বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ১০২ / ১৫৫ · ১০,১০১১০,২০০ / ১৫,৪৭০

১০,১০১.
'ক' ঘুসি মেরে 'খ' এর দাঁত ফেলে দেয়। 'ক' এর কৃত অপরাধ হলো-
  1. সাধারণ জখম
  2. মারাত্মক জখম
  3. হত্যার প্রচেষ্টা
  4. অনিচ্ছাকৃত জখম
সঠিক উত্তর:
মারাত্মক জখম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মারাত্মক জখম
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩২০ ধারায় ৮ ধরণের গুরুতর/মারাত্মক জখমের উল্লেখ রয়েছে।

(i) পুরুষত্বহীনকরণ;
(ii) স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ;
(iii) স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ;
(iv) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন;
(v) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির স্থায়ী ক্ষতিকরণ;
(vi) মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি;
(vii) হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা;
(viii) কোন ব্যক্তিকে ২০ দিন পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘাত।

অর্থাৎ 'ক' এর কৃত অপরাধ মারাত্মক জখম হিসেবে গণ্য হবে।
১০,১০২.
The Limitation Act, 1908-এর ২২(১) ধারা অনুসারে, নতুন বাদী বা বিবাদী সংযোজনের ক্ষেত্রে মামলা দায়েরের তারিখ কখন গণ্য হবে?
  1. নতুন পক্ষের সম্মতি অনুযায়ী
  2. আদালত যে তারিখ নির্ধারণ করে
  3. মূল মামলা দায়েরের তারিখ থেকে
  4. যখন নতুন পক্ষ সংযোজিত বা প্রতিস্থাপিত হয়
সঠিক উত্তর:
যখন নতুন পক্ষ সংযোজিত বা প্রতিস্থাপিত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন নতুন পক্ষ সংযোজিত বা প্রতিস্থাপিত হয়
ব্যাখ্যা
⇒ The Limitation Act, 1908-এর ২২(১) ধারা অনুসারে, যদি কোনো মামলায় নতুন বাদী বা বিবাদী সংযোজিত বা প্রতিস্থাপিত হয়, তবে সেই নতুন পক্ষের জন্য মামলাটি ঠিক তখনই দায়ের হয়েছে বলে গণ্য হবে, যখন তাকে মামলার অংশ করা হয়।
এটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ কারণ তামাদি আইনের মেয়াদ নির্ধারণে এটি প্রভাব ফেলে। যদি নতুন পক্ষ সংযোজিত হওয়ার আগেই তামাদি মেয়াদ শেষ হয়ে যায়, তাহলে সেই পক্ষের বিরুদ্ধে মামলা অগ্রহণযোগ্য হতে পারে।

উদাহরণ:
→  মূল মামলা দায়ের: ১ জানুয়ারি ২০১৫।
→ নতুন বিবাদী সংযোজন: ১ মার্চ ২০১৭।
- নতুন বিবাদীর জন্য মামলা দায়েরের তারিখ গণ্য হবে ১ মার্চ ২০১৭, মূল মামলা দায়েরের তারিখ ১ জানুয়ারি ২০১৫ নয়।

অর্থাৎ The Limitation Act, 1908-এর ২২(১) ধারা অনুযায়ী, নতুন বাদী বা বিবাদী সংযোজনের ক্ষেত্রে তার জন্য মামলাটি সংযোজন বা প্রতিস্থাপনের দিন থেকে দায়ের হয়েছে বলে গণ্য হবে।
১০,১০৩.
সাক্ষ্য আইনের ৫৫ ধারা অনুযায়ী, কোন ধরনের মামলায় সাধারণত চরিত্র প্রাসঙ্গিক হয়?
  1. ফৌজদারি যেকোনো মামলায়
  2. দেওয়ানি ক্ষতিপূরণের মামলায়
  3. চরিত্র সম্পর্কিত ফৌজদারি মামলায়
  4. দেওয়ানি কোনো মামলায়
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি ক্ষতিপূরণের মামলায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি ক্ষতিপূরণের মামলায়
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫৫: ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণে চরিত্রের প্রাসঙ্গিকতা:
দেওয়ানি মামলায়, কোনো ব্যক্তির চরিত্র এমন হতে পারে যা তার প্রাপ্য ক্ষতিপূরণের পরিমাণকে প্রভাবিত করতে পারে, এবং এ সংক্রান্ত বিষয়টি প্রাসঙ্গিক।

ব্যাখ্যা: ধারা ৫২, ৫৩, ৫৪ ও ৫৫-এ "চরিত্র" বলতে খ্যাতি (reputation) ও স্বভাব (disposition) উভয়কেই বোঝায়। তবে, ৫৪ ধারায় নির্দিষ্ট যে ব্যতিক্রম রয়েছে তা ছাড়া, শুধুমাত্র সাধারণ খ্যাতি ও সাধারণ স্বভাব সম্পর্কিত সাক্ষ্য দেওয়া যাবে, বিশেষ কোনো কার্য বা আচরণের মাধ্যমে প্রমাণিত খ্যাতি বা স্বভাবের সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না।

১০,১০৪.
মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে হবে -
  1. আপিল ট্রাইব্যুনালে
  2. দায়রা জজ আদলতে
  3. হাইকোর্ট বিভাগে
  4. স্পেশাল জজ আদালতে
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৪৪ ধারার বিধান অপরাধের বিচার, ইত্যাদি: (১) এই আইনের অধীন মাদকদ্রব্য অপরাধসমূহ অপরাধের গুরুত্ব অনুযায়ী এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক বিচার্য হইবে।

(২) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সংশ্লিষ্ট দায়রা জজ, মহানগর দায়রা জজ, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, উহার এখতিয়ারাধীন এলাকার জন্য, কেবল মাদকদ্রব্য অপরাধ বিচারের নিমিত্ত, প্রয়োজনে, এক বা একাধিক এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত নির্দিষ্ট করিবেন।]

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৫৩ ধারার বিধান আপিল:
- এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে, রায় প্রদানের তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবসের মধ্যে, আপিল করা যাইবে:
- তবে শর্ত থাকে যে, রায়ের জাবেদা নকল পাওয়ার জন্য যে সময় অতিবাহিত হইবে উহা উক্ত সময় হইতে কর্তন করিতে হইবে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৫৪ ধারার বিধান: ফৌজদারি কার্যবিধির প্রয়োগ:
- এই আইনে ভিন্নরূপ কিছু না থাকিলে, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে মাদকদ্রব্য অপরাধের অভিযোগ (এফ আই আর) দায়ের, তদন্ত, অনুসন্ধান, বিচার ও  আপিল নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে।

আপিল ৫৩ ধারা অনুযায়ী-
এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে রায় প্রদানের তারিখ হতে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে আপিল করা যাবে। কিন্তু কোন আদালতে আপিল করা যাবে তা নির্দিষ্ট করা হয়নি ৫৩ ধারায়। এ ক্ষেত্রে, সংশোধিত ৫৪ ধারা অনুসারে আপিলের নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে CrPC'র বিধানাবলি প্রযোজ্য হবে। যেহেতু সংশোধিত আইনে আপিলের Forum বর্ণিত হয়নি, সেহেতু আপিলের Forum'র ক্ষেত্রেও CrPC'র ৪০৮, ৪১০ ধারার বিধান প্রযোজ্য হবে। এ বিধান অনুযায়ী- দায়রা জজের রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করতে হবে। CJM/CMM কর্তৃক প্রদত্ত রায়ের বিরুদ্ধে দায়রা জজের নিকট আপিল দায়ের করতে হবে।

অর্থাৎ মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে।
১০,১০৫.
কোন স্ত্রীলোককে বিবাহ বা অবৈধ যৌন সহবাসে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে অপহরণ বা অপবাহনের শাস্তি-
  1. মৃত্যুদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  2. ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. তিন বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৬৬ ধারামতে কোন স্ত্রীলোককে বিবাহ বা অবৈধ যৌন সহবাসে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে অপহরণ বা অপবাহনের শাস্তি অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।
১০,১০৬.
প্রথম সংশোধনী দ্বারা সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে পরিবর্তন আনা হয়?
  1. অনুচ্ছেদ ৪৫
  2. অনুচ্ছেদ ৪৬
  3. অনুচ্ছেদ ৪৭
  4. অনুচ্ছেদ ৪৯
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৪৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৪৭
ব্যাখ্যা

প্রথম সংশোধনী:
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।
- ১৯৭২ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত মোট ১৭ বার বাংলাদেশের সংবিধান সংশোধিত হয়েছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম সংশোধনী গৃহীত হয় ১৯৭৩ সালে।
- এ সংশোধনীর মাধ্যমে ৪৭ অনুচ্ছেদে দুটি নতুন উপধারা সংযোজন করা হয়।
- এ সংশোধনীর মূল কারণ ছিল গণহত্যাজনিত অপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ, যুদ্ধাপরাধ ও আন্তর্জাতিক আইনের অধীন অন্যান্য অপরাধের জন্য আইন তৈরি এবং তা কার্যকর করা।

১০,১০৭.
রিভিউতে প্রদত্ত কোনো ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আদেশ ৪৭ বিধি ৯ এ কোন প্রতিকার বারিত করা হয়েছে?
  1. আপিল
  2. রিভিশন
  3. রিভিউ
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
রিভিউ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিউ
ব্যাখ্যা
রিভিউ:
যে আদালত ডিক্রি/আদেশদ দেয়, সে আদালতে (রায় প্রদানকারী আদালতে) রিভিউ করার জন্য আবেদন করতে হয়। দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৪ ধারা ও ৪৭ আদেশে রিভিউ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। ১১৪ ধারা এবং আদেশ ৪৭ এর ১(১) বিধি মোতাবেক রিভিউ-এর আবেদন করা যায় নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে:
⇒ যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়, কিন্তু আপিল করা হয়নি;
⇒ যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল চলে না;
⇒ স্মল কজ কোর্টের রেফারেন্সে প্রদত্ত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে।

রিভিউ করা যায় যে কারণে:
i) মামলা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন কোনো বিষয় আবিষ্কার হলে, যা মোকদ্দমার ডিক্রিপ্রাপ্ত হওয়ার পূর্বে নানান চেষ্টা করা সত্ত্বেও আদালতে উপস্থাপন করতে অক্ষম হয়েছিল;
ii) নথিতে আপাত কোনো ভুলের কারণে;
iii) অন্য কোনো পর্যাপ্ত কারণে।

আদেশ ৪৭ বিধি ৯: কতিপয় রিভিউ আবেদনের ক্ষেত্রে বাধা:
রিভিউ আবেদন সম্পর্কে প্রদত্ত কোনো আদেশ বা রিভিউতে প্রদত্ত কোনো ডিক্রি বা আদেশের রিভিউ আবেদন যাবে না।
১০,১০৮.
'ক' ২২,০০,০০০ টাকা মূল্যমানের জমির মালিকানার বিরোধজনিত মোকদ্দমা নিম্নলিখিত কোন আদালতে দায়ের করতে পারে?
  1. সহকারী জজ আদালত [Court of Assistant Judge]
  2. যুগ্ম জেলা জজ আদালত [Court of Joint District Judge]
  3. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত [Court of Senior Assistant Judge]
  4. জেলা জজ আদালত [Court of District Judge]
সঠিক উত্তর:
সিনিয়র সহকারী জজ আদালত [Court of Senior Assistant Judge]
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিনিয়র সহকারী জজ আদালত [Court of Senior Assistant Judge]
ব্যাখ্যা
• কোন দেওয়ানি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করবেন সেটা ২টি বিষয় বিবেচনা করে নির্ধারণ করা হয়-
১) আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং
২) আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ থেকে ২৩ ধারায় দেওয়ানী আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং আর্থিক এখতিয়ার সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭ অনুসারে নির্ধারিত হয়।

• The Civil Courts Act, 1887 আইনের ১৯ ধারার বিধান অনুযায়ী-

⇒ সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার সর্বোচ্চ ১৫ লক্ষ টাকা
⇒ সিনিয়র সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার ১৫ লক্ষ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা
⇒ যুগ্ম জেলা জজ ২৫ লক্ষ টাকার অধিক মূল্যমানের; মোকদ্দমার বিচার করতে পারে।

অর্থাৎ "ক" উক্ত মোকদ্দমা সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে দায়ের করবে।
১০,১০৯.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৩-এ স্থাবর সম্পত্তির দখল উদ্ধারের মামলার তামাদির মেয়াদ কখন থেকে গণনা করা হয়?
  1. মামলা দায়েরের সময় থেকে
  2. সম্পত্তি বিক্রয়ের সময় থেকে
  3. সম্পত্তি বেদখলের সময় থেকে
  4. দলিল রেজিস্ট্রেশনের সময় থেকে
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি বেদখলের সময় থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি বেদখলের সময় থেকে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর অনুচ্ছেদ-৩ অনুসারে: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ৯-এর অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল উদ্ধারের (Recovery of Possession of Immovable Property) মামলার তামাদি মেয়াদ ৬ মাস।
- এই সময়সীমা গণনা শুরু হয় সম্পত্তি বেদখল হওয়ার তারিখ থেকে (When the dispossession occurs)।
- সুতরাং, স্থাবর সম্পত্তির দখল উদ্ধারের মামলার তামাদি মেয়াদ বেদখলের তারিখ থেকে গণনা করা হয়।
১০,১১০.
আদেশ ৪১ বিধি-৩৩ অনুযায়ী, আপিল আদালতের কোন ক্ষমতা থাকবে?
  1. শুধুমাত্র প্রাথমিক ডিক্রি সংশোধন করার ক্ষমতা
  2. নিম্ন আদালতের রায় বাতিল করার ক্ষমতা
  3. যে কোনো ডিক্রি বা আদেশ যা প্রদান করা উচিত, তা প্রদানের ক্ষমতা
  4. শুধুমাত্র আপিলকারী পক্ষের অনুকূলে রায় দেওয়ার ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
যে কোনো ডিক্রি বা আদেশ যা প্রদান করা উচিত, তা প্রদানের ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে কোনো ডিক্রি বা আদেশ যা প্রদান করা উচিত, তা প্রদানের ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪১ বিধি-৩৩: আপিল আদালতের ক্ষমতা:

যে কোন ডিক্রি বা আদেশ যা প্রদান করা উচিত বা অতিরিক্ত কোন ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের ক্ষমতা আপিল আদালতের থাকবে এবং আপিল ডিক্রির অংশ বিশেষ সম্পর্কিত হওয়া সত্ত্বেও এ ক্ষমতা প্রয়োগ করা যাবে এবং পক্ষদের সকলের বা যে কোন একজন উত্তরদায়ক বা পক্ষ আপিল বা আপত্তি দায়ের করে না থাকে, তবে আপিল আদালত উত্তরদায়ক বা পক্ষদের সকলের অনুকূলে ক্ষমতা প্রয়োগ করা যাবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, যে আদালতের ডিক্রি হতে আপিল দায়ের হয়েছে সে আদালত কোন আপত্তির উপর অনুরূপ আদেশ দিতে বাদ দিলে বা দিতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে সে সম্পর্কে আপিল আদালত এ আইনের ৩৫ক ধারার অধীনে কোন আদেশ প্রদান করবেন না।

উদাহরণঃ X, Y বা Z-এর নিকট কিছু টাকা পাবে বলে দাবী করে এবং উভয়ের বিরুদ্ধে রুজুকৃত মোকদ্দমা Y-এর বিরুদ্ধে ডিক্রি লাভ করে। Y, আপিল করে এবং X ও Z উত্তরদায়ক থাকে। আপিল আদালত Y-এর অনুকূলে মোকদ্দমা নিষ্পত্তি করে। এ ক্ষেত্রে Z-এর বিরুদ্ধে ডিক্রি দেয়ার ক্ষমতা আপিল আদালতের আছে।
১০,১১১.
দণ্ডবিধির ৮৩ ধারার বিধান কাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. সকল নাবালকের ক্ষেত্রে
  2. নয় বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে
  3. বারো বছরের নিচে সকল শিশুর ক্ষেত্রে
  4. নয় থেকে বার বছরের বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
নয় থেকে বার বছরের বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নয় থেকে বার বছরের বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৮৩ ধারার বিধান- নয় বৎসরের অধিক কিন্তু বার বৎসরের কম বয়সের অপরিণত বুদ্ধিসম্পন্ন শিশু দ্বারা সম্পাদিত কাজ:
নয় বৎসর অপেক্ষা বেশি কিন্তু বার বৎসর অপেক্ষা কম বয়সের এমন কোন শিশুর কোন কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে না, যে শিশু সংশ্লিষ্ট কাজটি করার সময় উহার প্রকৃতি ও ফলাফল বিচার করার পক্ষে পর্যাপ্ত বুদ্ধির পরিপক্কতা লাভ করে নাই।

Section 83. Act of a child above nine and under twelve of immature understanding:
Nothing is an offence which is done by a child above nine years of age and under twelve, who has not attained sufficient maturity of understanding to judge of the nature and consequences of his conduct on that occasion.

১০,১১২.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে একই মামলায় দুই বা ততোধিক অপরাধে কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে দণ্ডিত ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ কত বছর কারাদণ্ড প্রদান করা যাবে?
  1. ১২ বছর
  2. ১৪ বছর
  3. ১৮ বছর
  4. ২০ বছর
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে একই মামলায় দুই বা ততোধিক অপরাধে কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে দণ্ডিত ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ ১৪ বছর কারাদণ্ড প্রদান করা যাবে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ ধারার বিধান একই বিচারে কতিপয় অপরাধে দোষী সাব্যস্তের ক্ষেত্রে দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ:
-(১) যখন কোন ব্যক্তি একই বিচারে দুই বা ততোধিক অপরাধের জন্য দণ্ডিত হলে দণ্ডবিধির ৭১ ধারার ব্যবস্থা সাপেক্ষে আদালত উক্ত বিভিন্ন অপরাধের জন্য নির্ধারিত ও আদালতের ক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত শাস্তি প্রদান করতে পারেন; এরূপ শান্তি কারাদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হলে আদালত যদি একই সাথে চলবে মর্মে নির্দেশ প্রদান না করেন, তাহলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী একটির পর অপরটি চলবে।
-(২) আদালত একটিমাত্র অপরাধের জন্য যে শাস্তি দিতে পারেন, তার চেয়ে একাধিক দণ্ড পর পর চলবার ক্ষেত্রে মোট শাস্তির পরিমাণ যদি অধিক হয়, তখন কেবলমাত্র ইহার জন্য উক্ত আদারতকে বিচারের জন্য অপরাধীকে উচ্চতর আদালতে পাঠাতে হবে নাঃ
তবে শর্ত থাকে যে,
(ক) দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ: কোনোভাবেই এরূপ ব্যক্তিকে চৌদ্দ বৎসরের অধিক কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে না।
(খ) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যদি এরকমের মামলার বিচার করেন, তাহলে মোট শাস্তির পরিমাণ উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট তার সাধারণ এখতিয়ারে যে শাস্তি প্রদান করতে পারেন তার দ্বিগুণের বেশি হবে না।
(৩) আপিলের উদ্দেশ্যে এই ধারার বিধান অনুসারে একই বিচারে বিভিন্ন অপরাধের জন্য প্রদত্ত পর পর চলার একাধিক দণ্ডের মোট পরিমাণকে একটিমাত্র দণ্ড মর্মে ধরে নিতে হবে।
------------------------------------
⇒ CrPC Section-35: Sentence in cases of conviction of several offences at one trial Maximum term of punishment:
(1) When a person is convicted at one trial of two or more offences, the Court may, subject to the provisions of section 71 of the Penal Code sentence him, for such offences, to the several punishments prescribed therefor which such Court is competent to inflict; such punishments, when consisting of imprisonment or transportation to commence the one after the expiration of the other in such order as the Court may direct, unless the Court directs that such punishments shall run concurrently.
(2) In the case of consecutive sentences, it shall not be necessary for the Court, by reason only of the aggregate punishment for the several offences being in excess of the punishment which it is competent to inflict on conviction of a single offence, to send the offender for trial before a higher Court:
Provided as follows:-
(a) in no case shall such person be sentenced to imprisonment for a longer period than fourteen years;
(b) if the case is tried by a Magistrate  the aggregate punishment shall not exceed twice the amount of punishment which he is, in the exercise of his ordinary jurisdiction, competent to inflict.
(3) For the purpose of appeal, the aggregate of consecutive sentences passed under this section in case of convictions for several offences at one trial shall be deemed to be a single sentence.
১০,১১৩.
"Immoveable Property without Khatian not to be sold" সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের কোন ধারার বিধান?
  1. ৫৩ঘ
  2. ৫৩ক
  3. ৫৩খ
  4. ৫৩গ
সঠিক উত্তর:
৫৩গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৩গ
ব্যাখ্যা
The Transfer of Property Act, 1882 Section 53C. Immoveable Property without Khatian not to be sold:
- No immoveable property shall be sold by a person unless his name, if he is the owner of the property otherwise than by inheritance, or his name or the name of his predecessor, if he is the owner of the property by inheritance, appears in respect of the property in the latest khatian prepared under the State Acquisition and Tenancy Act, 1950, and any sale made otherwise shall be void.
------------
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৫৩গ ধারার বিধান: খতিয়ান না থাকা কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে না:
কোন ব্যক্তি কোন স্থাবর সম্পত্তি খতিয়ান না থাকলে বিক্রয় করতে পারবে না তবে উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তির ক্ষেত্রে তার নাম অথবা তার পূর্বসূরির নাম থাকলে বিক্রি করা যাবে।
SAT Act, 1950 এর অধীনে প্রস্তুতকৃত খতিয়ানে নাম না থাকলে পারবে না। অন্য কোনভাবে বিক্রয় করলে তা বাতিল বলে গণ্য হবে।
১০,১১৪.
তামাদি আইনের ৬ ধারা অনুসারে, নিচের কোনটি "বৈধ অপারগতা" (Legal Disability) হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. নির্বুদ্ধিতা
  2. নাবালকত্ব
  3. অপ্রকৃতিস্থতা
  4. দেউলিয়া অবস্থা
সঠিক উত্তর:
দেউলিয়া অবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেউলিয়া অবস্থা
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের ৬ অনুযায়ী কোন ব্যক্তি যত দিন নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধ থাকে ততদিন তামাদির মেয়াদ গণনা থেকে বাদ যাবে। নাবালকত্ব, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধতার অবসান হওয়ার পর থেকে তার মামলা দায়েরের সময় গণনা হবে।
- অর্থাৎ তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে অপ্রকৃতিস্থতা, নাবালকত্ব, নির্বুদ্ধিতা বৈধ অপারগতা। কিন্তু দেউলিয়া অবস্থা বৈধ অপারগতা নয়।

⇒ The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারা বিধান হল বৈধ অপারগতা:
উপধারা:(১) যেইক্ষেত্রে মামলা বা কার্যধারা দায়ের করিবার কিংবা ডিক্রি জারির জন্য দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে, সেইসময় নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকে, সেক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি তাহার উপরোক্ত অপারগতার অবসান হইবার পর, অপারগতা না থাকিলে, প্রথম তফসিলের তৃতীয় স্তম্ভে অথবা ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারায় বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে উহা করিতে পারিতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা বা কার্যধারা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করিতে পারিবে।
উপধারা: (২) যেইক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে, সেই সময় উপরে বর্ণিত যেই কোনো দুইটি অপারগতার অবসান হইবার পূর্বেই সে আরেকটি অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি তাহার উভয় অপারগতার অবসান হইবারপর, অপারগতা না থাকিলে, উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে উহা করিতে পারিতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করিতে পারিবে।
উপধারা: (৩) যেইক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত তাহার অপারগতা অব্যাহত থাকে, সেক্ষেত্রে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি ঐ ব্যক্তির মৃত্যুর পর অপারগতা না থাকিলে উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে উহা করা যেত, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দাখিল করিতে পারিবে।
উপধারা: (৪) যেইক্ষেত্রে উপরোক্ত ব্যক্তির মৃত্যুর তারিখে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি অনুরূপ কোন অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে (১) ও (২) উপধারায় বিধৃত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হইবে।
-------------------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section-6.Legal disability:
(1) Where a person entitled to institute a suit or proceeding or make an application for the execution of a decree is, at the time from which the period of limitation is to be reckoned, a minor, or insane, or an idiot, he may institute the suit or proceeding or make the application within the same period after the disability has ceased, as would otherwise have been allowed from the time prescribed therefore in the third column of the first schedule or in section 48 of the Code of Civil Procedure, 1908.
(2) Where such person is, at the time from which the period of limitation is to be reckoned, affected by two such disabilities, or where, before his disability has ceased, he is affected by another disability, he may institute the suit or make the application within the same period, after both disabilities have ceased, as would otherwise have been allowed from the time so prescribed.
(3) Where the disability continues up to the death of such person, his legal representative may institute the suit or make the application within the same period after the death as would otherwise have been allowed from the time so prescribed.
(4) Where such representative is at the date of the death affected by any such disability, the rules contained in sub-sections (1) and (2) shall apply.

