিল সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ করতে পারেন। তবে আইনজীবীকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দিতে হবে।
৮,৩১৮.
ধারা ৩৮ অনুযায়ী, আদালত কোন ন্যায়পরায়ণ পদক্ষেপ নিতে পারে?
  1.  নিষেধাজ্ঞা প্রদান
  2. কেবল চুক্তি কার্যকর
  3. চুক্তি পুনর্নির্ধারণ
  4. ক্ষতিপূরণ প্রদান
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণ প্রদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণ প্রদান
ব্যাখ্যা

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৮ ধারা অনুযায়ী: রদকারী পক্ষের পক্ষ থেকে আদালত প্রয়োজন অনুসারে ন্যায়পরতার দাবি করতে পারেন:
চুক্তি রদের রায় প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত যে পক্ষকে প্রতিকার মঞ্জুর করেছেন, সেই পক্ষের থেকে অপর পক্ষকে ন্যায়বিচারের প্রয়োজন অনুসারে ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 38- Court may require party rescinding to do equity:
On adjudging the rescission of a contract, the Court may require the party to whom such relief is granted to make any compensation to the other which justice may require.

৮,৩১৯.
মিতাক্ষরা আইনে কারা অসতীত্বের কারণে স্বামীর সম্পত্তির উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়?
  1. কন্যা
  2. বিধবা স্ত্রী
  3. মাতা
  4. সকল মহিলা
সঠিক উত্তর:
বিধবা স্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধবা স্ত্রী
ব্যাখ্যা

⇒ হিন্দু আইনে কিছু ক্ষেত্রে উত্তরাধিকারী এই অধিকার থেকে বঞ্চিত হবেন, যথা:
-  অসতীত্ব;
- ধর্মচ্যুত হলে বা ধর্ম ত্যাগ করলে;
- সন্ন্যাসী উত্তরাধিকার হয় না। সন্ন্যাসীকে সংসার ত্যাগী হিসাবে মৃত ধরা হয়;
- অন্ধ, বধির, মূক, অঙ্গহীন, পুরুষত্বহীন এবং বুদ্ধি প্রতিবন্ধী পুরুষ ও মহিলাগণ হিন্দু আইনে উত্তরাধিকার হতে বঞ্চিত। এমনকি দুরারোগ্য কুষ্ঠ-ব্যধীগ্রস্ত ব্যক্তিগণও উত্তরাধিকার হতে বঞ্চিত;
- হত্যাকারী এবং তার ওয়ারিশ মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকার হতে বঞ্চিত হবে।


উল্লেখ্য,
⇒ অসতীত্ব জনিত কারণে মিতাক্ষরা আইনে শুধুমাত্র বিধবাই স্বামীর সম্পত্তির উত্তরাধিকার হইতে বঞ্চিত। এই কারণে অন্য কোন মহিলা সম্পত্তি পাইতে বাধাপ্রাপ্ত হন না। কিন্তু দায়ভাগ মতে শুধু বিধবাই নহে, একই নিয়মে এবং কারণে অন্যান্য মহিলারাও যেমন কন্যা অথবা মাতা উত্তরাধিকার হইতে বঞ্চিত হইবে। 

অসতীত্ব একজন নারীকে পুরুষের সম্পত্তিতে উত্তরাধিকারিত্ব লাভে বঞ্চিত করিলেও অসতীত্বের কারণে একজন নারী কোন স্ত্রীলোকের উত্তরাধিকারিত্ব হইতে বঞ্চিত হয় না। নজীরে আছে, অসতীত্বের কারণে কন্যা তাহার মাতার স্ত্রীধনের উত্তরাধিকারিত্ব হইতে বঞ্চিত হয় নাই। কলিকাতা হাইকোর্টে নগেন্দ্র বনাম বিনয়কৃষ্ণ মামলায় এই প্রশ্নটির মীমাংসা হয়। (30 cal 521)।

৮,৩২০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারা অনুযায়ী কয় ধরনের দলিল সংশোধন করা যায়?
  1. ২ ধরনের
  2. ৩ ধরনের
  3. ৬ ধরনের
  4. ৪ ধরনের
সঠিক উত্তর:
২ ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ধরনের
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারার বিধান-
যখন দলিল সংশোধন করা যেতে পারে যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষগণের পারস্পরিক ভুলের জন্য কোন লিখিত চুক্তি বা অন্য কোন লিখিত দলিল প্রকৃত অর্থে তাদের উদ্দেশ্য প্রকাশ করে না, তখন যেকোন পক্ষ অথবা তাদের স্বার্থ- সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিলটি সংশোধিত করে নেওয়ার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত যদি এটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের সময় প্রতারণা অথবা ভুল করা হয়েছে এবং তা কার্যকর করবার ক্ষেত্রে পক্ষগণের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে সক্ষম হয়, তাহলে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে যতদূর পর্যন্ত তৃতীয় ব্যক্তি কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করেই করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন - যাতে দলিলের এই উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয় ।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারা অনুযায়ী ২ ধরনের দলিল সংশোধন করা যায়-
i) লিখিত দলিল; ও
ii) লিখিত চুক্তি।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারার অধীন দলিল সংশোধনের প্রতিকার শুধুমাত্র লিখিত চুক্তি সংশোধনের ক্ষেত্রে বা অন্য যেকোনো লিখিত দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। দলিল সংশোধন করা আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা (Discretionary Power)। চুক্তি বা দলিলের পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিরা দলিল সংশোধনের জন্য মামলা করতে পারে।
৮,৩২১.
নিচের কোন ধারাটি দণ্ডবিধির ৩৪ ধারার ব্যতিক্রম?
  1. দণ্ডবিধির ৩৫ ধারা
  2. দণ্ডবিধির ৩৬ ধারা
  3. দণ্ডবিধির ৩৭ ধারা
  4. দণ্ডবিধির ৩৮ ধারা
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৩৮ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৩৮ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒দণ্ডবিধির ৩৮ ধারামতে একই অপরাধ সংঘটন করলেও ভিন্ন অপরাধের দোষী, অর্থাৎ একাধিক ব্যক্তি একই অপরাধ সংঘটন করলেও দণ্ডবিধির ৩৮ ধারা মতে ভিন্ন ভিন্ন শাস্তি পেতে পারে।
- দণ্ডবিধির ৩৮ ধারাটি ৩৪ ধারার ব্যতিক্রম; কেননা ৩৪ ধারায় অপরাধী যৌথভাবে দায়ী হলেও ৩৮ ধারায় অপরাধী পৃথকভাবে দায়ী হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪ ধারার বিধান-কতিপয় ব্যক্তি কর্তৃক একই উদ্দেশ্য সাধানকল্পে কৃত কার্যাবলী:
⇒ যখন কতিপয় ব্যক্তি একত্রিত হয়ে তাদের সকলের একই অভিপ্রায় সাধনকল্পে অপরাধমূলক কাজ সম্পাদিত করে, তখন অনুরূপ ব্যক্তিগণের প্রত্যেকেই উক্ত কাজের জন্য এইরূপে দায়ী হবেন যেন উক্ত কাজ উক্ত ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত হয়েছিল।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৮ ধারার বিধান- অপরাধমূলক কার্যে জড়িত ব্যক্তিগণ বিভিন্ন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হন:
⇒ কোন অপরাধমূলক কাজ সংঘটনে কতিপয় ব্যক্তি ব্যাপৃত থাকলে অথবা উহা সংঘটনের সাথে তারা জড়িত থাকলে, উক্ত কাজের জন্য তারা বিভিন্ন অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হতে পারে।
--------------
⇒ Section 34: Acts done by several persons in furtherance of common intention:
- When a criminal act is done by several persons, in furtherance of the common intention of all, each of such persons is liable for that act in the same manner as if it were done by him alone.
⇒ Section 38: Persons concerned in criminal act may be guilty of different offences:
- Where several persons are engaged or concerned in the commission of a criminal act, they may be guilty of different offences by means of that act.
৮,৩২২.
দেওয়ানী কার্যবিধির ১৬ আদেশের ১০ বিধির অধীন আদালতের কোন আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির প্রতিকার হতে পারে
  1. আপীল
  2. রিভিউ
  3. রিভিশন
  4. কোনটি না
সঠিক উত্তর:
আপীল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপীল
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৬ আদেশের ১০ বিধির অধীন কোন ব্যক্তিকে  সাক্ষী হিসাবে হাজির হতে আদালত যদি সমন প্রদান করে এবং উক্ত ব্যক্তি সমন অনুযায়ী হাজির হতে ব্যর্থ হয় এবং আদালত উক্ত ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ প্রদান কর্বে বা গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করবে।

♦ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪৩ এর বিধি ১(ছ) তে বলা আছে কোন ব্যক্তিকে  সাক্ষী হিসাবে হাজির হতে আদালত যদি সমন প্রদান করে এবং উক্ত ব্যক্তি সমন অনুযায়ী হাজির হতে ব্যর্থ হয় এবং আদালত উক্ত ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ প্রদান করলে বা গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করলে, সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি ৪৩ আদেশের বিধি ১ এর(ছ) অনুযায়ী আপীল করতে পারে।
৮,৩২৩.
সংবিধান সংস্কার কমিশন প্রস্তাবিত সংসদের নিম্নকক্ষ ও উচ্চকক্ষের আসন সংখ্যা যথাক্রমে কত?
  1. ৩৫০ এবং ৫০
  2. ৪০০ এবং ১০৫
  3. ৩০০ এবং ১০০
  4. ৪৫০ এবং ১০৫
সঠিক উত্তর:
৪০০ এবং ১০৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০০ এবং ১০৫
ব্যাখ্যা
সংবিধান সংস্কার কমিশন: 
- গঠিত হয়- ৬ অক্টোবর, ২০২৪
- কমিশনের প্রধান- অধ্যাপক আলী রীয়াজ
- মোট সদস্য- ৯ জন

• উল্লেখযোগ্য সুপারিশসমূহ:
- সাংবিধানিক নাম: জনগণতন্ত্রী বাংলাদেশ (People's Republic of Bangladesh),
- নাগরিকত্ব: বাংলাদেশি,
- মূলনীতি: ৪টি (সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার, বহুত্ববাদ এবং গণতন্ত্র),
- সংসদ: দ্বিকক্ষবিশিষ্ট (নিম্নকক্ষ: ৪০০টি আসন; উচ্চকক্ষ: ১০৫টি আসন),
- মেয়াদ: ৪ বছর (সরকারের মেয়াদ, সংসদের মেয়াদ, রাষ্ট্রপতির মেয়াদ),
- সংসদীয় প্রার্থী হওয়ার ন্যূনতম বয়স: ২১ বছর।

উৎস: সংবিধান সংস্কার কমিশন। 
৮,৩২৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে 'বাধ্যবাধকতা’ বলতে কী বোঝায়?
  1. বাদী কর্তৃক বিবাদীর প্রতি আরোপিত কর্তব্য
  2. আইন দ্বারা বলবৎযোগ্য কর্তব্য
  3. বিবাদীর প্রতি বাদীর দায়িত্ব-কর্তব্য
  4. ডিক্রিদার কর্তৃক দায়িকের উপর আরোপিত দায়িত্ব-কর্তব্য
সঠিক উত্তর:
আইন দ্বারা বলবৎযোগ্য কর্তব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইন দ্বারা বলবৎযোগ্য কর্তব্য
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩- ব্যাখ্যামূলক অনুচ্ছেদ:

'বাধ্যবাধকতা’ বলতে আইন দ্বারা কার্যকরীকরণযোগ্য প্রতিটি কর্তব্য অন্তর্ভুক্ত হবে।
"obligation" includes every duty enforceable by law.
৮,৩২৫.
দ্রুত বিচার আদালতের বিচারক হিসেবে কাকে নিয়োগ করা হয়?
  1. দায়রা জজ
  2. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. বিশেষ ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  4. বিশেষ ক্ষমতাপ্রাপ্ত দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
বিশেষ ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশেষ ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ৮- দ্রুত বিচার আদালত গঠন:
(১) সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে প্রত্যেক জেলায় এবং মেট্রোপলিটন এলাকায় এক বা একাধিক দ্রুত বিচার আদালত গঠন করিতে পারিবে এবং উক্ত প্রজ্ঞাপনে প্রত্যেকটি দ্রুত বিচার আদালতের স্থানীয় অধিক্ষেত্র নির্ধারণ করিয়া দিতে পারিবে৷ 

(২) সরকার বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত একজন প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটকে উক্ত আদালতের বিচারক নিযুক্ত করিবে।
৮,৩২৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারার প্রথম ব্যাখ্যায় কোন নীতি উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. Former Suit
  2. Direct Res-Judicata
  3. Litigation for Public Rights
  4. Constructive Res-Judicata
সঠিক উত্তর:
Former Suit
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Former Suit
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় দোবারা দোষ নীতিটি (Res Judicata) আলোচনা করা হয়েছে। রেস জুডিকাটা নীতির মূল কথা হলো-
এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত কোন বিচারিত বিষয়কে পরবর্তীতে পুনরায় বিচার করা যাবে না। এই নীতির মূল কথা হলো, একবার নিষ্পত্তিকৃত কোন মোকদ্দমা, পুনরায় বিচারযোগ্য নয়।

দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় ৬টি ব্যাখ্যা [Explanation] রয়েছে:
১ম ব্যাখ্যা: Former Suit [পূর্ববর্তী মোকদ্দমা];
২য় ব্যাখ্যা: Competence of a Court [কোর্টের বিচার করার ক্ষমতা];
৩য় ব্যাখ্যা: Direct Res-Judicata [প্রত্যক্ষ দোবারা দোষ];
৪র্থ ব্যাখ্যা: Constructive Res-Judicata [পরোেক্ষ দোবারা দোষ];
৫ম ব্যাখ্যা: Any relief not granted shall be deemed to have been refused [প্রার্থিত প্রতিকার মঞ্জুর না হলে প্রত্যাখ্যান বলে গণ্য হবে];
৬ষ্ঠ ব্যাখ্যা: Litigation for Public Rights [সার্বজনীন বা সাধারণ অধিকার বা বাস্তব সুবিধার জন্য মামলা]
--------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section-11. Res Judicata:
- No Court shall try any suit or issue in which the matter directly and substantially in issue has been directly and substantially in issue in a former suit between the same parties, or between parties under whom they or any of them claim, litigating under the same title, in a court competent to try such subsequent suit or the suit in which such issue has been subsequently raised, and has been heard and finally decided by such Court. 
 
Explanation I.-The expression "former suit" shall denote a suit which has been decided prior to the suit in question whether or not it was instituted prior thereto. 
Explanation II.-For the purposes of this section, the competence of a Court shall be determined irrespective of any provisions as to a right of appeal from the decision of such Court. 
Explanation III.-The matter above referred to must in the former suit have been alleged by one party and either denied or admitted, expressly or impliedly, by the other. 
Explanation IV.-Any matter which might and ought to have been made ground of defence or attack in such former suit shall be deemed to have been a matter directly and substantially in issue in such suit. 
Explanation V.-Any relief claimed in the plaint, which is not expressly granted by the decree, shall, for the purposes of this section, be deemed to have been refused. 
Explanation VI.-Where persons litigate bona fide in respect of a public right or of a private right claimed in common for themselves and others, all persons interested in such right shall, for the purposes of this section, be deemed to claim under the persons so litigating.
৮,৩২৭.
"দুর্নীতি দমন কমিশন একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কমিশন হবে" দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর কত ধারার বিধান?
  1. ১ ধারা
  2. ৩ ধারা
  3. ৫ ধারা
  4. ৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দেশে দুর্নীতি এবং দুর্নীতিমূলক কার্য প্রতিরোধের লক্ষ্যে দুর্নীতি এবং অন্যান্য সুনির্দিষ্ট অপরাধের অনুসন্ধান এবং তদন্ত পরিচালনার জন্য একটি স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন প্রতিষ্ঠা এবং আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধানকল্পে প্রণীত আইন হচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪।

ধারা ৩- কমিশন প্রতিষ্ঠা, ইত্যাদি
(১) এই আইন, বলবৎ হইবার পর যতশীঘ্র সম্ভব, সরকার, সরকারী গেজেটে, প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে দুর্নীতি দমন কমিশন নামে একটি কমিশন প্রতিষ্ঠা করিবে।
(২) এই কমিশন একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কমিশন হইবে। 
(৩) কমিশন একটি স্বশাসিত সংস্থা হইবে এবং উহার স্থায়ী ধারাবাহিকতা ও একটি সাধারণ সীলমোহর থাকিবে এবং এই আইন ও বিধি সাপেক্ষে, উহার স্থাবর ও অস্থাবর উভয় প্রকার সম্পত্তি অর্জন করিবার, অধিকারে রাখিবার এবং উহা হস্তান্তর করিবার ক্ষমতা থাকিবে এবং উহার নামে উহা মামলা দায়ের করিতে পারিবে এবং উহার বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা যাইবে।
৮,৩২৮.
অকৃষি ভূমির উন্নয়ন সম্পর্কিত ডেপুটি কমিশনার কর্তৃক আদেশের বিরুদ্ধে কার নিকট আপিল করা যাবে?
  1. কমিশনার
  2. জেলা জজ
  3. যুগ্ম জেলা জজ
  4. কালেক্টর
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ
ব্যাখ্যা
• অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৬৬ ধারার বিধান- উন্নয়ন ইত্যাদি করার অধিকারের প্রশ্নে কালেক্টর সিদ্ধান্ত দিবেন:

১) যদি অকৃষি প্রজা ও তার ভূ-স্বত্বাধিকারীর মধ্যে এমন প্রশ্ন উঠে-
ক) উন্নয়ন কাজ করার অধিকার সম্বন্ধে; বা
খ) কোন বিশেষ একটি কাজ উন্নয়নমূলক কি না, 
তখন যে কোন পক্ষের আবেদন অনুযায়ী ডেপুটি কমিশনার সে সম্পর্কে সিদ্ধান্ত প্রদান করবেন।

২) ডেপুটি কমিশনারের প্রদত্ত আদেশের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে জেলা জজের নিকট আপিল করা যাবে। এরূপ আপিলের ক্ষেত্রে জেলা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত।

Section 66- Collector to decide question as to right to make improvement, etc.

(1) If a question arises between the non-agricultural tenant and his landlord- 
(a) as to the right to make an improvement, or 
(b) as to whether a particular work is an improvement, 
the Deputy Commissioner may, on the application of either party, decide the question. 

(2) An appeal, if presented within thirty days from the date of the order appealed against, shall lie to the District Judge from every order passed by the Deputy Commissioner under sub-section (1) and the order passed by the District Judge on such appeal shall be final.
৮,৩২৯.
লিখিত এবং নিবন্ধিত চুক্তিভঙ্গের ক্ষতিপূরণ মামলার তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১১৬:

- লিখিত এবং নিবন্ধিত চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণের জন্য মামলা ৬ বছর বছরের মধ্যে দায়ের করতে হবে।
- তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে: চুক্তি নিবন্ধিত না হলে যখন মেয়াদ অতিবাহিত হতে শুরু করে তখন থেকে।
৮,৩৩০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৭ অনুযায়ী, যদি অভিযুক্তকে এক অপরাধের জন্য চার্জ করা হয় এবং অন্য অপরাধ প্রমাণিত হয়, তবে কী হবে?
  1. কিছু করা হবে না
  2. মুক্তি দেওয়া হবে
  3. দণ্ডিত করা যাবে
  4. নতুন চার্জ গঠন হবে
সঠিক উত্তর:
দণ্ডিত করা যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডিত করা যাবে
ব্যাখ্যা
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৭ ধারায় কোন ব্যক্তিকে এক অপরাধে চার্জ করে, অন্য অপরাধে দণ্ডিত করা যেতে পারে।
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৭ ধারার বিধান:
২৩৬ ধারায় উল্লিখিত ক্ষেত্রে অভিযুক্তকে যে অপরাধের জন্য চার্জ করা হয়,সাক্ষ্য-প্রমাণে যদি দেখা যায় সে ভিন্ন অপরাধ করেছে এবং এই ভিন্ন অপরাধের জন্য তাহাকে উক্ত ধারা অনুসারে চার্জ করা যেতো,তা হলে যে অপরাধ সে করেছে বলে প্রমাণিত হয় তার জন্য চার্জ গঠন করা না হলেও দণ্ডিত করা যাবে।

উদহারণ-'ক' এর বিরুদ্ধে চুরির অপরাধে চার্জ গঠন করা হল।কিন্তু দেখা গেল যে,সে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করেছে বা চোরাইমাল গ্রহণ করেছে।উক্ত অপরাধে চার্জ গঠন করা না হলেও,অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ বা চোরাইমাল গ্রহণের দায়ে তাকে দণ্ডিত করা যাবে।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 237.When a person is charged with one offence, he can be convicted of another:
If, in the case mentioned in section 236, the accused is charged with one offence, and it appears in evidence that he committed a different offence for which he might have been charged under the provisions of that section, he may be convicted of the offence which he is shown to have committed, although he was not charged with it. 

