বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ৬৫ / ১৫৫ · ৬,৪০১৬,৫০০ / ১৫,৪৭০

৬,৪০১.
ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগ ফেরত দিতে পারেন?
  1. ২০১ ধারা
  2. ২০২ ধারা
  3. ২০৩ ধারা
  4. ২০৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
২০১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০১ এ এখতিয়ারবিহীন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ দায়েরের ফলাফল সম্পর্কে বলা হয়েছে-
- লিখিত আকারে নালিশের ক্ষেত্রে- আমলে নেওয়ার এখতিয়ার নেই এমন কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি লিখিত আকারে নালিশ দায়ের করা হয়, তাহলে তিনি উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য নালিশটি ফেরত দিবেন।
- মৌখিক নালিশের ক্ষেত্রে- যদি লিখিত আকারে নালিশ দায়ের না করা হয় অর্থাৎ মৌখিকভাবে মালিশ দায়ের করা হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট নালিশকারীকে উপযুক্ত আদালতে প্রেরণ করবেন।
-----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-201: Procedure by Magistrate not competent to take cognizance of the case:
(1) If the complaint has been made in writing to a Magistrate who is not competent to take cognizance of the case, he shall return the complaint for presentation to the proper Court with an endorsement to that effect.  
(2) If the complaint has not been made in writing, such Magistrate shall direct the complainant to the proper Court.
৬,৪০২.
যদি আপিলকৃত সিদ্ধান্ত কোনো চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অন্য ম্যাজিস্ট্রেট প্রদান করে, তাহলে প্রত্যয়নের সার্টিফিকেট কার মাধ্যমে পাঠানো হবে?
  1. সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে
  2. চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে
  3. চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
ধারা ৪২৫: আপিলের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগের আদেশ নিম্ন আদালতে প্রত্যয়ন:
(১) যখন এই অধ্যায়ের অধীনে উচ্চ আদালত বিভাগ (হাইকোর্ট ডিভিশন) আপিলের উপর কোনো মামলা সিদ্ধান্ত দেয়, তখন এটি তার রায় বা আদেশ সেই আদালতে প্রত্যয়ন করবে, যেখানে আপিলকৃত সিদ্ধান্ত, দণ্ড বা আদেশ রেকর্ড করা বা প্রদত্ত হয়েছিল।

তবে শর্ত থাকে যে, যদি উক্ত সিদ্ধান্ত, দণ্ড বা আদেশ চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অন্য কোনো ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক রেকর্ড বা প্রদত্ত হয়ে থাকে, তাহলে প্রত্যয়নের সার্টিফিকেট চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে প্রেরণ করতে হবে, যেখানে যা প্রযোজ্য।

(২) যে আদালতে হাইকোর্ট বিভাগ তার রায় বা আদেশ প্রত্যয়ন করে, সে আদালত উচ্চ আদালতের রায় বা আদেশ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আদেশ গ্রহণ করবে; এবং যদি প্রয়োজন হয়, তাহলে রেকর্ড সংশোধন করা হবে।
৬,৪০৩.
ডিজিটাল গেজেট যথাযথ হেফাজত থেকে দাখিল করা হলে আদালত তা অবশ্যই সঠিক হিসেবে-
  1. অনুমান করবে
  2. অনুমান করতে পারে
  3. অনুমান নাও করতে পারে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
অনুমান করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুমান করবে
ব্যাখ্যা
ধারা- ৮১ক: ডিজিটাল আকারে গেজেট হিসাবে অনুমান:
আদালত সরকারী গেজেট বলে অভিহিত প্রতিটি ডিজিটাল রেকর্ডের সত্যতা অনুমান করবে, বা কোনও ব্যক্তির দ্বারা রাখা হবে এমন কোনও আইন দ্বারা নির্দেশিত ডিজিটাল‌ রেকর্ডও হতে পারে, সত্যতা অনুমান করবে যদি এই জাতীয় ডিজিটাল রেকর্ড যথেষ্ট পরিমানে রাখা হয় আইন দ্বারা প্রয়োজনীয় কোন ফর্মে এবং যথাযথ হেফাজত থেকে দাখিল হয়।

ব্যাখ্যা: ডিজিটাল রেকর্ডগুলিকে যথাযথ হেফাজতে বলা হবে যদি সেগুলি সেই জায়গায় থাকে যেখানে এবং যার সাথে সেগুলি স্বাভাবিকভাবেই থাকে, তবে কোন হেফাজত অনুপযুক্ত নয় যদি প্রমাণিত হয় যে এটির বৈধ উৎস ছিল বা বিশেষ ক্ষেত্রের পরিস্থিতি এমন যে এমন একটি উৎপত্তি সম্ভাব্যতা প্রদান করা।

অর্থাৎ ডিজিটাল গেজেট যথাযথ হেফাজত থেকে দাখিল করা হলে আদালত তা অবশ্যই সঠিক হিসেবে অনুমান করবে। ডিজিটাল আকারে গেজেট হিসেবে আদালত 'shall presume' ধরে নিবেন।
৬,৪০৪.
ইন্টার-প্লিডার মোকদ্দমার অর্থ হচ্ছে-
  1. একাধিক দাবীদারের বিরুদ্ধে মামলা
  2. একজন দাবিদারের বিরুদ্ধে মামলা
  3. কতিপয় বাদীর পক্ষে মামলা
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
একাধিক দাবীদারের বিরুদ্ধে মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একাধিক দাবীদারের বিরুদ্ধে মামলা
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৮ এবং আদেশ ৩৫ মতে- ইন্টার-প্লিডার মামলায় বাদীর নয় বরং সম্পত্তিতে বিবাদীর স্বার্থ নির্ধারিত হয়। এই সম্পত্তিতে বাদীর কোন দাবী থাকে না। ইন্টার-প্লিডার মামলা হচ্ছে একাধিক দাবীদারের বিরুদ্ধে মামলা।

♦  ইন্টার-প্লিডার মামলা হতে পারে টাকা, স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির দাবী নিয়ে। এই মামলার উদ্দেশ্য হচ্ছে সম্পত্তি সঠিক মালিকের নিকট অর্পণ করা।
৬,৪০৫.
ডিক্রি জারিতে বিক্রয় রদ করার জন্য দরখাস্ত দাখিল কখন করতে হবে?
  1. ডিক্রি ঘোষণার তারিখ হতে ৬০ দিনের মধ্যে
  2. নিলাম বিক্রয়ের তারিখ হতে ৩০ দিনের মধ্যে
  3. ডিক্রি জারি ঘোষণার তারিখ হতে ৬০ দিনের মধ্যে
  4. নিলাম বিক্রয়ের তারিখ হতে ৬০ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
নিলাম বিক্রয়ের তারিখ হতে ৩০ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিলাম বিক্রয়ের তারিখ হতে ৩০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১৬৬

ডিক্রি জারিতে বিক্রয় রদ করার জন্য দরখাস্ত [to set aside a sale in exceution of a decree]

তামাদি- ৩০ দিন।
সময় গণনা শুরু- নিলাম বিক্রয়ের তারিখ হতে।
৬,৪০৬.
ব্যাংক কোম্পানীর সাথে প্রতারণার শাস্তি কত?
  1. ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  2. ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৬২খ - ব্যাংকিং কোম্পানিকে প্রতারণার মাধ্যমে সুবিধা গ্রহণের জন্য দণ্ড:
“যে কেউ কোনো ব্যাংকিং লেনদেনের সময় প্রতারণার মাধ্যমে কোনো ব্যাংকিং কোম্পানি থেকে কোনো ধরনের সুবিধা গ্রহণ করে, তাকে দুই বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে।”

ব্যাখ্যা (Explanation):
এই ধারায় এবং ৪৬২A ধারায় “ব্যাংকিং কোম্পানি” বলতে বোঝায়—

১. ব্যাংকিং কোম্পানি (Banking Company Ordinance, 1962 এর ৫(গ) ধারা অনুযায়ী সংজ্ঞায়িত)
২. বাংলাদেশ ব্যাংক জাতীয়করণ আদেশ, ১৯৭২ (P.O. No. 26 of 1972) অনুসারে গঠিত কোনো ব্যাংক
৩. আর্থিক প্রতিষ্ঠান, (বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ, ১৯৭২ এর ৫০(গ) ধারা অনুযায়ী সংজ্ঞায়িত)
৪. বাংলাদেশ শিল্প ঋণ সংস্থা, ১৯৭২ (P.O. No. 128 of 1972)
৫. বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংক, ১৯৭২ (P.O. No. 129 of 1972)
৬. বাংলাদেশ গৃহ নির্মাণ অর্থ সংস্থা, ১৯৭৩ (P.O. No. 7 of 1973)
৭. বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, ১৯৭৩ (P.O. No. 27 of 1973)
৮. ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ, ১৯৭৬ (Ord. XL of 1976)
৯. গ্রামীণ ব্যাংক, ১৯৮৩ (Ord. XLVI of 1983)
১০. রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, ১৯৮৬ (Ord. LVIII of 1986)
১১. ইসলামী শরীয়াহ অনুযায়ী পরিচালিত কোনো ব্যাংক।
৬,৪০৭.
কোন ক্ষেত্রে একাধিক ব্যক্তি বিবাদী হিসেবে মোকদ্দমায় পক্ষভূক্ত হতে পারে?
  1. ন্যায় বিচারের স্বার্থে
  2. দাবিকৃত প্রতিকার ভিন্ন হলে
  3. দাবিকৃত প্রতিকার একই কার্য থেকে উদ্ভব হলে
  4. একই তারিখে মামলা হলে
সঠিক উত্তর:
দাবিকৃত প্রতিকার একই কার্য থেকে উদ্ভব হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাবিকৃত প্রতিকার একই কার্য থেকে উদ্ভব হলে
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির ১ আদেশ ৩ বিধি মতে- যেক্ষেত্রে কতিপয় বিরুদ্ধে দাবীকৃত প্রতিকার একই কার্য থেকে উদ্ভব হয় এবং উক্ত বিবাদীদের বিরুদ্ধে পৃথক পৃথক মোকদ্দমা দায়ের করলে আইন বা তথ্য সংক্রান্ত একটি সাধারণ প্রশ্নের উদ্ভব হতে পারে, সেক্ষেত্রে ঐ সকল ব্যক্তিকে একই মোকদ্দমায় বিবাদী হিসেবে যুক্ত করা যায়।
একই মামলায় একাধিক ব্যক্তিকে যুক্ত করতে হলে নিম্নোক্ত শর্তপূরণ করতে হবে-
১) যাদের বিরুদ্ধে একই কাজ বা বিষয় আদান-প্রদান দ্বারা একত্রে বা পৃথকভাবে কোন প্রতিকার দাবি করা যায়। এবং
২) উক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পৃথকভাবে মোকদ্দমা দায়ের করলে আইন বা তথ্যসংক্রান্ত একটি সাধারণ প্রশ্নের উদ্ভব হতে পারে অনুরূপ সকলকে একই মোকদ্দমায় বিবাদীপক্ষে যুক্ত করা যায়।
৬,৪০৮.
দেওয়ানী মামলায় সিনিয়র সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার কত?
  1. অনধিক ১৫ লক্ষ টাকা
  2. অনধিক ২৫ লক্ষ টাকা
  3. অনধিক ৩৫ লক্ষ টাকা
  4. সীমাহীন
সঠিক উত্তর:
অনধিক ২৫ লক্ষ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ২৫ লক্ষ টাকা
ব্যাখ্যা
♦ The Civil Court Act, 1887 এর ২০২১ সালের সংশোধনী অনুসারে, দেওয়ানি আদালতে আর্থিক এখতিয়ার হলঃ সহকারী জজ ১৫ লক্ষ পর্যন্ত, সিনিয়র সকারী জজ ২৫ লক্ষ পর্যন্ত ও যুগ্মজেলা জজ সীমাহীন মূল্যের মোকদ্দমা বিচার করতে পারেন।
♦ এই ক্ষেত্রে সিনিয়র সহকারী জজের এখতিয়ার শুরু হবে ১৫ লক্ষ ১ টাকা হতে অনধিক ২৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত। 
৬,৪০৯.
বিচার্য বিষয় গঠন করা হয়-
  1. মোকদ্দমার প্রথম শুনানীতে
  2. লিখিত জবাব দাখিলের পর
  3. ক বা খ এর মধ্যে যেটা পরে ঘটে তার ১৫ দিনের মধ্যে
  4. মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে
সঠিক উত্তর:
ক বা খ এর মধ্যে যেটা পরে ঘটে তার ১৫ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ এর মধ্যে যেটা পরে ঘটে তার ১৫ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৪ বিধি ১ (বিচার্য বিষয় প্রণয়ন)-

১) ঘটনা কিংবা আইনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এক পক্ষ দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করে এবং অপরপক্ষ অস্বীকার করে, তখনই বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়।

২) গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলী আইন কিংবা ঘটনার সে সমস্ত বিষয়াবলী যা বাদিকে তার মোকদ্দমা করার অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে অবশ্যই নালিশ করতে হয় কিংবা বিবাদিতে তার আত্মপক্ষ সমর্থন করতে অবশ্যই প্রতিবাদ করতে হয়।

৩) একপক্ষ কর্তৃক দৃঢ়ভাবে ঘোষিত এবং অপর পক্ষ কর্তৃক অস্বীকৃত প্রত্যেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় একটি আলাদা বিচার্য বিষয়ের সৃষ্টি করবে।

৪) বিচার্য বিষয় দুই প্রকারেরঃ ক) ঘটনা সংক্রান্ত বিচার্য বিষয়, খ) আইন সংক্রান্ত বিচার্য বিষয়।

৫) মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন আদালত বাদির আরজি এবং লিখিত বর্ণনা(যদি কোন) পাঠ করার পর এবং প্রয়োজনমত পক্ষগণের এরূপ পরীক্ষা করার পর ঘটনা কিংবা আইনের কোন গুরুত্বপূর্ণ বিবৃতির উপর পক্ষগণ এর বিরোধ তা নির্ধারণ করবে এবং ইহার পর যে সকল বিচার্য বিষয়ের উপর মোকদ্দমার সঠিক সিদ্ধান্ত নির্ভর করে বলে প্রতীয়মান হয়, সে সমস্ত বিচার্য বিষয় প্রণয়নে অগ্রসরমান হবে এবং তা লিপিবদ্ধ করবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, ৪ এবং ৫ বিধির বিধানাবলী সাপেক্ষে যে কোন ক্ষেত্রে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির কিংবা লিখিত বর্ণনা দাখিলের পনের দিনের মধ্যে যেটাই পরে ঘটে তখন বিচার্য বিষয় প্রণয়ন এবং লিপিবদ্ধ করতে হবে।

৬) মোকদ্দমার প্রথম শুনানির সময় বিবাদি আত্মপক্ষ সমর্থন না করলে এই বিধির কোন বিধানেই আদালত বিচার্য বিষয় প্রণয়ন এবং লিপিবদ্ধ করবে না।
৬,৪১০.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৯ ধারার বিধান কী?
  1. Operation of transfer
  2. Oral transfer
  3. Rule against perpetuity
  4. Condition restraining alienation
সঠিক উত্তর:
Oral transfer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Oral transfer
ব্যাখ্যা
⇒  সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৯ ধারার বিধান: মৌখিক হস্তান্তর:
যে সকল ক্ষেত্রে লিখিত হওয়ার আবশ্যকতা আইন দ্বারা প্রত্যক্ষ ভাবে উল্লেখ করা হয় নাই, সে সকল ক্ষেত্রে লিখিত দলিল ছাড়াই সম্পত্তি হস্তান্তর করা যেতে পারে।

- Section 9: Oral transfer:
A transfer of property may be made without writing in every case in which a writing is not expressly required by law.

মৌখিক হস্তান্তর (Oral transfer) :
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৯ ধারায় বলা হয়েছে, যেসকল ক্ষেত্রে লিখিত দলিলের আবশ্যকতা আইনে সুস্পষ্ট ভাবে উল্লেখ করা হয় নাই, সেসকল ক্ষেত্রে লিখিত দলিল ছাড়াই সম্পত্তি হস্তান্তর করা যেতে পারে। রেজিস্ট্রেশন আইন সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের পরিপূরক। সুতরাং যে সকল হস্তান্তরে রেজিস্ট্রেশনের বিধান রয়েছে, তা মৌখিক ভাবে হস্তান্তর করা যায় না। এক্ষেত্রে বলা যায়, যে সকল সম্পত্তির হস্তান্তর লিখিত দলিলের মাধ্যমে হওয়ার প্রয়োজন নেই এবং যে সকল হস্তান্তরের জন্য রেজিস্ট্রেশনের প্রয়োজন নেই সে সকল হস্তান্তর মৌখিক ভাবে করা যায়।
৬,৪১১.
'The right to be heard before another' - নীতিকে সংক্ষেপে কি বলা হয়?
  1. pro-audience
  2. pre-audience
  3. post-audience
  4. first-audience
সঠিক উত্তর:
pre-audience
উত্তর
সঠিক উত্তর:
pre-audience
ব্যাখ্যা

"Pre-audience" নীতিটি বলতে বোঝানো হয় যে, একজন পক্ষের কথা শোনার পূর্বে অন্য পক্ষের কথা শোনা হবে না। এটি সেই নীতিকে প্রকাশ করে যেখানে একটি পক্ষকে অন্যের উপস্থিতির আগে শুনে নেয়া হয়, অর্থাৎ, প্রাথমিকভাবে তার বক্তব্য শোনা হয়। The Bangladesh Legal Practitioner's and Bar Council Order, 1972 এর ২৬ অনুচ্ছেদে এই নীতি উল্লেখ আছে।

অনুচ্ছেদ ২৬:
(১) অন্যান্য সকল এডভোকেটগণের পূর্বে এটর্নি জেনারেল এর শুনানি করার অধিকার থাকিবে।
( 1) The Attorney-General for Bangladesh shall have the right of pre-audience over all other advocates.

(২) অপরাপর এডভোকেটগণের মধ্যে নিরীক্ষণ করিবার অধিকার তাদের পরস্পরের জ্যেষ্ঠতার উপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হইবে।
(2) The right of pre-audience among other advocates shall be determined by seniority interse.

৬,৪১২.
প্রতিটি জেলায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের সর্বোচ্চ পদ হচ্ছে
  1. জেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. ডেপুটি কমিশনার
  4. মুখ্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ১৭ ধারার বিধানঃ নির্বাহী, জুডিশিয়াল এবং মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণের অধীনস্থকরণঃ (১) ১০ ধারায় ও ১২(১) ধারা অনুযায়ী নিযুক্ত সকল নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনস্থ হবেন; এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এই কোডের সাথে সামঞ্জস্য রেখে সময়ে সময়ে বিশেষ আদেশ কর্তৃক তাঁর অধীন ম্যাজিস্ট্রেটগণের মধ্যে কাজকর্ম বন্টন করতে পারবেন।
(২) ১১ ধারা ও ১২(৩) ধারা অনুযায়ী, নিযুক্ত সকল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং ১৫ ধারা অনুসারে গঠিত সমস্ত বেঞ্চ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-এর অধীন হবেন; তাঁদের মধ্যে কার্যভার বন্টনের জন্য তিনি সময়ে সময়ে উক্ত কোড এবং সরকার কর্তৃক ১৬ ধারা অনুসারে প্রণীত বিধিসমূহের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ বিশেষ আদেশ জারি করতে পারবেন।
(৩) অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও বিশেষ মহানগর ম্যাজিস্ট্রেটসহ ১২(৫) ধারা অনুযায়ী নিযুক্ত সকল মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট এবং ১৯ ধারা অনুসারে গঠিত বেঞ্চসমূহ চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের অধীন হবেন; অনুরূপ ম্যাজিস্ট্রেটগণের ও বেঞ্চসমূহের মধ্যে কার্যভার বন্টনের জন্য তিনি সময়ে সময়ে উক্ত কোড এবং সরকার কর্তৃক ১৬ ধারা অনুযায়ী প্রণীত বিধিসমূহের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ বিশেষ আদেশ জারি করতে পারবেন।
(৪) চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-সহ সকল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ দায়রা জজ-এর অধীন হবেন এবং চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটসহ সকল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ মহানগর দায়রা জজ-এর অধীন হবেন।

♦ অর্থাৎ প্রতিটি জেলায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের সর্বোচ্চ পদ হচ্ছে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
৬,৪১৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন আদেশ ও বিধিতে প্লিডিংস কর্তন বা সংশোধনের বিধান রয়েছে?
  1. আদেশ ৭, বিধি ৬
  2. আদেশ ৬, বিধি ১৫
  3. আদেশ ৬, বিধি ১৬
  4. আদেশ ৬, বিধি ১৩
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৬, বিধি ১৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৬, বিধি ১৬
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ৬, বিধি ১৬ অনুযায়ী, আদালত মামলার যেকোনো পর্যায়ে প্লিডিংস (বাদীর আরজি বা বিবাদীর লিখিত জবাব) কর্তন বা সংশোধনের আদেশ দিতে পারে, যদি তাতে অপ্রয়োজনীয়, কুৎসাজনক, বা সুষ্ঠু বিচারে বাধা সৃষ্টিকারী, বিভ্রান্তকর বা বিলম্ব সৃষ্টিকারী বিষয় থাকে। এই বিধানের উদ্দেশ্য হলো মামলার বিষয়বস্তু স্পষ্ট ও ন্যায়সঙ্গত রাখা।
- প্লিডিংস কর্তন বা সংশোধনের বিধান দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৬, বিধি ১৬-এ বর্ণিত আছে। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) আদেশ ৬, বিধি ১৬।
- দেওয়ানী কার্যবিধির ৬ নং আদেশের ১৬ নং বিধিতে প্লিডিংস কর্তনের(Strike out) বিধান রয়েছে। ১৬ নং বিধিমতে মোকদ্দমার প্রকৃত প্রশ্ন নির্ধারণ করার জন্য আদালত যেকোনো পর্যায়ে প্লিডিংস-এ উল্লেখিত কতিপয় বিষয় কর্তন করার (Strike out) আদেশ নিতে পারেন।
আদালত প্লিডিংস কর্তন করাতে পারে যদি প্লিডিংস এ উল্লেখিত কোন বিষয়-
- অপ্রয়োজনীয় (Unnecessary matter) বা
- কুৎসাজনক (Scandalous) হলে অথবা
- বিচারে বাধা বা বিলম্ব করলে (Tend to prejudice,embarrass or delay fair trial of the suit)।

৬,৪১৪.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী 'Facts in Issue' কত প্রকারের হয়ে থাকে?
  1. ৩ প্রকারের
  2. ২ প্রকারের
  3. ৪ প্রকারের
  4. ৬ প্রকারের
সঠিক উত্তর:
২ প্রকারের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ প্রকারের
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী, বিচার্য বিষয় বা Facts in Issue দুই প্রকারের হয়ে থাকে:

১. তথ্যগত বিচার্য বিষয়:
এগুলি হলো সেই ঘটনাগত বা বাস্তবিক তথ্যসমূহ যা মামলার বিষয়বস্তুর সাথে সম্পর্কিত এবং যেগুলির প্রমাণ প্রয়োজন। উদাহরণস্বরূপ, একটি হত্যা মামলায় হত্যাকাণ্ডের সময়, স্থান ও নিহতের বয়স প্রভৃতি তথ্যগত বিচার্য বিষয়।

২. আইনগত বিচার্য বিষয়:
এগুলি হলো সেই আইনগত বিষয়সমূহ যেগুলির বিচার করা মামলার আওতাধীন এবং যেগুলি প্রমাণের প্রয়োজন রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, একটি চুরি মামলায় বিচার্য হবে যে আসামীর কাজটি আইনের ভাষায় চুরি কিনা।

এভিডেন্স অ্যাক্ট, ১৮৭২ এর ৩ ধারায় বিচার্য বিষয়কে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে:
"facts in issue" means and includes any fact from which, either by itself or in connection with other facts, the existence, non-existence, nature or extent of any right, liability or disability asserted or denied in any suit or proceeding necessarily follows."