Illustrations:
(a) The right to sue for the hire of a boat accrues to A during his minority. He attains majority four years after such accruer. He may institute his suit at any time within the years from the date of his attaining majority.
(b) A right to sue accrues to Z during his minority. After the accruer, but while Z is still a minor, he becomes insane. Time runs against Z from the date when his insainity and minority cease.
(c) A right to sue accrues to X during his minority. X dies before attaining majority, and is succeeded by Y, his minor son. Time runs against Y from the date of his attaining majority.

১০,১১৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪০ ধারা অনুসারে, আদালত কখন একটি দলিল আংশিকভাবে বাতিল করতে পারে?
  1. যখন দলিলটি সম্পূর্ণ অবৈধ হয়
  2. যখন দলিলটি নিবন্ধিত হয়
  3. যখন দলিলটি সংশোধনের প্রয়োজন হয়
  4. যখন দলিলটি বিভিন্ন অধিকার বা বাধ্যবাধকতার প্রমাণ দেয়
সঠিক উত্তর:
যখন দলিলটি বিভিন্ন অধিকার বা বাধ্যবাধকতার প্রমাণ দেয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন দলিলটি বিভিন্ন অধিকার বা বাধ্যবাধকতার প্রমাণ দেয়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪০ ধারা অনুযায়ী, যদি একটি দলিল বিভিন্ন অধিকার বা বাধ্যবাধকতার প্রমাণ বহন করে, তবে আদালত প্রয়োজনবোধে সেই দলিলের কোনো নির্দিষ্ট অংশ বাতিল করতে পারে, কিন্তু অবশিষ্ট অংশ বহাল রাখতে পারে।

উদাহরণ: যদি কোনো চুক্তিতে একাধিক ব্যক্তির স্বাক্ষর থাকে এবং এর মধ্যে এক বা একাধিক স্বাক্ষর জাল হয়, তবে আদালত শুধুমাত্র জাল স্বাক্ষরের অংশটি বাতিল করতে পারে, কিন্তু বৈধ অংশ বহাল রাখতে পারে।

⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section- 40. What instruments may be partially cancelled:
Where an instrument is evidence of different rights or different obligations, the Court may, in a proper case, cancel it in part and allow it to stand for the residue. 
Illustration:
A draws a bill on B, who endorses it to C, by whom it appears to be endorsed to D, who endorses it to E. C's endorsement is forged. C is entitled to have such endorsement cancelled, leaving the bill to stand in other respects.
১০,১১৬.
নিচের কোন শব্দটি সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারায় ব্যবহৃত হয়নি?
  1. Re-examination
  2. Examination in Chief
  3. Cross Examination
  4. Re-cross examination
সঠিক উত্তর:
Re-cross examination
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Re-cross examination
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারায় জবানবন্দি (Examination in Chief), জেরা (Cross Examination), এবং পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
- সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief]: যে পক্ষ সাক্ষীকে হাজির করে সেই পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তখন তাকে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief] বলে।
- জেরা [Cross Examination]: বিরুদ্ধ পক্ষ যখন সেই সাক্ষীকে প্রশ্ন করে, তখন তাকে জেরা বলে [Cross Examination] বলে।
- পুনঃজবানবন্দি [Re-examination]: জেরার পর সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ যদি আবার সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তবে তাকে পুনঃজবানবন্দি (Re- examination) বলে।

Section 137:
- Examination-in-chief: The examination of a witness by the party who calls him shall be called his examination-in-chief.
- Cross-examination: The examination of a witness by the adverse party shall be called his cross-examination.
- Re-examination: The examination of a witness, subsequent to the cross-examination by the party who called him, shall be called his re-examination.
১০,১১৭.
স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকারের পদ শূন্য হইবে, যদি-
  1. তিনি সংসদ-সদস্য না থাকেন;
  2. তিনি মন্ত্রী-পদ গ্রহণ করেন;
  3. তিনি রাষ্ট্রপতির নিকট স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে তাঁহার পদ ত্যাগ করেন;
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ সংসদের সভাপতি: বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সভাপতি স্পিকার। অর্থাৎ স্পিকার হলেন জাতীয় সংসদের সভাপতি ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৪ অনুচ্ছেদের বিধান: স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার:
 (১) কোন সাধারণ নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকে সংসদ-সদস্যদের মধ্য হইতে সংসদ একজন স্পীকার ও একজন ডেপুটি স্পীকার নির্বাচিত করিবেন, এবং এই দুই পদের যে কোনটি শূন্য হইলে সাত দিনের মধ্যে কিংবা ঐ সময়ে সংসদ বৈঠকরত না থাকিলে পরবর্তী প্রথম বৈঠকে তাহা পূর্ণ করিবার জন্য সংসদ-সদস্যদের মধ্য হইতে একজনকে নির্বাচিত করিবেন।

(২) স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকারের পদ শূন্য হইবে, যদি-
(ক) তিনি সংসদ-সদস্য না থাকেন;
(খ) তিনি মন্ত্রী-পদ গ্রহণ করেন;
(গ) পদ হইতে তাঁহার অপসারণ দাবী করিয়া মোট সংসদ-সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সমর্থিত কোন প্রস্তাব (প্রস্তাবটি উত্থাপনের অভিপ্রায় জ্ঞাপন করিয়া অন্যূন চৌদ্দ দিনের নোটিশ প্রদানের পর) সংসদে গৃহীত হয়;
(ঘ) তিনি রাষ্ট্রপতির নিকট স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে তাঁহার পদ ত্যাগ করেন;
(ঙ) কোন সাধারণ নির্বাচনের পর অন্য কোন সদস্য তাঁহার কার্যভার গ্রহণ করেন; অথবা
(চ) ডেপুটি স্পীকারের ক্ষেত্রে, তিনি স্পীকারের পদে যোগদান করেন।
 
(৩) স্পীকারের পদ শূন্য হইলে বা তিনি রাষ্ট্রপতিরূপে কার্য করিলে কিংবা অন্য কোন কারণে তিনি স্বীয় দায়িত্বপালনে অসমর্থ বলিয়া সংসদ নির্ধারণ করিলে স্পীকারের সকল দায়িত্ব ডেপুটি স্পীকার পালন করিবেন, কিংবা ডেপুটি স্পীকারের পদও শূন্য হইলে সংসদের কার্যপ্রণালী-বিধি-অনুযায়ী কোন সংসদ-সদস্য তাহা পালন করিবেন; এবং সংসদের কোন বৈঠকে স্পীকারের অনুপস্থিতিতে ডেপুটি স্পীকার কিংবা ডেপুটি স্পীকারও অনুপস্থিত থাকিলে সংসদের কার্যপ্রণালী-বিধি-অনুযায়ী কোন সংসদ-সদস্য স্পীকারের দায়িত্ব পালন করিবেন।

(৪) সংসদের কোন বৈঠকে স্পীকারকে তাঁহার পদ হইতে অপসারণের জন্য কোন প্রস্তাব বিবেচনাকালে স্পীকার (কিংবা ডেপুটি স্পীকারকে তাঁহার পদ হইতে অপসারণের জন্য কোন প্রস্তাব বিবেচনাকালে ডেপুটি স্পীকার) উপস্থিত থাকিলেও সভাপতিত্ব করিবেন না এবং এই অনুচ্ছেদের (৩) দফায় বর্ণিত ক্ষেত্রমত স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকারের অনুপস্থিতিকালীন বৈঠক সম্পর্কে প্রযোজ্য বিধানাবলী অনুরূপ প্রত্যেক বৈঠকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে।

(৫) স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকারের অপসারণের জন্য কোন প্রস্তাব সংসদে বিবেচিত হইবার কালে ক্ষেত্রমত স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকারের কথা বলিবার ও সংসদের কার্যধারায় অন্যভাবে অংশগ্রহণের অধিকার থাকিবে এবং তিনি কেবল সদস্যরূপে ভোটদানের অধিকারী হইবেন।
(৬) এই অনুচ্ছেদের (২) দফার বিধানাবলী সত্ত্বেও ক্ষেত্রমত স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকার তাঁহার উত্তরাধিকারী কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল রহিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।
১০,১১৮.
কেবলমাত্র বাংলাদেশের অভ্যন্তরস্থ এলাকা সমূহের কোন বিশেষ অংশের ক্ষেত্রে প্রয়োগযোগ্য আইনকে ________ বলে।
  1. বাংলাদেশী আইন
  2. বিশেষ আইন
  3. স্থানীয় আইন
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
স্থানীয় আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থানীয় আইন
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪২ ধারার বিধান স্থানীয় আইন:
কেবলমাত্র বাংলাদেশের অভ্যন্তরস্থ এলাকা সমূহের কোন বিশেষ অংশের ক্ষেত্রে প্রয়োগযোগ্য আইনকে স্থানীয় আইন বলে।
-----------------------
⇒ The penal Code,1860: Section-42: “Local law”:
-A "local law" is a law applicable only to a particular part of the territories comprised in Bangladesh.
১০,১১৯.
অর্থ পরিশোধের ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে বিকল্প প্রতিকার কী?
  1. দায়িককে দেওয়ানি কারাগারে আটক
  2. দায়িকের সম্পত্তি ক্রোক এবং বিক্রয়
  3. ক এবং খ
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৩০ এর বিধান:

অর্থ পরিশোধের ডিক্রি: বিকল্প প্রতিকার হিসেবে অর্থ পরিশোধের ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে প্রত্যেকটি ডিক্রি দায়িককে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে অথবা তার সম্পত্তি ক্রোক এবং নিলাম বিক্রয় করে অথবা উভয় প্রকারেই জারি করা যাবে।

Order-21 Rule-30- Decree for payment of money:
Every decree for the payment of money, including a decree for the payment of money as the alternative to some other relief, may be executed by the detention in the civil prison of the judgment-debtor, or by the attachment and sale of his property, or by both.
১০,১২০.
The Evidence Act 1872 এর কত ধারা মতে অশালীন ও কুৎসাজনক প্রশ্ন করা যায় না?
  1. ১৪৮ ধারা
  2. ১৫০ ধারা
  3. ১৫২ ধারা
  4. ১৫১ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৫১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫১ ধারা
ব্যাখ্যা
- The Evidence Act 1872 এর ১৫১ ধারার বিধান মতে সাক্ষীকে অশালীন ও কুৎসাজনক প্রশ্ন করা যায় না। তবে নিম্ন লিখিত ক্ষেত্রে অশালীন ও কুৎসাজনক প্রশ্ন করা যায়- প্রশ্নটি সরাসরি বিচার্য্য বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত, প্রশ্নটি এমন বিষয়ের সাথে জড়িত যা বিচার্য্য বিষয়ের অস্তিত্ব নির্ধারনের জন্য জানা প্রয়োজনীয়।
১০,১২১.
“ক” ঢাকা থেকে চট্রগ্রামে ট্রেনে যাওয়ার পথে এক নারীকে অশালীন মন্তব্য করে। তার এই অপরাধের কোন আদালত কর্তৃক অনুসন্ধান করা যাবে?
  1. ঢাকা বা চট্রগ্রামের এখতিয়ারধীন 
  2. যাত্রাপথের যেকোন এখতিয়ারধীন এলাকার
  3. ক বা খ
  4. ক যেই এলাকার বাসিন্দা সেই এলাকার এখতিয়ারধীন 
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৮৩ অনুযায়ী,ভ্রমণকালে (যেকোনো যানবাহনযোগে, স্থলপথে, সমুদ্রপথে, আকাশ পথে) যদি কোনো অপরাধ সংঘটিত হয়, তাহলে অপরাধী ভ্রমণের সময় যেসব এলাকা অতিক্রম করবে সেসব এলাকার মধ্যে যেকোনো এলাকার এখতিয়ারাধীন অপরাধের অনুসন্ধান ও বিচার করতে পারবে।

• প্রশ্নে উল্লেখিত “ক” ব্যক্তির অনুসন্ধান ও বিচার ঢাকা বা চট্টগ্রামের সংশ্লিষ্ট বা যাতায়াতের পথে যেকোনো এখতিয়ারাধীন এলাকার আদালতে করা যাবে।
১০,১২২.
কোন প্রতিকারটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের আওতায় পড়ে না?
  1. চুক্তি বাস্তবায়ন
  2. নিষেধাজ্ঞা
  3. স্বত্ত্ব ঘোষণা
  4. আর্থিক ক্ষতিপূরণ
সঠিক উত্তর:
আর্থিক ক্ষতিপূরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্থিক ক্ষতিপূরণ
ব্যাখ্যা
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারা মতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করাভাবে।
(ক) কোন সম্পত্তি দখল গ্রহণ এবং তা দাবীদারকে অর্পণের মাধ্যমে।
(খ) যা করার ব্যাপারে তার বাধ্যবাধকতা রয়েছে এটি পক্ষকে তেমন কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে।
(গ) যা না করার বিষয়ে তার বাধ্যবাধকতা রয়েছে, একটি পক্ষকে তেমন কাজ হতে বিরত থাকার মাধ্যমে।
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রায় প্রদানের মাধ্যম ব্যতীত অন্য প্রকারে পক্ষ সমূহের অধিকার এবং ঘোষণার মাধ্যমে।
(ঙ) একজন রিসিভার বা তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগের মাধ্যমে।
উল্লেখ্য যে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে প্রতিকার দেয়া হয় না।
১০,১২৩.
'Adverse Possession' শব্দদ্বয় তামাদি আইনের কোথায় ব্যবহার করা হয়েছে?
  1. তামাদি আইনের ২৮ ধারায়
  2. তামাদি আইনের ১৪২ অনুচ্ছেদে
  3. ক এবং খ
  4. কোথাও ব্যবহার করা হয় নি
সঠিক উত্তর:
কোথাও ব্যবহার করা হয় নি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোথাও ব্যবহার করা হয় নি
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ২৮ ধারায় বলা হয়েছে, কিভাবে বা কি কারণে একজনের মালিকানায় থাকা সম্পত্তিতে তার অধিকার বা মালিকানা বিলুপ্ত হয়ে যায়। যাকে ‘সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্তি’ শিরোনামে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। এ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, আইনে মামলা দায়ের করার যে মেয়াদ নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে ঐ সময়সীমার মাঝে মামলা দায়ের না করলে তার অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

যেমন ১ম তফসিলের অনুচ্ছেদ ১৪২-এ উল্লেখ করা হয়েছে বাদীর দখলে থাকাকালে সে যদি বেদখল বা নিজের দখল বজায় না রাখে তাহলে বেদখল হবার বা যেদিন থেকে দখল বজায় না রাখে সে তারিখ হতে ১২ বছরের মাঝে তার মামলা দায়ের করতে হবে। যদি সে মামলা দায়ের না করে তাহলে ২৮ ধারার বিধান অনুযায়ী তার অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে এবং যে ব্যক্তি দখলে আছে সে যদি ১২ বছরের বেশী সময় তার নিরবিচ্ছিন্ন দখলে থাকা প্রমাণ করতে পারে তাহলে ঐ সম্পত্তিতে তার বিরুদ্ধ দখলজনিত স্বত সৃষ্টি হবে যাকে আদালতের ভাষায় Title by adverse possession বলা হয়।

তামাদি আইনের ২৮ ধারা বা ১৪২ অনুচ্ছেদে Adverse Possession শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়নি। কিন্তু বহু বছর ধরে আদালতে এরুপ দখলকে Adverse দখল হিসেবে গণ্য হয়ে আসছে। Adverse Possession সম্পর্কে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট মতামত দেন যে- ‘Adverse possession implies that it commenced in wrong and is maintained against right’। ২৮ ধারার সাথে সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ হচ্ছে ১৪২,১৪৪ এবং ১৪৯।
১০,১২৪.
উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে দায়ভাগ মতবাদ কোন নীতিকে স্বীকৃতি দেয়?
  1. প্রতিনিধিত্ব মতবাদ
  2. অংশপিছু উত্তরাধিকার
  3. মাথাপিছু উত্তরাধিকার
  4. উল্লিখিত সবগুলোকে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলোকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলোকে
ব্যাখ্যা
• দায়ভাগ মতবাদ নিম্নোক্ত নীতিগুলিকে স্বীকৃতি দেয়ঃ

(ক) প্রতিনিধিত্ব মতবাদ (Doctrine of representation):
প্রতিনিধিত্ব মতবাদ অনুসারে পুত্র, পৌত্র যার পিতা মারা গিয়েছে, তারা সকলেই পিতৃপক্ষীয় সম্পত্তিতে উত্তরাধিকারীত্ব লাভ করে, কারণ পৌত্র তার পিতার এবং প্রপৌত্র তার পিতা ও পিতামহ উভয়েরই প্রতিনিধিত্ব করে।

(খ) অংশপিছু উত্তরাধিকার (Sucssession per stripes):
যেখানে প্রতিনিধিত্ব মতবাদ প্রয়োগ করা হয় এবং উত্তরাধিকারীগণ মৃত ব্যক্তির স্থলবর্তীরুপে অংশ প্রাপ্ত হন সেখানে এরুপে স্থলবর্তীরুপে অংশ পাওয়াকে অংশপিছু উত্তরাধিকার বলে।

(গ) মাথাপিছু উত্তরাধিকার (Succession per capita):
মৃত ব্যক্তির সম্পত্তিতে তার উত্তরাধিকারগণের সমান অংশ সম্পত্তি প্রাপ্ত হওয়াকে মাথাপিছু উত্তরাধিকার বলে।
১০,১২৫.
আপিলের নোটিশে কোন বিষয়টি উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক?
  1. মামলার বিস্তারিত বিবরণ
  2. শ্রবণ করার সময় ও স্থান
  3. আপিল আদালতের বিচারকের নাম
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
শ্রবণ করার সময় ও স্থান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্রবণ করার সময় ও স্থান
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪২২- আপিলের নোটিশ:

আপিল আদালত যদি সঙ্গে সঙ্গে আপিল খারিজ না করেন, সেক্ষেত্রে যে সময় ও যে স্থানে উক্ত আপিল শ্রবণ করা যাবে সেই সময় ও স্থান সম্পর্কে আপিলকারী বা তার উকিলকে এবং এ সম্পর্কে সরকার কর্তৃক নিযুক্ত অফিসারকে নোটিশ দিবেন এবং উক্ত অফিসার আবেদন করলে তাকে আপিলের কারণসমূহের একটি নকল দিবেন এবং ধারা-৪১৭ অনুসারে আপিলের ক্ষেত্রে আপিল আদালত আসামীকে অনুরূপ নোটিশ প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

Section 422- Notice of appeal:
If the Appellate Court does not dismiss the appeal summarily, it shall cause notice to be given to the appellant or his pleader, and to such officer as the Government may appoint in this behalf, of the time and place at which such appeal will be heard, and shall, on the application of such officer, furnish him with a copy of the grounds of appeal; and, in cases of appeals under or section 417, the Appellate Court shall cause a like notice to be given to the accused.
১০,১২৬.
The Contract Act, 1872 এর বিধান অনুযায়ী Fraud (প্রতারণা) এর মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত?
  1. সত্য ঘটনা গোপন রাখা
  2. মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেওয়া
  3. প্রতারণামূলক কার্যকলাপ করা
  4. উপরোক্ত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ The Contract Act, 1872–এর Section 17 অনুসারে, Fraud (প্রতারণা) বলতে বোঝায় –
১. মিথ্যা বক্তব্য প্রদান করা – কোনো বিষয়কে সত্য হিসাবে উপস্থাপন করা, যদিও তা মিথ্যা।
২. কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন রাখা – এমন সত্য তথ্য না জানানো যা অন্যপক্ষকে বিভ্রান্ত করতে পারে।
৩. মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেওয়া – কোনো প্রতিশ্রুতি পূরণের ইচ্ছা না থাকলেও তা দেওয়া।
৪. প্রতারণামূলক কাজ করা – অন্যকে প্রতারণা করার উদ্দেশ্যে কোনো কাজ করা।
৫. আইন অনুযায়ী অন্যকে প্রতারণা করার মত কাজ – যেকোনো ধরনের অসৎ কাজ যা অন্যের ক্ষতির উদ্দেশ্যে করা হয়।

অতএব—
ক) সত্য ঘটনা গোপন রাখা 
খ) মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেওয়া 
গ) প্রতারণামূলক কার্যকলাপ করা 
সবগুলোই Fraud-এর অন্তর্ভুক্ত
------------ 
⇒ The Contract Act, 1872 Section-17. "Fraud" defined:
"Fraud" means and includes any of the following acts committed by a party to a contract, or with his connivance, or by his agent, with intent to deceive another party thereto or his agent, or to induce him to enter into the contract:- 
(1) the suggestion, as a fact, of that which is not true, by one who does not believe it to be true; 
(2) the active concealment of a fact by one having knowledge or belief of the fact; 
(3) a promise made without any intention of performing it; 
(4) any other act fitted to deceive; 
(5) any such act or omission as the law specially declares to be fraudulent. 
Explanation – Mere silence as to facts likely to affect the willingness of a person to enter into a contract is not fraud, unless the circumstances of the case are such that, regard being had to them, it is the duty of the person keeping silence to speak, or unless his silence is, in itself, equivalent to speech.

১০,১২৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(৮) অনুযায়ী "বিচারক বা জজ" বলতে-
  1. শুধুমাত্র হাইকোর্টের বিচারক বোঝায়
  2. দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় আদালতের বিচারক বোঝায়
  3. শুধুমাত্র দেওয়ানি আদালতের প্রিজাইডিং অফিসার বোঝায়
  4. শুধুমাত্র নিম্ন আদালতের বিচারক বোঝায়
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র দেওয়ানি আদালতের প্রিজাইডিং অফিসার বোঝায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র দেওয়ানি আদালতের প্রিজাইডিং অফিসার বোঝায়
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(৮) এ "বিচারক বা জজ" এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে-

"বিচারক বা জজ" বলতে দেওয়ানি আদালতের প্রিজাইডিং অফিসার বোঝায়।
"Judge" means the Presiding Officer of a Civil Court.

• সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭ এর ধারা-৩ এ নিম্নলিখিত দেওয়ানি আদালতের প্রকারভেদ দেয়া হয়েছে-
১. জেলা জজ আদালত [Court of District Judge];
২. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত [Court of Additional District Judge];
৩. যুগ্ম জেলা জজ আদালত [Court of Joint District Judge];
৪. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত [Court of Senior Assistant Judge];
৫. সহকারী জজ আদালত [Court of Assistant Judge]।
১০,১২৮.
একজন ব্যক্তি যদি নিষিদ্ধ পণ্য (যেমন নিষিদ্ধ আমদানি সামগ্রী) বিক্রি, প্রদর্শন বা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে রাখেন, তাহলে তিনি বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ অনুযায়ী সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড পেতে পারেন?
  1. ৫ বছর
  2. ৭ বছর
  3. ১০ বছর
  4. ১৪ বছর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
ব্যাখ্যা
The Special Powers Act, 1974: ধারা ২৫খ- চোরাচালানের শাস্তি–
(১) যদি কোনো ব্যক্তি আপাতত বলবত কোনো আইন দ্বারা বা আইনের অধীন আরোপিত বিধি-নিষেধ বা নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গ করিয়া বা আপাতত বলবত কোনো আইনের অধীন আদায়যোগ্য শুল্ক বা কর ফাঁকি দিয়া-
(ক) পাট, স্বর্ণ বা রৌপ্যের বাঁট, স্বর্ণ বা রৌপ্য নির্মিত দ্রব্য, মুদ্রা, খাদ্যদ্রব্য, ঔষধ, আমদানিকৃত পণ্যদ্রব্য, অথবা অন্য কোনো পণ্যদ্রব্য বাংলাদেশের বাহিরে নেয়; বা
(খ) বাংলাদেশের ভিতরে কোনো পণ্যদ্রব্য আনয়ন করেন,
তাহা হইলে তিনি মৃত্যুদণ্ডে, বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, বা অনধিক চৌদ্দ বৎসর ও অন্যূন দুই বৎসর সশ্রম কারাদন্ডে, এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হইবেন।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি আপাতত বলবত কোনো আইন দ্বারা বা আইনের অধীন বাংলাদেশে আনয়ন করা নিষিদ্ধ এইরূপ পণ্যদ্রব্য বিক্রয় করেন, বা বিক্রয়ের জন্য প্রস্তাব করেন বা প্রদর্শন করেন বা বিক্রয়ের জন্য তাহার দখলে বা নিয়ন্ত্রণে রাখেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক সাত বৎসর কিন্তু এক বৎসরের নিম্নে নহে কারাদণ্ডে এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হইবেন।

ব্যাখ্যা: যা পণ্য নিষিদ্ধের সময় বাসভবনবহির্ভূত কোনো জায়গায় পাওয়া যায়, আদালত ধরে নেবে যে এটি ‘বিক্রির উদ্দেশ্যে’ রাখা হয়েছিল; মালিককে প্রমাণ করতে হবে যে তা বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা হয়নি বা নিষেধাজ্ঞার বলবৎ হওয়ার আগে আমদানি করা হয়েছিল।
১০,১২৯.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট কয়টি তফসিল রয়েছে?
  1. ৬টি
  2. ৫টি
  3. ৩টি
  4. ২টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ৫টি তফসিল রয়েছে, যা নিম্নরূপ:

১ম তফসিল (First Schedule)- বাতিল

২য় তফসিল (Second Schedule)- আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ, জামিনযোগ্য ও জামিন-অযোগ্য অপরাধ এবং দন্ডবিধির অপরাধসমূহ কোন আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য ইত্যাদি বিষয়সমূহ উল্লেখ রয়েছে

৩য় তফসিল (Third Schedule)- ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে

৪র্থ তফসিল (Fourth Schedule)- ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে

৫ম তফসিল (Fifth Schedule)- ফরম সমূহের বিষয়ে বলা রয়েছে।
১০,১৩০.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর কত ধারার অধীন পারিবারিক আপিল আদালত অন্তর্বর্তী আদেশ প্রদান করতে পারে?
  1. ধারা ২১
  2. ধারা ২২
  3. ধারা ২৩
  4. ধারা ২৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২১
ব্যাখ্যা

পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ২১: পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত কর্তৃক অন্তর্বর্তী আদেশ প্রদান:
যদি মোকদ্দমা বা আপিলের যেকোনো পর্যায়ে, পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত হলফনামা বা অন্য কিছু দ্বারা এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, মোকদ্দমা বা আপিলের উদ্দেশ্যকে ব্যাহত করা হইতে কোনো পক্ষকে বিরত রাখিবার জন্য তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি, সেইক্ষেত্রে আদালত উহার নিকট যেরূপ উপযুক্ত প্রতীয়মান হইবে সেইরূপ অন্তর্বর্তী আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।

১০,১৩১.
আবুল রাত্রিবেলা একটি গৃহে প্রবেশ করে। গৃহটিতে প্রবেশে আবুলের আইনগত অধিকার রয়েছে। বাবুল সরল বিশ্বাসে আবুলকে চোর ভেবে আক্রমণ করে। এক্ষেত্রে বাবুল কি ধরনের অপরাধ করেছে?
  1. আঘাত
  2. বেআইনি আক্রমণ
  3. আক্রমণ
  4. কোন অপরাধ করেনি
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ করেনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ করেনি
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৯৬ ধারা মতে আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগকালে কৃত কোন কিছুই অপরাধ নয়। অর্থাৎ আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করতে গিয়ে কোন অপরাধ সংঘটিত হলেও তা অপরাধ বলে গণ্য হবেনা।
• অন্যভাবে বলা যায় যে, ৭৬ ধারা অনুযায়ী এটি একটি Mistake of fact যে কারণে বাবুলের কৃত কাজটি কোন অপরাধ বলে গণ্য হবে না।
১০,১৩২.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ২ ধারায় কোন আইনকে সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের উপর প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে?
  1. সকল ধর্মীয় আইন
  2. স্থানীয় আইন
  3. মুসলিম আইন
  4. বিশেষ অপরাধ আইন
সঠিক উত্তর:
মুসলিম আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুসলিম আইন
ব্যাখ্যা
• সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ২ ধারায় মুসলিম আইনকে সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের উপর প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। মুসলিম আইন অনুযায়ী- কোন মুসলিম সম্পত্তি হস্তান্তর করলে, সেই হস্তান্তরকে সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ২য় অধ্যায়ের বিধানাবলী প্রভাবিত করবে না। অন্যদিকে সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৮ম অধ্যায়ে ১২৯ ধারায় বলা হয়েছে, ৮ম অধ্যায়ে দান সম্পর্কিত কোন বিধান মুসলিম আইনের অধীন দানকে প্রভাবিত করবে না।

Section 2: Repeal of Acts Saving of certain enactments, incidents, rights, liabilities, etc.
Nothing herein contained shall be deemed to affect- 
(a) the provisions of any enactment not hereby expressly repealed: 
(b) any terms or incidents of any contract or constitution of property which are consistent with the provisions of this Act, and are allowed by the law for the time being in force: 
(c) any right or liability arising out of a legal relation constituted before this Act comes into force, or any relief in respect of any such right or liability: or 
(d) save as provided by section 57 and Chapter IV of this Act, any transfer by operation of law or by, or in execution of, a decree or order of a Court of competent jurisdiction: and nothing in the second chapter of this Act shall be deemed to affect any rule of Muslim law.
১০,১৩৩.
কোনো অপরাধ সংঘটিত হলে এবং সেটি কোন অপরাধ এই বিষয়ে যদি সন্দেহ থাকে,তখন নিম্নলিখিত কোন বিষয়টি সঠিক?
  1. তাকে উক্ত অপরাধসমূহের মধ্যে যেকোনো একটির জন্য বিকল্পভাবে অভিযুক্ত করা যাবে
  2. আসামীকে এরুপ সকল বা কোন একটি অপরাধে অভিযুক্ত করা যেতে পারে
  3. এরুপ যেকোনো সংখ্যক অভিযোগের বিচার একই সময়ে হতে পারে
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৩ তে প্রত্যেকটি সুস্পষ্ট আলাদা অপরাধের জন্য পৃথক অভিযোগ গঠনের বিধান রয়েছে।
এই ধারা অনুসারে, ২৩৪, ২৩৫, ২৩৬ ও ২৩৯ ধারায় উল্লেখিত ক্ষেত্র ব্যতীত কোন ব্যক্তি কোন অপরাধে অভিযুক্ত হলে প্রত্যেকটি সুস্পষ্ট অপরাধের জন্য একটি পৃথক অভিযোগ হবে এবং এরূপ প্রত্যেকটি অভিযোগের বিচার পৃথকভাবে হবে।

• তবে ধারা ২৩৬ অনুযায়ী যদি একটিমাত্র কাজ অথবা ধারাবাহিক কতিপয় কাজ এরূপ প্রকৃতির হয় যে,যেসকল তথ্য প্রদান করা যায় তার ভিত্তিতে কতিপয় অপরাধের মধ্যে কোনটি গঠিত হয় সে সম্পর্কে সন্দেহ থাকে,তাহলে অভিযুক্তকে এরূপ সকল অথবা কোন একটি সংঘটিত অপরাধে অভিযুক্ত করা যাবে এবং যেকোনো সংখ্যক অভিযোগের বিচার একই সময় হতে পারবে:অথবা তাকে উক্ত অপরাধসমূহের মধ্যে যে কোন একটির জন্য বিকল্পভাবে অভিযুক্ত করা যাবে।

[If a single act or series of acts is of such a nature that it is doubtful which of several offences the facts which can be proved will constitute,the accused may be charged with having committed all or any of such offences and any number of such charges may be tried at once;or he may be charged in the alternative with having committed some one of the said offences.]
১০,১৩৪.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার শর্ত লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে আদালত কী করতে পারে?
  1. সম্পত্তি ক্রোক করতে পারে
  2. দেওয়ানি জেলে আটক করতে পারে
  3. ক এবং খ উভয়টি
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়টি
ব্যাখ্যা

দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-২: লংঘনের পুনরাবৃত্তি বা ধারাবাহিকতা রোধক্রমে নিষেধাজ্ঞা-
১) বিবাদীকে চুক্তি লঙ্ঘন বা অন্য কোন প্রকার অনিষ্ট করা থেকে বিরত রাখার মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবী করা হয়ে থাকুক বা না থাকুক, মোকদ্দমা শুরু হওয়ার পর যে কোন সময় এবং রায়ের পূর্বে বা পরে বাদী অভিযোগে আনীত চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে কিংবা একই চুক্তি থেকে উদ্ভূত অথবা একই সম্পত্তি বা অধিকারের সাথে সম্পর্কিত কোন চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে বিবাদীকে বিরত রাখার জন্য আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে।

২) নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ, হিসাব রক্ষণ, জামানত প্রদান অথবা অন্য প্রকারে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্ত সাপেক্ষে অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করে আদেশ প্রদান করতে পারে।

৩) যদি অমান্য করা হয় কিংবা অনুরূপ কোন শর্ত লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত অনুরূপ অমান্য করা বা লঙ্ঘন করার জন্য দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে অনধিক ছয় মাস মেয়াদের জন্য দেওয়ানি জেলে আটক রাখতেও নির্দেশ দিতে পারে, যদি না আদালত ইতোমধ্যে তার মুক্তির আদেশ প্রদান করে থাকে।

৪) এই বিধির অধীনে কোন ক্রোক এক বৎসরের অধিক বলবৎ থাকবে না এবং উক্ত সময়ের পরও যদি অমান্য বা লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে তবে ক্রোকী সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ খেসারতের আদেশ প্রদান করতে পারে এবং অবশিষ্ট অর্থ, যদি থাকে, তাতে অধিকারী পক্ষকে প্রদান করবে।

১০,১৩৫.
Enlargement of Time এর মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. মামলা দীর্ঘায়িত করা
  2. সরকারি রাজস্ব আদায়
  3. আদালতের কাজের চাপ কমানো
  4. ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পক্ষগুলিকে পর্যাপ্ত সময় দেওয়া
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পক্ষগুলিকে পর্যাপ্ত সময় দেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পক্ষগুলিকে পর্যাপ্ত সময় দেওয়া
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১৪৮ অনুযায়ী, যদি আদালত কোনো নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য সময় নির্ধারণ করে দেয় এবং সেই সময় অতিক্রান্ত হয়ে যায়, তাহলেও আদালত তার সুবিবেচনায় সময় বাড়াতে পারেন, যেন পক্ষগুলো ন্যায়বিচারের জন্য যথাযথ প্রস্তুতি ও সুযোগ পায়।
এটি কোনো পক্ষকে হয়রানি করার জন্য নয় বরং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানের একটি ব্যবস্থা।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৪৮ ধারার বিধান সময় বাড়ানো (Enlargement of time)- আইনে অনুমোদিত কোন কাজ করার জন্য আদালত কোন সময় নির্ধারণ করে দেয়ার পরও (এমনকি নির্ধারিত সময় পার হলেও) ১৪৮ ধারা অনুযায়ী আদালত তার সুবিবেচনামূলক ক্ষমমতাবলে সময়ে সময়ে উক্ত সময়কাল বাড়াতে পারে।
- ১৪৮ ধারার বিধান মোতাবেক কোনো নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হয়ে গেলে আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত উক্ত কাজ সম্পাদনের জন্য পক্ষদেরকে সময় মনজুর করতে পারেন। এটি আদেশ ১৭- এর adjournments সংক্রান্ত বিধান থেকে আলাদা। adjournments আদেশে শুধু শুনানী মূলতবীর জন্য সময় দেওয়ার বিধান আছে। কিন্তু ১৪৮ ধারার বিধান মোতাবেক যে কোনো কাজের জন্য নির্ধারিত সময় বৃদ্ধির আবেদন করা যায়। 
--------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section: 148. Enlargement of time.
Where any period is fixed or granted by the Court for the doing of any act prescribed or allowed by this Code, the Court may, in its discretion, from time to time, enlarge such period, even though the period originally fixed or granted may have expired.
১০,১৩৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় আদালত আংশিকভাবে দলিল বাতিল করতে পারে?
  1. ৩৯ ধারায়
  2. ৪০ ধারায়
  3. ৪১ ধারায়
  4. ৪২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০ ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪০ ধারার বিধান- যে সকল দলিল আংশিকভাবে বিলুপ্তযোগ্য:
যেখানে দলিল বিভিন্ন অধিকার বা বিভিন্ন বাধ্যবাধকতার সাক্ষ্য হয়, সেখানে আদালত যথাযথ মামলায় আংশিকভাবে তা বিলুপ্তযোগ্য এবং অবশিষ্টাংশকে বহাল রাখতে পারেন।

উদাহরণ:
'ক', 'খ' এর নামে একটি হুণ্ডি প্রণয়ন করল, উহা পৃষ্ঠাঙ্কনের মাধ্যমে 'গ' কে প্রদান করল, যার দ্বারা পৃষ্ঠাঙ্কনের ফলে তা 'ঘ' কে প্রদত্ত হয়েছে মর্মে প্রতীয়মান হয়, 'ঘ' আবার পৃষ্ঠাঙ্কনের মাধ্যমে তা 'ঙ' কে প্রদান করেছে। 'গ'-এর পৃষ্ঠাঙ্কন জাল ছিল। 'গ' হুণ্ডিকে অন্যান্য ব্যাপারে বহাল রেখে উক্ত পৃষ্ঠাঙ্কনের বিলুপ্তি পাবার অধিকারী।

⇒ Section 40- What instruments may be partially cancelled:
Where an instrument is evidence of different rights or different obligations, the Court may, in a proper case, cancel it in part and allow it to stand for the residue. 

Illustration-
A draws a bill on B, who endorses it to C, by whom it appears to be endorsed to D, who endorses it to E. C's endorsement is forged. C is entitled to have such endorsement cancelled, leaving the bill to stand in other respects.

১০,১৩৭.
‘A’ বন্ধুত্বের খাতিরে ‘Z’-এর লাইব্রেরি থেকে ‘Z’-এর সম্মতি ছাড়া একটি বই নিয়ে আসে এবং পরে তা বিক্রি করে দেয়। এর ফলে ‘A’ কোন অপরাধ করেছে?
  1. চুরি
  2. অনিষ্টসাধন
  3. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
  4. অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ
সঠিক উত্তর:
অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ
ব্যাখ্যা
⇒ অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাতের সংজ্ঞা (Dishonestly misappropriation of property)- স্বাভাবিকভাবে বা দৈবচক্রে কোন সম্পত্তি দখলে আসার পর, প্রকৃত মালিকের খোঁজ খবর না নিয়েই অথবা প্রকৃত মালিকের সন্ধান পাওয়া গেলে তাকে উক্ত সম্পত্তি ফেরত না দিয়ে নিজে ভোগ করলে তা অসাধুভাবে আত্মসাৎ হবে।
⇒ প্রাথমিকভাবে সম্পত্তি গ্রহণ করলেই তা অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ হবে না বরং পরবর্তীতে যখনই সম্পত্তিটি অসাধুভাবে নিজ ব্যবহারে পরিণত করা হয়, তখনই তা অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ বলে গণ্য হবে।
⇒ যেমন- 'A' নিজের মনে করে 'X'-এর সম্পত্তি সরল মনে 'X'-এর দখল হতে নিয়ে যায়। এক্ষেত্রে 'A' চুরির জন্য দায়ী হবে হবে না: কিন্তু যদি 'A' নিজের ভুল বোঝার পরেও অসাধুভাবে সম্পত্তিটি তার নিজের ব্যবহারের জন্য আত্মসাৎ করে, সেক্ষেত্রে 'A' অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাতের অপরাধে দায়ী হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৩ ধারার বিধান অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ:- কোন ব্যক্তি যদি অসাধুভাবে কোন অস্থাবর সম্পত্তি আত্মসাৎ করে অথবা উহা তার নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কিছু সময়ের জন্য একটি অসাধু আত্মসাৎও এই ধারা অনুযায়ী আত্মসাৎ বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ২:- কোন ব্যক্তি যদি কোন সম্পত্তি কারো দখলে নাই দেখতে পেয়ে সম্পত্তিটি উহার মালিকের স্বপক্ষে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে অথবা মালিককে প্রত্যর্পণের উদ্দেশ্যে উহা নিয়ে যায়, তবে সে অসাধুভাবে উহা নিয়ে গিয়েছে বা আত্মসাৎ করেছে বলে পরিগণিত হবে না এবং কোন অপরাধে অপরাধী হবে না; কিন্তু সে উপরে বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে যদি সে সম্পত্তিটির মালিককে জানা সত্ত্বেও বা মালিককে খুঁজে বাহির করার উপায় থাকা সত্ত্বেও উহা নিজের কাজে ব্যবহার করে, অথবা যদি সে মালিককে খুঁজে বাহির করার ও তাকে বিজ্ঞাপিত করার জন্য যুক্তিসঙ্গত মাধ্যম অবলম্বনের উদ্দেশ্যে যথোপযুক্ত সময় পর্যন্ত সম্পত্তিটি সংরক্ষণ না করে উহা তার নিজের কাজে ব্যবহার করে।

অনুরূপ ক্ষেত্রে যুক্তিসঙ্গত মাধ্যম কি এবং যথোপযুক্ত সময় কত দীর্ঘ হবে তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন। সম্পত্তিটি প্রাপকের পক্ষে উহার যথার্থ মালিককে তা জানার বা কোন বিশেষ ব্যক্তি যে উহার মালিক তা জানার আবশ্যক নাই; যদি সে সম্পত্তিটি আত্মসাৎ করার সময় উহা যে তার নয় তা বিশ্বাস করে বা সরল মনে বিশ্বাস করে যে, প্রকৃত মালিককে খুঁজে বাহির করা সম্ভব নয়, তবে তাই যথেষ্ট হবে।
১০,১৩৮.
শিশুদের ক্ষেত্রে মানব পাচারের সংজ্ঞায় কোন বিষয়টি বিবেচনা করা হয় না?
  1. শিশুর বয়স
  2. শোষণের উদ্দেশ্য
  3. স্থানান্তর বা আটক
  4. বলপ্রয়োগ বা প্রতারণার মাধ্যম
সঠিক উত্তর:
বলপ্রয়োগ বা প্রতারণার মাধ্যম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বলপ্রয়োগ বা প্রতারণার মাধ্যম
ব্যাখ্যা

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২-এর ধারা ৩(২)-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, শিশুদের ক্ষেত্রে মানব পাচার অপরাধ সংঘটিত হওয়ার জন্য ধারা ৩(১)-এ বর্ণিত মাধ্যমগুলো (যেমন: ভয়ভীতি প্রদর্শন, বলপ্রয়োগ, প্রতারণা, অর্থ লেনদেন বা দুর্বলতার সুযোগ নেওয়া) বিবেচনা করা হয় না। এর অর্থ হলো, শিশুদের ক্ষেত্রে মানব পাচারের সংজ্ঞা প্রতিষ্ঠিত হওয়ার জন্য এই মাধ্যমগুলোর উপস্থিতি প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই। শিশু পাচারের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র শোষণের উদ্দেশ্য এবং স্থানান্তর, আটক বা লুকাইয়া রাখার মতো কার্যক্রম প্রমাণিত হলেই তা মানব পাচার হিসেবে গণ্য হবে।

অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
ক) শিশুর বয়স: শিশু সংজ্ঞায়িত হয় ১৮ বছরের কম বয়সী ব্যক্তি হিসেবে (ধারা ২(১৪))। শিশুদের ক্ষেত্রে মানব পাচারের সংজ্ঞায় বয়স একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, কারণ এটি শিশু কিনা তা নির্ধারণ করে। তাই এটি বিবেচনা করা হয়।
খ) শোষণের উদ্দেশ্য: মানব পাচারের সংজ্ঞায় শোষণের উদ্দেশ্য (যেমন: যৌন শোষণ, শ্রম শোষণ) একটি মূল উপাদান। শিশুদের ক্ষেত্রেও এটি বিবেচিত হয়।
গ) স্থানান্তর বা আটক: মানব পাচারের সংজ্ঞায় স্থানান্তর, আটক, বিক্রয়, চালান বা লুকাইয়া রাখা অন্তর্ভুক্ত। শিশুদের ক্ষেত্রেও এই কার্যক্রমগুলো বিবেচিত হয়।
ঘ) বলপ্রয়োগ বা প্রতারণার মাধ্যম: শিশুদের ক্ষেত্রে এই মাধ্যমগুলো বিবেচনা করার প্রয়োজন নেই, কারণ শিশুরা তাদের বয়স এবং দুর্বল অবস্থানের কারণে স্বাধীনভাবে সম্মতি দিতে অক্ষম বলে গণ্য হয়।

- অর্থাৎ শিশুদের ক্ষেত্রে মানব পাচারের সংজ্ঞায় বলপ্রয়োগ বা প্রতারণার মাধ্যম বিবেচনা করা হয় না, তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) বলপ্রয়োগ বা প্রতারণার মাধ্যম।

