বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ২৭ / ১৫৫ · ২,৬০১২,৭০০ / ১৫,৪৭০

২,৬০১.
ফৌজদারি মামলার রিভিশন নিষ্পত্তির সময় কখন থেকে গণনা হয়?
  1. রিভিশন দাখিলের দিন থেকে
  2. রিভিশনের কারণ উদ্ভব হবার দিন থেকে
  3. পক্ষগণ আদালতে হাজির হবার দিন থেকে
  4. পক্ষগণের ওপর নোটিশ জারি হবার দিন থেকে
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণের ওপর নোটিশ জারি হবার দিন থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণের ওপর নোটিশ জারি হবার দিন থেকে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৪২ক ধারার বিধান:- আপিল ও রিভিশন নিষ্পত্তির সময়:
(১) কোন আপিল আদালত ইহার নিকট দায়েরকৃত আপিল রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করবেন।
(২) রিভিশনের ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত পক্ষগণের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে রিভিশনের কার্যক্রম নিষ্পত্তি করবেন।
(৩) এই ধারায় সময় নির্ধারণের জন্য কেবল কার্যদিবস গণনা করতে হবে।

২,৬০২.
দণ্ডবিধির ২৫৫ ধারার অধীনে কোন অপরাধের শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. জাল দলিল প্রস্তুত
  2. নকল মুদ্রা ব্যবহার
  3. মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান
  4. সরকারি স্ট্যাম্প জালকরণ
সঠিক উত্তর:
সরকারি স্ট্যাম্প জালকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারি স্ট্যাম্প জালকরণ
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ২৫৫ ধারা অনুযায়ী, সরকারি স্ট্যাম্প জালকরণ একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। যদি কেউ সরকার কর্তৃক রাজস্ব সংগ্রহের উদ্দেশ্যে ইস্যু করা স্ট্যাম্প জাল করে বা knowingly (জ্ঞাতসারে) জাল করার প্রক্রিয়ার কোনো ধাপে অংশগ্রহণ করে, তবে তাকে কঠোর শাস্তি দেওয়া হয়।

এই অপরাধের শাস্তি হিসেবে সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, অথবা ১০ বছর পর্যন্ত যে কোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড নির্ধারিত রয়েছে।


⇒ দণ্ডবিধির ২৫৫ ধারা সরকারি স্ট্যাম্প জাল করণ :- কোন ব্যক্তি যদি সরকার দ্বারা রাজস্বের উদ্দেশ্যে প্রবর্তিত কোন স্ট্যাম্প জাল করে বা জ্ঞাতসারে অনুরূপ কোন স্ট্যাম্প জাল করার প্রক্রিয়ার অংশ বিশেষ সম্পাদন করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা:- এক মূল্যের খাঁটি স্ট্যাম্পকে কোন ব্যক্তি যদি দেখতে অপর মূল্যের খাঁটি স্ট্যাম্পের মত করে লয়, তবে সে ব্যক্তি এই অপরাধ অনুষ্ঠান করে বলে পরিগণিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 255. Counterfeiting Government stamp:- Whoever counterfeits, or knowingly performs any part of the process of counterfeiting, any stamp issued by Government for the purpose of revenue, shall be punished with imprisonment for life or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

Explanation:- A person commits this offence who counterfeits by causing a genuine stamp of one denomination to appear like a genuine stamp of a different denomination.
২,৬০৩.
Section 215 of the Penal Code deals with-
  1. Receiving stolen property
  2. Harbouring an offender
  3. Taking gift to help recover stolen property
  4. Taking gift to help recover personal property
সঠিক উত্তর:
Taking gift to help recover stolen property
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Taking gift to help recover stolen property
ব্যাখ্যা

⇒ The Penal Code, 1860-Section 215. Taking gift to help to recover stolen property, etc:
Whoever takes or agrees or consents to take any gratification under pretence or on account of helping any person to recover any moveable property of which he shall have been deprived by any offence punishable under this Code, shall, unless he uses all means in his power to cause the offender to be apprehended and convicted of the offence, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

⇒ দণ্ডবিধির ২১৫ ধারার বিধান: চোরাই সম্পত্তি ইত্যাদি উদ্ধারে সহায়তা করার জন্য উপহার গ্রহণ করা:
কোন ব্যক্তি এই বিধি বলে দণ্ডনীয় কোন অপরাধহেতু যে সম্পত্তি হতে বঞ্চিত হয়েছে তাকে সে সম্পত্তি উদ্ধারে সহায়তার ভান করে বা সহায়তা করার জন্য যদি কেউ কোন পারিতোষিক গ্রহণ করে কিংবা গ্রহণ করতে স্বীকৃত বা সম্মত হয়, তবে সে যদি না অপরাধীকে গ্রেফতার ও অপরাধের জন্য দণ্ডিত করানোর জন্য তার সাধ্যায়ও সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

২,৬০৪.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা hostile witness সম্পর্কিত?
  1. ধারা ১৩৩
  2. ধারা ১৩৪
  3. ধারা ১৫৪
  4. ধারা ১৫৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫৪
ব্যাখ্যা
Hostile witness:
Hostile witness বলতে এমন একজন সাক্ষীকে বোঝায়, যিনি যিনি তাকে আদালতে ডেকে আনা পক্ষের বিরুদ্ধে বা বিরুদ্ধভাবে সাক্ষ্য দেন — অর্থাৎ যিনি তার পূর্বে দেয়া বয়ান বা প্রত্যাশিত সাক্ষ্যের বিপরীত বক্তব্য দেন এবং আদালতের কাছে অবিশ্বস্ত বা পক্ষদ্বার বিরোধী আচরণকারী হিসেবে প্রতিভাত হন।

আইনগত ভিত্তি:
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১৫৪ অনুযায়ী-
আদালত, তার বিবেচনায়, অনুমতি দিলে যে কোনো পক্ষ তার নিজ ডাকা সাক্ষীকে প্রতিকূল (hostile) হিসেবে ঘোষণা করে জেরা (cross-examine) করতে পারে।

⇒ সাক্ষ্য আইনে বৈরী সাক্ষীর কোন সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা প্রদান করা হয়নি। তবে সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারার বিধান মতে স্বীয় সাক্ষীকে বিরুদ্ধ পক্ষের মত জেরা করার বিধান আছে। আদালতের প্রচলিত ভাষায় স্বীয় সাক্ষীকে জেরা করার পুর্বে শত্রু বা বৈরী সাক্ষী বলা হয়। বৈরী সাক্ষীকে জেরা করতে হলে আদালতের অনুমতি নিতে হয়। আদালত যদি মনে করেন যে, আহ্বানকারী পক্ষের প্রতি সাক্ষীর কথাবার্তা শত্রু পক্ষের মত হয়ে গেছে, তাহলে আদালত আহ্বানকারী পক্ষকে বিরুদ্ধ পক্ষের ন্যায় তার নিজ সাক্ষীকে জেরা করার অনুমতি দিতে পারেন। সাক্ষীকে জেরা করতে দেওয়ার অধিকার আদলতের বিবেচনার উপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
২,৬০৫.
দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অনুসারে, কোনো ব্যক্তিকে সহায়তা প্রদান বলা হবে যদি—
  1. সে ব্যক্তি কাউকে উক্ত ব্যাপারে প্ররোচনা দেয়
  2. সে ব্যক্তি অন্যদের সাথে চক্রান্তে লিপ্ত হয়
  3. সে ব্যক্তি বেআইনীভাবে কোনো কাজ করা থেকে বিরত রাখে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১০৭ ধারার বিধান: কোন ব্যাপারে সহায়তা প্রদান:
কোন ব্যক্তি কোন ব্যাপারে সহায়তা দান করেছে বলে পরিগণিত হয়, যদি সে ব্যক্তি-
প্রথমত :- কোন ব্যক্তিকে উক্ত ব্যাপারে প্ররোচনা দেয়;
দ্বিতীয়ত :- উক্ত কাজটি করার জন্য কোন ব্যক্তির বা ব্যক্তিদের সাথে কোন চক্রান্তে লিপ্ত হয়, যার ফলে চক্রান্ত অনুযায়ী কোন কাজ করা হয় অথবা কোন কাজ করা হতে বেআইনীভাবে বিরত থাকা হয় এবং উক্ত কাজ করার জন্য তা করা হয়;
তৃতীয়ত :- কোন কাজ করে অথবা বেআইনীভাবে কোন কাজ করা হতে বিরত থেকে উপযুক্ত কার্যে ইচ্ছাকৃতভাবে সহায়তা করে।

ব্যাখ্যা ১:- কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাপূর্বক কোন বাস্তব গুরুত্বসম্পন্ন ঘটনার, যা প্রকাশ করতে সে বাধ্য-ভ্রান্ত বিবরণ প্রকাশ করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক উহা গোপন করে কোন কাজ করে বা করায় অথবা কোন কাজ করার বা করানোর চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি উক্ত কাজ সংঘটনে প্ররোচনা দেয় বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা ২:- যে ব্যক্তি কোন কাজ সম্পাদনের সময় বা তার পূর্বে উক্ত কাজ সম্পাদন সুগমকল্পে কোন কিছু করে, এবং তদ্বারা উহার সম্পাদন সুগম করে, সে ব্যক্তি উক্ত কাজ সম্পাদনের সহায়তা করে বলে অভিহিত হবে।
২,৬০৬.
সোলে বা আপস ডিক্রি (Compromise Decree) বা সম্মতিসূচক ডিক্রি (Consent Decree) এর বিরুদ্ধে প্রতিকার হলো-
  1. আপীল
  2. রিভিশন
  3. ডিক্রি বাতিলের আবেদন
  4. উপরের কোনটি না
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ (৩) ধারা অনুযায়ী পক্ষগণের সম্মতিতে আদালত কোন ডিক্রি প্রদান করে থাকলে তার হতে কোন আপীল চলবে না।
⇒   অর্থাৎ পক্ষগণের সম্মতিতে (Compromise Decree) আদালত কোন ডিক্রি দান করলে তার বিরুদ্ধে আপিল চলে না। যেহেতু আপীল চলবে না তাই রিভিশেন করা যাবে।
⇒  আদেশ ২৩ (৩) বিধির অধীন সোলে বা আপস ডিক্রি [compromise] বা সম্মতিসূচক [consent decree] ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল করা যায় না তবে রিভিশন করা যায়। কিন্তু ৮৯ক ধারার অধীন মধ্যস্থতার [Mediation] মাধ্যমে পক্ষগণের মধ্যে মীমাংসা অনুযায়ী আদালত যে ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করে, উক্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীল বা রিভিশন কোনটি করা যায় না। যা ৮৯ক(১২) ধারায় উল্লেখ করা আছে।

⇒  দেওয়ানি মোকদ্দমার আপিল আদালত দুটি। ১) জেলা জজ আদালত ২) হাইকোর্ট বিভাগ।
২,৬০৭.
মোকদ্দমা চলাকালীন সময়ে বিষয়বস্তু স্থিতিবস্থা বজায় রাখার জন্য আদালত কোন নিষেধাজ্ঞা প্রদান করিবেন?
  1. Temporary Injunction,
  2. Prohibitory Injunction,
  3. Perpetual Injunction,
  4. Mandatory Injunction,
সঠিক উত্তর:
Temporary Injunction,
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Temporary Injunction,
ব্যাখ্যা
⇒ নিষেধাজ্ঞা হল একটি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম যেখানে কোন পক্ষকে নির্দিষ্ট কোন কাজ করা বা করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়।
সহজ ভাষায় বলতে গেলে, কোনো কিছু করা হতে মামলার পক্ষগণকে বিরত রাখা বা মামলা করার পর কোনো পক্ষের করা কাজের জন্য পরিবর্তিত কোনো সম্পত্তিকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনাকে ইনজাংশন বা নিষেধাজ্ঞা বলে।

⇒  নিষেধাজ্ঞার প্রধানত দুই প্রকার হতে পারে। যথাক্রমে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ও অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা। স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অনন্তকালের জন্য চলতে পারে। মামলার রায় চূড়ান্ত আদেশ হওয়ার পর এই নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়।

⇒  মামলা চলাকালীন সময়ে বিবাদী যাতে মামলার বিষয়বস্তু হস্তান্তর বা কোন প্রকার রূপান্তর ঘটাতে না পারে সেই জন্য মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিবাদীকে এই কাজ হতে বিরত থাকার জন্য সাময়িকভাবে যে আদেশ দেয়া হয় তাকে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বলে।

⇒  দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৯ আদেশের বিধি-১ বা বিধি-২ অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার পিটিশন দাখিল করতে হয়।

⇒  অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রার্থনার সময় আবেদনকারীকে কিছু বিষয় প্রমাণ করতে হবে –
(১) আবেদনকারীকে অবশ্যই (Prima facie case) প্রমাণ করতে হবে। সংক্ষেপে বলতে গেলে মামলার গ্রহণযোগ্যতা প্রমাণ করতে হবে।
(২) আবেদনকারী আদালতকে এই মর্মে সন্তুষ্ট করবে যে অস্থায়ী নিষেধজ্ঞার আবেদন গ্রহণ করা না হলে অপূরণীয় ক্ষতি (Irreparable loss) হবার সম্ভাবনা আছে। যেখানে অপূরণীয় ক্ষতি বলতে সেই ক্ষতিকে বুঝাবে যা অর্থ দিয়ে পূরণ করা সম্ভব নয়।
(৩) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন গ্রহণ করার ক্ষেরে আদালত (The balance of convenience and inconvenience of the Parties) বিবেচনা করেন। তাই আবেদনকারীকে সুবিধা এবং অসুবিধার ভারসাম্য আদালতে উপস্থাপন করতে হবে।
(৪) জনস্বার্থে আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করা যায়। যা সাধারণত সরকারের বিপক্ষে করা হয়। সেই ক্ষেত্রে জনস্বার্থ (Public interest) বিষয়টি কার্যকর ভাবে উপস্থাপন করতে হবে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫৩ ধারার মতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:-অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হচ্ছে তেমন নিরোধ যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোন পর্যায়েই তা মঞ্জুর করা যায় এবং তা দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়।

চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবলমাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়। যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।
--------- 
⇒ Section 53 Temporary injunctions: Temporary injunctions are such as are to continue until a specified time, or until the further order of the Court. They may be granted at any period of a suit, and are regulated by the Code of Civil Procedure.
 
Perpetual injunctions: A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit, the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.
২,৬০৮.
What is the basis of elections to the Bangladesh Parliament?
  1. Indirect voting
  2. Adult franchise
  3. Presidential appointment
  4. Proportional representation
সঠিক উত্তর:
Adult franchise
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Adult franchise
ব্যাখ্যা
Article 122: Qualifications for registration as voter:
(1) The elections to Parliament shall be on the basis of adult franchise. 
 
(2) A person shall be entitled to be enrolled on the electoral roll for a constituency delimited for the purpose of election to the Parliament, if he - 
(a) is a citizen of Bangladesh; 
(b) is not less than eighteen years of age; 
(c) does not stand declared by a competent court to be of unsound mind ; 
(d) is or is deemed by law to be a resident of that constituency ; and 
(e) has not been convicted of any offence under the Bangladesh Collaborators (Special Tribunals) Order, 1972.

অনুচ্ছেদ - ১২২: ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা:
১. প্রাপ্ত বয়স্কের ভোটাধিকারের-ভিত্তিতে সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

২. কোন ব্যক্তি সংসদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত কোন নির্বাচনী এলাকায় ভোটার-তালিকাভুক্ত হবার অধিকারী হবেন, যদি -
(ক) তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হন;
(খ) তাঁর বয়স ১৮ বৎসরের কম না হয়;
(গ) কোন যোগ্য আদালত কর্তৃক তাঁর সম্পর্কে অপ্রকৃতিস্থ হিসেবে ঘোষণা বহাল না থাকে;
(ঘ) তিনি ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বা আইনের দ্বারা ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বিবেচিত হন; এবং
(ঙ) তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের (দালাল আইন) অধীন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত না হয়ে থাকেন।
২,৬০৯.
নিম্নের কোন দলিলটি মাধ্যমিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হয়?
  1. মূল বিক্রয় দলিল
  2. মূল বন্ধকী দলিল
  3. মূল বিক্রয় দলিলের ফটোগ্রাফ
  4. মূল বিক্রয় দলিলের খসড়া
সঠিক উত্তর:
মূল বিক্রয় দলিলের ফটোগ্রাফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল বিক্রয় দলিলের ফটোগ্রাফ
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্যের বিধান রয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারা অনুসারে মূল দলিল আদালতে হাজির না করে মূল দলিলের প্রতিলিপি বা অনুলিপি আদালতে উপস্থাপন করাকে মাধ্যমিক সাক্ষ্য বা Secondary Evidence বলে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারার বিধান মাধ্যমিক সাক্ষ্যঃ- মাধ্যমিক সাক্ষ্য অর্থ এবং তাহার অন্তর্ভূক্ত হয়ঃ
(১) বর্ণিত বিধানবলী অনুসারে প্রদত্ত জাবেদা নকল;
(২) মূল দলিল হইতে এইরুপ যান্ত্রিক উপায়ে প্ৰস্তুত নকল, যাহাতে নকলের নির্ভুলতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায় এবং এইরুপ নকলের সহিত মিলাইয়া লওয়া অন্য নকল;
(৩) মূল দলিল হইতে প্রস্তুত করা অথবা মূল দলিলের সহিত মিলাইয়া লওয়া নকল;
(৪) কোন দলিলের প্রতিলিপি যে পক্ষ উক্ত দলিল সম্পাদন করে নাই, তাহার বিরুদ্ধে উহা ব্যবহারের ক্ষেত্রে;
(৫) যে ব্যক্তি নিজের কোন দলিল দেখিয়াছে, তাহার দেওয়া উক্ত দলিলের বিসয় বস্তু সম্পর্কে মৌক্ষিক বিবরণ।

উদাহরণঃ
(ক) একটি মূল দলিলের সহিত উহার ফটোগ্রাফ মিলাইয়া দেখা না হইয়া থাকিলেও যদি প্রমাণ করা হয় যে, ফটোগ্রাফটি যে দলিলের ফটোগ্রাফ, তাহাই মূল দলিল; তবে উক্ত ফটোগ্রাফ উক্ত মূল দলিলের মাধ্যমিক সাক্ষ্য বলিয়া গণ্য হইবে।

⇒ অর্থাৎ মূল বিক্রয় দলিলের ফটোগ্রাফ মাধ্যমিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হয়।
২,৬১০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় বিচার কার্যক্রমের কোন পর্যায়ে আদালত কর্তৃক অভিযুক্তকে পরীক্ষা করার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. মামলার কার্যক্রমের শেষ পর্যায়ে
  2. প্রসিকিউশন পক্ষের সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণের পূর্বে
  3. প্রসিকিউশন পক্ষের সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে
  4. আসামীকে আত্মপক্ষ সমর্থনের আহ্বান জানাবার পর
সঠিক উত্তর:
প্রসিকিউশন পক্ষের সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রসিকিউশন পক্ষের সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারা অনুযায়ী-

আদালত আসামীকে পরীক্ষা করতে পারবে। পরীক্ষা করতে পারবে অর্থ হলো প্রসিকিউশন পক্ষের সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে এবং আসামীকে আত্মপক্ষ সমর্থনের আহ্বান জানাবার পূর্বে আদালত আসামীকে মামলা সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্ন করতে পারবে যেন আসামী তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যে উত্থাপিত কোন বিষয় বিশ্লেষণ করতে সক্ষম হয়। 
আদালত মামলার বিচার বা অনুসন্ধানের পূর্বে যেকোনো সময়ে এবং আসামীকে কোন পূর্ব সতর্ক করা ছাড়া, আদালত আসামীকে এমন প্রশ্ন করতে পারে। কিন্তু এটা অবশ্যই আসামীকে তার আত্মপক্ষ সমর্থনে আহ্বান করার পূর্বে করতে হবে।
 
৩৪২ ধারা অনুযায়ী আদালত আসামীর নিকট যে প্রশ্ন করে, আসামী এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করলে বা মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে, সে শাস্তির জন্য দায়ী হবে না। কিন্তু আদালত এই ক্ষেত্রে অনুমান করতে পারে। এক্ষেত্রে কোনো শপথ গ্রহণ করা হয় না।
২,৬১১.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৭, বিধি ৪ অনুযায়ী পুনর্বিবেচনার আবেদন মঞ্জুর করার পূর্বে আদালতকে কী করতে হবে?
  1. প্রতিপক্ষকে নোটিশ দিতে হবে
  2. উচ্চ আদালতের অনুমোদন নিতে হবে
  3. আবেদনটি পুনরায় যাচাই করতে হবে
  4. আবেদনকারীর কাছ থেকে জরিমানা আদায় করতে হবে
সঠিক উত্তর:
প্রতিপক্ষকে নোটিশ দিতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিপক্ষকে নোটিশ দিতে হবে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ৪৭, বিধি ৪(২)(ক) অনুসারে, পুনর্বিবেচনার আবেদন মঞ্জুর করার পূর্বে আদালতকে প্রতিপক্ষকে (opposite party) নোটিশ দিতে হবে। এই নোটিশের মাধ্যমে প্রতিপক্ষকে আদালতে উপস্থিত হয়ে ডিক্রি বা আদেশের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপনের সুযোগ দেওয়া হয়। অন্য অপশনগুলো (যেমন উচ্চ আদালতের অনুমোদন নেওয়া, জরিমানা আদায় ইত্যাদি) এই বিধির অধীনে বাধ্যতামূলক নয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮, আদেশ–৪৭, বিধি–৪ : আবেদন বাতিল বা মঞ্জুর করার নিয়ম:
(১) যখন আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে পুনর্বিবেচনার (review) আবেদনের জন্য যথেষ্ট কারণ বা ভিত্তি নেই, তখন আদালত উক্ত আবেদন বাতিল করবে।
(২) যদি আদালতের মতে পুনর্বিবেচনার আবেদন মঞ্জুর করা উচিত হয়, তবে আদালত উক্ত আবেদন মঞ্জুর করতে পারবে,
তবে নিম্নলিখিত শর্তাবলি প্রযোজ্য হবে—
(ক) উক্ত আবেদন মঞ্জুর করার পূর্বে প্রতিপক্ষকে (opposite party) নোটিশ দিতে হবে, যাতে সে উপস্থিত হয়ে সেই ডিক্রি বা আদেশের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করতে পারে, যার পুনর্বিবেচনা চাওয়া হয়েছে; এবং
(খ) যদি আবেদনকারী দাবি করেন যে নতুন কোনো তথ্য বা প্রমাণ উদ্ঘাটিত হয়েছে, যা ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের সময় তার জ্ঞাত ছিল না বা পেশ করা সম্ভব ছিল না, তবে সে ক্ষেত্রে উক্ত দাবির কঠোর প্রমাণ (strict proof) ব্যতিরেকে কোনো আবেদন মঞ্জুর করা যাবে না।

২,৬১২.
‘A’ রেলপথে টিকিট ছাড়া ভ্রমণের অভিযোগে অভিযুক্ত। কার ওপর প্রমাণের দায়িত্ব থাকবে যে, তার কাছে টিকিট ছিল?
  1. পুলিশ
  2. আদালত
  3. রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের
  4. অভিযুক্ত ‘A’-এর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত ‘A’-এর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত ‘A’-এর
ব্যাখ্যা

• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১০৬ ধারা অনুযায়ী,
কোনো বিষয় যখন বিশেষ ভাবে কোনো ব্যক্তির অবগতির মধ্যে থাকে, তখন সেই বিষয় প্রমাণ করার দায়িত্ব তার উপরই ন্যস্ত থাকে। অর্থাৎ, কোনো একটি ঘটনা বা বিষয় যখন নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির জানার কথা বা নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি ব্যতীত অন্যরা জানার কথা নয়, তখন ঐ ব্যক্তির উপরই প্রমাণ করার দায়িত্ব বর্তাবে।

⇒ এই ধারা অনুসারে, 'A'-কেই প্রমাণ দিতে হবে যে, তার কাছে টিকেট ছিল।

২,৬১৩.
একজন মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট সর্বোচ্চ কত টাকা জরিমানা আরোপ করতে পারেন?
  1. ৫০০০ টাকা
  2. ৩০০০ টাকা
  3. ১০,০০০ টাকা
  4. ২০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ৩১ ধারায় বলা হয়েছে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকার জরিমানা অর্থদন্ড দিতে পারে।
২,৬১৪.
নিচের কোন অপরাধের জন্য দণ্ডবিধির ৪১৯ ধারায় শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. বিশ্বাসঘাতকতা
  2. প্রতারণার
  3. মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান
  4. অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা
সঠিক উত্তর:
অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারার বিধান অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা:- কোন ব্যক্তি যদি নিজেকে অন্য কোন ব্যক্তি বলে প্রতারণা করে অথবা জ্ঞাতসারে কোন ব্যক্তিকে অন্য ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে অথবা নিজেকে বা অন্য কোন ব্যক্তিকে সে নিজে বা সে ব্যক্তি অন্য যে ব্যক্তি নয় সে ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে, তবে উক্ত ব‍্যক্তি অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে বলে গণ্য হয়।
ব্যাখ্যা :- যে ব্যক্তির রূপ ধারণ করা হয়েছে সে ব্যক্তি প্রকৃত ব্যক্তি হোক আর কাল্পনিক ব্যক্তি হোক না কেন অপরাধটি অনুষ্ঠিত হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১৯ ধারার বিধান অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করার শাস্তি:- কোন ব্যক্তি যদি অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করে, তবে উক্ত লোক তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
----------------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section 416. Cheating by personation:
 A person is said to "cheat by personation" if he cheats by pretending to be some other person, or by knowingly substituting one person for another, or representing that he or any other person is a person other than he or such other person really is. 
Explanation.-The offence is committed whether the individual personated is a real or imaginary person. 

