বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ৪১ / ১৫৫ · ৪,০০১৪,১০০ / ১৫,৪৭০

৪,০০১.
তামাদি আইনের বিধান অনুযায়ী দেনা আংশিক পরিশোধের ফলাফল কী?
  1. নতুন করে তামাদি গণনা
  2. তামাদি গণনা স্থগিত থাকবে
  3. তামাদি আইন প্রযোজ্য হবে না
  4. পূর্বের তামাদির মেয়াদ অব্যাহত থাকবে
সঠিক উত্তর:
নতুন করে তামাদি গণনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নতুন করে তামাদি গণনা
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ধারা ১৯ মতে- দেনা আংশিক পরিশোধ বা লিখিত স্বীকৃতি ফলে নতুন করে তামাদি মেয়াদ শুরু হবে।
⇒ তামাদি আইনের ১৯ ধারায় লিখিত প্রাপ্তি স্বীকারের ফলাফল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। কোন মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিলের জন্য আইন দ্বারা নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই অপর পক্ষ যদি উক্ত মামলার বা দরখাস্তের বিষয়বস্তু সম্পর্কিত সম্পত্তি বা অধিকার সম্পর্কে লিখিত প্রাপ্তি স্বীকারের মাধ্যমে দায় স্বীকার করে নেয়, সেক্ষেত্রে উত্তরুপ স্বীকৃতি স্বাক্ষরিত হওয়ার দিন থেকে নতুন করে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।

তামাদি আইনের ১৯ ধারার শর্তসমূহ নিম্নরূপ-
⇒ লিখিত হতে হবে,
⇒ উক্ত পক্ষ কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে,
⇒ অবশ্যই তামাদি মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই করতে হবে,
⇒ উক্ত স্বীকৃতি অবশ্যই সম্পত্তি বা অধিকার সম্পর্কে হবে।

তামাদি আইনের ১৯ ধারার বিধান: লিখিত স্বীকারোক্তির প্রভাব (মেয়াদ আইনের অধীনে)
(১) যদি কোনো সম্পত্তি বা অধিকারের বিষয়ে মামলা বা আবেদন করার জন্য নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার আগে, সেই সম্পত্তি বা অধিকারের বিষয়ে দায় স্বীকার করে কোনো লিখিত স্বীকারোক্তি দেওয়া হয়, এবং এটি সেই ব্যক্তির স্বাক্ষরযুক্ত হয় যার বিরুদ্ধে সম্পত্তি বা অধিকার দাবি করা হচ্ছে, অথবা তার পক্ষে কোনো ব্যক্তি, যার থেকে তিনি তার অধিকার বা দায় লাভ করেছেন, তাহলে স্বীকারোক্তি দেওয়ার সময় থেকে মেয়াদের নতুন সময় শুরু হবে।

(২) যদি স্বীকারোক্তির লিখিত দলিলটি তারিখবিহীন হয়, তাহলে কখন এটি স্বাক্ষরিত হয়েছে সে সম্পর্কে মৌখিক প্রমাণ দেওয়া যেতে পারে। তবে, Evidence Act, 1872 এর অধীনে, দলিলের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক প্রমাণ গ্রহণযোগ্য হবে না।

ব্যাখ্যা-I:
এই ধারার উদ্দেশ্যে, কোনো স্বীকারোক্তি যথেষ্ট হবে, যদিও তাতে সম্পত্তি বা অধিকারের প্রকৃতি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা না হয়। অথবা এতে বলা হয় যে, প্রদানের বা সম্পাদনের সময় এখনও আসেনি। এমনকি যদি স্বীকারোক্তির সাথে কোনো অস্বীকৃতিও যুক্ত থাকে যে, অর্থ প্রদান বা সম্পত্তি সরবরাহ করা হবে না, তবুও সেটি যথেষ্ট স্বীকারোক্তি বলে বিবেচিত হবে। এটি এমন ব্যক্তির উদ্দেশ্যে পাঠানো হলেও যথেষ্ট হবে, যে ব্যক্তিটি ঐ সম্পত্তি বা অধিকারের জন্য আসলে অধিকারী নয়।

ব্যাখ্যা-II:
এই ধারার উদ্দেশ্যে, "স্বাক্ষরিত" বলতে বোঝানো হয়েছে, হয় স্বয়ং ব্যক্তির দ্বারা স্বাক্ষর করা, অথবা কোনো নিয়োজিত প্রতিনিধি দ্বারা স্বাক্ষর করা।

ব্যাখ্যা-III:
এই ধারার উদ্দেশ্যে, কোনো ডিক্রি বা আদেশ কার্যকর করার জন্য আবেদনও একটি অধিকারের বিষয়ে আবেদন বলে গণ্য হবে।
------------
⇒The Limitation Act, 1908, Section-19. Effect of acknowledgement in writing:
(1) Where, before the expiration of the period prescribed for a suit or application in respect of any property or right, an acknowledgement of liability in respect of such property or right has been made in writing signed by the party against whom such property or right is claimed, or by some person through whom he derives title or liability, a fresh period of limitation shall be computed from the time when the acknowledgement was so signed.

(2) Where the writing containing the acknowledgement is undated, oral evidence may be given of the time when it was signed; but, subject to the provisions of the Evidence Act, 1872, oral evidence of its contents shall not be received.
Explanation-I - For the purposes of this section an acknowledgement may be sufficient though it omits to specify the exact nature of the property or right, or avers that the time
for payment, delivery, performance or enjoyment has not yet come, or is accompanied by a refusal to pay, deliver, perform or permit to enjoy, or is coupled with a claim to a set-off, or is addressed to a person other than the person entitled to the property or right.
Explanation-II - For the purposes of this section, “signed” means signed either personally or by an agent duly authorized in this behalf.
Explanation-III - For the purposes of this section an application for the execution of a decree or order is an application respect of a right.
৪,০০২.
দণ্ডবিধির কত অধ্যায়ে "রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ" সমূহ আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ৩য় অধ্যায়ে
  2. ৫ম অধ্যায়ে
  3. ৬ষ্ঠ অধ্যায়ে
  4. ৪র্থ অধ্যায়ে
সঠিক উত্তর:
৬ষ্ঠ অধ্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ষ্ঠ অধ্যায়ে
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি, ১৮৬০ আইনে মোট অধ্যায় ২৩ টি এবং দণ্ডবিধির মোট ধারা ৫১১ টি। দণ্ডবিধির ৬ষ্ঠ অধ্যায়ে রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ (OFFENCES AGAINST THE STATE) সমূহ আলোচনা করা হয়েছে।

রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ: 

রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ হলো এমন অপরাধ যা দেশের নিরাপত্তা ও স্বাধীনতার বিরুদ্ধে হয়। দণ্ডবিধিতে রাষ্ট্রবিরোধী বিভিন্ন অপরাধের বিধান রয়েছে। এগুলো হলো:

১. দেশদ্রোহ অপরাধ (Offences relating to Waging War against Bangladesh):
দণ্ডবিধির ১২১-১২৪এ ধারায় এ অপরাধসমূহ আছে। যেমন যুদ্ধ বা সশস্ত্র বিদ্রোহ ঘোষণা করা, রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালানো ইত্যাদি। এর শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।

২. নানা রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ (Offences against the State):
১২১এ থেকে ১২৪ধারার বাইরেও রাষ্ট্রবিরোধী বিভিন্ন অপরাধ আছে ১২৫-১৩৩ধারায়। যেমন শাসনতন্ত্র উৎখাতের চেষ্টা (১২৫), প্রচার (১২৩), রাষ্ট্রপতি/প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র (১২১এ) ইত্যাদি। শাস্তি কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।

৩. গোপনীয়তা ভঙ্গ (Sedition):
১২৪এ ধারায় সরকারের প্রতি অবাধ্যতা ও আইন অমান্য করাকে রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। শাস্তি আজীবন কারাদণ্ড পর্যন্ত।

এছাড়াও সৈন্য জন বা সামরিক ব্যক্তিদের জন্য আরও কিছু বিশেষ রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধের বিধান রয়েছে দণ্ডবিধিতে।
৪,০০৩.
অর্থদণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল চালাকালে আসামী মারা গেলে আপীলটি-
  1. এবেট হবে
  2. এবেট হবে না
  3. খারিজ হবে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
এবেট হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এবেট হবে না
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৩১ মতে-
৪১৭ ধারা ও ৪১৭ক ধারা অধীন প্রত্যেকটি আপিলে আসামীর মৃত্যু হলে চূড়ান্তভাবে পণ্ড হয়ে যাবে এবং এই অধ্যায়ের অধীন অন্যান্য প্রত্যেকটি আপিল (জরিমানার বিরুদ্ধে আপিল ব্যতিত) আপিলকারীর মৃত্যু হলে চূড়ান্তভাবে পণ্ড বা আপিল Abatement হয়ে যাবে। 

অর্থাৎ জরিমানার বা অর্থদণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল হলে আপিলকারী মারা গেলেও আপিল বাতিল হবে না, তখন আপিলকারীর আইনগত প্রতিনিধিরা স্থলভিষিক্ত হবে এবং আসামীর সম্পদ থেকে জরিমানার বা অর্থদণ্ড আদায় হবে।

Section 431- Abatement of appeals
Every appeal under section 417 or section 417A shall finally abate on the death of the accused, and every other appeal under this Chapter
(except an appeal from a sentence of fine) shall finally abate on the death of the appellant.
৪,০০৪.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর কত ধারায় “Order” (আদেশ) এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ধারা ২(১০)
  2. ধারা ২(১২)
  3. ধারা ২(১৪)
  4. ধারা ২(১৬)
সঠিক উত্তর:
ধারা ২(১৪)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২(১৪)
ব্যাখ্যা

ধারা ২(১৪): “Order” (আদেশ):
“Order” means the formal expression of any decision of a Civil Court which is not a decree.
“আদেশ” বলতে বোঝায় দেওয়ানি আদালতের যে কোন সিদ্ধান্তের আনুষ্ঠানিক প্রকাশ, যা ডিক্রি (decree) নয়।

⇒ আদালতের যে সিদ্ধান্ত ডিক্রি নয়, কিন্তু আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়, তাকে আদেশ (Order) বলা হয়। অর্থাৎ, প্রতিটি আদালতের সিদ্ধান্ত হয় ডিক্রি, নয়তো আদেশ — যদি তা দেওয়ানি আদালতের হয়। যেমন - মামলার অগ্রগতি, সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা, বা মামলার খারিজ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত ইত্যাদি “আদেশ” হিসেবে গণ্য হয়।

৪,০০৫.
নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্রে আদালতে উপস্থিতি ব্যতিরেকে কোনো ব্যক্তির মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি প্রাসঙ্গিক হতে পারে?
  1. ব্যক্তি মৃত হলে
  2. ব্যক্তি নিখোঁজ হলে
  3. ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানে অক্ষম হলে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী- কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে, আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি প্রাসঙ্গিক হয়।

- সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩২ অনুযায়ী, কিছু নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে কোনো ব্যক্তির মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি আদালতে প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে, যদিও সেই ব্যক্তি আদালতে উপস্থিত নেই। এই পরিস্থিতিগুলো হলো—
→ ব্যক্তি মৃত হলে – যদি কোনো ব্যক্তি মারা যান, তবে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত বা মৃত্যুর সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো বিবৃতি আদালতে "মৃত্যুকালীন ঘোষণা" (Dying Declaration) হিসেবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে।
→ ধারা ৩২-এর প্রাথমিক শর্ত মতে ব্যক্তি নিখোঁজ হলে – যদি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে খুঁজে পাওয়া না যায় বা তার অবস্থান অনির্ধারিত থাকে, তবে তার পূর্বে করা কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিবৃতি আদালতে সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে।
→ ধারা ৩২-এর শর্ত মতে ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানে অক্ষম হলে – যদি কেউ শারীরিক বা মানসিক কারণে সাক্ষ্য দিতে অপারগ হন, যেমন— পক্ষাঘাতগ্রস্ত বা কোমায় থাকেন, তাহলে তার পূর্বে করা লিখিত বা মৌখিক বিবৃতি প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত হবে। 

অর্থাৎ উপরোক্ত তিনটি শর্তের যে কোনো একটির উপস্থিতিতে আদালত ব্যক্তির মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি গ্রহণ করতে পারে। তাই, "উপরের সবগুলো" (ঘ) সঠিক উত্তর।
৪,০০৬.
দেওয়ানী কার্যবিধির ২১ আদেশের ৮৯ বিধি অনুযায়ী, নিলাম বিক্রয় রদ করতে ক্রয় মূল্যের কত শতাংশ জমা দেয়ার বিধান রয়েছে?
  1. ৫%
  2. ১০%
  3. ১৫%
  4. ২০%
সঠিক উত্তর:
৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫%
ব্যাখ্যা
ডিক্রি জারিতে বিক্রয় রদ করার আবেদন:
দেওয়ানী কার্যবিধির ২১ আদেশের ৮৯ বিধির অধীন ডিক্রি জারিতে বিক্রয় রদ করার আবেদন করা যায়। ডিক্রি জারিতে কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় করা হলে, উক্ত নিলাম বিক্রয়ের তারিখ হতে ৩০ দিনের মধ্যে বিক্রয় বাতিলের জন্য আবেদন করা যায়। এই ক্ষেত্রে ক্রয় মূল্যে ৫% বা নিলাম ঘোষণায় উল্লেখিত অর্থের মধ্যে যেটা কম তা জমা দিয়ে বিক্রয় রদের আবেদন করতে হবে।

অন্যদিকে, ডিক্রি জারিতে কোন স্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রয় হলে উক্ত নিলাম রদের জন্য ৯০ বিধির অধীন আবেদন করা যায় যদি-
১. নিলাম প্রচার বা পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ অনিয়ম বা প্রতারণা থাকে,
২. আবেদনকারীকে যদি ২২ বিধির অধীন নোটিশ দিতে ব্যর্থ হয়।

যদি আবেদনকারী প্রমাণ করতে পারে যে, নিলাম প্রচার বা পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ অনিয়ম বা প্রতারণা ছিল, তাহলে আদালত উক্ত নিলাম রদ করতে পারে। ৮৯ এবং ৯০ বিধির অধীন নিলাম বিক্রয়ের তারিখ হতে ৩০ দিনের মধ্যে বিক্রয় বাতিলের জন্য আবেদন করা যায় (তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৬৬ অনুচ্ছেদ)।

প্রতিকার:
৮৯ এবং ৯০ বিধির অধীন বিক্রয় রদের কোন আদেশ দিলে বা বিক্রয় বাতিল করা আবেদন প্রত্যাখ্যান করে কোন আদেশ দিলে, উক্ত আদেশ হলো আপীলযোগ্য এবং উভয় ক্ষেত্রে আপীল করা যায় (আদেশ ৪৩, বিধি ১)।
৪,০০৭.
'প্রত্যেকটি বণ্ডের অর্থের পরিমাণ মামলার পরিস্থিতি বিবেচনাপূর্বক নির্ধারণ করতে হবে এবং তা অত্যধিক হবে না'- কোন ধারায় বলা আছে?
  1. ৪৯৮ ধারায়
  2. ৪৯৯ ধারায়
  3. ৫০০ ধারায়
  4. ৫০১ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪৯৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৯৮- জামিন মঞ্জুর করার এবং অর্থের পরিমাণ হ্রাস করার ক্ষমতা:

(১) এই অধ্যায়ের অধীন সম্পাদিত প্রত্যেকটি বণ্ডের অর্থের পরিমাণ মামলার পরিস্থিতি বিবেচনাপূর্বক নির্ধারণ করতে হবে এবং তা অত্যধিক হবে না, এবং দণ্ডের পর আপীল থাকুক আর না থাকুক, হাইকোর্ট ডিভিশন বা দায়রা আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করার বা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দাবীকৃত জামিন হ্রাস করার নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।

Section 498: Power to direct admission to bail or reduction of bail
The amount of every bond executed under this Chapter shall be fixed with due regard to the circumstances of the case, and shall not be excessive; and the High Court Division or Court of Session may, in any case, whether there be an appeal on conviction or not, direct that any person be admitted to bail, or that the bail required by a police-officer or Magistrate be reduced.
৪,০০৮.
কোন মামলার ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে কোনো মহিলাকে দেওয়ানি জেলে আটক রাখা যাবে না?
  1. স্বত্ত্বের মামলা
  2. অর্থ মামলা
  3. অগ্রক্রয়ের মামলা
  4. দখলের মামলা
সঠিক উত্তর:
অর্থ মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থ মামলা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৫৬ ধারা- টাকার ডিক্রি জারিতে মহিলাকে গ্রেফতারের বা আটকের বাধা-নিষেধ:
এই খণ্ডে অন্য কোন বিধান থাকা সত্ত্বেও আদালত টাকা পরিশোধের জন্য ডিক্রি জারির জন্য কোন মহিলাকে দেওয়ানি জেলে গ্রেপ্তার বা আটক রাখার আদেশ প্রদান করবে না।

Section 56- Prohibition of arrest or detention of women in execution of decree for money:
Notwithstanding anything in this Part, the Court shall not order the arrest or detention in the civil prison of a woman in execution of a decree for the payment of money.
৪,০০৯.
তামাদি আইনের ১৭৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ডিক্রির অর্থ কিস্তিতে পরিশোধের জন্য দরখাস্ত দাখিলের তামাদি মেয়াদ কত দিন?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ১ম শিডিউলের ১৭৫ অনুচ্ছেদে ডিক্রির অর্থ কিস্তিতে পরিশোধের জন্য দরখাস্ত দাখিলের বিধান রয়েছে। উক্ত  দরখাস্ত ডিক্রির তারিখ হতে ৬ মাস মধ্যে দাখিল করতে হয়। 
অর্থাৎ তামাদি আইনের ১৭৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ডিক্রির অর্থ কিস্তিতে পরিশোধের জন্য দরখাস্ত দাখিলের তামাদি মেয়াদ ডিক্রির তারিখ হতে ৬ মাস।

⇒ According to Article 175 of The Limitation Act, 1908, the limitation period for the payment of the amount of a decree by instalments is six months from the date of the decree. 
 
উল্লেখ্য, 
⇒  তামাদি আইন ১৯০৮ সালে তৈরি করা হয় এবং ১৯০৯ সালে প্রযোজ্য হয়। বর্তমানে মানে ২৯ টি ধারা এবং একটি তফসিল আছে ।
- তামাদি আইনের তফসিলে মোকদ্দমা, আপীল এবং আবেদন দায়েরের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে। তফসিলে মোট ১৮৩টি অনুচ্ছেদ বলবৎ আছে।

- তফসিলের ৩টি বিভাগে ৩ ধরণের বিষয়ের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে-
১. মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling suits]- অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯।
২. আপিল, রিভিউ দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling appeals]- অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭।
৩. বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling applications and petitions]- অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩।
৪,০১০.
যেক্ষেত্রে পেনাল কোড অনুসারে অর্থদণ্ডের বিধান থাকে কিন্তু কত টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া যাবে সে বিষয়ে কোন উল্লেখ থাকে না, সেক্ষেত্রে সর্বোচ্চ অর্থদণ্ডের পরিমাণ কত?
  1. এক হাজার টাকা
  2. দুই হাজার টাকা
  3. পাঁচ হাজার টাকা
  4. নির্দিষ্ট সীমা নেই কিন্তু অত্যধিক হবে না
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট সীমা নেই কিন্তু অত্যধিক হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট সীমা নেই কিন্তু অত্যধিক হবে না
ব্যাখ্যা
• অর্থদণ্ডের পরিমাণ (Amount of Fine): অর্থদণ্ডের বিধান আইনে আছে, কিন্তু কত পরিমাণ/টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া যাবে সে বিষয়ের উল্লেখ না থাকলে- সর্বোচ্চ অর্থদণ্ডের পরিমাণ নির্ধারণে নির্দিষ্ট সীমা নেই।

দণ্ডবিধির ৬৩ ধারা অনুযায়ী-

যেক্ষেত্রে অর্থদণ্ডের বিধান থাকে কিন্তু কত টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া যাবে সে বিষয়ে কোন উল্লেখ থাকে না, সেক্ষেত্রে অর্থ দণ্ডের নির্দিষ্ট সীমা নাই তবে অত্যাধিক হবে না।
৪,০১১.
মুসলিম আইনে নাফাকা (Nafaqa) দ্বারা কী বোঝায়?
  1. দান করা সম্পত্তি
  2. ভরণপোষণ
  3. সম্পত্তির দায়
  4. অভিভাবকত্ব
সঠিক উত্তর:
ভরণপোষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভরণপোষণ
ব্যাখ্যা

নাফাকা (Nafaqa) মুসলিম আইন অনুসারে:
নাফাকা (Nafaqa) শব্দটি আরবি "نفقہ" থেকে এসেছে, যার অর্থ হলো জীবিকা বা ভরণপোষণ, বিশেষ করে প্রয়োজনীয় খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান ইত্যাদি প্রদান। মুসলিম আইন অনুসারে, নাফাকা একটি গুরুত্বপূর্ণ কর্তব্য যা পরিবারিক জীবনের মৌলিক চাহিদা পূরণের জন্য স্বামী, বাবা বা অভিভাবককে প্রদান করতে হয়। খাদ্য, পোশাক, বাসস্থান, স্বাস্থ্যসেবা এবং অন্যান্য মৌলিক চাহিদা নাফাকায় অন্তর্ভুক্ত।

মুসলিম আইনে নাফাকার বিবরণ:
মুসলিম শরিয়াহ অনুসারে, স্বামীর প্রধান দায়িত্ব হলো তার স্ত্রীর জন্য নাফাকা প্রদান। এটি স্বামীর আইনি ও ধর্মীয় কর্তব্য হিসেবে বিবেচিত। স্বামী তার স্ত্রীর খাদ্য, পোশাক, বাসস্থান এবং অন্যান্য মৌলিক চাহিদা পূরণে দায়িত্বশীল। নাফাকার পরিমাণ নির্ধারণ করা হয় সাধারণত স্বামী ও স্ত্রীর আর্থিক অবস্থার ওপর ভিত্তি করে।

