বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ৭১ / ১৫৫ · ৭,০০১৭,১০০ / ১৫,৪৭০

৭,০০১.
"Oral evidence must be direct." সাক্ষ্য আইনের কত ধারার বিধান?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারার
  2. সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারার
  3. সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারার
  4. সাক্ষ্য আইনের ৭৫ ধারার
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারার বিধান মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবেঃ মৌখিক সাক্ষ্য সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবে,
অর্থাৎ সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি দেখা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে, সে উহা দেখিয়াছে তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।

⇒ সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি শোনা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে সে উহা শুনিয়াছে, তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।

⇒ জনশ্রুত সাক্ষ্য (hearsay evidence) ধরনের মৌখিক সাক্ষ্য সাধারণতঃ গ্রহণযোগ্য নয়।

⇒ পরোক্ষ বা জনশ্রুত সাক্ষ্য (indirect/hearsay evidence)- পরোক্ষ বা জনশ্রুত সাক্ষ্য হলো তাই যা আদালতে উপস্থিত। সাক্ষী পূর্বে অন্য সাক্ষীর নিকট থেকে শোনাক্রমে প্রদান করে। অর্থাৎ নিজে না দেখে অন্যের কাছ থেকে শুনে যে সাক্ষ্য দেয়া হয়। তাকে পরোক্ষ বা জনশ্রুত সাক্ষ্য বা hearsay evidence বলে। জনশ্রুত সাক্ষ আদালতে গ্রহনযোগ্য নয়।

⇒ এখানে 'খ', 'ক'- কে একটি অপরাধ করতে দেখে তাহলে নিয়ম হলো, 'খ'-নিজে ৬০ ধারার অধীনে আদালতে এসে এ বিষয়ে সাক্ষ্য দেবে। কিন্তু 'খ' না এসে 'গ' এসে বলে যে, সে শুনেছে যে 'খ' 'ক'- কে অপরাধ করতে দেখেছে তাহলে এটি জনশ্রুত সাক্ষ বল্যে গণ্য হবে, যা গ্রহনযোগ্য নয়।
----------------
⇒ Oral evidence must be direct.
Section 60. Oral evidence must, in all cases whatever, be direct; that is to say- 
 
if it refers to a fact which could be seen, it must be the evidence of a witness who says he saw it; 
 
if it refers to a fact which could be heard, it must be the evidence of a witness who says he heard it;
৭,০০২.
If a section of The Code of Criminal Procedure,1898 mentions "Magistrate" without any qualifiers, what type of Magistrate is being referred to?
  1. Executive Magistrate
  2. Judicial Magistrate
  3. Special Magistrate
  4. None of the above
সঠিক উত্তর:
Judicial Magistrate
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Judicial Magistrate
ব্যাখ্যা
• Code of Criminal Procedure,1898-এ কোথাও শুধু 'Magistrate' শব্দ থাকলে তা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (Judicial Magistrate) নির্দেশ করবে।

• ৪ক ধারায় বলা আছে যে-
Without any qualifying word, a Magistrate shall be construed as a reference to a Judicial Magistrate.
অর্থাৎ কোন ম্যাজিস্ট্রেট বলতে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ করবে এবং সহকারী দায়রা জজ বলতে যুগ্ম দায়রা জজকে নির্দেশ করবে।
৭,০০৩.
বিচার-বিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলার বিধান কীভাবে প্রয়োগ হবে?
  1. একচ্ছত্র ভাবে রাষ্ট্রপতি প্রয়োগ করবে
  2. একচ্ছত্র ভাবে সুপ্রীমকোর্টের প্রয়োগ করবে
  3. সুপ্রীম কোর্টের সাথে পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি প্রয়োগ করবে
  4. রাষ্ট্রপতির সাথে পরামর্শক্রমে সুপ্রীম কোর্ট প্রয়োগ করবে
সঠিক উত্তর:
সুপ্রীম কোর্টের সাথে পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি প্রয়োগ করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রীম কোর্টের সাথে পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি প্রয়োগ করবে
ব্যাখ্যা
• অনুচ্ছেদ ১১৬- অধস্তন আদালতসমূহের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা:
বিচার-কর্মবিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিদের এবং বিচারবিভাগীয় দায়িত্বপালনে রত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ (কর্মস্থল- নির্ধারণ, পদোন্নতিদান ও ছুটি মঞ্জুরীসহ) ও শৃংখলাবিধান রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত থাকিবে এবং সুপ্রীম কোর্টের সহিত পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক তাহা প্রযুক্ত হইবে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭২ এর মূল সংবিধানে অধঃস্তন আদালতের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলার ক্ষমতা সুপ্রীমকোর্টের উপর ন্যস্ত ছিল।
- সংবিধানের ৪র্থ সংশোধনীয় মাধ্যমে এই ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির উপর অর্পণ করা হয়।
- এরপর Second Proclamation Order No. IV of 1978-এর মাধ্যমে সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ পুনরায় সংশোধন করা হয়।
- বিধান করা হয় যে, রাষ্ট্রপতি সুপ্রীম কোর্টের সাথে পরামর্শক্রমে অধঃস্তন আদালতের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলার ক্ষমতা প্রয়োগ করবে।
 
৭,০০৪.
Which of the following is required for someone to be considered a member of an unlawful assembly?
  1. Leading the assembly
  2. Passive observation from a distance in the assembly
  3. Intentional joining or continuing in the assembly
  4. Intentional joining and inviting others to join in the assembly
সঠিক উত্তর:
Intentional joining or continuing in the assembly
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Intentional joining or continuing in the assembly
ব্যাখ্যা
The Penal Code, 1860-Section-142. Being member of unlawful assembly:
-Whoever, being aware of facts which render any assembly an unlawful assembly, intentionally joins that assembly, or continues in it, is said to be a member of an unlawful assembly.

⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারায় বেআইনি সমাবেশের বিধান রয়েছে। পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি জনসাধারণের শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী কোনো সমাবেশ করলে তাকে বেআইনি সমাবেশ বা Unlawful Assembly বলে।
⇒ দণ্ডবিধির ১৪২ ধারার বিধান বেআইনী সমাবেশের সদস্য হওয়া: কোন ব্যক্তি যদি কি কি অবস্থায় কোন সমাবেশ বেআইনী সমাবেশে পরিণত হয়, তৎসম্পর্কে জ্ঞাত থাকা সত্ত্বেও ইচ্ছাপূর্বক সে সমাবেশে যোগদান করে বা সে সমাবেশে মিলিত থাকে, তবে সে ব্যক্তি একটি বেআইনী সমাবেশে যোগদানকারী ব্যক্তি বলে পরিগণিত হয়।
৭,০০৫.
The Penal Code, 1860 এর ১৭৭ ধারা অনুযায়ী, কাদের কাছে মিথ্যা তথ্য দেওয়া অপরাধ?
  1. সাধারণ নাগরিক
  2. সরকারি কর্মচারী
  3. বিদেশি নাগরিক
  4. উল্লিখিত সকলের কাছে
সঠিক উত্তর:
সরকারি কর্মচারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারি কর্মচারী
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৭৭ ধারা- মিথ্যা তথ্য পরিবেশন:
কোন ব্যক্তি যদি কোন সরকারী কর্মচারীর নিকট, তিনি সরকারী কর্মচারী বলেই, কোন বিষয়ে তথ্য দিতে আইনত: বাধ্য হয়ে, সে বিষয়টির উপর সত্য বলে এমন কোন তথ্য পরিবেশন করে যা মিথ্যা বলে সে জানে বা যা মিথ্যা বলে বিশ্বাস করার তার কারণ রয়েছে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;
অথবা, উক্ত ব্যক্তি যে তথ্য দিতে আইনত বাধ্য, তা যদি কোন অপরাধের সংঘটন বিষয়ক হয়, বা কোন অপরাধের সংঘটন নিরোধের জন্য আবশ্যকীয় হয়, বা কোন অপরাধীকে গ্রেফতার করার জন্য আবশ্যকীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে। 

Section 177- Furnishing false information:
Whoever, being legally bound to furnish information on any subject to any public servant, as such, furnishes, as true, information on the subject which he knows or has reason to believe to be false, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both; 
or, if the information which he is legally bound to give respects the commission of an offence, or is required for the purpose of preventing the commission of an offence, or in order to the apprehension of an offender, with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৭,০০৬.
আইনে, শিক্ষায়, প্রশাসনে, বিচারে বা শৃঙ্খলা বাহিনীতে অন্যূন __________ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তি দুর্নীতি দমন কমিশনার হওয়ার যোগ্য হবেন। 
  1. ১০
  2. ১৫
  3. ২০
সঠিক উত্তর:
২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪, ধারা- ৮ কমিশনারগণের যোগ্যতা, অযোগ্যতা, ইত্যাদি:
(১) আইনে, শিক্ষায়, প্রশাসনে, বিচারে বা শৃঙ্খলা বাহিনীতে অন্যূন ২০ (বিশ) বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি কমিশনার হইবার যোগ্য হইবেন৷ 

(২) কোন ব্যক্তি কমিশনার হিসাবে নিযুক্ত হইবার বা থাকিবার যোগ্য হইবেন না, যদি তিনি- 
(ক) বাংলাদেশের নাগরিক না হন; 
(খ) কোন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ঋণ খেলাপী হিসাবে ঘোষিত বা চিহ্নিত হন; 
(গ) আদালত কর্তৃক দেউলিয়া ঘোষিত হইবার পর দেউলিয়াত্বের দায় হইতে অব্যাহতি লাভ না করেন; 
(ঘ) নৈতিক স্খলন বা দুর্নীতিজনিত কোন অপরাধের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হইয়া আদালত কর্তৃক কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইয়াছেন; 
(ঙ) সরকারী চাকুরীতে নিয়োজিত থাকেন; 
(চ) দৈহিক বা মানসিক বৈকল্যের কারণে কমিশনের দায়িত্ব পালনে অক্ষম হন; এবং 
(ছ) বিভাগীয় মামলায় গুরুদণ্ড প্রাপ্ত হন৷
৭,০০৭.
কোন সাক্ষ্য সাধারনত গ্রহণযোগ্য নয়?
  1. দেখার ভিত্তিতে প্রদত্ত সাক্ষ্য
  2. অন্যের নিকট শোনা ভিত্তিক সাক্ষ্য
  3. অবস্থাগত সাক্ষ্য
  4. গৌণ সাক্ষ
সঠিক উত্তর:
অন্যের নিকট শোনা ভিত্তিক সাক্ষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্যের নিকট শোনা ভিত্তিক সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারা অনুযায়ী কোন জনশ্ৰুত সাক্ষ্য আদালত গ্রহণ করবে না। একজনের শোনা, দেখা বা অভিমত প্রসঙ্গে আদালতে এসে অন্য আরেকজন সাক্ষ্য দিতে পারেন না।
♦ অর্থাৎ অন্যের নিকট শোনা ভিত্তিক সাক্ষ্য-সাক্ষ্য সাধারনত গ্রহণযোগ্য নয়।
৭,০০৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৯ ধারার অধীনে কার জবানবন্দি এই বিধান অনুযায়ী গ্রহণ করা যেতে পারে?
  1. আইনজীবীর
  2. সিভিল সার্জনের 
  3. পুলিশ অফিসার
  4. মামলার আসামীর
সঠিক উত্তর:
সিভিল সার্জনের 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিভিল সার্জনের 
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ধারা ৫০৯ অনুযায়ী সিভিল সার্জন বা অন্য কোনো চিকিৎসক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা যায়। এটি ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে নেওয়া হলে বা ধারা-৪০ অনুযায়ী কমিশনে নেওয়া হলে, অভিযুক্তকে হাজির না করলেও ইনকোয়ারী, বিচার বা অন্য কার্যক্রমে সাক্ষ্যরূপে ব্যবহার করা যায়।
- অন্যান্য ব্যক্তি যেমন আইনজীবী, পুলিশ অফিসার বা মামলার আসামীর জবানবন্দি এই ধারার অধীনে গ্রহণযোগ্য নয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৯- চিকিৎসক সাক্ষীর জবানবন্দি:
(১) আসামীর উপস্থিতিতে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক গৃহীত ও প্রত্যায়িত বা অধ্যায়-৪০ অনুসারে কমিশনে গৃহীত কোন সিভিল সার্জন বা অন্য কোন চিকিৎসক সাক্ষীর জবানবন্দি তাকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা না হলেও, এ বিধির অধীন কোন ইনকোয়ারী, বিচার বা অন্যকোন কার্যক্রমে সাক্ষ্যরূপে দেয়া যাবে।
(২) চিকিৎসক সাক্ষীকে সমন করার ক্ষমতা:
আদালত সঠিক মনে করলে এরূপ সাক্ষীকে সমন করতে এবং তার জবানবন্দির বিষয়বস্তু সম্পর্কে তাকে পরীক্ষা করতে পারবেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 509- Deposition of medical witness:
(1) The deposition of a Civil Surgeon or other medical witness, taken and attested by a Magistrate in the presence of the accused, or taken on commission under Chapter XL, may be given in evidence in any inquiry, trial or other proceeding under this Code, although the deponent is not called as a witness.
Power to summon medical witness
(2) The Court may, if it thinks fit, summon and examine such deponent as to the subject-matter of his deposition.

৭,০০৯.
১৪ বছরের বালক মোহন এক ফৌজদারি অপরাধের দায়ে ধরা পড়েছে। তার বিরুদ্ধে মৃত্যু বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের মতো গুরুতর অভিযোগ নেই। এক্ষেত্রে ২৯খ ধারানুযায়ী কোন আদালতে মোহনের বিচার করা হবে?
  1. দায়রা জজ আদালতে
  2. হাইকোর্ট বিভাগে
  3. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  4. অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতে
সঠিক উত্তর:
চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি ২৯খ ধারা-
কোন ব্যক্তি মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দন্ডনীয় অপরাধ ব্যতিরেকে অপর যে কোন অপরাধ করলে এবং তাকে আদালতে উপস্থিত হবার বা তাকে হাজির করার তারিখে তার বয়স ১৫ (পনের) বৎসরের নীচে হলে তার বিচার যে কোন চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট করতে পারবেন অথবা তরুণ অপরাধীদের হেফাজত, বিচার এবং শাস্তি দেবার জন্য বলবৎ আইন কর্তৃক বা অধীনে সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিষ্ট্রেট, এবং এরূপ আইনের দ্বারা আরোপিত সকল বা যেকোন ক্ষমতা প্রয়োগ করবার জন্য উহার দ্বারা বা অধীন ক্ষমতাপ্রাপ্ত যেকোন ম্যাজিস্ট্রেট করতে পারবেন।

Section 29B: Jurisdiction in the case of juveniles-
Any offence, other than one punishable with death or transportation for life, committed by any person who at the date when he appears or is brought before the Court is under the age of fifteen years, may be tried by Chief Judicial Magistrate or the Chief Metropolitan Magistrate, or by any Magistrate specially empowered by the Government to exercise the powers conferred by or under any law providing for the custody, trial or punishment of youthful offenders, by any Magistrate empowered by or under such law to exercise all or any of the powers conferred thereby.
৭,০১০.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের অধীন অপরাধসমূহ কাদের দ্বারা বিচারযোগ্য?
  1. দায়রা জজ
  2. স্পেশাল জজ
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
স্পেশাল জজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পেশাল জজ
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ২৮- “অপরাধের বিচার, ইত্যাদি”:
(১) আপাততঃ বলবত্ অন্য কোন আইনে ভিন্নরূপ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন ও উহার তফসিলে বর্ণিত অপরাধসমূহ কেবলমাত্র স্পেশাল জজ কর্তৃক বিচারযোগ্য হইবে৷ 
(২) এই আইনের অধীন ও উহার তফসিলে বর্ণিত অপরাধসমূহের বিচার ও আপীল নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে The Criminal Law Amendment Act, 1958 (XL of 1958) এর বিধানাবলী প্রযোজ্য হইবে৷ 
(৩) The Criminal Law Amendment Act, 1958 (XL of 1958) এর কোন বিধান এই আইনের কোন বিধানের সহিত অসংগতিপূর্ণ হইলে এই আইনের বিধান কার্যকর হইবে৷
৭,০১১.
তামাদি আইনের কোন ধারায় বলা হয়েছে যে, চলমান মামলায় নতুন পক্ষভুক্ত ব্যক্তি মামলাটি দায়ের করেছে বলে ধরা হবে পক্ষভুক্তির দিন থেকে?
  1. ধারা ২২
  2. ধারা ২১
  3. ধারা ২০
  4. ধারা ১৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২২
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ২২ অনুযায়ী: যদি কোনো চলমান মামলায় (pending suit) নতুন করে বাদী বা বিবাদীকে যুক্ত (পক্ষভুক্ত) করা হয়, তাহলে তাদের জন্য মামলাটি দায়ের হয়েছে বলে গণ্য হবে যেদিন তারা পক্ষভুক্ত হয়েছেন, অর্থাৎ মামলায় যুক্ত হওয়ার দিন থেকে তাদের তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে।
- তবে এই নিয়ম সবক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। যদি মূলতবী মামলায় শুধুমাত্র স্বত্ব হস্তান্তরের কারণে কাউকে যুক্ত করা হয়, তখন মামলা দায়েরের তারিখ হবে মূল মামলার দায়েরের তারিখ, পক্ষভুক্তির দিন নয়।

⇒ তামাদি আইনের ধারা ২২ এর বিধান নতুন বাদী বা বিবাদীকে কারও স্থলাভিষিক্ত বা পক্ষভুক্ত করার ফলাফল:-
(১) যেক্ষেত্রে মামলা দায়ের করার পর নতুন কোনো বাদী বা বিবাদীকে কারও স্থলাভিষিক্ত বা পক্ষভুক্ত করা হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি যেই তারিখে অনুরূপ পক্ষভুক্ত হয়েছে, তার জন্য মামলাটি সেই তারিখে দায়ের করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।
(২) যেক্ষেত্রে মামলা মুলতবি থাকাকালে স্বত্বার্পণ বা কোনো স্বত্ব হস্তান্তরের কারণে কাউকে পক্ষভুক্ত বা স্থলাভিষিক্ত করা হয় অথবা যেক্ষেত্রে বাদীকে বিবাদী কিংবা বিবাদীকে বাদীতে রূপান্তরিত করা হয়, সেক্ষেত্রে (১) উপধারার কোনো কিছুই প্রযোজ্য হবে না।

⇒ The Limitation Act:- Section-22: Effect of substituting or adding new plaintiff or defendant-
(1) Where, after the institution of a suit, a new plaintiff or defendant is substituted or added, the suit shall, as regards him, be deemed to have been instituted when he was so made a party.
(2) Nothing in sub-section (1) shall apply to a case where a party is added or substituted owing to an assignment or devolution of any interest during the pendency of a suit or where a plaintiff is made a defendant or a defendant is made a plaintiff.
৭,০১২.
কোন পরিস্থিতিতে মৃত মুসলিম ব্যক্তির স্ত্রী ১/৪ অংশ সম্পত্তি পাবেন?
  1. যদি মৃত ব্যক্তি কোনো সন্তান রেখে যান
  2. যদি মৃত ব্যক্তি কোনো পুত্রের সন্তান রেখে যান
  3. যদি মৃত ব্যক্তি সন্তান বা পুত্রের সন্তান না রেখে যান
  4. যদি মৃত ব্যক্তি শুধু কন্যা সন্তান রেখে যান
সঠিক উত্তর:
যদি মৃত ব্যক্তি সন্তান বা পুত্রের সন্তান না রেখে যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি মৃত ব্যক্তি সন্তান বা পুত্রের সন্তান না রেখে যান
ব্যাখ্যা
• স্ত্রী দুটি অবস্থায় সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হয়-
i) ১/৪ অংশ;
ii)  ১/৮ অংশ।
 
ক) যদি মৃত ব্যক্তি কোনো সন্তান বা পুত্রের সন্তান না রেখে মারা যায়, তাহলে স্ত্রী মৃত ব্যক্তির রেখে যাওয়া সম্পত্তির ১/৪ অংশ পাবে।
খ) যদি মৃত ব্যাক্তি কোনো সন্তান বা পুত্রের সন্তান রেখে মারা যায়, তাহলে স্ত্রী মৃত ব্যক্তির রেখে যাওয়া সম্পত্তির ১/৮ অংশ পাবে।
৭,০১৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা অনুসারে সুনির্দিষ্ট সম্পাদন হল -
  1. একটি আইনগত অধিকার
  2. একটি ফৌজদারি প্রতিকার
  3. একটি সাংবিধানিক অধিকার
  4. আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ১২ অনুসারে, কোনো চুক্তির সুনির্দিষ্ট সম্পাদন (specific performance) আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতায় (discretion of the Court) আদায়যোগ্য হতে পারে, যদি না এই অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধান থাকে। এর অর্থ হলো, সুনির্দিষ্ট সম্পাদন কোনো স্বয়ংক্রিয় বা বাধ্যতামূলক অধিকার নয়, বরং আদালতের বিবেচনার উপর নির্ভরশীল একটি প্রক্রিয়া। এটি একটি আইনগত অধিকার হিসেবে দাবি করা যায় না, কারণ এটি শুধুমাত্র নির্দিষ্ট শর্ত পূরণে (যেমন: ট্রাস্টের সম্পাদন, ক্ষতির মানদণ্ডের অভাব, আর্থিক প্রতিকারের অপর্যাপ্ততা ইত্যাদি) আদালতের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে প্রদান করা হয়। এটি ফৌজদারি বা সাংবিধানিক প্রতিকার নয়, বরং দেওয়ানি মামলায় চুক্তিভঙ্গের ক্ষেত্রে বিশেষ সাহায্যের একটি ব্যবস্থা।
⇒ অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট সম্পাদন আদালতের একটি বিবেচনামূলক ক্ষমতা (discretionary power), যা তারা নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ সাপেক্ষে এবং ন্যায়বিচারের স্বার্থে প্রয়োগ করতে পারেন।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা- যে-সব ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদায়যোগ্য:
যদি এ অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধিবদ্ধ না থাকে, তবে যে কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আদায় করা যেতে পারে:
(ক) যখন সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন পুরোপুরি বা অংশত একটি জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হয়;
(খ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ সম্পাদন না করলে কার্যত যে ক্ষতি সাধিত হবে, তার নির্ণয় করার কোন মানদণ্ডের অস্তিত্ব থাকে না;
(গ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ এমন হয় যে, তা সম্পাদন না করে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রতিকার লাভ করা যায় না; অথবা
(ঘ) যখন এই সম্ভাবনা থাকে যে, সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন না করার জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না।
ব্যাখ্যা: যদি না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না বিপরীত কিছু প্রমাণিত হয়, আদালত এটা অবশ্যই ধরে নিবে যে, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের পর্যাপ্ত প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে সম্ভব নয় এবং অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার তেমনভাবে করা যায়।
----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Sections-12. Cases in which specific performance enforceable:
Except as otherwise provided in this Chapter, the specific performance of any contract may in the discretion of the Court be enforced- 
(a) when the act agreed to be done is in the performance, wholly or partly, of a trust; 
(b) when 4[there] exists no standard for ascertaining the actual damage caused by non-performance of the act agreed to be done; 
(c) when the act agreed to be done is such that pecuniary compensation for its non-performance would not afford adequate relief; or 
(d) when it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the non-performance of the act agreed to be done.
Explanation - Unless and until the contrary is proved, the Court shall presume that the breach of a contract to transfer immoveable property cannot be adequately relieved by compensation in money, and that the breach of a contract to transfer moveable property can be thus relieved.

৭,০১৪.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর অধীন কোন অপরাধ কার কর্তৃক অনুসন্ধানযোগ্য বা তদন্তযোগ্য হবে?
  1. সরকার
  2. কমিশন
  3. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
  4. ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমিশন
ব্যাখ্যা

দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ২০: অনুসন্ধান বা তদন্তের ক্ষমতা:
১.  ফৌজদারী কার্যবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন ও উহার তফসিলে বর্ণিত অপরাধসমূহ কেবলমাত্র কমিশন কর্তৃক অনুসন্ধানযোগ্য বা তদন্তযোগ্য হইবে৷

২. উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত অপরাধসমূহ অনুসন্ধান বা তদন্তের জন্য কমিশন, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, উহার অধঃস্তন কোন কর্মকর্তাকে ক্ষমতা প্রদান করিতে পারিবে৷

৩. উপ-ধারা (২) এর অধীন ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তার, অপরাধ অনুসন্ধান বা তদন্তের বিষয়ে, থানার ভারপ্রাপ্ত একজন কর্মকর্তার ক্ষমতা থাকিবে৷

৪. উপ-ধারা (২) ও (৩) এর বিধান সত্ত্বেও, কমিশনারগণেরও এই আইনের অধীন অপরাধ অনুসন্ধান বা তদন্তের ক্ষমতা থাকিবে৷

৭,০১৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির সংজ্ঞা অনুসারে- "Judge" means the_______ of a civil court.
  1. Chief Officer
  2. Officer
  3. Presiding Officer
  4. Executive Officer
সঠিক উত্তর:
Presiding Officer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Presiding Officer
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(৮) এ "বিচারক বা জজ" এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে-

"বিচারক বা জজ" বলতে দেওয়ানি আদালতের প্রিজাইডিং অফিসার বোঝায়।
"Judge" means the Presiding Officer of a Civil Court.

• সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭ এর ধারা-৩ এ নিম্নলিখিত দেওয়ানি আদালতের প্রকারভেদ দেয়া হয়েছে-

১. জেলা জজ আদালত [Court of District Judge]
২. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত [Court of Additional District Judge]
৩. যুগ্ম জেলা জজ আদালত [Court of Joint District Judge]
৪. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত [Court of Senior Assistant Judge]
৫. সহকারী জজ আদালত [Court of Assistant Judge]
 
অর্থাৎ "বিচারক বা জজ" বলতে উল্লেখিত দেওয়ানি আদালতসমূহের প্রিজাইডিং অফিসারকে বুঝাবে।
৭,০১৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় অপরাধের সহযোগীকে সাক্ষ্য প্রদানের শর্তে ক্ষমা করার বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৩৩৯খ
  2. ধারা ৩৩৭
  3. ধারা ৪০৬
  4. ধারা ৪৯৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৩৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৩৭
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৭ ধারায় অপরাধের সহযোগী বা রাজসাক্ষীকে (Accomplice) শর্তসাপেক্ষে ক্ষমা করার বিধান রয়েছে।
এই ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি অপরাধের সঙ্গে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে জড়িত থাকে, তাহলে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাকে শর্তসাপেক্ষে ক্ষমা করতে পারেন। তবে শর্ত হলো—
- অভিযুক্তকে সম্পূর্ণ সত্য ও সঠিক তথ্য প্রকাশ করতে হবে।
- তিনি আদালতে সাক্ষ্য প্রদান করবেন এবং অপরাধের মূল ঘটনা প্রকাশ করবেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৩৭: অপরাধে সহযোগীকে ক্ষমা প্রদান:
(১) যে কোনো অপরাধ যা শুধুমাত্র দায়রা আদালতে বিচারযোগ্য, অথবা যে কোনো অপরাধ যার জন্য দশ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে, অথবা দণ্ডবিধির ২১১ ধারার অধীনে এমন কোনো অপরাধ, যার জন্য সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে, অথবা দণ্ডবিধির নিম্নলিখিত ধারাসমূহের অধীনে সংঘটিত অপরাধসমূহ, যথা:
ধারা ২১৬এ, ৩৬৯, ৪০১, ৪৩৫ এবং ৪৭৭এ —
এইরূপ কোনো অপরাধের তদন্ত, অনুসন্ধান বা বিচারকার্য চলাকালে, যদি কারো সম্পর্কে ধারণা করা হয় যে তিনি উক্ত অপরাধে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে জড়িত বা অবগত, তাহলে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণির কোনো ম্যাজিস্ট্রেট, এই উদ্দেশ্যে যে, তার কাছ থেকে সাক্ষ্য প্রাপ্তির মাধ্যমে অপরাধ সম্পর্কিত তথ্য পাওয়া যাবে, তাকে ক্ষমা প্রদান করতে পারেন, শর্ত এই যে, তিনি অপরাধের এবং তাতে জড়িত প্রত্যেক ব্যক্তির (প্রধান বা সহায়তাকারী হিসেবে) সম্পর্কে নিজ জ্ঞাত সমস্ত পরিস্থিতি পূর্ণ ও সত্যভাবে প্রকাশ করবেন।
তবে শর্ত থাকে যে,
যদি অপরাধটি অনুসন্ধান বা বিচারাধীন হয়, তাহলে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অন্য কোনো প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন না, যদি না তিনি নিজেই সেই অনুসন্ধান বা বিচার পরিচালনা করছেন।
এবং, যদি অপরাধটি তদন্তাধীন হয়, তাহলে এই ক্ষমতা কেবল সেই ম্যাজিস্ট্রেট প্রয়োগ করতে পারবেন, যিনি অপরাধের বিচার বা অনুসন্ধানের জন্য এখতিয়ারভুক্ত এলাকায় দায়িত্বে রয়েছেন এবং চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমোদন গ্রহণ করেছেন।
(১ক) যে ম্যাজিস্ট্রেট ধারা (১)-এর অধীনে ক্ষমা প্রদান করবেন, তাকে অবশ্যই এই সিদ্ধান্তের কারণ রেকর্ড করতে হবে, এবং অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি অনুরোধ করে, তাহলে এই রেকর্ডের একটি অনুলিপি তাকে সরবরাহ করতে হবে।
তবে শর্ত থাকে যে, অভিযুক্তকে এই অনুলিপির জন্য মূল্য প্রদান করতে হবে, যদি না ম্যাজিস্ট্রেট বিশেষ কোনো কারণে বিনামূল্যে সরবরাহ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
(২) যে ব্যক্তি এই ধারা অনুযায়ী ক্ষমা গ্রহণ করবেন, তাকে সাক্ষী হিসেবে পরীক্ষা করা হবে, প্রথমে সেই ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে যিনি অপরাধের অভিযোগ গ্রহণ করেছেন এবং পরবর্তীতে বিচার চলাকালীন প্রয়োজনে দায়রা আদালতেও।
(২ক) প্রতিটি ক্ষেত্রে, যেখানে কোনো ব্যক্তি ক্ষমা গ্রহণ করেছে এবং উপ-ধারা (২)-এর অধীনে সাক্ষ্য দিয়েছে, তখন যদি ম্যাজিস্ট্রেট সন্তুষ্ট হন যে অভিযুক্ত ব্যক্তি অপরাধের সঙ্গে যুক্ত থাকার যৌক্তিক ভিত্তি রয়েছে, তাহলে তাকে দায়রা আদালতে বিচারের জন্য প্রেরণ করবেন।
(৩) যেই ব্যক্তি এই ধারা অনুযায়ী ক্ষমা পেয়েছেন, যদি তিনি আগে থেকেই জামিনে না থাকেন, তাহলে বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে হেফাজতে রাখা হবে।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 337.Tender of pardon to accomplice:
(1) In the case of any offence triable exclusively by the Court of Session, or any offence punishable with imprisonment which may extend to ten years, or any offence punishable under section 211 of the Penal Code, with imprisonment which may extend to seven years, or any offence under any of the following sections of the Penal Code, namely, sections 216A, 369, 401, 435 and 477A, a Metropolitan Magistrate or any Magistrate of the first class may, at any state of the investigation or inquiry into, or the trial of the offence, with a view to obtaining the evidence of any person supposed to have directly or indirectly concerned in or privy to the offence, tender a pardon to such person on condition of his making a full and true disclosure of the whole of the circumstances within his knowledge relative to the offence and to every other person concerned, whether as principal or abettor, in the commission thereof:
Provided that, where the offence is under inquiry or trial, no Magistrate of the first class other than the Chief Judicial Magistrate shall exercise the power hereby conferred unless he is the Magistrate making the inquiry or holding the trial, and, where the offence is under investigation, no such Magistrate shall exercise the said power unless he is a Magistrate having jurisdiction in a place where the offence might be inquired into or tried and the sanction of the Chief Judicial Magistrate has been obtained to the exercise thereof.
(1A) Every Magistrate who tenders a pardon under sub-section (1) shall record his reasons for so doing, and shall, on application made by the accused, furnish him with a copy of such record:
Provided that the accused shall pay for the same unless the Magistrate for some special reason thinks fit to furnish it free of cost.
(2) Every person accepting a tender under this section shall be examined as a witness in the Court of the Magistrate taking cognizance of the offence and in the subsequent trial, if any.
(2A) In every case where a person has accepted a tender of pardon and has been examined under sub-section (2), the Magistrate before whom the proceedings are pending shall, if he is satisfied that there are reasonable grounds for believing that the accused is guilty of an offence, send him for trial to the Court of Session.
(3) Such persons, unless he is already on bail, shall be detained in custody until the termination of the trial.
৭,০১৭.
'ক' বলে যে, 'খ' একটি অপরাধ করেছে এবং সেই অপরাধের জন্য 'খ' দণ্ডিত হবে, এই মর্মে 'ক' আদালতের রায় কামনা করে। 'খ' যে অপরাধ করেছে তা প্রমাণের দায়িত্ব-
  1. 'খ' এর উপর
  2. আসামী পক্ষের
  3. 'ক' এর উপর
  4. পাবলিক প্রসিকিউটর এর উপর
সঠিক উত্তর:
'ক' এর উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' এর উপর
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০১ ধারার বিধান: প্রমাণের দায়িত্ব: যিনি কোন বিষয়ের অস্তিত্বের দাবি করিয়া তদুপরি নির্ভরশীল কোন আইনগত অধিকার বা দায় সম্পর্কে আদালতের রায় কামনা করেন, তিনি সেই বিষয়ের অস্তিত্ব অবশ্যই প্রমাণ করিবেন।

কোন ব্যক্তি যখন কোন বিষয়ের অস্তিত্ব প্রমাণ করিতে বাধ্য থাকেন, তখন বলা হয় যে, বিষয়টি প্রমাণ করিবার দায়িত্ব সেই ব্যক্তির উপর ন্যস্ত।

উদাহরণঃ

(ক) 'ক' বলে যে 'খ' একটি অপরাধ করিয়াছে এবং সেই অপরাধের জন্য 'খ' দণ্ডিত হইবে; এই মর্মে 'ক' আদালতের রায় কামনা করে। 'খ' যে সেই অপরাধ করিয়াছে, 'ক'-এর তাহা অবশ্যই প্রমাণ করিতে হইবে।

(খ) 'ক' এই মর্মে আদালতে রায় কামনা করেন যে, 'খ'- এর দখলভূক্ত কোন একটি জমি তিনি পাইবার অধিকারী। ইহার সমর্থন কতকগুলি বিষয়ের অস্তিত্ব দাবি করেন এবং 'খ' এই সকল বিষয়ের অস্তিত্ব অস্বীকার করেন। উক্ত সকল বিষয়ের অস্তিত্ব অবশ্যই ক - এর প্রমাণ করিতে হইবে।
৭,০১৮.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর কত ধারায় "জোত (holding)" এর সংজ্ঞা রয়েছে?
  1. ২ (৯)
  2. ২ (১১)
  3. ২ (১৩)
  4. ২ (১৫)
সঠিক উত্তর:
২ (১৩)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ (১৩)
ব্যাখ্যা
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ২ (১৩) ধারায় "জোত (holding)" এর সংজ্ঞা রয়েছে।

- ধারা ২ (১৩) এর বিধান জোত (holding): বলতে জমির একটি খন্ড অথবা খন্ডসমূহ বা তার একটি অবিভক্ত অংশ যা একজন রায়ত বা অধীন রায়ত কর্তৃক ধারণকৃত ও যা কোন পৃথক প্রজাস্বত্বের বিষয়বস্তু।
----
Section 2(13) “holding” means a parcel or parcels of land or an undivided share thereof, held by a raiyat or an under-raiyat and forming the subject of a separate tenancy;
৭,০১৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১১২ অনুসারে, ধারা ১০৭, ১০৮, ১০৯ বা ১১০-এর অধীনে কারণ দর্শানোর জন্য লিখিত আদেশে নিচের কোন তথ্যটি উল্লেখ করতে হবে না?
  1. প্রাপ্ত তথ্যের সারাংশ
  2. বন্ডের পরিমাণ
  3. বন্ডের মেয়াদকাল
  4. অভিযুক্তের সম্পত্তির বিবরণ
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তের সম্পত্তির বিবরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তের সম্পত্তির বিবরণ
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ১১২-তে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, ধারা ১০৭, ১০৮, ১০৯ বা ১১০-এর অধীনে কারণ দর্শানোর জন্য লিখিত আদেশে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো উল্লেখ করতে হবে:
- প্রাপ্ত তথ্যের সারাংশ (substance of the information received)
- বন্ডের পরিমাণ (amount of the bond to be executed)
- বন্ডের মেয়াদকাল (term for which it is to be in force)
- জামিনদারের (যদি থাকে) সংখ্যা, চরিত্র এবং শ্রেণি (number, character and class of sureties (if any) required)
এই তালিকায় অভিযুক্তের সম্পত্তির বিবরণ (details of property of the accused) উল্লেখ করার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।
অতএব, সঠিক উত্তর: ঘ) অভিযুক্তের সম্পত্তির বিবরণ। 
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 112.Order to be made:
When a Magistrate acting under section 107, section 108, section 109 or section 110 deems it necessary to require any person to show cause under such section, he shall make an order in writing, setting forth the substance of the information received, the amount of the bond to be executed, the term for which it is to be in force, and the number, character and class of sureties (if any) required.

৭,০২০.
সাক্ষ্য আইনের ১৮ ধারায় কয় ধরনের ব্যক্তিগণের স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক হয়েছে?
  1. ২ ধরনের
  2. ৩ ধরনের
  3. ৪ ধরনের
  4. ৫ ধরনের
সঠিক উত্তর:
৪ ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ ধরনের
ব্যাখ্যা
⇒ মোকদ্দমার পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধির স্বীকৃতি (Admission by party to proceeding or his agent)- সাক্ষ্য আইনের ১৮ ধারামতে নিম্নলিখিত ব্যক্তিগণের স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক হবে। যথা-

ⅰ)) মোকদ্দমার পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধির স্বীকৃতি;

ii) প্রতিনিধিত্বমূলক মামলার ক্ষেত্রে মামলার বাদী বা বিবাদীর প্রতিনিধি হিসেবে প্রদত্ত স্বীকৃতি;

iii) মামলার বিষয় বস্তুতে মালিকানা বা আর্থিক স্বার্থের অধিকারী ব্যক্তিদের বক্তব্য অথবা তাদের নিকট থেকে স্বার্থ প্রাপ্ত ব্যক্তিতে বক্তব্য অর্থাৎ মামলার বিষয়বস্তুতে কোনভাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির স্বীকৃতি; অথবা

iv) মামলার কোন পক্ষের বিরুদ্ধে যার অবস্থান বা দায় রয়েছে তেমন ব্যক্তির স্বীকৃতি বা বক্তব্য।

অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ১৮ ধারায় ৪ ধরণের ব্যক্তিগণের স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক হয়েছে।

-----------
⇒ Admission -by party to proceeding or his agent;
Section18. Statements made by a party to the proceeding, or by an agent to any such party, whom the Court regards, under the circumstances of the case, as expressly or impliedly authorized by him to make them, are admissions.
by suit or in representative character;
Statements made by parties to suits suing or sued in a representative character, are not admissions, unless they were made while the party making them held that character.
by party interested in subject-matter;
Statements made by– 
(1) persons who have any proprietary or pecuniary interest in the subject-matter of the proceeding, and who make the statement in their character of persons so interested, or
by person from whom interest derived
(2) persons from whom the parties to the suit have derived their interest in the subject-matter of the suit, are admissions, if they are made during the continuance of the interest of the persons making the statements.
৭,০২১.
ফৌজদারী কার্যবিধির ১৪৪ ধারার প্রদত্ত আদেশ কাহার প্রতি নির্দেশিত হইতে পারে?
  1. কোন ব্যক্তি বিশেষের প্রতি
  2. কোন বিশেষ স্থানে ঘন ঘন গমনকারী জনসাধারণের প্রতি
  3. বিরোধী দলের প্রতি
  4. 'ক' বা 'খ'
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'খ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'খ'
ব্যাখ্যা
♦ আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কারো আবেদনের প্রেক্ষিতে অথবা নিজে স্বত্বঃপ্রণোদিত হয়ে ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা বিধান (১) যে সকল ক্ষেত্রে জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট, মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট অথবা এই ধারার অধীন কাজ করার জন্য সরকার বা জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতা প্রাপ্ত অন্য কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের (তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট নহেন) মতে, এই ধারার অধীন অগ্রসর হবার মত যথেষ্ট কারণ রয়েছে এবং আশু বা দ্রুত প্রতিকার বাঞ্ছনীয়, সেই সকল ক্ষেত্রে এরূপ ম্যাজিষ্ট্রেট লিখিত আদেশে ঘটনার মূল বিষয় বস্তু বর্ণনা করে এবং ইহা ১৩৪ ধারায় বর্ণিত পদ্ধতিতে জারী করে যে কোন ব্যক্তিকে কোন নির্দিষ্ট কাজ করা হতে বিরত থাকার অথবা কোন নির্দিষ্ট সম্পত্তি তার দখলে কিংবা তার ব্যবস্থাধীনে নিবার নির্দেশ দিতে পারবেন, যদি উক্ত ম্যাজিষ্ট্রেট বিবেচনা করেন যে, তার নির্দেশে আইন সংগতভাবে নিযুক্ত কোন ব্যক্তির প্রতি বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতি, অথবা বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতির ঝুঁকি, অথবা মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার প্রতি বিশদ অথবা জনশান্তির বিরক্তি বা দাঙ্গা বা মারামারি নিরোধের সম্ভাবনা আছে কিংবা নিরোধে সহায়তা করবে।

(২) জরুরী পরিস্থিতিতে অথবা যার উপর আদেশ দেয়া হচ্ছে সময় মত তার উপর নোটিশ জারী করার মত পরিস্থিতি নাই, সেই সকল ক্ষেত্রে এই ধারার আদেশ একতরফাভাবে প্রদান করা যাবে।

(৩) এই ধারার আদেশ কোন ব্যক্তি বিশেষের প্রতি অথবা কোন বিশেষ স্থানে ঘন ঘন গমনকারী বা সফরকারী জনসাধারণের প্রতি নির্দেশিত হতে পারবে।

(৪) যে কোন ম্যাজিষ্ট্রেট স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে বা কোন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদন ক্রমে এই ধারানুসারে তার নিজের বা তার অধীনস্ত কোন ম্যাজিষ্ট্রেট বা তার পূর্ববর্তী ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারবেন।

(৫) এরূপ কোন আবেদনপত্র পাওয়া গেলে ম্যাজিষ্ট্রেট আবেদনকারীকে শীঘ্র ব্যক্তিগতভাবে বা কৌসুলীর মাধ্যমে তার নিকট হাজির হবার এবং আদেশের বিরুদ্ধে কারণ দর্শাইবার সুযোগ দিবেন, এবং ম্যাজিষ্ট্রেট যদি আবেদন সম্পূর্ণরূপে বা আংশিক বাতিল করেন তাহলে তিনি লিখিতভাবে এরূপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।

(৬) মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার প্রতি বিপদ, অথবা দাঙ্গা বা মারামারির আশংকার ক্ষেত্রে সরকার সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা অন্যরূপ নির্দেশ না দিলে এই ধারানুসারে প্রদত্ত কোন আদেশ দুইমাসের অধিককাল বলবৎ থাকবে না।

(৭) এই ধারার বিধানসমূহ মহানগরী এলাকায় প্রযোজ্য হবে না।
৭,০২২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪০ অনুযায়ী অভিযোগ প্রত্যাহারের ফলাফল কী?
  1. খালাস বলে গণ্য
  2. দণ্ডাদেশ বলে গণ্য
  3. মামলা স্থগিত বলে গণ্য
  4. অব্যাহতি বলে গণ্য
সঠিক উত্তর:
খালাস বলে গণ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খালাস বলে গণ্য
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ২৪০ অনুসারে, একই ব্যক্তির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ গঠন করা হলে এবং এক বা একাধিক অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হলে, বাকি অভিযোগগুলো ফরিয়াদী বা সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনাকারী কর্মকর্তা আদালতের অনুমতিতে প্রত্যাহার করতে পারেন। এই প্রত্যাহারের ফলাফল হিসেবে প্রত্যাহৃত অভিযোগগুলো খালাস (acquittal) দেওয়া হিসেবে পরিগণিত হয়, যতক্ষণ না দণ্ডাদেশ রদ করা হয়। যদি দণ্ডাদেশ রদ হয়, তাহলে আদালত রদকারী আদালতের আদেশ সাপেক্ষে অনুসন্ধান বা বিচার চালিয়ে যেতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪০ অনুযায়ী-
যখন একই ব্যক্তির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ গঠন করা হয় এবং এক বা একাধিক অপরাধের জন্য দণ্ড দেয়া হয়,তখন ফরিয়াদী বা সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনাকারী কর্মকর্তা আদালতের অনুমতি নিয়ে অভিযোগ বা অভিযোগসমূহ প্রত্যাহার করতে পারেন অথবা আদালত নিজ উদ্দেগ্যে এরূপ অভিযোগ বা অভিযোগসমূহের অনুসন্ধান বা বিচার স্থগিত রাখতে পারেন।
এরূপ প্রত্যাহার করা হলে উক্ত অভিযোগে বা অভিযোগসমূহ হতে খালাস দেয়া হলো বলে পরিগণিত হবে;
যদি না দণ্ডাদেশ রদ করা হয়,সেক্ষেত্রে উক্ত আদালত দণ্ডাদেশ রদকারী আদালতের আদেশ সাপেক্ষে প্রত্যাহৃত অভিযোগ বা অভিযোগসমূহ সম্পর্কে অনুসন্ধান বা বিচার করতে পারবেন।
-------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-240.Withdrawal of remaining charges on conviction on one of several charges:
 When a charge containing more heads than one is framed against the same person, and when a conviction has been had on one or more of them, the complainant, or the officer conducting the prosecution, may, with the consent of the Court, withdraw the remaining charge or charges, or the Court of its own accord may stay the inquiry into, or trial of, such charge or charges.
Such withdrawal shall have the effect of an acquittal on such charge or charges, unless the conviction be set aside, in which case the said Court (subject to the order of the Court setting aside the conviction) may proceed with the inquiry into or trial of the charge or charges so withdrawn.

৭,০২৩.
'ক' কতিপয় সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখলে আছে। 'খ' দাবি করে যে 'খ' উক্ত সম্পত্তির মালিক এবং এই কারণে 'ক' উক্ত সম্পত্তি খ-কে অর্পণ করা আবশ্যক। এক্ষেত্রে 'ক' কত দিনের মধ্যে ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে?
  1. ৩ বছর
  2. ১২ বছর
  3. ৬ মাস
  4. ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক বিধান রয়েছে । কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মোকদ্দমা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মোকদ্দমা বা 'Declaratory Sui't বা 'Suit for Declaration' বলে।
 
তামাদি আইনে ঘোষণামূলক মোকদ্দমার কোনো সুনির্দিষ্ট বিধান নেই। এই আইনের ১২০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, যে-সকল মামলার জন্য তামাদির মেয়াদ উল্লেখ নাই সেগুলো সাধারণত ৬ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হয়।
-ঘোষণামূলক মামলার প্রকৃত কারণ উদ্ভব হওয়ার সময় হতে ৬ বছরের মধ্যে ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে হবে।
৭,০২৪.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় অপহরণ (Abduction) সংজ্ঞা প্রদান করা হইয়াছে?
  1. ৩৬০ ধারায়
  2. ৩৬১ ধারায় 
  3. ৩৬২ ধারায়
  4. ৩৬৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩৬২ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬২ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৬২ ধারার বিধান অপহরণ বা মনুষ্যহরণ:- যদি কোন ব্যক্তি, অপর কোন ব্যক্তিকে কোন স্থান হতে গমন করার জন্য জোরপূর্বক বাধ্য করে বা কোন প্রতারণামূলক উপায়ে প্রলুব্ধ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অনুরূপ ব্যক্তিকে অপহরণ করে বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬৩ ধারার বিধান মনুষ্য হরণের সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি কাউকে বাংলাদেশ হতে অথবা আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
------------
⇒ Section 362. Abduction:- Whoever by force compels, or by any deceitful means induces, any person to go from any place, is said to abduct that person.
⇒ Section 363. Punishment for kidnapping:- Whoever kidnaps any person from Bangladesh or from lawful guardianship, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
৭,০২৫.
ধারা ১০৭ অনুযায়ী, একজন ব্যক্তি মৃত হওয়ার প্রমাণের দায়ভার কিভাবে নির্ধারিত হয়?
  1. আদালতের সিদ্ধান্ত দ্বারা
  2. জীবিত বলে দাবী করা ব্যক্তি দ্বারা
  3. মৃত বলে দাবী করা ব্যক্তি দ্বারা
  4. সংশ্লিষ্ট এলাকার আইন দ্বারা
সঠিক উত্তর:
মৃত বলে দাবী করা ব্যক্তি দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত বলে দাবী করা ব্যক্তি দ্বারা
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১০৭ ধারায়,
বিগত ৩০ বৎসরের মধ্যে জীবিত ব্যক্তিকে আদালত জীবিত বলে অনুমান করতে বাধ্য; এক্ষেত্রে যে ব্যক্তি মৃত বলে দাবী করে তাকেই প্রমাণ করতে হবে যে উক্ত ব্যক্তি মৃত।

Section 107- Burden of proving death of person known to have been alive within thirty years:
When the question is whether a man is alive or dead, and it is shown that he was alive within thirty years, the burden of proving that he is dead is on the person who affirms it.
৭,০২৬.
সালিস আইন, ২০০১ এর অধীন সালিসী ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করার ক্ষেত্রে প্রধান শর্ত কী?
  1. সরকারের অনুমোদন
  2. আদালতের নির্দেশ
  3. সকল পক্ষের সম্মতি
  4. লিগ্যাল এইড অফিসারের নির্দেশ
সঠিক উত্তর:
সকল পক্ষের সম্মতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সকল পক্ষের সম্মতি
ব্যাখ্যা
সালিস আইন, ২০০১: ধারা ২২-সালিস ব্যতীত অন্যভাবে নিষ্পত্তি:
(১) সালিসী ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক সালিস ব্যতীত অন্যভাবে বিরোধের নিষ্পত্তি উৎসাহিত করা হইলে উহা সালিস কার্যধারার সহিত অসামঞ্জস্যপূর্ণ হইবে না এবং সালিসী ট্রাইব্যুনাল সকল পক্ষের সম্মতিক্রমে, সালিসী কার্যধারার যে কোন পর্যায়ে, বিরোধীয় বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য মধ্যস্থতা, আপোষ বা অন্য যে কোন পদ্ধতি অনুসরণ করিতে পারিবে।
 
