বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ৩০ / ১৫৫ · ২,৯০১৩,০০০ / ১৫,৪৭০

২,৯০১.
দেওয়ানি মোকদ্দমার ক্ষেত্রে পরোয়ানা জারি করার জন্য নির্ধারিত কোর্ট ফি কখন দাখিল করতে হয়?
  1. আরজি দাখিলের পরে
  2. লিখিত জবাব দাখিলের সময়
  3. আরজি দাখিলের সময়
  4. মামলার প্রথম শুনানির দিন
সঠিক উত্তর:
আরজি দাখিলের সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি দাখিলের সময়
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৪ বিধি ১: মোকদ্দমা আরজি দাখিলের মাধ্যমে দায়ের করতে হবে:
১) আদালত অথবা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তার নিকট, আরজি উপস্থাপন করার মাধ্যমে প্রত্যেকটি মোকদ্দমা দাখিল করতে হবে এবং আরজি সংশ্লিষ্ট যতজন বিবাদী থাকে, ততগুলো আরজির অবিকল নকল অনুরূপ সকল বিবাদীর উপর পরোয়ানা জারি করার জন্য পেশ করতে হবে।

১ক) মোকদ্দমার ক্ষেত্রে পরোয়ানা জারি করার জন্য নির্ধারিত প্রদেয় কোর্ট ফি আরজি দাখিল করার সময় এবং অন্যান্য কার্যক্রমের ক্ষেত্রে যখন সমন ব্যবহার করা হয় তখন পরিশোধ করতে হবে।


১খ) সমনের একটি নকলসহ প্রত্যেক বিবাদীর জন্য সকল বিবাদীর পূর্ণ ও সঠিক ঠিকানা যুক্ত যথোচিত খামে আগাম প্রদত্ত প্রাপ্তি স্বীকারপত্র আরজির সঙ্গে বাদীকে পেশ করতে হবে।

২) ৬ষ্ঠ ও ৭ম আদেশের বিধিসমূহ যতদূর প্রযোজ্য হয়, তদনুসারে প্রত্যেকটি আরজি প্রণয়ন করতে হবে।
২,৯০২.
দণ্ডবিধিড় ৬৬ ধারা অনুযায়ী, জরিমানা আদায়ের জন্য আরোপিত কারাদণ্ডের ধরন কীভাবে নির্ধারিত হয়?
  1. অপরাধীর ইচ্ছা অনুযায়ী
  2. পুলিশের প্রস্তাব অনুযায়ী
  3. সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী
  4. অপরাধীর মূল অপরাধ অনুযায়ী
সঠিক উত্তর:
অপরাধীর মূল অপরাধ অনুযায়ী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধীর মূল অপরাধ অনুযায়ী
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ৬৬ ধারার অনুযায়ী, যদি কেউ আদালতে নির্ধারিত জরিমানা পরিশোধ না করে, তাহলে তার জন্য আরোপিত কারাদণ্ডের ধরন মূল অপরাধ অনুযায়ী হবে, অর্থাৎ সেই অপরাধের জন্য আদালত যেই ধরনের কারাদণ্ড দিতে পারত, সেই ধরনের কারাদণ্ডই জরিমানা অদায়ের ক্ষেত্রে আরোপ করা হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৬৬ ধারার বিধান- অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রদত্ত কারাদণ্ডের ধরন:
অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রদত্ত কারাদণ্ডের ধরন, অপরাধটির জন্য অপরাধীকে যে ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যেত সেরূপ হবে।
-------
⇒ The Penal Code,1860-Section 66- Description of imprisonment for non-payment of fine:
The imprisonment which the Court imposes in default of payment of a fine may be of any description to which the offender might have been sentenced for the offence.

২,৯০৩.
বিবাদী কর্তৃক Order 11 rule 21 এর অধীন প্রদত্ত আদেশ পালনের ব্যর্থতার ফলাফল কী?
  1. মোকদ্দমা খারিজ
  2. এক-তরফা রায়
  3. মোকদ্দমা স্থগিত
  4. আত্মপক্ষ সমর্থন বাতিল
সঠিক উত্তর:
আত্মপক্ষ সমর্থন বাতিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আত্মপক্ষ সমর্থন বাতিল
ব্যাখ্যা
• The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ১১ বিধি ২১ অনুযায়ী, প্রশ্নকারীপক্ষ অথবা দলিলসমূহ উদ্‌ঘাটন বা পরিদর্শন প্রার্থনাকারী আদালতে আবেদন করলে, আদালত অপরপক্ষকে নিম্নোক্ত আদেশ দিবেন-
> প্রশ্নমালার উত্তরদান (answer to interrogatories)- এর আদেশ, বা
> দলিলসমূহ প্রকাশ/উদঘাটন [discovery of documents]- এর আদেশ, বা
> দলিলসমূহ পরিদর্শন [inspection of documents]- এর আদেশ।

সংশ্লিষ্ট পক্ষ উপরিউক্ত আদেশ পালন করতে ব্যর্থ হলে বা অমান্য করলে (তার ফলাফল)-
> বাদীর ব্যর্থ হলে- বাদীর মোকদ্দমা খারিজ আদেশ দিবে এবং
> বিবাদী ব্যর্থ হলে- আত্মপক্ষ সমর্থন বাতিল (To strike out defence) আদেশ দিবে।

প্রতিকার:
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ৪৩ আদেশে যেসকল আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে, সে সম্পর্কে বলা আছে। আদেশ ১১ বিধি ২১ অনুযায়ী, আদালত কোনো আদেশ দিলে তা আপিলযোগ্য আদেশ বলে গণ্য হবে। Order 43 rule 1(f) এর অধীন এই আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ পক্ষ আপিল করতে পারবে।
২,৯০৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬২ ধারার অনুযায়ী, সংক্ষিপ্ত বিচারের ক্ষেত্রে কোন ধরনের অপরাধের বিচার করা যায়?
  1. প্রমাণিত অপরাধ
  2. গুরুতর অপরাধ
  3. লঘু শাস্তির অপরাধ
  4. খালাস পাওয়া অপরাধ
সঠিক উত্তর:
লঘু শাস্তির অপরাধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লঘু শাস্তির অপরাধ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬২ ধারার অধীনে সংক্ষিপ্ত বিচারের পদ্ধতি লঘু শাস্তির অপরাধের জন্য ব্যবহৃত হয়। সংক্ষিপ্ত বিচারের মাধ্যমে, ছোট বা কম গুরুতর অপরাধের দ্রুত নিষ্পত্তি করা হয়। এই ধরনের বিচারের ক্ষেত্রে কারাদণ্ডের মেয়াদ সর্বোচ্চ দুই বছর হতে পারে, এবং এটি সাধারণত প্রমাণিত অপরাধের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত হয়। গুরুতর অপরাধ, যেমন হত্যা বা ধর্ষণের মতো অপরাধ, সংক্ষিপ্ত বিচারের আওতায় পড়ে না, কারণ এসব অপরাধের জন্য বিস্তারিত বিচার এবং দীর্ঘতর প্রক্রিয়া প্রয়োজন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে সংক্ষিপ্ত বিচারে দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে দুই বছরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া যাবে না।
- গুরুতর নয় এমন অপরাধ এবং লঘু শাস্তির অপরাধের বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করা যায়। ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২২ এবং ধারা ২৬০-২৬৫ এ সংক্ষিপ্ত বিচার সম্পর্কিত বিধান রয়েছে। ধারা ২৬২-এ সংক্ষিপ্ত বিচারের পদ্ধতি বর্ণিত। সংক্ষিপ্ত বিচারে দণ্ডাদেশের সর্বোচ্চ সীমা দুই বছর কারাদণ্ড।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 262. Procedure for summary trials:
(1) In trials under this Chapter, the procedure prescribed in Chapter XX shall be followed except as hereinafter mentioned.
→ Limit of imprisonment:
(2) No sentence of imprisonment for a term exceeding two years shall be passed in the case of any conviction under this Chapter.
২,৯০৫.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী মফস্বলের জন্য জাস্টিস অব দি পিস নিয়োগ দেন -
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. দায়রা জজ
  3. সরকার
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২২ থেকে ২৫ ধারায় জাস্টিসেস অব দি পিসের বিধান রয়েছে যা নিম্নরূপ-
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা-২২: মফস্বলের জন্য জাস্টিস অব দি পিস (Justice of the peace for the mafassal)- সরকার গেজেট প্রজ্ঞাপনের দ্বারা বাংলাদেশের যে কোন উপযুক্ত নাগরিককে কোন স্থানীয় এলাকার জন্য জাস্টিস অব দি পিস হিসাবে নিয়োগ দিতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা-২৫: পদাধিকার বলে জাস্টিস অব দি পিস (Ex-officio Justices of the Peace)- ২৫ ধারার বিধান অনুযায়ী সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতিগণ পদাধিকার বলে সমগ্র বাংলাদেশের জাস্টিসেস অব দি পিস বলে গণ্য হবেন এবং দায়রা জজ, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ ও মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ পদাধিকার বলে নিজ নিজ এলাকার জন্য জাস্টিসেস অব দি পিস হবেন। 
- সুপ্রিম কোর্টের বিচারকগণ সারা বাংলাদেশের যে কোন স্থানে বিচার গ্রহণ এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আদেশ দিতে পারেন।
--------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 22. Justice of the peace for the mafassal:
 The Government may, by notification in the official Gazette, appoint such persons resident within Bangladesh and not being the subjects of any foreign State as it thinks fit to be Justices of the Peace within and for the local area mentioned in such notification.

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 25- Ex-officio Justices of the Peace:
In virtue of their respective offices, the Judges of the Supreme Court  are Justices of the Peace within and for of the whole of Bangladesh, Sessions Judges, Chief Judicial Magistrate and Metropolitan Magistrates are Justices of the Peace within their respective jurisdictions.
২,৯০৬.
তামাদি আইন ১৯০৮ এর ৯ ধারার বিধান কী?
  1. তামাদির মেয়াদ অতিক্রান্ত হলে পরবর্তীতে মামলা দায়ের করা যাবে
  2. তামাদির মেয়াদ চলাকালে মামলা করার অক্ষমতা দেখা দিলে মেয়াদ থেমে যাবে
  3. একবার তামাদির মেয়াদ অতিক্রান্ত হওয়া শুরু হলে পরবর্তীতে কোন অক্ষমতা তা বন্ধ করবে না
  4. তামাদির মেয়াদ অতিক্রান্ত হলে আর কোন মামলা করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
একবার তামাদির মেয়াদ অতিক্রান্ত হওয়া শুরু হলে পরবর্তীতে কোন অক্ষমতা তা বন্ধ করবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একবার তামাদির মেয়াদ অতিক্রান্ত হওয়া শুরু হলে পরবর্তীতে কোন অক্ষমতা তা বন্ধ করবে না
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ৯ ধারায় 'সময়ের অবিরাম চলন' নীতির কথা বলা হয়েছে। এর অর্থ হলো, একবার কোন দাবির জন্য তামাদির মেয়াদ (Limitation Period) গণনা শুরু হয়ে গেলে, পরবর্তীতে কোন অক্ষমতা বা প্রতিবন্ধকতার কারণে মামলা দায়ের করতে না পারলেও সেই মেয়াদ থেমে যাবে না। অর্থাৎ মামলা দায়েরে অক্ষমতা দেখা দিলেও সময় অবিরাম চলতে থাকবে এবং নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে আর মামলা করা যাবে না।

তবে একটি ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম আছে- যদি পাওনাদারের সম্পত্তির ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দেনাদারের উপর ন্যস্ত হয়, তখন ঐ দায়িত্ব পালনের সময়কালে দেনা আদায়ের মামলা দায়েরের সময়সীমা স্থগিত থাকবে।

Section 9: Continuous running of time:
Where once time has begun to run, no subsequent disability or inability to sue stops it:
Provided that where letters of administration to the estate of a creditor have been granted to his debtor, the running of the time prescribed for a suit to recover the debt shall be suspended while the administration continues.
২,৯০৭.
সাক্ষ্য আইনের ৭৩ক ধারা অনুসারে ডিজিটাল স্বাক্ষরটি কার তা নিশ্চিত করতে আদালত সংশ্লিষ্ট ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারে-
  1. নিয়ন্ত্রককে
  2. যে ব্যক্তির স্বাক্ষর তাকে
  3. প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষকে
  4. উল্লিখিত যে কোন একজনকে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত যে কোন একজনকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত যে কোন একজনকে
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৭৩ক (Proof as to verification of digital signature) অনুসারে, ডিজিটাল স্বাক্ষরটি যার দ্বারা সংযুক্ত বলে ধারণা করা হয়, সেই স্বাক্ষরটি সত্যিই তার কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য আদালত নির্দেশ দিতে পারে যে:
(ক) সেই ব্যক্তি (যার স্বাক্ষর বলে ধারণা), নিয়ন্ত্রক (Controller, যা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬-এর ধারা ১৮(১)-এর অধীনে নিযুক্ত), বা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষ (Certifying Authority)-কে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ (Digital Signature Certificate) দাখিল করতে।
(খ) অন্য কোনো ব্যক্তিকে সেই সনদের পাবলিক কী ব্যবহার করে স্বাক্ষর যাচাই করতে।

অপশন ক, খ, গ—এগুলো আংশিক সঠিক, কিন্তু ধারা ৭৩ক(a)-এর অধীনে আদালত এই তিনটির (নিয়ন্ত্রক, সেই ব্যক্তি, প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষ) যেকোনো একজনকে নির্দেশ দিতে পারে। তাই, ঘ) উল্লিখিত যে কোন একজনকে সঠিক উত্তর, যা অপশন ক, খ, গ-কে নির্দেশ করে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৩ক ধারার বিধান ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যাখ্যানের প্রমাণ প্রসঙ্গ: যার দ্বারা ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সংযুক্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হয়, ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সেই ব্যক্তির কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য আদালত নির্দেশ দিতে পারে যে-
(ক) সেই ব্যক্তি বা নিয়ন্ত্রক বা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিল করতে,
(খ) অন্য কোন ব্যক্তিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের গণতালিকায় আবেদন করতে এবং সেই কথিত ডিজিটাল স্বাক্ষর যাচাই করতে।
ব্যাখ্যা: এখানে "নিয়ন্ত্রক" অর্থ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ধারা ১৮ (১) এর অধীনে নিযুক্ত নিয়ন্ত্রক।
------------
⇒ The Evidence Act, 1872: Section  73A: Proof as to verification of digital signature:
  In order to ascertain whether a digital signature is that of the person by whom it purports to have been affixed, the Court may direct-
(a) that person or the Controller or the Certifying Authority to produce the Digital Signature Certificate;
(b) any other person to apply the public key listed in the Digital Signature Certificate and verify the digital signature purported to have been affixed by that person.
Explanation.- For the purpose of this section, "Controller" means the Controller appointed under sub-section (1) of section 18 of the Information and Communication Technology Act, 2006 (Act No. 39 of 2006).

২,৯০৮.
'ক' অবৈধভাবে 'গ' এর অবৈধ ক্ষতি সাধন করার ইচ্ছায় স্বেচ্ছাকৃতভাবে 'গ' এর মালিকানাধীন একটি মূল্যবান জামানত পুড়িয়ে ফেলে। 'ক' এর অপরাধ- 
  1. বিশ্বাসভঙ্গ
  2. অনিষ্টসাধন
  3. অবৈধভাবে ক্ষতি করার
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
অনিষ্টসাধন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনিষ্টসাধন
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪২৫ ধারার বিধান ক্ষতি বা অনিষ্ট:- কোন ব্যক্তি যদি জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করার উদ্দেশ্যে, অথবা সে জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও কোন সম্পত্তি ধ্বংস বা বিনষ্ট করে, অথবা কোন সম্পত্তিতে বা উহার অবস্থানে এমন কোন পরিবর্তন সাধন করে, যার ফলে উহার মূল্য বা আবশ্যকীয়তা বিনষ্ট হয় বা হ্রাস প্রাপ্ত হয়, বা উহা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'ক্ষতি' সাধন করেছে বলে গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা ১:- ক্ষতি অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য অপরাধীর ক্ষতিগ্রস্ত কিংবা বিনষ্ট সম্পত্তির মালিকের ক্ষতি বা লোকসান করার ইচ্ছা থাকা প্রয়োজন নয়। কোন সম্পত্তির ক্ষতিসাধন করে কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা ব্যক্তিসানের উদ্দেশ্য থাকলে অথবা সম্পত্তির অনুরূপ ক্ষতিসাধন কর্তৃক কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা ব্যক্তিসানের আশঙ্কা রয়েছে জানা সত্ত্বেও সম্পত্তিটির ক্ষতিসাধন করলে অপরাধটি সংঘটিত হবে, যে সম্পত্তিটির অনুরূপ ক্ষতিসাধন করা হল, সে সম্পত্তিটি অনুরূপে অন্যায়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির সম্পত্তি হোক আর নাই হোক।

ব্যাখ্যা ২:- যে ব্যক্তি কাজ সংঘটন করল সে ব্যক্তির নিজের বা মিলিতভাবে সে ব্যক্তির ও অন্যান্য ব্যক্তির সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত করে অনুষ্ঠিত কাজ কর্তৃক ক্ষতি সাধিত হতে পারে।
---------
⇒ Mischief:
Section 425. Whoever, with intent to cause, or knowing that he is likely to cause, wrongful loss or damage to the public or to any person, causes the destruction of any property, or any such change in any property or in the situation thereof as destroys or diminishes its value or utility, or affects it injuriously, commits "mischief".

Explanation 1.-It is not essential to the offence of mischief that the offender should intend to cause loss or damage to the owner of the property injured or destroyed. It is sufficient if he intends to cause, or knows that he is likely to cause, wrongful loss or damage to any person by injuring any property, whether it belongs to that person or not.

Explanation 2.-Mischief may be committed by an act affecting property belonging to the person who commits the act, or to that person and others jointly.

Illustrations:
(a) A voluntarily burns a valuable security belonging to Z intending to cause wrongful loss to Z. A has committed mischief.
২,৯০৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ৪০ ধারা অনুযায়ী যদি কোন দলিল বিভিন্ন অধিকার বা বাধ্যবাধকতা সৃষ্টি করলে সেক্ষেত্রে আদালত কী আদেশ দিতে পারে?
  1. সকল অধিকার বাতিল করতে পারে 
  2. সকল অধিকার বহাল করতে পারে 
  3. উপযুক্ত ক্ষেত্রে আংশিক বাতিল বা আংশিক বহাল রাখতে পারে
  4. দলিল বাতিলের আদেশ দিতে পারে
সঠিক উত্তর:
উপযুক্ত ক্ষেত্রে আংশিক বাতিল বা আংশিক বহাল রাখতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপযুক্ত ক্ষেত্রে আংশিক বাতিল বা আংশিক বহাল রাখতে পারে
ব্যাখ্যা

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪০ ধারা অনুযায়ী,
যদি একই দলিল দ্বারা বিভিন্ন অধিকার সৃষ্টি হয় এবং সেই দলিলের কোনো একটি অংশ বাতিলযোগ্য (void) হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে কেবলমাত্র সেই বাতিলযোগ্য অংশটিই বাতিল বলে গণ্য হবে। দলিলের অবশিষ্ট অংশগুলি বলবৎ থাকবে।
------------------- 
• According to section 40 of the Specific Relief act,                                      
Where an instrument is evidence of different rights or different obligations, the Court may, in a proper case, cancel it in part and allow it to stand for the residue.

- অর্থাৎ দলিলের সম্পূর্ণ অংশই বাতিল হবে না, শুধু বাতিলযোগ্য অংশটিই বাতিল বা অকার্যকর হবে। দলিলের অন্যান্য অংশসমূহ যেখানে বৈধ অধিকার সৃষ্টি করা হয়েছে সেগুলি বলবৎ থাকবে।
এই বিধানের উদ্দেশ্য হল একই দলিলের সকল অংশকেই বাতিল না করে, শুধুমাত্র বাতিলযোগ্য অংশকেই বাতিল করা এবং বাকি দলিলটিকে কার্যকর রাখা। এতে দলিলের মূল উদ্দেশ্য বা বৈধ অংশগুলি বলবৎ থাকবে এবং কেবলমাত্র অবৈধ অংশটি বাতিল হবে। এটি দলিলের পক্ষদের স্বার্থরক্ষা করে।

২,৯১০.
রেজিস্ট্রেশন আইনের কোন ধারায় "দালাল (tout)" শব্দটি সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
  1. ধারা ২(৮)
  2. ধারা ২(৯)
  3. ধারা ২(১০)
  4. ধারা ২(১১)
সঠিক উত্তর:
ধারা ২(১১)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২(১১)
ব্যাখ্যা
• রেজিস্ট্রেশন আইনে ২(১১) ধারা মতে, দালাল (tout) বলতে নিম্নের ব্যক্তিদেরকে বুঝাবে-
ক) লাইসেন্স (অনুমোদন) ব্যতীত যে ব্যক্তি ধারা ৮০ছ এর অধীনে রেজিস্ট্রেশন অফিসের প্রাঙ্গণে নিয়মিত ভাবে আসা যাওয়া করে এবং তার নিজের কর্মসংস্থান লাভের জন্য যে অন্য কোন ব্যক্তিকে রেজিস্ট্রেশন কার্যে সাহায্য করে।

খ) যাকে ধারা ৮০ছ এর অধীনে প্রণীত নিয়মাবলি অনুসারে টাউট বা দালাল ঘোষণা করা যায়।

Section 2(11)- “tout' means a person:
(a) who habitually frequents the precincts of a registration office, without a licence granted to him under the rules made under section 80G, for the purpose of obtaining employment for himself or for any other person in connection with any registration business; or

(b) who is declared to be deemed to be a tout for the purposes of this Act by rules made under section 80G;
২,৯১১.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারা আদালতকে কী ধরনের ক্ষমতা প্রদান করে?
  1. রায়ের ত্রুটি সংশোধন করার
  2. আপিল গ্রহণ করার
  3. নতুন মামলা শুরুর করার
  4. সাক্ষীদের ভুল বিবৃতি সংশোধন করার
সঠিক উত্তর:
রায়ের ত্রুটি সংশোধন করার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায়ের ত্রুটি সংশোধন করার
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারা- রায়, ডিক্রি বা আদেশসমূহের সংশোধন:
রায়, ডিক্রি বা আদেশে করণিক বা গাণিতিক ভুল অথবা কোন আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির কারণে তথায় কোন ভুল থাকলে যে কোন সময় আদালত নিজস্ব উদ্যোগে কিংবা কোন পক্ষের আবেদনে তা শুদ্ধ করতে পারে।

Section 152- Amendment of judgments, decrees or orders:
Clerical or arithmetical mistakes in judgments, decrees or orders or errors arising therein from any accidental slip or omission may at any time be corrected by the Court either of its own motion or on the application of any of the parties.
২,৯১২.
তামাদি আইনে সুনির্দিষ্টভাবে কোন কার্যক্রমের জন্য তামাদির নির্দিষ্ট মেয়াদ নেই?
  1. আপিল
  2. রিভিউ
  3. রিভিশন
  4. দরখাস্ত
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা
⇒ রিভিশনের তামাদির মেয়াদ তামাদি আইনের কোথাও উল্লেখ নেই।

- তফসিলে মোকদ্দমা, আপিল এবং আবেদন দায়েরের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে। তফসিলে মোট ১৮৩টি অনুচ্ছেদ বলবৎ আছে। তফসিলের ৩টি বিভাগে ৩ ধরনের বিষয়ের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে-
১. মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling suits]- অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯।
২. আপিল, রিভিউ দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling appeals]- অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭।
৩. বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling applications and petitions]- অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩।

⇒ সাধারণত আদালতে, আপিলের তামাদি মেয়াদকেই রিভিশনের তামাদি হিসেবে গণ্য করা হয়।
- হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন দায়ের করতে হবে- ৯০ দিনের মধ্যে।
- জেলা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করতে হবে- ৩০ দিনের মধ্যে।
২,৯১৩.
পূর্ববর্তী মামলায় যে বিষয় আত্মপক্ষসমর্থন বা বিপক্ষের যুক্তিখণ্ডনের জন্য ব্যবহৃত হতে পারতো বা হওয়া উচিত ছিল, তা পরবর্তী মামলার _________ বিবেচ্য বিষয় ছিল বলে ধরে নিতে হবে।
  1. মূল
  2. প্রত্যক্ষ
  3. পরোক্ষ
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় দোবারা দোষ নীতিটি [Res Judicata] আলোচনা করা হয়েছে। রেস জুডিকাটা নীতির মূল কথা হলো এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত কোন বিচারিত বিষয়কে পরবর্তীতে পুনরায় বিচার করা যাবে না। এই ধারায় ৬টি ব্যাখা দেয়া হয়েছে।
 
• ১১ ধারার ৪ নং ব্যাখ্যায় পরোক্ষ দোবারা দোষ [constructive res judicata] আলোচনা করা হয়েছে। এই নীতি অনুসারে, পূর্ববর্তী মামলায় যে বিষয় আত্মপক্ষসমর্থন বা বিপক্ষের যুক্তিখণ্ডনের জন্য ব্যবহৃত হতে পারতো বা হওয়া উচিত ছিল, তা উক্ত মামলার প্রত্যক্ষ বা মূল বিবেচ্য বিষয় ছিল বলে ধরে নিতে হবে।
[Any matter, which might and ought to have been made ground of defence or attack in such former suit shall be deemed to have been, matter directly and substantially in issue in such suit].
 