Illustration:
A is charged with theft. It appears that he committed the offence of criminal breach of trust, or that of receiving stolen goods. He may be convicted of criminal breach of trust or of receiving stolen goods (as the case may be) though he was not charged with such offence.
৮,৩৩১.
'ব্যবসায়িক হিসেবের খাতা' সাক্ষ্য আইনে কোন ধারা মোতাবেক সাক্ষ্য হিসেবে প্রাসঙ্গিক?
  1. ৩৪ ধারা
  2. ৩৫ ধারা
  3. ৩৬ ধারা
  4. ৩৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪ ধারা
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৩৪ ধারা অনুযায়ী, ব্যবসায়িক কারণে হিসেবের খাতায় যা লিপিবদ্ধ করা হয়েছে তা প্রাসঙ্গিক প্রমাণ হিসাবে গণ্য।
৩৪ ধারা অনুযায়ী ব্যবসা প্রসঙ্গে নিয়মিত যে হিসেবের খাতা রাখা হয়, উক্ত খাতায় লিখিত কোন কিছুতে যখন এমন বিষয়ের উল্লেখ থাকে, যে বিষয়ে অনুসন্ধান করা আদালতের কর্তব্য, তখন হিসাবের খাতায় লিপিবদ্ধ বিষয় প্রাসঙ্গিক। কিন্তু কেবলমাত্র এরূপ বিবৃতি কারও উপর দায় আরোপ করার জন্য যথেষ্ট সাক্ষ্য বলে বিবেচিত হবে না।

যেমন-
'ক' ১০০০ টাকার দাবিতে 'খ' এর বিরুদ্ধে দেওয়ানি মামলা দায়ের করল। 'খ' এর নিকট তার উক্ত টাকা পাওনা আছে, এটি প্রমাণ করার জন্য ক তার খাতায় লেখা হিসাব দেখাল। এক্ষেত্রে খাতায় লেখা হিসাবগুলো প্রাসঙ্গিক। কিন্তু যদি অন্য কোন সাক্ষ্য না থাকে, তবে 'খ' এর দেনা প্রমাণ করার জন্য এটি যথেষ্ট নয়।

Section 34⇒ Entries in books of account or digital record when relevant:
Entries in books of account or digital record, regularly kept in the course of business, are relevant whenever they refer to a matter into which the Court has to inquire, but such statements shall not alone be sufficient evidence to charge any person with liability.

Illustration-
A sues B for Taka 1,000, and shows entries in his account books showing B to be indebted to him to this amount. The entries are relevant, but are not sufficient, without other evidence, to prove the debt.
৮,৩৩২.
দণ্ডবিধির ধারা ১০০ অনুযায়ী কয়টি ক্ষেত্রে শরীরের ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায়?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা
• ধারা ১০০: দণ্ডবিধির ধারা ১০০ অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৬ (ছয়টি) ক্ষেত্রে শরীরের ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায়। যথা;

১. এমন আক্রমণ যা মৃত্যু ঘটানোর যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা সৃষ্টি করে;
২. এমন আক্রমণ যা গুরুতর জখমের যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা সৃষ্টি করে;
৩. ধর্ষণের অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ;
৪. অপ্রকৃত কাম লালসার অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ;
৫. মনুষ্যহরণ বা অপহরণের অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ;
৬. অবৈধভাবে আটকের অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ, যেক্ষেত্রে তিনি মনে করে সরকারী কর্তৃপক্ষের সহায়তা পাবে না।
৮,৩৩৩.
তামাদি আইন অনুসারে পুনঃনিরীক্ষণের [Review] জন্য দরখাস্তের তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ রিভিউ দায়েরের স্থান এবং সময়সীমা:
- তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৭৩ অনুচ্ছেদের বিধান মতে ডিক্রি বা আদেশ জারির সময় হতে ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউ দায়ের করতে হবে।
- যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছে, সেই আদালতেই ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউ আবেদন করতে হয়।

অর্থাৎ যে আদালত ডিগ্রি প্রদান করে সেই আদালতে তামাদি আইনের ১৭৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউর আবেদন দায়ের করতে হবে। 
৮,৩৩৪.
চার্জ গঠনের শুনানীর সময় অভিযুক্তের অব্যাহতির ক্ষেত্রে আদালত নিম্নের কোন কাগজপত্র বিবেচনা করবে?
  1. ১৭৩ ধারায় দাখিলকৃত পুলিশ রিপোর্ট
  2. পুলিশ কর্তৃক ১৬১ ধারায় লিপিবদ্ধকৃত সাক্ষীদের জবানবন্দি
  3. ১৬৪ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক লিপিবদ্ধকৃত বিবৃতি
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি এবং ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদানের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
ফৌজদারি মামলার বিচার শুরুর পূর্বে ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বা ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত চার্জ গঠনের শুনানীর জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করে। ২৪১ক ধারায় বা ২৬৫গ ধারায় উক্ত চার্জ গঠনের শুনানীর সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালতে অব্যাহতির আবেদন করতে পারে। ২৪১ক ধারায় ও ২৬৫গ ধারায় চার্জ গঠনের শুনানী এবং অব্যাহতির আবেদনের শুনানী একই দিনে হতে হবে। চার্জ শুনানী শেষে যদি আদালত মনে করে যে অভিযোগ ভিত্তিহীন,তাহলে চার্জ গঠন না করে তথা চার্জ গঠনের পূর্বে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিবে।

• অব্যাহতির ক্ষেত্রে যে সকল বিষয় বিবেচনা করবে-
⇒ অভিযুক্ত ব্যক্তির অব্যাহতি পাওয়ার দরখাস্ত বিবেচনার সময় ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা আদালত মামলার রেকর্ড এবং উক্ত রেকর্ডের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র বিবেচনা করবে,
⇒ প্রয়োজন মনে করলে,অভিযুক্ত ব্যক্তির জবানবন্দি নিবে(যদি থাকে) এবং প্রসিকিউশন,অভিযুক্তকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দিবে।

• মামলার রেকর্ড ও রেকর্ডের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র অর্থ :
মামলার রেকর্ড অর্থ ব্যক্তির হলো ১৭৩ ধারায় দাখিলকৃত পুলিশ রিপোর্ট। রিপোর্টের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র অর্থ হলো পুলিশ কর্তৃক ১৬১ ধারায় লিপিবদ্ধকৃত সাক্ষীদের জবানবন্দি, ১৬৪ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক লিপিবদ্ধকৃত বিবৃতি, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট, সুরতহাল রিপোর্ট, জব্দ তালিকা ইত্যাদি।
৮,৩৩৫.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ গৃহের নিরাপত্তার অধিকার নিশ্চিত করেছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৪০
  2. অনুচ্ছেদ ৪৩
  3. অনুচ্ছেদ ৪২
  4. অনুচ্ছেদ ৪১
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৪৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৪৩
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৪৩: গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ
রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা, জনসাধারণের নৈতিকতা বা জনস্বাস্থ্যের স্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধা নিষেধ-সাপেক্ষে প্রত্যেক নাগরিকের
(ক) প্রবেশ, তল্লাশী ও আটক হইতে স্বীয় গৃহে নিরাপত্তা লাভের অধিকার থাকিবে; এবং
(খ) চিঠিপত্রের ও যোগাযোগের অন্যান্য উপায়ের গোপনীয়তা রক্ষার অধিকার থাকিবে।

Article 43: Protection of home and correspondence
Every citizen shall have the right, subject to any reasonable restrictions imposed by law in the interests of the security of the State, public order, public morality or public health – 
(a) to be secured in his home against entry, search and seizure; and 
(b) to the privacy of his correspondence and other means of communication.
৮,৩৩৬.
'ক', 'খ' এর অধীনে তিন বছর শিক্ষানবিশ আইনজীবী হিসেবে কাজ করবেন মর্মে চুক্তিবদ্ধ হন। চুক্তিটির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন-
  1. বলবৎযোগ্য
  2. শর্তসাপেক্ষে বলবৎযোগ্য
  3. বলবৎযোগ্য নয়
  4. আংশিক বলবৎযোগ্য
সঠিক উত্তর:
বলবৎযোগ্য নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বলবৎযোগ্য নয়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে কোন চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না (Contracts not specifically enforceable )- চুক্তির প্রকৃতি অনুসারে কিছু কিছু চুক্তির সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদন করার জন্য আদালত নির্দেশ দিয়ে থাকেন এবং কিছু কিছু চুক্তির ক্ষেত্রে আদালত সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করে না। যে যে ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আবেদন নামঞ্জুর করতে পারে তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। কারণ এগুলি সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের যোগ্য নয়।
 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা-
১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে 
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে। 
৩) চুক্তির শর্তাবলী নির্ণয় করা না গেলে 
৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য হলে 
৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে
৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানী কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি
৭) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে  অথবা
৮) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে।
 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারায় আদালত এই ৮টি ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আবেদন না মঞ্জুর করিবেন।

-উল্লিখিত প্রশ্নে চুক্তিটি যেহেতু ব্যক্তিগত যোগ্যতার উপর নির্ভরশীল তাই সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য নয়। 
----------------------------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 21: Contracts not specifically enforceable: The following contracts cannot be specifically enforced:– 
(a) a contract for the non-performance of which compensation in money is an adequate relief; 
(b) a contract which runs into such minute or numerous details, or which is so dependent on the personal qualifications or volition of the parties, or otherwise from its nature is such, that the Court cannot enforce specific performance of its material terms; 
(c) a contract the terms of which the Court cannot find with reasonable certainty; 
(d) a contract which is in its nature revocable; 
(e) a contract made by trustees either in excess of their powers or in breach of their trust; 
(f) a contract made by or on behalf of a corporation or public company created for special purposes, or by the promoters of such company, which is in excess of its powers; 
(g) a contract the performance of which involves the performance of a continuous duty extending over a longer period than three years from its date; 
(h) a contract of which a material part of the subject- matter, supposed by both parties to exist, has, before it has been made, ceased to exist. 
 
And, save as provided by the Arbitration Act, 1940, no contract to refer present or future differences to arbitration shall be specifically enforced; but if any person who has made such a contract other than an arbitration agreement to which the provisions of the said Act apply and has refused to perform it sues in respect of any subject which he has contracted to refer, the existence of such contract shall bar the suit.
৮,৩৩৭.
ধারা ৪৩১ অনুযায়ী, ধারা ৪১৭ বা ৪১৭ক-এর আপিল কখন বাতিল হবে?
  1. অভিযোগপত্র বাতিল হলে
  2. অভিযুক্ত মারা গেলে
  3. জামিন না মঞ্জুর হলে
  4. মামলা স্থগিত হলে
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত মারা গেলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত মারা গেলে
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪৩১ অনুযায়ী,

ধারা ৪১৭ বা ৪১৭ক অনুযায়ী আপিল: অভিযুক্তের মৃত্যু ঘটলে, সেই আপিল চূড়ান্তভাবে বাতিল (abate) হয়ে যাবে।

অন্যান্য সকল আপিল (জরিমানা ছাড়া): আপিলকারী মারা গেলে, সেই আপিলও চূড়ান্তভাবে স্থগিত হবে।

Section 431- Abatement of appeals
Every appeal under section 417 or section 417A shall finally abate on the death of the accused, and every other appeal under this Chapter (except an appeal from a sentence of fine) shall finally abate on the death of the appellant.

৮,৩৩৮.
The control and discipline of subordinate courts personnel is exercised:
  1. By the Parliament
  2. Only by the Supreme Court
  3. Independently by the President
  4. By the President in consultation with the Supreme Court
সঠিক উত্তর:
By the President in consultation with the Supreme Court
উত্তর
সঠিক উত্তর:
By the President in consultation with the Supreme Court
ব্যাখ্যা
Article- 116 Control and discipline of subordinate courts:
The control (including the power of posting, promotion and grant of leave) and discipline of persons employed in the judicial service and magistrates exercising judicial functions shall vest in the President and shall be exercised by him in consultation with the Supreme Court.

[বিচার-কর্মবিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিদের এবং বিচারবিভাগীয় দায়িত্বপালনে রত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ (কর্মস্থল- নির্ধারণ, পদোন্নতিদান ও ছুটি মঞ্জুরীসহ) ও শৃংখলাবিধান রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত থাকিবে এবং সুপ্রীম কোর্টের সহিত পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক তাহা প্রযুক্ত হইবে।]
৮,৩৩৯.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী যদি কোনো ব্যক্তি সরকারি রাজস্ব সংগ্রহের উদ্দেশ্যে প্রচলিত স্ট্যাম্প জাল করে, তবে তার সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ৫ বছর কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. ১০ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ২৫৫ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি সরকারি রাজস্ব সংগ্রহের উদ্দেশ্যে প্রচলিত স্ট্যাম্প জাল করে, তবে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা ১০ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড দেওয়া হতে পারে।
এই ধারার অধীনে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বোচ্চ শাস্তির হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে।

⇒ দণ্ডবিধির ২৫৫ ধারা সরকারি স্ট্যাম্প জাল করণ :- কোন ব্যক্তি যদি সরকার দ্বারা রাজস্বের উদ্দেশ্যে প্রবর্তিত কোন স্ট্যাম্প জাল করে বা জ্ঞাতসারে অনুরূপ কোন স্ট্যাম্প জাল করার প্রক্রিয়ার অংশ বিশেষ সম্পাদন করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা:- এক মূল্যের খাঁটি স্ট্যাম্পকে কোন ব্যক্তি যদি দেখতে অপর মূল্যের খাঁটি স্ট্যাম্পের মত করে লয়, তবে সে ব্যক্তি এই অপরাধ অনুষ্ঠান করে বলে পরিগণিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 255. Counterfeiting Government stamp:- Whoever counterfeits, or knowingly performs any part of the process of counterfeiting, any stamp issued by Government for the purpose of revenue, shall be punished with imprisonment for life or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

Explanation:- A person commits this offence who counterfeits by causing a genuine stamp of one denomination to appear like a genuine stamp of a different denomination.
৮,৩৪০.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৯৬(৩) অনুযায়ী, নিচের কোন ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল করা যায় না?
  1. Ex-parte decree
  2. Contesting decree
  3. Ex-parte dismissal
  4. Compromise decree
সঠিক উত্তর:
Compromise decree
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Compromise decree
ব্যাখ্যা
⇒  দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৯৬(৩) অনুযায়ী যদি আদালত পক্ষগুলোর সম্মতিতে কোনো ডিক্রি (Compromise decree) প্রদান করে, তাহলে সেই ডিক্রির বিরুদ্ধে কোনো আপীল করা যায় না।
- Compromise decree হলো দুই বা ততোধিক পক্ষের মধ্যে আপস, সমঝোতা বা সমঝোতার ভিত্তিতে আদালত কর্তৃক দেওয়া একটি ডিক্রি, যা পক্ষগুলো সম্মত হয়।
- অর্থাৎ পক্ষগণের সম্মতিতে (Compromise Decree) আদালত কোন ডিক্রি দান করলে তার বিরুদ্ধে আপিল চলে না।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৩ (৩) বিধির অধীন সোলে বা আপস ডিক্রি [compromise] বা সম্মতিসূচক [consent decree] ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল করা যায় না কিন্তু রিভিশন করা যায়। কিন্তু ৮৯ক ধারার অধীন মধ্যস্থতার [Mediation] মাধ্যমে পক্ষগণের মধ্যে মীমাংসা অনুযায়ী আদালত যে ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করে, উক্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বা রিভিশন কোনটি করা যায় না।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৯৬ ধরার অধীন মূল ডিক্রি হতে আপিল:
(১) এই আইনের কোন কোন অংশে অথবা বর্তমানে প্রচলিত অন্য কোন আইনে স্পষ্টতঃ অন্যরূপ বিধান না থাকলে, আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যেক ডিক্রি হতে আপিল শ্রবণের ক্ষমতাসম্পন্ন আদালতে আপিল দায়ের করতে হবে।
(২) একতরফা মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা যাবে।
(৩) পক্ষগণের সম্মতিতে আদালত কোন ডিক্রি দান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল চলবে না।
------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Section-96. Appeal from original decree:
- (1) Save where otherwise expressly provided in the body of this Code or by any other law for the time being in force, an appeal shall lie from every decree passed by any Court exercising original jurisdiction to the Court authorised to hear appeals from the decisions of such Court. 
- (2) An appeal may lie from an original decree passed ex parte. 
- (3) No appeal shall lie from a decree passed by the Court with the consent of parties.
৮,৩৪১.
ফৌজদারী মামলার ক্ষেত্রে প্রমাণের মানদণ্ড হলো-
  1. সন্দেহাতীত প্রমাণ
  2. সম্ভাব্য ভারসাম্যপূর্ণ প্রমাণ
  3. যুক্তি সংগত ভারসাম্যপূর্ণ প্রমাণ
  4. খ ও গ
সঠিক উত্তর:
সন্দেহাতীত প্রমাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সন্দেহাতীত প্রমাণ
ব্যাখ্যা
⇒ প্রমাণের মান (standard of proof)- একটি মামলায় জয়ী হওয়ার জন্য মামলাটির যতটুকু প্রমাণ করতে হয়, সেই মাপকাঠিকে বলা হয় প্রমাণের মান বা standard of proof। মামলার প্রকৃতির উপর প্রমাণের মান বা standard of proof নির্ভর করে। অর্থাৎ দেওয়ানি মামলায় প্রমাণের মান এক ধরণের এবং ফৌজদারি মামলায় প্রমাণের মান আরেক ধরণের যা নিম্নে আলোচনা করা হল-

⇒ দেওয়ানি মামলায় প্রমাণের মান (Standard of proof in civil case)- একটি দেওয়ানি মোকদ্দমা কতটুকু প্রমাণ করতে হবে তা হল Civil Standard of Proof। দেওয়ানি মামলায় প্রমাণের মানকে যে নীতি দ্বারা ব্যাখ্যা করা হয় তা হল Balance of Probability বা Preponderence of Evidence.

