বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ১২ / ১৫৫ · ১,১০১১,২০০ / ১৫,৪৭০

১,১০১.
দণ্ডবিধি অনুসারে সম্পত্তি প্রতিরক্ষার জন্য কয়টি ক্ষেত্রে আক্রমণকারীর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায়?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১০৩ ধারামতে সম্পত্তি প্রতিরক্ষার জন্য ৪টি ক্ষেত্রে আক্রমণকারীর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায়। যথা-
i) দস্যুতা (Robbery)
ii) রাত্রি বেলায় অপথে গৃহে প্রবেশ (House-breaking by night);
iii) বাসগৃহে বা কোন সম্পত্তি রাখার স্থানে অগ্নি সংযোগ (Mischief by fire committed on any building, tent or vessel, used as a human dwelling); এবং
iv) গুরুতর আঘাত বা মৃত্যুর আশঙ্কাযুক্ত চুরি, ক্ষতি বা অনধিকার গৃহে প্রবেশ (Theft, mischief or house - trespass, under such circumstances as may reasonably cause apprehension of death or grievous hurt)।
---------------------
⇒ দণ্ডবিধির ১০৩ :- যেক্ষেত্রে সম্পত্তি সম্পর্কিত ব্যক্তিগত আত্নরক্ষার অধিকার মৃত্যু ঘটাইবার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হয়:
- সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার ৯৯ ধারায় আরোপিত নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে স্বেচ্ছাকৃতভাবে অপরাধকারীর মৃত্যু সংঘটন বা তার অপর কোনরূপ ক্ষতিসাধন পর্যন্ত প্রয়োগযোগ্য হবে, যদি যে অপরাধটি করার বা করার চেষ্টার বিরুদ্ধে এই অধিকার প্রয়োগ আবশ্যকীয় হয়ে পড়েছে সে অপরাধটি নিম্নবর্ণিত বিভিন্ন প্রকৃতির মধ্যে যে কোন এক ধরনের হয়, যথা:-
প্রথমত (First): দস্যুতা;
দ্বিতীয়ত (Secondly): রাত্রিবেলা ঘর ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করা:
তৃতীয়ত (Thirdly): কোন গৃহ, তাবু বা যানবাহনে অগ্নিসংযোগ করে ক্ষতি সাধন, যদি গৃহটি, তাবুটি বা যানবাহনটি মানুষের বাসস্থান হিসেবে অথবা সম্পত্তি রাখার স্থান হিসেবে ব্যবহৃত হয়;
চতুর্থত (Fourthly): চুরি, অনিষ্টকারিতা, অথবা গৃহে অনধিকার প্রবেশ, যদি পরিস্থিতি এমন হয় যে, সংশ্লিষ্ট আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারটি প্রয়োগ না করলে মৃত্যু বা গুরুতর আঘাত অনিবার্য বলে ন্যায়সঙ্গতভাবেই আশঙ্কার উদ্ভব হয়।
---------------
⇒ Section-103: When the right of private defence of property extends to causing death:
The right of private defence of property extends, under the restrictions mentioned in section 99, to the voluntary causing of death or of any other harm to the wrong-doer, if the offence, the committing of which, or the attempting to commit which, occasions the exercise of the right, be an offence of any of the descriptions hereinafter enumerated, namely:-
Firstly.-Robbery;
Secondly.-House-breaking by night;
Thirdly.-Mischief by fire committed on any building, tent or vessel, which building, tent or vessel is used as a human dwelling or as a place for the custody of property;
Fourthly.-Theft, mischief or house-trespass, under such circumstances as may reasonably cause apprehension that death or grievous hurt will be the consequence, if such right of private defence is not exercised;
১,১০২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭ ধারা অনুসারে Judicial Magistrate বা Executive Magistrate-কে "additional powers" (অতিরিক্ত ক্ষমতা) কে প্রদান করতে পারে?
  1. Government
  2. District Magistrate
  3. Chief Judicial Magistrate
  4. উল্লিখিত সকলে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭ অনুসারে Judicial Magistrate বা Executive Magistrate-কে "additional powers" (অতিরিক্ত ক্ষমতা) প্রদান করতে পারেন:
১) Government (সরকার)
২) Chief Judicial Magistrate (Judicial Magistrate-এর ক্ষেত্রে)
৩) District Magistrate (Executive Magistrate-এর ক্ষেত্রে)
- প্রথম proviso অনুযায়ী, সরকার District Magistrate-কে Executive Magistrate-দের অতিরিক্ত ক্ষমতা প্রদানের অধিকার দিতে পারে।
- দ্বিতীয় proviso অনুযায়ী, Judicial Magistrate-দের অতিরিক্ত ক্ষমতা প্রদানের ক্ষেত্রে High Court Division-এর সাথে পরামর্শ আবশ্যক।
- এই অতিরিক্ত ক্ষমতাগুলো চতুর্থ তফসিলে উল্লেখ থাকে।
অতএব, সঠিক উত্তর ঘ) উল্লিখিত সকলে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 37. Additional powers conferrable on Magistrates.
In addition to his ordinary powers, any Judicial or Executive Magistrate may be invested by the Government or the Chief Judicial Magistrate or the District Magistrate, as the case may be, with any powers specified in the schedule IV: 
Provided that, the Government may authorize a District Magistrate to invest any Executive Magistrate subordinate to him with any of its powers specified in the schedule IV: 
Provided further that any Judicial Magistrate may be invested with such additional powers in consultation with the High Court Division.
১,১০৩.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ________ ধারা একই বিচার্য বিষয় নিয়ে একই পক্ষগণের মধ্যে একাধিক বিচারকার্য নিষিদ্ধ করে।
  1. ১০
  2. ১১
  3. ১৫
  4. ১৫১
সঠিক উত্তর:
১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ১১ তে রেস জুডিকাটার (res judicata) বিধান আছে।  দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারার বিধান অনুযায়ী কোন বিষয়ে একবার আদালত সিদ্ধান্ত দিলে ঐ বিষয় নিয়ে একই পক্ষদ্বয়ের মাঝে পুনরায় মামলা করা যায় না । 

♦ একই ব্যক্তিগণের মধ্যে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হওয়া বিষয় নিয়ে পুনরায় নতুন মামলা করা যায় না। অর্থাৎ মোকদ্দমার পক্ষদ্বয়ের মাঝে চূড়ান্তভাবে কোন বিষয় নিষ্পত্তি হলে ঐ একই বিষয় নিয়ে একই পক্ষদ্বয়ের মাঝে পরবর্তীতে পুনরায় নতুন করে কোন মামলা করা যাবে না। এই নীতিকেই রেস জুডিকাটা বা দোবারা দোষ বলে।
১,১০৪.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৩৫ ধারায় অধীনস্থ আদালতের মামলা নথি পর্যালোচনাকালীন সময়ে হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা জজ-
  1. আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে
  2. দণ্ড কার্যকর করা স্থগিত করতে পারে
  3. আসামীকে নিজ মুচলেকায় মুক্তি দিতে পারে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
•ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৩৫ মতে- হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা জজ তাহার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে অবস্থিত কোন নিম্নতর ফৌজদারী আদালত কর্তৃক লিপিবদ্ধকৃত বা প্রদত্ত কোন অভিমত, শাস্তি বা আদেশের নির্ভুলতা, বৈধতা বা যৌক্তিকতা এবং উক্ত আদালতের কার্যক্রমের নিয়মানুগত্য সম্পর্কে সন্তুষ্ট হওয়ার জন্য উক্ত আদালতের কোন কার্যক্রমের নথি তলব করতে ও উহা পরীক্ষা করতে পারবেন, এই নথি তলবের সময় নির্দেশ দিতে পারবেন যে, নথির পরীক্ষা সাপেক্ষে কোন শাস্তি কার্যকরীকরণ স্থগিত থাকবে এবং আসামী আটক থাকলে তাকে জামিনে বা তার নিজের মুচলেকায় মুক্তি দিতে হবে।
১,১০৫.
দেওয়ানি আদালত মোকদ্দমার চূড়ান্ত শুনানীর আগে কোন পক্ষকে খরচ ছাড়া সর্বোচ্চ কয়টি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারে?
  1. ১ টি
  2. ৩ টি
  3. ৬ টি
  4. ৯ টি
সঠিক উত্তর:
৬ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৭ নং আদেশে Adjournment বা মূলতবির বিধান রয়েছে। আদালতে সময়ের প্রার্থনা (Time petition) করাই হলো মুলতবির আবেদন।

দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১৭  বিধি-১ মতে-
- আদালত মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে (At any stage of the suit) মোকদ্দমার শুনানী মুলতবি রাখতে পারে।
-  চূড়ান্ত শুনানীর আগে (Before Peremptory hearing) আদালত প্রত্যেক পক্ষকে খরচ ছাড়া সর্বোচ্চ ৬টি এবং খরচসহ সর্বোচ্চ ৩টি করে মোট ৯টি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারে। অর্থ্যাৎ উভয় পক্ষকে খরচসহ এবং খরচ ছাড়া মোট ১৮টি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারেন।
- অন্যদিকে চূড়ান্ত শুনানী পর্যায়ে ( At the Peremptory hearing) আদালত প্রত্যেক পক্ষকে খরচসহ সর্বোচ্চ ৩টি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারে। তবে খরচ ছাড়া আদালত কোন মুলতবি মঞ্জুর করেনা।

⇒ মুলতবির খরচ সর্বনিম্ন ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা হতে পারে।
⇒ মুলতবির আবেদন মঞ্জুর করা বা না করা আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।
১,১০৬.
নিচের কোনটি Public Document নয়?
  1. জন্ম সনদ
  2. মোকদ্দমার Pleadings
  3. বিভাগীয় তদন্তে রেকর্ডকৃত জবানবন্দী
  4. টিকা সনদ
সঠিক উত্তর:
বিভাগীয় তদন্তে রেকর্ডকৃত জবানবন্দী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিভাগীয় তদন্তে রেকর্ডকৃত জবানবন্দী
ব্যাখ্যা
⇒ Public Document বা পাবলিক ডকুমেন্ট হল সেই সমস্ত ডকুমেন্ট যা সরকারী কর্তৃপক্ষ বা রাষ্ট্রের পক্ষে তৈরি হয় এবং সাধারণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত থাকে। এই ধরনের ডকুমেন্টগুলি সাধারণত সরকারি কার্যক্রম, আইনগত প্রক্রিয়া বা রাষ্ট্রীয় কার্যক্রমের অংশ হয়ে থাকে।
 বিষয়টি ব্যাখ্যা করা হল:
জন্ম সনদ (Birth certificate): এটি একটি পাবলিক ডকুমেন্ট, কারণ এটি সাধারণত সরকারি কর্তৃপক্ষ (যেমন রেজিস্ট্রার) দ্বারা তৈরি হয় এবং এটি সবাই দেখতে বা যাচাই করতে পারে।
মোকদ্দমার Pleadings (Pleadings of a lawsuit): এটি প্রাথমিকভাবে আদালতের ডকুমেন্ট, যা আদালতের রেকর্ডে সংরক্ষিত থাকে এবং সাধারণত পাবলিক ডকুমেন্ট হিসেবে গণ্য করা হয়। আদালত দ্বারা সংশ্লিষ্ট পক্ষের তথ্য ও অভিযোগ রেকর্ড করা হয়, যা আদালতে সাধারণত উন্মুক্ত থাকে।
বিভাগীয় তদন্তে রেকর্ডকৃত জবানবন্দী (Statement recorded during departmental investigation): এটি সাধারণত একটি সরকারি তদন্ত বা বিভাগীয় কার্যক্রম হতে পারে, তবে এটি সাধারণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত বা প্রকাশিত হয় না। এ ধরনের তথ্য শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী বা সরকারি বিভাগের জন্যই ব্যবহারযোগ্য এবং সাধারণ জনগণের কাছে এটি উপলব্ধ হয় না। এজন্য এটি Public Document হিসেবে গণ্য করা হয় না।
টিকা সনদ (Vaccination Certificate): এটি একটি পাবলিক ডকুমেন্ট হতে পারে, কারণ এটি সরকারি স্বাস্থ্য বিভাগের মাধ্যমে প্রদান করা হয় এবং এটি একটি প্রমাণপত্র হিসেবে সাধারণ জনগণের কাছে প্রকাশিত হয়।
- এ কারণে, বিভাগীয় তদন্তে রেকর্ডকৃত জবানবন্দী সাধারণভাবে Public Document হিসেবে গণ্য করা হয় না, কারণ এটি শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট তদন্তের অংশ হিসেবে রাখা হয় এবং সাধারণ জনগণের কাছে উন্মুক্ত থাকে না।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো "বিভাগীয় তদন্তে রেকর্ডকৃত জবানবন্দী"।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারার বিধান সরকারী দলিল: নিম্নলিখিত দলিলগুলো সরকারী দলিল:
(১) যে সমস্ত দলিল-
(ক) কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের,
(খ) সরকারী প্রতিষ্ঠান বা ট্রাইব্যুনালের এবং
(গ) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের যে কোন স্থানের অথবা বিদেশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কোন অফিসারের কার্য অথবা কার্যের লিপিবদ্ধ বিবরণ।
(২) বাংলাদেশে সরকারীভাবে রক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ বিবরণ।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৫ ধারার বিধান বেসরকারি দলিল (Private document)- সরকারি দলিল ব্যতীত সকল দলিলই বেসরকারি বা ব্যক্তিগত দলিল।
⇒ কবিতা, উইল, বিক্রয় চুক্তি, দানপত্র, মূল বিক্রয় দলিল, কবলা দলিল, চিঠিপত্র সবই বেসরকারি দলিল বা Private document.
⇒ আদালতের রায় ৭৪(১) ধারার বিধান মতে পাবলিক ডকুমেন্টস। কারণ রায় বিচার বিভাগীয় কাজের অংশ।
--------------
Section-74. Public documents:
The following documents are public documents:–
(1) documents forming the acts or records of the acts-
(i) of the sovereign authority,
(ii) of official bodies and tribunals, and
(iii) of public officers, legislative, judicial and executive of any part of Bangladesh or of the Commonwealth, or of a foreign country;
(2) public records kept in Bangladesh of private documents.
Section-75.Private documents: All other documents are private.
১,১০৭.
তামাদি আইন অনুসারে পুনঃনিরীক্ষণ [Review] এর জন্য দরখাস্ত দাখিলের তামাদি মেয়াদ-
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ রিভিউ দায়েরের স্থান এবং সময়সীমা:
- তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৭৩ অনুচ্ছেদের বিধান মতে ডিক্রি বা আদেশ জারির সময় হতে ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউ দায়ের করতে হবে।
- যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছে, সেই আদালতেই ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউ আবেদন করতে হয়।

অর্থাৎ যে আদালত ডিগ্রি প্রদান করে সেই আদালতে তামাদি আইনের ১৭৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউর আবেদন দায়ের করতে হবে।
১,১০৮.
ভুক্তভোগী 'ক', রফিকের বিরুদ্ধে সরাসরি ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে নালিশ করেন। ম্যাজিস্ট্রেট এই নালিশের ভিত্তিতে রফিকের বিরুদ্ধে মামলা গ্রহণ করেন এবং প্রাথমিক অনুসন্ধান শুরু করেন। একই অপরাধের অভিযোগে থানায় এজাহার দাখিল করা হয়েছে, যার ফলে পুলিশ ওই অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে। এক্ষেত্রে ফলাফল কী হবে?
  1. পুলিশ কর্তৃক তদন্ত স্থগিত হবে
  2. যেকোনো একটি মামলা বাতিল হবে
  3. ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত রাখবেন
  4. উভয় মামলা বাতিল করে নতুন করে অভিযোগ দায়ের করতে হবে
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত রাখবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত রাখবেন
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫ঘ এ একই অপরাধ বিষয়ে নালিশী মামলা ও পুলিশ তদন্ত চলতে থাকলে, তখন যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয় তা উল্লেখ করা হয়েছে। নালিশের ভিত্তিতে দায়েরকৃত মামলায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অনুসন্ধান বা বিচারকালীন সময়ে যদি এটা ম্যাজিস্ট্রেটকে অবগত করা হয় যে- ম্যাজিস্ট্রেট যে অপরাধের বিচার বা অনুসন্ধান শুরু করেছেন উক্ত অপরাধের বিষয়ে পুলিশ কর্তৃক তদন্ত চলমান আছে, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট-
⇒ তার অনুসন্ধান বা বিচার কার্যক্রম স্থগিত করবেন; এবং
⇒ তদন্ত পরিচালনাকারী পুলিশ কর্মকর্তার নিকট হতে রিপোর্ট তলব করবেন।

এই ক্ষেত্রে একই আদালত কর্তৃক উভয় মামলা একত্রিত করণ এবং বিচার করা যাবে যেন উভয় মোকদ্দমা পুলিশ রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে দায়ের করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।

এই অবস্থায়, ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫ঘ অনুসারে,
ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজের অনুসন্ধান বা বিচার কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত রাখবেন। ম্যাজিস্ট্রেট তদন্ত পরিচালনাকারী পুলিশ কর্মকর্তার নিকট থেকে রিপোর্ট সংগ্রহের আদেশ দেবেন। এতে করে একই মামলায় পুলিশ কর্তৃক সংগৃহীত সকল প্রাসঙ্গিক তথ্য আদালতের নথিতে যুক্ত হবে। পুলিশের তদন্ত শেষ হলে এবং রিপোর্ট জমা দিলে, ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে উভয় মামলাকে একত্রিত করে বিচার কার্যক্রম শুরু করবেন। এটি এমনভাবে পরিচালিত হবে যেন এই দুই মামলা একই অপরাধের বিষয়ে এককভাবে তদন্তের মাধ্যমে আদালতে এসেছে। অর্থাৎ, নালিশী মামলা এবং পুলিশের রিপোর্ট উভয়ই একসাথে বিবেচনা করে বিচার সম্পন্ন করা হবে, যেন পুনরায় কোনো দ্বৈত বিচার প্রয়োজন না হয়।
১,১০৯.
বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান কে হন?
  1. এটর্নি জেনারেল
  2. মনোনীত আইনজীবী
  3. বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান
  4. সদস্যদের মধ্যে যিনি বয়োঃজ্যেষ্ঠ
সঠিক উত্তর:
সদস্যদের মধ্যে যিনি বয়োঃজ্যেষ্ঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সদস্যদের মধ্যে যিনি বয়োঃজ্যেষ্ঠ
ব্যাখ্যা

The Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ ৩৩ অনুযায়ী-
১. বার কাউন্সিল ট্রাইবুনাল গঠন হবে ৩ সদস্যের সমন্বয়ে।
২. তিনজন সদস্যদের মধ্যে ২ জন থাকবে বার কাউন্সিলের সদস্য যারা বার কাউন্সিলের অন্যান্য সদস্য দ্বারা নির্বাচিত হবে।
৩. অপর একজন সদস্য হবে বার কাউন্সিলের তালিকাভুক্ত আইনজীবীদের মধ্যে থেকে একজন যাকে মনোনয়ন দিবে বার কাউন্সিল।
৪. তিন সদস্যদের মধ্যে যিনি বয়োঃজ্যেষ্ঠ হবেন তিনি হবেন ট্রাইবুনালের চেয়ারম্যান।
৫. বাংলাদেশের এটর্নি জেনারেল কোনো ট্রাইব্যুনালের সদস্য হতে পারবেন না।

⇒ 33 (1)- The Bar Council may constitute one or more Tribunals and each such Tribunal shall consist of three persons of whom two shall be persons elected by the Council from amongst its members and the other shall be a person co-opted by the Council from amongst the advocates on the roll, and the senior-most advocate amongst the members of a Tribunal shall be its Chairman: Provided that the Attorney-General for Bangladesh shall not be a member of any Tribunal.

