বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ৭৭ / ১৫৫ · ৭,৬০১৭,৭০০ / ১৫,৪৭০

৭,৬০১.
মূল আইন ও এর অধীনে প্রণিত আইনে ব্যবহৃত অভিব্যক্তির অর্থ একই। এই সংক্রান্ত The General Clauses Act, 1897 এর ধারা কোনটি?
  1. ২১
  2. ২০
  3. ২৯
  4. ১৮
সঠিক উত্তর:
২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০
ব্যাখ্যা
⇒ The General Clauses Act, 1897 এর ২০ ধারার: আইনের অধীন জারীকৃত আদেশ, ইত্যাদি ব্যাখ্যা:
- যে ক্ষেত্রে সংসদের কোন আইন বা প্রবিধিতে কোন প্রজ্ঞাপন, আদেশ, পরিকল্প, বিধি, ফরম বা উপ-আইন জারীর কোন ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে এই আইন প্রবর্তনের পরে প্রণীত, অনুরূপ প্রজ্ঞাপন, আদেশ, পরিকল্প, বিধি, ফরম বা উপ-আইনে ব্যবহৃত অভিব্যক্তিসমূহের অর্থ অনুরূপ ক্ষমতা অর্পণকারী আইনে ব্যবহৃত অভিব্যক্তির সমার্থক হবে।
---------------------------
PROVISION AS TO ORDERS, RULES, ETC., MADE UNDER ENACTMENTS
The General Clauses Act, 1897 Section-20 Construction of orders, etc., issued under enactments: 
-Where, by any Act of Parliament or Regulation, a power to issue any notification, order, scheme, rule, form or bye-law is conferred, then expressions used in the notification, order, scheme, rule, form or bye-law, if it is made after the commencement of this Act, shall, unless there is anything repugnant in the subject or context, have the same respective meanings as in the Act or Regulation conferring the power.
৭,৬০২.
একজন মুসলমান বা হিন্দু পরস্পর ভিন্ন ধর্মের উপাসনালয়ে ঢুকে পবিত্র স্থান নোংরা ও ক্ষতিগ্রস্থ করে এবং তা ধর্মকে অপাদস্থ করার মানসে সংঘঠিত করে তাহলে উক্ত ব্যক্তির ২৯৫ ধারার বিধান মতে কী শাস্তি হবে?
  1. ৫ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়ই
  2. ১০ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়ই
  3. ২ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়ই
  4. ৩ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়ই
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়ই
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৯৫ ধারার বিধান কোন শ্রেণী বিশেষের ধর্মের প্রতি অবমাননা প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে উপসানালয়ের স্থান বিনষ্ট বা অপবিত্র করা:- কোন ব্যক্তি যদি কোন উপাসনা স্থান বিনস্ট করে, ক্ষতিগ্রস্ত করে বা অপব্রিত করে অথবা জনসাধারণের কোন শ্রেণী দ্বারা পবিত্র বলে গণ্য কোন বস্তু বিনষ্ট করে, ক্ষতিগ্রস্ত করে বা অপবিত্র করে, এবং জনসাধারণের কোন শ্রেণীর ধর্মকে অপদস্থ করার মানসেই তা করে অথবা অনুরূপ বিনষ্টকরণ, ক্ষতিসাধন বা অবপবিত্রকরণকে একশ্রেণীর জনসাধারণ তাদের ধর্মের প্রতি অবমাননা বলে বিবেচনা করবে জানা সত্ত্বেও তা করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
-------------
⇒ Injuring or defiling place of worship, with intent to insult the religion of any class:

Section 295. Whoever destroys, damages or defiles any place of worship, or any object held sacred by any class of persons with the intention of thereby insulting the religion of any class of persons or with the knowledge that any class of persons is likely to consider such destruction, damage or defilement as an insult to their religion, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৭,৬০৩.
দায়রা জজের রিভিশনাল সিদ্ধান্ত-
  1. আপিলযোগ্য
  2. চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত
  3. পুনঃশুনানি সাপেক্ষ
  4. দ্বিতীয় রিভিশনযোগ্য
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত
ব্যাখ্যা
• রিভিশন হলো নিম্ন আদালতের নথি পরীক্ষা করে উর্দ্ধতন আদালত কর্তৃক ভুলত্রুটি সংশোধন করা। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ থেকে এবং ৪৪২ থেকে ৪৪২ক পর্যন্ত রিভিশন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে-
১. হাইকোর্ট বিভাগ
২. দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ

• ৪৩৯ক ধারায় দায়রা জজকে রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। হাইকোর্ট বিভাগের রিভিশন সংক্রান্ত যে সকল ক্ষমতা আছে দায়রা জজও সেই সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। ৪৩৯ক এর ৩ উপধারায় বলা হয়েছে দায়রা জজের কোন সাধারণ বা বিশেষ আদেশে কোন রিভিশনাল মামলা অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট প্রেরণ করা হলে অতিরিক্ত দায়রা জজ, দায়রা জজের সকল রিভিশনাল এখতিয়ার প্রয়োগ করতে পারবে।

ধারা ৪৩৯ক এর ২ উপধারায় তে দেয়া আছে,
দায়রা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করা হলে উক্ত বিষয়ে দায়রা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যাবে না।
৭,৬০৪.
পারিবারিক আদালতে আরজি দাখিলের পর বিবাদীর উপস্থিতির জন্য সাধারণত কত দিনের সময় নির্ধারণ করা হয়? 
  1. ৬০ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ২১ দিন
  4. ১৫ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ৭(১)(ক) অনুসারে, আদালতে আরজি (আবেদন) দাখিলের পর আদালত সাধারণভাবে অনধিক ৩০ (ত্রিশ) দিনের একটি তারিখ ধার্য করে বিবাদীকে হাজির হওয়ার ও লিখিত জবাব দাখিলের জন্য।

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ৭: সমন ও নোটিশ জারিকরণ:
(১) পারিবারিক আদালতে আরজি দাখিল করিবার পর আদালত নিম্নরূপ উদ্যোগ গ্রহণ করিবে, যথা:-
(ক) বিবাদীর উপস্থিতির জন্য সাধারণভাবে অনধিক ৩০(ত্রিশ) দিনের একটি তারিখ ধার্যকরণ;
(খ) বিবাদীর প্রতি নির্ধারিত তারিখে হাজির হইবার এবং জবাব প্রদানের জন্য সমন জারি;
(গ) বিবাদীর নিকট প্রাপ্তিস্বীকারপত্র সংবলিত রেজিস্ট্রি ডাকযোগে মোকদ্দমার নোটিশ প্রেরণ; এবং
(ঘ) উপরিউক্ত দফা (খ) ও (গ) এর অধীন সমন জারি ও নোটিশ প্রেরণের পাশাপাশি আদালত, বাদী কর্তৃক খরচ বহন করিবার শর্তে, আরজিতে উল্লিখিত বা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বাদী কর্তৃক সরবরাহকৃত বিবাদীর ইমেইল ঠিকানায় সমন জারি করিবেন, তবে ইমেইল ঠিকানার সঠিকতা সম্পর্কে আদালত সন্তুষ্ট হইলে উক্তরূপে জারীকৃত সমন বিবাদীর উপর যথাযথভাবে জারি হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।
(২) উপধারা (১) এর অধীন জারীকৃত প্রত্যেকটি সমন এবং প্রেরিত নোটিশের সহিত আরজির নকল এবং ধারা ৬ এর উপধারা (৫) ও (৬) এ উল্লিখিত দলিলসমূহের তালিকার অনুলিপি সংযুক্ত করিতে হইবে।
(৩) উপধারা (১) এর দফা (খ) এর অধীন জারীকৃত সমন দেওয়ানি কার্যবিধির ৫ নং আদেশের বিধি ৯(১), ৯(২), ৯(৪), ৯(৫), ৯এ, ১০, ১১, ১৬, ১৭, ১৮, ১৯এ, ২০, ২১, ২৩, ২৪, ২৫(১), ২৬, ২৭, ২৮ এবং ২৯ এ বর্ণিত পদ্ধতিতে জারি করিতে হইবে এবং উক্তরূপে জারীকৃত সমন বিবাদীর উপর যথাযথভাবে জারি হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।
(৪) উপধারা (১) এর দফা (গ) এর অধীন প্রেরিত নোটিশ বিবাদীর উপর তখনই যথাযথভাবে জারি হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে যখন বিবাদী কর্তৃক স্বাক্ষরিত প্রাপ্তিস্বীকারপত্র আদালত কর্তৃক গৃহীত হয় অথবা আদালত নোটিশ বহনকারী ডাকটি ডাক কর্মচারীর এই মর্মে লিখিত মন্তব্যসহ ফেরত পান যে, নোটিশ বহনকারী ডাক বিবাদীকে প্রদানে যাচনা করিবার পর তিনি উহা গ্রহণে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করিয়াছেন:
তবে শর্ত থাকে যে, নোটিশ যথাযথভাবে ঠিকানাযুক্ত অগ্রিম প্রদত্ত প্রাপ্তিস্বীকারপত্রসহ রেজিস্ট্রি ডাকযোগে যথাযথভাবে প্রেরিত হইয়া থাকিলে নোটিশ ডাকে দেওয়ার তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) দিন অতিবাহিত হইবার পর যদি প্রাপ্তিস্বীকারপত্রটি হারাইয়া যায় বা ভুল ঠিকানায় চলিয়া যায় বা অন্য কোনো কারণে উক্ত সময়ের মধ্যে আদালত কর্তৃক প্রাপ্ত না হয় তাহা হইলে বিবাদীর উপর উহা যথাযথভাবে জারি হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।
(৫) উপধারা (১) এর দফা (খ) এর অধীন জারীকৃত সমন প্রেরণ সংক্রান্ত খরচ দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন সমন জারির খরচের ন্যায় হইবে এবং উপধারা (১) এর দফা (গ) এর অধীন প্রেরিত নোটিশের ডাক খরচ আরজি দাখিলের সময় বাদী কর্তৃক প্রদেয় হইবে।

৭,৬০৫.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২৬ বিধি-২ অনুযায়ী, কোন উদ্দেশ্যে কমিশন প্রেরণ করা হয়?
  1. সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য
  2. সাক্ষীকে পরীক্ষার জন্য
  3. রায় ঘোষণার জন্য
  4. সম্পত্তি বাটোয়ারার জন্য
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীকে পরীক্ষার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীকে পরীক্ষার জন্য
ব্যাখ্যা

দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২৬ বিধি-২: কমিশনের জন্য আদেশ: 
সাক্ষী পরীক্ষার জন্য কমিশন জারির আদেশ আদালত কর্তৃক হয় নিজ উদ্যোগে অথবা মোকদ্দমার কোনো পক্ষের বা যে সাক্ষীকে পরীক্ষা করা হবে তার শপথপত্র সমর্থিত বা অন্যভাবে আবেদনক্রমে প্রদান করা যেতে পারে।

Order-26 Rule-2. Order for commission:
An order for the issue of a commission for the examination of a witness may be made by the Court either of its own motion or on the application, supported by affidavit or otherwise, of any party to the suit or of the witness to be examined.

৭,৬০৬.
'আমলযোগ্য অপরাধের তদন্তের ক্ষেত্রে পুলিশ অফিসারের কার্যক্রমকে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না' - এটি ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ১৫৫(১) ধারায়
  2. ১৫৬(১) ধারায়
  3. ১৫৬(২) ধারায়
  4. ১৫৬(৩) ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৫৬(২) ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৬(২) ধারায়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ ধারা ১৫৬ – আমলযোগ্য অপরাধে তদন্ত (Investigation into cognizable cases):

ধারা ১৫৬(১):
যে কোনও পুলিশ স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (OC) ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ছাড়াই এমন কোনও আমলযোগ্য অপরাধের তদন্ত শুরু করতে পারেন, যা তার অধীনস্থ এলাকা বা সীমার মধ্যে পড়ে এবং যে মামলা সেই এলাকার কোনও আদালতের বিচারাধীন হতে পারে (অধ্যায় XV অনুযায়ী যেখানে বিচার হবে বা তদন্ত হবে)।

ধারা ১৫৬(২):
এমন কোনও মামলায় পুলিশ কর্মকর্তার করা কোনও কার্যক্রমকে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না এই অজুহাতে যে, তিনি এই ধারা অনুসারে তদন্ত করার ক্ষমতা রাখেন না।

ধারা ১৫৬(৩):
যে কোনও ম্যাজিস্ট্রেট, যিনি ধারা ১৯০ অনুযায়ী ক্ষমতাপ্রাপ্ত, তিনি উপর্যুক্তভাবে (উল্লেখিত আমলযোগ্য মামলায়) তদন্তের আদেশ দিতে পারেন।
৭,৬০৭.
'একটি দেওয়ানি মোকদ্দমার সমন বিনা জারিতে ফেরত আসার ৩০ দিনের মধ্যে বাদী নতুন করে সমন পাঠানোর পদক্ষেপ না নিলে মোকদ্দমাটি খারিজ হবে' - দেওয়ানি কার্যবিধির কোথায় এই বিধান আছে?
  1. আদেশ-৫, বিধি-৫
  2. আদেশ-৮, বিধি-৫
  3. আদেশ-৯, বিধি-৫
  4. আদেশ-১০, বিধি-৫
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৯, বিধি-৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৯, বিধি-৫
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধি, আদেশ-৯, বিধি-৫:
(১) বিবাদীকে কিংবা কতিপয় বিবাদীর কোনো একজনের প্রতি সমন দেওয়ার পর যদি তা জারি না হয়ে ফেরত আসে, এবং আদালতের যে কর্মচারী সাধারণত সমন জারির বিষয়ে আদালতের কাছে প্রত্যয়ন করেন, তিনি আদালতে উক্ত সমন জারি না হওয়ার প্রত্যয়নপত্রসহ তা ফেরত দেওয়ার পর এক মাসের মধ্যে বাদী যদি নতুন সমন দেওয়ার জন্য আবেদন না করেন, তাহলে আদালত অনুরূপ বিবাদীর বিরুদ্ধে মোকদ্দমাটি খারিজের আদেশ দেবে। তবে, যদি উক্ত এক মাসের মধ্যে বাদী নিম্নলিখিত যে কোনো কারণ দর্শিয়ে আদালতকে এ মর্মে সন্তুষ্ট করতে পারেন—

ক) যে বিবাদীর উপর সমন জারি হয়নি, বাদী যথাসাধ্য সকল চেষ্টা করেও সেই বিবাদীর ঠিকানা আবিষ্কার করতে ব্যর্থ হয়েছে; অথবা
খ) উক্ত বিবাদী পরোয়ানা জারি এড়িয়ে চলছেন; অথবা
গ) সময়ের মেয়াদ বাড়ানোর জন্য কোনো যৌক্তিক কারণ রয়েছে, তাহলে আদালত নতুন সমন দেওয়ার আবেদনের সময়ের মেয়াদ উপযুক্ত মনে করে বৃদ্ধি করতে পারবে।

(২) অনুরূপ ক্ষেত্রে বাদী (তামাদি আইন সাপেক্ষে) নতুন মোকদ্দমা দায়ের করতে পারেন।
৭,৬০৮.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী মনুষ্য হরণের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৩ বছর কারাদণ্ড
  2. ৫ বছর কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. ১০ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৬২ ধারার বিধান অপহরণ বা মনুষ্যহরণ:- যদি কোন ব্যক্তি, অপর কোন ব্যক্তিকে কোন স্থান হতে গমন করার জন্য জোরপূর্বক বাধ্য করে বা কোন প্রতারণামূলক উপায়ে প্রলুব্ধ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অনুরূপ ব্যক্তিকে অপহরণ করে বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬৩ ধারার বিধান মনুষ্য হরণের সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি কাউকে বাংলাদেশ হতে অথবা আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
------------
⇒ Section 362. Abduction:- Whoever by force compels, or by any deceitful means induces, any person to go from any place, is said to abduct that person.
⇒ Section 363. Punishment for kidnapping:- Whoever kidnaps any person from Bangladesh or from lawful guardianship, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine. 
৭,৬০৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫ ধারায় কত ধরনের আদালতকে রিভিশন এখতিয়ার দেয়া হয়েছে?
  1. ৫ ধরনের
  2. ৪ ধরনের
  3. ৩ ধরনের
  4. ২ ধরনের
সঠিক উত্তর:
২ ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ধরনের
ব্যাখ্যা
রিভিশন [Revision]:
রিভিশন অর্থ হলো ক্ষমতা সম্পন্ন উচ্চ আদালত কর্তৃক নিম্ন আদালতের কোন মামলার সিদ্ধান্ত সঠিক করার জন্য সংশোধন করা। রিভিউ এবং রিভিশনের মধ্যে মূল পার্থক্য হলো রিভিউ দায়ের করা হয় ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে অন্যদিকে রিভিশন দায়ের করা হয় ডিক্রি প্রদানকারী আদালতের রিভিশন ক্ষমতা সম্পন্ন উচ্চ আদালতে (হাইকোর্ট বিভাগ এবং জেলা জজের নিকট)। দেওয়ানী আদালতের ডিক্রি বা আদেশ দ্বারা সংক্ষুব্ধ পক্ষ রিভিশন আবেদন দায়ের করতে পারে।

দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫ ধারা অনুযায়ী ২ (দুই) ধরনের আদালতের রিভিশন এখতিয়ার আছে-
১. হাইকোর্ট বিভাগের;
২. জেলা জজ আদালতের।
১১৫ (১) ধারায় হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন দায়ের সম্পর্কিত বিধান করা হয়েছে। ১১৫ (২) ধারায় জেলা জজের আদালতে রিভিশন দায়ের সম্পর্কিত বিধান করা হয়েছে।

রিভিশন দায়েরের কারণ:
দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারা অনুযায়ী কোনো ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করা যাবে যদি-
ক. ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের বিধান না থাকলে এবং
খ. নিম্ন আদালত আইনগত ভুল করার কারণে ডিক্রি বা আদেশে ভুল হয়েছে এবং
গ. উক্ত ভুলের কারণে ন্যায়বিচার ব্যর্থ হলে রিভিশন দায়ের করা যাবে।
শুধুমাত্র আইনত ভুলের ক্ষেত্রে আদালত রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করবে না। যদি আইনগত ভুলটি ন্যায় বিচার বিঘ্ন করে, শুধুমাত্র আদালত তখনই রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করবে।
৭,৬১০.
'Inspector-General of Registration' নিয়োগ দেয় কে?
  1. সংসদ
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. সরকার
  4. সুপ্রিম কোর্ট
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
ধারা ৩: মহা-পরিদর্শক, নিবন্ধন (Inspector-General of Registration):
(১) সরকার একজন কর্মকর্তাকে বাংলাদেশের জন্য মহা-পরিদর্শক, নিবন্ধন (Inspector-General of Registration) হিসেবে নিয়োগ দিবে।
তবে শর্ত থাকে যে, সরকার চাইলে এমন নিয়োগ না দিয়ে, এই আইনের অধীনে মহা-পরিদর্শক, নিবন্ধনের উপর আরোপিত যে কোন ক্ষমতা ও দায়িত্ব একজন বা একাধিক কর্মকর্তা কর্তৃক এবং নির্ধারিত এলাকা বা সীমানার মধ্যে পালন ও প্রয়োগের জন্য আদেশ প্রদান করতে পারে।

(২) একজন মহা-পরিদর্শক, নিবন্ধন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অন্য কোনো পদ একসাথে (একই সময়ে) ধারণ করতে পারবেন।
৭,৬১১.
যদি কোনো ব্যক্তি জামিন বন্ডে স্বাক্ষর করার পর আদালতে হাজির না হয়, ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৯২ অনুযায়ী আদালত কোন ব্যবস্থা নিতে পারে?
  1. নতুন সমন জারি করবে
  2. সতর্কবার্তা নোটিশ দেবে
  3. গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করবে
  4. মামলা খারিজ করবে
সঠিক উত্তর:
গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করবে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৯২ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি জামিন বন্ডে স্বাক্ষর করে আদালতে হাজির হওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন কিন্তু নির্ধারিত সময়ে হাজির না হন, তবে আদালতের প্রিসাইডিং অফিসার তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করতে পারেন।
- এই পরোয়ানার মাধ্যমে তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করানো হয়।
- অর্থাৎ, আদালত কেবল সতর্কবার্তা বা সমন নয়, বরং সরাসরি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করার ক্ষমতা রাখে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৯২ অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে জামিন বন্ডে স্বাক্ষর করে আদালতে হাজির হওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়, কিন্তু নির্ধারিত সময়ে আদালতে হাজির না হয়, তবে আদালতের প্রিসাইডিং অফিসার (অর্থাৎ আদালতের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করতে পারেন। এই পরোয়ানার মাধ্যমে ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 92. Arrest by breach of bond for appearance:
When any person who is bound by any bond taken under this Code to appear before a Court, does not so appear, the officer presiding in such Court, may issue a warrant directing that such person be arrested and produced before him.

