বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা / ১৫৫ · ১০১২০০ / ১৫,৪৭০

১০১.
রাষ্ট্রপতি কার অনুমোদন ব্যতীত সুপ্রীম কোর্টে উপদেষ্টামূলক মতামতের জন্য আবেদন করতে পারেন না?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. জাতীয় সংসদ
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. কারো অনুমোদন প্রয়োজন নেই
সঠিক উত্তর:
কারো অনুমোদন প্রয়োজন নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারো অনুমোদন প্রয়োজন নেই
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১০৬- সুপ্রীম কোর্টের উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার:
যদি কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হয় যে, আইনের এইরূপ কোন প্রশ্ন উত্থাপিত হইয়াছে বা উত্থাপনের সম্ভাবনা দেখা দিয়াছে, যাহা এমন ধরনের ও এমন জনগুরুত্বসম্পন্ন যে, সেই সম্পর্কে সুপ্রীম কোর্টের মতামত গ্রহণ করা প্রয়োজন, তাহা হইলে তিনি প্রশ্নটি আপীল বিভাগের বিবেচনার জন্য প্রেরণ করিতে পারিবেন এবং উক্ত বিভাগ স্বীয় বিবেচনায় উপযুক্ত শুনানীর পর প্রশ্নটি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে স্বীয় মতামত জ্ঞাপন করিতে পারিবেন।

⇒ সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি যদি মনে করেন যে কোনো আইনি প্রশ্ন জনগুরুত্বপূর্ণ, তাহলে তিনি কারো অনুমোদন ছাড়াই সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগে উপদেষ্টামূলক মতামতের জন্য পাঠাতে পারেন। এটি রাষ্ট্রপতির একক এখতিয়ারভুক্ত বিষয়, কারো অনুমোদন প্রয়োজন নেই।
১০২.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী কোনো ধর্মীয় সমাবেশে ইচ্ছাকৃতভাবে বিঘ্ন ঘটালে সর্বোচ্চ কত বছর কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ২৯৬ অনুযায়ী, যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো আইনসম্মত ধর্মীয় সমাবেশ (religious assembly) বা ধর্মীয় অনুষ্ঠানে বিঘ্ন সৃষ্টি করে,
তাহলে তার সর্বোচ্চ শাস্তি হলো এক বছরের কারাদণ্ড, অথবা জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ড।

অর্থাৎ ধারা ২৯৬ → ধর্মীয় সমাবেশে বিঘ্ন → ১ বছর কারাদণ্ড বা জরিমানা বা উভয়।
সুতরাং, ধর্মীয় সমাবেশে ব্যাঘাত ঘটালে সর্বোচ্চ শাস্তি ১ বছর কারাদণ্ড, তাই সঠিক উত্তর (খ)।

⇒ দণ্ডবিধির ১৮৬০-এর ধারা ২৯৬ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে এমন কোনো কাজ করে যার ফলে ধর্মীয় উপাসনা বা ধর্মীয় অনুষ্ঠানে আইনগতভাবে একত্র হওয়া কোনো সমাবেশে ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়, তাহলে সেই ব্যক্তি অপরাধী হিসেবে গণ্য হবেন।
- এই অপরাধের জন্য শাস্তি: সর্বোচ্চ ১ (এক) বছর কারাদণ্ড, অথবা জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।

⇒ The Penal Code, 1860, Section 296: Disturbing religious assembly:
“Whoever voluntarily causes disturbance to any assembly lawfully engaged in the performance of religious worship, or religious ceremonies, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.”

১০৩.
দেওয়ানি আদালতের আর্থিক এখতিয়ার অনুযায়ী ১৪ লক্ষ টাকার একটি মোকদ্দমা কোন আদালতে দায়ের করতে হয়?
  1. জেলা জজ আদালত
  2. সহকারি জজ আদালত
  3. যুগ্ম জেলা জজ আদালত
  4. সিনিয়র সহকারি জজ আদালত
সঠিক উত্তর:
সহকারি জজ আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সহকারি জজ আদালত
ব্যাখ্যা
• কোন দেওয়ানি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা হবে সেটা ২টি বিষয় বিবেচনা করে নির্ধারণ করা হয়-১) আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং ২) আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার। দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ থেকে ২৩ ধারায় দেওয়ানী আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং আর্থিক এখতিয়ার সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭ অনুসারে নির্ধারিত হয়।

• The Civil Courts Act, 1887 আইনের ১৯ ধারার বিধান অনুযায়ী-
⇒ সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার সর্বোচ্চ ১৫ লক্ষ টাকা;
⇒ সিনিয়র সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার ১৫ লক্ষ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা;
⇒ যুগ্ম জেলা জজ ২৫ লক্ষ টাকার অধিক মূল্যমানের; মোকদ্দমার বিচার করতে পারে।
১০৪.
বিকল্পভাবে সমন জারি করা হয়-
  1. বিবাদীর গৃহের প্রকাশ্য অংশে সমনের একটি নকল ঝুলিয়ে
  2. বিবাদীর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রকাশ্য অংশে সমনের একটি নকল ঝুলিয়ে
  3. দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেয়ার আদেশের মাধ্যমে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ৫ নং আদেশে, ২১ নং আদেশের ২৪ ও ২৫ নম্বর বিধিতে এবং ১৬ নং আদেশের ৮ নম্বর বিধিতে সমন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। 

• দেওয়ানী কার্যবিধির ৫ নং আদেশের ২০ বিধিতে বিকল্প বা প্রতিকল্পনরূপে সমন জারির (Substituted Service of Summon) বিধান রয়েছে। ২০ নং বিধি অনুযায়ী-
যেক্ষেত্রে বিবাদী সমন এড়ানোর জন্য আত্মগোপন করেছে অথবা অন্য কোন কারণে সাধারনভাবে সমন জারি করা যায়না, সেক্ষেত্রে বিবাদীর গৃহের বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রকাশ্য অংশে সমনের একটি নকল ঝুলিয়ে জারি করার জন্য আদালত আদেশ দিবেন অথবা বহুল প্রচারিত দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেয়ার আদেশ দিবে যা প্রতিকল্পনরূপে সমন জারি Substituted Service নামে পরিচিত। এই পদ্ধতি ব্যক্তিগতভাবে সমন জারির মতই কার্যকর হবে। 

Order 5 Rule 20: Substituted service-
(1) Where the Court is satisfied that there is reason to believe that the defendant is keeping out of the way for the purpose of avoiding service, or that for any other reason the summons cannot be served in the ordinary way, the Court shall order the summons to be served by affixing a copy thereof in some conspicuous place in the Court-house, and also upon some conspicuous part of the house (if any) in which the defendant is known to have last resided or carried on business or personally worked for gain, or in such other manner as the Court thinks fit.

(1A) Where the Court under sub-rule (1) pass an order to service the summons by an advertisement in a newspaper, the newspaper shall be a daily newspaper which has circulation in the locality in which the defendant is last known to have actually and voluntarily resided, carried on business or personally worked for gain.

Effect of substituted service-
(2) Service substituted by order of the Court shall be as effectual as if it had been made on the defendant personally.

Where service substituted, time for appearance to be fixed-
(3) Where service is substituted by order of the Court, the Court shall fix such time for the appearance of the defendant as the case may require. 
১০৫.
Z নাবালক থাকাবস্থায় তার মামলা করার অধিকার জন্মে। তামাদির সময় গণনা শুরু হবে যখন -
  1. Z এর সাবালকত্বের অবসান হবে
  2. Z সাবালক থাকলে
  3. Z এর নাবালকত্বের অবসান হবে
  4. উপরের কোনটাই নয়
সঠিক উত্তর:
Z এর নাবালকত্বের অবসান হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Z এর নাবালকত্বের অবসান হবে
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ৬ অনুযায় কোন ব্যক্তি যত দিন নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধ থাকে ততদিন তামাদির মেয়াদ গণনা থেকে বাদ যাবে। নাবালকত্ব, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধতার অবসান হওয়ার পর থেকে তার মামলা দায়েরের সময় গণনা হবে।
 ♦অর্থাৎ Z এর নাবালকত্বের অবসান হওয়ার পর তামাদির সময় গণনা শুরু হবে।

♦The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারা বিধান হল বৈধ অপারগতাঃ

উপধারাঃ(১) যেইক্ষেত্রে মামলা বা কার্যধারা দায়ের করিবার কিংবা ডিংক্রী জারির জন্য দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে, সেইসময় নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকে, সেইক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি তাহার উপরোক্ত অপারগতার অবসান হইবার পর, অপারগতা না থাকিলে, প্রথম তফসিলের তৃতীয় স্তম্ভে অথবা ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারায় বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে উহা করিতে পারিতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা বা কার্যধারা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করিতে পারিবে।

উপধারাঃ (২) যেইক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে, সেই সময় উপরে বর্ণিত যেই কোনো দুইটি অপারগতার অবসান হইবার পূর্বেই সে আরেকটি অপারগতায় পতিত হয়, সেইক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি তাহার উভয় অপারগতার অবসান হইবারপর, অপারগতা না থাকিলে, উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে উহা করিতে পারিতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করিতে পারিবে।

উপধারাঃ (৩) যেইক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত তাহার অপারগতা অব্যাহত থাকে, সেইক্ষেত্রে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি ঐ ব্যক্তির মৃত্যুর পর অপারগতা না থাকিলে উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে উহা করা যাইতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দাখিল করিতে পারিবে।

উপধারাঃ (৪) যেইক্ষেত্রে উপরোক্ত ব্যক্তির মৃত্যুর তারিখে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি অনুরূপ কোন অপারগতায় পতিত হয়, সেইক্ষেত্রে (১) ও (২) উপধারায় বিধৃত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হইবে।
১০৬.
'B', 'A'- কে একটি অপরাধ করতে দেখেছে, 'B'-নিজে আদালতে না এসে 'C' কে এটি বলে। 'C' আদালতে এসে বলে যে, সে শুনেছে যে 'B' 'A'- কে অপরাধ করতে দেখেছে। তাহলে 'C' এর সাক্ষ্য আদালতে-
  1. সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহনযোগ্য
  2. সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহনযোগ্য নয়
  3. মৌখিক সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহনযোগ্য
  4. গ্রহনযোগ্যতা আদালতের বিবেচনামূলক
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহনযোগ্য নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহনযোগ্য নয়
ব্যাখ্যা
⇒ পরোক্ষ বা জনশ্রুত সাক্ষ্য (indirect/hearsay evidence)- পরোক্ষ বা জনশ্রুত সাক্ষ্য হলো তাই যা আদালতে উপস্থিত সাক্ষী পূর্বে অন্য সাক্ষীর নিকট থেকে শোনাক্রমে প্রদান করে।
-অর্থাৎ নিজে না দেখে অন্যের কাছ থেকে শুনে যে সাক্ষ্য দেয়া হয়। তাকে পরোক্ষ বা জনশ্রুত সাক্ষ্য বা hearsay evidence বলে। জনশ্রুত সাক্ষ আদালতে গ্রহনযোগ্য নয়
⇒ এখানে 'B', 'A'- কে একটি অপরাধ করতে দেখে তাহলে নিয়ম হলো, 'B'-নিজে ৬০ ধারার অধীনে আদালতে এসে এ বিষয়ে সাক্ষ্য দেবে। কিন্তু 'B' না এসে 'C' এসে বলে যে, সে শুনেছে যে 'B' 'A'- কে অপরাধ করতে দেখেছে তাহলে এটি জনশ্রুত সাক্ষ্য বলে গণ্য হবে, যা গ্রহনযোগ্য নয়।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারার বিধান মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবে মৌখিক সাক্ষ্য সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবে,
অর্থাৎ সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি দেখা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে, সে উহা দেখিয়াছে তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।
⇒ সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি শোনা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে সে উহা শুনিয়াছে, তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।
⇒ জনশ্রুত সাক্ষ্য (hearsay evidence) ধরনের মৌখিক সাক্ষ্য সাধারণত গ্রহণযোগ্য নয়।
----------------
⇒ Section 60. Oral evidence must be direct
Oral evidence must, in all cases whatever, be direct; that is to say- 
if it refers to a fact which could be seen, it must be the evidence of a witness who says he saw it; 
if it refers to a fact which could be heard, it must be the evidence of a witness who says he heard it;
১০৭.
সংবিধানের ১৪৭ অনুচ্ছেদে নিম্নের কোন পদাধিকারী ব্যক্তির পারিশ্রমিক সম্পর্কে উল্লেখ করা হয় নাই?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. সুপ্রীম কোর্টের বিচারক
  3. অ্যাটর্নি জেনারেল
  4. মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি জেনারেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি জেনারেল
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ১৪৭ অনুচ্ছেদে ৮ শ্রেণীর পদাধিকারী ব্যক্তিদের পারিশ্রমিক, বিশেষ-অধিকার ও কর্মের অন্যান্য শর্ত সংসদের আইনের দ্বারা বা অধীনে নির্ধারণ সংক্রান্ত বিধান আলোচনা করা হয়েছে-
 
১) রাষ্ট্রপতি,
২) প্রধানমন্ত্রী,
৩) স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকার,
৪) মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা উপ-মন্ত্রী
৫) সুপ্রীম কোর্টের বিচারক,
৬) মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক,
৭) নির্বাচন কমিশনার,
৮) সরকারী কর্ম কমিশনের সদস্য।

অপরদিকে,
সংবিধানের ৬৪নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, রাষ্ট্রপতি অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ দেন। অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে -
(১) সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হইবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল-পদে নিয়োগদান করিবেন।
(২) অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করিবেন।
(৩) অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্ব পালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁহার বক্তব্য পেশ করিবার অধিকার থাকিবে।
(৪) রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি-জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করিবেন।
১০৮.
ফৌজদারি কার্যধারায় অভিযুক্ত ব্যক্তির খারাপ চরিত্র সাধারণত কখন প্রাসঙ্গিক হয়?
  1. আদালত ইচ্ছা করলে
  2. যদি সে কোনো গুরুতর অপরাধ করে
  3. যদি তার ভালো চরিত্র সম্পর্কে প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়
  4. কোনো ক্ষেত্রেই নয়
সঠিক উত্তর:
যদি তার ভালো চরিত্র সম্পর্কে প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি তার ভালো চরিত্র সম্পর্কে প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪: আগের খারাপ চরিত্র সম্পর্কিত তথ্য অপ্রাসঙ্গিক, তবে প্রতিক্রিয়াস্বরূপ প্রাসঙ্গিক হতে পারে:ণ
ফৌজদারি কার্যধারায় অভিযুক্ত ব্যক্তির পূর্বের খারাপ চরিত্র সাধারণত অপ্রাসঙ্গিক। তবে, যদি তার ভালো চরিত্র সম্পর্কে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়, তাহলে তার খারাপ চরিত্র সম্পর্কিত প্রমাণও প্রাসঙ্গিক হয়ে যায়।

ব্যাখ্যা ১:
এই ধারা সেইসব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় যেখানে কোনো ব্যক্তির খারাপ চরিত্র নিজেই একটি বিবেচ্য বিষয় (Fact in Issue)।

ব্যাখ্যা ২:
আগের কোনো দণ্ডাদেশ (Conviction) খারাপ চরিত্রের প্রমাণ হিসেবে প্রাসঙ্গিক হতে পারে।
১০৯.
ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধ আমলে(তথ্য, নিজস্ব জ্ঞান বা সন্দেহের ভিত্তিতে) নিলে কখন ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে অবগত করবেন যে, সে অন্য আদালতে তার মামলার বিচার পাবার অধিকারী?
  1. সাক্ষ্য গ্রহণের পূর্বে
  2. চার্জ গঠনের পর
  3. মামলা আমলে নেয়ার সময়
  4. এই রকম কোনো অধিকার দেয়া হয় নি
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য গ্রহণের পূর্বে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য গ্রহণের পূর্বে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৯৩ অনুসারে, ধারা ১৯০(১) (গ) এর অধীনে তথ্য, নিজস্ব জ্ঞান বা সন্দেহের উপর ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধ আমলে নিলে ম্যাজিস্ট্রেট সাক্ষ্য গ্রহণের পূর্বে আসামিকে জানাবেন যে সে অন্য আদালতে তার মামলার বিচার পাবার অধিকারী।
তখন যদি আসামি বা আসামিদের মধ্যে একজন উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা বিচার পরিচালনায় আপত্তি করে মামলাটি দায়রা আদালতে প্রেরণ করতে হবে অথবা অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হস্তান্তর করতে হবে।
১১০.
'ক', 'খ' এর বিরুদ্ধে দলিল বাতিলের মামলা করে। আদালত উক্ত মোকদ্দমায় 'ক' এর পক্ষে রায় দেন। ঐ একই বিষয়ে দলিল বাতিল নিয়ে 'খ' যদি পুনরায় 'ক' এর  বিরূদ্ধে মামলা দায়ের করে, তাহলে আদালত পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমা-
  1. স্থগিত করবে
  2. খারিজ করবে
  3. ক বা খ
  4. চালিয়ে যাবে
সঠিক উত্তর:
খারিজ করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খারিজ করবে
ব্যাখ্যা
• পরবর্তীতে দায়েরকৃত মামলা খারিজ করে দিবে। 

• রেস জুডিকাটা (Res Judicata)-
দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় দেওয়ানী মামলায় রেস জুডিকাটার রয়েছে। ১১ ধারা মতে, এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নিম্পন্ন কোন মোকদ্দমা পরবর্তীতে যদি পুনরায় দায়ের করা তাহলে আদালত মোকদ্দমাটির বিচার করবে না যদি নিষ্পন্নকৃত মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় ও পক্ষসমূহ এবং পরবর্তীতে মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় ও পক্ষসমূহ একই হয়।

• রেস জুডিকাটা নীতির শর্ত সমূহ: 
i) ২টি মামলা অর্থাৎ পূর্বে নিষ্পত্তিকৃত একটি মামলা ও পরবর্তীতে দায়েরকৃত আরেকটি মামলা থাকতে হবে।
ii) পূর্ববর্তী ও পরবর্তী মামলার পক্ষসমূহ এবং বিচার্য বিষয় একই হবে এবং একই স্বত্বের অধীন (Under same title) হবে।
iii) পূর্বে দায়েরকৃত মামলাটি যথাযথ এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত হবে।
iv) পূর্ববর্তী ও পরবর্তী মামলার বিচার্য বিষয় সমূহ প্রত্যক্ষভাবে না হয় মূলত (directly or substantially) একই হয়ে যায়। অর্থাৎ উভয় মামলার বিষয়বস্তু অভিন্ন হতে হবে।

যেমন- উল্লেখিত মোকদ্দমায়  'খ' ঐ একই বিষয়ে দলিল বাতিল নিয়ে পুনরায় 'ক' এর  বিরূদ্ধে মামলা দায়ের করে। তাই আদালত পরবর্তীতে দায়েরকৃত মামলা খারিজ করে দিবে। কেননা পূর্ববর্তী ও পরবর্তী মোকদ্দমা একই বিচার্য বিষয় নিয়ে ও একই পক্ষদ্বয়ের মাঝে দায়ের করা হয়েছে।
১১১.
হিন্দু আইনে দত্তক গ্রহণের প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. সম্পত্তি হস্তান্তর
  2. অভিভাবকত্ব প্রতিষ্ঠা
  3. পিন্ডদান ও বংশ রক্ষা
  4. বিবাহের বৈধতা প্রমাণ
সঠিক উত্তর:
পিন্ডদান ও বংশ রক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিন্ডদান ও বংশ রক্ষা
ব্যাখ্যা

⇒ হিন্দু আইনে দত্তক গ্রহণের প্রাথমিক উদ্দেশ্য হলো ধর্মীয় কর্তব্য (পিণ্ডদান) এবং পারিবারিক বংশধারা রক্ষা করা। 
১) ধর্মীয় কারণ – পিণ্ডদান:
- শাস্ত্রমতে পুত্রহীন ব্যক্তির আত্মার মুক্তি অসম্ভব।
- দত্তক পুত্র মৃত পিতার জন্য পিণ্ডদান করে এবং তিন পুরুষ (পুত্র, পৌত্র, প্রপৌত্র) পর্যন্ত এই কর্তব্য পালন করে।
২) পার্থিব কারণ – বংশ রক্ষা:
- পারিবারিক নাম, ঐতিহ্য ও সম্পত্তির ধারাবাহিকতা বজায় রাখা।
- বংশধারা টিকিয়ে রাখা হিন্দু সমাজে গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক কর্তব্য।

১১২.
Factum Valet মতবাদের অর্থ কী?
  1. যা করা উচিত, তা করা হলে তা বৈধ
  2. যা করা উচিত নয়, তা করা হলে তা অবৈধ
  3. যা করা উচিত নয়, তা করা হলে তা বৈধ
  4. যা করা উচিত, তা করা হলে তা অবৈধ
সঠিক উত্তর:
যা করা উচিত নয়, তা করা হলে তা বৈধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যা করা উচিত নয়, তা করা হলে তা বৈধ
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) যা করা উচিত নয়, তা করা হলে তা বৈধ।
→ Factum Valet একটি আইনি নীতি যা বলে, "যা করা উচিত নয়, তা করা হলে তা বৈধ বলে গণ্য হবে," যদি প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা বা বিধি অনুসরণ করা হয়। অর্থাৎ, কিছু নির্দিষ্ট বিধি বা নির্দেশনাবলী অমান্য করা হলেও, যদি সেই কাজটি যথাযথ ধর্মীয় বা আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে করা হয়, তবে সেই কাজটি বৈধ হিসেবে গণ্য হতে পারে।

এই নীতি মূলত নির্দেশাত্মক বিধান (Directory provisions) এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যেখানে আইনের সুপারিশ অনুসরণ না করেও, কাজটি একটি শর্তসাপেক্ষে বৈধ হতে পারে।

হিন্দু আইনে Factum Valet মতবাদ: 
- Factum Valet হল হিন্দু দায়ভাগা আইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি, যা ল্যাটিন প্রবচন "Quod fieri non debet factum valet"-এর উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
- এই প্রবচনের অর্থ হলো, "যা করা উচিত নয়, তা করা হয়ে গেলে তা বৈধ বলে গণ্য হবে।" এই নীতিটি হিন্দু আইনে ব্যাপকভাবে প্রযোজ্য এবং এটি নির্দিষ্ট আইনি বিধান লঙ্ঘন করেও কৃতকার্যকে বৈধতা দেয়।

আইনের বিধানের প্রকারভেদ:
আইনের বিধানগুলিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়:
নির্দেশাত্মক বিধান (Directory Provision):
- এই বিধানগুলি সুপারিশমূলক বা নির্দেশমূলক। এগুলি মানা বাঞ্ছনীয়, তবে এগুলি লঙ্ঘন করলে কৃতকার্য অবৈধ হয় না।
অবশ্য পালনীয় বিধান (Mandatory Provision):
- এই বিধানগুলি বাধ্যতামূলক। এগুলি লঙ্ঘন করলে কৃতকার্য অবৈধ বলে গণ্য হয় এবং তা বৈধ করা যায় না।
Factum Valet নীতি নির্দেশাত্মক বিধানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। অর্থাৎ, নির্দেশাত্মক বিধান লঙ্ঘন করে কোনো কাজ করা হলে, তা বৈধ বলে গণ্য হয়।
১১৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন ধারায় হলফনামা শপথ পরিচালনা হওয়ার বিধান আছে?
  1. ১৩৭ ধারা
  2. ১৩৯ ধারা
  3. ১৪৪ ধারা
  4. ১৪২ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৩৯ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৯ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ১৩৯ ধারায় বলা হয়েছে যে, কোন আদালত বা ম্যাজিষ্ট্রেট বা কোন ব্যক্তি বা অফিসার বা সরকার কর্তৃক নিযুক্ত ব্যক্তি হলফনামা শপথ করবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৩৯ ধারার বিধান হলফনামার শপথ যার দ্বারা পরিচালিত হবে: এই আইন মোতাবেক কোন এফিডেভিটের ক্ষেত্রে-
ক) যে কোন আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট; অথবা
খ) যে কোন অফিসার বা অন্য কোন ব্যক্তি যাকে সুপ্রিমকোর্ট এতদুদ্দেশ্যে নিয়োগ করতে পারেন; অথবা
গ) সরকার কর্তৃক সাধারণ বা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন আদালতে যে ব্যক্তিকে এই কার্যের জন্য নিযুক্ত করতে পারেন, তিনি শপথ গ্রহণকারীর প্রতি শপথ পরিচালনা করতে পারবেন।
------------
⇒ CPC Section: 139. Oath on affidavit by whom to be administered:
 In the case of any affidavit under this Code- 
(a) any Court or Magistrate, or 
(b) any officer or other person whom 107[the Supreme Court] may appoint in this behalf, or 
(c) any officer appointed by any other Court which the Government has generally or specially empowered in this behalf,
may administer the oath to the deponent.
১১৪.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোথায় প্লিডিংস সংশোধনের বিধান আছে?
  1. আদেশ ৬ বিধি ৪
  2. আদেশ ৬ বিধি ১৭
  3. আদেশ ৬ বিধি ১৬
  4. আদেশ ৬ বিধি ১৮
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৬ বিধি ১৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৬ বিধি ১৭
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশর ৬ এর বিধি ১৭ অনুযায়ী প্লিডিংস সংশোধনের বিধান আছে।
আদেশর ৬ বিধি ১ অনুযায়ী প্রিডিং বলতে আরজি বা লিখিত জৰাৰ বুঝাবে। 
⇒ মামর্লা যে কোন পর্যায়ে প্লিডিংস সংশোধণ হতে পারে।
⇒  প্লিডিংস সংশোধন করা বা না করা আদালতের বিবেচনা মূলক ক্ষমতা।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশর ৬ এর বিধি ১৭ অনুযায়ী আরজি জবাব সংশোধন বা প্লিডিংস সংশোধন বলতে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে আদালত যে কোন পক্ষকে ন্যায় সঙ্গত পদ্ধতিতে ও শর্তে তার আরজি জবাবে পরিবর্তন বা সংশোধন করার অনুমতি দিতে পারেন এবং উভয়পক্ষের মধ্যে বিরোধের প্রকৃত প্রশ্ন নির্ধারণের উদ্দেশ্যেই এরূপ যাবতীয় প্রয়োজনীয় সংশোধন করা যাবে।
⇒ তবে শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমার বিচারকার্য শুরু হওয়ার পর , সংশোধনের কোন আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।
⇒ যদি  আদালত অভিমত পোষণ করেন যে, পরিশ্রম করা সত্ত্বেও পার্টি  বিচারকার্য শুরু হওয়ার পূর্বে বিষয়টি উত্থাপন করতে পারেননি সেক্ষেত্রে আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে।
⇒ আরো শর্ত থাকে যে, বিচারকার্য শুরু হওয়ার পর যদি সংশোধনের আবেদন করা হয় এবং আদালত এই মত পোষণ করেন যে, বিচারকার্য পরিচালনাকে বিলম্ব করার জন্য এটি করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে আদালত আপত্তিকারীকে যেরূপ উপযুক্ত মনে তদ্রুপ ক্ষতিপূরণ বাবদ অর্থ পরিশোধ করতে আদেশ দিবেন।
⇒ আদেশের বিরুদ্ধে ১১৫ ধারা অনুযায়ী রিভিশন করা যাবে।
১১৫.
‘ক’ চট্টগ্রামে বসবাস করে। ঢাকাতে ‘ক’ ‘খ’ এর বিরুদ্ধে মানহানির বক্তব্য পেশ করেছে। ‘খ’ ‘ক’ এর বিরুদ্ধে কোথায় মোকদ্দমা দায়ের করবে?
  1. শুধু চট্টগ্রামে
  2. শুধু ঢাকাতে
  3. একই সাথে উভয় জেলার আদালতে
  4. চট্টগ্রামের আদালতে আথবা ঢাকার আদালতে
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রামের আদালতে আথবা ঢাকার আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রামের আদালতে আথবা ঢাকার আদালতে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ১৯ ধারায় বলা হয়েছে যে, ক্ষতিপূরন সম্পর্কে মামলা কোন আদালতে দায়ের করতে হবে তা বলা আছে।