১,১১০.
অক্ষম ব্যক্তির প্রতিনিধির সংজ্ঞা তামাদি আইনের কোন ধারায় বর্ণিত আছে?
  1. ২০ ধারায়
  2. ২১ ধারায়
  3. ২২ ধারায় 
  4. ২৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ ধারায়
ব্যাখ্যা

ধারা ২১: অক্ষম ব্যক্তির প্রতিনিধি (Agent of persons under disability):
(১) ধারা ১৯ ও ২০-এ ব্যবহৃত “তার পক্ষে যথাযথভাবে অনুমোদিত প্রতিনিধি” (agent duly authorised in his behalf) বলতে, যদি ব্যক্তি কোনো অক্ষমতা (যেমন অপ্রাপ্তবয়স্ক, মানসিকভাবে অসক্ষম ইত্যাদি) অবস্থায় থাকে, তাহলে তার বৈধ অভিভাবক (lawful guardian), কমিটি (committee), ম্যানেজার (manager) অথবা ঐ অভিভাবক, কমিটি বা ম্যানেজার কর্তৃক যথাযথভাবে অনুমোদিত কোনো এজেন্টকেও বোঝাবে, যে ব্যক্তি উক্ত স্বীকারোক্তিতে স্বাক্ষর করতে বা অর্থপ্রদান করতে পারে।

(২) উল্লিখিত ধারাগুলির কোনো কিছুই এমনভাবে ব্যাখ্যা করা যাবে না যাতে একাধিক যৌথ ঠিকাদার (joint contractor), অংশীদার (partner), নির্বাহক (executor) বা বন্ধকগ্রহীতাদের (mortgagee) মধ্যে একজন কেবলমাত্র অন্যদের দ্বারা (অথবা তাদের এজেন্টদের দ্বারা) স্বাক্ষরিত কোনো লিখিত স্বীকারোক্তি বা প্রদত্ত অর্থের কারণে দায়ী (chargeable) হয়ে যায়।

(৩) উল্লিখিত ধারাগুলির প্রয়োজনে—

(ক) কোনো দায়ের ক্ষেত্রে, যদি কোনো হিন্দু বিধানাধীন বিধবা (widow) বা অন্য কোনো সীমিত মালিক (limited owner) স্বয়ং অথবা তার যথাযথভাবে অনুমোদিত এজেন্টের মাধ্যমে কোনো স্বীকারোক্তিতে স্বাক্ষর করেন বা অর্থপ্রদান করেন, তবে তা পরবর্তী উত্তরাধিকারী (reversioner)-এর বিরুদ্ধেও বৈধ স্বীকারোক্তি বা প্রদেয় হিসেবে গণ্য হবে।

(খ) যদি কোনো দায় হিন্দু যৌথ পরিবার (Hindu Undivided Family) কর্তৃক বা তার পক্ষে গৃহীত হয়, তবে পরিবারের তৎকালীন ব্যবস্থাপক (manager) বা তার যথাযথভাবে অনুমোদিত এজেন্ট কর্তৃক প্রদত্ত স্বীকারোক্তি বা অর্থপ্রদান পুরো পরিবারের পক্ষ থেকে প্রদত্ত বলে গণ্য হবে।

১,১১১.
দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন প্রেরিত পরোয়ানা জারির খরচ সাধারণত কে বহন করে?
  1. আদালত
  2. মোকদ্দমার উভয় পক্ষ
  3. পরোয়ানা প্রেরণকারী পক্ষ
  4. যার বিরুদ্ধে পরোয়ানা প্রেরণ করা হয়
সঠিক উত্তর:
পরোয়ানা প্রেরণকারী পক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরোয়ানা প্রেরণকারী পক্ষ
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪৮ বিধি-১: পরোয়ানা প্রেরণকারী পক্ষের খরচেই জারি করতে হবে:

১) এই কোডের অধীনে যদি অন্যরূপ নির্দেশ প্রদান না করে তাহলে যে পক্ষের মাধ্যমে যাবতীয় পরোয়ানা প্রদত্ত হবে, সে পক্ষের খরচায় তা জারি করা হবে।
২) জারির খরচঃ একই ধরণের জারির জন্য ধার্য্যকৃত কোর্ট ফি পরোয়ানা প্রদানের পূর্বে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে।

Rule.-1: Process to be served at expense of party issuing.-
1) Every process issued under this Code shall be served at the expense of the party on whose behalf it is issued unless the Court otherwise directs.
2) Costs of service: The court-fee chargeable for such service shall be paid within a time to be fixed before the process is issued.
১,১১২.
আইনগত অপারগতার অবসান হওয়ার _______ মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে, অন্যথায় মোকদ্দমা খারিজ হবে।
  1. ৩ বছরের
  2. ৫ বছরের
  3. ১ বছরের
  4. ৬ বছরের
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ৬, ৭, ৮ এবং ৯ ধারায় আইনগত অপারগতার নিয়ম বর্ণনা করা হয়েছে। যে ব্যক্তির মামলা করার অধিকার সৃষ্টি হয়েছে সে যদি উক্ত সময় মামলা করতে আইনগতভাবে অপারগ থাকে, তাহলে তার মামলা করার তামাদির মেয়াদ কিভাবে গণনা করা হবে তা ৬ থেকে ৯ ধারা পর্যন্ত উল্লেখ করা হয়েছে। 

তামাদি আইনের ৬ ধারা অনুযায়ী ৩টি বিষয়কে আইনগত অপারগতা (Legal Disability) হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
১. নাবালকত্ব [Minority]
২. উন্মাদ [Insanity]
৩. জড়বুদ্ধি বা চরম বুদ্ধিহীনতা [Idiocy]

• আইনগত অপারগতার ক্ষেত্রে যখন মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে মামলা করার অধিকারী কোন ব্যক্তি যে সময়ে সে মামলা করার অধিকারী হয় উক্ত সময়ে সে নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকলে তার মামলা করার তামাদির মেয়াদ গণনা করা শুরু হবে যখন তার এই আইনগত অপারগতা অর্থাৎ নাবালকত্ব, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধিতার অবসান হবে তখন থেকে।

• ধারা ৮ হচ্ছে ৬ ও ৭ ধারার আইনগত অপারগতার ব্যতিক্রম। ৮ ধারায় উল্লেখিত বিশেষ ব্যতিক্রম সাপেক্ষে ৬ ও ৭ ধারায় উল্লেখিত আইনগত অপারগতা বিশ্লেষণ করতে হবে। নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ৬ এবং ৭ ধারার বিধান প্রযোজ্য হবে না-

১. অগ্রক্রয়ের (pre-emption) অধিকার বলবৎকরণের মামলায়, এবং

২. আইনগত অপারগতার অবসান হওয়ার পর বা আইনগত অক্ষম ব্যক্তির মৃত্যু হওয়ার তিন (৩) বছরের বেশী সময় তামাদির মেয়াদ থাকবে না এবং সর্বোচ্চ এই ৩ বৎসরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে। অর্থাৎ যেক্ষেত্রে ৬ বা ৭ ধারায় আইনগত অপারগতার সুবিধা প্রার্থনা করা হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত আইনগত অপারগতার অবসান হওয়ার পর বা আইনগত অক্ষম ব্যক্তির মৃত্যু হওয়ার তিন (৩) বছরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে অন্যথায় মোকদ্দমা খারিজ হবে।
১,১১৩.
'The Appointment of Receivers' সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর কত ধারার বিধান?
  1. ৩৫
  2. ৪২
  3. ৪০
  4. ৪৪
সঠিক উত্তর:
৪৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৪
ব্যাখ্যা
⇒ আদালত যে ব্যক্তিকে কোন জমি বা ব্যক্তিগত সম্পত্তির ভাড়া, লাভ, খাজনা আদায় করার জন্য নিয়োগ দেন তাকে তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভার বলে।
অর্থাৎ রিসিভার বা তত্ত্বাবধায়ক হচ্ছে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত একজন কর্মকর্তা যিনি মোকদ্দমা চলাকালীন বিরোধীয় সম্পত্তির তত্ত্বাবধান করেন।
রিসিভার নিয়োগ আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা বা সুবিবেচনার উপর নির্ভরশীল। মামলা চলাকালীন কিংবা মামলা ডিক্রি হওয়ার পর আদালত রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।
⇒ ১৮৭৭ সালের সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারায় রিসিভার নিয়োগ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। কিন্তু কখন কী প্রয়োজনে আদালত রিসিভার নিয়োগ করবেন বা রিসিভারের দায়িত্ব কর্তব্য বা অধিকার কী হবে ইত্যাদি সম্পর্কে বলা হয়েছে দেওয়ানি কার্যবিধির ৪০ আদেশের ১ থেকে ৫ বিধিতে।
 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারার বিধানতত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ সুবিবেচনামূলক:- প্রক্রিয়াধীন মামলায় তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ আদালতের সম্পূর্ণ ইচ্ছাধীন।
দেওয়ানি কার্যবিধি আইনের রেফারেন্স—তার নিয়োগের ধরন ও ফলাফল এবং তার অধিকার, ক্ষমতা, কর্তব্য এবং দায়দায়িত্ব দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হবে।
--------------------
⇒ SR Act Section-44. Appointment of receivers discretionary. Reference to Code of Civil Procedure.
- The appointment of a receiver pending a suit is a matter resting in the discretion of the Court.
- The mode and effect of his appointment, and his rights, powers, duties and liabilities, are regulated by the Code of Civil Procedure.
১,১১৪.
বিবাদী সর্বমোট কত কার্যদিবস পর্যন্ত সময় পেতে পারেন লিখিত জবাব দাখিলের জন্য?
  1. ১৫ কার্যদিবস
  2. ২০ কার্যদিবস
  3. ৩০ কার্যদিবস
  4. ৬০ কার্যদিবস
সঠিক উত্তর:
৬০ কার্যদিবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা
• বিবাদী আত্মপক্ষ সমর্থন করে আদালতে যে লিখিত বিবরণ দাখিল করে তাকে লিখিত জবাব বা Written Statement বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ নং আদেশে লিখিত জবাব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। লিখিত জবাবের সাধারন নিয়মাবলী ৮ নং আদেশের ১ হতে ১০ বিধিতে আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ বিবাদীর সমন প্রাপ্তির পর ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে হবে। ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে জবাব দাখিলে ব্যর্থ হলে, আদালত আরো ৩০ কার্যদিবস পর্যন্ত সময় দিতে পারে। লিখিত জবাব দাখিলের জন্য বিবাদী সর্বমোট ৬০ কার্যদিবস পর্যন্ত সময় পেতে পারেন।

⇒ বিবাদী যদি ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিল করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে মামলাটি একতরফা নিষ্পত্তি হবে। বিবাদী লিখিত জবাব দাখিলে ব্যর্থ হয়ার কারণে একতরফা নিষ্পত্তি করলে আপিল করা যাবে।

⇒ সাক্ষ্য হিসাবে দাবির সমর্থনে ব্যবহারের জন্য বিবাদীর দখলে থাকা দলিলসমূহ লিখিত জবাব পেশ করার সময় আদালতে হাজির করবেন এবং তখন দলিলগুলো লিখিত জবাবের সাথে নথিভুক্ত করবেন। তবে উক্ত দলিল দখলে না থাকলে, সেক্ষেত্রে লিখিত বিবৃতির সাথে দলিলাদির তালিকা অন্তর্ভুক্ত করবেন এবং উক্ত দলিলসমূহ কার দখলে আছে তা বর্ণনা করবেন। এরুপ দলিলসমূহ লিখিত জবাব দাখিলের সময় তালিকাভুক্ত না করলে পরবর্তীতে আদালতের অনুমতি ছাড়া সাক্ষ্য হিসাবে গৃহীত হবে না।
১,১১৫.
'ক' একজন সরকারি কর্মচারী। তার সরকারি কর্তব্যপালনে বাধা দেবার উদ্দেশ্যে 'খ', 'ক' কে আক্রমণ করলে 'খ' এর সর্বোচ্চ শাস্তি নিচের কোনটি হতে পারে?
  1. ৬ মাস কারাদণ্ড
  2. ১ বছর কারাদণ্ড
  3. ২ বছর কারাদণ্ড
  4. ৩ বছর কারাদণ্ড 
সঠিক উত্তর:
৩ বছর কারাদণ্ড 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর কারাদণ্ড 
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর : ৩ বছর কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৩ অনুসারে, সরকারি কর্মচারীকে দায়িত্ব পালনের সময় বা তাকে বাধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে আক্রমণ বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করলে শাস্তি ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড, বা উভয়ই।


⇒ দণ্ডবিধির ৩৫৩ ধারার বিধান:
কোনো ব্যক্তি যদি এমন অন্য কোনো ব্যক্তিকে আক্রমণ করে বা তার ওপর বল প্রয়োগ করে, যে ব্যক্তি সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারী হিসেবে কর্তব্য সম্পাদনরত অথবা অনুরূপ কর্মচারীকে তার সরকারি কর্মচারী হিসেবে করণীয় কর্তব্য সম্পাদনে বাধা দানের উদ্দেশ্যে তার ওপর অনুরূপ আক্রমণ বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে তিন বছর বা যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে, এমনকি উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

১,১১৬.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ অনুযায়ী "আইনগত সহায়তা" এর সংজ্ঞা অনুসারে নিচের কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. মধ্যস্থতাকারীকে সম্মানি প্রদান
  2. মামলার আনুষঙ্গিক খরচ প্রদান
  3. মামলায় আইনি পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান
  4. আবেদনকারীকে বিনামূল্যে বাসস্থান প্রদান
সঠিক উত্তর:
আবেদনকারীকে বিনামূল্যে বাসস্থান প্রদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবেদনকারীকে বিনামূল্যে বাসস্থান প্রদান
ব্যাখ্যা

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ধারা ২ অনুসারে "আইনগত সহায়তা" এর সংজ্ঞায় নিম্নলিখিত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত:
- মামলায় আইনি পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান
- মধ্যস্থতাকারীকে সম্মানি প্রদান
- মামলার আনুষঙ্গিক খরচ প্রদান
- আইনি তথ্য ও পরামর্শসেবা প্রদান
- মামলাপূর্ব ও মামলা-পরবর্তী মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি
তবে আবেদনকারীকে বিনামূল্যে বাসস্থান প্রদান এই সংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত নয়। আইনগত সহায়তা বলতে শুধুমাত্র আইনি সেবা ও সংশ্লিষ্ট খরচ বহনকে বোঝায়, আবেদনকারীর ব্যক্তিগত বাসস্থানের ব্যবস্থা করাকে নয়।
---------- 
⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ধারা ২(ক) “আইনগত সহায়তা” অর্থ-
(অ) আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায়-সম্বলহীন এবং নানাবিধ আর্থ-সামাজিক কারণে বিচারপ্রাপ্তিতে অসমর্থ বিচারপ্রার্থীকে-
(১) কোন আদালতে দায়েরযোগ্য, দায়েরকৃত বা বিচারাধীন মামলায় আইনি পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান;
(২) Code of Civil Procedure, 1908 (Act No. V of 1908) এবং প্রচলিত অন্যান্য আইনের বিধান অনুসারে মধ্যস্থতার মাধ্যমে কোন বিরোধ বা মামলা নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে নিযুক্ত মধ্যস্থতাকারী বা এই আইনের অধীন নিযুক্ত স্পেশাল মেডিয়েটরকে সম্মানি প্রদান;
(৩) মামলার আনুষঙ্গিক খরচ প্রদানসহ অন্য যে কোন সহায়তা প্রদান;
(আ) যে কোন আবেদনকারীকে আইনি তথ্য ও পরামর্শসেবা প্রদান;
(ই) মামলাপূর্ব যেকোন বিরোধ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি;
(ঈ) যেকোন আদালত বা ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রেরিত মামলা মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি;

১,১১৭.
দণ্ডবিধির ১২০ক ধারার অধীনে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের (Criminal Conspiracy) মূল উপাদান কী?
  1. সম্মতি
  2. যথাযথ প্রমাণ
  3. অপরাধ সংঘটন
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
সম্মতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্মতি
ব্যাখ্যা
অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র [Criminal Conspiracy]:
দণ্ডবিধির ১২০ক ধারায় অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রকে [criminal conspiracy] কে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। যখন দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন অবৈধ কাজ করতে [To do an illegal act] বা কোন বৈধ কাজ অবৈধ উপায়ে করতে [to do a legal act by illegal means] সম্মত হয় তখন উক্ত ব্যক্তিরা অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র করেছে বলে গণ্য হবে।

অভিন্ন অভিপ্রায় এবং অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের মধ্যে পার্থক্য:

দণ্ডবিধির ৩৪ ধারার অধীনে অভিন্ন অভিপ্রায় [Common Intention] এবং ১২০ক ধারার অধীনে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের [Criminal Conspiracy] এর মধ্যে পার্থক্য আছে-

১২০ক ধারার মূল উপাদান হচ্ছে সম্মতি। সম্মতি অনুযায়ী অপরাধটি হয়েছে কি হয়নি তা বিবেচ্য বিষয় না। অর্থাৎ, সম্মতি অনুযায়ী অপরাধটি সংঘটিত না হলেও তারা অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের জন্য দণ্ডিত হবে। অন্যদিকে, ৩৪ ধারার মূল উপদান অভিন্ন অভিপ্রায় অনুযায়ী অপরাধ সংঘটিত হওয়া। অপরাধটি সংঘটিত না হলে ৩৪ ধারা প্রয়োগ করা যায় না।

⇒ ১২০ক ধারায় অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র একটি স্বতন্ত্র অপরাধ অর্থাৎ ষড়যন্ত্র অনুযায়ী অপরাধমূলক কার্যটি সংঘটিত হোক বা না হোক শুধুমাত্র অপরাধ করার সম্মতি বা ষড়যন্ত্র থাকলে তাকে দণ্ডিত করা যাবে। ৩৪ ধারা কোন মূল অপরাধ না অর্থাৎ শুধুমাত্র অভিন্ন অভিপ্রায় থাকার কারণে কোন ব্যক্তিকে দণ্ডিত করা যায় না, যদি না অভিন্ন অভিপ্রায় অনুযায়ী অপরাধটি সংঘটিত হয়।
১,১১৮.
অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৮৫ক ধারা অনুযায়ী ডেপুটি কমিশনারের কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়?
  1. ভূমি হস্তান্তরের আদেশ
  2. ভূমি জরিপ সংক্রান্ত আদেশ
  3. দখল পুনরুদ্ধারের আদেশ
  4. ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের আদেশ
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের আদেশ
ব্যাখ্যা

⇒ অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৮৫ক ধারা অনুযায়ী, ডেপুটি কমিশনার কর্তৃক ধারা ৯(১) বা ধারা ২০ এর অধীনে ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের আদেশের বিরুদ্ধে জেলা জজের নিকট ৩০ দিনের মধ্যে আপীল করা যায়। এই ধারাটি স্পষ্টভাবে শুধুমাত্র ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের বিষয়ে উল্লেখ করে।
- সুতরাং, ৮৫ক ধারা অনুযায়ী, ডেপুটি কমিশনারের ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়।

⇒ অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৮৫ক ধারার বিধান আপীল:
- অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৯ (১) ধারার বিধান অনুসারে বা ২০ ধারার বিধান মোতাবেক ডেপুটি কমিশনার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করলে তার আদেশের বিরুদ্ধে জেলা জজের নিকট ৩০ দিনের মধ্যে আপীল করা যাবে।
------------
Section 85A.  Appeal:
- An appeal against an order passed by the Deputy Commissioner determining compensation under the proviso to sub-section (1) of section 9 or the proviso to section 20 shall, if presented within thirty days of such order, lie to the District Judge.

১,১১৯.
নিম্নের কোন বিধির অধীনের আদেশটি আপিলযোগ্য?
  1. আদেশ ২১ বিধি ৭২
  2. আদেশ ২১ বিধি ৯২
  3. আদেশ ৭ বিধি ১০
  4. উল্লিখিত সকল আদেশ
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল আদেশ
ব্যাখ্যা
• আপিলযোগ্য আদেশ:
 সাধারনত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল চলে না, তবে আদেশটি যদি আপিলযোগ্য আদেশ হয় তাহলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়। যে সকল আদেশ আপিলযোগ্য, সে সকল আদেশ সম্পর্কে Order 43 এ বিধান রয়েছে। আদেশ ৪৩ এ মোট ২৫টি আপীলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) রয়েছে।

আদেশ ৪৩ অনুসারে:
আদেশ ৭ বিধি ১০ এর অধীন আদেশ, ২১ অর্ডারের ৭২ অথবা ৯২ রুল-এর অধীন ডিক্রি জারিতে বিক্রয় বাতিল করার আদেশ বা বিক্রয় বাতিলের আবেদন প্রত্যাখ্যান করার আদেশ (setting aside or refusing to set aside)- সবগুলো আপিলযোগ্য আদেশ।
১,১২০.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এ বর্ণিত অপরাধ সমূহের বিচার করেন-
  1. দায়রা জজ
  2. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. স্পেশাল জজ
  4. মহানগর দায়রা জজ
সঠিক উত্তর:
স্পেশাল জজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পেশাল জজ
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৮ ধারার বিধান অপরাধের বিচার, ইত্যাদি:
- (১) আপাততঃ বলবত্ অন্য কোন আইনে ভিন্নরূপ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন ও উহার তফসিলে বর্ণিত অপরাধসমূহ কেবলমাত্র স্পেশাল জজ কর্তৃক বিচারযোগ্য হইবে৷ 

- (২) এই আইনের অধীন ও উহার তফসিলে বর্ণিত অপরাধসমূহের বিচার ও আপীল নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে The Criminal Law Amendment Act, 1958 (XL of 1958) এর বিধানাবলী প্রযোজ্য হইবে৷ 
 
- (৩) The Criminal Law Amendment Act, 1958 (XL of 1958) এর কোন বিধান এই আইনের কোন বিধানের সহিত অসংগতিপূর্ণ হইলে এই আইনের বিধান কার্যকর হইবে৷
১,১২১.
আদেশ ১৬ এর অধীন কোনো ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করা হলে, ঐ ব্যক্তি একজন ______ হিসেবে গণ্য হবে?
  1. judgment-holder
  2. decree- holder
  3. judgment-debtor
  4. Accused
সঠিক উত্তর:
judgment-debtor
উত্তর
সঠিক উত্তর:
judgment-debtor
ব্যাখ্যা

• আদেশ ১৬ এর অধীন কোনো ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করা হলে, ঐ ব্যক্তি রায়ের দেনাদার (judgment-debtor) হিসেবে গণ্য হবে।

• আদেশ-১৬ এ সাক্ষীর প্রতি সমন এবং হাজিরা সম্পর্কিত বিধি-বিধান রয়েছে। এই আদেশের অধীন আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে ক্রোকাদেশ দিতে পারেন-

বিধি- ১০ঃ
সাক্ষী সমন মান্য করতে ব্যর্থ হলে আদালত তাকে হাজির হওয়ার জন্য হুলিয়া জারি (Proclamation) করতে পারবে। উক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতারের জন্য ওয়ারেন্ট ইস্যু করতে পারে ও সম্পত্তি ক্রোক করার আদেশ দিতে পারে।

বিধি- ১২ঃ
সাক্ষী হাজির হতে ব্যর্থ হলে আদালত অনধিক ৫০০ টাকা জরিমানা এবং তার সম্পত্তি ক্রোক ও নিলাম বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারবে। বিধি ১০ এর অধীন পূর্বেই ক্রোক করা হলে জরিমানা সহ ক্রোকের ব্যয় মেটানোর জন্য নিলাম বিক্রয়ের আদেশ দিতে হবে।

বিধি- ১৩ঃ
উল্লেখিত ক্ষেত্রসমূহে ক্রোকের পদ্ধতি হবে ডিক্রিজারির ফলে সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় সম্পর্কে বিধানসমূহ যথাসম্ভব প্রযোজ্য, যে ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করা হয় ঐ ব্যক্তি একজন রায়ের দেনাদার ছিল গণ্যে এ আদেশের অধীনে কোন ক্রোক ও নিলাম করার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বলে গণ্য হবে।

Order 16 Rule 13: Mode of attachment-
The provisions with regard to the attachment and sale property in the execution of a decree shall, so far as they are applicable, be deemed to apply to any attachment and sale under this Order as if the person whose property is so attached were a judgment-debtor.

