বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ৪৯ / ১৫৫ · ৪,৮০১৪,৯০০ / ১৫,৪৭০

৪,৮০১.
ভূমি উন্নয়ন কর আইন-২০২৩ অনুসারে, কত বিঘা পর্যন্ত কৃষি জমির উন্নয়ন কর মওকুফ করা হয়েছে?
  1. ৬০ বিঘা
  2. ২৫ বিঘা
  3. ৩০ বিঘা
  4. ১০০ বিঘা
সঠিক উত্তর:
২৫ বিঘা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ বিঘা
ব্যাখ্যা
ভূমি উন্নয়ন কর আইন-২০২৩:

- ভূমি উন্নয়ন কর ধার্য ও আদায়ে নতুন আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে ‘ভূমি উন্নয়ন কর আইন-২০২৩’ পাস হয়েছে।
- 'ভূমি উন্নয়ন কর আইন-২০২৩’ শীর্ষক আইনে জনস্বার্থে ২৩টি ধারা সন্নিবেশ করা হয়েছে।
- এই আইন অনুযায়ী, ২৫ বিঘা পর্যন্ত কৃষিজমির উন্নয়ন কর মওকুফের বিধান রাখা হয়েছে।
- তবে ২৫ বিঘার বেশি জমির মালিক হলে পুরোটারই ভূমি উন্নয়ন কর দিতে হবে।
- বাংলা সনের পরিবর্তে ইংরেজি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী ওই কর আদায় করা হবে।
- এ ছাড়া ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা, উত্তরাধিকারী, কালেক্টর ইত্যাদি সংজ্ঞাকে যুগোপযোগী করা হয়েছে।
- এ ছাড়া এই আইনের বিধান অনুযায়ী, কোনো ভূমির মালিক টানা তিন বছর ভূমি উন্নয়ন কর না দিলে তাকে প্রথম বছর থেকে তৃতীয় বছর পর্যন্ত সোয়া ৬ শতাংশ হারে জরিমানাসহ কর পরিশোধ করতে হবে।

ধারা ৩- কৃষি ভূমির ভূমি উন্নয়ন কর

(১) সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, কৃষি ভূমি, চা বাগান এবং অন্যান্য ভূমির ভূমি উন্নয়ন করের হার, সীমা ও শর্ত নির্ধারণ করিতে পারিবে।

(২) কৃষিকার্যের উপর নির্ভরশীল ব্যক্তি বা পরিবারভিত্তিক কৃষি ভূমির মোট পরিমাণ ৮.২৫ (আট দশমিক দুই পাঁচ) একর বা ২৫ (পঁচিশ) বিঘা পর্যন্ত হইলে উহার ভূমি উন্নয়ন কর মওকুফ থাকিবে এবং ইক্ষু, লবণ চাষের ভূমি ও কৃষকের পুকুর (বাণিজ্যিক মৎস্যচাষ ব্যতীত) উক্ত মওকুফের অন্তর্ভুক্ত হইবে:

তবে শর্ত থাকে যে, কৃষিকার্যের উপর নির্ভরশীল ব্যক্তি ও পরিবারভিত্তিক কৃষি ভূমির মোট পরিমাণ ৮.২৫ (আট দশমিক দুই পাঁচ) একর বা ২৫ (পঁচিশ) বিঘার অধিক হইলে, সম্পূর্ণ কৃষি ভূমির ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করিতে হইবে।

(৩) কৃষি ভূমি পল্লি এলাকা বা পৌর এলাকার যে কোন স্থানে অবস্থিত হউক না কেন, সকল ক্ষেত্রে অভিন্ন ভূমি উন্নয়ন কর হার ও শর্ত প্রযোজ্য হইবে।
৪,৮০২.
'Nemo moriturus praesumitur mentiri' নীতি সাক্ষ্য আইনের কোন ধারার সাথে সম্পর্কিত?
  1. ধারা ২৭
  2. ধারা ৩২
  3. ধারা ৩৮
  4. ধারা ৪১
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩২
ব্যাখ্যা

⇒ 'মৃত্যুকালীন ঘোষণা' ধারণাটি এসেছে ল্যাটিন বাক্যাংশ “Extremum Letem Mortem” থেকে, যার অর্থ— “মৃত্যুর পূর্বে উচ্চারিত কথা”। মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলতে এমন একটি বিবৃতিকে বোঝায়, যা কোনো ব্যক্তি মৃত্যুর আগে তার মৃত্যুর কারণ বা সংশ্লিষ্ট পরিস্থিতি বর্ণনা করে প্রদান করেন। একজন ব্যক্তি যখন মৃত্যুর সন্নিকটে, তখন তার মৃত্যুর কারণ বা পরিস্থিতি সম্পর্কে যে কোনো বক্তব্যকে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলা হয়।

⇒ এই নীতির ভিত্তি গড়ে উঠেছে প্রাচীন বৈধ নীতিবাক্য “Nemo Moriturus Praesumitur Mentiri”—যার অর্থ, “যে মানুষ মৃত্যুর প্রান্তে পৌঁছেছে, সে মিথ্যা বলে না।” Evidence Act, 1872-এর ধারা ৩২ মৃত্যুকালীন ঘোষণা বিষয়ে আইনগত বিধান প্রণয়ন করা হয়। মৃত্যু আসন্ন হলে মিথ্যা বলার সব প্রলোভন লোপ পায়, এবং মানুষ সত্য বলার প্রতি প্রবলভাবে প্রবণ হয়ে ওঠে। জীবনের শেষ মুহূর্তে দেওয়া বক্তব্য তাই একটি গভীর বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করে, যা আইনকে এর সত্যতা গ্রহণে বাধ্য করে। 

মৃত্যুকালীন ঘােষণা সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণীয় হওয়ার ক্ষেত্রসমূহ-
ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারন সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যু কালীন ঘোষনা;
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি;
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরনের মামলার উদ্ভব করতে পারে;
iv) সর্বসাধারনের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত;
ⅴ) পারিবারিক দলিল বা উইল;
vi) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি;
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি;

⇒ মৃত্যুকালীন ঘােষণা দানকারী যদি দৈবাৎ বেঁচে যায় তাহলে ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনে অনুযায়ী তার ঘােষণা সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণীয় হবে না। কারণ উক্ত ব্যক্তি বেঁচে থাকলে পরবর্তীতে তার ঘােষণা পরিবর্তন করতে পারে। কিন্তু মৃত্যুকালীন ঘােষণা দানকারী দৈবাৎ বেঁচে গেলে বাংলাদেশী আইন অনুযায়ী তার ঘােষণা একেবারে বাতিল হয় না। উক্ত বিবৃতি বা ঘোষণা সাক্ষ্য আইনের ১৫৭ ধারানুযায়ী সমর্থনমূলক সাক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

৪,৮০৩.
In every plaint, how must the facts be proved?
  1. evidence
  2. affidavit
  3. cross-examination
  4. oral testimony
সঠিক উত্তর:
affidavit
উত্তর
সঠিক উত্তর:
affidavit
ব্যাখ্যা

Section 26- Institution of Suits:
(1) Every suit shall be instituted by the presentation of a plaint or in such other manner as may be prescribed.
(2) In every plaint, facts shall be proved by affidavit.

ধারা ২৬- মোকদ্দমা দায়ের করা:
(১) প্রতিটি মোকদ্দমা (suit) আরজি (plaint) দাখিলের দ্বারা দায়ের করতে হবে অথবা সেইভাবে, যা আইনে নির্ধারিত হতে পারে।(২) প্রতিটি আরজির (plaint) তথ্য (facts) শপথপত্র (affidavit) দ্বারা প্রমাণিত হতে হবে।

৪,৮০৪.
দণ্ডবিধি ১৮৬০ অনুযায়ী, শুধুমাত্র ডাকাতি অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কোনটি?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. দশ বছর কারাদণ্ড
  4. সাত বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৯৫ অনুসারে, ডাকাতির (Dacoity) অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। এই শাস্তির পাশাপাশি অপরাধীকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যেতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯৫ ধারার বিধান ডাকাতির সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি ডাকাতি করে, তবে উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 395. Punishment for dacoity:- Whoever commits dacoity shall be punished with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

৪,৮০৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫৭ অনুযায়ী কোন আইনজীবী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে আসন গ্রহণ করতে পারবেন না?
  1. যিনি সরকারি কৌঁসুলি হিসেবে কাজ করেন
  2. যিনি শুধু হাইকোর্টে আইন ব্যবসা করেন
  3. যিনি কোনো জেলায় ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে কখনো আইন ব্যবসা করেননি
  4. যিনি একই জেলায় কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে নিয়মিত আইন ব্যবসা করেন
সঠিক উত্তর:
যিনি একই জেলায় কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে নিয়মিত আইন ব্যবসা করেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যিনি একই জেলায় কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে নিয়মিত আইন ব্যবসা করেন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫৭ অনুযায়ী, কোনো আইনজীবী যদি একটি নির্দিষ্ট জেলার কোনো ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আইন ব্যবসা (প্র্যাকটিস) করেন, তাহলে তিনি ওই আদালতে অথবা ওই আদালতের এখতিয়ারভুক্ত এলাকার অন্য কোনো আদালতে ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে বসতে পারবেন না। এ নিষেধাজ্ঞার উদ্দেশ্য হল স্বার্থের সংঘাত (Conflict of Interest) এবং আদালতের নিরপেক্ষতা ও ন্যায়বিচারের স্বার্থ রক্ষা করা।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫৭: একজন আইনজীবী কখন আদালতে ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে আসন গ্রহণ করতে পারবেন না:
যে আইনজীবী কোন জেলায় কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে আইন ব্যবসা করেন, তিনি উক্ত আদালতে অথবা উক্ত আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে অন্য কোন আদালতে ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে আসন গ্রহণ করবেন না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 557- Practicing pleader not to sit as Magistrate in certain Courts:
No pleader who practices in the Court of any Magistrate in a district shall sit as a Magistrate in such Court or in any Court within the jurisdiction of such Court.

৪,৮০৬.
A, B-কে আজীবনের জন্য একটি সম্পত্তি হস্তান্তর করে এবং B-র মৃত্যুর পর C ও D-কে সমানভাবে অথবা যিনি বেঁচে থাকবেন, তাঁকে দেয়ার কথা বলে। যদি C, B-র জীবদ্দশায় মারা যায় এবং D বেঁচে থাকে, তাহলে B-র মৃত্যুর পর সেই সম্পত্তি কে পাবে?
  1. D
  2. রাষ্ট্র
  3. B এর উত্তরাধিকারী
  4. C এর উত্তরাধিকারী
সঠিক উত্তর:
D
উত্তর
সঠিক উত্তর:
D
ব্যাখ্যা
ধারা ২৪: অনির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত বেঁচে থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে সম্পত্তি হস্তান্তর-
যখন কোনো সম্পত্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে এমন ব্যক্তিদের জন্য স্বার্থ সৃষ্টি করা হয় যাঁদের মধ্যে যাঁরা ভবিষ্যতের কোনো এক সময়ে বেঁচে থাকবেন তাঁদের কাছে সেই স্বার্থ যাবে, কিন্তু সেই সময়টি নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি—তখন ঐ স্বার্থটি তাঁদের মধ্য থেকে যাঁরা সেই মধ্যবর্তী বা পূর্ববর্তী স্বার্থ শেষ হওয়ার সময় জীবিত থাকবেন, তাঁদের মধ্যে যাবে; যদি না হস্তান্তরের শর্তাবলীতে এর বিপরীত কোনো অভিপ্রায় প্রকাশ পায়।

উদাহরণ:
A, B-কে আজীবনের জন্য একটি সম্পত্তি হস্তান্তর করে এবং B-র মৃত্যুর পর C ও D-কে সমানভাবে অথবা যিনি বেঁচে থাকবেন, তাঁকে দেয়ার কথা বলে। যদি C, B-র জীবদ্দশায় মারা যায় এবং D বেঁচে থাকে, তাহলে B-র মৃত্যুর পর সেই সম্পত্তি D-র কাছে যাবে।
৪,৮০৭.
কোন অস্থাবর সম্পত্তি কোন বিশেষ ব্যক্তির মালিকানাধীন বলিয়া বুঝাইবার জন্য ব্যবহৃত চিহ্নকে বলা হয়-
  1. ট্রেড মার্ক বা পণ্য প্রতিক
  2. সম্পত্তি চিহ্ন
  3. গ্রন্থস্বত্ব
  4. 'ক' বা 'খ',
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি চিহ্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি চিহ্ন
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৭৯ ধারার বিধান সম্পত্তি চিহ্ন:- কোন অস্থাবর সম্পত্তি কোন বিশেষ ব্যক্তির স্বত্বাধীন বলে বুঝাবার জন্য ব্যবহৃত চিহ্নকে সম্পত্তি চিহ্ন বলে।

⇒  Section 479. Property mark:- A mark used for denoting that moveable property belongs to a particular person is called a property mark.
৪,৮০৮.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অনুযায়ী যৌতুকের জন্য সাধারণ জখমের সর্বনিম্ন শাস্তি কত বছর?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
• নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ১১- যৌতুকের জন্য মৃত্যু ঘটানো, ইত্যাদির শাস্তি:
যদি কোন নারীর স্বামী অথবা স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা স্বামীর পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি যৌতুকের জন্য উক্ত নারীর মৃত্যু ঘটান বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা করেন কিংবা উক্ত নারীকে মারাত্মক জখম (grievous hurt) করেন বা সাধারণ জখম (simple hurt) করেন] তাহা হইলে উক্ত স্বামী, স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা ব্যক্তি-

(ক) মৃত্যু ঘটানোর জন্য মৃত্যুদণ্ডে বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টার জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উভয় ক্ষেত্রে উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(খ) মারাত্মক জখম (grievous hurt) করার জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অনধিক বার বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(গ) সাধারণ জখম (simple hurt) করার জন্য অনধিক তিন বৎসর কিন্তু অন্যূন এক বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
৪,৮০৯.
Special Committee on the East Bengal State Acquisition and Tenancy Bill, 1948 এর Chairman কে ছিলেন?
  1. এ, কে, ফজলুল হক
  2. তাফাজ্জল আলী
  3. আব্দুর রাশিদ তর্কবাগীশ
  4. নাজির হোসেন খন্দকার
সঠিক উত্তর:
এ, কে, ফজলুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ, কে, ফজলুল হক
ব্যাখ্যা
Special Committee on the East Bengal State Acquisition and Tenancy Bill, 1948 এর Chairman ছিলেন এ, কে, ফজলুল হক।

আবুল কাশেম ফজলুল হক (২৬ অক্টোবর ১৮৭৩ - ২৭ এপ্রিল ১৯৬২) বাঙালি রাজনীতিবিদ। বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে বাঙালি কূটনীতিক হিসেবে পরিচিত লাভ করেন। রাজনৈতিক মহল এবং সাধারণ মানুষের নিকট শেরেবাংলা এবং 'হক সাহেব' নামে পরিচিত ছিলেন।

তিনি রাজনৈতিক অনেক পদে অধিষ্ঠান করেছেন, তার মধ্যে কলকাতার মেয়র (১৯৩৫), অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী (১৯৩৭ - ১৯৪৩), পূর্ব পাকিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী(১৯৫৪), পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (১৯৫৫), পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর (১৯৫৬ - ১৯৫৮) অন্যতম। যুক্তফ্রন্ট গঠনে প্রধান নেতাদের মধ্যে তিনি অন্যতম।
৪,৮১০.
অভ্যাসগত প্রতারক রহিম মিয়া অস্ট্রেলিয়ান ট্যুরিস্ট আদম জাম্পাকে ঢাকা শহরে হয়রানি করে। ট্যুরিস্ট পুলিশ রহিম মিয়াকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়। পরবর্তীতে রহিম মিয়াকে দুইশত টাকা জরিমানা আদায়ে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়। এই ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী রহিম মিয়ার সর্বোচ্চ মুচলেকার মেয়াদ হবে-
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধি ১১০ ধারার বিধান অনুযায়ী জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শান্তি রক্ষার উদ্দেশ্যে অভ্যাসগত অপরাধী ব্যক্তি কেন ৩ বৎসরের অধিক নয় এমন মেয়াদের জন্য জামিনদার সহ অথবা ব্যতীত মুচলেকা সম্পাদন করবে না তার কারন দর্শাতে বলতে পারেন।

♦ Security for good behaviour from habitual offenders:

Section 110. Whenever a District Magistrate, or anyother Executive Magistrate specially empowered in this behalf by the Government receives information that any person within the local limits of his jurisdiction- 
 
(a) is by habit a robber, house-breaker, thief, or forger, or 
 
(b) is by habit a receiver of stolen property knowing the same to have been stolen, or 
 
(c) habitually protects or harbours thieves or aids, in the concealment or disposal of stolen property, or 
 
(d) habitually commits, or attempts to commit, or abets the commission of, the offence of kidnapping, abduction, extortion, cheating or mischief, or any offence punishable under Chapter XII of the Penal Code, or under section 489A, section 489B, section 489C or section 489D of that Code, or 
 
(e) habitually commits, or attempts to commit, or abets the commission of, offences involving a breach of the peace, or 
 
(f) is so desperate and dangerous as to render his being at large without security hazardous to the community, 
 
such Magistrate may, in manner hereinafter provided, require such person to show cause why he should not be ordered to execute a bond, with sureties, for his good behaviour for such period, not exceeding three years, as the Magistrate thinks fit to fix.
৪,৮১১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯১ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কখন অভিযুক্তকে তার অন্যত্র বিচার চাওয়ার অধিকার সম্পর্কে জানাবেন?
  1. অভিযোগ গঠনের আগে
  2. সাক্ষ্য গ্রহণের পরে
  3. সাক্ষ্য গ্রহণের পূর্বে
  4. রায় ঘোষণার সময়
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য গ্রহণের পূর্বে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য গ্রহণের পূর্বে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯১ ধারায় অভিযুক্ত ব্যক্তির আবেদনক্রমে মামলা স্থানান্তরের বিধান করা হয়েছে-
কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক কোন অপরাধ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯০(১)(গ) ধারায় আমলে গ্রহণ করেন, তখন সাক্ষ্য গ্রহণের পূর্বে অভিযুক্তকে ম্যাজিস্ট্রেট জানাবে যে, অন্য কোন আদালতের মাধ্যমে সে তার মামলার বিচার বা অনুসন্ধান করাতে অধিকারী; যদি অভিযুক্ত (বা একাধিক অভিযুক্তর ক্ষেত্রে, তাদের মধ্যে কেউ একজন) ঐ ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনে বিচার করতে আপত্তি করে, তাহলে সেই মামলাটি ঐ ম্যাজিস্ট্রেট বিচার করবেন না; বরং, তা দায়রা আদালতে পাঠানো হবে বা অন্য কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে স্থানান্তর করা হবে।

[When a Magistrate takes cognizance of an offence under sub-section (1),clause (c), of the preceding section,the accused shall before any evidence is taken, be informed that he is entitled to have the case tried by another Court and if the accused or any of the accused if there be more than one objects to being tried by such Magistrate, the case shall instead of being tried by such Magistrate,be sent to the Court of Session or transferred to another Magistrate.]
৪,৮১২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুযায়ী আদালত ফৌজদারি মামলায় আসামীকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে রেহাই দিয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে হাজির হবার অনুমতি দিতে পারেন?
  1. ২০৪
  2. ২০৫
  3. ২০৫ঘ
  4. ২০৫গ
সঠিক উত্তর:
২০৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০৫
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫ অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেট আসামির ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে রেহাই দিতে পারেন (Magistrate may dispense with personal attendance of accused)-
(১) যখন কোন ম্যাজিস্ট্রেট সমন জারি করেন তখন যুক্তিসংগত কারণ থাকলে তিনি আসামিকে ব্যক্তিগত হাজিরা হতে রেহাই দিয়ে, তাকে উকিলের মাধ্যমে হাজির হওয়ার অনুমতি দিতে পারবেন।
(২) কিন্তু তদন্ত বা বিচারকারী ম্যাজিস্ট্রেট তার বিচারিক ক্ষমতায় মামলার যে কোন পর্যায়ে আসামিকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারবেন এবং প্রয়োজনবোধে ইতোপূর্বে বর্ণিত পদ্ধতিতে তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে পারবেন।
-----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-205.Magistrate may dispense with personal attendance of accused:
(1) Whenever a Magistrate issues a summons, he may, if he sees reason so to do, dispense with the personal attendance of the accused, and permit him to appear by his pleader. 
 
(2) But the Magistrate inquiring into or trying the case may, in his discretion, at any stage of the proceedings, direct the personal attendance of the accused, and, if necessary, enforce such attendance in manner hereinbefore provided.
৪,৮১৩.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশের ধারা ৪ অনুযায়ী কারা উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে প্রতিনিধিত্বের নীতি অনুসারে সম্পত্তি পাবে?
  1. পূর্বে মৃত পুত্রের সন্তানরা
  2. পূর্বে মৃত কন্যার সন্তানরা
  3. পূর্বে মৃত পিতা বা মাতা
  4. 'ক' অথবা 'খ' 
সঠিক উত্তর:
'ক' অথবা 'খ' 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' অথবা 'খ' 
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ধারা ৪ অনুযায়ী, উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে প্রতিনিধিত্বের নীতি (Doctrine of Representation) প্রযোজ্য হবে।
- প্রযোজ্য ব্যক্তি: ক) পূর্বে মৃত পুত্রের সন্তানরা এবং খ) পূর্বে মৃত কন্যার সন্তানরা উভয়েই তাদের মৃত পিতা/মাতার স্থলাভিষিক্ত হয়ে সম্পত্তি পাবে।
- যদি কোনো ব্যক্তির (যেমন: দাদা/নানা) পুত্র বা কন্যা তার (দাদা/নানার) মৃত্যুর আগেই মারা যায়, তবে ওই মৃত পুত্র বা কন্যার সন্তানরা (নাতি-নাতনিরা) তাদের মৃত পিতা/মাতার প্রাপ্য অংশ পাবে। এটি "প্রতি স্টাইর্পস" (per stirpes) নীতির ভিত্তিতে কাজ করে, অর্থাৎ শাখা অনুসারে বণ্টন।

উদাহরণ:
- মৃত পুত্রের সন্তানদের ক্ষেত্রে: দাদা 'ক'-এর পুত্র 'খ' মারা গেছেন। 'খ'-এর সন্তান 'গ' ও 'ঘ' দাদা 'ক'-এর মৃত্যুর পর 'খ'-এর প্রাপ্য অংশ পাবে।
- মৃত কন্যার সন্তানদের ক্ষেত্রে: নানা 'ক'-এর কন্যা 'খ' মারা গেছেন। 'খ'-এর সন্তান 'গ' ও 'ঘ' নানা 'ক'-এর মৃত্যুর পর 'খ'-এর প্রাপ্য অংশ পাবে।

- এই নীতি শুধুমাত্র সরল রেখার উত্তরাধিকারী (পুত্র/কন্যার সন্তান)দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ভাই-বোন, চাচাতো ভাই-বোন ইত্যাদির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
- সম্পত্তি বণ্টনে পুত্রের সন্তান : কন্যার সন্তান = ২ : ১ অনুপাত প্রযোজ্য।
- মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ (ধারা ৪) উত্তরাধিকার খোলার সময় যদি কোনো পুত্র বা কন্যা পূর্বে মারা যায়, তবে ওই পুত্র বা কন্যার সন্তানরা (যদি থাকে) প্রতি স্টাইর্পস (শাখা অনুসারে) সেই অংশ পাবে, যা তাদের পিতা/মাতা পেতেন যদি বেঁচে থাকতেন।
- যেহেতু ধারা ৪ মৃত পুত্র ও মৃত কন্যা উভয়ের সন্তানদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য, সঠিক উত্তর ঘ) 'ক' অথবা 'খ'।

⇒ The Muslim Family Laws Ordinance, 1961 Section 4- Succession: In the event of the death of any son or daughter of the propositus before the opening of succession, the children of such son or daughter, if any, living at the time the succession opens, shall per stirpes receive a share equivalent to the share which such son or daughter, as the case may be, would have received if alive.