"বিচার্য বিষয় বলতে বুঝায় এবং তা অন্তর্ভুক্ত করে এমন যে কোনো তথ্য যা নিজে কিংবা অন্যান্য তথ্যের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যেকোনো মামলা বা কার্যক্রমে অভিযুক্ত বা অস্বীকৃত যেকোনো অধিকার, দায়বদ্ধতা বা অক্ষমতার অস্তিত্ব, অনাস্তিত্ব, প্রকৃতি বা পরিমাণ অবশ্যম্ভাবীভাবে অনুসরণ করে।"

এই সংজ্ঞা থেকে বোঝা যায় যে, বিচার্য বিষয় মামলার সাথে সম্পৃক্ত এমন যেকোনো তথ্য যা কোনো অধিকার, দায়িত্ব বা অসমর্থতা প্রমাণের জন্য প্রয়োজন। সুতরাং বিচার্য বিষয় উপরোক্ত দুই ধরণেরই হতে পারে।
৬,৪১৫.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে Estoppel কোন নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত?
  1. মৌখিক সাক্ষ্য প্রত্যক্ষ হতে হবে
  2. আহ্বানকারী পক্ষ বৈরী সাক্ষীর জেরা করা যাবে না
  3. কথায় বা কাজে কারো ক্ষতি করা যাবে না
  4. কোনো ব্যক্তির পরস্পর বিরোধি বক্তব্য গ্রহণীয় নয়
সঠিক উত্তর:
কোনো ব্যক্তির পরস্পর বিরোধি বক্তব্য গ্রহণীয় নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো ব্যক্তির পরস্পর বিরোধি বক্তব্য গ্রহণীয় নয়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনে estoppel শব্দটি বহুল পরিচিত। সাধারণতঃ স্বকার্যজনিত বাধা বা Estoppel হচ্ছে যা একবার স্বীকার করে নেয়া হয় তা পরবর্তীতে অস্বীকার করার বাধা। অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের যে নীতি কোন ব্যক্তিকে তার পূর্বে প্রদত্ত কোন বক্তব্যকে পরবর্তীতে অস্বীকার করতে বিরত রাখে তা Estoppel বা প্রতিবন্ধক বা স্বকার্যজনিত বাধা নামে পরিচিত।

⇒মূলত: কোন ব্যক্তির পরষ্পর বিরোধী বক্তব্য গ্রহণীয় নয়, এটাই (Estoppel) এস্টপলের মূলনীতি।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১৫, ১১৬ ও ১১৭ ধারায় এস্টপেল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। এছাড়াও সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮ ধারায় এবং সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৪৩ ধারায় Estoppel সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১৫ ধারায় বলা হয়েছে যখন কোন ব্যক্তি তার ঘোষনা, কাজ বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে অন্য ব্যক্তিকে কোন বিষয়কে সত্য বলে বিশ্বাস করিয়েছেন এবং সেই বিশ্বাসের ভিত্তিতে উক্ত ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বলেছেন, তখন উক্ত ব্যক্তি বা তার মধ্যে অথবা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে কোন মামলায় প্রথমোক্ত ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধি তার পূর্বে প্রদত্ত ঘোষণা, কার্য বা কার্য বিরতির বিষয়টি অস্বীকার করতে পারবে না"।

⇒ প্রতিবন্ধ:- যেক্ষেত্রে এক ঘোষণা, কার্য বা কার্যবিররিত দ্বারা স্বেচ্ছায় অপর ব্যক্তিকে কিছু সত্য বলে বিশ্বাস করিয়েছেন অতবা বিশ্বাস করতে দিয়েছেন এবং সে বিশ্বাসের ভিত্তিতে কাজ করতে দিয়েছেন, সেক্ষেত্রে এদের প্রতিনিধিদের মধ্যে কোন মোকদ্দমায় প্রথমোক্ত ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধি উক্ত প্রসঙ্গের সত্যতা অস্বীকার করতে পারবেন না।

⇒ The Evidence Act,1872: Section-115. Estoppel: When one person has, by his declaration, act or omission, intentionally caused or permitted another person to believe a thing to be true and to act upon such belief, neither he nor his representative shall be allowed, in any suit or proceeding between himself and such person or his representative, to deny the truth of that thing.
৬,৪১৬.
'ক' এমনভাবে 'খ' এর দিকে মুষ্টি পাকায় যাতে 'খ' এর বিশ্বাস করার কারণ জন্মায় যে 'ক' তাকে মারতে উদ্যত হয়েছে। 'ক' কোন অপরাধ করেছে বলে গণ্য হবে?
  1. বল প্রয়োগ
  2. আক্রমণ
  3. অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ
  4. কোন অপরাধ করেনি
সঠিক উত্তর:
আক্রমণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আক্রমণ
ব্যাখ্যা
• ৩৫২ ধারা মতে যখন কোন অপরাধজনক বল প্রয়োগের সম্ভাবনা তৈরি হয় কিন্তু প্রকৃতপক্ষে অপরাধজনক বল প্রয়োগ করা হয় না তখন তাকে আক্রমণ বলে।
৬,৪১৭.
'প্রতারণা' সংঘটিত হলে প্রতারিত ব্যক্তির কি ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা থাকতে পারে?
  1. দেহের ক্ষতি
  2. সম্পত্তির ক্ষতি
  3. খ্যাতির ক্ষতি
  4. উল্লিখিত সকল
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪১৫ ধারা- প্রতারণা:
যদি কেউ কোন ব্যক্তিকে ছলনা করে প্রবঞ্চনামূলকভাবে বা অসাধুভাবে সে ব্যক্তিকে অন্য কাউকে কোন সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে অথবা কোন ব্যক্তির কোন সম্পত্তি রেখে দেওয়াতে সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে বা উদ্দেশ্যমূলকভাবে অনুরূপ প্রতারিত ব্যক্তিকে এমন কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে প্ররোচিত করে যে কাজ সে ব্যক্তি অনুরূপভাবে প্রতারিত না হলে করত না বা করা হতে বিরত থাকত না এবং যে কাজ করার বা করা হতে বিরত থাকার ফলে তার দেহের, মনের, খ্যাতির বা সম্পত্তির দিক হতে ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে, তবে অনুরূপ ছলনাকারী 'প্রতারণা' করেছে বলে গণ্য হয়।

ব্যাখ্যা:- অসাধুভাবে তথ্য গোপন করা এই ধারার তাৎপর্যাধীনে ছলনা বলে পরিগণিত হবে।

Section 415- Cheating:
Whoever, by deceiving any person, fraudulently or dishonestly induces the person so deceived to deliver any property to any person, or to consent that any person shall retain any property, or intentionally induces the person so deceived to do or omit to do anything which he would not do or omit if he were not so deceived, and which act or omission causes or is likely to cause damage or harm to that person in body, mind, reputation or property, is said to "cheat". 
 
Explanation. A dishonest concealment of facts is a deception within the meaning of this section.
৬,৪১৮.
একজন আইনজীবীর সহ-আইনজীবির প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য কয়টি?
  1. ৮টি
  2. ৯ টি
  3. ১১ টি
  4. ১৪ টি
সঠিক উত্তর:
১১ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ টি
ব্যাখ্যা
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর ১ম  অধ্যায়ে একজন আইনজীবীর সহ-আইনজীবির প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্যের বিষয়ে বর্ণিত আছে। 
 একজন আইনজীবীর সহ-আইনজীবির প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য ১১টি।
১) ব্যক্তিগত ও পেশাগত মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখা। [বিধি-১]।
২) পেশাগত প্রচারণার জন্য কোনো বিজ্ঞাপন দেওয়া যাবে না তবে প্রকাশনা, পেশাগত কার্ড, নামফলক বা প্রচলিত ডাইরেক্টরী ব্যবহার করা যাবে--[বিধি-২]।
৩) একজন অ্যাডভোকেট অন্য ব্যক্তিকে বা দালালকে আইন পেশা পরিচালনার জন্য অনুমতি বা পারিশ্রমিক দিবেন না--[বিধি-৩]।
৪) প্রতিপক্ষের এডভোকেটের অনুপস্থিতিতে আদালতে মামলার বিষয়বস্তু উপস্থাপনা করবেন না [এক তরফা মামলার (ex- parte) ক্ষেত্র ব্যতীত] [বিধি ৪]।
৫) প্রতিপক্ষ মক্কেলের সাথে মামলার বিষয় নিয়ে আলাপ-আলোচনা করবেন না--[বিধি-৫]।
৬) মক্কেল অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট নিয়োগ করতে পারবেন তবে এক্ষেত্রে নিযুক্তির এডভোকেটের বকেয়া পরিশোধ না করলে উক্ত মামলায় অতিরিক্ত এডভোকেটের জড়িত হওয়া উচিত হবে না---[এক্ষেত্রে নিযুক্তির অ্যাডভোকেট এন.ও.সি (নো অবজেকশন সার্টিফিকেট) দিলে ভাল হয়।]----[বিধি-৬]।
৭) কোন মামলার বিচার চলার সময় কোনো অ্যাডভোকেট অপরপক্ষের এডভোকেটের ব্যক্তিগত ইতিহাস বা বৈশিষ্ট্যের বিষয়ে কোন বক্তব্য প্রদান করবেন না--[বিধি-৭]।
৮) একজন অ্যাডভোকেট বণ্টন নীতিমালাতে যে-রূপ আছে ঐভাবে আইন সহায়তার জন্য ফিস নিতে পারবে এবং তার ফিস অন্য কোন ব্যক্তির সাথে বণ্টিত বা ভাগ বাটোয়ারা হবে না--[বিধি-৮]।
৯) প্রত্যেক আইনজীবী বার কাউন্সিল প্রণীত তালিকাভুক্তির বিধান অনুসারে পদাধিকারের বিধান মেনে চলবে। [বিধি - ৯]।
১০) জুনিয়র এবং নবীন আইনজীবীরা সর্বদা সিনিয়র এবং প্রবীণ আইনজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকবে--[বিধি-১০]। 
১১)কোন মামলায় কোন পক্ষে একাধিক অ্যাডভোকেট নিয়োজিত হলে, সেক্ষেত্রে সিনিয়র অ্যাডভোকেট মামলা পরিচালনা করবেন-- [বিধি-১১]।
৬,৪১৯.
বিচার্য ঘটনার উপলক্ষ্য, কারণ বা পরিণাম সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৬ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ৭ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭ ধারার বিধান: বিচার্য ঘটনার উপলক্ষ্য, কারণ বা পরিণাম (Facts which are the occasion cause or effect of facts in issue)-
⇒ যে সকল ঘটনা বিচার্য বিষয়ের উপলক্ষ্য (occasion), কারণ (cause) বা পরিণাম (effect); সে সকল ঘটনাকে সাক্ষ্য আইনের ৭ ধারায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে। এছাড়া যে অবস্থার প্রেক্ষাপটে কোন বিষয় ঘটেছে সেই অবস্থা গঠন করে এমন বিষয় বা কোন কার্য ঘটতে যে বিষয় সুযোগ করে দিয়েছে, সেই সকল বিষয়ও সাক্ষ্য আইনের ৭ ধারায় প্রাসঙ্গিক।

যেমন- রহিম করিমকে খুন করার জন্য অভিযুক্ত। ঘটনাস্থলে ধস্তাধস্তির চিহ্ন প্রাসঙ্গিক ঘটনা। কারণ তা বিবেচ্য ঘটনার ফল বুঝাচ্ছে।

-----------------
⇒ Facts which are the occasion cause or effect of facts in issue:
Section 7. Facts which are the occasions, cause or effect, immediate or otherwise, of relevant facts, or facts in issue, or which constitute the state of things under which they happened, or which afforded an opportunity for their occurrence or transaction, are relevant.
৬,৪২০.
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে কয় প্রকার অনুমোদিত বিবাহের প্রচলন আছে?
  1. ২ প্রকার
  2. ৪ প্রকার
  3. ৩ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৪ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ প্রকার
ব্যাখ্যা
• দায়ভাগ ও মিতাক্ষরা অনুসারে হিন্দুদের মধ্যে আট প্রকার বিবাহ প্রচলিত ছিল, যার প্রথম চারটি সামাজিকভাবে অনুমোদিত এবং অবশিষ্ট চারটি অননুমোদিত।
আট প্রকার বিবাহ হলো:

অনুমোদিত ৪ প্রকার:

ব্রাহ্ম: সর্বোত্তম পদ্ধতি, যাতে অলঙ্কারে সজ্জিতা কন্যাকে শিক্ষিত ও চরিত্রবান বরের হাতে তুলে দেয়া হতো; এক্ষেত্রে বরের নিকট থেকে কোন পণ নেয়া হতো না;
দৈব: এ ধরনের বিবাহে যজ্ঞ সম্পাদনকারী পুরোহিতের নিকট কন্যা সম্প্রদান করা হতো;
আর্য: এ বিবাহে কনের পিতা বরের নিকট থেকে এক বা দুই জোড়া গাভী গ্রহণ করতেন;
প্রজাপত্য: এ বিবাহে কনের পিতা বরের নিকট থেকে কোন পণ গ্রহণ ছাড়াই কন্যা দান করতেন এবং তাদের আশীর্বাদ করতেন যাতে তারা পারস্পরিক বিশ্বাস ও সুখের সঙ্গে দাম্পত্য জীবন যাপন করতে পারে।
 
অননুমোদিত ৪ প্রকার:

অসুর: এ বিবাহে বর পিতা অথবা অভিভাবকের নিকট থেকে মূল্য দিয়ে কনেকে ক্রয় করত;
রাক্ষস: এ বিবাহে কন্যার আত্মীয়দের প্রহার করে রোরুদ্যমান কন্যাকে তুলে নেয়া হতো;
গন্ধর্ব: বর ও কনের পরস্পরের পরিচয় ও সম্মতিতে এ বিবাহ অনুষ্ঠিত হতো;
পৈশাচ: নিকৃষ্টতম বিবাহ; এতে কন্যার প্রেমিক (কন্যার সম্মতি ব্যতিরেকে) নিদ্রিত অবস্থায় অথবা মদোম্মত্ত বা উম্মত্ত কন্যার সঙ্গে সঙ্গত হতো।
৬,৪২১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুসারে নিচের কোন বক্তব্যটি সঠিক নয়?
  1. আইনটি দণ্ডমূলক ব্যবস্থার জন্য প্রয়োগযোগ্য নয়
  2. আইনটি রেজিস্ট্রেশন আইনকে প্রভাবিত করবে না
  3. আইনটি কোনো সম্মতিকে [agreement] কার্যকরের আওতায় নিয়ে আসতে পারবে না
  4. আইনটি আর্থিক ক্ষতিপূরণ ছাড়া সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করে না
সঠিক উত্তর:
আইনটি আর্থিক ক্ষতিপূরণ ছাড়া সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনটি আর্থিক ক্ষতিপূরণ ছাড়া সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করে না
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ধারা ৪ মতে,যদি না এই আইনে কোথাও অন্যরূপে সুস্পষ্টভাবে বিধিবদ্ধ থাকে, তবে এই আইনে কোন কিছুকেই এরূপ গণ্য করা হবে না, যাতে
(ক) চুক্তি নয়, এমন কোন অঙ্গীকারের ব্যাপারে প্রতিকারের কোন অধিকার প্রদান করা হয়;
(খ) কোন ব্যক্তিকে কোন প্রতিকারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা হয়, শুধু নির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন ছাড়া, যা সে কোন চুক্তির অধীনে পেতে পারত; অথবা
(গ) দলিলসমূহের উপর রেজিস্ট্রেশন আইনের প্রয়োগকে প্রভাবিত করা হয়।
 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ধারা ৭ মতে  শুধু দণ্ডমূলক আইন কার্যকর করার উদ্দেশ্যে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করা হয় না।

'আইনটি আর্থিক ক্ষতিপূরণ ছাড়া সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করে না'- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুসারে এই বক্তব্যটি সঠিক নয়। 

-যদিও সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫(ঘ) ধারা অনুযায়ী আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে ক্ষতিপূরণমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করা যায় কিন্তু সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা যায় না।
৬,৪২২.
তামাদি আইন সর্বশেষ কত সালে সংশোধিত হয়?
  1. ২০০৮ সালে
  2. ২০০৪ সালে
  3. ২০০৬ সালে
  4. ২০০৯ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৪ সালে
ব্যাখ্যা
তামাদি আইন সর্বশেষ ২০০৪ সালে সংশোধিত হয়।

⇒ এই সংশোধনী দ্বারা ১১৩ ও ১১৪ অনুচ্ছেদ সংশোধিত হয়।
⇒ চুক্তি প্রবলের মামলার তামাদি কাল ছিলো ৩ বছর, এখন ১ বছর করা হয়েছে। (১১৩ অনুচ্ছেদ)
⇒ চুক্তি প্রত্যাহারের তামাদি কাল আগে ছিলো ৩ বছর, এখন ১ বছর করা হয়েছে। (১১৪ অনুচ্ছেদ)
৬,৪২৩.
কোন ক্ষেত্রে সাধারণ ভুল বা ত্রুটির কারণে কোনো লিখিত চুক্তি বাতিল করা যায়?
  1. যার পক্ষে চুক্তি বাতিল করা হবে, তাকে ক্ষতিপূরণের আদেশ দেয়া হলে
  2. যার পক্ষে চুক্তি বাতিল করা হবে, তাকে সেই অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হলে
  3. যার বিরুদ্ধে চুক্তি বাতিল করা হবে, তাকে ক্ষতিপূরণ দেয়া হলে
  4. যার বিরুদ্ধে চুক্তি বাতিল করা হবে, তাকে সেই অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হলে
সঠিক উত্তর:
যার বিরুদ্ধে চুক্তি বাতিল করা হবে, তাকে সেই অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যার বিরুদ্ধে চুক্তি বাতিল করা হবে, তাকে সেই অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হলে
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারা: ভুলের জন্য রদ:
কেবল সাধারণ ভুলের জন্য লিখিত কোনো চুক্তি বাতিল করা যাবে না, যতক্ষণ না পর্যন্ত যার বিরুদ্ধে চুক্তি বাতিল করা হবে তাকে অনুরূপ অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায় যেন চুক্তি করা হয়নি।

Section 36: Rescission for mistake:
Rescission of a contract in writing cannot be adjudged for mere mistake, unless the party against whom it is adjudged can be restored to substantially the same position as if the contract had not been made.

এর অর্থ হলো, যদি কেবল সাধারণ ভুল বা ত্রুটির কারণে কোনো লিখিত চুক্তি বাতিল করার দাবি করা হয়, তাহলে আদালত শুধুমাত্র সেই কারণেই চুক্তি বাতিল করবে না। আদালতকে এটাও নিশ্চিত করতে হবে যে, যার বিরুদ্ধে চুক্তি বাতিল করা হবে, তাকে সেই অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে যেন চুক্তি করাই হয়নি। অর্থাৎ আদালতকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে দিতে হবে। যদি এটি সম্ভব না হয়, তাহলে আদালত শুধু ভুল বা ত্রুটির কারণে চুক্তি বাতিল করবে না। কারণ চুক্তি বাতিল হলে অন্য পক্ষটি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। সুতরাং চুক্তি বাতিলের ক্ষেত্রে আদালতকে সতর্কতা অবলম্বন করতে হয় যাতে কোনো পক্ষ অন্যায়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।
৬,৪২৪.
যদি কোনো ব্যক্তি মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের বিচারাধীন দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারার অপরাধে দণ্ডিত হয়, কোথায় আপিল করতে হবে?
  1. হাইকোর্ট ডিভিশনে
  2. সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  3. সংশ্লিষ্ট যুগ্ম দায়রা জজের নিকট
  4. সংশ্লিষ্ট দায়রা জজ আদালতে
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট ডিভিশনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট ডিভিশনে
ব্যাখ্যা

• The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৪০৮- যুগ্ম দায়রা জজ বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল:
যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন যুগ্ম দায়রা জজ বা কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের বিচারে দণ্ডিত হয়, সে ব্যক্তি দায়রা জজ বরাবর আপিল দায়ের করতে পারবে। নিম্নোক্ত শর্ত থাকে যে-

(ক) যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় যুগ্ম দায়রা জজ ৫(পাঁচ) বৎসরের অধিক সময়ের কারাদণ্ডের আদেশ, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিচারে সাজাপ্রাপ্ত সকল বা যে দণ্ডিত ব্যক্তিকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।

(খ) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দণ্ডবিধির (১২৪ক) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের বিচারে দণ্ডিত হয়, সেক্ষেত্রে তাকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।

৬,৪২৫.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় প্রতিবন্ধক বা Estoppel এর বিধান আছে?
  1. ৩২
  2. ১০৫
  3. ১৫০
  4. ১১৫
সঠিক উত্তর:
১১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৫
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের  ১১৫ ধারার বিধান প্রতিবন্ধকঃ যখন এক ব্যক্তি তাহার ঘোষণা, কার্য বা কাৰ্য বিরতির দ্বারা স্বেচ্ছায় অন্য ব্যক্তিকে কিছু সত্য বলিয়া বিশ্বাস করাইয়াছেন বা বিশ্বাস করিতে দিয়াছেন এবং সেই বিশ্বাসের ভিত্তিতে কাজ করিতে দিয়াছেন, তখন উহাদের মধ্যে অথবা উহাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে কোন মামলায় প্রথমোক্ত ব্যক্তি বা তাহার প্রতিনিধি উক্ত বিষয়ের সত্যতা অস্বীকার করিতে পারিবে না ।
♦স্বকার্যজনিত বাধা বা প্রতিবন্ধক (Estoppel)- সাক্ষ্য আইনে estoppel শব্দটি বহুল পরিচিত। সাধারণতঃ স্বকার্যজনিত বাধা বা Estoppel হচ্ছে যা একবার স্বীকার করে নেয়া হয় তা পরবর্তীতে অস্বীকার করার বাধা। অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের যে নীতি কোন ব্যক্তিকে তার পূর্বে প্রদত্ত কোন বক্তব্যকে পরবর্তীতে অস্বীকার করতে বিরত রাখে তা Estoppel বা প্রতিবন্ধক বা স্বকার্যজনিত বাধা নামে পরিচিত। মূলতঃ কোন ব্যক্তির পরষ্পর বিরোধী বক্তব্য গ্রহণীয় নয়, এটাই এস্টপলের মূলনীতি।
৬,৪২৬.
Which authority has the power to postpone the execution of a death sentence of a pregnant woman according to Section 382?
  1. Sessions Judge
  2. Chief Judicial Magistrate
  3. High Court Division
  4. Appellate Division
সঠিক উত্তর:
High Court Division
উত্তর
সঠিক উত্তর:
High Court Division
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 382. Postponement of capital sentence on pregnant woman:
If a woman sentenced to death is found to be pregnant, the High Court Division shall order the execution of the sentence to be postponed, and may, if it thinks fit, commute the sentence to transportation for life.