৭,৬১২.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী দায়রা আদালতের বিচারকদের নিয়োগ কে প্রদান করেন?
  1. প্রধান বিচারপতি
  2. সুপ্রিম কোর্ট
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. সরকার
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) রাষ্ট্রপতি।
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯(৩) ধারার অধীনে, দায়রা আদালতের বিচারকদের নিয়োগ রাষ্ট্রপতি প্রদান করেন। রাষ্ট্রপতি জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের মধ্য থেকে দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজকে নিয়োগ দেন, যা সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদে নির্ধারিত রয়েছে।

⇒ দায়রা আদালতের শ্রেণীবিভাগ- ফৌজদারি কার্যবিধির ৯ ধারামতে দায়রা আদালতে তিন ধরণের বিচারক থাকে। যথা-
ⅰ) দায়রা জজ (Sessions Judge);
ii) অতিরিক্ত দায়রা জজ (Additional Sessions Judge);
iii) যুগ্ম দায়রা জজ (Joint Sessions Judge)।
- ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা-৯(৩ক): দায়রা আদালতের বিচারক নিয়োগ- সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি দ্বারা প্রণীত বিধি সাপেক্ষে দায়রা আদালতের বিচারকগণকে অর্থাৎ দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ ও যুগ্ম দায়রা জজকে জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেয়া হয়।
--------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 9: Court of Sessions:
(1) The Government shall establish a Court of Session for every sessions division, and appoint a judge of such Court ; and the Court of Session for Metropolitan Area shall be called the Metropolitan Court of Session.
(2) The Government may, by general or special order in the official Gazette, direct at what place or places the Court of Session shall hold its sitting; but, until such order is made, the Courts of Session shall hold their sittings as heretofore.
(3) The Government may also appoint Additional Sessions Judges and Assistant Sessions Judges to exercise jurisdiction in one or more such Courts.
(3A) The members of the Bangladesh Judicial Service shall be appointed as Sessions Judge, Additional Sessions Judge and Joint Sessions Judge in accordance with the rules framed by the President under the proviso to Article 133 of the constitution to exercise jurisdiction in one or more of such areas.
(4) A Sessions Judge of one sessions division may be appointed by the Government to be also an Additional Sessions Judge of another division, and in such case he may sit for the disposal of cases at such place or places in either division as the Government may direct.
(5) All Courts of Session existing when this Code comes into force shall be deemed to have been established under this Act.
৭,৬১৩.
মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯ অনুযায়ী, যদি স্বামী ৭ বছর বা তার বেশি সময়ের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন, তাহলে বিবাহ বিচ্ছেদের ডিক্রি কখন পাস করা যাবে?
  1. রায় হওয়ার পর
  2. রায় চূড়ান্ত হওয়ার পর
  3. ২ বছর কারাবাসের পর
  4. ৫ বছর কারাবাসের পর
সঠিক উত্তর:
রায় চূড়ান্ত হওয়ার পর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায় চূড়ান্ত হওয়ার পর
ব্যাখ্যা
মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯ এর ধারা ২(৩) অনুযায়ী, যদি স্বামী ৭ বছর বা তার বেশি সময়ের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন, তাহলে বিবাহ বিচ্ছেদের ডিক্রি পাস করা যাবে। 
- এই ধারা অনুযায়ী, স্বামী যদি ৭ বছর বা তার বেশি সময়ের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন, তাহলে স্ত্রী বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য আবেদন করতে পারেন।
তবে, এই ডিক্রি পাস করার আগে আদালতকে নিশ্চিত হতে হবে যে রায় চূড়ান্ত হয়েছে। অর্থাৎ, রায়ের বিরুদ্ধে কোনো আপিল বা পুনর্বিচারের আবেদন থাকলে, যতক্ষণ না তা নিষ্পত্তি হয়, ততক্ষণ ডিক্রি পাস করা যাবে না।

প্রদত্ত অপশন গুলোর বিশ্লেষণ:
ক) রায় হওয়ার পর : এটি সঠিক নয়, কারণ রায় চূড়ান্ত হওয়ার আগে ডিক্রি পাস করা যায় না।
খ) রায় চূড়ান্ত হওয়ার পর: এটি সঠিক উত্তর। রায় চূড়ান্ত হওয়ার পরই কেবল ডিক্রি পাস করা যাবে।
গ) ২ বছর কারাবাসের পর: এটি ভুল, কারণ কারাবাসের সময় নয়, রায়ের চূড়ান্ততা বিবেচ্য।
ঘ) ৫ বছর কারাবাসের পর: এটি ভুল, কারণ কারাবাসের সময় নয়, রায়ের চূড়ান্ততা বিবেচ্য।

সঠিক উত্তর: খ) রায় চূড়ান্ত হওয়ার পর। কারণ, এই আইন অনুযায়ী, ডিক্রি পাস করার আগে রায় চূড়ান্ত হওয়া আবশ্যক।
৭,৬১৪.
দণ্ডবিধির ৪১০ ধারা অনুসারে, অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের সাথে যুক্ত সম্পত্তি কী বলে গণ্য হবে?
  1. বৈধ সম্পত্তি
  2. সাধারণ সম্পত্তি
  3. চোরাই সম্পত্তি
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
চোরাই সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চোরাই সম্পত্তি
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারায় "চোরাই সম্পত্তি" (Stolen Property) এর সংজ্ঞায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ (Criminal Breach of Trust) এর সাথে যুক্ত সম্পত্তি চোরাই সম্পত্তি বলে গণ্য হবে। এছাড়াও চুরি, জোরপূর্বক আদায়, দস্যুতা বা অপরাধমূলক আত্মসাতের মাধ্যমে হস্তান্তরিত সম্পত্তিও এর অন্তর্ভুক্ত।
সুতরাং, অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ (Criminal Breach of Trust)-এর মাধ্যমে প্রাপ্ত বা সম্পর্কিত সম্পত্তিও দণ্ডবিধি অনুযায়ী চোরাই সম্পত্তি হিসেবে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারার বিধান চোরাই সম্পত্তি:
- চুরি বা জোরপূর্বক আদায় বা দস্যুতার কর্তৃক যে সম্পত্তি হস্তান্তরিত হয়েছে বা যে সম্পত্তি অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎ হয়েছে বা যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ হয়েছে সে সম্পত্তিকে "চোরাই সম্পত্তি” বলে। অনুরূপ হস্তান্তর অথবা আত্মসাৎ বা বিশ্বাস ভঙ্গ বাংলাদেশের মধ্যে বা বাহিরে যেখানে সাধিত বা সংঘটিত হোক না কেন, সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি 'চোরাই সম্পত্তি' বলে উহা আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী ব্যক্তির দখলে আসে, তবে আর উহা চোরাই সম্পত্তি থাকে না।
-----------
⇒The Penal Code, 1860- Section 410: Stolen property:
- Property, the possession whereof has been transferred by theft, or by extortion, or by robbery, and property which has been criminally misappropriated or in respect of which criminal breach of trust has been committed, is designated as "stolen property," whether the transfer has been made, or the misappropriation or breach of trust has been committed, within or without Bangladesh. But, if such property subsequently comes into the possession of a person legally entitled to the possession thereof, it then ceases to be stolen property.

৭,৬১৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ক ধারা অনুযায়ী, নিম্নলিখিত কোনটি করার ক্ষমতা আপিল বিভাগের রয়েছে?
  1. সাক্ষীকে সমন জারি করা
  2. মামলা ও আপিল স্থানান্তর করা
  3. একজন বিচারককে অপসারণ করা
  4. হাইকোর্ট বিভাগের বেঞ্চ গঠন করা
সঠিক উত্তর:
মামলা ও আপিল স্থানান্তর করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলা ও আপিল স্থানান্তর করা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫২৫ক (Section 525A of the Code of Criminal Procedure, 1898) অনুযায়ী আপিল বিভাগ (Appellate Division) এর একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষমতা হলো: হাইকোর্ট বিভাগের এক স্থায়ী বেঞ্চ থেকে অন্য স্থায়ী বেঞ্চে, অথবা এক বেঞ্চের এখতিয়ারাধীন ফৌজদারি আদালত থেকে অন্য বেঞ্চের এখতিয়ারাধীন সমপর্যায় বা উচ্চতর ফৌজদারি আদালতে মামলা বা আপিল স্থানান্তর করা।
- এই ক্ষমতা ব্যবহার করা হয় যদি তা ন্যায়বিচারের প্রয়োজনে বা পক্ষগণ বা সাক্ষীদের সাধারণ সুবিধার জন্য উপযুক্ত মনে হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫২৫ক- মামলা ও আপিল স্থানান্তরের ক্ষেত্রে আপিল বিভাগের ক্ষমতা:
(১) যেক্ষেত্রে এটা প্রতীয়মান হয় যে, এরূপ স্থানান্তর ন্যায়বিচারের উদ্দেশ্য বা পক্ষগণ বা সাক্ষীদের সাধারণ সুবিধার উন্নয়ন ঘটাবে সেক্ষেত্রে আপিল বিভাগ কোন নির্দিষ্ট মামলা বা আপিল হাইকোর্ট বিভাগের এক স্থায়ী বেঞ্চ থেকে উহার অন্য স্থায়ী বেঞ্চে কিংবা হাইকোর্ট বিভাগের কোন স্থায়ী বেঞ্চের এখতিয়ারের মধ্যকার কোন ফৌজদারি আদালত থেকে হাইকোর্ট বিভাগের অন্য কোন স্থায়ী বেঞ্চের মধ্যকার এখতিয়ারের মধ্যকার একই বা উচ্চতর ক্ষমতা সম্পন্ন ফৌজদারি আদালতে স্থানান্তর করতে পারবেন।
(২) যে হাইকোর্ট ডিভিশনের স্থায়ী বেঞ্চ কিংবা ক্ষেত্রমতে আদালতে মামলা বা আপিল স্থানান্তরিত হয়, সে বেঞ্চ বা আদালত এমনভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন যাতে মূলত সেখানেই উক্ত মামলা বা আপিল দায়ের করা বা উপস্থাপিত হয়েছিল।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 525A- Power of Appellate Division to transfer cases and appeals:
(1) The Appellate Division may direct the transfer of any particular case or appeal from one permanent Bench of the High Court Division to another permanent Bench of the High Court Division, or from any Criminal Court within the jurisdiction of one permanent Bench of the High Court Division to any other Criminal Court of equal or superior jurisdiction within the jurisdiction of another permanent Bench of the High Court Division, whenever it appears to it that such transfer promote the ends of justice, or tend to the general convenience of parties or witnesses.
(2) The permanent Bench of the High Court Division or the Court, as the case may be, to which such case or appeal is transferred shall deal with the same as if it had been originally instituted in, or presented to, such Bench or Court, as the case may be.
৭,৬১৬.
১৯৭২ -এর মূল সংবিধানের অধস্তন আদালতের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলার ক্ষমতা কোন কর্তৃপক্ষের উপর অর্পণ করা হয়েছিল?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. জাতীয় সংসদ
  4. সুপ্রীম কোর্ট
সঠিক উত্তর:
সুপ্রীম কোর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রীম কোর্ট
ব্যাখ্যা
১৯৭২ এর মূল সংবিধানে অধঃস্তন আদালতের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলার ক্ষমতা সুপ্রীমকোর্টের উপর ন্যস্ত ছিল।
- সংবিধানের ৪র্থ সংশোধনীয় মাধ্যমে এই ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির উপর অর্পণ করা হয়।
- এরপর Second Proclamation Order No. IV of 1978-এর মাধ্যমে সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ পুনরায় সংশোধন করা হয়।
- বিধান করা হয় যে, রাষ্ট্রপতি সুপ্রীম কোর্টের সাথে পরামর্শক্রমে অধঃস্তন আদালতের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলার ক্ষমতা প্রয়োগ করবে।

অনুচ্ছেদ ১১৬- অধস্তন আদালতসমূহের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা:
বিচার-কর্মবিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিদের এবং বিচারবিভাগীয় দায়িত্বপালনে রত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ (কর্মস্থল- নির্ধারণ, পদোন্নতিদান ও ছুটি মঞ্জুরীসহ) ও শৃংখলাবিধান রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত থাকিবে এবং সুপ্রীম কোর্টের সহিত পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক তাহা প্রযুক্ত হইবে।
৭,৬১৭.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় বিচার্য বিষয় কে প্রণয়ন করে?
  1. বাদী
  2. বিবাদী
  3. আদালত
  4. উভয় পক্ষের আইনজীবী
সঠিক উত্তর:
আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৪, বিধি ১ অনুযায়ী-
মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন আদালত বাদীর আরজি ও বিবাদীর লিখিত জবাব পাঠ করে, পক্ষগণের মধ্যে যে বিরোধপূর্ণ গুরুত্বপূর্ণ আইনগত বা ঘটনাগত বিষয় রয়েছে, তা নির্ধারণ করে বিচার্য বিষয় (Issues) প্রণয়ন ও লিপিবদ্ধ করে।

অর্থাৎ, বিচার্য বিষয় প্রণয়নের দায়িত্ব আদালতের।

৭,৬১৮.
একটি মামলা সংক্ষিপ্ত বিচারে প্রদত্ত ১৫০ টাকার অর্থদণ্ডের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত আপিলে আপিল আদালত এটি _______
  1. সরাসরি খারিজ করবেন
  2. শুনানীর জন্য নোটিশ দিবেন
  3. মঞ্জুর করে খালাস দিবেন
  4. মঞ্জুর করে মামলা পুনর্বিচারে পাঠাবেন
সঠিক উত্তর:
সরাসরি খারিজ করবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরাসরি খারিজ করবেন
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৪ ধারামতে সংক্ষিপ্ত বিচারের ক্ষেত্রে অনধিক ২০০/- টাকা জরিমানা করা হলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপিল চলে না।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২১ ধারামতে আদালত মনে করলে আপিল সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ করতে পারেন। তবে আইনজীবীকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দিতে হবে।
♦ বিশেষ নোট- ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন যে সকল ক্ষেত্রে আপিল করা যায় না, সে সব ক্ষেত্রে রিভিশন দায়ের করা যায়।
৭,৬১৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারা অনুসারে কেবলমাত্র ভুলের জন্য কোন চুক্তি-
  1. বাতিল করা যায়
  2. রদ করা যায় না
  3. সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যায় না
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
রদ করা যায় না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রদ করা যায় না
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারা: ভুলের জন্য রদ: কেবল সাধারণ ভুলের জন্য লিখিত কোনো চুক্তি বাতিল করা যাবে না, যতক্ষণ না পর্যন্ত যার বিরুদ্ধে চুক্তি বাতিল করা হবে তাকে অনুরূপ অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায় যেন চুক্তি করা হয়নি।
-------------------------
Section 36: Rescission for mistake: Rescission of a contract in writing cannot be adjudged for mere mistake, unless the party against whom it is adjudged can be restored to substantially the same position as if the contract had not been made.

৭,৬২০.
বাংলাদেশের সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুসারে কোন পরিস্থিতিতে সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হবে?
  1. নিজ দল থেকে পদত্যাগ করলে
  2. নিজ দলের বিপক্ষে ভোট দিলে
  3. সংসদে অনুপস্থিত থাকলে
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
⇒ Floor-Crossing বা 'political defection' অর্থ হলো অন্যদলে যোগদান করার জন্য বা স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার জন্য নিজের দল হতে পদত্যাগ করা বা সংসদে নিজের দলের বিপক্ষে ভোটদান করা। Floor- Crossing এর কারণে সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হবে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের বিধান: রাজনৈতিক দল হইতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়া:
কোন নির্বাচনে কোন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরূপে মনোনীত হইয়া কোন ব্যক্তি সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইলে তিনি যদি-
(ক) উক্ত দল হইতে পদত্যাগ করেন, অথবা
(খ) সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে ভোটদান করেন,
তাহা হইলে সংসদে তাঁহার আসন শূন্য হইবে, তবে তিনি সেই কারণে পরবর্তী কোন নির্বাচনে সংসদ-সদস্য হইবার অযোগ্য হইবেন না।
৭,৬২১.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে- “Complaint” means the allegation made orally or in writing to a _________.
  1. Police officer
  2. Magistrate
  3. any authority
  4. all of above
সঠিক উত্তর:
Magistrate
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Magistrate
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-4(h)-
"complaint" means the allegation made orally or in writing to a Magistrate, with a view to his taking action under this Code, that some person, whether known or unknown, has committed an offence, but it does not include the report of a police officer:

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা-৪(জ): নালিশ (Complaint)-
"নালিশ" বলতে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিক অথবা লিখিতভাবে এই মর্মে অভিযোগ করা যে, জ্ঞাত অথবা অজ্ঞাত কোন ব্যক্তি একটি অপরাধ করেছে।

অর্থাৎ, অপরাধ সম্পর্কে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট লিখিত বা মৌখিক অভিযোগ নালিশ (Complaint) বলে গণ্য হবে। কিন্তু অপরাধ সম্পর্কে পুলিশ অফিসারের নিকট মৌখিক অথবা লিখিত অভিযোগ নালিশ (Complaint) বলে গণ্য হবে না।

৭,৬২২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫০ ধারা অনুযায়ী কোন পুলিশ অফিসার আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের পরিকল্পনার সংবাদ কার নিকট জানাবেন?
  1. জেলা পুলিশ সুপারকে
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে
  3. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে
  4. উর্দ্ধতন পুলিশ অফিসারকে
সঠিক উত্তর:
উর্দ্ধতন পুলিশ অফিসারকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উর্দ্ধতন পুলিশ অফিসারকে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫০ ধারা মতে  আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের পরিকল্পনার (design) সংবাদ গ্রহণকারী পুলিশ অফিসার উক্ত সংবাদ তার উর্দ্ধতন পুলিশ অফিসারকে জানাবেন।

- ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫০ ধারার বিধান অনুরূপ অপরাধের ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সংবাদঃ কোন পুলিশ অফিসার কোন আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সংবাদ পেলে তিনি তাঁর উপরস্থ কোন পুলিশ কর্মকর্তা এবং এরূপ কোন অপরাধ নিবারণ করা বা আমলে আনা যে কর্মকর্তার কর্তব্য সেই কর্মকর্তাকে অবহিত করবেন।
-------------------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 150. Information of design to commit such offences: Every police-officer receiving information of a design to commit any cognizable offence shall communicate such information to the police-officer to whom he is subordinate, and to any other officer whose duty it is to prevent or take cognizance of the commission of any such offence.
৭,৬২৩.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary Injunction) কখন দেওয়া হয়?
  1. মোকদ্দমার শুরুতে
  2. মোকদ্দমা চলাকালীন যে কোনো সময়ে
  3. মোকদ্দমার শেষে রায়ের মাধ্যমে
  4. ডিক্রির জারির পূর্বে যে কোনো সময়ে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা চলাকালীন যে কোনো সময়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা চলাকালীন যে কোনো সময়ে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫৩ ধারার মতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:-অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হচ্ছে তেমন নিরোধ যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোন পর্যায়েই তা মঞ্জুর করা যায় এবং তা দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়।
-চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবলমাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়। যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।
-----------------------------
⇒ Section-53: Temporary injunctions: Temporary injunctions are such as are to continue until a specified time, or until the further order of the Court. They may be granted at any period of a suit, and are regulated by the Code of Civil Procedure.
-Perpetual injunctions: A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit, the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.
৭,৬২৪.
ক”২০০০০০ লক্ষ টাকার মূল্যমানের একটি চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করে। এই ক্ষেত্রে আদালত নিম্মলিখিত কোন সিদ্ধান্তটি দিতে পারে?
  1. আরজি ফেরত
  2. আরজি প্রত্যাখ্যান
  3. আরজি সংশোধন
  4. আরজি পুনরায় দাখিল করন
সঠিক উত্তর:
আরজি ফেরত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি ফেরত
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৭ বিধি- ১০ অনুযায়ী আরজি ফেরত: (১) মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা উচিত, ঐ আদালতে  আরজি পেশ করার জন্য সেটা ফেরত প্রদান করা যাবে।
♦(২) আরজি ফেরত প্রদানের পদ্ধতিঃ আরজি ফেরত দেয়ার সময় বিচারক এর উপর দাখিলের ও ফেরত দেয়ার তারিখ,দাখিলকারী পক্ষের নাম, এবং তা ফেরত দেয়ার কারণসম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত বিবৃতি লিপিবদ্ধ করবেন।
♦এখতিয়ার বিহীন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করলে আদালত মোকদ্দমাটি সঠিক আদালতে দায়েরের জন্য ফেরত পাঠাবে। যেহেতু মোকদ্দমাটি মূল্যমান ২ লক্ষ টাকা, তাই সহকারী জজ আদালতে মোকদ্দমাটি দায়ের করতে হবে।
৭,৬২৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৯ এর ৯ক বিধি মতে সরাসরি খারিজ আদেশ রদ করার আবেদনের জন্য কত টাকা খরচ প্রদান করতে হয়?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ১০০০ টাকা
  3. ২০০০ টাকা
  4. ৩০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৯ এর ৯ক বিধি অনুযায়ী, মোকদ্দমার খারিজ আদেশ দ্রুত রদ বা বাতিল করার জন্য আবেদন করা যায়। এই আবেদন করতে হলে বাদীকে আদালতে সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা খরচ প্রদান করতে হবে।
এই খরচের বিধান থাকার উদ্দেশ্য হলো আবেদনকে গুরুত্ব সহকারে নেওয়া এবং অপ্রয়োজনীয় বা অসংগত আবেদনের সংখ্যা সীমিত রাখা। এছাড়া, এতে বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়ে যায় এবং সময়ের অপচয় রোধ হয়।
অর্থাৎ, ১০০০ টাকা খরচ প্রদান করেই সরাসরি খারিজ আদেশ রদ করার আবেদন করা সম্ভব।

⇒দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৯, বিধি-৯ক: সরাসরি খারিজ আদেশ রদ বা বাতিল (Directly setting-aside dismissal )-
বিলম্ব এড়ানো ও বিচার তরান্বিত করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির ৯ নং আদেশের ৯ক বিধিমতে বাদী উক্ত খারিজ আদেশের বিরূদ্ধে সরাসরি রদ বা বাতিলের আবেদন করতে পারবে, তবে শর্ত-
- খারিজ আদেশের ৩০ দিনের মধ্যে সরাসরি খারিজ আদেশ রদ বা বাতিলের আবেদন করতে হবে; এবং
- অনধিক ১০০০ টাকা খরচ প্রদান করতে হবে।
- সরাসরি খারিজ রদের আদেশ একবারের বেশি হবে না।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-9 Rule.-9A. Directly setting aside dismissal:
(1) Notwithstanding anything contained in rule 9 or any other law, the Court may, in order to avoid delay and expedite disposal, directly set aside the dismissal without requiring the plaintiff to adduce evidence to satisfy it about sufficient causes as required under rule 9, but requiring him to pay such cost not exceeding one thousand taka as it may deem appropriate and determine:
Provided that the dismissal under rule 8 shall not be set aside under this rule, unless an application, supported by affidavit, praying for setting aside the order of dismissal is made to the Court within thirty days of the date on which the order of dismissal is made:
Provided further that no dismissal shall be set aside more than once under this rule.
(2) As soon as an order under sub-rule (1) is made setting aside ex parte dismissal, the Court shall cause notice thereof to be served at the cost of the plaintiff upon the defendant who appeared in the suit.
৭,৬২৬.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-৩৩, ৩৪ ও ৩৫ অনুযায়ী নির্বাহক ও প্রশাসকসহ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে অন্যায়ের (tort) ক্ষতিপূরণের মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৩ বছর
  2. ২ বছর
  3. ১ বছর
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৩৩, ৩৪ ও ৩৫ যথাক্রমে নির্বাহক (executor), প্রশাসক (administrator) এবং অন্যান্য প্রতিনিধি (legal representative)-র বিরুদ্ধে Legal Representatives’ Suits Act, 1855 এর অধীনে অন্যায়ের (tort) জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা সংক্রান্ত।
- এই তিনটি অনুচ্ছেদের অধীনে: তামাদির মেয়াদ: ২ বছর।
- সময় গণনার শুরু: যেদিন অন্যায় সংঘটিত হয় (the date when the wrongful act is committed).
- তাই, সঠিক উত্তর হলো: খ) ২ বছর।
৭,৬২৭.
পুলিশ ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তি যদি কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেন, তবে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে তিনি-
  1. তার বিচার করবেন
  2. তাকে আটকে রাখবেন
  3. নিকটস্থ পুলিশ ষ্টেশনে নিয়ে যাবেন
  4. কোর্টে হাজির করবেন
সঠিক উত্তর:
নিকটস্থ পুলিশ ষ্টেশনে নিয়ে যাবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিকটস্থ পুলিশ ষ্টেশনে নিয়ে যাবেন
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯ ধারার বিধান সাধারণ নাগরিক কর্তৃক গ্রেফতার এবং এধরণের গ্রেফতারের পরবর্তী কার্যপ্রণালীঃ (১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তাঁর মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে অথবা অপরাধী মর্মে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে পুলিশ অফিসারের কাছে হস্তান্তর করবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে তাকে নিকটস্থ থানায় হেফাজতে নিয়ে যাবেন বা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।

(২) এধরণের ব্যক্তি ৫৪ ধারার বিধানসাপেক্ষ বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে কোন পুলিশ অফিসার পুনরায় তাকে গ্রেফতার করবেন।

(৩) সে আমল-অযোগ্য অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করাার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবীকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা রূপে বিশ্বাস করবার কারণ ঘটে, সেক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধান সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করবার মত পর্যাপ্ত কারণ না থাকলে তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।
৭,৬২৮.
নিম্মলিখিত কোন ক্ষেত্রে বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করার প্রয়োজন নাই ?
  1. যেক্ষেত্রে বিবাদী একতরফা (Defendant is exparte)
  2. যেক্ষেত্রে বিবাদী বাদীর দাবী লিখিত জবাবে স্বীকার করে
  3. যেক্ষেত্রে লিখিত জবাব দাখিলের পর একটি সম্মতিসূচক বা সোলে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦যখন বিচার্য বিষয় গঠনের দরকার নেই: নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে কোন বিচার্য বিষয় গঠনের প্রয়োজন নেই-
i)১ম শুনানীর সময় বিবাদী আত্মপক্ষ সমর্থন না করলে (make no defence);
ii) পক্ষগণের আরজি বা লিখিত জবাবে (pleadings) যে সকল বিষয় উল্লেখ নেই;
iii) পক্ষগণ যে সকল বিষয়ে একমত হয়েছে;
iv) বিবাদী তার লিখিত জবাবে বাদীর দাখিলকৃত আরজিতে উল্লেখিত যে সকল দাবী অস্বীকার করেনি; অথবা
v) আদালতে লিখিত জবাব দাখিলের পর সোলে ডিক্রি (Compromise Decree) প্রদান করা হলে, বিচার্য বিষয় গঠনের প্রয়োজন নেই।
৭,৬২৯.
একজন ম্যাজিস্ট্রেট কোন আইনের অপরাধের Cognizance গ্রহণ করতে পারেন না?
  1. Penal Code,1860
  2. The Negotiable Instruments Act,1881
  3. The Dowry Prohibition Act,1980
  4. The Special Powers Act,1974
সঠিক উত্তর:
The Special Powers Act,1974
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Special Powers Act,1974
ব্যাখ্যা
• The Special Powers Act, 1974 ২৬ ধারায় Special Tribunal গঠন এবং গঠিত Tribunal -এর কার্যপদ্ধতি ২৭ ধারা আলোচনা করা হয়েছে।