• ‘ক’ চট্টগ্রামে বসবাস করে কিন্তু ‘খ’ এর বিরুদ্ধে ঢাকায় মানহানির বক্তব্য দেয় তাই ‘ক’ এর বিরুদ্ধে ঢাকা বা চট্টগ্রামের যে কোন একটি আদালতে মামলা দায়ের করা যাবে।
১১৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন বিধিতে হিসাব (Accounts) পরীক্ষা বা সমন্বয়ের জন্য কমিশন ইস্যুর ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে?
  1. আদেশ ২৬, বিধি ৯
  2. আদেশ ২৬, বিধি ১০
  3. আদেশ ২৬, বিধি ১১
  4. আদেশ ২৬, বিধি ১২
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২৬, বিধি ১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২৬, বিধি ১১
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৬, বিধি ১১-এ স্পষ্ট লেখা আছে: যদি কোনো মামলায় হিসাব পরীক্ষা বা হিসাব মিলানো (examination or adjustment of accounts) দরকার হয়, তাহলে আদালত যাকে উপযুক্ত মনে করবে (যেমন: চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট, কমিশনার ইত্যাদি) তার কাছে কমিশন জারি করে হিসাব পরীক্ষা করিয়ে রিপোর্ট নিতে পারবে।
- অর্থাৎ, দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৬, বিধি ১১ অনুসারে যে কোনো মামলায় হিসাব নিরীক্ষণ বা সমন্বয়ের প্রয়োজন হলে আদালত কমিশন (commission) জারি করতে পারবেন।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Order-26 Rule-11. Commission to examine or adjust accounts: 
- In any suit in which an examination or adjustment of accounts is necessary, the Court may issue a commission to such person as it thinks fit directing him to make such examination or adjustment. 

১১৭.
বিবাদী বা বিবাদীর ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন প্রতিনিধি না থাকলে,কার উপর সমন জারি করা যাবে?
  1. পরিবারের প্রাপ্ত বয়স্ক সদস্য
  2. পরিবারের প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষ সদস্য
  3. বিবাদীর স্বামী বা স্ত্রীর
  4. বিবাদীর সন্তানের উপর
সঠিক উত্তর:
পরিবারের প্রাপ্ত বয়স্ক সদস্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিবারের প্রাপ্ত বয়স্ক সদস্য
ব্যাখ্যা

• দেওয়ানি কার্যবিধির ৫নং আদেশের ১৫নং বিধিমতে বিবাদীকে যদি পাওয়া না যায় এবং বিবাদীর ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন প্রতিনিধি না থাকে, তখন বিবাদীর পরিবারের যে কোন প্রাপ্তবয়স্ক লোক (নারী বা পুরুষ) এর উপর সমন জারি করা যাবে।

• সমন জারির বিভিন্ন পদ্ধতি (Various modes of service of Summons)- দেওয়ানী কার্যবিধির ৫ নং আদেশের ১ থেকে ৩০ বিধিতে উল্লেখ রয়েছে।
বিবাদীর উপর নিম্নলিখিত ৩ ভাবে সমন জারি হতে পারে-
i) ব্যক্তিগতভাবে সমন জারি
ii) বিবাদীর অনুপস্থিতিতে বিকল্প বা ঝুলিয়ে বা প্রতিকল্পনরূপে সমন জারি; এবং
iii) ডাকযোগে বা কুরিয়ারের মাধ্যমে সমন জারি।

• আদেশ-৫, বিধি-১৫: যখন কোন মোকদ্দমায় যদি সমন জারির সময় বিবাদী তার বসবাসের স্থানে অনুপস্থিত থাকে, এবং সমন গ্রহণের ক্ষমতা প্রাপ্ত তার কোনো প্রতিনিধি না থাকে, তাহলে বিবাদীর সাথে বসবাস করে, তার পরিবারের এইরুপ যে কোন প্রাপ্ত বয়স্ক লোকের উপর সমন জারি করা যাবে। দেওয়ানী কার্যবিধির ২০১২ সালের সংশোধনী দ্বারা প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষ সদস্য এর পরিবর্তে প্রাপ্ত বয়স্ক শব্দ প্রতিস্থাপন করা হয়। অর্থাৎ এখন প্রাপ্ত বয়স্ক নারী বা পুরুষ উভয়ের নিকট দেয়া যাবে।

Order 5 Rule 15: Where service may be on adult member of defendant's family-
Where in any suit the defendant cannot be found and has no agent empowered to accept service of the summons on his behalf, service may be made on any adult member of the family of the defendant who is residing with him. 

১১৮.
'ক' একজন বিক্রেতা। এক প্রকার পানীয় স্বাস্থ্যহানিকর জানার পরেও, বিক্রয়ের জন্য 'ক' তার দোকানে উক্ত পানীয় প্রদর্শন করে। এক্ষেত্রে তার সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. শুধুমাত্র জরিমানা
  2. ৬ মাসের কারাদণ্ড বা ১,০০০ টাকা জরিমানা অথবা উভয়
  3. ১ বছরের কারাদণ্ড বা ১,০০ টাকা জরিমানা অথবা উভয়
  4. ২ বছরের কারাদণ্ড বা ২,০০০ টাকা জরিমানা অথবা উভয়
সঠিক উত্তর:
৬ মাসের কারাদণ্ড বা ১,০০০ টাকা জরিমানা অথবা উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাসের কারাদণ্ড বা ১,০০০ টাকা জরিমানা অথবা উভয়
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২৭৩ ধারা: ক্ষতিকর খাদ্য বা পানীয় বিক্রয়:
কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন দ্রব্য, খাদ্য বা পানীয় হিসেবে বিক্রয় করে, প্রদান করে বা বিক্রয়ার্থে উপস্থাপন করে, যা ক্ষতিকর করা হয়েছে বা সেরূপ হয়ে গিয়েছে অথবা যা এমন অবস্থায় রয়েছে, যাতে উহা খাদ্য বা পানীয় হিসেবে ব্যবহারের অনুপযুক্ত এবং উহা খাদ্য বা পানীয় হিসেবে স্বাস্থ্যহানিকর জানাসত্ত্বেও বা বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তা করে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 273- Sale of noxious food or drink:
Whoever sells, or offers or exposes for sale, as food or drink, any article which has been rendered or has become noxious, or is in a state unfit food or drink, knowing or having reason to believe that the same is noxious as food or drink, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
১১৯.
কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর,১৮৯৮ অনুসারে ১২০ দিনের মধ্যে মামলার তদন্তকার্য সম্পন্ন করার বিধানটি-
  1. নির্দেশনামূলক 
  2. বিচার বিবেচনামূলক 
  3. বাধ্যতামূলক
  4. নিষেধাজ্ঞামূলক
সঠিক উত্তর:
নির্দেশনামূলক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্দেশনামূলক 
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬৭ ধারায় পুলিশের তদন্তের সর্বোচ্চ সময় ১২০ দিন উল্লেখ করা হয়েছে। এটি নির্দেশনামূলক। যদি উক্ত ১২০ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ না হলেঃ

- যে ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধটি আমলে নেওয়ার এখতিয়ারসম্পন্ন বা যে ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধটি তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন, তিনি অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি [release the accused on bail] দিতে আদেশ দিতে পারেন; যদি না অপরাধটির জন্য শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বৎসরের অধিক কারাবাস হয়; অথবা

- দায়রা আদালত তার সন্তুষ্টি অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডণীয় অপরাধ বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডণীয় অপরাধ বা ১০ বছরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত অপরাধের ক্ষেত্রেও আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে পারেন।
১২০.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের কোন ধারায় “প্রতীয়মান মালিক কর্তৃক হস্তান্তর” এর বিধান আছে?
  1. ধারা ৩৮
  2. ধারা ৪১
  3. ধারা ৪৩
  4. ধারা ৪০
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪১
ব্যাখ্যা

⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২-এর ধারা ৪১-এ "প্রতীয়মান মালিক কর্তৃক হস্তান্তর" (Transfer by Ostensible Owner)-এর বিধান রয়েছে। এই ধারা অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি প্রকৃত মালিকদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্মতিতে স্থাবর সম্পত্তির প্রতীয়মান মালিক হিসাবে থাকে এবং সরল বিশ্বাসে ও যুক্তিসঙ্গত সাবধানতা নিয়ে কোনো গ্রহীতা মূল্যের বিনিময়ে তা ক্রয় করে, তাহলে হস্তান্তরকারীর প্রকৃত হস্তান্তর ক্ষমতা না থাকলেও হস্তান্তরটি বাতিলযোগ্য হবে না।

⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৪১ ধারার বিধান: প্রতীয়মান মালিক কর্তৃক হস্তান্তর: যখন কোন ব্যক্তি, স্থাবর সম্পত্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিগণের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্মতিক্রমে, ঐ সম্পত্তির প্রতীয়মান মালিক বলে পরিগণিত হয় এবং মূল্যের বিনিময়ে সে তা হস্তান্তর করে, তখন তার হস্তান্তরের ক্ষমতা নির্ধারণের জন্য গৃহীত যুক্তিসঙ্গত সাবধানতা গ্রহণ করে থাকলে এবং সরল বিশ্বাসে কার্য করে থাকলে, দাতার হস্তান্তরের ক্ষমতা ছিল না, এই যুক্তিতে হস্তান্তর বাতিলযোগ্য হবে না।
----------------
⇒ The Transfer of Property Act, 1882 Section 41. Transfer by ostensible owner:
- Where, with consent, express or implied, of the persons interested in immoveable property, a person is the ostensible owner of such property and transfers the same for consideration, the transfer shall not be voidable on the ground that the transferor was not authorised to make it: provided that the transferee, after taking reasonable care to ascertain that the transferor had power to make the transfer, has acted in good faith.

১২১.
আন্তর্জাতিক চুক্তিসমূহ কে সংসদে পেশ করার ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. স্পিকার
  4. পররাষ্ট্রমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪৫ক: আন্তর্জাতিক চুক্তি

বিদেশের সহিত সম্পাদিত সকল চুক্তি রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করা হইবে, এবং রাষ্ট্রপতি তাহা সংসদে পেশ করিবার ব্যবস্থা করিবেনঃ তবে শর্ত থাকে যে, জাতীয় নিরাপত্তার সহিত সংশ্লিষ্ট অনুরুপ কোন চুক্তি কেবলমাত্র সংসদের গোপন বৈঠকে পেশ করা হইবে।

Article 145A: International treaties
All treaties with foreign countries shall be submitted to the President, who shall cause them to be laid before Parliament: Provided that any such treaty connected with national security shall be laid in a secret session of Parliament
১২২.
সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময় কোথায় দস্যুতা অনুষ্ঠিত হলে, কারাদণ্ডের মেয়াদ চৌদ্দ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে?
  1. বাসগৃহে
  2. রাজপথে
  3. সরকারি ভবনে
  4. ক বা খ বা গ
সঠিক উত্তর:
রাজপথে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজপথে
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারা- দস্যুতার সাজা:
কোন ব্যক্তি যদি দস্যুতা সংঘটন করে তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে এবং যদি সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময় রাজপথে দস্যুতা অনুষ্ঠিত হয়, তবে কারাদণ্ডের মেয়াদ চৌদ্দ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে।

Section 392⇒ Punishment for robbery:
Whoever commits robbery shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and, if the robbery be committed on the highway between sunset and sunrise, the imprisonment may be extended to fourteen years.
১২৩.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ১৪৮ অনুসারে, আদালত সর্বোচ্চ কতবার সময়সীমা বৃদ্ধি করতে পারে?
  1. একবার
  2. দুইবার
  3. তিনবার
  4. নির্ধারিত নয়
সঠিক উত্তর:
নির্ধারিত নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্ধারিত নয়
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ১৪৮ - সময়সীমা বর্ধিতকরণ (Enlargement of Time):
যেখানে এই বিধিতে নির্ধারিত বা অনুমোদিত কোনো কাজ করার জন্য আদালত কোনো নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করে বা দেয়, সেই ক্ষেত্রে আদালত তার বিবেচনায়, সময় শেষ হয়ে গেলেও, সেই সময়সীমা বৃদ্ধি করতে পারে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৪৮ অনুযায়ী,
আদালত তার বিবেচনায় যেকোনো সময়, এমনকি নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রম করেও, সময়সীমা একাধিকবার বৃদ্ধি করতে পারে। ধারায় এর জন্য কোনো নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করা হয়নি। তবে এটি সম্পূর্ণরূপে আদালতের বিবেচনার ওপর নির্ভরশীল।
১২৪.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর প্রথম তফসিলে উল্লেখিত আদেশ ও বিধি সমূহ সংশোধন করতে পারে কে?
  1. পার্লামেন্ট
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. সুপ্রীম কোর্ট
  4. পার্লামেন্ট ও সুগ্রীম কোর্ট
সঠিক উত্তর:
পার্লামেন্ট ও সুগ্রীম কোর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পার্লামেন্ট ও সুগ্রীম কোর্ট
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারাসমূহ শুধুমাত্র জাতীয় সংসদ সংশোধন করতে পারে।
⇒ প্রথম তফসিলে উল্লেখিত আদেশ এবং বিধিসমূহ সংসদ এবং সুপ্রীম কোর্ট উভয় সংশোধন করতে পারে।
⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের ৬৫ (১) অনুচ্ছেদ অনুসারে সংসদ সকল আইন প্রণয়ন ও সংশোধনের ক্ষমতা রাখে।
⇒ অন্যদিকে দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ১২২ ধারা অনুসারে, সুপ্রীম কোর্ট দেওয়ানী কার্যবিধির বিধি প্রণয়নসহ বিধিসমূহ বাতিল, পরিবর্তন বা সংযোজন করতে পারে।
⇒১২২ ধারায় সুপ্রীম কোর্টকে দেওয়ানী কার্যবিধির বিধি প্রণয়ন ও সংশোধন করার ক্ষমতা দেওয়া হলেও, সংবিধানে জাতীয় সংসদকে আইন প্রণয়ন ও সংশোধন করার যে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে সেটাকে খর্ব করা হয়নি।
⇒কারণ সংবিধান হলো সর্বোচ্চ আইন। জাতীয় সংসদ যে দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন আদেশ ও বিধিসমূহ সংশোধন করতে পারে তার বড় উদাহরণ হলো ২০১২ সালে দেওয়ানী কার্যবিধির সংশোধন।
⇒ The Code of Civil Procedure (Amendment) Act, 2012 এর মাধ্যমে জাতীয় সংসদ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫ এর ১(১) বিধি, ৯ বিধি ও ৯ক বিধি প্রতিস্থাপন করে।
⇒আবার আদেশ ৮ এর ১(১) বিধি সংশোধন করে লিখিত জবাব দাখিলের মেয়াদ সমন জারি হতে ৩০ কার্যদিবস নির্ধারণ করে।
⇒ আবার ৯ আদেশের ৫ বিধি সংশোধন করে ৩ মাসের পরিবর্তে ১ মাস নির্ধারণ করে।
⇒দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর প্রথম তফসীলে উল্লেখিত আদেশ এবং বিধিসমূহ সুপ্রিম কোর্ট সংশোধন করতে পারলেও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট কখনো এই ক্ষমতা প্রয়োগ করেনি।
১২৫.
কে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করেন?
  1. আদালত
  2. পুলিশ
  3. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  4. জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
পুলিশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৪ মতে, কোন থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার বা এই উদ্দেশ্যে সরকার কর্তৃক বিশেষ ভাবে ক্ষমতাবান অন্য কোন পুলিশ অফিসার যদি সংবাদ পান যে,কোন ব্যক্তি-

> আত্মহত্যা করেছে, অথবা
> অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক বা কোন প্রাণী কর্তৃক বা কোন যন্ত্র দ্বারা দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে, অথবা
> এরূপ অবস্থায় মারা গেছে- যা যৌক্তিক সন্দেহ সৃষ্টি করে যে অন্য কোন ব্যক্তি অপরাধ করেছে। [ধারা ১৭৪ (১)]

• তখন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা ক্ষমতাসম্পন্ন অন্য কোন পুলিশ কর্মকর্তা সুরতহাল তদন্তের জন্য ক্ষমতাসম্পন্ন নিকটতম নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাবেন এবং মৃত ব্যক্তির লাশ যেখানে রয়েছে সেই স্থানে গিয়ে দুই বা ততোধিক স্থানীয় সম্ভ্রান্ত ব্যক্তির উপস্থিতিতে তদন্ত চালাবেন।

• তখন পুলিশ উক্ত মৃত ব্যক্তির দেহের জখম, অস্থিভঙ্গ বা থেতলে যাওয়া এবং অন্যান্য জখমের চিহ্ন সম্পর্কে বর্ণনা করবে এবং যে উপায়ে বা অস্ত্র বা যন্ত্র দ্বারা উক্ত জখমের চিহ্ন সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে হয় তার উল্লেখ করে মৃত্যুর দৃশ্যমান কারণ সম্পর্কে একটি রিপোর্ট প্রণয়ন করবেন। এটাই সুরতহাল রিপোর্ট (Inquest Report).
১২৬.
‘ক’ ‘খ’-কে হত্যা করার উদ্দেশ্যে তার খাবারে বিষ মেশায়; কিন্তু ‘খ’ তা না খাওয়ায় মৃত্যু ঘটে না। দণ্ডবিধি অনুযায়ী ‘ক’-এর কাজটি কোন ধারার অধীনে শাস্তিযোগ্য?
  1.  ১২০ ধারা
  2. ১২০ক ধারা
  3. ৫০৬ ধারা
  4. ৫১১ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫১১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫১১ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒  দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর ধারা ৫১১–এ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনের উদ্যোগ (attempt)–এর শাস্তির বিধান দেওয়া হয়েছে।
- প্রশ্নে বলা হয়েছে— ‘ক’ ‘খ’–কে হত্যা করার উদ্দেশ্যে তার খাবারে বিষ মেশায়, কিন্তু ‘খ’ তা না খাওয়ায় মৃত্যু ঘটে না। এখানে হত্যা সংঘটিত হয়নি, তবে হত্যার উদ্দেশ্যে একটি কার্য সম্পাদিত হয়েছে। অর্থাৎ এটি অপরাধ সংঘটনের উদ্যোগ।
- ধারা ৫১১ অনুযায়ী: যদি কেউ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনের উদ্যোগ নেয় এবং সেই উদ্দেশ্যে কোনো কাজ করে, তবে সে অপরাধী হবে।
শাস্তি: সংশ্লিষ্ট অপরাধের জন্য নির্ধারিত সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের অর্ধেক মেয়াদ পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড।
- তাই সঠিক উত্তর হলো: ঘ) ধারা ৫১১।

⇒ দণ্ডবিধির ৫১১ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনের উদ্যোগের সাজা:-
কোন ব্যক্তি যদি এই বিধিবলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটন করার অথবা অনুরূপ কোন অপরাধ সংঘটন করানোর উদ্যোগ করে এবং অনুরূপ উদ্যোগের মাধ্যমে অপরাধটি সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কাজ করে, তবে যেক্ষেত্রে অনুরূপ উদ্যোগের সাজার জন্য এই বিধিতে কোন প্রকাশ্য বিধান করা হয় নাই, সেক্ষেত্রে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য সে ধরনের অপরাধের জন্য বিহিত দণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের অর্ধেক পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা সে অপরাধটির জন্য যে অর্থ দণ্ডেও বিধান করা হয়েছে সে অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
উদাহরণ:
(ক) 'ক' একটি বাক্স ভেঙ্গে কিছু গহনাপত্র চুরি করার উদ্যোগ করে। সে বাক্সটি ভেঙ্গে দেখতে পায় যে, উহাতে কোন গহনাপত্র নাই। সে চুরির উদ্দেশ্যে এই কাজটি করেছে; সুতরাং সে এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।
(খ) 'ক', 'চ'- এর পকেটে হাত দিয়ে চ-এর পকেট মারার উদ্যোগ নেয়। 'চ'- এর পকেটে কিছু ছিল না বলে ক-এর চেষ্টা ব্যর্থ হয়। 'ক' এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।
----------- 
⇒ The Penal Code, 1860,Section 511- Punishment for attempting to commit offences punishable with imprisonment for life or imprisonment:
Whoever attempts to commit an offence punishable by this Code with imprisonment for life or imprisonment, or to cause such an offence to be committed, and in such attempt does any act towards the commission of the offence, shall, where no express provision is made by this Code for the punishment of such attempt, be punished with imprisonment of any description provided for the offence, for a term which may extend to one-half of the longest term of imprisonment provided for that offence, or with such fine as is provided for the offence, or with both.

Illustration:
(a) A makes an attempt to steal some jewels by breaking open a box, and finds after so opening the box, that there is no jewel in it. He has done an act towards the commission of theft, and therefore is guilty under this section. 
(b) A makes an attempt to pick the pocket of Z by thrusting his hand into Z's pocket. A fails in the attempt in consequence of Z's having nothing in his pocket. A is guilty under this section.

১২৭.
দেওয়ানি আপিল আদালত নিম্নের কোন ক্ষমতাটি প্রয়োগ করতে পারে?
  1. অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ
  2. বিচার্য বিষয় গঠন
  3. পুনর্বিচারের জন্য মোকদ্দমা প্রেরণ
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) উপরের সবগুলো (কারণ সবগুলোই আদালতের ক্ষমতার মধ্যে পড়ে)।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১০৭ ধারা: আপিল আদালতের ক্ষমতা:

১) যে সকল শর্ত ও নিয়ন্ত্রণ বিধি দ্বারা হতে পারে, তৎসাপেক্ষে আদালতের নিম্নলিখিত ক্ষমতাবলী থাকবে-
ক) কোন মোকদ্দমা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করার;
খ) কোন মোকদ্দমা পুনর্বিচারে প্রেরণ করার;
গ) বিচার্য বিষয় গঠন এবং সেগুলো বিচারার্থে প্রেরণ করার;
ঘ) অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ বা অনুরূপ সাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য তলব করতে ক্ষমতা।

২) এই আইনে কোন মৌলিক এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের উপর তথাকার মোকদ্দমার ব্যাপারে যেরূপ ক্ষমতা প্রদত্ত এবং কর্তব্য আরোপিত হয়ে থাকে, উল্লেখিত শর্তসাপেক্ষে আপিল আদালতের উপরও এরূপ ক্ষমতা এবং প্রায় একইরূপ কর্তব্য বর্তাবে।

Section 107- Powers of Appellate Court:
(1) Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, an Appellate Court shall have power-
(a) to determine a case finally;
(b) to remand a case;
(c) to frame issues and refer them for trial;
(d) to take additional evidence or to require such evidence to be taken.

(2) Subject as aforesaid, the appellate Court shall have the same powers and shall perform as nearly as may be the same duties as are conferred and imposed by this Code on Courts of original jurisdiction in respect of suits instituted therein.
১২৮.
দণ্ডবিধির ধারা ৩৯২ কোন অপরাধের শাস্তি নির্ধারণ করে?
  1. চুরি
  2. ডাকাতি
  3. দস্যুতা
  4. বলপূর্বক গ্রহণ
সঠিক উত্তর:
দস্যুতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দস্যুতা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারার বিধান- দস্যুতার সাজা:
কোন ব্যক্তি যদি দস্যুতা সংঘটন করে তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে। এবং যদি সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময় রাজপথে দস্যুতা অনুষ্ঠিত হয়, 
তবে কারাদণ্ডের মেয়াদ চৌদ্দ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে।

Section 392- Punishment for robbery:
Whoever commits robbery shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and,
 if the robbery be committed on the highway between sunset and sunrise, the imprisonment may be extended to fourteen years.