(২) সালিসী কার্যধারা চলাকালে পক্ষগণ বিরোধীয় বিষয়টি আপোষে নিষ্পত্তি করিলে এবং পক্ষগণ কর্তৃক অনুরুদ্ধ হইলে, সালিসী ট্রাইব্যুনাল উক্তরূপ নিষ্পত্তিকে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হিসাবে সালিসী রোয়েদাদ আকারে লিপিবদ্ধ করিবে। 

(৩) সর্বসম্মত শর্তে সালিসী রোয়েদাদ ধারা ৩৮ মোতাবেক প্রদত্ত হইবে এবং উহা যে একটি সম্মত শর্তের সালিসী রোয়েদাদ এই মর্মে উক্ত রোয়েদাদে উল্লেখ করিতে হইবে। 

(৪) সর্বসম্মত শর্তের সালিসী রোয়েদাদের মর্যাদা ও কার্যকরতা বিরোধীয় অন্য যে কোন বিষয়ে প্রদত্ত সালিসী রোয়েদাদের অনুরূপ হইবে।
৭,০২৭.
‘A’ ‘B’ কে একটি দেওয়ানি মোকদ্দমা পরিচালনা থেকে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে তার ঘর পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। ‘A’ কর্তৃক কী অপরাধ সংঘটিত হয়েছে?
  1. অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন
  2. অপমান
  3. প্রতারণা
  4. অত্যাচার
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন
ব্যাখ্যা
- দণ্ডবিধির ৫০৩ ধারায় অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের বিধান রয়েছে।
- কোন ব্যক্তিকে আতঙ্কিত করার জন্য উক্ত ব্যক্তির সম্পত্তি বা সুনাম বা দেহের ক্ষতি ( injury to property, reputation or person) করার ভয় বা হুমকি (threat) দেখানো হলে, তাকে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন বা Criminal Intimidation বলে।

- এখানে ‘A' দণ্ডবিধির ৫০৩ ধারার অধীনে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের অপরাধ করেছে। ৫০৬ ধারায় অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের শাস্তি রয়েছে যা অনধিক ২ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
৭,০২৮.
দণ্ডবিধির ৩৬৬ক ধারা অনুসারে অপ্রাপ্ত বয়স্কা বালিকা বলতে কোন বয়সের বালিকাকে বোঝানো হয়?
  1. ১৪ বছরের কম
  2. ১৬ বছরের কম
  3. ১৮ বছরের কম
  4. ২১ বছরের কম
সঠিক উত্তর:
১৮ বছরের কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ বছরের কম
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৬৬ক অনুযায়ী, অপ্রাপ্ত বয়স্কা বালিকা বলতে ১৮ বছর বয়সের নিচের কোনো মেয়েকে বোঝানো হয়েছে। এই ধারায় উল্লেখ আছে যে, যদি কোনো ব্যক্তি ১৮ বছরের কম বয়সী কোনো মেয়েকে যৌন-অবৈধ কাজে বাধ্য করতে বা প্রলুব্ধ করার উদ্দেশ্যে স্থানান্তর বা কোনো কাজ করায়, তবে তা এই ধারার অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
অতএব, সঠিক উত্তর হলো গ) ১৮ বছরের কম।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬৬ক ধারার বিধান অপ্রাপ্ত বয়স্কা বালিকা সংগ্রহ করণ:- কোন ব্যক্তি যদি যে কোন প্রকারেই হোক আঠারো বৎসরের কম বয়সী কোন অপ্রাপ্ত বয়স্কা বালিকাকে কোন স্থান হতে গমনে বা কোন কাজ সম্পাদনে বাধ্য করে এবং যদি তা করার উদ্দেশ্য হয়, বালিকাটিকে অপর কোন ব্যক্তির সাথে যৌন- অবৈধ সহবাসে জোরপূর্বক বা ফুসলিয়ে বাধ্য করা, অথবা তাকে অন্যভাবে অপর কোন ব্যক্তির সাথে অবৈধ যৌন-সহবাসে জোরপূর্বক বা ফুসলিয়ে বাধ্য করা হতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও তাকে কোনস্থান হতে গমনে বা কোন কাজ সম্পাদন বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 366A. Procuration of minor girl:
Whoever, by any means whatsoever, induces any minor girl under the age of eighteen years to go from any place or to do any act with intent that such girl may be, or knowing that it is likely that she will be, forced or seduced to illicit intercourse with another person shall be punishable with imprisonment which may extend to ten years and shall also be liable to fine.

৭,০২৯.
কোনো নারী যদি ১৩ বছর বয়সী হয় এবং তার সম্মতিতেই কোনো পুরুষ তার সঙ্গে যৌনসঙ্গম করে, তবে এটি কোন অপরাধ হবে?
  1. এটি ধর্ষণ নয়, কারণ সে সম্মতি দিয়েছে
  2. এটি ব্যভিচার হিসেবে গণ্য হবে
  3. এটি ধর্ষণ, কারণ ভিকটিমের বয়স ১৪ বছরের কম
  4. এটি আদালতের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে
সঠিক উত্তর:
এটি ধর্ষণ, কারণ ভিকটিমের বয়স ১৪ বছরের কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি ধর্ষণ, কারণ ভিকটিমের বয়স ১৪ বছরের কম
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৭৫ ধারা-ধর্ষণ:
কোন পুরুষ অতঃপর উল্লেখিত ব্যতিক্রম ভিন্ন অপর সকল ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত ৫টি যেকোন অবস্থায় কোন স্ত্রীলোকের সাথে যৌনসঙ্গম করলে সে ধর্ষণ করেছে বলে পরিগণিত হবে-
প্রথমত: স্ত্রীলোকটির ইচ্ছার বিরুদ্ধে।
দ্বিতীয়ত: স্ত্রীলোকটির সম্মতি ব্যতিরেকে।
তৃতীয়ত: স্ত্রীলোকটির সম্মতিক্রমেই, যেক্ষেত্রে মৃত্যু বা জখমের ভয় প্রদর্শন করে স্ত্রীলোকটির সম্মতি আদায় করা হলে।
চতুর্থত: স্ত্রীলোকটির সম্মতিক্রমেই, যেক্ষেত্রে পুরুষটি জানে যে, সে স্ত্রীলোকটি স্বামী নয়, এবং পুরুষটি ইহার জানে যে, স্ত্রীলোকটি তাকে এমন অপর একজন পুরুষ বলে ভুল করেছে, যে পুরুষটির সাথে সে আইন সম্মতভাবে বিবাহিত হয়েছে বা বিবাহিত বলে বিশ্বাস করে।
পঞ্চমত: স্ত্রীলোকটির সম্মতিক্রমে অথবা সম্মতি ব্যতিরেকে, যতি স্ত্রীলোকটির বয়স চৌদ্দ বৎসরের কম হয়।

ব্যাখ্যা (Explanation): ধর্ষণের অপরাধের জন্য আবশ্যকীয় যৌনসঙ্গমের জন্য যৌনাঙ্গ প্রবিষ্ট করাই যথেষ্ট গণ্য হবে।

ব্যতিক্রম (Exception): কোন পুরুষের কর্তৃক নিজ স্ত্রীর সাথে যৌনসঙ্গম ধর্ষণ বলে পরিগণিত হবে না, যদি স্ত্রী তের বৎসরে নিম্ন বয়স্কা না হয়।
৭,০৩০.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ কোন তারিখে কার্যকর হয়েছিল?
  1. ১লা জানুয়ারি, ১৮৭২
  2. ১লা মার্চ, ১৮৭২
  3. ১লা সেপ্টেম্বর, ১৮৭২
  4. ১লা ডিসেম্বর, ১৮৭২
সঠিক উত্তর:
১লা সেপ্টেম্বর, ১৮৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১লা সেপ্টেম্বর, ১৮৭২
ব্যাখ্যা
→ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ (The Evidence Act, 1872) ব্রিটিশ শাসনামলে উপমহাদেশে প্রণীত হয়।
-আইনটি ১৮৭২ সালের ১৫ই মার্চ পাশ হয়, তবে এটি অবিলম্বে কার্যকর হয়নি।
আইনের "Commencement of Act" (কার্যকারিতার তারিখ) স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে:
- "It shall come into force on the first day of September, 1872."

অর্থাৎ, আইনটি ১৮৭২ সালের ১লা সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হয়।

সাক্ষ্য আইনের পূর্ব ইতিহাস ও গঠন:
১৮৭২ সালের আগে উপমহাদেশে পূর্ণাঙ্গ কোনো সাক্ষ্য আইন ছিল না।
১৮৬৮ সালে স্যার হেনরি সামার একটি খসড়া প্রণয়ন করেছিলেন, তবে সেটি কার্যকর হয়নি।
১৮৭১ সালে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট স্যার জেমস স্টিফেনকে সাক্ষ্য আইনের খসড়া তৈরির দায়িত্ব দেয়।
উৎপত্তি: Latin শব্দ Evidere বা Evidence থেকে এসেছে।
মূল উদ্দেশ্য: সাক্ষ্যের মাধ্যমে কোনো ঘটনা বা বিষয় প্রমাণ করা।
আইনের ধরন: এটি পদ্ধতিগত আইন (Procedural Law/Adjective Law)।
আইন প্রণয়ন: ১৮৭২ সালের ১৫ই মার্চ।
কার্যকর: ১৮৭২ সালের ১লা সেপ্টেম্বর।
প্রণেতা: স্যার জেমস স্টিফেন (Fitz-James Stephen), যাকে সাক্ষ্য আইনের জনক বলা হয়।
সংগঠন: ৩টি ভাগ (Part), ১১টি অধ্যায় (Chapter), ১৬৭টি ধারা (Section) আছে।

সাক্ষ্য আইন এককভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়, কারণ এর কিছু বিধান ফৌজদারি কার্যবিধি, দেওয়ানি কার্যবিধি, রেজিস্ট্রেশন আইন, উত্তরাধিকার আইন, সম্পত্তি হস্তান্তর আইন এবং স্ট্যাম্প আইনেও রয়েছে।
৭,০৩১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯০ ধারা অনুসারে, আদালত সমন জারির পরিবর্তে বা সমনের সাথে সাথে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কখন জারি করতে পারে?
  1. যখন মনে হবে আসামি হাজির হবে না বা পলাতক হতে পারে
  2. যখন সমন যথাযথভাবে তামিল হওয়ার পরও হাজির হয় না
  3. যখন আসামি যুক্তিসঙ্গত অজুহাত ছাড়াই অনুপস্থিত থাকে
  4. উপরোক্ত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি (Code of Criminal Procedure) এর ধারা 90 অনুসারে, আদালত কোনো ব্যক্তির উপস্থিতির জন্য সমন জারির ক্ষমতা থাকলে, নির্দিষ্ট কিছু পরিস্থিতিতে সমনের পরিবর্তে বা সমনের সাথে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করতে পারে। এই পরিস্থিতিগুলো নিম্নরূপ:
→ যখন মনে হবে আসামি হাজির হবে না বা পলাতক হতে পারে (ক): ধারা 90(a) অনুসারে, যদি আদালতের মনে হয় যে ব্যক্তি সমন জারির আগে বা পরে পলাতক হয়েছে বা সমন মানবে না, তবে আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করতে পারে। এটি আদালতের বিশ্বাসের ওপর নির্ভর করে এবং এই কারণ লিখিতভাবে রেকর্ড করতে হয়।
→ যখন সমন যথাযথভাবে তামিল হওয়ার পরও হাজির হয় না (খ): ধারা 90(b) অনুসারে, যদি সমন যথাযথভাবে তামিল করা হয় এবং ব্যক্তি নির্ধারিত সময়ে আদালতে হাজির না হয়, তবে আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করতে পারে। এখানে সমন তামিলের প্রমাণ থাকতে হবে।
→ আসামি যুক্তিসঙ্গত অজুহাত ছাড়াই অনুপস্থিত থাকে (গ): ধারা 90(b)-এর আরেকটি শর্ত হলো, যদি ব্যক্তি সমন পেয়েও আদালতে হাজির না হয় এবং তার অনুপস্থিতির জন্য কোনো যুক্তিসঙ্গত অজুহাত দেখাতে না পারে, তবে আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করতে পারে।
যেহেতু উপরের সবগুলো পরিস্থিতি ধারা 90-এর অধীনে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির জন্য বৈধ কারণ, তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) উপরোক্ত সবগুলো।
------------

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 90. Issue of warrant in lieu of, or in addition to, summons:
A Court may, in any case in which it is empowered by this Code to issue a summons for the appearance of any person issue, after recording its reasons in writing, a warrant for his arrest- 
(a) if, either before the issue of such summons, or after the issue of the same but before the time fixed for his appearance, the Court sees reason to believe that he has absconded or will not obey the summons; or 
(b) if at such time he fails to appear and the summons is proved to have been duly served in time to admit of his appearing in accordance therewith and no reasonable excuse is offered for such failure.

৭,০৩২.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এ বিয়ের প্রলোভনের মাধ্যমে যৌনকর্ম করার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  2. ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. ৩ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ৯খ: বিয়ের প্রলোভনের মাধ্যমে যৌনকর্ম করিবার দণ্ড:
যদি কোন ব্যক্তি দৈহিক বলপ্রয়োগ ব্যতীত বিবাহের প্রলোভন দেখাইয়া ষোল বৎসরের অধিক বয়সের কোন নারীর সংগে যৌনকর্ম করেন এবং যদি উক্ত ঘটনার সময় উক্ত ব্যক্তির সহিত উক্ত নারীর আস্থাভাজন সম্পর্ক থাকে, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক সাত বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন
৭,০৩৩.
According to Section 390 of the Penal Code, 1860, robbery always involves either:
  1. Theft or mischief
  2. Theft or extortion
  3. Assault or cheating
  4. Kidnapping or abduction
সঠিক উত্তর:
Theft or extortion
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Theft or extortion
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারার বিধান দস্যুতা:- প্রত্যেক দস্যুতায় হয় চুরি, না হয় বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের অপরাধ সংঘটিত হয়।
- যেক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:- চুরি করার উদ্দেশ্যে, অথবা চুরি করতে, কিংবা চুরিতে লব্ধ সম্পত্তি বহন বা বহনের উদ্যোগ কালে, অপরাধকারী তদুদ্দেশ্যে ইচ্ছাপূর্বক কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় বা তাকে আঘাতদান করে তাকে অন্যায় ভাবে আটক করে বা করার উদ্যোগ করে, বা তাকে তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা তাৎক্ষণিক আঘাত বা তাৎক্ষণিক অবৈধ আটকের ভীতি প্রদর্শন করে বা করার উদ্যোগ করে, তা হলে উক্ত চুরি হচ্ছে 'দস্যুতা'।

- বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় যেক্ষেত্রে দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:- বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সময় অপরাধী- যে ব্যক্তিকে ভয়ে বিহ্বল করা হয়েছে, সে ব্যক্তির বা অন্য কোন ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আশু আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করলে, এবং এইভাবে যে ব্যক্তিকে ভয়ে অভিভূত করা হয়েছে, সে ব্যক্তিকে তখন বলপূর্বক আদায়কৃত বস্তুটি অর্পণে বাধ্য করলে, বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় 'দস্যুতা' বলে পরিগণিত হবে।

ব্যাখ্যা:- অপরাধী অন্য ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করার পক্ষে যথেষ্ট নিকটে থাকলে সে হাজির বলে পরিগণিত হবে।
--------------------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section: 390- Robbery:  In all robbery there is either theft or extortion:
⇒When theft is robbery:
Theft is "robbery" if, in order to the committing of the theft, or in committing the theft, or in carrying away or attempting to carry away property obtained by the theft, the offender, for that end, voluntarily causes or attempts to cause to any person death or hurt or wrongful restraint, or fear of instant death or of instant hurt, or of instant wrongful restraint.
⇒When extortion is robbery:
Extortion is “robbery” if the offender, at the time of committing the extortion, is in the presence of the person put in fear, and commits the extortion by putting that person in fear of instant death, instant hurt, or of instant wrongful restraint to that person, or to some other person, and, by so putting in fear, induces the person so put in fear then and there to deliver up the thing extorted.

-Explanation:- The offender is said to be present if he is sufficiently near to put the other person in fear of instant death, of instant hurt, or of instant wrongful restraint.
৭,০৩৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন ধারায় সালিশ (Arbitration) সংক্রান্ত বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ১১৫
  2. ধারা ৮৯ক
  3. ধারা ৮৯খ
  4. ধারা ৮৯গ
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮৯খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮৯খ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৮৯খ-এ সালিশ (Arbitration) সংক্রান্ত বিধান প্রদান করা হয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে, আদালত মোকদ্দমার পক্ষগণের সম্মতিতে বিরোধীয় বিষয় সালিশের (arbitration) মাধ্যমে নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করতে পারেন এবং সালিশ আইন, ২০০১ অনুসারে সেই বিরোধ নিষ্পত্তি করতে হবে।

- ৮৯খ ধারা অনুযায়ী দেওয়ানী আদালত কোন বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য বিরোধীয় বিষয়টি সালিশের নিকট পাঠাতে পারেন এবং এই জন্য মোকদ্দমার পক্ষগণ মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে তা তুলে নেওয়ার জন্য আদালতের নিকট আবেদন করলে আদালত আবেদন মঞ্জুর করবেন এবং মোকদ্দমা তুলে নেওয়ার অনুমতি দিবেন।
- তারপর সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী বিরোধটি নিষ্পত্তি করতে হবে অর্থাৎ কোন বিরোধ সালিশে (Arbitration) পাঠানো হলে তা সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী নিষ্পত্তি করতে হবে।
- তবে এই ক্ষেত্রে কোন কারণে সালিশ অনুষ্ঠিত না হলে বা সালিশের রোয়েদাদ প্রদত্ত না হলে উক্ত মোকদ্দমাটি পক্ষগণ পুনঃদাখিল করতে পারবেন।
- সর্বশেষ ২০১২ সালে দেওয়ানী কার্যবিধির বিকল্প বিরোধ সংক্রান্ত বিধানগুলো (ধারা-৮৯ক থেকে ৮৯ঙ) সংশোধন করা হয়।
- এছাড়া ২০১৭ সালের সংশোধনী অনুযায়ী জেলা লিগ্যাল এইড কর্মকর্তা কোনো দেওয়ানী মামলায় একজন মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করতে পারে।
৭,০৩৫.
তামাদি আইনে যে দরখাস্ত দায়েরের মেয়াদ সুনির্দিষ্টভাবে বলা নেই তা দাখিলের তামাদির মেয়াদ-
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১৮১ এর বিধান দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৪৮ ধারায় কোন বিধান নাই সেই সকল দরখাস্ত বা যে সকল দরখাস্তের জন্য তামাদির মেয়াদ এই তফসিলে উল্লেখ নেই, সেই সকল দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ, যখন থেকে অধিকার উদ্ভব হয় সেই সময় থেকে- ৩ বছর।

অর্থাৎ তামাদি আইনে যে দরখাস্ত দায়েরের মেয়াদ সুনির্দিষ্টভাবে বলা নেই তা দাখিলের তামাদির মেয়াদ ৩ বছর।
৭,০৩৬.
অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ২০ ধারার অধীন ডেপুটি কমিশনার ক্ষতিপূরণ আদেশ দিলে, উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে জেলা জজের নিকট কত দিনের মধ্যে আপীল করা যাবে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা

• অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৮৫ক ধারার বিধান- আপীল:
- অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৯ (১) ধারার বিধান অনুসারে বা ২০ ধারার বিধান মোতাবেক ডেপুটি কমিশনার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করলে, তার আদেশের বিরুদ্ধে জেলা জজের নিকট ৩০ দিনের মধ্যে আপীল করা যাবে।
----
Section 85A- Appeal:
An appeal against an order passed by the Deputy Commissioner determining compensation under the proviso to sub-section (1) of section 9 or the proviso to section 20 shall, if presented within thirty days of such order, lie to the District Judge.

৭,০৩৭.
একজন pauper হিসেবে মামলা করার জন্য আবেদনপত্রে কী থাকতে হবে?
  1. চাকরির বিবরণ
  2. পরিবারের সদস্যদের তথ্য
  3. সম্পত্তির তালিকা ও মূল্য
  4. উকিলের নাম ও স্বাক্ষর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তির তালিকা ও মূল্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তির তালিকা ও মূল্য
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৩ অনুযায়ী, একজন pauper হিসেবে মামলা করার জন্য আবেদনপত্রে আবেদনকারী ব্যক্তির সমস্ত সম্পত্তির তালিকা এবং সেই সম্পত্তির আনুমানিক মূল্য থাকতে হবে। আবেদনপত্রটি অবশ্যই সঠিকভাবে স্বাক্ষরিত ও যাচাই করা উচিত।
- এছাড়া, উকিলের নাম ও স্বাক্ষর আবশ্যক নয়, কারণ একটি pauper মামলা সাধারণত ব্যক্তি নিজে বা তার প্রতিনিধির মাধ্যমে করা হয়। তবে, আবেদনটি যখন উপস্থাপন করা হবে, তখন এটি আদালতে বা উপযুক্ত ব্যক্তি দ্বারা সরাসরি উপস্থাপন করা উচিত।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৩, বিধি ২ অনুসারে, একজন দরিদ্র (pauper) হিসেবে মামলা করার আবেদনপত্রে নিম্নলিখিত তথ্য থাকা বাধ্যতামূলক:
সম্পত্তির তালিকা ও আনুমানিক মূল্য:
- আবেদনকারীকে তার সমস্ত স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির বিস্তারিত তালিকা জমা দিতে হবে।
- প্রতিটি সম্পত্তির আনুমানিক বাজার মূল্য উল্লেখ করতে হবে।
ব্যতিক্রম: পরিধানের প্রয়োজনীয় পোশাক ও মামলার বিষয়বস্তু সম্পত্তি হিসাবে গণ্য হবে না।
মামলার প্রাসঙ্গিক তথ্য: সাধারণ আরজিতে (plaint) যা যা তথ্য প্রয়োজন (যেমন: পক্ষদের বিবরণ, মামলার কারণ ইত্যাদি) তা উল্লেখ করতে হবে।
স্বাক্ষর ও শপথনামা:
আবেদনপত্র আবেদনকারী দ্বারা স্বাক্ষরিত ও শপথনামাযুক্ত হতে হবে (যেমন অন্যান্য লিখিত বক্তব্যের ক্ষেত্রে প্রয়োজন)।
৭,০৩৮.
The General Clauses Act, 1897 এর কোন ধারায় 'Doctrine of double jeopardy' সংক্রান্ত বিধান রয়েছে?
  1. ২৪
  2. ২৫
  3. ২৬
  4. ২৭
সঠিক উত্তর:
২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬
ব্যাখ্যা
The General Clauses Act, 1897 এর ২৬ ধারার বিধান: দুই বা ততোধিক আইনের অধীন শাস্তিযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে বিধান:
যেক্ষেত্রে কোন কার্য বা বিচ্যুতি দুই বা ততোধিক আইনের অধীন শাস্তিযোগ্য অপরাধ হয়, সেই ক্ষেত্রে অপরাধীকে ঐ আইন সমূহের সকল বা যে কোন একটির অধীন অভিযুক্ত এবং শান্তি প্রদান করা যাবে, কিন্তু একই অপরাধের জন্য দুইবার শান্তি প্রদান করা যাবে না।

ধারা ২৬ এর মধ্যে দোবারা সাজা নীতি বা ‘Doctrine of Double Jeopardy' প্রতিফলিত হয়েছে।

দোবারা সাজা নীতিটি আরো কয়েকটি আইনে বর্ণিত আছে। যথা:
-গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৫(২);
- ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪০৩;
- দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ১১;
- সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৪০; এবং
- ফৌজদারি আইন সংশোধন আইন, ১৯৫৮ এর ধারা ৮।
----------------
Section 26. Provision as to offences punishable under two or more enactments:
- Where an act or omission constitutes an offence under two or more enactments, then the offender shall be liable to be prosecuted and punished under either or any of those enactments, but shall not be liable to be punished twice for the same offence.
৭,০৩৯.
দণ্ডবিধির ৭৫ ধারা অনুসারে, পূর্বে অপরাধের জন্য ৩ বছর বা তার বেশি সময় দণ্ডিত হওয়ার পর আবার একই ধরনের অপরাধ করলে সর্বোচ্চ শাস্তি কত হতে পারে?
  1. ৩ বছর কারাদণ্ড
  2. ৫ বছর কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. ১০ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১০ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৭৫ ধারা অনুসারে, পূর্বে অপরাধের জন্য ৩ বছর বা তার বেশি সময় দণ্ডিত হওয়ার পর যদি একই ধরনের অপরাধ করা হয়, তবে সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে: ঘ) ১০ বছর কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৭৫ ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি পূর্বে বাংলাদেশে দণ্ডিত হন এবং সেই অপরাধের জন্য ৩ বছর বা তার বেশি সময়ের শাস্তি পান, তবে পরবর্তী সময়ে যদি সেই ব্যক্তি একই ধরনের অপরাধ করেন, তাহলে তার শাস্তি বৃদ্ধি পাবে এবং তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা ১০ বছরের মধ্যে কোনো মেয়াদের শাস্তি দেওয়া হবে।