বিচারক নিয়োগ:
২৬(২) ধারা অনুযায়ী- Special Tribunal গঠিত হলে নিজস্ব দায়রা বিভাগের ৩ ধরনের বিচারক Special Tribunal-এর বিচারক হতে পারবে-

০১. দায়রা জজ;
০২. অতিরিক্ত দায়রা জজ;
০৩. যুগ্ম দায়রা জজ।

অভিযোগ গ্রহণ:
২৬(২) ধারার অধীনে গঠিত Special Tribunal এই আইনের তফসিলে বর্ণিত (৫টি আইনের) অপরাধসমূহের Cognizance গ্রহণ করতে পারে। তবে, Sub-Inspector পদমর্যাদার পুলিশ কর্মকর্তার লিখিত রিপোর্ট ব্যতীত Special Tribunal কোনো অপরাধ বিচারের জন্য গ্রহণ করবে না (shall not take cognizane)। অর্থাৎ The Special Powers Act,1974 এর অধীন গঠিত Special Tribunal শুধুমাত্র মামলা আমলে নিতে পারবে, ম্যাজিস্ট্রেট নয়।

বি.দ্র.: অপরাধ বিচারার্থে আমলে নেওয়া এবং বিচার করা ভিন্ন বিষয়। ম্যাজিস্ট্রেট CrPC'র ১৯০ ধারানুযায়ী ৩ উপায়ে অপরাধ আমলে নেন এবং CrPC'র ১৯৩ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধীসহ নথি পাঠালে দায়রা আদালত সে অপরাধ আমলে নেন, তবে মূল এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত হিসেবে অপরাধ আমলে নেন না।
৭,৬৩০.
কোনো ব্যক্তিকে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন করে স্থাবর সম্পত্তি থেকে বেদখল করা হলে, কোন আদালত বেদখল হওয়া ব্যক্তিকে উক্ত সম্পত্তির দখল দেয়ার আদেশ প্রদান করতে পারে?
  1. উক্ত অপরাধ বিচারকারী আদালত
  2. আপিল আদালত
  3. রিভিশন আদালত
  4. উল্লিখিত সকল আদালত
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল আদালত
ব্যাখ্যা
ধারা ৫২২: স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের ক্ষমতা-

(১) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ বা শক্তি প্রদর্শন বা অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন সহযোগে কৃত অপরাধে দণ্ডিত হয় এবং আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, এরুপ বল প্রয়োগ বা শক্তি প্রদর্শন বা অপরাধমুলক ভীতি প্রদর্শন কর্তৃক কোন ব্যক্তিকে কোন স্থাবর সম্পত্তিতে বেদখল করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে আদালত উপযুক্ত মনে করলে উক্ত ব্যক্তিকে দণ্ডদানকালে বা উক্ত দণ্ডের তারিখ হতে ১ (এক) মাসের মধ্যে যেকোন সময় বেদখল হওয়া ব্যক্তিকে উক্ত সম্পত্তির দখল দেবার আদেশ প্রদান করতে পারবেন।
(২) কোন ব্যক্তি দেওয়ানী মামলার দ্বারা এরূপ স্থাবর সম্পত্তিতে কোন অধিকার বা স্বার্থ প্রতিষ্ঠা করতে উক্ত আদেশ কর্তৃক তাহা ক্ষতিগ্রস্ত হবে না ।
(৩) যেকোন আপিল, সাজা অনুমোদন, রেফারেন্স বা রিভিশন আদালত এই ধারার অধীন আদেশ প্রদান করতে পারবেন।

Section 522: Power to restore possession of immovable property
(1) Whenever a person is convicted of an offence attended by criminal force or show of force or by criminal intimidation and it appears to the Court that by such force or show of force or by criminal intimidation any person has been dispossessed of immovable property, the Court may, if it thinks fit, when convicting such person or at any time within one month from the date of the conviction order any the person dispossessed to be restored to the possession of the same.
(2) No such order shall prejudice any right or interest to or in such immovable property which any person may be able to establish in a civil suit.
(3) An order under this section may be made by any Court of appeal, confirmation, reference or revision.
৭,৬৩১.
ধারা-৮৯খ অনুযায়ী সালিশী প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হলে, পক্ষসমূহ কী করতে পারে?
  1. আদালতে পুনরায় আবেদন করতে পারে
  2. সালিশীর রোয়েদাদ পর্যালোচনা করতে পারে
  3. মোকদ্দমা পুনঃ দাখিল করতে পারে
  4. সালিশী প্রক্রিয়া আবার শুরু করতে পারে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা পুনঃ দাখিল করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা পুনঃ দাখিল করতে পারে
ব্যাখ্যা
ধারা-৮৯খ: সালিশী:
১) মোকদ্দমার বিরোধ অথবা বিরোধসমূহ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে সালিশের নিকট প্রেরণ করবেন এই কারণে মোকদ্দমার পক্ষসমূহ কার্যপদ্ধতির যে কোন পর্যায়ে মোকদ্দমাটি তুলে নেয়ার জন্য আদালতের সমীপে আবেদন করলে আদালত আবেদন অনুমোদন করবে এবং মোকদ্দমা তুলে নেয়ার অনুমতি প্রদান করবে এবং তৎপরবর্তীতে যতদূর প্রযোজ্য, সালিশী আইন,২০০১ (২০০১ সালের ১নং আইন) অনুযায়ী বিরোধ বা বিরোধসমূহ নিষ্পত্তি হবেঃ তবে শর্ত থাকে যে, কোন কারণে কার্য প্রক্রিয়া অনুষ্ঠিত না হলে বা সালিসের রোয়েদাদ প্রদত্ত না হলে এই উপ-ধারার অধীন তুলে নেয়ার অনুমতিপ্রাপ্ত মোকদ্দমার পক্ষসমূহ পুনঃ দাখিলের অধিকার অর্জন করবে।

২) ১নং উপ-ধারানুযায়ী পেশকৃত আবেদন সালিসী আইন, ২০০১ (২০০১ সালের ১নং আইন) এর ধারা নং ৯ এর অধীনে সালিসের সম্মতি বলে ধরে নিতে হবে।
৭,৬৩২.
রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ব্যতিরেকে কোন ব্যক্তিকে নিয়োগ প্রদান করতে পারেন?
  1. অ্যাটর্নি জেনারেল
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক
  4. প্রধান নির্বাচন কমিশনার
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা সীমিত। তিনি প্রধানমন্ত্রী এবং প্রধান বিচারপতি নিয়োগ ব্যতীত অন্য সকল ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কর্ম সম্পাদন করে থাকেন।

- জরুরি অবস্থা জারি, সংসদ অধিবেশন আহবান, স্থগিত বা ভঙ্গ করা, প্রধানমন্ত্রী ব্যতীত মন্ত্রীসভার অন্যান্য সদস্যের নিয়োগ সকল ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর সুপারিশ গ্রহণ করে থাকেন।

- বাংলাদেশ সংবিধানের ৪৮(৩) অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে- এই সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্টপতি তাঁহার অন্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে আদৌ কোন পরামর্শদান করিয়াছেন কি না এবং করিয়া থাকিলে কি পরামর্শ দান করিয়াছেন, কোন আদালত সেই সম্পর্কে কোন প্রশ্নের তদন্ত করিতে পারিবেন না।
৭,৬৩৩.
যদি বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল মনে করে,অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা, সে ক্ষেত্রে অভিযোগকারীকে সর্বোচ্চ কত টাকা জরিমানা করতে পারে?
  1. ২০০ টাকা 
  2. ৩০০ টাকা 
  3. ৪০০ টাকা 
  4. ৫০০ টাকা 
সঠিক উত্তর:
৫০০ টাকা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০০ টাকা 
ব্যাখ্যা

The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ ৩৪(৬)অনুসারে যদি বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল মনে করে,অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা, সে ক্ষেত্রে অভিযোগকারীকে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা জরিমানা করতে পারে।

The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ ৩৪:
(১) অ্যাডভোকেটদের আচরণ সংক্রান্ত যে কোনো তদন্তে ট্রাইব্যুনাল নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ করবে।
(২) ট্রাইব্যুনাল মামলার শুনানির একটি তারিখ নির্ধারণ করবে এবং উক্ত তারিখের নোটিশ সংশ্লিষ্ট অ্যাডভোকেট ও বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেলকে প্রদান করবে।
তাদেরকে সাক্ষ্য উপস্থাপন এবং শুনানি গ্রহণের সুযোগ দিতে হবে, যাতে আদেশ দেওয়ার পূর্বে উভয় পক্ষ নিজ নিজ বক্তব্য পেশ করতে পারে।
(৩) এই আদেশ বা প্রচলিত অন্য কোনো আইনের যাই থাকুক না কেন, ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান প্রাথমিক বিষয় নির্ধারণ ও সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষমতা ট্রাইব্যুনালের যেকোনো এক সদস্যকে দিতে পারেন।
(৪) তদন্ত শেষে ট্রাইব্যুনাল নিম্নোক্ত যেকোনো আদেশ দিতে পারে:
- অভিযোগ খারিজ করা; অথবা
- যদি বার কাউন্সিলের আবেদনে ট্রাইব্যুনালে রেফার করা হয়ে থাকে, তাহলে কার্যক্রম বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া; অথবা
- অনুচ্ছেদ ৩২(১)-এ উল্লিখিত শাস্তিগুলোর যেকোনোটি প্রদান করা।
(৫) যদি ট্রাইব্যুনাল কোনো অ্যাডভোকেটকে নিষেধাজ্ঞার (suspension) আদেশ দেয়, তবে নিষেধাজ্ঞার সময়কাল নির্ধারণ করতে হবে।
এই সময়কালের জন্য ঐ অ্যাডভোকেট বাংলাদেশের কোনো আদালত বা কর্তৃপক্ষ বা ব্যক্তির সামনে আইনচর্চা করতে পারবেন না।
(৬) ট্রাইব্যুনাল তার সামনে পরিচালিত কার্যক্রমের জন্য ব্যয়ের আদেশ (cost order) দিতে পারে। যদি ট্রাইব্যুনাল মনে করে যে অভিযোগটি মিথ্যা ও হয়রানিমূলক, তাহলে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগকারীকে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা দিতে পারে, যা ক্ষতিপূরণ হিসেবে সংশ্লিষ্ট অ্যাডভোকেটকে প্রদান করা হবে।
(৭) ব্যয় সংক্রান্ত যেকোনো আদেশ বা জরিমানার আদেশ হাইকোর্টের আদেশের মতো কার্যকরযোগ্য (executable) হবে।
(৮) ট্রাইব্যুনাল চায়, তাহলে নিজে থেকে বা আবেদন প্রাপ্ত হয়ে, ধারা ৩৪(৪) বা ৩৪(৬)-এর অধীনে প্রদত্ত আদেশ পর্যালোচনা (review) করতে পারে এবং তা অবিকল রাখতে, পরিবর্তন করতে বা বাতিল করতে পারে।
(৯) যদি কোনো অ্যাডভোকেটকে প্রতিনিধি (reprimanded) বা সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ (suspended) করা হয়, তবে সেই শাস্তির রেকর্ড তাঁর নামের পাশে রোলে সংযুক্ত করতে হবে। আর যদি কাউকে আইনচর্চা থেকে অপসারণ (removed) করা হয়, তবে তাঁর নাম রোল থেকে বাতিল করে দিতে হবে এবং তাঁর সনদপত্র প্রত্যাহার (recalled) করতে হবে।

৭,৬৩৪.
আদালতে মামলার একটি পক্ষ নিজের সাক্ষীকে কোন বিষয়ে ইঙ্গিতপূর্ব প্রশ্ন (Leading question) করতে পার?
  1. যে কোন বিষয়ে
  2. স্বীকৃত বিষয়ে
  3. তর্কিত বিষয়ে
  4. বিশেষজ্ঞ মতামত বিষয়ে
সঠিক উত্তর:
স্বীকৃত বিষয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বীকৃত বিষয়ে
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারার বিধান হলো ইঙ্গিতবাহী প্রশ্নঃ প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয়।
♦ যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর থাকে, তাকে নির্দেশক প্রশ্ন বা ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা Leading question বলে। সাধারণত হ্যা অথবা না ব্যাজেই এ ধরণের প্রশ্নের উত্তর দেয়া যায়। ♦ অর্থাৎ নির্দেশক প্রশ্ন বা Leading question তাই যার মধ্যে উক্ত প্রশ্নের উত্তরের ইঙ্গিত থাকে।
♦ সাক্ষ্য আইনের ১৪২ ধারা বিধান ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন যখন অবশ্যই করা যাবে না (When they must not be asked) : বিরুদ্ধ পক্ষ যদি আপত্তি করেন, তবে জবানবন্দী ও পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা যাবে না।

♦ যেসকল বিষয় ভূমিকামূলক অথবা বিতর্কিহীন অথবা যেসব বিষয় পূর্বেই যথেষ্টরূপে প্রমাণিত হয়েছে বলে আদালত মনে করেন, সে সকল বিষয় সম্পর্কে আদালত অবশ্যই ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করার অনুমতি দিবেন।
৭,৬৩৫.
দণ্ডিত হওয়ার পর শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকার আদেশ কে দিতে পারে?
  1. বিচারিক আদালত
  2. আপিল আদালত
  3. হাইকোর্ট বিভাগ পুনর্বিবেচনাকালে
  4. বর্ণিত সব আদালত
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সব আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সব আদালত
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, 1898 ধারা ১০৬: দণ্ডিত ব্যক্তির শান্তি বজায় রাখার জন্য জামানত প্রদান:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি দণ্ডবিধির অষ্টম অধ্যায়ের অধীনে দণ্ডনীয় কোনো অপরাধ (ধারা ১৪৩, ১৪৯, ১৫৩এ বা ১৫৪ ব্যতীত) বা হামলা বা অন্য কোনো শান্তি-ভঙ্গকারী অপরাধ, অথবা উক্ত অপরাধে সহায়তা করা বা অপরাধজনিত ভীতি প্রদর্শন করার জন্য অভিযুক্ত হয়ে হাইকোর্ট বিভাগ, দায়রা আদালত, মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত অথবা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দোষী সাব্যস্ত হয়, এবং আদালত মনে করে যে উক্ত ব্যক্তিকে শান্তি বজায় রাখার জন্য একটি জামানতনামা সম্পাদন করতে বাধ্য করা প্রয়োজন, তাহলে আদালত দণ্ড প্রদানের সময় উক্ত ব্যক্তিকে তার আর্থিক সামর্থ্যের অনুপাতে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থের জামানত প্রদান এবং প্রয়োজনবোধে এক বা একাধিক জামিনদার প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে।
এই জামানতের মেয়াদ আদালতের বিবেচনামতো সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত নির্ধারণ করা যেতে পারে।

(২) যদি আপিলের মাধ্যমে বা অন্য কোনোভাবে উক্ত দোষী সাব্যস্ত করার রায় বাতিল করা হয়, তাহলে সম্পাদিত জামানত স্বয়ংক্রিয়ভাবে অকার্যকর হয়ে যাবে।

(৩) এই আদেশ আপিল আদালত অথবা হাইকোর্ট বিভাগ পুনর্বিবেচনার ক্ষমতা প্রয়োগের সময়ও দিতে পারে।
৭,৬৩৬.
তামাদি আইনের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, 'স্বত্বসহ দখল পুনরুদ্ধারের মামলা' ১২ বছরের তামাদি সময়সীমার মধ্যে থাকতে হবে?
  1. ১৩২ অনুচ্ছেদ
  2. ১৪২ অনুচ্ছেদ
  3. ১৪৪ অনুচ্ছেদ
  4. ১৩৮ অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
১৪২ অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪২ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ১৪২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, স্বত্বসহ দখল পুনরুদ্ধারের মামলা ১২ বছরের তামাদি সময়সীমার মধ্যে থাকতে হবে।
- এটি সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কোন ব্যক্তি যদি তার অধিকারসহ স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা করতে চান, তবে তিনি ১২ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে পারবেন। অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারায় মামলা দায়ের।

→ তামাদি আইনের ১৪২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, স্বত্বসহ দখল পুনরুদ্ধারের মামলা দায়ের করার তামাদি মেয়াদ ১২ বছর। এই অনুচ্ছেদটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারায় স্থাবর সম্পত্তির মামলা দায়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যেখানে বাদী তার স্বত্ব (মালিকানা) এবং দখল পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা দায়ের করে।

→ সুতরাং, স্বত্বসহ দখল পুনরুদ্ধারের মামলা-এর তামাদি মেয়াদ ১২ বছর এবং এটি ১৪২ অনুচ্ছেদ দ্বারা নির্ধারিত হয়েছে। তাই সঠিক উত্তর খ) ১৪২ অনুচ্ছেদ।
৭,৬৩৭.
একজন আইনজীবীর জন্য কোন কাজটি আচরণ বিধির লঙ্ঘন?
  1. মামলা পরিচালনা করতে সম্মত না হওয়া
  2. সময় ও শ্রম অনুযায়ী ফি নির্ধারন করা 
  3. আইনপেশার পাশাপাশি আরেকটি ব্যবসা করা 
  4. মামলার পক্ষসমূহের সাথে সৌজন্যমূলক আচরণ করা 
সঠিক উত্তর:
আইনপেশার পাশাপাশি আরেকটি ব্যবসা করা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনপেশার পাশাপাশি আরেকটি ব্যবসা করা 
ব্যাখ্যা

"Canons of Professional Conduct and Etiquette" এর অধ্যায় ৪ এবং বিধি ৮ অনুসারে একজন আইনজীবীর জন্য আইনপেশার পাশাপাশি আরেকটি ব্যবসা করা আচরণ বিধির লঙ্ঘন।

 "Canons of Professional Conduct and Etiquette" এর চতুর্থ অধ্যায়ে একজন আইনজীবীর জনগণের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য কী তা উল্লেখ করা হয়েছে। একজন আইনজীবীর জনসাধারণের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য- ৮টি:
[বিধি-১]-কোন ব্যক্তিকে হয়রানির উদ্দেশ্যে নিযুক্তি না নেওয়া: কোন ব্যক্তিকে বিরক্ত করা, হয়রানি করা বা মোকদ্দমা বিলম্বিত করা ইত্যাদি উদ্দেশ্যে বাদী বা বিবাদী কোন পক্ষে একজন আইনজীবী নিযুক্ত হবেন না।
[বিধি-২]- ভিন্ন পক্ষের সাথে ভালো আচরণ করা: একজন আইনজীবী সর্বদা তার ভিন্ন পক্ষের সাথে ভালো আচরণ করবেন। বিচার চলাকালে আইন বহির্ভুত কাজ করবেন না।
[বিধি-৩]- ক্ষতির উদ্দেশ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করা: একজন আইনজীবী কোন ব্যক্তির ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে মোকদ্দমা দায়ের বা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না।
[বিধি ৪]- পরামর্শ প্রদানে বাধ্যবাধকতা: কোন আইনজীবী প্রত্যেককে পরামর্শ প্রদান করতে বা আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে বাধ্য নন।
[বিধি-৫]-মোকদ্দমা গ্রহণ বা বর্জন করতে পারেন: একজন আইনজীবী কোন ব্যক্তি বা সংস্থা যতই ক্ষমতাবান হোক অথবা রাজনৈতিক মোকদ্দমা যতই গুরুত্বপূর্ণ হোক তিনি পেশাগত নিযুক্তি গ্রহণে অস্বীকৃতি জানাতে পারেন।
[বিধি-৬]- পরিচয় প্রকাশ করা: কোন আইনজীবী কোন সরকারি অফিসার, বোর্ড কমিটি ইত্যাদির নিকট পেশাগত দায়িত্বে উপস্থিত হলে প্রথমে তিনি তার পরিচয় দিবেন।
[বিধি-৭]- পূর্বে বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করলে: কোন আইনজীবী যদি কোন বিষয়ে পূর্বে বিচারক পদমর্যাদায় কাজ করেন তাহলে তিনি সেই বিষয়ে আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ লাভ করবেন না।
[বিধি-৮]- ব্যবসা, চাকুরি বা অন্য পেশার সাথে জড়িত না হওয়া: একজন আইনজীবী নিজের আইন পেশা ব্যতীত অন্য কোন ব্যবসা, চাকুরি বা পেশার সাথে জড়িত হবে না।

৭,৬৩৮.
'A', 'B' থেকে জমি কিনেছে, যদিও তখন 'C' ওই জমিটি দখলে রয়েছে। 'A', 'C'- এর জমিতে কোন স্বার্থ আছে কিনা তা জানার জন্য কোন তদন্ত করেনি। এই আইনের অর্থে, 'C' এর স্বার্থের পরিমাণ পর্যন্ত-
  1. 'A' হলো 'C' এর ট্রাস্টি
  2. 'B' হলো 'C' এর ট্রাস্টি
  3. 'C' হলো 'B' এর ট্রাস্টি
  4. 'C' হলো 'A' এর ট্রাস্টি
সঠিক উত্তর:
'A' হলো 'C' এর ট্রাস্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'A' হলো 'C' এর ট্রাস্টি
ব্যাখ্যা
⇒ উল্লিখিত উদহারনটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩ ধারার (জ) উদহারনের অনুরূপ। এই পরিস্থিতিতে, এই আইনের অর্থে, C-এর জমিতে যতটুকু স্বার্থ আছে, সেটুকু পরিমাণ পর্যন্ত 'A' হলেন 'C' এর একজন ট্রাস্টি। একজন ট্রাস্টি হলেন যে ব্যক্তি অন্য কারও স্বার্থের তত্ত্বাবধানে থাকে।

 সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩ ধারায়-
"ট্রাস্টি" শব্দটি প্রত্যেক ব্যক্তিকে বুঝায় যারা স্পষ্টভাবে, গ্রহণযোগ্যতার ভিত্তিতে বা কাঠামোগতভাবে আস্থাভাজন বা বিশ্বাসভাজন চরিত্র বহন করে।

এখানে, 'A' জানতেন যে 'C' জমিতে দখলে রয়েছে কিন্তু স্বার্থ সম্পর্কে জানতে অনাগ্রহ প্রকাশ করায়, আইনের নজরে 'A' হলেন 'C'-এর স্বার্থের একজন ট্রাস্টি।
-------------------
(h) 'A' buys land from 'B', having notice that 'C' is in occupation of the land. 'A' omits to make any inquiry as to the nature of 'C's interest therein. 'A' is a trustee, within the meaning of this Act, for 'C', to the extent of that interest.
৭,৬৩৯.
'There shall be one electoral roll for each constituency for the purposes of elections to Parliament' - সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে এই বিধান উল্লেখ আছে?
  1. Article 120
  2. Article 121
  3. Article 122
  4. Article 123
সঠিক উত্তর:
Article 121
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Article 121
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ১২১- প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা:
সংসদের নির্বাচনের জন্য প্রত্যেক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকার একটি করিয়া ভোটার-তালিকা থাকিবে এবং ধর্ম, জাত, বর্ণ ও নারী-পুরুষভেদের ভিত্তিতে ভোটারদের বিন্যস্ত করিয়া কোন বিশেষ ভোটার-তালিকা প্রণয়ন করা যাইবে না।

Article 121: Single electoral roll for each constituency-
There shall be one electoral roll for each constituency for the purposes of elections to Parliament, and no special electoral roll shall be prepared so as to classify electors according to religion, race, caste or sex.