১,১২২.
'অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ দণ্ডাদেশ দানের পরবর্তী ছয় বৎসরের মধ্যে যে কোন সময়ে আদায় করা যাবে"- দণ্ডবিধির কত ধারার বিধান?
  1. ৬৩
  2. ৬৭
  3. ৭০
  4. ৭৩
সঠিক উত্তর:
৭০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭০
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৭০ ধারার বিধান- অর্থদও ছয় বৎসরের মধ্যে বা কারাদণ্ড চলতে থাকাকালে আদায়যোগ্য, মৃত্যুর ফলে সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না:
অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ দণ্ডাদেশ দানের পরবর্তী ছয় বৎসরের মধ্যে যে কোন সময়ে আদায় করা যাবে, এবং উক্ত দণ্ডাদেশবলে অপরাধী যদি ছয় বৎসর হতেও দীর্ঘতর মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়, তবে অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ উক্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে যে কোন সময়ে আদায় করা হবে; অপরাধীর মৃত্যুর পর তার যে সম্পত্তি তার দায় পরিশোধ আইনতঃ দায়গ্রস্ত হতে পারে, অপরাধীর মৃত্যুর ফলে অনুরূপ সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না।

Section 70- Fine leviable within six years, or during imprisonment Death not to discharge property from liability:
The fine, or any part thereof which remains unpaid, may be levied at any time within six years after the passing of the sentence, and if, under the sentence, the offender be liable to imprisonment for a longer period than six years, then at any time previous to the expiration of that period; and the death of the offender does not discharge from the liability of any property which would, after his death, be legally liable for his debts.

⇒ দণ্ডবিধির ৭০ ধারায় অর্থদণ্ড আদায়ের সময়সীমা সম্পর্কে ৩টি বিধানের উল্লেখ আছে।
(i) দণ্ডাদেশ প্রদানের পরবর্তী ৬ বছরের মধ্যে যেকোনো সময়;
(ii) ৬ বছরের অধিক কারাদণ্ড হলে- কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ/উত্তীর্ণ হওয়ার আগে;
(iii) অর্থদণ্ড অনাদায়ে আসামির মৃত্যু হলে- আসামির সম্পত্তি থেকে আদায় করা হবে।
১,১২৩.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৭৭ ধারা অনুযায়ী, আদালত কখন অনুরোধপত্র (Letter of Request) প্রেরণ করতে পারে?
  1. বাদীকে জরিমানা করার ক্ষেত্রে
  2. সাক্ষীর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার ক্ষেত্রে
  3. বাংলাদেশের বাইরে বসবাসকারী সাক্ষীর পরীক্ষা করার ক্ষেত্রে
  4. যখন সাক্ষী আদালতে উপস্থিত হতে অস্বীকৃতি জানান
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের বাইরে বসবাসকারী সাক্ষীর পরীক্ষা করার ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের বাইরে বসবাসকারী সাক্ষীর পরীক্ষা করার ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৭৭ ধারা- অনুরোধপত্র: 
বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নয়, এরূপ যে কোন দেশে বসবাসকারী সাক্ষীর পরীক্ষা করার নিমিত্তে আদালত কমিশন প্রেরণ করার বিপরীতে অনুরোধ পত্র প্রেরণ করতে পারে।

Section 77: Letter of request: 
In lieu of issuing a commission the Court may issue a letter of request to examine a witness residing at any place not within Bangladesh.
১,১২৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ৪ অনুযায়ী কোন ক্ষেত্রে প্রতিকার পাওয়া যাবে না?
  1. যখন চুক্তিটি মৌখিক
  2. যখন চুক্তিটি বৈধ নয়
  3. যখন চুক্তিটি নিবন্ধিত নয়
  4. যখন চুক্তিটি দুই পক্ষের সম্মতিতে হয়েছে
সঠিক উত্তর:
যখন চুক্তিটি বৈধ নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন চুক্তিটি বৈধ নয়
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: যখন চুক্তিটি বৈধ নয়।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ৪ স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করে যে, যদি কোনো চুক্তি বৈধ না হয়, তবে এ আইনের অধীনে তার জন্য কোনো প্রতিকার পাওয়া যাবে না। অর্থাৎ, কোনো অবৈধ বা আইনত অকার্যকর চুক্তির ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার দাবি করা যাবে না।
তবে, বৈধ চুক্তির ক্ষেত্রে এ আইন অনুযায়ী নির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের দাবির পাশাপাশি অন্যান্য আইনি প্রতিকার পাওয়ার অধিকার অক্ষুণ্ন থাকে।

অন্য অপশন গুলোর বিশ্লেষণ: 
(ক) যখন চুক্তিটি মৌখিক:
→ মৌখিক চুক্তিও আইনত কার্যকর হতে পারে যদি সেটি প্রমাণ করা যায়। তাই শুধুমাত্র মৌখিক হওয়ার কারণে প্রতিকার অযোগ্য হবে না।
(গ) যখন চুক্তিটি নিবন্ধিত নয়:
→ কিছু চুক্তির ক্ষেত্রে নিবন্ধন বাধ্যতামূলক, তবে সকল চুক্তির ক্ষেত্রে নয়। যদি চুক্তির নিবন্ধন আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক হয় এবং তা নিবন্ধিত না হয়, তবে প্রতিকার পাওয়া কঠিন হতে পারে। তবে নিবন্ধন-অপ্রয়োজনীয় চুক্তির ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার দাবি করা যেতে পারে।
(ঘ) যখন চুক্তিটি দুই পক্ষের সম্মতিতে হয়েছে:
→ দুই পক্ষের সম্মতিতে সম্পাদিত চুক্তি আইনত কার্যকর হলে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ থাকবে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার পাওয়ার জন্য চুক্তিটির বৈধ হওয়া আবশ্যক। অবৈধ চুক্তি বা আইনবহির্ভূত কোনো সমঝোতা থাকলে এ আইনের অধীনে কোনো প্রতিকার পাওয়া যাবে না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার ৪ ধারা এই আইনের প্রয়োগসীমা নির্ধারণ করছে। এর প্রধান বিষয়গুলি হল:
(a) এই আইন যে সব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় তা নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ না থাকলে, চুক্তি ব্যতীত অন্য কোনো সমঝোতা/আইনিদৃষ্টিতে বাধ্যবাধকতা না থাকলে তার বিষয়ে কোনো প্রতিকারের অধিকার প্রদান করবে না।
(b) এই আইন কাউকে নির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন ব্যতীত অন্য কোনো চুক্তিজনিত প্রতিকারের অধিকার থেকে বঞ্চিত করবে না।
(c) এই আইন 1908 সালের রেজিস্ট্রেশন আইন এবং নথিপত্রের উপর তার প্রভাব রাখবে না।

সংক্ষেপে,এই ধারার মূল উদ্দেশ্য হলো যে, যদি কোনো চুক্তি বৈধ না হয়, তাহলে এ আইনে তার জন্য কোনো প্রতিকার পাওয়া যাবে না।
-তবে, বৈধ চুক্তির ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার ছাড়াও অন্যান্য প্রতিকার পাওয়ার অধিকার অক্ষুণ্ন থাকবে এবং রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮ এর বিধানাবলি এ আইনের মাধ্যমে প্রভাবিত হবে না।
-----------
⇒ Section 4- Savings: Except where it is herein otherwise expressly enacted, nothing in this Act shall be deemed-
(a) to give any right to relief in respect of any agreement which is not a contract;
(b) to deprive any person of any right to relief, other than specific performance, which he may have under any contract; or
(c) to affect the operation of the Registration Act, 1908 on documents.

১,১২৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারা অনুসারে আদালত কী খতিয়ে দেখে?
  1. দলিলের ভাষাগত ত্রুটি
  2. দলিলের লেখার ধরন
  3. দলিলের প্রকৃত আইনি পরিণতি
  4. দলিলের ন্যায্যতা ও বৈধতা
সঠিক উত্তর:
দলিলের প্রকৃত আইনি পরিণতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিলের প্রকৃত আইনি পরিণতি
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারা অনুসারে, যখন আদালত কোনো লিখিত দলিল সংশোধনের (rectification) বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়, তখন আদালত শুধু দলিলের ভাষা বা লেখার ধরন বিশ্লেষণ করে না। বরং, আদালত খতিয়ে দেখে—
- দলিলটির প্রকৃত উদ্দেশ্য কী ছিল
- পক্ষগণের উদ্দেশ্য অনুযায়ী দলিলটির কী আইনি পরিণতি হওয়া উচিত
অর্থাৎ, আদালত শুধু দলিলের শব্দ বা ভাষাগত ত্রুটির দিকে তাকিয়ে থাকে না, বরং দলিল প্রণয়নের সময় পক্ষগণের প্রকৃত উদ্দেশ্য ও এর আইনি প্রভাব যাচাই করে।
- অতএব,  ধারা ৩৩ অনুযায়ী, আদালত দলিলের ভাষাগত গঠন বা লেখার ধরন নয়, বরং এর প্রকৃত আইনি পরিণতি এবং পক্ষগণের উদ্দেশ্য নির্ধারণের ওপর গুরুত্ব দেন।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারার বিধান: সংশোধনের মূলনীতিসমূহ:
- লিখিত দলিল সংশোধন করার সময় আদালত অনুসন্ধান করতে পারেন, কি অর্থ বহন করা দলিলের অভিপ্রেত ছিল এবং চুক্তির বৈধ ফলাফল সম্পর্কে অভিপ্রায় কি ছিল, কেবল মাত্র সে ব্যাপারেই অনুসন্ধান সীমিত থাকবে না।
--------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 33. Principles of rectification:
- In rectifying a written instrument, the Court may inquire what the instrument was intended to mean, and what were intended to be its legal consequences, and is not confined to the inquiry what the language of the instrument was intended to be.
১,১২৬.
When does a fresh period of limitation begin in the case of a continuing breach?
  1. At the time of filing the suit
  2. Only once at the first occurrence
  3. When the court declares so
  4. At every moment the breach continues
সঠিক উত্তর:
At every moment the breach continues
উত্তর
সঠিক উত্তর:
At every moment the breach continues
ব্যাখ্যা

Section 23: Continuing breaches and wrongs-
In the case of a continuing breach of contract and in the case of a continuing wrong independent of contract, a fresh period of limitation begins to run at every moment of the time during which the breach or the wrong, as the case may be, continues.

২৩ ধারা: অবিরাম চুক্তিভঙ্গ-
যেক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি ভঙ্গ করা হয় এবং যেইক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি নিরপেক্ষভাবে অন্যায় করা হয়, সেক্ষেত্রে চুক্তি ভঙ্গ বা অন্যায় চলাকালীন সময়ের প্রতি মুহূর্তেই নতুন করে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হতে শুরু করে।

১,১২৭.
'ম' ২০ লক্ষ টাকা মূল্যমানের একটি স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমার আরজি সহকারী জজ আদালতে পেশ করে। এই ক্ষেত্রে আদালত নিম্নলিখিত কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন?
  1. আরজি প্রত্যাখান
  2. আরজি সংশোধন
  3. আরজি ফেরত
  4. মোকদ্দমা খারিজ
সঠিক উত্তর:
আরজি ফেরত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি ফেরত
ব্যাখ্যা
• আদালত উক্ত আরজিটি ফেরত পাঠাবে।

• মোকদ্দমাটির মূল্যমান ২০ লক্ষ টাকা, তাই তা সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে মোকদ্দমাটি দায়ের করা উচিত ছিল। কারণ সহকারি জজ আদালতের এখতিয়ার সর্বোচ্চ ১৫লক্ষ টাকা [The Civil Courts Act,1887]। যেহেতু এখতিয়ার বিহীন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে চেয়েছে, তাই আদালত মোকদ্দমাটি সঠিক আদালতে দায়েরের জন্য আরজি ফেরত পাঠাবে।

• আরজি ফেরত (Return of Plaint) অর্থ হলো এখতিয়ারবিহীন আদালতে আরজি দাখিল করলে, আরজিটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে দাখিলের জন্য ফেরত দেয়া। যদি এমন কোন আদালতে আরজি দাখিল করা হয় যে আদালতে উক্ত মোকদ্দমার বিচার করার আর্থিক বা আঞ্চলিক এখতিয়ার নেই, তখন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে আরজিটি দাখিলের জন্য আদালত ফেরত দিতে পারে। মোকদ্দমার যেকোন পর্যায়ে আদালত আরজি ফেরতের আদেশ দিতে পারে। দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৭ এর বিধি ১০ এ আরজি ফেরত এর বিধান উল্লেখ করা হয়েছে।

• আরজি ফেরত আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার:
১. বাদী আরজিটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে পুনরায় দাখিল করতে পারে বা
২. আরজি ফেরত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে। কারণ দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৩ আদেশের ১(ক) বিধি অনুযায়ী আরজি ফেরতের সিদ্ধান্ত একটি আপিলযোগ্য আদেশ।
১,১২৮.
‘ক’ একটি সম্পত্তির দখলে আছে। ‘খ’ ও ‘গ’ উক্ত সম্পত্তির দখল দাবী করে। উক্ত সম্পত্তিতে ‘ক’ এর কোন স্বার্থ নেই কিন্তু সে উক্ত সম্পত্তির প্রকৃত মালিক কে দখলে থাকা সম্পত্তি অর্পন করতে চায়। ‘ক’ কোন ধরনের মোকদ্দমা দায়ের করবে?
  1. ঘোষণামূলক মোকদ্দমা
  2. স্বত্বের মোকদ্দমা
  3. স্বার্থ বিহীন মোকদ্দমা
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
স্বার্থ বিহীন মোকদ্দমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বার্থ বিহীন মোকদ্দমা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৮৮ ধারায় বলা হয়েছে যে, ২ বা ততোধিক ব্যক্তি কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির মালিকানা দাবি করলে বর্তমান দখলদার ব্যক্তির খরচ ছাড়া অন্য কোন দাবি না থাকলে দখলদার যে মামলা করবে তার নাম Interpleader Suit বা স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা।

•এখানে যেহেতু ‘ক’ দখলে থাকা সম্পত্তি ‘খ’ ও ‘গ’ দাবী করে তাই ‘ক’ স্বার্থ বিহীন মোকদ্দমা দায়ের করবে।
১,১২৯.
দেওয়ানী কার্যবিধিতে ছানী মোকদ্দমার (Miscellaneous Case) বিধান কোথায় আছে ?
  1. আদেশ ৯ বিধি ৪
  2. আদেশ ৯ বিধি ১৩
  3. আদেশ ৯ বিধি ৯
  4. ক,খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
ক,খ এবং গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক,খ এবং গ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি মোকদ্দমায় মিসকেস- অনুপস্থিতির কারণে কোন মোকদ্দমা খারিজ বা এক-তরফা ডিক্রি হলে একই আদালতে উক্ত মোকদ্দমা পূর্নবহালের আবেদনকে ছানী মোকদ্দমা বা মিসকেস বলে।

সাধারণভাবে কোন মামলা খারিজ (Dismiss) হলে অথবা একতরফা হলে, উক্ত আদেশ রদ/রহিত করার জন্য দেওয়ানি কার্যবিধির ৯ নং আদেশের ৪, ৯ ও ১৩ বিধির অধীন যে আবেদন করা হয় তাকে মিসকেস বলে।

• আদেশ ৯ বিধি ৩ অনুসারে- মোকদ্দমার কোন পক্ষই উপস্থিত না হলে, আদালত মোকদ্দমা খারিজ করে দিতে পারে।

আদেশ ৯ বিধি ৪ঃ প্রদত্ত খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার-
১- উল্লিখিত কারণে মোকদ্দমা খারিজ হলে, উক্ত খারিজের বিরুদ্ধে বাদী নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
২-খারিজ আদেশ রদ করতে আবেদন করতে পারে। তবে, এমন আবেদন খারিজ আদেশের তারিখ হতে ৩০ দিনের মধ্যে দায়ের হবে।

• বাদী হাজির না হওয়ার কারণে ৮ বিধির অধীন আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দিলে, উক্ত খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে বাদী ৯ ধারায় নিম্নলিখিত পদক্ষেপ নিতে পারে-
১. মোকদমা খারিজ আদেশ বাতিলের (For setting aside the order of dismissal) জন্য ৯ বিধির অধীন আবেদন করতে পারে;
২. খারিজ আদেশ সরাসরি বাতিলের (Directly Setting aside dismissal) জন্য ৯ক বিধির অধীন আবেদন করতে পারে।

• বিবাদী হাজির না হওয়ার কারণে আদালত মোকদ্দমা একতরফা নিষ্পত্তি করলে, উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে ৯ নং আদেশের ১৩ নং বিধিতে একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের বিধান রয়েছে, অন্যদিকে ১৩ক বিধিতে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের বিধান রয়েছে।
১,১৩০.
ফৌজদারি মামলায় গৃহীত সাক্ষ্য কোন পদ্ধতিতে লিপিবদ্ধ করা হবে?
  1. সারাংশ আকারে
  2. বিবরণ আকারে
  3. প্রশ্নোত্তর আকারে
  4. সংক্ষিপ্ত আকারে
সঠিক উত্তর:
বিবরণ আকারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবরণ আকারে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৫৯: সাক্ষ্য লিপিবদ্ধের পদ্ধতি-
(১) ধারা ৩৫৬ বা ৩৫৭ অনুসারে গৃহীত সাক্ষ্য সাধারণত প্রশ্নোত্তর আকারে লিপিবদ্ধ হবে না বরং বিবরণ আকারে লিপিবদ্ধ করতে হবে।
(২) ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা জজ ইচ্ছা করলে কোন বিশেষ প্রশ্ন ও উত্তর লিপিবদ্ধ করতে বা করাতে পারবেন।
 
Section 359: Mode of recording evidence-
(1) Evidence taken under section 356 or section 357 shall not ordinarily be taken down in the form of question and answer, but in the form of a narrative
(2) The Magistrate or Sessions Judge may, in his discretion take down, or cause to be taken down, any particular question and answer.
১,১৩১.
''Summary dismissal of appeal''- ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার বিধান?
  1. ধারা ৪২৭
  2. ধারা ৪২১
  3. ধারা ৪২০
  4. ধারা ৪২৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪২১
ব্যাখ্যা
Section 421- Summary dismissal of appeal:

(1) On receiving the petition and copy under section 419 or section 420, the Appellate Court shall pursue the same, and if it considers that there is no sufficient ground for interfering, it may dismiss the appeal summarily: Provided that no appeal presented under section 419 shall be dismissed unless the appellant or his pleader has had a reasonable opportunity of being heard in support of the same.

(2) Before dismissing an appeal under this section, the Court may call for the record of the case, but shall not be bound to do so.

ধারা ৪২১- আপিলের সংক্ষিপ্ত খারিজ

(১) ধারা-৪১৯ বা ৪২০ এর আওতায় দরখাস্ত ও নকল পাবার পর আপিল উহা পড়বেন, এবং যদি ইহা বিবেচনা করেন যে, হস্তক্ষেপ করার মত পর্যাপ্ত কারণ নেই, সেক্ষেত্রে সঙ্গে সঙ্গে আপিল খারিজ করতে পারবেন-
শর্ত থাকে যে, ধারা-৪১৯ এর আওতায় দাখিলকৃত আপীলের ক্ষেত্রে আপিলকারী বা তার উকিলকে বক্তব্য পেশ করার যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে আপিল খারিজ করা যাবে না।

(২) এই ধারার আওতায় আপিল খারিজ করার পূর্বে আদালত মামলার নথি তলব করতে পারবেন, কিন্তু আদালত এরূপ তলব করতে বাধ্য হবেন না।
১,১৩২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় ঘোষণার ফলাফল (Effect of Declaration) সম্পর্কিত বিধান আছে?
  1. ৪০ ধারায়
  2. ৪১ ধারায়
  3. ৪২ ধারায়
  4. ৪৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৩ ধারার বিধান ঘোষণার ফলাফল: এই অধ্যায়ের বিধান মোতাবেক প্রদত্ত ঘোষণা কেবলমাত্র মামলার পক্ষসমূহ এবং তাদের মাধ্যমে দাবিরত ব্যক্তিদের উপর যেক্ষেত্রে পক্ষসমূহের কোন একটি হচ্ছে জিম্মাদার, সেক্ষেত্রে তেমন ব্যক্তিদের উপর ঘোষণার দিন পর্যন্ত তারা বেঁচে থাকলে তেমন পক্ষসমূহ যাদের জন্য জিম্মাদার হত, অবশ্য পালনীয় হবে।
এই ধারায় বলা হয়েছে, আদালতের ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree) কেবল মামলার পক্ষদের জন্যই বাধ্যতামূলক হবে। অর্থাৎ, যেসব ব্যক্তি মামলা করেছে বা যাদের মাধ্যমে মামলা হয়েছে, শুধুমাত্র তাদের জন্যই এই ঘোষণা কার্যকর হবে।
তবে, যদি কোনো পক্ষ জিম্মাদার (Trustee) হয়, তাহলে তার জন্য ঘোষণাটি কার্যকর হবে তাদের ক্ষেত্রেও, যাদের জন্য সে জিম্মাদার হিসেবে কাজ করছে।
- ঘোষণামূলক ডিক্রি তৃতীয় কোনো পক্ষের ওপর বাধ্যতামূলক নয়, এটি কেবল মামলার সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জন্য প্রযোজ্য।
-------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 43:- Effect of declaration:
- A declaration made under this Chapter is binding only on the parties to the suit, persons claiming through them respectively, and, where any of the parties are trustees, on the persons for whom, if in existence at the date of the declaration, such parties would be trustees.