১২৯.
বাংলাদেশ সংবিধানের কত অনুচ্ছেদের বিধান মতে শৃঙ্খলামূলক আইনের ক্ষেত্রে মৌলিক অধিকার প্রযোজ্য হইবে না?
  1. অনুচ্ছেদ ৪৪
  2. অনুচ্ছেদ ৪৫
  3. অনুচ্ছেদ ৪৬
  4. অনুচ্ছেদ ১০২
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৪৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৪৫
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৫ এর বিধান শৃঙ্খলামূলক আইনের ক্ষেত্রে অধিকারের পরিবর্তন:
কোন শৃঙ্খলা-বাহিনীর সদস্য-সম্পর্কিত কোন শৃঙ্খলামূলক আইনের যে কোন বিধান উক্ত সদস্যদের যথাযথ কর্তব্যপালন বা উক্ত বাহিনীতে শৃঙ্খলারক্ষা নিশ্চিত করিবার উদ্দেশ্যে প্রণীত বিধান বলিয়া অনুরূপ বিধানের ক্ষেত্রে এই ভাগের কোন কিছুই প্রযোজ্য হইবে না।
----------
⇒ Article 45. Modification of rights in respect of disciplinary law:
Nothing in this Part shall apply to any provision of a disciplinary law relating to members of a disciplined force, being a provision limited to the purpose of ensuring the proper discharge of their duties or the maintenance of discipline in that force.
১৩০.
Which section of The Special Powers Act, 1974 provides for the confirmation of death sentences by the High Court Division?
  1. Section 28
  2. Section 29
  3. Section 30(1)
  4. Section 30(2)
সঠিক উত্তর:
Section 30(2)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 30(2)
ব্যাখ্যা

The Special Powers Act, 1974 - Section 30: Appeals and confirmation of death sentences:
(1) An appeal from any order, judgment or sentence of a Special Tribunal may be preferred to the High Court Division within thirty days from the date of delivery or passing thereof.

(2) Where a Special Tribunal passes a sentence of death, the proceedings shall be submitted forthwith to the High Court Division and the sentence shall not be executed unless it is confirmed by that Division.

বিশেষ ক্ষমতা আইন,১৯৭৪- ধারা ৩০- আপিল এবং মৃত্যুদণ্ডের অনুমোদন:
(১) বিশেষ ট্রাইব্যুনালের কোনো আদেশ, রায় বা দণ্ডের বিরুদ্ধে উক্ত আদেশ, রায় বা দন্ড আরোপ বা প্রদানের ত্রিশ দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করা যাইবে।

(২) যেক্ষেত্রে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল কোনো মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে, সেইক্ষেত্রে অনতিবিলম্বে উহার কার্যধারা হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করিতে হইবে এবং হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক মৃত্যুদণ্ড অনুমোদিত না হওয়া পর্যন্ত উহা কার্যকর করা যাইবে না।

১৩১.
নিম্নের কোন দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীকে কারাগারে বন্দী না করে, আদালত সংশোধনমূলক প্রতিষ্ঠানে আটক রাখার নির্দেশ দিতে পারে?
  1. ১৭ বছর বয়সী
  2. ১৪ বছর বয়সী
  3. ১৬ বছর বয়সী
  4. উল্লিখিত সবাইকে
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর বয়সী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর বয়সী
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৩৯৯ অনুসারে,
 
কোনো অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির বয়স ১৫ বছরের কম হলে আদালত তাকে ফৌজদারি কারাগারে বন্দী না করে, সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত কোনো সংশোধনমূলক প্রতিষ্ঠানে আটক রাখবার নির্দেশ দিতে পারেন।

অপশনে উল্লিখিত ব্যক্তিদের মধ্যে ১৫ বছরের কম, অর্থাৎ ১৪ বছর বয়সী দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে আদালত উক্ত আদেশ দিতে পারে।

Section 399: Confinement of youthful offenders in reformatories-
(1) When any person under the age of fifteen years is sentenced by any Criminal Court to imprisonment for any offence, the Court may direct that such person, instead of being imprisoned in a criminal jail, shall be confined in any reformatory established by the Government as a fit place for confinement, in which there are means of suitable discipline and of training in some branch of useful industry or which is kept by a person willing to obey such rules as the Government prescribes with regard to the discipline and training of persons confined therein. 
 
(2) All persons confined under this section shall be subject to the rules so prescribed.
১৩২.
দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারার অধীনে ডাকাতি সংঘটিত হতে হলে কমপক্ষে কতজন ব্যক্তির উপস্থিতি প্রয়োজন?
  1. তিনজন
  2. চারজন
  3. পাঁচজন
  4. ছয়জন
সঠিক উত্তর:
পাঁচজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাঁচজন
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারার অধীনে ডাকাতি সংঘটিত হতে হলে কমপক্ষে ৫ জন ব্যক্তির উপস্থিতি প্রয়োজন।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারার বিধান ডাকাতি:- যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন করে বা দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন প্রচেষ্টারত ব্যক্তির ও অনুরূপ কার্যে বা প্রচেষ্টায় সহায়তাকারী ব্যক্তির মোট সংখ্যা পাঁচ বা ততোধিক হয়, তবে অনুরূপ কাজ সংঘটনকারী বা প্রচেষ্টাকারী বা সহায়তাকারী প্রত্যেক ব্যক্তি ডাকাতি করছে বলে পরিগণিত হবে।
-------------- 
⇒ The Penal Code, 1860- Section 391 Dacoity: When five or more persons conjointly commit or attempt to commit a robbery, or where the whole number of persons conjointly committing or attempting to commit a robbery, and persons present and aiding such commission or attempt, amount to five or more, every person so committing, attempting or aiding, is said to commit "dacoity".
১৩৩.
নিম্নের কোনটি সরকারি দলিল (Public Document) হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. নিবন্ধিত বিক্রয় দলিল
  2. হাইকোর্ট বিভাগের রায় 
  3. দেওয়ানি আদালতের রায় 
  4. অনিবন্ধিত পারিবারিক বাটোয়ারা দলিল
সঠিক উত্তর:
অনিবন্ধিত পারিবারিক বাটোয়ারা দলিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনিবন্ধিত পারিবারিক বাটোয়ারা দলিল
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৭৪ অনুযায়ী নিবন্ধিত বিক্রয় দলিল, হাইকোর্ট বিভাগের রায়, দেওয়ানি আদালতের রায়,সরকারি দলিল  কারণ এগুলো বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের অংশ এবং সরকারি রেকর্ড হিসেবে সংরক্ষিত হয়। তাই অনিবন্ধিত পারিবারিক বাটোয়ারা দলিল সরকারি দলিল নয়।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২,ধারা ৭৪,সরকারি দলিল: নিম্নলিখিত দলিলসমূহ সরকারি দলিল (Public Documents) হিসেবে গণ্য হবে-
(১) যে সকল দলিল 
(i) সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের,
(ii) সরকারি সংস্থা ও ট্রাইব্যুনালের, এবং
(iii) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের বা বিদেশের কোনো অংশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় সরকারি কর্মকর্তার কার্য বা কার্য্যের বিবরণ।
(২) বাংলাদেশে সরকারিভাবে সংরক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ  বিবরণ।
---------------------------
⇒ The Evidence Act, 1872: Section- 74. Public documents:
The following documents are public documents:-
(1) documents forming the acts or records of the acts-
(i) of the sovereign authority,
(ii) of official bodies and tribunals, and
(iii) of public officers, legislative, judicial and executive of any part of Bangladesh or of the Commonwealth, or of a foreign country;
(2) public records kept in Bangladesh of private documents.

১৩৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৬, বিধি ১৮ অনুযায়ী প্লিডিংস সংশোধনের জন্য আদালত অনুমতি দিলে এবং আদেশে কোনো সময় নির্ধারণ না থাকলে, কত দিনের মধ্যে সংশোধন দাখিল করতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৪ দিন
  4. ২১ দিন
সঠিক উত্তর:
১৪ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৬, বিধি ১৮ অনুযায়ী: যদি কোনো পক্ষ প্লিডিংস সংশোধনের জন্য আদালতের অনুমতি (order for leave to amend) পায়, এবং আদালত সংশোধনের জন্য কোনো সময় নির্ধারণ না করে, তাহলে আদেশ প্রদানের তারিখ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে সংশোধিত প্লিডিংস আদালতে দাখিল করতে হবে।
- যদি নির্ধারিত এই ১৪ দিনের মধ্যে সংশোধন না করা হয়, তাহলে সংশোধনের অনুমতি বাতিল হয়ে যাবে যদি না আদালত সময় বৃদ্ধি করে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ৬, বিধি ১৮: আদেশ প্রাপ্তির পর সংশোধনে ব্যর্থতা:
যদি কোন পক্ষ তার প্লিডিংস সংশোধনের জন্য আদালতের অনুমতি আদেশের মাধ্যমে পায় এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশোধন না করে, অথবা আদেশে যদি কোন নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করা না থাকে, তবে আদেশ প্রদানের তারিখ হইতে চৌদ্দ দিনের মধ্যে সংশোধন না করে, তাহা হইলে উক্ত নির্ধারিত সময় বা উক্ত চৌদ্দ দিন অতিবাহিত হইলে সংশোধনের অনুমতি দেওয়া হইবে না; যদি না আদালত সময় বৃদ্ধি করিয়া দেয়।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order VI, Rule 18: Failure to Amend After Order: 
If a party who has obtained an order for leave to amend does not amend accordingly within the time limited for that purpose by the order, or if no time is thereby limited, then within fourteen days from the date of the order, he shall not be permitted to amend after the expiration of such limited time as aforesaid or of such fourteen days, as the case may be, unless the time is extended by the Court.

১৩৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় বলা হয়েছে যে, ম্যাজিস্ট্রেট ক্ষমতাপ্রাপ্ত না হয়েও যদি কিছু কাজ "সৎ বিশ্বাসে" করেন, তবে শুধু ক্ষমতা না থাকার কারণে তা বাতিল হবে না?
  1. ধারা ৫২৯
  2. ধারা ৫৩০
  3. ধারা ৫৩১
  4. ধারা ৫৩৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫২৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫২৯
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির (Code of Criminal Procedure) ধারা ৫২৯ এর অধীনে বলা হয়েছে যে, যদি কোনো ম্যাজিস্ট্রেট আইন দ্বারা ক্ষমতাপ্রাপ্ত না হয়েও নির্দিষ্ট কিছু কাজ সৎ বিশ্বাসে (erroneously in good faith) করে, তবে শুধুমাত্র ক্ষমতার অভাবের কারণে তার কার্যক্রম বাতিল করা হবে না। এই ধারায় নির্দিষ্ট কাজগুলোর একটি তালিকা দেওয়া হয়েছে, যেমন:
ধারা ৯৮ এর অধীনে সার্চ-ওয়ারেন্ট জারি করা
ধারা ১৫৫ এর অধীনে পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া
ধারা ১৭৬ এর অধীনে ময়নাতদন্ত করা
ধারা ১৮৬ এর অধীনে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের জন্য প্রক্রিয়া জারি করা
ধারা ১৯০(১)(ক) বা (খ) এর অধীনে অপরাধের বিষয়ে স্বতঃপ্রবৃত্ত হওয়া
ধারা ১৯২ এর অধীনে মামলা হস্তান্তর করা
ধারা ৩৩৭ বা ৩৩৮ এর অধীনে ক্ষমা প্রদান করা
ধারা ৫২৪ বা ৫২৫ এর অধীনে সম্পত্তি বিক্রয় করা
ধারা ৫২৮ এর অধীনে মামলা প্রত্যাহার করে নিজে বিচার করা
- যদি ম্যাজিস্ট্রেট সৎ বিশ্বাসে এই কাজগুলো করেন, তবে তিনি ক্ষমতাপ্রাপ্ত না হলেও কার্যক্রম বৈধ বলে গণ্য হবে।

- ধারা ৫২৯ এর উদ্দেশ্য হলো সৎ বিশ্বাসে করা কাজগুলোকে সুরক্ষা দেওয়া, যাতে কারিগরি ত্রুটির কারণে ন্যায়বিচার ব্যাহত না হয়।
- এই ধারা নিশ্চিত করে যে, ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতার অভাব থাকলেও, যদি কাজটি সৎ বিশ্বাসে এবং ন্যায়বিচারের উদ্দেশ্যে করা হয়, তবে তা বৈধ থাকবে।
- অতএব, ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫২৯ এ বলা হয়েছে যে, ম্যাজিস্ট্রেট ক্ষমতাপ্রাপ্ত না হয়েও সৎ বিশ্বাসে কিছু কাজ করলে শুধু ক্ষমতার অভাবের কারণে তা বাতিল হবে না।

১৩৬.
অভিযুক্তের আবেদনক্রমে মামলা স্থানান্তর করা যাবে যদি উক্ত মামলা আমলে নেয়া হয়-
  1. নালিশের মাধ্যমে
  2. পুলিশ রিপোর্টের মাধ্যমে
  3. ম্যাজিস্ট্রেটের নিজ উদ্যোগে
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটের নিজ উদ্যোগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটের নিজ উদ্যোগে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯১ ধারায় অভিযুক্ত ব্যক্তির আবেদনক্রমে মামলা স্থানান্তরের বিধান করা হয়েছে।উক্ত ধারায় অভিযুক্ত ব্যক্তির আবেদনক্রমে অপরাধ আমলে গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেট কোন মামলা স্থানান্তরের নির্দেশ দিতে পারে যদি-

কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক কোন অপরাধ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯০(১)(গ) ধারায়[তথ্য, নিজস্ব জ্ঞান বা সন্দেহবশত কোন তথ্য পেলে নিজ উদ্যোগে আমলে গ্রহণ করেন এবং সাক্ষ্য গ্রহণের পূর্বে অভিযুক্তকে ম্যাজিস্ট্রেট জানাবে যে, অন্য কোন আদালতের মাধ্যমে সে তার মামলার বিচার বা অনুসন্ধান করাতে অধিকারী; এবং অভিযুক্ত এমন ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে বিচারের বিষয়ে আপত্তি জানায়; সেই ক্ষেত্রে মামলাটি এমন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিচারের পরিবর্তে দায়রা আদালতের নিকট বা অন্যকোন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট স্থানান্তর করতে পারে।

[When a Magistrate takes cognizance of an offence under sub-section (1),clause (c), of the preceding section,the accused shall before any evidence is taken, be informed that he is entitled to have the case tried by another Court and if the accused or any of the accused if there be more than one objects to being tried by such Magistrate, the case shall instead of being tried by such Magistrate,be sent to the Court of Session or transferred to another Magistrate.]
১৩৭.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী কম্পিউটার আউটপুট গ্রহণযোগ্য হওয়ার জন্য নিচের কোন শর্ত পূরণ করতে হবে না?
  1. কম্পিউটারটি নিয়মিত তথ্য সংরক্ষণ বা প্রক্রিয়াকরণের জন্য ব্যবহৃত হয়েছে
  2. তথ্যটি নিয়মিতভাবে কম্পিউটারে প্রবেশ করানো হয়েছে
  3. কম্পিউটারটি সবসময় সঠিকভাবে কাজ করেছে
  4. তথ্যটি মূল দলিল থেকে হাতে লেখা হয়েছে
সঠিক উত্তর:
তথ্যটি মূল দলিল থেকে হাতে লেখা হয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তথ্যটি মূল দলিল থেকে হাতে লেখা হয়েছে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬৫খ(২) অনুযায়ী, কম্পিউটার আউটপুট গ্রহণযোগ্য হওয়ার জন্য কিছু নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করতে হবে। এই শর্তগুলো হলো:
(a) কম্পিউটার আউটপুটটি এমন একটি সময়ে উৎপাদিত হয়েছে যখন কম্পিউটারটি নিয়মিতভাবে তথ্য সংরক্ষণ বা প্রক্রিয়াকরণের জন্য ব্যবহৃত হয়েছে।
(b) সেই সময়ে, ডিজিটাল রেকর্ডে থাকা তথ্য বা যে তথ্য থেকে এটি উদ্ভূত হয়েছে, তা নিয়মিতভাবে কম্পিউটারে প্রবেশ করানো হয়েছে।
(c) সেই সময়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশে কম্পিউটারটি সঠিকভাবে কাজ করছিল, অথবা যদি কোনো সময়ে ত্রুটি থাকে, তবে তা রেকর্ড বা এর সঠিকতাকে প্রভাবিত করেনি।
(d) ডিজিটাল রেকর্ডে থাকা তথ্যটি সেই কার্যক্রমের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় কম্পিউটারে প্রবেশ করানো তথ্য থেকে উৎপন্ন বা প্রতিলিপি।

⇒ এখন প্রশ্নে দেওয়া অপশন গুলো বিশ্লেষণ করে:
ক) কম্পিউটারটি নিয়মিত তথ্য সংরক্ষণ বা প্রক্রিয়াকরণের জন্য ব্যবহৃত হয়েছে।
- এটি ধারা 65B(2)(a) অনুযায়ী একটি প্রয়োজনীয় শর্ত। তাই এটি পূরণ করতে হবে।
খ) তথ্যটি নিয়মিতভাবে কম্পিউটারে প্রবেশ করানো হয়েছে।
এটি ধারা 65B(2)(b) অনুযায়ী একটি প্রয়োজনীয় শর্ত। তাই এটিও পূরণ করতে হবে।
গ) কম্পিউটারটি সবসময় সঠিকভাবে কাজ করেছে।
ধারা 65B(2)(c) অনুযায়ী, কম্পিউটারটি সাধারণত সঠিকভাবে কাজ করা উচিত, তবে এটি "সবসময়" সঠিকভাবে কাজ করার শর্ত নয়। যদি কোনো সময়ে ত্রুটি থাকে এবং তা রেকর্ডের সঠিকতাকে প্রভাবিত না করে, তবুও আউটপুট গ্রহণযোগ্য হবে। তাই এটি একটি শর্ত হলেও "সবসময়" শব্দটি কঠোরভাবে প্রযোজ্য নয়। তবে এটি ভুল উত্তর নয়, কারণ এটি আংশিকভাবে শর্তের সাথে সম্পর্কিত।

ঘ) তথ্যটি মূল দলিল থেকে হাতে লেখা হয়েছেধারা ৬৫খ-এ কম্পিউটার আউটপুটের ক্ষেত্রে "হাতে লেখা" তথ্যের কোনো উল্লেখ নেই।
বরং, তথ্যটি কম্পিউটারে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় প্রবেশ করানো এবং ডিজিটালভাবে উৎপাদিত হওয়ার কথা বলা হয়েছে। হাতে লেখা তথ্য কম্পিউটার আউটপুটের সংজ্ঞার বাইরে।
- তাই এটি কোনো শর্ত নয় এবং পূরণ করার প্রয়োজন নেই।

- অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬৫খ অনুযায়ী, কম্পিউটার আউটপুট গ্রহণযোগ্য হওয়ার জন্য "তথ্যটি মূল দলিল থেকে হাতে লেখা হয়েছে" (ঘ) শর্ত পূরণ করতে হবে না। এটি ধারা ৬৫খ-এর কোনো শর্তের সাথে সম্পর্কিত নয়।

⇒ The Evidence Act, 1872- Section 65B: Admissibility of Digital Records:
(2) The conditions referred to in sub-section (1) in respect of a computer output shall be the following, namely :-
(a) the computer output containing the information was produced by the computer during the period over which the computer was used regularly to store or process information for the purposes or any activities regularly carried on over that period by the person having lawful control over the use of the computer;
(b) during the said period, information of the kind contained in the digital record or of the kind from which the information so contained is derived was regularly fed into the computer in the ordinary course of the said activities;
(c) throughout the material part of the said period, the computer was operating properly or, if not, then in respect of any period in which it was not operating properly or was out of operation during that part of the period, was not such as to affect the digital record or the accuracy of its contents; and
(d) the information contained in digital record reproduces or is derived from such information fed into the computer in the ordinary course of the said activities.
১৩৮.
তামাদি আইনের কত ধারায় ধর্মীয় উদ্দেশ্যে উৎসর্গীকৃত সম্পত্তি সম্পর্কিত বিশেষ বিধান উল্লেখ আছে?
  1. ৯ ধারায়
  2. ১০ ধারায়
  3. ১১ ধারায়
  4. ১২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ ধারায়
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ১০ ধারা- প্রকাশ্য ট্রাস্টী ও তাদের এজেন্টবৃন্দের প্রতিকূলে মামলা:
এই আইনে ইতিপূর্বে যা বর্ণিত থাকুক না কেন কোন সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে যে লোকের উপর সম্পত্তি অছি অর্পিত হয়েছে তার বিরুদ্ধে কিংবা তার আইনগত এজেন্টের বিরুদ্ধে কিংবা স্বত্বার্পিত লোকের বিরুদ্ধে (মূল্যভিত্তিক দ্রব্যের বিনিময়ে স্বত্বার্পিত না হয়ে থাকলে) তারা কিংবা তাদের হাতের উক্তরূপ সম্পত্তির কিংবা তার আয়ের কিংবা ঐ সম্পত্তির হিসাবের কিংবা এর আয়ের হিসাবের লক্ষ্যে কোন মামলা করতে হলে তারা কখনোও মেয়াদকালের কারণে বারিত হবে না।

এই ধারার উদ্দেশ্য সাধনের জন্য মুসলিম, বৌদ্ধ কিংবা হিন্দু ধর্মীয় কিংবা দাতব্য উদ্দেশ্যে উৎসর্গীকৃত কোন সম্পত্তি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে ট্রাস্টে ন্যস্ত সম্পত্তি বলে পরিগণিত হবে এবং উক্তরূপ সম্পত্তির ব্যবস্থাপক তার অছি বলে আমলে আসবে।
১৩৯.
'খ', 'গ' এর বিরুদ্ধে জমি বিক্রয় চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য মোকাদ্দমা দায়ের করতে চায়। বিরোধীয় জমিগুলো যথাক্রমে নারায়ণগঞ্জ এবং ঢাকাতে অবস্থিত। 'খ' কোথায় মোকাদ্দমা দায়ের করতে পারে?
  1. বাংলাদেশের যেকোনো আদালতে
  2. 'খ' এর ইচ্ছাধীন যেকোনো আদালতে
  3. নারায়ণঞ্জ বা ঢাকার যেকোন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে
  4. নারায়ণগঞ্জ এবং ঢাকার মধ্যবর্তী যেকোন জায়গার এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে
সঠিক উত্তর:
নারায়ণঞ্জ বা ঢাকার যেকোন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারায়ণঞ্জ বা ঢাকার যেকোন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে
ব্যাখ্যা
• স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত কোন মোকদ্দমার ক্ষেত্রে ঐ সম্পত্তির অংশ বিশেষ যে আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে অবস্থিত, সেরূপ যে কোন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা যাতে পারে। তাই উল্লেখিত মোকদ্দমা নারায়ণঞ্জ বা ঢাকার যেকোন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে দায়ের করতে পারে।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৬ থেকে ১৮ পর্যন্ত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করা যায় তা উল্লেখ করা আছে।

• ধারা ১৭ঃ বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা-
স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত কোন মোকদ্দমা বা এতে কোন ক্ষতির কারণে আনীত মোকদ্দমার সম্পত্তি যদি বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে থাকে, তাহলে ঐ সম্পত্তির অংশ বিশেষ যে আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে অবস্থিত, সেরূপ যে কোন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা যাতে পারে।
তবে শর্ত থাকে যে, এই প্রকার মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর মূল্য সম্পর্কে সমগ্র দাবিটিই ঐরূপ আদালত বিচারার্থে গ্রহণ করতে পারে।

Section 17: Suits for immovable property situate within jurisdiction of different Courts-
Where a suit is to obtain relief respecting, or compensation for wrong to, immovable property situate within the jurisdiction of different Courts, the suit may be instituted in any Court within the local limits of whose jurisdiction any portion of the property is situate:
Provided that, in respect of the value of the subject-matter of the suit, the entire claim is cognizable by such Court.

