বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ৫১ / ১৫৫ · ৫,০০১৫,১০০ / ১৫,৪৭০

৫,০০১.
কোন ক্ষেত্রে সিভিল সার্জন বা চিকিৎসক কর্তৃক প্রদত্ত ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যায়?
  1. ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকের অনুমতি সাপেক্ষে
  2. ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক সাক্ষ্য দিতে অক্ষম হয়ে গেলে
  3. ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক বাংলাদেশের বাইরে অবস্থান করলে এবং তাকে আনা সময় সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল হলে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
ধারা ৫০৯ক: ময়নাতদন্তের রিপোর্ট

এই কার্যবিধির অধীন যেক্ষেত্রে ইনকোয়ারী, বিচার বা অন্য কার্যক্রমে ময়না তদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহৃত হওয়া দরকার এবং ময়না তদন্তকারী সিভিল সার্জন বা অন্য কোন মেডিকেল অফিসার মারা গেলে বা সাক্ষ্য প্রদান করতে অপারগ হন বা বাংলাদেশের সীমার বাহিরে অবস্থান করেন এবং এরূপ বিলম্ব বা অতিরিক্ত ব্যয় ছাড়া বা অসুবিধা ছাড়া তাকে হাজির করা না যায়, যা মামলার অবস্থায় অযৌক্তিক সেক্ষেত্রে সাক্ষী রূপে তাকে তলব না করেই উক্ত রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহার করা যাবে।

Section 509A: Report of post-mortem examination

Where in any inquiry, trial or other proceeding under this Code the report of a post-mortem examination is required to be used as evidence, and the Civil Surgeon or other medical officer who made the report is dead or is incapable of giving evidence or is beyond the limits of Bangladesh and his attendance cannot be procured without an amount of delay, expense or inconvenience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable, such report may be used as evidence.
৫,০০২.
সংবিধানের ১৩৪ অনুচ্ছেদে বর্ণিত ‘Doctrine of Pleasure’ বলতে কী বোঝায়?
  1. সংসদের ইচ্ছানুযায়ী পদে বহাল থাকা
  2. নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য পদে বহাল থাকা
  3. রাষ্ট্রপতির ইচ্ছানুযায়ী পদে বহাল থাকা
  4. বিচার বিভাগের নির্দেশনায় পদে বহাল থাকা
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতির ইচ্ছানুযায়ী পদে বহাল থাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতির ইচ্ছানুযায়ী পদে বহাল থাকা
ব্যাখ্যা
• ‘Doctrine of Pleasure’ বলতে বোঝায় যে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত ব্যক্তির পদে বহাল থাকার মেয়াদ রাষ্ট্রপতির ইচ্ছার উপর নির্ভর করে, যা ১৩৪ অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে।

বাংলাদেশের সংবিধানের ১৩৪ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে:
"এই সংবিধানের দ্বারা অন্যরূপ বিধান না করা হইয়া থাকিলে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তি রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন।"

এই নীতি অনুসারে, প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত ব্যক্তিদের (যেমন, সরকারি কর্মচারী, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, বা অন্যান্য পদে নিযুক্ত ব্যক্তি) পদে বহাল থাকার মেয়াদ রাষ্ট্রপতির ইচ্ছা বা সন্তোষের উপর নির্ভর করে। অর্থাৎ, রাষ্ট্রপতি যতদিন পর্যন্ত চান, ততদিন পর্যন্ত ওই ব্যক্তি তাদের পদে থাকতে পারেন, যদি না সংবিধানে অন্য কোনো বিধান থাকে। এই নীতির মূল উদ্দেশ্য হলো রাষ্ট্রপতিকে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত ব্যক্তিদের উপর নিয়ন্ত্রণ ও কর্তৃত্ব প্রদান করা, যাতে প্রশাসনিক দক্ষতা ও শৃঙ্খলা বজায় থাকে।
৫,০০৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির অধীনে কোন আদালত "রাজস্ব আদালত" হিসাবে অন্তর্ভুক্ত হয় না?
  1. দেওয়ানি আদালত
  2. ভূমি রাজস্ব আদালত
  3. কৃষিজমি সংক্রান্ত আদালত
  4. রাজস্ব বা লাভ সম্পর্কিত বিশেষ আদালত
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৫ ধারার বিধান: রাজস্ব আদালতে এই আইনের প্রয়োগ:
১) রাজস্ব আদালতে প্রযোজ্য বিশেষ আইন কার্যক্রম সংক্রান্ত বিষয়ে নীরব থাকার ফলে এই আইনের বিধানসমূহ রাজস্ব আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলে সরকার, সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তির দ্বারা ঘোষণা করতে পারে যে, উক্ত বিধানসমূহের যে-সকল অংশ এই আইন দ্বারা সুস্পষ্টরূপে প্রযোজ্য করা হয়নি, তা উক্ত আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না, অথবা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সংশোধনীসহ প্রযোজ্য হবে।
২) (১) উপধারায় “রাজস্ব আদালত” বলতে ঐ আদালত বুঝায়, কৃষির উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত ভূমির খাজনা রাজস্ব বা লাভ সম্পর্কিত মোকদ্দমা অথবা অন্যান্য কার্যধারা গ্রহণ করতে কোন আইনের অধীনে এখতিয়ারভুক্ত আদালতকে বুঝায়। তবে এটা দেওয়ানি প্রকৃতির মোকদ্দমা কার্যধারার মত অনুরূপ মোকদ্দমা বা কার্যধারাসমূহ বিচার করতে এই আইনের অধীনে মূল এতিয়ারযুক্ত দেওয়ানি আদালতকে অন্তর্ভুক্ত করে না।l

উল্লিখিত প্রশ্নের "দেওয়ানি আদালত" "রাজস্ব আদালত" হিসাবে অন্তর্ভুক্ত হয় না।
-----------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section-5. Application of the Code of Revenue Courts:
(1) Where any Revenue Courts are governed by the provisions of this Code in those matters of procedure upon which any special enactment applicable to them is silent, the Government may, by notification in the official Gazette, declare that any portions of those provisions which are not expressly made applicable by this Code shall not apply to those Courts, or shall only apply to them with such notifications as the Government may prescribe.

(2) "Revenue Court" in sub-section (1) means a Court having jurisdiction under any law to entertain suits or other proceedings relating to the rent, revenue or profits of land used for agricultural purposes, but does not include a Civil Court having original jurisdiction under this Code to try such suits or proceedings as being suits or proceedings of a civil nature.
৫,০০৪.
'চুক্তির যে সকল বিধি-নিয়ম সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ে বর্ণিত হয়েছে, তা প্রয়োজনমত পরিবর্তনসহ উইলের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।'- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় এই বিধান রয়েছে?
  1. ২৭ ধারায়
  2. ৩০ ধারায়
  3. ৩৫ ধারায়
  4. ৩৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ ধারায়
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৩০:
এই অধ্যায়ের চুক্তি সম্পর্কিত বিধানগুলি, প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ, পুরস্কার এবং উইল বা কোডিসিলে একটি বিশেষ সেটেলমেন্ট নিষ্পন্ন করার নির্দেশনাসমূহের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
[The provisions of this Chapter as to contracts shall, mutatis mutandis, apply to awards and to directions in a will or codicil to execute a particular settlement.]

অর্থাৎ,
চুক্তির যে সকল বিধি-নিয়ম, দ্বিতীয় অধ্যায়ে বর্ণিত হয়েছে, সেগুলিকে প্রয়োজনমত পরিবর্তন করে পুরস্কার এবং উইল/কোডিসিলের নির্দেশনাসমূহের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
৫,০০৫.
যদি ডিক্রি-দেনাদার সম্পূর্ণ ডিক্রি পরিশোধের পূর্বে মারা যান, তবে ডিক্রিদার কার বিরুদ্ধে উক্ত ডিক্রি কার্যকর করার জন্য আদালতে আবেদন করতে পারে?
  1. কারোর বিরুদ্ধেই নয়
  2. ডিক্রি-দেনাদারের বন্ধুর বিরুদ্ধে
  3. ডিক্রি-দেনাদারের উত্তরাধিকারীর
  4. খ ও গ উভয়ের বিরুদ্ধে
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি-দেনাদারের উত্তরাধিকারীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি-দেনাদারের উত্তরাধিকারীর
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধি ধারা ৫০:

(১) যদি ডিক্রি-দেনাদার সম্পূর্ণ ডিক্রি পরিশোধের পূর্বে মারা যান, তবে ডিক্রিদার আদালতে আবেদন করতে পারেন যা ডিক্রি জারি করেছিল, মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারীর (legal representative) বিরুদ্ধে সেই ডিক্রি কার্যকর করার জন্য।
Where a judgment-debtor dies before the decree has been fully satisfied, the holder of the decree may apply to the Court which passed it to execute the same against the legal representative of the deceased.

(২) যখন ডিক্রি মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারীর বিরুদ্ধে কার্যকর করা হয়, তখন তিনি শুধুমাত্র সেই সম্পত্তির পরিমাণে দায়বদ্ধ থাকবেন যা মৃত ব্যক্তির কাছ থেকে তার হাতে এসেছে এবং যথাযথভাবে নিষ্পত্তি করা হয়নি; এবং, এই দায় নির্ধারণের জন্য, ডিক্রি কার্যকরকারী আদালত, নিজ উদ্যোগে বা ডিক্রি ধারকের আবেদনের ভিত্তিতে, ওই উত্তরাধিকারীকে এমন হিসাবপত্র পেশ করার জন্য বাধ্য করতে পারে যা আদালত উপযুক্ত মনে করে।
Where the decree is executed against such legal representative, he shall be liable only to the extent of the property of the deceased which has come to his hands and has not been duly disposed of; and, for the purpose of ascertaining such liability, the Court executing the decree may, of its own motion or on the application of the decree-holder, compel such legal representative to produce such accounts as it thinks fit.
৫,০০৬.
গুরুতর প্ররোচনায় আক্রমণ বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করা হলে সর্বোচ্চ কত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড দেয়া যেতে পারে?
  1. ২০০ টাকা
  2. ৩০০ টাকা
  3. ৫০০ টাকা
  4. ১০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৫৮- গুরুতর প্ররোচনায় আক্রমণ বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগ:
যে কেউ অন্য কোনো ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত গুরুতর ও হঠাৎ প্ররোচনার কারণে সেই ব্যক্তিকে আক্রমণ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে, তাকে সর্বোচ্চ এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ দুইশত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

Section 358- Assault or criminal force on grave provocation:
Whoever assaults or uses criminal force to any person on grave and sudden provocation given by that person, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one month or with fine which may extend to two hundred taka, or with both.
৫,০০৭.
তামাদি আইনের কত অনুচ্ছেদের আইনসম্মত পদ্ধতিতে অস্থাবর সম্পত্তি অন্যায়ভাবে জব্দ [wrongful seizure] করার জন্য ক্ষতিপূরণের মামলার তামাদির মেয়াদ আছে?
  1. ২৭
  2. ২৯
  3. ৩২
  4. ৩৩
সঠিক উত্তর:
২৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের ২৯ অনুচ্ছেদের বিধান আইনসম্মত পদ্ধতিতে অস্থাবর সম্পত্তি অন্যায়ভাবে জব্দ [wrongful seizure] করার জন্য ক্ষতিপূরণের মামলার তামাদি মেয়াদ- ১ বৎসর।
সময় গণনা শুরু- জব্দ করার তারিখ থেকে।
----------
⇒ limitation Act-1908 Schedule-1 Article 29: For compensation for wrongful seizure of moveable property under legal process - One year from the date of Seizure.
৫,০০৮.
The Registration Act, 1908 অনুযায়ী দলিল নিবন্ধনের রেজিস্ট্রারের অস্বীকৃতির প্রতিকারের জন্য কোথায় যাওয়া যায়?
  1. বিভাগীয় কমিশনার
  2. ভূমি আপীল বোর্ড
  3. মহাপরিচালক, নিবন্ধন অধিদপ্তর
  4. দেওয়ানী আদালত
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানী আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানী আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ The Registration Act, 1908 এর ৭৭ ধারার বিধান: রেজিস্ট্রার কর্তৃক অগ্রাহ্যের আদেশের ক্ষেত্রে মামলা:- (১) যেক্ষেত্রে রেজিস্ট্রার ধারা ৭২ বা ধারা ৭৬ এর অধীন দলিল নিবন্ধনের জন্য আদেশ প্রদানে অস্বীকৃতিজ্ঞাপন করেন, সেইক্ষেত্রে উক্ত দলিলের কোন গ্রহীতা, তাহার প্রতিনিধি, মনোনীত ব্যক্তি বা এজেন্ট উক্ত অগ্রাহ্যের আদেশ প্রদানের পর ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে যে দেওয়ানি আদালতের আদি এখতিয়ারের স্থানীয় সীমানার মধ্যে অবস্থিত কার্যালয়ে দলিলটি নিবন্ধনের জন্য দাখিল করা হইয়াছিল, সেই কার্যালয়ে দলিলটি নিবন্ধিত হওয়ার নির্দেশ-সংবলিত ডিক্রি লাভের উদ্দেশ্যে উক্ত আদালতে মামলা দায়ের করিতে পারিবেন, যদি এইরূপ ডিক্রি প্রদানের পর ত্রিশ দিনের মধ্যে নিবন্ধনের জন্য দলিলটি যথাযথরূপে দাখিল করা হয়।

তবে শর্ত থাকে যে, মামলা দায়ের করিতে ব্যর্থতা বা এই ধারার অধীন দায়েরকৃত মামলার খারিজ হইয়া যাওয়া, পক্ষকে অন্য কোন প্রতিকার পাওয়ার অধিকার হইতে বঞ্চিত করিবে না, যাহা তিনি অনিবন্ধিত দলিলের ভিত্তিতে পাইতে পারিতেন।

(২) প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ ধারা ৭৫ এর উপ-ধারা (২) ও (৩) এ বর্ণিত বিধানাবলি এইরূপ কোন ডিক্রি অনুসারে নিবন্ধনের জন্য দাখিলকৃত সকল দলিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে, এবং, এই আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, দলিলটি উক্তরূপ মামলায় সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য হইবে।
--------
⇒ The Registration Act, 1908 Section 77. Suit in case of order of refusal by Registrar: 
(1) Where the Registrar refuses to order the document to be registered, under section 72 or section 76, any person claiming under such document, or his representative, assign or agent, may, within thirty days after the making of the order of refusal, institute in the Civil Court, within the local limits of whose original jurisdiction is situate the office in which the document is sought to be registered, a suit far a decree directing the document to be registered in such office if it be duly presented for registration within thirty days after the passing of such decree: 
Provided that failure to file a suit or the dismissal of a suit filed under this section shall not disentitle a party to any other remedy to which he may be entitled, on the basis of the unregistered document. 
 
(2) The provisions contained in sub-sections (2) and (3) of section 75 shall, mutatis mutandis, apply to all documents presented for registration in accordance with any such decree, and, notwithstanding anything contained in this Act, the document shall be receivable in evidence in such suit.
৫,০০৯.
সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে উল্লিখিত মূলনীতিগুলি আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য নয়—এই বিষয়টি কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ–১৫
  2. অনুচ্ছেদ–২২ 
  3. অনুচ্ছেদ–৮
  4. অনুচ্ছেদ–১৮
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ–৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ–৮
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৮(২)-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে যে, দ্বিতীয় ভাগে বর্ণিত রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য নয় (“shall not be judicially enforceable”).
- তাই সঠিক অপশন হলো: অনুচ্ছেদ–৮।

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৮ এর বিধান: মূলনীতিসমূহ:
(১) জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা- এই নীতিসমূহ এবং তৎসহ এই নীতিসমূহ হইতে উদ্ভূত এই ভাগে বর্ণিত অন্য সকল নীতি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বলিয়া পরিগণিত হইবে।
(২) এই ভাগে বর্ণিত নীতিসমূহ বাংলাদেশ-পরিচালনার মূলসূত্র হইবে, আইন-প্রণয়নকালে রাষ্ট্র তাহা প্রয়োগ করিবেন, এই সংবিধান ও বাংলাদেশের অন্যান্য আইনের ব্যাখ্যাদানের ক্ষেত্রে তাহা নির্দেশক হইবে এবং তাহা রাষ্ট্র ও নাগরিকদের কার্যের ভিত্তি হইবে, তবে এই সকল নীতি আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য হইবে না।
------------------
⇒ The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh: Article-8. Fundamental principles
(1) The principles of nationalism, socialism, democracy and secularism, together with the principles derived from those as set out in this Part, shall constitute the fundamental principles of state policy.
(2) The principles set out in this Part shall be fundamental to the governance of Bangladesh, shall be applied by the State in the making of laws, shall be a guide to the interpretation of the Constitution and of the other laws of Bangladesh, and shall form the basis of the work of the State and of its citizens, but shall not be judicially enforceable.

৫,০১০.
একজন ব্যক্তির এক অপারগতা শেষ হওয়ার আগেই নতুন অপারগতা তৈরি হলে, মামলার মেয়াদ গণনা কিভাবে হবে?
  1. নতুন অপারগতার শুরুর সময় থেকে
  2. প্রথম অপারগতা শেষ হওয়ার সময় থেকে
  3. উভয় অপারগতার অবসান হওয়ার পর থেকে
  4. মামলার তামাদি মেয়াদ আপনাআপনি ভাবে ১ বছর বৃদ্ধি পাবে
সঠিক উত্তর:
উভয় অপারগতার অবসান হওয়ার পর থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উভয় অপারগতার অবসান হওয়ার পর থেকে
ব্যাখ্যা
• The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারা বিধান হল বৈধ অপারগতা-
 
(১) যেক্ষেত্রে মামলা বা কার্যধারা দায়ের করার কিংবা ডিক্রি জারির জন্য দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী ব্যক্তি, যেই সময় হতে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে, সেই সময় নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকে, সেক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি তাহার উপরোক্ত অপারগতার অবসান হবার পর, অপারগতা না থাকলে, প্রথম তফসিলের তৃতীয় কলামে অথবা ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারায় বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে যা করতে পারতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা বা কার্যধারা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করতে পারবে।
 
(২) যেক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে, সেই সময় উপরে বর্ণিত যেই কোনো দুইটি অপারগতার অবসান হবার পূর্বেই সে আরেকটি অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি তাহার উভয় অপারগতার অবসান হবার পর, অপারগতা না থাকলে, উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে তা করতে পারতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করতে পারবে।
 
(৩) যেক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত তাহার অপারগতা অব্যাহত থাকে, সেক্ষেত্রে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি ঐ ব্যক্তির মৃত্যুর পর অপারগতা না থাকলে উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে তা করা যেতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দাখিল করতে পারবে।
 
(৪) যেক্ষেত্রে উপরোক্ত ব্যক্তির মৃত্যুর তারিখে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি অনুরূপ কোন অপারগতায় পতিত হয়, সেইক্ষেত্রে (১) ও (২) উপধারায় বিধৃত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে।
৫,০১১.
দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার বিধানসমূহের ক্ষেত্রে নিম্নের কোন বিধান সঠিক নয়?
  1. অর্থ ঋণ আদালত আইন,২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়
  2. অতিরিক্ত সময়সহ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে
  3. সমঝোতা প্রতিবেদন প্রাপ্তির ১০ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে
  4. সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে
সঠিক উত্তর:
সমঝোতা প্রতিবেদন প্রাপ্তির ১০ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমঝোতা প্রতিবেদন প্রাপ্তির ১০ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধিতে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির দুটি (২) পন্থা বর্ণিত হয়েছে
১- মধ্যস্থতা (Mediation),
২- সালিশী (Arbitration)।

সাধারন নিয়মসমূহ-

⇒ মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে। অর্থাৎ সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে।মধ্যস্থতার ফি পক্ষগণ নির্ধারণ করবে। যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন,২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

⇒ মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বেচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে। অর্থাৎ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে।

সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে। উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারী করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন চলবে না।
৫,০১২.
The Penal Code, 1860 এর ৩২৩ ধারায় দোষী সাব্যস্ত হলে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট 'ক' কে ১ (এক) বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। 'ক' উক্ত রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত চেয়ে আপীল দায়েরের শর্তে জামিনের আবেদন করেন। 'ক' এর দরখাস্তটি The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কত ধারায় আনীত হয়েছে?
  1. ৪২৬
  2. ৪২৮
  3. ৪৩৫
  4. ৪৩৯
সঠিক উত্তর:
৪২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২৬
ব্যাখ্যা
আপিল চলমান থাকলে দণ্ড স্থগিত এবং জামিনের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৬ ধারায় আবেদন করা যায়। ৪২৬ ধারায় আপিল আদালতকে আপিল চলাকালীন সময় দণ্ড স্থগিত এবং আসামীকে জামিন দেওয়ার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। 

৪২৬ ধারা অনুযায়ী-
আপিল চলমান থাকাকালে আপিল আদালতে যে দণ্ডাদেশ বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে, সেই দণ্ডাদেশ বা আদেশ কার্যকর করা স্থগিত করতে পারে এবং আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে। বিচারিক আদালত কর্তৃক কোন ব্যক্তি অনধিক ১ বছরের কারাদন্ডে দন্ডিত হলে এবং উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীলের বিধান থাকলে এবং বিচারিক আদালত যদি মনে করে যে, উক্ত ব্যক্তি আপিল দায়ের করতে পারে তাহলে বিচারিক আদালত উক্ত ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে।
হাইকোর্ট বিভাগ যদি সন্তুষ্ট হয় যে, দণ্ডিত ব্যক্তিকে আপিল বিভাগে অনুমতি সাপেক্ষে আপিল [leave to appeal] করার বিশেষ অনুমতি দেয়া হয়েছে, তখন হাইকোর্ট বিভাগ যে দণ্ড দিয়েছে আপিল চলাকালীন সময় উক্ত দণ্ড স্থগিত বা আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে।

Section 426: Suspension of sentence pending appeal Release of appellant on bail
(1) Pending any appeal by a convicted person, the Appellate Court may, for reasons to be recorded by it in writing, order that the execution of the sentence or order appealed against be suspended and, also, if he is in confinement, that he be released on bail or on his own bond. 
 
(2) The power conferred by this section on an Appellate Court may be exercised also by the High Court Division in the case of any appeal by a convicted person to a Court subordinate thereto. 
 
(2A) When any person is sentenced to imprisonment for a term not exceeding one year by a Court, and an appeal lies from that sentence, the Court may, if the convicted person satisfies the Court that he intends to present an appeal, order that he be released on bail for a period sufficient in the opinion of the Court to enable him to present the appeal and obtain the orders of the Appellate Court under sub-section (1) and the sentence of imprisonment shall, so long as he is so released on bail, be deemed to be suspended. 
 
(2B) Where High Court Division is satisfied that a convicted person has been granted special leave to appeal to the 2[Appellate Division of the Supreme Court] against any sentence which it has imposed or maintained, it may if it so thinks fit order that pending the appeal the sentence or order appealed against be suspended, and also, if the said person is in confinement, that he be released on bail. 
 