Illustration:
A, a Hindu, in a suit to which B, his alleged wife, and her mother, are defendants, seeks a declaration that his marriage was duly solemnized and an order for the restitution of his conjugal rights. The Court makes the declaration and order. C, claiming that B is his wife, then sues A for the recovery of B. The declaration made in the former suit is not binding upon C.
১,১৩৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৪ বিধি-৫(২) অনুসারে, Redemption suit-এর final decree দেওয়ার আগে যদি mortgaged property বিক্রি হয়ে যায়, তখন plaintiff ক্রেতাকে ক্রয়মূল্যের কত টাকা extra deposit করতে হয়?
  1. ৬%
  2. ৩%
  3. ৫%
  4. ১০%
সঠিক উত্তর:
৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫%
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৪, বিধি ৫(২) এবং বিধি ৮(২) উভয় ক্ষেত্রেই স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে: "the defendant, in addition to the amount mentioned in sub-rule (1), deposits in Court for payment to the purchaser a sum equal to five per cent of the amount of the purchase-money paid into Court by the purchaser"

অর্থাৎ, রিডেম্পশন স্যুটে চূড়ান্ত ডিক্রি দেওয়ার আগে যদি বন্ধকী সম্পত্তি বিক্রি হয়ে যায়, তাহলে প্লেইন্টিফ (বন্ধকদাতা) কে শুধু বকেয়া টাকা নয়, বরং ক্রেতাকে ক্রয়মূল্যের ৫% অতিরিক্ত জমা দিতে হবে।
- এই ৫% অতিরিক্ত Amount ক্রেতার জন্য compensation হিসেবে ধরা হয়, যেহেতু বিক্রয় বাতিল হওয়ায় তার সময় ও effort ব্যর্থ হয়েছে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Order-34 Rule-8(2):
Where the mortgaged property or a part thereof has been sold in pursuance of a decree passed under sub-rule (3) of this rule, the Court shall not pass an order under sub-rule (1) of this rule, unless the plaintiff, in addition to the amount mentioned in sub-rule (1), deposits in Court for payment to the purchaser a sum equal to five per cent of the amount of the purchase-money paid into Court by the purchaser.
Where such deposits have been made, the purchaser shall be entitled to an order for repayment of the amount of the purchase-money paid into Court by him, together with a sum equal to five per cent. thereof.

১,১৩৪.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order XLIII এ আপীলযোগ্য আদেশের তালিকায় মোট কয়টি আদেশের সংখ্যা উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ২৪টি
  2. ২৫টি
  3. ২৬টি
  4. ২৭টি
সঠিক উত্তর:
২৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪৩ এর বিধান হলো- আদেশের বিরুদ্ধে আপীল।
⇒ আদেশ ৪৩ এবং ধারা ১০৪ এর মধ্যে আপীলযোগ্য আদেশ সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে।
⇒ সাধারনত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল চলে না, তবে আদেশটি যদি আপীলযোগ্য আদেশ হয় তাহলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়।
আদেশ ৪৩ এ মোট ২৫টি আপীলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) রয়েছে।
১,১৩৫.
C.R কেইস এর পূর্ণ রূপ হলো-
  1. Complaint Registered
  2. Complaint and Report
  3. Complainant Registered
  4. Criminal Report
সঠিক উত্তর:
Complaint Registered
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Complaint Registered
ব্যাখ্যা
•  যেকোন ব্যক্তি ২ টি উপায়ে ফৌজদারি মামলা দায়ের করতে পারে-

- তিনি কোন অপরাধ সংঘটন বিষয়ে থানায় পুলিশের নিকট সংবাদ প্রদান করতে পারে বা
- তিনি ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট গিয়ে নালিশ দায়ের করতে পারে। 

•  থানায় পুলিশের নিকট আমলযোগ্য অপরাধের সংবাদ প্রদান করলে পুলিশ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারার পদ্ধতি অনুসরণ করে এবং আমলঅযোগ্য অপরাধের সংবাদ প্রদান করা হলে ১৫৫ ধারা অনুসরণ করে। 

• অন্যদিকে, কোন ব্যক্তি ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আমলযোগ্য বা আমলঅযোগ্য উভয় অপরাধ বিষয়ে নালিশ দায়ের করতে পারে। অপরাধ আমলে নেয়ার এখতিয়ারসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ দায়েরের মাধ্যমে যে মামলা শুরু হয় তাকে নালিশী মামলা বা [Complaint Registered(C.R)] কেইস বলা হয়।
১,১৩৬.
দণ্ডবিধির কত ধারায় পশু সংরক্ষণের ক্ষেত্রে অবহেলা প্রদর্শন করলে এর শাস্তির বিধান বর্ণিত আছে?
  1. ২৭৭ ধারায়
  2. ২৮৫ ধারায়
  3. ২৮৮ ধারায়
  4. ২৮৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২৮৯ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৮৯ ধারার বিধান: প্রাণী সম্পর্কে অবহেলামূলক আচরণ করা:- কোন ব্যক্তি যদি তার দখলভুক্ত কোন প্রাণী সম্পর্কে এমন কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে জ্ঞাতসারে বা অবহেলামূলকভাবে অন্যথা করে, যে ব্যবস্থা উক্ত প্রাণী হতে মানুষের জীবনের প্রতি সম্ভাব্য বিপদের বিরুদ্ধে অথবা নিশ্চয়তা বিধানের জন্য পর্যাপ্ত, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
-----------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-289. Negligent conduct with respect to animal:-
-Whoever knowingly or negligently omits to take such order with any animal in his possession as is sufficient to guard against any probable danger to human life, or any probable danger of grievous hurt from such animal, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
১,১৩৭.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে স্মৃতি  পুনরুজ্জীবিত করার জন্য কোন সাক্ষী কতৃক যে লিখিত বিবৃতি ব্যবহার করা হয়েছে তা সম্পর্কে বিরোধী পক্ষের অধিকার আছে-
  1. বিরোধী পক্ষ উক্ত লিখিত বিবৃতি দেখতে চাইতে পারে 
  2. উক্ত সাক্ষীকে জেরা করতে পারে
  3. উক্ত সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে
  4. ক ও খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২, ধারা ১৬১,স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করিবার উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত কোনো লেখা সম্পর্ক বিরুদ্ধ পক্ষের অধিকার : উপরের দুইটি ধারায় (১৫৯,১৬০) যে সকল লিপির বিষয় বর্ণিত হইয়াছে, বিরুদ্ধ পক্ষ চাহিলে তাহা অবশ্যই আদালতে দাখিল করিতে হইবে এবং বিরুদ্ধ পক্ষকে দেখাইতে হইবে। বিরুদ্ধ পক্ষ ইচ্ছা করিলে সাক্ষীকে উহা সম্পর্কে জেরা করিতে পারিবে।
---------------------------------------
The Evidence Act 1872, Section 77, Right of adverse party as to writing used to refresh memory: Any writing referred to under the provisions of the two last preceding sections(159,160) must be produced and shown to the adverse party if he requires it: such party may, if he pleases, cross-examine the witness thereupon.

১,১৩৮.
'অধস্তন আদালতের নথি পরীক্ষার জন্য হাইকোর্ট বিভাগের বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা'- ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় দেয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৫৪৪
  2. ধারা ৫৪২
  3. ধারা ৫৫৪
  4. ধারা ৫৪৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৫৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৫৪
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৫৪ (অধস্তন আদালতের নথি পরীক্ষার জন্য হাইকোর্ট বিভাগের বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা)-

(১) সরকারের পূর্বানুমতি লইয়া সুপ্রীম কোর্ট অধঃস্তন আদালতসমূহের নথিপত্র পরিদর্শনের জন্য সময়ে সময়ে বিধি প্রণয়ন করতে পারবেন।

(২) অন্যান্য উদ্দেশ্যে বিধি প্রণয়নে হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতার সুপ্রীম কোর্ট সময়ে সময়ে এবং সরকারের পূর্বানুমতি নিয়ে-
(ক) এর অধঃস্তন সকল ফৌজদারী আদালতে খাতাপত্র রাখা, মন্তব্য লিপিবদ্ধ করা ও হিসাবপত্র রাখার জন্য এবং এরূপ আদালত দ্বারা প্রণীতব্য ও প্রেরিতব্য রিটার্ন বা বিবরণ প্রণয়ন ও প্রেরণের জন্য নিয়ম প্রণয়ন করতে পারবেন:
(খ) উক্ত আদালতসমূহে যে সমস্ত কার্যধারার জন্য ফরম থাকা উচিত বলে মনে করেন সেরূপ প্রত্যেকটি কার্যধারার জন্য ফরম তৈরী করতে পারবেন,
(গ) ফৌজদারী আদালতসমূহের কার্যক্রম ও পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণের জন্য নিয়ম প্রণয়ন করতে পারবেন; এবং
(ঘ) জরিমানা আদায়ের জন্য এই কার্যবিধির অধীন প্রদত্ত পরোয়ানা কার্যকরীকরণ নিয়ন্ত্রণের জন্য নিয়ম প্রণয়ন করতে পারবেনঃ
শর্ত থাকে যে, এই ধারার অধীন প্রণীত নিয়মাবলী ও প্রস্তুতকৃত ফরমসমূহ এই বিধি বর্তমানে কার্যকর অন্য কোন আইনের সহিত সংগতিবিহীন হবে না।

(৩) এই ধারার আওতায় প্রণীত সব নিয়ম সরকারী গেজেটে প্রকাশ করতে হবে।
১,১৩৯.
“মানব পাচার প্রতিরোধ তহবিল” গঠন করবে কে?
  1. সরকার
  2. ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি
  3. মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল
  4. জাতীয় মানব পাচার দমন সংস্থা
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৪২: মানব পাচার প্রতিরোধ তহবিল:
(১) এই আইন বলবৎ হইবার পর সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, ‘‘মানব-পাচার প্রতিরোধ তহবিল’’ নামে একটি তহবিল গঠন করিবে এবং উক্ত তহবিল বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে পরিচালিত ও ব্যবহৃত হইবে। 
 
(২) মানব পাচার প্রতিরোধ তহবিলে নিম্নবর্ণিত উৎস হইতে প্রাপ্ত অর্থ জমা হইবে, যথাঃ— 
(ক) সরকারের মঞ্জুরী বা অনুদান; 
(খ) কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত অনুদান; বা 
(গ) কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রদত্ত অনুদান; এবং 
(ঘ) মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমনের উদ্দেশ্যে প্রাপ্ত অন্য যে কোন উৎস হইতে প্রাপ্ত অর্থ। 
১,১৪০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার (Recovering possession of property) সম্পর্কিত ধারা কোন গুলো?
  1. ধারা ৮-১১
  2. ধারা ১২-১৫
  3. ধারা ২০-২৫
  4. ধারা ৩০-৩৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮-১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮-১১
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের বিষয়বস্তু (Subject matter of Specific Relief Act):
১৮৭৭ সালের সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনটি ১০টি অধ্যায়ে (Chapter) বিভক্ত এবং এতে মোট ৫৭টি ধারা (Section) সন্নিবেশিত রয়েছে। 

অধ্যায়সমূহ:
⇒ সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার (Recovering possession of property)- ধারা (৮-১১);
⇒ চুক্তির সুনির্দিষ্ট সম্পাদন (Specific performance of contract)- ধারা (১২-৩০);
⇒ দলিল সংশোধন (Rectification of Instruments)- ধারা (৩১-৩৪);
⇒ চুক্তি রদ (Rescission of a contract)- ধারা (৩৫-৩৮);
⇒ দলিল বাতিল (Cancellation of instrument)- ধারা (৩৯-৪১);
⇒ ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree)- ধারা (৪২-৪৩);
⇒ তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ (Appointment of receiver)- ধারা ৪৪;
⇒ বিলুপ্ত (Omitted)- ধারা (৪৫-৫১);
⇒ সাধারণভাবে নিষেধাজ্ঞা (Injunction generally)- ধারা (৫২-৫৩);
⇒ চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual injunction)- ধারা (৫৪-৫৭)।
১,১৪১.
গর্ভপাতের কোন পরিস্থিতিতে ধারা ৩১৩ প্রযোজ্য হবে?
  1. স্ত্রীর সম্মতি থাকলে
  2. স্ত্রীর সম্মতি না থাকলে
  3. আইনসম্মতভাবে করা হলে
  4. পূর্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া হলে
সঠিক উত্তর:
স্ত্রীর সম্মতি না থাকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ত্রীর সম্মতি না থাকলে
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩১৩ ধারা- স্ত্রীলোকের সম্মতি ছাড়া গর্ভপাত করণ:
কোন ব্যক্তি যদি পূর্ববর্তী ধারায় বর্ণিত অপরাধটি সংশ্লিষ্ট স্ত্রীলোকের সম্মতি ছাড়া সম্পাদন করে স্ত্রীলোকটি আসন্ন প্রসবা হোক বা না হোক- তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 313: Causing miscarriage without women's consent:
Whoever commits the offence defined in the last preceding section without the consent of the woman, whether the woman is quick with child or not, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
১,১৪২.
দন্ডবিধি অনুসারে Kidnapping কত প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৩৫৯ ধারা মতে মনুষ্যহরণ বা অপহরণ ২ প্রকার। যথা: (i) বাংলাদেশ থেকে মনুষ্যহরণ (ii) আইনগত অভিভাবকের নিকট হতে মনুষ্যহরণ।
১,১৪৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় আদালতকে অভিযোগ পরিবর্তনের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে?
  1. ২২৫
  2. ২২৭
  3. ২৩০
  4. ২৩১
সঠিক উত্তর:
২২৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২৭
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২৭ আদালতকে অভিযোগ পরিবর্তনের ক্ষমতা দিয়েছে।

⇒ ফৌজদারি মামলায় একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি কি ধরণের অপরাধ করেছে এবং কার বিরুদ্ধে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে তা চার্জ হতেই জানা যায়। 
অভিযুক্ত ব্যক্তি যে অপরাধ সংগঠিত করেছেন, সেই অভিযোগ চার্জে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে এবং আইনে সেই অপরাধে কোন নির্দিষ্ট নাম থাকলে তাও উল্লেখ করতে হবে।
সুতরাং বলা যায়, চার্জ হল কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সংক্ষিপ্ত বিবরণ যার প্রকৃতি সম্পর্কে অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রাথমিক স্তরে জানার অধিকারী।ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২১-২৪০ পর্যন্ত চার্জের গঠন এবং বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৭ ধারার বিধান-অভিযোগে অপরাধের বর্ণনা বা অন্য কোন তথ্য পরিবেশনের সময় কোন ভুল হলে বা কোন কিছু বাদ পড়লে রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময় আদালত অভিযোগ পরিবর্তন বা নতুন অভিযোগ করতে পারবেন এবং এরূপ প্রত্যেকটি পরিবর্তন বা সংযোজন অভিযুক্তকে পড়ে শুনাতে হবে এবং বুঝাতে হবে।
------------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-227: Court may alter charge:
(1) Any Court may alter or add to any charge at any time before judgment is pronounced.
(2) Every such alteration or addition shall be read and explained to the accused.
১,১৪৪.
Plea of alibi কী প্রমাণ করার চেষ্টা করে?
  1. অপরাধ হয়েছে কিনা
  2. অপরাধের উদ্দেশ্য
  3. সাক্ষীর বক্তব্য দুর্বল
  4. অপরাধের সময় অভিযুক্ত উপস্থিত ছিলেন না
সঠিক উত্তর:
অপরাধের সময় অভিযুক্ত উপস্থিত ছিলেন না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধের সময় অভিযুক্ত উপস্থিত ছিলেন না
ব্যাখ্যা

⇒ "Plea of alibi" শব্দবন্ধটি এসেছে ল্যাটিন শব্দ "alibi" থেকে, যার অর্থ "অন্য কোথাও"।
সাধারণভাবে, Plea of alibi হল একটি প্রতিরক্ষামূলক বক্তব্য, যেখানে অভিযুক্ত ব্যক্তি দাবি করেন যে অপরাধ সংঘটনের সময় তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন না, বরং অন্য কোনো স্থানে ছিলেন। অর্থাৎ, তিনি অপরাধ সংঘটনে শারীরিকভাবে উপস্থিত থাকতে পারতেন না, তাই তিনি দায়ী নন। সাক্ষ্য আইনের ১১ ধারায় Plea of Alibi-কে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ধারা ১১ অনুসারে, অপরাধের স্থান ও সময়ে অপরাধীর অনুপস্থিতি প্রমাণ করা হলে, তা ঘটনার প্রাসঙ্গিকতা প্রমাণ করতে পারে।

সাক্ষ্য আইন, ধারা ১১:
যে ঘটনা সাধারণত প্রাসঙ্গিক নয়, তা তখনই প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে-
- যদি এটি কোনো মূল বিতর্কিত বা প্রাসঙ্গিক ঘটনার সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ হয়।
- যদি এটি এককভাবে বা অন্যান্য ঘটনার সঙ্গে মিলিয়ে কোনো মূল বিতর্কিত বা প্রাসঙ্গিক ঘটনার অস্তিত্ব বা অনস্তিত্বকে অত্যন্ত সম্ভাব্য বা অসম্ভাব্য করে তোলে।

উদাহরণ:
(ক) প্রশ্ন উঠেছে, A নির্দিষ্ট দিনে চট্টগ্রামে কোনো অপরাধ করেছে কিনা।
যদি প্রমাণিত হয় যে ওই দিনে A ঢাকায় ছিল, তাহলে এটি একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা।
এছাড়াও, যদি দেখা যায় যে অপরাধ সংঘটনের সময় A এমন একটি স্থানে ছিল, যেখান থেকে অপরাধস্থলে পৌঁছানো অত্যন্ত অসম্ভব, তবে সেটিও প্রাসঙ্গিক হবে।

(খ) প্রশ্ন উঠেছে, A কোনো অপরাধ করেছে কিনা।
পরিস্থিতি এমন যে, অপরাধটি হয় A, B, C অথবা D—এদের মধ্যে কেউ করেছে।
যে কোনো ঘটনা যা প্রমাণ করে যে অপরাধটি B, C বা D করেনি এবং অপরাধী শুধুমাত্র A হতে পারে, তা প্রাসঙ্গিক হবে।

১,১৪৫.
'চ' একটি জমি 'ম' কে বিক্রি করার চুক্তি করেছে। চুক্তি অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে 'চ' জমির দখল 'ম' কে হস্তান্তর করবে। কিন্তু 'চ' চুক্তি এড়িয়ে যায় এবং জমির দখল দেয় না। এক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ১৯ ধারায় 'ম' কী প্রতিকার পেতে পারে?
  1. জমির দখল পেতে মামলা করতে পারে
  2. চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে
  3. কোনো প্রতিকার পাবে না
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
ব্যাখ্যা
• এক্ষেত্রে 'ম' আদালতে মামলা করে জমির দখল পেতে (সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন) এবং চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে। আদালত যদি দেখে যে, 'ম' কে জমির দখল দেয়া উচিত কিন্তু শুধু তা ই যথেষ্ট নয়, তবে আদালত 'চ' কে জমির দখল দিতে নির্দেশ দেবে এবং পাশাপাশি চুক্তি ভঙ্গের জন্য 'ম' কে ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে।

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ১৯- কতিপয় ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুরের ক্ষমতা:
কোনো ব্যক্তি যে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মামলা দায়ের করেছে, সে হয় তেমন কাজ সম্পাদনের অতিরিক্ত অথবা তার পরিপূরক হিসেবে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে। যদি তেমন কোন মামলায় আদালত সিদ্ধান্ত করেন যে, সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন মঞ্জুর করা আবশ্যক, কিন্তু মামলার ন্যায়বিচারের জন্য এটুকুই যথেষ্ট নয় এবং চুক্তিভঙ্গের জন্য বাদীকে কিছু ক্ষতিপূরণ প্রদান করাও প্রয়োজন, তা হলে আদালত সে অনুসারে তার জন্য ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করবেন। এই ধারা অনুসারে যে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করা হবে তা আদালত কর্তৃক নির্দেশিত পন্থায় নিরূপণ করা যেতে পারে।

⇒ এই ধারা চুক্তি ভঙ্গের ক্ষেত্রে আদালতের ক্ষমতা নিয়ে আলোচনা করে। এর মূল বিষয়গুলো হল:
১. যদি কোন ব্যক্তি চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মামলা দায়ের করে, সে সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের পাশাপাশি চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণও দাবি করতে পারে।
২. আদালত যদি সিদ্ধান্ত নেয় যে, সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করানো প্রয়োজন কিন্তু তা পর্যাপ্ত নয়, তবে আদালত চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করতে পারে।
৩. আদালত নিজের নির্ধারিত পদ্ধতিতে এই ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণ করবে।
৪. যদি চুক্তি কার্যকর করা অসম্ভব হয়ে যায়, তাতে আদালতের এই ক্ষতিপূরণ দেয়ার ক্ষমতা ক্ষুণ্ন হবে না।
১,১৪৬.
দণ্ডবিধির ধারা ১৯৩ অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম ছাড়া অন্য ক্ষেত্রে ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৭ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৯৩ ধারা অনুযায়ী, যদি কোন ব্যক্তি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম ছাড়া অন্য কোন ক্ষেত্রে ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা সাক্ষ্য দেয় বা মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করে, তবে তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড হতে পারে।
- ধারা ১৯৩ এর দ্বিতীয় অংশ: "Whoever intentionally gives or fabricates false evidence in any other case, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine."
- এটি পরিষ্কারভাবে বলে যে, বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের বাইরে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার শাস্তি ৩ বছর পর্যন্ত হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৯৩ ধারার বিধান মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি কোন বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের যে কোন পর্যায়ে ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্যদান ব্যবহার করার জন্য ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এতদ্‌ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে; এবং
-কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ক্ষেত্রে ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্য দান করে বা তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
-ব্যাখ্যা (Explanation) ১:- সামরিক আদালত (Court-martial) সংঘটিত বিচারও একটি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম।
- ব্যাখ্যা (Explanation) ২:- কোন আদালতের কোন কার্যক্রম শুরু হওয়ার পূর্বে আইনের নির্দেশানুগ প্রারম্ভিক তদন্ত ও বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি পর্যায় যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।
- ব্যাখ্যা (Explanation) ৩:- কোন আদালত দ্বারা আইনানুসারে নির্দেশিত এবং কোন আদালতের ক্ষমতানুসারে পরিচালিত কোন তদন্ত বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি পর্যায় যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-193. Punishment for false evidence: Whoever intentionally gives false evidence in any stage of judicial proceeding, or fabricates false evidence for the purpose of being used in any stage of a judicial proceeding, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine;
and whoever intentionally gives or fabricates false evidence in any other case, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.
Explanation -1.-A trial before a Court-martial is a judicial proceeding.
Explanation -2.-An investigation directed by law preliminary to a proceeding before a Court of Justice, is a stage of a judicial proceeding, though that investigation may not take place before a Court of Justice.
Explanation -3.-An investigation directed by a Court of Justice according to law, and conducted under the authority of a Court of Justice, is a stage of a judicial proceeding, though that investigation may not take place before a Court of Justice.
১,১৪৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬ ধারায় ম্যাজিষ্ট্রেটগণের কোন ধরনের ক্ষমতার কথা বলা হয়েছে?
  1. বিশেষ ক্ষমতা
  2. সাধারণ ক্ষমতা
  3. অতিরিক্ত ক্ষমতা
  4. উল্লিখিত সকল ধরনের
সঠিক উত্তর:
সাধারণ ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাধারণ ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬ ধারা- ম্যাজিষ্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা:
সকল জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর কার্যক্রমে অর্পিত ৩য় তফসিল এ বর্ণিত ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ক্ষমতা তাঁদের "সাধারণ ক্ষমতা" নামে আখ্যায়িত।