⇒ The Penal Code, 1860-Section -75. Enhanced punishment for certain offences under Chapter XII or Chapter XVII after previous conviction:
Whoever, having been convicted,
(a) by a Court in Bangladesh of an offence punishable under Chapter XII or Chapter XVII of this Code with imprisonment of either description for a term of three years or upwards;
shall be guilty of any offence punishable under either of those Chapters with like imprisonment for the like term, shall be 
subject for every such subsequent offence to imprisonment for life, or to imprisonment of either description for a term which may extend to ten years.
৭,০৪০.
‘ক’ একজোড়া দুষ্প্রাপ্য কারুকার্যখচিত পাত্রের অধিকারী। কিন্তু সেগুলো ‘খ’-  এর দখলে রয়েছে। এ জিনিসগুলো অত্যন্ত বৈশিষ্ট্যপূর্ণ এবং তার বাজারদর নির্ণয় করাও কষ্টসাধ্য। এক্ষেত্রে ‘ক’ এর প্রতিকার কী?
  1. ‘খ’-কে ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য করা যেতে পারে
  2. ‘ক’-কে ফেরত দেওয়ার জন্য ‘খ’-কে বাধ্য করা যেতে পারে
  3. ‘খ’-কে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনে বাধ্য করা যেতে পারে
  4. ‘ক’-কোন প্রতিকার পাবে না
সঠিক উত্তর:
‘ক’-কে ফেরত দেওয়ার জন্য ‘খ’-কে বাধ্য করা যেতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
‘ক’-কে ফেরত দেওয়ার জন্য ‘খ’-কে বাধ্য করা যেতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১১ ধারার বিধান: অব্যবহিত দখল লাভের অধিকারী ব্যক্তির নিকট থেকে দখল প্রদানের নিমিত্তে মালিক নয় এরূপ দখলকারী ব্যক্তির দায় দায়িত্ব:
যে সম্পত্তির মালিক সে নিজে নয়, এমন অস্থাবর সম্পত্তির কোন বিশেষ অংশের দখলকারী বা নিয়ন্ত্রণকারী ব্যক্তিকে নিম্নোক্ত যে কোন অবস্থাতে অবিলম্বিত দখল লাভের অধিকারী ব্যক্তির নিকট সেটি প্রদানার্থে সুনির্দিষ্টভাবে বাধ্য করা যেতে পারে-
(ক) যখন দাবিকৃত সম্পত্তি দাবিদারের জিম্মাদারের বা প্রতিনিধি হিসেবে প্রতিবাদীদের নিকট রয়েছে;
(খ) যখন দাবিকৃত বস্তুর ক্ষতি টাকার মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ দাবীদারের পর্যাপ্ত প্রতিকার করবে না;
(গ) যখন দাবিকৃত বস্তুর ক্ষতির কোন সাধিত যথার্থ ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হবে;
(ঘ) যখন দাবিকৃত বস্তুর দখল দাবিদারের নিকট হতে অন্যায়ভাবে হস্তান্তরিত করা হয়েছে।

অর্থাৎ, ‘খ’ কে এগুলো ‘ক’-এর কাছে ফেরত দেওয়ার জন্য বাধ্য করা যেতে পারে।
৭,০৪১.
সাক্ষ্য আইনের ১০১ ধারা থেকে ১১৪ ধারা পর্যন্ত কী সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. সাক্ষী হওয়ার যোগ্যতা
  2. প্রমাণের দায়ভার
  3. সাক্ষ্য গ্রহণের পদ্ধতি
  4. বিশেষ সাক্ষী সংক্রান্ত বিধান
সঠিক উত্তর:
প্রমাণের দায়ভার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রমাণের দায়ভার
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১০১ ধারা থেকে ১১৪ ধারা পর্যন্ত প্রমাণের দায়ভার বা প্রমাণের দায়িত্ব (Burden of proof) সম্পর্কে বলা হয়েছে।
 
⇒ প্রমাণের দায়ভার বা প্রমাণের দায়িত্ব (Burden of proof) -
দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলার ক্ষেত্রেই প্রমাণের দায়ভার বা প্রমাণের দায়িত্ব শব্দদ্বয় বিশেষ তাৎপর্য এবং পক্ষগণের আইনগত অধিকার বহন করে। সাধারণ অর্থে প্রমাণের দায়ভার অর্থ হলো প্রমাণ দাখিলের দায় বা দায়িত্ব। প্রমাণের দায়ভার অর্থ হলো মোকদ্দমার কোনো পক্ষ কর্তৃক আদালতের বিচার্য বিষয় সংশ্লিষ্ট তথ্য বা তথ্যাবলি প্রমাণ করার দায়িত্ব। সুতরাং প্রমাণের দায়ভার (Burden of proof) কথাটির অর্থ হল মামলার সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়াবলীর অস্তিত্ব সাক্ষ্যের দ্বারা আদালতের সন্তুষ্টি অনুযায়ী প্রমাণ করে মামলাকে প্রতিষ্ঠিত করার দায়িত্ব।
৭,০৪২.
দণ্ডবিধির ৪০৮ ধারার অধীন কোন ধরনের ব্যক্তি অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গের জন্য দণ্ডিত হতে পারে?
  1. যে কোনো ব্যক্তি
  2. ঋণদাতা
  3. কেরানী বা ভৃত্য
  4. আইনি পরামর্শক
সঠিক উত্তর:
কেরানী বা ভৃত্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেরানী বা ভৃত্য
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৪০৮ ধারা: কেরানী বা ভৃত্য দ্বারা অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ করা:
কোন ব্যক্তি যদি কেরানি বা ভৃত্য হয়ে অথবা কেরানি বা ভৃত্য হিসেবে নিয়োজিত হয়ে অনুরূপ পদে কোন সম্পত্তির জিম্মাদার বা উহা পরিচালনের ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি হিসেবে উহা সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।

Section 408- Criminal breach of trust by clerk or servant:
Whoever, being a clerk or servant or employed as a clerk or servant, and being in any manner entrusted in such capacity with property, or with any dominion over property, commits criminal breach of trust in respect of that property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
৭,০৪৩.
মালিক আজিজ তার একজন শ্রমিককে ঋণ শোধের অজুহাতে বছরের পর বছর বিনা মজুরিতে কাজ করাচ্ছে। শ্রমিক যেতে চাইলে তাকে ভয় দেখায়। উক্ত অপরাধের জন্য মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর অধীন সর্বোচ্চ কী দণ্ড প্রদান করা যাবে?
  1. ৫ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  2. ৭ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  3. ১০ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  4. ১২ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১২ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) ১২ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।

মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৯: জবরদস্তি বা দাসত্বমূলক শ্রম বা সেবা প্রদান করিতে বাধ্য করিবার দণ্ড:

কোন ব্যক্তি বেআইনিভাবে অন্য কোন ব্যক্তিকে তাহার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কাজ করাইলে অথবা শ্রম বা সেবা প্রদান করিতে বাধ্য করিলে বা ঋণ-দাস করিয়া রাখিলে বা বলপ্রয়োগ বা যে কোন প্রকার চাপ প্রয়োগ করিলে অথবা করিবার হুমকি প্রদর্শন করিয়া শ্রম বা সেবা আদায় করিলে তিনি অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ১২ (বার) বৎসর এবং অন্যূন ৫ (পাঁচ) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

৭,০৪৪.
The authority who have power to make the appointment shall also have power to ________ the person so appointed.
  1. exercise any power
  2. rebuke
  3. suspend or dismiss
  4. none of above
সঠিক উত্তর:
suspend or dismiss
উত্তর
সঠিক উত্তর:
suspend or dismiss
ব্যাখ্যা
• Section 16 of The General Clauses Act,1897: Power to appoint to include power to suspend or dismiss
Where, by any Act of Parliament or Regulation, a power to make any appointment is conferred, then unless a different intention appears, the authority having for the time being power to make the appointment shall also have power to suspend or dismiss any person appointed whether by itself of any other authority in exercise of that power.

ধারা ১৬: নিয়োগের ক্ষমতা সাময়িক বরখাস্ত বা বরখাস্তের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে-
আইনসভা কর্তৃক প্রণীত আইন বা প্রবিধান দ্বারা যদি কোন কর্তৃপক্ষকে নিয়োগের ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে, ভিন্নরূপ কোন উদ্দেশ্য প্রতীয়মান না হলে, অনুরূপ কর্তৃপক্ষের উল্লেখিত ক্ষমতা প্রয়োগের আওতায় নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত বা বরখাস্ত করার ক্ষমতা থাকবে।

• জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের ১৬ ধারার প্রয়োগ প্রসঙ্গে S. Pratap Singh v State of Punjab মামলায় ভারতীয় সুপ্রীম কোর্ট বলেন যে, একজন সরকারি কর্মচারীকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করার ক্ষমতা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের আছে। একই নীতি অনুসরণ করে R.P. Kapur v. Union of India মামলায় ঐ আদালত আবারও মন্তব্য করেন, কোন সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলা রুজু হলে ঐ কর্মচারীকে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ সাময়িকভাবে বরখাস্ত করার অধিকারী।

দেওয়ানী কার্যবিধির ৪০ আদেশের ১ নিয়ম মোতাবেক রিসিভার নিয়োগের ক্ষেত্রেও ১৬ ধারার বিধান প্রযোজ্য। ফলে রিসিভার নিয়োগাদেশ বাতিল করলে উহার বিরুদ্ধে ৪৩ আদেশ অনুযায়ী আপীল করা যায় না।
৭,০৪৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৬ক অনুসারে আসামির আত্মীয়কে কত সময়ের মধ্যে গ্রেফতারের তথ্য দিতে হবে?
  1. ৬ ঘণ্টা
  2. ১২ ঘণ্টা
  3. ২৪ ঘণ্টা
  4. ৪৮ ঘণ্টা
সঠিক উত্তর:
১২ ঘণ্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ ঘণ্টা
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৬ক অনুযায়ী, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির আত্মীয়, আত্মীয়স্বজন বা বন্ধুকে গ্রেফতারের তথ্য ১২ ঘণ্টার মধ্যে জানানোর নির্দেশনা রয়েছে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৬ক (ঘ) অনুসারে, যদি আসামিকে তার বাসস্থান ব্যতীত অন্য কোনো স্থান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়, তবে গ্রেপ্তারকারী পুলিশ কর্মকর্তাকে অবশ্যই গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির মনোনীত পরিবারের সদস্য, আত্মীয় বা বন্ধুকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব, তবে গ্রেপ্তারের সময় থেকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারের সময়, স্থান এবং হেফাজতের স্থান সম্পর্কে অবহিত করতে হবে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৬ক: গ্রেফতারের পদ্ধতি এবং গ্রেফতারকারী অফিসারের কর্তব্য:
গ্রেফতার করার সময়, পুলিশ অফিসার বা অন্য যে ব্যক্তি গ্রেফতার করে, তাকে নিম্নলিখিত কাজগুলো করতে হবে—
১. (ক) তার নাম স্পষ্ট, পরিচিতিযোগ্য এবং সহজে বোঝার মতোভাবে ধারণ করতে হবে, যাতে পরিচয় সহজ হয়।
২. (খ) নিজের পরিচয় প্রকাশ করতে হবে এবং চাহিদা হলে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে এবং গ্রেফতারের সময় উপস্থিত ব্যক্তিদের তার পরিচয়পত্র দেখাতে হবে।
৩. (গ) গ্রেফতারের একটি স্মারকলিপি তৈরি করতে হবে, যা—
(i) অন্তত একজন সাক্ষীর সাক্ষরিত থাকবে; ওই সাক্ষী গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্য অথবা সংশ্লিষ্ট এলাকার সম্মানিত নাগরিক হতে হবে। যদি এমন কেউ না থাকে, তবে তার কারণ স্মারকলিপিতে উল্লেখ করতে হবে।
(ii) গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির স্বাক্ষর বা অঙ্গুলিমুদ্রা থাকবে, যদি সে প্রত্যাখ্যান না করে।
৪. (ঘ) যদি গ্রেফতার স্থান তার বাসার বাইরে হয়, তবে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির পরিবার, আত্মীয় বা তার নিজ নির্বাচিত বন্ধুকে যত দ্রুত সম্ভব কিন্তু গ্রেফতারের ১২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতারের সময়, স্থান এবং হেফাজতের জায়গার খবর দিতে হবে।
৫. (ঙ) যদি গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়, তবে তাকে মেডিকেল অফিসার বা নিবন্ধিত চিকিৎসকের কাছে পরীক্ষা ও প্রাথমিক চিকিৎসা করাতে হবে, মেডিকেল সার্টিফিকেট সংগ্রহ করতে হবে এবং আঘাতের কারণ স্মারকলিপিতে উল্লেখ করতে হবে।
৬. (চ) গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি চাইলে, গ্রেফতারের ১২ ঘণ্টার মধ্যে নিজের পছন্দের আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শ করার অথবা পরিবারের কাছাকাছি কারো সাথে দেখা করার সুযোগ দিতে হবে।

৭,০৪৬.
Under Section 145E of The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 , whose decisions and orders are considered final?
  1. The Revenue Officer
  2. The Civil Court
  3. The High Court Division
  4. The Land Survey Tribunal
সঠিক উত্তর:
The Land Survey Tribunal
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Land Survey Tribunal
ব্যাখ্যা

The State Acquisition and Tenancy Act, 1950: Section 45E: Finality of Tribunals decisions and orders:
Subject to the decisions and orders of the Land Survey Appellate Tribunal, the decisions and orders of the Land Survey Tribunal shall be final.

[ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত ও আদেশের অধীনস্থ থেকে, ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত ও আদেশ চূড়ান্ত বলিয়া গণ্য হইবে।]

৭,০৪৭.
একতরফা ডিক্রির বিরূদ্ধে সরাসরি রদের আবেদন করার বিধান করা হয়েছে-
  1. বিচার ত্বরান্বিত ও বিলম্ব দূর করার জন্য
  2. বিবাদিকে বিশেষ সুযোগ দানের জন্য
  3. ক এবং খ
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
ব্যাখ্যা

• ৯ নং আদেশের ১৩ নং বিধিতে একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের বিধান রয়েছে, অন্যদিকে ১৩ক বিধিতে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের বিধান রয়েছে।

• আদেশ-৯, বিধি-১৩: 
একতরফা ডিক্রি রদ / বাতিল (Set aside ex parte decree)- 
দেওয়ানী কার্যবিধির ৯ নং আদেশের ১০ নং বিধি অনুযায়ী বিবাদী একতরফা ডিক্রির বিরূদ্ধে ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে একতরফা ডিক্রির সিদ্ধান্ত রদ বা বাতিল করার জন্য আবেদন করতে পারবে যদি প্রমাণিত হয় যে-
i) বিবাদীর প্রতি যথাযথ ভাবে সমন জারি হয়নি; 
ii) উপযুক্ত কারণে শুনানীর দিন বিবাদী আদালতে উপস্থিত হতে পারেনি।

• আদেশ-৯, বিধি-১৩কঃ
সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ/বাতিল ( Directly setting-aside exparte decree)- 
বিচার ত্বরান্বিত ও বিলম্ব দূর করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির ৯ নং আদেশের ১৩ক বিধি অনুযায়ী বিবাদী একতরফা ডিক্রির বিরূদ্ধে সরাসরি রদের আবেদন করতে পারবে। সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের জন্য বিবাদীকে নিম্নলিখিত ২টি শর্ত পূরণ করতে হবে-
i) ৩০ দিনের মধ্যে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের আবেদন করতে হবে; এবং
ii) অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদান করতে হবে।

অর্থাৎ বিধি-১৩ক সরাসরি বলে এটি "বিচার ত্বরান্বিত ও বিলম্ব দূর করার জন্য" (ক)। কিন্তু একইসাথে এটি বিবাদীকে সরাসরি রদের আবেদন করার একটি দ্রুত ও সহজ বিকল্প পথ দেয়, যা তাকে বিশেষ সুযোগ দেয় (খ)। ফলে, বিধানটির উদ্দেশ্য আসলে উভয়টি – বিচার দ্রুত করা এবং বিবাদীর জন্য বিশেষ পদ্ধতি তৈরি করা।

৭,০৪৮.
ধারা-১০৩ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি আদালতকে একটি বিষয় বিশ্বাস করাতে চায়, তখন তার কী করতে হবে?
  1. আইনজীবী নিয়োগ করতে হবে
  2. অন্য পক্ষের বক্তব্য শুনতে হবে
  3. আদালতে পিটিশন জমা দিতে হবে
  4. সেটি প্রমাণের দায়িত্ব বহন করতে হবে
সঠিক উত্তর:
সেটি প্রমাণের দায়িত্ব বহন করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেটি প্রমাণের দায়িত্ব বহন করতে হবে
ব্যাখ্যা
ধারা-১০৩- কোন নির্ধারিত বিষয় প্রমাণের দায়িত্ব:
কোন বিষয়ের অস্তিত্ব যে ব্যক্তি আদালতকে বিশ্বাস করাতে চায়, সে প্রসঙ্গের অস্তিত্বে প্রমাণ করার দায়িত্ব সে ব্যক্তির উপর ন্যস্ত, যদি না কোন আইন অনুসারে সে বিষয় প্রমাণের দায়িত্ব কোন ব্যক্তিবিশেষের উপর আরোপিত হয়ে থাকে।

উদাহরণ:
⇒ 'খ'-কে 'ক' চুরির দায়ে ফৌজদারীতে সোপর্দ করে। আদালতকে 'ক' বিশ্বাস করাতে চায় যে, 'গ'-এর নিকট 'খ' চুরির কথা স্বীকার করেছে। অবশ্যই স্বীকৃতি 'ক'-কে প্রমাণ করতে হবে।
⇒ আদালতকে 'খ' বিশ্বাস করাতে চায় যে, সংশ্লিষ্ট সময়কালে সে অন্যত্র ছিল। অবশ্যই এটা তাকে প্রমাণ করতে হবে।
৭,০৪৯.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ অনুসারে ধারা ১৫৪ কী বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. আদালতের সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষমতা
  2. নিজের সাক্ষীকে জেরা করার অনুমতি
  3. প্রতিপক্ষের সাক্ষী প্রত্যাহার
  4. সত্য গোপন করা সাক্ষীদের শাস্তি দেওয়া
সঠিক উত্তর:
নিজের সাক্ষীকে জেরা করার অনুমতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিজের সাক্ষীকে জেরা করার অনুমতি
ব্যাখ্যা
⇒ সঠিক উত্তর: গ) নিজের সাক্ষীকে জেরা করার অনুমতি। 
⇒ সাধারণত একজন পক্ষ তার নিজের সাক্ষীকে বন্ধুত্বপূর্ণ সাক্ষী ধরে নেয় এবং তাকে জেরা (cross-examination) করা যায় না।
তবে ধারা ১৫৪ অনুযায়ী যদি আদালত মনে করে যে, সাক্ষীটি পক্ষদ্বারাই ডাকা হলেও সে বৈরী (hostile) হয়ে গেছে বা সত্য গোপন করছে,  তাহলে আদালত নিজের বিবেচনায় (in its discretion) সেই পক্ষকে জেরার মতো প্রশ্ন করার অনুমতি দিতে পারে,  যা সাধারণত প্রতিপক্ষই করে থাকে।

⇒সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৫৪ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিধান, যা Hostile Witness বা বৈরী সাক্ষী সম্পর্কিত। সাধারণত একটি পক্ষ তার নিজের সাক্ষীকে জেরা করতে পারে না, কারণ সাক্ষীকে সেই পক্ষই আনে এবং ধরে নেওয়া হয়, সে তার পক্ষে কথা বলবে।
কিন্তু ধারা ১৫৪ অনুযায়ী, যদি কোনো সাক্ষী নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে বা বিরুদ্ধ পক্ষের পক্ষে সাক্ষ্য দেয়, তাহলে আদালতের অনুমতি নিয়ে সেই পক্ষ নিজ সাক্ষীকে জেরা করতে পারে — যেভাবে একটি পক্ষ সাধারণত প্রতিপক্ষের সাক্ষীকে করে।
এ ধরনের সাক্ষীকে বলে "বৈরী সাক্ষী" বা "Hostile Witness"। আদালতের বিচার বিবেচনায় অনুমতি দেওয়া হয় (discretionary)।

উদাহরণ:
আসামী তার পক্ষে যে সাক্ষীকে এনেছে, সে যদি হঠাৎ বিপরীত কথা বলতে শুরু করে, তাহলে আদালত আসামীকে তার নিজের সাক্ষীকে জেরা করতে দিতে পারে।

⇒ The Evidence Act, 1872, Section 154. Question by party to his own witness:
 The Court may, in its discretion, permit the person who calls a witness to put any questions to him which might be put in cross-examination by the adverse party.
৭,০৫০.
‘রহিম করিমকে খুন করার জন্য অভিযুক্ত'- রহিমের বিরূদ্ধে করিমকে খুনের বিচারে নিচের কোনটি প্রাসঙ্গিক?
  1. ঘটনাস্থলে রক্তরঞ্জিত ছুরি
  2. ঘটনাস্থলে ধস্তাধস্তির চিহ্ন
  3. ঘটনাস্থলে রক্তের দাগ
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦ প্রাসঙ্গিক বিষয় (Relevant Facts) - যে ঘটনাটি অন্য কোন ঘটনার অস্তিত্ব ও অস্তিত্বহীনতা প্রমাণ করে, তাই প্রাসঙ্গিক ঘটনা বা Relevant Fact। কোন বিষয়কে প্রাসঙ্গিক হতে হলে উক্ত ঘটনাকে কোন না কোন দিক হতে বিচার্য বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট হতে হবে। সাক্ষ্য আইনের ৫ থেকে ৫৫ ধারায় বিষয়ের প্রাসঙ্গিকতা (Relevance of Facts) নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
♦যেমন- সাক্ষ্য আইনের ৬ ধারায় বলা হয়েছে যে, যে সকল বিষয় বিচার্য বিষয় নয় কিন্তু তা যদি কোন বিচার্য বিষয়ের সাথে এরূপভাবে সংশ্লিষ্ট হয় যে, তা একই কার্যের অংশ রূপে গণ্য হতে পারে, তবে উক্ত বিষয় বা ঘটনা দুটি একই সময়ে এবং একই স্থানে সংঘটিত না হয়ে ভিন্ন সময় ও ভিন্ন স্থানে সংঘটিত হলেও প্রাসঙ্গিক হবে।

♦উদাহরণস্বরূপ, খ-কে প্রহার করে হত্যা করার অপরাধে 'ক' অভিযুক্ত হয়েছে। প্রহারের সময় বা প্রহারের পূর্বে-পরে অথবা ঘটনাস্থলে উপস্থিত ব্যক্তিরা যাই করে থাকুক বা বলে থাকুক, সেগুলি যদি উক্ত প্রহারের ঘটনার সাথে একই ঘটনার অংশরূপে বিবেচনা করা যায়, তবে সেগুলি প্রাসঙ্গিক বিষয়।

♦ রহিমের বিরূদ্ধে করিমকে খুনের বিচারে- ঘটনাস্থলে রক্তরঞ্জিত ছুরি, ঘটনাস্থলে ধস্তাধস্তির চিহ্ন, ঘটনাস্থলে রক্তের দাগ সব প্রাসঙ্গিক।
৭,০৫১.
কোন ধরনের মৌখিক সাক্ষ্য সাধারণতঃ গ্রহণযোগ্য নয়?
  1. প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য,
  2. মৃত্যুকালীন ঘোষণা (Dying declaration)
  3. জনশ্রুত সাক্ষ্য,
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
জনশ্রুত সাক্ষ্য,
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনশ্রুত সাক্ষ্য,
ব্যাখ্যা
⇒ পরোক্ষ বা জনশ্রুত সাক্ষ্য (indirect/hearsay evidence)- পরোক্ষ বা জনশ্রুত সাক্ষ্য হলো তাই যা আদালতে উপস্থিত। সাক্ষী পূর্বে অন্য সাক্ষীর নিকট থেকে শোনাক্রমে প্রদান করে। অর্থাৎ নিজে না দেখে অন্যের কাছ থেকে শুনে যে সাক্ষ্য দেয়া হয়। তাকে পরোক্ষ বা জনশ্রুত সাক্ষ্য বা hearsay evidence বলে।

⇒ যেমন- যদি 'খ', 'ক'- কে একটি অপরাধ করতে দেখে তাহলে নিয়ম হলো, 'খ'-নিজে ৬০ ধারার অধীনে আদালতে এসে এ বিষয়ে সাক্ষ্য দেবে। কিন্তু 'খ' না এসে 'গ' এসে বলে যে, সে শুনেছে যে 'খ' 'ক'- কে অপরাধ করতে দেখেছে তাহলে এটি জনশ্রুত সাক্ষ বল্যে গণ্য হবে, যা গ্রহনযোগ্য নয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারার বিধান মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবেঃ মৌখিক সাক্ষ্য সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবে,
অর্থাৎ সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি দেখা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে, সে উহা দেখিয়াছে তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।