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৮২ অনুযায়ী,
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কোনো নারী যদি গর্ভবতী হিসেবে প্রমাণিত হন, তাহলে হাইকোর্ট বিভাগ মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করার আদেশ দিবে; এবং চাইলে, সেই মৃত্যুদণ্ডকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে (transportation for life) রূপান্তর করতে পারে।

৬,৪২৭.
দলিল বাতিলের মামলার তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ৩৯ ধারা অনুযায়ী, ২টি ক্ষেত্রে আদালত দলিল বাতিলের মোকদ্দমায় দলিল বাতিলের আদেশ মঞ্জুর করতে পারেন-
⇒ যে লিখিত দলিল বাতিল/ বাতিলযোগ্য, অথবা
⇒ যদি বাদীর আশংকা থাকে যে, এরূপ দলিল যদি অনিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা ক্ষতির কারন হতে পারে।

দলিল বাতিলের আদেশ মঞ্জুর করা, আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।

The Limitation Act, 1908 এর অনুচ্ছেদ- ৯১:
কোন দলিল রদ [Set aside] বা বাতিল [Cancel] করার জন্য, যে ক্ষেত্রে অন্যকোন বিধান নেই সেক্ষেত্রে যে সকল ঘটনা বাদীকে উক্ত দলিল বাতিল বা রদ করার অধিকার দান করে সেগুলি যখন বাদী অবগত হয় তখন থেকে ৩ বছরের মধ্যে মামলা করতে হবে।
৬,৪২৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২২ অনুযায়ী, যদি চুক্তি সম্পাদন বিবাদিকে কঠোরতা বা কষ্টে জড়িয়ে ফেলে, তাহলে আদালত কী করতে পারে?
  1. চুক্তি সম্পাদন বাতিল করতে পারে
  2. ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে পারে
  3. সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের ডিক্রি দিতে পারে
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে পারে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে পারে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২২ ধারার অধীনে, যদি চুক্তির কাজ সম্পাদন বিবাদিকে কঠোরতা বা কষ্টে জড়িয়ে ফেলে, তাহলে আদালত সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের ডিক্রি না দিয়ে ক্ষতিপূরণ (solatium) প্রদান করতে পারে।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২২ ধারা অনুযায়ী,
সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের ডিক্রি প্রদানে এখতিয়ার হচ্ছে বিবেচনামূলক এবং কেবলমাত্র তা করা আইনসম্মত, এ কারণেই আদালত এমন প্রতিকার মঞ্জুর করতে বাধ্য না। আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা স্বেচ্ছাধীন হবেনা বরং নিখুঁত এবং যুক্তিযুক্ত, বিচার বিভাগীয় নীতি দ্বারা নিযন্ত্রিত এবং আপিল আদালত কর্তৃক সংশোধনযোগ্য হতে হবে। ২২ ধারায় ২টি ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে পারে। ১টি ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের ডিক্রি দিতে যথাযথভাবে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।
নিম্নলিখিত ২টি ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে ক্ষতিপূরণ [solatium] প্রদান করতে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে-
i. বিবাদির প্রতি বাদীর অন্যায় সুবিধা আছে;
যেখানে এমন পরিস্থিতিতে চুক্তি সম্পন্ন করা হয়েছে যে, তা বাদীকে বিবাদির উপর একটি অন্যায় সুবিধা প্রদান করছে, যদিও সেখানে বাদীর পক্ষ হতে কোন জালিয়াতি বা ভুল বিবরণ নাও থাকতে পারে।
ii. বিবাদির প্রতি কঠোরতা;
যেখানে চুক্তির কাজ সম্পাদন বিবাদীকে কোন কঠোরতায় বা কষ্টে জড়িয়ে ফেলবে যা বিবাদী বুঝতে পারেনা, অপরদিকে উহা না করলে বাদীকে এমন ধরণের কোন কঠোরতায় জড়াবে না। এই দুটি ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।
---------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section: 22. Discretion as to decreeing specific performance:
The jurisdiction to decree specific performance is discretionary, and the Court is not bound to grant such relief merely because it is lawful to do so; but the discretion of the Court is not arbitrary but sound and reasonable, guided by judicial principles and capable of correction by a Court of appeal. 
The following are cases in which the Court may properly exercise a discretion not to decree specific performance:- 
I. Where the circumstances under which the contract is made are such as to give the plaintiff an unfair advantage over the defendant, though there may be no fraud or misrepresen-tation on the plaintiff's part.
II. Where the performance of the contract would involve some hardship on the defendant which he did not foresee, whereas its non-performance would involve no such hardship on the plaintiff.
III. Where the plaintiff has done substantial acts or suffered losses in consequence of a contract capable of specific performance.
৬,৪২৯.
দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় (মানহানি) কয়টি ব্যাখ্যা আছে?
  1. ৩ টি
  2. ৪ টি
  3. ১১ টি
  4. ১০ টি
সঠিক উত্তর:
৪ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ টি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারার বিধান মানহানি:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করার উদ্দেশ্যে বা তার খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট হবে বলে জানা সত্ত্বেও বা তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও কথিত বা পঠিত হওয়ার জন্য অভিপ্রেত কথা বা চিহ্ন কর্তৃক বা দৃশ্যমান কল্পমূর্তির সাহায্যে সে ব্যক্তি সম্পর্কিত কোন নিন্দাবাদ প্রণয়ন বা প্রকাশ করে, তবে নিম্নে নির্দেশিত ব্যতিক্রমসমূহ ছাড়াই অন্যান্য ক্ষেত্রে, সে ব্যক্তি উক্ত অন্য ব্যক্তির মানহানি করে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা ১:- যে মৃত ব্যক্তির জীবনকালে তার সম্পর্কে কোন নিন্দা করা হলে তার মানহানি ঘটত, সে মৃত ব্যক্তি সম্পর্কে অনুরূপ কোন নিন্দাবাদ এবং সে মৃত ব্যক্তির পরিবার-পরিজনের বা অন্যান্য কাছে আত্মীয়ের মনকে পীড়িত করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ নিন্দাবাদ করা, মানহানি বলে পরিগণিত হবে।

ব্যাখ্যা ২:- কোন কোম্পানি বা সংঘ বা ব্যক্তিসমাবেশ সম্পর্কে সমষ্টিগতভাবে কোন নিন্দাবাদ করা মানহানি বলে পরিগণিত হতে পারে।

ব্যাখ্যা ৩:- বিকল্পরূপে বা বিদ্রূপাত্মকরূপে ব্যক্ত কোন নিন্দাবাদ মানহানির সামিল হতে পারে।

ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি সম্পর্কে কোন নিন্দাবাদ প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে অন্যান্য ব্যক্তির দৃষ্টিতে সে ব্যক্তির নৈতিক বা বুদ্ধিগত চরিত্র হেয় না করলে, অথবা তার বর্ণ বা সম্প্রদায় কিংবা তার পেশার দিক হতে সে ব্যক্তির চরিত্রকে হেয় না করলে, অথবা সে ব্যক্তির প্রসিদ্ধি ক্ষুন্ন না করলে, অথবা তার দেহ বীভৎস বা ঘৃণা অবস্থায় বা যে অবস্থা সাধারণভাবে অরুচির বলে গণ্য, সে অবস্থায় রয়েছে বলে বিশ্বাস সৃষ্টি না করলে, সে ব্যক্তি সম্পর্কে উক্ত নিন্দাবাদ তার খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করে নাই বলে পরিগণিত হয়।
⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় (মানহানি) ৪টি ব্যাখ্যা আছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় মানহানি বা defamation এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে এবং সেখানে মোট ১০ টি ব্যতিক্রম সাপেক্ষে এই অপরাধ সংঘটনের কথা বলা আছে।
⇒ ৪৯৯ ধারায় ১০টি  ব্যতিক্রম নিচে দেয়া হল-
১) জনস্বার্থে বা জনগণের কল্যাণের জন্য কারো প্রতি সত্য-দোষারোপ করা হলে তা মানহানি হবে না।
২) জনগণের প্রতি সরকারি কর্মচারীর আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৩) কোন জনসমস্যা/গণসমস্যা সম্পর্কে কোন ব্যক্তির আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৪) কোন আদালতের কার্য বিবরণীর রিপোর্ট প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৫) আদালত কর্তৃক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে এমন কোন ফৌজদারি বা দেওয়ানি মোকদ্দমার দোষ, গুণ বা সাক্ষী বা সাক্ষ্যের সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৬) কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার ভার জনগণের উপর ন্যস্ত করা হলে তখন এ বিষয়ে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়। যেমন- কোন ব্যক্তি কোন বই প্রকাশ করলে বা প্রকাশ্য স্থানে বক্তৃতা দিলে তখন তা বিচার করার জন্য জনগণের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে গণ্য করা হবে।
৭) অন্যের উপর আইনসম্মতভাবে ক্ষমতা রয়েছে এমন ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে কোন নিন্দা করলে তা মানহানি হবে না।
৮) ক্ষমতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তির নিকট সৎ বিশ্বাসে অভিমত দেয়া হলে তা মানহানি বলে গণ্য হবে না। যেমন- পুলিশের কাছে কারো ব্যাপারে অভিযোগ করা ।
৯) কোন ব্যক্তি নিজের বা অন্যের স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে বা জনস্বার্থে সৎ বিশ্বাসে কোন দোষারোপ করলে তা মানহানি নয়।
১০) জনকল্যাণে সৎ বিশ্বাসে কোন ব্যক্তিকে সতর্ক করে কিছু বলা হলে তা মানহানি হবে না ।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় মানহানির ১০ টি ব্যতিক্রম (Exception) রয়েছে অর্থাৎ এই ১০ টি ক্ষেত্রে কোন মানহানিকর উক্তি বা তথ্য প্রকাশ করা হলেও মানহানির অপরাধ হবেনা।

⇒ শান্তি: ধারা ৫০০ অনুযায়ী, মানহানি অপরাধের শাস্তি- ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়।
৬,৪৩০.
কোন ক্ষেত্রে ক্ষমাপ্রাপ্ত ব্যক্তির বিচার করা যাবে?
  1. অত্যাবশ্যক কোন কিছু গোপন করেছে
  2. মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছে
  3. ক্ষমা মঞ্জুরের শর্ত লঙ্ঘণ করেছে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
৩৩৯ ধারা- যাকে ক্ষমা প্রদান করা হয়েছে তার বিচার

(১) যেক্ষেত্রে ধারা-৩৩৭ বা ৩৩৮ ধারা এর আলোকে ক্ষমা মঞ্জুর করা হয়েছে, এবং পাবলিক প্রসিকিউটর সার্টিফাই করেন যে, তার মতে ক্ষমা গ্রহণকারী কোন ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে অত্যাবশ্যক কোন কিছু গোপন করে বা মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়ে তাকে যে শর্তে ক্ষমা করা হয়েছে তা পালন করেনি, সেক্ষেত্রে যে অপরাধ সম্পর্কে উক্ত ব্যক্তিকে ক্ষমা মঞ্জুর করা হয় সে অপরাধের জন্য অথবা একই বিষয় সম্পর্কে সে যে অপরাধে দোষী রূপে প্রতীয়মান হয়, সেই অপরাধের জন্য তার বিচার করা যাবে।

শর্ত থাকে যে, এরূপ ব্যক্তিকে অন্যান্য আসামীদের কারোও সাথে একত্রে বিচার করা যাবে না, এবং এরূপ বিচারে সে বলতে পারবে যে, যে শর্তে তাকে ক্ষমা মঞ্জুর করা হয়েছিল, তা সে পালন করেছে, এরূপ ক্ষেত্রে উক্ত শর্ত যে পালন করা হয়নি তা প্রমাণ করার দায়িত্ব বাদী পক্ষের।

(২) ক্ষমা গ্রহণকারী কোন ব্যক্তির বিবৃতি এরূপ বিচারে তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য রূপে দাখিল করা যাবে।

(৩) হাইকোর্ট ডিভিশনের বিনা অনুমোদনে এরূপ কোন বিবৃতি সম্পর্কে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের অপরাধের নালিশ গ্রহণ করা যাবে না।

Section 339: Trial of person to whom pardon has been tendered

(1) Where a pardon has been tendered under section 337 or section 338, and the Public Prosecutor certifies that in his opinion any person who has accepted such tender has, either by wilfully concealing anything essential or by giving false evidence, not complied with the condition on which the tender was made such person may be tried for the offence in respect of which the pardon was so tendered, or for any other offence of which he appears to have been guilty in connection with the same matter:
Provided that such person shall not be tried jointly with any of the other accused, and that he shall be entitled to plead at such trial that he has complied with the conditions upon which such tender was made; in which case it shall be for the prosecution to prove that such conditions have not been complied with.

(2) The statement made by a person who has accepted a tender of pardon may be given in evidence against him at such trial.

(3) No prosecution for the offence of giving false evidence in respect of such statement shall be entertained without the sanction of the High Court Division.
৬,৪৩১.
ডিক্রি জারির মামলায় আপোষ বা মীমাংসার আবেদন করা যায় না এটি দেওয়ানী কার্যবিধির _____________ এর বিধান।
  1. আদেশ-২৩ বিধি-১
  2. আদেশ-২৩ বিধি-২
  3. আদেশ-২৩ বিধি-৩
  4. আদেশ-২৩ বিধি-৪
সঠিক উত্তর:
আদেশ-২৩ বিধি-৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-২৩ বিধি-৪
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ২৩ নং আদেশে দেওয়ানী মোকদ্দমা প্রত্যাহার এবং সোলেনামা অর্থাৎ আপোষ বা মীমাংসার মাধ্যমে মোকদ্দমার নিষ্পত্তির বিধান রয়েছে।
২৩ নং আদেশের ১নং বিধির ২ ও ৩নং উপবিধিতে মোকদ্দমা প্রত্যাহার এবং ৩নং বিধিতে সোলেনামার বিধান রয়েছে।

- দেওয়ানী কার্যবিধির ২৩ আদেশের ৪ নং বিধি অনুযায়ী ডিক্রি জারির মামলায় Compromise বা আপোষ বা মীমাংসার মাধ্যমে মোকদ্দমার নিষ্পত্তির আবেদন করা যায় না।

দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২৩ বিধি-৪ এর বিধান:  ডিক্রিজারির কার্যক্রম প্রভাবিত হয় না:  ডিক্রি বা আদেশ জারির কোন কার্যক্রমের ক্ষেত্রে এই বিধির কোন কিছু প্রযোজ্য হবে না।
--------------
⇒ CPC Order-23 Rule-4: Proceedings in execution of decrees not affected. Nothing in this Order shall apply to any proceedings in execution of a decree or order.
৬,৪৩২.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী শুধুমাত্র অভিযোগ তৈরি না হওয়ার কারণে কোনো দণ্ডাদেশ-
  1. বাতিল হবে
  2. বৈধ হবে না
  3. স্থগিত থাকবে
  4. অবৈধ হবে না
সঠিক উত্তর:
অবৈধ হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবৈধ হবে না
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৩৫ ধারার বিধান: অভিযোগ তৈরী না করার ফলাফল দেয়া হয়েছে-
(১) অভিযোগ প্রণীত হয়নি শুধুমাত্র এ কারণে ঘোষিত বা প্রদত্ত কোন অভিমত বা দণ্ডাদেশ অবৈধ মর্মে আখ্যায়িত করা হবে না, যদি না আপীল বা রিভিশন আদালত মনে করেন যে, এর ফলে প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়েছে।
(২) আপীল বা রিভিশন আদালত যদি মনে করেন যে, অভিযোগ তৈরী না করায় ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়েছে, তাহলে অভিযোগ প্রণয়ন করার এবং অভিযোগ প্রণয়নের পর থেকে তাৎক্ষনিক পুনরায় বিচার শুরুর আদেশ দিবেন।
----------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section- 535:- Effect of omission to prepare charge-
(1) No finding or sentence pronounced or passed shall be deemed invalid merely on the ground that no charge was framed, unless, in the opinion of the Court of appeal or revision, a failure of justice has in fact been occasioned thereby. 
(2) If the Court of appeal or revision thinks that a failure of justice has been occasioned by an omission to frame a charge, it shall order that a charge be framed, and that the trial be recommenced from the point immediately after the framing of the charge.
৬,৪৩৩.
অসাধুভাবে তথ্য গোপনকরা প্রতারণার ক্ষেত্র কে কী বলে গণ্য হবে?
  1. জালিয়াতি (Forgery)
  2. প্রতারণা (Fraud)
  3. ছলনা বা প্রবঞ্চনা (Deception)
  4. প্ররোচনা (Inducement)
সঠিক উত্তর:
ছলনা বা প্রবঞ্চনা (Deception)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছলনা বা প্রবঞ্চনা (Deception)
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪১৫ ধারার বিধান প্রতারণা:- যদি কেউ কোন ব্যক্তিকে ছলনা করে প্রবঞ্চনামূলকভাবে বা অসাধুভাবে সে ব্যক্তিকে অন্য কাউকে কোন সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে অথবা কোন ব্যক্তির কোন সম্পত্তি রেখে দেওয়াতে সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে বা উদ্দেশ্যমূলকভাবে অনুরূপ প্রতারিত ব্যক্তিকে এমন কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে প্ররোচিত করে যে কাজ সে ব্যক্তি অনুরূপভাবে প্রতারিত না হলে করত না বা করা হতে বিরত থাকত না এবং যে কাজ করার বা করা হতে বিরত থাকার ফলে তার দেহের, মনের খ্যাতির বা সম্পত্তির দিক হতে ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে, তবে অনুরূপ ছলনাকারী 'প্রতারণা' করেছে বলে গণ্য হয়।

ব্যাখ্যা:- অসাধুভাবে তথ্য গোপন করা এই ধারার তাৎপর্যাধীনে ছলনা বলে পরিগণিত হবে।
------------
Cheating
Section 415. Whoever, by deceiving any person, fraudulently or dishonestly induces the person so deceived to deliver any property to any person, or to consent that any person shall retain any property, or intentionally induces the person so deceived to do or omit to do anything which he would not do or omit if he were not so deceived, and which act or omission causes or is likely to cause damage or harm to that person in body, mind, reputation or property, is said to "cheat". 
 
Explanation. A dishonest concealment of facts is a deception within the meaning of this section.
৬,৪৩৪.
'Judgment on admission' can be given under:
  1. Order XII Rule 8 of CPC
  2. Order XII Rule 4 of CPC
  3. Order XII Rule 6 of CPC
  4. Order XII Rule 2 of CPC
সঠিক উত্তর:
Order XII Rule 6 of CPC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Order XII Rule 6 of CPC
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১২ বিধি ৬ এ 'Judgment on admissions' এর বিধান রয়েছে।

• আদেশ ১২ বিধি ৬ (স্বীকারোক্তির উপর রায়)-
যখন আরজি জবাবে কিংবা অন্যপ্রকারে কোন ঘটনা সম্পর্কে স্বীকারোক্তি করা হয়েছে তদক্ষেত্রে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে যে কোন পক্ষ আদালতে এ মর্মে আবেদন করতে পারে যে, পক্ষগণের মধ্যে অন্য কোন প্রশ্ন নির্ধারণের জন্য অপেক্ষা না করে, উপরের স্বীকারোক্তি যতদূর তার পক্ষে হয়েছে, সে পর্যন্ত রায় কিংবা আদেশ দান করা হোক। এবং আদালত অনুরূপ আবেদনক্রমে যেরূপ সঙ্গত মনে করতে পারে, সেরূপ রায় কিংবা আদেশ দিতে পারে।

CPC Order-12 Rule-6 :Judgment on admissions:
Any party may, at any stage of a suit, where admissions of fact have been made, either on the pleadings or otherwise, apply to the Court for such judgment or order as upon admissions he may be entitled to, without waiting for the determination of any other question between the parties: and the Court may upon such application make such order or give such judgment, as the Court may think just.
৬,৪৩৫.
Doctrine of Pulpit (Al-Mimbariya) কোন খলিফার ঘটনার সাথে সম্পর্কিত?
  1. হযরত আবু বকর সিদ্দিক (রা.)
  2. হযরত ওমর (রা.)
  3. হযরত উসমান (রা.)
  4. হযরত আলী (রা.)
সঠিক উত্তর:
হযরত আলী (রা.)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হযরত আলী (রা.)
ব্যাখ্যা
আল-মিম্বারিয়াহ বা মিম্বর মামলা: Doctrine of Pulpit (Al-Mimbariya):
- এ নীতি মসজিদের 'মিম্বার' থেকে ঘোষণা করা হয়েছিল বলে Doctrine of Pulpit বা Al-Mimbariya নামে খ্যাত/প্রসিদ্ধ।

এ গুরুত্বপূর্ণ নীতি/নিয়মটি একাধিক নামে পরিচিত;
i) Doctrine of Awl.
ii) Doctrine of increase.
iii) Al-Mimbariya Case.

- ইসলামের চতুর্থ খলীফা হজরত আলী (রা.)-এর বিচারিক সিদ্ধান্তের ফল হচ্ছে 'আউল' নীতি।
- প্রসিদ্ধ ইসলামি আইনবিদ আব্দুর রহমান দই-এর মতে, এ নীতির প্রবক্তা নিয়ে মতভেদ রয়েছে।
৬,৪৩৬.
দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার ব্যতিক্রম ১ অনুযায়ী, প্ররোচনাটি কেমন হলে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা 'খুন' হিসেবে পরিগণিত হবে না?
  1. পরিকল্পিত ও পূর্বনির্ধারিত
  2. ধীর ও সুপরিকল্পিত
  3. মারাত্মক ও আকস্মিক
  4. অপরাধী কর্তৃক স্বয়ং প্ররোচিত
সঠিক উত্তর:
মারাত্মক ও আকস্মিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মারাত্মক ও আকস্মিক
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩০০ ধারা- খুন:

ব্যতিক্রম ১: যেক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন পরিগণিত হবে না:
শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি মারাত্মক ও আকস্মিক প্ররোচনার ফলে অপরাধী আত্ম-সংযমশক্তি হারাইয়া ফেলে এবং যে ব্যক্তি প্ররোচনা দান করেছে, সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় অথবা ভুলক্রমে বা দুর্ঘটনাক্রমে অপর কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়।

উপরোক্ত ব্যতিক্রমটি নিম্নোক্ত শর্তাবলী সাপেক্ষে:-
প্রথমত, প্ররোচনাটি কোন ব্যক্তিকে হত্যা করার বা তার ক্ষতি সাধনের অজুহাতস্বরূপ অপরাধী কর্তৃক স্বয়ং প্রার্থীত বা প্ররোচিত হতে পারবে না।
দ্বিতীয়ত, উক্ত প্ররোচনাটি আইনানুসারে কৃত কোন কার্য দ্বারা বা কোন সরকারী কর্মচারীর সরকারী কর্মচারী হিসেবে যথাযোগ্য ক্ষমতাবলীর আইনসম্মত প্রয়োগসঞ্জাত হতে পারবে না।
তৃতীয়ত, প্ররোচনা আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারের আইনসম্মত প্রয়োগক্রমে সম্পাদিত কোন কার্য পালন হতে পারবে না।

ব্যাখ্যা:- প্ররোচনাটি এমন মারাত্মক ও আকস্মিক ছিল কিনা, যার ফলে অপরাধটি খুনের শামিল হবে না, তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন।

উদাহরণ:
'চ' আইনসম্মতভাবে 'ক'-কে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের ফলে 'ক' হঠাৎ ও আকস্মিকভাবে উত্তেজিত হয়ে 'চ'-কে হত্যা করে। এটা খুন, কেননা এটা উস্কানির ফলে একজন সরকারী কর্মচারী কর্তৃক তার ক্ষমতা প্রয়োগক্রমে কৃত একটি কাজ।
৬,৪৩৭.
নিচের কোন চুক্তির বাস্তবায়ন না করার কারণে যে ক্ষতি হয় তা অর্থ দ্বারা পূরণীয় নয় মর্মে গণ্য করতে হবে?
  1. বায়নানামা
  2. বিক্রয় দলিল
  3. লিজ চুক্তি
  4. এজেন্সি চুক্তি
সঠিক উত্তর:
বায়নানামা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়নানামা
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন-এর ১২ ধারায় বলা হয়েছে- Unless and until the contrary is proved, the Court shall presume that the breach of a contract to transfer immoveable property cannot be adequately relieved by compensation in money.

