বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ১২৫ / ১৫৫ · ১২,৪০১১২,৫০০ / ১৫,৪৭০

১২,৪০১.
আইনজীবি নয় এমন ব্যক্তি আইনচর্চা করলে তার শাস্তি The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী হবে?
  1. ৩৬
  2. ৩৭
  3. ৪০
  4. ৪১
সঠিক উত্তর:
৪১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১
ব্যাখ্যা
♠♠
• বার কাউন্সিল অর্ডারের অনুচ্ছেদ ৪১ অনুসারে আইনজীবি নয় এমন ব্যক্তির আইনচর্চা করলে তার শাস্তির বিধান বলা আছে।
• এই ক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তির শাস্তি হবে সর্বোচ্চ ছয় মাস।
১২,৪০২.
আদালত সাধারণত কোন ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে আংশিক কার্যসম্পাদানের আদেশ দিতে পারে?
  1. যেখানে অসম্পাদিত অংশ চুক্তির স্বতন্ত্র অংশ
  2. যেখানে অসম্পাদিত অংশ সমগ্র চুক্তির তুলনায় ছোট
  3. যেখানে অসম্পাদিত অংশ সমগ্র চুক্তির তুলনায় বড়
  4. ক' ও 'খ' উভয়
সঠিক উত্তর:
ক' ও 'খ' উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক' ও 'খ' উভয়
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারার বিধান কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, যার মধ্যে একটা বৃহত্তর, অন্যটা ক্ষুদ্রতর এবং চুক্তিভুক্ত এক পক্ষ যদি বৃহত্তর অংশটুকু পালন করতে সমর্থ হয় এবং ক্ষুদ্রতর অংশটি অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য হয়; তাহলে আদালত চুক্তিভুক্ত যে কোন এক পক্ষের মামলা দায়েরক্রমে বৃহত্তর অংশটি সুনির্দিষ্টিভাবে সম্পাদনের, এবং ক্ষুদ্রতর অংশটির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারবেন।
সুতরাং সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারামতে কোন চুক্তির অসম্পাদিত অংশ ছোট হলে, আদালত ঐ চুক্তির সম্পাদনযোগ্য বৃহত্তর অংশের জন্য সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আদেশ এবং বাকী অংশের জন্য ক্ষতিপূরণের আদেশ দিবে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৫ ধারার বিধান কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, যার মধ্যে একটা বৃহত্তর, অন্যটা ক্ষুদ্রতর অংশ এবং চুক্তিভুক্ত এক পক্ষ যদি বৃহত্তর অংশটি পালন করতে সমর্থ না হয় কিংবা ঐ অংশটি অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য না হয়, তাহলে ঐ পক্ষ চুক্তিটির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের ডিক্রি লাভের অধিকারী হবে না। তবে চুক্তির বৃহত্তর অংশ সম্পাদনের এবং ক্ষতিপূরণ লাভের সমস্ত অধিকার ত্যাগ করলে আদালত বিবাদীকে ক্ষুদ্রতর অংশটি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের নির্দেশ দিতে পারবে।
→ সুতরাং সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৫ ধারামতে কোন চুক্তির অসম্পাদিত অংশ বড় হলে, সাধারণত ঐ চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আদেশ দেয়া যায় না, তবে বাদী ক্ষতিপূরণের দাবি পরিত্যাগ করলে যতটুকু অংশ সম্পাদনযোগ্য তা সুনির্দিষ্ট সম্পাদনের আদেশ দিতে পারেন।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৬ ধারার বিধান কোন চুক্তির স্বাতন্ত্র্য অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনঃ যখন চুক্তির একটি অংশের স্বাতন্ত্র্যভাবে সুনির্দিষ্টভাবে কাজ সম্পাদন করা যায় বা করা আবশ্যক হয় এবং তা একই চুক্তির এমন অন্য অংশ হতে স্বাতন্ত্র্য এবং স্বাধীনভাবে অবস্থান করে যা সুনির্দিষ্টভাবে অবস্থান করে যা সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করা যাবে না বা করা আবশ্যক নহে, তাহলে আদালত পূর্ববর্তী অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।
→  সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৬ ধারামতে কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, একটি অংশ আপনা-আপনি সুনির্দিষ্টিভাবে সম্পাদনযোগ্য এবং অপর অংশটি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনযোগ্য নয় এবং প্রথম অংশটি দ্বিতীয় অংশ থেকে ভিন্ন ও স্বাধীন (Separate and independent) হয়, তাহলে আদালত ঐ চুক্তির প্রথম অংশটি সুনির্দিষ্টিভাবে পালনের নির্দেশ দিতে পারবে।

১২,৪০৩.
‘দণ্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রম সহ যেকোনো ব্যতিক্রম প্রমাণের দায়িত্ব আসামির’ এটি কোথায় উল্লেখ করা আছে?
  1. সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির চতুর্থ অধ্যায়
  3. দণ্ডবিধির ১০৫ ধারায়
  4. কোনটাই নয়
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারায় অনুসারে সাধারণ ব্যতিক্রম সহ ব্যতিক্রম ভ্রমণের দায়িত্ব আসামি উপর বর্তায়। ব্যতিক্রম প্রমাণের ভার (Burden of Proof of Exceptions) সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি যদি দাবি করে তার কার্য বা কার্যবিরতি দণ্ডবিধির ৭৬ থেকে ১০৬ ধারায় উল্লেখিত কোন সাধারণ ব্যতিক্রমের মধ্যে পড়ে, তবে তা প্রমাণের ভার উক্ত ব্যক্তির উপর বর্তায়।
১২,৪০৪.
The Evidence Act, 1872 অনুসারে স্বীকৃতি হলো স্বীকৃত বিষয় সম্পর্কে ________।
  1. চূড়ান্ত প্রমাণ নয়
  2. চূড়ান্ত প্রমাণ
  3. প্রামাণ্য প্রমাণ নয়
  4. সাধারণ প্রমাণ
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্ত প্রমাণ নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্ত প্রমাণ নয়
ব্যাখ্যা
ধারা: ৩১ মতে স্বীকৃতি চুড়ান্ত প্রমাণ নহে; তবে প্রমাণে প্রতিবন্ধ সৃষ্টি করিতে পারে।

স্বীকৃতি স্বীকৃত বিষয় সম্পর্কে চূড়ান- প্রমাণ নহে। তবে তাহা এই আইনের বর্ণিত বিধান সমূহ অনুসারে প্রতিবন্ধ হিসাবে কার্যকারী হইতে পারে।
১২,৪০৫.
কত ধারার বিধান মতে কোন থানার স্থানীয় সীমার মধ্যে মিথ্যা ওজন, পরিমাপ বা ওজনের যন্ত্রপাতি রক্ষিত থাকলে, ঐ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পরিদর্শন বা তল্লাশীর জন্য বিনা পরোয়ানায় উক্ত স্থানে প্রবেশ করতে পারবেন?
  1. ১৫০ ধারার
  2. ১৫২ ধারার
  3. ১৫১ ধারার
  4. ১৫৩ধারার
সঠিক উত্তর:
১৫৩ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৩ধারার
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৩ ধারা মতে কোন থানার স্থানীয় সীমার মধ্যে মিথ্যা ওজন, পরিমাপ বা ওজনের যন্ত্রপাতি রক্ষিত থাকলে, ঐ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উক্ত ওজন, পরিমাপ বা ওজনের যন্ত্রপাতি পরিদর্শন বা তল্লাশীর জন্য বিনা পরোয়ানায় উক্ত স্থানে প্রবেশ করতে পারবেন।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৩ ধারার বিধান ওজন ও পরিমাপের সরঞ্জাম পরীক্ষাঃ (১) কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা যেক্ষেত্রে যৌক্তিকভাবে মনে করেন যে, তাঁর থানার সীমার মধ্যে অবস্থিত কোন জায়গায় এরূপ ওজন, পরিমাপ বা ওজনের যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয় বা রক্ষিত হয়, যা খাঁটি নহে, সেক্ষেত্রে তিনি ওজন, পরিমাণ বা ওজনের যন্ত্রপাতি পরিদর্শন বা তল্লাশির লক্ষ্যে বিনা পরোয়ানায় উক্ত স্থানে ঢুকতে পারবেন।

(২) উক্ত স্থানে তিনি যদি এরূপ কোন বাটখারা, পরিমাপ বা ওজনের যন্ত্রপাতি তাঁর দৃষ্টিতে পড়ে, যাহা খাঁটি নহে, সেক্ষেত্রে তিনি তা আটক করতে পারবেন এবং সাথে সাথে অধিক্ষেত্রসম্পন্ন কোন ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর উক্ত আটকের সংবাদ দিবেন।

-------------------------
♦ Section 153. Inspection of weights and measures: (1) Any officer in charge of a police- station may, without a warrant, enter any place within the limits of such station for the purpose of inspecting or searching for any weights or measures or instruments for weighing, used or kept therein, whenever he has reason to believe that there are in such place any weights, measures or instruments for weighing which are false.

(2) If he finds in such place any weights, measures or instruments for weighing which are false, he may seize the same, and shall forthwith give information of such seizure to a Magistrate having jurisdiction.
১২,৪০৬.
‘ক’ চুক্তি করে যে, ‘খ’-এর কারখানা বন্যার পানিতে ডুবে গেলে সে ‘খ’-কে ৫০,০০০ টাকা ক্ষতিপূরণ দেবে। এটি কী ধরনের চুক্তি? 
  1. A contingent contract
  2. A contract of bailment
  3. A contract of guarantee
  4. A contract of partnership
সঠিক উত্তর:
A contingent contract
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A contingent contract
ব্যাখ্যা

⇒ The Contract Act, 1872: ধারা ৩১- ঘটনা-নির্ভর চুক্তি (Contingent Contact):
কোনো চুক্তির আনুষঙ্গিক [Collateral] কোনো ঘটনা সংঘটিত হলে বা না হলে, কোনো কিছু করা বা বিরত থাকার চুক্তিই হচ্ছে:- ঘটনা-নির্ভর চুক্তি। অর্থাৎ, ভবিষ্যতে কোনো কিছু ঘটা বা না ঘটার উপরে চুক্তি নির্ভর করলে তাকেই Contingent Contract বলে।

উদাহরণ:
ক-এর বাড়ি পুড়ে গেলে খ, ক-কে ১০,০০০ টাকা দিবে। এটি ঘটনা-নির্ভর চুক্তি।

- প্রদত্ত প্রশ্নে, 'ক' চুক্তি করেছে যে 'খ'-এর কারখানা বন্যার পানিতে ডুবে গেলে সে 'খ'-কে ৫০,০০০ টাকা ক্ষতিপূরণ দেবে।
- এখানে "কারখানা বন্যার পানিতে ডুবে যাওয়া" একটি ভবিষ্যতের আনুষঙ্গিক ঘটনা, যার উপর চুক্তিটি শর্তযুক্ত।
- এটি ধারা ৩১-এ দেওয়া উদাহরণের (A contracts to pay B Taka 10,000 if B's house is burnt) সাথে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ।
সুতরাং, এটি একটি ঘটনা-নির্ভর চুক্তি (Contingent Contract)।

⇒ The Contract Act, 1872, Section-31. "Contingent contract" defined: 
A "contingent contract" is a contract to do or not to do something, if some event, collateral to such contract, does or does not happen.

Illustration:
A contracts to pay B Taka 10,000 if B's house is burnt. This is a contingent contract.

১২,৪০৭.
দণ্ডবিধির ৩০০ ধারায় কয়টি ব্যতিক্রমের কথা উল্লেখ আছে?
  1. ২টি
  2. ৪টি
  3. ৩টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার বিধান খুন:- খুনের সবক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নির্দেশ করা হয়েছে। সে সকল ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন হবে, যদি যে কার্যটি কর্তৃক মৃত্যু অনুষ্ঠিত হয়, সে কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের জন্যই করা হয়ে থাকে, অথবা
দ্বিতীয়ত, যদি কার্যটি কোন ব্যক্তিকে এমনভাবে দৈহিক আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকে, যে আঘাতের ফলে যে ব্যক্তিকে আঘাত দেওয়া হল, সে ব্যক্তির মৃত্যু হতে পারে বলে অপরাধী জানে, অথবা
তৃতীয়ত, যদি কোন ব্যক্তিকে দৈহিক আঘাত দানের উদ্দেশ্যে কার্যটি করা হয় এবং যদি যে দৈহিক আঘাত দেওয়ার অভিসন্ধি করা হয়েছে, সে আঘাতটি প্রকৃতির স্বাভাবিক গতিতে মৃত্যু ঘটাবার পক্ষে যথেষ্ট হয়, অথবা
চতুর্থত, যদি যে ব্যক্তি কার্যটি অনুষ্ঠান করে সে ব্যক্তি জানে যে, কার্যটি এমন আশু বিপজ্জনক যে, ইহার দরুণ খুব সম্ভব মৃত্যু ঘটবে, অথবা ইহার দরুণ অবশ্যই এমন দৈহিক আঘাত ঘটবে, যার ফলে মৃত্যু ঘটতে পারে এবং মৃত্যু ঘটাবার বা অনুরূপ দৈহিক আঘাত ঘটাবার ঝুঁকি গ্রহণের অপর কোন অজুহাত ব্যতিরেকে অনুরূপ কার্য করে।

ব্যতিক্রম ১:- যেক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন পরিগণিত হবে নাঃ- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি মারাত্মক ও আকস্মিক প্ররোচনার ফলে অপরাধী আত্ম-সংযমশক্তি হারাইয়া ফেলে এবং যে ব্যক্তি প্ররোচনা দান করেছে, সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় অথবা ভুলক্রমে বা দুর্ঘটনাক্রমে অপর কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়।
উপরোক্ত ব্যতিক্রমটি নিম্নোক্ত শর্তাবলী সাপেক্ষে:-
প্রথমত, প্ররোচনাটি কোন ব্যক্তিকে হত্যা করার বা তার ক্ষতি সাধনের অজুহাতস্বরূপ অপরাধী কর্তৃক স্বয়ং প্রার্থীত বা প্ররোচিত হতে পারবে না।
দ্বিতীয়ত, উক্ত প্ররোচনাটি আইনানুসারে কৃত কোন কার্য দ্বারা বা কোন সরকারী কর্মচারীর সরকারী কর্মচারী হিসেবে যথাযোগ্য ক্ষমতাবলীর আইনসম্মত প্রয়োগসঞ্জাত হতে পারবে না।
তৃতীয়ত, প্ররোচনা আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারের আইনসম্মত প্রয়োগক্রমে সম্পাদিত কোন কার্য পালন হতে পারবে না।
ব্যাখ্যা:- প্ররোচনাটি এমন মারাত্মক ও আকস্মিক ছিল কিনা, যার ফলে অপরাধটি খুনের শামিল হবে না, তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন।
ব্যতিক্রম ২:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধী সরল মনে তার আত্মরক্ষার অথবা সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার প্রয়োগক্রমে তাকে আইন প্রদত্ত ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং যার বিরুদ্ধে সে এই অধিকার প্রয়োগ করে, কোনরূপ পূর্ব-পরিকল্পনা ব্যতীত অথবা অনুরূপ অধিকার রক্ষার জন্য যতটুকু ক্ষতিসাধন করা আবশ্যক, তদপেক্ষা বেশি ক্ষতি সাধনের ইচ্ছা ব্যতিরেকে, তার মৃত্যু ঘটায়।
ব্যতিক্রম ৩:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি দোষী একজন সরকারী কর্মচারী হিসেবে অথবা সরকারী কর্মচারীর সহায়তাকারী হিসেবে তাকে প্রদত্ত আইনানুগ ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং এমন একটি কাজ সম্পাদন করে মত্যু ঘটায়, যা সে অনুরূপ সরকারী কর্মচারীর দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করার জন্য আবশ্যকীয় ও আইনসম্মত বলে সরল মনে বিশ্বাস করে এবং সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটলে তার প্রতি কোনরূপ দুরভিসন্ধি ছাড়াই কার্যটি করে।
ব্যতিক্রম ৪:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধটি কোন আকস্মিক বিবাদের সময় আকস্মিক উত্তেজনার কারণে কোনরূপ পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়াই সংঘটিত হয় এবং অপরাধী কোন অন্যায় সুযোগ গ্রহণ না করে থাকে অথবা নিষ্ঠুরভাবে বা অস্বাভাবিকভাবে কার্য না করে থাকে।
ব্যাখ্যা:- এইরূপ ক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রথম উস্কানি দেয় বা প্রথম আঘাত করে, তা আদৌ গুরুত্বপূর্ণ নয়।
ব্যতিক্রম ৫:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি সে ব্যক্তির মৃত্যু হয়, সে ব্যক্তি আঠারো বৎসরের উর্ধ্ব বয়স্ক হলে স্বেচ্ছায় স্বীয় সম্মতিক্রমে মৃত্যুবরণ করে বা মৃত্যুর ঝুঁকি গ্রহণ করে।
⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার ২য় অংশ বা ব্যতিক্রম (Exception) অনুযায়ী ৫টি ক্ষেত্রে নিন্দনীয় নরহত্যা খুন বলে গণ্য হবে না।
অর্থাৎ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারায় ৫টি ব্যতিক্রমের কথা উল্লেখ আছে।
১২,৪০৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির ___________ অনুসারে আদালত নিলাম বিক্রয় ৩০ দিনের বেশি মুলতুবি রাখলে নতুন ইশতেহার প্রচার করতে হবে।
  1. আদেশ-২১ বিধি-৬৪
  2. আদেশ-২১ বিধি-৬৬
  3. আদেশ-২১ বিধি-৬৮
  4. আদেশ-২১ বিধি-৬৯
সঠিক উত্তর:
আদেশ-২১ বিধি-৬৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-২১ বিধি-৬৯
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৬৯ এর বিধান মতে নিলাম বিক্রয় মুলতুবি অথবা বন্ধ করা: কোন নিলাম বিক্রয় ৩০ দিনের বেশি মেয়াদের জন্য মুলতুবি রাখা হলে নতুন করে ইশতেহার প্রচার করতে হবে, যদি না দায়িক এটি বর্জন করে।
আদালত ইচ্ছা করলে কোন নিলাম বিক্রয় নির্দিষ্ট দিন বা সময় পর্যন্ত মুলতুবি রাখতে পারেন।

অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৬৯ অনুসারে আদালত নিলাম বিক্রয় ৩০ দিনের বেশি মুলতুবি রাখলে নতুন ইশতেহার প্রচার করতে হবে।
-----------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-21 Rule-69. Adjournment or stoppage of sale:
(1) The Court may, in its discretion, adjourn any sale hereunder to a specified day and hour, and the officer conducting any such sale may in his discretion adjourn the sale, recording his reasons for such adjournment:
Provided that, where the sale is made in, or within the precincts of, the court-house, no such adjournment shall be made without the leave of the Court.

(2) Where a sale is adjourned under sub-rule (1) for a longer period than [thirty] days, a fresh proclamation under rule 67 shall be made, unless the judgment-debtor consents to waive it.
(3) Every sale shall be stopped if, before the lot is knocked down, the debt and costs (including the costs of the sale) are tendered to the officer conducting the sale, or proof is given to his satisfaction that the amount of such debt and costs has been paid into Court which ordered the sale.
১২,৪০৯.
A testator-
  1. Cannot revoke a bequest.
  2. Can revoke a bequest either expressly or impliedly.
  3. Can revoke a bequest expressly only.
  4. Can revoke a bequest impliedly.
সঠিক উত্তর:
Can revoke a bequest either expressly or impliedly.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Can revoke a bequest either expressly or impliedly.
ব্যাখ্যা
⇒ All Will can be revoked, either impliedly or expressly, either by conduct or by a specific document. By conduct, the Will can be presented to be revoked by the testator. A testator Can revoke a bequest either expressly or impliedly.

⇒ For example , a testator may make bequest of property in his Will to a person, but he may dispose of the said property even during his life time.

⇒ This is called implied revocation. Suppose, the testator makes a bequest of a vacant land in his Will, but subsequently the testator himself constructs a dwelling house therein, in such circumstance, the Will can be deemed to have been expressly revoked by the testator.