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২-এর ধারা ৩-মানব পাচার:
(১) ‘‘মানব পাচার’’ অর্থ কোন ব্যক্তিকে— 
(ক) ভয়ভীতি প্রদর্শন বা বলপ্রয়োগ করিয়া; বা 
(খ) প্রতারণা করিয়া বা উক্ত ব্যক্তির আর্থ-সামাজিক বা পরিবেশগত বা অন্য কোন অসহায়ত্বকে (vulnerability) কাজে লাগাইয়া; বা 
(গ) অর্থ বা অন্য কোন সুবিধা (kind) লেনদেন-পূর্বক উক্ত ব্যক্তির উপর নিয়ন্ত্রণ রহিয়াছে এমন ব্যক্তির সম্মতি গ্রহণ করিয়া; 
বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বা বাহিরে যৌন শোষণ বা নিপীড়ন বা শ্রম শোষণ বা অন্য কোনো শোষণ বা নিপীড়নের (exploitation) উদ্দেশ্যে বিক্রয় বা ক্রয়, সংগ্রহ বা গ্রহণ, নির্বাসন বা স্থানান্তর, চালান বা আটক করা বা লুকাইয়া রাখা বা আশ্রয় দেওয়া (harbour)।
(২) যেইক্ষেত্রে কোন শিশু পাচারের শিকার হয়, সেইক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এর দফা (ক) হইতে (গ) তে বর্ণিত মানব পাচার অপরাধ সংঘটনের মাধ্যমসমূহ (means)অনুসৃত হইয়াছে কিনা তাহা বিবেচিত হইবেনা।
ব্যাখ্যা— এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, যদি কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বা বাহিরে প্রতারণার মাধ্যমে, অসৎ উদ্দেশ্যে এবং বাধ্যতামূলক শ্রম বা ‘সার্ভিচিউড’ (servitude) বা ধারা-২ এর উপ-ধারা (১৫) এ বর্ণিত কোনো শোষণ বা নিপীড়নমূলক পরিস্থিতির শিকার হইতে পারে মর্মে জানা থাকা সত্বেও অন্য কোন ব্যক্তিকে কাজ বা চাকুরীর উদ্দেশ্যে গমন, অভিবাসন বা বহির্গমন করিতে প্রলুব্ধ বা সহায়তা করে, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির উক্ত কর্ম উপ-ধারা (১) এ সংজ্ঞায়িত ‘‘মানব পাচার’’ এর অন্তর্ভুক্ত হইবে।

১০,১৩৯.
কোন মোকদ্দমায় মৃত বাদীর বৈধ প্রতিনিধি কত দিনের মধ্যে সরাসরি মোকদ্দমার অ্যাবেটের আদেশ রদের দরখাস্ত করতে পারে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ-২২, বিধি-৯ক এর বিধান সরাসরি খারিজ বা বাতিল আদেশ রহিতকরণ: বাতিল বা খারিজের ৬০ দিনের মধ্যে যদি মৃত বাদীর আইনগত প্রতিনিধি বাতিল বা খারিজের আদেশকে রহিতকরণের জন্য আবেদন করে তাহলে আদালত বিলম্ব এড়ানো ও বিচার ত্বরান্বিত করার জন্য সাক্ষ্য উপস্থাপনের নির্দেশ প্রদান না করে বাতিল বা খারিজ আদেশ সরাসরি রহিত করতে পারেন। এক্ষেত্রে আদালত বাদীকে অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদানের আদেশ দিবেন।
------------------
⇒ Order-22 Rule-9A.Directly setting aside abatement or dismissal:
Notwithstanding anything contained in rule 9 or any other law, where the legal representative of a deceased plaintiff or the assignee or the receiver of any insolvent plaintiff files an application for setting aside abatement or dismissal made under this Order, within sixty days of abatement or dismissal, the Court may, in order to avoid delay and expedite disposal, set aside the abatement or dismissal without requiring the applicant to adduce evidence to prove sufficient cause as required under rule 9, but requiring him to pay such cost not exceeding three thousand taka as the Court may deem appropriate.
১০,১৪০.
Code of Criminal Procedure (Second Amendment) Ordinance, 2025 এর মাধ্যমে SCHEDULE II এর এন্ট্রি ১৪৩-এর ক্ষেত্রে কলাম ৬ এ কী পরিবর্তন করা হয়েছে?
  1. “Summons” থেকে “Warrant” করা হয়েছে
  2. “Bailable” থেকে “Not bailable” করা হয়েছে
  3. “Not compoundable” থেকে “Compoundable” করা হয়েছে
  4. “Compoundable” থেকে “Not compoundable” করা হয়েছে
সঠিক উত্তর:
“Not compoundable” থেকে “Compoundable” করা হয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
“Not compoundable” থেকে “Compoundable” করা হয়েছে
ব্যাখ্যা

⇒ Code of Criminal Procedure (Second Amendment) Ordinance, 2025 এর ধারা ২৭(ক) অনুযায়ী, SCHEDULE II এর এন্ট্রি ১৪৩ (দণ্ডবিধির ধারা ১৪৩ - অবৈধ সমাবেশের সদস্য হওয়া) এর বিপরীতে কলাম ৬-এর এন্ট্রি “Not compoundable” (অ-মীমাংসাযোগ্য) থেকে “Compoundable” (মীমাংসাযোগ্য) এ পরিবর্তন করা হয়েছে। এর অর্থ হল, এই অপরাধটি এখন আক্রান্ত পক্ষের সাথে সমঝোতা (compromise) করার মাধ্যমে আদালতের বাইরে নিষ্পত্তি করা যাবে।

⇒  Code of Criminal Procedure (Second Amendment) Ordinance, 2025 এর ধারা ২৭(ক) অনুসারে, The Code of Criminal Procedure, 1898 এর SCHEDULE II এর কলাম ১-এ উল্লিখিত এন্ট্রি ১৪৩-এর বিপরীতে কলাম ৬-এর এন্ট্রিতে নিম্নলিখিত পরিবর্তন করা হয়েছে: 
⇒  পূর্বে: “Not compoundable” (অ-মীমাংসাযোগ্য) → সংশোধনীর পর: “Compoundable” (মীমাংসাযোগ্য)

 ⇒  এন্ট্রি ১৪৩ এর প্রেক্ষাপট:
- এন্ট্রি ১৪৩ The Penal Code, 1860 এর ধারা ১৪৩-এর সাথে সম্পর্কিত, যা অবৈধ সমাবেশে অংশগ্রহণ (Being a member of an unlawful assembly) অপরাধকে নির্দেশ করে। এই অপরাধের জন্য শাস্তি হলো সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ড বা জরিমানা, অথবা উভয়ই।
SCHEDULE II এর কলাম ৬ এই অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (compoundable) কি না তা নির্দেশ করে। মীমাংসাযোগ্য অপরাধ বলতে এমন অপরাধ বোঝায় যেখানে অভিযোগকারী এবং আসামির মধ্যে সমঝোতার মাধ্যমে মামলা নিষ্পত্তি করা যায়।

সংশোধনীর বিবরণ:

→ পূর্বের অবস্থা: এন্ট্রি ১৪৩-এর ক্ষেত্রে কলাম ৬-এ উল্লেখ ছিল “Not compoundable”, অর্থাৎ এই অপরাধটি সমঝোতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা যেত না।
→ সংশোধনীর পর: Code of Criminal Procedure (Second Amendment) Ordinance, 2025 এর মাধ্যমে এটি “Compoundable” করা হয়েছে। এর ফলে, এই অপরাধের ক্ষেত্রে অভিযোগকারী (যিনি অবৈধ সমাবেশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন) এবং আসামির মধ্যে সমঝোতার মাধ্যমে মামলা নিষ্পত্তি করা সম্ভব হবে।এই পরিবর্তনটি ধারা ৩৪৫-এর সংশোধনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যেখানে বলা হয়েছে যে ধারা ১৪৩-এর অপরাধ “The person against whom the unlawful assembly was assembled” (অবৈধ সমাবেশের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী ব্যক্তি) দ্বারা মীমাংসাযোগ্য।

১০,১৪১.
'ক' অসৎ উদ্দেশ্যে জনৈক মহিলার সম্মতি ছাড়া ও মহিলা বিরক্ত হবেন জেনেও তার ঘোমটা খুলে ফেলেন। 'ক' কোন অপরাধ করেছেন?
  1. Assault
  2. Causing hurt
  3. Use of criminal force
  4. Assault with intent to outrage modesty
সঠিক উত্তর:
Use of criminal force
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Use of criminal force
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫০ ধারার: অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ:-
-কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির উপর সম্মতি ব্যতীত বল প্রয়োগ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অথবা অনুরূপ শক্তি প্রয়োগ কর্তৃক, যে ব্যক্তির উপর বল প্রয়োগ করা হল, তার জখম বা ভয় বা বিরক্তি উৎপাদনের উদ্দেশ্যে অথবা তার শক্তি প্রয়োগের ফলে, যার উপর শক্তি প্রয়োগ করা হল, তার জখম, ভয় বা বিরক্তি উৎপাদিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও যদি সে অনুরূপ বল প্রয়োগ করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
উদাহরণ:
(চ) ক উদ্দেশ্যমূলকভাবে জনৈক মহিলার ঘোমটা খুলে ফেলে। এখানে, ক উদ্দেশ্যমূলকভাবে মহিলাটির উপর বল প্রয়োগ করেছে। ক যদি মহিলাটির সম্মতি ব্যতীত তা করে থাকে এবং তার উদ্দেশ্য যদি হয়- অথবা যদি তার জানা থাকে যে- মহিলাটি আহত, ভীতিগ্রস্ত বা বিরক্ত হবে, তবে সে মহিলাটির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে।

(ছ) ক চ-এর সম্মতি ব্যতীত চ-এর উপর একটি কুকুরকে ঝাঁপিয়ে পড়তে লেলিয়ে দেয়। এখানে ক-এর উদ্দেশ্য যদি হয় চ-কে আহত, ভীতিগ্রস্ত বা বিরক্ত করা, তবে ক চ-এর উপর অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করেছে।
------------------------
⇒ The Penal Code, 1860: Section-350. Criminal force:
-Whoever intentionally uses force to any person, without that person's consent, in order to the committing of any offence, or intending by the use of such force to cause, or knowing it to be likely that by the use of such force he will cause injury, fear or annoyance to the person to whom the force is used, is said to use criminal force to that other.
Illustrations:
(a) Z is sitting in a moored boat on a river. A unfastens the moorings, and thus intentionally causes the boat to drift down the stream. Here A intentionally causes motion to Z, and he does this by disposing substances in such a manner that the motion is produced without any other action on any person's part. A has therefore intentionally used force to Z; and if he has done so without Z's consent, in order to the committing of any offence, or intending or knowing it to be likely that this use of force will cause injury, fear or annoyance to Z, A has used criminal force to Z.

(b) Z is riding in a chariot. A lashes Z's horses, and thereby causes them to quicken their pace. Here A has caused change of motion to Z by inducing the animals to change their motion. A has therefore used force to Z; and if A has done this without Z's consent, intending or knowing it to be likely that he may thereby injure, frighten or annoy Z, A has used criminal force to Z.

(c) Z is riding in a palanquin. A, intending to rob Z, seizes the pole and stops the palanquin. Here A has caused cessation of motion to Z, and he has done this by his own bodily power. A has therefore used force to Z; and as A has acted thus intentionally, without Z's consent, in order to the commission of an offence. A has used criminal force to Z.
(d) A intentionally pushes against Z in the street. Here A has by his own bodily power moved his own person so as to bring it into contact with Z. He has therefore intentionally used force to Z; and if he has done so without Z's consent, intending or knowing it to be likely that he may thereby injure, frighten or annoy Z, he has used criminal force to Z.

(e) A throws a stone, intending or knowing it to be likely that the stone will be thus brought into contact with Z, or with Z's clothes, or with something carried by Z, or that it will strike water, and dash up the water against Z's clothes or something carried by Z. Here, if the throwing of the stone produce the effect of causing any substance to come into contact with Z, or Z's clothes, A has used force to Z; and if he did so without Z's consent, intending thereby to injure, frighten or annoy Z, he has used criminal force to Z.

(f) A intentionally pulls up a woman's veil. Here A intentionally uses force to her, and if he does so without her consent intending or knowing it to be likely that he may thereby injure, frighten or annoy her, he has used criminal force to her.

(g) Z is bathing, A pours into the bath water which he knows to be boiling. Here A intentionally by his own bodily power causes such motion in the boiling water as brings that water into contact with Z, or with other water so situated that such contact must affect Z's sense of feeling: A has therefore intentionally used force to Z; and if he has done this without Z's consent intending or knowing it to be likely that he may thereby cause injury, fear or annoyance to Z, A has used criminal force.
(h) A incites a dog to spring upon Z, without Z's consent. Here, if A intends to cause injury, fear or annoyance to Z, he uses criminal force to Z.
১০,১৪২.
The Transfer of Property Act, 1882 এর ধারা ১৬ অনুসারে, যদি পূর্ববর্তী স্বার্থ ধারা ১৩ বা ১৪ অনুযায়ী ব্যর্থ হয়, তাহলে:
  1. কেবল পূর্ববর্তী স্বার্থ বাতিল হবে
  2. পরবর্তী স্বার্থও ব্যর্থ হবে
  3. পরবর্তী স্বার্থ তবুও কার্যকর থাকবে
  4. আদালত নতুন করে সিদ্ধান্ত দেবে
সঠিক উত্তর:
পরবর্তী স্বার্থও ব্যর্থ হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরবর্তী স্বার্থও ব্যর্থ হবে
ব্যাখ্যা
The Transfer of Property Act, 1882- ধারা ১৬: পূর্ববর্তী স্বার্থ ব্যর্থ হলে পরবর্তী হস্তান্তরও ব্যর্থ হবে-
যখন ধারা ১৩ ও ১৪-এ বর্ণিত কোনো নিয়মের কারণে কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গের শ্রেণির জন্য সৃষ্ট স্বার্থ (interest) ব্যর্থ হয়, তখন একই লেনদেনের (transaction) মধ্যে যদি সেই ব্যর্থ স্বার্থের পরে কার্যকর হওয়ার জন্য কোনো পরবর্তী স্বার্থ সৃষ্টি করা হয়ে থাকে, সেটিও ব্যর্থ বলে গণ্য হবে।

[Where, by reason of any of the rules contained in sections 13 and 14, an interest created for the benefit of a person or of a class of persons fails in regard to such person or the whole of such class, any interest created in the same transaction and intended to take effect after or upon failure of such prior interest also fails.]
১০,১৪৩.
The General Clauses Act, 1897 এর কোন ধারা নিশ্চিত করে যে, আইনের প্রয়োগের ক্ষেত্রে অর্ডিন্যান্সকেও ‘আইন’ হিসেবে গণ্য করা হবে?
  1. ২৭ ধারা
  2. ২৮ ধারা
  3. ২৯ ধারা
  4. ৩০ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ ধারা
ব্যাখ্যা

The General Clauses Act, 1897 এর ধারা ৩০: অর্ডিন্যান্সের ক্ষেত্রে আইনের প্রয়োগ:
এই আইনের মধ্যে ‘সংসদে গৃহীত আইন’ শব্দগুচ্ছ, যেখানে-যেখানে এটি ব্যবহার করা হয়েছে (ধারা ৫ ব্যতীত), এবং ‘আইন’ শব্দটি ধারা ৩-এর উপধারা (৯), (১২), (৩৮), (৪৮) ও (৫০) এবং ধারা ২৫-এ ব্যবহৃত হয়েছে, তা এমনভাবে গণ্য হবে যে এটি অর্ডিন্যান্সকেও অন্তর্ভুক্ত করে, যা প্রণীত ও প্রচলিত হয়েছে যে কেউ সংবিধানের কোনো বিধানের অধীনে আইন প্রণয়নের ক্ষমতা রাখে অথবা বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির দ্বারা সংবিধানের অধীনে।

⇒ এই ধারা নিশ্চিত করে যে, আইনের প্রয়োগের ক্ষেত্রে অর্ডিন্যান্সকেও ‘আইন’ হিসেবে গণ্য করা হবে।

১০,১৪৪.
দেওয়ানি কার্যবিধিতে বর্ণিত সংজ্ঞা অনুসারে- 'Code' includes _______.
  1. decrees
  2. orders
  3. rules 
  4. regulations
সঠিক উত্তর:
rules 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
rules 
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(১): "Code" includes rules.

ধারা ২: সংজ্ঞা (Definitions)
এই আইন অনুযায়ী, যদি বিষয় বা প্রসঙ্গে অন্য কিছু ব্যাখ্যা না নির্দেশিত থাকে, তবে-
(১) “কোড” (Code) বলতে বিধি (Rules) অন্তর্ভুক্ত হবে।

১০,১৪৫.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে, স্থাবর সম্পত্তি ভাগবাটোয়ারার মোকদ্দমা দায়ের করার যায় যেখানে -
  1. বাদী বসবাস করে
  2. বিবাদী বসবাস করে
  3. বিরোধীয় সম্পত্তি অবস্থিত
  4. "ক" অথবা "খ" যে কোনো একটিতে
সঠিক উত্তর:
বিরোধীয় সম্পত্তি অবস্থিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিরোধীয় সম্পত্তি অবস্থিত
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৬ থেকে ১৮ পর্যন্ত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করা যায় তা উল্লেখ করা আছে। ধারা ১৬ অনুযায়ী মোকদ্দমার বিষয়বস্তু যে আদালতের আঞ্চলিক সীমানার মধ্যে অবস্থিত, সেই আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।

- সাধারণত স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত মোকদ্দমা যেমন-
স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার,
স্থাবর সম্পত্তি ভাগ-বাটোয়ারা,
স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত কোন ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা
আটক বা ক্রোককৃত অস্থাবর সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য মোকদ্দমা; সেই আদালতে দায়ের করতে হবে যেখানে উক্ত বিরোধীয় সম্পত্তি অবস্থিত।

- তবে স্থাবর সম্পত্তির বন্ধকের ক্ষেত্রে বন্ধকি সম্পত্তি খালাসের অধিকারহরণ (foreclosure) বা বন্ধকি সম্পত্তি বিক্রয় বা উদ্ধারের (redemption) মামলা সেই আদালতে দায়ের করতে হবে, যেখানে মোকদ্দমা দায়েরের আংশিক বা সম্পূর্ণ কারণ উৎপত্তি হয়েছে।
১০,১৪৬.
দণ্ডবিধির কত ধারায় 'Threat of injury to public servant' এর শাস্তির বিধান আছে?
  1. দণ্ডবিধির ১৮৬ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ১৮৮ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ১৮৯ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ১৯০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ১৮৯ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ১৮৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১৮৯ ধারার বিধান সরকারী কর্মচারীকে ক্ষতিসাধনের হুমকি:- কোন সরকারী কর্মচারী হিসেবে তার সরকারী কর্তব্য সম্পাদনের সাথে সংশ্লিষ্ট কোন কাজ করতে প্রবৃত্ত করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন কাজ করা হতে বিরত হওয়ার বা করতে বিলম্ব করার জন্য বাধ্য করার উদ্দেশ্যে, কোন ব্যক্তি যদি উক্ত সরকারী কর্মচারীকে অথবা অন্য যে কোন ব্যক্তির সাথে উক্ত সরকারী কর্মচারীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট, সে অন্য ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের হুমকি প্রদর্শন করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

♦ Section 189. Threat of injury to public servant:- Whoever holds out any threat of injury to any public servant, or to any person in whom he believes that public servant to be interested, for the purpose of inducing that public servant to do any act, or to forbear or delay to do any act, connected with the exercise of the public functions of such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
১০,১৪৭.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর অধীন অপরাধসমূহ কী ধরনের?
  1. আমলযোগ্য ও জামিনযোগ্য
  2. আমলযোগ্য ও আপোষযোগ্য
  3. অ-জামিনযোগ্য ও আপোষযোগ্য
  4. অ-আপোষযোগ্য ও অ-জামিনযোগ্য
সঠিক উত্তর:
অ-আপোষযোগ্য ও অ-জামিনযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ-আপোষযোগ্য ও অ-জামিনযোগ্য
ব্যাখ্যা

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ১৬ অনুসারে, এই আইনের অধীন সকল অপরাধ—
- আমলযোগ্য (Cognizable),
- অ-জামিনযোগ্য (Non-bailable) এবং
- অ-আপোষযোগ্য (Non-compoundable)।
অর্থাৎ, এই আইনের অধীনে কোনো অপরাধের অভিযোগ পাওয়া মাত্রই পুলিশ বিনা পরোয়ানায় তদন্ত শুরু করতে পারবে, অভিযুক্ত ব্যক্তি সাধারণভাবে জামিন পাবে না এবং ভিকটিম ও অভিযুক্তের মধ্যে আপোষ মীমাংসার মাধ্যমে মামলা নিষ্পত্তি করা যাবে না।

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ১৬: অপরাধের আমলযোগ্যতা, আপোষযোগ্যতা ও জামিনযোগ্যতা: এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ আমলযোগ্য (cognizable) , অ-জামিনযোগ্য(non-bailable) এবং অ-আপোসযোগ্য (non-compoundable) হইবে।

১০,১৪৮.
হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ এর কোন ধারা অনুযায়ী, হিন্দু বিবাহ নিবন্ধকের দায়িত্ব পালন সরকারি চাকরি হিসেবে গণ্য হয় না?
  1. ৫ ধারা
  2. ৭ ধারা
  3. ৮ ধারা
  4. ৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
৮ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ এর ৮ ধারা-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে: "ধারা ৪ এর অধীন হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক হিসাবে নিয়োগ প্রাপ্তি বা হিন্দু বিবাহ নিবন্ধকের দায়িত্ব পালন সরকারি চাকরি হিসাবে গণ্য হইবে না।"
- এই বিধান অনুযায়ী, হিন্দু বিবাহ নিবন্ধকরা সরকারি কর্মচারী নন এবং তারা সরকারি চাকুরীর সুযোগ-সুবিধা (পেনশন, গ্রেড ইত্যাদি) পাবেন না। তাদের ভূমিকা একটি স্বতন্ত্র নিবন্ধনকারী কর্তৃপক্ষ হিসেবে।
- অর্থাৎ হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ এর ৮ ধারা অনুযায়ী, হিন্দু বিবাহ নিবন্ধকের দায়িত্ব পালন সরকারি চাকরি হিসেবে গণ্য হয় না।

১০,১৪৯.
শরীরের ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকারের স্থিতিকাল _______
  1. মেয়াদহীন
  2. যুক্তিযুক্ত আতঙ্ক থাকা পর্যন্ত
  3. অপরাধের পর ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত
  4. আসামী ধরা না পড়া পর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
যুক্তিযুক্ত আতঙ্ক থাকা পর্যন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তিযুক্ত আতঙ্ক থাকা পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ১০২ ধারায় দেহ বা শরীর রক্ষার জন্য আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার কখন আরম্ভ হবে এবং উক্ত অধিকার কতক্ষন পর্যন্ত বহাল থাকবে তা আলোচনা করা হয়েছে।