স্ত্রীর অধিকার:
যদি কোনো স্ত্রীর কাছে স্বামীর অর্থনৈতিক সহায়তা বা নাফাকা প্রদান না করা হয়, তবে সে আদালতে নাফাকা চেয়ে মামলা করতে পারে। ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী, স্ত্রীর জন্য নাফাকা একটি মৌলিক অধিকার এবং এটি নিশ্চিত করার জন্য আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়। তালাকের পর, ইদ্দতকালে স্ত্রীর জন্য নাফাকা প্রদান করাটা স্বামীর কর্তব্য

৪,০১২.
বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনায় উল্লিখিত মূলনীতিগুলোর মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. সমাজতন্ত্র
  2. জাতীয়তাবাদ
  3. ধর্মনিরপেক্ষতা
  4. সাম্রাজ্যবাদ
সঠিক উত্তর:
সাম্রাজ্যবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাম্রাজ্যবাদ
ব্যাখ্যা

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, জাতীয় মুক্তি সংগ্রামে বীর জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা মহান আদর্শগুলো হলো জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র, এবং ধর্মনিরপেক্ষতা। এই চারটি নীতি সংবিধানের মূলনীতি হিসেবে গণ্য করা হয়। প্রস্তাবনায় এই নীতিগুলোর উপর জোর দিয়ে বলা হয়েছে যে, এগুলো বাংলাদেশের জনগণের মুক্তি সংগ্রামের প্রেরণার উৎস ছিল এবং এই সংবিধানের ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।

→ কিন্তু সাম্রাজ্যবাদ এই প্রস্তাবনায় কোথাও মূলনীতি হিসেবে উল্লেখিত নয়। সাম্রাজ্যবাদ একটি রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক ধারণা, যা সাধারণত একটি দেশের অন্য দেশের উপর আধিপত্য বিস্তারের সাথে সম্পর্কিত। বাংলাদেশের সংবিধানে এটি কোনো ইতিবাচক আদর্শ বা মূলনীতি হিসেবে গ্রহণ করা হয়নি। বরং, সংবিধানে আন্তর্জাতিক শান্তি ও সহযোগিতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যা সাম্রাজ্যবাদের বিপরীত ধারণার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
→ অর্থাৎ সংবিধানের প্রস্তাবনায় জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র, এবং ধর্মনিরপেক্ষতা মূলনীতি হিসেবে উল্লেখিত, কিন্তু সাম্রাজ্যবাদ এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত নয়। তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) সাম্রাজ্যবাদ।

৪,০১৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন অধ্যায়ে সংক্ষিপ্ত বিচার সম্পর্কিত বিধান রয়েছে?
  1. অধ্যায় ২০
  2. অধ্যায় ২১
  3. অধ্যায় ২২
  4. অধ্যায় ২৩
সঠিক উত্তর:
অধ্যায় ২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যায় ২২
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২২ তে সংক্ষিপ্ত বিচারের (Summary Trials) সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
- এই অধ্যায়ে ধারা ২৬০ থেকে ২৬৫ পর্যন্ত সংক্ষিপ্ত বিচারের পদ্ধতি এবং শর্তাবলী বর্ণনা করা হয়েছে।
- সংক্ষিপ্ত বিচারের মাধ্যমে লঘু শাস্তির অপরাধ দ্রুত নিষ্পত্তি করা হয়, যেখানে কারাদণ্ডের মেয়াদ সর্বোচ্চ দুই বছর হতে পারে।
- গুরুতর অপরাধ, যেমন হত্যা বা ধর্ষণ, সংক্ষিপ্ত বিচারের আওতায় পড়ে না।

- অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর অধ্যায় ২২-এ সংক্ষিপ্ত বিচার (Summary Trial) সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
- এই অধ্যায়ের ধারা ২৬০ থেকে ২৬৫ পর্যন্ত সংক্ষিপ্ত বিচারের ক্ষেত্র, পদ্ধতি ও সীমাবদ্ধতা উল্লেখ করা হয়েছে।
৪,০১৪.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী, যদি সহকারী জজ রায় প্রদান করেন, তবে রিভিউ আবেদন কোথায় দাখিল করতে হবে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. জেলা জজ আদালতে
  3. যুগ্ম জেলা জজ আদালতে
  4. সহকারী জজের আদালতে
সঠিক উত্তর:
সহকারী জজের আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সহকারী জজের আদালতে
ব্যাখ্যা
⇒ যে আদালত ডিক্রি বা আদেশ দেয়, সেই আদালতে ডিক্রি বা আদেশটি রিভিউ করার জন্য আবেদন করতে হয়। 
- যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছে, সেই আদালতেই ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউ আবেদন করতে হয়।
- দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ১১৪ ও অর্ডার ৪৭ অনুযায়ী, রিভিউ আবেদন করতে হয় সেই আদালতেই, যে আদালত ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করেছে। অর্থাৎ, আদালত নিজেই তার রায়/আদেশ পুনর্বিবেচনার ক্ষমতা রাখে।
- যদি সহকারী জজ রায় প্রদান করেন, তবে সেই রায়ের রিভিউ আবেদনও সহকারী জজের আদালতেই দাখিল করতে হবে, অন্য কোনো উচ্চতর আদালতে নয়। রিভিউয়ের এখতিয়ার একমাত্র থাকে রায়দাতা আদালতের হাতে, আপিলের মত উচ্চতর আদালতে নয়।

- উল্লিখিত প্রশ্নে সহকারী জজ রায় দিলে, সেই রায়ের বিরুদ্ধে উক্ত সহকারী জজের নিকট রিভিউ আবেদন করতে হবে।
৪,০১৫.
নিজ অধিক্ষেত্রভুক্ত কোনো বিষয়ে ইলেকট্রনিক মাধ্যমে প্রকাশিত কোনো তথ্য সাইবার নিরাপত্তার ক্ষেত্রে হুমকি সৃষ্টি করলে, জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সির মহাপরিচালক তা ব্লক করার জন্য কাকে অনুরোধ করতে পারেন?
  1. জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সিকে
  2. কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিমকে
  3. বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে
  4. জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা কাউন্সিলকে
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে
ব্যাখ্যা
• সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩

ধারা ৮- কতিপয় তথ্য-উপাত্ত অপসারণ বা ব্লক করিবার ক্ষমতা:

(১) জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সির মহাপরিচালকের নিজ অধিক্ষেত্রভুক্ত কোনো বিষয়ে ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে প্রকাশিত বা প্রচারিত কোনো তথ্য- উপাত্ত সাইবার নিরাপত্তার ক্ষেত্রে হুমকি সৃষ্টি করিলে তিনি উক্ত তথ্য-উপাত্ত অপসারণ বা, ক্ষেত্রমত, ব্লক করিবার জন্য বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে, অতঃপর বিটিআরসি বলিয়া উল্লিখিত, অনুরোধ করিতে পারিবেন।

(২) যদি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিকট তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ সাপেক্ষে, বিশ্বাস করিবার কারণ থাকে যে, ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে প্রকাশিত বা প্রচারিত কোনো তথ্য-উপাত্ত দেশের বা উহার কোনো অংশের সংহতি, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা, ধর্মীয় মূল্যবোধ বা জনশৃঙ্খলা ক্ষুণ্ণ করে, বা জাতিগত বিদ্বেষ ও ঘৃণার সঞ্চার করে, তাহা হইলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী উক্ত তথ্য-উপাত্ত অপসারণ বা ব্লক করিবার জন্য, মহাপরিচালকের মাধ্যমে, বিটিআরসিকে অনুরোধ করিতে পারিবে।

(৩) উপ-ধারা (১) ও (২) এর অধীন কোনো অনুরোধ প্রাপ্ত হইলে বিটিআরসি, উক্ত বিষয়াদি সরকারকে অবহিতক্রমে, তাৎক্ষণিকভাবে উক্ত তথ্য-উপাত্ত অপসারণ বা, ক্ষেত্রমত, ব্লক করিবে।

(৪) এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, প্রয়োজনীয় অন্যান্য বিষয়াদি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে।
৪,০১৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুসারে চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে চুক্তির বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে-
  1. সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য
  2. সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য নয়
  3. আদালত অনিষ্পন্ন অবস্থায় রেখে দিতে পারে
  4. চুক্তিটিকে বাতিল বলে ঘোষণা করবেন
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য নয়
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে, নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা-
১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে;
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে;
৩) চুক্তির শর্তাবলি নির্ণয় করা না গেলে;
৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য বা প্রত্যাহারযোগ্য হলে;
৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে;
৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানি কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি;
৭) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে অথবা;
৮) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে।
------------------
Contracts not specifically enforceable, 21. The following contracts cannot be specifically enforced:
(a) a contract for the non-performance of which compensation in money is an adequate relief;
(b) a contract which runs into such minute or numerous details, or which is so dependent on the personal qualifications or volition of the parties, or otherwise from its nature is such, that the Court cannot enforce specific performance of its material terms;
(c) a contract the terms of which the Court cannot find with reasonable certainty;
(d) a contract which is in its nature revocable;
(e) a contract made by trustees either in excess of their powers or in breach of their trust;
(f) a contract made by or on behalf of a corporation or public company created for special purposes, or by the promoters of such company, which is in excess of its powers;
(g) a contract the performance of which involves the performance of a continuous duty extending over a longer period than three years from its date;
(h) a contract of which a material part of the subject matter, supposed by both parties to exist, has, before it has been made, ceased to exist.

৪,০১৭.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪৫ অনুসারে, ট্রাইব্যুনালকে প্রাথমিক ভাবে কত কার্যদিবসের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করতে হবে?
  1. ৬০ কার্যদিবস
  2. ৯০ কার্যদিবস
  3. ১৮০ কার্যদিবস
  4. ২৭০ কার্যদিবস
সঠিক উত্তর:
১৮০ কার্যদিবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা

⇒ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪৫(১) অনুযায়ী মামলার অভিযোগ গঠনের তারিখ থেকে ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে ট্রাইব্যুনালকে মামলাটি নিষ্পত্তি করতে হবে। যদি এই সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তি না হয়, তবে ধারা ৪৫(২) অনুযায়ী ট্রাইব্যুনাল বিচারক অতিরিক্ত সর্বোচ্চ ৯০ কার্যদিবস সময় বাড়াতে পারেন এবং তারপরও নিষ্পত্তি না হলে হাইকোর্ট বিভাগকে অবগত করে মামলার কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারেন। এই সময়সীমার নির্দেশ মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে বিধানিক কাঠামো নির্ধারণ করে।
অর্থাৎ, মোট সময় সর্বাধিক ২৭০ কার্যদিবস হলে মামলার নিষ্পত্তি হতে পারে, কিন্তু প্রাথমিক সময়সীমা ১৮০ কার্যদিবস নির্ধারিত।

⇒ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪৫ মামলা নিষ্পত্তির জন্য নির্ধারিত সময়সীমা:
(১) ট্রাইব্যুনালের বিচারক এই অধ্যাদেশের অধীন কোনো মামলার অভিযোগ গঠনের তারিখ হইতে ১৮০ (একশত আশি) কার্যদিবসের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করিবেন।
(২) ট্রাইব্যুনালের বিচারক উপ-ধারা (১) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো মামলা নিষ্পত্তি করিতে ব্যর্থ হইলে, তিনি উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া উক্ত সময়সীমা সর্বোচ্চ ৯০ (নব্বই) কার্যদিবস পর্যন্ত বৃদ্ধি করিতে পারিবেন।
(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ট্রাইব্যুনালের বিচারক কোনো মামলা নিষ্পত্তি করিতে ব্যর্থ হইলে, তিনি উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া বিষয়টি প্রতিবেদন আকারে হাইকোর্ট বিভাগকে অবহিত করিয়া মামলার কার্যক্রম পরিচালনা অব্যাহত রাখিতে পারিবেন।

৪,০১৮.
চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর কোন ধারার ক্ষেত্রে তামাদি আইন প্রযোজ্য নয়?
  1. ২০ ধারার
  2. ২৫ ধারার
  3. ৩৫ ধারার
  4. ৪৫ ধারার
সঠিক উত্তর:
২৫ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ ধারার
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইন,১৯০৮ এর ধারা ২৯ অনুসারে, তামাদি আইন প্রযোজ্য নয়-
⇒ বিশেষ আইনের ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৫ ধারা;
⇒ চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ২৫ ধারার ক্ষেত্রে;
⇒ বিবাহ বিচ্ছেদ আইন মোতাবেক আনীত মামলার ক্ষেত্রে;
⇒ সুখাধিকার আইন, ১৮৮২ এর আওতাভুক্ত এলাকা থেকে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ২৬ ও ২৭ ধারা এবং ২ ধারায় বর্ণিত "সুখাধিকার" এর সংজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।

Section 29- Savings:
(1) Nothing in this Act shall affect section 25 of the Contract Act, 1872.

(2) Where any special law prescribes for any suit, appeal or application a period of limitation different from the period prescribed therefore by the first schedule, the provision of section 3 shall apply, as if such period were prescribed therefor in that schedule, and for the purpose of determining any period of limitation prescribed for any suit, appeal or application by any special law-
(a) the provisions contained in section 4, sections 9 to 18, and section 22 shall apply only in so far as, and to the extent to which, they are not expressly excluded by such special law; and
(b) the remaining provisions of this Act shall not apply.

(3) Nothing in this Act shall apply to suits under the Divorce Act.

(4) Sections 26 and 27 and the definition of “easement” in section 2 shall not apply to cases arising in territories to which the Easements Act, 1882, may for the time being extend.
৪,০১৯.
নিম্নের কোনটি Doctrine of Election-এর পূর্বশর্ত নয়?
  1. দুইটি হস্তান্তর একই দলিলে হতে হবে
  2. হস্তান্তরকারী সম্পূর্ণ মালিক হতে হবে
  3. তৃতীয় ব্যক্তি বরাবর হস্তান্তর থাকতে হবে
  4. একটি সুবিধা গ্রহণ এবং অপর একটি সুবিধা বর্জন থাকতে হবে
সঠিক উত্তর:
হস্তান্তরকারী সম্পূর্ণ মালিক হতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হস্তান্তরকারী সম্পূর্ণ মালিক হতে হবে
ব্যাখ্যা
• Doctrine of Election:
নির্বাচন বলতে একই দলিলে দুই বা ততোধিক বিষয়বস্তুর মধ্যে নির্দিষ্ট সংখ্যক বিষয়বস্তুর নির্বাচন করা বুঝায়। ইকুইটি নীতির উপর Doctrine of Election প্রতিষ্ঠিত। সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৩৫ ধারায় এর বিধান রয়েছে।

এই নীতির পূর্বশর্ত হলো-
⇒ হস্তান্তরকারী অবশ্যই অন্যের মালিকানাধীন সম্পত্তি হস্তান্তরের ঘোষণা করবেন।
⇒ ঐ সম্পত্তি ৩য় ব্যক্তি বরাবর হস্তান্তর করবেন।
⇒ একই সময়ে হস্তান্তরকারীকে নিজের কিছু সম্পত্তি মূল সম্পত্তির মালিককে হস্তান্তর করবে।
⇒ দুইটি হস্তান্তর একই দলিলে হবে।
⇒ একটি সুবিধা গ্রহণ এবং অপর একটি সুবিধা বর্জন, অর্থাৎ কোন ব্যক্তি একই সঙ্গে কোন বিষয়ে অনুমোদন এবং প্রত্যাখ্যান করতে পারে না।
⇒ নির্বাচনের পূর্বে হস্তান্তরকারীর মৃত্যু বা পুনরায় হস্তান্তর করতে অক্ষম হয়ে পড়লে, তাহলে হস্তান্তরকারীর নিকট থেকে হস্তান্তরগ্রহীতা ক্ষতিপূরণ পাবে। 

অতএব, হস্তান্তরকারীকে সম্পূর্ণ মালিক হতে হবে — এই শর্ত Doctrine of Election-এর ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় নয়। বরং পুরো Doctrine-টাই তৈরি হয়েছে তখন, যখন হস্তান্তরকারী অন্যের মালিকানাধীন সম্পত্তি হস্তান্তর করে।
৪,০২০.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ অনুযায়ী নিম্নলিখিতদের মধ্যে কে পদাধিকারবলে (Ex-officio) Justice of the Peace নয়?
  1. দায়রা জজ
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতি
  4. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ২৫-এ পদাধিকারবলে (Ex-officio) জাস্টিস অফ দি পিস কারা হবেন, তার একটি নির্দিষ্ট তালিকা দেওয়া আছে। এই ধারা অনুযায়ী, নিম্নলিখিত ব্যক্তিবর্গ পদাধিকারবলে জাস্টিস অফ দি পিস:
- সুপ্রিম কোর্টের বিচারকগণ (সমগ্র বাংলাদেশের জন্য)।
- দায়রা জজ (Sessions Judges) (নিজ নিজ অধিক্ষেত্রে)।
- চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (Chief Judicial Magistrate) (নিজ নিজ অধিক্ষেত্রে)।
- মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (Metropolitan Magistrates) (নিজ নিজ অধিক্ষেত্রে)।
উপরোক্ত তালিকায় জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (District Magistrate)-এর নাম উল্লেখ নেই। যদিও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট প্রশাসনিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদ, তবে ফৌজদারি কার্যবিধির এই বিশেষ ধারা (২৫) অনুযায়ী তিনি পদাধিকারবলে জাস্টিস অফ দি পিস নয়।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ২৫ ধারায় ‘পদাধিকার বলে জাস্টিস অব দি পিস' শিরোনামে বলা আছে যে, সমগ্র বাংলাদেশে সুপ্রীমকোর্টের বিচারপতিগণ এবং দায়রা জজ, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট,মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ স্ব স্ব এলাকায় Justice of the Peace থাকবেন।
- ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর  ২২ ধারা অনুযায়ী মফম্বল এলাকার জন্য সরকার বিদেশি নাগরিক ব্যতীত উপযুক্ত যেকোনো ব্যক্তিকে জাস্টিস অব দি পিস নিয়োগ দিতে পারেন।
- সুপ্রিম কোর্টের প্রত্যেক বিচারক পদাধিকারবলে সমগ্র বাংলাদেশের জাস্টিস অফ দি পিস।
- দায়রা বিচারকগণ, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ এবং মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ পদাধিকারবলে তাদের অধিক্ষেত্রভুক্ত এলাকার জন্য জাস্টিস অফ দি পিস।
------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section: 22: Justice of the peace for the mafassal:
The Government may, by notification in the official Gazette, appoint such persons resident within Bangladesh and not being the subjects of any foreign State as it thinks fit to be Justices of the Peace within and for the local area mentioned in such notification.
Repealed
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section: 25: Ex-officio Justices of the Peace:
In virtue of their respective offices, the Judges of the Supreme Court are Justices of the Peace within and for of the whole of Bangladesh, Sessions Judges, Chief Judicial Magistrate and Metropolitan Magistrates are Justices of the Peace within their respective jurisdictions.

৪,০২১.
The death of a _________ shall not cause the suit to abate if the right to sue survives.
  1. person
  2. defendant
  3. plaintiff
  4. plaintiff or defendant
সঠিক উত্তর:
plaintiff or defendant
উত্তর
সঠিক উত্তর:
plaintiff or defendant
ব্যাখ্যা
• Order-22 Rule-1: No abatement by party's death, if right to sue survives:
The death of a plaintiff or defendant shall not cause the suit to abate if the right to sue survives.

দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২২ বিধি-১: মোকদ্দমা করার অধিকার উদ্ভব হয়ে থাকলে পক্ষের মৃত্যুতে মোকদ্দমা বিলোপসাধন হয় না:
মোকদ্দমা করার অধিকার যদি উদ্ভব হয়, তাহলে কোন বাদী বা বিবাদীর মৃত্যু মোকদ্দমার বিলুপ্তি ঘটায় না।
৪,০২২.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর অধীন সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার সর্বোচ্চ অর্থদণ্ড কত?
  1. ১০ লাখ টাকা
  2. ২০ লাখ টাকা
  3. ৫০ লাখ টাকা
  4. ১ কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
১ কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) ১ কোটি টাকা।

সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২০- সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার অপরাধ ও দণ্ড:

(১) যদি কোনো ব্যক্তি সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার নিমিত্ত কোনো পোর্টাল বা অ্যাপস বা ডিভাইস তৈরি করেন বা পরিচালনা করেন বা জুয়া খেলায় অংশগ্রহণ করেন বা খেলায় সহায়তা বা উৎসাহ প্রদান করেন বা উৎসাহ প্রদানের জন্য বিজ্ঞাপনে অংশগ্রহণ এবং প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রচার বা বিজ্ঞাপিত করেন তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

৪,০২৩.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ অনুসারে সালিশি পরিষদের গঠন পদ্ধতি কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ২
  2. ধারা ৩
  3. ধারা ৫
  4. ধারা ৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২
ব্যাখ্যা
⇒ The Muslim Family Laws Ordinance, 1961-এর ধারা ২-এ "Arbitration Council" বা সালিশি পরিষদের সংজ্ঞা ও গঠন পদ্ধতি উল্লেখ করা হয়েছে।
- এই ধারায় বলা হয়েছে যে সালিশি পরিষদ তিনজন সদস্য নিয়ে গঠিত হবে —
- একজন চেয়ারম্যান (যিনি সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান/মেয়র হবেন)।
- প্রত্যেক পক্ষের ১ জন করে প্রতিনিধি, অর্থাৎ দুই পক্ষের সম্মতিতে ২ জন প্রতিনিধি থাকবেন।

তাছাড়া, ধারা ২-এ আরও বলা হয়েছে—
- যদি কোনো পক্ষ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিনিধি মনোনীত করতে ব্যর্থ হয়, তবে সে পক্ষের প্রতিনিধি ছাড়া সালিশি পরিষদ গঠিত হবে।
- যদি চেয়ারম্যান অমুসলিম হন বা দায়িত্ব পালনে অক্ষম হন, তবে সালিশি পরিষদের একজন মুসলিম সদস্যকে চেয়ারম্যান হিসেবে নিযুক্ত করা হবে।
৪,০২৪.
SAT Act, 1950 এর কত ধারায় “চাষাবাদকারী রায়ত” এর সংজ্ঞা দেয়া আছে?
  1. ধারা ২(৯)
  2. ধারা ২(১১)
  3. ধারা ২(১৩)
  4. ধারা ২(১৫)
সঠিক উত্তর:
ধারা ২(৯)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২(৯)
ব্যাখ্যা
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ধারা ২(৯):
“চাষাবাদকারী রায়ত” বা “চাষাবাদকারী অধীন-রায়ত” বলতে সেই রায়ত বা অধীন-রায়তকে বোঝায়, যিনি নিজে, অথবা তাঁর পরিবারের সদস্যগণ, বা চাকর, বা বর্গাদার, বা ভাড়াটে শ্রমিকদের সাহায্যে, অথবা অংশীদারদের সহায়তায় জমি চাষ করেন।

The State Acquisition and Tenancy Act,1950 Section 2(9):
[“cultivating raiyat” or “cultivating under-raiyat” means a raiyat or an under-raiyat, as the case may be, who holds land by cultivating it either by himself or by members of his family or by servants or by bargadars or by or with the aid of hired labourers or with the aid of partners]
৪,০২৫.
তামাদি আইন অনুসারে, দায় স্বীকার (Acknowledgment) করা হলে সময়সীমা গণনা শুরু হবে-
  1. দায় সৃষ্টির দিন থেকে
  2. চুক্তি স্বাক্ষরের দিন থেকে
  3. দায় স্বীকারের দিন থেকে
  4. আদালতে দায় স্বীকারের দিন থেকে
সঠিক উত্তর:
দায় স্বীকারের দিন থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায় স্বীকারের দিন থেকে
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১৯ অনুসারে, যদি কোনো দায় ( liability) সম্পর্কিত লিখিত স্বীকারোক্তি (Acknowledgment) করা হয়, তাহলে সময়সীমা পুনরায় গণনা স্বীকারোক্তিটি স্বাক্ষর করার দিন থেকে শুরু হবে।
- সুতরাং, সঠিক উত্তর গ) দায় স্বীকারের দিন থেকে।

⇒ তামাদি আইনের ১৯ ধারায় লিখিত প্রাপ্তি স্বীকারের ফলাফল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। কোন মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিলের জন্য আইন দ্বারা নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই অপর পক্ষ যদি উক্ত মামলার বা দরখাস্তের বিষয়বস্তু সম্পর্কিত সম্পত্তি বা অধিকার সম্পর্কে লিখিত প্রাপ্তি স্বীকারের মাধ্যমে দায় স্বীকার করে নেয় সেক্ষেত্রে উত্তরুপ স্বীকৃতি স্বাক্ষরিত হওয়ার দিন থেকে নতুন করে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।
তামাদি আইনের ১৯ ধারার শর্তসমূহ নিম্নরূপ-
- লিখিত হতে হবে
- উক্ত পক্ষ কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে
- অবশ্যই তামাদি মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই করতে হবে
- উক্ত স্বীকৃতি অবশ্যই সম্পত্তি বা অধিকার সম্পর্কে হবে।

⇒ The Limitation Act, 1908, Section 19: Effect of acknowledgement in writing-
(1) Where, before the expiration of the period prescribed for a suit or application in respect of any property or right, an acknowledgement of liability in respect of such property or right has been made in writing signed by the party against whom such property or right is claimed, or by some person through whom he derives title or liability, a fresh period of limitation shall be computed from the time when the acknowledgement was so signed.
(2) Where the writing containing the acknowledgement is undated, oral evidence may be given of the time when it was signed; but, subject to the provisions of the Evidence Act, 1872, oral evidence of its contents shall not be received.
Explanation I- For the purposes of this section an acknowledgement may be sufficient though it omits to specify the exact nature of the property or right, or avers that the time for payment, delivery, performance or enjoyment has not yet come, or is accompanied by a refusal to pay, deliver, perform or permit to enjoy, or is coupled with a claim to a set-off, or is addressed to a person other than the person entitled to the property or right.
Explanation II- For the purposes of this section, “signed” means signed either personally or by an agent duly authorized in this behalf.
Explanation III- For the purposes of this section an application for the execution of a decree or order is an application respect of a right.

৪,০২৬.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ এর কত ধারায় 'Doctrine of lis pendens' প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. ৫১ ধারায়
  2. ৫৩ক ধারায়
  3. ৫২ ধারায়
  4. ৫৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫২ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫২ ধারায়
ব্যাখ্যা
• "লিসপেনডেন্স নীতি (The doctrine of lis pendens)" এর মূল কথা হলো- Pendente lite nihil invatur অর্থাৎ মামলা রুজু অবস্থায় নতুন কোনো অবস্থার সৃষ্টি করা উচিত হবে না। এই নীতি সম্পত্তি হস্তান্তর আইন,১৮৮২ এর ৫২ ধারায় প্রতিফলিত হয়েছে।

ধারা ৫২ অনুযায়ী,
কোন স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত মামলায় প্রত্যক্ষ ও সুনির্দিষ্টভাবে ঐ সম্পত্তি সংক্রান্ত কোন অধিকারের প্রশ্ন উত্থাপিত হলে, মামলার কোন পক্ষই আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারবে না। তবে আদালত অনুমতি দিলে তা হস্তান্তর করা যাবে। মামলা চলাকালীন হস্তান্তর মামলার ফলাফলকে কোনোভাবে প্রভাবিত করবে না বা মামলার কোনো পক্ষকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে না।

Section 52: Transfer of property pending suit relating thereto
During the pendency in any Court in Bangladesh, of any suit or proceeding which is not collusive and in which any right to immoveable property is directly and specifically in question, the property cannot be transferred or otherwise dealt with by any party to the suit or proceeding so as to affect the rights of any other party thereto under any decree or order which may be made therein, except under the authority of the Court and on such terms as it may impose. 
 
Explanation.-For the purposes of this section, the pendency of a suit or proceeding shall be deemed to commence from the date of the presentation of the plaint or the institution of the proceeding in a Court of competent jurisdiction, and to continue until the suit or proceeding has been disposed of by a final decree or order and complete satisfaction or discharge of such decree or order has been obtained, or has become unobtainable by reason of the expiration of any period of limitation prescribed for the execution thereof by any law for the time being in force.
৪,০২৭.
দণ্ডবিধির ৪৯৪ ধারা অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি জীবিত স্বামী বা স্ত্রীর সাথে থাকা অবস্থায় পুনরায় বিবাহ করে, তাহলে তার সর্বোচ্চ শাস্তি কী হবে?
  1. ৩ বছর কারাদণ্ড
  2. ৫ বছর কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. ১০ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৪ ধারার বিধান স্বামী বা স্ত্রীর জীবদ্দশায় পুনরায় বিবাহ করা: কোন ব্যক্তি যদি এক স্বামী বা এক স্ত্রী জীবিত থাকা সত্ত্বেও এমন কোন পরিস্থতিতে বিবাহ করে, যে পরিস্থিতিতে স্বামী বা স্ত্রী জীবিত থাকা অবস্থায় সংঘটিত বলে অনুরূপ বিষয়টি অবৈধ হয়েছে, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

ব্যতিক্রম:- অনুরূপ স্বামী বা স্ত্রীর সাথে যে ব্যক্তির বিবাহ কোন উপযুক্ত আদালত দ্বারা নাকচ বলে ঘোষণা করা হয়েছে, সে ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই ধারাটি প্রয়োগযোগ্য হবে না। কিংবা যে প্রাক্তন স্বামী বা স্ত্রীর জীবদ্দশায় বিবাহ সংঘটিত হচ্ছে, বিবাহের সময় পর্যন্ত যে প্রাক্তন স্বামী বা স্ত্রী যদি পূর্ববর্তী সাত বৎসর পর্যন্ত ক্রমাগত পরবর্তী বিবাহ অনুষ্ঠানকারীর নিকট থেকে অনুপস্থিত থেকে থাকে এবং সে সাত বৎসর যাবৎ অনুরূপ প্রাক্তন স্বামী বা স্ত্রী জীবিত রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি না শুনে থাকে তবে তার ক্ষেত্রে এই ধারা প্রয়োগযোগ্য হবে না; তবে পরবর্তী বিবাহকালে বিবাহ অনুষ্ঠানকারী ব্যক্তি যার সাথে তার বিবাহ হচ্ছে তাকে বিবাহ সংঘটিত হওয়ার পূর্বে তার জ্ঞাত সকল ঘটনা সংক্রান্ত প্রকৃত পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করতে হবে।
------------------------- 
⇒ The Penal Code, 1860-Section 494. Marrying again during life-time of husband or wife:
- Whoever, having a husband or wife living, marries in any case in which such marriage is void by reason of its taking place during the life of such husband or wife, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to finel.

Exception: This section does not extend to any person whose marriage with such husband or wife has been declared void by a Court of competent jurisdiction, nor to any person who contracts a marriage during the life of a former husband or wife, if such husband or wife, at the time of the subsequent marriage, shall have been continually absent from such person for the space of seven years, and shall not have been heard of by such person as being alive within that time provided the person contracting such subsequent marriage shall, before such marriage takes place, inform the person with whom such marriage is contracted of the real state of facts so far as the same are within his or her knowledge.
৪,০২৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন আদেশ ও বিধিতে প্লিডিংস সংশোধনের বিধান রয়েছে?
  1. আদেশ ৬, বিধি ১৭
  2. আদেশ ১, বিধি ১০
  3. আদেশ ৭, বিধি ১১
  4. আদেশ ৪, বিধি ১৭
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৬, বিধি ১৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৬, বিধি ১৭
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৬ বিধি ১৭: প্লিডিংস সংশোধন:
- মামলার যে কোন পর্যায়ে আদালত যে কোন পক্ষকে আরজি বা জবাবের ন্যায়সঙ্গত পরিবর্তন বা সংশোধন করার অনুমতি দিতে পারেন।
- বাদী বা বিবাদী উভয় পক্ষের বিরোধের প্রকৃত প্রশ্ন নির্ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় যাবতীয় সংশোধন করা যাবে।
- আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতার উপর আরজি জবাব সংশোধনের আদেশ নির্ভর করে।
- প্লিডিংস সংশোধনের দরখাস্ত দাখিল করতে হয় বিচারিক আদালতে।
- প্লিডিংস মামলার যে কোন পর্যায়ে এমনকি আপিল আদালতের মাধ্যমে সংশোধন করা যায়।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order 6 Rule 17: Amendment of pleadings:
The Court may at any stage of the proceedings allow either party to alter or amend his pleadings in such manner and on such terms as may be just, and all such amendments shall be made as may be necessary for the purpose of determining the real questions in controversy between the parties:
Provided that no application for amendment shall be allowed after the trial has commenced, unless the Court is of opinion that in spite of due diligence, the party could not have raised the matter before the commencement of trial:
Provided further that if an application for amendment is made after the trial has commenced and the Court is of opinion that the application is made to delay the proceedings, the Court shall make an order for the payment to the objector such cost by way of compensation as it thinks fit. 

৪,০২৯.
একজন আইনজীবির সহ-আইনজীবির প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য কয়টি?
  1. ৮টি
  2. ১১ টি
  3. ৯ টি
  4. ১৪ টি
সঠিক উত্তর:
১১ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ টি
ব্যাখ্যা
Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর ১ম  অধ্যায়ে একজন আইনজীবির সহ-আইনজীবির প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্যের বিষয়ে বর্ণিত আছে। 
♦ একজন আইনজীবির সহ-আইনজীবির প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য ১১টি
১) ব্যক্তিগত ও পেশাগত মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখা। [বিধি-১]।
২) পেশাগত প্রচারণার জন্য কোন বিজ্ঞাপন দেওয়া যাবে না তবে প্রকাশনা, পেশাগত কার্ড, নামফলক বা প্রচলিত ডাইরেক্টরী ব্যবহার করা যাবে--[বিধি-২]।
৩) একজন এ্যাডভোকেট অন্য ব্যক্তিকে বা দালালকে আইন পেশা পরিচালনার জন্য অনুমতি বা পারিশ্রমিক দিবেন না--[বিধি-৩]।

৪) প্রতিপক্ষের এডভোকেটের অনুপস্থিতিতে আদালতে মামলার বিষয়বস্তু উপস্থাপনা করবেন না [এক তরফা মামলার (ex- parte) ক্ষেত্র ব্যতীত] [বিধি ৪]।
৫) প্রতিপক্ষ মক্কেলের সাথে মামলার বিষয় নিয়ে আলাপ-আলোচনা করবেন না--[বিধি-৫]।
৬) মক্কেল অতিরিক্ত এ্যাডভোকেট নিয়োগ করতে পারবেন তবে এক্ষেত্রে নিযুক্তিয় এডভোকেটের বকেয়া পরিশোধ না করলে উক্ত মামলায় অতিরিক্ত এডভোকেটের জড়িত হওয়া উচিত হবে না---[এক্ষেত্রে নিযুক্তিয় এ্যাডভোকেট এন.ও.সি (নো অবজেকশন সার্টিফিকেট) দিলে ভাল হয়।]----[বিধি-৬]।
৭) কোন মামলার বিচার চলার সময় কোন এ্যাডভোকেট অপরপক্ষের এডভোকেটের ব্যক্তিগত ইতিহাস বা বৈশিষ্ট্যের বিষয়ে কোন বক্তব্য প্রদান করবেন না--[বিধি-৭]।

৮) একজন এ্যাডভোকেট বন্টন নীতিমালাতে যেরূপ আছে ঐ ভাবে আইন সহায়তার জন্য ফিস নিতে পারবে এবং তার ফিস অন্য কোন ব্যক্তির সাথে বন্টিত বা ভাগ বাটোয়ারা হবে না--[বিধি-৮]।

৯) প্রত্যেক আইনজীবী বার কাউন্সিল প্রণীত তালিকাভুক্তির বিধান অনুসারে পদাধিকারের বিধান মেনে চলবে। [বিধি - ৯]।
১০) জুনিয়র এবং নবীন আইনজীবীরা সর্বদা সিনিয়র এবং প্রবীন আইনজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকবে--[বিধি-১০]। 
১১)কোন মামলায় কোন পক্ষে একাধিক এ্যাডভোকেট নিয়োজিত হলে, সেক্ষেত্রে সিনিয়র এ্যাডভোকেট মামলা পরিচালনা করবেন-- [বিধি-১১]।
৪,০৩০.
বাদী সমনের জন্য খরচ প্রদান না করায় খারিজ আদেশ হলে, তা রদ করার জন্য তামাদির মেয়াদ তামাদি আইনের কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে?
  1. ১১২ অনুচ্ছেদ
  2. ১৬৩ অনুচ্ছেদ
  3. ১৭৪ অনুচ্ছেদ
  4. ১৮১ অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
১৬৩ অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬৩ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
বাদী সমনের জন্য খরচ প্রদান না করায় খারিজ আদেশ হলে তা রদ করার জন্য তামাদির মেয়াদ তামাদি আইনের ১৬৩ অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে।

অনুচ্ছেদ-১৬৩
হাজির হতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য বা গরহাজিরার ফলে [default of appearance] বা সমন জারীর খরচ জমা না দেওয়ার জন্য অথবা খরচার জামানত দাখিল না করার জন্য মামলা খারিজ আদেশ বাতিল করার জন্য দরখাস্ত [to set aside an order of dismissal]

তামাদি- ৩০ দিন।
সময় গণনা শুরু -খারিজ হওয়ার তারিখ হতে।
৪,০৩১.
আদেশ ৩৯ বিধি ২ এর অধীনে ক্রোকাদেশ সর্বোচ্চ কত দিন বলবৎ থাকবে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৯ বিধি ২:

১) বিবাদিকে চুক্তি লঙ্ঘন বা অন্য কোন প্রকার অনিষ্ট করা থেকে বিরত রাখার মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবী করা হয়ে থাকুক বা না থাকুক, মোকদ্দমা শুরু হওয়ার পর যে কোন সময় এবং রায়ের পূর্বে বা পরে বাদি অভিযোগে আনীত চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে কিংবা একই চুক্তি থেকে উদ্ভূত অথবা একই সম্পত্তি বা অধিকারের সাথে সম্পর্কিত কোন চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে বিবাদিকে বিরত রাখার জন্য আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে।

২) নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ, হিসাব রক্ষণ, জামানত প্রদান অথবা অন্য প্রকারে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্ত সাপেক্ষে অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করে আদেশ প্রদান করতে পারে।

৩) যদি অমান্য করা হয় কিংবা অনুরূপ কোন শর্ত লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত অনুরূপ অমান্য করা বা লঙ্ঘন করার জন্য দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে অনধিক ছয় মাস মেয়াদের জন্য দেওয়ানি জেলে আটক রাখতেও নির্দেশ দিতে পারে, যদি না আদালত ইতোমধ্যে তার মুক্তির আদেশ প্রদান করে থাকে।

৪) এই বিধির অধীনে কোন ক্রোক এক বৎসরের অধিক বলবৎ থাকবে না এবং উক্ত সময়ের পরও যদি অমান্য বা লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে তবে ক্রোকী সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ খেসারতের আদেশ প্রদান করতে পারে এবং অবশিষ্ট অর্থ, যদি থাকে, তাতে অধিকারী পক্ষকে প্রদান করবে।
৪,০৩২.
ফৌজদারি অপরাধ খুনের মামলায় 'A' মৃত্যুদণ্ডের আদেশপ্রাপ্ত হয় পরবর্তীতে মেডিক্যাল পরীক্ষায় জানা গেলো যে, 'A' গর্ভবতী। এক্ষেত্রে-
  1. হাইকোর্ট বিভাগ সাজা হ্রাস করতে পারে
  2. বিচারিক আদালত বিচার বাতিল করতে পারে
  3. দায়রা আদালত যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারে
  4. জেল কর্তৃপক্ষ মৃত্যুদণ্ডের আদেশ কার্যকর করবেন
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ সাজা হ্রাস করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ সাজা হ্রাস করতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮২ ধারার অধীন গর্ভবতী স্ত্রী লোকের মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করা যায়:-
- মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত স্ত্রীলোক গর্ভবতী হলে হাইকোর্ট তার দণ্ডাদেশ স্থগিত রাখার নির্দেশ দিতে পারবেন অথবা উপযুক্ত মনে করলে দণ্ড হ্রাস করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারবেন।
------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section-382: Postponement of capital sentence on pregnant woman:
-If a woman sentenced to death is found to be pregnant, the High Court Division shall order the execution of the sentence to be postponed, and may, if it thinks fit, commute the sentence to transportation for life.
৪,০৩৩.
বিশেষ ক্ষমতা আইনে কয় ধরনের কাজকে ক্ষতিকর কাজ হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ৭ ধরনের
  2. ৬ ধরনের
  3. ৯ ধরনের
  4. ৮ ধরনের
সঠিক উত্তর:
৮ ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ ধরনের
ব্যাখ্যা
১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২(চ) ধারায় ৮ ধরনের কার্যকে ক্ষতিকর কার্য হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে। ক্ষতিকর কার্য অর্থ এমন কোন কাজ যা-

১. বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব বা প্রতিরক্ষাকে ক্ষতিগ্রস্থ করতে পারে বা করার উদ্দেশ্যে প্রণোদিত;
২. বিদেশী রাষ্ট্রের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্থ করবে বা করার উদ্দেশ্যে প্রণোদিত;
৩. বাংলাদেশের নিরাপত্তাকে ক্ষতিগ্রস্থ করবে বা জননিরাপত্তা বিপন্ন বা জনশৃঙ্খলার রক্ষণাবেক্ষণ কাজ বিপন্ন বা ক্ষতিগ্রস্থ করবে বা করার উদ্দেশ্যে প্রণোদিত।
৪. বিভিন্ন সম্প্রদায় বা জনগণের বিভিন্ন শ্রেণীর বা অংশের মধ্যে ঘৃণ্য বা শত্রুতার মনোভাব সৃষ্টি করে বা উহার উসকানি দেয় বা দেওয়ার উদ্দেশ্যে প্রণোদিত;
৫. আইন প্রশাসন বা আইন-শৃঙ্খলার রক্ষণাবেক্ষণ কাজে হস্তক্ষেপ করে বা হস্তক্ষেপে উত্তেজিত বা উৎসাহিত করে বা করার উদ্দেশ্যে প্রণোদিত;
৬. জনগণের মধ্যে বা জনগণের কোন অংশের মধ্যে ভীতি বা সন্ত্রাসের সৃষ্টি করে বা করার উদ্দেশ্যে প্রণোদিত;
৭. রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক স্বার্থকে ক্ষতিগ্রস্থ করে বা করার উদ্দেশ্যে প্রণোদিত;
৮. ক্ষতিকর রিপোর্ট অর্থ এমন কোন রিপোর্ট, বিবৃতি বা দৃশ্যমান বিবরণ, তা সত্য হোক বা মিথ্যা হোক, যা প্রকাশ একটি ক্ষতিকর কাজ বা ক্ষতিকর কাজ সংঘটনের উসকানি দান করে।

Section 2(f): “prejudicial act” means any act which is intended or likely- 
 
(i) to prejudice the sovereignty or defence of Bangladesh; 
(ii) to prejudice the maintenance of friendly relations of Bangladesh with foreign states; 
(iii) to prejudice the security of Bangladesh or to endanger public safety or the maintenance of public order; 
(iv) to create or excite feelings of enmity or hatred between different communities, classes or sections of people; 
(v) to interfere with or encourage or incite interference with the administration of law or the maintenance of law and order; 
(vi) to prejudice the maintenance of supplies and services essential to the community; 
(vii) to cause fear or alarm to the public or to any section of the public; 
(viii) to prejudice the economic or financial interests of the State;
৪,০৩৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্র উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ১৫০
  2. ধারা ১৫১
  3. ধারা ১৫৩
  4. ধারা ১৫৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫১
ব্যাখ্যা

 • দেওয়ানি আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা-
আদালতের সহজাত ক্ষমতা বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power of court) ন্যায় বিচারের স্বার্থে দেওয়ানী আদালতের একটি অলিখিত ক্ষমতা যা প্রয়োগের মাধ্যমে আদালত ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে সচেষ্ট হয়। কোন বিচারপ্রার্থী ন্যায় বিচার হতে বঞ্চিত না হওয়ার জন্য দেওয়ানি আদালতকে একটি বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। যেক্ষেত্রে আইনের কোন সুস্পষ্ট বিধান নেই বা আইনের কোন সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা নেই সেক্ষেত্রে আদালত তার স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা কল্পে বিচারকার্য পরিচালনা করতে পারেন। একেই বলা হয় আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা বা সহজাত ক্ষমতা।

দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫১ ধারামতে, দেওয়ানি আদালত ২টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা (For the ends of justice); এবং
ii) আদালতের কার্যধারা বা আদালত কর্তৃক ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা (To prevent abuse of the process of the court)।

Section 151- Saving of inherent powers of Court:
Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect the inherent power of the Court to make such orders as may be necessary for the ends of justice or to prevent abuse of the process of the Court.