উল্লেখ্য যে, দেওয়ানী কার্যবিধির ১৭ এবং ১৮ ধারার মধ্যে মূল পার্থক্য হলো- বিরোধীয় সম্পত্তি ভিন্ন ভিন্ন আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত কিন্তু আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার নিশ্চিত হলে ১৭ ধারা প্রযোজ্য হবে। কিন্তু যদি আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার অনিশ্চিত হয় তখন ১৮ ধারা প্রযোজ্য হবে।
১৪০.
নিম্নলিখিত সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন দুটি ধারায় আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না?
  1. ধারা ৮ এবং ধারা ৯
  2. ধারা ১২ এবং ধারা ৩১
  3. ধারা ৪২ এবং ধারা ৫৪
  4. ধারা ৫৩ এবং ধারা ৩৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮ এবং ধারা ৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮ এবং ধারা ৯
ব্যাখ্যা
• বিবেচনামূলক ক্ষমতা বলতে বোঝায় যে, আদালত আইনত বাধ্য নয় কিন্তু উভয়পক্ষের বিরোধীয় বিষয়ে যুক্তি-প্রমাণে সন্তুষ্ট হয়ে ন্যায়বিচারের স্বার্থে আদালত প্রদত্ত সিদ্ধান্ত।

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীন দেওয়ানি আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে:

১. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন (ধারা ১২);
২. দলিল সংশোধন (ধারা ৩১);
৩. বাতিল বা বাতিলযোগ্য দলিল বাতিল (ধারা ৩৯);
৪. ঘোষণামূলক প্রতিকার (ধারা ৪২);
৫. রিসিভার নিয়োগ (ধারা ৪৪);
৬. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৪);
৭. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৫);
৮. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৩)।

আদালত ২টি ক্ষেত্রে Discretionary Power প্রয়োগ করতে পারে না:
১. সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার (ধারা ৮);
২. স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধার (ধারা ৯)।

সুতরাং বলা যায় যে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ও ৯ ধারা ছাড়া সকল ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।
১৪১.
ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬১ ধারায় কার দ্বারা সাক্ষী পরীক্ষা করার বিধান উল্লেখ রয়েছে?
  1. আদালত
  2. মামলার পক্ষদ্বয়
  3. ফরিয়াদির আইনজীবী
  4. পুলিশ কর্মকর্তা
সঠিক উত্তর:
পুলিশ কর্মকর্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশ কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬১ ধারার বিধান- পুলিশ কর্তৃক সাক্ষী পরীক্ষা

(১) এই অধ্যায় মতে তদন্ত সম্পাদনকারী যে কোন পুলিশ কর্মকর্তা, অথবা এ ব্যাপারে সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা যে প্রকার নির্দিষ্ট করে দিতে পারেন সে প্রকার পদের নিম্নের কোন পদে অধিষ্ঠিত নহেন এরূপ এবং ঐরূপ অফিসারের অধি- যাচন অনুসারে কার্যসম্পাদনকারী যে কোন পুলিশ কর্মকর্তা ঘটনাটির তথ্যাদি এবং পারিপার্শ্বিক- তার সাথে পরিচিত আছে বলে অনুমিত যে কোন ব্যক্তিকে মৌখিকভাবে পরীক্ষা করতে পারেন।

(২) ঐরূপ ঘটনা সম্বন্ধে উক্ত কর্মকর্তা, যে সকল প্রশ্নের উত্তর তাঁকে ফৌজদারী অভিযোগে অভিযুক্ত করতে বা তাকে দণ্ডিত করতে বা কোন কিছুতে তার অধিকার খোয়াইতে চাইতে পারে সেসব প্রশ্ন ব্যতিরেকে যেসকল প্রশ্ন তাকে করবেন তার যথার্থ উত্তর প্রদান করতে ঐরূপ ব্যক্তি বাধ্য থাকবেন।

(৩) এ ধারামতে পরীক্ষা করার সময় তার নিকট কোন বিবৃতি দেয়া হলে তিনি তা লিপিবদ্ধ করতে পারেন, এবং যদি তিনি ঐরূপ করেন তাহলে, তিনি এরূপ প্রত্যেক ব্যক্তির, বিবৃতির একটি পৃথক ও সত্য নথি তৈরি করবেন, যার বিবৃতি তিনি নথিভুক্ত করেন।
১৪২.
আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো পক্ষ কোনো দরখাস্ত বা আবেদন দাখিল করতে ব্যর্থ হলে, আদালত-
  1. উক্ত পক্ষকে সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা খরচের আদেশ দিতে পারে
  2. উক্ত পক্ষের বিরুদ্ধে তাৎক্ষনিক রায় ঘোষণা করবে
  3. নির্ধারিত খরচ প্রদান না করা পর্যন্ত উক্ত দরখাস্ত বা আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করবে না
  4. মোকদ্দমার সকল কার্যক্রম স্থগিত রাখবে
সঠিক উত্তর:
নির্ধারিত খরচ প্রদান না করা পর্যন্ত উক্ত দরখাস্ত বা আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্ধারিত খরচ প্রদান না করা পর্যন্ত উক্ত দরখাস্ত বা আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করবে না
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫খ ধারায় বিলম্বের জন্য খরচ প্রদানের বিধান রয়েছে। মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোন পক্ষ কোন দরখাস্ত বা আবেদন অথবা লিখিত আপত্তি দাখিল করতে ব্যর্থ হলে, আদালত সর্বোচ্চ ২০০০ (দুই হাজার) টাকা খরচের আদেশ দিতে পারে এবং নির্ধারিত খরচ প্রদান না করা পর্যন্ত উক্ত দরখাস্ত বা আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করবে না।

• ধারা-৩৫খঃ
১) কোন মোকদ্দমা বা কার্যপ্রক্রিয়ার যে কোন স্তরে আদালত কর্তৃক নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দরখাস্ত কিংবা লিখিতভাবে কোন আপত্তি যদি পেশ করা না হয়, তাহলে সর্বোচ্চ দুই হাজার টাকা পর্যন্ত উক্ত পক্ষ অন্য পক্ষকে খরচা প্রদান না করা পর্যন্ত উক্ত দরখাস্ত বা লিখিত আপত্তি শুনানির নিমিত্তে গ্রহণকৃত হবে না।

২) লিখিত জবাব পেশের পর মোকদ্দমার কোন পক্ষ যদি এমন কোন বিষয়ে দরখাস্ত পেশ করেন, যা আদালতের মতানুযায়ী পূর্বেই পেশ করতে পারতেন বা পেশ করা সমীচীন ছিল এবং তাতে মূল মোকদ্দমার কার্যক্রমে দেরী হওয়ার সম্ভাবনা আছে তদকারণে আদালত দরখাস্ত নিবে কিন্তু তা শুনানি এবং নিষ্পত্তি করবে না, যদি না ঐ পক্ষ আদালত যেরূপে নির্দিষ্ট এবং নির্দেশ করবে এবং সেরূপে অপরপক্ষকে সর্বোচ্চ তিন হাজার টাকা খরচা দিবে এবং উক্ত খরচা দিতে না পারলে দরখাস্ত তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল হয়ে যাবে।

Section 35B: Cost for delay in making applications, etc., in respect of interlocutory matters-
(1) If at any stage of a suit or proceeding, an application or written objection is not filed within the time fixed by the Court, such application or written objection, as the case may be, shall not be admitted for hearing without payment by that party of such cost to the other party not exceeding two thousand taka. 

(2) If after filing of written statement, any party to the suit makes an application in respect of any matter which, in the opinion of the Court, could and ought to have been made earlier, and is likely to delay the main proceeding of the suit, the Court may admit, but shall not hear and dispose of the application, without payment by that party of such cost to the other party not exceeding three thousand taka, as it shall determine and direct, and upon failure to pay the cost, the application shall stand rejected.
১৪৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৩১ অনুসারে, জরিমানার বিরুদ্ধে আপিল ব্যতীত আসামীর মৃত্যু হলে কী হবে?
  1. আপিল বাতিল হবে না
  2. নতুন একটি আপিল করা যাবে
  3. আপিল পুনঃশুনানির জন্য গ্রহণ করা হবে
  4. আপিল চূড়ান্তভাবে পণ্ড হয়ে যাবে
সঠিক উত্তর:
আপিল চূড়ান্তভাবে পণ্ড হয়ে যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল চূড়ান্তভাবে পণ্ড হয়ে যাবে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৩১ (Abatement of Appeals) এর বিধান অনুযায়ী: আসামীর মৃত্যুতে আপিলের পরিণতি:
→ ৪১৭ ও ৪১৭ক ধারার আপিল (খালাস আদেশ বা অপর্যাপ্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আপিল):
- আসামীর মৃত্যু ঘটলে আপিল চূড়ান্তভাবে পণ্ড (abate) হয়ে যায়।
- অর্থাৎ, আপিল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যায় এবং আদালত এটিকে খারিজ (dismissed as abated) ঘোষণা করে।

→ ব্যতিক্রম:
জরিমানা (fine) এর বিরুদ্ধে আপিল:
- আসামী বা আপিলকারীর মৃত্যু হলেও আপিল পণ্ড হয় না।
- আপিলকারীর আইনগত প্রতিনিধি (যেমন উত্তরাধিকারী) আপিল চালিয়ে যেতে পারেন এবং আসামীর সম্পত্তি থেকে জরিমানা আদায় করা যায়।

→ অন্যান্য আপিলের ক্ষেত্রে:
- অন্যান্য ধারার আপিল (যেমন: দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আসামীর আপিল):
- আপিলকারীর মৃত্যুতে আপিল পণ্ড হয়ে যায়।

- পণ্ড (Abatement) এর অর্থ: আপিলের কার্যক্রম স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়া।
- আদালতের করণীয়: আপিল রেকর্ডে "আপিল পণ্ড হয়েছে" ঘোষণা করা।
- নতুন আপিলের সুযোগ নেই: একবার আপিল পণ্ড হলে পুনরায় একই বিষয়ে আপিল দায়ের করা যায় না।

→ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৩১ মতে- ৪১৭ ধারা ও ৪১৭ক ধারা অধীন প্রত্যেকটি আপিলে আসামীর মৃত্যু হলে চূড়ান্তভাবে পণ্ড হয়ে যাবে এবং এই অধ্যায়ের অধীন অন্যান্য প্রত্যেকটি আপিল (জরিমানার বিরুদ্ধে আপিল ব্যতীত) আপিলকারীর মৃত্যু হলে চূড়ান্তভাবে পণ্ড বা আপিল Abatement হয়ে যাবে।

⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 431- Abatement of appeals-
Every appeal under section 417 or section 417A shall finally abate on the death of the accused, and every other appeal under this Chapter
(except an appeal from a sentence of fine) shall finally abate on the death of the appellant.
১৪৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন আদেশে দরিদ্র ব্যক্তির আপিল (Pauper Appeals) করার বিধান রয়েছে?
  1. আদেশ XL
  2. আদেশ XLI
  3. আদেশ XLIV
  4. আদেশ XXXIII
সঠিক উত্তর:
আদেশ XLIV
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ XLIV
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-XLIV (Order 44) এ দরিদ্র ব্যক্তির আপিল (Pauper Appeals)–এর বিধানাবলী উল্লেখ আছে।
- এই আদেশ অনুযায়ী, যে ব্যক্তি আপিল করার অধিকার রাখেন কিন্তু আবশ্যকীয় কোর্ট ফি প্রদান করতে অক্ষম, তিনি দরখাস্তের মাধ্যমে pauper হিসেবে আপিল করতে পারেন।
- এ ক্ষেত্রে, আদেশ-৪৪ বলেছে যে আদেশ-৩৩ (Order XXXIII) এর দরিদ্র বাদীর মামলা সংক্রান্ত বিধানাবলীও প্রযোজ্য হবে।

- অতএব, দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-XLIV (Order 44) = Pauper Appeals এর করার বিধান রয়েছে।
- সঠিক উত্তর: গ) আদেশ XLIV.
১৪৫.
ক্রিমিনাল প্রসিডিউর কোডের ৪৭৬ ধারার অধীন Complaint দায়েরের আবেদন প্রত্যাখ্যান করে দেওয়ানি আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ-
  1. আপিলযোগ্য
  2. রিভিশনযোগ্য
  3. রিভিউযোগ্য
  4. উপরের কোনটাই নয়
সঠিক উত্তর:
আপিলযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলযোগ্য
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৭৬-খ ধারার বিধান আপিল (Appeals): যে ব্যক্তির আবেদনক্রমে কোন দেওয়ানী, রাজস্ব বা ফৌজদারী আদালত ৪৭৬ ধারা বা ৪৭৬ক ধারার অধীন নালিশ করতে অস্বীকার করেছেন সেই ব্যক্তি অথবা যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে এরূপ অভিযোগ করা হয়েছে সেই ব্যক্তি ১৯৫ ধারার (৩) উপধারার অর্থানুসারে উক্ত আদালতের উর্ধতন আদালতে আপীল করতে পারেন, এবং অতঃপর উর্ধতন আদালতে সংশ্লিষ্ট পক্ষসমূহকে নোটিশ দিয়া নালিশ প্রত্যাহারের নির্দেশ দিতে পারেন, অথবা ক্ষেত্ৰ বিশেষে নিজেই সেই নালিশ করতে পারেন যা অধস্তন আদালত ৪৭৬ ধারার অধীন করতে পারতেন, এবং উর্ধতন আদালতে যদি এই নালিশ করেন তাহলে উক্ত ধারার বিধানসমূহ অনুরূপভাবে প্রযোজ্য হবে।

♦যে ব্যক্তির আবেদনক্রমে আদালত ৪৭৬ ধারা বা ৪৭৬ক ধারার অধীন নালিশ করতে অস্বীকার করেছেন সেই ব্যক্তি বা যার বিরুদ্ধে এরূপ অভিযোগ করা হয়েছে সেই ব্যক্তি উক্ত আদালতের উর্ধ্বতন আদালতে আপিল করতে পারেন।
১৪৬.
অন্তর্নিহিত ক্ষমতা প্রয়োগ করা যায় দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর কত ধারা মতে?
  1. ১৫৩
  2. ১৫০
  3. ১৫১
  4. ১৫২
সঠিক উত্তর:
১৫১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫১
ব্যাখ্যা
♦ ১৫১ ধারার ক্ষমতা বলে দেওয়ানী আদালত অন্তর্নিহিত ক্ষমতা বা inherent power প্রয়োগ করতে পারেন।

♦ এই ধারা আদালতকে একটি বিপুল ক্ষমতা দিয়েছে। ন্যায়বিচার করার জন্য বা আদালতের ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করার জন্য আদালত তার সহজাত ক্ষমতাবলে যেকোন আদেশ দেওয়ার অধিকার রাখেন। আইন সমস্ত পরিস্থিতির মোকবেলা করার পূর্ণ বিধান দিতে পারে না। আইন যে সময় প্রণীত হয় সেই সময়ের পরিস্থিতি আইন প্রযুক্ত হওয়ার সময় বদলে যেতে পারে; আইন প্রযুক্ত হওয়ার সময় এমন অবস্থার উদ্ভব হতে পারে, যা আইনপ্রণেতাগণ আইন প্রণয়নের সময় ভাবতেও পারেন নাই; এই সমস্ত কারণে এই ধারায় বলা হয়েছে, আদালত তার নিজস্ব বিবেচনায় সবিচারের জন্য যেকোন আদেশ দিতে পারেন।
১৪৭.
নিম্নের কোন আদেশটি ডিক্রি হিসাবে গণ্য হবে?
  1. আরজি ফেরত আদেশ
  2. আরজি গ্রহণ আদেশ
  3. আরজি সংশোধন আদেশ
  4. আরজি প্রত্যাখ্যান আদেশ
সঠিক উত্তর:
আরজি প্রত্যাখ্যান আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি প্রত্যাখ্যান আদেশ
ব্যাখ্যা
• ধারা ২(২) অনুসারে-

ডিক্রি বলতে কোন আদালত কর্তৃক  আনুষ্ঠানিকভাবে ভাবে প্রকাশিত এমন বক্তব্য বুঝায়, যা মোকদ্দমার বিতর্কিত সমগ্র বা যেকোন বিষয় সম্পর্কে পক্ষগণের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে এবং এই “ডিক্রি” প্রাথমিক বা চূড়ান্ত হতে পারে।উল্লেখ্য যে-
আদেশ ৭ বিধি ১১ এর অধীন আরজি প্রত্যাখান এবং
১৪৪ ধারায় বর্ণিত কোন প্রশ্ন নির্ধারণও ডিক্রি বলে গণ্য হবে।

দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ থেকে ১১২ ধারা পর্যন্ত দেওয়ানী মোকদ্দমার ক্ষেত্রে আপীলের বিধান উল্লেখ রয়েছে।

দেওয়ানি কার্যবিধির ৯৬ ধরার অধীন মূল ডিক্রি হতে আপিল:
(১) এই আইনের কোন কোন অংশে অথবা বর্তমানে প্রচলিত অন্য কোন আইনে স্পষ্টতঃ অন্যরূপ বিধান না থাকলে, আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যেক ডিক্রি হতে আপিল শ্রবণের ক্ষমতাসম্পন্ন আদালতে আপিল দায়ের করতে হবে।

যেহেতু আরজি প্রত্যাখান এর সিদ্ধান্ত মূলত একটি ডিক্রি, তার বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে।
১৪৮.
ধারা ৯৫ অনুসারে, দলিলের ভাষা যদি বাস্তব অবস্থার সঙ্গে মিলে না যায়, তখন-
  1. দলিল বাতিল হবে
  2. নতুন দলিল করতে হবে
  3. প্রমাণ দেওয়া যাবে যে ভাষাটি বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছিল
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
প্রমাণ দেওয়া যাবে যে ভাষাটি বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রমাণ দেওয়া যাবে যে ভাষাটি বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছিল
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৯৫ – বিদ্যমান বাস্তব অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে দলিলের ভাষা অর্থহীন হলে প্রমাণ:
যখন কোনো দলিলে ব্যবহৃত ভাষা আপাতদৃষ্টিতে পরিষ্কার ও নির্ভুল হলেও বিদ্যমান বাস্তবতার সাথে তা অর্থবোধক না হয়, তখন এটি প্রমাণের জন্য সাক্ষ্য প্রদান করা যেতে পারে যে ভাষাটি বিশেষ কোনো অর্থে ব্যবহার করা হয়েছিল।

উদাহরণ:
- ক ‘খ’-কে একটি দলিলের মাধ্যমে বলে “আমার ঢাকা শহরের বাড়ি খ’-কে বিক্রি করলাম”।
- কিন্তু ক-এর ঢাকায় কোনো বাড়ি নেই, তবে দেখা যায় যে তার নারায়ণগঞ্জে একটি বাড়ি ছিল, এবং খ দলিল সম্পাদনের পর থেকে সেই বাড়ির দখলে ছিল।
- এসব বিষয় প্রমাণ করা যেতে পারে, যেন বোঝা যায় দলিলটি মূলত নারায়ণগঞ্জের বাড়ির জন্য প্রযোজ্য।

১৪৯.
গ্রেফতারকালীন সময়ে পুলিশ আটককৃত ব্যক্তির নিকট হতে আক্রমণাত্মক অস্ত্র আটক করলে, কী করবে?
  1. নিজের কাছে রাখবেন
  2. আদালতে জমা দেবে
  3. থানায় জমা রাখবে
  4. অস্ত্র ধ্বংস করবে
সঠিক উত্তর:
আদালতে জমা দেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতে জমা দেবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি ৫৩ ধারা: আক্রমণাত্মক অস্ত্রশস্ত্র আটক করার ক্ষমতা-
এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে আটককারী অফিসার বা অপর কোন ব্যক্তি, আটককৃত ব্যক্তির নিকট কোন আক্রমণাত্মক অস্ত্র থাকলে তা তার কাছ থেকে নিতে পারবেন এবং এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে যে আদালত বা অফিসার বরাবর তাকে ঐ আটকরকৃত ব্যক্তিকে উপস্থিত করতে হবে সেই আদালত বা অফিসার বরাবর তিনি উক্তরূপে গৃহীত সমস্ত অস্ত্র প্রত্যর্পণ করবেন।

Section 53: Power to seize offensive weapons-
The officer or other person making any arrest under this Code may take from the person arrested any offensive weapons which he has about his person, and shall deliver all weapons so taken to the Court or officer before which or whom the officer or person making the arrest is required by this Code to produce the person arrested.
১৫০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুসারে 'গ্রেপ্তার স্মারক' (Memorandum of Arrest) প্রণয়ন করতে হবে?
  1. ধারা ৪৬
  2. ধারা ৪৬ক
  3. ধারা ৪৬খ
  4. ধারা ৪৬গ
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৬ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৬ক
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮,(Act No. V of 1898)-এর SCHEDULE V-এ নতুন Form IA, যা "গ্রেপ্তার স্মারক" (Memorandum of Arrest) নামে পরিচিত, ধারা ৪৬ক (Section 46A)-এর অধীনে উল্লেখিত হয়েছে। এই ফর্মটি গ্রেপ্তারের সময় এবং স্থানে প্রস্তুত করতে হয় এবং গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির সাথে ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতে পাঠাতে হয়। ফর্মটির উদ্দেশ্য হলো গ্রেপ্তারের বিস্তারিত তথ্য (যেমন গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির নাম, ঠিকানা, গ্রেপ্তারের কারণ, শারীরিক অবস্থা, পরিবারকে অবহিত করার তথ্য) রেকর্ড করা, যাতে গ্রেপ্তার প্রক্রিয়া স্বচ্ছ এবং মানবাধিকার সুরক্ষিত থাকে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮,-এর SCHEDULE V-তে নতুন Form IA সন্নিবেশিত হয়েছে যা "MEMORANDUM OF ARREST" নামে পরিচিত এবং এটি ধারা 46A অনুসারে প্রস্তুত করতে হবে। এই ফর্মে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকবে:
- গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম, পিতার নাম, স্বামীর নাম (যদি থাকে), ঠিকানা ও বয়স
- গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির NID/পাসপোর্ট/জন্ম নিবন্ধন নম্বর (যদি থাকে)
- গ্রেফতারের স্থান
- গ্রেফতারের তারিখ ও সময়
- গ্রেফতারের কারণ (সম্পর্কিত আইন ও ধারা উল্লেখসহ)
- নিশ্চয়তা প্রদানকারী/অভিযোগকারীর নাম ও ঠিকানা (যদি থাকে)
- মামলা/জিডি নম্বর
- গ্রেফতারের পরিপত্র নম্বর ও তারিখ (যদি প্রযোজ্য হয়)
- গ্রেফতারের সময় গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা
- শরীরে কোন আঘাতের কারণ থাকলে তা উল্লেখ
- উপস্থিত নিবন্ধিত চিকিৎসকের নাম ও শংসাপত্র (যদি আঘাতপ্রাপ্ত হয় তাহলে এর একটি কপি সংযুক্ত করতে হবে)
- গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্য/আত্মীয়/বন্ধু/প্রতিবেশীকে জানানো হয়েছে কিনা - হ্যাঁ/না
- গ্রেফতারের তথ্য জানানো ব্যক্তির নাম ও ঠিকানা
- তথ্য প্রাপ্ত ব্যক্তির যোগাযোগ নম্বর
- সেই আদালতের নাম যেখানে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে তোলা হবে
- গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির স্বাক্ষর বা আঙুলের ছাপ (যদি অস্বীকার না করে)
- গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্য বা স্থানীয় সম্মানিত ব্যক্তির স্বাক্ষর (যদি না পাওয়া যায় তবে কারণ উল্লেখ করতে হবে)
- গ্রেফতার কর্মকর্তার নাম, পদবী, আইডি নম্বর ও স্বাক্ষরও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

নির্দেশনা:
এই মেমো গ্রেফতারের সময় ও স্থানে প্রস্তুত করা হবে এবং গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির সাথে ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতে পাঠাতে হবে। আঘাতপ্রাপ্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে চিকিৎসকের শংসাপত্র ও মুক্তির দলিল সংযুক্ত করতে হবে। মেমো এর একটি কপি মামলার ডায়েরিতে সংরক্ষণ করতে হবে ভবিষ্যৎ ব্যবহারের জন্য।

১৫১.
মেয়াদান্তে বার কাউন্সিলের সদস্যদের শেষ কর্মদিবস কোনটি?
  1. ৩১ মে
  2. ৩০ জুন
  3. ৩১ ডিসেম্বর
  4. ১লা জুলাই
সঠিক উত্তর:
৩০ জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ জুন
ব্যাখ্যা
⇒ নির্বাচিত কমিটির মেয়াদকাল হবে ৩ বছর। মেয়াদ শেষ হবার বছরে ৩১ শে মে অথবা তার পূর্বেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরবর্তী ১লা জুলাই থেকে পরবর্তী ৩ বছরের জন্য বার কাউন্সিল গঠিত হবে।
- তিন বছরের জন্য দায়িত্ব পালনের পর, বার কাউন্সিল কমিটির সদস্যদের শেষ কার্যদিবস ৩০ জুন, কারণ নতুন কাউন্সিল ১ জুলাই থেকে কার্যভার গ্রহণ করবে।
- অর্থাৎ মেয়াদান্তে বার কাউন্সিলের সদস্যদের শেষ কার্য দিবস হচ্ছে ৩০ জুন।
-----------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Rules, 1972, Article-4: Subject to the provisions of Article 8, the term of the Bar Council be three years beginning on the first day of July following the general elections to the Bar Council; and at the end of each terms the members of the Bar Council shall cease to hold office.
১৫২.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অনুযায়ী ভিক্ষাবৃত্তি ইত্যাদির উদ্দেশ্যে শিশুর অঙ্গহানি করার শাস্তি কী?
  1. মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড
  3. ১০ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  4. ৭ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ১২ ধারার বিধান ভিক্ষাবৃত্তি, ইত্যাদির উদ্দেশ্যে শিশুকে অঙ্গহানি করার শাস্তি:
যদি কোন ব্যক্তি ভিক্ষাবৃত্তি বা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিক্রির উদ্দেশ্যে কোন শিশুর হাত, পা, চক্ষু বা অন্য কোন অংগ বিনষ্ট করেন বা অন্য কোনভাবে বিকলাংগ বা বিকৃত করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন। 
১৫৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির __________ অনুসারে, চূড়ান্ত শুনানির তারিখ নির্ধারণ হওয়ার পর আদালত ১২০ দিনের মধ্যে মোকদ্দমার শুনানি শেষ করবেন।
  1. আদেশ ১৮, বিধি-১৮
  2. আদেশ ১৮, বিধি-১৯
  3. আদেশ ১৮, বিধি-২০
  4. আদেশ ১৮, বিধি-১৭
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৮, বিধি-১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৮, বিধি-১৯
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ১৮, বিধি-১৯-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে যে, চূড়ান্ত শুনানির তারিখ নির্ধারিত হওয়ার পর আদালত ১২০ দিনের মধ্যে মোকদ্দমার শুনানি সম্পন্ন করবেন। এই সময় গণনায় শুধুমাত্র কার্য দিবস (working days) গণনা করা হবে।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-১৮ বিধি-১৯: শুনানি সমাপ্ত করার সময়:
১) চূড়ান্ত শুনানির তারিখ নির্ধারণ হওয়ার একশত বিশ দিনের মধ্যে আদালত মোকদ্দমার শুনানি শেষ করবে।
২) এই বিধি অনুযায়ী সময় নির্দিষ্টকরণের নিমিত্তে শুধুমাত্র কার্য দিবসগুলো গণনায় করতে হবে।
---------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-18 Rule-19: Time for completion of hearing:
1) The Court shall complete the hearing of a suit within one hundred and twenty days from the date fixed for its final hearing.
2) In this rule, in determining the time, only the workings days shall be counted.