⇒ যে পক্ষের সাক্ষ্যের মূল্য বেশী সে পক্ষ দেওয়ানি মোকদ্দমায় জয়ী হবে বা প্রতিকার পাবে। অর্থাৎ দেওয়ানি মামলায় প্রমাণের সংখ্যাধিক্য থাকলেই যথেষ্ট অর্থাৎ ১০০টি তথ্যের মধ্যে ৫১টি সত্য (more than 50% truth) হওয়াই যথেষ্ট বা যখন 'মিথ্যার চেয়ে সত্যের সম্ভাবনা বেশী'(more probably true than false) যা সম্ভাব্যতার ভারসাম্য নীতি বা balance of probabilities নামে পরিচিতি।

⇒ ফৌজদারি মামলায় প্রমাণের মান (Standard of proof in criminal case)- ফৌজদারি মামলায় মামলাকারী অভিযুক্ত ব্যক্তির অপরাধ এমনভাবে প্রমাণ করবেন যাতে প্রতিকূল সকল স্বাভাবিক সন্দেহের পরিসমাপ্তি ঘটে যা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত নীতি বা Proved Beyond all reasonable doubts নামে পরিচিতি।
৮,৩৪২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৮৮ অনুযায়ী, বিদেশে সংঘটিত অপরাধের বিচার বাংলাদেশে করতে হলে কী প্রয়োজন?
  1. পুলিশ রিপোর্ট
  2. আদালতের নির্দেশ
  3. অভিযুক্তের সম্মতি
  4. সরকারের অনুমোদন
সঠিক উত্তর:
সরকারের অনুমোদন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারের অনুমোদন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা-১৮৮ এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধের তদন্ত বাংলাদেশে শুরু করার জন্য সরকারের পূর্বানুমোদন (prior sanction) আবশ্যক। ধারাটি বাংলাদেশের নাগরিক কর্তৃক বিদেশে সংঘটিত অপরাধ বা বাংলাদেশে নিবন্ধিত জাহাজ/বিমানে সংঘটিত অপরাধের বিচার বাংলাদেশে করার বিধান দেয়।
পূর্বানুমোদনের বাধ্যবাধকতা: তবে, এই বিধানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শর্তটি হলো প্রথম শর্তসাপেক্ষে (First Proviso) অংশে। এতে উল্লেখ আছে: "এই অধ্যায়ের পূর্ববর্তী কোনো ধারায় কিছু থাকা সত্ত্বেও, সরকারের অনুমোদন (sanction) ব্যতীত বাংলাদেশে এই ধরনের কোনো অভিযোগ তদন্ত করা যাবে না।"
অনুমোদনের সময়: এই অনুমোদন তদন্ত শুরুর পূর্বেই নিতে হবে। তদন্ত বা বিচারের যেকোনো পর্যায়ে এটি নেওয়ার কোনো বিধান নেই।

অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৮৮ অনুযায়ী, বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধের তদন্ত বাংলাদেশে শুরু করতে অবশ্যই সরকারের পূর্বানুমোদন (prior sanction) প্রয়োজন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা-১৮৮: বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধের জন্য দায়বদ্ধতা:
যখন বাংলাদেশের কোনো নাগরিক বাংলাদেশের সীমা ব্যতীত বা বাইরে কোনো স্থানে কোনো অপরাধ করে, অথবা
যখন কোনো ব্যক্তি বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোনো জাহাজ বা বিমানে, সেটি যেখানেই থাকুক না কেন, কোনো অপরাধ করে,
তখন সেই অপরাধের জন্য তার সাথে এমনভাবে আচরণ করা যেতে পারে যেন অপরাধটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে এমন কোনো স্থানে সংঘটিত হয়েছে যেখানে তাকে পাওয়া যেতে পারে:
অভিযোগ তদন্তের উপযুক্ততা প্রত্যয়নের জন্য রাজনৈতিক এজেন্টগণ:
তবে শর্ত থাকে যে, এই অধ্যায়ের পূর্ববর্তী কোনো ধারায় কিছু থাকা সত্ত্বেও, সরকারের অনুমোদন (sanction) ব্যতীত বাংলাদেশে এই ধরনের কোনো অভিযোগ তদন্ত করা যাবে না:
আরও শর্ত থাকে যে, এই ধারার অধীনে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে গৃহীত কোনো কার্যক্রম, যা বাংলাদেশে সংঘটিত হলে একই অপরাধের জন্য পরবর্তী কার্যক্রমের ক্ষেত্রে বাধা হতো, তা বাংলাদেশের সীমার বাইরের কোনো অঞ্চলে একই অপরাধের জন্য ১৯৭৪ সালের প্রত্যর্পণ আইন (Extradition Act, 1974) এর অধীনে তার বিরুদ্ধে আরও কার্যক্রমের ক্ষেত্রে বাধা হবে।

⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-188. Liability for offences committed outside Bangladesh:
When a citizen of Bangladesh commits an offence at any place without and beyond the limits of Bangladesh, or 
When any person commits an offence on any ship or aircraft registered in Bangladesh wherever it may be, 
he may be dealt with in respect of such offence as if it had been committed at any place within Bangladesh at which he may be found:
Political Agents to certify fitness of inquiry into charge:
Provided that notwithstanding anything in any of the preceding sections of this Chapter no charge as to any such offence shall be inquired into in Bangladesh except with the sanction of the Government: 
Provided, also, that any proceedings taken against any person under this section which would be a bar to subsequent proceedings against such person for the same offence if such offence had been committed in Bangladesh shall be a bar to further proceedings against him under the Extradition Act, 1974, in respect of the same offence in any territory beyond the limits of Bangladesh.

৮,৩৪৩.
মহানগর দায়রা আদালতের সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের অনুলিপি কার কাছে প্রেরণ করা হবে?
  1. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. ক এবং খ উভয়ের কাছে
সঠিক উত্তর:
চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা

ধারা ৩৭৩: দায়রা আদালত সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের অনুলিপি জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ-
দায়রা আদালত তার সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের একটি নকল চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।

অর্থাৎ,
⇒ মহানগর দায়রা আদালত হলে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।
⇒ এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।

৮,৩৪৪.
Where, on a transfer of property, an interest therein is created in favour of a person to take effect only upon the happening of a specified uncertain event, such interest is called:
  1. Vested interest
  2. Contingent interest
  3. Preferential interest
  4. None of the above
সঠিক উত্তর:
Contingent interest
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Contingent interest
ব্যাখ্যা
Section 21: Contingent interest

Where, on a transfer of property, an interest therein is created in favour of a person to take effect only on the happening of a specified uncertain event, or if a specified uncertain event shall not happen, such person thereby acquires a contingent interest in the property. Such interest becomes a vested interest, in the former case, on the happening of the event, in the latter, when the happening of the event becomes impossible. 
 
Exception.-Where, under a transfer of property, a person becomes entitled to an interest therein upon attaining a particular age, and the transferor also gives to him absolutely the income to arise from such interest before he reaches that age, or directs the income or so much thereof as may be necessary to be applied for his benefit, such interest is not contingent.
৮,৩৪৫.
কোনো আঘাত সর্বনিম্ন কত দিন পর্যন্ত যন্ত্রণা দিলে, তা মারাত্মক জখম বলে গণ্য হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ২০ দিন
সঠিক উত্তর:
২০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ The Penal Code, 1860 এর ৩২০ ধারা অনুযায়ী ৮ শ্রেণির আঘাতকে গুরুতর আঘাত বলা হয়েছে। যথা:
(i) পুরুষত্বহীনকরণ
(ii) স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ
(iii) স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ
(iv) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন
(v) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির স্থায়ী ক্ষতিকরণ
(vi) মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
(vii) হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা
(viii) কোন ব্যক্তিকে ২০ পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘাত।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংস করণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section: 320: Grievous hurt:
The following kinds of hurt only are designated as "grievous":- 
Firstly.-Emasculation. 
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye. 
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear. 
Fourthly.-Privation of any member or joint. 
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint. 
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face. 
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth. 
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.
৮,৩৪৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ৩৭ ধারা অনুসারে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যকরির বিকল্প হিসেবে রদের আবেদনটি কোন পর্যায়ে আদালতে প্রার্থনা করা যেতে পারে?
  1. সাক্ষ্যগ্রহণের পরে
  2. আপিল চলাকালীন
  3. মামলার রায়ের পর
  4. মামলার প্রাথমিক আবেদনে
সঠিক উত্তর:
মামলার প্রাথমিক আবেদনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার প্রাথমিক আবেদনে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৩৭ ধারার বিধান অনুযায়ী, যদি কেউ একটি লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যকরির জন্য মামলা দায়ের করে, তবে বাদীকে শুরুতেই, অর্থাৎ মামলার প্রাথমিক আবেদনে (plaint)- বিকল্পভাবে এই প্রার্থনাও করতে হয় যে, যদি আদালত চুক্তিটি কার্যকর করতে না পারে, তবে সেটি রদ (rescission) করে বাতিল ঘোষণা করা হোক।
এটি করার উদ্দেশ্য হলো- একই মামলায় সুনির্দিষ্ট কার্যকরির পাশাপাশি বিকল্প প্রতিকার (চুক্তি রদ) চাওয়া যাতে বাদী অপ্রতুলতা বা অকার্যকারিতার কারণে সম্পূর্ণভাবে বঞ্চিত না হন।
অতএব, এটি মামলার শুরুতেই প্রার্থনা করতে হয়, পরবর্তীতে (যেমন, সাক্ষ্যগ্রহণের পরে, রায়ের পর বা আপিলের সময়) প্রথমবার বিকল্প আবেদন করলে তা গ্রহণযোগ্য নাও হতে পারে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারার বিধান- সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মোকদ্দমার বিকল্প হিসাবে রদের আর্জি:
লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মোকদ্দমা রুজুকারী বাদী বিকল্প হিসাবে আবেদন অবহিত করতে পারেন যে, চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা না গেলে তা রদ করা হোক এবং বিলুপ্ত হিসাবে ত্যাগ করা হোক; এবং আদালত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করতে অস্বীকার করলে তা রদ করা এবং সে অনুসারে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।
--------  
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 37- Alternative prayer for rescission in suit for specific performance:
A plaintiff instituting a suit for the specific performance of a contract in writing may pray in the alternative that, if the contract cannot be specifically enforced, it may be rescinded and delivered up to be cancelled; and the Court, if it refuses to enforce the contract specifically, may direct it to be rescinded and delivered up accordingly.
৮,৩৪৭.
বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট এর বিচারকগণকে অপসারণের সুপারিশকারী কর্তৃপক্ষ -
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. সুপ্রীম জুডিসিয়াল কাউন্সিল
  4. জাতীয় সংসদ
সঠিক উত্তর:
সুপ্রীম জুডিসিয়াল কাউন্সিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রীম জুডিসিয়াল কাউন্সিল
ব্যাখ্যা

সুপ্রিম কোর্ট:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের এখতিয়ার বর্ণিত হয়েছে।
- সংবিধানের ৯৪ (১) অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, আপীল বিভাগ এবং হাইকোর্ট বিভাগ নিয়ে বাংলাদেশের জন্য সুপ্রিম কোর্ট গঠিত হবে।
- সুপ্রিম কোর্টের এই দুই বিভাগের পৃথক এখতিয়ার রয়েছে।
- সংবিধান ও সংবিধানের পাশাপাশি দেশের সাধারণ আইন (সংসদ কর্তৃক পাশকৃত আইন) এই এখতিয়ারের উৎস।
- ১৯৭২ সালের ১৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট প্রতিষ্ঠিত করা হয়।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদ অনুসারে (১৬তম সংশোধনী বাতিলের পর), সুপ্রীম কোর্টের বিচারকদের অসদাচরণ বা অসামর্থ্যের কারণে অপসারণের জন্য সুপ্রীম জুডিসিয়াল কাউন্সিল (SJC) তদন্ত করে রাষ্ট্রপতিকে সুপারিশ করে। SJC-এর চেয়ারম্যান প্রধান বিচারপতি এবং অন্যান্য সদস্য আপীল বিভাগের সিনিয়র বিচারক। এই রায় ২০২৪ সালের অক্টোবরে অ্যাপিলেট ডিভিশন কর্তৃক নিশ্চিত হয়েছে, যা বিচারবিভাগের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য সংসদের ক্ষমতা বাতিল করে।

অর্থাৎ, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের অপসারণের সুপারিশ করার জন্য সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল (Supreme Judicial Council) হলো মূল কর্তৃপক্ষ।
- আপিল বিভাগের এক রায়ের মাধ্যমে এই কাউন্সিলকে পুনরায় বিচারক অপসারণের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
- এর মাধ্যমে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীর মাধ্যমে বিচারপতি অপসারণের যে ক্ষমতা সংসদের হাতে ন্যস্ত করা হয়েছিল, সেটি সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের হাতে নেওয়া হয়েছে।

৮,৩৪৮.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারা অনুযায়ী সাক্ষী তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য কোনো কিছু দেখে নিতে পারে?
  1. ১৫৪ ধারা
  2. ১৫৬ ধারা
  3. ১৫৮ ধারা
  4. ১৫৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৫৯ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৯ ধারা
ব্যাখ্যা
The Evidence Act, 1872 এর ১৫৯ ধারা-স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করা (Refreshing memory):
একজন সাক্ষী, যখন সাক্ষ্য দিচ্ছে, তখন তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য নিজে দ্বারা লিপিবদ্ধ কোনো লেখা দেখতে পারে, যদি তা ঘটনার সময় বা ঘটনার পর এত তাড়াতাড়ি লেখা হয়ে থাকে যে আদালত মনে করে ঘটনার স্মৃতি তখনও তাজা ছিল।

সাক্ষী অন্য কোনো ব্যক্তির দ্বারা লেখা এমন কোনো লেখাও দেখতে পারে এবং তা পড়ে যদি সাক্ষী জানে যে লেখা সঠিক ছিল।

Section 159- Refreshing memory:
A witness may, while under examination, refresh his memory by referring to any writing made by himself at the time of the transaction concerning which he is questioned, or so soon afterwards that the Court considers it likely that the transaction was at that time fresh in his memory. 
 
The witness may also refer to any such writing made by any other person, and read by the witness within the time aforesaid, if when he read it he knew it to be correct.
৮,৩৪৯.
জমি কত দিনের মধ্যে স্বস্থানে পুনঃউদ্ভব (reformation in situ) হলে, তাতে মূল মালিকের স্বত্ব-স্বার্থ অক্ষুন্ন থাকবে?
  1. ১৫ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ৩০ বছর
  4. ৪০ বছর
সঠিক উত্তর:
৩০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ বছর
ব্যাখ্যা

• The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ৮৬ ধারায় সিকস্থি [Diluvion] এবং ৮৭ ধারায় পয়স্তি [Alluvion] সংক্রান্ত বিধান আলোচনা করা হয়েছে।

ধারা ৮৬ (২) মোতাবেক:
সিকস্তির কারণে নদীগর্ভে সিকস্তি জমি ৩০ বছরের মধ্যে স্বস্থানে পুনরায় জেগে উঠলে [Reformation-in-situ] অনুরূপ জমির স্বত্বাধিকারী বা তার স্বার্থের উত্তরাধিকারীর স্বত্ব, স্বার্থ এবং মালিকানা বজায় থাকবে।

বি.দ্র:
সরকার বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বা কোনো আইনের অধীনে উন্নয়নমূলক কাজের ফলে কৃত্রিম বা যান্ত্রিক পদ্ধতিতে জমিটি পুনঃউদ্ভব হলে সে ক্ষেত্রে উক্ত ধারার বিধান প্রযোজ্য হবে না (ধারা ৮৬ (৭))।

৮,৩৫০.
'একতরফাভাবে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করলে অপর পক্ষের হাজিরার ৭ দিনের ভেতরে শুনানির নিষ্পত্তি করতে আদালত বাধ্য'- এটি দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৯ আদেশের কোন বিধির বিধান?
  1. বিধি ২
  2. বিধি 
  3. বিধি ৩ক
  4. বিধি ৫ক
সঠিক উত্তর:
বিধি ৫ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি ৫ক
ব্যাখ্যা

আদেশ ৩৯, বিধি ৫ক, দেওয়ানি কার্যবিধি: অপর পক্ষের শুনানি ছাড়া অন্তবর্তী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেয়া যাবে না (No order of ad interim oг temporary injunction without hearing the opposite party):

⇒ কোন আদালত সরকারি আইনজীবীর উপর বিজ্ঞপ্তি (নোটিশ) জারি না করে এবং তাকে শুনানির সুযোগ প্রদান না করে বেসরকারি পক্ষের অনুরোধে সরকার বা বিধিবদ্ধ সংস্থার বিরুদ্ধে কোন একতরফা অন্তর্বর্তী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করবে না, যদি অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা কোন উন্নয়ন কর্মসূচী বা কর্ম বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অনিষ্ট বা হস্তক্ষেপ করার আশু সম্ভাবনা থাকে বা অন্যভাবে জনস্বার্থে অনিষ্টকর হয়।

⇒ কোন বেসরকারি পক্ষ অন্যকোন বেসরকারি পক্ষের বিপক্ষে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত করলে আদালত নোটিশ ছাড়া তা মঞ্জুর করবে না, তবে দেরীর কারণে নিষেধাজ্ঞা অনুমোদনের উদ্দেশ্যে ব্যাহত হলে সেক্ষেত্রে নোটিশ ছাড়া অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেয়া যাবে।

⇒ যদি বে-সরকারি পক্ষের অনুরোধ অপর বেসরকারি পক্ষের বিরুদ্ধে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদত্ত হয়, তাহলে অপর পক্ষের হাজির হওয়ার তারিখ থেকে ৭ দিনের মধ্যে শুনানি ও নিষ্পত্তি করতে হবে।

⇒ যে পক্ষের অনুরোধে অস্থায়ী বা অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেয়া হয় সেই পক্ষের বিরুদ্ধে যদি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় এবং দেখা যায় যে এরূপ নিষেধাজ্ঞার জন্য অন্যপক্ষের ক্ষতিসাধন হয়েছে তাহলে আদালত, অন্যপক্ষ যে খরচ পাবে তার অতিরিক্ত অনধিক ১০,০০০ টাকা ক্ষতিপূরণমূলক খরচ অনুমোদন করবেন।

৮,৩৫১.
দেওয়ানী কার্যবিধির ৭৫ ধারা অনুযায়ী আদালত নিচের কোন কারণে কমিশন নিয়োগ করতে পারে না?
  1. সাক্ষীকে পরীক্ষা
  2. স্থানীয় তদন্ত
  3. স্থাবর সম্পত্তির মূল্য নিধারণ করতে
  4. হিসাব পরীক্ষা ও সমন্বয়
সঠিক উত্তর:
স্থাবর সম্পত্তির মূল্য নিধারণ করতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থাবর সম্পত্তির মূল্য নিধারণ করতে
ব্যাখ্যা
♦ আদালতে সাক্ষ্য প্রদানের মাধ্যমে যেসব ঘটনা প্রমাণ করা সম্ভব হয় না সে সকল ক্ষেত্রে আদালত কমিশন প্রেরণ করেন। দেওয়ানী কার্যবিধির ৭৫ থেকে ৭৮ ধারা এবং ২৬ নং আদেশে দেওয়ানী মামলায় কমিশন সংক্রান্ত বিধান রয়েছে।

♦ আদালত নিজে বা কোন পক্ষের এফিডেভিটসহ আবেদনের ভিত্তিতে কমিশন নিয়োগ করতে পারে। দেওয়ানী কার্যবিধির ২৬ নং আদেশের বিধি ৩ এবং ৪(২) অনুযায়ী কমিশনার হিসেবে আদালত সাধারনত কোন উকিল বা অন্য কোন ব্যক্তিকে নিয়োগ দিতে পারে।

♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ৭৫ ধারা অনুযায়ী আদালত ৪টি কারণে কমিশন নিয়োগ করতে পারে। যথা-

i) কোন ব্যক্তি বা সাক্ষীকে পরীক্ষা (to examine any person); [ধারা-৭৫(ক)]

ii) স্থানীয় তদন্ত (local investigation); [ধারা-৭৫(খ)]

iii) হিসাব পরীক্ষা ও সমন্বয় (to examine and adjust accounts); (ধারা- ৭৫(গ)

iv) সম্পত্তি বাটোয়ারা (for partition)। [ ধারা-৭৫(ঘ)]