৪,০৩৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৮ ধারায় 'হাইকোর্ট ডিভিশন' অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারে—
  1. ম্যাজিস্ট্রেটকে
  2. দায়রা আদালতকে
  3. জেলা পুলিশ সুপারকে
  4. 'ক' বা 'খ' যেকোনো একটিকে
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'খ' যেকোনো একটিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'খ' যেকোনো একটিকে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৮ ধারায় বলা হয়েছে, আপিল আদালত (যদি হাইকোর্ট ডিভিশন হয়) চাইলে নিজে অতিরিক্ত সাক্ষ্য নিতে পারে।
অথবা, চাইলে দায়রা আদালত অথবা ম্যাজিস্ট্রেট—এই দুইয়ের কোনো একজনকে তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারে।
অতএব, উত্তর ঘ (ক বা খ যেকোনো একটিকে)–ই সঠিক, কারণ হাইকোর্ট ডিভিশন চাইলে এই দুইয়ের মধ্যে যে কাউকে সাক্ষ্য গ্রহণের দায়িত্ব দিতে পারে।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৮ ধারার বিধান: আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করতে বা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন:
(১) এই অধ্যায়ের অধীন কোন আপিল বিবেচনার সময় আপিল আদালত যদি অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ দরকার মর্মে মনে করেন, তাহলে তার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন এবং এই সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন, অথবা কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন, অথবা আপিল আদালত যখন হাইকোর্ট ডিভিশন হয়, তখন কোন দায়রা আদালত বা কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন ।
(২) দায়রা আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক যখন অতিরিক্ত সাক্ষ্য গৃহীত হয়, ইহা বা তিনি উক্ত সাক্ষ্য সত্যায়নপূর্বক আপিল আদালতে প্রেরণ করবেন, এবং উক্ত আদালত অতঃপর আপিল নিষ্পত্তির দিকে অগ্রসর হবেন।
(৩) আপিল আদালত ভিন্নরূপ নির্দেশ না দিলে অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের সময় আসামি বা তাহার কৌসুলী উপস্থিত থাকবেন।
(৪) অধ্যায়-২৫ এর বিধান সাপেক্ষে এই ধারার অধীন এমনভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে, যেন তা একটি অনুসন্ধান।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section 428- Appellate Court may take further evidence or direct it to be taken:
(1) In dealing with any appeal under this Chapter, the Appellate Court, if it thinks additional evidence to be necessary, shall record its reasons, and may either take such evidence itself, or direct it to be taken by a Magistrate, or, when the Appellate Court is High Court Division, by a Court of Session or a Magistrate.
(2) When the additional evidence is taken by the Court of Session or the Magistrate, it or he shall certify such evidence to the Appellate Court, and such Court shall thereupon proceed to dispose of the appeal.
(3) Unless the Appellate Court otherwise directs, the accused or his pleader shall be present when the additional evidence is taken.
(4) The taking of evidence under this section shall be subject to the provisions of Chapter XXV, as if it were an inquiry.
৪,০৩৬.
What is an agreement called when it is not supported by 'consideration'?
  1. Nudum Pactum
  2. Quid Pro Quo
  3. Noscitur A Sociis
  4. Consensus Ad Idem
সঠিক উত্তর:
Nudum Pactum
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Nudum Pactum
ব্যাখ্যা
• 'Nudum Pactum' হলো সেই চুক্তি, যা কোনো consideration (বিবেচ্য বা বিনিময়) ছাড়া করা হয়। এজন্য এটি আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক নয়। 

আইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি হলো:
"No consideration, no contract" – কোনো চুক্তি বৈধ হতে হলে উভয় পক্ষের মধ্যে কিছু মূল্য বা বিনিময় থাকা আবশ্যক। চুক্তি আইনের ২৫ ধারা অনুসারে, প্রতিদান ব্যতীত সম্মতি বাতিল।

অন্যান্য বিকল্পগুলোর সংক্ষেপ ব্যাখ্যা:
Quid Pro Quo: এর অর্থ "একটির বিনিময়ে অন্যটি"। এটি বিনিময় বা পারস্পরিক সুবিধার নীতি নির্দেশ করে।
Noscitur A Sociis: এর অর্থ "শব্দের অর্থ তার আশেপাশের শব্দ থেকে বোঝা যায়"। এটি একটি ব্যাখ্যামূলক নিয়ম।
Consensus Ad Idem : এর অর্থ "মনের মিল"। এটি বোঝায় যে চুক্তির দুই পক্ষ একটি বিষয় নিয়ে একমত এবং একই অর্থে তা বুঝেছে।
৪,০৩৭.
৪৩৯ক ধারার বিধান কী?
  1. দায়রা আদালতের আপিলের বিধান
  2. হাইকোর্ট বিভাগের রিভিশনের ক্ষমতা
  3. দায়রা আদালতের রিভিশনের ক্ষমতা
  4. হাইকোর্ট বিভাগের বিশেষ ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতের রিভিশনের ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতের রিভিশনের ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
♦ দায়রা আদালত –এর রিভিশনের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে ৪৩৯ক নং ধারায়।
♦ ধারাঃ ৪৩৯-ক মতে (১) কোন কার্যক্রমের ক্ষেত্রে নিজে কোন মামলার নথি তলব করে থাকলে বা অন্য কোনভাবে বিষয়টি তার গোচরীভূত হলে দায়রা জজ ৪৩৯ ধারা অনুসারে হাইকোর্ট বিভাগের সকল বা যে কোন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।
♦ (২) কোন ব্যক্তি কর্তৃক বা তার পক্ষ হতে দায়রা জজের নিকট কোন রিভিশনের আবেদন করা হলে, সে সম্পর্কে দায়রা জজের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে।
♦ (৩) দায়রা জজের সাধারণ বা বিশেষ আদেশক্রমে কোন মামলা অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট হস্তান্তরিত হলে সেই মামলা সম্পর্কে তিনি এই অধ্যায়ের অধীন দায়রা জজের সকল বা যেকোন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।
♦ রিভিশনের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগের যে সকল ক্ষমতা আছে সেসকল ক্ষমতা দায়রা জজকে দেওয়া হয়েছে। 
♦ রিভিশনের ক্ষেত্রে দায়রা জজের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। দায়রা জজের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে পুনরায় রিভিশন দায়ের করা যাবে না।
♦ অতিরিক্ত দায়রা জজ তার নিকট হস্তান্তরকৃত মামলা সম্পর্কে দয়রা জজের রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবে।
৪,০৩৮.
ধারা ৩৩৯ক অনুযায়ী, যদি অভিযুক্ত ক্ষমার শর্ত পূরণ করে, তবে আদালত কী রায় দিবে?
  1. মুক্তির রায় দিতে হবে
  2. খালাসের রায় দিতে হবে
  3. শাস্তি স্থগিত করতে হবে
  4. পুনরায় বিচার করতে হবে
সঠিক উত্তর:
খালাসের রায় দিতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খালাসের রায় দিতে হবে
ব্যাখ্যা

ধারা ৩৩৯ক- ৩৩৯ ধারার অধীনে ক্ষমাপ্রাপ্ত ব্যক্তির বিচার প্রক্রিয়া:
(১) যে আদালত ৩৩৯ ধারার অধীনে ক্ষমা গ্রহণকারী ব্যক্তির বিচার করছে, সে আদালত—
(ক) যদি আদালত সেশন কোর্ট হয়, তবে অভিযোগপত্র অভিযুক্তকে ২৬৫ডি ধারা, উপ-ধারা (২) অনুযায়ী পাঠ করা ও ব্যাখ্যা করার আগে; এবং
(খ) যদি আদালত ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত হয়, তবে প্রসিকিউশনের সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণের আগে—

অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসা করবে যে তিনি কি এই দাবি করেন যে ক্ষমা প্রদানের শর্ত তিনি পূরণ করেছেন।

(২) যদি অভিযুক্ত এই দাবি করেন, তবে আদালত তার এই আবেদন/দাবি নথিভুক্ত করবে এবং বিচার চালিয়ে যাবে। পরে রায় ঘোষণার আগে আদালত নির্ধারণ করবে অভিযুক্ত আসলেই ক্ষমার শর্ত পূরণ করেছেন কি না।

যদি আদালত দেখতে পায় যে শর্ত পূরণ করা হয়েছে, তবে এই বিধি সত্ত্বেও আদালত খালাসের রায় প্রদান করবে।

৪,০৩৯.
অসাধু বা প্রতারণামূলকভাবে কোনো ব্যক্তিকে কোনো দলিল স্বাক্ষর, সিলমোহর, সম্পাদনা বা পরিবর্তন করিতে বাধ্য করার সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কত?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
ব্যাখ্যা
ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর ৫ ধারার বিধান ভূমি জালিয়াতি সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড: 
(১) ভূমি হস্তান্তর, জরিপ, রেকর্ড হালনাগাদকরণ বা ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত নিম্নবর্ণিত কোনো কার্য ভূমি জালিয়াতি সংক্রান্ত অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে, যথা:-
(ক) কোনো ব্যক্তির ক্ষতি বা অনিষ্ট সাধন করিবার বা কোনো দাবি বা অধিকার সমর্থন করিবার অথবা কোনো ব্যক্তিকে কোনো সম্পত্তি পরিত্যাগ বা চুক্তি সম্পাদন করিতে বাধ্য করিবার অথবা প্রতারণা করা যাইতে পারে এইরূপ অভিপ্রায়ে কোনো মিথ্যা দলিল বা কোনো মিথ্যা দলিলের অংশবিশেষ প্রস্তুতকরণ;
(খ) কোনো দলিল বা উহার অংশবিশেষ এইরূপ কোনো ব্যক্তি কর্তৃক বা তাহার কর্তৃত্ববলে প্রস্তুত, স্বাক্ষরিত, সিলমোহরকৃত বা সম্পাদিত বলিয়া বিশ্বাস করিবার অভিপ্রায়ে, যে ব্যক্তি কর্তৃক বা যে ব্যক্তির কর্তৃত্ববলে উহা প্রস্তুত, স্বাক্ষরিত, সিলমোহরকৃত বা সম্পাদিত হয় নাই বলিয়া সে জ্ঞাত বা অবগত, অথবা এইরূপ কোনো সময়, যে সময় উহা প্রস্তুত, স্বাক্ষরিত, সিলমোহরকৃত বা সম্পাদিত হয় নাই বলিয়া সে জ্ঞাত বা অবগত, অসাধু বা প্রতারণামূলকভাবে অনুরূপ দলিল বা উহার অংশবিশেষ প্রস্তুত, স্বাক্ষর, সিলমোহর বা সম্পাদন;
(গ) কোনো দলিল সম্পাদিত হইবার পর আইনানুগ কর্তৃত্ব ব্যতিরেকে, অসাধু বা প্রতারণামূলকভাবে, উহার কোনো অংশ কর্তন করা বা অন্য কোনোভাবে উহার কোনো গুরুত্বপূর্ণ অংশের পরিবর্তন;
(ঘ) সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কোনো মিথ্যা দলিল প্রস্তুতকরণ;
(ঙ) অসাধু বা প্রতারণামূলকভাবে কোনো ব্যক্তিকে কোনো দলিল স্বাক্ষর, সিলমোহর, সম্পাদনা বা পরিবর্তন করিতে বাধ্য করা

(২) কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এ বর্ণিত কোনো অপরাধ সংঘটন করিলে উহা হইবে একটি অপরাধ এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ৭(সাত) বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।
৪,০৪০.
তামাদি মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পর আদালত যদি সন্তুষ্ট হয় যে দেরির জন্য যৌক্তিক কারণ ছিল, তাহলে আদালত সময় বাড়াতে পারে—এই বিষয়টি তামাদি আইনের কোন ধারার বিধান?
  1. ৩ ধারা
  2. ৯ ধারা
  3. ৫ ধারা
  4. ৮ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ ধারা
ব্যাখ্যা
তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ৫ নম্বর ধারা (Section 5) অনুযায়ী—
যদি কোন আপিল, রিভিশন, রিভিউ বা অন্যান্য প্রযোজ্য আবেদন নির্ধারিত সময়সীমার পরে দায়ের করা হয়, এবং আবেদনকারী আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে যে বিলম্বের জন্য যৌক্তিক ও গ্রহণযোগ্য কারণ ছিল, তাহলে আদালত সেই বিলম্ব মওকুফ করতে পারে এবং আবেদনটি গ্রহণযোগ্য বলে গণ্য করতে পারে।

- তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৫ এর বিধান, “যদি কোনো আপীল বা আবেদন তামাদির মেয়াদ শেষে দাখিল করা হয়, তবে আদালত সেই দাখিল গ্রহণ করতে পারে যদি আপীলকারী বা আবেদনকারী আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে যে, দেরি হওয়ার জন্য যুক্তিসংগত কারণ ছিল।”


- এই ধারা প্রযোজ্য হয়:
১. Appeal (আপিল)
২. Application for leave to appeal (আপিলের অনুমতির আবেদন)
৩. Review of judgment (রায়ের পুনর্বিবেচনা/রিভিউ)
৪. Revision (রিভিশন আবেদন)
৫. Any other application to which this section may apply

এই ধারা প্রযোজ্য নয়:
এই ধারা মৌলিক স্যুট বা মূল মামলা (Suit)-এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। যেমন:
- ঘোষণামূলক মামলা
- সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের মামলা
- স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মামলা
 এই ধরনের মামলার জন্য নির্ধারিত মেয়াদ অতিক্রম করলে ৫ ধারায় বিলম্ব মওকুফ চাওয়া যায় না।

⇒ The Limitation Act, 1908, Section- 5. Extension of period in certain cases:
 Any appeal or application for a revision or a review of judgment or for leave to appeal or any other application to which this section may be made applicable by or under any enactment for the time being in force may be admitted after the period of limitation prescribed therefor, when the appellant or applicant satisfies the Court that he had sufficient cause for not preferring the appeal or making the application within such period. 
 
Explanation - The fact that the appellant or applicant was misled by any order, practice or judgment of the High Court Division in ascertaining or computing the prescribed period of limitation may be sufficient cause within the meaning of this section.
৪,০৪১.
প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী কর্তৃত্বে প্রণীত চুক্তি ও দলিলকে কার কর্তৃক প্রণীত বলে প্রকাশ করা হবে?
  1. সংসদ
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪৫- চুক্তি ও দলিল:
(১) প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী কর্তত্বে প্রণীত সকল চুক্তি ও দলিল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত বলিয়া প্রকাশ করা হইবে এবং রাষ্ট্রপতি যেরূপ নির্দেশ বা ক্ষমতা প্রদান করিবেন, তাঁহার পক্ষে সেইরূপ ব্যক্তি কর্তৃক ও সেইরূপ প্রণালীতে তাহা সম্পাদিত হইবে।

(২) প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী কর্তৃত্বে কোন চুক্তি বা দলিল প্রণয়ন বা সম্পাদন করা হইলে উক্ত কর্তৃত্বে অনুরূপ চুক্তি বা দলিল প্রণয়ন বা সম্পাদন করিবার জন্য রাষ্ট্রপতি কিংবা অন্য কোন ব্যক্তি ব্যক্তিগতভাবে দায়ী হইবেন না, তবে এই অনুচ্ছেদ সরকারের বিরুদ্ধে যথাযথ কার্যধারা আনয়নে কোন ব্যক্তির অধিকার ক্ষুণ্ণ করিবে না।
৪,০৪২.
দণ্ডবিধির ধারা ১১৪ অনুযায়ী, যদি কোনো উস্কানিদাতা অপরাধ সংঘটনের সময় উপস্থিত থাকে, তাহলে তাকে কীভাবে বিবেচনা করা হবে?
  1. নির্দোষ হিসেবে
  2. সরাসরি অপরাধী হিসেবে
  3. অপরাধের সাক্ষী হিসেবে
  4. শুধুমাত্র সহায়তাকারী হিসেবে
সঠিক উত্তর:
সরাসরি অপরাধী হিসেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরাসরি অপরাধী হিসেবে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১১৪ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি এমন কোনো অপরাধে সহায়তা করে (abetment), যাতে সে অপরাধ সংঘটনের সময় উপস্থিত থাকে, তাহলে তাকে আর শুধু সহায়তাকারী হিসেবে নয়, প্রধান অপরাধী হিসেবে গণ্য করা হবে।
- অর্থাৎ, উস্কানিদাতা (Abettor) যদি অপরাধ সংঘটনের সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকে, তাহলে আইন তাকে সহায়তাকারী না ভেবে মুল অপরাধী হিসেবে দেখবে এবং তদনুসারে শাস্তি প্রদান করবে।

উদাহরণ: কোনো ব্যক্তি (ক) তার বন্ধুকে (খ) হত্যা করতে উস্কানি দেয় এবং হত্যার সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকে — তাহলে কেবল উস্কানির জন্য নয়, খুনের দায়েও সে দোষী বলে বিবেচিত হবে।

⇒The Penal Code, 1860- Section- 114: Abettor present when offence is committed:
Whenever any person, who if absent would be liable to be punished as an abettor, is present when the act or offence for which he would be punishable in consequence of the abetment is committed, he shall be deemed to have committed such act or offence.
৪,০৪৩.
চেক ডিজঅনার মামলায় কোন আদালতে আপিল দায়ের করতে হবে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. দায়রা আদালতে
  3. যুগ্ম দায়রা আদালতে
  4. অতিরিক্ত দায়রা আদালতে
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতে
ব্যাখ্যা
• হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮ ধারায় চেক ডিজঅনার মামলায় প্রদত্ত দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে। তবে প্রদত্ত দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে কোথায় আপীল করা যাবে সে সম্পর্কে ১৩৮ থেকে ১৪১ ধারায় কিছু বলা হয়নি। এক্ষেত্রে ফৌজদারী কার্যবিধির আপিলের বিধান প্রযোজ্য হবে।  

চেক ডিজঅনারের মামলাটি যখন যুগ্ম দায়রা জজ কর্তৃক বিচার হয়, তাহলে দায়রা জজের নিকট ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। এক্ষেত্রে CrPC এর ৪০৮ ধারার আপিলের বিধানটি প্রযোজ্য হবে। এখানে বলা হয়েছে, যুগ্ম দায়রা জজের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজের নিকট আপীল করা যাবে।

চেক ডিজঅনারের মামলায় চেকে উল্লেখিত অর্থের সর্বনিম্ন ৫০% জমা দিয়ে আপিল দায়ের করতে হবে। চেক ডিজঅনারকৃত চেকের টাকার ৫০% টাকা যে আদালত শাস্তি দেয়, সে আদালতে জমা দিয়ে আপিল দায়ের করতে হবে। তার মানে ৫০% টাকাটা বিচারিক আদালতে জমা দিতে হবে, আপিল আদালতে নয়।
৪,০৪৪.
আদেশ-২১ বিধি-৬৮ এর অধীনে অস্থাবর সম্পত্তি নিলাম বিক্রয়ের আগে সর্বনিম্ন কতদিনের নোটিশ দিতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৬৮ এর বিধান- বিক্রয়ের সময়:
বিক্রয়ের আদেশদানকারী বিচারকের আদালত ভবনে ইশতেহারের নকল লটকিয়ে দেয়ার তারিখ থেকে স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে অন্ততপক্ষে ৩০ দিন এবং অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে ১৫ দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত ডিক্রি দায়িকের লিখিত সম্মতি ব্যতীত নিলাম বিক্রয় অনুষ্ঠিত হতে পারবে না।

⇒ Order-21 Rule-68. Time of sale:
Save in the case of property of the kind described in the proviso to rule 43, no sale hereunder shall, without the consent in writing of the judgment-debtor, take place until after the expiration of at least thirty days in the case of immovable property, and of at least fifteen days in the case of movable property, calculated from the date on which the copy of the proclamation has been affixed on the court-house of the Judge ordering the sale.
৪,০৪৫.
The definition of "offence" is stated in __________ of The Code of Criminal Procedure, 1898.
  1. Section 4(j)
  2. Section 4(l)
  3. Section 4(n)
  4. Section 4(o)
সঠিক উত্তর:
Section 4(o)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 4(o)
ব্যাখ্যা
• Section 4(o)-
"offence" means any act or omission made punishable by any law for the time being in force.

