বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ৬৭ / ১৫৫ · ৬,৬০১৬,৭০০ / ১৫,৪৭০

৬,৬০১.
Under Section 25 of The Evidence Act, 1872, which of the following is considered inadmissible?
  1. Dying declaration
  2. Admission in a civil suit
  3. Confession made in court
  4. Confession made to a police officer
ব্যাখ্যা
The Evidence Act, 1872, ধারা ২৫- Confession to police-officer not to be proved (পুলিশ অফিসারের কাছে প্রদত্ত স্বীকারোক্তি প্রমাণ হিসাবে গ্রহণযোগ্য নয়):
"No confession made to a police-officer shall be proved as against a person accused of any offence."
“কোনো পুলিশ অফিসারের নিকট প্রদত্ত স্বীকারোক্তি কোনো অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসাবে উপস্থাপন করা যাবে না।”

মূল বক্তব্য:
যদি কোনো ব্যক্তি অপরাধে অভিযুক্ত হন, এবং তিনি কোনো স্বীকারোক্তি পুলিশ অফিসারকে দিয়ে থাকেন, তাহলে সেই স্বীকারোক্তি আদালতে তাঁর বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

⇒ এটি একজন অভিযুক্ত ব্যক্তিকে পুলিশি বলপ্রয়োগ বা প্রলোভনের মাধ্যমে স্বীকারোক্তি আদায় থেকে সুরক্ষা দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনগত বিধান।
৬,৬০২.
তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ১৩ অনুযায়ী, বিবাদী বাংলাদেশের বাইরে থাকলে তামাদি গণনা সম্পর্কে কী হবে?
  1. সময় দ্বিগুণ হবে
  2. পুরো সময়ই গণনা হবে
  3. অনুপস্থিতির সময় বাদ যাবে
  4. শুধু সরকারি ছুটির দিন বাদ যাবে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ধারা ১৩-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে বিবাদী বাংলাদেশের বাইরে থাকাকালীন সময় তামাদি গণনা থেকে বাদ দেওয়া হবে। অর্থাৎ, বিবাদী বিদেশে থাকার পুরো সময়টি তামাদির মেয়াদ গণনায় ধরা হবে না।

⇒ তামাদি আইনের ১৩ ধারা অনুযায়ী, যদি বিবাদী বাংলাদেশের বাইরে থাকে, তাহলে তামাদি মেয়াদ গণনার সময় তার অনুপস্থিতির সময় বাদ দেওয়া হবে। অর্থাৎ, বিবাদী যতদিন অনুপস্থিত থাকবে, সেই সময় তামাদি গণনার মধ্যে পড়বে না, বরং সে ফিরে আসার পর তামাদি গণনা চলবে।
- এই বিধান বাদীর স্বার্থ রক্ষার জন্য রাখা হয়েছে, যাতে বিবাদির বিদেশে থাকার কারণে বাদী মামলা দায়েরের সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হন।
--------
⇒ The Limitation Act:- Section 13. Exclusion of the time of the defendant’s absence from Bangladesh and certain other territories
In computing the period of limitation prescribed for any suit, the time during which the defendant has been absent from Bangladesh and from the territories beyond Bangladesh under the administration of the Government shall be excluded.
৬,৬০৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির ___________ ধারায় আদালত সরকারী কর্মকর্তাকে আটক এবং ব্যক্তিগত হাজিরা হতে অব্যাহতি দিতে পারে
  1. ৮০ ধারায়
  2. ৮১ ধারায়
  3. ৮২ ধারায়
  4. ৮৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানি কার্যবিধির ৮১ ধরার অনুযায়ী পদাধিকারবলে কৃত কোন কাজের জন্য কোন সরকারি কর্মকর্তার বিরূদ্ধে কোন মোকদ্দমা দায়ের করা হয়ে থাকলে, বিবাদীকে গ্রেপ্তার করা যাবে না এবং ডিক্রি জারী ব্যতীত অন্য কোন কারণে তার সম্পত্তি ক্রোক করা চলবে না এবং যেক্ষেত্রে আদালত এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, বিবাদী জনসবার ক্ষতি না করে তার কর্তব্য হতে অনুপস্থিত থাকতে পারবে না, সেই ক্ষেত্রে আদালত তাকে ব্যক্তিগতভাবে হাজিরা হতে অব্যাহতি দিতে পারে।
৬,৬০৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় Subordination of Courts এর বিধান আছে?
  1. ২ ধারায়
  2. ৩ ধারায়
  3. ৪ ধারায়
  4. ৫ ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section 3. Subordination of Courts:
- For the purposes of this Code, the District Court is subordinate to the High Court Division, and every Civil Court of a grade inferior to that of a District Court and every Court of Small Causes is subordinate to the High Court Division and District Court.
--------
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮, ধারা ৩: আদালতের অধীনতা:
এই বিধির উদ্দেশ্যে— জেলা আদালত হাইকোর্ট বিভাগের (High Court Division) অধীনস্থ।  জেলা আদালতের চেয়ে নিম্ন স্তরের প্রত্যেক দেওয়ানি আদালত এবং প্রত্যেক Court of Small Causes হাইকোর্ট বিভাগ এবং জেলা আদালতের অধীনস্থ।

৬,৬০৫.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে আদালত কীভাবে ডিজিটাল স্বাক্ষর যাচাই করতে পারেন?
  1. প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিলের আদেশের মাধ্যমে
  2. নিয়ন্ত্রক বা সেই ব্যক্তিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিলের আদেশের মাধ্যমে
  3. অন্য কোন ব্যক্তিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ যাচাই করতে আদেশের প্রদানের মাধ্যমে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৩ক ধারার বিধান ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যাখ্যানের প্রমাণ প্রসঙ্গ: যার দ্বারা ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সংযুক্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হয়, ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সেই ব্যক্তির কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য আদালত নির্দেশ দিতে পারে যে-
(ক) সেই ব্যক্তি বা নিয়ন্ত্রক বা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিল করতে,
(খ) অন্য কোন ব্যক্তিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের গণতালিকায় আবেদন করতে এবং সেই কথিত ডিজিটাল স্বাক্ষর যাচাই করতে।

ব্যাখ্যা: এখানে "নিয়ন্ত্রক" অর্থ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ধারা ১৮ (১) এর অধীনে নিযুক্ত নিয়ন্ত্রক।
-------------------
⇒The Evidence Act, 1872: Section-73A. Proof as to verification of digital signature:
 -In order to ascertain whether a digital signature is that of the person by whom it purports to have been affixed, the Court may direct-
(a) that person or the Controller or the Certifying Authority to produce the Digital Signature Certificate;
(b) any other person to apply the public key listed in the Digital Signature Certificate and verify the digital signature purported to have been affixed by that person.

Explanation.- For the purpose of this section, "Controller" means the Controller appointed under sub-section (1) of section 18 of the Information and Communication Technology Act, 2006 (Act No. 39 of 2006).
৬,৬০৬.
'দলিল নিবন্ধনের সকল ফিস দলিল দাখিলের সময় প্রদান করতে হবে'- The Registration Act, 1908 এর কত ধারার বিধান?
  1. ধারা ৮০
  2. ধারা ৮১
  3. ধারা ৮২
  4. ধারা ৮৫
ব্যাখ্যা

The Registration Act, 1908 এর ধারা ৮০- দলিল দাখিলের সময় ফিস প্রদেয়:
এই আইনের অধীন দলিল নিবন্ধনের সকল ফিস দলিল দাখিলের সময় প্রদেয়।

Section 80- Fees payable on presentation:
All fees for the registration of documents under this Act shall payable on the presentation of such documents.

৬,৬০৭.
আকস্মিক বিবাদের সময়, আকস্মিক উত্তেজনায়, পূর্বপরিকল্পনা ছাড়া মৃত্যু ঘটলে দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার কোন ব্যতিক্রম প্রযোজ্য?
  1. ব্যতিক্রম-১
  2. ব্যতিক্রম-২
  3. ব্যতিক্রম-৩
  4. ব্যতিক্রম-৪
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩০০-এ খুন (Murder) সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, কিন্তু কিছু ব্যতিক্রমের ক্ষেত্রে এটি শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable Homicide) হিসেবেই গণ্য হবে।
- দণ্ডবিধির ধারা ৩০০ অনুযায়ী সাধারণত শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (culpable homicide) খুন (murder) হিসেবে গণ্য হয়। তবে কিছু ব্যতিক্রম রয়েছে, যেখানে নরহত্যা খুন পরিগণিত হবে না।
প্রশ্নে উল্লিখিত পরিস্থিতি:
- আকস্মিক বিবাদ (Sudden Fight)
- আকস্মিক উত্তেজনা (Heat of Passion)
- পূর্বপরিকল্পনা ছাড়া (Without Premeditation)
- অন্যায় সুযোগ না নেওয়া বা নিষ্ঠুরভাবে কাজ না করা

⇒ এটি ধারা ৩০০-এর ব্যতিক্রম-৪-এর সাথে সম্পূর্ণভাবে মিলে যায়:

ব্যতিক্রম-৪:
"শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি তা আকস্মিক বিবাদের সময় উত্তেজনার বশে, কোনো পূর্বপরিকল্পনা ছাড়া সংঘটিত হয় এবং অপরাধী অন্যায় সুযোগ না নেয় বা নিষ্ঠুর/অস্বাভাবিক পদ্ধতি ব্যবহার না করে।"
Exception 4-:
"Culpable homicide is not murder if it is committed without premeditation in a sudden fight in the heat of passion upon a sudden quarrel and without the offender's having taken undue advantage or acted in a cruel or unusual manner."

 অর্থাৎ, যদি আকস্মিক বিবাদ হয়, সেই বিবাদের সময় আকস্মিক উত্তেজনায় অপরাধ সংঘটিত হয়, এবং পূর্বপরিকল্পনা না থাকে, তাহলে সেটি খুন নয়, বরং শাস্তিযোগ্য নরহত্যা হিসেবে গণ্য হবে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর ব্যতিক্রম-৪ (ঘ)।

৬,৬০৮.
শিশু আইন, ২০১৩ অনুযায়ী শিশু-আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে হবে কত দিনের মধ্যে?
  1. ৩০ দিনের মধ্যে
  2. ৬০ দিনের মধ্যে
  3. ৯০ দিনের মধ্যে
  4. ১২০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা

⇒ শিশু আইন, ২০১৩-এর ধারা ৪১(১) অনুযায়ী, শিশু-আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে হবে ৬০ দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে।
- ধারা ৪১(১): এই ধারায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, শিশু-আদালতের আদেশ বা রায় প্রদানের তারিখ থেকে অনধিক ৬০ দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করা যাবে। এটি ফৌজদারি কার্যবিধির বিধান থেকে ভিন্ন হলেও শিশু আইনের এই নির্দিষ্ট বিধান প্রাধান্য পায়।
- আপিলের সময়সীমা: এই ৬০ দিনের সময়সীমা শিশুদের বিচার প্রক্রিয়ার দ্রুত নিষ্পত্তি এবং তাদের স্বার্থ সুরক্ষার জন্য নির্ধারিত। এই সময়ের মধ্যে আপিল দায়ের না করলে সাধারণত আপিলের সুযোগ থাকে না, যদি না বিশেষ কারণে আদালত সময় বাড়ানোর অনুমতি দেয়।

⇒ শিশু আইন, ২০১৩-এর ধারা ৪১ আপিল ও পুনর্বিবেচনা:
(১) ফৌজদারী কার্যবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন শিশু-আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে উক্ত আদেশ বা রায়] প্রদানের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করা যাইবে। 
(২) শিশু-আদালতের কোনো আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে পুনর্বিবেচনা (Revision) করা যাইবে।
(৩) এই ধারার অধীন আপিল বা, ক্ষেত্রমত, পুনর্বিবেচনার আবেদন দাখিল করা হইলে উক্ত আবেদনটি দায়েরের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে উহা নিষ্পত্তি করিতে হইবে।

৬,৬০৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫চ এর প্রয়োগ হয় কোন পর্যায়ে?
  1. জামিন শুনানিতে
  2. চার্জ গঠনের পূর্বে
  3. চার্জ গঠনের পরে
  4. রায় প্রদানের সময়
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫চ-এর শিরোনামই হলো "Date for prosecution evidence" (রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষ্যপ্রমাণের জন্য তারিখ নির্ধারণ)। এই ধারা অনুযায়ী, চার্জ গঠন সম্পন্ন হওয়ার পর এবং আসামি কর্তৃক অপরাধ অস্বীকার করা, অথবা বিচার প্রার্থনা করা এর পরবর্তী পর্যায়ে আদালত রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষ্যপ্রমাণ গ্রহণের জন্য তারিখ নির্ধারণ করেন এবং প্রয়োজনে সাক্ষী বা দলিল হাজিরের জন্য প্রক্রিয়া (সমন/ওয়ারেন্ট) জারি করেন।
- সুতরাং, এই ধারাটির সক্রিয় প্রয়োগ হয় সরাসরি চার্জ গঠনের পরবর্তী পর্যায়ে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫চ ধারা- যদি অভিযুক্ত অপরাধ স্বীকার করতে অস্বীকার করে বা বিচার প্রার্থনা করে বা ২৬৫ঙ ধারায় দণ্ডিত হয় না তাহলে আদালত চার্জ গঠন করে,সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণের জন্য তারিখ নির্ধারণ করবে এবং রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে যেকোনো সাক্ষীকে হাজির হতে বা কোন দলিল বা অন্য কিছু আদালতে উপস্থিত করতে বাধ্য করতে যেকোনো প্রসেস ইস্যু(সমন বা ওয়ারেন্ট জারি) করতে পারে।
-------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 265F: Date for prosecution evidence:
If the accused refuses to plead, or does not plead, or claims to be tried or is not convicted under section 265E, the Court shall fix a date for the examination of witnesses, and may, on the application of the prosecution, issue any process for compelling the attendance of any witness or the production of any document or other thing.

৬,৬১০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ___________ ধারায় বলা আছে, পুলিশ অফিসার কর্তৃক গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে মুচলেকা বা জামিন বা কোন ম্যাজিস্ট্রেটের বিশেষ আদেশ ব্যতীত অব্যাহতি দেয়া যাবে না।
  1. ৬০
  2. ৬১
  3. ৬২
  4. ৬৩
ব্যাখ্যা
• ধারা ৬৩: গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির অব্যাহতি-
যে ব্যক্তি কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক গ্রেফতার হয়েছে, তাকে তার নিজের মুচলেকা, অথবা জামিন, অথবা কোন ম্যাজিস্ট্রেটের বিশেষ আদেশ ব্যতীত অব্যাহতি দেয়া যাবে না।

Section 63: Discharge of person apprehended-
No person who has been arrested by a police-officer shall be discharged except on his own bond, or on bail, or under the special order of a Magistrate.
৬,৬১১.
According to Section 2(f) of The Special Powers Act, 1974, which of the following is not a potential result of a prejudicial act?
  1. Creating fear or alarm to the public
  2. Aiding in the maintenance of law and order
  3. Prejudice to the economic or financial interests of the State
  4. Prejudice to the maintenance of essential community supplies and services
ব্যাখ্যা
Section 2(f): “prejudicial act” means any act which is intended or likely- 
 (i) to prejudice the sovereignty or defence of Bangladesh; 
(ii) to prejudice the maintenance of friendly relations of Bangladesh with foreign states; 
(iii) to prejudice the security of Bangladesh or to endanger public safety or the maintenance of public order; 
(iv) to create or excite feelings of enmity or hatred between different communities, classes or sections of people; 
(v) to interfere with or encourage or incite interference with the administration of law or the maintenance of law and order; 
(vi) to prejudice the maintenance of supplies and services essential to the community; 
(vii) to cause fear or alarm to the public or to any section of the public; 
(viii) to prejudice the economic or financial interests of the State;

"প্রতিকূল কাজ" (prejudicial act) এমন একটি কাজ যা দেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা, জননিরাপত্তা বা জনগণের মধ্যে শত্রুতা সৃষ্টি করতে পারে বা রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক স্বার্থে ক্ষতি করতে পারে। এছাড়া এটি জনসাধারণের মধ্যে আতঙ্ক বা ভীতি সৃষ্টি করতে পারে। "আইন ও শৃঙ্খলা রক্ষায় সাহায্য করা (Aiding in the maintenance of law and order)" কোনো ক্ষতিকর কার্য হিসেবে বিবেচিত নয়।
৬,৬১২.
Section 10 of The Specific Relief Act, 1877 states provisions relating to-
  1. Recovery of specific immoveable property
  2. Recovery of specific moveable property
  3. Suit by person dispossessed of immoveable property
  4. Cases in which specific performance enforceable
ব্যাখ্যা
Section 10 of The Specific Relief Act, 1877- Recovery of specific moveable property:
A person entitled to the possession of specific moveable property may recover the same in the manner prescribed by the Code of Civil Procedure.

Explanation 1-
A trustee may sue under this section for the possession of property to the beneficial interest in which the person for whom he is trustee is entitled.

Explanation 2-
A special or temporary right to the present possession of property is sufficient to support a suit under this section.

১০ ধারা: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধার: 
সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানি কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।

ব্যাখ্যা-১:
এই ধারা অনুসারে, একজন জিম্মাদার যার জন্য জিম্মাদার নিযুক্ত হয়েছে সে ব্যক্তির হিতকর স্বার্থে নিয়োগ করার অধিকার রয়েছে, এমন অস্থাবর সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা রুজু করতে পারে।

ব্যাখ্যা-২:
 সম্পত্তির বর্তমান দখলের জন্য অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকারকেই এই ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট।
৬,৬১৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির Order 16, Rule 14 অনুযায়ী আদালত ৩য় পক্ষকে সমন দিতে পারে-
  1. স্বতঃপ্রবৃত্তভাবে
  2. বাদীর আবেদনের ভিত্তিতে
  3. বিবাদীর আবেদনের ভিত্তিতে
  4. উচ্চ আদালতের নির্দেশে
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৬ বিধি ১৪- আদালত স্বতঃপ্রবৃত্তভাবে ৩য় পক্ষকে সাক্ষী হিসেবে সমন দিতে পারে:
আদালত, দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী হাজিরা ও উপস্থিতি সম্পর্কিত বিধান এবং বর্তমানে বলবৎ যে কোনো আইন সাপেক্ষে, যেকোনো সময় মনে করলে যে কোনো ব্যক্তি, যিনি মোকদ্দমার পক্ষ নয় এবং যাকে কোনো পক্ষ সাক্ষী হিসেবে ডেকেনি, তাকে সাক্ষী হিসেবে সমন দিতে পারে। উক্ত সমনের মাধ্যমে আদালত ওই ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট তারিখে সাক্ষ্য দিতে বা তার হাতে থাকা কোন দলিল দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারে। আদালত চাইলে তাকে সাক্ষী হিসেবে পরীক্ষা করতে পারে অথবা উক্ত দলিল দাখিল করতে আদেশ দিতে পারে।

৬,৬১৪.
পদ্মা সেতুর নাট-বল্টু খুলে ফেসবুকে ভিডিও ছাড়ে বায়েজিদ তালহা। সে দণ্ডবিধির কোন ধারায় শাস্তি পাবে?
  1. ৪২৯ ধারায়
  2. ৪৩০ ধারায়
  3. ৪৩১ ধারায়
  4. ৪৩২ ধারায়
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৪৩১ ধারা মতে সরকারি সড়ক, সেতু, নদী বা খালের ক্ষতি করার মাধ্যমে অনিষ্ট সাধনের শাস্তি হলো অনধিক ৫ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
৬,৬১৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮৬ ধারা অনুযায়ী, কোন অপরাধীকে জরিমানা প্রদানের দণ্ডাদেশ দিলে আদালত জরিমানা আদায়ের জন্য কী পদক্ষেপ নিতে পারেন?
  1. অপরাধীর অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করে
  2. স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তিতে দেওয়ানী পদ্ধতি অনুযায়ী পরোয়ানা বলবৎ করে
  3. অপরাধীকে সাথে সাথে কারাগারে পাঠানোর আদেশ প্রদানের মাধ্যমে
  4. 'ক' অথবা 'খ'
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮৬ ধারার বিধান- জরিমানা আদায় করার পরোয়ানা:ঃ
(১) যেক্ষেত্রে কোন আসামীকে জরিমানা দণ্ডে দণ্ড দেয়া হয়, সেক্ষেত্রে দণ্ড দানকারী আদালত নিম্নে বর্ণিত দু'টি বা উভয় উপায় অনুযায়ী জরিমানা আদায়ের ব্যবস্থা নিতে পারবেন, অর্থাৎ ইহা-
(ক) অপরাধীর অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করে জরিমানা আদায়ের জন্য পরোয়ানা দিতে পারবেন, অথবা
(খ) খেলাপকারীর স্থাবর বা অস্থাবর বা উভয় প্রকার সম্পত্তিতে দেওয়ানী পদ্ধতি অনুযায়ী পরোয়ানা বলবৎ করে জরিমানার টাকা আদায়ের কর্তৃত্ব দিয়ে জেলার কালেক্টরকে পরোয়ানা প্রদান করতে পারবেনঃ শর্ত থাকে যে, যদি দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকে যে, জরিমানা পরিশোধ করা না হলে অপরাধী কারাদণ্ডে দণ্ডপ্রাপ্ত হবে এবং সে যদি অনাদায়বশতঃ সমগ্র কারাদণ্ড ভোগ করে থাকে, তাহলে কোন আদালত উক্তরূপ পরোয়ানা দিবে না, যদি না বিশেষ কোন কারণ বশত প্রয়োজন মনে করলে আদালত উক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করে পরোয়ানা দিয়ে থাকেন।
(২) সরকার উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ- (ক) এর পরোয়ানা কার্যকরীকরণের পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণ করে এবং উক্ত পরোয়ানা কার্যকরীকরণ প্রসঙ্গে ক্রোককৃত সম্পত্তিতে অপরাধী ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তির কোন দাবী সংক্ষেপে নির্ধারণের ব্যবস্থা নেবার জন্য বিধি প্রণয়ন করতে পারবেন।
(৩) আদালত যেক্ষেত্রে উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ (খ) অনুযায়ী কালেক্টরকে পরোয়ানা দিয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ (১৯০৮ সনের ৫নং আইন) এর অর্থানুযায়ী উক্ত পরোয়ানাকে ডিক্রি এবং কালেক্টরকে ডিক্রীদার মর্মে আখ্যায়িত করতে হবে এবং যে নিকটতম দেওয়ানী আদালত অনুরূপ পরিমাণ অর্থের ডিক্রি জারি করতে পারেন উক্ত কার্যবিধির উদ্দেশ্যে সেই আদালতকে উক্ত ডিক্রি দাতা আদালত মর্মে আখ্যায়িত করতে হবে এবং ডিক্রি জারির ব্যাপারে উক্ত কার্যবিধির বিধানাদি অনুরূপভাবে প্রযোজ্য হবে।
--------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section-386: Warrant for levy of fine:
(1) Whenever an offender has been sentenced to pay a fine, the Court passing the sentence may take action for the recovery of the fine in either or both of the following ways, that is to say, it may- 
(a) issue a warrant for the levy of the amount by attachment and sale of any movable property belonging to the offender; 
(b) issue a warrant to the Collector of the District authorising him to realise the amount by execution according to civil process against the movable or immovable property, or both, of the defaulter: 
Provided that, if the sentence directs that in default of payment of the fine the offender shall be imprisoned, and if such offender has undergone the whole of such imprisonment in default, no Court shall issue such warrant unless for special reasons to be recorded in writing is considers it necessary to do so. 
(2) The Government may make rules regulating the manner in which warrants under sub-section (1), clause (a), are to be executed, and for the summary determination of any claims made by any person other than the offender in respect of any property attached in execution of such warrant. 
(3) Where the Courts issue a warrant to the Collector under sub-section (1), Clause (b), such warrant shall be deemed to be a decree, and the Collector to be the decree-holder, within the meaning of the Code of Civil Procedure, 1908, and the nearest Civil Court by which any decree for a like amount could be executed shall, for the purposes of the said Code, be deemed to be the Court which passed the Decree, and all the provisions of that Code as to execution of decrees shall apply accordingly: 
Provided that no such warrant shall be executed by the arrest or detention in prison of the offender.
৬,৬১৬.
দণ্ডবিধির ৪৯ ধারা অনুসারে, "year" বা "month" শব্দ ব্যবহৃত হলে, তা কোন ক্যালেন্ডারের ভিত্তিতে গণনা করা হয়?
  1. বাংলা ক্যালেন্ডার
  2. ভারতীয় ক্যালেন্ডার
  3. ইসলামিক ক্যালেন্ডার
  4. ইংরেজি ক্যালেন্ডার
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৯ ধারা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে যে, "year" বা "month" শব্দ ব্যবহৃত হলে তা ইংরেজি ক্যালেন্ডার (অথবা গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার) অনুযায়ী গণনা করা হবে। অর্থাৎ, ইংরেজি ক্যালেন্ডারে এক বছর ৩৬৫ দিন (অথবা লিপ বছরের ক্ষেত্রে ৩৬৬ দিন) এবং এক মাস ৩০ বা ৩১ দিন (ফেব্রুয়ারিতে ২৮ বা ২৯ দিন) হিসেবে গণনা করা হয়।

⇒ The Penal Code, 1860- Sections- 49.“Year” “Month”:
 Wherever the word "year" or the word "month" is used, it is to be understood that the year or the month is to be reckoned according to the British calendar.
৬,৬১৭.
How many types of Special Magistrates are there according to The Code of Criminal Procedure?
  1. 2
  2. 3
  3. 4
  4. 1
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Criminal Procedure- classifies Special Magistrates into 3 types.