♦উল্লেখ্য যে contract to transfer immovable property বলতে contract for sale বা বায়নানামা কে বুঝানো হয়েছে। বিক্রয় দলিল সম্পাদন না করলে সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৫৩ক ধারার অধীনে part performance –এর মামলা করা যাবে, এই আইনে তার প্রতিকার নাই।
৬,৪৩৮.
সংবিধানের ১৩ অনুচ্ছেদ অনুসারে, উৎপাদনযন্ত্র, উৎপাদনব্যবস্থা ও বণ্টণপ্রণালীসমূত্রের মালিক বা নিয়ন্ত্রক হবে -
  1. রাষ্ট্র
  2. জনগণ
  3. প্রজাতন্ত্র
  4. সরকার
সঠিক উত্তর:
জনগণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনগণ
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ১৩ অনুচ্ছেদ অনুসারে, উৎপাদনযন্ত্র, উৎপাদনব্যবস্থা ও বণ্টণপ্রণালীসমূত্রের মালিক বা নিয়ন্ত্রক হবে জনগণ। ১৩ অনুচ্ছেদে মালিকানার নীতি (principles of ownership) আলোচনা করা হয়েছে। এই অনুচ্ছেদে ৩ শ্রেণীর মালিকানার সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে, যথাঃ

⇒ রাষ্ট্রীয় মালিকানা (State ownership);
⇒ সমবায়ী মালিকানা (Co-operative ownership);
⇒ বাক্তিগত মালিকানা (private ownership)।
 
অনুচ্ছেদ: ১৩- মালিকানার নীতি:
 
উৎপাদনযন্ত্র, উৎপাদনব্যবস্থা ও বন্টনপ্রণালীসমূহের মালিক বা নিয়ন্ত্রক হইবেন জনগণ এবং এই উদ্দেশ্যে মালিকানা-ব্যবস্থা নিম্নরূপ হইবে:
ক) রাষ্ট্রীয় মালিকানা, অর্থাৎ অর্থনৈতিক জীবনের প্রধান প্রধান ক্ষেত্র নিয়ে সুষ্ঠু ও গতিশীল রাষ্ট্রায়ত্ত সরকারী খাত সৃষ্টির মাধ্যমে জনগণের পক্ষে রাষ্ট্রের মালিকানা।
খ) সমবায়ী মালিকানা, অর্থাৎ আইনের দ্বারা নির্ধারিত সীমার মধ্যে সমবায়সমূহের সদস্যদের পক্ষে সমবায়সমূহের মালিকানা; এবং
গ) ব্যক্তিগত মালিকানা, অর্থাৎ আইনের দ্বারা নির্ধারিত সীমার মধ্যে ব্যক্তির মালিকানা।
৬,৪৩৯.
As per Section 89A of the Code of Civil Procedure, 1908 after filling written statement the court-
  1. may refer the dispute for mediation
  2. may refer the dispute for conciliation
  3. shall refer the dispute for mediation
  4. shall refer the dispute for conciliation
সঠিক উত্তর:
shall refer the dispute for mediation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
shall refer the dispute for mediation
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ২০০৩ সালে প্রথম বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির (ADR) বিধান সংযোজন করা হয় এবং ধারা ৮৯ ক, ৮৯খ,৮৯গ অন্তর্ভুক্ত করা হয়। পূর্বে তা ঐচ্ছিক ছিল কিন্তু ২০১২ সালে দেওয়ানি কার্যবিধিতে মধ্যস্থতা (Mediation) বাধ্যতামূলক করা হয়। ধারা ৮৯ক তে 'may' এর পরিবর্তে 'shall' শব্দটি প্রতিস্থাপন করা হয়।

• দেওয়ানি কার্যবিধিতে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির দুটি (২) পন্থা বর্ণিত হয়েছে-
১- মধ্যস্থতা (Mediation)
২- সালিশী (Arbitration)

মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে। অর্থাৎ সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে। মধ্যস্থতার ফি পক্ষগণ নির্ধারণ করবে। যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।

মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বইচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে। অর্থাৎ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে। সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে। উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারী করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপীল বা রিভিশন চলবে না। দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

Section: 89A(1)-
Except in a suit under the Artha Rin Adalat Ain, 2003 (Act No. 8 of 2003), after filing of written statement, if all the contesting parties are in attendance in the Court in person or by their respective pleaders, the Court shall, by adjourning the hearing, mediate in order to settle the dispute or disputes in the suit, or refer the dispute or disputes in the suit to the concerned Legal Aid Officer appointed under the Legal Aid Act, 2000 (Act No. 6 of 2000), or to the engaged pleaders of the parties, or to the party or parties, where no pleader or pleaders have been engaged, or to a mediator from the panel as may be prepared by the District Judge under sub-section (10), for undertaking efforts for settlement through mediation.
৬,৪৪০.
দেওয়ানি কার্যবিধি ১২৪ ধারা অনুসারে, বিধি প্রণয়নের প্রয়োজনে বিধি কমিটি কার কাছে রিপোর্ট পেশ করবে?
  1. সরকার
  2. আইন মন্ত্রনালয়
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. সুপ্রিম কোর্ট
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্ট
ব্যাখ্যা
ধারা ১২৪: সুপ্রিম কোর্টে প্রতিবেদন প্রদান-
বিধি কমিটি (Rule Committee) প্রথম তফসিলের নিয়মাবলীর কোনো নিয়ম রহিত, পরিবর্তন অথবা সংযোজন অথবা নতুন কোনো নিয়ম প্রণয়নের প্রস্তাবের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টে একটি প্রতিবেদন প্রদান করবে এবং ধারা ১২২ এর অধীনে কোনো নতুন নিয়ম প্রণয়নের পূর্বে সুপ্রিম কোর্ট সেই প্রতিবেদনটি বিবেচনায় গ্রহণ করবে।

[The Rule Committee shall make a report to the Supreme Court on any proposal to annul, alter or add to the rules in the First Schedule or to make new rules, and before making any rules under section 122 the [Supreme Court] shall take such report into consideration.]
৬,৪৪১.
পারিবারিক আদালত রায় ঘোষণা করার পর পক্ষগণকে কত দিনের মধ্যে নোটিশ প্রদান করতে হবে?
  1. ৫ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ১০ দিন
  4. ১৫ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ১৪(২) অনুযায়ী, আদালত রায় ঘোষণার পর অনধিক ৭ (সাত) দিনের মধ্যে পক্ষগণ বা তাদের আইনজীবীদেরকে নোটিশ প্রদান করতে হবে।
– পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩, ধারা ১৪(২) রায় ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে অথবা অনধিক ৭ (সাত) দিনের মধ্যে রায় সম্পর্কে পক্ষগণ বা তাহাদের প্রতিনিধি বা আইনজীবীগণকে যথাযথ নোটিশ প্রদান করিতে হইবে ও ডিক্রি প্রদত্ত হইবে।

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ১৪ বিচারের সমাপ্তি:
(১) পারিবারিক আদালত, সকল পক্ষের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হইবার পর, উভয় পক্ষের মধ্যে আপোষ বা মীমাংসা প্রতিষ্ঠার জন্য পুনরায় প্রচেষ্টা চালাইবে।
(২) উপধারা (১) এর অধীন আপোষ বা মীমাংসা প্রতিষ্ঠা সম্ভব না হইলে, আদালত রায় ঘোষণা করিবে এবং উক্ত রায় ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে অথবা অনধিক ৭ (সাত) দিনের মধ্যে রায় সম্পর্কে পক্ষগণ বা তাহাদের প্রতিনিধি বা আইনজীবীগণকে যথাযথ নোটিশ প্রদান করিতে হইবে ও ডিক্রি প্রদত্ত হইবে।

৬,৪৪২.
Under what condition will an appeal be heard ex parte according to 'Rule 17, Order 41' of The Code of Civil Procedure, 1908?
  1. When both the appellant and the respondent are absent
  2. When the appellant does not appear, but the respondent does
  3. When the appellant appears and the respondent does not appear
  4. When neither party submits written arguments
সঠিক উত্তর:
When the appellant appears and the respondent does not appear
উত্তর
সঠিক উত্তর:
When the appellant appears and the respondent does not appear
ব্যাখ্যা
Order 41 Rule 17: Dismissal of appeal for appellant's Default-
1) Where on the day fixed, or on any other day to which the hearing may be adjourned, the appellant does not appear when the appeal is called on for hearing, the Court may an order that the appeal be dismissed.

2) Hearing appeal ex parte: Where the appellant appears and the respondent does not appear, the appeal shall be heard ex parte.

আদেশ ৪১ বিধি-১৭: আপিলকারীর বরখেলাপের জন্য আপিল খারিজ করা:
১) যেক্ষেত্রে নির্ধারিত দিনে অথবা অন্য যে দিনের জন্য শুনানি মূলতবী হতে পারে ঐ দিনে আপিল শুনানির জন্য ডাক পড়লে আপিলকারী অনুপস্থিত থাকে, সেক্ষেত্রে আদালত আপিল খারিজের আদেশ দিতে পারবে।

২) একতরফাভাবে আপিল শুনানিঃ যেক্ষেত্রে আপিলকারী হাজির হয়, কিন্তু রেসপন্ডেন্ট উপস্থিত হয় না, সেক্ষেত্রে একতরফাভাবে আপিলের শুনানি হবে।
৬,৪৪৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩১ ধারায় কমিশনপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তা কখন বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে পারেন?
  1. দায়রা আদালত অনুমতি দিলে
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অনুমতি দিলে
  3. পুলিশ কমিশনারের সম্মতি সাপেক্ষে
  4. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সাথে যোগাযোগ করতে না পারলে
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সাথে যোগাযোগ করতে না পারলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সাথে যোগাযোগ করতে না পারলে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩১ ধারা মতে,
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সাথে যোগাযোগ করতে না পারলে পরিস্থিতি সাপেক্ষে সেনাবাহিনীর কোন কমিশনপ্রাপ্ত অফিসার সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে বেআইনী সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে পারেন এবং প্রয়োজনে গ্রেফতার ও আটক করতে  পারেন।

ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩১ ধারা- জনসমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে কমিশনপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তার ক্ষমতা:
এ ধরণের কোন সমাবেশ কর্তৃক যেক্ষেত্রে জননিরাপত্তা দৃশ্যতঃ বিপদগ্রস্ত হয় এবং যেক্ষেত্রে কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করা যায় না, সেক্ষেত্রে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কোন কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সামরিক শক্তি প্রয়োগপূর্বক এধরণের সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে পারেন এবং এধরণের ছত্রভঙ্গ করার অথবা আইন অনুসারে শাস্তি প্রদানের জন্য উক্ত সমাবেশে যোগদানকারী কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার ও আটক করতে পারবেন; তবে এই ধারার বিধানমতে কার্য চলাকালীন সময় তাঁর পক্ষ কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের যোগাযোগ স্থাপন সম্ভব হলে তিনি যোগাযোগ স্থাপন করবেন এবং অতঃপর কার্য চালিয়ে যাওয়া বা না যাওয়ার বিষয়ে তাঁর নির্দেশ পালন করবেন।

Section-131: Power of commissioned military officers to disperse assembly:
When the public security is manifestly endangered by any such assembly, and when no Executive Magistrate can be communi-cated with, any commissioned officer of the Bangladesh Army may disperse such assembly by military force, and may arrest and confine any persons forming part of it, in order to disperse such assembly or that they may be punished according to law; but if, while he is acting under this section, it becomes practicable for him to communicate with 160[an Executive
৬,৪৪৪.
দণ্ডবিধির ৫০৫ক ধারার অধীনে, যে ব্যক্তি বাংলাদেশের নিরাপত্তা বা জনশৃঙ্খলার জন্য ক্ষতিকর কোনো বক্তব্য, গুজব বা প্রতিবেদন তৈরি বা প্রচার করে, তাকে সর্বোচ্চ কী শাস্তি প্রদান করা হতে পারে?
  1. ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  2. ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৫০৫ক ধারার বিধান কথার দ্বারা ক্ষতিকর কাজ, ইত্যাদি:
- যদি কোন ব্যক্তি
(ক) কথার দ্বারা, বলে অথবা লিখে কিংবা স্বাক্ষর করে বা দৃশ্যমান বর্ণনা দিয়ে কিংবা অন্যভাবে কোন কিছু করে, অথবা
(খ) কোন বিবৃতি, উড়ো খবর বা প্রতিবেদন তৈরি করে, প্রকাশ করে বা প্রচার করে, যা বাংলাদেশের নিরাপত্তার বা জনশৃঙ্খলার বা বিদেশের সাথে বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের বা জনসাধারণের আবশ্যকীয় সরবরাহ বা সেবা রক্ষায় অনিষ্টকর, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর মেয়াদের কারাদণ্ডে বা অর্থ দণ্ডে বা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
-------------------- 
⇒ The Penal Code,1860- Section-505A. Prejudicial act by words, etc.
Whoever- 
(a) by words, either spoken or written, or by signs or by visible representation or otherwise does anything, or 
(b) makes, publishes or circulates any statement, rumour or report, 
which is, or which is likely to be prejudicial to the interests of the security of Bangladesh or public order, or to the maintenance of friendly relations of Bangladesh with foreign states or to the maintenance of supplies and services essential to the community, shall be punished with imprisonment for a term which may extend to seven years, or with fine, or with both.
৬,৪৪৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক ধারা অনুযায়ী যদি পক্ষদ্বয় ১০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ না করেন, তাহলে আদালত কত দিনের মধ্যে নিয়োগ করবে?
  1. পরবর্তী ৭ দিনের মধ্যে
  2. পরবর্তী ১০ দিনের মধ্যে
  3. পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে
  4. কোনো সময়সীমা নেই
সঠিক উত্তর:
পরবর্তী ৭ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরবর্তী ৭ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি সংহিতা (CPC) ১৯০৮-এর ধারা ৮৯ক(৪) অনুসারে, মধ্যস্থতার রেফারেন্সের তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় যদি মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ না করে, তাহলে আদালত পরবর্তী ৭ দিনের মধ্যে প্যানেল থেকে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে। এতে সর্বোচ্চ ১৭ দিনের মধ্যে নিয়োগ নিশ্চিত হয়, যা মধ্যস্থতা প্রক্রিয়ার দ্রুততা ও দক্ষতা বজায় রাখার জন্য নির্ধারিত।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক ধারায় মধ্যস্থতার বিধান মতে মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ দিবে। উক্ত সময়ের মধ্যে না পারলে আদালত পরবর্তী ৭ দিনের মধ্যে নিয়োগ দিবে।
- নিয়োগ দেওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে মীমাংসা করবে। তাও সম্পন্ন না হলে আরও ৩০ দিন বাড়াবে।
- অর্থাৎ সর্বোচ্চ ৯০ দিনের মধ্যে শেষ করতে হবে।
- মধ্যস্থতা প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর ৭ দিনের মধ্যে আদালত সোলে ডিক্রি (Compromise Decree) জারি করবেন।
- সোলে ডিক্রি এর বিরুদ্ধে কোনো আপিল কিংবা রিভিশন করা যাবে না।
----------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Section-89A: Mediation: 
(4) Within ten days from the date of reference under sub-section (1), the parties shall inform the Court in writing whom they have appointed as mediator, and if the parties fail to appoint the mediator during this time, the Court shall, within seven days, appoint a mediator from the panel as mentioned in sub-section (10) and the mediation under this section shall be concluded within 60 (sixty) days from the day on which the Court is so informed, 9[or the dispute or disputes are referred to Legal Aid Officer, or a mediator is appointed by the Court], as the case may be, unless the Court of its own motion or upon a joint prayer of the parties, extends the time for a further period of not exceeding 30 (thirty) days.

৬,৪৪৬.
জরিমানার টাকা আদালত নিচের কোন ক্ষেত্রে ব্যয় করার আদেশ দিতে পারেন?
  1. সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনার ব্যয় নির্বাহ
  2. অপরাধের ফলে সংঘটিত ক্ষয়ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ
  3. সরল বিশ্বাসে চোরাইমাল ক্রেতার ক্ষতিপূরণ
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪৫- জরিমানার টাকা হতে ব্যয় কিংবা ক্ষতিপূরণ দেয়ার বিষয়ে আদালতের ক্ষমতা

(১) যেক্ষেত্রে কোন ফৌজদারী আদালত বর্তমানে কার্যকর কোন আইনের অধীন জরিমানা করেন কিংবা আপীলে, রিভিশনে বা অন্য কোনভাবে জরিমানা কিংবা যে শাস্তি জরিমানার অংশ হয় তা অনুমোদন করেন, সেক্ষেত্রে আদালত রায় দিবার সময় আদায়কৃত জরিমানা পুরোপুরি বা আংশিকভাবে নিম্নে বর্ণিত কর্মে ব্যয় করার আদেশ দিতে পারবেন-
(ক) সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনায় যে ব্যয় হয়েছে তা নির্বাহ,

(খ) আদালত যদি মনে করেন যে, কোন ব্যক্তি দেওয়ানী আদালতের মাধ্যমে যুক্তিসংগত ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারে, তাহলে সংশিষ্ট অপরাধে তাহার যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তজ্জন্য তাকে ক্ষতিপূরণ দান,

(গ) কোন ব্যক্তি চুরি, অপরাধজনক আত্মসাৎ, অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ, প্রতারণা কিংবা চোৱাই জানিয়া বা চোরাই মর্মে বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও চোরাইমাল অসৎভাবে গ্রহণ বা রাখা বা স্বেচ্ছায় উহা হস্তান্তর, সহায়তা ইত্যাদি কোন অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত হলে এবং উক্ত পণ্য মালিককে প্রত্যর্পণ করা হলে যে ব্যক্তি তা সরল বিশ্বাসে ক্রয় করেছিল তাকে ক্ষতিপূরণ দান,

(২) যে মোকদ্দমায় জরিমানা করা হল তা আপীলযোগ্য হলে আপীল দায়ের করার জন্য প্রদত্ত সময় অতিক্রান্ত না হলে কিংবা আপীল দায়ের করা হলে তা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত উত্তরূপে অর্থ প্রদান করা হবে না।
৬,৪৪৭.
দণ্ডবিধির ধারা ৫৫ অনুসারে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পরিবর্তন করে সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া যাবে?
  1. ১০ বছর
  2. ১৪ বছর
  3. ২০ বছর
  4. ৩০ বছর
সঠিক উত্তর:
২০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৫৫ ধারা ("Commutation of sentence of imprisonment for life") অনুযায়ী: সরকার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত কোনো ব্যক্তির শাস্তি অনূর্ধ্ব ২০ (সর্বোচ্চ ২০) বছর কারাদণ্ডে রূপান্তর করতে পারেন। এটি অপরাধীর সম্মতি ছাড়াই করা যায়। রূপান্তরিত দণ্ড সশ্রম (Rigorous) বা বিনাশ্রম (Simple) কারাদণ্ড হতে পারে।
- সরকার ২০ বছরের বেশি মেয়াদ নির্ধারণ করতে পারবেন না।
---
⇒ দণ্ডবিধির ৫৫ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাস বা পরিবর্তন:- যে সকল মামলার ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়, তার প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধীর সম্মতি ব্যতীতই দণ্ড হ্রাস করে অনূর্ধ্ব ২০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে পরিবর্তন করতে পারবেন।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 55. Commutation of sentence of imprisonment for life:- In every case in which sentence of imprisonment for life shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for imprisonment of either description for a term not exceeding twenty years.

৬,৪৪৮.
'A' makes a false entry in his Shop-book for the purpose of using it as corroborative evidence in a Court of Justice. 'A' has-
  1. committed no offence
  2. fabricated false evidence
  3. committed forgery
  4. made genuine evidence
সঠিক উত্তর:
fabricated false evidence
উত্তর
সঠিক উত্তর:
fabricated false evidence
ব্যাখ্যা
Section 192. Fabricating false evidence:
Whoever causes any circumstance to exist or makes any false entry in any book or record, or makes any document containing a false statement, intending that such circumstance, false entry or false statement may appear in evidence in a judicial proceeding, or in a proceeding taken by law before  a public servant as such, or before an arbitrator, and that such  circumstance, false entry or false statement, so appearing in evidence, may cause any person who in such proceeding is to form an opinion upon the evidence, to entertain an erroneous opinion touching any point material to the result of such proceeding, is said "to fabricate the evidence.” 
 
Illustrations:
(a) A puts jewels into a box belonging to Z, with the intention that they may be found in that box, and that this circumstance may cause Z to be convicted of theft. A has fabricated false evidence. 
(b) A makes a false entry in his Shop-book for the purpose of using it as corroborative evidence in a Court of Justice. A has fabricated false evidence. 

দণ্ডবিধির ১৯২ ধারা: মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবন করা:
কোন ব্যক্তি যদি কোন অবস্থার অস্তিত্ব সৃষ্টি বা উদ্ভাবন করে, অথবা কোন বইতে বা রেকর্ডে মিথ্যা কথা লিপিবদ্ধ করে অথবা মিথ্যা বিবরণ সাক্ষ্য হিসেবে কোন বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমে অথবা সরকারী কর্মচারীর সম্মুখে সরকারী কর্মচারী হিসেবে কোন আইনগত কার্যক্রমে অথবা কোন সালিসের সম্মুখে উত্থাপন করার উদ্দেশ্যেই যদি তা করা হয়ে থাকে এবং অনুরূপ অবস্থা বা মিথ্যা দলিল বা মিথ্যা বিবৃতি যদি এমন প্রকৃতির হয় যে, উক্ত কার্যক্রমে যিনি সাক্ষ্যের উপর ভিত্তি করে তাঁর মতামত গঠন করবেন, তিনি উক্ত অবস্থা বা মিথ্যা দলিল বা মিথ্যা বিবৃতিজনিত সাক্ষ্যে প্রভাবিত হয়ে অনুরূপ কার্যক্রমের সাথে গুরুত্বপূর্ণভাবে জড়িত কোন বিষয় সম্পর্কে ভুল ধারণা বা মত পোষণ করবেন, তবে সে ব্যক্তি 'মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করেছে' বলে পরিগণিত হয়।
৬,৪৪৯.
‘A’ ইচ্ছাকৃতভাবে ‘Z’-এর নৌকার বাঁধন খুলে দেয় যাতে নৌকাটি ভেসে যায় এবং ‘Z’ ভীত হয়। দণ্ডবিধি অনুযায়ী অপরাধের নাম -
  1. চুরি
  2. আক্রমণ
  3. সাধারণ বলপ্রয়োগ
  4. অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৫০ অনুসারে, কোনো ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া ইচ্ছাকৃতভাবে বলপ্রয়োগ করা, যদি এটি কোনো অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে বা আঘাত, ভয় বা বিরক্তি সৃষ্টির জন্য হয়, তবে তা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ বলে গণ্য হয়। এখানে, ‘A’ ইচ্ছাকৃতভাবে ‘Z’-এর নৌকার বাঁধন খুলে দেয়, যার ফলে নৌকা ভেসে যায় এবং ‘Z’ ভয় পায়। এটি ধারা ৩৫০-এর অধীনে অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৫০ ধারার বিধান অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির উপর সম্মতি ব্যতীত বল প্রয়োগ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অথবা অনুরূপ শক্তি প্রয়োগ কর্তৃক, যে ব্যক্তির উপর বল প্রয়োগ করা হল, তার জখম বা ভয় বা বিরক্তি উৎপাদনের উদ্দেশ্যে অথবা তার শক্তি প্রয়োগের ফলে, যার উপর শক্তি প্রয়োগ করা হল, তার জখম, ভয় বা বিরক্তি উৎপাদিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও যদি সে অনুরূপ বল প্রয়োগ করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
উদাহরণ:
(ক) চ নদীতে নোঙ্গর করা একটি নৌকাতে বসে আছে। ক নোঙ্গর তুলে দিল এবং এইভাবে ইচ্ছাপূর্বক নৌকাটিকে নদীতে ভেসে যেতে দিল। এখানে ক ইচ্ছাকৃতভাবে চ-তে গতি সঞ্চার করল, এবং তা করল একটি বস্তুকে এমনভাবে সঞ্চালিত করে, যে বস্তুটি সঞ্চালনের পর কোন ব্যক্তির অন্যকোন কাজ ব্যতীতই উহাতে গতি সঞ্চারিত হয়েছে। সুতরাং ক-ইচ্ছাকৃতভাবে চ-এর উপর বল প্রয়োগ করেছে এবং ক যদি এটা চ-এর সম্মতি ব্যতীত করে থাকে এবং তার উদ্দেশ্য যদি হয় কোন অপরাধ অনুষ্ঠান করা, অথবা সে যদি এইরূপ উদ্দেশ্য নিয়ে বা এইরূপ জানা সত্ত্বেও কার্যটি করে থাকে যে, চ জখম, বিরক্তি বা ভীতিগ্রস্ত হতে পারে, তবে ক চ-এর উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 350: Criminal force:
-Whoever intentionally uses force to any person, without that person's consent, in order to the committing of any offence, or intending by the use of such force to cause, or knowing it to be likely that by the use of such force he will cause injury, fear or annoyance to the person to whom the force is used, is said to use criminal force to that other. 
 