অর্থাৎ পূর্ববর্তী মামলায় যে বিষয়টি আত্মপক্ষসমর্থন বা বিপক্ষের যুক্তিখন্ডনের জন্য ব্যবহৃত হতে পারতো বা উচিত ছিল, কোনো পক্ষই যদি তা ব্যবহার না করে থাকে, তবে পরবর্তী মোকদ্দমায় উক্ত বিষয়ের উদ্ভব হলে পরবর্তী মোকদ্দমাটি পরোক্ষ দোষে দুষ্ট হবে।
২,৯১৪.
'Right of usufructuary mortgagor to recover possession'- বিধানটি The Transfer of Property Act, 1882 এর কত ধারায় বর্ণিত হয়েছে?
  1. ৬০
  2. ৬০বি
  3. ৬১
  4. ৬২
সঠিক উত্তর:
৬২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬২
ব্যাখ্যা
Section 62- Right of usufructuary mortgagor to recover possession

In the case of a usufructuary mortgage, the mortgagor has a right to recover possession of the property together with the mortgage-deed and all documents relating to the mortgaged property which are in the possession or power of the mortgage,- 
 
(a) where the mortgagee is authorised to pay himself the mortgage-money from the rents and profits of the property, - when such money is paid; 
 
(b) where the mortgagee is authorised to pay himself from such rents and profits or any part thereof a part only of the mortgage-money – when the term, if any, prescribed for the payment of the mortgage-money has expired and the mortgagor pays or tenders to the mortgagee the mortgage-money or the balance thereof or deposits it in Court as hereinafter provided.
২,৯১৫.
The credit of a witness may be impeached in the ways mentioned in _________ of The Evidence Act, 1872.
  1. Section 156
  2. Section 155
  3. Section 153
  4. Section 158
সঠিক উত্তর:
Section 155
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 155
ব্যাখ্যা
Section 155: Impeaching credit of witness:

The credit of a witness may be impeached in the following ways by the adverse party, or, with the consent of the Court, by the party who calls him:-
(1) by the evidence of persons who testify that they, from their knowledge of the witness, believe him to be unworthy of credit;
(2) by proof that the witness has been bribed, or has accepted the offer of a bribe, or has received any other corrupt inducement to give his evidence;
(3) by proof of former statements inconsistent with any part of his evidence which is liable to be contradicted;

Explanation.– A witness declaring another witness to be unworthy of credit may not, upon his examination-in-chief, give reasons for his belief, but he may be asked his reasons in cross-examination, and the answers which he gives cannot be contradicted, though, if they are false, he may afterwards be charged with giving false evidence.

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৫৫ ধারার সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্টের পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে। এ ধারায় নিম্নবর্ণিত ৩ টি উপায়ে সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা যায়।
১. সাক্ষী বিশ্বাসের অযোগ্য মর্মে সাক্ষ্য প্রদান করে;
২. সাক্ষীকে ঘুষ প্রদান করা হয়েছে বা এরূপ দুর্নীতিমূলক প্রলোভনে সম্মত হয়েছেন মর্মে প্রমাণ করে;
৩. সাক্ষীর পূর্ববর্তী বক্তব্যের সাথে বর্তমান বক্তব্য অমিল তা প্রমাণ করে বিরুদ্ধ পক্ষ সরাসরি এরূপ প্রশ্ন করতে পারেন এবং আদালতের অনুমতি নিয়ে সাক্ষী হাজিরকারী পক্ষ এরূপ প্রশ্ন করতে পারেন।
২,৯১৬.
অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রদত্ত কারাদণ্ডের ধরন কেমন হবে?
  1. শুধু বিনাশ্রম কারাদণ্ড হবে
  2. শুধু সশ্রম কারাদণ্ড হবে
  3. আদালতের ইচ্ছানুযায়ী
  4. অপরাধটির জন্য যে ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যায়
সঠিক উত্তর:
অপরাধটির জন্য যে ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধটির জন্য যে ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যায়
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৬৬ ধারা- অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রদত্ত কারাদণ্ডের ধরন:
অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রদত্ত কারাদণ্ডের ধরন, অপরাধটির জন্য অপরাধীকে যে ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যেত সেরূপ হবে।

Section 66- Description of imprisonment for non-payment of fine:
The imprisonment which the Court imposes in default of payment of a fine may be of any description to which the offender might have been sentenced for the offence.
২,৯১৭.
রাষ্ট্রদ্রোহিতা বা রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অপরাধের জন্য দায়েরকৃত কোন মামলা আদালত আমলে নিবেন না-
  1. সরকারের নালিশ ব্যতীত
  2. সুপ্রীম কোর্টের আদেশ ব্যতীত
  3. সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের নালিশ ব্যতীত
  4. ক বা গ
সঠিক উত্তর:
ক বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা গ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৫ থেকে ১৯৯ ধারায় অপরাধ আমলে নেওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ ব্যতিক্রম আলোচনা করা হয়েছে।

• ধারা ১৯৬ অনুযায়ী, রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অপরাধসমূহ যেমন রাষ্ট্রদ্রোহিতা, রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা বা দণ্ডবিধির ১০৮ক, ১৫৩ক, ২৯৪ক, ২৯৫ক বা ৫০৫ ধারার অপরাধসমূহ সরকার বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে আদালত আমলে নিতে পারেন।
২,৯১৮.
দস্যুতা ও সাধারণ চুরির মধ্যে পার্থক্য কী?
  1. দস্যুতা শুধু সংঘবদ্ধ অপরাধীদের দ্বারা সংঘটিত হয়
  2. দস্যুতায় শুধু রাতের বেলায় অপরাধ ঘটে
  3. দস্যুতায় ভয় বা বলপ্রয়োগ থাকে
  4. দস্যুতা শুধু সরকারি সম্পত্তির ক্ষেত্রে হয়
সঠিক উত্তর:
দস্যুতায় ভয় বা বলপ্রয়োগ থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দস্যুতায় ভয় বা বলপ্রয়োগ থাকে
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারা- দস্যুতা: প্রত্যেক দস্যুতায় হয় চুরি, না হয় বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের অপরাধ সংঘটিত হয়:
- যেক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:
চুরি করার উদ্দেশ্যে, অথবা চুরি করতে, কিংবা চুরিতে লব্ধ সম্পত্তি বহন বা বহনের উদ্যোগ কালে, অপরাধকারী তদুদ্দেশ্যে ইচ্ছাপূর্বক কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় বা তাকে আঘাতদান করে তাকে অন্যায় ভাবে আটক করে বা করার উদ্যোগ করে, বা তাকে তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা তাৎক্ষণিক আঘাত বা তাৎক্ষণিক অবৈধ আটকের ভীতি প্রদর্শন করে বা করার উদ্যোগ করে, তা হলে উক্ত চুরি হচ্ছে 'দস্যুতা'।

- বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় যেক্ষেত্রে দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:
বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সময় অপরাধী- যে ব্যক্তিকে ভয়ে বিহ্বল করা হয়েছে, সে ব্যক্তির বা অন্য কোন ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আশু আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করলে, এবং এইভাবে যে ব্যক্তিকে ভয়ে অভিভূত করা হয়েছে, সে ব্যক্তিকে তখন বলপূর্বক আদায়কৃত বস্তুটি অর্পণে বাধ্য করলে, বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় 'দস্যুতা' বলে পরিগণিত হবে।

ব্যাখ্যা:- অপরাধী অন্য ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করার পক্ষে যথেষ্ট নিকটে থাকলে সে হাজির বলে পরিগণিত হবে।
২,৯১৯.
"Wrongful loss" is the loss by ________ means of property to which the person losing it is legally entitled.
  1. legal
  2. unlawful
  3. lawful
  4. proper
সঠিক উত্তর:
unlawful
উত্তর
সঠিক উত্তর:
unlawful
ব্যাখ্যা
• Section 23- "Wrongful loss"

"Wrongful loss" is the loss by unlawful means of property to which the person losing it is legally entitled.
"অন্যায্য ক্ষতি" হল অবৈধ উপায়ে এমন সম্পত্তির ক্ষতি যার উপর ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আইনগত অধিকার রয়েছে।
২,৯২০.
"Appeal is a continuation of a suit." এর বিধানটি The Code of Civil Procedure, 1908 এর কোন ধারার বিশ্লেষণে অনুমিত?
  1. ৯৬
  2. ১০৭
  3. ১০৬
  4. ৯৭
সঠিক উত্তর:
১০৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৭
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ১০৭(১) ধারা দ্বারা আপিল আদালতের কিছু ক্ষমতা সুনির্দিষ্ট করে দেয়া হয়েছে।
১০৭(২) ধারা অনুযায়ী ঐ সকল ক্ষমতা ব্যতীত মূল মামলা বিচারের জন্য এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের ওপর আইন দ্বারা যেসব ক্ষমতা ও দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে ওই সব ক্ষমতা ও দায়িত্বও আপিল আদালত প্রয়োগ করতে পারবে।
যেহেতু আপিল আদালতের মূল মামলার বিচারিক আদালতের সমান এখতিয়ার রয়েছে তাই আপিল মূল মামলার continuation বলে গণ্য হয়।
------------
⇒ Section107. Powers of Appellate Court.
(1) Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, an Appellate Court shall have power- 
(a) to determine a case finally; 
(b) to remand a case; 
(c) to frame issues and refer them for trial; 
(d) to take additional evidence or to require such evidence to be taken. 
 
(2) Subject as aforesaid, the appellate Court shall have the same powers and shall perform as nearly as may be the same duties as are conferred and imposed by this Code on Courts of original jurisdiction in respect of suits instituted therein.
২,৯২১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় চুক্তির একটি স্বতন্ত্র অংশের সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন বিষয়ে আলোচনা করে?
  1. ১৪
  2. ১৫
  3. ১৬
  4. ১৭
সঠিক উত্তর:
১৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬
ব্যাখ্যা
→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৬ ধারার বিধান কোন চুক্তির স্বতন্ত্র অংশের সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন: যখন চুক্তির একটি অংশের স্বতন্ত্রভাবে সুনির্দিষ্টভাবে কার্যসম্পাদন করা যায় অথবা করা আবশ্যক হয় এবং তা একই চুক্তির এমন অন্য অংশ হতে স্বতন্ত্র এবং স্বাধীনভাবে অবস্থান করে যা সুনির্দিষ্টভাবে অবস্থান করে যা সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করা যাবে না বা করা আবশ্যক নহে, তাহলে আদালত পূর্ববর্তী অংশের সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।
---------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 16. Specific performance of independent part of contract:
When a part of a contract which, taken by itself, can and ought to be specifically performed, stands on a separate and independent footing from another part of the same contract which cannot or ought not to be specifically performed, the Court may direct specific performance of the former part. 
২,৯২২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৭ ধারা কোন বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. তল্লাশি
  2. দণ্ডাদেশ
  3. জামিন
  4. সাক্ষ্যগ্রহণ
সঠিক উত্তর:
তল্লাশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তল্লাশি
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৭ ধারার বিধান- যাহাকে গ্রেফতার করা হইবে, তিনি যেস্থানে প্রবেশ করিয়াছেন, সেই স্থান তল্লাশি:
গ্রেফতারী পরোয়ানা মোতাবেক কার্যরত ব্যক্তি অথবা গ্রেফতারের অধিকারী পুলিশ অফিসারের যদি বিশ্বাস করিবার কারণ থাকে যে, যে ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হইবে তিনি কোন স্থানে প্রবেশ করিয়াছেন বা কোন স্থানের মধ্যে আছেন, তাহা হইলে উক্ত স্থানে বসবাসকারী বা উক্ত স্থানের ভারপ্রাপ্ত ব্যক্তি উপরোক্তরূপে কার্যরত ব্যক্তি বা উক্ত পুলিশ অফিসারের দাবিক্রমে তাহাকে অবাধে উক্ত স্থানে প্রবেশ করিতে দিবেন এবং উক্ত স্থানে তল্লাশির জন্য সকল প্রকার যুক্তিসঙ্গত সুযোগ-সুবিধা দিবেন।
২,৯২৩.
সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারার অধীনে আদালত কোন বিষয় সম্পর্কে বিচারিক দৃষ্টিগোচরে নিবে?
  1. ব্যক্তিগত সম্পর্ক
  2. সশস্ত্র বাহিনীর যুদ্ধবিধি
  3. ব্যক্তিগত চুক্তি
  4. ব্যক্তিগত দেহের পরিচিতি
সঠিক উত্তর:
সশস্ত্র বাহিনীর যুদ্ধবিধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সশস্ত্র বাহিনীর যুদ্ধবিধি
ব্যাখ্যা
⇒সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারার অধীনে আদালত সশস্ত্র বাহিনীর যুদ্ধবিধি (Articles of War for the Armed Forces) সম্পর্কে বিচারিক দৃষ্টিগোচরে নিবে।
- সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় বলা হয়েছে- আদালত কোন কোন বিষয় অবশ্যই বিচারিক দৃষ্টিগোচরে (জুডিশিয়াল নোটিশ) নিবেন [Facts of which Court must take judicial notice].
৫৭ ধারা অনুযায়ী আদালত নিম্নলিখিত বিষয়ে অবশ্যই জুডিশিয়াল নোটিশ নিবেন-
i) বাংলাদেশের সকল আইন;
ii) সশস্ত্র বাহিনীর জন্য প্রনীত যুদ্ধবিধি বা অস্ত্র ও রসদ;
iii) সংসদের কার্যসমূহ;
iv) বাংলাদেশের আদালত, নৌ ও সামুদ্রিক এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত এবং নোটারি পাবলিকের সীলমোহর;
v) সরকারি পদে নিয়োগের গেজেটে উল্লেখিত নাম, পদ, স্বাক্ষর, যোগদানের সময়;
vi) বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্বীকৃত রাষ্ট্র, রাষ্ট্রপ্রধান, জাতীয় পতাকা;
vii) সময় ও ভৌগলিক বিভাগসমুহ, রোজা, ছুটির দিন সমুহ;
viii) বাংলাদেশের ভৌগলিক সীমানা;
ix) আদালতের সদস্যবৃন্দ ও এ্যাডভোকেটগন;
x) বাংলাদেশের সাথে অপর কোন রাষ্ট্র বা সংগঠনের বিরোধ:
xi) স্থল, জল ও সমুদ্রপথের নিয়মাবলী।
-----------
Section 57 of the Evidence Act outlines the facts that the Court must take judicial notice of, including:
1. All Bangladesh Laws.
2. Articles of War for the Armed Forces.
3. The proceedings of Parliament and any legislature with power over Bangladesh's territories.
4. The seals of all courts in Bangladesh, including Admiralty and Maritime Courts and Notaries Public.
5. Names, titles, functions, and signatures of public officeholders, as published in the official Gazette.
6. The existence, title, and national flag of recognized States.
7. Geographical divisions, public festivals, fasts, and holidays notified in the official Gazette.
8. The territories of Bangladesh.
9. Hostilities between Bangladesh and other States or entities.
10. The names of court members, officers, advocates, and authorized persons.
11. The rule of the road on land and sea.
The Court may refer to books or documents of reference for these facts. If any person requests judicial notice, the Court may refuse unless the necessary documents are presented.
২,৯২৪.
৭,০০,০০০,০০ টাকা মূল্যমান সম্পন্ন কোনো মোকদ্দমায় যুগ্ম জেলা জজ ডিক্রি দিলে, তার বিরুদ্ধে আপিল করা হবে-
  1. জেলা জজের নিকট
  2. হাইকোর্ট বিভাগে
  3. ক বা খ
  4. দায়রা জজের নিকট
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
ব্যাখ্যা
• The Civil Courts Act, 1887 আইনের ২০ এবং ২১ ধারায় দেওয়ানি আদালতের আপিল এখতিয়ার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• ২০ ধারা অনুযায়ী জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে হবে। 

২১(১) ধারা- যুগ্ম জেলা জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে যেক্ষেত্রে মূল মামলার মূল্যমান ৫০০০০০০০ (পাঁচ কোটি) টাকার অধিক না সেক্ষেত্রে জেলা জজের নিকট আপিল করতে হবে এবং মোকদ্দমার মূল্যমান ৫০০০০০০০ (পাঁচ কোটি) টাকার বেশি হলে আপিল করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে।

২১(২) ধারা- সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল জেলা জজের নিকট করতে হবে।
২,৯২৫.
দণ্ডবিধির ১৪১ ধারা অনুসারে বেআইনি সমাবেশের সাধারণ লক্ষ্য কীভাবে নির্ধারিত হয়?
  1. ব্যক্তিগত লক্ষ্য দ্বারা
  2. সরকারি কর্মচারীর সিদ্ধান্ত দ্বারা
  3. আদালতের পরবর্তী রায় দ্বারা
  4. সমাবেশের সকল ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য দ্বারা
সঠিক উত্তর:
সমাবেশের সকল ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমাবেশের সকল ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য দ্বারা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারা অনুসারে, একটি সমাবেশকে "বেআইনি সমাবেশ" হিসেবে ঘোষণা করার মূল ভিত্তি হল সমাবেশে উপস্থিত ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য। এই ধারায় উল্লিখিত পাঁচটি বিশেষ উদ্দেশ্যের যেকোনো একটি যদি তাদের সম্মিলিত অভিপ্রায় বা সাধারণ লক্ষ্য হয়, তবেই তা বেআইনি সমাবেশে পরিণত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার বিধান বেআইনি সমাবেশ:- পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশকে 'বেআইনি সমাবেশ' সেক্ষেত্রেই বলা হয়, যেক্ষেত্রে উক্ত সমাবেশের ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য হয়-
প্রথম:- বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভাকে অথবা কোন সরকারি কর্মচারীকে অনুরূপ কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগের সময় অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি কর্তৃক ভীতি প্রদর্শন করা; কিংবা
দ্বিতীয়:- কোন আইনের অথবা কোন আইনগত ব্যবস্থার কার্যকরকরণে বাধা সৃষ্টি করা; কিংবা
তৃতীয়:- কোন ব্যক্তির দুষ্কর্ম বা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ অথবা অন্যবিধ অপরাধ অনুষ্ঠিত করা; কিংবা
চতুর্থ:- কোন ব্যক্তির প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা, অথবা কোন ব্যক্তিকে পথের অধিকার ভোগ হতে বঞ্চিত করা অথবা জল ব্যবহারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা অথবা তাকে তার দখলে অবস্থিত অপর কোন অশরীরী অধিকার থেকে বঞ্চিত করা অথবা কোন অধিকার বা কল্পিত অধিকার প্রতিষ্ঠা করা; কিংবা
পঞ্চম:- অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন ব্যক্তিকে সে আইনত বাধ্য নয় এমন একটি কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা অথবা যে কার্যটি করতে সে আইনত বাধ্য বা অধিকারী তা সম্পাদন হতে বিরত করা।
ব্যাখ্যা:- যে সমাবেশ, সমাবিষ্ট হওয়া কালে বেআইনি ছিল না তা পরে বেআইনি সমাবেশ হতে পারে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-141. Unlawful assembly:
An assembly of five or more persons is designated an "unlawful assembly," if the common object of the persons composing that assembly is:
First.-To overawe by criminal force, or show of criminal force, Government or Legislature, or any public servant in the exercise of the lawful power of such public servant; or
Second.-To resist the execution of any law, or of any legal process; or
Third.- To commit any mischief or criminal trespass, or other offence; or
Fourth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to any person to take or obtain possession of any property, or to deprive any person of the enjoyment of a right of way, or of the use of water or other incorporeal right of which he is in possession or enjoyment, or to enforce any right or supposed right; or
Fifth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to compel any person to do what he is not legally bound to do, or to omit to do what he is legally entitled to do.
Explanation.-An assembly which was not unlawful when it assembled, may subsequently become an unlawful assembly.

২,৯২৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪১ বিধি-২৩ এ __________ আদালত কর্তৃক মোকদ্দমা পুনঃপ্রেরণ এর বিধান রয়েছে।
  1. আপিল
  2. বিচারিক
  3. রিভিউ
  4. রিভিশন
সঠিক উত্তর:
আপিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪১ বিধি-২৩- বিচারের নিমিত্তে আপিল আদালত কর্তৃক মোকদ্দমা পুনঃপ্রেরণ:
যেক্ষেত্রে যে আদালতের ডিক্রী হতে আপিল দায়ের করা হয়েছে, সে আদালত যদি মোকদ্দমাটি কোন প্রাথমিক বিষয়ের উপর নিস্পত্তি করে থাকেন এবং আপিলে উক্ত ডিক্রী রদ হয় সেক্ষেত্রে আপিল আদালত উপযুক্ত মনে করলে মোকদ্দমাটি পুনঃপ্রেরণের আদেশ দিতে পারেন এবং অনুরূপে পুনঃপ্রেরিত মোকদ্দমায় কোন্ কোন বিষয় বা বিষয়াবলীর বিচার করতে হবে তৎসম্পর্কে আরো নির্দেশ দিতে পারেন এবং এটির রায়ের ও আদেশের একটি নকল যে আদালতে ডিক্রী হতে আপিল করা হয়েছে, অনুরূপ আদালতে দেওয়ানি মোকদ্দমার রেজিস্ট্রারে সেটির মূল নম্বরের অধীনে মোকদ্দমাটি বিচারার্থে পুনঃগ্রহণ করার এবং মোকদ্দমা নিস্পত্তি করার নির্দেশাবলীসহ প্রেরণ করতে হবে এবং মূল বিচারকালে লিপিবদ্ধকৃত সাক্ষ্য (যদি কোন) যাবতীয় সঙ্গত ব্যতিক্রম সাপেক্ষে ঐগুলোও পুনরায় প্রেরণের পর বিচারকালে সাক্ষ্য হিসাবে গৃহীত হবে।

Order 41 Rule 23- Remand of case by Appellate Court:
Where the Court from whose decree an appeal is preferred has disposed of the suit upon a preliminary point and the decree is reversed in appeal, the Appellate Court may, if it thinks fit, by order remand the case, and may further direct what issue or issues shall be tried in the case so remanded, and shall send a copy of its judgment and order to the Court from whose decree the appeal is preferred, with directions to re-admit the suit under its original number in the register of civil suits, and proceed to determine the suit; and the evidence (if any) recorded during the original trial shall, subject to all just exceptions, be evidence during the trial after remand.
২,৯২৭.
মুসলিম আইনে বিবাহের পর কে দেনমোহরের পরিমাণ বাড়াতে পারে?
  1. স্ত্রী
  2. স্বামী
  3. স্ত্রীর আইনগত অভিভাবক
  4. স্বামীর আইনগত অভিভাবক
সঠিক উত্তর:
স্বামী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বামী
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম আইনে দেনমোহরের পরিমাণের সর্বোচ্চ কোনো সীমা নেই। সাধারণ দুপক্ষের ইচ্ছার উপর তা নির্ভর করে। সর্বোচ্চ সীমা না থাকলেও হানাফী ও মালিকী আইনে দেনমোহরের পরিমাণের সর্বনিম্ন সীমা দেয়া আছে।

-হানাফী আইন মতে সর্বনিম্ন দেনমোহরের পরিমাণ ১০ দিরহাম।
-মালিকী আইন মতে সর্বনিম্ন দেনমোহরের পরিমাণ ৩ দিরহাম।

-মুসলিম আইনে স্বামী ইচ্ছা করলে দেনমোহরের পরিমাণ বাড়াতে পারেন।
-মুসলিম আইনে স্ত্রী ইচ্ছা করলে দেনমোহরের পরিমাণ কমাতে পারেন।

২,৯২৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির কত আদেশের কত বিধি অনুযায়ী বিবাদী লিখিত জবাব সংশোধনের আবেদন করতে পারে?
  1. আদেশ ৬ এর বিধি ১৭
  2. আদেশ ৬ এর বিধি ১৫
  3. আদেশ ৬ এর বিধি ১৮
  4. আদেশ ৮ এর বিধি ১৭
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৬ এর বিধি ১৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৬ এর বিধি ১৭
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ৬ নং আদেশের ১ নং বিধিতে প্লিডিংসের সংজ্ঞা রয়েছে। প্লিডিংস (Pleadings) বলতে আরজি অথবা লিখিত জবাবকে বোঝায়। বাদীর প্লিডিংস হলো আরজি এবং বিবাদীর প্লিডিংস হলো লিখিত জবাব। বাদীর আরজি বা বিবাদীর লিখিত জবাব একত্রে প্লিডিংস নামে পরিচিত। আরজি হলো যে লিখিত দলিল দাখিলের মাধ্যমে বাদী প্রতিকার চেয়ে দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়ের করে। এখানে বাদী তার দাবী এবং দাবীর সমর্থনে ঘটনা উল্লেখ করে। লিখিত জবাব হলো বিবাদী সাধারণত বাদীর দাবী অস্বীকার করে লিখিত যে দলিল পেশ করে।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ৬নং আদেশের ১৭নং বিধিতে প্লিডিংস সংশোধন করার বিধান রয়েছে। ১৭ নং বিধিমতে মোকদ্দমার প্রকৃত এর নির্ধারণ ও ন্যায় বিচারের প্রয়োজনে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে এমনকি আপিলেও আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে প্লিডিংস সংশোধন করতে পারে।