⇒ It has been experienced that when there is a Will, painful litigation in the family of the testator is prevented. Only in a very few cases, litigation crops up questioning the genuineness of the Will.
১২,৪১০.
করিম একটি সেচ ব্যবস্থার পানি সরবরাহে বাধা দেয়, যার ফলে কৃষকদের ফসলের ক্ষতি হয়। দণ্ডবিধির কোন ধারার অধীনে তার শাস্তি হবে?
  1. ৪২৭ ধারা
  2. ৪৩০ ধারা
  3. ৪৩৩ ধারা
  4. ৪৩৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪৩০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৩০ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৮৬০ এর ৪৩০ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ এমন কোনো কাজ করে যা কৃষিকাজের জন্য, মানুষ বা প্রাণীর খাবার বা পানীয় জল, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, বা উৎপাদন কাজে ব্যবহৃত পানির সরবরাহ হ্রাস করে অথবা জানে যে তার কাজে এমনটা ঘটতে পারে, তাহলে তা "অনিষ্ট (mischief)" হিসেবে গণ্য হবে।
- এ ধরনের অনিষ্টের জন্য সর্বোচ্চ ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড অথবা উভয়বিধ দণ্ড হতে পারে।
-  এই প্রশ্নে করিম সেচ ব্যবস্থার পানিতে বাধা দিয়েছে, যার ফলে কৃষকদের ফসলের ক্ষতি হয়েছে। এটি স্পষ্টভাবে ৪৩০ ধারার অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪৩০: সেচকাজে ব্যবহৃত জলাধি বা পানি সরবরাহে অনিষ্ট সাধন অথবা পানি ভুলভাবে সরিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে অনিষ্ট:
যে ব্যক্তি এমন কোনো কাজের মাধ্যমে অনিষ্ট করে যা কৃষিকাজে ব্যবহৃত পানি, অথবা মানুষ ও প্রাণীর পানীয়জল, অথবা পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা কিংবা কোনো উৎপাদন কাজে ব্যবহৃত পানির সরবরাহ হ্রাস করে অথবা সে জানে যে, তার দ্বারা এমন হ্রাস ঘটতে পারে, সে ব্যক্তি দোষী সাব্যস্ত হবে এবং তাকে যেকোনো বর্ণনার কারাদণ্ড, যা সর্বোচ্চ পাঁচ বছর পর্যন্ত হতে পারে, বা অর্থদণ্ড, অথবা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।
------------ 
⇒ The Penal Code, 1860- Section 430. Mischief by injury to works of irrigation or by wrongfully diverting water:
 Whoever commits mischief by doing any act which causes, or which he knows to be likely to cause, a diminution of the supply of water for agricultural purposes, or for food or drink for human beings or for animals which are property, or for cleanliness or for carrying on any manufacture, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to five years, or with fine, or with both.
১২,৪১১.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারামতে সম্পত্তি বা দলিল বাজেয়াপ্ত করা হয়?
  1. ৩৩৯ ধারা মতে
  2. ৩৭০ ধারা মতে
  3. ৪৪২ ধারা মতে
  4. ৫১৭ ধারা মতে
সঠিক উত্তর:
৫১৭ ধারা মতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫১৭ ধারা মতে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ৫১৭ ধারা অনুযায়ী যখন কোন ফৌজদারি আদালতে কোন অপরাধের অনুসন্ধান বা বিচার সমাপ্ত হয়, তখন যে সম্পত্তি বা দলিল বিষয়ে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে বলে আদালত মনে করে, উক্ত সম্পত্তি বা দলিল ধ্বংস, বাজেয়াপ্ত বা অর্পণের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করার জন্য আদালত আদেশ দিতে পারে।

♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ৫১৭ ধারার বিধান (১) কোন ফৌজদারী আদালতে কোন অনুসন্ধান বা বিচার সমাপ্ত হবার উপর উক্ত আদালতে পেশকৃত বা উহার হেফাজতে রক্ষিত কোন সম্পত্তি বা দলিল, যা সম্পর্কে কোন অপরাধ করা হয়েছে বা যা কোন অপরাধ করার জন্য ব্যবহৃত হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়, তা ধ্বংস, বাজেয়াপ্ত বা যে ব্যক্তি উহার দখল দাবী করে তাকে প্রদান বা অন্য কোন ভাবে উহার বিহিত ব্যবস্থা করার জন্য আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন সেরূপ আদেশ দিতে পারবেন।
(২) যখন হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা আদালত এরূপ আদেশ প্রদান করেন এবং সুবধিাজনকভাবে নিজস্ব অফিসারের মাধ্যমে উক্ত সম্পত্তি উহার অধিকারী ব্যক্তিকে অর্পণ করতে না পারেন, তখন উক্ত আদালত নির্দেশ দিতে পারবেন যে, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত আদেশ কার্যকর করবেন।
(৩) এই ধারার অধীন আদেশ দেয়া হলে তা সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি গৃহপালিত পশু বা দ্রুত ও স্বাভাবিক ক্ষয়শীল না হলে, এবং
(৪) উপধারায় বর্ণিত বিধান মতে না হলে একমাসের জন্য কার্যকর করা যাবে না। অথবা যে ক্ষেত্রে আপীল পেশ করা হয়, সেক্ষেত্রে আপলের নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কার্যকর করা যাবে না।
৫) যে ব্যক্তি কোন সম্পত্তির দখলের অধিকারী বলে দাবী করে সেই ব্যক্তি যদি আদালতের সন্তুষ্টি বিধান করে জামিনদারসহ বা ব্যতিত এই মর্মে একটি মুচলেকা সম্পাদন করে যে, এই ধারার অধীন প্রদত্ত আদেশ আপীলে সংশোধিত বা বাতিল হলে সে উক্ত সম্পত্তি আদালতে অর্পণ করবে। তাহলে এই ধারার কোন বিধান (১) উপধারা অনুসারে আদালত কর্তৃক উক্ত ব্যক্তিকে সম্পত্তি প্রদানের ব্যাপারে কোন বাধার সৃষ্টি করবে বলে মনে করা যাবে না।ব্যাখ্যাঃ যেক্ষেত্রে কোন সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধ করা হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়, সেক্ষেত্রে এই ধারার অধীন সম্পত্তি বলতে সেই সম্পত্তিই বুঝায় না যা মূলতঃ কোন পক্ষের দখলে বা নিয়ন্ত্রণাধীন ছিল। বরং উক্ত সম্পত্তি যাতে রূপান্তরিত বা বিনিময়ের ফলে সঙ্গে সঙ্গে বা অন্য কোনভাবে যা সংগৃহিত হয়েছে তাও বুঝায়।
১২,৪১২.
আদালত কখন কমিশন নিয়োগ করতে পারে?
  1. স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে
  2. কোন পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে
  3. উচ্চ আদালতের নির্দেশে
  4. 'ক' বা 'খ'
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'খ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'খ'
ব্যাখ্যা
কখন কমিশন নিয়োগ করা হয়: (ধারা-৭৫+আদেশ-২৬, বিধি-২)

দেওয়ানী কার্যবিধির ৭৫ ধারায় আদালতের কমিশন নিয়োগের বিধান রয়েছে: আদালত নিজে বা কোন পক্ষের এফিডেভিটসহ আবেদনের ভিত্তিতে কমিশন নিয়োগ করতে পারে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২৬ বিধি-২: কমিশনের জন্য আদেশ: আদালত স্বেচ্ছা প্রণোদিত হয়ে বা মোকদ্দমার কোন পক্ষের বা যাহার সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে সে সাক্ষীর শপথপত্র সমর্থিত বা অন্যভাবে কোন আবেদনক্রমে আদালত কোন সাক্ষীর কমিশন প্রেরণ করা আদেশ প্রদান করতে পারেন।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৭৫ ধারায় বলা হয়েছে যে, ৪টি ক্ষেত্রে আদালত কমিশন নিয়োগ দিতে পারে,
(১) স্বাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য
(২) স্থানীয় তদন্তের জন্য
(৩) হিসাব পরীক্ষা ও সমন্বয় করার জন্য
(৪) বাটোয়ারা করার জন্য।
----------
⇒ CPC  Order-26 Rule-2. Order for commission:  An order for the issue of a commission for the examination of a witness may be made by the Court either of its own motion or on the application, supported by affidavit or otherwise, of any party to the suit or of the witness to be examined.

⇒CPC Section 75. Power of Court to issue commissions:
Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the Court may issue a commission- 
(a) to examine any person; 
(b) to make a local investigation; 
(c) to examine or adjust accounts; or 
(d) to make a partition.
১২,৪১৩.
X, Y এর অধীনে ২ বছর শিক্ষানবিশ আইনজীবী হিসেবে কাজ করবেন মর্মে চুক্তিবদ্ধ হন। চুক্তিটির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন _______।
  1. বলবতযোগ্য নয়
  2. শর্তসাপেক্ষে বলবতযোগ্য
  3. বলবতযোগ্য
  4. আংশিক বলবতযোগ্য
সঠিক উত্তর:
বলবতযোগ্য নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বলবতযোগ্য নয়
ব্যাখ্যা
ধারা-২১: কোন চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না (Contracts not specifically enforceable )- চুক্তির প্রকৃতি অনুসারে কিছু কিছু চুক্তির সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদন করার জন্য আদালত নির্দেশ দিয়ে থাকেন এবং কিছু কিছু চুক্তির ক্ষেত্রে আদালত সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করে না। যে যে ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আবেদন নামঞ্জুর করতে পারে তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। কারণ এগুলি সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের যোগ্য নয়।

♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা-
১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে 
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে। 
৩) চুক্তির শর্তাবলী নির্ণয় করা না গেলে 
৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য হলে 
৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে
৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানী কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি
৭) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে  অথবা
৮) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে।
১২,৪১৪.
একটি মামলায় একাধিক আইনজীবী থাকলে মামলা পরিচালনায় অগ্রাধিকার পাবেন কে?
  1. যিনি প্রথম নিয়োগপ্রাপ্ত
  2. জ্যেষ্ঠ আইনজীবী
  3. কনিষ্ঠ আইনজীবী
  4. বিচারক যাকে পছন্দ করেন
সঠিক উত্তর:
জ্যেষ্ঠ আইনজীবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জ্যেষ্ঠ আইনজীবী
ব্যাখ্যা

অন্যান্য আইনজীবীদের প্রতি আচরণ:
১. আইনজীবী হিসেবে নিজের ব্যক্তিগত মর্যাদা এবং পেশার মর্যাদা সমুন্নত রাখা আইনজীবীর কর্তব্য।

২. নিজের পেশাগত কোনো বিজ্ঞাপণ প্রচার করতে পারবে না; তবে, পেশাগত কার্ড, নামফলক বা ডাইরেক্টরিতে নাম তালিকাভুক্তিতে বাধা নিন।

৩. পেশাগত কাজের যোগান দেয়ার জন্য কোনো ব্যক্তিকে নিয়োগ বা বেতন দিতে পারবে না।

৪. আইনজীবীর অনুপস্থিতিতে প্রতিপক্ষের সাথে মামলার বিষয় নিয়ে আলোচনা করবে না।

৫. প্রতিপক্ষের আইনজীবীর অনুপস্থিতিতে বা মামলার বিচারাধীন বিষয়ের কপি বা নথি প্রদান করে তা আদালতের সামনে উপস্থাপন করবে না।

৬. মক্কেল একটি মামলার ক্ষেত্রে একাধিক আইনজীবী নিয়োগ করতে চাইলে, আইনজীবী নিয়োগের ক্ষেত্রে মক্কেলকে বাধা দেওয়া যাবে না।

৭. আইনজীবীগণ নিজেদের মধ্যে বিবাদ পরিহার করে চলবে।

৮. আইনজীবীগণ কাজের বিষয়ে সম্পাদিত সুস্পষ্ট চুক্তির নীতিমালা অনুযায়ী নিজেদের মধ্যে ফিস বণ্টন করবেন।

৯. এটর্নি জেনারেলের কার্যাবলী সমুন্নত রাখা প্রত্যেক আইনজীবীর কর্তব্য।

১০. জুনিয়র আইনজীবীগণ সিনিয়র আইনজীবীদের সম্মান করবে এবং সিনিয়র আইনজীবীগণ জুনিয়র আইনজীবীদের কাজের ক্ষেত্রে সহায়তা করবে।

১১. একটি মামলায় একাধিক আইনজীবী থাকলে জৈষ্ঠ্য আইনজীবী মামলা পরিচালনা করবে।

১২,৪১৫.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ অনুসারে তালাকের পর কত দিন পর তা কার্যকর হবে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ অনুসারে, তালাকের পর ৯০ দিন পর তা কার্যকর হবে।
- এটি ধারা ৭ (তালাক) এর অধীনে বলা হয়েছে যে, একজন পুরুষ যদি তার স্ত্রীর প্রতি তালাক প্রদান করেন, তবে তালাকের ঘোষণার পর ৯০ দিন পর্যন্ত তা কার্যকর হবে না, যদি না স্ত্রীর গর্ভাবস্থা থাকে। যদি স্ত্রীর গর্ভাবস্থা থাকে, তবে তালাক কার্যকর হবে গর্ভাবস্থার মেয়াদ শেষ হওয়া পর্যন্ত।

⇒ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ধারা ৭(৩) অনুযায়ী:
- কোনো স্বামী তালাক দিলে তালাক কার্যকর হতে ৯০ দিন অপেক্ষা করতে হবে।
- এই সময়ের মধ্যে আরবিট্রেশন কাউন্সিল (চেয়ারম্যান ও উভয় পক্ষের প্রতিনিধি) স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পুনর্মিলনের চেষ্টা করবে।
- ৯০ দিন পর তালাক চূড়ান্তভাবে কার্যকর হয় (যদি মধ্যবর্তী সময়ে তা প্রত্যাহার না করা হয়)।
- নোটিশ বাধ্যতামূলক: স্বামীকে তালাকের নোটিশ চেয়ারম্যান এবং স্ত্রীকে দিতে হবে (ধারা ৭(১))।
- জরিমানা: নোটিশ না দিলে ১ বছর কারাদণ্ড বা ১০,০০০ টাকা জরিমানা (ধারা ৭(২))।
- গর্ভবতী স্ত্রীর ক্ষেত্রে: গর্ভাবস্থা শেষ না হওয়া পর্যন্ত তালাক কার্যকর হয় না (ধারা ৭(৫))।
অতএব, সঠিক উত্তর গ) ৯০ দিন।
১২,৪১৬.
The Evidence Act 1872 এর কোন ধারা অনুযায়ী Refreshing Memory/ স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার বিষয়ে বলা হয়েছে?
  1. ১৫৪ ধারা
  2. ১৫৫ ধারা
  3. ১৫৯ ধারা
  4. ১৫৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৫৯ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৯ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒  সাক্ষী সাক্ষ্য দেওয়ার সময় তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য আদালতের অনুমতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট দলিল দেখে উত্তর দিতে পারেন। এক্ষেত্রে সাক্ষী তার নিজের লেখা, অন্যের লেখা বা দলিলের নকল দেখেও উত্তর দিতে পারেন। এটাই হল Refreshing memory। সাক্ষ্য আইনের ১৫৯ ধারায় স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করন বা Refreshing memory এর বিধান রয়েছে। এছাড়াও সাক্ষ্য আইনের ১৫৯ থেকে ১৬১ ধারায় এ সংক্রান্ত আলোচনা করা হয়েছে যা নিম্নরূপ- সাক্ষ্য আইনের ১৫৯ ধারা অনুসারে কোন মামলার তদন্তকারী পুলিশ অফিসার আদালতে সাক্ষ্য প্রদানকালে তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য কেস ডায়েরী দেখতে পারবেন। এভাবে ১৫৯ ধারার অধীন একজন বিশেষজ্ঞ তার পেশা সম্পর্কিত পুস্তক দেখিয়ে স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে পারে।

⇒ The Evidence Act 1872 এর ১৫৯ ধারার বিধান মতে স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করা বলতে বুঝায় সাক্ষীর সাক্ষ্য প্রদান কালে তাহার নিজের লেখা দেখে স্মৃতি মনে করা। তবে সাক্ষী অন্যের লেখা কিছু দেখেও স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে পারবে যদি তিনি পূর্বে উক্ত লেখা পড়ে/পড়ার সময় সত্য বলে জেনে থাকেন।
⇒ The Evidence Act 1872 এর ১৫৯ ধারার মতে স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করা (Refreshing memory). সাক্ষ্য প্রদানের সময় কোন সাক্ষী কোন লেখা দ্বারা তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে পারে। মূল লেখা দেখে স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করা যায়। আদালত অনুমতি দিলে সাক্ষী দলিলের নকল দেখেও স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে পারে। একজন বিশেষজ্ঞ তার পেশা সম্পর্কিত পুস্তক/বই দেখে স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে করতে পারে।
--------------------------
Section 159 Refreshing memory: A witness may, while under examination, refresh his memory by referring to any writing made by himself at the time of the transaction concerning which he is questioned, or so soon afterwards that the Court considers it likely that the transaction was at that time fresh in his memory. 
 
The witness may also refer to any such writing made by any other person, and read by the witness within the time aforesaid, if when he read it he knew it to be correct.
১২,৪১৭.
দেওয়ানি আদালত আইন, ১৮৮৭-এর ধারা ১৪(১) অনুসারে, দেওয়ানি আদালতের আসনস্থল নির্ধারণ বা পরিবর্তনের এখতিয়ার কার?
  1. সরকার
  2. জেলা জজ
  3. আইন মন্ত্রণালয়
  4. হাইকোর্ট বিভাগ
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা

⇒ The Civil Courts Act, 1887-এর ধারা 14(1) ও (2) অনুযায়ী একমাত্র সরকার-ই দেওয়ানি আদালতের বসার স্থান নির্ধারণ বা পরিবর্তনের এখতিয়ার রাখে।
- সরকার সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করে।

⇒ The Civil Courts Act, 1887 এর ধারা ১৪ – আদালতের আসনস্থল:
(১) সরকার সরকারি গেজেটে (Official Gazette) বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে যে কোনো দেওয়ানি আদালতের আসনস্থল স্থির করতে বা পরিবর্তন করতে পারে।
(২) বর্তমানে যে সকল স্থানে এই ধরনের আদালত অনুষ্ঠিত হচ্ছে, সেগুলি স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই ধারা অনুযায়ী স্থির করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।

⇒ The Civil Courts Act, 1887- section-14. Place of sitting of Courts:
 (1) The Government may, by notification in the official Gazette, fix and alter the place or places at which any Civil Court under this Act is to be held. 
(2) All places at which any such Courts are now held shall be deemed to have been fixed under this section.

১২,৪১৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন কোন ধরনের আইন?
  1. Adjective Law
  2. Substantive Law
  3. Procedural Law
  4. International law
সঠিক উত্তর:
Substantive Law
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Substantive Law
ব্যাখ্যা
 ⇒ মৌলিক আইন [Substantive Law]:
যে আইন কোন অধিকারকে সংজ্ঞায়িত করে, সৃষ্টি করে এবং অর্পণ করে বা কোন শাস্তিকে সংজ্ঞায়িত করে এবং দায় আরোপ করে সেই আইনকে তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন [Substantive Law] বলে। যেমন: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, দণ্ডবিধি ইত্যাদি।

 ⇒পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law or Adjective Law]:
যে আইনে কোন মোকদ্দমা বা মামলার বিচার করার পদ্ধতি অর্থাৎ মামলা দায়ের থেকে শুরু করে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা পর্যন্ত যে সকল আইনী প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি অনুসরণ করে বিচার করতে হয়, সেই প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি বা নিয়ম যে আইনে উল্লেখ থাকে সেই নিয়ম সংশ্লিষ্ট আইনকে পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law or Adjective Law] বলে। যেমন: ফৌজদারি কার্যবিধি, দেওয়ানী কার্যবিধি, তামাদি আইন ইত্যাদি।
১২,৪১৯.
সাক্ষ্য আইনের ১১৬ ধারায় কোন ক্ষেত্রে Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধার প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ভাড়াটিয়া এবং মালিক
  2. অপরাধী এবং আদালত
  3. বীমা দাবি ও রাজস্ব প্রদান
  4. উল্লিখিত কোনো ক্ষেত্রেই নয়
সঠিক উত্তর:
ভাড়াটিয়া এবং মালিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাড়াটিয়া এবং মালিক
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১১৬ ধারায়, দুইটি ক্ষেত্রে Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধার প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। ক্ষেত্র ২টি নিম্নরূপ:

১। ভাড়াটিয়া এবং মালিকের মধ্যে Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধা:
একজন বাড়িওয়ালা (landlord) ভাড়ার বিনিময়ে একজন ভাড়াটিয়া (tenant)’কে তার দোকানে ভাড়া প্রদান করলে, ভাড়াটিয়া পরবর্তীতে উক্ত সম্পর্ক অস্বীকার করতে পারবে না।

২। অনুমতি প্রাপক (licensee) এবং অনুমতি দাতা (licensor)’র মধ্যে Estoppel (এস্টপেল) বা স্বকার্যজনিত বাধা:
অনুমতি নিয়ে কেউ দখল ফেলে পরবর্তীতে সেই অনুমতির বিষয়টি অস্বীকার করতে পারবে না। যদি কেউ অনুমতি নিয়ে কোন রাস্তাও ব্যবহার করে, পরবর্তীতে সেটিকে সরকারী বা অধিকার বলে দাবী করতে পারবে না, কেননা অনুমতি নিয়ে পরে সেটি অস্বীকার করলে সাক্ষ্য আইনে ১১৬ ধারার Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধার নীতিতে বাধা প্রাপ্ত হবে।

এই ধারার অধীন Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধার নীতি শুধুমাত্র স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। যেমন- বাড়ি, জমি ইত্যাদির ভাড়াটিয়াকে মালিকের মালিকানা স্বত্ব অস্বীকার করা হতে বাধা প্রদান করা হয়েছে। কেননা, বাড়ির মালিকের সাথে ভাড়াটিয়ার মধ্যে একটি চুক্তি থাকে এবং অনুমতি প্রদানকারীর সাথেও অনুমতি দাতার একটি চুক্তি থাকে।

Section 116- Estoppel of tenant; and of licensee of person in possession:
No tenant of immovable property, or person claiming through such tenant, shall, during the continuance of the tenancy, be permitted to deny that the landlord of such tenant had, at the beginning of the tenancy, a title to such immovable property; and no person who came upon any immovable property by the license of the person in possession thereof shall be permitted to deny that such person had a title to such possession at the time when such license was given.
১২,৪২০.
দণ্ডবিধির কত থেকে কত ধারায় ফৌজদারি অপরাধের সাধারণ ব্যতিক্রম আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ৭৬ থেকে ১০৯ ধারায়
  2. ৭৬ থেকে ১০৬ ধারায়
  3. ৬৫ থেকে ১১৫ ধারায়
  4. ৬৭ থেকে ১০৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৭৬ থেকে ১০৬ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৬ থেকে ১০৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির চতুর্থ অধ্যায় ৭৬ ধারা থেকে ১০৬ ধারা পর্যন্ত সাধারণ ব্যতিক্রম সমূহ বা General exceptions নিয়ে আলোচনা করা হয়।
- যে কাজগুলোকে স্বাভাবিকভাবে অপরাধ বলে গণ্য করা হলেও বিশেষ ক্ষেত্রে অপরাধ বলে গণ্য করা হয় না তাকেই সাধারণ ব্যতিক্রম বা General Exception বলে।
-দণ্ডবিধির ৭৬ থেকে ১০৬ ধারায় কিছু সাধারণ ব্যতিক্রমের উল্লেখ রয়েছে।
-দণ্ডবিধির ৭৬ থেকে ১০৬ ধারার আওতাধীন কার্য বা কার্যবিরতিগুলো (acts or omission) স্বাভাবিকভাবে অপরাধ মনে হলেও সেগুলো ফৌজদারি দায় (criminal liability) থেকে মুক্ত;
- অর্থাৎ ৭৬ থেকে ১০৬ ধারার আওতাধীন কার্যগুলো অপরাধ মনে হলেও অপরাধী কোন শাস্তি পায়না।

- পেনাল কোডের ৭৬-১০৬ ধারার মধ্যে যে সকল সাধারণ ব্যতিক্রম বর্ণনা করা হয়েছে সেগুলোর কোনো একটির সুযোগ যদি কোনো অভিযুক্ত পায় তাহলে উক্ত ব্যক্তিকে যে কাজের জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছে তা আর অপরাধ হিসেবেই গণ্য হবে না।
- অভিযুক্ত ব্যক্তি এই ক্ষেত্রে নিরপরাধ হিসেবে খালাস পাবে। দোষী সাব্যস্ত করার সুযোগও নাই।
- সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারা অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি যদি দাবি করে তার কার্য বা কার্যবিরতি দণ্ডবিধির ৭৬ থেকে ১০৬ ধারায় উল্লিখিত কোন সাধারণ ব্যতিক্রমের মধ্যে পড়ে, তবে তা প্রমাণের ভার উক্ত ব্যক্তির উপর বর্তায়।
১২,৪২১.
বার্ড ফ্লু আছে জানা সত্ত্বেও X বাজারে মুরগির মাংস বিক্রি করেন। X দণ্ডবিধির কত ধারার অধীনে অপরাধ করেছেন বলে গণ্য হবে?
  1. ২৬৮ ধারা
  2. ২৬৯ ধারা
  3. ২৬০ ধারা
  4. ২৭৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
২৬৯ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬৯ ধারা
ব্যাখ্যা
♦বার্ড ফ্লু আছে জানা সত্বেও X বাজারে মুরগির মাংস বিক্রি করার মাধ্যমে দণ্ডবিধির ২৬৯ ধারার অধীন অপরাধ করেছে বলে গণ্য হবে। যেহেতু বার্ড ফ্লু আক্রান্ত মুরগির মাংস বাজারে বিক্রি করলে প্রাণঘাতী বার্ড ফ্লু ভাইরাস ছড়াতে পারে।