⇒ সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি শোনা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে সে উহা শুনিয়াছে, তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।

⇒ জনশ্রুত সাক্ষ্য (hearsay evidence) ধরনের মৌখিক সাক্ষ্য সাধারণতঃ গ্রহণযোগ্য নয়।
----------------
⇒ Oral evidence must be direct.
Section 60. Oral evidence must, in all cases whatever, be direct; that is to say- 
if it refers to a fact which could be seen, it must be the evidence of a witness who says he saw it; 
if it refers to a fact which could be heard, it must be the evidence of a witness who says he heard it;
৭,০৫২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৭ ধারায় কোন ধরনের ব্যক্তিদের নিয়ে বিধান রয়েছে?
  1. যাদের অনুকূলে চুক্তি সম্পাদন করা যায়
  2. যাদের বিরুদ্ধে চুক্তি সম্পাদন করা যায় না
  3. যাদের বিরুদ্ধে চুক্তি সম্পাদন করা যায়
  4. যাদের অনুকূলে চুক্তি সম্পাদন করা যায় না
সঠিক উত্তর:
যাদের বিরুদ্ধে চুক্তি সম্পাদন করা যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাদের বিরুদ্ধে চুক্তি সম্পাদন করা যায়
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৭ ধারা- যাদের বিরুদ্ধে চুক্তি সম্পাদন করা যায় সে সম্পর্কে বলা হয়েছে।

• এই ধারার বিধান অনুযায়ী- যদি এই অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধিবদ্ধ না থাকে, চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন কার্যকরী করা যেতে পারেঃ

(ক) যেকোন পক্ষের বিরুদ্ধে;
 
(খ) চুক্তির পরবর্তী সময়ে উদ্ভূত স্বত্ব দ্বারা তার অধীনে দাবিরত যেকোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে, যদি না সে মূল্যের বিনিময়ে এমন একজন হস্তান্তরগ্রহীতা হয়, যে সরল বিশ্বাসে মূল চুক্তি সম্পর্কে অনবহিত থেকে তার অর্থ প্রদান করেছে;
 
(গ) এমন স্বত্বের অধীন দাবিদার ব্যক্তির বিরুদ্ধে, যা যদিও চুক্তির পূর্ববর্তী ছিল এবং বাদীর জানা ছিল, তবুও তা প্রতিবাদী স্থানচ্যুত করে থাকবে;
 
(ঘ) যখন পাবলিক কোম্পানি চুক্তিবদ্ধ হয় এবং তার পর পরই তা অন্য পাবলিক কোম্পানির সথে একত্রিত হয়, তখন একত্রিত হওয়ার ফলে উদ্ভূত নূতন কোম্পানির বিরুদ্ধে;
 
(ঙ) যখন পাবলিক কোম্পানির উদ্যোক্তা ব্যক্তিরা, কোম্পানি গঠিত হওয়ার পূর্বেই চুক্তি করে, তখন কোম্পানির বিরুদ্ধে; যদি কোম্পানি চুক্তি অনুমোদন ও গ্রহণ করিয়া থাকে এবং কোম্পানি গঠনের শর্ত দ্বারা চুক্তি সমর্থিত হয়ে থাকে।

অন্যদিকে, 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৩ ধারা- যাদের অনুকূলে চুক্তি সম্পাদন করা যায় সে সম্পর্কে বলা হয়েছে,
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৪ ধারা- যাদের অনুকূলে চুক্তি সম্পাদন করা যায় না সে সম্পর্কে বলা হয়েছে,
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৮ ধারা- যাদের বিরুদ্ধে চুক্তি সম্পাদন করা যায় না সে সম্পর্কে বলা হয়েছে।
 
Section 27 of The Specific Relief Act- Relief against parties and persons claiming under them by subsequent title-

Except as otherwise provided by this Chapter, specific performance of a contract may be enforced against- 
(a) either party thereto; 

(b) any other person claiming under him by a title arising subsequently to the contract, except a transferee for value who has paid his money in good faith and without notice of the original contract;

(c) any person claiming under a title which, though prior to the contract and known to the plaintiff, might have been displaced by the defendant; 

(d) when a public company has entered into a contract and subsequently becomes amalgamated with another public company, the new company which arises out of the amalgamation; 

(e) when the promoters of a public company have, before its incorporation, entered into a contract, the company: provided that the company has ratified and adopted the contract and the contract is warranted by the terms of the incorporation. 
৭,০৫৩.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে নিচের কোনটি নালিশ (Complaint) বলে গণ্য হবে না?
  1. অপরাধ সম্পর্কে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিক অভিযোগ।
  2. অপরাধ সম্পর্কে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট লিখিত অভিযোগ।
  3. অপরাধ সম্পর্কে পুলিশ অফিসারের নিকট মৌখিক অথবা লিখিত অভিযোগ।
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
অপরাধ সম্পর্কে পুলিশ অফিসারের নিকট মৌখিক অথবা লিখিত অভিযোগ।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধ সম্পর্কে পুলিশ অফিসারের নিকট মৌখিক অথবা লিখিত অভিযোগ।
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা-৪(জ): নালিশ (Complaint)- "নালিশ" বলতে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিক অথবা লিখিতভাবে এই মর্মে অভিযোগ করা যে, জ্ঞাত অথবা অজ্ঞাত কোন ব্যক্তি একটি অপরাধ করেছে।
-অর্থাৎ অপরাধ সম্পর্কে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট লিখিত বা মৌখিক অভিযোগ নালিশ (Complaint) বলে গণ্য হবে। কিন্ত অপরাধ সম্পর্কে পুলিশ অফিসারের নিকট মৌখিক অথবা লিখিত অভিযোগ নালিশ (Complaint) বলে গণ্য হবে না।
- পুলিশ অফিসারের রিপোর্ট নালিশ বলে গণ্য হবে না।
---------------------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-4(h) "complaint" means the allegation made orally or in writing to a Magistrate, with a view to his taking action under this Code, that some person whether known or unknown, has committed an offence, but it does not include the report of a police-officer:
৭,০৫৪.
দেওয়ানি প্রকৃতির মোকদ্দমা অর্থ এমন মোকদ্দমা যেখানে ___________সংশ্লিষ্ট স্বার্থ জড়িত থাকে।
  1. সম্পত্তি বা অফিস
  2. সম্পত্তি ও অফিস
  3. শুধু সম্পত্তি
  4. শুধু অফিস
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি বা অফিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি বা অফিস
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৯ ধারার ব্যাখ্যাতে বলা আছেঃ  যে মোকদ্দমায় সম্পত্তি বা পদের অধিকার সম্পর্কে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় সে মোকদ্দমা দেওয়ানি প্রকৃতির, যদিও উচ্চ অধিকার সম্পূর্ণরূপে ধর্মীয় আচার বা উৎসব সম্পর্কিত প্রশ্নের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করতে পারে।

♦ দেওয়ানি আদালতের সকল দেওয়ানি প্রকৃতির মোকদ্দমা বিচার করার এখতিয়ার আছে, মোকদ্দম প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে বিচারার্থে গ্রহণ বারিত করা হয়েছে সে সকল মোকদ্দমা বিচার করার এখতিয়ার দেওয়ানি আদালতের নেই।

♦ যে বিষয়সমূহকে দেওয়ানি প্রকৃতির মনে করা হয়-
১) সম্পত্তির অধিকার (right to property) বা
২) পদের অধিকার (right to office)
৭,০৫৫.
The Code of Criminal Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 দ্বারা ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ তে নতুন কোন ধারা যুক্ত করা হয়েছে?
  1. ধারা ১৭১ক
  2. ধারা ১৭২ক
  3. ধারা ১৭৩ক
  4. ধারা ১৭৪ক
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৭৩ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৭৩ক
ব্যাখ্যা
‘ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮’ সংশোধন করে ১০ জুলাই, ২০২৫ নতুন অধ্যাদেশ “The Code of Criminal Procedure (Amendment) Ordinance, 2025” জারি করা হয়। সংশোধিত আইনে যুক্ত হয়েছে ধারা ১৭৩ক।

ধারা ১৭৩ক: 
১. অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন: অন্তর্বর্তীকালীন প্রতিবেদন তলব: এখন থেকে মামলার তদন্ত চলাকালে যেকোনো পর্যায়ে পুলিশ কমিশনার, জেলার পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট বা সমমর্যাদার কোনো ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তদন্তকারী কর্মকর্তাকে (Investigating Officer) মামলার অগ্রগতির বিষয়ে একটি অন্তর্বর্তীকালীন তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ দিতে পারবেন।

২. আগাম অব্যাহতির সুযোগ: অন্তর্বর্তীকালীন প্রতিবেদনে যদি কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশে সেই প্রতিবেদন আদালতে (ম্যাজিস্ট্রেট বা ট্রাইব্যুনাল) দাখিল করা যাবে। আদালত ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সন্তুষ্ট হলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে মামলা থেকে অব্যাহতি (Discharge) দিতে পারবেন। এর ফলে চূড়ান্ত প্রতিবেদনের জন্য অপেক্ষা না করেই নিরপরাধ ব্যক্তিরা হয়রানি থেকে মুক্তি পাবেন। তবে, অন্য আসামিদের বিরুদ্ধে তদন্ত অব্যাহত থাকবে।

৩. পুনরায় অভিযুক্ত করা যাবে: অন্তর্বর্তীকালীন প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কোনো ব্যক্তি অব্যাহতি পেলেও সেটি চূড়ান্ত নয়। যদি তদন্ত শেষে সেই ব্যক্তির বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত ও বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে চূড়ান্ত পুলিশ প্রতিবেদনে (ধারা ১৭৩ অনুযায়ী) তার নাম পুনরায় অন্তর্ভুক্ত করতে কোনো বাধা থাকবে না।
৭,০৫৬.
ফৌজদারি সমন সম্পর্কিত কোন বিধানটি সঠিক নয়?
  1. লিখিত আকারে হবে
  2. আদালতের বিচারক কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে
  3. এক কপিতে জারি করতে হবে
  4. পুলিশ কর্মকর্তা সমন জারি করতে পারবেন
সঠিক উত্তর:
এক কপিতে জারি করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক কপিতে জারি করতে হবে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৮ ধারা- সমনের ফরম:
(১) কোন আদালত কর্তৃক এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে প্রদত্ত প্রত্যেকটি সমন লিখিতভাবে ও দুই কপিতে দিতে হবে এবং উক্ত আদালতের বিচারক বা সুপ্রীম কোর্ট কর্তৃক সময়ে সময়ে প্রণীত বিধি কর্তৃক নির্দেশিত অন্য কোন অফিসার দ্বারা স্বাক্ষরিত ও সীলমোহরকৃত হবে।
(২) সমন জারিকারক: এরূপ সমন কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক অথবা এতদ্দুদ্দেশ্যে সরকার দ্বারা প্রণীত বিধি সাপেক্ষে সমন প্রদানকারী আদালতের কোন অফিসার কর্তৃক অথবা কোন সরকারী কর্মচারী কর্তৃক জারী হবে।

⇒ ৬৮ ধারায় সমনের ফরম সম্পর্কে নিম্নলিখিত বিধানগুলো রয়েছে-
(1) সমন লিখিত আকারে ও দুই কপিতে জারি করতে হবে। সমনটি আদালতের বিচারক বা সুপ্রীম কোর্ট কর্তৃক নির্দিষ্ট অন্য কোনও কর্মকর্তা কর্তৃক স্বাক্ষরিত ও সীলমোহরযুক্ত হতে হবে।
(2) সমন জারি করতে পারবেন -
(ক) কোনো পুলিশ কর্মকর্তা;
(খ) সমন প্রদানকারী আদালতের যে কোনও কর্মকর্তা (সরকার কর্তৃক প্রণীত বিধি সাপেক্ষে);
(গ) কোনো সরকারি কর্মচারী (সরকার কর্তৃক প্রণীত বিধি সাপেক্ষে)।
৭,০৫৭.
ভুল বাদীর নামে মোকদ্দমা বা ভুল ব্যক্তিকে পক্ষভুক্ত করা হলে, আদালত মোকদ্দমার যেকোন পর্যায়ে কি আদেশ দিতে পারে?
  1. মোকদ্দমা খারিজ হবে
  2. স্থলাভিষিক্ত বা সংযোজিত
  3. কর্তন বা বাদ দিতে পারে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
• পক্ষসমূহের অসংযোগ বা অপসংযোগ (Non-Joinder and Mis-Joinder of Parties)-
মোকদ্দমার প্রয়োজনীয় পক্ষদের পক্ষভুক্ত না করাকে পক্ষাভাব বা Non-Joinder of parties বলে। অন্যদিকে কোন ব্যক্তিকে মোকদ্দমায় পক্ষভুক্ত করলে তাকে অপসংযোগ বা Mis-Joinder of Parties বলে। পক্ষসমূহের অপসংযোগ বা অসংযোগ সংক্রান্ত যে কোন আপত্তি প্রাপ্ত সম্ভাব্য সুযোগে (at earliest possible opportunity) অথবা বিচার্য বিষয় নির্ধারনের সময় অথবা পূর্বে উত্থাপন করতে হবে।

দেওয়ানী কার্যবিধির ১নং আদেশের ১০(১) নং বিধিমতে,
বাদীর নাম ভুল হলে আদালত অন্য কোন ব্যক্তিকে বাদী হিসেবে স্থলাভিষিক্ত বা সংযোজিত (Add/Substitute) করতে পারে।

১০(২) নং বিধিমতে,
ভুল ব্যক্তির(বাদী বা বিবাদী) নামে মোকদ্দমা হলে বা ভুল ব্যক্তিকে পক্ষভুক্ত করা হলে, আদালত তাকে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে কর্তন (strike out) বা বাদ দিতে পারে।

অপসংযোগ বা অসংযুক্তের কারণে কোন মোকদ্দমা অচল হবে না অর্থাৎ মামলাটি ব্যর্থ হবে না। তবে কোন মোকদ্দমায় ভ্রান্তভাবে পক্ষভুক্ত করার বিষয়ে কোন আপত্তি উঠানোর পরও, বাদী প্রয়োজনীয় পক্ষভুক্ত না করলে মোকদ্দমাটি খারিজ হবে।
৭,০৫৮.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৪৫ক অনুযায়ী, বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন কাকে সরবরাহ করা আবশ্যক?
  1. শুধুমাত্র বাদীপক্ষকে
  2. শুধুমাত্র পুলিশকে
  3. শুধুমাত্র বিবাদীপক্ষকে
  4. মামলার সকল পক্ষকে
সঠিক উত্তর:
মামলার সকল পক্ষকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার সকল পক্ষকে
ব্যাখ্যা
→ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৪৫ক অনুযায়ী, বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন (Expert's Report) মামলার সকল পক্ষকে সরবরাহ করা আবশ্যক। এই ধারার উদ্দেশ্য হলো মামলার সকল পক্ষকে বিশেষজ্ঞের মতামত ও প্রতিবেদন সম্পর্কে জানানো, যাতে তারা প্রতিবেদনের বিষয়বস্তু পর্যালোচনা করতে পারে এবং প্রয়োজন হলে আদালতের কাছে প্রশ্ন বা আপত্তি উত্থাপন করতে পারে।

- বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন আদালতের কাছে জমা দেওয়ার পাশাপাশি মামলার সকল পক্ষকে সরবরাহ করা আবশ্যক।
- এই বিধানের উদ্দেশ্য হলো মামলার সকল পক্ষকে বিশেষজ্ঞের মতামত ও প্রতিবেদন সম্পর্কে জানানো এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা।
- বিশেষজ্ঞের মূল দায়িত্ব হলো আদালতকে সাহায্য করা, এবং তার প্রতিবেদন নিরপেক্ষ ও সত্যনিষ্ঠ হতে হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারার বিধান শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত:
(১) আদালতের অনুমতি ব্যতীত একজন সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না যদি না তার রিপোর্টের একটি অনুলিপি, উপ-ধারা (২) অনুসারে সমস্ত পক্ষকে দেওয়া না হয়।
(২) একজন বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন আদালতের কাছে পাঠানো হবে এবং সেই পক্ষের কাছে নয় যার পক্ষে তাকে পরীক্ষা করা হয়েছে এবং আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।
---------------
⇒ The Evidence Act, 1872- Section 45A: Opinion of experts on physical or forensic evidence.-
(1) Except by leave of the Court a witness shall not testify as an expert on physical or forensic unless a copy of his report has, pursuant to sub-section (2), been given to all the parties.
(2) An expert’s report shall be addressed to the Court and not to the party on whose behalf he is examined and he shall owe a duty to help the Court.
৭,০৫৯.
'M' তার ২ পুত্র 'A' ও 'B' এবং স্ত্রী 'K' কে রেখে মারা যায়। দায়ভাগ মতবাদ অনুযায়ী, 'K' সম্পত্তির কত অংশ পাবেন?
  1. ১/২ অংশ
  2. ১/৩ অংশ
  3. ১/৪ অংশ
  4. পুত্রদের দ্বারা বঞ্চিত হবেন
সঠিক উত্তর:
১/৩ অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১/৩ অংশ
ব্যাখ্যা
⇒ এখানে 'M' সম্পত্তি মোট তিন অংশে বিভক্ত হবে। দায়ভাগ মতবাদ অনুযায়ী, স্ত্রী এক পুত্রের সমান অংশ পাবে।

সম্পত্তির বণ্টন:
- পুত্র (A) পাবে ১/৩ অংশ।
- পুত্র (B) পাবে ১/৩ অংশ।
- স্ত্রী (K) পাবে ১/৩ অংশ।
৭,০৬০.
সাক্ষ্য আইনের ৭ ধারায় কোনটি প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে?
  1. বিচার্য বিষয়ের উপলক্ষ্য (occasion)
  2. বিচার্য বিষয়ের কারণ (cause)
  3. বিচার্য বিষয়ের পরিণাম (effect)
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭ ধারার বিধান: বিচার্য ঘটনার উপলক্ষ্য, কারণ বা পরিণাম (Facts which are the occasion cause or effect of facts in issue)-
⇒ যে সকল ঘটনা বিচার্য বিষয়ের উপলক্ষ্য (occasion), কারণ (cause) বা পরিণাম (effect); সে সকল ঘটনাকে সাক্ষ্য আইনের ৭ ধারায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে। এছাড়া যে অবস্থার প্রেক্ষাপটে কোন বিষয় ঘটেছে সেই অবস্থা গঠন করে এমন বিষয় বা কোন কার্য ঘটতে যে বিষয় সুযোগ করে দিয়েছে, সেই সকল বিষয়ও সাক্ষ্য আইনের ৭ ধারায় প্রাসঙ্গিক।

যেমন- রহিম করিমকে খুন করার জন্য অভিযুক্ত। ঘটনাস্থলে ধস্তাধস্তির চিহ্ন প্রাসঙ্গিক ঘটনা। কারণ তা বিবেচ্য ঘটনার ফল বুঝাচ্ছে।
-----------------
⇒Section 7: Facts which are the occasion cause or effect of facts in issue:
- Facts which are the occasions, cause or effect, immediate or otherwise, of relevant facts, or facts in issue, or which constitute the state of things under which they happened, or which afforded an opportunity for their occurrence or transaction, are relevant.
৭,০৬১.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী নিম্নের কোন বিধানটি সঠিক?
  1. সকল নির্বাহী কার্য প্রধানমন্ত্রীর নামে গৃহীত হবে
  2. প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রী প্রয়োগ করবে
  3. মন্ত্রিসভা গৃহীত সকল সিদ্ধান্তের জন্য যৌথভাবে জনগণের কাছে দায়ী হবে
  4. সবগুলো সঠিক
সঠিক উত্তর:
প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রী প্রয়োগ করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রী প্রয়োগ করবে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের মন্ত্রিসভা [Cabinet]

সংবিধানের ৫৫(১) অনুচ্ছেদে বাংলাদেশের মন্ত্রিসভার গঠন সম্পর্কে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকবে এবং প্রধানমন্ত্রী ও সময়ে সময়ে তিনি যেরুপ স্থির করবে, সেইরুপ অন্যান্য মন্ত্রী নিয়ে এই মন্ত্রিসভা গঠিত হবে। মন্ত্রিসভা হলো নির্বাহী সরকারের নীতি এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের চূড়ান্ত সংস্থা এবং প্রধানমন্ত্রী হলো এর প্রধান। মন্ত্রিসভা নীতি সংক্রান্ত অধিকাংশ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এবং মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত সকল মন্ত্রীর উপর বাধ্য থাকবে।

নির্বাহী ক্ষমতার প্রয়োগ: 

৫৫(২) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক বা তার কর্তৃত্বে এই সংবিধান-অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা [Executive Power] প্রযুক্ত হবে। সংসদীয় গণতন্ত্রে প্রজাতন্ত্রের সকল নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি মন্ত্রিসভা এবং উক্ত মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট তাদের যৌথ কার্যাবলীর জন্য দায়বদ্ধ থাকবে।
সরকারের সকল নির্বাহী ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি মন্ত্রিসভা কর্তৃক প্রয়োগ করা হলেও, সরকারের সকল নির্বাহী ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতির নামে গৃহীত হয়েছে বলে প্রকাশ করা হবে। অর্থাৎ প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতার প্রয়োগ করবে প্রধানমন্ত্রী কিন্তু রাষ্ট্রের সকল কার্য রাষ্ট্রপতির নামে গৃহীত হবে।

মন্ত্রীদের যৌথ দায় [Collective Responsibility]

মন্ত্রীদের যৌথ দায় কথাটির মানে হলো মন্ত্রিসভার সকল সিদ্ধান্ত মন্ত্রিদের যৌথ সিদ্ধান্ত এবং সকল মন্ত্রী এই সিদ্ধান্তের কারণে সংসদের নিকট যৌথভাবে দায়ী হবে। মন্ত্রিসভার ভিতরে সকল মন্ত্রী কোন বিষয়ে তাদের নিজস্ব মতামত প্রকাশ করতে পারে কিন্তু উক্ত বিষয়ে একবার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হলে প্রত্যেক মন্ত্রী মন্ত্রিসভার ভিতরে এবং বাইরে উক্ত বিষয় সমর্থন করবে। যদি কোন মন্ত্রী মনে করে যে, যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে তা প্রকৃত অর্থে ভুল এবং তিনি এটা সমর্থন করে না তাহলে তার একমাত্র উপায় হলো মন্ত্রী থেকে পদত্যাগ করা।

এছাড়া, যৌথ দায়ের পাশাপাশি সংসদের নিকট প্রত্যেক মন্ত্রীর ব্যক্তিগত দায় আছে। প্রত্যেক মন্ত্রী তার মন্ত্রণালয়ের যে কোন কাজের জন্য বা কার্য হতে বিরত থাকার কারণে সংসদের নিকট ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকবে। 


অনুচ্ছেদ ৫৫: মন্ত্রিসভা


(১) প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকিবে এবং প্রধানমন্ত্রী ও সময়ে সময়ে তিনি যেরূপ স্থির করিবেন, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী লইয়া এই মন্ত্রিসভা গঠিত হইবে। 
(২) প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক বা তাঁহার কর্তত্বে এই সংবিধান-অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হইবে। 
(৩) মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকিবেন। 
(৪) সরকারের সকল নির্বাহী ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতির নামে গৃহীত হইয়াছে বলিয়া প্রকাশ করা হইবে। 
(৫) রাষ্ট্রপতির নামে প্রণীত আদেশসমূহ ও অন্যান্য চুক্তিপত্র কিরূপে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত হইবে, রাষ্ট্রপতি তাহা বিধিসমূহ-দ্বারা নির্ধারণ করিবেন এবং অনুরূপভাবে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত কোন আদেশ বা চুক্তিপত্র যথাযথভাবে প্রণীত বা সম্পাদিত হয় নাই বলিয়া তাহার বৈধতা সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না। 
(৬) রাষ্ট্রপতি সরকারী কার্যাবলী বন্টন ও পরিচালনার জন্য বিধিসমূহ প্রণয়ন করিবেন।

Article 55: The Cabinet

(1) There shall be a Cabinet for Bangladesh having the Prime Minister at its head and comprising also such other Ministers as the Prime Minister may from time to time designate. 
(2) The executive power of the Republic shall, in accordance with this Constitution, be exercised by or on the authority of the Prime Minister. 
(3) The Cabinet shall be collectively responsible to Parliament. 
(4) All executive actions of the Government shall be expressed to be taken in the name of the President. 
(5) The President shall by rules specify the manner in which orders and other instruments made in his name shall be attested or authenticated, and the validity of any order or instrument so attested or authenticated shall not be questioned in any court on the ground that it was not duly made or executed. 
(6) The President shall make rules for the allocation and transaction of the business of the Government.
৭,০৬২.
The General Clauses Act,1897 এর কত ধারায় "স্থাবর সম্পত্তি" এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৩(২৫)
  2. ধারা ৩(২৭)
  3. ধারা ৩(২৪)
  4. ধারা ৩(২৮)
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩(২৫)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩(২৫)
ব্যাখ্যা
Section 3(25)
"Immoveable property" shall include land, benefits to arise out of land, and things attached to the earth, or permanently fasteried to anything attached to the earth:

ধারা ৩(২৫)
"স্থাবর সম্পত্তি" বলিতে ভূমি, ভূমি হইতে আহরিত সুবিধা, এবং ভূমির সহিত সংযুক্ত কোন বস্তু, অথবা ভূমির সহিত সংযুক্ত কোন কিছুর সহিত স্থায়ীভাবে আবদ্ধ কোন বস্তুকে অন্তর্ভূক্ত করিবে।
৭,০৬৩.
Good faith within the meaning of the Penal Code means-
  1. An actual belief that the act done is not contrary to law.
  2. An act done with due care and attention.
  3. An act in fact, done honestly.
  4. An act done under bonafide belief.
সঠিক উত্তর:
An act done with due care and attention.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
An act done with due care and attention.
ব্যাখ্যা
♦ “Good faith” Section 52. Nothing is said to be done or believed in "good faith" which is done or believed without due care and attention.