• যেহেতু বিবাদীর প্লিডিংস হলো লিখিত জবাব, সেহেতু বিবাদী দেওয়ানী কার্যবিধির ৬নং আদেশের ১৭ বিধি অনুযায়ী লিখিত জবাব সংশোধনের আবেদন করতে পারে।
উল্লেখ্য যে, প্লিডিংস সংশোধনের জন্য আবেদন করতে হয় বিচারিক আদালতে। তবে বিচার শুরু হওয়ার পর প্লিডিংস সংশোধনীর আবেদনের ক্ষেত্রে আবেদনকারীকে যথেষ্ট সতর্কতা অবলম্বন সত্ত্বেও বিচার শুরুর আগে আবেদন না করার কারণ দেখিয়ে, আদালতকে সন্তুষ্ট করতে হবে।
২,৯২৯.
দণ্ডবিধির ৪১০ ধারা অনুসারে চোরাই সম্পত্তির সংজ্ঞায় কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. চুরির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি
  2. জোরপূর্বক আদায়কৃত সম্পত্তি
  3. উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি
  4. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি
সঠিক উত্তর:
উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪১০ ধারা অনুযায়ী “চোরাই সম্পত্তি (Stolen Property)” বলতে বোঝায় এমন সব সম্পত্তি যেগুলো:
১) চুরি (Theft) এর মাধ্যমে নেওয়া হয়েছে।
২) জোরপূর্বক আদায় (Extortion) এর মাধ্যমে আদায় করা হয়েছে।
৩) দস্যুতার (Robbery) মাধ্যমে হস্তান্তরিত।
৪) অপরাধমূলক আত্মসাৎ (Criminal misappropriation) করা হয়েছে।
৫) অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ (Criminal breach of trust) এর মাধ্যমে দখল নেওয়া হয়েছে।
→ কিন্তু উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি কোনও অপরাধের মাধ্যমে অর্জিত নয়; এটি একটি বৈধ, আইনানুগ প্রক্রিয়ায় প্রাপ্ত সম্পত্তি।
তাই, উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া সম্পত্তি "চোরাই মাল" হিসেবে ধারা ৪১০-এ অন্তর্ভুক্ত নয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারার বিধান চোরাই সম্পত্তি:
- চুরি বা জোরপূর্বক আদায় বা দস্যুতার কর্তৃক যে সম্পত্তি হস্তান্তরিত হয়েছে বা যে সম্পত্তি অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎ হয়েছে বা যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ হয়েছে সে সম্পত্তিকে "চোরাই সম্পত্তি” বলে। অনুরূপ হস্তান্তর অথবা আত্মসাৎ বা বিশ্বাস ভঙ্গ বাংলাদেশের মধ্যে বা বাহিরে যেখানে সাধিত বা সংঘটিত হোক না কেন, সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি 'চোরাই সম্পত্তি' বলে উহা আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী ব্যক্তির দখলে আসে, তবে আর উহা চোরাই সম্পত্তি থাকে না।
------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 410: Stolen property:
- Property, the possession whereof has been transferred by theft, or by extortion, or by robbery, and property which has been criminally misappropriated or in respect of which criminal breach of trust has been committed, is designated as "stolen property," whether the transfer has been made, or the misappropriation or breach of trust has been committed, within or without Bangladesh. But, if such property subsequently comes into the possession of a person legally entitled to the possession thereof, it then ceases to be stolen property.
২,৯৩০.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৬, বিধি ৩ অনুযায়ী কমিশন প্রেরণের উদ্দেশ্য কী?
  1. স্থানীয় তদন্ত
  2. সম্পত্তি বাটোয়ারা
  3. সাক্ষ্য গ্রহণ
  4. হিসাব পরীক্ষা
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য গ্রহণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য গ্রহণ
ব্যাখ্যা

আদেশ ২৬ বিধি-৩: আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে সাক্ষী বসবাস করলে:
আদালতের স্থানীয় এখতিয়ারের সীমার মধ্যে বসবাসকারী কোন ব্যক্তির সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য কমিশন প্রেরণ করতে হলে আদালত যাকে কমিশন সম্পাদন করতে উপযুক্ত মনে করেন, সেরূপ কোন ব্যক্তি বরাবর তা প্রেরণ করা যাতে পারে।

Rule-3: Where witness resides within Court's jurisdiction.
A commission for the examination of a person who resides within the local limits of the jurisdiction of the Court issuing the same may be issued to any person whom the Court thinks fit to execute it.

২,৯৩১.
যখন দেওয়ানি সমন জারি না হওয়ায় ফেরত আসে এবং বাদী এক মাসের মধ্যে নতুন করে সমন দেয়ার আবেদন না করে, সেক্ষেত্রে মোকদ্দমার ফলাফল কী হবে?
  1. স্থগিত থাকবে
  2. খারিজ হবে
  3. চলমান থাকবে
  4. আদালত নিজ থেকে সমন পাঠাবে
সঠিক উত্তর:
খারিজ হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খারিজ হবে
ব্যাখ্যা
যখন সমন জারি না হওয়ায় ফেরত আসে এবং অতঃপর এক মাস পর্যন্ত বাদী নতুন করে সমন দেয়ার আবেদন না করে, তখন মোকদ্দমা খারিজ হয়।

• দেওয়ানি কার্যবিধি আদেশ ৯ বিধি-৫:

১) বিবাদিকে কিংবা কতিপয় বিবাদির কোন একজনের প্রতি সমন দেয়ার পর যদি তা জারি না হয়ে ফেরত আসে, এবং আদালতের যে কর্মচারী সাধারণত সমন জারি বিষয়ে আদালতের কাছে প্রত্যয়ন করেন, তিনি আদালতে উক্ত সমন জারি না হওয়ার প্রত্যয়নপত্রসহ তা ফেরত দেয়ার পর এক মাসের মধ্যে বাদি যদি নতুন সমন দেয়ার জন্য আবেদন না করেন, তাহলে আদালত অনুরূপ বিবাদির বিরুদ্ধে মোকদ্দমাটি খারিজের আদেশ দিবে। যদি না উক্ত এক মাসের মধ্যে বাদি নিম্নলিখিত যে কোন কারণ দর্শিয়ে আদালতকে এ মর্মে সন্তুষ্ট করতে পারেন—

ক) যে বিবাদির উপর সমন জারি হয়নি, বাদি যথাসাধ্য সকল চেষ্টা করেও ঐ বিবাদির ঠিকানা আবিষ্কার করতে ব্যর্থ হয়েছে; অথবা
খ) উক্ত বিবাদি পরোয়ানা জারি এড়িয়ে চলতেছে; অথবা
গ) সময়ের মেয়াদ বাড়াতে কোন সঙ্গত কারণ রয়েছে, তাহলে আদালত নূতন সমন দেয়ার আবেদনের সময়ের মেয়াদ উপযুক্ত মনে করে বৃদ্ধি করতে পারবে।

২) অনুরূপ ক্ষেত্রে বাদি (তামাদি আইন সাপেক্ষে) নতুন মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
২,৯৩২.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী, কীসের ভিত্তিতে আদালত কোনো মামলা হাইকোর্টে রেফারেন্স হিসেবে পাঠাতে পারে?
  1. আদালত স্ব-প্রণোদিত হয়ে
  2. কোনো পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে
  3. হাইকোর্টের আদেশের ভিত্তিতে
  4. 'ক' অথবা 'খ'
সঠিক উত্তর:
'ক' অথবা 'খ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' অথবা 'খ'
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১১৩ ও আদেশ ৪৬, বিধি ১ অনুসারে, কোনো আদালত যদি মনে করে যে বিচারাধীন মামলায় আইন বা আইনের রীতি সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে আদালত স্ব-প্রণোদিতভাবে (own motion) অথবা কোনও পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে বিষয়টি হাইকোর্ট বিভাগের অভিমতের জন্য রেফারেন্স করতে পারে।
- সেক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিষয়টির ব্যাখ্যা দিয়ে প্রেরণকারী আদালতকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা বা আদেশ দিতে পারে।
- অতএব, সঠিক উত্তর: ঘ) 'ক' অথবা 'খ'।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৩ ধারায় রেফারেন্সের (Reference) বিধান রয়েছে। ১১৩ ধারার বিধান অনুযায়ী যে কোন আদালত কোন মামলা হাইকোর্ট বিভাগের অভিমত গ্রহণের জন্য প্রেরণ করতে পারেন এবং হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত মামলা সম্পর্কে উপযুক্ত আদেশ প্রদান করতে পারবেন।
দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৬ নং আদেশে রেফারেন্স সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে যা নিম্নরূপ-
- ৪৬ নং আদেশের ১ নং বিধি অনুযায়ী আপিল-অযোগ্য ডিক্রির মামলার বিচার পর্যায়ে বা আপিলে অথবা উক্ত ডিক্রি জারি করার সময়, আইন বা আইনের ন্যায় বলবৎ কোন রীতি সম্পর্কিত প্রশ্নের সৃষ্টি হলে, উক্ত মামলার বিচারকারী আদালত বা আপিল আদালত অথবা ডিক্রি জারিকারক আদালত, স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে (own motion) বা কোন পক্ষের আবেদনক্রমে মামলাটি হাইকোর্ট বিভাগের সিদ্ধান্তের জন্য হাইকোর্টে প্রেরণ করতে পারে।
- রেফারেন্স প্রেরণকারী আদালত রেফারেন্স প্রেরণ করা সত্ত্বেও মামলার কার্যক্রমে অগ্রসর হতে পারে কিংবা কার্যক্রম স্থগিত রাখতে পারে এবং হাইকোর্ট বিভাগ প্রেরিত সিদ্ধান্তের আলোকে ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করতে পারেন।
- ৪৬ নং আদেশের ৫ নং বিধি অনুযায়ী অধীনস্ত যে আদালত হাইকোর্টে রেফারেন্সের জন্য কোন বিষয় পাঠাবে, সেই বিষয়ে উক্ত আদালত কর্তৃক দেওয়া ডিক্রি/আদেশ হাইকোর্ট বিভাগ পরিবর্তন বা বাতিল করতে পারবে অথবা যে কোন উপযুক্ত আদেশ প্রদান করতে পারে।
- ৪৬ নং আদেশের ৬ নং বিধিতে ক্ষুদ্র বিষয়ক এখতিয়ার সম্পর্কিত প্রশ্ন হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করার বিধান রয়েছে। ৬ নং বিধি অনুযায়ী যেক্ষেত্রে মামলা ক্ষুদ্র বিষয়ক আদালতে বিচারার্থে গ্রহণযোগ্য বা অগ্রহণযোগ্য কিনা সে বিষয়ে সন্দেহ থাকে, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালত মামলার প্রকৃতি সম্পর্কে উক্ত সন্দেহের কারণ সম্বলিত একটি বিবৃতিসহ হাইকোর্ট বিভাগে একটি নথি দাখিল করতে পারে।
২,৯৩৩.
ভূমি জরিপের সময় কোন আইনের বিধি ৩০ এর আলোকে আপত্তি দেওয়া যায়?
  1. The State Acquisition Rules, 1951
  2. The State Acqusition (Bond) Rules, 1957
  3. The State Acqusition and Tenancy Act, 1950
  4. The Tenancy Rules, 1955
সঠিক উত্তর:
The Tenancy Rules, 1955
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Tenancy Rules, 1955
ব্যাখ্যা
The Tenancy Rules, 1955 - এর ৩০ বিধি অনুসারে ভূমি জরিপের সময় আপত্তি দেয়া যায়। এই বিধির মাধ্যমে ভূমির মালিক ৩০(১) (g) অনুসারে আবেদন করতে পারে এবং যে কোনো সময় তার আপত্তিগুলো তুলে ধরতে পারে। Security of tenure under section 5 মতে দেশের আদালত তার সিদ্ধান্ত প্রদান করবে।

প্রজাস্বত্ত বিধি অনুযায়ী জরিপ শেষ হওয়ার পর ভূমি রেকর্ডের খসড়া প্রকাশিত হওয়ার পর জমির মালিকদের বা তাদের প্রতিনিধিদের পর্যবেক্ষণের জন্য ৩০ কার্য দিবস খোলা রাখা হয় ৷ এই খসড়া রেকর্ডে যদি কোন ভুল ত্রুটি ধরা পড়ে তাহলে ৩০ ধারা মোতাবেক আপত্তি দাখিল করতে হবে, যাকে লোক মুখে Dispute বলে ৷ ৩০ ধারায় আপত্তি দাখিলের পর উক্ত আপত্তি বা Dispute মামলার রায় যার বিপক্ষে যাবে সে ব্যক্তি প্রয়োজন মনে করলে উক্ত রায়ের দিন থেকে ৩০ দিনের মধ্যে আইন অনুযায়ী আপিল দায়ের করতে পারবেন ৷এক্ষেত্রে আপিল দায়েরকারীকে তার দাবীর স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও সাক্ষী আদালতে হাজির করতে হবে ৷
২,৯৩৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন কোন ধরনের আইন?
  1. Procedural Law
  2. Adjective Law
  3. Substantive Law
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
Substantive Law
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Substantive Law
ব্যাখ্যা
মৌলিক আইন [Substantive Law]:
যে আইন কোন অধিকারকে সংজ্ঞায়িত করে, সৃষ্টি করে এবং অর্পণ করে বা কোন শাস্তিকে সংজ্ঞায়িত করে এবং দায় আরোপ করে সেই আইনকে তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন [Substantive Law] বলে। যেমন: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, দণ্ডবিধি ইত্যাদি।

অপরদিকে,
 ⇒ যে আইনে কোন মোকদ্দমা বা মামলার বিচার করার পদ্ধতি অর্থাৎ মামলা দায়ের থেকে শুরু করে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা পর্যন্ত যে সকল আইনী প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি অনুসরণ করে বিচার করতে হয়, সেই প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি বা নিয়ম যে আইনে উল্লেখ থাকে সেই নিয়ম সংশ্লিষ্ট আইনকে পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law or Adjective Law] বলে। যেমন: ফৌজদারি কার্যবিধি, দেওয়ানী কার্যবিধি, তামাদি আইন ইত্যাদি।
২,৯৩৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৭ ধারা অনুযায়ী অধস্তন আদালতের ভাষা নির্ধারণের ক্ষমতা কার আছে?
  1. সরকার
  2. সুপ্রিম কোর্ট
  3. আদালতের বিচারক
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ১৩৭(২) অনুসারে, সরকার অধস্তন আদালতের ভাষা ঘোষণা করতে পারে এবং দরখাস্ত ও কার্যধারা লিখিতরূপে কোন রীতিতে হবে তা নির্ধারণ করতে পারে। ধারা ১৩৭(১)-এর মাধ্যমে এই আইন কার্যকর হওয়ার সময়ের ভাষা চলতে থাকে যতক্ষণ না সরকার অন্যভাবে নির্দেশ দেয়। অন্যান্য অপশনগুলো (সুপ্রিম কোর্ট, আদালতের বিচারক বা প্রধান বিচারপতি) এই নির্দিষ্ট ক্ষমতার অধিকারী নয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৭ ধারার বিধান: অধস্তন আদালতে ভাষা:
১) এই আইন কার্যকর হওয়ার সময় কোন হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন কোন আদালতে ভাষা যা ছিল, সরকার অন্যভাবে নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সেটাই উক্ত অধস্তন আদালতে ভাষা হিসাবে চলতে থাকবে।
২) অনুরূপ আদালতের ভাষা কি হবে এবং কোন রীতিতে অনুরূপ আদালত সমীপে দরখাস্ত এবং আদালতে কার্যধারা লিখিত হবে তা সরকার ঘোষণা করতে পারবে।
৩) যখন অনুরূপ কোন আদালতে সাক্ষীর জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করা ব্যতীত অন্য কিছু লিখিতরূপে নিরূপণ করার জন্য এই আইন আদেশ প্রদান করে বা অনুমতি প্রদান করে, তখন অনুরূপ লিখন ইংরেজীতে হতে পারে; কিন্তু কোন পক্ষ বা তার আইনজীবী যদি ইংরেজীর সঙ্গে অপরিচিত হন, তবে তার অনুরোধে আদালতের ভাষায় উক্ত ইংরেজীর অনুবাদ তাকে সরবরাহ করা হবে, এবং এরূপ ক্ষেত্রে আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন, অনুবাদের খরচ প্রদানের ব্যাপারে সেরূপ আদেশনামা প্রদান করবে।
-------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section: 137. Language of subordinate Courts:
(1) The language which, on the commencement of this Code, is the language of any Court subordinate to the High Court Division shall continue to be the language of such subordinate Court until the Government otherwise directs. 
(2) The Government may declare what shall be the language of any such Court and in what character applications to and proceedings in such Courts shall be written. 
(3) Where this Code requires or allows anything other than the recording of evidence to be done in writing in any such Court, such writing may be in English; but if any party or his pleader is unacquainted with English a translation into the language of the Court shall, at his request, be supplied to him; and the Court shall make such order as it thinks fit in respect of the payment of the costs of such translation.

২,৯৩৬.
তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে নিম্নের কোনটি বৈধ অপারগতা নয়?
  1. অপ্রকৃতিস্থতা
  2. নিরক্ষরতা
  3. নাবালকত্ব
  4. নির্বুদ্ধিতা
সঠিক উত্তর:
নিরক্ষরতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিরক্ষরতা
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ৬ অনুযায়ী কোন ব্যক্তি যত দিন নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধ থাকে ততদিন তামাদির মেয়াদ গণনা থেকে বাদ যাবে। নাবালকত্ব, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধতার অবসান হওয়ার পর থেকে তার মামলা দায়েরের সময় গণনা হবে।
- অর্থাৎ তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে অপ্রকৃতিস্থতা, নাবালকত্ব, নির্বুদ্ধিতা বৈধ অপারগতা। কিন্ত নিরক্ষরতা বৈধ অপারগতা নয়।
 
⇒ The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারা বিধান হল বৈধ অপারগতা:
উপধারা:(১) যেইক্ষেত্রে মামলা বা কার্যধারা দায়ের করিবার কিংবা ডিংক্রী জারির জন্য দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে, সেইসময় নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকে, সেক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি তাহার উপরোক্ত অপারগতার অবসান হইবার পর, অপারগতা না থাকিলে, প্রথম তফসিলের তৃতীয় স্তম্ভে অথবা ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারায় বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে উহা করিতে পারিতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা বা কার্যধারা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করিতে পারিবে।
উপধারা: (২) যেইক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে, সেই সময় উপরে বর্ণিত যেই কোনো দুইটি অপারগতার অবসান হইবার পূর্বেই সে আরেকটি অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি তাহার উভয় অপারগতার অবসান হইবারপর, অপারগতা না থাকিলে, উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে উহা করিতে পারিতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করিতে পারিবে।
উপধারা: (৩) যেইক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত তাহার অপারগতা অব্যাহত থাকে, সেক্ষেত্রে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি ঐ ব্যক্তির মৃত্যুর পর অপারগতা না থাকিলে উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে উহা করা যেত, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দাখিল করিতে পারিবে।
উপধারা: (৪) যেইক্ষেত্রে উপরোক্ত ব্যক্তির মৃত্যুর তারিখে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি অনুরূপ কোন অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে (১) ও (২) উপধারায় বিধৃত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হইবে।
-------------------
The Limitation Act, 1908, Section-6.Legal disability:
(1) Where a person entitled to institute a suit or proceeding or make an application for the execution of a decree is, at the time from which the period of limitation is to be reckoned, a minor, or insane, or an idiot, he may institute the suit or proceeding or make the application within the same period after the disability has ceased, as would otherwise have been allowed from the time prescribed therefore in the third column of the first schedule or in section 48 of the Code of Civil Procedure, 1908.
(2) Where such person is, at the time from which the period of limitation is to be reckoned, affected by two such disabilities, or where, before his disability has ceased, he is affected by another disability, he may institute the suit or make the application within the same period, after both disabilities have ceased, as would otherwise have been allowed from the time so prescribed.
(3) Where the disability continues up to the death of such person, his legal representative may institute the suit or make the application within the same period after the death as would otherwise have been allowed from the time so prescribed.
(4) Where such representative is at the date of the death affected by any such disability, the rules contained in sub-sections (1) and (2) shall apply.
 
Illustrations:
(a) The right to sue for the hire of a boat accrues to A during his minority. He attains majority four years after such accruer. He may institute his suit at any time within the years from the date of his attaining majority.
(b) A right to sue accrues to Z during his minority. After the accruer, but while Z is still a minor, he becomes insane. Time runs against Z from the date when his insainity and minority cease.
(c) A right to sue accrues to X during his minority. X dies before attaining majority, and is succeeded by Y, his minor son. Time runs against Y from the date of his attaining majority.
২,৯৩৭.
কোন ডিক্রি বা আদেশে করণিক বা গাণিতিক ভুল বা আকষ্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির কারণে কোন ভুল হলে আদালত তাহা সংশোধন করতে পারে-
  1. মোকদ্দমার শুরুতে
  2. শুনানি কালে
  3. যে কোন সময়
  4. বিচার্য বিষয় গঠনের আগে
সঠিক উত্তর:
যে কোন সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে কোন সময়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫২ ধারার বিধান রায়, ডিক্রি বা আদেশসমূহের সংশোধন। রায়, ডিক্রি বা আদেশে করণিক বা গাণিতিক ভুল অথবা কোন আকষ্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির কারণে তথায় কোন ভুল থাকলে যে কোন সময় আদালত নিজস্ব উদ্যোগে কিংবা কোন পক্ষের আবেদনে তা শুদ্ধ করতে পারে।
----------------
⇒ Section 152 Amendment of judgments, decrees or orders: Clerical or arithmetical mistakes in judgments, decrees or orders or errors arising therein from any accidental slip or omission may at any time be corrected by the Court either of its own motion or on the application of any of the parties.
২,৯৩৮.
X, Y কে অর্থ প্রদান না করলে, Y, X সম্পর্কে কুৎসামূলক লেখা প্রকাশের ভয় দেখান ও এরূপে Y তাকে অর্থ প্রদান করতে প্রবৃত্ত করেন। Y কোন অপরাধ করেছেন?
  1. বলপূর্বক গ্রহণ
  2. দস্যুতা
  3. অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ
  4. চুরি
সঠিক উত্তর:
বলপূর্বক গ্রহণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বলপূর্বক গ্রহণ
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধি ৩৮৩ ধারাতে বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায়ের সংজ্ঞা (Extortion) রয়েছে। কাউকে ক্ষতি করার ভয় দেখিয়ে তার নিকট থেকে স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি গ্রহণ করাকে বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায় বা extortion বলে। অন্যভাবে বলা যায়, কোন ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে অপর কোন ব্যক্তিকে মৃত্যুর ভয়, আঘাতের ভয় বা পথরুদ্ধ করার ভয় দেখিয়ে কোন কিছু দিতে বাধ্য করলে তাকে বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায় বলে। 
♦ Extortion –এর ক্ষেত্রে ক্ষতির ভয়ে আক্রান্ত ব্যক্তি স্বেচ্ছায় কোনো সম্পত্তি দিয়ে দিলেও তা অপরাধ হিসেবেই গণ্য হবে।  সম্মতি থাকার আবশ্যকতা নাই।
২,৯৩৯.
কখন ১২ বছর পরও ডিক্রি জারির আবেদন করা যায়?
  1. আদালত মনে করলে
  2. দেনাদার প্রতারণা বা বলপ্রয়োগ দ্বারা ডিক্রি জারিতে বাধা প্রদান করলে
  3. আদালত ডিক্রি জারির আবেদন গ্রহণ না করলে
  4. আদালত ডিক্রি জারি করতে ক্ষমতা প্রাপ্ত না হলে
সঠিক উত্তর:
দেনাদার প্রতারণা বা বলপ্রয়োগ দ্বারা ডিক্রি জারিতে বাধা প্রদান করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেনাদার প্রতারণা বা বলপ্রয়োগ দ্বারা ডিক্রি জারিতে বাধা প্রদান করলে
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৮ ধারা অনুযায়ী ডিক্রি জারির নতুন আবেদন [fresh application] দাখিল করার সর্বোচ্চ মেয়াদ ১২ বৎসর। নিয়মটি হলো ডিক্রি প্রদানের পর ৩ বৎসরের মধ্যে ডিক্রি জারির প্রথম দরখাস্ত বা জারি মামলা দায়ের করতে হবে। ৩ বৎসরের মধ্যে জারি মামলা দায়ের করার পর, পরবর্তীতে ১২ বৎসর পর্যন্ত ডিক্রিদার [Decree Holder] যে কোনো সংখ্যক ডিক্রি জারির নতুন আবেদন [fresh application] দায়ের করতে পারে। 

♦  ১২ বছর পরও ডিক্রি জারির নতুন দরখাস্ত [fresh application] দায়ের করা যায় এবং আদালত ডিক্রি জারির আদেশ দিতে পারে যদি দেনাদার  প্রবঞ্চনা [Fraud] কিংবা শক্তি [force] প্রয়োগের দ্বারা ডিক্রি জারিতে বাধা প্রদান করে।