-ফৌজদারি কার্যবিধির ১২ ধারামতে Special Magistrate তিন প্রকার। যথা-
ⅰ) বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (Special Executive Magistrate);
ii) বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট (Special Magistrate);
iii) বিশেষ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (Special Metropolitan Magistrate).

-ফৌজদারি কার্যবিধির ১২(১) ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার মেট্রোপলিটন এলাকার বাহিরে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণযোগ্য ক্ষমতা নির্ধারিত মেয়াদের জন্য কোন ব্যক্তির উপর অর্পণ করলে, উক্ত ব্যক্তিবর্গ বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বলে গণ্য হবে।
-ফৌজদারি কার্যবিধির ১২(৩) ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার হাইকোর্ট বিভাগের সাথে পরামর্শক্রমে মেট্রোপলিটন এলাকার বাহিরে কোন প্রথম শ্রেণী, দ্বিতীয় শ্রেণী বা তৃতীয় শ্রেণীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণযোগ্য ক্ষমতা নির্ধারিত মেয়াদের জন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণ করলে, উক্ত ম্যাজিস্ট্রেটগণ বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট বলে গণ্য হবে।
-ফৌজদারি কার্যবিধির ১২(৫) ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার হাইকোর্ট বিভাগের সাথে পরামর্শক্রমে, মেট্রোপলিটন এলাকার মধ্যে কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণযোগ ক্ষমতা নির্ধারিত মেয়াদের জন্য কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণ করলে, উক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ বিশেষ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বলে গণ্য হবে।
------------------------------------------------------
The Code of Criminal Procedure- Section-12: Special Magistrate:
1) The Government may confer upon any person all or any of the powers conferred or conferrable by or under this Code on an Executive Magistrate in respect of particular cases or a particular class or classes of cases, or in regard to cases generally in any local area outside a Metropolitan area: 
Provided that no power shall be conferred under the sub-section on any police officer below the grade of an Assistant Superintendent of Police and no powers shall be conferred on a such police officer except so far as may be necessary for preserving the peace, preventing crime and detecting apprehending and detaining offenders, in order to bring the offender before a Magistrate, and for the performance by the officer of any other duties imposed upon him by any law for the time being in force. 
(2) The persons on whom the powers under sub-section (1) are conferred shall be called Special Executive Magistrates and shall be appointed for such term as the Government may by general or special order direct. 
(3) The Government may, in consultation with the High Court Division confer upon any Magistrate all or any of the powers conferred or conferrable by or under this Code on a Judicial Magistrate of the first, second or third class in respect of particular cases or a particular class or classes of cases or in regard to cases generally in any local area outside a Metropolitan area. 
(4) The Magistrate on whom the powers under sub-section (3) are conferred shall be called Special Magistrates and shall be appointed for such term as the Government may, in consultation with the High Court Division, by general or special order direct. 
(5) The Government may in consultation with the High Court Division confer upon any Metropolitan Magistrate all or any of the powers conferred or conferrable by or under this Code on Metropolitan Magistrate in respect of particular cases or a particular class or classes, or in regard to cases generally in any Metropolitan Area. 
(6) The persons on whom the powers under sub-section (5) are conferred shall be called Special Metropolitan Magistrates and shall be appointed for such term as the Government may in consultation with High Court Division by general or special order direct.
৬,৬১৮.
কোনো Judicial Proceeding এ ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের শাস্তির বিধান বর্ণিত হয়েছে The Penal Code, 1860 এর Section-
  1. ১৯৩
  2. ৪৬৭
  3. ৪৬৩
  4. ১৯৬
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৯৩ ধারা- মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার শাস্তি:

কোন ব্যক্তি যদি কোন বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের যে কোন পর্যায়ে ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্যদান ব্যবহার করার জন্য ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এতদ্ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে; এবং

কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ক্ষেত্রে ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্য দান করে বা তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

ব্যাখ্যা (Explanation)

১- সামরিক আদালত (Court-martial) সংঘটিত বিচারও একটি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম।
২- কোন আদালতের কোন কার্যক্রম শুরু হওয়ার পূর্বে আইনের নির্দেশানুগ প্রারম্ভিক তদন্ত ও বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি পর্যায় যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।
৩- কোন আদালত দ্বারা আইনানুসারে নির্দেশিত এবং কোন আদালতের ক্ষমতানুসারে পরিচালিত কোন তদন্ত বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি পর্যায় যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।

উদাহরণ: 
জমির সীমানা অকুস্থলে নির্ণয়কল্পে কোন আদালত দ্বারা প্রেরিত কর্মচারীর বা অফিসারের সম্মুখে সম্পাদিত তদন্তে ক শপথ গ্রহণান্তর এমন একটি বিবৃতি দান করে, যা সে মিথ্যা বলে জানে। যেহেতু উক্ত তদন্তটি একটি বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমেরই একটি পর্যায়, সেহেতু ক মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান করেছে বলে অভিহিত হবে।
৬,৬১৯.
দণ্ডবিধি, ১৮৬০ আইনে মোট কয়টি ধারা রয়েছে?
  1. ৪৮৮ টি
  2. ৫১০ টি
  3. ৫১১ টি
  4. ৫৬৫ টি
ব্যাখ্যা
⇒ ভারতীয় উপমহাদেশে সর্বপ্রথম আইন কমিশন গঠন করা হয় ১৮৩৪ সালে। প্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে (Lord Macaulay)। প্রথম আইন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন G.W. Anderson, F. Millet, এবং J.M. Macleod। ১৮৩৭ সালে এই কমিশন  দণ্ডবিধি প্রণয়নের জন্য খসড়া জমা দেয় এবং ৬ অক্টোবর ১৮৬০ সালে বিলটি পাস হয় এবং দণ্ডবিধি ১লা জানুয়ারী ১৮৬২ সালে আইনটি কার্যকর হয়।
⇒ এই  আইন সামান্য কিছু পরিবর্তন সাপেক্ষে বর্তমানে ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশে প্রচলিত আছে।
⇒ দণ্ডবিধি  ১৮৬০ সালের ৪৫ নং আইন।
⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০ আইনে মোট অধ্যায় ২৩ টি এবং দণ্ডবিধির মোট ধারা ৫১১ টি (মূল দণ্ডবিধিতে ৪৮৮টি ধারা ছিল)।
⇒ দণ্ডবিধিতে বিভিন্ন অপরাধকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, উক্ত অপরাধের শাস্তি উল্লেখ করা হয়েছে। এই কারণে এটা তত্ত্বগত আইন।
৬,৬২০.
সাক্ষ্য আইনে Dumb witness এর সাক্ষ্য প্রদানের কয়টি পদ্ধতিকে গ্রহণযোগ্যতা দেয়া হয়েছে?
  1. ৩টি
  2. ১টি
  3. ২টি
  4. নির্দিষ্ট পদ্ধতির কথা উল্লেখ নেই
ব্যাখ্যা
বোবা সাক্ষী (Dumb witnesses):
যে সাক্ষী কথা বলতে অক্ষম, তিনিই হচ্ছেন বোবা সাক্ষী (Dumb witnesses)।

সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারায় বলা আছে-
কোনো বোবা সাক্ষী লিখে বা ইশারায় প্রকাশ্য আদালতে সাক্ষ্য দিতে পারবেন যা আদালতে মৌখিক সাক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত হবে।

অর্থাৎ বোবা সাক্ষী দুই ভাবে সাক্ষ্য দিতে পারবে-
⇒ লিখিত ভাবে; বা
⇒ ইশারার মাধ্যমে।

এভাবে বোবা সাক্ষী যে সাক্ষ্য প্রদান করে, তা মৌখিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে।
৬,৬২১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারা কোন পরিস্থিতিতে আদালতকে সুনির্দিষ্ট সম্পাদনের সাথে ক্ষতিপূরণের আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা প্রদান করে?
  1. চুক্তির সম্পূর্ণ অংশ অসম্পাদিত হলে
  2. চুক্তির যেকোনো পক্ষের অনুরোধে, কোনো শর্ত ছাড়াই
  3. অসম্পাদিত অংশের মূল্য মোট চুক্তির তুলনায় বৃহত্তর হলে
  4. অসম্পাদিত অংশ ক্ষুদ্রতর এবং অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য হলে
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারার বিধান করে যে, চুক্তির অসম্পাদিত অংশ যদি মোটের তুলনায় ক্ষুদ্রতর হয় এবং অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য হয়, তাহলে আদালত যেকোনো পক্ষের মামলায় সম্পাদনযোগ্য অংশের সুনির্দিষ্ট সম্পাদন এবং অসম্পাদিত অংশের জন্য অর্থের ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দিতে পারে। এটি চুক্তির আংশিক সম্পাদন নিশ্চিত করে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারামতে- কোন চুক্তির অসম্পাদিত অংশ ছোট হলে, আদালত ঐ চুক্তির সম্পাদনযোগ্য বৃহত্তর অংশের জন্য সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের আদেশ এবং বাকী অসম্পাদিত অংশের জন্য ক্ষতিপূরণের আদেশ দিতে পারে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারার বিধান: কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, যার মধ্যে একটা বৃহত্তর, অন্যটা ক্ষুদ্রতর এবং চুক্তিভুক্ত এক পক্ষ যদি বৃহত্তর অংশটুকু পালন করতে সমর্থ হয় এবং ক্ষুদ্রতর অংশটি অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য হয়; তাহলে আদালত চুক্তিভুক্ত যে কোন এক পক্ষের মামলা দায়েরক্রমে বৃহত্তর অংশটি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের, এবং ক্ষুদ্রতর অংশটির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারবেন।
--------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 14: Specific performance of part of contract where part unperformed is small:
Where a party to a contract is unable to perform the whole of his part of it, but the part which must be left unperformed bears only a small proportion to the whole in value, and admits of compensation in money, the Court may, at the suit of either party, direct the specific performance of so much of the contract as can be performed, and award compensation in money for the deficiency.

৬,৬২২.
শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা বলে বিবেচিত হবে না?
  1. জীবন্ত শিশু যার বয়স ৭ দিনের কম।
  2. জীবিত শিশু যার কোন অংশ প্রসূত হয়ে থাকে কিন্তু কান্না করেনাই।
  3. মাতৃগর্ভস্থ শিশুর।
  4. উপরের সবগুলো।
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার বিধান শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable homicide):- কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজ কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটাবার উদেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, সে কাজ সম্পাদন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।

⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ১:- যে ব্যক্তি অসুস্থতা, রোগ বা দৈহিক অপারগতায় ভুগতেছে, তার দৈহিক জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তার মৃত্যু ঘটাবার অপরাধ হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।

⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ২:- যখন দৈহিক আঘাত বা জখমের কারণে মৃত্যু ঘটে, তখন যে ব্যক্তি অনুরূপ দৈহিক আঘাত বা জখম ঘটায়, সে ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে, যদিও যথোচিত প্রতিকারের ও সুনিপুণ চিকিৎসার ফলে সে মৃত্যু রোধ করা যেত।

⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ৩:- মাতৃগর্ভে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়। কিন্তু যদি কোন শিশুর (দেহের) কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হয়, তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে, যদিও শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে থাকে অথবা সম্পূর্ণরূপে ভুমিষ্ঠ না হয়ে থাকে।

⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার ব্যাখ্যা-৩ মতে মাতৃগর্ভস্থ কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো খুন বা নিন্দনীয় নরহত্যা কোনটাই হবে না। তবে মাতৃগর্ভস্থ শিশুটি সম্পূর্ণরূপে জন্মগ্রহণ না করেও শিশুটির দেহের কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হলে তা নিন্দনীয় নরহত্যা বলে বিবেচিত হবে।
------------
⇒  Section 299. Culpable homicide
 Whoever causes death by doing an act with the intention of causing death, or with the intention of causing such bodily injury as is likely to cause death, or with the knowledge that he is likely by such act to cause death, commits the offence of culpable homicide. 
 
⇒  Illustrations 
(a) A lays sticks and turf over a pit, with the intention of thereby causing death, or with the knowledge that death is likely to be thereby caused. Z, believing the ground to be firm, treads on it, falls in and is killed. A has committed the offence of culpable homicide. 
(b) A knows Z to be behind a bush. B does not know it. A, intending to cause, or knowing it to be likely to cause Z's death induces B to fire at the bush. B fires and kills Z. Here B may be guilty of no offence; but A has committed the offence of culpable homicide. 
(c) A, by shooting at a fowl with intent to kill and steal it, kills B, who is behind a bush; A not knowing that he was there. Here, although A was doing an unlawful act, he was not guilty of culpable homicide, as he did not intend to kill B or cause death by doing an act that he knew was likely to cause death. 
 
Explanation 1. A person who causes bodily injury to another who is labouring under a disorder, disease or bodily infirmity, and thereby accelerates the death of that other, shall be deemed to have caused his death. 
 
Explanation 2. Where death is caused by bodily injury, the person who causes such bodily injury shall be deemed to have caused the death, although by resorting to proper remedies and skilful treatment the death might have been prevented. 
 
Explanation 3. The causing of the death of a child in the mother's womb is not homicide. But it may amount to culpable homicide to cause the death of a living child, if any part of that child has been brought forth, though the child may not have breathed or been completely born.
৬,৬২৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার নিয়ে মামলা-
  1. BELA Vs. Bangladesh
  2. BLAST Vs. Bangladesh
  3. Anwar Hossain Chowdhury Vs. Bangladesh
  4. Ministry of Finance Vs. Masdar Hossain
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার নিয়ে মামলা- BLAST Vs. Bangladesh মামলা।
অর্থাৎ Bangladesh Legal Aid and Services Trust (BLAST) Vs. Bangladesh মামলা। 

⇒ আমাদের দেশে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইন এবং ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারা কালো আইন হিসেবে পরিচিত কারণ এই আইনে পুলিশকে বিনা পরোয়ানায় যে কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। এই ক্ষমতা পুলিশের অপব্যবহার করতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় পুলিশ সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারে, তবে পুলিশ গ্রেপ্তারের কারণ গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে জানাতে বাধ্য নয়, যা সংবিধানের ৩৩(১) অনুচ্ছেদের বিরোধী। ৩৩(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে যত দ্রুত সম্ভব গ্রেপ্তারের কারণ জানাতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ও ১৬৭ ধারার অধীনে পুলিশি ক্ষমতার অপব্যবহার নিয়ে BLAST vs Bangladesh (55 DLR 363) মামলায় হাইকোর্ট বিভাগ এই দুই ধারা সংশোধন করার জন্য সুপারিশ করেছে। হাইকোর্ট মোট ১৫টি নির্দেশনা দিয়েছে, যার মধ্যে প্রথম ৮টি নির্দেশনা ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারার অধীনে পুলিশের গ্রেপ্তারের ক্ষমতা নিয়ে।
৬,৬২৪.
আপিল আদালতের রায় ঘোষণার সময় আসামিকে আদালতে হাজির করা -
  1. বাধ্যতামূলক
  2. বিবেচনামূলক 
  3. হাইকোর্টের আদেশাধীন
  4. আসামির ইচ্ছাধীন
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪২৪ অনুযায়ী,
আপিল আদালত যদি প্রয়োজন মনে করে, তাহলে আসামিকে আদালতে হাজির করতে পারে। তবে, এটি বাধ্যতামূলক নয়, বরং আদালতের বিবেচনার ওপর নির্ভর করে।

ধারা ৪২৪- অধস্তন আপিল আদালতের রায়:
অপরাধমূলক কার্যবিধির অধ্যায় XXVI-তে যে সকল নিয়ম অপরাধ সংক্রান্ত মূল বিচারকার্যের আদালতের রায়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, তা যথাসম্ভব উচ্চ আদালত বিভাগ ব্যতীত অন্য কোনো আপিল আদালতের রায়ের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।

তবে, যদি আপিল আদালত ভিন্ন কোনো নির্দেশ না দেয়, তাহলে আসামিকে আদালতে হাজির করা বা রায় শোনার জন্য উপস্থিত থাকার প্রয়োজন নেই।

৬,৬২৫.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ১৪(১) এর অধীন আপোষ বা মীমাংসা প্রতিষ্ঠা সম্ভব না হলে, আদালত-
  1. পুনরায় সাক্ষ্য নেবে
  2. রায় ঘোষণা করবে
  3. মোকদ্দমা অন্য আদালতে পাঠাবে
  4. মোকদ্দমা স্থগিত রাখবে
ব্যাখ্যা

পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ১৪ (বিচারের সমাপ্তি):
(১) পারিবারিক আদালত, সকল পক্ষের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হইবার পর, উভয় পক্ষের মধ্যে আপোষ বা মীমাংসা প্রতিষ্ঠার জন্য পুনরায় প্রচেষ্টা চালাইবে।

(২) উপধারা (১) এর অধীন আপোষ বা মীমাংসা প্রতিষ্ঠা সম্ভব না হইলে, আদালত রায় ঘোষণা করিবে এবং উক্ত রায় ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে অথবা অনধিক ৭ (সাত) দিনের মধ্যে রায় সম্পর্কে পক্ষগণ বা তাহাদের প্রতিনিধি বা আইনজীবীগণকে যথাযথ নোটিশ প্রদান করিতে হইবে ও ডিক্রি প্রদত্ত হইবে।

৬,৬২৬.
Section 407 applies to a person who is entrusted with property as a-
  1. Banker
  2. Public servant
  3. Agent only
  4. Carrier
ব্যাখ্যা

Section 407- Criminal breach of trust by carrier, etc.
Whoever, being entrusted with property as a carrier, wharfinger or warehouse-keeper, commits criminal breach of trust in respect of such property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.

ধারা ৪০৭: পরিবহনকারী, গুদামদার ইত্যাদির দ্বারা বিশ্বাসভঙ্গ-
যে কেউ, যিনি পরিবহনকারী (carrier), ঘাটের মালিক বা তত্ত্বাবধায়ক (wharfinger), অথবা গুদামদার (warehouse-keeper) হিসেবে কোনো সম্পত্তি সংরক্ষণের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত হন, এবং সেই সম্পত্তি সম্পর্কে বিশ্বাসভঙ্গ করেন, তিনি সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং তার সাথে অর্থদণ্ডও হতে পারে।

৬,৬২৭.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে সাক্ষীকে কোন ক্ষেত্রে বৈরী ঘোষণা করা যেতে পারে?
  1. সাক্ষী নিজ পক্ষের বিপক্ষে সাক্ষ্য দিলে
  2. সাক্ষী বিরুদ্ধ পক্ষের সমর্থনে সাক্ষ্য দিলে
  3. সাক্ষী পূর্বের সাক্ষ্য থেকে বিপরীত সাক্ষ্য দিলে
  4. উপরোক্ত সবগুলো ক্ষেত্রে 
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারা ও সংশ্লিষ্ট বিধান অনুসারে, নিম্নলিখিত যেকোনো একটি বা একাধিক অবস্থা দেখা দিলে আদালতের কাছে সাক্ষীকে "বৈরী সাক্ষী" (Hostile Witness) ঘোষণা করার জন্য আবেদন করা যায় এবং আদালত প্রাসঙ্গিক শর্ত সাপেক্ষে তাকে বৈরী সাক্ষী ঘোষণা করতে পারেন:
১. সাক্ষী নিজ পক্ষের বিপক্ষে সাক্ষ্য দিলে:
যে পক্ষ সাক্ষীকে ডেকেছে, সেই পক্ষের স্বার্থের বিরুদ্ধে যদি সাক্ষী সাক্ষ্য দেন, তাহলে তাকে বৈরী সাক্ষী হিসেবে ঘোষণা করার যৌক্তিক কারণ থাকে।
২. সাক্ষী বিরুদ্ধ পক্ষের সমর্থনে সাক্ষ্য দিলে:
যদি সাক্ষী মামলার বিরুদ্ধ পক্ষের বক্তব্যের সমর্থনে এমন সাক্ষ্য দেন যা সাক্ষীকে আহ্বানকারী পক্ষের জন্য ক্ষতিকর, তাহলেও সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করা যেতে পারে।
৩. সাক্ষী পূর্বের সাক্ষ্য থেকে বিপরীত সাক্ষ্য দিলে:
যদি সাক্ষী আদালতে তার পূর্বে প্রদত্ত সাক্ষ্য (যেমন: ইনভেস্টিগেশন অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে দেওয়া বক্তব্য) থেকে স্পষ্টভাবে সরে এসে বিপরীত বা অসংগতিপূর্ণ সাক্ষ্য দেন, তাহলে তার বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট হয়েছে ধরে নেওয়া হয় এবং বৈরী সাক্ষী ঘোষণার আবেদন গৃহীত হয়।

এসব ক্ষেত্রে সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে তাকে জেরা (Cross-examine) করতে পারে, যা সাধারণ নিয়মে (নিজ সাক্ষীকে জেরা করা) নিষিদ্ধ।

৬,৬২৮.
'রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ আইন নয় তাই আদালত এগুলো বলবৎ করতে পারে না।'- কোন মামলার রায়ে বলা হয়েছে?
  1. Hossain Chy v/s Bangladesh
  2. Kazi Mukhlesur Rahman v/s Bangladesh
  3. Kudrat-E-Elahi Panir v/s Bangladesh
  4. Sheikh Abdus Sabur v/s Returning officer
ব্যাখ্যা

'Kudrat-E-Elahi Panir v Bangladesh' মামলায় আদালত রায় দিয়েছে যে- রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ আইন নয়, তাই এগুলো আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য নয়।

মামলার নাম:
কুদরত-ই-এলাহী পনির  বনাম বাংলাদেশ সরকার 44 DLR (AD) 319

প্রেক্ষাপট:
- ১৯৮২ সালে সামরিক শাসনামলে উপজেলা পরিষদ গঠিত হয়।
- ১৯৯০ সালে নির্বাচিত চেয়ারম্যান কুদরত-ই-এলাহী পনির ও আহসানুল্লাহ।
- মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ১৯৯১ সালের একটি অধ্যাদেশের মাধ্যমে উপজেলা পরিষদ বিলুপ্ত করা হয়, যা ১৯৯২ সালে সংসদে আইন হিসেবে গৃহীত হয়।
- আপিলকারীগণ এই বিলুপ্তি সংক্রান্ত আইনকে সংবিধানবিরোধী দাবি করে রিট করেন।

মূল ইস্যুগুলো:
- বিলুপ্তি-সংক্রান্ত অধ্যাদেশটি সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯, ১১, ৫৯ ও ৬০ লঙ্ঘন করেছে কি না।
- উপজেলা পরিষদগুলো অনুচ্ছেদ ৫৯ অনুযায়ী স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান কি না।
- রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ জারির ক্ষমতা (ধারা ৯৩) সংসদীয় আইন প্রণয়নের বিকল্প কি না।
- উক্ত আইনটি ‘ছদ্মবেশী আইন’ (Colorable Legislation) কি না।

আপিলকারীদের যুক্তি:
সংবিধানের মূলনীতির (বিশেষত অনুচ্ছেদ ৯, ১১, ৫৯, ৬০) পরিপন্থী হওয়ায় বিলুপ্তি আইনটি অবৈধ।
উপজেলা পরিষদগুলো ছিল সাংবিধানিক স্বীকৃত স্থানীয় সরকার সংস্থা।
রাষ্ট্রপতি সংসদের অধিবেশন শুরুর আগে অধ্যাদেশ দিয়ে আইন পাশ করার মাধ্যমে ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন।
এই আইন একটি ‘ছদ্মবেশী আইন’ যা প্রকৃত অর্থে ক্ষমতা সরকারের হাতে কেন্দ্রীভূত করেছে।

বিবাদীপক্ষের যুক্তি:
উপজেলা পরিষদগুলো কার্যকর ও স্বনির্ভর ছিল না, তাই বিলুপ্ত করা হয়।
রাষ্ট্রের প্রশাসনিক কাঠামো পরিবর্তন করাই উদ্দেশ্য ছিল, রাজনৈতিক কোনো গোপন উদ্দেশ্য নয়।
উপজেলা কখনোই সংবিধানের ১৫২(১) অনুযায়ী "প্রশাসনিক অঞ্চল" ছিল না, তাই সেগুলো সাংবিধানিক স্থানীয় সরকার ছিল না।
আইনটি ছদ্মবেশী নয়, কারণ এতে উপজেলা ব্যবস্থা রক্ষার কোনো গোপন প্রচেষ্টা ছিল না।

আদালতের রায় ও পর্যবেক্ষণ:
প্রধান বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ:
- সংবিধানের মূলনীতি (Part II) আদালত দ্বারা বলবৎযোগ্য নয় (অনুচ্ছেদ ৮(২))।
- উপজেলা প্রশাসনিক অঞ্চল না হওয়ায় সেগুলো ৫৯ ধারা অনুযায়ী স্থানীয় সরকার নয়।
- বিলুপ্তি আইন সংবিধানবিরোধী নয়, বরং প্রশাসনিক পুনর্গঠনের উদ্দেশ্যে করা হয়।
- যেহেতু অধ্যাদেশ পরে সংসদে আইন হিসেবে পাস হয়েছে, তাই এটি আর একাডেমিক প্রশ্ন ছাড়া কিছু নয়।

বিচারপতি মোস্তাফা কামাল:
- রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি ‘আইন’ নয়, ‘নীতিমালা’। আদালত এগুলো বলবৎ করতে পারে না।

বিচারপতি নঈমুদ্দীন আহমদ (ভিন্নমত):
- যদি কোনো আইন সরাসরি মূলনীতির পরিপন্থী হয়, তাহলে আদালত সেটি বাতিল করতে পারে।

ছদ্মবেশী আইন সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত:
- এটি কোনো Colorable Legislation নয়; কারণ এতে কোনো গোপন বা পরোক্ষ উদ্দেশ্য ছিল না।

চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত:
- আপিল বিভাগ সরকারের পক্ষে রায় দেন।
- বিলুপ্তি-সংক্রান্ত আইন সংবিধানের ৯, ১১, ৫৯ ও ৬০ অনুচ্ছেদের পরিপন্থী নয়।
- উপজেলা পরিষদগুলো সংবিধান অনুযায়ী স্থানীয় সরকার ছিল না, কারণ উপজেলা কখনোই প্রশাসনিক অঞ্চল হিসেবে নির্ধারিত হয়নি।

৬,৬২৯.
মূলতবী খরচা দাখিল করতে ব্যর্থ হলে মোকদ্দমা খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তির আদেশ সরাসরি বাতিলের জন্য কোন বিধান মতে প্রার্থনা করতে হয়?
  1. Order XVII Rule 1(7)
  2. Order XVII Rule 1(5)
  3. Order IX Rule 13A
  4. Order IX Rule 9A
ব্যাখ্যা

⇒ মূলতবী খরচা দাখিল করতে ব্যর্থ হলে মোকদ্দমা খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তির আদেশ সরাসরি বাতিলের জন্য দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ১৭ বিধি ১(৭) [Order XVII Rule 1(7)] এর বিধান মতে প্রার্থনা/ আবেদন করতে হয়।

The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order XVII Rule 1(7) অনুযায়ী,
উপ-বিধি (৩) বা (৪) অনুযায়ী কোনো মামলা খারিজ করা হলে বা একতরফাভাবে (ex parte) নিষ্পত্তি করা হলে, যে পক্ষের ব্যর্থতার কারণে মামলাটি খারিজ বা একতরফাভাবে নিষ্পত্তি হয়েছে, সে পক্ষ যদি সেই খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তির তারিখ থেকে ত্রিশ (৩০) দিনের মধ্যে আদালতে দুই হাজার টাকা খরচসহ মামলাটি পুনরুজ্জীবিত (revive) করার জন্য আবেদন করে, তবে উক্ত আবেদন দাখিলের পর মামলাটি আর কোনো অতিরিক্ত কার্যক্রম ছাড়াই পুনরায় শুনানির জন্য পুনরুজ্জীবিত হবে; এবং আদালতে জমাকৃত উক্ত খরচ বিপক্ষ পক্ষকে (অন্য পক্ষকে) প্রদান করা হবে।

৬,৬৩০.
If it is not possible, for reasons of ________, to hold such election within the period specified in the clause of Article 123, such election shall be held within ninety days following next after the last day of such period.
  1. political issue
  2. an act of God
  3. economic emergency
  4. any of the given options
ব্যাখ্যা
Article 123: Time for holding elections

(1) In the case of a vacancy in the office of President occurring by reason of the expiration of his term of office an election to fill the vacancy shall be held within the period of ninety to sixty days prior to the date of expiration of the term:
Provided that if the term expires before the dissolution of the Parliament by members of which he was elected the election to fill the vacancy shall not be held until after the next general election of members of Parliament, but shall be held within thirty days after the first sitting of Parliament following such general election. 
 