১৫৪.
'মানবদেহ সংক্রান্ত অপরাধসমূহ' The Penal Code, 1860 এর কত অধ্যায়ে বর্ণিত আছে?
  1. ষষ্ঠ অধ্যায়
  2. নবম অধ্যায়
  3. ষোড়শ অধ্যায়
  4. বিংশ অধ্যায়
সঠিক উত্তর:
ষোড়শ অধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষোড়শ অধ্যায়
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ,১৮৬০ আইনে মোট অধ্যায় ২৩ টি এবং দণ্ডবিধির মোট ধারা ৫১১ টি (মূল দণ্ডবিধিতে ৪৮৮টি ধারা ছিল)।

• গুরুত্বপূর্ণ কিছু অধ্যায়ের নাম:
- দ্বিতীয় অধ্যায়: সাধারণ ব্যাখ্যা সমূহ,
- তৃতীয় অধ্যায়: শাস্তি,
- চতুর্থ অধ্যায়: সাধারণ ব্যতিক্রম সমূহ,
- পঞ্চম অধ্যায়: অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা,
- পঞ্চম-ক অধ্যায়: অপরাধ মূলক ষড়যন্ত্র,
- ষষ্ঠ অধ্যায়: রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ,
- নবম অধ্যায়: সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সংক্রান্ত অপরাধ,
- নবম-ক অধ্যায়: নির্বাচন সংক্রান্ত অপরাধ,
- ষোড়শ অধ্যায়: মানবদেহ সংক্রান্ত অপরাধ,
- সপ্তদশ অধ্যায়: সম্পত্তির বিরুদ্ধে অপরাধ,
- বিংশ অধ্যায়: বিবাহ সংক্রান্ত অপরাধ,
- একবিংশ অধ্যায়: মানহানি,
- ত্রয়োবিংশ অধ্যায়: অপরাধ সংগঠনের উদ্যোগ।
১৫৫.
দন্ডবিধির ৪০৩ ধারার মূল আলোচ্য বিষয় কি?
  1. আঘাত
  2. শান্তি শৃঙ্খলা
  3. অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাত
  4. প্রতারণা
সঠিক উত্তর:
অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাত
ব্যাখ্যা
♦ পেনাল কোডের ৪০৩ ধারার বিধান অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ: কোন ব্যক্তি যদি অসাধুভাবে কোন অস্থাবর সম্পত্তি আত্মসাৎ করে অথবা তা তার নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি ১ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা ১:- কিছু সময়ের জন্য একটি অসাধু আত্মসাত্ত এই ধারা অনুযায়ী আত্মসাৎ বলে গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা ২:- কোন ব্যক্তি যদি কোন সম্পত্তি কারো দখলে নেই দেখতে পেয়ে সম্পত্তিটি তার মালিকের স্বপক্ষে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে অথবা মালিককে প্রত্যর্পণের উদ্দেশ্যে নিয়ে যায়, তবে সে অসাধুভাবে তা নিয়ে গিয়েছে বা আত্মসাৎ করেছে বলে গণ্য হবে না এবং কোন অপরাধে অপরাধী হবে না; কিন্তু সে উপরে বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে যদি সে সম্পত্তিটির মালিককে জানা সত্ত্বেও বা মালিককে খুঁজে বাহির করার উপায় থাকা সত্ত্বেও তা নিজের কাজে ব্যবহার করে, অথবা যদি সে মালিককে খুঁজে বাহির করার ও তাকে বিজ্ঞাপিত করার জন্য যুক্তিসঙ্গত মাধ্যম অবলম্বনের উদ্দেশ্যে যথোপযুক্ত সময় পর্যন্ত সম্পত্তিটি সংরক্ষণ না করে তা তার নিজের কাজে ব্যবহার করে। অনুরূপ ক্ষেত্রে যুক্তিসঙ্গত মাধ্যম কি এবং যথোপযুক্ত সময় কত দীর্ঘ হবে তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন। সম্পত্তিটি প্রাপকের পক্ষে তার যথার্থ মালিককে তা জানার বা কোন বিশেষ ব্যক্তি যে তার মালিক তা জানার আবশ্যকতা নেই; যদি সে সম্পত্তিটি আত্মসাৎ করার সময় সেটা যে তার নয় তা বিশ্বাস করে বা সরল মনে বিশ্বাস করে যে, প্রকৃত মালিককে খুঁজে বের করা সম্ভব নয়, তবে তাই যথেষ্ট হবে।
১৫৬.
বিচারক যদি মোকদ্দমার কোন পক্ষ বা স্বার্থ সংশ্লিষতা থাকে তাহলে নিম্নোক্ত কোন ধারা অনুযায়ী উক্ত বিচারকের এখতিয়ার থাকা সত্ত্বেও, তিনি ঐ মোকদ্দমা বা আপিলের শুনানী করতে পারবেন না?
  1. Civil Courts Act,1887 এর ৩৬ ধারা
  2. Code of Civil Procedure ৩৮ ধারা
  3. Civil Courts Act,1887 এর ৩৮ ধারা
  4. Civil Courts Act,1887 এর ৩৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
Civil Courts Act,1887 এর ৩৮ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Civil Courts Act,1887 এর ৩৮ ধারা
ব্যাখ্যা
• Civil Courts Act,1887 এর ৩৮ ধারা অনুযায়ী-
কোন বিচারক যদি মোকদ্দমার কোন পক্ষ হন বা ব্যক্তিগতভাবে তাঁর কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্টতা থাকে, অথবা কোন আপিল এমন ডিক্রি থেকে হয় যা ঐ বিচারক ঘোষণা করেছিলেন; তাহলে উক্ত বিচারকের শুনানী করে এখতিয়ার থাকা সত্ত্বেও তিনি ঐ মামলা বা আপীলের শুনানী করতে পারবেন না। এক্ষেত্রে জেলা জজ তাঁর স্থানীয় সীমার মধ্যে মামলা বা আপিল এক আদালত থেকে অন্য আদালতে স্থানান্তর করতে পারবেন।

• Section 38: Judges not to try suits in which they are interested-

(1) The presiding officer of a Civil Court shall not try Judges not to any suit or other proceeding to which he is a party or in which which they are he is personally interested. 
(2) The presiding officer of an appellate Civil Court under this Act shall not try an appeal against a decree or order passed by himself in another capacity.
(3) When any such suit, proceeding or appeal as is referred to in sub-section (1) or sub-section (2) comes before any such officer, the officer shall forthwith transmit the record of the case to the Court to which he is immediately subordinate, with a report of the circumstances attending the reference.
(4) The superior Court shall thereupon dispose of the case under [section 24 of the Code of Civil Procedure. 1908].
(5) Nothing in this section shall be deemed to affect the extraordinary original civil jurisdiction of the High Court Division.
১৫৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারার বিধান অনুযায়ী-
ম্যাজিস্ট্রেট উপযুক্ত মনে করলে কারণ লিপিবদ্ধ করে অভিযুক্তকে হাজির হতে বাধ্য করার সমন বা পরোয়ানা প্রদান _________ করতে পারেন।
  1. স্থগিত
  2. বাতিল
  3. অবৈধ ঘোষণা
  4. তৎক্ষনাত প্রেরণ
সঠিক উত্তর:
স্থগিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থগিত
ব্যাখ্যা
ধারা ২০২: পরোয়ানা ইস্যু স্থগিত রাখা (Postponement for issue of process)-

১) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যে অপরাধ আমলে নেওয়ার জন্য ক্ষমতাসম্পন্ন সেই অপরাধের নালিশ পাওয়ার পর অথবা ১৯২ ধারার অধীন তা তার নিকট হস্তান্তরিত হওয়ার পর, তিনি যদি উপযুক্ত মনে করেন তাহলে কারণ লিপিবদ্ধ করে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে নালিশ করা হয়েছে তাকে হাজির হতে বাধ্য করার জন্য সমন বা পরোয়ানা প্রদান স্থগিত রাখতে পারেন এবং নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে নিজে ঘটনা সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে পারেন, অথবা তিনি যদি তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট না হন তাহলে তার অধীনস্ত অন্য ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন পুলিশ কর্মকর্তা বা তিনি যাকে উপযুক্ত মনে করেন এরূপ অন্যকোন ব্যক্তিকে এই বিষয় অনুসন্ধান বা তদন্তের নির্দেশ দিবেন।

তবে শর্ত এই যে,যেক্ষেত্রে আদালত নালিশ করেন সেক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে ২০০ ধারার বিধান পালন না করে এরূপ কোন নির্দেশ দেয়া যাবে না।আরও শর্ত এই যে-যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য নালিশ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে হাজির হতে বাধ্য করার পরোয়ানা স্থগিত রাখতে পারবেন এবং নালিশের সত্যতা ও অসত্যতা নিরূপণের উদ্দেশ্যে এই উপধারায় উল্লেখিত অনুসন্ধান বা তদন্ত করবেন বা করাবেন।

২) এই ধারার অধীন অনুসন্ধান বা তদন্ত যে ব্যক্তি করবেন তিনি যদি ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কর্মকর্তা না হন,তাহলে তিনি এই কার্যবিধি অনুসারে (বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা ছাড়া) কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।

(২ক) এই ধারার অধীন কোন ঘটনা অনুসন্ধানকারী ম্যাজিস্ট্রেট উপযুক্ত মনে করলে শপথ করিয়ে সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন তবে শর্ত এই যে, ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য অভিযোগ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য,তাহলে তিনি ফরিয়াদীকে তার সকল সাক্ষীদেরকে হাজির করতে বলবেন এবং তাদের শপথ করে সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন।
(২খ) পুলিশ চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করলে ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত রিপোর্ট গ্রহণ করতে এবং অভিযুক্তদেরকে অব্যাহতি দিতে পারবেন।
১৫৮.
দেওয়ানী কার্যবিধি আনুসারে "নালিশের কারণ (Cause of Action)" বলতে কি বোঝায়?
  1. অপরাধের কারণ
  2. যে কারণে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়
  3. যে কোন অভিযোগ
  4. মামলার ধরন
সঠিক উত্তর:
যে কারণে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে কারণে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়
ব্যাখ্যা
• যে সমস্ত বিষয়ের উপর নির্ভর করে বাদী একটি মামলায় তার পক্ষে আদালতের প্রতিকার প্রার্থনা করে, সেসব বিষয়ের সমষ্টিকে নালিশের কারণ বা কজ অব এ্যাকশন বলা হয়।
• অন্যভাবে বলা যায়, কজ অব এ্যাকশন হচ্ছে কোন পরিস্থিতি সৃষ্টির কারণ যা থেকে মামলার উদ্ভব হয়েছে।
• অর্থাৎ কোন বিরোধ সৃষ্টির কারন যার জন্য মামলা করা হয় তাকেই কজ অব এ্যাকশন বলে বা মোকদ্দমার কারণ বলে।
• মামলায় ডিক্রি লাভ করার জন্য বাদীকে প্রমাণ করতে হয় এ রকম প্রতিটি তথ্যই কজ অব এ্যাকশন এর অন্তর্ভুক্ত।
• তবে দাবির সমর্থনে মূল বিষয়গুলো প্রমান করতে যে সব সাক্ষ্যের প্রয়োজন সেগুলো কজ অব এ্যাকশন নয়।
১৫৯.
সাক্ষীর উপস্থিতিতে তল্লাশী কার্যক্রম চালানোর বিধান ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় আছে?
  1. ধারা ১০১
  2. ধারা ১০২
  3. ধারা ১০৩
  4. ধারা ১০৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ১০৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১০৩
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৩ অনুযায়ী, তল্লাশী করার আগে সংশ্লিষ্ট এলাকার অন্তত দুইজন নিরপেক্ষ ও গণ্যমান্য অধিবাসীকে সাক্ষী হিসেবে আহ্বান করতে হবে। তাদের উপস্থিতিতে তল্লাশী চালাতে হবে এবং বাজেয়াপ্তকৃত জিনিসের তালিকা প্রস্তুত করে সাক্ষীদের স্বাক্ষর নিতে হবে। তবে আদালত বিশেষভাবে সমন না দিলে সাক্ষীদের আদালতে হাজিরা দিতে হবে না। এটি তল্লাশীর স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারা- সাক্ষীর উপস্থিতিতে তল্লাশী কার্যক্রম চালাতে হবে:
(১) এই অধ্যায় মোতাবেক তল্লাশী করার পূর্বে যে অফিসার বা ব্যক্তি তা করতে গিয়েছেন, তিনি যে এলাকার মধ্যে, যে স্থান তল্লাশী করতে হবে তা অবস্থিত, সেই এলাকার দুই বা ততোধিক নিরপেক্ষ ও গণ্যমান্য অধিবাসীকে তল্লাশীর সাক্ষী হবার জন্য আহ্বান করবেন এবং এরূপ করার জন্য তাদেরকে বা তাদের যে কোন একজনের প্রতি লিখিত আদেশ দিতে পারবেন।
(২) তাদের সমক্ষে তল্লাশী করতে হবে, এবং ঐরূপ অফিসার বা অন্য ব্যক্তি ঐরূপ তল্লাশী করার সময় যেসব জিনিস বাজেয়াপ্ত করা হয় এবং যেসব স্থানে ঐগুলি যথাক্রমে পাওয়া যায় তার একটি তালিকা তৈয়ারী করবেন এবং ঐরূপ সাক্ষীগণ তাতে সহি দিবেন; কিন্তু আদালত বিশেষভাবে সমন না দিলে এই ধারায় সম্পাদিত তল্লাশী দর্শনকারী ব্যক্তিকে আদালতে হাজিরা দিতে হবে না।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 103- Search to be made in presence of witnesses:
(1) Before making a search under this Chapter, the officer or other person about to make it shall call upon two or more respectable inhabitants of the locality in which the place to be searched is situate to attend and witness the search and may issue an order in writing to them or any of them so to do.
(2) The search shall be made in their presence, and a list of all things seized in the course of such search and of the places in which they are respectively found shall be prepared by such officer or other person and signed by such witnesses; but no person witnessing a search under this section shall be required to attend the Court as a witness of the search unless specially summoned by it.

১৬০.
সোলে ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল চলে না, বিধানটি দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় রয়েছে?
  1. ৯৭
  2. ৯৬(১)
  3. ৯৬(২)
  4. ৯৬(৩)
সঠিক উত্তর:
৯৬(৩)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৬(৩)
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ (৩) ধারা অনুযায়ী পক্ষগণের সম্মতিতে আদালত কোন ডিক্রি প্রদান করে থাকলে তার হতে কোন আপীল চলবে না।
⇒   অর্থাৎ পক্ষগণের সম্মতিতে (Compromise Decree) আদালত কোন ডিক্রি দান করলে তার বিরুদ্ধে আপিল চলে না। যেহেতু আপীল চলবে না তাই রিভিশেন করা যাবে।
⇒  আদেশ ২৩ (৩) বিধির অধীন সোলে বা আপস ডিক্রি [compromise] বা সম্মতিসূচক [consent decree] ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল করা যায় না তবে রিভিশন করা যায়। কিন্তু ৮৯ক ধারার অধীন মধ্যস্থতার [Mediation] মাধ্যমে পক্ষগণের মধ্যে মীমাংসা অনুযায়ী আদালত যে ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করে, উক্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীল বা রিভিশন কোনটি করা যায় না। যা ৮৯ক(১২) ধারায় উল্লেখ করা আছে।

⇒  দেওয়ানি মোকদ্দমার আপিল আদালত দুটি। ১) জেলা জজ আদালত ২) হাইকোর্ট বিভাগ।
--------------
- দেওয়ানি কার্যবিধির ৯৬ ধরার অধীন মূল ডিক্রি হতে আপিল:
(১) এই আইনের কোন কোন অংশে অথবা বর্তমানে প্রচলিত অন্য কোন আইনে স্পষ্টতঃ অন্যরূপ বিধান না থাকলে, আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যেক ডিক্রি হতে আপিল শ্রবণের ক্ষমতাসম্পন্ন আদালতে আপিল দায়ের করতে হবে।
(২) একতরফা মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা যাবে।
(৩) পক্ষগণের সম্মতিতে আদালত কোন ডিক্রি দান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল চলবে না।
------------
⇒ CPC Section-96. Appeal from original decree:
- (1) Save where otherwise expressly provided in the body of this Code or by any other law for the time being in force, an appeal shall lie from every decree passed by any Court exercising original jurisdiction to the Court authorised to hear appeals from the decisions of such Court. 
- (2) An appeal may lie from an original decree passed ex parte. 
- (3) No appeal shall lie from a decree passed by the Court with the consent of parties.
১৬১.
The Evidence Act,1872 এর ধারা ২৩ কোন ধরনের মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. কেবল ফৌজদারি মামলা
  2. কেবল দেওয়ানি মামলা
  3. ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম
  4. দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলা
সঠিক উত্তর:
কেবল দেওয়ানি মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেবল দেওয়ানি মামলা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৩ ধারার বিধান: দেওয়ানি মোকদ্দমায় স্বীকৃতি যখন প্রাসঙ্গিক:
দেওয়ানি মোকদ্দমায় কোন স্বীকৃতি যদি এরূপ প্রকাশ্য শর্তাধীন করা হয় যে, ঐ সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া হবে না অথবা যদি এরূপ পরিস্থিতিতে করা হয় যে, তা সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া হবে না বলে পক্ষগণের মধ্যে চুক্তি হয়েছে বলে আদালত অনুমান করতে পারেন, তবে তা প্রাসঙ্গিক হবে না।
ব্যাখ্যা: কোন অ্যাডভোকেট ১২৬ ধারা অনুসারে কোন বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য থাকলে এই ধারার কোন বিধান অনুসারে তিনি সাক্ষ্য দেওয়া হতে অব্যাহতি পাবে না।

⇒ দেওয়ানি মোকদ্দমায় স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক নয় যদি-
- স্বীকৃতিটি এই শর্তে করা হয় যে উক্ত স্বীকারোক্তি সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না।
- সাক্ষ্য না দেয়ার জন্য পক্ষগণের মধ্যে কোন চুক্তি থাকলে।

Section 23: Admissions in civil cases when relevant:
In civil cases no admission is relevant, if it is made either upon an express condition that evidence of it is not to be given, or under circumstances from which the Court can infer that the parties agreed together that evidence of it should not be given.
Explanation.– Nothing in this section shall be taken to exempt any Advocate from giving evidence of any matter of which he may be compelled to give evidence under section 126.
১৬২.
ফৌজদারি কার্যবিধি-এর ৪০১ ধারায় কে দণ্ড মওকুফ করতে পারে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. সরকার
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. আদালত
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
 ♦ ফৌজদারি কার্যবিধি এর ৪০১ ধারা মতে সরকার দণ্ড হ্রাস, মওকুফ ও পরিবর্তন করতে পারেন।
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারার বিধান দণ্ড স্থগিত অথবা মওকুফ করার ক্ষমতা (Power to suspend or remit sentences): সরকার যে কোন সময় বিনা শর্তে বা শর্তসাপেক্ষে দণ্ড কার্যকর স্থগিত রাখতে পারেন বা সম্পূর্ণ দত্ত বা দণ্ডের অংশবিশেষ মওকুফ করতে পারেন।
♦ যখন কোন দণ্ড স্থগিত রাখা বা মওকুফ করার জন্য সরকারের নিকট আবেদন করা হলে, সরকার আদালতের প্রিজাইডিং জজকে আবেদন মঞ্জুর করা উচিত কিনা, সে সম্পর্কে মতামত জানাতে বলতে পারে এবং বিচারের নথি নকল প্রেরণ করার নির্দেশ দিতে পারে।
♦ যে সকল শর্তে দণ্ড স্থগিত রাখা বা মওকুফ করা হয়েছে তার কোনটি পালন করা হয়নি বলে মনে করলে সরকার স্থগিত বা মওকুফের আদেশ বাতিল করতে পারেন। উক্ত ব্যক্তি তখন মুক্ত থাকলে পুলিশ তাকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারবে।
♦ রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শন, দণ্ড স্থগিত রাখা বা কার্যকরে বিলম্ব ঘটানো বা মওকুফ করার অধিকার অক্ষুন্ন থাকবে।
১৬৩.
রাষ্ট্রপতি প্রণীত অধ্যাদেশ কত দিনের মধ্যে সংসদের মাধ্যমে আইনে পরিণত করা না হলে বিলুপ্ত হয়ে যাবে?
  1. অধ্যাদেশ প্রণয়নের তারিখ হতে ৯০ দিন
  2. প্রথম সংসদ অধিবেশনের ১ম দিন হতে ৩০ দিন
  3. প্রথম সংসদ অধিবেশনে উত্থাপনের তারিখ হতে ৩০ দিন
  4. অধ্যাদেশ প্রণয়নের তারিখ হতে ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
প্রথম সংসদ অধিবেশনে উত্থাপনের তারিখ হতে ৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রথম সংসদ অধিবেশনে উত্থাপনের তারিখ হতে ৩০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩(২) অনুচ্ছেদ অনুসারে: রাষ্ট্রপতি প্রণীত অধ্যাদেশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে উপস্থাপিত হতে হবে।
উপস্থাপনের পর ৩০ দিন অতিবাহিত হলে অথবা এর আগেই সংসদ যদি অধ্যাদেশটি অননুমোদনের প্রস্তাব পাস করে, তাহলে অধ্যাদেশটির কার্যকরতা লোপ পাবে।
সুতরাং, সময় গণনা হবে প্রথম সংসদ অধিবেশনে উত্থাপনের তারিখ হতে ৩০ দিন।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা:
(১) সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় অথবা উহার অধিবেশনকাল ব্যতীত কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট আশু ব্যবস্থাগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে বলিয়া সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে তিনি উক্ত পরিস্থিতিতে যেরূপ প্রয়োজনীয় বলিয়া মনে করিবেন, সেইরূপ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করিতে পারিবেন এবং জারী হইবার সময় হইতে অনুরূপভাবে প্রণীত অধ্যাদেশ সংসদের আইনের ন্যায় ক্ষমতাসম্পন্ন হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার অধীন কোন অধ্যাদেশে এমন কোন বিধান করা হইবে না,
(ক) যাহা এই সংবিধানের অধীন সংসদের আইন-দ্বারা আইনসঙ্গতভাবে করা যায় না;
(খ) যাহাতে এই সংবিধানের কোন বিধান পরিবর্তিত বা রহিত হইয়া যায়; অথবা
(গ) যাহার দ্বারা পূর্বে প্রণীত কোন অধ্যাদেশের যে কোন বিধানকে অব্যাহতভাবে বলবৎ করা যায়।
(২) এই অনুচ্ছেদের (১) দফার অধীন প্রণীত কোন অধ্যাদেশ জারী হইবার পর অনুষ্ঠিত সংসদের প্রথম বৈঠকে তাহা উপস্থাপিত হইবে এবং ইতঃপূর্বে বাতিল না হইয়া থাকিলে অধ্যাদেশটি অনুরূপভাবে উপস্থাপনের পর ত্রিশ দিন অতিবাহিত হইলে কিংবা অনুরূপ মেয়াদ উত্তীর্ণ হইবার পূর্বে তাহা অননুমোদন করিয়া সংসদে প্রস্তাব গৃহীত হইলে অধ্যাদেশটির কার্যকরতা লোপ পাইবে।
(৩) সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থার কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট ব্যবস্থা-গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে বলিয়া সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে তিনি এমন অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করিতে পারিবেন, যাহাতে সংবিধান-দ্বারা সংযুক্ত তহবিলের উপর কোন ব্যয় দায়যুক্ত হউক বা না হউক, উক্ত তহবিল হইতে সেইরূপ ব্যয়নির্বাহের কর্তৃত্ব প্রদান করা যাইবে এবং অনুরূপভাবে প্রণীত কোন অধ্যাদেশ জারী হইবার সময় হইতে তাহা সংসদের আইনের ন্যায় ক্ষমতাসম্পন্ন হইবে। 
(৪) এই অনুচ্ছেদের (৩) দফার অধীন জারীকৃত প্রত্যেক অধ্যাদেশ যথাশীঘ্র সংসদে উপস্থাপিত হইবে এবং সংসদ পুনর্গঠিত হইবার তারিখ হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে এই সংবিধানের ৮৭, ৮৯ ও ৯০ অনুচ্ছেদসমূহের বিধানাবলী প্রয়োজনীয় উপযোগীকরণসহ পালিত হইবে।

১৬৪.
‘ক’ ‘খ’ এর বিরুদ্ধে একটি বিক্রয় চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য মোকদ্দমা দায়ের করে। আদালত বিচার শেষে সিদ্ধান্ত দেয় যে, ‘খ’ ‘ক’ কে বিক্রয় চুক্তি অনুযায়ী জমিটি অর্পন করবে। যেহেতু আদালতের এই সিদ্ধান্ত পক্ষসমূহের বিরোধ নির্ণয় করেছে। এটি একটি?
  1. ডিক্রী
  2. রায়
  3. আদেশ
  4. খ ও গ উভয়
সঠিক উত্তর:
ডিক্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রী
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইনের ধারা ২ (২) অনুযায়ী ডিক্রী হলো আদালতের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত যেটা চূড়ান্তভাবে মোকদ্দমার বিতর্কিত সমগ্র বা যে কোন বিষয় সম্পর্কে পক্ষ সমূহের অধিকার নির্ধারন করে।
• যেহেতু উক্ত প্রশ্নে ‘ক’ ও ‘খ’ এর বিরোধীয় বিষয়টি নির্ধারিন করা হয়েছে তাই এটি ডিক্রী।
• ধারা ২(৯) রায় এবং ২ (১৪) আদেশ বিষয়ে সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
১৬৫.
ধারা ১৩৩(১) অনুযায়ী কীসের ভিত্তিতে একজন ব্যক্তিকে আদালতে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়?
  1. ব্যক্তির বয়স
  2. ব্যক্তির পদমর্যাদা
  3. ব্যক্তির মামলা সংশ্লিষ্টতা
  4. ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তির পদমর্যাদা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তির পদমর্যাদা
ব্যাখ্যা

ধারা ১৩৩- অন্যান্য ব্যক্তির অব্যাহতি:
(১) সরকার সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে এমন ব্যক্তিদের আদালতে ব্যক্তিগতভাবে হাজিরা থেকে অব্যাহতি দিতে পারে-যাদের পদমর্যাদা সরকারের মতে এ ধরনের বিশেষ সুবিধা পাওয়ার যোগ্য।