দেহের প্রতি আক্রমন বা বিপদের যুক্তিযুক্ত আতংক সৃষ্টি হওয়ার সাথে সাথে (reasonable apprehension of danger) অথবা আক্রমন যদি এমন আশঙ্কা সৃষ্টি করে যে আক্রান্ত ব্যক্তি মনে করেন যে তিনি গুরুতর আঘাত পাবেন, সে সময় থেকেই দেহ সম্পর্কিত আত্মরক্ষার অধিকার শুরু হয় ।

অন্যদিকে যতক্ষন পর্যন্ত তদ্রূপ আক্রমনের উদ্যোগ বা আতংক কেটে না যায় ততক্ষন পর্যন্ত আত্মরক্ষার অধিকার বিদ্যমান থাকে।
১০,১৫০.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের কত অনুচ্ছেদ ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে?
  1. অনুচ্ছেদ ১১০
  2. অনুচ্ছেদ ১১২
  3. অনুচ্ছেদ ১২০
  4. অনুচ্ছেদ ১৩১
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১২০
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারার মোকদ্দমাকে ঘোষণামূলক মোকদ্দমা বলা হয়। শুধুমাত্র ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ তামাদি আইনের তফসিলে উল্লেখ করা হয়নি। তাই শুধুমাত্র ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য হবে।

• তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী-
ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ হবে ৬ বছর।
১০,১৫১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারার অধীন মামলায় পরাজিত হলে বাদী-
  1. ৮ ধারার অধীন মামলা করতে পারে
  2. ৮ ধারার অধীন মামলা করতে পারে না
  3. পুনরায় ৯ ধারার অধীন মামলা করতে পারে
  4. উল্লিখিত কোনটিই পারবে না
সঠিক উত্তর:
৮ ধারার অধীন মামলা করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ ধারার অধীন মামলা করতে পারে
ব্যাখ্যা
ধারা ৯- স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা:
যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তবে সে অথবা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে যদিও তেমন মামলায় অপর কোন স্বত্ব খাড়া করা হতে পারে, তথাপিও।
এই ধারার কোন কিছুই তেমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠা এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার জন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা দায়েরের পথে প্রতিবন্ধকতা হবে না।
এই ধারা অনুসারে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে না।
এই ধারা অনুসারে দায়েরকৃত মামলার প্রদত্ত কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপিল করা যাবে না অথবা তেমন কোন আদেশ বা ডিক্রি পুনর্বিবেচনার কোন অনুমতি প্রদান করা হবে না।

৯ ধারার ক্ষেত্রে Res-judicata:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারার অধীন মামলা করার পর বাদী যদি মামলায় পরাজিত হয়ে দখল উদ্ধারে ব্যর্থ হয়, তখন ঐ একই বাদী সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারা অনুযায়ী স্বত্ব ঘোষণাপূর্বক দখল উদ্ধারের মামলা করতে পারবে। সুতরাং ৯ ধারায় প্রাপ্ত রায় ৮ ধারায় মামলা করার ক্ষেত্রে রেজ-জুডিকেটা হবে না। কেননা ৯ ধারামতে বাদীকে সাধারন উপায়ে স্বত্ব প্রতিষ্ঠা ও দখল পুনরুদ্ধারে মামলা করতে বাধা দেয়া যাবে না। তবে কোন ব্যক্তি ৯ ধারার অধীন মামলা করার পর মামলায় পরাজিত হয়ে পুনরায় নতুন করে ৯ ধারার অধীন মামলা করতে পারবে না, কেননা তা রেজ-জুডিকেটা হবে।
১০,১৫২.
'ক', 'গ' কে গুরুতর আঘাতের ভয় দেখিয়ে অসাধুভাবে 'গ'-কে একটি কাগজে স্বাক্ষর করতে প্রবৃত্ত করে। 'গ' কাগজটিতে স্বাক্ষর করে ও তা 'ক' এর নিকট অর্পণ করে। 'ক' এর অপরাধ কী?
  1. ডাকাতি
  2. প্রতারণা
  3. দস্যূতা
  4. বলপূর্বক গ্রহণ
সঠিক উত্তর:
বলপূর্বক গ্রহণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বলপূর্বক গ্রহণ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৮৩ ধারার বিধান বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায়:- কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে কাউকে তার বা অপর কারো জখম হওয়ার ভয়ে অভিভূত করে এবং তদ্বারা অনুরূপ ভয়ে অভিভূত ব্যক্তিকে কোন ব্যক্তির কাছে যেকোন প্রকার দান বা চাঁদা প্রদানের বা কোন সম্পত্তি, মূল্যবান জামানত বা মূল্যবান জামানতে রূপান্তরযোগ্য কোন স্বাক্ষরিত বা সীলমোহরযুক্ত বস্তু অর্পণে অসাধুভাবে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি বল প্রয়োগে 'সম্পত্তি আদায়' করার অপরাধ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ উদাহরণসমূহ:
(ক) 'ক', 'গ'-কে এইরূপ ভয় দেখায় যে, 'গ' তাকে টাকা না দিলে 'ক' 'গ'-এর বিরুদ্ধে মানহানির কুৎসা রটনা করবে। এইভাবে সে তাকে টাকা দিতে 'গ'-কে বাধ্য করে। 'ক' বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায়' করেছে বলে পরিগণিত হবে।

⇒ বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায়ের সংজ্ঞা (Extortion)- কাউকে ক্ষতি করার ভয় দেখিয়ে তার নিকট থেকে স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি গ্রহণ করাকে বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায় বা extortion বলে। অন্যভাবে বলা যায়, কোন ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে অপর কোন ব্যক্তিকে মৃত্যুর ভয়, আঘাতের ভয় বা পথরুদ্ধ করার ভয় দেখিয়ে কোন কিছু দিতে বাধ্য করলে তাকে বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায় বলে।
⇒ বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায়ের উপাদান-
 স্থাবর ও অস্থাবর উভয় সম্পত্তির ক্ষেত্রে বলপূর্বক গ্রহণ হয়; এবং অপরাধী স্বয়ং উপস্থিত না থেকেও বলপূর্বক আদায় বা গ্রহণের অপরাধ করতে পারে।
যে ব্যক্তিকে ভয় দেখানো হয়েছে সে ব্যক্তি প্রকৃতপক্ষে সম্পত্তি অর্পণ করার সঙ্গেই বলপূর্বক গ্রহণের অপরাধ সংঘটিত হয়। 
বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায়ের ক্ষেত্রে দূরবর্তী ক্ষতির ভয় থাকলেও তাৎক্ষণিক কোন ক্ষতি হয়না।
----------------------------- 
⇒ The Penal Code, 1860-Section 383.Extortion:
- Whoever intentionally puts any person in fear of any injury to that person, or to any other, and thereby dishonestly induces the person so put in fear to give donation or subscription of any kind or to deliver] to any person any property or valuable security or anything signed or sealed which may be converted into a valuable security, commits "extortion". 
Illustrations:
(a) A threatens to publish a defamatory libel concerning Z unless Z gives him money. He thus induces Z to give him money. A has committed extortion. 
(b) A threatens Z that he will keep Z's child in wrongful confinement unless Z will sign and deliver to A a promissory note binding Z to pay certain money to A. Z signs and delivers the note. A has committed extortion. 
(c) A threatens to send club-men to plough up Z's field unless Z will sign and deliver to B and bond binding Z under a penalty to deliver certain produce to B, and thereby induces Z to sign and deliver the bond. A has committed extortion. 
(d) A, by putting Z in fear of grievous hurt, dishonestly induces Z to sign or affix his seal to a blank paper and deliver it to A. Z signs and delivers the paper to A. Here, as the paper so signed may be converted into a valuable security, A has committed extortion.
১০,১৫৩.
What is the maximum term of imprisonment under Section 363 of  for kidnapping a person from Bangladesh?
  1. 3 years
  2. 5 years
  3. 7 years
  4. 10 years
সঠিক উত্তর:
7 years
উত্তর
সঠিক উত্তর:
7 years
ব্যাখ্যা

⇒ The Penal Code, 1860 Section 362. Punishment for kidnapping:
Whoever kidnaps any person from Bangladesh or from lawful guardianship, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬৩ ধারার বিধান মনুষ্য হরণের সাজা:
 কোন ব্যক্তি যদি কাউকে বাংলাদেশ হতে অথবা আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

১০,১৫৪.
একটি সম্পত্তি দীর্ঘদিন ধরে সোহেল ব্যবহার করছেন। হঠাৎ একদিন রফিক দাবি করলেন যে, এই সম্পত্তি তার বাবার নামে ছিল এবং সোহেল অবৈধভাবে এটি দখল করেছেন। এই পরিস্থিতিতে—
  1. রফিককে মালিকানা প্রমাণ করতে হবে
  2. সোহেলকে মালিকানা প্রমাণ করতে হবে
  3. আদালত তদন্ত করে মালিক নির্ধারণ করবে
  4. উভয় পক্ষকেই সমানভাবে মালিকানা প্রমাণ করতে হবে
সঠিক উত্তর:
রফিককে মালিকানা প্রমাণ করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রফিককে মালিকানা প্রমাণ করতে হবে
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১১০ ধারা অনুযায়ী,
কোনো ব্যক্তি যদি কোনো সম্পত্তি দীর্ঘদিন ধরে দখল করে থাকে, তাহলে ধরে নেওয়া হয় যে সে-ই মালিক, যদি না অন্য কেউ প্রমাণ করতে পারে যে দখলকারী প্রকৃত মালিক নয়। সুতরাং, যেহেতু রফিক দাবি করছেন যে সম্পত্তিটি তার বাবার ছিল, তাই মালিকানা প্রমাণের দায়িত্ব রফিকের উপর বর্তাবে।

সাক্ষ্য আইনের ১১০ ধারার বিধান: মালিকানা প্রমানের দায়িত্ব:

যে ব্যক্তির কর্তৃত্বাধীনে কিছু আছে বলে দেখানো হয়, সে ব্যক্তি ঐটার কিনা এই প্রশ্ন উত্থিত হলে যে ব্যক্তি দাবি করে যে, দখলকারী ব্যক্তি সে জিনিসের মালিক নয়, তবে এটা প্রমাণের দায়িত্ব সে ব্যক্তির উপরই ন্যস্ত হয়।

Section-110- Burden of proof as to ownership:
When the question is whether any person is owner of anything of which he is shown to be in possession, the burden of proving that he is not the owner is on the person who affirms that he is not the owner.
১০,১৫৫.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে বেআইনী উদ্দেশ্যে কোনো শিশুকে বিদেশ থেকে আনা , বিদেশে পাচার করা বা কোনো শিশুকে ক্রয়-বিক্রয় করার অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কি?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  4. ১৪ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
• নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ৬(১) ধারা তে এই বিধান ছিল যে, যদি কোন ব্যক্তি কোন বেআইনী বা নীতিবহির্ভূত উদ্দেশ্যে কোন শিশুকে বিদেশ হইতে আনয়ন করেন বা বিদেশে প্রেরণ বা পাচার করেন অথবা ক্রয় বা বিক্রয় করেন বা উক্তরুপ কোন উদ্দেশ্যে কোন শিশুকে নিজ জিম্মায় বা হেফাজতে রাখেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দন্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

বর্তমানে এই ধারা রহিত করা হয়েছে। মানব পাচার সংক্রান্ত সকল অপরাধ 'মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২' দ্বারা পরিচালিত হয়। এই আইনের ৬ ধারা অনুসারে, মানব পাচার অপরাধ সংঘটনকারী কোন ব্যক্তি অনধিক যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ৫(পাঁচ) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ৫০(পঞ্চাশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
১০,১৫৬.
“অর্ডিন্যান্সকেও আইন বলিয়া গণ্য করা হইবে” – এই বিধান General Clauses Act এর কোন ধারায় আছে?
  1. ধারা ২৩
  2. ধারা ২৫
  3. ধারা ৩০
  4. ধারা ৩২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩০
ব্যাখ্যা

⇒ The General Clauses Act, 1897-এর ৩০ নং ধারাতে "Application of Act to Ordinances" বা "অর্ডিন্যান্সের ক্ষেত্রে আইনের প্রয়োগ" সম্পর্কে বিস্তারিত বিধান রয়েছে। 
- এই ধারার মূল উদ্দেশ্য হলো এই বিষয়টি নিশ্চিত করা যে, যখনই The General Clauses Act-এর কোনো বিধানে "সংসদে গৃহীত আইন" (Act of Parliament) বা নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে "আইন" (Act) শব্দটি ব্যবহৃত হবে, তখন তার অর্ন্তভুক্ত হবে সংবিধানের অধীনে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত ও প্রচলিত অর্ডিন্যান্সও।
- অর্থাৎ এই ধারাটি অর্ডিন্যান্সকে সাধারণ আইনের (Act) সমতুল্য আইনি মর্যাদা প্রদান করে এবং এর প্রয়োগ ও ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে The General Clauses Act-এর বিধানগুলো অর্ডিন্যান্সের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে বলে স্পষ্ট করে।
তাই, আইনের প্রয়োগের ক্ষেত্রে অর্ডিন্যান্সকে ‘আইন’ হিসেবে গণ্য করার বিধানটি ধারা ৩০-এ রয়েছে।

The General Clauses Act, 1897 এর ধারা ৩০: অর্ডিন্যান্সের ক্ষেত্রে আইনের প্রয়োগ:
এই আইনের মধ্যে ‘সংসদে গৃহীত আইন’ শব্দগুচ্ছ, যেখানে-যেখানে এটি ব্যবহার করা হয়েছে (ধারা ৫ ব্যতীত), এবং ‘আইন’ শব্দটি ধারা ৩-এর উপধারা (৯), (১২), (৩৮), (৪৮) ও (৫০) এবং ধারা ২৫-এ ব্যবহৃত হয়েছে, তা এমনভাবে গণ্য হবে যে এটি অর্ডিন্যান্সকেও অন্তর্ভুক্ত করে, যা প্রণীত ও প্রচলিত হয়েছে যে কেউ সংবিধানের কোনো বিধানের অধীনে আইন প্রণয়নের ক্ষমতা রাখে অথবা বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির দ্বারা সংবিধানের অধীনে।

The General Clauses Act, 1897 Section-30. Application of Act to Ordinances:
In this Act the expression Act of Parliament wherever it occurs, except in section 5, and the word "Act" in clauses (9), (12), (38), (48) and (50) of section 3 and in section 25 shall be deemed to include an Ordinance made and promulgated by any person having authority to legislate under any constitutional provision or by the President of Bangladesh under the Constitution.

১০,১৫৭.
বার কাউন্সিল নির্বাচনের জন্য নির্বাচনের কত দিন আগে তফসিল প্রকাশ করতে হয়?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৪৫ দিন
  4. ৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
৪৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৫ দিন
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Rules, 1972 এর বিধি ৩:
চেয়ারম্যানকে [বার কাউন্সিল নির্বাচনের অন্তত ৪৫ দিন পূর্বে] সরকারি গেজেটে নির্বাচনের একটি তফসিল প্রকাশ করতে হবে, যাতে বার কাউন্সিলের সদস্যদের নির্বাচনের জন্য নিচের বিষয়গুলো উল্লেখ থাকবে-
(ক) প্রস্তাব জমা দেওয়ার নির্ধারিত তারিখ, যা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের ১০ দিনের মধ্যে হবে না এবং প্রস্তাব বার কাউন্সিলের অফিসে জমা দিতে হবে;
(খ) উক্ত প্রস্তাবগুলোর যাচাই-বাছাই (scrutiny) করার তারিখ;
(গ) ভোটগ্রহণের তারিখ বা তারিখসমূহ;
(ঘ) নির্বাচনের বিরুদ্ধে আপত্তি দাখিলের শেষ তারিখ;
(ঙ) বার কাউন্সিলের অফিসে নির্বাচন পিটিশন কমিটি কর্তৃক প্রথমবারের মতো উক্ত আপত্তি গ্রহণের তারিখ।
১০,১৫৮.
“All instruments shall, for the purposes of this Act, be deemed to be made with reference to the Gregorian calendar.” – এই বিধান কোন ধারার?
  1. ধারা ২৪
  2. ধারা ২৫ 
  3. ধারা ২৬
  4. ধারা ২৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৫ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৫ 
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২৫-এর পুরো বিধানই হলো: “All instruments shall, for the purposes of this Act, be deemed to be made with reference to the Gregorian calendar.”
- অর্থাৎ তামাদি আইনের উদ্দেশ্য পূরণের জন্য সব দলিল (যে ক্যালেন্ডারেই লেখা থাকুক না কেন – বঙ্গাব্দ, হিজরি, শকাব্দ ইত্যাদি) গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী সম্পাদিত বলে গণ্য হবে। এর ফলে তামাদির মেয়াদ গণনায় একক ও নির্ভুল নিয়ম প্রয়োগ হয়।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২৫ অনুযায়ী, দলিলে উল্লিখিত সময়ের গণনা (Computation of Time mentioned in instruments)- তামাদি আইনের ২৫ ধারায় দলিলে উল্লিখিত সময় গণনার বিধান রয়েছে। তামাদি আইনের উদ্দেশ্য সাধনকল্পে যাবতীয় দলিল গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জি (Gregorian calendar) অনুসারে প্রণীত বলে বিবেচিত হবে।
-------
-The Limitation Act, 1908, Section-25. Computation of time mentioned in instruments:
All instruments shall, for the purposes of this Act, be deemed to be made with reference to the Gregorian calendar.

১০,১৫৯.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে 'বাকশাল' গঠন করা হয়?
  1. দ্বিতীয় সংশোধনী
  2. তৃতীয় সংশোধনী
  3. চতুর্থ সংশোধনী
  4. পঞ্চম সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ সংশোধনী
ব্যাখ্যা
সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনী ও বাকশাল:
-চতুর্থ সংশোধনী বাংলাদেশের সাংবিধানিক ইতিহাসে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় গণতন্ত্রের বদলে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা চালু হয়।
- দেশে একটি জাতীয় রাজনৈতিক দল সৃষ্টি করা হয়।
- যার নাম ছিল বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক লীগ (বাকশাল)।
- ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনী গৃহীত হয়।

উল্লেখ্য,
- বাকশাল ব্যবস্থা ছিল রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা।
- ১৯৭৫ সালে ২৫ জানুয়ারি জাতীয় সংসদে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে দেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।
- ১৯৭৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি দেশের সকল রাজনৈতিক দল ভেঙে দিয়ে 'বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামীলীগ' বা 'বাকশাল' গঠন করা হয়।
- বাকশাল গঠনের মাধ্যমে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা চালু হয়।
- ১৯৭৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে বাকশাল কার্যকর হওয়ার কথা ছিলো।
- এর সভাপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক ছিলেন ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী।

উৎস: i) পৌরনীতি, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,১৬০.
এক ব্যক্তি ফেসবুকে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে এক বিভ্রান্তিকর তথ্য পোস্ট করে। এক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড পেতে পারে?
  1. ৫ বছর
  2. ৭ বছর
  3. ১৪ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
ব্যাখ্যা
• সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর ২১ ধারা- মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় সংগীত বা জাতীয় পতাকা সম্পর্কে বিদ্বেষ, বিভ্রান্তি ও কুৎসামূলক প্রচারণার দণ্ড:

(১) যদি কোনো ব্যক্তি ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় সংগীত বা জাতীয় পতাকা সম্পর্কে বিদ্বেষ, বিভ্রান্তি ও কুৎসামূলক প্রচারণা চালান বা উহাতে মদদ প্রদান করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

উল্লেখ্য, 
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ এর ২১ ধারার বিধান মতে উল্লিখিত অপরাধের সর্বোচ্চ কারাদণ্ড ১০ বৎসর ছিলো। কিন্তু বর্তমানে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ কে সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ দ্বারা রহিত করা হয়েছে। অর্থাৎ বর্তমানের সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর ২১ ধারার বিধান মতে সর্বোচ্চ কারাদণ্ড ৫ বৎসর।
১০,১৬১.
দলিল বাতিল বা বাতিলযোগ্য বিষয়টি অবগত হওয়ার কত বছরের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্থ পক্ষকে মামলা দায়ের করতে হয়?
  1. ১২
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ৯১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী দলিল বাতিল বা বাতিলযোগ্য বিষয়টি অবগত হওয়ার তিন বছরের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্থ পক্ষকে মামলা দায়ের করতে হয়।
১০,১৬২.
একটি সম্পত্তির নিলাম বিক্রয়ের কার্যক্রম একজন অ্যাডভোকেট কোনো পক্ষকে প্রতিনিধিত্ব করলে তিনি-
  1. সম্পত্তিটি বেনামীতে ক্রয় করতে পারেবেন
  2. পারিতোষিকের পরিবর্তে সম্পত্তিটি ক্রয় করতে পারবেন
  3. সম্পত্তিটি নিজে ক্রয় করতে পারবেন
  4. সম্পত্তিটি বা তার কোনো অংশ কোনোভাবেই ক্রয় করতে পারবেন না
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তিটি বা তার কোনো অংশ কোনোভাবেই ক্রয় করতে পারবেন না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তিটি বা তার কোনো অংশ কোনোভাবেই ক্রয় করতে পারবেন না
ব্যাখ্যা
♦Cannons of Professional Conduct and Etiquette  মতে একজন আইনজীবী নিজের পরিচালনাধীন মামলার সংশ্লিষ্ট উইল, ইচ্ছাপত্র (Probate), বন্ধক বন্ধ (Forclosure) বা বিচারিক নিলাম ইত্যাদি পদ্ধতিতে ক্রেতা হতে পারবে না।
১০,১৬৩.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর কোন ধারায় বলা হয়েছে যে, প্ররোচনা, ভয়ভীতি বা প্রতিশ্রুতি দ্বারা আদায়কৃত স্বীকারোক্তি অগ্রহণযোগ্য?
  1. ধারা ২৩
  2. ধারা ২৪
  3. ধারা ২৫
  4. ধারা ২৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৪
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ২৪ অনুযায়ী, যদি কোনো স্বীকারোক্তি প্রলোভন, ভয়ভীতি বা প্রতিশ্রুতি দ্বারা প্রভাবিত হয়ে আদায় করা হয় এবং যদি আদালত মনে করে যে, এই প্রভাবের কারণে স্বীকারোক্তিটি দেওয়া হয়েছে, তবে তা অগ্রহণযোগ্য ও অপ্রাসঙ্গিক বিবেচিত হবে।
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ২৪ অনুযায়ী, যদি কোনো আসামী প্রলোভন (inducement), ভয়ভীতি (threat) বা প্রতিশ্রুতি (promise) দ্বারা প্রভাবিত হয়ে স্বীকারোক্তি দেয় এবং আদালতের মতে সেই প্রভাব এমন যে আসামী যুক্তিসঙ্গতভাবে বিশ্বাস করতে পারে যে, স্বীকারোক্তি দিলে সে লাভবান হবে বা ক্ষতি এড়াতে পারবে, তাহলে সেই স্বীকারোক্তি অগ্রহণযোগ্য এবং ফৌজদারি কার্যধারায় প্রাসঙ্গিক নয়।