♦ স্থাবর সম্পত্তির মূল্য নিধারণ করতে আদালত কমিশন নিয়োগ করতে পারে না।
৮,৩৫২.
কোন স্বাক্ষীকে জেরা করার উদ্দেশ্য হচ্ছে-
  1. তার ব্যক্তিত্বের ধরার পরীক্ষা
  2. ভিন্ন দাবী প্রতিষ্ঠা করা
  3. তর্কিত বিষয়ে সত্য উদঘাটন
  4. তার মর্যাদা পরীক্ষা
সঠিক উত্তর:
তর্কিত বিষয়ে সত্য উদঘাটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তর্কিত বিষয়ে সত্য উদঘাটন
ব্যাখ্যা
♦জেরার সংজ্ঞা (Cross- Examination)- আহবানকারী পক্ষের সাক্ষীকে বিরুদ্ধ পক্ষ সাক্ষ্য গ্রহন করলে তাকে বলা হয় জেরা। অন্যভাবে বলা যায়, কোন সাক্ষী যে পক্ষের সাক্ষ্য দিতে আদালতে আসে, সে পক্ষের জিজ্ঞাসাবাদের পর বিপরীত পক্ষ যে জিজ্ঞাসাবাদ করে তাই জেরা বা Cross- Examination হিসেবে পরিচিত।
সাক্ষ্য আইনের ১৩৯, ১৪০, ১৪৩, ১৪৫, ১৪৬ ও ১৪৭ ধারায় জেরার বিধান রয়েছে।
সাক্ষ্য আইনের ১৪৬ ধারামতে নিম্নলিখিত উদ্দ্যেশ্যে জেরা করা যায়। যথা-
i) আসামীর সত্যবাদিতা, পরিচয় ও মর্যাদা উদ্ঘাটন এবং বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা;
ii) বিরুদ্ধ পক্ষের সাক্ষীর সাক্ষ্যকে নস্যাৎ বা দুর্বল করা;
iii) সাক্ষীর মুখ দিয়ে জেরাকারীর পক্ষে কথা বের করা; এবং
iv) সাক্ষীর বিশ্বাস যোগ্যতা খন্ডন করার মাধ্যমে প্রদত্ত সাক্ষ্যকে বিশ্বাসের অযোগ্য করে তোলার উদ্দ্যেশ্যে জেরা করা যায়।
v) তর্কিত বিষয়ে সত্য উদঘাটন করাও জেরার উদ্দ্যেশ্যে।
৮,৩৫৩.
অস্থাবর সম্পত্তির সম্পর্কিত ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়ের করার বিধান আছে The Code of Civil Procedure, 1908 এর কোন ধারায়?
  1. ১৮
  2. ১৯
  3. ২০
  4. ২১
সঠিক উত্তর:
১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯
ব্যাখ্যা
♦The Code of Civil Procedure, 1908 এর ১৯ ধারা মতে ব্যক্তি বা অস্থাবর সম্পত্তির প্রতি অনিষ্টের জন্য ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা (Suits for compensation for wrongs to person or movables): ব্যক্তি বা কোন অস্থাবর সম্পত্তির প্রতি এক আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে অনিষ্ট সাধন করা হলে এবং বিবাদী অন্য আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে বসবাস করলে বা ব্যবসা চালালে অথবা ব্যক্তিগতভাবে লাভের জন্য কাজ করলে, বাদী তার ইচ্ছা অনুসারে দুই আদলতের যেকোন একটিতে ক্ষতিপুরণের মোকদ্দমা করতে পারে।
৮,৩৫৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-১ এর অধীনে নিচের কোনটি ডিক্রির টাকা পরিশোধের পদ্ধতি নয়?
  1. ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে টাকা জমা দিয়ে
  2. দায়িকের স্থাবর সম্পত্তি ডিক্রিদারকে দখল দিয়ে
  3. ডিক্রিদারকে আদালতের বাইরে টাকা দিয়ে
  4. ডিক্রি প্রদানকারী আদালতের নির্দেশে অন্য উপায়
সঠিক উত্তর:
দায়িকের স্থাবর সম্পত্তি ডিক্রিদারকে দখল দিয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়িকের স্থাবর সম্পত্তি ডিক্রিদারকে দখল দিয়ে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর আদেশ-২১, বিধি-১: ডিক্রির টাকা পরিশোধ- ২১ নং আদেশের ১ নং বিধিমতে ডিক্রির টাকা ৩ ভাবে পরিশোধ করা যায়। যথা-
ⅰ) ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে টাকা জমা দিয়ে;
ii) ডিক্রিদারকে আদালতের বাহিরে টাকা দিয়ে; এবং
iii) ডিক্রি প্রদানকারী আদালতের নির্দেশে অন্য উপায়ে ডিক্রির টাকা পরিশোধ করা যায়।

উল্লিখিত প্রশ্নে দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-১ এর অধীনে 'দায়িকের স্থাবর সম্পত্তি ডিক্রিদারকে দখল দিয়ে' ডিক্রির টাকা পরিশোধের পদ্ধতি নয়।

⇒ ডিক্রি জারির সংজ্ঞা (Definition of Execution of Decree)- আদালত প্রদত্ত ডিক্রিকে বলবৎ বা বাস্তবায়ন করাকে ডিক্রি জারি বা executuion of decree বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৬ থেকে ৭৪, ১৩৫ক ধারা এবং ২১ নং আদেশের ১ থেকে ১০৩ বিধিসমূহে ডিক্রি জারিকরণ সংক্রান্ত সকল নিয়মাবলী আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ কোন মোকদ্দমার রায়ে যার পক্ষে ডিক্রি দেয়া হয় তিনি আপনা আপনি ডিক্রির ফল ভোগ করতে পারবেন না। জারিযোগ্য ডিক্রির ক্ষেত্রে তাকে নতুন করে একটি ডিক্রি জারির মামলা করতে হয়। নির্দিষ্ট ফরম পূরণপূর্বক জাবেদা নকল সহ ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে বা যে আদালতে ডিক্রি স্থানান্তর করা হয়েছে সে আদালতে ডিক্রি জারির আবেদন করতে হয়।

⇒ডিক্রি জারির পদ্ধতি- দেওয়ানী কার্যবিধির ৫১ ধারামতে ৫টি উপায়ে আদালত ডিক্রি জারি বা ডিক্রি কার্যকর করতে পারে। যথা-
i) সম্পত্তি অর্পণ (by delivery);
ii) ক্রোক ও বিক্রয় (attachment and sale);
iii) দেনাদারকে গ্রেফতার ও কারাগারে আটক;
iv) রিসিভার নিয়োগ; এবং
ⅳ) প্রতিকারের প্রকৃতি অনুযায়ী অন্য কোন উপায়ে।
৮,৩৫৫.
বেসরকারি সম্পত্তিতে সুখাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য কত বছর শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ করতে হয়?
  1. ১২ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ৩০ বছর
  4. ৬০ বছর
সঠিক উত্তর:
২০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ২৬ ধারায় বলা হয়েছে, যদি কেউ বেসরকারি সম্পত্তিতে কোন একটি সুখাধিকার যেমন: আলো-বাতাস, রাস্তা/পথ, পানি ব্যবহার, জলস্রোত, ইত্যাদি শান্তিপূর্ণ, নিরবচ্ছিন্ন এবং প্রকাশ্যভাবে ২০ বছর ধরে ভোগ করে আসেন এবং সেটি অধিকার বলে ভোগ করেন, তাহলে উক্ত ব্যক্তি ঐ সুখাধিকারের উপর একটি নিরঙ্কুশ ও অলঙ্ঘনীয় অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পারেন।
- তবে, এই ২০ বছর পূর্ণ হওয়ার পরবর্তী ২ বছরের মধ্যে তাকে আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে, অন্যথায় অধিকার প্রতিষ্ঠার সুযোগ নষ্ট হয়ে যাবে।
বেসরকারি সম্পত্তি → ২০ বছর।
সরকারি সম্পত্তি → ৬০ বছর।

⇒ তামাদি আইনের ২৬ ধারার বিধান: সুখাধিকার সমূহ অর্জন (Acquisition of right to easements):
(১) যেইক্ষেত্রে কোন দালানে আলো বা বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার সুখাধিকার হিসাবে এবং অধিকার হিসাবে অব্যাহতভাবে এবং বিশ বৎসর যাবত শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ করা হইয়াছে,
এবং যেইক্ষেত্রে কোন পথ বা জলস্রোত অথবা কোন পানির ব্যবহার অথবা অন্য যে কোন সুখাধিকার (ইতিবাচক, নৈতিবাচক যাহাই হউক না কেন) কোন ব্যক্তি সুখাধিকার ও অধিকার হিসাবে উহাতে স্বত্ব দাবি করিয়া অব্যাহতভাবে এবং বিশ বৎসর যাবত শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করিয়াছে, সেইক্ষেত্রে অনুরূপ আলো-বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার, পথ, জলস্রোত, পানির ব্যবহার অথবা অন্য কোন সুখাধিকার নিরঙ্কুশ ও অলংঘনীয় অধিকারে পরিণত হইবে।
যদি কোন মামলায় উক্তরূপ কোন অধিকারের দাবির বিরোধিতা করা হয়, সেই মামলায় উক্ত উভয় ক্ষেত্রেই বিশ বৎসর বলিতে মামলা দায়েরের তারিখের অব্যবহিত পূর্ববতী দুই বৎসরের মধ্যে সমাপ্ত বিশ বৎসর বুঝাইবে।
(২) যে সম্পত্তির উপর (১) উপধারা অনুসারে অধিকার দাবি করা হয়, তাহা যদি সরকারের সম্পত্তি হয় তবে উক্ত উপধারায় বিশ বৎসর কথাগুলির স্থলে ষাট বৎসর কথাগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

ব্যাখ্যা: এই ধারার অর্থানুসারে কোন কিছুই ব্যাহত হইবে না যদি দাবিদার ব্যতীত অন্য কোন লোকের কার্য দ্বারা বাধার ফলে দখল বা ভোগে প্রকৃত বিরতি না হয় এবং যদি উক্ত বাধা মানিয়া না লওয়া হয় অথবা উহাতে মৌন সম্মতি প্রকাশ না করা হয় এবং তাহা দাবিদারের গোচরীভূত হইবার পর এক বৎসর অতিবাহিত হয়।

উদাহরণ: (ক) পথ চলার অধিকারে বাধা প্রদানের জন্য ১৯১১ সালে একটি মামলা দায়ের করা হয়। বিবাদী বাধা প্রদানের কথা স্বীকার করে কিন্তু পথ চলার অধিকারের প্রতি অস্বীকৃতি জানায়। বাদী প্রমাণ করে যে, সে এই অধিকার ১৮৯০ সালের ১লা জানুয়ারি হইতে ১৯১০ সালের ১লা জানুয়ারি পর্যন্ত অব্যাহতভাবে উহাতে সুখাধিকার হিসাবে স্বত্ব দাবি করিয়া শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করিয়াছে। বাদী স্বীয় অনুকূলে রায় পাইবার অধিকারী।
(খ) অনুরূপ এক মামলায় বাদী দাবি করে যে, সে এই অধিকার শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে বিশ বৎসর যাবত ভোগ করিয়াছে, বিবাদী প্রমাণ করে যে, ঐ বিশ বৎসরের মধ্যে বাদী একবার এই অধিকার ভোগের জন্য তাহার অনুমতি প্রার্থনা করিয়াছিল। মামলাটি খারিজ হইয়া যাইবে।
৮,৩৫৬.
এক সরকারি কর্মচারী দ্বারা শাহিনকে গণ উৎপাত বন্ধ করার জন্য নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। তবে, শাহিন পরবর্তীতে আবারও গণ উৎপাত শুরু করে। শাহিনের বিরুদ্ধে কোন ধারা প্রযোজ্য হবে?
  1. ধারা ২৮৯
  2. ধারা ২৯১
  3. ধারা ২৯৫
  4. ধারা ২৯৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৯১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৯১
ব্যাখ্যা
ধারা ২৯১: নিষেধাজ্ঞার পরও গণ উৎপাত অব্যাহত রাখা:
যে ব্যক্তি কোন সরকারি কর্মচারী দ্বারা আইনীভাবে নিষেধাজ্ঞা প্রদানের পরেও গণ উৎপাত পুনরায় চালিয়ে যায় বা অব্যাহত রাখে, তাকে ছয় মাস পর্যন্ত সাধারণ কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

Section 291- Continuance of nuisance after injunction to discontinue:
Whoever repeats or continues a public nuisance, having been enjoined by any public servant who has lawful authority to issue such injunction not to repeat or continue such nuisance, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine, or with both.
৮,৩৫৭.
অধস্তন আদালতের ভাষা কি হবে তা The Code of Civil Procedure, 1908 এর কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ১২৮
  2. ১০৭
  3. ১৩৭
  4. ১৪০
সঠিক উত্তর:
১৩৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৭
ব্যাখ্যা
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ১৩৭ ধারায় বলা আছে- সরকার অধস্তন আদালতের ভাষা নির্ধারণ করবে।

অন্যান্য অপশন-

ধারা ১০৭- আপিল আদালতের ক্ষমতা:
ধারা ১২৮- কোনো কোনো বিষয়ে সুপ্রীমকোর্ট রুল প্রণয়ন করতে পারে:
ধারা ১৪০- উদ্ধারমূল্য, ইত্যাদি নির্ধারক সম্পর্কে (Assessors in causes of salvage, etc.) এর বিধান রয়েছে।
৮,৩৫৮.
Res Gestae সাক্ষ্য কীভাবে প্রমাণিত হয়?
  1. স্বাক্ষরের মাধ্যমে
  2. সাক্ষী দ্বারা কথা বলার মাধ্যমে
  3. আক্রমণকারী ব্যক্তির বক্তব্য দিয়ে
  4. ঘটনার সময় বা পরবর্তীতে প্রাসঙ্গিক বক্তব্য বা আচরণে
সঠিক উত্তর:
ঘটনার সময় বা পরবর্তীতে প্রাসঙ্গিক বক্তব্য বা আচরণে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘটনার সময় বা পরবর্তীতে প্রাসঙ্গিক বক্তব্য বা আচরণে
ব্যাখ্যা
⇒ Res Gestae বা 'একই কার্যের অংশ'- Res Gestae (রেস গেস্টাই) অর্থ হলো একই কাজের অংশ বিশেষ বা একই Transaction এ সংগঠিত অনেকগুলো ঘটনা।
- অর্থাৎ কোন একটি কাজ করতে গিয়ে উক্ত কাজের ধারাবাহিকতায় অন্য যে-সব কাজ করা হয় বা পারিপার্শ্বিক অবস্থা তা ঐ একই কাজের ধারাবাহিক অংশ হিসেবে Res Gestae বলে পরিচিত।
- সাক্ষ্য আইনের ৬ থেকে ৯ এবং ১৪ ধারায় Res Gestae (রেস গেস্টাই) নীতির বিধান রয়েছে।
- Res Gestae হলো এমন এক প্রকার সাক্ষ্য যা কোনো ঘটনার সঙ্গে এত নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত থাকে যে, তার প্রকৃতি ও কারণ বুঝতে সাহায্য করে। এই ধরনের সাক্ষ্য মূলত সেই ঘটনা বা আচরণের অংশ হয় যা ঘটনার সময় বা ঘটনার খুব শিগগির পরে স্বাভাবিকভাবে ঘটে।
- Res Gestae সাক্ষ্য প্রমাণিত হয় ঘটনার সময় বা পরবর্তীতে প্রাসঙ্গিক বক্তব্য বা আচরণ দ্বারা, যার মাধ্যমে আদালত ঘটনাটির প্রকৃতি এবং তার সঙ্গে সম্পর্কিত প্রাসঙ্গিকতা বোঝে।
৮,৩৫৯.
"Quo Warranto" রিট কখন জারি করা হয়?
  1. অবৈধভাবে আটক ব্যক্তিকে মুক্ত করার ক্ষেত্রে
  2. কোনো ব্যক্তির সরকারি পদে অধিষ্ঠানের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করতে
  3. যখন আদালত মনে করে যে কোনো আইন অসাংবিধানিক
  4. যখন আদালত রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপত্তি তোলে
সঠিক উত্তর:
কোনো ব্যক্তির সরকারি পদে অধিষ্ঠানের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো ব্যক্তির সরকারি পদে অধিষ্ঠানের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করতে
ব্যাখ্যা
⇒ কারণ দর্শাও রিট [Writ of Quo Warranto]
কোন ব্যক্তি কোন সরকারী পদ দাবী করতে পারে না যদি না উক্ত পদে তার কোন আইনগত দাবী থাকে। কোন ব্যক্তি কোন সরকারী পদে আসীন থাকলে বা আছে বলে মনে হলে, সেই ক্ষেত্রে কোন কর্তৃত্ববলে উক্ত ব্যক্তি উক্ত পদ দাবী করছে তা জানের চেয়ে হাইকার্ট বিভাগ কারণ দর্শানোর রিট জারী করতে পারে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের বিধান:- কতিপয় আদেশ ও নির্দেশ প্রভৃতি দানের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতা: 
(২) হাইকোর্ট বিভাগের নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, আইনের দ্বারা অন্য কোন সমফলপ্রদ বিধান করা হয় নাই, তাহা হইলে
(খ) যে কোন ব্যক্তির আবেদনক্রমে-

(অ) আইনসংগত কর্তৃত্ব ব্যতিরেকে বা বেআইনী উপায়ে কোন ব্যক্তিকে প্রহরায় আটক রাখা হয় নাই বলিয়া যাহাতে উক্ত বিভাগের নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইতে পারে, সেইজন্য প্রহরায় আটক উক্ত ব্যক্তিকে উক্ত বিভাগের সম্মুখে আনয়নের নির্দেশ প্রদান করিয়া, অথবা

(আ) কোন সরকারি পদে আসীন বা আসীন বলিয়া বিবেচিত কোন ব্যক্তিকে তিনি কোন্ কর্তৃত্ববলে অনুরূপ পদমর্যাদায় অধিষ্ঠানের দাবী করিতেছেন, তাহা প্রদর্শনের নির্দেশ প্রদান করিয়া উক্ত বিভাগ আদেশদান করিতে পারিবেন।
৮,৩৬০.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর বিধান অনুযায়ী একই গ্রামে এক প্রজার মালিকানাধীন পৃথক ভূখণ্ড সংযুক্ত করার উদ্দেশ্যে আদেশ প্রদান করেন:
  1. আদালত
  2. রাজস্ব কর্মকর্তা
  3. উপজেলা নির্বাহী অফিসার
  4. স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি
সঠিক উত্তর:
রাজস্ব কর্মকর্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজস্ব কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
• The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১১৬ ধারা- একই গ্রামে প্রজার জোতের সংযুক্তকরণ:
একই গ্রামের মধ্যে একই প্রজার যদি পৃথক একাধিক ভূখণ্ড থাকে, তবে উক্ত ভূখণ্ডগুলি কিংবা উহার কতিপয় যদি পৃথক প্রজাস্বত্বের অধীন হয়, তবে উক্ত ভূখণ্ডগুলি রাজস্ব কর্মকর্তার আদেশক্রমে একই প্রজাস্বত্বে সংযুক্ত করা যাইবে।

Section 116- Amalgamation of holdings of a tenant in the same village:
Where various parcels of land are held by one tenant within one village, and such parcels of land or some of them are the subject of separate tenancies, such parcels of land shall, under the orders of the Revenue-officer, be amalgamated into one tenancy.
৮,৩৬১.
দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ আদেশ ৪৩ এর বিধান কি?
  1. নিঃস্ব ব্যক্তির আপীল
  2. আদেশ বিরুদ্ধে আপীল
  3. আপীলের ডিক্রী থেকে আপীল
  4. মূল ডিক্রী থেকে আপীল
সঠিক উত্তর:
আদেশ বিরুদ্ধে আপীল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ বিরুদ্ধে আপীল
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪৩ এর বিধান হলো আদেশের বিরুদ্ধে আপীল
⇒ সাধারনত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল চলে না তবে আদেশটি যদি আপিল যোগ্য আদেশ হয় তাহলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়।
আদেশ ৪৩ এবং ধারা ১০৪ এর মধ্যে আপীল যোগ্য আদেশ সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে।
৮,৩৬২.
'ক' ১,০০০ টাকার বিনিময়ে তার নির্দিষ্ট পরিমাণ জমি 'খ' বরাবর উইল করে দিতে চুক্তিবদ্ধ হয়। চুক্তির পরপরই 'ক' উইল না করে মারা যায় এবং 'গ' তার সম্পত্তির প্রশাসনভার গ্রহণ করে। এক্ষেত্রে 'খ', 'গ'-এর বিরুদ্ধে-
  1. কোনো প্রতিকার পাবে না
  2. চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন দাবি করতে পারে না
  3. চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন দাবি করতে পারে
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন দাবি করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন দাবি করতে পারে
ব্যাখ্যা
ধারা ২৭- পক্ষগণ ও তাদের নিকট প্রাপ্ত পরবর্তী স্বত্ত্বাধীন দাবিদার ব্যক্তি এবং পক্ষসমূহের বিরুদ্ধে প্রতিকার:

যদি এই অধ্যায়ে ভিন্নরূপ কোন বিধিবদ্ধ আইন না থাকলে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন কার্যকরী করা যেতে পারে-
ক) যেকোন পক্ষের বিরুদ্ধে;

খ) চুক্তির পরবর্তী সময়ে উদ্ভূত স্বত্ব কর্তৃক তার অধীনে দাবিরত যেকোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে, যদি না সে মূল্যের বিনিময়ে এমন একজন হস্তান্তরগ্রহীতা হয়, যে সরল বিশ্বাসে মূল চুক্তি সম্বন্ধে অবগত না থেকে তার অর্থ প্রদান করেছিল।

গ) এমন স্বত্বের আওতাধীন দাবিদার ব্যক্তির বিরুদ্ধে, যা যদিও চুক্তির পূর্ববর্তী ছিল এবং বাদী অবহিত ছিল, তবুও তা প্রতিবাদী স্থানচ্যুত করে থাকবে;

ঘ) যেক্ষেত্রে পাবলিক কোম্পানি চুক্তিবদ্ধ হয় এবং তার পর পরই তা অন্য পাবলিক কোম্পানির সাথে মিলিত হয়, সেক্ষেত্রে মিলিত হওয়ার কারণে সৃষ্ট নূতন কোম্পানির বিরুদ্ধে;