⇒ The Penal Code, 1860-Section-419. Punishment for cheating by personation:
-Whoever cheats by personation shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
২,৬১৫.
"আমলযোগ্য অপরাধ" ও "আমলযোগ্য মামলা" সংজ্ঞাটি The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারায় দেওয়া আছে?
  1. ধারা ৪(১)(গ)
  2. ধারা ৪(১)(ঙ)
  3. ধারা ৪(১)(চ)
  4. ধারা ৪(১)(জ)
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪(১)(চ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪(১)(চ)
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি- ধারা: ৪(১) এর (চ):
"আমলযোগ্য অপরাধ" বলতে এমন অপরাধ বোঝায় এবং "আমলযোগ্য মামলা" বলতে এমন মামলা বোঝায়, যার ক্ষেত্রে পুলিশ অফিসার দ্বিতীয় তফসিল অনুযায়ী বা প্রচলিত কোনো আইনের অধীনে পরোয়ানা ব্যতীত গ্রেফতার করতে পারেন।

["cognizable offence" means an offence for, and "cognizable case" means a case in, which a Police-officer, may, in accordance with the second schedule or under any law for the time being in force, arrest without warrant:]
২,৬১৬.
দণ্ডবিধির ধারা ৩১২-এর অধীনে কোন ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য হবে যদি সে:
  1. গর্ভপাত সম্পর্কে জানে
  2. গর্ভপাতের সময় সাহায্য করে
  3. ইচ্ছাকৃতভাবে গর্ভপাত ঘটায়
  4. গর্ভপাতের বিষয়ে পরামর্শ দেয়
সঠিক উত্তর:
ইচ্ছাকৃতভাবে গর্ভপাত ঘটায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইচ্ছাকৃতভাবে গর্ভপাত ঘটায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৩১২- গর্ভপাতকরণ:
কোন লােক যদি, ইচ্ছাকৃতভাবে কোন গর্ভবতী স্ত্রীলােকের গর্ভপাত করায়, এরূপ গর্ভপাত সদবিশ্বাসে ঐ স্ত্রীলােকের জীবন রক্ষার উদ্দেশ্যে না করা হয়ে থাকে, তা হলে সে লোক যে কোন বর্ণণার কারাদণ্ডে-যার মেয়াদ তিন বৎসর হতে পারে বা জরিমানা দণ্ডে বা উভয় প্রকার দণ্ডে দণ্ডিত হবে ও যদি ঐ স্ত্রীলােকটি আসন্ন প্রসবা হয়, তা হলে সে লােক যেকোন বর্ণনার কারাদণ্ডে- যার মেয়াদ সাত বৎসর পর্যন্ত হতে পারে- দণ্ডিত হবে ও এতদ্ব্যতীত জরিমানাদণ্ডেও শাস্তিযােগ্য হবে।

ব্যাখ্যাঃ যে স্ত্রীলােক নিজে থেকে গর্ভপাত করে সে স্ত্রীলােকও এই ধারার তাৎপর্যাধীন হবে।

Section 312: Causing miscarriage:
Whoever voluntarily causes a woman with child to miscarry, shall, if such miscarriage be not caused in good faith for the purpose of saving the life of the woman, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both; and, if the woman be quick with child, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine. 
 
Explanation.-A woman who causes herself to miscarry, is within the meaning of this section.
২,৬১৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় মোট কয়টি ব্যাখ্যা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে?
  1. ৭ টি
  2. ৪ টি
  3. ৫ টি
  4. ৬ টি
সঠিক উত্তর:
৬ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১১ তে Principle of Res judicata আছে। একই ব্যক্তিগণের মধ্যে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হওয়া বিষয় নিয়ে পুনরায় নতুন মামলা করা যায় না।
অর্থাৎ মোকদ্দমার পক্ষদ্বয়ের মাঝে চূড়ান্তভাবে কোন বিষয় নিষ্পত্তি হলে ঐ একই বিষয় নিয়ে একই পক্ষদ্বয়ের মাঝে পরবর্তীতে পুনরায় নতুন করে কোন মামলা করা যাবে না। এই নীতিকেই রেস জুডিকাটা বা দোবারা দোষ বলে ।
- দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় Res-Judicata শব্দটি শিরোনামে ১ বার ব্যবহৃত হয়েছে। এর অর্থ: দোবারা-দোষ, পূর্ববিচারিত, আদালত কর্তৃক নিষ্পত্তিকৃত বিষয়।
এটি ২ প্রকার:
(১) প্রত্যক্ষ দোবারা দোষ
(২) পরোক্ষ দোবারা দোষ।

- দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় ৬টি ব্যাখ্যা [Explanation] রয়েছে:-
১ম ব্যাখ্যা: Former Suit [পূর্ববর্তী মোকদ্দমা]।
২য় ব্যাখ্যা: Competence of a Court [কোর্টের বিচার করার ক্ষমতা]
৩য় ব্যাখ্যা: Direct Res-Judicata [প্রত্যক্ষ দোবারা দোষ]।
৪র্থ ব্যাখ্যা: Constructive Res-Judicata [পরোক্ষ দোবারা দোষ]।
৫ম ব্যাখ্যা: প্রার্থিত প্রতিকার মঞ্জুর না হলে প্রত্যাখ্যান বলে গণ্য হবে না।
৬ষ্ঠ ব্যাখ্যা: Litigation for Public Rights.
---------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 section-11. Res Judicata:
No Court shall try any suit or issue in which the matter directly and substantially in issue has been directly and substantially in issue in a former suit between the same parties, or between parties under whom they or any of them claim, litigating under the same title, in a court competent to try such subsequent suit or the suit in which such issue has been subsequently raised, and has been heard and finally decided by such Court. 
Explanation I. -The expression "former suit" shall denote a suit which has been decided prior to the suit in question whether or not it was instituted prior thereto. 
Explanation II. -For the purposes of this section, the competence of a Court shall be determined irrespective of any provisions as to a right of appeal from the decision of such Court. 
Explanation III. -The matter above referred to must in the former suit have been alleged by one party and either denied or admitted, expressly or impliedly, by the other. 
Explanation IV. -Any matter which might and ought to have been made ground of defence or attack in such former suit shall be deemed to have been a matter directly and substantially in issue in such suit. 
Explanation V. -Any relief claimed in the plaint, which is not expressly granted by the decree, shall, for the purposes of this section, be deemed to have been refused. 
Explanation VI.-Where persons litigate bona fide in respect of a public right or of a private right claimed in common for themselves and others, all persons interested in such right shall, for the purposes of this section, be deemed to claim under the persons so litigating.
২,৬১৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির বিধানানুযায়ী কোনো ব্যক্তির প্রতি জারি বা প্রদত্ত সকল আদেশ এবং নোটিশ _________ হবে।
  1. মৌখিক
  2. লিখিত
  3. মৌখিক বা লিখিত
  4. আদালতের নির্ধারিত পদ্ধতি অনুযায়ী
সঠিক উত্তর:
লিখিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিখিত
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪২ ধারা: আদেশ ও নোটিশ লিখিত হতে হবে:
এই আইনের বিধানানুযায়ী কোনো ব্যক্তির প্রতি জারি বা প্রদত্ত সকল আদেশ এবং নোটিশ লিখিতভাবে হবে।

Section 142: Orders and notices to be in writing:
All orders and notices served on or given to any person under the provisions of this Code shall be in writing.
২,৬১৯.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসারে আরজি নাকচের সিদ্ধান্ত হচ্ছে একটি-
  1. আদেশ
  2. ডিক্রি
  3. প্রাথমিক সিদ্ধান্ত
  4. চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(২) মোতাবেক- আরজি ত্রুটিযুক্ত হলে আদালত আরজি খারিজ বা আরজি নাকচ  করেন এবং আরজি খারিজ একটি ডিক্রি বিধায় এর বিরুদ্ধে ৯৬ ধারায় আপিল করা যায়। উল্লেখ্য আরজি ফেরতের সিদ্ধান্ত একটি আদেশ। আদেশ অন্তবর্তীকালীন বা চূড়ান্ত হতে পারে। ডিক্রী প্রাথমিক বা চূড়ান্ত হতে পারে। আরজি ফেরতের সিদ্ধান্ত একটি আদেশ হলেও এটি ১০৪ ধারায় আপীল যোগ্য।
২,৬২০.
প্রকাশ্যে মাতাল ব্যক্তির অশুভ আচরণ এর জন্য শাস্তি কী?
  1. এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং 100 টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড
  2. ২৪ ঘন্টা পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড দশ টাকা জরিমান
  3. ২৪ ঘন্টা পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড
  4. একদিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং 50 টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ড
সঠিক উত্তর:
২৪ ঘন্টা পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ ঘন্টা পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৫১০ ধারা অনুযায়ী প্রকাশ্যে মাতাল ব্যক্তির অশুভ আচরণ এর জন্য শাস্তি হতে পারে ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা 10 টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড। ৫১০ ধারাটিতে দণ্ডবিধির সর্বনিম্ন শাস্তি উল্লেখ আছে।

♦ দণ্ডবিধির ৫১০ ধারা অনুযায়ী নেশাগ্রস্থ ব্যক্তি দ্বারা প্রকাশ্যে অসদাচরণ:- কোন ব্যক্তি যদি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় কোন প্রকাশ্য স্থানে গমন করে, বা যে স্থানে প্রবেশ করা তার পক্ষে অনধিকার প্রবেশ, সে স্থানে প্রবেশ করে এবং সে স্থানে এমন আচরণ করে, যার ফলে কারো বিরক্তি ঘটে, তবে সে ব্যক্তি চব্বিশ ঘন্টা পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা দশ টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

----------------------------------------------------------------------- 
♦ Section 510. Misconduct in public by a drunken person :- Whoever, in a state of intoxication appears in any public place, or in any place which it is a trespass in him to enter, and there conducts himself in such a manner as to cause annoyance to any person, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to twenty-four hours, or with fine which may extend to ten taka, or with both.
২,৬২১.
ক্ষতিপূরণ মামলার ক্ষেত্রে কখন থেকে মামলার তামাদির মেয়াদ শুরু হয়?
  1. ক্ষতিকর কাজটি যখন করা হয়
  2. যখন ক্ষতি সাধিত হয়
  3. যখন মামলা করার কারণ উদ্ভব হয়
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের ২৪ ধারায় বলা আছে- কোন ক্ষতি সাধিত না হলে বা কোন মামলা করার কারণ উদ্ভব হবার আগ পর্যন্ত তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে না।

• তামাদি আইনের ২৪ ধারার বিধান মতে, যে কাজের দ্বারা বাস্তবিক পক্ষে কোন নির্দিষ্ট ক্ষতি সাধিত না হলে কোন মামলার কারণ উদ্ভূত হয় না, সে কাজের দরুণ ক্ষতিপূরণ মামলার জন্য যখন ক্ষতি সাধিত হয় তখন থেকে তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হয়।

Section 24: Suit for compensation for act not actionable without special damage-
In the case of a suit for compensation for an act which does not give rise to a cause of action unless some specific injury actually results therefrom, the period of limitation shall be computed from the time when the injury results.
২,৬২২.
অপরাধমূলক অনাধিকার প্রবেশ বলা হয়-
  1. অপথে গৃহে প্রবেশ
  2. রাত্রিবেলা অপথে গৃহে প্রবেশ
  3. সংগোপনে অনধিকার গৃহপ্রবেশ
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৪৪১ ধারায় অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশের বিধান রয়েছে।
• অন্যের সম্পত্তিতে অন্যায়ভাবে অনুপ্রবেশের পর বিরক্তি সৃষ্টি বা ভয় দেখানো অথবা অপরাধ সংঘটনের অভিপ্রায় থাকলে তাকে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ বা Criminal Trespass বলে।
• অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ ৫ প্রকার। যথা--
(i) অনধিকার গৃহপ্রবেশ (House trespass);
(ii) সংগোপনে অনধিকার গৃহপ্রবেশ (Lurking house trespass); 
(iii) রাত্রি বেলায় সংগোপনে অনধিকার গৃহপ্রবেশ (Lurking house trespass by night);
(iv) অপথে গৃহে প্রবেশ (House breaking); এবং
(v) রাত্রি বেলায় অপথে গৃহে প্রবেশ (House breaking by night)।
২,৬২৩.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে কয় প্রকার রেহেনের উল্লেখ রয়েছে?
  1. ৮ প্রকার
  2. ৬ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৯ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৬ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ প্রকার
ব্যাখ্যা
• নগদ অর্থ ঋণ হিসেবে গ্রহণের নিশ্চয়তার উদ্দেশ্যে ভবিষ্যত দেনা সৃষ্টি করতে পারে, এমন সম্পত্তির স্বত্ব অপরের নিকট হস্তান্তর করাকে রেহেন বা বন্ধক বলে।

সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে ৬ প্রকার রেহেনের উল্লেখ রয়েছে।

ক) সাধারণ রেহেন :
সম্পত্তির দখল হস্তান্তর না করে রেহেনের টাকা ব্যক্তিগতভাবে পরিশােধের দায়িত্ব গ্রহণ করলে তাকে সাধারণ রেহেন বলে। এখানে শর্ত থাকে চুক্তি মােতাবেক ঋণ গ্রহীতা টাকা পরিশােধ করতে না পারলে ঋণদাতা উক্ত সম্পত্তি বিক্রয় করে তার প্রাপ্য টাকা গ্রহণ করতে পারবে।

(খ) শর্তাধীন বিক্রয়ের মাধ্যমে রেহেন :
যদি কোন সম্পত্তি এই শর্তে বিক্রয় করা হয় যে, নির্দিষ্ট তারিখে টাকা পরিশােধ না করলে বিক্রয় চূড়ান্ত হবে অর্থাৎ নির্দিষ্ট সময়ে টাকা পরিশােধ করলে বিক্রয় বাতিল হবে তাহলে তাকে শর্তাধীন বিক্রয়ের মাধ্যমে নেহেন বলে।

(গ) খাই খালাসী রেহেন :
দাতা সম্পত্তির দখল গ্রহীতাকে প্রদান করবে, টাকা পরিশােধ না হওয়া পর্যন্ত দখল রাখবে তাকে খাই খালাসী রেহেন বলে ।

(ঘ) ইংলিশ রেহেন :
দাতা নির্দিষ্ট তারিখে রেহেনের টাকা পরিশােধের অঙ্গীকার করে সম্পত্তি গ্রহীতার নিকট হস্তান্তর করবে। শর্ত থাকবে নির্দিষ্ট তারিখে টাকা পরিশােধ করলে গ্রহীতা দাতাকে সম্পত্তি ফিরিয়ে দিবে। এটি হলাে ইংলিশ রেহেন।

(ঙ) দলিল জমা দেওয়ার রেহেন :
ঢাকা, নারায়নগঞ্জ, চট্টগ্রাম শহরে বা সরকারী গেজেট দ্বারা নির্ধারিত অন্য কোন শহরে কোন ব্যক্তি যখন মহাজন বা তার প্রতিনিধির উপর জামানত সৃষ্টির জন্য দলিল জমা দেয়া হয় তাকে দলিল জমা দেওয়ার রেহেন বলে।

(চ) সংজ্ঞাহীন রেহেন :
যে রেহেন উপরােক্ত কোন রেহেনের অন্তর্ভুক্ত হয় না তাকে সংজ্ঞাহীন রেহেন বলে ।
২,৬২৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের  ২১ক ধারা অনুসারে, কোন ধরণের চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না?
  1. যেকোনো মৌখিক চুক্তি
  2. রেজিস্ট্রি‑কৃত স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়‑চুক্তি
  3. অরেজিস্ট্রিকৃত স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়‑চুক্তি
  4. অরেজিস্ট্রিকৃত অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়‑চুক্তি
সঠিক উত্তর:
অরেজিস্ট্রিকৃত স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়‑চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অরেজিস্ট্রিকৃত স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়‑চুক্তি
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারার বিধান- অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে অকার্যকরযোগ্য:
এই আইন কিংবা বিদ্যমান অন্য কোন আইন বিপরীত কোন বিধান থাকলেও কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রিয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য হবে না, যদি না-
(ক) চুক্তিটি লিখিত এবং ১৯০৮ সালের চুক্তি আইনের অধীন রেজিস্ট্রেশন হয়, হস্তান্তর গ্রহীতা ঐ সম্পত্তির কিংবা তার কোন অংশ দখল গ্রহণ করুক বা না করুক; এবং
(খ) চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করার নিমিত্ত চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মোকদ্দমাটি রুজুর কালে আদালতে জমা দেয়া হয়।
২,৬২৫.
Penal Code-এর অধীনে Criminal Breach of Trust এর শাস্তি কী?
  1. ৩ বছর কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড ও উভয়দণ্ড
  2. ৩ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  3. ২ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  4. যে কোনো বর্ণনার ৭ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৩ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
ব্যাখ্যা
♦ ৪০৬ ধারায় Criminal Breach of Trust এর শাস্তি বলা আছে যা ৩ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
২,৬২৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৭ ধারায় আদালতকে কখন অভিযোগ পরিবর্তনের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে?
  1. রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময়
  2. রায় কার্যকরের পূর্বে যেকোন সময়
  3. যুক্তিতর্ক শ্রবণের পূর্বে যেকোন সময়
  4. সাক্ষীদের জবানবন্দী নেয়ার পূর্বে যেকোন সময়
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২৭ আদালতকে অভিযোগ পরিবর্তনের ক্ষমতা দিয়েছে। রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময় আদালত অভিযোগ পরিবর্তন বা নতুন অভিযোগ করতে পারবেন। 

⇒ ফৌজদারি মামলায় একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি কি ধরণের অপরাধ করেছে এবং কার বিরুদ্ধে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে তা চার্জ হতেই জানা যায়। 
অভিযুক্ত ব্যক্তি যে অপরাধ সংগঠিত করেছেন, সেই অভিযোগ চার্জে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে এবং আইনে সেই অপরাধে কোন নির্দিষ্ট নাম থাকলে তাও উল্লেখ করতে হবে।
সুতরাং বলা যায়, চার্জ হল কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সংক্ষিপ্ত বিবরণ যার প্রকৃতি সম্পর্কে অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রাথমিক স্তরে জানার অধিকারী।ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২১-২৪০ পর্যন্ত চার্জের গঠন এবং বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৭ ধারার বিধান-অভিযোগে অপরাধের বর্ণনা বা অন্য কোন তথ্য পরিবেশনের সময় কোন ভুল হলে বা কোন কিছু বাদ পড়লে রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময় আদালত অভিযোগ পরিবর্তন বা নতুন অভিযোগ করতে পারবেন এবং এরূপ প্রত্যেকটি পরিবর্তন বা সংযোজন অভিযুক্তকে পড়ে শুনাতে হবে এবং বুঝাতে হবে।
------------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-227: Court may alter charge:
(1) Any Court may alter or add to any charge at any time before judgment is pronounced.
(2) Every such alteration or addition shall be read and explained to the accused.
২,৬২৭.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে 'তদন্ত' (Investigation) কী?
  1. আদালতে মামলার শুনানি।
  2. ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক পরিচালিত বিচারিক প্রক্রিয়া।
  3. ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট লিখিত অভিযোগ দাখিল করা।
  4. প্রমাণ সংগ্রহের জন্য পুলিশ কর্তৃক পরিচালিত কার্যক্রম।
সঠিক উত্তর:
প্রমাণ সংগ্রহের জন্য পুলিশ কর্তৃক পরিচালিত কার্যক্রম।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রমাণ সংগ্রহের জন্য পুলিশ কর্তৃক পরিচালিত কার্যক্রম।
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪(ঞ)-তে "তদন্ত" এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, "তদন্ত বলতে এই সংহিতা অনুসারে প্রমাণ সংগ্রহ করার জন্য একজন পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি (ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত) কর্তৃক পরিচালিত সকল কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত হবে।"

সুতরাং, তদন্ত মূলত পুলিশের প্রমাণ সংগ্রহ-related কার্যক্রম।
- আদালতে শুনানি বা ম্যাজিস্ট্রেটের বিচারিক কার্যক্রম তদন্ত নয়।
- ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট অভিযোগ দাখিল করাও তদন্তের অংশ নয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪(ঞ) (l) "investigation" includes all the proceedings under this Code for the collection of evidence conducted by a police-officer or by any person (other than a Magistrate) who is authorised by a Magistrate in this behalf."