(2) In the case of a vacancy in the office of President occurring by reason of the death, resignation or removal of the President, an election to fill the vacancy shall be held within the period of ninety days after the occurrence of the vacancy.
 
(3) A general election of the members of Parliament shall be held- 
(a) in the case of a dissolution by reason of the expiration of its term, within the period of ninety days preceding such dissolution ; and 
(b) in the case of a dissolution otherwise than by reason of such expiration, within ninety days after such dissolution: 
Provided that the persons elected at a general election under sub-clause (a) shall not assume office as members of Parliament except after the expiration of the term referred to therein.
 
(4) An election to fill the seat of a member of Parliament which falls vacant otherwise than by reason of the dissolution of Parliament shall be held within ninety days of the occurrence of the vacancy: 
Provided that in a case where, in the opinion of the Chief Election Commissioner, it is not possible, for reasons of an act of God, to hold such election within the period specified in this clause, such election shall be held within ninety days following next after the last day of such period.

অনুচ্ছেদ ১২৩: নির্বাচন-অনুষ্ঠানের সময়

(১) রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ অবসানের কারণে উক্ত পদ শূন্য হইলে মেয়াদ-সমাপ্তির তারিখের পূর্ববর্তী নব্বই হইতে ষাট দিনের মধ্যে শূন্য পদ পূরণের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, যে সংসদের দ্বারা তিনি নির্বাচিত হইয়াছেন সেই সংসদের মেয়াদকালে রাষ্ট্রপতির কার্যকাল শেষ হইলে সংসদের পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত অনুরূপ শূন্য পদ পূর্ণ করিবার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে না, এবং অনুরূপ সাধারণ নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকের দিন হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতির শূন্য পদ পূর্ণ করিবার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।

(২) মৃত্যু, পদত্যাগ বা অপসারণের ফলে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হইলে পদটি শূন্য হইবার পর নব্বই দিনের মধ্যে, তাহা পূর্ণ করিবার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।

(৩) সংসদ-সদস্যদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে-
(ক) মেয়াদ-অবসানের কারণে সংসদ ভাংগিয়া যাইবার ক্ষেত্রে ভাংগিয়া যাইবার পূর্ববর্তী নববই দিনের মধ্যে; এবং
(খ) মেয়াদ-অবসান ব্যতীত অন্য কোন কারণে সংসদ ভাংগিয়া যাইবার ক্ষেত্রে ভাংগিয়া যাইবার পরবর্তী নব্বই দিনের মধ্যে:
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার (ক) উপ-দফা অনুযায়ী অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে নির্বাচিত ব্যক্তিগণ, উক্ত উপ-দফায় উল্লিখিত মেয়াদ সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত, সংসদ সদস্যরূপে কার্যভার গ্রহণ করিবেন না।

(৪) সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া ব্যতীত অন্য কোন কারণে সংসদের কোন সদস্যপদ শূন্য হইলে পদটি শূন্য হইবার নব্বই দিনের মধ্যে উক্ত শূন্যপদ পূর্ণ করিবার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।
তবে শর্ত থাকে যে, যদি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের মতে, কোন দৈব-দূর্বিপাকের কারণে এই দফার নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে উক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব না হয়, তাহা হইলে উক্ত মেয়াদের শেষ দিনের পরবর্তী নব্বই দিনের মধ্যে উক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।
৬,৬৩১.
'ক' তার ২ কাঠা জমি 'খ' কে ৫০ লক্ষ টাকায় বিক্রি করার জন্য একটি লিখিত চুক্তি করে। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, চুক্তি সম্পাদনের ৭ দিনের মধ্যে 'খ' ২০ লক্ষ টাকা এবং দলিল রেজিস্ট্রির সময় বাকি ৩০ লক্ষ প্রদান করবে। পরবর্তীতে 'খ' ২০ লক্ষ টাকা প্রদান করে কিন্তু বাকি ৩০ লক্ষ প্রদানে ব্যর্থ হয়। উক্ত চুক্তিকে সুনির্দিষ্ট ভাবে কার্যকর করতে হলে মোকদ্দমা দায়েরের সময় কোন শর্ত পূরণ করা আবশ্যক?
  1. চুক্তির সম্পূর্ণ টাকার দ্বিগুণ টাকা আদালতে জমা দিতে হবে
  2. চুক্তির সম্পূর্ণ টাকার অর্ধেক টাকা আদালতে জমা দিতে হবে
  3. চুক্তির সম্পূর্ণ টাকা আদালতে জমা দিতে হবে
  4. চুক্তির বকেয়া টাকা আদালতে জমা দিতে হবে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২১ক- অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে অকার্যকর যোগ্য:
এই আইন কিংবা বিদ্যমান অন্য কোন আইন বিপরীত কোন বিধান থাকলেও কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর যোগ্য হবে না, যদি না-
(ক) চুক্তিটি লিখিত এবং ১৯০৮ সালের নিবন্ধন আইনের অধীন রেজিস্ট্রেশন হয়, হস্তান্তর গ্রহীতা ঐ সম্পত্তির কিংবা উহার কোন অংশ দখল গ্রহণ করুক বা না করুক; এবং
(খ) চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করার নিমিত্ত চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মোকদ্দমাটি রুজুর কালে আদালতে জমা দেয়া হয়।

Section 21A- Unregistered contract for sale not specifically enforceable:
Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act or any other law for the time being in force, no contract for sale of any immovable property can be specifically enforced unless–
(a) the contract is in writing and registered under the Registration Act, 1908, whether or not the transferee has taken possession of the property or any part thereof; and
(b) the balance amount of consideration of the contract is deposited in the court at the time of filing the suit for specific performance of the contract.

⇒ এই ধারায়, স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় চুক্তির কার্যকরতার জন্য দুটি পূর্বশর্ত বিধি করেছে:

১. চুক্তিটি লিখিত এবং রেজিস্ট্রিকৃত হতে হবে:
(ক) চুক্তিটি লিখিত হতে হবে;
(খ) চুক্তিটি ১৯০৮ সালের রেজিস্ট্রেশন আইনের অধীনে রেজিস্ট্রিকৃত হতে হবে।

২. চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য আদালতে জমা প্রদান করতে হবে:
(ক) চুক্তিটি সুনির্দিষ্ট ভাবে কার্যকর করার জন্য;
(খ) মোকদ্দমা রুজুর সময় চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য আদালতে জমা দিতে হবে।
৬,৬৩২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারার অধীনে স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় চুক্তির কার্যকরতার জন্য কী কী পূর্বশর্ত রয়েছে?
  1. চুক্তি লিখিত এবং মৌখিক উভয়ভাবে হতে হবে
  2. চুক্তি মৌখিক হতে হবে এবং চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য আদালতে জমা দিতে হবে
  3. চুক্তি কোনো প্রকার রেজিস্ট্রেশন ছাড়াই কার্যকর হতে হবে
  4. চুক্তি রেজিস্ট্রিকৃত হতে হবে এবং চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য আদালতে জমা দিতে হবে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারায়, স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় চুক্তির কার্যকরতার জন্য দুটি পূর্বশর্ত বিধি করেছে:

১. চুক্তিটি লিখিত এবং রেজিস্ট্রিকৃত হতে হবে:
(ক) চুক্তিটি লিখিত হতে হবে;
(খ) চুক্তিটি ১৯০৮ সালের রেজিস্ট্রেশন আইনের অধীনে রেজিস্ট্রিকৃত হতে হবে।

২. চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য আদালতে জমা প্রদান করতে হবে:
(ক) চুক্তিটি সুনির্দিষ্ট ভাবে কার্যকর করার জন্য;
(খ) মোকদ্দমা রুজুর সময় চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য আদালতে জমা দিতে হবে।
৬,৬৩৩.
মোকদ্দমায় দাবিকৃত মূল্যমান কত দিনের মধ্যে সংশোধন করতে হয়?
  1. আদালতের নির্ধারিত সময়
  2. সর্বাধিক ২১ দিনের মধ্যে
  3. সর্বাধিক ১৫ দিনের মধ্যে
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
• আরজিতে দাবিকৃত প্রতিকারের মূল্য কম করে উল্লেখ করা হলে, আদালতের নির্দেশমত নির্ধারিত সময় বা সর্বাধিক ২১ দিনের মধ্যে মোকদ্দমায় মূল্যমান সংশোধন করতে হয়।তা না হলে আদালত আরজি খারিজের আদেশ দিবেন।

• আরজি হল মামলার কারণ সংবলিত বিবরণ যেখানে নালিশের কারণ উল্লেখপূর্বক বাদী প্রতিকার প্রার্থনা করে। অর্থাৎ বাদী মোকদ্দমা দায়েরের সময় আদালতে যে দাবি সংবলিত আবেদন দাখিল করে তাকে আরজি বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ২৬ ধারা এবং ৪নং আদেশের ১ নং বিধিমতে প্রত্যেক মোকদ্দমা আরজি দাখিলের মাধ্যমে দায়ের করতে হয়। দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১ থেকে ১৮ নং বিধিতে আরজি সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।এখানে আরজি প্রত্যাখানের সংজ্ঞা দেয়া হয়নি। তবে দেওয়ানী কার্যবিধির ২(২) ধারা মতে আরজি প্রত্যাখান ডিক্রির অন্তর্ভুক্ত এবং ৭নং আদেশের ১১ নং ধরে আরজি প্রত্যাখানের কারণগুলো দেয়া রয়েছে।

• দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১১ বিধি অনুযায়ী দেওয়ানী আদালত ৪টি কারণে আরজি প্রত্যাখান করতে পারে। যথা-

(ক) আরজিতে মামলার কারণ (cause of action) উল্লেখ না করলে,
(খ) আরজিতে দাবিকৃত প্রতিকারের মূল্য কম করে উল্লেখ করা হলে এবং আদালতের নির্দেশমত নির্ধারিত সময় বা সর্বাধিক ২১ দিনের মধ্যে মোকদ্দমায় মূল্যমান সংশোধন এবং অতিরিক্ত কোর্ট ফি প্রদান করতে ব্যর্থ হলে,
(গ) অপর্যাপ্ত স্টাম্প পেপারে লিখলে এবং আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় স্ট্যাম্প পেপার সরবরাহ করতে ব্যর্থ হলে,
(ঘ) মামলাটি কোনো আইন অনুযায়ী নিষিদ্ধ বা বারিত হলে। যেমন- তামাদি আইনে বারিত হলে, আদালত আরজি প্রত্যাখান করতে পারে।
৬,৬৩৪.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে "ডিজিটাল রেকর্ড" এর সংজ্ঞায় নিচের কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ডিভিডি রেকর্ড
  2. সিসিটিভি রেকর্ড
  3. হস্তলিখিত চিঠি
  4. কম্পিউটার মেমোরি
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩ অনুসারে, "ডিজিটাল রেকর্ড" বা "ইলেকট্রনিক রেকর্ড" বলতে এমন রেকর্ড, ডেটা বা তথ্য বোঝায় যা ম্যাগনেটিক, ইলেকট্রো-ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল, কম্পিউটার মেমোরি, মাইক্রোফিল্ম, ডিজিটাল ভার্সাটাইল ডিস্ক (ডিভিডি), সিসিটিভি রেকর্ড, ড্রোন ডেটা, সেল ফোনের রেকর্ড, হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার বা অন্য কোনো ডিজিটাল ডিভাইসে তৈরি, প্রস্তুত, প্রেরিত, গৃহীত বা সংরক্ষিত হয়, যেমনটি ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট, ২০১৮-এ সংজ্ঞায়িত।
- হস্তলিখিত চিঠি একটি ডিজিটাল মাধ্যম নয়, তাই এটি "ডিজিটাল রেকর্ড"-এর সংজ্ঞায় অন্তর্ভুক্ত নয়।
--------
- [“Digital record" or “electronic record” means any record, data or information generated, prepared, sent, received or stored in magnetic or electro-magnetic, optical, computer memory, micro film, computer generated micro fiche including audio, video, Digital Versatile Disc or Digital Video Disc (DVD), records of Closed Circuit Television (CCTV), drone data, records from cell phone, hardware, software or any other digital device as defined in Digital Security Act, 2018 (Act No. 46 of 2018)]

৬,৬৩৫.
দেওয়ানি কার্যবিধি আইনের ধারা ৪-এর মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. জমিদারের খাজনা আদায় বন্ধ করা
  2. বিশেষ আইনগুলোকে বাতিল করা
  3. সব মামলায় একই পদ্ধতি প্রয়োগ করা
  4. বিশেষ আইন ও বিশেষ এখতিয়ারকে সংরক্ষণ করা
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৪-এর শিরোনাম হলো "সঞ্চিত ক্ষমতা সংরক্ষণ" (Saving)। এই ধারাটির মূল উদ্দেশ্য হলো: "Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect any special or local law now in force, or any special jurisdiction or power conferred, or any special form of procedure prescribed, by or under any other law for the time being in force."
- অর্থাৎ, দেওয়ানি কার্যবিধির কোনো বিধান বিশেষ আইন (special law), স্থানীয় আইন (local law), বিশেষ এখতিয়ার (special jurisdiction) বা বিশেষ পদ্ধতি (special procedure)-কে সীমিত করবে না বা প্রভাবিত করবে না।

⇒দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৪: সংরক্ষণ:-
১) বিপরীত কোন সুস্পষ্ট বিধান না থাকলে, বর্তমানে চলমান কোন বিশেষ আইন বা ন্যস্তকৃত কোন বিশেষ এখতিয়ার ক্ষমতা, অথবা বর্তমানে বলবৎ অপর কোন আইন অনুসারে নির্ধারিত কোন বিশেষ ফরম বা পদ্ধতিকে এই আইনের কোন বিধান দ্বারা সীমাবদ্ধ বা অন্য কোনভাবে প্রভাবিত করবে না।
২) বিশেষত, এবং (১) উপধারায় বর্ণিত সাধারণ নীতিকে ক্ষুণ্ণ না করে সমকালীন চলমান কোন আইনের অধীন চাষের জমির জন্য উক্ত জমির ফসল হতে খাজনা আদায়ের ব্যাপারে কোন জমিদারের কোন প্রতিকার থাকলে এই আইনের কোন বিধান তা সীমাবদ্ধ বা প্রভাবিত করবে না।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908- Section-4: Savings-
1) In the absence of any specific provision to the contrary, nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect any special law now in force or any special jurisdiction or power conferred, or any special form of procedure prescribed, by or under any other law for the time being in force.
2) In particular and without prejudice to the generality of the proposition contained in sub-section (1), nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect any remedy which a land-holder or landlord may have under any law for the time being in force for the recovery of rent of agricultural land from the produce of such land.

৬,৬৩৬.
নিচের কোন ক্ষেত্রে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বিচার করা যাবে?
  1. চুরির অপরাধ, যেক্ষেত্রে চোরাই মালের মূল্য অনধিক ১০ হাজার টাকা
  2. চোরাই মাল গ্রহণ বা রাখার অপরাধ, যেক্ষেত্রে উক্ত মালের মূল্য অনধিক ১৫ হাজার টাকা
  3. অসৎভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ অপরাধ, যেক্ষেত্রে উক্ত মালের মূল্য অনধিক ১৫ হাজার টাকা
  4. চুরির অপরাধ, যেক্ষেত্রে চোরাই মালের মূল্য অনধিক ২০ হাজার টাকা
ব্যাখ্যা
• গুরুতর নয় এমন অপরাধ এবং যে অপরাধমূলক কাজের জন্য লঘু শাস্তি হয়, সেই সব অপরাধগুলোর বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করা যায়। ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২২ এবং ধারা ২৬০-২৬৫ এ সংক্ষিপ্ত বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬০ এর অধীন নিম্নলিখিত ম্যাজিস্ট্রেটগণ সংক্ষিপ্ত বিচার করতে পারেন-

> মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
> ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা
> ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতাসম্পন্ন কোন ম্যাজিস্ট্রেটের বেঞ্চ। 

• দণ্ডবিধির নিম্নলিখিত অপরাধসমূহের বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করা হয়-

> মৃত্যুদন্ড,যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা ২ বছরের অধিক কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় নয় এরূপ অপরাধ;
> ৩২৩ ধারা অনুসারে আঘাত;
> ৩৭৯,৩৮০ বা ৩৮১ ধারা অনুসারে চুরি, যেক্ষেত্রে চোরাই মালের মূল্য ১০ হাজার টাকার অধিক নয়;
> ৪০৩ ধারা অনুসারে অসৎভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ,৪১১ ধারা অনুসারে চোরাইমাল গ্রহণ বা রাখা,৪০৪ ধারা অনুসারে চোরাইমাল গোপন বা হস্তান্তর করতে সাহায্য করা, যেক্ষেত্রে উক্ত মালের মূল্য ১০ হাজার টাকার অধিক নয়;
> একই বিধির ৪২৬ ও ৪২৭ ধারা অনুসারে ক্ষতিসাধন, ৪৪৭ ধারা অনুসারে অপরাধমূলক অনুপ্রবেশ এবং ৪৪৮ ধারা অনুসারে গৃহে অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং ৪৫১,8৫৩,8৫৪,8৫৬ ও ৪৫৭ ধারা অনুসারে অপরাধ;
> ৫০৪ ধারা অনুসারে শান্তিভঙ্গের উচ্চানি দেওয়ার উদ্দেশ্যে অপমান করা এবং ৫০৬ ধারা অনুসারে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের অপরাধ এবং ৫০৯ ও ৫১০ অনুসারে অপরাধসমূহ;
> ১৭১ ও ১৭১৯ ধারা অনুসারে কোন নির্বাচনে ঘুষ নেয়ার এবং এক ব্যক্তির পরিবর্তে অন্য ব্যক্তি ব্যবহারকরণের অপরাধ: এবং
উপরোক্ত অপরাধসমূহের যেকোন একটি সংঘটনে সহায়তা করা।
৬,৬৩৭.
তামাদি আইন, ১৯০৮ অনুসারে কোন ধরনের মামলায় আইনগত অক্ষমতার সুবিধা প্রযোজ্য নয়?
  1. ফৌজদারি আপীল
  2. অগ্রক্রয়ের মামলা
  3. দেওয়ানী মামলা
  4. সম্পত্তি দাবির মামলা
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮–এর ধারা ৮ অনুসারে, সাধারণভাবে আইনগত অক্ষম ব্যক্তিদের (যেমন নাবালক, উন্মাদ, জড়বুদ্ধি) ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ গণনায় বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়। অর্থাৎ, তারা আইনগতভাবে যখন মামলা করতে সক্ষম হবে, তখন থেকেই তামাদির সময় গণনা শুরু হবে।
তবে ধারা ৮-এ একটি ব্যতিক্রম (exception) উল্লেখ করা হয়েছে- "অগ্রক্রয়ের মামলা (Pre-emption suit)"-এর ক্ষেত্রে এই আইনগত অক্ষমতার সুবিধা প্রযোজ্য নয়।

⇒ Section 8 of Limitation Act, 1908 "Nothing in Section 6 or 7 shall be deemed to extend, for more than three years from the cessation of the disability or the death of the person affected thereby, the period of limitation for any suit or application.
Nor shall it apply to a suit to enforce a right of pre-emption."

 অর্থাৎ,
১. অক্ষমতা দূর হওয়ার সর্বোচ্চ তিন বছরের মধ্যে মামলা করতে হবে,
২. আর অগ্রক্রয়ের মামলা হলে, সে ক্ষেত্রে কোনোভাবেই আইনগত অক্ষমতার সুবিধা পাওয়া যাবে না।
৬,৬৩৮.
ভারতীয় দণ্ডবিধির খসড়া প্রণয়নের উদ্দেশ্যে গঠিত আইন কমিশনের সভাপতি ছিলেন কে?
  1. লর্ড ম্যাকুলে
  2. মি. এন্ডারসন
  3. মি. ম্যাকলয়েড
  4. ওয়ারেন হেস্টিংস
ব্যাখ্যা

⇒ ১৮৩৪ সালে গঠিত প্রথম আইন কমিশনের সভাপতি ছিলেন থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে (Lord Macaulay), যিনি ভারতীয় দণ্ডবিধির (Indian Penal Code, 1860) খসড়া প্রণয়ন করেন।

⇒ ১৮৩৩ সালে ভারতের শাসনভার ইংরেজ কোম্পানী হাত হতে ব্রিটিশ রাজ গ্রহণ করার পর ভারতবর্ষের জন্য একটি আইন কমিশন গঠন করেন। ভারতীয় উপমহাদেশে সর্বপ্রথম আইন কমিশন গঠন করা হয় ১৮৩৪ সালে।
প্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে (Lord Macaulay).
প্রথম আইন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন যা নিম্নরুপ:-
i) সভাপতি- লর্ড ম্যাকুলে।
ii) সদস্য- মি. ম্যাকলয়েড।
iii) সদস্য- মি. এন্ডারসন।
iv) সদস্য- মি. মিলেট।

- এ কমিশন দণ্ডবিধির খসড়া প্রণয়ন করে ১৮৩৭ সালের ১৪ই অক্টোবর ভারতের তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লর্ড আ্যাকল্যান্ডের নিকট পেশ করেন। যা কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি স্যার বার্নেস পিকক এবং অন্যান্য বিচারপতিগণ (যারা ফোর্ট উইলিয়ম লেজিসলেটিভ কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন)। সতর্কতার সাথে পরীক্ষা করে ১৮৫৬ সালে দণ্ডবিধির খসড়া লেজিসলেটিভ কাউন্সিলে উপস্থাপিত হয়। ১৮৬০ সালে লেজিসলেটিভ কাউন্সিল আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চূড়ান্ত খসড়া তৈরী করেন। অতঃপর ভারতে বিদ্যমান বিভিন্ন আইনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে কিছু সংশোধনী করে ১৮৬২ সালের ৬ই অক্টোবর দণ্ডবিধি পাশ হয়। যার নামকরণ করা হয় ১৮৬০ সালের ৪৫ নং আইন, দণ্ডবিধি।

৬,৬৩৯.
কোন প্রক্রিয়া অনুযায়ী উত্তরাধিকারীগণ মৃত ব্যক্তির স্থলবর্তীরূপে সম্পত্তি প্রাপ্ত হন?
  1. উত্তরাধিকারী মনোনয়ন
  2. মাথাপিছু উত্তরাধিকার
  3. অংশপিছু উত্তরাধিকার
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
⇒ অংশপিছু উত্তরাধিকার (Succession per stirpes) হল এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে মৃত ব্যক্তির স্থলবর্তীরূপে (বা পরবর্তী প্রজন্মের সদস্যদের মাধ্যমে) উত্তরাধিকারীরা সম্পত্তি প্রাপ্ত হন।
- এর অর্থ হল, যখন কোনো ব্যক্তির মৃত্যু হয়, তখন তার উত্তরাধিকারীরা মৃত ব্যক্তির স্থান পূর্ণ করে সম্পত্তির অংশ ভাগ করে নেয়।
- এই প্রক্রিয়াতে, মৃত ব্যক্তির পুত্র, পৌত্র বা আরও নিচের প্রজন্ম তার পিতার বা পূর্বসূরীর উত্তরাধিকারী হিসেবে তাদের অংশ লাভ করে, এবং এটি প্রতিটি প্রজন্মের জন্য সমানভাবে ঘটে।
এটি প্রতিনিধিত্ব মতবাদ (Doctrine of representation) এর ভিত্তিতে কাজ করে, যেখানে পরবর্তী প্রজন্ম (যেমন পৌত্র) তাদের পূর্বসূরীদের (যেমন পিতা) স্থল পূর্ণ করে সম্পত্তি লাভ করে। এর ফলে, মৃত ব্যক্তির সন্তান বা পুত্র তাদের পূর্বপুরুষের প্রতিনিধিত্ব করে সম্পত্তির অংশ পায়।
তাহলে, অংশপিছু উত্তরাধিকার এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারীগণ তার স্থল বা অবস্থান থেকে অংশ গ্রহণ করে, এবং এটা প্রতিনিধিত্ব মতবাদ এর অধীনে চলে।
৬,৬৪০.
The Penal Code, 1860 এর ৫৫ ধারায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বাধিক কত বছরের কারাদণ্ডে পরিবর্তন করা যেতে পারে?
  1. শুধুমাত্র ২০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে
  2. ২০ বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে
  3. শুধুমাত্র ৩০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে
  4. ৩০ বছর সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধির ৫৫ ধারা- যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাস বা পরিবর্তন:
যে সকল মামলার ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়, তার প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধীর সম্মতি ব্যতীতই দণ্ড হ্রাস করে অনূর্ধ্ব ২০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে পরিবর্তন করতে পারবেন।

Section 55- Commutation of sentence of imprisonment for life:
In every case in which sentence of imprisonment for life shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for imprisonment of either description for a term not exceeding twenty years.

