বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ৬৩ / ১৫৫ · ৬,২০১৬,৩০০ / ১৫,৪৭০

৬,২০১.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৯ বিধি-১৩ক অনুযায়ী, একতরফা ডিক্রি রদের আদেশ জারির পর আদালত কী করবে?
  1. মামলাটি বন্ধ করে দেবে
  2. বাদীকে নোটিশ প্রদান করবে
  3. বিবাদীকে ক্ষতিপূরণ প্রদান করবে
  4. নতুন ডিক্রি জারি করবে
সঠিক উত্তর:
বাদীকে নোটিশ প্রদান করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদীকে নোটিশ প্রদান করবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, আদেশ-৯ বিধি-১৩ক: সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ/বাতিল:
(১) বিধি-১৩ বা অন্য কোনো আইনে যা কিছুই থাকুক না কেন, আদালত বিলম্ব এড়ানোর এবং নিষ্পত্তি ত্বরান্বিত করার উদ্দেশ্যে বিবাদীকে বিধি-১৩ অনুযায়ী যথেষ্ট কারণ প্রমাণের জন্য সাক্ষ্য উপস্থাপনের প্রয়োজন ছাড়াই সরাসরি ডিক্রি রদ করতে পারবে, তবে আদালত বিবাদীকে অনধিক তিন হাজার টাকা খরচ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারবে:
শর্ত থাকে যে, আদালত এই বিধির অধীনে ডিক্রি রদ করবে না, যদি না বিবাদী, যিনি আদালতে হাজির হয়ে লিখিত জবাব দাখিল করেছেন, ডিক্রি জারির তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে ডিক্রি রদের জন্য একটি আবেদনপত্র, অফিডেভিট সহ, আদালতে জমা দেন।
আরও শর্ত থাকে যে, একই বিবাদীর পক্ষ থেকে এই বিধির অধীনে একাধিকবার ডিক্রি রদ করা যাবে না।

(২) উপ-বিধি (১) অনুযায়ী একতরফা ডিক্রি রদের আদেশ জারি হওয়ার সাথে সাথে আদালত বাদীকে এ বিষয়ে নোটিশ প্রদান করবে, এবং এর খরচ বিবাদী বহন করবে।
৬,২০২.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৪২১ ধারার আওতায় আপিল খারিজ করার পূর্বে-
  1. নতুন সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারেন
  2. মামলার নথি তলব করতে পারেন
  3. আপিলকারীর সাজার মেয়াদ বাড়াতে পারেন
  4. আপিলকারীর বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ দায়ের করতে পারেন
সঠিক উত্তর:
মামলার নথি তলব করতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার নথি তলব করতে পারেন
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪২১- আপিলের সংক্ষিপ্ত খারিজ:
(১) ধারা ৪১৯ বা ৪২০ এর আওতায় দরখাস্ত ও নকল পাবার পর আপিল আদালত উহা পড়বেন, এবং যদি ইহা বিবেচনা করেন যে, হস্তক্ষেপ করার মত পর্যাপ্ত কারণ নেই, সেক্ষেত্রে সঙ্গে সঙ্গে আপিল খারিজ করতে পারবেন-
শর্ত থাকে যে, ধারা-৪১৯ এর আওতায় দাখিলকৃত আপিলের ক্ষেত্রে আপিলকারী বা তার উকিলকে বক্তব্য পেশ করার যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে আপিল খারিজ করা যাবে না।

(২) এই ধারার আওতায় আপিল খারিজ করার পূর্বে আদালত মামলার নথি তলব করতে পারবেন, কিন্তু আদালত এরূপ তলব করতে বাধ্য হবেন না।

Section 421- Summary dismissal of appeal:
(1) On receiving the petition and copy under section 419 or section 420, the Appellate Court shall pursue the same, and if it considers that there is no sufficient ground for interfering, it may dismiss the appeal summarily: Provided that no appeal presented under section 419 shall be dismissed unless the appellant or his pleader has had a reasonable opportunity of being heard in support of the same.

(2) Before dismissing an appeal under this section, the Court may call for the record of the case, but shall not be bound to do so.
৬,২০৩.
একজন হানাফি মুসলিম পিতা-মাতাকে রেখে মারা যান। তার তাজ্য সম্পত্তিতে পিতা ও মাতার অংশ যথাক্রমে-
  1. পিতা ১/৪, মাতা ৩/৪ অংশ
  2. পিতা ১/৩, মাতা ২/৩ অংশ
  3. পিতা ২/৩, মাতা ১/৩ অংশ
  4. পিতা ২/৪, মাতা ১/৪ অংশ
সঠিক উত্তর:
পিতা ২/৩, মাতা ১/৩ অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিতা ২/৩, মাতা ১/৩ অংশ
ব্যাখ্যা
• মুসলিম উত্তরাধিকার আইন-
 
ধরি,
মোট সম্পত্তি = ১ অংশ;
 
মাতার অংশ = ১/৩ [যেহেতু সন্তান, সন্তানের সন্তান (যত নিম্ন হোক), একাধিক ভাই-বোন অনুপস্থিত];
পিতা = অবশিষ্টাংশভোগী [যেহেতু সন্তান, সন্তানের সন্তান (যত নিম্ন হোক) এরূপ কেউ নেই]।
 
অবশিষ্টাংশ = (১ - ১/৩) = ২/৩ অংশ।
 
∴ পিতার অংশ = ২/৩ অংশ।
মাতার অংশ = ১/৩ অংশ।
৬,২০৪.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় ৫০ টাকা বা তদূর্ধ্ব ক্ষতি সাধিত হলে অনিষ্ট (mischief) এর জন্য শাস্তি নির্ধারিত হয়েছে?
  1. ধারা ৪২৫
  2. ধারা ৪২৬
  3. ধারা ৪২৭
  4. ধারা ৪২৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪২৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪২৭
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৮৬০ এর ধারা ৪২৭ অনুযায়ী, যদি কেউ অনিষ্ট (mischief) করে এবং এর ফলে ৫০ টাকা বা তদূর্ধ্ব মূল্যের ক্ষতি বা লোকসান ঘটে, তাহলে সেই ব্যক্তি দণ্ডনীয় অপরাধ করে।
- এই ধারায় শাস্তির বিধান দুই বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪২৭ - পঞ্চাশ টাকা পরিমাণ ক্ষতি করিয়া অনিষ্ট সাধন:
- কোন ব্যক্তি যদি ক্ষতি সাধন করে এবং তদ্বারা পঞ্চাশ টাকা বা তদূৰ্ব্ব পরিমাণ অর্থের অনিষ্ট করে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
⇒ The Penal Code, 1860- Section 427. Mischief causing damage to the amount of fifty taka:
 Whoever commits mischief and thereby causes loss or damage to the amount of fifty taka or upwards, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৬,২০৫.
কোন দলিল রদ (Set aside) বা বাতিল (Cancel) করার জন্য, যে ক্ষেত্রে অন্যকোন বিধান নেই, সেই ক্ষেত্রে মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ
  1. ২ বৎসর
  2. ১ বৎসর
  3. ৩ বৎসর
  4. ৬ বৎসর
সঠিক উত্তর:
৩ বৎসর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বৎসর
ব্যাখ্যা
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারায় দলিল বাতিল বা দলিল রদ এর মামলা দায়ের এবং ৪২ ধারায় দলিল জাল বলে ঘোষণার জন্য মামলা দায়েরের তামাদির তামাদির মেয়াদ ৩ বৎসর। এই তামাদির মেয়াদ ৯১ থেকে ৯৩ অনুচ্ছেদ পর্যন্ত আলোচনা করা হয়েছে।
৬,২০৬.
কোন ধরনের মামলায় বাদী মামলার খরচ ছাড়া মামলার বিষয়বস্তুর উপর কোন দাবি থাকে না?
  1. নাবালক কর্তৃক মামলায়
  2. ইন্টারপ্লিডার স্যুটে
  3. জনস্বার্থ সম্পর্কিত মোকদ্দমায়
  4. নাবালকের নেক্সট ফ্রেন্ড কর্তৃক মামলায়
সঠিক উত্তর:
ইন্টারপ্লিডার স্যুটে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্টারপ্লিডার স্যুটে
ব্যাখ্যা
♦ধারা-৮৮ এবং আদেশ ৩৫ তে ইন্টারপ্লিডার স্যুট সম্পর্কে বলা আছে।

♦ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা ৮৮ অনুযায়ী যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তির নিকট একই পাওনা টাকা বা কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি দাবি করে এবং যার নিকট দাবি করা হয় উক্ত সম্পত্তির উপর তার খরচের দাবি ব্যতীত অন্য কোন দাবি না থাকে এবং তিনি প্রকৃত মালিকের নিকট উক্ত সম্পত্তি বা অর্থ অর্পণ করতে প্রস্তুত থাকেন।

♦ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৩৫ অনুযায়ী স্বার্থ বিহীন মামলা (Interpleader Suits ) বলতে বুঝায় একাধিক বিবাদীগণের মধ্যে একই বিষয়বস্তু নিয়ে মালিকানা দাবি যেখানে বাদীর কোন স্বার্থ নেই।  স্বার্থ বিহীন মামলায়, মামলার বিষয়বস্তুতে বাদীর খরচের দাবী ছাড়া অন্য কোন স্বার্থ নেই।
 বিবাদীগণ পৃথক পৃথক ভাবে তাদের দাবী উলে­খ করে, বাদী ও বিবাদীগণের মধ্যে কোনরূপ ষড়যন্ত্র থাকবেনা (ধারা-৮৮)
 
♦  তবে কার নিকট পরিশোধ বা অর্পণ করতে হবে সেই বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত লাভের জন্য এবং নিজের ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য এরূপ দাবিদারদের সকলের বিরুদ্ধে ইন্টারপিডার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
♦ অর্থাৎ আদেশ ৩৫ অনুযায়ী স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা বা  Interpleader Suits বিবদাী থাকবে কমপক্ষে ২ জন।

♦উল্লেখিত প্রশ্নের ক্ষেত্রে কামাল সাহেব স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা বা  Interpleader Suits করে প্রকৃত মালিকের কাছে সম্পত্তি বুঝিয়ে দিবেন।  এই মামলায় শুধু মাত্র মামলার খরচ ব্যতীত অন্য কোনো স্বার্থ থাকে না কামাল সাহেবের।
৬,২০৭.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারার বিধান মতে অভিযুক্তের আবেদনক্রমে মামলা স্থানান্তর করা যায়?
  1. ১৯০ ধারা
  2. ১৯১ ধারা
  3. ১৯২ ধারা
  4. ১৬৪ (২) ধারা
সঠিক উত্তর:
১৯১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯১ ধারা
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৯১ ধারার বিধান মতে ধারা ১৯০ (১)(গ) অনুযায়ী কোন ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধ আমলে গ্রহণ করলে তিনি সাক্ষ্যগ্রহণের আগে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অভিহিত করবেন যে সে চাইলে অন্যকোন আদালতের মাধ্যমে তার মামলার বিচার বা অনুসন্ধান করাতে পারে। অভিযুক্ত সুযোগটি গ্রহণ করলে বা অভিযুক্তের আবেদনক্রমে আমলী আদালত মামলাটি অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বা দায়রা আদালতে পাঠিয়ে দিবেন।
৬,২০৮.
তামাদি আইনের কত অনুচ্ছেদে নি:স্ব হিসাবে আপিল করার তামাদির মেয়াদ উল্লেখ আছে?
  1. ১৫১ অনুচ্ছেদে
  2. ১৭০ অনুচ্ছেদে
  3. ১৮১ অনুচ্ছেদে
  4. ১৮৫ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১৭০ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭০ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৭০

নি:স্ব হিসাবে আপিল করার অনুমতি দরখাস্ত [for leave to appeal as pauper]
- ৩০ দিন
- যে ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল হবে, সেই তারিখ হতে।
৬,২০৯.
শাস্তি কার্যকর করার জন্য প্রত্যেকটি পরোয়ানা জারি করতে পারে-
  1. শুধুমাত্র হাইকোর্ট বিভাগ
  2. শুধুমাত্র দায়রা আদালতে
  3. শাস্তি প্রদানকারী বিচারক
  4. স্থানীয় পুলিশ কর্তৃপক্ষ
সঠিক উত্তর:
শাস্তি প্রদানকারী বিচারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাস্তি প্রদানকারী বিচারক
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৮৯: কে পরোয়ানা জারি করতে পারে:
শাস্তি কার্যকর করার জন্য প্রত্যেকটি পরোয়ানা শাস্তি প্রদানকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট বা তাদের স্থলাভিষিক্ত বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট জারি করতে পারে।

Section 389: Who may issue warrant:
Every warrant for the execution of any sentence may be issued either by the Judge or Magistrate who passed the sentence, or by his successor in office.
৬,২১০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুসারে, রিসিভার (Receiver) নিয়োগ করা হয় কেন?
  1. অপরাধীদের শাস্তি দিতে
  2. সম্পত্তির মালিকানা পরিবর্তন করতে
  3. পক্ষগুলোর অধিকার নির্ধারণের জন্য
  4. আদালতের তত্ত্বাবধানে সম্পত্তি পরিচালনার জন্য
সঠিক উত্তর:
আদালতের তত্ত্বাবধানে সম্পত্তি পরিচালনার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের তত্ত্বাবধানে সম্পত্তি পরিচালনার জন্য
ব্যাখ্যা
→ উত্তর: ঘ) আদালতের তত্ত্বাবধানে সম্পত্তি পরিচালনার জন্য।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৫(ঘ) ধারার অধীনে আদালত রিসিভার (Receiver) নিয়োগ করতে পারে।

- রিসিভার কে?
রিসিভার হল আদালত কর্তৃক নিযুক্ত একজন নিরপেক্ষ ব্যক্তি, যিনি আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী একটি বিতর্কিত বা ঝুঁকিপূর্ণ সম্পত্তি পরিচালনা করেন যতক্ষণ না মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়।

- কেন রিসিভার নিয়োগ করা হয়?
→ বিতর্কিত সম্পত্তির সুরক্ষা ও সংরক্ষণের জন্য।
→ পক্ষগুলোর মধ্যে স্বার্থের ভারসাম্য রক্ষা করার জন্য।
→ সম্পত্তির অবমূল্যায়ন বা অবৈধ ব্যবহার ঠেকানোর জন্য।
→ আদালতের চূড়ান্ত রায়ের আগ পর্যন্ত নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধান নিশ্চিত করার জন্য।

- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারা অনুসারে রিসিভার নিয়োগ আদালতের বিবেচনার বিষয় এবং এর নিয়মাবলি দেওয়ানি কার্যবিধি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।

উদাহরণ:
- একটি ব্যবসায়িক অংশীদারিত্ব নিয়ে মামলা চলছে, যেখানে একটি কোম্পানির সম্পদ সঠিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে না। আদালত একজন রিসিভার নিয়োগ করতে পারে, যিনি ব্যবসাটি চালিয়ে যাবেন এবং আদালতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।
৬,২১১.
আদালত কোন ক্ষেত্রে কোনো বই সম্পর্কে অনুমান করতে পারে?
  1. যদি বইটি কোনো ব্যক্তিগত ডায়েরি হয়
  2. যদি এটি শুধুমাত্র সরকারি প্রকাশনা হয়
  3. যদি এটি জনস্বার্থ বিষয়ের তথ্যসূত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়
  4. উল্লিখিত কোন ক্ষেত্রেই নয়
সঠিক উত্তর:
যদি এটি জনস্বার্থ বিষয়ের তথ্যসূত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি এটি জনস্বার্থ বিষয়ের তথ্যসূত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়
ব্যাখ্যা
ধারা ৮৭: বই, মানচিত্র ও চার্ট সংক্রান্ত অনুমান:
আদালত অনুমান করতে পারে যে, কোনো বই যা জনস্বার্থ বা সাধারণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের তথ্যসূত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং কোনো প্রকাশিত মানচিত্র বা চার্ট, যা মামলার প্রাসঙ্গিক তথ্য ধারণ করে এবং আদালতের পর্যালোচনার জন্য উপস্থাপন করা হয়—তা উক্ত লেখক বা প্রকাশকের দ্বারা নির্ধারিত সময় ও স্থানে লিখিত বা প্রকাশিত হয়েছে।

[The Court may presume that any book to which it may refer for information on matters of public or general interest, and that any published map or chart, the statements of which are relevant facts and which is produced for its inspection, was written and published by the person and at the time and place, by whom or at which it purports to have been written or published.]
৬,২১২.
Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ৩৫ক অনুযায়ী, মিথ্যা দাবির ক্ষেত্রে আদালত কত টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণমূলক খরচ আদায়ের আদেশ দিতে পারে?
  1. ২০,০০০ টাকা
  2. ২৫,০০০ টাকা
  3. ৩০,০০০ টাকা
  4. ৫০,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫০,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
Code of Civil Procedure (CPC) এর ধারা ৩৫ক: মিথ্যা বা হয়রানিমূলক দাবি বা প্রতিরক্ষার জন্য ক্ষতিপূরণমূলক খরচ:
(১) যদি কোনো মোকদ্দমা বা অন্য কোনো কার্যধারা (যেমনঃ পরিপালন কার্যধারা), যা আপিল নয়, তাতে কোনো পক্ষ কোনো দাবি বা প্রতিরক্ষার (বা তার কোনো অংশের) বিরুদ্ধ অভিযোগ করেন যে, উক্ত দাবি বা প্রতিরক্ষা মিথ্যা বা হয়রানিমূলক, এবং পরবর্তীতে যদি সেই দাবি বা প্রতিরক্ষা আংশিক বা সম্পূর্ণরূপে বাতিল হয়, তাহলে আদালত, উক্ত দাবি বা প্রতিরক্ষাকে মিথ্যা বা হয়রানিমূলক বলিয়া ঘোষণার কারণসমূহ লিখিতভাবে উল্লেখ করিয়া, অভিযোগকারী পক্ষকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে খরচ প্রদানের আদেশ দিবে, যা আদালতের আর্থিক এখতিয়ার অতিক্রম না করিয়া, সর্বোচ্চ পঞ্চাশ হাজার টাকা পর্যন্ত হইতে পারিবে।

(২) এই ধারায় যাহার বিরুদ্ধে খরচ প্রদানের আদেশ দেওয়া হইবে, সে ব্যক্তি কেবল উক্ত আদেশের কারণে তার দায়িত্বরত কোনো ফৌজদারি দায় হইতে অব্যাহতি পাইবেন না, যদি তিনি মিথ্যা বা হয়রানিমূলক দাবি বা প্রতিরক্ষা প্রদান করেন।

(৩) এই ধারায় প্রদত্ত খরচের পরিমাণ পরবর্তীকালে ক্ষতিপূরণ বা ক্ষতির দাবিতে দায়েরকৃত যেকোনো মোকদ্দমায় বিবেচনায় নেওয়া হইবে, যদি সেই মোকদ্দমা একই মিথ্যা বা হয়রানিমূলক দাবি বা প্রতিরক্ষা সম্পর্কিত হয়।

⇒ আগে মামলা-মোকদ্দমা অপ্রয়োজনে দায়ের করে হয়রানি করলে আদালত সর্বোচ্চ ২০,০০০/- টাকা ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারত। বর্তমানে Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 এর মাধ্যমে আদালত ৫০,০০০/- টাকা ক্ষতিপূরনের আদেশ দিতে পারবেন।
৬,২১৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারার অনুসারে, যদি বাদী শুধুমাত্র চুক্তির সুনির্দিষ্ট সম্পাদনের জন্য মামলা করে এবং আদালত চুক্তির সম্পাদন আদেশ না দেয়, তাহলে আদালত কী করতে পারে?
  1. মামলাটি খারিজ করে দিতে পারে।
  2. শুধুমাত্র প্রতিপক্ষের পক্ষে রায় দিতে পারে।
  3. বাদীকে বিকল্প ক্ষতিপূরণের সুযোগ দিতে পারে।
  4. বাদীকে পুনরায় মামলা করার নির্দেশ দিতে পারে।
সঠিক উত্তর:
বাদীকে বিকল্প ক্ষতিপূরণের সুযোগ দিতে পারে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদীকে বিকল্প ক্ষতিপূরণের সুযোগ দিতে পারে।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) বাদীকে বিকল্প ক্ষতিপূরণের সুযোগ দিতে পারে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি বাদী চুক্তির সুনির্দিষ্ট সম্পাদনের জন্য মামলা করে এবং আদালত চুক্তি সম্পাদন করতে আদেশ না দেয়, তবে আদালত বাদীকে বিকল্প ক্ষতিপূরণের সুযোগ প্রদান করতে পারে।
এখানে আদালত তথ্য এবং প্রমাণের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেবে, যদি চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন সম্ভব না হয় বা এটি আদায় করা ন্যায়সঙ্গত না মনে হয়, তবে বাদীকে তার ক্ষতির ক্ষতিপূরণ দিতে আদালত বাধ্য। এই ক্ষতিপূরণ চুক্তির ভঙ্গের জন্য দেওয়া হতে পারে এবং এটি চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের পরিবর্তে দেওয়া হবে।