৪,৮১৪.
দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুযায়ী বেআইনি সমাবেশের সদস্য হওয়া একটি অপরাধ?
  1. ১৪১ ধারা
  2. ১৪২ ধারা
  3. ১৪৩ ধারা
  4. ১৪৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৪২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪২ ধারা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ১৪২ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ জানেন যে কোনো সমাবেশ অবৈধ, তবুও ইচ্ছাকৃতভাবে সে সমাবেশে যোগ দেন বা সেখানে অবস্থান করেন, তবে তিনি "বেআইনি সমাবেশের সদস্য" হিসেবে গণ্য হবেন এবং অপরাধী হবেন।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪২ ধারার বিধান বেআইনি সমাবেশের সদস্য হওয়া: কোন ব্যক্তি যদি কি কি অবস্থায় কোন সমাবেশ বেআইনি সমাবেশে পরিণত হয়, তৎসম্পর্কে জ্ঞাত থাকা সত্ত্বেও ইচ্ছাপূর্বক সে সমাবেশে যোগদান করে বা সে সমাবেশে মিলিত থাকে, তবে সে ব্যক্তি একটি বেআইনি সমাবেশে যোগদানকারী ব্যক্তি বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪২ ধারার বিধান বেআইনি সমাবেশের সদস্য হওয়ার শাস্তি: কোন ব্যক্তি যদি বেআইনি সমাবেশে যোগদান করে, তবে তাকে ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 142. Being member of unlawful assembly:
Whoever, being aware of facts which render any assembly an unlawful assembly, intentionally joins that assembly, or continues in it, is said to be a member of an unlawful assembly.
⇒ The Penal Code, 1860- Section 143. Punishment:
Whoever is a member of an unlawful assembly, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine, or with both.
৪,৮১৫.
X, Z-এর মুখে ঘুষি মারলে তার (Z) একটি দাঁত পরে যায়। X এর কৃত অপরাধ হলো-
  1. সাধারণ জখম
  2. মারাত্মক জখম
  3. ইচ্ছাকৃত জখম
  4. হত্যার প্রচেষ্টা
সঠিক উত্তর:
মারাত্মক জখম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মারাত্মক জখম
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৩২০ ধারায় ৮ ধরণের মারাত্মক বা গুরুতর জখমের উল্লেখ রয়েছে।

(i) পুরুষত্বহীনকরণ
(ii) স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ
(iii) স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ
(iv) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন

(v) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির স্থায়ী ক্ষতিকরণ
(vi) মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
(vii) হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা
(viii) কোন ব্যক্তিকে ২০ দিন পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘাত।

দন্ডবিধির ৩২০ ধারা অনুযায়ী  X এর কৃত অপরাধ মারাত্মক জখম  বলে গণ্য হবে।
৪,৮১৬.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ধারা ১৩(২) অনুযায়ী প্রদত্ত আদেশে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি কোথায় আপিল করতে পারেন?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. জেলা জজ আদালতে
  3. ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  4. উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ আদালতে
ব্যাখ্যা
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950- ধারা ১৪:
"যে কোনো ব্যক্তি কালেক্টরের ধারা ১১-এর উপ-ধারা (২) অথবা ধারা ১৩-এর উপ-ধারা (২) অনুযায়ী প্রদত্ত আদেশে ক্ষতিগ্রস্ত বোধ করেন, তিনি ঐ আদেশের তারিখ হতে ত্রিশ (৩০) দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট এলাকার অধিক্ষেত্রভুক্ত জেলা জজের নিকট আপিল করতে পারেন; এবং ঐ আপিলের উপর জেলা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।"
৪,৮১৭.
ফৌজদারী কার্যবিধি কত ধারায় জেল আপীলের বিধান আছে?
  1. ৪২০ ধারায়
  2. ৪১৯ ধারায়
  3. ৪২১ ধারায়
  4. ৪২২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪২০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২০ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২০ ধারার বিধান আপীলকারী জেলে অবস্থান করলে সেক্ষেত্রে পদ্ধতিঃ আপীলকারী জেলে থাকলে আপীলের নকলসহ তার আপীলের দরখাস্ত জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর দাখিল করতে হবে এবং অতঃপর উক্ত অফিসার উক্ত দরখাস্ত ও নকল যথাযথ আপীল আদালত বরাবর প্রেরণ করবেন।

♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২০ ধারামতে আপীলকারি কারাগারে থাকলে , আপীলকারি তার রায়ের নকলসহ আবেদনপএ কারাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে দাখিল করবে এবং উক্ত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আদালতে আপীল দাখিল করবেন।

 ♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২০ ধারার আধিন দায়ের করা আপীলকে  জেল আপীল বলে।

---------------------------------------------------------------------
♦ Section 420. Procedure when appellant in jail: If the appellant is in jail, he may present his petition of appeal and the copies accompanying the same to the officer in charge of the jail, who shall thereupon forward such petition and copies to the proper Appellate Court.
৪,৮১৮.
কোন ধরনের সম্পত্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে চিরন্তন হস্তান্তরের বিধিনিষেধ প্রযোজ্য নয়?
  1. ভাড়াকৃত সম্পত্তি
  2. বন্ধককৃত সম্পত্তি
  3. ব্যবসার জন্য ইজারা দেওয়া সম্পত্তি
  4. জনকল্যাণমূলক কাজে হস্তান্তরিত সম্পত্তি
সঠিক উত্তর:
জনকল্যাণমূলক কাজে হস্তান্তরিত সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনকল্যাণমূলক কাজে হস্তান্তরিত সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
ধারা ১৮: জনসাধারণের কল্যাণে চিরন্তন হস্তান্তর-
ধর্ম, জ্ঞান, বাণিজ্য, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা বা মানব জাতির কল্যাণকর কাজের অগ্রগতির জন্য জনস্বার্থে কোন সম্পত্তি হস্তান্তর করলে ১৪, ১৬ ও ১৭ ধারার বিধি- নিষেধ প্রযোজ্য হবে না।
 
Section 18: Transfer in perpetuity for benefit of public-
The restrictions in sections 14, 16 and 17 shall not apply in the case of a transfer of property for the benefit of the public in the advancement of religion, knowledge, commerce, health, safety, or any other object beneficial to mankind.
৪,৮১৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির ২৩ নং আদেশের ৩নং বিধিতে কী বিধান রয়েছে?
  1. আপোষ মিমাংসা
  2. সোলেনামা
  3. compromise of suit
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
♦আদেশ-২৩, বিধি-৩: সোলেনামা বা আপোষ মিমাংসা (compromise of suit) - চুক্তি বা আপোষ মিমাংসামূলে কোন মামলায় আদেশ বা ডিক্রি প্রদান করা হলে, তাকে সোলেনামা বলে। অর্থাৎ মোকদ্দমার পক্ষদের মধ্যে আপোষ বা মীমাংসার মাধ্যমে মোকদ্দমার সামগ্রিক বা আংশিকভাবে নিষ্পত্তি করাকে সোলেনামা বলে।

♦দেওয়ানী কার্যবিধির ২৩ নং আদেশের ৩নং বিধিতে সোলেনামার বিধান রয়েছে।

♦দেওয়ানী কার্যবিধির ২৩নং আদেশের ৩নং বিধিতে বলা হয়েছে যে, যখন কোন মোকদ্দমা যুক্তিসঙ্গতভাবে সামগ্রিক বা আংশিকভাবে মিটমাট হয়েছে অথবা বিবাদী মামলার বিষয়বস্তু সম্পর্কে সামগ্রিক বা আংশিকভাবে বাদীর সন্তুষ্টি সাধন করে থাকে, তখন আদালত চুক্তি, আপোষ, নিষ্পত্তি বা সন্তুষ্টি সাধনের বিষয়টি লিপিবদ্ধ করার আদেশ দিবেন এবং সেই অনুসারে মামলার নিষ্পত্তি বা ডিক্রি দান করবেন।

♦সোলে ডিক্রি বা সোলে নিষ্পত্তি সম্পর্কে কোন পক্ষ হতে কোনরূপ প্রতারণার অভিযোগে মামলা বা দরখাস্ত করা হলে, আদালত উক্ত সোলে ডিক্রি বা সোলে নিষ্পত্তি বাতিল করতে পারেন।

♦২৩ নং আদেশের ৩ নং বিধিমতে আদালত পক্ষগণের মধ্যে আইনসম্মত চুক্তি বা আপোষ বা সন্তোষসাধন লিপিবদ্ধ করলে বা লিপিবদ্ধ করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে কোন আদেশ প্রদান করলে, উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে অর্থাৎ আপোষ-মিমাংসার মাধ্যমে আদালত কোনো আদেশ দিলে উক্ত সোলে আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে।
৪,৮২০.
I don't want to ______ this place.
  1. leaving 
  2. left
  3. be left
  4. leave
সঠিক উত্তর:
leave
উত্তর
সঠিক উত্তর:
leave
ব্যাখ্যা

The correct answer is - ঘ) leave
Complete sentence: I don't want to leave this place.

- To -এর পরে verb এর base form বসে।

যদি কোন Simple Sentence এ দুটি Verb থাকে তাহলে ব্রাকেটের Verb এর সাথে ing যোগ করতে হয় অথবা Verb টির পূর্বে to বসাতে হয় অথবা verb টির Past Participle করতে হয়।
(i) I don't want (leave) this place. 
Ans: I don't want to leave this place.

(ii) I saw him (go). 
Ans: I saw him going.

Other options
ক) leaving → gerund ব্যবহার করা হয়েছে, কিন্তু “want” এর পর gerund হবে না।
খ) left → past tense ব্যবহার করা হয়েছে, কিন্তু এখানে present/future ইঙ্গিত প্রকাশের জন্য base form দরকার।
গ) be left → passive form, যা অপ্রাসঙ্গিক।

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition by Chowdhury & Hossain.

৪,৮২১.
আদালত কখন বিকল্প রায় প্রদান করবে?
  1. যখন অপরাধটি দণ্ডবিধির অধীন হবে না
  2. যখন অপরাধটি কোন ধারার অন্তর্ভুক্ত তা নিয়ে কোন সন্দেহ থাকবে না
  3. যখন অপরাধটি দুইটি ধারার মধ্যে কোন ধারার অন্তর্ভুক্ত, সে সম্পর্কে সন্দেহ থাকবে
  4. যখন অপরাধটি বিশেষ আইনের অন্তর্ভুক্ত হবে
সঠিক উত্তর:
যখন অপরাধটি দুইটি ধারার মধ্যে কোন ধারার অন্তর্ভুক্ত, সে সম্পর্কে সন্দেহ থাকবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন অপরাধটি দুইটি ধারার মধ্যে কোন ধারার অন্তর্ভুক্ত, সে সম্পর্কে সন্দেহ থাকবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৭(৩) ধারায় বিকল্প রায় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। দণ্ডবিধির অধীন দণ্ড হলে অপরাধটি উক্ত বিধির দুইটি ধারার মধ্যে কোন ধারার অন্তর্ভুক্ত, সে সম্পর্কে কোন সন্দেহ থাকলে আদালত তা স্পষ্টরুপে প্রকাশ করবে এবং বিকল্প রায় প্রদান করবে।

Section 367(3)- Judgment in alternative:
When the conviction is under the Penal Code and it is doubtful under which of two sections, or under which of two parts of the same section, of that Code the offence falls, the Court shall distinctly express the same, and pass judgment in the alternative.
৪,৮২২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার বিধান অনুসারে পূর্ববর্তী দণ্ডাদেশের অভিযোগের প্রমাণ আদালতে সাক্ষ্য হিসেবে উপস্থাপন করা যেতে পারে?
  1. ২৬৫ঘ ধারার
  2. ২৬৫ছ ধারার
  3. ২৬৫ঠ ধারার
  4. ২৬৫ট ধারার
সঠিক উত্তর:
২৬৫ঠ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬৫ঠ ধারার
ব্যাখ্যা
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫ঠ ধারায় পূর্ব দণ্ডাদেশের অভিযোগ সম্পর্কে সাক্ষ্য গ্রহণ করা যাবে।
→ ফৌজদারি মামলার বিচার সাধারণত ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং দায়রা আদালতে হয়। আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অব্যাহতি, চার্জ গঠন, খালাস বা শাস্তি প্রদানের আদেশ দিতে পারেন।
- ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার সংক্রান্ত বিধান ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারা পর্যন্ত উল্লেখ আছে।
- দায়রা আদালতে বিচার সংক্রান্ত বিধান ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫ক থেকে ২৬৫জ ধারায় বলা হয়েছে।

- ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫ঠ অনুসারে,যে মামলায় ২২১ ধারার (৭) উপধারা অনুসারে পূর্ব দণ্ডাদেশের অভিযোগ করা হয় এবং অভিযুক্ত দোষারোপিত পূর্ব দণ্ডাদেশ স্বীকার না করে, সেক্ষেত্রে আদালত অভিযুক্তকে ২৬৫ঙ অথবা ২৬৫ট ধারা অনুসারে দণ্ড দানের পর পূর্ব দণ্ডাদেশের অভিযোগ সম্পর্কে সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন এবং সে সম্পর্কে লিপিবদ্ধ করবেন।
তবে শর্ত থাকে যে, আদালত এরূপ কোন অভিযোগ পাঠ করবেন না অথবা অভিযুক্তকে সে সম্পর্কে দোষ স্বীকার করতে বলা হবে না অথবা সরকার পক্ষের বা সাক্ষ্যে পূর্ব দণ্ডাদেশের কথা উল্লেখ করা হবে না,যদি না এবং যতক্ষণ না অভিযুক্ত ২৬৫ঙ বা ২৬৫ট ধারা অনুসারে দণ্ড প্রাপ্ত হয়।
-------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 265L. Previous conviction:
 In a case where a previous conviction is charged under the provisions of sub-section (7) of section 221, and the accused does not admit that he has been previously convicted as alleged in the charge, the Court may, after it has convicted the said accused under section 265E or section 265K, take evidence in respect of the alleged previous conviction, and shall record a finding thereon: 
Provided that no such charge shall be read out by the Court nor shall the accused be asked to plead thereto nor shall the previous conviction be referred to by the prosecution or in any evidence adduced by it, unless and until the accused has been convicted under section 265E or section 265K.]
৪,৮২৩.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ২৪৭ ধারা অনুযায়ী নালিশকারীর অনুপস্থিতিতে অভিযুক্ত ব্যক্তি _______পাবে।
  1. অব্যহতি
  2. খালাস
  3. মুক্তি
  4. জামিন
সঠিক উত্তর:
খালাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খালাস
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪৭ ধারায় শুনানির দিন অভিযোগকারীর অনুপস্থিতির ফলাফল আলোচনা করা হয়েছে। যথাযথভাবে সমন জারি হওয়ার পরও অভিযোগকারী শুনানির দিন অনুপস্থিত থাকলে ম্যাজিস্ট্রেট উপযুক্ত মনে করলে আসামিকে খালাস দিতে পারেন; অথবা পরবর্তী কোন তারিখ পর্যন্ত মামলার শুনানী মুলতবী রাখতে পারেন।
♦অভিযোগকারী সরকারী কমকর্তা হলে এবং তার ব্যক্তিগত হাজিরা প্রয়োজন না হলে, ম্যাজিষ্ট্রেট তাকে হাজিরা হতে অব্যাহতি দিয়ে মামলায় অগ্রসর হতে পারবেন।
♦ তবে ২৪৭ ধারা অনুযায়ী ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত অভিযোগকারীর অনুপস্থিতির কারণে অভিযুক্তকে খালাস দিলে তাকে পুনরায় বিচার করা যাবে, কেননা এক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিচার ছাড়াই শুধুমাত্র অনুপস্থিতির কারণে তাকে খালাস প্রদান করা হয়েছে।
৪,৮২৪.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী অর্থদণ্ড কত বছরের মধ্যে যে কোন সময় আদায় করা যায়?
  1. ১ বছরের
  2. ৩ বছরের
  3. ৫ বছরের
  4. ৬ বছরের
সঠিক উত্তর:
৬ বছরের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বছরের
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৭০ ধারায় অর্থদণ্ড আদায়ের সময়সীমা সম্পর্কে ৩টি বিধানের উল্লেখ আছে।

(i) দণ্ডাদেশ প্রদানের পরবর্তী ৬ বছরের মধ্যে যেকোনো সময়।
(ii) ৬ বছরের অধিক কারাদণ্ড হলে- কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ/উত্তীর্ণ হওয়ার আগে।
(iii) অর্থদণ্ড অনাদায়ে আসামির মৃত্যু হলে- আসামির সম্পত্তি থেকে আদায় করা হবে। অর্থাৎ আসামির মৃত্যু হলেও অর্থদণ্ড/জরিমানা মওকুফ হবে না।

♦ দণ্ডবিধির ৭০ ধারার বিধান- অর্থদও ছয় বৎসরের মধ্যে বা কারাদণ্ড চলতে থাকাকালে আদায়যোগ্য: মৃত্যুর ফলে সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না:- অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ দণ্ডাদেশ দানের পরবর্তী ছয় বৎসরের মধ্যে যে কোন সময়ে আদায় করা যাবে, এবং উক্ত দণ্ডাদেশবলে অপরাধী যদি ছয় বৎসর হতেও দীর্ঘতর মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়, তবে অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ উক্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে যে কোন সময়ে আদায় করা হবে; অপরাধীর মৃত্যুর পর তার যে সম্পত্তি তার দায় পরিশোধ আইনতঃ দায়গ্রস্ত হতে পারে, অপরাধীর মৃত্যুর ফলে অনুরূপ সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না।
৪,৮২৫.
If a suit is dismissed and then restored under Order 9 Rule 15, what stage will it continue from?
  1. From the final hearing
  2. From the judgment stage
  3. From the beginning of the suit
  4. From the stage it was at before the order of dismissal
সঠিক উত্তর:
From the stage it was at before the order of dismissal
উত্তর
সঠিক উত্তর:
From the stage it was at before the order of dismissal
ব্যাখ্যা
Order 9 Rule 15:
Where the dismissal of a suit is set aside under rule 4 or rule 9, or a decree is set aside under rule 13, the suit shall, on restoration, proceed from the stage where it was immediately before the making of the order of dismissal or passing of the decree.

আদেশ ৯ বিধি ১৫:
যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমার খারিজ সংক্রান্ত আদেশ ৪ কিংবা ৯নং বিধির অধীনে কিংবা ৩১নং বিধির অধীনে কোন ডিক্রি রদ করা হয়, সেক্ষেত্রে মোকদ্দমাটি পুনর্বহাল করার পরিপ্রেক্ষিতে, খারিজ করার আদেশ দান কিংবা ডিক্রি দেয়ার অব্যবহিত পূর্বে যে পর্যায়ে অবস্থিত ছিল, উক্ত পর্যায় হতে মোকদ্দমাটি চালু করা হবে।

অর্থাৎ, মোকদ্দমা খারিজ আদেশ প্রত্যাহার করা হলে- মোকদ্দমাটি খারিজ আদেশ দেয়ার পূর্বে যে পর্যায়ে অবস্থিত ছিল, সেই অবস্থা থেকে চালু হবে।
৪,৮২৬.
'দেনা বলতে আদালতের ডিক্রি বা আদেশের অধীন প্রদেয় অর্থও বোঝাবে' - তামাদি আইনের কোন ধারায় এই ব্যাখ্যা বর্ণিত আছে?
  1. ২ ধারায়
  2. ৩ ধারায়
  3. ২০ ধারায়
  4. ২৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ ধারায়
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ২০ ধারামতে কোন দেনা তামাদি হবার পূর্বেই যদি দেনাদার দেনার স্বীকৃতিস্বরূপ কোন অর্থ পাওনাদারকে দিয়ে থাকে তাহলে, সেক্ষেত্রে যে তারিখ উক্ত অর্থ প্রদান করা হয়েছিল সে তারিখ হতেই তামাদির সময়সীমা নতুনভাবে হিসাব করতে হবে।

ধারা ২০- উত্তর দায় বিষয়ক ঋণ পরিশোধের কিংবা সুদ দেয়ার ফলাফল

(১) যেক্ষেত্রে কোন দেনা কিংবা দায়ের সুদ বাবদ নির্ধারিত সময় পার হবার পূর্বে ঐ দেনা কিংবা দায় পরিশোধ করতে দায়ী লোক স্বয়ং কিংবা তার যথাযথ ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধি কোন অর্থ প্রদান করে, সে ক্ষেত্রে ঐ অর্থ দেয়ার তারিখ থেকে নূতন করে তামাদি সময় হিসাব করতে হবে। তবে শর্ত থাকে যে, ১৯২৮ সনের ১লা জানুয়ারির পূর্বে সুদ পরিশোধের ক্ষেত্র ছাড়া অপরাপর সকল ক্ষেত্রে, যে লোক অর্থ প্রদান করবে, স্বীকৃতি তার স্বহস্তে লিখিত এবং স্বাক্ষরিত কিংবা অপরের লিখিত হলেও তৎকর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে।

(২) বন্ধকী জমির ফসল পাবার রসিদের ফলাফল
যেক্ষেত্রে বন্ধক দেয়া জমি বন্ধক গ্রহীতার দখলে থাকে, সেক্ষেত্রে অনুরূপ জমির খাজনা কিংবা ফসল পাবার রসিদ ১ উপধারার লক্ষ্যে অর্থ প্রদান বলে পরিগণিত হবে।