(২) এভাবে অব্যাহতি পাওয়া ব্যক্তিদের নাম ও ঠিকানা সরকার সময় সময় হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করবে। হাইকোর্ট বিভাগে এদের একটি তালিকা সংরক্ষণ করা হবে। এবং যারা হাইকোর্ট বিভাগের অধীনস্থ কোনো আদালতের বিচারিক এলাকার মধ্যে বাস করেন, তাদের একটি তালিকা সেই অধীনস্থ আদালতেও সংরক্ষিত থাকবে।

(৩) কোনো অব্যাহতি–প্রাপ্ত ব্যক্তি যদি আদালতে হাজিরা না দিয়ে এ সুবিধা দাবি করেন, এবং তাকে কমিশনের মাধ্যমে জবানবন্দি বা সাক্ষ্য নিতে হয়—তাহলে সেই কমিশনের ব্যয় তিনি নিজেই বহন করবেন, যদি না যিনি তার সাক্ষ্য চাইছেন সেই পক্ষ ব্যয়টি বহন করতে রাজি হন।

১৬৬.
সুনির্দিষ্ট চুক্তির মামলায় আদালতের ডিক্রি ইচ্ছাকৃতভাবে না মানলে, তা কার্যকর করার জন্য কী ব্যবস্থা নেওয়া যায়?
  1. শুধু সম্পত্তি ক্রোক
  2. শুধু দেওয়ানি কারাগারে আটক
  3. শুধুমাত্র জরিমানা
  4. দেওয়ানি কারাগারে আটক বা সম্পত্তি ক্রোক বা উভয়
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কারাগারে আটক বা সম্পত্তি ক্রোক বা উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কারাগারে আটক বা সম্পত্তি ক্রোক বা উভয়
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৩২: সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন, দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার অথবা নিষেধাজ্ঞার জন্য ডিক্রি:
দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের জন্য সম্পত্তি ক্রোক, অথবা চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের বা নিষেধাজ্ঞার ডিক্রির ক্ষেত্রে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে বা সম্পত্তি ক্রোক করে বা উভয় প্রকারেই কার্যকর করা যাবে।

যদি কোন কর্পোরেশন হয়, তবে কর্পোরেশনের সম্পত্তি ক্রোক করে অথবা পরিচালকগণকে বা অন্যান্য প্রধান কর্মকর্তাগণকে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে বা ক্রোক এবং আটক উভয় প্রকারেই ডিক্রিটি জারি করা যাবে। কোন ক্রোক ১ বছর যাবৎ বলবৎ থাকলে যদি ডিক্রি দায়িক ডিক্রিটি মান্য না করে থাকে এবং ডিক্রিদার ক্রোককৃত সম্পত্তি নিলাম বিক্রয়ের জন্য আবেদন করে থাকে, তবে অনুরূপ সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত ডিক্রিদারকে অর্থ প্রদান করতে পারেন।
১৬৭.
চুক্তি আইনের ১১ ধারা অনুযায়ী, চুক্তি সম্পাদনের জন্য নিম্নের কোন শর্তটি প্রয়োজনীয় নয়?
  1. শিক্ষিত হওয়া
  2. সাবালক হওয়া
  3. সুস্থ মনের অধিকারী হওয়া
  4. আইন দ্বারা অযোগ্য না হওয়া
সঠিক উত্তর:
শিক্ষিত হওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিক্ষিত হওয়া
ব্যাখ্যা

⇒ চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১১ অনুযায়ী চুক্তি সম্পাদনের জন্য যে শর্তগুলো আবশ্যক, সেগুলো হলো—
- ব্যক্তি সাবালক হতে হবে
- ব্যক্তি সুস্থ মনের অধিকারী হতে হবে
- ব্যক্তি কোনো আইনে চুক্তি করার জন্য অযোগ্য ঘোষিত হওয়া যাবে না
→  শিক্ষিত হওয়া (educated) — এই শর্তটি ধারা ১১–তে কোথাও উল্লেখ নেই।
অতএব, শিক্ষিত না হলেও একজন ব্যক্তি আইনত চুক্তি করার যোগ্য হতে পারেন।

⇒ কারা চুক্তি সম্পাদনে যোগ্যতা চুক্তি আইনের ১১ ধারায় বলা হয়েছে। এ ধারায় বলা হয়েছে যে, প্রত্যেক ব্যক্তিই চুক্তি করার যোগ্য যদি সে নিজ আইনে সাবালক, এবং সুস্থ মনের অধিকারীএবং নিজ আইনে চুক্তি করার জন্য অযোগ্য না হন। [Every person is competent to contract who is age of majority according to the law to which he is subject, and sound mind and is not disqualified from contracting by any law to which he is subject.]
 
• চুক্তি করার অযোগ্য ব্যক্তি:
চুক্তি আইনের ১১ ধারা অনুসারে বলা যায় তিন ধরনের ব্যক্তি চুক্তি করা জন্য অযোগ্য। এ ব্যক্তিরা হলেন:
১। নাবালক,
২। অসুস্থ মনের অধিকারী বা মানসিকভাবে অসুস্থ ব্যক্তি এবং
৩। নিজ আইনে অযোগ্য ব্যক্তি।
পূর্বে বলা হয়েছে ব্যক্তি বলতে প্রাকৃতিক এবং কৃত্রিম ব্যক্তি উভয়কে বোঝানো হয়েছে। কৃত্রিম ব্যক্তি যদি আইন অনুসারে গঠিত ও নিবন্ধিত না হয় তাহলে চুক্তি সম্পাদনে অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।

১৬৮.
২০২৩ সালের মার্চ মাসে 'ক' মাসিক ৮০০০ টাকা ভাড়ায় 'খ'-কে বাড়ি ভাড়া দেয়। 'খ' মার্চ,এপ্রিল এবং মে মাসের সম্পূর্ণ ভাড়া বাকি রাখে। ২০২৩ সালের জুন মাসে 'ক' শুধুমাত্র এপ্রিল মাসের ভাড়ার দাবীতে 'খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করে। মার্চ এবং মে মাসের বাকি ভাড়া আদায়ের ক্ষেত্রে 'ক'-
  1. পরবর্তীতে যেকোনো সময়ে 'খ'-এর বিরুদ্ধে উক্ত বিষয়ে প্রতিকার দাবি করতে পারবে
  2. পরবর্তী ৬ মাসের মধ্যে খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দাখিল করলে প্রতিকার পাবে
  3. পরবর্তীতে 'খ'-এর বিরুদ্ধে উক্ত বিষয়ে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারবে না
  4. ক্ষতিপূরণ সহ পরবর্তীতে যেকোনো সময়ে 'খ'-এর বিরুদ্ধে উক্ত বিষয়ে প্রতিকার দাবি করতে পারবে
সঠিক উত্তর:
পরবর্তীতে 'খ'-এর বিরুদ্ধে উক্ত বিষয়ে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরবর্তীতে 'খ'-এর বিরুদ্ধে উক্ত বিষয়ে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারবে না
ব্যাখ্যা
উল্লেখিত দুই মাসের বাকি ভাড়া আদায়ের জন্য 'ক' পরবর্তীতে 'খ'-এর বিরুদ্ধে কোনো মোকদ্দমা দাখিল করতে পারবে না। কারণ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২ এর বিধি ২ অনুসারে, মোকদ্দমার বিষয়বস্তু সম্বন্ধে বাদী যে পরিমাণ দাবী করার অধিকার রাখে, তা সম্পূর্ণ দাবী করতে হবে। কোন ক্ষেত্রে বাদী মোকদ্দমার একই বিষয়বস্তু সম্পর্কে বহু সংখ্যক প্রতিকার দাবী করার অধিকারী হলে সে সমস্ত বা তন্মধ্যে যে কোন প্রতিকার দাবী করে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারে। অবশ্য এক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত ধরণের প্রতিকারগুলোর মধ্যে কোন দাবী না করে থাকলে, পরে সেরূপ কোন প্রতিকার দাবী করা চলবে না।

আদেশ ২ বিধি ২- 
১) সমগ্র দাবী মোকদ্দমার অন্তর্ভুক্ত করতে হবেঃ 
যেকোন মোকদ্দমার সারবস্তু সম্বন্ধে বাদি যে পরিমাণ দাবী করার অধিকার রাখে, তা সম্পূর্ণ দাবী করতে হবে। অবশ্য মোকদ্দমাটি কোন আদালতের এখতিয়ারভুক্ত রাখার উদ্দেশ্যে তার দাবী আংশিকভাবে বর্জন করার যদি দরকার হয় তাহলে তা করতে পারবে।

২) দাবীর অংশ পরিত্যাগঃ
 বাদী যদি তার দাবীর কোন অংশ উল্লেখ না করে মোকদ্দমা করে অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে দাবী আংশিক বর্জন করে, তবে পরে ঐ দাবী বা দাবীর সে অংশের জন্য মোকদ্দমা করা চলবে না।

৩) একাধিক প্রতিকারের মধ্যে কোন একটির জন্য মোকদ্দমা করতে বর্জনঃ
কোন ক্ষেত্রে বাদী মোকদ্দমার একই বিষয়বস্তু সম্পর্কে বহু সংখ্যক প্রতিকার দাবী করার অধিকারী হলে সে সমস্ত বা তন্মধ্যে যে কোন প্রতিকার দাবী করে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারে। অবশ্য এক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত ধরণের প্রতিকারগুলোর মধ্যে কোন দাবী না করে থাকলে পরে সেরূপ কোন প্রতিকার দাবী করা চলবে না।

ব্যাখা- উক্ত বিধির উদ্দেশ্যে কোন বাধ্যবাধকতা এবং তা সম্পাদন করার নিমিত্তে প্রদত্ত আনুষঙ্গিক জামানত এবং উক্ত বাধ্যবাধকতা হতে উদ্ভূত আনুক্রমিক দাবীসমূহ ক্রমান্বয়ে একটি মোকদ্দমার কারণই সৃষ্টি করবে।

উদাহরণ-
'ক' বার্ষিক ১২০০ টাকা ভাড়ায় 'খ'-কে একটি বাড়ী ভাড়া দেয়। ১৯০৫, ১৯০৬ এবং ১৯০৭ সালে সম্পূর্ণ ভাড়া বাকি পড়ে। ১৯০৮ সালে 'ক' শুধুমাত্র ১৯০৬ সালে ভাড়ার দাবীতে 'খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করে। ১৯০৫ ও ১৯০৭ সালে ভাড়ার জন্য 'ক' পরে 'খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারবে না।
১৬৯.
একজন প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট সাক্ষ্য শুনে মনে করলেন, আসামিকে যে দণ্ড তিনি দিতে পারেন তার চেয়ে বেশি দণ্ড দেওয়া প্রয়োজন। তিনি কী করবেন?
  1. সরকারকে রিপোর্ট পাঠাবেন
  2. নিজেই সর্বোচ্চ দণ্ড প্রদান করবেন
  3. আসামিকে জামিনে মুক্তি দেবেন
  4. মামলার নথি দায়রা আদালতে পাঠাবেন
সঠিক উত্তর:
মামলার নথি দায়রা আদালতে পাঠাবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার নথি দায়রা আদালতে পাঠাবেন
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৪৭- যেক্ষেত্রে আসামীকে যখন উচ্চতর দণ্ড প্রদান করা হয় সেক্ষেত্রে পদ্ধতি:
এই কার্যবিধিতে যা-ই বর্ণিত থাকুক না কেন যখন কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট সরকার পক্ষের সাক্ষ্য লিপিবদ্ধ করার পর এ মর্মে অভিমত পোষণ করেন যে, আসামীকে অথবা যেক্ষেত্রে একাধিক আসামীর একসাথে বিচার করা হয়, সেক্ষেত্রে তাদের মধ্যে যেকোন একজনকে দোষী মর্মে সাব্যস্ত করে ঐ ম্যাজিট্রেট যে দণ্ড দিতে পারেন তদাপেক্ষা অধিক দণ্ড দিতে হবে, সেক্ষেত্রে তিনি তার এরূপ অভিমতের কারণ লিপিবদ্ধ করে তিনি যেই দায়রা আদালতের অধীনন্ত সেই দায়রা আদালতে মামলার নথি দাখিল করতে এবং আসামীকে বা সকল আসামীকে অগ্রবর্তী করতে পারবেন এবং তার ফলে সেই দায়রা আদালতও এমনভাবে মামলার বিচার করবেন যাতে মামলাটি এই কার্যবিধি অনুসারে শুধুমাত্রই তৎকর্তৃক বিচার্য।
১৭০.
আদালত কমিশন কার্যকর করার জন্য Order 26 Rule 3-এর অধীনে কার বরাবর কমিশন প্রেরণ করতে পারে?
  1. শুধুমাত্র মামলার বাদীকে
  2. শুধুমাত্র যেকোন সরকারি কর্মকর্তাকে
  3. সাক্ষীর নিকটবর্তী থানার কোনো পুলিশ কর্মকর্তাকে
  4. যেকোনো ব্যক্তিকে আদালত উপযুক্ত মনে করলে
সঠিক উত্তর:
যেকোনো ব্যক্তিকে আদালত উপযুক্ত মনে করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেকোনো ব্যক্তিকে আদালত উপযুক্ত মনে করলে
ব্যাখ্যা
আদেশ ২৬ বিধি-৩: আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে সাক্ষী বসবাস করলে:
আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় এখতিয়ারের সীমার মধ্যে বসবাসকারী কোন ব্যক্তির সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য কমিশন প্রেরণ করতে হলে আদালত যাকে কমিশন সম্পাদন করতে উপযুক্ত মনে করেন, সেরূপ কোন ব্যক্তি বরাবর তা প্রেরণ করা যাতে পারে।

Order 26 Rule-3: Where witness resides within Court's jurisdiction-
A commission for the examination of a person who resides within the local limits of the jurisdiction of the Court issuing the same may be issued to any person whom the Court thinks fit to execute it.
১৭১.
যে অপরাধের একমাত্র শাস্তি জরিমানা, সেক্ষেত্রে জরিমানা অনাদায়ে কারাদন্ড হবে-
  1. বিনাশ্রম
  2. সশ্রম
  3. নির্জন
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বিনাশ্রম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিনাশ্রম
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৬৭ ধারার বিধান অপরাধটি শুধু অর্থদণ্ড কর্তৃক দণ্ডনীয় হলে অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রদত্ত কারাদণ্ড:- অপরাধটি যদি শুধু অর্থদণ্ড কর্তৃক দণ্ডনীয় হয়, তবে অর্থদণ্ড অনাদায়ের জন্য আদালত যে কারাদণ্ডের আদেশ দিবেন, তা বিনাশ্রম হবে এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ের জন্য আদালত অপরাধীকে যে মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত করার আদেশ দিবেন, তা নিম্নে নির্দেশিত বিভিন্ন পরিমাণের অধিক হবে না, যথা: অর্থদণ্ডের পরিমাণ পঞ্চাশ টাকার বেশি না হলে, অনূর্ধ্ব দুই মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদ; অর্থদণ্ডের পরিমাণ একশত টাকার অধিক না হলে, অনতিরিক্ত চার মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদ; এবং এতদ্ব্যতীত অপর যে কোন ক্ষেত্রে অনধিক ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদ।

♦দণ্ডবিধির ৬৮ ধারার বিধান অর্থদণ্ড আদায়ে কারামুক্তি:- যে অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে, সে অর্থদণ্ড প্রদত্ত হলে অথবা আইনগত কার্যক্রমের মাধ্যমে আদায়ীকৃত হলে আসামীর কারামুক্তি হবে।

♦দণ্ডবিধির ৬৯ ধারার বিধান অর্থদণ্ডের আনুপাতিক অংশ আদায়ের কারামুক্তি:- যদি অর্থদণ্ড অনাদায়ের জন্য প্রদত্ত কারাদণ্ডের নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বে অর্থদণ্ডেও এমন একটি আনুপাতিক অংশ প্রদত্ত অথবা আদায়ীকৃত হয় যে, অর্থদণ্ডে ও অনাদায়ের জন্য প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদের যে অংশ উত্তীর্ণ হয়েছে, তা অর্থদণ্ডে ও এখনও অপ্রদত্ত বা অনাদায়ীকৃত অংশের সাথে আনুপাতিক হার অপেক্ষা কম নয়, তবে আসামীর কারামুক্তি হবে।
১৭২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৭ ধারা অনুযায়ী সন্দেহের ভিত্তিতে পুলিশ __________ অপরাধের তদন্ত করতে পারে।
  1. আমলঅযোগ্য
  2. আমলযোগ্য
  3. উভয় ধরনের
  4. বিশেষ আইনের অধীন
সঠিক উত্তর:
আমলযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমলযোগ্য
ব্যাখ্যা
প্রাথমিক তথ্য বিবরণী দায়ের না করলেও ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৭ ধারা অনুযায়ী সন্দেহের ভিত্তিতে পুলিশ আমলযোগ্য অপরাধের তদন্ত করতে পারে। এমনকি প্রয়োজনে অপরাধীকে গ্রেফতার এবং আটকের ব্যবস্থা করতে পারবে।

এই ধারা অনুসারে,
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটন সম্পর্কে যুক্তিসঙ্গতভাবে সন্দেহ পোষন করলে, সঙ্গে সঙ্গে একজন ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাবেন। প্রয়োজন হলে অপরাধীকে খুঁজে বের করবেন ও গ্রেফতার করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে নিজে ঘটনাস্থলে যাবেন বা অধস্তন অফিসারকে দায়িত্ব দিবেন। তবে অপরাধ সংঘটনকারীর নাম উল্লেখ করে সংবাদ দিলে এবং ঘটনাটি গুরুতর প্রকৃতির না হলে তখন সরেজমিনে তদন্তের প্রয়োজন নেই । তবে ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা তদন্তের পর্যাপ্ত কারণ না থাকলে ঘটনাটি সম্পর্কে তদন্ত করবেন না।
১৭৩.
ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত (Court of Small Causes) কর্তৃক কোন উদ্দেশ্যে সমন প্রদান করা হবে?
  1. শুধুমাত্র বিচার্য বিষয় নির্ধারণের জন্য
  2. শুধুমাত্র মোকদ্দমার চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য
  3. বিচার্য বিষয় নির্ধারণকরণ অথবা মোকদ্দমার চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য
  4. পক্ষদ্বয়ের ইচ্ছানুযায়ী উদ্দেশ্য নির্ধারণ করা হয়
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র মোকদ্দমার চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র মোকদ্দমার চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য
ব্যাখ্যা
আদেশ ৫ বিধি-৫: বিচার্য বিষয় স্থিরকরণ অথবা চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য সমন:
আদালত সমন প্রদানকালীন সময়েই স্থির করবে যে, শুধুমাত্র বিচার্য বিষয় নির্ধারণকরণ অথবা মোকদ্দমার চূড়ান্ত সমাধানের জন্য দেয়া হচ্ছে এবং ঐ মোতাবেক সমনে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করা হবে। অবশ্য শর্ত থাকে যে, ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত কর্তৃক শ্রুত প্রত্যেকটি মোকদ্দমার চূড়ান্ত সমাধানের জন্য সমন প্রদান করা হবে।

Rule-5: Summons to be either to settle issues orfor final disposal:
The Court shall determine, at the time of issuing the summons, whether it shall be for the settlement of issues only, or for the final disposal ofthe suit; and the summons shall contain a direction accordingly: Provided that, in every suit heard by a Court of Small Causes, the summons shall be for the final disposal of the suit.
১৭৪.
তামাদি আইনের কোন ধারায় অনুসারে জাবেদা নকল ব্যয়িত সময় তামাদির মেয়াদ গণনা হতে বাদ দেওয়ার বিধান আছে?
  1. ৯ ধারা
  2. ১২ ধারা
  3. ১৫ ধারা
  4. ১৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
১২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ১২ ধারা মোতাবেক আইনানুগ কার্যধারায় যে সময় গণনা থেকে বাদ দিতে হয়-
- মামলা করার কারণ যেদিন উদ্ভব হবে সেই দিন, রায় ও ডিক্রি যেদিন প্রদান করা হয় সে দিনটি, রায় ও ডিক্রির জাবেদা নকল সংগ্রহ করার জন্য যতদিন লাগে ততদিন।
- সুতরাং বলা যায় যে, তামাদি আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী জাবেদা নকল সংগ্রহের সময়টুকু তামাদির মেয়াদ থেকে বাদ যাবে।

⇒ তামাদি আইনের ১২ ধারার বিধান আইনানুগ কার্যধারায় যেই পরিমাণ সময় গণনা হইতে বাদ দিতে হইবে:
(১) কোন মামলা আপীল বা দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, যেইদিন হইতে উক্ত মেয়াদ গণনা করিতে হইবে সেই দিন বাদ দিতে হইবে।
(২) কোন আপীল, আপীলের অনুমতির দরখাস্ত অথবা রায়। পুনরীক্ষণের দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, যেই রায় সম্পর্কে অভিযোগ করা হইবে তাহা যেইদিন ঘোষণা করা হইয়াছে সেইদিন এবং যে ডিক্রী, দন্ডাদেশ বা আদেশ সম্পর্কে আপীল করা হইবে বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হইবে, তাহার নকল গ্রহণ করিতে যেইসময় আবশ্যক, তাহা বাদ দিতে হইবে।
(৩) যেইক্ষেত্রে ডিক্রী সম্পর্কে আপীল বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হয়, সেইক্ষেত্রে উক্ত ডিক্রী যে রায়ের উপর প্রতিষ্ঠিত সেই রায়ের নকল লইতে যে সময় লাগে, তাহাও বাদ দিতে হইবে।
(৪) কোন রোয়েদাদ নাকচ করিবার দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, রোয়েদাদের নকল লইতে যে সময় লাগে, তাহা বাদ দিতে হইবে।
-----------------------
⇒ The Limitation Act, 1908: Section-12: Exclusion of time in legal proceedings:
(1) In computing the period of limitation prescribed for any suit, appeal or application, the day from which such period is to be reckoned shall be excluded.
(2) In computing the period of limitation prescribed for an appeal, an application for leave to appeal and an application for a review of judgment, the day on which the judgment complained of was pronounced, and the time requisite for obtaining a copy of the decree, sentence or order appealed from or sought to be reviewed, shall be excluded.
(3) Where a decree is appealed from or sought to be reviewed, the time requisite for obtaining a copy of the judgment on which it is founded shall also be excluded.
(4) In computing the period of limitation prescribed for an application to set aside an award, the time requisite for obtaining a copy of the award shall be excluded.
১৭৫.
নিম্নের কোন ক্ষেত্রে কোনো অপরাধ সংঘটিত হয়নি?
  1. অসতর্কতা হেতু কুড়ালের মাথা উড়ে নিকটস্থ ব্যক্তিকে আহত করা
  2. মৃত্যুর সম্ভাবনা আছে জেনেও ডাক্তার সদবিশ্বাসে রুগির অনুমতি ছাড়া অস্ত্রপচার করায় রুগি মারা গেলে
  3. সৈনিক তার উর্দ্ধতন পদস্থ কর্মকর্তার আদেশক্রমে আইনের নির্দেশ মোতাবেক জনতার উপর গুলি করেন
  4. 'ক'-কে গ্রেফতার করার জন্য আদিষ্ট হলেও ভুলক্রমে 'ক' মনে করে 'খ'-কে গ্রেফতার করা
সঠিক উত্তর:
সৈনিক তার উর্দ্ধতন পদস্থ কর্মকর্তার আদেশক্রমে আইনের নির্দেশ মোতাবেক জনতার উপর গুলি করেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈনিক তার উর্দ্ধতন পদস্থ কর্মকর্তার আদেশক্রমে আইনের নির্দেশ মোতাবেক জনতার উপর গুলি করেন
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৭৬ ধারার বিধান আইনবলে বাধ্য বা ভুল ধারণাবশতঃ নিজেকে আইনবলে বাধ্য বলে বিশ্বাসকারী ব্যক্তিবিশেষ কর্তৃক সম্পাদিত কার্য:- যে ব্যক্তি কোন কাজ করতে আইনত: বাধ্য বলে কোন কাজ সম্পাদন করলে, অথবা আইনের কাজটি ভুল না করে ঘটনা সম্পর্কে ভুলবশত: কাজটি করতে আইনত: বাধ্য বলে সরল মনে বিশ্বাস করে সে ব্যক্তি কোন কাজ সম্পাদন করলে তা অপরাধ হবে না।

উদাহরণসমূহ:
(ক) ক একজন সৈনিক। সে তার উর্ধ্বতন অফিসারের নির্দেশক্রমে আইনের বিধানমতে কোন জনতার উপর গুলিবর্ষণ করে। ক-এর গুলিবর্ষণ কাজ অপরাধ হবে না।

(খ) বিচারালয়ের জনৈক কর্মকর্তা 'ক' উক্ত বিচারালয় কর্তৃক ম-কে গ্রেফতার করার জন্য আদিষ্ট হয়ে এবং যথাযথ তদন্তের পর 'খ'-কে 'ম' মনে করে 'খ'-কে গ্রেফতার করেন। 'ক' কোন অপরাধ সংঘটন করেন নাই।

উল্লেখ্য,
অপশন "ক" তে অসতর্কতা হেতু মানে অসতর্কতার কারণে,
অপশন "খ" তে অনুমতি ছাড়া।
অপশন "ঘ" তে যথাযথ তদন্ত না করে। 
কৃতকাজ গুলো করেছেন তাই এগুলো অপরাধ সংঘটিত হয়েছে হিসেবে পরিগণিত হবে। 
------------
-Section 76. Act done by a person bound, or by mistake of fact believing himself bound, by law:
Nothing is an offence which is done by a person who is, or who by reason of a mistake of fact and not by reason of a mistake of law in good faith believes himself to be, bound by law to do it. 
 
Illustrations
(a) A, a soldier, fires on a mob by the order of his superior officer, in conformity with the commands of the law. A has committed no offence. 
 