উদাহরণ:
ধরা যাক, A একটি গৃহ বিক্রয়ের জন্য B-এর সঙ্গে চুক্তি করেছে। তবে চুক্তির শর্ত অনুযায়ী গৃহটি বিক্রয় করা সম্ভব হয়নি এবং আদালত সুনির্দিষ্ট সম্পাদন আদেশ দেয়নি। এক্ষেত্রে, আদালত A-কে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ দিতে আদেশ দিতে পারে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারার বিধান কতিপয় ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুরের ক্ষমতা:
কোন ব্যক্তি যে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মামলা দায়ের করেছে, সে হয় তেমন কাজ সম্পাদনের অতিরিক্ত অথবা তার পরিপূরক হিসেবে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে।
যদি তেমন কোন মামলায় আদালত সিদ্ধান্ত করেন যে, সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন মঞ্জুর করা আবশ্যক, কিন্তু মামলার ন্যায়বিচারের জন্য এটুকুই যথেষ্ট নয় এবং চুক্তিভঙ্গের জন্য বাদীকে কিছু ক্ষতিপূরণ প্রদান করাও প্রয়োজন, তা হলে আদালত সে অনুসারে তার জন্য ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করবেন।
- এই ধারা অনুসারে যে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করা হবে তা আদালত কর্তৃক নির্দেশিত পন্থায় নিরূপণ করা যেতে পারে।
ব্যাখ্যা: চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে এমন পরিস্থিতি আদালত কর্তৃক এই ধারা অর্পিত এখতিয়ার প্রয়োগকে বাধাগ্রস্ত করে না।
-----------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 19: Power to award compensation in certain cases:
Any person suing for the specific performance of a contract may also ask for compensation for its breach, either in addition to, or in substitution for, such performance.
If in any such suit the Court decides that specific performance ought not to be granted, but that there is a contract between the parties which has been broken by the defendant and that plaintiff is entitled to compensation for that breach, it shall award him compensation accordingly.
If in any such suit the Court decides that specific performance ought to be granted, but that it is not sufficient to satisfy the justice of the case, and that some compensation for breach of the contract should also be made to the plaintiff, it shall award him such compensation accordingly.
Compensation awarded under this section may be assessed in such manner as the Court may direct.
Explanation - The circumstance that the contract has become incapable of specific performance does not preclude the Court from exercising the jurisdiction conferred by this section.
৬,২১৪.
সংবিধান অনুসারে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা বাহিনীগুলোর সর্বাধিনায়ক কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. সেনাপ্রধান
  4. প্রতিরক্ষা মন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৬১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বলা হয়েছে—
“বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগসমূহের সর্বাধিনায়কতা রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত হইবে, এবং আইনের দ্বারা তাহার প্রয়োগ নিয়ন্ত্রিত হইবে।”
- অর্থাৎ, প্রতিরক্ষা বাহিনীগুলোর নামমাত্র (ceremonial) সর্বোচ্চ নেতৃত্বের দায়িত্ব রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত। তবে এই ক্ষমতা আইনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয় এবং বাস্তবিক দিক থেকে প্রতিরক্ষা নীতিমালা প্রণয়ন ও পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী।
→ তবে মূল সাংবিধানিক সর্বাধিনায়কের প্রশ্নে—রাষ্ট্রপতি-ই সঠিক উত্তর।
৬,২১৫.
The Specific Relief Act, 1877-এর অধীনে স্পেসিফিক রিলিফ (Specific Relief) কখন দেওয়া যায় না?
  1. যখন চুক্তি ভঙ্গ হয়
  2. যখন ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত হয়
  3. যখন ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত না হয়
  4. যখন সম্পত্তির দখল ফেরত দেওয়া হয়
সঠিক উত্তর:
যখন ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত হয়
ব্যাখ্যা
⇒ The Specific Relief Act, 1877-এর অধীনে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার (Specific Relief) দেওয়ার মূল উদ্দেশ্য হলো, ক্ষতিপূরণ (Compensation) যদি কোনো চুক্তি ভঙ্গের জন্য পর্যাপ্ত সমাধান না হয়, তবে আদালত চুক্তির স্পেসিফিক পারফরম্যান্স (Specific Performance) বা নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের আদেশ দিতে পারে। তবে কিছু ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার দেওয়া যায় না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মূলত তখনই প্রদান করা হয় যখন শুধুমাত্র ক্ষতিপূরণ দিয়ে ন্যায়বিচার পাওয়া সম্ভব নয়। যদি ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হয় এবং মামলার পক্ষ সেই ক্ষতিপূরণে ন্যায়বিচার পেতে পারে, তাহলে স্পেসিফিক রিলিফ বা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার দেওয়া হয় না।

উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো ব্যক্তি চুক্তি লঙ্ঘন করে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ অর্থের মাধ্যমে যথাযথ প্রতিকার (adequate compensation) পেতে পারে, তাহলে Specific Performance বা Injunction-এর মতো স্পেসিফিক রিলিফ দেওয়া হবে না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫ ধারা মতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় ৫ ভাবে যথা-
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।

যদিও ৫ এর (ঘ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে ক্ষতিপূরণমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করা যায় কিন্তু সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা যায় না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫(ঘ) ধারার বিধান অনুযায়ী আদলত ক্ষতিপূরণ ব্যতীত অন্য কোনভাবে পক্ষসমূহের অধিকার নির্ধারণ এবং ঘোষণার মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার দিতে পারে। অর্থাৎ ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে আদালত সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারেনা। সুতরাং আর্থিক ক্ষতিপূরণ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার নয়।
-----------------
⇒ Section 5 Specific relief how given: Specific relief is given-
(a) by taking possession of certain property and delivering it to a claimant;
(b) by ordering a party to do the very act which he is under an obligation to do;
(c) by preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do;
(d) by determining and declaring the rights of parties otherwise than by an award of compensation; or
(e) by appointing a receiver.
৬,২১৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারায় কয়টি ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞার প্রতিকার নামঞ্জুর করা যায়?
  1. ৫টি
  2. ১০টি
  3. ১১টি
  4. ১৫টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা
⇒ কোন কোন ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যায় না তা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে। ৫৬ ধারা অনুসারে ১১টি ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাখ্যান করতে পারে।
-সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারামতে নিম্নলিখিত ১১টি ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না। যথা-
i) বিচারাধীন কার্যধারা স্থগিত;
ii) অধীনস্ত নয় এরূপ আদালতের কার্যধারা স্থগিত;
iii) আইন প্রণয়নকারী সংস্থার নিকট আবেদনে বাধা;
iv) সরকারি দপ্তর বা বিদেশি সরকারের কার্যে হস্তক্ষেপ;
v) ফৌজদারি কার্যধারা স্থগিত;
vi) অবলবৎযোগ্য চুক্তিভঙ্গ নিরোধের প্রশ্নে
vii) উৎপাত (nuisance) নয় এমন কাজ নিরোধের জন্য;
viii) বাদীর মৌন সম্মতির প্রশ্নে;
ix) অন্য কোন পদ্ধতিতে একই প্রতিকারের ক্ষেত্রে;
x) বাদীর আচরণ আদালতের সাহায্য পেতে বঞ্চিত করলে; অথবা
xi) মামলার বিষয়বস্তুতে বাদীর কোন স্বার্থ না থাকলে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না।
------------------------
SR Act Section-56. Injunction when refused:- An injunction cannot be granted-
(a) to stay a judicial proceeding pending at the institution of the suit in which the injunction is sought, unless such restraint is necessary to prevent a multiplicity of proceedings;
(b) to stay proceedings in a Court not subordinate to that from which the injunction is sought;
(c) to restraint persons from applying to any legislative body;
(d) to interfere with the public duties of any department of the Government, or with the sovereign acts of Foreign Government;
(e) to stay proceedings in any criminal matter;
(f) to prevent the breach of a contract the performance of which would not be specifically enforced;
(g) to prevent, on the ground of nuisance, an act of which it is not reasonably clear that it will be a nuisance;
(h) to prevent a continuing breach in which the applicant has acquiesced;
(i) when equally efficacious relief can certainly be obtained by any other usual mode of proceeding except in case of breach of trust;
(j) when the conduct of the applicant on his agents has been such as to disentitle him to the assistance of the Court;
(k) where the applicant has no personal interest in the matter.
৬,২১৭.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order 7 Rule 10 অধীন প্রদত্ত আদেশ-
  1. চূড়ান্ত আদেশ
  2. আপিলঅযোগ্য আদেশ
  3. আপিলযোগ্য আদেশ
  4. চূড়ান্ত এবং আপিলঅযোগ্য আদেশ
সঠিক উত্তর:
আপিলযোগ্য আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলযোগ্য আদেশ
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৭ বিধি-১০: আরজি ফেরত (Return of plaint)-
⇒ বাদী যদি এখতিয়ারহীন আদালতে আরতি দায়ের করে, তাহলে আদালত উক্ত আরজি এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতে পেশ করার জন্য বাদীকে ফেরত প্রদান করবে।
⇒ আরজি ফেরত প্রদানের সময় বিচারক আরজি পেশ করার এবং ফেরত দেওয়ার তারিখ, আরজি দাখিলকারির নাম এবং ফেরত দেওয়ার কারণ সংক্ষেপে লিখবেন।

প্রতিকার:
আরজি ফেরতের আদেশটি আপিলযোগ্য আদেশ (Appealable Order)। [বিধি-১, আদেশ ৪৩] ।
৬,২১৮.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর 339C(2) ধারার বিধান মতে দায়রা আদালত কর্তৃক মামলা নিষ্পত্তির সময়সীমা কত দিন?
  1. ২৬০
  2. ১৮০
  3. ৩২০
  4. ৩৬০
সঠিক উত্তর:
৩৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬০
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৩৯গ- মামলা নিষ্পত্তির সময়:
১) ম্যাজিস্ট্রেট বিচারের জন্য মােকদ্দমা প্রাপ্ত হওয়ার তারিখ হতে একশত আশি দিনের মধ্যেই অবশ্যই বিচার সমাপ্ত করবেন।

২) কোন দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ বা যুগ্ম দায়রা জজ বিচারের জন্য মােকদ্দমা প্রাপ্ত হওয়ার তারিখ হতে তিনশত ষাট দিনের মধ্যে অবশ্যই বিচার সমাপ্ত করবেন।
২ক) উপ-ধারা (১) বা উপ-ধারা (২) এ যাই থাকুক না কেন যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি একাধিক মােকদ্দমায় আসামি হয় এবং বিচারের জন্য তাকে ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা আদালতে হাজির করা হয়, সেক্ষেত্রে এইরূপ মােকদ্দমাগুলির বিচার সমাপ্ত করার জন্য (১) ও (২) উপ-ধারায় নির্ধারিত সময় ধারাবাহিকভাবে গণনা করা হবে।
২খ) এক আদালত হতে অপর আদালতে মােকদ্দমা হস্তান্তর সম্পর্কে যাই থাকুক না কেন (১) বা (২) উপ-ধারায় বর্ণিত সময় মােকদ্দমার বিচারের সময় হবে।

৪) নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যদি বিচার কার্য সম্পন্ন করা না যায়, তা হলে আদালত অন্যরূপ নির্দেশ না দিলে জামিন অযােগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে আদালতের সন্তুষ্টি সাপেক্ষে আসামিকে জামিনে মুক্তি প্রদান করা হতে পারে।

৫) দণ্ডবিধি (১৮৬০ সনের ৪৫ নং আইন) এর ধারা ৪০০ বা ধারা ৪০১-এর কোন মােকদ্দমার বিচারের ক্ষেত্রে কিংবা যে মােকদ্দমার বিচারের জন্য চৌত্রিশতম অধ্যায় নিহিত বিধান প্রযােজ্য সেই মােকদ্দমার বিচারের ক্ষেত্রে অত্র ধারার কোন কিছুই প্রযােজ্য হবে না।

৬) এই ধারায়, বিচারের উদ্দেশ্যে সময় নির্ধারণের নিমিত্তে-
খ) জামিনে গিয়া কোন আসামির পলায়নের কারণে যে সময় ব্যয় হবে উহা পরিগণনা করতে হবে না।
৬,২১৯.
কোন ব্যক্তি কোন প্রকার লিখিত কর্তৃত্ব ছাড়াই বিচারাধীন ফৌজদারী মামলায় হাজির এবং পরিচালনা করতে পারবেন?
  1. পাবলিক প্রসিকিউটর
  2. প্লিডার
  3. অ্যাডভোকেট
  4. সলিসিটর
সঠিক উত্তর:
পাবলিক প্রসিকিউটর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাবলিক প্রসিকিউটর
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৯৩ মোতাবেক- পাবলিক প্রসিকিউটর কোন প্রকার লিখিত কর্তৃত্ব ছাড়ায় বিচারাধীন ফৌজদারী মামলায় হাজির এবং পরিচালনা করতে পারবে।
৬,২২০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর কোন ধারায় নিরোধমূলক প্রতিকার বিষয়ে উল্লেখ আছে?
  1. ৫১ ধারা
  2. ৫২ ধারা
  3. ৫৩ ধারা
  4. ৫৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫২ ধারা
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৫২ ধারায় নিরোধমূলক প্রতিকার বিষয়ে বলা হয়েছে।
• অস্থায়ী এবং স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে নিরোধমূলক প্রতিকার দেওয়া হয়।
• এটি আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।
৬,২২১.
যেসব বিষয় আদালত জানেন বা জানেন বলে ধরা হয়, সেগুলোকে ______________ বলে।
  1. স্বীকৃতি
  2. জুডিশিয়াল নোটিশ
  3. অনুমিত বিষয়াদি
  4. Best Evidence
সঠিক উত্তর:
জুডিশিয়াল নোটিশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুডিশিয়াল নোটিশ
ব্যাখ্যা
জুডিশিয়াল নোটিশ (Judicial Notice)- যেসব বিষয় আদালত জানেন বা জানেন বলে ধরা হয়, সেগুলোকে জুডিশিয়াল নোটিশ বা বিচারিক দৃষ্টিগোচর বলে। সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ও ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের বিধান রয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ধারার বিধান অনুযায়ী জুডিশিয়াল নোটিশ প্রমানের প্রয়োজন নেই (Fact judicially noticeable need not be proved)। তবে জুডিশিয়াল নোটিশ চূড়ান্ত প্রমান নয়, এর বিরূদ্ধে সাক্ষ্য প্রদান করা যায়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় বলা হয়েছে আদালত কোন কোন বিষয় অবশ্যই বিচারিক দৃষ্টিগোচরে (জুডিশিয়াল নোটিশ) নিবেন।
৫৭ ধারা অনুযায়ী আদালত নিম্নলিখিত বিষয়ে অবশ্যই জুডিশিয়াল নোটিশ নিবেন-
i) বাংলাদেশের সকল আইন;
ii) সশস্ত্র বাহিনীর জন্য প্রনীত যুদ্ধবিধি বা অস্ত্র ও রসদ (articles of war);
iii) সংসদের কার্যসমূহঃ
iv) বাংলাদেশের আদালত, নৌ ও সামুদ্রিক এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত এবং নোটারি পাবলিকের সীলমোহর;
v) সরকারি পদে নিয়োগের গেজেটে উল্লেখিত নাম, পদ, স্বাক্ষর, যোগদানের সময়;
vi) বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্বীকৃত রাষ্ট্র, রাষ্ট্রপ্রধান, জাতীয় পতাকা
vii) সময় ও ভৌগলিক বিভাগসমুহ, রোজা, ছুটির দিন সমুহ;
viii) বাংলাদেশের ভৌগলিক সীমানা;
ix) আদালতের সদস্যবৃন্দ ও এ্যাডভোকেটগন;
x) বাংলাদেশের সাথে অপর কোন রাষ্ট্র বা সংগঠনের বিরোধ:
xi) স্থল, জল ও সমুদ্রপথের নিয়মাবলী।

[ বিশেষ নোট- সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের অন্তর্গত ১১টি বিষয়ের তালিকা রয়েছে; কিন্তু এই তালিকা স্বয়ং সম্পূর্ন নয়। ]
৬,২২২.
ফৌজদারী কার্যবিধি ৪২০ ধারায় অনুযায়ী কারাগারে থাকা অবস্থায় আপিল করার আবেদন কাকে জমা দিতে হবে?
  1. জেলা প্রশাসক
  2. স্থানীয় থানার ইনচার্জ
  3. আদালতের রেজিস্ট্রার
  4. কারাগারের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
সঠিক উত্তর:
কারাগারের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারাগারের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২০ ধারার বিধান আপীলকারী জেলে অবস্থান করলে সেক্ষেত্রে পদ্ধতি:
- আপীলকারী জেলে থাকলে আপীলের নকলসহ তার আপীলের দরখাস্ত জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর দাখিল করতে হবে এবং অতঃপর উক্ত অফিসার উক্ত দরখাস্ত ও নকল যথাযথ আপীল আদালত বরাবর প্রেরণ করবেন।
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২০ ধারামতে আপীলকারি কারাগারে থাকলে, আপীলকারি তার রায়ের নকলসহ আবেদনপএ কারাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে দাখিল করবে এবং উক্ত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আদালতে আপীল দাখিল করবেন।
⇒ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২০ ধারার আধিন দায়ের করা আপীলকে  জেল আপীল বলে।
---------------------------------------------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 420. Procedure when appellant in jail: 
-If the appellant is in jail, he may present his petition of appeal and the copies accompanying the same to the officer in charge of the jail, who shall thereupon forward such petition and copies to the proper Appellate Court.
৬,২২৩.
খাই খালাসী রেহেন এর বৈশিষ্ট্য কী?
  1. দাতা দলিল জমা দেন
  2. গ্রহীতা টাকা পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত দখল রাখে
  3. শর্তাধীন বিক্রয় চূড়ান্ত করা হয়
  4. দখল হস্তান্তর করা হয় না
সঠিক উত্তর:
গ্রহীতা টাকা পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত দখল রাখে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রহীতা টাকা পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত দখল রাখে
ব্যাখ্যা

⇒ নগদ অর্থ ঋণ হিসেবে গ্রহণের নিশ্চয়তার উদ্দেশ্যে ভবিষ্যত দেনা সৃষ্টি করতে পারে, এমন সম্পত্তির স্বত্ব অপরের নিকট হস্তান্তর করাকে রেহেন বা বন্ধক বলে।

সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে ৬ প্রকার রেহেনের উল্লেখ রয়েছে।

ক) সাধারণ রেহেন:
সম্পত্তির দখল হস্তান্তর না করে রেহেনের টাকা ব্যক্তিগতভাবে পরিশােধের দায়িত্ব গ্রহণ করলে তাকে সাধারণ রেহেন বলে। এখানে শর্ত থাকে চুক্তি মােতাবেক ঋণ গ্রহীতা টাকা পরিশােধ করতে না পারলে ঋণদাতা উক্ত সম্পত্তি বিক্রয় করে তার প্রাপ্য টাকা গ্রহণ করতে পারবে।

(খ) শর্তাধীন বিক্রয়ের মাধ্যমে রেহেন :
যদি কোন সম্পত্তি এই শর্তে বিক্রয় করা হয় যে, নির্দিষ্ট তারিখে টাকা পরিশােধ না করলে বিক্রয় চূড়ান্ত হবে অর্থাৎ নির্দিষ্ট সময়ে টাকা পরিশােধ করলে বিক্রয় বাতিল হবে তাহলে তাকে শর্তাধীন বিক্রয়ের মাধ্যমে নেহেন বলে।

(গ) খাই খালাসী রেহেন:
দাতা সম্পত্তির দখল গ্রহীতাকে প্রদান করবে, টাকা পরিশােধ না হওয়া পর্যন্ত দখল রাখবে তাকে খাই খালাসী রেহেন বলে ।

(ঘ) ইংলিশ রেহেন:
দাতা নির্দিষ্ট তারিখে রেহেনের টাকা পরিশােধের অঙ্গীকার করে সম্পত্তি গ্রহীতার নিকট হস্তান্তর করবে। শর্ত থাকবে নির্দিষ্ট তারিখে টাকা পরিশােধ করলে গ্রহীতা দাতাকে সম্পত্তি ফিরিয়ে দিবে। এটি হলাে ইংলিশ রেহেন।

(ঙ) দলিল জমা দেওয়ার রেহেন:
ঢাকা, নারায়নগঞ্জ, চট্টগ্রাম শহরে বা সরকারী গেজেট দ্বারা নির্ধারিত অন্য কোন শহরে কোন ব্যক্তি যখন মহাজন বা তার প্রতিনিধির উপর জামানত সৃষ্টির জন্য দলিল জমা দেয়া হয় তাকে দলিল জমা দেওয়ার রেহেন বলে।

(চ) সংজ্ঞাহীন রেহেন:
যে রেহেন উপরােক্ত কোন রেহেনের অন্তর্ভুক্ত হয় না তাকে সংজ্ঞাহীন রেহেন বলে ।

৬,২২৪.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ কবে কার্যকর হয়?
  1. ১ জানুয়ারি, ২০২৩
  2. ২৬ মার্চ, ২০২৩
  3. ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  4. ১১ নভেম্বর, ২০২৩
সঠিক উত্তর:
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
ব্যাখ্যা
⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ তারিখে কার্যকর হয়।
- এই আইনটি Family Courts Ordinance, 1985 কে রহিত করে সময়োপযোগী করে পুনঃপ্রণয়ন করা হয়েছে।
- এই আইনের মাধ্যমে পারিবারিক বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য একটি আধুনিক ও কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে।
- আইনটি কার্যকর হওয়ার তারিখটি আইনের প্রস্তাবনায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
৬,২২৫.
ধারা ৩৭৬ এর অধীনে হাইকোর্ট বিভাগের কী ক্ষমতা আছে?
  1. দণ্ড বহাল রাখা
  2. খালাস দেওয়া
  3. অন্য কোনো দণ্ড প্রদান
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারানুযায়ী, 
যে কোনো মামলা ধারা ৩৭৪ বা ৪০৫ অনুযায়ী হাইকোর্টে পেশ করা হয়, সেখানে হাইকোর্ট বিভাগ নিম্নলিখিত ক্ষমতা ব্যবহার করতে পারে:
(ক) দণ্ড বহাল রাখতে পারে, অথবা আইন অনুযায়ী অন্য কোনো দণ্ড প্রদান করতে পারে।

(খ) দোষ প্রমাণ বাতিল করতে পারে, এবং অভিযুক্তকে সেই অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করতে পারে যার জন্য দায়রা আদালত তাকে দণ্ড দিতে পারত, অথবা একই বা সংশোধিত অভিযোগে নতুন বিচারের নির্দেশ দিতে পারে।

(গ) অভিযুক্তকে খালাস (acquit) দিতে পারে।

শর্ত: এই ধারা অনুযায়ী কোনো দণ্ড বহাল রাখার আদেশ দেওয়া যাবে না যতক্ষণ পর্যন্ত—

আপিলের জন্য নির্ধারিত সময় শেষ না হয়, অথবা

নির্ধারিত সময়ে আপিল করলে সেই আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত।

Section 376- Power of High Court Division to confirm sentence or annul conviction:
In any case submitted under section 374, 405 the High Court Division- 
(a) may confirm the sentence, or pass any other sentence warranted by law, or 
(b) may annul the conviction, and convict the accused of any offence of which the Sessions Court might have convicted him, or order a new trial on the same or an amended charge, or 
(c) may acquit the accused person: 

Provided that no order of confirmation shall be made under this section until the period allowed for preferring an appeal has expired, or, if an appeal is presented within such period, until such appeal is disposed of.