♦দণ্ডবিধির ২৬৯ ধারায় বলা হয়েছে, "যে ব্যক্তি বেআইনিভাবে বা অবহেলাজনিত এমন কোন কাজ করে যার কারণে জীবন বিপন্নকারী কোন রোগের সংক্রমণ বিস্তার লাভের সম্ভাবনা রয়েছে তাকে ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড দেয়া হতে পারে, জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডই হতে পারে।"
১২,৪২২.
যে ক্ষেত্রে কোন তামাদি মেয়াদ নির্দিষ্ট নেই, সেক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ কত হবে?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
ব্যাখ্যা
♠♠
• তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১২০ অনুযায়ী যে ক্ষেত্রে মামলা করার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট সময় উল্লেখ নেই, সেই ক্ষেত্রে-
• মামলা করার অধিকার যখন উদ্ভব হয় তখন থেকে ৬ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে। 
১২,৪২৩.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারা মতে আদালত মানহানিকর আলামত ধ্বংস করার আদেশ দিতে পারে?
  1. ৫১৭
  2. ৫১৯
  3. ৫২১
  4. ৫২৩
সঠিক উত্তর:
৫২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫২১
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৫২১ ধারায় বলা হয়েছে- আসামীকে দণ্ড প্রদানের পর আদালত তার হেফাজতে থাকা মানহানিকর সকল কপি এবং খাদ্য, পানীয় ঔষধ বা ঔষধ জাতীয় মিশ্রণ ধ্বংস করে ফেলার আাদেশ দিতে পারেন।
১২,৪২৪.
'ক' উন্মাদ থাকা অবস্থায় সত্ত্বসহ দখল পুনরুদ্ধারের মোকদ্দমা দায়েরের অধিকার অর্জন করে। এর ১০ বৎসর পর সে সুস্থ হলো। সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী তার মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ অবশিষ্ট আছে ২ বছর। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সে সর্বোচ্চ কত বছরের মধ্যে মোকদ্দমা করতে পারবে?
  1. ২ বছর
  2. ১ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
• আইনগত অপারগতার ক্ষেত্রে যখন মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে মামলা করার অধিকারী কোন ব্যক্তি যে সময়ে সে মামলা করার অধিকারী হয় উক্ত সময়ে সে নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকলে তার মামলা করার তামাদির মেয়াদ গণনা করা শুরু হবে যখন তার এই আইনগত অপারগতা অর্থাৎ নাবালকত্ব, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধিতার অবসান হবে তখন থেকে।

• ধারা ৮ হচ্ছে ৬ ও ৭ ধারার আইনগত অপারগতার ব্যতিক্রম। ৮ ধারায় উল্লেখিত বিশেষ ব্যতিক্রম সাপেক্ষে ৬ ও ৭ ধারায় উল্লেখিত আইনগত অপারগতা বিশ্লেষণ করতে হবে। নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ৬ এবং ৭ ধারার বিধান প্রযোজ্য হবে না-

১. অগ্রক্রয়ের (pre-emption) অধিকার বলবৎকরণের মামলায়, এবং

২. আইনগত অপারগতার অবসান হওয়ার পর বা আইনগত অক্ষম ব্যক্তির মৃত্যু হওয়ার তিন (৩) বছরের বেশী সময় তামাদির মেয়াদ থাকবে না এবং সর্বোচ্চ এই ৩ বৎসরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে। অর্থাৎ যেক্ষেত্রে ৬ বা ৭ ধারায় আইনগত অপারগতার সুবিধা প্রার্থনা করা হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত আইনগত অক্ষমতার অবসান হওয়ার পর সর্বোচ্চ ৩ বছরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে অন্যথায় মামলা খারিজ হবে।

• তামাদি আইনের ১ম তফসিলের ১৪২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সত্ত্বসহ দখল পুনরুদ্ধারের মোকদ্দমা দায়ের করতে হয় বেদল হওয়ার ১২ বছরের মধ্যে। কিন্তু যেহেতু 'ক' উন্মাদ ব্যক্তি অর্থাৎ আইনগত অপারগতায় পতিত তাই তার সুস্থ হওয়ার আগ পর্যন্ত তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে না।

প্রশ্নমতে, 'ক' বেদখল হওয়ার ১০ বছর পর সুস্থ হয়েছে। তাই হিসাব অনুযায়ী তার মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ যদিও অবশিষ্ট আছে ২ বছর, কিন্তু ৬ ও ৮ ধারার বিধান অনুযায়ী তামাদির মেয়াদ আরো ১ বছর বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ৩ বছর করা যাবে। অর্থাৎ সে সর্বোচ্চ ৩ বছরের মধ্যে মোকদ্দমা করতে পারবে
১২,৪২৫.
চার্জশিট কী?
  1. অভিযোগপত্র
  2. বাদী পক্ষের বক্তব্য
  3. বিচারকের রায়
  4. অভিযুক্তের স্বীকারোক্তি
সঠিক উত্তর:
অভিযোগপত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযোগপত্র
ব্যাখ্যা
অভিযোগপত্র বা চার্জশিট হলো-
আদালতে দায়েরকৃত একটি আনুষ্ঠানিক লিখিত নথি যাতে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অপরাধের বিবরণ, সংশ্লিষ্ট আইনের ধারা এবং তা প্রমাণের জন্য প্রাথমিক প্রমাণাদি উল্লেখ থাকে। এটি অভিযুক্তকে বিচারের মুখোমুখি করে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২১-২৪০ পর্যন্ত চার্জের গঠন এবং বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিধান রয়েছে। অভিযোগপত্র সঠিকভাবে দায়েরের পরই আদালত অভিযুক্তের বিচারের প্রক্রিয়া শুরু করে। সুতরাং এটি বিচার প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়।
১২,৪২৬.
দণ্ডবিধি অনুসারে, কত দিন পর্যন্ত দৈহিক যন্ত্রণা বা কাজে অসামর্থ্য থাকলে তা গুরুতর আঘাত বলে গণ্য?
  1. ১০ দিন
  2. ২০ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৪০ দিন
সঠিক উত্তর:
২০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩২০ অনুসারে, গুরুতর আঘাতের (Grievous Hurt) অষ্টম ধরনের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে এমন কোনো আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণায় ভোগ করে বা তার সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংস করণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------------
⇒The Penal Code, 1860- Section 320- Grievous hurt:
The following kinds of hurt only are designated as "grievous":-
Firstly.-Emasculation.
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye.
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear.
Fourthly.-Privation of any member or joint.
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint.
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face.
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth.
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.

১২,৪২৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৪, বিধি ১(৬) অনুযায়ী, আদালত কখন বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করবে না?
  1. আপিল বিচারাধীন থাকলে
  2. বাদী উপস্থিত না থাকলে
  3. বাদী আত্মপক্ষ সমর্থন না করলে
  4. বিবাদী আত্মপক্ষ সমর্থন না করলে
সঠিক উত্তর:
বিবাদী আত্মপক্ষ সমর্থন না করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদী আত্মপক্ষ সমর্থন না করলে
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৪, বিধি ১(৬) অনুযায়ী -
“মোকদ্দমার প্রথম শুনানির সময় বিবাদী আত্মপক্ষ সমর্থন না করলে, এই বিধির কোন বিধানেই আদালত বিচার্য বিষয় প্রণয়ন ও লিপিবদ্ধ করবে না।”

অর্থাৎ, যদি বিবাদী তার লিখিত জবাব দাখিল না করে বা আত্মপক্ষ সমর্থন না করে, তবে আদালত বিচার্য বিষয় (Issues) নির্ধারণ করবে না, কারণ তখন বাদীর বক্তব্য একতরফা (ex parte) অবস্থায় থেকে যায় — বিরোধের কোনো প্রশ্নই ওঠে না।

আদেশ ১৪ বিধি ১ (বিচার্য বিষয় প্রণয়ন)-
১) ঘটনা কিংবা আইনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এক পক্ষ দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করে এবং অপরপক্ষ অস্বীকার করে, তখনই বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়।

২) গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলী আইন কিংবা ঘটনার সে সমস্ত বিষয়াবলী যা বাদিকে তার মোকদ্দমা করার অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে অবশ্যই নালিশ করতে হয় কিংবা বিবাদিতে তার আত্মপক্ষ সমর্থন করতে অবশ্যই প্রতিবাদ করতে হয়।

৩) একপক্ষ কর্তৃক দৃঢ়ভাবে ঘোষিত এবং অপর পক্ষ কর্তৃক অস্বীকৃত প্রত্যেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় একটি আলাদা বিচার্য বিষয়ের সৃষ্টি করবে।

৪) বিচার্য বিষয় দুই প্রকারেরঃ ক) ঘটনা সংক্রান্ত বিচার্য বিষয়, খ) আইন সংক্রান্ত বিচার্য বিষয়।

৫) মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন আদালত বাদির আরজি এবং লিখিত বর্ণনা(যদি কোন) পাঠ করার পর এবং প্রয়োজনমত পক্ষগণের এরূপ পরীক্ষা করার পর ঘটনা কিংবা আইনের কোন গুরুত্বপূর্ণ বিবৃতির উপর পক্ষগণ এর বিরোধ তা নির্ধারণ করবে এবং ইহার পর যে সকল বিচার্য বিষয়ের উপর মোকদ্দমার সঠিক সিদ্ধান্ত নির্ভর করে বলে প্রতীয়মান হয়, সে সমস্ত বিচার্য বিষয় প্রণয়নে অগ্রসরমান হবে এবং তা লিপিবদ্ধ করবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, ৪ এবং ৫ বিধির বিধানাবলী সাপেক্ষে যে কোন ক্ষেত্রে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির কিংবা লিখিত বর্ণনা দাখিলের পনের দিনের মধ্যে যেটাই পরে ঘটে তখন বিচার্য বিষয় প্রণয়ন এবং লিপিবদ্ধ করতে হবে।

৬) মোকদ্দমার প্রথম শুনানির সময় বিবাদী আত্মপক্ষ সমর্থন না করলে এই বিধির কোন বিধানেই আদালত বিচার্য বিষয় প্রণয়ন এবং লিপিবদ্ধ করবে না।

১২,৪২৮.
তামাদি আইন __________ কে নষ্ট করে না, তবে _________ কে বারিত করে।
  1. প্রতিকার, অধিকার
  2. স্বত্ব, দখল
  3. অধিকার, প্রতিকার
  4. অধিকার, অধিকার
সঠিক উত্তর:
অধিকার, প্রতিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধিকার, প্রতিকার
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনে নির্ধারিত সময়ের পর মামলা বা দরখাস্ত দায়ের করলে তা গ্রহণ করা হয় না। এর মাধ্যমে তামাদি আইন প্রতিকার পাওয়া হতে বারিত করে, তবে অন্যভাবে কেউ তাঁর অধিকার প্রয়োগ করলে তা পেতে বারিত করে না।
♦অর্থাৎ তামাদি আইন অধিকার কে নষ্ট করে না, তবে প্রতিকার কে বারিত করে।
১২,৪২৯.
আদেশ ৬, বিধি ১৮ অনুযায়ী, যদি আদালত সময় নির্ধারণ না করে, তবে আদেশ প্রদানের কত দিনের মধ্যে সংশোধিত প্লিডিংস দাখিল করতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১৪ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৪ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৬, বিধি ১৮ অনুযায়ী: যদি কোনো পক্ষ প্লিডিংস সংশোধনের জন্য আদালতের অনুমতি (order for leave to amend) পায়, এবং আদালত সংশোধনের জন্য কোনো সময় নির্ধারণ না করে, তাহলে আদেশ প্রদানের তারিখ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে সংশোধিত প্লিডিংস আদালতে দাখিল করতে হবে।
- যদি নির্ধারিত এই ১৪ দিনের মধ্যে সংশোধন না করা হয়, তাহলে সংশোধনের অনুমতি বাতিল হয়ে যাবে যদি না আদালত সময় বৃদ্ধি করে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ৬, বিধি ১৮: আদেশ প্রাপ্তির পর সংশোধনে ব্যর্থতা:
যদি কোন পক্ষ তার প্লিডিংস সংশোধনের জন্য আদালতের অনুমতি আদেশের মাধ্যমে পায় এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশোধন না করে, অথবা আদেশে যদি কোন নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করা না থাকে, তবে আদেশ প্রদানের তারিখ হইতে চৌদ্দ দিনের মধ্যে সংশোধন না করে, তাহা হইলে উক্ত নির্ধারিত সময় বা উক্ত চৌদ্দ দিন অতিবাহিত হইলে সংশোধনের অনুমতি দেওয়া হইবে না; যদি না আদালত সময় বৃদ্ধি করিয়া দেয়।
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order VI, Rule 18: Failure to Amend After Order: 
If a party who has obtained an order for leave to amend does not amend accordingly within the time limited for that purpose by the order, or if no time is thereby limited, then within fourteen days from the date of the order, he shall not be permitted to amend after the expiration of such limited time as aforesaid or of such fourteen days, as the case may be, unless the time is extended by the Court.
১২,৪৩০.
খতিয়ান প্রস্তুতকরণ সম্পর্কিত কোনো মোকদ্দমায় দেওয়ানি আদালত কর্তৃক প্রদত্ত রায় বা আদেশ-
  1. কার্যকর হবে
  2. আইনগত বৈধতা থাকবে
  3. অবৈধ হবে
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
অবৈধ হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবৈধ হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ১৪৪খ- দেওয়ানি আদালতের এখতিয়ারে বিধি-নিষেধ (Bar to jurisdiction of civil court)

১৯ অধ্যায় অনুযায়ী কোন খতিয়ান বা স্বত্বলিপি বা তার অংশ বিশেষ প্রস্তুতকরণ, প্রকাশনা, স্বাক্ষরকরণ বা প্রত্যয়ন সম্পর্কে দেওয়ানি আদালতে কোন ধরনের মোকদ্দমা বা আবেদন দাখিল করা যাবে না।

⇒ উক্ত মোকদ্দমা এবং আবেদন যদি দেওয়ানি আদালতে বিচারাধীন থাকে তা আর অগ্রসর হবে না এবং বাতিল হবে।
উক্তরূপ কোন মোকদ্দমার রায়, ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করা হয় তা অকার্যকর হবে এবং কোন আইনগত বৈধতা থাকবে না।
১২,৪৩১.
ন্যূনতম কত বছরের অভিজ্ঞতা থাকলে একজন এ্যাডভোকেট কোন সনদ প্রার্থীকে শিক্ষানবীশ Pupil হিসাবে গ্রহণ করতে পারেন?
  1. ৫ বছর
  2. ৮ বছর
  3. ১০ বছর
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
ব্যাখ্যা
♦বিধি-৬০: শিক্ষানবিশ: অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তি হবার পূর্বে কমপক্ষে ১০ বছর নিয়মিত উকালতি করেন এমন একজন অ্যাডভোকেটের অধীনে দরখাস্তকারীকে নিয়মিত কমপক্ষে ৬ মাস শিক্ষানবিশ থাকতে হবে। আবেদনপত্রের সাথে ৫টি দেওয়ানি এবং ৫টি ফৌজদারি মোট ১০ টি মামলার লিখিত নোটবুক দাখিল করতে হবে। কোন অ্যাডভোকেট বার কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া একসাথে ৪ জনের বেশি শিক্ষানবিশ গ্রহণ করবেন না। অ্যাডভোকেটের সাথে শিক্ষানবিশ এর যে চুক্তি হবে তা এফিডেভিট সহ বার কাউন্সিলের সেক্রেটারীর নিকট ৩০ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে।
♦কোন অ্যাডভোকেট চুক্তি পত্রে মিথ্যা বিবৃতি বা মিথ্যা সার্টিফিকেট দিলে পেশাগত অসদাচরনের জন্য দায়ী হবেন। শিক্ষানবিশ তালিকাভুক্তির আবেদনে মিথ্যা তথ্য দিলে উক্ত শিক্ষানবিশ ৫ বছরের জন্য অযোগ্য হবেন । হাইকোর্ট বিভাগে প্রাকটিসের অনুমতির এবং রেজিস্ট্রেশন ৫ বছর পর্যন্ত বৈধ থাকবে। ৫ বছরের মধ্যে লিখিত পরীক্ষায় পাশ করতে ব্যর্থ হলে রেজিস্ট্রেশন বাতিল হয়ে যাবে। এম.সি.কিউ এবং লিখিত পরীক্ষা এবং হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিস অনুমতির পরীক্ষা সরকারী কলেজে হবে।
♦বিধি-৬০(গ): এম.সি.কিউ ও লিখিত পরীক্ষায় পাশ নম্বর ৫০ এবং মৌখিক পরীক্ষায় পাশ নম্বর ২৫।
১২,৪৩২.
আদালত কর্তৃক নির্দেশিত মুলতবির খরচ প্রদানে ব্যর্থ হলে আদালত-
  1. মোকদ্দমা খারিজ করতে পারে
  2. মোকদ্দমাটি একতরফা সূত্রে নিষ্পত্তি করতে পারে
  3. মোকদ্দমা স্থগিত করতে পারে
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• আইনে মুলতুবি [Adjournment] অর্থ হলো আদালতের কার্যপ্রণালিতে কোনো মামলার শুনানি পরবর্তী কোনো তারিখ পর্যন্ত স্থগিত বা মুলতুবি করা। সাধারণত কোন মোকদ্দমার শুনানী শুরু হলে তা চলমান থাকবে। কিন্তু অনিবার্য অবস্থার প্রেক্ষাপটে মোকদ্দমার কোন পক্ষ আদালতে হাজির নাও হতে পারে এবং তখন শুনানী মুলতুবির আবেদন করা প্রয়োজনীয় হয়।
দেওয়ানী কার্যবিধির ১৭ নং আদেশে [Adjournment] বা মূলতবির বিধানসমূহ রয়েছে।আদালত মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে (At any stage of the suit) মোকদ্দমার শুনানী মুলতবি রাখতে পারে। মুলতবির খরচ সর্বনিম্ন ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা হতে পারে।

• খরচ প্রদানে ব্যর্থতার ফলাফল- [আদেশ ১৭ বিধি ১(৩) এবং ১(৪) বিধি]

> ১৭ আদেশের ১নং বিধির অধীন আদালত বাদী পক্ষকে খরচ প্রদানের আদেশ দিলে এবং যদি বাদী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হয়, তাহলে আদালত মোকদ্দমাটি খারিজ [Dismissed the suit] করে দিতে পারে;

> আবার, বিবাদী পক্ষকে খরচ প্রদানের আদেশ দিলে এবং যদি বিবাদী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হয়, তাহলে আদালত মোকদ্দমাটি একতরফা সূত্রে নিষ্পত্তির [Disposed of ex parte] আদেশ দিতে পারে।)
১২,৪৩৩.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অনুযায়ী, "শিশু" বলতে কত বছরের কম বয়সী ব্যক্তিকে বোঝানো হয়?
  1. ১৪ বছর
  2. ১৬ বছর
  3. ১৮ বছর
  4. ২১ বছর
সঠিক উত্তর:
১৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ২(ট)-এ স্পষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত আছে যে, “শিশু” অর্থ ১৬ বছরের কম বয়সী ব্যক্তি।
এই সংজ্ঞা আইনের অধীনে শিশু-সংক্রান্ত অপরাধসমূহে (যেমন: শিশু ধর্ষণ, শিশু অপহরণ, যৌন পীড়ন ইত্যাদি) প্রযোজ্য।
- উল্লেখ্য যে, শিশু আইন, ২০১৩-এ শিশুর বয়সসীমা ১৮ বছরের কম, কিন্তু নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ক্ষেত্রে এটি ১৬ বছরের কম।

১২,৪৩৪.
'বাংলাদেশ একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র' সংবিধানের কোথায় এর উল্লেখ আছে?
  1. প্রস্তাবনায়
  2. অনুচ্ছেদ ১
  3. অনুচ্ছেদ ৭
  4. অনুচ্ছেদ ৪(২)
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধান:  
- বাংলাদেশের সংবিধানের ১ নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে যে- বাংলাদেশ একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র, যাহা “গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ” নামে পরিচিত হইবে৷

অন্যদিকে, 
- সংবিধানের ৭ নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে - সংবিধানের প্রাধান্য।
- সংবিধানের ৪(২) নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে -  প্রজাতন্ত্রের জাতীয় পতাকা হইতেছে সবুজ ক্ষেত্রের উপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট বৃত্ত।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১২,৪৩৫.
বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৫১ অনুযায়ী, কয়টি আদেশ রহিত করা হয়েছে?
  1. ৫টি
  2. ৬টি
  3. ৭টি
  4. ৮টি
সঠিক উত্তর:
৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৫১: রহিতকরণ- রাষ্ট্রপতির নিম্নলিখিত আদেশসমূহ এতদ্বারা রহিত করা হইল:
(ক) আইনের ধারাবাহিকতা বলবৎকরণ আদেশ (১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল তারিখে প্রণীত);

(খ) ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ অস্থায়ী সংবিধান আদেশ;

(গ) ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ হাইকোর্ট আদেশ (১৯৭২ সালের পি.ও. নং ৫);

(ঘ) ১৯৭২ সালের বাংলদেশ মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক আদেশ (১৯৭২ সালের পি.ও. নং ১৫);

(ঙ) ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ (১৯৭২ সালের পি.ও. নং ২২);

(চ) ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন আদেশ (১৯৭২ সালের পি.ও. নং ২৫);

(ছ) ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশনসমূহ আদেশ (১৯৭২ সালের পি.ও. নং ৩৪);

(জ) ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ (সরকারী কর্ম সম্পাদন) আদেশ (১৯৭২ সালের পি.ও. নং ৫৮) ।
১২,৪৩৬.
অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩-এর বিধান অনুসারে একতরফা ডিক্রি রদের প্রার্থনা দাখিলের পরবর্তী কত দিবসের মধ্যে ডিক্রিকৃত অর্থের কত পারসেন্টের সমপরিমাণ টাকা জামানত স্বরূপ জমাদান করার কথা বলা হয়েছে? যথাক্রমে--
  1. ৩০ দিন ও ২৫%
  2. ১৫ দিন ও ২৫%
  3. ১৫ দিন ও ১০%
  4. ৩০ দিন ও ১০%
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন ও ১০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন ও ১০%
ব্যাখ্যা
• অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ১৯ ধারায় একতরফা ডিক্রি সম্পর্কিত বিষয়াবলী বর্ণিত আছে।

> ১৯(২) ধারা মতে, বিবাদী একতরফা ডিক্রির তারিখ বা উক্ত একতরফা ডিক্রি সম্পর্কে অবগত হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে তা রদের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