৬,৬৪১.
ফৌজদারি কার্যবিধি এর কোন ধারার অধীনে প্রদত্ত মুচলেকার মেয়াদ ৩ বছর?
  1. ১০৭
  2. ১০৮
  3. ১০৯
  4. ১১০
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি এর ১০৭ ধারার (অন্যান্য ক্ষেত্রে শান্তি রক্ষার মুচলেকা) এর মেয়াদ ১ বছর, ১০৮ ধারার (রাষ্ট্রদ্রোহীতামূলক বিষয় প্রচারকারী ব্যক্তিদের নিকট থেকে সদাচরণ এর জন্য)  মুচলেকার মেয়াদ ১ বছর, ১০৯ ধারার (ভবঘুরে ও সন্দেহজনক ব্যক্তিদের সদাচরণ এর জন্য) ১ বছর ও ১১০ ধারার (অভ্যাসগত অপরাধীদের সদাচরণ এর জন্য) মুচলেকার মেয়াদ ৩ বছর।
৬,৬৪২.
বার কাউন্সিলের তালিকাভুক্তিকরণ কমিটিতে প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত কতজন হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক থাকবেন?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. ৪ জন
ব্যাখ্যা
তালিকাভুক্তিকরণ কমিটি বা এনরোলমেন্ট কমিটি বিষয়ে ১১খ অনুচ্ছেদে বলা আছে-

১. এ কমিটির সদস্য হবে ৫ জন।
২. প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত আপিল বিভাগের একজন বিচারক হবে এ কমিটির চেয়ারম্যান।
৩. প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত ২ জন হাইকোর্ট এর বিচারপতি থাকবেন এই কমিটিতে।
৪. বাংলাদেশের এটর্নি জেনারেল থাকবেন এই কমিটিতে।
৫. বার কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে একজন নির্বাচিত সদস্য হবে এ কমিটির সদস্য।
৬,৬৪৩.
আদালত কোন ক্ষেত্রে কুৎসাজনক প্রশ্ন করার অনুমতি প্রদান করতে পারে?
  1. সাক্ষীর চরিত্র সম্পর্কিত হলে
  2. অভিযুক্তের সম্পর্কিত হলে
  3. বিচার্য বিষয় সম্পর্কিত হলে
  4. কোনো ক্ষেত্রেই নয়
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১৫১ ধারা- অশ্লীল ও কুৎসাজনক প্রশ্ন:
 
যদি কোন প্রশ্ন বা জিজ্ঞাসাবাদ আদালত অশ্লীল অথবা কেলেঙ্কারীজনক মনে করেন, তবে আদালতের বিচার্য বিষয়ের ক্ষেত্রে প্রশ্নটির কিছু গুরুত্ব থাকলেও আদালত এর প্রশ্ন নিষিদ্ধ করতে পারেন প্রশ্নটি যদি না বিচার্য বিষয় সম্পর্কিত হয় অথবা বিচার্য বিষয়ের অস্তিত্ব নির্ধারণের জন্য যা জানা প্রয়োজন এমনি বিষয় সম্পর্কিত হয়।
 
Section 151- Indecent and scandalous questions:
The Court may forbid any questions or inquiries which it regards as indecent or scandalous, although such questions or inquiries may have some bearing on the questions before the Court, unless they relate to facts in issue, or to matters necessary to be known in order to determine whether or not the facts in issue existed.
৬,৬৪৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৫০ অনুসারে, স্মল কজ কোর্টে কোন ধরনের ডিক্রি কার্যকর করা যায় না?
  1. অস্থাবর সম্পত্তির বিরুদ্ধে ডিক্রি
  2. স্থাবর সম্পত্তির বিরুদ্ধে ডিক্রি
  3. ব্যক্তিগত ঋণের ডিক্রি
  4. ক্ষতিপূরণের ডিক্রি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, আদেশ ৫০ (Order L) অনুযায়ী, "ক্ষুদ্র কারণ আদালত" (Small Cause Court) বা এমন আদালত যা ক্ষুদ্র কারণ আদালতের এখতিয়ার প্রয়োগ করে, সেখানে স্থাবর সম্পত্তির বিরুদ্ধে ডিক্রি কার্যকর করা যায় না।
→ এটি Order L, clause (a)(ii) তে স্পষ্টভাবে বলা আছে:
"the execution of decrees against immovable property or the interest of a partner in partnership property" – এই ধরনের ডিক্রিগুলোর কার্যকরতা Small Cause Court-এ নিষিদ্ধ।
অন্যদিকে, অস্থাবর সম্পত্তির বিরুদ্ধে ডিক্রি কার্যকর করা যায়, ব্যক্তিগত ঋণ বা ক্ষতিপূরণের ডিক্রি Small Cause Court-এর এখতিয়ারে পড়ে।
অর্থাৎ স্মল কজ কোর্টে স্থাবর সম্পত্তির বিরুদ্ধে ডিক্রি কার্যকর করা যায় না, কারণ এটি আদেশ L, বিধি ১(ক)(ii) অনুসারে এই আদালতের এখতিয়ারের বাইরে।
অতএব, সঠিক উত্তর হলো খ) স্থাবর সম্পত্তির বিরুদ্ধে ডিক্রি।

⇒দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ L, বিধি ১(ক)(ii) অনুসারে, ১৮৮৭ সালের স্মল কজ কোর্ট আইনের অধীনে গঠিত স্মল কজ কোর্ট বা এই আইনের অধীনে স্মল কজ কোর্টের এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালতগুলোতে স্থাবর সম্পত্তির বিরুদ্ধে ডিক্রি বা অংশীদারি সম্পত্তিতে অংশীদারের স্বার্থের বিরুদ্ধে ডিক্রি কার্যকর করা যায় না। এর কারণ হলো, স্মল কজ কোর্টের এখতিয়ার সীমিত এবং এটি মূলত কম মূল্যের, সরল প্রকৃতির মামলা নিষ্পত্তির জন্য গঠিত। স্থাবর সম্পত্তি (যেমন জমি, বাড়ি) সংক্রান্ত মামলা বা ডিক্রি কার্যকর করা জটিল প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত, যা স্মল কজ কোর্টের কার্যপরিধির বাইরে।
- স্মল কজ কোর্ট আইন, ১৮৮৭: এই আইন স্মল কজ কোর্টের এখতিয়ার এবং সীমাবদ্ধতা নির্ধারণ করে। এটি স্পষ্ট করে যে স্থাবর সম্পত্তি বা জটিল মামলা এই আদালতের এখতিয়ারের বাইরে।
- দেওয়ানি কার্যবিধি, আদেশ L: এই আদেশ স্মল কজ কোর্টে প্রযোজ্য নয় এমন বিধানগুলো তালিকাভুক্ত করে, যার মধ্যে স্থাবর সম্পত্তির বিরুদ্ধে ডিক্রি কার্যকর করা অন্যতম।
- স্মল কজ কোর্টের উদ্দেশ্য হলো দ্রুত এবং কম খরচে বিচার প্রদান। তাই, জটিল প্রক্রিয়া যেমন স্থাবর সম্পত্তির ডিক্রি কার্যকর করা, আপিল, পুনর্বিবেচনা বা বিস্তারিত সাক্ষ্য গ্রহণ এই আদালতের কার্যপরিধির বাইরে রাখা হয়েছে। এটি নিশ্চিত করে যে স্মল কজ কোর্ট কেবল সরল এবং কম মূল্যের মামলায় মনোনিবেশ করতে পারে।
৬,৬৪৫.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯০ এর বিধানমতে বেআইনি বা হয়রানিমূলক তল্লাশীর সর্বোচ্চ কারাদণ্ড-
  1. ২ বৎসর
  2. ১ বৎসর
  3. ৬ মাস
  4. ৩ মাস
ব্যাখ্যা
• মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯০ রহিত করে মাদকদ্রব্যের নিয়ন্ত্রণ, সরবরাহ ও চাহিদা হ্রাস, অপব্যবহার ও চোরাচালান প্রতিরোধ এবং মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন ক্ষেত্রে বিদ্যমান আইন যুগোপযোগী করাসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন,২০১৮ প্রণীত হয়।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন,২০১৮ এর ধারা ৩৯ অনুসারে,

যদি তল্লাশি, আটক অথবা গ্রেফতার করিবার ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো অফিসার- 
(ক) সন্দেহ করিবার যুক্তিসংগত কোনো কারণ ব্যতিরেকে তল্লাশির নামে কোনো স্থানে প্রবেশ করেন ও তল্লাশি চালান, 
(খ) হয়রানিমূলকভাবে বাজেয়াপ্তযোগ্য কোনো বস্তু তল্লাশি করিবার নামে কোনো ব্যক্তির কোনো সম্পদ আটক করেন, এবং 
(গ) কোনো ব্যক্তিকে হয়রানিমূলক তল্লাশি করেন অথবা গ্রেফতার করেন, তাহা হইলে তিনি অনূর্ধ্ব ১ (এক) বৎসর কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।
৬,৬৪৬.
বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫১(১)-এ রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তির ব্যতিক্রম কী?
  1. ফৌজদারি কার্যধারা
  2. হাইকোর্টের রুল
  3. দণ্ডবিধির অধীন মামলা
  4. সরকারের বিরুদ্ধে কার্যধারা গ্রহণ
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৫১ – রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি:
(১) এই সংবিধানের ৫২ অনুচ্ছেদের হানি না ঘটাইয়া বিধান করা হইতেছে যে, রাষ্ট্রপতি তাঁহার দায়িত্ব পালন করিতে গিয়া কিংবা অনুরূপ বিবেচনায় কোন কার্য করিয়া থাকিলে বা না করিয়া থাকিলে সেইজন্য তাঁহাকে কোন আদালতে জবাবদিহি করিতে হইবে না, তবে এই দফা সরকারের বিরুদ্ধে কার্যধারা গ্রহণে কোন ব্যক্তির অধিকার ক্ষুন্ন করিবে না।

(২) রাষ্ট্রপতির কার্যভারকালে তাঁহার বিরুদ্ধে কোন আদালতে কোন প্রকার ফৌজদারী কার্যধারা দায়ের করা বা চালু রাখা যাইবে না এবং তাঁহার গ্রেফতার বা কারাবাসের জন্য কোন আদালত হইতে পরোয়ানা জারী করা যাইবে না।
-----------------------
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫১(১) অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি তাঁর দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে বা ঐরূপ বিবেচনায় কোনো কার্য করিলে বা না করিলে তাঁকে আদালতে জবাবদিহি করতে হবে না। তবে, এই দায়মুক্তি সরকারের বিরুদ্ধে কোনো ব্যক্তির কার্যধারা গ্রহণের অধিকার ক্ষুন্ন করে না—এটাই এই ধারার ব্যতিক্রম। অর্থাৎ, রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে না হলেও, সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করার অধিকার ব্যক্তি সংরক্ষণ করে।
৬,৬৪৭.
'ক' রাতে বাসায় আসার পথে 'খ' পিস্তল দেখিয়ে 'ক' এর টাকার ব্যাগ দাবী করে। ফলে 'ক' ব্যাগটি 'খ' কে দিতে বাধ্য হয়। 'খ' কোন ধরনের অপরাধ করেছে?
  1. ডাকাতি
  2. প্রতারণা
  3. দস্যুতা
  4. চুরি
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারা মতে, চুরি করার উদ্দেশ্যে বা বলপূর্বক গ্রহণের সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন তা দস্যুতা বা Robbery বলে গণ্য হবে। দস্যুতাকে হিংস্রতম চুরি বা হিংস্রতম বলপ্রয়োগ গ্রহণ বলা হয়। কেননা প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে। দস্যুতাকে সহজ কথায় রাহাজানি বলে আখ্যায়িত করা হয়।

♦The Penal Code, 1860 এর ৩৯০ ধারা মতে যেক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা বলিয়া গণ্যহয়ঃ প্রত্যেক দস্যতায় হয় চুরি, না হয় বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের অপরাধ সংঘটিত হয়।

♦যেক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে (When theft is robbery):-চুরি করার উদ্দেশ্যে, অথবা চুরি করতে, কিংবা চুরিতে লব্ধ সম্পত্তি বহন বা বহনের উদ্যোগ  কালে, অপরাধকারী তদুদ্দেশ্যে ইচ্ছাপূর্বক কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় বা তাকে আঘাতদান করে তাকে অন্যায় ভাবে আটক করে বা করার উদ্যোগ করে, বা তাকে তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা তাৎক্ষণিক আঘাত বা তাৎক্ষণিক অবৈধ আটকের ভীতি প্রদর্শন করে বা করার উদ্যোগ করে, তা হলে উক্ত চুরি হচ্ছে দস্যুতা ;

♦বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় যেক্ষেত্রে দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে (When extortion is robbery):-বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সময় অপরাধী-যে ব্যক্তিকে ভয়ে বিহবল করা হয়েছে, সে ব্যক্তির বা অন্য কোন ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আশু আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করলে, এবং এইভাবে যে ব্যক্তিকে ভয়ে অভিভূত করা হয়েছে, সে ব্যক্তিকে তখন বলপূর্বক আদায়কৃত বস্তুটি অর্পণে বাধ্য করলে, বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে।
৬,৬৪৮.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোন আদেশে মামলা গঠন বিষয়ে বিধান আছে?
  1. আদেশ ১
  2. আদেশ ২
  3. আদেশ ৩
  4. আদেশ ৪
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ০২ অনুযায়ী মামলা গঠন করতে হয়।
আদেশ-২ বিধি-১ অনুযায়ী মামলা যতদুর সম্ভব এমনভাবে গঠন করতে হবে, যাতে বিরোধী পক্ষ বিষয়টি সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে সম্ভব হয় এবং সে বিষয়ে ভবিষ্যতে আর কোন মোকদ্দমা হতে না পারে।
আদেশ-২ বিধি-২ অনুযায়ী সমগ্র দাবী অন্তুর্ভূক্ত করতে হবে আংশিক দাবী বর্জন করলে পরে আর মামলা দায়ের করা যাবে না।
আদেশ-২ বিধি-৩ অনুযায়ী  বাদী একই বিবাদী বা সকল বিবাদীগণের বিরুদ্ধে একটি মোকদ্দমায় কতিপয় কারণ একত্রীকরণ করতে পারে যখন কতিপয় বাদী একই বিবাদীর বা বিবাদীগঞ্জে বিরুদ্ধে মোকদ্দমার কারণের সাথে যুগ্মভাবে সম্পর্কিত হয়।
আদেশ-২ বিধি-৬ অনুযায়ী যদি আদালতের নিকট মনে হয় যে, মামলায় যে সমস্ত কারণ একত্রিত করা হয়েছে, একসাথে সেগুলোর বিচার ও নিষ্পত্তি করা যাবে না তাহলে আদালত সে সকল ক্ষেত্রে পৃথক বিচার করার জন্য বা অন্য কোন সুবিধাজনক আদেশ দান করতে পারবেন ।
৬,৬৪৯.
নিম্নবর্ণিত কোন মামলায় Ad valorem কোর্ট ফি দিতে হবে না?
  1. দলিল বাতিল
  2. বণ্টন মামলা
  3. চুক্তি বলবৎকরণ
  4. দখল পুনরুদ্ধার
ব্যাখ্যা
কোর্ট ফি ২ ধরনের:
১/ মূল্যমানের উপর ভিত্তি করে [Ad-valorem court fee];
২/ নির্দিষ্ট [Fixed court fee]।
 
মূল্যমানের উপর ভিত্তি করে [Ad-valorem court fee]:
কোন মোকদ্দমার মূল্যমান এর উপর বা দাবীর মূল্যমানের উপর ভিত্তি করে এই কোর্ট ফি নির্ণয় করা হয়ে থাকে।
 
নির্দিষ্ট [Fixed court fee]:
কিছু বিষয়ে বিচারের বিষয়টি যাই থাকুক না কেন আদালতেকে সুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট পরিমান ফি দিতে হয়। মোকদ্দমার মূল্যমানের উপর কোর্ট ফি নির্ভর করে না।

 বণ্টন মামলায় দখলে থাকলে ৩০০ টাকা Fixed court fee এবং দখলে না থাকলে Ad-valorem court fee দিতে হবে।
৬,৬৫০.
A একটি নির্দিষ্ট জমির Z কে বিক্রি করার চুক্তি করেছিল। পরবর্তীতে তদন্ত করে দেখা গেছে যে, A দাবি করেছিল যে সে B এর উত্তরাধিকারী হিসাবে সেই জমির মালিক, যিনি সাধারণভাবে মৃত বলে বিবেচিত হলেও তার মৃত্যুর যথেষ্ট প্রমাণ নেই। এমতাবস্থায় 'A', 'Z' কে-
  1. নির্দিষ্টভাবে চুক্তি পালন করতে বাধ্য করতে পারবে
  2. চুক্তি রদের জন্য বাধ্য করতে পারবে
  3. চুক্তি সংশোধনের জন্য বাধ্য করতে পারবে
  4. নির্দিষ্টভাবে সেই চুক্তি পালন করতে বাধ্য করতে পারবে না
ব্যাখ্যা
ধারা ২৫- একজন বিক্রেতা বা ভাড়াটিয়ার পক্ষে স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় বা ভাড়া প্রদানের চুক্তি নির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়িত করা যাবে না যদি-

(ক) জেনে-শুনে নিজের অধিকারহীন এমন সম্পত্তির বিক্রয় বা ভাড়া দেওয়ার চুক্তিতে আবদ্ধ হয়ে থাকেন;
(খ) চুক্তি করার সময় যদিও বিশ্বাস করতেন যে তিনি সেই সম্পত্তির উপর সুনির্দিষ্ট অধিকার রাখেন, কিন্তু পক্ষদ্বয়ের বা আদালতের নির্ধারিত সময়ে বিক্রেতা বা ভাড়াটিয়া ক্রেতা বা ভাড়াটিয়াকে যৌক্তিক সন্দেহাতীতভাবে স্বত্বাধিকার প্রদান করতে অক্ষম হন;
(গ) চুক্তিতে আবদ্ধ হওয়ার পূর্বে কোনো মূল্যবান প্রতিফল ছাড়াই চুক্তির বিষয়বস্তুর উপর নিজের অধিকার সমর্পণ করে থাকেন।

এই উদাহরণে,
A একটি নির্দিষ্ট জমির দখলদার হলেও সেই জমির উপর তার স্বত্বাধিকার সন্দেহজনক। কারণ A দাবি করছে যে সে B এর উত্তরাধিকারী হিসাবে সেই জমির মালিক, যিনি কয়েক বছর আগে দেশ ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন এবং সাধারণত তাকে মৃত মনে করা হলেও তার মৃত্যুর যথেষ্ট প্রমাণ নেই।
এমতাবস্থায়, A যেহেতু সেই জমির উপর তার স্বত্বাধিকার সন্দেহাতীত নয়, সেহেতু সে Z কে নির্দিষ্টভাবে সেই জমি বিক্রির চুক্তি পালন করতে বাধ্য করতে পারবে না। একজন বিক্রেতা যদি সম্পত্তির উপর তার স্বত্বাধিকার স্পষ্ট না থাকে, তাহলে সে ক্রেতাকে নির্দিষ্টভাবে চুক্তি পালন করতে বাধ্য করতে পারবে না।
৬,৬৫১.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ১১ ধারায় res judicata কত বার ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. ব্যবহৃত হয়নি
ব্যাখ্যা
-The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ১১ তে  Principle of Res judicata আছে। একই ব্যক্তিগণের মধ্যে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হওয়া বিষয় নিয়ে পুনরায় নতুন মামলা করা যায় না।
অর্থাৎ মোকদ্দমার পক্ষদ্বয়ের মাঝে চূড়ান্তভাবে কোন বিষয় নিষ্পত্তি হলে ঐ একই বিষয় নিয়ে একই পক্ষদ্বয়ের মাঝে পরবর্তীতে পুনরায় নতুন করে কোন মামলা করা যাবে না। এই নীতিকেই রেস জুডিকাটা বা দোবারা দোষ বলে ।

- দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় Res-Judicata শব্দটি শিরোনামে ১ বার ব্যবহৃত হয়েছে।

এর অর্থ: দোবারা-দোষ, পূর্ববিচারিত, আদালত কর্তৃক নিষ্পত্তিকৃত বিষয়।
এটি ২ প্রকার:
(১) প্রত্যক্ষ দোবারা দোষ
(২) পরোেক্ষ দোবারা দোষ।

- দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় ৬টি ব্যাখ্যা [Explanation] রয়েছে:-
১ম ব্যাখ্যা: Former Suit [পূর্ববর্তী মোকদ্দমা]। 
২য় ব্যাখ্যা: Competence of a Court [কোর্টের বিচার করার ক্ষমতা]
৩য় ব্যাখ্যা: Direct Res-Judicata [প্রত্যক্ষ দোবারা দোষ]।
৪র্থ ব্যাখ্যা: Constructive Res-Judicata [পরোেক্ষ দোবারা দোষ]।
৫ম ব্যাখ্যা: প্রার্থিত প্রতিকার মঞ্জুর না হলে প্রত্যাখ্যান বলে গণ্য হবে না।
৬ষ্ঠ ব্যাখ্যা: Litigation for Public Rights
৬,৬৫২.
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির ঘরের বাইরে অন্য কোথাও থেকে গ্রেপ্তার করলে কত ঘণ্টার মধ্যে পরিবারের সদস্য বা বন্ধুদের জানাতে হবে?
  1. ৬ ঘণ্টার মধ্যে
  2. ১২ ঘণ্টার মধ্যে
  3. ২৪ ঘণ্টার মধ্যে
  4. ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪৬ক(ঘ) অনুযায়ী, যদি গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি তার নিজস্ব ঠিকানা থেকে গ্রেফতার না করা হয়, তাহলে গ্রেফতারকারী পুলিশ অফিসার বা অন্য ব্যক্তি অতিস্বল্পতম সময়ে কিন্তু সর্বোচ্চ ১২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্য, আত্মীয়, বা বন্ধুকে জানাতে বাধ্য।
→ Code of Criminal Procedure (Second Amendment) Ordinance, 2025 এর মাধ্যমে The Code of Criminal Procedure, 1898 এ নতুন ধারা ৪৬ক (Section 46A) সন্নিবেশিত হয়েছে। এই ধারার উপ-ধারা ঘ(d) অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তিকে তার নিজ বাসস্থানের বাইরে অন্য কোনো স্থান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়, তবে গ্রেপ্তারকারী পুলিশ কর্মকর্তা বা অন্য ব্যক্তিকে যত শীঘ্র সম্ভব, তবে গ্রেপ্তারের সময় থেকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্য, আত্মীয়, বা তার মনোনীত বন্ধুকে গ্রেপ্তারের সময়, স্থান এবং হেফাজতের স্থান সম্পর্কে অবহিত করতে হবে।
সুতরাং, ১২ ঘণ্টার মধ্যে পরিবারের সদস্য বা বন্ধুকে জানানো বাধ্যতামূলক।
------------ 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 46A. Procedure of arrest and duties of officer making arrest:
-In making an arrest, the police-officer or other person making the same shall-
(a) bear an accurate, visible and clear identification of his name which will facilitate easy identification;
(b) disclose his identity and if demanded, shall show his identity card to the person arrested and to the persons present at the time of arrest;
(c) prepare a memorandum of arrest which shall be-
(i)attested by at least one witness, who is a member of the family of the person arrested or a respectable inhabitant of the locality where the arrest is made and where no such witness is available, the reasons thereof be recorded in the memorandum;
(ii) countersigned or thumb-impressed by the person arrested if not refused by him;

(d) intimate, where the accused is arrested from a place other than his residence, to a family member, relative, or a friend nominated by the person arrested, as soon as practicable but not later than twelve hours from the time of such arrest, notifying the time and place of arrest and the place of custody;

(e) ensure, if any mark of injury is found on the body of the person arrested, the examination and first aid treatment of the person by a medical officer or a registered medical practitioner, as the case may be, in accordance with section 46E; obtain a certificate from the attending medical officer or practitioner; and record the reasons for such injury;

(f) allow the person arrested, if he so desires, to consult a lawyer of his choice or to meet any of his nearest relation, preferably within twelve hours of such arrest.