৬,২২৬.
Under what condition is partial redemption of mortgaged property allowed?
  1. When interest is fully paid
  2. When property is inherited
  3. When the mortgage deed allows it
  4. When mortgagee acquires the mortgagor’s share
সঠিক উত্তর:
When mortgagee acquires the mortgagor’s share
উত্তর
সঠিক উত্তর:
When mortgagee acquires the mortgagor’s share
ব্যাখ্যা
ধারা ৬০- বন্ধক রাখা সম্পত্তির অংশ বিশেষ মুক্ত করার বিধান:
যদি কোনো ব্যক্তি বন্ধক রাখা একটি সম্পত্তির শুধুমাত্র একটি অংশ বা শেয়ারে আগ্রহী হন, তাহলে তিনি কেবলমাত্র নিজের অংশটুকু মুক্ত করতে পারবেন না, বন্ধকের বাকি টাকার অনুপাতে পরিশোধ করে;
কিন্তু ব্যতিক্রম হচ্ছে- যদি বন্ধকরক্ষক (mortgagee) বা একাধিক বন্ধকরক্ষক থাকলে সকলেই পুরো বা আংশিকভাবে সেই বন্ধকদাতার শেয়ার অধিগ্রহণ করেন, তাহলে তখন কেবল সেই ব্যক্তি তার অংশ মুক্ত করতে পারেন।

[Nothing in this section shall entitle a person interested in a share only of the mortgaged property to redeem his own share only, on payment of a proportionate part of the amount remaining due on the mortgage, except only where a mortgagee, or, if there are more mortgagees than one, all such mortgagees, has or have acquired, in whole or in part, the share of a mortgagor.]
৬,২২৭.
সরেজমিন পরিদর্শনের স্মারকলিপির ক্ষেত্রে নিম্নের কোন বাক্য সঠিক?
  1. মামলার নথির অংশ হবে
  2. ফরিয়াদী কিংবা আসামী চাইলে এর নকল বিনা মূল্যে সরববরাহ করতে হবে
  3. পাবলিক প্রসিকিউটর চাইলে এর নকল বিনা মূল্যে সরববরাহ করতে হবে
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৩৯খ- সরেজমিনে পরিদর্শন

১) কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যধারার যে কোন পর্যায়ে কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট পক্ষসমূহকে নোটিশ দিয়ে যে স্থানে কোন অপরাধ করা হয়েছে মর্মে অভিযোগ আনীত হয়েছে সে স্থান কিংবা উক্ত তদন্ত বা বিচারে প্রদত্ত কোন সাক্ষ্য যথাযথভাবে উপলব্ধি করার জন্য প্রয়োজন বলে মনে করলে অন্য কোন স্থান সফর ও পরিদর্শন করতে পারবেন, ও অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই উক্ত পরিদর্শন বা সফরে দৃষ্ট কোন প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে একটি স্মারকলিপি তৈরি করবেন।

২) উক্ত স্মারকলিপি মামলার নথির অংশ হবে। পাবলিক প্রসিকিউটর বা ফরিয়াদি কিংবা অভিযুক্ত চাইলে উহার একটি নকল তাকে বিনা মূল্যে সরববরাহ করতে হবে।

Section 539B: Local inspection
(1) Any Judge or Magistrate may at any stage of any inquiry, trial or other proceeding, after due notice to the parties, visit and inspect any place in which an offence is alleged to have been committed, or any other place which it is in his opinion necessary to view for the purpose of property appreciating the evidence given at such inquiry or trial, and shall without unnecessary delay record a memorandum of any relevant facts observed at such inspection.

(2) Such memorandum shall form part of the record of the If the Public Prosecutor, complainant or accused so desires, a copy of the memorandum shall be furnished to him free of cost:
৬,২২৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২৬ বিধি-২ অনুযায়ী, কোন পরিস্থিতিতে আদালত কমিশন প্রেরণ করতে পারে?
  1. আদালতের স্বেচ্ছায়
  2. সাক্ষীর শপথপত্রের ভিত্তিতে
  3. মামলার পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে
  4. উপরের সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উপরের সকল ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২৬ বিধি-২: কমিশনের জন্য আদেশ: 
আদালত স্বেচ্ছা প্রণোদিত হয়ে বা মোকদ্দমার কোন পক্ষের বা যাহার সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে সে সাক্ষীর শপথপত্র সমর্থিত বা অন্যভাবে কোন আবেদনক্রমে আদালত কোন সাক্ষীর কমিশন প্রেরণ করা আদেশ প্রদান করতে পারেন।

Order-26 Rule-2. Order for commission:
An order for the issue of a commission for the examination of a witness may be made by the Court either of its own motion or on the application, supported by affidavit or otherwise, of any party to the suit or of the witness to be examined.
৬,২২৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-১৩ বিধি-৩ অনুযায়ী, আদালত যদি কোনো দলিল অগ্রাহ্য করে, তবে তাকে কী করতে হবে?
  1. দলিলটি ফেরত দিতে হবে
  2. দলিলটি ধ্বংস করতে হবে
  3. অগ্রাহ্যের কারণ রেকর্ড করতে হবে
  4. দলিল গ্রহণের জন্য পক্ষগণের অনুমতি নিতে হবে
সঠিক উত্তর:
অগ্রাহ্যের কারণ রেকর্ড করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্রাহ্যের কারণ রেকর্ড করতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-১৩ বিধি-৩ অনুযায়ী, আদালত যদি মনে করে যে কোনো দলিল অপ্রাসঙ্গিক বা অন্যভাবে অগ্রহণযোগ্য, তাহলে সে দলিল অগ্রাহ্য করতে পারে; তবে এই সিদ্ধান্তের কারণ রেকর্ডপূর্বক উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক।
সঠিক উত্তর: অগ্রাহ্যের কারণ রেকর্ড করতে হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৩ বিধি-৩: অপ্রাসঙ্গিক কিংবা অগ্রহণযোগ্য দলিলাদি অগ্রাহ্য:
মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে আদালত যদি মনে করে যে, কোন একটি দলিল অপ্রাসঙ্গিক কিংবা অন্যভাবে অগ্রহণযোগ্য, তবে অগ্রাহ্যের হেতু রেকর্ডপূর্বক আদালত উক্ত দলিল অগ্রাহ্য করতে পারবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-13 Rule-3: Rejection of irrelevant or in admissible documents:
The Court may at any stage of the suit reject any document which it considers irrelevant or otherwise inadmissible, recording the grounds of such rejection.
৬,২৩০.
বিকৃত মস্তিষ্কের কোন ব্যক্তিকে অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া সরিয়ে নিয়ে গেলে দণ্ডবিধির কোন ধারায় অপরাধ হবে?
  1. ধারা ৩৫৯
  2. ধারা ৩৬০
  3. ধারা ৩৬১
  4. ধারা ৩৬৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৬১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৬১
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারার বিধান- আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ:
কোন ব্যক্তি যদি চৌদ্দ বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালককে অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালিকাকে অথবা বিকৃত মস্তিষ্ক কোন ব্যক্তিকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক বা বালিকাকে অথবা অনুরূপ বিকৃতমস্তিষ্ক ব্যক্তিকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

Section 361- Kidnapping from lawful guardianship:
Whoever takes or entices any minor under fourteen years of age if a male, or under sixteen years of age if a female, or any person of unsound mind, out of the keeping of the lawful guardian of such minor or person of unsound mind, without the consent of such guardian, is said to kidnap such minor or person from lawful guardianship.
৬,২৩১.
দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারা অনুযায়ী নরহত্যা কখন শাস্তিযোগ্য হয়?
  1. মৃত্যু ঘটানোর উদ্দেশ্যে করা কাজের মাধ্যমে
  2. যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে জানা থাকা সত্ত্বেও করা
  3. দৈহিক জখমের উদ্দেশ্যে করা কাজের মাধ্যমে যা মৃত্যুর কারণ হতে পারে
  4. উপরোক্ত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সকল ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারা- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable homicide):
কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজ কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটাবার উদেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, সে কাজ সম্পাদন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।

ব্যাখ্যা (Explanation) ১:
যে ব্যক্তি অসুস্থতা, রোগ বা দৈহিক অপারগতায় ভুগতেছে, তার দৈহিক জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তার মৃত্যু ঘটাবার অপরাধ হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।

ব্যাখ্যা (Explanation) ২:
যখন দৈহিক আঘাত বা জখমের কারণে মৃত্যু ঘটে, তখন যে ব্যক্তি অনুরূপ দৈহিক আঘাত বা জখম ঘটায়, সে ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে, যদিও যথোচিত প্রতিকারের ও সুনিপুণ চিকিৎসার ফলে সে মৃত্যু রোধ করা যেত।

ব্যাখ্যা (Explanation) ৩:
মাতৃগর্ভে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়। কিন্তু যদি কোন শিশুর (দেহের) কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হয়, তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে, যদিও শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে থাকে অথবা সম্পূর্ণরূপে ভুমিষ্ঠ না হয়ে থাকে।

⇒ কোন ব্যক্তি যদি:
- মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্যে কোন কাজ করে এবং তার ফলস্বরূপ মৃত্যু ঘটে,
- যে কাজের মাধ্যমে দৈহিক জখম হতে পারে এবং সেই জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, এমন কাজ করে এবং তার ফলস্বরূপ মৃত্যু ঘটে,
- যে কাজ মৃত্যুর কারণ হতে পারে বলে সে জানে, সেই কাজ করে এবং তার ফলে মৃত্যু ঘটে, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।
৬,২৩২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় সার্চ ওয়ারেন্ট জারীর বিধান আছে?
  1. ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারায়
  2. ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৭ ধারায়
  3. ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৮ ধারায়
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারায় তল্লাশী পরোয়ানা [ Search-warrant ] ইস্যুর বিধান রয়েছে।

♦ ৯৬ ধারা অনুযায়ী আদালত ৩টি কারণে তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন। যথা-

i) কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু আদালতে হাজির করা হবে না বলে বিশ্বাস করলে;

ⅱ) উক্তরূপ দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা না থাকলে; এবং

iii) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিংস এর উদ্দেশ্যে আদালত তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন।

♦ ৯৬ ধারামতে জারিকৃত তল্লাশী পরোয়ানা বাতিলের জন্য দায়রা জজের নিকট রিভিশন করা যায়।

------------------------
♦  When search-warrant may be issued:

Section 96.(1) Where any Court has reason to believe that a person to whom a summons or order under section 94 or a requisition under section 95, sub-section (1), has been or might be addressed, will not or would not produce the document or thing as required by such summons or requisition, 
 
or where such document or thing is not known to the Court to be in the possession of any person, 
 
or where the Court considers that the purposes of any inquiry, trial or other proceeding under this Code will be served by a general search or inspection, 
 
it may issue a search-warrant; and the person to whom such warrant is directed, may search or inspect in accordance therewith and the provisions hereinafter contained. 
 
(2) Nothing herein contained shall authorize any Magistrate other than a District Magistrate, Chief Judicial Magistrate, as the case may be or Chief Metropolitan Magistrate to grant a warrant to search for a document, parcel or other thing in the custody of the Postal or Telegraph authorities.
৬,২৩৩.
একটি বায়নানামা চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের জন্য নিচের কোন শর্ত পূরণ করা আবশ্যক?
  1. চুক্তিটি নিবন্ধিত হওয়া
  2. চুক্তির বাকি বিনিময় মূল্য আদালতে দাখিল করা
  3. চুক্তি হওয়ার ৬ মাসের মধ্যে মামলা দায়ের করা
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
ব্যাখ্যা
⇒সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন-এর ২১ক ধারায় বলা হয়েছে- বায়নানামা দলিলটি নিবন্ধিত হতে হবে এবং বায়নানামার শর্ত মোতাবেক কোনো টাকা বাকি থাকলে তা আদালতে জমা দিতে হবে। অন্যথায় সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের ডিক্রি পেতে পারে না।
-সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ধারা ২১ক এর বিধান অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে অকার্যকর যোগ্য: এই আইন কিংবা বিদ্যমান অন্য কোন আইন বিপরীত কোন বিধান থাকলেও কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর যোগ্য হবে না, যদি না-
(ক) চুক্তিটি লিখিত এবং ১৯০৮ সালের চুক্তি আইনের অধীন রেজিস্ট্রেশন হয়, হস্তান্তর গ্রহীতা ঐ সম্পত্তির কিংবা উহার কোন অংশ দখল গ্রহণ করুক বা না করুক; এবং
(খ) চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করার নিমিত্ত চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মোকদ্দমাটি রুজুর কালে আদালতে জমা দেয়া হয়।
-----------------------
⇒SR Act- Section-21A. Unregistered contract for sale not specifically enforceable:
Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act or any other law for the time being in force, no contract for sale of any immovable property can be specifically enforced unless–
(a) the contract is in writing and registered under the Registration Act, 1908, whether or not the transferee has taken possession of the property or any part thereof; and
(b) the balance amount of consideration of the contract is deposited in the court at the time of filing the suit for specific performance of the contract.
৬,২৩৪.
'ক' বার্ষিক ১২০০ টাকা ভাড়ায় 'খ'-কে একটি বাড়ী ভাড়া দেয়। ১৯০৫, ১৯০৬ এবং ১৯০৭ সালে সম্পূর্ণ ভাড়া বাকি পড়ে। ১৯০৮ সালে 'ক' শুধুমাত্র ১৯০৬ সালে ভাড়ার দাবীতে 'খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করে। ১৯০৫ ও ১৯০৭ সালে ভাড়ার জন্য 'ক'-
  1. 'খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারবে না
  2. ৬ মাসের মধ্যে 'খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারবে
  3. ক্ষতিপূরণ সহ 'খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারবে
  4. পরবর্তীতে যেকোনো সময়ে 'খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারবে
সঠিক উত্তর:
'খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারবে না
ব্যাখ্যা
'খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারবে না। কারণ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২ এর বিধি ২ অনুসারে,
মোকদ্দমার বিষয়বস্তু সম্বন্ধে বাদী যে পরিমাণ দাবী করার অধিকার রাখে, তা সম্পূর্ণ দাবী করতে হবে। কোন ক্ষেত্রে বাদী মোকদ্দমার একই বিষয়বস্তু সম্পর্কে বহু সংখ্যক প্রতিকার দাবী করার অধিকারী হলে সে সমস্ত বা তন্মধ্যে যে কোন প্রতিকার দাবী করে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারে। অবশ্য এক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত ধরণের প্রতিকারগুলোর মধ্যে কোন দাবী না করে থাকলে, পরে সেরূপ কোন প্রতিকার দাবী করা চলবে না।

আদেশ ২ বিধি ২- 
১) সমগ্র দাবী মোকদ্দমার অন্তর্ভুক্ত করতে হবেঃ
যেকোন মোকদ্দমার সারবস্তু সম্বন্ধে বাদি যে পরিমাণ দাবী করার অধিকার রাখে, তা সম্পূর্ণ দাবী করতে হবে। অবশ্য মোকদ্দমাটি কোন আদালতের এখতিয়ারভুক্ত রাখার উদ্দেশ্যে তার দাবী আংশিকভাবে বর্জন করার যদি দরকার হয় তাহলে তা করতে পারবে।

২) দাবীর অংশ পরিত্যাগঃ
বাদী যদি তার দাবীর কোন অংশ উল্লেখ না করে মোকদ্দমা করে অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে দাবী আংশিক বর্জন করে, তবে পরে ঐ দাবী বা দাবীর সে অংশের জন্য মোকদ্দমা করা চলবে না।

৩) একাধিক প্রতিকারের মধ্যে কোন একটির জন্য মোকদ্দমা করতে বর্জনঃ
কোন ক্ষেত্রে বাদী মোকদ্দমার একই বিষয়বস্তু সম্পর্কে বহু সংখ্যক প্রতিকার দাবী করার অধিকারী হলে সে সমস্ত বা তন্মধ্যে যে কোন প্রতিকার দাবী করে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারে। অবশ্য এক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত ধরণের প্রতিকারগুলোর মধ্যে কোন দাবী না করে থাকলে পরে সেরূপ কোন প্রতিকার দাবী করা চলবে না।

ব্যাখা- উক্ত বিধির উদ্দেশ্যে কোন বাধ্যবাধকতা এবং তা সম্পাদন করার নিমিত্তে প্রদত্ত আনুষঙ্গিক জামানত এবং উক্ত বাধ্যবাধকতা হতে উদ্ভূত আনুক্রমিক দাবীসমূহ ক্রমান্বয়ে একটি মোকদ্দমার কারণই সৃষ্টি করবে।

উদাহরণ-
'ক' বার্ষিক ১২০০ টাকা ভাড়ায় 'খ'-কে একটি বাড়ী ভাড়া দেয়। ১৯০৫, ১৯০৬ এবং ১৯০৭ সালে সম্পূর্ণ ভাড়া বাকি পড়ে। ১৯০৮ সালে 'ক' শুধুমাত্র ১৯০৬ সালে ভাড়ার দাবীতে 'খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করে। ১৯০৫ ও ১৯০৭ সালে ভাড়ার জন্য 'ক' পরে 'খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারবে না।
৬,২৩৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৮ ধারার বিধান অনুযায়ী কে আদালতের ভাষা নির্ধারণ করবে?
  1. হাইকোর্ট
  2. সরকার
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. উক্ত আদালত
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৮ ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার আদালতের ভাষা নির্ধারণ করতে পারবে।

ধারা ৫৫৮- আদালতের ভাষা নির্ধারণের ক্ষমতা
এই বিধির উদ্দেশ্যে ইহার দ্বারা শাসিত অঞ্চলে অবস্থিত প্রত্যেকটি আদালতের ভাষা কি হবে সরকার তা নির্ধারণ করতে পারবেন।

Section 558- Power to decide language of Courts
The Government may determine what, for the purposes of this Code, shall be deemed to be the language of each Court within the territories administered by it.
৬,২৩৬.
ভোট দেওয়ার অধিকার খর্ব হলে সেক্ষেত্রে প্রতিকার কি?
  1. ফৌজদারী মোকদ্দমা
  2. দেওয়ানি মোকদ্দমা
  3. কোনো প্রতিকার নাই
  4. কোনটিই না
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি মোকদ্দমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি মোকদ্দমা
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি প্রকৃতির মোকদ্দমার ধরণ:
(i) স্থাবর, অস্থাবর সম্পত্তির অধিকার
(ii) অদৃশ্য সম্পত্তি যথা: কপিরাইট/ট্রেডমার্ক এর স্বত্বের অধিকার
(iii) পদের/মর্যাদার অধিকার
(iv) ভোটের অধিকার 
(v) বাটোয়ারা মোকদ্দমা (Partition Suit)
(vi) অগ্রক্রয়ের মোকদ্দমা (Preemption Suit)
(vii) অর্থ লেনদেনের মোকদ্দমা (Money)

অর্থাৎ ভোট দেওয়ার অধিকার খর্ব হলে সেক্ষেত্রে প্রতিকার হল দেওয়ানি মোকদ্দমা দায়ের।
৬,২৩৭.
বাংলাদেশ সংবিধানের ৩৩ অনুচ্ছেদের ১ ও ২ দফার বিধান কোন ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. সরকারি কর্মচারী
  2. বাংলাদেশের নাগরিক
  3. নিবর্তনমূলক আটক আইনে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি
  4. উল্লিখিত সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
সঠিক উত্তর:
নিবর্তনমূলক আটক আইনে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিবর্তনমূলক আটক আইনে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
উত্তর: নিবর্তনমূলক আটকের আইনে আটক ব্যক্তি।

অনুচ্ছেদ ৩৩: গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ
(১) গ্রেপ্তারকৃত কোন ব্যক্তিকে যথাসম্ভব শীঘ্র গ্রেপ্তারের কারণ জ্ঞাপন না করিয়া প্রহরায় আটক রাখা যাইবে না এবং উক্ত ব্যক্তিকে তাঁহার মনোনীত আইনজীবীর সহিত পরামর্শের ও তাঁহার দ্বারা আত্মপক্ষ-সমর্থনের অধিকার হইতে বঞ্চিত করা যাইবে না।

(২) গ্রেপ্তারকৃত ও প্রহরায় আটক প্রত্যেক ব্যক্তিকে নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেটের সম্মুখে গ্রেপ্তারের চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে (গ্রেপ্তারের স্থান হইতে ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে আনয়নের জন্য প্রয়োজনীয় সময় ব্যতিরেকে) হাজির করা হইবে এবং ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত তাঁহাকে তদতিরিক্তকাল প্রহরায় আটক রাখা যাইবে না।

(৩) এই অনুচ্ছেদের (১) ও (২) দফার কোন কিছুই সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না,
(ক) যিনি বর্তমান সময়ের জন্য বিদেশী শত্রু; অথবা
(খ) যাঁহাকে নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইনের অধীন গ্রেপ্তার করা হইয়াছে বা আটক করা হইয়াছে।

(৪) নিবর্তনমূলক আটকের বিধান- সংবলিত কোন আইন কোন ব্যক্তিকে ছয় মাসের অধিক কাল আটক রাখিবার ক্ষমতা প্রদান করিবে না যদি সুপ্রীম কোর্টের বিচারক রহিয়াছেন বা ছিলেন কিংবা সুপ্রীম কোর্টের বিচারকপদে নিয়োগলাভের যোগ্যতা রাখেন, এইরূপ দুইজন এবং প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত একজন প্রবীণ কর্মচারীর সমন্বয়ে গঠিত কোন উপদেষ্টা-পর্ষদ্ উক্ত ছয় মাস অতিবাহিত হইবার পূর্বে তাঁহাকে উপস্থিত হইয়া বক্তব্য পেশ করিবার সুযোগদানের পর রিপোর্ট প্রদান না করিয়া থাকেন যে, পর্ষদের মতে উক্ত ব্যক্তিকে তদতিরিক্ত কাল আটক রাখিবার পর্যাপ্ত কারণ রহিয়াছে।

(৫) নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইনের অধীন প্রদত্ত আদেশ অনুযায়ী কোন ব্যক্তিকে আটক করা হইলে আদেশদানকারী কর্তৃপক্ষ তাঁহাকে যথাসম্ভব শীঘ্র আদেশদানের কারণ জ্ঞাপন করিবেন এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে বক্তব্য-প্রকাশের জন্য তাঁহাকে যত সত্বর সম্ভব সুযোগদান করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, আদেশদানকারী কর্তৃপক্ষের বিবেচনায় তথ্যাদি-প্রকাশ জনস্বার্থবিরোধী বলিয়া মনে হইলে অনুরূপ কর্তৃপক্ষ তাহা প্রকাশে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করিতে পারিবেন।

(৬) উপদেষ্টা-পর্ষদ কর্তৃক এই অনুচ্ছেদের (৪) দফার অধীন তদন্তের জন্য অনুসরণীয় পদ্ধতি সংসদ আইনের দ্বারা নির্ধারণ করিতে পারিবেন।
৬,২৩৮.
১৯০(১) ধারার বিধান মতে ম্যাজিস্ট্রেট কত প্রকারে অপরাধের আমল নিতে পারেন?
  1. ৩ ভাবে
  2. ৪ ভাবে
  3. ২ ভাবে
  4. অসংখ্যভাবে
সঠিক উত্তর:
৩ ভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ভাবে
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Criminal Procedure 1898 (CrPC )এর ১৯০(১) ধারার বিধান মোতাবেক ম্যাজিস্ট্রেট তিন ভাবে অপরাধের আমল নিতে পারেনঃ
১। complaint এর ভিত্তিতে
২। পুলিশ রিপোর্টের ভিত্তিতে
৩। পুলিশ ব্যতীত অন কোনো ব্যক্তির তথ্যের ভিত্তিতে বা নিজের জ্ঞান থেকে বা সন্দেহের ভিত্তিতে কগনিজেন্স নিতে পারেন।
৬,২৩৯.
নিম্মলিখিত কোনটি মাধ্যমিক সাক্ষ্য না?
  1. আদি যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় প্রস্তুতকৃত কোন কপি
  2. মূল কপির সাথে তুলনা করে প্রস্তুতকৃত কপি
  3. কোন দলিল দেখেছে এমন ব্যক্তি কর্তৃক উক্ত দলিল বিষয়ে মৌখিক ব্যই বিবৃতি
  4. আদালতের নিরীক্ষার জন্য দাখিলকৃত স্বয়ং দলিলটি
সঠিক উত্তর:
আদালতের নিরীক্ষার জন্য দাখিলকৃত স্বয়ং দলিলটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের নিরীক্ষার জন্য দাখিলকৃত স্বয়ং দলিলটি
ব্যাখ্যা
♦আদালতের নিরীক্ষার জন্য দাখিলকৃত স্বয়ং দলিল হলো প্রাথমিক সাক্ষ্য।
৬,২৪০.
The General Clauses Act, 1897 আইনের ৩(৩৯) ধারায় "ব্যক্তি" বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
  1. শুধুমাত্র প্রকৃত ব্যক্তি
  2. শুধুমাত্র সরকারি প্রতিষ্ঠান
  3. শুধুমাত্র নিবন্ধিত কোম্পানি
  4. কোম্পানি, সমিতি, ব্যক্তি বিশেষকে
সঠিক উত্তর:
কোম্পানি, সমিতি, ব্যক্তি বিশেষকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোম্পানি, সমিতি, ব্যক্তি বিশেষকে
ব্যাখ্যা
• Section 3(39) of The General Clauses Act,1897-