ঙ) যেক্ষেত্রে পাবলিক কোম্পানির উদ্যোক্তা ব্যক্তিগণ, কোম্পানি গঠনের আগেই চুক্তি করে, সেক্ষেত্রে কোম্পানির বিরুদ্ধে; যদি কোম্পানি চুক্তি অনুমােদন ও গ্রহণ করে থাকে এবং কোম্পানি গঠনের শর্ত দ্বারা চুক্তি সমর্থিত হয়ে থাকে।

উদাহরণসমূহ: উপধারা-খ এর-
- ক ১,০০০ টাকার বিনিময়ে তার নির্দিষ্ট পরিমাণ জমি উইল করে দিতে চুক্তিবদ্ধ হয়। চুক্তির পরপরই ক উইল না করে ইন্তেকাল করে এবং গ তার সম্পত্তির প্রশাসনভার গ্রহণ করে। খ, গ-এর বিরুদ্ধে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন কার্যকরী করতে পারে।

- ক কতক নির্দিষ্ট জমি খ-এর কাছে বিক্রয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়। চুক্তি সম্পাদনের পূর্বেই ক পাগল হয়ে যায় এবং গ-কে তার কার্যনির্বাহক নিযুক্ত করা হয়। খ গ-এর বিরুদ্ধে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন করতে পারে।
৮,৩৬৩.
গবাদি পশুকে হত্যা, বিষ প্রয়োগ কিংবা বিকলাঙ্গ করার মাধ্যমে ক্ষতি সাধনের শাস্তি-
  1. অনধিক ৫ বৎসর কারাদন্ড বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড
  2. অনধিক ৩ বৎসর কারাদন্ড বা অর্থদন্ড
  3. অনধিক ৭ বৎসর কারাদন্ড বা অর্থদন্ড
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৫ বৎসর কারাদন্ড বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৫ বৎসর কারাদন্ড বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধি ৪২৯ ধারার বিধান যেকোন মূল্যের গবাদিপশু ইত্যাদি বা পঞ্চাশ টাকা মূল্যের কোন জন্তু বিকলাঙ্গ করিয়া অনিষ্ট সাধনঃ

কোন ব্যক্তি যদি যে কোন মূল্যের হাতি, উট, ঘোড়া, খচ্চর, মহিষ, ষাড়, গাভী বা গরু, অথবা পঞ্চাশ টাকা বা তদূর্ধ্ব মূল্যের অপর কোন পশুকে হত্যা করে, বিষ প্রয়োগ করে, বিকলাঙ্গ করে বা অকেজো করে ক্ষতি সাধন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি পাঁচ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
৮,৩৬৪.
"হেবা-বিল-অ্যাওয়াজ" এর বৈশিষ্ট্য কোনটির সাথে তুলনীয়?
  1. যৌথ খরচ
  2. নিঃস্বার্থ দান
  3. বিক্রয় চুক্তি
  4. ব্যবসায়িক অংশীদারিত্ব
সঠিক উত্তর:
বিক্রয় চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিক্রয় চুক্তি
ব্যাখ্যা
হেবা:
কোন একজন মুসলিম অন্য কোন একজন মুসলমানকে কোন প্রকার বিনিময় ব্যাতিত সম্পত্তি হস্তান্তর করাকে হেবা বলে। দানকে মুসলিম আইনে হেবা বলা হয়। হেবার মাধ্যমে একজন সম্পত্তির মালিক তার ওয়ারিশদের বা অন্য কাউকে সম্পত্তি হস্তান্তর করতেপারেন। সম্পত্তি হস্তান্তর আইন- ১৮৮২ অনুযায়ী কোনো স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তিস্বেচ্ছায় কোনো বিনিময় ব্যাতিত অন্য কার কাছে সম্পত্তি হস্তান্তর করে দেওয়াকে হেবা বলে।

কোন হেবা আইনানুগ হতে হলে অবশ্যই সেখানে তিনটি শর্ত পূরন করতে হবে
- হেবার ঘোষনা বা প্রস্তাব।
- দান গ্রহীতা কতৃক হেবা গ্রহন।
- দাতা কতৃক হেবা গ্রহীতাকে হেবার বিষয় বস্তুর দখল প্রদান।

হেবার প্রকারভেদসমূহ:

হেবা-বিল-অ্যাওয়াজ:
হেবা-বিল-অ্যাওয়াজ হলো সম্পত্তির মূল্যের পরিশধের বিনিময়ে হেবা। হেবা বা দানের ক্ষেত্রে এটি একটি বিশেষ ব্যতিক্রম । প্রকৃ্ত পক্ষে এটি বিক্রয়ের সমতুল্য। এতে ক্রয় চুক্তির যাবতীয় উপাদান বিদ্যমান থাকে। হেবা-বিল-অ্যাওয়াজর বিনিময়ের পর্যাপ্ততা সম্পর্কে মুসলিম জুরিস্টদের মত হলো বিনিময়ে প্রাপ্ত মূল্যের মান প্রদত্ত সম্পত্তির সাথে সঙ্গে তুলনামূলক ভাবে কম হলেও অ্যাওয়াজটি বে-আইনি হবে না। এই হেবাকে বৈধ করতে হলে দুটি শর্ত অবশ্যই পালন করতে হবে-
১। দান গ্রহিতা কর্তৃক হেবা-বিল-অ্যাওয়াজ এর বিনিময় মূল্যে প্রকৃ্ত অর্থেয় দিতে হবে ।
২। দাতার মালিকানা পরিত্যাগকরত দান করার আন্তরিক অভিপ্রায় ব্যক্ত করতে হবে।

হেবা বা শর্ত-উল-এওয়াজ:
আরেক রকম হেবা আছে, যাকে হেবা বা শর্ত-উল এওয়াজ বলা হয়। কোন একজন মুসলিমঅন্য কোন একজন মুসলমানকে কোন প্রকার বিনিময় প্রদানের শর্তযুক্ত সম্পত্তি হস্তান্তর করাকে হেবা বা শর্ত-উল-এওয়াজ বলে। হেবা বা শর্ত-উল-এওয়াজ মূলত দান। এটা সম্পাদন হওয়ার জন্য দখল হস্তান্তর আবশ্যক। বিনিময় প্রদানের পূর্বে হেবা বা শর্ত-উল এওয়াজ বাতিলও করা যায়।
৮,৩৬৫.
খুনের শাস্তির বিধান দণ্ডবিধির কত ধারায় রয়েছে?
  1. ২৯৯
  2. ৩০২
  3. ৩০১
  4. ৩০৪
সঠিক উত্তর:
৩০২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০২
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০২ ধারার বিধান খুনের সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি খুনের অপরাধ করে তবে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
-----------------
⇒ The Penal Code, 1860: Section 302. Punishment for murder:-Whoever commits murder shall be punished with death, or imprisonment for life, and shall also be liable to fine.
৮,৩৬৬.
আদেশ ৪১ বিধি-১৭ অনুযায়ী একতরফাভাবে আপিল শুনানির শর্ত কী?
  1. আদালত চাইলে যেকোনো পরিস্থিতিতে
  2. শুধুমাত্র রেসপন্ডেন্ট উপস্থিত থাকলে
  3. আপিলকারী ও রেসপন্ডেন্ট উভয়েই অনুপস্থিত থাকলে
  4. আপিলকারী উপস্থিত থাকলে, কিন্তু রেসপন্ডেন্ট অনুপস্থিত থাকলে
সঠিক উত্তর:
আপিলকারী উপস্থিত থাকলে, কিন্তু রেসপন্ডেন্ট অনুপস্থিত থাকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলকারী উপস্থিত থাকলে, কিন্তু রেসপন্ডেন্ট অনুপস্থিত থাকলে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪১ বিধি-১৭: আপিলকারীর বরখেলাপের জন্য আপিল খারিজ করা:
১) যেক্ষেত্রে নির্ধারিত দিনে অথবা অন্য যে দিনের জন্য শুনানি মূলতবী হতে পারে ঐ দিনে আপিল শুনানির জন্য ডাক পড়লে আপিলকারী অনুপস্থিত থাকে, সেক্ষেত্রে আদালত আপিল খারিজের আদেশ দিতে পারবে।

২) একতরফাভাবে আপিল শুনানিঃ যেক্ষেত্রে আপিলকারী হাজির হয়, কিন্তু রেসপন্ডেন্ট উপস্থিত হয় না, সেক্ষেত্রে একতরফাভাবে আপিলের শুনানি হবে।

Order 41 Rule 17: Dismissal of appeal for appellant's Default-
1) Where on the day fixed, or on any other day to which the hearing may be adjourned, the appellant does not appear when the appeal is called on for hearing, the Court may an order that the appeal be dismissed.

2) Hearing appeal ex parte: Where the appellant appears and the respondent does not appear, the appeal shall be heard ex parte.
৮,৩৬৭.
একজন ব্যক্তি যদি তার নিজ স্ত্রীকে ধর্ষণ করে এবং স্ত্রীর বয়স বারো বছরের নিচে না হয়, তবে সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ২ বছর কারাদণ্ড
  2. ৫ বছর কারাদণ্ড
  3. ১০ বছর কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ক) ২ বছর কারাদণ্ড।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৬ ধারার ব্যতিক্রমী বিধান অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি তার নিজ স্ত্রীকে ধর্ষণ করে এবং স্ত্রীটির বয়স বারো বছরের নিচে না হয়, তবে সে ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ ২ বছর মেয়াদে সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত করা যেতে পারে।
এই বিধানটি একটি Exception হিসেবে ধারা ৩৭৬-এ যুক্ত রয়েছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৬ ধারার বিধান ধর্ষণের সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি ধর্ষণের অপরাধ করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে, যদি না ধর্ষিত স্ত্রীলোকটি তার নিজ স্ত্রী হয় ও বারো বৎসরের কম বয়স্কা না হয়; যদি তদ্রূপ হয়, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 376. Punishment for rape:- Whoever commits rape shall be punished with imprisonment for life or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine, unless the woman raped is his own wife and is not under twelve years of age, in which case he shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

৮,৩৬৮.
অর্থঋণ মামলার কোন পর্যায়ে পক্ষগন আপোষ-মীমাংসা করতে পারে?
  1. শুধু মূল মামলা চলাকালীন
  2. মূল মামলা চলাকালীন বা বিচার কার্যক্রমের পর যে কোন পর্যায়ে
  3. বিচার কার্যক্রমের পূর্বে
  4. মামলার ডিক্রি দেয়ার পূর্বে
সঠিক উত্তর:
মূল মামলা চলাকালীন বা বিচার কার্যক্রমের পর যে কোন পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল মামলা চলাকালীন বা বিচার কার্যক্রমের পর যে কোন পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
• অর্থ ঋণ আদালত,২০০৩ আইনে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে অর্থ ঋণ সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির ২টি পদ্ধতি আলোচনা করা হয়েছে। যথা
১. মধ্যস্থতার মাধ্যমে
২. আপোষ নিষ্পত্তির মাধ্যমে

• ধারা ২২ থেকে ২৫ এবং ৩৮, এবং ৪৪ক ধারায় মধ্যস্থতা সম্পর্কিত বিধান করা হয়েছে। 
অর্থ ঋণ মামলার ক্ষেত্রে ২২ ধারা অনুসারে লিখিত জবাব দাখিলের পর মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করা যায়। এই পর্যায়ে মধ্যস্থতা ব্যর্থ হলে ২৩ ধারার অধীন রায় বা আদেশ প্রদানের পূর্বে পুনরায় বিকল্প পদ্ধতিতে মামলা নিষ্পত্তি করতে পারে। আবার ৩৮ ধারা অনুসারে জারীর পর্যায়ে মধ্যস্থতার মাধ্যমে জারী মামলার বিষয়বস্তু নিষ্পত্তি করা যায় এবং ৪৪ক ধারায় আপীল বা রিভিশনের পর্যায়ে মধ্যস্থতার মাধ্যমে আপীল বা রিভিশন মামলার বিষয়বস্তু নিষ্পত্তি করা যায়।
অন্যদিকে আপোষ নিষ্পত্তির বিষয়টি ৪৫ ধারায় উল্লেখ আছে।

• ধারা ৪৫ (মামলায় আপোষ নিষ্পত্তি)-

বিচার কার্যক্রমের পরবর্তী যে কোন পর্যায়ে, কোন মামলার আপোষ নিষ্পত্তি করা হতে পক্ষগণকে বারিত করবে না। অর্থাৎ অর্থ ঋণ মামলার বিচার কার্যক্রমের পর যে কোন পর্যায়ে, পক্ষগণ মামলার আপোষ নিষ্পত্তি করতে পারবে।
৮,৩৬৯.
সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারায় নিম্নের কোনটির সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. Examination in Chief
  2. Cross Examination
  3. Re-examination
  4. উল্লিখিত সবগুলোর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলোর
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারায় জবানবন্দি (Examination in Chief), জেরা (Cross Examination), এবং পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief]-
যে পক্ষ সাক্ষীকে হাজির করে সেই পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তখন তাকে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief] বলে।

জেরা [Cross Examination]-
বিরুদ্ধ পক্ষ যখন সেই সাক্ষীকে প্রশ্ন করে, তখন তাকে জেরা বলে [Cross Examination] বলে।

পুন: জবানবন্দি [Re-examination]-
জেরার পর সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ যদি আবার সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তবে তাকে পুন: জবানবন্দি (Re- examination) বলে।
৮,৩৭০.
তামাদি আইন অনুযায়ী ডিক্রির অর্থ কিস্তিতে পরিশোধের অনুমতি চেয়ে মামলা দায়েরের সর্বোচ্চ সময়সীমা কত?
  1. ৩০ দিন
  2. ৯০ দিন
  3. ৬ মাস
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন অনুযায়ী, ডিক্রির অর্থ কিস্তিতে পরিশোধের অনুমতি চেয়ে মামলা দায়েরের সর্বোচ্চ সময়সীমা ৬ মাস।
- এই সময়সীমা ডিক্রির তারিখ হতে গণনা করা হয়। অর্থাৎ, ডিক্রি জারি হওয়ার পর থেকে ৬ মাসের মধ্যে মামলা করতে হবে যদি কিস্তিতে পরিশোধের অনুমতি চাওয়া হয়।
- এটি তামাদি আইন, অনুচ্ছেদ ১৭৫ এর অধীনে নির্ধারিত সময়সীমা।


৮,৩৭১.
তামাদি আইনের ২১ ধারা অনুসারে ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধি বলতে কাদের বোঝাবে?
  1. আইনসম্মত অভিভাবক
  2. কমিটি বা ম্যানেজার
  3. কমিটি বা ম্যানেজার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা

ধারা-২১;অক্ষম ব্যক্তির প্রতিনিধি:
উপধারা-(১) অত্র আইনের ১৯ ও ২০ ধারায় 'তাহার পক্ষে যথাবিহিতরূপে ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধি' বলিতে অপারগতাগ্রস্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে তাহার আইন সম্মত অভিভাবক, কমিটি বা
ম্যানেজারকে অথবা অনুরূপ অভিভাবক, কমিটি বা ম্যানেজার কর্তৃক স্বীকৃতি স্বাক্ষর করিবার বা অর্থ প্রদান করিবার জন্য ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে বুঝাইবে।
উপধারা-(২) যৌথ চুক্তিকারী প্রভৃতির একজন কর্তৃক স্বীকৃতি বা অর্থ প্রদান (Acknowledgment or payment by one of several joint contractors, etc.) উপরোক্ত ধারাগুলি কোনো বিধানবলে যৌথ চুক্তিকারী, অংশীদার, নির্বাহক বা বন্ধকগ্রহীতাগণের মধ্যে একজনের বা একাধিক জনের অথবা তাহাদের একজনের বা একাধিকজনের প্রতিনিধির স্বাক্ষরিত কোনো লিখিত স্বীকৃতির ফলে বা অর্থ প্রদানের ফলে অপরজনকে কোনো দেনার জন্য দায়ী করা যাইবে না।
উপধারা-(৩) উপেরাক্ত ধারাগুলির উদ্দেশ্য সাধনকল্পে--
(ক) হিন্দু আইনের আওতাধীন কোনো বিধান অথবা কোনো সম্পত্তিতে সীমিত স্বত্বে স্বত্ববান কোনো ব্যক্তি বা তাহার যথাবিহিত ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধি কর্তৃক কোনো দায়েরের ব্যাপারে স্বাক্ষরিত স্বীকৃতি বা অর্থ প্রদান উক্ত দায়ের পরবর্তী উত্তরাধীকারীর প্রতিকূলে বৈধ স্বীকৃতি বা অর্থ প্রদান হিসাবে গণ্য হইবে।
(খ) যেইক্ষেত্রে কোনো অবিভক্ত হিন্দু পরিবার বা তত্পক্ষ কেহ কোনো দায়গ্রস্ত হইয়াছে, সেইক্ষেত্রে উক্ত পরিবারের ম্যানেজার বা তাহার যথাবিহিত ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো প্রতিনিধি কোনো স্বীকৃতিদান বা অর্থ প্রদান করিলে তাহার সমগ্র পরিবারের পক্ষ হইতে করা হইয়াছে বলিয়া বিবেচিত হইবে।
--------------
Section 21, Agent of persons under disability: 
(1) The expression "agent duly authorised in his behalf," in sections 19 and 20, shall, in the case of a person under disability, include his lawful guardian, committee or manager, or an agent duly authorised by such guardian, committee or manager to sign the acknowledgement or make the payment.
(2) Nothing in the said sections renders one of several joint contractors, partners, executors or mortgagees chargeable by reason only of a written acknowledgment signed or of a payment made by, or by the agent of, any other or others of them.
(3) For the purposes of the said sections-
(a) an acknowledgment signed, or a payment made, in respect of any liability, by, or by the duly authorised agent of, any widow or other limited owner of property who is governed by the Hindu law, shall be a valid acknowledgment or payment, as the case may be, as against a reversioner succeeding to such liability; and
(b) where a liability has been incurred by, or on behalf of, a Hindu undivided family as such, an acknowledgment or payment made by, or by the duly authorised agent of, the manager of the family for the time being shall be deemed to have been made on behalf of the whole family.

৮,৩৭২.
যে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানোর ইচ্ছা ছিল তার মৃত্যু না ঘটিয়ে, অন্য ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানোর মাধ্যমে অপরাধজনক নরহত্যা ঘটালে- এর বিধান দণ্ডবিধির কত ধারায় বর্ণিত আছে?
  1. ৩০১ ধারায়
  2. ৩০৩ ধারায়
  3. ৩০৫ ধারায়
  4. ২৯৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩০১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০১ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০১ ধারার বিধান: যার মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য ছিল তাকে ব্যতীত অপর ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাইয়া শাস্তি যোগ্য নরহত্যা সংঘটন:-
-কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন কার্য করে যা কর্তৃক মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা বা উদ্দেশ্য তার ছিল অথবা যার দরুণ মৃত্যু সংঘটন হতে পারে বলে তার জানা ছিল এবং এই কার্য কর্তৃক সে এমন কোন ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা করে, যার মৃত্যু সে কামনা করে নাই বা যার মৃত্যু হতে পারে বলে তার জানা ছিল না, তবে অপরাধী যে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা করেছিল, কিংবা যে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটতে পারে বলে জানত সে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করলে তার অপরাধটি যেরূপ হত, এই ক্ষেত্রেও সেরূপ হবে।
-------------------- 
⇒ The Penal Code, 1860- Section: 301- Culpable homicide by causing death of person other than person whose death was intended:
-If a person, by doing anything which he intends or knows to be likely to cause death, commits culpable homicide by causing the death of any person, whose death he neither intends nor knows himself to be likely to cause, the culpable homicide committed by the offender is of the description of which it would have been if he had caused the death of the person whose death he intended or knew himself to be likely to cause.
৮,৩৭৩.
নিরোধক প্রতিকার কীভাবে মঞ্জুর করা হয়?
  1. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি
  2. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি
  3. ক বা খ
  4. উল্লিখিত কোনোভাবেই নয়
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারা- নিরোধমূলক প্রতিকার যেভাবে মঞ্জুর করা হয়:
আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়.

Section 52- Preventive relief how granted:
Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual.