৬,৬৫৩.
একজন চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট যদি কোনো ব্যক্তির জামিনের আবেদন নাকচ করেন, তবে ঐ ব্যক্তি কোথায় আপিল করতে পারবেন? 
  1. দায়রা আদালতে
  2. হাইকোর্ট বিভাগে
  3. জেলা জজের আদালতে
  4. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪০৬ক অনুযায়ী, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (CJM) কর্তৃক জামিন আবেদন নাকচ বা জামিন গ্রহণে অস্বীকৃতির আদেশের বিরুদ্ধে আপীল দায়রা আদালতে (Court of Session) করতে হবে।
- ধারা ৪০৬ক(ক)-এ স্পষ্ট বলা হয়েছে: "যদি আদেশটি প্রদান করে থাকেন চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, তাহলে দায়রা আদালতে (Court of Session) আপীল করা যাবে।"
সুতরাং, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের জামিন নাকচের আদেশের বিরুদ্ধে আপীল দায়রা আদালতে করতে হবে।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪০৬ক: জামানত গ্রহণে অস্বীকৃতি বা নাকচ করার আদেশের বিরুদ্ধে আপীল:
- ধারা ১২২ এর অধীনে জামানত গ্রহণ করতে অস্বীকার বা জামানত নাকচ করার যে কোনো আদেশে যে ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তিনি উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করতে পারবেন—
(ক) যদি আদেশটি প্রদান করে থাকেন চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, তাহলে দায়রা আদালতে (Court of Session) আপীল করা যাবে;
(খ) যদি আদেশটি প্রদান করেন চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অন্য কোনো মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, তাহলে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আপীল করা যাবে;
(গ) যদি আদেশটি যেকোনো অন্য নির্বাহী বা বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট প্রদান করেন, তাহলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আপীল করা যাবে।
----------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 406A. Appeal from order refusing to accept or rejecting a surety:
Any person aggrieved by an order refusing to accept or rejecting a surety under section 122 may appeal against such order,- 
 (a) if made by the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate or a District Magistrate, to the Court of Session; 
(b) if made by a Metropolitan Magistrate other than the Chief Metropolitan Magistrate, to the Chief Metropolitan Magistrate; or 
(c) if made by any other Magistrate, whether Executive or Judicial, to the District Magistrate or the Chief Judicial Magistrate.

৬,৬৫৪.
তামাদি আইন আনুসারে বংশগত পদ দখলের মামলার তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ৬ বছর
  2. ১২ বছর
  3. ১৮ বছর
  4. ৩০ বছর
ব্যাখ্যা

বংশগত পদ দখলের মামলার তামাদির মেয়াদ-১২ বছর ।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর অনুচ্ছেদ ১২৪ অনুযায়ী "বংশগত পদ দখল করার জন্য মামলা দায়েরের সময়সীমা ১২ বছর, এবং এই সময় গণনা শুরু হবে যখন বিবাদী সেই পদটি বাদীর প্রতিকূলে দখল করে নেয়।"
--------------------
According to the Article 124 of the Limitation Act 1908, " The period of limitation for the suit of Possession of an hereditary office is 12 years. The period begins when the defendant takes possession of the office adversely to the plaintiff.

৬,৬৫৫.
The Special Powers Act, 1974-এর ধারা ৮(২) অনুযায়ী আটককৃত ব্যক্তিকে আটকের কারণ সর্বোচ্চ কত দিনের মধ্যে জানাতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ The Special Powers Act, 1974 এর ধারা ৮(২) অনুসারে, আটকের আদেশ জারি করা হলে আটককৃত ব্যক্তিকে তার আটকের কারণ (grounds of detention) নিম্নলিখিত সময়ের মধ্যে জানাতে হবে:
- আটকের সময়ই অথবা
- তার পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব, তবে আটকের তারিখ থেকে সর্বোচ্চ ১৫ দিনের মধ্যে।
সুতরাং, স্পষ্টভাবে আইন অনুযায়ী সর্বোচ্চ সময়সীমা হল ১৫ দিন।
------------
⇒ The Special Powers Act, 1974, Section-8-Communication of grounds of order:
(1) In every case where an order has been made under section 3, the authority making the order shall, as soon as may be, but subject to the provisions of sub-section (2), communicate to the person affected thereby the grounds on which the order has been made to enable him to make a representation in writing against the order, and it shall be the duty of such authority to inform such person of his right of making such representation and to afford him the earliest opportunity of doing so: 
Provided that nothing in this section shall require the authority to disclose the facts which it considers to be against the public interest to disclose. 
(2) In the case of a detention order, the authority making the order shall inform the person detained under that order of the grounds of his detention at the time he is detained or as soon thereafter as is practicable, but not later than fifteen days from the date of detention.

৬,৬৫৬.
Discovery by Interrogatories এর দরখাস্ত দাখিল করতে হয় বিচার্য বিষয় গঠনের ______ দিনের মধ্যে।
  1. ১০
  2. ১৫
  3. ২০
  4. ৩০
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১১ বিধি-১ এর বিধান: প্রশ্নাবলী দ্বারা আবিষ্কার: কোন মোকদ্দমায় বাদি কিংবা বিবাদিপক্ষ অপর পক্ষসমূহকে অথবা তাদের মধ্যে একজন বা একাধিক জনকে পরীক্ষা করার জন্য আদালতের অনুমতিক্রমে, বিচার্য বিষয় প্রণয়নের তারিখ থেকে দশ দিনের মধ্যে লিখিতরূপে প্রশ্নমালা প্রদান করতে পারে এবং অনুরূপ প্রশ্নমালা প্রদান করা হলে এর মধ্যে কোন কোন প্রশ্নের উত্তর অনুরূপ ব্যক্তির কাউকে প্রদান করতে হবে তা প্রশ্নমালার পাদটিকায় লিখিত থাকবে
- তবে শর্ত থাকে যে, কোন পক্ষ অপর পক্ষকে আদালতের আদেশ ব্যতিরেকে এক প্রন্থের অধিক প্রশ্নমালা প্রদান করবে না।
- তবে আরও শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমার সাথে কোনভাবেই সম্পর্কীত নয়, এরূপ প্রশ্নমালা সাক্ষীর মৌখিক জেরায় জিজ্ঞাসা করা চললেও এক্ষেত্রে তা অবান্তর বলে গণ্য হবে।
৬,৬৫৭.
The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ১৮(ক) অনুসারে, চুক্তির পরে বিক্রেতা সম্পত্তিতে স্বার্থ অর্জন করলে-
  1. আদালতের অনুমতিসহ বিক্রেতা চুক্তির শর্ত পরিবর্তন করতে পারবে
  2. আদালতের অনুমতি ছাড়া ক্রেতা চুক্তি বাতিল করতে পারবে
  3. ক্রেতা চুক্তি পূরণের জন্য বিক্রেতাকে বাধ্য করতে পারবে
  4. ক্রেতা আদালতের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারবে
ব্যাখ্যা

The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ১৮: ত্রুটিপূর্ণ শিরোনামের বিক্রেতার বিরুদ্ধে ক্রেতার/ভাড়াটিয়ার অধিকার:
যে কোনো ব্যক্তি কোনো সম্পত্তি বিক্রয় বা ভাড়া দেওয়ার চুক্তি করলে এবং তার সেই সম্পত্তিতে কেবল ত্রুটিপূর্ণ শিরোনাম (imperfect title) থাকে, ক্রেতা বা ভাড়াটিয়াকে (যদি অন্যথা এই অধ্যায়ে বলা না হয়) নিম্নলিখিত অধিকার থাকবে:

(ক) যদি বিক্রেতা বা ভাড়াটিয়া বিক্রয় বা ভাড়ার পরে সম্পত্তিতে কোনো স্বার্থ অর্জন করেন, ক্রেতা বা ভাড়াটিয়া তাকে সেই স্বার্থ থেকে চুক্তি পূরণ করতে বাধ্য করতে পারে।

(খ) যেখানে শিরোনামের বৈধতার জন্য অন্য ব্যক্তিদের সম্মতি প্রয়োজন এবং তারা বিক্রেতার/ভাড়াটিয়ার অনুরোধে স্থানান্তর করতে বাধ্য, ক্রেতা বা ভাড়াটিয়া বিক্রেতাকে সেই সম্মতি প্রাপ্তির জন্য বাধ্য করতে পারে।

(গ) যেখানে বিক্রেতা দাবি করেন যে সম্পত্তি ঋণমুক্ত (unencumbered), কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সম্পত্তি একটি মর্টগেজে বন্ধকী এবং সেই মর্টগেজের পরিমাণ ক্রয়মূল্যের সমান বা কম, এবং বিক্রেতার কেবল redeem করার অধিকার থাকে, ক্রেতা তাকে মর্টগেজ রিডিম করতে এবং মর্টগেজদাতার কাছ থেকে স্থানান্তরের ব্যবস্থা করতে বাধ্য করতে পারে।

(ঘ) যেখানে বিক্রেতা বা ভাড়াটিয়া চুক্তি পূরণের জন্য মামলা করেন এবং সেই মামলা তার অপরিপূর্ণ শিরোনামের কারণে খারিজ হয়ে যায়, তখন বিপক্ষের অধিকার থাকবে:
- তার জমা দেওয়া অর্থ (deposit) ফেরত পাওয়া, সুদসহ,
- মামলার খরচ ফেরত পাওয়া, এবং
- বিক্রেতা বা ভাড়াটিয়ার সম্পত্তিতে চুক্তি অনুযায়ী তার জমা, সুদ ও খরচের উপর lien থাকা।

৬,৬৫৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১১ ধারায় তাৎক্ষণিক দখলের অধিকারী ব্যক্তি কয়টি ক্ষেত্রে মামলা করতে পারবে?
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৩টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১১ ধারায় তাৎক্ষণিক দখলের অধিকারী ব্যক্তি ৪টি ক্ষেত্রে মামলা করতে পারবে। যথা-
১। যে ক্ষেত্রে বিবাদী ট্রাস্টি বা এজেন্ট হিসেবে বাদীর অস্থাবর সম্পত্তি ধারণ করে;
২। বাদীর অস্থাবর সম্পত্তির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত না হয়;
৩। ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করা কঠিন হলে;
৪। দাবি কৃত সম্পত্তিটি বিবাদী বেআইনিভাবে দখল/ হস্তান্তর করলে।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১১ ধারা: অব্যবহিত দখল লাভের অধিকারী ব্যক্তির নিকট থেকে দখল প্রদানের নিমিত্তে মালিক নয় এরূপ দখলকারী ব্যক্তির দায় দায়িত্ব:
যে সম্পত্তির মালিক সে নিজে নয়, এমন অস্থাবর সম্পত্তির কোন বিশেষ অংশের দখলকারী বা নিয়ন্ত্রণকারী ব্যক্তিকে নিম্নোক্ত যে কোন অবস্থাতে অবিলম্বিত দখল লাভের অধিকারী ব্যক্তির নিকট সেটি প্রদানার্থে সুনির্দিষ্টভাবে বাধ্য করা যেতে পারে-
(ক) যখন দাবীকৃত সম্পত্তি দাবিদারের জিম্মাদারের বা প্রতিনিধি হিসেবে প্রতিবাদীদের নিকট রয়েছে;
(খ) যখন দাবিকৃত বস্তুর ক্ষতি টাকার মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ দাবীদারের পর্যাপ্ত প্রতিকার করবে না;
(গ) যখন দাবীকৃত বস্তুর ক্ষতির কোন সাধিত যথার্থ ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হবে;
(ঘ) যখন দাবীকৃত বস্তুর দখল দাবিদারের নিকট হতে অন্যায়ভাবে হস্তান্তরিত করা হয়েছে।

Section 11- Liability of person in possession, not as owner to deliver to person entitled to immediate possession:
Any person having the possession or control of a particular article of moveable property, of which he is not the owner, may be compelled specifically to deliver it to the person entitled to its immediate possession, in any of the following cases:
(a) when the thing claimed is held by the defendant as the agent or trustee of the claimant;
(b) when compensation in money would not afford the claimant adequate relief for the loss of the thing claimed;
(c) when it would be extremely difficult to ascertain the actual damage caused by its loss;
(d) when the possession of the thing claimed has been wrongfully transferred from the claimant.
৬,৬৫৯.
দণ্ডবিধির ৫৫ক ধারায় রাষ্ট্রপতির কোন বিশেষ ক্ষমতা সংরক্ষিত হয়েছে?
  1. কারাদণ্ড বৃদ্ধি করা
  2. মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা
  3. শুধুমাত্র জরিমানা আদায় বন্ধ করা
  4. ক্ষমা, দণ্ড স্থগিত, দণ্ড হ্রাস বা মওকুফ করা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৫৫ক ধারা অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদান, দণ্ড স্থগিত, দণ্ড হ্রাস বা মওকুফ করার বিশেষ ক্ষমতা সংরক্ষিত হয়েছে। এই ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, ৫৪ বা ৫৫ ধারার কোনো বিধান রাষ্ট্রপতির এই অধিকারকে ক্ষুণ্ন করবে না।
- সঠিক উত্তর: ঘ) ক্ষমা, দণ্ড স্থগিত, দণ্ড হ্রাস বা মওকুফ করা।

⇒ দণ্ডবিধির  ৫৫ক ধারার বিধান রাষ্ট্রপতির বিশেষ অধিকার সংরক্ষণ:- ৫৪ ধারা বা ৫৫ ধারার কোন বিধান দ্বারাই রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শন, মৃত্যুদণ্ড মওকুফ বা স্থগিত করা বা দণ্ডাজ্ঞা হ্রাসের অধিকার ক্ষুন্ন হবে না। 
--------- 
⇒ The Penal Code,1860- Section 55A. Saving for President prerogative:- Nothing in section fifty- four or section fifty-five shall derogate from the right of the President to grant pardons, reprieves, respites or remissions of punishment.

৬,৬৬০.
মালিকের অনুমতি নিয়ে ‘ক’ একটি বাড়ীতে অবস্থানকালে বাড়ীর মালিকানা দাবি করে। এক্ষেত্রে আইনগত বাধাকে কি বলে?
  1. স্বীকৃতি
  2. স্বকার্যজনিত বাঁধা
  3. দাবী
  4. মৌনসম্মতি
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের  ১১৬ ধারার বিধান ভাড়াটিয়া ও দখলে থাকার অনুমতিপ্রাপ্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধ (Estoppel of tenant; and of licensee of person in possession) : কোন স্থাবর সম্পত্তির ভাড়াটিয়া অথবা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তিকে ভাড়াটিয়া সম্পর্ক বিদ্যমান থাকা অবস্থায় ভাড়ার শুরুতে তার বাড়িওয়ালার ঐ স্থাবর সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার করতে অনুমতি দেওয়া হবে না; কোন স্থাবর সম্পত্তির দখলদারের অনুমতি নিয়ে যে ব্যক্তি ঐ সম্পত্তিতে এসেছে সেই ব্যক্তিকে যখন এরূপ অনুমতি প্রদান করা হয়েছে তখনকার ঐরূপ ব্যক্তির ঐরূপ দখল অস্বীকার করার অনুমতি দেওয়া হবে না।
এই  আইনগত বাধাকে স্ব-কার্যজনিত বাধা ( Estoppel) বলে।
৬,৬৬১.
'আরজিতে উল্লেখিত প্রতিটি অভিযোগ বিবাদী সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করবে'- The Code of Civil Procedure, 1908 এর কত আদেশের বিধান?
  1. আদেশ ৭ বিধি ৪
  2. আদেশ ৮ বিধি ৩
  3. আদেশ ৭ বিধি ৩
  4. আদেশ ৮ বিধি ৪
ব্যাখ্যা
আদেশ-৮, বিধি-৩: সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার-

ক্ষতিপূরণ ব্যতীত আরজিতে উল্লেখিত প্রতিটি অভিযোগ বিবাদী সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করবে, তা নাহলে বিবাদী তা স্বীকার করেছে বলে গণ্য হবে। অর্থাৎ বিবাদী তার লিখিত জবাবে বাদীর দাবি চাতুরীপূর্ণভাবে অস্বীকার করবে না। যদি বিবাদী আরজির কোন বিষয় চাতুরীপূর্ণভাবে অস্বীকার করেন, তবে তা স্বীকার করেছেন বলেই ধরে নেওয়া হবে।

[Denial to be specific-
It shall not be sufficient for a defendant in his written statement to deny generally the grounds alleged by the plantiff, but the defendant must deal specifically with each allegation of fact of which he does not admit the truth, except damages.]
৬,৬৬২.
'আইন' অর্থ কোন আইন, অধ্যাদেশ, আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ-আইন, বিজ্ঞপ্তি ও অন্যান্য আইনগত দলিল এবং বাংলাদেশে আইনের ক্ষমতাসম্পন্ন যে কোন প্রথা বা রীতি -- আইনের এ ব্যাখ্যা কোথায় প্রদান করা হয়েছে?
  1. The General Clauses Act, 1897
  2. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে
  3. The Code of Civil Procedure, 1908 এ
  4. The Civil Courts Act, 1887 এ
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১৫২ অনুচ্ছেদে আইনের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে-
"আইন" অর্থ কোন আইন, অধ্যাদেশ, আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ-আইন, বিজ্ঞপ্তি ও অন্যান্য আইনগত দলিল এবং বাংলাদেশে আইনের ক্ষমতাসম্পন্ন যে কোন প্রথা বা রীতি;

Article 152:
“law” means any Act, ordinance, order, rule, regulation, bye law, notification or other legal instrument, and any custom or usage, having the force of law in Bangladesh;
৬,৬৬৩.
কোন চুক্তিটি আদালতের মাধ্যমে বাস্তবায়নযোগ্য নয়?
  1. জমি বিক্রয়ের চুক্তি
  2. রাস্তা নির্বাচনের চুক্তি
  3. সিনেমার অভিনয়ের চুক্তি
  4. পরিবহন চুক্তি
ব্যাখ্যা
♦The Specific Relief Act,1877 Section 21- Contracts not Specifically Enforceable - যে চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য নয়' শিরোনামে ২১ ধারায় বর্ণিত আছে যে, আদালতের মাধ্যমে চুক্তি বলবৎ করা যায় না- ৮টি ক্ষেত্রে। তার মধ্যে ১টি হলো ব্যক্তিগত যোগ্যতার উপর নির্ভরশীল চুক্তি আদালতের মাধ্যমে বাস্তবায়নযোগ্য নয় । কারণ, সিনেমায় অভিনয়ের চুক্তি যা ব্যক্তিগত যোগ্যতার অন্তর্গত।

♦২১ ধারা অনুযায়ী- ৮ ক্ষেত্রে চুক্তি কার্যকর/বলবৎ করা যায় না:
১). যে চুক্তি সম্পাদন না করলে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা পর্যাপ্ত প্রতিকার হয়।
২). যে চুক্তি সুক্ষ্ম ও জটিল শর্ত দ্বারা গঠিত বা ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল [যেমন: গল্প-উপন্যাস রচনা, অভিনয়, ব্যক্তিগত সেবা দেওয়া, বিবাহ করা সংক্রান্ত চুক্তি।]। 
৩). যে চুক্তির শর্ত আদালত যুক্তিসংগতভাবে নির্ণয় করতে পারে না।
৪). যে চুক্তি তার প্রকৃতির (Nature) কারণেই বাতিলযোগ্য [Revocable বা যে চুক্তি প্রকৃতিগতভাবেই প্রত্যহারযোগ্য]।
৫). জিম্মাদার/ট্রাস্টি কর্তৃক ক্ষমতা/চুক্তি বর্হিভূত চুক্তি। 
৬). কোম্পানির পক্ষে বা কর্মকর্তা কর্তৃক ক্ষমতা/চুক্তি বর্হিভূত চুক্তি। 
৭). যে চুক্তি পালনে শুরু করার তারিখ হতে ৩ বছরের বেশি সময় লাগে। 
৮) যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার আগেই বিষয়বস্তু বিলুপ্ত হয়েছে। মনে রাখুন, চুক্তিতে Arbitration Clause থাকলে চুক্তি কার্যকর করা যাবে না।
৬,৬৬৪.
'ক' এবং তার বন্ধুরা জনসাধারণের রাস্তার উপর গাড়ির রেস করছিলেন। সে কাউকে ধাক্কা না দিলেও রাস্তার মানুষজন আতঙ্কিত হয়ে পড়ে এবং তাদের জীবন বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা করে। এক্ষেত্রে, 'ক' এবং তার বন্ধুদের সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ৩ বছর কারাদণ্ড
  2. ৫ বছর কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. ১০ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

ধারা ২৭৯- জনসাধারণের পথে বেপরোয়া বা অবহেলাপূর্ণ গাড়ি চালানো:
যে ব্যক্তি জনসাধারণের রাস্তায় কোনো যানবাহন চালায় বা আরোহী অবস্থায় চালনা করে এবং এমনভাবে পরিচালনা করে যে তা বেপরোয়া বা অবহেলাপূর্ণ চালনার মধ্যে পড়ে, এবং যার ফলে মানবজীবন বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা থাকে বা অন্য কারো আঘাত বা ক্ষতির সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়—তাকে এই ধারার অধীনে দণ্ডিত করা হবে।

এখানে “বেপরোয়া চালনা” বলতে এমন চালনাকে বোঝানো হয়েছে যা সাধারণ নিরাপত্তাবোধের বিরুদ্ধে এবং যার মাধ্যমে অন্যের জীবন ও নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়ে। একইভাবে “অবহেলাপূর্ণ চালনা” বলতে এমন চালনাকে বোঝায় যা চালকের অসতর্কতা বা দায়িত্বহীনতার কারণে ঘটে এবং যার ফলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি থাকে।

এই অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হলে সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত যেকোনো ধরনের কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম), অথবা সর্বনিম্ন এক হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ড প্রদান করা হতে পারে।

ব্যাখ্যা- কেউ যদি জনসাধারণের রাস্তায় আইন দ্বারা নির্ধারিত গতিসীমা অতিক্রম করে যানবাহন চালায়, তবে তাকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই ধারার উদ্দেশ্যে বেপরোয়া বা অবহেলাপূর্ণভাবে গাড়ি চালানো হয়েছে বলে গণ্য করা হবে।

৬,৬৬৫.
'ক' একজন পুলিশ অফিসার। 'খ' দস্যুতা সংঘটনের পরিকল্পনা করছে জেনেও অপরাধ সংঘটনের সুযোগদানের ইচ্ছায় 'ক' তথ্য গোপন করে এবং তা প্রতিরোধ করে না। এখানে 'ক'কোন ধারার অধীনে অপরাধ করেছে?
  1. ১১৪ ধারা
  2. ১১৫ ধারা
  3. ১১৭ ধারা
  4. ১১৯ ধারা
ব্যাখ্যা
ধারা-১১৯: অপরাধ সংঘটন নিবারণের দায়িত্বে থাকা সরকারি কর্মচারী কর্তৃক অপরাধের ষড়যন্ত্র গোপন করা-
অপরাধ সংঘটননিরোধের দায়িত্বে থাকা কোন সরকারি কর্মচারী উক্ত অপরাধ নিবারণের জন্য কোন পদক্ষেপ না নিয়ে যদি বরং উক্ত অপরাধের ষড়যন্ত্র গোপন করে তাহলে তিনি দণ্ডবিধির ১১৯ ধারার অধীনে দন্ডিত হবেন।

এক্ষেত্রে 'ক' দণ্ডবিধির ১১৯ ধারার অধীনে অপরাধ করেছে। কেননা দস্যুতা সংঘটনের খবর জানার পর তার দায়িত্ব ছিল তা নিবারণের জন্য পদক্ষেপ নেওয়া। কিন্তু তিনি তা না করে বরং তথ্য গোপন করেছে। তাই তিনি ১১৯ ধারার অধীনে অপরাধে সহায়তার অপরাধে দোষী হবে।
৬,৬৬৬.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুসারে, শুধুমাত্র সাক্ষ্য ভুলভাবে গ্রহণ বা বর্জনের কারণে কোনো রায় বা সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের জন্য নতুন করে বিচার করার আবেদন করা যাবে না?
  1. ধারা ১৬৩
  2. ধারা ১৬৫
  3. ধারা ১৬৬
  4. ধারা ১৬৭
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারা অনুসারে, যদি আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, আপত্তিকর সাক্ষ্য ছাড়াও সিদ্ধান্ত ন্যায্যতা প্রদানের জন্য পর্যাপ্ত প্রমাণ ছিল, অথবা বর্জিত সাক্ষ্য গ্রহণ করা হলেও সিদ্ধান্তের কোনো পরিবর্তন হতো না, তাহলে শুধুমাত্র সাক্ষ্য ভুলভাবে গ্রহণ বা বর্জনের কারণে কোনো মামলায় নতুন করে বিচার বা সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের আবেদন করা যাবে না। এই বিধান দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় প্রকার মামলায় সমভাবে প্রযোজ্য।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারার বিধান, আদালত অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করে থাকলে যে সাক্ষ্যের বিরুদ্ধে আপত্তি উত্থাপন করা হয়েছে, সেই সাক্ষ্য ছাড়াও যদি এমন সাক্ষ্য-প্রমাণ থাকে যা দ্বারা আদালতের সিদ্ধান্তের ন্যায্যতা প্রতিপন্ন হয়, অথবা যে সাক্ষ্য বর্জন করা হয়েছে, তা গ্রহণ করা হলেও আদালতের সিদ্ধান্তে কোন তারতম্য হতো না, তবে কেবলমাত্র অন্যায়ভাবে কোন সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করার অজুহাতে কোন মামলার পুনর্বিচার বা সিদ্ধান্ত পরিবর্তন দাবি করা যাবে না। সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারার বিধান দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলাতেই সমভাবে প্রযোজ্য।
-----------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 167- No new trial for improper admission or rejection of evidence:
The improper admission or rejection of evidence shall not be ground of itself for a new trail or reversal of any decision in any case, if it shall appear to the Court before which such objection is raised that, independently of the evidence objected to and admitted, there was sufficient evidence to justify the decision, or that, if the rejected evidence had been received, it ought not to have varied the decision.