"Person" shall include any company or association or body of individuals, whether incorporated or not:
"ব্যক্তি" বলিতে, নিগমিত হউক বা না হউক, কোন কোম্পানি বা সমিতি অথবা ব্যক্তি বিশেষের সমষ্টিকে অন্তর্ভূক্ত করিবে।

• ব্যক্তি (Person) বলতে নিগমবদ্ধ (Incorporated) করা হউক বা না হউক, কোন কোম্পানী বা সমিতি বা ব্যক্তি সমষ্টিকে বুঝায়। দণ্ডবিধির ১১ ধারার বিধান মতে 'ব্যক্তি' বলতে সমিতিভূক্ত হউক বা না হউক, যে কোন কোম্পানী বা সমিতি বা ব্যক্তি সংস্থার অন্তর্ভুক্ত হওয়া বুঝায়। মানুষ ছাড়াও কোম্পানী, সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান, সমিতি, মাতৃগর্ভস্থ শিশু ইত্যাদিও ব্যক্তি হিসেবে আইনে স্বীকৃতি পায়।

Conforce Limited v. Titas Gas Transmission মামলায় বর্ণিত হয়েছে-
"Person occuring in section 3(39) of General clauses Act, 1897 shall include any company or association or body of individuals whether incorporated or not."."
৬,২৪১.
“অন্তর্ঘাতমূলক কার্য (Sabotage)” এর শাস্তি কোন আইনের অধীনে নির্ধারিত?
  1. দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪
  2. বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪
  3. মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮
  4. মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২
সঠিক উত্তর:
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪
ব্যাখ্যা
⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ১৫ ধারার বিধান- অন্তর্ঘাতী কার্য/নাশকতা (Sabotage):
(১) কোনো ব্যক্তি যদি নিম্নলিখিত কোনো সম্পদ বা সেবার কার্যকারিতা ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে কোনো কাজ করে, তবে তা অন্তর্ঘাত হিসেবে গণ্য হবে:
(ক) সরকার বা কোনো স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা জাতীয়কৃত বাণিজ্যিক বা শিল্প প্রতিষ্ঠান দ্বারা ব্যবহৃত বা ব্যবহারের উদ্দেশ্যে কোনো ভবন, যানবাহন, যন্ত্রপাতি, যন্ত্রাংশ বা অন্যান্য সম্পদ;
(খ) কোনো রেলপথ, আকাশ রোপওয়ে, সড়ক, খাল, সেতু, কালভার্ট, কজওয়ে, বন্দর, ডকইয়ার্ড, বাতিঘর, বিমানবন্দর, টেলিগ্রাফ বা টেলিফোন লাইন বা পোস্ট, বা টেলিভিশন বা বেতার স্থাপন;
(গ) কোনো রেলপথের রোলিং স্টক বা কোনো জাহাজ বা বিমান;
(ঘ) কোনো ভবন বা অন্যান্য সম্পদ যা কোনো মৌলিক পণ্য উৎপাদন, বিতরণ বা সরবরাহের সাথে সম্পর্কিত, কোনো স্যুয়েজ কাজ, খনি বা কারখানা;
(ঙ) এই আইনের অধীনে বা অন্য কোনো আইনের অধীনে নিষিদ্ধ বা সুরক্ষিত কোনো স্থান বা এলাকা;
(চ) কোনো পাট, পাটজাত পণ্য, পাট গোডাউন, পাট মিল বা পাট বেলিং প্রেস।

(২) উপ-ধারা (১) এর বিধানাবলি কোনো ব্যক্তি কর্তৃক এইরূপ কোনো কার্য করা হইতে বিচ্যুতির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে, উক্ত ব্যক্তি কর্তৃক যে কার্য করা সরকারের বা সরকারি কর্তৃপক্ষের বা কোনো ব্যক্তির প্রতি তাহার কর্তব্যের অন্তর্ভুক্ত।

(৩) কোনো ব্যক্তি যদি এই ধারার কোনো বিধান লঙ্ঘন করেন, তাহা হইলে তিনি মৃত্যুদণ্ডে, বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, বা অনধিক চৌদ্দ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে, এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হইবেন।
৬,২৪২.
সাইবার নিরাপত্তা আইনে কোনো পুলিশ অফিসার কোন ক্ষেত্রে পরোয়ানা ব্যতিরেকে তল্লাশি বা গ্রেফতার করতে পারে?
  1. উক্ত আইনের অধীন কোনো অপরাধ সংঘটিত হলে
  2. উক্ত আইনের অধীন অপরাধ সংঘটিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে
  3. সাক্ষ্য প্রমাণাদি হারানোর সম্ভাবনা থাকলে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩

ধারা ৪২-পরোয়ানা ব্যতিরেকে তল্লাশি, জব্দ ও গ্রেফতার

(১) যদি কোনো পুলিশ অফিসারের এইরূপ বিশ্বাস করিবার কারণ থাকে যে, কোনো স্থানে এই আইনের অধীন কোনো অপরাধ সংঘটিত হইয়াছে বা হইতেছে বা হইবার সম্ভাবনা রহিয়াছে বা সাক্ষ্য প্রমাণাদি হারানো, নষ্ট হওয়া, মুছিয়া ফেলা, পরিবর্তন বা অন্য কোনো উপায়ে দুষ্প্রাপ্য হইবার বা করিবার সম্ভাবনা রহিয়াছে, তাহা হইলে তিনি, অনুরূপ বিশ্বাসের কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, নিম্নবর্ণিত কার্য সম্পাদন করিতে পারিবেন,

(ক) উক্ত স্থানে প্রবেশ করিয়া তল্লাশি এবং প্রবেশে বাধাপ্রাপ্ত হইলে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ;

(খ) উক্ত স্থানে তল্লাশিকালে প্রাপ্ত অপরাধ সংঘটনে ব্যবহার্য কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, তথ্য-উপাত্ত বা অন্যান্য সরঞ্জামাদি এবং অপরাধ প্রমাণে সহায়ক কোনো দলিল জব্দকরণ;

(গ) উক্ত স্থানে উপস্থিত যে কোনো ব্যক্তির দেহ তল্লাশি;

(ঘ) উক্ত স্থানে উপস্থিত কোনো ব্যক্তি এই আইনের অধীন কোনো অপরাধ করিয়াছেন বা করিতেছেন বলিয়া সন্দেহ হইলে উক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার।

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন তল্লাশি সম্পন্ন করিবার পর পুলিশ অফিসার তল্লাশি পরিচালনার রিপোর্ট ট্রাইব্যুনালের নিকট দাখিল করিবেন।
৬,২৪৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারায় রিভিউয়ের বিধান রয়েছে?
  1. ১২০
  2. ১১৩
  3. ১১৪
  4. ১১৫
সঠিক উত্তর:
১১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৪
ব্যাখ্যা
⇒ রিভিউ (Review)- আদালত কর্তৃক কিছু নির্দিষ্ট এবং নির্দেশিত অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে বিচার পুনঃনিরীক্ষণকে রিভিউ বলে। বিচার বিভাগীয় প্রত্যেক অঙ্গে রিভিউ সম্ভব। আবেদনকৃত রিভিউ সেই আদালত পর্যালোচনা করবে যে আদালত উক্ত মামলার রায় বা ডিক্রি প্রদান করেছে। অর্থাৎ যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছে, সেই আদালত কর্তৃক উক্ত ডিক্রি পুনরায় দেখা বা বিচারিক পর্যালোচনাকে রিভিউ বলে।
- দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৪ ধারা এবং ৪৭ নং আদেশে রিভিউ সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
⇒ অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৪৭ এর মাঝে রিভিউ বিধান আছে।  এই আদেশ অনুযায়ী রিভিউ হলো ডিক্রী প্রদানকারী আদালত কর্তৃক নিজের ভুল সংশোধনের জন্য বিচারিক পর্যালোচনা।
⇒  আদালতের ডিক্রি বা আদেশ দ্বারা সংক্ষুদ্ধ পক্ষ ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে রিভিউ আবেদন করতে পারে। যে পক্ষ সংক্ষুব্ধ হবে সে পক্ষ রিভিউ করবে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৪ ধারা মতে ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউ করতে হবে।
----------------------
Section 114. Review:
- Subject as aforesaid, any person considering himself aggrieved-
(a) by a decree or order from which an appeal is allowed by this Code, but from which no appeal has been preferred, 
(b) by a decree or order from which no appeal is allowed by this Code, or 
(c) by a decision on a reference from a Court of Small Causes 
may apply for a view of judgment to the Court which passed the decree or made the order, and the Court may make such order thereon as it thinks fit.
৬,২৪৪.
"Nemo debet bis vexari" is most closely associated with which legal concept?
  1. Right to privacy
  2. Habeas corpus
  3. Double jeopardy
  4. Presumption of innocence
সঠিক উত্তর:
Double jeopardy
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Double jeopardy
ব্যাখ্যা
⇒ Nemo debet bis vexari is a Latin legal maxim that means "no one should be vexed (tried or prosecuted) twice for the same cause." This principle is fundamental to the concept of double jeopardy, which prevents a person from being tried again for the same offense after a legitimate acquittal or conviction.

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৩ ধারায় বলা হয়েছে, একবার দণ্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য পুনরায় বা দ্বিতীয়বার বিচার করা যাবে না [person once convicted or acquitted not to be tried for same offence twice]। ৪০৩ ধারা [nemo debet bis vexari] নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত যার অর্থ হলো কোন ব্যক্তিকে দ্বিতীয় বারের জন্য বিচারাধীন করা যাবে না যার জন্য তাকে একবার বিচার করা হয়েছিল।

⇒ এক্ষেত্রে তিনটি শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হবে-
১. অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে যে অপরাধের চার্জ করা হয়েছে তাকে সেই অপরাধের জন্য বিচার করতে
২. উক্ত বিচার অবশ্যই এখতিয়ারসম্পন্ন কোন আদালত কর্তৃক হতে হবে
৩. বিচারে অবশ্যই খালাসের [Acquittal] বা দণ্ডের [Conviction] আদেশ থাকতে হবে।

⇒দোবারা সাজা নীতি প্রযোজ্য হবে না-
১. অভিযোগ খারিজ করে যদি কোন ব্যক্তিকে অব্যাহতি দেওয়া হয় বা
২. ২৪৯ ধারার অধীন মামলার প্রক্রিয়া বন্ধ করে যদি কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়া হয় বা
৩. কোনো আসামীকে অব্যাহতি দেয়া হলে,

⇒ যেহেতু উপরে উল্লেখিত অব্যাহতি বা মুক্তি ৪০৩ ধারার অধীন খালাস বলে গণ্য হবে না, তাই উক্ত ক্ষেত্রে ৪০৩ ধারার দোবারা সাজা বা jeopardy নীতি প্রযোজ্য হবে না। অব্যাহতি বা মুক্তির আদেশের বিরুদ্ধে ৪০৩ ধারা প্রযোজ্য না।
-অর্থাৎ কোন ব্যক্তিকে অভিযোগ হতে অব্যাহতি বা মুক্তি দেওয়া হলে তাকে পুনরায় বিচারের সম্মুখীন করা যাবে এবং এই ক্ষেত্রে ৪০৩ ধারার double Jeopardy নীতি বাধা হবে না।
৬,২৪৫.
পেনাল কোডের ৩৪ ধারার অধীন সাধারন উদ্দেশ্য অপরাধ সংঘটনের জন্য ন্যূনতম আসামী হতে হবে-
  1. ৫ জন
  2. ৩ জন
  3. ৭ জন
  4. ২ জন
সঠিক উত্তর:
২ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ জন
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৩৪ ধারার বিধান একই উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কতিপয় ব্যক্তি কর্তৃক কৃত কার্যাবলী:- যখন কতিপয় ব্যক্তি একত্রিত হয়ে তাদের সকলের একই অভিপ্রায় সাধনকল্পে অপরাধমূলক কাজ সম্পাদিত করে, তখন অনুরূপ ব্যক্তিগণের প্রত্যেকে উক্ত কাজের জন্য এইরূপে দায়ী হবেন যেন উক্ত কাজ উক্ত ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত হয়েছিল।
দন্ডবিধির ৩৪ ধারায় সাধারণ অভিপ্রায় বা অভিন্ন অভিপ্রায়ের (Common Intention) বিধান রয়েছে।

♦সাধারণ অভিপ্রায়/অভিন্ন অভিপ্রায় (Common intention) - আদালত যৌথ দায় নির্ধারণের জন্য সাধারণ অভিপ্রায় বা অভিন্ন অভিপ্রায় বিবেচনা করেন। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী দুই বা ততোধিক ব্যক্তি একই অভিপ্রায়ে অপরাধ করলে উক্ত ব্যক্তিগণের অপরাধ করার সাধারণ অভিপ্রায় বা Common intention ছিল বলে মনে করতে হবে। সাধারণ অভিপ্রায় বা Common intention কোন অপরাধ নয় বরং এটা অপরাধীদের দায় নির্ধারনের একটি নীতি।

♦ ৩৪ ধারা অধীন সাধারণ উদ্দেশ্য (Common Intention) এর জন্য কোন ব্যক্তিকে যৌথভাবে দায়ী করতে হলে অপরাধটি অবশ্যই সংগঠিত হতে হবে এবং সেখানে সর্বনিম্ন ২ জন ব্যক্তি থাকতে হবে। কারণ দুইয়ের অধিক না থাকলে সাধারণ অভিপ্রায়ে (Common Intention) গঠিত হয় না।
৬,২৪৬.
‘D’ একটি বন্ধ পাত্রের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল, যাতে সম্পত্তি রয়েছে বলে সে বিশ্বাস করে। সে অনুমতি ছাড়া অসাধুভাবে বা ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে পাত্রটি ভেঙে ফেলে। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর কোন ধারা অনুযায়ী ‘D’ এর শাস্তি নির্ধারিত হবে?
  1. ধারা ৪৫৯
  2. ধারা ৪৬০
  3. ধারা ৪৬১
  4. ধারা ৪৬২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৬২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৬২
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৬২ অনুসারে, যে ব্যক্তি কোনো বন্ধ পাত্রের দায়িত্বে নিয়োজিত থাকে এবং সেই পাত্রে সম্পত্তি রয়েছে বা রয়েছে বলে সে বিশ্বাস করে, কিন্তু অনুমতি ছাড়া অসাধুভাবে বা ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে সেই পাত্র ভেঙে ফেলে, তার শাস্তি হলো ৩ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই। এখানে, ‘D’ পাত্রের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল এবং অনুমতি ছাড়া অসাধুভাবে বা ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে পাত্রটি ভেঙেছে, তাই ধারা ৪৬২ প্রযোজ্য।

অর্থাৎ ‘D’-এর কাজ ধারা ৪৬২-এর অধীনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি কর্তৃক সম্পত্তি-যুক্ত পাত্র অসাধুভাবে ভাঙা হিসেবে গণ্য। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ঘ) ধারা ৪৬২।
-----------
⇒The Penal Code, 1860- Section-462.Punishment for same offence when committed by person entrusted with custody:
- Whoever, being entrusted with any closed receptacle which contains or which he believes to contain property, without having authority to open the same, dishonestly, or with intent to commit mischief, breaks open or unfastens that receptacle, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.

৬,২৪৭.
জসিম একটি কল্পিত নাম ব্যবহার করে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিলেন। তার শাস্তি হতে পারে:
  1. শুধু জরিমানা
  2. সর্বোচ্চ তিন বছরের জেল
  3. সর্বোচ্চ এক বছরের জেল
  4. কোনো শাস্তি নেই
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ এক বছরের জেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ এক বছরের জেল
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৭১ঘ ধারা- নির্বাচনে মিথ্যা পরিচয় দান:
কোন ব্যক্তি যদি কোন নির্বাচনে অপর কোন জীবিত বা মৃত ব্যক্তির নামে ভোটের কাগজের জন্য প্রার্থনা করে বা অপর কোন জীবিত বা মৃত ব্যক্তির নামে ভোটদান করে বা কোন কল্পিত নামে ভোটের কাগজ প্রার্থনা বা ভোটদান করে অথবা অনুরূপ নির্বাচনে একবার ভোটদানের পর পুনরায় একই নির্বাচনে নিজের নামে ভোটের কাগজ চায় এবং কোন ব্যক্তি যদি অনুরূপ কোন উপায়ে কোন ব্যক্তি দ্বারা ভোটদানে সহায়তা করে বা অনুরূপ কোন উপায়ে কোন ব্যক্তির ভোট সংগ্রহ করে বা সংগ্রহ করার চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি নির্বাচনে মিথ্যা পরিচয়দানের অপরাধে অপরাধী হবে।

দণ্ডবিধির ১৭১চ ধারা- নির্বাচনে অবৈধ প্রভাব বিস্তার বা মিথ্যা পরিচয় দানের সাজা:
কোন ব্যক্তি যদি কোন নির্বাচনে অবৈধ প্রভাব বিস্তার বা মিথ্যা পরিচয় দানের অপরাধ করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 171D- Personation at elections:
Whoever at an election applies for a voting paper or votes in the name of any other person, whether living or dead, or in a fictitious name, or who having voted once at such election applies at the same election for a voting paper in his own name, and whoever abets, procures or attempts to procure the voting by any person in any such way, commits the offence of personating at an election.

Section 171F- Punishment for undue influence or personation at an election:
Whoever commits the offence of undue influence of personation at an election shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.
৬,২৪৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৩ অনুসারে তল্লাশির সময় কতজন সম্মানিত স্থানীয় বাসিন্দাকে সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত থাকতে বলা হয়?
  1. একজন বা তার বেশি
  2. দুইজন বা তার বেশি
  3. তিনজন বা তার বেশি
  4. চারজন বা তার বেশি
সঠিক উত্তর:
দুইজন বা তার বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুইজন বা তার বেশি
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৩(১) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সার্চ-ওয়ারেন্টের অধীনে কোনো স্থানে তল্লাশি শুরু করার আগে, তল্লাশি পরিচালনাকারী কর্মকর্তা বা ব্যক্তিকে সেই এলাকার দুজন বা তার বেশি সম্মানিত বাসিন্দাকে সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত থাকার জন্য ডাকতে হবে। এই সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তল্লাশি পরিচালনা করতে হবে এবং তল্লাশির সময় জব্দকৃত জিনিসপত্রের একটি তালিকা তৈরি করতে হবে, যা এই সাক্ষীরা স্বাক্ষর করবেন। এই বিধানের উদ্দেশ্য হলো তল্লাশি প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ এবং নিরপেক্ষ রাখা, যাতে কোনো অনিয়ম বা অভিযোগের সুযোগ না থাকে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারা- সাক্ষীর উপস্থিতিতে তল্লাশী কার্যক্রম চালাতে হবে:
(১) এই অধ্যায় মোতাবেক তল্লাশী করার পূর্বে যে অফিসার বা ব্যক্তি তা করতে গিয়েছেন, তিনি যে এলাকার মধ্যে, যে স্থান তল্লাশী করতে হবে তা অবস্থিত, সেই এলাকার দুই বা ততোধিক নিরপেক্ষ ও গণ্যমান্য অধিবাসীকে তল্লাশীর সাক্ষী হবার জন্য আহ্বান করবেন এবং এরূপ করার জন্য তাদেরকে বা তাদের যে কোন একজনের প্রতি লিখিত আদেশ দিতে পারবেন।
(২) তাদের সমক্ষে তল্লাশী করতে হবে, এবং ঐরূপ অফিসার বা অন্য ব্যক্তি ঐরূপ তল্লাশী করার সময় যেসব জিনিস বাজেয়াপ্ত করা হয় এবং যেসব স্থানে ঐগুলি যথাক্রমে পাওয়া যায় তার একটি তালিকা তৈয়ারী করবেন এবং ঐরূপ সাক্ষীগণ তাতে সহি দিবেন; কিন্তু আদালত বিশেষভাবে সমন না দিলে এই ধারায় সম্পাদিত তল্লাশী দর্শনকারী ব্যক্তিকে আদালতে হাজিরা দিতে হবে না।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 103- Search to be made in presence of witnesses:
(1) Before making a search under this Chapter, the officer or other person about to make it shall call upon two or more respectable inhabitants of the locality in which the place to be searched is situate to attend and witness the search and may issue an order in writing to them or any of them so to do.
(2) The search shall be made in their presence, and a list of all things seized in the course of such search and of the places in which they are respectively found shall be prepared by such officer or other person and signed by such witnesses; but no person witnessing a search under this section shall be required to attend the Court as a witness of the search unless specially summoned by it.

৬,২৪৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯(৩) ধারায়, যদি গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি নাম ও বাসস্থান প্রদান করতে অস্বীকৃতি জানান, তবে -
  1. তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হবে
  2. তাকে নতুন করে গ্রেফতার করা হবে
  3. ৫৭ ধারার বিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে
  4. তাকে আটকে রাখা হবে এবং তদন্ত করা হবে
সঠিক উত্তর:
৫৭ ধারার বিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৭ ধারার বিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯ ধারা- সাধারণ নাগরিক কর্তৃক গ্রেফতার এবং গ্রেফতারের পরবর্তী কার্যপ্রণালী:

(১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তাঁর মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে অথবা অপরাধী মর্মে ঘোষিত ব্যক্তিকেগ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে পুলিশ অফিসারের কাছে হস্তান্তর করবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে তাকে নিকটস্থ থানায় হেফাজতে নিয়ে যাবেন বা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।

(২) এ ধরণের ব্যক্তি ৫৪ ধারার বিধানসাপেক্ষ বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে কোন পুলিশ অফিসার পুনরায় তাকে গ্রেফতার করবেন।

(৩) সে আমল-অযোগ্য অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করাার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবীকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা রূপে বিশ্বাস করবার কারণ ঘটে, সেক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধান সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করবার মত পর্যাপ্ত কারণ না থাকলে তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।
৬,২৫০.
‘K’ তার পকেটে কুকুরের জন্য একটি টোপ রাখে এবং ইহার সাহায্যে ‘Z’-এর কুকুরকে ইহার অনুসরণ করতে প্রলুব্ধ করে। এক্ষেত্রে যদি কুকুরটিকে ‘Z’-এর অধিকার হতে ‘Z’-এর সম্মতি ব্যতিরেকে অসাধুভাবে নিয়ে যাওয়া 'K' -এর অভিপ্রায় হয়ে থাকে তাহলে ‘Z’-এর কুকুরটি ‘K’ কে অনুসরণ করার সঙ্গে কী ধরণের অপরাধ সংঘটিত হয়েছে?
  1. চুরি
  2. দস্যুতা
  3. অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ
  4. অসাধুভাবে বিশ্বাসভঙ্গ
সঠিক উত্তর:
চুরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুরি
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ৩৭৮ এর উদাহরণ খ অনুযায়ী- কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।
৬,২৫১.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারার বিধান মতে দায়রা আদালত আসামীকে অব্যাহতি (discharge) দিতে পারেন?
  1. 241A
  2. 245
  3. 265C
  4. 265H
সঠিক উত্তর:
265C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
265C
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি এবং ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদানের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।

• ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং দায়রা আদালতে ফৌজদারি মামলার বিচার করা হয়।আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি,চার্জ গঠন,খালাস বা শাস্তি প্রদানের আদেশ দিয়ে থাকে।ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারা পর্যন্ত বর্ণনা করা হয়েছে এবং ধারা ২৬৫ক-২৬৫জ তে দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• ফৌজদারি মামলার বিচার শুরুর পূর্বে ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বা ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত চার্জ গঠনের শুনানীর জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করে।২৪১ক ধারায় বা ২৬৫গ ধারায় উক্ত চার্জ গঠনের শুনানীর সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালতে অব্যাহতির আবেদন করতে পারে।চার্জ গঠনের শুনানী এবং অব্যাহতির আবেদনের শুনানী একই দিনে হতে হবে।
আদালত মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিয়ে যদি এই মত পোষণ করেন যে,অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন,তাহলে চার্জ গঠন না করে তথা চার্জ গঠনের পূর্বে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিতে পারেন।
৬,২৫২.
A এবং B আলাদাভাবে ও বিভিন্ন সময়ে একটু একটু করে বিষ প্রয়োগ করে C কে খুন করার পরিকল্পনা করে। তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী, A এবং B মিলে বিষ প্রয়োগ করলে C মারা যায়। A এবং B এর দোষ সম্পর্কে কোনটি সঠিক?
  1. A ও B প্রত্যেকে খুনের জন্য দায়ী হবে
  2. A ও B প্রত্যেকে খুনে সহায়তার জন্য দোষী হবে
  3. A খুনের জন্য এবং B খুনে সহায়তার জন্য দায়ী হবে
  4. উপরের কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
A ও B প্রত্যেকে খুনের জন্য দায়ী হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A ও B প্রত্যেকে খুনের জন্য দায়ী হবে
ব্যাখ্যা
-যে কোন একটি কাজ সম্পাদনের মাধ্যমে অপরাধ সংঘটনে সহযোগীতা:
দণ্ডবিধির ৩৭ ধারা অনুযায়ী, যখন কিছু কাজের মাধ্যমে একটি অপরাধ সংঘটিত হয়, তখন কেউ যদি ঐ কাজগুলির মধ্যে একটি সম্পাদন করে অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করে, তবে সে ব্যক্তি অপর অপরাধীদের সাথে সমানভাবে দায়ী হবে। এর মানে হল যে, একই অভিপ্রায় না থাকলেও যদি একজন অপরাধীর কাজ অপর অপরাধীর কাজের সহায়ক বা সমর্থনমূলক হয়, তবে উভয়েই অপরাধে দায়ী হবে।

উদাহরণ: ক ও খ আলাদাভাবে, ভিন্ন সময়ে একটু একটু করে বিষ প্রয়োগ করে ফ-কে খুন করার জন্য একমত হয়। ক ও খ, ফ-কে খুন করার উদ্দেশ্যে চুক্তি অনুযায়ী বিষ প্রয়োগ করে। তাদের দ্বারা বিষ প্রয়োগের ফলে ফ মারা যায়। এখানে ক ও খ ইচ্ছাকৃতভাবে খুন করতে সহায়তা করেছে এবং তারা প্রত্যেকে এমন কাজ করেছে যার ফলে মৃত্যু ঘটেছে। তাই, যদিও ক ও খ এর কাজ পৃথক, তবুও উভয়েই ফ-কে খুনের অপরাধে দায়ী।
---------------
→ The Penal Code, 1860 Section- 37: Co-operation by doing one of several Acts constituting an offence:
- When an offence is committed by means of several acts, whoever intentionally co-operates in the commission of that offence by doing any one of those acts, either singly or jointly with any other person, commits that offence.
 
Illustrations:
(a) A and B agree to murder Z by severally and at different times giving him small doses of poison. A and B administer the poison according to the agreement with intent to murder Z. Z dies from the effects of the several doses of poison so administered to him. Here A and B intentionally co-operate in the commission of murder and as each of them does an act by which the death is caused, they are both guilty of the offence though their acts are separate. 
 
(b) A and B are joint jailors, and as such, have the charge of Z, a prisoner, alternately for six hours at a time. A and B, intending to cause Z's death, knowingly co-operate in causing that effect by illegally omitting, each during the time of his attendance, to furnish Z with food supplied to them for that purpose. Z dies of hunger. Both A and B are guilty of the murder of Z.
৬,২৫৩.
নিম্নের কোন বিষয়ে স্বীকৃতি প্রদান করা যায়?
  1. যেকোনো বিষয়ে স্বীকৃতি প্রদান করা যায়
  2. শুধুমাত্র বিচার্য বিষয়ের উপরে স্বীকৃতি প্রদান করা যায়
  3. শুধুমাত্র প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে স্বীকৃতি প্রদান করা যায়
  4. বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয় উভয় সম্পর্কে স্বীকৃতি প্রদান করা যায়
সঠিক উত্তর:
বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয় উভয় সম্পর্কে স্বীকৃতি প্রদান করা যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয় উভয় সম্পর্কে স্বীকৃতি প্রদান করা যায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৭ ধারায় স্বীকৃতির সংজ্ঞা রয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ১৭ ধারামতে মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি যা মামলার বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে কোন সিদ্ধান্তের সূচনা করে,তাকে স্বীকৃতি বা admission বলে। সাক্ষ্য আইনের ১৭ থেকে ৩১ ধারা এবং দেওয়ানি কার্যবিধির ১২ নং আদেশে স্বীকৃতি সংক্রান্ত বিভিন্ন বিধান রয়েছে।


 স্বীকৃতির প্রকারভেদ- স্বীকৃতি সাধারনত ২ প্রকার। যথা-
i) মৌখিক স্বীকৃতি (oral admission); এবং
ii) লিখিত স্বীকৃতি (written admission)।

৬,২৫৪.
সাধারণত অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায় বাদী মোকদ্দমার আরজিতে দাবীকৃত অর্থের-
  1. পরিমাণ উল্লেখ করবে না
  2. আনুমানিক পরিমাণ উল্লেখ করবে
  3. যথাযথ পরিমাণ উল্লেখ করবে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
যথাযথ পরিমাণ উল্লেখ করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যথাযথ পরিমাণ উল্লেখ করবে
ব্যাখ্যা
• আরজি হলো মামলার কারণ সংবলিত বিবরণ যেখানে নালিশের কারণ উল্লেখপূর্বক বাদী প্রতিকার প্রার্থনা করে। অর্থাৎ বাদী মোকদ্দমা দায়েরের সময় আদালতে যে দাবি সংবলিত আবেদন দাখিল করে তাকে আরজি বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ২৬ ধারা এবং ৪নং আদেশের ১নং বিধিমতে প্রত্যেক মোকদ্দমা আরজি দাখিলের মাধ্যমে দায়ের করতে হয়।

• দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১ থেকে ১৮ নং বিধিতে আরজি সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। আরজিতে যে যে বিষয়গুলো সাধারণত উল্লেখ থাকে-
⇒ যে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে তার নাম;
⇒ বাদী ও বিবাদীর নাম, পরিচয়, বাসস্থান;
⇒ বাদী বা বিবাদী নাবালক অথবা মানসিক বিকারগ্রস্ত হলে, সেই মর্মে বিবৃতি;
⇒ মোকদ্দমার মূল্যমান উল্লেখ করতে হবে;
⇒ কারণ (Cause of action) এবং কারণ উদ্ভবের সময়;
⇒ প্রার্থিত প্রতিকার (relief claimed) ও দাবির কোন অংশ বর্জন করা হলে সেই মর্মে বিবৃতি ইত্যাদি।

• ৭নং আদেশের ২নং বিধিমতে-
অর্থ আদায়ের মোকদ্দমার ক্ষেত্রে আরজিতে দাবিকৃত অর্থের যথাযথ পরিমান (precise amount), কিন্তু অমিমাংসীত অর্থ ক্ষেত্রে আনুমানিক অর্থ (approximate) লিখতে হবে।

Order 7 Rule 2: In money suits-
Where the plaintiff seeks the recovery of money, the plaint shall state the precise amount claimed: But where the plaintiff sues for mesne profits, or for an amount which will be found due to him on taking unsettled accounts between him and the defendant, the plaint shall state approximately the amount sued for.
৬,২৫৫.
"চোরাই মাল" বলতে বোঝায়-
  1. চুরির ফলে হস্তান্তরিতকৃত সম্পত্তি
  2. দস্যুতার ফলে অর্জিত সম্পত্তি
  3. অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎকৃত সম্পত্তি
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
চোরাই মাল (Stolen Property):
দণ্ডবিধির ৪১০ ধারা অনুযায়ী- যে সম্পত্তির দখল চুরি বা জোরপূর্বক আদায় বা দস্যুতার ফলে হস্তান্তরিত হয়েছে এবং যে সম্পত্তি অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎ করা হয়েছে বা অপরাধমূলকভাবে বিশ্বাসভঙ্গ করা হয়েছে, সে সম্পত্তিকে “চোরাই সম্পত্তি” বলে গণ্য করতে হবে। অর্থাৎ, যে সম্পত্তি নিম্নোক্ত উপায়ে অর্জিত হয়েছে তাকে "চোরাই সম্পত্তি" বলে গণ্য করা হবে:
১. চুরি করে অর্জিত সম্পত্তি;
২. জোরপূর্বক আত্মসাৎ করে অর্জিত সম্পত্তি;
৩. দস্যুতা করে আনীত সম্পত্তি;
৪. অপরাধমূলক উপায়ে অর্জিত সম্পত্তি;
৫. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করে অর্জিত সম্পত্তি।

শাস্তি:
দণ্ডবিধির ৪১১ ধারা অনুসারে, যে ব্যক্তি চোরাই মাল গ্রহণ করে, সেই ব্যক্তি ৩ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
৬,২৫৬.
দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ-২১, বিধি-৯৪ অনুসারে, স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় নিশ্চিত হলে আদালত কী প্রদান করে?
  1. সম্পত্তির মালিকানা চুক্তি।
  2. ক্রেতার জন্য একটি সার্টিফিকেট।
  3. decree-holder এর জন্য আদেশ।
  4. judgment-debtor এর জন্য নোটিশ।
সঠিক উত্তর:
ক্রেতার জন্য একটি সার্টিফিকেট।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রেতার জন্য একটি সার্টিফিকেট।
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ-২১, বিধি-৯৪ অনুযায়ী, যখন স্থাবর (অস্থাবর নয়) সম্পত্তির বিক্রয় নিশ্চিত বা চূড়ান্ত (absolute) হয়ে যায়, তখন আদালত একটি সার্টিফিকেট প্রদান করে। এই সার্টিফিকেটে বিক্রিত সম্পত্তির বিবরণ এবং যিনি বিক্রয়ের সময় ক্রেতা হিসেবে ঘোষিত হয়েছেন, তার নাম উল্লেখ থাকে। এছাড়া, সার্টিফিকেটে বিক্রয় নিশ্চিত হওয়ার তারিখও উল্লেখ থাকে। এটি ক্রেতার জন্য আইনি স্বীকৃতি হিসেবে কাজ করে। অন্য কোন দলিল বা নোটিশ এ বিধিতে উল্লেখ নেই।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ-২১, বিধি- ৯৪ ক্রেতাকে সনদপত্র:
-যেখানে কোনো স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চূড়ান্ত (absolute) হয়ে গেছে, সেখানে আদালত একটি সনদপত্র প্রদান করবে যাতে বিক্রিত সম্পত্তির বিবরণ এবং যিনি বিক্রয়ের সময় ক্রেতা হিসেবে ঘোষিত হয়েছেন তার নাম উল্লেখ থাকবে। সেই সনদপত্রে বিক্রয় চূড়ান্ত হওয়ার তারিখও থাকবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-21, Rule-94. Certificate to purchaser:
-Where a sale of immoveable property has become absolute, the Court shall grant a certificate specifying the property sold and the name of the person who at the time of sale is declared to be the purchaser. Such certificate shall bear date the day on which the sale became absolute.
৬,২৫৭.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় অধিকার বা প্রথার অস্তিত্বের বিষয়ে অভিমত প্রাসঙ্গিক হতে পারে?
  1. ৪৭ ধারায়
  2. ৪৮ ধারায়
  3. ৪৯ ধারায়
  4. ৫০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৪৮ ধারায় অধিকার বা প্রথার অস্তিত্ব সম্বন্ধে অভিমত প্রাসঙ্গিক ধরা হয়েছে।
 
সাক্ষ্য আইনের ৪৮ ধারার বিধান- অধিকার অথবা প্রথার অস্তিত্ব সম্বন্ধে অভিমত যখন প্রাসঙ্গিক:
কোন সাধারণ প্রথা অথবা অধিকারের অস্তিত্ব সম্পর্কে যেক্ষেত্রে আদালতকে কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব থাকলে যে সমস্ত ব্যক্তির পক্ষে তা জানা স্বাভাবিক, এর অস্তিত্ব সম্বন্ধে তার অভিমত প্রাসঙ্গিক।ঃ
ব্যাখ্যা: "সাধারণ প্রথা অথবা অধিকার" কথাটি বলতে যথেষ্ট সংখ্যক ব্যক্তির একটি শ্রেণীর ভিতর সাধারণভাবে প্রচলিত প্রথা বা অধিকারও বুঝায়।

উদাহরণ:
কোন একটি গ্রামের অধিবাসীদের নির্ধারিত কোন একটি কূপের পানির ব্যবহার করার অধিকার থাকলে, তা এ ধারার অর্থ অনুযায়ী সাধারণ অধিকার বলে বিবেচিত হবে।
----------------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 48- Opinion as to existence of right or custom, when relevant:
When the Court has to form an opinion as to the existence of any general custom or right, the opinions, as to the existence of such custom or right, of persons who would be likely to know of its existence if it existed, are relevant. 
Explanation- The expression "general custom or right" includes customs or rights common to any considerable class of persons.

Illustration:
The right of the villagers of a particular village to use the water of a particular well is a general right within the meaning of this section.
৬,২৫৮.
একজন আইনজীবির আদালতের বিচারকের সাথে বিশেষ সম্পর্ক…
  1. রাখবে
  2. রাখবে না
  3. আংশিক রাখবে
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
রাখবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাখবে না
ব্যাখ্যা
♠ Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর ৩য় অধ্যায়ের ৪নং বিধি অনুযায়ী বিচারকের সঙ্গে আইনজীবির বিশেষ সম্পর্ক থাকতে পারে না।
♠ যদি রাখেন তাহলে তা অসদাচরণ হিসেবে গণ্য হবে।  
৬,২৫৯.
The Specific Relief Act, 1877 এর ৫৫ ধারায় কোন প্রকার প্রতিকারের বিধান রয়েছে?
  1. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  2. বাধ্যতামূলক
  3. নিরোধমূলক
  4. স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলক
ব্যাখ্যা
♦The Specific Relief Act, 1877 এর ৫৫ ধারায় বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞার বিধান রয়েছে। বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা হলো কোন কাজ করতে কেউ বাধ্য এমন বাধ্যবাধকতা ভঙ্গ করা হতে বিরত রাখতে; যদি কোন নির্দিষ্ট কাজ করাতে বাধ্য করার প্রয়োজন হয়, তখন উক্ত ব্যক্তিকে কোন কাজ করার জন্য আদালতের দেওয়া আদেশ।
৬,২৬০.
একটি দেওয়ানি মামলায় কোন ঘটনা প্রমানের জন্য সর্বনিম্ন যে কয়জন সাক্ষীর প্রয়োজন হয় তা-
  1. ১ জন
  2. ৩ জন
  3. ৪ জন
  4. নির্দিষ্ট সংখ্যক নহে
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট সংখ্যক নহে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট সংখ্যক নহে
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের  ১৩৪ ধারার বিধান সাক্ষীর সংখ্যাঃ মামলায় কোন বিষয় প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন হইবে না।

♦Evidence Act Section 134. Number of witness: No particular number of witnesses shall in any case be required for the proof of any fact.
৬,২৬১.
নিমাই মারা গেছেন এবং তার পুত্র, পৌত্র, প্রপৌত্র, বিধবা স্ত্রী, কন্যা, দৌহিত্র কেউই জীবিত নেই। তার পিতা এবং মাতা জীবিত আছেন। দায়ভাগ মতবাদে এই ক্ষেত্রে সম্পত্তির অধিকার কী হবে?
  1. পিতা পূর্ণ স্বত্ব পাবেন
  2. পিতা জীবনস্বত্ব পাবেন
  3. মাতা সম্পত্তির জীবনস্বত্ব পাবেন
  4. পিতা এবং মাতা উভয়ে পূর্ণ স্বত্ব পাবেন
সঠিক উত্তর:
পিতা পূর্ণ স্বত্ব পাবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিতা পূর্ণ স্বত্ব পাবেন
ব্যাখ্যা

উত্তর: ক) পিতা পূর্ণ স্বত্ব পাবেন।

দায়ভাগ মতবাদে উত্তরাধিকারের ক্রম:

দায়ভাগ মতবাদে সম্পত্তির উত্তরাধিকারের ক্রম নির্ধারিত। প্রথমে পুত্র, পৌত্র, প্রপৌত্র, বিধবা স্ত্রী, কন্যা, এবং দৌহিত্র (কন্যার পুত্র) সম্পত্তির অধিকারী হন।
এই সকল উত্তরাধিকারী জীবিত না থাকলে, পরবর্তী অগ্রাধিকার পান মৃত ব্যক্তির পিতা। পিতা জীবিত থাকলে তিনি সম্পত্তির পূর্ণ স্বত্ব পান।
পিতা জীবিত না থাকলে তবেই মাতা সম্পত্তির অধিকারী হন, এবং তিনি জীবনস্বত্ব (life interest) পান, অর্থাৎ তিনি জীবদ্দশায় সম্পত্তি ভোগ করতে পারেন, কিন্তু তা বিক্রি বা হস্তান্তর করতে পারেন না।
পিতা এবং মাতার পরে ক্রমানুসারে সহোদর ভাই, বৈমাত্রেয় ভাই, ভাইয়ের পুত্র, ভাইয়ের পুত্রের পুত্র, বোনের পুত্র, পিতামহ, পিতামহী, এবং পিতার ভাই সম্পত্তির অধিকারী হন।

এই ঘটনায় প্রয়োগ:
নিমাইয়ের কোনো পুত্র, পৌত্র, প্রপৌত্র, বিধবা স্ত্রী, কন্যা, বা দৌহিত্র জীবিত নেই। তাই এই সকল অগ্রাধিকারের উত্তরাধিকারী বাদ পড়েন। নিমাইয়ের পিতা জীবিত আছেন। দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে, পিতা এই পর্যায়ে সম্পত্তির প্রধান উত্তরাধিকারী হিসেবে বিবেচিত হন এবং তিনি সম্পত্তির পূর্ণ স্বত্ব পাবেন। যেহেতু পিতা জীবিত আছেন, মাতা এই ক্ষেত্রে সম্পত্তির অধিকার পাবেন না, কারণ পিতার অগ্রাধিকার মাতার চেয়ে বেশি।

৬,২৬২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৯ অনুযায়ী, জামিনে মুক্তির পূর্বে অভিযুক্তের বন্ডের অর্থমূল্য কে নির্ধারণ করে?
  1. জামিনদার
  2. পুলিশ
  3. আদালত
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৯৯- আসামী ও জামিনদারের বন্ড:
(১) কোন ব্যক্তিকে জামিনে বা তার নিজের বন্ডে মুক্তি দেয়ার পূর্বে উক্ত ব্যক্তি পুলিশ কর্মকর্তা বা আদালত যেরূপ পর্যাপ্ত মনে করেন সেরূপ পরিমাণ অর্থের জন্য একটি বন্ড সম্পাদন করবে এবং যেক্ষেত্রে তাকে জামিন মুক্তি দেয়া হয়, সেক্ষেত্রে এক বা একাধিক পর্যাপ্ত জামিনদার এ শর্তে বন্ড সম্পাদন করবে যে, উক্ত ব্যক্তি বন্ডে বর্ণিত সময়ে ও স্থানে হাজির হবে এবং পুলিশ কর্মকর্তা বা আদালত ভিন্নরূপ নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত অনুরূপে হাজির হতে হবে।

(২) মামলার জন্য এরূপ প্রয়োজন হলে জামিনে মুক্ত ব্যক্তির জন্য আরও শর্ত থাকবে যে, অভিযোগের জবাব দানের জন্য আহবান করা হলে হাইকোর্ট ডিভিশন, দায়রা আদালত বা অন্য কোন আদালতে তাকে হাজির হতে হবে।

Section 499- Bond of accused and sureties:
(1) Before any person is released on bail or released on his own bond, a bond for such sum of money as the police-officer or Court, as the case may be, thinks sufficient shall be executed by such person, and, when he is released on bail, by one or more sufficient sureties conditioned that such person shall attend at the time and place mentioned in the bond, and shall continue so to attend until otherwise directed by the police-officer or Court, as the case may be.

(2) If the case so require, the bond shall also bind the person released on bail to appear when called upon at the High Court Division, Court of Session or other Court to answer the charge.
৬,২৬৩.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা সাক্ষীর সংখ্যা সম্পর্কে বিধান দেওয়া আছে?
  1. ১২৯ ধারা
  2. ১৩৪ ধারা
  3. ১৪৩ ধারা
  4. ১৫৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৩৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৪ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ১৩৪ ধারায় বলা হয়েছে যে, কোনো ঘটনার প্রমাণে সাক্ষীর নির্দিষ্ট সংখ্যা প্রয়োজন নয়।
- অর্থাৎ, আদালতে কোনো ঘটনা প্রমাণ করতে কতজন সাক্ষী উপস্থিত থাকতে হবে তা নির্ধারণ করা হয় না।
- কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা নেই; সাক্ষীর সংখ্যা বিচারক বা আদালতের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে, তবে সাক্ষ্যের গ্রহণযোগ্যতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা গুরুত্বপূর্ণ।

⇒ The Evidence Act,1872, section-134. Number of witnesses:
No particular number of witnesses shall in any case be required for the proof of any fact.
৬,২৬৪.
বাংলাদেশে ফৌজদারি আদালতের কত প্রকার শ্রেণী বিদ্যমান?
  1. ১ প্রকার
  2. ২ প্রকার
  3. ৩ প্রকার
  4. ৪ প্রকার
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশে ফৌজদারি আদালতের ২টি প্রধান শ্রেণী বিদ্যমান:
১) সেশন আদালত (Courts of Sessions);
২) ম্যাজিস্ট্রেট আদালত (Courts of Magistrates)।

⇒ বাংলাদেশে ফৌজদারি আদালতের দুটি প্রধান শ্রেণী বিদ্যমান:
- দায়রা আদালত: এই শ্রেণীর মধ্যে রয়েছে দায়রা জজ আদালত, অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত, এবং যুগ্ম দায়রা জজ আদালত।
- ম্যাজিস্ট্রেট আদালত: এই শ্রেণীর মধ্যে রয়েছে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, এবং তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, এই দুই শ্রেণীর মধ্যে আলাদা বিচারিক কাঠামো এবং দায়িত্ব থাকে, এবং আদালতের বিচারিক ক্ষমতা নির্ভর করে তাদের শ্রেণী অনুযায়ী।
৬,২৬৫.
দণ্ডবিধির ৩২০ ধারা অনুযায়ী নিচের কোনটি গুরুতর আঘাত হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা
  2. মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
  3. কোন ব্যক্তিকে ২০ দিন পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘাত
  4. অস্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ
সঠিক উত্তর:
অস্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ
ব্যাখ্যা
⇒ উল্লিখিত প্রশ্নে দণ্ডবিধির ৩২০ ধারা অনুযায়ী অপশন (ঘ) 'অস্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ' গুরুতর আঘাত হিসেবে গণ্য হবে না।

⇒The Penal Code, 1860 এর ৩২০ ধারা অনুযায়ী ৮ শ্রেণির আঘাতকে গুরুতর আঘাত বলা হয়েছে। যথা:
(i) পুরুষত্বহীনকরণ
(ii) স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ
(iii) স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ
(iv) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন
(v) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির স্থায়ী ক্ষতিকরণ
(vi) মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
(vii) হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা
(viii) কোন ব্যক্তিকে ২০ পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘাত।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংস করণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
---------------------
⇒The Penal Code, 1860- Section 320- Grievous hurt:
 The following kinds of hurt only are designated as "grievous":- 
Firstly.-Emasculation. 
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye. 
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear. 
Fourthly.-Privation of any member or joint. 
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint. 
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face. 
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth. 
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.
৬,২৬৬.
যদি বিক্রয়ের বিষয়বস্তুতে ক্রেতা প্রত্যক্ষ দখল গ্রহণ না করে, তাহলে অগ্রক্রয়ের (pre-emption) অধিকার কার্যকরের মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ কখন থেকে গণনা করা হয়?
  1. আদালতের নির্দেশনার তারিখ থেকে
  2. বিক্রয় চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ থেকে
  3. ক্রেতার দখল গ্রহণের তারিখ থেকে
  4. বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রিকৃত হওয়ার তারিখ থেকে
সঠিক উত্তর:
বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রিকৃত হওয়ার তারিখ থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রিকৃত হওয়ার তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: ঘ) বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রিকৃত হওয়ার তারিখ থেকে।

⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফশিলের ১০ অনুচ্ছেদ অনুসারে, অগ্রক্রয়ের (pre-emption) অধিকার কার্যকর করার জন্য মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ ১ বছর।
এই মেয়াদ গণনা শুরু হয়:
→ যদি ক্রেতা সম্পত্তিতে প্রত্যক্ষ দখল গ্রহণ করে, তাহলে দখল গ্রহণের তারিখ থেকে।
→ যদি ক্রেতা প্রত্যক্ষ দখল গ্রহণ না করে, তাহলে বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রিকৃত হওয়ার তারিখ থেকে।

অর্থাৎ, বিক্রয়ের বিষয়বস্তুতে ক্রেতা যদি প্রত্যক্ষ দখল গ্রহণ না করে, তাহলে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রিকৃত হওয়ার তারিখ থেকে। এই তারিখ থেকে ১ বছরের মধ্যে অগ্রক্রয়ের অধিকার কার্যকর করার জন্য মামলা দায়ের করতে হবে।
৬,২৬৭.
কোনটি প্রমাণের প্রয়োজন ?
  1. বিচারিকভাবে দৃষ্টিগোচর বিষয়
  2. স্বীকৃত বিষয়সমূহ
  3. রাষ্ট্রপক্ষের দাবী
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপক্ষের দাবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপক্ষের দাবী
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী সকল প্রাসঙ্গিক বিষয় বা বিচার্য বিষয় সাক্ষ্য দিয়ে প্রমাণ করতে হয়। তবে আদালতে তিন ধরনের বিষয় প্রমান করার প্রয়োজন হয় না। যথা- অনুমিত বিষয়াদি (Presumption), জুডিশিয়াল নোটিশ বা বিচারিকভাবে দৃষ্টিগোচর বিষয় এবং স্বীকৃতি (Admission)।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারামতে মোকদ্দমার পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধি যে সকল বিষয় বা ঘটনা মোকদ্দমার শুনানীর সময় বা মোকদ্দমার শুনানীর পূর্বে লিখিত আকারে স্বীকার করতে সম্মত হয়েছে অথবা প্লিডিংসের (Pleadings) মাধ্যমে স্বীকার করেছে, সে সকল বিষয় প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।

⇒ The Evidence Act 1872 এর ৫৬, ৫৭ ও ৫৮ ধারায় বলা হয়েছে যে সকল বিষয়ে পক্ষগণ স্বীকৃতি দেয়, এবং যে বিষয় আদালত বিচারিক নজরে নিতে পারেন সেই বিষয় আদালতে প্রমাণ করার আবশ্যকতা নাই।

⇒ তবে আদালতে কোন পক্ষগণের দাবীর যে সকল বিষয়ে অন্য পক্ষগণ স্বীকৃতি দেয় না তা আদালতে প্রমাণ করতে হবে,
অর্থাৎ রাষ্ট্রপক্ষের দাবী আদালতে প্রমাণ করতে হবে। 
৬,২৬৮.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের ফাঁদ মামলা (Trap Case) পরিচালনার জন্য ন্যূনতম কোন পদমর্যাদার কর্মকর্তা প্রয়োজন?
  1. কমিশনার
  2. পরিচালক
  3. উপ-পরিচালক
  4. সহকারী পরিচালক
সঠিক উত্তর:
পরিচালক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিচালক
ব্যাখ্যা

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ এর বিধি ১৬ অনুযায়ী, ফাঁদ মামলা (Trap Case) পরিচালনার জন্য কমিশনারের অনুমোদনক্রমে পরিচালক পদমর্যাদার নিম্নে নয় এমন কর্মকর্তা ক্ষমতাপ্রাপ্ত হবেন। এই বিধি অনুসারে, ফাঁদ মামলা পরিচালনার জন্য ন্যূনতম পরিচালক পদমর্যাদার কর্মকর্তার প্রয়োজন। ফাঁদ মামলা হলো দুর্নীতি প্রতিরোধে তফসিলভুক্ত অপরাধে জড়িত ব্যক্তিকে হাতেনাতে ধরার জন্য পরিকল্পিত কার্যক্রম, এবং এটি সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় উচ্চ পদমর্যাদার কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়।

- বিধি ১৬ (দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭): এই বিধিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, ফাঁদ মামলা প্রস্তুত বা পরিচালনার জন্য কমিশনারের অনুমোদন প্রয়োজন, এবং ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তার পদমর্যাদা পরিচালক বা তার ঊর্ধ্বতন হতে হবে। এটি নিশ্চিত করে যে এ ধরনের সংবেদনশীল কার্যক্রম দায়িত্বশীল ও অভিজ্ঞ কর্মকর্তার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।

- কারণ ফাঁদ মামলা সাধারণত ঘুষ গ্রহণ বা অন্যান্য দুর্নীতিজনিত অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের ধরার জন্য পরিচালিত হয়। এই প্রক্রিয়ায় আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতা, সাক্ষ্য সংগ্রহ, এবং নৈতিকতার বিষয় জড়িত থাকে। তাই, পরিচালক পদমর্যাদার কর্মকর্তারা তাদের অভিজ্ঞতা ও দায়িত্বশীলতার কারণে এই কাজের জন্য উপযুক্ত বলে বিবেচিত হন।

অর্থাৎ দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ এর বিধি ১৬ অনুসারে, ফাঁদ মামলা পরিচালনার জন্য ন্যূনতম পরিচালক পদমর্যাদার কর্মকর্তা প্রয়োজন। এই বিধান কার্যক্রমের সংবেদনশীলতা এবং আইনি নির্ভুলতা নিশ্চিত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) পরিচালক।

৬,২৬৯.
কোনো দরখাস্ত দায়েরের মেয়াদ The Limitation Act, 1908 এ সুনির্দিষ্টভাবে বলা না থাকলে প্রযোজ্য হবে_________ অনুচ্ছেদ।
  1. ১৮০
  2. ১৪২
  3. ১২১
  4. ১৮১
সঠিক উত্তর:
১৮১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮১
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৮১

দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৪৮ ধারায় কোন বিধান নাই সেই সকল দরখাস্ত বা যে সকল দরখাস্তের জন্য তামাদির মেয়াদ এই তফসিলে উল্লেখ নেই, সেই সকল দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ, যখন থেকে অধিকার উদ্ভব হয় সেই সময় থেকে- ৩ বছর।
৬,২৭০.
রাস্তায় পড়ে থাকা একটি মূল্যবান আংটি ‘ক’ পেয়ে মালিকের খোঁজ না করে তা অবিলম্বে বিক্রয় করে দেয়। দণ্ডবিধি, ১৮৬০ অনুসারে এই অপরাধের নাম কী?
  1. প্রতারণা
  2. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
  3. অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ 
  4. 'ক'-এর কাজ কোন অপরাধ বলে গণ্য হবে না
সঠিক উত্তর:
অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ 
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪০৩ অনুসারে, কোনো চলমান সম্পত্তি অসাধুভাবে আত্মসাৎ করা বা নিজের ব্যবহারের জন্য রূপান্তর করা অপরাধমূলক সম্পত্তি অপচয় (অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ) হিসেবে গণ্য। ধারা ৪০৩-এর উদাহরণ (f) অনুসারে, ‘ক’ রাস্তায় একটি মূল্যবান আংটি পেয়েছে এবং মালিকের খোঁজ না করে তা অবিলম্বে বিক্রি করে দিয়েছে, যা অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ।
সুতরাং, ‘ক’-এর কাজ ধারা ৪০৩ অনুসারে অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ।

(f) A finds a valuable ring, not knowing to whom it belongs. A sells it immediately without attempting to discover the owner. A is guilty of an offence under section 403 of The Penal Code, 1860.

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৩ ধারার বিধান অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ:
কোন ব্যক্তি যদি অসাধুভাবে কোন অস্থাবর সম্পত্তি আত্মসাৎ করে অথবা উহা তার নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কিছু সময়ের জন্য একটি অসাধু আত্মসাৎও এই ধারা অনুযায়ী আত্মসাৎ বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ২:- কোন ব্যক্তি যদি কোন সম্পত্তি কারো দখলে নাই দেখতে পেয়ে সম্পত্তিটি উহার মালিকের স্বপক্ষে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে অথবা মালিককে প্রত্যর্পণের উদ্দেশ্যে উহা নিয়ে যায়, তবে সে অসাধুভাবে উহা নিয়ে গিয়েছে বা আত্মসাৎ করেছে বলে পরিগণিত হবে না এবং কোন অপরাধে অপরাধী হবে না; কিন্তু সে উপরে বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে যদি সে সম্পত্তিটির মালিককে জানা সত্ত্বেও বা মালিককে খুঁজে বাহির করার উপায় থাকা সত্ত্বেও উহা নিজের কাজে ব্যবহার করে, অথবা যদি সে মালিককে খুঁজে বাহির করার ও তাকে বিজ্ঞাপিত করার জন্য যুক্তিসংগত মাধ্যম অবলম্বনের উদ্দেশ্যে যথোপযুক্ত সময় পর্যন্ত সম্পত্তিটি সংরক্ষণ না করে উহা তার নিজের কাজে ব্যবহার করে।
অনুরূপ ক্ষেত্রে যুক্তিসংগত মাধ্যম কি এবং যথোপযুক্ত সময় কত দীর্ঘ হবে তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন। সম্পত্তিটি প্রাপকের পক্ষে উহার যথার্থ মালিককে তা জানার বা কোন বিশেষ ব্যক্তি যে উহার মালিক তা জানার আবশ্যক নাই; যদি সে সম্পত্তিটি আত্মসাৎ করার সময় উহা যে তার নয় তা বিশ্বাস করে বা সরল মনে বিশ্বাস করে যে, প্রকৃত মালিককে খুঁজে বাহির করা সম্ভব নয়, তবে তাই যথেষ্ট হবে।

⇒The Penal Code, 1860, Section 403. Dishonestly misappropriation of property:
-Whoever dishonestly misappropriates or converts to his own use any moveable property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
Explanation-1.-A dishonest misappropriation for a time only is a misappropriation within the meaning of this section. 
Explanation-2.-A person who finds property not in the possession of any other person, and takes such property for the purpose of protecting it for, or of restoring it to, the owner, does not take or misappropriate it dishonestly, and is not guilty of an offence; but he is guilty of the offence above defined, if he appropriates it to his own use, when he knows or has the means of discovering the owner, or before he has used reasonable means to discover and give notice to the owner and has kept the property a reasonable time to enable the owner to claim it. 
What are reasonable means or what is a reasonable time in such a case, is a question of fact. 
It is not necessary that the finder should know who is the owner of the property, or that any particular person is the owner of it, it is sufficient if, at the time of appropriating it, he does not believe it to be his own property, or in good faith believes that the real owner cannot be found.

৬,২৭১.
Termination of agency কোন ধারায় আছে?
  1. ২০১ ধারায়
  2. ২০৩ ধারায়
  3. ২০৪ ধারায়
  4. ২০০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২০১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১ ধারায়
ব্যাখ্যা
• চুক্তি আইনের ২০১ ধারার বিধান প্রতিনিধিত্বের পরিসমাপ্তি (Termination of agency):
প্রতিনিধিত্বের পরিসমাপ্তি ঘটতে পারে-
- প্রিন্সিপাল তার ক্ষমতা প্রত্যাহার করলে; অথবা
- এজেন্ট তার এজেন্সির কাজ পরিহার করলে; অথবা
- এজেন্সির কাজ সম্পন্ন হয়ে গেলে; অথবা
- প্রিন্সিপাল বা এজেন্টের মধ্যে কারও মৃত্যু হলে বা অপ্রকৃতিস্থ হলে; অথবা 
- দেনাদারদের প্রতিকারের জন্য প্রিন্সিপাল দেউলিয়া হলে।
-------------
• Section 201. Termination of agency:
 An agency is terminated by the principal revoking his authority; or by the agent renouncing the business of the agency; or by the business of the agency being completed; or by either the principal or agent dying or becoming of unsound mind; or by the principal being adjudicated an insolvent under the provisions of any Act for the time being in force for the relief of insolvent debtors.
৬,২৭২.
দণ্ডবিধিতে বর্ণিত সকল অপরাধের তদন্ত, বিচার, ইনকোয়ারি কোন আইন অনুসারে হবে?
  1. ফৌজদারি কার্যবিধি।
  2. দেওয়ানী কার্যবিধি।
  3. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন।
  4. দণ্ডবিধি
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধি।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধি।
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ৫ ধারার বিধান: দন্ডবিধি অনুযায়ী অপরাধের বিচারঃ (১) দন্ডবিধিতে বর্ণিত সকল অপরাধের তদন্ত, ইনকোয়ারী, বিচার ও অন্য ব্যবস্থা অতঃপর বর্ণিত বিধান অনুসারে করা হবে।

(২) অন্যান্য আইন অনুযায়ী অপরাধের বিচারঃ অন্য আইনে উল্লেখিত সমস্ত অপরাধের তদন্ত, ইনকোয়ারী, বিচার এবং অন্য ব্যবস্থা একই বিধান অনুযায়ী করা হবে; কিন্তু বর্তমানে বলবৎ অন্য কোন আইনে এসমস্ত অপরাধের তদন্ত, ইনকোয়ারী, বিচার অথবা অন্য ব্যবস্থা গ্রহণের পদ্ধতি অথবা স্থান সম্পর্কে বিধান থাকলে তা-ই প্রযোজ্য হবে।

♦অর্থাৎ দণ্ডবিধিতে বর্ণিত সকল অপরাধের তদন্ত, বিচার, ইনকোয়ারি ফৌজদারী কার্যবিধি অনুসারে হবে।

♦ যে আইনে কোন মোকদ্দমা বা মামলার বিচার করার পদ্ধতি অর্থাৎ মামলা দায়ের থেকে শুরু করে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা পর্যন্ত যে সকল আইনী প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি অনুসরণ করে বিচার করতে হয়, সেই প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি বা নিয়ম যে আইনে উল্লেখ থাকে সেই নিয়ম সংশ্লিষ্ট আইনকে পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law or Adjective Law) বলে। যেমন ফৌজদারী কার্যবিধি, দেওয়ানী কার্যবিধি, তামাদি আইন ইত্যাদি। Procedural Law এবং Adjective Law উভয় পদ্ধতিগত আইন বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।

♦ যে আইন কোন অধিকারকে সংজ্ঞায়িত করে, সৃষ্টি করে এবং অর্পণ করে বা কোন শাস্তিকে সংজ্ঞায়িত করে এবং দায় আরোপ করে সেই আইনকে তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন [Substantive Law] বলে। যেমন: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, দণ্ডবিধি ইত্যাদি।

♦ দণ্ডবিধিতে বিভিন্ন অপরাধকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, উক্ত অপরাধের শাস্তি উল্লেখ করা হয়েছে। এই কারণে এটা তত্ত্বগত আইন। কিন্তু এই অপরাধের বিচার পদ্ধতি দণ্ডবিধিতে উল্লেখ করা হয়নি। দণ্ডবিধিতে উল্লেখিত অপরাধের বিচার করার পদ্ধতি উল্লেখ করা হয়েছে ফৌজদারী কার্যবিধিতে। এই কারণে ফৌজদারী কার্যবিধি হলো পদ্ধতিগত আইন।

♦ ভারতীয় উপমহাদেশে সর্বপ্রথম আইন কমিশন গঠন করা হয় ১৮৩৪ সালে। প্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে (Lord Macaulay)। প্রথম আইন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন G.W. Anderson, F. Millet, এবং J.M. Macleod। ১৮৩৭ সালে এই কমিশন দন্তবিধি প্রণয়নের জন্য খসড়া জমা দেয় এবং ৬ অক্টোবর ১৮৬০ সালে বিলটি পাস হয় এবং দণ্ডবিধি ১লা জানুয়ারী ১৮৬২ সালে আইনটি কার্যকর হয়।
৬,২৭৩.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ৮১ ধারা অনুযায়ী, এই আইন কার্যকর হওয়ার পর কৃষি জমির একমাত্র শ্রেণীর অধিকারী কে হবেন?
  1. রায়ত
  2. মালিক
  3. জমিদার
  4. প্রজাস্বত্বধারী
সঠিক উত্তর:
মালিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মালিক
ব্যাখ্যা

⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০-এর ধারা ৮১ অনুযায়ী, আইন কার্যকর হওয়ার পর কোনো এলাকায় কৃষি জমির একমাত্র শ্রেণীর অধিকারী হবে ‘মালিক’। এই মালিকদের অধিকার ও দায়িত্ব এই ধারা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবে।

⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ৮১ ধারা: রায়তি কৃষকের শ্রেণিবিভাগ এবং তাহাদের অধিকার ও দায়িত্বসমূহ নিয়ন্ত্রণ:
(১) কোনো এলাকায় এই ভাগ সম্পূর্ণরূপে কার্যকর হইবার তারিখে অথবা তারিখ হইতে উক্ত এলাকায় কেবল মালিক নামে কৃষি জমির এক শ্রেণির অধিকারী থাকিবে এবং উক্ত ভূমি মালিকদের অধিকার ও দায়সমূহ এই ভাগের বিধান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, এই ধারা উক্তরূপ কোনো মালিককে তাহার জোতের খনিজ সম্পদের অধিকারসহ ভূনিম্নস্থ কোনো স্বার্থের উপর কোনো অধিকার প্রদান করিবে না:
আরও শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে সরকার নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কোনো ভূমি ইজারা প্রদান করে, সেইক্ষেত্রে উক্ত ইজারা-গ্রহীতার অধিকার ও দায়সমূহ ইজারায় বর্ণিত শর্তাবলি অনুযায়ী পরিচালিত হইবে।
-------------
⇒The State Acquisition and Tenancy Act, 1950- Section 81- Class of agricultural tenants and regulation of their rights and liabilities:
(1) On and from the date of coming into force of the whole of this Part in any area, there shall, within that area, be only one class of holders of agricultural land, namely, maliks, and the rights and liabilities of every such land-holder shall be regulated by the provisions of this Part: 
Provided that nothing in this section shall confer on any such malik any right to any interests in the sub-soil including rights to minerals in his holding:
Provided further that when the Government lease out any land for any particular period, the rights and liabilities of such a lessee shall be governed by such terms and conditions as may be set forth in the lease.

৬,২৭৪.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৯৬ ধারা অনুযায়ী আপীল দায়ের করা যেতে পারে?
  1. আপীলে প্রদত্ত ডিক্রীর বিরুদ্ধে
  2. প্রাথমিক ডিক্রীর বিরুদ্ধে
  3. মূল ডিক্রীর বিরুদ্ধে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
মূল ডিক্রীর বিরুদ্ধে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল ডিক্রীর বিরুদ্ধে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৯৬ ধারা অনুযায়ী আপীল বলতে বুঝায় উচ্চ আদালত কর্তৃক নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্তের বিচারিক পর্যালোচনা।
• আইনে অন্য কিছু  বলা না থাকলে প্রত্যেক মূল ডিক্রীর বিরুদ্ধে আপীল করা যায়। (আদেশ-৪১)
৬,২৭৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯১ ধারায় কোন আদালত হেবিয়াস কর্পাস প্রকৃতির নির্দেশ দিতে পারে?
  1. দায়রা আদালত
  2. হাইকোর্ট ডিভিশন
  3. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  4. উল্লিখিত সকলেই
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট ডিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট ডিভিশন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯১ ধারা হাইকোর্ট ডিভিশনকে হেবিয়াস কর্পাস সম্পর্কিত নির্দেশ দেওয়ার ক্ষমতা দেয়। এর মানে হলো, যদি কোনো ব্যক্তি বেআইনি বা অযৌক্তিকভাবে আটক থাকে, হাইকোর্ট তাকে মুক্তির আদেশ দিতে পারে বা তাকে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দিতে পারে। এই ধারা আটককৃত ব্যক্তির অধিকার সুরক্ষায় এবং বেআইনি হেফাজত রোধে ব্যবহৃত হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯১ ধারার বিধান: হেবিয়াস কর্পাস প্রকৃতির নির্দেশ প্রদানের ক্ষমতা-
(১) হাইকোর্ট ডিভিশন যখনই সঠিক মনে করেন, তখন এ মর্মে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন যে-
(ক) ইহার ফৌজদারি আপিল এখতিয়ারের সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন ব্যক্তি সম্পর্কে আইন অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে আদালতে উপস্থিত করা হোক;
(খ) উপরোক্ত সীমার মধ্যে সরকারি বা বেসরকারি হেফাজতে বেআইনি অযৌক্তিকভাবে আটক কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেয়া হোক;
(গ) আদালতের বিবেচনাধীন বা অনুসন্ধানাধীন কোন বিষয়ে সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দি নিয়ে উপরোক্ত সীমার মধ্যে অবস্থিত কোন জেলে আটক কোন বন্দিকে আদালতে হাজির করা হোক,
(ঘ) কোন কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের বিবেচনাধীন কোন বিষয় বিচারের জন্য বা সাক্ষী দিবার জন্য উক্তরূপে আটক কোন বন্দিকে যথাক্রমে উক্ত কোর্ট মার্শাল বা কমিশনার বরাবর হাজির করা হোক,
(ঙ) উপরোক্ত সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন বন্দিকে বিচারের উদ্দেশ্যে এক হেফাজত হতে অন্য হেফাজতে অপসারণ করা হোক; এবং 
(২) মামলার পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সুপ্রিম কোর্ট সময়ে সময়ে এই ধারার অধীন নিয়ম প্রণয়ন করতে পারবেন।
(৩) এই ধারার কোন বিধানই বর্তমান কার্যকর কোন নিবারণমূলক আটক আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়
-----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section- 491.Power to issue directions of the nature of a habeas corpus:
(1) The High Court Division may, whenever it thinks fit, direct:- 
(a) that a person within the limits of its appellate criminal jurisdiction be brought up before the Court to be dealt with according to law; 
(b) that a person illegally or improperly detained in public or private custody with such limits be set at liberty; 
(c) that a prisoner detained in any jail situate within such limits be brought before the Court to be there examined as a witness in any matter pending or to be inquired into in such Court; 
(d) that a prisoner detained as aforesaid be brought before a Court-martial or any Commissioners for trial or to be examined touching any matter pending before such Court-martial or Commissioners respectively; 
(e) that a prisoner within such limits be removed from one custody to another for the purpose of trial ; and 
(2) The Supreme Court may, from time to time, frame rules to regulate the procedure in cases under this section. 
(3) Nothing in this section applies to persons detained under any law for the time being in force providing for preventive detention.

৬,২৭৬.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর কোন ধারায় কোর্ট ফি সংক্রান্ত বিধান উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ২০
  2. ধারা ২৫
  3. ধারা ৩০
  4. ধারা ৩৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৫
ব্যাখ্যা

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ২৫ এ কোর্ট ফি সংক্রান্ত বিধান উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে ফি ২০০ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ২৫ অনুসারে, এই আইনের অধীনে কোনো মোকদ্দমা দায়ের করার জন্য ২০০ টাকা কোর্ট ফি প্রদান করতে হবে। এই ফি পরিশোধের মাধ্যমে মোকদ্দমা দায়েরের প্রক্রিয়া শুরু হয়।

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর-২৫ ধারার বিধান: কোর্ট ফি:
পারিবারিক আদালতে এই আইনের অধীন কোনো মোকদ্দমার আরজি দাখিল করিতে প্রদেয় কোর্ট ফি হইবে ২০০ (দুইশত) টাকা।

৬,২৭৭.
'ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮' কোন আইন দ্বারা রহিত করা হয়েছে?
  1. ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০২৩
  2. সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩
  3. সাইবার অপরাধ আইন, ২০২৩
  4. ডিজিটাল নিরাপত্তা বিধিমালা, ২০২৩
সঠিক উত্তর:
সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩
ব্যাখ্যা
 সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ (২০২৩ সনের ৩৯ নং আইন) দ্বারা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন,২০১৮ রহিত করা হয়েছে।

•২০২৩ সালের ২৮ আগস্ট বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বেশ কয়েকটি ধারা সংশোধন করে ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩’ নামে নতুন একটি আইনের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। পূর্বের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২টি ধারা বাতিল করে নতুন আইনে ৬০টি ধারা করা হয়। ২০২৩ সালের ৭ আগস্ট অনুষ্ঠিত বৈঠকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ ‘সাইবার নিরাপত্তা বিল-২০২৩’ পাস হয়।

উল্লেখ্য যে, এ আইনের অধীনে সংঘটিত অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি ১৪ বছরের কারাদন্ড বা এক কোটি টাকা জরিমানা বা উভয় দন্ডের বিধান রাখা হয়েছে।
৬,২৭৮.
পারিবারিক আদালত অবমাননার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ড দেয়া যায়?
  1. ২০০ টাকা
  2. ৩০০ টাকা
  3. ৫০০ টাকা
  4. ১০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকা
ব্যাখ্যা

• পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩এর ধারা ২৩- পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত অবমাননা:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি আইনসংগত কারণ ব্যতিরেকে-
(ক) পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালতের প্রতি অসম্মান প্রদর্শন করেন, বা
(খ) পরিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালতের কার্যে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন, বা
(গ) পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত কর্তৃক জিজ্ঞাসিত কোনো প্রশ্নের উত্তর প্রদানে বাধ্য থাকা সত্ত্বেও, উত্তর প্রদানের অস্বীকার করেন, বা
(ঘ) সত্য কথা বলিবার জন্য শপথ গ্রহণ করিতে অথবা পারিবারিক আদালতে বা পারিবারিক আপিল আদালতে তৎকর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতিতে স্বাক্ষরদান করিতে অস্বীকার করেন,
তাহা হইলে তিনি পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত অবমাননা করিয়াছেন মর্মে গণ্য হইবেন।

(২) উপধারা (১) এর অধীন কৃত অপরাধের ক্ষেত্রে, পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত উক্তরূপ অবমাননার দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিচার করিতে পারিবে এবং তাহাকে অনধিক ২০০ (দুইশত) টাকা র্অথদণ্ডে দণ্ডিত করিতে পারিবে।

৬,২৭৯.
Section 13 of The Limitation Act, 1908 protects which party mainly?
  1. State
  2. Court
  3. Plaintiff
  4. Defendant
সঠিক উত্তর:
Plaintiff
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Plaintiff
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর- Plaintiff (বাদী)।

The Limitation Act, 1908–এর ধারা ১৩ অনুযায়ী,
কোনো মামলার তামাদির সময় গণনা করার সময় যে সময়কালে বিবাদী (defendant) বাংলাদেশে অনুপস্থিত থাকেন, সেই সময় তামাদি গণনা থেকে বাদ (exclude) দেওয়া হবে।

এর মূল কারণ হলো- বিবাদী বিদেশে বা সরকারের প্রশাসনাধীন বাংলাদেশের বাইরে থাকলে, বাদীর পক্ষে মামলা দায়ের করা বাস্তবভাবে কঠিন বা অসম্ভব হতে পারে. যদি সেই সময়টুকুও তামাদির মধ্যে গণনা করা হয়, তবে বাদী ন্যায়বিচার পাওয়ার সুযোগ হারাতে পারেন।

ধারা ১৩ তামাদির সময় স্থগিত (suspend) করে। বিবাদীর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে যেন বিবাদী তামাদি পার করে সুবিধা নিতে না পারে, তা নিশ্চিত করে। ফলে বাদী ন্যায্য সময় ও সুযোগ পান মামলা দায়েরের। তাই এই ধারাটি মূলত বাদীর স্বার্থরক্ষার জন্যই প্রণীত।

৬,২৮০.
The Penal Code, 1860 অনুসারে কোনো কাজ সৎবিশ্বাসে কৃত বলে গণ্য হবে যদি কাজটি যথাযথ - সহকারে সম্পাদিত হয়।
  1. সতর্কতা ও মনোযোগ
  2. তৎপরতা ও সতর্কতা
  3. সরলতা ও মনোযোগ
  4. মনোযোগ ও সততা
সঠিক উত্তর:
সতর্কতা ও মনোযোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সতর্কতা ও মনোযোগ
ব্যাখ্যা
- “Good faith” Section 52. Nothing is said to be done or believed in "good faith" which is done or believed without due care and attention.

- দণ্ডবিধির ৫২ ধারায় সদবিশ্বাসের সংজ্ঞা রয়েছে- যথাযথ সতর্কতা ও মনোযোগ ব্যতিরেকে সম্পাদিত বা বিশ্বাসকৃত কোন কিছুই 'সদবিশ্বাসে' করা হয়েছে বা বিশ্বাস করা হয়েছে বলে গণ্য হবে না।

- এছাড়া তামাদি আইনের ২(৭) ধারায় সদ্ধিশ্বাস বা Good faith এর বিধান রয়েছে।
৬,২৮১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫৯ অনুসারে কোন ম্যাজিস্ট্রেটের স্থলাভিষিক্ত কে হবেন তা নিয়ে সন্দেহ সৃষ্টি হলে কে তা নির্ধারণ করবেন?
  1. হাইকোর্ট
  2. সরকার
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫৯ (২) অনুযায়ী, যদি কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের স্থলাভিষিক্ত কে হবেন তা নিয়ে সন্দেহ সৃষ্টি হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তা নির্ধারণ করবেন। তিনি লিখিত আদেশ দ্বারা নির্ধারণ করবেন যে, কোন ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত ম্যাজিস্ট্রেটের স্থলাভিষিক্ত বলে গণ্য হবেন এবং এই বিধি বা সংশ্লিষ্ট কার্যধারা বা আদেশের উদ্দেশ্যে তিনি দায়িত্ব পালন করবেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫৯- জজ ও ম্যাজিস্ট্রেটগণের ক্ষমতা তাদের স্থলাভিষিক্ত ব্যক্তিগণ কর্তৃক প্রয়োগের বিধান:
(১) এই বিধির অন্য বিধানাবলি সাপেক্ষে কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা ও কর্তব্য তার স্থলাভিষিক্ত ব্যক্তি প্রয়োগ বা সম্পাদন করতে পারবেন।
(২) কোন ম্যাজিস্ট্রেটের (চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট) স্থলাভিষিক্ত কে সে সম্পর্কে সন্দেহ সৃষ্টি হলে এই বিধি, বা এই বিধির কোন কার্যধারা বা আদেশের উদ্দেশ্যে যে ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত স্থলাভিষিক্ত বলে গণ্য হবেন, তা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, যেখানে যেমন, লিখিত আদেশ কর্তৃক নির্ধারণ করবেন।
(৩) কোন অতিরিক্ত বা সহকারী দায়রা জজের পদের উত্তরাধিকারীকে সে সম্পর্কে সন্দেহ সৃষ্টি হলে, এই বিধি বা এই বিধির কোন কার্যধারা বা আদেশের উদ্দেশ্যে যে জজ উক্ত অতিরিক্ত বা সহকারী দায়রা জজের পদের উত্তরাধিকারী বলে অভিহিত হবেন তাহা দায়রা জজ লিখিত আদেশ কর্তৃক নির্ধারণ করবেন।

⇒The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 559- Provision for powers of Judges and Magistrates being exercised by their successors in office:
(1) Subject to the other provisions of this Code, the powers and duties of a Judge or Magistrate may be exercised or performed by his successor in office.
(2) When there is any doubt as to who is the successor in office of any Magistrate, the Chief Metropolitan Magistrate or, the Chief Judicial Magistrate or the District Magistrate, the District Magistrate shall determine by order in writing the Magistrate who shall, for the purposes of this Code or of any proceedings or order thereunder, be deemed to be the successor in office of such Magistrate.
(3) When there is any doubt as to who is the successor in office of any Additional or Assistant Sessions Judge, the Sessions Judge shall determine by order in writing the Judge who shall, for the purposes of this Code or of any proceedings or order thereunder, be deemed to be the successor in office of such Additional or Assistant Sessions Judge.
৬,২৮২.
Ex post facto laws নিচের কোনটির সাথে সম্পর্কিত?
  1. দেওয়ানী আইন
  2. ফৌজদারী আইন
  3. দেওয়ানী আইন ও ফৌজদারী আইন
  4. সাংবিধানিক আইন
সঠিক উত্তর:
সাংবিধানিক আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাংবিধানিক আইন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধান অনুচ্ছেদে ৩৫: অপরাধ ও দণ্ড সম্পর্কে রক্ষণ

অপরাধ ও দণ্ড সম্পর্কে রক্ষণ:
অনুচ্ছেদে ৩৫(১) এর বিধান হচ্ছে- অপরাধ করার সময় বলবৎ কার্যকর ছিল, এমন আইন ব্যতীত অন্য আইনে দণ্ড দেওয়া যাবে না। এ নীতিটাই Ex Post Facto Laws (ভূতাপেক্ষ আইন)।

অর্থাৎ অপরাধ সংঘটনকালে বলবৎ আইনে যে শাস্তি ছিল তার অধিক বা ভিন্ন কোনো আইনে শাস্তি দেওয়া যাবে না বা নতুন আইন প্রণয়ন করে ভিন্নতর/তার অধিক শাস্তি দেওয়া যাবে না। যেমন- ১৯৯০ সালে কাউসার সাহেবের যে অপরাধের জন্য যাবজ্জীবন সাজা হতো ২০২১ সালে নতুন আইন করে সে একই অপরাধের জন্য মৃত্যুদণ্ড দেওয়া যাবে না।

Ex post facto laws (ভূতাপেক্ষ আইন) এর বিরুদ্ধে সংবিধানের ৩৫(১) অনুচ্ছেদে সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে। সংবিধানে এ সম্পর্কে বলা থাকলেও এটি ফৌজদারি আইনের সাথে সম্পর্কিত। কারণ ফৌজদারি আইনের ক্ষেত্রে Retrospective Effect (ভূতাপেক্ষ প্রভাব) দেওয়া যায় না। যেহেতু সংবিধানে সরাসরি এই আইন সম্পর্কিত বিধান রয়েছে তাই অধিকতর গ্রহণযোগ্য হিসেবে 'সাংবিধানিক আইন' কে উত্তর হিসেবে নেয়া হয়েছে।
৬,২৮৩.
যে প্রাপ্য টাকার জন্য স্থাবর সম্পত্তি দায়বদ্ধ থাকে তা আদায়ের জন্য মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
১২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৩২ অনুযায়ী, যে প্রাপ্য টাকার জন্য স্থাবর সম্পত্তি দায়বদ্ধ থাকে, তা আদায়ের জন্য মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ হল ১২ বছর।
- এটি বোঝায় যে, যদি কোনো টাকার জন্য স্থাবর সম্পত্তি দায়বদ্ধ থাকে, তবে সেই টাকার পরিশোধযোগ্য হওয়ার তারিখ থেকে ১২ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে।
৬,২৮৪.
হাইকোর্ট বিভাগ সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭ এর কোন ধারার অধীনে যুগ্ম জেলা জজ বা সহকারী জজকে বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করতে পারে?
  1. ধারা ২২
  2. ধারা ২৩
  3. ধারা ২৪
  4. ধারা ২৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৩
ব্যাখ্যা

⇒ সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭-এর ধারা ২৩ অনুসারে, হাইকোর্ট বিভাগ সাধারণ বা বিশেষ আদেশের মাধ্যমে যুগ্ম জেলা জজ (Joint District Judge), সিনিয়র সহকারী জজ (Senior Assistant Judge) বা সহকারী জজ (Assistant Judge)-কে নির্দিষ্ট মামলা বা কার্যক্রমের বিষয়ে এখতিয়ার গ্রহণ করার জন্য ক্ষমতা প্রদান করতে পারে। এই ধারার উপ-ধারা (১) স্পষ্টভাবে বলে যে, হাইকোর্ট বিভাগ যুগ্ম জেলা জজ বা সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজকে নির্দিষ্ট কার্যক্রম গ্রহণ বা বিচারের জন্য অনুমোদন দিতে পারে। এছাড়াও, জেলা জজ এই ধরনের কার্যক্রম যুগ্ম জেলা জজ বা সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজের আদালতে হস্তান্তর করতে পারেন।

- ধারা ২৩-এর প্রাসঙ্গিক অংশ: "The High Court Division may, by general or special order, authorise any Joint District Judge or Senior Assistant Judge or Assistant Judge to take cognizance of, or any District Judge to transfer to a Joint District Judge or Senior Assistant Judge or Assistant Judge under his administrative control, any of the proceedings next hereinafter mentioned or any class of those proceedings specified in the order."

- এই ধারাটি হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতাকে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করে যে তারা যুগ্ম জেলা জজ বা সহকারী জজদের বিশেষ এখতিয়ার প্রদান করতে পারে।

তাই, সঠিক উত্তর হলো খ) ধারা ২৩।

৬,২৮৫.
The Penal Code,1860 অনুযায়ী হত্যার শাস্তি-
  1. মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা মৃত্যুদণ্ড
  3. মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা- খুনের সাজা
কোন ব্যক্তি যদি খুনের অপরাধ করে তবে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 302- Punishment for murder
Whoever commits murder shall be punished with death, or imprisonment for life, and shall also be liable to fine. 
৬,২৮৬.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'একই অপরাধে দু'বার বিচার না হওয়ার' নিশ্চয়তা দেয়া হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৩৫(১)
  2. অনুচ্ছেদ ৩৫(২)
  3. অনুচ্ছেদ ৩৫(৩)
  4. অনুচ্ছেদ ৩৫(৪)
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৫(২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৫(২)
ব্যাখ্যা
⇒ একই অপরাধে দ্বিতীয়বার বিচার নিষিদ্ধ (Double Jeopardy)
সংবিধান: অনুচ্ছেদ ৩৫(২) “কোন ব্যক্তি কোনো অপরাধে একবার দণ্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত হলে, তাকে সেই একই অপরাধে পুনরায় বিচার করা যাবে না।”
-এটি একটি মৌলিক অধিকার। যা ব্যক্তিকে একই অপরাধে পুনরায় বিচার ও শাস্তির হাত থেকে রক্ষা করা।

-ফৌজদারী কার্যবিধি: ধারা ৪০৩: একবার দণ্ড বা খালাসপ্রাপ্ত হলে, সেই একই অপরাধ বা একই ঘটনায় পুনরায় বিচার করা যাবে না।
এটি সংবিধানের অধিকারের বিচারিক প্রয়োগ নিশ্চিত করে।

- ব্যতিক্রম (Exception):
১. নালিশ খারিজ (Dismissal of complaint)
২. অব্যাহতি (Discharge)
৩. ধারা ২৪৯ অনুযায়ী মামলা প্রত্যাহার
- “খালাস” নয়, তাই এগুলোর পর পুনরায় বিচার সম্ভব।
৬,২৮৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১, বিধি-২১ক এর অধীন একতরফা ডিক্রি জারির পর বিবাদি কত দিনের মধ্যে আপিল পুনঃশুনানির আবেদন করতে পারবেন?
  1. ১০ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ৪১, বিধি ২১ক (Order 41, Rule 21A) অনুযায়ী: যদি কোন আপিল একতরফাভাবে (ex parte) শুনানি শেষে বিবাদির অনুপস্থিতে নিষ্পত্তি হয়, তাহলে বিবাদি যদি পুনঃশুনানির (re-hearing) আবেদন করতে চান, তাহলে তাঁকে অবশ্যই ডিক্রি জারির তারিখ থেকে ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে এফিডেভিটসহ একটি আবেদন করতে হবে আদালতে।
- বিধির বক্তব্য: “Provided that an appeal under this rule shall not be reheard unless an application, supported by affidavit, praying for such re-hearing is made to the Court within thirty days of the date on which the ex parte decree is passed against the respondent.”
⇒ অর্থাৎ একতরফা ডিক্রি জারির তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে যদি আবেদন না করা হয়, তবে আদেশ ৪১, বিধি ২১ক-এর অধীনে পুনঃশুনানির সুযোগ থাকবে না।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ৪১ বিধি-২১ক: সরাসরি আপিল পুনঃশুনানি:
১) বিধি ২১ বা অন্য কোন আইনের যা কিছুই নে থাকুক না কেন, আদালত বিলম্ব এড়ানো এবং নিষ্পত্তি ত্বরান্বিত করানোর লক্ষ্যে কোন একতরফাভাবে শুনানি করতে আপিল সরাসরি পুনরায় শুনতে পারেন।
বিধি ২১ এর অধীন বিবাদিকে পর্যাপ্ত কারণ বিষয়ে সন্তুষ্ট করতে সাক্ষ্য উপস্থাপনের নির্দেশ না দেয়, তবে আদালত যথোপযুক্ত মনে করে নির্ধারিণ করা সাপেক্ষে অনধিক তিন হাজার টাকার খরচা পরিশোধের নিমিত্তে বিবাদিকে নির্দেশ দিতে পারেন:
তবে শর্ত থাকে যে, এরূপ একতরফা ডিক্রি বিবাদির বিরুদ্ধে যে তারিখে প্রদান করা হয়, সে তারিখে থেকে ত্রিশ দিনের মধ্যে যদি অন্য এফিডেবিট সহযোগে এরূপ আপিল পুনঃশুনানির কোন আবেদন আদালতে দাখিল করা না হয়ে থাকে, তাহলে এই বিধির অধীন কোন আপিলকে পুনরায় শুনা যাবে না:
তবে আরও শর্ত থাকে যে, এই বিধির অধীন কোন আপিল একাধিকবার পুনরায় শুনা যাবে না।
২) কোন আপিল পুনঃশুনানির কোন আদেশ উপ-বিধি (১) এর অধীন প্রদানে সঙ্গে সঙ্গে আদালতে বিবাদির খরচায় আপিলকারীর নিকট নোটিশ প্রেরণ করাবেন।
৬,২৮৮.
Such confessions shall be recorded and signed in the manner provided in section__________
  1. ১৬৪
  2. ৩৬৪
  3. ১৬১
  4. ১৬২
সঠিক উত্তর:
৩৬৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬৪
ব্যাখ্যা
♦ Confessional statement ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারার বিধান মোতাবেক রেকর্ড করা হয়, তবে রেকর্ড করার সময় ম্যাজিস্ট্রেট কিছু নিয়ম অনুসরণ করে থাকেন যা এই আইনের ৩৬৪ ধারায় বলা আছে। প্রশ্নে উল্লেখিত বাক্যটি ১৬৪ ধারায় উল্লেখ আছে যেখানে বলা হয়েছে ৩৬৪ ধারার নিয়মাবলী অনুসরণ করতে হবে।
৬,২৮৯.
দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারা অনুসারে কোন কাজের মাধ্যমে কোনো বস্তুকে স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হিসেবে গণ্য হতে পারে?
  1. বস্তুটির গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করা
  2. বস্তুটিকে অন্য কোনো বস্তু থেকে বিচ্ছিন্ন করা
  3. বস্তুটিকে বাস্তবিকভাবে স্থানান্তর করা
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৭৮-এর ব্যাখ্যা ৩ অনুযায়ী, কোন বস্তু স্থানান্তরিত হয়েছে বলে ধরা হয় যদি:
১) বস্তুটির গতির প্রতিবন্ধকতা অপসারণ করা হয়, যেমন—আটকে থাকা একটি জিনিসকে মুক্ত করে দেওয়া;
২) বস্তুটিকে অন্য কোনো বস্তু থেকে বিচ্ছিন্ন করা হয়, যেমন—কোনো দেয়ালে আটকানো জিনিস খুলে নেওয়া;
৩) বাস্তবিকভাবে বস্তুটি স্থানান্তর করা হয়, অর্থাৎ নিজের হাতে সরিয়ে নেওয়া।
- এই তিনটি কাজের যেকোনো একটি বা একাধিক মিলেও যদি অস্থাবর সম্পত্তিকে দখলদারের সম্মতি ব্যতীত অসাধু উদ্দেশ্যে সরানো হয়, তাহলে তা চুরি (Theft) হিসেবে গণ্য হবে।
- অতএব, “ঘ) উপরের সবকটি” হল যথাযথ এবং পূর্ণাঙ্গ উত্তর।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার বিধান চুরি:- কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কোন বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহূর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মুহূর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ২:- যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩:- কোন ব্যক্তি কোন বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোন বস্তু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি যে কোন উপায়ে কোন পশুকে হাঁটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ৫:- সংজ্ঞায় উল্লিখিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে: এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে।
--------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-378: Theft:
- Whoever, intending to take dishonestly any moveable property out of the possession of any person without that person's consent, moves that property in order to such taking, is said to commit theft.
Explanation 1.- A thing so long as it is attached to the earth, not being moveable property, is not the subject of theft; but it becomes capable of being the subject of theft as soon as it is severed from the earth.
Explanation 2.- A moving effected by the same act which effects the severance may be a theft.
Explanation 3.- A person is said to cause a thing to move by removing an obstacle which prevented it from moving or by separating it from any other thing, as well as by actually moving it.
Explanation 4.- A person, who by any means causes an animal to move, is said to move that animal, and to move everything which, in consequence of the motion so caused, is moved by that animal.
Explanation 5.- The consent mentioned in the definition may be express or implied, and may be given either by the person in possession, or by any person having for that purpose authority either express or implied.
৬,২৯০.
কোন ব্যক্তির সংবিধানের অধীন কোনো প্রতিকারের জন্য সুপ্রীম কোর্টে আবেদন করার অধিকার নেই?
  1. মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত
  2. যুদ্ধাপরাধী
  3. নাশকতাকারী
  4. রাষ্ট্রদ্রোহী
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধাপরাধী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধাপরাধী
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের ৪৭ অনুচ্ছেদের বিধান: কতিপয় আইনের হেফাজত:
- সংবিধানের ৪৭(৩) অনুচ্ছেদে বিধান: এই সংবিধানে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও গণহত্যাজনিত অপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ বা যুদ্ধাপরাধ এবং আন্তর্জাতিক আইনের অধীন অন্যান্য অপরাধের জন্য কোন সশস্ত্র বাহিনী বা প্রতিরক্ষা বাহিনী বা সহায়ক বাহিনীর সদস্য বা অন্য কোন ব্যক্তি, ব্যক্তি সমষ্টি বা সংগঠন কিংবা যুদ্ধবন্দীকে আটক, ফৌজদারীতে সোপর্দ কিংবা দণ্ডদান করিবার বিধান-সংবলিত কোন আইন বা আইনের বিধান এই সংবিধানের কোন বিধানের সহিত অসমঞ্জস বা তাহার পরিপন্থী, এই কারণে বাতিল বা বেআইনী বলিয়া গণ্য হইবে না কিংবা কখনও বাতিল বা বেআইনী হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না।