⇒ The Evidence Act, 1872-এর ধারা ২৪ প্ররোচনা, ভয়ভীতি বা প্রতিশ্রুতি দ্বারা সৃষ্ট স্বীকারোক্তি কখন ফৌজদারি মামলায় অপ্রাসঙ্গিক:
যদি কোনো আসামী ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত স্বীকারোক্তির প্রমাণ থেকে আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, তা কোনো প্ররোচনা, ভয়ভীতি বা প্রতিশ্রুতি দ্বারা সৃষ্ট হয়েছে, যা অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সাথে সম্পর্কিত এবং কোনো ক্ষমতাবান ব্যক্তির পক্ষ থেকে এসেছে, এবং তা আদালতের মতে এমন পর্যায়ের যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি তা থেকে যুক্তিসঙ্গতভাবে ধারণা করতে পারে যে, এই স্বীকারোক্তি প্রদান করলে সে কোনো পার্থিব (অর্থাৎ, জাগতিক বা বাস্তব) লাভ পাবে বা কোনো ক্ষতি এড়াতে পারবে, তাহলে ঐ স্বীকারোক্তি ফৌজদারি মামলায় গ্রহণযোগ্য বা প্রাসঙ্গিক হবে না।

⇒ The Evidence Act, 1872 section 24. Confession caused by inducement, threat or promise, when irrelevant in criminal proceeding:A confession made by an accused person is irrelevant in a criminal proceeding, if the making of the confession appears to the Court to have been caused by any inducement, threat or promise having reference to the charge against the accused person, proceeding from a person in authority and sufficient, in the opinion of the Court, to give the accused person grounds which would appear to him reasonable for supposing that by making it he would gain any advantage or avoid any evil of a temporal nature in reference to the proceedings against him.
১০,১৬৪.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৪২ ধারার ক্ষেত্রে নিম্নের কোন বিধান সঠিক?
  1. আত্মপক্ষ সমর্থনের পূর্বে আদালত আসামীকে পরীক্ষা করে
  2. আত্মপক্ষ সমর্থনের পর আদালত আসামীকে পরীক্ষা করে
  3. উক্ত পরীক্ষায় শপথ গ্রহণ করা হয়
  4. মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে, শাস্তির জন্য দায়ী হবে
সঠিক উত্তর:
আত্মপক্ষ সমর্থনের পূর্বে আদালত আসামীকে পরীক্ষা করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আত্মপক্ষ সমর্থনের পূর্বে আদালত আসামীকে পরীক্ষা করে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৪২ ধারা অনুযায়ী আদালত আসামীকে পরীক্ষা করতে পারবে। পরীক্ষা করতে পারবে অর্থ হলো প্রসিকিউশন পক্ষের সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে এবং আসামীকে আত্মপক্ষ সমর্থনের আহ্বান জানাবার পূর্বে আদালত আসামীকে মামলা সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্ন করতে পারবে যেন আসামী তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যে উত্থাপিত কোন বিষয় বিশ্লেষণ করতে সক্ষম হয়। 
আদালত মামলার বিচার বা অনুসন্ধানের পূর্বে যেকোনো সময়ে এবং আসামীকে কোন পূর্ব সতর্ক করা ছাড়া, আদালত আসামীকে এমন প্রশ্ন করতে পারে। কিন্তু এটা অবশ্যই আসামীকে তার আত্মপক্ষ সমর্থনে আহ্বান করার পূর্বে করতে হবে।

৩৪২ ধারা অনুযায়ী আদালত আসামীর নিকট যে প্রশ্ন করে, আসামী এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করলে বা মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে, সে শাস্তির জন্য দায়ী হবে না। কিন্তু আদালত এই ক্ষেত্রে অনুমান করতে পারে। এক্ষেত্রে কোনো শপথ গ্রহণ করা হয় না।

Section 342: Power to examine the accused
(1) For the purpose of enabling the accused to explain any circumstances appearing in the evidence against him, the Court may, at any stage of any inquiry or trial without previously warning the accused, put such questions to him as the Court considers necessary, and shall, for the purpose aforesaid, question him generally on the case after the witnesses for the prosecution have been examined and before he is called on for his defence. 
 
(2) The accused shall not render himself liable to punishment by refusing to answer such questions, or by giving false answers to them; but the Court may draw such inference from such refusal or answers as it thinks just. 
 
(3) The answers given by the accused may be taken into consideration in such inquiry or trial, and put in evidence for or against him in any other inquiry into, or trial for, any other offence which such answers may tend to show he has committed. 
 
(4) No oath shall be administered to the accused.
১০,১৬৫.
The Limitation Act, 1908 কবে বলবৎ হয়?
  1. ৭ই আগস্ট, ১৯০৯
  2. ৭ই আগস্ট, ১৯০৮
  3. ১লা জানুয়ারী, ১৯০৯
  4. ১লা জানুয়ারী, ১৯০৮
সঠিক উত্তর:
১লা জানুয়ারী, ১৯০৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১লা জানুয়ারী, ১৯০৯
ব্যাখ্যা

⇒ The Limitation Act, 1908-এর ধারা 1(3) অনুসারে, ধারা 1 (প্রারম্ভিক) এবং ধারা 31 অবিলম্বে বলবৎ হয়, অর্থাৎ আইনটি পাস হওয়ার তারিখ ৭ই আগস্ট, ১৯০৮-এ। তবে আইনের বাকি অংশ বলবৎ হয় ১লা জানুয়ারী, ১৯০৯ থেকে।
সুতরাং, আইনটি পাস হয় ৭ই আগস্ট, ১৯০৮-এ কিন্তু সম্পূর্ণরূপে বলবৎ হয় ১লা জানুয়ারী, ১৯০৯-এ।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ (The Limitation Act, 1908) হল একটি প্রক্রিয়াগত (procedural) আইন, যা মূলত দেওয়ানি মামলা, আপিল, দরখাস্ত ইত্যাদির জন্য নির্ধারিত সময়সীমা নির্ধারণ করে দেয়।
- এই আইনটি ৭ আগস্ট ১৯০৮ সালে ব্রিটিশ ভারতের অধীনে প্রণীত হয়।
- এটি ৯ নং আইন (Act No. IX of 1908) হিসেবে পরিচিত।
এই আইন প্রণয়নের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল যাতে কোনো ব্যক্তি অনন্তকাল পর্যন্ত মামলা করে বিরোধ সৃষ্টি করতে না পারে এবং বিরোধ নিরসনের জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করে সামাজিক শৃঙ্খলা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা যায়।
তামাদি আইনের (Limitation Act, 1908) ধারা ১(৩) অনুযায়ী, ধারা ১ ও ধারা ৩১ অবিলম্বে কার্যকর হয় এবং বাকি অংশ ১ জানুয়ারি, ১৯০৯ তারিখ থেকে কার্যকর হয়।
→ অর্থাৎ তামাদি আইন ৭ আগস্ট ১৯০৮ তারিখে প্রণীত হয় এবং ১ জানুয়ারি, ১৯০৯ তারিখ থেকে কার্যকর হয়।

- বর্তমানে তামাদি আইনের ২৯টি ধারা এবং ১টি তফশিল বলবৎ আছে।
- তফসিলে মোকদ্দমা, আপিল এবং আবেদন দায়েরের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে। তফসিলে মোট ১৮৩টি অনুচ্ছেদ বলবৎ আছে।
- তফসিলের ৩টি বিভাগে ৩ ধরনের বিষয়ের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে-
i. মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling suits]- অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯।
ii. আপিল দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling appeals]- অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭।
iii. বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling applications and petitions]- অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩।

১০,১৬৬.
Power of the Court to make order as to guardianship সম্পর্কিত বিধানটি The Guardians and Wards Act. 1890 এর কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ৪৭
  2. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
• Section 7- Power of the Court to make order as to guardianship

(1) Where the Court is satisfied that it is for the welfare of a minor that an order should be made- 
(a) appointing a guardian of his person or property, or both, or 
(b) declaring a person to be such a guardian,
the Court may make an order accordingly

Provided that no person, other than a citizen of Bangladesh, shall be appointed or declared to be a guardian of a minor who is a citizen of Bangladesh.
 
(2) An order under this section shall imply the removal of any guardian who has not been appointed by will or other instrument or appointed or declared by the Court. 
 
(3) Where a guardian has been appointed by will or other instrument or appointed or declared by the Court, an order under this section appointing or declaring another person to be guardian in his stead shall not be made until the powers of the guardian appointed or declared as aforesaid have ceased under the provisions of this Act.
১০,১৬৭.
যদি একজন ব্যক্তি এমন কাজ করেন যার ফলে অপর ব্যক্তি মারা যায়, কিন্তু তার উদ্দেশ্য ছিল অন্য কেউকে মারার, তাহলে তা ______________ হিসেবে গণ্য হবে।
  1. আইনত বৈধ হত্যা
  2. শাস্তিযোগ্য নরহত্যা
  3. অনিচ্ছাকৃত হত্যা
  4. দুর্ঘটনা হিসেবে গণ্য করা হবে
সঠিক উত্তর:
শাস্তিযোগ্য নরহত্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাস্তিযোগ্য নরহত্যা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩০১ ধারা- যার মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য ছিল তাকে ব্যতীত অপর ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাইয়া শাস্তি যোগ্য নরহত্যা সংঘটন:
কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন কার্য করে যা কর্তৃক মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা বা উদ্দেশ্য তার ছিল অথবা যার দরুণ মৃত্যু সংঘটন হতে পারে বলে তার জানা ছিল এবং এই কার্য কর্তৃক সে এমন কোন ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা করে, যার মৃত্যু সে কামনা করে নাই বা যার মৃত্যু হতে পারে বলে তার জানা ছিল না, তবে অপরাধী যে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা করেছিল, কিংবা যে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটতে পারে বলে জানত সে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করলে তার অপরাধটি যেরূপ হত, এই ক্ষেত্রেও সেরূপ হবে।

Section 301- Culpable homicide by causing death of person other than person whose death was intended:
If a person, by doing anything which he intends or knows to be likely to cause death, commits culpable homicide by causing the death of any person, whose death he neither intends nor knows himself to be likely to cause, the culpable homicide committed by the offender is of the description of which it would have been if he had caused the death of the person whose death he intended or knew himself to be likely to cause.
১০,১৬৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারায় 'Miscellaneous proceedings' এর বিধান আছে?
  1. ১৩৯ ধারায়
  2. ১৪০ ধারায়
  3. ১৪১ ধারায়
  4. ১৪২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৪১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪১ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৪১ ধারার বিধান: বিবিধ কার্যক্রমসমূহ: এই আইনে মোকদ্দমা সম্পর্কে উল্লেখিত কার্যপ্রণালী দেওয়ানি এখতিয়ারসম্পন্ন যে কোন আদালতে যাবতীয় কার্যক্রমের ক্ষেত্রে যথাসম্ভব প্রযোজ্য: অনুসরণ করতে হবে।
---------------
⇒ CPC Section: 141. Miscellaneous proceedings:
- The procedure provided in this Code in regard to suits shall be followed, as far as it can be made applicable, in all proceedings in any Court of civil jurisdiction.
১০,১৬৯.
দণ্ডবিধির ২৩৩ ধারা অনুযায়ী, জাল মুদ্রা তৈরির সরঞ্জাম তৈরি বা বিক্রয় করলে সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. শুধু জরিমানা
  2. ৩ বছর কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৩ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধির ২৩৩ ধারা অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি: জাল মুদ্রা তৈরির জন্য যন্ত্রপাতি বা ডাই (die) তৈরি বা মেরামত করে, এমন যন্ত্রপাতি ক্রয়-বিক্রয় বা হস্তান্তর করে, জেনে বা বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও যে এসব যন্ত্রপাতি জাল মুদ্রা তৈরিতে ব্যবহৃত হবে, তাহলে তার শাস্তি হবে সর্বোচ্চ ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা।

- দণ্ডবিধির ২৩৩ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ— জাল মুদ্রা তৈরির যন্ত্র (die or instrument) তৈরি বা মেরামত করে, অথবা সে প্রক্রিয়ার কোনো অংশে অংশগ্রহণ করে, অথবা সে যন্ত্র ক্রয়, বিক্রয়, হস্তান্তর করে
এবং তা জাল মুদ্রা তৈরির উদ্দেশ্যে হয় বা এমন ধারণা থাকে যে তা জাল মুদ্রা তৈরিতে ব্যবহৃত হবে,
- তাহলে তাকে সর্বোচ্চ—  ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হতে পারে।
-----
⇒The Penal Code, 1860-Section- 233. Making or selling instrument for counterfeiting coin:
- Whoever makes or mends, or performs any part of the process of making or mending, or buys, sells or disposes of, any die or instrument, for the purpose of being used, or knowing or having reason to believe that it is intended to be used, for the purpose of counterfeiting coin, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.

১০,১৭০.
'No particular number of witness shall in any case be required for the proof of any fact' বাক্যটি The Evidence Act, 1872 এর কত ধারায় বর্ণিত হয়েছে?
  1. সাক্ষ্য আইনের ১৩২ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ১৩৪ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ১৩৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ১৩৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ১৩৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ Number of witnesses:
Section 134. No particular number of witnesses shall in any case be required for the proof of any fact.

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৪ ধারা অনুযায়ী কোন মামলা প্রমাণের জন্য সাক্ষীর সংখ্যা নির্দিষ্ট নয়; অর্থাৎ একটি মামলার কোন বিষয় প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন নাই।
⇒ শুধুমাত্র একজন সাক্ষী দ্বারাও মামলা নি:সন্দেহে প্রমাণ করা যায়।

⇒ সংখ্যায় নয়, সাক্ষীর গুণাগুণ বিচার করতে হবে (Testes ponderautur, non numerator)- এই প্রবচনটির ইংরেজী প্রতিশব্দ হল-'witnesses are weighed, not numbered'.-বিচারকালে সাক্ষীর সাক্ষ্যকে ওজন করতে হয়, সাক্ষীর সংখ্যা নির্ধারণ করতে হয় না। যে ঘটনা সম্পর্কে যতজন মানুষ জ্ঞান রাখেন, ততজনই সাক্ষী হওয়া উচিত। সাক্ষীর সংখ্যা কৃত্রিম মানদন্ডে হওয়া উচিৎ নয়। বিচারকালে আদালত সাক্ষীর গুণাগুণ বিচার করেন, সংখ্যা নয়।

⇒ একজনের বিশ্বাসযোগ্য সাক্ষ্য অবিশ্বাস্য দশজনের সাক্ষ্যকেও হার মানাতে পারে। তবে সবকিছুই নির্ভর করে পরিবেশ পরিস্থিতির উপর।
⇒ যেমন- ধর্ষণের মামলায় ধর্ষিতার একক সাক্ষী অপরাধ প্রমাণের জন্য যথেষ্ট নয়। একইভাবে খুনের মামলায় একজন সাক্ষীর সাক্ষ্যের উপর বিশ্বাস করে আসামীকে দণ্ড দেয়া বিধিসম্মত হবে না।
১০,১৭১.
সাক্ষ্য আইনের সর্বশেষ সংশোধনীতে ১৫৫ ধারার কোন বিষয়বস্তুটি বাতিল করা হয়েছে?
  1. চরিত্র সম্পর্কিত কোনো সাক্ষ্য দেবার বিধান
  2. দেওয়ানি মোকদ্দমায় চরিত্রের অপ্রাসঙ্গিকতার বিধান
  3. ধর্ষণ ইত্যাদি মামলার ক্ষেত্রে অভিযোগকারিনীর দুশ্চরিত্র সম্পর্কে সাক্ষ্য দেবার বিধান
  4. ধর্ষণ ইত্যাদি মামলার ক্ষেত্রে অভিযোগকারিনীর সত্যবাদিতা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেবার বিধান
সঠিক উত্তর:
ধর্ষণ ইত্যাদি মামলার ক্ষেত্রে অভিযোগকারিনীর দুশ্চরিত্র সম্পর্কে সাক্ষ্য দেবার বিধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধর্ষণ ইত্যাদি মামলার ক্ষেত্রে অভিযোগকারিনীর দুশ্চরিত্র সম্পর্কে সাক্ষ্য দেবার বিধান
ব্যাখ্যা
​সাক্ষ্য আইনের সর্বশেষ সংশোধনীতে ১৫৫ ধারার (৪) উপধারা বাতিল করা হয়েছে। এই উপধারায় বলা ছিল যে, ধর্ষণ বা শ্লীলতাহানির অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগকারী নারীর চরিত্র সম্পর্কে প্রশ্ন করা যেতে পারে। এই বিধানটি বাতিলের ফলে ধর্ষণ মামলায় অভিযোগকারিণীর চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তোলা আইনত নিষিদ্ধ হয়েছে, যা নারীর মর্যাদার সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৫৫: সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা:

একজন সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নিম্নলিখিত উপায়ে বিরোধী পক্ষ বা, আদালতের অনুমতি নিয়ে, যে পক্ষ তাকে আহ্বান করেছে, দ্বারা নষ্ট (Impeach) করা যেতে পারে:
(১) এমন লোকদের সাক্ষ্য দ্বারা যারা সাক্ষীকে জানেন এবং বিশ্বাস করেন যে সে বিশ্বাসযোগ্য নয়।
(২) প্রমাণের মাধ্যমে যে, সাক্ষী ঘুষ গ্রহণ করেছে, অথবা ঘুষ গ্রহণের প্রস্তাব গ্রহণ করেছে, অথবা তার সাক্ষ্য প্রদান করার জন্য অন্য কোনো দুর্নীতিপূর্ণ প্রস্তাব গ্রহণ করেছে।
(৩) প্রমাণের মাধ্যমে যে, সাক্ষী পূর্বে এমন কোনো বক্তব্য দিয়েছে যা তার বর্তমান সাক্ষ্যের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ এবং যা তার সাক্ষ্যকে খণ্ডিত করা যেতে পারে।

ব্যাখ্যা - যে সাক্ষী অন্য একজন সাক্ষীকে বিশ্বাসযোগ্য নয় বলে ঘোষণা করবে, তাকে তার প্রধান জবানবন্দির সময় তার বিশ্বাসের কারণ উল্লেখ করতে হবে না। তবে, তাকে ক্রস-এক্সামিনেশনে তার কারণগুলো প্রশ্ন করা যেতে পারে, এবং তার দেওয়া উত্তরগুলো খণ্ডন করা যাবে না, যদিও যদি তারা মিথ্যা হয়, তাহলে পরে তাকে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য দায়ী করা যেতে পারে।
১০,১৭২.
SAT Act, 1950 এর ১৪২ ধারার বিধান অনুসারে বকেয়া খাজনা আদায়ের তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১৪২ ধারার বিধান: তামাদি:
"যে বছরে খাজনা বাকি থাকে, সেই বছরের শেষ দিন থেকে তিন বছরের মধ্যে খাজনা আদায় করা যাবে।"

Section 142. Limitation:

The period of limitation for the recovery of an arrear of rent shall be three years running from the last day of the year in which the arrear fell due.
১০,১৭৩.
“Precept” বলতে কী বোঝায়?
  1. মামলার নথি
  2. ডিক্রির অনুলিপি
  3. আদালতের চূড়ান্ত রায়
  4. বিচারকের আদেশপত্র
সঠিক উত্তর:
বিচারকের আদেশপত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারকের আদেশপত্র
ব্যাখ্যা

বিচারকের আদেশপত্র বা অনুরোধলিপি [Precept]:
Precept অর্থ হলো বিচারকের আদেশপত্র বা নির্দেশাজ্ঞা বা অনুরোধলিপি। দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৬ ধারায় Precept সম্পর্কিত বিধান করা হয়েছে। ডিক্রিদারের আবেদনক্রমে ডিক্রি প্রদানকারী আদালত উপযুক্ত মনে করলে, অন্য কোনো এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতকে ডিক্রিটি জারি করার অনুরোধ করতে পারে এবং এইরুপ আদালত ডিক্রি জারি করতে এবং অনুরোধপত্রে নির্ধারিত দেনাদারের সম্পত্তি ক্রোক করতে পারে। যে আদালতকে অনুরোধ জানানো হয়েছে, সেই আদালত ডিক্রি জারির ব্যাপারে সম্পত্তি ক্রোকের নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসারে সম্পত্তি ক্রোক করবে।

ডিক্রি প্রদানকারী আদালত সময় বাড়িয়ে না দিলে, অথবা যে-আদালতকে অনুরোধ জানানো হয়েছে, সেই আদালতের নিকট ডিক্রি হস্তান্তর না করা হলে এবং ডিক্রিদার সম্পত্তি বিক্রয়ের আবেদন না করলে বিচারকের আদেশপত্র বা অনুরোধলিপি-অনুসারে কোনো ক্রোক ২ (দুই) মাসের অধিককাল বলবৎ থাকবে না।

১০,১৭৪.
মুসলিম আইন অনুসারে 'ক' তার ৪ জন স্ত্রী থাকা অবস্থায়, ৫ম স্ত্রী গ্রহণ করলে বিবাহটি কী ধরনের হবে?
  1. বৈধ বিবাহ
  2. বাতিল বিবাহ
  3. হারাম বিবাহ
  4. অনিয়মিত বিবাহ
সঠিক উত্তর:
অনিয়মিত বিবাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনিয়মিত বিবাহ
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম আইন (শরীয়া) অনুসারে, একজন পুরুষ সর্বোচ্চ ৪ জন স্ত্রী একই সময়ে রাখতে পারে। ৪ জন স্ত্রী থাকা অবস্থায় ৫ম স্ত্রী গ্রহণ করলে বিবাহটি বৈধ বা বাতিল নয়, বরং অনিয়মিত (Irregular বা Fasid) বিবাহ হিসেবে গণ্য হয়। এটি ত্রুটিপূর্ণ কিন্তু সম্পূর্ণ বাতিল নয়, কারণ স্বামী অন্য স্ত্রীদের মধ্যে যেকোনো একজনকে তালাক দিয়ে এই বিবাহকে বৈধ করতে পারেন।

⇒ অনিয়মিত বিবাহের সংজ্ঞা (Definition of irregular marriage):
যে বিবাহ মূলত বে-আইনী নয়, কিন্তু এতে বৈধ বিবাহের কোনো নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়েছে বলে প্রমাণিত হয়, তবে ঐ বিবাহকে অনিয়মিত বিবাহ বা ফাসিদ বিবাহ বলে। অর্থাৎ যে বিবাহ ত্রুটিপূর্ণ, কিন্তু বাতিল নয় এটিই অনিয়মিত বিবাহ। 
- একজন মুলমানের একই সময়ে চারজন স্ত্রী থাকতে পারে, কিন্তু তার বেশি নয়। চারজন স্ত্রী থাকাকালে ঐ ব্যক্তি পঞ্চম স্ত্রী গ্রহণ করলে পঞ্চম বিবাহটি বাতিল হবে না, তবে এ বিয়েটি ফাসিদ বা অবৈধ বিবাহ হবে। এটি বাতিল বিবাহ নয়, কারণ, স্বামী অন্য স্ত্রীদের যেকোনো একজনকে তালাক দিয়ে পঞ্চম বিবাহকে বৈধ করতে পারে।

১০,১৭৫.
দণ্ডবিধির কত ধারায় Public nuisance এর সংজ্ঞা রয়েছে?
  1. দণ্ডবিধির ২৬৮ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ১৬৮ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ২৬৫ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ২৭০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ২৬৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ২৬৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৬৮ ধারায় গণ উৎপাত বা Public nuisance এর সংজ্ঞা রয়েছে। ২৬৮ ধারামতে যদি কোন লোক এমন কোন কাজ করে যার ফলে জনসাধারণের বা নিকটবর্তী সম্পত্তির মালিক বা বসবাসকারী লোকদের কোন ক্ষতি, বিপদের আশঙ্কা বা বিরক্তির সৃষ্টি হয়; তাহলে সেই লোক গণ উৎপাত বা Public nuisance করেছে বলে গণ্য হবে।