♦  অর্থাৎ যদি দেনাদার প্রবঞ্চনা কিংবা শক্তি প্রয়োগের দ্বারা ডিক্রি জারিতে বাধা প্রদান করে ক্ষেত্রে ১২ বছর পরও ডিক্রি জারির জন্য নতুন আবেদন [Fresh application] করা যাবে।
২,৯৪০.
দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরি সংঘটিত হওয়ার জন্য কোন বিষয়টি আবশ্যক?
  1. মালিকের সম্মতি থাকতে হবে
  2. অস্থাবর সম্পত্তি হতে হবে
  3. সম্পত্তি মাটির সাথে যুক্ত থাকতে হবে
  4. শুধুমাত্র দখলের অধিকার থাকতে হবে
সঠিক উত্তর:
অস্থাবর সম্পত্তি হতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থাবর সম্পত্তি হতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরির বিধান রয়েছে। ৩৭৮ ধারামতে কোন ব্যক্তির দখল থেকে সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি (Movable property) অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে স্থানান্তর করলে বা সরানো হলে তা চুরি বলে গণ্য হবে। অন্যভাবে বলা যায়, যদি কোন ব্যক্তি কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে সম্পত্তির দখলে থাকা ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া উক্ত সম্পত্তি স্থানান্তর করে তবে তা চুরি বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার বিধান চুরি:- কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কোন বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহূর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মুহূর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ২:- যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩:- কোন ব্যক্তি কোন বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোন বন্ধু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি যে কোন উপায়ে কোন পশুকে হাঁটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ৫:- সংজ্ঞায় উল্লিখিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে: এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 378: Theft:
- Whoever, intending to take dishonestly any moveable property out of the possession of any person without that person's consent, moves that property in order to such taking, is said to commit theft.
Explanation 1.- A thing so long as it is attached to the earth, not being moveable property, is not the subject of theft; but it becomes capable of being the subject of theft as soon as it is severed from the earth.
Explanation 2.- A moving effected by the same act which effects the severance may be a theft.
Explanation 3.- A person is said to cause a thing to move by removing an obstacle which prevented it from moving or by separating it from any other thing, as well as by actually moving it.
Explanation 4.- A person, who by any means causes an animal to move, is said to move that animal, and to move everything which, in consequence of the motion so caused, is moved by that animal.
Explanation 5.- The consent mentioned in the definition may be express or implied, and may be given either by the person in possession, or by any person having for that purpose authority either express or implied.
২,৯৪১.
Specific relief cannot be granted for the mere purpose of enforcing a ­­_____ law under The Specific Relief Act, 1877.
  1. Civil
  2. Penal
  3. Tort law
  4. Personal
সঠিক উত্তর:
Penal
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Penal
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অপ্রযোজ্যতা:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-৪ ধারা মতে কোন ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য হবে না-
ⅰ) চুক্তি নয় এমন কোন অঙ্গীকারের অধীন প্রতিকার, এবং
ii) ১৯০৮ সালের রেজিস্ট্রেশন আইনের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য হবে না।
 
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-৭ ধারা মতে: দণ্ডমূলক আইনের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের প্রয়োগ (Relief not granted to enforce penal law)-
-সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৭ ধারামতে দণ্ডমূলক আইন (Penal Laws) বলবৎ বা কার্যকর করার ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য নয়।
অর্থাৎ দণ্ডমূলক আইনের (Penal Laws) ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য নয়।
-------------------
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন-এর ৭ ধারায় বলা হয়েছে কোনো দণ্ড বা Penal  কার্যকর করার জন্য সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা যাবে না।
---------------------
The Specific Relief Act, 1877 Section-7. Relief not granted to enforce penal law:
Specific relief cannot be granted for the mere purpose of enforcing a penal law.
২,৯৪২.
দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারা অনুযায়ী, কোন কাজটি রাষ্ট্রদ্রোহিতার অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. সরকারের প্রতি ঘৃণা ছড়িয়ে বিদ্রোহের ডাক দেওয়া।
  2. আইনসম্মতভাবে সরকারের নীতির সমালোচনা করা।
  3. সরকারি কর্মচারীদের উপর আক্রমণের জন্য উস্কানি দেওয়া।
  4. সরকারের প্রতি ঘৃণা বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করা বা করার চেষ্টা করা।
সঠিক উত্তর:
আইনসম্মতভাবে সরকারের নীতির সমালোচনা করা।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনসম্মতভাবে সরকারের নীতির সমালোচনা করা।
ব্যাখ্যা

⇒  দণ্ডবিধির ধারা ১২৪ক-এ রাষ্ট্রদ্রোহিতার সংজ্ঞা এবং এর ব্যতিক্রম স্পষ্ট করা হয়েছে: রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধের উপাদান:
- সরকারের প্রতি ঘৃণা (hatred), বিদ্বেষ (contempt) বা বৈরিতা (disaffection) সৃষ্টি করা বা করার চেষ্টা করা।
- এজন্য উচ্চারিত/লিখিত বক্তব্য, চিহ্ন, দৃশ্যমান প্রতীক বা অন্য কোনো উপায় ব্যবহার করা।
অপরাধ নয় (Explanation 2 ও 3 অনুযায়ী):
আইনসম্মত উপায়ে সরকারের নীতি বা কার্যক্রমের সমালোচনা বা অসন্তোষ প্রকাশ, যদি তা ঘৃণা/বিদ্বেষ/বৈরিতা সৃষ্টি না করে।
অর্থাৎ, শান্তিপূর্ণ ও আইনানুগ সমালোচনা রাষ্ট্রদ্রোহিতা নয়।
সুতরাং, আইনসম্মতভাবে সরকারের নীতির সমালোচনা করা রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধ নয়, বরং ধারা ১২৪ক-এর Explanation 2 ও 3 দ্বারা সুরক্ষিত একটি আইনানুগ অধিকার।

⇒ দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারার বিধান রাষ্ট্রদ্রোহিতা:
- কোন ব্যক্তি যদি উচ্চারিত বা লিখিত কথা বা উক্তি দ্বারা, অথবা চিহ্নাদি দ্বারা, অথবা দৃশ্যমান প্রতীকের সহায়তায় অথবা অপর কোনভাবে বাংলাদেশে আইনানুসারে প্রতিষ্ঠিত সরকারের প্রতি ঘৃণা বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করে বা করার চেষ্টা করে অথবা বৈরিতা উদ্রেক করে বা করার চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন অথবা যে কোন কম মেয়াদের কারাদণ্ডে যার সাথে অর্থদণ্ড যোগ করা যাবে অথবা তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে যার সাথে অর্থদণ্ড যোগ করা যাবে, অথবা তাকে অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

ব্যাখ্যা-১: ‘বৈরিতা' বলতে রাজানুগত্যহীনতা এবং সর্বপ্রকার শত্রুতার ভাব বুঝায়।
ব্যাখ্যা-২: ঘৃণা, বিদ্বেষ বা বৈরিতা সৃষ্টি করা বা সৃষ্টি করার চেষ্টা করা ছাড়াই আইনসম্মত উপায়ে পরিবর্তন বা সংশোধনের উদ্দেশ্যে সরকারের গৃহীত ব্যবস্থাসমূহের প্রতি অসমর্থন প্রকাশ এই ধারামতে অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না।
ব্যাখ্যা-৩: ঘৃণা, বিদ্বেষ বা বৈরিতা সৃষ্টি করার বা সৃষ্টি করার চেষ্টা করা ছাড়াই সরকারের কোন শাসন পরিচালন বিষয়ক বা অন্যরূপ কার্য সম্পর্কে অসমর্থনমূলক অভিমত বা মন্তব্য প্রকাশ এই ধারামতে অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না।
-----------
⇒ The Penal Code Section 124A. Sedition:
- Whoever by words, either spoken or written, or by signs, or by visible representation, or otherwise, brings or attempts to bring into hatred or contempt, or excites or attempts to excite disaffection towards, the Government established by law shall be punished with imprisonment for life or any shorter term, to which fine may be added, or with imprisonment which may extend to three years, to which fine may be added, or with fine.

Explanation 1.-The expression "disaffection" includes disloyalty and all feelings of enmity. 
Explanation 2.-Comments expressing disapprobation of the measures of the Government with a view to obtain their alteration by lawful means, without exciting or attempting to excite hatred, contempt or disaffection, do not constitute an offence under this section. 
Explanation 3.-Comments expressing disapprobation of the administrative or other action of the Government without exciting or attempting to excite hatred, contempt or disaffection, do not constitute an offence under this section.

২,৯৪৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯ক ধারার অধীন সরকার কর্তৃক প্রকাশনা (সংবাদপত্র/পুস্তক/দলিল) বাজেয়াপ্তির আদেশ বাতিলের জন্য কত দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আবেদন করতে হবে?
  1. ১ মাসের
  2. ২ মাসের
  3. ৬ মাসের
  4. ১৫ দিনের
সঠিক উত্তর:
২ মাসের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ মাসের
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯খ ধারার বিধান: ৯৯ক ধারামতে বাজয়াপ্তকরণের ঘোষণা করা হয়েছে যে সংবাদপত্র, পুস্তক বা অন্য দলিল সম্পর্কে, তাতে স্বার্থ সম্পন্ন যে কোন ব্যক্তি সরকারী আদেশের ঐরূপ আদেশ প্রকাশিত হওয়ার তারিখের ২(দুই) মাসের মধ্যে ঐ আদেশ বাতিলের জন্য হাইকোর্ট ডিভিশনে দরখাস্ত পেশ করতে পারেন এই কারণ দর্শিয়ে যে, সংবাদপত্রের ঐ খন্ডে বা পুস্তকে বা অন্য কোন দলিলে, যার সম্পর্কে ঐ আদেশ করা হয়েছে, ৯৯ক ধারার উপধারা (১) এ বর্ণিত কোন বিষয়বস্তু বিধৃত ছিল না।
২,৯৪৪.
তামাদি আইন, ১৯০৮ অনুসারে আইনগত অক্ষম ব্যক্তি মারা গেলে তার অধিকার কে প্রয়োগ করতে পারে?
  1. সম্পত্তির মালিক
  2. তার বৈধ প্রতিনিধি
  3. আদালতের প্রতিনিধি
  4. কোনো ব্যক্তি নয়
সঠিক উত্তর:
তার বৈধ প্রতিনিধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার বৈধ প্রতিনিধি
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি আইনগত অক্ষম (Legally Disabled) অবস্থায় যেমন: নাবালক, উন্মাদ, বা জড়বুদ্ধিসম্পন্ন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন, তাহলে তার অধিকার সম্পূর্ণভাবে নষ্ট হয়ে যায় না।
- বরং, তার পক্ষে তার "বৈধ প্রতিনিধি" (legal representative) আদালতে মামলা দায়ের করতে পারেন বা তার অধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ অনুসারে, আইনগত অক্ষম ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার অধিকার কে প্রয়োগ করতে পারে—এই বিষয়ে ধারা ৬, ৭ ও ৮ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। 
ধারা ৬ – আইনগত অক্ষমতা (Legal Disability):
যদি কোনো ব্যক্তি যখন মামলা করার অধিকারী হন, সেই সময় তিনি:
(১) নাবালক (Minor),
(২) উন্মাদ (Insane), অথবা
(৩) জড়বুদ্ধি বা বুদ্ধিহীন (Idiot) হন—
তাহলে তার বিরুদ্ধে তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে না, যতক্ষণ না উক্ত অক্ষমতা অবসান (ceases) হয়।
ধারা ৭ – একাধিক আইনগত অক্ষমতা:
যদি একজন ব্যক্তি একই সময়ে একাধিক অক্ষমতায় ভোগ করেন (যেমন, নাবালক এবং উন্মাদ), তাহলে তামাদি মেয়াদ তখনই শুরু হবে, যখন সর্বশেষ অক্ষমতা অবসান ঘটবে।
ধারা ৮ – আইনগত অক্ষম ব্যক্তির মৃত্যু:
যদি আইনগত অক্ষম ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করেন এবং মৃত্যুকালে যদি তার বৈধ প্রতিনিধি (Legal Representative) যেমন উত্তরাধিকারী বা অভিভাবক, তিনিও যদি নাবালক, উন্মাদ, বা জড়বুদ্ধি সম্পন্ন হন, তাহলে তাদের আইনগত অক্ষমতার সময়ও তামাদি গণনায় বাদ যাবে।
তবে, ধারা ৮-এ একটি গুরুত্বপূর্ণ সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে:
- আইনগত অক্ষমতার অবসান বা
- আইনগত অক্ষম ব্যক্তির মৃত্যু–
যেটাই হোক না কেন, তার ৩ (তিন) বছরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।
অন্যথায়, মামলাটি তামাদিতে খারিজ হয়ে যাবে।
২,৯৪৫.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ অনুসারে অপরাধের তদন্ত করতে পারেন সর্বনিম্ন কোন পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তা?
  1. সহকারী উপ-পরিদর্শক
  2. উপ-পরিদর্শক
  3. পরিদর্শক (তদন্ত)
  4. সহকারী পুলিশ সুপার
সঠিক উত্তর:
উপ-পরিদর্শক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপ-পরিদর্শক
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ১৯ ধারার বিধান- তদন্ত:
(১) পুলিশের নিকট এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটনের সংবাদ আসিলে বা ট্রাইব্যুনাল কোন অপরাধের তদন্তের নির্দেশ দিলে সংশ্লিষ্ট থানার উপ-পরিদর্শকের নিম্ন পদমর্যাদার নহেন এমন একজন পুলিশ কর্মকর্তা এই আইনের অধীন তদন্তকার্য সম্পাদন করিবেন। 
(২) এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটিত হইতে পারে এমন ক্ষেত্রে পুলিশ অপরাধ সংঘটনের এজাহার (first information report) দাখিলের পূর্বে প্রতিরোধমূলক অনুসন্ধান (proactive inquiry) পরিচালনা করিতে পারিবেন। 
(৩) ধারা ২০ এর বিধান সাপেক্ষে, উপ-ধারা (১) এর অধীন মামলা দায়েরের বা ট্রাইব্যুনাল হইতে তদন্তের নির্দেশ প্রাপ্তির অনধিক ৯০ (নববই) কার্যদিবসের মধ্যে এই ধারার অধীন তদন্ত সম্পন্ন করিতে হইবে। 
(৪) উপ-ধারা (৩) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন না হইলে, তদন্ত কর্মকর্তা উক্ত সময়সীমা শেষ হইবার অন্তত তিন কার্যদিবস পূর্বে তাহার নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা অথবা, ট্রাইব্যুনাল হইতে তদন্তের নির্দেশ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে, ট্রাইব্যুনালের নিকট সময়সীমা বৃদ্ধির জন্য লিখিতভাবে আবেদন করিবেন অথবা উক্ত নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা অথবা, ক্ষেত্রমত, ট্রাইব্যুনাল উক্ত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত সম্পাদনে ব্যর্থতার জন্য প্রদর্শিত কারণে সন্তুষ্ট হইলে তদন্তের সময়সীমা অতিরিক্ত ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবস বৃদ্ধি করিতে পারিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, আন্তঃরাষ্ট্রীয় তদন্তের ক্ষেত্রে কেবল ট্রাইব্যুনাল এই ধরনের তদন্তের সময়সীমা বৃদ্ধি করিতে পারিবে এবং উক্ত ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল তাহার স্বীয় বিবেচনায় যৌক্তিক মেয়াদে তদন্তের সময়সীমা বৃদ্ধি করিবে। 
(৫) এই আইনের অধীন কোন আন্তঃরাষ্ট্রীয় অপরাধ তদন্তের ক্ষেত্রে বিদেশী সাক্ষ্য-প্রমাণ নিরীক্ষণ করিবার জন্য বিদেশ গমনের আবশ্যকতা দেখা দিলে, ট্রাইব্যুনালের অনুমতিক্রমে, তদকর্তৃক নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তদন্তকার্য সম্পন্ন করিবার উদ্দেশ্যে পুলিশ কর্তৃপক্ষ একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করিবে এবং উক্ত তদন্ত দলকে যথাসম্ভব প্রশাসনিক এবং আর্থিক সহায়তা প্রদান করিবে। 
(৬) এই আইনের অধীন পুলিশের তদন্ত, নিরাপত্তা বিধান ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম ও দায়িত্বসমূহের সমন্বয় এবং তদারক করিবার উদ্দেশ্যে সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, পুলিশ সদর দপ্তরে একটি কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেল গঠন করিবে।
২,৯৪৬.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় বলা হয়েছে, পুলিশ অফিসারকে দেওয়া স্বীকারোক্তি আদালতে প্রমাণ হিসাবে গ্রহণযোগ্য নয়?
  1. ধারা ২৪
  2. ধারা ২৫
  3. ধারা ২৬
  4. ধারা ৩০
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৫
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৫ ধারা অনুসারে, পুলিশ অফিসারের কাছে কোনো আসামী যে স্বীকারোক্তি করে, তা তার বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না। এই ধারা বাস্তবিকভাবে পুলিশকে সন্ত্রাস বা চাপের মাধ্যমে আসামীর স্বীকারোক্তি নেয়ার প্রচেষ্টা থেকে বিরত রাখে। এর উদ্দেশ্য হলো আসামীর উপর অযাচিত চাপ না দেওয়া এবং স্বীকারোক্তি সঠিক ও স্বতঃস্ফূর্ত হওয়ার নিশ্চয়তা প্রদান করা।

→ The Evidence Act, 1872 Section 25. Confession to police-officer not to be proved:
No confession made to a police-officer shall be proved as against a person accused of any offence.

২,৯৪৭.
What is the maximum term of imprisonment for threatening a public servant under Section 189?
  1. 6 months
  2. 1 year
  3. 2 years
  4. 3 years
সঠিক উত্তর:
2 years
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2 years
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৮৯ ধারার বিধান সরকারী কর্মচারীকে ক্ষতিসাধনের হুমকি:- কোন সরকারী কর্মচারী হিসেবে তার সরকারী কর্তব্য সম্পাদনের সাথে সংশ্লিষ্ট কোন কাজ করতে প্রবৃত্ত করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন কাজ করা হতে বিরত হওয়ার বা করতে বিলম্ব করার জন্য বাধ্য করার উদ্দেশ্যে, কোন ব্যক্তি যদি উক্ত সরকারী কর্মচারীকে অথবা অন্য যে কোন ব্যক্তির সাথে উক্ত সরকারী কর্মচারীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট, সে অন্য ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের হুমকি প্রদর্শন করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
--------------------------- 
⇒ The Penal Code, 1860- Section 189. Threat of injury to public servant:- Whoever holds out any threat of injury to any public servant, or to any person in whom he believes that public servant to be interested, for the purpose of inducing that public servant to do any act, or to forbear or delay to do any act, connected with the exercise of the public functions of such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
২,৯৪৮.
তামাদি আইনের কোন অনুচ্ছেদে ‘অগ্রক্রয়ের অধিকার বলবৎ করার’ সময়সীমা উল্লেখ আছে?
  1. অনুচ্ছেদ-৭
  2. অনুচ্ছেদ-৮
  3. অনুচ্ছেদ-৯
  4. অনুচ্ছেদ-১০
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-১০
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর অনুচ্ছেদ-১০-এ অগ্রক্রয়ের অধিকার (Right of Pre-emption) বলবৎ করার মামলার তামাদি মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে। এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রতিষ্ঠার মামলা ১ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হবে।
সময়সীমা গণনা শুরু হয় যখন ক্রেতা বিক্রয়কৃত সম্পত্তির প্রত্যক্ষ দখল নেয়, অথবা যদি সম্পত্তি দখলযোগ্য না হয়, তবে বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রিকৃত হওয়ার তারিখ থেকে।

সুতরাং, অগ্রক্রয় সংক্রান্ত মামলার সময়সীমা অনুচ্ছেদ-১০-এ উল্লেখিত হয়েছে।
২,৯৪৯.
'ক' তার ৮ বছরের ছেলেকে একটি রিভলবার দিয়ে বলে তার বন্ধু 'খ' কে দিয়ে আসতে। উক্ত কাজের জন্য 'ক' কোন ধরনের শাস্তি পেতে পারে?
  1. অনধিক ৩ বৎসর কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১ লক্ষ টাকা
  2. অনধিক ১ বৎসর কারাদণ্ড অথবা অনধিক ৫০ হাজার টাকা
  3. অনধিক ৫ বৎসর কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১ লক্ষ টাকা
  4. অনধিক ৭ বৎসর কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১ লক্ষ টাকা
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৩ বৎসর কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১ লক্ষ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৩ বৎসর কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১ লক্ষ টাকা
ব্যাখ্যা
ধারা ৭৯- শিশুর দ্বারা আগ্নেয়াস্ত্র বা অবৈধ ও নিষিদ্ধ বস্তু বহন এবং সন্ত্রাসী কার্য সংঘটনের দণ্ড

(১) যদি কোন ব্যক্তি কোন শিশুর দ্বারা আগ্নেয়াস্ত্র বা অবৈধ ও নিষিদ্ধ বস্তু বহন করান বা পরিবহন করান, তাহা হইলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এই আইনের অধীন অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ৩ (তিন) বৎসর কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন। 
 
(২) কোন ব্যক্তি শিশুর প্রকৃত দায়িত্বসম্পন্ন বা তত্ত্বাবধানকারী ইউক, বা না হউক, কোন শিশুকে সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ১৬ নং আইন) এর ধারা ৬ এ উল্লিখিত কোন সন্ত্রাসী কার্যে নিয়োজিত করিলে বা ব্যবহার করিলে তিনি স্বয়ং উক্ত সন্ত্রাসী কার্য সংঘটনের অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং তজ্জন্য তিনি উক্ত ধারায় উল্লিখিত দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
২,৯৫০.
নিম্নের কোন বিষটি Shall presume এর অন্তর্ভুক্ত?
  1. Document of power of Attorney
  2. Foreign judicial record
  3. Telagraphic message
  4. 30 years old document
সঠিক উত্তর:
Document of power of Attorney
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Document of power of Attorney
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ৮৬ ধারায় বিদেশী বিচারিক রেকর্ড, ৮৮ ধারায় তারবার্তা এবং ৯০ ধারায় ৩০ বৎসরের পুরাতন দলিল সম্পর্কে অনুমানের ক্ষেত্রে 'may presume' শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। অর্থাৎ এই ক্ষেত্রে আদালত অনুমান করতে পারে আবার নাও পারে। কিন্তু ৮৫ ধারায় পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দলিলের ক্ষেত্রে 'Shall Presume' শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। অর্থাৎ আদালত এই ক্ষেত্রে অনুমান করতে বাধ্য।
২,৯৫১.
The Evidence Act 1872 এর ধারা ৭৭ অনুসারে, সরকারি দলিলের বিবরণ প্রমাণ করা যেতে পারে-
  1. মূল সরকারি দলিল দ্বারা
  2. প্রাথমিক সাক্ষ্য দ্বারা
  3. সরকারি কর্মকর্তার মৌখিক বিবরণ দ্বারা
  4. সরকারি দলিলের জাবেদা নকল দ্বারা
সঠিক উত্তর:
সরকারি দলিলের জাবেদা নকল দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারি দলিলের জাবেদা নকল দ্বারা
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২, ধারা ৭৭: জাবেদা নকল দাখিল করিয়া দলিল প্রমাণ: অনুরূপ জাবেদা নকল সর্বসাধারণের যে দলিলের নকল বা যে দলিলের অংশ বিশেষের নকল বলিয়া কথিত হয়, সেই দলিলের বা তাহার অংশ বিশেষের বিষয়বস্তুর প্রমাণস্বরূপ উহা উপস্থাপন করা যাইতে পারে।
----------------------------------------
The Evidence Act 1872, Section 77, Proof of documents by production of certified copies: Such certified copies may be produced in proof of the contents of the public documents or parts of the public documents of which they purport to be copies.