"অপরাধ" বলতে বর্তমানে প্রচলিত আইনের আওতায় শাস্তিযোগ্য কোন কাজ বা কাজ না করাকে বোঝায়।
৪,০৪৬.
দণ্ডবিধির ধারা ৩০৪খ অনুযায়ী সর্বোচ্চ শাস্তি কত?
  1. ৫ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ২ বছর
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩০৪খ অনুযায়ী, সড়ক দুর্ঘটনায় অবহেলা বা বেপরোয়া চালনার কারণে কারো মৃত্যু ঘটালে সর্বোচ্চ শাস্তি ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে, বা জরিমানা বা উভয় শাস্তি হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩০৪খ (Section 304B) অনুযায়ী: “যদি কোনো ব্যক্তি, জনসাধারণের পথে কোনো যানবাহন রাশ বা অবহেলার সাথে চালনার মাধ্যমে এমন কোনো কার্য করে যার ফলে অন্য কোনো ব্যক্তির মৃত্যু ঘটে, যা দণ্ডনীয় নরহত্যার পর্যায়ে পড়ে না, তবে সে ব্যক্তি অনধিক তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে, বা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।”

⇒The Penal Code, 1860-Section- 304B. Causing death by rash driving or riding on a public way:
Whoever causes the death of any person by rash or negligent driving of any vehicle or riding on any public way not amounting to culpable homicide shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
৪,০৪৭.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর কত ধারায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে বিচারকার্য সম্পাদন করার বিধান আছে?
  1. ৫৪
  2. ৫৫
  3. ৫৬
  4. ৫৭
সঠিক উত্তর:
৫৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৭
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৫৭ ধারার বিধান মোবাইল কোর্ট আইনের প্রয়োগ:
- এই আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, মাদকদ্রব্য অপরাধসমূহ মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ৫৯ নং আইন) এর অধীন মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করিয়া বিচারকার্য সম্পাদন করা যাইবে।

অর্থাৎ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৫৭ ধারায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে বিচারকার্য সম্পাদন করার বিধান আছে।
৪,০৪৮.
তামাদি আইন অনুসারে অগ্রক্রয়ের (pre-emption) অধিকার কার্যকর করার জন্য মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ -
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা

 ⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১০ অনুচ্ছেদ অনুসারে,
অগ্রক্রয়ের (pre-emption) অধিকার কার্যকর করার জন্য মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ ১ বছর।

এই মেয়াদ গণনা শুরু হয়:
→ ক্রেতা যদি সম্পত্তিতে প্রত্যক্ষ দখল গ্রহণ করে, তাহলে দখল গ্রহণের তারিখ থেকে।
→ যদি ক্রেতা প্রত্যক্ষ দখল গ্রহণ না করে, তাহলে বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রিকৃত হওয়ার তারিখ থেকে।

৪,০৪৯.
কোন সংস্থা কর্তৃক মামলায় আরজিতে স্বাক্ষর ও সত্যপাঠ করতে পারবে উক্ত সংস্থার-
  1. সেক্রেটারী
  2. প্রধান কর্মচারী
  3. ডিরেক্টর
  4. উপরের যে কোন ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
উপরের যে কোন ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের যে কোন ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির ২৯ আদেশের ১ বিধি অনুসারে- কোন সংস্থা মামলা করলে বা তার বিরুদ্ধে মামলা হলে প্লিডিংস-এ বা আরজিতে স্বাক্ষর ও সত্যপাঠ করবেন-

১) সংস্থার সেক্রেটারী বা

২) ডিরেক্টর বা

৩) প্রধান কর্মচারী
৪,০৫০.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ৬৫ অনুযায়ী ক্রেতার স্বত্ব কখন থেকে গণ্য হবে?
  1. বিক্রয় চূড়ান্ত হওয়ার সময় থেকে
  2. সম্পত্তি বিক্রি হওয়ার সময় থেকে
  3. নিলামের ঘোষণার সময় থেকে
  4. আদালতের অনুমতি পাওয়ার সময় থেকে
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি বিক্রি হওয়ার সময় থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি বিক্রি হওয়ার সময় থেকে
ব্যাখ্যা

ধারা ৬৫- ক্রেতার স্বত্ব:
যখন কোনো স্থাবর সম্পত্তি ডিক্রি কার্যকর করার জন্য বিক্রি করা হয় এবং ওই বিক্রয় চূড়ান্ত হয়ে যায়, তখন উক্ত সম্পত্তি ক্রেতার অধিকারভুক্ত হিসেবে গণ্য হবে সেই সময় থেকে যখন সম্পত্তি বিক্রি করা হয়েছিল, না যে সময়ে বিক্রয়টি চূড়ান্ত হয়েছে।

Section 65- Purchaser's title:
Where immovable property is sold in execution of a decree and such sale has become absolute, the property shall be deemed to have vested in the purchaser from the time when the property is sold and not from the time when the sale becomes absolute.

৪,০৫১.
‘A’, ‘B’ এর জন্য একটি ছবি আঁকার ব্যাপারে B এর সাথে চুক্তিবদ্ধ হয় এবং B এর জন্য ১০০০ টাকা প্রদানে সম্মত হয়। ছবিটি আঁকা সম্পন্ন হলে B টাকা পরিশোধ করলেও A ছবি দিতে অস্বীকার করে। এক্ষেত্রে চুক্তি-
  1. সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য
  2. সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য নয়
  3. আদালত কর্তৃক চুক্তি বাতিলযোগ্য
  4. টাকা ফেরত দিবে
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য
ব্যাখ্যা
♦১২ ধারামতে যেসব ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদায়যোগ্য সে ক্ষেত্রে কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আদায় করা যেতে পারে:-
  (i) যখন সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন পুরোপুরি বা অংশত একটি জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হয়।
  (ii) যখন সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন না করলে কার্যত যে ক্ষতি সাধিত হবে, তার নির্ণয় করার কোন মানদণ্ডের অস্তিত্ব থাকে না।
  (iii) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ এমন হয় যে, তা সম্পাদন না করে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রতিকার লাভ করা যায় না।
  (iv) যখন এই সম্ভাবনা থাকে যে, সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন না করার জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না।
৪,০৫২.
তামাদি আইনের ১৫ ধারা অনুসারে মোকদ্দমা দায়েরের পূর্বে প্রদত্ত নোটিশের মেয়াদ তামাদির মেয়াদ গণনা করতে বাদ দিতে হবে যেক্ষেত্রে-
  1. নোটিশ দেওয়া বিবেচনামূলক
  2. নোটিশ দেওয়া বাধ্যতামূলক
  3. নোটিশ দেওয়া নির্দেশণামূলক
  4. নোটিশ দেওয়া অপ্রয়োজনীয়
সঠিক উত্তর:
নোটিশ দেওয়া বাধ্যতামূলক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নোটিশ দেওয়া বাধ্যতামূলক
ব্যাখ্যা

তামাদি আইনের ১৫ ধারার বিধান অনুযায়ী, কার্যক্রম স্থগিত থাকাকালীন সময় বাদ দিতে হইবে-
(১) যেই মামলা বা ডিক্রি জারির দরখাস্ত দায়ের বা জারি কোনো নিষেধাজ্ঞা বা আদেশ দ্বারা স্থগিত রাখা হয়েছে, তার জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনার সময়, যতদিন উক্ত নিষেধাজ্ঞা বা আদেশ বলবৎ ছিল, যেদিন তা প্রদত্ত হয়েছিল এবং যেদিন তা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, তা বাদ দিতে হবে।
(২) যেই মামলার জন্য বর্তমানে বলবৎ অন্য কোনো আইনের বিধান অনুসারে নোটিশ দেয়া হয়েছে, তার জন্য নির্ধারিত মেয়াদ গণনায় নোটিশের কাল বাদ দিতে হবে।
-------------
Section 15: Exclusion of time during which proceedings are suspended-
(1) In computing the period of limitation prescribed for any suit or application for the execution of a decree, the institution or execution of which has been stayed by injunction or order, the time of the continuance of the injunction or order, the day on which it was issued or made, and the day on which it was withdrawn, shall be excluded.
(2) In computing the period of limitation prescribed for any suit of which notice has been given in accordance with the requirements of any enactment for the time being in force, the period of such notice shall be excluded.

৪,০৫৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১০ অনুযায়ী রেস সাবজুডিস (Res Sub Judice) এর কোন বৈশিষ্ট্যটি সঠিক?
  1. একই বিষয়বস্তু
  2. সম এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত
  3. একই পক্ষ বা তাদের স্থলবর্তীদের মধ্যে মোকদ্দমা
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১০ অনুযায়ী, রেস সাবজুডিস নীতির সকল বৈশিষ্ট্য (একই বিষয়বস্তু, সম এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত, এবং একই পক্ষ বা তাদের স্থলবর্তীদের মধ্যে মোকদ্দমা) প্রযোজ্য। একাধিক মামলার বিচারের জন্য এই শর্তগুলি পূর্ণ হওয়া প্রয়োজন, যাতে একাধিক আদালতে একই বিষয়ে বিচার না হয়। এর মাধ্যমে বিচার ব্যবস্থায় দ্বৈত সিদ্ধান্ত বা বিরোধী সিদ্ধান্ত এড়ানো সম্ভব হয়।

-  ধারা ১০ অনুযায়ী, রেস সাবজুডিস (Res Sub Judice) এমন একটি ধারণা যা একই বিষয়ের বিষয়ে একাধিক আদালতে একযোগে মামলা চলতে দেয় না, যাতে একই বিষয়ে বিরোধী সিদ্ধান্ত না হয়। রেস সাবজুডিসের জন্য নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্যগুলো প্রযোজ্য:
- একই বিষয়বস্তু (Same Matter in Issue):
রেস সাবজুডিসের মূল বৈশিষ্ট্য হলো যে একই বিষয়ের উপর যদি একাধিক মামলা চলমান থাকে, তবে অন্য আদালত সেটি শুনানির জন্য গ্রহণ করতে পারে না। অন্য আদালতে যে বিষয়টি বিচারের জন্য রয়েছে, সেটির সাথেই মামলার বিষয়টি এক হওয়া উচিত।
- সম এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত (Court with Same Jurisdiction):
মামলাটি যেখানে বিচারাধীন, সেখানে আদালতের এখতিয়ার সমান হতে হবে। অর্থাৎ, একই বা অভিন্ন এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত (বাংলাদেশের মধ্যে বা বৈদেশিক আদালতেও) থাকতে হবে, যারা সেই বিষয়ে কার্যকরী সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা রাখে।
- একই পক্ষ বা তাদের স্থলবর্তীদের মধ্যে মোকদ্দমা (Same Parties or Their Representatives):
রেস সাবজুডিসে শুধুমাত্র সেই সব মামলাগুলি অন্তর্ভুক্ত হবে যেখানে পক্ষগুলো একই অথবা তাদের প্রতিনিধিরা, যেমন, আইনগত উত্তরাধিকারী, স্থলবর্তী ব্যক্তি (যেমন, মিরাসী বা হেরিটর) একই বিষয়ে মামলা করছে।
এতসব বৈশিষ্ট্য মিলিয়ে, রেস সাবজুডিসের উদ্দেশ্য হচ্ছে একই বিষয়ে একাধিক আদালত একযোগে মামলা পরিচালনা না করে, একটি আদালতে সেই বিষয়টি নিষ্পত্তি করার জন্য মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করা।

তাহলে সঠিক উত্তর হবে: ঘ) উপরের সবগুলো।
৪,০৫৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় 'The effect of dismissing a Suit for Specific Performance' এর বিধান আছে?
  1. ২৭
  2. ২৮
  3. ২৯
  4. ৩০
সঠিক উত্তর:
২৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৯ ধারার সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মামলা খারিজ করার ফলাফল বা 'The effect of dismissing a Suit for Specific Performance' এর বিধান আছে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ধারা ২৯ অনুসারে, একটি চুক্তি অথবা তার অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মামলা খারিজ হয়ে গেলে তা তেমন চুক্তি বা তার অংশবিশেষ ভঙ্গ করার দায়ে ক্ষতিপূরণের জন্য বাদী কর্তৃক মামলা দায়ের করার অধিকারে প্রতিবন্ধকতা স্থাপন করবে।
------------
SR Act- Section-29. Bar of suit for breach after dismissal:
-The dismissal of a suit for specific performance of a contract or part thereof shall bar the plaintiff's right to sue for compensation for the breach of such contract or part, as the case may be.
৪,০৫৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে কোন আইনের প্রদত্ত সব সংজ্ঞা সমভাবে প্রযোজ্য হবে?
  1. কোম্পানি আইনের
  2. সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের
  3. চুক্তি আইনের
  4. সাক্ষ্য আইনের
সঠিক উত্তর:
চুক্তি আইনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি আইনের
ব্যাখ্যা
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ধারা ৩ ব্যাখ্যামূলক অনুচ্ছেদে বলা আছে, চুক্তি আইনে যে-সব শব্দের সংজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে এমন যে-সব শব্দ এই আইনে ব্যবহৃত হয়েছে, তার অর্থ উক্ত আইনে অনুরূপ শব্দগুলোর যে অর্থ করা হয়েছে সেরূপ একই অর্থবোধক গণ্য করা হবে।

অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে চুক্তি আইনের প্রদত্ত সব সংজ্ঞা সমভাবে প্রযোজ্য হবে।
-----------------
- Section-3: Words defined in Contract Act:
-All words occurring in this Act, which are defined in the Contract Act, 1872, shall be deemed to have the meanings respectively assigned to them by that Act.
৪,০৫৬.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে, নারীকে তল্লাশির ক্ষেত্রে কী নিয়ম পালন করতে হবে?
  1. তল্লাশি করার আগে ওয়ারেন্ট প্রয়োজন।
  2. তল্লাশি যে কোনো পুরুষ কর্মকর্তা করতে পারেন।
  3. তল্লাশির জন্য কোনো নিয়ম পালনের প্রয়োজন নেই।
  4. তল্লাশি অবশ্যই অন্য একজন নারীর দ্বারা এবং শালীনতার সাথে করতে হবে।
সঠিক উত্তর:
তল্লাশি অবশ্যই অন্য একজন নারীর দ্বারা এবং শালীনতার সাথে করতে হবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তল্লাশি অবশ্যই অন্য একজন নারীর দ্বারা এবং শালীনতার সাথে করতে হবে।
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: ঘ) তল্লাশি অবশ্যই অন্য একজন নারীর দ্বারা এবং শালীনতার সাথে করতে হবে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৫২ (Section 52: Mode of searching women)-এ বলা হয়েছে:
“Whenever it is necessary to cause a woman to be searched, the search shall be made by another woman, with strict regard to decency.”
অর্থাৎ যদি কোনো নারীকে তল্লাশি করার প্রয়োজন হয়, তাহলে তা অবশ্যই একজন নারী দ্বারা করা উচিত, এবং তল্লাশির সময় শালীনতার সর্বোচ্চ মান বজায় রাখতে হবে।
এটি নারীর ব্যক্তিগত মর্যাদা ও গোপনীয়তা রক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিধান।

- ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২ ধারায় স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশীর বিধান রয়েছে। ৫২ ধারা অনুযায়ী কোন স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশী করার প্রয়োজন হলে শালীনতার প্রতি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রেখে অন্য একজন স্ত্রীলোক দ্বারা তল্লাশী করাতে হবে।
⇒ The Code of Criminal Procedure- Section 52- Mode of searching women: Whenever it is necessary to cause a woman to be searched, the search shall be made by another woman, with strict regard to decency.
৪,০৫৭.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধে ব্যবহৃত কোন যন্ত্রপাতির ক্ষেত্রে আদালত নিম্নোক্ত কোন আদেশ দিতে পারে না?
  1. উক্ত যন্ত্রপাতি ধ্বংস করার
  2. বৈধ মালিক বা দখলদারের নিকট ফেরত দেয়ার
  3. রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তির
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
উক্ত যন্ত্রপাতি ধ্বংস করার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত যন্ত্রপাতি ধ্বংস করার
ব্যাখ্যা
• আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২
 
ধারা ৭- অপরাধ সংঘটনে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি, অস্ত্র, ইত্যাদি
 
আদালত উপযুক্ত বিবেচনা করিলে, কোন অপরাধ সংঘটনের জন্য ব্যবহৃত কোন যন্ত্রপাতি, অস্ত্র বা যানবাহন, এবং উক্ত অপরাধের দ্বারা সংগৃহীত অর্থ, মালামাল বা সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তির বা উহার বৈধ মালিক বা দখলদারের নিকট ফেরত দিবার আদেশ দিতে পারিবে।
৪,০৫৮.
দেওয়ানি মামলায় রিভিউ দরখাস্ত মঞ্জুর আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. আপিল
  2. রিভিশন
  3. রেফারেন্স
  4. কোনো প্রতিকার নেই
সঠিক উত্তর:
আপিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ৪৩ বিধি ১ অনুযায়ী ৪৭ আদেশের ৪ বিধির অধীন রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করে কোন আদেশ দিলে তার বিরুদ্ধে আপীল করা যায়। 
- দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ৪৩ বিধি ১ তে মোট ২৫টি আদেশ রয়েছে যেগুলার বিরুদ্ধে আপীল করা যায়।

- দেওয়ানি কার্যবিধির ১০৪ ধারায় ও ৪৩ আদেশে  "আদেশ হতে আপীল" এর বিধান আছে । এইখানে বলা আছে ৪৭ আদেশের ৪ বিধির আধিনে রিভিউ আবেদন বা দরখাস্ত মনঞ্জুর হলে তার বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে। 
- দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৭ এবং ধারা ১১৪ তে রিভিউর বিধান আছে ।
আদালত রিভিউ আবেদন মনঞ্জুর করলে এর বিরুদ্ধে আপীল চলে , তবে রিভিউ না-মনঞ্জুর করলে তার বিরদ্ধে রিভিশন চলবে।
৪,০৫৯.
The Muslim Personal Law (Shariat) Application Act, 1937 এর ২ ধারা অনুসারে কোন বিষয়ে মুসলিম ব্যক্তিগত আইন প্রয়োগ করা বাধ্যতামূলক না?
  1. দানের ক্ষেত্রে
  2. উইলের ক্ষেত্রে
  3. ট্রাস্টের ক্ষেত্রে
  4. উপরিউক্ত সকল ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা বাধ্যতামূলক
সঠিক উত্তর:
উইলের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উইলের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
২। মুসলমানদের প্রতি ব্যক্তিগত আইনের প্রয়োগ:
বিপরীত প্রথা এবং রীতি থাকা সত্ত্বেও, (কৃষিভূমি সংক্রান্ত বিরোধ ব্যতীত) চুক্তি বা উপহার অথবা ব্যক্তিগত আইনের বিধানাবলীর অধীন অর্জিত বা উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত ব্যক্তিগত সম্পত্তিসহ নারীর বিশেষ সম্পত্তি, বিবাহ-বন্ধন, তালাক, ইলা, জিহার, লিয়ান, খুলা ও মুবারাসহ বিবাহ-বিচ্ছেদ, ভরণপোষণ, দেনমোহর (dower), অভিভাবকত্ব, উপহার, ট্রাস্ট এবং ট্রাস্ট-সম্পত্তি, এবং (দাতব্যালয় ও দাতব্য প্রতিষ্ঠান এবং দাতব্য ও ধর্মীয় সম্পত্তি ব্যতীত) ওয়াকফ্ সংক্রান্ত সকল প্রশ্নে, যে সকল মামলায় পক্ষগণ মুসলমান সেই সকল মামলার, সিদ্ধান্ত-বিধি হইবে মুসলিম ব্যক্তিগত আইন (শরিয়ত)।

⇒ Section 2. Application of Personal Law to Muslims:

Notwithstanding any custom or usage to the contrary, in all questions (save questions relating to agricultural land) regarding intestate succession, special property of females, including personal property inherited or obtained under contract or gift or any other provision of Personal Law, marriage, dissolution of marriage, including talaq, ila, zihar, lian, khula and mubaraat, maintenance, dower, guardianship, gifts, trusts and trust properties, and waqfs (other than charities and charitable institutions and charitable and religious endowments) the rule of decision in cases where the parties are Muslims shall be the Muslim Personal Law (Shariat).
৪,০৬০.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, কবর থেকে লাশ তোলার বিধান কোন ধারায় দেওয়া হয়েছে?
  1. ১৭১ ধারায়
  2. ১৭৪ ধারায়
  3. ১৭৬ ধারায়
  4. ১৭৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৭৬ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ ধারা: মৃত্যুর কারণ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তদন্ত:
(১) কোন ব্যক্তি পুলিশের হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে মারা গেলে সুরতহাল তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাবান নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেট অবশ্যই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তার মাধ্যমে তদন্ত ছাড়াও বা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি করবেন এবং ধারা-১৭৪ এর উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ-(ক), (খ) ও (গ) এ বর্ণিত অন্যান্য ক্ষেত্রে উক্তরূপে ক্ষমতাবান যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক অনুষ্ঠিত তদন্ত ব্যতীতও অথবা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি সম্পন্ন করতে পারবেন এবং তিনি যদি এরূপ সম্পাদন করেন, সেক্ষেত্রে অপরাধ ইনকোয়ারীর বেলায়ও তাঁর যে পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে এক্ষেত্রেও তার একই পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ইনকোয়ারি পরিচালনাকালীন সময়ে ম্যাজিস্ট্রেট পরিস্থিতি অনুসারে অতঃপর উল্লিখিত পন্থাসমূহের যে কোন একটি অনুসারে গৃহীত সাক্ষ্য-প্রমাণ নথিবদ্ধ করবেন।
(২) কবর হতে লাশ তুলার ক্ষমতা:
যখনই কোন ম্যাজিস্ট্রেট এরূপ কোন ব্যক্তির লাশ, যাকে ইতঃপূর্বে কবর দেয়া হয়েছে, পরীক্ষা করা যুক্তিযুক্ত মনে করেন তার মৃত্যুর কারণ আবিষ্কার করার জন্য, তখনই ওই ম্যাজিস্ট্রেট ওই লাশটি কবর হতে তোলাইয়া পরীক্ষা করাতে পারবেন।
---------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 176- Inquiry by Magistrate into cause of death:
(1) When any person dies while in the custody of the police, the nearest Magistrate empowered to hold inquests shall, and, in any other case mentioned in section 174, clauses (a), (b) and (c) of sub-section (1), any Magistrate so empowered may hold an inquiry into the cause of death either instead of, or in addition to, the investigation held by the police-officer, and if he does so, he shall have all the powers in conducting it which he would have in holding an inquiry into an offence.
The Magistrate holding such an inquiry shall record the evidence taken by him in connection therewith in any of the manners hereinafter prescribed according to the circumstances of the case.
(2) Power to disinter corpses-
Whenever such Magistrate considers it expedient to make an examination of the dead body of any person who has been already interred, in order to discover the cause of his death, the Magistrate may, cause the body to be disinterred and examined.
৪,০৬১.
'Ophelia' & 'Horatio' are two famous characters from Shakespeare's play -
  1. Macbeth
  2. Hamlet
  3. King Lear
  4. Twelfth Night
সঠিক উত্তর:
Hamlet
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Hamlet
ব্যাখ্যা
These are two famous characters from Shakespeare's play 'Hamlet'.

Hamlet: 
- It is a famous tragedy of William Shakespeare.
- The ghost of the King of Denmark tells his son Hamlet to avenge his murder by killing the new king, Hamlet's uncle.
- Hamlet feigns madness, contemplates life and death, and seeks revenge.
- His uncle, fearing for his life, also devises plots to kill Hamlet.

The important characters of Hamlet:
- Ophelia,
- Hamlet,
- Claudius,
- Gertrude,
- Horatio,
- Polonius etc.
------------------------------
William Shakespeare: 
- He was a renowned English poet, playwright, and actor.
- He was born on 23 April 1564 AD and died on 23 April 1616 AD.
- Birthplace: Stratford Avon.
- '1590-1616' is called the Shakespearean period.
- Shakespeare wrote a total of 37 plays and 154 sonnets. 