⇒  দণ্ডবিধির ২৬৮ ধারার বিধান জনসাধারণের উপদ্রব :- যদি কোন এমন কোন কার্য করে বা এমন কোন কার্য করা হতে বেআইনীভাবে বিরত থাকে, যার ফলে জনসাধারণের বা সাধারণভাবে নিকটবর্তী সম্পত্তির মালিক বা অধিবাসী ব্যক্তিদের কোন ক্ষতি হয়, বিপদাশঙ্ক হয় বা বিরক্তির সৃষ্টি হয়, অথবা যার ফলে যেসব ব্যক্তি কোন সাধারণ অধিকার ব্যবহার করতে যাবে, তাদের ক্ষতিসাধন, ব্যাঘাত, বিপদাশঙ্ক বা বিরক্তি সৃষ্টি হবে, সে ব্যক্তি জনসাধারণের বিরক্তি উৎপাদক কাজ সম্পাদনের ফলে অপরাধী সাব্যস্ত হবে।

- কোন মামুলী বিরক্তি উৎপাদক কাজ কিছু সুবিধা বা সৌকর্য বিধান করেছে-এই অজুহাতে সে মামুলী বিরক্তি উৎপাদক কাজটি রেহাই পাবে না।

---------------------------------------
⇒  Public nuisance:
Section 268. A person is guilty of a public nuisance who does any act or is guilty of an illegal omission which causes any common injury, danger or annoyance to the public or to the people in general who dwell or occupy property in the vicinity, or which must necessarily cause injury, obstruction, dangers or annoyance to persons who may have occasion to use any public right.A common nuisance is not excused on the ground that it causes some convenience or advantage.
১০,১৭৬.
১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে গঠিত বিশেষ ট্রাইব্যুনাল কোন আইনের অধীন অপরাধসমূহের বিচার করতে পারে?
  1. The Arms Act,1878
  2. সাইবার নিরাপত্তা আইন,২০২৩
  3. মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন,২০১৮
  4. উল্লিখিত সকল আইনের
সঠিক উত্তর:
The Arms Act,1878
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Arms Act,1878
ব্যাখ্যা
• ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৬ (২) ধারা অনুসারে গঠিত বিশেষ ট্রাইব্যুনাল এই আইনের তফসিলে উল্লেখিত নির্দিষ্ট অপরাধসমূহের বিচার করতে পারবে। বিশেষ ট্রাইব্যুনাল তফসিলে উল্লেখিত নিম্নলিখিত অপরাধসমূহের বা নিম্নলিখিত আইনে উল্লেখিত অপরাধসমূহের বিচার করতে পারবে-

১. ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের অধীন বর্ণিত অপরাধসমূহ;
২. the Arms Act, 1878 (XI of 1878) এর অধীন অপরাধসমূহ;
৩. the Explosive Substances Act, 1908 (VI of 1908) এর অধীন অপরাধসমূহ;
৪. the Emergency Powers Act, 1975 এর অধীন অপরাধসমূহ;
৫. ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৫ [Formalin Control Act, 2015)] এর অধীন অপরাধসমূহ;
৬. Any attempt or conspiracy to commit, or any abetment of, or any preparation for commission of, any of the above offences.
১০,১৭৭.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১১৩ অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট চুক্তি বলবৎ করণের মামলা দায়ের করতে হবে -
  1. ৬ মাসের মধ্যে
  2. ১ বছরের মধ্যে
  3. ৩ বছরের মধ্যে
  4. যে কোন সময়ে
সঠিক উত্তর:
১ বছরের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছরের মধ্যে
ব্যাখ্যা
♣♣ 
চুক্তি পালনের জন্য নির্ধারিত তারিখ/ যখন অনুরূপ কোন তারিখ নির্দিষ্ট না থাকে,
• তখন বাদী যখন অবগত হয় যে বিবাদী চুক্তি পালনের জন্য অস্বীকৃতি করেছে;
• তখন ১ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে পারবে। 
১০,১৭৮.
সরকারের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত কোনো মোকদ্দমায় বিবাদী হিসেবে কী নাম উল্লেখ করতে হবে?
  1. রাষ্ট্র
  2. সরকার
  3. বাংলাদেশ
  4. প্রজাতন্ত্র
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ৭৯ ধারার বিধান-সরকার কর্তৃক বা তার বিরুদ্ধে মোকদ্দমা: 
সরকার কর্তৃক বা সরকারের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মোকদ্দমায় বাদী বা বিবাদী হিসাবে যে কর্তৃত্বের নাম উল্লেখ করতে হবে, তা হচ্ছে 'বাংলাদেশ'।

Section 79. Suits by or against the Government:
In a suit by or against the Government the authority to 79. In a suit by or against the Government the authority to be named as plaintiff or defendant, as the case may be, shall be Bangladesh.
১০,১৭৯.
দেওয়ানী কার্যবিধি, আদেশ ৮-এর ধারা ১ অনুযায়ী লিখিত জবাব দাখিলের সর্বোচ্চ সময়সীমা কত কার্যদিবস?
  1. ২১ কার্যদিবস
  2. ৩০ কার্যদিবস
  3. ৬০ কার্যদিবস
  4. ৯০ কার্যদিবস
সঠিক উত্তর:
৬০ কার্যদিবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ আদেশের ১ বিধির অধীন লিখিত জবাব দাখিলের সর্বোচ্চ মেয়াদ সমন জারির তারিখ হতে ৬০ কার্যদিবস।
বিবাদী আত্মপক্ষ সমর্থন করে আদালতে যে লিখিত বিবরণ দাখিল করে তাকে লিখিত জবাব বা Written Statement বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ নং আদেশে লিখিত জবাব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। লিখিত জবাবের সাধারন নিয়মাবলী ৮ নং আদেশের ১ হতে ১০ বিধিতে আলোচনা করা হয়েছে।
-  আদেশ ৮ বিধি (১)-৮০ ধারার (২) উপধারা শর্তাংশে যেরূপ বিধান আছে, তা ব্যতীত বিবাদি তার উপর জারিকৃত সমনের তারিখ হতে ত্রিশ কার্য দিবসের মধ্যে আত্মপক্ষ সমর্থকপূর্বক একটি লিখিত জবাব পেশ করবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, যখন বিবাদী উক্ত ৩০ দিনের মধ্যে যুক্তি সংগত কারণ ব্যাতীত লিখিত জবাব দিতে ব্যর্থ হবে তখন আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোন দিনে তা দাখিল করার অনুমতি প্রাপ্ত হবে এবং তার কারণ অবশ্যই লিপিবদ্ধ করতে হবে, কিন্তু তা কোন ক্রমেই সমন জারি হওয়ার ৬০ কার্যদিবস অতিক্রম করবে না।

আরো শর্ত থাকে যে, যদি বিবাদি উক্ত ষাট কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিলে ব্যর্থ হলে তবে আদালত এক তরফা মোকদ্দমার নিষ্পত্তি করবে।
------- 
ORDER VIII - WRITTEN STATEMENT AND SET-OFF

Rule-1 : Written statement:
(1) The defendant shall, within thirty working days from the date of service of summons upon him, save as provided in the proviso to sub-section (2) of section 80, present a written statement of his defence:

Provided that where the defendant fails, for reasonable grounds, to file the written statement within the said period of thirty working days, he shall be allowed to file the same on such other day, as may be specified by the Court, for reasons to be recorded in writing, but which shall not exceed sixty working days from the date of service of summons:

Provided further that if the defendant fails to file the written statement within the said period of sixty working days, the Court shall dispose of the suit ex parte.

১০,১৮০.
সাভারে অবস্থিত একটি পোশাক কারখানার একজন শ্রমিককে তার পাওনা মজুরি থেকে বঞ্চিত করলে, উক্ত শ্রমিক তামাদির বিধান অনুযায়ী সর্বোচ্চ কতদিনের ভেতরে মজুরি আদায়ের জন্য মোকদ্দমা করতে পারবেন?
  1. সর্বোচ্চ ৬ মাসের মধ্যে
  2. সর্বোচ্চ ১ বছরের মধ্যে
  3. সর্বোচ্চ ২ বছরের মধ্যে
  4. সর্বোচ্চ ৩ বছরের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ১ বছরের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ১ বছরের মধ্যে
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৭

গৃহ-ভৃত্য কারিগর বা শ্রমিকের মজুরীর জন্য মামলা করার ক্ষেত্রে যখন থেকে মজুরী বকেয়া হয় তার সর্বোচ্চ ১ বছরের মধ্যে করতে হয়।
১০,১৮১.
প্লিডিংস সত্যাখ্যান [Verification of Pleadings] এর বিধান আছে-
  1. Order-6 Rule-5
  2. Order 6 Rule 13
  3. Order-6 Rule-15
  4. Order-7 Rule 6
সঠিক উত্তর:
Order-6 Rule-15
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Order-6 Rule-15
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৬ নং আদেশের ১ নং বিধিতে প্লিডিংসের সংজ্ঞা রয়েছে। প্লিডিংস (Pleadings) বলতে আরজি অথবা লিখিত জবাবকে বোঝায় [Pleadings shall mean plaint or written statement]। আরজির নিচে মোকদ্দমার বাদী এবং লিখিত জবাবের নিচে বিবাদী সত্যাখ্যান (সত্যতা প্রতিপাদন) করবে।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৬ এর বিধি ১৫ তে প্লিডিংস সত্যাখ্যান [Verification of Pleadings] নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে:-
সত্যাখ্যান হলো মামলার পক্ষসমূহ যেমন আরজির ক্ষেত্রে বাদী এবং লিখিত জবাবের ক্ষেত্রে বিবাদী আরজি বা লিখিত জবাবে যে সকল বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে,তা তার জানা বলে স্বীকার করা। আরজির নিচে মোকদ্দমার বাদী এবং লিখিত জবাবের নিচে বিবাদী সত্যাখ্যান (সত্যতা প্রতিপাদন) করবে অথবা আদালত সন্তুষ্ট হলে,অন্য কোনো ব্যক্তি যে মোকদ্দমার বিষয় সম্পর্কে জানে,সে আরজি বা লিখিত জবাবে সত্যাখ্যান করতে পারে।
যে ব্যক্তি সত্যাখ্যান করছে সে সত্যতা প্রতিপাদন অংশে স্বাক্ষর করবে এবং যে দিন,যে স্থানে সত্যাখ্যান স্বাক্ষর করা হয়েছিল তা উল্লেখ করবে।
---------------------------
CPC Order 6 Rule 15: Verification of pleadings:-
1) Save as otherwise provided by any law for the time being in force, every pleading shall be verified at the foot by the party or by one of the parties pleading or by some other person proved to the satisfaction of the Court to be acquainted with the facts of the case.
2) The person verifying shall specify, by reference to the numbered paragraphs of the pleading, what he verifies of his own knowledge and what he verifies upon information received and believed to be true.
3) The verification shall be signed by the person making it and shall state the date on which and the place at which it was signed.
১০,১৮২.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন সন্দেহযুক্ত চোরাইমাল জব্দ করার ক্ষমতা আছে-
  1. যেকোনো ব্যক্তির
  2. পুলিশের
  3. উক্ত মাল নিজের বলে দাবী করে এমন ব্যক্তির
  4. শুধুমাত্র উক্ত এলাকার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার
সঠিক উত্তর:
পুলিশের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশের
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৫০- সন্দেহযুক্ত চোরাইমাল জব্ধ করার ব্যাপারে পুলিশের ক্ষমতা

চোরাই মর্মে কথিত বা সন্দেহযুক্ত কিংবা কোন অপরাধ সংঘটনের সন্দেহযুক্ত অবস্থায় প্রাপ্ত কোন সম্পত্তি কোন পুলিশ কর্মকর্তা আটক করতে পারবেন। এরূপ পুলিশ কর্মকর্তা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অধঃস্তন হলে তিনি সাথে সাথে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে জব্দ করার ব্যাপারে রিপোর্ট করবেন।

Section 550- Powers to police to seize property suspected to be stolen
Any police- officer may seize any property which may be alleged or suspected to have been stolen, or which may be found under circumstances which create suspicion of the commission of any offence. Such police-officer, if subordinate to the officer in charge of a police-station, shall forthwith report the seizure to that officer.
১০,১৮৩.
‘ক' এর বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ চার্জ গঠনের ক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে ফৌজদারী আদালত প্রদত্ত নিম্নের কোন রায়টি প্রাসঙ্গিক?
  1. ক' অন্য একটি যৌতুক মামলায় খালাস পেয়েছে
  2. ক' অন্য একটি যৌতুক মামলায় দণ্ডিত হয়েছে
  3. ক' অন্য একটি চুরি মামলায় দণ্ডিত হয়েছে
  4. ক' অন্য একটি চুরি মামলায় খালাস পেয়েছে
সঠিক উত্তর:
ক' অন্য একটি চুরি মামলায় দণ্ডিত হয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক' অন্য একটি চুরি মামলায় দণ্ডিত হয়েছে
ব্যাখ্যা
♦ সাধারণভাবে অভিযোগের সারমর্মকে চার্জ বলে। চার্জ হচ্ছে একটি লিখিত বিবরণ যাতে একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি কর্তৃক কৃত অপরাধের সময়, স্থান, প্রকৃতি এবং যে ব্যক্তি বা বস্তুর বিরুদ্ধে অপরাধ করা হয়েছে তার বর্ণনা ও আইনের যে ধারার অধীনে আসামীকে অভিযুক্ত করা হয়েছে তার উল্লেখ থাকে।

♦ফৌজদারী কার্যবিধির২২১(৭) ধারামতে পরবর্তী অপরাধের শাস্তি বৃদ্ধির জন্য চার্জে পূর্ববর্তী দন্ডের ঘটনা, তারিখ ও স্থান উল্লেখ করতে হবে।

♦ফৌজদারী কার্যবিধির ২২১(৭) ধারা অনুযায়ী আসামী পূর্বে একই ধরনের কোন অপরাধে দন্ডপ্রাপ্ত হলে চার্জে তা উল্লেখ করতে হবে। পুর্বেও যেহেতু চুরির অপরাধে দন্ডিত হয়েছিল তাই উহা বর্তমানের চার্জ গঠনের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক।
১০,১৮৪.
'ক', 'খ'-এর সাথে চুক্তিবদ্ধ হয় যে, 'খ' কর্তৃক ১,০০০/- টাকা প্রদানের বিনিময়ে সে 'খ'-এর জন্য একটি ছবি আঁকবে; উক্ত চুক্তিটি-
  1. সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে
  2. সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না
  3. সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করতে বাধ্য করা যাবে
  4. আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা প্রতিকার মঞ্জুর করা যাবে
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ২১ ধারা মতে আটটি ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনে আদেশ দিবে না।
যথা- 
১। চুক্তি কার্যকর না করা হলে অর্থ দ্বারা ক্ষতিপূরণ সম্ভব। 
২। যে-সব চুক্তির শর্ত অস্পষ্ট, জটিল বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল; যার ফলে চুক্তির শর্ত সমূহ নির্ণয় করা সম্ভব না এবং শর্ত সমূহ সুনির্দিষ্ট ভাবে  সম্পাদন করা যায় না। 
৩। যে চুক্তি তার প্রকৃতির কারণে বাতিলযোগ্য। 
৪। ট্রাস্টিগণ কর্তৃক সম্পাদিত চুক্তি যা তাদের ক্ষমতা বহির্ভূত। 
৫। বিশেষ উদ্দেশ্যে গঠিত কোনো কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানির চুক্তি যা তাদের ক্ষমতার অতিরিক্ত। 
৬। যে চুক্তির শর্ত আদালত যুক্তিসংগত ভাবে নির্ণয় করতে পারেনা। 
৭। যে চুক্তি সম্পাদন করতে গেলে শুরুর তারিখ হতে তিন বছরেরও বেশি সময় কাজ করতে হয়। 
৮। যে চুক্তির বিষয়বস্তু স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বেই বিলুপ্ত হয়েছে। 
 
উল্লিখিত প্রশ্নে 'ক', 'খ'-কে বিয়ে করার চুক্তিতে আবদ্ধ হয়; উক্ত চুক্তিটি-সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না। কারণ ২১ ধারায় বলা আছে কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে; তা আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনে আদেশ দিবে না।
 
-যেহেতু  চুক্তিটি ব্যক্তিগত যোগ্যতার উপর নির্ভরশীল তাই সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না। 
-------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section-21. Contracts not specifically enforceable:
The following contracts cannot be specifically enforced:–
(a) a contract for the non-performance of which compensation in money is an adequate relief;
(b) a contract which runs into such minute or numerous details, or which is so dependent on the personal qualifications or volition of the parties, or otherwise from its nature is such, that the Court cannot enforce specific performance of its material terms;
(c) a contract the terms of which the Court cannot find with reasonable certainty;
(d) a contract which is in its nature revocable;
(e) a contract made by trustees either in excess of their powers or in breach of their trust;
(f) a contract made by or on behalf of a corporation or public company created for special purposes, or by the promoters of such company, which is in excess of its powers;
(g) a contract the performance of which involves the performance of a continuous duty extending over a longer period than three years from its date;
(h) a contract of which a material part of the subject- matter, supposed by both parties to exist, has, before it has been made, ceased to exist.
 
And, save as provided by the Arbitration Act, 1940, no contract to refer present or future differences to arbitration shall be specifically enforced; but if any person who has made such a contract other than an arbitration agreement to which the provisions of the said Act apply and has refused to perform it sues in respect of any subject which he has contracted to refer, the existence of such contract shall bar the suit.
১০,১৮৫.
'ক' একজন দাতা। 'ক' তার সম্পত্তির কিছু অংশ 'খ' কে দান করার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু দান গ্রহণের আগে 'খ' দুর্ঘটনায় মারা যান। এক্ষেত্রে-
  1. দান স্থগিত থাকবে
  2. দান বাতিল হবে
  3. দান কার্যকর হবে
  4. দান গ্রহণ করার জন্য সময় বাড়ানো হবে
সঠিক উত্তর:
দান বাতিল হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দান বাতিল হবে
ব্যাখ্যা
⇒ দানগ্রহীতা দানের পূর্বে যদি মারা যান, তবে দান বাতিল হয়ে যাবে এবং দানের কোনো কার্যকারিতা থাকবে না।

সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১২২ ধারার বিধান: দান (Gift) এর সংজ্ঞা:
এক ব্যক্তি স্বেচ্ছায় এবং প্রতিদান ছাড়া নির্দিষ্ট বিদ্যমান কোন অস্থাবর বা স্থাবর সম্পত্তি অন্য ব্যক্তিকে হস্তান্তর করলে এবং সে ব্যক্তি বা তার পক্ষ হতে এই হস্তান্তর গ্রহণ করলে তাকে দান বলা হয়। যে ব্যক্তি এভাবে সম্পত্তি হস্তান্তর করে তাকে দাতা এবং যে ব্যক্তি তা গ্রহণ করে তাকে দানগ্রহীতা বলা হয়।

দান কখন গ্রহণ করতে হয় (Acceptance when to be made)-
- দাতার জীবনকালে এবং দাতা দান করতে সম্পূর্ণ সক্ষম অবস্থায় উক্ত দান অবশ্যই গ্রহণ করতে হবে।
- দান গ্রহণের পূর্বে যদি দানগ্রহীতা মারা যায় তাহলে দান বাতিল হবে।

Section 122.“Gift” defined:
“Gift” is the transfer of certain existing moveable or immoveable property made voluntarily and without consideration, by one person, called the donor, to another, called the donee, and accepted by or on behalf of the donee.

Acceptance when to be made:
Such acceptance must be made during the lifetime of the donor and while he is still capable of giving. 
If the donee dies before acceptance, the gift is void.
১০,১৮৬.
'এই আইনের কোনো বিধান চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ২৫ ধারাকে প্রভাবিত করিবে না' এটি তামাদি আইনের কত ধারার বলা আছে?
  1. ১৮ ধারার
  2. ৩ ধারার
  3. ২৯ ধারার
  4. ২৮ ধারার
সঠিক উত্তর:
২৯ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯ ধারার
ব্যাখ্যা
♦ তামাদি আইনের ২৯ ধারার বিধান সংরক্ষণ:

(১) এই আইনের কোনো বিধান ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের (১৮৭২ সালের ৯নং আইনে) ২৫ ধারাকে প্রভাবিত করিবে না।

(২) যেইক্ষেত্রে কোনো বিশেষ আইনে কোনো মামলা, আপিল বা দরখাস্তের জন্য এই আইনের প্রথম তফসিলে নির্ধারিত মেয়াদ অপেক্ষা ভিন্নতর মেয়াদের বিধান রহিয়াছে, সেইক্ষেত্রে এই আইনের ৩ ধারার বিধানসমূহ এইরূপভাবে প্রযোজ্য হইবে, যেন উক্ত ভিন্নতর মেয়াদ এই আইনের বিধান অনুসারে কোনো মামলা, আপিলে বা দরখাস্তের তামাদির মেয়াদ গণনার উদ্দেশ্যে-

(ক) এই আইনের ৪ ধারা, ৯ হইতে ১৮ ধারা ও ২২ ধারার বিধানসমূহ সেই পরিমাণে প্রযোজ্য হইবে, যেই পরিমাণ উহা উক্ত বিশেষ আইনের স্পষ্ট বহির্ভূত নহে, এবং
(খ) এই আইনের অবশিষ্ট বিধানসমূহ প্রযোজ্য হইবে না।

(৩) এই আইনের কোনো বিধান বিবাহ-বিচ্ছেদ আইন (১৮৬৯ সালের ৪ নং আইন) অনুসারে আনীত মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না।