প্রতিরোধমূলক/ নিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয় আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে। আদালত নিম্নোক্ত ২ ভাবে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারেন।
১) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary injunctions) জারির মাধ্যমে; বা
২) চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual injunctions) জারীর মাধ্যমে।
৮,৩৭৪.
বার কাউন্সিল সদস্যগণের অফিস ধারণের মেয়াদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরবর্তী কোন তারিখে শুরু হয়?
  1. ১লা জুলাই
  2. ১লা জানুয়ারি
  3. ১লা মে
  4. ১লা জুন
সঠিক উত্তর:
১লা জুলাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১লা জুলাই
ব্যাখ্যা
♦ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ-৪ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরবর্তী ১লা জুলাই থেকে ০৩ (তিন) বছর পর্যন্ত বার কাউন্সিলের মেয়াদ থাকবে। অর্থাৎ বার কাউন্সিলের মেয়াদ ৩ বছর। বার কাউন্সিলের মেয়াদ শেষে বার কাউন্সিলের সদস্যগণ অফিস ধারণের যোগ্যতা হারাবেন।

♦ অর্থাৎ অনুচ্ছেদ ৪ অনুযায়ী, বার কাউন্সিলের নির্বাচিত সদস্যদের পদের মেয়াদ ৩ বৎসর। এই ৩ বৎসর শুরু হবে সাধারণ নির্বাচনের পর পহেলা জুলাই থেকে।
৮,৩৭৫.
বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে নিম্নের কোন উক্তিটি সঠিক?
  1. আলাপ-আলোচনা [Negotiation] এ তৃতীয় পক্ষ উপস্থিত থাকে
  2. মধ্যস্থতা কার্যক্রম [Mediation] পদ্ধতিতে তৃতীয় কোন পক্ষ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে থাকে
  3. সালিশ প্রক্রিয়ার [Arbitration] রায় পক্ষ গণের উপর বাধ্যকর নয়
  4. সবগুলো সঠিক
সঠিক উত্তর:
মধ্যস্থতা কার্যক্রম [Mediation] পদ্ধতিতে তৃতীয় কোন পক্ষ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মধ্যস্থতা কার্যক্রম [Mediation] পদ্ধতিতে তৃতীয় কোন পক্ষ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে থাকে
ব্যাখ্যা
• বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির নিম্ন বর্ণিত পন্থা রয়েছে-
আলাপ-আলোচনা (Negotiation)
মধ্যস্থতা (Mediation) 
সালিশী (Arbitration)

১. আলাপ-আলোচনা [Negotiation]-
এমন একটি পদ্ধতি যেখানেই কোন বিরোধ মীমাংসার ক্ষেত্রে বিরোধের দুই পক্ষই যখন তৃতীয় পক্ষের সাহায্য ছাড়াই একটি সুবিধাজনক পরিণতির দিকে পৌঁছে বা একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হয়ে সমাধান করে থাকে।
আলাপ-আলোচনার [Negotiation] মাধ্যমে শিল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ এর ২১০(২) ২১০(৩) উপধারায় বলা আছে।

২. মধ্যস্থতা কার্যক্রম [Mediation]-
এ পদ্ধতিতে কোন বিরোধ মীমাংসার ক্ষেত্রে পক্ষদ্বয়ের মধ্যে নিরপেক্ষ তৃতীয় কোন পক্ষ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিযুক্ত করা হয় এবং কোন পক্ষের ওপর সিদ্ধান্ত চাপিয়ে না দিয়ে আলাপ- আলোচনার মাধ্যমে দুটি পক্ষকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করা হয়।
দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯[ক] এবং অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ২২ ধারাতে মধ্যস্থতা বিষয়ে বলা হয়েছে।

৩. সালিশ প্রক্রিয়া [Arbitration]-
সালিশ[Arbitration] প্রক্রিয়াটি অনেকটা মধ্যস্থতা পদ্ধতির অনুরূপ। এ কারণেই সালিশ কার্যক্রম [Arbitration] কে মধ্যস্থতা কার্যক্রমের উন্নত সংস্করণ বলে মনে করা হয়। কেননা মধ্যস্থতা কার্যক্রমে মধ্যস্থতাকারী বিরোধ মীমাংসার ক্ষেত্রে পক্ষগণের উপর কোন পন্থা চাপিয়ে দিতে পারেন কিন্তু সালিশ কার্যক্রমের সালিশকারী (Conciliator) পক্ষগণের ওপর রায় চাপিয়ে দিতে পারে। এ ধরনের রায়কে রোয়েদাদ [Award] বলা হয়।
সালিশ[Arbitration] প্রক্রিয়াটি সালিশ আইন-২০০১ দ্বারা পরিচালিত হয়ে থাকে। বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ আইনের ২১০ ধারায় বিরোধ সালিসীর (Conciliation) মাধ্যমে নিষ্পত্তি কথা বলা হয়েছে।
৮,৩৭৬.
'নালিশযোগ্য দাবীর কোন অংশ বা স্বার্থ কোন বিচারক, আইনজীবী বা বিচার আদালতের সাথে জড়িত কোন অফিসার ক্রয় করবে না।'- সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ১৩৬ ধারায়
  2. ১৩৭ ধারায়
  3. ১৩১ ধারায়
  4. ১৩২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৩৬ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ১৩৬: বিচার আদালতের সাথে সংশ্লিষ্ট অফিসারদের অক্ষমতা

কোন বিচারক, আইনজীবী বা বিচার আদালতের সাথে জড়িত কোন অফিসার কোন নালিশযোগ্য দাবী ক্রয় বা তার ব্যবসা বা চুক্তি বা তাতে কোন অংশ বা স্বার্থ গ্রহণ করতে সম্মত হতে পারবেন না। উপর্যুক্ত ব্যক্তিদের দ্বারা বা তাদের মাধ্যমে নালিশযোগ্য দাবীর বিষয় আদালতে উত্থাপিত হলে আদালত তা কার্যকর করবেন না।

Section 136: Incapacity of officers connected with Courts of Justice
No Judge, legal practitioner or officer connected with any Court of Justice shall buy or traffic in, or stipulate for, or agree to receive any share of, or interest in, any actionable claim, and no Court of Justice shall enforce, at his instance, or at the instance of any person claiming by or through him, any actionable claims, so dealt with by him as aforesaid.
৮,৩৭৭.
দণ্ডবিধির ২১০ ধারা অনুযায়ী, যদি একজন ব্যক্তি জালিয়াতি করে এবং অবৈধভাবে আদেশ পায়, তাহলে তার সর্বোচ্চ শাস্তি কী হবে?
  1. শুধুমাত্র জরিমানা
  2. ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২১০ ধারা অনুযায়ী, যদি একজন ব্যক্তি জালিয়াতি করে এবং অবৈধভাবে কোনো আদেশ পায়, তবে তাকে ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয় দণ্ড দেওয়া হতে পারে। এই ধারা অনুসারে, জালিয়াতি করে কোনো আদেশ লাভ করা বা আদেশটি কার্যকর করা হলে, সে শাস্তির আওতায় আসবে।
অতএব, সঠিক উত্তর হবে: গ) ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড। 
----
⇒ The Penal Code, 1860-Section- 210. Fraudulently obtaining decree for sum not due:
- Whoever fraudulently obtains a decree or order against any person for a sum not due, or for a larger sum than is due, or for any property or interest in property to which he is not entitled, or fraudulently causes a decree or order to be executed against any person after it has been satisfied or for anything in respect of which it has been satisfied, or fraudulently suffers or permits any such act to be done in his name, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৮,৩৭৮.
হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন,১৮৮১ এর ধারা ১৪১(খ) অনুযায়ী, লিখিত অভিযোগ দায়েরের সময়সীমা কত দিন?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ধারা ১৪১(খ) অনুসারে, চেক ডিসঅনার সংক্রান্ত অভিযোগ দায়েরের সময়সীমা এক মাস বা ৩০ দিন। বিধানটিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে: "(খ) এইরূপ অভিযোগ অবশ্যই সেই তারিখ হইতে এক মাসের মধ্যে দায়ের করিতে হইবে, যেই তারিখে ধারা ১৩৮-এর দফা (গ)-এর অধীন কার্যকারণের কারণ সৃষ্টি হয়;"
অর্থাৎ, চেক ডিসঅনার হওয়ার পর চেকের প্রাপক বা ধারককে যে তারিখে কারণ সৃষ্টি হয়, সেই তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে হবে।

⇒ হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন,১৮৮১ এর ধারা ১৪১:
ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ (অধ্যাদেশ নং V of 1898)-এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, নিম্নলিখিত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হইবে:
(ক) ধারা ১৩৮-এর অধীন দণ্ডনীয় কোনো অপরাধের বিচার কেবলমাত্র সেই ক্ষেত্রে আমলে নেওয়া যাইবে, যদি উক্ত অপরাধের জন্য অভিযোগ লিখিতভাবে দায়ের করা হয় এবং উক্ত অভিযোগটি চেকের প্রাপক বা ক্ষেত্রবিশেষে চেকের যথাযথ অধিকারপ্রাপ্ত ধারক কর্তৃক দাখিল করা হয়;
(খ) এইরূপ অভিযোগ অবশ্যই সেই তারিখ হইতে এক মাসের মধ্যে দায়ের করিতে হইবে, যেই তারিখে ধারা ১৩৮-এর দফা (গ)-এর অধীন কার্যকারণের কারণ সৃষ্টি হয়;
(গ) ধারা ১৩৮-এর অধীন দণ্ডনীয় কোনো অপরাধ বিচার করিবার ক্ষমতা সেশন আদালতের অধস্তন কোনো আদালতের থাকিবে না।

⇒ The Negotiable Instruments Act, 1881: Section-141. Cognizance of offences:
Notwithstanding anything contained in the Code of Criminal Procedure, 1898 (Act V of 1898),- 
(a) no court shall take cognizance of any offence punishable under section 138 except upon a complaint, in writing, made by the payee or, as the case may be, the holder in due course of the cheque;
(b) such complaint is made within one month of the date on which the cause of action arises under clause (c) of the proviso to section 138; 
(c) no court inferior to that of a Court of Sessions shall try any offence punishable under section 138.

৮,৩৭৯.
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর কত ধারায় সরকারকে দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৩০
  2. ধারা ৩০ক
  3. ধারা ৩১
  4. ধারা ৩৪ক
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩০ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩০ক
ব্যাখ্যা
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ধারা ৩০ক- দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করিবার ক্ষেত্রে সরকারের ক্ষমতা:
ফৌজদারী কার্যবিধির অধ্যায় ২৯ এর বিধানাবলি ক্ষুণ্ণ না করিয়া, সরকার যে কোনো সময় এই আইনের অধীন বিশেষ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত যে কোনো দণ্ড মওকুফ করিতে, সাময়িকভাবে স্থগিত করিতে বা হ্রাস করিতে পারিবে।

[Without prejudice to the provisions of Chapter XXIX of the Code, the Government may at any time remit, suspend or commute any sentence passed by Special Tribunal under this Act.]
৮,৩৮০.
'ক', তার প্রতিনিধি 'খ'-এর নিকট এক বাক্স সোনার গহনা জমা রাখে। 'গ' অভিযোগ করে যে, 'ক' তার নিকট থেকে অন্যায়ভাবে সোনার গহনাগুলো লাভ করেছে এবং 'খ' এর নিকট থেকে তা দাবী করে। এমতাবস্থায়, 'খ', 'ক' এবং 'গ'-এর বিরুদ্ধে আদেশ ৩৫ বিধি ৫ এর অধীন-
  1. স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা রুজু করতে পারে
  2. স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা রুজু করতে পারে না
  3. ফৌজদারি মামলা রুজু করতে পারে
  4. নিজস্ব স্বার্থযুক্ত মোকদ্দমা রুজু করতে পারে
সঠিক উত্তর:
স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা রুজু করতে পারে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা রুজু করতে পারে না
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৫ বিধি-৫: প্রতিনিধি বা প্রজাগণ স্বার্থ বিহীন মোকদ্দমা রুজু করতে পারে না:
এই আদেশের কোন বিধানই প্রতিনিধিগণকে তাদের প্রধান ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মোকদ্দমা করতে কিংবা প্রজাগণকে তাদের ভূস্বামীর বিরুদ্ধে উক্ত প্রধান ব্যক্তি বা ভূ-স্বামীগণের মাধ্যমে দাবীদার ব্যক্তিগণ ব্যতীত অন্য কারো সাথে স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা করতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে সমর্থ করতে বিবেচিত হবে না।

উদাহরণ:
ক) 'ক'-তার প্রতিনিধির 'খ'-এর নিকট এক বাক্স সোনার গহনা জমা রাখে। 'গ'- অভিযোগ করে যে 'ক'-তার নিকট থেকে অন্যায়ভাবে সোনার গহনাগুলো লাভ করেছে এবং 'খ'-এর নিকট থেকে তা দাবী করে। 'খ', 'ক' এবং 'গ'-এর বিরুদ্ধে স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা রুজু করতে পারে না।
৮,৩৮১.
তামাদি আইন কোন ধরনের আইন?
  1. মূল আইন
  2. তত্ত্বগত আইন
  3. পদ্ধতিগত আইন
  4. ক ও খ উভয়
সঠিক উত্তর:
পদ্ধতিগত আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদ্ধতিগত আইন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন হলো একটি পদ্ধতিগত আইন।

-পদ্ধতিগত আইন (Procedural Law):
তত্ত্বগত আইনগুলোতে যে অধিকার, কর্তব্য ও শাস্তিসমূহ উল্লেখ থাকে সেগুলো যে প্রক্রিয়া বা পদ্ধতির মাধ্যমে কার্যকর করা হয়, সেই প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি যে আইনসমূহে উল্লেখ থাকে তাই পদ্ধতিগত আইন। যেমন: ফৌজদারি কার্যবিধি, তামাদি আইন, দেওয়ানি কার্যবিধি ইত্যাদি।

-তত্ত্বগত আইন (Substantive Law):
যে আইনসমূহ অধিকার ও কর্তব্যকে সংজ্ঞায়িত বা সন্নিবেশিত করে বা কোন অপরাধ কে সংজ্ঞায়িত করে ও তার শাস্তির পরিমাণ উল্লেখ করে, তাই তত্ত্বগত আইন বা মূল আইন। যেমন: চুক্তি আইন, সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, দণ্ডবিধি ইত্যাদি।
৮,৩৮২.
মুসলিম আইনের অধীনে অগ্রক্রয়ের দ্বিতীয় দাবী কোনটি?
  1. তলব-ই-মৌসিবত
  2. তলব-ই-তমলিক
  3. তলব-ই-ইশাদ
  4. তলব-ই-মুকরর
সঠিক উত্তর:
তলব-ই-ইশাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তলব-ই-ইশাদ
ব্যাখ্যা

শুফা বা অগ্রক্রয়:
অগ্রক্রয়কে আরবীতে ‘শুফা’ বলা হয়। কোন সম্পত্তি বিক্রয় হয়ে গেলে তা পুনরায় ক্রয় করার অধিকারকে শুফা বা অগ্রক্রয় বলে। ইহা স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়ে থাকে। অগ্রক্রয়ের অধিকার ব্যক্তিগত অধিকার। অগ্রক্রয়ের এই অধিকার প্রয়োগ করে কোন স্থাবর সম্পত্তির মালিক অন্য একজনের বিক্রিত অপর একটি স্থাবর সম্পত্তি অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ক্রয় করার সুযোগ লাভ করে। এভাবে কোন স্থাবর সম্পত্তির মালিক কর্তৃক অন্য কোন স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় মূল্য প্রদান করে ক্রেতার স্থলাভিষিক্ত হওয়ার অধিকারকে ‘অগ্রাধিকার’ [Right of Pre-emption] বলে।

মুসলিম আইনের অধীনে তিন শ্রেণীর ব্যক্তি অগ্রক্রয়ের দাবী করতে পারেন। এরা হলেন-
ক. Shafi sharik বা সহ অংশীদার।
খ. Shafi Khalit বা সম্পত্তিতে সংলগ্ন সুবিধাদিতে শরিক; যেমন: Easement সুবিধা।
গ. Shafi Jar বা সংলগ্ন স্থাবর সম্পত্তির মালিক।

প্রথম শ্রেণীর অধিকার দ্বিতীয় শ্রেণীর অধিকারকে এবং দ্বিতীয় শ্রেণীর অধিকার তৃতীয় শ্রেণীর অধিকারকে বহির্ভূত করে। কিন্তু যখন একই শ্রেণীভূক্ত দুই বা ততোধিক অগ্রক্রয়াধিকারী থাকবে,তখন যে সম্পত্তির ক্ষেত্রে উক্ত অধিকারটির দাবী জানানো হয়েছে, তাতে তারা প্রত্যেকেই সমান দাবী করতে পারবেন।

মুসলিম আইন অনুযায়ী অগ্রক্রয়ের দাবী উত্থাপনের পদ্ধতি:
(ক) প্রথম দাবী (তলব-ই-মৌসিবত): শব্দগত অর্থে তলব-ই-মৌসিবত হলো লাফ দিয়ে দাবী করা। কিন্তু বাস্তবে বিষয়টি তা নয়। অগ্রক্রয়কারী ব্যক্তিকে বিক্রয় সম্পূর্ণ হওয়ার সংবাদ পাবার সাথে সাথে অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগের ব্যাপারে নিজের অভিপ্রায় ঘোষণা করতে হবে। এটা মৌখিকভাবে ও করা যেতে পারে আবার লিখিতভাবে ও করা যেতে পারে। প্রথম দাবীর জন্য কোন সাক্ষীর উপস্থিতি অপরিহার্য নয়। সাক্ষীর অনুপস্থিতির কারণে তলব-ই-মৌসিবত অবৈধ হবে না। তবে তলব-ই-মৌসিবত যে যথাযথভাবে এবং যথাসময়ে করা হয়েছিল এই বিষয়ে কিছু প্রমাণ থাকতে হবে।

(খ) দ্বিতীয় দাবী (তলব-ই-ইশাদ):
তলব-ই-ইশাদ অর্থ হলো সাক্ষীর সম্মুখে দাবী করা। তলব-ই-মৌসিবত উত্থাপনের পর এটা দ্বিতীয় পদক্ষেপ এবং এটা প্রথম দাবীরই পুনরাবৃত্তি। তবে দ্বিতীয় দাবী কমপক্ষে দুইজন সাক্ষীর সামনে হতে হবে। এজন্য একে ‘তলব-ই-তকরির’ ও বলা হয়। তলব-ই-ইশাদ ঘোষণা আকারে ও হতে পারে, লিখিত আকারেও হতে পারে। আবার মৌখিক আকারেও হতে পারে। ইতিপূর্বে প্রথম দাবী করা না হয়ে থাকলে তলব-ই-ইশাদ অকার্যকর হবে। এটি বিক্রেতা বা ক্রেতাকে সম্বোধন করে প্রকাশ করতে হবে। তবে তাদের কাউকে পাওয়া না গেলে দ্বিতীয় দাবীটি বিক্রিত সম্পত্তিটিকে সম্বোধন করে করতে হবে।

(গ) তৃতীয় দাবী (তলব-ই-তমলিক):
তলব-ই-তমলিক প্রথম দুটি দাবীর পরে তৃতীয় দাবী। প্রথম দুটি দাবীর পর যদি ক্রেতা মেনে নেয় এবং তার নিকট সম্পত্তিটি বিক্রয় করে দেয় তাহলে অগ্রক্রয়ের দাবী বাস্তবায়িত হয়। সেক্ষেত্রে আর কোনো অতিরিক্ত আনুষ্ঠানিকতার প্রয়োজন নেই এবং ক্রেতার স্হলে অগ্রক্রয়কারী প্রতিস্হাপিত হয়। কিন্তু যদি প্রথম দুটি দাবীর পর অগ্রক্রয়কারী বিক্রীত সম্পত্তিটি পুনরায় ক্রয় করতে ব্যর্থ হন, তাহলে তাকে আইনগত প্রক্রিয়ার শরনাপন্ন হতে হবে অর্থাৎ আদালতে কোন মামলা দায়ের করতে হবে।

৮,৩৮৩.
ধারা ৪৭৭ক এর অধীন অভিযোগ আনার ক্ষেত্রে কী উল্লেখ করা প্রয়োজন?
  1. নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম
  2. নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ
  3. প্রতারণার উদ্দেশ্য
  4. নির্দিষ্ট দিনের তারিখ
সঠিক উত্তর:
প্রতারণার উদ্দেশ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতারণার উদ্দেশ্য
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৭৭ক:
যে ব্যক্তি একজন কেরানি, কর্মকর্তা, অথবা কর্মচারী হিসেবে দায়িত্বে থাকা অবস্থায়, বা কেরানি, কর্মকর্তা, অথবা কর্মচারী হিসেবে কাজ করার সময়, ইচ্ছাকৃতভাবে এবং প্রতারণার উদ্দেশ্যে, তার নিয়োগকর্তার মালিকানাধীন বা দখলে থাকা যেকোনো বই, কাগজ, লেখা, মূল্যবান সিকিউরিটি, অথবা হিসাব নষ্ট, পরিবর্তন, কেটে ফেলা অথবা ভুয়া করে, অথবা প্রতারণার উদ্দেশ্যে কোন মিথ্যা তথ্য তৈরি করে বা তৈরিতে সহায়তা করে, অথবা কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পরিবর্তন বা বাদ দেয়, অথবা এ ধরনের পরিবর্তন বা বাদ দেওয়ার সহায়তা করে, তাকে সাত বছরের কারাদণ্ড, অথবা জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ড দেওয়া হতে পারে।