(3) When the appellant is ultimately sentenced to imprisonment, or transportation, the time during which he is so released shall be excluded in computing the term for which he is so sentenced.
৫,০১৩.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী নিম্নের কোন ক্ষেত্রে আপিল করা যাবে না?
  1. প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে
  2. চূড়ান্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে
  3. একতরফা ডিক্রির বিরুদ্ধে
  4. পক্ষদের সম্মতিতে প্রদত্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে
সঠিক উত্তর:
পক্ষদের সম্মতিতে প্রদত্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষদের সম্মতিতে প্রদত্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির (Code of Civil Procedure) ধারা ৯৬(৩) অনুযায়ী, যদি কোনো আদালত পক্ষদের সম্মতিতে একটি ডিক্রি প্রদান করে, তবে ওই ডিক্রির বিরুদ্ধে কোনো আপিল করা যাবে না। এর মানে হলো, যখন পক্ষসমূহ আদালতের কাছে তাদের সম্মতি দিয়ে একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছায় এবং আদালত সেই সম্মতিতে ডিক্রি প্রদান করে, তখন সেই ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।

অন্যদিকে, প্রাথমিক ডিক্রি (প্রশ্নের ক) এবং চূড়ান্ত ডিক্রি (প্রশ্নের খ) সম্পর্কিত বিধান অনুসারে, আপিল করা যায়। একতরফা ডিক্রি (প্রশ্নের গ) সম্পর্কেও আপিল করা সম্ভব, যদি ডিক্রি প্রাপ্ত পক্ষের বিরুদ্ধে কোনো ভুল বা অসঙ্গতি থাকে।

তবে পক্ষদের সম্মতিতে প্রদত্ত ডিক্রি আপিলের জন্য যোগ্য নয়, কারণ এটি তাদের সম্মতির ভিত্তিতে নেওয়া হয়েছে।
৫,০১৪.
অপরের রূপ ধারণপূর্বক প্রতারণার (Cheating by personation) সংজ্ঞা সম্পর্কিত দণ্ডবিধির ধারা কত?
  1. ৪১৬ ধারা
  2. ৪১৯ ধারা
  3. ৪১১ ধারা
  4. ৪৯৮ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪১৬ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১৬ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারার বিধান অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা:- কোন ব্যক্তি যদি নিজেকে অন্য কোন ব্যক্তি বলে প্রতারণা করে অথবা জ্ঞাতসারে কোন ব্যক্তিকে অন্য ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে অথবা নিজেকে বা অন্য কোন ব্যক্তিকে সে নিজে বা সে ব্যক্তি অন্য যে ব্যক্তি নয় সে ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে, তবে উক্ত ব‍্যক্তি অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে বলে গণ্য হয়।
ব্যাখ্যা :- যে ব্যক্তির রূপ ধারণ করা হয়েছে সে ব্যক্তি প্রকৃত ব্যক্তি হোক আর কাল্পনিক ব্যক্তি হোক না কেন অপরাধটি অনুষ্ঠিত হবে।
-----------
Cheating by personation:
Section 416. A person is said to "cheat by personation" if he cheats by pretending to be some other person, or by knowingly substituting one person for another, or representing that he or any other person is a person other than he or such other person really is. 
 
Explanation.-The offence is committed whether the individual personated is a real or imaginary person. 
 
Illustrations 
(a) A cheats by pretending to be a certain rich banker of the same name. A cheats by personation. 
(b) A cheats by pretending to be B, a person who is deceased. A cheats by personation.
৫,০১৫.
The Penal Code, 1860 এর ৩৪ ধারা
  1. স্বতন্ত্র অপরাধ সৃষ্টি করেছে
  2. সাক্ষ্য আইনের একটি নীতি
  3. কোন স্বতন্ত্র অপরাধ সৃষ্টি করেনি
  4. খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
ব্যাখ্যা
♦The Penal Code, 1860 এর ৩৪ ধারা হল কতিপয় ব্যক্তি কর্তৃক একই উদ্দেশ্য সাধানকল্পে কৃত কার্যাবলীঃ যখন কতিপয় ব্যক্তি একত্রিত হয়ে তাদের সকলের একই অভিপ্রায় সাধনকল্পে অপরাধমূলক কাজ সম্পাদিত করে, তখন অনুরূপ ব্যক্তিগণের প্রত্যেকেই উক্ত কাজের জন্য এইরূপে দায়ী হবেন যেন উক্ত কাজ উক্ত ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত হয়েছিল।
♦The Penal Code, 1860 এর ৩৪ ধারা হলো সাক্ষ্য আইনের একটি নীতি মাত্র এবং এটা কোন স্বতন্ত্র বা মৌলিক অপরাধ সৃষ্টি করেনি।
৫,০১৬.
'ক' একটি আপিল এখতিয়ারবিহীন আদালতে দায়ের করলো। এখতিয়ার না থাকায় আদালত আপিলটি সঠিক আদালতে দাখিলের জন্য ফেরত দিলো। ইতোমধ্যে আপিল দায়েরের তামাদি মেয়াদ সমাপ্ত হয়েছে। এক্ষেত্রে প্রতিকার হিসেবে নিম্নলিখিত কোন তথ্যটি সঠিক?
  1. তামাদি আইনের ১৪ ধারায় বিলম্ব মওকুফের আবেদন করতে হবে
  2. আদালত তামাদির মেয়াদ গণনার সময় ব্যয়িত সময় থেকে বাদ দিবে
  3. তামাদি আইনের ৫ ধারায় বিলম্ব মওকুফের আবেদন করতে হবে
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
তামাদি আইনের ৫ ধারায় বিলম্ব মওকুফের আবেদন করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তামাদি আইনের ৫ ধারায় বিলম্ব মওকুফের আবেদন করতে হবে
ব্যাখ্যা
উল্লিখিত ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৫ ধারায় বিলম্ব মওকুফের আবেদন করতে হবে।

• সাধারণ নিয়ম হলো, কোন আপিল, রিভিউ এবং রিভিশন তামাদি আইনে উল্লেখিত সময়ের মধ্যে দায়ের করতে হয়। আপিল, রিভিউ, রিভিশন বা আবেদন ইত্যাদি নির্ধারিত সময়ে দাখিল করতে না পারলে আদালত ৩ ধারার বিধান অনুযায়ী উক্ত দরখাস্ত খারিজ করে দিতে পারে। বিলম্বে আপিল, রিভিউ, রিভিশন বা কোন আবেদন করার কারণে যেন উক্ত আপিল, রিভিউ, রিভিশন বা আবেদনটি খারিজ না হয়, সেই জন্যে উক্ত আবেদনের সাথে ৫ ধারায় বিলম্ব মওকুফের আবেদন করতে হবে বা সময় বৃদ্ধির আবেদন করতে হবে [application for extension of period]।

তামাদি আইনের ৫ ধারা নিম্নলিখিত ৫টি ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। অর্থাৎ নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে বিলম্ব মওকুফের আবেদন করা যায় বা সময় বৃদ্ধির আবেদন দায়ের করা যায়-
১. আপিল [Appeal];
২. আপিল করার অনুমতির দরখাস্ত [An application for leave to appeal];
৩. রায় রিভিউ এর আবেদন [An application for review of judgment];
৪. রিভিশনের দরখাস্ত [An application for revision];
৫. অন্য কোন আবেদনের ক্ষেত্রে যেখানে ৫ ধারা প্রযোজ্য করা যায় [Any other application to which this section may be made applicable]।

আপিলকারী বা দরখাস্তকারী যদি আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে যে, নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে আপিল দায়ের বা দরখাস্তটি দাখিল না করার যথেষ্ট কারণ ছিল, তাহলেই আদালত বিলম্ব মওকুফের আবেদন মঞ্জুর করতে পারে। 

এক্ষেত্রে 'ক' কে এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতে আপিল দায়ের করতে হলে আপিলের দরখাস্তের সাথে, তামাদি আইনের ৫ ধারায় বিলম্ব মওকুফের আবেদন করতে হবে।

• যেক্ষেত্রে ৫ ধারার বিধান প্রযোজ্য না:
তামাদি আইন,১৯০৮ এর ৫ ধারা স্যুটের [Suit] বা মূল মামলা যেমন স্বত্ব ঘোষণা, চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ইত্যাদি দায়ের করার মেয়াদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ মূল মামলা বা স্যুট দায়ের করার জন্য নির্ধারিত সময় অতিক্রম হয়ে গেলে উক্ত সময় মওকুফ করার জন্য ৫ ধারায় আবেদন গ্রহণযোগ্য না।
৫,০১৭.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের বিধান আছে?
  1. ৫২ ধারায়
  2. ৫৮ ধারায়
  3. ৫৭ ধারায়
  4. ৫৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় বলা হয়েছে আদালত কোন কোন বিষয় অবশ্যই বিচারিক দৃষ্টিগোচরে (জুডিশিয়াল নোটিশ) নিবেন।
৫৭ ধারা অনুযায়ী আদালত নিম্নলিখিত বিষয়ে অবশ্যই জুডিশিয়াল নোটিশ নিবেন-
i) বাংলাদেশের সকল আইন;
ii) সশস্ত্র বাহিনীর জন্য প্রনীত যুদ্ধবিধি বা অস্ত্র ও রসদ (articles of war);
iii) সংসদের কার্যসমূহঃ
iv) বাংলাদেশের আদালত, নৌ ও সামুদ্রিক এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত এবং নোটারি পাবলিকের সীলমোহর;
v) সরকারি পদে নিয়োগের গেজেটে উল্লেখিত নাম, পদ, স্বাক্ষর, যোগদানের সময়;
vi) বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্বীকৃত রাষ্ট্র, রাষ্ট্রপ্রধান, জাতীয় পতাকা
vii) সময় ও ভৌগলিক বিভাগসমুহ, রোজা, ছুটির দিন সমুহ;
viii) বাংলাদেশের ভৌগলিক সীমানা;
ix) আদালতের সদস্যবৃন্দ ও এ্যাডভোকেটগন;
x) বাংলাদেশের সাথে অপর কোন রাষ্ট্র বা সংগঠনের বিরোধ:
xi) স্থল, জল ও সমুদ্রপথের নিয়মাবলী।
[বিশেষ নোট- সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের অন্তর্গত ১১টি বিষয়ের তালিকা রয়েছে; কিন্তু এই তালিক স্বয়ং সম্পূর্ন নয়।]
৫,০১৮.
'আইনতঃ বাধ্যবলে বা ঘটনা সম্পর্কে ভুলবশত কাজটি করতে বাধ্য বলে সরল মনে বিশ্বাস করে কোন কাজ সম্পাদন করলে তা অপরাধ হবে না।'- কোন উদহারনের সাথে এই বিধান সামঞ্জস্যপূর্ণ?
  1. অসতর্কতা হেতু কুড়ালের মাথা উড়ে নিকটস্থ ব্যক্তিকে আহত করা
  2. মৃত্যুর সম্ভাবনা আছে জেনেও ডাক্তার সদবিশ্বাসে রুগির অনুমতি ছাড়া অস্ত্রপচার করায় রুগি মারা গেলে
  3. সৈনিক তার উর্দ্ধতন পদস্থ কর্মকর্তার আদেশক্রমে আইনের নির্দেশ মোতাবেক জনতার উপর গুলি করেন
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সৈনিক তার উর্দ্ধতন পদস্থ কর্মকর্তার আদেশক্রমে আইনের নির্দেশ মোতাবেক জনতার উপর গুলি করেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈনিক তার উর্দ্ধতন পদস্থ কর্মকর্তার আদেশক্রমে আইনের নির্দেশ মোতাবেক জনতার উপর গুলি করেন
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৭৬ ধারার বিধান- আইনবলে বাধ্য বা ভুল ধারণাবশতঃ নিজেকে আইনবলে বাধ্য বলে বিশ্বাসকারী ব্যক্তি বিশেষ কর্তৃক সম্পাদিত কার্য:
যে ব্যক্তি কোন কাজ করতে আইনতঃ বাধ্য বলে কোন কাজ সম্পাদন করলে, অথবা আইনের কাজটি ভুল না করে ঘটনা সম্পর্কে ভুলবশত: কাজটি করতে আইনতঃ বাধ্য বলে সরল মনে বিশ্বাস করে সে ব্যক্তি কোন কাজ সম্পাদন করলে তা অপরাধ হবে না।

উদাহরণসমূহ:
(ক) ক একজন সৈনিক। সে তার উর্ধ্বতন অফিসারের নির্দেশক্রমে আইনের বিধানমতে কোন জনতার উপর গুলিবর্ষণ করে। ক-এর গুলিবর্ষণ কাজ অপরাধ হবে না।
(খ) বিচারালয়ের জনৈক কর্মকর্তা 'ক' উক্ত বিচারালয় কর্তৃক ম-কে গ্রেফতার করার জন্য আদিষ্ট হয়ে এবং যথাযথ তদন্তের পর 'খ'-কে 'ম' মনে করে 'খ'-কে গ্রেফতার করেন। 'ক' কোন অপরাধ সংঘটন করেন নাই।

Section 76- Act done by a person bound, or by mistake of fact believing himself bound, by law:
Nothing is an offence which is done by a person who is, or who by reason of a mistake of fact and not by reason of a mistake of law in good faith believes himself to be, bound by law to do it.

Illustrations-
(a) A, a soldier, fires on a mob by the order of his superior officer, in conformity with the commands of the law. A has committed no offence.
(b) A, an officer of a Court of Justice, being ordered by that Court to arrest Y, and, after due enquiry, believing Z to be Y, arrests Z. A has committed no offence.
৫,০১৯.
Who prescribes the form and dimensions of the court seal according to Section 16 of The Civil Courts Act, 1887?
  1. The High Court
  2. The Government
  3. The presiding Judge
  4. The District Judge
সঠিক উত্তর:
The Government
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Government
ব্যাখ্যা

⇒ The Civil Courts Act, 1887 Section 16- Seals of Courts:
Every Civil Court under this Act shall use a seal of such form and dimensions as are prescribed by the Government.

ধারা ১৬ – আদালতের সীল:
এই আইনের আওতায় প্রতিটি দেওয়ানি আদালত সরকার দ্বারা নির্ধারিত আকার এবং মাত্রার একটি সীল ব্যবহার করবে।

৫,০২০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুসারে নিচের কোন কারণে দলিল সংশোধন করা যায় না?
  1. পারস্পরিক ভুল
  2. উভয় পক্ষে ভুল
  3. দলিলের উদ্দেশ্য ব্যক্ত হলে
  4. দলিলের কোন পক্ষ প্রতারণা করলে
সঠিক উত্তর:
দলিলের উদ্দেশ্য ব্যক্ত হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিলের উদ্দেশ্য ব্যক্ত হলে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৩১ ধারার বিধান মতে দলিল সংশোধনের আদেশ দেওয়া যায় যখন প্রতারণা বা পারস্পরিক বা উভয়পক্ষের ভুলের কারণে যদি দলিলের পক্ষদের সঠিক অভিপ্রায় প্রকাশ না পায়।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারা অনুযায়ী ২ ধরনের দলিল সংশোধন করা যায়-
i) লিখিত দলিল ও
ii) লিখিত চুক্তি।
⇒ ৩ কারণে দলিল সংশোধন করা যায়-
(১) দলিলের কোন পক্ষ প্রতারণা করলে;
(২) উভয় পক্ষে ভুল;
(৩) দলিলের উদ্দেশ্য ব্যক্ত না হইলে।
অর্থাৎ দলিল সংশোধন করতে হলে উক্ত ৩টি বিষয়ের যে কোন ১টি থাকতে হবে।
উল্লিখিত প্রশ্নে দলিলের উদ্দেশ্য ব্যক্ত হলে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুসারে দলিল সংশোধন করা যায় না।

 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারার অধীন দলিল সংশোধনের প্রতিকার শুধুমাত্র লিখিত চুক্তি সংশোধনের ক্ষেত্রে  বা অন্য যেকোনো লিখিত দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে  প্রযোজ্য হবে। দলিল সংশোধন করা আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা (Discretionary Power)। চুক্তি বা দলিলের পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিরা দলিল সংশোধনের জন্য মামলা করতে পারে।
 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৩১ ধারার বিধান-
যখন দলিল সংশোধন করা যেতে পারে যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষগণের পারস্পরিক ভুলের জন্য কোন লিখিত চুক্তি বা অন্য কোন লিখিত দলিল প্রকৃত অর্থে তাদের উদ্দেশ্য প্রকাশ করে না, তখন যেকোনো পক্ষ অথবা তাদের স্বার্থ- সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিলটি সংশোধিত করে নেওয়ার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত যদি এটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের সময় প্রতারণা অথবা ভুল করা হয়েছে এবং তা কার্যকর করবার ক্ষেত্রে পক্ষগণের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে সক্ষম হয়, তাহলে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে যতদূর পর্যন্ত তৃতীয় ব্যক্তি কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করেই করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন - যাতে দলিলের এই উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয় ।
--------------
SR Act-Section-31. When instrument may be rectified:
-When, through fraud or a mutual mistake of the parties, a contract or other instrument in writing does not truly express their intention, either party, or his representative in interest, may institute a suit to have the instrument rectified; and
if the Court find it clearly proved that there has been fraud or mistake in framing the instrument, and ascertain the real intention of the parties in executing the same, the Court may in its discretion rectify the instrument so as to express that intention, so far as this can be done without prejudice to rights acquired by third persons in good faith and for value.
৫,০২১.
বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় কার দ্বারা প্রণীত বিধি অনুযায়ী?
  1. সরকার
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৩৩-এর প্রভিসো অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি বিধি প্রণয়ন করতে পারেন, এবং সেই বিধি অনুযায়ীই বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ ও যুগ্ম দায়রা জজ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়।
- সুতরাং সঠিক উত্তর: খ) রাষ্ট্রপতি।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯ ধারার বিধান দায়রা আদালত:
(১) সরকার প্রত্যেকটি দায়রা বিভাগের জন্য একটি করে দায়রা আদালত স্থাপন করবেন এবং এই আদালতে একজন জজ নিয়োগ করবেন; এবং মহানগরীর জন্য সৃষ্ট দায়রা আদালত মহানগরী দায়রা আদালত নামে অভিহিত হবে।
(২) সরকার সরকারী গেজেটে সাধারণ অথবা বিশেষ আদেশ জারী করে নির্দেশ দিতে পারেন যে কোন স্থানে বা স্থানসমূহে দায়রা আদালত বসবে; কিন্তু এরূপ আদেশ না দেয়া পর্যন্ত দায়রা আদালতসমূহ পূর্বের ন্যায় বসবে।
(৩) এরূপ এক বা একাধিক আদালতে কর্তৃত্ব প্রয়োগ করার জন্য অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং সহকারী দায়রা জজ ও নিয়োগ করতে পারবেন।
(৩ক) - অনুরূপ এক বা একাধিক এলাকার দায়িত্ব পালনের জন্য সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদের শর্তানুযায়ী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত বিধি মোতাবেক বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যগণ দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ ও যুগ্ম দায়রা জজ নিযুক্ত হইবেন।
(৪) সরকার এক দায়রা বিবাগের দায়রা জজকে অপর একটি বিভাগের অতিরিক্ত দায়রা জজ নিয়োগ করতে পারেন, এবং এরূপ ক্ষেত্রে তিনি সরকারের নির্দেশানুসারে দুইটি বিভাগের যে কোন একটির এক বা একাধিক স্থানে মামলা নিস্পত্তির জন্য বসতে পারবেন।
(৫) এই আইন বলবৎ হবার সময় যে সকল দায়রা আদালত বিদ্যমান ছিল তার সমস্ত গুলিই এই আইনানুসারে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে ধরতে হবে।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure- Section- 9. Court of Sessions:
(1) The Government shall establish a Court of Session for every sessions division, and appoint a judge of such Court; and the Court of Session for a Metropolitan Area shall be called the Metropolitan Court of Session.
(2) The Government may, by general or special order in the official Gazette, direct at what place or places the Court of Session shall hold its sitting; but, until such order is made, the Courts of Session shall hold their sittings as heretofore. 
(3) The Government may also appoint Additional Sessions Judges and Assistant Sessions Judges to exercise jurisdiction in one or more such Courts.
(3A) The members of the Bangladesh Judicial Service shall be appointed as Sessions Judge, Additional Sessions Judge and Joint Sessions Judge in accordance with the rules framed by the President under the proviso to Article 133 of the constitution to exercise jurisdiction in one or more of such areas.
(4) A Sessions Judge of one sessions division may be appointed by the Government to be also an Additional Sessions Judge of another division, and in such case he may sit for the disposal of cases at such place or places in either division as the Government may direct.
(5) All Courts of Session existing when this Code comes into force shall be deemed to have been established under this Act.