> ১৯(৩) ধারা মতে, একতরফা ডিক্রি রদের দরখাস্ত দাখিলের তারিখ হতে পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে ডিক্রিকৃত অর্থের ১০% এর সমপরিমাণ অর্থ আদালতে জামানত রূপে জমা দিতে হবে।
১২,৪৩৭.
একজন সংগীতশিল্পী ‘ক’ একটি গানের অ্যালবাম তৈরি ও প্রকাশের জন্য সংগীত প্রযোজক ‘খ’-এর সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হন। যদি ‘ক’ চুক্তি ভঙ্গ করেন, তবে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীনে ‘খ’-এর কী প্রতিকার আছে?
  1. চুক্তি বলবৎ এর মামলা করা
  2. চুক্তিপত্র বাতিলের মামলা করা
  3. চুক্তি বলবৎ এর জন্য ঘোষণামূলক মামলা করা
  4. চুক্তি বলবৎ এর কোন সুযোগ নেই
সঠিক উত্তর:
চুক্তি বলবৎ এর কোন সুযোগ নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি বলবৎ এর কোন সুযোগ নেই
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীনে ব্যক্তিগত দক্ষতা ও প্রতিভার ভিত্তিতে চুক্তি বলবৎ করা যায় না, যেমন—গান গাওয়া, অভিনয় করা বা সাহিত্যকর্ম রচনা করা।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা-২১: কোন চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না (Contracts not specifically enforceable)-
চুক্তির প্রকৃতি অনুসারে কিছু কিছু চুক্তির সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদন করার জন্য আদালত নির্দেশ দিয়ে থাকেন এবং কিছু কিছু চুক্তির ক্ষেত্রে আদালত সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করে না। যে যে ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আবেদন নামঞ্জুর করতে পারে তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। কারণ এগুলি সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের যোগ্য নয়।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা-
১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে;
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে;
৩) চুক্তির শর্তাবলি নির্ণয় করা না গেলে;
৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য বা প্রত্যাহারযোগ্য হলে;
৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে;
৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানি কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি;
৭) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে অথবা;
৮) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে।
১২,৪৩৮.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের অধীনে ১৪৩ ধারার বিধান অনুযায়ী হালনাগাদ খতিয়ান রক্ষণাবেক্ষণ করবে-
  1. সেটেলমেন্ট কর্মকর্তা
  2. কালেক্টর
  3. রাজস্ব কর্মকর্তা
  4. জেলা জজ আদালত
সঠিক উত্তর:
কালেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কালেক্টর
ব্যাখ্যা
- রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের ১৪৩ ধারার বিধান খতিয়ান সংরক্ষণ: কালেক্টর অত্র আইনের ৪র্থ খণ্ড অথবা এই খণ্ড অনুযায়ী প্রস্তুতকৃত অথবা পুনঃপরীক্ষিত খতিয়ান নির্ধারিত পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করিবেন, প্রকৃত ভুল শুদ্ধ করিয়া ও উহাতে নিম্নলিখিত হেতুতে পরিবর্তনগুলি অন্তর্ভুক্ত করিবেন-

ক) হস্তান্তর অথবা উত্তরাধিকারের ভিত্তিতে নামজারী।
খ) জোত ক্ষুদ্রতর অংশ ভাগকরণ, একত্রীকরণ বা সংযুক্তকরণ,
গ) সরকার কর্তৃক ক্রয় করা ভূমি অথবা জোতের নূতন বন্দোবস্ত: এবং
ঘ) ভূমি পরিত্যাগ অথবা সিকস্তি অথবা অধিগ্রহণজনিত কারণে খাজনা মওকুফ। 
----------- 
Section 143. Maintenance of the record-of-rights:
- The Collector shall maintain up-to-date, in the prescribed manner, the record-of-rights prepared or revised under Part IV or under this Part by correcting clerical mistakes and by incorporating therein the changes on account of- 
(a) the mutation of names as a result of transfer or inheritance; 
(b) the subdivision, amalgamation or consolidation of holdings; 
(c) the new settlement of lands or of holdings purchased by the Government; and 
(d) the abatement of rent on account of abandonment or diluvion or acquisition of land.
১২,৪৩৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩২ ধারা অনুযায়ী সর্বোচ্চ পাঁচ বৎসরের কারাদণ্ড এর সাজা দিতে পারেন কে?
  1. দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
  2. তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
  3. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. বিষেশ ক্ষমতা প্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩২ ধারার বিধান ম্যাজিস্ট্রেটগণ যে দণ্ড দিতে পারেন।
- (১) ম্যাজিস্ট্রেটগণের আদালতসমূহ নিম্নলিখিত দণ্ড দিতে পারেন; যথা:
(ক) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত: আইনে অনুমোদিত পরিমাণ নিঃসঙ্গে অবরোধসহ পাঁচ বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড; দশ হাজার টাকার অনধিক জরিমানা; বেত্রদণ্ড।
(খ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত: আইনে অনুমোদিত পরিমাণ নিঃসঙ্গ অবরোধসহ তিন বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড; পাঁচ হাজার টাকার অনধিক জরিমানা।
(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত: দুই বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড; দুই হাজার টাকার অনধিক জরিমানা।

(২) যেকোন ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত আইন দ্বারা যেই সকল দণ্ডদানের ক্ষমতা লাভ করিয়াছেন, সেই সকল দণ্ডের মধ্যে একটির সহিত অপরটি যুক্ত যেকোন আইনসঙ্গত দণ্ড দিতে পারেন।
----------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-32: Sentences which Magistrates may pass:
(1) The Courts of Magistrates may pass the following sentences  namely:-
(a) Courts of Metropolitan Magistrates and of Magistrates of the first class: Imprisonment for a term not exceeding "five years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding "ten thousand taka; Whipping.
(b) Courts of Magistrates of the second class: Imprisonment for a term not exceeding "three years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding "five thousand taka;
(c) Courts of Magistrates of the third class: Imprisonment for a term not exceeding two year; Fine not exceeding two thousand taka.

(2) The Court of any Magistrate may pass any lawful sentence, combining any of the sentences which it is authorized by law to pass.
১২,৪৪০.
ক উদ্দেশ্যমূলকভাবে খ-এর একটি রিং নদীতে ফেলে দিলো। ক পেনাল কোড-এর অধীনে কী অপরাধ করলো?
  1. অপরাধমূলক তসরুফ (criminal misappropriation)
  2. অনিষ্ট (Miscief)
  3. Criminal Breach of Trust
  4. Unlawful damage
সঠিক উত্তর:
অনিষ্ট (Miscief)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনিষ্ট (Miscief)
ব্যাখ্যা
♦Penal Code, 1860-এর ধারা ৪২৫ এ অনিষ্ট এর সংজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে। ক ইচ্ছাকৃতভাবে খ এর ক্ষতিসাধনের জন্য তার আংটি নদীতে ফেলে দেয় যা ৪২৫ ধারার অপরাধ। এই ধারার (গ) নং  উদাহরণ দ্রষ্টব্য। Unlawful damage নামে পেনাল কোডে কোনো অপরাধ নেই।
♦দণ্ডবিধি ৪২৫ ধারা অনুযায়ী অন্যের অন্যায় ক্ষতি বা লোকসানের (Wrongful loss or damage) উদ্দেশ্যে কোন সম্পত্তি ধ্বংস বা বিনষ্ট অথবা সম্পত্তির মূল্য/উপযোগীতা হ্রাস বা ক্ষতিগ্রস্ত করাকে অনিষ্ট বা ক্ষতি (mischief) বলে।
১২,৪৪১.
একটি ডিক্রি বা আদেশ কখন সংশোধনের আদেশ দেয়া যেতে পারে?
  1. আকস্মিক কোন বিচ্যুতি থাকলে
  2. করণিক ভুল থাকলে
  3. গানিতিক ভুল থাকলে
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারায় দেওয়ানি মোকদ্দমার রায়, ডিক্রি, আদেশ সংশোধন (Amendment of judgement, decree & order) করার বিধান রয়েছে।
এই ধারামতে, আদালত যে কোন সময় নিজ উদ্যোগে (own motion) বা কোন পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে-
- করনিক বা গানিতিক ভুল (clerical or arithmetical mistakes),
- আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির (accidental slip or omission) কারণে রায়, ডিক্রি অথবা আদেশ সংশোধন করতে পারেন।
---------
⇒ CPC Section: 152. Amendment of judgments, decrees or orders:
-Clerical or arithmetical mistakes in judgments, decrees or orders or errors arising therein from any accidental slip or omission may at any time be corrected by the Court either of its own motion or on the application of any of the parties.
১২,৪৪২.
নিম্নের কোনটি অসংহত অপরাধ নয়?
  1. ষড়যন্ত্র
  2. প্ররোচনা
  3. প্রচেষ্টা
  4. গণ-উৎপাত
সঠিক উত্তর:
গণ-উৎপাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গণ-উৎপাত
ব্যাখ্যা
• অসংহত অপরাধ বা অসম্পূর্ণ অপরাধ (inchoate crime) হলো এমন একটি কার্য  যা সম্পূর্ণ অপরাধকর্ম সৃষ্টি না করলেও এটি ফৌজদারী আইনে তা নিষিদ্ধ। কারণ ওইগুলি পূর্ণ অপরাধের লক্ষ্যে পদক্ষেপস্বরূপ। এই অসম্পূর্ণ অপরাধগুলির অন্তর্ভুক্ত প্ররোচনা [Abetment], প্রচেষ্টা [Attempt], ষড়যন্ত্র [Conspiracy] ইত্যাদি। অর্থাৎ কোন অপরাধের সৃষ্টির কারণ হিসেবে এগুলা কাজ করে।

উল্লেখ্য, গণ-উৎপাত হচ্ছে একটি সম্পূর্ণ এবং স্বতন্ত্র অপরাধ।
 
⇒ Inchoate crimes, also known as incomplete crimes, are acts taken toward committing a crime or acts that constitute indirect participation in a crime. Although these acts are not themselves crimes, they are illegal because they are conducted in furtherance of a crime, and society wishes to deter individuals from taking such steps. Three primary inchoate crimes are attempt, conspiracy, and aiding and abetting.
১২,৪৪৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৬ বিধি-১৮ অনুযায়ী যদি আদালত কোনো সময় নির্ধারণ না করে, তবে পক্ষকে কত দিনের মধ্যে প্লিডিং সংশোধন করতে হবে?
  1. ৭ দিনের মধ্যে
  2. ১০ দিনের মধ্যে
  3. ১৪ দিনের মধ্যে
  4. ৩০ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
১৪ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা

→ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৬ বিধি-১৮: আদেশ প্রদানের পরে সংশোধন করতে ব্যর্থ হলে: কোন পক্ষ আরজি জবাব সংশোধনের অনুমতি সূচক আদেশ লাভ করার পর যদি আদেশ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা সংশোধন না করে অথবা আদেশে কোন সময় নির্ধারণ করা না হলে আদেশের তারিখ হতে চৌদ্দ দিনের মধ্যে যদি সংশোধন না করেন, তবে উক্ত নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পর তিনি সংশোধন করার অনুমতি পাবেন না, যদি না আদালত উক্ত মেয়াদ বর্ধিত করে থাকেন।

১২,৪৪৪.
Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর Article 8 অনুযায়ী, Ad-hoc Bar Council-এর মেয়াদ সর্বোচ্চ কতদিন?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর সংশোধিত Article 8(2)-এ পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছে:
"...for a term not exceeding one year and this term shall not be further extended."
- এক বছরের অধিক নয় এবং এই মেয়াদ আর বৃদ্ধি করা যাইবে না।
অর্থাৎ, Ad-hoc Bar Council-এর সর্বোচ্চ মেয়াদ হবে ১ (এক) বছর, এবং সেটি আরও বাড়ানো যাবে না।
সুতরাং, সঠিক উত্তর: খ) ১ বছর। 

⇒  Article- 8. (1) Elections to the Bar Council shall be held so as to conclude on or before the thirty first day of May in the year in which the term of the Bar Council expires.
(2) If the elections to the Bar Council cannot be held within the time specified in clause (1) due to pandemic, epidemic, act of God or for any other unavoidable circumstances as may be determined by the Government from time to time, the Government may, by notification in the official Gazette, constitute an Ad-hoc Bar Council consisting of fifteen members for a term not exceeding one year and this term shall not be further extended.
The Attorney-General for Bangladesh shall be one of the members of the Ad-hoc Bar Council and shall also be its Chairman.
(4) Notwithstanding anything contained in any other provision of this Order, the Ad-hoc Bar Council shall exercise such powers and functions of the Bar Council as specified in this Order and the rules made thereunder.
১২,৪৪৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন অধ্যায়ে সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণের জন্য কমিশন প্রেরণের বিধান রয়েছে?
  1. অধ্যায় XXXVI
  2. অধ্যায় XXXIX
  3. অধ্যায় XL
  4. অধ্যায় XLI
সঠিক উত্তর:
অধ্যায় XL
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যায় XL
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি (Code of Criminal Procedure) এর অধ্যায় XL (Chapter XL) এর মধ্যে সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণের জন্য কমিশন প্রেরণের বিধান রয়েছে। এই অধ্যায়টি "Of Commissions for the Examination of Witnesses" শিরোনামে পরিচিত এবং এতে ধারা 503 থেকে 508A পর্যন্ত বিধানগুলো রয়েছে। এই ধারাগুলোতে সাক্ষীর উপস্থিতি ছাড়া কমিশন জারির প্রক্রিয়া, কমিশন কার কাছে পাঠানো যাবে, কীভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে, এবং কমিশন ফেরত প্রদানের নিয়মাবলী বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করা হয়েছে।
অতএব, সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণের জন্য কমিশন প্রেরণের বিধান ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় XL এর অধীনে রয়েছে।

১২,৪৪৬.
দেওয়ানি কার্যবিধি ৫৭ ধারা অনুসারে খোরপোষ ভাতার হার কীভাবে নির্ধারিত হয়?
  1. বার্ষিক ভিত্তিতে
  2. মাসিক ভিত্তিতে
  3. সাপ্তাহিক ভিত্তিতে
  4. দৈনিক ভিত্তিতে
সঠিক উত্তর:
মাসিক ভিত্তিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাসিক ভিত্তিতে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৫৭ (Section 57) অনুসারে, যখন কোনো দায়িক (Judgment-debtor)–কে দেওয়ানী মামলার আদেশের ভিত্তিতে জেলে আটক রাখা হয়, তখন তাঁর খোরপোষ বা জীবিকা নির্বাহের জন্য নির্দিষ্ট মাসিক ভাতা (monthly allowance) প্রদান করার বিধান রয়েছে।
- এই ভাতার হার নির্ধারণ করে সরকার, এবং এটি নির্ধারিত হয়, পদমর্যাদা (rank) গোত্র (race) জাতীয়তা (nationality) এই বিষয়গুলো বিবেচনায় রেখে।
- আইনটি স্পষ্টভাবে "monthly allowances" বা "মাসিক ভাতা" শব্দটি ব্যবহার করেছে।

⇒দেওয়ানি কার্যবিধির ৫৭ ধারা- খোরপোষ ভাতা: সরকার পদপর্যাদা, গোত্র এবং জাতীয়তার ক্রমানুসারে দায়িকের খোরপোষের নিমিত্তে প্রদানযোগ্য মাসিক ভাতার হার নির্দিষ্ট করতে পারবে।
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908-Section 57: Subsistence allowance-
The Government may fix scales, graduated according to rank, race and nationality, of monthly allowances payable for the subsistence of judgment-debtors.
১২,৪৪৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯খ ধারা মোতাবেক সালিস নিষ্পত্তিতে কোন আইন অনুরসরণ করতে হয়?
  1. সালিস আইন, ২০০০
  2. সালিস আইন, ২০০১
  3. সালিস আইন, ২০০২
  4. সালিস আইন, ২০০৩
সঠিক উত্তর:
সালিস আইন, ২০০১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালিস আইন, ২০০১
ব্যাখ্যা

 দেওয়ানী কার্যবিধি ধারা-৮৯খ: সালিস:
১) মোকদ্দমার বিরোধ অথবা বিরোধসমূহ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে সালিশের নিকট প্রেরণ করবেন এই কারণে মোকদ্দমার পক্ষসমূহ কার্যপদ্ধতির যে কোন পর্যায়ে মোকদ্দমাটি তুলে নেয়ার জন্য আদালতের সমীপে আবেদন করলে আদালত আবেদন অনুমোদন করবে এবং মোকদ্দমা তুলে নেয়ার অনুমতি প্রদান করবে এবং তৎপরবর্তীতে যতদূর প্রযোজ্য, সালিস আইন,২০০১ (২০০১ সালের ১নং আইন) অনুযায়ী বিরোধ বা বিরোধসমূহ নিষ্পত্তি হবেঃ তবে শর্ত থাকে যে, কোন কারণে কার্য প্রক্রিয়া অনুষ্ঠিত না হলে বা সালিসের রোয়েদাদ প্রদত্ত না হলে এই উপ-ধারার অধীন তুলে নেয়ার অনুমতিপ্রাপ্ত মোকদ্দমার পক্ষসমূহ পুনঃ দাখিলের অধিকার অর্জন করবে।

২) ১নং উপ-ধারানুযায়ী পেশকৃত আবেদন সালিস আইন, ২০০১ (২০০১ সালের ১নং আইন) এর ধারা নং ৯ এর অধীনে সালিসের সম্মতি বলে ধরে নিতে হবে।

১২,৪৪৮.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ অনুযায়ী প্রত্যেকেটি দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে?
  1. আরজি দাখিলের মাধ্যমে
  2. লিখিত জবাব দাখিলের মাধ্যমে
  3. প্লিডিংস দায়েরের মাধ্যমে
  4. ক ও খ উভয়
সঠিক উত্তর:
আরজি দাখিলের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি দাখিলের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর  ২৬ ধারা অনুযায়ী দেওয়ানী মোকদ্দমার আরজি পেশ করে বা অন্য কোন নির্ধারিত পদ্ধতিতে দায়ের করতে হয়।

• প্রত্যেকটি আরজির সঙ্গে যতজন বিবাদী থাকে ততগুলো আরজির অবিকল নকল দিতে হয়।
১২,৪৪৯.
Order 47 Rule 4 of The Code of Civil Procedure, 1908:
Where it appears to the Court that there is not sufficient ground for a ________, it shall reject the application.
  1. appeal
  2. revision
  3. review
  4. reference
সঠিক উত্তর:
review
উত্তর
সঠিক উত্তর:
review
ব্যাখ্যা
Order 47 Rule.-4: Application where rejected-
1) Where it appears to the Court that there is not sufficient ground for a review, it shall reject the application.

2) Application where granted: Where the Court is of opinion that the application for review should be granted, it shall grant the same: Provided that-
a) no such application shall be granted without previous notice to the opposite party. enable him to appear and be heard in support of the decree or order, a to review of which is applied for: and
b) no such application shall be granted on the ground of discovery of newmatter or evidence which the applicant alleges was not within his knowledge, or could not be adduced by him when the decree or order was passed or made.

আদেশ ৪৭ বিধি-৪: যেক্ষেত্রে আবেদন অগ্রাহ্য হয়:
১) যদি আদালতের নিকট দৃষ্টিগোচর হয় যে,পুনর্বিবেচনা করার মত যথেষ্ট অজুহাত নেই, তাহলে আদালত পুনর্বিবেচনার আবেদন অগ্রাহ্য করতে পারবে।

২) আবেদন মঞ্জুর হওয়ার ক্ষেত্রেঃ যদি আদালত মনে করেন যে, পুনর্বিবেচনার আবেদন মঞ্জুর করা উচিতঃ তবে শর্ত থাকে যে,
ক) যে ডিক্রি বা আদেশ পুনর্বিবেচনার প্রার্থনা করা হয়েছে, সে ডিক্রি বা আদেশ সম্পর্কে বিপরীত পক্ষকে উপস্থিত হয়ে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ প্রদানের জন্য পূর্বে নোটিশ প্রদান করা না হলে পুনর্বিবেচনার প্রার্থনা মঞ্জুর করা যাবে না; এবং

খ) প্রার্থনাকারী এমন ধরনের নতুন তথ্য বা প্রমাণের উদঘাটন করেছে যা ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের সময় তার জ্ঞাতসারে ছিল না বা উপস্থাপন করা সম্ভব হয়নি, উক্ত অভিযোগের কারণে পুনর্বিবেচনার প্রার্থনা আবেদন করা হলে ঐরূপ অভিযোগ সম্বন্ধে দৃঢ় প্রমাণ ব্যতীত পুনর্বিবেচনার প্রার্থনা মঞ্জুর করা যাবে না।
১২,৪৫০.
"No suit under this section shall be brought against the Government." এটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় বলা আছে?
  1. ১০
  2. ১১
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারায় বলা আছে যথাযথ আইনগত পন্থা ব্যতিরেকে যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তবে সে অথবা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে, যদিও তেমন মামলায় অপর কোন স্বত্ব খাড়া করা হতে পারে, তথাপিও।
-এই ধারার কোন কিছুই তেমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠা এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার জন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা দায়েরের পথে প্রতিবন্ধকতা হবে না ।
-এই ধারা অনুসারে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে না।
-এই ধারা অনুসারে দায়েরকৃত মামলার প্রদত্ত কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপিল করা যাবে না, অথবা তেমন কোন আদেশ বা ডিক্রি পুনর্বিবেচনার কোন অনুমতি প্রদান করা হবে না।
------------------- 
SR Act- Section-9. Suit by person dispossessed of immoveable property:
If any person is dispossessed without his consent of immoveable property otherwise than in due course of law, he or any person claiming through him may, by suit recover possession thereof, notwithstanding any other title that may be set up in such suit.
Nothing in this section shall bar any person from suing to establish his title to such property and to recover possession thereof.