(b) A, an officer of a Court of Justice, being ordered by that Court to arrest Y, and, after due enquiry, believing Z to be Y, arrests Z. A has committed no offence.
১৭৬.
রহিম ব্যাংক থেকে ১০,০০০ টাকা ঋণ নিল। রহিমের বন্ধু করিম ব্যাংকের কাছে প্রতিশ্রুতি দিল যে, রহিম ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হলে সে (করিম) ঐ টাকা পরিশোধ করবে। The Contract Act, 1872 অনুসারে এই পরিস্থিতিতে করিম কে?
  1. ঋণগ্রহীতা
  2. জামিনদার
  3. পাওনাদার
  4. প্রধান দেনাদার
সঠিক উত্তর:
জামিনদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামিনদার
ব্যাখ্যা

⇒The Contract Act, 1872 অনুসারে অনাদায়ের ক্ষেত্রে কোনো তৃতীয় ব্যক্তির অঙ্গীকার পালন, অথবা দায় পরিশোধের চুক্তিকে জামিনের চুক্তি (The Contract of Guarantee) বলা হয়।

⇒ চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১২৬ অনুসারে:
- জামিনদার (Surety): যে ব্যক্তি তৃতীয় পক্ষের (প্রধান দেনাদার) দায় পরিশোধের গ্যারান্টি প্রদান করে।
- প্রধান দেনাদার (Principal Debtor): যার দায় পরিশোধের গ্যারান্টি দেওয়া হয়।
- পাওনাদার (Creditor): যাকে গ্যারান্টি দেওয়া হয়।
এই ক্ষেত্রে:
- করিম ব্যাংককে গ্যারান্টি দিয়েছে যে রহিম ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হলে সে টাকা পরিশোধ করবে → জামিনদার। 
- রহিম প্রকৃত ঋণগ্রহীতা → প্রধান দেনাদার। 
- ব্যাংক ঋণদাতা → পাওনাদার। 
সুতরাং, করিম জামিনদার (Surety) এর ভূমিকায় রয়েছে।

⇒ চুক্তি আইনের ১২৬ ধারার বিধান "জামিনের চুক্তি", "জামিনদার", "প্রধান দেনাদার" এবং "পাওনাদার" ("Contract of guarantee", "surety", "principal debtor" "creditor"):
- জামিনের চুক্তি: জামিনের চুক্তি হল অনাদায়ের ক্ষেত্রে কোন তৃতীয় ব্যক্তির অঙ্গীকার পালন বা দায় পরিশোধের চুক্তি।
- জামিনদার: যে ব্যক্তি এমন অঙ্গীকার করে তাকে জামিনদার বলে।
- প্রধান দেনাদার: যে ব্যক্তির অনাদায় সম্পর্কে জামিন প্রদান করা হয় তাকে প্রধান দেনাদার বলা হয়।
- পাওনাদার: যে ব্যক্তির নিকট এমন জামিন প্রদান করা হয় তাকে পাওনাদার বলে। জামিনের চুক্তি মৌখিক বা লিখিত উভয় প্রকার হতে পারে।
-----------
⇒ The Contract Act, 1872, Section 126. "Contract of guarantee", "surety", "principal debtor" and "creditor":
 A "contract of guarantee" is a contract to perform the promise, or discharge the liability, of a third person in case of his default.
The person who gives the guarantee is called the "surety": the person in respect of whose default the guarantee is given is called the "principal debtor", and the person to whom the guarantee is given is called the "creditor". A guarantee may be either oral or written.

১৭৭.
'অধিকার ঘোষণা' সম্পর্কিত বিধান সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন উপধারায় আছে?
  1. ধারা ৫(ক)
  2. ধারা ৫(খ)
  3. ধারা ৫(গ)
  4. ধারা ৫(ঘ)
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫(ঘ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫(ঘ)
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ৫(ঘ) অনুসারে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় "ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে"। এটি "অধিকার ঘোষণা" (Declaratory Relief)-এর সরাসরি বিধান, যা পক্ষগুলোর অধিকার সুনির্দিষ্টভাবে ঘোষণা করে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ ছাড়াই।

অন্যান্য উপধারাগুলো:
(ক): সম্পত্তির দখল গ্রহণ ও প্রদান।
(খ): কোনো কাজ করার আদেশ।
(গ): কোনো কাজ না করার বিরতি (Injunction)।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন এর ৫ ধারা মতে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় ৫ ভাবে যথা-
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।
---------
The Specific Relief Act, 1877 Section-5: Specific relief how given:
-Specific relief is given- 
(a) by taking possession of certain property and delivering it to a claimant; 
(b) by ordering a party to do the very act which he is under an obligation to do; 
(c) by preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do; 
(d) by determining and declaring the rights of parties otherwise than by an award of compensation; or 
(e) by appointing a receiver.

১৭৮.
The Civil Courts Act, 1887 এর কোন ধারা অনুযায়ী, জেলা জজ আপিল স্থানান্তরের ক্ষমতা রাখেন?
  1. ২২ ধারা
  2. ২৩ ধারা
  3. ২৪ ধারা
  4. ২৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
২২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒The Civil Courts Act, 1887 এর ধারা ২২ অনুসারে, জেলা জজ তার প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণাধীন যুগ্ম জেলা জজের কাছে সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক প্রদত্ত ডিক্রি বা আদেশ থেকে উদ্ভূত আপিল স্থানান্তর করতে পারেন। এছাড়া, স্থানান্তরিত আপিল প্রত্যাহার করে নিজে নিষ্পত্তি করতে বা অন্য উপযুক্ত আদালতে স্থানান্তর করতে পারেন।

⇒ The Civil Courts Act, 1887 এর ধারা ২২: জেলা জজের আপিল স্থানান্তরের ক্ষমতা:
(১) জেলা জজ, তার প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণাধীন যে কোনো যুগ্ম জেলা জজের নিকট, তার নিকটে মুলতুবি থাকা এবং সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক প্রদত্ত ডিক্রি বা আদেশ থেকে উদ্ভূত যে কোনো আপিল স্থানান্তর করতে পারবেন।
(২) জেলা জজ, এভাবে স্থানান্তরিত কোনো আপিল প্রত্যাহার করে তা নিজে শুনানি ও নিষ্পত্তি করতে পারবেন অথবা তার প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণাধীন অন্য কোনো উপযুক্ত আদালতে স্থানান্তর করতে পারবেন।
(৩) এই ধারার অধীনে স্থানান্তরিত আপিলসমূহ সেই নিয়ম অনুসারে নিষ্পত্তি করা হবে, যেভাবে জেলা জজ কর্তৃক নিষ্পত্তিকৃত অনুরূপ আপিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়।

⇒ The Civil Courts Act, 1887, Section-22: Power of District Judge to transfer appeals:
(1) A District Judge may transfer to any Joint District Judge under his administrative control any appeals pending before him from the decrees or orders of Senior Assistant Judges or Assistant Judges.
(2) The District Judge may withdraw any appeal so transferred, and either hear and depose of it himself or transfer it to a Court under his administrative control competent to dispose of it.
(3) Appeals transferred under this section shall be disposed of subject to the rules applicable to like appeals when disposed of by the District Judge.

১৭৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারায় প্রত্যর্পণ দরখাস্তের বিধান আছে?
  1. ১৪০
  2. ১৪৪
  3. ১৪৫
  4. ১৪৮
সঠিক উত্তর:
১৪৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৪
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৪৪ ধারার বিধান: প্রত্যর্পণের দরখাস্ত: 
(১) যে ক্ষেত্রে কোন - ডিক্রির পরিবর্তন বা রদ করা হয়, সে ক্ষেত্রে সুবিধা পাওয়ার অধিকারী কোন পক্ষের আবেদনক্রমে, প্রাথমিক আদালত -(ডিক্রি প্রদানকারী আদালত) এরূপ প্রত্যর্পণের ব্যবস্থা - করবেন, যাতে উক্ত ডিক্রি আদৌ প্রদত্ত না হলে পক্ষগণ যে অবস্থায় থাকতেন তাদেরকে সেই অবস্থায় স্থাপন করবেন এবং এই উদ্দেশ্যে আদালত ডিক্রি রদবদলের দরুন উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রার্থীকে তার প্রাপ্য মোকদ্দমার খরচ, সুদ, ক্ষতিপূরণ ও অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা পরিশোধসহ আদালত যথোপযুক্ত আদেশ দান করতে পারেন।

(২) উপধারা (১) অনুসারে আবেদন করে প্রত্যর্পণ বা অন্য কোন প্রতিকার পাওয়া গেলে, এই উদ্দেশ্যে কোন মোকদ্দমা দায়ের করা চলবে না।
-----------------------
⇒ CPC Section: 144. Application for restitution.
(1) Where and in so far as a decree is varied or reversed, the Court of first instance shall, on the application of any party entitled to any benefit by way of restitution or otherwise, cause such restitution to be made as will, so far as may be, place the parties in the position which they would have occupied but for such decree or such part thereof as has been varied or reversed; and, for this purpose, the Court may make any orders, including orders for the refund of costs and for the payment of interest, damages, compensation and mesne profits, which are properly consequential on such variation or reversal. 
(2) No suit shall be instituted for the purpose of obtaining any restitution or other relief which could be obtained by application under sub-section (1).
১৮০.
একটি সশস্ত্র অভ্যুত্থানে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার জন্য A অভিযুক্ত। উক্ত অভ্যুত্থানের সময় X নামক স্থানে জনগণের সম্পত্তি বিনষ্ট করা হয়, Y নামক স্থানে নিরাপত্তা রক্ষীদের এবং অন্যান্য সেনাবাহিনীকে আক্রমণ করা হয় এবং Z নামক স্থানে সংশোধনাগার ভেঙ্গে অনেক বন্দীকে মুক্ত করার চেষ্টা করা হয়। A শুধুমাত্র X স্থানে উপস্থিত ছিল কিন্তু Y এবং Z নামক স্থানে উপস্থিত ছিলনা। A এর বিচারের ক্ষেত্রে A এর বিরুদ্ধে
  1. Y এবং Z নামক স্থানে সংঘটিত ঘটনা প্রাসঙ্গিক হবেনা
  2. X নামক স্থানে সংঘটিত ঘটনা প্রাসঙ্গিক হবে কিন্তু Y এবং Z নামক স্থানে সংঘটিত ঘটনা প্রাসঙ্গিক হবেনা
  3. X, Y এবং Z নামক স্থানে সংঘটিত ঘটনা প্রাসঙ্গিক হবেনা কারণ A সকল স্থানে উপস্থিত ছিলনা
  4. X, Y এবং Z নামক স্থানে সংঘটিত ঘটনা প্রাসঙ্গিক হবে যদিও A সকল স্থানে উপস্থিত ছিলনা।
সঠিক উত্তর:
X, Y এবং Z নামক স্থানে সংঘটিত ঘটনা প্রাসঙ্গিক হবে যদিও A সকল স্থানে উপস্থিত ছিলনা।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
X, Y এবং Z নামক স্থানে সংঘটিত ঘটনা প্রাসঙ্গিক হবে যদিও A সকল স্থানে উপস্থিত ছিলনা।
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ৬ ধারায় এর বিধান আছে। যেহেতু সশস্ত্র অভ্যুত্থানের অংশ হিসাবে X,Y এবং Z নামক স্থানে বিভিন্ন ঘটনা ঘটানো হয়েছে, তাই A এর বিচারের ক্ষেত্রে A এর বিরুদ্ধে উক্ত সকল ঘটনা একই কার্যের অংশ হিসাবে বা Resgestae নীতি অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক হবে। উক্ত সকল ঘটনার ক্ষেত্রে A উপস্থিত ছিল কিনা বা সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছিল কিনা তা বিবেচ্য বিষয় না বা উক্ত ঘটনাসমূহ একই স্থানে এবং একই সময়ে সংঘটিত হয়েছে কিনা তা বিবেচ্য বিষয় না।
♦Res Gestae বা 'একই কার্যের অংশ - Res Gestae (রেস গেস্টাই) অর্থ হলো একই কাজের অংশ বিশেষ বা একই Transaction এ সংগঠিত অনেকগুলো ঘটনা। অর্থাৎ কোন একটি কাজ করতে গিয়ে উক্ত কাজের ধারাবাহিকতায় অন্য যেসব কাজ করা হয় বা পারিপার্শ্বিক অবস্থা তা ঐ একই কাজের ধারাবাহিক অংশ হিসেবে Res Gestae বলে পরিচিত।
♦সাক্ষ্য আইনের ৬ ধারায় Res gestae নীতিটি কি সেটা উল্লেখ করা হয়েছে এবং ৭, ৮, ৯ এবং ১৪ ধারায় ব্যাখ্যা করা হয়েছে। সংঘটিত ব্যাপার বা Res gestae সেই সকল বিষয়কে বোঝায় যেগুলো একই কার্যের (Same Transaction) অংশ গঠন করে।
১৮১.
'A' তার পকেটে কুকুরের জন্য একটি টোপ রাখে এবং এর সাহায্যে 'B'-এর কুকুরকে এটি অনুসরণ করতে প্রলুব্ধ করে। কুকুরটি 'A' কে অনুসরণ করতে থাকে। 'A' এর অপরাধ-
  1. চুরি
  2. বলপূর্বক গ্রহণ
  3. ডাকাতি
  4. দস্যুতা
সঠিক উত্তর:
চুরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুরি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরির বিধান রয়েছে। ৩৭৮ ধারামতে কোন ব্যক্তির দখল থেকে সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি (Movable property) অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে স্থানান্তর করলে বা সরানো হলে তা চুরি বলে গণ্য হবে। অন্যভাবে বলা যায়, যদি কোন ব্যক্তি কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে সম্পত্তির দখলে থাকা ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া উক্ত সম্পত্তি স্থানান্তর করে তবে তা চুরি বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার বিধান চুরি:- কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা ১:- কোন বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহূর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মহূর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ২:- যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩:- কোন ব্যক্তি কোন বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোন বন্ধু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি যে কোন উপায়ে কোন পশুকে হাঁটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ৫:- সংজ্ঞায় উল্লেখিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে: এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে।

(ক) ক গ-এর জমিতে একটি গাছ কেটে ফেলে। তার উদ্দেশ্য, সে গ-এর জমি হতে গ-এর সম্মতি ব্যতীত গাছটি অসাধুভাবে নিয়ে যাবে। এইক্ষেত্রে যে মুহূর্তে ক গাছটি নিয়ে যাবার উদ্দেশ্যে কেটেছে সে মুহূর্তে চুরি সংঘটিত হয়েছে।

(খ) ক তার পকেটে একটি কুকুরের টোপ রাখে এবং তার ফলে গ-এর কুকুর তাকে অনুসরণ করতে থাকে। এক্ষেত্রে ক-এর উদ্দেশ্য যদি হয় গ-এর সম্মতি ব্যতীত গ-এর কুকুরটি অসাধুভাবে নিয়ে যাওয়া তবে যে মুহূর্তে গ-এর কুকুর তাকে অনুসরণ করতে শুরু করেছে সে মূহূর্তে চুরি সংঘটিত হয়েছে।

(গ) ক একটি সম্পদ ভর্তি বাক্স বহনকারী ষাঁড় দেখতে পায়; সে ষাঁড়টিকে একটি বিশেষ দিকে তাড়াইয়া দিতে থাকে যাতে সে অসাধুভাবে বাক্সটি হস্তগত করতে পারে। যে মুহূর্তে ষাঁড়টি চলতে শুরু করেছে সে মুহূর্তে ক বাক্সটি চুরি করেছে বলে পরিগণিত হবে।
----------------
Theft:
Section 378. Whoever, intending to take dishonestly any moveable property out of the possession of any person without that person's consent, moves that property in order to such taking, is said to commit theft. 
Explanation 1.- A thing so long as it is attached to the earth, not being moveable property, is not the subject of theft; but it becomes capable of being the subject of theft as soon as it is severed from the earth. 
Explanation 2.- A moving effected by the same act which effects the severance may be a theft. 
Explanation 3.- A person is said to cause a thing to move by removing an obstacle which prevented it from moving or by separating it from any other thing, as well as by actually moving it. 
Explanation 4.- A person, who by any means causes an animal to move, is said to move that animal, and to move everything which, in consequence of the motion so caused, is moved by that animal. 
Explanation 5.- The consent mentioned in the definition may be express or implied, and may be given either by the person in possession, or by any person having for that purpose authority either express or implied.
১৮২.
The General Clauses Act,1897 এর কত ধারায় "ব্যক্তি" এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. Section 3(29)
  2. Section 3(39)
  3. Section 3(41)
  4. Section 3(19)
সঠিক উত্তর:
Section 3(39)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 3(39)
ব্যাখ্যা
Section 3(39) of The General Clauses Act,1897-

"Person" shall include any company or association or body of individuals, whether incorporated or not: 
"ব্যক্তি" বলিতে, নিগমিত হউক বা না হউক, কোন কোম্পানি বা সমিতি অথবা ব্যক্তি বিশেষের সমষ্টিকে অন্তর্ভূক্ত করিবে।
১৮৩.
Under Section 152 of the Criminal Procedure Code, a police officer may intervene to prevent damage to which type of property?
  1. Private property
  2. Public property
  3. Property belonging to the police
  4. Personal belongings of citizens
সঠিক উত্তর:
Public property
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Public property
ব্যাখ্যা
Answer: Public property.
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা-১৫২: সরকারী সম্পত্তির ক্ষতি নিবারণ (Prevention of injury to public property)-
কোন পুলিশ অফিসার তার নিজের কর্তৃত্ব বলে তার দৃষ্টিগোচরে কোন স্থাবর বা অস্থাবর সরকারী সম্পত্তির ক্ষতির প্রচেষ্টা অথবা কোন সরকারী চিহ্ন বা বয় (buoy) বা নৌ চলাচলের জন্য ব্যবহৃত অন্য কোন সরকারী চিহ্ন অপসারণের বা ক্ষতির চেষ্টা রোধ করার জন্য হস্তক্ষেপ করতে পারবেন।
---------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 152.Prevention of injury to public property:
- A police officer may of his own authority interpose to prevent any injury attempted to be committed in his view to any public property, movable or immovable, or the removal or injury of any public landmark or buoy or other mark use for navigation.
১৮৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২৩(২) অনুসারে, যদি এখতিয়ারসম্পন্ন একাধিক আদালত ভিন্ন ভিন্ন আপিল আদালতের অধীনস্থ হয়, তাহলে স্থানান্তর আবেদন করতে হবে –
  1. জেলা জজের নিকট
  2. হাইকোর্ট বিভাগের নিকট
  3. সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের নিকট
  4. সংশ্লিষ্ট যেকোনো আপিল আদালতের নিকট
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগের নিকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগের নিকট
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২২ থেকে ২৪ পর্যন্ত মোকদ্দমা স্থানান্তরের বিধান রয়েছে। দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২৩(২) স্পষ্টভাবে নির্দেশ করে যে, যখন এখতিয়ারসম্পন্ন একাধিক আদালত ভিন্ন ভিন্ন আপিল আদালতের অধীনস্থ হয় (subordinate to different Appellate Courts), সেক্ষেত্রে স্থানান্তর আবেদন করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগের (High Court Division) নিকট।
- সুতরাং, জেলা জজ, সংশ্লিষ্ট আপিল আদালত বা আপিল বিভাগের নিকট নয়, বরং সরাসরি হাইকোর্ট বিভাগের কাছেই এই আবেদন করতে হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২৩: কোন আদালতে আবেদন করতে হবে:-
১) যখন এখতিয়ারসম্পন্ন একাধিক আদালত একই আপিল আদালতের অধীন হয়, তখন উক্ত আপিল আদালতে ২২ ধারানুযায়ী আবেদন পেশ করতে হবে।
২) যখন অনুরূপ আদালতসমূহ বিভিন্ন আপিল আদালতের আওতাধীনে হয় তখন হাইকোর্ট ডিভিশনে আবেদন পেশ করতে হবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section-23: To what Court application lies-
1) Where the several Courts having jurisdiction are subordinate to the same Appellate Court, an application under section 22 shall be made to the Appellate Court.
2) Where such Courts are subordinate to different Appellate Courts the application shall be made to the High Court Division.

১৮৫.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order VII rule 11 অনুসারে কয়টি কারণে আরজি প্রত্যাখ্যান করা যায়?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
- দেওয়ানি কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১১ নং বিধি অনুযায়ী আদালত ৪ (চার) টি কারণে আরজি নাকচ বা প্রত্যাখ্যান করতে পারে।

- আদেশ ৭ বিধি- ১১ এর বিধান আরজি নাকচ বা প্রত্যাখ্যান:  নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে আরজি প্রত্যাখ্যান করা হবে-
ক) যেক্ষেত্রে এটা মোকদ্দমার কারণ প্রকাশ করেনি;
খ) যেক্ষেত্রে দাবিকৃত প্রতিকার কম মূল্যায়িত হয় এবং আদালতের নির্দেশ মত বাদী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তা সংশোধন করতে ব্যর্থ হয়েছে:
গ) যেক্ষেত্রে দাবিকৃত প্রতিকারের যথার্থই মূল্যায়ন করা হয়েছে; কিন্তু প্রয়োজন অপেক্ষা কম মূল্যের স্ট্যাম্পযুক্ত কাগজে আরজি লেখা হয়েছে এবং আদালতের নির্দেশমত বাদী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আবশ্যকীয় স্ট্যাম্প কাগজ সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয়েছে।
ঘ) যেক্ষেত্রে আরজির বিবৃতি অনুযায়ী উক্ত মোকদ্দমা কোন আইন দ্বারা বারিত বলে প্রতীয়মান হয়;

তবে শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমার মূল্যমান বা আবশ্যকীয় স্ট্যাম্প কাগজ সংশোধন করার জন্য আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময় কোনক্রমেই ২১ দিনের অধিক হবে না।
- ধারা-২ (২) এর বিধান মতে আরজি প্রত্যাখ্যানের আদেশ ডিক্রি হিসেবে গণ্য হবে।

আরজি নাকচ / প্রত্যাখ্যানের কারণ ৪টি
১) মোকদ্দমার কারণ উল্লেখ না করলে (Cause of action)
২) দাবিকৃত প্রতিকারের মূল্য কম দেয়া হলে (undervalued)
৩) অপর্যাপ্ত স্ট্যাম্প পেপারে লিখা হলে (insufficiency stamped)
৪) মোকদ্দমাটি আইন/তামাদিতে বারিত হলে (Barred by law)

-দাবিকৃত প্রতিকারের মূল্য কম দেখালে বা অপর্যাপ্ত স্ট্যাম্পের ক্ষেত্রে আদালত তা সংশোধনের জন্য অনধিক ২১ দিন সময় দিতে পারে।

- প্রতিকার
১) বিধি: ১৩ অনুযায়ী পুনরায় একই বিষয়ে নতুন আরজি দাখিল।
২) আপিল করা যাবে

- বিবাদীর আবেদনক্রমে বা আদালত নিজ উদ্যোগে আরজি প্রত্যাখ্যান করতে পারে।
- বিবাদী কর্তৃক আরজি প্রত্যাখ্যানের আবেদন নামঞ্জুর হলে রিভিশন করা যাবে।
১৮৬.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৯ ধারা অনুসারে, মৌখিক হস্তান্তর কখন আইনত অনুমোদিত?
  1. আদালতের মাধ্যমে হস্তান্তরের ক্ষেত্রে
  2. যখন হস্তান্তরের জন্য রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক
  3. যেখানে লিখিত দলিলের আবশ্যকতা আইনে উল্লেখ নেই
  4. ব্যক্তিগত উপহার দেওয়ার ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
যেখানে লিখিত দলিলের আবশ্যকতা আইনে উল্লেখ নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেখানে লিখিত দলিলের আবশ্যকতা আইনে উল্লেখ নেই
ব্যাখ্যা

⇒  সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৯ ধারার বিধান: মৌখিক হস্তান্তর:
যে সকল ক্ষেত্রে লিখিত হওয়ার আবশ্যকতা আইন দ্বারা প্রত্যক্ষ ভাবে উল্লেখ করা হয় নাই, সে সকল ক্ষেত্রে লিখিত দলিল ছাড়াই সম্পত্তি হস্তান্তর করা যেতে পারে।

- Section 9: Oral transfer:
A transfer of property may be made without writing in every case in which a writing is not expressly required by law.