৬,৬৬৭.
দণ্ডবিধির কত ধারায় অনিষ্ট সাধনের (Mischief) সাধারণ সাজা উল্লেখ আছে?
  1. ৪১৫ ধারায়
  2. ৪১৬ ধারায়
  3. ৪২৫ ধারায়
  4. ৪২৬ ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৪২৬ ধারার অধীন অনিষ্টসাধন (Mischief) এর শাস্তি হতে পারে ৩ মাস পর্যন্ত যেকোন বর্ণনার কারাবাস অর্থদণ্ডসহ বা উভয়।

Section 426⇒ Punishment for mischief:
 
Whoever commits mischief shall be punished with imprisonment of either description for a term 
which may extend to three months, or with fine, or with both.

৬,৬৬৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় ২য় রিভিশনের বিধান আছে?
  1. ধারা ১১৫ (১)
  2. ধারা ১১৫ (২)
  3. ধারা ১১৫ (৩)
  4. ধারা ১১৫ (৪)
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ (৪) ধারায় ২য় রিভিশনের বিধান রয়েছে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা-১১৫ এর বিধান- রিভিশন:
(১) যদি কোনো মামলা বা কার্যধারায় জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ, অথবা যুগ্ম জেলা জজ, সিনিয়র সহকারী জজ কিংবা সহকারী জজ এমন কোনো ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করেন – যার বিরুদ্ধে আপিল করা যায় না, এবং যদি কোনো পক্ষ এই আদেশে ক্ষতিগ্রস্ত মনে করে, তাহলে হাইকোর্ট ডিভিশন ঐ মামলার নথিপত্র তলব করে দেখতে পারে – যদি মনে হয় যে সংশ্লিষ্ট আদালত আইনগত কোনো ভুল করেছে, যার ফলে ন্যায়বিচারে ব্যর্থতা ঘটেছে, তাহলে হাইকোর্ট ডিভিশন সেই আদেশ সংশোধন করতে বা নতুন উপযুক্ত আদেশ দিতে পারে।

(২) একইভাবে, কোনো যুগ্ম জেলা জজ, সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজের এমন আদেশ যার বিরুদ্ধে আপিল করা যায় না, সেই ক্ষেত্রে জেলা জজ ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে নথিপত্র তলব করে দেখতে পারেন – যদি দেখা যায় আদালত আইনে ভুল করেছে এবং ন্যায়বিচারে ব্যর্থতা ঘটেছে, তাহলে জেলা জজ আদেশ সংশোধন করতে বা যথোপযুক্ত নতুন আদেশ দিতে পারবেন।

(৩) জেলা জজ যদি কোনো রিভিশন মামলা অতিরিক্ত জেলা জজকে হস্তান্তর করেন, তাহলে অতিরিক্ত জেলা জজও জেলা জজের মতোই সমান ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।

(৪) উপধারা (২) বা (৩) অনুসারে জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ যে আদেশ দেন, তা হাইকোর্টে রিভিশনের আবেদন করা যাবে, যদি হাইকোর্ট মনে করে যে এতে গুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রশ্নে ভুল হয়েছে এবং তা ন্যায়বিচারে ব্যর্থতা সৃষ্টি করেছে।

(৫) এই নতুন ধারা কার্যকর হওয়ার আগেই যদি রিভিশন আবেদন শুরু বা চলমান থাকে, তাহলে সেগুলো আগের ধারা ১১৫ অনুযায়ীই নিষ্পত্তি হবে, এমনভাবে যেন নতুন ধারা কার্যকর হয়নি।
৬,৬৬৯.
সাক্ষ্য আইনের ১৫১ ধারার বিধান অনুসারে আদালত কোন ক্ষেত্রে অশ্লীল ও কুৎসিত প্রশ্ন করার অনুমতি প্রদান করতে পারে?
  1. অভিযুক্তের সম্পর্কিত হলে
  2. বিচার্য বিষয় সম্পর্কিত হলে
  3. সাক্ষীর চরিত্র সম্পর্কিত হলে
  4. মামলার দুই পক্ষের সম্মতি থাকলে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৫১ ধারা- অশ্লীল ও কুৎসাজনক প্রশ্ন:
যদি কোন প্রশ্ন বা জিজ্ঞাসাবাদ আদালত অশ্লীল অথবা কেলেঙ্কারীজনক মনে করেন, তবে আদালতের বিচার্য বিষয়ের ক্ষেত্রে প্রশ্নটির কিছু গুরুত্ব থাকলেও আদালত এর প্রশ্ন নিষিদ্ধ করতে পারেন প্রশ্নটি যদি না বিচার্য বিষয় সম্পর্কিত হয় অথবা বিচার্য বিষয়ের অস্তিত্ব নির্ধারণের জন্য যা জানা প্রয়োজন এমনি বিষয় সম্পর্কিত হয়।

সাক্ষ্য আইনের ১৫১ ধারায় বলা হয়েছে যে, আদালত যে কোনো প্রশ্ন বা অনুসন্ধানকে নিষিদ্ধ করার ক্ষমতা রাখে যদি সেই প্রশ্নগুলো অশোভন (অশ্লীল) বা কেলেঙ্কারিপূর্ণ (কুৎসিত) হয়। যদিও সেই প্রশ্নগুলো মামলার প্রাসঙ্গিক বিষয়ের সাথে কিছুটা সম্পর্কিত হতে পারে, তবুও আদালত যদি মনে করে যে প্রশ্নগুলো অশোভন বা অনৈতিক, তাহলে সেগুলো নিষিদ্ধ করা যেতে পারে।

তবে, যদি প্রশ্নগুলো বিতর্কিত বা প্রকৃত ঘটনার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত হয়, অর্থাৎ মামলার মূল বিষয় নির্ধারণের জন্য জরুরি এবং গুরুত্বপূর্ণ হয়, তাহলে সেগুলো নিষিদ্ধ করা যাবে না। আদালতকে সেই পরিস্থিতিতে এমন প্রশ্নগুলোকে অনুমোদন দিতে হবে কারণ তা মামলার প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনের জন্য প্রয়োজনীয়।

সুতরাং, ধারা ১৫১-এর মাধ্যমে আদালতকে একটি ভারসাম্য রক্ষা করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, যেখানে একদিকে অশোভন বা কেলেঙ্কারিপূর্ণ প্রশ্নগুলোকে নিষিদ্ধ করার সুযোগ থাকে এবং অন্যদিকে মামলার গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলিকে অনুমোদন করা বাধ্যতামূলক।

অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ১৫১ ধারার বিধান অনুসারে আদালত বিচার্য বিষয় সম্পর্কিত হলে অশ্লীল ও কুৎসিত প্রশ্ন করার অনুমতি প্রদান করতে পারে।
---------------------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section-151- Indecent and scandalous questions:
The Court may forbid any questions or inquiries which it regards as indecent or scandalous, although such questions or inquiries may have some bearing on the questions before the Court, unless they relate to facts in issue, or to matters necessary to be known in order to determine whether or not the facts in issue existed.

৬,৬৭০.
List of facts of which the judicial notice has to be taken under section 57 of The Evidence Act, 1872-
  1. is exhaustive
  2. is illustrative only
  3. is both (a) & (b)
  4. is neither (a) nor (b)
ব্যাখ্যা
উত্তর: খ) কেবল উদাহরণমূলক (illustrative only)।

বিচারিক স্বীকৃতি-
বিচারিক স্বীকৃতি হলো আদালতের এমন কিছু তথ্য সত্য বলে গ্রহণ করা, যা সাধারণত সবার জানা থাকে বা সহজেই প্রমাণ করা যায়। এসব তথ্য প্রমাণ প্রদর্শনের প্রয়োজন হয় না। সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় বলা হয়েছে- আদালত কোন কোন বিষয় অবশ্যই বিচারিক দৃষ্টিগোচরে (জুডিশিয়াল নোটিশ) নিবেন। সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের অন্তর্গত ১১টি বিষয়ের তালিকা রয়েছে।

৫৭ ধারা অনুযায়ী আদালত নিম্নলিখিত বিষয়ে অবশ্যই জুডিশিয়াল নোটিশ নিবেন-
i) বাংলাদেশের সকল আইন;
ii) সশস্ত্র বাহিনীর জন্য প্রনীত যুদ্ধবিধি বা অস্ত্র ও রসদ (articles of war);
iii) সংসদের কার্যসমূহঃ
iv) বাংলাদেশের আদালত, নৌ ও সামুদ্রিক এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত এবং নোটারি পাবলিকের সীলমোহর;
v) সরকারি পদে নিয়োগের গেজেটে উল্লেখিত নাম, পদ, স্বাক্ষর, যোগদানের সময়;
vi) বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্বীকৃত রাষ্ট্র, রাষ্ট্রপ্রধান, জাতীয় পতাকা
vii) সময় ও ভৌগলিক বিভাগসমুহ, রোজা, ছুটির দিন সমুহ;
viii) বাংলাদেশের ভৌগলিক সীমানা;
ix) আদালতের সদস্যবৃন্দ ও এ্যাডভোকেটগন;
x) বাংলাদেশের সাথে অপর কোন রাষ্ট্র বা সংগঠনের বিরোধ:
xi) স্থল, জল ও সমুদ্রপথের নিয়মাবলী।

[বিশেষ নোট- সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের অন্তর্গত ১১টি বিষয়ের তালিকা রয়েছে; কিন্তু এই তালিকা স্বয়ং সম্পূর্ন নয়।]

তালিকার প্রকৃতি:
১. তালিকা চূড়ান্ত নয় (Not exhaustive);
২. তালিকা উদাহরণমূলক (Illustrative only)।

ধারা ৫৭-এর তালিকা উদাহরণমূলক (illustrative) এবং আদালত প্রয়োজন অনুযায়ী অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্যও বিচারিক স্বীকৃতি দিতে পারে।
৬,৬৭১.
ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা কার বিরুদ্ধে দায়ের করা যায়?
  1. শুধুমাত্র সরকারের বিরুদ্ধে
  2. শুধুমাত্র আদালতের অনুমোদিত পক্ষের বিরুদ্ধে
  3. সমস্ত পক্ষের বিরুদ্ধে যারা একই সম্পত্তি বা টাকা দাবী করছে
  4. একই সম্পত্তি বা টাকা দাবীকারীদের মধ্যে একজন দাবিদারের বিরুদ্ধে
ব্যাখ্যা

উত্তর: গ. সমস্ত পক্ষের বিরুদ্ধে যারা একই সম্পত্তি বা টাকা দাবী করছে।

ধারা ৮৮: ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা কখন রুজু করা যেতে পারে:

যখন দুই বা ততোধিক ব্যক্তি, অন্য কোন ব্যক্তির নিকট একই পাওনা টাকা বা কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি দাবি করে এবং যার নিকট দাবি করা হয়, উক্ত সম্পত্তির উপর তার খরচের দাবি ব্যতীত অন্য কোন দাবি- দাওয়া না থাকে এবং যদি তিনি প্রকৃত মালিকের নিকট উক্ত সম্পত্তি বা অর্থ অর্পণ করতে প্রস্তুত থাকেন, তবে ঐ সম্পত্তি বা অর্থ কার নিকট অর্পণ করতে হবে, সে বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত গ্রহণের এবং নিজের ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য ঐরূপ দাবিদারগণের সকলের বিরুদ্ধে ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, সকল পক্ষের অধিকার যা দ্বারা নির্ধারিত হতে পারে, এমন কোন মোকদ্দমা যদি বিচারাধীন থাকে তাহলে, ঐরূপ ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা রুজু করা যাবে না।

৬,৬৭২.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী লাইসেন্স, পারমিট বা পাস বাতিলের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে কত দিন সময় দেওয়া হয়?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ১৬(২) অনুসারে, লাইসেন্স, পারমিট বা পাস বাতিলের আদেশ দ্বারা সংক্ষুব্ধ কোনো ব্যক্তি আদেশ প্রাপ্তির তারিখ থেকে ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে আপিল করতে পারবেন।

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ১৬-লাইসেন্স, ইত্যাদি বাতিল:
(১) এই আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যদি কোনো ব্যক্তি লাইসেন্স, পারমিট অথবা পাসের কোনো শর্ত ভঙ্গ করেন অথবা যদি কোনো লাইসেন্স, পারমিট অথবা পাসধারী ব্যক্তি কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধের জন্য দণ্ডিত হন, তাহা হইলে লাইসেন্স, পারমিট অথবা পাস প্রদানকারী অফিসার তাহাকে কারণ দর্শানোর সুযোগ প্রদান করিয়া তাহার লাইসেন্স, পারমিট অথবা পাস বাতিল করিতে পারিবে। 
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রদত্ত কোনো আদেশের দ্বারা কোনো ব্যক্তি সংক্ষুব্ধ হইলে তিনি আদেশ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) দিবসের মধ্যে- 
(ক) আদেশটি যদি মহাপরিচালকের অধস্তন কোনো অফিসার কর্তৃক প্রদত্ত হইয়া থাকে, তাহা হইলে মহাপরিচালকের নিকট আপিল করিতে পারিবে; এবং 
(খ) আদেশটি যদি মহাপরিচালক কর্তৃক প্রদত্ত হইয়া থাকে, তাহা হইলে সরকারের নিকট আপিল করিতে পারিবে। 
(৩) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত আপিল কর্তৃপক্ষের রায় চূড়ান্ত হইবে এবং উহার বিরুদ্ধে কোনো আদালতে মামলা দায়ের করা যাইবে না।

৬,৬৭৩.
According to section 399, what is the minimum age at which the court can direct a person to a reformatory instead of a criminal jail?
  1. 13 years
  2. 14 years
  3. 15 years
  4. 18 years
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৯৯ ধারার বিধান: কোনো অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির বয়স ১৫ বছরের কম হলে আদালত তাকে ফৌজদারি কারাগারে বন্দী না করে, সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত কোনো সংশোধনমূলক প্রতিষ্ঠানে আটক রাখবার নির্দেশ দিতে পারেন।
-----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 399: Confinement of youthful offenders in reformatories:
(1) When any person under the age of fifteen years is sentenced by any Criminal Court to imprisonment for any offence, the Court may direct that such person, instead of being imprisoned in a criminal jail, shall be confined in any reformatory established by the Government as a fit place for confinement, in which there are means of suitable discipline and of training in some branch of useful industry or which is kept by a person willing to obey such rules as the Government prescribes with regard to the discipline and training of persons confined therein. 
 
(2) All persons confined under this section shall be subject to the rules so prescribed.
------------------------------
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৯৯ ধারার বিধান- তরুণ অপরাধীকে চরিত্র সংশোধনী প্রতিষ্ঠানে আটক রাখা:
(১) যখন কোন ফৌজদারী আদালত পনের বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তিকে কোন অপরাধের জন্য কারাদণ্ড দেন, তখন উক্ত আদালত নির্দেশ দিবেন যে, উক্ত ব্যক্তিকে ফৌজদারী জেলে বন্দী না করে আটকের উপযুক্ত স্থানে সরকার কর্তৃক স্থাপিত সংশোধনাগারে আটক রাখতে হবে যেখানে উপযুক্ত শৃংখলা ও কোন দরকারী শিল্পের কোন শাখায় শিক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে অথবা তাকে কোন ব্যক্তি কর্তৃক পরিচালিত অনুরূপ প্রতিষ্ঠানে আটক রাখতে হবে, যে ব্যক্তি আটক ব্যক্তিদের শৃংখলা ও শিক্ষার জন্য সরকার কর্তৃক প্রণীত নিয়মাবলী অনুসরণ করতে ইচ্ছুক।

(২) এই ধারার অধীন সকল ব্যক্তির প্রতি উক্তরূপ নির্ধারিত নিয়মাবলী প্রযোজ্য হবে।
৬,৬৭৪.
কোন ব্যক্তির কলেজের অধ্যক্ষ হিসাবে অবস্থান অস্বীকৃত হলে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় প্রতিকার পেতে পারে?
  1. ৯ ধারায়
  2. ৪৩ ধারায়
  3. ৪২ ধারায়
  4. ৪৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।
 
⇒ শুধুমাত্র ২টি ক্ষেত্রে অর্থাৎ আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তিতে স্বত্বের ক্ষেত্রে আইনগত পরিচয় কিংবা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে পারে।
⇒ ঘোষণামূলক মামলায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বা Declaratory Decree বলে।
- অর্থাৎ ৪২ ধারায় আদালত যে ডিক্রি প্রদান করে,তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree) বলে।
 
⇒ কোন ব্যক্তির আইনানুগ পরিচয় বা কোন সম্পত্তিতে তার অধিকার যখন অন্য ব্যক্তি কর্তৃক অস্বীকার করা হয়, তখন আইনানুগ পরিচয়ের অধিকারী ব্যক্তি বা সম্পত্তিতে অধিকারী ব্যক্তি আদালতের নিকট তার আইনানুগ পরিচয় বা সম্পত্তিতে তার যে অধিকার আছে এই মর্মে ঘোষণা চেয়ে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
 
⇒ ঘোষনামূলক ডিক্রির প্রকৃতি:
i) ঘোষনামূলক ডিক্রি দ্বারা নতুন কোন অধিকার সৃষ্টি হয় না বরং বাদীর বিদ্যমান অধিকারকে ঘোষনা করে মাত্র। সুতরাং মামলা করার সময় বাদীর অধিকার বিদ্যমান থাকতে হবে, ভবিষ্যতে কোন অধিকার অর্জন হবে তার জন্য ঘোষনামূলক মামলা করা যায় না।
ii) ঘোষনামূলক মামলায় আদালত বিরোধীয় বস্তুতে আইনগত পরিচয় ও স্বত্বের ঘোষনা করে মাত্র, কিন্তু এই ডিক্রির দ্বারা কোন পক্ষকে কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে আদেশ দেয় না।
iii) ঘোষণামূলক ডিক্রি প্রদান করা আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা।
 
⇒ ৪২ ধারার অধীন ঘোষণামূলক ডিক্রি লাভের আবশ্যকীয় শর্তাবলি-
i) বাদী কোন আইনগত পরিচয় অথবা সম্পত্তিতে স্বত্বের অধিকারী হবে;
ii) বাদীর আইনগত পরিচয় (legal character) আইনের দ্বারা সৃষ্ট হতে হবে, চুক্তি দ্বারা সৃষ্ট কোন পরিচয় নয়; এবং
iii) বিবাদী কর্তৃক বাদীর আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার বা অস্বীকারের উদ্যোগ গ্রহণ।
 
⇒ মোকদ্দমা দায়ের:
১. যে আইনগত পরিচয়ের অধিকারী।
২. সম্পত্তিতে স্বত্বের একচ্ছত্র দখলের অধিকারী যার সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে আগ্রহী হয়েছে।
৩. যার পদ, পরিচয় বা অধিকার অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে আগ্রহী হয়েছে।
৬,৬৭৫.
দেওয়ানি কার্যবিধি ৫৯ ধারায় কোন পরিস্থিতিতে গ্রেফতারকৃত দেনাদারকে মুক্তি দেওয়া যেতে পারে?
  1. তার বয়সের কারণে
  2. তার গুরুতর অসুস্থতার কারণে
  3. যদি সে আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে
  4. যদি সে তার সম্পত্তি জামিন হিসেবে প্রদান করে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৫৯ ধারা অনুযায়ী দেনাদারকে গ্রেফতার করার পর কোন ব্যক্তি গুরুতর অসুস্থ হইলে তাকে মুক্তি দেওয়ার বিধান আছে।
দেওয়ানী কার্যবিধি ৫৯ ধারার বিধান অসুস্থতার দরুন মুক্তি (Release on ground of illness):
১) কোন রায় সিদ্ধ দেনাদারকে গ্রেফতার করার জন্য পরোয়ানা জারির পর যে কোন সময় তার গুরুতর অসুস্থতার কারণে আদালত তা নাকচ করতে পারেন।
২) রায়সিদ্ধ দেনাদারকে গ্রেফতারের পর আদালত যদি মনে করেন যে, স্বাস্থ্যের অবস্থা বিবেচনায় ঐ ব্যক্তিকে দেওয়ানি জেলে আটক রাখা চলে না, তাহলে আদালত তাকে মুক্তি দিতে পারবেন।

৩) দেওয়ানি জেলে আটক রায়সিদ্ধ দেনাদার নিম্নলিখিত উপায়ে মুক্তি পেতে পারে-
ক) কোন সংক্রামক বা ক্ষতিকারক রোগের দরুন সরকার তাকে মুক্তি দিতে পারেন; বা
খ) উক্ত ব্যক্তির গুরুতর অসুস্থতার দরুন সোপর্দকারী আদালত বা তা যে আদালতের অধীনস্ত তদ্রূপ কোন আদালত তাকে মুক্তি দিতে পারেন।
৪) এই ধারার অধীনে মুক্তিপ্রাপ্ত রায়সিদ্ধ দেনাদারকে পুনরায় গ্রেফতার করা যেতে পারে, কিন্তু উক্ত ব্যক্তিকে দেওয়ানি জেলে আটক রাখার মোট মেয়াদ গড়ে ৫৮ ধারায় উল্লেখিত মেয়াদের অধিক হবে না।
-------------
⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section 59. Release on ground of illness.
(1) At any time after a warrant for the arrest of a judgment-debtor has been issued the Court may cancel it on the ground of his serious illness.
(2) Where a judgment-debtor has been arrested, the Court may release him if, in its opinion, he is not in a fit state of health to be detained in the civil prison.
(3) Where a judgment-debtor has been committed to the civil prison, he may be released therefrom-
(a) by the Government, on the ground of the existence of any infectious or contagious disease, or
(b) by the committing Court, or any Court to which that Court is subordinate, on the ground of his suffering from any serious illness.