৭,৬৪০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারায় _______ মামলায় তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ আদালতের সম্পূর্ণ ইচ্ছাধীন।
  1. বিশেষ
  2. বাতিল
  3. প্রক্রিয়াধীন
  4. ফৌজদারি
সঠিক উত্তর:
প্রক্রিয়াধীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রক্রিয়াধীন
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারা- তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ সুবিবেচনামূলক:

প্রক্রিয়াধীন মামলায় তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ আদালতের সম্পূর্ণ ইচ্ছাধীন।
দেওয়ানি কার্যবিধি আইনের রেফারেন্স- তার নিয়োগের ধরন ও ফলাফল এবং তার অধিকার, ক্ষমতা, কর্তব্য এবং দায়দায়িত্ব দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হবে।

Section 44- Appointment of receivers discretionary. Reference to Code of Civil Procedure.
The appointment of a receiver pending a suit is a matter resting in the discretion of the Court.
The mode and effect of his appointment, and his rights, powers, duties and liabilities, are regulated by the Code of Civil Procedure.
৭,৬৪১.
অকৃষি প্রজা 'ক' এবং তার ভূ-স্বত্বাধিকারীর মধ্যে উন্নয়ন কাজ সম্পর্কিত প্রশ্নে ডেপুটি কমিশনার সিদ্ধান্ত প্রদান করেন। উক্ত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে-
  1. আপিল করা যাবে না
  2. সরাসরি হাইকোর্টে আপিল করা যাবে
  3. ডেপুটি কমিশনারের কাছে রিভিশন করা যাবে
  4. জেলা জজের নিকট আপিল করা যাবে
সঠিক উত্তর:
জেলা জজের নিকট আপিল করা যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা জজের নিকট আপিল করা যাবে
ব্যাখ্যা

• অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৬৬ ধারার বিধান- উন্নয়ন ইত্যাদি করার অধিকারের প্রশ্নে কালেক্টর সিদ্ধান্ত দিবেন:
১) যদি অকৃষি প্রজা ও তার ভূ-স্বত্বাধিকারীর মধ্যে এমন প্রশ্ন উঠে-
ক) উন্নয়ন কাজ করার অধিকার সম্বন্ধে; বা
খ) কোন বিশেষ একটি কাজ উন্নয়নমূলক কি না, 

তখন যে কোন পক্ষের আবেদন অনুযায়ী ডেপুটি কমিশনার সে সম্পর্কে সিদ্ধান্ত প্রদান করবেন।

২) ডেপুটি কমিশনারের প্রদত্ত আদেশের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে জেলা জজের নিকট আপিল করা যাবে। এরূপ আপিলের ক্ষেত্রে জেলা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত।

৭,৬৪২.
'ক' এবং 'খ' একটি চুক্তি করে যে, 'ক' 'খ' কে ২০,০০০ টাকা দেবে যদি 'খ' 'গ' কে শারীরিকভাবে আঘাত করে এবং হত্যা করে । এই চুক্তিটি কী ধরনের চুক্তি?
  1. বৈধ চুক্তি
  2. বাতিলযোগ্য চুক্তি
  3. সম্পূর্ণ বাতিল চুক্তি
  4. শর্তসাপেক্ষে বৈধ চুক্তি
সঠিক উত্তর:
সম্পূর্ণ বাতিল চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পূর্ণ বাতিল চুক্তি
ব্যাখ্যা

⇒ চুক্তি আইন, ১৮৭২-এর ধারা ২৩ অনুসারে, একটি চুক্তির প্রতিদান বা উদ্দেশ্য বৈধ হবে যদি না তা:
১) আইন দ্বারা নিষিদ্ধ হয়,
২) কোনো আইনের বিধান ব্যর্থ করে,
৩) প্রতারণাপূর্ণ হয়,
৪) অন্য ব্যক্তির বা সম্পত্তির ক্ষতি করে,
৫) আদালত কর্তৃক অযৌক্তিক বা জননীতির পরিপন্থী বলে বিবেচিত হয়।
এখানে, ‘ক’ এবং ‘খ’-এর চুক্তির উদ্দেশ্য হলো ‘খ’-এর দ্বারা ‘গ’-কে শারীরিকভাবে আঘাত করা এবং হত্যা করা।
এই উদ্দেশ্য: অন্য ব্যক্তির ক্ষতি করে (ধারা ২৩-এর চতুর্থ শর্ত), কারণ হত্যা একটি গুরুতর শারীরিক ক্ষতি।
আইন দ্বারা নিষিদ্ধ (ধারা ২৩-এর প্রথম শর্ত), কারণ হত্যা দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩০২-এর অধীনে ফৌজদারি অপরাধ।
জননীতির পরিপন্থী (ধারা ২৩-এর পঞ্চম শর্ত), কারণ হত্যার মতো কাজ সমাজের নৈতিকতা ও জননীতির বিরুদ্ধে।
যেহেতু চুক্তির উদ্দেশ্য বেআইনি, তাই ধারা ২৩ অনুসারে এই চুক্তি সম্পূর্ণ বাতিল (void)।

⇒ চুক্তি আইনের ২৩ ধারার বিধান: কোন কোন প্রতিদানসমূহ এবং উদ্দেশ্যাবলি আইনানুগ এবং কোন কোনটি আইনানুগ নয়:
কোন সম্মতির প্রতিদান বা উদ্দেশ্য আইনানুগ হয় যদি না তা আইন দ্বারা নিষিদ্ধ করা না হয়; বা তা কোন আইনের বিধানাবলি ব্যর্থ করে; বা তা প্রতারণাপূর্ণ হয়; বা তা অন্য ব্যক্তির বা অন্যের সম্পত্তির জন্য ক্ষতিকর পরিগণিত হয়; বা তা আদালত অযৌক্তিক বা জননীতির পরিপন্থি মনে করেন।
এরূপ প্রতিটি ক্ষেত্রে চুক্তির প্রতিদান বা উদ্দেশ্যকে বেআইনি বলা হয়। যে সকল চুক্তির উদ্দেশ্য বা প্রতিদান বেআইনি সেগুলো বাতিল।
----------
⇒ The Contract Act, 1872 Section 23. What considerations and objects are lawful and what not:
The consideration or object of an agreement is lawful, unless- it is forbidden by law; or is of such a nature that, if permitted, it would defeat the provisions of any law; or is fraudulent; or involves or implies injury to the person or property of another; or the Court regards it as immoral, or opposed to public policy.
In each of these cases, the consideration or object of an agreement is said to be unlawful. Every agreement of which the object or consideration is unlawful is void.

৭,৬৪৩.
‘D’, একজন পুলিশ অফিসার, ‘Z’-কে অপরাধের স্বীকারোক্তি আদায়ের জন্য নির্যাতন করে, যার ফলে ‘Z’ সাধারণ শারীরিক আঘাত পায়। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর কোন ধারা অনুসারে ‘D’ অপরাধী হবে?
  1. ধারা ৩২৩
  2. ধারা ৩২৭
  3. ধারা ৩২৯
  4. ধারা ৩৩০
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৩০
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৩০ স্পষ্টভাবে বলে— যদি কেউ কাউকে আঘাত করে তার কাছ থেকে স্বীকারোক্তি, তথ্য বা সম্পত্তি আদায় করার জন্য, তবে সে এই ধারার অধীনে অপরাধী হবে।
- এখানে ‘D’ একজন পুলিশ অফিসার হিসেবে ‘Z’-কে নির্যাতন করে স্বীকারোক্তি আদায়ের জন্য, তাই তার অপরাধ ধারা ৩৩০ এর মধ্যে পড়ে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৩০ ধারার বিধান: ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে স্বীকারোক্তি আদায় বা সম্পত্তি প্রত্যর্পণ করতে বাধ্য করার জন্যে স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাত প্রদান করা:
-যে ব্যক্তি, কোন ব্যক্তির বা সে ব্যক্তির সাথে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট অন্য কারো নিকট থেকে যে স্বীকারোক্তির বা তথ্যদানের ফলে কোন অপরাধ বা অসদাচরণ সম্পর্কে সন্ধান পাওয়া যেতে পারে, সে স্বীকারোক্তি বা তথ্য আদায় করার উদ্দেশ্যে, অথবা সে ব্যক্তিকে বা সে ব্যক্তির সাথে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট অন্য কারো নিকট থেকে যে স্বীকারোক্তির বা তথ্যদানের ফলে কোন অপরাধ বা অসদাচরণের সন্ধান পাওয়া যেতে পারে, সে স্বীকারোক্তি বা তথ্য আদায় করার উদ্দেশ্যে, অথবা সে ব্যক্তিকে বা সে ব্যক্তির সাথে স্বার্থসংশ্লিষ্ট অন্য কাউকে কোন সম্পত্তি বা জামানত প্রত্যর্পণ করতে বা প্রত্যর্পণের ব্যবস্থা করে দিতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে, অথবা কোন দাবী পূরণে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে অথবা যে তথ্য দানের ফলে কোন সম্পত্তি বা মূল্যবান জামানত পুনরুদ্ধার হতে পারে সে তথ্যদানে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে উক্ত ব্যক্তিকে স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাত করে, তবে উক্ত আঘাতকারী সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

উদাহরণ:
(অ) ক জনৈক পুলিশ কর্মকর্তা। সে চ-কে কোন অপরাধ স্বীকার করতে বাধ্য করার জন্য পীড়ন করে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হবে। 

(আ) ক জনৈক পুলিশ কর্মকর্তা। কোন জায়গায় অপহৃত দ্রব্য লুকিয়ে রাখা হয়েছে সে তথ্যদানে বাধ্য করার জন্য সে চ-কে পীড়ন করে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হবে।
-----------------------
The Penal Code,1860: Section 330- Voluntarily causing hurt to extort confession, or to compel restoration of property:
Whoever voluntarily causes hurt, for the purpose of extorting from the sufferer or any person interested in the sufferer, any confession or any information which may lead to the detection of an offence or misconduct, or for the purpose of constraining the sufferer or any person interested in the sufferer to restore or to cause the restoration of any property or valuable security or to satisfy any claim or demand, or to give information which may lead to the restoration of any property or valuable security, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine. 
 
Illustrations:
(a) A, a police-officer, tortures Z in order to induce Z to confess that he committed a crime. A is guilty of an offence under this section. 
(a) A, a police-officer, tortures B to induce him to point out where certain stolen property is deposited. A is guilty of an offence under this section. 
(b) A, a revenue officer, tortures Z in order to compel him to pay certain arrears of revenue due from Z. A is guilty of an offence under this section. 
(c) A, a zamindar, tortures a raiyat in order to compel him to pay his rent. A is guilty of an offence under this section.

৭,৬৪৪.
কোন দলিল বাতিলের মামলা দায়েরের তামাদি কত?
  1. ১ বছর 
  2. ২ বছর 
  3. ৩ বছর 
  4. ৪ বছর 
সঠিক উত্তর:
৩ বছর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর 
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ৩৯ ধারা অনুযায়ী, ২টি ক্ষেত্রে আদালত দলিল বাতিলের মোকদ্দমায় দলিল বাতিলের আদেশ মঞ্জুর করতে পারেন-
⇒ যে লিখিত দলিল বাতিল/ বাতিলযোগ্য, অথবা
⇒ যদি বাদীর আশংকা থাকে যে, এরূপ দলিল যদি অনিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা ক্ষতির কারন হতে পারে।
The Limitation Act, 1908 এর অনুচ্ছেদ- ৯১:
কোন দলিল রদ [Set aside] বা বাতিল [Cancel] করার জন্য, যে ক্ষেত্রে অন্যকোন বিধান নেই সেক্ষেত্রে যে সকল ঘটনা বাদীকে উক্ত দলিল বাতিল বা রদ করার অধিকার দান করে সেগুলি যখন বাদী অবগত হয় তখন থেকে ৩ বছরের মধ্যে মামলা করতে হবে

৭,৬৪৫.
Under Section 20 of The Specific Relief Act, 1877, if a party in default is willing to pay the specified amount in case of breach, what can happen?
  1. The contract is canceled
  2. The party loses their rights under the contract
  3. Specific performance can still be ordered
  4. The contract becomes void
সঠিক উত্তর:
Specific performance can still be ordered
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Specific performance can still be ordered
ব্যাখ্যা
• Section 20- Liquidation of damages not a bar to specific performance:
A contract, otherwise proper to be specifically enforced, may be thus enforced, though a sum be named in it as the amount to be paid in case of its breach, and the party in default is willing to pay the same.

যদি কোনো চুক্তিতে ভঙ্গের ক্ষেত্রে প্রদেয় অর্থের পরিমাণ উল্লেখ থাকে এবং ভঙ্গকারী পক্ষ সেই অর্থ প্রদানে রাজি থাকে, তাহলেও নির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়িত হওয়ার যোগ্য চুক্তিটি বাস্তবায়িত হতে পারবে।

অর্থাৎ, চুক্তির শর্তাবলী যদি সুনির্দিষ্ট এবং নির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য হয়, তাহলে চুক্তির ভঙ্গের ক্ষেত্রে বিকল্প জরিমানার বিধান থাকলেও চুক্তিটি বাস্তবায়িত হবে। এক্ষেত্রে ভঙ্গকারী পক্ষ যদি জরিমানা প্রদানে রাজি থাকে তাহলেও চুক্তি বাস্তবায়ন করানো যাবে।
৭,৬৪৬.
বর্তমান ও ভবিষ্যৎ উভয় সম্পত্তি একত্রে দান করলে, ভবিষ্যৎ সম্পত্তির দান ________।
  1. বাতিল হবে
  2. বাতিলযোগ্য হবে
  3. শর্ত সাপেক্ষে বাতিল হবে
  4. ভবিষ্যতে সম্পন্ন করতে হবে
সঠিক উত্তর:
বাতিল হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাতিল হবে
ব্যাখ্যা
⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১২৪ ধারার বিধান: বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সম্পত্তির দান: বর্তমান ও ভবিষ্যৎ উভয় সম্পত্তি একত্রে দান করলে, ভবিষ্যৎ সম্পত্তির দান বাতিল হবে।
- অর্থাৎ দানের বিষয়বস্তু অবশ্যই বর্তমান কোন জিনিস হতে হবে অর্থাৎ ভবিষ্যৎ সম্পত্তির দান বাতিল বলে গণ্য হবে।
------------------
⇒ Section 124. Gift of existing and future property:
A gift comprising both existing and future property is void as to the latter.
৭,৬৪৭.
আদেশ-২১, বিধি ৮৯ অনুসারে বিক্রয় রদের আবেদনপত্রের সাথে ক্রয়মূল্যের কী পরিমাণ টাকা আদালতে জমা দিতে হবে?
  1. ৫০%
  2. ২৫%
  3. ১৫%
  4. ৫%
সঠিক উত্তর:
৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫%
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৮৯ এর বিধান টাকা জমা দিয়ে নিলামে বিক্রয় রদের আবেদন (Application to set aside sale on deposit):
-ডিক্রি জারিতে স্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রয় হলে উক্ত সম্পত্তির মালিক নিলাম বিক্রয়ের রদের জন্য নিম্নোক্ত টাকা আদালতে জমা দিয়ে আবেদনপত্র দাখিল করতে পারে-
 ক্রয় মূল্যের ৫% অর্থ ক্রেতাকে প্রদানের জন্য; এবং
 ডিক্রিদার পূর্বে কোন টাকা গ্রহণ করলে তা বাদ দিয়ে যে পরিমাণ টাকার জন্য নিলাম বিক্রয়ের আদেশ হয়েছে তা ডিক্রিদারকে প্রদানের জন্য।

তামাদি আইনের  অনুচ্ছেদ: ১৬৬ মতে উক্ত আবেদন নিলাম বিক্রয়ের দিন হতে ৩০ দিনের মধ্যে করতে হবে।
------------------------- 
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-21 Rule-89.Application to set aside sale on deposit:
(1) Where immovable property has been sold in execution of a decree, any person, either owing such property or holding an interest therein by virtue of a title acquired before such sale, may apply to have the sale set aside on his depositing in Court,−
(a) for payment to the purchaser, a sum equal to five per cent. of the purchase-money, and
(b) for payment to the decree-holder, the amount specified in the proclamation of sale as that for the recovery of which the sale was ordered, less any amount which may, since the date of such proclamation of sale, have been received by the decree-holder.
(2) Where a person applies under rule 90 to set aside the sale of his immovable property, he shall not, unless he withdraws his application, be entitled to make or prosecute an application under this rule.
(3) Nothing in this rule shall relieve the judgment-debtor from any liability he may be under in respect of costs and interest not covered by the proclamation of sale. 
৭,৬৪৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৮ ধারা অনুযায়ী জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অধীনস্থ ম্যাজিস্ট্রেটকে স্থানীয় তদন্তের জন্য পাঠালে, তাকে কী সরবরাহ করতে পারেন?
  1. পুলিশ রিপোর্ট
  2. মৌখিক নির্দেশনা
  3. লিখিত নির্দেশনা
  4. বিচারকাজের নির্দেশনা
সঠিক উত্তর:
লিখিত নির্দেশনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিখিত নির্দেশনা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৮ ধারায় স্থানীয় অনুসন্ধান বা Local inquiry এর বিধান রয়েছে। ভূমি সংক্রান্ত বিরোধ সমাধানের উদ্দেশ্যে স্থানীয় অনুসন্ধান প্রয়োজন হলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তার অধস্তন কোন ম্যাজিষ্ট্রেটকে উক্ত অনুসন্ধান করতে প্রেরণ করতে পারবেন।
-১৪৮ ধারার অধীন স্থানীয় অনুসন্ধানের রিপোর্ট মামলার সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির-১৪৮: স্থানীয় তদন্ত:
(১) যখন এই অধ্যায়ের উদ্দেশ্যে একটি স্থানীয় তদন্ত প্রয়োজন হয়, তখন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তার অধীনস্থ কোনো ম্যাজিস্ট্রেটকে এই তদন্ত পরিচালনার জন্য নিয়োগ করতে পারেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনার জন্য তাকে লিখিত নির্দেশনা সরবরাহ করতে পারেন। তিনি নির্ধারণ করতে পারেন যে, তদন্তের সমস্ত বা আংশিক ব্যয় কার দ্বারা পরিশোধিত হবে।
(২) এভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তির প্রতিবেদন মামলায় প্রমাণ হিসেবে পড়া যেতে পারে।
-------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section-148: Local inquiry:
(1) Whenever a local inquiry is necessary for the purposes of this Chapter, any District Magistrate may depute any Magistrate subordinate to him to make the inquiry, and may furnish him with such written instructions as may seem necessary for his guidance, and may declare by whom the whole or any part of the necessary expenses of the inquiry shall be paid. 
(2) The report of the person so deputed may be read as evidence in the case.
৭,৬৪৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন ধারায় বিদেশে বসবাসরত সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য অনুরোধপত্র (Letter of Request) পাঠানোর বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৭৫
  2. ধারা ৭৬
  3. ধারা ৭৭
  4. ধারা ৭৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ৭৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৭৭
ব্যাখ্যা
→ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৭৭ অনুযায়ী, যদি কোনো সাক্ষী বাংলাদেশের বাইরে অবস্থান করেন, তাহলে কমিশন জারি করার পরিবর্তে আদালত ওই সাক্ষীকে পরীক্ষা করার জন্য অনুরোধপত্র (Letter of Request) পাঠাতে পারে সংশ্লিষ্ট বিদেশি দেশের আদালত বা প্রাধিকারপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের নিকট।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৭৭ ধারা- অনুরোধপত্র:
- বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নয়, এরূপ যে কোন দেশে বসবাসকারী সাক্ষীর পরীক্ষা করার নিমিত্তে আদালত কমিশন প্রেরণ করার বিপরীতে অনুরোধ পত্র প্রেরণ করতে পারে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section 77: Letter of request:
- In lieu of issuing a commission the Court may issue a letter of request to examine a witness residing at any place not within Bangladesh.
৭,৬৫০.
নিম্নোক্তদের মধ্যে কে অগ্রক্রয়ের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত?
  1. শাফি-ই-খালিত
  2. শাফি-ই-জার
  3. শাফি-ই-শরিক
  4. সম্পত্তির উত্তরাধিকারী
সঠিক উত্তর:
শাফি-ই-শরিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাফি-ই-শরিক
ব্যাখ্যা
• Pre-emption বা অগ্রক্রয় হলো জমির ক্রয় সংক্রান্ত একটি অধিকার। আরবি ভাষায় এটি 'শুফা' (Shufaa) নামে পরিচিত। অগ্রক্রয় বলতে অন্য কোনো ব্যক্তির ক্রয়কৃত স্থাবর সম্পত্তি ক্রয়ের মাধ্যমে মালিকানা লাভের অধিকারকে বুঝায়, যা কোনো ব্যক্তির পক্ষে ঐ সম্পত্তিতে শরিক কিংবা প্রতিবেশী হওয়ার কারণে সৃষ্টি হয়।

মুসলিম হানাফী আইন অনুযায়ী, ৩ শ্রেণির ব্যক্তির অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগের অধিকার আছে-
১) শাফি-ই-শরিক [Shafi-e-sharik]- সম্পত্তিতে কোন সহ-অংশীদার।
২) শাফি-ই-খালিত [Shafi-e-Khalit]- সুবিধাসমূহের ক্ষেত্রে অংশগ্রহণকারী।
৩) শাফি-ই-জার [Shafi-e-jar]- সংলগ্ন বা পার্শ্ববর্তী স্থাবর সম্পত্তির মালিক।

• অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ
এই তিন প্রকারের অগ্রক্রয়ের অধিকারীদের মধ্যে প্রতিযোগিতা হলে ক্রমিক অনুসারে অগ্রাধিকার পাবে। বিভিন্ন শ্রেণির অগ্রক্রয়ের অধিকারীদের মধ্যে প্রতিযোগিতা হলে প্রথম স্তরের অধিকারী দ্বিতীয় স্তর কে এবং দ্বিতীয় স্তরের অধিকারী তৃতীয় স্তরকে রহিত করবে। একই স্তরের একাধিক ব্যক্তি অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে চাইলে তারা সবাই অগ্রক্রয়ের অধিকারকৃত ভূমির সমান ভাগ পাবে।
৭,৬৫১.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারায় আদালতকে মামলা শুনানির যে কোন পর্যায়ে সাক্ষীকে তলব করার ক্ষমতা দেওয়া আছে?
  1. ৫৬০ ধারায়
  2. ৫৪০ ধারায়
  3. ৪৯৮ ধারায়
  4. ৫৬৪ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫৪০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪০ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪০ ধারায় বলা হয়েছে যে, ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন কার্যক্রমের যে কোন পর্যায়ে কোন আদালত যে কোন ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসেবে সমন করতে পারবেন, বা সাক্ষী হিসেবে সমন করা না হলেও উপস্থিত যে কোন ব্যক্তির জবানবন্দী গ্রহণ করতে পারবেন বা পূর্বে যার জবানবন্দী গ্রহণ করা হয়েছে, তাকে পুনরায় তলব করে পুনরায় তার জবানবন্দী গ্রহণ করতে পারেন।
৭,৬৫২.
একজন বেসরকারি ব্যক্তি নিচে বর্ণিত কোন ক্ষেত্রে কাউকে গ্রেফতার করতে পারেন না?
  1. আমলযোগ্য অপরাধ করেছেন এমন কাউকে
  2. আমলঅযোগ্য অপরাধ করেছেন এমন কাউকে 
  3. অপরাধী বলে ঘোষিত কোনো ব্যক্তিকে
  4. জামিনঅযোগ্য অপরাধ করেছেন এমন কাউকে
সঠিক উত্তর:
আমলঅযোগ্য অপরাধ করেছেন এমন কাউকে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমলঅযোগ্য অপরাধ করেছেন এমন কাউকে 
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯ ধারা- সাধারণ নাগরিক কর্তৃক গ্রেফতার এবং গ্রেফতারের পরবর্তী কার্যপ্রণালী:
 