- তদন্ত হলো পুলিশ বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অনুমোদিত ব্যক্তি কর্তৃক প্রমাণ সংগ্রহের সকল কার্যক্রম। এটি ম্যাজিস্ট্রেটের তত্ত্বাবধানে হয়, কিন্তু ম্যাজিস্ট্রেট নিজে তদন্ত করেন না। তদন্তের সময় পুলিশ গ্রেপ্তার, জব্দ, সাক্ষী জেরা, স্থান পরিদর্শন ইত্যাদি করে।

২,৬২৮.
দণ্ডবিধির ১৫৩(ক) ধারা অনুসারে, শ্রেণির মধ্যে শত্রুতা বা ঘৃণা প্রচারের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৬ মাস কারাদণ্ড
  2. ১ বছর কারাদণ্ড
  3. ২ বছর কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধি ১৫৩(ক) ধারা: শ্রেণির মধ্যে শত্রুতা প্রচার করা:
যে কেউ, কথার মাধ্যমে, মৌখিক বা লিখিত, অথবা সংকেতের মাধ্যমে, দৃশ্যমান উপস্থাপনা দ্বারা বা অন্য যেকোনো উপায়ে, বাংলাদেশি নাগরিকদের বিভিন্ন শ্রেণির মধ্যে শত্রুতা বা ঘৃণা প্রচার করে বা প্রচারের চেষ্টা করে, তাকে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, বা জরিমানা, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

ব্যাখ্যা: যদি কোনো ব্যক্তি বিদ্বেষপূর্ণ উদ্দেশ্য ছাড়াই এবং প্রকৃতপক্ষে সেই সমস্যাগুলি তুলে ধরে, যা বাংলাদেশি নাগরিকদের বিভিন্ন শ্রেণির মধ্যে শত্রুতা বা ঘৃণা সৃষ্টি করছে বা সৃষ্টি করার প্রবণতা রাখে, তাহলে এটি এই ধারার অধীনে অপরাধ বলে গণ্য হবে না।
২,৬২৯.
'যেক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৬ বা ৭ ধারায় আইনগত অপারগতার সুবিধা প্রার্থনা করা হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত আইনগত অক্ষমতার অবসান হওয়ার পর সর্বোচ্চ ৩ বছরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।'- The Limitation Act, 1908 এর কত ধারায় বলা আছে?
  1. ৬ ধারা
  2. ৭ ধারা
  3. ৮ ধারা
  4. ৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
৮ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ ধারা
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের ৬ ধারা অনুযায়ী ৩টি বিষয়কে আইনগত অপারগতা (Legal Disability) হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
১. নাবালকত্ব [Minority]
২. উন্মাদ [Insanity]
৩. জড়বুদ্ধি বা চরম বুদ্ধিহীনতা [Idiocy]।

• আইনগত অপারগতার ক্ষেত্রে যখন মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে মামলা করার অধিকারী কোন ব্যক্তি যে সময়ে সে মামলা করার অধিকারী হয় উক্ত সময়ে সে নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকলে তার মামলা করার তামাদির মেয়াদ গণনা করা শুরু হবে যখন তার এই আইনগত অপারগতা অর্থাৎ নাবালকত্ব, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধিতার অবসান হবে তখন থেকে।

• ধারা ৮ হচ্ছে ৬ ও ৭ ধারার আইনগত অপারগতার ব্যতিক্রম। ৮ ধারায় উল্লেখিত বিশেষ ব্যতিক্রম সাপেক্ষে ৬ ও ৭ ধারায় উল্লেখিত আইনগত অপারগতা বিশ্লেষণ করতে হবে। নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ৬ এবং ৭ ধারার বিধান প্রযোজ্য হবে না-

১. অগ্রক্রয়ের (pre-emption) অধিকার বলবৎকরণের মামলায়, এবং

২. আইনগত অপারগতার অবসান হওয়ার পর বা আইনগত অক্ষম ব্যক্তির মৃত্যু হওয়ার তিন (৩) বছরের বেশী সময় তামাদির মেয়াদ থাকবে না এবং সর্বোচ্চ এই ৩ বৎসরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে। অর্থাৎ যেক্ষেত্রে ৬ বা ৭ ধারায় আইনগত অপারগতার সুবিধা প্রার্থনা করা হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত আইনগত অক্ষমতার অবসান হওয়ার পর সর্বোচ্চ ৩ বছরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে অন্যথায় মোকদ্দমা খারিজ হবে।
২,৬৩০.
FIR কোথায় করা হয়?
  1. পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে
  2. ম্যাজিস্ট্রেটের নিকটে
  3. বিচারকের খাস কামরায়
  4. পুলিশ স্টেশনে
সঠিক উত্তর:
পুলিশ স্টেশনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশ স্টেশনে
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারায় প্রাথমিক তথ্য বিবরণী বা এজাহারের (FIR) বিধান রয়েছে। এছাড়া পুলিশ প্রবিধানের (PRB) ২৪৩ বিধিতে FIR বর্ণিত রয়েছে। FIR এর পূর্ণরূপ হচ্ছে First Information Report। আমলযোগ্য কোন অপরাধ সংঘটিত হলে থানায় লিখিতভাবে বা মৌখিকভাবে খবর দিলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্তৃক তা ১৫৪ ধারানুযায়ী বিপি ২৭ নং ফরমে লিপিবদ্ধ করা হয় যা FIR বা প্রাথমিক তথ্য বিবরণী নামে পরিচিত।

♦ আমলযোগ্য কোন অপরাধ সংঘটিত হলে থানায় লিখিতভবে কিংবা মৌখিকভাবে খবর দিলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্তৃক তা নির্ধারিত বইতে লিপিবদ্ধ করাকে FIR বা এজাহার বলে।

♦ অর্থাৎ FIR থানায় বা পুলিশ স্টেশনে করা হয়।

------------------------
 A First Information Report (FIR) is officially defined the first collection of information transmitted to the police concerning commission of a major offence.
- Generally victims or witnesses of a heinous crime open criminal proceedings against alleged criminals through filing of an FIR.
২,৬৩১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোথায় নিরোধমূলক প্রতিকারের (Preventive Relief) বিধান আছে?
  1. Section 5(a)
  2. Section 5(b)
  3. Section 5(c)
  4. Section 5(d)
সঠিক উত্তর:
Section 5(c)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 5(c)
ব্যাখ্যা
⇒ সুতরাং সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারামতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীন মোট ৫ প্রকার সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয়, যার মধ্যে ৪টি আদেশাত্মক প্রতিকার এবং ১টি নিষেধাত্মক বা নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief)।
⇒ ৫ ধারার ক, খ, ঘ এবং ও অনুচ্ছেদের ৪টি প্রতিকার হলো আদেশাত্মক প্রতিকার।
অন্যদিকে ৫ ধারার (গ) অনুচ্ছেদের প্রতিকারটি নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief)।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারা অনুযায়ী ৫ ভাবে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয।
যথা-
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।
---------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Section 5 Specific relief how given:
Specific relief is given-
(a) by taking possession of certain property and delivering it to a claimant;
(b) by ordering a party to do the very act which he is under an obligation to do;
(c) by preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do;
(d) by determining and declaring the rights of parties otherwise than by an award of compensation; or
(e) by appointing a receiver.
২,৬৩২.
যথাযথ ভাবে সমন জারির পরও সমনে নির্ধারিত তারিখে বাদী উপস্থিত এবং বিবাদী অনুপস্থিত হলে, মোকদ্দমার ফলাফল কী হবে?
  1. সোলে ডিক্রি
  2. দো-তরফা ডিক্রি
  3. একতরফা ডিক্রি
  4. মোকদ্দমা খারিজ
সঠিক উত্তর:
একতরফা ডিক্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একতরফা ডিক্রি
ব্যাখ্যা
আদেশ ৯ বিধি-৬: হাজিরা ও জবাব প্রদানের জন্য সমনে নির্ধারিত তারিখে শুধুমাত্র বাদী উপস্থিত এবং বিবাদী অনুপস্থিত থাকার ফলাফল:
⇒ যদি সমন যথাযথ ভাবে জারি করা হয়, তাহলে আদালত একতরফা বিচার বা একতরফা ডিক্রি দিতে পারবেন।
⇒ যদি সমন যথাযথ ভাবে জারি না হয় সেক্ষেত্রে আদালতে বাদীকে বিবাদীর বরাবর দ্বিতীয়বার সমন জারি করার নির্দেশ দিবেন।
⇒ যদি সমন যথাযথ ভাবে জারি হয়, কিন্তু বিবাদীকে নির্দিষ্ট দিনে হাজির হয়ে জবাব দেয়ার জন্য যথেষ্ট সময় প্রদান করা হয় নাই, তবে আদালত মামলার শুনানি মূলতবী রাখবে এবং পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করবে।
⇒ বাদীর ক্রটির জন্য সমন জারি না হয় বা পর্যাপ্ত সময় দিয়ে জারি না হলে মামলার শুনানি স্থগিত রাখার জন্য যে খরচ হবে, বাদী তা বহন করবেন।
২,৬৩৩.
বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল তার রায় রিভিউ করতে পারে-
  1. নিজের ইচ্ছায়
  2. সরকারের আবেদনে
  3. সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আবেদনে
  4. নিজের ইচ্ছায় এবং সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আবেদনে
সঠিক উত্তর:
নিজের ইচ্ছায় এবং সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আবেদনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিজের ইচ্ছায় এবং সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আবেদনে
ব্যাখ্যা
⇒বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর ৩৪ (৮) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল তার নিজস্ব উদ্যোগে বা কোন আবেদনের প্রেক্ষাপটে তার সিদ্ধান্ত রিভিউ করতে পারে বা পরিবর্তন করতে পারে বা বাতিল করতে পারে।
------------------------
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972: Article-34:
(8) The Tribunal may, of its own motion or on application made to it in this behalf, review any order passed under clause (4) or (6) and maintain, vary or rescind the same, as it thinks fit.
২,৬৩৪.
The Contract Act, 1872 এর কোন ধারা অনুযায়ী নাবালক চুক্তি সম্পাদনের অযোগ্য?
  1. ১০
  2. ১১
  3. ১২
সঠিক উত্তর:
১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১
ব্যাখ্যা
• কারা চুক্তি সম্পাদনে যোগ্যতা চুক্তি আইনের ১১ ধারায় বলা হয়েছে। এ ধারায় বলা হয়েছে যে, প্রত্যেক ব্যক্তিই চুক্তি করার যোগ্য যদি সে নিজ আইনে সাবালক, এবং সুস্থ মনের অধিকারীএবং নিজ আইনে চুক্তি করার জন্য অযোগ্য না হন। [Every person is competent to contract who is age of majority according to the law to which he is subject, and sound mind and is not disqualified from contracting by any law to which he is subject.]।
অতএব বলা যায় চুক্তি সম্পাদনে সে ব্যক্তি যোগ্য যিনি সাবালক ও সুস্থ মনের অধিকারী এবং যাকে কোনো আইনে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়নি।
এখানে ব্যক্তি বলতে প্রাকৃতিক এবং কৃত্রিম ব্যক্তি উভয়কে বোঝানো হয়েছে। প্রাকৃতিক ব্যক্তি বলতে মানুষকে বলা হয়েছে আর কৃত্রিম ব্যক্তি বলতে কোম্পানি, কর্পোরেশন, সংঘ যারা আইন অনুসারে গঠিত ও নিবন্ধিত।

• চুক্তি করার অযোগ্য ব্যক্তি:
চুক্তি আইনের ১১ ধারা অনুসারে বলা যায় তিন ধরনের ব্যক্তি চুক্তি করা জন্য অযোগ্য। এ ব্যক্তিরা হলেন:
১। নাবালক,
২। অসুস্থ মনের অধিকারী বা মানসিকভাবে অসুস্থ ব্যক্তি এবং
৩। নিজ আইনে অযোগ্য ব্যক্তি।
পূর্বে বলা হয়েছে ব্যক্তি বলতে প্রাকৃতিক এবং কৃত্রিম ব্যক্তি উভয়কে বোঝানো হয়েছে। কৃত্রিম ব্যক্তি যদি আইন অনুসারে গঠিত ও নিবন্ধিত না হয় তাহলে চুক্তি সম্পাদনে অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।
২,৬৩৫.
'Every registering officer appointed under this Act shall be deemed to be a public servant'- The Registration Act, 1908 এর কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ৮১ ধারায়
  2. ৮২ ধারায়
  3. ৮৪ ধারায়
  4. ৮৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৮৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৮৪: রেজিস্টারিং অফিসারগণকে সরকারি কর্মচারী গণ্য করা হবে:
(১) এই আইনের অধীন নিযুক্ত প্রত্যেক রেজিস্টারিং অফিসারকে দণ্ডবিধির (Penal Code) অর্থে একজন সরকারি কর্মচারী (Public Servant) হিসেবে গণ্য করা হবে।
(২) প্রত্যেক ব্যক্তি আইনগতভাবে বাধ্য, যে, রেজিস্টারিং অফিসার যদি কোনো তথ্য প্রদান করতে বলেন, তবে তাকে সেই তথ্য প্রদান করতে হবে।
(৩) দণ্ডবিধির ধারা ২২৮-এ উল্লিখিত “বিচারিক কার্যধারা” (judicial proceeding) শব্দগুচ্ছের মধ্যে এই আইনের অধীন যেকোনো কার্যধারাও অন্তর্ভুক্ত হিসেবে গণ্য হবে।
২,৬৩৬.
দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৪ অনুযায়ী সংঘটিত অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৬ মাস কারাদণ্ড
  2. ১ বছর কারাদণ্ড
  3. ২ বছর কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৪ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি নারীর শালীনতাহানির উদ্দেশ্যে আক্রমণ বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে, তাহলে অপরাধী সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে। এছাড়া জরিমানা বা উভয় শাস্তিও প্রযোজ্য হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৪ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি: কোনো নারীর উপর আক্রমণ (assault) বা অপরাধমূলক বল (criminal force) প্রয়োগ করে উদ্দেশ্য বা জ্ঞানসহকারে যে এতে তার শালীনতায় আঘাত (outrage modesty) পড়বে, তাহলে অপরাধী সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে। কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম) অথবা জরিমানা অথবা উভয় শাস্তি একসাথে প্রযোজ্য।
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 354. Assault or criminal force to woman with intent to outage her modesty:
Whoever assaults or uses criminal force to any woman, intending to outrage or knowing it to be likely that he will thereby outrage her modesty, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

২,৬৩৭.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৫২৩ ধারা অনুযায়ী পুলিশ কর্তৃক জব্দকৃত সম্পত্তি সম্পর্কে প্রথমে কী করতে হবে?
  1. সম্পত্তি বিক্রির আদেশ দিতে হবে
  2. সম্পত্তি পুলিশ হেফাজতে রাখতে হবে
  3. সম্পত্তি সরাসরি মালিককে ফেরত দিতে হবে
  4. সঙ্গে সঙ্গে ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাতে হবে
সঠিক উত্তর:
সঙ্গে সঙ্গে ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সঙ্গে সঙ্গে ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাতে হবে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৫২৩ ধারা অনুযায়ী, পুলিশ অফিসার কর্তৃক ধারা ৫১ অনুযায়ী গৃহীত, চোরাই বলে সন্দেহযুক্ত বা অপরাধের সাথে সম্পর্কিত সম্পত্তি জব্দ করা হলে, তা সঙ্গে সঙ্গে ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাতে হবে। ম্যাজিস্ট্রেট এরপর সম্পত্তির হেফাজত, প্রদান বা মালিক অজ্ঞাত হলে ঘোষণা জারির বিষয়ে যথাযথ আদেশ দিতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৩ ধারার বিধান:- ৫১ ধারা অনুসারে গৃহীত মাল বা চোরাইমাল আটকের ক্ষেত্রে পুলিশ কর্তৃক গৃহীত পদ্ধতি:
(১) ৫১ ধারা অনুসারে গৃহীত বা চেরাইমাল বলে কথিত বা সন্দেহযুক্ত বা কোন অপরাধ সংঘটনের সন্দেহ সৃষ্টিকারী অবস্থায় প্রাপ্ত সম্পত্তি কোন পুলিশ অফিসার জব্দ করলে সঙ্গে সঙ্গে তা কোন ম্যাজিষ্ট্রেটকে জানাতে হবে এবং উক্ত ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত সম্পত্তির বিহিত ব্যবস্থা বা উহার দখলের অধিকারী ব্যক্তিকে প্রদান বা এরূপ ব্যক্তিকে না পাওয়া গেলে উহার হেফাজত ও অর্পণ সম্পর্কে যেরূপ মনে করেন সেরূপ আদেশ দিবেন।
- জব্দকৃত মারের মালিক অজ্ঞাত হলে পদ্ধতি:
(২) সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি যদি পরিচিত হয় তাহলে ম্যাজিষ্ট্রেট যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন সেরূপ শর্তে (যদি আরোপিত হয়) তাকে সম্পত্তি প্রদানের আদেশ দিতে পারবেন। কিন্তু উক্ত ব্যক্তি যদি অজ্ঞাত হয় তাহলে ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত সম্পত্তি আটক রাখতে পারবেন এবং সেক্ষেত্রে, তিনি সম্পত্তির বিস্তারিত বিবরণসহ এই মর্মে একটি ঘোষণা দিবেন যে, উক্ত সম্পত্তিতে কারো কোন দাবী থাকলে ঘোষণা তারিখ হতে এক মাসের মধ্যে তার সামনে হাজির হয়ে উক্ত দাবী প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-523: Procedure by police upon seizure of property taken under section 51 or stolen:
(1) The seizure by any police-officer of property taken under section 51, or alleged or suspected to have been stolen, or found under circumstances which create suspicion of the commission of any offence, shall be forthwith reported to a Magistrate, who shall make such order as he thinks fit respecting the disposal of such property or the delivery of such property to the person entitled to the possession thereof, or, if such person cannot be ascertained, respecting the custody and production of such property.
-Procedure where owner of property seized unknown:
(2) If the person so entitled is known, the Magistrate may order the property to be delivered to him on such conditions (if any) as the Magistrate thinks fit. If such person is unknown, the Magistrate may detain it and shall, in such case, issue a Proclamation specifying the articles of which such property consists, and requiring any person who may have a claim thereto, to appear before him and establish his claim within [one month] from the date of such proclamation.

২,৬৩৮.
দণ্ডবিধি ৮৪ ধারা কোন ধরনের অপরাধীর জন্য প্রযোজ্য?
  1. শিশু
  2. সকল ব্যক্তির জন্য
  3. মানসিকভাবে অপ্রকৃতিস্থ ব্যক্তি
  4. কিশোরদের ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
মানসিকভাবে অপ্রকৃতিস্থ ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানসিকভাবে অপ্রকৃতিস্থ ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধি ৮৪ ধারা মতে,
অপরাধ করার সময় অপরাধী ব্যক্তি অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল থাকলে সে কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে না। তবে অপরাধ করার সময় উক্ত পাগল ব্যক্তির মানসিক অবস্থা এমন থাকতে হবে, যে সে তার কাজের প্রকৃতি ও পরিণতি উপলব্ধি করতে পারে না।

Section 84- Act of a person of unsound mind:
Nothing is an offence which is done by a person who, at the time of doing it, by reason of unsoundness of mind, is incapable of knowing the nature of the act, or that he is doing what is either wrong or contrary to law.
২,৬৩৯.
আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্য হরণে ব্যক্তির বয়সসীমা কত?
  1. পুরুষ ১৬ বছর এবং নারী ১৮ বছর
  2. পুরুষ ১৪ বছর এবং নারী ১৬ বছর
  3. পুরুষ ২১ বছর এবং নারী ১৮ বছর
  4. পুরুষ ১২ বছর এবং নারী ১৪ বছর
সঠিক উত্তর:
পুরুষ ১৪ বছর এবং নারী ১৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুরুষ ১৪ বছর এবং নারী ১৬ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫৯ ধারার বিধান  মনুষ্যহরণ:- মনুষ্যহরণ দুই প্রকারের:- বাংলাদেশ হতে মনুষ্যহরণ এবং আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ।

⇒ Section 359. Kidnapping:-Kidnapping is of two kinds; kidnapping from Bangladesh, and kidnapping from lawful guardianship.

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬০ ধারার বিধান  বাংলাদেশ হতে মনুষ্য হরণ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে তার সম্মতি ছাড়াই অথবা তার স্বপক্ষে সম্মতি দানের ক্ষমতাসম্পন্ন অপর কারো সম্মতি ছাড়াই বাংলাদেশের সীমানার বাইরে পাঠিয়ে দেয় বা নিয়ে যায়, তবে উক্ত ব্যক্তি তাকে বাংলাদেশ হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারার বিধান আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ:- কোন ব্যক্তি যদি চৌদ্দ বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালককে অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালিকাকে অথবা বিকৃত মস্তিষ্ক কোন ব্যক্তিকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক বা বালিকাকে অথবা অনুরূপ বিকৃতমস্তিষ্ক ব্যক্তিকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা:- এই ধারায় "আইনসম্মত অভিভাবক" বলতে অনুরূপ অপ্রাপ্ত বয়স্ক বা অপর ব্যক্তির রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আইনতঃ ভারপ্রাপ্ত যেকোন ব্যক্তিকেও বুঝাবে।

ব্যতিক্রম:- যে ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে নিজেকে কোন অবৈধ সন্তানের পিতা বলে বিশ্বাস করে অথবা যে ব্যক্তি নিজেকে অনুরূপ শিশুর আইনসম্মত রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষমতাপ্রাপ্ত বলে সরলমনে বিশ্বাস করে, সে ব্যক্তি কোন অবৈধ বা বেআইনী উদ্দেশ্যে অনুরূপ কাজ না করলে তার ক্ষেত্রে এই ধারা প্রয়োগযোগ্য হবে না।
-------------------
⇒ Section 360. Kidnapping from Bangladesh:-Whoever conveys any person beyond the limits of Bangladesh without the consent of that person, or of some person legally authorized to consent on behalf of that person, is said to kidnap that person from Bangladesh.

⇒ Section 361. Kidnapping from lawful guardianship: Whoever takes or entices any minor under fourteen years of age if a male, or under sixteen years of age if a female, or any person of unsound mind, out of the keeping of the lawful guardian of such minor or person of unsound mind, without the consent of such guardian, is said to kidnap such minor or person from lawful guardianship.