(৪) যেই সকল এলাকায় ১৮৮২ সালের সুখাধিকার আইনের আওতা আপাতত সম্প্রসারিত করা হইবে, সেই সকল এলাকা হইতে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে আইনের ২৬ ও ২৭ ধারা এবং ২ ধারায় বর্ণিত ‘সুখাধিকার' এবং সংজ্ঞা প্রযোজ্য হইবে না।
১০,১৮৭.
আদালত একজন দরখাস্তকারীর বিরুদ্ধে মোকদ্দমার অ্যাবেটমেন্ট আদেশ সরাসরি বাতিলের জন্য সর্বোচ্চ কত টাকা খরচ পরিশোধের নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. ১০০০ টাকা
  2. ২০০০ টাকা
  3. ৩০০০ টাকা
  4. ৫০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৩০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ-২২, বিধি-৯ক এর বিধান সরাসরি খারিজ বা বাতিল আদেশ রহিতকরণ: বাতিল বা খারিজের ৬০ দিনের মধ্যে যদি মৃত বাদীর আইনগত প্রতিনিধি বাতিল বা খারিজের আদেশকে রহিতকরণের জন্য আবেদন করে তাহলে আদালত বিলম্ব এড়ানো ও বিচার ত্বরান্বিত করার জন্য সাক্ষ্য উপস্থাপনের নির্দেশ প্রদান না করে বাতিল বা খারিজ আদেশ সরাসরি রহিত করতে পারেন। এক্ষেত্রে আদালত বাদীকে অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদানের আদেশ দিবেন।
------------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-22 Rule-9A.Directly setting aside abatement or dismissal:
-Notwithstanding anything contained in rule 9 or any other law, where the legal representative of a deceased plaintiff or the assignee or the receiver of any insolvent plaintiff files an application for setting aside abatement or dismissal made under this Order, within sixty days of abatement or dismissal, the Court may, in order to avoid delay and expedite disposal, set aside the abatement or dismissal without requiring the applicant to adduce evidence to prove sufficient cause as required under rule 9, but requiring him to pay such cost not exceeding three thousand taka as the Court may deem appropriate.
১০,১৮৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯০ ধারায় কোন ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধ আমলে নিতে পারে?
  1. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  2. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উল্লিখিত সকলে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলে
ব্যাখ্যা
• আমলে নেয়া অর্থ হলো- অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অপরাধের বিরুদ্ধে অগ্রসর হওয়ার জন্য উপাদান আছে বলে ম্যাজিস্ট্রেট মানসিকভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলে এবং সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ফৌজদারী কার্যবিধির অধীন অগ্রসর হওয়ার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করলে ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধটি আমলে নিয়েছে বলে গণ্য হবে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৯০ এ ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অপরাধ আমলে নেয়ার বিধান উল্লেখ রয়েছে। যে সকল ম্যাজিস্ট্রেটগণ অপরাধ আমলে নিতে পারেন:

i. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট;
ii. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট;
iii. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট;
iv. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট; অথবা
v. ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট।
১০,১৮৯.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ১৪৪ ধারার বিষয়বস্তু?
  1. স্থিতাবস্থা বজায় রাখার আদেশদান;
  2. প্রত্যর্পণ;
  3. শান্তি-শৃংখলা বজায় রাখার আদেশদান;
  4. সম্পত্তির মালিকানা নির্ধারণ।
সঠিক উত্তর:
প্রত্যর্পণ;
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যর্পণ;
ব্যাখ্যা
♦The Code of Civil Procedure, 1908, ধারা ১৪৪ এর বিধান হল প্রত্যর্পণ বা পুনরুদ্ধারঃ(১) যেক্ষেত্রে কোন ডিক্রির যতদূর পরিবর্তন বা রদ করা হয়, সেক্ষেত্রে পুনরুদ্ধার বা অন্য কোনভাবে কোনরূপ সুবিধা পাওয়ার অধিকারী কোন পক্ষের আবেদন ক্রমে প্রাথমিক আদালত এরূপ পুনরুদ্ধারের ব্যবস্থা করা হয়েছে, তা একদম প্রদত্ত না হলে পক্ষগণ যে অবস্থায় থাকতেন, সেই অবস্থায় স্থাপন করবেন এবং এই উদ্দেশ্যে আদালতে মামলার খরচ প্রদান এবং সুদ, খেসারত ও ক্ষতিপূরণ এবং মধ্যবর্তী কালীন মুনাফা পরিশোধের আদেশসহ এরূপ পরিবর্তন বা রদের কারণে যেরূপ উপযুক্ত হয় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারেন।
(২) উপধারা (১) অনুসারে আবেদন করে পুনরুদ্ধার বা অন্য কোন প্রতিকার পাওয়া গেলে এই উদ্দেশ্যে কোন মামলা দায়ের করা চলবে না।
১০,১৯০.
আত্মহত্যা সম্পর্কে পুলিশ তদন্ত কত ধারায়?
  1. ১৭২ ধারায়
  2. ১৭৩ ধারায়
  3. ১৭৪ ধারায়
  4. ১৭৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৭৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৪ ধারার বিধান পুলিশ আত্মহত্যা, প্রভৃতি সম্পর্কে ইনকোয়ারী করবে ও প্রতিবেদন দিবেঃ

(১) থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অথবা এ সম্পর্কে সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন পুলিশ কর্মকর্তা যদি সমাচান পান যে, কোন ব্যক্তি-
(ক) আত্মহত্যা করেছে; অথবা
(খ) অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক, বা কোন প্রাণী কর্তৃক, বা কোন যন্ত্রে বা দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে; অথবা
(গ) এরূপ অবস্থায় মারা গিয়েছে যদরুণ যৌক্তিকভাবে সন্দেহ পোষণ হতে পারে যে, অন্য কোন ব্যক্তি কোন অপরাধ করেছে,

সেক্ষেত্রে অবিলম্বে সুরতহাল তদন্তের লক্ষ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত নিকটতম নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে তা অবগত করাবেন এবং সরকারের নির্ধারিত কোন বিধি বা কোন সাধারণ বা বিশেষ আদেশের মাধ্যমে ভিন্নভাবে কোন নির্দেশনা না থাকলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের যেখানে উত্তরূপে মৃত ব্যক্তির লাশ রয়েছে, সে স্থানে যাবেন এবং সেখানে স্থানীয় দুই বা ততোধিক সম্মানিত ব্যক্তির উপস্থিতিতে তদন্ত কার্য করবেন এবং মৃত ব্যক্তির দেহে ক্ষত, ভাঙ্গা বা মচকিয়ে যাবার দাগ, আঁচড়িয়ে যাবার দাগ ও অন্যান্য আঘাতের চিহ্ন বর্ণনা করে এবং যে পদ্ধতিতে অস্ত্র বা যন্ত্র (যদি থাকে) কর্তৃক উক্ত চিহ্নের সৃষ্টি হইয়াছে মর্মে মনে হয়, উহার উল্লেখ করে আপাতদৃষ্টিতে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন প্রণয়ন করবেনঃ

শর্ত থাকে যে, সরকার কর্তৃক অন্য কোন নির্দেশ না প্রদত্ত না হলে শত্রুর তৎপরতার দরুণ কারও মৃত্যু হয়ে থাকলে সেক্ষেত্রে এই উপধারার বিধানমতে কোন তদন্ত করা বা প্রতিবেদন প্রণয়ন করা বা সুরতহাল করার ক্ষমতাসম্পন্ন কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে সংবাদ দেবার প্রয়োজন হবে না।

(২) ঐ প্রতিবেদনে ঐরূপ পুলিশ কর্মকর্তা ও অন্য ব্যক্তিবর্গ অথবা তাঁদের মধ্যে যাঁরা একমত হন তাঁর স্বাক্ষর করবেন এবং অবিলম্বে তা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর পাঠাতে হবে।

(৩) মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে সন্দেহ থাকলে অথবা অন্য কোন কারণে পুলিশ কর্মকর্তা উত্তরূপ করা প্রয়োজনীয় ও সমীচীন বলে বিবেচনা করলে তিনি এ সম্পর্কে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত বিধি সাপেক্ষে তিনি লাশটি পরীক্ষার লক্ষ্যে কোন নিকটতম সিভিল সার্জন বা সরকার কর্তৃক এই প্রয়োজনে নিযুক্ত অন্য কোন যোগ্যতাসম্পন্ন ডাক্তার বরাবর পাঠাবেন, তবে আবহাওয়ার ও দূরত্বের জন্য লাশটি যদি বিকৃতি হয়ে যাবার ঝুঁকি না থাকে যাদরুণ ঐরূপ পরীক্ষা অর্থহীন হয়ে দাঁড়ায়, তাহলে তা পাঠাবার প্রয়োজন নেই।.
(৫) নিম্নে বর্ণিত ম্যাজিস্ট্রেটগণ সুরতহাল করতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত হলেন, যথাঃ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা এতদ্বিষয়ে ব্যাপারে সরকার বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক এ ব্যাপারে বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
১০,১৯১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৭ ধারায়, গ্রেপ্তারের জন্য কোনো স্থানে প্রবেশ করতে হলে সেখানকার দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির কী করা উচিত?
  1. শুধু মৌখিক অনুমতি দেওয়া
  2. পুলিশকে প্রবেশে বাধা দেওয়া
  3. কোনো সহযোগিতা না করা
  4. পুলিশকে প্রবেশ ও তল্লাশির সুযোগ দেওয়া
সঠিক উত্তর:
পুলিশকে প্রবেশ ও তল্লাশির সুযোগ দেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশকে প্রবেশ ও তল্লাশির সুযোগ দেওয়া
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৭ ধারায়, যদি কোনো ব্যক্তি গ্রেপ্তারের ওয়ারেন্ট নিয়ে অথবা গ্রেপ্তারের অধিকারী পুলিশ কর্মকর্তা বিশ্বাস করেন যে, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি কোনো স্থানে প্রবেশ করেছে, তাহলে ঐ স্থানের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা সেখানে অবস্থানকারী ব্যক্তি পুলিশ কর্মকর্তার প্রবেশ ও তল্লাশির সুযোগ দিতে বাধ্য।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৭ ধারা অনুযায়ী, যদি গ্রেপ্তারকারী পুলিশ অফিসার বা ওয়ারেন্টধারী ব্যক্তির বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি কোনো স্থানে প্রবেশ করেছে বা সেখানে অবস্থান করছে, তাহলে সেই স্থানের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির বাধ্যতামূলক কর্তব্য হলো:
- পুলিশ বা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে অবাধ প্রবেশের সুযোগ দেওয়া।
- তল্লাশি চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় সুবিধা প্রদান করা।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 47. Search of place entered by person sought to be arrested
If any person acting under a warrant of arrest, or any police-officer having authority to arrest, has reason to believe that the person to be arrested has entered into, or is within, any place, the person residing in, or being in charge of, such place shall, on demand of such person acting as aforesaid or such police-officer, allow him free ingress thereto, and afford all reasonable facilities for a search therein.
১০,১৯২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬৩ অনুযায়ী, তদন্ত চলাকালে পুলিশ কর্মকর্তার কী করা নিষিদ্ধ নয়?
  1. সাক্ষীকে ভয় দেখানো
  2. সাক্ষীকে প্রলোভন দেওয়া
  3. সাক্ষীকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া
  4. সাক্ষীর ইচ্ছাকৃত বিবৃতি নেওয়া
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীর ইচ্ছাকৃত বিবৃতি নেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীর ইচ্ছাকৃত বিবৃতি নেওয়া
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬৩-এর উপ-ধারা (২) অনুসারে, কোনো পুলিশ কর্মকর্তা বা অন্য কর্তৃপক্ষ কোনো সতর্কতা বা অন্য কোনভাবে কোন ব্যক্তিকে তার স্বেচ্ছায় যে কোন বিবৃতি দিতে বাধা দিতে পারবেন না।
- অর্থাৎ, তদন্ত চলাকালে যদি কোন সাক্ষী স্বতঃস্ফূর্তভাবে বা নিজের ইচ্ছায় কোন বিবৃতি দিতে চান, তাহলে পুলিশ কর্মকর্তার পক্ষে সেই ইচ্ছাকৃত বিবৃতি নেওয়া নিষিদ্ধ নয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৬৩ ধারায় বলা হয়েছে:
(১) কোন পুলিশ কর্মকর্তা বা অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যক্তি বা আসামির কাছে এমন কোনো প্ররোচনা, হুমকি বা প্রতিশ্রুতি দিতে পারবে না যা সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২, ধারা ২৪ অনুসারে অবৈধ।
(২) তবে, কোন পুলিশ কর্মকর্তা বা অন্য কেউ কোনো সতর্কতা বা অন্য কোনো মাধ্যমে কাউকে এমন কোনো বিবৃতি দিতে বাধা প্রদান করতে পারবে না যা সে নিজের ইচ্ছায় তদন্তের সময় দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকে।
-----------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 163. No inducement to be offered:
(1) No police officer or other person in authority shall offer or make, or cause to be offered or made, any such inducement, threat or promise as is mentioned in the Evidence Act, 1872, section 24. 
(2) But no police officer or other person shall prevent, by any caution or otherwise, any person from making in the course of any investigation under this Chapter any statement which he may be disposed to make of his own free will.

১০,১৯৩.
যেক্ষেত্রে বিবাদী জেলে থাকে, সেই ক্ষেত্রে বিবাদীর প্রতি সমন জারির জন্য সমন পাঠাতে হবে-
  1. বিবাদীর প্রতিনিধির নিকট
  2. জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট
  3. বিবাদীর পরিবারের প্রাপ্ত বয়স্ক সদস্যের নিকট
  4. বিবাদীর পরিবারের প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষ সদস্যের নিকট
সঠিক উত্তর:
জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৫নং আদেশে কিছু ক্ষেত্রে সমন জারির বিশেষ পদ্ধতি আলোচনা করা হয়েছে। যেমনঃ

বিধি ২১-
যেক্ষেত্রে বিবাদী অন্য আদালতের এখতিয়ারাধীন এলাকায় বসবাস করে সেই ক্ষেত্রে বিবাদী যে এলাকায় বসবাস করে, সেই এলাকার এখতিয়ারাধীন যেকোন সমন জারিকারী আদালত সমনটি পাঠাতে পারে এবং উক্ত আদালত তখন সমন জারি করবে।

বিধি ২৪-
যেক্ষেত্রে বিবাদী জেলে থাকে, সেই ক্ষেত্রে বিবাদীর প্রতি সমন জারির জন্য জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট সমন পাঠাতে হবে।

বিধি ২৫,২৬-
যেক্ষেত্রে বিবাদী বাংলাদেশের বাইরে বসবাস করে এবং বাংলাদেশে সমন গ্রহণের কোন এজেন্ট নেই, সেই ক্ষেত্রে বিবাদী দেশের বাইরে যেখানে বসবাস করে সেখানে পাঠাতে হবে। এই ক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রতিনিধি বা এমন সমন জারির জন্য প্রতিষ্ঠিত কোন আদালত কর্তৃক সমনটি জারি করা যেতে পারে। 

বিধি ২৭-
সরকারী কর্মকর্তা বা রেলওয়ে বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তার প্রতি সমন জারির জন্য উক্ত অফিসের প্রধানের বরাবর সমন পাঠাতে হবে।

বিধি ২৮-
যেক্ষেত্রে বিবাদী একজন সৈনিক, নাবিক, বা বৈমানিক, সেই ক্ষেত্রে সমন জারি করতে উক্ত বাহিনীর কমান্ডিং অফিসারের নিকট সমন পাঠাতে হবে।
১০,১৯৪.
বেসরকারি ব্যক্তি কর্তৃক গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারার আওতাভুক্ত হলে পুলিশ তাকে পুনরায় গ্রেফতার করতে পারে?
  1. ৪৬ ধারা
  2. ৪৮ ধারা
  3. ৫৪ ধারা
  4. ৫৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪ ধারা
ব্যাখ্যা

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯ ধারা- সাধারণ নাগরিক কর্তৃক গ্রেফতার এবং গ্রেফতারের পরবর্তী কার্যপ্রণালী:
(১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তার মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংগঠনকারীকে অথবা অপরাধী বলে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে পুলিশ অফিসারের নিকট দিবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে ক্ষেত্রে নিকটস্থ থানার হেফাজতে নিয়ে যাবেন অথবা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।

২) এরূপ ব্যক্তিকে ৫৪ ধারার বিধানের আওতাভুক্ত বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে কোন পুলিশ অফিসার পুনরায় গ্রেফতার করবেন।

(৩) সে আমলঅযোগ্য অপরাধ করেছে বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবীকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকার করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা বলে বিশ্বাস করার কারণ ঘটে, তাহলে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধানানুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে বলে বিশ্বাস করার মত যথেষ্ট কারণ না থাকলে তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।

১০,১৯৫.
তামাদি আইন অনুযায়ী আমানত গ্রহীতা বা বন্ধক গ্রহীতার নিকট থেকে অস্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা করার সময়সীমা কত?
  1. ৬ বছর
  2. ১২ বছর
  3. ৩০ বছর
  4. ৬০ বছর
সঠিক উত্তর:
৩০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ১৪৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, যদি কোন ব্যক্তি তার অস্থাবর সম্পত্তি অন্য কারো কাছে আমানত হিসেবে রাখে বা বন্ধক হিসেবে দেয়, তবে সেই সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা করার নির্দিষ্ট সময়সীমা রয়েছে। এই সময়সীমা হল ৩০ বছর।

⇒ মামলা করার এই সময়সীমা শুরু হয় যখন আমানত রাখা হয় বা সম্পত্তি বন্ধক দেওয়া হয়। অর্থাৎ, যখন কেউ তার সম্পত্তি অন্য কারো কাছে নির্দিষ্ট শর্তে জমা দেয় বা বন্ধক রাখে, তখন থেকেই এই ৩০ বছরের গণনা শুরু হয়।

⇒ অর্থাৎ তামাদি আইনের ১৪৫ অনুচ্ছেদ অনুসারে, আমানত রাখা বা বন্ধক দেওয়ার তারিখ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে অস্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের মামলা দায়ের করতে হবে।
১০,১৯৬.
What is the maximum punishment under Section 304A for causing death by negligence?
  1. Death penalty
  2. Life imprisonment
  3. Ten years of imprisonment
  4. Five years of imprisonment
সঠিক উত্তর:
Five years of imprisonment
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Five years of imprisonment
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৪ক ধারার বিধান অবহেলার ফলে মৃত্যু সংঘটন:
-কোন ব্যক্তি যদি বেপরোয়াভাবে বা অবহেলাজনকভাবে কার্য করে কারো মৃত্যু ঘটায় এবং তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা না হয়, তবে সে ব্যক্তি পাঁচ বৎসর পর্যন্ত মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
----------------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 304A: Causing death by negligence:
-Whoever causes the death of any person by doing any rash or negligent act not amounting to culpable homicide shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to five years, or with fine, or with both.
১০,১৯৭.
সারোয়ারের বাগানে ১৫ মার্চ, ২০২২ তারিখে প্রতিবেশী আমজাদ অনধিকার প্রবেশ (trespass) করে। সারোয়ার সর্বোচ্চ কত তারিখের মধ্যে ক্ষতিপূরণের মামলা দায়ের করতে পারবেন?
  1. ১৫ মার্চ, ২০২৩
  2. ১৫ মার্চ, ২০২৪
  3. ১৫ মার্চ, ২০২৫
  4. ১৫ মার্চ, ২০২৬
সঠিক উত্তর:
১৫ মার্চ, ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ মার্চ, ২০২৫
ব্যাখ্যা
Article 39 of the Limitation Act, 1908:
স্থাবর সম্পত্তিতে অনধিকার প্রবেশ (trespass) এর জন্য ক্ষতিপূরণের দাবি-
তামাদি মেয়াদ: তিন (৩) বছর।
সময়সীমা গণনা শুরু হবে: যেদিন অনধিকার প্রবেশ (trespass) সংঘটিত হয়, সেদিন থেকে।

⇒ এই ক্ষেত্রে:
অনধিকার প্রবেশ (trespass) ঘটেছে: ১৫ মার্চ ২০২২।
সেদিন থেকেই ৩ বছরের তামাদি সময় গণনা শুরু হবে।
তাই, সারোয়ারের ক্ষতিপূরণ মামলা করার শেষ সময় হবে: ১৫ মার্চ ২০২৫।
১০,১৯৮.
সাক্ষীকে Hostile ঘোষণা করার ক্ষমতা কার?
  1. পুলিশের
  2. সাক্ষী আহবানকারী পক্ষের
  3. অভিযুক্ত পক্ষের
  4. আদালতের
সঠিক উত্তর:
আদালতের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: আদালত।

 বৈরী সাক্ষী (Hostile Witness) হলো সেই সাক্ষী যাকে কোনো পক্ষ (বাদী বা বিবাদী) আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য উপস্থাপন করে, কিন্তু সে যদি নিজের পক্ষের বিরুদ্ধে বা প্রতিপক্ষের পক্ষে সাক্ষ্য প্রদান করে, তাহলে তাকে বৈরী সাক্ষী হিসেবে গণ্য করা হয়।

কখন সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করা হয়?
১) যখন সাক্ষী তার নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়।
২) যখন সাক্ষী প্রতিপক্ষের পক্ষে কথা বলে।
৩) যখন সাক্ষী তার আগের দেওয়া বক্তব্য থেকে সরে আসে বা বিপরীত কথা বলে।

- সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৫৪ অনুযায়ী, আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ তার নিজের সাক্ষীকে জেরা করতে পারে যদি সাক্ষী বৈরী হয়ে যায়। সাধারণত, জেরা করার অধিকার প্রতিপক্ষের থাকে, তবে যদি আদালত মনে করে যে একজন সাক্ষী ইচ্ছাকৃতভাবে বিপরীতমুখী বক্তব্য দিচ্ছে, তবে সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষও তাকে জেরা করতে পারে।

১০,১৯৯.
আদালত কখন ভিক্টিমের অনৈতিক চরিত্র ও পূর্ববর্তী যৌন আচরণ সম্পর্কে প্রশ্ন করার অনুমতি প্রদান করবে?
  1. ন্যায়বিচারের স্বার্থে
  2. অভিযুক্তের আবেদনক্রমে
  3. প্রতিপক্ষ আইনজীবির আবেদনক্রমে
  4. কোনো ক্ষেত্রেই নয়
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচারের স্বার্থে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচারের স্বার্থে
ব্যাখ্যা
ধারা ১৪৬(৩) এ বলা হয়েছে-
ভিক্টিমের সাধারণ অনৈতিক চরিত্র বা পূর্ববর্তী যৌন আচরণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যাবে না: আরও শর্ত থাকে যে, এই ধরনের প্রশ্ন শুধুমাত্র আদালতের অনুমতি নিয়েই জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে, যদি এটি ন্যায়বিচারের জন্য আদালতের কাছে প্রয়োজনীয় বলে মনে হয়।

এখানে বলা হয়েছে,
সাক্ষীর চরিত্রের প্রতি আঘাত করে তার বিশ্বাসযোগ্যতা সম্পর্কে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করার লক্ষ্যে জেরায় ভিক্টিমের অনৈতিক চরিত্র ও পূর্ববর্তী যৌন আচরণ সম্পর্কে প্রশ্ন করা যাবে না। তবে ন্যায়বিচারের স্বার্থে আদালতের অনুমতি নিয়ে করা যাবে।
১০,২০০.
দণ্ডবিধির ৪১০ ধারার বিধান অনুসারে, দস্যুতার ফলে হস্তান্তরিত সম্পত্তিকে ____________ বলে।
  1. চোরাই মাল
  2. ডাকাতির মাল
  3. দস্যুতার মাল
  4. বলপূর্বক গ্রহণের মাল
সঠিক উত্তর:
চোরাই মাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চোরাই মাল
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারার বিধান- চোরাই সম্পত্তি:
চুরি বা জোরপূর্বক আদায় বা দস্যুতার কর্তৃক যে সম্পত্তি হস্তান্তরিত হয়েছে বা যে সম্পত্তি অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎ হয়েছে বা যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ হয়েছে সে সম্পত্তিকে "চোরাই সম্পত্তি” বলে। অনুরূপ হস্তান্তর অথবা আত্মসাৎ বা বিশ্বাস ভঙ্গ বাংলাদেশের মধ্যে বা বাহিরে যেখানে সাধিত বা সংঘটিত হোক না কেন, সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি 'চোরাই সম্পত্তি' বলে উহা আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী ব্যক্তির দখলে আসে, তবে আর উহা চোরাই সম্পত্তি থাকে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারামতে, যে সকল মাল বা সম্পত্তি চোরাই মাল বলে গণ্য হবে তা হল-
ক) চুরির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি;
খ) বলপূর্বক গৃহীত সম্পত্তি;
গ) দস্যুতা এবং ডাকাতিমূলে হস্তান্তরিত সম্পত্তি; এবং
ঘ) অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎকৃত ও বিশ্বাসভঙ্গের দ্বারা অর্জিত সম্পত্তিকে চোরাই মাল বা Stolen Property বলে।