(১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তাঁর মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে অথবা অপরাধী মর্মে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে পুলিশ অফিসারের কাছে হস্তান্তর করবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে তাকে নিকটস্থ থানায় হেফাজতে নিয়ে যাবেন বা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।

(২) এ ধরণের ব্যক্তি ৫৪ ধারার বিধানসাপেক্ষ বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে কোন পুলিশ অফিসার পুনরায় তাকে গ্রেফতার করবেন।

(৩) সে আমল-অযোগ্য অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করাার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবীকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা রূপে বিশ্বাস করবার কারণ ঘটে, সেক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধান সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করবার মত পর্যাপ্ত কারণ না থাকলে তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।
৭,৬৫৩.
নিচের কোনটি সাক্ষ্য আইন অনুসারে এস্টপেলের (Estoppel) আবশ্যক উপাদান নয়?
  1. আদালতের পূর্ব অনুমোদন
  2. পরস্পরবিরোধী দাবি উত্থাপন
  3. ঘোষণা বা কাজের মাধ্যমে অন্যকে বিশ্বাস করানো
  4. বিশ্বাসের ভিত্তিতে অন্য পক্ষের অবস্থার পরিবর্তন
সঠিক উত্তর:
আদালতের পূর্ব অনুমোদন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের পূর্ব অনুমোদন
ব্যাখ্যা
⇒ সঠিক উত্তর: ক) আদালতের পূর্ব অনুমোদন।
⇒ Estoppel বা স্বকার্যজনিত প্রতিবন্ধকতা হলো সাক্ষ্য আইনের এমন একটি নীতি যার মাধ্যমে কেউ পূর্বে কোনো ঘোষণার মাধ্যমে অন্যকে বিশ্বাস করিয়ে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করালে, পরবর্তীতে সেই পূর্ব ঘোষণাকে অস্বীকার করতে পারে না।
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১১৫ অনুযায়ী Estoppel কার্যকর হওয়ার জন্য যে উপাদানগুলো থাকতে হয় তা হলো:
Estoppel-এর আবশ্যক উপাদানসমূহ:
১. ঘোষণা, কাজ বা কার্যবিরতি:
- প্রথম ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধি এমন কোনো ঘোষণা বা কাজ করেন যা দেখে বা শুনে অন্য ব্যক্তি কোনো বিষয়ে বিশ্বাস স্থাপন করে।
২. বিশ্বাস সৃষ্টি:
- ঐ ঘোষণা বা কার্য থেকে অন্য পক্ষ বিশ্বাস করে যে বিষয়টি সত্য।
৩. পরস্পরবিরোধী দাবি:
- পরে প্রথম ব্যক্তি সেই পূর্ব ঘোষণার বিপরীত কোনো দাবি করেন।
৪. বিশ্বাসের ভিত্তিতে অবস্থার পরিবর্তন:
- দ্বিতীয় ব্যক্তি সেই বিশ্বাসে ভিত্তি করে তার অবস্থার পরিবর্তন করেন বা কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।

⇒ “আদালতের পূর্ব অনুমোদন” Estoppel কার্যকর করার জন্য আবশ্যক কোনো উপাদান নয়।
এটি সম্পূর্ণভাবে পক্ষগণের মধ্যে সংঘটিত ঘোষণার উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়, এবং আদালতের অনুমোদন বা অনুমতি এই প্রক্রিয়ায় পূর্বশর্ত নয়।
৭,৬৫৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮০ অনুযায়ী সরকার বা সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার পূর্বে কী করতে হবে?
  1. দুই মাসের নোটিশ সরবরাহ
  2. পুলিশে অনুমোদন নেওয়া
  3. সরকার অনুমোদন নেওয়া
  4. মামলার বিষয়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ
সঠিক উত্তর:
দুই মাসের নোটিশ সরবরাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই মাসের নোটিশ সরবরাহ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮০ অনুযায়ী, সরকার বা কোনো সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার আগে বাদীকে লিখিত নোটিশ প্রদান করতে হবে, যা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অন্তত দুই মাস (৬০ দিন) আগে জমা দিতে হয়। এই নোটিশে কারণ, বাদীর নাম-ঠিকানা ও দাবিকৃত প্রতিকার উল্লেখ করতে হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮০: নোটিশ:
(১) পদাধিকার বলে গণ্য কোন কার্যের জন্য সরকার বা সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিম্নের অফিসসমূহের লিখিত নোটিশ দেয়ার বা পাঠানোর দুই মাস অতিবাহিত হবার পরে মামলা দায়ের করা চলবে—
i. সরকারে বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে রেলওয়ে সংক্রান্ত মামলা ব্যতীত - অন্যান্য ক্ষেত্রে সরকারের সচিব অথবা জেলা কালেক্টর এবং
ii. রেলওয়ে সংক্রান্ত বিষয়ে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে রেলওয়ের জেনারেল ম্যাজোর এবং কোন সরকারি কর্মকর্তার ক্ষেত্রে তাকে বা তার অফিসে মামলার কারণ, বাদীর নাম ও বাসস্থানের ঠিকানা এবং বাদী যে প্রতিকার দাবি করে তা উল্লেখ করে নোটিশ দিতে হবে এবং অনুরূপ নোটিশ দেয়া হয়েছে বা পাঠানো হয়েছে বলে আরজিতে একটি বিবৃতি থাকতে হবে।
(২) যে ক্ষেত্রে উপরি-উল্লেখিত মতে নোটিশ না দিয়া বা না পাঠায়ে অথবা উল্লিখিত দুই মাস মেয়াদ অতিবাহিত হওয়ার পূর্বেই কোন মামলা দায়ের করা হয়, অথবা যেই ক্ষেত্রে আরজিতে উক্ত রূপ নোটিশ প্রদান বা পাঠানের বিষয়ে কোন বিবৃতি থাকে না, সেক্ষেত্রে মামলা দায়েরের দুই মাস সময়ের মধ্যে যদি মামলার বিষয়বস্তু সম্বন্ধে কোন মীমাংসায় পৌঁছানো যায়, অথবা সরকার বা সরকারি কর্মকর্তা বাদীর দাবি মানিয়া লয়, তবে বাদী কোন খরচ পাবে না:
তবে শর্ত থাকে যে, এরূপ নোটিশ ছাড়া কোন মামলা দায়ের করতে হলে লিখিত জবাব দাখিল করার জন্য আদালত সরকারকে কমপক্ষে তিন মাস সময় মঞ্জুর করবেন।
-----------
⇒The Code of Civil Procedure,1908, Section 80. Notice:
(1) A suit may be instituted against the Government or against a public officer, in respect of any act purporting to be done by such public officer in his official capacity, after the expiration of two months next after notice in writing has been delivered to or left at the office of,-
(i) in the case of a suit against the Government other than a suit relating to the affairs of the Railway, a Secretary to the Government or the Collector of the District; and
(ii) in the case of a suit against the Government relating to the affairs of the Railway, the General Manager of the Railway,
and in the case of a public officer, delivered to him or left at his office stating the cause of action, the name, description of place of residence of the plaintiff and the relief which he claims; and the plaint shall contain a statement that such notice has been so delivered or left.
(2) Where any such suit is instituted without delivering or leaving such notice as aforesaid or before the expiration of the said period of two months or where the plaint does not contain a statement that such notice has been so delivered or left, the plaintiff shall not be entitled to any costs if settlement as regards the subject-matter of the suit is reached or the Government or the public officer concedes the plaintiff's claim, within the period of two months from the date of the institution of the suit:
Provided that in a suit instituted without such notice, the Court shall allow not less than three months to the Government to submit its written statement.
৭,৬৫৫.
বাংলাদেশ সংবিধান অনুযায়ী, বার্ষিক আর্থিক বিবৃতিতে কী কী বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকবে?
  1. রাজস্ব খাতের ব্যয়
  2. সংযুক্ত তহবিলের ব্যয়
  3. সরকারের অনুমিত আয় এবং ব্যয়
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের ৮৭(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বার্ষিক আর্থিক বিবৃতিতে নিম্নলিখিত বিষয়গুলি অন্তর্ভুক্ত থাকবে:
→ রাজস্ব খাতের ব্যয়: সরকারের আয় ও ব্যয়ের মধ্যে যে অংশ রাজস্ব থেকে আসে এবং তার ব্যয় নির্ধারণ করা হয়।
→ সংযুক্ত তহবিলের ব্যয়: সংযুক্ত তহবিলের ব্যয়, যা সরকারের বিশেষ তহবিল এবং এর ব্যয় নির্ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের হিসাব করা হবে।
→ সরকারের অনুমিত আয় এবং ব্যয়: সরকারের পরবর্তী অর্থ-বছরের জন্য অনুমিত আয় ও ব্যয়ের হিসাব এবং তার ভিত্তিতে পরিকল্পনা ও বাজেট প্রণয়ন করা হয়।

সুতরাং, বার্ষিক আর্থিক বিবৃতিতে সরকারের অনুমিত আয় ও ব্যয়, সংযুক্ত তহবিলের ব্যয়, এবং রাজস্ব খাতের ব্যয়—এই তিনটি বিষয়ই অন্তর্ভুক্ত থাকে। তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) উপরের সবগুলো।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৮৭ অনুচ্ছেদ- বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি:
(১) প্রত্যেক অর্থ-বৎসর সম্পর্কে উক্ত বৎসরের জন্য সরকারের অনুমিত আয় ও ব্যয়-সংবলিত একটি বিবৃতি (এই ভাগে "বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি" নামে অভিহিত) সংসদে উপস্থাপিত হইবে।
(২) বার্ষিক আর্থিক বিবৃতিতে পৃথক পৃথকভাবে
(ক) এই সংবিধানের দ্বারা বা অধীন সংযুক্ত তহবিলের উপর দায়রূপে বর্ণিত ব্যয়নির্বাহের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ, এবং
(খ) সংযুক্ত তহবিল হইতে ব্যয় করা হইবে, এইরূপ প্রস্তাবিত অন্যান্য ব্যয়নির্বাহের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ
প্রদর্শিত হইবে এবং অন্যান্য ব্যয় হইতে রাজস্বখাতের ব্যয় পৃথক করিয়া প্রদর্শিত হইবে।
৭,৬৫৬.
X একজন সরকারী কর্মচারী X এর স্ত্রী Y একজন মক্কেলকে অবৈধ সুবিধা প্রদানের বিষয়ে তার স্বামীকে পরামর্শ দিবে এই উদ্দেশ্যে উক্ত মক্কেলের নিকট হতে একটি উপহার গ্রহণ করে। সরকারী কর্মচারী X কাজটি সম্পন্ন করে তার স্ত্রী Y-কে সহায়তা করে। পেনাল কোডের অধীন Y এরুপ অপরাধে সহায়তার কারণে সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে_____।
  1. ১ বৎসর বিনাশ্রম কারাদন্ড
  2. ১ বৎসর বিনাশ্রম বা সশ্রম কারাদন্ড
  3. ২ বৎসর বিনাশ্রম কারাদন্ড
  4. ৩ বৎসর বিনাশ্রম বা সশ্রম কারাদন্ড
সঠিক উত্তর:
৩ বৎসর বিনাশ্রম বা সশ্রম কারাদন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বৎসর বিনাশ্রম বা সশ্রম কারাদন্ড
ব্যাখ্যা
♦এক্ষেত্রে X ১৬৪ ধারায় অপরাধ করেছে। ১৬৪ ধারায় সরকারী কর্মচারী কর্তৃক ১৬২ বা ১৬৩ ধারায় বর্ণিত অপরাধসমূহে সহায়তা করার জন্য যে কোন বর্ণনার সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে যার মেয়াদ ৩ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে বা অর্থে দণ্ডে বা উভয়।
৭,৬৫৭.
'প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ' এই ঘোষণাটি বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখিত হয়েছে?
  1. ২৮
  2. ৪৪
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ০৭: সংবিধানের প্রাধান্য

১. প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ; এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হবে৷

২. জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সহিত অসমঞ্জস হয়, তাহলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হবে।
৭,৬৫৮.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর Section 476 এর অধীনে Complaint দায়ের আবেদন প্রত্যাখ্যান করে দেওয়ানী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে-
  1. আপিল করা যায়
  2. রিভিশন করা যায়
  3. রিট করা যায়
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আপিল করা যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল করা যায়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৭৬-খ ধারার বিধান আপিল (Appeals):

যে ব্যক্তির আবেদনক্রমে কোন দেওয়ানী, রাজস্ব বা ফৌজদারী আদালত ৪৭৬ ধারা বা ৪৭৬ক ধারার অধীন নালিশ করতে অস্বীকার করেছেন সেই ব্যক্তি অথবা যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে এরূপ অভিযোগ করা হয়েছে সেই ব্যক্তি ১৯৫ ধারার (৩) উপধারার অর্থানুসারে উক্ত আদালতের উর্ধতন আদালতে আপীল করতে পারেন, এবং অতঃপর উর্ধতন আদালতে সংশ্লিষ্ট পক্ষসমূহকে নোটিশ দিয়া নালিশ প্রত্যাহারের নির্দেশ দিতে পারেন, অথবা ক্ষেত্ৰ বিশেষে নিজেই সেই নালিশ করতে পারেন যা অধস্তন আদালত ৪৭৬ ধারার অধীন করতে পারতেন, এবং উর্ধতন আদালতে যদি এই নালিশ করেন তাহলে উক্ত ধারার বিধানসমূহ অনুরূপভাবে প্রযোজ্য হবে।

যে ব্যক্তির আবেদনক্রমে আদালত ৪৭৬ ধারা বা ৪৭৬ক ধারার অধীন নালিশ করতে অস্বীকার করেছেন সেই ব্যক্তি বা যার বিরুদ্ধে এরূপ অভিযোগ করা হয়েছে, সেই ব্যক্তি উক্ত আদালতের উর্ধ্বতন আদালতে আপিল করতে পারেন।
৭,৬৫৯.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারায় অভিযোগ প্রত্যাহারের প্রভাব বর্ণিত হয়েছে?
  1. ধারা ৪৯৩
  2. ধারা ৪৯৪
  3. ধারা ৪৯৫
  4. ধারা ৪৯৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৯৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৯৪
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪৯৪ (Section 494 – Effect of withdrawal from prosecution) অনুযায়ী, পাবলিক প্রসিকিউটর (সরকারি কৌঁসুলি) যদি আদালতের সম্মতিক্রমে রায় ঘোষণার আগে কোনো মামলায় অভিযোগ প্রত্যাহার করেন, তাহলে,  এতে অভিযোগ প্রত্যাহারের প্রভাব ব্যাখ্যা করা হয়েছে দুইভাবে:
(ক) চার্জ গঠনের আগে অভিযোগ প্রত্যাহার করলে: আসামিকে মামলা থেকে অব্যাহতি (Discharged) দেওয়া হয়।
(খ) চার্জ গঠনের পরে অভিযোগ প্রত্যাহার করলে:ক আসামিকে নির্দোষ ঘোষণার মাধ্যমে খালাস (Acquitted) দেওয়া হয়।

- অতএব, ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৯৪-ই সেই ধারা, যেখানে অভিযোগ প্রত্যাহারের প্রভাব (Effect of withdrawal from prosecution) স্পষ্টভাবে নির্ধারিত।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 494: Effect of withdrawal from prosecution:
- Any Public Prosecutor may, with the consent of the Court, before the judgment is pronounced, withdraw from the prosecution of any person either generally or in respect of any one or more of the offences for which he is tried; and upon such withdrawal,- 
(a) if it is made before a charge has been framed, the accused shall be discharged in respect of such offence or offences; 
(b) if it is made after a charge has been framed, or when under this Code no charge is required, he shall be acquitted in respect of such offence or offences.
৭,৬৬০.
'Y' এর যে রাস্তায় চলাচলের অধিকার আছে সে পথে 'X' বিঘ্ন সৃষ্টি করে। এতে 'Y' এর চলাচল বাধাগ্রস্থ হয়। 'X' এর কৃত অপরাধ হল?
  1. অন্যায় আটক
  2. অন্যায় অর্পণ
  3. অন্যায়ভাবে বাধা
  4. অন্যায় নিয়ন্ত্রণ
সঠিক উত্তর:
অন্যায়ভাবে বাধা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্যায়ভাবে বাধা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৩৯ ধারার বিধান অবৈধ বাধা (Wrongful restraint):- যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তিকে ইচ্ছাপূর্বক এমনভাবে বাধাদান করে যার ফলে উক্ত ব্যক্তির যেদিকে যাবার অধিকার রয়েছে, এমন কোন দিকে উক্ত ব্যক্তির যাবার পথ রুদ্ধ হয়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বাধাদান করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যতিক্রম :- যদি কোন লোক স্থলে বা জলে কোন বেসরকারি পথে বাধা দেওয়ার আইনসম্মত অধিকার তার রয়েছে বলে সরল মনে বিশ্বাসবশতঃ উক্ত পথে বিঘ্ন সৃষ্টি করে, তবে তার কাজ এই ধারার অর্থের আওতায় অপরাধ হবে না।

⇒ উদাহরণ
যে পথ অতিক্রম করার অধিকার চ-এর রয়েছে, সে পথে ক বিঘ্ন সৃষ্টি করে। ক সরল মনে বিশ্বাস করে না যে, পথটি রোধ করার অধিকার তার রয়েছে। ক-এর পথ রোধের ফলে চ পথ অতিক্রম করতে অসমর্থ হয়। ক অবৈধভাবে চ-কে বাধাদান করেছে।
--------
Wrongful restraint:
Section 339. Whoever voluntarily obstructs any person so as to prevent that person from proceeding in any direction in which that person has a right to proceed, is said wrongfully to restrain that person. 
 
Exception. The obstruction of a private way over land or water which a person in good faith believes himself to have a lawful right to obstruct, is not an offence within the meaning of this section. 
 
Illustration 
A obstructs a path along which Z has a right to pass, A not believing in good faith that he has a right to stop the path. Z is thereby prevented from passing. A wrongfully restrains Z.
৭,৬৬১.
দেওয়ানি আদালতে হাজির হওয়া সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণের শর্ত কী?
  1. প্রকাশ্য আদালতে মৌখিকভাবে গ্রহণ করতে হবে
  2. বিচারকের উপস্থিতিতে গ্রহণ করতে হবে
  3. বিচারকের ব্যক্তিগত নির্দেশনায় এবং তত্ত্বাবধানে গ্রহণ করতে হবে
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮ বিধি ৪ (প্রকাশ্য আদালতে সাক্ষীদের জবানবন্দি)-
হাজির হওয়া সাক্ষীদের সাক্ষ্য বিচারকের উপস্থিতিতে, ব্যক্তিগত নির্দেশনায় এবং তত্ত্বাবধানে প্রকাশ্য আদালতে মৌখিকভাবে গ্রহণ করতে হবে।

[Witnesses to be examined in open Court-
The evidence of the witnesses in attendance shall be taken orally in open Court in the presence and under the personal direction and superintendence of the Judge.]
৭,৬৬২.
প্রশ্নমালা রদের জন্য আবেদন কতদিনের মধ্যে করতে হবে?
  1. ৭ দিনের মধ্যে
  2. ১০ দিনের মধ্যে
  3. ১৫ দিনের মধ্যে
  4. ৩০ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
৭ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
আদেশ ১১ বিধি ৭- প্রশ্নমালা রদ এবং কর্তন:
কোন প্রশ্নমালা অযৌক্তিকভাবে বা বিরক্তিকরভাবে উত্থাপিত হয়েছে-এই অজুহাতে তা রদ করা যেতে পারে, বা তা দীর্ঘ ও শব্দ বহুল, যাতনাদায়ক, অনাবশ্যকীয় বা কুৎসামূলক বলে কর্তন করা যেতে পারে এবং এতদুদ্দেশ্যে যে কোন দরখাস্ত করতে হলে প্রশ্নমালা জারির সাতদিনের ভিতর পেশ করা যেতে পারে।

Order 11 Rule 7: Setting aside and striking out interrogatories:
Any interrogatories may be set aside on the ground that they have been exhibited unreasonably or vexatiously, or struck out on the ground that they are profix, oppressive, unnecessary or scandalous; and any application for this purpose may be made within seven days after service of the interrogatories.
৭,৬৬৩.
'ক', 'খ'-এর নিকট এই শর্ত সাপেক্ষে একটা খামার ইজারা দিল যে, 'খ' ঘণ্টায় একশত মাইল হাঁটবে। এক্ষেত্রে-
  1. উক্ত ইজারা বৈধ হবে
  2. উক্ত ইজারা অবৈধ হবে
  3. শর্ত পূরণ করলে ইজারা বৈধ হবে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
উক্ত ইজারা অবৈধ হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত ইজারা অবৈধ হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ২৫: শর্তযুক্ত হস্তান্তর

যখন সম্পত্তি হস্তান্তর দ্বারা এমন একটি স্বার্থ সৃষ্টি করা হয় এবং যা এমন শর্তের উপর নির্ভরশীল যা পালন করা অসম্ভব বা আইনে নিষিদ্ধ বা এরূপ প্রকৃতির যে, যা পালন করতে দেওয়া হলে আইনের কোনো বিধান ব্যর্থ হবে বা প্রতারণামূলক বা অন্য কোনো ব্যক্তির শরীর বা সম্পত্তির সাথে সংশ্লিষ্ট বা শরীর বা জনস্বার্থের বিরোধী বলে মনে করে, তখন এ স্বার্থ ব্যর্থ হবে।

উদাহরণঃ
(ক) 'ক', 'খ'-এর নিকট এই শর্ত সাপেক্ষে একটা খামার ইজারা দিল যে, 'খ' ঘণ্টায় একশত মাইল হাঁটবে, তবে এরূপ ইজারা অবৈধ হবে।
(খ) 'ক', 'খ'-কে এই শর্তে ৫০০/- টাকা দিল যে, সে 'ক'-এর কন্যা 'গ'-কে বিবাহ করবে। কিন্তু দেখা গেল যে, প্রতিশ্রুতিমত প্রদানের তারিখে 'গ' মৃত ছিল। তবে এরূপ হস্তান্তর অবৈধ ও বাতিল হবে।
(গ) 'ক' এই শর্তে 'খ'-কে ৫০০ টাকা দিল যে, সে 'খ'-কে খুন করবে। যা অবৈধ ও বাতিলযোগ্য।
(ঘ) 'ক' তার ভাইঝি 'গ'-কে এই শর্তে ৫০০ টাকা দিল যে, 'গ' তার স্বামীকে পরিত্যাগ করবে। এই জাতীয় হস্তান্তরও অবৈধ ও বাতিলযোগ্য হবে।

Section 25: Conditional transfer
An interest created on a transfer of property and dependent upon a condition fails if the fulfilment of the condition is impossible, or is forbidden by law, or is of such a nature that, if permitted, it would defeat the provisions of any law, or is fraudulent, or involves or implies injury to the person or property of another, or the Court regards it as immoral or opposed a public policy. 
 