Illustration:
(a) Z is sitting in a moored boat on a river. A unfastens the moorings, and thus intentionally causes the boat to drift down the stream. Here A intentionally causes motion to Z, and he does this by disposing substances in such a manner that the motion is produced without any other action on any person's part. A has therefore intentionally used force to Z; and if he has done so without Z's consent, in order to the committing of any offence, or intending or knowing it to be likely that this use of force will cause injury, fear or annoyance to Z, A has used criminal force to Z. 
 
(b) Z is riding in a chariot. A lashes Z's horses, and thereby causes them to quicken their pace. Here A has caused change of motion to Z by inducing the animals to change their motion. A has therefore used force to Z; and if A has done this without Z's consent, intending or knowing it to be likely that he may thereby injure, frighten or annoy Z, A has used criminal force to Z. 
 
(c) Z is riding in a palanquin. A, intending to rob Z, seizes the pole and stops the palanquin. Here A has caused cessation of motion to Z, and he has done this by his own bodily power. A has therefore used force to Z; and as A has acted thus intentionally, without Z's consent, in order to the commission of an offence. A has used criminal force to Z. 

৬,৪৫০.
সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারার অধীনে কোন ক্ষেত্রে দোষ স্বীকারোক্তি সহ-অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করা যাবে?
  1. যখন একজন অভিযুক্ত নিজের দোষ স্বীকার করে
  2. যখন একাধিক ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য যৌথভাবে বিচার করা হচ্ছে
  3. যখন একজন অভিযুক্ত শুধুমাত্র নিজের বিরুদ্ধে স্বীকারোক্তি দেয়
  4. যখন একজন অভিযুক্ত অন্য মামলার বিষয়ে স্বীকারোক্তি দেয়
সঠিক উত্তর:
যখন একাধিক ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য যৌথভাবে বিচার করা হচ্ছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন একাধিক ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য যৌথভাবে বিচার করা হচ্ছে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩০- যখন দোষ স্বীকারোক্তি সহ-অভিযুক্তদের [co-accused) বিরুদ্ধে সাক্ষ্যে ব্যবহার করা যায়:

সাক্ষ্য আইনের সাধারণ নিয়ম হলো যে ব্যক্তি দোষ স্বীকারোক্তি প্রদান করে উক্ত দোষ স্বীকারোক্তি তার বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা হবে অন্যকোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে না। কিন্তু সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারা এই নিয়মের ব্যতিক্রম।

সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারায় বলা হয়েছে-
যেখানে একের অধিক ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য যৌথ বিচার করা হচ্ছে, সেখানে কোন একজন অভিযুক্ত নিজেকে সহ অন্যান্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের জড়িয়ে কোন দোষ স্বীকারোক্তি প্রদান করলে, উক্ত স্বীকারোক্তি সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য হলে তা স্বীকারোক্তি প্রদানকারীসহ অন্যান্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।

শর্তসমূহ:
১. একই অপরাধের জন্য একাধিক ব্যক্তি অভিযুক্ত হতে হবে:
২. উক্ত একই অপরাধের জন্য তাদের যৌথ বিচার (Tried jointly) করা হবে:
৩. উক্ত অভিযুক্তদের মধ্যে কোন একজন অভিযুক্ত নিজেকেসহ অন্যান্য অভিযুক্তকে জড়িয়ে কোন দোষ স্বীকারোক্তি প্রদান করবে;
৪. এমন দোষ স্বীকারোক্তি প্রমাণিত হলে আদালত উক্ত দোষ স্বীকারোক্তি প্রদানকারীসহ অন্যান্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য হিসাবে আমলে নিতে পারে।
৬,৪৫১.
মিথ্যা অভিযোগের ক্ষেত্রে একজন চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট খালাসের আদেশ প্রদানের সময় নালিশকারীর বিরুদ্ধে এরুপ ক্ষতিপূরণের আদেশ দিতে পারেন। যা হবে অনধিক -
  1. ১,০০০ টাকা
  2. ২,০০০ টাকা
  3. ৫,০০০ টাকা
  4. ১০,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০(২) ধারার বিধান অভিযোক্তা (ফরিয়াদী) বা সংবাদবাহক যে কারণ প্রদর্শন করবে, ম্যাজিস্ট্রেট তা নথিবদ্ধ ও বিবেচনা করবেন এবং তিনি যদি এমর্মে সন্তুষ্ট হন যে, আনীত অভিযোগ মিথ্যা এবং তুচ্ছ বা বিরক্তিজনক ছিল, সেক্ষেত্রে কারণ নথিবদ্ধ করে নির্দেশ প্রদান করবেন যে, অভিযোক্তা বা সংবাদবাহক অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বা তাদের প্রত্যেককে বা যে কোন একজনকে ১০০০ (এক হাজার) এর অনধিক অথবা তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট হলে ৫০০ (পাঁচশত) টাকার অনধিক, যত টাকা ধার্য্য করবেন, ক্ষতিপূরণ দিবে।

♦অর্থাৎ ম্যাজিস্ট্রেট যদি সন্তুষ্ট হন যে, আসামীর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা, তাহলে তিনি অভিযুক্ত পক্ষকে অনধিক ১০০০ টাকা ক্ষতিপূরণ বাবদ প্রদানের জন্য ফরিয়াদী বা সংবাদদাতাকে নির্দেশ দিতে পারে এবং তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট হলে অনধিক ৫০০ টাকা প্রদানের আদেশ দিতে পাথা।
৬,৪৫২.
সাক্ষ্য আইনের ২২ক ধারার বিধান অনুসারে ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন না উঠলে মৌখিক স্বীকৃতি কী হবে?
  1. শুনানিযোগ্য হবে
  2. গ্রহণযোগ্য হবে
  3. প্রাসঙ্গিক হবে না
  4. বাধ্যতামূলক হবে
সঠিক উত্তর:
প্রাসঙ্গিক হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাসঙ্গিক হবে না
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ২২ক (Section 22A) এ স্পষ্টভাবে বলা আছে: “যখন ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক হবে না – যদি না ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা/সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠে।”
- অর্থাৎ সাধারণত কেউ মুখে বলল যে “এই অডিও/ভিডিও/চ্যাটে আমি এটা বলেছি” – এই মৌখিক স্বীকৃতি আদালতে গ্রহণযোগ্য হবে না, যদি না ডিজিটাল রেকর্ডটির সত্যতা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ২২ক ধারার বিধান: যখন ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক:-দাখিলকৃত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা নিয়ে কোন প্রশ্ন উত্থাপন না হলে, ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু হিসাবে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক নয়।
----------
⇒The Evidence Act, 1872- Section 22A: When oral admissions as to contents of digital records are relevant: Oral admissions as to the contents of digital records are not relevant, unless the genuineness of the digital record produced is in question.

৬,৪৫৩.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় মোঃ রিয়াজের বিরুদ্ধে রায়ের পূর্বে ক্রোকের আদেশ প্রদান করা হয়েছে। পরবর্তীতে মোকদ্দমাটি খারিজ হয়। আদালত দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৮ এর বিধি ৯ অনুসারে কী আদেশ দেবে?
  1. ক্রোক বজায় রাখার
  2. মামলা খারিজের
  3. ক্রোক অপসারণের
  4. নতুন জামানত প্রদানের
সঠিক উত্তর:
ক্রোক অপসারণের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রোক অপসারণের
ব্যাখ্যা

আদেশ-৩৮ বিধি-৯: জামানত প্রদান করা হলে কিংবা মোকদ্দমা খারিজ করা হলে ক্রোক অপসারণ: 
যেক্ষেত্রে রায়ের পূর্বে ক্রোকের জন্য কোন আদেশ প্রদান করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে বিবাদি ক্রোকের খরচাদির জামানতসহ আবশ্যকীয় জামানত প্রদান করে বা মোকদ্দমাটি খারিজ হলে আদালত ক্রোক প্রত্যাহার করে আদেশ দিবে।

Order-38 Rule-9: Removal of attachment when security furnished or suit dismissed:
Where an order is made for attachment before judgment, the Court shall order the attachment to be withdrawn when the defendant furnishes the security required, together with security for the costs of the attachment, or when the suit is dismissed.

৬,৪৫৪.
তামাদি আইনের কোন ধারায় বলা আছে যে, স্বত্ব হস্তান্তর বা পক্ষ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে মামলার মূল দায়েরের দিনই প্রযোজ্য হবে?
  1. ২০ ধারা
  2. ২১ ধারা
  3. ২২ ধারা
  4. ২৩ ধারা
সঠিক উত্তর:
২২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ২২ ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি কোনো মামলা চলাকালীন সময়ে স্বত্ব হস্তান্তর বা পক্ষ পরিবর্তন (যেমন: বাদী থেকে বিবাদী বা বিবাদী থেকে বাদীতে রূপান্তর) ঘটে,
তাহলে নতুন পক্ষের জন্য মামলাটি নতুন করে দায়ের করা গণ্য হবে না। বরং মামলাটির মূল দায়েরের তারিখই প্রযোজ্য থাকবে।
অর্থাৎ, নতুন পক্ষ যুক্ত হলেও মামলার শুরু তারিখ অপরিবর্তিত থাকবে, এবং সেই তারিখ থেকেই তামাদি মেয়াদ গণনা হবে।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২২(১) অনুযায়ী: "Where, after the institution of a suit, a new plaintiff or defendant is substituted or added, the suit shall, as regards him, be deemed to have been instituted when he was so made a party."
অর্থাৎ, যদি চলমান মামলায় নতুন করে বাদী বা বিবাদী যুক্ত করা হয়, তাহলে সেই নতুন ব্যক্তির জন্য মামলাটি যেদিন তাকে পক্ষভুক্ত করা হয়েছে, সেই দিন থেকেই মামলা দায়ের হয়েছে বলে ধরা হবে।
- তবে একটি ব্যতিক্রম: ধারা ২২(২) বলছে, যদি কাউকে স্বত্ব হস্তান্তর বা উত্তরাধিকারসূত্রে পক্ষভুক্ত করা হয়, তাহলে তার জন্য মামলার মূল দায়েরের তারিখই প্রযোজ্য হবে।
অর্থাৎ,  সাধারণ পক্ষভুক্তির ক্ষেত্রে → পক্ষভুক্তির দিন থেকে তামাদি গণনা। স্বত্ব হস্তান্তরের ক্ষেত্রে → মূল দায়েরের দিন থেকে গণনা।

⇒ The Limitation Act:- Section-22: Effect of substituting or adding new plaintiff or defendant-
(1) Where, after the institution of a suit, a new plaintiff or defendant is substituted or added, the suit shall, as regards him, be deemed to have been instituted when he was so made a party.
(2) Nothing in sub-section (1) shall apply to a case where a party is added or substituted owing to an assignment or devolution of any interest during the pendency of a suit or where a plaintiff is made a defendant or a defendant is made a plaintiff.
৬,৪৫৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন কোন ধরনের আইন?
  1. Penal law
  2. Substantive Law
  3. Procedural Law
  4. Adjective Law
সঠিক উত্তর:
Substantive Law
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Substantive Law
ব্যাখ্যা
-যে আইন কোন অধিকারকে সংজ্ঞায়িত করে, সৃষ্টি করে এবং অর্পণ করে বা কোন শাস্তিকে সংজ্ঞায়িত করে এবং দায় আরোপ করে সেই আইনকে তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন [Substantive Law] বলে।
-যেমন: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, দণ্ডবিধি ইত্যাদি। দণ্ডবিধিতে বিভিন্ন অপরাধকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, উক্ত অপরাধের শাস্তি উল্লেখ করা হয়েছে। এই কারণে এটা তত্ত্বগত আইন।

- যে আইনে কোন মোকদ্দমা বা মামলার বিচার করার পদ্ধতি অর্থাৎ মামলা দায়ের থেকে শুরু করে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা পর্যন্ত যে সকল আইনি প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি অনুসরণ করে বিচার করতে হয়, সেই প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি বা নিয়ম যে আইনে উল্লেখ থাকে সেই নিয়ম সংশ্লিষ্ট আইনকে পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law or Adjective Law) বলে।
- যেমন ফৌজদারি কার্যবিধি, দেওয়ানী কার্যবিধি, তামাদি আইন ইত্যাদি।
- Procedural Law এবং Adjective Law উভয় পদ্ধতিগত আইন বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
৬,৪৫৬.
According to Section 124 of The Transfer of Property Act, 1882, if a gift includes both existing and future property, the gift is:
  1. Entirely valid
  2. Entirely void
  3. Valid only for the existing property
  4. Valid only for the future property
সঠিক উত্তর:
Valid only for the existing property
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Valid only for the existing property
ব্যাখ্যা
Section 124:  Gift of existing and future property:
A gift comprising both existing and future property is void as to the latter.

• ধারা ১২৪- বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সম্পত্তি একত্রে দান:
বর্তমান ও ভবিষ্যৎ উভয় সম্পত্তি একত্রে দান করা হলে, শেষােক্ত সম্পত্তির দান বাতিল বলে গণ্য হবে।

ধারা ১২৪ অনুযায়ী,
যদি কোনো ব্যক্তি বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ সম্পত্তি একত্রে দান করেন, তবে সেই দানের যে অংশটি ভবিষ্যৎ সম্পত্তি বা ভবিষ্যতে অর্জিত হতে পারে, তা বাতিল বলে গণ্য হবে। এর অর্থ হলো, দাতার মালিকানাধীন বর্তমানে বিদ্যমান সম্পত্তি দান করা বৈধ হলেও ভবিষ্যৎ সম্পত্তি, যা দাতার দানকালে তার মালিকানায় নেই এবং ভবিষ্যতে অর্জিত হতে পারে এমন সম্পত্তি, দানের আওতায় আসবে না এবং সেই অংশটি আইনের বাতিল বলে বিবেচিত হবে।
৬,৪৫৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১১৫(২) অনুসারে রিভিশন করার জন্য কী প্রয়োজন?
  1. আইনগত ভ্রান্তি বা ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা
  2. আদেশটির বিরুদ্ধে আপিলের বিধান না থাকা 
  3. আদেশটি যুগ্ম জেলা জজ/ সিনিয়র সিভিল জজ/ সিভিল জজ কর্তৃক প্রদত্ত হওয়া
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১১৫(২) অনুসারে, রিভিশন জেলা জজের কাছে করা যাবে যদি তিনটি শর্তই একসঙ্গে পূরণ হয়:
- ক) আইনগত ভ্রান্তি বা এখতিয়ারের অপব্যবহার বা ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা থাকতে হবে (অর্থাৎ শুধু তথ্যের ভুল হলে হবে না)। 
- খ) সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের কোনো বিধান থাকতে পারবে না (non-appealable order)। 
- গ) আদেশটি যুগ্ম জেলা জজ / সিনিয়র সহকারী জজ (সিনিয়র সিভিল জজ) / সহকারী জজ (সিভিল জজ) কর্তৃক প্রদত্ত হতে হবে। 
এই তিনটি শর্তের একটিও না থাকলে ধারা ১১৫(২)-এর রিভিশন চলবে না।
সুতরাং প্রশ্নের তিনটি অপশনই (ক, খ, গ) সঠিক → সঠিক উত্তর: ঘ) উপরের সবগুলো।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা-১১৫ এর বিধান রিভিশন।
১) কোন মোকদ্দমায় কিংবা কর্মপ্রক্রিয়ায় জেলা জজ আদালত বা অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত কর্তৃক ডিক্রি বা আদেশ প্রদত্ত হলে, বা যুগ্ম জেলা জজ, সিনিয়র সিভিল জজ বা সিভিল জজ কর্তৃক ডিক্রি প্রদত্ত হলে, যার বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা চলে না; সংক্ষুব্ধ পক্ষের আবেদনে হাইকোর্ট ডিভিশন তার নথি তলব করতে পারবেন; এবং ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা সমাপণ করিয়ে এই ডিক্রি বা আদেশে উক্ত আদালত আইনে ভ্রান্তি করেছে মর্মে দৃষ্টমান হলে হাইকোর্ট ডিভিশন এই ডিক্রি বা আদেশ সংশোধন করতে পারবেন, কিংবা তা যেরূপ যথার্থভাবে মোকদ্দমা কিংবা কর্মপ্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।
২) যে আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায় না, কোন যুগ্ম জেলা জজ আদালত, সিনিয়র সিভিল জজ আদালত বা সিভিল জজ আদালত উক্তরূপ কোন আদেশ প্রদান করলে সংক্ষুব্ধ পক্ষের দরখাস্তের প্রেক্ষিতে জেলা জজ আদালত এই মোকদ্দমা বা কর্মপ্রক্রিয়ায় নথি তলব করতে পারবেন; এবং ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা অবসান করিয়ে এই আদেশে উক্ত আদালত আইনে ভ্রান্তি করেছে মর্মে দৃষ্টমান হলে জেলা জজ আদালত উক্ত আদেশ সংশোধন করতে পারবে এবং তা যেরূপ যথার্থভাবে মোকদ্দমা কিংবা কর্মপ্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।
৩) জেলা জজ রিভিশন মোকদ্দমা হস্তান্তর করলে উপ-ধারা (২) এর অধীনে জেলা জজের সকল সর্বময় ক্ষমতা অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতে থাকবে।
৪) ন্যায়বিচারের ব্যর্থতার অবসান করিয়ে ভুল সিদ্ধান্ত প্রদান করলে প্রয়োজনীয় আইনের প্রশ্নে ভুলের যেক্ষেত্রে হাইকোর্ট ডিভিশন রিভিশনের অনুমতির অনুমোদন দেয়, সেক্ষেত্রে উপ-ধারা (২) বা (৩) এর অধীনে প্রদানকৃত জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজের আদেশ পুনর্বিবেচনার উদ্দেশ্যে হাইকোর্ট ডিভিশনে আবেদন করা চলবে, এবং হাইকোর্ট ডিভিশন তা যেরূপ যথার্থভাবে মোকদ্দমা বা কর্মপ্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।
৫) এই ধারাটির প্রতিস্থাপনে যেটাই বর্ণিত থাকুক না কেন, ঐরূপ প্রতিস্থাপনের পূর্বে ১১৫নং ধারার অধীনে আরম্ভ হওয়া বা ঝুলন্ত থাকা কর্মপ্রক্রিয়া যেরূপে নিষ্পত্তি হবে যেন ১১৫নং ধারূ প্রতিস্থাপিত হয়নি।

৬,৪৫৮.
Precepts কোন আদালত ইস্যু করে?
  1. সহকারী জজ আদালত
  2. যুগ্ম জেলা জজ আদালত
  3. ডিক্রি প্রদানকারী আদালত
  4. জেলা জজ আদালত
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি প্রদানকারী আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি প্রদানকারী আদালত
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৬ ধারায় Precept সম্পর্কিত বিধান করা হয়েছে। Precept অর্থ হলো বিচারকের আদেশপত্র বা নির্দেশাত্রা বা অনুরোধলিপি। । ডিক্রিদারের আবেদনক্রমে ডিক্রি প্রদানকারী আদালত উপযুক্ত মনে করলে অন্য কোনো এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতকে ডিক্রিটি জারি করার অনুরোধ করতে পারে, এবং এইরূপ আদালত ডিক্রিজারি করতে এবং অনুরোধপত্রে নির্ধারিত দেনাদারের সম্পত্তি ক্রোক করতে পারে।
৬,৪৫৯.
একজন ক্রেতা একটি সম্পত্তি ক্রয় করেছেন এবং বিক্রয় দলিলটি রেজিস্ট্রি করা হয়েছে। ক্রেতা সম্পত্তির দখল গ্রহণ করেননি। অগ্রক্রয়ের (pre-emption) অধিকার আদায়ের জন্য মামলা দায়েরের সময় গণনা কখন থেকে শুরু হবে?
  1. বিক্রির তারিখ থেকে ১ বছরের মধ্যে
  2. ক্রেতার দখল নেওয়ার দিন থেকে ২ বছরের মধ্যে
  3. বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রিকরণের দিন থেকে ১ বছরের মধ্যে
  4. মামলার আবেদন দায়েরের দিন থেকে ১ বছরের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রিকরণের দিন থেকে ১ বছরের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রিকরণের দিন থেকে ১ বছরের মধ্যে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১০ অনুচ্ছেদ অনুসারে,
অগ্রক্রয়ের (preemption) অধিকার কার্যকরের মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ ১ বছর।

এই মেয়াদ শুরু হবে যখন ক্রেতা যে বিক্রয়ের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে সেই বিক্রিত সমস্ত সম্পত্তিতে প্রত্যক্ষ দখল গ্রহণ করে বা যে ক্ষেত্রে বিক্রয়ের বিষয়বস্তু প্রত্যক্ষ দখল স্বীকার করেন না, সেক্ষেত্রে বিক্রয় দলিল যখন রেজিস্ট্রিকৃত হয় তখন থেকে।

অর্থাৎ, ক্রেতার দখল গ্রহণ অথবা দখল সম্ভব না হলে বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রি হওয়ার দিন থেকে ১ বছরের মধ্যে অগ্রক্রয়ের (pre-emption) অধিকার কার্যকরের মামলা দায়ের করতে হবে।
৬,৪৬০.
সাক্ষ্য আইনের ১৪৯ ধারার মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. আদালতকে প্রশ্ন করার স্বাধীনতা দেওয়া
  2. সাক্ষীর চরিত্র যাচাই করা
  3. সব ধরনের প্রশ্ন অনুমোদন করা
  4. যুক্তিহীন ও ভিত্তিহীন প্রশ্ন প্রতিরোধ করা
সঠিক উত্তর:
যুক্তিহীন ও ভিত্তিহীন প্রশ্ন প্রতিরোধ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তিহীন ও ভিত্তিহীন প্রশ্ন প্রতিরোধ করা
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) যুক্তিহীন ও ভিত্তিহীন প্রশ্ন করা প্রতিরোধ করা।

ধারা ১৪৯ – যুক্তিসঙ্গত কারণে প্রশ্ন না করা হলে করা যাবে না:
ধারা ১৪৮-এ যে ধরণের প্রশ্ন উল্লেখ করা হয়েছে, সেই প্রশ্ন শুধুমাত্র তখনই করা উচিত, যখন প্রশ্নকারী ব্যক্তির কাছে যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকে মনে করার জন্য যে, প্রশ্নে যে অভিযোগ বা ইঙ্গিত করা হয়েছে, তা সঠিক বা ভিত্তিসম্পন্ন।

Section 149- Question not to be asked without reasonable grounds:
No such question as is referred to in section 148 ought to be asked, unless the person asking it has reasonable grounds for thinking that the imputation which it conveys is well-founded.