Section 36- Ordinary powers of Magistrates:
All Judicial and Executive Magistrates have the powers hereinafter respectively conferred upon them and specified in the third schedule. Such powers are called their "ordinary powers".
১,১৪৮.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর কত ধারায় সরকার লিগ্যাল এইড অফিসার নিয়োগ করতে পারে?
  1. ধারা ২১
  2. ধারা ২২ক
  3. ধারা ২৩
  4. ধারা ২১ক
সঠিক উত্তর:
ধারা ২১ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২১ক
ব্যাখ্যা
ধারা ২১ক- লিগ্যাল এইড অফিসার নিয়োগ, দায়িত্ব, ইত্যাদি:

(১) সরকার, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, প্রয়োজনীয় সংখ্যক লিগ্যাল এইড অফিসার নিয়োগ এবং তাহাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য নির্ধারণ করিতে পারিবে। 
 
(২) লিগ্যাল এইড অফিসার আইনগত সহায়তা প্রার্থীকে আইনে পরামর্শ প্রদান করিতে পারিবে এবং প্রচলিত আইনের অধীন কোন আদালত বা ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক উহার স্থানীয় অধিক্ষেত্রের আওতাধীন এলাকায় কর্মরত লিগ্যাল এইড অফিসারের নিকট বিকল্প পদ্ধতিতে বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য কোন বিষয় প্রেরণ করা হইলে উহা নিষ্পত্তির ক্ষমতা সংশ্লিষ্ট লিগ্যাল এইড অফিসারের থাকিবে।
১,১৪৯.
নিচের কোনটি বার কাউন্সিলের স্থায়ী কমিটি?
  1. নির্বাহী কমিটি
  2. আর্থিক কমিটি
  3. আইন শিক্ষা কমিটি
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972-এর ১১ অনুচ্ছেদে ৩ টি স্থায়ী কমিটির (Standing Committees] উল্লেখ আছে।
⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর ১১(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, বার কাউন্সিল নিম্নলিখিত স্থায়ী কমিটি নিয়ে গঠিত হবে:
১. নির্বাহী কমিটি 
২. আর্থিক কমিটি 
৩. আইন শিক্ষা কমিটি
---------------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972, Article-11: (1) The Bar Council shall constitute the following standing committees namely:-
(a) an executive committee consisting of five members elected by the Council from amongst its members;
(c) a finance committee consisting of five members elected by the Council from amongst its members;
(d) a legal education committee consisting of nine members-five elected by the Council from amongst its members and four co-opted by the Council from persons other than the members of the Council at least two of whom shall be teachers of law in any university or college in Bangladesh.

(2) The aforesaid committees shall have such powers and functions as may be prescribed.
(3) The Bar Council may constitute from amongst its members such other committees as it may deem necessary for the performance of its functions under this Order.
১,১৫০.
‘A’ জনসমক্ষে বলে, “Z একজন সৎ ব্যক্তি নন, তিনি B-এর ঘড়ি চুরি করেছেন,” এই উদ্দেশ্যে যাতে Z-এর সুনাম ক্ষুণ্ন হয়। এটি সত্য নয় এবং কোনো ব্যতিক্রমের আওতায় পড়ে না। দণ্ডবিধির বিধান অনুসারে এই অপরাধের নাম কী?
  1. প্রতারণা
  2. মানহানি
  3. ক্ষতিসাধন
  4. মিথ্যা অভিযোগ
সঠিক উত্তর:
মানহানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানহানি
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৯৯ অনুসারে, কোনো ব্যক্তির সুনাম ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে বা জেনেশুনে যে এটি সুনাম ক্ষুণ্ন করবে, এমনভাবে মুখে, লিখিতভাবে, চিহ্নের মাধ্যমে, বা দৃশ্যমান উপস্থাপনার মাধ্যমে অভিযোগ করা মানহানি (Defamation) হিসেবে গণ্য। এখানে, ‘A’ জনসমক্ষে বলেছে যে “Z একজন সৎ ব্যক্তি নন, তিনি B-এর ঘড়ি চুরি করেছেন,” যা মিথ্যা এবং Z-এর সুনাম ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। এটি কোনো ব্যতিক্রমের (Exceptions) আওতায় পড়ে না, তাই ধারা ৪৯৯-এর অধীনে মানহানি হিসেবে গণ্য। ধারা ৫০০ অনুসারে, এই অপরাধের শাস্তি হলো ২ বছর পর্যন্ত সাধারণ কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই।

অর্থাৎ ‘A’-এর কাজ ধারা ৪৯৯-এর অধীনে মানহানি হিসেবে গণ্য। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো খ) মানহানি।

১,১৫১.
কোনো ব্যক্তি তার দখলাধীন প্রাণীর জন্য যথাযথ ব্যবস্থা না নিলে এবং তা যদি কোনো মানুষের জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলে, তাহলে তার সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ৩ মাসের কারাদণ্ড
  2. ৬ মাসের কারাদণ্ড
  3. ১ বছরের কারাদণ্ড
  4. ২ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৬ মাসের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাসের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২৮৯ ধারার বিধান: প্রাণী সম্পর্কে অবহেলামূলক আচরণ করা:
কোন ব্যক্তি যদি তার দখলভুক্ত কোন প্রাণী সম্পর্কে এমন কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে জ্ঞাতসারে বা অবহেলামূলকভাবে অন্যথা করে, যে ব্যবস্থা উক্ত প্রাণী হতে মানুষের জীবনের প্রতি সম্ভাব্য বিপদের বিরুদ্ধে অথবা নিশ্চয়তা বিধানের জন্য পর্যাপ্ত, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section-289. Negligent conduct with respect to animal:
Whoever knowingly or negligently omits to take such order with any animal in his possession as is sufficient to guard against any probable danger to human life, or any probable danger of grievous hurt from such animal, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
১,১৫২.
'ক' একটি বাড়িতে পরিকল্পিত হত্যার উদ্দেশ্যে অনধিকার প্রবেশ করে, তার শাস্তি কী হবে?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ১০ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড
  3. শুধুমাত্র অনধিকার প্রবেশের শাস্তি পাবে
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪৪৯: মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ করার উদ্দেশ্যে গৃহে অনধিকার প্রবেশ-
যে কেউ কোনো মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটন করার উদ্দেশ্যে গৃহে অনধিকার প্রবেশ করলে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা দশ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

Section 449: House-trespass in order to commit offence punishable with death-
Whoever commits house-trespass in order to the committing of any offence punishable with death, shall be punished with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term not exceeding ten years, and shall also be liable to fine.
১,১৫৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারার মতে কোনটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকারের একটি উপায়?
  1. আপিল দায়ের
  2. রিসিভার নিয়োগ
  3. ফৌজদারি মামলা দায়ের
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
রিসিভার নিয়োগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিসিভার নিয়োগ
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার: কোন প্রার্থীকে প্রতিকার প্রদান করাই সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের লক্ষ্য। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার হলো এক ধরনের আইনগত প্রতিকার যা বাদী দেওয়ানী আদালতে প্রার্থনা করে এবং আদালত তা মঞ্জুর করেন।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৫ ধারা অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা যায় নিম্নোক্ত উপায়ে:
১) সম্পত্তি প্রত্যর্পণের মাধ্যমে;
২) আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে;
৩) নিষেধমূলক নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে;
৪) ঘোষণামূলক ডিক্রির মাধ্যমে;
৫) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।
- এখানে "রিসিভার নিয়োগ" একটি বৈধ ও স্বীকৃত উপায়, কিন্তু "আপিল দায়ের" এবং "ফৌজদারি মামলা" সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের আওতাভুক্ত নয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫ ধারা মতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় ৫ ভাবে যথা-
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।
---------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section: 5. Specific relief how given:
- Specific relief is given-
(a) by taking possession of certain property and delivering it to a claimant;
(b) by ordering a party to do the very act which he is under an obligation to do;
(c) by preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do;
(d) by determining and declaring the rights of parties otherwise than by an award of compensation; or
(e) by appointing a receiver.

১,১৫৪.
জামিনের ক্ষেত্রে প্রত্যেকটি বণ্ডের অর্থের পরিমাণ কীভাবে নির্ধারণ করতে হবে?
  1. জামিনদারের আর্থিক সক্ষমতা দেখে
  2. অপরাধের ধরন দেখে
  3. মামলার পরিস্থিতি বিবেচনাপূর্বক
  4. আদালতের ইচ্ছা অনুযায়ী
সঠিক উত্তর:
মামলার পরিস্থিতি বিবেচনাপূর্বক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার পরিস্থিতি বিবেচনাপূর্বক
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪৯৮- জামিন মঞ্জুর করার এবং অর্থের পরিমাণ হ্রাস করার ক্ষমতা:
এই অধ্যায়ের অধীন সম্পাদিত প্রত্যেকটি বণ্ডের অর্থের পরিমাণ মামলার পরিস্থিতি বিবেচনাপূর্বক নির্ধারণ করতে হবে এবং তা অত্যধিক হবে না, এবং দণ্ডের পর আপীল থাকুক আর না থাকুক, হাইকোর্ট ডিভিশন বা দায়রা আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করার বা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দাবীকৃত জামিন হ্রাস করার নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।

Section 498: Power to direct admission to bail or reduction of bail-
The amount of every bond executed under this Chapter shall be fixed with due regard to the circumstances of the case, and shall not be excessive; and the High Court Division or Court of Session may, in any case, whether there be an appeal on conviction or not, direct that any person be admitted to bail, or that the bail required by a police-officer or Magistrate be reduced.
১,১৫৫.
নিবন্ধনের জন্য দলিল কে দাখিল করতে পারে?
  1. দলিলের গ্রহীতা
  2. দলিল সম্পাদনকারী
  3. দলিল সম্পাদনকারীর প্রতিনিধি
  4. উল্লিখিত সবাই
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবাই
ব্যাখ্যা
ধারা ৩২- দলিল নিবন্ধনের জন্য দাখিলকারী ব্যক্তি:
ধারা ৮৯ এ উল্লিখিত ক্ষেত্রসমূহ ব্যতীত, এই আইনের অধীন নিবন্ধনের জন্য প্রত্যেক দলিল, উহার নিবন্ধন বাধ্যতামূলক বা ঐচ্ছিক যাহাই হউক, দাখিল করিতে হইবে-
(ক) উক্ত দলিলের অধীন কোন সম্পাদনকারী বা গ্রহীতা, বা কোন ডিক্রি বা আদেশের নকলের ক্ষেত্রে, ডিক্রি বা আদেশের অধীন গ্রহীতা কর্তৃক, অথবা
(খ) উক্ত ব্যক্তিগণের প্রতিনিধি বা মনোনীত ব্যক্তি কর্তৃক, অথবা
(গ) উক্তরূপ ব্যক্তি, প্রতিনিধি বা মনোনীত ব্যক্তি দ্বারা অতঃপর উল্লেখকৃত পদ্ধতিতে সম্পাদিত ও প্রমাণীকৃত পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দ্বারা যথাযথভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত এজেন্ট কর্তৃক।

⇒ নিবন্ধনের উদ্দেশ্যে দলিল দাখিলের জন্য প্রাধিকারপ্রাপ্ত ব্যক্তিগণ হইলেন-
(১) কোন সম্পাদনকারী, বা
(২) তাহার প্রতিনিধি বা মনোনীত ব্যক্তি, বা
(৩) উক্ত (১) বা (২) দফার মধ্যে যে কোন একজনের এজেন্ট, বা
(৪) দলিলের কোন একজন গ্রহীতা, বা
(৫) তাহার প্রতিনিধি বা মনোনীত ব্যক্তি, বা
(৬) উক্ত (৪) বা (৫) দফার মধ্যে যে কোন একজনের এজেন্ট।
১,১৫৬.
স্বল্প এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত প্রদত্ত রায় পুনঃনিরীক্ষণের [Review] জন্য দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১৬১ এর বিধান: [Court of Small Causes] স্বল্প এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতের রায় অথবা স্বল্প এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত হিসাবে বিচার ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন আদালত কর্তৃক অনুরূপ এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত রায় পুনঃনিরীক্ষণের [Review] জন্য দরখাস্ত দাখিলের তামাদি মেয়াদ ১৫ দিন।

সময় গণনা শুরু- ডিক্রি বা আদেশের প্রদানের তারিখ হতে। 
১,১৫৭.
দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুযায়ী বাংলাদেশে সমকামীতা অপরাধ?
  1. দণ্ডবিধির ৩৭৫ ধারা
  2. দণ্ডবিধির ৩৭৬ ধারা
  3. দণ্ডবিধির ৩৭৭ ধারা
  4. দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারা
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৩৭৭ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৩৭৭ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৭ ধারায় অস্বাভাবিক অপরাধ বা Unnatural offence এর শাস্তি রয়েছে। দণ্ডবিধির ৩৭৭ ধারামতে কোন পুরুষ, নারী বা জন্তুর সাথে প্রাকৃতিক নিয়মের বিরুদ্ধে যৌন সহবাসের শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বৎসর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৭ ধারার অধীন সমকামিতা, পায়ুপথে যৌন সংগম এবং জন্তুর সাথে যৌন সংগম অস্বাভাবিক অপরাধ (Unnatural offence) বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৭ ধারার বিধান অস্বাভাবিক অপরাধসমূহ:- কোন ব্যক্তি যদি প্রকৃতির নিয়মের বিরুদ্ধে কোন পুরুষ, স্ত্রীলোক বা পশুর সাথে যৌন সঙ্গম করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা দেশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

⇒ ব্যাখ্যা:- এই ধারায় বর্ণিত অপরাধের জন্য আবশ্যকীয় যৌন সঙ্গমের জন্য যৌনাঙ্গ প্রবিষ্ট করাই যথেষ্ট হবে।
----------------
⇒ Unnatural offences:
Section 377. Whoever voluntarily has carnal intercourse against the order of nature with any man, woman or animal, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

Explanation. Penetration is sufficient to constitute the carnal intercourse necessary to the offence described in this section.
১,১৫৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারা অনুসারে একটি দলিল সংশোধিত হতে পারে শুধুমাত্র-
  1. পক্ষগণ দ্বারা 
  2. সম্পাদনকারীগণ দ্বারা
  3. সত্যায়নকারী সাক্ষী দ্বারা 
  4. আদালত দ্বারা
সঠিক উত্তর:
আদালত দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত দ্বারা
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারা-
যখন দলিল সংশোধন করা যেতে পারে যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষগণের পারস্পরিক ভুলের জন্য কোন লিখিত চুক্তি বা অন্য কোন লিখিত দলিল প্রকৃত অর্থে তাদের উদ্দেশ্য প্রকাশ করে না, তখন যেকোন পক্ষ অথবা তাদের স্বার্থ- সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিলটি সংশোধিত করে নেওয়ার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে;
এবং আদালত যদি এটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের সময় প্রতারণা অথবা ভুল করা হয়েছে এবং তা কার্যকর করবার ক্ষেত্রে পক্ষগণের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে সক্ষম হয়, তাহলে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে যতদূর পর্যন্ত তৃতীয় ব্যক্তি কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করেই করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন - যাতে দলিলের এই উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয়।
---------------
Section 31- When instrument may be rectified:
When, through fraud or a mutual mistake of the parties, a contract or other instrument in writing does not truly express their intention, either party, or his representative in interest, may institute a suit to have the instrument rectified; and if the Court find it clearly proved that there has been fraud or mistake in framing the instrument, and ascertain the real intention of the parties in executing the same, the Court may in its discretion rectify the instrument so as to express that intention, so far as this can be done without prejudice to rights acquired by third persons in good faith and for value.

১,১৫৯.
এক ব্যক্তি তার স্ত্রীকে আঘাত করার উদ্দেশ্যে আঘাত করতে গিয়ে কোলের নবজাতক শিশুর গায়ে আঘাত লাগে এবং শিশুটি মারা যায়। এক্ষেত্রে The Penal Code, 1860 এর ৩০০ ধারার কোন ব্যতিক্রমটি প্রযোজ্য হবে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
ব্যতিক্রম ১:- যেক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন পরিগণিত হবে নাঃ- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি মারাত্মক ও আকস্মিক প্ররোচনার ফলে অপরাধী আত্ম-সংযমশক্তি হারাইয়া ফেলে এবং যে ব্যক্তি প্ররোচনা দান করেছে, সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় অথবা ভুলক্রমে বা দুর্ঘটনাক্রমে অপর কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়।
উপরোক্ত ব্যতিক্রমটি নিম্নোক্ত শর্তাবলী সাপেক্ষে:-
প্রথমত, প্ররোচনাটি কোন ব্যক্তিকে হত্যা করার বা তার ক্ষতি সাধনের অজুহাতস্বরূপ অপরাধী কর্তৃক স্বয়ং প্রার্থীত বা প্ররোচিত হতে পারবে না।
দ্বিতীয়ত, উক্ত প্ররোচনাটি আইনানুসারে কৃত কোন কার্য দ্বারা বা কোন সরকারী কর্মচারীর সরকারী কর্মচারী হিসেবে যথাযোগ্য ক্ষমতাবলীর আইনসম্মত প্রয়োগসঞ্জাত হতে পারবে না।
তৃতীয়ত, প্ররোচনা আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারের আইনসম্মত প্রয়োগক্রমে সম্পাদিত কোন কার্য পালন হতে পারবে না।

ব্যাখ্যা:- প্ররোচনাটি এমন মারাত্মক ও আকস্মিক ছিল কিনা, যার ফলে অপরাধটি খুনের শামিল হবে না, তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন।
-----------------
Section 300 Exception-1: When culpable homicide is not murder:
-Culpable homicide is not murder if the offender, whilst deprived of the power of self-control by grave and sudden provocation, causes the death of the person who gave the provocation or cause the death of any other person by mistake or accident. 
 
The above exception is subject to the following provisos:
Firstly.-That the provocation is not sought or voluntarily provoked by the offender as an excuse for killing or doing harm to any person. 
Secondly.-That the provocation is not given by anything done in obedience to the law, or by a public servant in the lawful exercise of the powers of such public servant.
Thirdly.-That the provocation is not given by anything done in the lawful exercise of the right of private defence.