(4) A judgment-debtor released under this section may be re-arrested, but the period of his detention in the civil prison shall not in the aggregate exceed that prescribed by section 58.
৬,৬৭৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১৭ ধারার অধীন সম্পত্তি বাজেয়াপ্তির আদেশ প্রদান করা হলে-
  1. তাৎক্ষনিকভাবে কার্যকর করা হবে
  2. আপিল করা হলে, আপিলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কার্যকর করা যাবে না
  3. আপিল করা যাবে না
  4. আদালতের ইচ্ছানুযায়ী সময়ে কার্যকর করা যাবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১৭ ধারা অনুযায়ী কোন অপরাধে যে সম্পত্তি বা দলিল বিষয়ে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে বলে আদালত মনে করে, অনুসন্ধান বা বিচার শেষ হওয়ার পর আদালত উক্ত সম্পত্তি বা দলিল ধ্বংস, বাজেয়াপ্ত বা অর্পণের মাধ্যমে হস্তান্তরের আদেশ দিতে পারে।

ধারা ৫১৭- যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে তা হস্তান্তরের আদেশ

(১) কোন ফৌজদারী আদালতে কোন ইনকোয়ারী বা বিচার শেষ হবার উপর উক্ত আদালতে পেশকৃত বা উহার হেফাজতে রক্ষিত কোন সম্পত্তি বা দলিল, যা সম্পর্কে কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বা যা কোন অপরাধ করার জন্য ব্যবহৃত হয়েছে মর্মে প্রতীয়মান হয়, ধ্বংস, বাজেয়াপ্ত বা যে ব্যক্তি উহার দখল দাবী করে তাকে প্রদান বা অন্য কোনভাবে উহার বিহিত ব্যবস্থা করার জন্য আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন, সেরুপ আদেশ প্রদান করতে পারবেন।

(২) যেক্ষেত্রে হাইকোর্ট ডিভিশন বা দায়রা আদালত এরূপ আদেশ দিবেন এবং সুবিধাজনকভাবে নিজস্ব অফিসার কর্তৃক উক্ত সম্পত্তি উহার অধিকারী ব্যক্তিকে অর্পণ করতে না পারেন, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালত এ মর্মে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন যে, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত আদেশ বলবৎ করবেন।

(৩) এই ধারার অধীন আদেশ প্রদান করা হলে তা সংশিষ্ট সম্পত্তি গৃহপালিত পশু বা দ্রুত ও স্বাভাবিক ক্ষয়শীল না হলে, এবং উপধারা-(৪) এ বর্ণিত বিধান মতে না হলে ১ (এক) মাসের জন্য কার্যকর করা যাবে না অথবা যেক্ষেত্রে আপিল পেশ করা হয়, সেক্ষেত্রে আপিলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কার্যকর করা যাবে না।

(৪) যে ব্যক্তি কোন সম্পত্তি দখলের অধিকারী মর্মে দাবী করে সে ব্যক্তি আদালতের সন্তুষ্টি বিধানপূর্বক জামিনদারসহ বা ব্যতীত এ মর্মে একটি মুচলেকা সম্পাদন করে যে, এই ধারার অধীন প্রদত্ত আদেশ আপীলে সংশোধিত বা বাতিল হলে সে উক্ত সম্পত্তি আদালতে অর্পণ করবে, সেক্ষেত্রে এই ধারার কোন বিধান উপধারা-(১) অনুসারে আদালত কর্তৃক উক্ত ব্যক্তিকে সম্পত্তি দেয়ার ব্যাপারে কোন বাধার সৃষ্টি করবে মর্মে মনে করা যাবে না।
৬,৬৭৭.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী কোন কাজ বা বিশ্বাসকে “good faith” বলা যায় না?
  1. যা অন্যের উপকারে করা হয়েছে
  2. যা আইনের সাথে সম্পূর্ণ সঙ্গতিপূর্ণ
  3. যা যত্ন ও মনোযোগ ছাড়া করা হয়েছে
  4. যা যথাযথ যত্ন ও মনোযোগ দিয়ে করা হয়েছে
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৫২ ধারায় সদবিশ্বাসের সংজ্ঞা রয়েছে।
-
 যথাযথ সতর্কতা ও মনোযোগ ব্যতিরেকে সম্পাদিত বা বিশ্বাসকৃত কোন কিছুই 'সদবিশ্বাসে' করা হয়েছে বা বিশ্বাস করা হয়েছে বলে গণ্য হবে না।
- এছাড়া তামাদি আইনের ২(৭) ধারায় সদ্ধিশ্বাস বা Good faith এর বিধান রয়েছে।
---------
⇒ The Penal Code,1860- Section 52:
- “Good faith”: Nothing is said to be done or believed in "good faith" which is done or believed without due care and attention.

৬,৬৭৮.
দণ্ডবিধির ধারা ২৯৫ অনুযায়ী ধর্মীয় স্থান বা পবিত্র বস্তু ক্ষতিগ্রস্ত করলে সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৬ মাস কারাদণ্ড
  2. ১ বছর কারাদণ্ড
  3. ২ বছর কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৮৬০-এর ধারা ২৯৫ অনুযায়ী—
যদি কোনো ব্যক্তি কোনো ধর্মীয় শ্রেণীর উপাসনার স্থান (place of worship) বা তাদের জন্য পবিত্র বলে বিবেচিত কোনো বস্তুকে ইচ্ছাকৃতভাবে ধ্বংস, ক্ষতিসাধন বা অপবিত্র করে, এবং এর ফলে সেই শ্রেণীর ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগে কিংবা তারা তা ধর্মের অবমাননা হিসেবে বিবেচনা করে তাহলে সেই ব্যক্তি অপরাধী হিসেবে গণ্য হবে।
- এই অপরাধের শাস্তি: সর্বোচ্চ ২ (দুই) বছর মেয়াদের কারাদণ্ড, অথবা জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে।

- The Penal Code, Section 295:
“Whoever destroys, damages or defiles any place of worship, or any object held sacred by any class of persons with the intention of thereby insulting the religion... shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.”

 সুতরাং, ধারা ২৯৫ অনুসারে ধর্মীয় স্থান বা পবিত্র বস্তু ক্ষতিগ্রস্ত করলে সর্বোচ্চ শাস্তি হলো ২ বছর কারাদণ্ড, তাই সঠিক উত্তর (গ)।
৬,৬৭৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ ধারার অধীন "Stay of Suit" এর মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. একই বিষয়বস্তুতে একাধিক মামলা খারিজ করা
  2. একাধিক মামলার সিদ্ধান্ত দ্রুত গ্রহণ করা
  3. একই বিষয়বস্তুতে একাধিক মামলার বিচার করা
  4. একই বিষয়বস্তুতে একাধিক মামলার বিচার স্থগিত করা
ব্যাখ্যা
• রেস সাব জুডিস:
রেস সাব জুডিস শব্দটি দুটি ল্যাটিন শব্দযোগে গঠিত। রেস Res অর্থ ‘বিষয়’ এবং সাব জুডিস Sub-Judice অর্থ ‘বিচারাধীন’ অর্থ্যাৎ, আদালতে বিচারাধীন কোন বিষয়। এই নীতিটির মূল কথা হলো, একই পক্ষসমূহের মধ্যে, একই বিচার্য বিষয়ে, একই এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতে একাধিক মোকদ্দমা বিচারাধীন থাকতে পারে না। এই নীতির প্রয়োগ ঘটিয়ে পরবর্তিতে দায়েরকৃত মোকদ্দমাটি স্থগিত (Stay of Suit) করা হবে।

দেওয়ানী কার্যবিধির ১০ ধারার কোথাও রেস সাব জুডিস শব্দগুচ্ছটি ব্যবহার করা না হলেও, এখানে বরং Stay of Suit শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করে মোকদ্দমাটি স্থগিত করার কথা বলা হয়েছে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১৯০৮ এর ১০ ধারা অনুযায়ী, দাবীকৃত প্রতিকার প্রদানের এখতিয়ার সম্পন্ন বাংলাদেশের যেকোন আদালতে বা সুপ্রিম কোর্টে একই পক্ষসমূহের মধ্যে বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে একই বিচার্য বিষয়ে কোন মোকদ্দমা বিচারাধীন থাকলে পরবর্তিতে দায়েরকৃত মোকাদ্দমাটি আদালত বিচার না করে স্থগিত করবেন। তবে পূর্ববর্তি মোকদ্দমাটি বিদেশী আদালতে দায়েরকৃত হলে বাংলাদেশের কোন আদালতে পরবর্তিতে দায়েরকৃত মোকদ্দমার ক্ষেত্রে রেস সাব জুডিস নীতিটি প্রযোজ্য হবে না।

এই নীতি প্রয়োগের শর্তসমূহ-
১. দুইটি মোকদ্দমা থাকতে হবে। একটি হলো পূর্বে দায়েরকৃত মোকদ্দমা এবং অন্যটি হলো পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমা;
২. উভয় মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় প্রত্যক্ষ এবং মৌলিকভাবে একই হতে হবে;
৩. উভয় মোকদ্দমা একই পক্ষগণের বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে হতে হবে;
৪. পূর্ববর্তী মোকদ্দমাটি অবশ্যই বিচারাধীন থাকতে হবে;
৫. পূর্ববর্তী মোকদ্দমাটি যে আদালতে দায়ের করা হয়েছে সেই আদালতের দাবীকৃত প্রতিকার দেওয়ার এখতিয়ার থাকতে হবে;
৬. উভয় মোকদ্দমায় উভয় পক্ষগণ একই স্বত্ত্বের অধীন মোকদ্দমা [under same title) দায়ের করেছে।

Section 10: Stay of suit-
No Court shall proceed with the trial of any suit in which the matter in issue is also directly and substantially in issue in previously instituted suit between the same parties, or between parties under whom they or any of them claim litigating under the same title where such suit is pending in the same or any other Court in Bangladesh having jurisdiction to grant the relief claimed, or in any Court beyond the limits of Bangladesh Established or continued by the Government and having like jurisdiction, or before the Supreme Court.

Explanation-The pendency of a suit in a foreign Court does not preclude the Court in Bangladesh from trying a suit founded on the same cause of action.
৬,৬৮০.
রাষ্ট্রপতির কত নং আদেশ দ্বারা বাংলাদেশ বার কাউন্সিল গঠিত হয়?
  1. ২৬নং আদেশ
  2. ৩৬নং আদেশ
  3. ৪৬নং আদেশ
  4. ৫৬নং আদেশ
ব্যাখ্যা

⇒ স্বাধীন বাংলাদেশ গঠিত হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ২৩ এপ্রিল রাষ্ট্রপতির ৪৬ নং আদেশের মাধ্যমে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল প্রতিষ্ঠিত হয়।
⇒ এটি সরকার কর্তৃক অনুমোদিত একমাত্র কেন্দ্রীয় সংস্থা যা দেশের সকল আইনজীবী এবং আইন শিক্ষার্থীদের তালিকাভুক্তি, নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বভার পালন করে।
⇒ বার কাউন্সিলের নিজস্ব একটি আইন আছে যা Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 নামে পরিচিত। এই আইনে আইনজীবী হিসেবে নিবন্ধন, শৃংখলা বিধি ইত্যাদি বিষয়গুলো উল্লেখ রয়েছে।
⇒ কাউন্সিলটি একটি চেয়ারম্যান এবং সদস্যদের নির্বাচিত এক প্যানেল দ্বারা পরিচালিত হয়। সদস্যরা দেশের বিভিন্ন বার সোসাইটি দ্বারা নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নির্বাচন করে।
⇒ বার কাউন্সিলের অন্যান্য দায়িত্বগুলোর মধ্যে আইনজীবী শিক্ষার মান নিয়ন্ত্রণ, বিচার বিভাগের নিরপেক্ষতা ও স্বাধীনতা রক্ষা করা ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত।

৬,৬৮১.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর কত ধারায় পারিবারিক আদালত অবমাননার শাস্তি উল্লেখ আছে?
  1. ২১ ধারায়
  2. ২৫ ধারায়
  3. ২৩ ধারায়
  4. ২০ ধারায়
ব্যাখ্যা
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩

ধারা ২৩- পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত অবমাননা:

(১) যদি কোনো ব্যক্তি আইনসংগত কারণ ব্যতিরেকে-
(ক) পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালতের প্রতি অসম্মান প্রদর্শন করেন, বা
(খ) পরিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালতের কার্যে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন, বা
(গ) পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত কর্তৃক জিজ্ঞাসিত কোনো প্রশ্নের উত্তর প্রদানে বাধ্য থাকা সত্ত্বেও, উত্তর প্রদানের অস্বীকার করেন, বা
(ঘ) সত্য কথা বলিবার জন্য শপথ গ্রহণ করিতে অথবা পারিবারিক আদালতে বা পারিবারিক আপিল আদালতে তৎকর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতিতে স্বাক্ষরদান করিতে অস্বীকার করেন,
তাহা হইলে তিনি পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত অবমাননা করিয়াছেন মর্মে গণ্য হইবেন।

(২) উপধারা (১) এর অধীন কৃত অপরাধের ক্ষেত্রে, পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত উক্তরূপ অবমাননার দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিচার করিতে পারিবে এবং তাহাকে অনধিক ২০০ (দুইশত) টাকা র্অথদণ্ডে দণ্ডিত করিতে পারিবে।
৬,৬৮২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৪৭ অনুসারে, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আসামীকে তার এখতিয়ারের বেশি দণ্ড দিতে চাইলে কী পদ্ধতি অনুসরণ করবে?
  1. সরাসরি দণ্ড প্রদান করবে
  2. সরকারের অনুমতি গ্রহণ করবে
  3. দায়রা আদালতে মামলার নথি দাখিল করবে
  4. হাইকোর্ট বিভাগে মামলার নথি দাখিল করবে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৪৭- যেক্ষেত্রে আসামীকে যখন উচ্চতর দণ্ড প্রদান করা হয় সেক্ষেত্রে পদ্ধতি:
এই কার্যবিধিতে যা-ই বর্ণিত থাকুক না কেন যখন কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট সরকার পক্ষের সাক্ষ্য লিপিবদ্ধ করার পর এ মর্মে অভিমত পোষণ করেন যে, আসামীকে অথবা যেক্ষেত্রে একাধিক আসামীর একসাথে বিচার করা হয়, সেক্ষেত্রে তাদের মধ্যে যেকোন একজনকে দোষী মর্মে সাব্যস্ত করে ঐ ম্যাজিট্রেট যে দণ্ড দিতে পারেন তদাপেক্ষা অধিক দণ্ড দিতে হবে, সেক্ষেত্রে তিনি তার এরূপ অভিমতের কারণ লিপিবদ্ধ করে তিনি যেই দায়রা আদালতের অধীনন্ত সেই দায়রা আদালতে মামলার নথি দাখিল করতে এবং আসামীকে বা সকল আসামীকে অগ্রবর্তী করতে পারবেন এবং তার ফলে সেই দায়রা আদালতও এমনভাবে মামলার বিচার করবেন যাতে মামলাটি এই কার্যবিধি অনুসারে শুধুমাত্রই তৎকর্তৃক বিচার্য।

Section 347- Procedure when, higher punishment should be inflicted on accused:
Notwithstanding anything contained in this Code, whenever a Magistrate of the first class is of opinion, after recording the evidence for the prosecution, that if the accused or, where more accused than one are being tried together, any of such accused is convicted he should receive a punishment more severe than that which such Magistrate is empowered to inflict, he may record his opinion and submit his proceedings, and forward the accused, or all the accused, to the Court of Session to which he is subordinate, whereupon the Court of Session shall try the case as if the case were exclusively triable by it under this Code.
৬,৬৮৩.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে একটি "fact in issue" কীভাবে নির্ধারিত হয়?
  1. সাক্ষীর বক্তব্য দ্বারা
  2. আইনজীবীর অভিমত দ্বারা
  3. আদালতের অনুমান দ্বারা
  4. আদালতে উত্থাপিত ও অস্বীকারকৃত বিষয় দ্বারা
ব্যাখ্যা
⇒ "Fact in issue" (বিচার্য বিষয় বা বিতর্কিত সত্য) বলতে সেই সমস্ত তথ্য বা ঘটনাকে বোঝায়, যা কোনো মামলা বা আইনি প্রক্রিয়ায় আসামি বা পক্ষগণ দ্বারা দাবি বা অস্বীকার করা হয় এবং যার উপর মামলার সিদ্ধান্ত নির্ভর করে। এটি আদালত কর্তৃক নির্ধারিত হয়, নিম্নলিখিত উপায়ে:
→ মামলার পক্ষগুলোর দাবি বা প্রতিবাদ দ্বারা: উদাহরণ: 'A' যদি 'B' কে হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়, তাহলে "A কি B কে হত্যা করেছে?" এটি একটি fact in issue, কারণ এটি মামলার মূল বিবাদী বিষয়।
→ আইনের প্রাসঙ্গিক ধারা অনুসারে: দেওয়ানি বা ফৌজদারি আইনে কিছু বিষয় স্বয়ংক্রিয়ভাবে fact in issue হয়ে থাকে। যেমন: ফৌজদারি মামলায় আসামির অপরাধী মনোভাব (mens rea) বা দেওয়ানি মামলায় চুক্তি ভঙ্গের ঘটনা।
→ আদালত কর্তৃক ইস্যু ফ্রেমিং-এর মাধ্যমে: দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী, আদালত মামলার প্রাসঙ্গিক ইস্যু (issues) নির্ধারণ করে, যেগুলো fact in issue হিসেবে গণ্য হয়।

⇒ Fact in issue বা বিতর্কিত সত্য বলতে এমন কোনো বিষয় বোঝায়- যার অস্তিত্ব, অনস্তিত্ব, প্রকৃতি বা মাত্রা থেকে কোনো আইনি অধিকার, দায় বা অক্ষমতা নির্ধারিত হয়, এবং যা কোনো মামলায় পক্ষগণ দাবি করে বা অস্বীকার করে।
- সাক্ষ্য আইন, ধারা ৩ অনুযায়ী:
“The expression ‘facts in issue’ means and includes any fact from which, either by itself or in connection with other facts, the existence, non-existence, nature or extent of any right, liability or disability, asserted or denied in any suit or proceeding, necessarily follows.”
- এছাড়াও, ব্যাখ্যা অংশে বলা হয়েছে:
“...the fact to be asserted or denied in the answer to such issue is a fact in issue.”

উদাহরণ:
- ধরা যাক, A-কে B হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তখন নিচের বিষয়গুলো "fact in issue" হতে পারে:
 A কি B-কে হত্যা করেছে?
 A-এর কি হত্যার অভিপ্রায় ছিল?
 A কি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিল?
- এ সকল বিষয় আদালতে উত্থাপিত হয় এবং আসামী অস্বীকার করে বা পক্ষসমর্থন করে—এই বিতর্কিত বিষয়গুলোই হয় fact in issue।

⇒ "Fact in issue" নির্ধারিত হয় আদালতে উত্থাপিত ও অস্বীকারকৃত বিষয়ে ভিত্তি করে, সাক্ষীর বক্তব্য, আইনজীবীর অভিমত বা আদালতের অনুমান দিয়ে একে নির্ধারণ করা হয় না।
তাই সঠিক উত্তর: ঘ) আদালতে উত্থাপিত ও অস্বীকারকৃত বিষয় দ্বারা।
৬,৬৮৪.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ১১ অনুসারে, যৌতুকের জন্য কোন নারীকে সাধারণ জখম (simple hurt) করার সর্বনিম্ন শাস্তি কী?
  1. ১ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  2. ২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ১১(গ) অনুসারে, যৌতুকের জন্য কোন নারীকে সাধারণ জখম (simple hurt) করার শাস্তি নিম্নরূপ: "(গ) সাধারণ জখম (simple hurt) করার জন্য অনধিক পাঁচ বৎসর কিন্তু অন্যূন দুই বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।"
এর অর্থ হলো:
- সর্বনিম্ন শাস্তি: ২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
- সর্বোচ্চ শাস্তি: ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
অতিরিক্ত: অর্থদণ্ড। 
--------
⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ১১-যৌতুকের জন্য মৃত্যু ঘটানো, ইত্যাদির শাস্তি:
যদি কোন নারীর স্বামী অথবা স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা স্বামীর পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি যৌতুকের জন্য উক্ত নারীর মৃত্যু ঘটান বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা করেন কিংবা উক্ত নারীকে মারাত্মক জখম (grievous hurt) করেন বা সাধারণ জখম (simple hurt) করেন তাহা হইলে উক্ত স্বামী, স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা ব্যক্তি-
(ক) মৃত্যু ঘটানোর জন্য মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;(
কক) মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টার জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে বা অনধিক বার বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;
(খ) মারাত্মক জখম (grievous hurt) করার জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অনধিক বার বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;
(গ) সাধারণ জখম (simple hurt) করার জন্য অনধিক পাঁচ বৎসর কিন্তু অন্যূন দুই বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

৬,৬৮৫.
আপিলযোগ্য আদেশের ক্ষেত্রে আপিল চূড়ান্ত হওয়ার তারিখ হতে _________ নিবন্ধনের উদ্দেশ্যে আদেশের কপি দাখিল করা যাবে।
  1. ১ মাসের মধ্যে
  2. ৩ মাসের মধ্যে
  3. ৪ মাসের মধ্যে
  4. ৬ মাসের মধ্যে
ব্যাখ্যা

• The Registration Act,1908 এর ধারা ২৩: দলিল দাখিলকরণের সময়:
ধারা ২৪, ২৫ এবং ২৬ এর বিধানাবলি সাপেক্ষে, উইল ব্যতীত অন্য কোন দলিল যদি উহা সম্পাদনের তারিখ হইতে তিন মাসের মধ্যে উপযুক্ত কর্মকর্তার নিকট নিবন্ধনের উদ্দেশ্যে দাখিল করা না হয়, তাহা হইলে উহা নিবন্ধনের জন্য গৃহীত হইবে না:

তবে শর্ত থাকে যে, ডিক্রি বা আদেশের নকল, ডিক্রি বা আদেশ দানের তারিখ হইতে তিন মাসের মধ্যে, বা, যেক্ষেত্রে উহা আপিলযোগ্য, সেইক্ষেত্রে আপিল চূড়ান্ত হওয়ার তারিখ হইতে তিন মাসের মধ্যে দাখিল করা যাইবে।

Section 23. Time for presenting documents:
Subject to the provisions contained in sections 24, 25 and 26, no document other than a will shall be accepted for registration unless presented for that purpose to the proper officer within 19[three months] from the date of its execution: 

Provided that a copy of a decree or order may be presented within three months from the day on which the decree or order was made, or, where it is appealable, within three months from the day on which it becomes final.

৬,৬৮৬.
দণ্ডবিধির ৩১০ ধারায় কোন অপরাধকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
  1. Thug
  2. Theft
  3. Robbery
  4. Cheating
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩১০ ধারায় ঠগের সংজ্ঞা (Thug) রয়েছে-
আইনটি পাশ হওয়ার পর, যে কেউ যেকোন সময়ে অন্য কারো বা অন্যদের সাথে অভ্যাসগতভাবে দস্যুতা বা খুনের মাধ্যমে শিশু চুরি করার উদ্দেশ্যে যুক্ত থাকে, সে একজন ঠগ।

⇒ দণ্ডবিধির ৩১১ ধারার বিধান- ঠগের শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি ঠগ হয়, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 310: Thug:
Whoever, at any time after the passing of this Act, shall have been habitually associated with any other or others for the purpose of committing robbery or child-stealing by means of or accompanied with murder, is a thug.

Section 311: Punishment:
Whoever is a thug, shall be punished with imprisonment for life, and shall also be liable to fine.
৬,৬৮৭.
What is the maximum imprisonment term for joining an unlawful assembly while armed with a deadly weapon under Section 144?
  1. 6 months
  2. 1 year
  3. 2 years
  4. 3 years
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৪৪ ধারা মতে মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বেআইনি সমাবেশের শাস্তি হিসেবে অনধিক ২ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দন্ডের বিধান রয়েছে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪৪ ধারার বিধান মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বে-আইনী সমাবেশে যোগদান করা :- কোন ব্যক্তি যদি মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে অথবা যে বস্তু অপরাধের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করলে মৃত্যু ঘটতে পারে তা কর্তৃক সজ্জিত হয়ে কোন বেআইনী সমাবেশে যোগদান করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
------------------------------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-144: Joining unlawful assembly armed with deadly weapon:-
- Whoever, being armed with any deadly weapon, or with anything which, used as a weapon of offence, is likely to cause death, is a member of an unlawful assembly, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৬,৬৮৮.
যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করে, তবে সেটি The Penal Code, 1860 এর কত ধারার অধীনে 'প্রতারণা' হিসেবে বিবেচিত হবে?
  1. ধারা ৪১১
  2. ধারা ৪১৫
  3. ধারা ৪১৭
  4. ধারা ৪১৯
ব্যাখ্যা
The Penal Code, 1860 এর ধারা ৪১৫ - প্রতারণা (Cheating):
যে কেউ, কোনো ব্যক্তিকে প্রতারণা করে এবং সেই প্রতারণার মাধ্যমে সেই প্রতারিত ব্যক্তিকে কাউকে কোনো সম্পত্তি দিতে বা কাউকে সেই সম্পত্তি ধরে রাখতে সম্মতি জানাতে প্ররোচিত করে, অথবা এমন কিছু করতে বা না করতে প্ররোচিত করে, যা সে প্রতারিত না হলে করত না বা বাদ দিত না, এবং যার ফলে সেই ব্যক্তির দেহ, মন, সুনাম বা সম্পত্তির ক্ষতি বা ক্ষতির সম্ভাবনা ঘটে, তাহলে ঐ ব্যক্তিকে “প্রতারক” বলা হয়।

ব্যাখ্যা: যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করে, তবে সেটিও এই ধারার অধীনে প্রতারণা হিসেবে বিবেচিত হবে।

উদাহরণসমূহ:
(ক) A মিথ্যা পরিচয় দিয়ে বলে যে সে সরকারি চাকরিজীবী। এভাবে সে Z-কে প্রতারিত করে এবং Z তাকে পণ্য দেয়, যা A আসলে পরিশোধ করার ইচ্ছা রাখে না। → A প্রতারণা করেছে।

(খ) A একটি জিনিসে নকল চিহ্ন লাগিয়ে Z-কে এই বিশ্বাসে ঠকায় যে এটা কোনো বিখ্যাত কোম্পানির তৈরি, এবং Z সেটি কিনে ফেলে। → A প্রতারণা করেছে।

(গ) A একটি ভুয়া নমুনা দেখিয়ে Z-কে বিশ্বাস করায় যে পুরো মাল সে রকমই, এবং Z তাকে দাম দিয়ে পণ্য কিনে। → A প্রতারণা করেছে।

(ঘ) A এমন একটি বিল দিয়ে মূল্য পরিশোধ করতে চায়, যেটি এমন একটি প্রতিষ্ঠানের উপর তৈরি যার সঙ্গে তার কোনো লেনদেন নেই। সে জানে যে বিলটি বাতিল হবে। Z-কে এভাবে ঠকিয়ে পণ্য নেয়। → A প্রতারণা করেছে।

(ঙ) A হীরা বলে নকল বস্তু জমা দিয়ে Z-এর কাছ থেকে টাকা ধার নেয়। → A প্রতারণা করেছে।

(চ) A, Z-কে মিথ্যা আশ্বাস দেয় যে সে টাকা ফেরত দেবে, যদিও তার কোনো ফেরত দেওয়ার ইচ্ছা নেই। Z তাকে টাকা দেয়। → A প্রতারণা করেছে।