Explanation.-The words "lawful guardian" in this section include any person lawfully entrusted with the care or custody of such minor or other person. 
Exception.-This section does not extend to the act of any person who in good faith believes himself to be the father of an illegitimate child, or who in good faith believes himself to be entitled to the lawful custody of such child, unless such act is committed for an immoral or unlawful purpose.
২,৬৪০.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ১০৭ অনুযায়ী, শান্তি রক্ষার জন্য জামিন আদায়ের আদেশ কোন ম্যাজিস্ট্রেট দিতে পারেন?
  1. পুলিশ
  2. শুধুমাত্র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. শুধুমাত্র জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ১০৭: শান্তি রক্ষার জন্য জামানত আদায় (Security for keeping the peace in other cases):
১। যখন একজন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে জানানো হয় যে কোনো ব্যক্তি শান্তি ভঙ্গ বা জনশান্তি বিঘ্নিত করার সম্ভাবনা রাখে, অথবা কোনো অন্যায় কাজ করতে পারে যার ফলে শান্তি ভঙ্গ বা জনশান্তি বিঘ্নিত হতে পারে, তখন ম্যাজিস্ট্রেট যদি মনে করেন যে এই বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার যথেষ্ট কারণ আছে, তাহলে তিনি নিচের বিধি অনুযায়ী সেই ব্যক্তিকে বাধ্য করতে পারেন যে, সে একটি জামিনপত্র (bond) দেবে, যেখানে জামিনদারসহ বা জামিনদারবিহীন হতে পারে, এবং যেটি শান্তি রক্ষার জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় (সর্বোচ্চ এক বছর) পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

২। এই ধারা অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অবশ্যই নিম্নলিখিত শর্ত পূরণ করতে হবে:
- অভিযোগ করা ব্যক্তি অথবা যেই স্থান থেকে শান্তি ভঙ্গ বা বিঘ্নের আশঙ্কা করা হচ্ছে, তারা ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ারের মধ্যে হতে হবে।
- এছাড়া, কোনো ম্যাজিস্ট্রেট এই ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন না, যদি না উক্ত ব্যক্তি এবং স্থান উভয়ই তার এখতিয়ার এলাকার মধ্যে থাকে। এই ক্ষেত্রে, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অন্য কেউ এ কাজ করতে পারবে না।
২,৬৪১.
দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার কোন ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে “মাতৃগর্ভস্থ শিশুর মৃত্যু নরহত্যা নয়”?
  1. ব্যাখ্যা-১
  2. ব্যাখ্যা-২
  3. ব্যাখ্যা-৩
  4. ব্যাখ্যা-৪
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা-৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা-৩
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ২৯৯ (নরহত্যার সংজ্ঞা) এর ব্যাখ্যা-৩-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে: "মাতৃগর্ভস্থ শিশুর মৃত্যু নরহত্যা (Culpable Homicide) নয়, তবে শিশুটি সম্পূর্ণভাবে ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর যদি তার মৃত্যু ঘটে এবং সেই মৃত্যু যদি এমন কোনো আচরণ বা অবহেলার ফলে ঘটে যা জন্মের পূর্বে বা জন্মকালীন সময়ে সংঘটিত হয়, তাহলে তা নরহত্যা হিসেবে গণ্য হবে।"

⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার বিধান শাস্তিযোগ্য নরহত্যা:
-কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজ কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, সে কাজ সম্পাদন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।
ব্যাখ্যা ১:- যে ব্যক্তি অসুস্থতা, রোগ বা দৈহিক অপারগতায় ভুগছে, তার দৈহিক, জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তার মৃত্যু ঘটাবার অপরাধ হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।
ব্যাখ্যা ২:- যখন দৈহিক আঘাত বা জখমের কারণে মৃত্যু ঘটে, তখন যে ব্যক্তি অনুরূপ দৈহিক আঘাত বা জখম ঘটায়, সে ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে, যদিও যথোচিত প্রতিকারের ও সুনিপুণ চিকিৎসার ফলে সে মৃত্যু রোধ করা যেত।
ব্যাখ্যা ৩:- মাতৃগর্ভে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়। কিন্তু যদি কোন শিশুর (দেহের) কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হয়, তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে, যদিও শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে থাকে অথবা সম্পূর্ণরূপে ভূমিষ্ঠ না হয়ে থাকে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 299: Culpable homicide:
-Whoever causes death by doing an act with the intention of causing death, or with the intention of causing such bodily injury as is likely to cause death, or with the knowledge that he is likely by such act to cause death, commits the offence of culpable homicide.
Explanation-1. A person who causes bodily injury to another who is labouring under a disorder, disease or bodily infirmity, and thereby accelerates the death of that other, shall be deemed to have caused his death.
Explanation-2. Where death is caused by bodily injury, the person who causes such bodily injury shall be deemed to have caused the death, although by resorting to proper remedies and skilful treatment the death might have been prevented.
Explanation-3. The causing of the death of a child in the mother's womb is not homicide. But it may amount to culpable homicide to cause the death of a living child, if any part of that child has been brought forth, though the child may not have breathed or been completely born.
২,৬৪২.
আদালত অর্থদন্ড অনাদায়ে কারাদন্ড দিলে, তা ১/৪ অংশের বেশি হবে না-
  1. অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তির
  2. অপরাধের সর্বনিম্ন শাস্তির
  3. আদালত প্রদত্ত শাস্তির
  4. যাবজ্জীবন কারাদন্ড সর্বদাই বিনাশ্রম
সঠিক উত্তর:
অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তির
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৬৫ ধারার বিধান কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রদত্ত কারাদণ্ডের সীমা:- আদালত অপরাধীকে অর্থদণ্ড অনাদায়ে যে কারাদণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার আদেশ করবেন, উহার মেয়াদ অপরাধটির জন্য নির্দিষ্ট সর্বোচ্চ মেয়াদের এক-চতুর্থাংশের বেশি হবে না, যদি অপরাধটি কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডনীয় হয়।

♦দণ্ডবিধির ৬৬ ধারার বিধান অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রদত্ত কারাদণ্ডের ধরন:- অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রদত্ত কারাদণ্ডের ধরন, অপরাধটির জন্য অপরাধীকে যে ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যেত সেরূপ হবে।

♦দণ্ডবিধির ৬৭ ধারার বিধান অপরাধটি শুধু অর্থদণ্ড কর্তৃক দণ্ডনীয় হলে অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রদত্ত কারাদণ্ড:- অপরাধটি যদি শুধু অর্থদণ্ড কর্তৃক দণ্ডনীয় হয়, তবে অর্থদণ্ড অনাদায়ের জন্য আদালত যে কারাদণ্ডের আদেশ দিবেন, তা বিনাশ্রম হবে এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ের জন্য আদালত অপরাধীকে যে মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত করার আদেশ দিবেন, তা নিম্নে নির্দেশিত বিভিন্ন পরিমাণের অধিক হবে না, যথা: অর্থদণ্ডের পরিমাণ পঞ্চাশ টাকার বেশি না হলে, অনূর্ধ্ব দুই মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদ; অর্থদণ্ডের পরিমাণ একশত টাকার অধিক না হলে, অনতিরিক্ত চার মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদ; এবং এতদ্ব্যতীত অপর যে কোন ক্ষেত্রে অনধিক ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদ । 

♦দণ্ডবিধির ৬৮ ধারার বিধান অর্থদণ্ড আদায়ে কারামুক্তি:- যে অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে, সে অর্থদণ্ড প্রদত্ত হলে অথবা আইনগত কার্যক্রমের মাধ্যমে আদায়ীকৃত হলে আসামীর কারামুক্তি হবে।

♦দণ্ডবিধির ৬৯ ধারার বিধান অর্থদণ্ডের আনুপাতিক অংশ আদায়ের কারামুক্তি:- যদি অর্থদণ্ড অনাদায়ের জন্য প্রদত্ত কারাদণ্ডের নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বে অর্থদণ্ডেও এমন একটি আনুপাতিক অংশ প্রদত্ত অথবা আদায়ীকৃত হয় যে, অর্থদণ্ডে ও অনাদায়ের জন্য প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদের যে অংশ উত্তীর্ণ হয়েছে, তা অর্থদণ্ডে ও এখনও অপ্রদত্ত বা অনাদায়ীকৃত অংশের সাথে আনুপাতিক হার অপেক্ষা কম নয়, তবে আসামীর কারামুক্তি হবে।
২,৬৪৩.
বাংলাদেশ সংবিধানের ৩৩ অনুচ্ছেদে কয় ধরণের আটকের বিধান আছে?
  1. ৩ ধরণের
  2. ২ ধরণের
  3. ১ ধরণের
  4. ৪ ধরণের
সঠিক উত্তর:
২ ধরণের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ধরণের
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদঃ ৩৩ গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ- 

সংবিধানের ৩৩ অনুচ্ছেদে ২ ধরণের আটকের বিধান আছে-

১. কোন অপরাধ প্রকৃতপক্ষে সংঘটনের পর অথবা কোন অপরাধ সংঘটনের প্রচেষ্টার পর যদি উক্ত ব্যক্তিকে আটক করা হয়, তাহলে সেটা হবে শাস্তিমূলক আটক [Punitive Detention];

২. অন্যদিকে, কোন ব্যাক্তি অপরাধ করতে পারে এমন সম্ভাবনা থাকলে, তাকে উক্ত অপরাধ সংঘটন হতে বিরত রাখার জন্য জন্য আটক করা হয় তাহলে সেটা হবে নিবর্তনমূলক আটক [Preventive Detention]।

⇒ শাস্তিমূলক আটক এর ক্ষেত্রে আটককৃত ব্যক্তির অধিকার:

সংবিধানের ৩৩ এর ১ ও ২ অনুচ্ছেদে শাস্তিমূলক আটক ও গ্রেফতারের ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তিকে ৪ টি অধিকার দেওয়া হয়েছে। যথা:
১) যথাসম্ভব শীয় গ্রেপ্তারের কারণ জানার;
২) আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করে আত্মপক্ষ সমর্থন করার;
৩) ২৪ ঘন্টায় মধ্যে নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির করা;
৪) ২৪ ঘন্টার বেশি সময় আটক না রাখা।

উপরে উল্লেখিত অধিকার নিম্নলিখিত ২ শ্রেণীর ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না। যথাঃ
ক) যিনি বর্তমান সময়ের জন্য বিদেশী শত্রু;
খ) যাকে নিবর্তনমূলক আটক [Preventive Detention] আটকের বিধানসংবলিত কোন আইেনর অধীন গ্রেপ্তার করা হয়েছে বা আটক করা হয়েছে। যেমন বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর অধীন ক্ষতিকর কোন কাছের জন্য কোন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হলে সে উপরে উল্লেখিত অধিকারগুলো পাবে না।

⇒ নিবর্তনমূলক আটক এর ক্ষেত্রে আটককৃত ব্যক্তির অধিকার:

৩৩ (৪) অনুচ্ছেদে নিবর্তনমূলক আটকের ক্ষেত্রে ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা পর্ষদ গঠন করার বিধান আছে। নিবর্তনমূলক আটকের ক্ষেত্রে ৬ মাসের অধিককাল আটক রাখা যাবে না। কিন্তু উপদেষ্টা পর্যদের মতামত অনুযায়ী এই মেয়াদ বাড়তে পারে। সুপ্রীম কোর্টের বিচারক রয়েছে বা ছিলো কিংবা সুপ্রীম কোট্টের বিচারকপদে নিয়োগলাভের যোগ্যতা আছে, এইরুপ দুইজন এবং প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত একজন প্রবীণ কর্মচারীর সম্বনেয় উপদেষ্টা পর্ষদ গঠিত হবে।
২,৬৪৪.
The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949-এ বর্ণিত অগ্রক্রয় কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে?
  1. হোল্ডিং এর হস্তান্তর (Transfer of holding)
  2. ভূমি হস্তান্তর (Transfer of land)
  3. বিনিময়ের মাধ্যমে হস্তান্তর
  4. বণ্টনের মাধ্যমে হস্তান্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমি হস্তান্তর (Transfer of land)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমি হস্তান্তর (Transfer of land)
ব্যাখ্যা
• ১৯৪৯ সালের অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইনটি ভূমি ( Non Agricultural Land) এবং অকৃষি প্রজার (Non - Agricultural Tenant) ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। The Non - Agricultural Tenancy, 1949 এর ২৪ ধারার অধীনে অগ্রক্রয়ের ভিত্তিতে ভূমি হস্তান্তর (Transfer of Land) করা হয়।

অকৃষি প্রজাস্বত্বের অগ্রক্রয়াধিকার সম্পর্কে ২৪ ধারায় বর্ণিত বিধানাবলী কিছু কিছু ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না তা ২৪ ধারার ১১ উপধারায় বর্ণনা করা আছে, নিম্নে ক্ষেত্রসমূহ উল্লেখ করা হলো-

ক. প্রজাস্বত্বে কোন সহ উওরাধিকারী যখন অন্য কোন প্রকারে অকৃষি জমিতে স্বার্থ লাভ করে;
খ. বিনিময় বা ভাগ বাটোয়ারার মাধ্যম যখন অকৃষি জমি হস্তান্তরিত হয়;
গ. যখন স্বামী বা স্ত্রীর অনুকূলে উইল বা দানের মাধ্যমে জমি হস্তান্তর করা বা দাতা বা অসিয়তকারীর রক্ত সম্পর্কের অধস্তন তিন প্রজন্ম পর্যন্ত বিস্তৃত এমন কোন ব্যক্তি দ্বারা হস্তান্তর সম্পন্ন হয়;
ঘ. মুসলিম আইনের বিধানানুসারে ওয়াকফ;
ঙ. ধর্মীয় বা দাতব্য কাজের জন্য দেবওোর বা অনুরূপ কোন উদ্দেশ্যে সম্পওি হস্তান্তর এবং যে হস্তান্তরে ব্যক্তির অনুকূলে কোন সুবিধা দেওয়া হয় না।

তবে কোন সহ-অংশীদারী যখন প্রজাস্বত্বে বা হোল্ডিংয়ে তার অংশটুকু জমা প্রদানপূর্বক নামজারি করেন এবং সম্পওি ভাগ করেন তখন তিনি অগ্রক্রয়াধিকার প্রয়োগ করতে পারেন না। এছাড়া যখন কোন ব্যক্তি সরকারের কর্তৃত্বাধীনে কোন সম্পওি অধিকারী হয় তখন ঐরূপ সম্পওির ক্ষেত্রে অগ্রক্রয়াধিকার প্রযোজ্য নয়।
২,৬৪৫.
নিম্ন আদালতে ন্যূনতম কতদিন প্র্যাক্টিসের অভিজ্ঞতা থাকলে হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাক্টিস করার যোগ্য হবে?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৭ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ বার কাউন্সিল অর্ডার-এর ২১ নং আর্টিকেলে বলা আছে যে নিম্ন আদালতে কমপক্ষে ২ বছরের অভিজ্ঞতা না থাকলে হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাক্টিস করার অনুমতি পাবে না।
- অর্থাৎ হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাক্টিস করার জন্য নিম্ন আদালতে কমপক্ষে ২ বছরের প্র্যাক্টিসের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
-------------------------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972: Article-21. (1) No advocate other than an advocate permitted to practise before the High Court immediately before the commencement of this Order shall be permitted to practise before the High Court unless-
(a) he has practised as an advocate before subordinate courts in Bangladesh for a period of two years;
(b) he is a law graduate and has practised as an advocate before any High Court outside Bangladesh notified by the Government in the official Gazette;
(c) he has, for reason of his legal training or experience, been exempted by the Bar Council from the foregoing requirements of this clause on the basis of the prescribed criteria.
 
(2) Permission to practise before the High Court shall be given in the form prescribed by the Bar Council on proof that the fee prescribed under Article 22 has been paid and that the relevant condition laid down in clause (1) are duly satisfied.
২,৬৪৬.
'ক' একটি খামারের মালিক এবং এর মূল্য ২০,০০০ টাকা। 'খ' একটি দানপত্রের মাধ্যমে উক্ত খামার 'গ' কে হস্তান্তর করতে চায় এবং একই দলিলে 'ক' কে ২০,০০ টাকা দিতে চায়। এক্ষেত্রে 'ক'-
  1. খামার এবং টাকা দুটোই দাবি করতে পারবে
  2. খামার রাখতে চাইলে, টাকা দাবি করতে পারবে না
  3. টাকা রাখতে চাইলে, খামার দাবি করতে পারবে না
  4. খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
ব্যাখ্যা
Doctrine of Election:
নির্বাচন বলতে একই দলিলে দুই বা ততোধিক বিষয়বস্তুর মধ্যে নির্দিষ্ট সংখ্যক বিষয়বস্তুর নির্বাচন করা বুঝায়। ইকুইটি নীতির উপর Doctrine of Election প্রতিষ্ঠিত। সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৩৫ ধারায় এর বিধান রয়েছে।

এই নীতির পূর্বশর্ত হলো-
⇒ হস্তান্তরকারী অবশ্যই অন্যের মালিকানাধীন সম্পত্তি হস্তান্তরের ঘোষণা করবেন।
⇒ ঐ সম্পত্তি ৩য় ব্যক্তি বরাবর হস্তান্তর করবেন।
⇒ একই সময়ে হস্তান্তরকারীকে নিজের কিছু সম্পত্তি মূল সম্পত্তির মালিককে হস্তান্তর করবে।
⇒ ২টি হস্তান্তর একই দলিলে হবে।
⇒ একটি সুবিধা গ্রহণ এবং অপর একটি সুবিধা বর্জন, অর্থাৎ কোন ব্যক্তি একই সঙ্গে কোন বিষয়ে অনুমোদন এবং প্রত্যাখ্যান করতে পারে না।
⇒ নির্বাচনের পূর্বে হস্তান্তরকারীর মৃত্যু বা পুনরায় হস্তান্তর করতে অক্ষম হয়ে পড়লে, তাহলে হস্তান্তরকারীর নিকট থেকে হস্তান্তরগ্রহীতা ক্ষতিপূরণ পাবে। 

এক্ষেত্রে 'ক' Doctrine of Election নীতি অনুযায়ী,
⇒ খামার রাখতে চাইলে, টাকা দাবি করতে পারবে না; অথবা
⇒ টাকা রাখতে চাইলে, খামার দাবি করতে পারবে না।


Doctrine of Election এর ব্যতিক্রম:
⇒ একই লেনদেনে প্রদত্ত অন্য কোন সুবিধা সম্পত্তির বিনিময় নয় তা পরিত্যাগ করতে সম্পত্তির মালিক বাধ্য নয়।
⇒ অসম্মতি জ্ঞাপন না করে মালিক ২ বছর ধরে তাকে প্রদত্ত সুবিধা ভোগ করলে, সে সকল বিষয় সম্পর্কে অবগত ছিল এবং তদন্তের অধিকার বর্জন করেছিল মর্মে ধরে নিতে হবে।
⇒ হস্তান্তরিত সম্পত্তির মালিক যদি এমন কোন কাজ করে যার ফলে হস্তান্তরিত সম্পত্তিতে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিগণকে ঐ কাজ করার পূর্বে যে মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত ছিল সেই মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করা অসম্ভব হয়ে পড়ে।
⇒ হস্তান্তরগ্রহীতা নির্বাচন করার ব্যপারে অক্ষম হলে যতদিন উক্ত অক্ষমতার অবসান না ঘটে বা কোন যোগ্যতা সম্পন্ন কর্তৃপক্ষ নির্বাচন না করেন, ততদিন নির্বাচন স্থগিত থাকবে।
২,৬৪৭.
হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন বিধিমালা, ২০১৩ এর বিধি-৫(১) অনুযায়ী, হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক হওয়ার জন্য ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা কী?
  1. স্নাতক পাস
  2. এসএসসি (SSC) পাস
  3. এইচএসসি (HSC) পাস
  4. কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন নেই
সঠিক উত্তর:
এইচএসসি (HSC) পাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এইচএসসি (HSC) পাস
ব্যাখ্যা

⇒ হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন বিধিমালা, ২০১৩ এর বিধি- ৫(১) অনুযায়ী, প্রার্থীর এইচএসসি (HSC) পাস হতে হবে, বয়স ২৫–৫০ বছরের মধ্যে হতে হবে, সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দা হতে হবে, এবং হিন্দু সনাতন ধর্মাবলম্বী হতে হবে। সবগুলো শর্ত পূরণ না করলে তিনি যোগ্য হবেন না।

-হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২-এর ৪(১) ধারার বিধান অনুসারে,
এই আইনের অধীন হিন্দু বিবাহ নিবন্ধনের উদ্দেশ্যে, সরকার, সিটি কর্পোরেশন এলাকার ক্ষেত্রে তৎকর্তৃক সময় সময় নির্ধারিত এলাকা, এবং সিটি কর্পোরেশন বহির্ভূত এলাকার ক্ষেত্রে প্রতিটি উপজেলা এলাকায় একজন ব্যক্তিকে হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক হিসেবে নিয়োগ প্রদান করিবে।
-হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২-এর ধারা ৪(৩) ধারার বিধান অনুসারে, হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্তির যোগ্যতা, অধিক্ষেত্র, হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক কর্তৃক আদায়যোগ্য ফিস এবং তৎসংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়াদি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে।

হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন বিধিমালা, ২০১৩ এর বিধি-৫ প্রার্থীদের যোগ্যতা, ইত্যাদি- (১) কোনো ব্যক্তি হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক হিসাবে নিয়োগ পাইবার
যোগ্য হইবেন না, যদি-
- তিনি সরকার কর্তৃক স্বীকৃত কোনো বোর্ড হইতে এইচ, এস, সি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হন;
- তাহার বয়স কমপক্ষে পঁচিশ এবং অনূর্ধ্ব পঞ্চাশ বৎসর না হয়;
- তিনি সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দা না হন;
- তিনি হিন্দু সনাতন ধর্মাবলম্বী না হন।
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক নিয়োগের ক্ষেত্রে কাব্যতীর্থ বা ব্যাকরণতীর্থদের অগ্রাধিকার প্রদান করা হইবে।

২,৬৪৮.
নিচের কোন হস্তান্তর বিনিময় বলে গণ্য হবে না?
  1. ঘড়ির বদলে ঘড়ি
  2. বাড়ির বদলে গাড়ি
  3. টাকার বদলে টাকা
  4. বাড়ির বদলে টাকা
সঠিক উত্তর:
বাড়ির বদলে টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাড়ির বদলে টাকা
ব্যাখ্যা
• ধারা ১১৮: "বিনিময়"-এর সংজ্ঞা

দুই ব্যক্তি যখন পারস্পরিক সম্মতিতে এক জনের একটি জিনিসের মালিকানার বদলে অন্য জনের একটি জিনিসের। মালিকানার হস্তান্তর করে তখন এর কোন একটি জিনিস অর্থ না হলে বা উভয় জিনিসই কেবল অর্থ হয়ে থাকলে এরপ আদান-প্রদানকে বিনিময় বলা হয়।

⇒ বিনিময়ের মাধ্যমে সম্পত্তি হস্তান্তর বিক্রয়ের মতই হবে।
দুই জন ব্যক্তির পারস্পরিক সম্মতিতে একজনের জিনিসের সাথে অন্য জনের জিনিসের মালিকানা বদল করা। তবে উভয়ই প্রকার সম্পত্তির প্রকৃতি একই হতে হবে; অথবা দুটো জিনিসই অর্থ হলে বিনিময় করা যাবে, তবে একটি জিনিস অর্থ অন্য জিনিস অন্য কোন বস্তু হলে তা বিনিময় হবে না।
⇒ বিনিময় দ্বারা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে বিক্রয় সংক্রান্ত বিধান প্রযোজ্য হবে।

Section 118: “Exchange” defined
When two persons mutually transfer the ownership of one thing for the ownership of another, neither thing or both things being money only, the transaction is called an “exchange”. 
A transfer of property in completion of an exchange can be made only in manner provided of the transfer of such property by sale.
২,৬৪৯.
'ঘ' একজন ব্যক্তি, অন্যের বাড়িতে প্রবেশ করে সোনার গহনা চুরি করে। সে সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড পেতে পারে?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
ব্যাখ্যা

উত্তর: ৭ বছর।

বসতবাড়ি বা অনুরূপ স্থানে চুরি – (ধারা ৩৮০, The Penal Code, 1860):
যে কেউ কোনো ভবন, তাঁবু বা জাহাজে চুরি করে — যা মানুষের বসবাসের জন্য ব্যবহৃত হয় বা সম্পত্তি সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়  সে ব্যক্তি যেকোনো ধরণের (সশ্রম বা বিনাশ্রম) কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন, যা সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত হতে পারে এবং তিনি অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হওয়ারও যোগ্য হবেন।

২,৬৫০.
আপিলকারী কারাগারে থাকলে, কার নিকট আপিলের দরখাস্ত দাখিল করা যেতে পারে?
  1. আদালতের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার নিকট
  2. জেলের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তার নিকট
  3. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট
  4. সরাসরি আপিল আদালতে
সঠিক উত্তর:
জেলের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তার নিকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তার নিকট
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪২০ অনুসারে,

যদি আপিলকারী জেলে থাকে, তাহলে সে তার আপিলের পিটিশন এবং পিটিশনের সাথে দাখিলকৃত রায় ও আদেশের কপি জেলের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তার নিকট দাখিল করতে পারে এবং উক্ত কর্মকর্তা পিটিশনটি সঠিক আপিল আদালতে পাঠাবে।

Section 420- Procedure when appellant in jail
If the appellant is in jail, he may present his petition of appeal and the copies accompanying the same to the officer in charge of the jail, who shall thereupon forward such petition and copies to the proper Appellate Court.
২,৬৫১.
According to Section 9, once limitation time begins to run-
  1. It may stop due to later disability
  2. It stops if the plaintiff becomes insane
  3. It starts again if the defendant becomes insolvent
  4. It continues regardless of any subsequent disability
সঠিক উত্তর:
It continues regardless of any subsequent disability
উত্তর
সঠিক উত্তর:
It continues regardless of any subsequent disability
ব্যাখ্যা

Section 9: Continuous running of time
Where once time has begun to run, no subsequent disability or inability to sue stops it: 
Provided that where letters of administration to the estate of a creditor have been granted to his debtor, the running of the time prescribed for a suit to recover the debt shall be suspended while the administration continues.