Explanation.- Whether the provocation was grave and sudden enough to prevent the offence from amounting to murder is a question of fact.
১,১৬০.
The Criminal Law Amendment Act, 1958 অনুযায়ী স্পেশাল জজের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল কোথায় দায়ের করা যাবে?
  1. দায়রা আদালতে
  2. হাইকোর্ট বিভাগে
  3. দুর্নীতি দমন কমিশনে
  4. চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী আইন সংশোধন আইন, ১৯৫৮ এর ধারা-১০ এ আপিল সংক্রান্ত বিধান রয়েছে।
- ধারা-১০(১) অনুসারে: "স্পেশাল জজের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল হাইকোর্ট বিভাগে দায়ের করা যাবে, যদি বিচারক দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ বা সহকারী দায়রা জজ হন।"
অর্থাৎ, স্পেশাল জজ যদি দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ বা সহকারী দায়রা জজ পদমর্যাদার হন, তাহলে তাঁর রায়ের বিরুদ্ধে আপিল সরাসরি হাইকোর্ট বিভাগে দায়ের করতে হবে।

⇒ ফৌজদারী আইন সংশোধন আইন, ১৯৫৮ এর ধারা-১০: আপিল, রিভিশন ও মামলা স্থানান্তর:
আপিল: স্পেশাল জজের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল হাইকোর্ট বিভাগে দায়ের করা যাবে, যদি বিচারক দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ বা সহকারী দায়রা জজ হন।
রিভিশন: আপিল গ্রহণকারী আদালত রিভিশনের ক্ষমতা রাখবে।
খালাসের বিরুদ্ধে আপিল: স্পেশাল জজ যদি কোনো অভিযুক্তকে খালাস দেন, তবে দুর্নীতি দমন কমিশন পাবলিক প্রসিকিউটরকে আপিল দায়েরের নির্দেশ দিতে পারবে।
মামলা স্থানান্তর: হাইকোর্ট বিভাগ এক স্পেশাল জজের আদালত থেকে অন্য স্পেশাল জজের আদালতে মামলা স্থানান্তর করতে পারবে। তবে, ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৫২৬ সত্ত্বেও, স্থানান্তরের আবেদন নাকচ করলে স্পেশাল জজ মামলার শুনানি মূলতবি করতে বাধ্য নন এবং নাকচের কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।
অভিযোগ প্রত্যাহার: কমিশনের লিখিত আদেশ ছাড়া এই আইনের অধীনে কোনো অভিযোগ প্রত্যাহার করা যাবে না।

১,১৬১.
শুধুমাত্র চুরি করার সর্বোচ্চ শাস্তি কি?
  1. ৩ বৎসর কারাদণ্ড
  2. ৭ বৎসর কারাদণ্ড
  3. ৪ বৎসর কারাদণ্ড
  4. ৫ বৎসর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৩ বৎসর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বৎসর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারার বিধান চুরি করার সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি চুরি করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
----------
⇒ Section 379 Punishment for theft: Whoever commits theft shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
১,১৬২.
শিশু-আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে কী ধরণের আবেদন করা যায়?
  1. শুধু রিট
  2. শুধু আপিল
  3. শুধু রিভিশন
  4. আপিল ও রিভিশন উভয়
সঠিক উত্তর:
আপিল ও রিভিশন উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল ও রিভিশন উভয়
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৪১: "আপিল ও পুনর্বিবেচনা":
(১) ফৌজদারী কার্যবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন শিশু-আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে উক্ত আদেশ বা রায়] প্রদানের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করা যাইবে। 

(২) শিশু-আদালতের কোনো আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে পুনর্বিবেচনা (Revision) করা যাইবে।

(৩) এই ধারার অধীন আপিল বা, ক্ষেত্রমত, পুনর্বিবেচনার আবেদন দাখিল করা হইলে উক্ত আবেদনটি দায়েরের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে উহা নিষ্পত্তি করিতে হইবে।
১,১৬৩.
দণ্ডবিধির ৪৬৬ ধারা অনুসারে কোনো আদালতের রেকর্ড বা জনসাধারণের নিবন্ধন জাল করলে সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. ২ বছর কারাদণ্ড
  2. ৭ বছর কারাদণ্ড
  3. ১০ বছর কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৬৬ ধারা অনুসারে, যদি কেউ কোনো নথি জাল করে যেটি আদালতের রেকর্ড, জন্ম, মৃত্যু, বিবাহ বা দাফনের সরকারি নিবন্ধন, সরকারি কর্মচারীর অফিসিয়াল দলিল বা সার্টিফিকেট, পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বা মামলা পরিচালনার অনুমতিপত্র তবে তা গুরুতর জালিয়াতি (forgery) হিসেবে গণ্য হয়।
- শাস্তি: এ অপরাধে সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড (যে কোনো ধরনে) এবং জরিমানা হতে পারে।
 - অতএব, সঠিক উত্তর: খ) ৭ বছর কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৬৬ ধারা আদালতের নথিপত্র বা সরকারী রেজিস্টার ইত্যাদি জালকরণ:
- কোন ব্যক্তি যদি এমন একটি দলিল জাল করে যা কোন বিচারালয়ের নথি অথবা প্রসিডিং কিংবা কোন বিচারালয়ে উত্থাপিত নথি বা প্রসিডিং বলে অথবা কোন জন্ম, খ্রিস্টানদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান, বিবাহ কিংবা সমাধিকরণের রেজিস্টার বলে অথবা কোন সরকারী কর্মচারী কর্তক সরকারী কর্মচারী হিসেবে রক্ষিত রেজিস্টার বলে অথবা কোন সরকারী কর্মচারী দ্বারা তার সরকারী পদ মর্যাদা বলে কৃত সার্টিফিকেট বা দলিল বলে, অথবা কোন মামলা দায়ের করার বা উহাতে পক্ষ সমর্থনের কিংবা উহাতে কোন কার্যক্রম গ্রহণের রায় মানার কিংবা পাওয়ার অব এটনী বলে প্রতিভাত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কিংবা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860, Section- 466. Forgery of record of Court or of public register, etc:
Whoever forges a document, purporting to be a record or proceeding of or in a Court of Justice, or a register of birth, baptism, marriage or burial, or a register kept by a public servant as such, or a certificate or document purporting to be made by a public servant in his official capacity, or an authority to institute or defend a suit, or to take any proceedings therein, or to confess judgment, or a power of attorney, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
১,১৬৪.
'A', 'B' এর সাথে নির্দিষ্ট জমি ৫,০০০ টাকায় বিক্রি করার চুক্তি করেন। পরে 'A' সেই জমি 'C' এর কাছে ৬,০০০ টাকায় বিক্রি করেন, যে কিনা মূল চুক্তির ব্যাপারে অবগত ছিল। এক্ষেত্রে-
  1. 'B' এর সাথে সম্পাদিত চুক্তি বাতিল হবে
  2. 'B' চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন দাবি করতে পারে না
  3. 'B', 'C' এর বিরুদ্ধে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন দাবি করতে পারে
  4. 'C', 'B' এর বিরুদ্ধে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন দাবি করতে পারে
সঠিক উত্তর:
'B', 'C' এর বিরুদ্ধে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন দাবি করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'B', 'C' এর বিরুদ্ধে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন দাবি করতে পারে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৭ ধারা- পক্ষগণ ও তাদের নিকট প্রাপ্ত পরবর্তী স্বত্বাধীনে দাবিদার ব্যক্তি এবং পক্ষসমূহের বিরুদ্ধে প্রতিকার:

যদি এই অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধিবদ্ধ না থাকে, চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন কার্যকরী করা যেতে পারে-
(ক) যেকোন পক্ষের বিরুদ্ধে;

(খ) চুক্তির পরবর্তী সময়ে উদ্ভূত স্বত্ব দ্বারা তার অধীনে দাবিরত যেকোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে, যদি না সে মূল্যের বিনিময়ে এমন একজন হস্তান্তরগ্রহীতা হয়, যে সরল বিশ্বাসে মূল চুক্তি সম্পর্কে অনবহিত থেকে তার অর্থ প্রদান করেছে; উদহারন-
'A', 'B' এর সাথে নির্দিষ্ট জমি ৫,০০০ টাকায় বিক্রি করার চুক্তি করেন। পরে 'A' সেই জমি 'C' এর কাছে ৬,০০০ টাকায় বিক্রি করেন, যে কিনা মূল চুক্তির ব্যাপারে অবগত ছিল। B সেই চুক্তির নির্দিষ্ট বাস্তবায়ন C এর বিরুদ্ধে দাবি করতে পারেন।

(গ) এমন স্বত্বের অধীন দাবিদার ব্যক্তির বিরুদ্ধে, যা যদিও চুক্তির পূর্ববর্তী ছিল এবং বাদীর জানা ছিল, তবুও তা প্রতিবাদী স্থানচ্যুত করে থাকবে;

(ঘ) যখন পাবলিক কোম্পানি চুক্তিবদ্ধ হয় এবং তার পর পরই তা অন্য পাবলিক কোম্পানির সথে একত্রিত হয়, তখন একত্রিত হওয়ার ফলে উদ্ভূত নূতন কোম্পানির বিরুদ্ধে;

(ঙ) যখন পাবলিক কোম্পানির উদ্যোক্তা ব্যক্তিরা, কোম্পানি গঠিত হওয়ার পূর্বেই চুক্তি করে, তখন কোম্পানির বিরুদ্ধে; যদি কোম্পানি চুক্তি অনুমোদন ও গ্রহণ করিয়া থাকে এবং কোম্পানি গঠনের শর্ত দ্বারা চুক্তি সমর্থিত হয়ে থাকে।

Section 27: Relief against parties and persons claiming under them by subsequent title- 
Except as otherwise provided by this Chapter, specific performance of a contract may be enforced against- 
(a) either party thereto; 

(b) any other person claiming under him by a title arising subsequently to the contract, except a transferee for value who has paid his money in good faith and without notice of the original contract;

(c) any person claiming under a title which, though prior to the contract and known to the plaintiff, might have been displaced by the defendant; 

(d) when a public company has entered into a contract and subsequently becomes amalgamated with another public company, the new company which arises out of the amalgamation; 

(e) when the promoters of a public company have, before its incorporation, entered into a contract, the company: provided that the company has ratified and adopted the contract and the contract is warranted by the terms of the incorporation.
১,১৬৫.
এয়ারলাইন্সের কম্পিউটার সিস্টেমে সংরক্ষিত ফ্লাইট ডেটা থাকে, যা নিয়মিত এবং নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে সংরক্ষিত হয়। এই ডেটা কোন ধরনের প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হবে?
  1. গ্রহণযোগ্য প্রমাণ
  2. অগ্রহণযোগ্য প্রমাণ
  3. অসমর্থনযোগ্য প্রমাণ
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ্রহণযোগ্য প্রমাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রহণযোগ্য প্রমাণ
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৬৫খ ধারা হল "ডিজিটাল রেকর্ডের গ্রহণযোগ্যতা" দেয়া হয়েছে। এই ধারার বিভিন্ন দিক নিম্নরূপ:

১. এই ধারা অনুযায়ী, একটি কম্পিউটার উৎপন্ন রেকর্ড বা ডিজিটাল রেকর্ড আদালতে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য।
২. তবে এর জন্য রেকর্ডটি যে পদ্ধতিতে তৈরি, সংরক্ষিত ও পরিচালিত হয়েছে তা আইনগত চাহিদা পূরণ করতে হবে।
৩. রেকর্ডের যথার্থতা ও অখণ্ডতা প্রমাণিত হওয়া আবশ্যক। প্রযুক্তি বা পদ্ধতিগত ত্রুটি থাকলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না।
৪. রেকর্ডটি যে ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সংরক্ষিত বা পরিচালিত হয়েছে তাদের কর্মক্ষমতা ও যোগ্যতা প্রমাণিত হওয়া দরকার।
৫. রেকর্ডের প্রকৃতি, উৎস ও উপস্থাপনার পদ্ধতি যুক্তিসংগত হওয়া আবশ্যক।

এক্ষেত্রে ডিজিটাল রেকর্ডটির অখণ্ডতা ও যথার্থতা নিশ্চিত করতে হবে। যেকোনো ডিজিটাল রেকর্ড যদি আইনগত নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে সংরক্ষিত ও পরিচালিত হয়, তাহলে তা আদালতে প্রমাণ হিসাবে গ্রহণযোগ্য হবে।
১,১৬৬.
ডিক্রি জারিতে ডিক্রিদারকে স্থাবর সম্পত্তি দখল লাভ করতে দেনাদার বাধা দিলে, আদালত দেওয়ানি কার্যবিধির ৭৪ ধারার অধীন কী আদেশ দিতে পারে?
  1. সম্পত্তি বিক্রি করে দেওয়া
  2. সম্পত্তি পুনরায় নিলাম করা
  3. নতুন ডিক্রি জারি করা
  4. দেনাদারকে ৩০ দিন অবধি দেওয়ানি জেলে আটক রাখা
সঠিক উত্তর:
দেনাদারকে ৩০ দিন অবধি দেওয়ানি জেলে আটক রাখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেনাদারকে ৩০ দিন অবধি দেওয়ানি জেলে আটক রাখা
ব্যাখ্যা
ধারা ৭৪: ডিক্রি জারি কার্যে বাধা প্রদান:
যখন স্থাবর সম্পত্তি দখলের জন্য ডিক্রিদার বা ডিক্রি জারিতে বিক্রিত স্থাবর সম্পত্তির ক্রয়কারী, দেনাদার বা তার পক্ষে কোন ব্যক্তির মাধ্যমে সম্পত্তির দখল লাভ করতে বাধা বা প্রতিবন্ধকতা প্রাপ্ত হয়েছে বলে এবং অনুরূপ বাধা বা প্রতিবন্ধকতা ন্যায়সঙ্গত কারণ ব্যতীত সৃষ্টি হয়েছিল বলে আদালত সন্তুষ্ট হয় তখন ডিক্রিদার বা ক্রেতার আবেদনক্রমে আদালত দেনাদার বা অন্য ব্যক্তিকে ৩০ দিন অবধি দেওয়ানি জেলে আটক রাখার আদেশ দান দিতে পারে এবং আরো নির্দেশ দান করতে পারে যে, ডিক্রিদার বা ক্রয়কারীকে সম্পত্তির দখল প্রদান করা হোক।

Sec.-74: Resistance to execution:
Where the Court is satisfied that the holder of a decree for the possession of immovable property or that the purchaser of immovable property sold in execution of a decree has been registered or obstructed in obtaining possession of the property by the judgment-debtor or some person on his behalf and that such resistance or obstruction was without any just cause, the Court may, at the instance of the decree-holder or purchaser, order the judgment-debtor or such other person to be detained in the civil prison for a term which may extend to thirty days and may further direct that the decree-holder or purchaser be put into possession of the property.
১,১৬৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৭ ধারা অনুযায়ী, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমলযোগ্য অপরাধ সন্দেহ করলে প্রথমে কাকে জানাতে হবে?
  1. সংবাদ জ্ঞাপনকারীকে
  2. উচ্চ পুলিশ কর্মকর্তাকে
  3. ক্ষমতাসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটকে
  4. কাউকে জানাতে হবে না
সঠিক উত্তর:
ক্ষমতাসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষমতাসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটকে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৫৭(১) অনুসারে: "যদি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তথ্য পেয়ে বা অন্যথায় এমন অপরাধের সংঘটনের যুক্তিসংগত সন্দেহ করেন যার তদন্ত করার ক্ষমতা তাঁর ধারা ১৫৬ অনুসারে রয়েছে, তবে তিনি সঙ্গে সঙ্গে এই বিষয়ে রিপোর্ট পাঠাবেন এমন একজন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে যিনি পুলিশ রিপোর্টের ভিত্তিতে মামলার সমন্বয় করতে ক্ষমতাসম্পন্ন।"
অর্থাৎ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটন সম্পর্কে যুক্তিসংগতভাবে সন্দেহ পোষণ করলে, সঙ্গে সঙ্গে একজন ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাবেন।
----------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-157: Procedure where cognizable offence suspected:
(1) If, from information received or otherwise, an officer in charge of a police station has reason to suspect the commission of an offence which he is empowered under section 156 to investigate, he shall forthwith send a report of the same to a Magistrate empowered to take cognizance of such offence upon a police report and shall proceed in person, or shall depute one of his subordinate officers not being below such rank as the Government may, by general or special order, prescribe in this behalf to proceed, to the spot, to investigate the facts and circumstances of the case, and, if necessary, to take measures for the discovery and arrest of the offender:
Where local investigation dispensed with
Provided as follows:-
(a) when any information as to the commission of any such offence is given against any person by name and the case is not of a serious nature, the officer in charge of a police station need not proceed in person or depute a subordinate officer to make an investigation on the spot;
Where police officer in charge sees no sufficient ground for investigation
(b) if it appears to the officer in charge of a police station that there is no sufficient ground for entering on an investigation, he shall not investigate the case.
(2) In each of the cases mentioned in clauses (a) and (b) of the proviso to sub-section (1), the officer in charge of the police station shall state in his said report his reasons for not fully complying with the requirements of that sub-section, and, in the case mentioned in clause (b), such officer shall also forthwith notify to the informant, if any, in such manner as may be prescribed by the Government, the fact that he will not investigate the case or cause it to be investigated.

১,১৬৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪ক ধারামতে - Assistant Sessions Judge shall be construed as a reference to a ___________.
  1. Sessions Judge
  2. Joint Sessions Judge
  3.  District Sessions Judge
  4. Additional District Sessions Judge
সঠিক উত্তর:
Joint Sessions Judge
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Joint Sessions Judge
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪ক ধারামতে - In this Code, unless the context otherwise requires, any reference-
(d) to an Assistant Sessions Judge, shall be construed as a reference to a joint Sessions Judge;

[এই বিধিতে, প্রসঙ্গের অন্যথা না হলে, সহকারী দায়রা জজ-এর যে কোনো উল্লেখকে যুগ্ম দায়রা জজ-এর উল্লেখ হিসেবে গণ্য করা হবে।
১,১৬৯.
দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হওয়ার জন্য একজন ব্যক্তির নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে ন্যূনতম কত বছরের অভিজ্ঞতা থাকা প্রয়োজন?
  1. ১৫ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ২৫ বছর
  4. ৩০ বছর
সঠিক উত্তর:
২০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ বছর
ব্যাখ্যা
• দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪: ধারা ৮- কমিশনারগণের যোগ্যতা, অযোগ্যতা, ইত্যাদি
(১) আইনে, শিক্ষায়, প্রশাসনে, বিচারে বা শৃঙ্খলা বাহিনীতে অন্যূন ২০ (বিশ) বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি কমিশনার হইবার যোগ্য হইবেন।
 
(২) কোন ব্যক্তি কমিশনার হিসাবে নিযুক্ত হইবার বা থাকিবার যোগ্য হইবেন না, যদি তিনি- 
(ক) বাংলাদেশের নাগরিক না হন; 
(খ) কোন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ঋণ খেলাপী হিসাবে ঘোষিত বা চিহ্নিত হন; 
(গ) আদালত কর্তৃক দেউলিয়া ঘোষিত হইবার পর দেউলিয়াত্বের দায় হইতে অব্যাহতি লাভ না করেন; 
(ঘ) নৈতিক স্খলন বা দুর্নীতিজনিত কোন অপরাধের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হইয়া আদালত কর্তৃক কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইয়াছেন; 
(ঙ) সরকারী চাকুরীতে নিয়োজিত থাকেন; 
(চ) দৈহিক বা মানসিক বৈকল্যের কারণে কমিশনের দায়িত্ব পালনে অক্ষম হন; এবং 
(ছ) বিভাগীয় মামলায় গুরুদণ্ড প্রাপ্ত হন।
১,১৭০.
আইনানুগভাবে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার আদেশে সৈনিক ভিড়ের উপর গুলি করলে এটি অপরাধ নয়। এটি দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুযায়ী দায়মুক্ত?
  1. ধারা ৭৬
  2. ধারা ৭৭
  3. ধারা ৮০
  4. ধারা ৮৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ৭৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৭৬
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৭৬ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি আইন দ্বারা বাধ্য থাকে, অথবা ঘটনার ভ্রান্তি (mistake of fact)-এর কারণে সদিচ্ছায় নিজেকে আইন দ্বারা বাধ্য মনে করে কোনো কাজ সম্পাদন করে, তবে সেটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না।
- এই পরিস্থিতিতে, সৈনিক তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার আইনানুগ আদেশ মেনে কাজ করেছে, যা ধারা ৭৬-এর আওতাভুক্ত। তাই এটি একটি দায়মুক্তি (exception) এবং সৈনিক কোনো অপরাধের জন্য দায়ী হবে না।

⇒  দণ্ডবিধির ৭৬ ধারার বিধান- আইনবলে বাধ্য বা ভুল ধারণাবশতঃ নিজেকে আইনবলে বাধ্য বলে বিশ্বাসকারী ব্যক্তিবিশেষ কর্তৃক সম্পাদিত কার্য:
যে ব্যক্তি কোন কাজ করতে আইনত: বাধ্য বলে কোন কাজ সম্পাদন করলে, অথবা আইনের কাজটি ভুল না করে ঘটনা সম্পর্কে ভুলবশত: কাজটি করতে আইনত: বাধ্য বলে সরল মনে বিশ্বাস করে সে ব্যক্তি কোন কাজ সম্পাদন করলে তা অপরাধ হবে না।
উদাহরণসমূহ:
(ক) ক একজন সৈনিক। সে তার উর্ধ্বতন অফিসারের নির্দেশক্রমে আইনের বিধানমতে কোন জনতার উপর গুলিবর্ষণ করে। ক-এর গুলিবর্ষণ কাজ অপরাধ হবে না।
(খ) বিচারালয়ের জনৈক কর্মকর্তা 'ক' উক্ত বিচারালয় কর্তৃক ম-কে গ্রেফতার করার জন্য আদিষ্ট হয়ে এবং যথাযথ তদন্তের পর 'খ'-কে 'ম' মনে করে 'খ'-কে গ্রেফতার করেন। 'ক' কোন অপরাধ সংঘটন করেন নাই।
---------
⇒The Penal Code, 1860-Section 76: Act done by a person bound, or by mistake of fact believing himself bound, by law:
Nothing is an offence which is done by a person who is, or who by reason of a mistake of fact and not by reason of a mistake of law in good faith believes himself to be, bound by law to do it.
Illustrations:
(a) A, a soldier, fires on a mob by the order of his superior officer, in conformity with the commands of the law. A has committed no offence.
(b) A, an officer of a Court of Justice, being ordered by that Court to arrest Y, and, after due enquiry, believing Z to be Y, arrests Z. A has committed no offence.

১,১৭১.
দণ্ডবিধির কত ধারায় খুনের শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. ৩০০
  2. ৩০২
  3. ২৯৯
  4. ৫৩
সঠিক উত্তর:
৩০২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০২
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০২ ধারার বিধান খুনের সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি খুনের অপরাধ করে তবে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
-----------------
⇒ Section 302. Punishment for murder:-Whoever commits murder shall be punished with death, or imprisonment for life, and shall also be liable to fine. 
১,১৭২.
ইভ-টিজিং করার সর্বোচ্চ শাস্তি-
  1. ১ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  2. ১ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  3. ১ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. ৬ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধি ৫০৯ ধারা অনুযায়ী কোন নারীর শ্লীলতাহানী বা অমর্যাদা করার উদ্দেশ্যে কোন কথা, অঙ্গভঙ্গি, বস্তু প্রদর্শন বা কোন কাজ করার শাস্তি হলো অনধিক ১ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড। ইভ-টিজিং করার শাস্তি ৫০৯ ধারায় প্রদান করা হয়।

♦ অর্থাৎ ইভ-টিজিং করার সর্বোচ্চ শাস্তি ১ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড।
১,১৭৩.
নির্বাসনের আদেশে কী নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা যাবে না?
  1. প্রেরণের স্থান
  2. কারাদণ্ডের মেয়াদ
  3. অপরাধের ধরন
  4. মামলার নম্বর
সঠিক উত্তর:
প্রেরণের স্থান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রেরণের স্থান
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩৬৮: মৃত্যুদণ্ড ও নির্বাসন সংক্রান্ত বিধান:
(১) মৃত্যুদণ্ডের আদেশ: যখন কোনো ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়, তখন সেই দণ্ডাদেশে অবশ্যই উল্লেখ থাকতে হবে যে তাকে “গলায় ফাঁসি দিয়ে মৃত্যুবরণ করা পর্যন্ত ঝুলিয়ে রাখা হবে”।

(২) নির্বাসন (Transportation) এর আদেশ: নির্বাসনের আদেশে যে স্থানে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে প্রেরণ করা হবে, তা নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা যাবে না

⇒ The Code of Criminal Procedure- Section- 368. Sentence of death:
(1) When any person is sentenced to death, the sentence shall direct that he be hanged by the neck till he is dead.