No suit under this section shall be brought against the Government.
No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.
১২,৪৫১.
কোনো ব্যক্তি দুর্নীতির অপরাধের অভিযোগ দায়ের করতে থানায় গেলে দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ অনুযায়ী থানার দায়িত্ব হবে-
  1. অভিযোগটি এজাহার হিসাবে রেকর্ড করে তদন্তের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনে পাঠানো
  2. অভিযোগটি সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনে পাঠানো
  3. দুর্নীতি দমন কমিশনে অভিযোগ দায়েরের পরামর্শ দিয়ে অভিযোগটি অভিযোগকারীকে ফেরত দেয়া
  4. অভিযোগটি এজাহার হিসাবে রেকর্ড করে একজন এসআই কে তদন্তের দায়িত্ব দেয়া
সঠিক উত্তর:
অভিযোগটি সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনে পাঠানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযোগটি সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনে পাঠানো
ব্যাখ্যা

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ এর বিধি ৪(২) অনুসারে: থানায় দুর্নীতির অপরাধ সংক্রান্ত অভিযোগ পাওয়ার পর তা রেজিস্টারভুক্ত (সাধারণ ডায়েরিভুক্ত) করতে হবে। তারপর অনধিক দুই কার্যদিবসের মধ্যে তদন্তের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করতে হবে:
- কমিশন বহির্ভূত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষেত্রে → নিকটস্থ জেলা কার্যালয়ে
- কমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষেত্রে → কমিশনের প্রধান কার্যালয়ে
এখানে থানার দায়িত্ব হলো অভিযোগটি রেকর্ড করে কমিশনে প্রেরণ করা, নিজে তদন্ত শুরু করা নয় বা এজাহার হিসেবে রেকর্ড করা নয়।

সঠিক উত্তর: খ) অভিযোগটি সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনে পাঠানো।

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ বিধি- ৪: থানায় দুর্নীতির অপরাধ সংক্রান্ত অভিযোগ দায়ের:
- এই বিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন আইনের তফসিলে উল্লিখিত কোন অপরাধ সংক্রান্ত বিষয়ে থানায় অভিযোগ দায়েরের ক্ষেত্রে কোন বাধা থাকিবে না, তবে সংশ্লিষ্ট থানা উক্ত অভিযোগটি প্রাপ্তির পর উহা রেজিস্টারভুক্ত করিয়া অনধিক দুই কার্যদিবসের মধ্যে আইন অনুযায়ী তদন্তকার্য পরিচালনার জন্য উহা কমিশন বহির্ভূত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষেত্রে নিকটস্থ জেলা কার্যালয়ে এবং কমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষেত্রে কমিশন বরাবরে প্রেরণ করিবে।

১২,৪৫২.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১১৩ অনুচ্ছেদ অনুসারে, চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎ করার জন্য মামলা দায়ের তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৬ মাস
  2.  ১ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
 ১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 ১ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ১১৩ অনুসারে, একটি চুক্তি বলবৎ করার (Specific Performance of a Contract) জন্য মামলা দায়ের করার তামাদি মেয়াদ হলো ১ বছর।
⇒ চুক্তি বলবৎ করণের জন্য মামলা দায়ের করার তামাদি মেয়াদ The Limitation Act, 1908 এর ১ম তফসিলের ১১৩ অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে।⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১১৩ অনুচ্ছেদ অনুসারে, চুক্তি বলবৎ করণের জন্য মামলা দায়ের করার তামাদি মেয়াদ ১ বৎসর।

১২,৪৫৩.
রাকিব তার বন্ধু মাহিন কে লাঠি দিয়ে তাড়া করে এবং মুখে বলে তরে আজ মেরেই ফেলব কিন্তু কোন আঘাত করে নাই। এই ক্ষেত্রে রাকিব দণ্ডবিধির কোন অপরাধটি করেছে?
  1. আক্রমণ
  2. বলপ্রয়োগ
  3. মারামারি
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
আক্রমণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আক্রমণ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারার বিধান  আক্রমণ:- কোন ব্যক্তি যদি এই উদ্দেশ্য নিয়ে বা এটা জানা সত্ত্বেও এমন কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন প্রস্তুতি গ্রহণ করে যে, তাতে হাজির কোন ব্যক্তির ভয় হয় যে, যে ব্যক্তি উক্ত অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে, সে ব্যক্তি উক্ত হাজির ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করতে উদ্যত হয়েছে, তবে প্রথমোক্ত ব্যক্তি আক্রমণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
ব্যাখ্যা:- কেবলমাত্র মুখের কথা আক্রমণ বলে পরিগণিত হয় না। কিন্তু কোন ব্যক্তির ব্যবহৃত কথাগুলি তার অঙ্গভঙ্গিকে বা প্রস্তুতিকে এমন অর্থপূর্ণ করতে পারে, যার কারণে তার অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে।

উদাহরণ:
(ক) ক, চ-এর প্রতি মুষ্টি উত্তোলন করে। ইহার ফলে চ যাতে বিশ্বাস করে যে ক তাকে আঘাত করতে উদ্যত হয়েছে, সে জন্যই ক তা করে অথবা ইহার ফলে এইরূপ : হতে পারে জানা সত্ত্বেও তা করে । ক আক্রমণ করেছে।
(খ) ক একটি হিংস্র কুকুরের মুখ বন্ধনী খুলতে শুরু করে। চ যাতে বিশ্বাস করে যে, ক কুকুরটিকে দিয়ে তাকে আক্রমণ করার উদ্দেশ্যেই কুকুরটির মুখ বন্ধনী খুলে দিচ্ছে, এই উদ্দেশ্যেই, অথবা চ এইরূপ বিশ্বাস করতে পারে জানা সত্ত্বেও ক এই কাজ করে। ক-চ এর উপর আক্রমণ করেছে।
(গ) ক একটি ছুড়ি ঘুরাতে ঘুরাতে চ-কে বলিল, “তোমাকে পিটুনি দেব।” এখানে যদিও কেবল ক-এর ব্যবহৃত কথাগুলি কোনক্রমেই আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে না, এবং যদিও অপর কোন অনুষঙ্গ ব্যতীত কেবল ক-এর অঙ্গভঙ্গি আক্রমণতৃল্য নয়, তবুও অঙ্গভঙ্গি ও তার আনুষঙ্গিক ব্যাখ্যামূলক কথাগুলি মিলিয়ে আক্রমণ বলে পরিগণিত হবে।
------------------------
⇒ The Penal Code,1860: Section 351: Assault:
-Whoever makes any gesture, or any preparation intending or knowing it to be likely that such gesture or preparation will cause any person present to apprehend that he who makes that gesture or preparation is about to use criminal force to that person, is said to commit an assault. 
Explanation.- Mere words do not amount to an assault. But the words which a person uses may give to his gestures or preparation such a meaning as may make those gestures or preparations amount to an assault. 
 Illustrations:
(a) A shakes his fist at Z, intending or knowing it to be likely that he may thereby cause Z to believe that A is about to strike Z. A has committed an assault. 
(b) A begins to unloose the muzzle of a ferocious dog, intending, or knowing it to be likely that he may thereby cause Z to believe that he is about to cause the dog to attack Z. A has committed an assault upon Z. 
(c) A takes up a stick, saying to Z, "I will give you a beating". Here, though the words used by A could in no case amount to an assault, and though the mere gesture, unaccompanied by any other circumstances, might not amount to an assault, the gesture explained by the words may amount to an assault.
১২,৪৫৪.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে ৩০ বছরের পুরানো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয়বস্তু আদালত সঠিক মনে করবে, যদি দলিলটি
  1. রেজিষ্ট্রিকৃত হয়
  2. সঠিক ব্যক্তির দখল থেকে আসে
  3. গণ স্বার্থ সংশ্লিষ্ট হয়
  4. স্ট্যাম্পযুক্ত হয়
সঠিক উত্তর:
সঠিক ব্যক্তির দখল থেকে আসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সঠিক ব্যক্তির দখল থেকে আসে
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ৯০ ধারা অনুযায়ী ৩০ বছরের পুরানো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয় বস্তুকে আদালত সঠিক বলে মনে করতে পারে আবার নাও করতে পারে। ৯০ ধারায় বলা হয়েছে ৩০ বছরের পুরানো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয়বস্তুকে আদালত সঠিক বলে মনে করবে যদি দলিলটি সঠিক ব্যক্তির দখল থেকে আসে।
১২,৪৫৫.
If an enactment is re-enacted with modifications, what should be done regarding references to the original enactment?
  1. They should be disregarded entirely
  2. They should be explicitly removed
  3. They should be applied to the original enactment
  4. They should be interpreted as references to the modified re-enactment
সঠিক উত্তর:
They should be interpreted as references to the modified re-enactment
উত্তর
সঠিক উত্তর:
They should be interpreted as references to the modified re-enactment
ব্যাখ্যা
Section 8: Construction of references to repealed enactments:
(1) Where this Act, or any Act of Parliament or Regulation made after the commencement of this Act, repeals and re-enacts, with or without modification, any provision of a former enactment. then. references in any other enactment or in any instrument to the provision so repealed shall, unless a different intention appears, be construed as references to the provision so re-enacted.

ধারা ৮: রহিত আইনের ক্ষেত্রে বরাতের ব্যাখ্যা:

১) যে ক্ষেত্রে এই আইন, বা এই আইন প্রবর্তনের পরবর্তীতে প্রণীত সংসদের কোন আইন বা প্রবিধি, পূর্ববর্তী কোন আইনের বিধান পরিবর্তনসহ বা ব্যতীত, রহিত বা পুনঃ প্রবর্তন করে, সেইক্ষেত্রে ভিন্নরূপ কোন উদ্দেশ্য প্রতীয়মান না হইলে, অন্য কোন আইন বা দলিলে উক্তরূপে রহিত বিধানের বরাত, পুনঃ প্রবর্তিত বিধানের বরাত হিসাবে ব্যাখ্যাত হইবে।
১২,৪৫৬.
নিম্নের কোন আইন অনুযায়ী বলবৎযোগ্য?
  1. এ, বি-কে ব্যক্তিগত সেবা দেবার চুক্তি করে
  2. এ, বি-এর সাথে সম্পত্তি বিক্রয়ের চুক্তি করে
  3. এ, বি-কে বিবাহ করার চুক্তি করে
  4. লেখক এ প্রকাশক বি এর সাথে একটি উপন্যাস রচনার চুক্তি করে
সঠিক উত্তর:
এ, বি-এর সাথে সম্পত্তি বিক্রয়ের চুক্তি করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ, বি-এর সাথে সম্পত্তি বিক্রয়ের চুক্তি করে
ব্যাখ্যা
♦আলোচ্য প্রশ্নের “A, B -এর সাথে সম্পত্তি বিক্রয়ের চুক্তি করে” অপশন ছাড়া অন্যান্য সব অপশন ২১ ধারার ‘ব্যক্তিগত যোগ্যতা ও সংকল্পের উপর নির্ভরশীল' -এর উপাদান; যা বলবৎযোগ্য নয়।
♦কোন কোন ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর/বলবৎ করা যায় তা বলা আছে- ১২ ধারায়, সাথে ১৩ ও ১৪ ধারা অনুযায়ী আরও ২টা ক্ষেত্র আছে। অন্যদিকে, ২১ ধারায় ৮টি ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্টভাবে চুক্তি বলবৎ করা যায় না।

♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারার ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, যদি না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না বিপরীত কিছু প্রমাণিত হয়, আদালত অবশ্যই ধরে নিবে যে, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তি ভঙ্গের প্রতিকার পর্যাপ্ত আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে দেওয়া সম্ভব নয় এবং অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে দেওয়া যায়। যেমন স্থাবর সম্পত্তি (জমি) বিক্রয়ের কোন চুক্তি করা হলে এবং উক্ত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা না হলে তার ফলে যে ক্ষতি হবে তা আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে দেওয়া সম্ভব না।অর্থাৎ এই ক্ষেত্রে চুক্তিটির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণই হলো পর্যাপ্ত প্রতিকার। সুতরাং A এবং B এর সাথে সম্পত্তি বিক্রয়ের চুক্তি বলবৎযোগ্য। ২১ ধারা অনুযায়ী বিবাহ করার চুক্তি বা ব্যক্তিগত সেবা সম্পর্কিত চুক্তি এবং যে সকল চুক্তি ব্যক্তিগত দক্ষতার উপর নির্ভর করে, সেগুলো সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য না।
১২,৪৫৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩২ ধারায় কাকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে?
  1. নাবালকদের
  2. অপ্রকৃস্থ ব্যক্তিদের
  3. সরকারি কর্মচারিদের
  4. কতিপয় স্ত্রীলোকের
সঠিক উত্তর:
কতিপয় স্ত্রীলোকের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কতিপয় স্ত্রীলোকের
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩২ ধারার বিধান: কতিপয় স্ত্রীলোকের ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি:

১) দেশের প্রথা ও রীতি অনুযায়ী যে সকল স্ত্রীলোককে জনসমক্ষে উপস্থিত হওয়ার জন্য বাধ্য করা উচিত নয়, উক্তরূপ মহিলা ব্যক্তিগতভাবে আদালতে হাজির হতে অব্যাহতি পাবে।
২) এই আইন অনুসারে কোন স্ত্রীলোককে গ্রেফতারের ব্যাপারে যেক্ষেত্রে কোন নিষিদ্ধতা নেই, সেক্ষেত্রে দেওয়ানি পরোয়ানা জারিতে গ্রেফতার হতে উক্তরূপ স্ত্রীলোক অব্যাহতি পাবে বলে এখানে উল্লেখিত কোন কিছু হতে বিবেচনা করা যাবে না।

Section 132- Exemption of certain women from personal appearance:
(1) Women who, according to the customs and manners of the country, ought not to be compelled to appear in public shall be exempt from personal appearance in Court.
(2) Nothing herein contained shall be deemed to exempt such women from arrest in execution of civil process in any case in which the arrest of women is not prohibited by this Code.
১২,৪৫৮.
পাবলিক প্রসিকিউটর কোন সময়ে মামলা প্রত্যাহার করতে পারেন?
  1. রায় ঘোষণার পূর্বে
  2. চার্জ গঠনের আগে
  3. রায় ঘোষণার পরে
  4. বিচারিক কার্যধারা শুরুর আগে
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণার পূর্বে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণার পূর্বে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৪৯৪: মামলা প্রত্যাহারের ফল:
পাবলিক প্রসিকিউটর রায় ঘোষণার পূর্বে আদালতের অনুমতি নিয়ে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত মামলা সাধারণভাবে বা যে সকল অপরাধে তার বিচার হচ্ছে, তার যেকোন এক বা একাধিক অপরাধ প্রত্যাহার করতে পারবেন এবং উক্ত প্রত্যাহারের দরুন-
(ক) অভিযোগ প্রণয়নের পূর্বে তা করা হলে উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দান করতে হবে; এবং
(খ) অভিযোগ প্রণয়নের পর তা করা হলে বা এই বিধির অধীন কোন অভিযোগ প্রণয়ন প্রয়োজন না হলে, উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে খালাস দিতে হবে।

Section 494: Effect of withdrawal from prosecution:
Any Public Prosecutor may, with the consent of the Court, before the judgment is pronounced, withdraw from the prosecution of any person either generally or in respect of any one or more of the offences for which he is tried; and upon such withdrawal-
(a) if it is made before a charge has been framed, the accused shall be discharged in respect of such offence or offences;
(b) if it is made after a charge has been framed, or when under Code no charge is required, he shall be acquitted in respect of such offence or offences.
১২,৪৫৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৮৯খ অনুসারে কোন পরিস্থিতিতে মোকদ্দমা সালিশে পাঠানো যায়?
  1. জেলা জজের নির্দেশে
  2. আদালতের নিজস্ব উদ্যোগে
  3. পক্ষগণের আবেদনের ভিত্তিতে
  4. সরকারের অনুমোদনের পর
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণের আবেদনের ভিত্তিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণের আবেদনের ভিত্তিতে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ৮৯খ(১) অনুসারে, মোকদ্দমার যে কোনো পর্যায়ে পক্ষগণ যদি আদালতের নিকট আবেদন করেন যে তারা মোকদ্দমার বিরোধ বা বিষয়টি সালিশের (arbitration) মাধ্যমে নিষ্পত্তি করতে চান, তবে আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করবেন এবং মোকদ্দমা তুলে নেওয়ার অনুমতি দেবেন। এরপর বিরোধটি সালিশ আইন, ২০০১ অনুসারে নিষ্পত্তি করতে হবে। অর্থাৎ, মোকদ্দমা সালিশে পাঠানোর জন্য পক্ষগণের আবেদন প্রয়োজন।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯খ ধারায় সালিশ বা Arbitration এর বিধান রয়েছে। ৮৯খ ধারা অনুযায়ী দেওয়ানী আদালত কোন বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য বিরোধীয় বিষয়টি সালিশের নিকট পাঠাতে পারেন এবং এই জন্য মোকদ্দমার পক্ষগণ মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে তা তুলে নেওয়ার জন্য আদালতের নিকট আবেদন করলে আদালত আবেদন মঞ্জুর করবেন এবং মোকদ্দমা তুলে নেওয়ার অনুমতি দিবেন। তারপর সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী বিরোধটি নিষ্পত্তি করতে হবে অর্থাৎ কোন বিরোধ সালিশে (Arbitration) পাঠানো হলে তা সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী নিষ্পত্তি করতে হবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section 89B- Arbitration:
(1) If the parties to a suit, at any stage of the proceeding, apply to the Court for withdrawal of the suit on ground that they will refer the dispute or disputes in the suit to arbitration for settlement, the Court shall allow the application and permit the suit to be withdrawn; and the dispute or disputes, thereafter, shall be settled in accordance with Salish Ain, 2001 (Act No. 1 of 2001) so far as may be applicable:
Provided that, if, for any reason, the arbitration proceeding referred to above does not take place or an arbitral award is not given, the parties shall be entitled to re-institute the suit permitted to be withdrawn under this sub-section.
(2) An application under sub-section (1) shall be deemed to be an arbitration agreement under section 9 of the Salish Ain, 2001 (Act No. 1 of 2001).

১২,৪৬০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪০২ অনুযায়ী সাজা রদবদলের ক্ষমতা কার রয়েছে?
  1. সরকার
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. আইনমন্ত্রী
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪০২(১) অনুসারে, সরকার দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির বিনা সম্মতিতে মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা জরিমানা রদ বদল করে পরবর্তী উল্লিখিত যেকোনো সাজায় পরিবর্তন করতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪০২: সাজা রদ বদলের ক্ষমতা-
(১) সরকার দণ্ড প্রাপ্ত ব্যক্তির বিনা সম্মতিতে নিম্নে বর্ণিত যে কোন দণ্ড রদবদল করে ইহার পরে উল্লিখিত যেকোনো দণ্ড দিতে পারবেন-মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, আসামি যে সময়ের জন্য সাজাপ্রাপ্ত হতে পারত তার অনধিক সময়ের জন্য সশ্রম কারাদণ্ড, অনুরূপ মেয়াদের জন্য বিনাশ্রম কারাদণ্ড, জরিমানা।
(২) এই ধারার কোন কিছুই দণ্ডবিধির ধারা-৫৪ বা ৫৫ এর বিধানবলীকে প্রভাবিত করবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 402: Power to commute punishment:
(1) The Government may, without the consent of the person sentenced, commute any one of the following sentences for any other mentioned after it:-death, transportation, rigorous imprisonment for a term not exceeding that to which he might have been sentenced, simple imprisonment for a like term, fine.
(2) Nothing in this section shall affect the provisions of section 54 or section 55 of the Penal Code.

১২,৪৬১.
‘‘শুরুতে সৎ উদ্দেশ্য থাকে, শেষে অসৎ উদ্দেশ্য হয়’’ এটি প্রতিফলিত হয় কোন ক্ষেত্রে-
  1. চুরি
  2. ছিনতাই
  3. অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ
  4. প্রতারণা
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৪০৫ ধারা মতে বিশ্বাসভরে ভারপ্রাপ্ত হয়ে অথবা আইনগত চুক্তির মাধ্যমে কোন সম্পত্তি অপরাধীর দখলে আসার পর অপরাধী উক্ত বিশ্বাস বা চুক্তির বরখেলাপ করে সম্পত্তিটি অসাধুভাবে আত্মসাৎ করলে বা অসাধুভাবে নিজের ব্যবহারে লাগালে তাকে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ বা Criminal Breach of Trust বলে।
১২,৪৬২.
আপীল বিভাগের আদেশ, রীট ইত্যাদি জারির ক্ষমতা কোন পরিস্থিতিতে প্রয়োগ করা হয়?
  1. জরুরি অবস্থায়
  2. শুধুমাত্র আপীল শুনানির সময়
  3. রাষ্ট্রপতির আদেশে
  4. ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১০৪- আপীল বিভাগের পরোয়ানা জারী ও নির্বাহ-
কোন ব্যক্তির হাজিরা কিংবা কোন দলিলপত্র উদ্ঘাটন বা দাখিল করিবার আদেশসহ আপীল বিভাগের নিকট বিচারাধীন যে কোন মামলা বা বিষয়ে সম্পূর্ণ ন্যায়বিচারের জন্য যেরূপ প্রয়োজনীয় হইতে পারে, উক্ত বিভাগ সেইরূপ নির্দেশ, আদেশ, ডিক্রী বা রীট জারী করিতে পারিবেন।
১২,৪৬৩.
Musha Doctrine কোন ধরনের Hiba-তে প্রযোজ্য?
  1. Hiba-bil-Iwaz
  2. Hiba-bil-will
  3. Hiba-ba-Shartul-Iwaz
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
Hiba-ba-Shartul-Iwaz
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Hiba-ba-Shartul-Iwaz
ব্যাখ্যা

⇒ Musha Doctrine (মুশা নীতি) মুসলিম ব্যক্তিগত আইনে প্রযোজ্য, যা অবিভক্ত সম্পত্তির (undivided share) হিবা বা দানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। এই নীতি অনুসারে, অবিভক্ত সম্পত্তির একটি অংশ দান করা সাধারণত অবৈধ, যদি না সম্পত্তিটি ভাগ করা যায় এবং দখল হস্তান্তর সম্পন্ন হয়। Hiba-ba-Shartul-Iwaz একটি হিবা হিসেবে বিবেচিত হয়, যেখানে দখল হস্তান্তর প্রয়োজন এবং Musha Doctrine প্রযোজ্য।
অন্যদিকে, Hiba-bil-Iwaz বিক্রয় বা বিনিময় হিসেবে গণ্য হয়, তাই এতে Musha Doctrine প্রযোজ্য নয়। Hiba-bil-will বলে কোনো স্বীকৃত Hiba এর শ্রেণি নেই।

অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
ক) Hiba-bil-Iwaz: এটি ভুল, কারণ Hiba-bil-Iwaz বিক্রয় বা বিনিময় হিসেবে গণ্য হয় এবং Musha Doctrine এর প্রযোজ্যতা নেই।
খ) Hiba-bil-will: এটি ভুল, কারণ Hiba-bil-will বলে কোনো স্বীকৃত Hiba ধরন মুসলিম আইনে নেই।
গ) Hiba-ba-Shartul-Iwaz: এটি সঠিক, কারণ এটি হিবা হিসেবে গণ্য এবং Musha Doctrine প্রযোজ্য।
ঘ) কোনোটিই নয়: এটি ভুল, কারণ Hiba-ba-Shartul-Iwaz এর ক্ষেত্রে Musha Doctrine প্রযোজ্য।

অর্থাৎ Musha Doctrine Hiba-ba-Shartul-Iwaz এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) Hiba-ba-Shartul-Iwaz।

১২,৪৬৪.
'ক' ও 'খ' আনন্দ উপভোগের উদ্দেশ্যে পরস্পরের সঙ্গে তরবারি খেলা খেলতে সম্মতি হয়। তরবারি খেলার সময় 'ক' খেলার স্বাভাবিক নিয়ম মেনে এবং অনিচ্ছাকৃতভাবে 'খ' আহত করে। এখানে 'ক' নিচের কোন ধরনের অপরাধ করেছে?
  1. কোন অপরাধ করেনি
  2. আঘাত
  3. গুরুতর আঘাত
  4. গুরুতর আগের চেষ্টা
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ করেনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ করেনি
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৮৭ ধারা মতে মৃত্যু বা গুরুতর জখম ঘটানোর অভিপ্রায় ব্যতীত কোন কাজ মৃত্যু বা গুরুতর জখম ঘটাতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও ১৮ বছরের বেশি বয়স্ক ব্যক্তির ক্ষতির ঝুঁকি গ্রহণের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সম্মতি দিয়ে কাজটি করা হলে তা অপরাধ নয়।