♦ দণ্ডবিধির ৫২ ধারায় সদবিশ্বাসের সংজ্ঞা রয়েছে- যথাযথ সতর্কতা ও মনোযোগ ব্যতিরেকে সম্পাদিত বা বিশ্বাসকৃত কোন কিছুই 'সদবিশ্বাসে' করা হয়েছে বা বিশ্বাস করা হয়েছে বলে গণ্য হবে না।

 ♦  এছাড়া তামাদি আইনের ২(৭) ধারায় সদ্ধিশ্বাস বা Good faith এর বিধান রয়েছে।
৭,০৬৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন ধারায় বিদেশি রায় গ্রহণের অনুমান সম্পর্কিত বিধান আছে?
  1. ১৩ ধারায়
  2. ১৪ ধারায়
  3. ১৫ ধারায়
  4. ১৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৪ ধারায় বলা হয়েছে যে, বিদেশি রায় সম্পর্কে অনুমান বিদেশি আদালতের রায়ের সত্যায়িত নকল নথির সাথে পেশ করা হলে বিপরীত কোন প্রমাণ পাওয়া না গেলে তা এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত প্রদান করেছে বলে অনুমিত হবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৪ -বিদেশী রায় সম্পর্কে অনুমান:
- বিদেশী রায়ের সত্যায়িত নকল বলে কথিত কোন দলিল আদালতে পেশ করা হলে এবং বিপরীত কোন প্রমাণ না পাওয়া গেলে আদালত ধরে নিবেন যে, রায়টি উপযুক্ত এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতই প্রদান করেছেন কিন্তু উক্ত আদালতের এ ব্যাপারে এখতিয়ার ছিল না বলে প্রমাণিত হলে ঐ রূপ অনুমান উঠায়ে নেয়া হবে।
--------------
→ The Code of Civil Procedure, 1908 Section-14. Presumption as to foreign judgments:
- The Court shall presume, upon the production of any document purporting to be a certified copy of a foreign judgment, that such judgment was pronounced by a Court of competent jurisdiction, unless the contrary appears on the record; but such presumption may be displaced by proving want of jurisdiction.
৭,০৬৫.
কোন আসামীকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার জন্য মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ার পরও উক্ত আসামী খালাস পেলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি কি হবে?
  1. কোন শাস্তি হবে না
  2. শুধু অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে
  3. অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির  ১৯৪ ধারা মতে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবনের ২ ধরনের শাস্তি হতে পারে। যথা-

(i) কোন আসামীকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার জন্য মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ার পরও অথবা মিথ্যা সাক্ষ্য সৃষ্টি করার পরও উক্ত আসামীর মৃত্যুদন্ড না হলে বা আসামী খালাস পেলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

(ii) মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের ফলে কোন নির্দোষ লোকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
-----------------------------------
♦ দণ্ডবিধির ১৯৪ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্যদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করা :- কোন ব্যক্তি যদি মিথ্যা সাক্ষ্যদান করে বা তৈরি করে এবং তদ্বারা কাউকে বর্তমানে বলবৎ কোন আইনবলে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যেই তা করে থাকে কিংবা তার এইরূপ মিথ্যা সাক্ষ্য দান বা তৈরি করার ফলে কাউকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে দণ্ডিত করা হতে পারে জেনেই যদিও তা করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে; তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হবে।

♦ যদি তার ফলে কোন নির্দোষ ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত হয় এবং সাজা বলবৎ হয়:- যদি অনুরূপ মিথ্যা সাক্ষ্যের ফলে কোন নির্দোষ ব্যক্তি সাজাপ্রাপ্ত হয় ও সাজা বলবৎ হয়, তবে যে ব্যক্তি অনুরূপ মিথ্যা সাক্ষ্যদান করেছে, সে ব্যক্তি হয় মৃত্যুদণ্ডে, না হয় এই ধরায় ইতোপূর্বে বর্ণিত সাজায় সাজাপ্রাপ্ত হবে।

______________________________________________________
♦  Giving or fabricating false evidence with intent to procure conviction of capital offence; if innocent person be thereby convicted and executed
♦  Section 194. Whoever gives or fabricates false evidence, intending thereby to cause, or knowing it to be likely that he will thereby cause, any person to be convicted of an offence which is capital by any law for the time being in force, shall be punished with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; 
 
♦ and if an innocent person be convicted and executed in consequence of such false evidence, the person who gives such false evidence shall be punished either with death or the punishment herein before described.
৭,০৬৬.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারা মতে সম্পত্তি বা দলিল বাজেয়াপ্ত করা হয়?
  1. ৩৩৯ ধারা মতে
  2. ৩৭০ ধারা মতে
  3. ৪৪২ ধারা মতে
  4. ৫১৭ ধারা মতে
সঠিক উত্তর:
৫১৭ ধারা মতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫১৭ ধারা মতে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৫১৭ ধারা অনুযায়ী, আদালতে পেশকৃত, বা উহার হেফাজতে রক্ষিত কোন সম্পত্তি বা দলিল আদালতে ধ্বংস, জব্দ বা বাজেয়াপ্ত করতে পারেন।
৭,০৬৭.
'Adverse possession' এর অর্থ কী?
  1. পক্ষ দখল
  2. বৈধ দখল
  3. বিরূদ্ধ দখল
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বিরূদ্ধ দখল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিরূদ্ধ দখল
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ২৮ ধারায় সম্পত্তিতে স্বত্বের বিলুপ্তির (Extinguishment of right to property) বিধান আছে।  ২৮ ধারা অনুযায়ী সম্পত্তির দখল পুনরূদ্ধারের জন্য মামলা দায়ের করার ব্যাপারে তামাদি আইনে যে মেয়াদ নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে, তা উত্তীর্ণ হওয়ার পর সে সম্পত্তিতে বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে। কোন অবৈধ প্রবেশকারী কোন সম্পত্তিতে ১২ বছরের বেশী সময় ধরে মূল মালিকের বিনা বাধায় এবং জ্ঞাতসারে দখলে থাকলে মূল মালিকের স্বত্বের বিলুপ্তি হবে এবং কেবল জবর দখলের ভিত্তিতে উক্ত সম্পত্তিতে জবর দখলকারীর স্বত্বের সৃষ্টি হবে।

এভাবে কোন অবৈধ দখলকারী কোন সম্পত্তিতে ১২ বছরের বেশী সময় ধরে দখল থাকার কারণে, উক্ত সম্পত্তিতে মূল মালিকের স্বত্বের বিলুপ্তি হয়ে জবর দখলকারীর স্বত্ব বা মালিকানা সৃষ্টি হওয়াকে জবর দখল বা বিরূদ্ধ দখল (Adverse possession) বলে।
৭,০৬৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের দলিল সংশোধনের আদেশ মঞ্জুর করা আদালতের জন্য-
  1. Mandatory
  2. Prohibitory
  3. Discretionary
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
Discretionary
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Discretionary
ব্যাখ্যা
⇒ The Specific Relief Act, 1877,ধারা ৩১ অনুযায়ী যখন দলিল সংশোধন করা যেতেপারে:
-যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষসমূহের পারস্পরিক ভুলের দরুন কোন চুক্তি বা অপর কোন লিখিত দলিল সত্যিকারভাবে তাদের উদ্দেশ্য ব্যক্ত করে না, যে কোন পক্ষ কিংবা তাদের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিল সংশোধিত করে নেবার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে। যদি আদালত ইহা সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের বেলায় প্রতারণা অথবা ভুল করা হয়েছে এবং তা কার্যকরী করার ব্যাপারে পক্ষসমূহের সত্যিকার উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে অক্ষম হয়, সেখানে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুসারে যতদূর পর্যন্ত তা তৃতীয় পক্ষ কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করেই করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন, যাতে তা সে উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয়।
 
- অর্থাৎ আদালত দলিল সংশোধনের আদেশ মঞ্জুর করে থাকেন তার ইচ্ছাধীন (Discretionary) ক্ষমতা দ্বারা।
 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারার অধীন দলিল সংশোধনের প্রতিকার শুধুমাত্র লিখিত চুক্তি সংশোধনের ক্ষেত্রে  বা অন্য যেকোনো লিখিত দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে  প্রযোজ্য হবে। দলিল সংশোধন করা আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা (Discretionary Power)। চুক্তি বা দলিলের পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিরা দলিল সংশোধনের জন্য মামলা করতে পারে।
--------------
SR Act-Section-31. When instrument may be rectified:
- When, through fraud or a mutual mistake of the parties, a contract or other instrument in writing does not truly express their intention, either party, or his representative in interest, may institute a suit to have the instrument rectified; and if the Court find it clearly proved that there has been fraud or mistake in framing the instrument, and ascertain the real intention of the parties in executing the same, the Court may in its discretion rectify the instrument so as to express that intention, so far as this can be done without prejudice to rights acquired by third persons in good faith and for value.
৭,০৬৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতা নিষ্পত্তির প্রতিবেদন প্রাপ্তির কত দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে?
  1. ১০ দিনের মধ্যে
  2. ৭ দিনের মধ্যে
  3. ১৫ দিনের মধ্যে
  4. ৩০ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
৭ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধিতে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির দুটি (২) পন্থা বর্ণিত হয়েছে
১- মধ্যস্থতা (Mediation) 
২- সালিশী (Arbitration)

সাধারন নিয়মসমূহ-

⇒ মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে। অর্থাৎ সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে।মধ্যস্থতার ফি পক্ষগণ নির্ধারণ করবে। যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন,২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

⇒ মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বেচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে। অর্থাৎ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে।

সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে। উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারী করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন চলবে না। 


Section: 89(5)-

The  Legal Aid Officer or mediator, as the case may be, shall, without violating the confidentiality of the parties to the mediation proceedings, submit to the court a report of result of the mediation proceedings; and if the result is of compromise of the dispute or disputes in the suit, the terms of such compromise shall be reduced into writing in the form of an agreement, bearing signatures or left thumb impressions of the parties as executants, and signatures of the pleaders, if any, and the Legal Aid Officer or mediator, as the case may be, as witnesses; and the Court shall, within seven days from receiving the said report, pass an order or a decree in accordance with relevant provisions of Order XXIII of the Code.
৭,০৭০.
ক একটি মাঠ খ-এর নিকট বিক্রয় করেন। মাঠের উপর দিয়া যাতায়াত করার অধিকার সম্পর্কে ক-এর ব্যক্তিগত জ্ঞান ছিল, কিন্তু তিনি উহা খ-এর নিকট গোপন রাখেন। এই ক্ষেত্রে -
  1. ক চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করার অধিকারী
  2. খ চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করার অধিকারী
  3. খ চুক্তিটি রদ করার অধিকারী
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
খ চুক্তিটি রদ করার অধিকারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ চুক্তিটি রদ করার অধিকারী
ব্যাখ্যা

তথ্য গোপন করা প্রতারণা বলে গণ্য হয়। যেহেতু মাঠটির উপর চলাচলের অধিকার ছিল এটা সম্পর্কে অবগত থাকার পরও ক, 'খ'-কে উক্ত বিষয়ে অবগত করেনি, তাই সে প্রতারণা করেছে বলে গণ্য হবে। সুতরাং ক এবং খ এর মধ্যে সম্পাদিত চুক্তিটি খ-এর ইচ্ছানুসারে বাতিলযোগ্য বলে গণ হবে এবং আদালত এমন চুক্তি রদের আদেশ দিতে পারে।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ধারা ৩৫: বিচারপূর্বক যখন রদ করা যায়: লিখিত চুক্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট যেকোন ব্যক্তি তা রদ করার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে এবং আদালত নিম্নোক্ত যেকোন ক্ষেত্রে বিচারপূর্বক চুক্তি রদ করতে পারেন:
(ক) যেখানে চুক্তি বাতিলযোগ্য অথবা বাদী কর্তৃক সমাপনীয়;
(খ) যেখানে আপাতত দৃশ্যমান নয় এমন কারণে চুক্তি অবৈধ এবং বাদীর চেয়ে প্রতিবাদীকেই দোষী করা যায় বেশি;
(গ) যেখানে একটি বিক্রয়চুক্তি বা একটি ইজারা গ্রহণের চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে এবং ক্রেতা ইজারাদার ক্রয়মূল্য বা অপরাপর অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছে।

• যখন ক্রেতা বা ইজারাদার বিষয়বস্তুর দখলকারী থাকে এবং আদালত তেমন দখল অন্যায় মনে করেন সেখানে আদালত তাকে তেমন দখলকারী হিসাবে কোন লাভ বা ভাড়া পেয়ে থাকলে তা বিক্রেতা বা ইজারাদাতাকে প্রদানের নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।
একই ক্ষেত্রে আদালত সে মামলায়ই আদেশ কর্তৃক যাতে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছিল, কিন্তু তদমোতাবেক কাজ করা হয়নি, হয় কর্তব্য অবহেলাকারী পক্ষের বেলায় বা অসম্পূর্ণ চুক্তিই মামলার ন্যায়বিচারের আবশ্যকতা মোতাবেক রদ করে দিতে পারেন।

৭,০৭১.
‘A’ এর নিকট প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র এবং মামলার বিষয় বস্তু ছাড়া কত টাকার বেশি সম্পত্তি না থাকলে, ‘A’ কে নিঃস্ব ব্যক্তি বলে গণ্য করা হবে?
  1. ৫,০০ টাকা
  2. ৫,০০০ টাকা
  3. ৩,০০০ টাকা
  4. ২,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৩ অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মোকদ্দমা  দায়ের করতে প্রয়োজনীয় কোর্ট ফি দিতে অক্ষম বা যে ক্ষেত্রে কোন কোর্ট ফি নির্ধারন থাকে না সেক্ষেত্রে তার প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র এবং মামলার বিষয়বস্তু ছাড়া ৫০০০ টাকার বেশি সম্পত্তি না থাকলে উক্ত ব্যক্তি নিঃস্ব হিসেবে গণ্য হবে।
⇒ নিঃস্ব ব্যক্তি হিসেবে মামলা করার অনুমতির জন্য আবেদন করতে হবে।
⇒ তবে আবেদন প্রত্যাখ্যান হবে যদি আবেদনের ২ মাস পূর্বে প্রতারনামূলক সম্পত্তি হস্তান্তর করে।

অর্থাৎ ‘A’ এর নিকট প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র এবং মামলার বিষয় বস্তু ছাড়া ৫,০০০ টাকার বেশি সম্পত্তি না থাকলে, ‘A’ কে নিঃস্ব ব্যক্তি বলে গণ্য করা হবে।
----------------
SUITS BY PAUPERS
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-33, Rule-1: Suits may be instituted in forma pauperis:
- Subject to the following provisions, any suit may be instituted by a pauper. 
Explanation.−A person is a "pauper" when he is not possessed of sufficient means to enable him to pay the fee prescribed by law for the plaint in such suit, or, where no such fee is prescribed, when he is not entitled to property worth  [five thousand Taka] other than his necessary wearing-apparel and the subject-matter of the suit.
৭,০৭২.
'ক' তার স্বামী ও ২ বোনকে রেখে মারা যায়। 'ক' এর সম্পত্তি স্বামীকে ৩/৭ অংশে ও ২ বোনকে ৪/৭ অংশ বণ্টন করে দেয়া হয়।এরুপ বণ্টনে কোন নীতি অনুসৃত হয়েছে?
  1. Aul (increase)
  2. Radd (return)
  3. Residuaries
  4. Sharers
সঠিক উত্তর:
Aul (increase)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Aul (increase)
ব্যাখ্যা
• মুসলিম আইন: Inheritance

স্বামী = ১/২ (সন্তান বা সন্তানের সন্তান নেই)
২ বোন = ২/৩ [সন্তান, সন্তানের সন্তান (যত নিম্ন হোক), পিতা, পিতার পিতা (যত উর্ধ্বে হোক) নেই]

স্বামীর অংশ = ১/২ = ৩/৬,
২ বোনের অংশ = ২/৩ = ৪/৬

মোট সম্পত্তি = ৩/৬ + ৪/৬ = ৭/৬,
যা সম্পূর্ণ সম্পত্তি বা ১-এর চেয়ে বেশি। তাই আউলের নীতি প্রয়োগ করে অংশীদারদের অংশ তাদের অংশ অনুপাতে কমাতে হবে।

আউলের নীতি Aul (increase) প্রয়োগ করে:

স্বামী = ৩/৬ অংশ,
২ বোন = ৪/৬ অংশ।
এক্ষেত্রে ভগ্নাংশদ্বয়ের লবের যোগফল (৩+৪)=৭-কে হরের স্থানে প্রতিস্থাপন করে পাই:

স্বামী = ৩/৭,
২ বোন = ৪/৭,

: মোট সম্পত্তি = ৩/৭ + ৪/৭ = ৭/৭ = ১ বা সম্পূর্ণ অংশ।
৭,০৭৩.
The Evidence Act, 1872 এর ৫৩ ধারা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পূর্ববর্তী সচ্চরিত্র কোন মামলায় প্রাসঙ্গিক?
  1. দেওয়ানি
  2. ফৌজদারী
  3. দেওয়ানি ও ফৌজদারি
  4. কেবল আর্থিক প্রতারণা সংশ্লিষ্ট ফৌজদারী
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারী
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ৫৩ ধারামতে ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির ভাল চরিত্র বা সচ্চরিত্র প্রাসঙ্গিক।
৭,০৭৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮ আদেশের ৯ বিধি মোতাবেক আদালত কর্তৃক চাহিত জবাব দানে ব্যর্থ হলে, আদালত তার বিরুদ্ধে -
  1. রায় ঘোষণা করতে পারেন
  2. ৩ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে নির্দেশ দেবেন
  3. মামলা স্থগিত রাখতে পারেন
  4. উপরের যেকোনোটির নির্দেশ দিতে পারেন
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণা করতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণা করতে পারেন
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ আদেশের ৯ বিধি অনুযায়ী- আদালত প্রয়োজন মনে করলে, যেকোনো সময় যে কোনো পক্ষকে লিখিত বিবৃতি বা অতিরিক্ত লিখিত বিবৃতি পেশের আদেশ দিতে পারে এবং তা পেশ করার জন্য সময় নির্ধারণ করে দিবে। আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উক্ত পক্ষ লিখিত বিবৃতি পেশ করতে ব্যর্থ হলে, ১০ বিধি অনুযায়ী আদালত উক্ত পক্ষের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা [pronounce judgment] করতে পারে বা মোকদ্দমার সাথে সম্পর্কিত যেকোনো আদেশ দিতে পারে।

দেওয়ানি কার্যবিধির ৮ আদেশের ১০ বিধি- লিখিত জবাব আদালত কর্তৃক দাখিলের জন্য বলা হলে তা দাখিল করতে ব্যর্থ হলে পদ্ধতিঃ
কোন পক্ষের থেকে লিখিত জবাব তলব করার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা দাখিল করতে ব্যর্থ হলে আদালত তার বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করতে পারে বা মোকদ্দমা সম্পর্কে অন্য কোন উপযুক্ত আদেশ দিতে পারে।
৭,০৭৫.
'ক' নাবালক থাকাবস্থায় তার একটি দেওয়ানি মামলা করার অধিকার জন্মে, তামাদির সময় গণনা শুরু হবে যখন -
  1. 'ক' মামলা করার অধিকার অর্জন করে তখন থেকে
  2. 'ক' এর সাবালকত্বের অবসান হবে
  3. 'ক' এর নাবালকত্বের অবসান হবে
  4. 'ক' যখন মামলা করার আগ্রহী হবে
সঠিক উত্তর:
'ক' এর নাবালকত্বের অবসান হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' এর নাবালকত্বের অবসান হবে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ৬ অনুযায় কোন ব্যক্তি যত দিন নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধ থাকে ততদিন তামাদির মেয়াদ গণনা থেকে বাদ যাবে।
-নাবালকত্ব, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধতার অবসান হওয়ার পর থেকে তার মামলা দায়েরের সময় গণনা হবে।
⇒ অর্থাৎ 'ক' এর নাবালকত্বের অবসান হওয়ার পর তামাদির সময় গণনা শুরু হবে।
 
The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারা বিধান হল বৈধ অপারগতা:
উপধারাঃ(১) যেইক্ষেত্রে মামলা বা কার্যধারা দায়ের করিবার কিংবা ডিংক্রী জারির জন্য দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে, সেইসময় নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকে, সেইক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি তাহার উপরোক্ত অপারগতার অবসান হইবার পর, অপারগতা না থাকিলে, প্রথম তফসিলের তৃতীয় স্তম্ভে অথবা ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারায় বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে উহা করিতে পারিতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা বা কার্যধারা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করিতে পারিবে।
 
উপধারাঃ (২) যেইক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে, সেই সময় উপরে বর্ণিত যেই কোনো দুইটি অপারগতার অবসান হইবার পূর্বেই সে আরেকটি অপারগতায় পতিত হয়, সেইক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি তাহার উভয় অপারগতার অবসান হইবারপর, অপারগতা না থাকিলে, উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে উহা করিতে পারিতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করিতে পারিবে।
 
উপধারাঃ (৩) যেইক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত তাহার অপারগতা অব্যাহত থাকে, সেইক্ষেত্রে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি ঐ ব্যক্তির মৃত্যুর পর অপারগতা না থাকিলে উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে উহা করা যাইতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দাখিল করিতে পারিবে।
 
উপধারাঃ (৪) যেইক্ষেত্রে উপরোক্ত ব্যক্তির মৃত্যুর তারিখে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি অনুরূপ কোন অপারগতায় পতিত হয়, সেইক্ষেত্রে (১) ও (২) উপধারায় বিধৃত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হইবে।
---------------------------------
⇒ Limitation Act- Section-6: Legal disability:
(1) Where a person entitled to institute a suit or proceeding or make an application for the execution of a decree is, at the time from which the period of limitation is to be reckoned, a minor, or insane, or an idiot, he may institute the suit or proceeding or make the application within the same period after the disability has ceased, as would otherwise have been allowed from the time prescribed therefore in the third column of the first schedule or in section 48 of the Code of Civil Procedure, 1908.
(2) Where such person is, at the time from which the period of limitation is to be reckoned, affected by two such disabilities, or where, before his disability has ceased, he is affected by another disability, he may institute the suit or make the application within the same period, after both disabilities have ceased, as would otherwise have been allowed from the time so prescribed.
(3) Where the disability continues up to the death of such person, his legal representative may institute the suit or make the application within the same period after the death as would otherwise have been allowed from the time so prescribed.
(4) Where such representative is at the date of the death affected by any such disability, the rules contained in sub-sections (1) and (2) shall apply.

Illustrations:
(b) A right to sue accrues to Z during his minority. After the accruer, but while Z is still a minor, he becomes insane. Time runs against Z from the date when his insainity and minority cease.
৭,০৭৬.
ফৌজদারি আপিল বা রিভিশন আদালত কোন ক্ষেত্রে নতুন করে অভিযোগ গঠণের আদেশ দিতে পারে?
  1. অভিযুক্তপক্ষ আবেদন করলে
  2. নালিশকারী আবেদন করলে
  3. ন্যায়বিচার ব্যাহত হলে
  4. অভিযোগ প্রমাণ না হলে
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচার ব্যাহত হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচার ব্যাহত হলে
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৩৫ ধারার বিধান অভিযোগ তৈরী না করার ফলাফল দেয়া হয়েছে-

-(১) অভিযোগ প্রণীত হয়নি শুধুমাত্র এ কারণে ঘোষিত বা প্রদত্ত কোন অভিমত বা দণ্ডাদেশ অবৈধ মর্মে আখ্যায়িত করা হবে না, যদি না আপীল বা রিভিশন আদালত মনে করেন যে, এর ফলে প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়েছে।

(২) আপিল বা রিভিশন আদালত যদি মনে করেন যে, অভিযোগ তৈরী না করায় ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়েছে, তাহলে অভিযোগ প্রণয়ন করার এবং অভিযোগ প্রণয়নের পর থেকে তাৎক্ষনিক পুনরায় বিচার শুরুর আদেশ দিবেন।

Section 535- Effect of omission to prepare charge
(1) No finding or sentence pronounced or passed shall be deemed invalid merely on the ground that no charge was framed, unless, in the opinion of the Court of appeal or revision, a failure of justice has in fact been occasioned thereby. 