৫,০২২.
ডিক্রি কার্যকর করার জন্য আদেশ ২১, বিধি ১০ অনুসারে কোথায় আবেদন করতে হবে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. ডিক্রিদানকারী আদালতে
  3. নির্ধারিত অফিসারের নিকট
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
আদেশ ২১ বিধি-১০: জারির নিমিত্তে আবেদন: 
ডিক্রি জারি করিতে ইচ্ছা করলে ডিক্রিদানকারী আদালতে কিংবা তৎপক্ষে নিয়োগকৃত অফিসারের (যদি কোন) নিকট অথবা ইতোপূর্বে তাতে বর্ণিত বিধানের অধীনে ভিন্ন আদালতে ডিক্রি প্রেরিত হয়ে থাকলে উক্ত আদালত বা উহার উপযুক্ত কর্মকর্তার নিকট আবেদন করবে।

Rule.-10: Application for execution:
Where the holder of a decree desires to execute it, he shall apply to the Court which passed the decree or to the officer (if any) apointed in this behalf, or if the decree has been sent under the provisions hereinbefore contained to another Court then to such Court or to the proper officer thereof.
৫,০২৩.
যদি একটি পাবলিক কোম্পানি দ্বারা চুক্তি করা হয় এবং পরে সেটি অন্য পাবলিক কোম্পানির সাথে মিলিত হয়, তাহলে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন পেতে পারবে-
  1. পুরনো কোম্পানি
  2. নতুন গঠিত কোম্পানি
  3. কোম্পানির উদ্যোক্তা ব্যক্তিরা
  4. শুধুমাত্র শেয়ারহোল্ডাররা
সঠিক উত্তর:
নতুন গঠিত কোম্পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নতুন গঠিত কোম্পানি
ব্যাখ্যা
ধারা ২৩- সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন যে পেতে পারে:
এই অধ্যায়ে ভিন্নরূপ বিধিবদ্ধ না থাকলে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন পেতে পারে-
ক) চুক্তির যেকোন পক্ষ;

খ) চুক্তির যেকোন পক্ষের বা স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি; শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে তেমন পক্ষের শিক্ষা, দক্ষতা, স্বচ্ছলতা বা কোন ব্যক্তিগত গুণাগুণ চুক্তির উল্লেখযােগ্য উপাদান হয় বা যেক্ষেত্রে চুক্তিতে বিধান থাকে‌ যে, তার স্বার্থের স্বত্ব নিয়ােগ করা যাবে না, সেক্ষেত্রে তার সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি বা তার প্রধান চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের অধিকারী হবেন না, যদি না চুক্তিতে তার অংশ ইতপূর্বেই সম্পাদিত থাকে।

গ) যেক্ষেত্রে চুক্তি হচ্ছে একটি বিবাহের ব্যাপারে নিষ্পত্তি বা একই পরিবারের সদস্যদের মধ্যকার সন্দেহপূর্ণ অধিকারের আপােষ-মীমাংসা, সেক্ষেত্রে চুক্তি অনুসারে হিতকরভাবে অধিকারী যেকোন ব্যক্তি;

ঘ) যেক্ষেত্রে একজন আজীবন প্রজা তার ক্ষমতার যথাযথ প্রয়ােগপূর্বক চুক্তিবদ্ধ হয়েছে সেক্ষেত্রে অবশিষ্ট ব্যক্তি;

ঙ) যেক্ষেত্রে চুক্তিপত্র এমন যা সম্পন্ন করা হয়েছিল তার পূর্বাধিকারীর সাথে ও যেক্ষেত্রে তেমন চুক্তিপত্রের লাভ উত্তরাধিকারী পাবার অধিকারী, সেক্ষেত্রে অধিকার ভােগের উত্তরাধিকারী;

চ) যেক্ষেত্রে চুক্তি হচ্ছে এমন উত্তরাধিকারী যা থেকে সৃষ্ট মুনাফা লাভের অধিকারী ও তা ভঙ্গহেতু আর্থিক ক্ষতি ভােগ করবে, সেক্ষেত্রে অবশিষ্ট ভাগের উত্তরাধিকারী;

ছ) যেক্ষেত্রে পাবলিক কোম্পানি চুক্তি করে ও তার পর পরই তা অপর একটি পাবলিক কোম্পানির সাথে মিলিত হয়ে যায়, সেক্ষেত্রে মিলিত হওয়ার কারণে গঠিত নতুন কোম্পানি;

জ) যেক্ষেত্রে একটি পাবলিক কোম্পানির উদ্যোক্তা ব্যক্তিগণ কোম্পানি গঠিত হওয়ার আগেই কোম্পানির প্রয়ােজনবশতঃ চুক্তি করে এবং কোম্পানি গঠনের শর্তাবলীতে তেমন চুক্তিকে নির্বিঘ্ন করা হয়, সেক্ষেত্রে কোম্পানি।
৫,০২৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় অধীন বাদী সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের বিকল্প হিসাবে চুক্তি রদের আবেদন করতে পারে?
  1. ধারা ৩৫
  2. ধারা ৩১
  3. ধারা ৩৭
  4. ধারা ৩৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৭
ব্যাখ্যা
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারা মতে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের মামলায় বিকল্প হিসেবে রদ প্রার্থনাঃ
প্রার্থনা জানাতে পারে যে, যদি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করা না যায়। তবে তা রদ করা হোক এবং বিলুপ্ত হিসেবে ত্যাগ করা হোক; এবং আদালত যদি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করতে অস্বীকার করেন তবে তা রদ করা এবং সে অনুসারে ত্যাগ করার নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।

♦চুক্তির রদের মোকদ্দমায় বিকল্প হিসাবে বাদী চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের আবেদন করতে পারেনা। কিন্তু চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের মোকদ্দমায় বাদী বিকল্পভাবে চুক্তি রদের আবেদন করতে পারে।
৫,০২৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী জামিননামা সম্পাদনের পর মুক্তির আদেশ দেওয়া হয়?
  1. ৪৯৯ ধারা
  2. ৫০০ ধারা
  3. ৫০১ ধারা
  4. ৫০২ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫০০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০০ ধারা
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) ৫০০ ধারা। 
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৫০০ (Section 500 – Discharge from custody) অনুযায়ী বলা হয়েছে: “As soon as the bond has been executed, the person for whose appearance it has been executed shall be released…”
অর্থাৎ, যখন জামিননামা (bond) সম্পাদিত হয় - অর্থাৎ অভিযুক্ত ব্যক্তি ও তার জামিনদার জামিনের শর্ত অনুযায়ী বন্ডে স্বাক্ষর করেন - তখন আদালত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দেন।
যদি সেই ব্যক্তি জেলখানায় থাকেন, তাহলে আদালত কারা কর্তৃপক্ষকে একটি মুক্তির আদেশ (release order) দেন। কারা কর্তৃপক্ষ সেই নির্দেশ পেলে তৎক্ষণাৎ মুক্তি প্রদান করতে বাধ্য।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-500. Discharge from custody:
(1) As soon as the bond has been executed, the person for whose appearance it has been executed shall be released; and, when he is in jail, the Court admitting him to bail shall issue an order of release to the officer in charge of the jail, and such officer on receipt of the order shall release him. 
(2) Nothing in this section, section 496 or section 497 shall be deemed to require the release of any person liable to be detained for some matter other than that in respect of which the bond was executed.
৫,০২৬.
মুসলিম ব্যক্তিগত আইন (শরিয়ত) প্রয়োগ আইন, ১৯৩৭ এর ধারা ২ অনুযায়ী, ওয়াকফের কোন অংশ শরিয়ত আইনের আওতায় পড়বে না?
  1. ট্রাস্ট ওয়াকফ
  2. ব্যক্তিগত ওয়াকফ
  3. পারিবারিক ওয়াকফ
  4. দাতব্য প্রতিষ্ঠান, দাতব্য ও ধর্মীয় দান
সঠিক উত্তর:
দাতব্য প্রতিষ্ঠান, দাতব্য ও ধর্মীয় দান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাতব্য প্রতিষ্ঠান, দাতব্য ও ধর্মীয় দান
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম ব্যক্তিগত আইন (শরিয়ত) প্রয়োগ আইন, ১৯৩৭ এর ধারা ২-এ ওয়াকফ সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ব্যতিক্রম উল্লেখ করা হয়েছে। ধারার ভাষ্য অনুযায়ী: "ওয়াকফ (দাতব্য প্রতিষ্ঠান, দাতব্য ও ধর্মীয় দান ব্যতীত)"
অর্থাৎ, এই আইনের অধীনে শরিয়ত আইন ওয়াকফের সাধারণ ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলেও দাতব্য প্রতিষ্ঠান (charities), দাতব্য দান (charitable endowments) এবং ধর্মীয় দান (religious endowments) সম্পর্কিত বিষয়গুলো এই আইনের আওতায় আসবে না। এই ধরনের দাতব্য ও ধর্মীয় ওয়াকফ সংশ্লিষ্ট অন্য আইন বা স্থানীয় প্রথা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।

⇒ মুসলিম ব্যক্তিগত আইন (শরিয়ত) প্রয়োগ আইন, ১৯৩৭ এর ২ ধারার বিধান মুসলিমদের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত আইন প্রযোজ্য হওয়া:
কোনো প্রচলিত রীতিনীতি বা প্রথার বিপরীতে, নিম্নলিখিত বিষয়ে (কৃষিজমি সংক্রান্ত বিষয় ব্যতীত) মুসলিমদের মধ্যে সিদ্ধান্তের মূল ভিত্তি মুসলিম ব্যক্তিগত আইন (শরিয়ত) হইবে—
- উত্তরাধিকার (ইন্তেকালের পর সম্পত্তির বণ্টন),
- নারীদের বিশেষ সম্পত্তি (যেমন ব্যক্তিগত সম্পত্তি, যা উত্তরাধিকার, চুক্তি, হাদিয়া বা ব্যক্তিগত আইনের অন্য কোনো বিধানের মাধ্যমে অর্জিত),
- বিবাহ, বিবাহ-বিচ্ছেদ (যেমন তালাক, ইলা, জিহার, লিয়ান, খুলা ও মুবারাত),
- ভরণপোষণ, মোহরানা, অভিভাবকত্ব,
- হাদিয়া (উপহার), ট্রাস্ট ও ট্রাস্ট সম্পত্তি,
- ওয়াকফ (তবে দাতব্য প্রতিষ্ঠান, দাতব্য ও ধর্মীয় দান ব্যতীত)।
------------
⇒ The Muslim Personal Law (Shariat) Application Act, 1937- Section-2: Application of Personal Law to Muslims
- Notwithstanding any custom or usage to the contrary, in all questions (save questions relating to agricultural land) regarding intestate succession, special property of females, including personal property inherited or obtained under contract or gift or any other provision of Personal Law, marriage, dissolution of marriage, including talaq, ila, zihar, lian, khula and mubaraat, maintenance, dower, guardianship, gifts, trusts and trust properties, and waqfs (other than charities and charitable institutions and charitable and religious endowments) the rule of decision in cases where the parties are Muslims shall be the Muslim Personal Law (Shariat).

৫,০২৭.
যে ব্যক্তি প্রতারণার কারণে তার অধিকার সম্পর্কে অজ্ঞ থাকে, তার বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে কবে থেকে?
  1. প্রতারণার বিষয়ে অবগতির দিন থেকে
  2. দলিল উপস্থাপনের দিন থেকে
  3. অপর পক্ষকে দলিল উপস্থাপনে বাধ্য করার দিন থেকে
  4. বর্ণিত যেকোনো দিন থেকে
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত যেকোনো দিন থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত যেকোনো দিন থেকে
ব্যাখ্যা
ধারা ১৮- মামলা বা দরখাস্ত দাখিলের ক্ষেত্রে প্রতারণার ফলাফল 
 
যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি একটি মামলা বা দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী, কিন্তু প্রতারণার মাধ্যমে তাকে সেই অধিকারের বিষয়ে বা যে স্বত্বের উপর উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠিত তা জানতে দেয়া হয় নাই অথবা উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য যে দলির প্রয়োজন তা প্রতারণা করে গােপন রাখা হয়েছে, সেই সকল ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে বাদী যেদিন-

১। সর্বপ্রথম প্রতারণার কথা জানতে পারে সেদিন থেকে, অথবা
২। যেদিন গােপন রাখা দলিল উত্থাপন করতে পারবে, অথবা
৩। অপর পক্ষের কাছে থাকা দলিলটি যেদিন হাজির করতে বাধ্য করতে পারবে।

Section 18: Effect of fraud
Where any person having a right to institute a suit or make an application has, by means of fraud, been kept from the knowledge of such right or of the title on which it is founded, or where any document necessary to establish such right has been fraudulently concealed from him, the time limited for instituting a suit or making an application- 
(a) against the person guilty of the fraud or accessory thereto, or
(b) against any person claiming through him otherwise than in good faith and for a valuable consideration,  

shall be computed from the time when the fraud first became known to the person injuriously affected thereby, or, in the case of the concealed document, when he first had the means of producing it or compelling its production.
৫,০২৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারা অনুসারে কত বছরের বেশি সময়ব্যাপী চলমান চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য নয়?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ২১(ছ) অনুযায়ী "যে চুক্তির কার্যকারিতা ৩ (তিন) বছরের অধিক সময় ধরে চলমান থাকে, তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না।"
- অর্থাৎ, যদি কোনো চুক্তি অনুযায়ী দায়িত্ব পালনের বিষয়টি চুক্তির তারিখ থেকে তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে চলমান থাকে, তাহলে সাধারণভাবে সেই চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যাবে না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা-
১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে;
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে;
৩) চুক্তির শর্তাবলি নির্ণয় করা না গেলে;
৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য বা প্রত্যাহারযোগ্য হলে;
৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে;
৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানি কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি;
৭) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে অথবা;
৮) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে।

৫,০২৯.
রেজিস্ট্রেশন আইনের ১৭ক ধারার উপ-ধারা (১) অনুসারে, স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের চুক্তিপত্রের জন্য নিচের কোনটি অপরিহার্য নয়?
  1. লিখিত হওয়া
  2. নিবন্ধিত হওয়া
  3. সাক্ষী দ্বারা স্বাক্ষরিত হওয়া
  4. সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ কর্তৃক সম্পাদিত হওয়া
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী দ্বারা স্বাক্ষরিত হওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী দ্বারা স্বাক্ষরিত হওয়া
ব্যাখ্যা

⇒ নিবন্ধন আইন, ১৯০৮-এর ধারা ১৭ক (১) অনুযায়ী, স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তিপত্র (Contract for Sale) অবশ্যই নিম্নলিখিত শর্তগুলো পূরণ করতে হবে:
লিখিত হওয়া: চুক্তিপত্রটি অবশ্যই লিখিত আকারে হতে হবে।
নিবন্ধিত হওয়া: এটি নিবন্ধন করতে হবে।
সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ কর্তৃক সম্পাদিত হওয়া: চুক্তিটি সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ (যেমন, ক্রেতা ও বিক্রেতা) কর্তৃক সম্পাদিত হতে হবে।
তবে, ধারা ১৭ক (১)-এ সাক্ষী দ্বারা স্বাক্ষরিত হওয়ার কোনো বাধ্যতামূলক শর্ত উল্লেখ করা হয়নি।

⇒ রেজিস্ট্রেশন আইনের ১৭ক ধারার বিধান: বিক্রয় চুক্তি, ইত্যাদির নিবন্ধন
 (১) এই আইন বা আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যে কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের চুক্তিপত্র লিখিত হইতে হইবে, তৎসঙ্গে উহা সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ কর্তৃক সম্পাদিত ও নিবন্ধিত হইতে হইবে।

(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত বিক্রয়-চুক্তি, সম্পাদনের তারিখ হইতে ৬০ দিনের মধ্যে নিবন্ধনের জন্য দাখিল করিতে হইবে এবং এইক্ষেত্রে দলিল নিবন্ধনের বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে।
----------
•The Registration Act, 1908, Section 17A. Registration of contract for sale, etc.
(1) Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act or any other law for the time being in force, a contract for sale of any immovable property shall be in writing, executed by the parties thereto and registered. 

(2) A contract for sale referred to in sub-section (1) shall be presented for registration within sixty days from the date of execution of the contract and the provisions regarding registration of instruments shall apply.

৫,০৩০.
যেসব ক্ষেত্রে এজেন্ট নিজে ব্যক্তিগতভাবে দায়বদ্ধ থাকেন, সেসব ক্ষেত্রে তার সাথে লেনদেনকারী ব্যক্তি চাইলে কাকে দায়ী করতে পারেন?
  1. শুধু এজেন্টকে
  2. শুধু প্রিন্সিপালকে
  3. প্রিন্সিপালের মনোনীত ব্যক্তিকে
  4. এজেন্ট বা প্রিন্সিপাল বা উভয়কে
সঠিক উত্তর:
এজেন্ট বা প্রিন্সিপাল বা উভয়কে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এজেন্ট বা প্রিন্সিপাল বা উভয়কে
ব্যাখ্যা
এজেন্ট ব্যক্তিগতভাবে দায়বদ্ধ হলে তার সাথে লেনদেনকারী ব্যক্তির অধিকার (ধারা ২৩৩)-
যেসব ক্ষেত্রে এজেন্ট নিজে ব্যক্তিগতভাবে দায়বদ্ধ থাকেন, সেসব ক্ষেত্রে তার সাথে লেনদেনকারী ব্যক্তি চাইলে এজেন্টকে, প্রিন্সিপালকে অথবা উভয়কেই দায়ী করতে পারেন।
[In cases where the agent is personally liable, a person dealing with him may hold either him or his principal, or both of them, liable.]

উদাহরণ
A, B-র সঙ্গে ১০০ বেল তুলা বিক্রির জন্য একটি চুক্তিতে প্রবেশ করেন। পরবর্তীতে A জানতে পারেন যে B আসলে C-র পক্ষে এজেন্ট হিসেবে কাজ করছিলেন। এই পরিস্থিতিতে A চাইলে B অথবা C, অথবা উভয়ের বিরুদ্ধে তুলার মূল্য দাবি করে মামলা করতে পারেন।
৫,০৩১.
কোন ধারার বিধানমতে ১৪৪ ধারার অধীন জারিকৃত আদেশ বাতিল করা যায়?
  1. ১৪৬(২)
  2. ১৪৪ (২)
  3. ১৪৪ (৪)
  4. ১৪৪(৬)
সঠিক উত্তর:
১৪৪ (৪)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৪ (৪)
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ (৪) ধারামতে কোন ম্যাজিস্ট্রেট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদনক্রমে ১৪৪ ধারার আওতায় তার নিজের বা তার অধীনস্ত কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা তার পূর্ববর্তী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারেন।‌

♦ আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কারো আবেদনের প্রেক্ষিতে অথবা নিজে স্বত্বঃপ্রণোদিত হয়ে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে-
i) আইনানুগভাবে কর্মরত কোন ব্যক্তির প্রতি বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতির আশংকা;
ii) মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তা বিপন্ন হবার আশংক;
iii) উৎপাত বা জনসাধারনের শান্তিভঙ্গের আশংকা;
iv) দাঙ্গা বা মারামারির আশংকা;  এবং
v) আগু প্রতিরোধ ও দ্রুত প্রতিকার প্রয়োজন হলে। 

♦১৪৪ ধারার আদেশ সাধারণত সর্বোচ্চ ২ মাস পর্যন্ত বলবৎ থাকে; তবে সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তি দ্বারা ১৪৪ ধারার আদেশকে ২ মাসের অধিক সময় পর্যন্ত বলবৎ রাখতে পারে।‌
৫,০৩২.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারাটি Principle of Res judicata এর বিধান সম্পর্কিত?
  1. ১০ ধারা
  2. ১১ ধারা
  3. ১৫১ ধারা
  4. ১৫২ ধারা
সঠিক উত্তর:
১১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ১১ তে রেস জুডিকাটার (res judicata) বিধান আছে।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারা অনুসারে Principle of Res judicata হল আইন ও ঘটনার সম্মিলিত একটি বিষয়।
দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারার বিধান অনুযায়ী কোন বিষয়ে একবার আদালত সিদ্ধান্ত দিলে ঐ বিষয় নিয়ে একই পক্ষদ্বয়ের মাঝে পুনরায় মামলা করা যায় না ।
- একই ব্যক্তিগণের মধ্যে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হওয়া বিষয় নিয়ে পুনরায় নতুন মামলা করা যায় না। অর্থাৎ মোকদ্দমার পক্ষদ্বয়ের মাঝে চূড়ান্তভাবে কোন বিষয় নিষ্পত্তি হলে ঐ একই বিষয় নিয়ে একই পক্ষদ্বয়ের মাঝে পরবর্তীতে পুনরায় নতুন করে কোন মামলা করা যাবে না। এই নীতিকেই রেস জুডিকাটা বা দোবারা দোষ বলে।
- The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ১১ তে Principle of Res judicata আছে। একই ব্যক্তিগণের মধ্যে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হওয়া বিষয় নিয়ে পুনরায় নতুন মামলা করা যায় না। অর্থাৎ মোকদ্দমার পক্ষদ্বয়ের মাঝে চূড়ান্তভাবে কোন বিষয় নিষ্পত্তি হলে ঐ একই বিষয় নিয়ে একই পক্ষদ্বয়ের মাঝে পরবর্তীতে পুনরায় নতুন করে কোন মামলা করা যাবে না। এই নীতিকেই রেস জুডিকাটা বা দোবারা দোষ বলে।
---------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 section-11. Res Judicata:
No Court shall try any suit or issue in which the matter directly and substantially in issue has been directly and substantially in issue in a former suit between the same parties, or between parties under whom they or any of them claim, litigating under the same title, in a court competent to try such subsequent suit or the suit in which such issue has been subsequently raised, and has been heard and finally decided by such Court. 
Explanation I. -The expression "former suit" shall denote a suit which has been decided prior to the suit in question whether or not it was instituted prior thereto. 
Explanation II. -For the purposes of this section, the competence of a Court shall be determined irrespective of any provisions as to a right of appeal from the decision of such Court. 
Explanation III. -The matter above referred to must in the former suit have been alleged by one party and either denied or admitted, expressly or impliedly, by the other. 
Explanation IV. -Any matter which might and ought to have been made ground of defence or attack in such former suit shall be deemed to have been a matter directly and substantially in issue in such suit. 
Explanation V. -Any relief claimed in the plaint, which is not expressly granted by the decree, shall, for the purposes of this section, be deemed to have been refused. 
Explanation VI.-Where persons litigate bona fide in respect of a public right or of a private right claimed in common for themselves and others, all persons interested in such right shall, for the purposes of this section, be deemed to claim under the persons so litigating.
৫,০৩৩.
সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর কত দিনের মধ্যে শপথগ্রহণ করতে হবে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৭(১)(ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথম সংসদ অধিবেশনের তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে তাকে শপথ নিতে হবে।
→ যদি কোনো সংসদ সদস্য ৯০ দিনের মধ্যে শপথ না নেন, তবে তার আসন শূন্য হয়ে যাবে।
→ তবে স্পীকার যথার্থ কারণে এই সময়সীমা বাড়াতে পারেন।

সংবিধানের ভাষ্য:
“কোন সংসদ-সদস্য তাঁহার নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে নব্বই দিনের মধ্যে তিনি তৃতীয় তফসিলে নির্ধারিত শপথগ্রহণ বা ঘোষণা করিতে ও শপথপত্রে বা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরদান করিতে অসমর্থ হন:
তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ মেয়াদ অতিবাহিত হইবার পূর্বে স্পীকার যথার্থ কারণে তাহা বর্ধিত করিতে পারিবেন।”
৫,০৩৪.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ধারা ৪৭ অনুযায়ী Compensation Assessment-roll প্রস্তুতের জন্য মোট কয়টি কর্তৃপক্ষের কথা উল্লেখ আছে?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা

⇒ The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ধারা ৪৭ অনুযায়ী Compensation Assessment-roll প্রস্তুতের জন্য নিম্নোক্ত ৫টি কর্তৃপক্ষের কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে:
(ক) রাষ্ট্রীয় ক্রয় কমিশনার (Commissioner of State Purchase)
(খ) ভূমি রেকর্ড ও জরিপ পরিচালক (Director of Land Records and Surveys)
(গ) সেটেলমেন্ট অফিসার এবং সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার (Settlement Officers and Assistant Settlement Officers)
(ঘ) অন্যান্য রাজস্ব কর্মকর্তা (Other Revenue Officers)
(ঙ) বিশেষ বিচারক (Special Judges)
সুতরাং মোট ৫টি কর্তৃপক্ষ।

AUTHORITIES FOR THE PREPARATION OF COMPENSATION ASSESSMENT-ROLL:
⇒ The State Acquisition and Tenancy Act, 1950: Section-47. Revenue and Judicial authorities:
There shall be the following authorities for the purposes of this part of this Act :- 
(a) the Commissioner of State Purchase; 
(b) the Director of Land Records and Surveys; 
(c) Settlement Officers and Assistant Settlement Officers; 
(d) Other Revenue Officers; 
(e) Special Judges.