ব্যাখ্যা:
এই ধারার অধীনে অভিযোগ আনার জন্য নির্দিষ্ট কোন ব্যক্তিকে লক্ষ্যবস্তু হিসেবে উল্লেখ করার বা নির্দিষ্ট কোন পরিমাণ অর্থ উল্লেখ করার প্রয়োজন নেই, কিংবা অপরাধটি কোন বিশেষ দিনে ঘটেছে তা উল্লেখ করার প্রয়োজন নেই। সাধারণ প্রতারণার উদ্দেশ্য উল্লেখ করলেই যথেষ্ট হবে।
৮,৩৮৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন বিধান অনুযায়ী মধ্যস্থতার মাধ্যমে আদালত কোন আদেশ বা ডিক্রি প্রদান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন করা যাবেনা?
  1. ৮৯ক(১০) ধারা
  2. ৮৯ক(১১) ধারা
  3. ৮৯ক(১২) ধারা
  4. ৮৯ক(১৩) ধারা
সঠিক উত্তর:
৮৯ক(১২) ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৯ক(১২) ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক(১২) ধারার বিধান মতে মধ্যস্থতার মাধ্যমে আদালত কোন আদেশ বা ডিক্রি প্রদান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন করা যাবেনা।

⇒ ধারা-৮৯ক(৫): মধ্যস্থতার ফলে ডিক্রি প্রদান- মধ্যস্থতার মাধ্যমে মোকদ্দমাটি আপোষ-মিমাংসা হলে, উক্ত আপোষ প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি প্রদান করবে।
⇒ আপোষের উপর ভিত্তি করে ডিক্রি প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত দেওয়ানি কার্যবিধির ২৩ নং আদেশের সোলে ডিক্রির বিধানসমূহ অনুসরণ করবে।
------------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Section 89A(12): No appeal or revision shall lie against any order or decree passed by the Court in pursuance of settlement between the parties under this section.
৮,৩৮৫.
নিজ সাক্ষীকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা যাবে না এই নীতি ব্যতিক্রম The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারায় বর্ণিত আছে?
  1. ১৫৪
  2. ১৫৬
  3. ১৫২
  4. ১৫১
সঠিক উত্তর:
১৫৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৪
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারায় সুস্পষ্টভাবে বৈরী সাক্ষী বিষয়টি উল্লেখ করা হয়নি। বৈরী সাক্ষী হলো এমন একজন সাক্ষী যে, সে যে উপায়ে সাক্ষ্য দিচ্ছে তা থেকে বোঝা যায় যে, সে আদালতের নিকট সত্য বলতে ইচ্ছা প্রকাশ করছে না। বৈরী সাক্ষী বলতে মিথ্যুক সাক্ষী বোঝায় না। সাক্ষী যে সাক্ষ্য দিচ্ছে তা থেকে সাক্ষীর বৈরীতা বুঝতে হবে। বিষয়টি হলো যখন যে পক্ষ কোন সাক্ষীকে আহ্বান করে বা ডাকে, সেই পক্ষ উক্ত সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করবে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ যখন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করে, তখন সাক্ষীর নিকট যে প্রশ্ন করা হয় তখন সে উক্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে অনিচ্ছা প্রকাশ করতে পারে বা বৈরী হতে পারে। সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ এমন ধরণের সাক্ষীকে বৈরী সাক্ষী হিসাবে ঘোষণা করতে পারে।

- ১৫৪ ধারার বক্তব্য অনুযায়ী- বিরুদ্ধ পক্ষ জেরায় যেসব প্রশ্ন করতে পারে, সেসব প্রশ্ন যদি কোন পক্ষ নিজের সাক্ষীকে করার অনুমতি চায়, আদালত তা করার অনুমতি দিতে পারে। এরূপ সাক্ষীকে বৈরী/প্রতিকূল সাক্ষী (Hostile witness) বলে ।

অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারার অধীন নিজ সাক্ষীকে জেরা করা যায়।

এরূপ ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নেয়া বাধ্যতামূলক। আর আদালত অনুমতি দিবে কিনা তা আদালতের বিবেচনামূলক।
৮,৩৮৬.
একটি ফৌজদারি আদালত পুলিশ ডায়েরী তলব করতে পারেন-
  1. সাক্ষ্যের জন্য
  2. তদন্তের জন্য
  3. বিচারের জন্য
  4. সুরতহালের জন্য
সঠিক উত্তর:
বিচারের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারের জন্য
ব্যাখ্যা
♦ তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা তদন্তের বিবরণ/অগ্রগতি যে ডায়েরিতে লিপিবদ্ধ করেন, তাকেই পুলিশ ডায়েরি বলা হয়। পুলিশ ডায়েরিতে উল্লেখ থাকে; কখন সংবাদটি তার নিকট পৌঁছেছিল। কখন তদন্ত শুরু এবং শেষ করেছে। কোন কোন স্থানটি পরিদর্শন করেছে।তল্লাশি, গ্রেফতার, আলামত উদ্ধার, ১৬১ ধারায় সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পর্কিত সকল বিবরণসহ মামলার সকল প্রকার কার্যক্রম।
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭২(২) ধারামতে শুধুমাত্র আদালত অনুসন্ধান বা বিচারে (সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার ব্যতীত) সহায়তা পেতে অর্থাৎ ন্যায় বিচারের স্বার্থে পুলিশ ডায়েরী তলব করতে পারে।
♦ কোনভাবেই অভিযুক্ত বা তার প্রতিনিধি পুলিশ ডায়েরী তলব করতে পারে না, তবে তদন্ত কর্মকর্তা (IO) স্মৃতি পুনঃরুজ্জীবিত করার জন্য (Refreshing Memory) পুলিশ ডায়েরী বা কেস ডায়েরী ব্যবহার করতে পারে।
৮,৩৮৭.
কোন ধরনের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করা যায়?
  1. যে কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে
  2. আপিলযোগ্য ডিক্রি এবং আদেশের বিরুদ্ধে
  3. অর্থের মামলার ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে
  4. যে সকল ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল চলে না
সঠিক উত্তর:
যে সকল ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল চলে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে সকল ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল চলে না
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারা অনুযায়ী কোনো ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করা যাবে যদি
i) ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান না থাকলে এবং
ii) নিম্ন আদালত আইনগত ভুল করার কারণে ডিক্রি বা আদেশে ভুল হয়েছে এবং
iii) উক্ত ভুলের কারণে ন্যায়বিচার ব্যর্থ হলে

শুধুমাত্র আইনত ভুলের ক্ষেত্রে আদালত রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করবে না। যদি আইনগত ভুলটি ন্যায় বিচার বিঘ্ন করে, শুধুমাত্র আদালত তখনই রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করবে।
-----------------
CPC Section 115. Revision:
(1) The High Court Division may, on the application of any party aggrieved, call for the record of any suit or proceedings, in which a decree or an order has been passed by a Court of District Judge or Additional District Judge, or a decree has been passed by a Court of Joint District Judge, Senior Assistant Judge or Assistant Judge, from which no appeal lies; and if such Court appears to have committed any error of law resulting in an error in such decree or order occasioning failure of justice, the High Court Division may, revise such decree or order and, make such order in the suit or proceedings, as it thinks fit. 
 
(2) The Court of District Judge may, on the application of any party aggrieved, call for the record of any suit or proceeding, in which an order has been passed by a Court of Joint District Judge, Senior Assistant Judge or Assistant Judge, from which no appeals lies; and if such Court appears to have committed any error of law resulting in an error in such order occasioning failure of justice, the Court of District Judge may, revise such order and, make such order as it thinks fit. 
 
(3) A Court of Additional District Judge shall have all the powers of the District Judge under sub-section (2) in respect of revision case which may be transferred to it by the District Judge. 
 
(4) An application to the High Court Division for revision of an order of the District Judge or, Additional District Judge, as the case may be, made under sub-section (2) or (3) shall lie, where the High Court Division grants leave for revision on an (4) An application to the High Court Division for revision of an order of the District Judge or, Additional District Judge, as the case may be, made under sub-section (2) or (3) shall lie, where the High Court Division grants leave for revision on an error of an important question of law resulting in erroneous decision occasioning failure of justice, and the High Court Division may make such order in the suit or proceeding as it thinks fit. 
 
(5) Notwithstanding the substitution of this section, any proceeding commenced and pending under section 115 prior to such substitution shall be disposed of in such manner as if section 115 has not been substituted.
৮,৩৮৮.
মুসলিম পারিবারিক অধ্যাদেশ ১৯৬১ এর ৭(১) নং ধারা অনুযায়ী স্বামী যদি চেয়ারম্যান এবং স্ত্রীকে নোটিশ প্রদান না করে তাহলে-
  1. তালাক অকার্যকর হবে
  2. স্বামী শাস্তি পাবে
  3. তালাক বাতিল হবে
  4. ক বা গ
সঠিক উত্তর:
স্বামী শাস্তি পাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বামী শাস্তি পাবে
ব্যাখ্যা
• ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশের ৭ (১) ধারায় বলা হয়ে, কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীকে তালাক দিতে চাইলে, তিনি যে কোন পদ্ধতির তালাক ঘোষণার পর যথাশীঘ্র সম্ভব চেয়ারম্যানকে (স্থানীয় ইউনিয়ন/পৌর চেয়ারম্যান/প্রশাসক) লিখিতভাবে নোটিশ দিবেন এবং স্ত্রীকে উক্ত নোটিশের একটি অনুলিপি (নকল) প্রদান করবেন।
একই আইনের ৭ (২) ধারা অনুযায়ী, যদি কোন ব্যক্তি নোটিশ প্রদানের এই বিধান লংঘন করেন তবে তিনি এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় প্রকারে দণ্ডনীয় হবেন।

৭ (৪) ধারা অনুযায়ী, নোটিশ প্রাপ্তির ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে চেয়ারম্যান সংশ্লিষ্ট পক্ষদ্বয়ের মধ্যে পুনর্মিলন ঘটানোর উদ্দেশ্যে একটি সালিশী পরিষদ গঠন করবেন এবং উক্ত সালিসী পরিষদ এই জাতীয় পুনর্মিলনের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

৭ (৩) ধারা অনুযায়ী, চেয়ারম্যানের কাছে নোটিশ প্রদানের তারিখ হতে নব্বই দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত কার্যকরী হবে না। কিন্তু, তালাক ঘোষণার সময় স্ত্রী যদি গর্ভবতী থাকে, তাহলে ৭(৫) ধারা অনুযায়ী গর্ভাবস্থা অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত তালাক বলবত হবে না।

উল্লেখ্য যে, মুসলিম পারিবারিক অধ্যাদেশ ১৯৬১ -এর ৭(১) নং ধারা অনুযায়ী স্বামী যদি চেয়ারম্যান এবং স্ত্রীকে নোটিশ প্রদান না করে তাহলে ৭ (২) ধারা অনুযায়ী স্বামী শাস্তি পাবে ঠিকই, কিন্তু তালাক বাতিল হবে না। উক্ত তালাক কার্যকর হবে। ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনে অধ্যাদেশের কোথাও নোটিশ প্রধান না করলে তালাক হবে না এই বিধান উল্লেখ নাই। এই বিষয়ে উচ্চ আদালতের একটি সীদ্ধান্ত রয়েছে। সিভিল রিভিশন নং ৬৯৮, ১৯৯২, মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম বনাম মোছা:হেলেনা বেগম ও অন্যান্য।
৮,৩৮৯.
ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা-২৪১ক এর প্রায় অনুরূপ আরেকটি ধারা কোনটি?
  1. ২৬৫ক
  2. ২৬৫গ
  3. ২৬৫ঘ(১)
  4. কোনটি নয়।
সঠিক উত্তর:
২৬৫গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬৫গ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা- ২৪১ক মোতাবেক আসামী ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট হাজির হলে বা তাকে হাজির করা হলে ম্যাজিস্ট্রেট  মামলার নথি ও তৎসহ দাখিলকৃত যাবতীয় কাগজপত্র বিবেচনা করে যদি ম্যাজিস্ট্রেট  প্রয়োজন মনে করেন সেই মোতাবেক আসামীর জবানবন্দী গ্রহণ করে এবং ফরিয়াদী ও আসামীকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দান করে যদি মনে করেন যে, অভিযোগ ভিত্তিহীন তাহলে তিনি আসামীকে অব্যাহতি দিবেন এবং এরূপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন এবং ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা- ২৬৫গ মোতাবেক মামলার নথি এবং তার সাথে দাখিলী দলিলাদি বিবেচনা এবং তৎসম্পর্কে আসামী ও সরকার পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত যদি মনে করেন যে, আসামীর বিরুদ্ধে মামলা চালানোর কোনই কারণ নেই, তাহলে আদালত আসামীকে অব্যাহতি দিবেন এবং তদ্রুপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।
৮,৩৯০.
দ্রুত বিচার আদালত কিসের ভিত্তিতে মামলা গ্রহণ করতে পারে?
  1. মৌখিক অভিযোগ
  2. লিখিত অভিযোগ বা রিপোর্ট
  3. সংবাদ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে
  4. মৌখিক বা লিখিত অভিযোগ
সঠিক উত্তর:
লিখিত অভিযোগ বা রিপোর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিখিত অভিযোগ বা রিপোর্ট
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ৯- আদালতের এখতিয়ার:
(১) অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ কেবলমাত্র দ্রুত বিচার আদালতে বিচারযোগ্য হইবে৷ 
 
(২) সাব-ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার নিম্নে নহে এমন কোন পুলিশ কমকতা বা এতদুদ্দেশ্যে সরকারের নিকট হইতে সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন ব্যক্তির লিখিত রিপোর্ট বা অভিযোগের ভিত্তিতে, বা অপরাধ সংঘটনের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কিংবা অপরাধ সংঘটন সম্পর্কে অবহিত আছেন এমন কোন ব্যক্তির লিখিত অভিযোগে আদালত কোন অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণ করিতে পারিবে৷ 
 
(৩) এই আইনের অধীন কোন অপরাধের সহিত অন্য আইনের অধীন কোন অপরাধ যুক্তভাবে সংঘটিত হইলে এই আইনের অধীন বিচার্য অপরাধের বিচার দ্রুত বিচার আদালতে অনুষ্ঠিত হইবে এবং অন্য আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের বিচার এখতিয়ারসম্পন্ন অন্য আদালত কিংবা ট্রাইব্যুনালে অনুষ্ঠিত হইবে৷
৮,৩৯১.
দণ্ডবিধির ২৮০ ধারার অধীনে বেপরোয়া নৌযান চালানোর জন্য শাস্তি হিসেবে সর্বোচ্চ অর্থদণ্ডের পরিমাণ কী?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ১০০০ টাকা
  3. ১৫০০ টাকা
  4. ২০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ২৮০ ধারা অনুযায়ী, বেপরোয়া বা অবহেলায় নৌযান চালানোর জন্য সর্বোচ্চ অর্থদণ্ড হিসেবে ১০০০ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

- দণ্ডবিধির ২৮০ ধারা বেপরোয়াভাবে নৌযান চালনা:- কোন ব্যক্তি যদি এমন বেপরোয়াভাবে বা অবহেলার সাথে কোন নৌযান চালনা করে, যার কারণে কোন মানুষের জীবন বিপদাপন্ন হয় অথবা অপর কোন ব্যক্তির আঘাত লাগার বা জখম হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণের অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
------------- 
⇒ The Penal Code, 1860- Section 280. Rash navigation of vessel:- Whoever navigates any vessel in a manner so rash or negligent as to endanger human life, or to be likely to cause hurt or injury to any other person, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
৮,৩৯২.
'Principles of rectification'- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারার বিষয়বস্তু?
  1. ৩১ ধারা
  2. ৩২ ধারা
  3. ৩৩ ধারা
  4. ৩৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩৩ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৩ ধারা
ব্যাখ্যা
The Specific Relief Act, 1877- Section 33. Principles of rectification:
 In rectifying a written instrument, the Court may inquire what the instrument was intended to mean, and what were intended to be its legal consequences, and is not confined to the inquiry what the language of the instrument was intended to be.

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারায় দলিল সংশোধনের সময় আদালত কর্তৃক অনুসৃত নীতির বিধান রয়েছে। ৩৩ ধারায় বলা হয়েছে যে, একটি লিখিত দলিল সংশোধনের সময় দলিল দ্বারা কি বুঝাতে চাওয়া হয়েছিল এবং চুক্তির বৈধ ফলাফল বিষয়ে পক্ষসমূহের কি অভিপ্রায় ছিল আদালত সে সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে পারবেন। শুধুমাত্র দলিলের ভাষা দ্বারা পক্ষসমূহ কি অভিপ্রায় ব্যক্ত করতে চেয়েছিল আদালত এই বিষয়েই অনুসন্ধান সীমিত রাখবেন না। অর্থাৎ দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে আদালত পক্ষগণের ইচ্ছা কি ছিল তা খুঁজে বের করবেন এবং সে ইচ্ছা কার্যকর করবেন। এরূপ ক্ষেত্রে আদালত শুধুমাত্র দলিলের গঠনের দিকে না তাকিয়ে দলিলের মূল বিষয়ের উপর লক্ষ্য দেবেন।
৮,৩৯৩.
The Transfer of Property Act, 1882 অনুসারে ইজারাগ্রহিতা ইজারামেয়াদে নতুন করে ইজারা নিলে পূর্বের ইজারা কীভাবে সমাপ্ত হয়?
  1. পরোক্ষ ইস্তফাসূত্রে
  2. প্রকাশ্য ইস্তফাসূত্রে
  3. বাজেয়াপ্তিসূত্রে
  4. মেয়াদ অতিক্রান্তে
সঠিক উত্তর:
পরোক্ষ ইস্তফাসূত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরোক্ষ ইস্তফাসূত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ The Transfer of Property Act, 1882 এর ধারা ১১১ অনুযায়ী নিম্নলিখিতভাবে স্থাবর সম্পত্তির ইজারার পরিসমাপ্তি ঘটে-
- নির্দিষ্ট সময় উত্তীর্ণ হয়ে গেলে,
- যেক্ষেত্রে কোন ঘটনা ঘটার শর্তাধীনে ইজারার মেয়াদ নির্দিষ্ট হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত ঘটনা ঘটলে;
- যেক্ষেত্রে কোন ঘটনা ঘটলে ইজারা সম্পত্তি হতে ইজারাদাতার স্বার্থের পরিসমাপ্তি ঘটে বা এই সম্পত্তির বিলি-ব্যবস্থার ক্ষমতা আর তার থাকে না, সেক্ষেত্রে উক্ত ঘটনা ঘটলে;
- যখন সমস্ত সম্পত্তিতে ইজারাগ্রহীতার ও ইজারাদাতার স্বার্থ একই সময়ে একই ব্যক্তির উপর একই স্বত্বে ন্যস্ত হয়।
- প্রকাশ্য ইস্তফা (Surrender) দ্বারা অর্থাৎ ইজারাগ্রহীতা ইজারাদাতার বরাবরে তার স্বার্থ তাদের পারস্পরিক চুক্তির মাধ্যমে ত্যাগ করলে।
- পরোক্ষ ইস্তফা দ্বারা-

যদি কোন ইজারাগ্রহীতা তার ইজারা দাতার নিকট হতে ইজারাভূক্ত সম্পত্তির নতুন ইজারা গ্রহণ করেন এবং পূর্ব হতে বহাল ইজারার মেয়াদের মধ্যে নতুন ইজারা কার্যকর হয় তাহলে একে পূর্ববর্তী ইজারার পরোক্ষ ইস্তফা বলে এবং এভাবে এই ইজারার পরিসমাপ্তি ঘটে।

অর্থাৎ The Transfer of Property Act, 1882 এর ১১১ ধারা অনুসারে, ইজারাগ্রহিতা ইজারা মেয়াদে নতুন করে ইজারা নিলে পূর্বের ইজারা পরোক্ষ ইস্তফাসূত্রে সমাপ্ত হয়।
৮,৩৯৪.
সরকার পক্ষের আইনজীবীর দায়িত্ব কী?
  1. আসামীর শাস্তি নিশ্চিত করা
  2. মামলায় জয় লাভ করা
  3. ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা
ব্যাখ্যা
• 'Canons of Professional Conduct and Etiquette' এর অধ্যায় ৩- আদালতের প্রতি আইনজীবীদের কর্তব্য (সারমর্ম):