Tragedies:
- Romeo and Juliet
- Julius Caesar
- Othello
- King Lear
- Macbeth etc.

 Comedies:
- Measure for Measure (Dark Comedy)
- As You like It
- The Winter's Tales etc.

Source: britannica.com.
৪,০৬২.
সড়কে বেপরোয়া গাড়ি চালানোর শাস্তি কোথায় উল্লেখ আছে?
  1. ২৭৩ ধারায়
  2. ২৭৫ ধারায়
  3. ২৭৬ ধারায়
  4. ২৭৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২৭৯ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
• ২৭৯ ধারায় বেপরোয়া গাড়ি চালানোর শাস্তির বিধান রয়েছে- অনধিক ৩ বছরের কারাদণ্ড বা সর্বনিম্ন ১ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
৪,০৬৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯ ধারায় কোন বিষয় সম্পর্কিত বিধান রয়েছে?
  1. ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক গ্রেফতার এবং গ্রেফতারের পরবর্তী কার্যপ্রণালী
  2. গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির অব্যাহতি
  3. ভবঘুরে ব্যক্তির গ্রেফতার এবং গ্রেফতারের পরবর্তী কার্যপ্রণালী
  4. সাধারণ নাগরিক কর্তৃক গ্রেফতার এবং গ্রেফতারের পরবর্তী কার্যপ্রণালী
সঠিক উত্তর:
সাধারণ নাগরিক কর্তৃক গ্রেফতার এবং গ্রেফতারের পরবর্তী কার্যপ্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাধারণ নাগরিক কর্তৃক গ্রেফতার এবং গ্রেফতারের পরবর্তী কার্যপ্রণালী
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯ ধারার বিধান- সাধারণ নাগরিক কর্তৃক গ্রেফতার এবং গ্রেফতারের পরবর্তী কার্যপ্রণালীঃ
(১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তাঁর মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে অথবা অপরাধী মর্মে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে পুলিশ অফিসারের কাছে হস্তান্তর করবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে তাকে নিকটস্থ থানায় হেফাজতে নিয়ে যাবেন বা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।

(২) এ ধরণের ব্যক্তি ৫৪ ধারার বিধানসাপেক্ষ বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে কোন পুলিশ অফিসার পুনরায় তাকে গ্রেফতার করবেন।

(৩) সে আমল-অযোগ্য অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবীকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা রূপে বিশ্বাস করবার কারণ ঘটে, সেক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধান সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করবার মত পর্যাপ্ত কারণ না থাকলে, তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।

Section-59: Arrest by private persons and procedure on such arrest:
(1) Any private person may arrest any person who in his view commits a non-bailable and cognizable offence, or any proclaimed offender, and without unnecessary delay, shall make over any person so arrested to a police-officer, or, in the absence of a police-officer, take such person or cause him to be taken in custody to the nearest police-station. 

(2) If there is reason to believe that such person comes under the provisions of section 54, a police-officer shall re-arrest him. 

(3) If there is reason to believe that he has committed a non-cognizable offence, and he refuses on the demand of a police-officer to give his name and residence, or gives a name or residence which such officer has reason to believe to be false, he shall be dealt with under the provisions of section 57. If there is no sufficient reason to believe that he has committed any offence, he shall be at once released.
৪,০৬৪.
The Penal Code, 1860 এর কত ধারায় 'Abduction' এর সংজ্ঞা দেওয়া আছে?
  1. ৩৬২
  2. ৩৬৩
  3. ৩৬৫
  4. ৩৪৫
সঠিক উত্তর:
৩৬২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬২
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৬২ ধারার বিধান অপহরণ বা মনুষ্যহরণ:- যদি কোন ব্যক্তি, অপর কোন ব্যক্তিকে কোন স্থান হতে গমন করার জন্য জোরপূর্বক বাধ্য করে বা কোন প্রতারণামূলক উপায়ে প্রলুব্ধ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অনুরূপ ব্যক্তিকে অপহরণ করে বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬৩ ধারার বিধান মনুষ্য হরণের সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি কাউকে বাংলাদেশ হতে অথবা আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860 Section 362. Abduction: Whoever by force compels, or by any deceitful means induces, any person to go from any place, is said to abduct that person.
⇒ Section 363. Punishment for kidnapping:- Whoever kidnaps any person from Bangladesh or from lawful guardianship, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
৪,০৬৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৭৪-এর অধীনে দেওয়ানি কারাগারে আটকের সর্বোচ্চ মেয়াদ কত দিন?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ৭৪ অনুসারে, যদি আদালত এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, স্থাবর সম্পত্তির দখলসংক্রান্ত ডিক্রিধারী বা ডিক্রি জারিতে বিক্রয়কৃত স্থাবর সম্পত্তির ক্রেতাকে জজমেন্ট-ডেবটর বা তার পক্ষে কোনও ব্যক্তি অন্যায়ভাবে দখল নিতে বাধা বা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছেন, তাহলে আদালত ডিক্রিধারী বা ক্রেতার আবেদনক্রমে জজমেন্ট-ডেবটর বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ ৩০ দিন পর্যন্ত দেওয়ানি কারাগারে আটকের আদেশ দিতে পারবে। এছাড়াও আদালত ডিক্রিধারী বা ক্রেতাকে সম্পত্তির দখল দিতে নির্দেশ দিতে পারবে।
- সুতরাং, সঠিক উত্তর খ) ৩০ দিন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৭৪ ধারা- ডিক্রি জারি কার্যে বাধা প্রদান:
যখন স্থাবর সম্পত্তি দখলের জন্য ডিক্রিদার বা ডিক্রি জারিতে বিকৃত স্থাবর সম্পত্তির ক্রয়কারী, দেনাদার বা তার পক্ষে কোন ব্যক্তির মাধ্যমে সম্পত্তির দখল লাভ করতে বাধ্য বা প্রতিবন্ধকতা প্রাপ্ত হয়েছে বলে এবং অনুরূপ বাধা বা প্রতিবন্ধকতা ন্যায়সংগত কারণ ব্যতীত সৃষ্টি হয়েছিল বলে আদালত সন্তুষ্ট হয় তখন ডিক্রিদার বা ক্রেতার আবেদনক্রমে আদালত দেনাদার বা অন্য ব্যক্তিকে ৩০ দিন অবধি দেওয়ানি জেলে আটক রাখার আদেশ দিতে পারে এবং আরো নির্দেশ দান করতে পারে যে, ডিক্রিদার বা ক্রয়কারীকে সম্পত্তির দখল প্রদান করা হয়।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908-74: Resistance to execution:
Where the Court is satisfied that the holder of a decree for the possession of immovable property or that the purchaser of immovable property sold in execution of a decree has been registered or obstructed in obtaining possession of the property by the judgment-debtor or some person on his behalf and that such resistance or obstruction was without any just cause, the Court may, at the instance of the decree-holder or purchaser, order the judgment-debtor or such other person to be detained in the civil prison for a term which may extend to thirty days and may further direct that the decree-holder or purchaser be put into possession of the property.

৪,০৬৬.
দণ্ডবিধি অনুসারে কোনটি অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের উপাদান নয়?
  1. যিনি কোন সম্পদের অধিপত্যের ভার পাইয়াছেন
  2. মালিকের অবর্তমানে তার সম্পদ দখলে নিয়ে নিজে ব্যবহার করা
  3. সম্পদের অধিপত্যের ভার পাইয়া যিনি নিজের ব্যবহারে লাগান
  4. অধিপত্যের ভার পাইয়া যিনি অসাধুভাবে আত্মসাৎ করেন
সঠিক উত্তর:
মালিকের অবর্তমানে তার সম্পদ দখলে নিয়ে নিজে ব্যবহার করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মালিকের অবর্তমানে তার সম্পদ দখলে নিয়ে নিজে ব্যবহার করা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারার বিধান অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ:- কোন ব্যক্তি যদি কোনভাবে কোন সম্পত্তির বা সম্পত্তি পরিচালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে, অসাধুভাবে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, অথবা অনুরূপ দায়িত্ব যেভাবে নির্বাহিত হত বলে বিহিত আইনে নির্দেশ করা হয়েছে, তা খেলাফ করে সে দায়িত্ব নির্বাহ সম্পর্কে সে প্রকাশ্য বা অনুরূপ যে আইনগত চুক্তি করেছে তা খেলাফ করে সে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করে, বা বিলি ব্যবস্থা করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক অপর কোন ব্যক্তিকে তা করতে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের' অপরাধ করেছে।
অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের শর্ত/ উপাদান:
-বিশ্বাসের ভারপ্রাপ্ত হয়ে বা আধিপত্যের মাধ্যমে
-কারো স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি
-অসাধুভাবে
-আত্মসাৎ, নিজের ব্যবহারে পরিণত বা হস্তান্তর করলে বা কাউকে এরূপ করার অনুমতি দান করলে।

অর্থাৎ 'মালিকের অবর্তমানে তার সম্পদ দখলে নিয়ে নিজে ব্যবহার করা' অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের উপাদান নয়। এই বিষয়টি চুরি হিসেবে গণ্য হবে।
-----------------------------
⇒Section 405: Criminal breach of trust:
-Whoever, being in any manner entrusted with property, or with any dominion over property, dishonestly misappropriates or converts to his own use that property, or dishonestly uses or disposes of that property in violation of any direction of law prescribing the mode in which such trust is to be discharged, or of any legal contract, express or implied, which he has made touching the discharge of such trust, or wilfully suffers any other person so to do, commits "criminal breach of trust".
৪,০৬৭.
"Court" includes all Judges and Magistrates and all persons, _____________ , legally authorized to take evidence.
  1. except Court Martial Judges
  2. except Village Court members
  3. except Arbitrators
  4. none of them
সঠিক উত্তর:
except Arbitrators
উত্তর
সঠিক উত্তর:
except Arbitrators
ব্যাখ্যা
⇒ আদালত (Court): বলতে সকল জজ, ম্যাজিস্ট্রেট এবং সালিশ ব্যতীত সাক্ষ্য গ্রহণে আইনত ক্ষমতাপ্রাপ্ত সকল ব্যক্তিকে অন্তর্ভূক্ত করবে।

⇒ Interpretation-clause:
⇒ Section 3. In this Act the following words and expressions are used in the following senses, unless a contrary intention appears from the context:-

⇒ "Court" includes all Judges and Magistrates and all persons, except arbitrators, legally authorized to take evidence.

⇒ "Fact" means and includes-
(1) anything, state of things, or relation of things capable of being perceived by the senses;
(2) any mental condition of which any person is conscious.
৪,০৬৮.
দণ্ডবিধির কত ধারায় বেআইনি সমাবেশের সদস্য হওয়ার শাস্তির বিধান আছে?
  1. ১৪১
  2. ১৪২
  3. ১৪৩
  4. ১৪৪
সঠিক উত্তর:
১৪৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৩
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৪২ ধারার বিধান বেআইনি সমাবেশের সদস্য হওয়া: কোন ব্যক্তি যদি কি কি অবস্থায় কোন সমাবেশ বেআইনি সমাবেশে পরিণত হয়, তৎসম্পর্কে জ্ঞাত থাকা সত্ত্বেও ইচ্ছাপূর্বক সে সমাবেশে যোগদান করে বা সে সমাবেশে মিলিত থাকে, তবে সে ব্যক্তি একটি বেআইনি সমাবেশে যোগদানকারী ব্যক্তি বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪৩ ধারার বিধান বেআইনি সমাবেশের সদস্য হওয়ার শাস্তি: কোন ব্যক্তি যদি বেআইনি সমাবেশে যোগদান করে, তবে তাকে ছয় মাস পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে।
-------------------
- Section-142: Being member of unlawful assembly: Whoever, being aware of facts which render any assembly an unlawful assembly, intentionally joins that assembly, or continues in it, is said to be a member of an unlawful assembly.
- Section-143: Punishment: Whoever is a member of an unlawful assembly, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine, or with both.
৪,০৬৯.
স্থাবর সম্পত্তির দখল উদ্ধারের মামলার সময় গণনা কখন থেকে শুরু হবে?
  1. সম্পত্তি বিক্রির সময় থেকে
  2. সম্পত্তি দখল করার সময় থেকে
  3. মামলার রায়ের সময় থেকে
  4. সম্পত্তি হতে বেদখলের সময় থেকে
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি হতে বেদখলের সময় থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি হতে বেদখলের সময় থেকে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১ম তফসিল: অনুচ্ছেদ-৩:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় স্থাবর সম্পত্তির দখল উদ্ধারের মোকদ্দমা;
তামাদি- ৬ মাস;
সময় গণনা শুরু- সম্পত্তি হতে বেদখলের সময় থেকে।
৪,০৭০.
ন্যূনতম কতজন ব্যক্তি মিলিত হলে তা বেআইনী সমাবেশ হিসেবে গণ্য হয়?
  1. ৩ জন
  2. ৫ জন
  3. ৭ জন
  4. ১০ জন
সঠিক উত্তর:
৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ জন
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার বিধান- বেআইনী সমাবেশ:
পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশকে 'বেআইনী সমাবেশ' সেক্ষেত্রেই বলা হয়, যেক্ষেত্রে উক্ত সমাবেশের ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য হয়-

প্রথম: বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভাকে অথবা কোন সরকারী কর্মচারীকে অনুরূপ কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগের সময় অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি কর্তৃক ভীতি প্রদর্শন করা; কিংবা

দ্বিতীয়: কোন আইনের অথবা কোন আইনগত ব্যবস্থার কার্যকরীকরণে বাধা সৃষ্টি করা; কিংবা

তৃতীয়: কোন ব্যক্তির দুষ্কর্ম বা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ অথবা অন্যবিধ অপরাধ অনুষ্ঠিত করা; কিংবা

চতুর্থ: কোন ব্যক্তির প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা, অথবা কোন ব্যক্তিকে পথের অধিকার ভোগ হতে বঞ্চিত করা অথবা জল ব্যবহারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা অথবা তাকে তার দখলে অবস্থিত অপর কোন অশরীরী অধিকার থেকে বঞ্চিত করা অথবা কোন অধিকার বা কল্পিত অধিকার প্রতিষ্টা করা; কিংবা

পঞ্চম: অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন ব্যক্তিকে সে আইনতঃ বাধ্য নয় এমন একটি কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা অথবা যে কার্যটি করতে সে আইনত বাধ্য বা অধিকারী তা সম্পাদন হতে বিরত করা।

ব্যাখ্যা: যে সমাবেশ, সমাবিষ্ট হওয়াকালে বেআইনী ছিল না তা পরে বেআইনী সমাবেশ হতে পারে।

৪,০৭১.
ডিজিটাল মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বা জাতির পিতার বিরুদ্ধে প্রচারণা চালালে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ অনুসারে প্রথমবার সংঘটিত অপরাধের সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কত?
  1. ৫ বৎসর
  2. ১০ বৎসর
  3. ২০ বৎসর
  4. যাবজ্জীবন
সঠিক উত্তর:
১০ বৎসর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ বৎসর
ব্যাখ্যা
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ এর ২১ ধারার বিধান: মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতির পিতা, জাতীয় সংগীত বা জাতীয় পতাকার বিরুদ্ধে কোনো প্রকার প্রপাগান্ডা বা প্রচারণার দণ্ড:
-(১) যদি কোনো ব্যক্তি ডিজিটাল মাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতির পিতা, জাতীয় সংগীত বা জাতীয় পতাকার বিরুদ্ধে কোনো প্রকার প্রপাগান্ডা ও প্রচারণা চালান বা উহাতে মদদ প্রদান করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ। 
- (২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ১০ (দশ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১(এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন। 
- (৩) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত অপরাধ দ্বিতীয় বার বা পুনঃপুন সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, বা ৩(তিন) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

বর্তমানের সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর ২১ ধারার বিধান মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় সংগীত বা জাতীয় পতাকা সম্পর্কে বিদ্বেষ, বিভ্রান্তি ও কুৎসামূলক প্রচারণার দণ্ড:
- (১) যদি কোনো ব্যক্তি ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় সংগীত বা জাতীয় পতাকা সম্পর্কে বিদ্বেষ, বিভ্রান্তি ও কুৎসামূলক প্রচারণা চালান বা উহাতে মদদ প্রদান করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।
- (২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

উল্লেখ্য: ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ কে সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ ( ২০২৩ সনের ৩৯ নং আইন )  দ্বারা রহিত করা হইয়াছে।

অর্থাৎ বর্তমানের সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর ২১ ধারার বিধান মতে সর্বোচ্চ কারাদণ্ড ৫ বৎসর কিন্তু তখন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ এর ২১ ধারার বিধান মতে সর্বোচ্চ কারাদণ্ড ১০ বৎসর ছিলো।
৪,০৭২.
সমনে বিবাদিকে হাজির হওয়ার যথেষ্ট সময় প্রদান করা না হলে, আদালত-
  1. মোকদ্দমার শুনানি মুলতবি রাখবে এবং বিবাদীকে উক্ত তারিখ জানানোর জন্য নির্দেশ দিবে
  2. মোকদ্দমার শুনানি মুলতবি রাখবে এবং বাদী- বিবাদীকে উক্ত তারিখ জানানোর জন্য নির্দেশ দিবে
  3. মোকদ্দমার বাতিল করবে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার শুনানি মুলতবি রাখবে এবং বিবাদীকে উক্ত তারিখ জানানোর জন্য নির্দেশ দিবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার শুনানি মুলতবি রাখবে এবং বিবাদীকে উক্ত তারিখ জানানোর জন্য নির্দেশ দিবে
ব্যাখ্যা
• যেক্ষেত্রে সমন যথারীতি সমন যথারীতি জারি হয়েছে, বিবাদিকে সমনে নির্দিষ্ট তারিখে হাজির হয়ে জবাব দেয়ার জন্য যথেষ্ট সময় প্রদান করা হয়নি, তবে আদালত পরবর্তী কোন নির্ধারিত তারিখ পর্যন্ত মোকদ্দমার শুনানি মুলতবি রাখবে এবং বিবাদিকে উক্ত তারিখ জানানোর জন্য নির্দেশ প্রদান করবে।

• আদেশ ৯ বিধি-৬ঃ

১) যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার শুনানির জন্য ডাক পড়লে বাদি উপস্থিত হয় এবং বিবাদি উপস্থিত হয় না, সেক্ষেত্রে তাহলে আদালত-

ক) যদি প্রমাণিত হয় যে, সমন যথারীতি জারি হয়েছে,  একতরফা বিচার করতে পারবেন:

খ) যদি প্রমাণিত না হয় যে, যথারীতি জারি হয়েছে, তবে আদালত বিবাদির উপর দ্বিতীয়বার সমন প্রেরণ এবং জারি করার নির্দেশ দান করবেন;

গ) যেক্ষেত্রে সমন যথারীতি জারি হয়, কিন্তু উপযুক্ত সময়ের মধ্যে নয়ঃ
যদি প্রমাণিত হয় যে, সমন যথারীতি জারি হয়েছে, বিবাদিকে সমনে নির্দিষ্ট তারিখে হাজির হয়ে জবাব দেয়ার জন্য যথেষ্ট সময় প্রদান করা হয়নি, তবে আদালত পরবর্তী কোন নির্ধারিত তারিখ পর্যন্ত মোকদ্দমার শুনানি মূলতবী রাখবে এবং বিবাদিকে উক্ত তারিখ জানানোর জন্য নির্দেশ প্রদান করবে।
৪,০৭৩.
'ক' একজন ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট। তার ভাই 'খ', একজনকে তর্কের জেরে লাঠি দিয়ে মাথায় মারাত্মক আঘাত করে। ভুক্তভোগী 'ক' এর কাছে 'খ' এর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে। এক্ষেত্রে 'ক'-
  1. আইন অনুযায়ী উক্ত মামলার বিচার করতে বাধ্য
  2. উক্ত মামলার বিচার করতে পারবেন না
  3. ইচ্ছানুযায়ী বিচার করতে পারেন বা পারেন না
  4. উর্দ্ধতন আপিল আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে বিচার করতে পারেন
সঠিক উত্তর:
উর্দ্ধতন আপিল আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে বিচার করতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উর্দ্ধতন আপিল আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে বিচার করতে পারেন
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৫৬: যে সকল মামলায় জজ বা ম্যাজিস্ট্রেটের ব্যক্তিগত স্বার্থ থাকে-

ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৬ ধারা অনুসারে যে মামলায় কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট নিজে একজন পক্ষ বা ব্যক্তিগত ভাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট, উর্দ্ধতন আপিল আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট সে মামলার বিচার করবেন না। কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজের প্রদত্ত রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল শ্রবণ করবেন না।

Section 556: Case in which Judge or Magistrate is personally interested
No Judge or Magistrate shall, except with the permission of the Court to which an appeal lies from his Court, try for trial any case to or in which he is a party, or personally interested, and no Judge or Magistrate shall hear an appeal from any judgment or order passed or make himself.