- Sentence of transportation:
(2) No sentence of transportation shall specify the place to which the person sentenced is to be transported.
১,১৭৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের ২য় কলামে কোন বিষয় উল্লেখ আছে?
  1. অপরাধের নাম
  2. অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য কিনা
  3. দণ্ডবিধির ধারাসমূহ
  4. দণ্ডবিধির অধীন উল্লেখিত শাস্তি
সঠিক উত্তর:
অপরাধের নাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধের নাম
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে মোট ৮টি কলাম রয়েছে, যা নিম্নরূপ-

• দ্বিতীয় তফসিল- (Second Schedule):
১ম কলাম- পেনাল কোডের অধীন ধারাসমূহ;
২য় কলাম- অপরাধের নাম;
৩য় কলাম- পরোয়ানা ছাড়া পুলিশ গ্রেফতার করতে পারে কি পারে না অর্থাৎ আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ;
৪র্থ কলাম- প্রথমেই সমন বা ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হবে কিনা;
৫ম কলাম- অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য;
৬ষ্ঠ কলাম- অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কিনা;
৭ম কলাম- দণ্ডবিধির অধীন উল্লেখিত শাস্তি;
৮ম কলাম- যে আদালত কর্তৃক অপরাধটি বিচারযোগ্য।
১,১৭৫.
অপর্যাপ্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায় ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায়?
  1. ধারা ৪০৭
  2. ধারা ৪০৯ক
  3. ধারা ৪১৭
  4. ধারা ৪১৭ক
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪১৭ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪১৭ক
ব্যাখ্যা
ধারা ৪১৭ক (অপর্যাপ্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল)-
(১) কোন আদালতের বিচারে প্রদত্ত দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততার কারণে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল দায়েরের জন্য সরকার পাবলিক প্রসিকিউটরকে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।

(২) আদালতে বিচারে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার ক্ষেত্রে একজন ফরিয়াদী দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততাহেতু আপিল আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবেনঃ
শর্ত থাকে যে, দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৬০ (ষাট) দিন পার হবার পর এই উপ-ধারার অধীন আপিল আদালত কর্তৃক কোন আপিল গৃহীত হবে না।

(৩) দণ্ডের অপর্যাপ্ততা হেতু কোন আপিল রুজু করা হলে আপিল আদালত দণ্ড বাড়ানোর বিরুদ্ধে কারণ দর্শাবার জন্য আসামীকে যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে দণ্ড বাড়াবেন না এবং কারণ দর্শাবার সময় আসামী তার খালাস প্রাপ্তি বা দণ্ড কমানোর জন্য আবেদন করতে পারবেন।

Section 417A: Appeal against inadequacy of sentence
(1) The Government may, in any case of conviction on a trial held by any court, direct the Public Prosecutor to present an appeal to the High Court Division against the sentence on the ground of its inadequacy.

(2) A complainant may, in any case of conviction on a trial held by any Court, present an appeal to the Appellate Court against the sentence on the ground of its inadequacy:
Provided that no appeal under this sub-section shall be entertained by the Appellate Court after the expiry of sixty days from the date of conviction.

(3) When an appeal has been filed against the sentence on the ground of its inadequacy, the Appellate Court shall not enhance the sentence except after giving to the accused a reasonable opportunity of showing cause against such enhancement and while showing cause, the accused may plead for his acquittal or for the reduction of the sentence.
১,১৭৬.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন,২০১৮ এর অধীন কোনো অফিসার কর্তৃক বেআইনি তল্লাশির দণ্ড কী?
  1. অনূর্ধ্ব ১ বৎসর কারাদণ্ড
  2. অনূর্ধ্ব ৩ বৎসর কারাদণ্ড
  3. অনূর্ধ্ব ৬ মাস কারাদণ্ড
  4. অনূর্ধ্ব ৫ বৎসর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
অনূর্ধ্ব ১ বৎসর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনূর্ধ্ব ১ বৎসর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৯- বেআইনি অথবা হয়রানিমূলক তল্লাশি, ইত্যাদির দণ্ড

যদি তল্লাশি, আটক অথবা গ্রেফতার করিবার ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো অফিসার- 
(ক) সন্দেহ করিবার যুক্তিসংগত কোনো কারণ ব্যতিরেকে তল্লাশির নামে কোনো স্থানে প্রবেশ করেন ও তল্লাশি চালান, 
(খ) হয়রানিমূলকভাবে বাজেয়াপ্তযোগ্য কোনো বস্তু তল্লাশি করিবার নামে কোনো ব্যক্তির কোনো সম্পদ আটক করেন, এবং 
(গ) কোনো ব্যক্তিকে হয়রানিমূলক তল্লাশি করেন অথবা গ্রেফতার করেন, তাহা হইলে তিনি অনূর্ধ্ব ১ (এক) বৎসর কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।
১,১৭৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় দেওয়ানি আদালতের অধীনতা সংক্রান্ত বিধান রয়েছে?
  1. ৫ ধারায়
  2. ৩ ধারায়
  3. ৯ ধারায়
  4. ৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানি কার্যবিধির ৩ ধারায় দেওয়ানি আদালতের অধীনতার বিধান রয়েছে।
১) জেলা আদালত হাইকোর্ট ডিভিশন এর অধীন হবে; এবং
২) জেলা আদালতের নিম্ন পর্যায়ভুক্ত প্রত্যেক দেওয়ানী আদালত ও ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত (Court of Small Causes) হাইকোর্ট ডিভিশন ও জেলা আদালতের অধীন হবে।
১,১৭৮.
Complaint বলতে বুঝায়-
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়েরকৃত অভিযোগ
  2. জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়েরকৃত অভিযোগ
  3. দায়রা জজের নিকট দায়েরকৃত অভিযোগ
  4. পুলিশ অফিসারের নিকট দায়েরকৃত অভিযোগ
সঠিক উত্তর:
জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়েরকৃত অভিযোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়েরকৃত অভিযোগ
ব্যাখ্যা
♦ পুলিশ অফিসারের রিপোর্ট নালিশ বলে গণ্য হবে না। কারণ পুলিশ অফিসারের নিকট দায়েরকৃত অভিযোগ কে এফআইআর (FIR) বলে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের এবং দায়রা জজের নিকট Complaint (অভিযোগ ) দায়ের করা যায় না।
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা-৪(১) এর জ এবং ৪ক এক সাথে পড়লে বলা যায় Complaint কে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়েরকৃত কোন অভিযোগ বলে গণ্য করতে হবে।

♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা-৪(১জ) এর বিধান নালিশ (Complaint)- “নালিশ” বলতে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিক অথবা লিখিতভাবে এই মর্মে অভিযোগ করা যে, জ্ঞাত অথবা অজ্ঞাত কোন ব্যক্তি একটি অপরাধ করেছে।

♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪ক এর বিধান নির্দেশাবলীর অর্থঃ এই কোড অনুসারে, প্রসঙ্গ অন্য কোন নির্দেশ না করলে, কাউকে উল্লেখ করলে তার অর্থ দাঁড়াবে নিম্নরূপঃ
(ক) কোন বিশিষ্টার্থক শব্দ ছাড়া কেবল ম্যাজিস্ট্রেট বলে বর্ণিত থাকলে তা দ্বারা একজন বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট-কে উল্লেখ করা হয়েছে মর্মে বুঝতে হবে।

-----------------------------------------------------------------------------------------

4A. Constuction of reference: (1) In this Code, unless the context otherwise requires, any reference-
(a) without any qualifying word, to a Magistrate, shall be construed as a reference to a Judicial Magistrate.
১,১৭৯.
দণ্ডবিধির কত ধারায় চুরির শাস্তির বিধান আছে?
  1. ৩৭৮
  2. ৩৭৯
  3. ৩৮২
  4. ৩৮৩
সঠিক উত্তর:
৩৭৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৭৯
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারার বিধান চুরি করার সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি চুরি করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
----------
⇒ Section 379 Punishment for theft: Whoever commits theft shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
১,১৮০.
‘ক’ এর নিকট প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র এবং মামলার বিষয় বস্তু ছাড়া কত টাকার বেশি সম্পত্তি না থাকলে ‘ক’ কে নিঃস্ব ব্যক্তি বলে গণ্য হবে?
  1. ৫,০০০ টাকা
  2. ৫০,০০০ টাকা
  3. ১০,০০০ টাকা
  4. ১,০০,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৩ অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মোকদ্দমা  দায়ের করতে প্রয়োজনীয় কোর্ট ফি দিতে অক্ষম বা যে ক্ষেত্রে কোন কোর্ট ফি নির্ধারন থাকে না সেক্ষেত্রে তার প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র এবং মামলার বিষয়বস্তু ছাড়া ৫০০০ টাকার বেশি সম্পত্তি না থাকলে উক্ত ব্যক্তি নিঃস্ব হিসেবে গণ্য হবে।
⇒ নিঃস্ব ব্যক্তি হিসেবে মামলা করার অনুমতির জন্য আবেদন করতে হবে।
⇒ তবে আবেদন প্রত্যাখ্যান হবে যদি আবেদনের ২ মাস পূর্বে প্রতারনামূলক সম্পত্তি হস্তান্তর করে।
১,১৮১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুসারে স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরের শর্ত নয় কোনটি?
  1. চুক্তিটি লিখিত হতে হবে
  2. নিবন্ধন আইন অনসারে নিবন্ধিত হতে হবে
  3. হস্তান্তরগ্রহীতা কর্তৃক সম্পত্তির দখল গ্রহণ
  4. চুক্তির বিনিময় মূল্যের অবশিষ্ট আদালতে জমা প্রদান
সঠিক উত্তর:
হস্তান্তরগ্রহীতা কর্তৃক সম্পত্তির দখল গ্রহণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হস্তান্তরগ্রহীতা কর্তৃক সম্পত্তির দখল গ্রহণ
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ধারা ২১ক। বিক্রয়ের জন্য অনিবন্ধিত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না।- এই আইন বা আপাতত বলবৎ
অন্য কোনো আইনে ভিন্নরূপ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাইবে না যদিনা-
(ক) চুক্তিটি লিখিত এবং নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর অধীন নিবন্ধিত হয়, হস্তান্তরগ্রহীতা সম্পত্তি বা ইহার অংশ বিশেষের দখল গ্রহণ করুক বা না করুক; এবং
(খ) চুক্তির বিনিময় মূল্যের অবশিষ্ট অংশ চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের মামলা দায়ের করিবার সময় আদালতে জমা প্রদান করা হয়।
-------------------------
Unregistered contract, 21A: Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act or any other law for the time being in force, no contract for sale of any immovable property can be specifically enforced unless-
for sale not specifically enforceable.
(a) the contract is in writing and registered under the Registration Act, 1908, whether or not the transferee has taken possession of the property or any part thereof; and
(b) the balance amount of consideration of the contract is deposited in the court at the time of filing the suit for specific performance of the contract.

১,১৮২.
সম্পত্তি বাটোয়ারা সম্পর্কে আদালতকে কমিশনার কর্তৃক রিপোর্ট দিতে হবে কত মাসের মধ্যে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৬ বিধি-১৩ এর বিধান স্থাবর সম্পত্তির বাটোয়ারার জন্য কমিশন (Commissions to make partition of immovable property): যে ক্ষেত্রে বাটোয়ারার জন্য প্রাথমিক ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছে, সেক্ষেত্রে বিষয়টি ৫৪ ধারার আওতাভুক্ত না হলে, আদালত বাটোয়ারা বা পৃথকীকরণের জন্য কমিশন প্রেরণ করতে পারবেন।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৬ বিধি-১৪ এর বিধান কমিশনের কার্যপদ্ধতি (Procedure of Commissioner) ১) কমিশনার প্রয়োজন হতে পারে এরূপ তদন্ত অনুষ্ঠানের পর, যে আদেশের অধীনে কমিশন প্রেরিত হয়েছিল সে আদেশে নির্দেশিত অংশ অনুপাতে সম্পত্তিটি ভাগ করবেন এবং উক্ত অংশগুলো পক্ষগণের মধ্যে বণ্টন করবে এবং যদি উপরোক্ত আদেশ দ্বারা ক্ষমতাবান হয়ে থাকে তবে বিভিন্ন অংশের মূল্য সমান করার জন্য যে টাকা পরিশোধ করতে হবে তা বিনিময় করতে পারে।

২) কমিশনার অতঃপর একটি প্রতিবেদন প্রণয়ন এবং অনুস্বাক্ষর করবে কিংবা কমিশনারগণ (একাধিক ব্যক্তির নিকট কমিশন প্রেরিত হয়ে থাকলে এবং তারা একমত হতে না পারলে) প্রত্যেক পক্ষের অংশ নির্দেশ করে এবং (যদি উক্ত আদেশ দ্বারা নির্দেশিত হয়ে থাকলে) প্রত্যেক অংশের পরিমাণ ও চৌহদ্দি আলাদাপূর্বক পৃথক প্রতিবেদন সমূহ প্রণয়ন এবং অনুস্বাক্ষর করবে। অনুরূপ প্রতিবেদন বা প্রতিবেদনসমূহ কমিশনের সঙ্গে সংযুক্ত করে আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অনুর্ধ্ব তিন মাস সময়ের মধ্যে আদালতে প্রেরীত হবে; এবং উক্ত প্রতিবেদন বা প্রতিবেদন সম্পর্কে কোন পক্ষ কোন আপত্তি উত্থাপন করলে তা শুনানির পরে আদালত তা বহাল, পরিবর্তন বা রদ করতে পারে তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কমিশনারের আবেদনক্রমে এবং পর্যাপ্ত কারণ দর্শানো হলে সময় বৃদ্ধি করতে পারে।

৩) যেক্ষেত্রে আদালত প্রতিবেদন বা প্রতিবেদনসমূহ বহাল বা পরিবর্তন করেন সেক্ষেত্রে বহাল বা পরিবর্তিত প্রতিবেদন মোতাবেক আদালত একটি ডিক্রি দিবে, কিন্তু আদালত যদি কমিশনের প্রতিবেদন বা প্রতিবেদনসমূহ বাতিল করেন তবে আদালত নতুন কমিশন পাঠাবে কিংবা উপযুক্ত অন্য কোন আদেশ প্রদান করবে।
১,১৮৩.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের কোন ধারায় Contingent Interest সম্পর্কিত বিধান আছে?
  1. ১৭ ধারা
  2. ১৯ ধারা
  3. ২১ ধারা
  4. ২৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
২১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ধারা ২১-এ Contingent Interest (ঘটনাসাপেক্ষ স্বার্থ) সম্পর্কিত বিধান রয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, যখন সম্পত্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তির জন্য একটি নির্দিষ্ট অনিশ্চিত ঘটনা ঘটলে বা না ঘটলে স্বার্থ সৃষ্টি হয়, তখন সেই ব্যক্তির স্বার্থ ঘটনাসাপেক্ষ স্বার্থ হিসেবে গণ্য হবে। যদি উক্ত নির্দিষ্ট ঘটনা ঘটলে, অথবা না ঘটলে ঘটনা অসম্ভব হয়ে গেলে, তখন ওই স্বার্থ কায়েমি স্বার্থ (vested interest) হিসেবে বিবেচিত হবে।

এছাড়া, ব্যতিক্রম হিসেবে বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি একটি নির্দিষ্ট বয়স পূর্ণ হওয়ার পর সম্পত্তির ওপর স্বত্ব অর্জন করেন এবং তার বয়স পূর্ণ হওয়ার পূর্বে যদি আয় প্রদান করা হয়, তবে সেটি ঘটনাসাপেক্ষ স্বার্থ হিসেবে গণ্য হবে না।

এভাবে ধারা ২১-এ Contingent Interest সম্পর্কিত বিধান স্পষ্টভাবে দেওয়া হয়েছে।
১,১৮৪.
A একটি বিচারালয়ের অফিসার। উক্ত আদালত কর্তৃক-Y কে আটক করার আদেশ প্রাপ্ত হয়ে এবং যথাযথ অনুসন্ধান করার পর Z কে Y মনে করে Z কে আটক করে। এই ক্ষেত্রে A এর অপরাধ-
  1. বেআইনী বাধা প্রদান করেছে
  2. কোন অপরাধ করেনি
  3. অপহরণ করেছে
  4. অবৈধ আটক করেছে
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ করেনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ করেনি
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৭৬ ধারার বিধান- আইনবলে বাধ্য বা ভুল ধারণাবশত নিজেকে আইনবলে বাধ্য বলিয়া বিশ্বাসকারী ব্যক্তি বিশেষে কর্তৃক সম্পাদিত কার্য:

⇒ যে ব্যক্তি কোন কাজ করতে আইনত বাধ্য বলে কোন কাজ সম্পাদন করলে, অথবা আইনের কাজটি ভুল না করে ঘটনা সম্পর্কে ভুলবশতঃ কাজটি করতে আইনত বাধ্য বলে সরল মনে বিশ্বাস করে সে ব্যক্তি কোন কাজ সম্পাদন করলে তা অপরাধ হবে না।

♦ উদাহরণসমূহ:
⇒ (ক) ক একজন সৈনিক। সে তার উর্ধ্বতন অফিসারের নির্দেশক্রমে আইনের বিধানমতে কোন জনতার উপর গুলিবর্ষণ করে। ক-এর গুলিবর্ষণ কাজ অপরাধ হবে না।

⇒ (খ) বিচারালয়ের জনৈক কর্মকর্তা 'ক' উক্ত বিচারালয় কর্তৃক ম-কে গ্রেফতার করার জন্য আদিষ্ট হয়ে এবং যথাযথ তদন্তের পর; 'খ'- কে 'ম' মনে করে 'খ'-কে গ্রেফতার করেন। 'ক' কোন অপরাধ সংঘটন করেন নাই।
১,১৮৫.
দণ্ডবিধির ৪৯৪ ধারার আওতায়, কোন ক্ষেত্রে ব্যক্তি সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে?
  1. যদি এক স্বামী বা স্ত্রীর জীবদ্দশায় পুনরায় বিবাহ করে
  2. যদি স্বামী বা স্ত্রীর মৃত্যু হলে পুনরায় বিবাহ করে
  3. যদি বিবাহের সময় প্রাক্তন স্ত্রীর সম্মতি না পাওয়া যায়
  4. যদি পুনরায় বিবাহের পরে আগের স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক থাকে
সঠিক উত্তর:
যদি এক স্বামী বা স্ত্রীর জীবদ্দশায় পুনরায় বিবাহ করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি এক স্বামী বা স্ত্রীর জীবদ্দশায় পুনরায় বিবাহ করে
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৪৯৪ ধারা- স্বামী বা স্ত্রীর জীবদ্দশায় পুনরায় বিবাহ করা:
কোন ব্যক্তি যদি এক স্বামী বা এক স্ত্রী জীবিত থাকা সত্ত্বেও এমন কোন পরিস্থতিতে বিবাহ করে, যে পরিস্থিতিতে স্বামী বা স্ত্রী জীবিত থাকা অবস্থায় সংঘটিত বলে অনুরূপ বিষয়টি অবৈধ হয়েছে, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

ব্যতিক্রম:
অনুরূপ স্বামী বা স্ত্রীর সাথে যে ব্যক্তির বিবাহ কোন উপযুক্ত আদালত দ্বারা নাকচ বলে ঘোষণা করা হয়েছে, সে ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই ধারাটি প্রয়োগযোগ্য হবে না। কিংবা যে প্রাক্তন স্বামী বা স্ত্রীর জীবদ্দশায় বিবাহ সংঘটিত হচ্ছে, বিবাহের সময় পর্যন্ত যে প্রাক্তন স্বামী বা স্ত্রী যদি পূর্ববর্তী সাত বৎসর পর্যন্ত ক্রমাগত পরবর্তী বিবাহ অনুষ্ঠানকারীর নিকট থেকে অনুপস্থিত থেকে থাকে এবং সে সাত বৎসর যাবৎ অনুরূপ প্রাক্তন স্বামী বা স্ত্রী জীবিত রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি না শুনে থাকে তবে তার ক্ষেত্রে এই ধারা প্রয়োগযোগ্য হবে না; তবে পরবর্তী বিবাহকালে বিবাহ অনুষ্ঠানকারী ব্যক্তি যার সাথে তার বিবাহ হচ্ছে তাকে বিবাহ সংঘটিত হওয়ার পূর্বে তার জ্ঞাত সকল ঘটনা সংক্রান্ত প্রকৃত পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করতে হবে।

Section 494- Marrying again during life-time of husband or wife:
Whoever, having a husband or wife living, marries in any case in which such marriage is void by reason of its taking place during the life of such husband or wife, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.