মৌখিক হস্তান্তর (Oral transfer) :
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৯ ধারায় বলা হয়েছে, যেসকল ক্ষেত্রে লিখিত দলিলের আবশ্যকতা আইনে সুস্পষ্ট ভাবে উল্লেখ করা হয় নাই, সেসকল ক্ষেত্রে লিখিত দলিল ছাড়াই সম্পত্তি হস্তান্তর করা যেতে পারে। রেজিস্ট্রেশন আইন সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের পরিপূরক। সুতরাং যে সকল হস্তান্তরে রেজিস্ট্রেশনের বিধান রয়েছে, তা মৌখিক ভাবে হস্তান্তর করা যায় না। এক্ষেত্রে বলা যায়, যে সকল সম্পত্তির হস্তান্তর লিখিত দলিলের মাধ্যমে হওয়ার প্রয়োজন নেই এবং যে সকল হস্তান্তরের জন্য রেজিস্ট্রেশনের প্রয়োজন নেই সে সকল হস্তান্তর মৌখিক ভাবে করা যায়।

১৮৭.
The Penal Code, 1860 এর ৩২০ ধারা অনুসারে কত শ্রেণির আঘাতকে গুরুতর আঘাত বলা হয়েছে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
♦The Penal Code, 1860 এর ৩২০ ধারা অনুযায়ী ৮ শ্রেণির আঘাতকে গুরুতর আঘাত বলা হয়েছে। যথা:
(i) পুরুষত্বহীনকরণ
(ii) স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ
(iii) স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ
(iv) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন
(v) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির স্থায়ী ক্ষতিকরণ
(vi) মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
(vii) হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা
(viii) কোন ব্যক্তিকে ২০ পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘাত।
১৮৮.
A একটি হারিয়ে যাওয়া দলিলের বিষয়বস্তু মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করতে ইচ্ছুক। দলিলটি যে হারিয়ে গেছে তা প্রমাণ করার দায়ভার-
  1. আদালতের
  2. যে ব্যক্তি হারিয়েছে তার
  3. রেজিস্ট্রাট অফিসারের
  4. A এর উপর
সঠিক উত্তর:
A এর উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A এর উপর
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারা অনুযায়ী দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দেওয়া যেতে পারে যখন মূল দলিলটি বিনষ্ট হয়েছে বা হারিয়ে গেছে[ধারা ৬৫ (গ)]। অর্থাৎ আদালত দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণে মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারে যদি মূল দলিলটি বিনষ্ট বা হারিয়ে যায়। এখন প্রশ্ন হল দলিলটি যে বিনষ্ট বা হারিয়ে গেছে তা প্রমানের দায়িত্ব কার। ১০৪ ধারা অনুযায়ী যে ব্যক্তি দলিলের বিষয়বস্তু মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করতে চায়, তাকে প্রমাণ করতে হবে যে দলিলটি বিনষ্ট হয়েছে বা হারিয়ে গেছে।
১৮৯.
The Contract Act, 1872 অনুসারে প্রতিদানবিহীন সম্মতি বাতিল নয়, যদি সেটি _____ হয়।
  1. ক্ষতির আশংকায়
  2. তামাদি বারিত ঋণ শোধে
  3. লিখিত ও প্রতিশ্রুত
  4. লিখিত কিন্তু অনিবন্ধিত
সঠিক উত্তর:
তামাদি বারিত ঋণ শোধে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তামাদি বারিত ঋণ শোধে
ব্যাখ্যা
• চুক্তি আইনের ২৫ ধারায় বলা হয়েছে, প্রতিদানবিহীন চুক্তি বাতিল। সেই সাথে কতিপয় ক্ষেত্রে প্রতিদান ছাড়াই চুক্তি বৈধ উল্লেখ করা হয়েছে, যেমন-
১. স্বাভাবিক ভালোবাসা ও স্নেহজনিত কারণে গঠিত কোন চুক্তি বৈধ। যেমন, স্বাভাবিক স্নেহ ভালোবাসা হেতু ক তার পুত্র খ-কে ১০০০ টাকা দিতে অঙ্গীকার করে। ক তার এই অঙ্গীকার লিখিত এবং নিবন্ধিত করে। এটা একটি বৈধ চুক্তি, যদিও কোন প্রতিদান নেই।
২. অতীত স্বেচ্ছামূলক সেবার জন্য ক্ষতিপূরণ প্রদানের চুক্তি। যেমন- ক, খ-এর ব্যাগ কুড়িয়ে পায় এবং তাকে অর্পণ করে। খ, ক-কে ৫০ টাকা প্রদানের প্রতিশ্রুতি প্রদান করে। এটা একটি বৈধ চুক্তি। অর্থাৎ উক্তিটি পুরোপুরি সত্য।
৩. তামাদি আইনে বাতিল কোনো ঋণ পরিশোধের অঙ্গীকার। যেমন, ক, খ-এর নিকট ১০০০ টাকা ঋণী কিন্তু ঋণটি তামাদিতে বারিত। উক্ত ঋণের মধ্যে ৫০০ টাকা পরিশোধ করার জন্য খ, ক-কে লিখিত প্রতিশ্রুতি দিলো। এটা একটি চুক্তি।
৪. সম্পত্তি দানের ক্ষেত্রে;
৫. পাওনা আদায়ের দাবি ত্যাগ;
৬. বিনা পারিশ্রমিকে গচ্ছিত দান।
অর্থাৎ তামাদি বারিত ঋণ শোধের ক্ষেত্রে প্রতিদান আবশ্যক নয়।
১৯০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৭ ধারা অনুসারে হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ডাদেশ বা নতুন আদেশ কতজন বিচারক দ্বারা স্বাক্ষরিত হতে হবে?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. ৪ জন
সঠিক উত্তর:
২ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ জন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৭ ধারার বিধান দণ্ডাদেশ বহাল ২ জন বিচারক কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে:
৩৭৬ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ যে দণ্ডাদেশ বহাল রেখে বা নতুন যে শাস্তি বা অন্য যে আদেশ দিবে তা সর্বনিম্ন ২ জন বিচারক কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 377- Confirmation of new sentence to be signed by two Judges:
In every case so submitted, the confirmation of the sentence, or any new sentence or order passed by the High Court Division, shall, when such Court consists of two or more judges, be made, passed and signed by at least two of them.

১৯১.
এস. এ (S.A) খতিয়ান তৈরির কাজ কোন জেলা থেকে শুরু হয়?
  1. কক্সবাজার
  2. দিনাজপুর
  3. পটুয়াখালী
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী
ব্যাখ্যা
⇒ এস. এ খতিয়ান:
পাকিস্তান আমলে ১৯৫০ সালে রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের চতুর্থ অধ্যায় এর ১৭ হতে ৩১ দ্বারা মতে ১৯৫৬-৬০ সালের দিকে যে খতিয়ান তৈরি করা হয় তাকে এস. এ (State Acquision) খতিয়ান বলে।
- এটা করতে The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১৭ ধারার অধীন State Acquisition Survey এর উপর ভিত্তি করে এস.এ খতিয়ান তৈরী করা হয়েছিল। তাই এই খতিয়ানকে এস.এ খতিয়ান বলা হয়।
- এটা ১৯৫৪ সালে পটুয়াখালীতে শুরু হয়ে ১৯৬৫ সালে ফরিদপুরে শেষ হয়েছিল।
১৯২.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২০ অনুযায়ী, সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার সাথে জড়িত থাকার জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছরের কারাদণ্ড ও ৫০ লাখ টাকা জরিমানা
  2. ২ বছরের কারাদণ্ড ও ১ কোটি টাকা জরিমানা
  3. ২ বছরের কারাদণ্ড ও ২ কোটি টাকা জরিমানা
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড ও ৫ কোটি টাকা জরিমানা
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড ও ১ কোটি টাকা জরিমানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড ও ১ কোটি টাকা জরিমানা
ব্যাখ্যা

⇒ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২০(২) এর বিধান অনুসারে: (২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
সুতরাং, সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি হলো—দুই বছরের কারাদণ্ড এবং এক কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে বা উভয় দণ্ড একসাথে প্রযোজ্য হতে পারে।
অতএব, সঠিক উত্তর খ) ২ বছরের কারাদণ্ড ও ১ কোটি টাকা জরিমানা।

⇒ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২০: সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার অপরাধ ও দণ্ড:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার নিমিত্ত কোনো পোর্টাল বা অ্যাপস বা ডিভাইস তৈরি করেন বা পরিচালনা করেন বা জুয়া খেলায় অংশগ্রহণ করেন বা খেলায় সহায়তা বা উৎসাহ প্রদান করেন বা উৎসাহ প্রদানের জন্য বিজ্ঞাপনে অংশগ্রহণ এবং প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রচার বা বিজ্ঞাপিত করেন তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।
(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

১৯৩.
ধারা ৮৯ক এর অধীন শারীরিক বা ফরেনসিক সাক্ষ্যের ক্ষেত্রে আদালত-
  1. কোনো অনুমান করবে না
  2. শুধুমাত্র সাক্ষ্য সম্পর্কে অনুমান করতে পারে
  3. যে সংগ্রহ করেছে, তার সম্পর্কে আদালত অনুমান করতে পারে
  4. যার থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে, তার সম্পর্কে আদালত অনুমান করতে পারে
সঠিক উত্তর:
যার থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে, তার সম্পর্কে আদালত অনুমান করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যার থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে, তার সম্পর্কে আদালত অনুমান করতে পারে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৮৯ক: শারীরিক বা ফরেনসিক সাক্ষ্য হিসাবে অনুমান:

আদালত অনুমান করতে পারে যদি না বিপরীত প্রমাণিত হয় যে, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণগুলি সেই ব্যক্তির অন্তর্গত বা তৈরি করা হয়েছে যার কাছ থেকে এটি সংগ্রহ করা হয়েছে।
[The court may presume, unless the contrary is proved, that the physical or forensic evidence was contained in or made by the person from whom it was obtained.]

অর্থাৎ শারীরিক বা ফরেনসিক সাক্ষ্য যার থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে, তার সম্পর্কে আদালত অনুমান করতে পারে।
১৯৪.
একদিন সকালে 'ক' তার ভাই 'খ' এর ঘরে প্রবেশ করে দেখে 'গ' এর মৃতদেহ পড়ে আছে, পাশে 'খ' রক্তমাখা ছুরি হাতে দাঁড়িয়ে আছে। অতঃপর 'ক', 'খ' থেকে জানতে পারে, 'গ' তার পাওনা টাকা পরিশোধ করার জন্য বলায় 'খ' তাকে খুন করে। তা শুনে 'ক' ছুরিটা নিয়ে বাড়ির পাশের পুকুরে ফেলে দেয়। এক্ষেত্রে 'ক' দণ্ডবিধির অধীন সর্বোচ্চ কী শাস্তি পেতে পারে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. সাত বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. দশ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
সাত বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাত বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২০১ ধারা- অপরাধের সাক্ষ্য প্রমাণের বিলোপসাধন অথবা অপরাধীকে অব্যাহতি দেওয়ার মিথ্যা খবর দেওয়া:

কোন ব্যক্তি যদি কোন অপরাধীকে আইনের সাজা হতে বাঁচাবার উদ্দেশ্যে, কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানা সত্ত্বেও অথবা অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও, সে অপরাধটি সংঘটনের কোন সাক্ষ্য বা প্রমাণ বিলুপ্ত করে বা করায়, অথবা সে উদ্দেশ্য নিয়ে সে অপরাধটি সম্পর্কে কোন খবর দেয়, যা সে মিথ্যা বলে জানে অথবা যা মিথ্যা বলে তার বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে, তখন-

যদি অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়: যদি, যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে সে জানে বা যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে তার বিশ্বাস সে অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে;

যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়: এবং যদি অপরাধটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে;

যদি দশ বৎসর অপেক্ষা কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়: এবং যদি অপরাধটি দশ বৎসর অপেক্ষা কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য যে ধরনের (সম্ভ্রম অথবা বিনাশ্রম) কারাদণ্ডের বিধান করা হয়েছে, সে ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং অপরাধটির জন্য দীর্ঘতম যে মেয়াদের কারাদণ্ডের বিধান করা হয়েছে, তার কারাদণ্ডের মেয়াদ উহার এক চতুর্থাংশ পর্যন্ত যেকোন দৈর্ঘ্যের হবে, অথবা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

যেহেতু 'খ' খুনের অপরাধ করেছে এবং তা ৩০২ ধারার অধীন মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয়, সেহেতু 'ক' সর্বোচ্চ সাত বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
১৯৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪-এর অধীনে পুলিশ ওয়ারেন্ট ছাড়া কত প্রকারের ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করতে পারে?
  1. ৭ প্রকার
  2. ৯ প্রকার
  3. ১১ প্রকার
  4. ১৩ প্রকার
সঠিক উত্তর:
১১ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ প্রকার
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৪(১) অনুসারে পুলিশ ওয়ারেন্ট ছাড়া মোট ১১ প্রকার ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারে। ধারায় এই ১১টি ক্ষেত্র স্পষ্টভাবে "firstly" থেকে "eleventhly" পর্যন্ত উল্লেখ করা হয়েছে: 
- ১১টি ক্ষেত্র হল:
প্রথমত: পুলিশ অফিসারের উপস্থিতিতে অধিগ্রহণযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারী। 
দ্বিতীয়ত: সাত বছর বা তার কম কারাদণ্ডের অপরাধে অভিযুক্ত (কিছু শর্তসাপেক্ষে)। 
তৃতীয়ত: সাত বছরের বেশি কারাদণ্ড বা মৃত্যুদণ্ডের অপরাধে অভিযুক্ত। 
চতুর্থত: বেআইনিভাবে গৃহভঙ্গির সরঞ্জাম বহনকারী। 
পঞ্চমত: এই সংহিতা বা সরকারি আদেশে অপরাধী হিসেবে ঘোষিত ব্যক্তি। 
ষষ্ঠত: চোরাই মাল বহনকারী সন্দেহভাজন। 
সপ্তমত: পুলিশ অফিসারকে দায়িত্ব পালনে বাধাদানকারী বা আইনানুগ হেফাজত থেকে পলাতক।
অষ্টমত: বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী থেকে পলাতক সন্দেহভাজন। 
নবমত: বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধে জড়িত (যা বাংলাদেশে সংঘটিত হলে অপরাধ হত)। 
দশমত: ধারা ৫৬৫(৩) এর অধীন প্রণীত নিয়ম ভঙ্গকারী মুক্তিপ্রাপ্ত আসামি। 
একাদশত: অন্য পুলিশ অফিসার গ্রেফতারের requisition প্রাপ্ত ব্যক্তি।
অতএব, ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৫৪-এর অধীনে পুলিশ ওয়ারেন্ট ছাড়া ১১ প্রকার ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারে।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure,1898-Section- 54.  When police may arrest without warrant:
(1) Any police-officer may, without an order from a Magistrate and without warrant, arrest-
firstly, any person who commits, in the presence of a police-officer, a cognizable offence;
secondly, any person against whom a reasonable complaint has been made, or credible information has been received, or a reasonable suspicion exists that he has committed a cognizable offence punishable with imprisonment for a term which may be less than seven years or which may extend to seven years, whether with or without fine, if the following conditions are satisfied, namely:-
    (i) the police-officer has reason to believe, on the basis of such complaint, information, or suspicion that such person has committed the said offence; and
    (ii) the police-officer is satisfied that such arrest is necessary-
        (a) to prevent such person from committing any further offence; or
        (b) for proper investigation of the offence; or
        (c) to prevent such person from causing the evidence of the offence to disappear or tampering with such evidence in any manner; or
        (d) to prevent such person from making any inducement, threat or promise to any person acquainted with the facts of the case so as to dissuade him from disclosing such facts to the Court or to the police-officer; or
        (e) as unless such person is arrested, his presence in the Court whenever required cannot be ensured;
            and the police-officer shall record while making such arrest, his reasons in writing:
            Provided that a police-officer shall, in all cases where the arrest of a person is not required under the provisions of this sub-section, record the reasons in writing for not making the arrest;
thirdly, any person against whom credible information has been received that he has committed a cognizable offence punishable with imprisonment for a term which may extend to more than seven years whether with or without fine, or with death sentence and the police-officer has reason to believe, on the basis of that information, that such person has committed the said offence;
fourthly, any person having in his possession without lawful excuse, the burden of proving which excuse shall lie on such person, any implement of house breaking;
fifthly, any person who has been proclaimed as an offender either under this Code or by order of the Government;
sixthly, any person in whose possession anything is found which may reasonably be suspected to be stolen property and who may reasonably be suspected of having committed an offence with reference to such thing;
seventhly, any person who obstructs a police-officer while in the execution of his duty, or who has escaped, or attempts to escape, from lawful custody;
eighthly, any person who is reasonably suspected of being a deserter from the armed forces of Bangladesh;
ninthly, any person who has been concerned in, or against whom a reasonable complaint has been made or credible information has been received or a reasonable suspicion exists of his having been concerned in, any act committed at any place out of Bangladesh, which, if committed in Bangladesh, would have been punishable as an offence, and for which he is, under any law relating to extradition, or otherwise, liable to be apprehended or detained in custody in Bangladesh;
tenthly, any released convict committing a breach of any rule made under section 565, sub-section (3);
eleventhly, any person for whose arrest a requisition, has been received from another police-officer, provided that the requisition specifies the person to be arrested and the offence or other cause for which the arrest is to be made and it appears therefrom that the person might lawfully be arrested without a warrant by the officer who issued the requisition.

(2) No police-officer shall arrest a person under this section for the purpose of detaining him under any law providing for preventive detention.

১৯৬.
Vis Major-এর সাথে সবচেয়ে নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত আইনি নীতি কোনটি?
  1. Force Majeure
  2. Strict Liability
  3. Res Ipsa Loquitur
  4. Volenti Non Fit Injuria
সঠিক উত্তর:
Force Majeure
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Force Majeure
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ক) Force Majeure.
⇒ "Vis Major" (Act of God) এবং "Force Majeure" দুটি আইনি ধারণা যা অনাকাঙ্ক্ষিত ও অনিয়ন্ত্রণযোগ্য ঘটনাবলির কারণে দায়মুক্তির সাথে সম্পর্কিত। এদের মধ্যে গভীর সম্পর্ক রয়েছে:
১. Vis Major (Act of God): 
- প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন: বন্যা, ভূমিকম্প, সুনামি, বজ্রপাত ইত্যাদি।
- মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে এবং অপ্রত্যাশিত ঘটনা।
- দায়মুক্তির শর্ত: ঘটনাটি অনিবার্য এবং যেকোনো রকম সতর্কতা অবলম্বন করলেও এড়ানো সম্ভব ছিল না।
২. Force Majeure:
- Vis Major-এর চেয়ে বিস্তৃত ধারণা।
- প্রাকৃতিক দুর্যোগ (Vis Major) + মানবসৃষ্ট দুর্যোগ যেমন: যুদ্ধ, দাঙ্গা, সরকারি নিষেধাজ্ঞা, শ্রমিক ধর্মঘট ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত।
- চুক্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হয় (যেমন: "Force Majeure Clause")।
৩. সম্পর্ক: Vis Major, Force Majeure-এর একটি উপসেট। সব Act of God, Force Majeure-এর অন্তর্ভুক্ত, কিন্তু সব Force Majeure ঘটনা Act of God নয়।

অন্যান্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
খ) Strict Liability: এটি একটি দায় নির্ধারণ সংক্রান্ত নীতি, যেখানে কোনো অবহেলা প্রমাণ ছাড়াই ক্ষতির জন্য দায়ী করা হয়। Vis Major কখনও কখনও এর একটি প্রতিরক্ষা হিসেবে কাজ করতে পারে, কিন্তু নীতি দুটি মূলত ভিন্ন।
গ) Res Ipsa Loquitur: এটি একটি আইনি প্রমাণের নীতি ("ঘটনাই কথা বলে"), যা অবহেলা প্রমাণের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি Vis Major-এর সাথে সম্পর্কিত নয়।
ঘ) Volenti Non Fit Injuria: এটি একটি প্রতিরক্ষামূলক নীতি ("স্বেচ্ছায় ঝুঁকি গ্রহণকারীর ক্ষতি হয় না"), যা সম্মতি ও ঝুঁকির উপর ভিত্তি করে কাজ করে। এটিও Vis Major-এর থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন ধারণা।

- অর্থাৎ Vis Major এবং Force Majeure উভয়ই অপ্রত্যাশিত বা প্রাকৃতিক বিপর্যয়, যেমন প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা যুদ্ধের পরিস্থিতিকে বোঝায় যা কোনো পক্ষের জন্য চুক্তির শর্ত পূরণ করতে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

১৯৭.
দায়রা আদালত সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণের জন্য তারিখ নির্ধারণ করবে-
  1. যখন অভিযুক্ত অপরাধ স্বীকার করতে অস্বীকার করে
  2. যখন অভিযুক্ত বিচার প্রার্থনা করে
  3. অভিযুক্ত কর্তৃক দোষ স্বীকারের পর
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
দায়রা আদালতে বিচার চলাকালীন যখন অভিযুক্ত অপরাধ অস্বীকার করে বা বিচার প্রার্থনা করে, তখন আদালত সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণের জন্য তারিখ নির্ধারণ করবে।

• ফৌজদারি মামলার বিচার ২ ধরনের আদালতে হয়-
> ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (ধারা ২৪১ থেকে ২৫০) এবং
> দায়রা আদালতে (ধারা ২৬৫ক থেকে ২৬৫জ)

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫ঘ অনুসারে,দায়রা আদালত চার্জ গঠনের সময় অভিযুক্তকে প্রশ্ন করবে যে, যেই অপরাধের জন্য তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হচ্ছে তা স্বীকার করে কিনা। যদি স্বীকার করে তাহলে তাকে ২৬৫ঙ ধারায় দন্ডিত করতে পারেন। এটি আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা। 

• ফৌজদারি কার্যবিধি ২৬৫চ ধারা-
যদি অভিযুক্ত অপরাধ স্বীকার করতে অস্বীকার করে বা বিচার প্রার্থনা করে বা ২৬৫ঙ ধারায় দন্ডিত হয় না তাহলে আদালত চার্জ গঠন করে,সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণের জন্য তারিখ নির্ধারণ করবে এবং রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে যেকোন সাক্ষীকে হাজির হতে বা কোন দলিল বা অন্য কিছু আদালতে উপস্থিত করতে বাধ্য করতে যেকোনো প্রসেস ইস্যু(সমন বা ওয়ারেন্ট জারি) করতে পারে।

Section 265F: Date for prosecution evidence
If the accused refuses to plead, or does not plead, or claims to be tried or is not convicted under section 265E, the Court shall fix a date for the examination of witnesses, and may, on the application of the prosecution, issue any process for compelling the attendance of any witness or the production of any document or other thing.
১৯৮.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী একই ধরনের কয়টি অপরাধ এক বছরের মধ্যে হলে একত্রে অভিযোগ গঠন করা যাবে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৪ অনুসারে, একই ধরনের তিনটি অপরাধ এক বছরের মধ্যে হলে একত্রে অভিযোগ গঠন করা যাবে-
- যখন কোন ব্যক্তি একই ধরণের একাধিক অপরাধে অভিযুক্ত হয় এবং অপরাধগুলি প্রথম অপরাধ হতে শেষ অপরাধ পর্যন্ত বারো মাস সময়ের মধ্যে সংঘটিত হয়, তখন অপরাধগুলি একই ব্যক্তি সম্পর্কিত হোক বা না হোক,তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ৩টি অপরাধের জন্য অভিযোগ গঠন করা যেতে পারে এবং একটিমাত্র মামলায় বিচার করা যাবে।অপরাধগুলি যখন দণ্ডবিধি বা কোন বিশেষ বা স্থানীয় আইনের একই ধারানুসারে, একই পরিমাণ দণ্ডে দণ্ডনীয় হয় তখন উক্ত অপরাধগুলিকে একই ধরণের বলে গণ্য করতে হবে।

তবে শর্ত এই যে,এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারায় দণ্ডনীয় অপরাধকে উক্ত বিধির ৩৮০ ধারায় দণ্ডনীয় অপরাধের সঙ্গে একই ধরণের বলে গণ্য করতে হবে এবং দণ্ডবিধি বা কোন বিশেষ বা স্থানীয় আইনের যেকোন ধারায় দণ্ডনীয় কোন অপরাধের মত এরূপ অপরাধের চেষ্টা,একই ধরণের অপরাধ বলে গণ্য করতে হবে যখন এরূপ চেষ্টা একটি অপরাধ হয়।
-----------------------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 234: Three offences of same kind within year may be charged together:
(1) When a person is accused of more offences than one of the same kind committed within the space of twelve months from the first to the last of such offences, whether in respect of the same person or not, he may be charged with, and tried at one trial for, any number of them not exceeding three. 
(2) Offences are of the same kind when they are punishable with the same amount of punishment under the same section of the Penal Code or of any special law: 
 
Provided that, for the purpose of this section, an offence punishable under section 379 of the Penal Code shall be deemed to be an offence of the same kind as an offence punishable under section 380 of the said Code, and that an offence punishable under any section of the Penal Code, or of any special or local law, shall be deemed to be an offence of the same kind as an attempt to commit such offence, when such an attempt is an offence.
১৯৯.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী নিম্নের কোন ঘটনা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাবে?
  1. প্রাসঙ্গিক ঘটনা
  2. বিচার্য ঘটনা
  3. সম্ভাব্য ঘটনা
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫ ধারার বিধান বিচার্য ঘটনা ও প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাইতে পারে:

⇒ কোন মামলায় বা কার্যক্রমে বিচার্য প্রত্যেক বিষয়ের এবং এই আইনের অতঃপর যে সকল বিষয় প্রাসঙ্গিক বলিয়া ঘোষিত হইয়াছে তাহাদের অস্তিত্ব বা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাইতে পারে। ইহা ভিন্ন অন্য কোন বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাইবে না।

⇒ ব্যাখ্যাঃ দেওয়ানী কার্যবিধি সম্পর্কে বর্তমান প্রচলিত কোন আইন অনুসারে কোন ব্যাক্তি যে বিষয় প্রমাণ করার অধিকার নহে, এই ধারা অনুসারে সেই ব্যাক্তি সেই বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য দিতে পারে না।

--------------
⇒ Evidence may be given of facts in issue and relevant facts:

Section 5. Evidence may be given in any suit or proceeding of the existence or non-existence of every fact in issue and of such other fact as are hereinafter declared to be relevant, and of no others. 
 
Explanation.-This section shall not enable any person to give evidence of a fact which he is disentitled to prove by any provision of the law for the time being in force relating to Civil Procedure.
২০০.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৫৪ ধারা অনুযায়ী পুলিশ কয়টি ক্ষেত্রে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে?
  1. ১০
  2. ১১
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৪ ধারায় পুলিশ ৯টি ক্ষেত্রে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে-
 
⇒ কোন আমলযোগ্য অপরাধের সাথে জড়িত আছে মর্মে সন্দেহ হলে;
⇒ ঘর ভাঙ্গার সরঞ্জাম পেলে;
⇒ অপরাধী ঘোষিত হলে;

⇒ চোরাই মাল পাওয়া গেলে;
⇒ পুলিশ অফিসারের কাজে বাধা দিলে, আইনসঙ্গত হেফাজত থেকে পলায়নের চেষ্টা বা পলায়ন করলে;
⇒ সশস্ত্র বাহিনী হতে পলায়ন করলে;
 
⇒ বাংলাদেশের বাইরে বাংলাদেশের আইনে আমলযোগ্য অপরাধ করলে;
⇒ মুক্তিপ্রাপ্ত আসামি ৫৬৫(৩) ধারা ভঙ্গ করলে;
⇒ যাকে গ্রেফতারের জন্য অনুরোধ রয়েছে।