৬,৪৬১.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৮৯ক কোন বিষয়ের উপর আদালতকে অনুমান করার অধিকার দেয়?
  1. ডিজিটাল রেকর্ড
  2. ফরেনসিক প্রমাণ
  3. ডিজিটাল স্বাক্ষর
  4. ডিজিটাল চুক্তি
সঠিক উত্তর:
ফরেনসিক প্রমাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরেনসিক প্রমাণ
ব্যাখ্যা

ধারা ৮৯ক: শারীরিক বা ফরেনসিক সাক্ষ্য হিসাবে অনুমান:
আদালত অনুমান করতে পারে যদি না বিপরীত প্রমাণিত হয় যে, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণগুলি সেই ব্যক্তির অন্তর্গত বা তৈরি করা হয়েছে যার কাছ থেকে এটি সংগ্রহ করা হয়েছে।

Section- 89A. Presumption as to physical or forensic evidence-
The Court may presume unless contrary is proved that the physical or forensic evidence belongs to or is created by that person from whom it purports to have been collected.

৬,৪৬২.
অযৌক্তিক প্রশ্নমালা উপস্থাপনের ক্ষেত্রে যাবতীয় খরচাদি কে বহন করবেন?
  1. আদালত
  2. আদালত যে পক্ষকে নির্দেশ দিবেন
  3. ত্রুটির জন্য দায়ী পক্ষ
  4. উভয় পক্ষ
সঠিক উত্তর:
ত্রুটির জন্য দায়ী পক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রুটির জন্য দায়ী পক্ষ
ব্যাখ্যা
• আদেশ ১১ বিধি-৩ঃ 
মোকদ্দমার খরচ সমন্বয়করণে কোন পক্ষের অনুরোধক্রমে অনুরূপ প্রশ্নমালা উপস্থাপনের যথার্থতা অনুসন্ধান করে দেখা হবে, এবং অনুসন্ধানের জন্য আবেদনে কিংবা আবেদন ছাড়া যদি কর কর্মকর্তার বা আদালতের এটা অভিমত হয় যে অনুরূপ প্রশ্নমালা অযৌক্তিকভাবে বা বিরক্তিকরভাবে বা অযথা দীর্ঘ অবস্থায় উপস্থাপিত হয়েছে, তবে উক্ত প্রশ্নমালা ও তাদের উত্তর সংক্রান্ত খরচাসমূহ ত্রুটির জন্য দায়ী পক্ষ মারফত যে কোন খাতে বহন করা হবে।

[Rule-3:
in adjusting the costs of the suit inquiry shall at the instance of any party be made into the property of exhibiting such interrogatories, and if it is the opinion of the taxing officer or of the Court either with or without an application for inquiry that such interrogatories have been exhibited unreasonably, vexatiously or at improper length, the costs occasioned by the said interrogatories and the answers thereto shall be paid in any event by the party in fault.]
৬,৪৬৩.
দাতার ইচ্ছাধীন সময়কালে পুনঃপ্রবর্তনযোগ্য কোনো কিছু গ্রহণ ও তার আয় ভোগ করার অস্থায়ী অনুমতিকে _____ বলে।
  1. আরিয়ত
  2. সাদাকা
  3. শর্তযুক্ত হেবা
  4. শর্তযুক্ত ওয়াকফ
সঠিক উত্তর:
আরিয়ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরিয়ত
ব্যাখ্যা
- আরিয়ত (Areeat): এর অর্থ সম্পত্তির মালিকানা হস্তান্তর বুঝায় না বরং আরিয়ত হলো এমন ধরনের দান যেক্ষেত্রে দাতার ইচ্ছাধীন সময়কাল পর্যন্ত সম্পত্তির আয় এবং লভ্যাংশ ভোগ করার অস্থায়ী অনুমতি দেওয়া হয়। আরিয়ত চাইলে রদ করা যায়।
অর্থাৎ আরিয়ত (Areeat) শব্দটির সাথে সম্পর্কযুক্ত হচ্ছে দান।

- দাতার ইচ্ছাধীন সময়কালে পুনঃপ্রবর্তনযোগ্য কোনো কিছু গ্রহণ ও তার আয় ভোগ করার অস্থায়ী অনুমতিকে আরিয়ত (Areeat) বলে।
৬,৪৬৪.
মোকদ্দমার শুনানীর সময় বাদী 'ক' অনুপস্থিত থাকার কারণে সহকারী জজ মোকদ্দমাটি খারিজের আদেশ প্রদান করে। 'ক' উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে জেলা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করে। জেলা জজ রিভিশনটি প্রত্যাখ্যান করে আদেশ প্রদান করে। এক্ষেত্রে প্রতিকার কী?
  1. অনুমতি সাপেক্ষে জজ আদালতে ২য় রিভিশন দায়ের করা যাবে
  2. সরাসরি জেলা জজ আদালতে ২য় রিভিশন দায়ের করা যাবে
  3. অনুমতি নিয়ে হাইকোর্ট বিভাগে ২য় রিভিশন দায়ের করা যাবে
  4. সরাসরি হাইকোর্ট বিভাগে ২য় রিভিশন দায়ের করা যাবে
সঠিক উত্তর:
অনুমতি নিয়ে হাইকোর্ট বিভাগে ২য় রিভিশন দায়ের করা যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুমতি নিয়ে হাইকোর্ট বিভাগে ২য় রিভিশন দায়ের করা যাবে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি মোকদ্দমায় ২য় রিভিশন:
দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫(৪) ধারায় অনুমতি সাপেক্ষে রিভিশন সম্পর্কে বিধান করা হয়েছে। একমাত্র হাইকোর্ট বিভাগে অনুমতি সাপেক্ষে দ্বিতীয় দেওয়ানী রিভিশন দায়ের করা যায়। অর্থাৎ হাইকোর্ট বিভাগে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করার ক্ষেত্রে অনুমতি নিতে হবে। একমাত্র জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজের রিভিশনে প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যায় ।

উল্লিখিত ক্ষেত্রে, মোকদ্দমার শুনানীর সময় বাদী 'ক' অনুপস্থিত থাকার কারণে সহকারী জজ মোকদ্দমাটি খারিজের আদেশ প্রদান করে। মোকদ্দমা খারিজ আদেশ হলো আপীলঅযোগ্য আদেশ। 'ক' উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে জেলা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করে। জেলা জজ রিভিশনটি প্রত্যাখ্যান করে আদেশ প্রদান করে। এই ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগের অনুমতি নিয়ে হাইকোর্ট বিভাগে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যাবে। কিন্তু হাইকোর্ট বিভাগে প্রথম রিভিশন দায়ের করার ক্ষেত্রে অনুমতির প্রয়োজন নেই। দেওয়ানী কার্যবিধিতে অনুমতি সাপেক্ষে দ্বিতীয় রিভিশনের বিধান আছে। কিন্তু ফৌজদারী কার্যবিধিতে দ্বিতীয় রিভিশনের কোন সুযোগ নেই।
৬,৪৬৫.
আদালত রায় ঘোষণার পূর্বে প্রদত্ত ক্রোক আদেশ প্রত্যাহার করবে-
  1. মোকদ্দমা খারিজ হলে
  2. বিবাদী জামানত এবং অন্যান্য খরচ আদালতে দাখিল করলে
  3. বাদী জামানত এবং অন্যান্য খরচ আদালতে দাখিল করলে
  4. 'ক' বা 'খ' যে কোন একটি।
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'খ' যে কোন একটি।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'খ' যে কোন একটি।
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৮ আদেশের ৯ বিধি এর বিধান রায় ঘোষণার পূর্বে প্রদত্ত ক্রোক আদেশ প্রত্যাহার।

-দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ-৩৮ বিধি-৯: ক্রোক আদেশ প্রত্যাহার- আদালত ২টি কারণে রায় ঘোষণার পূর্বে প্রদত্ত ক্রোক আদেশ প্রত্যাহার করতে পারেন যথা- ক) বিবাদী জামানত এবং অন্যান্য খরচ আদালতে দাখিল করলে; এবং খ) মোকদ্দমা খারিজ হলে।

-দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ-৩৮ বিধি-৯: জামানত প্রদান করা হলে কিংবা মোকদ্দমা খারিজ করা হলে ক্রোক অপসারণ: 
- যেক্ষেত্রে রায়ের পূর্বে ক্রোকের জন্য কোন আদেশ প্রদান করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে বিবাদি ক্রোকের খরচাদির জামানতসহ আবশ্যকীয় জামানত প্রদান করে বা মোকদ্দমাটি খারিজ হলে আদালত ক্রোক প্রত্যাহার করে আদেশ দিবে।
-------- 
⇒ CPC Order-38 Rule-9: Removal of attachment when security furnished or suit dismissed:
- Where an order is made for attachment before judgment, the Court shall order the attachment to be withdrawn when the defendant furnishes the security required, together with security for the costs of the attachment, or when the suit is dismissed.
৬,৪৬৬.
আদালতের রায়ের ভাষা কী হবে?
  1. শুধু বাংলায়
  2. অভিযোগকারীর ভাষায়
  3. আসামির ভাষায়
  4. আদালতের ভাষায় বা ইংরেজিতে
সঠিক উত্তর:
আদালতের ভাষায় বা ইংরেজিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের ভাষায় বা ইংরেজিতে
ব্যাখ্যা
 ধারা ৩৬৭: রায়ের ভাষা ও বিষয়বস্তু-
(১) এই কোডে যা না থাকুক, প্রত্যেকটি এইরূপ রায় আদালতের ভাষায় বা ইংরেজিতে আদালতের বিচারক কর্তৃক লিখিত হবে অথবা তার দিকনির্দেশনা অনুযায়ী লিখিত হবে; এবং এতে নির্ধারণীয় বিষয় বা বিষয়সমূহ, সেগুলির সিদ্ধান্ত এবং সিদ্ধান্তের কারণসমূহ থাকবে; এবং তারিখ এবং বিচারকের স্বাক্ষর থাকবে, যা রায় ঘোষণার সময় আদালতে তিনি স্বহস্তে লিখবেন; এবং যদি বিচারক নিজেই না লিখে থাকেন, তাহলে রায়ের প্রত্যেকটি পৃষ্ঠায় তার স্বাক্ষর থাকবে।

(২) এতে বিচারিত অপরাধ (যদি থাকে), দণ্ডবিধি বা অন্য আইনের যে ধারায় অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে এবং তাকে যে শাস্তি প্রদান করা হয়েছে তা উল্লেখ থাকবে।

(৩) যদি দণ্ডাদেশ দণ্ডবিধির (Penal Code) অধীন হয় এবং এ বিষয়ে সন্দেহ থাকে যে অপরাধটি ঐ বিধির দুটি ধারার মধ্যে কোনটিতে অথবা একই ধারার দুটি অংশের মধ্যে কোনটিতে অন্তর্ভুক্ত, তাহলে আদালতকে তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে এবং বিকল্প রূপে রায় প্রদান করতে হবে।

(৪) যদি এটি খালাসের রায় হয়, তাহলে রায়ে উল্লেখ করতে হবে যে আসামিকে কোন অপরাধে খালাস দেওয়া হলো এবং নির্দেশ দিতে হবে যে তাকে মুক্তি দেওয়া হোক।

(৫) যদি আসামি এমন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয় যার জন্য মৃত্যুদণ্ড অথবা বিকল্পভাবে আজীবন কারাদণ্ড বা কয়েক বছরের সাজার বিধান রয়েছে, তাহলে আদালতকে রায়ে দণ্ড দেওয়ার কারণ উল্লেখ করতে হবে।

(৬) এই ধারার উদ্দেশ্যে, ধারা ১১৮ অথবা ধারা ১২৩-এর উপধারা (৩) অনুযায়ী দেওয়া কোনো আদেশকেও রায় বলে গণ্য করা হবে।
৬,৪৬৭.
শুনানির দিন যদি শুধু বিবাদী হাজির হন এবং বাদী না হন, আদালত কী করবে?
  1. মামলার শুনানি বন্ধ করবে
  2. মোকদ্দমাটি খারিজ করবেন
  3. বিচারের জন্য অপেক্ষা করবে
  4. পুনরায় বাদীকে তলব করবেন
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমাটি খারিজ করবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমাটি খারিজ করবেন
ব্যাখ্যা
আদেশ ৯ বিধি ৮: শুধু বিবাদি হাজির হলে, সেক্ষেত্রে পদ্ধতি:
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার শুনানির জন্য ডাক পড়লে বিবাদী হাজির হয়, কিন্তু বাদী হাজির না হয়, সেক্ষেত্রে বিবাদী বাদীর দাবী বা উহার অংশ স্বীকার না করলে আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ প্রদান করবেন; কিন্তু বিবাদী যদি বাদীর দাবী কিংবা উহার অংশ স্বীকার করে, তাহলে আদালত ঐ অনুপাতে বিবাদীর বিরুদ্ধে ডিক্রি দান করবেন, এবং বাদীর অবশিষ্ট দাবী সম্পর্কে মোকদ্দমা খারিজ করবে।
৬,৪৬৮.
The Arbitration Act, 1940 এর অধীন সালিশের রোয়েদাদ রদ করার জন্য দরখাস্ত দায়েরের তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচেছদ-১৫৮ এর বিধান The Arbitration Act, 1940 এর অধীন সালিশের রোয়েদাদ রদ করার জন্য দরখাস্ত দায়েরের তামাদি মেয়াদ রোয়েদাদ দাখিলের নোটিশ জারীর তারিখ হতে ৩০ দিন।
- তামাদি আইনের ১৫৮ নম্বর অনুচ্ছেদে সালিশের রোয়েদাদ রদের বিষয়ে বর্ণনা আছে।
অর্থাৎ তামাদি আইনে সালিশের রোয়েদাদ রদ করার জন্য বা তা পুনর্বিবেচনার উদ্দেশ্যে প্রেরণ করার জন্য ১৯৪০ সালের সালিশী আইন অনুযায়ী ৩০ দিনের মধ্যে দরখাস্ত করতে হয়।
৬,৪৬৯.
The Contract Act, 1872 এর বিধান মতে কোন শর্তটি জিম্মা (bailment) এর আবশ্যকীয় উপাদান নয়?
  1. চুক্তি থাকতে হবে
  2. বিষয়বস্তু অর্পণ বা হস্তান্তর করতে হবে
  3. স্থাবর সম্পত্তি হতে হবে
  4. বিশেষ উদ্দেশ্যে জিম্মা
সঠিক উত্তর:
স্থাবর সম্পত্তি হতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থাবর সম্পত্তি হতে হবে
ব্যাখ্যা
• চুক্তি আইনের ১৪৮ ধারার বিধান "জিম্মা", "জিম্মাদাতা" এবং "জিম্মাদার" এদের সংজ্ঞা (Bailment, bailor, and bailee defined):

- জিম্মা- চুক্তির ভিত্তিতে কোন ব্যক্তি কর্তৃক অপর কোন ব্যক্তিকে কোনো উদ্দেশ্যে কোন মালপত্র এরূপভাবে প্রদান করা হয় যে, যখন উদ্দেশ্য সাধিত হয় তখন মাল প্রদানকারীর নির্দেশ অনুসারে তা ফেরত দিতে বা অন্যভাবে এর বিলি ব্যবস্থা করতে হবে।

- জিম্মাদাতা- মালামাল প্রদানকারী ব্যক্তিকে জিম্মাদাতা বলা হয়।

- জিম্মাদার- যে ব্যক্তির নিকট এগুলি প্রদান করা হয় তাকে জিম্মাদার বলা হয়।

- জিম্মা এমন একধরনের চুক্তি যেখানে ২টি পক্ষ থাকে। যেমন: জিম্মাদাতা ও জিম্মাদার।
- এই ধরনের চুক্তি দ্বারা অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তর করা যায়।

অর্থাৎ উল্লিখিত প্রশ্নে Contract of Bailment এ জামানত হিসেবে স্থাবর সম্পত্তি হতে হবে শর্তটি জিম্মা (bailment) এর আবশ্যকীয় উপাদান নয়।
-----------
Section 148. "Bailment", "bailor", and "bailee" defined:
 A "bailment" is the delivery of goods by one person to another for some purpose, upon a contract that they shall, when the purpose is accomplished, be returned or otherwise disposed of according to the directions of the person delivering them.
The person delivering the goods is called the "bailor".
The person to whom they are delivered is called the "bailee". 
 
Explanation – If a person already in possession of the goods of another contracts to hold them as a bailee, he thereby becomes the bailee, and the owner becomes the bailor, of such goods although they may not have been delivered by way of bailment.
৬,৪৭০.
দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন মৃত আপিলকারীর আইনগত প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার দরখাস্ত কত দিনের মধ্যে দাখিল করতে হবে?
  1. ২০ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১৭৬ এর বিধান: মৃত বাদী অথবা আপিলকারীর আইনগত প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন দরখাস্ত মৃত বাদী বা আপিলকারীর মৃত্যুর তারিখ হতে ৯০ দিনের মধ্যে দাখিল করতে হবে।

অন্যদিকে,
-তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৭৭ অনুযায়ী-মৃত বিবাদী বা প্রতিবাদীর আইনগত প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন দরখাস্ত মৃত বিবাদী বা প্রতিবাদীর মৃত্যুর তারিখ হতে ৯০ দিনের মধ্যে দাখিল করতে হবে।
৬,৪৭১.
ক তাঁর ভাড়াটে কিছু অস্ত্রধারী ব্যক্তিকে একটি ভবন-এর প্রবেশপথে পাহারা বসায় এবং খ কে বলে যে সে যদি ভবন থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করে তাঁর ভাড়াটে অস্ত্রধারীরা তাঁকে গুলি করবে। ক কী অপরাধ করেছে?
  1. হুমকি
  2. কিডন্যাপ করার চেষ্টা
  3. অবৈধ আটক
  4. বে-আইনি বাঁধা
সঠিক উত্তর:
অবৈধ আটক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবৈধ আটক
ব্যাখ্যা
♦ কোনো ব্যক্তিকে একটি নির্দিষ্ট জায়গা হতে কোনো দিকে যেতে বাঁধা দিলে সেটি অবৈধ আটক বা wrongful confinement, অপর দিকে নির্দিষ্ট কোনো এক দিকে যেতে বাঁধা দিলে সেটি বে-আইনি বাঁধা। আলোচ্য উদাহরণে খ একটি ভবনে আটকে থাকায় ক কর্তৃক প্রদত্ত বাঁধা এক দিক থেকে হলেও তা এক প্রকার confinement।
৬,৪৭২.
'মুশাহ' হলো কোনো সম্পত্তির ________ অংশ।
  1. বিভক্ত
  2. অবিভাজ্য
  3. অর্ধেক
  4. গুরত্বপূর্ণ
সঠিক উত্তর:
অবিভাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবিভাজ্য
ব্যাখ্যা
'মুশাহ' বা 'Musha' হলো কোনো সম্পত্তির অবিভাজ্য বা অবিভক্ত অংশ। হানাফি আইন অনুসারে অবিভক্ত যৌথ সম্পত্তি যা বিভক্ত করা যায় এমন সম্পত্তি দান করলে দানটি বৈধ হবে না। কিন্তু পরবর্তীতে এটি বিভক্ত করা হলে দানটি বৈধ হয়ে যাবে।

কিন্তু চারটি বিশেষ ক্ষেত্র আছে যেসব ক্ষেত্রে দানের বিষয়বস্তু বিভক্ত করা না হলেও দানটি বৈধ হবে।

⇒ যদি সম্পত্তিটি অবিভাজ্য হয় অথবা যদি সম্পত্তিটি এমন হয় যে, অবিভক্ত অবস্থায় সম্পত্তিটি ব্যবহারের জন্য বেশি উপযোগী;
⇒ যদি দুই বা ততোধিক অংশীদারদের যেকোনো একজন তার অংশটি অপর কোনো অংশীদারকে দান করে;
⇒ কোনো অবিভক্ত ভূমির ভাড়ার কোনো নির্দিষ্ট অংশ আলাদাভাবে গ্রহণ এবং উত্তোলন করার অধিকার থাকলে সেটিকে অবিভক্ত জমি ধরা হবে না এবং এটি দান করলে দানটি অবৈধ হবে না;
⇒ দানকারী যদি কোনো হোল্ডিংয়ে দান গ্রহীতাকে যৌথ মালকানার স্বীকৃতি দেয় এবং সেরকম দখলের 'স্বীকৃতি দিলে সেটি বৈধ দান হবে।
৬,৪৭৩.
A এবং B, উভয়েই ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে, একটি বিপজ্জনক খেলায় অংশগ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নেয় যেখানে মৃত্যুর ঝুঁকি রয়েছে। খেলার সময় দুর্ঘটনায় B-এর মৃত্যু হয়। A-এর বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার কোন ব্যতিক্রমটি প্রযোজ্য হতে পারে?
  1. ব্যতিক্রম-২
  2. ব্যতিক্রম-৩
  3. ব্যতিক্রম-৪
  4. ব্যতিক্রম-৫
সঠিক উত্তর:
ব্যতিক্রম-৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যতিক্রম-৫
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার ব্যতিক্রম-৫ এ বলা হয়েছে: "Culpable homicide is not murder when the person whose death is caused, being above the age of eighteen years, suffers death or takes the risk of death with his own consent."
অর্থাৎ, যখন মৃত্যুবরণকারী ব্যক্তি ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে বয়সের হন এবং নিজের সম্মতিতে মৃত্যু বা মৃত্যুর ঝুঁকি গ্রহণ করেন, তখন তা খুন (murder) নয়, বরং শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (culpable homicide) হিসেবে গণ্য হবে।

অর্থাৎ যদি উভয়েই ১৮+, সম্মতি থাকে এবং কোনো প্রতারণা না থাকে – তবে Exception-5 পুরোপুরি প্রযোজ্য হয়ে A-কে খুনের (৩০২ ধারা) অভিযোগ থেকে রক্ষা করবে। সুতরাং সঠিক উত্তর: ঘ) ব্যতিক্রম-৫। 

অন্যান্য ব্যতিক্রমগুলির সাথে মিল নেই:
ব্যতিক্রম-২: ব্যক্তিগত প্রতিকার (private defence) এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
ব্যতিক্রম-৩: জনসেবক কর্তৃক আইনানুগ কর্তব্য পালনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
ব্যতিক্রম-৪: হঠাৎ ঝগড়া বা লড়াই (sudden fight) এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 300: When culpable homicide is not murder:
Exception 5.- Culpable homicide is not murder when the person whose death is caused, being above the age of eighteen years, suffers death or takes the risk of death with his own consent.

Illustration:
A, by instigation, voluntarily causes Z, a person under eighteen years of age, to commit suicide. Here, on account of Z's youth, he was incapable of giving consent to his own death; A has therefore abetted murder.