Exception:
This section does not extend to any person whose marriage with such husband or wife has been declared void by a Court of competent jurisdiction, nor to any person who contracts a marriage during the life of a former husband or wife, if such husband or wife, at the time of the subsequent marriage, shall have been continually absent from such person for the space of seven years, and shall not have been heard of by such person as being alive within that time provided the person contracting such subsequent marriage shall, before such marriage takes place, inform the person with whom such marriage is contracted of the real state of facts so far as the same are within his or her knowledge.
১,১৮৬.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ৩৯ ধারায় কে ক্ষতিপূরণের মামলা দায়ের করতে পারে?
  1. সরকার
  2. ভিকটিম
  3. ট্রাইব্যুনালে
  4. মিথ্যা মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
ভিকটিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিকটিম
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৩৯: ক্ষতিপূরণ আদায়ে দেওয়ানী মামলা রুজু করিবার অধিকার:
ফৌজদারী মামলা রুজু করিবার অধিকার অক্ষুণ্ন রাখিয়া এবং দায়েরকৃত কোন ফৌজদারী মামলার পাশাপাশি, ভিকটিম বা পাচারের শিকার ব্যক্তি এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের ফলে সৃষ্ট তাহার প্রকৃত ক্লেশ (sufferance) বা আইনগত ক্ষতির (legal injury) জন্য বা উক্ত অপরাধের সহিত সম্পৃক্ত কোন চুক্তি লংঘনের জন্য দেওয়ানী আদালতে ক্ষতিপূরণের মামলা দায়ের করিতে পারিবে।
১,১৮৭.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ অনুসারে, ৩০ বছরের পুরাতন দলিলের সম্পাদন সঠিক ধরে নেওয়া যেতে পারে যদি তা উপস্থাপিত হয়-
  1. পুলিশের নিকট থেকে
  2. সঠিক বা উপযুক্ত হেফাজত থেকে
  3. যেকোনো ব্যক্তির কাছ থেকে
  4. একজন আইনজীবীর নিকট থেকে
সঠিক উত্তর:
সঠিক বা উপযুক্ত হেফাজত থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সঠিক বা উপযুক্ত হেফাজত থেকে
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৯০ অনুযায়ী, আদালত তখনই একটি ৩০ বছর বা ততোধিক পুরাতন দলিলের সম্পাদন সম্পর্কে অনুমান করতে পারে, যদি দলিলটি "উপযুক্ত হেফাজত" থেকে আদালতে উপস্থাপিত হয়।

- অর্থাৎ দলিলটি যেখানে থাকার কথা, সেখানেই যদি থাকে এবং সেখান থেকে আদালতে পেশ করা হয়, তাহলে সেই হেফাজতকে "উপযুক্ত হেফাজত" বলা হয়।
- যদি দলিলটি এমন কারো কাছ থেকে আসে যার কাছে থাকাটা অস্বাভাবিক, তাহলে আদালত প্রথমে খতিয়ে দেখবে, সেখানে থাকার যুক্তিসঙ্গত কারণ আছে কি না।
- কিন্তু, যদি একটি দলিল কোনো অপ্রাসঙ্গিক বা সন্দেহজনক সূত্র থেকে পাওয়া যায়, তখন আদালত সেটিকে উপযুক্ত হেফাজত হিসাবে গণ্য নাও করতে পারে।
অতএব, আদালতের অনুমান কার্যকর হতে হলে দলিলটি অবশ্যই উপযুক্ত বা সঠিক হেফাজত থেকে দাখিল করা উচিত যেমনটা ধারা ৯০ স্পষ্টভাবে বলে।
----------------------------------------------
The Evidence Act, 1872, Section 90,Presumption as to documents thirty years old: Where any document, purporting or proved to be thirty years old, is produced from any custody which the Court in the particular case considers proper, the Court may presume that the signature and every other part of such document, which purports to be in the handwriting of any particular person, is in that person's handwriting, and, in the case of a document executed or attested, that it was duly executed and attested by the persons by whom it purports to be executed and attested.
Explanation.-Documents are said to be in proper custody if they are in the place in which, and under the care of the person with whom, they would naturally be; but no custody is improper if it is proved to have had a legitimate origin, or if the circumstances of the particular case are such as to render such an origin probable.

১,১৮৮.
ক” একটি আপীল এখতিয়ারবিহীন আদালতে দায়ের করলো। এখতিয়ার না থাকায় আদালত আপীলটি সঠিক আদালতে দাখিলের জন্য ফেরত দিলো। ইতোমধ্যে আপীল দায়েরের তামাদি মেয়াদ সমাপ্ত হয়েছ। এই ক্ষেত্রে নিম্মলিখিত কোন তথ্যটি সঠিক?
  1. তামাদি আইনের ১৪ ধারায় বিলম্ব মওকুফের আবেদন করতে হবে
  2. আদালত তামাদির মেয়াদ গণনার সময় ব্যয়িত সময় বাদ দিবে
  3. ক এবং খ উভয়
  4. ৫ ধারায় বিলম্ব মওকুফের আবেদন করতে হবে
সঠিক উত্তর:
৫ ধারায় বিলম্ব মওকুফের আবেদন করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ ধারায় বিলম্ব মওকুফের আবেদন করতে হবে
ব্যাখ্যা
♦আপীলের ক্ষেত্রে ১৪ ধারার আবেদন গ্রহণযোগ্য না, কিন্তু ৫ ধারায় বিলম্ব মওকুফের জন্য আবেদন করা যায় এবং এখতিয়ারবিহীন আদালতে আপীল দায়ের যথেষ্ট কারণ হিসাবে প্রমাণ করা যেতে পারে শর্ত হলো উক্ত পক্ষ সৎ উদ্দেশ্যে উক্ত কার্যক্রম পরিচালনা করেছে।
১,১৮৯.
আদেশ ২১ বিধি-৫৫ এর অধীন ক্রোক কখন প্রত্যাহার হয়েছে বলে গণ্য হবে?
  1. ডিক্রি বিবাদীর পক্ষে হলে
  2. সম্পত্তি বিক্রি করা হলে
  3. ডিক্রি রদ বা পরিবর্তন হলে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি রদ বা পরিবর্তন হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি রদ বা পরিবর্তন হলে
ব্যাখ্যা

আদেশ ২১ বিধি-৫৫: ডিক্রি মিটানোর পর ক্রোক অপসারণ:
যেক্ষেত্রে-
(ক) ডিক্রির টাকা, মোকদ্দমার খরচ এবং যে কোনও সম্পত্তি ক্রোকের ফলে সৃষ্ট সমস্ত চার্জ ও খরচ আদালতে জমা করা হলে; অথবা
(খ) ডিক্রি আদালতের মাধ্যমে অন্যভাবে পরিশোধ বা আদালতে প্রত্যয়ন করা হলে; অথবা
(গ) ডিক্রি রদ বা পরিবর্তন করা হলে, ক্রোক প্রত্যাহার হয়েছে বলে গণ্য হবে এবং স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে দায়িকের ইচ্ছা হলে তার খরচায় উক্ত প্রত্যাহার ঘোষণা করা হবে এবং ঘোষণাপত্রের একটি অনুলিপি পূর্ববর্তী বিধিতে নির্ধারিত পদ্ধতিতে সংযুক্ত করা হবে।”

১,১৯০.
বাদীর অনুকূলে মামলার ডিক্রি হওয়ার পর আদালতের প্রস্তুতকৃত ডিক্রিতে ভুল থাকলে করণীয় কী?
  1. আপীল আদালতে আপীল করবে।
  2. ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে রিভিশান করবে।
  3. বাদী ১৫২ ধারার অধীনে ডিক্রি সংশোধনের জন্য আবেদন করবে।
  4. ডিক্রি প্রদানকারী বিচারিক আদালতে আপীল করবে।
সঠিক উত্তর:
বাদী ১৫২ ধারার অধীনে ডিক্রি সংশোধনের জন্য আবেদন করবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদী ১৫২ ধারার অধীনে ডিক্রি সংশোধনের জন্য আবেদন করবে।
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারায় কোন দেওয়ানি মোকদ্দমার রায়, ডিক্রি, আদেশ সংশোধন করার বিধান রয়েছে। সাধারণত রায়, ডিক্রি অথবা আদেশ একবার আদালত কর্তৃক স্বাক্ষরিত ও ঘোষিত হওয়ার পর কেবলমাত্র ১৫২ ধারা বা রিভিউ ব্যতীত কোনভাবে সংশোধন করা যাবে না।

- দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫২ ধারায় আদালতের রায়, ডিক্রি অথবা আদেশ সংশোধন করার ক্ষমতা রয়েছে। ১৫২ ধারামতে আদালত যে কোন সময় নিজ উদ্যোগে (own motion) বা কোন পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে করনিক বা গানিতিক ভুল (clerical or arithmetical mistakes), আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির (accidental slip or omission ) কারণে রায়, ডিক্রি অথবা আদেশ সংশোধন করতে পারে।

- বাদীর অনুকূলে মামলার ডিক্রি হওয়ার পর আদালতের প্রস্তুতকৃত ডিক্রিতে ভুল থাকলে বাদী ১৫২ ধারার অধীনে ডিক্রি সংশোধনের জন্য আবেদন করতে পারেন। 
----------------------
⇒ CPC Section: 152. Amendment of judgments, decrees or orders:
-Clerical or arithmetical mistakes in judgments, decrees or orders or errors arising therein from any accidental slip or omission may at any time be corrected by the Court either of its own motion or on the application of any of the parties.
১,১৯১.
'নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বপালনে সহায়তা করা সকল নির্বাহী কর্তৃপক্ষের কর্তব্য হইবে।' বাংলাদেশ সংবিধানের কত অনুচ্ছেদের বিধান?
  1. ১১৬
  2. ১২৬
  3. ১২৫
  4. ১২৩
সঠিক উত্তর:
১২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২৬
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদের বিধান: নির্বাচন কমিশনকে নির্বাহী কর্তৃপক্ষের সহায়তাদান:  নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বপালনে সহায়তা করা সকল নির্বাহী কর্তৃপক্ষের কর্তব্য হইবে।
------------
⇒ The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh -Article 126. Executive authorities to assist Election Commission:
 It shall be the duty of all executive authorities to assist the Election Commission in the discharge of its functions.  
১,১৯২.
নির্দিষ্ট বর্ণনার কিছু সংখ্যক রেলওয়ের শেয়ার A বিক্রয় করতে এবং B ক্রয় করতে চুক্তি করেছে। A বিক্রয় করতে অস্বীকার করে। এই ক্ষেত্রে B এর প্রতিকার হতে পারে-
  1. B শুধুমাত্র আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাবে।
  2. B, A-কে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নে বাধ্য করতে পারে
  3. চুক্তিটির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যাবে না
  4. B, A-কে শেয়ার বিক্রয় করতে বাধ্য করতে পারেনা।
সঠিক উত্তর:
B, A-কে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নে বাধ্য করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
B, A-কে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নে বাধ্য করতে পারে
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা-১২. ব্যাখ্যা গ  অনুযায়ী, এই চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে পালন করতে A কে বাধ্য করতে পারে। কারণ শেয়ারগুলোর সংখ্যা সীমিত এবং সর্বদা মার্কেটে পাওয়া যায় না এবং শেয়ারগুলোর দখল শেয়ারের মালিকানা নির্ধারণ করে যা অন্যকোনভাবে অর্জন করা সম্ভব না।

♦ সুতরাং যেহেতু শেয়ার দুষ্প্রাপ্য প্রকৃতি, তাই এই চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য, যদিও শেয়ার অস্থাবর সম্পত্তি এবং B, A-কে শেয়ার বিক্রয় করতে বাধ্য করতে পারে।
১,১৯৩.
'A' 'Z' কে নিহত করার উদ্দেশ্যে তার প্রতি গুলিবর্ষণ করে, ফলে 'Z' এর মৃত্যু হয়। 'A' কি অপরাধ করেছে?
  1. খুন
  2. নরহত্যা
  3. অপরাধজনক নরহত্যা
  4. আত্মহত্যার সহায়তাকরণ
সঠিক উত্তর:
খুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুন
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার বিধান খুন:- খুনের সবক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নির্দেশ করা হয়েছে। সে সকল ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন হবে, যদি যে কার্যটি কর্তৃক মৃত্যু অনুষ্ঠিত হয়, সে কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের জন্যই করা হয়ে থাকে, অথবা
দ্বিতীয়ত, যদি কার্যটি কোন ব্যক্তিকে এমনভাবে দৈহিক আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকে, যে আঘাতের ফলে যে ব্যক্তিকে আঘাত দেওয়া হল, সে ব্যক্তির মৃত্যু হতে পারে বলে অপরাধী জানে, অথবা
তৃতীয়ত, যদি কোন ব্যক্তিকে দৈহিক আঘাত দানের উদ্দেশ্যে কার্যটি করা হয় এবং যদি যে দৈহিক আঘাত দেওয়ার অভিসন্ধি করা হয়েছে, সে আঘাতটি প্রকৃতির স্বাভাবিক গতিতে মৃত্যু ঘটাবার পক্ষে যথেষ্ট হয়, অথবা
চতুর্থত, যদি যে ব্যক্তি কার্যটি অনুষ্ঠান করে সে ব্যক্তি জানে যে, কার্যটি এমন আশু বিপজ্জনক যে, ইহার দরুণ খুব সম্ভব মৃত্যু ঘটবে, অথবা ইহার দরুণ অবশ্যই এমন দৈহিক আঘাত ঘটবে, যার ফলে মৃত্যু ঘটতে পারে এবং মৃত্যু ঘটাবার বা অনুরূপ দৈহিক আঘাত ঘটাবার ঝুঁকি গ্রহণের অপর কোন অজুহাত ব্যতিরেকে অনুরূপ কার্য করে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার (উদা:ক)।
--------------------
Murder:
Section 300. Except in the cases hereinafter excepted, culpable homicide is murder, if the act by which the death is caused is done with the intention of causing death, or-
Secondly.-If it is done with the intention of causing such bodily injury as the offender knows to be likely to cause the death of the person to whom the harm is caused, or –
Thirdly.-If it is done with the intention of causing bodily injury to any person and the bodily injury intended to be inflicted is sufficient in the ordinary course of nature to cause death, or –
Fourthly.-f the person committing the act knows that it is so imminently dangerous that it must, in all probability, cause death, or such bodily injury as is likely to cause death, and commits such act without any excuse for incurring the risk of causing death or such injury as aforesaid.

Illustrations
(a) A shoots Z with the intention of killing him. Z dies in consequence. A commits murder.
১,১৯৪.
মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধের তদন্ত _______ দিনের মধ্যে সমাপ্ত না হলে আসামি জামিনে মুক্ত হতে পারে।
  1. ৬০ দিন
  2. ৯০ দিন
  3. ১২০ দিন
  4. ১৫০ দিন
সঠিক উত্তর:
১২০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২০ দিন
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি, ধারা-১৬৭(৫) মোতাবেক ১২০ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে না পারলে দায়রা আদালত সকল ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে পারেন। তবে জামিনে মুক্তি দেয়া আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।
১,১৯৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় আদালতে অনুপস্থিত লোকের জন্য সমন বা ওয়ারেন্ট জারী করা হয়?
  1. ১১৪ ধারায়
  2. ১১৫ ধারায়
  3. ১১৬ ধারায়
  4. ১১৭ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১১৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি ১১৪ ধারা: যে ব্যক্তি এভাবে হাজির নহেন তাঁর সম্পর্কে সমন বা পরোয়ানা:
এ ধরণের ব্যক্তি আদালতে হাজির না থাকলে, উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট তাঁকে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়ে সমন দিবেন, বা, ঐধরণের ব্যক্তি কারাগারে থাকলে যে অফিসারের তত্ত্বাবধানে তিনি আছেন সেই অফিসারকে তাঁকে আদালতের সমক্ষে আনয়নের নির্দেশ দিয়ে পরোয়ানা জারি করবেনঃ

তবে শর্ত থাকে যে, এরূপ ম্যাজিস্ট্রেটের, কোনও পুলিশ অফিসারের রিপোর্টের ভিত্তিতে অথবা অন্য সংবাদের উপর ভিত্তি করে (এরূপ প্রতিবেদন বা সংবাদের সারাংশ উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট নথিভুক্ত করবেন) যদি মনে হয় যে শান্তিভঙ্গ করা হবে এরূপ ভয় করার কারণ আছে এবং যে অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে গ্রেফতার না করলে ঐরূপ শান্তিভঙ্গ রোধ করা যাবে না, তাহলে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট যে কোন সময় তাকে গ্রেফতার করার নিমিত্ত পরোয়ানা জারী করতে পারেন।

Section 114: Summons or warrant in case of person not so present:
If such person is not present in Court, the Magistrate shall issue a summons requiring him to appear, or, when such person is in custody, a warrant directing the officer in whose custody he is, to bring him before the Court: 
 
Provided that whenever it appears to such Magistrate, upon the report of a police-officer or upon other information (the substance of which report or information shall be recorded by the Magistrate), that there is reason to fear the commission of a breach of the peace, and that such breach of the peace cannot be prevented otherwise than by the immediate arrest of such person, the Magistrate may at any time issue a warrant for his arrest.
১,১৯৬.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ধারা ৬ অনুযায়ী, আর্বিট্রেশন কাউন্সিলের পূর্বানুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিবাহ করলে শাস্তি কী?
  1. ৩ মাসের কারাদণ্ড ও ৫,০০০ টাকা জরিমানা
  2. ৬ মাসের কারাদণ্ড ও ৫,০০০ টাকা জরিমানা
  3. ১ বছরের কারাদণ্ড বা ১০,০০০ টাকা জরিমানা
  4. ৩ বছরের কারাদণ্ড বা ১০,০০০ টাকা জরিমানা
সঠিক উত্তর:
১ বছরের কারাদণ্ড বা ১০,০০০ টাকা জরিমানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছরের কারাদণ্ড বা ১০,০০০ টাকা জরিমানা
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ধারা ৬(৫) অনুযায়ী, যদি কেউ বর্তমান বিবাহ বহাল থাকা অবস্থায় আর্বিট্রেশন কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিবাহ করে, তাহলে তাকে শাস্তি দেওয়া হবে।
শাস্তি হলো: ১ বছরের পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা জরিমানা, বা উভয় দণ্ড।
এই বিধান মূলত দ্বিতীয় বিবাহের ক্ষেত্রে পরিবারিক ও সামাজিক সুস্থতা নিশ্চিত করার জন্য প্রণীত।
অর্থাৎ অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিবাহ করলে ১ বছর পর্যন্ত জেল বা ১০,০০০ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড প্রযোজ্য।

১,১৯৭.
X, Y এর স্বর্ণের আংটিটি Y এর সম্মতি ছাড়া এই উদ্দেশ্যে নিয়ে যায় যে, Y বিনিময়ে কিছু টাকা না দেয়া পর্যন্ত আংটিটি X নিজ দখলে রাখবে। X এর অপরাধ কী?
  1. চুরি
  2. প্রতারণা
  3. অপরাধমূলক সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ
  4. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
সঠিক উত্তর:
চুরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুরি
ব্যাখ্যা
এই ক্ষেত্রে, X এর অপরাধ হবে "চুরি" (Theft)।
যেহেতু X, Y এর সম্মতি ছাড়াই Y এর স্বর্ণের আংটিটি নিয়ে যায় এবং উদ্দেশ্য ছিল আংটিটি X নিজের কাছে রেখে, Y কে কিছু টাকা না দিলে ফেরত না দেওয়ার, এই কাজটি চুরি হিসেবে গণ্য হবে।
ধারা ৩৭৮ অনুযায়ী, চুরি সংঘটিত হয় যখন কোন ব্যক্তি অন্যের দখল থেকে তার সম্মতি ছাড়া সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করে। X এখানে Y এর সম্মতি ছাড়াই আংটিটি নিয়ে গেছে, এবং তার উদ্দেশ্য ছিল আংটিটি নিজে দখলে রাখা যতক্ষণ না Y টাকা দেয়, যা একটি চুরির ঘটনা হিসেবে পরিগণিত হবে।

ধারা: ৩৭৮ - চুরি.
- কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কোন বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহুর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মহুর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ২:- যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩:- কোন ব্যক্তি কোন বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোন বস্তু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি যে কোন উপায়ে কোন পশুকে হাটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ৫:- সংজ্ঞায় উল্লেখিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে।

উদাহরণসমূহ:
(ঠ) ক গ-এর একটি দ্রব্য গ-এর সম্মতি ছাড়া গ-এর দখল হতে নিয়ে যায়। ক-এর উদ্দেশ্য গ-এর নিকট থেকে তার দ্রব্য প্রত্যপণের পুরস্কারস্বরূপ অর্থ না পাওয়া পর্যন্ত সে উহা রেখে দিবে। এখানে ক অসাধুভাবে দ্রব্যটি নিয়ে গিয়েছে; সুতরাং ক চুরি করেছে বলে পরিগণিত হবে ।

Illustrations
(l) A takes an article belonging to Z out of Z's possession without Z's consent, with the intention of keeping it until he obtains money from Z as a reward for its restoration. Here A takes dishonestly; A has therefore committed theft.
১,১৯৮.
Abetment এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ১০৫ ধারায়
  2. ১০৭ ধারায়
  3. ১০৮ ধারায়
  4. ১০৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১০৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ধারা ১০৭ অনুযায়ী যে সমস্ত কাজ করলে অপরাধ হয় সেই সমস্ত কাজ করার জন্য প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে কোন ইন্ধন যোগান কিংবা সমর্থন করাকে আইনের ভাষায় প্ররোচনা বা Abetment বলা হয়ে। 

♦ ১০৭ ধারা অনুযায়ী ৩ ভাবে প্ররোচনা বা অপরাধে সহায়তা অপরাধ হতে পারে।

(i) কাউকে প্ররোচিত করে 
(ii) ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে
(iii) কার্য বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করে
১,১৯৯.
দেওয়ানী মামলায় আরজি প্রত্যাখ্যাত হলে তার বিরুদ্ধে কী প্রতিকার আছে?
  1. আপিল
  2. রিভিশন
  3. রিভিউ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আপিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল
ব্যাখ্যা
ধারা ২(২) অনুসারে-

ডিক্রি বলতে কোন আদালত কর্তৃক  আনুষ্ঠানিকভাবে ভাবে প্রকাশিত এমন বক্তব্য বুঝায়, যা মোকদ্দমার বিতর্কিত সমগ্র বা যেকোন বিষয় সম্পর্কে পক্ষগণের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে এবং এই “ডিক্রি” প্রাথমিক বা চূড়ান্ত হতে পারে।উল্লেখ্য যে-
আদেশ ৭ বিধি ১১ এর অধীন আরজি প্রত্যাখান এবং
১৪৪ ধারায় বর্ণিত কোন প্রশ্ন নির্ধারণও ডিক্রি বলে গণ্য হবে।

দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ থেকে ১১২ ধারা পর্যন্ত দেওয়ানী মোকদ্দমার ক্ষেত্রে আপীলের বিধান উল্লেখ রয়েছে।

দেওয়ানি কার্যবিধির ৯৬ ধরার অধীন মূল ডিক্রি হতে আপিল:
(১) এই আইনের কোন কোন অংশে অথবা বর্তমানে প্রচলিত অন্য কোন আইনে স্পষ্টতঃ অন্যরূপ বিধান না থাকলে, আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যেক ডিক্রি হতে আপিল শ্রবণের ক্ষমতাসম্পন্ন আদালতে আপিল দায়ের করতে হবে।

যেহেতু আরজি প্রত্যাখান এর সিদ্ধান্ত মূলত একটি ডিক্রি, তার বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে।
১,২০০.
দণ্ডবিধির কত ধারায় চুরির শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ৩৮০ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ৩৮৪ ধারায়
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারার বিধান চুরি করার সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি চুরি করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
----------
⇒ Section 379 Punishment for theft: Whoever commits theft shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.