(2) If the Court of appeal or revision thinks that a failure of justice has been occasioned by an omission to frame a charge, it shall order that a charge be framed, and that the trial be recommenced from the point immediately after the framing of the charge.
৭,০৭৭.
স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত মোকদ্দমায় দুই বা ততোধিক দেওয়ানি আদালতের মধ্যে এখতিয়ার নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিলে-
  1. আদালত নিজ সিদ্ধান্তে মামলা খারিজ করবে
  2. বিবাদী নিজেদের পছন্দমতো আদালত নির্বাচন করবে
  3. এখতিয়ারসম্পন্ন যে কোনো একটি আদালত মামলা পরিচালনা করবে
  4. বিবাদী যেখানে থাকে, সেই এলাকার আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে
সঠিক উত্তর:
এখতিয়ারসম্পন্ন যে কোনো একটি আদালত মামলা পরিচালনা করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এখতিয়ারসম্পন্ন যে কোনো একটি আদালত মামলা পরিচালনা করবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৮ এর বিধান- আদালতসমূহের স্থানীয় এখতিয়ার অনিশ্চিত হলে মোকদ্দমা দায়েরের স্থান:
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৮ অনুযায়ী, যদি কোনো স্থাবর সম্পত্তি দুই বা ততোধিক আদালতের স্থানীয় এখতিয়ারের সীমানার মধ্যে অবস্থিত হওয়ার কারণে এখতিয়ার সম্পর্কে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়, তাহলে নিম্নলিখিত বিধানাবলী প্রযোজ্য হবে:

১. মোকদ্দমা দায়েরের স্থান নির্ধারণ:
যদি স্থাবর সম্পত্তিটি দুই বা ততোধিক আদালতের স্থানীয় এখতিয়ারের মধ্যে অবস্থিত হওয়ার কারণে এখতিয়ার সম্পর্কে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়, তাহলে যে কোনো একটি আদালত এই অনিশ্চয়তার কারণ লিপিবদ্ধ করে মোকদ্দমা গ্রহণ ও নিষ্পত্তি করতে পারবে।
তবে শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমাটির প্রকৃতি ও মূল্য সংশ্লিষ্ট আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে থাকতে হবে।
আদালতের ডিক্রি বা আদেশ এমনভাবে কার্যকর হবে, যেন সম্পত্তিটি আদালতের নিজস্ব স্থানীয় এখতিয়ারের মধ্যে অবস্থিত ছিল।

২. আপিল বা রিভিশন আদালতে আপত্তি:
যদি উপধারা (১) অনুযায়ী বিবৃতি রেকর্ড করা না হয় এবং আপিল বা রিভিশন আদালতে এ মর্মে আপত্তি উত্থাপন করা হয় যে, সম্পত্তিটি যে স্থানে অবস্থিত, সেই স্থানের আদালত ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করেনি, তাহলে আপিল বা রিভিশন আদালত এই আপত্তি গ্রহণ করবে না।
তবে যদি আদালতের মতে মোকদ্দমা দায়েরের সময় এখতিয়ার সম্পর্কে অনিশ্চয়তার যুক্তিসংগত কারণ ছিল এবং এর ফলে ন্যায়বিচার ব্যর্থ হয়েছে, তাহলে আপত্তিটি গ্রহণ করা যেতে পারে।
৭,০৭৮.
মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন কার্যে নিয়োজিত আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যকে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে, তা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর কোন ধারার অধীনে শাস্তিযোগ্য?
  1. ধারা ৪১
  2. ধারা ৪২(১)
  3. ধারা ৪২(২)
  4. ধারা ৪৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪২(২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪২(২)
ব্যাখ্যা
ধারা ৪২- শাস্তির ব্যবস্থা করা হয় নাই, এইরূপ মাদকদ্রব্য অপরাধের দণ্ড:
(১) কোনো ব্যক্তি যদি এই আইন অথবা বিধির কোনো বিধান লঙ্ঘন করিলে যাহার জন্য উহাতে স্বতন্ত্র কোনো দণ্ডের ব্যবস্থা নাই, তাহা হইলে তিনি উক্ত অপরাধের জন্য অনূর্ধ্ব ১ (এক) বৎসর কারাদণ্ডে এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

(২) মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন কার্যে নিয়োজিত কোনো আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যকে তাহার দায়িত্ব পালনকালে কোনো ব্যক্তি কোনোভাবে অসহযোগিতা করিলে অথবা বাধা প্রদান করিলে কিংবা কোনোভাবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করিলে তাহা মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনে সহযোগিতা হিসাবে গণ্য হইবে এবং তজ্জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অন্যূন ২ (দুই) বৎসর, অনূর্ধ্ব ১০ (দশ) বৎসর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবে।
৭,০৭৯.
কোন ব্যক্তি সাক্ষী হতে পারবেন?
  1. ফৌজদারী মামলার আসামীর স্ত্রী
  2. বিচার বুদ্ধি সম্পন্ন, কিন্তু বোবা ব্যক্তি
  3. অপরিণত বয়স্ক বুদ্ধিমান বালক
  4. সকলেই
সঠিক উত্তর:
সকলেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সকলেই
ব্যাখ্যা
⇒ কে সাক্ষ্য দিতে পারে (Who may testify)- আদালতের বিচার কার্যক্রমে কারা সাক্ষ্য দিতে পারবে সে সম্পর্কে সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারায় বলা হয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারামতে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝতে ও যুক্তিসংগত উত্তর দিতে সক্ষম যে কোন ব্যক্তি সাক্ষ্য দিতে পারে।

⇒ সাধারণত অল্প বয়স্ক শিশু, অতিবৃদ্ধ ব্যক্তি, দৈহিক বা মানসিক ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যক্তি, মাতাল অথবা পাগল ব্যক্তি সাক্ষী হিসেবে অযোগ্য অর্থাৎ তারা সাক্ষ্য দিতে পারে না;
- তবে যদি তারা জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝতে ও যুক্তিসংগত উত্তর দিতে সক্ষম হয় তাহলে সাক্ষী হিসেবে যোগ্য বলে গণ্য হবে। এক্ষেত্রে তাদের বয়স, দৈহিক বা মানসিক অবস্থা সাক্ষ্য প্রদানে বাধার সৃষ্টি করবেনা।

অর্থাৎ উল্লিখিত প্রশ্নে ফৌজদারী মামলার আসামীর স্ত্রী, বিচার বুদ্ধি সম্পন্ন, কিন্তু বোবা ব্যক্তি, অপরিণত বয়স্ক বুদ্ধিমান বালক এরা সকলেই সাক্ষী হিসেবে যোগ্য বলে গণ্য হবে।
৭,০৮০.
যে সব দরখাস্ত সম্পর্কে তামাদি আইনে সুনির্দিষ্টভাবে কোন বিধান নাই, সেইসব দরখাস্ত দায়েরের তামাদি মেয়াদ-
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৮১ বিধান: তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের অন্য কোথাও বা দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৪৮ ধারায় যে সব দরখাস্ত সম্পর্কে কোন বিধান নাই সেইসব দরখাস্ত দায়েরের তামাদি মেয়াদ দরখাস্ত করার অধিকার উদ্ভব হওয়ার দিন থেকে ৩ বছর।
৭,০৮১.
১৮৩৪ সালে গঠিত ভারতীয় উপমহাদেশে সর্বপ্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান কে ছিলেন?
  1. F. Millet
  2. J. M. Macleod
  3. Lord Macaulay
  4. G. W. Anderson
সঠিক উত্তর:
Lord Macaulay
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Lord Macaulay
ব্যাখ্যা
⇒ ১৮৩৩ সালে ভারতের শাসনভার ইংরেজ কোম্পানি হাত হতে ব্রিটিশ রাজ গ্রহণ করার পর ভারতবর্ষের জন্য একটি আইন কমিশন গঠন করেন।
-ভারতীয় উপমহাদেশে সর্বপ্রথম আইন কমিশন গঠন করা হয় ১৮৩৪ সালে। প্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে (Lord Macaulay).
প্রথম আইন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন যা নিম্নরূপ:-
i) সভাপতি-লর্ড ম্যাকলে।
ii) সদস্য- মি: ম্যাকলিউড।
iii) সদস্য-মি: এন্ডারসন।
iv) সদস্য-মি: মিলার।

- ১৮৩৭ সালে এই কমিশন দণ্ডবিধি প্রণয়নের জন্য খসড়া জমা দেয় এবং ৬ অক্টোবর ১৮৬০ সালে বিলটি পাস হয় এবং দণ্ডবিধি ১লা জানুয়ারি ১৮৬২ সালে আইনটি কার্যকর হয়।
- যার নামকরণ করা হয় ১৮৬০ সালের ৪৫ নং আইন, দণ্ডবিধি।
৭,০৮২.
'M' এমন একটি রোগে ভুগছে যে, এক আঘাতেই তার মৃত্যু হবার সম্ভাবনা আছে। 'P' এই কথা না জেনে 'M'-কে দৈহিক জখম করার অভিপ্রায়ে এমন আঘাত করে যা একজন সুস্থ ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাতে পারে। উক্ত আঘাতের ফলে 'M' মারা যায়। 'P' এর অপরাধ কি?
  1. হত্যা
  2. নিন্দনীয় নরহত্যা
  3. খুন বলে গণ্য নয় এমন নিন্দনীয় নরহত্যা
  4. কোন অপরাধ করেনি
সঠিক উত্তর:
হত্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হত্যা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার বিধান খুন:- খুনের যে সবক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নির্দেশ করা হয়েছে। সে সকল ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন হবে, যদি যে কার্যটি কর্তৃক মৃত্যু অনুষ্ঠিত হয়, সে কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের জন্যই করা হয়ে থাকে, অথবা

দ্বিতীয়ত, যদি কার্যটি কোন ব্যক্তিকে এমনভাবে দৈহিক আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকে, যে আঘাতের ফলে যে ব্যক্তিকে আঘাত দেওয়া হল, সে ব্যক্তির মৃত্যু হতে পারে বলে অপরাধী জানে, অথবা

তৃতীয়ত, যদি কোন ব্যক্তিকে দৈহিক আঘাত দানের উদ্দেশ্যে কার্যটি করা হয় এবং যদি যে দৈহিক আঘাত দেওয়ার অভিসন্ধি করা হয়েছে, সে আঘাতটি প্রকৃতির স্বাভাবিক গতিতে মৃত্যু ঘটাবার পক্ষে যথেষ্ট হয়, অথবা

চতুর্থত, যদি যে ব্যক্তি কার্যটি অনুষ্ঠান করে সে ব্যক্তি জানে যে, কার্যটি এমন আশু বিপজ্জনক যে, ইহার দরুণ খুব সম্ভব মৃত্যু ঘটবে, অথবা ইহার দরুণ অবশ্যই এমন দৈহিক আঘাত ঘটবে, যার ফলে মৃত্যু ঘটতে পারে এবং মৃত্যু ঘটাবার বা অনুরূপ দৈহিক আঘাত ঘটাবার ঝুঁকি গ্রহণের অপর কোন অজুহাত ব্যতিরেকে অনুরূপ কার্য করে।

ব্যতিক্রম ১:- যেক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন পরিগণিত হবে না :- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি মারাত্মক ও আকস্মিক প্ররোচনার ফলে অপরাধী আত্ম-সংযমশক্তি হারাইয়া ফেলে এবং যে ব্যক্তি প্ররোচনা দান করেছে, সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় অথবা ভুলক্রমে বা দুর্ঘটনাক্রমে অপর কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়।

উপরোক্ত ব্যতিক্রমটি নিম্নোক্ত শর্তাবলী সাপেক্ষে:-

প্রথমত, প্ররোচনাটি কোন ব্যক্তিকে হত্যা করার বা তার ক্ষতি সাধনের অজুহাতস্বরূপ অপরাধী কর্তৃক স্বয়ং প্রার্থীত বা প্ররোচিত হতে পারবে না।
দ্বিতীয়ত, উক্ত প্ররোচনাটি আইনানুসারে কৃত কোন কার্য দ্বারা বা কোন সরকারী কর্মচারীর সরকারী কর্মচারী হিসেবে যথাযোগ্য ক্ষমতাবলীর আইনসম্মত প্রয়োগসঞ্জাত হতে পারবে না।
তৃতীয়ত, প্ররোচনা আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারের আইনসম্মত প্রয়োগক্রমে সম্পাদিত কোন কার্য পালন হতে পারবে না।

ব্যাখ্যা:- প্ররোচনাটি এমন মারাত্মক ও আকস্মিক ছিল কিনা, যার ফলে অপরাধটি খুনের শামিল হবে না, তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন।

ব্যতিক্রম ২:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধী সরল মনে তার আত্মরক্ষার অথবা সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার প্রয়োগক্রমে তাকে আইন প্রদত্ত ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং যার বিরুদ্ধে সে এই অধিকার প্রয়োগ করে, কোনরূপ পূর্ব-পরিকল্পনা ব্যতীত অথবা অনুরূপ অধিকার রক্ষার জন্য যতটুকু ক্ষতিসাধন করা আবশ্যক, তদপেক্ষা বেশি ক্ষতি সাধনের ইচ্ছা ব্যতিরেকে, তার মৃত্যু ঘটায়।

ব্যতিক্রম ৩:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি দোষী একজন সরকারী কর্মচারী হিসেবে অথবা সরকারী কর্মচারীর সহায়তাকারী হিসেবে তাকে প্রদত্ত আইনানুগ ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং এমন একটি কাজ সম্পাদন করে মত্যু ঘটায়, যা সে অনুরূপ সরকারী কর্মচারীর দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করার জন্য আবশ্যকীয় ও আইনসম্মত বলে সরল মনে বিশ্বাস করে এবং সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটলে তার প্রতি কোনরূপ দুরভিসন্ধি ছাড়াই কার্যটি করে।

ব্যতিক্রম ৪:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধটি কোন আকস্মিক বিবাদের সময় আকস্মিক উত্তেজনার কারণে কোনরূপ পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়াই সংঘটিত হয় এবং অপরাধী কোন অন্যায় সুযোগ গ্রহণ না করে থাকে অথবা নিষ্ঠুরভাবে বা অস্বাভাবিকভাবে কার্য না করে থাকে।

ব্যাখ্যা:- এইরূপ ক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রথম উস্কানি দেয় বা প্রথম আঘাত করে, তা আদৌ গুরুত্বপূর্ণ নয়।

ব্যতিক্রম ৫:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি সে ব্যক্তির মৃত্যু হয়, সে ব্যক্তি আঠারো বৎসরের উর্ধ্ব বয়স্ক হলে স্বেচ্ছায় স্বীয় সম্মতিক্রমে মৃত্যুবরণ করে বা মৃত্যুর ঝুঁকি গ্রহণ করে।

অর্থাৎ 'M' এমন একটি রোগে ভোগছে যে, এক আঘাতেই তার মৃত্যু হবার সম্ভাবনা আছে। 'P' এই কথা না জেনে 'M'-কে দৈহিক জখম করার অভিপ্রায়ে এমন আঘাত করে যা একজন সুস্থ ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাতে পারে। উক্ত আঘাতের ফলে 'M' মারা যায়। যেহেতু এমন আঘাত করেছে যার ফলে একজন সুস্থ ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাতে পারে তাইলে 'P' ৩০০ ধারার আধীনে খুনের অপরাধ করেছে।

------
⇒  Murder
Section 300. Except in the cases hereinafter excepted, culpable homicide is murder, if the act by which the death is caused is done with the intention of causing death, or- 
 
Secondly.- If it is done with the intention of causing such bodily injury as the offender knows to be likely to cause the death of the person to whom the harm is caused, or – 
 
Thirdly.- If it is done with the intention of causing bodily injury to any person and the bodily injury intended to be inflicted is sufficient in the ordinary course of nature to cause death, or – 
 
Fourthly.- If the person committing the act knows that it is so imminently dangerous that it must, in all probability, cause death, or such bodily injury as is likely to cause death, and commits such act without any excuse for incurring the risk of causing death or such injury as aforesaid.
When culpable homicide is not murder

Exception 1.-Culpable homicide is not murder if the offender, whilst deprived of the power of self-control by grave and sudden provocation, causes the death of the person who gave the provocation or cause the death of any other person by mistake or accident. 

The above exception is subject to the following provisos:
Firstly.-That the provocation is not sought or voluntarily provoked by the offender as an excuse for killing or doing harm to any person. 
Secondly.-That the provocation is not given by anything done in obedience to the law, or by a public servant in the lawful exercise of the powers of such public servant. 
Thirdly.-That the provocation is not given by anything done in the lawful exercise of the right of private defence. 
Explanation.- Whether the provocation was grave and sudden enough to prevent the offence from amounting to murder is a question of fact.

Exception 2.- Culpable homicide is not murder if the offender, in the exercise in good faith of the right of private defense of person or property, exceeds the powers given to him by law and causes the death of the person against whom he is exercising such right of defense without premeditation, and without any intention of doing more harm than is necessary for the purpose of such defense.

Exception 3.- Culpable homicide is not murder if the offender, being a public servant or aiding a public servant acting for the advancement of public justice, exceeds the powers given to him by law, and causes death by doing an act which he, in good faith, believes to be lawful and necessary for the due discharge of his duty as such public servant and without ill-will towards the person whose death is caused. 
 
Exception 4.-Culpable homicide is not murder if it is committed without premeditation in a sudden fight in the heat of passion upon a sudden quarrel and without the offender's having taken undue advantage or acted in a cruel or unusual manner. 
Explanation.- It is immaterial in such cases which party offers the provocation or commits the first assault. 
 
Exception 5.- Culpable homicide is not murder when the person whose death is caused, being above the age of eighteen years, suffers death or takes the risk of death with his own consent.
৭,০৮৩.
কামাল এর বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ২৪২ ধারা মোতাবেক অভিযোগ করা হয়েছে যে, “সে জাল মুদ্রা দখলে রেখেছে এবং সে যখন তা দখলে এনেছিলো তখন সে এগুলোকে জাল বলে জানত” কিন্তু “প্রতারণামূলকভাবে” শব্দটি অভিযোগ হতে বাদ পড়েছে। এখন এই বাদ যাবার ফলে করিম বিভ্রান্ত হয়েছে বলে যদি প্রতীয়মান না হয়, তাহলে ভুলটিকে গুরুতর বলে গণ্য করা যাবে না। এটি ফৌজদারি কার্যবিধি এর কোন ধারা মোতাবেক?
  1. ২২২
  2. ২২৩
  3. ২২৫
  4. ২২৬
সঠিক উত্তর:
২২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২৫
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা-২২৫ মোতাবেক অভিযোগে অপরাধের বর্ণনা বা অন্য কোন তথ্য পরিবেশনের সময় কোন ভুল হলে বা কোন কিছু বাদ পড়লে তা যদি আসামীর বিভ্রান্তি সৃষ্টি না করে এবং তা যদি ন্যায় বিচার ব্যাহত না করে, তাহলে উহা মামলার কোন পর্যায়ে গুরুতর বলে গণ্য হবে না।
৭,০৮৪.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ৩৪২ ধারা অনুযায়ী, অভিযুক্ত উত্তর দিতে অস্বীকার করলে বা মিথ্যা উত্তর দিলে শুধু এই কারণে-
  1. শাস্তি দেয়া যাবে 
  2. শাস্তি দেয়া যাবে না
  3. শাস্তির পরিমাণ বেড়ে যাবে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
শাস্তি দেয়া যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাস্তি দেয়া যাবে না
ব্যাখ্যা

ধারা ৩৪২: অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদের ক্ষমতা:

১. জিজ্ঞাসাবাদ:
- যে কোনো তদন্ত বা বিচারকার্যের সময়, আদালত অভিযুক্তকে প্রয়োজনীয় প্রশ্ন করতে পারে, পূর্বে সতর্কতা ছাড়াই।
- প্রশ্ন করা হবে প্রসিকিউশনের সাক্ষীদের জবানবন্দি শেষ হওয়ার পর এবং আসামির আত্মপক্ষ সমর্থনের আগে।

২. উত্তর অস্বীকার বা মিথ্যা উত্তর:
- অভিযুক্ত উত্তর দিতে অস্বীকার করলে বা মিথ্যা উত্তর দিলে শুধু এই কারণে শাস্তি দেয়া যাবে না।
- তবে আদালত সেই আচরণ থেকে যথাযথ সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।

৩. উত্তরের ব্যবহার:
- অভিযুক্তের দেওয়া উত্তর মৌলিক মামলায় বিবেচনা করা যাবে।
- একই উত্তর অন্য কোনো মামলায় প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে, যদি তা অন্য কোনো অপরাধে জড়িত থাকার ইঙ্গিত দেয়।

৪. শপথ:
- অভিযুক্তকে শপথ করানো যাবে না।

৭,০৮৫.
ফৌজদারী মামলায় পাবলিক প্রসিকিউটর কোন ধরণের খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করতে পারে?
  1. মূল মামলায় প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে
  2. আপীলে প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে
  3. মূল মামলায় এবং আপীলে প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে
  4. সি. আর মামলায়
সঠিক উত্তর:
মূল মামলায় এবং আপীলে প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল মামলায় এবং আপীলে প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে
ব্যাখ্যা
• ৪১৭ (১) ধারা অনুযায়ী পাবলিক প্রসিকিউটর মূল মামলায় বা আপীলে প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপীল দায়ের করতে পারে, তাই খালাস আদেশের ক্ষেত্রে পাবলিক প্রসিকিউটারের দ্বিতীয় আপীল করার সুযোগ আছে। কিন্তু অভিযোগকারী বা ফরিয়াদী খালাস আদেশের ক্ষেত্রে দ্বিতীয় আপীল দায়ের করতে পারে না।
৭,০৮৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪ক অনুসারে, কোন ধরনের গ্রেফতারের ক্ষেত্রে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে গ্রেফতারের কারণ জানানো বাধ্যতামূলক?
  1. সকল গ্রেফতারের ক্ষেত্রে
  2. ওয়ারেন্টে গ্রেফতারের ক্ষেত্রে
  3. যখন আসামি স্বীকারোক্তি দেয়
  4. বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতারের ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতারের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতারের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৪ক অনুসারে বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতারের ক্ষেত্রে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে গ্রেফতারের কারণ জানানো বাধ্যতামূলক।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ক ধারার বিধান: বিনা পরোয়ানায় কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতারকারী প্রত্যেক পুলিশ অফিসার, গ্রেফতারের সময়, তাহাকে যে কারণে গ্রেফতার করা হইল সেই কারণ জ্ঞাপন করিবেন।

- সুতরাং, ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৫৪ক অনুসারে বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতারের ক্ষেত্রে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে গ্রেফতারের কারণ জানানো বাধ্যতামূলক।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-54A: Person arrested to be informed of reason of arrest:
Every police-officer arresting any person without warrant shall, at the time of making arrest, communicate to him the reasons for which he is arrested.