৫,০৩৫.
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এবং বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২-এর ২৮ বিধি অনুযায়ী, প্রথম সভা আহ্বান করবেন কে?
  1. বার কাউন্সিলের সভাপতি
  2. বার কাউন্সিলের সম্পাদক
  3. বার কাউন্সিলের ট্রেজারার
  4. বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি
সঠিক উত্তর:
বার কাউন্সিলের সম্পাদক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বার কাউন্সিলের সম্পাদক
ব্যাখ্যা
→ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এবং বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২ এর ২৮ বিধি অনুযায়ী, বার কাউন্সিলের প্রথম সভা আহ্বানের দায়িত্ব বার কাউন্সিলের সম্পাদক এর উপর বর্তায়। এই বিধিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বার কাউন্সিলের মেয়াদ শুরুর তারিখ থেকে ১ মাসের মধ্যে প্রথম সভা অনুষ্ঠিত করতে হবে এবং এই সভা আহ্বানের দায়িত্ব সম্পাদকের।
- সুতরাং, বার কাউন্সিলের সম্পাদক প্রথম সভা আহ্বান করেন, যা সঠিক উত্তর।

⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council rules 1972 এর ২৮ বিধিতে বলা হয়েছে বার কাউন্সিলের মেয়াদ শুরুর তারিখ হতে ১ মাসের মধ্যে প্রথম সভা আয়োজন করতে হবে। বার কাউন্সিলের সম্পাদক প্রথম সভা আহ্বান করবেন।
--------------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council rules 1972: Rules-28. The first meeting of a Bar Council shall be held within a month of the commencement of the term of the Bar Council and the Secretary shall convené such meeting. The meeting will be presided over by a member voted to chair.
৫,০৩৬.
কোন ধরনের সম্পত্তি আত্মসাৎ করা হলে The Penal Code, 1860 এর ৪০৩ ধারায় শাস্তি পাবে?
  1. স্থাবর সম্পত্তি
  2. অস্থাবর সম্পত্তি
  3. বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি
  4. অস্থাবর ও স্থাবর উভয় সম্পত্তি
সঠিক উত্তর:
অস্থাবর সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থাবর সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
ধারা ৪০৩ অনুসারে,
যদি কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো অস্থাবর সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের কাজে ব্যবহার করে, তবে তাকে দুই বছর পর্যন্ত যেকোনো ধরণের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

[Whoever dishonestly misappropriates or converts to his own use any moveable property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.]
৫,০৩৭.
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল অর্ডার , ১৯৭২ এর কত অনুচ্ছেদে বাংলাদেশের বার কাউন্সিলের একজন সচিব থাকার বিধান আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৫(ক)
  2. অনুচ্ছেদ ৬
  3. অনুচ্ছেদ ৬(ক)
  4. অনুচ্ছেদ ৫
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬(ক)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬(ক)
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল অর্ডার , ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৬ (ক) অনুযায়ী বাংলাদেশের বার কাউন্সিলের একজন সচিব থাকবেন।
-----------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972: Article-6A. There shall be a Secretary of the Bar Council appointed by the Government from amongst the District Judges or Additional District Judges on such terms and conditions as may be determined by it.
৫,০৩৮.
ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৯ ধারায় উল্লিখিত সময়সীমা কত দিন?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের সময়সীমা- ৮৯ ধারামতে যার সম্পত্তি ক্রোক হয়েছে সেই ব্যক্তি ক্রোকের তারিখ থেকে ২ বৎসরের মধ্যে ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের আবেদন করতে পারে।
- পলাতক ব্যক্তি হুলিয়াতে নির্দেশিত সময়ের মধ্যে হাজির হলে অথবা সম্পত্তি ক্রোকের দিন থেকে ২ বছরের মধ্যে হাজির হয়ে যদি আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে যে,
ⅰ) পলাতক ব্যক্তি হুলিয়া বিষয়ে অবগত ছিল না অথবা
ii) সে হুলিয়া এড়ানোর জন্য আত্মগোপনে বা পলাতক ছিল না;
তাহলে আদালত ক্রোককৃত সম্পত্তির বিক্রয়লব্ধ অর্থ থেকে ক্রোক ব্যয় বাদ দিয়ে অবশিষ্ট অর্থ ক্রোককৃত সম্পত্তির মালিককে প্রদানের আদেশ দিতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৯ ধারার বিধান- ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধার :
- যার সম্পত্তি ৮৮ ধারার (৭) উপধারা অনুসারে সরকারের এখতিয়ারভুক্ত রয়েছে বা হয়েছে, সে যদি ক্রোক করার তারিখ থেকে ২ (দুই) বৎসরের মধ্যে যে আদালতের আদেশে সম্পত্তি ক্রোক করা হয়েছিল সেই আদালতের বা সেই আদালত যে আদালতের আওতাধীন সেই আদালতে ইচ্ছাকৃতভাবে হাজির হয় বা তাকে গ্রেফতার করে হাজির করানো হয় এবং এ মর্মে প্রমাণ দ্বারা সে উক্ত আদালতের সন্তুষ্টি উৎপাদনপূর্বক প্রমাণ করে যে, সে পলাতক (ফেরার) ছিল না বা পরোয়ানার নির্বাহ এড়াবার জন্য সে পলায়ন করেনি এবং তিনি হুলিয়া হতে এরূপ জ্ঞানার্জন করেনি যাতে তিনি উহাতে উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে হাজিরা দিতে পারেন, তাহলে ক্রোক সম্পর্কিত সমস্ত খরচ কেটে নিয়ে উক্ত সম্পত্তি বা তা বিক্রয় করা হয়ে থাকলে নিট মূল্য অথবা আংশিকভাবে বিক্রয় করা হয়ে থাকলে নিট মূল্য ও আংশিক সম্পত্তি তাকে অর্পণ করতে হবে।
-----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 89: Restoration of attached property:
If, within two years from the date of the attachment any person whose property is or has been at the disposal of the Government, under sub-section (7) of section 88, appears voluntarily or is apprehended and brought before the Court by whose order the property was attached, or the Court to which such Court is subordinate, and proves to the satisfaction of such Court that he did not abscond or conceal himself for the purpose of avoiding execution of the warrant and that he had not such notice of the proclamation as to enable him to attend within the time specified therein, such property, or, if the same has been sold, the net proceeds of the sale, or, if part only thereof has been sold, the net proceeds of the sale and the residue of the property, shall, after satisfying there out all costs incurred in consequence of the attachment, be delivered to him.
৫,০৩৯.
কোন ধারার অধীনে পুলিশ প্রাথমিক তথ্য বিবরণী (FIR) দায়ের না করেও সন্দেহের ভিত্তিতে আমলযোগ্য অপরাধের তদন্ত করতে পারে?
  1. ১৫৫ ধারা
  2. ১৫৬ ধারা
  3. ১৫৭ ধারা
  4. ১৫৮ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৫৭ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৭ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ প্রাথমিক তথ্য বিবরণী দায়ের না করলেও ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৭ ধারা অনুযায়ী সন্দেহের ভিত্তিতে পুলিশ আমলযোগ্য অপরাধের তদন্ত করতে পারে। এমনকি প্রয়োজনে অপরাধীকে গ্রেফতার এবং আটকের ব্যবস্থা করতে পারবে। 
- থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটন সম্পর্কে যুক্তিসঙ্গতভাবে সন্দেহ পোষন করলে, সঙ্গে সঙ্গে একজন ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাবেন। প্রয়োজন হলে অপরাধীকে খুঁজে বের করবেন ও গ্রেফতার করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে নিজে ঘটনাস্থলে যাবেন বা অধস্তন অফিসারকে দায়িত্ব দিবেন। তবে অপরাধ সংঘটনকারীর নাম উল্লেখ করে সংবাদ দিলে এবং ঘটনাটি গুরুতর প্রকৃতির না হলে তখন সরেজমিনে তদন্তের প্রয়োজন নেই । তবে ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা তদন্তের পর্যাপ্ত কারণ না থাকলে ঘটনাটি সম্পর্কে তদন্ত করবেন না।
----------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-157: Procedure where cognizable offence suspected:
(1) If, from information received or otherwise, an officer in charge of a police station has reason to suspect the commission of an offence which he is empowered under section 156 to investigate, he shall forthwith send a report of the same to a Magistrate empowered to take cognizance of such offence upon a police report and shall proceed in person, or shall depute one of his subordinate officers not being below such rank as the Government may, by general or special order, prescribe in this behalf to proceed, to the spot, to investigate the facts and circumstances of the case, and, if necessary, to take measures for the discovery and arrest of the offender:
Where local investigation dispensed with
Provided as follows:-
(a) when any information as to the commission of any such offence is given against any person by name and the case is not of a serious nature, the officer in charge of a police station need not proceed in person or depute a subordinate officer to make an investigation on the spot;
Where police officer in charge sees no sufficient ground for investigation
(b) if it appears to the officer in charge of a police station that there is no sufficient ground for entering on an investigation, he shall not investigate the case.

(2) In each of the cases mentioned in clauses (a) and (b) of the proviso to sub-section (1), the officer in charge of the police station shall state in his said report his reasons for not fully complying with the requirements of that sub-section, and, in the case mentioned in clause (b), such officer shall also forthwith notify to the informant, if any, in such manner as may be prescribed by the Government, the fact that he will not investigate the case or cause it to be investigated.
৫,০৪০.
রফিক একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিকে তার সম্মতি ছাড়াই বাংলাদেশ থেকে ভারত নিয়ে যায়। রফিকের এই অপরাধ কোন ধারার অধীনে পড়বে?
  1. ৩৬০ ধারা
  2. ৩৬১ ধারা
  3. ৩৬২ ধারা
  4. ৩৬৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩৬০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬০ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫৯ ধারা মতে মনুষ্যহরণ ২ প্রকার। যথা:
(i) বাংলাদেশ থেকে মনুষ্যহরণ;
(ii) আইনগত অভিভাবকের নিকট হতে মনুষ্যহরণ।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬০ ধারা- বাংলাদেশ হতে মনুষ্য হরণ:
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে তার সম্মতি ছাড়াই অথবা তার স্বপক্ষে সম্মতি দানের ক্ষমতাসম্পন্ন অপর কারো সম্মতি ছাড়াই বাংলাদেশের সীমানার বাইরে পাঠিয়ে দেয় বা নিয়ে যায়, তবে উক্ত ব্যক্তি তাকে বাংলাদেশ হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারা- আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ:
কোন ব্যক্তি যদি চৌদ্দ বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালককে অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালিকাকে অথবা বিকৃত মস্তিষ্ক কোন ব্যক্তিকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক বা বালিকাকে অথবা অনুরূপ বিকৃতমস্তিষ্ক ব্যক্তিকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
৫,০৪১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯ ধারায় কাদের সমন্বয়ে বেঞ্চ গঠনের বিধান রয়েছে?
  1. যুগ্ম দায়রা জজ
  2. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  3. অতিরিক্ত দায়রা জজ
  4. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯ ধারার বিধান:
চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রণীত বিধিমালা সাপেক্ষে, যে কোন দুই বা ততোধিক মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বেঞ্চ রূপে একসাথে বসতে পারবেন।

Section 19- Benches:
Any two or more of Metropolitan Magistrates may, subject to the rules made by the Chief Metropolitan Magistrate, sit together as Bench.
৫,০৪২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫১৪(৪) অনুযায়ী, জামিনপত্রের জরিমানা পরিশোধ না করলে সর্বোচ্চ কত দিনের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ২ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির (Code of Criminal Procedure) ধারা ৫১৪(৪) অনুসারে, যদি বন্ডের জরিমানা পরিশোধ না করা হয় এবং অস্থাবর সম্পত্তি জব্দ ও বিক্রয়ের মাধ্যমে তা আদায় করা সম্ভব না হয়, তবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আদালতের নির্দেশে সিভিল কারাগারে সর্বোচ্চ ছয় মাসের জন্য কারাদণ্ড দেওয়া যেতে পারে। এই ধারায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাস পর্যন্ত হতে পারে।
ধারা ৫১৪-এর অধীনে বন্ড ভঙ্গের ক্ষেত্রে আদালত প্রথমে জরিমানা আদায়ের জন্য ব্যক্তির অস্থাবর সম্পত্তি জব্দ ও বিক্রয়ের নির্দেশ দিতে পারে (ধারা ৫১৪(২))।
যদি এই পদ্ধতিতেও জরিমানা আদায় না হয়, তবে ধারা ৫১৪(৪) অনুযায়ী সিভিল কারাগারে কারাদণ্ড দেওয়া যায়।
ধারা ৫১৪(৫) অনুসারে, আদালত তার বিবেচনার ভিত্তিতে জরিমানার কিছু অংশ মওকুফ করতে পারে এবং আংশিক পরিশোধের নির্দেশ দিতে পারে।
অতএব, ধারা ৫১৪(৪) অনুযায়ী, জামিনপত্রের জরিমানা পরিশোধ না করলে সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ড হতে পারে।

৫,০৪৩.
সাক্ষ্য আইনের ১১২ ধারায় নিম্নলিখিত কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. বিবাহের বৈধতা
  2. সন্তানের বৈধতা
  3. দত্তক সন্তানের বৈধতা
  4. উপরের কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
সন্তানের বৈধতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সন্তানের বৈধতা
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ১১২ ধারায় সন্তানের বৈধতার [Legitimacy of Child] অনুমান সম্পর্কে আলোচন করা হয়েছে। কোন সন্তানের বৈধতার প্রশ্ন উঠলে, তা নির্ধারণের সাক্ষ্যগত দিক ১১২ ধারায় উল্লেখ করাহয়েছে। ১১২ ধারায় আদালত কোন সন্তানকে বৈধ বলে অনুমান করবে যদি সন্তানটি-

১. তার পিতা ও মাতার মধ্যে বৈধ বিবাহ স্থির থাকাকালীন অবস্থায় জন্ম গ্রহণ করে; অথবা
২. পিতা মাতার বিবাহ বিচ্ছেদের ২৮০ দিনের মধ্যে জন্মগ্রহণ করে এবং উক্ত সময়ে তার মাতা অবিবাহিত ছিল।
৫,০৪৪.
স্বীকৃতি (Admission) কি হিসাবে ব্যবহার করা যায়?
  1. প্রতিবন্ধকতা বা বাধা (estoppel)
  2. চূড়ান্তপ্রমাণ (Conclusive Proof)
  3. সাক্ষ্য (Evidence)
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
প্রতিবন্ধকতা বা বাধা (estoppel)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিবন্ধকতা বা বাধা (estoppel)
ব্যাখ্যা
⇒ স্বীকৃতি হচ্ছে মৌখিক বা লিখিত এমন কোন বিবৃতি, যা কোন বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে কোন অনুমানের ইঙ্গিত বহন করে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারার বিধান: স্বীকৃতি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু প্রতিবন্ধক হতে পারে: 
কোন বিষয়ে স্বীকৃতি সেই বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। কিন্তু এই আইনে অতঃপর বর্ণিত বিধানসমূহ অনুসারে এগুলি প্রতিবন্ধক হিসেবে কার্যকর হতে পারে।

---------------
⇒ Section-31. Admissions not conclusive proof, but may stop: Admissions are not conclusive proof of the matters admitted but they may operate as estoppels under the provisions hereinafter contained.
৫,০৪৫.
A, Z কে হুমকি দেয় যে, তাকে টাকা না দিলে Z সম্পর্কে সে মানহানিকর বক্তব্য প্রকাশ করবে। A যে অপরাধ করেছে তা-
  1. মানহানি
  2. অনিষ্টসাধন
  3. বলপূর্বক আদায়
  4. বিশ্বাস ভঙ্গ
সঠিক উত্তর:
বলপূর্বক আদায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বলপূর্বক আদায়
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ৩৮৩ অনুযায়ী- কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে কাউকে তার বা অপর কারো জখম হওয়ার ভয়ে অভিভূত করে এবং তা দ্বারা অনুরূপ ভয়ে অভিভূত ব্যক্তিকে কোন ব্যক্তির কাছে যেকোন প্রকার দান বা চাদা প্রদানের বা কোন সম্পত্তি, মূল্যবান জামানত বা মূল্যবান জামানতে রূপান্তরযোগ্য কোন স্বাক্ষরিত বা সীলমোহরযুক্ত বস্তু অর্পণে অসাধুভাবে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায় করার অপরাধ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
৫,০৪৬.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order XLI, Rule 30 (2) অনুযায়ী, যদি আপিল শুনানির সময় কোন পক্ষ বা তার আইনজীবী উপস্থিত না থাকেন, তবে আদালত কী করতে পারে?
  1. এক-তরফা রায় দিবে
  2. আপিল মুলতবী রাখবে
  3. মূল বিষয়ের ভিত্তিতে রায় ঘোষণা করতে পারে
  4. মূল বিষয়ের ভিত্তিতে আপিল খারিজ করবে
সঠিক উত্তর:
মূল বিষয়ের ভিত্তিতে রায় ঘোষণা করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল বিষয়ের ভিত্তিতে রায় ঘোষণা করতে পারে
ব্যাখ্যা

The Code of Civil Procedure, 1908 Order XLI, Rule 30 – রায় কবে এবং কোথায় ঘোষণা করা হবে:
(১) আপিল আদালত, উভয় পক্ষ বা তাদের আইনজীবীর বক্তব্য শোনার পর এবং প্রয়োজন মনে করলে আপিলের কার্যবিবরণী অথবা যেই আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে সেই আদালতের কার্যবিবরণীর কোনো অংশের প্রতি দৃষ্টি দেওয়ার পর, উন্মুক্ত আদালতে (Open Court) রায় ঘোষণা করবে। এই রায় হয় সাথে সাথেই ঘোষণা করা যেতে পারে অথবা ভবিষ্যতের কোনো তারিখে ঘোষণা করা যেতে পারে—তবে সেই ক্ষেত্রে পক্ষগণ বা তাদের আইনজীবীকে আগে থেকে নোটিশ দিতে হবে।

(২) তবে উপ-নিয়ম (১)-এ যা বলা হয়েছে তার পরও, যদি শুনানির সময় কোনো পক্ষ বা তার আইনজীবী উপস্থিত না থাকে, তাহলে আপিল আদালত লিখিতভাবে কারণ উল্লেখ করে, যদি মনে করে যে নথিতে থাকা উপকরণগুলোই মূল বিষয়ের ভিত্তিতে আপিল নিষ্পত্তির জন্য যথেষ্ট, তবে সে ক্ষেত্রে আদালত উন্মুক্ত আদালতে সাথে সাথেই অথবা নির্ধারিত কোনো তারিখে রায় ঘোষণা করতে পারবে।

৫,০৪৭.
যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে হুলিয়া জারি করা হয় হয়েছে, সেই ব্যক্তি ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তি সম্পত্তি ক্রোকের আদেশের তারিখ হতে কত দিনের মধ্যে ক্রোকি সম্পত্তি বিষয়ে আদালতে আপত্তি দাখিল করতে পারবে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ২ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
ধারা ৮৮ (৬ক):
যদি এই ধারার অধীনে সংযুক্ত কোনও সম্পত্তির বিরুদ্ধে সংযুক্তির ছয় মাসের মধ্যে ঘোষিত ব্যক্তির ব্যতীত অন্য কোনো ব্যক্তি কোনো দাবি উত্থাপন করে বা আপত্তি জানায়, এই মর্মে যে, দাবিকারী বা আপত্তিকারীর উক্ত সম্পত্তিতে স্বত্ব বা স্বার্থ রয়েছে এবং সেই স্বার্থ এই ধারার অধীনে সংযুক্তির জন্য দায়ী নয়, তবে উক্ত দাবি বা আপত্তির তদন্ত করা হবে এবং সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে তা গ্রহণ বা বাতিল করা যেতে পারে।

তবে শর্ত থাকে যে, এই উপ-ধারায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উত্থাপিত কোনো দাবি বা আপত্তি, যদি দাবিকারী বা আপত্তিকারীর মৃত্যু ঘটে, তবে তার আইনগত প্রতিনিধি উক্ত দাবি বা আপত্তি চালিয়ে যেতে পারবে।
৫,০৪৮.
যদি কোন নাবালক নেকস্ট ফ্রেন্ড ছাড়া মামলা করে, তাহলে আদালত কী করতে পারে?
  1. মামলা স্থগিত করে
  2. মামলাটি মঞ্জুর করে
  3. মামলার শুনানি শুরু করে
  4. মামলা নথি হতে অপসৃত করে দিতে পারে
সঠিক উত্তর:
মামলা নথি হতে অপসৃত করে দিতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলা নথি হতে অপসৃত করে দিতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩২, বিধি ২ অনুযায়ী, যদি কোনো নাবালক (minor) নেকস্ট ফ্রেন্ড (next friend) ছাড়া মামলা দায়ের করে, তবে বিবাদী (opposite party) আদালতের কাছে আবেদন করতে পারে যেন সেই মামলা নথি হতে খরচসহ অপসৃত (struck off the record) করা হয়। কারণ, আইন অনুযায়ী কোনো নাবালক নিজে এককভাবে বা স্বাধীনভাবে মামলা দায়ের করতে পারে না। নেকস্ট ফ্রেন্ড হল এমন একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি, যে নাবালকের হয়ে তার স্বার্থ রক্ষায় মামলা করে।
সুতরাং, যদি নেকস্ট ফ্রেন্ড ছাড়া মামলা হয়, তাহলে আদালত সেই মামলাকে গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচনা করবে না এবং প্রয়োজনীয় শুনানির পর মামলাটি নথি হতে বাদ দিয়ে দিতে পারে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩২, বিধি-২ নেকস্ট ফ্রেন্ড ছাড়া মামলা দায়ের করা হলে আরজি নথি হতে অপসৃত হবে:
(১) যেক্ষেত্রে কোন মামলা কোন নেকস্ট ফ্রেন্ড ছাড়াই নাবালক কর্তৃক বা নাবলকের পক্ষে দায়ের হয়েছে, সেক্ষেত্রে বিবাদী উক্ত আরজি যে, উকি ব্যক্তি কর্তৃক দাখিল হয়েছিল, তার নিকট হতে মামলার খরচাসহ আরজিটি নথি হতে অপসৃত করার জন্য আবেদন করতে পারে।
(২) উক্ত আবেদন পত্রের নোটিশ উক্ত ব্যক্তিকে প্রদান করতে হবে এবং আদালত তার আপত্তি (যদি থাকে) শবণের পর বিষয়টির উপর বিবেচনা মত সঙ্গত আদেশ দান করতে পারেন।
৫,০৪৯.
ধারা ৮৯ক (২) অনুযায়ী নিম্নের কোন ব্যক্তি মধ্যস্থতাকারী হতে পারবেন না?
  1. অবসরপ্রাপ্ত বিচারক
  2. আদালত নিজে
  3. প্রজাতন্ত্রের লাভজনক পদে নিযুক্ত ব্যক্তি
  4. জেলা জজ কর্তৃক নিযুক্ত প্যানেলের সদস্য
সঠিক উত্তর:
প্রজাতন্ত্রের লাভজনক পদে নিযুক্ত ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রজাতন্ত্রের লাভজনক পদে নিযুক্ত ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
মধ্যস্থতাকারী: ৮৯ক (২) ধারা অনুযায়ী-

১. আদালত নিজে;
২. পক্ষগণ কর্তৃক নিযুক্ত উকিল বা উক্ত উকিল কর্তৃক নিযুক্ত অন্য কোন উকিল যে উক্ত মোকদ্দমায় কোন পক্ষ কর্তৃক নিযুক্ত হয়নি;
৩. অবসরপ্রাপ্ত কোন বিচারক;
8. জেলা জজ কর্তৃক তৈরীকৃত প্যানেল থেকে কোন একজন মধ্যস্থতাকারী;
৫. অন্যকোন ব্যক্তি যাকে তারা মধ্যস্থতাকারী হিসাবে উপযুক্ত মনে করে;
তবে প্রজাতন্ত্রের লাভজনক পদে নিযুক্ত কোন ব্যক্তি মধ্যস্থতাকারী হতে পারবে না।
৫,০৫০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুযায়ী অপর্যাপ্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়?
  1. ৪১৭ ধারা
  2. ৪১৭ক ধারা
  3. ৪১৮ ধারা
  4. ৪১৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪১৭ক ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১৭ক ধারা
ব্যাখ্যা
⇒  ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭ক ধারার বিধান অপর্যাপ্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল:-
(১) কোন আদালতের বিচারে প্রদত্ত দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততার কারণে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল দায়েরের জন্য সরকার পাবলিক প্রসিকিউটরকে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।
(২) আদালতে বিচারে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার ক্ষেত্রে একজন ফরিয়াদী দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততাহেতু আপিল আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবেনঃ
শর্ত থাকে যে, দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৬০ (ষাট) দিন পার হবার পর এই উপ-ধারার অধীন আপিল আদালত কর্তৃক কোন আপিল গৃহীত হবে না।
(৩) দণ্ডের অপর্যাপ্ততা হেতু কোন আপিল রুজু করা হলে আপিল আদালত দণ্ড বাড়ানোর বিরুদ্ধে কারণ দর্শাবার জন্য আসামীকে যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে দণ্ড বাড়াবেন না এবং কারণ দর্শাবার সময় আসামী তার খালাস প্রাপ্তি বা দণ্ড কমানোর জন্য আবেদন করতে পারবেন।
----------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 417A: Appeal against inadequacy of sentence:
(1) The Government may, in any case of conviction on a trial held by any court, direct the Public Prosecutor to present an appeal to the High Court Division against the sentence on the ground of its inadequacy.
(2) A complainant may, in any case of conviction on a trial held by any Court, present an appeal to the Appellate Court against the sentence on the ground of its inadequacy:
Provided that no appeal under this sub-section shall be entertained by the Appellate Court after the expiry of sixty days from the date of conviction.
(3) When an appeal has been filed against the sentence on the ground of its inadequacy, the Appellate Court shall not enhance the sentence except after giving to the accused a reasonable opportunity of showing cause against such enhancement and while showing cause, the accused may plead for his acquittal or for the reduction of the sentence.
৫,০৫১.
নিচের কোথায় দেওয়ানী কার্যবিধির রিভিউ সম্পর্কে বিধান আছে?
  1. ৪১ আদেশ
  2. ৪৩ আদেশ
  3. ৪৫ আদেশ
  4. ৪৭ আদেশ
সঠিক উত্তর:
৪৭ আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৭ আদেশ
ব্যাখ্যা
⇒ রিভিউ (Review)- আদালত কর্তৃক কিছু নির্দিষ্ট এবং নির্দেশিত অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে বিচার পুনঃনিরীক্ষণকে রিভিউ বলে। বিচার বিভাগীয় প্রত্যেক অঙ্গে রিভিউ সম্ভব। আবেদনকৃত রিভিউ সেই আদালত পর্যালোচনা করবে যে আদালত উক্ত মামলার রায় বা ডিক্রি প্রদান করেছে। অর্থাৎ যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছে, সেই আদালত কর্তৃক উক্ত ডিক্রি পুনরায় দেখা বা বিচারিক পর্যালোচনাকে রিভিউ বলে।
- দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৪ ধারা এবং ৪৭ নং আদেশে রিভিউ সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
⇒ অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৪৭ এর মাঝে রিভিউ বিধান আছে।  এই আদেশ অনুযায়ী রিভিউ হলো ডিক্রী প্রদানকারী আদালত কর্তৃক নিজের ভুল সংশোধনের জন্য বিচারিক পর্যালোচনা।
⇒  আদালতের ডিক্রি বা আদেশ দ্বারা সংক্ষুদ্ধ পক্ষ ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে রিভিউ আবেদন করতে পারে। যে পক্ষ সংক্ষুব্ধ হবে সে পক্ষ রিভিউ করবে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৪ ধারা মতে ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউ করতে হবে।
---------
⇒ CPC Order-47 Rule-1.Application for review of judgment:
(1) Any person considering himself aggrieved−
(a) by a decree or order from which an appeal is allowed, but from which no appeal has been preferred,
(b) by a decree or order from which no appeal is allowed, or
(c) by a decision on a reference from a Court of Small Causes, and who, from the discovery of new and important matter or evidence which, after the exercise of due diligence, was not within his knowledge or could not be produced by him at the time when the decree was passed or order made, or on account of some mistake or error apparent on the face of the record, or for any other sufficient reason, desires to obtain a review of the decree passed or order made against him, may apply for a review of judgment to the Court which passed the decree or made the order.

(2) A party who is not appealing from a decree or order may apply for a review of judgment notwithstanding the pendency of an appeal by same other party except where the ground of such appeal is common to the applicant and the appellant, or when, being respondent, he can present to the Appellate Court the case on which he applies for the review.
৫,০৫২.
“Clients, not advocates, are the litigants”- এই মূলনীতির মূল শিক্ষা কী?
  1. ক্কেল আইনজীবীর মতো জ্ঞানী নন
  2. আইনজীবীগণ মক্কেলের আত্মীয় হতে পারবেন না
  3. মক্কেলের স্বার্থের জন্য আইনজীবীদের পারস্পরিক স্বার্থ নষ্ট করা যাবে না
  4. আইনজীবীদের পারস্পরিক দ্বন্দ্ব মামলায় প্রভাব ফেলতে পারবে
সঠিক উত্তর:
মক্কেলের স্বার্থের জন্য আইনজীবীদের পারস্পরিক স্বার্থ নষ্ট করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মক্কেলের স্বার্থের জন্য আইনজীবীদের পারস্পরিক স্বার্থ নষ্ট করা যাবে না
ব্যাখ্যা
♦Cannons of Professional Conduct and Etiquette, এর অধ্যায় ১, রুল ৭ অনুযায়ী ‘আইনজীবী নয়; মেক্কেলগণই মামলার ব্যক্তি’।
♦Conduct with regard to other advocates-এর ৭ নং দফায় এই মূলনীতি বলা হয়েছে। মামলা বা দ্বন্দ্ব হলো মক্কেলদের মধ্যে।
♦সুতরাং মক্কেলদের দ্বন্দ্ব যেমন আইনজীবীদের পারস্পরিক সম্পর্কে প্রভাব ফেলবে না তেমনি আইনজীবীদের পারস্পরিক ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব মক্কেলের মামলাকে প্রভাবিত করবে না। এটিই পেশার পেশাদারিত্ব।
৫,০৫৩.
ডিক্রি জারিতে স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয় করার আদেশ কোন আদালত প্রদান করতে পারে?
  1. শুধুমাত্র স্মল কজ আদালত
  2. শুধুমাত্র উচ্চ আদালত
  3. শুধুমাত্র জেলা আদালত
  4. স্মল কজ আদালত ব্যতীত অন্য যেকোন আদালত
সঠিক উত্তর:
স্মল কজ আদালত ব্যতীত অন্য যেকোন আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্মল কজ আদালত ব্যতীত অন্য যেকোন আদালত
ব্যাখ্যা
আদেশ ২১ বিধি-৮২: কোন কোন আদালত বিক্রয় করার আদেশ প্রদান করতে পারে:
স্মল কজ আদালত ব্যতীত অন্য যে কোন আদালত ডিক্রি জারিতে স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয়ের আদেশ প্রদান করতে পারে।

Rule-82: What Courts may order sales-
Sales of immovable property in execution of decrees may be ordered by any Court other than a Court of Small Causes.
৫,০৫৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধার মামলায় বাদীর নিচের কোনটি প্রমাণ করতে হবে না?
  1. সম্পত্তিটি দখলে ছিল
  2. সম্পত্তিতে বাদীর স্বত্ব রয়েছে
  3. বিবাদী তাকে বেদখল করেছে
  4. বাদী ৬ মাসের মধ্যে মামলা করেছে
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তিতে বাদীর স্বত্ব রয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তিতে বাদীর স্বত্ব রয়েছে
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারা,স্থাবর সম্পত্তি হইতে দখলচ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা: যদি কোনো ব্যক্তি তাহার অসম্মতিতে যথাযথ আইনগত পন্থা ব্যতীত স্থাবর সম্পত্তি হইতে বেদখল হন, তাহা হইলে, তিনি অথবা তাহার মাধ্যমে দাবিদার কোনো ব্যক্তি, মামলার মাধ্যমে তাহার দখল পুনরুদ্ধার করিতে পারিবেন, যদিও এইরূপ মামলায় তিনি অপর কোনো স্বত্ব প্রতিষ্ঠিত করিতে না পারেন।
এই ধারার কোনো কিছুই কোনো ব্যক্তিকে এইরূপ সম্পত্তিতে তাহার স্বত্ব প্রতিষ্ঠা করিতে এবং দখল পুনরুদ্ধার করিতে মামলা দায়েরের ক্ষেত্র প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করিবে না।
এই ধারার অধীন সরকারের বিরুদ্ধে কোনো মামলা দায়ের করা যাইবে না।
এই ধারা অনুসারে দায়েরকৃত কোনো মামলায় প্রদত্ত কোনো আদেশ বা ডিক্রির বিরুদ্ধে কোনো আপিল করা যাইবে না, অথবা এইরূপ কোনো আদেশ বা ডিক্রি পুনর্বিবেচনার আবেদন করা যাইবে না।
------------------
Specific Relief Act, Section-9, Suit by person dispossessed of immoveable property: If any person is dispossessed without his consent of immoveable property otherwise than in due course of law, he or any person claiming through him may, by suit recover possession thereof, notwithstanding any other title that may be set up in such suit.
Nothing in this section shall bar any person from suing to establish his title to such property and to recover possession thereof.
No suit under this section shall be brought against the Government.
No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.

৫,০৫৫.
খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে হবে ৬ মাসের মধ্যে এটি কোন আর্টিকেলে বলা হয়েছে?
  1. ১৮০
  2. ১৮২
  3. ১৫৫
  4. ১৫৭
সঠিক উত্তর:
১৫৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৭
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের সিডিউলের ১৫৭ নং আর্টিকেলের বিধান অনুসারে খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করার জন্য ৬ মাসের তামাদির মেয়াদের বিধান করা হয়েছে।
৫,০৫৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯ঘ এর অধীনে মধ্যস্থতার আবেদন গ্রহণ করলে, মোকদ্দমা কোন বিধানের অধীনে নিষ্পত্তি হবে?
  1. দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৩
  2. দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯খ
  3. আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০
  4. দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯ক বা ধারা ৮৯গ
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯ক বা ধারা ৮৯গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯ক বা ধারা ৮৯গ
ব্যাখ্যা

Section 89D – Mediation সংক্রান্ত বিশেষ বিধান:
যে কোনো মোকদ্দমা বা আপিল, যা সিভিল প্রসিডিউর সংশোধন আইন, ২০১২ কার্যকর হওয়ার পূর্বেই কোনো আদালতে বিচারাধীন ছিল- সেই মোকদ্দমার পক্ষগণ যদি একটি আবেদন দাখিল করে জানান যে তারা মধ্যস্থতার (mediation) মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তিতে আগ্রহী, তাহলে সেই মোকদ্দমা বা আপিল Section 89A অথবা Section 89C–এর বিধান অনুযায়ী নিষ্পত্তি করা হবে।

৫,০৫৭.
দায়ভাগমতে কে, কাকে ভরণপোষণ করতে আইনত বাধ্য নয়?
  1. পিতা, অবিবাহিতা কন্যাকে
  2. সন্তান, পিতামাতাকে
  3. পিতা, সাবালক পুত্রকে
  4. যৌথ পরিবারের কর্তা, সকল পুরুষ সদস্যদের
সঠিক উত্তর:
পিতা, সাবালক পুত্রকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিতা, সাবালক পুত্রকে
ব্যাখ্যা
• হিন্দু আইনে কোন কোন ব্যক্তি ভরণপোষণ পাওয়ার অধিকারী জানা অত্যাবশ্যক। নিম্নে তাদের তালিকা দেয়া হলো:

⇒ একজন হিন্দুর কোন সম্পত্তি না থাকলেও সে তার নাবালক পুত্র, অবিবাহিতা কন্যা এবং পিতামাতার ভরণপোষণ করতে আইনত বাধ্য।
-(দায়ভাগমতে পিতা সাবালক পুত্রকে ভরণপোষণ করতে আইনত বাধ্য নয়।)

⇒ কর্তা যৌথ পরিবারের সকল পুরুষ, তাদের স্ত্রীগণ এবং সন্তানাদির ভরণপোষণ করতে আইনত বাধ্য।

⇒ একজন মৃত ব্যক্তি যাদের ভরণপোষণ করতে আইনত বাধ্য ছিল, মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারীও মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি হতে তাদের ভরণপোষণ করতে আইনত বাধ্য।

⇒ বিবাহ না হওয়া পর্যন্ত পিতা তার কন্যা সন্তানের ভরণপোষণে বাধ্য। পিতার অবর্তমানে কন্যার ভরণপোষণ পিতৃ সম্পত্তি হতেই চলতে থাকবে।

⇒ অক্ষমতা বা অযোগ্যতা হেতু কেউ পৈতৃক সম্পত্তির অধিকারে বঞ্চিত থাকলে তাকে এবং তার পরিবারবর্গকে অক্ষম ব্যক্তির পিতা এবং পিতার অবর্তমানে পিতার উত্তরাধিকারী যথাযোগ্য ভরণপোষণ দিতে বাধ্য।
৫,০৫৮.
দোবারা দোষ (Res judicata) বিষয়ে দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় বিধান আছে-
  1. ৯ ধারা
  2. ১০ ধারা
  3. ১১ ধারা
  4. ১৫১ ধারা
সঠিক উত্তর:
১১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ১১ তে রেস জুডিকাটার (res judicata) বিধান আছে।  দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারার বিধান অনুযায়ী কোন বিষয়ে একবার আদালত সিদ্ধান্ত দিলে ঐ বিষয় নিয়ে একই পক্ষদ্বয়ের মাঝে পুনরায় মামলা করা যায় না । 
♦ একই ব্যক্তিগণের মধ্যে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হওয়া বিষয় নিয়ে পুনরায় নতুন মামলা করা যায় না। অর্থাৎ মোকদ্দমার পক্ষদ্বয়ের মাঝে চূড়ান্তভাবে কোন বিষয় নিষ্পত্তি হলে ঐ একই বিষয় নিয়ে একই পক্ষদ্বয়ের মাঝে পরবর্তীতে পুনরায় নতুন করে কোন মামলা করা যাবে না। এই নীতিকেই রেস জুডিকাটা বা দোবারা দোষ বলে।
♦ The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ১১ তে  Principle of Res judicata আছে।  একই ব্যক্তিগণের মধ্যে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হওয়া বিষয় নিয়ে পুনরায় নতুন মামলা করা যায় না। অর্থাৎ মোকদ্দমার পক্ষদ্বয়ের মাঝে চূড়ান্তভাবে কোন বিষয় নিষ্পত্তি হলে ঐ একই বিষয় নিয়ে একই পক্ষদ্বয়ের মাঝে পরবর্তীতে পুনরায় নতুন করে কোন মামলা করা যাবে না। এই নীতিকেই রেস জুডিকাটা বা দোবারা দোষ বলে ।
♦ অর্থাৎ Principle of Res judicata হল আইন ও ঘটনার সম্মিলিত একটি বিষয়।
৫,০৫৯.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ১৪ এর বিধান কি?
  1. দলিল স্বীকার
  2. জবাবন্দী গ্রহণ
  3. দলিল আটক
  4. বিচার্য বিষয় গঠন
সঠিক উত্তর:
বিচার্য বিষয় গঠন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচার্য বিষয় গঠন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১৪ বিধান হল বিচার্য বিষয় নির্ধারণ এবং আইনগত বিচার্য বিষয় বা সম্মতিক্রমে বিচার্য বিষয় মোতাবেক মোকদ্দমার সিদ্ধান্তে পৌঁছান।
⇒ যখন কোন ঘটনার বা আইনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে একপক্ষ  দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করে এবং অপরপক্ষ অস্বীকার করে, তখনই বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়।
⇒ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলতে আইনগত বা তথ্যসংক্রান্ত সেই সমস্ত বিষয় বুঝাবে, বাদী কর্তৃক তার মামলা করার অধিকার প্রতিপন্ন করার জন্য যে বিষয়ে অভিযোগ আনয়ন করতে হবে, অথবা বিবাদী কর্তৃক আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য যে বিষয়ের উপর নির্ভর করতে হবে।
⇒  একপক্ষ কর্তৃক দৃঢ়ভাবে ঘোষিত এবং অপর পক্ষ কর্তৃক অস্বীকৃত প্রত্যেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এক একটি আলাদা বিচার্য বিষয়ের সৃষ্টি করে।
⇒  বিচার্য বিষয় দুই প্রকার : ক) তথ্যগত বা ঘটনা সংক্রান্ত বিচার্য বিষয় খ) আইনগত বিচার্য বিষয় ।
⇒ লিখিত জবাব দাখিলের ১৫ দিনের মধ্যে বিচার্য বিষয় প্রণয়ন এবং বিচার্য বিষয় প্রণয়নের ১২০ দিনের ভিতর চূড়ান্ত শুনানীর তারিখ নির্ধারন হবে।
৫,০৬০.
No suit under __________ shall be brought against the Government.
  1. Section 8
  2. Section 9
  3. Section 42
  4. Section 12
সঠিক উত্তর:
Section 9
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 9
ব্যাখ্যা
⇒ Section 9 Suit by person dispossessed of immoveable property: If any person is dispossessed without his consent of immoveable property otherwise than in due course of law, he or any person claiming through him may, by suit recover possession thereof, notwithstanding any other title that may be set up in such suit. 
Nothing in this section shall bar any person from suing to establish his title to such property and to recover possession thereof. 
No suit under this section shall be brought against the Government. 
No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.
-----------
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারার বিধান স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা: যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তবে সে অথবা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে যদিও তেমন মামলায় অপর কোন স্বত্ব খাড়া করা হতে পারে, তথাপিও।
এই ধারার কোন কিছুই তেমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠা এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার জন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা দায়েরের পথে প্রতিবন্ধকতা হবে না।
এই ধারা অনুসারে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে না। এই ধারা অনুসারে দায়েরকৃত মামলার প্রদত্ত কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপিল করা যাবে না অথবা তেমন কোন আদেশ বা ডিক্রি পুনর্বিবেচনার কোন অনুমতি প্রদান করা হবে না।
৫,০৬১.
চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্রের ভিত্তিতে সর্বোচ্চ কত বার মাদকদ্রব্য ক্রয় করা যাবে?
  1. ৩ বার
  2. ২ বার
  3. ১ বার
  4. যতবার প্রয়োজন
সঠিক উত্তর:
১ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বার
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ১২: মাদকদ্রব্যের ব্যবস্থাপত্র প্রদান সম্পর্কে বিধি-নিষেধ:
(১) চিকিৎসক ব্যতীত অন্য কোনো ব্যক্তি কোনো মাদকদ্রব্য ঔষধ হিসাবে ব্যবস্থাপত্র প্রদান করিতে পারিবেন না। 
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রদত্ত ব্যবস্থাপত্রের ভিত্তিতে একবারের অধিক মাদকদ্রব্য ক্রয় করা যাইবে না।
৫,০৬২.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী যদি সাক্ষী সমন অনুযায়ী হাজির হতে ব্যর্থ হন, তবে আদালত কী করতে পারেন?
  1. সাক্ষীকে শুধুমাত্র পরবর্তীতে সমন পাঠানো হবে।
  2. আদালত সাক্ষীকে শুধুমাত্র জরিমানা আরোপ করবেন।
  3. আদালত সাক্ষীর সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দিতে পারবেন।
  4. আদালত সাক্ষীকে গ্রেফতারের জন্য পরোয়ানা পাঠাতে পারেন।
সঠিক উত্তর:
আদালত সাক্ষীকে গ্রেফতারের জন্য পরোয়ানা পাঠাতে পারেন।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত সাক্ষীকে গ্রেফতারের জন্য পরোয়ানা পাঠাতে পারেন।
ব্যাখ্যা
→ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১৬ বিধি-১০ মোতাবেক সাক্ষী সমন অমান্য করলে:
ক) আদালত উক্ত সাক্ষীর প্রতি হুলিয়া জারি করতে পারবেন। হুলিয়ার একটি কপি তার বাসগৃহে বা প্রকাশ্য স্থানে ঝুলিয়ে দিতে হবে।
খ) গ্রেফতারি পরোয়ানা এবং আদালত চাইলে সম্পত্তি ক্রোকাদেশ দিতে পারেন।
তবে স্বল্প এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত স্থাবর সম্পত্তি  ক্রোকের কোন আদেশ দিতে পারবেন না।  

→ যেখানে সাক্ষী সমন মান্য করতে অপারগ হয়, তখন আদালত নিম্নলিখিত পদ্ধতি অনুসরণ করবে:
১. শপথনামার মাধ্যমে সমন জারীর সত্যতা যাচাই:
যদি সাক্ষী সমন মেনে হাজির হতে বা দলিল দাখিল করতে ব্যর্থ হয়, এবং সমন জারি করা কর্মচারী শপথনামার মাধ্যমে তার সত্যতা প্রতিপন্ন না করে থাকে, তাহলে আদালত শপথনামার মাধ্যমে সেই কর্মচারীর জবানবন্দী গ্রহণ করবে বা অন্য আদালতের মাধ্যমে তা করাবে।
২. সাক্ষ্য বা দলিল দাখিলের জন্য ইশতেহার জারি:
যদি আদালত মনে করে যে, সাক্ষ্য বা দলিল দাখিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং সাক্ষী আইনসঙ্গত কারণে না হাজির হয়ে থাকে বা ইচ্ছাকৃতভাবে সমন এড়ায়, তাহলে আদালত সেই সাক্ষীকে নির্দিষ্ট সময় ও স্থানে হাজির করার জন্য ইশতেহার জারি করতে পারে। ইশতেহারের একটি কপি ওই ব্যক্তির বসবাসস্থানে বা অন্য কোন দৃশ্যমান স্থানে লটকাতে হবে।
৩. গ্রেফতার বা সম্পত্তি ক্রোক:
যদি ইশতেহার জারির পরেও ব্যক্তিটি হাজির না হন, তখন আদালত তাকে গ্রেফতারের জন্য পরোয়ানা জারি করতে পারে এবং জামিন শর্তসহ বা জামিন ব্যতিরেকে তাকে গ্রেফতার করার আদেশ দিতে পারে। আদালত সেই ব্যক্তির কিছু সম্পত্তি ক্রোক করারও নির্দেশ দিতে পারে, তবে ১২ বিধির অধীনে প্রযোজ্য খরচ ও জরিমানার পরিমাণের উপরে তা হবে না। তবে, স্মল কজ আদালত স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দিতে পারবে না।
৫,০৬৩.
দস্যুতা সংঘটনের সময় স্বেচ্চাকৃত আঘাত প্রদানের সর্বোচ্চ শাস্তি-
  1. ১০ বছর কারাদণ্ড
  2. মৃত্যুদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. ৭ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৩৯৪ ধারার বিধান অনুযায়ী দস্যুতা সংঘটনের সময় স্বেচ্ছাকৃত আঘাত প্রদানের শাস্তি (Voluntarily causing hurt in committing robbery) হলো যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড তদুপরি অর্থদণ্ড।
৫,০৬৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৩, বিধি-৫ অনুযায়ী, কোন ক্ষেত্রে আদালত নিঃসম্বল ব্যক্তি হিসাবে মামলা করার অনুমতি প্রত্যাখ্যান করতে পারে?
  1. আবেদনকারী যদি প্রতারণামূলকভাবে সম্পত্তি হস্তান্তর করে।
  2. আবেদনকারী যদি মামলার বিষয়ে কোনো চুক্তিতে পৌঁছায়।
  3. আবেদনকারীর অভিযোগ যদি নালিশের কারণ না দর্শায়।
  4. উপরের সবকটি।
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি।
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, আদেশ ৩৩, বিধি ৫ অনুযায়ী, নিম্নলিখিত কারণগুলোর যেকোন একটি বিদ্যমান থাকলে আদালত নিঃসম্বল ব্যক্তি হিসাবে মামলা করার অনুমতি প্রত্যাখ্যান করতে পারে:
১. আবেদনটি বিধি অনুযায়ী গঠিত না হলে বা সঠিকভাবে দাখিল না হলে।
২. আবেদনকারী প্রকৃতপক্ষে নিঃসম্বল ব্যক্তি না হলে।
৩. আবেদনকারী প্রতারণামূলকভাবে সম্পত্তি হস্তান্তর করে থাকলে।
৪. আবেদনকারীর অভিযোগ কোনো নালিশের কারণ না দর্শালে।
৫. আবেদনকারী মামলার বিষয়বস্তুর উপর এমন কোনো চুক্তিতে পৌঁছে থাকলে, যার ফলে অন্য কোনো ব্যক্তি সেই বিষয়ে স্বার্থবান হয়।
- এই সবগুলো ক্ষেত্রই আদালতের পক্ষ থেকে আবেদন প্রত্যাখ্যান করার যথাযথ ভিত্তি।

⇒The Code of Civil Procedure,1908, Order-33 Rule-5.Rejection of application:
The Court shall reject an application for permission to sue as a pauper-
(a) where it is not framed and presented in the manner prescribed by rules 2 and 3, or
(b) where the applicant is not a pauper, or
(c) where he has, within two months next before the presentation of the application, disposed of any property fraudulently or in order to be able to apply for permission to sue as a pauper, or
(d) where his allegations do not show a cause of action, or
(e) where he has entered into any agreement with reference to the subject-matter of the proposed suit under which any other person has obtained an interest in such subject-matter.
৫,০৬৫.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী নিচের কোনটি অপথে গৃহপ্রবেশ (House breaking) হিসেবে বিবেচিত হবে?
  1. সিঁধ কেটে প্রবেশ করা
  2. তালা ভেঙে প্রবেশ করা
  3. আক্রমণ বা ভয় দেখিয়ে প্রবেশ করা
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৪৫ ধারায় অপথে গৃহে প্রবেশের বিধান রয়েছে। ৪৪৫ ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৬টি উপায়ে কোন গৃহে প্রবেশ করলে বা গৃহ থেকে বের হলে তা অপথে গৃহে প্রবেশ বা House breaking বলে গণ্য হবে। যথা-

i) বন্ধ দরজা বা পথ খুলে (Opening any passage fastended for );
ii) তালা খুলে বা ভেঙ্গে (Opening or breaking lock);
iii) নতুন পথ তৈরি করে (Passage made by him);
iv) আক্রমন বা বলপ্রয়োগের ভয় দেখিয়ে (Using criminal force);
v) আটকানো কোন কিছুকে খুলে বা অন্যভাবে মুক্ত করে অস্বাভাবিক পন্থায় ভিতরে প্রবেশ করা বা নির্গমন হওয়া; অথবা
vi) প্রবেশ বা প্রস্থানের জন্য নয় এমন পথ দিয়ে গৃহে প্রবেশ করলে অপথে গৃহ প্রবেশ (house breaking) এর অপরাধ হবে।

অর্থাৎ, সিঁধ কেটে, তালা ভেঙে বা আক্রমণ/ভয় দেখিয়ে যেকোনো প্রবেশকেই অপথে গৃহপ্রবেশ বলা হয়।
----------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-445: House-breaking: A person is said to commit “house-breaking" who commits house-trespass if he effects his entrance into the house or any part of it in any of the six ways hereinafter described; or if, being in the house or any part of it for the purpose of committing an offence, or, having committed an offence therein, he quits the house or any part of it in any of such six ways, that is to say:
 
Firstly.-If he enters or quits through a passage made by himself, or by any abettor of the house-trespass, in order to the committing of the house-trespass.
Secondly.-If he enters or quits through any passage not intended by any person, other than himself or an abettor of the offence, for human entrance; or through any passage to which he has obtained access by scaling or climbing over any wall or building. 
Thirdly.-If he enters or quits through any passage which he or any abettor of the house-trespass has opened, in order to the committing of the house-trespass by any means by which that passage was not intended by the occupier of the house to be opened. 
Fourthly.-If he enters or quits by opening any lock in order to the committing of the house-trespass, or in order to the quitting of the house after a house-trespass. 
Fifthly.-If he effects his entrance or departure by using criminal force or committing an assault, or by threatening any person with assault. 
Sixthly.-If he enters or quits by any passage which he knows to have been fastened against such entrance or departure, and to have been unfastened by himself or by an abettor of the house-trespass. 
Explanation.-Any out-house or building occupied with a house, and between which and such house there is an immediate internal communication, is part of the house within the meaning of this section.
৫,০৬৬.
নিম্নের কোন শর্তে রাষ্ট্র সংবিধানের ৪৩ অনুচ্ছেদে উল্লিখিত অধিকার সীমিত করতে পারে?
  1. জনশৃঙ্খলা
  2. জনস্বাস্থ্য
  3. রাষ্ট্রের নিরাপত্তা
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৩ নাগরিকদের দুটি গুরুত্বপূর্ণ অধিকার নিশ্চিত করে:
- গৃহে নিরাপত্তার অধিকার (তল্লাশি বা আটক হতে নিরাপদ থাকা);
- যোগাযোগের গোপনতা রক্ষা (চিঠিপত্র ও অন্যান্য মাধ্যমের গোপনীয়তা);

- তবে এই অধিকারগুলো আইনের মাধ্যমে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা, নৈতিকতা বা জনস্বার্থে যুক্তিসঙ্গতভাবে সীমিত করা যেতে পারে।
৫,০৬৭.
তামাদি আইনের ৫ ধারার সুবিধা কে অধিকার হিসাবে দাবি করতে পারে?
  1. বাদী
  2. সরকার
  3. কেউ না
  4. দরখাস্তকারী
সঠিক উত্তর:
কেউ না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেউ না
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ৫ ধারা আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতার আওতায় পড়ে, কেউ এটিকে আইনগত অধিকার হিসাবে দাবি করতে পারে না।
- তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৫ একটি সুযোগ বা discretionary privilege যা নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে প্রদান করা হয়। এটি অধিকার (Right) নয় — বরং এটি দরখাস্তকারীর একটি অনুরোধ মাত্র, যা আদালত "যথোপযুক্ত কারণ" থাকলে গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যান করতে পারে।
- যদি কোনো ব্যক্তি নির্ধারিত সময়ের পরে আবেদন (Application), আপিল (Appeal) বা রিভিশন (Revision) দায়ের করেন, এবং তিনি আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারেন যে বিলম্বটি "সুযোগ্য কারণবশত" হয়েছে, তাহলে আদালত ধারা ৫-এর আওতায় বিলম্ব মাফ (condone) করতে পারে।

অর্থাৎ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৫-এ বিলম্ব মওকুফের (condonation of delay) বিধান থাকলেও এটি কোনো অধিকার (right) নয়, বরং এটি সম্পূর্ণরূপে আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা (discretionary power)-এর উপর নির্ভরশীল।
তাই সঠিক উত্তর: গ) কেউ না।
৫,০৬৮.
Plea of Alibi-কে সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে?
  1. ধারা ৯
  2. ধারা ১১
  3. ধারা ১৭
  4. ধারা ২৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১১
ব্যাখ্যা
Plea of Alibi অর্থ:
- "Alibi" একটি লাতিন শব্দ যার অর্থ "অন্যত্র"। ফৌজদারি মামলায় আসামি যদি দাবি করে যে, অপরাধ সংঘটনের সময় সে ঘটনাস্থলে ছিল না, বরং অন্যত্র ছিল, তাহলে সেটিই Plea of Alibi।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১১: “যে সকল ঘটনা বিচার্য বিষয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ বা যে সকল ঘটনা বিচার্য বিষয়ের অস্তিত্বকে অধিকতর অসম্ভব বা সম্ভব করে তোলে, সেসব ঘটনা প্রাসঙ্গিক।”
- অর্থাৎ, যদি কোনো আসামি প্রমাণ করতে পারে যে, সে অপরাধ সংঘটনের সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল না (অন্যত্র ছিল), তবে সেই তথ্য বিচার্য বিষয়ের অস্তিত্বকে অসম্ভব করে তোলে, ফলে সেটা ধারা ১১ অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক হয়।
-----------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 11. When facts not otherwise relevant become relevant:
- Facts not otherwise relevant are relevant–
(1) If they are inconsistent with any fact in issue or relevant fact;
(2) If by themselves or in connection with other facts they make the existence or non-existence of any fact in issue or relevant fact highly probable or improbable.
৫,০৬৯.
প্রশ্ন হলো ক” কোন অপরাধ করেছে কিনা? এই ক্ষেত্রে নিম্মলিখিত কোনটি প্রাসঙ্গিক না?
  1. অপরাধ সংঘটনের পর ক” পালিয়ে যায়
  2. অপরাধ সংঘটনের মাধ্যমে প্রাপ্ত সম্পত্তি ক” এর দখলে ছিল
  3. ক” কোন বিষয় লুকানোর চেষ্টা করে
  4. ক” কর্তৃক পুলিশের নিকট প্রদত্ত দোষস্বীকারোক্তি
সঠিক উত্তর:
ক” কর্তৃক পুলিশের নিকট প্রদত্ত দোষস্বীকারোক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক” কর্তৃক পুলিশের নিকট প্রদত্ত দোষস্বীকারোক্তি
ব্যাখ্যা
♦পুলিশ কর্মকর্তার নিকট প্রদত্ত কোন দোষস্বীকারোক্তি কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রমাণ করা যাবেনা।
৫,০৭০.
Section 2(6) of The Registration Act, 1908 states “immoveable property” shall not include-
  1. hereditary allowances
  2. rights to fisheries
  3. rights to ways
  4. growing crops
সঠিক উত্তর:
growing crops
উত্তর
সঠিক উত্তর:
growing crops
ব্যাখ্যা
• রেজিস্ট্রেশন আইনের ২(৬) ধারার বিধান-

"স্থাবর সম্পত্তি" অর্থে জমি, ইমারত, ভূমিজাত ও মাটিতে সংযুক্ত বা মাটি সংযুক্ত কোন কিছুতে স্থায়িভাবে আবদ্ধ কোন বস্তু হইতে লভ্য সুবিধাদি, বংশগত ভাতা, রাস্তা, আলো, খোয় ও মৎস্য খামার ইত্যাদির অধিকার অন্তর্ভূক্ত হইবে,
তবে উহার অন্তর্ভূক্ত হইবে না-
(ক) দণ্ডায়মান বৃক্ষ, বাড়ন্ত শষ্য বা ঘাস, তাৎক্ষণিকভাবে বিচ্ছিন্নকরণের অভিপ্রায় থাকুক বা না থাকুক;
(খ) বৃক্ষাদিতে বিদ্যমান বা ভবিষ্যতে উৎপন্ন হইতে পারে, এইরূপ ফল বা রস; এবং 
(গ) মাটিতে প্রোথিত বা সংযুক্ত যন্ত্রপাতি, যখন উহা ভূমি ব্যতিরেকে ব্যবহৃত হয়।
 
⇒ The Registration Act, 1908 Section 2(6) “immoveable property” includes land, buildings, benefits to arise out of land and things attached to the earth, or permanently fastened to anything attached to the earth, hereditary allowances, rights to ways, lights, ferries and fisheries.
but does not include-
(a) standing timber, growing crops or grass whether immediate severance thereof it intended or not;
(b) fruit upon and juice in trees whether in existence or to grow in future; and
(c) machinery embedded in or attached to the earth, when dealt with apart from the land:
৫,০৭১.
কোন ধরনের বিল রাষ্ট্রপতি সংসদে পুনর্বিবেচনার জন্য ফেরত পাঠাতে পারেন না?
  1. প্রশাসনিক বিল
  2. অর্থ বিল
  3. জরুরি অবস্থা সংক্রান্ত বিল
  4. সাংবিধানিক সংশোধনী বিল
সঠিক উত্তর:
অর্থ বিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থ বিল
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৮০ অনুচ্ছেদ- আইনপ্রণয়ন-পদ্ধতি:
(১) আইনপ্রণয়নের উদ্দেশ্যে সংসদে আনীত প্রত্যেকটি প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হইবে।

(২) সংসদ কর্তৃক কোন বিল গৃহীত হইলে সম্মতির জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করিতে হইবে।

(৩) রাষ্ট্রপতির নিকট কোন বিল পেশ করিবার পর পনের দিনের মধ্যে তিনি তাহাতে সম্মতিদান করিবেন কিংবা অর্থবিল ব্যতীত অন্য কোন বিলের ক্ষেত্রে বিলটি বা তাহার কোন বিশেষ বিধান পুনর্বিবেচনার কিংবা রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্দেশিত কোন সংশোধনী বিবেচনার অনুরোধ জ্ঞাপন করিয়া একটি বার্তাসহ তিনি বিলটি সংসদে ফেরত দিতে পারিবেন; এবং রাষ্ট্রপতি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।

(৪) রাষ্ট্রপতি যদি বিলটি অনুরূপভাবে সংসদে ফেরত পাঠান, তাহা হইলে সংসদ রাষ্টপতির বার্তাসহ তাহা পুনর্বিবেচনা করিবেন; এবং সংশোধনীসহ বা সংশোধনী ব্যতিরেকে সংসদ পুনরায় বিলটি গ্রহণ করিলে সম্মতির জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হইবে এবং অনুরূপ উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিবেন; এবং রাষ্ট্রপতি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।

(৫) সংসদ কর্তৃক গৃহীত বিলটিতে রাষ্ট্রপতি সম্মতিদান করিলে বা তিনি সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইলে তাহা আইনে পরিণত হইবে এবং সংসদের আইন বলিয়া অভিহিত হইবে।

৫,০৭২.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে মোকদ্দমা প্রত্যাহার বা দাবির আংশিক পরিত্যাগের বিধান রয়েছে- 
  1. আদেশ ১২, বিধি ১০
  2. আদেশ ২৩, বিধি ১ 
  3. আদেশ ২১, বিধি ১১
  4. আদেশ ২৫, বিধি ৫
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২৩, বিধি ১ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২৩, বিধি ১ 
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ২৩, বিধি ১-এ "Withdrawal of suit or abandonment of part of claim" সম্পর্কিত বিধান রয়েছে। এতে বলা হয়েছে যে, মোকদ্দমা দায়েরের পর যেকোনো সময় বাদী সকল বা যেকোনো বিবাদীর বিরুদ্ধে তার মোকদ্দমা প্রত্যাহার করতে বা দাবীর আংশিক পরিত্যাগ করতে পারেন। 

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৩ বিধি-১ এর বিধান মোকদ্দমা প্রত্যাহার কিংবা দাবীর আংশিক পরিত্যাগ:
১) মোকদ্দমা রুজু হওয়ার পর যে কোন সময় বাদি সকল বা যে কোন বিবাদির বিরুদ্ধে তার মোকদ্দমা প্রত্যাহার করতে কিংবা তার দাবীর আংশিক পরিত্যাগ করতে পারবে।
--------
⇒The Code of Civil Procedure,1908, Order-23 Rule-1. Withdrawal of suit or abandonment of part of claim.
(1) At any time after the institution of a suit the plaintiff may, as against all or any of the defendants, withdraw his suit or abandon part of his claim.

৫,০৭৩.
প্রতারণা (Cheating) কি?
  1. অসাধুভাবে কারো নিকট কোনো সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করা
  2. ছলনার মাধ্যমে কারো দেহ, মন বা সম্পত্তির ক্ষতি করা
  3. অসাধুভাবে তথ্য গোপন করা
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪১৫ ধারার বিধান প্রতারণা:- যদি কেউ কোন ব্যক্তিকে ছলনা করে প্রবঞ্চনামূলকভাবে বা অসাধুভাবে সে ব্যক্তিকে অন্য কাউকে কোন সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে অথবা কোন ব্যক্তির কোন সম্পত্তি রেখে দেওয়াতে সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে বা উদ্দেশ্যমূলকভাবে অনুরূপ প্রতারিত ব্যক্তিকে এমন কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে প্ররোচিত করে যে কাজ সে ব্যক্তি অনুরূপভাবে প্রতারিত না হলে করত না বা করা হতে বিরত থাকত না এবং যে কাজ করার বা করা হতে বিরত থাকার ফলে তার দেহের, মনের খ্যাতির বা সম্পত্তির দিক হতে ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে, তবে অনুরূপ ছলনাকারী 'প্রতারণা' করেছে বলে গণ্য হয়।

ব্যাখ্যা:- অসাধুভাবে তথ্য গোপন করা এই ধারার তাৎপর্যাধীনে ছলনা বলে পরিগণিত হবে।
------------
Cheating:
Section 415. Whoever, by deceiving any person, fraudulently or dishonestly induces the person so deceived to deliver any property to any person, or to consent that any person shall retain any property, or intentionally induces the person so deceived to do or omit to do anything which he would not do or omit if he were not so deceived, and which act or omission causes or is likely to cause damage or harm to that person in body, mind, reputation or property, is said to "cheat". 
 
Explanation. A dishonest concealment of facts is a deception within the meaning of this section.
৫,০৭৪.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি' সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ১৪১
  2. ১৪২
  3. ১৪৩
  4. ১৪৩ক
সঠিক উত্তর:
১৪৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৩
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪৩- প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি:
(১) আইনসঙ্গতভাবে প্রজাতন্ত্রের উপর ন্যস্ত যে কোন ভূমি বা সস্পত্তি ব্যতীত নিম্নলিখিত প্রজাতন্ত্রের উপর ন্যস্ত হইবে: 
 
(ক) বাংলাদেশের যে কোন ভূমির অন্তঃস্থ সকল খনিজ ও অন্যান্য মূল্যসম্পন্ন সামগ্রী; 
(খ) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় জলসীমার অন্তর্বর্তী মহাসাগরের অন্তঃস্থ কিংবা বাংলাদেশের মহীসোপানের উপরিস্থ মহাসাগরের অন্তঃস্থ সকল ভূমি, খনিজ ও অন্যান্য মূল্যসম্পন্ন সামগ্রী; এবং 
(গ) বাংলাদেশে অবস্থিত প্রকৃত মালিকবিহীন যে কোন সম্পত্তি। 
 
(২) সংসদ সময়ে সময়ে আইনের দ্বারা বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় জলসীমা ও মহীসোপানের সীমা-নির্ধারণের বিধান করিতে পারিবেন।
৫,০৭৫.
বিষেশ ক্ষমতা আইনের কত ধারায় 'সান্ধ্য আইন (Curfew)' এর বিধান আছে?
  1. ১৫
  2. ২৪
  3. ২৫
  4. ২৫গ
সঠিক উত্তর:
২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪
ব্যাখ্যা
⇒বিষেশ ক্ষমতা আইনের ২৪ ধারার বিধান: সান্ধ্য আইন (Curfew):
(১) জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট সরকারের নিয়ন্ত্রন সাপেক্ষে আদেশ জারীর মাধ্যমে নির্দেশ প্রদান করতে পারেন যে, আদেশে নির্দিষ্ট ব্যতিক্রম বাদে, আদেশে নির্দিষ্ট এলাকা বা এলাকা সমূহে উপস্থিত কোন ব্যক্তিই আদেশে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা ব্যক্তির মঞ্জুরীকৃত লিখিত অনুমতিপত্রের প্রধিকার ব্যতিত ঘরের বাহিরে আসতে পারবে না।
(২) এ ধারানুসারে দেয়া আদেশ যদি কোন ব্যক্তি লঙ্ঘন করে তবে তার ১ (এক) বৎসর পর্যন্ত কারাদন্ড বা জরিমানা বা উভয় প্রকার শাস্তি হতে পারে।
---------------------------------
Section-24: Curfew:
 (1) The District Magistrate 1[or the Police Commissioner in 2[a Metropolitan Area]] may, subject to the control of the Government, by order direct that, subject to any exemption specified in the order, no person present within any area or areas specified in the order shall, between such hours as may be specified in the order, be out of doors except under the authority of a written permit granted by a specified authority or person.

(2) If any person contravenes any order made under this section, he shall be punishable with imprisonment for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.
৫,০৭৬.
সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারা অনুযায়ী কয়টি ব্যতিক্রম ক্ষেত্রে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণ করা যায়?
  1. ৫টি
  2. ৭টি
  3. ৯টি
  4. ৩টি
সঠিক উত্তর:
৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭টি
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারার বিধান যে সকল ক্ষেত্রে দলিল সম্পর্কে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দেওয়া যেতে পারে:

⇒ কোন কোন ব্যতিক্রম ক্ষেত্রে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণ করা যায় তা সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারায় বলা হয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারায় ৭টি ব্যতিক্রম ক্ষেত্র উল্লেখ করা হয়েছে যেখানে মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য।

⇒ ক্ষেত্রসমূহ নিম্নরূপঃ

১) সংশ্লিষ্ট দলিলটি যার বিরুদ্ধে প্রমাণ করতে হবে, মূল দলিলটি যদি তার দখলে বা কর্তৃত্বাধীনে থাকে।

২) মূল দলিলটি যদি আদালতের সমনের আওতার বাহিরে বা এখতিয়ারের বাহিরে কোন লোকের দখলে থাকে কিংবা এমন কোন লোকের দখলে আছে যে লোক উক্ত দলিলটি উপস্থাপন করতে আইনত বাধ্য কিন্তু ৬৬ ধারার অধীন নোটিশ প্রদানের পরও সে তা উপস্থাপন করেনি।

৩) সংশ্লিষ্ট দলিলটি যার বিরুদ্ধে প্রমাণ করতে হবে সে লোক বা তার কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি মূল দলিলের অস্তিত্ব, অবস্থা বা বিষয়বস্তু লিখিতভাবে যদি স্বীকার করে নেয়।

৪) যেক্ষেত্রে মূল দলিলটি বিনষ্ট হয়েছে বা হারিয়ে গেছে কিংবা যৌক্তিক কোন কারণে মূল দলিলটি আদালতে উপস্থাপন করা যাচ্ছে না।

৫) মূল দলিলটি যদি এমন প্রকৃতির হয় যে, সহজে তা স্থানান্তর করা যায়না।

৬) মূল দলিলটি যেক্ষেত্রে ৭৪ ধারার বিধান অনুসারে সরকারি দলিল হয়।

৭) মূল দলিলটি যেক্ষেত্রে এমন যে, উক্ত দলিলের জাবেদা নকল সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহারের আইনত বিধান আছে।
৫,০৭৭.
তামাদি আইনের ২০ ধারা প্রযোজ্য -
  1. অগ্রক্রয় মোকদ্দমার ক্ষেত্রে
  2. পারিবারিক মোকদ্দমার ক্ষেত্রে
  3. অর্থ আদায়ের মোকদ্দমার ক্ষেত্রে
  4. স্বত্ব ঘোষণার মোকদ্দমার ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
অর্থ আদায়ের মোকদ্দমার ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থ আদায়ের মোকদ্দমার ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ২০ ধারা (Section 20 of the Limitation Act) এমন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য যেখানে কোনো দায় (debt) স্বীকার করা হয় বা আংশিক পরিশোধ করা হয়, এবং এর ফলে নতুন করে সময় গণনা শুরু হয়। এটি সাধারণত অর্থ আদায়ের মামলা বা দেনা-পাওনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়।

তামাদি আইনের ২০ ধারামতে,
ঋণ বা দেনার ক্ষেত্রে তামাদির নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই আংশিকভাবে কোন ঋণ বা সুদ পরিশোধ করলে, উক্ত অর্থ প্রদানের তারিখ থেকে নতুন করে তামাদির সময় শুরু হয়। অর্থাৎ কোন দেনা আংশিক পরিশোধ করলে পরিশোধের তারিখ হতে নতুন করে তামাদির মেয়াদ গণনা আরম্ভ হবে।তবে এই ক্ষেত্রে দেনা পরিশোধ অবশ্যই লিখিত এবং স্বাক্ষরিত হতে হবে।
৫,০৭৮.
কোন আদালত যেকোন ব্যক্তির জামানত হ্রাস করার নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. দায়রা আদালত
  3. ক এবং খ
  4. যে আদালত জামিন দেয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
ব্যাখ্যা
হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করার বা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দাবিকৃত জামানত হ্রাস করার নির্দেশ দিতে পারেন।

ধারা ৪৯৮- জামিন মঞ্জুর করার এবং অর্থের পরিমাণ হ্রাস করার ক্ষমতা
(১) এই অধ্যায়ের অধীন সম্পাদিত প্রত্যেকটি বণ্ডের অর্থের পরিমাণ মামলার পরিস্থিতি বিবেচনাপূর্বক নির্ধারণ করতে হবে এবং তা অত্যধিক হবে না, এবং দণ্ডের পর আপীল থাকুক আর না থাকুক, হাইকোর্ট ডিভিশন বা দায়রা আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করার বা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দাবীকৃত জামিন হ্রাস করার নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।

Section 498- Power to direct admission to bail or reduction of bail-
The amount of every bond executed under this Chapter shall be fixed with due regard to the circumstances of the case, and shall not be excessive; and the High Court Division or Court of Session may, in any case, whether there be an appeal on conviction or not, direct that any person be admitted to bail, or that the bail required by a police-officer or Magistrate be reduced.
৫,০৭৯.
একজন ব্যক্তি আদালতে বললেন- “আমি ঐ লেখকের চিঠির উত্তর পেয়েছি, তাই তার লেখা চিনতে পারি।” এটি সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর কোন ধারার অধীনে প্রাসঙ্গিক?
  1. ধারা ৪৫
  2. ধারা ৪৬
  3. ধারা ৪৭
  4. ধারা ৪৭ক
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৭
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৪৭ অনুযায়ী-
যখন আদালতকে কারো লেখা বা স্বাক্ষর সম্পর্কে মতামত গঠন করতে হয়, তখন এমন ব্যক্তির মতামত প্রাসঙ্গিক (relevant) বলে গণ্য হয়, যিনি ঐ ব্যক্তির হস্তলিপির সঙ্গে পরিচিত।

ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে- যদি কেউ ঐ ব্যক্তির লেখা চিঠির উত্তরস্বরূপ কোনো চিঠি পেয়ে থাকে, তবে তিনি ঐ ব্যক্তির হস্তলিপির সঙ্গে পরিচিত বলে গণ্য হবেন।

অতএব, যে ব্যক্তি বলেন “আমি ঐ লেখকের চিঠির উত্তর পেয়েছি, তাই তার লেখা চিনতে পারি,” তার মতামত ধারা ৪৭-এর অধীনে প্রাসঙ্গিক।

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৪৭ (হস্তলিপি সম্পর্কে মতামত):
যখন আদালতকে কোনো নথি কে লিখেছে বা স্বাক্ষর করেছে — সে বিষয়ে মতামত গঠন করতে হয়, তখন এমন কোনো ব্যক্তির মতামত, যিনি ঐ ব্যক্তির হস্তলিপির সঙ্গে পরিচিত, এই বিষয়ে প্রাসঙ্গিক (Relevant) বলে গণ্য হবে।

অর্থাৎ- যে ব্যক্তি ঐ লেখকের লেখার ধরন বা স্বাক্ষরের সঙ্গে পরিচিত, তার মতামত আদালতে গ্রহণযোগ্য হতে পারে।

ব্যাখ্যা (Explanation): কোনো ব্যক্তি অন্য একজনের হস্তলিপির সঙ্গে পরিচিত (acquainted) বলে গণ্য হবে যদি সে ব্যক্তিকে নিজ চোখে লিখতে দেখেছে, অথবা সে ঐ ব্যক্তির লেখা চিঠির উত্তরস্বরূপ চিঠি পেয়েছে, যা সে নিজে বা তার কর্তৃত্বে লেখা এবং ঐ ব্যক্তির উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়েছিল, অথবা  ব্যবসার সাধারণ নিয়মে, ঐ ব্যক্তির লেখা বলে ধারণা করা হয় এমন নথিপত্র নিয়মিতভাবে তার কাছে জমা দেওয়া হয় এবং সে সেগুলো দেখে অভ্যস্ত।

৫,০৮০.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারার ক্ষমতাবলে একটি দেওয়ানি আদালত কোনো পদ্ধতিগত কাজের জন্য নির্ধারিত সময় বর্ধিত করতে পারেন?
  1. ১৪৭ ধারায়
  2. ১৪৮ ধারায়
  3. ১৪৯ ধারায়
  4. ১৫০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৪৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮: ধারা ১৪৮- সময় বাড়ানো:
যদি আদালত কোনো নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য একটি সময়সীমা নির্ধারণ করে থাকে, তবুও আদালত পরবর্তীতে নিজের বিবেচনা অনুযায়ী সেই সময়সীমা বাড়াতে পারবে।

Section 148- Enlargement of time:
Where any period is fixed or granted by the Court for the doing of any act prescribed or allowed by this Code, the Court may, in its discretion, from time to time, enlarge such period, even though the period originally fixed or granted may have expired.

এই বিধানের উদ্দেশ্য হল বিচারকার্য সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে আদালতকে সুযোগ দেওয়া। কারণ প্রতিটি মামলার পরিস্থিতি একইরকম না হওয়ায় আদালতকে প্রয়োজনীয় সময়সীমা নির্ধারণের জন্য নমনীয়তা রাখা উচিত। তবে এই ক্ষমতার অপব্যবহার থেকে বাঁচতে আদালতকে সতর্ক থাকতে হবে।
৫,০৮১.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে "Evidence" বলতে কী বোঝায়?
  1. মৌখিক সাক্ষ্য
  2. লিখিত সাক্ষ্য
  3. ফরেনসিক উপাদান
  4. উল্লিখিত সবগুলা
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন (Evidence Act), ধারা ৩ অনুযায়ী "Evidence" বা সাক্ষ্য বলতে বোঝানো হয়েছে তিনটি বিষয়কে:
(১) মৌখিক সাক্ষ্য (Oral Evidence): “all statements which the Court permits or requires to be made before it by witnesses, in relation to matters of fact under inquiry”
- অর্থাৎ: যেসব বক্তব্য আদালত সাক্ষীর মাধ্যমে গ্রহণ করে, তা মৌখিক সাক্ষ্য।
(২) লিখিত সাক্ষ্য বা নথিপত্র (Documentary Evidence): “all documents produced for the inspection of the Court”
- অর্থাৎ: মামলার সাথে সম্পর্কিত যেকোনো কাগজপত্র বা নথি যা আদালতে উপস্থাপন করা হয়, তা লিখিত সাক্ষ্য।
(৩) ফরেনসিক বা শারীরিক উপাদান (Physical or Forensic Evidence):  এই অংশটি একটি সংশোধনী (Amendment) দ্বারা যুক্ত হয়েছে এবং এতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে: রক্ত, চুল, বীর্য, DNA, অঙ্গ বা তার অংশ, আঙুলের ছাপ, তালুর ছাপ, চোখের মণির ছাপ, পায়ের ছাপ ইত্যাদি এমন বস্তু যা অপরাধ প্রমাণে বা অপরাধী ও ভুক্তভোগীর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনে সহায়ক।
- এদের বলা হয়: physical or forensic evidence.

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৩ অনুযায়ী: "Evidence includes—
(1) all oral statements which the Court permits as testimony (oral evidence),
(2) all documents produced for inspection (documentary evidence), and
(3) forensic materials like DNA, fingerprints, etc."

⇒ সাক্ষ্য আইন অনুসারে, "Evidence" বলতে বোঝায়: মৌখিক সাক্ষ্য , লিখিত সাক্ষ্য, ফরেনসিক উপাদান। 
তাই সঠিক উত্তর হলো: ঘ) উল্লিখিত সবগুলা।
৫,০৮২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা জারি কত দিন পর্যন্ত বলবৎ থাকতে পারে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৪৫ দিন
  4. ৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারার আদেশ সাধারণত সর্বোচ্চ ২ মাস পর্যন্ত বলবৎ থাকে; তবে সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তি দ্বারা ১৪৪ ধারার আদেশকে ২ মাসের অধিক সময় পর্যন্ত বলবৎ রাখতে পারে।‌

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা বিধান (১) যে সকল ক্ষেত্রে জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট, মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট অথবা এই ধারার অধীন কাজ করার জন্য সরকার বা জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতা প্রাপ্ত অন্য কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের (তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট নহেন) মতে, এই ধারার অধীন অগ্রসর হবার মত যথেষ্ট কারণ রয়েছে এবং আশু বা দ্রুত প্রতিকার বাঞ্ছনীয়, সেই সকল ক্ষেত্রে এরূপ ম্যাজিষ্ট্রেট লিখিত আদেশে ঘটনার মূল বিষয় বস্তু বর্ণনা করে এবং ইহা ১৩৪ ধারায় বর্ণিত পদ্ধতিতে জারী করে যে কোন ব্যক্তিকে কোন নির্দিষ্ট কাজ করা হতে বিরত থাকার অথবা কোন নির্দিষ্ট সম্পত্তি তার দখলে কিংবা তার ব্যবস্থাধীনে নিবার নির্দেশ দিতে পারবেন, যদি উক্ত ম্যাজিষ্ট্রেট বিবেচনা করেন যে, তার নির্দেশে আইন সংগতভাবে নিযুক্ত কোন ব্যক্তির প্রতি বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতি, অথবা বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতির ঝুঁকি, অথবা মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার প্রতি বিশদ অথবা জনশান্তির বিরক্তি বা দাঙ্গা বা মারামারি নিরোধের সম্ভাবনা আছে কিংবা নিরোধে সহায়তা করবে।

(২) জরুরী পরিস্থিতিতে অথবা যার উপর আদেশ দেয়া হচ্ছে সময় মত তার উপর নোটিশ জারী করার মত পরিস্থিতি নাই, সেই সকল ক্ষেত্রে এই ধারার আদেশ একতরফাভাবে প্রদান করা যাবে।

(৩) এই ধারার আদেশ কোন ব্যক্তি বিশেষের প্রতি অথবা কোন বিশেষ স্থানে ঘন ঘন গমনকারী বা সফরকারী জনসাধারণের প্রতি নির্দেশিত হতে পারবে।

(৪) যে কোন ম্যাজিষ্ট্রেট স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে বা কোন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদন ক্রমে এই ধারানুসারে তার নিজের বা তার অধীনস্ত কোন ম্যাজিষ্ট্রেট বা তার পূর্ববর্তী ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারবেন।

(৫) এরূপ কোন আবেদনপত্র পাওয়া গেলে ম্যাজিষ্ট্রেট আবেদনকারীকে শীঘ্র ব্যক্তিগতভাবে বা কৌসুলীর মাধ্যমে তার নিকট হাজির হবার এবং আদেশের বিরুদ্ধে কারণ দর্শাইবার সুযোগ দিবেন, এবং ম্যাজিষ্ট্রেট যদি আবেদন সম্পূর্ণরূপে বা আংশিক বাতিল করেন তাহলে তিনি লিখিতভাবে এরূপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।

(৬) মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার প্রতি বিপদ, অথবা দাঙ্গা বা মারামারির আশংকার ক্ষেত্রে সরকার সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা অন্যরূপ নির্দেশ না দিলে এই ধারানুসারে প্রদত্ত কোন আদেশ দুইমাসের অধিককাল বলবৎ থাকবে না।

(৭) এই ধারার বিধানসমূহ মহানগরী এলাকায় প্রযোজ্য হবে না।

RULINGS
(১) সকল নাগরিক ধর্মসভা করার অধিকার রাখে কিন্তু অন্যকে আঘাত করার বা বিচলিত করার অধিকার ধর্মসভার নামে কেউই পায় না। এরকম আংশকা হলে এ ধারার প্রয়োগ সিদ্ধ। [PLD 1956 FC 190]

(২) যখন পরিস্থিতি গুরুতর হয় এবং আশু ব্যবস্থা গ্রহণ প্রয়োজনীয় হয় কেবলমাত্র তখনই ম্যাজিষ্ট্রেট এই ধারায় আদেশ জারি করতে পারেন।
৫,০৮৩.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় অভিন্ন অভিপ্রায়ের কথা বলা হয়েছে?
  1. ৩৪ ধারায়
  2. ১০ ধারায়
  3. ১২ ধারায়
  4. ১৪ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ ধারায়
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১০ ধারায় Criminal Conspiracy (অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র) এবং Common Intention (অভিন্ন অভিপ্রায়) সম্পর্কে বলা আছে।
 
ধারা ১০: অভিন্ন অভিপ্রায় প্রসঙ্গে ষড়যন্ত্রকারীর কথা বা কাজ:

দুই বা ততোধিক ব্যক্তি একযোগে কোন অপরাধ বা নালিশ যোগ্য অন্যায় কার্য করার ষড়যন্ত্র করেছে, এরূপ বিশ্বাস করার যদি যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকে; তবে তাদের যেকোন একজনের উক্তি, ষড়যন্ত্রের ইচ্ছা পোষণ করার পর তাদের ঐ সাধারণ ইচ্ছা সম্পর্কে তাদের মধ্যে যেকোন একজনের কোন কথা, কার্য বা লেখা ষড়যন্ত্রকারী বলে মনে করা হচ্ছে, এরূপ প্রত্যেক ব্যক্তি সম্পর্কে প্রাসঙ্গিক ঘটনা, ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব প্রমাণ করার জন্য তা প্রাসঙ্গিক; তেমনি কোন ব্যক্তি যে উক্ত ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল তা প্রমাণ করার জন্য তাও প্রাসঙ্গিক।
যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি মিলে কোন অপরাধ সংঘটন করে এবং সেই অভিন্ন অভিপ্রায়ের লক্ষ্যে করা কোন এক জনের কথা, কাজ বা বিবৃতি প্রাসঙ্গিক। অর্থাৎ অভিন্ন অভিপ্রায় প্রসঙ্গে ষড়যন্ত্রকারীর কথা বা কাজ ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব প্রমাণ করার জন্য প্রাসঙ্গিক হবে।
 
Section 10-Things said or done by conspirator in reference to common design:
Where there is reasonable ground to believe that two or more persons have conspired together to commit an offence or an actionable wrong, anything said, done or written by any one of such persons in reference to their common intention, after the time when such intention was first entertained by any one of them, is a relevant fact as against each of the persons believed to be so conspiring, as well for the purpose of proving the existence of the conspiracy as for the purpose of showing that any such person was a party to it.
৫,০৮৪.
What does Section 140 state about 'witnesses to character'?
  1. They cannot be cross-examined.
  2. They can only be examined once.
  3. They may be cross-examined and re-examined.
  4. They must provide character references in writing.
সঠিক উত্তর:
They may be cross-examined and re-examined.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
They may be cross-examined and re-examined.
ব্যাখ্যা
Section 140- Witnesses to character:
Witnesses to character may be cross-examined and re-examined.

ধারা ১৪০: চরিত্র সম্পর্কে সাক্ষী:
চরিত্র সম্পর্কে সাক্ষীদের জেরা (cross-examination) এবং পুনরায় জেরা (re-examination) করা যেতে পারে। অর্থাৎ, যদি কোনো সাক্ষী কারো চরিত্রের পক্ষে বা বিপক্ষে সাক্ষ্য দেয়, তাহলে সেই সাক্ষীকে জেরা এবং পুনরায় জেরা করার অধিকার দুই পক্ষেরই থাকে।
৫,০৮৫.
নিচের কোন ধারায় ‘বলপূর্বক গ্রহণ’’ (Extortion) এর বিধান রয়েছে?
  1. ৪৮৩
  2. ৩৮৩
  3. ২৮৩
  4. ৩৮৯
সঠিক উত্তর:
৩৮৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৮৩
ব্যাখ্যা
- দণ্ডবিধি ৩৮৩ ধারাতে বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায়ের সংজ্ঞা (Extortion) রয়েছে।
- কাউকে ক্ষতি করার ভয় দেখিয়ে তার নিকট থেকে স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি গ্রহণ করাকে বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায় বা extortion বলে।
- অন্যভাবে বলা যায়, কোন ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে অপর কোন ব্যক্তিকে মৃত্যুর ভয়, আঘাতের ভয় বা পথরুদ্ধ করার ভয় দেখিয়ে কোন কিছু দিতে বাধ্য করলে তাকে বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায় বলে।
৫,০৮৬.
বাংলাদেশে অর্থবছর শুরু হয়-
  1. জানুয়ারি মাসের ১ তারিখ থেকে
  2. জুন মাসের ১ তারিখ থেকে
  3. জুলাই মাসের ১ তারিখ থেকে
  4. জুন মাসের ৩০ তারিখ থেকে
সঠিক উত্তর:
জুলাই মাসের ১ তারিখ থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুলাই মাসের ১ তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৫২:
"অর্থ-বৎসর" অর্থ জুলাই মাসের প্রথম দিবসে যে বৎসরের আরম্ভ;

Article 152: Interpretation clause
“financial year” means a year commencing on the first day of July;
৫,০৮৭.
স্মল কজ কোর্ট কোন আদালতের অধস্তন?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. জেলা আদালত
  3. রাজস্ব আদালত
  4. ক ও খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ৩ ধারার বিধান - আদালতের পর্যায়ক্রম:
এই কোডের উদ্দেশ্যে, জেলা আদালত হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন এবং জেলা আদালতের নিম্ন পর্যায়ের সকল দেওয়ানি আদালত এবং সকল স্মল কজ কোর্ট হাইকোর্ট বিভাগ ও জেলা আদালতের অধস্তন।

Section-3: Subordination of Courts:
-For the purposes of this Code, the District Court is subordinate to the High Court Division, and every Civil Court of a grade inferior to that of a District Court and every Court of Small Causes is subordinate to the High Court Division and District Court.
৫,০৮৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা জারি কত দিন পর্যন্ত বলবৎ থাকতে পারে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৪৫ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারার আদেশ সাধারণত সর্বোচ্চ ২ মাস পর্যন্ত বলবৎ থাকে; তবে সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তি দ্বারা ১৪৪ ধারার আদেশকে ২ মাসের অধিক সময় পর্যন্ত বলবৎ রাখতে পারে।‌
অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা জারি ২ মাস বা ৬০  দিন পর্যন্ত বলবৎ থাকতে পারে। 

- ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা বিধান (১) যে সকল ক্ষেত্রে জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট, মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট অথবা এই ধারার অধীন কাজ করার জন্য সরকার বা জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতা প্রাপ্ত অন্য কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের (তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট নহেন) মতে, এই ধারার অধীন অগ্রসর হবার মত যথেষ্ট কারণ রয়েছে এবং আশু বা দ্রুত প্রতিকার বাঞ্ছনীয়, সেই সকল ক্ষেত্রে এরূপ ম্যাজিষ্ট্রেট লিখিত আদেশে ঘটনার মূল বিষয় বস্তু বর্ণনা করে এবং ইহা ১৩৪ ধারায় বর্ণিত পদ্ধতিতে জারী করে যে কোন ব্যক্তিকে কোন নির্দিষ্ট কাজ করা হতে বিরত থাকার অথবা কোন নির্দিষ্ট সম্পত্তি তার দখলে কিংবা তার ব্যবস্থাধীনে নিবার নির্দেশ দিতে পারবেন, যদি উক্ত ম্যাজিষ্ট্রেট বিবেচনা করেন যে, তার নির্দেশে আইন সংগতভাবে নিযুক্ত কোন ব্যক্তির প্রতি বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতি, অথবা বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতির ঝুঁকি, অথবা মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার প্রতি বিশদ অথবা জনশান্তির বিরক্তি বা দাঙ্গা বা মারামারি নিরোধের সম্ভাবনা আছে কিংবা নিরোধে সহায়তা করবে।
(২) জরুরী পরিস্থিতিতে অথবা যার উপর আদেশ দেয়া হচ্ছে সময় মত তার উপর নোটিশ জারী করার মত পরিস্থিতি নাই, সেই সকল ক্ষেত্রে এই ধারার আদেশ একতরফাভাবে প্রদান করা যাবে।
(৩) এই ধারার আদেশ কোন ব্যক্তি বিশেষের প্রতি অথবা কোন বিশেষ স্থানে ঘন ঘন গমনকারী বা সফরকারী জনসাধারণের প্রতি নির্দেশিত হতে পারবে।
(৪) যে কোন ম্যাজিষ্ট্রেট স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে বা কোন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদন ক্রমে এই ধারানুসারে তার নিজের বা তার অধীনস্ত কোন ম্যাজিষ্ট্রেট বা তার পূর্ববর্তী ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারবেন।
(৫) এরূপ কোন আবেদনপত্র পাওয়া গেলে ম্যাজিষ্ট্রেট আবেদনকারীকে শীঘ্র ব্যক্তিগতভাবে বা কৌসুলীর মাধ্যমে তার নিকট হাজির হবার এবং আদেশের বিরুদ্ধে কারণ দর্শাইবার সুযোগ দিবেন, এবং ম্যাজিষ্ট্রেট যদি আবেদন সম্পূর্ণরূপে বা আংশিক বাতিল করেন তাহলে তিনি লিখিতভাবে এরূপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।

(৬) মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার প্রতি বিপদ, অথবা দাঙ্গা বা মারামারির আশংকার ক্ষেত্রে সরকার সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা অন্যরূপ নির্দেশ না দিলে এই ধারানুসারে প্রদত্ত কোন আদেশ দুইমাসের অধিককাল বলবৎ থাকবে না।

(৭) এই ধারার বিধানসমূহ মহানগরী এলাকায় প্রযোজ্য হবে না।
৫,০৮৯.
কোন আইনকে "Law of all laws” বলা হয়ে থাকে?
  1. The Evidence Act, 1872
  2. The Special Powers Act, 1974
  3. The General Clauses Act, 1897
  4. The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh
সঠিক উত্তর:
The General Clauses Act, 1897
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The General Clauses Act, 1897
ব্যাখ্যা
⇒ The General Clauses Act, 1897 কে "Law of all laws" বলা হয়:
- আইনসভা থেকে পাশকৃত সকল আইনের ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে আইনটি প্রযোজ্য। তবে কোনো আইনে এ বিষয়ে পরিষ্কার বিধান থাকলে সেক্ষেত্রে আইনটি প্রযোজ্য হবে না।
- The General Clauses Act, 1897 এমন একটি আইন যা অন্যান্য যেকোনো আইন ব্যাখ্যার জন্য প্রযোজ্য তো বটেই বরং প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন সংবিধান ব্যাখ্যার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
- এ বিষয়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৫২ এর (২) নং দফা উল্লেযোগ্য। 

- এজন্য, The General Clauses Act, 1897 আইনটিকে "Law of all laws” বলা হয়ে থাকে।
৫,০৯০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় আপিল ও রিভিশন নিষ্পত্তির সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ধারা ৪৪২
  2. ধারা ৪৪২ক
  3. ধারা ৪৪৩
  4. ধারা ৪৪৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৪২ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৪২ক
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৪২ক ধারার বিধান:- আপিল ও রিভিশন নিষ্পত্তির সময়:
(১) কোন আপিল আদালত ইহার নিকট দায়েরকৃত আপিল রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারি হওয়ার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করবেন।
(২) রিভিশনের ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত পক্ষগণের উপর নোটিশ জারি হওয়ার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে রিভিশনের কার্যক্রম নিষ্পত্তি করবেন।
(৩) এই ধারায় সময় নির্ধারণের জন্য কেবল কার্যদিবস গণনা করতে হবে।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 442A- Time for disposal of appeals and Revision: 
(1) An Appellate Court shall dispose of an appeal filed before it within ninety days from the date of service of notice upon respondents.
(2) A Court having power of revision shall dispose of a proceeding in revision within ninety days from the date of service of notice upon the parties.
(3) In this section, in determining the time, only the working days shall be counted.
৫,০৯১.
The Evidence Act 1872 এর বিধান অনুসারে বিবাহ বিচ্ছেদের পর তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী বা বিধবা স্ত্রী কত দিনের মধ্যে সন্তান প্রসব করলে পূর্বের স্বামীর বৈধ সন্তান হিসেবে গণ্য হবে?
  1. ২০৮ দিন
  2. ১৮০ দিন
  3. ২১০ দিন
  4. ২৮০ দিন
সঠিক উত্তর:
২৮০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮০ দিন
ব্যাখ্যা
- The Evidence Act 1872 এর ১১২ ধারা অনুসারে কোন বিবাহ  বজায়/বিচ্ছেদের ২৮০ দিনের মধ্যে কোন নারী সন্তান প্রসব করলে তা পূর্বের স্বামীর  বৈধ সন্তান হিসেবে গণ্য হবে। এটি চূড়ান্ত প্রমাণ।
৫,০৯২.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬৬ অনুযায়ী, নিচের কোন ক্ষেত্রে নোটিশ দেওয়া প্রয়োজন নেই?
  1. যখন দলিলটি নিজেই একটি নোটিশ
  2. যখন মূল দলিল আদালতে উপস্থাপন করা হয়
  3. যখন বিরোধী পক্ষ জানে যে তাকে দলিল দেখাতে হবে
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ধারা ৬৬ অনুযায়ী, গৌণ সাক্ষ্য (secondary evidence) গ্রহণযোগ্য করার জন্য সাধারণভাবে মূল দলিল যিনি দখলে রেখেছেন, তাকে পূর্বে "notice to produce" দিতে হয়।
তবে কিছু ব্যতিক্রম রয়েছে যেখানে নোটিশ দেওয়ার প্রয়োজন হয় না, যেমন:
১.দলিলটি নিজেই একটি নোটিশ হলে
২.মামলার স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় প্রতিপক্ষ জানে যে দলিল চাওয়া হবে
৩.দলিল যদি আদালতেই থাকে বা বিরোধী পক্ষের কাছেই থাকে
- এই তিনটি অবস্থাতেই নোটিশ না দিয়েও গৌণ সাক্ষ্য উপস্থাপন করা আইনসম্মত ও গ্রহণযোগ্য, তাই সঠিক উত্তর: ঘ) উপরের সবকটি।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬৬-এর প্রোভাইসোতে দলিল উপস্থাপনের জন্য নোটিশ দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা থেকে ছয়টি নির্দিষ্ট ব্যতিক্রম বা ক্ষেত্র উল্লেখ করা হয়েছে। এই ক্ষেত্রগুলোতে গৌণ সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হওয়ার জন্য নোটিশ দেওয়া বাধ্যতামূলক নয়। নিচে ছয়টি নির্দিষ্ট ক্ষেত্র উল্লেখ করা হলো:
১) যখন প্রমাণ করার জন্য দলিলটি নিজেই একটি নোটিশ (When the document to be proved is itself a notice):
- যদি যে দলিলটি প্রমাণ করতে হবে তা নিজেই একটি নোটিশ হয়, তবে আলাদাভাবে নোটিশ দেওয়ার প্রয়োজন নেই।
২) যখন মামলার প্রকৃতি থেকে বিপক্ষীয় পক্ষ জানে যে তাকে দলিলটি উপস্থাপন করতে হবে (When, from the nature of the case, the adverse party must know that he will be required to produce it):
- যদি মামলার পরিস্থিতি এমন হয় যে বিপক্ষীয় পক্ষ স্বাভাবিকভাবেই বুঝতে পারে যে তাকে দলিলটি দেখাতে হবে, তবে নোটিশের প্রয়োজন হয় না।
৩) যখন দেখা যায় বা প্রমাণিত হয় যে বিপক্ষীয় পক্ষ জালিয়াতি বা জোর করে মূল দলিলটি দখল করেছে (When it appears or is proved that the adverse party has obtained possession of the original by fraud or force):
- যদি বিপক্ষীয় পক্ষ মূল দলিলটি প্রতারণা বা জোরপূর্বক দখল করে থাকে, তবে নোটিশ দেওয়ার দরকার নেই।
৪) যখন বিপক্ষীয় পক্ষ বা তার এজেন্টের কাছে মূল দলিলটি আদালতে থাকে (When the adverse party or his agent has the original in Court):
- যদি মূল দলিলটি বিপক্ষীয় পক্ষ বা তার প্রতিনিধির কাছে আদালতে উপস্থিত থাকে, তবে নোটিশ দেওয়ার প্রয়োজন হয় না।
৫) যখন বিপক্ষীয় পক্ষ বা তার এজেন্ট দলিলটি হারিয়ে গেছে বলে স্বীকার করে (When the adverse party or his agent has admitted the loss of the document):
- যদি বিপক্ষীয় পক্ষ বা তার প্রতিনিধি স্বীকার করে যে মূল দলিলটি হারিয়ে গেছে, তবে নোটিশের প্রয়োজনীয়তা বাদ যায়।
৬) যখন দলিলের দখলে থাকা ব্যক্তি আদালতের নাগালের বাইরে বা আদালতের প্রক্রিয়ার আওতাধীন নয় (When the person in possession of the document is out of reach of, or not subject to, the process of the Court):
- যদি যে ব্যক্তির কাছে দলিলটি আছে তিনি আদালতের নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকেন বা আদালতের আইনি প্রক্রিয়ার আওতায় না পড়েন, তবে নোটিশ দেওয়া প্রয়োজন নেই।
৫,০৯৩.
তামাদি আইনের ৩ ধারা প্রযোজ্য হবে-
  1. আপিলের ক্ষেত্রে
  2. দরখাস্ত দাখিলের ক্ষেত্রে
  3. মূল মামলার ক্ষেত্রে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
ধারা-৩: তামাদি মেয়াদ শেষে দায়েরকৃত মামলা ইত্যাদি খারিজ -
এই আইনের ৪ হইতে ২৫ ধারা (উভয় ধারাসহ) সাপেক্ষে- প্রথম তফসিলে বর্ণিত নির্ধারিত তামাদি মেয়াদ পার হওয়ার পর মামলা, আপিল বা দরখাস্ত রুজু বা দাখিল করা হলে, বিবাদীপক্ষ যদি তামাদির প্রশ্ন উত্থাপন নাও করে, তবুও উক্ত মামলা, আপিল বা দরখাস্ত খারিজ বলে বিবেচিত হবে।

ব্যাখ্যা: সাধারণত উপযুক্ত কর্মচারির নিকট আরজি উপস্থিত করলে, নিঃস্ব হলে নিঃস্বভাবে মামলা করার অনুমতির জন্য দরখাস্ত করলে এবং আদালত যেখানে কোম্পানি বন্ধ করে ফেলছে; সেখানে কোম্পানির বিরুদ্ধে দাবির ক্ষেত্রে দাবিদার সরকারী অবসায়কের নিকট দাবি প্রেরণ করলে মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে বিবেচনা করা হয়।

• ধারা ৩ অনুযায়ী,
নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ শেষ হবার পর মামলা, আপিল বা দরখাস্ত করা হলে মামলা খারিজ হবে। এক্ষেত্রে বিবাদী পক্ষ কোন আপত্তি উত্থাপন না করলেও আদালত তা খারিজ করে দেবেন। তামাদি আইনের ৩ ধারা ৩টি ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে-
- মূল মামলা (Original suit);
- আপিল (Appeal);
- দরখাস্ত/আবেদনপত্র (Application)।

• ৩ ধারার বিধান আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক। তাই পক্ষগণ একমত হয়েও তামাদির মেয়াদ বৃদ্ধি করতে পারবে না। আদালত তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হবার ফলে কোন মোকদ্দমা খারিজ করলে পরবর্তী ঐ মামলার একই পক্ষ একই বিষয়বস্তু নিয়ে কোন মোকদ্দমা করলে উক্ত মোকদ্দমা Res-Judicata দ্বারা বারিত হবে।
৫,০৯৪.
ধারা ৩৭ অনুযায়ী, চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা না হলে আদালত কি নির্দেশ দিতে পারে?
  1. চুক্তির সংশোধন
  2. চুক্তির মূল্য বৃদ্ধি
  3. চুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধি
  4. চুক্তি বাতিল বা রদ
সঠিক উত্তর:
চুক্তি বাতিল বা রদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি বাতিল বা রদ
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৭- সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মোকদ্দমার বিকল্প হিসাবে রদের আর্জি:
লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মোকদ্দমা রুজুকারী বাদী বিকল্প হিসাবে আবেদন অবহিত করতে পারেন যে, চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা না গেলে তা রদ করা হোক এবং বিলুপ্ত হিসাবে ত্যাগ করা হোক; এবং আদালত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করতে অস্বীকার করলে তা রদ করা এবং সে অনুসারে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 37- Alternative prayer for rescission in suit for specific performance:
A plaintiff instituting a suit for the specific performance of a contract in writing may pray in the alternative that, if the contract cannot be specifically enforced, it may be rescinded and delivered up to be cancelled; and the Court, if it refuses to enforce the contract specifically, may direct it to be rescinded and delivered up accordingly.
৫,০৯৫.
Under the Evidence Act, "Fact" means and includes-
  1. any mental condition of which any person is conscious.
  2. anything capable of being perceived by the senses;
  3. A & B
  4. None of the above.
সঠিক উত্তর:
A & B
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A & B
ব্যাখ্যা
⇒ "Fact" means and includes-

(1) anything, state of things, or relation of things capable of being perceived by the senses;

(2) any mental condition of which any person is conscious.

⇒ ঘটনা (Fact): 'ঘটনা' এর অর্থ -

১। কোন কিছু, কোন কিছুর অবস্থা বা কোন কিছুর সম্পর্ক, যা ইন্দ্রিয় দ্বারা অনুভবযোগ্য।

২। কোন মানসিক অবস্থা, যে সম্পর্কে কোন ব্যক্তি সচেতন।
৫,০৯৬.
'ক' একটি ছুরি ঘুরাতে ঘুরাতে 'চ'-কে বলিল, "তোমাকে কুপিয়ে দেব।" এবং 'চ' এর দিকে দৌড়ে যায়। 'চ' এইরূপ বিশ্বাস করতে পারে জানা সত্ত্বেও 'ক' এই কাজ করে। এই ক্ষেত্রে 'ক' এর অপরাধ-
  1. বলপ্রয়োগ করেছে।
  2. আক্রমণ করেছে।
  3. অপরাধমূলক ক্ষতি করেছে।
  4. আঘাত করেছে।
সঠিক উত্তর:
আক্রমণ করেছে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আক্রমণ করেছে।
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারার বিধান  আক্রমণ:- কোন ব্যক্তি যদি এই উদ্দেশ্য নিয়ে বা এটা জানা সত্ত্বেও এমন কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন প্রস্তুতি গ্রহণ করে যে, তাতে হাজির কোন ব্যক্তির ভয় হয় যে, যে ব্যক্তি উক্ত অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে, সে ব্যক্তি উক্ত হাজির ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করতে উদ্যত হয়েছে, তবে প্রথমোক্ত ব্যক্তি আক্রমণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা:- কেবলমাত্র মুখের কথা আক্রমণ বলে পরিগণিত হয় না। কিন্তু কোন ব্যক্তির ব্যবহৃত কথাগুলি তার অঙ্গভঙ্গিকে বা প্রস্তুতিকে এমন অর্থপূর্ণ করতে পারে, যার কারণে তার অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে।
উদাহরণ
(ক) ক, চ-এর প্রতি মুষ্টি উত্তোলন করে। ইহার ফলে চ যাতে বিশ্বাস করে যে ক তাকে আঘাত করতে উদ্যত হয়েছে, সে জন্যই ক তা করে অথবা ইহার ফলে এইরূপ হতে পারে জানা সত্ত্বেও তা করে। ক আক্রমণ করেছে। 

(খ) ক একটি হিংস্র কুকুরের মুখ বন্ধনী খুলতে শুরু করে। চ যাতে বিশ্বাস করে যে, ক কুকুরটিকে দিয়ে তাকে আক্রমণ করার উদ্দেশ্যেই কুকুরটির মুখ বন্ধনী খুলে দিচ্ছে, এই উদ্দেশ্যেই, অথবা চ এইরূপ বিশ্বাস করতে পারে জানা সত্ত্বেও ক এই কাজ করে। ক-চ এর উপর আক্রমণ করেছে।

(গ) ক একটি লাঠি ঘুরাতে ঘুরাতে চ-কে বলিল, "তোমাকে পিটুনি দেব।" এখানে যদিও কেবল ক-এর ব্যবহৃত কথাগুলি কোনক্রমেই আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে না, এবং যদিও অপর কোন অনুষঙ্গ ব্যতীত কেবল ক-এর অঙ্গভঙ্গি আক্রমণতূল্য নয়, তবুও অঙ্গভঙ্গি ও তার আনুষঙ্গিক ব্যাখ্যামূলক কথাগুলি মিলিয়ে আক্রমণ বলে পরিগণিত হবে।
-----------
Assault:
Section 351. Whoever makes any gesture, or any preparation intending or knowing it to be likely that such gesture or preparation will cause any person present to apprehend that he who makes that gesture or preparation is about to use criminal force to that person, is said to commit an assault. 
 
Explanation.- Mere words do not amount to an assault. But the words which a person uses may give to his gestures or preparation such a meaning as may make those gestures or preparations amount to an assault. 
 
Illustrations 
(a) A shakes his fist at Z, intending or knowing it to be likely that he may thereby cause Z to believe that A is about to strike Z. A has committed an assault. 
(b) A begins to unloose the muzzle of a ferocious dog, intending, or knowing it to be likely that he may thereby cause Z to believe that he is about to cause the dog to attack Z. A has committed an assault upon Z. 
(c) A takes up a stick, saying to Z, "I will give you a beating". Here, though the words used by A could in no case amount to an assault, and though the mere gesture, unaccompanied by any other circumstances, might not amount to an assault, the gesture explained by the words may amount to an assault.
৫,০৯৭.
Under which Article of the Constitution does the Appellate Division have the power to review its judgments or orders?
  1. Article 102
  2. Article 104
  3. Article 105
  4. Article 106
সঠিক উত্তর:
Article 105
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Article 105
ব্যাখ্যা
Article 105- Review of judgments or orders by Appellate Division:
The Appellate Division shall have power, subject to the provisions of any Act of Parliament and of any rules made by that division to review any judgment pronounced or order made by it.

[আপীল বিভাগ কর্তৃক রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা:
সংসদের যে কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে এবং আপীল বিভাগ কর্তৃক প্রণীত যে কোন বিধি-সাপেক্ষে আপীল বিভাগের কোন ঘোষিত রায় বা প্রদত্ত আদেশ পুনর্বিবেচনার ক্ষমতা উক্ত বিভাগের থাকিবে।]
৫,০৯৮.
যদি একই দলিল দ্বারা বিভিন্ন অধিকার সৃষ্টি হয় এবং সেই দলিলের কোনো একটি অংশ বাতিলযোগ্য (void) হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে -
  1. সম্পূর্ণ দলিল বাতিল হবে
  2. কেবলমাত্র বাতিলযোগ্য অংশটিই বাতিল বলে গণ্য হবে
  3. বাতিলযোগ্য অংশটিও বৈধ বলে গণ্য হবে
  4. দলিলের অবশিষ্ট অংশও অকার্যকর হবে
সঠিক উত্তর:
কেবলমাত্র বাতিলযোগ্য অংশটিই বাতিল বলে গণ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেবলমাত্র বাতিলযোগ্য অংশটিই বাতিল বলে গণ্য হবে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪০ ধারা অনুযায়ী,
যদি একই দলিল দ্বারা বিভিন্ন অধিকার সৃষ্টি হয় এবং সেই দলিলের কোনো একটি অংশ বাতিলযোগ্য (void) হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে কেবলমাত্র সেই বাতিলযোগ্য অংশটিই বাতিল বলে গণ্য হবে। দলিলের অবশিষ্ট অংশগুলি বলবৎ থাকবে।

[Where an instrument is evidence of different rights or different obligations, the Court may, in a proper case, cancel it in part and allow it to stand for the residue.]

অর্থাৎ দলিলের সম্পূর্ণ অংশই বাতিল হবে না, শুধু বাতিলযোগ্য অংশটিই বাতিল বা অকার্যকর হবে। দলিলের অন্যান্য অংশসমূহ যেখানে বৈধ অধিকার সৃষ্টি করা হয়েছে সেগুলি বলবৎ থাকবে।
এই বিধানের উদ্দেশ্য হল একই দলিলের সকল অংশকেই বাতিল না করে, শুধুমাত্র বাতিলযোগ্য অংশকেই বাতিল করা এবং বাকি দলিলটিকে কার্যকর রাখা। এতে দলিলের মূল উদ্দেশ্য বা বৈধ অংশগুলি বলবৎ থাকবে এবং কেবলমাত্র অবৈধ অংশটি বাতিল হবে। এটি দলিলের পক্ষদের স্বার্থরক্ষা করে।
৫,০৯৯.
The Limitation Act, 1908–এর ধারা ৫ অনুযায়ী, কোন কোন ক্ষেত্রে তামাদি অতিক্রান্ত হলেও আবেদন গ্রহণযোগ্য হতে পারে?
  1. সব ধরনের মামলার ক্ষেত্রে
  2. ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে
  3. আপিল ও নির্দিষ্ট দরখাস্তের ক্ষেত্রে
  4. কেবল মূল মোকদ্দমার ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
আপিল ও নির্দিষ্ট দরখাস্তের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল ও নির্দিষ্ট দরখাস্তের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা

The Limitation Act, 1908–এর ধারা ৫-
তামাদি আইনে নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রান্ত হলেও কোনো আপিল, রিভিশন বা রিভিউয়ের দরখাস্ত, আপিলের অনুমতির জন্য দরখাস্ত, কিংবা প্রচলিত কোনো আইনের দ্বারা যেসব দরখাস্তের ক্ষেত্রে এই ধারা প্রযোজ্য করা হয়েছে—সে সকল আবেদন আদালত গ্রহণ করতে পারে, যদি আপিলকারী বা আবেদনকারী আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারেন যে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল বা দরখাস্ত দাখিল করতে না পারার পেছনে তার যথার্থ বা পর্যাপ্ত কারণ (sufficient cause) ছিল। অর্থাৎ, যথেষ্ট কারণ প্রমাণিত হলে আদালত দেরি হওয়া সত্ত্বেও আবেদন গ্রহণের ক্ষমতা রাখে।

এছাড়া, এই ধারার ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে যে, যদি আপিলকারী বা আবেদনকারী তামাদির নির্ধারিত সময়সীমা নির্ণয় বা গণনা করতে গিয়ে হাইকোর্ট বিভাগের কোনো আদেশ, প্রচলিত রীতি (practice) বা রায়ের দ্বারা বিভ্রান্ত (misled) হন, তবে সেই বিভ্রান্ত হওয়াটিও এই ধারার অর্থে যথার্থ কারণ হিসেবে গণ্য হতে পারে।

৫,১০০.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ অনুযায়ী কমিশনের কোন কর্মকর্তা ফাঁদ মামলা (Trap Case) পরিচালনা করতে পারেন?
  1. সহকারী পরিচালক পদমর্যাদার নিম্নে নয় এমন কর্মকর্তা
  2. উপ পরিচালক পদমর্যাদা নিম্নে নয় এমন কর্মকর্তা
  3. পরিচালক পদমর্যাদার নিম্নে নয় এমন কর্মকর্তা
  4. কমিশনার পদমর্যাদার যে কোন কর্মকর্তা
সঠিক উত্তর:
পরিচালক পদমর্যাদার নিম্নে নয় এমন কর্মকর্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিচালক পদমর্যাদার নিম্নে নয় এমন কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
• ২০০৭ সালে দুর্নীতি প্রতিরোধে দুদকের ‘ফাঁদ’ কার্যক্রম অনুমোদন হয়। ওই বছরই এটি দুদকের ১৬ নম্বর বিধিতে সংযুক্ত করা হয়। এতে বলা হয়,

‘দুর্নীতি প্রতিরোধের নিমিত্তে আইনের তফসিলভুক্ত অপরাধে জড়িত কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে হাতেনাতে ধরার উদ্দেশ্যে তদন্তের দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিশনারের অনুমোদনক্রমে তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফাঁদ মামলা (ট্র্যাপ কেস) প্রস্তুত করতে বা পরিচালনা করতে পারবেন।’ এ ছাড়া বলা হয়, ‘ফাঁদ মামলা তদন্ত কার্যক্রম কেবল তদন্তের দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিশনার বা তদকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কমিশনের পরিচালক পদমর্যাদার নিচে নয় এমন একজন কর্মকর্তা দিয়ে সম্পন্ন করতে হবে।’