এই ধারায় 'Principles of natural justice' এর দ্বিতীয় নীতি nemo judex in causa sua in propria causa বা nemo debet esse judex in propria causa অর্থাৎ নিজের মামলায় নিজেই বিচারক হওয়া যায় না। তবে উর্দ্ধতন আপিল আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে নিজে একজন পক্ষ বা ব্যক্তিগত ভাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট মামলায় বিচার করতে পারবে।
৪,০৭৪.
তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে নিম্নের কোনটি বৈধ অপারগতা নয়?
  1. অপ্রকৃতিস্থতা
  2. নির্বুদ্ধিতা
  3. নিরক্ষরতা
  4. নাবালকত্ব
সঠিক উত্তর:
নিরক্ষরতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিরক্ষরতা
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ৬ অনুযায়ী কোন ব্যক্তি যত দিন নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধ থাকে ততদিন তামাদির মেয়াদ গণনা থেকে বাদ যাবে। নাবালকত্ব, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধতার অবসান হওয়ার পর থেকে তার মামলা দায়েরের সময় গণনা হবে।
- অর্থাৎ তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে অপ্রকৃতিস্থতা, নাবালকত্ব, নির্বুদ্ধিতা বৈধ অপারগতা। কিন্তু নিরক্ষরতা বৈধ অপারগতা নয়।

⇒ The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারা বিধান হল বৈধ অপারগতা:
উপধারা:(১) যেইক্ষেত্রে মামলা বা কার্যধারা দায়ের করিবার কিংবা ডিক্রি জারির জন্য দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে, সেইসময় নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকে, সেক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি তাহার উপরোক্ত অপারগতার অবসান হইবার পর, অপারগতা না থাকিলে, প্রথম তফসিলের তৃতীয় স্তম্ভে অথবা ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারায় বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে উহা করিতে পারিতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা বা কার্যধারা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করিতে পারিবে।
উপধারা: (২) যেইক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে, সেই সময় উপরে বর্ণিত যেই কোনো দুইটি অপারগতার অবসান হইবার পূর্বেই সে আরেকটি অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি তাহার উভয় অপারগতার অবসান হইবারপর, অপারগতা না থাকিলে, উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে উহা করিতে পারিতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করিতে পারিবে।
উপধারা: (৩) যেইক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত তাহার অপারগতা অব্যাহত থাকে, সেক্ষেত্রে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি ঐ ব্যক্তির মৃত্যুর পর অপারগতা না থাকিলে উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে উহা করা যেত, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দাখিল করিতে পারিবে।
উপধারা: (৪) যেইক্ষেত্রে উপরোক্ত ব্যক্তির মৃত্যুর তারিখে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি অনুরূপ কোন অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে (১) ও (২) উপধারায় বিধৃত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হইবে।
-------------------
The Limitation Act, 1908, Section-6.Legal disability:
(1) Where a person entitled to institute a suit or proceeding or make an application for the execution of a decree is, at the time from which the period of limitation is to be reckoned, a minor, or insane, or an idiot, he may institute the suit or proceeding or make the application within the same period after the disability has ceased, as would otherwise have been allowed from the time prescribed therefore in the third column of the first schedule or in section 48 of the Code of Civil Procedure, 1908.
(2) Where such person is, at the time from which the period of limitation is to be reckoned, affected by two such disabilities, or where, before his disability has ceased, he is affected by another disability, he may institute the suit or make the application within the same period, after both disabilities have ceased, as would otherwise have been allowed from the time so prescribed.
(3) Where the disability continues up to the death of such person, his legal representative may institute the suit or make the application within the same period after the death as would otherwise have been allowed from the time so prescribed.
(4) Where such representative is at the date of the death affected by any such disability, the rules contained in sub-sections (1) and (2) shall apply.

Illustrations:
(a) The right to sue for the hire of a boat accrues to A during his minority. He attains majority four years after such accruer. He may institute his suit at any time within the years from the date of his attaining majority.
(b) A right to sue accrues to Z during his minority. After the accruer, but while Z is still a minor, he becomes insane. Time runs against Z from the date when his insainity and minority cease.
(c) A right to sue accrues to X during his minority. X dies before attaining majority, and is succeeded by Y, his minor son. Time runs against Y from the date of his attaining majority.
৪,০৭৫.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় যৌথ দায় বা Doctrine of Joint Liability প্রয়োগ করা হয়েছে ?
  1. ৩৪ ধারায়
  2. ১৪৯ ধারায়
  3. ৩৯৬ ধারায়
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
→ যৌথ দায় (Joint Liability) বলতে বোঝায়, যখন একাধিক ব্যক্তি একটি অপরাধে যুক্ত হন, তখন তাদের মধ্যে কে কীভাবে অপরাধে অংশ নিয়েছেন তা বড় বিষয় নয়। গুরুত্বপূর্ণ হল যে, সমস্ত অপরাধের জন্য তারা সমানভাবে দায়ী হবেন।
- দণ্ডবিধির ৩৪, ৩৫, ৩৭, ৩৮ এবং ১৪৯ ধারায় যৌথ দায়ের বিধান রয়েছে।
- ৩৪ ধারায় যখন একাধিক ব্যক্তি একই অভিপ্রায় নিয়ে অপরাধ করেন, তাদের প্রত্যেকেই সমানভাবে শাস্তি পাবে।
- ১৪৯ ধারায় বেআইনি সমাবেশের সদস্যদের মধ্যে কেউ যদি অপরাধ করে, তবে সমাবেশের সকল সদস্যকেই দায়ী করা যাবে।
- ৩৯৬ ধারায় যদি ৫ বা তার বেশি ব্যক্তি ডাকাতি করতে গিয়ে এক জন খুন করে, তবে "খুনসহ ডাকাতি" এর অপরাধে সব ডাকাতকেই শাস্তি দেওয়া হবে, যদিও তারা প্রত্যেকে খুনে অংশ নেননি।
উপরোক্ত ধারায় Doctrine of Joint Liability প্রয়োগ করা হয়েছে, যার মাধ্যমে একাধিক অপরাধীকে একযোগভাবে দায়ী করা হয়।
৪,০৭৬.
'ক' একজন ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট। তার ভাই 'খ', একজনকে তর্কের জেরে লাঠি দিয়ে মাথায় মারাত্মক আঘাত করে। ভুক্তভোগী 'ক' এর কাছে 'খ' এর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে। এক্ষেত্রে 'ক'-
  1. উক্ত মামলার বিচার করতে পারবেন না
  2. আইন অনুযায়ী উক্ত মামলার বিচার করতে বাধ্য
  3. উর্দ্ধতন আপিল আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে বিচার করতে পারেন
  4. উক্ত মামলার বিচার করার বিষয়টি 'ক' এর বিবেচনামূলক ক্ষমতার উপর
সঠিক উত্তর:
উর্দ্ধতন আপিল আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে বিচার করতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উর্দ্ধতন আপিল আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে বিচার করতে পারেন
ব্যাখ্যা
⇒ ধারা ৫৫৬: যে সকল মামলায় জজ বা ম্যাজিস্ট্রেটের ব্যক্তিগত স্বার্থ থাকে-
-ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৬ ধারা অনুসারে যে মামলায় কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট নিজে একজন পক্ষ বা ব্যক্তিগত ভাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট, উর্দ্ধতন আপিল আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট সে মামলার বিচার করবেন না। কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজের প্রদত্ত রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল শ্রবণ করবেন না।
এই ধারায় 'Principles of natural justice' এর দ্বিতীয় নীতি nemo judex in causa sua in propria causa বা nemo debet esse judex in propria causa অর্থাৎ নিজের মামলায় নিজেই বিচারক হওয়া যায় না। তবে উর্দ্ধতন আপিল আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে নিজে একজন পক্ষ বা ব্যক্তিগত ভাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট মামলায় বিচার করতে পারবে।
-----------------------
⇒CrPC-Section 556: Case in which Judge or Magistrate is personally interested:
No Judge or Magistrate shall, except with the permission of the Court to which an appeal lies from his Court, try for trial any case to or in which he is a party, or personally interested, and no Judge or Magistrate shall hear an appeal from any judgment or order passed or make himself.
৪,০৭৭.
চুক্তি রদের মামলার জন্য চুক্তিটি অবশ্যই-
  1. মৌখিক এবং বাতিলযোগ্য হতে হবে
  2. লিখিত এবং বৈধ হতে হবে
  3. লিখিত এবং বাতিলযোগ্য হতে হবে
  4. মৌখিক এবং বাতিল হতে হবে
সঠিক উত্তর:
লিখিত এবং বাতিলযোগ্য হতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিখিত এবং বাতিলযোগ্য হতে হবে
ব্যাখ্যা
চুক্তি রদের মামলার জন্য চুক্তিটি অবশ্যই লিখিত এবং বাতিলযোগ্য হতে হবে।

৩৫ ধারা: বিচারপূর্বক যখন রদ করা যায়:
লিখিত চুক্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট যেকোন ব্যক্তি তা রদ করার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে এবং আদালত নিম্নোক্ত যেকোন ক্ষেত্রে বিচারপূর্বক চুক্তি রদ করতে পারেন:
(ক) যেখানে চুক্তি বাতিলযোগ্য অথবা বাদী কর্তৃক সমাপনীয়;
(খ) যেখানে আপাতত দৃশ্যমান নয় এমন কারণে চুক্তি অবৈধ এবং বাদীর চেয়ে প্রতিবাদীকেই দোষী করা যায় বেশি;
(গ) যেখানে একটি বিক্রয়চুক্তি বা একটি ইজারা গ্রহণের চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে এবং ক্রেতা ইজারাদার ক্রয়মূল্য বা অপরাপর অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছে।
৪,০৭৮.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Section 2(8) এর বিধান অনুসারে 'Judge' অর্থ-
  1. Assistant Judge
  2. Joint District Judge
  3. District Judge
  4. Presiding Officer of a Civil Court
সঠিক উত্তর:
Presiding Officer of a Civil Court
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Presiding Officer of a Civil Court
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(৮) এ "বিচারক বা জজ" এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে-

"বিচারক বা জজ" বলতে দেওয়ানি আদালতের প্রিজাইডিং অফিসার বোঝায়।
"Judge" means the Presiding Officer of a Civil Court.

• সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭ এর ধারা-৩ এ নিম্নলিখিত দেওয়ানি আদালতের প্রকারভেদ দেয়া হয়েছে-

১. জেলা জজ আদালত [Court of District Judge]
২. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত [Court of Additional District Judge]
৩. যুগ্ম জেলা জজ আদালত [Court of Joint District Judge]
৪. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত [Court of Senior Assistant Judge]
৫. সহকারী জজ আদালত [Court of Assistant Judge]
 
অর্থাৎ "বিচারক বা জজ" বলতে উল্লেখিত দেওয়ানি আদালতসমূহের প্রিজাইডিং অফিসারকে বুঝাবে।
৪,০৭৯.
১২০০০০০ (বার লক্ষ) টাকা মূল্যমানের একটি দেওয়ানী মোকদ্দমা কোন আদালতে দায়ের করতে হবে?
  1. পক্ষদের সুবিধামতে নীচের যে কোনো একটি আদালতে
  2. সহকারী জজের আদালতে
  3. সিনিয়র সহকারী জজের আদালতে
  4. যুগ্মজেলা জজের আদালতে
সঠিক উত্তর:
সহকারী জজের আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সহকারী জজের আদালতে
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫ ধারা মোতাবেক সর্বনিম্ন যে আদালত কোনো মোকদ্দমা বিচার করতে পারে মামলাটি সেই আদালতে করতে হবে।

♦ The Civil Court Act, 1887 এর ২০২১ সালের সংশোধনী অনুসারে, দেওয়ানি আদালতে আর্থিক এখতিয়ার হলঃ সহকারী জজ ১৫ লক্ষ পর্যন্ত, সিনিয়র সকারী জজ ২৫ লক্ষ পর্যন্ত ও যুগ্মজেলা জজ সীমাহীন মূল্যের মোকদ্দমা বিচার করতে পারেন। এই ক্ষেত্রে সিনিয়র সহকারী জজের এখতিয়ার শুরু হবে ১৫ লক্ষ ১ টাকা হতে। 

♦ তাই এই মামলাটি মূল্যমান ১২০০০০০ (বার লক্ষ)  হওয়ায় অত্র মামলাটি সহকারী জজ আদালতে দায়ের করতে হবে।
৪,০৮০.
পদাধিকারবলে বার কাউন্সিলের সদস্য থাকবেন কে?
  1. আইনমন্ত্রী
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. অ্যাটর্নি জেনারেল
  4. সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি জেনারেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি জেনারেল
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের মোট সদস্য সংখ্যা ১৫ জন। এর মধ্যে:
→ ১ জন পদাধিকারবলে (অ্যাটর্নি জেনারেল)।
→ ৭ জন অ্যাডভোকেটদের ভোটে নির্বাচিত।
→ ৭ জন স্থানীয় বার সমিতি থেকে নির্বাচিত।
৪,০৮১.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950-এর ধারা ৯৬ অনুযায়ী, বিক্রয় রেজিস্ট্রেশনের তারিখ থেকে কত বছরের মধ্যে অগ্রক্রয়ের আবেদন করতে হয়?
  1. ১ বছরের মধ্যে
  2. ২ বছরের মধ্যে 
  3. ৩ বছরের মধ্যে
  4. ৫ বছরের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের মধ্যে
ব্যাখ্যা

⇒ The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ধারা ৯৬(১) এর দ্বিতীয় শর্তাংশ (Provided further) অনুসারে, বিক্রয় রেজিস্ট্রেশনের তারিখ থেকে তিন বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পর আর অগ্রক্রয়ের (Pre-emption) কোনো আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।
- সুতরাং, অগ্রক্রয়ের আবেদন বিক্রয় রেজিস্ট্রেশনের তারিখ থেকে ৩ বছরের মধ্যে করতে হবে।

⇒ The State Acquisition and Tenancy Act,1950 এর ধারা ৯৬- অগ্রক্রয়ের অধিকার:
(১) যদি কোনো রায়তের হোল্ডিং-এর কোনো অংশ বা অংশীদারিত্ব এমন একজন ব্যক্তির কাছে বিক্রি করা হয়, যিনি ওই হোল্ডিং-এর সহ-প্রজা (co-sharer tenant) নন, তবে ঐ হোল্ডিং-এর একজন বা একাধিক সহ-প্রজাভোগী, ধারা ৮৯ অনুযায়ী নোটিশ প্রাপ্তির তারিখ থেকে দুই মাসের মধ্যে, অথবা যদি এমন কোনো নোটিশ না দেওয়া হয়ে থাকে, তবে বিক্রয় সম্পর্কে জানার তারিখ থেকে দুই মাসের মধ্যে, আদালতে আবেদন করতে পারবেন- যাতে উক্ত অংশ বা অংশীদারিত্ব তাদের নামে বিক্রয় করা হয়।
তবে শর্ত থাকে যে, এই ধারার অধীনে আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না যদি না আবেদনকারী—
(ক) উত্তরাধিকারের মাধ্যমে উক্ত হোল্ডিং-এর একজন সহ-প্রজাভোগী হন; এবং
(খ) এমন ব্যক্তি হন, যিনি ধারা ৯০ অনুযায়ী হোল্ডিং বা তার কোনো অংশ/শেয়ার ক্রয় করতে পারেন।
আরও শর্ত থাকে যে, বিক্রয় রেজিস্ট্রেশনের তারিখ থেকে তিন বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পর আর এই ধারা অনুযায়ী কোনো আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।

৪,০৮২.
'A', an officer of a Court of Justice, being ordered by that Court to arrest 'Y'. After due enquiry, believing 'Z' to be 'Y', 'A' arrests 'Z'. Did 'A' commit any offence by arresting 'Z'?
  1. Yes, 'A' committed an offence
  2. No, 'A' did not commit any offence
  3. Yes, but it was a minor offence
  4. 'Z' will decide if it was an offence
সঠিক উত্তর:
No, 'A' did not commit any offence
উত্তর
সঠিক উত্তর:
No, 'A' did not commit any offence
ব্যাখ্যা
ধারা ৭৬ : আইনত বাধ্য বা ভুল ধারণাবশত নিজেকে আইনবলে বাধ্য বলে বিশ্বাসকারী ব্যক্তিবিশেষ কর্তৃক সম্পাদিত কার্য: 
যে ব্যক্তি কোনো কিছু সম্পাদন করার জন্য আইনবলে বাধ্য বা তথ্যের ভুল ধারণাবশত, আইনের ভুল ধারণাবশত নয়, সরল বিশ্বাসে নিজেকে কোনো কিছু সম্পাদন করার নিমিত্তে আইনবলে বাধ্য বলে বিশ্বাস করে, সে ব্যক্তি উক্ত কাজ সম্পাদন করলে তা অপরাধ নয়।

উদাহরণহসমূহ [Illustrations]:
ক) সৈনিক ‘ক’ তার উর্ধ্বতন অফিসারের আদেশ অনুযায়ী আইনের নির্দেশ মোতাবেক কোনো জনতার ওপর গুলি চালায়। ‘ক’ কোনো অপরাধ করে নাই।

খ) বিচারালয়ের কোনো এক কর্মকর্তা ‘ক’ উক্ত বিচারালয় কর্তৃক ‘ম’ কে গ্রেফতার করার জন্য আদিষ্ট হয় এবং যথাযথ তদন্তের পর ‘খ’ কে ‘ম’ মনে করে ‘খ’ কে গ্রেফতার করেন। ‘ক’ কোনো অপরাধ সংঘটিত করেনি।
[(b) A, an officer of a Court of Justice, being ordered by that Court to arrest Y, and, after due enquiry, believing Z to be Y, arrests Z. A has committed no offence.]
৪,০৮৩.
দায়রা আদালত প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার ক্ষেত্রে কোন ধারার অধীনে হাইকোর্টের অনুমোদন প্রয়োজন?
  1. ৩৭১ ধারা
  2. ৩৭২ ধারা
  3. ৩৭৪ ধারা
  4. ৩৭৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩৭৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৭৪ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি (Code of Criminal Procedure, 1898) এর ধারা ৩৭৪ অনুযায়ী: যখন দায়রা আদালত মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে, তখন: সেই কার্যক্রম হাইকোর্ট বিভাগের নিকট উপস্থাপন করতে হয়, এবং হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন (confirmation) না পাওয়া পর্যন্ত মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা যায় না।

অর্থাৎ দায়রা আদালতের মৃত্যুদণ্ড হাইকোর্টের অনুমোদন ব্যতীত কার্যকর করা যায় না, এবং এই আইনি বাধ্যবাধকতা নির্ধারিত হয়েছে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারায়।
তাই সঠিক উত্তর: গ) ৩৭৪ ধারা ।
-------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 374. Sentence of death to be submitted by Court of Session:
 When the Court of Session passes sentence of death, the proceedings shall be submitted to the High Court Division and the sentence shall not be executed unless it is confirmed by the High Court Division.
৪,০৮৪.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী কয়টি ব্যতিক্রম ক্ষেত্রে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণ করা যায়?
  1. ৩টি
  2. ৫টি
  3. ৭টি
  4. ৮টি
সঠিক উত্তর:
৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭টি
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারার বিধান যে সকল ক্ষেত্রে দলিল সম্পর্কে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দেওয়া যেতে পারে:
⇒ কোন কোন ব্যতিক্রম ক্ষেত্রে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণ করা যায় তা সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারায় বলা হয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারায় ৭টি ব্যতিক্রম ক্ষেত্র উল্লেখ করা হয়েছে যেখানে মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য।

⇒ ক্ষেত্রসমূহ নিম্নরূপ:
১) সংশ্লিষ্ট দলিলটি যার বিরুদ্ধে প্রমাণ করতে হবে, মূল দলিলটি যদি তার দখলে বা কর্তৃত্বাধীনে থাকে।
২) মূল দলিলটি যদি আদালতের সমনের আওতার বাহিরে বা এখতিয়ারের বাহিরে কোন লোকের দখলে থাকে কিংবা এমন কোন লোকের দখলে আছে যে লোক উক্ত দলিলটি উপস্থাপন করতে আইনত বাধ্য কিন্তু ৬৬ ধারার অধীন নোটিশ প্রদানের পরও সে তা উপস্থাপন করেনি।
৩) সংশ্লিষ্ট দলিলটি যার বিরুদ্ধে প্রমাণ করতে হবে সে লোক বা তার কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি মূল দলিলের অস্তিত্ব, অবস্থা বা বিষয়বস্তু লিখিতভাবে যদি স্বীকার করে নেয়।
৪) যেক্ষেত্রে মূল দলিলটি বিনষ্ট হয়েছে বা হারিয়ে গেছে কিংবা যৌক্তিক কোন কারণে মূল দলিলটি আদালতে উপস্থাপন করা যাচ্ছে না।
৫) মূল দলিলটি যদি এমন প্রকৃতির হয় যে, সহজে তা স্থানান্তর করা যায়না।
৬) মূল দলিলটি যেক্ষেত্রে ৭৪ ধারার বিধান অনুসারে সরকারি দলিল হয়।
৭) মূল দলিলটি যেক্ষেত্রে এমন যে, উক্ত দলিলের জাবেদা নকল সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহারের আইনত বিধান আছে।
৪,০৮৫.
আদেশ-৩৮ বিধি-৯ অনুসারে আদালত রায় ঘোষণার পূর্বে প্রদত্ত ক্রোক আদেশ প্রত্যাহার করতে পারে-
  1. বিবাদী জামানত এবং অন্যান্য খরচ আদালতে দাখিল করলে
  2. মোকদ্দমা খারিজ হলে
  3. মোকদ্দমা স্থগিত হলে
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• আদালত ২টি কারণে রায় ঘোষণার পূর্বে প্রদত্ত ক্রোক আদেশ প্রত্যাহার করতে পারেন যথা-
ক) বিবাদী জামানত এবং অন্যান্য খরচ আদালতে দাখিল করলে; এবং
খ) মোকদ্দমা খারিজ হলে।

আদেশ-৩৮ বিধি-৯: জামানত প্রদান করা হলে কিংবা মোকদ্দমা খারিজ করা হলে ক্রোক অপসারণ: 
যেক্ষেত্রে রায়ের পূর্বে ক্রোকের জন্য কোন আদেশ প্রদান করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে বিবাদি ক্রোকের খরচাদির জামানতসহ আবশ্যকীয় জামানত প্রদান করে বা মোকদ্দমাটি খারিজ হলে আদালত ক্রোক প্রত্যাহার করে আদেশ দিবে।

Order-38 Rule-9: Removal of attachment when security furnished or suit dismissed:
Where an order is made for attachment before judgment, the Court shall order the attachment to be withdrawn when the defendant furnishes the security required, together with security for the costs of the attachment, or when the suit is dismissed.
৪,০৮৬.
বন্ধকী অস্থাবর সম্পত্তি উদ্ধারের মোকদ্দমার তামাদির মেয়াদ কত বছরের?
  1.  ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ১২ বছর
  4. ৩০ বছর
সঠিক উত্তর:
৩০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ বছর
ব্যাখ্যা

তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৪৫: আমানত গ্রহীতা বা বন্ধক গ্রহীতার নিকট থেকে আমানতী বা বন্ধকী অস্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা দায়েরের তামাদি- ৩০ বছর।
তামাদির সময় গণনা শুরু- আমানত রাখা বা বন্ধক দেওয়ার তারিখ হতে।

৪,০৮৭.
The President shall have power to grant pardons, reprieves and respites and to remit, suspend or commute any sentence passed by any-
  1. court
  2. tribunal
  3. other authority
  4. all of above
সঠিক উত্তর:
all of above
উত্তর
সঠিক উত্তর:
all of above
ব্যাখ্যা
Article 49: Prerogative of mercy
The President shall have power to grant pardons, reprieves and respites and to remit, suspend or commute any sentence passed by any court, tribunal or other authority.