৭,০৮৭.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২১ ধারায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন-
  1. কমিশনের অনুমতি সাপেক্ষে
  2. আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
  3. কমিশনের চেয়ারম্যানের অনুমতি সাপেক্ষে
  4. কোনো রকম অনুমতি ছাড়া
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
ব্যাখ্যা
• ধারা ২১- গ্রেফতারের ক্ষমতা:

এই আইনের অন্যান্য বিধানে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কমিশন হইতে এতদুদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তার বিশ্বাস করিবার যুক্তিসংগত কারণ থাকে যে, কোন ব্যক্তি তাঁহার নিজ নামে বা অন্য কোন ব্যক্তির নামে স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির মালিক বা দখলকার যাহা তাহার ঘোষিত আয়ের সহিত অসঙ্গতিপূর্ণ, তাহা হইলে উক্ত কর্মকর্তা, আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে, উক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করিতে পারিবেন।
৭,০৮৮.
ধারা ৩৮ অনুসারে, কোন দুই ধরনের আদালতকে ডিক্রি জারির ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. উচ্চ আদালত এবং জেলা আদালত
  2. নিম্ন আদালত এবং আপীল আদালত
  3. স্থানীয় আদালত এবং বিশেষ আদালত
  4. ডিক্রি জারিকারক আদালত এবং যে আদালতে ডিক্রি প্রেরণ করা হয়েছে
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি জারিকারক আদালত এবং যে আদালতে ডিক্রি প্রেরণ করা হয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি জারিকারক আদালত এবং যে আদালতে ডিক্রি প্রেরণ করা হয়েছে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৩৮ ধারা অনুযায়ী দুই ধরনের আদালতকে ডিক্রি জারির ক্ষমতা দেয়া হয়েছে-
১। যে আদালত ডিক্রি জারি করেছে, সেই আদালত;
২। যে আদালতে ডিক্রি জারি করার জন্য প্রেরণ করা হয়েছে সেই আদালত।
 
Section 38- Court by which decree may be executed:
A decree may be executed either by the Court which passed it, or by the Court to which it is sent for execution.
৭,০৮৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩২, বিধি-৯(১) অনুসারে, Next Friend কখন অপসারণ করা যেতে পারে?
  1. স্বার্থ নাবালকের বিরোধী হলে
  2. দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন না করলে
  3. বাংলাদেশের বাইরে চলে গেলে
  4.  উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
 উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩২, বিধি ৯(১) অনুসারে নিম্নলিখিত যেকোনো কারণেই Next Friend-কে অপসারণ করা যেতে পারে:
ক) স্বার্থ নাবালকের বিরোধী হলে - যখন Next Friend-এর স্বার্থ নাবালকের স্বার্থের বিরোধী হয়। 
খ) দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন না করলে - যখন Next Friend তার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন না করে। 
গ) বাংলাদেশের বাইরে চলে গেলে - যখন মামলা বিচারাধীন থাকাকালীন Next Friend বাংলাদেশের বাইরে চলে যায়।
- এছাড়াও আদালত যেকোনো অন্য যথেষ্ট কারণেও Next Friend-কে অপসারণ করতে পারে।
- তাই উপরের সবগুলো অবস্থাতেই আদালত উল্লেখযোগ্য ও যুক্তিসঙ্গত কারণ মনে করলে নেকস্ট ফ্রেন্ডকে অপসারণের নির্দেশ দিতে পারে এবং মামলার খরচ সম্পর্কেও আদেশ দিতে পারে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩২, বিধি-৯: Next Friend অপসারণ:
(১) যখন কোন নাবালকের Next Friend এর স্বার্থে ঐ নাবালকের স্বার্থের প্রতিকূলে বা যখন সে এমন বিবাদীর সাথে সংশ্লিষ্ট, যার স্বার্থ ঐ নাবালকের স্বার্থের প্রতিকূলে যার দরুণ তার দ্বারা উক্ত নাবালকের স্বার্থ যথার্থভাবে সংরক্ষণ সম্ভব নহে, অথবা যখন সে তার কর্তব্য পালন করে না বা মামলা বিচারাধীন থাকাকারে বাংলাদেশে বসবাস করা শেষ করে অথবা অন্য কোন যথেষ্ট কারণে নাবালকের তরফ হতে বা বিবাদী কর্তৃক তার অপসারণের জন্য আবেদন করা যাবে এবং আদালত যদি প্রদর্শিত কারণের যথার্থতা সম্পর্কে পরিতুষ্ট হন, তবে Next Friend-কে তদানুসারে অপসারণের নির্দেশ দিতে পারেন এবং খরচা সম্পর্কে অন্য কোন উপযুক্ত আদেশ দিতে পারেন।
(২) যেক্ষেত্রে কোন Next Friend বা অভিভাবক এতদুদ্দেশ্যে কোন উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নিযুক্ত বা ঘোষিত হয়নি এবং উক্ত মতে নিযুক্ত বা ঘোষিত কোন অভিভাবক Next Friend এর স্থলে নিজেই নিযুক্ত হতে ইচ্ছা পোষণ করে আবেদন লিপিবদ্ধ করে মনে করেন যে, উক্ত অভিভাবককে নাবালকের Next Friend নিয়োগ করা উচি নহে, এবং আবেদনকারীকে তার স্থলে আদালতের বিবেচনা মত মামলায় যে খরচ হয়েছে তৎসম্পর্কে শর্তাদি সাপেক্ষে Next Friend হিসাবে নিয়োগ করবেন।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Order-32 Rule-9: Removal of next friend: 
(1) Where the interest of the next friend of a minor is adverse to that of the minor or where he is so connected with a defendant whose interest is adverse to that of the minor as to make it unlikely that the minor's interest will be properly protected by him, or where he does not do his duty, or, during the pendency of the suit, ceases to reside within Bangladesh, or for any other sufficient cause, application may be made on behalf of the minor or by a defendant for his removal; and the Court, if satisfied of the sufficiency of the cause assigned, may order the next friend to be removed accordingly, and make such other order as to costs as it thinks fit.
(2) Where the next friend is not a guardian appointed or declared by an authority competent in this behalf, and an application is made by a guardian so appointed or declared, who desires to be himself appointed in the place of the next friend, the Court shall remove the next friend unless it considers, for reasons to be recorded by it, that the guardian ought not to be appointed the next friend of the minor, and shall thereupon appoint the applicant to be next friend in his place upon such terms as to the costs already incurred in the suit as it thinks fit.

৭,০৯০.
সংবিধানের অষ্টম সংশোধনী মামলায় আপিল বিভাগ এ মর্মে ঘোষণা করেন যে-
  1. তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি অবৈধ
  2. খন্দকার মোশতাক আহমদ কর্তৃক জারিকৃত সামরিক আদালত অবৈধ
  3. জেনারেল এইচ.এম. এরশাদ কর্তৃক জারিকৃত সামরিক আইন অবৈধ
  4. রাজধানীর বাহিরে হাইকোর্ট বিভাগের ৬টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপন অবৈধ
সঠিক উত্তর:
রাজধানীর বাহিরে হাইকোর্ট বিভাগের ৬টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপন অবৈধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজধানীর বাহিরে হাইকোর্ট বিভাগের ৬টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপন অবৈধ
ব্যাখ্যা
 ♦ সংবিধানের ১০০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে রাজধানীর বাহিরে হাইকোর্ট বিভাগের ৬ টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপন করে সংবিধানের অষ্টম সংশোধনী আইন, ১৯৮৮ পাস করা হয়। এই সংশোধনীর বৈধতা নিয়ে দুইটি রীট দায়ের করা হয়েছিল এই ভিত্তিতে যে প্রজাতন্ত্রের উপর বিচারিক ক্ষমতাসম্পন্ন সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ সংবিধানের মৌলিক ভিত্তি যা পরিবর্তন বা নষ্ট করা যায় না । সুতরাং উক্ত সংশোধনী অবৈধ। হাইকোর্টের বিভক্ত বেঞ্চ এই দুইটি রীট পিটিশন খারিজ করে দেয়। লিভ টু আপীল আপীলেট ডিভিশনে দায়ের করলে তা আপীল বিভাগ মঞ্জুর করে এবং সর্বশেষ সংবিধানের অষ্টম সংশোধনীর মাধ্যমে রাজধানীর বাহিরে হাইকোর্ট বিভাগের ৬ টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপন অবৈধ বলে আপীল বিভাগ রায় দেয়।
৭,০৯১.
আদেশ-১০, বিধি-৩ অনুযায়ী, পক্ষগণের জবানবন্দির সারমর্ম কে লিখবেন?
  1. বাদী
  2. বিবাদী
  3. বিচারক
  4. উভয় পক্ষের আইনজীবী
সঠিক উত্তর:
বিচারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারক
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১০ এ আদালত কর্তৃক পক্ষগণের জবানবন্দি গ্রহণ [Examination of Parties by the Court] এর বিধান রয়েছে।

বিধি-৩: জবানবন্দির সারমর্ম লিখিত হতে হবে-
জবানবন্দির সারমর্ম বিচারক কর্তৃক লিখিত হবে এবং তা নথির অংশে পরিণত হবে।

[Rule.-3: Substance of examination to be written-
The substance of the examination shall be reduced to writing by the Judge, and shall form part of the record]
৭,০৯২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারায় চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের মোকদ্দমায় বাদী বিকল্প হিসেবে কী প্রতিকার পেতে পারে?
  1. ক্ষতিপূরণ
  2. চুক্তি রদ
  3. চুক্তি সংশোধন
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
চুক্তি রদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি রদ
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৩৭, সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের মামলায় বিকল্প হিসাবে রদের প্রার্থনা- একটি লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের জন্য মামলা দায়েরকারী বাদি বিকল্প প্রার্থনা করিতে পারিবেন যে, চুক্তিটি যদি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা না যায়, তাহা হইল উহা রদ করা হউক এবং বাতিল হিসাবে ত্যাগ করা হউক; এবং আদালত যদি চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করিতে অস্বীকার করে, তাহা হইলে উহা রদ করিবার এবং সেই অনুসারে ত্যাগ করিবার নির্দেশ দিতে পারিবে।
--------------
The Specific Relief Act,1877, Section 37: Alternative prayer for rescission in suit for specific performance: A plaintiff instituting a suit for the specific performance of a contract in writing may pray in the alternative that, if the contract cannot be specifically enforced, it may be rescinded and delivered up to be cancelled; and the Court, if it refuses to enforce the contract specifically, may direct it to be rescinded and delivered up accordingly.

৭,০৯৩.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ অনুযায়ী, হাতেনাতে ধরা পড়লে কত দিনের মধ্যে বিচার শেষ করতে হবে?
  1. ৬০ দিন 
  2. ১৫ কার্যদিবস
  3. ৩০ কার্যদিবস
  4. ৬০ কার্যদিবস
সঠিক উত্তর:
৩০ কার্যদিবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা

⇒ আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২-এর ধারা ১০(১) অনুসারে: হাতেনাতে ধরা পড়লে বিচার ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে শেষ করতে হবে।
এখানে "কার্যদিবস" বলতে আদালত বসে এমন দিন বোঝায়।

⇒ আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২-এর ধারা ১০ - বিচার পদ্ধতি:
(১) আদালত এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে সম্পন্ন করিবে এবং এতদুদ্দেশ্যে এই আইনে ভিন্নতর কিছু না থাকিলে, ফৌজদারী কার্যবিধির Chapter XXII-তে বর্ণিত পদ্ধতি, যতদূর প্রযোজ্য হয়, অনুসরণ করিবে৷ 
(২) এই আইনের অধীন কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি হাতেনাতে পুলিশ কর্তৃক ধৃত হইলে বা অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক ধৃত হইয়া পুলিশের নিকট সোপর্দ করা হইলে, পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের প্রাথমিক রিপোর্টসহ তাহাকে চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে হাজির করিবে এবং উহার পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে অপরাধ সম্পর্কে আদালতে রিপোর্ট বা অভিযোগ পেশ করিবে এবং আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান করিয়া উক্তরূপ রিপোর্ট বা অভিযোগ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ত্রিশ কার্যদিবসের মধ্যে বিচার কার্য সম্পন্ন করিবে৷ 
(৩) অভিযুক্ত ব্যক্তি উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিতভাবে হাতেনাতে ধৃত না হইলে, অপরাধ সংঘটনের পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে ধারা ৯(২) এর অধীন রিপোর্ট বা অভিযোগ দাখিল করিতে হইবে এবং উক্ত রিপোর্ট বা অভিযোগ দায়েরের পরবর্তী ষাট কার্যদিবসের মধ্যে, ধারা ১১ এর বিধান সাপেক্ষে, আদালত বিচার কার্য সম্পন্ন করিব৷ 
(৪) উপ-ধারা (২) ও (৩) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিতভাবে ধৃত না হইয়া অন্য কোনভাবে ধৃত হইলে বা আদালতে আত্নসমর্পণ করিলে, উক্ত অপরাধের বিষয়ে, যত দ্রুত সম্ভব, ধারা ৯(২) এর অধীন রিপোর্ট বা অভিযোগ দাখিল করিতে হইবে এবং আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্নপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান করিয়া উক্তরূপ রির্পোট বা অভিযোগ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবসের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে।

৭,০৯৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারা অনুসারে কাকে আসামীর জবানবন্দী গ্রহণের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে?
  1. পুলিশকে
  2. আদালতকে
  3. বাদীর আইনজীবীকে
  4. পাবলিক প্রসিকিউটরকে
সঠিক উত্তর:
আদালতকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতকে
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় আসামীর জবানবন্দী গ্রহণের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে। আদালত আসামীর বিরুদ্ধে উত্থাপিত সাক্ষ্যের পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করার জন্য তাকে সতর্ক না করে যেকোন পর্যায়ে প্রশ্ন করতে পারবেন। আসামী যদি জবাব দিতে অস্বীকার করে বা মিথ্যা জবাব দেয়, তাতে তাকে দণ্ডিত করা হবে না; তবে আদালত এটি বিবেচনায় নিতে পারেন। জবাব অনুসন্ধানে প্রমাণ হিসাবে ব্যবহার করা যেতে পারে, এবং এতে অন্য অপরাধের ইঙ্গিত থাকলে তা প্রমাণ হিসাবে গ্রহণযোগ্য। এছাড়া, আসামীকে কোন প্রকার শপথ করানো যাবে না।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারার বিধান আসামীর জবানবন্দী গ্রহণ করার ক্ষমতা:
(১) আসামীকে তার বিরুদ্ধে প্রদত্ত সাক্ষ্যে উত্থাপিত কোন অবস্থা বিশ্লেষণ করতে সমর্থ করার উদ্দেশ্যে আদালত অনুসন্ধান বা বিচারের যেকোন পর্যায়ে আসামীকে পূর্বাহ্নে সতর্ক করে না দিয়া প্রয়োজনীয় বলিয়া বিবেচিত যেকোন প্রশ্ন তাকে জিজ্ঞাসা করতে পারবেন এবং উপরোক্ত উদ্দেশ্যে বাদীপক্ষের সাক্ষীদেৱ জবানবন্দী গ্রহণের পর এবং তাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের আহবান জানাবার পূর্বে তার নিকট মামলা সম্পর্কে সাধারণভাবে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করবেন।
(২) এরূপ কোন প্রশ্নের জবাব দিতে অস্বীকার করলে বা মিথ্যা জবাব দিলে আসামী দণ্ডিত হবে না তবে আদালত এরূপ অস্বীকৃতি বা জবাব হতে যেরূপ ন্যায় সংগত মনে করেন সেরূপ অনুমান করতে পারবেন।দ
(৩) আসামী কর্তৃক প্রদত্ত জবাব এরূপ অনুসন্ধান বা বিচারে বিবেচনা করা যেতে পারে, এবং উক্ত জবাবে সে অন্য কোন অপরাধ করেছে বলে আভাস পাওয়া গেলে উক্তঅপরাধের অনুসন্ধান বা বিচারে উক্ত জবাব তার পক্ষে বা বিপক্ষে সাক্ষ্য হিসাবে পেশ করা যেতে পারে।
(৪) আসামীকে কোন প্রকার শপথ করানো যাবে না।
--------------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 342. Power to examine the accused:
(1) For the purpose of enabling the accused to explain any circumstances appearing in the evidence against him, the Court may, at any stage of any inquiry or trial without previously warning the accused, put such questions to him as the Court considers necessary, and shall, for the purpose aforesaid, question him generally on the case after the witnesses for the prosecution have been examined and before he is called on for his defence.
(2) The accused shall not render himself liable to punishment by refusing to answer such questions, or by giving false answers to them; but the Court may draw such inference from such refusal or answers as it thinks just.
(3) The answers given by the accused may be taken into consideration in such inquiry or trial, and put in evidence for or against him in any other inquiry into, or trial for, any other offence which such answers may tend to show he has committed.
(4) No oath shall be administered to the accused.
৭,০৯৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন নিয়মে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমার বিধান রয়েছে?
  1. আদেশ-২, নিয়ম-৭
  2. আদেশ-১, নিয়ম-৮
  3. আদেশ-২, নিয়ম-৮
  4. আদেশ-৩, নিয়ম-১
সঠিক উত্তর:
আদেশ-১, নিয়ম-৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-১, নিয়ম-৮
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি সংহিতা (CPC)-এর আদেশ-১, নিয়ম-৮-এ প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা (Representative Suit) সম্পর্কিত বিস্তারিত বিধান রয়েছে। এই নিয়ম অনুসারে, যখন একই স্বার্থে অসংখ্য ব্যক্তি জড়িত থাকে, তখন আদালতের অনুমতিক্রমে এক বা একাধিক ব্যক্তি সকলের পক্ষে মামলা দায়ের বা রক্ষণাবেক্ষণ করতে পারে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১নং আদেশের ৮ নং বিধিতে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বা [Representative suit] এর বিধান রয়েছে।
সাধারণত মোকদ্দমার বিষয়বস্তুতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তিকে উক্ত মোকদ্দমায় বাদী বা বিবাদী হিসেবে যুক্ত হতে হয়। কিন্তু ১নং আদেশের ৮ নং বিধির আওতায় প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা এই নিয়মের ব্যতিক্রম। অর্থাৎ এই বিধিমতে, যেক্ষেত্রে কোন মামলায় বহু সংখ্যক লোকের একই রূপ স্বার্থ (same interest) থাকলে, সেক্ষেত্রে আদালতের অনুমতিক্রমে সকলের পক্ষে এক বা একাধিক ব্যক্তি মামলা দায়ের করতে পারে। এই এক বা একাধিক ব্যক্তি অন্যান্য সকলকে প্রতিনিধিত্ব করে। এই ধরনের মোকদ্দমাকে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বা Representative suit বলা হয়।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908: Order-1, Rule-8: One person may sue or defend on behalf of all in same interest-
1) Where there are numerous persons having the same interest in one suit, one or more of such persons may, with the permission of the Cour sue or be sued, or may defend, in such suit, on behalf of or for the benefit of all persons so interested. But the Court shall in such case give, at the plantiffs expense, notice of the institution of the suit to all such personal either by person service or, where from the number of persons or any other cause such service is not reasonably practicable, by public advertisement as the Court in each case may direct.
2) Any person on whose behalf or for whose benefit a suit is instituted or defended under sub-rule (1) may apply to the Court to be made a party to such suit.

৭,০৯৬.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর কোন ধারা রুদ্ধদ্বার কক্ষে (in camera) বিচার সংক্রান্ত বিধান করে?
  1. ধারা ১২
  2. ধারা ১৩
  3. ধারা ১৪
  4. ধারা ১১ 
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২
ব্যাখ্যা

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩-এর ধারা ১২ রুদ্ধদ্বার কক্ষে (in camera) বিচার পরিচালনার বিধান করে। আদালত স্বেচ্ছায় বা উভয়পক্ষের অনুরোধে মামলার সম্পূর্ণ বা আংশিক কার্যধারা রুদ্ধদ্বার কক্ষে পরিচালনা করতে পারে।

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ১২ ধারার বিধান: রুদ্ধদ্বার কক্ষে  বিচার:
(১) পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত, উপযুক্ত মনে করিলে, এই আইনের অধীন কোনো মোকদ্দমার কার্যধারার সম্পূর্ণ বা কোনো অংশবিশেষ রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠান করিতে পারিবে।
(২) যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার কার্যধারা উভয়পক্ষ রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠানের জন্য আদালতকে অনুরোধ করেন, সেইক্ষেত্রে আদালত উহা রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠান করিবে।

৭,০৯৭.
দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারার মতে, বলপ্রয়োগ সংঘটিত হয় যখন—
  1. কেবলমাত্র সরাসরি আঘাত করা হয়।
  2. মৌখিক হুমকি প্রদান করা হয়।
  3. শুধুমাত্র শারীরিক বল প্রয়োগ করা হয়।
  4. গতি সঞ্চার, গতি পরিবর্তন বা গতি স্তব্ধ করা হয়।
সঠিক উত্তর:
গতি সঞ্চার, গতি পরিবর্তন বা গতি স্তব্ধ করা হয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গতি সঞ্চার, গতি পরিবর্তন বা গতি স্তব্ধ করা হয়।
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারা অনুযায়ী, বলপ্রয়োগ (Force) সংঘটিত হয় যখন—
১) কোনো ব্যক্তির গতি সঞ্চার (cause motion) করা হয়,
২) তার গতির পরিবর্তন (change of motion) করা হয়, অথবা
৩) তার গতি স্তব্ধ (cessation of motion) করা হয়।
এছাড়াও, কোনো বস্তু বা প্রাণীর গতি পরিবর্তনের মাধ্যমে যদি কারও শরীরের সংস্পর্শে আনা হয় বা তার অনুভূতিতে প্রভাব ফেলে, তাহলেও বলপ্রয়োগ সংঘটিত হয়েছে বলে ধরে নেওয়া হবে।
অর্থাৎ দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারা অনুযায়ী, বলপ্রয়োগ বলতে বোঝায় গতি সঞ্চার, গতি পরিবর্তন বা গতি স্তব্ধ করা, যা সরাসরি বা পরোক্ষভাবে সংঘটিত হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারার বিধান: বলপ্রয়োগ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে কোন বস্তুতে এমন গতি সঞ্চার করে, বা গতি স্তব্ধ করে, যাতে উহা অপর কোন ব্যক্তির দেহের কোন অংশের সংস্পর্শে আসে, অথবা যদি সে অপর কোন ব্যক্তির পরিহিত বা বাহিত কোন দ্রব্যে অনুরূপ গতি সঞ্চার, গতি পরিবর্তন বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে এমন কোন বস্তুর সাথে উহা করে যা এমনভাবে সংস্থিত যে, উহার সংস্পর্শ দ্বিতীয়োক্ত ব্যক্তির অনুভব-শক্তি ব্যাহত করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির প্রতি বলপ্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়:-
তবে শর্ত থাকে যে, যে ব্যক্তি গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, সে ব্যক্তির গতি সঞ্চারের, গতি পরিবর্তনের বা গতি স্তব্ধকরণের পদ্ধতি নিম্নোক্ত তিনটি উপায়ের যেকোন একটি হতে হবে-
প্রথমত:- তার নিজ দেহের শক্তি প্রয়োগ করে।
দ্বিতীয়ত:- কোন বস্তু এমনভাবে ব্যবহার করে, যার ফলে তার নিজের বা অপর কোন ব্যক্তির কোন কাজ ব্যতীত গতি বা গতির পরিবর্তন বা গতির স্তব্ধতা সাধিত হয়।
তৃতীয়ত:- কোন পশুকে চালিত করে গতি পরিবর্তন বা পশুটির গতি স্তব্ধ করে।
----------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section 349: Force:
- A person is said to use force to another if he causes motion, change of motion, or cessation of motion to that other, or if he causes to any substance such motion, or change of motion, or cessation of motion as brings that substance into contact with any part of that other's body, or with anything which that other is wearing or carrying, or with anything so situated that such contact affects that other's sense of feeling:
Provided that the person causing the motion, or change of motion, or cessation of motion, causes that motion, change of motion, or cessation of motion in one of the three ways hereinafter described:
Firstly. By his own bodily power.
Secondly. By disposing any substance in such a manner that the motion or change or cessation of motion takes place without any further act on his part, or on the part of any other person.
Thirdly. By inducing any animal to move, to change its motion, or to cease to move.
৭,০৯৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৭ নং আদেশের ১ নং বিধি অনুযায়ী কোন Ground-এ রিভিউ আবেদন করা যায়?
  1. নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ কোন বিষয় আবিষ্কার হলে
  2. মামলার নথিতে ভুল-ভ্রান্তি থাকলে
  3. ক ও খ উভয় কারনে
  4. উল্লিখিত কোন কারনে নয়
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয় কারনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয় কারনে
ব্যাখ্যা
• রিভিউ (Review)-
আদালত কর্তৃক কিছু নির্দিষ্ট এবং নির্দেশিত অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে বিচার পুনঃনিরীক্ষণকে রিভিউ বলে। বিচার বিভাগীয় প্রত্যেক অঙ্গে রিভিউ সম্ভব। আবেদনকৃত রিভিউ সেই আদালত পর্যালোচনা করবে যে আদালত উক্ত মামলার রায় বা ডিক্রি প্রদান করেছে। অর্থাৎ যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছে, সেই আদালত কর্তৃক উক্ত ডিক্রি পুনরায় দেখা বা বিচারিক পর্যালোচনাকে রিভিউ বলে। উল্লিখিত ক্ষেত্রে রায় প্রদানকারী যুগ্ম জেলা জজ আদালতেই রিভিউ করতে হবে। দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৪ ধারা এবং ৪৭ নং আদেশে রিভিউ সম্পর্কিত বিধান রয়েছে। 

⇒ রিভিউ আবেদনের শর্তসমূহ:
দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৭ নং আদেশের ১ নং বিধি অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৩টি Ground-এ রিভিউ আবেদন করা যায়-
ⅰ) নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ কোন বিষয় আবিষ্কার হলে;
ii) মামলার নথিতে ভুল বা স্পষ্টত কোন ভ্রান্তি থাকলে;
iii) অন্য কোন পর্যাপ্ত কারণে রিভিউ আবেদন করা যায়।
৭,০৯৯.
১২৭ ধারায় কে বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ হওয়ার আদেশ দিতে পারেন?
  1. দায়রা আদালত
  2. প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
  3. থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার
  4. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার
ব্যাখ্যা
ধারা ১২৭: ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসারের আদেশে জনসমাবেশ ভঙ্গকরণ:
কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার কোন বেআইনি সমাবেশ সার্বক্ষণিক শান্তি সম্ভবতঃ বিঘ্ন করবে এমন পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির এমন কোন সমাবেশকে ছত্রভঙ্গ হওয়ার হুকুম দিতে পারেন; এবং তখন জনসমাবেশ সদস্যদের কাজ হবে সেই অনুসারে ছত্রভঙ্গ হওয়া।

[Any Executive Magistrate or officer in charge of a police-station may command any unlawful assembly, or any assembly of five or more persons likely to cause a disturbance of the public peace, to disperse; and it shall thereupon be the duty of the members of such assembly to disperse accordingly.]
৭,১০০.
দণ্ডবিধির ৩২০ ধারা অনুসারে কোনটি গুরুতর আঘাত?
  1. স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ
  2. যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন
  3. হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• ৩২০ ধারা অনুযায়ী ৮ শ্রেণির আঘাতকে গুরুতর আঘাত বলা হয়েছে। যথা:
(i) পুরুষত্বহীনকরণ
(ii) স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ
(iii) স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ
(iv) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন
(v) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির স্থায়ী ক্ষতিকরণ
(vi) মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
(vii) হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা
(viii) কোন ব্যক্তিকে ২০ পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘাত।