বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ৬১ / ১৫৫ · ৬,০০১৬,১০০ / ১৫,৪৭০

৬,০০১.
বাংলাদেশে বসবাসকারী কোন বিদেশি ব্যক্তি আদালতের পূর্বানুমতি সাপেক্ষে মামলা করতে পারেন – এটি দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ধারা ৮৪
  2. ধারা ৮৩
  3. ধারা ৮২
  4. ধারা ৮১
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮৩
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৮৩ অনুযায়ী: "বিদেশি শত্রু" (Alien Enemy) বা "বিদেশি বন্ধু" (Alien Friend) যারা সরকারের অনুমতি নিয়ে বাংলাদেশে বসবাস করছেন, তারা বাংলাদেশের নাগরিকের মতই আদালতে মামলা করতে পারবেন।
অর্থাৎ, সরকারের অনুমতি থাকলে, তারা বাংলাদেশের নাগরিকের ন্যায় আদালতে মামলা দায়ের করতে পারেন।
কিন্তু যদি সরকারের অনুমতি না থাকে, তাহলে বিদেশি শত্রু ব্যক্তি কোনো আদালতে মামলা করতে পারবেন না, এমনকি তিনি বাংলাদেশে বসবাস করলেও।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৩ - কখন বিদেশি ব্যক্তি মামলা করতে পারে:
(১) সরকারের অনুমতিক্রমে বিদেশি শক্রগণ এবং বিদেশি বন্ধুগণ বাংলাদেশে বসবাস করতে থাকলে তারা বাংলাদেশের নাগরিকের মতই বাংলাদেশের আদালতে মামলা করতে পারবেন।
(২) এরূপ অনুমতি ব্যতীত বিদেশি শত্রু বাংলাদেশে বসবাস করতে থাকলে বা বিদেশি রাষ্ট্রে বসবাস করলে অনুরূপ কোন আদালতে মামলা করতে পারবে না।
ব্যাখ্যা: যে সকল বিদেশি রাষ্ট্রের সরকার বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত বা সামরিক অভিমানে জড়িত, সেই সকল দেশে বসবাসরত এবং বাংলাদেশ সরকারের একন সচিবের সহিযুক্ত অনুমতি ব্যতীত ঐ সকল দেশে ব্যবসা চালাইতে থাকলে (২) উপধারার উদ্দেশ্যে উক্তরূপ বিদেশি রাষ্ট্রে বসবাসরত প্রত্যেক ব্যক্তি বিদেশি শত্রু বলে গণ্য হবে।

⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section- 83. When aliens may sue:
(1) Alien enemies residing in Bangladesh with the permission of the Government, and alien friends, may sue in the Courts in Bangladesh, as if they were citizens of Bangladesh.
(2) No alien enemy residing in Bangladesh without such permission, or residing in a foreign country, shall sue in any of such Courts. 
Explanation.-Every person residing in a foreign country the Government of which is at war with, or engaged in military operations against, Bangladesh, and carrying on business in that country without a license in that behalf under the hand of a Secretary to the Government shall, for the purpose of sub-section (2), be deemed to be an alien enemy residing in a foreign country.
৬,০০২.
সরকারি মামলায় 'বাংলাদেশ' নামে মামলা দায়ের করার বিধান দেওয়ানী কার্যবিধির কোন ধারায় আছে?
  1. ধারা ৮১
  2. ধারা ৮০
  3. ধারা ৭৯
  4. ধারা ৭৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ৭৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৭৯
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৭৯ অনুযায়ী, যখন কোনো মামলা সরকারের পক্ষে বা সরকারের বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়, তখন মামলায় বাদী বা বিবাদী হিসাবে 'বাংলাদেশ' নাম ব্যবহার করা হয়। অর্থাৎ সরকারকে প্রতিনিধিত্ব করার জন্য 'বাংলাদেশ' নামেই মামলা রুজু হয়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৭৯ ধারা- সরকার কর্তৃক বা তার বিরুদ্ধে মোকদ্দমা: সরকার কর্তৃক বা সরকারের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মোকদ্দমায় বাদি বা বিবাদি হিসাবে যে কর্তৃত্বের নাম উল্লেখ করতে হবে, তা হচ্ছে 'বাংলাদেশ'।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section 79- Suits by or against the Government:
- In a suit by or against the Government the authority to 79. In a suit by or against the Government the authority to be named as plaintiff or defendant, as the case may be, shall be Bangladesh.

৬,০০৩.
কোন ধরনের সম্পত্তিতে সুখাধিকার অর্জন করতে হলে, উক্ত অধিকার একনাগাড়ে ৬০ বছর নিরবচ্ছিন্ন ভােগ করতে হবে?
  1. ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে
  2. সহ-দখলদারের সম্পত্তিতে
  3. সরকারি সম্পত্তিতে
  4. উত্তরাধিকারে প্রাপ্ত সম্পত্তিতে
সঠিক উত্তর:
সরকারি সম্পত্তিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারি সম্পত্তিতে
ব্যাখ্যা
তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ২৬(১) ধারা অনুযায়ী-
যে ক্ষেত্রে কোন দালানে আলাে বা বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার সুখাধিকার হিসাবে এবং অধিকার হিসাবে অব্যাহতভাবে ২০ বছর যাবত শান্তিপূর্ণভাবে ভােগ করা হয়েছে এবং যে ক্ষেত্রে কোন পথ বা জলস্রোত অথবা কোন পানির ব্যবহার অথবা অন্য কোন যে কোন সুখাধিকার (ইতিবাচক, নেতিবাচক যাই হােক না কেন) কোন ব্যক্তি সুখাধিকার ও অধিকার হিসাবে তাতে স্বত্ব দাবি করে অব্যাহতভাবে এবং বিশ (২০) বছর যাবত শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভােগ করেছে; সেক্ষেত্রে অনুরূপ আলাে বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার পথ জলস্রোত পানির ব্যবহার অথবা অন্য কোন সুখাধিকারর নিরঙ্কুশ ও অলঙ্ঘনীয় অধিকারে পরিণত হবে।

সরকারি কোনো সম্পত্তিতে সুখাধিকার অর্জন করতে হলে উক্ত অধিকার একনাগাড়ে ৬০ বছর নিরবচ্ছিন্ন ভােগ করতে হবে। সরকারি কোন সম্পত্তি ছাড়া অন্যকোনো সম্পত্তিতে সুখাধিকার অর্জন করতে হলে, উক্ত জমিতে একনাগাড়ে ২০ বছর পরে ভােগ করতে হবে।
৬,০০৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৯ এর অধীন কে মামলার যেকোনো পর্যায়ে কোনো রায় ঘোষণা না করে,কার্যক্রম বন্ধ করে দিতে পারেন?
  1. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  2. শুধুমাত্র ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  3. অনুমতিপ্রাপ্ত যেকোনো জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  4. শুধুমাত্র দায়রা আদালত
সঠিক উত্তর:
অনুমতিপ্রাপ্ত যেকোনো জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুমতিপ্রাপ্ত যেকোনো জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৯ মামলার যে কোন পর্যায়ে কোন রায় ঘোষণা না করে,কার্যক্রম বন্ধের ক্ষমতা দিয়েছে।

উল্লেখ আছে, নালিশ ব্যতিরেকে অন্যভাবে দায়ের করা যে কোন মোকদ্দমায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এর অনুমতি পূর্বে নিয়ে অন্য যেকোনো জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মামলার যে কোন পর্যায়ে বেকসুর খালাস অথবা দণ্ডের কোন রায় ঘোষণা না করে,কার্যক্রম বন্ধ করে দিতে পারেন এবং অতঃপর অভিযুক্ত ব্যক্তিকে মুক্তি (Release) দিতে পারবেন।
[In any case instituted otherwise than upon complaint,a Metropolitan Magistrate,a Magistrate of the first class or with the previous sanction of the Chief Judicial Magistrate, any other Judicial Magistrate may for reasons to be recorded by him, stop the proceedings at any stage without pronouncing any judgment either of acquittal or conviction and may thereupon release the accused.]
৬,০০৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪০-এর অধীনে আদালত কোন ব্যক্তির জবানবন্দী গ্রহণ করতে পারেন?
  1. শুধুমাত্র সমনকৃত ব্যক্তির
  2. শুধুমাত্র অভিযোগকারীর
  3. শুধুমাত্র অভিযুক্ত ব্যক্তির
  4. উপস্থিত যেকোন ব্যক্তির
সঠিক উত্তর:
উপস্থিত যেকোন ব্যক্তির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপস্থিত যেকোন ব্যক্তির
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫৪০: গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীর সমন করার কিংবা উপস্থিত ব্যক্তির জবানবন্দী গ্রহণ করার ক্ষমতা:

এই বিধির অধীন কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যধারার যে কোন ধাপে কোন আদালত যেকোন ব্যক্তিকে সাক্ষী রূপে সমন করতে পারবেন বা সাক্ষী রূপে সমন করা না হলে উপস্থিত যেকোন ব্যক্তির জবানবন্দী গ্রহণ করতে পারবেন, বা ইতোমধ্যে যার জবানবন্দী গ্রহণ করা হয়েছে তাকে পুনরায় তলব করে পুনরায় জবানবন্দী গ্রহণ করতে পারবেন এবং এরূপ কোন ব্যক্তির সাক্ষ্য আদালতের ন্যায়বিচারের জন্য অত্যাবশ্যক মর্মে প্রতীয়মান হলে, আদালত তাকে সমন করে তার জবানবন্দী গ্রহণ করবেন কিংবা পুনরায় তলব করে পুনরায় তার জবানবন্দী গ্রহণ করতে পারবেন।

Section 540: Power to summon material witness or examine person present:
Any Court may, at any stage of any inquiry, trial or other proceeding under this Code, summon any person as a witness, or examine any person in attendance, though not summoned as a witness, or recall and re-examine any person already examined; and the Court shall summon and examine or recall and re-examine any such person if his evidence appears to it essential to the just decision of the case.
৬,০০৬.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের প্রথম বিভাগে কোন ধরনের মামলার তামাদির মেয়াদ সর্বোচ্চ ৬০ বছর?
  1. অগ্রক্রয়ের অধিকার মামলা
  2. ক্ষতিপূরণের মামলা
  3. বিক্রয় রদের মামলা
  4. বন্ধকী মামলা
সঠিক উত্তর:
বন্ধকী মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বন্ধকী মামলা
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর প্রথম তফসিলের প্রথম বিভাগে বিভিন্ন ধরনের সিভিল (দেওয়ানি) মামলা দায়েরের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে দীর্ঘ মেয়াদি তামাদি সময়সীমা হচ্ছে ৬০ বছর, যা প্রযোজ্য বন্ধক সংক্রান্ত মামলাগুলোর জন্য।

নিচে ৬০ বছরের তামাদি মেয়াদ প্রযোজ্য তিনটি গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদ তুলে ধরা হলো:
→ অনুচ্ছেদ ১৪৭:
বিষয়: রেহেন (mortgage lien) উদ্ধারের জন্য রেহেন গ্রহীতার মামলা (Foreclosure বা Sale)।
তামাদির মেয়াদ: ৬০ বৎসর — যখন ঋণ পরিশোধযোগ্য হয়।
→ অনুচ্ছেদ ১৪৮:
বিষয়: বন্ধকী স্থাবর সম্পত্তি খালাস বা দখল পুনরুদ্ধারের জন্য বন্ধক গ্রহীতার বিরুদ্ধে মামলা।
তামাদির মেয়াদ: ৬০ বৎসর — যখন খালাস বা দখলের অধিকার সৃষ্টি হয়।
→ অনুচ্ছেদ ১৪৯:
বিষয়: সরকার কর্তৃক সরকারের পক্ষে দায়েরকৃত মামলায় (Supreme Court বাদে)।
তামাদির মেয়াদ: ৬০ বৎসর — যখন সরকারের অধিকার উদ্ভব হয়।

→ অর্থাৎ তামাদি আইনের প্রথম বিভাগে বন্ধকী মামলা (mortgage suits)-এর জন্য সর্বোচ্চ তামাদির মেয়াদ ৬০ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে, যা অনুচ্ছেদ ১৪৭–১৪৯ এ উল্লেখ আছে।
তাই সঠিক উত্তর: ঘ) বন্ধকী মামলা।
৬,০০৭.
একজন হিন্দু বিধবা 'ক'- তার মৃত স্বামীর সম্পত্তিতে দখলে থেকে সেই সম্পত্তির জন্য ধ্বংসাত্মক এমন কাজ করলো যা করার কোন ন্যায় সঙ্গত কারণ নেই। উক্ত সম্পত্তির ভাবী উত্তরাধিকারী মৃত স্বামীর ভাই। উত্তরাধিকারীর প্রতিকার কী?
  1. নিষেধাজ্ঞার আবেদন করতে পারে
  2. সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের জন্য মোকদ্দমা করতে পারে
  3. ঘোষণামূলক ডিক্রি চেয়ে মোকদ্দমা করতে পারে
  4. কোন প্রতিকার পাবে না
সঠিক উত্তর:
নিষেধাজ্ঞার আবেদন করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিষেধাজ্ঞার আবেদন করতে পারে
ব্যাখ্যা
হিন্দু উত্তরাধিকার আইন অনুসারে,
বিধবা স্ত্রী তার স্বামীর সম্পত্তিতে জীবনকালীন ভোগদখলের অধিকার রাখেন, তবে তিনি এই সম্পত্তির ধ্বংসাত্মক ব্যবহার করতে পারেন না। যদি তিনি এমন কোনো কাজ করেন যা সম্পত্তির অবনতি ঘটায় বা উত্তরাধিকারের সম্ভাবনাকে নষ্ট করে, তাহলে ভবিষ্যত উত্তরাধিকারী (এক্ষেত্রে মৃত স্বামীর ভাই) আদালতে নিষেধাজ্ঞার আবেদন করতে পারেন।

এছাড়া,
বিধবা স্ত্রী সম্পত্তি বিক্রি বা নষ্ট করার চেষ্টা করলে, উত্তরাধিকারী আদালতে প্রতিকার চাইতে পারেন, তবে সরাসরি মালিকানা দাবি করতে পারেন না যতক্ষণ না বিধবার জীবনকাল শেষ হয়।

• কোনো কিছু করা হতে মামলার পক্ষগণকে বিরত রাখা বা মামলা করার পর কোনো পক্ষের করা কাজের জন্য পরিবর্তিত কোনো সম্পত্তিকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনাকে ইনজাংশন বা নিষেধাজ্ঞা বলে। নিষেধাজ্ঞার প্রধানত দুই প্রকার হতে পারে। যথাক্রমে- স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ও অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা। 

অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হচ্ছে তেমন নিরোধ যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোন পর্যায়েই তা মঞ্জুর করা যায় এবং তা দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়।

চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবলমাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়। যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।
৬,০০৮.
মৌখিক সাক্ষ্যের ক্ষেত্রে কোনটি গ্রহণযোগ্য নয়?
  1. যা সাক্ষী নিজে শুনেছে
  2. যা সাক্ষী নিজে দেখেছে
  3. যা সাক্ষী অন্যের কাছ থেকে শুনেছে
  4. যা সাক্ষী নিজে অনুভব করেছে
সঠিক উত্তর:
যা সাক্ষী অন্যের কাছ থেকে শুনেছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যা সাক্ষী অন্যের কাছ থেকে শুনেছে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ৬০ ধারায় বলা হয়েছে:
"Oral evidence must, in all cases whatsoever, be direct."
অর্থাৎ, যেকোনো ক্ষেত্রেই মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে।

ধারা ৬০ মতে-
মৌখিক সাক্ষ্যকে সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে ( oral evidence must be direct)। অর্থাৎ এটি যদি এমন বিষয় সম্পর্কে হয়, যা দেখা যেতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলবে যে, সে এটি দেখেছে তার সাক্ষ্যই দিতে হবে; এটি যদি এমন বিষয় সম্পর্কে হয় যা শোনা যেতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলে যে, সে এটি শুনেছে, তার সাক্ষ্যই দিতে হবে। অর্থাৎ, অন্যের কাছ থেকে শোনা সাক্ষ্য প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।
৬,০০৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২১-এ কতটি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না?
  1. ৫টি
  2. ৬টি
  3. ৮টি
  4. ১০টি
সঠিক উত্তর:
৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮টি
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা-২১: কোন চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না (Contracts not specifically enforceable)- চুক্তির প্রকৃতি অনুসারে কিছু কিছু চুক্তির সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদন করার জন্য আদালত নির্দেশ দিয়ে থাকেন এবং কিছু কিছু চুক্তির ক্ষেত্রে আদালত সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করে না। যে যে ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আবেদন নামঞ্জুর করতে পারে তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। কারণ এগুলি সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের যোগ্য নয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা-
১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে;
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে;
৩) চুক্তির শর্তাবলি নির্ণয় করা না গেলে;
৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য বা প্রত্যাহারযোগ্য হলে;
৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে;
৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানি কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি;
৭) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে অথবা;
৮) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারায় আদালত এই ৮টি ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আবেদন না মঞ্জুর করিবেন।
------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 21 Contracts not specifically enforceable:
The following contracts cannot be specifically enforced:–
(a) a contract for the non-performance of which compensation in money is an adequate relief;
(b) a contract which runs into such minute or numerous details, or which is so dependent on the personal qualifications or volition of the parties, or otherwise from its nature is such, that the Court cannot enforce specific performance of its material terms;
(c) a contract the terms of which the Court cannot find with reasonable certainty;
(d) a contract which is in its nature revocable;
(e) a contract made by trustees either in excess of their powers or in breach of their trust;
(f) a contract made by or on behalf of a corporation or public company created for special purposes, or by the promoters of such company, which is in excess of its powers;
(g) a contract the performance of which involves the performance of a continuous duty extending over a longer period than three years from its date;
(h) a contract of which a material part of the subject- matter, supposed by both parties to exist, has, before it has been made, ceased to exist.
And, save as provided by the Arbitration Act, 1940, no contract to refer present or future differences to arbitration shall be specifically enforced; but if any person who has made such a contract other than an arbitration agreement to which the provisions of the said Act apply and has refused to perform it sues in respect of any subject which he has contracted to refer, the existence of such contract shall bar the suit.

৬,০১০.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের কত ধারায় বন্ধকী-অর্থের জন্য বন্ধগ্রহীতার মামলা করার অধিকার দেওয়া হয়েছে?
  1. ৬৭ক ধারায়
  2. ৬৫ক ধারায়
  3. ৬৮ ধারায়
  4. ৬৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৬৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৬৮- বন্ধকী-অর্থের জন্য মামলা করার অধিকার:

এই ধারায় উল্লেখিত ক্ষেত্রে বন্ধকী-অর্থের জন্য বন্ধগ্রহীতার মামলা করার অধিকার দেওয়া হয়েছে। ৬৭ ধারায় প্রদত্ত Foreclosure বা বিক্রয়ের প্রতিকার ছাড়াও ৬৮ ধারায় বন্ধকগ্রহীতাকে বন্ধকী-অর্থ আদায়ের জন্য ম্যানি স্যুট করার অধিকার দেওয়া হয়েছে। নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে বন্ধকী অর্থ আদায়ের জন্য অর্থ-মামলা দায়ের করতে পারবে-

ক) যেক্ষেত্রে বন্ধকদাতা বন্ধকী-অর্থ পরিশোধে ব্যক্তিভাবে নিজেকে বাধিত করেছে। যেমন সাধারণ বন্ধক বা ইংলিশ বন্ধকের ক্ষেত্রে;
খ) যেক্ষেত্রে বন্ধকদাতা বা বন্ধকগ্রহীতার কোন পক্ষের ব্যর্থতা ছাড়াই, বন্ধকী সম্পত্তি সম্পূর্ণ বা আংশিক ধ্বংস হয়ে গেছে বা জামানত হ্রাস করেছে;
গ) যেক্ষেত্রে বন্ধকদাতার ব্যর্থতার কারণে বন্ধকগ্রহীতা তার সম্পূর্ণ বা আংশিক বন্ধকী জামানত হতে বঞ্চিত হয়েছে;
ঘ) যেক্ষেত্রে বৃদ্ধবন্দ্রহীতা বন্ধকী সম্পত্তির দখল গ্রহণের অধিকারী কিন্তু বন্ধকদাতা দখল অর্পণে বর্ষ হয়েছে ৬৮(ঘ) ধারা খাইখালাসী বন্ধকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
৬,০১১.
Under Section 34A of The Special Powers Act, 1974, what are the permitted methods for executing a death sentence?
  1. Hanging only
  2. Shooting only
  3. Lethal injection only
  4. Hanging or shooting
সঠিক উত্তর:
Hanging or shooting
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Hanging or shooting
ব্যাখ্যা
The Special Powers Act, 1974: Section 34A: Execution of death sentences:
When a person is sentenced to death under this Act, the sentence may be executed by hanging him by the neck till he is dead or by shooting him in the prescribed manner till he is dead as the Special Tribunal may direct.

ধারা ৩৪ক – মৃত্যুদণ্ড কার্যকর:
“যখন বিশেষ ট্রাইব্যুনাল এই আইনের অধীনে কারো মৃত্যুদণ্ড রায় প্রদান করে, তখন সে ট্রাইব্যুনাল নির্দেশ করলে সেই ব্যক্তি নিম্নলিখিত যেকোন পদ্ধতিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা যাবে—
১. ঘাড়ে ফাঁসি দিয়ে, যতক্ষণ না সে মারা যাবে, অথবা
২. নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী গুলি করে, যতক্ষণ না সে মারা যায়।”
৬,০১২.
সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর অধীন মামলা নিষ্পত্তির সর্বোচ্চ সময়সীমা কতদিন?
  1. ১২০ দিন
  2. ২৮০ দিন
  3. ৩৬০ দিন
  4. ২৭০ দিন
সঠিক উত্তর:
২৭০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭০ দিন
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫১- মামলা নিষ্পত্তির জন্য নির্ধারিত সময়সীমা

(১) ট্রাইব্যুনালের বিচারক এই আইনের অধীন কোনো মামলার অভিযোগ গঠনের তারিখ হইতে ১৮০ (একশত আশি) কার্য দিবসের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করিবেন।

(২) ট্রাইব্যুনালের বিচারক উপ-ধারা (১) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো মামলা নিষ্পত্তি করিতে ব্যর্থ হইলে, তিনি উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া উক্ত সময়সীমা সর্বোচ্চ ৯০ (নব্বই) কার্য দিবস বৃদ্ধি করিতে পারিবেন।

(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ট্রাইব্যুনালের বিচারক কোনো মামলা নিষ্পত্তি করিতে ব্যর্থ হইলে, তিনি উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া বিষয়টি প্রতিবেদন আকারে হাইকোর্ট বিভাগকে অবহিত করিয়া মামলার কার্যক্রম পরিচালনা অব্যাহত রাখিতে পারিবেন।

অর্থাৎ মামলা নিষ্পত্তির সর্বোচ্চ সময়সীমা হবে মূল সময় ১৮০ দিন + বৃদ্ধিকৃত সময় ৯০দিন= মোট ২৭০ দিন।
৬,০১৩.
কোন বিচারকের অসদাচরণ সম্পর্কে তদন্ত ও প্রমাণের পদ্ধতি কে নিয়ন্ত্রণ করে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. সংসদ
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. হাইকোর্ট বিভাগ
সঠিক উত্তর:
সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংসদ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদের বিধান: বিচারকদের পদের মেয়াদ:
 
(১) এই অনুচ্ছেদের অন্যান্য বিধানাবলী সাপেক্ষে কোন বিচারক সাতষট্টি বৎসর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন।
 
(২) প্রমাণিত অসদাচরণ বা অসামর্থ্যের কারণে সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ গরিষ্ঠতার দ্বারা সমর্থিত সংসদের প্রস্তাবক্রমে প্রদত্ত রাষ্ট্রপতির আদেশ ব্যতীত কোন বিচারককে অপসারিত করা যাইবে না।
 
(৩) এই অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন প্রস্তাব সম্পর্কিত পদ্ধতি এবং কোন বিচারকের অসদাচরণ বা অসামর্থ্য সম্পর্কে তদন্ত ও প্রমাণের পদ্ধতি সংসদ আইনের দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করিতে পারিবেন।
 
(৪) কোন বিচারক রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ করিয়া স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন।

Article 96- Tenure of office of Judges:

(1) Subject to the other provisions of this article, a Judge shall hold office until he attains the age of sixty-seven years. 
 
(2) A Judge shall not be removed from his office except by an order of the President passed pursuant to a resolution of Parliament supported by a majority of not less than two-thirds of the total number of members of Parliament, on the ground of proved misbehaviour or incapacity. 

(3) Parliament may by law regulate the procedure in relation to a resolution under clause (2) and for investigation and proof of the misbehaviour or incapacity of a Judge. 

(4) A Judge may resign his office by writing under his hand addressed to the President.
৬,০১৪.
Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বার এসোসিয়েশনকে স্বীকৃতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ-২৫
  2. অনুচ্ছেদ-৩৬
  3. অনুচ্ছেদ-৩৯
  4. অনুচ্ছেদ-৪২
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-৩৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-৩৯
ব্যাখ্যা
Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর Article 39 (অনুচ্ছেদ ৩৯) এ বলা হয়েছে:
- "The Bar Council may recognise a bar association in such manner and subject to such conditions as may be prescribed."
- বার কাউন্সিল নির্ধারিত পদ্ধতি এবং শর্ত সাপেক্ষে, কোনো বার এসোসিয়েশনকে স্বীকৃতি প্রদান করিতে পারিবে।
অর্থাৎ, বার কাউন্সিল নিজস্ব বিধি ও শর্ত অনুযায়ী দেশের বিভিন্ন বার এসোসিয়েশনকে স্বীকৃতি প্রদান করতে পারে, এবং এই ক্ষমতা সরাসরি অনুচ্ছেদ ৩৯-এ উল্লেখ আছে।

সুতরাং সঠিক উত্তর: গ) অনুচ্ছেদ-৩৯।
৬,০১৫.
হিন্দু আইনে Factum Valet নীতিটির প্রবর্তক কে?
  1. মনু
  2. নারদ
  3. জীমূতবাহন
  4. যাজ্ঞবল্ক্য
সঠিক উত্তর:
জীমূতবাহন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীমূতবাহন
ব্যাখ্যা

⇒ হিন্দু আইনে ফ্যাক্টাম ভ্যালেট (Factum valet] নীতিটির প্রবর্তক হলো জীমুতবাহন।
- Factum valet quod fieri non debuit অর্থ হলো উচিৎ নয় এমন কোন কাজ কেউ করে ফেললে সেটাকে অবৈধ গণ্য করা হবে না।
- এটা বর্তমানে দায়ভাগ এবং মিতাক্ষর উভয় মতবাদে স্বীকৃত নীতি।
- এই নীতির আলোকে আদালত হিন্দু আইনের কতিপয় ক্ষেত্রে এটি প্রয়োগ করে।
- যেমন অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া একটি বিয়ে অনুষ্ঠিত হলো।
- বিয়ের ক্ষেত্রে অভিভাবকের সম্মতি বিধি মোতাবেক একটি দিক নির্দেশক পন্থা মাত্র, সম্মতি ছাড়া বিয়ে হলে সেটি অবৈধ হবে না।

৬,০১৬.
নিম্নলিখিত কোন বিষয়টি আদালতে প্রমাণ করার প্রয়োজন হয়?
  1. অনুমিত বিষয়
  2. জুডিশিয়াল নোটিশ
  3. প্রাসঙ্গিক বিষয়
  4. স্বীকৃতি বিষয়
সঠিক উত্তর:
প্রাসঙ্গিক বিষয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাসঙ্গিক বিষয়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী সকল প্রাসঙ্গিক বিষয় বা বিচার্য বিষয় সাক্ষ্য দিয়ে প্রমাণ করতে হয়। তবে আদালতে তিন ধরনের বিষয় প্রমান করার প্রয়োজন হয় না। যথা- অনুমিত বিষয়াদি (Presumption), জুডিশিয়াল নোটিশ এবং স্বীকৃতি (Admission)।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারামতে মোকদ্দমার পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধি যে সকল বিষয় বা ঘটনা মোকদ্দমার শুনানীর সময় বা মোকদ্দমার শুনানীর পূর্বে লিখিত আকারে স্বীকার করতে সম্মত হয়েছে অথবা প্লিডিংসের (Pleadings) মাধ্যমে স্বীকার করেছে, সে সকল বিষয় প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।

⇒ The Evidence Act 1872 এর ৫৬, ৫৭ ও ৫৮ ধারায় বলা হয়েছে যে সকল বিষয়ে পক্ষগণ স্বীকৃতি দেয়, এবং যে বিষয় আদালত বিচারিক নজরে নিতে পারেন সেই বিষয় আদালতে প্রমাণ করার আবশ্যকতা নাই। বাংলাদেশের আইনের বিষয়ে আদালত নিজেই বিচারিক নজিরে নিতে পারবেন।
৬,০১৭.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী কখন নিজ স্ত্রীর সাথে যৌনসঙ্গম ধর্ষণ বলে পরিগণিত হবে?
  1. স্ত্রী ১৮ বছরের কম বয়স্ক হলে
  2. স্ত্রী ১৬ বছরের কম বয়স্ক হলে
  3. স্ত্রী ১৪ বছরের কম বয়স্ক হলে
  4. স্ত্রী ১৩ বছরের কম বয়স্ক হলে
সঠিক উত্তর:
স্ত্রী ১৩ বছরের কম বয়স্ক হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ত্রী ১৩ বছরের কম বয়স্ক হলে
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৭৫ ধারা- ধর্ষণ:
কোন পুরুষ অতঃপর উল্লেখিত ব্যতিক্রম ভিন্ন অপর সকল ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত পাঁচটি যেকোন অবস্থায় কোন স্ত্রীলোকের সাথে যৌনসঙ্গম করলে সে ধর্ষণ করেছে বলে পরিগণিত হবে।
প্রথমত: স্ত্রীলোকটির ইচ্ছার বিরুদ্ধে;
দ্বিতীয়ত: স্ত্রীলোকটির সম্মতি ব্যতিরেকে;
তৃতীয়ত: স্ত্রীলোকটির সম্মতিক্রমেই, যেক্ষেত্রে মৃত্যু বা জখমের ভয় প্রদর্শন করে স্ত্রীলোকটির সম্মতি আদায় করা হলে;
চতুর্থত: স্ত্রীলোকটির সম্মতিক্রমেই, যেক্ষেত্রে পুরুষটি জানে যে, সে স্ত্রীলোকটি স্বামী নয়, এবং পুরুষটি ইহার জানে যে, স্ত্রীলোকটি তাকে এমন অপর একজন পুরুষ বলে ভুল করেছে, যে পুরুষটির সাথে সে আইন সম্মতভাবে বিবাহিত হয়েছে বা বিবাহিত বলে বিশ্বাস করে;
পঞ্চমত: স্ত্রীলোকটি সম্মতিক্রমে অথবা সম্মতি ব্যতিরেকে, যদি স্ত্রীলোকটির বয়স চৌদ্দ বৎসরের কম হয়।

ব্যাখ্যা: ধর্ষণের অপরাধের জন্য আবশ্যকীয় যৌনসঙ্গমের জন্য যৌনাঙ্গ প্রবিষ্ট করাই যথেষ্ট গণ্য হবে।

ব্যতিক্রম: কোন পুরুষের কর্তৃক নিজ স্ত্রীর সাথে যৌনসঙ্গম ধর্ষণ বলে পরিগণিত হবে না, যদি স্ত্রী তের বৎসরে নিম্ন বয়স্কা না হয়।
৬,০১৮.
বাসস্থান ব্যতীত অন্য কোনো স্থান থেকে গ্রেপ্তার করা হলে, পরিবার বা বন্ধুকে অবহিত করতে হবে কত ঘণ্টার মধ্যে?
  1. ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে
  2. ২৪ ঘণ্টার মধ্যে
  3. ১২ ঘণ্টার মধ্যে
  4. ৬ ঘণ্টার মধ্যে
সঠিক উত্তর:
১২ ঘণ্টার মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ ঘণ্টার মধ্যে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪৬ক(ঘ) অনুযায়ী, যদি গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি তার নিজস্ব ঠিকানা থেকে গ্রেফতার না করা হয়, তাহলে গ্রেফতারকারী পুলিশ অফিসার বা অন্য ব্যক্তি অতিস্বল্পতম সময়ে কিন্তু সর্বোচ্চ ১২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্য, আত্মীয়, বা বন্ধুকে জানাতে বাধ্য।
→The Code of Criminal Procedure (Second Amendment) Ordinance, 2025 এর মাধ্যমে The Code of Criminal Procedure, 1898 এ নতুন ধারা ৪৬ক (Section 46A) সন্নিবেশিত হয়েছে। এই ধারার উপ-ধারা ঘ(d) অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তিকে তার নিজ বাসস্থানের বাইরে অন্য কোনো স্থান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়, তবে গ্রেপ্তারকারী পুলিশ কর্মকর্তা বা অন্য ব্যক্তিকে যত শীঘ্র সম্ভব, তবে গ্রেপ্তারের সময় থেকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্য, আত্মীয়, বা তার মনোনীত বন্ধুকে গ্রেপ্তারের সময়, স্থান এবং হেফাজতের স্থান সম্পর্কে অবহিত করতে হবে।
সুতরাং, ১২ ঘণ্টার মধ্যে পরিবারের সদস্য বা বন্ধুকে জানানো বাধ্যতামূলক।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪৬ক- গ্রেপ্তার পদ্ধতি এবং গ্রেপ্তারকারী অফিসারের কর্তব্য: কোনো গ্রেপ্তার করার সময়, পুলিশ অফিসার বা অন্য গ্রেপ্তারকারী ব্যক্তি—
(ক) তার নামের একটি সঠিক, দৃশ্যমান এবং স্পষ্ট পরিচিতি বহন করবেন যা সহজে শনাক্তকরণে সহায়তা করবে;
(খ) তার পরিচয় প্রকাশ করবেন এবং যদি দাবি করা হয়, তবে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি এবং গ্রেপ্তারের সময় উপস্থিত ব্যক্তিদের কাছে তার পরিচয়পত্র দেখাবেন;
(গ) গ্রেপ্তারের একটি স্মারকলিপি (memorandum) প্রস্তুত করবেন যা—
(i) কমপক্ষে একজন সাক্ষী দ্বারা সত্যায়িত হবে, যিনি গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্য বা যে এলাকায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে সেখানকার একজন গণ্যমান্য বাসিন্দা এবং যদি এই ধরনের কোনো সাক্ষী পাওয়া না যায়, তার কারণ স্মারকলিপিতে লিপিবদ্ধ করতে হবে;
(ii) যদি গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি অসম্মতি না জানান, তবে তার দ্বারা প্রতিস্বাক্ষরিত বা টিপসইযুক্ত হবে;
(ঘ) যেখানে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে তার বাসস্থান ব্যতীত অন্য কোনো স্থান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়, সেখানে গ্রেপ্তারের সময় এবং স্থান এবং হেফাজতের স্থান জানিয়ে, যত দ্রুত সম্ভব কিন্তু গ্রেপ্তারের সময় থেকে বারো ঘণ্টার মধ্যে, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি কর্তৃক মনোনীত একজন পরিবারের সদস্য, আত্মীয় বা বন্ধুকে অবহিত করবেন;
(ঙ) যদি গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়, তবে ৪৬ঙ ধারা অনুযায়ী ক্ষেত্রমত একজন মেডিকেল অফিসার বা একজন নিবন্ধিত মেডিকেল প্র্যাকটিশনার দ্বারা ওই ব্যক্তির পরীক্ষা এবং প্রাথমিক চিকিৎসা নিশ্চিত করবেন; উপস্থিত মেডিকেল অফিসার বা প্র্যাকটিশনারের কাছ থেকে একটি সার্টিফিকেট সংগ্রহ করবেন; এবং এই ধরনের আঘাতের কারণ লিপিবদ্ধ করবেন;
(চ) গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে, যদি তিনি ইচ্ছা পোষণ করেন, তার পছন্দের একজন আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করতে বা তার নিকটতম কোনো আত্মীয়ের সাথে দেখা করার সুযোগ দেবেন, preferably (সম্ভবত) গ্রেপ্তারের বারো ঘণ্টার মধ্যে।
--------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 46A. Procedure of arrest and duties of officer making arrest:
- In making an arrest, the police-officer or other person making the same shall-
(a) bear an accurate, visible and clear identification of his name which will facilitate easy identification;
(b) disclose his identity and if demanded, shall show his identity card to the person arrested and to the persons present at the time of arrest;
(c) prepare a memorandum of arrest which shall be-
(i)attested by at least one witness, who is a member of the family of the person arrested or a respectable inhabitant of the locality where the arrest is made and where no such witness is available, the reasons thereof be recorded in the memorandum;
(ii) countersigned or thumb-impressed by the person arrested if not refused by him;
(d) intimate, where the accused is arrested from a place other than his residence, to a family member, relative, or a friend nominated by the person arrested, as soon as practicable but not later than twelve hours from the time of such arrest, notifying the time and place of arrest and the place of custody;
(e) ensure, if any mark of injury is found on the body of the person arrested, the examination and first aid treatment of the person by a medical officer or a registered medical practitioner, as the case may be, in accordance with section 46E; obtain a certificate from the attending medical officer or practitioner; and record the reasons for such injury;
(f) allow the person arrested, if he so desires, to consult a lawyer of his choice or to meet any of his nearest relation, preferably within twelve hours of such arrest.

৬,০১৯.
নিঃস্ব ব্যক্তি হিসাবে মামলা করার অনুমতির জন্য কোন আবেদন প্রত্যাখ্যান করতে পারে। যদি-
  1. নির্ধারিত পদ্ধতিতে আবেদন দাখিল করা নাহলে;
  2. উক্ত নিঃস্ব ব্যক্তি আবেদন করার ২ মাস পূর্বে প্রতারণামূলকভাবে সম্পত্তি হস্তান্তর করলে
  3. নিঃস্ব ব্যক্তির আবেদনে কোন কারণ উল্লেখ না থাকলে;
  4. উপরের সবগুলাই
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলাই
ব্যাখ্যা
♦ আদেশ-৩৩, বিধি-১: নিঃস্ব ব্যক্তির সংজ্ঞা- যে ব্যক্তি মোকদ্দমার জন্য প্রয়োজনীয় কোর্ট ফি দিতে অক্ষম বা অনির্ধারিত কোর্ট ফি-এর ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তির প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র এবং উক্ত মোকদ্দমার বিষয়বস্তু ছাড়া ৫০০০ টাকার বেশি সম্পত্তি না থাকলে, উক্ত ব্যক্তিকে নিঃস্ব ব্যক্তি বলা হবে।

♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৩ নং আদেশে নিঃস্ব ব্যক্তি কর্তৃক মামলা দায়েরের বিধান রয়েছে।

♦ কোন নিঃস্ব ব্যক্তি কর্তৃক মামলা দায়ের করতে হলে প্রথমে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসাবে মামলা করার অনুমতির জন্য আদালতে আবেদন করতে হয়।

♦ বিবাদীকে নোটিশ- ৩৩ নং আদেশের ৬ বিধিতে বলা হয়েছে, আদালত যদি আবেদনটি মঞ্জুর করেন তাহলে বিবাদী এবং সরকারী উকিলকে (জিপি) ১০ কার্যদিবসের একটি নোটিশ দিবেন আবেদনকারীর নিঃস্ব ব্যক্তি হিসেবে মামলা করার বিষয়ে তাদের কোন বক্তব্য আছে কিনা তা বলার জন্য।

আদালত নিম্নলিখিত কারণে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসাবে মামলা করার অনুমতির জন্য কোন আবেদন প্রত্যাখ্যান করতে পারে। যথা-

ক) নির্ধারিত পদ্ধতিতে আবেদন দাখিল করা নাহলে;

খ) আবেদনকারী নিঃস্ব নাহলে;

গ) নিঃস্ব ব্যক্তির আবেদনে কোন কারণ উল্লেখ না থাকলে;

ঘ) উক্ত নিঃস্ব ব্যক্তি আবেদন করার ২ মাস পূর্বে প্রতারণামূলকভাবে সম্পত্তি হস্তান্তর করলে।
৬,০২০.
দেহ বা শরীর সম্পর্কিত আত্মরক্ষার অধিকার কখন শুরু হয়?
  1. অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পর
  2. আদালতে মামলা দায়ের করার পর
  3. অপরাধী উপস্থিত হওয়ার পর পরই
  4. দেহের প্রতি আক্রমণ বা বিপদের যুক্তিযুক্ত আতংক সৃষ্টি হওয়ার সাথে সাথে
সঠিক উত্তর:
দেহের প্রতি আক্রমণ বা বিপদের যুক্তিযুক্ত আতংক সৃষ্টি হওয়ার সাথে সাথে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেহের প্রতি আক্রমণ বা বিপদের যুক্তিযুক্ত আতংক সৃষ্টি হওয়ার সাথে সাথে
ব্যাখ্যা
ধারা-১০২: দেহ বা শরীর সম্পর্কিত আত্মরক্ষার অধিকারের স্থায়িত্ব (Commencement and continuance of the right of private defence of the body)-
দণ্ডবিধির ১০২ ধারায় দেহ বা শরীর রক্ষার জন্য আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার কখন আরম্ভ হবে এবং উক্ত অধিকার কতক্ষন পর্যন্ত বহাল থাকবে তা আলোচনা করা হয়েছে।

- দেহের প্রতি আক্রমন বা বিপদের যুক্তিযুক্ত আতংক সৃষ্টি হওয়ার সাথে সাথে (reasonable apprehension of danger) অথবা আক্রমন যদি এমন আশঙ্কা সৃষ্টি করে যে, আক্রান্ত ব্যক্তি মনে করেন যে তিনি গুরুতর আঘাত পাবেন, সেসময় থেকেই দেহ সম্পর্কিত আত্মরক্ষার অধিকার শুরু হয়।

- অন্যদিকে, যতক্ষন পর্যন্ত অনুপ আক্রমনের উদ্যোগ বা আতংক কেটে না যায় ততক্ষন পর্যন্ত আত্মরক্ষার অধিকার বিদ্যমান থাকে।
৬,০২১.
ফৌজদারি কার্যবিধি এর কোন ধারা মোতাবেক হাইকোর্ট বিভাগ সাক্ষ্য লিপিবদ্ধ করতে পারে?
  1. ৩৬৪
  2. ৩৬৫
  3. ৩৬৬
  4. ৩৬৭
সঠিক উত্তর:
৩৬৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬৫
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩৬৫ (হাইকোর্ট বিভাগে সাক্ষ্য লিপিবদ্ধকরণ) মোতাবেক সুপ্রীমকোর্ট সময়ে সময়ে সাধারণ নিয়ম প্রণয়নের দ্বারা উক্ত আদালতে আগত মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণের পদ্ধতি নির্ধারণ করবে এবং উক্ত নিয়মানুসারে সাক্ষ্য গৃহীত হবে।
৬,০২২.
কোর্ট মার্শালের ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আইন প্রযোজ্য হবে না যদি তা অনুষ্ঠিত হয়:
  1. আর্মি অ্যাক্ট, ১৯৫২ এর অধীনে
  2. নৌ-শৃঙ্খলা অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর অধীনে
  3. বিমান বাহিনী আইন, ১৯৫৩ এর অধীনে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১ অনুসারে, এই আইন বাংলাদেশের সকল বিচারিক কার্যক্রমে প্রযোজ্য, যার মধ্যে কোর্ট মার্শালও অন্তর্ভুক্ত। তবে, এটি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে আর্মি অ্যাক্ট, ১৯৫২, নৌ-শৃঙ্খলা অধ্যাদেশ, ১৯৬১, এবং বিমান বাহিনী আইন, ১৯৫৩-এর অধীনে অনুষ্ঠিত কোর্ট মার্শালের ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আইন প্রযোজ্য হবে না। 
- অতএব, উপরের সবগুলো ক্ষেত্রে এই আইন প্রযোজ্য নয়।

⇒ সাক্ষ্য আইন নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়-
ⅰ) The Army (সেনাবাহিনী) Act, 1962 অথবা The Naval Discipline (নৌ-শৃঙ্খলা) Ordinance, 1961 অথবা The Air Force Act (বিমান বাহিনী আইন), 1953 এর ক্ষেত্রে;
ii) আদালত বা বিচারকের নিকট দাখিলকৃত কোন হলফনামার (Affidavits) ক্ষেত্রে;
iii) কোন সালিশকারক বা Arbitrator এর সম্মুখে সংঘটিত কার্যাবলীর ক্ষেত্রে অর্থাৎ সালিশের ক্ষেত্রে;
iv) তদন্ত বা অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে; এবং
ⅳ) প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আইন প্রযোজ্য নয়।
---------------------------
⇒ The Evidence Act,1872: Section-1: Extent:
It extends to the whole of Bangladesh and applies to all judicial proceedings in or before any Court, including Courts-martial, other than Courts-martial convened under the Army Act, 1952, the Naval

৬,০২৩.
'প্রতিটি আরজিতে উল্লিখিত তথ্যসমূহ এফিডেভিট (শপথপত্র) দ্বারা প্রমাণ করতে হবে।'- দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর কোথায় উল্লেখ আছে?
  1. আদেশ ৪ বিধি ১
  2. আদেশ ৪ বিধি ২
  3. ধারা ২৬(১)
  4. ধারা ২৬(২)
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬(২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬(২)
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ২৬: মোকদ্দমা দায়েরের পদ্ধতি:
(১) প্রত্যেক দেওয়ানি মোকদ্দমা আরজি দাখিলের মাধ্যমে বা বিধি দ্বারা নির্ধারিত অন্য কোনো উপায়ে দায়ের করতে হবে।
(২) প্রতিটি আরজিতে উল্লিখিত তথ্যসমূহ এফিডেভিট (শপথপত্র) দ্বারা প্রমাণ করতে হবে।

⇒ Code of Civil Procedure, 1908, Section 26: Institution of suits:
(1) Every suit shall be instituted by the presentation of a plaint or in such other manner as may be prescribed.
(2) In every plaint, facts shall be proved by affidavit.

৬,০২৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারা অনুসারে দায়েরকৃত মামলায় প্রদত্ত কোনো আদেশ বা ডিক্রির বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ পক্ষের প্রতিকার কি?
  1. আপীল
  2. রিভিউ
  3. রিভিশন 
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
রিভিশন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন 
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারা, স্থাবর সম্পত্তি হইতে দখলচ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা: যদি কোনো ব্যক্তি তাহার অসম্মতিতে যথাযথ আইনগত পন্থা ব্যতীত স্থাবর সম্পত্তি হইতে বেদখল হন, তাহা হইলে, তিনি অথবা তাহার মাধ্যমে দাবিদার কোনো ব্যক্তি, মামলার মাধ্যমে তাহার দখল পুনরুদ্ধার করিতে পারিবেন, যদিও এইরূপ মামলায় তিনি অপর কোনো স্বত্ব প্রতিষ্ঠিত করিতে না পারেন।
এই ধারার কোনো কিছুই কোনো ব্যক্তিকে এইরূপ সম্পত্তিতে তাহার স্বত্ব প্রতিষ্ঠা করিতে এবং দখল পুনরুদ্ধার করিতে মামলা দায়েরের ক্ষেত্র প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করিবে না।
এই ধারার অধীন সরকারের বিরুদ্ধে কোনো মামলা দায়ের করা যাইবে না।
এই ধারা অনুসারে দায়েরকৃত কোনো মামলায় প্রদত্ত কোনো আদেশ বা ডিক্রির বিরুদ্ধে কোনো আপিল করা যাইবে না, অথবা এইরূপ কোনো আদেশ বা ডিক্রি পুনর্বিবেচনার আবেদন করা যাইবে না।
-----------------------------------
Specific Relief Act, Section-9, Suit by person dispossessed of immoveable property: If any person is dispossessed without his consent of immoveable property otherwise than in due course of law, he or any person claiming through him may, by suit recover possession thereof, notwithstanding any other title that may be set up in such suit.
Nothing in this section shall bar any person from suing to establish his title to such property and to recover possession thereof.
No suit under this section shall be brought against the Government.
No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.

৬,০২৫.
তামাদি আইন অনুসারে শ্রমিকের মজুরীর জন্য মামলা করার তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৭ বিধান গৃহ-ভৃত্য কারিগর বা শ্রমিকের মজুরীর জন্য মামলা করার তামাদি মেয়াদ, যখন মজুরী বকেয়া হয় তখন থেকে ১ বছর।

- অর্থাৎ শ্রমিকের মজুরীর জন্য মামলা করার তামাদি মেয়াদ ১ বছর।
৬,০২৬.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৫ ধারায় জীবিত ব্যক্তি বলতে বোঝাবে-
  1. ব্যক্তি সমষ্টিকে
  2. কোম্পানিকে
  3. সমিতিকে
  4. উল্লিখিত সকলকে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলকে
ব্যাখ্যা
ধারা ৫- "সম্পত্তি হস্তান্তর" সংজ্ঞায়িত

পরবর্তী ধারাসমূহে "সম্পত্তি হস্তান্তর" বলতে একটি কাজকে বুঝায়, যা দ্বারা কোন জীবিত ব্যক্তি বর্তমানে বা ভবিষ্যতে কোন সম্পত্তি অন্য এক বা একাধিক জীবিত ব্যক্তিকে বা নিজেকে বা নিজেকে এবং এক বা একাধিক জীবিত ব্যক্তিকে হস্তান্তর করে এবং সম্পত্তি হস্তান্তর করা বলতে এরূপ কাজ সম্পন্ন করাকে বুঝায়।

এই ধারায় "জীবিত ব্যক্তি" বলতে বিধিবদ্ধ বা বিধিবদ্ধ নয় এরূপ কোম্পানি, সমিতি বা ব্যক্তি সমষ্টিকে বুঝাবে, কিন্তু এই আইনের কোন বিধান কোম্পানি, সমিতি বা ব্যক্তি সমষ্টি দ্বারা বা তাদের নিকট সম্পত্তি হস্তান্তর সম্পর্কে বর্তমান বলবৎ অন্য কোন আইনকে প্রভাবিত করবে না।

Section 5: "Transfer of property" defined

In the following sections "transfer of property" means an act by which a living person conveys property, in present or in future, to one or more other living persons, or to himself, or to himself and one or more other living persons; and "to transfer property" is to perform such act.

In this section "living person" includes a company or associations or body of individuals, whether incorporated or not, but nothing herein contained shall affect any law for the time being in force relating to transfer of property to or by companies, associations or bodies of individuals.
৬,০২৭.
আরজিতে উল্লেখিত প্রতিটি অভিযোগ যদি বিবাদী চাতুরীপূর্ণভাবে অস্বীকার করে, তাহলে এর ফলাফল কী হবে?
  1. মিথ্যা বলে গণ্য হবে
  2. স্বীকার করা হয়েছে বলে গণ্য হবে
  3. অনির্ণীত আছে বলে গণ্য হবে
  4. অস্বীকার করা হয়েছে বলে গণ্য হবে
সঠিক উত্তর:
স্বীকার করা হয়েছে বলে গণ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বীকার করা হয়েছে বলে গণ্য হবে
ব্যাখ্যা
• আদেশ-৮, বিধি-৩: সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার-
ক্ষতিপূরণ ব্যতীত আরজিতে উল্লেখিত প্রতিটি অভিযোগ বিবাদী তার লিখিত জবাবে সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করবে, তা নাহলে বিবাদী তা স্বীকার করেছে বলে গণ্য হবে। অর্থাৎ বিবাদী তার লিখিত জবাবে বাদীর দাবি চাতুরীপূর্ণভাবে অস্বীকার করবে না। যদি বিবাদী আরজির কোন বিষয় চাতুরীপূর্ণভাবে অস্বীকার করেন, তবে তা স্বীকার করেছেন বলেই ধরে নেওয়া হবে।

[Denial to be specific-
It shall not be sufficient for a defendant in his written statement to deny generally the grounds alleged by the plantiff, but the defendant must deal specifically with each allegation of fact of which he does not admit the truth, except damages.]
৬,০২৮.
No _____ or _____ shall lie against any order or decree passed by the Court in pursuance of settlement between the parties under Section 89A of The Code of Civil Procedure,1908.
  1. appeal, review
  2. review, revision
  3. appeal, revision
  4. None of above
সঠিক উত্তর:
appeal, revision
উত্তর
সঠিক উত্তর:
appeal, revision
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধিতে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির দুটি (২) পন্থা বর্ণিত হয়েছে
১- মধ্যস্থতা (Mediation) 
২- সালিশী (Arbitration)

সাধারন নিয়মসমূহ-

⇒ মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে। অর্থাৎ সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে।মধ্যস্থতার ফি পক্ষগণ নির্ধারণ করবে। যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন,২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

⇒ মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বেচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে। অর্থাৎ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে।

⇒ সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে। উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারী করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন চলবে না। 

Section 89A(12):
No appeal or revision shall lie against any order or decree passed by the Court in pursuance of settlement between the parties under this section.
৬,০২৯.
দেওয়ানী কার্যবিধি ৫৮ ধারা অনুসারে ৬ সপ্তাহের বেশি আটক রাখা যাবে না যদি অর্থ পরিশোধের পরিমাণ _________ হয়।
  1. ৫০ টাকার বেশি
  2. ৫০ টাকার কম
  3. ৫০০ টাকার কম
  4. ১০০ টাকার কম
সঠিক উত্তর:
৫০ টাকার কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০ টাকার কম
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ৫৮ ধারার বিধান আটক ও মুক্তি:
 ৫০ টাকার বেশি পরিশোধের ডিক্রির ক্ষেত্রে ৬ মাসের বেশি দেওয়ানি জেলে আটক রাখা যাবে না; এবং
 ৫০ টাকার কম হলে সে ক্ষেত্রে ৬ সপ্তাহের বেশি আটক রাখা যাবে না।
 যে ডিক্রি জারিতে ডিক্রি দায়িক আটক থেকে মুক্তি পেয়েছেন, সেই বিষয়ে তাকে পুনরায় গ্রেফতার করা যাবে না।
____________
Section 58. Detention and release:
(1) Every person detained in the civil prison in execution of a decree shall be so detained,- 
(a) where the decree is for the payment of a sum of money exceeding fifty Taka, for a period of six months, and, 
(b) in any other case for a period of six weeks: 
Provided that he shall be released from such detention before the expiration of the said period of six months or six weeks, as the case may be,- 
(i) on the amount mentioned in the warrant for his detention being paid to the officer in charge of the civil prison, or 
(ii) on the decree against him being otherwise fully satisfied, or 
(iii) on the request of the person on whose application he has been so detained, or 
(iv) on the omission by the person, on whose application he has been so detained, to pay subsistence allowance: 
Provided, also, that he shall not be released from such detention under clause (ii) or clause (iii), without the order of the Court. 
 
(2) A judgment-debtor released from detention under this section shall not merely by reason of his release be discharged from his debt, but he shall not be liable to be re-arrested under the decree in execution of which he was detained in the civil prison.
৬,০৩০.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোন ধারায় গ্রেফতার ও আটকের বিষয়ে বিধান আছে?
  1. ৫৪ ধারা
  2. ৫৫ ধারা
  3. ৫৭ ধারা
  4. ৫৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৫ ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৫৫ ধারা অনুযায়ী যখন কোন ব্যক্তিকে যে কোন দিনে ডিক্রী জারীর জন্য সাব্যস্ত দেনাদারকে গ্রেফতার করা যাবে ও দেওয়ানী কারাগারে আটক রাখা যাবে।
• আটক ২ প্রকার- (১) আইনী আটক (২) বেআইনী আটক।
•আইনী আটক আবার ২ প্রকার যথা- (১) নিবারন মূলক আটক (২) শাস্তি মূলক আটক।

• কোন দেনাদারকে গ্রেফতার করার জন্য কোন বাসগৃহে সূর্যাস্তের পর এবং সূর্যোদয়ের পূর্বে প্রবেশ করা যাবে না।
• উল্লেখ্য যে, কোন মহিলাকে আটক করা যাবে না।
-------------
দেওয়ানী কার্যবিধির ৫৫ ধারার বিধান গ্রেফতার ও আটক: ডিক্রি জারির জন্য কোন ডিক্রি দায়িককে যে কোন সময় এবং যে কোন দিনে গ্রেফতার করা যাবে এবং দেওয়ানি কারাগারে তাকে আটক রাখা যাবে। তবে উক্ত ব্যক্তিকে আটক করার জন্য-
- সূর্যাস্তের পর ও সূর্যোদয়ের পূর্বে কোন বাসগৃহে প্রবেশ করা যাবে না;
- কোন বাসগৃহের দরজা ভেঙ্গে ফেলা যাবে না;
- কোন বাসগৃহে কোন মহিলা থাকলে, উক্ত মহিলাকে সরে যাওয়ার জন্য উপযুক্ত সময় ও সুযোগ প্রদান না করে প্রবেশ করা যাবে না।

তবে শর্ত থাকে যে, অর্থ পরিশোধের ডিক্রিতে ডিক্রি দায়িককে গ্রেফতার করার পর ডিক্রি দায়িক ডিক্রির টাকা ও গ্রেফতারের খরচ গ্রেফতারকারী কর্মকর্তাকে প্রদান করলে উক্ত কর্মকর্তা দায়িককে অবিলম্বে মুক্তি দিবে। এছাড়া ডিক্রি দায়িক দেউলিয়া হলে তাকে মুক্তি দেয়া যাবে।
৬,০৩১.
দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারা অনুযায়ী, দস্যুতায় কোন অপরাধগুলো সংঘটিত হয়?
  1. খুন অথবা নরহত্যা
  2. চুরি অথবা বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়
  3. অপহরণ অথবা জীবননাশক অপরাধ
  4. ধর্ষণ অথবা রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা
সঠিক উত্তর:
চুরি অথবা বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুরি অথবা বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) চুরি অথবা বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়। 
⇒দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারা অনুযায়ী, “In all robbery there is either theft or extortion.”
- অর্থাৎ, প্রত্যেক দস্যুতার ভিতরে চুরি (Theft) বা বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় (Extortion) – এ দুই অপরাধের যেকোনো একটি অবশ্যই বিদ্যমান থাকে।
- তবে দস্যুতাকে স্বতন্ত্র অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়, যখন চুরি বা বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সময় আশু মৃত্যু, গুরুতর আঘাত, বা অবৈধ আটকের ভয় সৃষ্টি করা হয় বা সে উদ্দেশ্যে কোনো শারীরিক উপায় অবলম্বন করা হয়।
- তাই, দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারার আওতায় দস্যুতা বলতে বোঝায়, চুরি বা বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সেই রূপ, যেখানে ভুক্তভোগীকে অবিলম্বে শারীরিক ক্ষতির ভয় দেখানো হয়।
 
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারার বিধান দস্যুতা:- প্রত্যেক দস্যুতায় হয় চুরি, না হয় বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের অপরাধ সংঘটিত হয়।
যেক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:- চুরি করার উদ্দেশ্যে, অথবা চুরি করতে, কিংবা চুরিতে লব্ধ সম্পত্তি বহন বা বহনের উদ্যোগ কালে, অপরাধকারী তদুদ্দেশ্যে ইচ্ছাপূর্বক কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় বা তাকে আঘাতদান করে তাকে অন্যায় ভাবে আটক করে বা করার উদ্যোগ করে, বা তাকে তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা তাৎক্ষণিক আঘাত বা তাৎক্ষণিক অবৈধ আটকের ভীতি প্রদর্শন করে বা করার উদ্যোগ করে, তা হলে উক্ত চুরি হচ্ছে 'দস্যুতা'।
বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় যেক্ষেত্রে দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:- বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সময় অপরাধী- যে ব্যক্তিকে ভয়ে বিহ্বল করা হয়েছে, সে ব্যক্তির বা অন্য কোন ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আশু আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করলে, এবং এইভাবে যে ব্যক্তিকে ভয়ে অভিভূত করা হয়েছে, সে ব্যক্তিকে তখন বলপূর্বক আদায়কৃত বস্তুটি অর্পণে বাধ্য করলে, বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় 'দস্যুতা' বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা:- অপরাধী অন্য ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করার পক্ষে যথেষ্ট নিকটে থাকলে সে হাজির বলে পরিগণিত হবে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section: 390- Robbery: In all robbery there is either theft or extortion:
When theft is robbery:
Theft is "robbery" if, in order to the committing of the theft, or in committing the theft, or in carrying away or attempting to carry away property obtained by the theft, the offender, for that end, voluntarily causes or attempts to cause to any person death or hurt or wrongful restraint, or fear of instant death or of instant hurt, or of instant wrongful restraint.
When extortion is robbery:
Extortion is “robbery” if the offender, at the time of committing the extortion, is in the presence of the person put in fear, and commits the extortion by putting that person in fear of instant death, instant hurt, or of instant wrongful restraint to that person, or to some other person, and, by so putting in fear, induces the person so put in fear then and there to deliver up the thing extorted.
-Explanation:- The offender is said to be present if he is sufficiently near to put the other person in fear of instant death, of instant hurt, or of instant wrongful restraint.
৬,০৩২.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২-এর কোন ধারায় প্রতীয়মান মালিক কর্তৃক সম্পত্তির হস্তান্তর সংক্রান্ত বিধান দেয় আছে?
  1. ৪১ ধারায়
  2. ৪৩ ধারায়
  3. ৪৫ ধারায়
  4. ৪৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১ ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২-এর ধারা ৪১-এর শিরোনামই হলো "Transfer by ostensible owner" অর্থাৎ "প্রতীয়মান মালিক কর্তৃক হস্তান্তর"। এই ধারায় স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান মালিকের হস্তান্তর সংক্রান্ত বিধান দেওয়া হয়েছে।

⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৪১ ধারার বিধান: প্রতীয়মান মালিক কর্তৃক হস্তান্তর: যখন কোন ব্যক্তি, স্থাবর সম্পত্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিগণের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্মতিক্রমে, ঐ সম্পত্তির প্রতীয়মান মালিক বলে পরিগণিত হয় এবং মূল্যের বিনিময়ে সে তা হস্তান্তর করে, তখন তার হস্তান্তরের ক্ষমতা নির্ধারণের জন্য গৃহীত যুক্তিসঙ্গত সাবধানতা গ্রহণ করে থাকলে এবং সরল বিশ্বাসে কার্য করে থাকলে, দাতার হস্তান্তরের ক্ষমতা ছিল না, এই যুক্তিতে হস্তান্তর বাতিলযোগ্য হবে না।
---------------- 
⇒ The Transfer of Property Act, 1882 Section 41. Transfer by ostensible owner:
 - Where, with consent, express or implied, of the persons interested in immoveable property, a person is the ostensible owner of such property and transfers the same for consideration, the transfer shall not be voidable on the ground that the transferor was not authorised to make it: provided that the transferee, after taking reasonable care to ascertain that the transferor had power to make the transfer, has acted in good faith.

৬,০৩৩.
পণ্য বন্ধক রেখে যে ব্যক্তি ঋণের নিরাপত্তা প্রদান করেন, তাকে কী বলা হয়?
  1. Bailee
  2. Pawnor
  3. Pawnee
  4. Mortgagee
সঠিক উত্তর:
Pawnor
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Pawnor
ব্যাখ্যা
সংজ্ঞা (ধারা ১৭২):
Pledge (অঙ্গীকার বন্ধক):
যখন কোনো সম্পদ (পণ্য) ঋণ পরিশোধ বা কোনো প্রতিশ্রুতি পূরণের নিরাপত্তা হিসেবে কাউকে হস্তান্তর করা হয়, তাকে Pledge বলে।

Pawnor (অঙ্গীকারদাতা):
যে ব্যক্তি ঋণের নিরাপত্তা দিতে গিয়ে পণ্য হস্তান্তর করে, সে হল Pawnor।

Pawnee (অঙ্গীকারগ্রহীতা):
যে ব্যক্তি ঐ পণ্য গ্রহণ করে, সে হল Pawnee।
৬,০৩৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন খণ্ডে "বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি" পদ্ধতি উল্লেখ আছে?
  1. দ্বিতীয় খণ্ড
  2. পঞ্চম খণ্ড
  3. সপ্তম খণ্ড
  4. একাদশ খণ্ড
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম খণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম খণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ "বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি" (Alternative Dispute Resolution – ADR) বিষয়ক বিধানসমূহ দেওয়ানি কার্যবিধির পঞ্চম খণ্ডে (Part V) অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
- এই খণ্ডের অধীনে ধারা ৮৯B থেকে ৮৯E পর্যন্ত সালিশি ও মধ্যস্থতা সংক্রান্ত বিধান রয়েছে, যা আদালতের বাইরে বিরোধ নিষ্পত্তির একটি ব্যবস্থা প্রদান করে।
- এই ধারাগুলোর মূল উদ্দেশ্য হলো মামলা দীর্ঘায়িত না করে দ্রুত, সহজ ও আপোষযোগ্য পদ্ধতিতে বিরোধ নিষ্পত্তি করা, যাতে আদালতের ওপর মামলার চাপ কমে এবং পক্ষগণ নিজেদের মধ্যে সমাধানে পৌঁছাতে পারে।

উল্লেখযোগ্য ধারা:
ধারা ৮৯A: আদালতের মধ্যস্থতা বা নিযুক্ত মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির প্রচেষ্টা।
ধারা ৮৯B: সালিশির মাধ্যমে নিষ্পত্তির জন্য মামলা প্রত্যাহারের অনুমতি।
ধারা ৮৯C: আপিল পর্যায়ে মধ্যস্থতা।
ধারা ৮৯D ও ৮৯E: পূর্বের মামলাগুলোর জন্য ও কার্যকর তারিখ নির্ধারণ সংক্রান্ত বিধান।
৬,০৩৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৪২ অনুযায়ী, নিচের কোনটি ঘোষণামূলক মোকদ্দমার বিষয়বস্তু হতে পারে না?
  1. আইনগত পরিচয়
  2. জরিমানা আদায়
  3. উত্তরাধিকার সনাক্তকরণ
  4. সম্পত্তিতে স্বত্বের অধিকার
সঠিক উত্তর:
জরিমানা আদায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জরিমানা আদায়
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) জরিমানা আদায়।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭–এর ধারা ৪২ অনুযায়ী, ঘোষণামূলক মোকদ্দমা (Declaratory Suit) দায়ের করা যায় যদি–❝কোন ব্যক্তি তার আইনগত পরিচয় (legal character) অথবা সম্পত্তিতে স্বত্বের অধিকার (right to any property) অস্বীকার করা হচ্ছে অথবা অস্বীকার করার ঝুঁকি রয়েছে।❞
এই অবস্থায়, আদালতের কাছে সে ব্যক্তি আবেদন করতে পারেন যাতে আদালত তার আইনগত অধিকার বা পরিচয় ঘোষণা করে।

→ তাই, নিচের বিষয়গুলো ঘোষণামূলক মোকদ্দমার উপযুক্ত বিষয়বস্তু হতে পারে:
(ক) আইনগত পরিচয়: ধারা ৪২ স্পষ্টভাবে এটার অনুমতি দেয়।
(গ) উত্তরাধিকার সনাক্তকরণ: এটা আইনগত পরিচয় বা সম্পত্তির অধিকার সংশ্লিষ্ট, তাই এখানে ঘোষণামূলক ডিক্রি চাওয়া যেতে পারে।
(ঘ) সম্পত্তিতে স্বত্বের অধিকার: এটাও ধারা ৪২-এর সরাসরি স্বীকৃত একটি ক্ষেত্র।

→ কিন্তু, (খ) জরিমানা আদায়: - এটি ঘোষণামূলক ডিক্রির উদ্দেশ্য নয়। জরিমানা আদায় একটি বাধ্যতামূলক প্রতিকার (compensatory or penal remedy), যা দণ্ডমূলক বা প্রশাসনিক কার্যক্রমের অংশ হতে পারে, কিন্তু এটি ব্যক্তির "আইনগত পরিচয়" বা "স্বত্বের ঘোষণা"র বিষয় নয়। তাই এটি ধারা ৪২-এর আওতায় আসে না।

অর্থাৎ ঘোষণামূলক মোকদ্দমা হলো কারও অস্বীকৃত আইনগত অধিকার বা পরিচয় নির্ধারণের জন্য। জরিমানা আদায় অর্থনৈতিক ক্ষতিপূরণ বা শাস্তির বিষয়, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রসঙ্গ।

৬,০৩৬.
"nemo debet bis vexari" নীতির অর্থ কী?
  1. কাউকে দণ্ডিত করা উচিত নয়
  2. একজন ব্যক্তিকে শুধুমাত্র প্রথমবার কঠোরভাবে দণ্ডিত করা উচিত
  3. একজন ব্যক্তিকে অবশ্যই মুক্তি দিতে হবে
  4. একজন ব্যক্তিকে দ্বিতীয়বার একই অপরাধের জন্য বিচার করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
একজন ব্যক্তিকে দ্বিতীয়বার একই অপরাধের জন্য বিচার করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একজন ব্যক্তিকে দ্বিতীয়বার একই অপরাধের জন্য বিচার করা যাবে না
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৩ ধারায় বলা হয়েছে, একবার দন্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য পুনরায় বা দ্বিতীয়বার বিচার করা যাবে না [person once convicted or acquitted not to be tried for same offence twice]। ৪০৩ ধারা [nemo debet bis vexari] নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত যার অর্থ হলো কোন ব্যক্তিকে দ্বিতীয় বারের জন্য বিচারাধীন করা যাবে না যার জন্য তাকে একবার বিচার করা হয়েছিল।

এক্ষেত্রে তিনটি শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হবে-
১. অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে যে অপরাধের চার্জ করা হয়েছে তাকে সেই অপরাধের জন্য বিচার করতে
২. উক্ত বিচার অবশ্যই এখতিয়ারসম্পন্ন কোন আদালত কর্তৃক হতে হবে
৩. বিচারে অবশ্যই খালাসের [Acquittal] বা দণ্ডের [Conviction] আদেশ থাকতে হবে।

দোবারা সাজা নীতি প্রযোজ্য হবে না-
১. অভিযোগ খারিজ করে যদি কোন ব্যক্তিকে অব্যাহতি দেওয়া হয় বা
২. ২৪৯ ধারার অধীন মামলার প্রক্রিয়া বন্ধ করে যদি কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়া হয় বা
৩. কোনো আসামীকে অব্যাহতি দেয়া হলে।
৬,০৩৭.
বেআইনী সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার নির্দেশ জানার পরও তাতে যোগদান করলে কতদিনের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৬ মাস পর্যন্ত
  2. ১ বছর পর্যন্ত
  3. ২ বছর পর্যন্ত
  4. ৩ বছর পর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
২ বছর পর্যন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৪৫ ধারা: বেআইনী সমাবেশকে ছত্রভঙ্গ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জানা সত্ত্বেও উহাতে যোগদান করা অথবা উহাতে থেকে যাওয়া:
কোন বেআইনী সমাবেশকে আইন-নির্দেশিত পদ্ধতিতে ছত্রভঙ্গ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা সত্ত্বেও কোন ব্যক্তি উক্ত বেআইনী সমাবেশে যোগদান করলে বা উক্ত বেআইনী সমাবেশে থাকলে, তাকে দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে।

Section 145- Joining or continuing in unlawful assembly, knowing it has been commanded to disperse:
Whoever joins or continues in an unlawful assembly, knowing that such unlawful assembly has been commanded in the manner prescribed by law to disperse, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৬,০৩৮.
‘ক’ রাতের বেলায় ‘খ’-কে হত্যা করার উদ্দেশ্যে তার বসতঘরে অনধিকার প্রবেশ করে। হত্যাকাণ্ড সংঘটিত না হলেও তার প্রবেশের উদ্দেশ্য প্রমাণিত হয়। ‘ক’-এর বিরুদ্ধে কোন ধারা প্রযোজ্য হবে?
  1. ধারা ৪৫২
  2. ধারা ৪৫১
  3. ধারা ৪৫০
  4. ধারা ৪৪৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৪৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৪৯
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ৪৪৯ – মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ সংঘটনের জন্য গৃহে অনধিকার প্রবেশ:
যে ব্যক্তি কোনো ঘর, গৃহ বা ভবনে অনধিকার প্রবেশ করে, সেই প্রবেশের উদ্দেশ্য থাকে কোনো মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ (offence punishable with death) সংঘটন করা, তাকে এই ধারার আওতায় শাস্তিযোগ্য করা হয়েছে।

শাস্তি
- যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life) অথবা
- সশ্রম কারাদণ্ড (Rigorous imprisonment) সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত, এবং
- অর্থদণ্ড (Fine) প্রযোজ্য।

৬,০৩৯.
দণ্ডবিধির কত ধারায় জীবন বিপন্নকারী মারাত্মক রোগের সংক্রমণ বিস্তারে অবহেলামূলক কার্যের শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ২৬৮
  2. ধারা ২৬৯
  3. ধারা ২৭০
  4. ধারা ২৭১
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬৯
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর ধারা ২৬৯–এ বলা হয়েছে যে, যদি কেউ বেআইনীভাবে বা অবহেলামূলকভাবে এমন কোনো কাজ করে যা জীবন বিপন্নকারী মারাত্মক রোগের সংক্রমণ ছড়াতে পারে, এবং সে জানে বা বিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণ থাকে যে তার কাজের ফলে সংক্রমণ ঘটতে পারে, তবে তাকে সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে।
-  তাই সঠিক উত্তর হলো: খ) ধারা ২৬৯।

⇒ দণ্ডবিধির ২৬৯ ধারার বিধান:  জীবন বিপন্নকারী মারাত্মক রোগের সংক্রমণ বিস্তার করতে পারে এবং অবহেলামূলক কার্য :- কোন ব্যক্তি যদি বেআইনীভাবে বা অবহেলামূলকভাবে এমন কোন কার্য করে যা জীবন বিপন্নকারী মারাত্মক কোন রোগের সংক্রমণ ছড়াতে পারে, তা জানা সত্ত্বেও বা বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তা করে, তবে-সেই ব্যক্তি ছয়মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860-Section 269. Negligent act likely to spread infection of disease dangerous to life:- Whoever unlawfully or negligently does any act which is, and which he knows or has reason to believe to be, likely to spread the infection of any disease dangerous to life, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine, or with both.

৬,০৪০.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে cross-examination এ কোন ধরনের প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যায়?
  1. সাক্ষীর সত্যতা পরীক্ষা করার জন্য প্রশ্ন
  2. সাক্ষীর পরিচয় ও জীবনযাত্রা সম্পর্কিত প্রশ্ন
  3. সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষুণ্ন করার জন্য প্রশ্ন
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৪৬ অনুসারে, জেরায় (Cross-examination) সাক্ষীকে এমন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যায় যা নিম্নলিখিত উদ্দেশ্যে সহায়ক হয়: 
সাক্ষীর সত্যতা পরীক্ষা করার জন্য প্রশ্ন (ক): জেরায় একটি প্রধান উদ্দেশ্য হলো সাক্ষীর সাক্ষ্যের সত্যতা যাচাই করা। এটি সাক্ষীর দেওয়া তথ্যের সঠিকতা বা নির্ভরযোগ্যতা পরীক্ষা করার জন্য প্রশ্ন জিজ্ঞাসার মাধ্যমে করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, সাক্ষীর দেওয়া বিবৃতির সাথে তার পূর্বের বিবৃতি বা অন্য প্রমাণের অসঙ্গতি খুঁজে বের করা।
সাক্ষীর পরিচয় ও জীবনযাত্রা সম্পর্কিত প্রশ্ন (খ): জেরায় সাক্ষীর পরিচয়, পেশা, সামাজিক অবস্থান বা জীবনযাত্রা সম্পর্কিত প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যায় যাতে তার প্রেক্ষাপট বোঝা যায়। এটি সাক্ষীর সাক্ষ্যের পটভূমি বা বিশ্বাসযোগ্যতা মূল্যায়ন করতে সহায়ক হয়।
সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষুণ্ন করার জন্য প্রশ্ন (গ): জেরায় এমন প্রশ্ন করা যায় যা সাক্ষীর চরিত্র বা বিশ্বাসযোগ্যতার উপর প্রশ্ন তুলতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, সাক্ষীর পূর্বের অপরাধের রেকর্ড বা পক্ষপাতমূলক আচরণ সম্পর্কে প্রশ্ন করা যেতে পারে। তবে, ধারা ১৪৬-এর প্রোভাইসো অনুসারে, ধর্ষণ বা ধর্ষণের চেষ্টার মামলায় সাক্ষীর সাধারণ নৈতিক চরিত্র বা পূর্বের যৌন আচরণ সম্পর্কিত প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যায় না, যদি না আদালতের অনুমতি থাকে এবং তা ন্যায়ের স্বার্থে প্রয়োজনীয় বলে বিবেচিত হয়।

অর্থাৎ জেরায় সাক্ষীর সত্যতা পরীক্ষা, তার পরিচয় ও জীবনযাত্রা সম্পর্কে জানা এবং বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষুণ্ন করার জন্য প্রশ্ন করা যায়। অতএব, সঠিক উত্তর হলো উপরের সবগুলো।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪৬ ধারার বিধান জেরায় আইনসঙ্গত প্রশ্ন: যখন সাক্ষীকে জেরা করা হয় তখন ইতিপূর্বে উল্লেখিত প্রশ্নসমূহ ছাড়াও এমন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে, যা দ্বারা:
১) তার সত্যবাদিতা পরীক্ষা করা যায়।
২) তার পরিচয় ও মর্যাদা জানা যায়, অথবা
৩) তার চরিত্রের প্রতি আঘাত করে তার বিশ্বাসযোগ্যতা সম্পর্কে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করা যায়, যদিও এরূপ প্রশ্নের উত্তরের দ্বারা তিনি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অপরাধের সাথে জড়িত হতে পারে অথবা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে তার দণ্ড বা বাজেয়াপ্তির সম্ভাবনা থাকে।
তবে শর্ত থাকে যে, ধর্ষণের অপরাধ বা ধর্ষণের চেষ্টার জন্য একটি মামলায়, দফা (৩) এর অধীনে ভিক্টিমের সাধারণ অনৈতিক চরিত্র বা পূর্ববর্তী যৌন আচরণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যাবে না:
আরও শর্ত থাকে যে, এই ধরনের প্রশ্ন শুধুমাত্র আদালতের অনুমতি নিয়েই জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে, যদি এটি ন্যায়বিচারের জন্য আদালতের কাছে প্রয়োজনীয় বলে মনে হয়।
----------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section-146. Questions lawful in cross-examination:
 When a witness is cross-examined, he may, in addition to the questions hereinbefore referred to, be asked any questions which tend –
(1) to test his veracity,
(2) to discover who he is and what is his position in life, or
(3) to shake his credit, by injuring his character, although the answer to such questions might tend directly or indirectly to criminate him or might expose or tend directly or indirectly to expose him to a penalty or forfeiture:
Provided that in a prosecution for an offence of rape or attempt to rape, no question under clause (3) can be asked in the cross-examination as to general immoral character or previous sexual behaviour of the victim:
Provided further that such question can only be asked with the permission of the Court, if it appears to the Court necessary for the ends of justice.

৬,০৪১.
মোকদ্দমা চলাকালীন সময়ে বিষয়বস্তু স্থিতিবস্থা বজায় রাখার জন্য আদালত কোন নিষেধাজ্ঞা প্রদান করিবেন?
  1. Prohibitory Injunction
  2. Mandatory Injunction
  3. Temporary Injunction
  4. Perpetual Injunction
সঠিক উত্তর:
Temporary Injunction
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Temporary Injunction
ব্যাখ্যা
⇒ নিষেধাজ্ঞা হল একটি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম যেখানে কোন পক্ষকে নির্দিষ্ট কোন কাজ করা বা করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়।
সহজ ভাষায় বলতে গেলে, কোনো কিছু করা হতে মামলার পক্ষগণকে বিরত রাখা বা মামলা করার পর কোনো পক্ষের করা কাজের জন্য পরিবর্তিত কোনো সম্পত্তিকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনাকে ইনজাংশন বা নিষেধাজ্ঞা বলে।
 
⇒  নিষেধাজ্ঞার প্রধানত দুই প্রকার হতে পারে। যথাক্রমে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ও অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা। স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অনন্তকালের জন্য চলতে পারে। মামলার রায় চূড়ান্ত আদেশ হওয়ার পর এই নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়।
 
⇒  মামলা চলাকালীন সময়ে বিবাদী যাতে মামলার বিষয়বস্তু হস্তান্তর বা কোন প্রকার রূপান্তর ঘটাতে না পারে সেই জন্য মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিবাদীকে এই কাজ হতে বিরত থাকার জন্য সাময়িকভাবে যে আদেশ দেয়া হয় তাকে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বলে।
 
⇒  দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৯ আদেশের বিধি-১ বা বিধি-২ অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার পিটিশন দাখিল করতে হয়।
 
⇒  অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রার্থনার সময় আবেদনকারীকে কিছু বিষয় প্রমাণ করতে হবে –
(১) আবেদনকারীকে অবশ্যই (Prima facie case) প্রমাণ করতে হবে। সংক্ষেপে বলতে গেলে মামলার গ্রহণযোগ্যতা প্রমাণ করতে হবে।
(২) আবেদনকারী আদালতকে এই মর্মে সন্তুষ্ট করবে যে অস্থায়ী নিষেধজ্ঞার আবেদন গ্রহণ করা না হলে অপূরণীয় ক্ষতি (Irreparable loss) হবার সম্ভাবনা আছে। যেখানে অপূরণীয় ক্ষতি বলতে সেই ক্ষতিকে বুঝাবে যা অর্থ দিয়ে পূরণ করা সম্ভব নয়।
(৩) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন গ্রহণ করার ক্ষেরে আদালত (The balance of convenience and inconvenience of the Parties) বিবেচনা করেন। তাই আবেদনকারীকে সুবিধা এবং অসুবিধার ভারসাম্য আদালতে উপস্থাপন করতে হবে।
(৪) জনস্বার্থে আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করা যায়। যা সাধারণত সরকারের বিপক্ষে করা হয়। সেই ক্ষেত্রে জনস্বার্থ (Public interest) বিষয়টি কার্যকর ভাবে উপস্থাপন করতে হবে।
 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫৩ ধারার মতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:-অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হচ্ছে তেমন নিরোধ যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোন পর্যায়েই তা মঞ্জুর করা যায় এবং তা দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়।
 
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবলমাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়। যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।
--------- 
⇒ Section 53 Temporary injunctions: Temporary injunctions are such as are to continue until a specified time, or until the further order of the Court. They may be granted at any period of a suit, and are regulated by the Code of Civil Procedure.
 
Perpetual injunctions: A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit, the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.
৬,০৪২.
দণ্ডবিধির ১০০ ধারা মতে দেহ বা শরীরকে প্রতিরক্ষার জন্য কয়টি ক্ষেত্রে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায়?
  1. ৫ টি
  2. ৬ টি
  3. ৭ টি
  4. ৮ টি
সঠিক উত্তর:
৬ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ টি
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ১০০ ধারামতে দেহ বা শরীরকে প্রতিরক্ষার জন্য নিম্নলিখিত ৬টি ক্ষেত্রে আক্রমণকারীর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায়। যথা-
   (i) এমন আক্রমন যা মৃত্যু ঘটাতে পারে
   (ii) এমন আক্রমন যা গুরুতর আঘাত তৈরী করতে পারে
   (iii) ধর্ষণের ক্ষেত্রে
   (iv) অপ্রকৃত কাম লালসার ক্ষেত্রে
   (v) মনুষ্যহরণ বা অপহরণের চেষ্টা করলে
   (vi) আইনের আশ্রয় নিতে বাধা দিতে অবৈধভাবে আটক করলে
৬,০৪৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১১ ধারায় কাকে সম্পত্তির দখল হস্তান্তরের জন্য সুনির্দিষ্টভাবে বাধ্য করা যেতে পারে?
  1. অস্থাবর সম্পত্তির মালিককে
  2. স্থাবর সম্পত্তির স্বত্বাধিকারীকে
  3. অস্থাবর সম্পত্তির দখলকারীকে
  4. স্থাবর সম্পত্তির দখলকারীকে
সঠিক উত্তর:
অস্থাবর সম্পত্তির দখলকারীকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থাবর সম্পত্তির দখলকারীকে
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১১ ধারা: অব্যবহিত দখল লাভের অধিকারী ব্যক্তির নিকট থেকে দখল প্রদানের নিমিত্তে মালিক নয় এরূপ দখলকারী ব্যক্তির দায় দায়িত্ব:
যে সম্পত্তির মালিক সে নিজে নয়, এমন অস্থাবর সম্পত্তির কোন বিশেষ অংশের দখলকারী বা নিয়ন্ত্রণকারী ব্যক্তিকে নিম্নোক্ত যে কোন অবস্থাতে অবিলম্বিত দখল লাভের অধিকারী ব্যক্তির নিকট সেটি প্রদানার্থে সুনির্দিষ্টভাবে বাধ্য করা যেতে পারে-
(ক) যখন দাবীকৃত সম্পত্তি দাবিদারের জিম্মাদারের বা প্রতিনিধি হিসেবে প্রতিবাদীদের নিকট রয়েছে;
(খ) যখন দাবিকৃত বস্তুর ক্ষতি টাকার মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ দাবীদারের পর্যাপ্ত প্রতিকার করবে না;
(গ) যখন দাবীকৃত বস্তুর ক্ষতির কোন সাধিত যথার্থ ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হবে;
(ঘ) যখন দাবীকৃত বস্তুর দখল দাবিদারের নিকট হতে অন্যায়ভাবে হস্তান্তরিত করা হয়েছে।

Section 11- Liability of person in possession, not as owner to deliver to person entitled to immediate possession:
Any person having the possession or control of a particular article of moveable property, of which he is not the owner, may be compelled specifically to deliver it to the person entitled to its immediate possession, in any of the following cases:
(a) when the thing claimed is held by the defendant as the agent or trustee of the claimant;
(b) when compensation in money would not afford the claimant adequate relief for the loss of the thing claimed;
(c) when it would be extremely difficult to ascertain the actual damage caused by its loss;
(d) when the possession of the thing claimed has been wrongfully transferred from the claimant.
৬,০৪৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি ১২ক অনুসারে আপিলের শুনানিতে তিনবারের বেশি মুলতুবি করলে আদালত কত টাকা খরচ আরোপ করতে পারেন?
  1. সর্বনিম্ন ১০০ টাকা, অনধিক ৫০০ টাকা
  2. সর্বনিম্ন ২০০ টাকা, অনধিক ১০০০ টাকা
  3. সর্বনিম্ন ৫০০ টাকা, অনধিক ২০০০ টাকা
  4. সর্বনিম্ন ১০০০ টাকা, অনধিক ৫০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
সর্বনিম্ন ২০০ টাকা, অনধিক ১০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বনিম্ন ২০০ টাকা, অনধিক ১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ৪১ বিধি ১২ক(১) অনুসারে, আপিলের শুনানিতে তিনবারের বেশি মুলতুবি (Adjournment) মঞ্জুর করা হলে আদালত সংশ্লিষ্ট পক্ষকে সর্বনিম্ন ২০০ টাকা থেকে অনধিক ১০০০ টাকা খরচ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি ১২ক- আপিল মুলতুবি (Adjournment in appeal):
- আপিলের ক্ষেত্রে কোন পক্ষের অনুরোধে আপিল আদালত ৩ বারের অধিক সময় মঞ্জুর করবেন না ।
- ৩ বারের বেশি মুলতবি করলে আদালত সর্বনিম্ন ২০০ টাকা ও অনধিক ১০০০ টাকা খরচ অপর পক্ষকে প্রদানের নির্দেশ দিবেন।
- আপিলকারী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হলে- আপিল খারিজ হবে;
প্রতিবাদী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হলে- একতরফা নিষ্পত্তি হবে।

⇒ একতরফাভাবে কোন আপিল খারিজ বা নিষ্পত্তি করা হলে তা শুনানির জন্য পুনরুজ্জীবিত করতে হলে ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে এবং নূন্যতম ২০০ এবং অনধিক ১০০০ টাকা খরচ দিতে হবে। তবে খরচ সহ কয়টি মুলতুবি মঞ্জুর করা হবে তা উল্লেখ করা হয়নি।
⇒ কোন পক্ষ আপিল পুনরুজ্জীবিত করার সুযোগ একবারই পাবেন।

অর্থাৎ, যে পক্ষের খরচ প্রদানের ব্যর্থতায় আপিল খারিজ হয়েছে বা একতরফা নিষ্পত্তি হয়েছে, সে পক্ষ উক্ত আপিল পুনরুজ্জীবিত করার আবেদন করতে পারে খারিজ আদেশের ৩০ দিনের মধ্যে। আদালত সর্বনিম্ন ২০০ এবং অনধিক ১০০০ টাকা খরচ প্রদানের শর্তে প্রত্যেক পক্ষে সর্বোচ্চ একবার এরকম আবেদন মঞ্জুর করে থাকেন।
-------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-41 Rule-12A-Adjournment in appeal:
(1) The Appellate Court shall not grant more than three adjournments for hearing of an appeal at the instance of either party to the appeal, and any adjournment granted to a party beyond the aforesaid limit shall make such party liable to pay such cost which shall not be less than two hundred taka and more than one thousand taka to the other party as the Court may deem appropriate and determine, non-compliance with which, by the appellant shall render the appeal liable to be dismissed and, by the respondent shall render the appeal liable to be disposed of ex parte.

(2) An appeal dismissed or disposed of ex parte under sub-rule (1) shall not be revived for hearing unless the party, for whose non-compliance the appeal was dismissed or disposed of ex parte, makes, within thirty days of such dismissal or ex parte disposal, an application to the court for such revival; and upon such application being made, the Court shall award such cost as shall not be less than two hundred taka and more than one thousand taka as it may deem appropriate and determine, and the cost being deposited, the appeal shall be revived for hearing without any further proceeding; and the cost deposited in the Court shall be paid by it to the other party:
Provided that no appeal shall be revived more than once at the instance of the same party under this rule.

(3) The Appellate Court shall not, of its own, order any adjournment at the stage of hearing of appeal without recording reasons therefor.

৬,০৪৫.
What is stated as the basis of Bangalee nationalism in the constitution of Bangladesh?
  1. Economic prosperity
  2. Language and culture
  3. Unity and solidarity
  4. Historical struggle
সঠিক উত্তর:
Unity and solidarity
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Unity and solidarity
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: গ) Unity and solidarity

বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯ অনুযায়ী, বাঙালী জাতির একতা ও সংহতি (Unity and solidarity) হলো বাঙালি জাতীয়তাবাদের মূল ভিত্তি।

• অনুচ্ছেদ ৯: জাতীয়তাবাদ:
ভাষাগত ও সংস্কৃতিগত একক সত্তাবিশিষ্ট যে বাঙালী জাতি ঐক্যবদ্ধ ও সংকল্পবদ্ধ সংগ্রাম করিয়া জাতীয় মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অর্জন করিয়াছেন, সেই বাঙালী জাতির ঐক্য ও সংহতি হইবে বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি।

Article 9: Nationalism:
The unity and solidarity of the Bangalee nation, which, deriving its identity from its language and culture, attained sovereign and independent Bangladesh through a united and determined struggle in the war of independence, shall be the basis of Bangalee nationalism.

৬,০৪৬.
দণ্ডবিধির ৩৯৫ ধারায় কোন অপরাধের শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. ডাকাতি
  2. দস্যুতা
  3. খুনসহ ডাকাতি
  4. ডাকাতির প্রস্তুতির
সঠিক উত্তর:
ডাকাতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাকাতি
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৯৫ ধারা- ডাকাতির সাজা:
কোন ব্যক্তি যদি ডাকাতি করে, তবে উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।

Section 395⇒ Punishment for dacoity:
Whoever commits dacoity shall be punished with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
৬,০৪৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির অধীনে কী কী বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান করা হয়?
  1. দেওয়ানি মামলার পদ্ধতিগত নিয়ম
  2. রায় এবং ডিক্রি কীভাবে কার্যকর করা হয়
  3. আপিল, রিভিশন এবং রিভিউ করার নিয়ম
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ সালের ৫ নং আইন।
→ The Code of Civil Procedure, 1908 (ACT NO. V OF 1908)
→ ১৮৫৯ সালে প্রথমবারের মতো সিভিল কোড সংক্রান্ত পদ্ধতিগত আইন বিধিবদ্ধ (codified) করা হয়।
→ বর্তমান দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ সালের ২১ মার্চ পাস হয় এবং ১৯০৯ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়।
→ দেওয়ানি কার্যবিধি (Civil Procedure Code) একটি পদ্ধতিগত আইন, যা দেওয়ানি মামলার বিচার ও নিষ্পত্তির জন্য নির্দিষ্ট নিয়মকানুন নির্ধারণ করে।
→ এই আইনে দেওয়ানি আদালত ও মামলার পক্ষগণের জন্য প্রয়োজনীয় বিধি-বিধান উল্লেখ করা হয়েছে, যা মামলার কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা প্রদান করে।

এর মাধ্যমে জানা যায়:
- কীভাবে মামলা দায়ের করতে হয়।
- মামলার আবেদন বা জবাব কীভাবে দিতে হয়।
- কীভাবে সমন (জবানবন্দি বা উপস্থিতির আদেশ) জারি করতে হয়।
- কীভাবে আদালতে শুনানি হয়।
- রায় এবং ডিক্রি (আদালতের আদেশ) কীভাবে ঘোষণা এবং কার্যকর করা হয়।
- আপিল, রিভিশন এবং রিভিউ করার নিয়ম।
- অর্থাৎ দেওয়ানি মামলার প্রতিটি ধাপে আইনসম্মত পদ্ধতি অনুসরণ করার জন্য দিকনির্দেশনা দেয়।
৬,০৪৮.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৯০ অনুসারে, পুরাতন দলিল সম্পর্কে অনুমান কার্যকর হতে হলে দলিলটি কোথা থেকে দাখিল করা উচিত?
  1. পুলিশের নিকট থেকে
  2. আদালতের রেজিস্ট্রি থেকে
  3. যেকোনো ব্যক্তির কাছ থেকে
  4. সঠিক বা উপযুক্ত হেফাজত থেকে
সঠিক উত্তর:
সঠিক বা উপযুক্ত হেফাজত থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সঠিক বা উপযুক্ত হেফাজত থেকে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৯০ (Section 90: Presumption as to documents thirty years old) অনুযায়ী, আদালত তখনই একটি ৩০ বছর বা ততোধিক পুরাতন দলিলের স্বাক্ষর ও সত্যতা সম্পর্কে অনুমান করতে পারে, যদি দলিলটি "উপযুক্ত হেফাজত" (proper custody) থেকে আদালতে উপস্থাপিত হয়।
 মূল বক্তব্য: “...is produced from any custody which the Court in the particular case considers proper…”
- অর্থাৎ দলিলটি যেখানে থাকার কথা, সেখানেই যদি থাকে এবং সেখান থেকে আদালতে পেশ করা হয়, তাহলে সেই হেফাজতকে "উপযুক্ত হেফাজত" বলা হয়।
- যদি দলিলটি এমন কারো কাছ থেকে আসে যার কাছে থাকাটা অস্বাভাবিক, তাহলে আদালত প্রথমে খতিয়ে দেখবে, সেখানে থাকার যুক্তিসঙ্গত কারণ আছে কি না।
- কিন্তু, যদি একটি দলিল কোনো অপ্রাসঙ্গিক বা সন্দেহজনক সূত্র থেকে পাওয়া যায়, তখন আদালত সেটিকে উপযুক্ত হেফাজত হিসাবে গণ্য নাও করতে পারে।

→ অতএব, আদালতের অনুমান কার্যকর হতে হলে দলিলটি অবশ্যই উপযুক্ত বা সঠিক হেফাজত থেকে দাখিল করা উচিত—যেমনটা ধারা ৯০ স্পষ্টভাবে বলে।
৬,০৪৯.
নিম্নের কোনটি 'Principle of Estoppel' সম্পর্কে সঠিক নয়?
  1. এটি সংবিধিবদ্ধ আইনের বিরুদ্ধে কাজ করে না
  2. এটি আইনগত বিষয়ে প্রযোজ্য নয়
  3. এটির জন্য প্রতারণামূলক অভিপ্রায় আবশ্যক নয়
  4. এটি দ্ব্যর্থবোধক হতে পারে
সঠিক উত্তর:
এটি দ্ব্যর্থবোধক হতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি দ্ব্যর্থবোধক হতে পারে
ব্যাখ্যা
♦ ধারা-১১৫: স্বকার্যজনিত বাধা বা প্রতিবন্ধক (Estoppel) - সাক্ষ্য আইনে estoppel শব্দটি বহুল পরিচিত। সাধারণতঃ স্বকার্যজনিত বাধা বা Estoppel হচ্ছে যা একবার স্বীকার করে নেয়া হয় তা পরবর্তীতে অস্বীকার করার বাধা। অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের যে নীতি কোন ব্যক্তিকে তার পূর্বে প্রদত্ত কোন বক্তব্যকে পরবর্তীতে অস্বীকার করতে বিরত রাখে তা Estoppel বা প্রতিবন্ধক বা স্বকার্যজনিত বাধা নামে পরিচিত। মূলতঃ কোন ব্যক্তির পরষ্পর বিরোধী বক্তব্য গ্রহণীয় নয়, এটাই এস্টপলের মূলনীতি। অর্থাৎ Principle of Estoppel দ্ব্যর্থবোধক হতে পারে না।

♦ সাক্ষ্য আইনের ১১৫, ১১৬ ও ১১৭ ধারায় এস্টপেল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। এছাড়াও সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮ ধারায় এবং সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৪৩ ধারায় Estoppel সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
সাক্ষ্য আইনের ১১৫ ধারায় বলা হয়েছে যখন কোন ব্যক্তি তার ঘোষনা, কাজ বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে অন্য ব্যক্তিকে কোন বিষয়কে সত্য বলে বিশ্বাস করিয়েছেন এবং সেই বিশ্বাসের ভিত্তিতে উক্ত ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বলেছেন, তখন উক্ত ব্যক্তি বা তার মধ্যে অথবা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে কোন মামলায় প্রথমোক্ত ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধি তার পূর্বে প্রদত্ত ঘোষণা, কার্য বা কার্য বিরতির বিষয়টি অস্বীকার করতে পারবে না”।

♦আইনের পরিস্থিতি প্রতিবন্ধক হতে পারে কিনা- প্রতিবন্ধক বা Estoppel এর নিয়মটি ঘটনা বিষয়ক প্রশ্নে প্রযোজ্য হয়, আইন বিষয়ে নয়। অর্থাৎ আইন বলে কেউ যদি কোন অধিকার লাভ করে সেক্ষেত্রে Estoppel নীতি প্রয়োজ্য হবেনা।

♦ কোন আইনের বিধান বা আইন বলে পাওয়া অধিকারকে Estoppel নীতি প্রভাবিত করে না।

যেমন- কেউ যদি তার পিতার নিকট থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে কোন সম্পত্তির অধিকারী হয়, তাহলে সে ঐ সম্পত্তি নেবেনা বললেই পরবর্তীতে ঐ সম্পত্তি নিতে বাধাগ্রস্থ হবেনা। কারণ এটি তার আইন দ্বারা সৃষ্ট অধিকার। সুতরাং, আইনের পরিস্থিতি প্রতিবন্ধক হতে পারেনা।
৬,০৫০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২২ অনুসারে Specific performance আদালত কোন ক্ষেত্রে প্রত্যাখ্যান করতে পারে?
  1. ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট প্রতিকার হলে
  2. চুক্তি বাস্তবায়নে কঠোরতা থাকলে
  3. Plaintiff এর conduct খারাপ হলে
  4. উপরোক্ত সবগুলো ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ২২ অনুসারে, সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন (Specific Performance) একটি বিবেচনাধীন (Discretionary) প্রতিকার, এবং আদালত এটি প্রদান করতে বাধ্য নয়, এমনকি যদি চুক্তিটি আইনত বৈধ হয়। আদালত বিভিন্ন কারণে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন প্রত্যাখ্যান করতে পারে। প্রশ্নে উল্লিখিত তিনটি অপশন এমন কারণ, যার ভিত্তিতে আদালত সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন প্রত্যাখ্যান করতে পারে। নিম্নে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:

১. ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট প্রতিকার হলে:
- ধারা ২২ এর অধীনে, যদি ক্ষতিপূরণ (Compensation) চুক্তি ভঙ্গের জন্য যথেষ্ট প্রতিকার হিসেবে বিবেচিত হয়, তবে আদালত সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন প্রদান করতে পারে না। উদাহরণস্বরূপ, Meghlal Moizdal and others Vs. Najma Begum and another (1 BLD (HCD) 447) মামলায় আদালত সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, যদি সুসুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের পরিবর্তে ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হয়, তবে আদালত বিবেচনাধীন ক্ষমতা প্রয়োগ করে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন প্রত্যাখ্যান করতে পারে। এটি সাধারণত তখন প্রযোজ্য যখন সম্পত্তির বাজার মূল্য বা চুক্তির শর্তাবলী অনুসারে ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত হয়।

২. চুক্তি বাস্তবায়নে কঠোরতা থাকলে:
- ধারা ২২ এর অধীনে, যদি চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন বিবাদীর জন্য অত্যধিক কষ্ট (Hardship) সৃষ্টি করে, তবে আদালত এটি প্রত্যাখ্যান করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, Osmanuddin Vs. Subal Chandra Mondal and others (3 BLD (HCD) 226) মামলায় আদালত বলেছে যে, যদি চুক্তি বাস্তবায়ন বিবাদীকে চরম কষ্টের মুখে ফেলে (যেমন, একমাত্র বাসস্থান হারানো), তবে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন প্রত্যাখ্যান করা যেতে পারে। এছাড়াও, Md. Latifur Rahman and others Vs. Golam Ahmed Shah and others (6 BLD (AD) 231) মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, যদি চুক্তি বাস্তবায়ন বিবাদীকে রাস্তায় ফেলে দেয়, তবে আদালত কষ্টের কারণে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন প্রত্যাখ্যান করতে পারে।

৩. Plaintiff এর conduct খারাপ হলে:
- ধারা ২২ অনুসারে, সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন একটি ন্যায়সঙ্গত প্রতিকার (Equitable Relief), এবং বাদীর আচরণ (Conduct) যদি সৎ বা ন্যায্য না হয়, তবে আদালত এটি প্রত্যাখ্যান করতে পারে। Nur Mohammad and another Vs. Sultan Ahmed and others (9 BLD (HCD) 351) মামলায় বলা হয়েছে যে, যদি বাদীর আচরণ পরিষ্কার না হয়, তবে আদালত সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন মঞ্জুর করবে না। উদাহরণস্বরূপ, যদি বাদী প্রতারণা বা অসৎ উদ্দেশ্য নিয়ে চুক্তি করে, তবে আদালত তার দাবি প্রত্যাখ্যান করতে পারে। এছাড়াও, Rash Behari Moshalkar Vs. Hiran Bala Debi and another (5 BLD (AD) 51) মামলায় দেখা যায় যে, বাদী যদি চুক্তির অংশ পালনে প্রস্তুত না হয় বা অযৌক্তিক বিলম্ব করে, তবে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন প্রত্যাখ্যান করা যায়।

অন্য অপশনগুলির বিশ্লেষণ:
ক) ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট প্রতিকার হলে: এটি সঠিক, কিন্তু শুধুমাত্র এই কারণে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন প্রত্যাখ্যান করা যায় না। অন্যান্য কারণও বিবেচনা করা হয়।
খ) চুক্তি বাস্তবায়নে কঠোরতা থাকলে: এটিও সঠিক, কিন্তু এটি একমাত্র কারণ নয়। কষ্ট ছাড়াও বাদীর আচরণ বা অন্যান্য বিষয় বিবেচনা করা হয়।
গ) Plaintiff এর conduct খারাপ হলে: এটি সঠিক, কিন্তু এটি একমাত্র কারণ নয়। ধারা ২২ এর অধীনে একাধিক কারণ বিবেচিত হয়।

অর্থাৎ ধারা ২২ এর অধীনে, আদালত সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন প্রত্যাখ্যান করতে পারে যদি ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হয়, চুক্তি বাস্তবায়নে কষ্ট হয়, বা বাদীর আচরণ সৎ না হয়। এই সকল কারণই আদালতের বিবেচনাধীন ক্ষমতার আওতায় পড়ে। তাই, উপরোক্ত সবগুলো ক্ষেত্রে সঠিক উত্তর।

৬,০৫১.
কোনো quick with child নারীর জীবন বাঁচানোর উদেশ্য ব্যতীত সদবিশ্বাস ছাড়া ইচ্ছাকৃতভাবে তার গর্ভপাত করার সর্বোচ্চ শাস্তি কত বছরের কারাদণ্ড?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারা মতে যেক্ষেত্রে নারী সন্তানের বিচলন [quick with child] অনুভব করে এবং সেই ক্ষেত্রে নারীর জীবন বাঁচানোর উদ্দেশ্য ব্যতীত সদবিশ্বাস ছাড়া ইচ্ছাকৃতভাবে তার গর্ভপাত করা হলে, শান্তি হতে পারে- অর্থদণ্ডসহ ৭ বৎসর পর্যন্ত যেকোন বর্ণনার কারাদণ্ড।
৬,০৫২.
'A' একজন মৃত চিত্রকরের একটি ছবি এবং দুটি দুর্লভ চায়না ফুলদানির মালিক, যা 'B' এর দখলে আছে। এই জিনিসগুলি এতটাই বিশেষ প্রকৃতির যে, এদের কোনো নির্দিষ্ট বাজার মূল্য নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। এই অবস্থায় 'B' কে বাধ্য করা যেতে পারে-
  1. জিনিসগুলি A কে হস্তান্তর করার
  2. A কে যথেষ্ট পরিমাণে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেয়ার
  3. অন্য কোনো দুর্লভ বস্তুর মাধ্যমে A কে ক্ষতিপূরণ দেয়ার
  4. A এর সাথে জিনিসগুলি ভাগাভাগি করে নেয়ার
সঠিক উত্তর:
জিনিসগুলি A কে হস্তান্তর করার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিনিসগুলি A কে হস্তান্তর করার
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১১ ধারার বিধান: অব্যবহিত দখল লাভের অধিকারী ব্যক্তির নিকট থেকে দখল প্রদানের নিমিত্তে মালিক নয় এরূপ দখলকারী ব্যক্তির দায় দায়িত্ব:
যে সম্পত্তির মালিক সে নিজে নয়, এমন অস্থাবর সম্পত্তির কোন বিশেষ অংশের দখলকারী বা নিয়ন্ত্রণকারী ব্যক্তিকে নিম্নোক্ত যে কোন অবস্থাতে অবিলম্বিত দখল লাভের অধিকারী ব্যক্তির নিকট সেটি প্রদানার্থে সুনির্দিষ্টভাবে বাধ্য করা যেতে পারে-
(ক) যখন দাবীকৃত সম্পত্তি দাবিদারের জিম্মাদারের বা প্রতিনিধি হিসেবে প্রতিবাদীদের নিকট রয়েছে;
(খ) যখন দাবিকৃত বস্তুর ক্ষতি টাকার মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ দাবীদারের পর্যাপ্ত প্রতিকার করবে না;
(গ) যখন দাবীকৃত বস্তুর ক্ষতির কোন সাধিত যথার্থ ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হবে;
(ঘ) যখন দাবীকৃত বস্তুর দখল দাবিদারের নিকট হতে অন্যায়ভাবে হস্তান্তরিত করা হয়েছে।

⇒ এখানে প্রধান বিষয় হলো- এই জিনিসগুলির স্বতন্ত্র ও অনন্য প্রকৃতি। এদের আর্থিক মূল্য নির্ধারণ করা কঠিন। সুতরাং অর্থপ্রতিপূরণ বা ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে A তার অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পারবে না। এক্ষেত্রে নির্দিষ্ট পালন বা স্পেসিফিক পারফরম্যান্সের মাধ্যমেই A তার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে। অর্থাৎ, আদালত B কে বাধ্যতামূলকভাবে নির্দেশ দিতে পারে যেন সে, জিনিসগুলি A কে হস্তান্তর করে।
৬,০৫৩.
ক” মামলার বাদী এবং খ” মামলার বিবাদী। ক” খ” এর বিরুদ্ধে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের মামলা করতে চায়। চুক্তিভঙ্গের তারিখ হতে বিবাদী খ” উন্মাদ হয়ে যায়। এই ক্ষেত্রে নিম্মলিখিত কোন তথ্যটি সঠিক?
  1. মামলার তামাদির মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে
  2. ক” কে তামাদিতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মামলা করতে হবে
  3. মামলার তামাদির মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে না
  4. খ এবং গ উভয়
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয়
ব্যাখ্যা
♦যেহেতু খ” মামলার বিবাদী তাই তামাদির আইনের ৬ ধারা খ” এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না এবং এই ক্ষেত্রে ক”-কে অবশ্যই ১ বৎসরের মধ্যে মামলা করতে হবে। কারণ ৬ ধারায় শুধুমাত্র বাদী সুবিধা পেতে পারে বা বাদীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
♦তামাদি আইনের ৬-৮ ধারা শুধুমাত্র বাদী ক্ষেত্রে প্রযোজ্য; বিবাদীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
৬,০৫৪.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০-এর ধারা ২১খ-এ উল্লিখিত তফসিলে বাধ্যতামূলক মামলাপূর্ব মধ্যস্থতার (Pre-case Mediation) জন্য কতটি আইন অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে?
  1. ৭ টি
  2. ৮ টি
  3. ৯ টি
  4. ১১ টি
সঠিক উত্তর:
৯ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ টি
ব্যাখ্যা

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০-এর ধারা ২১খ-এ বর্ণিত তফসিলে মামলাপূর্ব বাধ্যতামূলক মধ্যস্থতার জন্য মোট ৯টি আইন/বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে:
১. পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ - ধারা ৫
২. বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯১
৩. সহকারী জজ আদালতের এখতিয়ারভুক্ত বণ্টন সম্পর্কিত বিরোধ
৪. State Acquisition & Tenancy Act, 1950 - Section 96
৫. Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 - Section 24
৬. পিতামাতার ভরণপোষণ আইন, ২০১৩ - ধারা ৮
৭. Negotiable Instruments Act, 1881 - Section 138 (অনধিক ৫ লক্ষ টাকা)
৮. যৌতুক নিরোধ আইন, ২০১৮ - ধারা ৩ ও ৪
৯. নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ - ধারা ১১(গ)

সুতরাং, সঠিক উত্তর ৯টি।

৬,০৫৫.
আদেশ ১৮ বিধি ১৭ এর অধীন আদালত কখন সাক্ষীকে পুনঃ আহ্বান করতে পারে?
  1. শুধুমাত্র রায় ঘোষণার আগে
  2. মোকদ্দমা সমাপ্তির পর
  3. মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে
  4. শুধুমাত্র মোকদ্দমার শুনানির সময়
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৮ বিধি-১৭: আদালত সাক্ষীকে পুনঃ আহ্বান ও জবানবন্দি নিতে পারে:
যে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে, আদালতে উক্ত সাক্ষীকে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে পুনঃ আহ্বান করতে পারে এবং প্রচলিত সাক্ষ্য আইনের বিধান সাপেক্ষে আদালত সঙ্গত মনে করে এরূপ প্রশ্ন তাকে জিজ্ঞাসা করতে পারে।

Order 18 Rule 17: Court may recall and examine witness:
The Court may at any stage of a suit recall any witness who has been examined and may (subject to the law of evidence for the time being in force) put such questions to him as the Court thinks fit.
৬,০৫৬.
তামাদি আইনের ২৪ ধারা অনুসারে, ক্ষতিপূরণের মামলার তামাদির মেয়াদ গণনা কখন থেকে শুরু হবে?
  1. মামলা দায়েরের দিন থেকে
  2. ক্ষতি প্রতিরোধের চেষ্টা শুরুর দিন থেকে
  3. ক্ষতির সম্ভাবনা দেখা দেওয়ার দিন থেকে
  4. বাস্তবিক ক্ষতি সংঘটিত হওয়ার দিন থেকে
সঠিক উত্তর:
বাস্তবিক ক্ষতি সংঘটিত হওয়ার দিন থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাস্তবিক ক্ষতি সংঘটিত হওয়ার দিন থেকে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ২৪ ধারা অনুযায়ী: যখন এমন কোনো কার্য বা অবহেলা ঘটে যার কারণে ক্ষতির আশঙ্কা থাকলেও বাস্তবিক ক্ষতি তখনও ঘটে না, তখন তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হয় সেদিন থেকে যেদিন বাস্তবিক ক্ষতি ঘটে।
→ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ২৪ ধারা অনুযায়ী, তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে তখনই, যখন ক্ষতি বাস্তবে ঘটে। সঠিক উত্তর: ঘ) বাস্তবিক ক্ষতি সংঘটিত হওয়ার দিন থেকে।

→ তামাদি আইনের ২৪ ধারার বিধান মতে, যে কাজের দ্বারা বাস্তবিক পক্ষে কোন নির্দিষ্ট ক্ষতি সাধিত নাহলে কোন মামলার কারণ উদ্ভূত হয় না, সে কাজের দরুন ক্ষতিপূরণ মামলার জন্য যখন ক্ষতি সাধিত হয় তখন থেকে তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হয়।
⇒ তামাদি আইনের ২৪ ধারার বিধান: যে কার্যের দ্বারা বাস্তবিক পক্ষে কোন নির্দিষ্ট ক্ষতি সাধিত না হইলে কোন মামলার কারণ উদ্ভূত হয় না, তদ্রূপ কার্যের দরুন ক্ষতিপূরণের মামলার জন্য যখন ক্ষতি হয়, তখন হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে।
উদাহরণ: 'ক' একটি জমি
র উপরিভাগের মালিক। 'খ' ঐ জমির ভূগর্ভের মালিক। উপরিভাগের তাৎক্ষণিক স্পষ্ট কোন ক্ষতি না করিয়া ভূ-গর্ভ হইতে কয়লা খনন ও উত্তোলন করে। কিন্তু অবশেষে জমিটির উপরিভাগ ধসে পড়ে। এইক্ষেত্রে 'ক' কর্তৃক 'খ' এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের তামাদির মেয়াদ ধসিয়া পড়ার সময় হইতে শুরু হইবে।

⇒ The Limitation Act:- Section- 24. Suit for compensation for act not actionable without special damage:
-In the case of a suit for compensation for an act which does not give rise to a cause of action unless some specific injury actually results therefrom, the period of limitation shall be computed from the time when the injury results. 
Illustration: A owns the surface of a field. B owns the subsoil. B digs coal thereout without causing any immediate apparent injury to the surface, but at last the surface subsides. The period of limitation in the case of a suit by A against B runs from the time of the subsidence.
৬,০৫৭.
'A', 'Z'- এর সম্মতি ছাড়াই একটি কুকুরকে 'Z'-এর উপর ঝাঁপিয়ে পড়তে প্ররোচিত করে। এক্ষেত্রে, 'A' -এর কৃত কাজ কোন উদ্দেশ্যে করা হলে তা 'অপরাধমূলক বল প্রয়োগ' হিসেবে গণ্য হবে?
  1. 'Z' কে আহত করা
  2. 'Z' কে ভয় দেখানো
  3. 'Z' কে বিরক্ত করা
  4. উপরের যেকোনো একটি
সঠিক উত্তর:
উপরের যেকোনো একটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের যেকোনো একটি
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৫০ ধারা- অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ:
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির উপর সম্মতি ব্যতীত বল প্রয়োগ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অথবা অনুরূপ শক্তি প্রয়োগ কর্তৃক, যে ব্যক্তির উপর বল প্রয়োগ করা হল, তার জখম বা ভয় বা বিরক্তি উৎপাদনের উদ্দেশ্যে অথবা তার শক্তি প্রয়োগের ফলে, যার উপর শক্তি প্রয়োগ করা হল, তার জখম, ভয় বা বিরক্তি উৎপাদিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও যদি সে অনুরূপ বল প্রয়োগ করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

উদহারণ:
"A, Z-এর সম্মতি ছাড়াই একটি কুকুরকে Z-এর উপর ঝাঁপিয়ে পড়তে প্ররোচিত করে। এক্ষেত্রে, যদি A-এর উদ্দেশ্য Z-কে আহত করা, ভয় দেখানো বা বিরক্ত করা হয়, তাহলে A, Z-এর প্রতি অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে।"

Section 350- Criminal force:
Whoever intentionally uses force to any person, without that person's consent, in order to the committing of any offence, or intending by the use of such force to cause, or knowing it to be likely that by the use of such force he will cause injury, fear or annoyance to the person to whom the force is used, is said to use criminal force to that other.

(h) A incites a dog to spring upon Z, without Z's consent. Here, if A intends to cause injury, fear or annoyance to Z, he uses criminal force to Z.
৬,০৫৮.
অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এ জারির পর্যায়ে মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান কোন ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ৩৬
  2. ৩৭
  3. ৩৮
  4. ৩৯
সঠিক উত্তর:
৩৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৮
ব্যাখ্যা
অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ৩৮ ধারার বিধান জারীর পর্যায়ে মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি:
(১) এই আইনের অধীন অর্থ ঋণ আদালত মামলায় প্রদত্ত ডিক্রীর ধারাবাহিকতায় জারী কার্যক্রম অব্যাহত থাকার যে কোন পর্যায়ে পক্ষগণ মধ্যস্থতার মাধ্যমে জারী মামলার বিষয়বস্তু নিষ্পত্তি করিয়া আদালতকে অবহিত করিতে পারিবে। 
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন মধ্যস্থতার ক্ষেত্রে ধারা ২২ এর উপ-ধারা (২), (৩) ও (৪) এ উল্লিখিত বিধান অনুসরণ করিতে হইবে। 
(৩) আদালত, উপ-ধারা (১) এর অধীন অবহিত হইলে এবং নিষ্পত্তির বিষয়ে সন্তুষ্ট হইলে, উক্ত জারী মোকদ্দমা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করিয়া আদেশ প্রদান করিবে।
৬,০৫৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারার অধীন ঘোষণামূলক ডিক্রির জন্য মোকদ্দমা দায়ের করা যেতে পারে?
  1. ২৪ ধারার
  2. ৪১ ধারার
  3. ৪২ ধারার
  4. ৪৪ ধারার
সঠিক উত্তর:
৪২ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২ ধারার
ব্যাখ্যা
ঘোষণামূলক মোকদ্দমা (Declaratory Suit):
কোন ব্যক্তির আইনানুগ পরিচয় বা সম্পত্তিতে স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তির অধিকার ঘোষণা চেয়ে যে মোকদ্দমা দায়ের করা হয় তা হলো ঘোষণামূলক মোকদ্দমা। ঘোষণামূলক মোকদ্দমায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি দেয় তা হলো ঘোষণামূলক ডিক্রি। ঘোষণামূলক মোকদ্দমার মাধ্যমে আদালত একটি ব্যক্তি বা পক্ষের আইনগত পরিচয় বা অধিকার সম্পর্কে পরিষ্কার ঘোষণা দেয়, যা তাদের আইনগত অবস্থানকে সুস্পষ্ট করে।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারার অধীন ২টি বিষয়ে ঘোষণামূলক ডিক্রির জন্য মোকদ্দমা দায়ের করা যেতে পারে-
১. বাদীর আইনগত পরিচয়ের জন্য; অথবা
২. সম্পত্তিতে বাদীর কোন অধিকার বিষয়ে ঘোষণামূলক ডিক্রির জন্য মোকদ্দমা দায়ের করা যেতে পারে।
৬,০৬০.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন বিধান অনুযায়ী, আদালত মামলার পক্ষ বা কোনো পক্ষের সাক্ষী ব্যতীত তৃতীয় কোন ব্যক্তিকে সমন দিতে পারে?
  1. আদেশ-১৬, বিধি-৬
  2. আদেশ-১৬, বিধি-১৪
  3. আদেশ-১৬, বিধি-৭
  4. আদেশ-১৬, বিধি-১২
সঠিক উত্তর:
আদেশ-১৬, বিধি-১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-১৬, বিধি-১৪
ব্যাখ্যা
⇒ আদেশ-১৬ এ সাক্ষীর প্রতি সমন এবং হাজিরা সম্পর্কিত বিধি-বিধান রয়েছে।
⇒ আদেশ ১৬ বিধি-১৪ অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমায় আগন্তুককে(৩য় ব্যক্তিকে) ঐচ্ছিক ক্ষমতায় সাক্ষী হিসাবে সমন দিতে পারে।
- হাজিরা এবং উপস্থিতি সম্পর্কে উক্ত আইনের বিধানাবলী এবং বর্তমানে বলবৎ অন্য কোন আইন সাপেক্ষে যেক্ষেত্রে আদালত যে কোন সময় মোকদ্দমার পক্ষ নয় এরূপ কোন ব্যক্তিকে এবং মোকদ্দমার পক্ষ কর্তৃক সাক্ষী হিসাবেও ডাকা হয়নি এরূপ কোন ব্যক্তিকে জবানবন্দি করিতে প্রয়োজন বোধ সেক্ষেত্রে আদালত স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে উক্ত ব্যক্তিকে নির্ধারিত কোন তারিখে সাক্ষ্য দানের নিমিত্ত বা তার হস্তগত কোন দলিল দাখিল করতে সাক্ষী হিসাবে ঐ ব্যক্তিকে সমন করাতে পারবে এবং তাকে সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবে বা অনুরূপ দলিল দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারবে।
অর্থাৎ আদালত উল্লেখিত ক্ষেত্রে ৩য় ব্যক্তিকে সমন দিতে পারে-
১- সাক্ষ্য গ্রহণ
২- দলিল দাখিল
-----------------------------
⇒ CPC-Order-16 Rule-14: Court may of its own accord summon as witnesses strangers to suit-
Subject to the provisions of this Code as to attendance and appearance and to any law for the time being in force, whether the Court at any time thinks it necessary to examine any person other than a party to the suit and not called as a witness by a party to the suit, the Court may, of its own motion, cause such person to be summoned as a witness to give evidence, or to produce any document in his possession, on a day to be appointed, and may examine him as a witness or require him to produce such document.
৬,০৬১.
দেওয়ানি মোকদ্দমা যথাযথভাবে দায়ের হওয়ার কত দিনের মধ্যে সাধারণত বিবাদীর প্রতি সমন জারি করতে হবে?
  1. পাঁচ দিন
  2. পাঁচ কার্যদিবস
  3. সাত দিন
  4. সাত কার্যদিবস
সঠিক উত্তর:
পাঁচ কার্যদিবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাঁচ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অর্ডার ৫, রুল ১(১) এর সরাসরি বিধান অনুযায়ী, একটি মোকদ্দমা যথাযথভাবে দায়ের হওয়ার পর পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে আদালতের নিযুক্ত কর্মকর্তাকে বিবাদীর কাছে সমন জারি করতে হবে। এখানে "কার্যদিবস" শব্দটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি সাধারণ দিন নয়।
⇒ আরজির মাধ্যমে দাখিলকৃত দেওয়ানি মামলায় বিবাদী পক্ষকে আদালত কর্তৃক নির্ধারিত যে পত্র বা নোটিশের মাধ্যমে আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়, তাকে সমন বলে ।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৫ বিধি ১নং অনুযায়ী-
১) মোকদ্দমা যথাযথভাবে রুজু হওয়ার পর নির্ধারিত তারিখে হাজির এবং দাবির সমর্থনে জবাব দানের জন্য মোকদ্দমা রুজুর পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে এতদুদ্দেশ্যে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা বিবাদির নিকট সমন প্রেরণ করবে। তবে শর্ত থাকে যে, যদি আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা উক্ত সময়সীমার মধ্যে সমন প্রেরণ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে সে অসদাচরণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হবেন আরো শর্ত থাকে যে, যদি বিবাদি আরজী দাখিল করার সময়ে হাজির হয়ে বাদির দাবি স্বীকার করে নেন, তাহলে এরূপ কোন সমন প্রেরণ করা যাবে না।
২) বিবাদির উপর উপবিধি-১ মোতাবেক সমন প্রেরণ করা হলে নিম্নোক্ত যে কোন পদ্ধতিতে বিবাদি হাজিরা দিতে পারবে—
ক) ব্যক্তিগতভাবে, অথবা
খ) মক্কেলের নির্দেশ প্রাপ্ত এবং মোকদ্দমা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সকল প্রশ্নের উত্তর প্রদানে সক্ষম এবং কোন কৌশলী কর্তৃক, অথবা
গ) অনুরূপ সকল প্রশ্নের উত্তর দানে সক্ষম কোন ব্যক্তি সহযোগে কোন কৌশলী কর্তৃক বিবাদী হাজিরা দিতে পারে।

৬,০৬২.
দণ্ডবিধির ৫০০ ধারার অধীনে মানহানির সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কত?
  1. ১ বছর বিনাশ্রম
  2. ১ বছর সশ্রম বা বিনাশ্রম
  3. ২ বছর বিনাশ্রম
  4. ২ বছর সশ্রম বা বিনাশ্রম
সঠিক উত্তর:
২ বছর বিনাশ্রম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর বিনাশ্রম
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধি, ১৮৬০-ধারা ৫০০ : মানহানির শাস্তি:
যে ব্যক্তি অন্য কোনো ব্যক্তির মানহানি করে, সে ব্যক্তি সর্বোচ্চ দুই বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section- 500: Punishment for defamation:
Whoever defames another shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

৬,০৬৩.
সাইবার নিরাপত্তা আইনের কত ধারায় সাইবার ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক বিচারকার্য পরিচালনাকালে বিশেষজ্ঞের মতামত গ্রহণ করার সুযোগ দেয়া হয়েছে?
  1. ৪৫ ধারায়
  2. ৪০ ধারায়
  3. ৫০ ধারায়
  4. ৫২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৫০- বিশেষজ্ঞ মতামত গ্রহণ, প্রশিক্ষণ, ইত্যাদি

(১) ট্রাইব্যুনাল বা আপিল ট্রাইব্যুনাল, বিচারকার্য পরিচালনাকালে, কম্পিউটার বিজ্ঞান, ডিজিটাল ফরেনসিক, ইলেকট্রনিক যোগাযোগ, ডাটা সুরক্ষাসহ অন্যান্য বিষয়ে অভিজ্ঞ কোনো ব্যক্তির মতামত গ্রহণ করিতে পারিবে।

(২) সরকার বা এজেন্সি এই আইন বাস্তবায়নের সহিত সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তিকে, প্রয়োজনে, কম্পিউটার বিজ্ঞান, ডিজিটাল ফরেনসিক, ইলেকট্রনিক যোগাযোগ, ডাটা সুরক্ষাসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয়ে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ প্রদান করিতে পারিবে।
৬,০৬৪.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে স্থানীয় শাসন প্রতিষ্ঠানের বাজেট প্রস্তুতকরণ ও কর আরোপের ক্ষমতার কথা বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৫৯
  2. অনুচ্ছেদ ৬০
  3. অনুচ্ছেদ ৬১
  4. অনুচ্ছেদ ৬২
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬০
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৬০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে:
"এই সংবিধানের ৫৯ অনুচ্ছেদের বিধানাবলীকে পূর্ণ কার্যকরতাদানের উদ্দেশ্যে সংসদ আইনের দ্বারা উক্ত অনুচ্ছেদে উল্লিখিত স্থানীয় শাসন সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানসমূহকে স্থানীয় প্রয়োজনে কর আরোপ করিবার ক্ষমতাসহ বাজেট প্রস্তুতকরণ ও নিজস্ব তহবিল রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষমতা প্রদান করিবেন।"
অর্থাৎ, স্থানীয় শাসন প্রতিষ্ঠানসমূহ যেন কার্যকরভাবে কাজ করতে পারে, তার জন্য সংসদ তাদের
- কর আরোপ,
- বাজেট তৈরির, এবং
- নিজস্ব তহবিল পরিচালনার
ক্ষমতা প্রদান করবে—এটাই অনুচ্ছেদ ৬০ এর মূল কথা।

→ আর অনুচ্ছেদ ৫৯ মূলত এই প্রতিষ্ঠানগুলোর গঠন, দায়িত্ব ও কাজের ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা করে। কিন্তু ক্ষমতা সংক্রান্ত বিষয় নির্দিষ্টভাবে আসে অনুচ্ছেদ ৬০ তে।

তাই সঠিক উত্তর: খ) অনুচ্ছেদ ৬০।
৬,০৬৫.
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে হাজির করা হলে, ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৭ক ধারা অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতের প্রধান দায়িত্ব কী?
  1. আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা।
  2. আসামিকে জামিনের ব্যবস্থা করে দেওয়া।
  3. গ্রেফতারকারী কর্মকর্তাকে সরাসরি শাস্তি দেওয়া।
  4. গ্রেফতার সংক্রান্ত বিধান কতটুকু মানা হয়েছে তা পরীক্ষা করা।
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতার সংক্রান্ত বিধান কতটুকু মানা হয়েছে তা পরীক্ষা করা।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতার সংক্রান্ত বিধান কতটুকু মানা হয়েছে তা পরীক্ষা করা।
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৬৭ক অনুসারে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে হাজির করা হলে ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতের প্রধান দায়িত্ব হল গ্রেফতার সংক্রান্ত বিধান কতটুকু মানা হয়েছে তা পরীক্ষা করা।
সুতরাং, ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৬৭ক অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতের প্রধান দায়িত্ব হল গ্রেফতার সংক্রান্ত বিধান কতটুকু মানা হয়েছে তা পরীক্ষা করা।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৬৭ক (Section 67A, CrPC) অনুযায়ী, কোনো ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতের সামনে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে হাজির করা হলে আদালত পরীক্ষা করবে গ্রেফতারের বিধানগুলো সঠিকভাবে মানা হয়েছে কি না। যদি দেখা যায় যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা অবহেলার কারণে বিধান লঙ্ঘন করেছেন, তবে আদালত লিখিতভাবে কারণ উল্লেখ করে প্রযোজ্য সার্ভিস রুল অনুযায়ী সেই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিতে পারে।
----------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-67A. Procedure in case of non-compliance with provisions relating to arrest
The Magistrate or Court, as the case may be, before whom the arrested person is produced, shall examine whether the provisions of this Code relating to arrest have been duly complied with by the officer making the arrest; and if the Magistrate or Court finds that any such provision or provisions have been negligently violated or not complied with, he or it may, for reasons to be recorded in writing, direct appropriate action to be taken against the concerned officer in accordance with the applicable service rules.

৬,০৬৬.
'Power to issue order absolute at once in urgent cases o nuisance or apprehended danger'-সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় বিধান বর্ণিত হয়েছে?
  1. ধারা ১৩৩
  2. ধারা ১৪৫
  3. ধারা ১৪৪
  4. ধারা ১২৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪৪
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ১১ এর শিরোনাম- "TEMPORARY ORDERS IN URGENT CASES OF NUISANCE OR APPREHENDED DANGER." উক্ত অধ্যায়ে ধারা ১৪৪ আছে।

• আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কারো আবেদনের প্রেক্ষিতে অথবা নিজে স্বত্বঃপ্রণোদিত হয়ে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে-

i) আইনানুগভাবে কর্মরত কোন ব্যক্তির প্রতি বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতির আশংকা,
ii) মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তা বিপন্ন হবার আশংকা;
iii) উৎপাত বা জনসাধারনের শান্তিভঙ্গের আশংকা ;
iv) দাঙ্গা বা মারামারির আশংকা ; এবং
v) আশু প্রতিরোধ ও দ্রুত প্রতিকার প্রয়োজন হলে 

• স্থাবর সম্পত্তি অর্থাৎ জমি বা জলাশয় বা তার সীমানা নিয়ে বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশংকা দেখা দিলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন আদেশ প্রদান করতে পারে। ১৪৪ ধারা জারির ক্ষেত্রে নিম্নবর্ণিত সাধারণ নিয়মাবলী অনুসরণ করা হয় । যথা-

i) সাধারণত নোটিশ জারি করার পর ১৪৪ ধারা জারি করা হয় কিন্তু জরুরী পরিস্থিতিতে নোটিশ ব্যতীত একতরফাভাবে ১৪৪ ধারা জারি করা যায়। এই আদেশ কোন ব্যক্তি বিশেষের প্রতি অথবা বিশেষ স্থানে ঘন ঘন গমনকারী বা সফরকারী জনসাধারণের প্রতি নির্দেশ হতে পারে।
(ii) ১৪৪ ধারার আদেশে কোন ব্যক্তিকে কোন কাজ করা থেকে বিরত রাখতে অথবা কোন নির্দিষ্ট সম্পত্তি ম্যাজিস্ট্রেটের দখলে বা ব্যবস্থাধীনে নেয়ার নির্দেশ থাকতে পারে।
iii) ১৪৪ ধারার আদেশ সাধারণত সর্বোচ্চ ২ মাস পর্যন্ত বলবৎ থাকে; তবে সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তি দ্বারা ১৪৪ ধারার আদেশকে ২ মাসের অধিক সময় পর্যন্ত বলবৎ রাখতে পারে ।

• ১৪৪(৪) ধারামতে কোন ম্যাজিস্ট্রেট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদনক্রমে ১৪৪ ধারার আওতায় তার নিজের বা তার অধীনস্ত কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা তার পূর্ববর্তী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারেন। ১৪৪ ধারা মেট্রোপলিটন এলাকার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। তবে মেট্রোপলিটন এলাকায় মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে।
৬,০৬৭.
'Small Cause Court not to attach immovable property' এই বিধান দেওয়ানি কার্যবিধির কোথায় বলা আছে?
  1. Order-XXXVIII, Rule-5
  2. Order-XXI, Rule-89
  3. Order-XXII, Rule-32
  4. Order-XXXVIII, Rule-13
সঠিক উত্তর:
Order-XXXVIII, Rule-13
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Order-XXXVIII, Rule-13
ব্যাখ্যা
- দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৮ বিধি-১৩ (Order-XXXVIII, Rule-13) এর বিধান: স্মল কজ আদালত স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করবেন না। 
- দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৮ বিধি-১৩: স্মল কজ আদালত স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করতে পারে না:
এই আদেশের কোন বিধানই স্মল কজ আদালতকে স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের জন্য আদেশ প্রদানের কোন ক্ষমতা প্রদান করবে বলে বিবেচিত হবে না।
-------------
CPC Order-38 Rule-13: Small Cause Court not to attach immovable property.
- Nothing in this Order shall be deemed to empower any Court of Small Causes to make an order for the attachment of immovable property.
৬,০৬৮.
দেওয়ানি আপিলের স্মারকলিপিতে বা মেমোতে উল্লেখ করা হয়নি, এরুপ কোন কারণ বা হেতু সম্পর্কে আপিলকারী তার বক্তব্য আপিল শুনানিতে ________ অনুমতি ব্যতীত পেশ করবে না।
  1. বিরোধী পক্ষের
  2. আপিল আদালতের
  3. বিচারিক আদালতের
  4. আপিল আদালত এবং বিরোধী পক্ষ উভয়ের
সঠিক উত্তর:
আপিল আদালতের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল আদালতের
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪১ বিধি-২- আপিলে যে সকল সঙ্গত কারণ গ্রহণ করা যাবে:
আপিলের স্মারকলিপিতে প্রকাশ করা হয়নি, আপত্তির এরূপ কারণের সমর্থনে আদালতের অনুমতি ব্যতিত আপিলকারীর বক্তব্য পেশ করতে পারবে না বা তাকে শ্রবণ করা যাবে না; কিন্তু আপিল আদালত আপিল নিষ্পত্তিকালে আপিলের স্মারকলিপিতে প্রকাশিত আপত্তির সঙ্গত কারণসমূহ বা অত্র বিধির অধীনে আদালতের অনুমতি ক্রমে গৃহীত কারণসমূহের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবেন নাঃ তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কোন কারণের উপর ইহার সিদ্ধান্ত প্রদান করবেন না, যদি না, যে পক্ষ উহা দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ হবে সেই পক্ষ উক্ত কারণের উপর মামলায় প্রতিদ্বন্দিতা করার যথেষ্ট সুযোগ পেয়ে থাকে।

দেওয়ানি আপিলের স্মারকলিপিতে বা মেমোতে উল্লেখ করা হয়নি, এরুপ কোন কারণ বা হেতু সম্পর্কে আপিলকারী তার বক্তব্য আদালতের অনুমতি ব্যতীত পেশ করবে না অর্থাৎ একমাত্র আপিল আদালতের অনুমতি নিয়ে আপিলকারী এমন হেতুসমূহ [grounds] শুনানীকালে উত্থাপন করা যেতে পারে।
৬,০৬৯.
সাইবার অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্ট উপকরণের সাথে বৈধ উপকরণ পাওয়া গেলে, তা-
  1. বাজেয়াপ্তযোগ্য হবে
  2. বাজেয়াপ্তযোগ্য হবে না
  3. প্রকৃত মালিকের কাছে ফেরত দেয়া হবে
  4. দখলদারের জিম্মায় দেয়া হবে
সঠিক উত্তর:
বাজেয়াপ্তযোগ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাজেয়াপ্তযোগ্য হবে
ব্যাখ্যা
• সাইবার নিরাপত্তা আইন,২০২৩

ধারা ৫৩- বাজেয়াপ্তি:

(১) এই আইনের অধীন কোনো অপরাধ সংঘটিত হইলে, যে কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ফ্লপি ডিস্ক, কমপ্যাক্ট ডিস্ক, টেপ-ড্রাইভ বা অন্য কোনো আনুষঙ্গিক কম্পিউটার উপকরণ বা বস্তু সম্পর্কে বা সহযোগে উক্ত অপরাধ সংঘটিত হইয়াছে সেইগুলি ট্রাইব্যুনালের আদেশানুসারে বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে।

(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যদি ট্রাইব্যুনাল এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, যে ব্যক্তির দখল বা নিয়ন্ত্রণে উক্ত কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ফ্লপি ডিস্ক, কমপ্যাক্ট ডিস্ক বা অন্য কোনো আনুষঙ্গিক কম্পিউটার উপকরণ পাওয়া গিয়াছে তিনি উক্ত উপকরণ সংশ্লিষ্ট অপরাধ সংঘটনের জন্য দায়ী নহেন, তাহা হইলে উক্ত কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ফ্লপি ডিস্ক, কমপ্যাক্ট ডিস্ক, টেপ ড্রাইভ বা অন্য কোনো আনুষঙ্গিক কম্পিউটার উপকরণ বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে না।

(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীন বাজেয়াপ্তযোগ্য কোনো কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ফ্লপি ডিস্ক, কমপ্যাক্ট ডিস্ক, টেপ ড্রাইভ বা অন্য কোনো আনুষঙ্গিক কম্পিউটার উপকরণের সহিত যদি কোনো বৈধ কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ফ্লপি ডিস্ক, কমপ্যাক্ট ডিস্ক, টেপ ড্রাইভ বা অন্য কোনো কম্পিউটার উপকরণ পাওয়া যায়, তাহা হইলে সেইগুলিও বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে।

(৪) এই ধারার অন্যান্য বিধানে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো অপরাধ সংঘটনের জন্য যদি কোনো সরকারি বা সংবিধিবদ্ধ সংস্থার কোনো কম্পিউটার বা তৎসংশ্লিষ্ট কোনো উপকরণ বা যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয়, তাহা হইলে উহা বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে না।
৬,০৭০.
গ-কে গুরুতর জখম করে ক,খ-কে প্ররোচিত করে। খ উক্ত প্ররোচনার ফলে গ-কে গুরুতর জখম করে। ফলে গ মারা যায়। এই ক্ষেত্রে ক _____জন্য দণ্ডিত হবে।
  1. ক শুধুমাত্র গুরুতর জখমে প্ররোচনার জন্য দণ্ডিত হবে
  2. ক গুরুতর জখম এবং খুন উভয়ের জন্য দণ্ডিত হবে
  3. ক খুনে সহায়তার জন্য দণ্ডিত হবে
  4. ক খুনের জন্য দণ্ডিত হবে না শুধুমাত্র জখমের জন্য দণ্ডিত হবে
সঠিক উত্তর:
ক খুনে সহায়তার জন্য দণ্ডিত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক খুনে সহায়তার জন্য দণ্ডিত হবে
ব্যাখ্যা
♦যদি ক জানতো যে প্ররোচিত জখমের কার্যটি সম্ভাব্য মৃত্যু ঘটাবে তাহলে ক খুনে সহায়তার জন্য দণ্ডিত হবে এবং ক খুনের জন্য নির্ধারিত শাস্তি পাবে।
৬,০৭১.
কোন সাক্ষীকে অধিকতর জেরা [further cross-examination] করা যেতে পারে যদি-
  1. জেরায় যে সকল বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে সেগুলো ব্যখ্যা করতে
  2. পুনঃজবানবন্দিতে উল্লেখিত বিষয় অধিকতর ব্যাখ্যা করতে
  3. আদালতের অনুমতি নিয়ে পুনঃজবানবন্দিতে নতুন বিষয় উল্লেখ করলে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি নিয়ে পুনঃজবানবন্দিতে নতুন বিষয় উল্লেখ করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি নিয়ে পুনঃজবানবন্দিতে নতুন বিষয় উল্লেখ করলে
ব্যাখ্যা
♦পুনঃজবানবন্দির সময় আদালতের অনুমতি নিয়ে যদি কোন নতুন বিষয়ের সূচনা করা হয়, তবে সেই সকল বিষয়ে বিরুদ্ধ পক্ষ অধিকতর জেরা করতে পারে।
৬,০৭২.
ওয়াকফ সম্পত্তির মুতাওয়াল্লিকে বেআইনিভাবে অপসারণ করা হলে, প্রতিকার কী?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন
  2. জেলা জজের নিকট আপিল
  3. হাইকোর্ট বিভাগে আপিল
  4. জেলা জজের নিকট রিভিশন
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন
ব্যাখ্যা
ওয়াকফ সম্পত্তির মুতাওয়াল্লি বেআইনিভাবে অপসারণের ক্ষেত্রে প্রতিকার হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন দায়ের করার বিধান রয়েছে ওয়াকফ সম্পত্তি (নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা) আইন, ১৯৬২ অনুযায়ী।

ওয়াকফ সম্পত্তি (নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা) আইন, ১৯৬২:
এই আইনের অধীন ওয়াকফ সম্পত্তির মুতাওয়াল্লির দায়িত্ব ও কর্তৃত্ব নির্ধারণ করা হয় এবং বেআইনিভাবে অপসারণের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন আবেদন করার সুযোগ দেওয়া হয়।

রিভিশন আবেদন:
মুতাওয়াল্লি বেআইনিভাবে অপসারণ হলে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন আবেদন করতে পারেন। এই আইন অনুযায়ী, সাধারণত ১ মাসের মধ্যে রিভিশন আবেদন করা যায়।
৬,০৭৩.
একটি দেওয়ানি আপিলের স্মারকলিপির সাথে যুক্ত করতে হবে-
  1. মোকদ্দমার আরজির কপি
  2. মোকদ্দমার লিখিত জবাবের কপি
  3. মোকদ্দমার ডিক্রির কপি 
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার ডিক্রির কপি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার ডিক্রির কপি 
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি ১ এর বিধান- আপিলের নমুনা স্মারকলিপির সঙ্গে যা থাকতে হবে:
(১) আপিলের রূপ এবং স্মারকলিপির সাথে সংযুক্তি:
- প্রত্যেকটি আপিল একটি স্মারকলিপি (memorandum) আকারে দায়ের করতে হবে,
- যেটি আপিলকারী বা তার আইনজীবীর (pleader) দ্বারা স্বাক্ষরিত হতে হবে,
- এবং তা আদালতে বা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত কোনো কর্মকর্তার নিকট দাখিল করতে হবে।

স্মারকলিপির সাথে যা যুক্ত করতে হবে:
- যেই ডিক্রির (decree) বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে, তার একটি অনুলিপি (copy) এবং (যদি আপিল আদালত তা অব্যাহতি না দেয়) উক্ত ডিক্রির ভিত্তিতে প্রদত্ত রায়ের (judgment) একটি অনুলিপিও দাখিল করতে হবে।

(২) স্মারকলিপির বিষয়বস্তু:
স্মারকলিপিতে আপিলকারীর আপত্তির কারণসমূহ সংক্ষিপ্তভাবে এবং পৃথকভাবে উল্লেখ করতে হবে, কোনো বর্ণনামূলক বক্তব্য বা যুক্তি ছাড়াই, এবং প্রতিটি কারণকে ক্রম অনুযায়ী নম্বর দিয়ে সাজাতে হবে।

৬,০৭৪.
দেওয়ানি আপিলের স্মারকলিপি (memorandum) কে স্বাক্ষর করবে?
  1. আপিলকারী এবং বিচারক
  2. আপিলকারী অথবা তার সাক্ষী
  3. আপিলকারী অথবা তার আইনজীবী
  4. আপিলকারী এবং আপিলের উত্তরদায়ক
সঠিক উত্তর:
আপিলকারী অথবা তার আইনজীবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলকারী অথবা তার আইনজীবী
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪১ বিধি ১ এর বিধান- আপীলের নমুনা স্মারকলিপির সঙ্গে যা থাকতে হবে:
(১) আপিলের রূপ এবং স্মারকলিপির সাথে সংযুক্তি:
- প্রত্যেকটি আপিল একটি স্মারকলিপি (memorandum) আকারে দায়ের করতে হবে,
- যেটি আপিলকারী বা তার আইনজীবীর (pleader) দ্বারা স্বাক্ষরিত হতে হবে,
- এবং তা আদালতে বা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত কোনো কর্মকর্তার নিকট দাখিল করতে হবে।

স্মারকলিপির সাথে যা যুক্ত করতে হবে:
- যেই ডিক্রির (decree) বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে, তার একটি অনুলিপি (copy) এবং (যদি আপিল আদালত তা অব্যাহতি না দেয়) উক্ত ডিক্রির ভিত্তিতে প্রদত্ত রায়ের (judgment) একটি অনুলিপিও দাখিল করতে হবে।

(২) স্মারকলিপির বিষয়বস্তু:
স্মারকলিপিতে আপিলকারীর আপত্তির কারণসমূহ সংক্ষিপ্তভাবে এবং পৃথকভাবে উল্লেখ করতে হবে, কোনো বর্ণনামূলক বক্তব্য বা যুক্তি ছাড়াই, এবং প্রতিটি কারণকে ক্রম অনুযায়ী নম্বর দিয়ে সাজাতে হবে।
৬,০৭৫.
A কতিপয় সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখলে আছে। B দাবী করে যে সে উক্ত সম্পত্তির মালিক এবং এই কারনে A-কে উক্ত সম্পত্তি B-এর নিকট অর্পন করতে হবে। এই ক্ষেত্রে নিম্নের কোনটি সঠিক?
  1. ঘোষনামূলক মোকদ্দমা দায়ের
  2. দখল উদ্ধারের মামলা
  3. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মামলা
  4. চুক্তি বলবৎ এর মামলা
সঠিক উত্তর:
ঘোষনামূলক মোকদ্দমা দায়ের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘোষনামূলক মোকদ্দমা দায়ের
ব্যাখ্যা
• B দাবী করেছে যে সে আলোচ্য সম্পত্তির মালিক অর্থাৎ সে সম্পত্তিতে A-এর মালিকানা অস্বীকার করছে।
• এই ক্ষেত্রে B যে উক্ত সম্পত্তির মালিক এমন ঘোষনা চেয়ে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৪২ ধারায় ঘোষনামূলক মামলা করবেন।
• A যেহেতু সম্পত্তি দখলে আছে তাই আনুষাঙ্গিক প্রতিকার প্রয়োজন নাই।
৬,০৭৬.
'For the purpose of this section a trademark is property.' এটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারার বিধান?
  1. ৫২
  2. ৫৪
  3. ৫৬
  4. ৫৭
সঠিক উত্তর:
৫৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারার বিধানে বলা আছে যে, বিবাদী যখন বাদীর সম্পত্তির অধিকারে বা ভোগ দখলে অনধিকার হস্তক্ষেপ করে বা করার হুমকি দেয় তখন আদালত ৫টি ক্ষেত্রে বিবাদীর বিরুদ্ধে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করেতে পারে। তাছাড়া সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫৪ ধারায় ১টি ব্যাখা আছে তা হলো "ব্যাখ্যা: এই ধারার লক্ষ্য অনুযায়ী ট্রেডমার্ক সম্পত্তি মর্মে পরিগণিত হবে"।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫৪ ধারার বিধান চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরের সময়। এই অধ্যায়ের অন্তর্ভূক্ত বা এই অধ্যায়ে বর্ণিত অন্যান্য বিধানের অধীন আবেদনকারীর স্বপক্ষে বিরাজমান বাধ্যবাধকতা, তা প্রকাশ্য হোক বা অনুমিত হোক ভঙ্গ করাকে নিরোধ করার জন্য চিরস্থায়ী ইনজাংশন মঞ্জুর করা যেতে পারে।
যেক্ষেত্রে তেমন বাধ্যবাধকতা চুক্তির ফলে উদ্ভূত হয়, সেক্ষেত্রে আদালত এই আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ের বিধানসমূহ ও নিয়মাবলী দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবেন।
যেক্ষেত্রে প্রতিবাদী বাদীর সম্পত্তির অধিকারে বা সম্ভোগে অনধিকার হস্তক্ষেপ করে বা হস্তক্ষেপের হুমকি দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রসমূহে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন:
(ক) যেক্ষেত্রে প্রতিবাদীর জন্য সম্পত্তির জিম্মাদার;
(খ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘনের ফলে কৃত বাস্তব ক্ষতি অথবা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোন মানদণ্ড নেই;
(গ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘন এমন ধরনের যে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা তার পর্যাপ্ত প্রতিকার করা যাবে না;
(ঘ) যেক্ষেত্রে এমন সম্ভাবনা থাকে যে, অধিকার লঙ্ঘনের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না;
(ঙ) যেক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় কার্যধারার জটিলতা নিবারণের জন্য ইনজাংশন প্রয়োজনীয়।
⇒ ব্যাখ্যা: এই ধারার লক্ষ্য অনুযায়ী ট্রেডমার্ক সম্পত্তি মর্মে পরিগণিত হবে। 
----------------------
⇒ Section 54 Perpetual injunctions when granted: Subject to the other provisions contained in, or referred to by, this Chapter, a perpetual injunction may be granted to prevent the breach of an obligation existing in favour of the applicant, whether expressly or by implication. 
When such obligation arises from contract, the Court shall be guided by the rules and provisions contained in Chapter II of this Act. 
When the defendant invades or threatens to invade the plaintiff's right to, or enjoyment of, property, the Court may grant a perpetual injunction in the following cases (namely):- 
(a) where the defendant is trustee of the property for the plaintiff; 
(b) where there exists no standard for ascertaining the actual damage caused, or likely to be caused, by the invasion; 
(c) where the invasion is such that pecuniary compensation would not afford adequate relief; 
(d) where it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the invasion; 
(e) where the injunction is necessary to prevent a multiplicity of judicial proceedings. 
⇒  Explanation:- For the purpose of this section a trademark is property.
৬,০৭৭.
আদেশ ৮ বিধি ৩ অনুসারে, বিবাদীকে তার লিখিত জবাবে বাদীর প্রত্যেকটি অভিযোগ-
  1. সাধারণভাবে অস্বীকার করবে
  2. সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করতে হবে
  3. সাধারণভাবে স্বীকার করবে
  4. সুনির্দিষ্টভাবে স্বীকার করতে হবে
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করতে হবে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৮ বিধি-৩: অস্বীকার সুনির্দিষ্ট হবে:
বিবাদীকে তার লিখিত বিবৃতিতে বাদীর অভিযোগের কারণসমূহ সাধারণভাবে অস্বীকার করলেই যথেষ্ট হবে না, বরং যে সকল তথ্য সংক্রান্ত অভিযোগের সত্যতা বিবাদী স্বীকার করে না, সেগুলোর প্রত্যেকটি বিবাদীকে অবশ্যই সুনির্দিষ্টভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে, তবে ক্ষতিপূরণের বিষয় ব্যতীত।

Order 8 Rule 3- Denial to be specific:
It shall not be sufficient for a defendant in his written statement to deny generally the grounds alleged by the plantiff, but the defendant must deal specifically with each allegation of fact of which he does not admit the truth, except damages.
৬,০৭৮.
বাংলাদেশি নাগরিকদের বিভিন্ন শ্রেণির মধ্যে শত্রুতা বা ঘৃণা প্রচারে অভিযুক্ত ব্যক্তির সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ৬ মাস কারাদণ্ড
  2. ১ বছর কারাদণ্ড
  3. ২ বছর কারাদণ্ড
  4. ৩ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধি ১৫৩(ক) ধারা: শ্রেণির মধ্যে শত্রুতা প্রচার করা:
যে কেউ, কথার মাধ্যমে, মৌখিক বা লিখিত, অথবা সংকেতের মাধ্যমে, দৃশ্যমান উপস্থাপনা দ্বারা বা অন্য যেকোনো উপায়ে, বাংলাদেশি নাগরিকদের বিভিন্ন শ্রেণির মধ্যে শত্রুতা বা ঘৃণা প্রচার করে বা প্রচারের চেষ্টা করে, তাকে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, বা জরিমানা, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

ব্যাখ্যা: যদি কোনো ব্যক্তি বিদ্বেষপূর্ণ উদ্দেশ্য ছাড়াই এবং প্রকৃতপক্ষে সেই সমস্যাগুলি তুলে ধরে, যা বাংলাদেশি নাগরিকদের বিভিন্ন শ্রেণির মধ্যে শত্রুতা বা ঘৃণা সৃষ্টি করছে বা সৃষ্টি করার প্রবণতা রাখে, তাহলে এটি এই ধারার অধীনে অপরাধ বলে গণ্য হবে না।
৬,০৭৯.
বলপূর্বক গ্রহণের ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত কোন বক্তব্যটি সঠিক নয়?
  1. ইচ্ছাকৃতভাবে ক্ষতির ভয় দেখানো।
  2. বলপূর্বক গ্রহণের ক্ষেত্রে সংঘটনকারী প্রত্যেক ব্যক্তি ডাকাতি করছে বলে পরিগণিত হবে।
  3. বলপূর্বক গ্রহণের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র ক্ষতির ভয় দেখানো হয় কিন্তু প্রকৃতপক্ষে কোন ক্ষতি করা হয় না।
  4. ক্ষতির ভয় দেখিয়ে কোন সম্পত্তি বা মূল্যমান জামানত জমা দিতে অসাধু প্ররোচনা করা।
সঠিক উত্তর:
বলপূর্বক গ্রহণের ক্ষেত্রে সংঘটনকারী প্রত্যেক ব্যক্তি ডাকাতি করছে বলে পরিগণিত হবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বলপূর্বক গ্রহণের ক্ষেত্রে সংঘটনকারী প্রত্যেক ব্যক্তি ডাকাতি করছে বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৮৩ ধারার বিধান বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায়:- কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে কাউকে তার বা অপর কারো জখম হওয়ার ভয়ে অভিভূত করে এবং তদ্বারা অনুরূপ ভয়ে অভিভূত ব্যক্তিকে কোন ব্যক্তির কাছে যেকোন প্রকার দান বা চাঁদা প্রদানের বা কোন সম্পত্তি, মূল্যবান জামানত বা মূল্যবান জামানতে রূপান্তরযোগ্য কোন স্বাক্ষরিত বা সীলমোহরযুক্ত বস্তু অর্পণে অসাধুভাবে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি বল প্রয়োগে 'সম্পত্তি আদায়' করার অপরাধ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ উদাহরণসমূহ:
(ক) ক, গ-কে এইরূপ ভয় দেখায় যে, গ তাকে টাকা না দিলে ক গ-এর বিরুদ্ধে মানহানির কুৎসা রটনা করবে। এইভাবে সে তাকে টাকা দিতে গ-কে বাধ্য করে। ক 'বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায়' করেছে বলে পরিগণিত হবে।

⇒ বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায়ের সংজ্ঞা (Extortion)- কাউকে ক্ষতি করার ভয় দেখিয়ে তার নিকট থেকে স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি গ্রহণ করাকে বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায় বা extortion বলে। অন্যভাবে বলা যায়, কোন ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে অপর কোন ব্যক্তিকে মৃত্যুর ভয়, আঘাতের ভয় বা পথরুদ্ধ করার ভয় দেখিয়ে কোন কিছু দিতে বাধ্য করলে তাকে বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায় বলে।
⇒ বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায়ের উপাদান-
 স্থাবর ও অস্থাবর উভয় সম্পত্তির ক্ষেত্রে বলপূর্বক গ্রহণ হয়; এবং অপরাধী স্বয়ং উপস্থিত না থেকেও বলপূর্বক আদায় বা গ্রহণের অপরাধ করতে পারে।
যে ব্যক্তিকে ভয় দেখানো হয়েছে সে ব্যক্তি প্রকৃতপক্ষে সম্পত্তি অর্পণ করার সঙ্গেই বলপূর্বক গ্রহণের অপরাধ সংঘটিত হয়।
বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায়ের ক্ষেত্রে দূরবর্তী ক্ষতির ভয় থাকলেও তাৎক্ষণিক কোন ক্ষতি হয়না।

"বলপূর্বক গ্রহণের ক্ষেত্রে সংঘটনকারী প্রত্যেক ব্যক্তি ডাকাতি করছে বলে পরিগণিত হবে" এই বক্তব্যটি সঠিক নয়।
-------
Extortion: 
Section 383. Whoever intentionally puts any person in fear of any injury to that person, or to any other, and thereby dishonestly induces the person so put in 124[fear to give donation or subscription of any kind or to deliver] to any person any property or valuable security or anything signed or sealed which may be converted into a valuable security, commits "extortion".
৬,০৮০.
'ক', 'খ' থেকে জমি কিনেছে, যদিও তখন 'গ' ওই জমিটি দখলে রয়েছে। 'ক', 'গ'- এর জমিতে কোন স্বার্থ আছে কিনা তা জানার জন্য কোন তদন্ত করেনি। এই আইনের অর্থে, 'গ' এর স্বার্থের পরিমাণ পর্যন্ত-
  1. 'গ' হলো 'ক' এর ট্রাস্টি
  2. 'ক' হলো 'গ' এর ট্রাস্টি
  3. 'খ' হলো 'গ' এর ট্রাস্টি
  4. 'গ' হলো 'খ' এর ট্রাস্টি
সঠিক উত্তর:
'ক' হলো 'গ' এর ট্রাস্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' হলো 'গ' এর ট্রাস্টি
ব্যাখ্যা
• উল্লিখিত উদহারনটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩ ধারার (জ) উদহারনের অনুরূপ। এই পরিস্থিতিতে, এই আইনের অর্থে, গ-এর জমিতে যতটুকু স্বার্থ আছে, সেটুকু পরিমাণ পর্যন্ত 'ক' হলেন 'গ' এর একজন ট্রাস্টি। একজন ট্রাস্টি হলেন যে ব্যক্তি অন্য কারও স্বার্থের তত্ত্বাবধানে থাকে।

 সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩ ধারায়-
"ট্রাস্টি" শব্দটি প্রত্যেক ব্যক্তিকে বুঝায় যারা স্পষ্টভাবে, গ্রহণযোগ্যতার ভিত্তিতে বা কাঠামোগতভাবে আস্থাভাজন বা বিশ্বাসভাজন চরিত্র বহন করে।

এখানে, 'ক' জানতেন যে 'গ' জমিতে দখলে রয়েছে কিন্তু স্বার্থ সম্পর্কে জানতে অনাগ্রহ প্রকাশ করায়, আইনের নজরে 'ক' হলেন 'গ'-এর স্বার্থের একজন ট্রাস্টি।
৬,০৮১.
চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর কত ধারার ক্ষেত্রে তামাদি আইন প্রযোজ্য হবে না?
  1. ৫ ধারা
  2. ১৫ ধারা
  3. ২৫ ধারা
  4. ২২ ধারা
সঠিক উত্তর:
২৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন,১৯০৮ এর ধারা ২৯ অনুসারে, তামাদি আইন প্রযোজ্য নয়-
- বিশেষ আইনের ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৫ ধারা
- চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ২৫ ধারার ক্ষেত্রে
- বিবাহ বিচ্ছেদ আইন মোতাবেক আনীত মামলার ক্ষেত্রে
- সুখাধিকার আইন, ১৮৮২ এর আওতাভুক্ত এলাকা থেকে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ২৬ ও ২৭ ধারা এবং ২ ধারায় বর্ণিত "সুখাধিকার" এর সংজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।
------------
⇒ Limitation Act Section-29. Savings:
(1) Nothing in this Act shall affect section 25 of the Contract Act, 1872. 
(2) Where any special law prescribes for any suit, appeal or application a period of limitation different from the period prescribed therefore by the first schedule, the provision of section 3 shall apply, as if such period were prescribed therefor in that schedule, and for the purpose of determining any period of limitation prescribed for any suit, appeal or application by any special law- 
(a) the provisions contained in section 4, sections 9 to 18, and section 22 shall apply only in so far as, and to the extent to which, they are not expressly excluded by such special  law; and 
(b) the remaining provisions of this Act shall not apply. 
(3) Nothing in this Act shall apply to suits under the Divorce Act. 
(4) Sections 26 and 27 and the definition of “easement” in section 2 shall not apply to cases arising in territories to which the Easements Act, 1882, may for the time being extend.
৬,০৮২.
চুক্তি আইন অনুসারে প্রতারণার মাধ্যমে সম্মতি আদায় করলে চুক্তিটি-
  1. বৈধ
  2. বাতিল
  3. বাতিলযোগ্য
  4. অবৈধ
সঠিক উত্তর:
বাতিলযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাতিলযোগ্য
ব্যাখ্যা
- বাতিলযোগ্য চুক্তি (Voidable agreement) : ক্ষতিগ্রস্থ পক্ষের ইচ্ছে অনুসারে যে চুক্তি বাতিল করা যায় তাকে বাতিলযোগ্য চুক্তি বলে। তবে যতোক্ষণ ঐ পক্ষ চুক্তি বাতিল ঘোষণা না করে ততক্ষণ পর্যন্ত ইহা আইনত বলবৎযোগ্য।

- চুক্তি আইনের ২ (ঝ) ধারা মতে- যে সকল সম্মতি এক বা একাধিক পক্ষের ইচ্ছে অনুসারে বলবৎযোগ্য হয়, কিন্তু অপর পক্ষের ইচ্ছে অনুসারে বলবৎযোগ্য হয় না, তাকে বাতিলযোগ্য সম্মতি বলে।
- সাধারণত অনুচিত প্রভাব, বলপ্রয়োগ, প্রতারণা বা মিথ্যা বর্ণনার দ্বারা আদায়কৃত সম্মতিগুলোই পরবর্তীতে বাতিলযোগ্য সম্মতি বলে গণ্য হয়। উল্লেখ্য যে, যার উপর এসব প্রয়োগ করে সম্মতি আদায় করা হয়েছে। তার ইচ্ছানুসারে এই সম্মতি বাতিলযোগ্য হয়।
৬,০৮৩.
The Civil Courts Act,1887 এর ধারা ৯ অনুযায়ী, জেলা জজের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণের অধিকার কার তত্ত্বাবধানে থাকে?
  1. আপিল বিভাগ
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. ফৌজদারি আদালত
  4. বিশেষ আদালত
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
ধারা ৯- আদালতের প্রশাসনিক ক্ষমতা:
হাইকোর্ট বিভাগের তত্ত্বাবধানে জেলা জজের তার স্থানীয় সীমানায় অবস্থিত সকল দেওয়ানি আদালতের উপর তার প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ থাকবে।

Section 9: Administrative control of Courts-
Subject to the superintendence of the High Court Division, the District Judge shall have administrative control over all the Civil Courts under this Act within the local limits of his jurisdiction.
৬,০৮৪.
বিচারিক কার্যক্রমে (judicial proceeding) মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবনের শাস্তি হতে পারে-
  1. অর্থদণ্ডসহ যেকোন বর্ণনার কারাবাস যা ২ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে
  2. অর্থদণ্ডসহ যেকোন বর্ণনার কারাবাস যা ৩ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে
  3. অর্থদণ্ডসহ যেকোন বর্ণনার কারাবাস যা ৫ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে
  4. অর্থদণ্ডসহ যেকোন বর্ণনার কারাবাস যা ৭ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে
সঠিক উত্তর:
অর্থদণ্ডসহ যেকোন বর্ণনার কারাবাস যা ৭ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থদণ্ডসহ যেকোন বর্ণনার কারাবাস যা ৭ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১৯৩ ধারার বিধান মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি কোন বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের যে কোন পর্যায়ে ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষাদান ব্যবহার করার জন্য ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এতদ্ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে; এবং

কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ক্ষেত্রে ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্য দান করে বা তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

♦ ব্যাখ্যা (Explanation) ১:- সামরিক আদালত (Court-martial) সংঘটিত বিচারও একটি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম।

♦ ব্যাখ্যা (Explanation) ২:- কোন আদালতের কোন কার্যক্রম শুরু হওয়ার পূর্বে আইনের নির্দেশানুগ প্রারম্ভিক তদন্ত ও বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি পর্যায় যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।

♦ ব্যাখ্যা (Explanation) ৩:- কোন আদালত দ্বারা আইনানুসারে নির্দেশিত এবং কোন আদালতের ক্ষমতানুসারে পরিচালিত কোন তদন্ত বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি পর্যায় যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।
৬,০৮৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৬ ধারার অধীন আদালত কখন চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে পালন করার নির্দেশ দিতে পারে?
  1. সম্পাদনযোগ্য এবং অসম্পাদনযোগ্য অংশ পরস্পর নির্ভরশীল হলে
  2. সম্পাদনযোগ্য এবং অসম্পাদনযোগ্য অংশ হতে স্বতন্ত্র ও স্বাধীন হলে
  3. সম্পাদনযোগ্য অংশ, অসম্পাদনযোগ্য অংশ থেকে ছোট হলে
  4. সম্পাদনযোগ্য অংশ, অসম্পাদনযোগ্য অংশ থেকে বড় হলে
সঠিক উত্তর:
সম্পাদনযোগ্য এবং অসম্পাদনযোগ্য অংশ হতে স্বতন্ত্র ও স্বাধীন হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পাদনযোগ্য এবং অসম্পাদনযোগ্য অংশ হতে স্বতন্ত্র ও স্বাধীন হলে
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৬ ধারা- কোন চুক্তির স্বাতন্ত্র্য অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন:
যখন চুক্তির একটি অংশের স্বাতন্ত্র্যভাবে সুনির্দিষ্টভাবে কাজ সম্পাদন করা যায় বা করা আবশ্যক হয় এবং তা একই চুক্তির এমন অন্য অংশ হতে স্বাতন্ত্র্য এবং স্বাধীনভাবে অবস্থান করে যা সুনির্দিষ্টভাবে অবস্থান করে যা সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করা যাবে না বা করা আবশ্যক নহে, তাহলে আদালত পূর্ববর্তী অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৬ ধারামতে,
কোনো চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, একটি অংশ আপনা-আপনি সুনির্দিষ্টিভাবে সম্পাদনযোগ্য এবং অপর অংশটি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনযোগ্য নয় এবং প্রথম অংশটি দ্বিতীয় অংশ থেকে ভিন্ন ও স্বাধীন (Separate and independent) হয়, তাহলে আদালত ঐ চুক্তির প্রথম অংশটি সুনির্দিষ্টিভাবে পালনের নির্দেশ দিতে পারবে।
----------------------
Section 16- Specific performance of independent part of contract:
When a part of a contract which, taken by itself, can and ought to be specifically performed, stands on a separate and independent footing from another part of the same contract which cannot or ought not to be specifically performed, the Court may direct specific performance of the former part.

৬,০৮৬.
ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থার নিম্নের কোন আদালতের অন্তনির্হিত ক্ষমতা (Inherent Power) আছে?
  1. আপলি বিভাগ
  2. দায়রা জজ আদালত
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. মহানগর দায়রা জজ আদালত
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি এর ধারা ৫৬১ক তে বলা হয়েছে- ফৌজদারী কার্যবিধি এর অধীন প্রদত্ত কোন আদেশ কার্যকর করার জন্য বা কোন আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করার জন্য বা অন্য কোনভাবে ন্যায় বিচার নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় যে কোন আদেশ প্রদানের নিমিত্ত হাইকোর্ট বিভাগের যে সহজাত ক্ষমতা আছে এই বিধির কোন কিছু তা সীমাবদ্ধ বা ক্ষুন্ন বা প্রভাবিত করবে বলে গণ্য করা যাবে না।
৬,০৮৭.
রিভিশন আদালতের বিবেচ্য বিষয় কোনটি?
  1. আইনগত ভুল
  2. তথ্যগত ভুল
  3. একপক্ষীয় ভুল
  4. 'ক' ও 'খ' উভয়
সঠিক উত্তর:
আইনগত ভুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনগত ভুল
ব্যাখ্যা
⇒ রিভিশন (Revision)- রিভিশন হলো উচ্চতর আদালতের পুনর্বিবেচনামূলক প্রতিকার। উচ্চতর আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত নিম্নতর আদালতের উপর তদারকি ক্ষমতা হলো রিভিশন। দেওয়ানী ও ফৌজদারি উভয় মামলার বিচারকার্যে রিভিশন প্রযোজ্য। রিভিশনের ক্ষমতাকে তদারকি ক্ষমতা বা ন্যায়বিচার সম্পন্ন করার ক্ষমতা বা নথিপত্র তলব করার ক্ষমতাও বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারায় রিভিশনের বিধান রয়েছে।

⇒ দেওয়ানী মামলায় রিভিশনের শর্ত- ২০০৩ সালে দেওয়ানী কার্যবিধি পরিবর্তনের মাধ্যমে দেওয়ানী রিভিশনের বিধানে ব্যাপক পরিবর্তন আনয়ন করা হয়। বর্তমানে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে রিভিশন করা যায়-
⇒ সাধারণত রিভিশন এখতিয়ারে আদালত ঘটনার প্রশ্ন (question of fact) বিবেচনা করে না। যেক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ আইনগত প্রশ্নে (question of law) ভুল ও ন্যায় বিচার বিঘ্ন ঘটে, সেক্ষেত্রে আদালত রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। অর্থাৎ শুধুমাত্র আইনগত ভুলের কারণে ন্যায় বিচার বিঘ্ন ঘটলেই আদালত রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করে।
⇒ কোন ডিক্রি বা আদেশ আপিলযোগ্য না হলে, কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরূদ্ধে আপিলের বিধান না থাকলে অথবা কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরূদ্ধে আপিলের বিধান থাকার পরও উক্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা না হলে সেক্ষেত্রে রিভিশন দায়ের করা করা যায়।
⇒ কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরূদ্ধে একবার আপিল করা হলে উক্ত আপিলে প্রদত্ত সিদ্ধান্তের বিরূদ্ধে রিভিশন করা যায়, কেননা দেওয়ানী কার্যবিধিতে ২য় আপিলের বিধান নেই।
⇒ ১১৫ ধারার বর্তমান বিধান অনুযায়ী কেবলমাত্র ডিক্রি বা আদেশ দ্বারা সংক্ষুদ্ধ যে কোন পক্ষ রিভিশন দায়ের করতে পারে, কিন্তু আগের মত আদালত কর্তৃক স্বেচ্ছাপ্রণোদিত (suo moto) হওয়ার বিধান নেই।
⇒ রিভিশন হল সম্পূর্ণ বিবেচনামূলক প্রতিকার এবং রিভিশনকে অধিকার হিসাবে দাবী করা যায় না। ✓ আপিলের ন্যায় রিভিশন বিচারকার্যের চলমান অবস্থা নয় 

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা-১১৫ এর বিধান রিভিশন। ১) কোন মোকদ্দমায় কিংবা কর্মপ্রক্রিয়ায় জেলা জজ আদালত বা অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত কর্তৃক ডিক্রি বা আদেশ প্রদত্ত হলে, বা যুগ্ম জেলা জজ, সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক ডিক্রি প্রদত্ত হলে, যার বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা চলে না; সংক্ষুব্ধ পক্ষের আবেদনে হাইকোর্ট ডিভিশন তার নথি তলব করতে পারবেন; এবং ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা সমাপণ করিয়ে এই ডিক্রি বা আদেশে উক্ত আদালত আইনে ভ্রান্তি করেছে মর্মে দৃষ্টমান হলে হাইকোর্ট ডিভিশন এই ডিক্রি বা আদেশ সংশোধন করতে পারবেন, কিংবা তা যেরূপ যথার্থভাবে মোকদ্দমা কিংবা কর্মপ্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।
২) যে আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায় না, কোন যুগ্ম জেলা জজ আদালত, সিনিয়র সহকারী জজ আদালত বা সহকারী জজ আদালত উক্তরূপ কোন আদেশ প্রদান করলে সংক্ষুব্ধ পক্ষের দরখাস্তের প্রেক্ষিতে জেলা জজ আদালত এই মোকদ্দমা বা কর্মপ্রক্রিয়ায় নথি তলব করতে পারবেন; এবং ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা অবসান করিয়ে এই আদেশে উক্ত আদালত আইনে ভ্রান্তি করেছে মর্মে দৃষ্টমান হলে জেলা জজ আদালত উক্ত আদেশ সংশোধন করতে পারবে এবং তা যেরূপ যথার্থভাবে মোকদ্দমা কিংবা কর্মপ্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।
৩) জেলা জজ রিভিশন মোকদ্দমা হস্তান্তর করলে উপ-ধারা (২) এর অধীনে জেলা জজের সকল সর্বময় ক্ষমতা অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতে থাকবে।

৪) ন্যায়বিচারের ব্যর্থতার অবসান করিয়ে ভুল সিদ্ধান্ত প্রদান করলে প্রয়োজনীয় আইনের প্রশ্নে ভুলের যেক্ষেত্রে হাইকোর্ট ডিভিশন রিভিশনের অনুমতির অনুমোদন দেয়, সেক্ষেত্রে উপ-ধারা (২) বা (৩) এর অধীনে প্রদানকৃত জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজের আদেশ পুনর্বিবেচনার উদ্দেশ্যে হাইকোর্ট ডিভিশনে আবেদন করা চলবে, এবং হাইকোর্ট ডিভিশন তা যেরূপ যথার্থভাবে মোকদ্দমা বা কর্মপ্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।
৫) এই ধারাটির প্রতিস্থাপনে যেটাই বর্ণিত থাকুক না কেন, ঐরূপ প্রতিস্থাপনের পূর্বে ১১৫নং ধারার অধীনে আরম্ভ হওয়া বা ঝুলন্ত থাকা কর্মপ্রক্রিয়া যেরূপে নিষ্পত্তি হবে যেন ১১৫নং ধারূ প্রতিস্থাপিত হয়নি।
৬,০৮৮.
স্ত্রী "ক" বিচ্ছেদ ও নাবালক সন্তানের অভিভাবকত্ব চেয়ে মামলা করে স্বামীর "খ” বিরুদ্ধে। পরবর্তীতে "খ" নাবালক সন্তানের অভিভাবক হওয়ার জন্য আরেকটি মামলা দায়ের করে। এই ক্ষেত্রে-
  1. দুটো মামলাই চলতে থাকবে
  2. "ক"এর মামলাটা স্থগিত হবে
  3. "খ" এর মামলাটা স্থগিত হবে
  4. আদালত যেকোন রকম সিদ্ধান্ত নিবেন
সঠিক উত্তর:
"খ" এর মামলাটা স্থগিত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
"খ" এর মামলাটা স্থগিত হবে
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা ১০ অনুযায়ী মামলা স্থগিতকরণ (stay of suit)/Res-subjudice) সম্পর্কে বলা আছে।

♦ যখন পূর্বে দায়েরকৃত বিচারধীন মামলার পক্ষসমূহ ও বিচার্য বিষয় এবং পরবর্তীতে দায়েরকৃত মামলার পক্ষসমূহ ও বিচার্য বিষয় একই হয়, তখন পরবর্তীতে দায়েরকৃত মামলাটির বিচারকার্য আদালত স্থগিত বা মূলতবি (stay of suit / Res-Subjudice) করে দিবেন।

♦  তবে পূর্ববতী মামলা যদি কোন বিদেশী আদালতে দায়ের করা হয়ে থাকে, তখন মামলার কারণ একই হওয়ার সত্ত্বেও বাংলাদেশের কোন আদালতে পরবর্তী মামলা বিচারে বাধা সৃষ্টি করবেনা।
৬,০৮৯.
The Muslim Family Laws Ordinance, 1961 অনুসারে সালিশী পরিষদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. জেলা জজের নিকট রিভিশন
  2. সহকারী জজের নিকট রিভিশন
  3. সহকারী জজের নিকট আপিল
  4. জেলা জজের নিকট আপিল
সঠিক উত্তর:
সহকারী জজের নিকট রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সহকারী জজের নিকট রিভিশন
ব্যাখ্যা
• The Muslim Family Laws Ordinance, 1961 এর ৬ ধারা: বহুবিবাহ:
১) কোন ব্যক্তির বিবাহ বলবৎ থাকা অবস্থায় সে সালিশী কাউন্সিলের লিখিত অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবে না বা ঐরূপ অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ অনুষ্ঠিত হলে তা The Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 এর অধীনে রেজিস্ট্রিকৃত হবে না।
২) অনুমতির দরখাস্ত নির্ধারিত ফি সহ চেয়ারম্যানের নিকট দাখিল করতে হবে ও তাতে প্রস্তাবিত বিবাহের কারণসমূহ এবং এই বিবাহের ব্যাপারে বর্তমানে স্ত্রী কিংবা স্ত্রীগণের সম্মতি নেয়া হয়েছে কিনা তার উল্লেখ থাকতে হবে।
৩) দরখাস্ত গ্রহণ করার পর চেয়ারম্যান আবেদনকারীকে ও বর্তমান স্ত্রী কিংবা স্ত্রীগণের প্রত্যেককে একজন করে প্রতিনিধি মনোনীত করতে বলবেন। উক্তরূপে গঠিত সালিশি কাউন্সিল প্রস্তাবিত বিবাহ প্রয়োজনীয় ও ন্যায়সঙ্গত বলে মনে করলে সেক্ষেত্রে প্রার্থিত আবেদন মঞ্জুর করতে পারবেন।
৪) উক্ত দরখাস্তে বিবেচনা করার সময় সালিশি কাউন্সিল নিষ্পত্তির কারণাদি লিপিবদ্ধ করবেন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যে কোন পক্ষ নির্দিষ্ট ফি প্রদানক্রমে সহকারী জজের নিকট পুনর্বিবেচনার (Revision) জন্য দরখাস্ত দাখিল করতে পারে; তার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে ও কোন আদালতে এই সম্পর্কে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।
৫) কোন লোক যদি সালিশী কাউন্সিলের অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় তবে সে-
ক) বর্তমান স্ত্রী কিংবা স্ত্রী গণের তলবী ও স্থগিত দেনমোহরের সম্পূর্ণ টাকা তৎক্ষণাৎ পরিশোধ করতে হবে। উক্ত টাকা উক্তরুপে পরিশোধ না করা হলে বকেয়া ভূমি রাজস্বরূপে আদায়যোগ্য হবে: এবং
খ) অভিযোগে অপরাধী সাব্যস্ত হলে এর শান্তি- অনধিক ১ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।

অর্থাৎ The Muslim Family Laws Ordinance, 1961 অনুসারে সালিশী পরিষদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিকার হচ্ছে সহকারী জজের নিকট রিভিশন।
৬,০৯০.
সাক্ষ্য আইনের ৭৭ ধারা অনুযায়ী, সরকারি দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ করার জন্য কী উপস্থাপন করা যেতে পারে?
  1. স্বাক্ষরিত আবেদন
  2. মূল দলিলের অনুলিপি
  3. প্রত্যয়নকৃত অনুলিপি
  4. কোনো সাক্ষীর সাক্ষ্য
সঠিক উত্তর:
প্রত্যয়নকৃত অনুলিপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যয়নকৃত অনুলিপি
ব্যাখ্যা
→ সাক্ষ্য আইনের ৭৭ ধারা অনুযায়ী, সরকারি দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ করার জন্য তার প্রত্যয়নকৃত অনুলিপি (Certified Copy) আদালতে উপস্থাপন করা যেতে পারে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৭ ধারা অনুযায়ী, সরকারি দলিল বা এর কোনো অংশের বিষয়বস্তু প্রমাণ করার জন্য সংশ্লিষ্ট দলিলের প্রত্যয়নকৃত অনুলিপি আদালতে উপস্থাপন করা যেতে পারে। এই অনুলিপিগুলোই প্রমাণ হিসাবে গৃহীত হতে পারে যদি তা সংশ্লিষ্ট দলিলের যথাযথ প্রত্যয়ন করে।

- সাক্ষ্য আইনের ৭৭ ধারা: "অনুরূপ জাবেদা নকল সরকারি যে দলিলের নকল বা যে দলিলের অংশ বিশেষের নকল বলে বুঝতে দেয়া হয়, সে দলিলের বা তার অংশ বিশেষের বিষয়বস্তুর প্রমাণ স্বরূপ তা উপস্থাপন করা যেতে পারে।"

প্রত্যয়নকৃত অনুলিপি কী?
→ এটি হলো সরকারি কর্তৃপক্ষ কর্তৃক স্বাক্ষরিত ও সত্যায়িত অনুলিপি, যা মূল দলিলের সত্যতার নিশ্চয়তা প্রদান করে।

উদাহরণ:
যদি কোনো ব্যক্তি জমির খতিয়ানের প্রমাণ আদালতে উপস্থাপন করতে চায়, তবে তিনি সেটির প্রত্যয়নকৃত অনুলিপি জমা দিতে পারবেন, যা রাজস্ব দপ্তর থেকে সত্যায়িত হবে।

সাক্ষ্য আইনের ৭৭ ধারা সহজ ভাষায়:
"সরকারি দলিলের কোনো অনুলিপি যদি সরকারি অনুমোদনপ্রাপ্ত হয়, তাহলে সেটি আদালতে মূল দলিলের প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে।"
------------------
⇒ The Evidence Act,1872: section- 77.Proof of documents by production of certified copies:
- Such certified copies may be produced in proof of the contents of the public documents or parts of the public documents of which they purport to be copies.
৬,০৯১.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৯০ক অনুসারে, আদালত ডিজিটাল রেকর্ডকে সঠিক বলে অনুমান করতে পারে যদি রেকর্ডটি -
  1. সরকারি হেফাজতে থাকে
  2. ১ বছর পুরোনো হয়
  3. ৫ বছর পুরোনো হয়
  4. স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যার দ্বারা তৈরি করা হয়
সঠিক উত্তর:
৫ বছর পুরোনো হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর পুরোনো হয়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৯০ক অনুযায়ী,
যে কোনো ডিজিটাল রেকর্ড যদি পাঁচ বছর পুরোনো হয় এবং আদালত মনে করে যে এটি সঠিকভাবে সংরক্ষিত হয়েছে,
 তবে আদালত এটি সঠিক বলে ধরে নিতে পারে এবং অনুমান করতে পারে যে ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা তার অনুমোদিত কোনো ব্যক্তির দ্বারা সংযুক্ত হয়েছে।

⇒ The Evidence Act,1872, section- 90A. Presumption as to digital records five years old:
Where any digital record, purporting or proved to be five years old, is produced from any custody which the Court in the particular case considers proper, the Court may presume that the digital signature which purports to be the digital signature of any particular person was so affixed by him or any person authorized by him in this behalf.
৬,০৯২.
Under what circumstances may the Magistrate restrict public access to the Court?
  1. Only during a final judgment
  2. Only if the accused requests privacy
  3. Only during a jury trial
  4. At any stage of the inquiry or trial, if deemed fit
সঠিক উত্তর:
At any stage of the inquiry or trial, if deemed fit
উত্তর
সঠিক উত্তর:
At any stage of the inquiry or trial, if deemed fit
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫২ ধারার বিধান- আদালত উন্মুক্ত থাকবে:
কোন অপরাধের তদন্ত বা বিচারের উদ্দেশ্যে যে স্থানে কোন ফৌজদারী আদালতের অধিবেশন বসে, ঐ স্থানকে উন্মুক্ত আদালত হিসেবে পরিগণিত করতে হবে এবং যে পর্যন্ত সেখানে সুবিধাজনক স্থান সংকুলান হয়, সে পর্যন্ত সেখানে সর্ব সাধারণের প্রবেশাধিকার থাকতে পারেঃ
শর্ত থাকে যে, বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট সঠিক মর্মে মনে করলে কোন বিশেষ মামলার অনুসন্ধান বা বিচারের যেকোন ধাপে আদেশ প্রদান করতে পারবেন যে, সর্বসাধারণ বা কোন বিশেষ ব্যক্তি আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত কক্ষ বা ভবনে প্রবেশ করতে বা অন্য কোন জায়গায় অবস্থান করতে পারবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-352: Courts to be open-
The place in which any Criminal Court is held for the purpose of inquiring into or trying any offence shall be deemed an open Court, to which the public generally may have access, so far as the same can conveniently contain them:
Provided that the presiding Judge or Magistrate may, if he thinks fit, order at any stage of any inquiry into, or trial of, any particular case, that the public generally, or any particular person, shall not have access to, or be or remain in, the room or building used by the Court.
৬,০৯৩.
'Factum valet quod fieri non debuit' অর্থ কী?
  1. ভুল করে কোনো কাজ সম্পন্ন হলে তা অবৈধ হবে
  2. নির্ধারিত নিয়মে কাজটি সম্পন্ন হলে তা বৈধ হবে
  3. কোনো কাজ সম্পন্ন হয়ে গেলে তা বৈধ হয়ে যাবে
  4. ভুল করে কোনো কাজ সম্পন্ন হলে আইন অনুযায়ী কাজটি অবৈধ হবে
সঠিক উত্তর:
কোনো কাজ সম্পন্ন হয়ে গেলে তা বৈধ হয়ে যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো কাজ সম্পন্ন হয়ে গেলে তা বৈধ হয়ে যাবে
ব্যাখ্যা
• হিন্দু আইনে ফ্যাক্টাম ভ্যালেট (Factum valet] নীতিটির প্রবর্তক হলো জীমুতবাহন।

Factum valet quod fieri non debuit অর্থ হলো উচিৎ নয় এমন কোন কাজ কেউ করে ফেললে সেটাকে অবৈধ গণ্য করা হবে না। এটা বর্তমানে দায়ভাগ এবং মিতাক্ষর উভয় মতবাদে স্বীকৃত নীতি। এই নীতির আলোকে আদালত হিন্দু আইনের কতিপয় ক্ষেত্রে এটি প্রয়োগ করে।
যেমন- অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া একটি বিয়ে অনুষ্ঠিত হলো। বিয়ের ক্ষেত্রে অভিভাবকের সম্মতি বিধি মোতাবেক একটি দিক নির্দেশক পন্থা মাত্র, সম্মতি ছাড়া বিয়ে হলে সেটি অবৈধ হবে না।
৬,০৯৪.
Under Section 28, the extinguishment of right occurs-
  1. Automatically by operation of law
  2. Only when the court orders
  3. When the parties agree
  4. When a new suit is filed
সঠিক উত্তর:
Automatically by operation of law
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Automatically by operation of law
ব্যাখ্যা

⇒ The Limitation Act, 1908, Section- 28. Extinguishment of right to property:
At the determination of the period hereby limited to any person for instituting a suit for possession of any property, his right to such property shall be extinguished. 

তামাদি আইন, ১৯০৮–এর ধারা ২৮ বলছে যে—
কোনো ব্যক্তি যদি নির্ধারিত তামাদি সময়ের মধ্যে কোনো সম্পত্তির দখল চেয়ে মামলা না করে, তাহলে—
- তার সেই সম্পত্তির অধিকার নিজে থেকেই লোপ পায়।
- আদালতের আলাদা কোনো আদেশ লাগে না।
- এটি আইন স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঘটায়।

অর্থাৎ, সময়মতো মামলা না করলে—
“Remedy is barred” নয়, বরং “Right itself is extinguished” হয়ে যায়। এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে আইনের বলে ঘটে (by operation of law)
আদালতের নির্দেশ বা পক্ষদ্বয়ের সম্মতির প্রয়োজন হয় না

৬,০৯৫.
Nothing is an offence which is done by a child under ______________.
  1. Eighteen years of age.
  2. Seven years of age.
  3. Nine years of age.
  4. Twelve years of age.
সঠিক উত্তর:
Nine years of age.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Nine years of age.
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির  ৮২ ধারার বিধান নয় বৎসরের কম বয়সের শিশু দ্বারা সম্পাদিত কাজ:- নয় বৎসরের কম বয়স্ক শিশুর কোন কার্যই অপরাধ নয়।

⇒  Section 82. Act of a child under nine years of age:- Nothing is an offence which is done by a child under nine years of age.

⇒  দণ্ডবিধির ৮৩ ধারার বিধান নয় বৎসরের অধিক কিন্তু বার বৎসরের কম বয়সের অপরিণত বুদ্ধিসম্পন্ন শিশু দ্বারা সম্পাদিত কাজ:- নয় বৎসর অপেক্ষা বেশি কিন্তু বার বৎসর অপেক্ষা কম বয়সের এমন কোন শিশুর কোন কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে না, যে শিশু সংশ্লিষ্ট কাজটি করার সময় উহার প্রকৃতি ও ফলাফল বিচার করার পক্ষে পর্যাপ্ত বুদ্ধির পরিপক্কতা লাভ করে নাই।

⇒  Section 83. Act of a child above nine and under twelve of immature understanding:
 Nothing is an offence which is done by a child above nine years of age and under twelve, who has not attained sufficient maturity of understanding to judge of the nature and consequences of his conduct on that occasion.
৬,০৯৬.
পারিবারিক আদালত মোকদ্দমার বিচার-পূর্ব শুনানিকালে কী কী ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
  1. পক্ষগণের মধ্যে বিরোধীয় বিষয়সমূহ ধার্য
  2. আপোষ বা মীমাংসার চেষ্টা
  3. ক এবং খ
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
ব্যাখ্যা
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ১১ ধারার বিধান- বিচার-পূর্ব কার্যক্রম:

(১) লিখিত জবাব দাখিল করা হইলে পারিবারিক আদালত মোকদ্দমার বিচার-পূর্ব শুনানির জন্য অনধিক ৩০ (ত্রিশ) দিনের একটি তারিখ ধার্য করিবে।

(২) বিচার-পূর্ব শুনানির জন্য ধার্যকৃত তারিখে আদালত আরজি, লিখিত জবাব এবং পক্ষগণ কর্তৃক দাখিলকৃত দলিলসমূহ পরীক্ষা করিবে এবং যথাযথ মনে করিলে, পক্ষগণের বক্তব্যও শ্রবণ করিবে।

(৩) আদালত বিচার-পূর্ব শুনানিকালে পক্ষগণের মধ্যে বিরোধীয় বিষয়সমূহ ধার্য করিবে এবং সম্ভব হইলে পক্ষগণের মধ্যে একটি আপোষ বা মীমাংসার চেষ্টা করিবে।

(৪) উপধারা (৩) এর অধীন আপোষ বা মীমাংসা প্রতিষ্ঠা সম্ভব না হইলে আদালত মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় গঠন করিবে এবং সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য অনধিক ৩০ (ত্রিশ) দিনের একটি তারিখ ধার্য করিবে।
৬,০৯৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৭ক(১) অনুযায়ী, কোন অবস্থায় সরকার পাবলিক প্রসিকিউটরকে সাজা সংক্রান্ত আপিল দাখিলের নির্দেশ দিতে পারে?
  1. যখন সাজা ঠিক থাকে
  2. যখন সাজা অপর্যাপ্ত হয়
  3. যখন সাজা অত্যন্ত বেশি
  4. উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
যখন সাজা অপর্যাপ্ত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন সাজা অপর্যাপ্ত হয়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৭ক(১) এর বিধান অনুযায়ী:
- সরকার যে কোনো দণ্ডাদেশের (conviction) ক্ষেত্রে পাবলিক প্রসিকিউটরকে সাজা অপর্যাপ্ত (inadequacy of sentence) হওয়ার ভিত্তিতে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দাখিলের নির্দেশ দিতে পারে।
- আদালত কর্তৃক প্রদত্ত সাজা (যেমন: কারাদণ্ড বা জরিমানা) অপরাধের গুরুত্ব ও প্রকৃতির তুলনায় কম মনে হলে সরকার এ আপিল করতে পারে।
- আপিলে শুধুমাত্র সাজা বাড়ানোর (enhancement of sentence) আবেদন করা যায়।
- তবে, আপিল আদালত সাজা বাড়ানোর আগে আসামীকে শুনানির সুযোগ দিতে বাধ্য (ধারা ৪১৭ক(৩))।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৭ক(১) (Section 417A(1)) অনুসারে, সরকার পাবলিক প্রসিকিউটরকে সাজা সংক্রান্ত আপিল দাখিলের নির্দেশ দিতে পারে যখন সাজা অপর্যাপ্ত হয়।
অর্থাৎ, যদি কোনো আসামীর অপরাধের জন্য দেওয়া সাজা অপর্যাপ্ত বা অপ্রতুল মনে হয়, তখন সরকার পাবলিক প্রসিকিউটরকে আপিল দাখিল করার নির্দেশ দিতে পারে যাতে সাজার পরিমাণ বৃদ্ধি করা হয়।
তবে, যখন সাজা অত্যন্ত বেশি বা ঠিক থাকে, তখন এ ধরনের আপিল দাখিল করার জন্য সরকার পাবলিক প্রসিকিউটরকে নির্দেশ দিতে পারে না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭ক ধারার বিধান অপর্যাপ্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল:-
(১) কোন আদালতের বিচারে প্রদত্ত দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততার কারণে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল দায়েরের জন্য সরকার পাবলিক প্রসিকিউটরকে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।
(২) আদালতে বিচারে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার ক্ষেত্রে একজন ফরিয়াদী দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততাহেতু আপিল আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবেনঃ
শর্ত থাকে যে, দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৬০ (ষাট) দিন পার হবার পর এই উপ-ধারার অধীন আপিল আদালত কর্তৃক কোন আপিল গৃহীত হবে না।
(৩) দণ্ডের অপর্যাপ্ততা হেতু কোন আপিল রুজু করা হলে আপিল আদালত দণ্ড বাড়ানোর বিরুদ্ধে কারণ দর্শাবার জন্য আসামীকে যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে দণ্ড বাড়াবেন না এবং কারণ দর্শাবার সময় আসামী তার খালাস প্রাপ্তি বা দণ্ড কমানোর জন্য আবেদন করতে পারবেন।
----------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 417A: Appeal against inadequacy of sentence:
(1) The Government may, in any case of conviction on a trial held by any court, direct the Public Prosecutor to present an appeal to the High Court Division against the sentence on the ground of its inadequacy.
(2) A complainant may, in any case of conviction on a trial held by any Court, present an appeal to the Appellate Court against the sentence on the ground of its inadequacy:
Provided that no appeal under this sub-section shall be entertained by the Appellate Court after the expiry of sixty days from the date of conviction.
(3) When an appeal has been filed against the sentence on the ground of its inadequacy, the Appellate Court shall not enhance the sentence except after giving to the accused a reasonable opportunity of showing cause against such enhancement and while showing cause, the accused may plead for his acquittal or for the reduction of the sentence.
৬,০৯৮.
সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ধারা অনুসারে কোন ধরনের বিষয় প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই?
  1. সাক্ষ্য প্রমাণে প্রমাণিত বিষয়
  2. কোনো পক্ষের দাবি করা নতুন তথ্য
  3. প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণিত ঘটনা
  4. আদালতের বিচারিক দৃষ্টিগোচরে থাকা বিষয়
সঠিক উত্তর:
আদালতের বিচারিক দৃষ্টিগোচরে থাকা বিষয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের বিচারিক দৃষ্টিগোচরে থাকা বিষয়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ধারা- বিচারিক দৃষ্টিগোচরে যে সকল বিষয় নেয়ার যোগ্য সেগুলো প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই:
যে বিষয়ে আদালত বিচারিক দৃষ্টিগোচর হিসেবে অবগত হবেন তা প্রমাণ করার অবশ্যকতা নেই। 

Section 56⇒ Fact judicially noticeable need not be proved:
No fact of which the Court will take judicial notice need be proved.
৬,০৯৯.
Land Survey Tribunal এ মামলা করার তামাদির মেয়াদ?
  1. ৩ মাস
  2. ১ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১৪৫ক ধারার বিধান: ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল:
উপ-ধারা(৬): উপ-ধারা (৭) এর বিধান সাপেক্ষে, ধারা ১৪৪ এর অধীন প্রস্তুতকৃত সর্বশেষ রিভিশনকৃত খতিয়ানের চূড়ান্ত প্রকাশনায় সংক্ষুব্ধ কোনো ব্যক্তি, উক্ত প্রকাশনার তারিখ অথবা ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠার তারিখ, যাহা পরে ঘটে, হইতে এক বৎসরের মধ্যে যেকোনো মামলা উক্ত ট্রাইব্যুনালে দায়ের করিতে পারিবেন।
উপ-ধারা(৭): কোনো মামলা, বাদী কর্তৃক প্রদর্শিত বিলম্বের কারণ বিষয়ে ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল সন্তুষ্ট হইলে, উপ-ধারা (৬) এ উল্লিখিত মেয়াদ উত্তীর্ণ হইবার পরবর্তী এক বৎসরের মধ্যে দাখিল করা যাইবে।
------------
Section145A Land Survey Tribunal:

(6) Subject to the provision of sub-section (7), any person aggrieved by the final publication of the last revised record-of-rights prepared under section 144 may, within one year from the date of such publication or from the date of the establishment of the Land Survey Tribunal, whichever is later, file a suit in such Tribunal.
(7) A suit may be admitted within next one year after the expiry of the period specified in sub-section (6), if the Land Survey Tribunal is satisfied with the reasons for delay shown by the plaintiff.
(7A) The Land Survey Tribunal shall conclude the trail of a suit within 180 (one hundred and eighty) days from the date fixed for its final hearing. 
৬,১০০.
আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত কর্তৃক আরজি নাকচ বা প্রত্যাখ্যানের বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির প্রতিকার হলোঃ-
  1. আপীল
  2. রিভিউ
  3. রিভিশন
  4. রেফারেন্স
সঠিক উত্তর:
আপীল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপীল
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানি কার্যবিধির ৯৬ ধরার অধীন মূল ডিক্রি হতে আপিল: (১) এই আইনের কোন কোন অংশে অথবা বর্তমানে প্রচলিত অন্য কোন আইনে স্পষ্টতঃ অন্যরূপ বিধান না থাকলে, আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যেক ডিক্রি হতে আপিল শ্রবণের ক্ষমতাসম্পন্ন আদালতে আপিল দায়ের করতে হবে।
(২) একতরফা মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা যাবে।
(৩) পক্ষগণের সম্মতিতে আদালত কোন ডিক্রি দান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল চলবে না ।
আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত [Court exercising original jurisdiction] অর্থ হলো কোন মোকদ্দমা প্রথমে বা আদিতে যে আদলতে শুনানী এবং বিচারপূর্বক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এটা হলো এমন আদালত যে আদলত  সিদ্ধান্ত দেওয়ার পর বিষয়টি আপীল বা রিভিশন আদালতে দায়ের করতে হয়। যেমন দেওয়ানি মোকদ্দমার ক্ষেত্রে সহকারী জজ, সিনিয়র সহকারী জজ, যুগ্ম জেলা জজ হলো আদি এখতিয়ারকারী আদালত। এই সকল আদালতে মোকদ্দমা প্রথমে দায়ের করতে হয় এবং এই আদালত সিদ্ধান্ত দিলে তার বিরূদ্ধে আপীল বা রিভিশন আদালতে দায়ের করতে হবে।