♦ দণ্ডবিধির ৮৭ ধারার বিধান মৃত্যু বা গুরুতর আঘাত ঘটাইবার জন্য অভিপ্রেত নহে, এবং অনুরূপ সম্ভাবনাপূর্ণ বলিয়া অজ্ঞাত কার্য সম্মতি সহকারে সম্পাদন করা:
মৃত্যু ঘটাবার অথবা গুরুতর আঘাত করার উদ্দেশ্যে সম্পাদিত নয়, অথবা মৃত্যু ঘটাতে পারে বা গুরুতর আঘাত করতে পারে এইরূপ না জেনে সম্পাদিত কোন কাজ করার পর উহাতে কোন ক্ষতি হওয়ার ফলে অপরাধ হবে না; অথবা ১৮ বৎসরের অধিক বয়স্ক কোন ব্যক্তি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অনুরূপ কাজের ফল হতে উদ্ভূত ক্ষতি স্বীকার করার সম্মতিদানের পর, তার সম্মতি নিয়ে উক্তরূপ ক্ষতি সাধনের ইচ্ছা করে কাজটি করার পর তাতে কোনরূপ ক্ষতি হওয়ার ফলে কাজটি অপরাধ হবে না; অথবা যে ব্যক্তি কাজটি করছে, সে ব্যক্তি কাজটি করার ফলে ক্ষতি অনুষ্ঠিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও যে ব্যক্তির ক্ষতি হতে পারে, সে ব্যক্তির ক্ষতির ঝুঁকি স্বীকারে সম্মতিক্রমে কাজটি করার পর তাতে কোনরূপ ক্ষতি হওয়ার ফলে কাজটি অপরাধ হবে না।

------------------
♦ Act not intended and not known to be likely to cause death or grievous hurt, done by consent:
Section 87. Nothing which is not intended to cause death, or grievous hurt, and which is not known by the doer to be likely to cause death, or grievous hurt, is an offence by reason of any harm which it may cause, or be intended by the doer to cause, to any person, above eighteen years of age, who has given consent, whether express or implied, to suffer that harm; or by reason of any harm which it may be known by the doer to be likely to cause to any such person who has consented to take the risk of that harm.
১২,৪৬৫.
ফৌজদারী কার্যবিধি অনুযায়ী গ্রেফতার হওয়ার পর ২৪ ঘণ্টার হিসাব করতে গেলে কোন সময় বাদ দিতে হবে?
  1. জিজ্ঞাসাবাদের সময় বাদ যাবে।
  2. কোনো সময় বাদ যাবে না।
  3. গ্রেফতারের পর থেকে FIR লিখা পর্যন্ত সময়।
  4. গ্রেফতারস্থল থেকে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে যাওয়ার পথের সময় বাদ দেওয়া হবে।
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতারস্থল থেকে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে যাওয়ার পথের সময় বাদ দেওয়া হবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতারস্থল থেকে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে যাওয়ার পথের সময় বাদ দেওয়া হবে।
ব্যাখ্যা
⇒ গ্রেফতার হওয়ার পর ২৪ ঘণ্টার হিসাব করতে গেলে গ্রেফতারস্থল থেকে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে যাওয়ার সময় বাদ দিতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬১ ধারার বিধান গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে চব্বিশ ঘন্টার বেশী সময় আটক রাখা যাবে না:
কোন পুলিশ অফিসার বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারকৃত কোন ব্যক্তিকে সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় যৌক্তিক সময়ের চাইতে অধিক কাল আটক রাখবেন না এবং ১৬৭ ধারার বিধান অনুসারে কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের বিশেষ আদেশ না থাকলে এরূপ আটকের সময় গ্রেফতারের স্থান হতে ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে যাবার সময় বাদ দিয়ে ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টার বেশী হবে না।
-------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 61. Person arrested not to be detained more than twenty-four hours: No police-officer shall detain in custody a person arrested without warrant for a longer period than under all the circumstances of the case is reasonable, and such period shall not, in the absence of a special order of a Magistrate under section 167, exceed twenty-four hours exclusive of the time necessary for the journey from the place of arrest to the Magistrate's Court.
১২,৪৬৬.
'গ' এর বিরুদ্ধে 'ঘ' এক ফৌজদারি অভিযোগ দায়ের করে। পরবর্তীতে উক্ত অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হয়। এক্ষেত্রে ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট আদালত 'ঘ' কর্তৃক 'গ' কে অনধিক কত টাকার ক্ষতিপূরণ আদেশ দিতে পারে?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ১০০০ টাকা
  3. ৩০০০ টাকা
  4. ১০০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৫০ অনুসারে,
 
⇒ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনিত অভিযােগ মিথ্যা এবং তুচ্ছ বা বিরক্তিকর হলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদান করবেন এবং সংবাদদাতা বা অভিযােগকারিকে কারণ দর্শাতে বলবেন যে, কেন তার বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরনের আদেশ দেয়া হবে না।
 
⇒ ফরিয়াদি/সংবাদ দাতা/অভিযােগকারীর কারণ দর্শানোর পর ম্যাজিস্ট্রেট যদি সন্তুষ্ট হন- অভিযােগটি মিথ্যা, তুচ্ছ বা বিরক্তিকর তাহলে ফরিয়াদিকে অনধিক ১০০০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ বাবদ অভিযুক্তকে প্রদান করার আদেশ দিতে পারেন। এমনকি ক্ষতিপূরণ আদেশ ছাড়া ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ দিতে পারেন যে, ক্ষতিপূরণ প্রদানকারী ব্যক্তি অনধিক ৬ মাসের কারাদণ্ডে বা অনধিক ৩০০০ টাকা অর্থদন্ডে দণ্ডিত হবে। তবে তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এই ক্ষেত্রে অনধিক ৫০০ টাকা ক্ষতিপূরনের আদেশ দিতে পারেন।
 
⇒ ফরিয়াদি সংবাদদাতা ক্ষতিপূরণ প্রদানে ব্যর্থ হলে, ৩০ দিন পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
 
⇒ দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেনীর ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষতিপূরনের আদেশের বিরুদ্ধে বা অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট ১০০ টাকার বেশি ক্ষতিপূরনের আদেশের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরন সম্পর্কে আপিল দায়ের করা যাবে।
১২,৪৬৭.
মোহন একটি মামলায় অভিযোগ করে যে, প্রতারণার মাধ্যমে তার কাছ থেকে একটি দলিল গোপন রাখা হয়েছে। মোহন সেই দলিলটি উত্থাপন করতে সক্ষম হলে, তামাদি গণনা শুরু হবে কোন সময় থেকে?
  1. মামলা দায়ের করার দিন থেকে
  2. আদালতের শুনানির দিন থেকে
  3. আদালত মামলাটি গ্রহণ করার দিন থেকে
  4. দলিল উত্থাপন করার দিন থেকে
সঠিক উত্তর:
দলিল উত্থাপন করার দিন থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিল উত্থাপন করার দিন থেকে
ব্যাখ্যা
• ধারা ১৮- মামলা বা দরখাস্ত দাখিলের ক্ষেত্রে প্রতারণার ফলাফল:
যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি একটি মামলা বা দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী, কিন্তু প্রতারণার মাধ্যমে তাকে সেই অধিকারের বিষয়ে বা যে স্বত্বের উপর উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠিত তা জানতে দেয়া হয় নাই অথবা উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য যে দলির প্রয়োজন তা প্রতারণা করে গােপন রাখা হয়েছে, সেই সকল ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে বাদী যেদিন-
১। সর্বপ্রথম প্রতারণার কথা জানতে পারে সেদিন থেকে, অথবা
২। যেদিন গােপন রাখা দলিল উত্থাপন করতে পারবে, অথবা
৩। অপর পক্ষের কাছে থাকা দলিলটি যেদিন হাজির করতে বাধ্য করতে পারবে।

Section 18: Effect of fraud-
Where any person having a right to institute a suit or make an application has, by means of fraud, been kept from the knowledge of such right or of the title on which it is founded, or where any document necessary to establish such right has been fraudulently concealed from him, the time limited for instituting a suit or making an application- 
(a) against the person guilty of the fraud or accessory thereto, or
(b) against any person claiming through him otherwise than in good faith and for a valuable consideration,  
shall be computed from the time when the fraud first became known to the person injuriously affected thereby, or, in the case of the concealed document, when he first had the means of producing it or compelling its production.
১২,৪৬৮.
তামাদি আইনের ১৪ ধারা অনুযায়ী মামলাটি যদি এখতিয়ারবিহীন আদালতে করা হয়, তাহলে কী হবে?
  1. মামলাটি চলতে থাকবে
  2. তামাদি গণনা চলমান থাকবে
  3. মামলাটি বাতিল হয়ে যাবে
  4. এখতিয়ারবিহীন আদালতে ব্যয়িত সময় মূল তামাদি গণনা থেকে বাদ যাবে
সঠিক উত্তর:
এখতিয়ারবিহীন আদালতে ব্যয়িত সময় মূল তামাদি গণনা থেকে বাদ যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এখতিয়ারবিহীন আদালতে ব্যয়িত সময় মূল তামাদি গণনা থেকে বাদ যাবে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন ১৪ ধারার বিধান: এখতিয়ারবিহীন আদালতে সদুদ্দেশ্যমূলক কার্যধারায় যেই সময় গণনা হইতে বাদ দিতে হইবে:
১৪ ধারায় বলা হয়েছে যে, এখতিয়ারবিহীন কোনো আদালতে যদি মোকদ্দমা দায়ের করা হয়, তবে সেই আদালতে মোকদ্দমাটি করার জন্য যে সময় ব্যয় করা হয় তা মূল গণনা থেকে বাদ যাবে। তবে এক্ষেত্রে ৩টি বিষয় প্রমাণ করতে হবে যেমন,
১. বাদীর সদবিশ্বাস,
২. মোকদ্দমার কারণের অভিন্নতা, মানে, এখতিয়ারবিহীন আদালতে যে কারণে মোকদ্দমা করা হয়েছিলো পরবর্তীতে ঠিক একই কারণে এখতিয়ারাধীন আদালতে মোকদ্দমা করা হয়েছে বা হচ্ছে; এবং
৩. প্রথমে যেই আদালতে মোকদ্দমা করা হয়েছিলো, সেই আদালতের সেই মোকদ্দমাটি নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে আদালতের এখতিয়ারের অপর্যাপ্ততা বা অনুপস্থিতি।

১৪ ধারার বিধান শুধু উপধারা ১ অনুসারে স্যুট বা মোকদ্দমা এবং উপধারা ২ অনুসারে দরখাস্ত দাখিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়। মোকদ্দমা দায়েরের পর যদি আরজি ফেরত দেওয়া হয় এবং ইতিমধ্যে তামাদির মেয়াদ শেষ হয়ে যায় তাহলে এখতিয়ারবান আদালতে পুনরায় আরজি দাখিলের ক্ষেত্রে আরজির সাথে তামাদি আইনের ১৪ ধারায় বিলম্ব মওকুফের আবেদন করতে হবে।
১২,৪৬৯.
দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় কোন পরিস্থিতিতে মানহানি অপরাধ হিসাবে বিবেচিত হবে না?
  1. ব্যক্তিগত ক্ষোভে মন্তব্য করা
  2. জনস্বার্থে সত্য-দোষারোপ করা
  3. গোপন তথ্য প্রকাশ করা
  4. শখের উদ্দেশ্যে মন্তব্য করা
সঠিক উত্তর:
জনস্বার্থে সত্য-দোষারোপ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনস্বার্থে সত্য-দোষারোপ করা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় মানহানির ১০ টি ব্যতিক্রম (Exception) রয়েছে অর্থাৎ এই ১০ টি ক্ষেত্রে কোন মানহানিকর উক্তি বা তথ্য প্রকাশ করা হলেও মানহানির অপরাধ হবে না-
 
১) জনস্বার্থে বা জনগণের কল্যাণের জন্য কারো প্রতি সত্য-দোষারোপ করা হলে;
২) জনগণের প্রতি সরকারি কর্মচারীর আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে;
৩) কোন জনসমস্যা/গণসমস্যা সম্পর্কে কোন ব্যক্তির আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে;
৪) কোন আদালতের কার্য বিবরণীর রিপোর্ট প্রকাশ করা হলে;
৫) আদালত কর্তৃক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে এমন কোন ফৌজদারি বা দেওয়ানি মোকদ্দমার দোষ, গুণ বা সাক্ষী বা সাক্ষ্যের সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে;

৬) কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার ভার জনগণের উপর ন্যস্ত করা হলে তখন এ বিষয়ে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে, যেমন- কোন ব্যক্তি কোন বই প্রকাশ করলে বা প্রকাশ্য স্থানে বক্তৃতা দিলে তখন তা বিচার করার জন্য জনগণের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে গণ্য করা হবে;
৭) অন্যের উপর আইনসম্মতভাবে ক্ষমতা রয়েছে এমন ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে কোন নিন্দা করলে;
৮) ক্ষমতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তির নিকট সৎ বিশ্বাসে অভিমত দেয়া হলে;
৯) কোন ব্যক্তি নিজের বা অন্যের স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে বা জনস্বার্থে সৎ বিশ্বাসে কোন দোষারোপ করলে;
১০) জনকল্যাণে সৎ বিশ্বাসে কোন ব্যক্তিকে সতর্ক করে কিছু বলা হলে;
১২,৪৭০.
দেওয়ানী কার্যবিধির Order XLIII এ আপীলযোগ্য আদেশের তালিকায় মোট কয়টি আদেশের সংখ্যা উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ২৩টি
  2. ২৪টি
  3. ২৫টি
  4. ২৬টি
সঠিক উত্তর:
২৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪৩ এর বিধান হলো- আদেশের বিরুদ্ধে আপীল।
⇒ আদেশ ৪৩ এবং ধারা ১০৪ এর মধ্যে আপীলযোগ্য আদেশ সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে।
⇒ সাধারনত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল চলে না, তবে আদেশটি যদি আপীলযোগ্য আদেশ হয় তাহলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়।
⇒ আদেশ ৪৩ এ মোট ২৫টি আপীলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) রয়েছে।
১২,৪৭১.
প্রত্যেকটি দায়রা বিভাগে কত শ্রেণির জজ থাকবে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯ ধারায় দায়রা আদালতের বিধান রয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধির ৭ ধারার বিধান অনুযায়ী বাংলাদেশে কতিপয় দায়রা বিভাগ থাকবে, এবং ৯ ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার প্রত্যেকটি দায়রা বিভাগের জন্য একটি করে দায়রা আদালত স্থাপন করবে। মেট্রোপলিটন এলাকার দায়রা আদালতকে মেট্রোপলিটন দায়রা আদালত (Metropolitan Court of Sessions) বলা হবে।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯ ধারামতে দায়রা আদালতে তিন ধরণের বিচারক থাকে। যথা-
i) দায়রা জজ (Sessions Judge);
ii) অতিরিক্ত দায়রা জজ (Additional Sessions Judge);
iii) যুগ্ম দায়রা জজ (Joint Sessions Judge).
১২,৪৭২.
রাকিব স্বেচ্ছাকৃতভাবে একজনের চোখের দৃষ্টি নষ্ট করার জন্য এসিড প্রয়োগ করে। রাকিবের বিরুদ্ধে কোন ধারায় মামলা করা হবে?
  1. ধারা ৩২০
  2. ধারা ৩২৩
  3. ধারা ৩২৬
  4. ধারা ৩২৬ক
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩২৬ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩২৬ক
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩২৬ক ধারা: স্বেচ্ছাকৃতভাবে দুইটি চোখ উপড়ে বা এসিড জাতীয় পদার্থ দ্বারা চোখ দুইটির দৃষ্টি নষ্টকরণ বা মুখমণ্ডল বা মস্তক এসিড দ্বারা বিকৃতিকরণ:

যে ব্যক্তি ৩৩৫ ধারায় উল্লেখিত ক্ষেত্র ছাড়া স্বেচ্ছাকৃতভাবে নিম্নবর্ণিত উপায়ে-
(ক) ৩২০ ধারার দ্বিতীয় অনুচ্ছেদে বর্ণিত অপরাধ যেক্ষেত্রে উভয় চক্ষুর ব্যাপারে হয় উৎপাটন দ্বারা অথবা যেকোন ধরনের এসিড জাতীয় পদার্থ কর্তৃক, কিংবা
(খ) ৩২০ ধারার ষষ্ঠ অনুচ্ছেদে বর্ণিত অপরাধ যেক্ষেত্রে কোন এসিড জাতীয় পদার্থ দ্বারা কোন ব্যক্তিকে গুরুতর আঘাত করে, তবে সে ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে এবং অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত করা হবে।

Section 326A- Voluntarily causing grievous hurt in respect of both eyes, head or face by means of corrosive substance, etc:
Whoever, except in the case provided for by section 335, voluntarily causes grievous hurt of the kind mentioned in-
(a) clause secondly of section 320 in respect of both the eyes either by gouging out the same or by means of any corrosive substance; or
(b) clause sixthly of section 320 by means of any corrosive substance, shall be punished with death, or imprisonment for life and shall also be liable to fine.
১২,৪৭৩.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর কত ধারা অনুযায়ী কিছু নারী ব্যক্তিগতভাবে আদালতে উপস্থিত হওয়া থেকে অব্যাহতি পেতে পারেন?
  1. ধারা ১৩০
  2. ধারা ১৩১
  3. ধারা ১৩২
  4. ধারা ১৩৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৩২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৩২
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ১৩২: কিছু নারীর ব্যক্তিগতভাবে আদালতে উপস্থিতির দায় থেকে অব্যাহতি:
(১) যে সকল নারী দেশের প্রথা ও রীতিনীতি অনুযায়ী প্রকাশ্যে উপস্থিত হতে বাধ্য না হন, তাঁদের আদালতে ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত হতে বাধ্য করা যাবে না। অর্থাৎ, ঐ নারীরা ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি প্রাপ্ত হবেন।

(২) এই ধারার কোনো কিছু সেই নারীদের গ্রেপ্তার থেকে অব্যাহতি প্রদান করে না, যদি না এই বিধিতে নারীদের গ্রেপ্তার নিষিদ্ধ করা হয়ে থাকে। অর্থাৎ, যে ক্ষেত্রে এই বিধি নারীদের গ্রেপ্তার নিষিদ্ধ করে না, সে ক্ষেত্রে বেসামরিক প্রক্রিয়ায় তাদের গ্রেপ্তার করা যেতে পারে।
১২,৪৭৪.
আইনের ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে গোল্ডেন রুলের মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. শব্দের আক্ষরিক অর্থই সর্বদা অনুসরণ করা
  2. অযৌক্তিক ফলাফল এড়াতে শব্দের অর্থ পরিবর্তনের অনুমতি দেওয়া
  3. আইন প্রণেতার উদ্দেশ্য উপেক্ষা করা
  4. বিচারককে আইন পরিবর্তনের ক্ষমতা প্রদান করা
সঠিক উত্তর:
অযৌক্তিক ফলাফল এড়াতে শব্দের অর্থ পরিবর্তনের অনুমতি দেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অযৌক্তিক ফলাফল এড়াতে শব্দের অর্থ পরিবর্তনের অনুমতি দেওয়া
ব্যাখ্যা
The Golden Rule of Interpretation of Statutes-
সংবিধান ও আইন ব্যাখ্যার গোল্ডেন রুল গোল্ডেন রুল হলো লিটারাল রুলের একটি সম্প্রসারণ বা বিস্তৃতি, যা বিচারকদেরকে শব্দের আক্ষরিক অর্থের বাইরে গিয়ে ব্যাখ্যা করার সুযোগ দেয়, যাতে অযৌক্তিক বা হাস্যকর ফলাফল এড়ানো যায়।

গোল্ডেন রুল অনুযায়ী,
আদালত সাধারণত ব্যবহৃত শব্দের প্রাকৃতিক এবং সাধারণ অর্থ অনুসরণ করবে।

গোল্ডেন রুল প্রয়োগের দুটি ধরণ-
সঙ্কীর্ণ (Narrow) প্রয়োগ:
এই পদ্ধতিতে রুল প্রযোজ্য হয় যখন আইনের কোনো শব্দ অস্পষ্ট বা একাধিক অর্থযুক্ত। আদালতের কাজ হলো সেই শব্দের মধ্যে প্রসঙ্গের সঙ্গে সবচেয়ে উপযুক্ত অর্থ নির্বাচন করা।

বিস্তৃত (Wider) প্রয়োগ:
এই পদ্ধতিতে রুল প্রয়োগ হয় যখন শব্দের একটি মাত্র আক্ষরিক অর্থ আছে, কিন্তু তা অনুসরণ করলে অযৌক্তিক বা হাস্যকর ফলাফল হবে। আদালত তখন সেই শব্দের ব্যাখ্যা পরিবর্তন করতে বা সামঞ্জস্য করতে পারে, যাতে আইন অনুযায়ী যৌক্তিক ফলাফল নিশ্চিত হয়।

গোল্ডেন রুলের গুরুত্ব:
- আদালতকে আইনের উদ্দেশ্য বা লেখকের ইচ্ছা অনুযায়ী ব্যাখ্যা করার দায়িত্ব দেয়, বিশেষ করে যখন আক্ষরিক অর্থ অনুসরণ করলে আইন অকার্যকর বা অযৌক্তিক হয়।
- আদালত শব্দের সাধারণ এবং গ্রামাটিক্যাল অর্থ পরিবর্তন বা সামঞ্জস্য করতে পারে, তবে শুধুমাত্র সেই সীমায় যা প্রয়োজনীয়।
- যখন শব্দের অর্থ স্পষ্ট এবং পরিষ্কার, আদালত অত্যধিক বিচ্যুতি করবে না, বরং শব্দের প্রাকৃতিক অর্থেই ব্যাখ্যা করবে।
১২,৪৭৫.
দেওয়ানি আদালত কখন রিসিভার নিয়োগ করতে পারে?
  1. মামলাধীন বাদী নাবালক হলে
  2. মামলাধীন বাদী নিঃস্ব হলে
  3. মামলাধীন পক্ষদ্বয়ের সাক্ষ্য নিতে
  4. মামলাধীন সম্পত্তির তত্ত্বাবধানার্থে
সঠিক উত্তর:
মামলাধীন সম্পত্তির তত্ত্বাবধানার্থে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলাধীন সম্পত্তির তত্ত্বাবধানার্থে
ব্যাখ্যা
• রিসিভার হলেন এমন একজন ব্যক্তি যিনি কোন মামলাধীন সম্পত্তির তত্ত্বাবধানার্থে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত নিযুক্ত একজন কর্মকর্তা। দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ৪০ এর ১ বিধিতে তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভার নিয়োগ সম্বন্ধে আলোচনা করা হয়েছে।

৪০ আদেশের ১ বিধিতে বলা হয়েছে যে,
যে ক্ষেত্রে আদালতের কাছে ন্যায়সঙ্গত ও সুবিধাজনক বলে প্রতীয়মান হয়, সে ক্ষেত্রে আদালতের আদেশের মাধ্যমে-
ক) ডিক্রির আগে বা পরে কোন সম্পত্তির তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ করতে পারে;
খ) সম্পত্তির দখল বা তত্ত্বাবধান হতে কোন লোককে অপসারণ করতে পারে;
গ) তা তত্ত্বাবধায়কের দখলে, তত্ত্বাবধায়কের ব্যবস্থাপনা রাখিতে পারে; এবং
ঘ) মামলা আনয়ন ও আত্মপক্ষ সমর্থন সম্পর্কে এবং সম্পত্তি আদায়করন, ব্যবস্থাপনা, নিরাপদকরণ, সংরক্ষণ এবং উন্নয়নের জন্য খাজনা এবং মুনাফা সংগ্রহ, অনুরূপ খাজনা ও মূনাফার প্রয়োগ ও হস্তান্তর এবং দলিল সম্পাদন সম্পর্কে মালিকের নিজের যেরূপ ক্ষমতা আছে সেরূপ বা আদালত যে সব ক্ষমতা যথাযথ মনে করেন, তত্ত্বাবধায়ক বরাবর অনুরূপ সব ক্ষমতা প্রদান করতে পারে।