৬,৪৭৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-২২ অনুযায়ী ডিক্রি প্রদানের কত দিন পর ডিক্রি জারির আবেদন করলে দেনাদারকে নোটিশ দিতে হয়?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-২২ অনুসারে, যদি ডিক্রি প্রদানের ২ বছর পর ডিক্রি জারির আবেদন করা হয়, তাহলে আদালত নোটিশ জারি করতে বাধ্য—যার মাধ্যমে দেনাদারকে (Judgment Debtor) কারণ দর্শাতে বলা হয় কেন তার বিরুদ্ধে ডিক্রি কার্যকর করা যাবে না।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ-২১, বিধি-২২ তে ডিক্রি জারির আবেদনের ক্ষেত্রে নোটিশ প্রদানের বিধান রয়েছে- সাধারণত নোটিশ ব্যতীত ডিক্রি জারির আবেদন করা হয়, তবে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির মামলা করলে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিতে হবে। যথ‍া:
- ডিক্রির তারিখ থেকে ২ বছর পর ডিক্রি জারির দরখাস্ত করা হলে দেনাদারকে (Judgement debtor) নোটিশ দিতে হয়। 
- পক্ষের বৈধ প্রতিনিধিগণের বিপক্ষে ডিক্রি জারি করলে। তবে নোটিশ দিতে গিয়ে অযৌক্তিক বিলম্ব বা ন্যায় বিচার বিঘ্নিত হলে নোটিশ না দিলেও হবে।
- এছাড়া কোন বিদেশী রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ডিক্রি জারির আবেদন করলে নোটিশ দিতে হয়।
- দেওয়ানি কার্যবিধির ৫০(১) ধারা অনুযায়ী, দেনাদারের (Judgement debtor) মৃত্যু হলে তার বৈধ প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে ডিক্রি জারি করা যাবে। এক্ষেত্রে বৈধ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে ডিক্রি জারির আবেদন হলে নোটিশ দিতে হয়। অর্থাৎ দেনাদারের বৈধ প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে জারির আবেদন করতে হলে নোটিশ দিতে হয়।
--------- 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-21, Rule-22. Notice to show cause against execution in certain cases:
(1) Where an application for execution is made-
(a) more than two years after the date of the decree, or
(b) against the legal representative of a party to the decree,
or where an application is made for execution of a decree filed under the provisions of section 44A, the Court executing the decree shall issue a notice to the person against whom execution is applied for, requiring him to show cause, on a date to be fixed, why the decree should not be executed against him:
Provided that no such notice shall be necessary in consequence of more than two years having elapsed between the date of the decree and the application for execution if the application is made within two years from the date of the last order against the party against whom execution is applied for, made on any previous application for execution, or in consequence of the application being made against the legal representative of the judgment-debtor, if upon a previous application for execution against the same person the Court has ordered execution to issue against him.
৬,৪৭৫.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে নিঃস্ব ব্যক্তির সম্পত্তি হিসাব করার সময় কোনটি অন্তর্ভুক্ত করা হয় না?
  1. জমি-জমা
  2. নগদ অর্থ
  3. স্বর্ণালঙ্কার
  4. প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র
সঠিক উত্তর:
প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৩, বিধি ১ এর Explanation অংশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, একজন ব্যক্তির প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র (necessary wearing-apparel) এবং মামলার বিষয়বস্তু (subject-matter of the suit)-কে সম্পত্তি হিসাবে গণনা থেকে বাদ দেওয়া হবে। অর্থাৎ, নিঃস্ব (Pauper) হিসাবে মোকদ্দমা দায়েরের জন্য শর্ত হলো—প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র ও মামলার বিষয়বস্তু বাদ দিয়ে অন্যান্য সম্পত্তির মূল্য ৫,০০০ টাকার বেশি না হওয়া।
- অন্য অপশনগুলো—জমি-জমা, নগদ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার সম্পত্তির আওতায় পড়ে এবং সেগুলো গণনায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৩ বিধি-১ বিধান অনুসারে নিঃস্ব হিসাবে মোকদ্দমা দায়ের করা যাবে (Suits may be instituted in forma pauperis): আদালত কর্তৃক নিঃস্ব ঘোষিত হলে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসেবে মোকদ্দমা করা যায়।
- কোনো ব্যক্তি নিঃস্ব (Pauper) বলে গণ্য হবে যদি- মোকদ্দমা দায়ের করতে প্রয়োজনীয় কোর্ট ফি দিতে অক্ষম হয় বা যে ক্ষেত্রে কোন কোর্ট ফি নির্ধারিত নয় এবং সেক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিষয়বস্তু ও তার প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র ছাড়া ৫০০০ টাকার বেশি সম্পত্তি না থাকে।
--------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-33 Rule-1. Suits may be instituted in forma pauperis: Subject to the following provisions, any suit may be instituted by a pauper.
Explanation−A person is a "pauper" when he is not possessed of sufficient means to enable him to pay the fee prescribed by law for the plaint in such suit, or, where no such fee is prescribed, when he is not entitled to property worth five thousand Taka other than his necessary wearing-apparel and the subject-matter of the suit.

৬,৪৭৬.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় বলা হয়েছে যে, বিবাহকালীন স্বামী বা স্ত্রীকে পারস্পরিক বার্তার বিষয়বস্তু প্রকাশ করতে বাধ্য করা যাবে না?
  1. ধারা ১২০
  2. ধারা ১২২
  3. ধারা ১২৩
  4. ধারা ১২৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২২
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১২২ অনুযায়ী, বিবাহকালীন স্বামী বা স্ত্রীকে পারস্পরিক বার্তার বিষয়বস্তু প্রকাশ করতে বাধ্য করা যাবে না। তবে একজন পক্ষের বিরুদ্ধে অপরজনের দোষে বা দেওয়ানি মামলায় এই তথ্য আদালতের অনুমতি নিয়ে প্রকাশ করা যেতে পারে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২২ ধারা: বিবাহ বজায় থাকাকালীন বার্তা:
কোন ব্যক্তি যিনি বিবাহিত বা যাহার সহিত বিবাহ হইয়াছে, বিবাহ বজায় থাকাকালে সেই ব্যক্তির সহিত তাহার স্ত্রী বা স্বামীর বার্তার বিষয়বস্তু প্রকাশ করিতে সেই ব্যক্তিকে বাধ্য করা যাইবে না; বার্তা প্রদানকারীর বা তাহার স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধির সম্মতি ব্যতীত বার্তার বিষয়বস্তু প্রকাশ করিবার অনুমতিও তাহাকে দেওয়া যাইবে না, তবে বিবাহিত ব্যক্তিদ্বয়ের মধ্যে কোন দেওয়ানী মামলায় অথবা তাহাদের একজনের বিরুদ্ধে কোন অপরাধ করিবার দায়ে অপরজন ফৌজদারীতে সোর্পদ থাকিলে সেইক্ষেত্রে বার্তার বিষয় প্রকাশ করিতে দেওয়া যাইবে।

⇒ The Evidence Act, 1872, Section 122- Communications during marriage:
No person who is or has been married shall be compelled to disclose any communication made to him during marriage by any person to whom he is or has been married: nor shall he be permitted to disclose any such communication, unless the person who made it, or his representative in interest, consents, except in suits between married persons, or proceedings in which one married person is prosecuted for any crime committed against the other.

৬,৪৭৭.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারার বিধান অনুসারে অজামিনযোগ্য অপরাধে জামিন প্রদানের কারণ লিখিতভাবে রেকর্ড করতে হবে?
  1. ৪৯৭(২) ধারা
  2. ৪৯৭(৩) ধারা
  3. ৪৯৭(৪) ধারা
  4. ৪৯৭(৫) ধারা
সঠিক উত্তর:
৪৯৭(৩) ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯৭(৩) ধারা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯৭(৩) উপধারা অনুযায়ী বলা হয়েছে: "An officer or a Court releasing any person on bail under sub-section (1) or sub-section (2) shall record in writing his or its reasons for so doing."
অর্থাৎ, ধারা ৪৯৭(১) বা ৪৯৭(২) অনুযায়ী যদি কোনো আসামিকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়, তবে তদন্তকারী কর্মকর্তা বা আদালতকে লিখিতভাবে জামিন প্রদানের কারণ উল্লেখ করতে হবে।

ধারা-৪৯৭- জামিন অযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিন আবেদন:
৪৯৭ ধারা অনুযায়ী যদি কোন ব্যক্তিকে পুলিশ জামিন অযোগ্য অপরাধে আটক করে অথবা ওয়ারেন্ট ছাড়া আটক করে, তাহলে তাকে জামিন দেওয়া যেতে পারে। (may be released on bail)।
- জামিন অযোগ্য অপরাধে জামিন দেওয়া আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা (Discretionary Power)। আদালত ইচ্ছা করলে জামিন দিতে পারে আবার নাও দিতে পারে ।
- কিন্তু জামিন অযোগ্য অপরাধে আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি দিবে না (shall not be released on bail) যদি সে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডণীয় কোন অপরাধে অপরাধী বলে বিশ্বাস আদালতের যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকে।
- অর্থাৎ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডণীয় কোন অপরাধের ক্ষেত্রে জামিন না দেওয়া আদালতের জন্য আদেশসূচক (imperative).।
- জামিন অযোগ্য অপরাধের (যে কোন শাস্তিযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে) আদালত নিম্নলিখিত অভিযুক্তদের জামিন দিতে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে, যদি-
১. তার বয়স ১৬ বছরের নিচে হয়;
২. স্ত্রী লোক হয়;
৩. পীড়িত [sick) বা অক্ষম (infirm) লোক হয়।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section- 497.When bail may be taken in case of non-bailable offence:
(1) When any person accused of any non-bailable offence is arrested or detained without warrant by an officer in charge of a police-station, or appears or is brought before a Court, he may be released on bail, but he shall not be so released if there appear reasonable grounds for believing that he has been guilty of an offence punishable with death or transportation for life: 
Provided that the Court may direct that any person under the age of sixteen years or any woman or any sick or infirm person accused of such an offence be released on bail. 
(2) If it appears to such officer or Court at any stage of the investigation, inquiry or trial, as the case may be, that there are not reasonable grounds for believing that the accused has committed a non-bailable offence, but that there are sufficient grounds for further inquiry into his guilt, the accused shall, pending such inquiry, be released on bail, or, at the discretion of such officer or Court, on the execution by him of a bond without sureties for his appearance as hereinafter provided. 
(3) An officer or a Court releasing any person on bail under sub-section (1) or sub-section (2) shall record in writing his or its reasons for so doing. 
(4) If, at any time after the conclusion of the trial of a person accused of a non-bailable offence and before judgment is delivered, the Court is of opinion that there are reasonable grounds for believing that the accused is not guilty of any such offence, it shall release the accused, if he is in custody on the execution by him of a bond without sureties for his appearance to hear judgment delivered. 
(5) The High Court Division or Court of Session and, in the case of a person released by itself, any other Court may cause any person who has been released under this section to be arrested and may commit him to custody.
৬,৪৭৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন-এ solatium দেওয়ার বিধান আছে কোন ধারায়?
  1. ১২
  2. ২১
  3. ২০
  4. ২২
সঠিক উত্তর:
২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন-এর ২২ ধারায় এই বিধান আছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের কারণে অপর পক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তখন তাঁকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে কিছু অর্থ প্রদান করাকে Solatium বলা হয়
৬,৪৭৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণা মঞ্জুর বা প্রত্যাখ্যান করা আদালতের জন্য-
  1. Mandatory
  2. Discretionary
  3. Prohibitory
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
Discretionary
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Discretionary
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।
 
⇒ ঘোষণামূলক ডিক্রির প্রকৃতি:-
i) ঘোষণামূলক ডিক্রি দ্বারা নতুন কোন অধিকার সৃষ্টি হয় না বরং বাদীর বিদ্যমান অধিকারকে ঘোষণা করে মাত্র। সুতরাং মামলা করার সময় বাদীর অধিকার বিদ্যমান থাকতে হবে, ভবিষ্যতে কোন অধিকার অর্জন হবে তার জন্য ঘোষণামূলক মামলা করা যায় না।
ii) ঘোষণামূলক মামলায় আদালত বিরোধীয় বস্তুতে আইনগত পরিচয় ও স্বত্বের ঘোষণা করে মাত্র, কিন্তু এই ডিক্রির দ্বারা কোন পক্ষকে কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে আদেশ দেয় না।
iii) ঘোষণামূলক ডিক্রি প্রদান করা আদালতের ইচ্ছাধীন (Discretionary) ক্ষমতা।
 
⇒ ৪২ ধারার অধীন ঘোষণামূলক ডিক্রি লাভের আবশ্যকীয় শর্তাবলি-
i) বাদী কোন আইনগত পরিচয় অথবা সম্পত্তিতে স্বত্বের অধিকারী হবে;
ii) বাদীর আইনগত পরিচয় (legal character) আইনের দ্বারা সৃষ্ট হতে হবে, চুক্তি দ্বারা সৃষ্ট কোন পরিচয় নয়; এবং
iii) বিবাদী কর্তৃক বাদীর আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার বা অস্বীকারের উদ্যোগ গ্রহণ।
--------------
⇒ SR Act:- Section-42. Discretion of Court as to declaration of status or right. Bar to such declaration:
-Any person entitled to any legal character, or to any right as to any property, may institute a suit against any person denying, or interested to deny, his title to such character or right, and the Court may in its discretion make therein a declaration that he is so entitled, and the plaintiff need not in such suit ask for any further relief:
Provided that no Court shall make any such declaration where the plaintiff, being able to seek further relief than a mere declaration of title, omits to do so.
Explanation:- A trustee of property is a "person interested to deny" a title adverse to the title of some one who is not in existence, and for whom, if in existence, he would be a trustee.
Illustrations:
(a) A is lawfully in possession of certain land. The inhabitants of a neighboring village claim a right of way across the land. A may sue for a declaration that they are not entitled to the right so claimed.
৬,৪৮০.
যাজ্ঞবল্ক কর্তৃক সংকলিত 'যাজ্ঞবন্ধ্য সংহিতা' গ্রন্থ হিন্দু আইনের কোন উৎসের অন্তর্গত?
  1. প্রথা
  2. স্মৃতি
  3. শ্রুতি
  4. নিবন্ধ
সঠিক উত্তর:
স্মৃতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্মৃতি
ব্যাখ্যা
স্মৃতি:
- স্মৃতি অর্থ যা স্মরণে রাখা হয়েছিল, প্রাচীনকালে মানুষের পালনীয় ঐশ্বরিক নির্দেশাবলি যা আর্য ঋষিগণ গুরুশিষ্য-পরম্পরায় স্মরণে রেখেছিলেন এবং পরবর্তীকালে যা মুনিগণ পুস্তক আকারে সংকলন করেছিলেন, তা-ই সংহিতা বা স্মৃতিশাস্ত্র নামে পরিচিত।
- স্মৃতি সম্বন্ধীয় প্রধানত তিনটি গ্রন্থ হচ্ছে- 
ক. মনু কর্তৃক সংকলিত মনু সংহিতা;
খ. যাজ্ঞবল্ক কর্তৃক সংকলিত যাজ্ঞবন্ধ্য সংহিতা;
গ. নারদ কর্তৃক সংকলিত নারদ সংহিতা।

অর্থাৎ স্মৃতি বলতে বোঝায় প্রাচীনকালে আর্য ঋষিদের স্মরণে রাখা এবং পরবর্তীতে মুনিদের দ্বারা সংকলিত ঐশ্বরিক নির্দেশাবলি। এ ধরনের নির্দেশাবলি সংহিতা বা স্মৃতিশাস্ত্র নামে পরিচিত। স্মৃতিশাস্ত্রের প্রধান তিনটি গ্রন্থ হলো:
১. মনু সংহিতা (মনু কর্তৃক সংকলিত),
২. যাজ্ঞবল্ক্য সংহিতা (যাজ্ঞবল্ক কর্তৃক সংকলিত),
৩. নারদ সংহিতা (নারদ কর্তৃক সংকলিত)।
৬,৪৮১.
আদালত কখন ১৫২ ধারার অধীনে ডিক্রি সংশোধন করতে পারে?
  1. যে কোনো সময়ে
  2. মামলার পুনঃশুনানির সময়
  3. শুধুমাত্র ডিক্রি প্রস্তুতের সময়
  4. শুধুমাত্র আপিলের পর
সঠিক উত্তর:
যে কোনো সময়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে কোনো সময়ে
ব্যাখ্যা

দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫২ ধারা- রায়, ডিক্রি বা আদেশসমূহের সংশোধন:
রায়, ডিক্রি বা আদেশে করণিক বা গাণিতিক ভুল অথবা কোন আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির কারণে তথায় কোন ভুল থাকলে যে কোন সময় আদালত নিজস্ব উদ্যোগে কিংবা কোন পক্ষের আবেদনে তা শুদ্ধ করতে পারে।

Section 152- Amendment of judgments, decrees or orders:
Clerical or arithmetical mistakes in judgments, decrees or orders or errors arising therein from any accidental slip or omission may at any time be corrected by the Court either of its own motion or on the application of any of the parties.

৬,৪৮২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় নারী তল্লাশির বিশেষ বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৫১
  2. ধারা ৫২
  3. ধারা ৫৩
  4. ধারা ৫৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫২
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২ ধারায় স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশীর বিধান রয়েছে।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫২ অনুযায়ী, নারীর তল্লাশি অন্য একজন নারী দ্বারা করতে হবে এবং শালীনতা বজায় রাখতে হবে। এটি নারীর মর্যাদা ও গোপনীয়তা রক্ষার জন্য।
- ৫২ ধারা অনুযায়ী কোন স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশী করার প্রয়োজন হলে শালীনতার প্রতি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রেখে অন্য একজন স্ত্রীলোক দ্বারা তল্লাশী করাতে হবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure- Section 52- Mode of searching women: Whenever it is necessary to cause a woman to be searched, the search shall be made by another woman, with strict regard to decency.
৬,৪৮৩.
একজন চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল হবে-
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. জেলা জজ আদালতে
  3. দায়রা জজ আদালতে
  4. বিভাগীয় জজ আদালতে
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ আদালতে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৮ ধারার বিধানঃ যুগ্ম দায়রা জজ বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীলঃ যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন যুগ্ম দায়রা জজ বা কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের বিচারে দণ্ডিত হয়, সে ব্যক্তি দায়রা জজ বরাবর আপীল দায়ের করতে পারবেঃ
♦ নিম্নোক্ত শর্ত থাকে যে-
(ক) যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় যুগ্ম দায়রা জজ ৫ (পাঁচ) বৎসরের অধিক সময়ের কারাদণ্ডের আদেশ, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিচারে সাজাপ্রাপ্ত সকল বা যে দণ্ডিত ব্যক্তিকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপীল করতে হবে।

(খ) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারায় উল্লেখিত অপরাধের বিচারে দণ্ডিত হয়, সেক্ষেত্রে তাকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপীল করতে হবে।

♦ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট যে দণ্ডই প্রদান করুক না কেন আপীল করতে হবে দায়রা আদালতে। প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শুধুমাত্র দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারার রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধে দন্ড দিলে আপীল করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে।

♦ সুতরাং চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজ আদালতে আপীল করতে হবে।
৬,৪৮৪.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী নিচের কোন শাস্তিটি বৈধ নয়?
  1. নির্জন কারাবাস
  2. সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বিনাশ্রম
  4. মৃত্যুদণ্ডের সাথে অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বিনাশ্রম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বিনাশ্রম
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি মূলত দণ্ড সম্পর্কিত আইন, দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় শাস্তির প্রকারভেদ রয়েছে। ৫৩ ধারায় পাঁচ প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে। যথা:
(i) মৃত্যুদণ্ড (Death penalty)
(ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life)
(iii) কারাদণ্ড(Imprisonment) দুই প্রকার:
ক) সশ্রম( Rigorous, that is, with hard labour) এবং
খ) বিনাশ্রম (Simple)
(iv) সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (forfeiture of property)
(v) অর্থদণ্ড (fine)
- ব্যাখ্যা: যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদায় সশ্রম কারাদণ্ড হবে।

- অর্থাৎ দণ্ডবিধি অনুসারে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বিনাশ্রম বৈধ শাস্তি নয়।
----------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-53:Punishments: 
-The punishments to which offenders are liable under the provisions of this Code are,- 
Firstly,- Death; 
Secondly,- Imprisonment for life; 
Thirdly,-[Omitted]
Fourthly,-Imprisonment, which is of two descriptions, namely:- 
(1) Rigorous, that is, with hard labour; 
(2) Simple; 
Fifthly,- Forfeiture of property; 
Sixthly,- Fine. 