২,৯৫২.
একটি প্রথাকে আইনের মর্যাদা পেতে হলে কোনটি প্রয়োজন?
  1. সুপ্রাচীন
  2. যুক্তিসঙ্গত
  3. নৈতিকতা বিরোধী নয়
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা

• প্রথা (Customs):
ইহা এমন একটি নিয়ম বা রীতি যাহা একটি বিশেষ পরিবারে অথবা শ্রেণীতে অথবা অঞ্চলবিশেষে বহুকাল প্রচলিত হইবার দরুন আইনের যোগ্যতা অর্জন করেছে। স্মৃতি এবং প্রথার মধ্যে বিরোধ উপস্থিত হলে আইনত প্রতিষ্ঠিত প্রথা স্মৃতির চেয়েও শক্তিশালী; হিন্দু আইনের এই নীতিগত প্রশ্নটির মীমাংসা হয় কালেক্টার, মাদুরা বনাম মুট্টুরামলিঙ্গ মামলায় প্রিভি কাউন্সিলে (12 Μ.Ι. Α. 379) তাহাতে বলা হয়- "Clear proof of usage will out weigh the written texts of the law" অর্থাৎ আইনত প্রতিষ্ঠিত প্রথা হিন্দু ধর্মশাস্ত্র অনুযায়ী লিখিত বিধান হইতেও অধিক শক্তিশালী।

• একটি প্রথাকে আইনের মর্যাদা পেতে হলে, তার মধ্যে নিম্নলিখিত উপাদানগুলি অবশ্যই থাকতে হবে-

(ক) প্রথাটি অবশ্যই সুপ্রাচীন, সুনিশ্চিত, যুক্তিযুক্ত এবং সুপ্রমাণিত হতে হবে।

(খ) ইহা নৈতিকতা বিরোধী অথবা সাধারণ নিয়মের (opposed to public policy) পরিপন্থী হলে চলবে না।

(গ) ইহা আইনসভা কর্তৃক কোন আইন দ্বারা নিষিদ্ধ ঘোষিত হইলে চলবে না। যেমন একসময়ে হিন্দুদের মধ্যে সতীদাহ প্রথা চালু ছিল। কিন্তু পরবর্তীকালে লর্ড বেন্টিংকের সময় রাজা রামমোহন রায় প্রমুখ মহানুভব ব্যক্তিদের উদ্যোগে আইনসভা কর্তৃক উহা নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়।

(ঘ) প্রথাটিকে অবশ্য স্মরণাতীত কাল হইতে আরম্ভ হইয়া নিরবচ্ছিন্নভাবে চালু থাকতে হবে।

২,৯৫৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির বিধান অনুযায়ী, 'ক' যদি ঢাকায় 'খ'-এর বিরুদ্ধে মানহানিকর বিবৃতি প্রকাশ করে এবং 'ক' চট্টগ্রামে বসবাস করে, তবে 'খ' কোথায় মামলা করতে পারবে?
  1. শুধুমাত্র ঢাকায়
  2. শুধুমাত্র চট্টগ্রামে
  3. শুধুমাত্র সুপ্রিম কোর্টে
  4. ঢাকায় অথবা চট্টগ্রামে
সঠিক উত্তর:
ঢাকায় অথবা চট্টগ্রামে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকায় অথবা চট্টগ্রামে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৯ ধারার বিধান- ব্যক্তি বা অস্থাবর সম্পত্তির প্রতি অনিষ্টের জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা:
 কোনো ব্যক্তি বা কোন অস্থাবর সম্পত্তির প্রতি এক আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে অনিষ্ট সাধন করা হলে এবং বিবাদী অপর আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে বসবাস করলে বা ব্যবসা চালালে অথবা এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে বসবাস করলে বা ব্যবসা চালালে অথবা ব্যক্তিগতভাবে লাভের জন্য কাজ করলে, বাদী তার ইচ্ছা অনুসারে দুই আদালতের যেকোন একটিতে ক্ষতিপূরণের মামলা করতে পারে।

উদাহরণ:
(ক) ক-চট্টগ্রামে বসবাস করে এবং সে ‘খ’-কে ঢাকায় মারধর করে। ‘খ’ ঢাকায় অথবা চট্টগ্রামে 'ক’, এর বিরুদ্ধে মামলা করতে পারে।
(খ) 'ক' চট্টগ্রামে বসবাস করে এবং ঢাকায় ‘খ’ সম্পর্কে মানহানিকর বিবৃতি প্রকাশ করে। ‘খ’ ঢাকায় অথবা চট্টগ্রামে “ক” এর বিরুদ্ধে মামলা করতে পারে।
----------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 section-19. Suits for compensation for wrongs to person or movables:
- Where a suit is for compensation for wrong done to the person or to movable property, if the wrong was done within the local limits of the jurisdiction of one Court and the defendant resides, or carries on business, or personally works for gain, within the local limits of the jurisdiction of another Court, the suit may be instituted at the option of the plantiff in either of the said Courts. 
 
Illustrations:
(a) A, residing in Chittagong beats B in Dhaka.  B may sue A either in Dhaka or in Chittagong. 
(b) A, residing in Chittagong publishes in Dhaka statements defamatory of B. B may sue A either in Dhaka, or in Chittagong.
২,৯৫৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪১ অনুযায়ী কোন পরিস্থিতিতে একজন ব্যক্তিকে সিভিল জেল (দেওয়ানী কারাগার) থেকে ক্রিমিনাল জেলে (ফৌজদারী কারাগার) স্থানান্তর করা যাবে?
  1. পরিবারের অনুরোধে
  2. জেল কর্তৃপক্ষ স্বপ্রণোদিত হয়ে
  3. যখন তিনি স্বেচ্ছায় স্থানান্তর চাইবেন
  4. আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ দিলে
সঠিক উত্তর:
আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ দিলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ দিলে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪১(২) অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি দেওয়ানী জেলে বন্দী থাকেন এবং তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে কারাদণ্ড বা হেফাজতের যোগ্য হন, তাহলে সেই কারাদণ্ড বা হেফাজতের আদেশদাতা আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট তাকে ফৌজদারি জেলে স্থানান্তরের নির্দেশ দিতে পারেন।
- এটি সাধারণত তখনই হয় যখন একজন ব্যক্তি দেওয়ানী মামলা অনুসারে জেলে ছিলেন, কিন্তু পরবর্তীতে ফৌজদারি অপরাধে দণ্ডিত হন বা হেফাজতের প্রয়োজন হয়।
অর্থাৎ শুধু আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশে একজন বন্দীকে সিভিল জেল থেকে ক্রিমিনাল জেলে স্থানান্তর করা যাবে।
তাই সঠিক উত্তর: ঘ) আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ দিলে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪১ - কারাবাসের স্থান নির্ণয়ের ক্ষমতা:
(১) বর্তমানে বলবৎ কোন আইনে ভিন্নরূপ ব্যবস্থা করা না হলে এই বিধির অধীন কারাদণ্ড বা হাজত বাসের নির্দেশ প্রাপ্ত কোন ব্যক্তিকে কোথায় আটক রাখা হবে সরকার সে সম্পর্কে নির্দেশ দিতে পারবেন।
(২) দেওয়ানী কারাগারে আটক আসামী অথবা দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ফৌজদারী কারাগারে অপসারণ এবং তাদের দেওয়ানী কারাগারে প্রত্যাবর্তন:
এই বিধির অধীনে কারাদণ্ড বা হেফাজতে রাখার আদেশপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি যদি দেওয়ানী জেলে আটক থাকেন, তবে যিনি তার কারাদণ্ড বা হেফাজতের আদেশ দিয়েছেন সেই আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট নির্দেশ দিতে পারেন যে, তাকে ফৌজদারি জেলে স্থানান্তরিত করা হবে।
(৩) কোন ব্যক্তি (২) উপধারার অধীন ফৌজদারী জেলে স্থানান্তরিত হলে তা হতে মুক্ত হবার পর তাকে পুনরায় দেওয়ানী জেলে প্রেরণ করতে হবে, যদি না
ক) ফৌজদারী জেলে স্থানান্তরিত হবার পর তিন বৎসর অতিবাহিত হয়ে থাকে, তিন বৎসর অতিবাহিত হয়ে থাকলে দেওয়ানী কার্যবিধির ৫৮ ধারার অধীন সে দেওয়ানী জেল হতে অব্যাহতি পেয়েছে বলে গণ্য করতে হবে, অথবা
খ) যে আদালত তাকে দেওয়ানী জেলে আটকের আদেশ দিয়াছিলেন সেই আদালত ফৌজদারী জেলের ভারপ্রাপ্ত অফিসারকে সার্টিফিকেট দেন যে দেওয়ানী কার্যবিধির ৫৮ ধারার অধীন সে অব্যাতি পাবার অধিকারী।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 541.Power to appoint place of imprisonment:
(1) Unless when otherwise provided by any law for the time being in force, the Government may direct in what place any person liable to be imprisoned or committed to custody under this Code shall be confined.
Removal to criminal jail of accused or convicted persons who are in confinement in civil jail, and their return to the civil jail:
(2) If any person liable to be imprisoned or committed to custody under this Code is in confinement in a civil jail, the Court or Magistrate ordering the imprisonment or committal may direct that the person be removed to a criminal jail. 
(3) When a person is removed to a criminal jail under sub-section (2), he shall, on being released therefrom, be sent back to the civil jail, unless either– 
(a) three years have lapsed since he was removed to the criminal jail, in which case he shall be deemed to have been discharged from the civil jail under section 58 of the Code of Civil Procedure, 1908; or
(b) the Court which ordered his imprisonment in the civil jail has certified to the officer in charge of the criminal jail that he is entitled to be discharged under section 58 of the Code of Civil Procedure, 1908.
২,৯৫৫.
দণ্ডবিধির ২৩১ ধারা অনুযায়ী সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  2. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৩১ ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি জাল মুদ্রা প্রস্তুত করে বা জাল মুদ্রা প্রস্তুতির জন্য প্রয়োজনীয় কোনো ধাতব বস্তু বা উপকরণ তৈরি করে বা সংগ্রহ করে, তবে এটি একটি গুরুতর অপরাধ।
এ ধরনের অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার বিধান রয়েছে।

⇒ দণ্ডবিধির ২৩১ ধারার বিধান: মুদ্রা জাল করণ- কোন ব্যক্তি মুদ্রা জাল করলে অথবা জ্ঞাতসারে মুদ্রা জালকরণ প্রক্রিয়ার অংশ বিশেষ সম্পাদন করলে, সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
- ব্যাখ্যা:- কোন ব্যক্তি প্রতারণা করার অভিপ্রায়ে, অথবা তার কাজের ফলে প্রতারণা সংঘটিত হবে জানা সত্ত্বেও, কোন খাঁটি মুদ্রাকে দেখতে অপর কোন মুদ্রার মতো করলে, সে অপরাধ করেছে বলে পরিগণিত হবে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 231- Counterfeiting coin:
Whoever counterfeits or knowingly performs any part of the process of counterfeiting coin, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
- Explanation.- A person commits this offence who intending to practice deception, or knowing it to be likely that deception will thereby be practiced, causes a genuine coin to appear like a different coin.
২,৯৫৬.
আপিল বিভাগে আপিলের অনুমতির জন্য দাখিলকৃত দরখাস্তে আদেশ ৪৫ বিধি ৩ অনুযায়ী কী থাকতে হবে?
  1. কেবল মামলার সারসংক্ষেপ
  2. আদালতের পূর্ববর্তী রায়
  3. পক্ষগণের সম্মতিপত্র
  4. আপিলের কারণসমূহের উল্লেখ
সঠিক উত্তর:
আপিলের কারণসমূহের উল্লেখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলের কারণসমূহের উল্লেখ
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ৪৫, বিধি ৩: মামলার মূল্য বা উপযুক্ততা সম্পর্কিত সনদ (Certificate as to value or fitness):
(১) আপিলের অনুমতির জন্য দাখিলকৃত প্রতিটি দরখাস্তে আপিলের কারণসমূহ স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে, এবং এর সাথে একটি সনদের প্রার্থনা থাকতে হবে,  হয় এই মর্মে যে, মামলার অর্থমূল্য বা প্রকৃতি অনুযায়ী এটি ধারা ১১০-এর শর্ত পূরণ করে অথবা, এই মর্মে যে, মামলাটি উপরোক্ত শর্ত পূরণ না করলেও এটি আপিল বিভাগে আপিলের জন্য উপযুক্ত একটি মামলা।

(২) এমন দরখাস্ত প্রাপ্তির পর আদালত, বিপক্ষ পক্ষকে নোটিশ ইস্যু করবে, যাতে তারা আদালতকে কারণ দর্শাতে পারে , কেন উক্ত সনদ প্রদান করা উচিত নয়।

২,৯৫৭.
'ক' একজন পুলিশ অফিসারকে দাঙ্গা দমন করার সময় শারীরিকভাবে বাধা দিল। এ ক্ষেত্রে 'ক' এর বিরুদ্ধে কোন ধারা প্রযোজ্য?
  1. দণ্ডবিধির ১৪১ ধারা
  2. দণ্ডবিধির ১৪৬ ধারা
  3. দণ্ডবিধির ১৫২ ধারা
  4. দণ্ডবিধির ১৮৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ১৫২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ১৫২ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৫২ ধারায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, যেকোনো ব্যক্তি যদি দাঙ্গা দমন বা অবৈধ সমাবেশ ছত্রভঙ্গের প্রচেষ্টাকালে সরকারি কর্মচারীকে (যেমন পুলিশ অফিসার) আক্রমণ করে, হুমকি দেয়, বাধাদান করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে, তাহলে তাকে সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে তিন বছর পর্যন্ত, অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে। এখানে 'ক'-এর শারীরিক বাধাদান দাঙ্গা দমনের সময় পুলিশকে বাধা দেওয়ার কারণে ১৫২ ধারা সরাসরি প্রযোজ্য।

⇒ দণ্ডবিধির ১৫২ ধারার বিধান: দাঙ্গা ইত্যাদি দমনকালে সরকারি কর্মচারীকে আক্রমণ বা বাধাদান করা:- কোন সরকারি কর্মচারী অনুরূপ সরকারি কর্মচারী হিসেবে তাঁর কর্তব্য সম্পাদন উদ্দেশ্যে একটি অবৈধ সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার অথবা দাঙ্গা দমন করার প্রচেষ্টাকালে কোন ব্যক্তি যদি তাকে আক্রমণ করে অথবা আক্রমণ করার হুমকি প্রদর্শন করে, অথবা বাধাদান করে বা বাধাদান করার চেষ্টা করে, অথবা অনুরূপ সরকারি কর্মচারীর প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা করার হুমকি প্রদর্শন করে বা চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-152- Assaulting or obstructing public servant when suppressing riot, etc.
- Whoever assaults or threatens to assault, or obstructs or attempts to obstruct, any public servant in the discharge of his duty as such public servant, in endeavouring to disperse an unlawful assembly, or to suppress a riot or affray, or uses, or threatens, or attempts to use criminal force to such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years or with fine, or with both.

২,৯৫৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৯ এর অধীনে, কোন ক্ষেত্রে প্রথম অবৈধ দখলদার (Trespasser) পরবর্তী দখলদারের বিরুদ্ধে সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের মামলা করতে পারে?
  1. যদি প্রথম দখলদার সত্যিকারের মালিক হয়
  2. যদি প্রথম দখলদারের কোনো স্বত্ব না থাকে
  3. যদি প্রথম দখলদার দীর্ঘ সময় ধরে শান্তিপূর্ণ দখলে থাকে
  4. কোনটি নয় 
সঠিক উত্তর:
যদি প্রথম দখলদার দীর্ঘ সময় ধরে শান্তিপূর্ণ দখলে থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি প্রথম দখলদার দীর্ঘ সময় ধরে শান্তিপূর্ণ দখলে থাকে
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৯ এর অধীনে, একজন প্রথম অবৈধ দখলদার (Trespasser) পরবর্তী দখলদারের বিরুদ্ধে সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের মামলা করতে পারে, যদি সে দীর্ঘ সময় ধরে শান্তিপূর্ণভাবে দখলে থাকে। এই ধারা সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য বিশেষ প্রতিকার প্রদান করে, এবং এটি প্রধানত দখলের অধিকারের উপর ভিত্তি করে, স্বত্বের (Title) নয়।

ধারা ৯ এর বিধান:
- ধারা ৯ এর অধীনে, যদি কোনো ব্যক্তি বেআইনিভাবে তার দখল থেকে উচ্ছেদ হয়, তবে সে ছয় মাসের মধ্যে মামলা দায়ের করে দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে, এমনকি তার শিরোনাম না থাকলেও। এই ধারার উদ্দেশ্য হলো শান্তিপূর্ণ দখলকে সুরক্ষা দেওয়া এবং বেআইনি উচ্ছেদ প্রতিরোধ করা।
Abdul Hamid and others Vs. Afazuddin Ahmed and others (7 BLD (AD) 177) মামলায় আদালত স্পষ্ট করেছে যে, প্রথম অবৈধ দখলদার, যিনি দীর্ঘ সময় ধরে শান্তিপূর্ণভাবে দখলে আছেন, তিনি সত্যিকারের মালিক ছাড়া সকলের বিরুদ্ধে তার দখল বজায় রাখতে পারেন এবং পরবর্তী দখলদারের বিরুদ্ধে দখল পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা করতে পারেন।

কেন “দীর্ঘ সময় ধরে শান্তিপূর্ণ দখল” গুরুত্বপূর্ণ?
- আইনের দৃষ্টিকোণ থেকে, শান্তিপূর্ণ এবং দীর্ঘস্থায়ী দখল একটি অধিকার হিসেবে বিবেচিত হয়, এমনকি যদি দখলদারের স্বত্ব না থাকে। এটি “প্রায়শই দখলই নয়টি পয়েন্ট আইনের” (Possession is nine-tenths of the law) নীতির উপর ভিত্তি করে। প্রথম দখলদার, যিনি শান্তিপূর্ণভাবে দখলে আছেন, তিনি পরবর্তী দখলদারের বিরুদ্ধে তার দখল রক্ষার জন্য মামলা করতে পারেন, যতক্ষণ না সত্যিকারের মালিক বা তার অধীনে দাবিদার বৈধভাবে দখল দাবি করে।

উদাহরণস্বরূপ, Abdul Hamid and others Vs. Afazuddin Ahmed and others মামলায় বলা হয়েছে যে, প্রথম দখলদার, যিনি শান্তিপূর্ণভাবে দখলে আছেন, তিনি পরবর্তী দখলদারের বিরুদ্ধে দখল পুনরুদ্ধার করতে পারেন, যদি না পরবর্তী দখলদার সত্যিকারের মালিক বা তার অধীনে কোনো বৈধ কর্তৃত্ব প্রমাণ করতে পারে।

কেন অন্য অপশনগুলি সঠিক নয়?
ক) যদি প্রথম দখলদার সত্যিকারের মালিক হয়: এটি সঠিক নয়, কারণ ধারা ৯ শিরোনামের (Title) উপর নির্ভর করে না, বরং দখলের উপর ভিত্তি করে। যদি প্রথম দখলদার সত্যিকারের মালিক হন, তবে তিনি শিরোনামের ভিত্তিতে মামলা করবেন, ধারা ৯ এর অধীনে নয়। ধারা ৯ শুধুমাত্র দখল পুনরুদ্ধারের জন্য প্রযোজ্য।
খ) যদি প্রথম দখলদারের কোনো স্বত্ব না থাকে: এটি সঠিক নয়, কারণ ধারা ৯ এর অধীনে শিরোনাম বা স্বত্ব প্রমাণের প্রয়োজন নেই। এমনকি অবৈধ দখলদারও, যিনি শান্তিপূর্ণভাবে দখলে আছেন, পরবর্তী দখলদারের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারেন।
ঘ) কোনটি নয়: এটি সঠিক নয়, কারণ “দীর্ঘ সময় ধরে শান্তিপূর্ণ দখল” স্পষ্টভাবে ধারা ৯ এর অধীনে প্রযোজ্য এবং আদালতের রায়ে সমর্থিত।

অর্থাৎ ধারা ৯ এর অধীনে, প্রথম অবৈধ দখলদার পরবর্তী দখলদারের বিরুদ্ধে দখল পুনরুদ্ধারের মামলা করতে পারেন, যদি তিনি দীর্ঘ সময় ধরে শান্তিপূর্ণভাবে দখলে থাকেন। এই ধারা শিরোনামের পরিবর্তে দখলের অধিকারকে প্রাধান্য দেয়, এবং Abdul Hamid and others Vs. Afazuddin Ahmed and others মামলা এই নীতির সমর্থন করে। তাই, সঠিক উত্তর হলো গ) যদি প্রথম দখলদার দীর্ঘ সময় ধরে শান্তিপূর্ণ দখলে থাকে।

২,৯৫৯.
Canons of Professional Conduct and Etiquette- অনুযায়ী একজন আইনজীবীর সহ-আইনজীবির প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য কয়টি?
  1. ৮টি
  2. ১০টি
  3. ১১টি
  4. ১৪টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর ১ম অধ্যায় অনুযায়ী, একজন আইনজীবীর সহ-আইনজীবির প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য মোট ১১টি।
- এই বিধিগুলো আইনজীবীদের পেশাগত আচরণ, শিষ্টাচার এবং সহ-আইনজীবিদের প্রতি সম্মান ও সহযোগিতার নীতিমালা নির্ধারণ করে।

⇒ এই ১১টি বিধি নিম্নরূপ:
১. ব্যক্তিগত ও পেশাগত মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখা।
২. পেশাগত প্রচারণার জন্য বিজ্ঞাপন না দেওয়া।
৩. দালাল বা অন্য ব্যক্তিকে আইন পেশা পরিচালনার অনুমতি না দেওয়া।
৪. প্রতিপক্ষ মক্কেলের সাথে মামলার বিষয় নিয়ে সরাসরি আলোচনা না করা।
৫. প্রতিপক্ষের এডভোকেটের অনুপস্থিতিতে মামলার বিষয়বস্তু উপস্থাপনা না করা (এক তরফা মামলা ব্যতীত)।
৬. অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট নিয়োগের ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী অ্যাডভোকেটের বকেয়া পরিশোধ নিশ্চিত করা।
৭. প্রতিপক্ষের এডভোকেটের ব্যক্তিগত ইতিহাস বা বৈশিষ্ট্য নিয়ে বক্তব্য না দেওয়া।
৮. ফিস বণ্টন নীতিমালা মেনে চলা।
৯. বার কাউন্সিল প্রণীত তালিকাভুক্তির বিধান মেনে চলা।
১০. সিনিয়র ও প্রবীণ আইনজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা।
১১. একাধিক অ্যাডভোকেট নিযুক্ত হলে সিনিয়র অ্যাডভোকেট মামলা পরিচালনা করা।

→ সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো গ) ১১টি।
২,৯৬০.
দেওয়ানী কার্যবিধির Order XLI, Rule 12A অনুযায়ী আপিল পুনজ্জীবিত করার আদেশ প্রত্যেক পক্ষের অনুকুলে সর্বোচ্চ কয়টি মঞ্জুর করা হয়?
  1. ১ টি
  2. ২ টি
  3. ৩ টি
  4. ৬ টি
সঠিক উত্তর:
১ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-১২ক অনুযায়ী আপিল মুলতুবি (Adjournment in appeal): আপিলের ক্ষেত্রে কোন পক্ষের অনুরোধে আপিল আদালত ৩ বারের অধিক সময় মঞ্জুর করবেন না । ৩ বারের বেশি মুলতবি করলে আদালত নূন্যতম ২০০ টাকা ও অনধিক ১০০০ টাকা খরচ অপর পক্ষকে প্রদানের নির্দেশ দিবেন।
   •আপিলকারী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হলে- আপিল খারিজ হবে।
   •প্রতিবাদী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হলে- একতরফা নিষ্পত্তি হবে।
- একতরফাভাবে কোন আপিল খারিজ বা নিষ্পত্তি করা হলে তা শুনানির জন্য পুনরুজ্জীবিত করতে হলে ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে এবং নূন্যতম ২০০ এবং অনধিক ১০০০ টাকা খরচ দিতে হবে। তবে খরচ সহ কয়টি মুলতুবি মঞ্জুর করা হবে তা উল্লেখ করা হয়নি।
-কোন পক্ষ আপিল পুনরুজ্জীবিত করার সুযোগ একবারই পাবেন।
- কোন কারণ লিপিবদ্ধ না করে আপিল আদালত নিজ উদ্যোগে কোন আপিল শুনানির স্তরে মুলতুবির আদেশ দিবেন থা
- অর্থাৎ যে পক্ষের খরচ প্রদানের ব্যর্থতায় আপীল খারিজ হয়েছে বা একতরফা নিষ্পত্তি হয়েছে, সে পক্ষ উক্ত আপীল পুনরুজীবিত করার আবেদন করতে পারে খারিজ আদেশের ৩০ দিনের মধ্যে। আদালত সর্বনিম্ন ২০০ এবং অনধিক ১০০০ টাকা খরচ প্রদানের শর্তে প্রত্যেক পক্ষে সর্বোচ্চ একবার এরকম আবেদন মঞ্জুর করে থাকেন।
--------------------
⇒ CPC Order-41 Rule-12A .Adjournment in appeal:
(1) The Appellate Court shall not grant more than three adjournments for hearing of an appeal at the instance of either party to the appeal, and any adjournment granted to a party beyond the aforesaid limit shall make such party liable to pay such cost which shall not be less than two hundred taka and more than one thousand taka to the other party as the Court may deem appropriate and determine, non-compliance with which, by the appellant shall render the appeal liable to be dismissed and, by the respondent shall render the appeal liable to be disposed of ex parte.

(2) An appeal dismissed or disposed of ex parte under sub-rule (1) shall not be revived for hearing unless the party, for whose non-compliance the appeal was dismissed or  disposed of ex parte, makes, within thirty days of such dismissal or ex parte disposal, an application to the court for such revival; and upon such application being made, the Court shall award such cost as shall not be less than two hundred taka and more than one thousand taka as it may deem appropriate and determine, and the cost being deposited, the appeal shall be revived for hearing without any further proceeding; and the cost deposited in the Court shall be paid by it to the other party:
Provided that no appeal shall be revived more than once at the instance of the same party under this rule.