ব্যাখ্যা: দেনা অর্থে আদালতের ডিক্রি কিংবা আদেশের অধীন প্রদেয় অর্থও বুঝাবে।
৪,৮২৭.
'ক' কে বিষ প্রয়োগ করার মাধ্যমে হত্যা করা হয়েছে, এই বিষয়ে কার মতামত প্রাসঙ্গিক হিসেবে আদালত আমলে নিতে পারে?
  1. যে বিষ দিয়েছিল
  2. পিতা মাতার অভিমত
  3. মৃত ব্যক্তির অভিমত
  4. বিশারদগণের অভিমত
সঠিক উত্তর:
বিশারদগণের অভিমত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশারদগণের অভিমত
ব্যাখ্যা
- সাক্ষ্য আইনের ৪৫ ধারা অনুযায়ী ৫টি ক্ষেত্রে বিশারদগণের অভিমত প্রাসঙ্গিক।
- এই প্রশ্নের মধ্যে বিশারদগণের অভিমত প্রাসঙ্গিক কেননা বিষ দিয়ে হত্যা করা হয়েছে কিনা এটা বিশারদই ভালো বলতে পারেন।
৪,৮২৮.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৭০ ধারার বিধান মতে সমনে তলবী ব্যক্তিকে পাওয়া না গেলে, তার পরিবারের_______সমনের ১ টি কপি দিতে হবে?
  1. সাবালক যে কোন ব্যক্তির বরাবর
  2. সাবালক পুরুষ ব্যক্তির নিকট
  3. যে কোন ব্যক্তির নিকট
  4. সাবালিকা যে কোন সদস্যের উপর
সঠিক উত্তর:
সাবালক পুরুষ ব্যক্তির নিকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাবালক পুরুষ ব্যক্তির নিকট
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৭০ ধারা মতে যথেষ্ট সতর্কতা অবলম্বন করেও তলবী ব্যক্তিকে পাওয়া না গেলে জারিকারক তার পরিবারের প্রাপ্তবয়ষ্ক কোন পুরুষ সদস্যকে সমনের একটি কপি দিয়ে তাকে অপর কপির পেছনের পৃষ্ঠায় সমন গ্রহণের স্বাক্ষর করিয়ে নিবেন।
৪,৮২৯.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোন আদেশ কোন বিধি অনুযায়ী লিখিত জবাব দাখিলের প্রাথমিক সময় ৩০ কর্ম দিবস এবং সর্বোচ্চ সময় ৬০ কর্মদিবস?
  1. আদেশ ৭ বিধি ১
  2. আদেশ ৮ বিধি ১
  3. আদেশ ৮ বিধি ২
  4. আদেশ ৮ বিধি ৪
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৮ বিধি ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৮ বিধি ১
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৮ বিধি ১ অনুযায়ী বাদী কর্তৃক বিবাদীর উপর সমন জারি হওয়ার ৩০ দিনের কার্যদিবসের মধ্যে সর্বোচ্চ ৬০ কার্য দিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিল করতে হয়।
⇒ যদি বিবাদী লিখিত জবাব দাখিল না করে তাহলে মামলা এক তরফা হবে।
⇒ সংক্ষুব্ধ পক্ষ আপীল করতে পারে।
৪,৮৩০.
Estoppel এর ক্ষেত্রে কোনটি সত্য নয়?
  1. আইনের বিরুদ্ধে Estoppel দাবি করা যায় না
  2. Estoppel এর নীতি দ্বারা শুধুমাত্র পক্ষদ্বয় বাধ্য তৃতীয় কোন ব্যক্তি নয়
  3. Estoppel ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
  4. Estoppel দেওয়ানি মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
সঠিক উত্তর:
Estoppel ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Estoppel ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনে Estoppel শব্দটি বহুল পরিচিত। সাধারণতঃ স্বকার্যজনিত বাধা বা Estoppel হচ্ছে যা একবার স্বীকার করে নেয়া হয় তা পরবর্তীতে অস্বীকার করার বাধা। অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের যে নীতি কোন ব্যক্তিকে তার পূর্বে প্রদত্ত কোন বক্তব্যকে পরবর্তীতে অস্বীকার করতে বিরত রাখে তা Estoppel বা প্রতিবন্ধক বা স্বকার্যজনিত বাধা নামে পরিচিত। মূলতঃ কোন ব্যক্তির পরষ্পর বিরোধী বক্তব্য গ্রহণীয় নয়, এটাই এস্টপলের মূলনীতি। অর্থাৎ Principle of Estoppel দ্ব্যর্থবোধক হতে পারে না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১৫ ধারায় বলা হয়েছে যখন কোন ব্যক্তি তার ঘোষনা, কাজ বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে অন্য ব্যক্তিকে কোন বিষয়কে সত্য বলে বিশ্বাস করিয়েছেন এবং সেই বিশ্বাসের ভিত্তিতে উক্ত ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বলেছেন, তখন উক্ত ব্যক্তি বা তার মধ্যে অথবা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে কোন মামলায় প্রথমোক্ত ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধি তার পূর্বে প্রদত্ত ঘোষণা, কার্য বা কার্য বিরতির বিষয়টি অস্বীকার করতে পারবে না”।

⇒ আইনের পরিস্থিতি প্রতিবন্ধক হতে পারে কিনা- প্রতিবন্ধক বা Estoppel এর নিয়মটি ঘটনা বিষয়ক প্রশ্নে প্রযোজ্য হয়, আইন বিষয়ে নয়। অর্থাৎ আইন বলে কেউ যদি কোন অধিকার লাভ করে সেক্ষেত্রে Estoppel নীতি প্রয়োজ্য হবেনা।

⇒ সাক্ষ্য আইনের Estoppel নীতি দেওয়ানি মামলায় প্রযোজ্য, কিন্তু ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
⇒ এস্টপেল আইনসভা কর্তৃক প্রণীত আইন বা বিধিবদ্ধ আইনের বিরুদ্ধে প্রযোজ্য নয়। এস্টপেল সুস্পষ্ট হতে হবে।
-----------------
⇒ প্রতিবন্ধক বা Estoppel এর উপাদান: এস্টপেল কার্যকরী হতে হলে নিম্নলিখিত উপাদান থাকতে হবে-
ⅰ) যার বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধক কার্যকরী করতে চাওয়া হচ্ছে তিনি বা তার প্রতিনিধি কোন ঘোষনা বা কর্ম বিরতি করেছিলেন।
ii) কিন্তু পরে ঐ ব্যক্তি কিংবা তার প্রতিনিধি এমন কোন দাবী উত্থাপন করলেন যা তার পূর্ব বর্ণিত ঘোষনা বা কর্ম বিরতি প্রভৃতির পরিপন্থি।
iii) মূল ঘোষনা প্রভৃতির দ্বারা প্রভাবিত হয়ে দ্বিতীয় ব্যক্তি তার পূর্বের অবস্থার পরিবর্তন ঘটিয়ে কিছু কাজ করেছিলেন।
iv) মূল ঘোষণা প্রভৃতির দ্বারা প্রতিবন্ধক উত্থাপনকারী পক্ষ কিছু করতে প্রভাবিত হয়েছিলেন।
ⅳ) মূল ঘোষনা প্রভৃতি দ্বিতীয় ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধির নিকট করা হয়েছিল।
৪,৮৩১.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৮(২) অনুসারে, রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ সম্পর্কে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. এগুলি আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য
  2. এগুলি আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য নয়
  3. এগুলি শুধুমাত্র সংবিধান ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
  4. এগুলি শুধুমাত্র আইন প্রণয়নের সময় প্রয়োগ করতে হবে
সঠিক উত্তর:
এগুলি আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এগুলি আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য নয়
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৮(২) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ "আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য হইবে না"।
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৮ এর বিধান: মূলনীতিসমূহ:
(১) জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা- এই নীতিসমূহ এবং তৎসহ এই নীতিসমূহ হইতে উদ্ভূত এই ভাগে বর্ণিত অন্য সকল নীতি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বলিয়া পরিগণিত হইবে।
(২) এই ভাগে বর্ণিত নীতিসমূহ বাংলাদেশ-পরিচালনার মূলসূত্র হইবে, আইন-প্রণয়নকালে রাষ্ট্র তাহা প্রয়োগ করিবেন, এই সংবিধান ও বাংলাদেশের অন্যান্য আইনের ব্যাখ্যাদানের ক্ষেত্রে তাহা নির্দেশক হইবে এবং তাহা রাষ্ট্র ও নাগরিকদের কার্যের ভিত্তি হইবে, তবে এই সকল নীতি আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য হইবে না।
------------------
The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh: Article-8. Fundamental principles
(1) The principles of nationalism, socialism, democracy and secularism, together with the principles derived from those as set out in this Part, shall constitute the fundamental principles of state policy.
(2) The principles set out in this Part shall be fundamental to the governance of Bangladesh, shall be applied by the State in the making of laws, shall be a guide to the interpretation of the Constitution and of the other laws of Bangladesh, and shall form the basis of the work of the State and of its citizens, but shall not be judicially enforceable.

৪,৮৩২.
মাহি, মাহবুব এর বৈধসন্তান কী না, এই প্রশ্নে কোনটি প্রাসঙ্গিক?
  1. আইনজীবীর অভিমত
  2. বন্ধুদের অভিমত
  3. পরিবারের সদস্যদের বিবেচনা
  4. মাহির শিক্ষকের অভিমত
সঠিক উত্তর:
পরিবারের সদস্যদের বিবেচনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিবারের সদস্যদের বিবেচনা
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ ধারা৫০ (আত্মীয়তা সম্পর্কে অভিমত যখন প্রাসঙ্গিক) অনুযায়ী- যখন এক ব্যক্তির সাথে অপর এক ব্যক্তির সম্পর্কের ব্যাপারে আদালতকে অভিমত গ্রহণ করতে হয়, তখন পরিবারের সদস্য হিসাবে অথবা অন্যভাবে এই ব্যাপারে যার জ্ঞান লাভের বিশেষ সুযোগ আছে উক্ত সস্পর্কের অস্তিত্ব সম্পর্কে তার আচরণের মাধ্যেমে যে অভিমত ব্যক্ত হয়, তা প্রাসঙ্গিক বিষয়
৪,৮৩৩.
দণ্ডবিধির ৩৭৪ ধারা কোন অপরাধের জন্য প্রযোজ্য?
  1. চুরি
  2. প্রতারণা
  3. গুরুতর প্ররোচনায় আক্রমণ
  4. বেআইনী শ্রমে বাধ্য করা
সঠিক উত্তর:
বেআইনী শ্রমে বাধ্য করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেআইনী শ্রমে বাধ্য করা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৭৪ ধারা- বেআইনী শ্রমে বাধ্য করা:
(১) কোনো ব্যক্তি যদি কাউকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে শ্রম দান করতে বাধ্য করে, তবে সেই ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

(২) কোনো ব্যক্তি যদি কোন যুদ্ধবন্দী বা অপর কোন আশ্রিত ব্যক্তিকে বাংলাদেশ সশ্রম বাহিনীতে কার্য করতে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা: এই “যুদ্ধবন্দী" এবং "আশ্রিত ব্যক্তি" অভিব্যক্তিসমূহ যথাক্রমে ১৯৪৯ সনের ১২ই আগষ্ট তারিখের যুদ্ধবন্দীর ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত জেনেভা সম্মেলনের-৪ দফা এবং ১৯৪৯ সনের ১২ই আগষ্ট তারিখের যুদ্ধকালে বেসামরিক ব্যক্তিবর্গের নিরাপত্তা সম্পর্কিত জেনেভা সম্মেলনের ৪ দফা মোতাবেক তৎসমূহের প্রতি আরোপিত অর্থের অনুরূপ অর্থ দ্যোতক হবে।

Section 374- Unlawful compulsory labour:
(1) Whoever unlawfully compels any person to labour against the will of that person, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.

(2) Whoever compels a prisoner of war or a protected person to serve in the armed forces of Bangladesh shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year.

Explanation- In this section the expressions "prisoner of war" and "protected person" shall have the same meaning as have been assigned to them respectively by Article 4 of the Geneva Convention Relative to the Treatment of Prisoners of War of August 12, 1949, and Article 4 of the Geneva Convention Relative to the Protection of Civilian Persons in Time of War of August 12, 1949.
৪,৮৩৪.
হেবা কখন কার্যকর হয়?
  1. দখল হস্তান্তরের সাথে সাথে
  2. হেবা নিবন্ধনের সাথে সাথে
  3. হেবাকারীর মৃত্যুর পর
  4. ৩ মাসের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
দখল হস্তান্তরের সাথে সাথে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দখল হস্তান্তরের সাথে সাথে
ব্যাখ্যা
⇒ দান হলো এমন একটি চুক্তি যার মাধ্যমে এক ব্যক্তি কর্তৃক অপর ব্যক্তিকে কোনো প্রকার মূল্য বা প্রতিদান ছাড়া সম্পত্তির তাৎক্ষণিক হস্তান্তর করা হয় যা অপর ব্যক্তি বা তার পক্ষে কেউ গ্রহণ। করে। দান আরবি ভাষায় হিবা নামে পরিচিত। প্রত্যেক সুস্থ সাবালক মুসলিম দান করতে পারে।

⇒ একটি দানের আবশ্যিক উপাদানগুলো হলো-
ক. Offer (প্রস্তাব)
খ. Acceptance (গ্রহণ)
গ. Delivery of possession (সম্পত্তির দখল অর্পণ)

⇒ তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে সম্পত্তির প্রকৃত দখল অর্পণ প্রয়োজনীয় না। দানের ক্ষেত্রে দুটি পক্ষ থাকে। একটা হলো Donor বা দাতা অর্থাৎ যে দান করে, অপরপক্ষ হলো উড়হবব বা গ্রহীতা অর্থাৎ যার বরাবর দান করা হয়।

⇒ সমস্ত সম্পত্তি দান করা যায় এবং দান হস্তান্তর করার সাথে সাথেই কার্যকর হয়,
আর উইলকারীর মৃত্যুর পর উইল কার্যকর হয়।
৪,৮৩৫.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় ক্ষতিপূরণ নির্ধারণে চরিত্রের প্রভাব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ধারা ৫২
  2. ধারা ৫৩
  3. ধারা ৫৪
  4. ধারা ৫৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৫
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫৫: ক্ষতিপূরণ নির্ধারণে চরিত্রের প্রভাব:
দেওয়ানি মামলায়, যদি কোনো ব্যক্তির চরিত্র এমন হয় যা তার প্রাপ্য ক্ষতিপূরণের পরিমাণকে প্রভাবিত করতে পারে, তাহলে তা প্রাসঙ্গিক (relevant) হিসেবে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা: ধারা ৫২, ৫৩, ৫৪ ও ৫৫–তে "চরিত্র" শব্দটি দ্বারা বোঝানো হয় উভয়ই — একজন ব্যক্তির খ্যাতি (reputation) ও স্বভাব (disposition)। তবে, ধারা ৫৪-তে যেভাবে বলা হয়েছে, তা ছাড়া, কেবলমাত্র সাধারণ খ্যাতি ও সাধারণ স্বভাব সম্পর্কে প্রমাণ উপস্থাপন করা যাবে; কোনো নির্দিষ্ট কাজ বা আচরণের মাধ্যমে খ্যাতি বা স্বভাব প্রমাণ করা যাবে না।
--------- 
⇒ The Evidence Act, 1872: Section 55, Character as affecting damages:
In civil cases the fact that the character of any person is such as to affect the amount of damages which he ought to receive, is relevant.
Explanation: In sections 52, 53, 54 and 55, the word "character" includes both reputation and disposition; but, except as provided in section 54, evidence may be given only of general reputation and general disposition, and not of particular acts by which reputation or disposition were shown.

৪,৮৩৬.
X অনুচিতভাবে Y এর ট্রেডমার্ক ব্যবহার করে। Y কোন ধরনের প্রতিকার চাইতে পারে?
  1. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  2. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  3. ঘোষনামূলক প্রতিকার
  4. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা
সঠিক উত্তর:
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
ব্যাখ্যা
♦ চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা শুধুমাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের উপর ভিত্তি করে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারা মঞ্জুর করা হয়।
  ৫টি ক্ষেত্রে আদালত চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন। যথা-
১. যেক্ষেত্রে বিবাদী, বাদীর সম্পত্তির জিম্মাদার (Trustee)
২. যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘনের প্রকৃত ক্ষতি বা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরসণের কোনো মানদন্ড নেই।
৩. যেক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত না।
৪. যেক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা নেই।
৫. যেক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় জটিলতা নিরসনের জন্য নিষেধাজ্ঞা প্রয়োজন ।
♦ চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য মোকদ্দমা দায়েরের তামাদি মেয়াদ ৬ বছর। (অনুচ্ছেদ-১২০)
♦চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা। 
♦ Explanation = For the purpose of this section a trademark is property.
♦ব্যাখ্যাঃ এই ধারার উদ্দেশ্য অনুসারে ট্রেডমার্ক সম্পত্তি।
— এই ধারার অধীন ট্রেডমার্ক সম্পত্তি হিসেবে বিবেচিত হবে।
৪,৮৩৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির বিধান অনুসারে যেক্ষেত্রে বিচার চলাকালীন সময়ে হাজতে থাকার মেয়াদ কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বেশী হয়, সেক্ষেত্রে আদালত-
  1. ফরিয়াদিকে জরিমানার আদেশ দিবে
  2. নতুন করে কারাদণ্ড ভোগের আদেশ দিবে
  3. অর্থদণ্ড মওকুফের আদেশ দিবে
  4. আসামিকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিবে
সঠিক উত্তর:
অর্থদণ্ড মওকুফের আদেশ দিবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থদণ্ড মওকুফের আদেশ দিবে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় বিচার চলাকালে আসামীর জেল হাজতে থাকা সময় কীভাবে দণ্ড থেকে বাদ যাবে তা বলা হয়েছে যা নিম্নরূপ:

- ধারা-৩৫ক (১): ফৌজদারি মামলার বিচার চলাকালীন সময়ে অর্থাৎ মামলা শুরু হওয়ার পর দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আসামি যে কয়দিন জেলহাজতে ছিল, তা কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বাদ যাবে।
 তবে এই বিধানটি আসামি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হলে প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ ৩৫ক ধারাটি মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

- ধারা-৩৫ক (২): যদি বিচার চলাকালীন সময়ে হাজতে থাকার মেয়াদ কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বেশী হয় তাহলে আসামি পুরো কারাদণ্ড ভোগ করেছে বলে গণ্য হবে এবং জেল থেকে মুক্তি পাবে; পাশাপাশি কোন অর্থদণ্ড থাকলে সেই অর্থদণ্ড মওকুফ হয়ে যাবে।

--------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-35A: Deduction of imprisonment in cases where convicts may have been in custody:
(1) Except in the case of an offence punishable only with death, when any court finds an accused guilty of an offence and, upon conviction, sentences such accused to any term of imprisonment, simple or rigorous, it shall deduct from the sentence of imprisonment, the total period the accused may have been in custody in the meantime, in connection with that offence. 

(2) If the total period of custody prior to conviction referred to in sub-section (1) is longer than the period of imprisonment to which the accused is sentenced, the accused shall be deemed to have served out the sentence of imprisonment and shall be released at once, if in custody, unless required to be detained in connection with any other offence; and if the accused is also sentenced to pay any fine in addition to such sentence, the fine shall stand remitted.
৪,৮৩৮.
সংবিধানের ৩৩ অনুচ্ছেদে "যথাসম্ভব শীঘ্র" দ্বারা কোন প্রেক্ষাপট বোঝানো হয়েছে?
  1. ম্যাজিস্ট্রেটের সম্মুখে হাজির হওয়া
  2. আটকাদেশ বাতিল করা
  3. গ্রেপ্তারের কারণ জানানো
  4. আত্মপক্ষ-সমর্থনের অধিকার দেওয়া
সঠিক উত্তর:
গ্রেপ্তারের কারণ জানানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেপ্তারের কারণ জানানো
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৩ অনুচ্ছেদ – "গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ":

(১) গ্রেপ্তারকৃত কোন ব্যক্তিকে যথাসম্ভব শীঘ্র গ্রেপ্তারের কারণ জ্ঞাপন না করিয়া প্রহরায় আটক রাখা যাইবে না এবং উক্ত ব্যক্তিকে তাঁহার মনোনীত আইনজীবীর সহিত পরামর্শের ও তাঁহার দ্বারা আত্মপক্ষ-সমর্থনের অধিকার হইতে বঞ্চিত করা যাইবে না।
 
(২) গ্রেপ্তারকৃত ও প্রহরায় আটক প্রত্যেক ব্যক্তিকে নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেটের সম্মুখে গ্রেপ্তারের চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে (গ্রেপ্তারের স্থান হইতে ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে আনয়নের জন্য প্রয়োজনীয় সময় ব্যতিরেকে) হাজির করা হইবে এবং ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত তাঁহাকে তদতিরিক্তকাল প্রহরায় আটক রাখা যাইবে না।

(৩) এই অনুচ্ছেদের (১) ও (২) দফার কোন কিছুই সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না,
(ক) যিনি বর্তমান সময়ের জন্য বিদেশী শত্রু; অথবা
(খ) যাঁহাকে নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইনের অধীন গ্রেপ্তার করা হইয়াছে বা আটক করা হইয়াছে।

(৪) নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইন কোন ব্যক্তিকে ছয় মাসের অধিক কাল আটক রাখিবার ক্ষমতা প্রদান করিবে না যদি সুপ্রীম কোর্টের বিচারক রহিয়াছেন বা ছিলেন কিংবা সুপ্রীম কোর্টের বিচারকপদে নিয়োগলাভের যোগ্যতা রাখেন, এইরূপ দুইজন এবং প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত একজন প্রবীণ কর্মচারীর সমন্বয়ে গঠিত কোন উপদেষ্টা-পর্ষদ্ উক্ত ছয় মাস অতিবাহিত হইবার পূর্বে তাঁহাকে উপস্থিত হইয়া বক্তব্য পেশ করিবার সুযোগদানের পর রিপোর্ট প্রদান না করিয়া থাকেন যে, পর্ষদের মতে উক্ত ব্যক্তিকে তদতিরিক্ত কাল আটক রাখিবার পর্যাপ্ত কারণ রহিয়াছে।

(৫) নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইনের অধীন প্রদত্ত আদেশ অনুযায়ী কোন ব্যক্তিকে আটক করা হইলে আদেশদানকারী কর্তৃপক্ষ তাঁহাকে যথাসম্ভব শীঘ্র আদেশদানের কারণ জ্ঞাপন করিবেন এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে বক্তব্য-প্রকাশের জন্য তাঁহাকে যত সত্বর সম্ভব সুযোগদান করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, আদেশদানকারী কর্তৃপক্ষের বিবেচনায় তথ্যাদি-প্রকাশ জনস্বার্থবিরোধী বলিয়া মনে হইলে অনুরূপ কর্তৃপক্ষ তাহা প্রকাশে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করিতে পারিবেন।

(৬) উপদেষ্টা-পর্ষদ কর্তৃক এই অনুচ্ছেদের (৪) দফার অধীন তদন্তের জন্য অনুসরণীয় পদ্ধতি সংসদ আইনের দ্বারা নির্ধারণ করিতে পারিবেন।