Explanation.-In the punishment of imprisonment for life, the imprisonment shall be rigorous.
৬,৪৮৫.
The Evidence Act 1872 এর ১৫৫ ধারা অনুযায়ী কয়টি উপায়ে সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা সম্পর্কে অভিযোগ করা যায়?
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৮টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
- The Evidence Act 1872 এর ১৫৫ ধারার বিধান মতে বিরোধী পক্ষ/ যে পক্ষ সাক্ষী আহ্বান করে সে পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে চারটি উপায়ে সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা সম্পর্কে অভিযোগ করতে পারে।
- যথা- বিশ্বাসযোগ্য ব্যক্তিদের দিয়ে সাক্ষ্য দেওয়ার মাধ্যমে, পূর্বের বক্তব্য বিরোধী সাক্ষ্য দেওয়ার মাধ্যমে, সাক্ষী প্রলোভনে পড়েছে তা প্রমানের মাধ্যমে, সাক্ষীর চরিত্র খারাপ তা প্রমানের মাধ্যমে।
৬,৪৮৬.
সংবিধানের কত অনুচ্ছেদ অনুযায়ী দ্রুত বিচার ট্রাইবুন্যাল অধ্যাদেশ-২০০২ করা হয়েছে?
  1. ৯৩ (২ক) অনুচ্ছেদ
  2. ৯৩ (১) অনুচ্ছেদ
  3. ৬৫ (১) অনুচ্ছেদ
  4. ৬৫ (২) অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
৯৩ (১) অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৩ (১) অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
⇒ অনুচ্ছেদ: ৯৩ অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা: বিশেষ ক্ষমতায় আইন প্রণয়নের রূপ বা রীতি হলো অধ্যাদেশ। রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারে। সংসদ ভেঙ্গে যাওয়া অবস্থায় অথবা উহার অধিবেশনকাল ব্যতীত সময়ে রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারে। রাষ্ট্রপতির নিকট আশু ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রয়েছে বলে সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হলে তিনি উক্ত পরিস্থিতিতে যেরূপ প্রয়োজনীয় বলে মনে করবে, সেইরুপ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করতে পারবে।
⇒ অর্থাৎ বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী দ্রুত বিচার ট্রাইবুন্যাল অধ্যাদেশ-২০০২ করা হয়েছে।

⇒ অনুচ্ছেদ ৯৩: অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা:

 (১) সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় অথবা উহার অধিবেশনকাল ব্যতীত] কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট আশু ব্যবস্থাগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে বলিয়া সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে তিনি উক্ত পরিস্থিতিতে যেরূপ প্রয়োজনীয় বলিয়া মনে করিবেন, সেইরূপ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করিতে পারিবেন এবং জারী হইবার সময় হইতে অনুরূপভাবে প্রণীত অধ্যাদেশ সংসদের আইনের ন্যায় ক্ষমতাসম্পন্ন হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার অধীন কোন অধ্যাদেশে এমন কোন বিধান করা হইবে না,

(ক) যাহা এই সংবিধানের অধীন সংসদের আইন-দ্বারা আইনসঙ্গতভাবে করা যায় না;
(খ) যাহাতে এই সংবিধানের কোন বিধান পরিবর্তিত বা রহিত হইয়া যায়; অথবা
(গ) যাহার দ্বারা পূর্বে প্রণীত কোন অধ্যাদেশের যে কোন বিধানকে অব্যাহতভাবে বলবৎ করা যায়।

(২) এই অনুচ্ছেদের (১) দফার অধীন প্রণীত কোন অধ্যাদেশ জারী হইবার পর অনুষ্ঠিত সংসদের প্রথম বৈঠকে তাহা উপস্থাপিত হইবে এবং ইতঃপূর্বে বাতিল না হইয়া থাকিলে অধ্যাদেশটি অনুরূপভাবে উপস্থাপনের পর ত্রিশ দিন অতিবাহিত হইলে কিংবা অনুরূপ মেয়াদ উত্তীর্ণ হইবার পূর্বে তাহা অননুমোদন করিয়া সংসদে প্রস্তাব গৃহীত হইলে অধ্যাদেশটির কার্যকরতা লোপ পাইবে।

(৩) সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থার কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট ব্যবস্থা-গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে বলিয়া সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে তিনি এমন অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করিতে পারিবেন, যাহাতে সংবিধান-দ্বারা সংযুক্ত তহবিলের উপর কোন ব্যয় দায়যুক্ত হউক বা না হউক, উক্ত তহবিল হইতে সেইরূপ ব্যয়নির্বাহের কর্তৃত্ব প্রদান করা যাইবে এবং অনুরূপভাবে প্রণীত কোন অধ্যাদেশ জারী হইবার সময় হইতে তাহা সংসদের আইনের ন্যায় ক্ষমতাসম্পন্ন হইবে।

(৪) এই অনুচ্ছেদের (৩) দফার অধীন জারীকৃত প্রত্যেক অধ্যাদেশ যথাশীঘ্র সংসদে উপস্থাপিত হইবে এবং সংসদ পুনর্গঠিত হইবার তারিখ হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে এই সংবিধানের ৮৭, ৮৯ ও ৯০ অনুচ্ছেদসমূহের বিধানাবলী প্রয়োজনীয় উপযোগীকরণসহ পালিত হইবে।
৬,৪৮৭.
বার কাউন্সিলের সচিব কে হবেন?
  1. শুধুমাত্র হাইকোর্টের বিচারক
  2. জেলা জজ মর্যাদার বিচারক
  3. সদস্যদের মধ্যে বয়োজ্যেষ্ঠ জন
  4. চেয়ারম্যান কর্তৃক মনোনীত একজন সদস্য
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ মর্যাদার বিচারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ মর্যাদার বিচারক
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioner's and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ ৬ক:
বার কাউন্সিলের একজন সচিব থাকবেন, যিনি সরকার কর্তৃক জেলা জজ অথবা অতিরিক্ত জেলা জজদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেওয়া হবে এবং যার শর্তাবলি ও নিয়ম সরকার কর্তৃক নির্ধারিত হবে।

"There shall be a Secretary of the Bar Council appointed by the Government from amongst the District Judges or Additional District Judges on such terms and conditions as may be determined by it."
৬,৪৮৮.
ডিক্রি জারির আদালত ভিন্ন জেলায় অবস্থিত হলে, ডিক্রিদানকারী আদালত কোথায় ডিক্রি প্রেরণ করেন?
  1. হাইকোর্টে
  2. সরাসরি ডিক্রি জারির আদালতে
  3. ডিক্রিদানকারী আদালত যে জেলায় অবস্থিত, সেই জেলার জেলা আদালতে
  4. ডিক্রি জারির আদালত যে জেলায় অবস্থিত, সেই জেলার জেলা আদালতে
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি জারির আদালত যে জেলায় অবস্থিত, সেই জেলার জেলা আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি জারির আদালত যে জেলায় অবস্থিত, সেই জেলার জেলা আদালতে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধি আদেশ-২১, বিধি-৫: স্থানান্তরের পদ্ধতি:
ডিক্রিদানকারী আদালত এবং ডিক্রি জারির জন্য যে আদালতে প্রেরিত হবে সে আদালত যদি একই জেলায় অবস্থিত হয় তবে ডিক্রি সরাসরি শেষোক্ত আদালতে প্রেরণ করবেন কিন্তু ভিন্ন জেলায় অবস্থিত হলে, ডিক্রিদানকারী আদালত তা সেই জেলার জেলা আদালতে প্রেরণ করবেন।

Order-21 Rule-5: Mode of transfer:
Where the Court to which a decree is to be sent for execution is situate within the same district as the Court which passed such decree, such Court shall send the same directly to the former Court. But, where the Court to which the decree is to be sent for execution is situate in a different district, the Court which passed it shall send it to the District Court of the district in which the decree is to be executed.
৬,৪৮৯.
চূড়ান্ত পর্যায়ে মোকদ্দমার সংখ্যা সত্তরটির নিচে নেমে এলে, আদালত-
  1. চূড়ান্ত পর্যায়ে আর মোকদ্দমা গ্রহণ করবে না
  2. নতুন মামলার আবেদন গ্রহণ করবে না
  3. পুরোনো মোকদ্দমা আবার শুরু করবে
  4. চূড়ান্ত পর্যায়ে আরও মোকদ্দমা গ্রহণ করবে
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্ত পর্যায়ে আরও মোকদ্দমা গ্রহণ করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্ত পর্যায়ে আরও মোকদ্দমা গ্রহণ করবে
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৮ বিধি-২০: দৈনন্দিন কার্যতালিকা, ইত্যাদিতে মোকদ্দমা নির্ধারণ:
কোন আদালত চূড়ান্ত শ্রবণ কার্যের নিমিত্তে দৈনন্দিন কার্যতালিকায় আংশিক শ্রবণীয় মোকদ্দমাসহ পাঁচটির অধিক মোকদ্দমা এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে একশতটির অধিক মোকদ্দমা নির্ধারণ করবে না; এবং নিষ্পত্তির পর চূড়ান্ত পর্যায়ের মোকদ্দমার সংখ্যা সত্তরটির নিম্নে নেমে আসলে সাধারণত দাখিল করা তারিখের উপর ভিত্তি করে আদালত চূড়ান্ত পর্যায়ে আরও মোকদ্দমা আনার ব্যবস্থা করতে পারবেঃ তবে শর্ত থাকে যে, কোন আদালতে শ্রবণ নিমিত্তে তৈরীকৃত মোকদ্দমার সংখ্যা উপযুক্ত মতে নির্ধারণের জন্য যথেষ্ট না হলে যথোপযুক্ত পদ্ধতিতে নির্ধারণ করার বিবেচনামূলক ক্ষমতা আদালতের থাকবে।

ব্যাখ্যা- এই বিধিতে ব্যবহৃত "চূড়ান্ত শব্দটি" দেওয়ানি নিয়ম ও আদেশাবলীতে ব্যবহৃত শব্দের ন্যায়ই অর্থ হবে।
৬,৪৯০.
মাহি তার এক বন্ধুকে আত্মহত্যার জন্য প্ররোচিত করে এবং সেই বন্ধু আত্মহত্যা করে। মাহির বিরুদ্ধে কোন ধরনের শাস্তি আরোপিত হতে পারে?
  1. শুধুমাত্র অর্থদণ্ড
  2. শুধুমাত্র বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. শুধুমাত্র সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারা- আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:
কোন ব্যক্তি যদি আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করবে, উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 306- Abetment of suicide:
If any person commits suicide, whoever abets the commission of such suicide, shall be punished with imprisonment either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
৬,৪৯১.
মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের ফলে কোন নির্দোষ লোকের মৃত্যুদণ্ড হলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি কি হবে?
  1. অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. মৃত্যুদণ্ড
  4. শুধু অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির  ১৯৪ ধারা মতে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবনের ২ ধরনের শাস্তি হতে পারে। যথা-

(i) কোন আসামীকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার জন্য মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ার পরও অথবা মিথ্যা সাক্ষ্য সৃষ্টি করার পরও উক্ত আসামীর মৃত্যুদন্ড না হলে বা আসামী খালাস পেলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

(ii) মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের ফলে কোন নির্দোষ লোকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

-----------------------------------
♦ দণ্ডবিধির ১৯৪ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্যদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করা :- কোন ব্যক্তি যদি মিথ্যা সাক্ষ্যদান করে বা তৈরি করে এবং তদ্বারা কাউকে বর্তমানে বলবৎ কোন আইনবলে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যেই তা করে থাকে কিংবা তার এইরূপ মিথ্যা সাক্ষ্য দান বা তৈরি করার ফলে কাউকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে দণ্ডিত করা হতে পারে জেনেই যদিও তা করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে; তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হবে।

♦ যদি তার ফলে কোন নির্দোষ ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত হয় এবং সাজা বলবৎ হয়:- যদি অনুরূপ মিথ্যা সাক্ষ্যের ফলে কোন নির্দোষ ব্যক্তি সাজাপ্রাপ্ত হয় ও সাজা বলবৎ হয়, তবে যে ব্যক্তি অনুরূপ মিথ্যা সাক্ষ্যদান করেছে, সে ব্যক্তি হয় মৃত্যুদণ্ডে, না হয় এই ধরায় ইতোপূর্বে বর্ণিত সাজায় সাজাপ্রাপ্ত হবে।

______________________________________________________
♦  Giving or fabricating false evidence with intent to procure conviction of capital offence; if innocent person be thereby convicted and executed:

♦  Section 194. Whoever gives or fabricates false evidence, intending thereby to cause, or knowing it to be likely that he will thereby cause, any person to be convicted of an offence which is capital by any law for the time being in force, shall be punished with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; 
 
♦ and if an innocent person be convicted and executed in consequence of such false evidence, the person who gives such false evidence shall be punished either with death or the punishment herein before described.
৬,৪৯২.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারায় আদালতকে মামলা শুনানীর যেকোন পর্যায়ে সাক্ষীকে পুনরায় জেরা করার জন্য তলব করার ক্ষমতা দেওয়া আছে?
  1. ৫৩৭
  2. ৫৪০
  3. ৫৪৩
  4. ৫৪৫
সঠিক উত্তর:
৫৪০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪০
ব্যাখ্যা
•ফৌজদারী কার্যবিধি ,১৮৯৮ এর ধারা ৫৪০ অনুসারে- কোন অনুসন্ধান, বিচারবা অন্য কার্যধারার কোন পর্যায়ে কোন আদালত যেকোন ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসাবে সমন করতে পারবেন বা সাক্ষী হিসাবে সমন করা না হলে উপস্থিত যেকোন ব্যক্তির জবানবন্দী গ্রহণ করতে পারবেন, বা ইতোমধ্যে যার জবানবন্দী গ্রহণ করা হয়েছে তাকে পুনরায় তলব করে পুনরায় জবান বন্দী গ্রহণ করতে পারবেন এবং এরূপ কোন ব্যক্তির সাক্ষ্য আদালতের ন্যায় বিচারের জন্য অত্যাবশ্যক বলে প্রতীয়মান হলে আদালত তাকে সমন করে তার জবানবন্দী গ্রহণ করবেন।
৬,৪৯৩.
১৮৭৭ সালের সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ব্যবহৃত শব্দসমূহের সংজ্ঞা কোন আইন থেকে গৃহীত হয়েছে?
  1. দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮
  2. সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২
  3. রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮
  4. চুক্তি আইন, ১৮৭২
সঠিক উত্তর:
চুক্তি আইন, ১৮৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি আইন, ১৮৭২
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ৩ (ব্যাখ্যা ধারা) অনুযায়ী, এই আইনে ব্যবহৃত শব্দগুলোর সংজ্ঞা চুক্তি আইন, ১৮৭২ (Contract Act, 1872) থেকে গ্রহণ করা হয়েছে।
- অর্থাৎ, যদি এই আইনে কোনো শব্দ ব্যবহৃত হয় এবং সেই শব্দের সংজ্ঞা চুক্তি আইন, ১৮৭২-এ নির্ধারিত থাকে, তাহলে সেই শব্দকে চুক্তি আইনে উল্লিখিত সংজ্ঞার ভিত্তিতেই ব্যাখ্যা করতে হবে। এটি করা হয়েছে আইনি ধারাবাহিকতা ও সুস্পষ্টতা বজায় রাখার জন্য, যাতে বিভিন্ন আইনের মধ্যে সংজ্ঞাগত পার্থক্যের কারণে বিভ্রান্তি সৃষ্টি না হয়।
-------------------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Sections-3: Words defined in Contract Act: and all words occurring in this Act, which are defined in the Contract Act, 1872, shall be deemed to have the meanings respectively assigned to them by that Act.

৬,৪৯৪.
The Registration Act, 1908 এর ২৬ ধারার বিধান অনুযায়ী বাংলাদেশের বাইরে সম্পাদিত দলিল কত সময়ের মধ্যে রেজিস্ট্রির জন্য দাখিল করতে হবে?
  1. দলিল সম্পাদনের ৩ মাসের মধ্যে
  2. দলিল সম্পাদনের ৬ মাসের মধ্যে
  3. দলিলটি বাংলাদেশে পৌঁছাবার পরবর্তী ৪ মাসের মধ্যে
  4. দলিলটি বাংলাদেশে পৌঁছাবার পরবর্তী ৬ মাসের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
দলিলটি বাংলাদেশে পৌঁছাবার পরবর্তী ৪ মাসের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিলটি বাংলাদেশে পৌঁছাবার পরবর্তী ৪ মাসের মধ্যে
ব্যাখ্যা
⇒ রেজিস্ট্রেশন আইনের ২৬ ধারার বিধান বাংলাদেশের বাহিরে সম্পাদিত দলিলপত্র:- বাংলাদেশের বাহিরে সকল বা যে কোন পক্ষ কর্তৃক সম্পাদিত বলিয়া দাবিকৃত কোন দলিল দাখিলকরনের জন্য ইতঃপূর্বে নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পরও যেক্ষেত্রে নিবন্ধনের জন্য দাখিল করা না হয়, সেইক্ষেত্রে নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে.-
(ক) দলিলটি উক্তরূপে সম্পাদিত, এবং
(খ) ইহা বাংলাদেশে পৌছিবার পর চার মাস সময়ের মধ্যে নিবন্ধনের জন্য দাখিল করা হইয়াছে।
তাহা হইলে তিনি, উপযুক্ত ফি পরিশোধ সাপেক্ষে, উক্ত দলিল নিবন্ধনের জন্য গ্রহণ করিতে পারিবেন।
---------------
⇒ The Registration Act, 1908 Section 26. Documents executed out of Bangladesh:
-When a document purporting to have been executed by all or any of the parties out of Bangladesh is not presented for registration will after the expiration of the time hereinbefore prescribed in that behalf, the registering officer, if satisfied- 
(a) that the instrument was so executed, and 
(b) that it has been presented for registration within four months after its arrival in Bangladesh, 
may, on payment of the proper registration fee, accept such document for registration.
৬,৪৯৫.
ধারা ২৮-এর অধীনে কোন পরিস্থিতিতে স্বীকারোক্তি গ্রহণযোগ্য হবে?
  1. যখন এটি একজন পুলিশ কর্মকর্তার সামনে করা হয়
  2. যখন এটি প্রলোভন বা ভয় প্রদর্শনের মাধ্যমে আদায় করা হয়
  3. যখন প্রলোভন বা ভয়ের প্রভাব দূর হয়ে যায় এবং স্বেচ্ছায় করা হয়
  4. যখন এটি প্রধান সাক্ষীর সামনে করা হয়
সঠিক উত্তর:
যখন প্রলোভন বা ভয়ের প্রভাব দূর হয়ে যায় এবং স্বেচ্ছায় করা হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন প্রলোভন বা ভয়ের প্রভাব দূর হয়ে যায় এবং স্বেচ্ছায় করা হয়
ব্যাখ্যা
• The Evidence Act, 1872 এর ২৮ ধারা অনুযায়ী,
"যদি ২৪ ধারায় উল্লিখিত এমন কোনো স্বীকারোক্তি, যেকোনো প্রলোভন, ভয় প্রদর্শন বা প্রতিশ্রুতির ফলে সৃষ্ট প্রভাব, আদালতের মতে, সম্পূর্ণরূপে দূরীভূত হওয়ার পর করা হয়, তবে তা প্রাসঙ্গিক হিসেবে গণ্য হবে।"

⇒ যদি কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তিকে প্রথমে প্রলোভন, ভয় প্রদর্শন বা প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে কোনো ধারণা দেওয়া হয়, কিন্তু পরবর্তীতে সেই ধারণা আদালতের মতে পূর্ণরূপে অপসারিত হয়ে গেলে এবং তার পরে অভিযুক্ত স্বেচ্ছায় কোনো স্বীকারোক্তি করেন, তাহলে সেই স্বীকারোক্তিটি প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য হবে।

Section 28- Confession made after removal of impression caused by inducement, threat or promise, relevant:
If such a confession as is referred to in section 24 is made after the impression caused by any such inducement, threat or promise has, in the opinion of the Court, been fully removed, it is relevant.
৬,৪৯৬.
কখন কোনো পক্ষ দেওয়ানি আদালতে আবেদন করতে পারে যে, স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে রায় দেওয়া হোক?
  1. কেবল বিচার শেষে
  2. কেবল লিখিত জবাব দাখিলের আগে
  3. মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে
  4. কেবল সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে
ব্যাখ্যা

আদেশ ১২ বিধি ৬: স্বীকারোক্তির উপর রায়-
যখন আরজি জবাবে কিংবা অন্যপ্রকারে কোন ঘটনা সম্পর্কে স্বীকারোক্তি করা হয়েছে তদক্ষেত্রে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে যে কোন পক্ষ আদালতে এ মর্মে আবেদন করতে পারে যে, পক্ষগণের মধ্যে অন্য কোন প্রশ্ন নির্ধারণের জন্য অপেক্ষা না করে, উপরের স্বীকারোক্তি যতদূর তার পক্ষে হয়েছে, সে পর্যন্ত রায় কিংবা আদেশ দান করা হোক। এবং আদালত অনুরূপ আবেদনক্রমে যেরূপ সঙ্গত মনে করতে পারে, সেরূপ রায় কিংবা আদেশ দিতে পারে।

৬,৪৯৭.
A warrant of arrest issued in Dhaka can be executed in:
  1. Only Dhaka division
  2. Only metropolitan areas
  3. Anywhere in Bangladesh
  4. None of them
সঠিক উত্তর:
Anywhere in Bangladesh
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Anywhere in Bangladesh
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 82: Where warrant may be executed:
- A warrant of arrest may be executed at any place in Bangladesh.
---------------------
- ফৌজদারি কার্যবিধির ৮২ ধারার বিধান পরোয়ানা যেখানে বলবৎ করা যাবে: গ্রেফতারী পরোয়ানা বাংলাদেশের যে কোন জায়গায় কার্যকরী করা যাবে।
৬,৪৯৮.
"The Muslim Family Laws Ordinance, 1961" অনুসারে, যদি "P" এর পুত্র "A" উত্তরাধিকার খোলার বা আরম্ভের আগে মারা যান, তাহলে "A"-এর সন্তান "X" এবং "Y" কী পাবে?
  1. "A" এর অংশের সমান
  2. "A" এর অংশের অর্ধেক
  3. "A" এর অংশের দ্বিগুণ
  4. কিছুই পাবে না
সঠিক উত্তর:
"A" এর অংশের সমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
"A" এর অংশের সমান
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ক) "A" এর অংশের সমান।

→ The Muslim Family Laws Ordinance, 1961-এর ধারা ৪ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি তার উত্তরাধিকারী হওয়ার আগেই মারা যান, তাহলে তার সন্তানরা তার অংশের উত্তরাধিকারী হবে।
এটি প্রতিস্থাপনমূলক উত্তরাধিকার (Doctrine of Representation) নামে পরিচিত, যার ফলে সন্তানরা তাদের পিতার উত্তরাধিকারী হওয়ার পূর্ণ অধিকার পায়।

ধাপে ধাপে বিশ্লেষণ:
- "P" হলেন মূল ব্যক্তি, যার মৃত্যুর পর তার সম্পত্তি উত্তরাধিকারীদের মধ্যে বণ্টিত হবে।
- "A" হলেন "P" এর পুত্র, অর্থাৎ তিনি সাধারণত "P" এর উত্তরাধিকারী হতেন।
- কিন্তু "A" উত্তরাধিকার খোলার (P-এর মৃত্যুর) আগে মারা গেছেন।
- ধারা ৪ অনুযায়ী, "A"-এর সন্তানরা ("X" ও "Y") মিলে "A"-এর অংশ পাবে।
- অর্থাৎ, "X" ও "Y" সমান ভাগে তাদের পিতার (A) অংশ পাবে।

সঠিক উত্তর: ক) "A" এর অংশের সমান।
- কারণ, "X" এবং "Y" একসাথে "A" এর অংশের সমান পাবে, যা প্রতি শাখা অনুসারে (Per Stirpes) বণ্টনের নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত হয়।
৬,৪৯৯.
'X' অবহেলামূলকভাবে এমন একটি কাজ করে যা জীবন বিপন্নকারী মারাত্মক রোগের সংক্রমণ ছড়াতে পারে। দণ্ডবিধি অনুযায়ী, 'X'-এর সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ৩ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  2. ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ২৬৯ ধারা অনুযায়ী, 'X'-এর সর্বোচ্চ শাস্তি হলো ৬ (ছয়) মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম) অথবা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড।
⇒ প্রশ্নে উল্লিখিত ঘটনাটি দণ্ডবিধির ২৬৯ ধারা-এর সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। ধারা ২৬৯ অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি অবহেলামূলকভাবে (negligently) এমন কোনো কাজ করে যা জীবন বিপন্নকারী মারাত্মক রোগের সংক্রমণ ছড়ানোর সম্ভাবনা রাখে, এবং সে এটি জানা সত্ত্বেও বা বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও করে, তাহলে সে এই ধারায় দণ্ডিত হবে।
- এই অপরাধের জন্য ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম) অথবা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডই প্রদান করা হতে পারে।
অতএব, সঠিক উত্তর হল খ) ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ২৬৯ ধারার বিধান:  জীবন বিপন্নকারী মারাত্মক রোগের সংক্রমণ বিস্তার করতে পারে এবং অবহেলামূলক কার্য :- কোন ব্যক্তি যদি বেআইনীভাবে বা অবহেলামূলকভাবে এমন কোন কার্য করে যা জীবন বিপন্নকারী মারাত্মক কোন রোগের সংক্রমণ ছড়াতে পারে, তা জানা সত্ত্বেও বা বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তা করে, তবে-সেই ব্যক্তি ছয়মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860-Section 269. Negligent act likely to spread infection of disease dangerous to life:- Whoever unlawfully or negligently does any act which is, and which he knows or has reason to believe to be, likely to spread the infection of any disease dangerous to life, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine, or with both.

৬,৫০০.
ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্যে কোন কথা বলা, শব্দ করা, অঙ্গভঙ্গি করা অথবা দৃষ্টিগোচরযোগ্য কোন বস্তু স্থাপন করার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৬ মাসের কারাদণ্ড
  2. ১ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• ২৯৮ ধারা মতে কারো ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্যে কোন কথা বলা, শব্দ করা, অঙ্গভঙ্গি করা অথবা দৃষ্টিগোচরযোগ্য কোন বস্তু স্থাপন করার শাস্তি হিসেবে অনধিক ১ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডের বিধান রয়েছে।