(ছ) A, Z-কে ভুলভাবে বিশ্বাস করায় যে সে নির্দিষ্ট পরিমাণ নীল গাছ সরবরাহ করবে, যদিও তার কোনো ইচ্ছা নেই তা সরবরাহের। Z আগাম টাকা দেয়। → A প্রতারণা করেছে।
→ তবে, যদি A তখন সত্যিই সরবরাহ করতে চায় এবং পরে তা না করে, তাহলে সেটা শুধুই চুক্তি ভঙ্গ, প্রতারণা নয়।

(জ) A, Z-এর সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী কাজ না করেও মিথ্যা বলার মাধ্যমে Z থেকে টাকা আদায় করে। → A প্রতারণা করেছে।

(ঝ) A তার একটি সম্পত্তি B-কে বিক্রি করে, এবং পরে Z-কে না জানিয়ে আবার সেটি বিক্রি বা বন্ধক দেয়। সে জানে তার আর ঐ সম্পত্তির মালিকানা নেই, তবুও Z-এর কাছ থেকে টাকা নেয়। → A প্রতারণা করেছে।
৬,৬৮৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় জামিন মঞ্জুর করা এবং জামিনের অর্থের পরিমাণ হ্রাস করার ক্ষমতা সম্পর্কিত বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৪৯৭
  2. ধারা ৪৯৮
  3. ধারা ৪৯৯
  4. ধারা ৪৯৬
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৮ এ জামিন মঞ্জুর করা এবং জামিনের অর্থের পরিমাণ হ্রাস করার ক্ষমতা সম্পর্কিত বিধান রয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, মামলার পরিস্থিতি অনুযায়ী জামিনের পরিমাণ নির্ধারণ করতে হবে এবং তা অত্যধিক হতে হবে না। এছাড়া, হাইকোর্ট ডিভিশন বা দায়রা আদালত যে কোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করতে পারে অথবা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নির্ধারিত জামিনের পরিমাণ হ্রাস করার নির্দেশ দিতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারার বিধান: জামিন মঞ্জুর করার এবং অর্থের পরিমাণ হ্রাস করার ক্ষমতা:
- (১) এই অধ্যায়ের অধীন সম্পাদিত প্রত্যেকটি বন্ডের অর্থের পরিমাণ মামলার পরিস্থিতি বিবেচনাপূর্বক নির্ধারণ করতে হবে এবং তা অত্যধিক হবে না, এবং দণ্ডের পর আপিল থাকুক আর না থাকুক, হাইকোর্ট ডিভিশন বা দায়রা আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করার বা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দাবিকৃত জামিন হ্রাস করার নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 498: Power to direct admission to bail or reduction of bail:
- The amount of every bond executed under this Chapter shall be fixed with due regard to the circumstances of the case, and shall not be excessive; and the High Court Division or Court of Session may, in any case, whether there be an appeal on conviction or not, direct that any person be admitted to bail, or that the bail required by a police-officer or Magistrate be reduced.
৬,৬৯০.
তামাদি আইনের ধারা ২৪ অনুসারে তামাদি মেয়াদ শুরু হয়-
  1. যখন অন্যায় প্রথম ঘটে
  2. যখন ক্ষতি বাস্তবে ঘটে
  3. সম্পত্তি হস্তান্তরের দিন
  4. যখন বাদী আদালতে আবেদন করে
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের ২৪ ধারার বিধান: বিশেষ ক্ষতির কারণ না হইলে যে কাজের জন্য মামলা করা যায় না তাহার জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা:
যে কার্যের দ্বারা বাস্তবিক পক্ষে কোন নির্দিষ্ট ক্ষতি সাধিত না হইলে কোন মামলার কারণ উদ্ভূত হয় না, তদ্রূপ কার্যের দরুন ক্ষতিপূরণের মামলার জন্য যখন ক্ষতি হয়, তখন হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে।

উদাহরণ:
'ক' একটি জমির উপরিভাগের মালিক। 'খ' ঐ জমির ভূগর্ভের মালিক। উপরিভাগের তাৎক্ষণিক স্পষ্ট কোন ক্ষতি না করিয়া ভূ-গর্ভ হইতে কয়লা খনন ও উত্তোলন করে। কিন্তু অবশেষে জমিটির উপরিভাগ ধসে পড়ে। এইক্ষেত্রে 'ক' কর্তৃক 'খ' এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের তামাদির মেয়াদ ধসিয়া পড়ার সময় হইতে শুরু হইবে।

৬,৬৯১.
"পেশাগত আচরণ ও শিষ্ঠাচার বিধিমালা" অনুযায়ী একজন আইনজীবী তার মক্কেলের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য কয়টি?
  1. ১৪টি
  2. ১১টি
  3. ৯টি
  4. ৮টি
ব্যাখ্যা
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette- এ মোট ৪টি অধ্যায়ে ৪২টি বিধি আছে।

অধ্যায়সমূহ:
১ম অধ্যায়- আইনজীবীদের পারস্পরিক দায়িত্ব ও কর্তব্য- ১১ টি বিধি;
২য় অধ্যায়- একজন আইনজীবীর তার মক্কেলের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য- ১৪ টি বিধি;
৩য় অধ্যায়- আদালতের প্রতি দায়িত্ব প্রতি দায়িত্ব- ৯ টি বিধি;
৪র্থ অধ্যায়- জনসাধারনের প্রতি দায়িত্ব- ৮ টি বিধি।

⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর ২য় অধ্যায়ে একজন আইনজীবীর তাহার মক্কেলের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্যের বিষয়ে বর্ণিত আছে।
সেখানে ১৪টি বিধি রয়েছে যেখানে একজন আইনজীবীর তাহার মক্কেলের প্রতি কী কী দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করবেন তা উল্লেখ আছে।
৬,৬৯২.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অনুযায়ী কোনো নারীর আত্মহত্যায় প্ররোচনাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি কি?
  1. ৭ বছর কারাদণ্ড
  2. ১,০০,০০০ টাকা অর্থদণ্ড
  3. ১০ বছর কারাদণ্ড
  4. ক ও খ
ব্যাখ্যা
ধারা ৯ক- নারীর আত্মহত্যায় প্ররোচনা, ইত্যাদির শাস্তি

কোন নারীর সম্মতি ছাড়া বা ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোন ব্যক্তির ইচ্ছাকৃত (Wilful) কোন কার্য দ্বারা সম্ভ্রমহানি হইবার প্রত্যক্ষ কারণে কোন নারী আত্মহত্যা করিলে উক্ত ব্যক্তি উক্ত নারীকে অনুরূপ কার্য দ্বারা আত্মহত্যা করিতে প্ররোচিত করিবার অপরাধে অপরাধী হইবেন এবং উক্ত অপরাধের জন্য তিনি অনধিক দশ বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
৬,৬৯৩.
A,B এর বিরুদ্ধে ভাড়ার জন্য মোকদ্দমা দায়ের করেছে। B দাবী করে যে, A না বরং C বাড়ির মালিক। Aতার স্বত্ব প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে এবং আদালত মোকদ্দমাটি খারিজ করে দেয়। A পরবর্তীতে B এবং C এর বিরুদ্ধে সম্পত্তিতে তার স্বত্ব ঘোষণার মোকদ্দমা দায়ের করে। এই ক্ষেত্রে দ্বিতীয় মোকদ্দমাটি-
  1. ১১ ধারায় রেস জুডিকাটা নীতির কারণে খারিজ হবে
  2. ১১ ধারায় রেস জুডিকাটা নীতির কারণে খারিজ হবে না
  3. ১০ ধারায় রেস সাবজুডিস নীতির কারণে স্থগিত হবে
  4. উপরের কোনটি না
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধি ১১ ধারায় রেস জুডিকাটা নীতির বিধান আছে, কোন আদালত এমন কোন মামলার বা বিচার্য বিষয়ের বিচার করবেন না, যার বিচার্য বিষয়বস্তু প্রত্যক্ষ ও মূলতঃ একই পক্ষসমূহের মধ্যে পূর্ববর্তী কোন মামলার প্রত্যক্ষ ও মূলতঃ বিচার্য বিষয়বস্তু ছিল, অথবা পক্ষসমূহের মধ্যে যাদের ভিতরে তারা অথবা তাদের কোন একজন একইরূপ অধিকারের শর্তে মামলায় দাবী করছেন এবং মামলাটি এমন একটি আদালতে শ্রুত ও চূড়ান্তভাবে নিস্পত্তি হয়েছে, যে আদালত এরূপ পরবর্তী মামলা অথবা মামলায় এরূপ বিচার্য বিষয় পরবর্তীতে উত্থাপিত হয়েছে। তার বিচার করতে এখতিয়ার সম্পন্ন।
♦যেহেতু A প্রথম মোকদ্দমায় তার স্বত্ব প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে,তাই সে পুনরায় উক্ত স্বত্বের জন্য মোকদ্দমা দায়ের করলে আদালত দ্বিতীয় মোকদ্দমাটি ১১ ধারায় রেস জুডিকাটার নীতির কারণে খারিজ করবে। কারণ বিষয়টি পূর্ববর্তী মোকদ্দমায় চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হয়েছে।
৬,৬৯৪.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতারের ক্ষেত্রে মৃত্যু ঘটানো যেতে পারে যদি সে ________ অপরাধে অভিযুক্ত হয়।
  1. দশ বছর কারাদণ্ডযোগ্য
  2. সাত বছর কারাদণ্ডযোগ্য
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য
  4. চৌদ্দ বছর কারাদণ্ডযোগ্য
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬ ধারার বিধান ৪৬ ধারার বিধান কিভাবে গ্রেফতার করতে হয়:
(১) কথা অথবা কাজের দ্বারা হেফাজতে আত্মসমর্পণ করা না হলে পুলিশ অফিসার অথবা গ্রেফতারকারী অন্য কোন ব্যক্তি গ্রেফতার করার সময় যাকে গ্রেফতার করা হচ্ছে প্রকৃতপক্ষে তার দেহ স্পর্শ বা আটক করবেন।
(২) গ্রেফতারের চেষ্টায় প্রতিরোধ:
এরূপ ব্যক্তি যদি বলপূর্বক তাকে গ্রেফতারের চেষ্টায় বাধ্য দেয় অথবা গ্রেফতার এড়াইতে চেষ্টা করে তাহলে উক্ত পুলিশ অফিসার পারবেন।
(৩) এই ধারায় এরূপ কোন অধিকার দেয়া হয়নি যার ফলে মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দ্বারা শাস্তিযোগ্য কোন অপরাধে অভিযুক্ত নহে এরূপ ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো যেতে পারে।

 অর্থাৎ কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতারের ক্ষেত্রে মৃত্যু ঘটানো যেতে পারে যদি সে মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত হয়।
----------------------------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure- Section- 46. Arrest how made:
(1) In making an arrest the police-officer or other person making the same shall actually touch or confine the body of the person to be arrested, unless there be a submission to the custody by word or action.Resisting endeavour to arrest.
(2) If such person forcibly resists the endeavor to arrest him, or attempts to evade the arrest, such police-officer or other person may use all means necessary to effect the arrest.
(3) Nothing in this section gives a right to cause the death of a person who is not accused of an offence punishable with death or with transportation for life.
৬,৬৯৫.
তামাদি মেয়াদান্তে দাখিলকৃত মোকদ্দমায় বিবাদী কর্তৃক তামাদির বিষয়ে আপতি উত্থাপন করা হয় নি। এক্ষেত্রে মামলাটি ______।
  1. খারিজ হবে
  2. চলবে
  3. স্থগিত থাকবে
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
⇒ প্রশ্নটি তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৩-এর সাথে সম্পর্কিত, যেখানে বলা হয়েছে:
"প্রথম তফসিলে নির্ধারিত তামাদি মেয়াদ শেষ হওয়ার পর দায়ের করা যেকোনো মোকদ্দমা, আপিল বা দরখাস্ত খারিজ করতে হবে, এমনকি যদি বিবাদী/প্রতিপক্ষ তামাদির আপত্তি না-ও তোলে।"
সঠিক উত্তর: ক) খারিজ হবে। 

তামাদি আইনের ধারা ৩-এর বাধ্যতামূলক প্রয়োগ: আদালত স্বয়ংক্রিয়ভাবে (suo moto) তামাদি পরীক্ষা করবে।
যদি মামলা/আপিল তামাদির পর দায়ের করা হয়, আদালত বিবাদীর আপত্তি না থাকলেও তা খারিজ করবে।
সাধারণত, বিবাদী তামাদির আপত্তি তুললে আদালত তা বিবেচনা করে।
কিন্তু ধারা ৩-এর বিশেষ বিধান অনুযায়ী, আপত্তি না থাকলেও আদালত তামাদি হলে মামলা খারিজ করবে।

- Section 3 of the Limitation Act, 1908:
"Every suit instituted, appeal preferred, and application made after the period of limitation shall be dismissed, although limitation has not been set up as a defence."

- সুতরাং, তামাদি মেয়াদ উত্তীর্ণ হলে মামলা খারিজ হবেই, তা বিবাদী আপত্তি করুক বা না করুক।
৬,৬৯৬.
মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত স্ত্রীলোক গর্ভবতী হলে হাইকোর্ট দণ্ড হ্রাস করে-
  1. জরিমানার আদেশ দিতে পারে
  2. ১০ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিতে পারে
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারে
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড দিতে পারে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮২ ধারার অধীন গর্ভবতী স্ত্রী লোকের মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করা যায়-

মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত স্ত্রীলোক গর্ভবতী হলে হাইকোর্ট তার দণ্ডাদেশ স্থগিত রাখার নির্দেশ দিতে পারবেন অথবা উপযুক্ত মনে করলে দণ্ড হ্রাস করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারবেন। 
[If a woman sentenced to death is found to be pregnant, the High Court Division shall order the execution of the sentence to be postponed, and may, if it thinks fit, commute the sentence to transportation for life].
৬,৬৯৭.
"পণ্য-প্রতীক" (Trade Mark) কী নির্দেশ করে?
  1. কোন ব্যক্তির স্বাক্ষর
  2. সরকারি অনুমোদন পত্র
  3. সম্পত্তির মালিকানার দলিল
  4. কোন পণ্যদ্রব্যের মালিকানা নির্দেশক চিহ্ন
ব্যাখ্যা
ধারা-৪৭৮; পণ্য-প্রতীক (Trade mark):
কোন পণ্যদ্রব্য, কোন বিশেষ ব্যক্তির প্রস্তুত পণ্যদ্রব্য বা ব্যবসায়ের পণ্য বলে নির্দেশ করার জন্য ব্যবহৃত চিহ্নকে পণ্য-প্রতীক বলে। অর্থাৎ, কোন পণ্যদ্রব্যের মালিকানা নির্দেশক চিহ্নকে পণ্য- প্রতীক বা Trade mark বলে। পণ্য-প্রতীক কথাটির দ্বারা ১৮৮৩ সালের পেটেন্টস, ডিজাইনস ও ট্রেড মার্কস আইন অনুযায়ী রক্ষিত পণ্য-প্রতীক রেজিষ্টারে রেজিষ্ট্রিকৃত যে কোন পণ্য-প্রতীককে বুঝাবে ।

ধারা-৪৭৯: সম্পত্তি চিহ্ন (Property mark)-
কোন অস্থাবর সম্পত্তি কোন বিশেষ ব্যক্তির স্বত্বাধীন বলে বুঝানোর জন্য ব্যবহৃত চিহ্নকে সম্পত্তি চিহ্ন বলে। অর্থাৎ কোন অস্থাবর সম্পত্তির মালিকানা নির্দেশক চিহ্নকে সম্পত্তি চিহ্ন বা Property mark বলে।
৬,৬৯৮.
Canons of Professional Conduct and Etiquette- এর ৩য় অধ্যায়ের ১ম বিধি অনুসারে, আদালতের মর্যাদার প্রতি আইনজীবীদের আচরণ কেমন হওয়া উচিত?
  1. শ্রদ্ধাশীল
  2. উদাসীন
  3. রাজনৈতিক
  4. অসম্মানজনক
ব্যাখ্যা

⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর ৩য় অধ্যায়ের ১ম বিধি অনুসারে, আইনজীবীদের আদালতের মর্যাদার প্রতি শ্রদ্ধাশীল আচরণ প্রদর্শন করা উচিত। এটি পেশাগত নৈতিকতার একটি মৌলিক নীতি।
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette- এর ৩য় অধ্যায়- আদালতের প্রতি আইনজীবীদের কর্তব্যের সারমর্ম:
১. মর্যাদা ও সুরক্ষা: - আদালতের মর্যাদার প্রতি শ্রদ্ধাশীল আচরণ করা উচিত।
- বিচারকদের বিরুদ্ধে অন্যায় সমালোচনা বা কুৎসা থেকে সুরক্ষা প্রদান করা আইনজীবীদের কর্তব্য। তবে, সঠিক অভিযোগ থাকলে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে।
২. সাক্ষীর পরিচয়: - মামলার জন্য সহায়ক ব্যক্তির সাক্ষ্য সংগ্রহে আইনজীবীকে কোন প্রকার অস্বাভাবিক কার্যকলাপ বা পরামর্শ প্রদান করা উচিত নয়।
৩. সত্যতার প্রতি প্রতিশ্রুতি: - বিচারক, বিচারিক কর্মকর্তার কাছে ভুল তথ্য উপস্থাপন বা ভুল উদ্ধৃতি দেওয়ার বিরুদ্ধে থাকা উচিত।
- বাতিল হয়ে যাওয়া নজির বা আইন আদালতে উপস্থাপন করা উচিত নয়।
৪. বিচারকের সাথে আচরণ: - বিচারকের সাথে ব্যক্তিগতভাবে বা গোপনে মামলার বিষয় আলোচনা থেকে বিরত থাকা উচিত।
- বিচারকের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ প্রদর্শন করা এবং বিশেষ সুবিধার জন্য প্রচেষ্টা করা উচিত নয়।
৫. সরকারি আইনজীবীর দায়িত্ব: - আসামীর শাস্তি নিশ্চিত করার চেয়ে ন্যায়বিচার পর্যবেক্ষণ করা প্রধান দায়িত্ব।
- সত্য গোপন করা বা নির্দোষ সাক্ষীকে না আনা গুরুতর তিরস্কারযোগ্য।
৬. মামলা সংক্রান্ত তথ্যের গোপনীয়তা: - বিচারাধীন মামলা পত্রিকায় প্রকাশ করা উচিত নয়।
- মামলার বিষয়বস্তু সম্পর্কে একতরফা মন্তব্য করা উচিত নয়।
৭. বিচারক নিয়োগ: - রাজনৈতিক বিবেচনার ভিত্তিতে বিচারক নিয়োগের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া উচিত।
- বিচারক হিসেবে নিয়োগের জন্য যোগ্যতা এবং নিরপেক্ষতা বজায় রাখা উচিত।
৮. মামলা ডাকার সময় উপস্থিতি: - আদালতে উপস্থিত থাকা আইনজীবীর দায়িত্ব।
- উপস্থিত থাকতে না পারলে সন্তোষজনক বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহন করা উচিত।
৯. মতামত প্রদান: - নিজে জড়িত না থাকলে স্বেচ্ছায় মতামত দেওয়া উচিত নয়।
- প্রকাশ্য আদালতে বিজ্ঞ বিচারকের আহ্বানে মতামত প্রদান করা যেতে পারে, তবে নিরপেক্ষভাবে।

৬,৬৯৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় পুলিশ ডায়েরি সংক্রান্ত বিধান রয়েছে?
  1. ১৬১ ধারায়
  2. ১৬২ ধারায়
  3. ১৭২ ধারায়
  4. ১৭৩ ধারায়
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭২ ধারায় পুলিশ ডায়েরি সম্পর্কে বিধান করা হয়েছে।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭২(১) ধারায় বলা হয়েছে-
তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক প্রতিদিন একটি ডায়েরিতে তার তদন্তের অগ্রগতি লিপিবদ্ধ করবেন। কখন তিনি খবর বা তথ্য পেয়েছিলেন, কখন তিনি তদন্ত শুরু এবং সমাপ্ত করেছেন, কোন কোন স্থান বা স্থানসমূহে তিনি পরিদর্শন করেছেন এবং তার তদন্তের মাধ্যমে তিনি কোন কোন ঘটনাসমূহ চিহ্নিত করেছেন সেই বিষয়ে একটি বিবৃতি তিনি পুলিশ ডায়েরিতে লিপিবদ্ধ করবেন।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭২(২) পুলিশ ডায়েরীর ব্যবহার:-
যে কোন ফৌজদারি আদালত উক্ত আদালতে অনুসন্ধান বা বিচারাধীন কোন মামলার পুলিশি ডায়েরি চেয়ে পাঠাতে পারে এবং এই ডায়েরি সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ না করে বরং উক্ত মামলার আদালত ব্যবহার করতে পারবে।
-পুলিশ ডায়েরি পুলিশ তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য [to refresh his memory] ব্যবহার করতে পারে বা এমন পুলিশ কর্মকর্তার পরস্পর বিরোধী বক্তব্য নির্ধারণের উদ্দেশ্যে, আদালত পুলিশ ডায়েরি ব্যবহার করতে পারে।
- তবে অভিযুক্ত বা তার বৈধ প্রতিনিধি পুলিশ ডায়েরি চেয়ে পাঠাতে বা দেখবার অধিকারী হবে না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭২ ধারা পুলিশ ডায়েরি হলো তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তার নথি, যেখানে তিনি প্রতিদিন তদন্তের অগ্রগতি লিখে রাখেন।
ডায়েরিতে যা অন্তর্ভুক্ত থাকবে:
- কখন তথ্য পেয়েছেন এবং তদন্ত শুরু ও শেষ করেছেন।
- কোন কোন স্থান পরিদর্শন করেছেন।
- তদন্তে কী কী ঘটনা চিহ্নিত করেছেন।
 ডায়েরির ব্যবহার:
- আদালত মামলার বিচার বা অনুসন্ধানে এটি দেখতে পারে, তবে সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করা যাবে না।
- পুলিশ কর্মকর্তা নিজের স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে এটি ব্যবহার করতে পারেন।
 - আদালত, পুলিশের পরস্পরবিরোধী বক্তব্য যাচাই করতে এটি ব্যবহার করতে পারে।
যারা এটি দেখতে পারবে না:
- অভিযুক্ত বা তার আইনজীবী পুলিশ ডায়েরি চেয়ে দেখতে বা সংগ্রহ করতে পারবেন না।
- পুলিশ ডায়েরি তদন্তের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, তবে এটি আদালতে সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।
============= 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898,Section 172: Diary of proceedings in investigation-
(1) Every police-officers making an investigation under this Chapter shall day by day enter his proceedings in the investigation in a diary setting forth the time at which the information reached him, the time at which he began and closed his investigation, the place or places visited by him, and a statement of the circumstances ascertained through his investigation.

(2) Any Criminal Court may send for the police-diaries of a case under inquiry or trial in such Court and may use such diaries, not as evidence in the case, but to aid it in such inquiry or trial. Neither the accused nor his agents shall be entitled to call for such diaries, not shall he or they be entitled to see them merely because they are referred to by the Court; but, if they are used by the police-officer who made them, to refresh his memory or if the Court uses them for the purpose of contradicting such police-officer, the provisions of the Evidence Act, 1872, section 161 or section 145, as the case may be, shall apply.

৬,৭০০.
আসামী দোষস্বীকার করলে তার শাস্তি হবে ______।
  1. সর্বোচ্চ শাস্তির অর্ধেক
  2. সর্বোচ্চ শাস্তির এক চতুর্থাংশ
  3. সর্বোচ্চ শাস্তির সমপরিমাণ
  4. আদালতের বিবেচনামতো
ব্যাখ্যা
⇒ ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা আদালত লিখিত অভিযোগ গঠন করে তা আসামিকে পড়ে শুনাবেন এবং জিজ্ঞেস করবেন যে, আসামি তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ বা দোষ স্বীকার করে কি না? আসামি দোষ স্বীকার করলে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৩ এবং ২৬৫ঙ ধারা অনুসারে আদালত অভিযোগের সত্যতা স্বীকারের ভিত্তিতে আসামিকে দণ্ড দিতে পারেন।
 
- ২৪৩ ধারা অনুসারে আসামি যদি স্বীকার করে যে, যে অপরাধের জন্য তার বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হয়েছে, সে তা করেছে, তাহলে যথাসম্ভব আসামির ব্যবহৃত শব্দে তার স্বীকৃতি লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং কেন সে দণ্ডিত হবে না, সে সম্পর্কে আসামি যদি পর্যাপ্ত কারণ না দর্শায় তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে দণ্ডিত করতে পারবেন।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫ঙ ধারায় দায়রা আদালতে দোষ স্বীকার করায় দণ্ডাদেশ সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, আসামি যদি দোষ স্বীকার করে তবে আদালত তা লিপিবদ্ধ করবেন এবং আদালত সুবিবেচনা মতে দণ্ডাদেশ প্রদান করতে পারবেন।
 
সুতরাং, আসামি দোষ স্বীকার করলে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৩ ধারামতে ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং ২৬৫ঙ ধারামতে দায়রা আদালত উক্ত স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে দণ্ড দিতে পারেন।
---------------
CrPC Section-243. Conviction on admission of truth of accusation:
-If the accused admits that he has committed the offence 284[with which he is charged], his admission shall be recorded as nearly as possible in the words used by him; and, if he shows no sufficient cause why he should not be convicted, the Magistrate may convict him accordingly.

CrPC Section-265E. Conviction of plea of guilty:
- If the accused pleads guilty, the Court shall record the plea and may, in its discretion, convict him thereon.