(3) The Appellate Court shall not, of its own, order any adjournment at the stage of hearing of appeal without recording reasons therefor.
২,৯৬১.
'জামিনযোগ্য অপরাধের জামিনের বিধান'- ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার বিষয়বস্তু?
  1. ৪৯২ ধারার
  2. ৪৯৪ ধারার
  3. ৪৯৬ ধারার
  4. ৪৯৭ ধারার
সঠিক উত্তর:
৪৯৬ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯৬ ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৬ ধারার বিধান- জামিনযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিন:
যদি কোনো ব্যক্তি, যিনি অজামিনযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত নন, তাকে পুলিশ ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেপ্তার করে বা আটক করে, অথবা আদালতে হাজির করা হয়, এবং তিনি জামিন দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকেন, তাহলে তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হবে।
তবে শর্ত থাকে যে: সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা বা আদালত চাইলে, জামিন নেওয়ার পরিবর্তে ওই ব্যক্তিকে কোনো জামিনদার ছাড়াই একটি বন্ড স্বাক্ষর করিয়ে মুক্তি দিতে পারেন, যাতে তিনি ভবিষ্যতে নির্ধারিত সময়ে আদালতে হাজির হন।
এছাড়াও, এই ধারার কোন কিছুই ১০৭ ধারার (৪) উপধারা বা ১১৭ ধারার (৩) উপধারার বিধানকে প্রভাবিত করবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 496.In what cases bail to be taken:
When any person other than a person accused of a non-bailable offence is arrested or detained without warrant by an officer in charge of a police-station, or appears or is brought before a Court, and is prepared at any time while in the custody of such officer or at any stage of the proceedings before such Court to give bail, such person shall be released on bail:
Provided that such officer or Court, if he or it thinks fit, may, instead of taking bail from such person, discharge him on his executing a bond without sureties for his appearance as hereinafter provided: 
Provided, further, that nothing in this section shall be deemed to affect the provisions of section 107, sub-section (4), or section 117, sub-section (3).
২,৯৬২.
'একজন চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তার অধস্তন ম্যাজিস্ট্রেটগণের বসার সময়, স্থান বা বিচার্য বিষয়ের শ্রেণি সম্পর্কে বিধি প্রণয়ন করতে পারেন' - এই ক্ষমতা ফৌজদারি কার্যবিধির কোথায় বর্ণিত আছে?
  1. ১৬ ধারা
  2. ১৭ ধারা
  3. ২০ ধারা
  4. ২১ ধারা
সঠিক উত্তর:
২১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ ধারা
ব্যাখ্যা
ধারা ২১(১): চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (Chief Metropolitan Magistrate):
চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তার এখতিয়ারাধীন এলাকায় এই বিধি বা বর্তমানে প্রযোজ্য কোনো আইনের অধীনে তাঁর বা কোনো মহানগর ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।

এছাড়াও, তিনি সরকারের পূর্বানুমোদন নিয়ে সময় সময়ে এই বিধির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নিয়ম তৈরি করতে পারবেন, যা নিম্নলিখিত বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণ করবে:
(ক) মহানগর ম্যাজিস্ট্রেটদের আদালতের কার্যপ্রণালী, কাজের বণ্টন এবং আদালতের পদ্ধতি।
(খ) মহানগর ম্যাজিস্ট্রেটদের বেঞ্চ (Bench) গঠনের নিয়মাবলী।
(গ) এসব বেঞ্চ কোন সময়ে এবং কোথায় বসবে, তা নির্ধারণ।
(ঘ) বেঞ্চে বসা ম্যাজিস্ট্রেটদের মধ্যে মতভেদ দেখা দিলে তা কীভাবে নিষ্পত্তি করা হবে, সেই পদ্ধতি।
(ঙ) আরও যে-কোনো বিষয়, যা একজন প্রধান বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট (Chief Judicial Magistrate) তাঁর অধীনস্থ ম্যাজিস্ট্রেটদের উপর সাধারণ নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতার মাধ্যমে পরিচালনা করতে পারেন, তাও অন্তর্ভুক্ত।
২,৯৬৩.
Section 36 of the Criminal Procedure Code grants Magistrates which type of powers?
  1. Special powers
  2. Ordinary powers
  3. Executive powers
  4. Additional powers
সঠিক উত্তর:
Ordinary powers
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ordinary powers
ব্যাখ্যা
Section 36- Ordinary powers of Magistrates:
All Judicial and Executive Magistrates have the powers hereinafter respectively conferred upon them and specified in the third schedule. Such powers are called their "ordinary powers".

ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬ ধারা- ম্যাজিষ্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা:
সকল জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর কার্যক্রমে অর্পিত ৩য় তফসিল এ বর্ণিত ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ক্ষমতা তাঁদের "সাধারণ ক্ষমতা" নামে আখ্যায়িত।
২,৯৬৪.
বার কাউন্সিল কর্তৃক বিধি প্রণয়নের ক্ষেত্রে পূর্ব অনুমতি লাগে কার?
  1. রাষ্ট্রপতির 
  2. প্রধান বিচারপতির 
  3. বার কাউন্সিল চেয়ারম্যানের
  4. সরকারের
সঠিক উত্তর:
সরকারের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারের
ব্যাখ্যা

The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 অনুচ্ছেদ-৪০ মতে The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Order 1972 এর উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে সরকারের পূর্বানুমতি নিয়ে বার কাউন্সিল সরকারী গেজেট নোটিফিকেশন দ্বারা বিধি (Rules) প্রণয়ন করতে পারে। বার কাউন্সিল এরূপ বিধি প্রণয়ন না করা পর্যন্ত অনুচ্ছেদ ৪০ (৩) এর অধীন বার কাউন্সিলের ক্ষমতা সরকার কর্তৃক প্রয়োগ করা হবে। এ ক্ষমতা প্রয়োগ করে সরকার The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Rules, 1972 প্রণয়ন করে।
অর্থাৎ বার কাউন্সিল সরকারের পূর্ব অনুমতি নিয়ে বিধি প্রণয়ন করতে পারে।

২,৯৬৫.
কোনো ব্যক্তিকে প্রতারণার মাধ্যমে কোনো দলিল গোপন করা হলে, তামাদির মেয়াদ গণনা করা হবে-
  1. প্রতারণা যখন থেকে করা হয়েছে তখন থেকে
  2. প্রতারণা সম্পর্কে অনুমান করা হয়েছে এমন সময় থেকে
  3. বাদী উক্ত দলিল যখন উপস্থাপন করতে সক্ষম হবে তখন থেকে 
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
বাদী উক্ত দলিল যখন উপস্থাপন করতে সক্ষম হবে তখন থেকে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদী উক্ত দলিল যখন উপস্থাপন করতে সক্ষম হবে তখন থেকে 
ব্যাখ্যা

তামাদি আইন, ১৯০৮ (Limitation Act, 1908)-এর ধারা ১৮ অনুযায়ী, যদি কোনো দলিল প্রতারণার মাধ্যমে গোপন করা হয়, তবে বাদী উক্ত দলিল যখন উপস্থাপন করতে সক্ষম হবে তখন থেকে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ১৮- মামলা বা দরখাস্ত দাখিলের ক্ষেত্রে প্রতারণার ফলাফল-

যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি একটি মামলা বা দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী, কিন্তু প্রতারণার মাধ্যমে তাকে সেই অধিকারের বিষয়ে বা যে স্বত্বের উপর উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠিত তা জানতে দেয়া হয় নাই অথবা উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য যে দলির প্রয়োজন তা প্রতারণা করে গােপন রাখা হয়েছে, সেই সকল ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে বাদী যেদিন-
১। সর্বপ্রথম প্রতারণার কথা জানতে পারে সেদিন থেকে, অথবা
২। যেদিন গােপন রাখা দলিল উত্থাপন করতে পারবে, অথবা
৩। অপর পক্ষের কাছে থাকা দলিলটি যেদিন হাজির করতে বাধ্য করতে পারবে।

২,৯৬৬.
বিকল্প বা প্রতিকল্পনরূপে সমন জারির (Substituted Service of Summon) ক্ষেত্রে আদালত কোন স্থানসমূহে সমন সেঁটে দিতে পারে?
  1. আদালতের ভবনে এবং কুরিয়ার সার্ভিসের অফিসে
  2. আদালতের ভবনে এবং আদালতের বাইরের গেটে
  3. বিবাদীর বসবাসের স্থানে এবং বিবাদীর কর্মস্থলে অদৃশ্যমান জায়গাতে
  4. আদালতের ভবনে এবং বিবাদীর শেষবার বসবাসের স্থানে
সঠিক উত্তর:
আদালতের ভবনে এবং বিবাদীর শেষবার বসবাসের স্থানে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের ভবনে এবং বিবাদীর শেষবার বসবাসের স্থানে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৫ নং আদেশের ২০ বিধিতে বিকল্প বা প্রতিকল্পনরূপে সমন জারির (Substituted Service of Summon) বিধান রয়েছে। 
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮, আদেশ ৫, বিধি ২০: বিকল্প বা পরিবর্তিত জারির (Substituted Service):
(১) যেখানে আদালত সন্তুষ্ট যে, বিবাদী সেবা এড়ানোর জন্য উড়াল দেয়ার চেষ্টা করছে বা অন্য কোনো কারণে সমন সাধারাণভাবে প্রেরণ করা সম্ভব নয়, তখন আদালত সমনকে আদালতের ভবনে কোনো দৃশ্যমান স্থানে সেঁটে দেওয়ার নির্দেশ দিবে এবং যেখানে বিবাদী শেষবার বসবাস বা ব্যবসা চালিয়েছেন, বা যেখানে তিনি নিজে উপার্জনের জন্য কাজ করতেন, সেই স্থানের কোনো দৃশ্যমান জায়গাতেও সেঁটে দেবেন, অথবা আদালত যেভাবে উপযুক্ত মনে করবে সেইভাবে সমন প্রেরণের ব্যবস্থা করবেন।
(১এ) যদি আদালত উপবিধি (১) অনুযায়ী সমন প্রেরণের জন্য সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দেওয়ার নির্দেশ দেন, তবে সেই সংবাদপত্রটি দৈনিক হতে হবে এবং ওই এলাকার মধ্যে যার মধ্যে বিবাদী শেষবার বসবাস করতেন বা ব্যবসা পরিচালনা করেছিলেন, সেই এলাকাতে প্রচারিত হতে হবে।
- বিকল্প বা পরিবর্তিত জারির প্রভাব:
(২) আদালতের আদেশে করা বিকল্প বা পরিবর্তিত জারি, বিবাদীর ব্যক্তিগত জারির মতোই কার্যকর হবে।
- যেখানে বিকল্প বা পরিবর্তিত জারির করা হয়েছে, সেসময় উপস্থিতির জন্য সময় নির্ধারণ:
(৩) যদি আদালত বিকল্প বা পরিবর্তিত জারির আদেশ দেয়, তাহলে আদালত বিবাদীর উপস্থিতির জন্য প্রয়োজনীয় সময় নির্ধারণ করবে।
--------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order 5 Rule 20: Substituted service-
(1) Where the Court is satisfied that there is reason to believe that the defendant is keeping out of the way for the purpose of avoiding service, or that for any other reason the summons cannot be served in the ordinary way, the Court shall order the summons to be served by affixing a copy thereof in some conspicuous place in the Court-house, and also upon some conspicuous part of the house (if any) in which the defendant is known to have last resided or carried on business or personally worked for gain, or in such other manner as the Court thinks fit.
(1A) Where the Court under sub-rule (1) pass an order to service the summons by an advertisement in a newspaper, the newspaper shall be a daily newspaper which has circulation in the locality in which the defendant is last known to have actually and voluntarily resided, carried on business or personally worked for gain.
Effect of substituted service-
(2) Service substituted by order of the Court shall be as effectual as if it had been made on the defendant personally.
Where service substituted, time for appearance to be fixed-
(3) Where service is substituted by order of the Court, the Court shall fix such time for the appearance of the defendant as the case may require.
২,৯৬৭.
একজন অ্যাডভোকেট নিম্নলিখিত কোন পরিস্থিতিতে মামলা পরিচালনা করতে পারবেন না?
  1. তিনি আগের শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন না
  2. তিনি আদালতে অন্যান্য মামলা পরিচালনা করেন
  3. তিনি আগে উক্ত বিষয়ে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেছেন
  4. তিনি আগে প্রতিপক্ষের অ্যাডভোকেট হিসেবে কাজ করে ছিলেন না
সঠিক উত্তর:
তিনি আগে উক্ত বিষয়ে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেছেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনি আগে উক্ত বিষয়ে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেছেন
ব্যাখ্যা
→ বাংলাদেশ বার কাউন্সিল ক্যাননস অব প্রফেশনাল কন্ডাক্ট অ্যান্ড এটিকেট, ১৯৬৯ এর অধ্যায় IV, বিধি ৭ অনুযায়ী, একজন অ্যাডভোকেট কোনো মামলা পরিচালনা করতে পারবেন না যদি তিনি আগে উক্ত বিষয়ে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেছেন। এর কারণ হলো, বিচারকের দায়িত্ব পালনের সময় তিনি যে তথ্য ও গোপনীয়তা পেয়েছেন, তা তার পক্ষে পরবর্তীতে অ্যাডভোকেট হিসেবে কাজ করার সময় পক্ষপাতিত্ব বা নৈতিক দ্বন্দ্ব তৈরি করতে পারে। এই নীতিটি অ্যাডভোকেটের পেশাগত নৈতিকতা ও স্বচ্ছতা রক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অতএব, সঠিক উত্তর হলো গ) তিনি আগে উক্ত বিষয়ে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেছেন।

- 7. An Advocate should not accept employment as an Advocate in any matter upon the merits of which he has previously acted in a judicial capacity.
An Advocate having once held public office or having been in the public employ, should not, after his retirement accept employment in connection with any matter which he has investigated or dealt with while in such office, nor employment except in support thereof.
২,৯৬৮.
দণ্ডবিধি অনুসারে কোন ক্ষেত্রে নির্জন কারাবাস (solitary confinement) প্রদান করা যায়?
  1. অর্থদণ্ড এর ক্ষেত্রে
  2. বিনাশ্রম কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে
  3. সশ্রম কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে
  4. অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
সশ্রম কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সশ্রম কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ শুধুমাত্র সশ্রম কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে নির্জন কারাবাস দেয়া হয়। নির্জন কারাবাস সর্বমোট ৩ মাসের বেশি হবে না।

- দণ্ডবিধির ৭৩ ধারার বিধান, নির্জন কারাবাস:- যদি কোন ব্যক্তিকে এমন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত করা হয়, যে অপরাধের জন্য আদালত এই আইনবলে তাকে সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারেন তবে, আদালত তার দণ্ডাজ্ঞার মাধ্যমেই আদেশ করতে পারবেন যে অপরাধীকে তার বিরুদ্ধে প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদের কোন অংশবিশেষের বা কয়েকটি অংশের জন্য-যা সর্বসাকুল্যে তিন মাসের বেশি হতে পারবে না-নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কতসময়ের জন্য অপরাধীকে নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে তা নিম্নে নির্দেশ করা যাচ্ছে: কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক না হলে অনধিক এক মাস পর্যন্ত; কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক কিন্তু এক বৎসরের অনধিক হলে অনধিক দুই মাস পর্যন্ত; কারাদণ্ডের মেয়াদ এক বৎসরের অধিক হলে অনধিক তিন মাস পর্যন্ত।
২,৯৬৯.
If the judgment is to be pronounced on a future day, what must the court ensure according to Order 20 Rule 1?
  1. That all parties are present
  2. That the hearing is re-opened
  3. That notice is given to the parties or their pleaders
  4. That the judgment is written beforehand
সঠিক উত্তর:
That notice is given to the parties or their pleaders
উত্তর
সঠিক উত্তর:
That notice is given to the parties or their pleaders
ব্যাখ্যা
• আদেশ ২০ বিধি ১-
মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর আদালতে তৎক্ষণাৎ কিংবা ভবিষ্যত কোন দিনে ,পক্ষগণের বা তাদের উকিলগণের উপর যথাযথ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করার পর যা সাতদিনের বেশি হবে না প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষণা করবে।

Order 20 Rule 1: Judgment when pronounced-
The Court, after the case has been heard, shall pronounce judgment in open Court, either at once or on some future day, [not beyond seven days,] of which due notice shall be given to the parties or their pleaders.
২,৯৭০.
একতরফা নিষ্পত্তিকৃত আপিল সরাসরি পুনঃশুনানির জন্য সর্বোচ্চ কত টাকা খরচা জমা দিতে হয়?
  1. ১০০০
  2. ২০০০
  3. ৩০০০
  4. ৬০০০
সঠিক উত্তর:
৩০০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০০০
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৪১ বিধি-২১ক এর বিধান: সরাসরি আপিল পুনঃশুনানি:
প্রতিবাদীর বিরুদ্ধে একতরফা ডিক্রি হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে অ্যাফিডেভিটসহ পুনঃশুনানির জন্য আবেদন করলে আদালত সরাসরি পুনঃশুনানির আবেদন গ্রহণ করতে পারেন।
- তবে এক্ষেত্রে আদালত প্রতিবাদীকে অনধিক ৩০০০ টাকা পরিশোধের আদেশ দিতে পারেন।
------------------
CPC Order-41 Rule-21A. Direct re-hearing of appeal:
(1) Notwithstanding anything contained in rule 21 or any other law, the Court may, in order to avoid delay and expedite disposal, directly re-hear an appeal which is heard ex parte, without requiring the respondent to adduce evidence to satisfy it about sufficient causes as required under rule 21, but requiring him to pay such cost not exceeding three thousand taka as it may deem appropriate and determine:

Provided that an appeal under this rule shall not be reheard unless an application, supported by affidavit, praying for such re-hearing is made to the Court within thirty days of the date on which the ex parte decree is passed against the respondent:

Provided further that no appeal shall be re-heard more than once under this rule. (2) As soon as an order under sub-rule (1) is made to rehear an appeal, the Court shall cause notice thereof to be served at the cost of the respondent upon the appellant.
২,৯৭১.
The principle of “protection against double jeopardy” is provided under which section of the Criminal Procedure Code?
  1. Section 401
  2. Section 403
  3. Section 405
  4. Section 412
সঠিক উত্তর:
Section 403
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 403
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (Code of Criminal Procedure, 1898)-এর ধারা ৪০৩ (Section 403)-এ “protection against double jeopardy” নীতি প্রদান করা হয়েছে। এই ধারার শিরোনাম হলো: “Person once convicted or acquitted not to be tried for same offence”।
- এতে বলা হয়েছে যে, কোনো ব্যক্তিকে যদি একটি সক্ষম এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত (Court of competent jurisdiction) দ্বারা একই অপরাধের জন্য বিচার করে দোষী সাব্যস্ত (convicted) বা খালাস (acquitted) করা হয়, তাহলে সেই দোষী সাব্যস্তি বা খালাস বলবৎ থাকাকালীন তাকে একই অপরাধের জন্য পুনরায় বিচার করা যাবে না। এটি nemo debet bis vexari (কোনো ব্যক্তিকে একই কারণে দু'বার দণ্ড দেওয়া যাবে না) নীতির উপর ভিত্তি করে গঠিত।

এক্ষেত্রে তিনটি শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হবে-
১. অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে যে অপরাধের চার্জ করা হয়েছে তাকে সেই অপরাধের জন্য বিচার করতে
২. উক্ত বিচার অবশ্যই এক্তিয়ারসম্পন্ন কোন আদালত কর্তৃক হতে হবে
৩. বিচারে অবশ্যই খালাসের [Acquittal] বা দণ্ডের [Conviction] আদেশ থাকতে হবে।

দোবারা সাজা নীতি প্রযোজ্য হবে না-
১. অভিযোগ খারিজ করে যদি কোন ব্যক্তিকে অব্যাহতি দেওয়া হয় বা
২. ২৪৯ ধারার অধীন মামলার প্রক্রিয়া বন্ধ করে যদি কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়া হয় বা
৩. কোনো আসামিকে অব্যাহতি দেয়া হলে,

- যেহেতু উপরে উল্লেখিত অব্যাহতি বা মুক্তি ৪০৩ ধারার অধীন খালাস বলে গণ্য হবে না, তাই উক্ত ক্ষেত্রে ৪০৩ ধারার দোবারা সাজা বা jeopardy নীতি প্রযোজ্য হবে না।
-অব্যাহতি বা মুক্তির আদেশের বিরুদ্ধে ৪০৩ ধারা প্রযোজ্য না।
-অর্থাৎ কোন ব্যক্তিকে অভিযোগ হতে অব্যাহতি বা মুক্তি দেওয়া হলে তাকে পুনরায় বিচারের সম্মুখীন করা যাবে এবং এই ক্ষেত্রে ৪০৩ ধারার double Jeopardy নীতি বাধা হবে না।
-----------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-403.Person once convicted or acquitted not to be tried for same offence:
(1) A person who has once been tried by a Court of competent jurisdiction for an offence and convicted or acquitted of such offence shall, while such conviction or acquittal remains in force, not be liable to be tried again for the same offence, nor on the same facts for any other offence for which a different charge from the one made against him might have been made under section 236, or for which he might have been convicted under section 237. 
(2) A person acquitted or convicted of any offence may be afterwards tried for any distinct offence for which a separate charge might have been made against him on the former trial under section 235, sub-section (1). 
(3) A person convicted of any offence constituted by any act causing consequences which, together with such act, constituted a different offence from that of which he was convicted, may be afterwards tried for such last-mentioned offence, if the consequences had not happened, or were not known to the Court to have happened, at the time when he was convicted. 
(4) A person acquitted or convicted of any offence constituted by any acts may, notwithstanding such acquittal or conviction, be subsequently charged with, and tried for, any other offence constituted by the same acts which he may have committed if the Court by which he was first tried was not competent to try the offence with which he is subsequently charged. 
(5) Nothing in this section shall affect the provisions of section 26 of the General Clauses Act, 1897, or section 188 of this Code. 
Explanation- The dismissal of a complaint, the stopping of proceedings under section 249, or the discharge of the accused is not an acquittal for the purposes of this section.

২,৯৭২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১০ ধারায় বলা হয়েছে যে, একজন ব্যক্তি সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা করতে পারে। এটি কোন পদ্ধতির মাধ্যমে করতে হবে?
  1. মৌখিক আবেদন দ্বারা
  2. প্রশাসনিক পদ্ধতির মাধ্যমে
  3. দেওয়ানি কার্যবিধির মাধ্যমে
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধির মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধির মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ১০ অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য দেওয়ানি মামলা দায়ের করতে পারেন। এই মামলা দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ অনুসারে দায়ের করতে হয়, যা একটি দেওয়ানি আদালতের এখতিয়ারভুক্ত।
অতএব, সঠিক উত্তর হলো—গ) দেওয়ানি কার্যবিধির মাধ্যমে।

⇒সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-১০ ধারার বিধান: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধার: 
- সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানি কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।
ব্যখ্যা-১: এই ধারা অনুসারে একজন জিম্মাদার যার জন্য জিম্মাদার নিযুক্ত হয়েছে সে ব্যক্তির হিতকর স্বার্থে নিয়োগ করার অধিকার রয়েছে এমন অস্থাবর সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা রুজু করতে পারে।
ব্যাখ্যা-২: সম্পত্তির বর্তমান দখলের জন্য অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকারকেই এই ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট।
------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section-10.Recovery of specific moveable property:
A person entitled to the possession of specific moveable property may recover the same in the manner prescribed bythe Code of Civil Procedure.
Explanation 1- A trustee may sue under this section for the possession of property to the beneficial interest in which the person for whom he is trustee is entitled.
Explanation 2- A special or temporary right to the present possession of property is sufficient to support a suit under this section.

২,৯৭৩.
কোনো জেলায় পারিবারিক আদালত প্রতিষ্ঠার পূর্ব পর্যন্ত কোন আদালত পারিবারিক আদালত হিসাবে দায়িত্ব পালন করবে?
  1. জেলা জজ আদালত
  2. সহকারী জজ আদালত
  3. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
• পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ,১৯৮৫ আইন রহিত করে পারিবারিক আদালত আইন,২০২৩ প্রনীত হয়। এটি ২০২৩ সনের ২৬ নং আইন।

ধারা ৪- পারিবারিক আদালত প্রতিষ্ঠা

(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, প্রত্যেক জেলায় এক বা একাধিক পারিবারিক আদালত প্রতিষ্ঠা করিতে পারিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, কোনো জেলায় একাধিক পারিবারিক আদালত প্রতিষ্ঠিত হইলে, সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, উক্ত আদালতসমূহের স্থানীয় এখতিয়ার নির্ধারণ করিবে।

(২) সহকারী জজ বা সিনিয়র সহকারী জজ পদমর্যাদার ১ (এক) জন বিচারক সমন্বয়ে পারিবারিক আদালত গঠিত হইবে।

(৩) উপধারা (১) এর অধীন পারিবারিক আদালত প্রতিষ্ঠার পূর্ব পর্যন্ত স্বীয় অধিক্ষেত্রভুক্ত সহকারী জজ আদালত বা সিনিয়র সহকারী জজ আদালত পারিবারিক আদালত হিসাবে দায়িত্ব পালন করিবে।
২,৯৭৪.
কোন বাজেয়াপ্ত সম্পত্তির ক্রোক রোধ করার উদ্দেশ্যে কোন প্রতারণামূলক ভাবে দাবি করলে তার শাস্তির বিধান দণ্ডবিধির কত ধারায় প্রদান করা হয়েছে?
  1. দণ্ডবিধির ২০৫ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ২০৬ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ২০৭ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ২০৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ২০৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ২০৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ২০৭ ধারার বিধান বাজেয়াপ্তরূপে বা ডিক্রি জারির মাধ্যমে সম্পত্তি হস্তগত করার ব্যাপারে বাধাদানের নিমিত্ত প্রতারণামূলক ভাবে উক্ত সম্পত্তি দাবি করা:- কোন ব্যক্তি যদি কোন বিচারালয় বা অন্য কোন যথাযোগ্য কর্তৃপক্ষ দ্বারা ঘোষিত হয়েছে বা ঘোষিত হওয়ার আশঙ্কা আছে বলে সে জানে, এমন কোন দণ্ডাজ্ঞাধীনে কোন সম্পত্তি বা উহাতে নিহিত কোন স্বার্থ কোন বাজেয়াপ্তরূপে বা অর্থদণ্ড পরিশোধরূপে বা কোন দেওয়ানী মামলায় কোন বিচারালয় দ্বারা প্রদান করা হয়েছে বা প্রদান করার আশঙ্কা আছে বলে সে জানে, এইরূপ কোন ডিক্রি বা আদেশ কার্যকরী করার ব্যাপারে বাধাদান করার উদ্দেশ্যে এইরূপ কোন সম্পত্তি বা উহাতে কোন স্বার্থ প্রতারণামূলক ভাবে গ্রহণ করে, হস্তগত করে বা দাবী করে কিংবা কোন সম্পত্তি বা উহাতে নিহিত কোন স্বার্থের অধিকার সম্পর্কে কোন প্রকার প্রতারণা করে, উক্ত সম্পত্তি বা উহাতে নিহিত কোন স্বার্থে তার কোন অধিকার নাই বলে সে জানে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

----------------
♦ Fraudulent claim to property to prevent its seizure as forfeited or in execution:
Section 207. Whoever fraudulently accepts, receives or claims any property or any interest therein, knowing that he has no right or rightful claim to such property or interest, or practices any deception touching any right to any property or any interest therein, intending thereby to prevent that property or interest therein from being taken as a forfeiture or in satisfaction of a fine, under a sentence which has been pronounced, or which he knows to be likely to be pronounced by a Court of Justice or other competent authority, or from being taken in execution of a decree or order which has been made, or which he knows to be likely to be made by a Court of Justice in a civil suit, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
২,৯৭৫.
পুলিশ ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতার করতে পারবে কিনা- তা ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের কোন কলামে উল্লেখ থাকে?
  1. ৩য় কলাম
  2. ৪র্থ কলাম
  3. ৫ম কলাম
  4. ৬ষ্ঠ কলাম
সঠিক উত্তর:
৩য় কলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩য় কলাম
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য একটি সারণীর মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়েছে। এই সারণীতে মোট ৮টি কলাম রয়েছে।

১ম কলাম: উল্লেখ থাকে যে, দণ্ডবিধির (Penal Code) কোন ধারা অনুযায়ী অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে।

২য় কলাম: প্রদত্ত ধারার অধীনে অপরাধটির সংক্ষিপ্ত বিবরণ লেখা থাকে।

৩য় কলাম: নির্দেশ করা হয় পুলিশ ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতার করতে পারবে কি না, অর্থাৎ অপরাধটি আমলযোগ্য (Cognizable) নাকি আমল-অযোগ্য (Non-cognizable)।

৪র্থ কলাম: প্রথমে সমন ইস্যু করা হবে কি না, তা নির্ধারণ করা হয়।

৫ম কলাম: দেখানো হয় অপরাধটি জামিনযোগ্য (Bailable) নাকি জামিন-অযোগ্য (Non-bailable)।

৬ষ্ঠ কলাম: উল্লেখ থাকে অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কি না, অর্থাৎ ভুক্তভোগী চাইলে কি সেটি মিটমাট করতে পারবে।

৭ম কলাম: প্রদত্ত ধারায় নির্ধারিত শাস্তির পরিমাণ দেখানো হয়।

৮ম কলাম: বলা হয়, সেই অপরাধের বিচার করার এখতিয়ার কোন আদালতের রয়েছে।

২,৯৭৬.
‘C’ সম্পত্তি হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে তার বাবার উইলে তার নাম যোগ করে জাল করে। এটি দণ্ডবিধির অধীনে জালিয়াতি। দণ্ডবিধি, ১৮৬০ অনুসারে সর্বোচ্চ শাস্তি কত?
  1. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  2. ২ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৪৬৭ অনুসারে, উইলের মতো মূল্যবান নিরাপত্তা (valuable security) বা উইলের জালিয়াতির ক্ষেত্রে শাস্তি হলো যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড যা ১০ বছর পর্যন্ত হতে পারে, এবং জরিমানা।
- প্রশ্নে বর্ণিত ঘটনায় 'C' তার বাবার উইল (Will) জাল করেছে। দণ্ডবিধির ধারা ৪৬৭ অনুসারে, কোনো মূল্যবান নিরাপত্তা (Valuable Security) বা উইল জাল করা একটি গুরুতর অপরাধ। উইল একটি মূল্যবান নিরাপত্তা হিসেবে গণ্য হয়।
- ধারা ৪৬৭-এ উইল জালিয়াতির শাস্তি নির্ধারণ করা হয়েছে নিম্নরূপ: "যে কেউ এমন কোনো দলিল জাল করে, যা কোনো মূল্যবান নিরাপত্তা বা উইল বলে প্রতীয়মান হয়, তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দণ্ডিত করা যাবে, অথবা যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে, যার মেয়াদ ১০ বছর পর্যন্ত হতে পারে, এবং এছাড়াও তাকে জরিমানাও করা যাবে।"
সুতরাং, এই অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে।

⇒ The Penal Code, 1860-Section-467. Forgery of valuable security, will, etc.
Whoever forges a document which purports to be a valuable security or a will, or an authority to adopt a son, or which purports to give authority to any person to make or transfer any valuable security, or to receive the principal, interest or dividends thereon, or to receive or deliver any money, moveable property, or valuable security, or any document purporting to be an acquaintance or receipt acknowledging the payment of money, or an acquaintance or receipt for the delivery of any moveable property or valuable security, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

২,৯৭৭.
He had better _______ home.
  1. go
  2. going
  3. to go
  4. went
সঠিক উত্তর:
go
উত্তর
সঠিক উত্তর:
go
ব্যাখ্যা

The correct answer is - ক) go
Complete sentence: He had better go home.

Had better - unreal past ইহা present/ future tense এর অর্থ প্রকাশ করে। 
Had better এর পর infinitive to বসে না। সর্বদা verb এর base form বসে।
Structure: Subject + had better + verb এর base form + .......
Example:
(i)  He had better _____ (go) home.
Ans: He had better go home.
(ii) You had better ______ (leave) the place.
Ans: You had better leave the place.
(iii) I had better ____ (ring) him at once.
Ans: I had better ring him at once.

Other options:
খ) going → “had better” পরে -ing form ব্যবহার হয় না।
গ) to go → “had better” পরে infinitive with to আসে না।
ঘ) went → past tense ব্যবহার হয় না, কারণ “had better” present/future অর্থ প্রকাশ করে।

Source: Advance Learner's Communicative English Grammar & Composition by Chowdhury & Hossain.

২,৯৭৮.
কোনো মামলার তামাদি মেয়াদ অতিক্রমের বিষয়টি যদি বিবাদী উল্লেখ না করে, তবুও আদালত-
  1. মামলা চলতে দেবে
  2. সময় বাড়িয়ে দেবে
  3. বাদীকে নতুন আবেদন করতে বলবে
  4. নিজ উদ্যোগে মামলা খারিজ করতে পারবে
সঠিক উত্তর:
নিজ উদ্যোগে মামলা খারিজ করতে পারবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিজ উদ্যোগে মামলা খারিজ করতে পারবে
ব্যাখ্যা

The Limitation Act, 1908 এর ধারা ৩ অনুযায়ী, যদি কোনো মামলা, আপিল বা আবেদন নির্ধারিত সীমা-সময়ের (period of limitation) পরে দায়ের করা হয়, তবে আদালত তা নিজে থেকেই (suo motu) খারিজ করবে — এমনকি বিবাদী (defendant) সীমা-সময় অতিক্রমের বিষয়টি প্রতিরক্ষা (defence) হিসেবে না তুললেও।

The Limitation Act, 1908 এর ধারা ৩ – নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হলে মামলা ইত্যাদি খারিজ:

ধারা ৪ থেকে ২৫ পর্যন্ত বিধানের অধীন, যে কোনো মামলা, আপিল বা আবেদন যদি প্রথম তফসিলে নির্ধারিত তামাদি-সময়ের (period of limitation) পর দায়ের করা হয়, তবে তা খারিজ (dismiss) করা হবে, যদিও বিবাদী (defendant) তামাদি অতিক্রমের বিষয়টি প্রতিরক্ষা (defence) হিসেবে উল্লেখ না করে থাকে।

ব্যাখ্যা (Explanation):
সাধারণ ক্ষেত্রে (ordinary cases):
মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে গণ্য হবে যখন বাদী (plaintiff) যথাযথ কর্মকর্তার (proper officer) নিকট আরজি/আবেদন (plaint/petition) দাখিল করেন।

দরিদ্র ব্যক্তি (pauper)-এর ক্ষেত্রে:
যখন তিনি দরিদ্র ব্যক্তি হিসেবে মামলা করার অনুমতির জন্য আবেদন করেন, তখন মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।

যে কোম্পানি আদালতের মাধ্যমে লিকুইডেশন (winding up) প্রক্রিয়ায় আছে, তার বিরুদ্ধে দাবি করলে:
তখন মামলা দায়ের হয়েছে বলে গণ্য হবে যখন দাবিদার প্রথমবার তার দাবি (claim) অফিসিয়াল লিকুইডেটর (official liquidator)-এর নিকট পেশ করেন।

২,৯৭৯.
নিম্নের কোনটি পাবলিক দলিল (Public Document)?
  1. চিঠি
  2. কবলা
  3. রায়
  4. উইল
সঠিক উত্তর:
রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায়
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৭৪ থেকে ৭৮ ধারায় সরকারী দলিল সংক্রান্ত বিধানসমূহ আলোচনা করা হয়েছে। সমগ্র বাংলাদেশের দলিলগুলোকে সাক্ষ্য আইন মতে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
১. সরকারী দলিল (Public Document); এবং
২. বেসরকারী/ব্যক্তিগত দলিল (Private Document).

• ধারা-৭৪: সরকারী দলিল (Public Document)- সরকারীভাবে রক্ষিত দলিলকে সরকারী দলিল বা Public document বলে। কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ যেমন-সংসদের আইন, সরকারি সংস্থা বা ট্রাইবুনাল সমূহের নথিপত্র অর্থাৎ দেশী বিদেশী আইন, বিচার বা শাসন বিভাগীয় কোন কর্মচারীর কার্যাবলির লিখিত বিবরণ ও নথিপত্রকে সরকারী দলিল বা Public Document বলে। অন্যভাবে বলা যায়, সরকারী দলিল বলতে সেই সমস্ত দলিলকে বোঝায় যে সমস্ত দলিল কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের সরকারী প্রতিষ্ঠানে বা ট্রাইব্যুনালের এবং বাংলাদেশের কোন অংশের বা কমনওয়েলথের বা বিদেশে সরকারী অফিসার, আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কার্যাবলী বা কাজের লিপিবদ্ধ বিবরণকে অন্তর্ভুক্ত করে।

সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারা মতে নিম্নলিখিত দলিল গুলি সরকারী দলিলঃ
(১) যে সমস্ত দলিল (ক) কোন সাবভৌম কর্তৃপক্ষের, (খ) সরকারী প্রতিষ্ঠান বা ট্রাইব্যুনালের এবং (গ) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের কোন অংশের অথবা বিদেশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কোন অফিসারের কার্য অথবা কার্যের লিপিবদ্ধ বিবরণ।

(২) বাংলাদেশে সরকারীভাবে রক্ষিত ব্যাক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ বিবরণ।

সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারায় সরকারি দলিলের কোনো তালিকা না দিয়ে এর বৈশিষ্ট বলে দেওয়া হয়েছে। আদালতের ডিক্রি, আদেশ, আরজি তা যখন আদালতে দাখিল করা হয় এবং সমনের আসল এগুলো সবই আদালতের কার্যক্রমের অংশ। সুতরাং তা সরকারি দলিল হিসেবে গণ্য হবে।

• ধারা-৭৫: বেসরকারি দলিল (Private document)-
সরকারি দলিল ব্যতীত সকল দলিলই বেসরকারি বা ব্যক্তিগত দলিল । কবিতা, উইল, বিক্রয় চুক্তি, দানপত্র, মূল বিক্রয় দলিল, কবলা দলিল, চিঠিপত্র সবই বেসরকারি দলিল বা Private document.
২,৯৮০.
চুরির অপরাধে বিচার চলাকালে তিন মাস জেলহাজতে থাকার পর "X" জামিন পায়। বিচারের পর "X" এর ছয় মাসের কারাদণ্ড হয়। এক্ষেত্রে 'X' কত দিন সাজা ভোগ করবে?
  1. ৬ মাস ভোগ করতে হবে
  2. ৩ মাস ভোগ করতে হবে
  3. আদালতের বিবেচনায় যত দিনের সাজার রায় দেন
  4. জামিন পেয়েছে এই জন্য কোন কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে না
সঠিক উত্তর:
৩ মাস ভোগ করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মাস ভোগ করতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় বিচার চলাকালে আসামীর জেল হাজতে থাকা সময় কিভাবে দন্ড থেকে বাদ যাবে তা বলা হয়েছে যা নিম্নরূপ:
- ধারা-৩৫ক (১): ফৌজদারি মামলার বিচার চলাকালীন সময়ে অর্থাৎ মামলা শুরু হওয়ার পর দন্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আসামি যে কয়দিন জেলহাজতে ছিল, তা কারাদন্ডের মেয়াদ থেকে বাদ যাবে।
 তবে এই বিধানটি আসামী মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত হলে প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ ৩৫ক ধারাটি মৃত্যুদন্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
- ধারা-৩৫ক (২): যদি বিচার চলাকালীন সময়ে হাজতে থাকার মেয়াদ কারাদন্ডের মেয়াদ থেকে বেশী হয় তাহলে আসামি পুরো কারাদন্ড ভোগ করেছে বলে গণ্য হবে এবং জেল থেকে মুক্তি পাবে; পাশাপাশি কোন অর্থদন্ড থাকলে সেই অর্থদন্ডও মওকুফ হয়ে যাথা

- অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক(১) ধারা অনুযায়ী, যেহেতু 'X'  তিন মাস ইতোমধ্যে জেল হাজতে ছিল, তাই তার মোট শাস্তি ৬ মাস থেকে ৩ মাস বাদ দিয়ে বাকি ৩ মাস তাকে কারাগারে থাকতে হবে।
২,৯৮১.
প্রথম তফসিলের প্রথম বিভাগ (First Division) কোন বিষয়ের তামাদির মেয়াদ নির্ধারণ করে?
  1. আপীল
  2. দরখাস্ত
  3. পিটিশন
  4. মোকদ্দমা
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর প্রথম তফসিল মোট ৩টি বিভাগে বিভক্ত। এই তিনটি বিভাগ অনুযায়ী, তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের বিধানগুলি মোকদ্দমা (Suit), আপীল (Appeal), এবং দরখাস্ত (Application/Petition) সংক্রান্ত।
অর্থাৎ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের মোট ৩টি বিভাগ রয়েছে, যেগুলি হল: ১) মোকদ্দমা দায়েরের তামাদি ২) আপীল দায়েরের তামাদি ৩) দরখাস্ত দায়েরের তামাদি।

⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ৩টি বিভাগ:
১) প্রথম বিভাগ (First Division):
→ মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ (Limitation for Filing Suits)
- এই বিভাগের অধীনে ১ থেকে ১৪৯ পর্যন্ত বিভিন্ন মামলার তামাদি মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।
২) দ্বিতীয় বিভাগ (Second Division):
→ আপীল দায়েরের তামাদির মেয়াদ (Limitation for Filing Appeals)
- এই বিভাগের অধীনে ১৫০ থেকে ১৫৭ পর্যন্ত বিভিন্ন আপীলের তামাদি মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।
৩)  তৃতীয় বিভাগ (Third Division):
→ বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ (Limitation for Filing Applications and Petitions)
- এই বিভাগের অধীনে ১৫৮ থেকে ১৮৩ পর্যন্ত বিভিন্ন দরখাস্ত বা পিটিশনের তামাদি মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।

২,৯৮২.
What happens if a person who would be liable as an abettor is present when the offence is committed?
  1. The person is considered an innocent bystander
  2. The person can only be charged with assisting the crime
  3. The person is deemed to have committed the offence
  4. The person cannot be punished since they did not directly commit the offence
সঠিক উত্তর:
The person is deemed to have committed the offence
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The person is deemed to have committed the offence
ব্যাখ্যা
Section 114- Abettor present when offence is committed:
Whenever any person, who if absent would be liable to be punished as an abettor, is present when the act or offence for which he would be punishable in consequence of the abetment is committed, he shall be deemed to have committed such act or offence.

ধারা ১১৪: অপরাধ সংঘটনের সময় উপস্থিত প্ররোচনাকারী:
যখন কোনো ব্যক্তি, যে অনুপস্থিত থাকলে প্ররোচনাকারী হিসেবে শাস্তি পাওয়ার যোগ্য হতো, সেই ব্যক্তি যদি সেই কাজ বা অপরাধ সংঘটনের সময় উপস্থিত থাকে, যার জন্য সে প্ররোচনার কারণে শাস্তিযোগ্য হতো, তখন তাকে সেই কাজ বা অপরাধ সংঘটিত করেছে বলে গণ্য করা হবে।
২,৯৮৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারায় প্রত্যর্পণ দরখাস্ত (Application for restitution) এর বিধান আছে?
  1. ১৪০
  2. ১৪৩
  3. ১৪৪
  4. ১৪৫
সঠিক উত্তর:
১৪৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৪
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৪৪ ধারার বিধান: প্রত্যর্পণের দরখাস্ত: 
(১) যে ক্ষেত্রে কোন - ডিক্রির পরিবর্তন বা রদ করা হয়, সে ক্ষেত্রে সুবিধা পাওয়ার অধিকারী কোন পক্ষের আবেদনক্রমে, প্রাথমিক আদালত -(ডিক্রি প্রদানকারী আদালত) এরূপ প্রত্যর্পণের ব্যবস্থা - করবেন, যাতে উক্ত ডিক্রি আদৌ প্রদত্ত না হলে পক্ষগণ যে অবস্থায় থাকতেন তাদেরকে সেই অবস্থায় স্থাপন করবেন এবং এই উদ্দেশ্যে আদালত ডিক্রি রদবদলের দরুন উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রার্থীকে তার প্রাপ্য মোকদ্দমার খরচ, সুদ, ক্ষতিপূরণ ও অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা পরিশোধসহ আদালত যথোপযুক্ত আদেশ দান করতে পারেন।

(২) উপধারা (১) অনুসারে আবেদন করে প্রত্যর্পণ বা অন্য কোন প্রতিকার পাওয়া গেলে, এই উদ্দেশ্যে কোন মোকদ্দমা দায়ের করা চলবে না।
-----------------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Section: 144. Application for restitution.
(1) Where and in so far as a decree is varied or reversed, the Court of first instance shall, on the application of any party entitled to any benefit by way of restitution or otherwise, cause such restitution to be made as will, so far as may be, place the parties in the position which they would have occupied but for such decree or such part thereof as has been varied or reversed; and, for this purpose, the Court may make any orders, including orders for the refund of costs and for the payment of interest, damages, compensation and mesne profits, which are properly consequential on such variation or reversal. 
(2) No suit shall be instituted for the purpose of obtaining any restitution or other relief which could be obtained by application under sub-section (1).
২,৯৮৪.
রফিক একজন পুলিশ অফিসার। কোন জায়গায় অপহৃত দ্রব্য লুকিয়ে রাখার তথ্য প্রদানে বাধ্য করার জন্য সে সোহেলকে পীড়ন করে। এখানে রফিক দণ্ডবিধির কত ধারায় অপরাধ করেছে?
  1. ৩৩০ ধারা
  2. ৩২৯ ধারা
  3. ৩৩২ ধারা
  4. ৩২৮ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩৩০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৩০ ধারা
ব্যাখ্যা
• ৩৩০ ধারা মতে জোরপূর্বক দোষ স্বীকারোক্তি আদায় করা অথবা কোন সম্পত্তি বা মূল্যবান জামানত প্রত্যর্পণ বা প্রত্যর্পণের ব্যাপারে সহায়ক তথ্য সরবরাহ করার জন্য শারীরিক নিপীড়ন বা আঘাতের শাস্তির বিধান রয়েছে।
২,৯৮৫.
"সরল বিশ্বাসে কৃত যোগাযোগের ফলে কোন প্রকার ক্ষতি হলে তা অপরাধ হবে না" এটি দণ্ডবিধির কত ধারার বিধান?
  1. ৯৩
  2. ৯৫
  3. ৯৬
  4. ৯২
সঠিক উত্তর:
৯৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৩
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৯৩ ধারার বিধান সদবিশ্বাসে কৃত যোগাযোগ:
কোন ব্যক্তির মঙ্গলার্থে আন্তরিক সদিচ্ছাক্রমে কৃত যোগাযোগ বা খবর প্রদান, উক্ত খবর প্রদানের ফলে উক্ত ব্যক্তির কোন প্রকার ক্ষতি হওয়ার দরুন অপরাধ হবে না।

- উদাহরণ:
ক একজন সার্জন। তিনি আন্তরিক সদিচ্ছা থেকে জনৈক রোগীকে তার এই মত জানান যে, সে বাঁচবে না। ইহাতে মর্মান্তিক আঘাত প্রাপ্তির ফলে রোগীটির মৃত্যু হয়। কএর কাজটি অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না, যদিও তিনি জানতেন যে, তার এইরূপ মত দেওয়ার ফলে রোগীটির মৃত্যু ঘটতে পারে।
------------------------------------
⇒ Section 93.-Communication made in good faith:
 No communication made in good faith is an offence by reason of any harm to the person to whom it is made, if it is made for the benefit of that person.

Illustration:
A, a surgeon, in good faith, communicates to a patient his opinion that he cannot live. The patient dies in consequence of the shock. A has committed no offence, though he knew it to be likely that the communication might cause the patient's death.
২,৯৮৬.
ধারাবাহিক জামানত প্রত্যাহার করার ক্ষেত্রে কী করতে হবে?
  1. ঋণদাতাকে লিখিত নোটিশ দিতে হবে
  2. আদালতের অনুমতি নিতে হবে
  3. ঋণগ্রহীতাকে জানাতে হবে
  4. ঋণদাতাকে মৌখিকভাবে জানালেই যথেষ্ট
সঠিক উত্তর:
ঋণদাতাকে লিখিত নোটিশ দিতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঋণদাতাকে লিখিত নোটিশ দিতে হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ১৩০: ধারাবাহিক জামানতের প্রত্যাহার (Revocation of Continuing Guarantee)-
একটি ধারাবাহিক জামানত (continuing guarantee) যেকোনো সময় জামিনদাতা কর্তৃক ভবিষ্যতের লেনদেনগুলোর জন্য বাতিল (revoke) করা যেতে পারে, তবে এর জন্য ঋণদাতাকে লিখিতভাবে অবহিত করতে হবে।

উদাহরণ (Illustrations):
(ক) A, B-এর অনুরোধে C-এর জন্য বিল ডিসকাউন্ট করার জামানত দেয় ১২ মাসের জন্য, সর্বোচ্চ ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত। B, C-এর জন্য ২,০০০ টাকা পর্যন্ত বিল ডিসকাউন্ট করে।
৩ মাস পর A জামানত বাতিল করে। A, এরপর আর কোনো ডিসকাউন্টের দায়ে বাধ্য নয়, তবে C যদি ২,০০০ টাকা ফেরত না দেয়, তবে সেই জন্য A দায়ী থাকবে।

(খ) A জামানত দেয় যে C, B-এর সব বিলের অর্থ পরিশোধ করবে সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত। B একটি বিল ড্র করে, C তা গ্রহণ করে। এরপর A জামানত প্রত্যাহার করে। C বিলটি পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়। A এই বিলটির জন্য দায়ী থাকবেন, কারণ এটি তার প্রত্যাহারের আগে গৃহীত হয়েছিল।
২,৯৮৭.
দেনমোহরের ক্ষেত্রে অনধিক কত টাকার ডিক্রির জন্য পারিবারিক আপিল আদালতে আপিল দায়ের করা যাবে না?
  1. ১০ হাজার টাকা
  2. ২৫ হাজার টাকা
  3. ৫০ হাজার টাকা
  4. ১ লাখ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫০ হাজার টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০ হাজার টাকা
ব্যাখ্যা

পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ১৯: আপিল দায়ের ও নিষ্পত্তি:
(১) পারিবারিক আদালতের রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে পারিবারিক আপিল আদালতে আপিল দায়ের করা যাইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, পারিবারিক আদালত কর্তৃক প্রদত্ত কোনো ডিক্রির বিরুদ্ধে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আপিল দায়ের করা যাইবে না, যথা:-

(ক) Dissolution of Muslim Marriages Act, 1939 (Act No. VIII of 1939) এর section 2 এর clause (viii) এর sub-clause (d) তে বর্ণিত কারণে বিবাহ বিচ্ছেদের ক্ষেত্র ব্যতীত অন্য কোনো বিবাহ বিচ্ছেদ; এবং

(খ) দেনমোহরের ক্ষেত্রে অনধিক ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকার ডিক্রি ।

(২) কোনো আপিল সংশ্লিষ্ট রায়, ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের তারিখ হইতে উহার নকল সংগ্রহের জন্য প্রয়োজনীয় সময় বাদ দিয়া অনধিক ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে আপিল দায়ের করিতে হইবে :
তবে শর্ত থাকে যে, পারিবারিক আপিল আদালত উপযুক্ত কারণে উক্ত মেয়াদ বৃদ্ধি করিতে পারিবে।