ধারা ৯- সময়ের অবিরাম চলন
একবার তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হলে পরবর্তী কোন অপারগতা বা অক্ষমতা দ্বারা তা বন্ধ হবে না।

ব্যতিক্রম
যেক্ষেত্রে পাওনাদারের (Creditor) সম্পত্তির ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দেনাদারের (Debtor) উপর পরিচালনার পত্ৰনামার (Letters of Administration) মাধ্যমে অর্পন করেছে, সেইক্ষেত্রে যতদিন উক্ত দায়িত্ব ন্যাস্ত থাকবে ততদিন উক্ত দেনার টাকা আদায়ের মামলার তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হওয়া স্থগিত থাকবে।

২,৬৫২.
"Mens rea" অপরাধীকে দায়ী করার ক্ষেত্রে কী প্রমাণিত হয়?
  1. তার দোষাবহ কার্য
  2. তার নির্দোষ কার্য
  3. তার দোষমুক্ত মন
  4. তার দোষযুক্ত মন
সঠিক উত্তর:
তার দোষযুক্ত মন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার দোষযুক্ত মন
ব্যাখ্যা
⇒ "Mens rea" অপরাধীকে দায়ী করার ক্ষেত্রে তার দোষযুক্ত মন প্রমাণিত হয়।

⇒ কোন ব্যক্তিকে ফৌজদারি অপরাধে অভিযুক্ত করতে প্রধানত ২টি শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হয়।
(i) দোষযুক্ত মন বা অপরাধী মন [Mens Rea] এবং
(ii) দোষাবহ কার্য বা অপরাধজনক কার্য [Actus Rea]

⇒ “Mens rea' শব্দের অর্থ ‘অপরাধী মন বা দোষযুক্ত মন' (guilty mind)।

⇒ অপরাধ সংঘটনের সময়ে আসামীর মনের অবস্থা “Mens rea' নামে পরিচিত। এটা ‘অপরাধীর দুষ্টমন' নামেও পরিচিত।
- একজন অপরাধী শুধু তার অপরাধজনক কার্যের জন্যই দায়ী হয় না বরং সে তার কার্যের সাথে তার অপরাধী মন বা অপরাধ করার ইচ্ছা বা উদ্দেশ্যের জন্যই বিশেষভাবে দায়ী হয়ে থাকে।
- এই অপরাধী মন বা অপরাধ করার ইচ্ছাকে বলা হয় mens rea বা guilty mind.
২,৬৫৩.
A-এর শেয়ার আছে X (সফল কোম্পানি) এবং Y (সমস্যাযুক্ত কোম্পানি)-তে। একক হস্তান্তরের মাধ্যমে A, B-কে তার সব শেয়ার হস্তান্তর করছে। এক্ষেত্রে, B যদি Y-এর শেয়ার নিতে অস্বীকার করে, তাহলে-
  1. B শুধুমাত্র X-এর শেয়ার নিতে পারবে
  2. B, X-এর শেয়ারও নিতে পারবে না
  3. B, Y-এর শেয়ার নিতে বাধ্য নয় কিন্তু X-এর শেয়ার নেবে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
B, X-এর শেয়ারও নিতে পারবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
B, X-এর শেয়ারও নিতে পারবে না
ব্যাখ্যা

উত্তর: b) B X-এর শেয়ারও নিতে পারবে না।

Onerous Gifts (দায় বা শর্তযুক্ত উপহার):

Onerous gifts হলো এমন উপহার যেখানে একাধিক সম্পত্তি দেওয়া হয় এবং তার মধ্যে কিছু সম্পত্তি দায় বা শর্তযুক্ত (burdened) থাকে, অন্যগুলো শর্তমুক্ত। আইন অনুযায়ী, যদি একই সময়ে এক ব্যক্তিকে একক হস্তান্তরের মাধ্যমে একাধিক সম্পত্তি দেওয়া হয় এবং কিছু সম্পত্তি শর্তযুক্ত হয়, প্রাপক শুধুমাত্র শর্তমুক্ত অংশ গ্রহণ করতে পারে না। তাকে হয় সব গ্রহণ করতে হবে, না হলে পুরো উপহার প্রত্যাখ্যান করতে হবে।

তবে, যদি সম্পত্তিগুলি স্বতন্ত্র ও স্বাধীন হস্তান্তরের মাধ্যমে দেওয়া হয়, প্রাপক একটি গ্রহণ করতে পারে এবং অন্যটি প্রত্যাখ্যান করতে পারে, এমনকি গ্রহণকৃতটি লাভজনক হলেও এবং অন্যটি শর্তযুক্ত হলেও।

মূল শর্তসমূহ:
- উপহার একই ব্যক্তিকে দেওয়া হবে।
- যদি একক হস্তান্তর হয় এবং কিছু সম্পত্তি শর্তযুক্ত হয় → প্রাপককে সর্বশেষে সম্পূর্ণ গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যান করতে হবে।
- যদি স্বতন্ত্র হস্তান্তর হয় → প্রাপক শর্তমুক্ত অংশ গ্রহণ করতে স্বাধীন।

আইনি নীতি:
এই ধারণা লাতিন maxim “Qui sentit commodum, sentire debet et onus” থেকে এসেছে:“যে সুবিধা গ্রহণ করে, তাকে দায়ও বহন করতে হবে।” অর্থাৎ, উপহার গ্রহণের সময় প্রাপককে সকল শর্ত মেনে নিতে হবে বা পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করতে হবে।

Section 127, Transfer of Property Act, 1882

Paragraph 1 – Single Transfer:
যদি উপহার একক হস্তান্তরের মাধ্যমে দেওয়া হয় এবং তার মধ্যে কিছু সম্পত্তি দায়যুক্ত হয়: প্রাপক সম্পূর্ণ উপহার গ্রহণ করতে হবে তিনি শুধুমাত্র শর্তমুক্ত অংশ গ্রহণ করতে পারবেন না।

Illustration (a):
A-এর শেয়ার আছে X (সফল কোম্পানি) এবং Y (সমস্যাযুক্ত কোম্পানি)-তে। A B-কে সব শেয়ার দিচ্ছে। B যদি Y-এর শেয়ার নিতে অস্বীকার করে, তাহলে তিনি X-এর শেয়ারও নিতে পারবেন না।

Paragraph 2 – Separate Transfers:
যদি উপহার স্বতন্ত্র ও স্বাধীন হস্তান্তরের মাধ্যমে দেওয়া হয়: প্রাপক একটি গ্রহণ করতে পারে এবং অন্যটি প্রত্যাখ্যান করতে পারে। এই ক্ষেত্রে, দাতা যেভাবে ইচ্ছা করেছেন তার পুরো নীতি প্রয়োগ হয় না।

Illustration (b):
A একটি বাড়ির লিজ দেয় এবং আলাদাভাবে কিছু টাকা দেয়। B যদি লিজ নিতে অস্বীকার করে, তাহলে তিনি টাকা হারাবেন না।

২,৬৫৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২য় তফসিলের ৩য় কলামে কী উল্লেখ আছে?
  1. অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য কিনা
  2. আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ
  3. যে আদালত কর্তৃক অপরাধটি বিচারযোগ্য
  4. প্রথমেই সমন বা ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হবে কিনা
সঠিক উত্তর:
আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২য় তফসিলের ৩য় কলামে "আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ" উল্লেখ করা হয়েছে।
- এটি বোঝায় যে, এই কলামে নির্দিষ্ট অপরাধের জন্য পরোয়ানা ছাড়া পুলিশ গ্রেফতার করতে পারে কি না, তা নির্ধারণ করা হয়।
- অর্থাৎ, কোনো অপরাধের ক্ষেত্রে পুলিশ কি তার শিকারকে গ্রেফতার করার জন্য অনুমতি পাবে, বা প্রথমে পুলিশকে কোনো পরোয়ানা ইস্যু করতে হবে কিনা, এই বিষয়টি ৩য় কলামে উল্লেখিত থাকে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের ৮টি কলাম নিম্নরূপ দেওয়া হলো:
১ম কলাম - পেনাল কোডের অধীন ধারাসমূহ,
২য় কলাম - অপরাধ,
৩য় কলাম - আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ (পুলিশ পরোয়ানা ছাড়া গ্রেফতার করতে পারে কি না),
৪র্থ কলাম - প্রথমেই সমন বা ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হবে কিনা,
৫ম কলাম - অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য,
৬ষ্ঠ কলাম - অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কিনা,
৭ম কলাম - দণ্ডবিধির অধীনে উল্লিখিত শাস্তি,
৮ম কলাম - যে আদালত কর্তৃক অপরাধটি বিচারযোগ্য।
২,৬৫৫.
তামাদি আইনের ১৭ ধারা মূলত কোন বিষয়ের ওপর আলোকপাত করে?
  1. নাবালকত্ব
  2. মৃত্যুর প্রভাব
  3. বৈধ অপারগতা
  4. লিখিত প্রাপ্তি স্বীকার
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুর প্রভাব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুর প্রভাব
ব্যাখ্যা
→ তামাদি আইনের ১৭ ধারা মূলত মৃত্যুর প্রভাবের ওপর আলোকপাত করে। 

⇒ তামাদি আইনের ১৭ ধারার বিধান মামলা করার অধিকার অর্জনের পূর্বে মৃত্যুর ফলাফল:-
- কোন ব্যক্তি জীবিত থাকলে মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের অধিকারী হত কিন্তু অধিকারটি সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে সেই ব্যক্তির আইনগত প্রতিনিধি ঐ মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়ের করার যোগ্যতা সম্পন্ন হওয়ার সময় থেকে তামাদির মেয়াদ গণনা হবে। একইভাবে কারো বিরুদ্ধে অধিকার সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে তার আইনগত প্রতিনিধির বিরুদ্ধে আইনগত যোগ্যতা সাপেক্ষে উক্ত মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের তামাদি গণনা হবে।

-এই ধারার ব্যতিক্রম হলো অগ্রক্রয়, স্থাবর সম্পত্তির দখলের মোকদ্দমা এবং বংশগত পদের মোকদ্দমা।
---------------------
⇒ The Limitation Act- Section 17- Effect of death before right to sue accrues:
(1) Where a person, who would, if he were living, have a right to institute a suit or make an application, dies before the right accrues, the period of limitation shall be computed from the time when there is a legal representative of the deceased capable of instituting or making such suit or application.
(2) Where person against whom, if he were living, a right to institute a suit or make an application would have accrued dies before the right accrues, the period of limitation shall be computed from the time when there is a legal representative of the deceased against whom the plaintiff may institute or make such suit or application.ঃ
(3) Nothing in sub-sections (1) and (2) applied to suits to enforce rights of pre-emption or to suits for the possession of immoveable property or of an hereditary office.
২,৬৫৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৩ তে উল্লেখিত ________ ক্ষেত্র ছাড়া বিদেশি আদালতের রায় চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।
  1. ৪টি
  2. ৬টি
  3. ৮টি
  4. ২টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৩ তে উল্লেখিত ৬টি ক্ষেত্র ছাড়া বিদেশি আদালতের রায় চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

ধারা-১৩ঃ যখন বিদেশি রায় চূড়ান্ত হয় না-
কোন বিদেশি আদালত কোন বিষয়ে বিচার করলে এবং তা একই পক্ষসমূহ অথবা তাদের সূত্রে এক বা একের অধিক স্বত্ব দাবিকারীর মধ্যে একই বিষয় সম্পর্কিত মোকদ্দমা হলে বিদেশি আদালতের রায় চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে; তবে নিম্নলিখিত ক্ষেত্র ব্যতীত-

ক) যখন উপযুক্ত এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত কর্তৃক রায় ঘোষিত হয় নি;
খ) মোকদ্দমার গুণাগুণের ভিত্তিতে রায় দেয়া না হলে;
গ) আন্তর্জাতিক আইনের ভ্রান্ত ব্যাখা অথবা মোকদ্দমাটির প্রতি প্রযোজ্য বাংলাদেশের আইন অস্বীকার করে রায় প্রদান করা হয়েছে বলে কার্যধারাসমূহ হতে বুঝা গেলে;
ঘ) যে রায় আইনগত ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রদান করা হয়েছে, তাতে অনুসৃত পদ্ধতি ও কার্যক্রম ন্যায়বিচারের পরিপন্থী হলে;
ঙ) প্রবঞ্চনা দ্বারা রায় সংগ্রহ করা হলে;
চ) বাংলাদেশে প্রচলিত কোন আইনের বিরোধী কোন দাবি রায়ে বজায় রাখা হলে।

Section 13: When Foreign Judgment not Conclusive-
A foreign judgment shall be conclusive as to any matter thereby directly adjudicated upon between the same parties or between parties under whom they or any of them claim litigating under the same title except-

a) where it has not been pronounced by a Court of competent jurisdiction;
b) where it has not been given on the merits of the case;
c) where it appears on the face of the proceedings to be founded on an incorrect view of international law or a refusal to recognise the law of Bangladesh in cases in which such law is applicable;
d) where the proceedings in which the judgment was obtained are opposed to natural justice;
e) where it has been obtained by fraud;
f) where it sustains a claim founded on a breach of any law in-force in Bangladesh.
২,৬৫৭.
প্ররোচনার [Provocation] দরুণ স্বেচ্ছায় আঘাত প্রদান করা হলে, দণ্ডবিধির ৩৩৪ ধারায় তার সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. ৬ মাসের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  2. ৩ মাসের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  3. ২ মাসের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. ১ মাসের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১ মাসের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ মাসের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৩৪ - প্ররোচনার কারণে স্বেচ্ছায় আঘাত প্রদান:
যে ব্যক্তি গুরুতর এবং আকস্মিক প্ররোচনার কারণে স্বেচ্ছায় আঘাত করে, যদি সে অন্য কাউকে আঘাত করার উদ্দেশ্য বা জ্ঞান না থাকে, কেবল সেই ব্যক্তিকে আঘাত করে যে প্ররোচনা দিয়েছে, তবে তাকে এক মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত জরিমানা, অথবা উভয়ই দেওয়া যেতে পারে।

[Whoever voluntarily causes hurt on grave and sudden provocation, if he neither intends nor knows himself to be likely to cause hurt to any person other than the person who gave the provocation shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to five hundred taka, or with both.]
২,৬৫৮.
নিচের কোন বিধি অনুযায়ী প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল চলে না?
  1. আদেশ ৭ বিধি ১০
  2. আদেশ ৩৯ বিধি ১
  3. আদেশ ৯ বিধি ৩
  4. আদেশ ১১ বিধি ২১
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৯ বিধি ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৯ বিধি ৩
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ এর বিধান হলো- আদেশের বিরুদ্ধে আপিল। আদেশ ৪৩ এ মোট ২৫টি আপীলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) এর তালিকা রয়েছে।

তালিকা অনুযায়ী নিম্নোক্ত আদেশসমূহ আপীলযোগ্য-
ক) আদেশ ৭ বিধি ১০- আরজি প্রত্যাখ্যান আদেশ;
খ) আদেশ ৩৯ বিধি ১- অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরের আদেশ;
ঘ) আদেশ ১১ বিধি ২১- প্রশ্নমালার উত্তর দানের বা দলিলসমূহের উদ্ঘাটন বা পরিদর্শনের জন্য কোন আদেশ অমান্যকরণ;

তবে, গ) 'আদেশ ৯ বিধি ৩- কোন পক্ষ হাজির না হলে মোকদ্দমা খারিজ আদেশ' আপীলযোগ্য নয়।

প্রতিকার-
এক্ষেত্রে, আদেশ ৯ বিধি ৪ এর অধীনে বাদী নতুন মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে কিংবা খারিজ আদেশ রদ করার আবেদন করতে পারবে।
২,৬৫৯.
অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রদত্ত কারাদণ্ডের ধরন কেমন হবে?
  1. অপরাধটির জন্য যে ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে
  2. শুধু বিনাশ্রম কারাদণ্ডে হবে
  3. যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম
  4. শুধু সশ্রম কারাদণ্ডে হবে
সঠিক উত্তর:
অপরাধটির জন্য যে ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধটির জন্য যে ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৬৬ ধারার বিধান অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রদত্ত কারাদণ্ডের ধরন:- অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রদত্ত কারাদণ্ডের ধরন, অপরাধটির জন্য অপরাধীকে যে ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যেত সেরূপ হবে।

------------------------------
♦ Section 66. Description of imprisonment for non-payment of fine:-The imprisonment which the Court imposes in default of payment of a fine may be of any description to which the offender might have been sentenced for the offence.
২,৬৬০.
শিশু আইন, ২০১৩ অনুযায়ী 'শিশু'র বয়স অনূর্ধ্ব _______বৎসর।
  1. ১৬
  2. ১৭
  3. ১৮
  4. ২১
সঠিক উত্তর:
১৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮
ব্যাখ্যা
• শিশু আইন, ২০১৩ এর ৪ ধারা-

বিদ্যমান অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, অনুর্ধ্ব ১৮ (আঠার) বৎসর বয়স পর্যন্ত সকল ব্যক্তি শিশু হিসাবে গণ্য হইবে।
২,৬৬১.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন কারাদণ্ড আদেশপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তিকে যদি দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা হয়, তাহলে উক্ত ব্যক্তিকে ফৌজদারি কারাগারে অপসারণ করার নির্দেশ দিতে পারেন-
  1. সরকার
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. আদেশদানকারী আদালত
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
আদেশদানকারী আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশদানকারী আদালত
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪১- কারাবাসের স্থান নির্দিষ্টকরণের ক্ষমতা

(১) বর্তমানে কার্যকর কোন আইনে ভিন্নরূপ ব্যবস্থা করা না হলে এই বিধির অধীন কারাদণ্ড বা হাজত বাসের নির্দেশপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তিকে কোথায় আটক রাখা হবে সরকার সে সম্পর্কে নির্দেশ দিতে পারবেন।

(২) দেওয়ানি কারাগারে আটক আসামী কিংবা দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ফৌজদারি কারাগারে অপসারণ এবং তাদের দেওয়ানি কারাগারে প্রত্যাবর্তনঃ
এই কার্যবিধির অধীন কারাদন্ড বা হাজতবাসের নির্দেশপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তিকে যদি দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা হয়, তাহলে কারাদণ্ড বা হাজত বাসের আদেশদানকারী আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত ব্যক্তিকে ফৌজদারি কারাগারে অপসারণ করার নির্দেশ দিতে পারবেন।

(৩) কোন ব্যক্তি উপধারা (২) এর অধীন ফৌজদারি জেলে স্থানান্তরিত হলে তা থেকে মুক্ত হবার পর তাকে পুনরায় দেওয়ানি জেলে প্রেরণ করতে হবে, যদি না-

(ক) ফৌজদারি জেলে স্থানান্তরিত হবার পর তিন বৎসর পার হয়ে থাকে, তিন বৎসর অতিবাহিত হয়ে থাকলে দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা-৫৮ এর অধীন সে দেওয়ানি জেল থেকে অব্যাহতি পেয়েছে মর্মে অভিহিত করতে হবে, কিংবা
(খ) যে আদালত তাকে দেওয়ানি জেলে আটকের আদেশ দিয়েছিলেন সেই আদালত ফৌজদারি জেলের ভারপ্রাপ্ত অফিসারকে সার্টিফিকেট দেন যে দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা-৫৮ এর অধীন সে অব্যাহতি পাবার অধিকারী।
২,৬৬২.
ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক স্বীকৃতি কখন প্রাসঙ্গিক হবে?
  1. সর্বদা
  2. যখন আদালত চায়
  3. যখন কোনো পক্ষ স্বীকার করে
  4. যখন ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়
সঠিক উত্তর:
যখন ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়
ব্যাখ্যা
• The Evidence (Amendment) Act, 2022 দ্বারা ২২ক ধারাটি নতুন করে যুক্ত করা হয়েছে। ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক হওয়ার শর্ত ২২ক ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে।

২২ক ধারায় বলা হয়েছে,
ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কিত মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক নয়, যদি না উত্থাপিত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়।
[Oral admissions as to contents of digital records are not relevant, unless the genuineness of the digital record produced is in question].