৪০ আদেশের ২ বিধিতে, রিসিভার বা তত্বাবধায়কের কর্তব্য সম্বন্ধে আলোচনা করা হয়েছে। ৪০ আদেশের ২ বিধিতে বলা হয়েছে, অনুরূপে নিযুক্ত প্রত্যেক তত্ত্বাবধায়ক-
ক) সম্পত্তি সম্পর্কে সে যা পাবে তার যথাযথ দায়ী থাকার জন্য আদালত দ্বারা যথাযথ বিবেচনায় জামানত (যদি কোন) প্রদান করবে;
খ) আদালত দ্বারা নির্দেশিত মেয়াদে এবং ফরমে তার হিসাবাদি পেশ করবেন;
গ) আদালতের নির্দেশ মতো তার কাছে হতে প্রাপ্য টাকা পরিশোধ করবে; এবং
ঘ) তার ইচ্ছামত বরখেলাপ বা গুরুতর অবহেলার দরুণ সম্পত্তির ক্ষতিসাধন হলে তার জন্য দায়ী থাকবে।
১২,৪৭৬.
বিধবার সম্পত্তি বলতে কী বোঝায়?
  1. স্ব-উপার্জিত সম্পত্তি
  2. পিতার কাছ থেকে প্রাপ্ত সম্পত্তি
  3. স্বামীর কাছ থেকে পাওয়া স্ত্রীধন
  4. স্বামীর কাছ থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি
সঠিক উত্তর:
স্বামীর কাছ থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বামীর কাছ থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
বিধবার সম্পত্তি:
যে হিন্দু স্ত্রী তার স্বামীর কাছ থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে সম্পত্তি লাভ করেন, সেটি বিধবার সম্পত্তি হিসেবে পরিচিত।
- স্ত্রীধন ও বিধবার সম্পত্তি এক নয়। বিধবার সম্পত্তি হলো সেই সম্পত্তি, যা কোনো নারী তার স্বামীর থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে পায়; কিন্তু এটি স্ত্রীধনের অন্তর্ভুক্ত নয়।
- স্ত্রীধনতে মহিলার একচ্ছত্র মালিকানা থাকে এবং তিনি ইচ্ছেমতো তা হস্তান্তর করতে পারেন। কিন্তু বিধবার সম্পত্তিতে মহিলার মালিকানা সীমিত, অর্থাৎ তিনি কেবল জীবন-স্বত্ব বা সীমিত স্বার্থ অর্জন করেন।
এর মানে হলো, বিধবার সম্পত্তিতে মহিলার কোনো একচ্ছত্র মালিকানা নেই, এবং তিনি ইচ্ছামতো তা বিক্রি বা হস্তান্তর করতে পারেন না। তবে, কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে বিধবার সম্পত্তি চূড়ান্তভাবে হস্তান্তর করা সম্ভব,যেমন:
১) ধর্মীয় বা দাতব্য উদ্দেশ্যে
২) আইনগত প্রয়োজনে
৩) সম্পত্তির সুষ্ঠু ব্যবহারের জন্য বা মঙ্গলে
১২,৪৭৭.
The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বিচারক কোন সাক্ষীকে কোন প্রশ্ন করতে পারেন?
  1. ১৫১
  2. ১৫৭
  3. ১৬৫
  4. ১৬৭
সঠিক উত্তর:
১৬৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬৫
ব্যাখ্যা
♦The Evidence Act, 1872 এর-১৬৫ ধারায়- বিচারক কর্তৃক প্রশ্ন জিজ্ঞেস করার বা কিছু দাখিল করার আদেশ প্রদানের ক্ষমতা- বিচারক প্রাসঙ্গিক ঘটনা উদঘাটন করার জন্য অথবা উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য যে কোন সাক্ষীকে যে কোন সময় যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন, অথবা প্রাসঙ্গিক বা অপ্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে পক্ষগণকে যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন এবং যে কোন দলিল বা বস্তু উপস্থাপন করার আদেশ দিতে পারবেন।
♦তবে শর্ত থাকে যে, এই আইন অনুসারে যে সকল ঘটনা প্রাসঙ্গিক ও যথারীতি প্রমাণিত বলে ঘোষিত হবে, তার ভিত্তিতেই মামলার রায় দান করতে হবে।
♦পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিগণ বিচারকের কোন প্রশ্ন বা আদেশ সম্পর্কে কোন আপত্তি করতে পারবে না। অনুরূপ কোন প্রশ্নের উত্তরে সাক্ষী যা বলবে ঐ সম্পর্কে আদালতের অনুমতি ব্যতীত সাক্ষীকে কোন জেরা করতেও পারবে না।
১২,৪৭৮.
অ-কৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৩ ধারায় অ-কৃষি প্রজাকে কয় শ্রেণীতে ভাগ করা হয়েছে?
  1. এক শ্রেণী
  2. দুই শ্রেণী
  3. তিন শ্রেণী
  4. চার শ্রেণী
সঠিক উত্তর:
দুই শ্রেণী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই শ্রেণী
ব্যাখ্যা

অ-কৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ধারা ৩: অ-কৃষি প্রজার শ্রেণী-
(১) এই আইনের উদ্দেশ্যে, অ-কৃষি প্রজা নিম্নবর্ণিত শ্রেণীসমূহে বিভক্ত, যথা:
(ক) প্রজা, এবং
(খ) অধস্তন প্রজা।

(২) “প্রজা” অর্থ যে ব্যক্তি এই আইনে বর্ণিত যে কোনো উদ্দেশ্যে মালিক বা ভোগ দখলের স্বত্বাধিকারীর নিকট হইতে অ- কৃষি জমি অধিকারে রাখার অধিকার অর্জন করিয়াছেন, এবং এইরূপ অধিকার অর্জনকারীর স্বার্থের উত্তরাধিকারীগণও ইহার অন্তর্ভুক্ত।

(৩) “অধস্তন প্রজা” অর্থ যে ব্যক্তি এই আইনে বর্ণিত যে কোনো উদ্দেশ্যে কোনো প্রজার সরাসরি বা দূরবর্তী অধীনে অ-কৃষি জমি অধিকারে রাখার অধিকার অর্জন করিয়াছেন, এবং এইরূপ অধিকার অর্জনকারীদের স্বার্থের উত্তরাধিকারিগণও ইহার অন্তর্ভুক্ত।

১২,৪৭৯.
দেওয়ানী মোকদ্দমায় অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত বিধি-বিধান কোথায় আছে?
  1. আদেশ ৩৮
  2. আদেশ ৩৬
  3. আদেশ ৩৯
  4. আদেশ ৪১
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৩৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৩৯
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ অনুযায়ী আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করা হয়। অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত বিধানাবলী আদেশ ৩৯-এ বর্ণিত আছে।

- মামলা চলাকালীন সময়ে বিবাদী যাতে মামলার বিষয়বস্তু হস্তান্তর বা কোন প্রকার রূপান্তর ঘটাতে না পারে সেই জন্য মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিবাদীকে এই কাজ হতে বিরত থাকার জন্য সাময়িকভাবে যে আদেশ দেয়া হয় তাকে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বলে।

-দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৯ আদেশের বিধি-১ বা বিধি-২ অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার পিটিশন দাখিল করতে হয়।
১২,৪৮০.
কোনো জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারাধীন মামলা অন্য কোন জেলায় অবস্থিত ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে স্থানান্তর করার দরখাস্ত কোন আদালতে করতে হবে?
  1. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  2. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. দায়রা আদালত
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৬ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগের মামলা স্থানান্তর ও প্রত্যাহারের ক্ষমতা রয়েছে। এই ধারার বিধান অনুযায়ী ফৌজদারি মামলা এক জেলার দায়রা আদালত থেকে অন্য জেলার দায়রা আদালতে মামলা স্থানান্তরের জন্য সরাসরি হাইকোর্টে আবেদন করতে হবে। একই জেলার মধ্যে একই দায়রা জজ আদালতের এক ফৌজদারি আদালত থেকে অন্য ফৌজদারি আদালতে মামলা স্থানান্তরের জন্য প্রথমে দায়রা জজ আদালতে আবেদন করতে হবে, উক্ত দায়রা জজ আদালত আবেদন নাকচ করলে হাইকোর্টে আবেদন করতে হবে।
১২,৪৮১.
ভিন্ন কোনো বিধান না থাকার সাপেক্ষে, দণ্ডবিধি ব্যতীত অন্য আইনের অধীন _________ অপরাধ ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী জামিনযোগ্য হবে।
  1. ১ বছরের কম শাস্তিযোগ্য
  2. ৩ বছরের কম শাস্তিযোগ্য
  3. ৫ বছরের কম শাস্তিযোগ্য
  4. ২ বছরের কম শাস্তিযোগ্য
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কম শাস্তিযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কম শাস্তিযোগ্য
ব্যাখ্যা
• জামিনযোগ্য অপরাধঃ-

ফৌজধারী কার্যবিধি ৪(খ) ধারায় জামিনযোগ্য অপরাধ বা “Bailable Offence’ সম্পর্কে বলা হয়েছে। যে সকল অপরাধ ফৌজদারী কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে জামিনযোগ্য বলে দেখানো হয়েছে যা বর্তমানে বলবৎ কোন আইন দ্বারা জামিন যোগ্য করা হয়েছে তাকে জামিনযোগ্য অপরাধ বলা হয়।

ফৌজদারী কার্যবিধি ২য় তফসিলে উল্লেখিত রয়েছে যে,
দণ্ডবিধি ব্যতীত অপর কোন আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে উক্ত আইনে ভিন্ন কোন বিধান না থাকলে, অপরাধটি যদি দুই বছরের কম শাস্তিযোগ্য কিংবা কেবল অর্থদণ্ড প্রদানযোগ্য হয়  তবে উক্ত অপরাধটি জামিনযোগ্য হবে।
১২,৪৮২.
No communication made in ______ is an offence by reason of any harm to the person to whom it is made, if it is made for the benefit of that person.
  1. no faith
  2. good faith
  3. evil motive
  4. honest motive
সঠিক উত্তর:
good faith
উত্তর
সঠিক উত্তর:
good faith
ব্যাখ্যা
• Section 93- Communication made in good faith:
No communication made in good faith is an offence by reason of any harm to the person to whom it is made, if it is made for the benefit of that person.
 
Illustration 
A, a surgeon, in good faith, communicates to a patient his opinion that he cannot live. The patient dies in consequence of the shock. A has committed no offence, though he knew it to be likely that the communication might cause the patient's death.

দণ্ডবিধির ৯৩ ধারা- বিধান সদবিশ্বাসে কৃত যোগাযোগ:
 কোন ব্যক্তির মঙ্গলার্থে আন্তরিক সদিচ্ছাক্রমে কৃত যোগাযোগ বা খবর প্রদান, উক্ত খবর প্রদানের ফলে উক্ত ব্যক্তির কোন প্রকার ক্ষতি হওয়ার দরুণ অপরাধ হবে না।
 
উদাহরণ
'ক' একজন সার্জন। তিনি আন্তরিক সদিচ্ছা থেকে জনৈক রোগীকে তার এই মত জানান যে, সে বাঁচবে না। ইহাতে মর্মান্তিক আঘাত প্রাপ্তির ফলে রোগীটির মৃত্যু হয়। 'ক' এর কাজটি অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না, যদিও তিনি জানতেন যে, তার এইরূপ মত দেওয়ার ফলে রোগীটির মৃত্যু ঘটতে পারে।
১২,৪৮৩.
What is the provision of Section 18 of the Registration Act?
  1. Registration of contract for sale
  2. Documents of which registration is optional
  3. Description of property and maps or plans
  4. Documents of which registration is compulsory
সঠিক উত্তর:
Documents of which registration is optional
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Documents of which registration is optional
ব্যাখ্যা
⇒ রেজিস্ট্রেশন আইনের ১৮ ধারার বিধান: যে সকল দলিলের নিবন্ধন ঐচ্ছিক (Documents of which registration is optional): ১৭ ধারার অধীনে যে সকল দলিল নিবন্ধন বাধ্যতামূলক নয় সে সকল দলিলেরও নিবন্ধন করা যাবে।

- ধারা ১৭(২) অনুযায়ী নিম্নলিখিত দলিল নিবন্ধন বাধ্যতামূলক না (optional):
১. যে কোন প্রকার সোলেনামা;
২. জয়েন্ট স্টক কোম্পানির শেয়ার সংক্রান্ত দলিল;
৩. উক্ত কোম্পানি ইস্যুকৃত ডিবেঞ্চার যা অধিকার সৃষ্টি করে না;
৪. রাজস্ব কর্মকর্তা কর্তৃক প্রস্তুতকৃত বাটোয়ারা দলিল;
৫. নিলামে বিক্রিত কোন সম্পত্তির ক্রেতার বরাবর মঞ্জুরকৃত নিলামের বিক্রয়নামা;
৬. সরকার কর্তৃক স্থাবর সম্পত্তির কোন মঞ্জুরি;
৭. ১০০ টাকা বা তার অধিক মূল্যের স্থাবর সম্পত্তির দলিল যা কোন অধিকার সৃষ্টি করে না।
-------------------
⇒ The Registration Act, 1908-Section-18: Documents of which registration is optional:
-Any document not required to be registered under section 17 may also be registered under this Act.
১২,৪৮৪.
বিচার্য বিষয়াবলী প্রণয়নের পর কত দিনের মধ্যে আদালত ঐ মোকদ্দমার চূড়ান্ত শুনানির দিন ধার্য্য করবে?
  1. ৬০
  2. ১২০
  3. ১৮০
  4. ১৭০
সঠিক উত্তর:
১২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২০
ব্যাখ্যা
• বিচার্য বিষয়াবলী প্রণয়নের পর ১২০ দিনের মধ্যে আদালত ঐ মোকদ্দমার চূড়ান্ত শুনানির তারিখ ধার্য্য করবে।

• দেওয়ানী মামলার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করা।কোন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বা আইনগত কোন বিষয় এর স্বীকার করলে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করলে বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়। দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪ নং আদেশে বিচার্য বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
বিচার্য বিষয় দুই প্রকার। যথা-

- ঘটনা বা তথ্য সংক্রান্ত বিচার্য বিষয় (issues of fact); এবং
- আইন সংক্রান্ত বিচার্য বিষয় ( issues of law)।

কোন তথ্যগত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যদি এক পক্ষ স্বীকার করে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করে তবে, তা তথ্যগত বিচার্য বিষয় (issues of fact) হবে। কোন আইনগত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যদি একপক্ষ স্বীকার করে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করে, তবে তা আইনগত বিচার্য বিষয় (issues of law) হবে।

• আদেশ ১৪ বিধি ৮-
বিচার্য বিষয়াবলী প্রণয়নের পর একশত বিশ দিনের ভিতর আদালত ঐ মোকদ্দমার চূড়ান্ত শুনানির তারিখ স্থিরীকৃত করবে।
[After the issues are framed, the Court shall within one hundred and twenty days thereof, fix a date for final hearing of the suit.]
১২,৪৮৫.
ম্যাজিস্ট্রেট আসামীকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি দিতে পারে The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারায়?
  1. ২০৪
  2. ২০২
  3. ২০৩
  4. ২০৫
সঠিক উত্তর:
২০৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০৫
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫ অনুসারে-
(১) যখন কোন ম্যাজিস্ট্রেট সমন জারি করেন তখন যুক্তিসংগত কারণ থাকলে তিনি আসামিকে ব্যক্তিগত হাজিরা হতে রেহাই দিয়ে, তাকে উকিলের মাধ্যমে হাজির হওয়ার অনুমতি দিতে পারবেন।

(২) কিন্তু তদন্ত বা বিচারকারী ম্যাজিস্ট্রেট তার বিচারিক ক্ষমতায় মামলার যে কোন পর্যায়ে আসামিকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারবেন এবং প্রয়োজনবোধে ইতোপূর্বে বর্ণিত পদ্ধতিতে তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে পারবেন।

Section 205: Magistrate may dispense with personal attendance of accused:
(1) Whenever a Magistrate issues a summons, he may, if he sees reason so to do, dispense with the personal attendance of the accused, and permit him to appear by his pleader. 
(2) But the Magistrate inquiring into or trying the case may, in his discretion, at any stage of the proceedings, direct the personal attendance of the accused, and, if necessary, enforce such attendance in manner hereinbefore provided.
১২,৪৮৬.
Specific relief cannot be granted for the mere purpose of enforcing a ­­_____ law
  1. Penal
  2. Civil
  3. Personal
  4. Tort law
সঠিক উত্তর:
Penal
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Penal
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন-এর ৭ ধারায় বলা হয়েছে কোনো দন্ড বা Penal  কার্যকর করার জন্য সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা যাবে না।
১২,৪৮৭.
গর্ভবতী নারীর মৃত্যুদণ্ড হ্রাস করে কী ধরনের দণ্ডে রূপান্তর করা যেতে পারে?
  1. অর্থদণ্ড
  2. সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. সর্বোচ্চ ১৪ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৮২- গর্ভবতী স্ত্রীলোকের মৃত্যুদণ্ড স্থগিতকরণ:
মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত কোন স্ত্রীলোক গর্ভবতী রয়েছে বলে দেখা গেলে, হাইকোর্ট বিভাগ দণ্ড কার্যকরীকরণ স্থগিত রাখার আদেশ দিবেন অথবা উপযুক্ত মনে করলে দণ্ড হ্রাস করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারবেন।

অর্থাৎ, নিম্নোক্ত আদেশসমূহ দিতে পারে-
⇒ দণ্ডাদেশ স্থগিত রাখার নির্দেশ,
⇒ দণ্ড হ্রাস করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

Section 382- Postponement of capital sentence on pregnant woman:
If a woman sentenced to death is found to be pregnant, the High Court Division shall order the execution of the sentence to be postponed, and may, if it thinks fit, commute the sentence to transportation for life.
১২,৪৮৮.
সাক্ষ্য আইনের ৬৮ ধারার প্রেক্ষিতে, উইল ব্যতীত কোন ধরনের দলিলের ক্ষেত্রে সত্যায়নকারী সাক্ষী তলব করা প্রয়োজন নয়?
  1. মৌখিক দলিল
  2. রেজিস্ট্রি করা দলিল
  3. হস্তাক্ষরহীন দলিল
  4. দলিলটি স্বাক্ষরিত না হলে
সঠিক উত্তর:
রেজিস্ট্রি করা দলিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেজিস্ট্রি করা দলিল
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৮ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, উইল ব্যতীত কোনো রেজিস্ট্রি করা দলিলের ক্ষেত্রে যদি তার সম্পাদনকারী তার সম্পাদন অস্বীকার না করেন, তবে সত্যায়নকারী সাক্ষীকে তলব করা প্রয়োজন হয় না। এই শর্তে, রেজিস্ট্রি করা দলিলগুলোকে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করার জন্য সত্যায়নকারী সাক্ষীকে হাজির করতে হবে না যদি না তার সম্পাদন অস্বীকার করা হয়।

যদি কোনো দলিল আইন অনুসারে সাক্ষী দ্বারা সাক্ষ্যদানের প্রয়োজন হয়, তাহলে সেই দলিল প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করার আগে কমপক্ষে একজন সাক্ষীকে ডাকতে হবে (যদি সেই সাক্ষী জীবিত, আদালতের আওতায় এবং সাক্ষ্য দিতে সক্ষম হন)। তবে, যদি দলিলটি উইল না হয় এবং রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮ অনুযায়ী নিবন্ধিত হয়, তাহলে সাক্ষী ডাকার প্রয়োজন নেই, যতক্ষণ না দলিলটি যে ব্যক্তির দ্বারা তৈরি হয়েছে বলে দাবি করা হয়, সেই ব্যক্তি বিশেষভাবে এটি অস্বীকার করে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৮ ধারার বিধান দলিলের সত্যায়নের প্রমাণের জন্য প্রয়োজনীয় বিধান:
যদি কোনো দলিল আইন অনুযায়ী সত্যায়িত হওয়া আবশ্যক হয়, তবে এটি প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারবে না যতক্ষণ না অন্তত একজন সত্যায়নকারী সাক্ষীকে উপস্থিত করা হয়, যে সাক্ষী জীবিত, আদালতের প্রক্রিয়ার অধীন এবং সাক্ষ্য দিতে সক্ষম:
এবং proviso অনুযায়ী:
যদি দলিলটি উইল না হয় এবং এটি রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮ অনুযায়ী রেজিস্ট্রি করা হয়ে থাকে, তবে সেই দলিলের সত্যায়ন প্রমাণের জন্য সত্যায়নকারী সাক্ষীকে তলব করার প্রয়োজন নেই, যদি না তার সম্পাদনকারী ব্যক্তি তার সম্পাদন অস্বীকার করেন।
------------ 
- The Evidence Act, 1872: Section- 68. Proof of execution of document required by law to be attested:
If a document is required by law to be attested, it shall not be used as evidence until one attesting witness at least has been called for the purpose of proving its execution, if there be an attesting witness alive, and subject to the process of the Court and capable of giving evidence: 
 
Provided that it shall not be necessary to call an attesting witness in proof of the execution of any document, not being a will, which has been registered in accordance with the provisions of the Registration Act, 1908, unless its execution by the person by whom it purports to have been executed is specifically denied.