(৩) যেকোনো আপিল-
(ক) লিখিত আকারে হইবে;
(খ) আপিলকারী যে কারণে রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরোধিতা করিতেছেন তাহার কারণ উল্লেখ করিতে হইবে;
(গ) পক্ষগণের নাম, বর্ণনা ও ঠিকানা উল্লেখ করিতে হইবে; এবং
(ঘ) আপিলকারী কর্তৃক স্বাক্ষরিত হইতে হইবে।

(৪) আদালতের যে রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা হইয়াছে উহার একটি প্রত্যয়িত অনুলিপি আপিলের সহিত সংযুক্ত করিতে হইবে।

(৫) পারিবারিক আপিল আদালত কর্তৃক প্রদত্ত কোনো আদেশ, যথাশীঘ্র সম্ভব, পারিবারিক আদালতকে অবহিত করিতে হইবে এবং উক্ত আদালত তদনুসারে রায়, ডিক্রি বা আদেশ পরিবর্তন বা সংশোধন করিবে এবং ডিক্রি রেজিস্টারের যথাযথ কলামে সেই মর্মে প্রয়োজনীয় অন্তর্ভুক্তির কার্য সম্পাদন করিবে।

(৬) ধারা ১৮ অধীন জেলা জজ আদালত পারিবারিক আপিল আদালত হিসাবে দায়িত্ব পালনকালীন কোনো আপিল অতিরিক্ত জেলা জজ বা যুগ্ম জেলা জজ আদালতে শুনানি ও নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করিতে পারিবে এবং উক্তরূপ আদালত হইতে স্থানান্তরকৃত কোনো আপিল প্রত্যাহার করিতে পারিবে।

২,৯৮৮.
সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায় Test Identification Parade (টি.আই.পি.) ব্যবহার করা হয় কখন?
  1. আসামীকে মুক্তি দেওয়ার জন্য
  2. মামলার প্রমাণ জমা দেওয়ার জন্য
  3. সাক্ষী দ্বারা আসামী চিহ্নিত করার জন্য
  4. সাক্ষীকে অপরাধী হিসেবে শনাক্ত করার জন্য
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী দ্বারা আসামী চিহ্নিত করার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী দ্বারা আসামী চিহ্নিত করার জন্য
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায় Test Identification Parade (টি.আই.পি.) ব্যবহৃত হয় যাতে সাক্ষী আসামীকে চিহ্নিত করতে পারে এবং ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট অপরাধী বা সম্পত্তি সনাক্ত করতে সক্ষম হয়।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায় শনাক্তকরণ প্যারেড বা Test Identification Parade-কে সাক্ষ্য হিসাবে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারার বিধান: প্রাসঙ্গিক ঘটনার ব্যাখ্যা বা উপস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ঘটনা (Facts necessary to explain or introduce relevant facts):
- যে সমস্ত বিষয় বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের ইঙ্গিতবহ অনুমানকে সমর্থন বা অপ্রমাণ করে, অথবা বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়কে ব্যাখ্যা করে বা পরিচয় করায়, অথবা কোন ব্যক্তি বা বস্তুর প্রাসঙ্গিক পরিচয় প্রতিষ্ঠা করে, অথবা বিচার্য প্রাসঙ্গিক বিষয়টি ঘটার সময় ও স্থান নির্দেশ করে, অথবা প্রাসঙ্গিক বিষয় ঘটনাকারী ব্যক্তির সম্পর্কে আলোকপাত করে, সেই সময় বিষয়ের যতখানি সংশ্লিষ্ট উদ্দেশ্য সাধনের জন্য প্রয়োজন ততখানি প্রাসঙ্গিক।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায় Test Identification Parade (শনাক্তকরণ প্যারেড) এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যাতে করে এই পদ্ধতির মাধ্যমে সাক্ষী অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত -
১. কোন সম্পত্তি সনাক্ত করতে সক্ষম হয় বা,
২. কোন ব্যক্তি যেমন আসামীকে সনাক্ত করতে সক্ষম হয়।
⇒ প্রাসঙ্গিক ঘটনা ব্যাখ্যা বা উপস্থাপন করার জন্য যে সকল ঘটনা আবশ্যক সেগুলো প্রাসঙ্গিক। এ মূল ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট বা ঐ ঘটনা, তার স্থান, কাল ব্যাখ্যা করতে পারে এমন ঘটনাকে ৯ ধারায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।
২,৯৮৯.
If an innocent person is convicted and executed as a result of false evidence, the highest punishment for giving or fabricating such false evidence is-
  1. Death
  2. Imprisonment for life only
  3. Rigorous imprisonment up to 10 years only
  4. Rigorous imprisonment up to 7 years only
সঠিক উত্তর:
Death
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Death
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৯৪ ধারা মতে, মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবনের ২ ধরনের শাস্তি হতে পারে। যথা-
(i) কোন আসামিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার জন্য মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ার পরও অথবা মিথ্যা সাক্ষ্য সৃষ্টি করার পরও উক্ত আসামীর মৃত্যুদণ্ড না হলে বা আসামি খালাস পেলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
(ii) মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের ফলে কোন নির্দোষ লোকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে

⇒ The Penal Code, 1860-Section 194: Giving or fabricating false evidence with intent to procure conviction of capital offence; if innocent person be thereby convicted and executed:

- Whoever gives or fabricates false evidence, intending thereby to cause, or knowing it to be likely that he will thereby cause, any person to be convicted of an offence which is capital by any law for the time being in force, shall be punished with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine;
and if an innocent person be convicted and executed in consequence of such false evidence, the person who gives such false evidence shall be punished either with death or the punishment herein before described.

২,৯৯০.
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২-এর কোথায় অ্যাডভোকেটগণের শপথ গ্রহণ করার বিধান আছে?
  1. বিধি-৬০ক
  2. বিধি-৬০গ
  3. বিধি-৬১(২)
  4. বিধি-৬২(২)
সঠিক উত্তর:
বিধি-৬২(২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি-৬২(২)
ব্যাখ্যা
অ্যাডভোকেটের শপথ:
- অ্যাডভোকেটগণ আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে থাকেন। সামাজিক সুবিচার এবং জনগণের মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় তাদের ভূমিকা অসামান্য। সংবিধান ব্যাখ্যা এবং সংবিধান সুরক্ষার দায়িত্বও তাদের উপর বর্তায়। সংবিধানের প্রাধান্য রক্ষা করা অন্যান্যদের মত অ্যাডভোকেটগণের রয়েছে। অ্যাডভোকেটগণ যাতে সংবিধান মেনে চলেন এবং বার কাউন্সিল কর্তৃক প্রণীত শিষ্টাচার সংক্রান্ত বিধি বিধান মেনে চলেন সে জন্য ১৯৯৯ সনের ৩রা জুন তারিখে প্রকাশিত গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২-এর ৬২(২) বিধি প্রতিস্থাপন করে উহাতে নিম্ন লিখিত শপথ অন্তর্ভুক্ত করা হয়। বার কাউন্সিলে অ্যাডভোকেট হিসাবে তালিকাভুক্তির পর সনদ গ্রহণের প্রাক্কালে অ্যাডভোকেটগণ ঐ শপথ গ্রহণ করে থাকেন।
-------------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Rules, 1972-Rule-62(2) The certificate of enrolment shall then be issued to the advocate on his application to the Bar Council through the Bar Association after his admission as a member thereof in such manner and on fulfillment of such conditions as may be decided by the Bar Council upon taking such oath as prescribed.
২,৯৯১.
অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ ধারা ২২(৬) অনুযায়ী, আদালতের মধ্যস্থতার আদেশের কত দিনের মধ্যে পক্ষগণকে মধ্যস্থতাকারীর নাম আদালতকে জানাতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩-এর ধারা ২২(৬) অনুসারে, উপ-ধারা (১)-এর অধীনে মধ্যস্থতার আদেশের ১০ (দশ) দিবসের মধ্যে পক্ষগণকে লিখিতভাবে মধ্যস্থতাকারীর নাম আদালতকে অবহিত করতে হবে। যদি এই সময়ের মধ্যে পক্ষগণ মধ্যস্থতাকারী নিযুক্ত করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে আদালত নিজে একজন মধ্যস্থতাকারী নিযুক্ত করবে।

২,৯৯২.
১১৮ ধারার অধীনে, প্রশ্ন বুঝতে এবং যুক্তিসঙ্গত উত্তর দিতে সক্ষম ব্যক্তির কোন অবস্থা সাক্ষ্য প্রদানে বাধা সৃষ্টি করবে না?
  1. বয়স
  2. দৈহিক ব্যাধি
  3. মানসিক ব্যাধি
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারা- যে সাক্ষ্য দিতে পারে:
সকল ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানের যোগ্য, যদি আদালত মনে না করেন যে, তাহার অল্প বয়স, অতি বৃদ্ধ বয়স, দৈহিক বা মানসিক ব্যাধি বা অনুরূপ অন্য কোন কারণে তাহাদিগকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝিতে বা সেই প্রশ্নে যুক্তিসঙ্গত উত্তর দিতে তাঁহারা অক্ষম।

ব্যাখ্যা- কোন বিকৃত মস্তিষ্ক ব্যক্তি যদি তাহার মস্তিষ্ক বিকৃতির জন্য তাহাকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝিতে বা উহার যুক্তিসঙ্গত উত্তর দিতে অক্ষম না হয়, তবে সেই ব্যক্তি সাক্ষ্যদানে অযোগ্য হইবে না।

Section 118- Who may testify:
All persons shall be competent to testify unless the Court considers that they are prevented from understanding the questions put to them, or from giving rational answers to those questions, by tender years, extreme old age, disease, whether of body or mind, or any other cause of the same kind. 

Explanation- A lunatic is not incompetent to testify, unless he is prevented by his lunacy from understanding the questions put to him and giving rational answers to them.
২,৯৯৩.
নিচের কোনটি একটি বৈধ চুক্তির উপাদান নয়?
  1. বৈধ উদ্দেশ্য
  2. পক্ষসমূহের সম্মতি
  3. তৃতীয় পক্ষের অনুমতি
  4. পক্ষসমূহের আইনগত সক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় পক্ষের অনুমতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় পক্ষের অনুমতি
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) তৃতীয় পক্ষের অনুমতি।

Contract Act, 1872, ধারা ১০- যে সকল সম্মতি চুক্তি:
সকল সম্মতি চুক্তি হইবে যদি উহারা চুক্তি করিবার যোগ্য পক্ষগণের স্বাধীন সম্মতিতে, আইনানুগ প্রতিদানের বিনিময়ে ও আইনানুগ উদ্দেশ্যে সৃষ্টি হয়, এবং এতদ্দ্বারা সুস্পষ্টভাবে বাতিল বলিয়া ঘোষিত না হয়।

এই বিধানের কোনো কিছুই বাংলাদেশে বলবৎ, এবং এতদ্দ্বারা সুস্পষ্টভাবে বাতিল করা না হইলে, এইরূপ কোনো আইনকে, যাহা দ্বারা কোনো চুক্তি লিখিতভাবে বা সাক্ষীগণের উপস্থিতিতে করিতে হয়, অথবা দলিল নিবন্ধন সম্পর্কিত কোনো আইনকে, প্রভাবিত করিবে না।

মূল উপাদানসমূহ (Elements of Valid Contract):
সম্মতি তখনই চুক্তিপত্র (contract) হিসেবে কার্যকর হয় যদি:
- পক্ষসমূহের মুক্ত সম্মতি থাকে (Free consent);
- পক্ষরা আইনের দৃষ্টিতে সক্ষম হয় (Competent to contract);
- বৈধ প্রতিদান থাকে (Lawful consideration);
- বৈধ উদ্দেশ্য থাকে (Lawful object);
- আইনে বাতিল না থাকে (Not declared void)।

→ তৃতীয় পক্ষের অনুমতি চুক্তিপত্র বৈধ হওয়ার জন্য আবশ্যক নয়, যদি না সেই তৃতীয় পক্ষ চুক্তির অংশীদার হয়।
২,৯৯৪.
আদেশ ৩৩ বিধি-৪ এর অধীন আদালত কমিশন দ্বারা কার জবানবন্দি গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারে?
  1. প্রতিনিধির
  2. আবেদনকারীর
  3. প্রতিপক্ষের
  4. আবেদনকারীর সাক্ষীর
সঠিক উত্তর:
আবেদনকারীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবেদনকারীর
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৩ বিধি-৪: আবেদনকারীর জবানবন্দি গ্রহণ:
১) যেক্ষেত্রে আবেদনপত্র সঠিকভাবে এবং যথারীতি উপস্থাপন করা হয়েছে সেক্ষেত্রে আদালত উপযুক্ত মনে করলে আবেদনকারীর বা প্রতিনিধির মাধ্যমে আবেদনকারীকে হাজিরার অনুমতি দেয়া হলে, তার প্রতিনিধির মাধ্যমে আবেদনকারীকে হাজিরার অনুমতি দেয়া হলে, তার প্রতিনিধির দাবীর গুণগত বৈশিষ্ট্যের গুণাগুণ এবং আবেদনকারীর সম্পত্তি সম্পর্কে জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে।

২) প্রতিনিধি কর্তৃক উপস্থাপন করা হলে আদালত কমিশন দ্বারা আবেদনকারীর জবানবন্দি গ্রহণ করতে আদেশ দিতে পারেঃ যেক্ষেত্রে আবেদনপত্র প্রতিনিধি দ্বারা উপস্থাপিত হয় সেক্ষেত্রে আদালত, যদি সঙ্গত মনে করেন, তবে অনুপস্থিত সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের মতই কমিশন কর্তৃক আবেদনকারীর জবানবন্দি গ্রহণ করার নির্দেশ দিতে পারে।
২,৯৯৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির ২৪ ক(২) ধারার অধীনে আবেদন ব্যতীত মোকদ্দমা স্থানান্তরিত হলে, পূর্ব নির্ধারিত দিনে পক্ষদ্বয় কোথায় উপস্থিত হবে?
  1. জেলা জজ আদালতে
  2. যে আদালত থেকে কার্যক্রম স্থানান্তরিত হয়েছে
  3. যে আদালত পক্ষদ্বয়ের বাসস্থান থেকে নিকটে
  4. যে আদালতে মোকদ্দমা স্থানান্তর হয়েছে
সঠিক উত্তর:
যে আদালত থেকে কার্যক্রম স্থানান্তরিত হয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে আদালত থেকে কার্যক্রম স্থানান্তরিত হয়েছে
ব্যাখ্যা

• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২৪(ক)-
১) দেওয়ানি কার্যবিধির ২২ ধারার অধীনে কোন মোকদ্দমা স্থানান্তরিত হলে বা পক্ষদের আবেদনে ২৪(১) ধারার অধীনে মোকদ্দমা, আপিল ইত্যাদি স্থানান্তর বা প্রত্যাহার আদেশদানকারী আদালত নিজেই বিচার করতে ইচ্ছা করলে পক্ষদের এর সম্মুখে হাজির হওয়ার জন্য দিন নির্ধারণ করবে, বা যে আদালতে মোকদ্দমা স্থানান্তর হয়েছে সে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করবেন।

২) আবেদন ব্যতীত মোকদ্দমা, আপিল ইত্যাদি স্থানান্তর হলে পূর্ব নির্ধারিত দিনে স্থানান্তর আদেশ প্রদানকারী আদালতে উপস্থিত হবে। উক্ত আদালত তখন পক্ষসমূহের স্থানান্তর বিষয়ে অবহিত করাবেন এবং পক্ষগণকে নির্ধারিত ধার্যকৃত তারিখে অথবা সুবিধা অনুসারে নিকটতম মোকদ্দমা স্থানান্তরিত আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দিবেন।

Section 24A: Appearance of parties on transfer of suit, etc.-
(1) Where any suit is transferred under section 22, or any suit, appeal or other proceeding is transferred or withdrawn under sub-section (1) of section 24 on the application of a party, the Court ordering the transfer or withdrawal shall fix a date for the appearance of the parties before itself, if the suit, appeal or other proceeding is to be tried or disposed of by itself, or before the Court to which the case is so transferred.

(2) Where any suit, appeal or other proceeding is transferred from one Court to another, otherwise than on the application of a party, the parties thereto shall appear before the Court from which the suit, appeal or other proceedings is to be transferred, on the day already fixed for their appearance before that Court, and such Court shall then communicate the order of transfer to such parties and direct them to appear before the Court to which the suit, appeal or other proceeding is to be transferred, either on the same day, or on such earliest day as may be reasonable having regard to the distance at which the other Court is located.

২,৯৯৬.
'No new trial for improper admission or rejection of evidence' -The Evidence Act, 1872 এর এই বিধান প্রযোজ্য ________।
  1. কেবল দেওয়ানী কার্যধারায়
  2. প্রশাসনিক কার্যধারায়
  3. কেবল ফৌজদারী কার্যধারায়
  4. সকল বৈচারিক কার্যধারায়
সঠিক উত্তর:
সকল বৈচারিক কার্যধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সকল বৈচারিক কার্যধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা-১৬৭: অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যানের কারণে নতুন করে বিচার হবে না (No new trial for improper admission or rejection of evidence)- সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারায় আদালত কর্তৃক অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যানের ফলাফল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারামতে আদালত অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করে থাকলে যে সাক্ষ্যের বিরুদ্ধে আপত্তি উত্থাপন করা হয়েছে, সেই সাক্ষ্য ছাড়াও যদি এমন সাক্ষ্য-প্রমাণ থাকে যা দ্বারা আদালতের সিদ্ধান্তের ন্যায্যতা প্রতিপন্ন হয়, অথবা যে সাক্ষ্য বর্জন করা হয়েছে, তা গ্রহণ করা হলেও আদালতের সিদ্ধান্তে কোন তারতম্য হতো না, তবে কেবলমাত্র অন্যায়ভাবে কোন সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করার অজুহাতে কোন মামলার পুনর্বিচার বা সিদ্ধান্ত পরিবর্তন দাবি করা যাবে না। সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারার বিধান দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলাতেই সমভাবে প্রযোজ্য ।

ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৩৭ ধারা ও দেওয়ানি কার্যবিধির ৯৯ ধারায় এরূপ বিধান আছে।
২,৯৯৭.
According to Section 78 of The Code of Civil Procedure, 1908, what is the purpose of the commissions issued by foreign courts?
  1. To collect fines or fees
  2. To handle property disputes
  3. To enforce foreign court judgments
  4. To examine the witnesses
সঠিক উত্তর:
To examine the witnesses
উত্তর
সঠিক উত্তর:
To examine the witnesses
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৭৮ ধারার বিধান: বিদেশি আদালত কর্তৃক প্রেরিত কমিশন-
নির্ধারিত এরূপ শর্তাবলি ও সীমাবদ্ধতা সাপেক্ষে, সাক্ষীদের পরীক্ষার নিমিত্তে কমিশন নির্বাহ এবং ফেরত সম্পর্কীয় বিধান নিম্নবর্ণিত আদালত কর্তৃক বা তার অনুরোধে নিযুক্ত কমিশনের ক্ষেত্রেও প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত হবে-
ক) বাংলাদেশ বহির্ভূত স্থানে অবস্থিত এবং সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত কিংবা পরিচালিত আদালতসমূহ; বা
গ) বাংলাদেশ বহির্ভূত যে কোন রাজ্য বা দেশের কোন আদালত।

Section 78- Commissions issued by foreign Courts:
Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the provisions as to the execution and return of commissions for the examination of witnesses shall apply to commissions issued by or at the instance of-
(a) Courts situate beyond the limits of Bangladesh and established or continued by the authority of Government, or
(c) Courts of any State or country outside Bangladesh
২,৯৯৮.
প্রত্যেকটি বণ্ডের অর্থের পরিমাণ মামলার পরিস্থিতি বিবেচনাপূর্বক নির্ধারণ করতে হবে এবং তা ________ হবে না।
  1. অত্যধিক
  2. কম
  3. ১০ হাজার টাকার বেশি
  4. অভিযুক্তের আর্থিক সক্ষমতার অধিক
সঠিক উত্তর:
অত্যধিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অত্যধিক
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৯৮- জামিন মঞ্জুর করার এবং অর্থের পরিমাণ হ্রাস করার ক্ষমতা

এই অধ্যায়ের অধীন সম্পাদিত প্রত্যেকটি বণ্ডের অর্থের পরিমাণ মামলার পরিস্থিতি বিবেচনাপূর্বক নির্ধারণ করতে হবে এবং তা অত্যধিক হবে না, এবং দণ্ডের পর আপীল থাকুক আর না থাকুক, হাইকোর্ট ডিভিশন বা দায়রা আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করার বা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দাবীকৃত জামিন হ্রাস করার নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।

Section 498: Power to direct admission to bail or reduction of bail
The amount of every bond executed under this Chapter shall be fixed with due regard to the circumstances of the case, and shall not be excessive; and the High Court Division or Court of Session may, in any case, whether there be an appeal on conviction or not, direct that any person be admitted to bail, or that the bail required by a police-officer or Magistrate be reduced.
২,৯৯৯.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৬১ অনুযায়ী, স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে ব্যবহৃত কোনো লেখা প্রতিপক্ষকে কখন দেখাতে হবে?
  1. কেবল আদালতের নির্দেশে
  2. প্রতিপক্ষ পক্ষ চাইলে
  3. যদি তা সরকারী দলিল হয়
  4. উল্লিখিত কোন ক্ষেত্রেই নয়
সঠিক উত্তর:
প্রতিপক্ষ পক্ষ চাইলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিপক্ষ পক্ষ চাইলে
ব্যাখ্যা
ধারা ১৬১: স্মৃতি পুনরুজ্জীবিতের জন্য ব্যবহৃত লেখার বিষয়ে প্রতিপক্ষের অধিকার-
যে লেখাগুলোর উল্লেখ পূর্ববর্তী দুই ধারার অধীনে করা হয়েছে (অর্থাৎ ধারা ১৫৯ ও ১৬০), তা যদি কোনো সাক্ষী স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে ব্যবহার করেন, তাহলে প্রতিপক্ষ পক্ষ (adverse party) চাইলে সেই লেখা উত্থাপন ও প্রদর্শন করতে হবে। প্রতিপক্ষ চাইলে উক্ত লেখার বিষয়ে সাক্ষীকে জেরা (cross-examine) করতে পারবে।

Right of adverse party as to writing used to refresh memory-
Any writing referred to under the provisions of the two last preceding sections must be produced and shown to the adverse party if he requires it: such party may, if he pleases, cross-examine the witness thereupon.
৩,০০০.
'Reversioner' বলতে কী বোঝায়?
  1. মাথাপিছু উত্তরাধিকারী
  2. ভাবী উত্তরাধিকারী
  3. পূর্ববর্তী উত্তরাধিকারী
  4. অংশপিছু উত্তরাধিকারী
সঠিক উত্তর:
ভাবী উত্তরাধিকারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাবী উত্তরাধিকারী
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ, ভারত এবং পাকিস্তানে হিন্দুদের মধ্যে দু’ধরনের উত্তরাধিকার পদ্ধতি চালু রয়েছে। যথা- দায়ভাগ পদ্ধতি এবং মিতাক্ষরা পদ্ধতি। দায়ভাগ পদ্ধতি বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আসামে প্রচলিত আছে। দায়ভাগ মতে পিন্ডদানের অধিকারী ব্যক্তি মাত্রই মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারী। যারা পিন্ড দিতে পারে তারাই মৃত ব্যক্তির ত্যাজ্য সম্পত্তির ওয়ারিশ বলা হয়। ভারতের অন্যান্য প্রদেশ এবং পাকিস্তানে মিতাক্ষরা পদ্ধতি প্রযোজ্য হয়ে থাকে।
 
উত্তরাধিকারীদের অধিকারের স্বাভাবিকভাবে পুত্রই পিতার সমগ্র সম্পত্তির একক উত্তরাধিকারী হয়। পুত্র একাধিক হলে তারা সকলে মিলে পিতার সম্পত্তিতে উত্তরাধিকার পায়। যে পুত্র মৃত তার পুত্র অর্থাত্‍ পৌত্র উত্তরাধিকার পায়। পুত্র, পৌত্র এবং প্রপৌত্র যেহেতু সমভাবে পিন্ড দেবার অধিকারী তাই তারা উত্তরাধিকারী হয়। কিন্তু পুত্র জীবিত থাকলে তার পুত্র অর্থাত্‍ পৌত্র পিন্ড দিতে পারেনা। এবং সে কারণে পুত্রের জীবমানে পৌত্র উত্তরাধিকার পায়না। প্রপৌত্রের ক্ষেত্রে ও একই কথা।
 
• বিধবাদের কথা বলা যায় যে, আগে পুত্র, পৌত্র প্রভৃতি থাকলে বিধবা আর কোন উত্তরাধিকার পেত না। বর্তমানে অর্থাত্‍‍ ১৯৩৭ সনের সম্পত্তির উপর হিন্দু নারীর অধিকার আইন পাস হবার পর বিধবাবৃন্দ জীবন স্বত্ব উত্তরাধিকার পায়। 

উত্তরাধিকার সূত্রে পুরুষ যে সম্পত্তি পায় তাতে সে সম্পূর্ণ মালিকানা অর্জন করে। কিন্তু মহিলা শুধু জীবন স্বত্ব পায়। এদের মৃত্যূর পর যার সম্পত্তি তারা পেয়েছিল তার নিকটবর্তী সপিন্ডদের নিকট চলে যায়। এ সকল নিকটবর্তী সপিন্ডদের ভাবী উত্তরাধিকারী (Reversioner) বলা হয়।