Illustrations 
(a) A lets a farm to B on condition that he shall walk a hundred miles in an hour. The lease is void. 
(b) A gives Tk. 500 to B on condition that he shall marry A's daughter C. At the date of the transfer C was dead. The transfer is void. 
(c) A transfers Tk. 500 to B on condition that she shall murder C. The transfer is void. 
(d) A transfers Tk. 500 to his niece C if she will desert her husband. The transfer is void.
৭,৬৬৪.
সাক্ষ্য আইনের ১২৩ ধারায় কোন ধরনের তথ্য প্রকাশের বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ব্যক্তিগত রেকর্ড
  2. প্রকাশিত সরকারি রেকর্ড
  3. অপ্রকাশিত সরকারি রেকর্ড
  4. বৈদেশিক রেকর্ড
সঠিক উত্তর:
অপ্রকাশিত সরকারি রেকর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপ্রকাশিত সরকারি রেকর্ড
ব্যাখ্যা
• Section 123- Evidence as to affairs of State:
No one shall be permitted to give any evidence derived from unpublished official records relating to any affairs of State, except with the permission of the officer at the head of the department concerned, who shall give or withhold such permission as he thinks fit.

কোনো ব্যক্তি রাষ্ট্রীয় বিষয়াবলী সম্পর্কিত অপ্রকাশিত সরকারি রেকর্ড থেকে প্রাপ্ত কোনো প্রমাণ দেওয়ার অনুমতি পাবেন না, সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান কর্মকর্তার অনুমতি ব্যতীত। তিনি যথাযথ মনে করলে এই অনুমতি দিতে বা না দিতে পারবেন।
৭,৬৬৫.
মহানগর এলাকায় কত প্রকার দায়রা জজ আদালত বিদ্যমান?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকার
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি আদালত:
ক) দায়রা আদালত: প্রত্যেক বিভাগে নিম্নবর্ণিত দায়রা আদালত থাকবে-
১) দায়রা জজ আদালত;
২) অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত;
৩) যুগ্ম দায়রা জজ আদালত।

মেট্রোপলিটন এলাকার জন্য: (৩ প্রকার)
১) মহানগর দায়রা জজ আদালত;
২) অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত;
৩) যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালত।

অন্যদিকে,
খ) ম্যাজিস্ট্রেট আদালত:
১) চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত;
২) অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত;
৩) প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত;
৪) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত;
৫) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।

মেট্রোপলিটন এলাকার জন্য:
১) চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট;
২) অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট;
৩) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট।
৭,৬৬৬.
একজন লেখক একটি প্রকাশনা সংস্থার সাথে চুক্তি করেছিলেন তিনি একটি উপন্যাস লিখবেন। পরবর্তীতে অন্য প্রকাশনা সংস্থার জন্য তিনি উপন্যাস লিখেন। এক্ষেত্রে প্রথম চুক্তিটি-
  1. সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে
  2. সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না
  3. লেখককে সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করতে বাধ্য করা যাবে
  4. আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা প্রতিকার মঞ্জুর করা যাবে
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ২১ ধারা মতে আটটি ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনে আদেশ দিবে না। যথা-
১। চুক্তি কার্যকর না করা হলে অর্থ দ্বারা ক্ষতিপূরণ সম্ভব;
২। যে-সব চুক্তির শর্ত অস্পষ্ট, জটিল ; যার ফলে চুক্তির শর্ত সমূহ নির্ণয় করা সম্ভব না এবং শর্ত সমূহ সুনির্দিষ্ট ভাবে সম্পাদন করা যায় না;
৩। যে চুক্তি তার প্রকৃতির কারণে বাতিলযোগ্য;
৪। ট্রাস্টিগণ কর্তৃক সম্পাদিত চুক্তি যা তাদের ক্ষমতা বহির্ভূত;
৫। বিশেষ উদ্দেশ্যে গঠিত কোনো কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানির চুক্তি যা তাদের ক্ষমতার অতিরিক্ত;
৬। যে চুক্তির শর্ত আদালত যুক্তিসংগত ভাবে নির্ণয় করতে পারেনা;
৭। যে চুক্তি সম্পাদন করতে গেলে শুরুর তারিখ হতে তিন বছরেরও বেশি সময় কাজ করতে হয়;
৮। যে চুক্তির বিষয়বস্তু স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বেই বিলুপ্ত হয়েছে।

উল্লিখিত প্রশ্নে প্রথম চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না। কারণ ২১ ধারায় বলা আছে ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল হলে; তা আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনে আদেশ দিবে না।
৭,৬৬৭.
রীট কত প্রকার?
  1. ৪ প্রকার
  2. ৬ প্রকার
  3. ৩ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৫ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ প্রকার
ব্যাখ্যা
• রীট হলো এক ধরনের আইনি অধিকার যার মাধ্যমে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অধিকার লঙ্ঘিত হলে উক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান তার লঙ্ঘিত অধিকার  বাস্তবায়নের জন্য আদালতের নিকট প্রতিকার  চাইতে পারে। যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই প্রতিকার চাওয়া হয় তাকেই বলা হয় Writ (রীট)। বাংলাদেশের সংবিধানের ১০২ নাম্বার আর্টিকেল অনুযায়ী মোট পাঁচ ধরনের  Writ (রীট) সম্পর্কে  জানা যায়। সেগুলো হল-

ক. নিষেধাজ্ঞামূলক রীট (Writ of prohibition),
খ. হুকুমজারি রীট (Writ of Mandamus),
গ. উৎপ্রেষণমূলক রীট (Writ of Certiorari),
ঘ. বন্দী প্রদর্শন রীট (Writ of Habeas Corpus),
ঙ. কারণ দর্শাও রীট ( Writ of Quo warranto)।
৭,৬৬৮.
মৃত প্রতিবাদীর আইনগত প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার তামাদির মেয়াদ-
  1. ৩০ দিন
  2. ৯০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১৭৭

মৃত বিবাদী বা প্রতিবাদীর আইনগত প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন দরখাস্ত
তামাদি- ৯০ দিন
সময় গণনা শুরু- মৃত বিবাদী বা প্রতিবাদীর মৃত্যুর তারিখ।
৭,৬৬৯.
দণ্ডবিধির ৫৭ ধারা অনুযায়ী, শাস্তির মেয়াদ গণনায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডকে কীভাবে বিবেচনা করা হয়?
  1. ২০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড হিসেবে
  2. ৩০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড হিসেবে
  3. ১৫ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড হিসেবে
  4. ২৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড হিসেবে
সঠিক উত্তর:
৩০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড হিসেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড হিসেবে
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৫৭ ধারা অনুযায়ী, শাস্তির মেয়াদ গণনায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডকে ৩০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- দণ্ডবিধির ৫৭ ধারায় বলা হয়েছে যে, দণ্ডের মেয়াদের ভগ্নাংশ হিসাবের ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ৩০ বছর কারাদণ্ডের সমান বলে গণ্য হবে।
- সুতরাং দণ্ডবিধির ৫৭ ধারামতে শাস্তির ভগ্নাংশ হিসাব করতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডকে ৩০ বছর ধরতে হবে।
----------
 ⇒ The Penal Code,1860- Section 57: Fractions of terms of punishment:
- In calculating fractions of terms of punishment, imprisonment for life shall be reckoned as equivalent to rigorous imprisonment for thirty years.

৭,৬৭০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারা অনুসারে আমলযোগ্য অপরাধের তথ্য লিখিত হলে তা কে স্বাক্ষর করবেন?
  1. তদন্তকারী কর্মকর্তা
  2. তথ্যদাতা
  3. ম্যাজিস্ট্রেট
  4. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
সঠিক উত্তর:
তথ্যদাতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তথ্যদাতা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ১৫৪ ধারার বিধান আমলযোগ্য মামলার সংবাদ:
-আমলযোগ্য অপরাধ সম্বন্ধীয় কোনও সংবাদ যদি কোন পুলিশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তকে মৌখিকভাবে দেয়া হলে তিনি বা তাঁর নির্দেশানুসারে অন্য কেউ তা লিপিবদ্ধ করবেন, এবং সংবাদ জ্ঞাপনকারীকে তা পড়ে শুনাবেন, এবং এরূপ প্রতিটি সংবাদ, তা লিখিতভাবে প্রদত্ত হোক বা পরে লিপিবদ্ধ করা হোক, সংবাদ জ্ঞাপনকারী কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে, এবং উহার সারাংশ ঐরূপ অফিসার কর্তৃক সরকার কর্তৃক এ ব্যাপারে নির্দিষ্ট নিদর্শে রক্ষিত বহিতে লিপিবদ্ধ করে রাখতে হবে।

অর্থাৎ ফৌজদারী কার্যবিধির ১৫৪ ধারার মূল বিষয়গুলো হল:
১) থানায় মৌখিক অভিযোগ করলে পুলিশ অফিসার তা লিখে নেবেন
২) লিখিত অভিযোগটি অভিযোগকারীকে পড়ে শোনাতে হবে
৩) অভিযোগকারীকে এতে স্বাক্ষর করতে হবে
৪) অভিযোগের সারাংশ সরকার নির্ধারিত বইয়ে লিখে রাখতে হবে
---------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-154: Information in cognizable cases:
-Every information relating to the commission of a cognizable offence if given orally to an officer in charge of a police-station, shall be reduced to writing by him or under his direction, and be read over to the informant; and every such information, whether given in writing or reduced to writing as aforesaid, shall be signed by the person giving it and the substance thereof shall be entered in a book to be kept by such officer in such form as the Government may prescribe in this behalf.
৭,৬৭১.
রাজু একজন আসামী, যার সম্পত্তি ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৮(৭) ধারা অনুযায়ী সরকারের এখতিয়ারভূক্ত হয়েছিল। এক্ষেত্রে সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য ক্রোক করার সর্বোচ্চ কত দিনের মধ্যে তাকে আদালতে হাজির হতে হবে এবং প্রমাণ করতে হবে যে, সে পলাতক ছিল না বা সচেতনভাবে পরোয়ানা এড়িয়ে যায়নি?
  1. ৬ মাসের মধ্যে
  2. ১ বছরের মধ্যে
  3. ২ বছরের মধ্যে
  4. ৩ বছরের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
২ বছরের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছরের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• সে যদি ক্রোক করার ২ বছরের মধ্যে সেই আদালতে হাজির হয় এবং প্রমাণ করতে পারে যে, সে পলাতক ছিলনা বা সচেতনভাবে পরোয়ানা এড়িয়ে যায়নি, তাহলে খরচ বাদ দিয়ে তার সম্পত্তি তাকে ফিরিয়ে দিতে হবে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৯ ধারা- ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধার:
যার সম্পত্তি ৮৮ ধারার (৭) উপধারা অনুসারে সরকারের এখতিয়ারভুক্ত রয়েছে বা হয়েছে, সে যদি ক্রোক করার তারিখ থেকে ২ (দুই) বৎসরের মধ্যে যে আদালতের আদেশে সম্পত্তি ক্রোক করা হয়েছিল সেই আদালতের বা সেই আদালত যে আদালতের আওতাধীন সেই আদালতে ইচ্ছাকৃতভাবে হাজির হয় বা তাকে গ্রেফতার করে হাজির করানো হয় এবং এমর্মে প্রমাণ দ্বারা সে উক্ত আদালতের সন্তুষ্টি উৎপাদনপূর্বক প্রমাণ করে যে, সে পলাতক (ফেরার) ছিল না বা পরোয়ানার নির্বাহ এড়াবার জন্য সে পলায়ন করেনি এবং তিনি হুলিয়া হতে এরূপ জ্ঞানার্জন করেনি যাতে তিনি উহাতে উল্লেখিত সময়সীমার মধ্যে হাজিরা দিতে পারেন, তাহলে ক্রোক সম্পর্কিত সমস্ত খরচ কেটে নিয়ে উক্ত সম্পত্তি বা তা বিক্রয় করা হয়ে থাকলে নীট মূল্য অথবা আংশিকভাবে বিক্রয় করা হয়ে থাকলে নীট মূল্য ও আংশিক সম্পত্তি তাকে অর্পণ করতে হবে।
৭,৬৭২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী, অনলাইনের মাধ্যমে মুচলেকা জমা দেওয়ার সময় জামিনদারের পরিচয় যাচাই করা হয়?
  1. ধারা ৪৯৯(২)
  2. ধারা ৪৯৯(৩)
  3. ধারা ৪৯৮(২)
  4. ধারা ৪৯৭(৩)
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৯৯(৩)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৯৯(৩)
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৯(৩) অনুযায়ী, মুচলেকা আদালতে অনলাইনের মাধ্যমে জমা দেওয়ার সময় জামিনদারের পরিচয় এবং যোগ্যতা যাচাই করা হয়, যা জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর বা অন্যান্য উপযুক্ত মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
অর্থাৎ, অনলাইনে মুচলেকা জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে জামিনদারদের জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর বা অন্য উপযুক্ত মাধ্যমে পরিচয় ও যোগ্যতা যাচাই করে নিতে হবে – এই বিধান শুধুমাত্র ৪৯৯(৩)-এ আছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৯: অভিযুক্ত এবং জামিনদারদের মুচলেকা:
(১) কোনো ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি দেওয়ার বা তার নিজের মুচলেকায় মুক্তি দেওয়ার আগে, ক্ষেত্রমত পুলিশ অফিসার বা আদালত যে পরিমাণ অর্থ যথেষ্ট মনে করেন, সেই পরিমাণ অর্থের জন্য ওই ব্যক্তি কর্তৃক একটি মুচলেকা সম্পাদিত হবে, এবং যখন তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়, তখন এক বা একাধিক যথেষ্ট জামিনদার কর্তৃক এই শর্তে মুচলেকা সম্পাদিত হবে যে, ওই ব্যক্তি মুলেকায় উল্লিখিত সময় এবং স্থানে উপস্থিত থাকবেন, এবং ক্ষেত্রমত পুলিশ অফিসার বা আদালত কর্তৃক অন্য কোনো নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপস্থিত থাকতে থাকবেন।
(২) যদি মামলার প্রয়োজন হয়, তবে মুচলেকাটি জামিনে মুক্ত ব্যক্তিকে হাইকোর্ট বিভাগ, দায়রা আদালত বা অন্য কোনো আদালতে অভিযোগের জবাব দেওয়ার জন্য যখনই ডাকা হবে তখনই হাজির হওয়ার জন্যও বাধ্য করবে।
(৩) এই ধারায় উল্লিখিত মুচলেকাটি অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজে, বা তার উকিলের মাধ্যমে, অথবা আদালত কর্তৃক অনুমোদিত হলে অনলাইন ব্যবস্থার মাধ্যমে, তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর বা অন্য কোনো উপযুক্ত মাধ্যমে জামিনদারদের পরিচয় এবং যোগ্যতা যাচাই সাপেক্ষে, আদালতে জমা দিতে পারেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section- 499.Bond of accused and sureties:
(1) Before any person is released on bail or released on his own bond, a bond for such sum of money as the police-officer or Court, as the case may be, thinks sufficient shall be executed by such person, and, when he is released on bail, by one or more sufficient sureties conditioned that such person shall attend at the time and place mentioned in the bond, and shall continue so to attend until otherwise directed by the police-officer or Court, as the case may be.
(2) If the case so require, the bond shall also bind the person released on bail to appear when called upon at the High Court Division, Court of Session or other Court to answer the charge.
(3) The bond referred to in this section may be submitted to the Court by the accused in person, or through his pleader, or through online system, as permitted by the Court, subject to verification of the identity and eligibility of the sureties through their National Identification Number or any other appropriate means.

৭,৬৭৩.
মোকদ্দমা দায়ের করার শেষ দিন ছিল ০১.০১.২০১৬। কিন্তু ৩০শে ডিসেম্বর ২০১৫ থেকে ০৫ জানুয়ারী ২০১৬ পর্যন্ত আদালত বন্ধ ছিল, এই ক্ষেত্রে মামলা দায়ের করতে হবে কবে?
  1. ২৯ ডিসেম্বর ২০১৫
  2. ৬ জানুয়ারী ২০১৬
  3. জানুয়ারী মাসের যে কোন দিন
  4. পরবর্তী ৩ বছরের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
৬ জানুয়ারী ২০১৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ জানুয়ারী ২০১৬
ব্যাখ্যা
♣♣ 
• মামলা দায়ের করার শেষ দিন ছিল ০১.০১.২০১৬, কিন্তু ৩০.৫.২০১৫ থেকে ৫.১.২০১৬ পর্যন্ত আদালত বন্ধ থাকায় ৬ জানুয়ারি মামলা দায়ের করতে হবে;
• কেননা তামাদি আইনের ৪ ধারা অনুযায়ী মামলা দায়েরের শেষ দিন আদালত বন্ধ থাকলে পরবর্তী কার্যদিবসে মামলা দায়ের করতে হবে। 
৭,৬৭৪.
দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ৪৭৮ এ কোনটির সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ট্রেডমার্ক
  2. প্রোপার্টি মার্ক
  3. জাল দলিল
  4. কপিরাইট
সঠিক উত্তর:
ট্রেডমার্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রেডমার্ক
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪৭৮- ট্রেডমার্ক:
- যে চিহ্নটি কোন পণ্য বা মালামাল নির্দিষ্ট ব্যক্তির উৎপাদন বা বাণিজ্যের নির্দেশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাকে ট্রেডমার্ক বলা হয়, এবং এই কোডের উদ্দেশ্যে "ট্রেডমার্ক" শব্দের মধ্যে যেকোনো ট্রেডমার্ক অন্তর্ভুক্ত থাকবে যা ১৮৮৩ সালের পেটেন্ট, ডিজাইন এবং ট্রেডমার্ক আইন অনুযায়ী ট্রেডমার্ক রেজিস্টারে নিবন্ধিত, এবং যেকোনো ট্রেডমার্ক যা নিবন্ধন থাকা বা না থাকা সত্ত্বেও কোনো ব্রিটিশ অধিভুক্ত অঞ্চল বা বিদেশী রাষ্ট্রে আইন দ্বারা সুরক্ষিত, যেখানে ১৮৮৩ সালের পেটেন্ট, ডিজাইন এবং ট্রেডমার্ক আইনের ১০৩ ধারা, সরকারি আদেশের মাধ্যমে, সংশ্লিষ্ট সময়ে প্রযোজ্য হয়েছে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-478. Trade mark:
- A mark used for denoting that goods are the manufacture or merchandise of a particular person is called a trade mark, and for the purposes of this Code the expression "trade mark" includes any trade mark which is registered in the register of trade marks kept under the Patents, Designs and Trade Marks Act, 1883, and any trade mark which, either with or without registration, is protected by law in any British possession or Foreign State to which the provisions of the one hundred and third section of the Patents, Designs and Trade Marks Act, 1883, are, under Order-in-Council, for the time being applicable.

৭,৬৭৫.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে দলিলের মৌখিক বিবরণ কখন মাধ্যমিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হয়?
  1. যখন দলিলটি আদালতে দাখিল করা হয়
  2. যখন বিবরণ প্রদানকারী ব্যক্তি দলিল সম্পর্কে শুনেছেন
  3. যখন বিবরণ প্রদানকারী ব্যক্তি নিজে দলিলটি দেখেছেন
  4. যখন বিবরণ প্রদানকারী ব্যক্তি অনুমান ভিত্তিক মতামত দেন
সঠিক উত্তর:
যখন বিবরণ প্রদানকারী ব্যক্তি নিজে দলিলটি দেখেছেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন বিবরণ প্রদানকারী ব্যক্তি নিজে দলিলটি দেখেছেন
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: যখন বিবরণ প্রদানকারী ব্যক্তি নিজে দলিলটি দেখেছেন। 
- সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ৬৩(৫) ধারা অনুসারে, দলিলের মৌখিক বিবরণ তখনই মাধ্যমিক সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য হয়, যদি বিবরণ প্রদানকারী ব্যক্তি নিজে দলিলটি প্রত্যক্ষভাবে দেখেন। অর্থাৎ, যে ব্যক্তি দলিলের মূল কপি দেখেছেন এবং তার ভিত্তিতে মৌখিক বিবরণ দিচ্ছেন, কেবল তার সাক্ষ্যই মাধ্যমিক সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ৬৩ ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্য (Secondary Evidence) সম্পর্কিত বিধানাবলি রয়েছে।
এই ধারায় বলা হয়েছে:
১. এই আইনে বর্ণিত বিধানমতে প্রদত্ত সার্টিফাইডকৃত অনুলিপি;
২. যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় মূল থেকে তৈরিকৃত অনুলিপি যা নিজেই অনুলিপির নির্ভুলতা নিশ্চিত করে এবং সেই অনুলিপির সাথে তুলনাকৃত অন্যান্য অনুলিপি;
৩. মূল থেকে তৈরিকৃত বা মূলের সাথে তুলনাকৃত অনুলিপি;
৪. দলিলের মূল অংশবিশেষ যা যারা এটি সম্পাদন করেনি তাদের বিরুদ্ধে গ্রহণযোগ্য;
৫. কোন দলিলের বিষয়বস্তুর মৌখিক বিবরণ যা দেয় এমন কেউ যিনি নিজে এটি দেখেছেন।
-----------
⇒ The Evidence Act, 1872 section 63. Secondary evidence:
-"Secondary evidence means and includes, among other things-
(1) Certified copies given under the provisions hereinafter contained;
(2) Copies made from the original by mechanical processes which in themselves insure the accuracy of the copy, and copies compared with such copies;
(3) Copies made from or compared with the original;
(4) Counterparts of documents as against the parties who did not execute them;
(5) Oral accounts of the contents of a document given by some person who has himself perceived it."
৭,৬৭৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় অপরাধের আপস মীমাংসা কি বলে গণ্য হবে?
  1. অভিযুক্তের খালাস
  2. অভিযুক্তের মুক্তি
  3. অভিযুক্তের অব্যাহতি
  4. অভিযুক্তের দণ্ড
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তের খালাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তের খালাস
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় যে সকল অপরাধসমূহ আপসযোগ্য, সেই সকল অপরাধের বর্ণনা দেয়া হয়েছে।দণ্ডবিধির কোন ধারার কোন অপরাধটি আপসযোগ্য তা ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় উল্লেখিত টেবিলের প্রথম এবং দ্বিতীয় কলামে উল্লেখ করা হয়েছে এবং যে ব্যক্তির দ্বারা এমন অপরাধ আপস করা যায় তা তৃতীয় কলামে উল্লেখ করা হয়েছে। 

• ৩৪৫ (১) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের আপস মীমাংসার ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তির সম্মতিই যথেষ্ট কিন্তু ৩৪৫ (২) ধারায় টেবিলে উল্লেখিত অপরাধের ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নিয়ে তৃতীয় কলামে উল্লেখিত ব্যক্তিরা অপরাধের আপস মীমাংসা করতে পারে।

• দণ্ড আরোপের পূর্বে যেকোনো সময় ৩৪৫ ধারায় অপরাধ আপস মীমাংসা হতে পারে এবং সেটা কোর্টের ভিতরে বা অপরাধের আপস করার জন্য অন্যভাবে যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি ১৮ বছরের কম বয়স্ক হলে বা জড়বুদ্ধ হলে বা পাগল হলে, তার পক্ষে চুক্তি সম্পাদনের যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি আদালতের অনুমতি নিয়ে আপস মীমাংসা করতে পারে ধারা।

৩৪৫ (৬) ধারা অনুযায়ী অপরাধের আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হবে।

• প্রতিকার-
যেহেতু ৩৪৫ ধারায় আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হয় এবং যেহেতু খালাসের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়, তাই ৩৪৫ ধারায় আপস মীমাংসার বিরুদ্ধে ৪১৭ ধারায় সরকার আপীল করতে পারে।
৭,৬৭৭.
The Negotiable Instrument Acts, 1881 এর ১১৮ ধারা অনুসারে হস্তান্তরযোগ্য দলিল সম্পর্কিত অনুমান হবে-
  1. May presume
  2. Shall presume
  3. Conclusive proof
  4. 'B' or 'C'
সঠিক উত্তর:
Shall presume
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Shall presume
ব্যাখ্যা
⇒ Section 118 of The Negotiable Instruments Act, 1881: Presumptions as to negotiable instruments- (a) of consideration; (b) as to date; (c) as to time of acceptance; (d) as to time of transfer; (e) as to order of indorsements; (f) as to stamp; (g) that holder is a holder in due course:

- Until the contrary is proved, the following presumptions shall be made:
 
(a) that every negotiable instrument was made or drawn for consideration, and that every such instrument, when it has been accepted, indorsed, negotiated or transferred, was accepted, indorsed, negotiated or transferred for consideration;
 
(b) that every negotiable instrument bearing a date was made or drawn on such date;
 
(c) that every accepted bill of exchange was accepted within a reasonable time after its date and before its maturity;
 
(d) that every transfer of a negotiable instrument was made before its maturity;
 
(e) that the indorsements appearing upon a negotiable instrument were made in the order in which they appear thereon;
 
(f) that a lost promissory note, bill of exchange or cheque was duly stamped;
 
(g) that the holder of a negotiable instrument is a holder in due course: provided that, where the instrument has been obtained from its lawful owner, or from any person in lawful custody thereof, by means of an offence or fraud, or has been obtained from the maker or acceptor thereof by means of an offence or fraud, or for unlawful consideration, the burden of proving that the holder is a holder in due course lies upon him.
৭,৬৭৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর না করার কারণসমূহ বর্ণিত হয়েছে?
  1. ধারা ৫৩
  2. ধারা ৫৪
  3. ধারা ৫৬
  4. ধারা ৫৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৬
ব্যাখ্যা

⇒ কোন কোন ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যায় না তা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে। ৫৬ ধারা অনুসারে ১১টি ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাখ্যান করতে পারে।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারামতে নিম্নলিখিত ১১টি ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না। যথা-
i) বিচারাধীন কার্যধারা স্থগিত;
ii) অধীনস্ত নয় এরূপ আদালতের কার্যধারা স্থগিত;
iii) আইন প্রণয়নকারী সংস্থার নিকট আবেদনে বাধা;
iv) সরকারি দপ্তর বা বিদেশি সরকারের কার্যে হস্তক্ষেপ;
v) ফৌজদারি কার্যধারা স্থগিত;
vi) অবলবৎযোগ্য চুক্তিভঙ্গ নিরোধের প্রশ্নে
vii) উৎপাত (nuisance) নয় এমন কাজ নিরোধের জন্য;
viii) বাদীর মৌন সম্মতির প্রশ্নে;
ix) অন্য কোন পদ্ধতিতে একই প্রতিকারের ক্ষেত্রে;
x) বাদীর আচরণ আদালতের সাহায্য পেতে বঞ্চিত করলে; অথবা
xi) মামলার বিষয়বস্তুতে বাদীর কোন স্বার্থ না থাকলে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না।
----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section-56. Injunction when refused:- An injunction cannot be granted-
(a) to stay a judicial proceeding pending at the institution of the suit in which the injunction is sought, unless such restraint is necessary to prevent a multiplicity of proceedings;
(b) to stay proceedings in a Court not subordinate to that from which the injunction is sought;
(c) to restraint persons from applying to any legislative body;
(d) to interfere with the public duties of any department of the Government, or with the sovereign acts of Foreign Government;
(e) to stay proceedings in any criminal matter;
(f) to prevent the breach of a contract the performance of which would not be specifically enforced;
(g) to prevent, on the ground of nuisance, an act of which it is not reasonably clear that it will be a nuisance;
(h) to prevent a continuing breach in which the applicant has acquiesced;
(i) when equally efficacious relief can certainly be obtained by any other usual mode of proceeding except in case of breach of trust;
(j) when the conduct of the applicant on his agents has been such as to disentitle him to the assistance of the Court;
(k) where the applicant has no personal interest in the matter.