১২,৪৮৯.
ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু কোন ধারার বিধান অনুসারে প্রমাণিত হতে পারে?
  1. সাক্ষ্য আইন ৬৫ ধারার
  2. সাক্ষ্য আইন ৬৫খ ধারার
  3. সাক্ষ্য আইন ৬৫ক ধারার
  4. সাক্ষ্য আইন ৬৬ ধারার
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইন ৬৫খ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইন ৬৫খ ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৫ক ধারা মতে ডিজিটাল রেকর্ড সম্পর্কিত সাক্ষ্যের জন্য বিশেষ বিধান: ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু ধারা ৬৫খ এর বিধান অনুসারে প্রমাণিত হতে পারে।

------------
⇒ Special provisions as to evidence relating to digital record:
Section 65A.  The contents of digital records may be proved in accordance with the provisions of section 65B.
১২,৪৯০.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৭১ ধারার বিধান অনুযায়ী, কাকে আদালতে যাবার পথে কোন পুলিশ কর্মকর্তার সাথে যেতে বলা যাবে না?
  1. ফরিয়াদিকে
  2. সাক্ষীকে
  3. অভিযুক্তকে
  4. ক বা খ কে
সঠিক উত্তর:
ক বা খ কে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ কে
ব্যাখ্যা

The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৭১ ধারার বিধান: ফরিয়াদি এবং সাক্ষীগণকে কোন পুলিশ কর্মকর্তার সাথে যেতে বলা যাবে না:(১) কোন ফরিয়াদি বা সাক্ষীকে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে যাবার পথে কোন পুলিশ কর্মকর্তার সাথে যেতে বলা যাবে না।

- ফরিয়াদি ও সাক্ষীগণকে বাধা দেয়া যাবে না:
অথবা অনাবশ্যক বাধা দেয়া যাবে না বা অসুবিধায় ফেলা যাবে না, বা তার নিজের মুচলেকা ছাড়া তার হাজিরের জন্য কোন জামানত দাবি করা যাবে না।

- অবাধ্য ফরিয়াদি বা সাক্ষীকে হেফাজতে পাঠানো যাবে:
শর্ত থাকে যে, ধারা-১৭০ এ প্রদত্ত নির্দেশ অনুসারে কোন ফরিয়াদি বা সাক্ষী হাজির হতে বা মুচলেকা সম্পাদন করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাকে হেফাজতে গ্রহণ করে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর পাঠাতে পারেন এবং ম্যাজিস্ট্রেট তাকে মুচলেকা সম্পাদন না করা বা মামলার শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত হেফাজতে আটক রাখতে পারেন।
 
(২) উপধারা (১) এ যা কিছুই বর্ণিত থাকুক না কেন, মোকদ্দমার শুনানিকালে ফরিয়াদি বা সাক্ষী যেন আদালতে উপস্থিত থাকে তার সুনিশ্চিত বন্দোবস্ত করার দায়িত্ব পুলিশ কর্মকর্তার উপর ন্যস্ত হবে।

১২,৪৯১.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩২, বিধি ৪(১) অনুসারে, কে নাবালকের নেক্সট ফ্রেন্ড হতে পারে?
  1. সরকারি কর্মচারী
  2. যেকোনো ব্যক্তি
  3. আদালতের কর্মচারী
  4. প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ মনের ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ মনের ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ মনের ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩২, বিধি ৪(১) অনুসারে, প্রাপ্তবয়স্ক (adult) ও সুস্থ মনের (sound mind) ব্যক্তি নাবালকের (minor) নেকস্ট ফ্রেন্ড (next friend) বা মামলার অভিভাবক (guardian for the suit) হিসেবে কাজ করতে পারেন। তবে শর্ত থাকে যে তার স্বার্থ যেন নাবালকের স্বার্থের পরিপন্থী না হয়, এবং নেকস্ট ফ্রেন্ড হলে তিনি মামলার বিবাদী হতে পারবেন না, আর মামলার অভিভাবক হলে তিনি বাদী হতে পারবেন না।
অর্থাৎ, শুধুমাত্র এমন কেউ যিনি পরিপক্ব, সুস্থ মানসিক অবস্থা সম্পন্ন এবং যার স্বার্থে কোনো সংঘাত নেই, তিনি নাবালকের পক্ষে আইনগতভাবে দায়িত্ব নিতে পারেন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩২, বিধি-৪: মামলাকে পরবর্তী হিসাবে কাজ করতে বা নিযুক্ত হতে পারে:
(১) কোন ব্যক্তি সুস্থ মনের অধিকার এবং প্রাপ্ত বয়স্ক হলে কোন নাবালকের নেকস্ট ফ্রেন্ড হিসাবে অথবা মামলার জন্য তার অভিভাবক হিসাবে কাজ করতে পারে: 
তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত ব্যক্তির স্বার্থ ঐ নাবালকের স্বার্থের প্রতিকূলে নহে এবং সে নেকস্ট ফ্রেন্ডের ক্ষেত্রে, কোন বিবাদী নহে, এবং মামলার অভিভাবকের ক্ষেত্রে কোন বাদী নহে।
(২) যেক্ষেত্রে কোন নাবালকের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ নিযুক্ত বা ঘোষিত কোন অভিভাবক আছে, সেক্ষেত্রে উক্ত অভিভাবক ব্যতিত অপর কোন ব্যক্তি নাবালকের পক্ষে নেকস্ট ফ্রেন্ড হিসাবে কাজ করতে বা মামলার জন্য তার অভিভাবক নিযুক্ত হতে পারবে, যদি না আদালত কারণ লিপিবদ্ধ করে বিবেচনা করেন যে, নাবালকের কল্যাণের জন্য অন্য কোন ব্যক্তিকে কাজ করতে বা অভিভাবক নিযুক্ত হতে অনুমতি দেয়া পয়োজন।
(৩) কোন ব্যক্তিকে তার অনুমতি ব্যতিত মামলার অভিভাবক নিয়োগ করা যাব না।
(৪) যেক্ষেত্রে অন্য কোন ব্যক্তি মামলার অভিভাবক হিসাবে কাজ করার জন্য যোগ্য এবং ইচ্ছুক নাই, সেক্ষেত্রে আদালত তার কোন কর্মচারীকে অনুরূপ অভিভাবক নিযুক্ত করতে পানে এবং নির্দেশ দিতে পারেন যে, উক্ত কর্মচারীকে বা কোন এক বা একাধিক পক্ষ কর্তৃক বহন করতে হবে, অথবা নাবালকের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট কোন তহবিল আদালতে থাকলে তা হতে খরচ হবে এবং ন্যায় বিচার ও অবস্থার পয়োজনে অনুরূপ খরচার পরিশোধ বা মেনে নেয়া সম্পর্কে নির্দেশ দিতে পারেন।

⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Order-XXXII, Rule-4: Who may act as next friend or be appointed guardian for the suit:
(1) Any person who is of sound mind and has attained majority may act as next friend of a minor or as his guardian for the suit:
Provided that the interest of such person is not adverse to that of the minor and that he is not, in the case of a next friend, a defendant, or, in the case of a guardian for the suit, a plaintiff.
(2) Where a minor has a guardian appointed or declared by competent authority, no person other than such guardian shall act as the next friend of the minor or be appointed his guardian for the suit unless the Court considers for reasons to be recorded, that it is for the minor's welfare that another person be permitted to act or be appointed, as the case may be.
(3) No person shall without his consent be appointed guardian for the suit.
(4) Where there is no other person fit and willing to act as guardian for the suit, the Court may appoint any of its officers to be such guardian, and may direct that the costs to be incurred by such officer in the performance of his duties as such guardian shall be borne either by the parties or by any one or more of the parties to the suit, or out of any fund in Court in which the minor is interested, and may give directions for the repayment or allowance of such costs as justice and the circumstances of the case may require.
১২,৪৯২.
এক ব্যক্তির সম্পত্তি ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৮ ধারার অধীনে ক্রোক করা হয়। ১ বছর পর তিনি আদালতে হাজির হয়ে প্রমাণ করেন যে, তিনি পলাতক ছিলেন না এবং পরোয়ানা এড়াতে পলায়ন করেননি। এক্ষেত্রে, আদালত কী সিদ্ধান্ত নিতে পারে?
  1. তার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হবে
  2. তাকে সম্পত্তি ফেরত দেওয়া হবে
  3. তাকে শাস্তি দেওয়া হবে
  4. তার বিরুদ্ধে মামলা করবে
সঠিক উত্তর:
তাকে সম্পত্তি ফেরত দেওয়া হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাকে সম্পত্তি ফেরত দেওয়া হবে
ব্যাখ্যা
• আদালত তাকে তার ক্রোককৃত সম্পত্তি ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারে, তবে ক্রোকের সমস্ত খরচ কেটে নেওয়া হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৯ ধারার বিধান- ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধার:

যার সম্পত্তি ৮৮ ধারার (৭) উপধারা অনুসারে সরকারের এখতিয়ারভুক্ত রয়েছে বা হয়েছে, সে যদি ক্রোক করার তারিখ থেকে ২ (দুই) বৎসরের মধ্যে যে আদালতের আদেশে সম্পত্তি ক্রোক করা হয়েছিল সেই আদালতের বা সেই আদালত যে আদালতের আওতাধীন সেই আদালতে ইচ্ছাকৃতভাবে হাজির হয় বা তাকে গ্রেফতার করে হাজির করানো হয় এবং এ মর্মে প্রমাণ দ্বারা সে উক্ত আদালতের সন্তুষ্টি উৎপাদনপূর্বক প্রমাণ করে যে, সে পলাতক (ফেরার) ছিল না বা পরোয়ানার নির্বাহ এড়াবার জন্য সে পলায়ন করেনি এবং তিনি হুলিয়া হতে এরূপ জ্ঞানার্জন করেনি যাতে তিনি উহাতে উল্লেখিত সময়সীমার মধ্যে হাজিরা দিতে পারেন, তাহলে ক্রোক সম্পর্কিত সমস্ত খরচ কেটে নিয়ে উক্ত সম্পত্তি বা তা বিক্রয় করা হয়ে থাকলে নীট মূল্য অথবা আংশিকভাবে বিক্রয় করা হয়ে থাকলে নীট মূল্য ও আংশিক সম্পত্তি তাকে অর্পণ করতে হবে।

Section 89: Restoration of attached property-
If, within two years from the date of the attachment any person whose property is or has been at the disposal of the Government, under sub-section (7) of section 88, appears voluntarily or is apprehended and brought before the Court by whose order the property was attached, or the Court to which such Court is subordinate, and proves to the satisfaction of such Court that he did not abscond or conceal himself for the purpose of avoiding execution of the warrant, and that he had not such notice of the proclamation as to enable him to attend within the time specified therein, such property, or, if the same has been sold, the nett proceeds of the sale, or, if part only thereof has been sold, the nett proceeds of the sale and the residue of the property, shall, after satisfying thereout all costs incurred in consequence of the attachment, be delivered to him.
১২,৪৯৩.
'একটি চুক্তির যেকোনো পক্ষের বিরুদ্ধে সেই চুক্তির নির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যেতে পারে'- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় উক্ত বিধান উল্লেখ আছে?
  1. ২৩ ধারায়
  2. ২৪ ধারায়
  3. ২৭ ধারায়
  4. ২৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৭ ধারামতে- 
যাদের বিরুদ্ধে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যেতে পারে [specific performance of a contract may be enforced against]-

(a) either party thereto;
ব্যাখ্যা: একটি চুক্তির যেকোনো পক্ষের বিরুদ্ধে সেই চুক্তির নির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যেতে পারে।

(b) any other person claiming under him by a title arising subsequently to the contract, except a transferee for value who has paid his money in good faith and without notice of the original contract;
ব্যাখ্যা: চুক্তির পরবর্তীতে যদি কেউ চুক্তির পক্ষের অধিকার দাবি করে, তাহলে তার বিরুদ্ধেও এই চুক্তির নির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যেতে পারে। তবে যদি কেউ সদ্ভাবে এবং মূল চুক্তির বিষয়ে অবগত না থেকে মূল্য প্রদান করে সেই অধিকার অর্জন করে থাকে, তাহলে তার বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যাবে না।

(c) any person claiming under a title which, though prior to the contract and known to the plaintiff, might have been displaced by the defendant;
ব্যাখ্যা: কখনও কখনও কোনো ব্যক্তি চুক্তির আগে থেকেই কোনো অধিকার দাবি করতে পারেন। যদি এই অধিকার বাদীর জ্ঞাতসারে থাকে এবং বিবাদীর মাধ্যমে এই অধিকার বাতিল করার সুযোগ থাকে তাহলে সেই ব্যক্তির বিরুদ্ধেও সেই চুক্তির নির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যেতে পারে।

(d) when a public company has entered into a contract and subsequently becomes amalgamated with another public company, the new company which arises out of the amalgamation;
ব্যাখ্যা: প্রথম পাবলিক কোম্পানিটি যদি কোনো চুক্তি করে এবং পরবর্তীতে অন্য কোনো পাবলিক কোম্পানির সাথে এক্রীভূত হয়ে নতুন কোম্পানি গঠিত হয়, তাহলে সেই নতুন কোম্পানির বিরুদ্ধেও প্রথম চুক্তিটির নির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যেতে পারে।

(e) when the promoters of a public company have, before its incorporation, entered into a contract, the company: provided that the company has ratified and adopted the contract and the contract is warranted by the terms of the incorporation.
ব্যাখ্যা: যদি কোনো প্রতিষ্ঠাতারা একটি প্রস্তাবিত পাবলিক কোম্পানির গঠনের আগেই কোনো চুক্তিতে আবদ্ধ হন, তাহলে পরবর্তীতে সেই কোম্পানি গঠিত হলে সেই চুক্তির নির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যেতে পারে। তবে এর জন্য সেই কোম্পানির দ্বারা সেই চুক্তি অনুমোদন এবং গৃহীত হতে হবে।
১২,৪৯৪.
আদালত ১৫২ ধারা অনুযায়ী কী করতে পারে?
  1. অপমানজনক প্রশ্ন বর্জন করতে পারে
  2. শুধুমাত্র আইনজীবীকে প্রশ্ন করতে দিতে পারে
  3. সাক্ষীকে প্রশ্ন করার জন্য সময় বৃদ্ধি করতে পারে
  4. সাক্ষীকে বাধ্য করতে পারে প্রশ্নের উত্তর দিতে
সঠিক উত্তর:
অপমানজনক প্রশ্ন বর্জন করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপমানজনক প্রশ্ন বর্জন করতে পারে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১৫২ ধারা অনুসারে,
আদালত যে কোনো প্রশ্ন নিষিদ্ধ করবে যা তার কাছে অপমান বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে মনে হয়, অথবা যা, নিজে যথাযথ হলেও, আদালতের কাছে অনাবশ্যকভাবে আপত্তিকর রূপে প্রতীয়মান হয়।

Section 152- Questions intended to insult or annoy:
The Court shall forbid any question which appears to it to be intended to insult or annoy, or which, though proper in itself, appears to the Court needlessly offensive in form.

১৫২ ধারা অনুসারে,
যদি কোনো প্রশ্ন সাক্ষীকে অপমানিত বা উত্যক্ত করার উদ্দেশ্যে করা হয়, তাহলে আদালত সেই প্রশ্নকে অগ্রাহ্য করতে পারে। অর্থাৎ, এরকম প্রশ্নের প্রয়োজন নেই এবং আদালত এই ধরনের প্রশ্ন প্রসঙ্গে বর্জন করতে পারে।
১২,৪৯৫.
কোন ব্যক্তির নিকট প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র এবং মামলার বিষয় বস্তু ছাড়া কত টাকার বেশি সম্পত্তি না থাকলে, তাকে নিঃস্ব ব্যক্তি বলে গণ্য করা হবে?
  1. ১,০০০ টাকা
  2. ৩০০০ টাকা
  3. ৫,০০০ টাকা
  4. ৫০,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৩ অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মোকদ্দমা  দায়ের করতে প্রয়োজনীয় কোর্ট ফি দিতে অক্ষম বা যে ক্ষেত্রে কোন কোর্ট ফি নির্ধারন থাকে না সেক্ষেত্রে তার প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র এবং মামলার বিষয়বস্তু ছাড়া ৫০০০ টাকার বেশি সম্পত্তি না থাকলে উক্ত ব্যক্তি নিঃস্ব হিসেবে গণ্য হবে।
⇒ নিঃস্ব ব্যক্তি হিসেবে মামলা করার অনুমতির জন্য আবেদন করতে হবে।
⇒ তবে আবেদন প্রত্যাখ্যান হবে যদি আবেদনের ২ মাস পূর্বে প্রতারনামূলক সম্পত্তি হস্তান্তর করে।

অর্থাৎ কোন ব্যক্তির নিকট প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র এবং মামলার বিষয় বস্তু ছাড়া ৫,০০০ টাকার বেশি সম্পত্তি না থাকলে তাকে নিঃস্ব ব্যক্তি বলে গণ্য করা হবে।
১২,৪৯৬.
দণ্ডবিধি অনুসারে, ব্যভিচারের সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের মেয়াদ -
  1. তিন বছর
  2. পাঁচ বছর
  3. সাত বছর
  4. যাবজ্জীবন
সঠিক উত্তর:
পাঁচ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাঁচ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪৯৭-এর অধীন, ব্যভিচার (adultery) অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি ৫ বছর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয়বিধ দণ্ড। এই অপরাধে শুধুমাত্র পুরুষ ব্যক্তিকে দায়ী করা যায়, এবং স্ত্রীকে সহায়তাকারী হিসেবে দণ্ডিত করা যায় না।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারার বিধান- ব্যভিচার:
কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তির স্ত্রী অথবা যাকে সে অন্য কোন ব্যক্তির স্ত্রী বলে জানে বা তার অনুরূপ বিশ্বাস করার কারণ আছে এমন কোন ব্যক্তির সাথে উক্ত অন্য ব্যক্তির সম্মতি ও সমর্থন ছাড়া এইরূপ যৌন সঙ্গম করে যা নারী ধর্ষণের সামিল নয়, তবে সে ব্যক্তি ব্যভিচারের অপরাধের জন্য দোষী হবে এবং তাকে পাঁচ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে। অনুরূপ ক্ষেত্রে স্ত্রী ব্যক্তিটি দুষ্কর্মের সহায়তাকারী হিসেবে দণ্ডিত হবে না।

⇒ The Penal Code, 1860-Section 497- Adultery:
Whoever has sexual intercourse with a person who is and whom he knows or has reason to believe to be the wife of another man, without the consent or connivance of that man, such sexual intercourse not amounting to the offence of rape, is guilty of the offence of adultery, and shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to five years, or with fine, or with both. In such case the wife shall not be punishable as an abettor.

১২,৪৯৭.
সুনির্দিষ্ট আইনের কত ধারা অনুযায়ী Declaratory Decree প্রদান করা হয়?
  1. ৪১ ধারা
  2. ৪২ ধারা
  3. ৪৩ ধারা
  4. ৪৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার (Declaratory Suit) বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে। সুতরাং শুধুমাত্র ২টি ক্ষেত্রে অর্থাৎ আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তিতে স্বত্বের ক্ষেত্রে আইনগত পরিচয় কিংবা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে পারে। ঘোষণামূলক মামলায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বা Declaratory Decree বলে।
♦অর্থাৎ ৪২ ধারায় আদালত যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বলে।
১২,৪৯৮.
দণ্ডবিধির ৩৪৩ ধারায় বর্ণিত অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ৬ মাস কারাদণ্ড
  2. ১ বছর কারাদণ্ড
  3. ২ বছর কারাদণ্ড
  4. ৩ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) ২ বছর কারাদণ্ড।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৩ ধারায় বলা হয়েছে, কেউ যদি কাউকে তিন বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে আটক রাখে, তবে তাকে সর্বোচ্চ দুই বছর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, বা অর্থদণ্ড, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৩ ধারার বিধান তিন বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধ অবরোধ:- কোন ব্যক্তি যদি কাউকে তিন বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
----------- 
⇒ The Penal Code, 1860- Section 343. Wrongful confinement for three or more days:- Whoever wrongfully confines any person for three days or more, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
১২,৪৯৯.
“অভ্যাসগতভাবে ভয় দেখিয়ে চাঁদা আদায় করে” এমন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা যায় ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় অনুসারে?
  1. ৫৪ক
  2. ৫৫(১)(গ)
  3. ৫৫(১)(খ) 
  4. ৫৫(১)(ক)
সঠিক উত্তর:
৫৫(১)(গ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৫(১)(গ)
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৫(১)(গ) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার নিম্নলিখিত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করতে পারেন: "যে ব্যক্তি খ্যাতি অনুযায়ী অভ্যাসগতভাবে জবরদস্তি (চাঁদা আদায়) করে বা জবরদস্তি করার উদ্দেশ্যে অভ্যাসগতভাবে ব্যক্তিকে আঘাতের ভয় দেখায় বা দেখানোর চেষ্টা করে।"
- সুতরাং, "অভ্যাসগতভাবে ভয় দেখিয়ে চাঁদা আদায় করে" এমন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা যায় ধারা ৫৫(১)(গ) অনুসারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫ ধারার বিধান ভবঘুরে, অভ্যাসগত দস্যু প্রভৃতি গ্রেফতার:
(১) থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার অনুরূপভাবে নিম্নে উল্লিখিথ ব্যক্তিদেরকে গ্রেফতার করতে বা গ্রেফতারের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন-
(ক) এরূপ থানার এলাকার মধ্যে কোন ব্যক্তি এ পরিস্থিতিতে নিজের উপস্থিতি গোপন রাখার লক্ষ্যে সাবধানতা গ্রহণ করতেছে, যদরুণ যৌক্তিকভাবে বিশ্বাস করা যেতে পারে যে, কোন আমলযোগ্য অপরাধ করার লক্ষ্যেই সে এরূপ সতর্কতা গ্রহণ করতেছে, অথবা
(খ) এরূপ থানার এলাকার মধ্যে কোন প্রকাশ্য জীবিকা নেই এরূপ কোন ব্যক্তিকে অথবা নিজের সম্পর্কে কোন সন্তোষজনক বিবরণ প্রদান করতে পারে না এরূপ কোন ব্যক্তিকে, অথবা
(গ) অভ্যাসগতভাবে ডাকাত, গৃহভংগকারী, বা চোর হিসাবে পরিচিত বা চোরাই হিসাবে অবগত হয়ে অভ্যাসগতভাবে চোরাই মাল গ্রহণ করার দুর্নাম আছে, এরূপ কোন ব্যক্তিকে অথবা অভ্যাসগতভাবে বলপূর্বক আদায় করে রূপে পরিচিত অভ্যাসগতভাবে বলপূর্বক গ্রহণের লক্ষ্যে অন্যকে আঘাতের ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে বা করার চেষ্টা করে।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, Section 55. Arrest of vagabonds, habitual robbers, etc:
(1) Any officer in Charge of a police-station may, in like manner, arrest or cause to be arrested- 
(a) any person found taking precautions to conceal his presence within the limits of such station, under circumstances which afford reason to believe that he is taking such precautions with a view committing a cognizable offence; or 
(b) any person within the limits of such station who has no ostensible means of subsistence, or who cannot give a satisfactory account of himself; or 
(c) any person who is by repute an habitual robber, house-breaker or thief, or an habitual receiver of stolen property knowing it to be stolen, or who by repute habitually commits extortion or in order to the committing of extortion habitually puts or attempts to put persons in fear of injury.

১২,৫০০.
ক আদালতে ১৯৭৫ সালের একটি পুরাতন দলিলের ভিত্তিতে স্বত্ব দাবি করে মামলা দায়ের করেন। কিন্তু দলিলের আসল হারিয়ে যাওয়ায় ক উক্ত দলিলের একখানা ফটোকপি দাখিল করতে আদালতে প্রার্থনা করেন।
  1. ক-কে ফটোকপি দাখিল করতে দেওয়া হবে না
  2. ক-এর মামলা খারিজ হবে
  3. ক-কে মূল দলিল হারিয়ে যাওয়ার বিষয় আগে প্রমাণ করতে হবে
  4. সরাসরি ফটোকপি দাখিল করতে অনুমতি দেওয়া হবে।
সঠিক উত্তর:
ক-কে মূল দলিল হারিয়ে যাওয়ার বিষয় আগে প্রমাণ করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক-কে মূল দলিল হারিয়ে যাওয়ার বিষয় আগে প্রমাণ করতে হবে
ব্যাখ্যা
♦১০৪ ধারার বিধান এই যে, একটি সাক্ষ্য যদি আদালতে admissible হওয়ার জন্য পূর্বে কোনো ঘটনা প্রমাণ করতে হয় তবে সেটি আগে প্রমাণ করতে হবে। মূল দলিল হারিয়ে যাওয়ায় ফটোকপি গ্রহণ করা হবে তবে পূর্বে হারিয়ে যাওয়ার ঘটনা প্রমাণ করতে হবে।