১- আদালতের মর্যাদা রক্ষা:
আইনজীবীদের আদালতের প্রতি শ্রদ্ধাবনত দৃষ্টিভঙ্গি প্রদর্শন করা উচিত। বিচারকদের বিরুদ্ধে অন্যায্য সমালোচনা ও কুৎসা থেকে সুরক্ষা প্রদান আইনজীবী সমাজের দায়িত্ব। তবে, যথার্থ অভিযোগ থাকলে আইনগত প্রতিকার চাওয়া তাদের অধিকার।

২- সাক্ষী সম্পর্কে পরামর্শ:
মামলার প্রমাণ নির্ধারণে সহায়ক ব্যক্তিদের সাক্ষ্য গ্রহণকে দুষপ্রাপ্য করার পরামর্শ আইনজীবীদের দেওয়া উচিত নয়।

৩- ভুল উদ্ধৃতি না করা:
বিচারকদের কাছে ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল উদ্ধৃতি বা বাতিল হওয়া নজির পেশ করা উচিত নয়।

৪- আচরণ ও গোপন আলোচনা:
বিচারকদের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণমূলক কিছু করা উচিত নয় এবং গোপনে বিচারকের সঙ্গে মামলার গুনাগুন বিষয়ে আলোচনা করা উচিত নয়।

৫- সরকার পক্ষে আইনজীবীর দায়িত্ব:
আসামীর শাস্তি নিশ্চিত করা নয়, বরং ন্যায় বিচার হচ্ছে কিনা তা পর্যবেক্ষণ করা সরকারের আইনজীবীর দায়িত্ব।


৬- পত্রিকায় প্রকাশ:
বিচারাধীন মামলার তথ্য পত্রিকায় প্রকাশ করা উচিত নয়, কারণ তা মামলার স্বচ্ছ বিচার প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি করে।

৭- বিচারক নিয়োগ:
আইনজীবীদের বিচারক নিয়োগে রাজনৈতিক বিবেচনার বিরোধিতা করা উচিত এবং যোগ্য বিচারক নিয়োগে সক্রিয় থাকা উচিত।

৮- মামলা ডাকার সময় উপস্থিতি:
আইনজীবীদের আদালতে মামলার সময় উপস্থিত থাকা উচিত বা বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।

৯- মতামত প্রদান:
নিজে জড়িত না থাকা মামলায় স্বেচ্ছায় মতামত প্রদান করা উচিত নয়, তবে আদালতের আহবানে মতামত প্রদান করা যেতে পারে।
৮,৩৯৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪০৩(৩) অনুযায়ী, প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট A–কে B–র কাছ থেকে চুরি করার জন্য দণ্ডিত করেন। একই ঘটনার ভিত্তিতে A–কে দস্যুতার অভিযোগে-
  1. পরবর্তীতে বিচার করা যাবে
  2. নতুন অভিযোগ গ্রহণ করা যাবে না
  3. পরবর্তীতে বিচার করা যাবে না
  4. খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
পরবর্তীতে বিচার করা যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরবর্তীতে বিচার করা যাবে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো- ক) পরবর্তীতে বিচার করা যাবে।

কারণ:
ধারা ৪০৩(৩) অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যে অপরাধে দণ্ডিত হয়েছে, যদি সেই কাজের ফলে পরবর্তীতে এমন কিছু ঘটে যা একটি নতুন ও ভিন্ন অপরাধ সৃষ্টি করে, এবং যা দণ্ডাদেশের সময় ঘটেনি বা জানা ছিল না- তাহলে তাকে সেই নতুন অপরাধে পরবর্তীতে বিচার করা যাবে।

ধারা ৪০৩ – একবার দণ্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে একই অপরাধে পুনরায় বিচার করা যাবে না:
(১) কোনো ব্যক্তি যদি কোনো অপরাধে উপযুক্ত আদালতে বিচারপ্রাপ্ত হয়ে দণ্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত হন, এবং সেই দণ্ড বা খালাস বলবৎ থাকে- তাহলে তাকে একই অপরাধের জন্য আবার বিচার করা যাবে না। এমনকি একই ঘটনার ভিত্তিতে এমন কোনো ভিন্ন অভিযোগেও বিচার করা যাবে না, যা ধারা ২৩৬ অনুযায়ী আনা যেত বা ধারা ২৩৭ অনুযায়ী যার জন্য তাকে দোষী সাব্যস্ত করা যেত।

(২) কোনো ব্যক্তি যদি কোনো অপরাধে খালাসপ্রাপ্ত বা দণ্ডিত হন, তবুও তিনি ভিন্ন ও পৃথক কোনো অপরাধে পরবর্তীতে বিচারিত হতে পারেন- যদি ধারা ২৩৫(১) অনুযায়ী আগের বিচারেই তাকে আলাদা অভিযোগ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা যেত।

(৩) কোনো ব্যক্তি যে অপরাধে দণ্ডিত হয়েছে, যদি সেই কাজের ফলে পরবর্তীতে এমন কিছু ঘটে যা একটি নতুন ও ভিন্ন অপরাধ সৃষ্টি করে, এবং যা দণ্ডাদেশের সময় ঘটেনি বা জানা ছিল না- তাহলে তাকে সেই নতুন অপরাধে পরবর্তীতে বিচার করা যাবে।

(৪) কোনো ব্যক্তি একই কাজের ভিত্তিতে কোনো অপরাধে খালাসপ্রাপ্ত বা দণ্ডিত হলেও, যদি প্রথম আদালত পরবর্তীতে যার জন্য বিচার হবে সেই অপরাধটি বিচার করার ক্ষমতা না রাখে, তাহলে তাকে সেই অপরাধে পরবর্তীতে বিচার করা যাবে।

(৫) এই ধারার কিছুই General Clauses Act, 1897-এর ধারা ২৬ বা CrPC-এর ধারা ১৮৮–এর বিধানকে বাধাগ্রস্ত করবে না।

ব্যাখ্যা: যে পরিস্থিতিতে- অভিযোগ খারিজ, ধারা ২৪৯ অনুসারে কার্যক্রম স্থগিত, অথবা অভিযুক্তের ডিসচার্জ- এসবকে এই ধারার উদ্দেশ্যে খালাস হিসেবে গণ্য করা হবে না।

Illustrations (উদাহরণসমূহ)
(a) A একজন চাকর হিসেবে চুরি করার অভিযোগে বিচার হয়ে খালাস পায়। তাকে একই ঘটনার ভিত্তিতে চাকর হিসেবে চুরি, সাধারণ চুরি, অথবা অপরাধমূলক আত্মসাৎ-এই কোনোটিতেই পুনরায় বিচার করা যাবে না।

(b) A হত্যার অভিযোগে বিচার হয়ে খালাস পায়। বিচারের সময় দেখা যায়, হত্যার সময় সে ডাকাতিও করেছে। তাকে পরে ডাকাতির অভিযোগে বিচার করা যাবে।

(c) A গুরুতর আঘাত করার অপরাধে দণ্ডিত হয়। পরে আহত ব্যক্তি মারা গেলে- A কে culpable homicide–এর অভিযোগে পুনরায় বিচার করা যাবে।

(d) A সেশন কোর্টে B–কে হত্যার (culpable homicide) অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়। পরে একই ঘটনার ভিত্তিতে তাকে মার্ডার–এর অভিযোগে বিচার করা যাবে না।

(e) A কে প্রাথমিক আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট B–কে আঘাত করার অপরাধে দণ্ডিত করে। একই ঘটনার ভিত্তিতে তাকে গুরুতর আঘাত (grievous hurt)–এর অভিযোগে বিচার করা যাবে না- যদি না এটি উপ-ধারা (৩)-এর আওতায় আসে (যেমন: আঘাতের ফল পরে গুরুতর হয়েছে ইত্যাদি)।

(f) দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট A–কে B–র কাছ থেকে চুরি করার জন্য দণ্ডিত করেন। একই ঘটনার ভিত্তিতে তাকে robbery–র অভিযোগে পরবর্তীতে বিচার করা যাবে।

(g) A, B, C–কে প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট D–কে ডাকাতি করার অপরাধে দণ্ডিত করেন। একই ঘটনার ভিত্তিতে তাদের dacoity–এর অভিযোগে পরবর্তীতে বিচার করা যাবে।

৮,৩৯৬.
উমরিয়াতান নীতি (Doctrine of Umariyatan) কোন খলিফার সিদ্ধান্তের উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত?
  1. হজরত আবু বকর (রা.)
  2. হজরত উমর (রা.)
  3. হজরত ওসমান (রা.)
  4. হজরত আলী (রা.)
সঠিক উত্তর:
হজরত উমর (রা.)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হজরত উমর (রা.)
ব্যাখ্যা

⇒ উমরিয়াতিন নীতি ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হজরত উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.)-এর সিদ্ধান্তের উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। তিনি এই নীতি প্রণয়ন করেন বিশেষ দুই পরিস্থিতিতে (যাকে "আল-ঘররাওয়ানি" বা "দুই প্রতারক" বলা হয়) মায়ের অংশ পিতার অংশের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার জন্য, যাতে মা পিতার চেয়ে বেশি অংশ না পান।
এই নীতি পরবর্তীতে ইজমা (আলেমদের ঐকমত্য) দ্বারা ইসলামী উত্তরাধিকার আইন হিসেবে স্বীকৃত হয়।

Doctrine of Umariyatan (উমরিয়াতান নীতি):
উমরিয়াতান বা উমরিয়াতিন হলো ইসলামী উত্তরাধিকার আইনের একটি বিশেষ নীতি, যা ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হজরত উমর (রা.)-এর দুটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। এই নীতির মূল উদ্দেশ্য হলো মায়ের অংশকে পিতার অংশের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা, যাতে মা পিতার চেয়ে বেশি অংশ না পান। এটি মূলত দুইটি বিশেষ পরিস্থিতিতে প্রয়োগ করা হয়, যেগুলোকে আল-ঘররাওয়ানি বা "দুই প্রতারক" বলা হয়।

উমরিয়াতান নীতির উদ্দেশ্য:
১. মায়ের অংশকে ১/৩ থেকে কমিয়ে পিতার অংশের সাথে সামঞ্জস্য করা।
২. পিতা যেন মায়ের অংশের দ্বিগুণ পান, তা নিশ্চিত করা।
৩. মায়ের অংশের অসঙ্গতি দূর করা, যাতে তিনি পিতার চেয়ে বেশি অংশ না পান।

মাতা ১/৩ অংশ পাওয়ার শর্ত:
মাতা ১/৩ অংশ পাওয়ার অধিকারী হবেন যদি নিম্নলিখিত দুটি শর্ত পূরণ হয়:
১. মৃত ব্যক্তির কোনো সন্তান বা পুত্রের সন্তান (যেমন: নাতি-নাতনি) না থাকে।
২. মৃত ব্যক্তির একাধিক ভাই বা বোন না থাকে (এক ভাই বা এক বোন থাকলে মাতা ১/৩ পাবেন)।

উমরিয়াতান নীতির প্রয়োগ:
উমরিয়াতান নীতি বিশেষভাবে প্রয়োগ হয় যখন নিম্নলিখিত দুটি পরিস্থিতি তৈরি হয়:
১. বাবা, মা, স্বামী একসাথে উত্তরাধিকারী হলে।
২. বাবা, মা, স্ত্রী একসাথে উত্তরাধিকারী হলে।

- এই পরিস্থিতিতে মাতা সরাসরি ১/৩ অংশ না পেয়ে, পিতার অংশ বণ্টনের পর অবশিষ্ট সম্পত্তি থেকে ১/৩ অংশ পাবেন।
- এই নিয়ম প্রয়োগ না করলে মাতা পিতার চেয়ে বেশি অংশ পেতে পারেন, যা ইসলামী উত্তরাধিকার আইনের মূল নীতির সাথে সাংঘর্ষিক।

৮,৩৯৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১ বিধি ৮ এর আওতায় আদালত নোটিশ জারীর জন্য কার কাছ থেকে খরচ গ্রহণ করবে?
  1. বাদী
  2. বিবাদী
  3. স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি
  4. আদালতের রেজিস্টার
সঠিক উত্তর:
বাদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদী
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১ নং আদেশের ৮ নং বিধিতে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা (Representative Suit) এর বিধান রয়েছে। যদি অনেক ব্যক্তির একই স্বার্থ থাকে, তবে আদালতের অনুমতিক্রমে, এক বা একাধিক ব্যক্তি সকলের পক্ষে মামলা করতে পারে। এভাবে তারা অন্যান্যদের প্রতিনিধিত্ব করে। 

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১ বিধি ৮ এর বিধান: একই ব্যক্তি একই স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকলের পক্ষে মামলা করতে বা আত্মপক্ষ সমৰ্থন করতে পারে:
(১) যেক্ষেত্রে কোন মামলায় বহু সংখ্যক লোকের একই রূপ স্বার্থ নিহিত থাকে, সেক্ষেত্রে আদালতের অনুমতিক্রমে এরূপ এক বা একাধিক ব্যক্তি স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তির পক্ষে বা উপকারার্থে এরূপ মামলা করতে বা মামলায় বিবাদী হতে বা অভিযোগের জবাব দিতে পারে। কিন্তু এরূপ ক্ষেত্রে আদালত বাদীর খরচায় অনুরূপ স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকলকে মামলা দায়ের সম্পর্কে ব্যক্তিগত জারীর মাধ্যমে নোটিশ প্রদান করবেন যেক্ষেত্রে লোকের সংখ্যাধিক্যের বা অন্য কোন কারণে এরূপ নোটিশজারী যুক্তসঙ্গতভাবে উপযোগী না হয়, গণ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে, প্রত্যেকক্ষেত্রে আদালত যে ভাবেই নির্দেশ দেন।
(২) উপ-বিধি (১) অনুসারে যে কোন ব্যক্তি যাদের পক্ষে বা উপকারার্থ কোন মামলা দায়ের করা হয়েছে বা অভিযোগের জবাব দেয়া হয়েছে, এরূপ মামলায় পক্ষ হওয়ার জন্য আদালতে আবেদন করতে পারে।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order 1 Rule 8: One person may sue or defend on behalf of all in the same interest-
1) Where there are numerous persons having the same interest in one suit, one or more of such persons may, with the permission of the Cour sue or be sued, or may defend, in such suit, on behalf of or for the benefit of all persons so interested. But the Court shall in such case give, at the plaintiff's expense, notice of the institution of the suit to all such personnel either by person service or, where from the number of persons or any other cause such service is not reasonably practicable, by public advertisement as the Court in each case may direct

2) Any person on whose behalf or for whose benefit a suit is instituted or defended under sub-rule (1) may apply to the Court to be made a party to such suit.
৮,৩৯৮.
প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক কত টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করলে, উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না?
  1. ৫০ টাকা
  2. ১০০ টাকা
  3. ৫০০ টাকা
  4. ১০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০ টাকা
ব্যাখ্যা
ধারা ৪১৩- তুচ্ছ মামলার ক্ষেত্রে [Petty Cases] আপিল-
 
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪১৩ ধারা অনুসারে কোন দণ্ডিত ব্যক্তি আপিল করতে পারবে না, যদি দায়রা আদালত অনধিক ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করে বা দায়রা আদালত বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ৫০ টাকার অর্থদণ্ড প্রদান করে।

অন্যদিকে, যদি আদালত শুধুমাত্র জরিমানা আরোপ করে এবং উক্ত জরিমানা প্রদানে ব্যর্থতার কারণে, আদালত দণ্ড আরোপ করলে উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে আপিল করা যাবেনা।
 
[Notwithstanding anything hereinbefore contained, there shall be no appeal by a convicted person in cases in which a Court of Session passes a sentence of imprisonment not exceeding one month only, or in which a Court of Session or Chief Judicial Magistrate or Metropolitan Magistrate or other Magistrate of the first class passes a sentence of fine not exceeding fifty Taka only.
Explanation- There is no appeal from a sentence of imprisonment passed by such Court or Magistrate in default of payment of fine when no substantive sentence of imprisonment has also been passed.]
৮,৩৯৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৯৫ অনুযায়ী, যদি আদালত মনে করে যে গ্রেপ্তার, জব্দ বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অযথা কারণে চাওয়া হয়েছে, তাহলে আদালত কী করতে পারে?
  1. মামলা বাতিল করবে
  2. ক্ষতিপূরণ আদায় করবে
  3. মামলার ফলাফল স্থগিত করবে
  4. একে অপরের বিরুদ্ধে মামলা করতে নির্দেশ দেবে
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণ আদায় করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণ আদায় করবে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) ক্ষতিপূরণ আদায় করবে। 
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৯৫(১) অনুযায়ী, যদি আদালত মনে করে যে কোনো গ্রেপ্তার, জব্দ বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অযথা কারণে চাওয়া হয়েছে, অথবা মামলাটি ব্যর্থ হয়েছে এবং আদালত মনে করে যে, এটি করার জন্য যথাযোগ্য ও যুক্তিসঙ্গত কারণ ছিল না, তখন আদালত বিবাদীকে ক্ষতিপূরণ আদায় করে দিতে পারে।
- এই ক্ষতিপূরণের পরিমাণ আদালত ১০,০০০ টাকার মধ্যে নির্ধারণ করবে, তবে আদালতের আর্থিক এখতিয়ার অনুসারে এর সীমা থাকতে পারে।

- এছাড়া, ধারা ৯৫(২) অনুসারে, একবার যদি আদালত ক্ষতিপূরণের আদেশ দেয়, তাহলে তার পরে আর কোনো নতুন মামলা ক্ষতিপূরণের জন্য করা যাবে না। এটি চূড়ান্ত আদেশ হিসেবে গণ্য হবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908,Section 95.Compensation for obtaining an arrest, attachment or injunction on insufficient grounds.
(1) Where, in any suit in which an arrest or attachment has been effected or a temporary injunction granted under the last proceeding section,- 
(a) it appears to the Court that such arrest, attachment or injunction was applied for on insufficient grounds, or 
(b) the suit of the plaintiff fails and it appears to the Court that there was no reasonable or probable ground for instituting the same. 
the defendant may apply to the Court, and the Court may, upon such application, award against the plaintiff by its order such amount, not exceeding ten thousand Taka, as it deems a reasonable compensation to the defendant for the expense or injury caused to him: 
Provided that a Court shall not award, under this section, an amount exceeding the limits of its pecuniary jurisdiction. 
(2) An order determining any such application shall bar any suit for compensation in respect of such arrest, attachment or injunction.
৮,৪০০.
এজাহার সম্পর্কে নিম্মলিখিত কোন তথ্যটি সত্য-?
  1. এজাহার একটি চূড়ান্ত সাক্ষ্য
  2. এজাহার কোন মূল সাক্ষ্য না
  3. ঘটনা সম্পর্কে অবগত যেকোন ব্যক্তি এজাহার দায়ের করতে পারে
  4. খ ও গ উভয়
সঠিক উত্তর:
খ ও গ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ ও গ উভয়
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারায় প্রাথমিক তথ্য বিবরণী বা এজাহারের (FIR) বিধান রয়েছে। এছাড়া পুলিশ প্রবিধানের (PRB) ২৪৩ বিধিতে FIR বর্ণিত রয়েছে। FIR এর পূর্ণরূপ হচ্ছে First Information Report। আমলযোগ্য কোন অপরাধ সংঘটিত হলে থানায় লিখিতভাবে বা মৌখিকভাবে খবর দিলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্তৃক তা ১৫৪ ধারানুযায়ী বি.পি. ২৭ নং ফরমে লিপিবদ্ধ করা হয় যা FIR বা প্রাথমিক তথ্য বিবরণী নামে পরিচিত।
♦অর্থাৎ আমলযোগ্য কোন অপরাধ সংঘটিত হলে থানায় লিখিতভবে কিংবা মৌখিকভাবে খবর দিলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্তৃক তা নির্ধারিত বইতে লিপিবদ্ধ করাকে এজাহার বলে।
♦প্রাথমিক তথ্য বিবরনী কোন মূল সাক্ষ্য না। অর্থাৎ শুধুমাত্র প্রাথমিক তথ্য বিবরণীর উপর ভিত্তি করে কোন দণ্ড দেওয়া যাবে না।