৭,৬৭৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় অপরাধের আপোস (Compounding of Offences) বিধান দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা-৩৪৩ 
  2. ধারা-৩৪৫ 
  3. ধারা-৩৪৬ 
  4. ধারা-৩৪৮ 
সঠিক উত্তর:
ধারা-৩৪৫ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা-৩৪৫ 
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (Code of Criminal Procedure, 1898) এর ধারা ৩৪৫ (Compounding of offences)-এ অপরাধের আপোস বা সমঝোতার (compounding) সম্পূর্ণ বিধান দেওয়া আছে। এই ধারায় দুটি টেবিলের মাধ্যমে উল্লেখ করা হয়েছে:
- কোন কোন অপরাধ আদালতের অনুমতি ছাড়াই সমঝোতা করা যায় (যেমন: আঘাত, মানহানি, অপমান ইত্যাদি) এবং কে সমঝোতা করতে পারবে (সাধারণত ভুক্তভোগী ব্যক্তি)।
- কোন কোন অপরাধ আদালতের অনুমতি নিয়ে সমঝোতা করা যায় (যেমন: গুরুতর আঘাত, চুরি, প্রতারণা ইত্যাদি)।
ধারা ৩৪৫(৬) অনুসারে, সমঝোতা হলে অভিযুক্তের খালাস (acquittal) হয়। ধারা ৩৪৫(৭) বলে, এই ধারায় উল্লিখিত ছাড়া অন্য কোনো অপরাধ সমঝোতা করা যাবে না।

অর্থাৎ এই ধারা বলে যে, কিছু নির্দিষ্ট অপরাধে অভিযোগকারী (ভুক্তভোগী) এবং অভিযুক্ত পক্ষ পরস্পর সমঝোতা (আপোস) করে মামলা শেষ করতে পারেন। সমঝোতা হলে আদালত অভিযুক্তকে খালাস (acquittal) দিয়ে দেন, অর্থাৎ মামলা পুরোপুরি শেষ হয়ে যায় এবং একই অপরাধে আবার মামলা করা যায় না।

এছড়াও,
খালাসের প্রভাব (ধারা ৩৪৫(৬)): সমঝোতা হলে অভিযুক্তকে খালাস দেওয়া হয়।
১৮ বছরের কম বয়সী/অক্ষম ব্যক্তির ক্ষেত্রে (ধারা ৩৪৫(৪)): অভিভাবক বা প্রতিনিধি আদালতের অনুমতি নিয়ে সমঝোতা করতে পারেন।
বিচার চলাকালীন বা আপিলে (ধারা ৩৪৫(৫)): আদালতের অনুমতি নিতে হয়।
শুধুমাত্র এই ধারায় উল্লিখিত অপরাধই সমঝোতা করা যায় (ধারা ৩৪৫(৭))। অন্য কোনো অপরাধ (যেমন: খুন, ধর্ষণ, ডাকাতি) আপোস করা যায় না।
আদালতের সহায়তা (ধারা ৩৪৫(৮)): আধুনিক সংশোধনীতে আদালত নিজে থেকে আপোস প্রক্রিয়া সহজ করে দিতে পারে, লিগ্যাল এইড অফিসার বা আইনজীবীর মাধ্যমে সমঝোতা করাতে পারে এবং চুক্তি রেকর্ড করে আদেশ দিতে পারে।

৭,৬৮০.
কোন পরিস্থিতিতে নেক্সট ফ্রেন্ডকে অপসারণের জন্য আবেদন করা যেতে পারে?
  1. যদি নেক্সট ফ্রেন্ডের স্বার্থ নাবালকের স্বার্থের পরিপন্থী হয়
  2. যদি নেক্সট ফ্রেন্ড তার কর্তব্য পালন না করে
  3. মোকদ্দমা চলাকালীন বাংলাদেশে অবস্থান করা থেকে বিরত থাকলে
  4. উপরোক্ত সকল পরিস্থিতিতে
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সকল পরিস্থিতিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সকল পরিস্থিতিতে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩২ বিধি-৯: নেক্সট ফ্রেন্ডের অপসারণ:
(১) যেক্ষেত্রে কোন নাবালকের নেক্সট ফ্রেন্ডের স্বার্থ ঐ নাবালকের স্বার্থের পরিপন্থী হয় কিংবা যেক্ষেত্রে সে এমন বিবাদির সাথে এমনভাবে জড়িত যে যার স্বার্থ ঐ নাবালকের স্বার্থের পরিপন্থী যদরুন তার দ্বারা উক্ত নাবালকের স্বার্থ সঠিক সংরক্ষণ অসম্ভব বা যেক্ষেত্রে সে তার কর্তব্য সম্পাদন করে না বা মোকদ্দমার বিচার চলাকালে বাংলাদেশে বসবাস করা হতে বিরত থাকে অথবা অন্য কোন পর্যাপ্ত কারণে নাবালকের তরফ হতে বা বিবাদি কর্তৃক তার অপসারণের জন্য আবেদন করা যাবে এবং আদালত যদি প্রদর্শিত কারণের যথার্থতা সম্পর্কে সন্তুষ্ট হন, তবে নেক্সট ফ্রেন্ডকে তদানুসারে অপসারণ করতে নির্দেশ দিতে পারেন এবং খরচাদি সম্পর্কে অন্য কোন উপযুক্ত আদেশ দিতে পারেন।

২) যেক্ষেত্রে কোন নেক্সট ফ্রেন্ড বা অভিভাবক এতদুদ্দেশ্যে কোন উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নিযুক্ত বা ঘোষিত হয়নি এবং অনুরূপ নিযুক্ত বা ঘোষিত কোন অভিভাবক নেক্সট ফ্রেন্ডের স্থলে স্বয়ং নিযুক্ত হতে ইচ্ছা পোষণ করে আবেদন লিপিবদ্ধ করে মনে করেন যে, উক্ত অভিভাবককে নাবালকের নেক্সট ফ্রেন্ডরূপে নিযুক্ত করা উচিত নয় এবং আবেদনকারীকে তার স্থলে আদালতের বিবেচনা মত মোকদ্দমায় ব্যয়িত যেরূপ খরচাদি হয়েছে তৎসম্পর্কে শর্তাবলী সাপেক্ষে নেক্সট ফ্রেন্ডরূপে নিযুক্ত করবে।
৭,৬৮১.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, In every trial before a __________, the prosecution shall be conducted by a Public Prosecutor.
  1. Court of Magistrate
  2. Court of Session
  3. Court of Commission
  4. all of above
সঠিক উত্তর:
Court of Session
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Court of Session
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫ক-২৬৫জ তে দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

ধারা ২৬৫ক অনুসারে,
দায়রা আদালতে প্রত্যেকটি বিচারে সরকারি আইনজীবী (পাবলিক প্রসিকিউটর) অভিযােগকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন।

Section 265A- Trial to be conducted by Public Prosecutor:
In every trial before a Court of Session, the prosecution shall be conducted by a Public Prosecutor.
৭,৬৮২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় আমলযোগ্য অপরাধ নিবারণের লক্ষ্যে (preventive arrest) পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ও পরোয়ানা ব্যতীত গ্রেফতার করতে পারে?
  1. ধারা ৫৪
  2. ধারা ১০৭
  3. ধারা ১৫১
  4. ধারা ১৫৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫১
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১৫১ অনুযায়ী যদি কোনো পুলিশ অফিসার আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্র সম্পর্কে অবগত হন এবং তার কাছে প্রতীয়মান হয় যে অপরাধটি অন্যভাবে প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়, তবে তিনি ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ বা পরোয়ানা ছাড়াই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারার বিধান- আমলযোগ্য অপরাধ নিবারণের লক্ষ্যে গ্রেফতার:

কোন পুলিশ অফিসার যদি কোন আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্রের কথা অবগত হন এবং তাঁর নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, এই অপরাধ সংঘটন অন্যভাবে নিবারণ করা যাবে না, সেক্ষেত্রে তিনি ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ ও পরোয়ানা ব্যতীত সংশ্লিষ্ট ষড়যন্ত্রকারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 151- Arrest to prevent such offences:
A police-officer knowing of a design to commit any cognizable offence may arrest, without orders from a Magistrate and without a warrant, the person so designing, if it appears to such officer that the commission of the offence cannot be otherwise prevented.

৭,৬৮৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির তৃতীয় তফসিলে কী উল্লেখ আছে?
  1. দায়রা আদালতের বিশেষ ক্ষমতা
  2. ম্যাজিস্ট্রেটগণের অতিরিক্ত ক্ষমতা
  3. ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা
  4. হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির তৃতীয় তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটদের সাধারণ ক্ষমতা সংক্রান্ত বিধানসমূহ উল্লেখ থাকে।
অর্থাৎ, ম্যাজিস্ট্রেটগণ কী ধরনের ক্ষমতা ও কর্তব্য পালন করবেন, তা এই তফসিলে বর্ণিত।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ৫টি তফসিল রয়েছে। বর্তমানে বলবৎ আছে ৪টি তফসিল।
i) ১ম তফসিল (First Schedule) - বাতিল।
ii) ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ, জামিনযোগ্য ও জামিন-অযোগ্য অপরাধ এবং দন্ডবিধির অপরাধসমূহ কোন আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য ইত্যাদি বিষয়সমূহ উল্লেখ রয়েছে।
iii) ফৌজদারি কার্যবিধির তৃতীয় তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা (Ordinary powers of Magistrates) উল্লেখ রয়েছে।
iv) ফৌজদারি কার্যবিধির ৪র্থ তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে।
v) ফৌজদারি কার্যবিধির ৫ম তফসিলে ফরম সমূহের বিষয়ে বলা রয়েছে।
৭,৬৮৪.
ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৬৪ অনুসারে, নিচের কোন শর্তে একজন ম্যাজিস্ট্রেট নিজেই কোনো অপরাধীকে গ্রেফতার করতে পারেন?
  1. যখন অপরাধটি আমল অযোগ্য
  2. যখন অপরাধী একজন পলাতক
  3. যখন অপরাধী একজন সরকারি কর্মচারী হয়
  4. যখন কোনো অপরাধ তার উপস্থিতিতে সংঘটিত হয়
সঠিক উত্তর:
যখন কোনো অপরাধ তার উপস্থিতিতে সংঘটিত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন কোনো অপরাধ তার উপস্থিতিতে সংঘটিত হয়
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৬৪ অনুসারে একজন ম্যাজিস্ট্রেট নিজেই কোনো অপরাধীকে গ্রেফতার করতে পারেন যখন কোনো অপরাধ তার উপস্থিতিতে সংঘটিত হয়।
সুতরাং, যখন কোনো অপরাধ তার উপস্থিতিতে সংঘটিত হয় - এই শর্তে একজন ম্যাজিস্ট্রেট নিজেই অপরাধীকে গ্রেফতার করতে পারেন।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ - ধারা ৬৪: ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সংঘটিত অপরাধ:
- যখন কোনো অপরাধ কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের (হতে তিনি নির্বাহী বা বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটই হোন) উপস্থিতিতে তার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে সংঘটিত হয়, তখন তিনি নিজেই অপরাধীকে গ্রেফতার করতে পারেন বা কোনো ব্যক্তিকে অপরাধীকে গ্রেফতার করার আদেশ দিতে পারেন এবং তদনুসারে, জামিন সংক্রান্ত এতদ্দ্বারা প্রণীত বিধানাবলি সাপেক্ষে, অপরাধীকে হেফাজতে প্রেরণ করতে পারেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-64: Offence committed in Magistrate's presence:
- When any offence is committed in the presence of a Magistrate [whether Executive or Judicial] within the local limits of his jurisdiction, he may himself arrest or order any person to arrest the offender, and may thereupon, subject to the provisions herein contained as to bail commit the offender to custody.

৭,৬৮৫.
সাক্ষ্য আইনের ১৭ ধারার বিধান কী?
  1. প্রমাণের দায়
  2. মৃত্যুকালীন ঘোষণার
  3. ডিজিটাল রেকর্ড
  4. স্বীকৃতি
সঠিক উত্তর:
স্বীকৃতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বীকৃতি
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইন ১৮৭২ এর ১৭ ধারায় স্বীকৃতি বা স্বীকারোক্তির সংজ্ঞা দেয়া আছে: স্বীকৃতি হইতেছে মৌখিক বা লিখিত উক্তি যা বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে কোনো সিদ্ধান্তের সূচনা করে এবং যাহা পরে বর্নিত ব্যক্তিদের মধ্যে কেহ বর্নিত পরিস্থিতি তে করে।

♦ সাক্ষ্য আইন ১৭ ধারার বিধান স্বীকৃতির সংজ্ঞা: স্বীকৃতি হচ্ছে মৌখিক বা দালিলিক বিবৃতি অথবা ডিজিটাল রেকর্ড যা বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক ঘটনা প্রসঙ্গে কোনো অনুমানের ইঙ্গিত দেয়, এবং যা এ আইনের পরবর্তীতে বর্ণিত পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের যে কেউ কর্তৃক প্রদত্ত হয়।
৭,৬৮৬.
একতরফা ডিক্রি রদের আদেশ জারি হলে, আদেশ-৯ বিধি-১৩ক অনুযায়ী বাদীকে প্রদত্ত নোটিশের খরচ কে বহন করবে?
  1. আদালত
  2. বাদী
  3. বিবাদী
  4. আদালত কর্তৃক নির্ধারিত পক্ষ
সঠিক উত্তর:
বিবাদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদী
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, আদেশ-৯ বিধি-১৩ক: সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ/বাতিল:
(১) বিধি-১৩ বা অন্য কোনো আইনে যা কিছুই থাকুক না কেন, আদালত বিলম্ব এড়ানোর এবং নিষ্পত্তি ত্বরান্বিত করার উদ্দেশ্যে বিবাদীকে বিধি-১৩ অনুযায়ী যথেষ্ট কারণ প্রমাণের জন্য সাক্ষ্য উপস্থাপনের প্রয়োজন ছাড়াই সরাসরি ডিক্রি রদ করতে পারবে, তবে আদালত বিবাদীকে অনধিক তিন হাজার টাকা খরচ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারবে:

শর্ত থাকে যে, আদালত এই বিধির অধীনে ডিক্রি রদ করবে না, যদি না বিবাদী, যিনি আদালতে হাজির হয়ে লিখিত জবাব দাখিল করেছেন, ডিক্রি জারির তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে ডিক্রি রদের জন্য একটি আবেদনপত্র, এফিডেভিট সহ, আদালতে জমা দেন।

আরও শর্ত থাকে যে, একই বিবাদীর পক্ষ থেকে এই বিধির অধীনে একাধিকবার ডিক্রি রদ করা যাবে না।

(২) উপ-বিধি (১) অনুযায়ী একতরফা ডিক্রি রদের আদেশ জারি হওয়ার সাথে সাথে আদালত বাদীকে এ বিষয়ে নোটিশ প্রদান করবে, এবং এর খরচ বিবাদী বহন করবে।

৭,৬৮৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারায় কোনো স্থানে তল্লাশি করতে হলে কমপক্ষে কতজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে তল্লাশিটি করতে হবে?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. ৪ জন
সঠিক উত্তর:
২ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ জন
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারা- সাক্ষীর উপস্থিতিতে তল্লাশী কার্যক্রম চালাতে হবে:
(১) এই অধ্যায় মোতাবেক তল্লাশী করার পূর্বে যে অফিসার বা ব্যক্তি তা করতে গিয়েছেন, তিনি যে এলাকার মধ্যে, যে স্থান তল্লাশী করতে হবে তা অবস্থিত, সেই এলাকার দুই বা ততোধিক নিরপেক্ষ ও গণ্যমান্য অধিবাসীকে তল্লাশীর সাক্ষী হবার জন্য আহ্বান করবেন এবং এরূপ করার জন্য তাদেরকে বা তাদের যে কোন একজনের প্রতি লিখিত আদেশ দিতে পারবেন।

(২) তাদের সমক্ষে তল্লাশী করতে হবে, এবং ঐরূপ অফিসার বা অন্য ব্যক্তি ঐরূপ তল্লাশী করার সময় যেসব জিনিস বাজেয়াপ্ত করা হয় এবং যেসব স্থানে ঐগুলি যথাক্রমে পাওয়া যায় তার একটি তালিকা তৈরী করবেন এবং ঐরূপ সাক্ষীগণ তাতে সই দিবেন; কিন্তু আদালত বিশেষভাবে সমন না দিলে এই ধারায় সম্পাদিত তল্লাশী দর্শনকারী ব্যক্তিকে আদালতে হাজিরা দিতে হবে না।
৭,৬৮৮.
পেনাল কোডের ৩২৫ ধারায় কোন অপরাধের শাস্তি বর্ণিত আছে?
  1. Voluntarily causing hurt by dangerous weapon or means
  2. Voluntarily causing grievous hurt
  3. Voluntarily causing grievous hurt by dangerous weapon or means
  4. Voluntarily causing grievous hurt by corrosive substances etc
সঠিক উত্তর:
Voluntarily causing grievous hurt
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Voluntarily causing grievous hurt
ব্যাখ্যা
♦ পেনাল কোডের ৩২৫ ধারায় স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত দানের (Voluntarily causing grievous hurt) শান্তি রয়েছে: কোন ব্যক্তি, যদি ৩৩৫ ধারার বিধান সাপেক্ষে, স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত করে, তবে সে ব্যক্তি ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে ।
৭,৬৮৯.
দণ্ডবিধির ৪৪ ধারানুযায়ী ক্ষতি (Injury) বলতে কি বুঝায়?
  1. অবৈধভাবে কোন ব্যক্তির দেহ বা মনে কোনরূপ ক্ষতি সাধন করা
  2. অবৈধভাবে কোন ব্যক্তির সম্পত্তিতে কোনরূপ ক্ষতি সাধন
  3. অবৈধভাবে কোন ব্যক্তির সুনামে কোনরূপ ক্ষতি সাধন করা
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৪৪ ধারার বিধান ক্ষতি:- যদি কোন ব্যক্তির দেহ, মন, সুনাম বা সম্পত্তিতে অবৈধভাবে কোনরূপ ক্ষতিসাধন করা হয় তবে তাকে 'ক্ষতি' বলে।
-----------------------------------
♦“Injury”- Section 44. The word "injury" denotes any harm whatever illegally caused to any person, in body, mind, reputation or property.
৭,৬৯০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারায় তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করার প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. অপরাধীর গ্রেপ্তার
  2. সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা
  3. তদন্ত প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করা
  4. দলিল বা বস্তু আদালতে হাজির করা
সঠিক উত্তর:
দলিল বা বস্তু আদালতে হাজির করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিল বা বস্তু আদালতে হাজির করা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারায় তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করার প্রধান উদ্দেশ্য হল দলিল বা বস্তু আদালতে হাজির করা।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারায় তল্লাশী পরোয়ানা [ Search-warrant ] ইস্যুর বিধান রয়েছে।
- ৯৬ ধারা অনুযায়ী আদালত ৩টি কারণে তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন। যথা-
i) কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু আদালতে হাজির করা হবে না বলে বিশ্বাস করলে;
ⅱ) উক্তরূপ দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা না থাকলে; এবং
iii) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিংস এর উদ্দেশ্যে আদালত তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন।
- ৯৬ ধারামতে জারিকৃত তল্লাশী পরোয়ানা বাতিলের জন্য দায়রা জজের নিকট রিভিশন করা যায়।
------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 96. When search-warrant may be issued:
(1) Where any Court has reason to believe that a person to whom a summons or order under section 94 or a requisition under section 95, sub-section (1), has been or might be addressed, will not or would not produce the document or thing as required by such summons or requisition, 
or where such document or thing is not known to the Court to be in the possession of any person, 
or where the Court considers that the purposes of any inquiry, trial or other proceeding under this Code will be served by a general search or inspection, 
it may issue a search-warrant; and the person to whom such warrant is directed, may search or inspect in accordance therewith and the provisions hereinafter contained. 
 
(2) Nothing herein contained shall authorize any Magistrate other than a District Magistrate, Chief Judicial Magistrate, as the case may be or Chief Metropolitan Magistrate to grant a warrant to search for a document, parcel or other thing in the custody of the Postal or Telegraph authorities.
৭,৬৯১.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে আদালত কখন তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন?
  1. কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিংস এর উদ্দেশ্যে।
  2. কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা না থাকলে।
  3. কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু আদালতে হাজির করা হবে না বলে বিশ্বাস করলে।
  4. উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু- ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারায় তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যুর বিধান রয়েছে।
-ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারা অনুযায়ী আদালত ৩টি কারণে তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন। যথা-
i) কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু আদালতে হাজির করা হবে না বলে বিশ্বাস করলে;
ii) উক্তরূপ দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা না থাকলে; এবং
iii) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিংস এর উদ্দেশ্যে আদালত তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন।
- ৯৬ ধারামতে জারিকৃত তল্লাশী পরোয়ানা বাতিলের জন্য দায়রা জজের নিকট রিভিশন করা যায়।
-------------------
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারার বিধান (১) যখন কোন আদালতের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, যে ব্যক্তির উপর ৯৪ ধারার অধীন কোন সমন অথবা আদেশ অথবা ৯৫ ধারার (১) উপ- ধারার অধীন কোন সমন জারী করা হয়েছে বা হতে পারে, সেই ব্যক্তি সমন বা রিকুইজশনে বর্ণিত দলিল বা বস্তু দাখিল করবে না।
অথবা যখন এরূপ দলিল বা বস্তু কোন ব্যক্তির দখলে আছে বলে আদালতের জানা নাই।
অথবা যখন আদালত মনে করে যে, সাধারণ তল্লাশী বা পরিদর্শন দ্বারা এই কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিং এর উদ্দেশ্য সাধিত হবে:
তখন ইহা তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারবে, এবং যে ব্যক্তির উপর এই পরোয়ানা নির্দেশিত হবে তিনি পরোয়ানা ও অতঃপর বর্ণিত বিধান অনুসারে তল্লাশী বা পরিদর্শন করতে পারবেন।

(২) এই ধারায় বিধৃত কোন কিছু জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, ক্ষেত্রবিশেষে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অপর কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে ডাক বা তার কর্তৃপক্ষ নিরাপদ রক্ষণে স্থিত কোন দলিল, পার্সেল বা অন্য কোন বস্তু সম্বন্ধে তল্লাশী করার পরোয়ানা মঞ্জুর করবার কর্তৃত্ব দিবেন না।
----------------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898-Section 96:When search-warrant may be issued:
(1) Where any Court has reason to believe that a person to whom a summons or order under section 94 or a requisition under section 95, sub-section (1), has been or might be addressed, will not or would not produce the document or thing as required by such summons or requisition, 
or where such document or thing is not known to the Court to be in the possession of any person, 
or where the Court considers that the purposes of any inquiry, trial or other proceeding under this Code will be served by a general search or inspection, 
it may issue a search-warrant; and the person to whom such warrant is directed, may search or inspect in accordance therewith and the provisions hereinafter contained. 
 
(2) Nothing herein contained shall authorize any Magistrate other than a District Magistrate, Chief Judicial Magistrate, as the case may be or Chief Metropolitan Magistrate] to grant a warrant to search for a document, parcel or other thing in the custody of the Postal or Telegraph authorities.
৭,৬৯২.
সাক্ষ্য আইনের ৪৭ক ধারা অনুসারে, ডিজিটাল সিগনেচার সার্টিফিকেট ইস্যুকারী সার্টিফাইং অথরিটির মতামত কী হিসেবে বিবেচিত হয়?
  1. চূড়ান্ত প্রমাণ
  2. প্রাসঙ্গিক ঘটনা
  3. অপ্রাসঙ্গিক তথ্য
  4. শুধুমাত্র মৌখিক সাক্ষ্য
সঠিক উত্তর:
প্রাসঙ্গিক ঘটনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাসঙ্গিক ঘটনা
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) প্রাসঙ্গিক ঘটনা।
সাক্ষ্য আইনের ৪৭ক ধারা অনুসারে, আদালত যখন কোনো ব্যক্তির ডিজিটাল সিগনেচার সম্পর্কে মতামত গঠন করতে চায়, তখন সার্টিফাইং অথরিটি (Certifying Authority)-এর মতামত একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা (Relevant Fact) হিসেবে বিবেচিত হয়। সার্টিফাইং অথরিটি হলো সেই প্রতিষ্ঠান যা ডিজিটাল সিগনেচার সার্টিফিকেট ইস্যু করে এবং ডিজিটাল সিগনেচারের সত্যতা ও বৈধতা যাচাই করে।
অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ৪৭ক ধারার মতে, ডিজিটাল সিগনেচার সার্টিফিকেট ইস্যুকারী সার্টিফাইং অথরিটির মতামত একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হয়। এটি আদালতকে সাহায্য করে ডিজিটাল স্বাক্ষরের বৈধতা সম্পর্কে মতামত গঠন করতে, তবে এটি চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে গণ্য হয় না।
----------
⇒ The Evidence Act, 1872: Section- 47A. Opinion as to digital signature where relevant:
When the Court has to form an opinion as to the digital signature of any person, the opinion of the Certifying Authority which has issued the Digital Signature Certificate is a relevant fact.
৭,৬৯৩.
কোন ক্ষেত্রে পুলিশ অফিসারকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি প্রদান করা হবে না?
  1. উক্ত মামলার তদন্তে অংশগ্রহণ করে থাকলে
  2. উক্ত মামলার এফআইআর/জিডি রেকর্ড করলে
  3. ক এবং খ
  4. কোন ক্ষেত্রেই প্রদান করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
উক্ত মামলার তদন্তে অংশগ্রহণ করে থাকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত মামলার তদন্তে অংশগ্রহণ করে থাকলে
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৯৫- সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনার অনুমতি
(১) কোন মামলার ইনকোয়ারী বা বিচারকারী ম্যাজিস্ট্রেট সরকার কর্তৃক এতদবিষয়ে নির্ধারিত পদের নিম্নপদস্থ কোন পুলিশ অফিসার ব্যতীত অন্য যেকোন ব্যক্তিকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি প্রদান করতে পারবেন, কিন্তু এটর্নি জেনারেল, সরকারী সলিসিটর, পাবলিক প্রসিকিউটর অথবা সরকার কর্তৃক এই বিষয়ে সাধারণ বা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন অফিসার ব্যতীত কোন ব্যক্তি উক্ত অনুমতি ব্যতিরেকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অধিকারী হবে না।

(২) মামলা প্রত্যাহারের ব্যাপারে এরূপ অফিসারের ধারা-৪৯৪ এ উল্লেখিত ক্ষমতা থাকবে এবং তাঁর প্রত্যাহৃত মামলার ক্ষেত্রে উক্ত ধারার বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে।

(৩) বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনাকারী কোন ব্যক্তি তা ব্যক্তিগতভাবে বা কোন এডভোকেট কর্তৃক এরূপ করতে পারবেন।

(৪) যে অপরাধের জন্য আসামীর বিচার চলছে সেই অপরাধের কোন তদন্তে অংশ গ্রহণ করে থাকলে কোন পুলিশ অফিসারকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি প্রদান করা হবে না।

Section 495- Permission to conduct prosecution
(1) Any Magistrate inquiring into or trying any case may permit the prosecution to be conducted by any person other than an officer of police below the rank to be prescribed by the Government in this behalf but no person, other than the Attorney-General, Government Solicitor, Public Prosecutor or other officer generally or specially empowered by the Government in this behalf, shall be entitled to do so without such permission.

(2) Any such officer shall have the like power of withdrawing the prosecution as is provided by section 494, and the provisions of that section shall apply to any withdrawal by such officer.

(3) Any person conducting the prosecution may do so personally or by a pleader.

(4) An officer of police shall not be permitted to conduct the prosecution if he has taken any part in the investigation into the offence with respect to which the accused is being prosecuted.
৭,৬৯৪.
সার্বজনীন দানগ্রহীতা দাতার কোন ধরনের দায়ের জন্য দায়ী থাকবে?
  1. দায়ী হবে না
  2. দেনার সমপরিমাণ
  3. দানের সম্পত্তির সমপরিমাণ
  4. দানের সম্পত্তির তিন গুণ পর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
দানের সম্পত্তির সমপরিমাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দানের সম্পত্তির সমপরিমাণ
ব্যাখ্যা
• ধারা ১২৮: সার্বজনীন দানগ্রহীতা-
দাতা তার সমস্ত সম্পত্তি কাউকে দান করে গেলে গ্রহীতাকে সার্বজনীন দানগ্রহীতা বলে। সার্বজনীন দান গ্রহীতা দাতার দানের সময় বিদ্যমান সমস্ত দেনা ও দায়ের জন্য দানের সম্পত্তির মূল্যের সমপরিমাণ ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকবে।

Section 128: Universal donee-
Subject to the provisions of section 127, where a gift consists of the donor's whole property, the donee is personally liable for all the debts due by and liabilities of the donor at the time of the gift to the extent of the property comprised therein.
৭,৬৯৫.
সহকারী জজ আদালতের সর্বোচ্চ আর্থিক এখতিয়ার কত?
  1. ৫ লক্ষ টাকা
  2. ১০ লক্ষ টাকা
  3. ১৫ লক্ষ টাকা
  4. ২৫ লক্ষ টাকা
সঠিক উত্তর:
১৫ লক্ষ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ লক্ষ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৬ ধারার বিধান: আর্থিক এখতিয়ার: অন্যত্র সুস্পষ্টভাবে বর্ণিত না থাকলে এই কোর্ডের বিধান কোন আদালতকে তার সাধারণ এখতিয়ারের আর্থিক সীমানার (যদি থাকে) অধিক মূল্য সম্পন্ন বিষয়বস্তুর মামলা বিচার করার এখতিয়ার প্রদান করবে না।
⇒ The Civil Court Act, 1887 এর ২০২১ সালের সংশোধনী অনুসারে, দেওয়ানি আদালতে আর্থিক এখতিয়ার-(ধারা-১৮ ও ১৯)
১.সহকারী জজ আদালতে (The Court of Assistant Judge)- ১৫ লক্ষ পর্যন্ত
২. সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে (The Court of Senior Assistant Judge)- ২৫ লক্ষ পর্যন্ত
৩. যুগ্ম জেলা জজ আদালতে (The Court of Joint District Judge)- ২৫ লক্ষ এর উপরে
-------------------------
⇒CPC Section-6. Pecuniary Jurisdiction:
-Save in so far as is otherwise expressly provided, nothing herein contained shall operate to give any Court jurisdiction over suits the amount or value of the subject-matter of which exceeds the pecuniary limits (if any) of its ordinary jurisdiction.
⇒ The Civil Court Act, 1887 Section-19:
(1) Save as otherwise provided by any enactment for the time being in force, the jurisdiction of a Senior Assistant Judge and an Assistant Judge shall extend to all suits of which the value does not exceed 25 (twenty five) lac Taka and 15 (fifteen) lac Taka respectively.
(2) The District Judge shall transfer the suit or proceeding pending before the Joint District Judge Court or the Senior Assistant Judge Court to the competent court within 90 (ninety) days from the date of enforcement of the Civil Courts (Amendment) Act, 2021.
(3) If any suit or proceeding is transferred under sub-section (2), the suit or proceeding shall start from the stage at which it was transferred.
৭,৬৯৬.
মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯ অনুযায়ী, বাল্যবিবাহের ক্ষেত্রে মেয়েরা বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য কত বয়স পর্যন্ত আবেদন করতে পারে?
  1. ১৮ বছর
  2. ১৯ বছর
  3. ২০ বছর
  4. ২১ বছর
সঠিক উত্তর:
১৯ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ ১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইনের ধারা ২(৭) অনুযায়ী ১৮ বছর বয়সের আগে বিবাহিত মেয়েরা ১৯ বছর বয়স পর্যন্ত বিবাহ প্রত্যাখ্যান করতে পারে।

⇒ ১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইনের ২ ধারা অনুযায়ী, স্ত্রী যে-সব কারণে আদালতে তালাক চাইতে পারেন সেগুলো হলো-
- চার বছর পর্যন্ত স্বামী নিরুদ্দেশ থাকলে;
- দুই বছর স্বামী তার স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হলে;
- স্বামীর সাত বছর কিংবা তার চেয়ে বেশি কারাদণ্ড হলে;
- স্বামী কোনো যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া তিন বছর যাবত দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে;
- বিয়ের সময় পুরুষত্বহীন থাকলে এবং তা মামলা দায়ের করা পর্যন্ত বহাল থাকে;
- স্বামী দুই বছর ধরে অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল থাকলে অথবা কুষ্ঠরোগে বা মারাত্মক যৌন ব্যাধিতে আক্রান্ত থাকলে;
- বিয়ে অস্বীকার করলে। অর্থাৎ যদি কোনো মেয়ের বাবা বা অভিভাবক মেয়েকে ১৮ বছর বয়স হওয়ার আগে বিয়ে দেন এবং সেই মেয়েটি ১৯ বছর হওয়ার আগে বিয়ে অস্বীকার করে বিয়ে ভেঙে দিতে পারে। তবে শর্ত হলো, মেয়েটির সঙ্গে স্বামীর দাম্পত্য সম্পর্ক (সহবাস) যদি স্থাপিত না হয়ে থাকে, তখনই কেবল বিয়ে অস্বীকার করে আদালতে বিচ্ছেদের ডিক্রি চাওয়া যাবে;
- স্বামী ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধান লঙ্ঘন করে একাধিক স্ত্রী গ্রহণ করলে;
- স্বামীর নিষ্ঠুরতার কারণে। নিম্নলিখিত আচরণগুলো ‘নিষ্ঠুরতা’ হিসেবে গণ্য হবে-
(ক) অভ্যাসগত আচরণে স্ত্রীকে আঘাত করা (দৈহিক আঘাত ছাড়াও মানসিক আঘাতও এর অন্তর্ভুক্ত, যা তার জীবন শোচনীয় বা দুর্বিষহ করে তুলেছে);
(খ) অন্য কোনো খারাপ নারীর সঙ্গে জীবনযাপন বা মেলামেশা;
(গ) স্ত্রীকে অনৈতিক জীবনযাপনে বাধ্য করা;
(ঘ) স্ত্রীর সম্পত্তি নষ্ট করা;
(ঙ) স্ত্রীকে নিজস্ব ধর্মপালনে বাধা দেয়া;
(চ) যদি স্বামীর একাধিক স্ত্রী থাকে, তাদের সঙ্গে পবিত্র কোরআনের নির্দেশ অনুসারে সমান ব্যবহার না করা;
(ছ) এছাড়া মুসলিম আইনে বিয়ে বিচ্ছেদের জন্য বৈধ বলে স্বীকৃত অন্য যে কোনো কারণে স্ত্রী পারিবারিক আদালতে বিয়ে বিচ্ছেদের দাবি করতে পারবে।

৭,৬৯৭.
বিচারাধীন মামলা সম্পর্কিত নীতি কোনটি?
  1. Doctrine of res judicata
  2. Doctrine of subrogation
  3. Doctrine of lis pendens
  4. Doctrine of holding over
সঠিক উত্তর:
Doctrine of lis pendens
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Doctrine of lis pendens
ব্যাখ্যা
• Doctrine of Lis Pendens (ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ, যার অর্থ: "pending litigation" বা বিচারাধীন মামলা চলাকালে) একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি নীতি যা সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২–এর ধারা ৫২–তে উল্লিখিত আছে।

ধারা ৫২: বিচারাধীন মামলা চলাকালীন সম্পত্তি হস্তান্তর-
যখন বাংলাদেশে কোনো আদালতে এমন একটি মামলা বা কার্যক্রম বিচারাধীন থাকে, যা পরস্পরের মিথষ্ক্রিয়ার (collusive) নয় এবং যার মধ্যে কোনো স্থাবর সম্পত্তির অধিকার সরাসরি ও নির্দিষ্টভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হয়, তখন:
- মামলার যেকোনো পক্ষ উক্ত সম্পত্তি বিক্রি বা হস্তান্তর করতে পারবে না,
- যদি না তা আদালতের অনুমোদনক্রমে ও নির্ধারিত শর্তে করা হয়,
- কারণ, এমন হস্তান্তর অন্য পক্ষের অধিকারকে প্রভাবিত করতে পারে, যা মামলার রায় বা আদেশ দ্বারা নির্ধারিত হবে।

সহজ ভাষায়:
যে সম্পত্তি নিয়ে মামলা চলছে, তা মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত আদালতের অনুমতি ছাড়া হস্তান্তর বা লেনদেন করা যাবে না।
৭,৬৯৮.
অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া বিবাহের ক্ষেত্রে ফ্যাক্টাম ভ্যালেট নীতি কীভাবে প্রয়োগ হয়?
  1. বিবাহটি অবৈধ বলে গণ্য হবে
  2.  বিবাহটি বৈধ বলে গৃহীত হবে
  3. বিবাহটি বাতিলযোগ্য হবে
  4. বিবাহটি শুধুমাত্র আদালতের অনুমোদন সাপেক্ষে বৈধ
সঠিক উত্তর:
 বিবাহটি বৈধ বলে গৃহীত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 বিবাহটি বৈধ বলে গৃহীত হবে
ব্যাখ্যা

হিন্দু আইনে ফ্যাক্টাম ভ্যালেট (Factum Valet) নীতিটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা, যা জীমুতবাহন কর্তৃক প্রবর্তিত। এই নীতির মূল বক্তব্য হলো: “Factum valet quod fieri non debuit”, অর্থাৎ, যে কাজটি করা উচিত ছিল না, কিন্তু সেটি সম্পন্ন হয়ে গেলে তাকে অবৈধ বলে গণ্য করা হবে না। এই নীতি হিন্দু আইনের দায়ভাগ এবং মিতাক্ষরা উভয় মতবাদে স্বীকৃত এবং এটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে আদালত কর্তৃক প্রয়োগ করা হয়। নিচে এই নীতির বিস্তারিত ব্যাখ্যা এবং প্রয়োগের ক্ষেত্রগুলো উল্লেখ করা হলো:

ফ্যাক্টাম ভ্যালেট নীতির তাৎপর্য:
এই নীতি এমন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য যেখানে কোনো কাজ নিয়ম বা বিধান লঙ্ঘন করে সম্পন্ন হয়েছে, কিন্তু তা সমাজে গ্রহণযোগ্য বা বাস্তব পরিস্থিতিতে স্বীকৃত হয়ে গেছে। এটি একটি ব্যবহারিক নীতি, যা আইনের কঠোরতাকে নমনীয় করে এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য প্রয়োগ করা হয়। হিন্দু আইনে এই নীতি প্রধানত বিবাহ, দত্তক গ্রহণ এবং অন্যান্য সামাজিক ও পারিবারিক বিষয়ে প্রয়োগ হয়।

বিবাহের ক্ষেত্রে:
হিন্দু আইনে বিবাহের জন্য অভিভাবকের সম্মতি একটি নির্দেশক বিধান হিসেবে বিবেচিত হয়। যদি কোনো বিবাহ অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া সম্পন্ন হয়, তবে ফ্যাক্টাম ভ্যালেট নীতির আলোকে সেই বিবাহকে অবৈধ বলে গণ্য করা হয় না, যদি অন্যান্য শর্ত (যেমন, বয়স, সম্প্রদায়, বিবাহযোগ্যতা) পূরণ হয়।

৭,৬৯৯.
ধারা ২৮ অনুযায়ী, কোন ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যেতে পারে?
  1. যদি প্রতিদানের পরিমাণ যথাযথ না হয়
  2. যদি ভুল তথ্য দ্বারা প্রভাবিত হয়ে চুক্তি করা হয়
  3. যদি চুক্তি মৌখিকভাবে সম্পাদিত হয়
  4. যদি চুক্তিতে ভুলের জন্য ক্ষতিপূরণের বিধান থাকে এবং তা যথাযথ হয়
সঠিক উত্তর:
যদি চুক্তিতে ভুলের জন্য ক্ষতিপূরণের বিধান থাকে এবং তা যথাযথ হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি চুক্তিতে ভুলের জন্য ক্ষতিপূরণের বিধান থাকে এবং তা যথাযথ হয়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৮ ধারার বিধান: যে পক্ষগণকে কাজ সম্পাদনে বাধ্য করা যাবে না:

নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন চুক্তিবদ্ধ পক্ষের বিরুদ্ধে কার্যকরী করা যাবে না:
(ক) যদি চুক্তির তারিখে বিরাজমান বিষয়বস্তুর অবস্থার তুলনায় তৎকর্তৃক গৃহীতব্য প্রতিদান এতই অপর্যাপ্ত হয় যে, তা নিজে বা অপরাপর পরিস্থিতির সহযোগে প্রতারণা বা বাদী কর্তৃক অন্যায় সুবিধা গ্রহণের সাক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায়;

(খ) যদি চুক্তির অধীন যে পক্ষ কর্তৃক কাজ সম্পাদন করা কর্তব্য হয়, সেই পক্ষের সম্মতি ভুল বিবরণ (ইচ্ছাকৃত হোক বা অনিচ্ছাকৃত) গোপন চক্রান্ত বা অসদাচরণের মাধ্যমে অর্জন করা হয়ে থাকে বা তেমন পক্ষের এমন কোন আশ্বাস প্রদানের মাধ্যমে করা হয়ে থাকে, যা উল্লেখযোগ্যভাবে পরিপূর্ণ করা হয়নি;

(গ) যদি ভুল তথ্য দ্বারা প্রভাবিত হয়ে বা ভুল ধারণার বশবর্তী হয়ে বা অপ্রত্যাশিতভাবে তার সম্পত্তি প্রদান করা হয়ে থাকে।

তবে শর্ত থাকে যে, যখন চুক্তিতে ভুলের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের বিধান থাকে তখন তেমন বিধানের আওতার মধ্যে ভুলের জন্য ক্ষতিপূরণ করা যেতে পারে এবং যদি তেমন কার্যকরীকরণ যথাযথ হয় তবে অন্যান্য বিষয়ে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করা যেতে পারে।

Section 28- What parties cannot be compelled to perform:

Specific performance of a contract cannot be enforced against a party thereto in any of the following cases:
(a) if the consideration to be received by him is so grossly inadequate, with reference to the state of things existing at the date of the contract, as to be either by itself or coupled with other circumstances evidence of fraud or of undue advantage taken by the plaintiff; 

(b) if his assent was obtained by the misrepresentation (whether wilful or innocent), concealment, circumvention or unfair practices, of any party to whom performance would become due under the contract, or by a promise of such party which has not been substantially fulfilled; 

(c) if his assent was given under the influence of mistake of fact, misapprehension or surprise:
Provided that, when the contract provides for compensation in case of mistake, compensation may be made for a mistake within the scope of such provision, and the contract may be specifically enforced in other respects if proper to be so enforced.
৭,৭০০.
গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬ অনুযায়ী গ্রাম আদালতে ফৌজদারী মামলা দায়েরের সময়সীমা-
  1. কোন নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই, বাদীর ইচ্ছা অনুযায়ী যে কোন সময়
  2. অপরাধ সংঘটিত হবার ১৫ দিনের মধ্যে
  3. অপরাধ সংঘটিত হবার ৩০ দিনের মধ্যে
  4. অপরাধ সংঘটিত হবার ৬০ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
অপরাধ সংঘটিত হবার ৩০ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধ সংঘটিত হবার ৩০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
⇒ গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬ এর ৬ক ধারার বিধান মামলা দায়েরের সময়সীমা:
- Limitation Act, 1908 (Act No IX of 1908) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, তফসিলের-
(ক) প্রথম অংশে বর্ণিত ফৌজদারী মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে অপরাধ সংঘটিত হইবার ৩০(ত্রিশ) দিনের মধ্যে; এবং
 
(খ) দ্বিতীয় অংশের ক্রমিক নং ৩ এ বর্ণিত দেওয়ানী মামলা ব্যতীত অন্যান্য দেওয়ানী মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে মামলার কারণ উদ্ভব হইবার ৬০(ষাট) দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের নিকট আবেদন করিতে হইবে।