অনুচ্ছেদ ৪৯: ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার
কোন আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত যে−কোন দণ্ডের মার্জনা, বিলম্বন ও বিরাম মঞ্জুর করিবার এবং যে−কোন দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করিবার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির থাকিবে।
৪,০৮৮.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬৭ক অনুযায়ী, ডিজিটাল স্বাক্ষর প্রমাণের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক?
  1. প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই
  2. গ্রাহককেই প্রমাণ করতে হবে
  3. আদালতের অনুমোদন প্রয়োজন
  4. সুরক্ষিত ডিজিটাল স্বাক্ষর স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রমাণিত
সঠিক উত্তর:
গ্রাহককেই প্রমাণ করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রাহককেই প্রমাণ করতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬৭ক (67A) অনুযায়ী, যদি কোনো ডিজিটাল স্বাক্ষর একটি ডিজিটাল রেকর্ডে সংযুক্ত করা হয়, তবে সেটি প্রমাণ করতে হবে যে, এটি সংশ্লিষ্ট গ্রাহকের (Subscriber) স্বাক্ষর। সুরক্ষিত ডিজিটাল স্বাক্ষর (Secure Digital Signature) ছাড়া, ডিজিটাল স্বাক্ষরটি গ্রাহকই প্রমাণ করতে হবে, এবং আদালত কোনো বিশেষ অনুমোদন ছাড়াই এটি গ্রহণ করবে না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬৭ক - ডিজিটাল স্বাক্ষর প্রমাণ সম্পর্কিত বিধান:
সুরক্ষিত ডিজিটাল স্বাক্ষরের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম ব্যতীত, যদি কোনো ডিজিটাল রেকর্ডে কোনো গ্রাহকের ডিজিটাল স্বাক্ষর সংযুক্ত বলে অভিযোগ করা হয়, তবে এটি প্রমাণ করতে হবে যে উক্ত ডিজিটাল স্বাক্ষর প্রকৃতপক্ষে সেই গ্রাহকের স্বাক্ষর।
৪,০৮৯.
বিশেষ ক্ষমতা আইনে কালোবাজারে মজুত বা লেনদেনের অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি লাভ ছাড়া অন্য উদ্দেশ্যে মজুত করেন, তবে তিনি _________ কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
  1. ৩ মাস পর্যন্ত
  2. ৬ মাস পর্যন্ত
  3. ১ বছর পর্যন্ত
  4. ৩ বছর পর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
৩ মাস পর্যন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মাস পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
বিশেষ ক্ষমতা আইন,১৯৭৪

ধারা ২৫ অনুসারে,
যে ব্যক্তি কালোবাজারে মজুত বা লেনদেনের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হবেন তাকে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
অথবা ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে এবং জরিমানাও করা হবে।

তবে, শর্ত হিসেবে এতে বলা হয়েছে, যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রমাণ করতে পারেন যে তিনি লাভ ছাড়া অন্য উদ্দেশ্যে মজুত করেছিলেন তবে তিনি তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। একই সাথে জরিমানাও করা হবে তাকে।

একই সাথে আদালত কালোবাজারি বা মজুত হয়েছে এমন কিছু সরকারকে বাজেয়াপ্ত করার আদেশও দিতে পারবে।

Section 25: Penalty for hoarding or dealing in black-market

(1) Whoever is found guilty of the offence of hoarding or dealing in the black-market shall be punishable with death, or with 13[imprisonment for life], or with rigorous imprisonment for a term which may extend to fourteen years, and shall also be liable to fine: 
 
Provided that if, in the case of an offence of hoarding, the person accused of such offence proves that he was hoarding for purposes other than gain, whether financial or otherwise, he shall be punishable with imprisonment for a term which may extend to three months, and shall also be liable to fine.

(2) A court convicting an offence of hoarding or dealing in the black-market shall order the forfeiture to Government of anything in respect of which the offence was committed.
৪,০৯০.
What is the primary purpose of Article 41 of the Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972?
  1. To encourage unregistered practitioners
  2. To protect the integrity of the legal profession
  3. To reduce the number of advocates
  4. To allow non-advocates to practice law
সঠিক উত্তর:
To protect the integrity of the legal profession
উত্তর
সঠিক উত্তর:
To protect the integrity of the legal profession
ব্যাখ্যা
Answer: b) To protect the integrity of the legal profession.
- Article 41 aims to ensure that only qualified and registered advocates practice law, thereby protecting the integrity and standards of the legal profession.

⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972, 41. Any person who is not an advocate and practises the profession of law and any person who is not entitled under this Order to practise in the High Court practises before that Court shall be punishable with imprisonment for a term which may extend to six months.

⇒ অনুচ্ছেদ ৪১ এর মূল উদ্দেশ্য হলো আইন পেশার সততা রক্ষা করা এবং যারা আইন পেশায় অবৈধভাবে কাজ করছেন তাদের শাস্তি প্রদান করা। এটি নিশ্চিত করে যে, যারা আইন পেশায় অনুপ্রবেশ করতে চান তাদের আইনজীবী হিসেবে যথাযথ নিবন্ধন থাকতে হবে এবং তারা যদি কোনো আদালতে পেশা পরিচালনা করেন, তবে সেটি বৈধ হতে হবে। এই অনুচ্ছেদে এমন ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে শাস্তি নির্ধারণ করা হয়েছে যারা আইন পেশায় অবৈধভাবে কাজ করবেন।

⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ৪১-এর মূল উদ্দেশ্য হলো আইন পেশার সততা, মান এবং পেশাদারিত্ব রক্ষা করা। এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি অ্যাডভোকেট না হয়ে আইন পেশা চালান বা হাইকোর্টে অনুশীলনের অধিকার না থাকা সত্ত্বেও হাইকোর্টে অনুশীলন করেন, তাহলে তাকে ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়া হতে পারে।
এই বিধানটি নিশ্চিত করে যে শুধুমাত্র যোগ্য এবং নিবন্ধিত অ্যাডভোকেটরাই আইন পেশা অনুশীলন করতে পারবেন। এটি অবৈধভাবে আইন পেশা চালানো রোধ করে এবং আইন পেশার মান ও বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখে।

অন্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
ক) To encourage unregistered practitioners: এটি সঠিক নয়, কারণ এই বিধানটি অবৈধভাবে আইন পেশা চালানোকে নিরুৎসাহিত করে।
গ) To reduce the number of advocates: এটি সঠিক নয়, কারণ এই বিধানটি অ্যাডভোকেটের সংখ্যা কমানোর জন্য নয়, বরং যোগ্যতা ও নিবন্ধন নিশ্চিত করার জন্য।
ঘ) To allow non-advocates to practice law: এটি সঠিক নয়, কারণ এই বিধানটি অ্যাডভোকেট নয় এমন ব্যক্তিদের আইন পেশা চালানো নিষিদ্ধ করে।
অতএব, সঠিক উত্তর হলো খ) To protect the integrity of the legal profession।
৪,০৯১.
What is meant by "not proved" under the Evidence Act, 1872?
  1. The fact is partially proved
  2. The fact is disproved by the Court
  3. The fact is neither proved nor disproved
  4. The fact is accepted without evidence
সঠিক উত্তর:
The fact is neither proved nor disproved
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The fact is neither proved nor disproved
ব্যাখ্যা
• The Evidence Act,1872 এর ৩ ধারায় প্রমাণিত (proved), মিথ্যা প্রমাণিত (disproved) এবং অপ্রমাণিত (not to be proved) এর সংজ্ঞা রয়েছে।
 
প্রমাণিত (proved):
কোন ঘটনা তখনই প্রমাণিত বলা হয় যখন আদালত এর উপর আনীত বিষয়সমূহ বিবেচনা করে ঘাটনাটির অস্তিত্ব আছে বলে হয় বিশ্বাস করেন অথবা এর অস্তিত্ব এতই সম্ভব বিবেচনা করেন যে, একজন বুদ্ধিবৃত্তি সম্পন্ন মানুষ বিশেষ ক্ষেত্রের পরিস্থিতি বিবেচনা করে এর অস্তিত্ব অনুমান করতে পারেন।
⇒ A fact is said to be proved when, after considering the matters before it, the Court either believes it to exist, or considers its existence so probable that a prudent man ought, under the circumstances of the particular case, to act upon the supposition that it exists.
 
মিথ্যা প্রমানিত (disproved):
কোন ঘটনা তখনই মিথ্যা প্রমাণিত বলা হয় যখন আদালত এর উপর আনীত বিষয়সমূহ বিবেচনা করে ঘটনাটির অস্তিত্ব নেই বলে বিশ্বাস করেন অথবা এর অস্তিত্বহীনতা এতই সম্ভব বিবেচনা করেন যে, একজন বুদ্ধিবৃত্তি সম্পন্ন মানুষ বিশেষ ক্ষেত্রের পরিস্থিতি বিবেচনা করে এর অস্তিত্ব নেই বলে অনুমান করতে পারেন।
⇒ A fact is said to be disproved when, after considering the matters before it, the Court either believes that it does not exist, or considers its non-existence so probable that a prudent man ought, under the circumstances of the particular case, to act upon the supposition that it does not exist.
 
অপ্রমাণিত (not to be proved):
কোন ঘটনা তখনই অপ্রমাণিত বলা হয় যখন তা প্রমাণিত বা মিথ্যা প্রমাণিত কোনটিই হয় না।
⇒ A fact is said not to be proved when it is neither proved nor disproved.
৪,০৯২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৩ ধারায় বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি কোন ধরনের প্রতিকার পেতে পারে?
  1. Bail
  2. Release
  3. Discharge
  4. Acquittal
সঠিক উত্তর:
Discharge
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Discharge
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৩ ধারা অনুযায়ী বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি অব্যাহতি [Discharge] পেতে পারেন।
 
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪-৬৭ তে বিনা পরোয়ানা গ্রেফতার (Arrest Without warrent) সংক্রান্ত বিধি-বিধান আছে।
ধারা ৬২ অনুযায়ী, পুলিশ গ্রেফতার সম্পর্কে অর্থাৎ বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে জামিন দেওয়া হয়েছে কিনা অথবা অন্য কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে কিনা সে সম্পর্কে থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রিপোর্ট দিবেন এবং মহানগর এলাকায় হলে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে, অন্যান্য এলাকায় হলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে খবর দিবেন।
 
ধারা ৬৩: গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির অব্যাহতি-
যে ব্যক্তি কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক গ্রেফতার হয়েছে, তাকে তার নিজের মুচলেকা, অথবা জামিন, অথবা কোন ম্যাজিস্ট্রেটের বিশেষ আদেশ ব্যতীত অব্যাহতি দেয়া যাবে না।
 
Section 63: Discharge of person apprehended-
No person who has been arrested by a police-officer shall be discharged except on his own bond, or on bail, or under the special order of a Magistrate.
৪,০৯৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার অধীনে আদালত দণ্ডবিধির ২৭২, ২৭৩, ২৭৪ বা ২৭৫ ধারার অধীন কোনো মামলায় উক্ত ভেজাল খাদ্য বা ঔষধ ধ্বংস করার আদেশ দিতে পারেন?
  1. ৯৯খ ধারা
  2. ১১৭ ধারা
  3. ৫২১ ধারা
  4. ৫২২ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫২১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫২১ ধারা
ব্যাখ্যা
ধারা ৫২১- মানহানিকর ও অন্যান্য বস্তু ধ্বংস করার আদেশ:
(১) যদি কেউ দণ্ডবিধির ২৯২, ২৯৩, ৫০১ বা ৫০২ ধারায় দোষী সাব্যস্ত হয়, তবে আদালত আদেশ দিতে পারে যে, উক্ত অপরাধের সাথে সম্পর্কিত সকল অনুলিপি (যা আদালতের হেফাজতে রয়েছে বা দোষী ব্যক্তির দখলে রয়েছে) ধ্বংস করা হবে।
(1) On a conviction under the Penal Code, section 292, section 293, section 501 or section 502, the Court may order the destruction of all the copies of the thing in respect of which the conviction was had, and which are in the custody of the Court or remain in the possession or power of the person convicted.

(২) একইভাবে, যদি কেউ দণ্ডবিধির ২৭২, ২৭৩, ২৭৪ বা ২৭৫ ধারায় দোষী সাব্যস্ত হয়, তবে আদালত উক্ত অপরাধের সাথে সম্পর্কিত খাদ্য, পানীয়, ওষুধ বা চিকিৎসা সামগ্রী ধ্বংস করার নির্দেশ দিতে পারে।
(2) The Court may, in like manner, on a conviction under the Penal Code, section 272, section 273, section 274 or section 275, order the food, drink, drug or medical preparation in respect of which the conviction was had to be destroyed.
৪,০৯৪.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৭৪ অনুযায়ী নিম্নলিখিত কোনটি সরকারী দলিল (Public Document) হিসেবে গণ্য হবে? 
  1. ব্যক্তিগত চিঠি
  2. আদালতের রায়
  3. কবিতা বা উইল
  4. উল্লিখিত সবগুলো 
সঠিক উত্তর:
আদালতের রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের রায়
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৭৪ অনুসারে, সরকারী দলিল (Public Document) বলতে সরকারীভাবে রক্ষিত দলিলগুলোকে বোঝায়, যেমন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের আইন, সরকারি সংস্থা বা ট্রাইবুনালের নথিপত্র, বিচার বা শাসন বিভাগের লিখিত রেকর্ড। এর মধ্যে আদালতের রায় অন্তর্ভুক্ত, কারণ এটি সরকারী রেকর্ডে রক্ষিত হয়। অন্যান্য অপশনগুলো (ব্যক্তিগত চিঠি, কবিতা বা উইল) ধারা ৭৫-এর অধীনে বেসরকারী দলিল।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ থেকে ৭৮ ধারায় সরকারী দলিল সংক্রান্ত বিধানসমূহ আলোচনা করা হয়েছে। সমগ্র বাংলাদেশের দলিলগুলোকে সাক্ষ্য আইন মতে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
১. সরকারী দলিল (Public Document); এবং
২. বেসরকারী/ব্যক্তিগত দলিল (Private Document)।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা-৭৪: সরকারী দলিল (Public Document)- সরকারীভাবে রক্ষিত দলিলকে সরকারী দলিল বা Public document বলে। কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ যেমন-সংসদের আইন, সরকারি সংস্থা বা ট্রাইবুনাল সমূহের নথিপত্র অর্থাৎ দেশী বিদেশী আইন, বিচার বা শাসন বিভাগীয় কোন কর্মচারীর কার্যাবলির লিখিত বিবরণ ও নথিপত্রকে সরকারী দলিল বা Public Document বলে। অন্যভাবে বলা যায়, সরকারী দলিল বলতে সেই সমস্ত দলিলকে বোঝায় যে সমস্ত দলিল কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের সরকারী প্রতিষ্ঠানে বা ট্রাইব্যুনালের এবং বাংলাদেশের কোন অংশের বা কমনওয়েলথের বা বিদেশে সরকারী অফিসার, আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কার্যাবলী বা কাজের লিপিবদ্ধ বিবরণকে অন্তর্ভুক্ত করে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা-৭৫: বেসরকারি দলিল (Private document)- সরকারি দলিল ব্যতীত সকল দলিলই বেসরকারি বা ব্যক্তিগত দলিল। কবিতা, উইল, বিক্রয় চুক্তি, দানপত্র, মূল বিক্রয় দলিল, কবলা দলিল, চিঠিপত্র সবই বেসরকারি দলিল বা Private document.

৪,০৯৫.
"স্বীকারোক্তি হলো মৌখিক বা লিখিত (অথবা ডিজিটাল রেকর্ডে রয়েছে) বক্তব্য যা বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে কোন ধারণার সূত্রপাত করে" সাক্ষ্য আইনের কোথায় বলা হয়েছে?
  1. ১৮ ধারায়
  2. ১৭ ধারায়
  3. ১৬ ধারায়
  4. ১৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২: ১৭ ধারার বিধান- স্বীকারোক্তি সংজ্ঞায়িত:
একটি স্বীকারোক্তি হল একটি বক্তব্য, মৌখিক বা দলিলমূলক বা ডিজিটাল রেকর্ডে অন্তর্ভুক্ত, যা কোনো বিষয় বা প্রাসঙ্গিক তথ্য সম্পর্কে কোনো উপসংহার বা ধারণা প্রদান করে, এবং যা যেকোনো ব্যক্তির দ্বারা এবং নিম্নোক্ত বর্ণিত পরিস্থিতিতে করা হয়।

Section- 17. Admission defined
An admission is a statement, oral or documentary or contained in the digital record, which suggests any inference as to any fact in issue or relevant fact, and which is made by any of the persons, and under the circumstances, hereinafter mentioned.
৪,০৯৬.
Where once _____ has begun to run, no subsequent disability or inability to sue stops it.
  1. suit
  2. case
  3. time
  4. proceeding
সঠিক উত্তর:
time
উত্তর
সঠিক উত্তর:
time
ব্যাখ্যা
• Section: 9 of The Limitation Act,1908-

Where once time has begun to run, no subsequent disability or inability to sue stops it: 
Provided that where letters of administration to the estate of a creditor have been granted to his debtor, the running of the time prescribed for a suit to recover the debt shall be suspended while the administration continues.

ধারাঃ ৯- সময়ের অবিরাম চলন:
তামাদির সময় একবার চলতে শুরু করলে কোন অক্ষমতা একে থামাতে পারে না। তবে কোন পাওনাদারের সম্পত্তি ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব কোন দেনাদারের উপর ন্যস্ত থাকলে ততদিন উক্ত দেনার টাকা আদায়ের মামলার মেয়াদ অতিবাহিত হওয়া স্থগিত থাকবে।
৪,০৯৭.
রেফারেন্সের আবেদন কে করতে পারে?
  1. পক্ষদ্বয়
  2. অধস্তন আদালত
  3. শুধু বাদী
  4. আদালত ও পক্ষদ্বয় উভয়
সঠিক উত্তর:
অধস্তন আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধস্তন আদালত
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির অধস্তন কোন আদালত কোন সময়ে যদি প্রয়োজন মনে করে, তাহলে মোকদ্দমার বিষয়ে মতামতের জন্য হাইকোর্ট বিভাগে আবেদন করতে পারেন। হাইকোর্ট বিভাগে এরুপ অভিমত চাওয়াকে  Referance বলে।

♦ রেফারেন্স সম্পর্কিত বিধান দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১১৩ ও আদেশ ৪৬ এ দেয়া আছে।

♦ হাইকোর্ট বিভাগের অধ:স্তন আদালত তথ্যগত ও আইনগত জটিল প্ৰশ্ন বিষয়ে হাইকোর্ট বিভাগে রেফারেন্স এর আবেদন করতে পারে।
৪,০৯৮.
সর্বনিম্ন কত দিন কেউকে অবৈধভাবে অবরোধ করা হলে, অপরাধীকে তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে?
  1. ৩ দিন
  2. ৫ দিন
  3. ১০ দিন
  4. ১৫ দিন
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৪৪ ধারা- দশ বা ততোধিক দিনব্যাপি অবৈধভাবে অবরোধ:
কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দশ বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখে; তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 344- Wrongful confinement for ten or more days:
 Whoever wrongfully confines any person for ten days, or more, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.
৪,০৯৯.
আদালত কোন বিধি অনুযায়ী ইস্যু নির্ধারণের আগে আদালত সাক্ষী বা নথি পরীক্ষা করতে পারে?
  1. আদেশ ১৪ বিধি ৩
  2. আদেশ ১৪ বিধি ৪
  3. আদেশ ১৪ বিধি ৫
  4. আদেশ ১৪ বিধি ৬
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৪ বিধি ৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৪ বিধি ৪
ব্যাখ্যা

আদেশ ১৪ বিধি ৪: ইস্যু নির্ধারণের আগে আদালত সাক্ষী বা নথি পরীক্ষা করতে পারে:
যদি আদালতের মনে হয় যে ইস্যু (issues) সঠিকভাবে নির্ধারণ করা যাবে না- কোনো ব্যক্তি, যিনি আদালতে উপস্থিত নেই, তাকে জিজ্ঞাসাবাদ (examination) করা ছাড়া, অথবা মামলায় এখনো জমা না দেওয়া কোনো নথি পরীক্ষা করা ছাড়া, তাহলে আদালত ইস্যু নির্ধারণ (framing of issues) পিছিয়ে দিতে পারে, তবে সেই সময়সীমা ১৫ দিনের বেশি হতে পারবে না।

এ ছাড়া আদালত, বর্তমান প্রচলিত আইনের অধীনে সেই ব্যক্তিকে সমন বা অন্যান্য প্রক্রিয়া ব্যবহার করে হাজির করতে পারে, অথবা  যার কাছে নথিটি আছে তাকে নথি জমা দিতে বাধ্য করতে পারে।

৪,১০০.
বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫খ(২) ধারায় বর্ণিত অপরাধের সর্বনিম্ন শাস্তি কী?
  1. যাবজ্জীবন
  2. ৭ বছর কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড
  4. ১ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• ধারা ২৫খ (২): চোরাচালানের শাস্তি:
যে কেউ এমন কোনো পণ্য বিক্রয় করে, বিক্রয়ের জন্য প্রস্তাব করে, প্রদর্শন করে বা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে নিজের অধিকারভুক্ত বা নিয়ন্ত্রণে রাখে, যা বাংলাদেশে আনা কোনো বিদ্যমান আইনের অধীনে নিষিদ্ধ, সেই ব্যক্তি ৭ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ১ বৎসরের নিচে নয় এমন দণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
 
Section 25B(2)- Penalty for smuggling:
Whoever sells, or offers or displays for sale, or keeps in his possession or under his control for the purpose of sale, any goods the bringing of which into Bangladesh is prohibited by or under any law for the time being in force shall be punishable with imprisonment for a term which may extend to seven years and shall not be less than one year, and shall also be liable to fine.