৪,৮৩৯.
ভুল স্থানে বিচার অনুষ্ঠিত হলে, উক্ত বিচার কার্যক্রম-
  1. প্রথমেই বাতিল হবে
  2. স্থগিত থাকবে
  3. ন্যায়বিচার ব্যাহত হলে বাতিল হবে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচার ব্যাহত হলে বাতিল হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচার ব্যাহত হলে বাতিল হবে
ব্যাখ্যা
ভুল স্থানে বিচার অনুষ্ঠিত হলে, উক্ত বিচার কার্যক্রম ন্যায়বিচার ব্যাহত হলে বাতিল হবে।

ধারা ৫৩১: ভুল স্থানে অনুষ্ঠিত কার্যধারা-

কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারায় কোন ফৌজদারী আদালতের অভিমত, দণ্ড বা আদেশ শুধুমাত্র উক্ত তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারা ভুল দায়রা বিভাগে, জেলায় বা অন্য স্থানীয় এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল বলেই বাতিল হবে না যদি না প্রতীয়মান হয় যে, এ ভুলের ফলে প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচার ব্যাহত হচ্ছে।

Section 531: Proceedings in wrong place
No finding sentence or order of any Criminal Court shall be set aside merely on the ground that the inquiry, trial or other proceeding in the course of which it was arrived at or passed, took place in a wrong sessions division, district, or other local area, unless it appears that such error has in fact occasioned a failure of justice.
৪,৮৪০.
দত্তক গ্রহণের প্রথা কোন প্রাচীন আইনব্যবস্থায় প্রচলিত ছিল?
  1. গ্রিক আইন
  2. রোমান আইন
  3. মিশরীয় আইন
  4. ব্যাবিলনীয় আইন
সঠিক উত্তর:
রোমান আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোমান আইন
ব্যাখ্যা
⇒ দত্তক গ্রহণের প্রথা প্রাচীন বিশ্বের বিভিন্ন সমাজে প্রচলিত থাকলেও এটি বিশেষভাবে রোমান আইন-এ স্বীকৃত ছিল।
- রোমান সাম্রাজ্যে দত্তক গ্রহণ একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ও আইনি প্রক্রিয়া হিসেবে বিবেচিত হতো।
- রোমান আইনে দত্তক নেওয়ার মূল উদ্দেশ্য ছিল উত্তরাধিকার নিশ্চিত করা এবং পরিবারে একজন যোগ্য উত্তরসূরির ব্যবস্থা করা।
- এটি কেবল পারিবারিক কাঠামো বজায় রাখার জন্যই নয়, বরং রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থ সংরক্ষণের জন্যও ব্যবহৃত হতো।

হিন্দু আইনের মতো রোমান আইনের দত্তক গ্রহণের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম-কানুন ছিল।
রোমান সমাজে যদি কোনো ব্যক্তির প্রকৃত সন্তান না থাকত, তবে তিনি দত্তক নিয়ে উত্তরাধিকারী নির্ধারণ করতে পারতেন।
ফলে, দত্তকপ্রাপ্ত ব্যক্তি দত্তকদাতা পিতার নামে পরিচিত হতেন এবং তার সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হতেন।

অন্যদিকে, গ্রিক, মিশরীয় বা ব্যাবিলনীয় আইনে দত্তক গ্রহণের তেমন কোনো সুস্পষ্ট বিধান দেখা যায় না।
তাই রোমান আইনই দত্তক প্রথার একটি সুস্পষ্ট ভিত্তি তৈরি করেছে, যা পরবর্তীকালে বিভিন্ন আইনব্যবস্থায় প্রভাব ফেলেছে।
৪,৮৪১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় ভুল দায়রা বিভাগ, জেলা বা এলাকায় বিচার হলেও তা বাতিল না হওয়ার বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৫০১
  2. ধারা ৫২১
  3. ধারা ৫৩১
  4. ধারা ৫৪১
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৩১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৩১
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩১ ফৌজদারি কার্যবিধির একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান যা বলে,  কোন তদন্ত, বিচার বা আদেশ শুধুমাত্র এই কারণে বাতিল হবে না যে, তা ভুল দায়রা বিভাগ, জেলা বা এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে, যদি না প্রতীয়মান হয় যে এতে ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩১: ভুল স্থানে অনুষ্ঠিত কার্যধারা-
কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারায় কোন ফৌজদারী আদালতের অভিমত, দণ্ড বা আদেশ শুধুমাত্র উক্ত তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারা ভুল দায়রা বিভাগে, জেলায় বা অন্য স্থানীয় এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল বলেই বাতিল হবে না যদি না প্রতীয়মান হয় যে, এ ভুলের ফলে প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচার ব্যাহত হচ্ছে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 531: Proceedings in wrong place-
No finding sentence or order of any Criminal Court shall be set aside merely on the ground that the inquiry, trial or other proceeding in the course of which it was arrived at or passed, took place in a wrong sessions division, district, or other local area, unless it appears that such error has in fact occasioned a failure of justice.
৪,৮৪২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৭ ধারায় নেতিবাচক চুক্তি পালনের নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করার জন্য আদালত কী প্রমাণ করতে চায়?
  1. বাদী চুক্তির কিছু অংশ পালন করেছে
  2. বাদী চুক্তির সমস্ত অংশ পালন করেছে
  3. বাদী চুক্তির কোনো অংশ পালন করেনি
  4. বাদী আইনগতভাবে কোনো ক্ষতি করেনি
সঠিক উত্তর:
বাদী চুক্তির সমস্ত অংশ পালন করেছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদী চুক্তির সমস্ত অংশ পালন করেছে
ব্যাখ্যা
→ উত্তর: খ) বাদী চুক্তির সমস্ত অংশ পালন করেছে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৭ ধারা অনুযায়ী, আদালত নেতিবাচক চুক্তি পালনের জন্য নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করার জন্য প্রমাণ করতে চায় যে বাদী চুক্তির সেই অংশ পালন করেছে, যা তার উপর অবশ্য পালনীয় ছিল। অর্থাৎ, বাদী যদি চুক্তির কোনো অংশ পালন করতে ব্যর্থ হয়, তবে আদালত নেতিবাচক চুক্তি পালনের জন্য নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না।
এটি সেই পরিস্থিতিতে প্রযোজ্য যেখানে চুক্তির এক অংশ ইতিবাচক কাজ (কিছু করা) এবং অন্য অংশ নেতিবাচক কাজ (কিছু না করা) থাকে। যদি বাদী ইতিবাচক অংশটি (কিছু করার কাজ) পালনে ব্যর্থ হয়, তাহলে আদালত নেতিবাচক অংশটি (কিছু না করার কাজ) পালনের জন্য নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না।
তবে, যদি বাদী চুক্তির সমস্ত অংশ পালন করে থাকে, তবে আদালত নেতিবাচক চুক্তি পালনের জন্য নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারে।

⇒ The Specific Relief Act, 1877 এর ৫৭ ধারার বিধান হল নেতিবাচক চুক্তি পালনের নিষেধাজ্ঞা : ধারা ৫৬ এর উপধারা-(চ) এর বিধান সত্ত্বেও যেক্ষেত্রে একটি সুস্পষ্টভাবে বা ইঙ্গিতবোধকভাবে কতিপয় নির্দিষ্ট কাজ করা এবং কতিপয় নির্দিষ্ট কাজ না করবার সম্মতির সমন্বয়, সেক্ষেত্রে হাঁ-সূচক চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনে বাধ্য করতে আদালত অসমর্থ হলেও সে পরিস্থিতি আদালতকে না সূচক কাজ সম্পাদন সম্বন্ধে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা থেকে নিবারণ করবে না।
তবে শর্ত থাকে যে, বাদী তার যতটুকু অবশ্যপালনীয়, চুক্তির ততটুকু পালনে ব্যর্থ হয় নাই।
----------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 57 Injunction to perform negative agreement: Notwithstanding section 56, clause (f), where a contract comprises an affirmative agreement to do a certain act, coupled with a negative agreement, express or implied, not to do a certain act, the circumstance that the Court is unable to compel specific performance of the affirmative agreement shall not preclude it from granting an injunction to perform the negative agreement:
provided that the applicant has not failed to perform the contract so far as it is binding on him.
৪,৮৪৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক ধারা কোন ধরনের দণ্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. অর্থদণ্ড
  2. মৃত্যুদণ্ড
  3. কঠোর কারাদণ্ড
  4. সাধারণ কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক ধারা (Section 35A of the CrPC, 1898) অনুযায়ী, যখন কোন আসামি ফৌজদারি মামলার বিচার চলাকালীন সময় জেল হাজতে থাকে এবং পরে তাকে কারাদণ্ড (simple বা rigorous) দেওয়া হয়, তখন সেই হাজতে থাকার সময়টুকু তার দণ্ডের মেয়াদ থেকে বিয়োজন (Deduct) করে দেওয়া হয়।
তবে এই ধারা মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। অর্থাৎ, যদি কোন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়, তাহলে বিচার চলাকালে জেলহাজতে কাটানো সময় তার দণ্ড থেকে বাদ যাবে না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় বিচার চলাকালে আসামীর জেল হাজতে থাকা সময় কীভাবে দণ্ড থেকে বাদ যাবে তা বলা হয়েছে যা নিম্নরূপ:
- ধারা-৩৫ক (১): ফৌজদারি মামলার বিচার চলাকালীন সময়ে অর্থাৎ মামলা শুরু হওয়ার পর দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আসামি যে কয়দিন জেলহাজতে ছিল, তা কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বাদ যাবে।
তবে এই বিধানটি আসামি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হলে প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ ৩৫ক ধারাটি মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
- ধারা-৩৫ক (২): যদি বিচার চলাকালীন সময়ে হাজতে থাকার মেয়াদ কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বেশী হয় তাহলে আসামি পুরো কারাদণ্ড ভোগ করেছে বলে গণ্য হবে এবং জেল থেকে মুক্তি পাবে; পাশাপাশি কোন অর্থদণ্ড থাকলে সেই অর্থদণ্ড মওকুফ হয়ে যাবে।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-35A: Deduction of imprisonment in cases where convicts may have been in custody:
(1) Except in the case of an offence punishable only with death, when any court finds an accused guilty of an offence and, upon conviction, sentences such accused to any term of imprisonment, simple or rigorous, it shall deduct from the sentence of imprisonment, the total period the accused may have been in custody in the meantime, in connection with that offence.
(2) If the total period of custody prior to conviction referred to in sub-section (1) is longer than the period of imprisonment to which the accused is sentenced, the accused shall be deemed to have served out the sentence of imprisonment and shall be released at once, if in custody, unless required to be detained in connection with any other offence; and if the accused is also sentenced to pay any fine in addition to such sentence, the fine shall stand remitted.

৪,৮৪৪.
বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করার ক্ষেত্রে চুক্তির ______________ আদালতে জমা দিতে হয়।
  1. সম্পূর্ণ মূল্য
  2. অবশিষ্ট মূল্য
  3. উল্লেখিত মূল্যের ২৫%
  4. উল্লেখিত মূল্যের ৫০%
সঠিক উত্তর:
অবশিষ্ট মূল্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবশিষ্ট মূল্য
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারা- অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে অকার্যকরযোগ্য:
এই আইন কিংবা বিদ্যমান অন্য কোন আইন বিপরীত কোন বিধান থাকলেও কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য হবে না, যদি না-
(ক) চুক্তিটি লিখিত এবং ১৯০৮ সালের নিবন্ধন আইনের অধীন রেজিস্ট্রেশন হয়, হস্তান্তর গ্রহীতা ঐ সম্পত্তির কিংবা তার কোন অংশ দখল গ্রহণ করুক বা না করুক; এবং
(খ) চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করার নিমিত্ত চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মোকদ্দমাটি রুজুর কালে আদালতে জমা দেয়া হয়।

Section 21A- Unregistered contract for sale not specifically enforceable:
Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act or any other law for the time being in force, no contract for sale of any immovable property can be specifically enforced unless–
(a) the contract is in writing and registered under the Registration Act, 1908, whether or not the transferee has taken possession of the property or any part thereof; and
(b) the balance amount of consideration of the contract is deposited in the court at the time of filing the suit for specific performance of the contract.
৪,৮৪৫.
১০ বছরের কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে সাক্ষ্য নষ্ট করার শাস্তি কী?
  1. মূল কারাদণ্ডের সমান
  2. মূল কারাদণ্ডের অর্ধেক
  3. মূল কারাদণ্ডের এক তৃতীয়াংশ
  4. মূল কারাদণ্ডের এক চতুর্থাংশ
সঠিক উত্তর:
মূল কারাদণ্ডের এক চতুর্থাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল কারাদণ্ডের এক চতুর্থাংশ
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ২০১ ধারা মতে, অপরাধীকে বাঁচানোর জন্য অপরাধের সাক্ষ্য নষ্ট করার শাস্তি হতে পারে-
(i) মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে অনধিক ৭ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড ।
(ii) যাবজ্জীবন বা অন্যূন ১০ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে অনধিক ৩ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।
(iii) ১০ বছরের কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে মূল কারাদণ্ডের এক চতুর্থাংশ কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
৪,৮৪৬.
রায় বা আদেশ কর্তৃক ক্ষতিগ্রস্ত কোন ব্যক্তি ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় রায় বা আদেশের কপি পেতে অধিকারী?
  1. ৫৪৩ ধারায়
  2. ৫৪৫ ধারায়
  3. ৫৪৮ ধারায়
  4. ৫৫০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫৪৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪৮ (কার্যধারার নকল)-

কোন ফৌজদারী আদালত দ্বারা প্রদত্ত কোন রায় বা আদেশ কর্তৃক ক্ষতিগ্রস্ত কোন ব্যক্তি কোন আদেশ বা সাক্ষ্য বা নথির অন্য অংশের নকল নিতে ইচ্ছা করলে তার আবেদনের ভিত্তিতে তাকে তা সরবরাহ করতে হবেঃ
শর্ত থাকে যে, আদালত কোন বিশেষ কারণবশতঃ বিনামূল্যে তা প্রদান উপযুক্ত মনে না করলে তাকে উহার জন্য খরচ দিতে হবে।

Section 548: Copies of proceedings
If any person affected by a judgment or order passed by a Criminal Court desires to have a copy of any order or deposition or other part of the record be shall, on applying for such copy, be furnished therewith:
Provided that he pays for the same, unless the Court, for some special reason, thinks fit to furnish it free of cost.
৪,৮৪৭.
প্রতিনিধিত্বের পরিসমাপ্তি ঘটতে পারে-
  1. প্রিন্সিপাল তার ক্ষমতা প্রত্যাহার করলে
  2. প্রিন্সিপাল দেউলিয়া হলে
  3. এজেন্সির কাজ সম্পন্ন হয়ে গেলে
  4. উল্লিখিত যেকোনো কারণে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত যেকোনো কারণে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত যেকোনো কারণে
ব্যাখ্যা
• চুক্তি আইনের ২০১ ধারার বিধান প্রতিনিধিত্বের পরিসমাপ্তি (Termination of agency): প্রতিনিধিত্বের পরিসমাপ্তি ঘটতে পারে-

- প্রিন্সিপাল তার ক্ষমতা প্রত্যাহার করলে; অথবা
- এজেন্ট তার এজেন্সির কাজ পরিহার করলে; অথবা
- এজেন্সির কাজ সম্পন্ন হয়ে গেলে; অথবা
- প্রিন্সিপাল বা এজেন্টের মধ্যে কারও মৃত্যু হলে বা অপ্রকৃতিস্থ হলে; অথবা 
- দেনাদারদের প্রতিকারের জন্য প্রিন্সিপাল দেউলিয়া হলে।
 
Section 201- Termination of agency:
An agency is terminated by the principal revoking his authority; or by the agent renouncing the business of the agency; or by the business of the agency being completed; or by either the principal or agent dying or becoming of unsound mind; or by the principal being adjudicated an insolvent under the provisions of any Act for the time being in force for the relief of insolvent debtors.
৪,৮৪৮.
দেওয়ানী কার্যবিধি ৭৯ ধারার বিধান কী?
  1. Notice
  2. Letter of request.
  3. Execution of decree.
  4. Suits by or against the Government.
সঠিক উত্তর:
Suits by or against the Government.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Suits by or against the Government.
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ৭৯ ধারার বিধান সরকার কর্তৃক বা তার বিরুদ্ধে মোকদ্দমা: সরকার কর্তৃক বা সরকারের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মোকদ্দমায় বাদি বা বিবাদি হিসাবে যে কর্তৃত্বের নাম উল্লেখ করতে হবে, তা হচ্ছে বাংলাদেশ।
----------
- Section 79. Suits by or against the Government:
In a suit by or against the Government the authority to 79. In a suit by or against the Government the authority to be named as plaintiff or defendant, as the case may be, shall be Bangladesh.
৪,৮৪৯.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অনুযায়ী নারী অর্থ ______ বয়সের নারী।
  1. যে-কোনো
  2. ১৬ বৎসর
  3. ১৪ বৎসর
  4. ১৮ বৎসর
সঠিক উত্তর:
যে-কোনো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে-কোনো
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ ধারা ২ (ছ) অনুযায়ী  “নারী” অর্থ যে কোন বয়সের নারী।
৪,৮৫০.
হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন কোনো আদালতের ভাষা কে নির্ধারণ করে?
  1. হাইকোর্ট
  2. সরকার
  3. সংসদ আইন দ্বারা
  4. উক্ত আদালতের বিচারক
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
• The Code of Civil Procedure, 1908 এর ১৩৭ ধারায় বলা আছে- সরকার অধস্তন আদালতের ভাষা নির্ধারণ করবে।

দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৭ ধারা: অধস্তন আদালতে ভাষা:
১) এই আইন কার্যকর হওয়ার সময় কোন হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন কোন আদালতে ভাষা যা ছিল, সরকার অন্যভাবে নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সেটাই উক্ত অধস্তন আদালতে ভাষা হিসাবে চলতে থাকবে।

২) অনুরূপ আদালতের ভাষা কি হবে এবং কোন রীতিতে অনুরূপ আদালত সমীপে দরখাস্ত এবং আদালতে কার্যধারা লিখিত হবে তা সরকার ঘোষণা করতে পারবে।

৩) যখন অনুরূপ কোন আদালতে সাক্ষীর জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করা ব্যতীত অন্য কিছু লিখিতরূপে নিরূপণ করার জন্য এই আইন আদেশ প্রদান করে বা অনুমতি প্রদান করে, তখন অনুরূপ লিখন ইংরেজীতে হতে পারে; কিন্তু কোন পক্ষ বা তার আইনজীবী যদি ইংরেজীর সঙ্গে অপরিচিত হন, তবে তার অনুরোধে আদালতের ভাষায় উক্ত ইংরেজীর অনুবাদ তাকে সরবরাহ করা হবে, এবং এরূপ ক্ষেত্রে আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন, অনুবাদের খরচ প্রদানের ব্যাপারে সেরূপ আদেশনামা প্রদান করবে।

Section: 137- Language of subordinate Courts:
(1) The language which, on the commencement of this Code, is the language of any Court subordinate to the High Court Division shall continue to be the language of such subordinate Court until the Government otherwise directs.

(2) The Government may declare what shall be the language of any such Court and in what character applications to and proceedings in such Courts shall be written.

(3) Where this Code requires or allows anything other than the recording of evidence to be done in writing in any such Court, such writing may be in English; but if any party or his pleader is unacquainted with English a translation into the language of the Court shall, at his request, be supplied to him; and the Court shall make such order as it thinks fit in respect of the payment of the costs of such translation.
৪,৮৫১.
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ৩৩ ধারা কোন বিষয়ে প্রযোজ্য?
  1. আদালতের রায় কার্যকরকরণ
  2. অপরাধ তদন্তের সময়সীমা নির্ধারণ
  3. মৃত্যুদণ্ড কার্যকরকরণ
  4. সরকারকে প্রতিবেদন প্রেরণ
সঠিক উত্তর:
সরকারকে প্রতিবেদন প্রেরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারকে প্রতিবেদন প্রেরণ
ব্যাখ্যা
বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪ এর ধারা ৩৩: সরকারকে পুলিশ অফিসারের প্রতিবেদন প্রেরণ:
এই আইনের অধীন বিচারযোগ্য কোনো অপরাধের সাথে সম্পর্কিতভাবে যদি কোনো পুলিশ অফিসার কাউকে গ্রেফতার করেন, তবে তিনি গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে নিকটস্থ ম্যাজিস্ট্রেটের সম্মুখে পেশ করার পরপরই, ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রদত্ত গ্রেফতারের সংক্রান্ত প্রতিবেদনটির একটি অনুলিপি সরকারকে প্রেরণ করবেন—যাহা সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা নির্দেশিত কোনো অফিসারের মাধ্যমে সম্পন্ন করিতে বলিতে পারে।
৪,৮৫২.
দণ্ডবিধির ৫২ ধারা অনুযায়ী "Good faith" এর ক্ষেত্রে কোন দুটি বিষয় অপরিহার্য?
  1. সততা এবং দ্রুততা
  2. উদ্দেশ্য এবং ফলাফল
  3. সতর্কতা এবং মনোযোগ
  4. বিশ্বাস এবং অনুমান
সঠিক উত্তর:
সতর্কতা এবং মনোযোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সতর্কতা এবং মনোযোগ
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৫২ ধারায় সদবিশ্বাসের সংজ্ঞা রয়েছে-
যথাযথ সতর্কতা ও মনোযোগ ব্যতিরেকে সম্পাদিত বা বিশ্বাসকৃত কোন কিছুই 'সদবিশ্বাসে' করা হয়েছে বা বিশ্বাস করা হয়েছে বলে গণ্য হবে না।

Section 52- “Good faith”:
Nothing is said to be done or believed in "good faith" which is done or believed without due care and attention.
৪,৮৫৩.
If a mortgaged immoveable property is sold without the mortgagee’s written consent, the sale is:
  1. Void
  2. Voidable
  3. Automatically valid
  4. Legal but subject to penalty
সঠিক উত্তর:
Void
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Void
ব্যাখ্যা
The Transfer of Property Act, 1882- Section 53D: Immoveable Property under mortgage not to be transferred:
No immoveable property under registered mortgage shall be re-mortgaged or sold without the written consent of the mortgagee, and any re-mortgage or sale made otherwise shall be void.

ধারা ৫৩ঘ: বন্ধককৃত স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তর করা যাবে না-
বন্ধকগ্রহীতার লিখিত অনুমতি ব্যতীত নিবন্ধনকৃত বন্ধকী সম্পত্তিকে পুনরায় বন্ধক করা যাবে না অথবা বিক্রয় করা যাবে না, এবং অন্যথায় যে কোন পুনঃবন্ধক বা বিক্রয় বাতিল হবে।
৪,৮৫৪.
“Transfer by person having authority to revoke former transfer” বিষয়টি কোন ধারায় আলোচিত?
  1. ৪১ ধারা
  2. ৪২ ধারা
  3. ৪৩ ধারা
  4. ৪৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২ ধারা
ব্যাখ্যা
ধারা ৪২: পূর্ব হস্তান্তর বাতিলের ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা হস্তান্তর (Transfer by person having authority to revoke former transfer)-
যদি কোনো ব্যক্তি কোনো স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তর করে এবং সেই হস্তান্তরে পূর্ব হস্তান্তর বাতিলের ক্ষমতা সংরক্ষণ করে, এবং পরবর্তীতে মূল্য পরিশোধের ভিত্তিতে অন্য কাউকে একই সম্পত্তি হস্তান্তর করে, তাহলে সেই পরবর্তী হস্তান্তরটি প্রথম হস্তান্তর বাতিল বলে গণ্য হবে—যতদূর পর্যন্ত তার সেই ক্ষমতা বিস্তৃত।

উদাহরণ:
A, B-কে একটি বাড়ি ভাড়া দেয়, এবং চুক্তিতে উল্লেখ করে যে, একটি নির্দিষ্ট সার্ভেয়ারের মতে B যদি বাড়িটি এমনভাবে ব্যবহার করে যা এর মূল্যের ক্ষতি ঘটায়, তাহলে A সেই ভাড়া বাতিল করতে পারবে। পরে A মনে করে, B বাড়িটি ক্ষতিকরভাবে ব্যবহার করছে এবং C-কে সেটি আবার ভাড়া দেয়।
এই অবস্থায়, যদি সার্ভেয়ার মনে করেন B-এর ব্যবহার বাড়ির ক্ষতি করছে, তাহলে C-কে ভাড়া দেওয়া চুক্তিটি B-এর পূর্ব ভাড়া বাতিল বলে গণ্য হবে।
৪,৮৫৫.
চোরাই মালের সংজ্ঞা দণ্ডবিধির কত ধারায় আছে?
  1. ৪১১
  2. ৪১২
  3. ৪১০
  4. ৩৭৮
সঠিক উত্তর:
৪১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১০
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৪১০ ধারায় চোরাই  মালের সংজ্ঞা রয়েছে। দণ্ডবিধির ৪১০ ধারা মতে যে সকল মাল বা সম্পত্তি চোরাই মাল বলে গণা হবে তা হল-
(i) চুরির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি
(ii) বলপূর্বক গৃহীত সম্পত্তি
(iii) দস্যুতা এবং ডাকাতিমূলে হস্তান্তরিত সম্পত্তি এবং 
(iv) অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎকৃত ও বিশ্বাসভঙ্গের দ্বারা অর্জিত সম্পত্তিকে চোরাই মাল বা Stolen Property বলে।

উক্ত চোরাই মাল যখন আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী লোকের দখলে আসে, তখন সেগুলো আর চোরাই সম্পত্তি থাকে না।
৪,৮৫৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৬ বিধি-২২ অনুযায়ী, কমিশনের রিপোর্ট কে প্রেরণ করবে বিদেশী আদালতে?
  1. সংশ্লিষ্ট সাক্ষী
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. সরাসরি কমিশনার
  4. বাংলাদেশ সরকার
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৬, বিধি-২২ অনুযায়ী, যখন বিদেশী রাষ্ট্রে অবস্থিত কোনো আদালতের অনুরোধে বাংলাদেশে বসবাসকারী সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য কমিশন প্রেরণ করা হয়, তখন সেই কমিশনের কার্য সম্পাদন ও প্রতিবেদন হাইকোর্ট বিভাগে ফেরত পাঠাতে হয়। এরপর হাইকোর্ট বিভাগই সেই প্রতিবেদন ও সাক্ষ্য গ্রহণপত্র অনুরোধপত্রসহ বিদেশী আদালতে প্রেরণ করেন।
- অর্থাৎ কমিশনের প্রতিবেদন বিদেশী আদালতে প্রেরণের দায়িত্ব শুধুমাত্র হাইকোর্ট বিভাগের, কারণ তারাই যথাযথভাবে প্রতিবেদন যাচাই করে এবং আইনি উপায়ে তা বিদেশে পাঠান।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৬, বিধি-২২ কমিশন প্রেরণ সম্পাদন এবং ফেরত দান এবং বিদেশী আদালত প্রমাণ প্রেরণ:
অত্র আদেশের ৬, ১৫, ১৬, ১৭ ও ১৮ বিধিতে বর্ণিত বিধানসমূহ যতদুর সম্ভব উক্ত কমিশন প্রেরণ, উহার কার্য সম্পাদন এবং ফেরত পাঠাবার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে, এবং তখন অনুরূপ কোন কমিশন যথাযথভাবে সম্পাদিতে হয়, যখন উহা তদানুসারে গৃহীত সাক্ষ্য সহ হাইকোর্ট বিভাগে ফেরত দিতে হবে, যা বিদেশী আদালতে প্রেরণ করার জন্য অনুরোধ পত্র সহ হাইকোর্ট বিভাগ প্রেরণ করবেন।

⇒The Code of Civil Procedure,1908, Order-26, Rule-22. Issue, execution and return of commissions, and transmission of evidence to foreign Court:
The provisions of rules 6, 15, 16, 17 and 18 of this Order is so far as they are applicable shall apply to the issue, execution and return of such commissions, and when any such commission has been duly executed it shall be returned, together with the evidence taken under it, to the High Court Division, which shall forward it to the Government, along with the letter of request for transmission to the foreign Court.
৪,৮৫৭.
মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যায়?
  1. দলিলের বিষয়বস্তু
  2. লিখিত বক্তব্য
  3. দলিলের বিষয় বস্তু ছাড়া সকল বিষয়
  4. আদালতের দলিলসমূহ
সঠিক উত্তর:
দলিলের বিষয় বস্তু ছাড়া সকল বিষয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিলের বিষয় বস্তু ছাড়া সকল বিষয়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৯ ধারার বিধান মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা ঘটনা প্রমাণ: দলিলের বিষয়বস্তু ব্যতীত সকল ঘটনা মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে।

⇒ দলিলের বিষয়বস্তু দলিল দ্বারাই প্রমাণ করতে হবে, মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা নয়। দলিলের বিষয়বস্তু ব্যতীত সমস্ত বিষয় বা ঘটনা মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে।
⇒ দলিলের বিষয়বস্তু, লিখিত বক্তব্য, আদালতের দলিলসমূহ এই সবগুলা মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যায় না।
-------------
⇒ Section-59. Proof of facts by oral evidence: All facts, except the contents of documents, may be proved by oral evidence.
৪,৮৫৮.
গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬ অনুযায়ী আপোষ বা মীমাংসার মাধ্যমে বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করা হলে উক্তরূপ উদ্যোগ গ্রহণের _____ দিনের মধ্যে তা নিষ্পত্তি করতে হবে।
  1. ৬০
  2. ৩০
  3. ১৫
  4. ৯০
সঠিক উত্তর:
৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০
ব্যাখ্যা
⇒ গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬ এর ৬খ ধারার বিধান: প্রাক বিচার:
 (১) ধারা ৫ এর অধীন গ্রাম আদালত গঠিত হইবার অনধিক ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে গ্রাম আদালতের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হইবে এবং উক্ত অধিবেশনে গ্রাম আদালত উভয় পক্ষের শুনানী করিয়া মামলার বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করিবে এবং পক্ষগণের মধ্যে আপোষ বা মীমাংসার মাধ্যমে বিচার্য বিষয় নিষ্পত্তির উদ্যোগ গ্রহণ করিবে।
(২) উপ-ধারা (১) অনুযায়ী আপোষ বা মীমাংসার মাধ্যমে বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করা হইলে, উক্তরূপ উদ্যোগ গ্রহণের তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে উহা নিষ্পত্তি করিতে হইবে।
(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন বিচার্য বিষয় নিষ্পত্তি হইলে, মীমাংসার শর্তাবলী উল্লেখপূর্বক উভয়পক্ষ যৌথভাবে একটি আপোষনামা স্বাক্ষর বা বাম হস্তের বৃদ্ধাঙ্গুলির ছাপ প্রদান করিবেন এবং সাক্ষী হিসাবে উভয়পক্ষের মনোনীত সদস্যগণ আপোষনামায় স্বাক্ষর করিবেন।
(৪) উপ-ধারা (৩) অনুযায়ী আপোষনামা স্বাক্ষরিত হইলে, গ্রাম আদালত নির্ধারিত ফরমে উহার আদেশ লিপিবদ্ধ করিবে এবং উক্তরূপ আদেশ গ্রাম আদালতের আদেশ বা ডিক্রী বলিয়া গণ্য হইবে।
(৫) এই ধারার অধীন আপোষনামার মাধ্যমে বিচার্য বিষয় নিষ্পত্তি করা হইলে উহার বিরুদ্ধে আপীল বা রিভিশন দায়ের করা যাইবে না।
৪,৮৫৯.
'Agreements by way of wager are void' চুক্তি আইনের কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ৩০ ধারায়
  2. ৩০ক ধারায়
  3. ৩২ ধারায়
  4. ৩৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ ধারায়
ব্যাখ্যা
চুক্তি আইনের ৩০ ধারার বিধান বাজি সম্পর্কিত সম্মতি বাতিল:
- বাজি সম্পর্কিত সম্মতি বাতিল এবং
- বাজিতে জেতা হয়েছে এমন কিছু উদ্ধার করার জন্য অথবা কোন খেলা বা অনিশ্চিত ঘটনা যার উপর বাজি ধরা হয়েছে তার ফলাফল আনার উদ্দেশ্যে কারো কাছে গচ্ছিত কোন জিনিস আদায় করার জন্য কোন মোকদ্দমা দায়ের করা যাবে না।
 
- ঘোড় দৌড়ের নির্দিষ্ট পুরস্কারের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম- এ ধারা অনুসারে কোন ঘোড় দৌড়ে জয়লাভকারী বা জয়লাভকারীগণকে পুরস্কার হিসাবে ৫০০ টাকা বা তার বেশি কোন মূল্যের কোন প্লেট, পুরস্কার বা কোন অর্থ, চাঁদা বা কোন কিছু দান করার সম্মতি দেয়া হলে তা অবৈধ বলে গণ্য হবে না।
 
- দণ্ডবিধির ২৯৪ক ধারা প্রভাবিত হবে না: এ ধারার কোন কিছু ঘোড় দৌড় সম্পর্কিত যে লেনদেনের ক্ষেত্রে দণ্ডবিধির ২৯৪ক ধারার বিধানাবলি প্রয়োগযোগ্য সে সকল লেনদেনকে বৈধতা প্রদান করেছে বলে গণ্য হবে না।
-------------------
Sction 30. Agreements by way of wager void Exceptions in favour of certain prizes for horse-racing. Section 294A of the Penal Code not affected:
 Agreements by way of wager are void; and no suit shall be brought for recovering anything alleged to be own on any wager, or entrusted to any person to abide the result of any game or other uncertain event on which wager is made. 
 
This section shall not be deemed to render unlawful a subscription, or contribution, or agreement to subscribe or contribute, made or entered into for or toward any plate, prize or sum of money, of the value or amount of five hundred Taka or upwards, to be awarded to the winner or winners of any horse race. 
 
Nothing in this section shall be deemed to legalize any transaction connected with horse-racing, to which the provisions of section 294A of the Penal Code apply.
৪,৮৬০.
ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৮১-এর বিধান কোন ধারার সাপেক্ষে প্রযোজ্য?
  1. ধারা-৭৫
  2. ধারা-৭৬
  3. ধারা-৭৯
  4. ধারা-৮২
সঠিক উত্তর:
ধারা-৭৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা-৭৬
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৮১ এর পূর্ণাঙ্গ বিধান: "The police-officer or other person executing a warrant of arrest shall (subject to the provisions of section 76 as to security) without unnecessary delay bring the person arrested before the Court..."
- অর্থাৎ: গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই আদালতে হাজির করতে হবে ধারা ৭৬-এর জামিন সংক্রান্ত বিধানের অধীনতায়।
- ধারা ৭৬ অনুসারে: আদালত পরোয়ানায় জামিনের শর্ত উল্লেখ করতে পারে। যদি অভিযুক্ত জামিন দেন, তাহলে তাকে মুক্ত (release) করে দেওয়া যাবে এবং আদালতে হাজির করার প্রয়োজন হবে না।
- সুতরাং ধারা ৮১ ধারা ৭৬-এর সাপেক্ষে প্রযোজ্য।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৮১ ধারা অনুযায়ী,
গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর করছেন এমন পুলিশ অফিসার অথবা অন্য কোন ব্যক্তি (জামিন বিষয়ে ৭৬ ধারার বিধানের প্রেক্ষিতে) অনাবশ্যক বিলম্ব ব্যতিরেকেই গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে সেই আদালতে হাজির করবেন, যেখানে হাজির করতে তিনি আইনত বাধ্য।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 81: Person arrested to be brought before Court without delay-
The police- officer or other person executing a warrant of arrest shall (subject to the provisions of section 76 as to security)without unnecessary delay bring the person arrested before the Court before which he is required by law to produce such person.

৪,৮৬১.
সংবিধানের ২৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মৌলিক অধিকারের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ আইন কী হবে?
  1. স্থগিত হবে
  2. বাতিল হবে
  3. সংশোধিত হবে
  4. কার্যকর থাকবে
সঠিক উত্তর:
বাতিল হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাতিল হবে
ব্যাখ্যা
⇒ সংবিধানের ২৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মৌলিক অধিকার সম্পর্কিত বিধানাবলীর সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ কোন প্রচলিত আইন সংবিধান-প্রবর্তন হতে ততখানি বাতিল হয়ে যাবে।
- অর্থাৎ, যদি কোন আইন মৌলিক অধিকারসমূহের সাথে সাংঘর্ষিক হয়, তবে সেই আইনটি বাতিল হয়ে যাবে এবং রাষ্ট্র কোন নতুন আইন প্রণয়ন করতে পারবে না যা মৌলিক অধিকারগুলোর সাথে অসমঞ্জস্যপূর্ণ হবে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৬ মৌলিক অধিকারের সহিত অসমঞ্জস আইন বাতিল:
(১) এই ভাগের বিধানাবলীর সহিত অসমঞ্জস সকল প্রচলিত আইন যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, এই সংবিধান-প্রবর্তন হইতে সেই সকল আইনের ততখানি বাতিল হইয়া যাইবে।
(২) রাষ্ট্র এই ভাগের কোন বিধানের সহিত অসমঞ্জস কোন আইন প্রণয়ন করিবেন না এবং অনুরূপ কোন আইন প্রণীত হইলে তাহা এই ভাগের কোন বিধানের সহিত যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হইয়া যাইবে। 
(৩) সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদের অধীন প্রণীত সংশোধনের ক্ষেত্রে এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই প্রযোজ্য হইবে না।
৪,৮৬২.
হাইকোর্ট পারমিশনের লিখিত পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করা প্রয়োজনীয় শর্ত বলা আছে-
  1. ২১ অনুচ্ছেদে
  2. ২২ অনুচ্ছেদে
  3. ১৯ অনুচ্ছেদে
  4. ২৭ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
২১ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
♦ ২১ অনুচ্ছেদে হাইকোর্ট বিভাগে অ্যাডভোকেট হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতাসমূহ উল্লেখ করা হয়েছে। ২১ (১) অনুচ্ছেদ অনুসারে কোন ব্যক্তি হাইকোর্ট বিভাগে আইন পেশা করার জন্য তালিকাভুক্ত হওয়ার জন্য যোগ্য হবে যদি-

ক) অ্যাডভোকেট হিসাবে বাংলাদেশের অধঃস্তন আদালতে অন্যূন (সর্বনিম্ম ২ বৎসর) আইন পেশা করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে;

খ) সে আইনে স্নাতক পাশ এবং অ্যাডভোকেট হিসাবে সরকারী গেজেটে উল্লেখিত বাংলাদেশের বাইরের কোন আদালতে আইন পাশ করেছে;

গ) তার লিগ্যাল ট্রেনিং বা অভিজ্ঞতার জন্য বার কাউন্সিল তাকে উপরে উল্লেখিত শর্ত হতে অব্যাহতি দিলে।

উপরে উল্লেখিত শর্তপূরণ সাপেক্ষে এবং ২২ অনুচ্ছেদে উল্লেখিত প্রয়োজনীয় ফি পরিশোধ করলে, হাইকোর্ট বিভাগে প্রাক্টিস করার অনুমতি দিবে।
৪,৮৬৩.
মামলার ফি নির্ধারণের ক্ষেত্রে কী বিষয় বিবেচনা করা যায় না?
  1. মামলার বিষয়বস্তুর নতুনত্ব ও অভিনবত্ব
  2. ক্ষতিপূরণ পাওয়ার ক্ষেত্রে কীরুপ নিশ্চয়তা/অনিশ্চয়তা বিদ্যমান
  3. একই ধরণের মামলায় আইনজীবী সমিতিতে সাধারণ প্র্যাক্টিস কেমন
  4. মক্কেলের আর্থিক সক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
মক্কেলের আর্থিক সক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মক্কেলের আর্থিক সক্ষমতা
ব্যাখ্যা
♦Conduct with regard to clients এর ২ নং অধ্যায়ের ১০ নং দফায় ফি নির্ধারণের ক্ষেত্রে কী কী বিষয় বিবেচনায় নেওয়া যাবে সেটি বলা আছে। মক্কেলের আর্থিক সক্ষমতা বেশি হলে বেশি টাকা নিতে হবে এই ধারণা সঠিক নয়। মক্কেলের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনার বিষয় হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি। বাকি ৩ টি বিষয় উল্লেখ আছে।
♦অচরণবিধি এর অধ্যায় ২, বিধি ১০ তে বলা আছে ফি নির্ধারণের ক্ষেত্রে একজন আইনজীবী তার পরামর্শ ও সেবারজন্য নিজের অতি মূল্যায়ন কিংবা অবমূল্যায়ন করবেনা। যদি কোন বিরোধপূর্ন সম্পত্তির মূল্য বিবেচনায় আইনজীবীর ফি কম বা না হওয়া যৌক্তিক হয়, সেক্ষেত্রে মক্কেলের সক্ষমতার কারণে উচ্চহারে ফি আদায় করা সমীচীন নহে। ফি নির্ধারনের ক্ষেত্রে সহআইনজীবীর পক্ষ হতে কোন যৌক্তিক অনুরোধ করা হলে তা সহৃদয়তার সাথে বিশেষ ভাবে বিবেচনা করতে হবে। কোন আইনজীবীর বিধবা স্ত্রী কিংবা তার এতিম সন্তানদের আইনী সহায়তা দেওয়ার প্রয়োজন হলে কোনরুপ ফি ব্যতিরেকে তাদেরকে আইনী সহায়তা দিতে হবে। ফি নির্ধারণের ক্ষেত্রে নিম্ন বর্ণিত বিষয়সমূহ বিবেচনায় রাখা সমীচীন হবে :
i) মামলার বিষয়বস্তুর নতুনত্ব, অভিনবত্ব ও প্রশ্নের জটিলতা নিরসনে কিরুপ দক্ষতা, শ্রম এবং সময় বিনিয়োগ করতে হবে।
ii) কোন মামলায় আইনীসেবা দেওয়ার জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত হলে তা উক্ত আইনজীবীর জন্য অন্য মামলায় অংশগ্রহনের ক্ষেত্রে কোন প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে কিনা কিংবা উক্ত মামলায় তার সম্পৃক্ততা না হলে ভাল হতো কিংবা উক্ত মামলায় তার অংশ গ্রহনের ফলে অন্য একটি মামলায় তার ক্ষতি হবে না।
iii) সদৃশ মামলা পরিচালনার ক্ষেত্রে আইনজীবী সমিতিতে ফি নেওয়ার কি নিয়ম প্রচলিত আছে।
iv)মামলার বিরোধপূর্ণ বিষয়ের মূল্যমান ও মামলার ফলাফলে মক্কেল কী পরিমাণ সুফল লাভ করবে।
v) ক্ষতিপূরণ প্রাপ্তিতে কিরুপ অনিশ্চয়তা কিংবা নিশ্চয়তা বিদ্যমান, এবং 
vi. আইনীসেবা দেওয়ার জন্য নিয়োগের ধরণ অর্থাৎ উক্ত নিয়োগ সাময়িক নাকি দীর্ঘমেয়াদী। উপরোক্ত বিষয়ের কোনটিই ফি নির্ধারণের ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রক হিসাবে কাজ করেনা বরং সেবার প্রকৃত মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে নির্দেশনা হিসাবে কাজ করে।
ফি নির্ধারণের ক্ষেত্রে ইহা ভুললে চলবেনা যে, আইন পেশা সুবিচার নিশ্চিত করার একটি পেশা, উক্ত পেশা কেবল মাত্র অর্থ উপার্জনের কোন পেশা নহে।
৪,৮৬৪.
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৩৮ ধারায় কোন আদালত ডিক্রি জারি করতে পারে?
  1. যে আদালতে ডিক্রিদার আবেদন করে
  2. যে আদালতে ডিক্রিদার এবং দায়িক আবেদন করে
  3. যে আদালতে ডিক্রি জারি করার জন্য প্রেরণ করা হয়েছে
  4. উল্লিখিত সব আদালত
সঠিক উত্তর:
যে আদালতে ডিক্রি জারি করার জন্য প্রেরণ করা হয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে আদালতে ডিক্রি জারি করার জন্য প্রেরণ করা হয়েছে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৩৮ ধারা অনুযায়ী দুই ধরনের আদালতকে ডিক্রি জারির ক্ষমতা দেয়া হয়েছে-
১। যে আদালত ডিক্রি ঘোষনা করেছে, সেই আদালত;
২। যে আদালতে ডিক্রি জারি করার জন্য প্রেরণ করা হয়েছে সেই আদালত।

Section 38- Court by which decree may be executed:
A decree may be executed either by the Court which passed it, or by the Court to which it is sent for execution.
৪,৮৬৫.
চুক্তি আইন অনুসারে এমন কোন ব্যক্তি যিনি এজেন্সির কাজে মূল এজেন্ট কর্তৃক নিযুক্ত হন এবং তার নিয়ন্ত্রণাধীন কাজ করে, তিনি হলো-
  1. সাব-এজেন্ট
  2. কো- এজেন্ট
  3. এজেন্ট
  4. প্রধান নিয়াগেকারী এজেন্ট
সঠিক উত্তর:
সাব-এজেন্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাব-এজেন্ট
ব্যাখ্যা
• চুক্তি আইনের ১৯১ ধারা মতে "সাব-এজেন্ট "-এর সংজ্ঞা (Sub-agent defined) সাব-এজেন্ট হচ্ছে এমন কোন ব্যক্তি যিনি এজেন্সির কাজে- মূল এজেন্ট কর্তৃক নিযুক্ত হন এবং তার নিয়ন্ত্রণে কাজ করেন।
----
Section 191. "Sub-agent" defined:
 A "sub-agent" is a person employed by, and acting under the control of, the original agent in the business of the agency.
৪,৮৬৬.
একজন অ্যাডভোকেট নিচের কোন উদ্দেশ্যে মামলা গ্রহণ বা আপিল করতে পারবেন না?
  1. ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য
  2. মক্কেলের আইনি অধিকার রক্ষার জন্য
  3. প্রতিপক্ষকে হয়রানি বা মামলা দীর্ঘসূত্রিতার জন্য
  4. আদালতের সিদ্ধান্তের আইনগত ত্রুটি চিহ্নিত করার জন্য
সঠিক উত্তর:
প্রতিপক্ষকে হয়রানি বা মামলা দীর্ঘসূত্রিতার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিপক্ষকে হয়রানি বা মামলা দীর্ঘসূত্রিতার জন্য
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) প্রতিপক্ষকে হয়রানি বা মামলা দীর্ঘসূত্রিতার জন্য।
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette এর Chapter IV, Rule 1 অনুযায়ী, একজন অ্যাডভোকেট প্রতিপক্ষকে হয়রানি বা মামলা দীর্ঘসূত্রিতার জন্য কোন মামলা গ্রহণ বা আপিল করতে পারবেন না। এর উদ্দেশ্য হলো আইনি প্রক্রিয়াকে ব্যবহার করে হিংসা, প্রতিহিংসা, বা ইচ্ছাকৃতভাবে সময়ক্ষেপণ করা প্রতিরোধ করা।

অন্যদিকে, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও মক্কেলের আইনি অধিকার রক্ষা বা আদালতের সিদ্ধান্তের আইনগত ত্রুটি চিহ্নিত করার জন্য মামলা গ্রহণ বা আপিল করা সম্পূর্ণভাবে সঠিক এবং নৈতিক।

⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর Chapter IV: Conduct with Regard to the Public Generally অনুযায়ী, একজন অ্যাডভোকেটের নৈতিক ও পেশাগত দায়িত্ব হলো সমাজ ও আদালতের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে তার কার্যক্রম পরিচালনা করা।
এই অধ্যায়ের Rule 1-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে:
"An Advocate shall not accept employment to prosecute or defend a case out of spite or for the purpose of harassing anyone or delaying any matter nor shall he take or prosecute an appeal willfully motivated to harass any one or delay any matter."
অর্থাৎ, যদি কোনো মামলা গ্রহণ বা আপিল করার উদ্দেশ্য হয়: হিংসা, প্রতিহিংসা, হয়রানি করা, অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে সময়ক্ষেপণ করা, তাহলে সে কাজটি অ্যাডভোকেটের পেশাগত নৈতিকতা পরিপন্থী এবং এটি করা অনুচিত।
৪,৮৬৭.
নিম্নলিখিত কোনটি চেক প্রত্যাখ্যানের বিষয়ে নোটিশ প্রদানের বৈধ মাধ্যম নয়?
  1. ই-মেইল
  2. ব্যক্তিগতভাবে প্রদান
  3. জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞাপন
  4. রেজিস্টার্ড ডাকযোগে প্রেরণ
সঠিক উত্তর:
ই-মেইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ই-মেইল
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ই-মেইল।

হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ধারা ১৩৮- অর্থের ঘাটতির কারণে চেক প্রত্যাখ্যান:

(১) যদি কোনো ব্যক্তি নিজের ব্যাংক হিসাবে রক্ষিত অর্থ থেকে অন্য কোনো ব্যক্তিকে পরিশোধের জন্য একটি চেক প্রদান করেন এবং উক্ত চেকটি ব্যাংক কর্তৃক প্রত্যাখ্যাত হয় ওই হিসাবে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকার কারণে, অথবা উক্ত ব্যাংকের সাথে চুক্তি অনুযায়ী অনুমোদিত পরিমাণের চেয়ে বেশি অর্থ চেকের মাধ্যমে তোলা হয়েছে - তবে উক্ত ব্যক্তিকে একটি অপরাধে দোষী গণ্য করা হবে এবং তাকে ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা চেকের পরিমাণের তিন গুণ পর্যন্ত অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।

শর্তাবলি:
এই ধারা প্রযোজ্য হবে তখনই, যদি:
(ক) চেকটি ইস্যুর তারিখ হতে ৬ মাসের মধ্যে বা তার মেয়াদ থাকাকালীন, যেটি আগে ঘটে, ব্যাংকে উপস্থাপন করা হয়;
(খ) চেক প্রত্যাখ্যাত হওয়ার বিষয়ে ব্যাংক থেকে তথ্য পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে, প্রাপ্য বা উপযুক্ত ধারক লিখিতভাবে টাকা চেয়ে নোটিশ প্রদান করেন;
(গ) নোটিশ পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে, চেকদাতা উক্ত অর্থ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হন।

(১ক) উপ-ধারা (১)-এর (খ) দফায় উল্লিখিত নোটিশ প্রদান করা যেতে পারে নিম্নলিখিত ৩টি পদ্ধতিতে:
(ক) ব্যক্তিগতভাবে চেকদাতাকে প্রদান করে;
(খ) প্রাপকের সাধারণ বা সর্বশেষ পরিচিত ঠিকানায় প্রাপ্তিস্বীকারসহ রেজিস্টার্ড ডাকযোগে পাঠিয়ে;
(গ) একটি বহুল প্রচারিত বাংলা জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশ করে।

(২) যদি উপ-ধারা (১) অনুযায়ী অর্থদণ্ড আদায় করা হয়, তবে চেকের মূল পরিমাণ পর্যন্ত অর্থ চেকধারককে প্রদান করা হবে (যতটুকু আদায় সম্ভব হয়)।

(৩) উপ-ধারা (১) ও (২)-এর বিধান সত্ত্বেও, চেকধারক সিভিল আদালতের মাধ্যমে বকেয়া টাকা আদায়ের মামলা দায়ের করার অধিকার সংরক্ষণ করেন, যদি পুরো অর্থ বা আংশিক অর্থ আদায় না হয়।
৪,৮৬৮.
দণ্ডবিধি অনুসারে- “Wrongful loss” is the loss by unlawful means of property to which the person losing it is ___________.
  1. legally entitled
  2. not legally entitled
  3. in possesion of any property
  4. not in possesion of any property
সঠিক উত্তর:
legally entitled
উত্তর
সঠিক উত্তর:
legally entitled
ব্যাখ্যা
• Section 23- Wrongful loss:
"Wrongful loss" is the loss by unlawful means of property to which the person losing it is legally entitled.
"অন্যায্য ক্ষতি" হল অবৈধ উপায়ে এমন সম্পত্তির ক্ষতি যার উপর ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আইনগত অধিকার রয়েছে।
৪,৮৬৯.
'চ'- কে ডাকাতির দায়ে দণ্ডিত করার উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে 'ক' আদালতে মিথ্যা সাক্ষ্য দান করে। এক্ষেত্রে 'ক' সর্বোচ্চ কী শাস্তি পাবে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৯৫ ধারা- যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে দণ্ডিত করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্যদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করা:
কোন ব্যক্তি যদি বর্তমানে বলবৎ কোন আইনবলে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় নয়, কিন্তু যাবজ্জীবন কিংবা সাত বৎসর বা তদূর্ধ্ব মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে অন্য কোন ব্যক্তিকে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যে অথবা উক্ত অন্য কোন ব্যক্তি অনুরূপ অপরাধে দণ্ডিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি পূর্বোলিখিত অপরাধে কোন ব্যক্তি অপরাধী সাব্যস্ত হলে তাকে যে দণ্ডে দণ্ডিত করা যেত, সেই দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

উদাহরণ-
মিথ্যা সাক্ষ্য কর্তৃক 'চ'-কে ডাকাতির দায়ে দণ্ডিত করার মানসে ক আদালতে মিথ্যা সাক্ষ্য দান করে। ডাকাতির সাজা হচ্ছে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ডসহ বা অর্থদণ্ড ছাড়া দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ড। সুতরাং 'ক' যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা অর্থদণ্ডসহ বা ছাড়া কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

Section 195- Giving or fabricating false evidence with intent to procure conviction of offence punishable with imprisonment for life or imprisonment:
Whoever gives or fabricates false evidence intending thereby to cause, or knowing it to be likely that he will thereby cause, any person to be convicted of an offence which by any law for the time being in force is not capital, but punishable with imprisonment for life, or imprisonment for a term of seven years or upwards, shall be punished as a person convicted of that offence would be liable to be punished.

Illustration-
A gives false evidence before a Court of Justice, intending thereby to cause Z to be convicted of a dacoity. The punishment of dacoity is imprisonment for life, or rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, with or without fine. A, therefore, is liable to such imprisonment for life or imprisonment, with or without fine.
৪,৮৭০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারার অধীনে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যায়?
  1. ১২ ধারা
  2. ২১ ধারা
  3. ৩১ ধারা
  4. ৩৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
১২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী ৪টি ক্ষেত্রে চুক্তি বলবৎ করার জন্য মামলা করা যায়:
(১) সম্পত্তিটি যদি সম্পূর্ণ/আংশিক ট্রাস্ট এর অন্তর্ভুক্ত হয়,
(২) ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা সম্ভব না হল,
(৩) টাকা দিয়ে ক্ষতিপূরণ সম্ভব না হল,
(৪) ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে।
 
-তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১১৩ অনুযায়ী ১২ ধারার মামলা ১ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হবে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারার বিধান: যেসব ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদায়যোগ্য: 
যদি এ অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধিবদ্ধ না থাকে, তবে যে কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আদায় করা যেতে পারে:
(ক) যখন সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন পুরোপুরি বা অংশত একটি জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হয়;
(খ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ সম্পাদন না করলে কার্যত যে ক্ষতি সাধিত হবে, তার নির্ণয় করার কোন মানদণ্ডের অস্তিত্ব থাকে না;
(গ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ এমন হয় যে, তা সম্পাদন না করে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রতিকার লাভ করা যায় না; অথবা
(ঘ) যখন এই সম্ভাবনা থাকে যে, সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন না করার জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না।
ব্যাখ্যা: যদি না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না বিপরীত কিছু প্রমাণিত হয়, আদালত এটা অবশ্যই ধরে নিবে যে, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের পর্যাপ্ত প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে সম্ভব নয় এবং অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার তেমনভাবে করা যায়।
--------------
SR Act: Section-12. Cases in which specific performance enforceable:
Except as otherwise provided in this Chapter, the specific performance of any contract may in the discretion of the Court be enforced-
(a) when the act agreed to be done is in the performance, wholly or partly, of a trust;
(b) when there exists no standard for ascertaining the actual damage caused by non-performance of the act agreed to be done;
(c) when the act agreed to be done is such that pecuniary compensation for its non-performance would not afford adequate relief; or
(d) when it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the non-performance of the act agreed to be done.
Explanation - Unless and until the contrary is proved, the Court shall presume that the breach of a contract to transfer immoveable property cannot be adequately relieved by compensation in money, and that the breach of a contract to transfer moveable property can be thus relieved.
৪,৮৭১.
চার্জ গঠনের সময় ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে কী জিজ্ঞাসা করবেন?
  1. তার নাম ও পরিচয়
  2. সে অপরাধ করেছে কিনা
  3. সে মুক্তি চায় কিনা
  4. সে আদালতের উপর আস্থা রাখে কিনা
সঠিক উত্তর:
সে অপরাধ করেছে কিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সে অপরাধ করেছে কিনা
ব্যাখ্যা
⇒ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারা পর্যন্ত বর্ণনা করা হয়েছে। ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিয়ে যদি এই মত পোষণ করেন যে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন তাহলে চার্জ গঠনের আগে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে পারেন। আর যদি অভিযুক্ত অপরাধ করেছে বলে মনে হয়, তবে যে অপরাধের জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছে সেই অপরাধ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট ২৪২ ধারায় আনুষ্ঠানিকভাবে চার্জ গঠন করবেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪২ ধারার ধারার বিধান- চার্জ গঠন:
যদি উপরোক্ত বিবেচনা ও শুনানি শেষে ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন যে, অভিযুক্ত অপরাধ করেছে এমন ধারণা করার জন্য যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে, তবে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অপরাধ সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক চার্জ গঠন করবেন এবং তাকে জিজ্ঞাসা করবেন যে, তিনি এই অপরাধটি করেছেন কিনা
৪,৮৭২.
কোন মামলা চলমান থাকা অবস্থায় বাদী সুস্থ মস্তিষ্ক সম্পন্ন ছিল। মামলার ডিক্রি হওয়ার পর বাদী উন্মাদ হয়ে যায়। মামলার ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করার তামাদির মেয়াদ-
  1. তামাদির মেয়াদ স্থগিত থাকবে।
  2. তামাদির মেয়াদ স্থগিত থাকবে না।
  3. নির্ধারিত সময়ে আপিল না করলে আপিল খারিজ হবে।
  4. খ ও গ উভয়
সঠিক উত্তর:
খ ও গ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ ও গ উভয়
ব্যাখ্যা
♠♠ 
• তামাদি আইনের ৬ ধারা মূল মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য কিন্তু আপিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়;
• তাই খ ও গ সঠিক উত্তর হবে।   
৪,৮৭৩.
স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual Injunction) কখন দেয়া হয়?
  1. মোকদ্দমার শুরুতে,
  2. ডিক্রির মাধ্যমে,
  3. মোকদ্দমার শেষে আদেশের মাধ্যমে,
  4. মোকদ্দমা চলাকালীন যে কোন সময়ে,
সঠিক উত্তর:
ডিক্রির মাধ্যমে,
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রির মাধ্যমে,
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫৩ ধারার মতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:-অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হচ্ছে তেমন নিরোধ যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোন পর্যায়েই তা মঞ্জুর করা যায় এবং তা দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়।

চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবলমাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়। যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।
--------- 
⇒ Section 53 Temporary injunctions: Temporary injunctions are such as are to continue until a specified time, or until the further order of the Court. They may be granted at any period of a suit, and are regulated by the Code of Civil Procedure.
 
Perpetual injunctions: A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit, the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.
৪,৮৭৪.
মানব পাচার প্রতিরোধ দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা পরিচালনার জন্য কে বিশেষ প্রসিকিউটর নিয়োগ করতে পারে?
  1. হাইকোর্ট
  2. সরকার
  3. ট্রাইব্যুনাল
  4. সরকারের পরামর্শে ট্রাইব্যুনাল
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
ধারা ১৭- অভিযোগ দায়ের

(১) এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটিত হইলে কোন ব্যক্তি পুলিশ অথবা ট্রাইব্যুনালের নিকট উক্ত অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ দায়ের করিতে পারিবে এবং পুলিশ এই ধরণের অভিযোগ আনয়নকারী ব্যক্তিকে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা প্রদান করিবে এবং আইনি কার্যধারার কারণে অন্যরূপ প্রয়োজন না হইলে, তাহার নাম পরিচয় গোপন রাখিবে। 
 
(২) ট্রাইব্যুনালে মামলা পরিচালনা করিবার জন্য সরকার, প্রয়োজন মনে করিলে, এক বা একাধিক বিশেষ প্রসিকিউটর (রাষ্ট্রপক্ষীয় আইনজীবী) নিয়োগ করিতে পারিবে।
 
(৩) ট্রাইব্যুনাল উপ-ধারা (২) এর অধীন নিযুক্ত কোন বিশেষ প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে দায়িত্বে গুরুতর অবহেলার প্রতিবেদন সরকারের নিকট দাখিল করিলে সরকার উক্ত প্রসিকিউটরকে অপসারণ বা প্রতিস্থাপিত করিবে।
৪,৮৭৫.
'A' একজন ব্যক্তিকে 'X' আদালতের এখতিয়াধীন এলাকার মধ্যে আহত করে এবং উক্ত ব্যক্তি 'Z' এখতিয়াধীন এলাকার মধ্যে মারা যান। এক্ষেত্রে A-এর মামলাটি কোন আদালতে বিচার করা যাবে?
  1. শুধু X  আদালতে
  2. শুধু Z আদালতে
  3. যে আদালতে A চায়
  4. X বা Z যেকোনো আদালতে
সঠিক উত্তর:
X বা Z যেকোনো আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
X বা Z যেকোনো আদালতে
ব্যাখ্যা

ধারা ১৭৯ – অপরাধের স্থানে বা ফলাফলের স্থানে বিচারযোগ্যতা:
যদি কেউ কোনো অপরাধ সংঘটিত করার কারণে অভিযুক্ত হয়, এবং সেই অপরাধের ফলে কোনো পরিণতি (consequence) ঘটে, তাহলে সেই অপরাধ যে কোনো আদালতের স্থানীয় সীমার মধ্যে সংঘটিত হয়েছে বা যে আদালতের সীমার মধ্যে তার ফলাফল ঘটেছে, সেই আদালতে তদন্ত বা বিচার করা যেতে পারে।

উদাহরণ:
(ক) 'A' একজন ব্যক্তিকে 'X' আদালতের এখতিয়াধীন এলাকার মধ্যে আহত করে এবং উক্ত ব্যক্তি 'Z' এখতিয়াধীন এলাকার মধ্যে মারা যান। এক্ষেত্রে A-এর মামলাটি X বা Z আদালতে তদন্ত বা বিচার করা যেতে পারে।

৪,৮৭৬.
‘E’ একটি পরিবহনকারী হিসেবে ‘Z’-এর সম্পত্তি বহনের জন্য অর্পিত হয় এবং সেই সম্পত্তি অসাধুভাবে আত্মসাৎ করে। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর বিধান অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  4. ১০ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪০৫ অনুসারে, কোনো ব্যক্তি যিনি সম্পত্তি বা সম্পত্তির উপর নিয়ন্ত্রণের জন্য অর্পিত হয়েছেন, সেই সম্পত্তি অসাধুভাবে আত্মসাৎ করলে বা নিজের ব্যবহারে রূপান্তর করলে তা অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ (Criminal Breach of Trust) হিসেবে গণ্য। এখানে, ‘E’ একজন পরিবহনকারী হিসেবে ‘Z’-এর সম্পত্তি বহনের জন্য অর্পিত ছিলেন এবং তা অসাধুভাবে আত্মসাৎ করেছেন, যা ধারা ৪০৫-এর অধীনে অপরাধ। ধারা ৪০৭ অনুসারে, পরিবহনকারী হিসেবে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের শাস্তি হলো ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা। সুতরাং, অপরাধের নাম অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ এবং সর্বোচ্চ শাস্তি ৭ বছরের কারাদণ্ড।
সুতরাং, ‘E’-এর অপরাধের জন্য ধারা ৪০৭ অনুসারে অপরাধের নাম অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ এবং সর্বোচ্চ শাস্তি ৭ বছরের কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪০৭: পরিবহনকারী, গুদামদার ইত্যাদির দ্বারা বিশ্বাসভঙ্গ-
যে কেউ, যিনি পরিবহনকারী (carrier), ঘাটের মালিক বা তত্ত্বাবধায়ক (wharfinger), অথবা গুদামদার (warehouse-keeper) হিসেবে কোনো সম্পত্তি সংরক্ষণের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত হন, এবং সেই সম্পত্তি সম্পর্কে বিশ্বাসভঙ্গ করেন, তিনি সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং তার সাথে অর্থদণ্ডও হতে পারে।
---------- 
⇒The Penal Code, 1860- Section 407- Criminal breach of trust by carrier, etc.
Whoever, being entrusted with property as a carrier, wharfinger or warehouse-keeper, commits criminal breach of trust in respect of such property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.

৪,৮৭৭.
কোন ক্ষেত্রে ডিক্রিদার দায়িকের বিরুদ্ধে জারী মামলা করতে পারে না?
  1. দখল উদ্ধারের ডিক্রি
  2. স্বত্ব ঘোষণার ডিক্রি
  3. বাটোয়ারার চূড়ান্ত ডিক্রি
  4. স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি
সঠিক উত্তর:
স্বত্ব ঘোষণার ডিক্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বত্ব ঘোষণার ডিক্রি
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।

ঘোষণামূলক মামলায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বা Declaratory Decree বলে। অর্থাৎ ৪২ ধারায় আদালত যে ডিক্রি প্রদান করে,তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree) বলে।

স্বত্ব ঘোষণার ক্ষেত্রে ডিক্রি জারীর মামলা করার প্রয়োজন হয় না। কারণ এই ক্ষেত্রে শুধুমাত্র ঘোষণার মাধ্যমেই ডিক্রিদার (স্বত্ব ঘোষণা প্রার্থীত ব্যক্তির) অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়। যেমন 'ক' আদালতে এই মর্মে ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করে যে, সে 'খ' এর ছেলে। আদালত 'ক' এর পক্ষে ডিক্রি প্রদান করে। এই ক্ষেত্রে 'ক' কে ডিক্রি জারির আবেদন করার প্রয়োজন নেই। কিন্তু দখল উদ্ধার, বাটোয়ারা এবং স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার ক্ষেত্রে ডিক্রি জারী আবেদন দায়ের করতে হয়।
৪,৮৭৮.
বার কাউন্সিল অর্ডার অনুযায়ী আইনজীবী নয় এমন ব্যক্তি আইনচর্চা করলে তার সর্বোচ্চ শাস্তি হবে?
  1. ৩ মাস কারাদণ্ড
  2. ৬ মাস কারাদণ্ড
  3. ১ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৩ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৬ মাস কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ বার কাউন্সিল অর্ডারের অনুচ্ছেদ ৪১ অনুসারে আইনজীবী নয় এমন ব্যক্তির আইনচর্চা করলে তার শাস্তির বিধান বলা আছে।
- বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৪১ অনুসারে, কোন ব্যক্তি যদি আইনজীবী না হয়েও আইন পেশা চর্চা করেন অথবা হাইকোর্টে অনুশীলন করার অধিকারী না হয়েও সেখানে অনুশীলন করেন, তাহলে তাকে সর্বোচ্চ ছয় মাস কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।
-------------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972: Article- 41. Any person who is not an advocate and practises the profession of law and any person who is not entitled under this Order to practise in the High Court practises before that Court shall be punishable with imprisonment for a term which may extend to six months.

৪,৮৭৯.
যদি কোনো ব্যক্তি জ্ঞাতসারে একটি মিথ্যা সার্টিফিকেট সত্য হিসেবে ব্যবহার বা ব্যবহারের চেষ্টা করে তাহলে তিনি দণ্ডবিধির কোন ধারায় অপরাধী হিসেবে গণ্য হবে?
  1. ধারা ১৯৪
  2. ধারা ১৯৬
  3. ধারা ১৯৮
  4. ধারা ১৯৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৯৮
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১৯৮-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে (corruptly) একটি মিথ্যা সার্টিফিকেটকে সত্য হিসেবে ব্যবহার বা ব্যবহারের চেষ্টা করে, এবং তিনি জানেন যে এটি কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মিথ্যা, তাহলে তিনি মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার অপরাধের সমতুল্য শাস্তি (ধারা ১৯৩ অনুযায়ী) পাওয়ার যোগ্য হবেন।
→ সুতরাং, মিথ্যা সার্টিফিকেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে ধারা ১৯৮ প্রযোজ্য।

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ১৯৮ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি জ্ঞাতসারে একটি মিথ্যা সার্টিফিকেটকে সত্য হিসেবে দুর্নীতিপূর্ণভাবে ব্যবহার করেন বা ব্যবহার করার চেষ্টা করেন, এবং ঐ সার্টিফিকেটের কোনো অংশ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মিথ্যা হয়, তাহলে তিনি মিথ্যা সাক্ষ্যদানের মতো শাস্তিযোগ্য হবেন।

⇒The Penal Code, 1860-Section- 198. Using as true a certificate known to be false:
 Whoever corruptly uses or attempts to use any such certificate as a true certificate, knowing the same to be false in any material point, shall be punished in the same manner as if he gave false evidence.

৪,৮৮০.
কোন নারীর শ্লীলতাহানী বা অমর্যাদা করার উদ্দেশ্যে কোন কথা, অঙ্গভঙ্গি, বস্তু প্রদর্শন বা কোন কাজ করার শাস্তি রয়েছে?
  1. ৫০৬ ধারায়
  2. ৫০৯ ধারায়
  3. ৫১০ ধারায়
  4. ৪৯৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫০৯ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৫০৯ ধারা অনুযায়ী কোন নারীর শ্লীলতাহানী বা অমর্যাদা করার উদ্দেশ্যে কোন কথা, অঙ্গভঙ্গি, বস্তু প্রদর্শন বা কোন কাজ করার শাস্তি হলো অনধিক ১ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড।
• ইভ-টিজিং করার শাস্তি ৫০৯ ধারায় প্রদান করা হয়।
৪,৮৮১.
'ক', 'খ'- কে একটি মামলা করা হতে বিরত রাখার জন্য, 'খ'- এর বাড়ি পুড়ে ফেলার ভয় দেখায়। এক্ষেত্রে 'ক' কোন অপরাধের দায়ে অপরাধী হবে?
  1. দস্যুতা
  2. বলপূর্বক গ্রহণ
  3. অনিষ্টসাধন
  4. অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৫০৩ ধারা: অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন করা-

কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তিকে তার দেহের, খ্যাতির বা সম্পত্তির অথবা সে ব্যক্তি যার সাথে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট এমন কোন লোকের দেহের বা খ্যাতির ক্ষতি বা হানি করার ভীতি প্রদর্শন করে এবং সে ব্যক্তির ভয় সরকারের উদ্দেশ্যে অথবা সে ব্যক্তিকে হুমকি হতে বাঁচার জন্য সে আইনতঃ যা করতে বাধ্য নয়, তাকে তা করতে বাধ্য করায়, অথবা সে আইনত যা করার ক্ষমতা সম্পন্ন, তাকে তা করা হতে বিরত থাকতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ ভীতি প্রদর্শন করে, তবে সে ব্যক্তি অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন করেছে।

ব্যাখ্যা:- ভীতি প্রদর্শিত ব্যক্তির স্বার্থ নিহিত আছে এমন কোন মৃত ব্যক্তির সুনাম নষ্ট করার ভীতি প্রদর্শন এই ধারার আওতাধীন হবে।

উদাহরণঃ
ক খ-কে একটি দেওয়ানী মামলা পরিচালনা করা হতে বিরত করার জন্য খ-এর বাড়ি পুড়ে ফেলার ভীতি প্রদর্শন করে, ক অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের দায়ে অপরাধী হবে।

Section 503: Criminal Intimidation
Whoever threatens another with any injury to his person, reputation or property, or to the person or reputation of any one in whom that person is interested, with intent to cause alarm to that person, or to cause that person to do any act which he is not legally bound to do, or to omit to do any act which that person is legally entitled to do, as the means of avoiding the execution of such threat, commits criminal intimidation.
Explanation:- A threat to injure the reputation of any deceased person in whom the person threatened is interested, is within this sect on.

Illustration:
A, for the purpose of inducing B to desist from prosecuting a civil suit, threatens to burn B's house. A is guilty of criminal intimidation.
৪,৮৮২.
ধারা ১৫(১) অনুসারে কোন সময় বাদ দিতে হবে?
  1. নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দিন
  2. নিষেধাজ্ঞা জারির দিন
  3. নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকা পুরো সময়
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা

তামাদি আইনের ১৫ ধারার বিধান অনুযায়ী, কার্যক্রম স্থগিত থাকাকালীন সময় বাদ দিতে হইবে-
(১) যেই মামলা বা ডিক্রি জারির দরখাস্ত দায়ের বা জারি কোনো নিষেধাজ্ঞা বা আদেশ দ্বারা স্থগিত রাখা হয়েছে, তার জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনার সময়, যতদিন উক্ত নিষেধাজ্ঞা বা আদেশ বলবৎ ছিল, যেদিন তা প্রদত্ত হয়েছিল এবং যেদিন তা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, তা বাদ দিতে হবে।

(২) যেই মামলার জন্য বর্তমানে বলবৎ অন্য কোনো আইনের বিধান অনুসারে নোটিশ দেয়া হয়েছে, তার জন্য নির্ধারিত মেয়াদ গণনায় নোটিশের কাল বাদ দিতে হবে।

৪,৮৮৩.
সাধারণভাবে নিচে বর্ণিত কোন পরিস্থিতিতে দোষ স্বীকার গ্রহণযোগ্য নয়?
  1. ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রদত্ত স্বীকারোক্তি
  2. দায়রা জজের কাছে দেওয়া দোষ স্বীকারোক্তি
  3. পুলিশ অফিসারের নিকট দেওয়া দোষ স্বীকারোক্তি 
  4. পুলিশের কাছে দেওয়া দোষ স্বীকার অনুযায়ী আলামত উদ্ধার করলে
সঠিক উত্তর:
পুলিশ অফিসারের নিকট দেওয়া দোষ স্বীকারোক্তি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশ অফিসারের নিকট দেওয়া দোষ স্বীকারোক্তি 
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: পুলিশ অফিসারের নিকট দেওয়া দোষ স্বীকারোক্তি।

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ২৫ অনুযায়ী-
“কোনো ব্যক্তির দ্বারা পুলিশ অফিসারের নিকট প্রদত্ত স্বীকারোক্তি (confession) আদালতে গ্রহণযোগ্য নয়।”

অর্থাৎ, যদি কোনো আসামি পুলিশ অফিসারের কাছে দোষ স্বীকার করে, তাহলে সেই স্বীকারোক্তি অগ্রহণযোগ্য (inadmissible) হবে — আদালতে প্রমাণ হিসেবে তা ব্যবহার করা যায় না।

তবে ব্যতিক্রম (Exception):
ধারা ২৭ (Discovery under police confession):
যদি পুলিশের কাছে দেওয়া স্বীকারোক্তির ফলে কোনো আলামত (evidence or object) উদ্ধার হয়, তাহলে শুধু সেই উদ্ধার সম্পর্কিত অংশটুকু আদালতে গ্রহণযোগ্য হবে। (যেমন: অভিযুক্ত বলল “আমি ছুরিটা গাছের নিচে লুকিয়েছি,” এবং ছুরি উদ্ধার হলো - তবে শুধু সেই অংশই প্রাসঙ্গিক।)

৪,৮৮৪.
Under Order 35 Rule 2, who is required to place the thing claimed before the court?
  1. The defendant
  2. The plaintiff
  3. Both plaintiff & defendant
  4. None of them
সঠিক উত্তর:
The plaintiff
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The plaintiff
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৫ বিধি-২: দাবীকৃত বস্তু আদালতে জমা প্রদান:
যেক্ষেত্রে দাবীকৃত বস্তু আদালতে প্রদানের বা আদালতের হেফাজতে রাখার যোগ্য হয়, সেক্ষেত্রে মোকদ্দমায় বাদী কোন আদেশের অধিকারী হওয়ার পূর্বে বাদীকে সেটা অনুরূপভাবে প্রদান করতে বা স্থাপন করতে তলব করা যেতে পারে।

Rule.-2: Payment of thing claimed into Court:
Where the thing claimed is capable of being paid into Court or placed in the custody of the the plaintiff may be required to so pay or place it before he can be entitled to any order in the suit.
৪,৮৮৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২৭ অনুযায়ী, চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন কার বিরুদ্ধে করা যেতে পারে?
  1. শুধুমাত্র মূল পক্ষ
  2. শুধুমাত্র দ্বিতীয় পক্ষ
  3. চুক্তির যেকোনো পক্ষ
  4. চুক্তির বাইরের ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
চুক্তির যেকোনো পক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তির যেকোনো পক্ষ
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৭ ধারার অধীনে, একটি চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন যেকোনো পক্ষের বিরুদ্ধে করা যেতে পারে। অর্থাৎ, চুক্তির কোনো একপক্ষ যদি চুক্তির শর্তগুলো পূরণ না করে বা চুক্তি ভঙ্গ করে, তাহলে সেই পক্ষের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন চাওয়া যেতে পারে। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, চুক্তির যে কোনো পক্ষ (এবং তার অধিকারী বা উত্তরাধিকারী) বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যেতে পারে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭- ধারা ২৭: পক্ষ ও তাদের অধিকারী ব্যক্তি যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন করা যেতে পারে:
এই অধ্যায়ে অন্যথায় নির্ধারিত না থাকলে, চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন নিম্নলিখিত ব্যক্তির বিরুদ্ধে করা যেতে পারে:
(ক) চুক্তির যেকোনো পক্ষ;
(খ) যে কোনো ব্যক্তি যে পক্ষের অধিকারী হয়ে, চুক্তির পরবর্তী সময়ে যে অধিকার দাবি করে, তবে এমন একজন ট্রান্সফারি যিনি সদ্ভাবে এবং মূল চুক্তি সম্পর্কে অবগত না হয়ে মূল্য পরিশোধ করেছেন, তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন করা যাবে না;
(গ) যে কোনো ব্যক্তি যে চুক্তির আগে কোনো অধিকার দাবি করে, যা বাদী জানতেন এবং যার বিরুদ্ধে বিবাদী সেটি বাতিল করতে সক্ষম ছিল;
(ঘ) যখন একটি পাবলিক কোম্পানি একটি চুক্তি সম্পাদন করে এবং পরে অন্য একটি পাবলিক কোম্পানির সাথে একত্রীভূত হয়ে নতুন কোম্পানি গঠন হয়, তখন সেই নতুন কোম্পানির বিরুদ্ধে প্রথম চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন করা যেতে পারে;
(ঙ) যখন পাবলিক কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতারা কোম্পানি প্রতিষ্ঠার আগেই একটি চুক্তি সম্পাদন করেন, তখন সেই কোম্পানির বিরুদ্ধে সেই চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন করা যেতে পারে, তবে শর্ত হলো কোম্পানি চুক্তিটি অনুমোদন ও গৃহীত করেছে এবং প্রতিষ্ঠার শর্তাবলীর সাথে তা সামঞ্জস্যপূর্ণ।
-------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section- 27.Relief against parties and persons claiming under them by subsequent title
 Except as otherwise provided by this Chapter, specific performance of a contract may be enforced against- 
(a) either party thereto; 
(b) any other person claiming under him by a title arising subsequently to the contract, except a transferee for value who has paid his money in good faith and without notice of the original contract; 
(c) any person claiming under a title which, though prior to the contract and known to the plaintiff, might have been displaced by the defendant; 
(d) when a public company has entered into a contract and subsequently becomes amalgamated with another public company, the new company which arises out of the amalgamation; 
(e) when the promoters of a public company have, before its incorporation, entered into a contract, the company: provided that the company has ratified and adopted the contract and the contract is warranted by the terms of the incorporation. 
৪,৮৮৬.
মুসলিম আইনে 'ইজমা' কী বোঝায়?
  1. রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর বাণী
  2. চিন্তার মাধ্যমে নতুন সিদ্ধান্ত
  3. মুসলিম আইনজ্ঞদের ঐকমত্য
  4. কোরআনের নির্দেশের ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর:
মুসলিম আইনজ্ঞদের ঐকমত্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুসলিম আইনজ্ঞদের ঐকমত্য
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম আইনের উৎস প্রধানত ৪টি-
১. পবিত্র কোরআন;
২. হাদিস;
৩. ইজমা;
৪. কিয়াস।

কোরআন-
ইসলামী শরিয়তের ভিত্তি চারটি প্রধান উৎসের উপর স্থাপিত, যার মধ্যে সর্বপ্রথম এবং সর্বোচ্চ মর্যাদাপূর্ণ উৎস হলো কোরআনুল কারিম। এটি মুসলিমদের জীবন পরিচালনার জন্য আল্লাহ প্রদত্ত চূড়ান্ত নির্দেশিকা এবং ইসলামী আইনের মূল ভিত্তি।

আইনের দ্বিতীয় উৎস হাদিস:
হাদিস অর্থ কথা বা বাণী। ইসলামী শরিয়তের দ্বিতীয় মানদণ্ড সুন্নাহ বা হাদিস। শরিয়তের পরিভাষায় রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর মুখ নিঃসৃত বাণী, রাসুল হিসাবে তাঁর সম্পাদিত কাজ এবং সাহাবায়ে কেরামের শরিয়ত সম্পর্কিত এমন সব কথা ও কাজ রাসুলুল্লাহ (সা.) যার প্রতিবাদ করেননি বা নীরব থেকে এর প্রতি মৌন সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন, তাই হাদিস।

ইজমা:
ইসলামের আইনে তৃতীয় উৎস ইজমা। কোনো বিশেষ যুগে কোনো বিশেষ প্রশ্নে মুসলিম আইনজ্ঞদের ঐকমত্যকে আইনের পরিভাষায় ইজমা বলে। এর দুটি তাৎপর্য রয়েছে। 
রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর মৃত্যুর পর মুসলিম রাষ্ট্রের বিস্তৃতির ফলে নবোদ্ভূত অনেক সমস্যা দেখা যায়, যা কোরআন-হাদিস নিয়ে সমাধা হয় না। ফলে মুসলিম সমাজ কোরআন হাদিসের শিক্ষার ভিত্তিতে স্বাধীন চিন্তায় ইজমার প্রয়োজন অনুভব করে। ইজমা তিনটি উপায়ে নির্ধারিত হয়—কথা, কাজ ও নীরবতায়।

কিয়াস: 
কিয়াস ইসলামি আইনের চতুর্থ উৎস। চিন্তার মাধ্যমে নতুন সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া হলো কিয়াস। যে প্রশ্নে কোরআন-হাদিস নিশ্চুপ এবং ইজমাতেও সমাধান নেই, সেই প্রশ্নের সমাধানকল্পে সব সুন্নি মাজহাব যে উৎসের আশ্রয় গ্রহণ করেন, তাকে কিয়াস বলা হয়।

৪,৮৮৭.
মুসলিম বিবাহ বৈধ হওয়ার জন্য কমপক্ষে কতজন সাক্ষী থাকতে হবে?
  1. ১ জন মুসলিম পুরুষ
  2. ২ জন মুসলিম পুরুষ
  3. ১ জন মুসলিম পুরুষ এবং ২ জন মুসলিম মহিলা
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
• 'বিবাহ` শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো মিলানো, একত্র করা। ইসলামী আইন অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট একজন নর ও নারীর একত্রিত হওয়ার চুক্তিকেই বিবাহ বলে।

ডি এফ মোল্লা তাঁর ‘মুসলিম আইনের মূলনীতি’ বইয়ে বিবাহের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেছেন
“বিবাহ বা নিকাহ এমন একটি চুক্তি যার উদ্দেশ্য বা লক্ষ্য হলো বৈধভাবে সন্তান লাভ ও প্রতিপালন।

বিচারপতি মাহমুদ তাঁর ‘আঃ কাদির ও সালিসী মোকদ্দমার রায়ে বলেছেন,
“মুসলিম বিবাহ কেবল ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, একটি বিশুদ্ধ দেওয়ানী চুক্তি যার উদ্দেশ্য পারিবারিক জীবন যাপন ও বৈধ সন্তান দান।"

মুসলিম বিবাহের অবশ্য পূরণীয় শর্তাবলী-
বিবাহ করতে ইচ্ছুক পক্ষদ্বয়ের মধ্যে এক পক্ষকে প্রস্তাব দিতে হবে এবং অপর পক্ষ থেকে তা গ্রহণ করতে হবে। এটিই বিবাহ বন্ধন সংগঠিত হওয়ার মূল শর্ত। বিবাহের জন্য পাত্র এবং পাত্রীর স্বতঃস্ফূর্ত সম্মতির প্রয়োজন। বল প্রয়োগে সম্মতি আদায়ে বিবাহ বাতিল বলে গণ্য হবে।

মুসলিম আইনে বিবাহের চুক্তি বৈধ হওয়ার জন্য সাক্ষী থাকা আবশ্যক। কমপক্ষে ২ জন মুসলিম পুরুষ, অথবা ১ জন মুসলিম পুরুষ ও ২ জন মুসলিম মহিলা সাক্ষী থাকতে হবে। এটি শরিয়াহ অনুযায়ী বৈধতার জন্য বাধ্যতামূলক। সাক্ষীদের প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ মস্তিষ্কের অধিকারী এবং ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে যোগ্য হতে হবে।তারা বিবাহ চুক্তি (নিকাহ) সম্পাদনের সময় উপস্থিত থাকতে হবে এবং উভয় পক্ষের সম্মতি শুনতে হবে হানাফি মাযহাব অনুসারে, সাক্ষী ছাড়া বিবাহ বৈধ নয়। শিয়া মতানুসারে সাক্ষীর উপস্থিতি সব ক্ষেত্রে আবশ্যক নয়, তবে এটি নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে প্রযোজ্য।
৪,৮৮৮.
ক একটি দলিল বাতিলের জন্য মোকদ্দমা দায়ের করেন। ক-এর দাবি এই যে, দলিলের দাতা হিসেবে ক এর নাম থাকলেও প্রকৃতপক্ষে ক এই দলিল সম্পাদন করেনি। বিবাদী খ দলিল টি কে সঠিক এবং ক তাতে স্বাক্ষর করেছে মর্মে দাবি করেন। দলিলের সম্পাদন প্রমাণের বিষয়ে নিম্নের কোনটি সত্য।
  1. যেহেতু দলিলটি নিবন্ধিত, সুতরাং এর সম্পাদন প্রমাণ করার দরকার নাই।
  2. বাদী সম্পাদন অস্বীকার করায় এর সম্পাদন attesting witness দিয়ে প্রমাণ করতে হবে
  3. দলিলের আসল দাখিল করলে সম্পাদন প্রমাণ করতে হবে না
  4. উপরের সবগুলো সত্য
সঠিক উত্তর:
বাদী সম্পাদন অস্বীকার করায় এর সম্পাদন attesting witness দিয়ে প্রমাণ করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদী সম্পাদন অস্বীকার করায় এর সম্পাদন attesting witness দিয়ে প্রমাণ করতে হবে
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ৬৮ ধারায় বলা হয়েছে যেসকল দলিল সত্যায়নকারী সাক্ষী দ্বারা স্বাক্ষরিত সেগুলোর সম্পাদন প্রমাণ করার জন্য অন্তত একজন সত্যায়নকারীকে আদালতে এসে দলিলের সম্পাদনের বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে হবে। তবে নিবন্ধিত দলিলের ক্ষেত্রে এইরূপে প্রমাণের দরকার নাই। নিবন্ধিত দলিলের দাতা যদি এর সম্পাদন অস্বীকার করলে এটি নিবন্ধিত হওয়া সত্ত্বেও উক্তরূপে প্রমাণ করতে হয়।
৪,৮৮৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৫ বিধি ৪ অনুযায়ী, চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য সমন জারি হলে যদি কোনো পক্ষ পর্যাপ্ত কারণ ছাড়া প্রমাণ উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হয়, তবে আদালত কী করতে পারেন?
  1. অবিলম্বে রায় ঘোষণা করতে পারে
  2. মামলাটি স্থগিত করতে পারে
  3. পুনরায় সমন জারি করতে পারে
  4. 'ক' অথবা 'খ'
সঠিক উত্তর:
'ক' অথবা 'খ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' অথবা 'খ'
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ১৫ বিধি ৪ অনুসারে, যদি মোকদ্দমার চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য সমন জারি করা হয় এবং কোনো পক্ষ যথাযথ কারণ ছাড়া তার উপর নির্ভরশীল প্রমাণ উৎপাদন করতে ব্যর্থ হয়, তবে আদালত নিম্নলিখিত দুটি পদক্ষেপের যেকোনো একটি গ্রহণ করতে পারে:
ক) অবিলম্বে রায় ঘোষণা করতে পারে: যদি আদালত মনে করে যে প্রমাণের অভাবে মোকদ্দমা নিষ্পত্তি করা যায়, তবে তৎক্ষণাৎ রায় দেওয়া যেতে পারে।
খ) মামলাটি স্থগিত করতে পারে: আদালত যদি উপযুক্ত মনে করে, তবে ইস্যু গঠন ও রেকর্ড করে মোকদ্দমা স্থগিত করতে পারে এবং প্রয়োজনীয় প্রমাণ উপস্থাপনের জন্য সময় দিতে পারে।

অর্থাৎ, আদালত দুটি পদক্ষেপ নিতে পারেন: ক) অবিলম্বে রায় ঘোষণা করতে পারে (at once pronounce judgment), অথবা খ) মামলাটি স্থগিত করতে পারে (adjourn the suit) এবং প্রমাণ উপস্থাপনের জন্য নতুন তারিখ দিতে পারে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হল ঘ) 'ক' অথবা 'খ'।
-----------
⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Order-15, Rule-4.Failure to produce evidence:
Where the summons has been issued for the final disposal of the suit and either party fails without sufficient cause to produce the evidence on which he relies, the Court may at once pronounce judgment, or may, if it thinks fit, after framing and recording issues adjourn the suit for the production of such evidence as may be necessary for its decision upon such issues.

৪,৮৯০.
Public Demands Recovery Act-এর ২৩ ধারার বিধান অনুযায়ী নিলাম বাতিলের জন্য কত দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
ব্যাখ্যা
• Public Demands Recovery Act-এর ২৩ ধারার বিধান অনুযায়ী-
নিলাম বাতিলের জন্য ৬০ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে।
------------------
Section 23. Application to set aside sale of immovable property on ground of non-service of notice or irregularity.

(1) Where immovable property has been sold in execution of a certificate, the certificate-holder, the certificate-debtor, or any person whose interests are affected by the sale, may, at any time within sixty days from the date of the sale, apply to the Certificate-officer to set aside the sale on the ground that notice was not served under section 7 or on the ground of a material irregularity in the certificate proceedings or in publishing or conducting the sale:
Provided as follows:-
(a) no sale shall be set aside on any such ground unless the Certificate-officer is satisfied that the applicant has sustained substantial injury by reason of the non-service or irregularity; and
(b) an application made by a certificate-debtor under this section shall be disallowed unless the applicant either deposits the amount recoverable from him in execution of the certificate or satisfies the Certificate-officer that he is not liable to pay such amount.

(2) Notwithstanding anything contained in sub-section (1), the Certificate-officer may entertain an application made after the expiry of sixty days from the date of the sale if he is satisfied that there are reasonable grounds for so doing.
৪,৮৯১.
একটি ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীলের ক্ষেত্রে রায়ের নকল গ্রহণে যে সময় লাগে, তা তামাদি আইনের —
  1. ধারা ১২(১) অনুযায়ী বাদ যাবে।
  2. ধারা ১২(২) অনুযায়ী বাদ যাবে।
  3. ধারা ১২(৩) অনুযায়ী বাদ যাবে।
  4. ধারা ১৩ অনুযায়ী বাদ যাবে।
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২(৩) অনুযায়ী বাদ যাবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২(৩) অনুযায়ী বাদ যাবে।
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের ধারা ১২(৩)-এ বলা হয়েছে:
"যেইক্ষেত্রে ডিক্রী সম্পর্কে আপীল বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হয়, সেইক্ষেত্রে উক্ত ডিক্রী যে রায়ের উপর প্রতিষ্ঠিত সেই রায়ের নকল লইতে যে সময় লাগে, তাহাও বাদ দিতে হইবে।"
অর্থাৎ, যখন কোন ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল করা হয়, তখন সেই ডিক্রী যে রায়ের ভিত্তিতে দেওয়া হয়েছে, সে রায়ের কপি সংগ্রহে যে সময় ব্যয় হয়, তা তামাদির সময় গণনায় ধারা ১২(৩) অনুযায়ী বাদ যাবে।

অন্যান্য অপশনের ব্যাখ্যা:
ধারা ১২(১): এটি শুধু বলে যে "যেই দিন থেকে তামাদির সময় গণনা শুরু হয়, সেই দিন বাদ যাবে।" তাই এটি রায়ের কপি সংগ্রহের বিষয়ে নয়।
ধারা ১২(২): এটি বলে রায় ঘোষণার দিন এবং ডিক্রী, আদেশ বা দণ্ডাদেশের কপি সংগ্রহের সময় বাদ যাবে। এটি রায়ের কপি নয়, বরং ডিক্রির কপি সংগ্রহের কথা বলে।
ধারা ১৩: এটি বিবাদীর বিদেশে অবস্থানের কারণে সময় বাদ দেওয়ার কথা বলে, সুতরাং এটি প্রাসঙ্গিক নয়।

তামাদি আইনের ১২ ধারা- আইনানুগ কার্যধারায় যেই পরিমাণ সময় গণনা হইতে বাদ দিতে হইবে:
(১) কোন মামলা আপীল বা দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, যেইদিন হইতে উক্ত মেয়াদ গণনা করিতে হইবে সেই দিন বাদ দিতে হইবে।
(২) কোন আপীল, আপীলের অনুমতির দরখাস্ত অথবা রায় পুনরীক্ষণের দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, যেই রায় সম্পর্কে অভিযোগ করা হইবে তাহা যেইদিন ঘোষণা করা হইয়াছে সেইদিন এবং যে ডিক্রী, দন্ডাদেশ বা আদেশ সম্পর্কে আপীল করা হইবে বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হইবে, তাহার নকল গ্রহণ করিতে যেইসময় আবশ্যক, তাহা বাদ দিতে হইবে।
(৩) যেইক্ষেত্রে ডিক্রী সম্পর্কে আপীল বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হয়, সেইক্ষেত্রে উক্ত ডিক্রী যে রায়ের উপর প্রতিষ্ঠিত সেই রায়ের নকল লইতে যে সময় লাগে, তাহাও বাদ দিতে হইবে।
(৪) কোন রোয়েদাদ নাকচ করিবার দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, রোয়েদাদের নকল লইতে যে সময় লাগে, তাহা বাদ দিতে হইবে।

⇒ The Limitation Act, 1908, Section- 12. Exclusion of time in legal proceedings:
(1) In computing the period of limitation prescribed for any suit, appeal or application, the day from which such period is to be reckoned shall be excluded. 
(2) In computing the period of limitation prescribed for an appeal, an application for leave to appeal and an application for a review of judgment, the day on which the judgment complained of was pronounced, and the time requisite for obtaining a copy of the decree, sentence or order appealed from or sought to be reviewed, shall be excluded. 
(3) Where a decree is appealed from or sought to be reviewed, the time requisite for obtaining a copy of the judgment on which it is founded shall also be excluded. 
(4) In computing the period of limitation prescribed for an application to set aside an award, the time requisite for obtaining a copy of the award shall be excluded.
৪,৮৯২.
কোন আদেশ অনুসারে দায়িক কর্তৃক ডিক্রিদারকে বাধা না দেওয়ার জন্য দরখাস্ত করা যায়?
  1. আদেশ ২১ বিধি ৯৪
  2. আদেশ ২১ বিধি ৯৮
  3. আদেশ ২১ বিধি ৮৯
  4. আদেশ ২১ বিধি ৯৫
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২১ বিধি ৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২১ বিধি ৯৮
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯৭ মতে স্থাবর সম্পত্তির দখলে বাধা দান (Resistance or obstruction to possession of immovable property): স্থাবর সম্পত্তির দখলের জন্য প্রদত্ত ডিক্রির মালিক কিংবা নিলাম সম্পত্তির ক্রেতা উক্ত সম্পত্তির দখল লাভে কোন ব্যক্তি কর্তৃক বাধাপ্রাপ্ত হলে আদালতে অভিযোগ করে একটি আবেদন করতে পারবেন। যে পক্ষের বিরুদ্ধে আবেদন করা হয়েছে সে পক্ষকে আদালতে হাজির হওয়া এবং জবাব দেয়ার জন্য আদালত সমন প্রদান করবেন।
 
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯৮ মতে দায়িক কর্তৃক প্রতিবন্ধ বা বাধাদান (Resistance or obstruction by Judgment-debtor): ডিক্রি দায়িক বা তার প্ররোচনায় অন্য কোন ব্যক্তি ন্যায়সঙ্গত কারণ ব্যতীত বাধাদান করলে আদালত আবেদনকারীকে সম্পত্তি দখলে রাখার নির্দেশ দিবে এবং আবেদনকারীকে এর পরেও দখল লাভে বাধাদান করলে আদালত দায়িককে ৩০ দিন পর্যন্ত দেওয়ানি জেলে আটকের নির্দেশ দিতে পারেন।

অর্থাৎ আদেশ ২১ বিধি-৯৭ মতে যে কোন ব্যক্তি কর্তৃক বাধাপ্রাপ্ত হলে এবং আদেশ ২১ বিধি-৯৮ মতে ডিক্রি দায়িক বা তার প্ররোচনায় অন্য কোন ব্যক্তি ন্যায়সঙ্গত কারণ ব্যতীত প্রতিবন্ধ বা বাধাদান করলে ডিক্রির মালিক বা ডিক্রিদার বাধা না দেওয়ার জন্য আদালতে দরখাস্ত করতে পারবেন।
৪,৮৯৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন বিধান অনুযায়ী, যদি বাদীদের সংযুক্তি মোকদ্দমার বিচার বিলম্বিত করে, আদালত বাদীগণকে পৃথক বিচারের জন্য নির্দেশ দিবেন?
  1. আদেশ-১, বিধি-১
  2. আদেশ-১, বিধি-২
  3. আদেশ-১, বিধি-৩
  4. আদেশ-১, বিধি-৪
সঠিক উত্তর:
আদেশ-১, বিধি-২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-১, বিধি-২
ব্যাখ্যা
→ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১ বিধি-২ অনুযায়ী সংযুক্তি মোকদ্দমায় বাদীদের কোন প্রকার সংযুক্তি যদি মোকদ্দমার বিচারকে ভারগ্রস্ত বা বিলম্বিত করতে পারে, সেক্ষেত্রে আদালত পৃথক বিচার অনুষ্ঠানের আদেশ দিতে পারেন।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১ বিধি-২ অনুযায়ী কোনো কোনো ক্ষেত্রে আদালত পৃথক বিচার অনুষ্ঠানের আদেশ দিতে পারেন।
- সেই বিষয়ে ১নং আদেশের বিধি ২ তে বলা আছে- ভিন্ন উপায়ে বিচার অনুষ্ঠানের আদেশ প্রদানে আদালতের ক্ষমতা। যেক্ষেত্রে আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, বাদীদের কোন প্রকার সংযুক্তি মোকদ্দমার বিচারকে ভারগ্রস্ত বা বিলম্বিত করতে পারে, সেক্ষেত্রে আদালত বাদিদের পছন্দের উপর ছেড়ে দিতে পারে অথবা পৃথক বিচার অনুষ্ঠানের আদেশ অবস্থা বিবেচনায় উপযুক্ত অন্য কোন আদেশ দিতে পারে।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১ বিধি-২ আলাদা বিচার অনুষ্ঠানের আদেশ প্রদানে আদালতের ক্ষমতা: যে ক্ষেত্রে আদালতের নিকট ইহা প্রতীয়মান হয় যে বাদীদের একত্রীকরণ মামলার বিচার অনুষ্ঠানে অসুবিধায় ফেলতে বা বিলম্ব ঘটাতে পারে, সেক্ষেত্রে আদালত বাদীগণকে তাদের স্বাধীন ইচ্ছায় রাখতে পারেন বা আলাদা বিচারানুষ্ঠানের আদেশ, প্রদান করতে পারেন অথবা এরূপ আদেশ যা সুবিধাজনক মনে হয়, প্রদান করতে পারেন।
-----------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-1, Rule-2: Power of Court to order separate trials-
Where it appears to the Court that any joinder of plaintiffs may embarrass or delay the trial of the suit, the Court may put the plaintiffs to their election or order separate trials or make such other order as may be expedient.
৪,৮৯৪.
কোন পরিস্থিতিতে আদালত কোনো আরজি বা জবাবের অংশ কর্তন বা সংশোধনের আদেশ দিতে পারে?
  1. আরজি ভুল বানানে লেখা হলে
  2. কোন আইনি অনুচ্ছেদ না থাকলে
  3. আরজিতে সাক্ষী তালিকা না থাকলে
  4. আরজিতে অপ্রয়োজনীয় বা বিভ্রান্তিকর বিষয় থাকলে
সঠিক উত্তর:
আরজিতে অপ্রয়োজনীয় বা বিভ্রান্তিকর বিষয় থাকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজিতে অপ্রয়োজনীয় বা বিভ্রান্তিকর বিষয় থাকলে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ-৬ বিধি-১৬: আরজি জবাবে কর্তন:
মামলার যে কোন পর্যায়ে কোন আরজি জবাবে উল্লিখিত কোন বিষয় অপ্রয়োজনীয় বা কুৎসাজনক হলে অথবা উহার দ্বারা সুষ্ঠু বিচার ক্ষতিগ্রস্ত, বিভ্রান্ত বা বিলম্বিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে, আদালত তা কর্তন করার বা সংশোধন করার আদেশ দিতে পারেন।

Order-6 Rule-16. Striking out pleadings:
The Court may at any stage of the proceedings order to be struck out or amended any matter in any pleading which may be unnecessary or scandalous or which may tend to prejudice, embarrass or delay the fair trial of the suit.
৪,৮৯৫.
Who has the authority to issue an ordinance in Bangladesh?
  1. Prime Minister
  2. President
  3. Supreme Court
  4. Council of Advisors
সঠিক উত্তর:
President
উত্তর
সঠিক উত্তর:
President
ব্যাখ্যা
• সাধারণত যখন সংসদ অকার্যকর থাকে অথবা যখন সংসদের অধিবেশন বন্ধ থাকে তখন রাষ্ট্রের জরুরী প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতি নিজের একক ক্ষমতাবলে যে আইন জারী করে তাকে অধ্যাদেশ/Ordinance বলে।

সংবিধানের ৯৩(১) উপ - অনুচ্ছেদ অনুসারে 'রাষ্ট্রপতি' অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন।

অনুচ্ছেদ ৯৩: অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা:

(১) সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় অথবা উহার অধিবেশনকাল ব্যতীত কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট আশু ব্যবস্থাগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে বলিয়া সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে তিনি উক্ত পরিস্থিতিতে যেরূপ প্রয়োজনীয় বলিয়া মনে করিবেন, সেইরূপ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করিতে পারিবেন এবং জারী হইবার সময় হইতে অনুরূপভাবে প্রণীত অধ্যাদেশ সংসদের আইনের ন্যায় ক্ষমতাসম্পন্ন হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার অধীন কোন অধ্যাদেশে এমন কোন বিধান করা হইবে না,

(ক) যাহা এই সংবিধানের অধীন সংসদের আইন-দ্বারা আইনসঙ্গতভাবে করা যায় না;
(খ) যাহাতে এই সংবিধানের কোন বিধান পরিবর্তিত বা রহিত হইয়া যায়; অথবা
(গ) যাহার দ্বারা পূর্বে প্রণীত কোন অধ্যাদেশের যে কোন বিধানকে অব্যাহতভাবে বলবৎ করা যায়।

(২) এই অনুচ্ছেদের (১) দফার অধীন প্রণীত কোন অধ্যাদেশ জারী হইবার পর অনুষ্ঠিত সংসদের প্রথম বৈঠকে তাহা উপস্থাপিত হইবে এবং ইতঃপূর্বে বাতিল না হইয়া থাকিলে অধ্যাদেশটি অনুরূপভাবে উপস্থাপনের পর ত্রিশ দিন অতিবাহিত হইলে কিংবা অনুরূপ মেয়াদ উত্তীর্ণ হইবার পূর্বে তাহা অননুমোদন করিয়া সংসদে প্রস্তাব গৃহীত হইলে অধ্যাদেশটির কার্যকরতা লোপ পাইবে।

(৩) সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থার কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট ব্যবস্থা-গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে বলিয়া সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে তিনি এমন অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করিতে পারিবেন, যাহাতে সংবিধান-দ্বারা সংযুক্ত তহবিলের উপর কোন ব্যয় দায়যুক্ত হউক বা না হউক, উক্ত তহবিল হইতে সেইরূপ ব্যয়নির্বাহের কর্তৃত্ব প্রদান করা যাইবে এবং অনুরূপভাবে প্রণীত কোন অধ্যাদেশ জারী হইবার সময় হইতে তাহা সংসদের আইনের ন্যায় ক্ষমতাসম্পন্ন হইবে।

(৪) এই অনুচ্ছেদের (৩) দফার অধীন জারীকৃত প্রত্যেক অধ্যাদেশ যথাশীঘ্র সংসদে উপস্থাপিত হইবে এবং সংসদ পুনর্গঠিত হইবার তারিখ হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে এই সংবিধানের ৮৭, ৮৯ ও ৯০ অনুচ্ছেদসমূহের বিধানাবলী প্রয়োজনীয় উপযোগীকরণসহ পালিত হইবে।

Article 93: Ordinance making power

(1) At any time when Parliament stands dissolved or is not in session, if the President is satisfied that circumstances exist which render immediate action necessary, he may make and promulgate such Ordinances as the circumstances appear to him to require, and any Ordinance so made shall, as from its promulgation have the like force of law as an Act of Parliament: 
Provided that no Ordinance under this clause shall make any provision – 
 
(i) which could not lawfully be made under this Constitution by Act of Parliament; 
(ii) for altering or repealing any provision of this Constitution; or 
iii) continuing in force any provision of an Ordinance previously made. 
 
(2) An Ordinance made under clause (1) shall be laid before Parliament at its first meeting following the promulgation of the Ordinance and shall, unless it is earlier repealed, cease to have effect at the expiration of thirty days after it is so laid or, if a resolution disapproving of the Ordinance is passed by Parliament before such expiration, upon the passing of the resolution. 

(3) At any time when Parliament stands dissolved, the President may, if he is satisfied that circumstances exist which render such action necessary, make and promulgate an Ordinance authorising expenditure from the Consolidated Fund, whether the expenditure is charged by the Constitution upon that fund or not, and any Ordinance so made shall, as from its promulgation, have the like force of law as an Act of Parliament. 
 
(4) Every Ordinance promulgated under clause (3) shall be laid before Parliament as soon as may be, and the provisions of articles 87, 89 and 90 shall, with necessary adaptations, be complied with in respect thereof within thirty days of the reconstitution of Parliament.
৪,৮৯৬.
সাক্ষ্য আইনের ৬২ ধারার আলোচ্য বিষয়-
  1. মৌখিক সাক্ষ্য
  2. প্রাথমিক সাক্ষ্য
  3. গৌণ সাক্ষ্য
  4. মাধ্যমিক সাক্ষ্য
সঠিক উত্তর:
প্রাথমিক সাক্ষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাথমিক সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬২ ধারায় প্রাথমিক সাক্ষ্য (Primary evidence) বিধান রয়েছে।
⇒ প্রাথমিক সাক্ষ্য: প্রাথমিক সাক্ষ্যের মানে সংশ্লিষ্ট দলিলটিই আদালতের পরিদর্শনের জন্য দাখিল করা।
ব্যাখ্যা-১: কোন দলিল কতিপয় খন্ডে সম্পাদিত হইলে প্রত্যেক খন্ডই ঐ দলিলের প্রাথমিক সাক্ষ্য।
কোন দলিল যখন প্রতিলিপিসহ সম্পাদিত হয়, এবং প্রত্যেকটি প্রতিলিপি পক্ষগণের মধ্যে একজন বা কয়েকজন মাত্র কর্তৃক সম্পাদিত হয়, তখন প্রত্যেকটি প্রতিলিপি উহার সম্পাদনকারী পক্ষের বিরুদ্ধে প্রাথমিক সাক্ষ্য।
ব্যাখ্যা-২: যে ক্ষেত্রে কিছু সংখ্যক দলিল একই পদ্ধতিতে প্রস্তুত হয়, যথা মুদ্রণ, লিথোগ্রাফি বা ফটোগ্রাফির ক্ষেত্রে হইয়া থাকে, সেইক্ষেত্রে উহার প্রত্যেকটিই অন্যগুলির বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রাথমিক সাক্ষ্য কিন্তু যেক্ষেত্রে সেইগুলি একই মূল দলিলের নকল সেই ক্ষেত্রে ঐগুলি মূল দলিলটির বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রাথমিক সাক্ষ্য হইবে না।
-----------
⇒Section 62: Primary evidence:
Primary evidence means the document itself produced for the inspection of the Court. 
Explanation 1.-Where a document is executed in several parts, each part is primary evidence of the document. 
Where a document is executed in counterpart, each counterpart being executed by one or some of the parties only, each counterpart is primary evidence as against the parties executing it. 
Explanation 2.-Where a number of documents are all made by one uniform process, as in the case of printing, lithography or photography, each is primary evidence of the contents of the rest; but, where they are all copies of a common original, they are not primary evidence of the contents of the original.
৪,৮৯৭.
Under section 45 of penal code, Life denotes-
  1. life of human being and of an animal both
  2. Life of a living thing
  3. life of an animal
  4. life of a human being
সঠিক উত্তর:
life of a human being
উত্তর
সঠিক উত্তর:
life of a human being
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৪৫ ধারার বিধান জীবন:- প্রসঙ্গে ভিন্নতর কিছু না বুঝালে 'জীবন' কথাটি কর্তৃক মানুষের জীবন বুঝাবে। 

♦ “Life” 
Section 45. The word "life" denotes the life of a human being, unless the contrary appears from the context.
৪,৮৯৮.
The Special Powers Act, 1974 এর Section 25B (2) তে বর্ণিত অপরাধের সর্বনিম্ন শাস্তি-
  1. ১ বছর কারাদণ্ড
  2. ১ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. ২ বছর কারাদণ্ড
  4. ২ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ২৫বি (২):

নিষিদ্ধ পণ্য বাংলাদেশে এনে বিক্রি, বা বিক্রির উদ্দেশ্যে প্রস্তাব বা প্রদর্শন, অথবা নিজ অধিকারে বা নিয়ন্ত্রণে রাখার অপরাধ করলে, উক্ত অপরাধের শাস্তি সর্বোচ্চ ৭ এবং সর্বনিম্ন ১ বছরের কারাদণ্ড, এবং অর্থদণ্ড।
 
Section 25B(2)- Penalty for smuggling
Whoever sells, or offers or displays for sale, or keeps in his possession or under his control for the purpose of sale, any goods the bringing of which into Bangladesh is prohibited by or under any law for the time being in force shall be punishable with imprisonment for a term which may extend to seven years and shall not be less than one year, and shall also be liable to fine.
৪,৮৯৯.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোন ধারায় অসুস্থতার অযুহাতে মুক্তির বিধান রয়েছে?
  1. ৫৫ ধারা
  2. ৫৮ ধারা
  3. ৫৯ ধারা
  4. ৫৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫৯ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৯ ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৫৯ ধারা অনুযায়ী দেনাদারকে গ্রেফতার করার পর কোন ব্যক্তি গুরুতর অসুস্থ হইলে তাকে মুক্তি দেওয়আড় বিধান আছে এবং পরবর্তীতে পূনরায় তাকে গ্রেফতার করতে কোন বাধা নাই।
৪,৯০০.
"Trial more than one offence(একাধিক অপরাধের বিচার)"-উল্লেখিত কোন ধারার শিরোনাম?
  1. ধারা ২৩৫
  2. ধারা ২৩২
  3. ধারা ২৩৩
  4. ধারা ২৩৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৩৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৩৫
ব্যাখ্যা
• ধারা ২৩৫ঃএকাধিক অপরাধের বিচার (Trial more than one offence)-

(১) পর পর সংঘটিত কতিপয় কার্য যদি পরস্পরের সাথে সম্পর্কযুক্ত হয় যে,কার্যগুলি একটিমাত্র কার্যের শামিল এবং একই ব্যক্তি উক্ত কার্য সম্পর্কিত বিষয়ে একাধিক অপরাধ সংঘটিত করে থাকলে এ ধরণের প্রত্যেক অপরাধের জন্য তার বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে একটিমাত্র মামলায় তার বিচার সম্পন্ন করা যেতে পারে।

(২) দুটি সংজ্ঞার অন্তর্ভূক্ত অপরাধঃ
অভিযোগকৃত কার্যসমূহ যেক্ষেত্রে এরূপ একটি অপরাধ সৃষ্টি করে,যা বর্তমানে কার্যকর এরূপ কোন আইনের,যা দ্বারা অপরাধের সংজ্ঞা দণ্ড প্রদান করা হয় তার দুই বা ততোধিক পৃথক সংজ্ঞার অন্তর্ভূক্ত হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রত্যেকটি অপরাধের জন্য চার্জ গঠন করা যেতে পারে এবং একই মামলায় বিচার করা যেতে পারে।

(৩) একাধিক কার্য যেক্ষেত্রে একই ধরণের অপরাধ,কিন্তু একত্রিত করা হলে ভিন্নরূপ অপরাধে পরিণত হয়ঃ
কতিপয় কার্যের মধ্যে একটি কার্য একটি কার্য এককভাবে বা একাধিক কার্য একত্রে একটি অপরাধের সৃষ্টি করলে উক্ত অপরাধসমূহে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে উক্ত মিলিত কার্যাদির অপরাধ বা একটি কার্যের একক অপরাধ বা সংযুক্ত একাধিক কার্যের অপরাধের জন্য চার্জ গঠন করা যেতে পারে এবং একই মামলায় তার বিচার করা যেতে পারে।

(৪) এই ধারায় এরূপ কিছু নেই যা দণ্ডবিধির ধারা ৭১ এর বিধানকে প্রভাবিত করে।