অর্থাৎ, রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হলেই মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক হবে।
২,৬৬৩.
পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন কখন প্রণয়ন করা হয়?
  1. ২০১০ সালে
  2. ২০১২ সালে
  3. ২০১৩ সালে
  4. ২০১৫ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৩ সালে
ব্যাখ্যা

⇒ পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ৪৯ নং আইন) ২৭ অক্টোবর, ২০১৩ তারিখে জাতীয় সংসদে প্রণয়ন করা হয়। এটি সন্তান কর্তৃক পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে প্রণীত হয়েছে।
⇒ পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩:
- সন্তান কর্তৃক পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩ প্রণয়ন করা হয়।
- এই আইনের ৩ ধারায় প্রত্যেক সন্তানকে তার পিতা-মাতার ভরণ পোষণ নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
- ৪ ধারা অনুযায়ী প্রত্যেক সন্তান তার পিতার অবর্তমানে দাদা-দাদীকে; এবং মাতার অবর্তমানে নানা-নানীকে ধারা ৩ এ বর্ণিত ভরণ-পোষণ প্রদানে বাধ্য থাকবে এবং এই ভরণ পোষণ পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ হিসাবে গণ্য হবে।

- পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, এর ৫ ধারা অনুযায়ী পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ না করার দণ্ড:
- কোন সন্তান কর্তৃক ধারা ৩ এর যে কোন উপ-ধারার বিধান কিংবা ধারা ৪ এর বিধান লংঘন অপরাধ বলে গণ্য হবে এবং
- উক্ত অপরাধের জন্য অনূর্ধ্ব ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে; বা
- উক্ত অর্থদণ্ড অনাদায়ের ক্ষেত্রে অনূর্ধ্ব ৩ (তিন) মাস কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

২,৬৬৪.
'Res sub judice' এবং 'Res judicata' নীতি সমূহের মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. মোকদ্দমা চলমান রাখা
  2. মোকদ্দমার বহুত্ব রোধ করা
  3. মোকদ্দমার স্থিতিবস্থা বজায় রাখা
  4. মোকদ্দমার বহুত্ব বৃদ্ধি করা
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার বহুত্ব রোধ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার বহুত্ব রোধ করা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ ধারায় মোকদ্দমা স্থগিতকরণ (stay of suit) বা res sub judice সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। একই পক্ষগণের বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে পূর্বে দায়েরকৃত এবং পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় প্রত্যক্ষ এবং মৌলিকভাবে একই হলে, আদালত পরবর্তী মোকদ্দমার কার্যক্রম স্থগিত করবেন।

• ১১ ধারায় দোবারা দোষ নীতিটি [Res Judicata] আলোচনা করা হয়েছে। রেস জুডিকাটা নীতির মূল কথা হলো- এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত কোন বিচারিত বিষয়কে পরবর্তীতে পুনরায় বিচার করা যাবে না।এই নীতির মূল কথা হলো, একবার নিষ্পত্তিকৃত কোন মোকদ্দমা, পুনরায় বিচারযোগ্য নয়।

 এই নীতিসমূহের উদ্দেশ্য:
⇒ আদালতের সময় ও সম্পদ বাঁচানো: একই বিষয়ে বার বার মামলা না হওয়ায় আদালতকে পুনরাবৃত্তির শ্রম থেকে রক্ষা করা হয়।
⇒ বিচারের মর্যাদা ও শাসন রক্ষা করা: একই বিষয়ে দ্বৈত রায়ের অবস্থা এড়ানোর মাধ্যমে বিচারের মর্যাদা এবং আইনের শাসন রক্ষা করা হয়।
⇒ ন্যায়বিচারের গতিশীলতা বজায় রাখা: মামলার ক্রমাগত পুনরাবৃত্তি ন্যায়বিচার প্রক্রিয়াকে স্থবির করে ফেলে।
⇒ বিরোধী পক্ষকে অনাবশ্যক হয়রানি থেকে রক্ষা করা: বারবার একই বিষয়ে মামলার সম্মুখীন না হওয়ায় বিরোধী পক্ষ রক্ষা পায়।

অর্থাৎ মোকদ্দমার বহুত্ব রোধ করা হচ্ছে এই নীতিসমূহের মূল উদ্দেশ্য।
২,৬৬৫.
দণ্ডবিধির ধারা ৩৪ অনুযায়ী, যখন একাধিক ব্যক্তি একই অভিপ্রায়ে অপরাধ করে, তখন দায়ভার কীভাবে নির্ধারিত হয়?
  1. আদালত নির্ধারণ করবে
  2. শুধু প্রধান অপরাধীর উপর দায় বর্তায়
  3. কেবলমাত্র সহযোগীর উপর দায় বর্তায়
  4. প্রত্যেক ব্যক্তি দায়ী, যেন সে একাই কাজ করেছে
সঠিক উত্তর:
প্রত্যেক ব্যক্তি দায়ী, যেন সে একাই কাজ করেছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যেক ব্যক্তি দায়ী, যেন সে একাই কাজ করেছে
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৪-এর মূল বিধান হলো — যখন একাধিক ব্যক্তি সাধারণ অভিপ্রায় (common intention) বাস্তবায়নের জন্য কোনো অপরাধমূলক কাজ করে, তখন প্রতিটি ব্যক্তি সেই কাজের জন্য যৌথ দায় বহন করে এবং তাকে এমনভাবে দায়ী করা হয় যেন সে একা ঐ অপরাধটি করেছে। অর্থাৎ, দণ্ডবিধির দৃষ্টিতে প্রত্যেকে মূল অপরাধীর সমান দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়।
- এই বিধানটির উদ্দেশ্য হলো যৌথ দায়িত্ব সৃষ্টি করা, যাতে সাধারণ অভিপ্রায়ে অংশগ্রহণকারী প্রতিটি ব্যক্তিকে আলাদাভাবে শাস্তি দেওয়া যায়, যদিও প্রকৃতপক্ষে কাজটি তারা সম্মিলিতভাবে করেছে।

- অর্থাৎ দণ্ডবিধির ধারা ৩৪ অনুযায়ী, যখন একাধিক ব্যক্তি সাধারণ অভিপ্রায়ের (common intention) অধীনে কোনো অপরাধ সংঘটিত করে, তখন প্রত্যেককে সেই অপরাধের জন্য দায়ী ধরা হয়, যেমন মনে করা হবে সে একাই ওই অপরাধটি করেছে।

Illustration:
A ও B মিলে Z-এর উপর হামলা চালায় অভিপ্রায় অনুযায়ী। Z আহত হলে, A ও B দুজনই আলাদাভাবে পূর্ণ দায়ী।

২,৬৬৬.
দণ্ডবিধির ৩৬২ ধারানুসারে, 'Abduction' কত প্রকারে সংঘটিত হতে পারে?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ৩৬২- অপহরণ (Abduction):
যে কেউ, জোরপূর্বক কাউকে কোন স্থান ত্যাগ করতে বাধ্য করে, অথবা কোন প্রকার প্রতারণামূলক উপায়ে কাউকে কোন স্থান থেকে যেতে প্ররোচিত করে, সে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে অপহরণ করেছে বলে গণ্য হবে।

দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ৩৬২ ধারার অধীনে অপহরণ (Abduction) ২ প্রকারে সংঘটিত হতে পারে:
১. By Force (বলপ্রয়োগের মাধ্যমে):
যখন কাউকে জোরপূর্বক বা বলপ্রয়োগ করে কোন স্থান ত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়।

উদাহরণ:
কাউকে মারধর করে জোর করে গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়া।

২. By Deceitful Means (প্রতারণামূলক উপায়ে):
যখন কাউকে প্রতারণা করে বা ভুল বুঝিয়ে কোন স্থান ত্যাগ করতে উৎসাহিত/প্ররোচিত করা হয়।

উদাহরণ:
মিথ্যা প্রেম বা চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে কাউকে তার বাড়ি থেকে অন্যত্র নিয়ে যাওয়া।
২,৬৬৭.
রিভিউ এ সিদ্ধান্ত দেবার ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে যে আদালত যে
  1. ঐ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল শুনে
  2. ঐ আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন শুনে
  3. রিভিউ এর জন্য বিবেচনাধীন ডিক্রিটি প্রদান করে
  4. রিভিউ এর জন্য বিবেচনাধীন রেফার করে
সঠিক উত্তর:
রিভিউ এর জন্য বিবেচনাধীন ডিক্রিটি প্রদান করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিউ এর জন্য বিবেচনাধীন ডিক্রিটি প্রদান করে
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৪ ধারায় এবং ৪৭ আদেশে রিভিউ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। ধারা ১১৪ এবং ৪৭ আদেশের ১ বিধির অধীন রিভিউ আবেদন করা যায় যে সকল ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের বিধান নেই বা যে সকল ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের বিধান আছে কিন্তু আপীল করে নাই।

♦ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮-এর ১১৪ ধারায় বলা হয়েছে “….may apply for a review of judgment  to the court which passed the decree or order”. অর্থাৎ যে আদালত রায় বা আদেশ দিয়েছে রিভিউ-এর আবেদন সেই আদালতেই করতে হবে।

♦যে আদালত ডিক্রি বা আদেশ দেয়, সেই আদালতে ডিক্রি বা আদেশটি রিভিউ করার জন্য আবেদন করতে হয়। অর্থাৎ রিভিউযোগ্য কোন ডিক্রি যে আদালত উক্ত ডিক্রিটি প্রদান করে সে আদালতে রিভিউ এর জন্য দায়ের করতে হবে এবং সেই ক্ষেত্রে উক্ত আদালত (ডিক্রি প্রদানকারী আদালত যার নিকট ডিক্রিটি রিভিউ এর জন্য বিবেচনা করার জন্য দাখিল করা হয়েছে) সেই আদালত উক্ত রিভিউ এর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত দিতে পারে।
২,৬৬৮.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় প্রদত্ত স্বীকৃতি সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া হবে না বলে পক্ষগণের মধ্যে চুক্তি হলে, এ অবস্থায় উক্ত স্বীকৃতি-
  1. প্রাসঙ্গিক হবে
  2. প্রাসঙ্গিক হবে না
  3. পর্যালোচনা করা হবে
  4. কেবলমাত্র বিচারকের অনুমোদনে প্রাসঙ্গিক হবে
সঠিক উত্তর:
প্রাসঙ্গিক হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাসঙ্গিক হবে না
ব্যাখ্যা
• ধারা ২৩: দেওয়ানি মোকদ্দমায় স্বীকৃতি যখন প্রাসঙ্গিক:
দেওয়ানি মোকদ্দমায় কোন স্বীকৃতি যদি এরূপ প্রকাশ্য শর্তাধীন করা হয় যে, ঐ সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া হবে না অথবা যদি এরূপ পরিস্থিতিতে করা হয় যে, তা সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া হবে না বলে পক্ষগণের মধ্যে চুক্তি হয়েছে বলে আদালত অনুমান করতে পারেন, তবে তা প্রাসঙ্গিক হবে না।
ব্যাখ্যাঃ কোন অ্যাডভোকেট ১২৬ ধারা অনুসারে কোন বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য থাকলে এই ধারার কোন বিধান অনুসারে তিনি সাক্ষ্য দেওয়া হতে অব্যাহতি পাবে না।

⇒ দেওয়ানি মোকদ্দমায় স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক নয় যদি-
১. স্বীকৃতিটি এই শর্তে করা হয় যে উক্ত স্বীকারোক্তি সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না।
২. সাক্ষ্য না দেয়ার জন্য পক্ষগণের মধ্যে কোন চুক্তি থাকলে।

Section 23: Admissions in civil cases when relevant:
In civil cases no admission is relevant, if it is made either upon an express condition that evidence of it is not to be given, or under circumstances from which the Court can infer that the parties agreed together that evidence of it should not be given.
Explanation.– Nothing in this section shall be taken to exempt any 17[Advocate] from giving evidence of any matter of which he may be compelled to give evidence under section 126.
২,৬৬৯.
যদি গর্ভবতী নারী গর্ভে শিশু ‘quick with child’ (জীবনের লক্ষণযুক্ত) অবস্থায় থাকে এবং কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে গর্ভপাত ঘটায়, তবে ৩১২ ধারা অনুযায়ী সর্বোচ্চ শাস্তি কী হবে?
  1. ৩ বছর কারাদণ্ড
  2. ৫ বছর কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. ১০ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ৩১২ অনুযায়ী বলা হয়েছে: “যে ব্যক্তি স্বেচ্ছায় এমন কোনো কার্য করেন, যার ফলে গর্ভবতী নারীর গর্ভপাত হয়, এবং যদি তা মায়ের জীবন রক্ষার জন্য “সৎ বিশ্বাসে” (good faith) করা না হয়ে থাকে, তাহলে সেই ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, বা জরিমানা, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে।”

-এছাড়াও, যদি ঐ নারী “quick with child” অর্থাৎ গর্ভধারণের পর নির্দিষ্ট পর্যায়ে পৌঁছে থাকেন (সাধারণত দ্বিতীয় বা তৃতীয় ত্রৈমাসিক বোঝানো হয়), তাহলে শাস্তি আরও বেশি হয় – সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা।

⇒ অর্থাৎ গর্ভবতী নারী ‘quick with child’ অবস্থায় থাকলে এবং কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে গর্ভপাত ঘটায়, তবে ৩১২ ধারা অনুযায়ী সর্বোচ্চ শাস্তি হবে ৭ বছর কারাদণ্ড এবং জরিমানা। 

ধারা ৩১২: গর্ভপাত ঘটানো (Causing miscarriage)
"যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো গর্ভবতী নারীর গর্ভপাত ঘটায়, এবং যদি তা মায়ের জীবন রক্ষার জন্য সৎ বিশ্বাসে (good faith) করা না হয়, তবে সে ব্যক্তি সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকার কারাদণ্ডে (simple বা rigorous imprisonment) দণ্ডিত হবেন, অথবা জরিমানা দিতে হবে, কিংবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
আর যদি নারী “quick with child” অবস্থায় থাকেন, তবে সেই ব্যক্তির সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকার কারাদণ্ড এবং জরিমানার বিধান থাকবে।
ব্যাখ্যা: এই ধারার অধীনে এমনকি যদি কোনো নারী নিজেই নিজের গর্ভপাত ঘটান, তাহলে তিনিও অপরাধী হিসেবে গণ্য হবেন।
--------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 312. Causing miscarriage:
Whoever voluntarily causes a woman with child to miscarry, shall, if such miscarriage be not caused in good faith for the purpose of saving the life of the woman, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both; and,
if the woman be quick with child, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
Explanation.-A woman who causes herself to miscarry, is within the meaning of this section.
২,৬৭০.
দণ্ডবিধির কত ধারায় ডাকাতির সংজ্ঞা রয়েছে?
  1. ৪১৫
  2. ৩৯০
  3. ৩৭৮
  4. ৩৯১
সঠিক উত্তর:
৩৯১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৯১
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারার বিধান ডাকাতি:- যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন করে বা দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন প্রচেষ্টারত ব্যক্তির ও অনুরূপ কার্যে বা প্রচেষ্টায় সহায়তাকারী ব্যক্তির মোট সংখ্যা পাঁচ বা ততোধিক হয়, তবে অনুরূপ কাজ সংঘটনকারী বা প্রচেষ্টাকারী বা সহায়তাকারী প্রত্যেক ব্যক্তি ডাকাতি করছে বলে পরিগণিত হবে।
--------
Section 391 Dacoity: When five or more persons conjointly commit or attempt to commit a robbery, or where the whole number of persons conjointly committing or attempting to commit a robbery, and persons present and aiding such commission or attempt, amount to five or more, every person so committing, attempting or aiding, is said to commit "dacoity".
২,৬৭১.
‘ট্রেডমার্ক’ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের দৃষ্টিতে কী হিসেবে বিবেচিত হয়?
  1. পণ্য
  2. লাইসেন্স
  3. সম্পত্তি
  4. দায়বদ্ধতা
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারার বিধান: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরের সময়:
এই অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত বা এই অধ্যায়ে বর্ণিত অন্যান্য বিধানের অধীন আবেদনকারীর স্বপক্ষে বিরাজমান বাধ্যবাধকতা, তা প্রকাশ্য হোক বা অনুমিত হোক ভঙ্গ করাকে নিরোধ করার জন্য চিরস্থায়ী ইনজাংশন মঞ্জুর করা যেতে পারে।
যেক্ষেত্রে তেমন বাধ্যবাধকতা চুক্তির ফলে উদ্ভূত হয়, সেক্ষেত্রে আদালত এই আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ের বিধানসমূহ ও নিয়মাবলি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবেন।
 
যেক্ষেত্রে প্রতিবাদী বাদীর সম্পত্তির অধিকারে বা সম্ভোগে অনধিকার হস্তক্ষেপ করে বা হস্তক্ষেপের হুমকি দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রসমূহে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন:
(ক) যেক্ষেত্রে প্রতিবাদীর জন্য সম্পত্তির জিম্মাদার;
(খ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘনের ফলে কৃত বাস্তব ক্ষতি অথবা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোন মানদণ্ড নেই;
(গ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘন এমন ধরনের যে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা তার পর্যাপ্ত প্রতিকার করা যাবে না;
(ঘ) যেক্ষেত্রে এমন সম্ভাবনা থাকে যে, অধিকার লঙ্ঘনের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না;
(ঙ) যেক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় কার্যধারার জটিলতা নিবারণের জন্য ইনজাংশন প্রয়োজনীয়।
 
ব্যাখ্যা: এই ধারার লক্ষ্য অনুযায়ী ট্রেডমার্ক 'সম্পত্তি' মর্মে পরিগণিত হবে।
২,৬৭২.
বিরুদ্ধ পক্ষ আপত্তি করলে, জবানবন্দী গ্রহণকালে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যাবে কি?
  1. হ্যাঁ
  2. না
  3. আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে করা যাবে
  4. সাক্ষীর অনুমতি সাপেক্ষে করা যাবে
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে করা যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে করা যাবে
ব্যাখ্যা
• যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর থাকে, তাকে নির্দেশক প্রশ্ন বা ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা 'Leading question' বলে। সাধারণত 'হ্যা' অথবা 'না' এই দুই ভাবে প্রশ্নের উত্তর দেয়া যায়।

১৪২ ধারার বিধান-
বিরুদ্ধ পক্ষ যদি আপত্তি করেন, তবে জবানবন্দী ও পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা চলিবে না।
[Leading questions must not, if objected to by the adverse party be asked in an examination-in-chief, or in a re-examination, except with the permission of the Court.]

অর্থাৎ, উল্লিখিত ক্ষেত্রে শুধুমাত্র আদালতের অনুমতিতে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা যাবে।
২,৬৭৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫২ ধারায় নিজের কর্তৃত্ববলে সরকারী সম্পত্তির ক্ষতি নিবারণ করতে কে হস্তক্ষেপ করতে পারে?
  1. পুলিশ অফিসার
  2. যেকোন ব্যক্তি
  3. ক এবং খ
  4. কেউ নয়
সঠিক উত্তর:
পুলিশ অফিসার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশ অফিসার
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৫২: সরকারী সম্পত্তির ক্ষতি নিবারণ

কোন পুলিশ অফিসার তার নিজের কর্তৃত্ব বলে তার দৃষ্টিগোচরে কোন স্থাবর বা অস্থাবর সরকারী সম্পত্তির ক্ষতির প্রচেষ্টা অথবা কোন সরকারী চিহ্ন বা বয় (buoy) বা নৌ চলাচলের জন্য ব্যবহৃত অন্য কোন সরকারী চিহ্ন অপসারণের বা ক্ষতির চেষ্টা রোধ করার জন্য হস্তক্ষেপ করতে পারবেন।

Section 152: Prevention of injury to public property
A police-officer may of his own authority interpose to prevent any injury attempted to be committed in his view to any public property, movable or immovable, or the removal or injury of any public landmark or buoy or other mark use for navigation.
২,৬৭৪.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের কোন অনুচ্ছেদসমূহে মামলায় বিভিন্ন ধরনের দরখাস্ত বা আবেদনের তামাদির সময়সীমা সম্পর্কে বিধান রয়েছে?
  1. ১-১৪৯ নং অনুচ্ছেদে
  2. ১৫০-১৫৭ নং অনুচ্ছেদে
  3. ১৫৮-১৮৩ নং অনুচ্ছেদে
  4. ১৬০-১৮৭ নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১৫৮-১৮৩ নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৮-১৮৩ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে ৩টি বিভাগ উল্লেখ করা হয়েছে। এই ৩টি বিভাগে ৩ ধরণের বিষয়ের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রথম বিভাগ (First Division)
মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling suits]- অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯ পর্যন্ত।

দ্বিতীয় বিভাগ (Second Division)
আপীল দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling appeals]- অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭ পর্যন্ত।

তৃতীয় বিভাগ (Third Division)
বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling applications and petitions]- অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩ পর্যন্ত।
২,৬৭৫.
নিচের কোন অপরাধের জন্য আদালত বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করতে পারে?
  1. মানহানি
  2. আদালত অবমাননা
  3. আত্মহত্যার চেষ্টা
  4. সবগুলা
সঠিক উত্তর:
সবগুলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলা
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৫০০ ধারা মানহানির শাস্তিঃ
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির মানহানি করে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

♦দণ্ডবিধির৩০৯ ধারা আত্মহত্যা করিবার উদ্যোগঃ
কোন ব্যক্তি যদি আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে এবং অনুরূপ অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কার্য করে, তবে উক্ত ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

♦দণ্ডবিধির ২২৮ ধারা বিচার বিষয়ক কার্যক্রমের কোন পর্যায়ে বিচারকের আসন গ্রহণকারী কোন সরকারী কর্মচারীকে ইচ্ছাকৃতভাবে অপমান করা বা তাহার কার্যে বাধা দেওয়াঃ
কোন সরকারী কর্মচারী কোন বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের যেকোন পর্যায়ে নিয়ত থাকাকালে কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে তাকে অপমান করে বা তার কাজে বাধা প্রদান করে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
২,৬৭৬.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী কারাদণ্ড কার্যকরের প্রত্যেকটি পরোয়ানা কাকে নির্দেশিত হবে?
  1. পাবলিক প্রসিকিউটর
  2. স্থানীয় থানা পুলিশ কর্মকর্তা
  3. কারাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
  4. আদলত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা
সঠিক উত্তর:
কারাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৮৪- দণ্ড কার্যকরীর জন্য পরোয়ানার নির্দেশ:
- কারাদণ্ড কার্যকরীর প্রত্যেকটি পরোয়ানা আসামী যে কারাগারে বা অন্য যে স্থানে আটক রয়েছে বা থাকবে, সেই কারাগারের বা স্থানের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর নির্দেশিত হবে।
--------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure,1898 Section 384: Direction of the warrant for execution:
- Every warrant for the execution of a sentence of imprisonment shall be directed to the officer in charge of the jail or other place in which the prisoner is, or is to be, confined.
২,৬৭৭.
The Evidence Act, 1872 এর ধারা ৫৬ এর মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. সকল প্রমাণ অবশ্যই আদালতে উপস্থাপন করতে হবে
  2. আদালত শুধুমাত্র সাক্ষীর বক্তব্য গ্রহণ করতে পারে
  3. আদালত কোনো দলিল না থাকলে প্রমাণ গ্রহণ করতে পারবে না
  4. কিছু ঘটনা আদালত নিজেই জানে, তাই তা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই
সঠিক উত্তর:
কিছু ঘটনা আদালত নিজেই জানে, তাই তা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিছু ঘটনা আদালত নিজেই জানে, তাই তা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই
ব্যাখ্যা
• জুডিশিয়াল নোটিশ (Judicial Notice)-
যেসব বিষয় আদালত জানেন বা জানেন বলে ধরা হয়, সেগুলোকে জুডিশিয়াল নোটিশ বা বিচারিক দৃষ্টিগোচর বলে। সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ও ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের বিধান রয়েছে।

সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ধারার বিধান অনুযায়ী-
যে সকল ঘটনা আদালত কর্তৃক লক্ষণীয় তা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
(Fact judicially noticeable need not be proved)
২,৬৭৮.
SAT Act, 1950 এর কত ধারায় রাজস্ব কর্মকর্তাকে অকৃষি প্রজার ভাড়া নির্ধারণের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. ২৫ ধারায়
  2. ২৬ ধারায়
  3. ২৭ ধারায়
  4. ২৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২৫ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
SAT Act, 1950 ধারা ২৫: অকৃষি প্রজাদের ন্যায্য ও সঙ্গত ভাড়া নির্ধারণ-
এই অধ্যায়ের অধীনে রেকর্ড-অফ-রাইটস প্রস্তুত বা সংশোধন করার সময়, রাজস্ব কর্মকর্তা অকৃষি ভূমি অধিকারী সকল অকৃষি প্রজার (টেনিওর-হোল্ডার বাদে) জমির ন্যায্য ও সঙ্গত ভাড়া নির্ধারণ করবেন, যা ধারা ২৩-এর বিধান অনুসারে নির্ধারিত হবে, যতদূর তা অকৃষি ভূমির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

শর্ত:
যদি কোনো অকৃষি প্রজা ওই জমি সরাসরি এমন কোনো ব্যক্তির অধীনে ভোগ করে যিনি প্রোপাইটর বা টেনিওর-হোল্ডার না হন, তখন রাজস্ব কর্মকর্তা ধরে নেবেন যে, সেই প্রজার বর্তমান প্রদেয় ভাড়া ন্যায্য ও সঙ্গত। তবে যদি সেই ভাড়া, ওই ব্যক্তির অধীনে থাকা একই জমির জন্য প্রদেয় ন্যায্য ও সঙ্গত ভাড়ার চেয়ে পঞ্চাশ শতাংশ (৫০%) বা তার বেশি বেশি হয়, তাহলে রাজস্ব কর্মকর্তা সেই ভাড়াকে সেই ব্যক্তির প্রদেয় ন্যায্য ও সঙ্গত ভাড়ার তুলনায় পঞ্চাশ শতাংশের বেশি বাড়ানোর অধিকার দেবেন না।
২,৬৭৯.
Anwar Hossain Chowdhury vs. Bangladesh (1989) মামলার মামলার প্রধান রায় লেখক (Author Judge) কে ছিলেন?
  1. বিচারপতি এম.এইচ রহমান
  2. বিচারপতি এটিএম আফজাল
  3. বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমদ
  4. বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী
ব্যাখ্যা

৮ম সংশোধনী মামলা:
মামলার পূর্ণ নাম: Anwar Hossain Chowdhury vs. Bangladesh (1989) [41 DLR (AD) 165]
অন্য নাম: '৮ম সংশোধনী মামলা বা, 8th Amendment Case.

রায় ঘোষণা: ১৯৮৯ সালের ২ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগ এ মামলার রায় ঘোষণা করে।  ৮ম সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের ১০০ অনুচ্ছেদ তথা সংবিধানের মৌলিক কাঠামো [Basic Structure]-কে ধ্বংস করেছে এবং এই কারণে সংশোধিত ১০০ অনুচ্ছেদ সংবিধান-বহির্ভূত (Ultra Vires of the Constitution) বলে ঘোষণা করা হয়েছে। আপিল বিভাগের ৩:১ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় উক্ত সংশোধনী বাতিল বলে ঘোষিত হয়। এই মামলার মাধ্যমে বাংলাদেশে basic structure of the Constitution নীতি প্রতিষ্ঠিত হয়।

মামলার বিচারক:
এই মামলায় আপিল বিভাগের ৪ জন বিচারপতি বিচারক ছিলেন।

Author Judge: বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী; মূল রায় লিখেছেন।

Assenting Judges:
(i) বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমদ এবং
(ii) বিচারপতি এম.এইচ রহমান, Author Judge -এর সাথে একমত পোষণ করেন বলে এই মামলার 'একমত পোষণকারী বিচারক' বলে পরিচিত।

Dissenting Judge: বিচারপতি এটিএম আফজাল ভিন্নমত পোষণ করে রায় দিয়েছিলেন বলে তিনি এই মামলার 'ভিন্নমত পোষণকারী বিচারক' বলে পরিচিত।

২,৬৮০.
ফৌজদারি মামলার বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয় ___________ হতে।
  1. এজাহার দায়েরের সময়
  2. অপরাধের চার্জগঠনের সময়
  3. পুলিশ রিপোর্ট দাখিলের মাধ্যমে
  4. এজাহার বা অভিযোগ দায়েরের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
অপরাধের চার্জগঠনের সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধের চার্জগঠনের সময়
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি  মামলার কার্যক্রম এবং ফৌজদারি মামলার বিচারিক কার্যক্রম [Judicial Proceeding] এক বিষয় না। যেমন অভিযোগ দায়েরের মাধ্যমে ফৌজদারি মামলার কাযক্রম শুরু হয়। কিন্তু বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয় চার্জ গঠনের মাধ্যমে। বিচারিক কার্যক্রম [Judicial Proceeding]অর্থ হলো সেই সকল কার্যক্রম যেখানে আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট আইনগতভাবে বা শপথপূর্বক কোনো সাক্ষ্য নিতে পারে।
২,৬৮১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর কোন ধারার অধীনে মামলার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-৩ প্রযোজ্য?
  1. ধারা ১০
  2. ধারা ৮
  3. ধারা ৯
  4. ধারা ৩১
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ-৩ এ বলা হয়েছে: “Under the Specific Relief Act, 1877, Section 9, to recover possession of immovable property.”
অর্থাৎ, যদি কেউ অবৈধভাবে কোনো ব্যক্তিকে তার স্থাবর (স্থায়ী) সম্পত্তি থেকে উচ্ছেদ করে, তাহলে সেই ব্যক্তি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ৯ অনুসারে আদালতে মামলা করতে পারবেন।
⇒  এই মামলার উদ্দেশ্য: মালিকানা নয়, দখলের অধিকার রক্ষা করা।
- এই আইনে বলা হয়, কারো বৈধ দখল থাকলে, তাকে জোরপূর্বক উচ্ছেদ করা যাবে না – এমনকি উচ্ছেদকারী মালিক হলেও।

→ তামাদি সময়সীমা: এই ধারা অনুযায়ী দখল পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা করতে হবে বেদখলের তারিখ থেকে ৬ মাসের মধ্যে।
- এই সময়সীমা তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-৩ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।
২,৬৮২.
একজন জেলা জজ কোড অব সিভিল প্রসিডিউর, ১৯০৮ অনুসারে সহকারী জজের নিম্নের কোন আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন?
  1. অর্ডার ৭ রুল ১০ অনুযায়ী আরজি ফেরতের আদেশ
  2. অর্ডার ৮ রুল ১০ অনুসারে প্রচারিত রায়
  3. অর্ডার ৯ রুল ৯ অনুসারে দাখিলী দরখাস্তের না-মঞ্জুর আদেশ
  4. অর্ডার ৯ রুল ১৩ অনুযায়ী দাখিলী দরখাস্ত মঞ্জুর আদেশ
সঠিক উত্তর:
অর্ডার ৯ রুল ১৩ অনুযায়ী দাখিলী দরখাস্ত মঞ্জুর আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্ডার ৯ রুল ১৩ অনুযায়ী দাখিলী দরখাস্ত মঞ্জুর আদেশ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫ ধারায় বলা হয়েছে, যে আদেশ বা ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল চলে না সেখানে রিভিশন চলে। আদেশ ৪৩ এর বিধি ১ এ ২৫টি আপিলযোগ্য অর্ডারের তালিকা দেওয়া হয়েছে।

৪৩ অর্ডারের ১ রুল মোতাবেক নিম্নে বর্ণিত ৪টি আদেশ আপিলযোগ্য আদেশ:

(ক) অর্ডার ৭ রুল ১০ অনুযায়ী আরজি ফেরতের আদেশ।
(খ) অর্ডার ৮ রুল ১০ অনুসারে প্রচারিত রায়।
(গ) অর্ডার ৯ রুল ৯ অনুসারে দাখিলী দরখাস্তের না-মঞ্জুর (প্রত্যাখান) আদেশ।
(ঘ) অর্ডার ৯ রুল ১৩ অনুযায়ী দাখিলী দরখাস্ত না-মঞ্জুর আদেশ।

অর্থাৎ, ৪টি আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে বা আপিলযোগ্য আদেশ। প্রশ্নের (ঘ) নং অপশনে প্রদত্ত অর্ডার ৯ রুল ১৩ অনুযায়ী দাখিলী দরখাস্ত মঞ্জুর আদেশ আপিলযোগ্য আদেশ নয়। কারন তা আদেশ ৪৩ এর আপিলযোগ্য আদেশের তালিকায় নেই। যেহেতু এটি আপিলযোগ্য আদেশ নয়, ১১৫ ধারায় বর্ণিত বিধান অনুযায়ী উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন করা যাবে।
২,৬৮৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারা অনুযায়ী, ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ কত বছর?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
ব্যাখ্যা
⇒  সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারার অনুযায়ী, ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদ অনুসারে ৬ বছর।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারার মোকদ্দমাকে ঘোষণামূলক মোকদ্দমা বলা হয়।
- শুধুমাত্র ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ তামাদি আইনের তফসিলে উল্লেখ করা হয়নি।
- তাই শুধুমাত্র ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য হবে।

⇒ তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী- ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ হবে ৬ বছর।
২,৬৮৪.
সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারার বিধান অনুযায়ী বিশেষজ্ঞ কাকে সহায়তা করেন?
  1. আদালতকে
  2. পুলিশকে
  3. বাদীকে
  4. বাদী ও বিবাদী উভয়কে
সঠিক উত্তর:
আদালতকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতকে
ব্যাখ্যা
 ⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারার বিধান- শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত: -
(১) আদালতের অনুমতি ব্যতীত একজন সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না যদি না তার রিপোর্টের একটি অনুলিপি, উপ-ধারা (২) অনুসারে সমস্ত পক্ষকে দেওয়া না হয়।
(২) একজন বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন আদালতের কাছে পাঠানো হবে এবং সেই পক্ষের কাছে নয় যার পক্ষে তাকে পরীক্ষা করা হয়েছে এবং আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।

Section 45A: Opinion of experts on physical or forensic evidence.- 
(1) Except by leave of the Court a witness shall not testify as an expert on physical or forensic unless a copy of his report has, pursuant to sub-section (2), been given to all the parties.
(2) An expert’s report shall be addressed to the Court and not to the party on whose behalf he is examined and he shall owe a duty to help the Court.
২,৬৮৫.
দণ্ডবিধি ১৫৩(ক) ধারা অনুযায়ী, বিভিন্ন শ্রেণির মধ্যে শত্রুতা প্রচার করার জন্য কোন উপায়গুলো ব্যবহার করা হয়?
  1. মৌখিক বা লিখিত কথা
  2. সংকেতের মাধ্যমে
  3. দৃশ্যমান উপস্থাপনা
  4. উপরোক্ত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধি ১৫৩(ক) ধারা: শ্রেণির মধ্যে শত্রুতা প্রচার করা:
যে কেউ, কথার মাধ্যমে, মৌখিক বা লিখিত, অথবা সংকেতের মাধ্যমে, দৃশ্যমান উপস্থাপনা দ্বারা বা অন্য যেকোনো উপায়ে, বাংলাদেশি নাগরিকদের বিভিন্ন শ্রেণির মধ্যে শত্রুতা বা ঘৃণা প্রচার করে বা প্রচারের চেষ্টা করে, তাকে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, বা জরিমানা, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

ব্যাখ্যা: যদি কোনো ব্যক্তি বিদ্বেষপূর্ণ উদ্দেশ্য ছাড়াই এবং প্রকৃতপক্ষে সেই সমস্যাগুলি তুলে ধরে, যা বাংলাদেশি নাগরিকদের বিভিন্ন শ্রেণির মধ্যে শত্রুতা বা ঘৃণা সৃষ্টি করছে বা সৃষ্টি করার প্রবণতা রাখে, তাহলে এটি এই ধারার অধীনে অপরাধ বলে গণ্য হবে না।

Section 153A- Promoting enmity between classes:
Whoever by words, either spoken or written, or by signs, or by visible representations, or otherwise, promotes or attempts to promote feelings of enmity or hatred between different classes of the citizens of Bangladesh, shall be punished with imprisonment which may extend to two years, or with fine, or with both.
 
Explanation.- It does not amount to an offence within the meaning of this section to point out, without malicious intention and with an honest view to their removal, matters which are producing or have a tendency to produce, feelings of enmity or hatred between different classes of the citizens of Bangladesh.
২,৬৮৬.
'Hearsay evidence is not admissible' এই নীতির ব্যতিক্রম দেখা যায় সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায়?
  1. ২৭ ধারায়
  2. ৩২ ধারায়
  3. ৪৫ ধারায়
  4. ৫৭ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩২ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২ ধারায়
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩২ “hearsay” প্রমাণকে বিশেষ পরিস্থিতিতে গ্রহণযোগ্য করে, ফলে এটি hearsay নিষিদ্ধ নীতির প্রধান ব্যতিক্রম হিসেবে বিবেচিত হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-

ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারন সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যু কালীন ঘোষনা (dying delaration);
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি (statement made in course of business);
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরনের মামলার উদ্ভব করতে পারে (statement against interest of maker);
iv) সর্বসাধারনের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত (opinion as to public right or custom, or matters of general interest);
v) পারিবারিক দলিল বা উইল (statement made in will or deed relating to family affairs);
vi) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি (relates to existence of relationship);
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি (Statement made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question).
২,৬৮৭.
হাইকোর্ট বিভাগের সাক্ষ্য গ্রহণের পদ্ধতি কিভাবে নির্ধারিত হবে?
  1. আইন মন্ত্রণালয়ের আদেশ দ্বারা
  2. প্রধান বিচারপতির আদেশ দ্বারা
  3. জাতীয় সংসদে প্রণীত বিধি দ্বারা
  4. সুপ্রিম কোর্টের বিধি দ্বারা
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্টের বিধি দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্টের বিধি দ্বারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৫ ধারার বিধান: হাইকোর্ট ডিভিশনে সাক্ষ্য লিপিবদ্ধকরণ:
- সুপ্রীম কোর্ট সময়ে সময়ে সাধারণ নিয়ম প্রণয়নের দ্বারা উক্ত আদালতে আগত মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ প্রণালী নির্ধারণ করবে এবং উক্ত নিয়ম অনুসারে সাক্ষ্য গৃহীত হবে।
-------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, Section 365. Record of evidence in High Court Division:
- The Supreme Court shall from time to time, by general rule, prescribe the manner in which evidence shall be taken down in cases coming before the Court, and the evidence shall be taken down in accordance with such rule.
২,৬৮৮.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ২২ক ধারা অনুযায়ী, যদি ডিজিটাল রেকর্ডের সত্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়, তখন কী হতে পারে?
  1. স্বীকারোক্তি স্বীকৃত হবে
  2. ডিজিটাল রেকর্ড খারিজ হয়ে যাবে
  3. প্রাথমিক প্রমাণের প্রয়োজন হবে না
  4. মৌখিক স্বীকৃতি গ্রহণযোগ্য হতে পারে
সঠিক উত্তর:
মৌখিক স্বীকৃতি গ্রহণযোগ্য হতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌখিক স্বীকৃতি গ্রহণযোগ্য হতে পারে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) মৌখিক স্বীকৃতি গ্রহণযোগ্য হতে পারে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ২২ক ধারার মতে, সাধারণত ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক স্বীকৃতি গ্রহণযোগ্য নয়। তবে, যদি ডিজিটাল রেকর্ডের সত্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়, তাহলে তার বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক স্বীকৃতি আদালতে প্রাসঙ্গিক হতে পারে।
- মূল প্রমাণের নীতি: সাধারণত কোনো নথিপত্র বা ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু প্রমাণ করার জন্য প্রাথমিক প্রমাণ (primary evidence) প্রয়োজন হয়। ডিজিটাল রেকর্ড নিজেই প্রমাণ হিসেবে কাজ করবে, মৌখিক স্বীকৃতি নয়।
- গৌণ প্রমাণের ব্যতিক্রম: যদি কোনো পক্ষ আদালতে প্রমাণ করতে চায় যে ডিজিটাল রেকর্ডটি সত্য নয় বা জাল, তাহলে সেই রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক স্বীকৃতি গ্রহণযোগ্য হতে পারে।
- আদালত যদি মনে করে যে ডিজিটাল রেকর্ডটি সন্দেহজনক বা প্রশ্নবিদ্ধ, তখন মৌখিক স্বীকৃতির মাধ্যমে এর প্রকৃত অবস্থা নির্ণয়ের চেষ্টা করা যেতে পারে।
----------
⇒The Evidence Act, 1872, Section-22A. When oral admissions as to contents of digital records are relevant:
Oral admissions as to the contents of digital records are not relevant, unless the genuineness of the digital record produced is in question.
২,৬৮৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন আদেশ অনুযায়ী অনিয়ম কিংবা প্রতারণার কারণে নিলাম রদের দরখাস্ত করা হয়?
  1. আদেশ ২১ বিধি ৮৯
  2. আদেশ ২১ বিধি ৯০
  3. আদেশ ২১ বিধি ৯১
  4. আদেশ ২১ বিধি ৯২
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২১ বিধি ৯০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২১ বিধি ৯০
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯০ এর বিধান অনিয়মতা কিংবা প্রতারণার কারণে নিলাম বিক্রয় রদের আবেদন:- যেক্ষেত্রে কোন স্থাবর সম্পত্তি ডিক্রিজারিতে নিলাম বিক্রয় হয়েছে, সেক্ষেত্রে ডিক্রিদার কিংবা সম্পত্তির বণ্টনে আনুপাতিক অংশের অধিকারী কোন ব্যক্তি অথবা উক্ত নিলাম বিক্রয়ের ফলে যার স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হয় ঐ ব্যক্তি নিলাম বিক্রয় রদের জন্য সেটা প্রচার বা পরিচালনার ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ অনিয়ম বা প্রতারণার অজুহাতে আদালতে আবেদন করতে পারে:
তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ অনিয়ম বা তঞ্চকতার কারণে কোন নিলাম বিক্রয় রদ হবে না, যদি না প্রমাণিত তথ্যসমূহের উপর আদালত এ মর্মে পরিতুষ্ট হয় যে, আবেদনকারী উক্ত অনিয়মতা বা তঞ্চকতার অজুহাতে যথেষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ২১ আদেশের ৮৯ ও ৯০ নং বিধিমতে ডিক্রি জারিতে বিক্রয় রদ করার আবেদন করা যায় যা নিম্নরূপ- ডিক্রি জারিতে কোন স্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রয় হলে উক্ত নিলাম রদের জন্য ২১ আদেশের ৯০ বিধির অধীন আবেদন করতে হয়। উক্ত নিলাম বিক্রয়ের তারিখ হতে ৩০ দিনের মধ্যে বিক্রয় বাতিলের জন্য আবেদন করতে হবে। উক্ত বিক্রয় বাতিলের জন্য ক্রয় মূল্যের ৫% বা নিলাম ঘোষণায় উল্লেখিত অর্থের মধ্যে যা কম তা জমা দিয়ে বিক্রয় রদের আবেদন করতে হবে।
⇒  নিলাম পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ অনিয়ম (Material Irregularity) বা প্রতারণা (Fraud) অথবা আবেদনকারীকে নোটিশ প্রদানে ব্যর্থ হলেই আদালত উক্ত নিলাম রদ করতে পারে।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ২১ আদেশের ৮৯ ও ৯০ নং বিধির অধীন আদালত বিক্রয় রদের আবেদন মঞ্জুর অথবা প্রত্যাখ্যান করে কোন আদেশ দিলে (Order for setting aside a sale/refusing an application to set aside a sale), উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে কেননা নিলাম বিক্রয় রদের আবেদন মঞ্জুর অথবা প্রত্যাখ্যান হল আপিলযোগ্য আদেশ।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৮৯ এর বিধান জমা দিয়ে নিলামে বিক্রয় রদের আবেদন। ১) যেক্ষেত্রে ডিক্রি জারিতে স্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রয় হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে উক্ত সম্পত্তি মালিক অথবা নিলাম বিক্রয়ের পূর্বে তথায় অর্জিত কোন স্বত্বের অনুবলে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট নিলাম বিক্রয় রদের জন্য-
ক) ক্রয় মূল্যের শতকরা পাঁচ ভাগের সমান অংক ক্রেতাকে প্রদানের জন্য; এবং
খ) নিলাম বিক্রয়ের উক্ত ইশতেহারের তারিখ হতে ডিক্রিদার কোন পরিমাণ টাকা গৃহীত হয়ে থাকলে তা বিয়োজনপূর্বক যে পরিমাণ টাকা আদায়ের জন্য নিলাম বিক্রয়ের আদেশ হয়েছে বলে নিলাম বিক্রয়ের ইশতেহারে নির্দেশ দেয়া আছে, তা ডিক্রিদারকে প্রদানের জন্য আদালতে জমা দিয়ে আবেদনপত্র দাখিল করতে পারে।
২) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি তার স্থাবর সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় রদের জন্য ৯০ বিধির অধীনে আবেদন করে, সেক্ষেত্রে সে তার আবেদন প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত এই বিধির অধীনে কোন আবেদন করতে কিংবা পরিচালনা করতে অধিকারী হবে না।
৩) মোকদ্দমার ব্যায়াদি এবং নিলাম বিক্রয়ের ইশতেহারে অনুল্লিখিত না হওয়া কোন খরচা এবং সুদ সম্পর্কিত কোন দায় থেকে দায়িককে এই বিধির কোন বিধানই অব্যাহতি দিবে না।
২,৬৯০.
অন্তর্বর্তী প্রতিবেদনে যদি কোনো অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অপর্যাপ্ত প্রমাণ পাওয়া যায়, তদারকি কর্মকর্তা কী করতে পারেন?
  1. তাকে গ্রেফতার করতে পারেন
  2. তাকে স্থায়ীভাবে অব্যাহতি দিতে পারেন
  3. তাকে সাময়িকভাবে মুক্তি দিতে পারেন
  4. তদন্তকারীকে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দিতে পারেন
সঠিক উত্তর:
তদন্তকারীকে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দিতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তদন্তকারীকে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দিতে পারেন
ব্যাখ্যা

The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ১৭৩ক: অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন ইত্যাদি:
(১) ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩-এর উপ-ধারা (১)-এ যা-ই বলা থাকুক না কেন, এই অধ্যায়ের অধীন কোনো মামলার তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই— পুলিশ কমিশনার, অথবা জেলা পুলিশ সুপার, অথবা তদন্তের তদারকির দায়িত্বে থাকা সমপর্যায়ের কোনো কর্মকর্তা তদন্তের অগ্রগতির বিষয়ে জানতে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে একটি অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন (Interim Investigation Report) দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারেন।

(২) যদি দাখিলকৃত অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী দেখা যায় যে- কোনো নির্দিষ্ট অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রমাণ অপর্যাপ্ত, তাহলে-পুলিশ কমিশনার, অথবা জেলা পুলিশ সুপার, অথবা তদারকি কর্মকর্তা তদন্তকারী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিতে পারেন যে তিনি এই প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে দাখিল করবেন। ম্যাজিস্ট্রেট (বা প্রয়োজন হলে ট্রাইব্যুনাল)—
যদি প্রতিবেদনের তথ্য বিশ্বাসযোগ্য ও সন্তোষজনক মনে করেন, তবে তিনি উক্ত অভিযুক্তকে অব্যাহতি (Discharge) দিতে পারেন,তবে উপ-ধারা (৩)-এর শর্তসাপেক্ষে। এবং এতে অন্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলতে পারবে।

(৩) উপ-ধারা (২) অনুযায়ী কোনো অভিযুক্তকে অস্থায়ীভাবে অব্যাহতি দেওয়া হলেও তদন্ত শেষ হওয়ার পরে যদি যথেষ্ট এবং প্রামাণিক প্রমাণ পাওয়া যায় যে তিনি প্রকৃতপক্ষে অপরাধে জড়িত ছিলেন, তাহলে তদন্তকারী কর্মকর্তা ধারা ১৭৩ অনুযায়ী চূড়ান্ত পুলিশ প্রতিবেদন (চার্জশিট) দাখিল করার সময় তার নাম যুক্ত করতে বাধা পাবেন না। অর্থাৎ- অব্যাহতি মানে স্থায়ী মুক্তি নয়; তদন্ত শেষে নতুন প্রমাণ পাওয়া গেলে তার নাম পুনরায় চার্জশিটে অন্তর্ভুক্ত করা যাবে।

২,৬৯১.
বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সভাপতি কে ছিলেন?
  1. কামরুল হাসান
  2. ড. কামাল হোসেন
  3. তাজউদ্দীন আহমেদ
  4. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
ড. কামাল হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. কামাল হোসেন
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল আইন বিশেষজ্ঞ ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে ৩৪ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকরী হয়।
- বাংলাদেশের প্রথম হস্তলিখিত সংবিধানের মূল পাতা ছিল ৯৩ পৃষ্ঠার।
- স্বাক্ষরসহ সংবিধান ছিল ১০৯ পাতার।
- হস্তলিখিত সংবিধানটির মূল লেখক ছিলেন শিল্পী আব্দুর রউফ।
- সংবিধানটির অঙ্গসজ্জা করেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন। 
- সংবিধানের প্রচ্ছদে শীতলপাটির উপর লেখা ছিল 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান'।
- গণপরিষদের সদস্যরা হস্তলিখিত মূল সংবিধানের বাংলা ও ইংরেজী লিপিতে স্বাক্ষর করে ১৪-১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২।
- হস্তলিখিত সংবিধানে প্রথম স্বাক্ষর করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন নি।
- গণপরিষদের ৩৯৯ জন সদস্য হস্তলিখিত মূল সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।

২,৬৯২.
হিন্দু আইনে 'সপ্রতিবন্ধ দায়' কাকে বলে?
  1. যেখানে জন্মসূত্রে সম্পত্তির অধিকার জন্মায়
  2. যেখানে সম্পত্তি লাভ নির্ভর করে অন্যের মৃত্যুর উপর
  3. যেখানে সহ-উত্তরাধিকারীর জীবিত অবস্থায় অধিকার তৈরি হয়
  4. যেখানে দত্তকসূত্রে সম্পত্তির অধিকার জন্মায়
সঠিক উত্তর:
যেখানে সম্পত্তি লাভ নির্ভর করে অন্যের মৃত্যুর উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেখানে সম্পত্তি লাভ নির্ভর করে অন্যের মৃত্যুর উপর
ব্যাখ্যা

সপ্রতিবন্ধ দায় (Obstructed heritage):
যখন একজনের মৃত্যুর পর মৃত ব্যক্তির সম্পত্তিতে অপরের উত্তরাধিকার অথবা উত্তরজীবীসূত্রে অধিকার জন্মায় তখন ইহাকে সপ্রতিবন্ধ দায় বলা যাইতে পারে। এইক্ষেত্রে অপ্রতিবন্ধ দায়ের ন্যায় জন্মসূত্রে সম্পত্তিতে অধিকার জন্মায় না। অর্থাৎ যেখানে একজনের সম্পত্তি পাওয়া অপরের মৃত্যুর উপর নির্ভরশীল তাহাকেই বলা যায় সপ্রতিবন্ধ দায়। এইক্ষেত্রে একজনের অস্তিত্ব অপরের সম্পত্তি পাওয়ার বাধা সৃষ্টি করে। বাধা অপসারিত হইলে পরে অন্যের উপর মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বর্তায়। এইভাবে প্রতিবন্ধকতা অপসারিত হওয়ার পর সম্পত্তি পাওয়াকে বলা হয় সপ্রতিবন্ধ দায়।

যেমন- মিতাক্ষরা মতে পিতা পৃথক সম্পত্তি রাখিয়া মারা গেলে পুত্র পিতার পৃথক সম্পত্তি উত্তরাধিকার সূত্রে পায় অথবা কোন সহ-উত্তরাধিকারী মারা গেলে অন্যান্য সহ-উত্তরাধিকারীগণ মৃত ব্যক্তির অংশ উত্তরজীবী সূত্রে পায়।

অপ্রতিবন্ধ দায় এবং সপ্রতিবন্ধ দায়, এই দুইটি শব্দেরই প্রয়োগ মিতাক্ষরা আইনে দৃষ্ট হয়। দায়ভাগ মতে এই পার্থক্যের সুযোগ নাই, কারণ দায়ভাগ মতে উত্তরাধিকার লাভের সূত্র একটাই এবং তাহা সর্বদাই সপ্রতিবন্ধ দায়।

২,৬৯৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮ ধারায় আদালতের কোন বিষয়ের অনিশ্চয়তা সম্পর্কে বিধান রয়েছে?
  1. আর্থিক এখতিয়ার
  2. আঞ্চলিক এখতিয়ার
  3. আপিল এখতিয়ার
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
আঞ্চলিক এখতিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আঞ্চলিক এখতিয়ার
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮ ধারায় আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার অনিশ্চিত হলে, মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করা যায় তা উল্লেখ করা আছে ।

১৮ ধারায় দেয়া আছে-
যখন আদালতের আঞ্চলিক সীমানা অনিশ্চিত অর্থাৎ যখন দাবী করা হয় কোন আদালতের আঞ্চলিক সীমানায় বিরোধীয় স্থাবর সম্পত্তি অবস্থিত তা অনিশ্চিত, তখন যে কোন একটি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা যায়।

উল্লেখ্য যে, দেওয়ানি কার্যবিধির ১৭ এবং ১৮ ধারার মধ্যে মূল পার্থক্য হলো- বিরোধীয় সম্পত্তি ভিন্ন ভিন্ন আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত কিন্তু আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার নিশ্চিত হলে ১৭ ধারা প্রযোজ্য হবে। কিন্তু যদি আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার অনিশ্চিত হয় তখন ১৮ ধারা প্রযোজ্য হবে।

Section 18: Place of institution of suit where local limits of jurisdiction of Courts are uncertain-
(1) Where it is alleged to be uncertain within the local limits of the jurisdiction of which of two or more Courts any immovable property is situate, any one of those Courts may, if satisfied that there is ground for the alleged uncertainly, record a statement to that effect and thereupon proceed to entertain and dispose of any suit relating to that property, and its decree in the suit shall have the same effect as if the property were situate within the local limits of its jurisdiction:
Provided that the suit is one with respect to which the Court is competent as regards the nature and value of the suit to exercise jurisdiction.

(2) Where a statement has not been recorded under sub-section (1), and an objection is taken before an appellate or revisional Court that a decree or order in a suit relating to such property was made by a Court not having jurisdiction where the property is situate, the appellate or revisional Court shall not allow the objection unless in its opinion there was, at the time of the institution of the suit, no reasonable ground for uncertainly as to the Court having jurisdiction with respect thereto and there has been a consequent failure of justice.
২,৬৯৪.
কোন ধারায় অপরাধ প্রমাণিত হলে একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড যাকে Compulsory death penalty বলে?
  1. ২৯৯ ও ৩০০ ধারায়
  2. ৩০২ ও ৩০৪ ধারায়
  3. ৩০৩ ও ৩০৭ ধারা
  4. ৩০৭ ও ৩২৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩০৩ ও ৩০৭ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০৩ ও ৩০৭ ধারা
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধিতে মোট দশটি ধারায় মৃত্যুদণ্ডের বিধান রয়েছে।
• যেগুলার বেশিভাগ ধারায় মৃত্যুদন্ডের পাশাপাশি আরো অন্য শাস্তি দেয়ার বিধার আছে ।
• ৩০৩ ধারায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি কর্তৃক খুন এবং ৩০৭ ধারা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দন্ডিত ব্যক্তি খুনের উদ্যোগ গ্রহণ করলে এবং উক্ত কার্যের ফলে কোন ব্যক্তি আহত হয় এই অপরাধ প্রমাণিত হলে একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড রয়েছে।
২,৬৯৫.
"Actus non facit reum, nisi mens sit rea" এর অর্থ কী?
  1. কেবল কার্য করলেই অপরাধ প্রমাণিত হয়
  2. অপরাধমূলক অভিপ্রায় না থাকলে কার্য অপরাধ নয়
  3. মনের ভাব অপরাধ প্রমাণের জন্য অপ্রয়োজনীয়
  4. কার্যই যথেষ্ট অপরাধী সাব্যস্তের জন্য
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক অভিপ্রায় না থাকলে কার্য অপরাধ নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক অভিপ্রায় না থাকলে কার্য অপরাধ নয়
ব্যাখ্যা

Latin Maxim: Actus non facit reum, nisi mens sit rea
English Meaning: An act does not make one guilty unless there be guilty intention.
বাংলায় অর্থ: অপরাধমূলক অভিপ্রায় ছাড়া কোন কার্য একজনকে অপরাধী করে না।

​অপরাধের মূল উপাদান:
কোনও অপরাধ সংঘটিত হওয়ার জন্য সাধারণত দুটি অপরিহার্য উপাদান থাকতে হয় –ঃ
Actus Reus → অপরাধমূলক কাজ (Guilty act)
Mens Rea → অপরাধমূলক অভিপ্রায় বা মনোভাব (Guilty mind)
কেবল একটি অপরাধমূলক কাজ (actus reus) করলে তাকে অপরাধ বলা যাবে না, যদি না তার সঙ্গে অপরাধ করার ইচ্ছা বা অভিপ্রায় (mens rea) প্রমাণিত হয়।

উদাহরণ-
যদি কেউ অসাবধানতাবশত অন্যের সম্পত্তি ক্ষতি করে, কিন্তু কোন খারাপ উদ্দেশ্য না থাকে → সাধারণত এটি অপরাধ নয়।
কিন্তু যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে চুরি করে, হত্যা করে বা প্রতারণা করে → তখন তার কাজের সাথে অপরাধমূলক অভিপ্রায় যুক্ত হয়, যা তাকে অপরাধী করে তোলে।

২,৬৯৬.
সাক্ষ্য আইনের অধীনে "ডিজিটাল রেকর্ড" এর অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. ড্রোন ডাটা
  2. সিসিটিভি রেকর্ড
  3. মৌখিক বক্তব্য
  4. মোবাইল ফোনের তথ্য
সঠিক উত্তর:
মৌখিক বক্তব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌখিক বক্তব্য
ব্যাখ্যা
→ সাক্ষ্য আইনের অধীনে "ডিজিটাল রেকর্ড" বলতে এমন কোনো রেকর্ড বোঝানো হয় যা ম্যাগনেটিক, ইলেকট্রো-ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল, কম্পিউটার মেমোরি, মাইক্রোফিল্ম, ইত্যাদি মাধ্যমে তৈরি বা সংরক্ষিত হয়। এর মধ্যে ড্রোন ডাটা, সিসিটিভি রেকর্ড, এবং মোবাইল ফোনের তথ্য ডিজিটাল রেকর্ড হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয় কারণ এগুলি ডিজিটাল ফরম্যাটে তৈরি এবং সংরক্ষিত।

তবে, মৌখিক বক্তব্য ডিজিটাল রেকর্ডের অন্তর্ভুক্ত নয়, কারণ এটি কোনো ডিজিটাল বা প্রযুক্তিগত মাধ্যমের মাধ্যমে রেকর্ড করা হয় না। মৌখিক বক্তব্য সাধারণত মৌখিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হয় এবং তা ওরাল সাক্ষ্য হিসেবে আদালতে উপস্থাপিত হয়।
- অতএব, সঠিক উত্তর "গ) মৌখিক বক্তব্য"।

“ডিজিটাল রেকর্ড" বা “ইলেকট্রনিক রেকর্ড” মানে হল যেকোনো রেকর্ড, ডেটা বা তথ্য যা ম্যাগনেটিক বা ইলেকট্রো-ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল, কম্পিউটার মেমরি, মাইক্রোফিল্ম, কম্পিউটার দ্বারা তৈরি মাইক্রোফিচে, অডিও, ভিডিও, ডিজিটাল ভার্সেটাইল ডিস্ক (DVD), সিসিটিভি রেকর্ড, ড্রোন ডেটা, সেলফোনের রেকর্ড, হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার বা যেকোনো অন্যান্য ডিজিটাল ডিভাইস দ্বারা তৈরি, প্রস্তুত, প্রেরিত, প্রাপ্ত বা সংরক্ষিত যা ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন, ২০১৮ (আইন নং ৪৬, ২০১৮) এ সংজ্ঞায়িত হয়েছে।
-----
“Digital record" or “electronic record” means any record, data or information generated, prepared, sent, received or stored in magnetic or electro-magnetic, optical, computer memory, micro film, computer generated micro fiche including audio, video, Digital Versatile Disc or Digital Video Disc (DVD), records of Closed Circuit Television (CCTV), drone data, records from cell phone, hardware, software or any other digital device as defined in Digital Security Act, 2018 (Act No. 46 of 2018)
২,৬৯৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ ধারার বিধান মতে পর পর কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে দণ্ডিত ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ কত বছর কারাদণ্ড প্রদান করা যাবে?
  1. ১০ বছর
  2. ১২ বছর
  3. ১৪ বছর
  4. ২০ বছর
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর
ব্যাখ্যা
♦  in no case shall such person be sentenced to imprisonment for a longer period than fourteen years.

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ ধারার বিধান একই বিচারে কতিপয় অপরাধে দোষী সাব্যস্তের ক্ষেত্রে দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদঃ (১) যখন কোন ব্যক্তি একই বিচারে দুই বা ততোধিক অপরাধের জন্য দণ্ডিত হলে দণ্ডবিধির ৭১ ধারার ব্যবস্থা সাপোক্ষে আদালত উক্ত বিভিন্ন অপরাধের জন্য নির্ধারিত ও আদালতের ক্ষমতার অন্তর্ভূক্ত শাস্তি প্রদান করতে পারেন; এরূপ শান্তি কারাদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হলে আদালত যদি একই সাথে চলবে মর্মে নির্দেশ প্রদান না করেন, তাহলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী একটির পর অপরটি চলবে।

(২) আদালত একটিমাত্র অপরাধের জন্য যে শাস্তি দিতে পারেন, তার চেয়ে একাধিক দণ্ড পর পর চলবার ক্ষেত্রে মোট শাস্তির পরিমাণ যদি অধিক হয়, তখন কেবলমাত্র ইহার জন্য উক্ত আদারতকে বিচারের জন্য অপরাধীকে উচ্চতর আদালতে পাঠাতে হবে নাঃ

তবে শর্ত থাকে যে,
(ক) দন্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদঃ কোনভাবেই এরূপ ব্যক্তিকে চৌদ্দ বৎসরের অধিক কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে না।

(খ) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যদি এরকমের মামলার বিচার করেন, তাহলে মোট শাস্তির পরিমাণ উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট তার সাধারণ এখতিয়ারে যে শাস্তি প্রদান করতে পারেন তার দ্বিগুণের বেশী হবে না।

(৩) আপীলের উদ্দেশ্যে এই ধারার বিধান অনুসারে একই বিচারে বিভিন্ন অপরাধের জন্য প্রদত্ত পর পর চলার একাধিক দণ্ডের মোট পরিমাণকে একটিমাত্র দণ্ড মর্মে ধরে নিতে হবে।

------------------------------------
Sentence in cases of conviction of several offences at one trial Maximum term of punishment:
35.(1) When a person is convicted at one trial of two or more offences, the Court may, subject to the provisions of section 71 of the Penal Code sentence him, for such offences, to the several punishments prescribed therefor which such Court is competent to inflict; such punishments, when consisting of imprisonment or transportation to commence the one after the expiration of the other in such order as the Court may direct, unless the Court directs that such punishments shall run concurrently.
 
(2) In the case of consecutive sentences, it shall not be necessary for the Court, by reason only of the aggregate punishment for the several offences being in excess of the punishment which it is competent to inflict on conviction of a single offence, to send the offender for trial before a higher Court:
Provided as follows:-
(a) in no case shall such person be sentenced to imprisonment for a longer period than fourteen years;
(b) if the case is tried by a Magistrate 62[* * *], the aggregate punishment shall not exceed twice the amount of punishment which he is, in the exercise of his ordinary jurisdiction, competent to inflict.
(3) For the purpose of appeal, the aggregate of consecutive sentences passed under this section in case of convictions for several offences at one trial shall be deemed to be a single sentence.
২,৬৯৮.
পুলিশী তদন্তে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া না গেলে দাখিলকৃত রিপোর্টের প্রচলিত নাম-
  1. চার্জ শিট
  2. ফাইনাল রিপোর্ট
  3. রিলিজ রিপোর্ট
  4. ডিসচার্জ রিপোর্ট
সঠিক উত্তর:
ফাইনাল রিপোর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফাইনাল রিপোর্ট
ব্যাখ্যা
⇒ পুলিশ রিপোর্ট: পুলিশ অফিসার বা মামলার তদন্তকারী অফিসার মামলার তদন্ত শেষে আদালতের নিকট যে প্রতিবেদন পেশ করে, তাকেই পুলিশ রিপোর্ট বলে।
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩ এ পুলিশ রিপোর্ট সম্পর্কে বিধান রয়েছে।
- সাধারণত পুলিশ রিপোর্ট ২ প্রকার-
i) Charge Sheet ( অভিযোগ পত্র): প্রাথমিক তদন্ত শেষে সত্যতা/প্রমাণ খুঁজে পাওয়া গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করে যে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়, তাকেই Charge Sheet বলে এবং ম্যাজিস্ট্রেট এর ভিত্তিতে মামলায় অগ্রসর হন।
ii) Final Report (চূড়ান্ত প্রতিবেদন): প্রাথমিক তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা/প্রমাণ খুঁজে পাওয়া না গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়ে যে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়, তাকেই Final Report বলে এবং এর উপর ভিত্তি করে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি [Discharge] দেন।
২,৬৯৯.
When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public tranquility, they are said to commit the offence of:
  1. Affray
  2. Rioting
  3. Public Nuisance
  4. None of above
সঠিক উত্তর:
Affray
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Affray
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার বিধান মারামারি:
যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামরি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা "মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।

Section-159: Affray:
When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public peace, they are said to "commit an affray".

দণ্ডবিধির ১৬০ ধারা- মারামারির শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section-160: Punishment for committing affray:
Whoever commits an affray, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to one hundred taka, or with both.
২,৭০০.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ তে কতটি আপীলযোগ্য আদেশের তালিকা দেওয়া হয়েছে?
  1. ৩০টি
  2. ২৫টি
  3. ২০টি
  4. ১৫টি
সঠিক উত্তর:
২৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ হলো সেই বিধান যা আদালতের সেই সব আদেশের তালিকা দেয় যেগুলোর বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপীল করা যেতে পারে। এই আদেশগুলোকে সাধারণত “Appealable Orders” বলা হয়।
- আদেশ ৪৩-এ মোট ২৫টি ধরনের আপীলযোগ্য আদেশের উল্লেখ রয়েছে। 
এছাড়া, ধারা ১০৪ দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এ একটি সামগ্রিক বিধান, যা বলে যে, এমন আদেশ যেগুলো মামলার বড় অংশ নিষ্পত্তি করে কিন্তু চূড়ান্ত রায় নয়, সেগুলোর বিরুদ্ধে আপীল করা যায়। এর ফলে বিচারিক ক্ষেত্রে পক্ষগুলি দ্রুত ও সুবিচার পেতে পারেন, কারণ যেসব আদেশ মামলার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রভাব ফেলে সেগুলোর বিরুদ্ধে আপীল করার সুযোগ থাকে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩: আদেশ ৪৩ মোট ২৫টি আপীলযোগ্য আদেশের তালিকা উল্লেখ করেছে যেগুলোর বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপীল করা যায়। যেমন - অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা, স্থগিতাদেশ, মোকদ্দমা বাতিল করা, জামিন প্রত্যাখ্যান ইত্যাদি।
অন্যদিকে, দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা ১০৪ আপীলযোগ্য আদেশগুলোর সামগ্রিক বর্ণনা দিয়েছে। এই ধারা বলছে যে, যদি কোনো আদালত এমন কোনো আদেশ প্রদান করে যা চূড়ান্ত না হয়ে একটি বিষয়ের বিরাট অংশ নিষ্পত্তি করে দেয়, তাহলে সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যেতে পারে।