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের ৪৭ক অনুচ্ছেদের বিধান:সংবিধানের কতিপয় বিধানের অপ্রযোজ্যতা:
 (১) যে ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই সংবিধানের ৪৭ অনুচ্ছেদের (৩) দফায় বর্ণিত কোন আইন প্রযোজ্য হয়, সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদ, ৩৫ অনুচ্ছেদের (১) ও (৩) দফা এবং ৪৪ অনুচ্ছেদের অধীন নিশ্চয়কৃত অধিকারসমূহ প্রযোজ্য হইবে না।

(২) এই সংবিধানে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও যে ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই সংবিধানের ৪৭ অনুচ্ছেদের (৩) দফায় বর্ণিত কোন আইন প্রযোজ্য হয়, এই সংবিধানের অধীন কোন প্রতিকারের জন্য সুপ্রীম কোর্টে আবেদন করিবার কোন অধিকার সেই ব্যক্তির থাকিবে না।

অর্থাৎ যুদ্ধাপরাধীর সংবিধানের অধীন কোনো প্রতিকারের জন্য সুপ্রীম কোর্টে আবেদন করার অধিকার নেই। 
৬,২৯১.
স্থাবর সম্পত্তি দখলের ডিক্রি জারিতে বিক্রিত সম্পত্তির ক্রয়কারী বাধাপ্রাপ্ত হলে, আদালত দায়ী ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ কত দিন দেওয়ানি জেলে আটক রাখার আদেশ দিতে পারে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৭৪ ধারা- ডিক্রি জারি কার্যে বাধা প্রদান:
যখন স্থাবর সম্পত্তি দখলের জন্য ডিক্রিদার বা ডিক্রি জারিতে বিক্রিত স্থাবর সম্পত্তির ক্রয়কারী, দেনাদার বা তার পক্ষে কোন ব্যক্তির মাধ্যমে সম্পত্তির দখল লাভ করতে বাধ্য বা প্রতিবন্ধকতা প্রাপ্ত হয়েছে বলে এবং অনুরূপ বাধা বা প্রতিবন্ধকতা ন্যায়সঙ্গত কারণ ব্যতীত সৃষ্টি হয়েছিল বলে আদালত সন্তুষ্ট হয় তখন ডিক্রিদার বা ক্রেতার আবেদনক্রমে আদালত দেনাদার বা অন্য ব্যক্তিকে ৩০ দিন অবধি দেওয়ানি জেলে আটক রাখার আদেশ দিতে পারে এবং আরো নির্দেশ দান করতে পারে যে, ডিক্রিদার বা ক্রয়কারীকে সম্পত্তির দখল প্রদান করা হয়।
৬,২৯২.
দণ্ডবিধির ধারা ৩৪৪ প্রযোজ্য হতে হলে আটকের ন্যূনতম সময় কত হতে হবে?
  1. ৩ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ১০ দিন
  4. ১৫ দিন
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৪ ধারার বিধান- দশ বা ততোধিক দিনব্যাপি অবৈধভাবে আটক:
কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দশ বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে আটক করে রাখে; তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 344. Wrongful confinement for ten or more days:
Whoever wrongfully confines any person for ten days, or more, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.

৬,২৯৩.
দুটি মোকদ্দমা যদি res sub judice নীতির আওতায় পড়ে, তবে আদালত কী করতে পারে?
  1. পূর্ববর্তী মোকদ্দমা বাতিল করতে পারে
  2. পরবর্তী মোকদ্দমা স্থগিত করতে পারে
  3. উভয় মোকদ্দমা একত্রিত করতে পারে
  4. নতুন সাক্ষ্যগ্রহণের নির্দেশ দিতে পারে
সঠিক উত্তর:
পরবর্তী মোকদ্দমা স্থগিত করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরবর্তী মোকদ্দমা স্থগিত করতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ ধারায় মোকদ্দমা স্থগিতকরণ (stay of suit) বা res sub judice সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। একই পক্ষগণের বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে পূর্বে দায়েরকৃত এবং পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় প্রত্যক্ষ এবং মৌলিকভাবে একই হলে, আদালত পরবর্তী মোকদ্দমার কার্যক্রম স্থগিত করবেন।

এই নীতি প্রয়োগ করতে শর্তসমূহ-
১. দুইটি মোকদ্দমা থাকতে হবে। একটি হলো পূর্বে দায়েরকৃত মোকদ্দমা এবং অন্যটি হলো পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমা;
২. উভয় মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় প্রত্যক্ষ এবং মৌলিকভাবে একই হতে হবে;
৩. উভয় মোকদ্দমা একই পক্ষগণের বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে হতে হবে;
৪. পূর্ববর্তী মোকদ্দমাটি অবশ্যই বিচারাধীন থাকতে হবে;
৫. পূর্ববর্তী মোকদ্দমাটি যে আদালতে দায়ের করা হয়েছে সেই আদালতের দাবীকৃত প্রতিকার দেওয়ার এখতিয়ার থাকতে হবে;
৬. উভয় মোকদ্দমায় উভয় পক্ষগণ একই স্বত্ত্বের অধীন মোকদ্দমা [under same title) দায়ের করেছে।

⇒ বিদেশি আদালতে বিচারাধীন কোন মোকদ্দমার ক্ষেত্রে Res-Subjudice নীতি প্রযোজ্য হবে না ।

Section 10: Stay of suit-
No Court shall proceed with the trial of any suit in which the matter in issue is also directly and substantially in issue in previously instituted suit between the same parties, or between parties under whom they or any of them claim litigating under the same title where such suit is pending in the same or any other Court in Bangladesh having jurisdiction to grant the relief claimed, or in any Court beyond the limits of Bangladesh Established or continued by the Government and having like jurisdiction, or before the Supreme Court.

Explanation-The pendency of a suit in a foreign Court does not preclude the Court in Bangladesh from trying a suit founded on the same cause of action.
৬,২৯৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫, বিধি ৯(৩) অনুযায়ী, আদালত কোন প্রযুক্তিগত মাধ্যম ব্যবহার করে সমন প্রেরণের নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. ভিডিও কল
  2. হোয়াটসঅ্যাপ
  3. ফ্যাক্স ও ইমেইল
  4. দৈনিক সংবাদপত্র
সঠিক উত্তর:
ফ্যাক্স ও ইমেইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্যাক্স ও ইমেইল
ব্যাখ্যা
 সঠিক উত্তর: গ) ফ্যাক্স ও ইমেইল। 
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৫, বিধি ৯(৩)-এ বলা হয়েছে:
"The Court may, in addition to the service of summons under sub-rule (1), on the application of the plaintiff for the issue of a summons for the appearance of the defendant, also direct the summons to be served by means of transmission of documents through fax message or electronic mail service by the plaintiff at his own cost."
- অর্থাৎ, বাদীর আবেদনের ভিত্তিতে এবং তার খরচে, আদালত ফ্যাক্স বা ইলেকট্রনিক মেইল সার্ভিসের মাধ্যমে সমন প্রেরণের নির্দেশ দিতে পারেন।

- এখানে “ফ্যাক্স” ও “ইমেইল” — এই দুটোই আইনস্বীকৃত প্রযুক্তিগত মাধ্যম, যেগুলো আদেশ ৫ এর অধীনে সমনের অতিরিক্ত পরিবেশন পদ্ধতি হিসেবে অনুমোদিত।

অন্যান্য অপশন গুলো :
- ভিডিও কল (ক): সমন প্রেরণের কোনো আইনগত স্বীকৃত মাধ্যম নয়।
- হোয়াটসঅ্যাপ (খ): যদিও প্রযুক্তিগতভাবে ফাইল পাঠানো সম্ভব, আইন এই মাধ্যমকে স্বীকৃতি দেয়নি।
- দৈনিক সংবাদপত্র (ঘ): এটি “সমনের প্রাকাশ্য জারি” সংক্রান্ত বিধানে ব্যবহার হতে পারে (যেমন আদেশ ৫, বিধি ২০), কিন্তু এটি ৯(৩)-এর অন্তর্ভুক্ত প্রযুক্তিগত মাধ্যম নয়।
৬,২৯৫.
হাইকোর্ট বিভাগে আইনচর্চা করার জন্য একজন অ্যাডভোকেটকে সাধারণত কত বছর অধস্তন আদালতে আইনচর্চা করতে হয়?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972-এর অনুচ্ছেদ ২১:
(১) এই আদেশ কার্যকর হওয়ার আগে যেসব আইনজীবী হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিস করার অনুমতি পেয়েছেন, তাদের ব্যতীত আর কেউ হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিস করতে পারবেন না, যদি না-
(ক) তিনি বাংলাদেশের অধস্তন আদালতসমূহে অ্যাডভোকেট হিসেবে দুই বছর প্র্যাকটিস করে থাকেন; অথবা
(খ) তিনি আইনে স্নাতক ডিগ্রিধারী এবং এমন কোনো বিদেশি হাইকোর্টে আইনজীবী হিসেবে প্র্যাকটিস করেছেন, যেটিকে বাংলাদেশ সরকার গেজেটের মাধ্যমে ঘোষণা করেছে; অথবা
(গ) বার কাউন্সিল নির্ধারিত মানদণ্ড অনুযায়ী তাঁর আইনি প্রশিক্ষণ বা অভিজ্ঞতার কারণে পূর্বোক্ত শর্তাবলি থেকে অব্যাহতি দিয়েছে।

(২) হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিস করার অনুমতি বার কাউন্সিল নির্ধারিত ফরমে প্রদান করা হবে, যদি প্রার্থী প্রমাণ করে যে তিনি ২২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্ধারিত ফি পরিশোধ করেছেন এবং (১) উপ-দফায় বর্ণিত প্রাসঙ্গিক শর্তাবলি পূরণ করেছেন।
৬,২৯৬.
The meaning of Latin maxim 'Actus non facit reum, nisi mens sit rea' is-
  1. অপরাধমূলক কোন কার্য ব্যক্তিকে অপরাধী করে
  2. ক্ষতিকর কাজের আইনী প্রতিকার নেই
  3. অপরাধমূলক অভিপ্রায় না থাকলে, কোন কার্য ব্যক্তিকে অপরাধী করে না
  4. অপরাধমূলক অভিপ্রায় ব্যক্তিকে অপরাধী করে না
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক অভিপ্রায় না থাকলে, কোন কার্য ব্যক্তিকে অপরাধী করে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক অভিপ্রায় না থাকলে, কোন কার্য ব্যক্তিকে অপরাধী করে না
ব্যাখ্যা
Actus non facit reum, nisi mens sit rea (অপরাধমূলক অভিপ্রায় না থাকলে কোন কার্য ব্যক্তিকে অপরাধী করে না)

এই প্রবচনটির ইংরেজি প্রতিশব্দ হচ্ছে, 'An act does not make one guilty unless there be guilty intention. কোন অন্যায় বা নিষিদ্ধ কাজ ইচ্ছাকৃতভাবে যদি কেউ সংঘটন করে বা অবহেলা করে সম্পাদন করে তাহলে অনুরূপ কাজের জন্য তাকে দায়ী হতে হয়। ইচ্ছাকৃতভাবে সম্পাদিত কাজের ক্ষেত্রে ধরে নেয়া হয় যে, অনুরূপ কাজে আসামীর অপরাধমূলক অভিপ্রায় ছিল। আসামীকে শাস্তি দিতে হলে অপরাধ সংঘটনের সময়ে তার মনের যে অবস্থা ছিল তা প্রসিকিউসন পক্ষকে অবশ্যই প্রমাণ করতে হয়। অপরাধের প্রকৃতিভেদে অপরাধী মনেরও প্রকৃতিভেদ ঘটে।

এটা যে আইন দ্বারা সৃষ্ট, সেই আইন কিংবা নজীর দ্বারা নির্ধারিত হয়ে থাকে। জনগণের স্বাধীনতা সংরক্ষণের জন্য এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যে, আদালত কাউকে দোষী সাব্যস্ত করবেন না যতক্ষণ না তার একটি দোষী মন থাকে। তাঁর মতে, তবে যদি কোন আইন দ্বারা এর প্রয়োজনীয়তা অস্বীকার করা হয় তবে তা স্বতন্ত্র বিষয় হবে। তবে এই প্রবচনের মূলনীতি প্রয়োগ করতে হলে বর্ণিত বিধান সতর্কতার সাথে বিবেচনা করতে হয়। এ প্রবচনটি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে Fowler v. Padget মামলায় প্রধান বিচারপতি Lord Kenyon বলেন, "The intent and the act must both concur to constitute the crime."
৬,২৯৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির অধীনে precept কার বরাবরে ইস্যু করা হয়?
  1. ব্যাংকের বরাবরে
  2. আদালত বরাবরে
  3. দায়িক বরাবরে
  4. জেলা প্রশাসকের কার্যালয় বরাবরে
সঠিক উত্তর:
আদালত বরাবরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত বরাবরে
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৬ ধারায় বলা হয়েছে ডিক্রিদারের আবেদনক্রমে ডিক্রি প্রদানকারী আদালত অন্য কোন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতকে ডিক্রি জারি করার অনুরোধ করতে পারেন এবং এরূপ আদালত অনুরোধপত্রে নির্ধারিত দেনাদারের সম্পত্তি ক্রোক করতে পারেন। যা  ডিক্রি জারির অনুরোধ (Precepts) নামে পরিচিতো।
♦ডিক্রিদানকারী আদালত ক্রোকের মেয়াদ বৃদ্ধি না করলে কোন ক্রোক ২ মাসের অধিক সময় বলবৎ থাকবে না।
৬,২৯৮.
স্ত্রীধন বলতে কি বোঝায়?
  1. উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া স্ত্রীর সম্পত্তি
  2. উপহার হিসেবে স্ত্রীর প্রাপ্ত সম্পত্তি
  3. স্ত্রীর নিজস্ব অর্জিত সম্পত্তি
  4. খ ও গ
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
ব্যাখ্যা
স্ত্রীর স্বোপার্জিত কিংবা উপহার হিসেবে প্রাপ্ত সম্পত্তি হচ্ছে স্ত্রীধন। তারা এ ধন নিজের ইচ্ছামতো বিক্রয় অথবা দান করতে পারে। উপার্জনের উৎস অনুযায়ী স্ত্রীধন চার প্রকার। স্ত্রীধনের উত্তরাধিকারও ভিন্ন ধরনের এবং তা কন্যাদের অধিকতর উত্তরাধিকার ক্ষমতা প্রদান করে।

স্ত্রীধনের প্রকৃতি অনুযায়ী তার উত্তরাধিকারক্রম এরূপ:

ক. শুল্ক (কন্যাপণ): ভাই, মা, পিতা ও স্বামী;

খ. যৌতুক (বিবাহকালে প্রাপ্ত উপহার): অবাগ্দত্তা কন্যা, বাগ্দত্তা কন্যা, বিবাহিতা কন্যা যার পুত্র রয়েছে কিংবা পুত্রসম্ভবা, বন্ধ্যা বিবাহিতা কন্যা এবং নিঃসন্তান বিধবা কন্যা সমান অংশে; পুত্র, দৌহিত্র, পৌত্র, প্রপৌত্র, সতীন পুত্র, সতীন পৌত্র, সতীন প্রপৌত্র। উপর্যুক্তদের অভাবে স্ত্রীলোকের যৌতুক সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হবে স্বামী, ভাই, মা, বাবা;

গ. অন্বাধেয় (বিবাহোত্তরকালে পিতৃদত্ত): এক্ষেত্রে উত্তরাধিকারক্রম প্রায় যৌতুকের মতোই, তবে পার্থক্য হলো- বিবাহিতা কন্যাদের চেয়ে পুত্ররা অগ্রাধিকার পায় এবং নিঃসন্তান অবস্থায় মৃত স্ত্রীলোকের ক্ষেত্রে উত্তরাধিকারী হয় তার ভাই, মা, পিতা, স্বামী;

ঘ. অযৌতুক (বিবাহের পূর্বে বা পরে আত্মীয়গণ কর্তৃক প্রদত্ত; বিবাহের পূর্বে পিতৃদত্ত): এ ক্ষেত্রে পুত্র এবং কুমারী কন্যারা সমান অংশীদার; বিবাহিত পুত্রবতী অথবা পুত্রসম্ভবা কন্যা, পৌত্র, দৌহিত্র, বন্ধ্যা বিবাহিতা কন্যা এবং নিঃসন্তান বিধবা কন্যা।

উপযুক্তদের অভাবে অযৌতুক স্ত্রীধনের উত্তরাধিকারীরা হলো: ভাই, মা, পিতা, স্বামী, দেবর, স্বামীর ভ্রাতুষ্পুত্র, বোনপো, স্বামীর ভাগিনেয়, নিজের ভ্রাতুষ্পুত্র, জামাতা, স্বামীর সপিন্ড, সকুল্য ও সমানোদক, পিতার জ্ঞাতি।
৬,২৯৯.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধে ব্যবহৃত কোন যন্ত্রপাতির ক্ষেত্রে আদালত কী আদেশ দিতে পারে?
  1. রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তির
  2. উক্ত যন্ত্রপাতি বিক্রি করার
  3. উক্ত যন্ত্রপাতি ধ্বংস করার
  4. উল্লিখিত সকল আদেশ
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তির
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২

ধারা ৭- অপরাধ সংঘটনে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি, অস্ত্র, ইত্যাদি

আদালত উপযুক্ত বিবেচনা করিলে, কোন অপরাধ সংঘটনের জন্য ব্যবহৃত কোন যন্ত্রপাতি, অস্ত্র বা যানবাহন, এবং উক্ত অপরাধের দ্বারা সংগৃহীত অর্থ, মালামাল বা সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তির বা উহার বৈধ মালিক বা দখলদারের নিকট ফেরত দিবার আদেশ দিতে পারিবে।
৬,৩০০.
সংবিধানের তৃতীয় তফশিল অনুযায়ী, নিচের কোন ব্যক্তিকে শপথগ্রহণ করানো বা ঘোষণাপত্র পাঠ করানো সংক্রান্ত ক্ষমতা দেওয়া হয়নি?
  1. স্পীকার
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুযায়ী শপথগ্রহণ বা ঘোষণাপত্র পাঠ করানোর ক্ষমতা শুধুমাত্র স্পিকার, রাষ্ট্রপতি এবং প্রধান বিচারপতি—এই তিন ব্যক্তিকে দেওয়া হয়েছে।
- প্রধানমন্ত্রীকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। তিনি নিজে রাষ্ট্রপতির কাছে শপথ নেন, কিন্তু অন্য কাউকে শপথ গ্রহণ করানোর ক্ষমতা সংবিধানের তৃতীয় তফশিল অনুযায়ী তার নেই।

⇒ তৃতীয় তফসিল:
- বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে ৯টি পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তির শপথগ্রহণ বা ঘোষনাপত্র পাঠের বিষয় উল্লেখ আছে।
- শপথগ্রহণ বা ঘোষণাপত্র পাঠ করানোর ক্ষমতা ৩ জন ব্যক্তিকে দেওয়া হয়ছে।
- যথা- স্পীকার , রাষ্ট্রপতি , প্রধান বিচারপতি।

⇒ স্পীকার কর্তৃক - রাষ্ট্রপতি, সংসদ-সদস্য;
⇒ রাষ্ট্রপতি কর্তৃক - প্রধানমন্ত্রী, অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী, স্পীকার, ডেপুটি স্পীকার, প্রধান বিচারপতি; 
⇒ প্রধান বিচারপতি কর্তৃক - সুপ্রীম কোর্টের অন্যান্য বিচারক, সরকারী কর্মকমিশনের সদস্য, মহাহিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনার।