বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা ৫৪ / ১৫৫ · ৫,৩০১৫,৪০০ / ১৫,৪৭০

৫,৩০১.
ভুল স্থানে অর্থাৎ ভুল দায়রা বিভাগে বা অন্য স্থানীয় এলাকায় অনুষ্ঠিত বিচারিক কার্যক্রমের জন্য ফৌজদারী-
  1. বাতিল হবে না।
  2. বাতিল হবে যদি ন্যায় বিচার ব্যাহত হয়
  3. বাতিল হবে
  4. ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৫৩১ মতে- ভুল স্থানে অর্থাৎ ভুল দায়রা বিভাগে বা অন্য স্থানীয় এলাকায় অনুষ্ঠিত বিচারিক কার্যক্রমের জন্য ফৌজদারী আদালতের কোন অনুসন্ধান, শাস্তি বা আদেশ বাতিল হবে না।
• কিন্তু এমন ভুল কার্যক্রমের কারণে যদি ন্যায় বিচার ব্যাহত হয়, তাহলে উক্ত কার্যক্রম বাতিল হবে।
৫,৩০২.
চুরির অপরাধ নিম্নের কোনটির সাথে সম্পর্কিত নয়?
  1. নগদ টাকা
  2. স্বর্ণালংকার
  3. জমি
  4. আসবাবপত্র
ব্যাখ্যা
দন্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরির বিধান রয়েছে। ৩৭৮ ধারামতে কোন ব্যক্তির দখল থেকে সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি (Movable property) অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে স্থানান্তর করলে বা সরানো হলে তা চুরি বলে গণ্য হবে।
♦ অন্যভাবে বলা যায়, যদি কোন ব্যক্তি কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে সম্পত্তির দখলে থাকা ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া উক্ত সম্পত্তি স্থানান্তর করে তবে তা চুরি বলে গণ্য হবে।
♦ দন্ডবিধির ধারা ৩৭৮ অনুযায়ী একমাত্র অস্থাবর সম্পত্তি চুরি করা যায়। স্থাবর সম্পত্তি যেমন জমি চুরি করা যায় না।
৫,৩০৩.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪ক (১)(a) অনুসারে, এই কোডে কোনো qualifying word ছাড়া “Magistrate” বলতে কী বোঝায়?
  1. Executive Magistrate
  2. District Magistrate
  3. Judicial Magistrate
  4. Metropolitan Magistrate
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪ক (১)(a) অনুযায়ী বলা হয়েছে যে, এই কোডে কোনো qualifying word ছাড়া “Magistrate” শব্দটি ব্যবহৃত হলে সেটি Judicial Magistrate বোঝাবে।
- অর্থাৎ, যদি “Executive Magistrate” বা “District Magistrate” এর মতো কোনো বিশেষণ যুক্ত না থাকে, তবে “Magistrate” বলতে সরাসরি বিচারিক ক্ষমতাসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটকে বোঝানো হয়।
-  তাই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো: Judicial Magistrate.

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪ক(১)(a) এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: "In this Code, unless the context otherwise requires, any reference— (a) without any qualifying word, to a Magistrate, shall be construed as a reference to a Judicial Magistrate;"
- অর্থাৎ, কোডে যখন কোনো qualifying word (যেমন Executive, District, Chief ইত্যাদি) ছাড়া শুধু "Magistrate" শব্দটি ব্যবহার করা হয়, তখন তা Judicial Magistrate কে বোঝাবে।
- এই ধারা (Construction of references) মূলত Judicial Magistrate এবং Executive Magistrate-এর মধ্যে পার্থক্য স্পষ্ট করার জন্য যুক্ত করা হয়েছে।

৫,৩০৪.
The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ৩৬ অনুযায়ী, চুক্তি কখন বাতিল করা যাবে না?
  1. যদি চুক্তি অনৈতিক হয়
  2. যদি শুধু সাধারণ ভুল থাকে
  3. যদি সরকারি চুক্তি হয়ে থাকে
  4. যদি চুক্তি আদালতে অনুমোদিত হয়
ব্যাখ্যা

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারা: ভুলের জন্য রদ:
কেবল সাধারণ ভুলের জন্য লিখিত কোনো চুক্তি বাতিল করা যাবে না, যতক্ষণ না পর্যন্ত যার বিরুদ্ধে চুক্তি বাতিল করা হবে তাকে অনুরূপ অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায় যেন চুক্তি করা হয়নি।

Section 36: Rescission for mistake:
Rescission of a contract in writing cannot be adjudged for mere mistake, unless the party against whom it is adjudged can be restored to substantially the same position as if the contract had not been made.

৫,৩০৫.
Under Section 404, in which situation can an appeal be made against a Criminal Court's decision?
  1. If the police recommend an appeal.
  2. Only if the Code or another law allows it.
  3. If the trial court permits an appeal.
  4. If the accused believes the judgment is unfair.
ব্যাখ্যা
Section-404: Unless otherwise provided, no appeal to lie:
No appeal shall lie from any judgment or order of a Criminal Court except as provided for by this Code or by any other law for the time being in force.

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৪ ধারার বিধান: ফৌজদারি মামলায় নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে আপিল করা যায় না:
উক্ত (ফৌজদারি) কার্যবিধিতে বা বর্তমানে বলবৎ অন্য কোন আইনে কোন ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে আপিলের বিধান না থাকলে, সেক্ষেত্রে আপিল করা যায় না।
৫,৩০৬.
আরজিতে বাদী সাধারণভাবে অথবা বিকল্পভাবে যে প্রতিকার দাবী করে তা দেখাতে হবে-
  1. সুনির্দিষ্টভাবে
  2. সাধারণভাবে
  3. ক বা খ
  4. বাদীর ইচ্ছানুযায়ী
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৭ বিধি-৭ অনুযায়ী আরজিতে প্রতিকার সুনির্দিষ্টভাবে বর্ণনা করতে হয়। 

• আরজি হল মামলার কারণ সংবলিত বিবরণ যেখানে নালিশের কারণ উল্লেখপূর্বক বাদী প্রতিকার প্রার্থনা করে। অর্থাৎ বাদী মোকদ্দমা দায়েরের সময় আদালতে যে দাবি সংবলিত আবেদন দাখিল করে তাকে আরজি বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ২৬ ধারা এবং ৪নং আদেশের ১ নং বিধিমতে প্রত্যেক মোকদ্দমা আরজি দাখিলের মাধ্যমে দায়ের করতে হয় (Every suit shall be instituted by the presentation of a plaint)।

• দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১ থেকে ১৮ নং বিধিতে আরজি সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

• আদেশ ৭ বিধি ৭-
আরজিতে বাদি সাধারণভাবে অথবা বিকল্পভাবে যে প্রতিকার দাবী করে তা সুনির্দিষ্টভাবে দেখাতে হবে। অবশ্য আদালত কর্তৃক সঙ্গত বিবেচনায় যে প্রতিকার দাবী না করলেও মঞ্জুর করে থাকেন, তা আরজিতে দেখানোর কোন প্রয়োজন নেই। এই নিয়ম বিবাদির লিখিত বিবৃতিতে যে দাবী করা হয়, সেক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

Relief to be specifically stated-
Every plaint shall state specifically the relief which the plaintiff claims either simply or in the alternative, and it shall not be necessary to ask for general or other relief which may always be given as the Court may think just to the same extent as if it had been asked for. And the same rule shall apply to any relief claimed by the defendant in his written statement.
৫,৩০৭.
The principles of nationalism, __________ together with the principles derived from those as set out in this Part, shall constitute the fundamental principles of state policy.
  1. socialism, secularism and democracy
  2. secularism, democracy and socialism
  3. socialism, democracy and secularism
  4. secularism, socialism and democracy
ব্যাখ্যা
• Article 8: Fundamental principles

(1) The principles of nationalism, socialism, democracy and secularism, together with the principles derived from those as set out in this Part, shall constitute the fundamental principles of state policy.
(2) The principles set out in this Part shall be fundamental to the governance of Bangladesh, shall be applied by the State in the making of laws, shall be a guide to the interpretation of the Constitution and of the other laws of Bangladesh, and shall form the basis of the work of the State and of its citizens, but shall not be judicially enforceable.

অনুচ্ছেদ ৮: মূলনীতিসমূহ

(১) জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা- এই নীতিসমূহ এবং তৎসহ এই নীতিসমূহ হইতে উদ্ভূত এই ভাগে বর্ণিত অন্য সকল নীতি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বলিয়া পরিগণিত হইবে৷
(২) এই ভাগে বর্ণিত নীতিসমূহ বাংলাদেশ-পরিচালনার মূলসূত্র হইবে, আইন-প্রণয়নকালে রাষ্ট্র তাহা প্রয়োগ করিবেন, এই সংবিধান ও বাংলাদেশের অন্যান্য আইনের ব্যাখ্যাদানের ক্ষেত্রে তাহা নির্দেশক হইবে এবং তাহা রাষ্ট্র ও নাগরিকদের কার্যের ভিত্তি হইবে, তবে এই সকল নীতি আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য হইবে না৷

• সংবিধানের ৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনার ৪টি মূলনীতি হলো-
১. জাতীয়তাবাদ [Nationalism]
২. সমাজতন্ত্র [Socialism]
৩. গণতন্ত্র [Democracy]
৪. ধর্মনিরপেক্ষতা [Secularism]
৫,৩০৮.
দণ্ডবিধির ধারা ১১ অনুযায়ী নিচের কোনটি “Person” শব্দের মধ্যে পড়ে না?
  1. একটি সমিতি
  2. একটি কোম্পানি
  3. সমবায় প্রতিষ্ঠান
  4. একটি প্রাকৃতিক নদী
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ১১ (Section 11) অনুযায়ী:
“The word ‘person’ includes any Company or Association, or body of persons, whether incorporated or not.”
- “Person” শব্দটি দ্বারা কোনো কোম্পানি, সংঘ বা ব্যক্তি-সমষ্টি বোঝানো হয়—তা নিবন্ধিত (incorporated) হোক বা না হোক।

তবে, “প্রাকৃতিক নদী”:
- একটি প্রাকৃতিক সত্তা, যার আইনি ব্যক্তিত্ব নেই।
- (যদিও কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে পরিবেশ রক্ষা আইন অনুযায়ী 'legal person' হিসেবে গণ্য হতে পারে, কিন্তু সেটা দণ্ডবিধির সাধারণ সংজ্ঞায় নয়)।
- এটি কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা সংঘ নয়, সুতরাং দণ্ডবিধির ধারা ১১ অনুযায়ী "Person" এর মধ্যে পড়ে না।
৫,৩০৯.
'ক', 'খ'-এর নিকট একটি বাড়ি সুনির্দিষ্ট শর্ত এবং ভাড়ায় ভাড়া দিতে চুক্তিবদ্ধ হয়। 'খ' চুক্তির কাজ সম্পাদন করতে অস্বীকৃতি জানায়। 'ক' ইহার পর 'খ'-এর চুক্তি ভঙ্গের ক্ষতিপূরণের জন্য মামলা করে এবং ক্ষতিপূরণ লাভ করে। এইক্ষেত্রে
  1. ‘ক’ সুনির্দিষ্টভাবে চুক্তিটি বলবৎ করতে পারবে।
  2. ক পুনরায় ক্ষতিপূরণ লাভ করতে পারবে।
  3. ক এবং খ উভয়
  4. ক সুনির্দিষ্টভাবে চুক্তিটি বলবৎ করতে পারবেনা
ব্যাখ্যা
♦The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ২৪ মতে যেক্ষেত্রে কোন পক্ষ ইতোমধ্যে তার প্রতিকার বেছে নিয়েছে এবং কথিত চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ পেয়েছে, সেই ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করার অধিকারী হবে না। যেহেতু 'ক' চুক্তিভঙ্গের জন্য একবার ক্ষতিপূরণ পেয়েছে, তাই সে পুনরায় চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন করার অধিকারী হবে না।

♦ধারা ২৪ এর বিধান প্রতিকারের পথে ব্যক্তিগত প্রতিবন্ধকতাঃ
চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন এমন ব্যক্তির পক্ষে করা যায় না-
(ক) যে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারবে না;
(খ) যে নিজে চুক্তির কোন প্রয়োজনীয় শর্ত ভঙ্গ করে বা শর্ত পালন করতে অসমর্থ হয় এবং যার ফলে তার নিজের অংশেরই কার্যসম্পাদন বাকী থাকে;
(গ) যে ইতিমধ্যে তার প্রতিকার বেছে নিয়েছে এবং কথিত চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ পেয়েছে; অথবা
(ঘ) যে চুক্তির পূর্বেই অবগত ছিল যে, উহার বিষয়বস্তু (যদিও তা কোন মূল্যবান পণভিত্তিক নয়) বিলিবন্দোবস্ত করা হয়েছিল এবং তখন তা কার্যকরী ছিল।
৫,৩১০.
The General Clauses Act, 1897 এর কত ধারায় অর্থ-বছর (financial year) এর সংজ্ঞা দেওয়া আছে?
  1. ২(২১)
  2. ২(১৭)
  3. ২(১৯)
  4. ২(২৬)
ব্যাখ্যা
⇒ The General Clauses Act, 1897 এর ৩(১৯) ধারার বিধান: অর্থ-বছর (financial year): জুলাই মাসের ১ম দিবসে আরম্ভ এবং জুন মাসের ৩০ তম দিবসে সমাপ্ত বছরকে বুঝাবে।
- সংবিধান অনুসারে জুলাই মাসের ১ম দিবসে যে বছরে আরম্ভ হয়, তা অর্থবছর নামে পরিচিত।
-------------------
The General Clauses Act, 1897, Section-3(19) "financial year" shall mean the year commencing 
on the first day of July and ending on the 30th day of June:
৫,৩১১.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১৮১ অনুযায়ী, দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৪৮ ধারায় কোন বিধান না থাকলে বা তফসিলে উল্লেখ না থাকলে দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১৮১ এর বিধান দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৪৮ ধারায় কোন বিধান নাই সেই সকল দরখাস্ত বা যে সকল দরখাস্তের জন্য তামাদির মেয়াদ এই তফসিলে উল্লেখ নেই, সেই সকল দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ, যখন থেকে অধিকার উদ্ভব হয় সেই সময় থেকে- ৩ বছর।
অর্থাৎ তামাদি আইনে যে দরখাস্ত দায়েরের মেয়াদ সুনির্দিষ্টভাবে বলা নেই তা দাখিলের তামাদির মেয়াদ ৩ বছর।

- অনুচ্ছেদ ১৮১ অনুযায়ী, যেখানে দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৪৮ ধারায় কোনও তামাদি বিধান নেই বা তফসিলে উল্লেখ নেই, সেসব ক্ষেত্রে দরখাস্ত করার তামাদি মেয়াদ হলো ৩ বছর, গণনা শুরু হয় দরখাস্ত করার অধিকার উদ্ভব হওয়ার সময় থেকে।
৫,৩১২.
সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী গৃহীত হয় -
  1. ১৯৭৫ সালে
  2. ১৯৭৭ সালে
  3. ১৯৭৯ সালে
  4. ১৯৮১ সালে
ব্যাখ্যা
• পঞ্চম সংশোধনী:
- ১৯৭৯ সালে জাতীয় সংসদে অনুমোদিত হয় - পঞ্চম সংশোধনী আইন।
- এই আইন দ্বারা সংবিধানের চতুর্থ তফসিল সংশোধন করা হয় ।
- ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল পর্যন্ত যে সকল সামরিক বিধি, সংবিধান সংশোধন সহ বিভিন্ন অধ্যাদেশ জারি করা হয় সেগুলো সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী হিসেবে কাজ করা হয় ।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে বাঙালি জাতীয়তাবাদের পরিবর্তে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ প্রবর্তিত হয় এবং সংবিধানের শুরুতে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম সন্নিবেশিত হয় ।
- পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে প্রথম বারের মতো বাহাত্তরের সংবিধানের মূলনীতি থেকে সরে আসে।
- রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি সংশোধন করায় এই সংশোধনীকে 'First distortion of Constitution' বলা হয়।
৫,৩১৩.
যদি দেওয়ানি আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করে, তবে আদালত অবশ্যই-
  1. বাদীপক্ষের অনুমতি নিবে
  2. হাইকোর্টের অনুমতি নিবে
  3. সাক্ষ্য গ্রহণের খরচ লিপিবদ্ধ করবে
  4. সাক্ষ্য গ্রহণের কারণ লিপিবদ্ধ করবে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪১ বিধি-২৭: আপিল আদালতে অতিরিক্ত সাক্ষ্য প্রদান:
১) আপিলের পক্ষগণ আপিল আদালতে মৌখিক কিংবা দালিলিক কোন প্রকার অতিরিক্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপন অধিকারী হবে না। কিন্তু যদি-
ক) যে আদালতের ডিক্রী হতে আপিল দায়ের করা হয়েছে, সে আদালত এরূপ কোন সাক্ষ্য- প্রমাণ গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছে যা গ্রহণ করা উচিত ছিল; বা

খ) রায় প্রচারের সুবিধার্থে বা অন্য কোন গুরুত্বপূর্ণ কারণে আপিল আদালত কোন দলিল উপস্থাপন করা বা কোন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করার প্রয়োজন মনে করে, তবে আপিল আদালত অনুরূপ সাক্ষ্য বা দলিল উপস্থাপন করা অনুমতি দিতে পারে বা সাক্ষীকে পরীক্ষা করতে পারে।

২) যেক্ষেত্রে আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের অনুমতি দিবে, সেক্ষেত্রে আদালত সেটি গ্রহণ সম্পর্কে কারণ লিপিবদ্ধ করবে।
৫,৩১৪.
যে পক্ষকে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনে বাধ্য করা যায় না, তা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় বলা আছে?
  1. ২১ ধারা
  2. ২৫ ধারা
  3. ২৮ ধারা
  4. ৩০ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৮ ধারার বিধান: যে পক্ষগণকে কাজ সম্পাদনে বাধ্য করা যাবে না: নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন চুক্তিবদ্ধ পক্ষের বিরুদ্ধে কার্যকরী করা যাবে না:
(ক) যদি চুক্তির তারিখে বিরাজমান বিষয়বস্তুর অবস্থার তুলনায় তৎকর্তৃক গৃহীতব্য প্রতিদান এতই অপর্যাপ্ত হয় যে, তা নিজে বা অপরাপর পরিস্থিতির সহযোগে প্রতারণা বা বাদী কর্তৃক অন্যায় সুবিধা গ্রহণের সাক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায়;
(খ) যদি চুক্তির অধীন যে পক্ষ কর্তৃক কাজ সম্পাদন করা কর্তব্য হয়, সেই পক্ষের সম্মতি ভুল বিবরণ (ইচ্ছাকৃত হোক বা অনিচ্ছাকৃত) গোপন চক্রান্ত বা অসদাচরণের মাধ্যমে অর্জন করা হয়ে থাকে বা তেমন পক্ষের এমন কোন আশ্বাস প্রদানের মাধ্যমে করা হয়ে থাকে, যা উল্লেখযোগ্যভাবে পরিপূর্ণ করা হয়নি;
(গ) যদি ভুল তথ্য দ্বারা প্রভাবিত হয়ে বা ভুল ধারণার বশবর্তী হয়ে বা অপ্রত্যাশিতভাবে তার সম্পত্তি প্রদান করা হয়ে থাকে।
তবে শর্ত থাকে যে, যখন চুক্তিতে ভুলের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের বিধান থাকে তখন তেমন বিধানের আওতার মধ্যে ভুলের জন্য ক্ষতিপূরণ করা যেতে পারে এবং যদি তেমন কার্যকরীকরণ যথাযথ হয় তবে অন্যান্য বিষয়ে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করা যেতে পারে।
---------------------------
Section 28: Against whom Contracts cannot be specifically enforced:
What parties cannot be compelled to perform: Specific performance of a contract cannot be enforced against a party thereto in any of the following cases:-
(a) if the consideration to be received by him is so grossly inadequate, with reference to the state of things existing at the date of the contract, as to be either by itself or coupled with other circumstances evidence of fraud or of undue advantage taken by the plaintiff;
(b) if his assent was obtained by the misrepresentation (whether wilful or innocent), concealment, circumvention or unfair practices, of any party to whom performance would become due under the contract, or by a promise of such party which has not been substantially fulfilled;
(c) if his assent was given under the influence of mistake of fact, misapprehension or surprise: Provided that, when the contract provides for compensation in case of mistake, compensation may be made for a mistake within the scope of such provision, and the contract may be specifically enforced in other respects if proper to be so enforced.

৫,৩১৫.
মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর সর্বশেষ সংশোধনী কোন সালে হয়েছে?
  1. ২০১৫ সালে
  2. ২০১৮  সালে
  3. ২০২৪ সালে
  4. ২০২৫ সালে
ব্যাখ্যা

⇒ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর সর্বশেষ সংশোধনী মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ (সংশোধন) আইন, ২০১৫ (২০১৫ সনের ২৫ নং আইন) এর মাধ্যমে ২০১৫ সালে কার্যকর হয়। এই সংশোধনীর মাধ্যমে আইনের কিছু ধারা এবং বিধানে পরিবর্তন ও পরিমার্জন আনা হয়েছে, যাতে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধে আরও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায় এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য রক্ষা করা যায়। এই সংশোধনীতে বিশেষ করে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (BFIU)-এর ক্ষমতা বৃদ্ধি, তথ্য সংগ্রহ ও সন্দেহজনক লেনদেন রিপোর্টিং প্রক্রিয়া আরও সুসংগঠিত করা, এবং শাস্তির বিধানে কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে।

- ২০১৫ সালের সংশোধনী:
এই সংশোধনীতে মানিলন্ডারিং অপরাধের সংজ্ঞা, তদন্ত প্রক্রিয়া, এবং সম্পত্তি অবরুদ্ধকরণ ও বাজেয়াপ্তকরণের বিধান আরও সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে। এছাড়া, রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থার দায়িত্ব এবং জরিমানার পরিমাণ সংক্রান্ত বিধানে পরিবর্তন আনা হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, সন্দেহজনক লেনদেন রিপোর্ট প্রদানে ব্যর্থতার জন্য জরিমানার পরিমাণ এবং নিবন্ধন বাতিলের বিধান আরও কঠোর করা হয়েছে।

- আইনের প্রেক্ষাপট: মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ প্রণীত হয়েছিল পূর্ববর্তী মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০০৯ এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ অধ্যাদেশ, ২০১২ রহিত করে। ২০১৫ সালের সংশোধনী এই আইনকে আরও কার্যকর ও সময়োপযোগী করার জন্য প্রণীত হয়। এরপর আর কোনো সংশোধনী (২০২৫ সাল পর্যন্ত) কার্যকর হয়নি।

- অর্থাৎ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর সর্বশেষ সংশোধনী ২০১৫ সালে (২০১৫ সনের ২৫ নং আইন) কার্যকর হয়েছে। এই সংশোধনী আইনের কার্যকারিতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য রক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) ২০১৫ সালে।

৫,৩১৬.
কোন দায়িককে দেওয়ানী কারাগারে আটক রাখলে তার খোরপোষ ভাতার হার কে নির্দিষ্ট করবেন?
  1. দায়িক নিজে
  2. আদালত
  3. সরকার
  4. জেলখানা কর্তৃপক্ষ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৫৭ ধারায় বলা হয়েছে যে, খোরপোষ হলো কাউকে দেওয়ানী জেলে আটক রাখলে তার ব্যয়ভার।
• খোরপোষ ভাতা নির্ধারন করবেন সরকার।
-গোত্র, পদমর্যাদা, জাতীয়তা বিবেচনায় খোরপোষ ভাতা নির্ধারন হবে।

• তবে যার আবেদনের প্রেক্ষিতে কাউকে দেওয়ানী কারাগারে আটক রাখা হয় তাকে তার ব্যয়ভার বহন করতে হবে।

• দেওয়ানী কার্যবিধি ৫৭ ধারার বিধান খোরপোষ ভাতা: সরকার পদপর্যাদা, গোত্র এবং জাতীয়তার ক্রমানুসারে দায়িকের খোরপোষের নিমিত্তে প্রদানযোগ্য মাসিক ভাতার হার নির্দিষ্ট করতে পারবে।
--------------
Section 57: Subsistence allowance. The Government may fix scales, graduated according to rank, race and nationality, of monthly allowances payable for the subsistence of judgment-debtors.
৫,৩১৭.
পারিবারিক আদালতের ডিক্রিকৃত টাকা আদায়ের জন্য দায়িক (judgement debtor)-কে ____ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়া যায়।
ব্যাখ্যা

• পারিবারিক আদালতের ডিক্রিকৃত টাকা আদায়ের জন্য দায়িক (judgement debtor)-কে ৩ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়া যায়।

• পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ,১৯৮৫ আইন রহিত করে পারিবারিক আদালত আইন,২০২৩ প্রনীত হয়। এটি ২০২৩ সনের ২৬ নং আইন।

ধারা ১৭- ডিক্রি বলবৎকরণ


(১) পারিবারিক আদালত নির্ধারিত ফরমে ও পদ্ধতিতে ডিক্রি প্রদান করিবে এবং উহার বিবরণ নির্ধারিত ডিক্রি রেজিস্টার বহিতে লিপিবদ্ধ করিবে।

(২) যদি ডিক্রির দাবি পূরণকল্পে আদালতের সম্মুখে কোনো অর্থ পরিশোধ করা হয় বা কোনো সম্পত্তি হস্তান্তর করা হয়, তাহা হইলে উপরিউক্ত রেজিস্ট্রারে অনুরূপ পরিশোধ বা হস্তান্তরের বিষয় লিপিবদ্ধ করিতে হইবে।

(৩) যেক্ষেত্রে ডিক্রি অর্থ পরিশোধ সম্পর্কিত হয় এবং আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ে ডিক্রিকৃত অর্থ পরিশোধিত না হয়, সেইক্ষেত্রে উক্তরূপ নির্ধারিত সময় অতিবাহিত হইবার ১ (এক) বৎসরের মধ্যে ডিক্রিদার কর্তৃক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ডিক্রিটি বাস্তবায়ন করা হইবে, যথা:

(ক) দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন কোনো দেওয়ানি আদালত কর্তৃক প্রদত্ত অর্থের ডিক্রির ন্যায়; অথবা

(খ) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত জরিমানা প্রদানের আদেশের ন্যায় এবং উক্তরূপে বাস্তবায়নের পর ডিক্রির আদায়কৃত অর্থ ডিক্রিদারকে প্রদান করিতে হইবে।

(৪) উপধারা (৩) এর দফা (ক) এর অধীন ডিক্রি বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে, পারিবারিক আদালত দেওয়ানি আদালত হিসাবে গণ্য হইবে এবং দেওয়ানি আদালতের সকল ক্ষমতা উহার থাকিবে।

(৫) উপধারা (৩) এর দফা (খ) এর অধীন ডিক্রি বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে পারিবারিক আদালতের বিচারক একজন প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে গণ্য হইবেন এবং ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন উক্ত ম্যাজিস্ট্রেটের সকল ক্ষমতা তাহার থাকিবে এবং তিনি ডিক্রিকৃত বকেয়া অর্থ আদায়ের জন্য উক্ত কার্যবিধিতে এ জরিমানা আদায়ের জন্য বর্ণিত পদ্ধতিতে ওয়ারেন্ট জারি করিতে পারিবেন এবং ওয়ারেন্ট জারির পর অপরিশোধিত সম্পূর্ণ ডিক্রিকৃত অর্থ বা উহার কোনো অংশের জন্য রায় দেনাদারকে অনধিক ৩ (তিন) মাস অথবা পরিশোধ হওয়া পর্যন্ত, যাহা পূর্বে ঘটে, কারাদণ্ডের আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।

(৬) যেক্ষেত্রে কোনো ডিক্রি অর্থ পরিশোধ সংক্রান্ত না হয়, সেইক্ষেত্রে উক্ত ডিক্রি দেওয়ানি আদালতের অর্থ সংক্রান্ত ডিক্রি ব্যতীত অন্য কোনো ডিক্রির ন্যায় বাস্তবায়ন করিতে হইবে এবং এতদুদ্দেশ্যে আদালত একটি দেওয়ানি আদালত হিসাবে গণ্য হইবে এবং দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন উক্ত আদালতের সকল ক্ষমতা উহার থাকিবে।

(৭) ডিক্রি প্রদানকারী পারিবারিক আদালত স্বয়ং ডিক্রি বাস্তবায়ন করিবে অথবা ডিক্রি প্রদানকারী আদালত ডিক্রি বাস্তবায়নের জন্য অন্য কোনো পারিবারিক আদালতে উহা বদলি করিতে পারিবে এবং উক্ত ডিক্রি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে যে আদালতে বদলি করা হইয়াছে সেই আদালতের ডিক্রি প্রদানকারী পারিবারিক আদালতের সকল ক্ষমতা থাকিবে, যেন উক্ত আদালতই ডিক্রি প্রদান করিয়াছে।

(৮) আদালত, উপযুক্ত বিবেচনা করিলে, তৎকর্তৃক প্রদত্ত ডিক্রির অর্থ কিস্তিতে পরিশোধ করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে এবং যেরূপ উপযুক্ত মনে করিবে সেইরূপ কিস্তির সংখ্যা নির্ধারণ করিয়া দিতে পারিবে।

৫,৩১৮.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এ 'নবজাতক শিশু' অর্থ অনূর্ধ্ব - দিন বয়সের কোনো শিশু
  1. ২১
  2. ৩০
  3. ৪০
  4. ৬০
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২(চ) এর বিধান “নবজাতক শিশু” অর্থ অনূর্ধ্ব চল্লিশ দিন বয়সের কোন শিশু।
৫,৩১৯.
'Actus dei neminem gravabit' এর অর্থ কী?
  1. দৈব দুর্বিপাক মানুষের অধিকার ক্ষুন্ন করে
  2. দৈব দুর্বিপাক মানুষের প্রতিকার রহিত করে
  3. দৈব দুর্বিপাক মানুষের কোন অধিকার ক্ষুন্ন করে না
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
Actus dei neminem gravabit - দৈব দুর্বিপাক মানুষের কোন অধিকার ক্ষুন্ন করে না।
 
ব্যাখ্যা:
প্রাকৃতিক দুর্যোগ, দৈব ঘটনা ইত্যাদি মানুষের নিয়ন্ত্রণে থাকে না। তাই যদি কখনও অনুরূপ কারণে কোন ব্যক্তি আইন নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আদালতে হাজির হতে না পারে বা তদবীর গ্রহণ করতে না পারে, সেক্ষেত্রে অনুরূপ দুর্যোগ শেষ হওয়ার অব্যবহিত পরে আদালতে আসলেই ঐ ব্যক্তি প্রতিকার পেয়ে থাকে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন- ঝড়, জলোচ্ছ্বাস, ভূমিকম্প, সুনামি, সিডর ইত্যাদি 'পর্যাপ্ত কারণ' বা 'sufficient cause' হিসেবে বিবেচিত হয়।

মামলার তদবীরের দিনে যদি বাদী আদালতে আসতে ব্যর্থ হয় এবং সে কারণে যদি মামলা খারিজ হয় তাহলে বাদী বর্ণিত কারণে ছানি মামলা করতে পারে। আদালত অনুরূপ পরিস্থিতিকে পর্যাপ্ত কারণ বিবেচনায় ছানি মামলা মঞ্জুর করে মূল মামলার বিচারের সুযোগ দিয়ে থাকেন।
৫,৩২০.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩৯(১)(ঘ) অনুযায়ী, ডিক্রি অন্য আদালতে কার্যকরের জন্য প্রেরণের সময় আদালতের কী করতে হবে?
  1. কারণ লিপিবদ্ধ করতে হবে
  2. ডিক্রিধারীর অনুমতি নিতে হবে
  3. High Court-এর অনুমোদন নিতে হবে
  4. Judgment-debtor-কে শুনানি দিতে হবে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩৯(১)(ঘ) যে, ডিক্রি প্রদানকারী আদালত যদি অন্য যেকোনো কারণেই (which it shall record in writing) মনে করেন যে ডিক্রিটি অন্য আদালত দ্বারা কার্যকর করা উচিত, তাহলে তাঁকে সেই কারণ লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে। এটি একটি বাধ্যতামূলক শর্ত।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩৯: ডিক্রি স্থানান্ত:
(১) যে আদালত একটি ডিক্রি জারি করেছেন, সেই আদালত ডিক্রিদারের (decree-holder) আবেদনের ভিত্তিতে, ডিক্রিটি জারির (execution) জন্য অন্য একটি আদালতে প্রেরণ করতে পারেন, যদি—
(ক) যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে ডিক্রি পাস করা হয়েছে তিনি প্রকৃতপক্ষে এবং স্বেচ্ছায় সেই অন্য আদালতের স্থানীয় এখতিয়ার সীমার মধ্যে বসবাস করেন বা ব্যবসা পরিচালনা করেন, অথবা ব্যক্তিগতভাবে লাভের জন্য কাজ করেন, অথবা
(খ) ডিক্রি প্রদানকারী আদালতের স্থানীয় এখতিয়ার সীমার মধ্যে সেই ব্যক্তির পর্যাপ্ত সম্পত্তি না থাকে যা ডিক্রিটি সন্তুষ্ট করার জন্য যথেষ্ট, কিন্তু সেই অন্য আদালতের স্থানীয় এখতিয়ার সীমার মধ্যে তার সম্পত্তি থাকে, অথবা
(গ) ডিক্রিটি এমন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় বা হস্তান্তরের নির্দেশ দেয় যা ডিক্রি প্রদানকারী আদালতের স্থানীয় এখতিয়ার সীমার বাইরে অবস্থিত, অথবা
(ঘ) ডিক্রি প্রদানকারী আদালত অন্য কোনো কারণে, যা তিনি লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করবেন, মনে করেন যে ডিক্রিটি সেই অন্য আদালত কর্তৃক জারি করা উচিত।
(২) যে আদালত একটি ডিক্রি পাস করেছেন, তিনি স্বতঃপ্রণোদিতভাবে (of its own motion) উপযুক্ত এখতিয়ার সম্পন্ন যেকোনো অধস্তন আদালতে ডিক্রিটি জারির জন্য প্রেরণ করতে পারেন।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 section- 39. Transfer of decree:
(1) The Court which passed a decree may, on the application of the decree-holder, send it for execution to another Court,- 
(a) if the person against whom the decree is passed actually and voluntarily resides or carries on business, or personally works for gain, within the local limits of the jurisdiction of such other Court, or 
(b) if such person has not property within the local limits of the jurisdiction of the Court which passed the decree sufficient to satisfy such decree and has property within the local limits of the jurisdiction of such other Court, or 
(c) if the decree directs the sale or delivery of immovable property situate outside the local limits of the jurisdiction of the Court which passed it, or 
(d) if the Court which passed the decree considers for any other reason, which it shall record in writing, that the decree should be executed by such other Court. 
(2) The Court which passed a decree may of its own motion send it for execution to any subordinate Court of competent jurisdiction.

৫,৩২১.
"Caveat emptor" ম্যাক্সিমটি কাদের জন্য প্রযোজ্য?
  1. সাক্ষীর জন্য
  2. ক্রেতার জন্য
  3. বিক্রেতার জন্য
  4. বিচারকের জন্য
ব্যাখ্যা

⇒ "Caveat Emptor" একটি ল্যাটিন আইনি সংকীর্ণ, যার অর্থ "ক্রেতা সাবধান" (Let the buyer beware)। এই ম্যাক্সিমটি বোঝায় যে ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে ক্রেতার দায়িত্ব হলো পণ্যের গুণমান, উপযোগিতা এবং প্রকৃতি যাচাই করা। বিক্রেতা যদি পণ্য সম্পর্কে কোনো তথ্য গোপন না করে বা প্রতারণা না করে, তবে পণ্যের ত্রুটির জন্য ক্রেতা দায়ী থাকেন। এই নীতি বিশেষত বাণিজ্যিক লেনদেনে ক্রেতার সতর্কতার উপর জোর দেয়।
অর্থাৎ "Caveat Emptor" ম্যাক্সিমটি ক্রেতার জন্য প্রযোজ্য। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) ক্রেতার জন্য।

৫,৩২২.
বাদী 'A' একটি জমির উপর তার মালিকানা দাবি করে, কিন্তু সেই জমি বর্তমানে বিবাদী 'B'-এর দখলে রয়েছে। যদি 'A' আদালতে শুধুমাত্র মালিকানা দাবি করে অথচ দখলের দাবি না করে, তাহলে আদালত -
  1. A এর মালিকানা ঘোষণা মঞ্জুর করবে
  2. A এর মোকদ্দমা খারিজ করবে
  3. A এর মালিকানা ঘোষণা মঞ্জুর করবে না
  4. B-এর পক্ষে মালিকানা ঘোষণা করবে
ব্যাখ্যা
আনুষঙ্গিক প্রতিকার:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় বলা হয়েছে, যেখানে বাদী শুধুমাত্র স্বত্ত্বের ঘোষণা ছাড়া আরও প্রতিকার দাবী করতে পারতো, কিন্তু তা করা হতে বিরত থাকে, সেখানে আদালত তেমন ঘোষণা দিবে না। এইক্ষেত্রে আদালত মোকদ্দমাটি খারিজ করবে না কিন্তু দাবীকৃত ঘোষণাও মঞ্জুর করবে না। যেখানে বাদী শুধুমাত্র স্বত্বের ঘোষণা ছাড়া আরও প্রতিকার দাবী করতে পারতো, সেখানে আনুষঙ্গিক প্রতিকার প্রার্থনা করা বাদীর জন্য বাধ্যতামূলক। অর্থাৎ এই ক্ষেত্রে আনুষঙ্গিক প্রতিকার প্রার্থনা না করলে, আদালাত কোনভাবেই ঘোষণা মঞ্জুর করবে না। 

এক্ষেত্রে, A আদালতে শুধুমাত্র মালিকানা দাবি করে অথচ দখলের দাবি না করে, তাহলে আদালত A-র মালিকানা ঘোষণা মঞ্জুর করবে না। কারণ, B-র দখলে থাকা জমির উপর A-কে অবশ্যই দখল দাবি করতে হবে।

আদালত কোন ঘোষণা মঞ্জুর করবে না, তার কারণ হলো মোকদ্দমার বহুত্ব নিবারণ করার জন্য। যেমন- যেখানে আনুষঙ্গিক প্রতিকার হিসাবে দখল দাবী করা উচিত ছিল কিন্তু তা দাবী না করে শুধুমাত্র ঘোষণার জন্য মোকদ্দমা দায়ের করা হলে, যদি আদালত ঘোষণাটি মঞ্জুর করে, তাহলে পুনরায় দখলের জন্য মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে। অথচ দখল এবং ঘোষণা দুইটি বিষয় কিন্তু একই মোকদ্দমায় নিষ্পত্তি করা সম্ভব ছিল। তাই আনুষঙ্গিক প্রতিকার ছাড়া আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে না।
৫,৩২৩.
'ক' কে বেআইনিভাবে জমি থেকে দখলচ্যুত করা হয়। এক্ষেত্রে 'ক' দখল পুনরুদ্ধারের জন্য কত দিনের মধ্যে আদালতে মামলা করতে পারবেন?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ৩ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে,
Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ৯ অনুযায়ী, স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা দায়ের করতে হয় ছয় মাসের মধ্যে, এবং এই ছয় মাসের সময়সীমা শুরু হয় যেদিন দখলচ্যুতি (dispossession) ঘটে, সেদিন থেকে।

⇒ যে কেউ যদি বেআইনিভাবে কাউকে স্থাবর সম্পত্তি (যেমন: জমি-বাড়ি) থেকে দখলচ্যুত করে, তাহলে দখলচ্যুত ব্যক্তি ৬ মাসের মধ্যে আদালতে গিয়ে দখল ফেরত চেয়ে মামলা করতে পারবেন।
৫,৩২৪.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ অনুযায়ী, নিচের কোনটি 'আইনগত সহায়তা'-এর অন্তর্ভুক্ত ?
  1. আইনজীবীর সম্মানী প্রদান।
  2. মামলার প্রাসঙ্গিক খরচ প্রদান।
  3. মামলা দায়েরের জন্য আইনগত পরামর্শ।
  4. উল্লিখিত সবগুলোই 
ব্যাখ্যা

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ (ধারা ২(ক)) অনুযায়ী, আইনগত সহায়তা অন্তর্ভুক্ত করে: 
- কোনও আদালতে দায়েরকৃত বা বিচারাধীন মামলায় আইনগত পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান (ধারা ২(ক)(অ))
- মধ্যস্থতা বা সালিশ কার্য পরিচালনার জন্য সম্মানী প্রদান (ধারা ২(ক)(আ))
- মামলার প্রাসঙ্গিক খরচ প্রদানসহ অন্যান্য সহায়তা (ধারা ২(ক)(ই))
- উপরের উদ্দেশ্য পূরণের জন্য আইনজীবীকে নির্ধারিত হারে সম্মানী প্রদান (ধারা ২(ক)(ঈ))
তাই এই তিনটি কার্যই আইনগত সহায়তার অংশ।

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর প্রস্তাবনায় এই আইনের উদ্দেশ্য দেয়া আছে। বলা আছে যে 'আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায়-সম্বলহীন এবং নানাবিধ আর্থ-সামাজিক কারণে বিচার প্রাপ্তিতে অসমর্থ বিচারপ্রার্থী জনগণকে আইনগত সহায়তা প্রদানকল্পে প্রণীত আইন।'
-যেহেতু আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায়-সম্বলহীন এবং নানাবিধ আর্থ-সামাজিক কারণে বিচার প্রাপ্তিতে অসমর্থ বিচারপ্রার্থী জনগণকে আইনগত সহায়তা প্রদান সমীচীন ও প্রয়োজনীয়।

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ২(ক) ধারার বিধান: “আইনগত সহায়তা” অর্থ আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায় সম্বলহীন এবং নানাবিধ আর্থ-সামাজিক কারণে বিচার প্রাপ্তিতে অসমর্থ বিচারপ্রার্থীকে-
(অ) কোন আদালতে দায়েরযোগ্য, দায়েরকৃত বা বিচারাধীন মামলায় আইনগত পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান;
(আ) Code of Civil Procedure, 1908 (Act No. V of 1908) এবং প্রচলিত অন্যান্য আইনের বিধান অনুসারে মধ্যস্থতা বা সালিশের মাধ্যমে কোন মামলা নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে নিযুক্ত মধ্যস্থতাকারী বা সালিশকারীকে সম্মানী প্রদান;
(ই) মামলার প্রাসঙ্গিক খরচ প্রদানসহ অন্য যে কোন সহায়তা প্রদান; এবং
(ঈ) উপ-ধারা (অ) হইতে (ই) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হারে আইনজীবীকে সম্মানী প্রদান।

৫,৩২৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারার উদ্দেশ্য কী?
  1. অভিযুক্তকে দণ্ড প্রদান করা
  2. অভিযুক্তের সাক্ষ্য গ্রহণ
  3. অভিযোগকারীর সাক্ষ্য গ্রহণ
  4. মামলার রায় প্রদান করা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারার উদ্দেশ্য হলো অভিযুক্তের সাক্ষ্য গ্রহণ। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যে সকল সাক্ষ্য দেওয়া হয়েছে, অভিযুক্ত ঐ সকল সাক্ষ্য সম্পর্কে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করবে। এই ক্ষেত্রে আদালতের গুরুতূপূর্ণ দায়িত্ব হলো সাক্ষ্যে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যে সকল বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে সে বিষয় গুলোর প্রতি অভিযুক্তের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যেন অভিযুক্ত সেই সকল বিষয় সঠিকভাবে ব্যাখ্যা করতে পারে।
এছাড়া আদালত অভিযুক্তকে মামলা সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্ন করতে পারবে যেন অভিযুক্ত তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যে উত্থাপিত কোন বিষয় বিশ্লেষণ করতে সক্ষম হয়।
আদালত মামলার বিচার বা অনুসন্ধানের পূর্বে যেকোনো সময়ে এবং আসামীকে কোন পূর্ব সতর্ক করা ছাড়া, আদালত অভিযুক্তকে এমন প্রশ্ন করতে পারে। কিন্তু এটা অবশ্যই অভিযুক্তকে তার আত্মপক্ষ সমর্থনে আহ্বান করার পূর্বে করতে হবে।

৩৪২ ধারা অনুযায়ী আদালত অভিযুক্তের নিকট যে প্রশ্ন করে, অভিযুক্ত এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করলে বা মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে, সে শাস্তির জন্য দায়ী হবে না। কিন্তু আদালত এই ক্ষেত্রে অনুমান করতে পারে।
৫,৩২৬.
সংশোধিত চুক্তি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যেতে পারে?
  1. ৩২ ধারায়
  2. ৩৩ ধারায়
  3. ৩৪ ধারায়
  4. ৩৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৪ ধারা: সংশোধিত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরীকরণ:
লিখিত চুক্তি প্রথমত সংশোধিত হতে পারে এবং যদি বাদী আরজিতে প্রার্থনা করে থাকে এবং আদালত তা যুক্তিযুক্ত মনে করেন, তবে পরে তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যেতে পারে।

উদাহরণ:
'ক' তার অ্যাটর্নি 'খ'-কে খরচের টাকার পরিবর্তে একটি নির্দিষ্ট অর্থ প্রদানের জন্য লিখিতভাবে চুক্তিবদ্ধ হয়। চুক্তিতে মক্কেলের নাম ও অধিকার ভুলভাবে অন্তর্ভূক্ত হয়। যদি সঠিকভাবে তা ব্যাখ্যা করা হয়, তবে তা চুক্তির অধীনে সকল অধিকার হতে 'খ'-কে বঞ্চিত করবে। যদি আদালত উপযুক্ত মনে করেন তবে 'খ' চুক্তি সংশোধন করার এবং নির্দিষ্ট অংকের অর্থ প্রদানের আদেশ পাবার অধিকারী।

Section 34- Specific enforcement of rectified contract:
A contract in writing may be first rectified and then, if the plaintiff has so prayed in his plaint and the Court thinks fit, specifically enforced.

Illustration:
A contracts in writing to pay his attorney, B, a fixed sum in lieu of costs. The contract contains mistakes as to the name and rights of the client, which, if construed strictly, would exclude B from all rights under it. B is entitled, if the Court thinks, fit, to have it rectified, and to an order for payment of the sum, as if at the time of its execution it had expressed the intention of the parties.
৫,৩২৭.
নিম্নলিখিত কোনটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারার অধীনে নিরোধমূলক প্রতিকার প্রদানের পন্থা নয়?
  1. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  2. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  3. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা
  4. 'ক' অথবা 'খ'
ব্যাখ্যা
⇒সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারায় নিরোধমূলক প্রতিকার শুধুমাত্র নিষেধাজ্ঞা (injunction) আকারে মঞ্জুর করার কথা বলা হয়েছে এবং তা হতে পারে –
১) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary Injunction)
২) চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual Injunction)
- তবে বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction) আদেশাত্মক প্রতিকার হিসেবে বিবেচিত হয়, যা ৫২ ধারার পরিসীমার বাইরে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারার বিধান- নিরোধমূলক প্রতিকার যেভাবে মঞ্জুর করা হয়:
আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।
--------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 52- Preventive relief how granted:
Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual.
৫,৩২৮.
পেনাল কোডে কয় ধরনের শাস্তির বিধান আছে?
  1. ৩ প্রকার
  2. ৪ প্রকার
  3. ৫ প্রকার
  4. ৬ প্রকার
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় পাঁচ প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে। যথা:
 
(i)  মৃত্যুদণ্ড (Death penalty);
 
(ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life);
 
(iii) কারাদণ্ড (Imprisonment) দুই প্রকার:
ক) সশ্রম( Rigorous, that is,  with hard labour) এবং
খ) বিনাশ্রম (Simple);
 
(iv) সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (forfeiture of property);
 
(v) অর্থদণ্ড (fine)।
 
⇒ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদায় সশ্রম কারাদণ্ড হবে।
⇒ এই ধারায়, বেত্রাঘাত শাস্তির কোনো উল্লেখ নেই।
৫,৩২৯.
তামাদি আইনে অনুচ্ছেদ ১৬৯ অনুযায়ী একতরফা শুনানীকৃত আপীল পুনরায় শুনানীর জন্য দরখাস্তের তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৬৯ অনুসারে, যেই ডিক্রির বিরুদ্ধে একতরফা শুনানীকৃত আপীল হয়েছে, সেই ডিক্রির বিরুদ্ধে পুনরায় শুনানীর জন্য দরখাস্ত করতে হবে ৩০ দিনের মধ্যে, গণনা শুরু হয় সংশ্লিষ্ট ডিক্রির তারিখ থেকে।
- তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৬৯: একতরফা শুনানীকৃত আপীল পুনরায় শুনানীর জন্য দরখাস্তের তামাদি মেয়াদ ৩০ দিন।
- এই মেয়াদ গণনা শুরু হয় আদেশের তারিখ থেকে।
৫,৩৩০.
রাষ্ট্রপতির কাছে সংবিধান সংশোধনী বিল উপস্থাপনের জন্য সংসদের অন্যূন কত ভোট প্রয়োজন?
  1. মোট সদস্য-সংখ্যার অর্ধেক
  2. মোট সদস্য-সংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ
  3. উপস্থিত সদস্য-সংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ
  4. উপস্থিত সদস্য-সংখ্যার এক-চতুর্থাংশ
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ১৪২: সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা-
এই সংবিধানে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও- (ক) সংসদের আইন-দ্বারা এই সংবিধানের কোন বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিতকরণের দ্বারা সংশোধিত হইতে পারিবেঃ তবে শর্ত থাকে যে,
(অ) অনুরূপ সংশোধনীর জন্য আনীত কোন বিলের সম্পূর্ন শিরোনামে এই সংবিধানের কোন বিধান সংশোধন করা হইবে বলিয়া স্পষ্টরূপে উল্লেখ না থাকিলে বিলটি বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা যাইবে না;
(আ) সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত না হইলে অনুরূপ কোন বিলে সম্মতিদানের জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হইবে না;

(খ) উপরি-উক্ত উপায়ে কোন বিল গৃহীত হইবার পর সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট তাহা উপস্থাপিত হইলে উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিবেন, এবং তিনি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।

৫,৩৩১.
ধারা ৩৭৩ অনুযায়ী, মহানগর দায়রা আদালত সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের নকল কাকে প্রেরণ করবে?
  1. হাইকোর্টকে
  2. কেবল জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে
  3. কেবল চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে
  4. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উভয়কে
ব্যাখ্যা

• ধারা ৩৭৩: দায়রা আদালত সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের অনুলিপি জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ-
দায়রা আদালত তার সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের একটি নকল চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।

অর্থাৎ মহানগর দায়রা আদালত হলে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।
এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।

Section 373: Court of Session send copy of finding and sentence to District Magistrate:
In cases tried by the Court of Session, the Court shall forward a copy of its finding and sentence (if any) to the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate, as the case may be, and District Magistrate within the local limits of whose jurisdiction the trial was held.

৫,৩৩২.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে, একজন ম্যাজিস্ট্রেটকে মামলা প্রাপ্তির______ দিনের মধ্যে বিচার সম্পন্ন করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
  1. ১২০
  2. ১৮০
  3. ৩৬০
  4. ১৫০
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯গ ধারা অনুসারে-

ম্যাজিস্ট্রেট আদালত কোন মামলার বিচার শেষ করবে ১৮০ দিনের মধ্যে; এবং
⇒ দায়রা আদালত কোন মামলার বিচার শেষ করবে ৩৬০ দিনের মধ্যে।

• মামলার বিচার নিষ্পত্তি করার এই সময় আদালতের জন্য আদেশসূচক (Directory)। উল্লেখিত সময়ের মধ্যে মামলার বিচার নিষ্পত্তি করতে না পারলে এবং অভিযুক্ত যদি জামিনঅযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত হয়,তাহলে আদালত তার সন্তুষ্টি অনুসারে অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে।

Section 339C: Time for disposal of cases

(1) A Magistrate shall conclude the trial of a case within one hundred and eighty days from the date on which the case is received by him for trial. 
 
(2) A Sessions Judge, an Additional Sessions Judge or an Assistant Sessions Judge shall conclude the trial of a case within three hundred and sixty days from the date on which the case is received by him for trial. 
 
(2A) Notwithstanding anything contained in sub-section (1) or sub-section (2), where a person is accused in several cases and such cases are brought for trial before a Magistrate or a Court of Session, the time limit specified in sub-section (1) or sub-section (2) for the trial of such cases shall run consecutively.
 
(2B) Notwithstanding the transfer of a case from one Court to another Court, the time specified in sub-section (1) or sub-section (2) shall be the time for concluding the trial of a case.
 
(4) If a trial cannot be concluded within the specified time, the accused in the case, if he is accused of a non-bailable offence, may be released on bail to the satisfaction of the Court, unless for reasons to be recorded in writing, the Court otherwise directs.
 
(5) Nothing in this section shall apply to the trial of a case under section 400 or 401 of the Penal Code (Act XLV of 1860), or to the trial of case to which the provisions of Chapter XXXIV apply.
 
(6) In this section, in determining the time for the purpose of a trial,- 
 
(b) the days spent on account of the absconsion of an accused after his release on bail, if any, shall not be counted.
৫,৩৩৩.
ম্যাজিস্ট্রেট বেঞ্চের জন্য বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারায় দেওয়া আছে?
  1. ধারা ১৫
  2. ধারা ১৬
  3. ধারা ১৭
  4. ধারা ১৭ক
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি আইন, ১৮৯৮-এর ধারা ১৬-এর শিরোনামই হলো: “Power to frame rules for guidance of Benches”
- এই ধারায় স্পষ্টভাবে বলা আছে যে, সরকার অথবা সরকারের নিয়ন্ত্রণে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট 'ম্যাজিস্ট্রেটদের বেঞ্চের' (Bench of Magistrates) জন্য নিম্নলিখিত বিষয়ে বিধি প্রণয়ন করতে পারবেন:
- বিচারযোগ্য মামলার শ্রেণি। 
- আদালতের বসার সময় ও স্থান। 
- বিচারকার্য পরিচালনার জন্য বেঞ্চ গঠন। 
- ম্যাজিস্ট্রেটদের মধ্যে মতপার্থক্য নিষ্পত্তির পদ্ধতি। 
অতএব, ম্যাজিস্ট্রেট বেঞ্চের জন্য বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা ধারা ১৬-এ দেওয়া আছে।
--------
⇒ The Code of Criminal Procedure- Section-16. Power to frame rules for guidance of Benches:
- The Government may, or, subject to the control of the Government, the Chief Judicial Magistrate] may, from time to time, make rules consistent with this Code for the guidance of Magistrates' Benches in any district respecting the following subjects:-
(a) the classes of cases to be tried;
(b) the times and places of sitting;
(c) the constitution of the Bench for conducting trials;
(d) the mode of settling differences of opinion which may arise between the Magistrates in session.

৫,৩৩৪.
অন্যায়ভাবে আটকানোর চেষ্টায় আক্রমণ করলে দণ্ডবিধির ৩৫৭ ধারায় সর্বোচ্চ কত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড হতে পারে?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ১০০০ টাকা
  3. ৩০০০ টাকা
  4. সর্বোচ্চ সীমা উল্লেখ নেই
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৭: অন্যায়ভাবে আটকানোর প্রচেষ্টায় আক্রমণ বা অপরাধজনিত বলপ্রয়োগ-
যে কেউ কোনো ব্যক্তিকে অন্যায়ভাবে আটকানোর প্রচেষ্টায় তার প্রতি আক্রমণ করে বা অপরাধজনিত বলপ্রয়োগ করে, তিনি যেকোনো ধরণের (সশ্রম বা বিনাশ্রম) কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন, যা সর্বোচ্চ এক বছর পর্যন্ত হতে পারে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে, অথবা উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত হবেন।

[Whoever assaults or uses criminal force to any person, in attempting wrongfully to confine that person, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.]
৫,৩৩৫.
নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা কোন আইনের সংজ্ঞা অনুযায়ী "সরকারি কর্মচারী" হিসেবে গণ্য হবেন?
  1. দণ্ডবিধি
  2. দেওয়ানি কার্যবিধি
  3. ফৌজদারি কার্যবিধি
  4. রেজিস্ট্রেশন বিধিমালা
ব্যাখ্যা
ধারা ৮৪- নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা সরকারি কর্মচারী হিসাবে গণ্য হইবেন।
(১) এই আইনের অধীন নিয়োজিত প্রত্যেক নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা [দণ্ডবিধির] সংজ্ঞা অনুযায়ী সরকারি কর্মচারী বলিয়া গণ্য হইবেন।
(২) প্রত্যেক ব্যক্তি উক্তরূপ নিবন্ধনকারী কর্মকর্তার চাহিদা অনুসারে তাহাকে সংবাদ সরবরাহ করিতে আইনত বাধ্য থাকিবেন।
(৩) ৫১ [দণ্ডবিধির ধারা ২২৮ এ উল্লিখিত, "বিচারিক কার্যক্রম (Judicial proceedings)" অর্থে এই আইনের অধীন যে কোন কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত হইবে।
৫,৩৩৬.
আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির যোগ্যতাসমূহ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Orders, 1972 এর অনুচ্ছেদ _____ এ আলোচনা করা হয়েছে।
  1. ১৮
  2. ২৫
  3. ২৭
  4. ৩০
ব্যাখ্যা
• আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির যোগ্যতাসমূহ: আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির যোগ্যতাসমূহ অনুচ্ছেদ ২৭ এ আলোচনা করা আছে। অনুচ্ছেদ ২৭ অনুযায়ী-

১. তাকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে;
২. ২১ বছর বয়স পূর্ণ হতে হবে;
৩. বাংলাদেশের কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজ থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করতে হবে;
৪. বাংলাদেশের বাহিরে বার কাউন্সিল স্বীকৃত কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করতে হবে, অথবা তাকে ব্যারিস্টার হতে হবে;
৫. তাকে বার কাউন্সিল নির্ধারিত পরীক্ষায় কৃতকার্য হতে হবে;
৬. নিধার্রিত পন্থায় বার কাউন্সিল নিধার্রিত ফি প্রদান করতে হবে;
৭. যিনি ন্যূনতম ৭ (সাত) বছর মোক্তার হিসেবে কাজ করেন, তিনি ২৭ অনুচ্ছেদের দফা ১ এর উপ দফা (ক), (খ), (ঘ), এবং (ঙ) দফার শর্তসমূহ পালন করে আইনজীবী হিসেবে কাজ করতে পারবেন।
৫,৩৩৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮২ ধারায় আদালতের নিম্নোক্ত কোন আদেশ দেয়ার এখতিয়ার রয়েছে?
  1. দণ্ডাদেশ কার্যকরীকরণ স্থগিত
  2. দণ্ডাদেশ সম্পূর্ণ বাতিল
  3. মৃত্যুদণ্ডাদেশ কার্যকরীকরণ
  4. উল্লিখিত সকল আদেশ
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৮২- গর্ভবতী স্ত্রীলোকের মৃত্যুদণ্ড স্থগিতকরণ:
মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত কোন স্ত্রীলোক গর্ভবতী রয়েছে বলে দেখা গেলে, হাইকোর্ট বিভাগ দণ্ড কার্যকরীকরণ স্থগিত রাখার আদেশ দিবেন অথবা উপযুক্ত মনে করলে দণ্ড হ্রাস করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারবেন।

অর্থাৎ নিম্নোক্ত আদেশসমূহ দিতে পারে-
⇒ দণ্ডাদেশ স্থগিত রাখার নির্দেশ,
⇒ দণ্ড হ্রাস করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।

Section 382- Postponement of capital sentence on pregnant woman:
If a woman sentenced to death is found to be pregnant, the High Court Division shall order the execution of the sentence to be postponed, and may, if it thinks fit, commute the sentence to transportation for life.
৫,৩৩৮.
The Code of Civil Procedure, 1908-এর কোন আদেশ ও বিধিতে Verification of Pleadings সংক্রান্ত বিধান রয়েছে?
  1. আদেশ-৭ বিধি-১
  2. আদেশ-৯ বিধি-৬
  3. আদেশ-৬ বিধি-১৫
  4. আদেশ-৬ বিধি-১৪
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৬ বিধি-১৫- প্লিডিংস সত্যাখ্যান বা সত্যতা প্রতিপাদন [Verification of Pleadings]-
সত্যাখ্যান হলো মামলার পক্ষসমূহ যেমন আরজির ক্ষেত্রে বাদী এবং লিখিত জবাবের ক্ষেত্রে বিবাদী আরজি বা লিখিত জবাবে যে সকল বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে, তা তার জানা বলে স্বীকার করা। আরজির নিচে মোকদ্দমার বাদী এবং লিখিত জবাবের নিচে বিবাদী সত্যাখ্যান (সত্যতা প্রতিপাদন) করবে অথবা আদালত সন্তুষ্ট হলে, অন্য কোন ব্যক্তি যে মোকদ্দমার বিষয় সম্পর্কে জানে, সে আরজি বা লিখিত জবাবে সত্যাখ্যান করতে পারে। যে ব্যক্তি সত্যাখ্যান করছে সে সত্যতা প্রতিপাদন অংশে স্বাক্ষর করবে এবং যে দিন এবং স্থানে সত্যাখ্যান স্বাক্ষর করা হয়েছিল তা উল্লেখ করবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৬ বিধি-১৫ আরজি জবাব সত্যতা প্রতিপাদন:
(১) বর্তমানে বলবৎ যেকোনো আইনে অন্যরূপ যে বিধান আছে, তা ব্যতীত প্রত্যেক আরজি জবাবের নিম্নে পক্ষ বা আরজি জবাব দানকারী পক্ষদের মধ্যে একজন অথবা অপর কোন ব্যক্তি, যিনি মামলার ঘটনাবলীর সাথে পরিচিত বলে আদালতের সন্তুষ্টিতে প্রমাণিত, তৎকর্তৃক আরজি জবাবের সত্যতা প্রতিপাদন করতে হবে।
(২) সত্যতা প্রতিপাদনকারী ব্যক্তি আরজি জবাবের দফার সংখ্যা উল্লেখপূর্বক নির্দিষ্ট করে বলবেন যে কোনগুলি সত্যতা তিনি স্বজ্ঞানে প্রতিপাদন করছেন এবং কোনগুলির সত্যতা তিনি অপরের নিকট হতে প্রাপ্ত ও তার বিশ্বাস মতে সত্য তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিপাদন করেছেন।
(৩) যিনি সত্যতা প্রতিপাদন করবেন, তিনি উহাতে স্বাক্ষর দিবেন এবং যে তারিখে ও স্থানে উহা স্বাক্ষরিত হলো তা উল্লেখ করবেন।
___________

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-6, Rule-15. (1) Save as otherwise provided by any law for the time being in force, every pleading shall be verified at the foot by the party or by one of the parties pleading or by some other person proved to the satisfaction of the Court to be acquainted with the facts of the case.
(2) The person verifying shall specify, by reference to the numbered paragraphs of the pleading, what he verifies of his own knowledge and what he verifies upon information received and believed to be true.
(3) The verification shall be signed by the person making it and shall state the date on which and the place at which it was signed.

৫,৩৩৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৭ অনুযায়ী, স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মামলার সম্পত্তি যদি একাধিক আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে থাকে, তবে মামলা কোথায় দায়ের করা যাবে?
  1. উচ্চ আদালতে
  2. যে আদালতের এখতিয়ারে সম্পত্তির মূল অংশ পড়ে
  3. যে আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে সম্পত্তির অংশবিশেষ আছে
  4. যে আদালতের এখতিয়ারে সম্পত্তির বেশি অংশ পড়েছে
ব্যাখ্যা

• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৭- বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা-
স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত কোন মোকদ্দমা বা এতে কোন ক্ষতির কারণে আনীত মোকদ্দমার সম্পত্তি যদি বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে থাকে, তাহলে ঐ সম্পত্তির অংশ বিশেষ যে আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে অবস্থিত, সেরূপ যে কোন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা যাতে পারে।
তবে শর্ত থাকে যে, এই প্রকার মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর মূল্য সম্পর্কে সমগ্র দাবিটিই ঐরূপ আদালত বিচারার্থে গ্রহণ করতে পারে।

Section 17: Suits for immovable property situate within jurisdiction of different Courts-
Where a suit is to obtain relief respecting, or compensation for wrong to, immovable property situate within the jurisdiction of different Courts, the suit may be instituted in any Court within the local limits of whose jurisdiction any portion of the property is situate:
Provided that, in respect of the value of the subject-matter of the suit, the entire claim is cognizable by such Court.

৫,৩৪০.
জেলা কমিটি 'ক' এর আইনগত সহায়তার আবেদন অগ্রাহ্য করলে, 'ক' কত দিনের মধ্যে জাতীয় পরিচালনা বোর্ডে আপিল করতে পারবেন?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ 'ক' সিদ্ধান্তের তারিখ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে জাতীয় পরিচালনা বোর্ডে আপিল (appeal) পেশ করতে পারবেন।

আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০, ধারা ১৬- আইনগত সহায়তার জন্য আবেদন:
(১) এই আইনের অধীন আইনগত সহায়তার জন্য সকল আবেদন সুপ্রীম কোর্ট কমিটি, জেলা কমিটি বা বিশেষ কমিটির নিকট পেশ করিতে হইবে৷ 

(২) এই আইনের অধীন কোন আবেদন বা দরখাস্ত জেলা কমিটি বা বিশেষ কমিটি কর্তৃক অগ্রাহ্য হইলে উহা মঞ্জুরীর জন্য সংক্ষুব্ধ বিচারপ্রার্থী উক্তরূপ সিদ্ধান্তর তারিখ হইতে ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে বোর্ডের নিকট আপীল পেশ করিতে পারিবেন এবং এই ব্যাপারে বোর্ডের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে৷

এখানে, “বোর্ড” বলতে আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ৬ ধারার অধীন গঠিত জাতীয় পরিচালনা বোর্ড বুঝানো হয়েছে।
৫,৩৪১.
Nemo debet bis vexari নীতির সাথে সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা সম্পর্কিত?
  1. ৩২ ধারা
  2. ৪০ ধারা
  3. ৪৫ ধারা
  4. ৪৮ ধারা
ব্যাখ্যা
• "Nemo Debet Bis Vexari" অর্থ হলো:
"No man should be vexed twice" অর্থাৎ একই অপরাধের জন্য কাউকে দুবার বিচার করা যাবে না বা দুইবার সাজা দেওয়া যাবে না: এটাই Doctrine of Double Jeopardy.

সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায় ২টি নীতির প্রতিফলন হয়েছে। তা হলো:
i) Res-judicata;
ii) Double Jeopardy.

সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারার বিধান:
দ্বিতীয় মোকদ্দমা বা বিচার বন্ধ করার জন্য পূর্ববর্তী রায় প্রাসঙ্গিক: যে রায়, আদেশ বা ডিক্রি আদালতকে আইনত অন্য একটি মামলাকে বিচারার্থে গ্রহণ করতে বা এর বিচার করতে বাধা দেয়, সেই রায় বা আদেশ বা ডিক্রির অস্তিত্ব তখনই প্রাসঙ্গিক বিষয়, যখন প্রশ্ন উঠে যে, উক্ত মোকদ্দমা বিচারার্থে গ্রহণ করা বা এর বিচার করা সেই আদালতের পক্ষে উচিত কি না।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায় যে বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে সেটিকে Judgment in personam (ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য) বলে।
⇒ এই ধারানুযায়ী পূর্ববর্তী মামলার রায়, ডিক্রি বা আদেশ পরবর্তী মামলার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হবে।
⇒ এই ধারার বিধান সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৫(২) এবং General Clauses Act, 1897 এর ২৬ ধারার সাথে প্রাসঙ্গিক।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারা দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
৫,৩৪২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯গ ধারায় বিশেষ বেঞ্চ কতজন বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত হয়?
  1. একজন
  2. দুইজন
  3. তিনজন
  4. পাঁচজন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯গ ধারায় বিশেষ বেঞ্চ তিনজন বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত হয়।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯গ ধারার বিধান: বিশেষ বেঞ্চে শুনানী:
- তিনজন বিচারপতি নিয়ে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন-এর বিশেষ বেঞ্চ এরূপের প্রত্যেকটি আবেদন শুনবেন এবং সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।
-----------
⇒ Section 99C. Hearing by Special Bench:
- Every such application shall be heard and determined by a Special Bench of the High Court Division composed of three Judges.
৫,৩৪৩.
'ক', 'খ' এর নিকট একটি মাঠ বিক্রয় করে। মাঠটির উপর দিয়ে জনসাধারনের চলাচলের অধিকার ছিল, যা সম্পর্কে 'ক' এর সরাসরি ব্যক্তিগত জ্ঞান ছিল কিন্তু সে সেটা 'খ' এর নিকট হতে গোপন রেখেছিল। এই ক্ষেত্রে 'খ' সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারার বিধান অনুযায়ী-
  1. কোনো প্রতিকার পাবে না
  2. চুক্তিটি রদ করার অধিকারী
  3. চুক্তিটি রদ করার অধিকারী নয়
  4. 'ক' থেকে ক্ষতিপূরণ লাভের অধিকারী
ব্যাখ্যা
'ক', 'খ' এর নিকট একটি মাঠ বিক্রয় করে। মাঠটির উপর দিয়ে জনসাধারনের চলাচলের অধিকার ছিল, যা সম্পর্কে 'ক' এর সরাসরি ব্যক্তিগত জ্ঞান ছিল কিন্তু সে সেটা 'খ' এর নিকট হতে গোপন রেখেছিল। এই ক্ষেত্রে 'খ' সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারার বিধান অনুযায়ী চুক্তিটি রদ করার অধিকারী।

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারার বিধান: বিচারপূর্বক যখন রদ করা যায়-

লিখিত চুক্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট যেকোন ব্যক্তি তা রদ করার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে এবং আদালত নিম্নোক্ত যেকোন ক্ষেত্রে বিচারপূর্বক চুক্তি রদ করতে পারেন:
(ক) যেখানে চুক্তি বাতিলযোগ্য অথবা বাদী কর্তৃক সমাপনীয়;
(খ) যেখানে আপাতত দৃশ্যমান নয় এমন কারণে চুক্তি অবৈধ এবং বাদীর চেয়ে প্রতিবাদীকেই দোষী করা যায় বেশি;
(গ) যেখানে একটি বিক্রয়চুক্তি বা একটি ইজারা গ্রহণের চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে এবং ক্রেতা ইজারাদার ক্রয়মূল্য বা অপরাপর অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছে।

যখন ক্রেতা বা ইজারাদার বিষয়বস্তুর দখলকারী থাকে এবং আদালত তেমন দখল অন্যায় মনে করেন সেখানে আদালত তাকে তেমন দখলকারী হিসাবে কোন লাভ বা ভাড়া পেয়ে থাকলে তা বিক্রেতা বা ইজারাদাতাকে প্রদানের নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।

একই ক্ষেত্রে, আদালত সে মামলায়ই আদেশ কর্তৃক যাতে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছিল, কিন্তু তদমোতাবেক কাজ করা হয়নি, হয় কর্তব্য অবহেলাকারী পক্ষের বেলায় বা অসম্পূর্ণ চুক্তিই মামলার ন্যায়বিচারের আবশ্যকতা মোতাবেক রদ করে দিতে পারেন।

Section 35- When rescission may be adjudged:
Any person interested in a contract in writing may sue to have it rescinded, and such rescission may be adjudged by the Court in any of the following cases, namely:-
(a) where the contract is viodable or terminable by the plaintiff;
(b) where the contract is unlawful for causes not apparent on its face, and the defendant is more to blame than the plaintiff;
(c) where a decree for specific performance of a contract of sale, or of a contract to take a lease, has been made, and the purchaser or lessee makes default in payment of the purchase-money or other sums which the Court has ordered him to pay.

When the purchaser or lessee is in possession of the subject-matter, and the Court finds that such possession is wrongful, the Court may also order him to pay to the vendor or lessor the rents and profits, if any, received by him as such possessor.

In the same case, the Court may, by order in the suit in which the decree has been made and not complied with, rescind the contract, either so far as regards the party in default, or altogether as the justice of the case may require.
৫,৩৪৪.
আবেদনকারী বা দরখাস্তকারী তার দাবী উত্থাপনের জন্য প্লিডিংসে কোন তথ্য উল্লেখ করবেন?
  1. দাবী সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য
  2. আইনগত প্রমাণ
  3. দাবী সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
  4. উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ৬ আদেশের ২ বিধিতে বলা হয়েছে,
প্লিডিংসে শুধুমাত্র তথ্য উল্লেখ করতে হবে, আইন বা সাক্ষ্য উল্লেখ করার প্রয়োজন নেই। ৬ আদেশের ২ বিধিতে আরও বলা হয়েছে, মোকদ্দমার পক্ষগণ তাদের দাবী বা আত্মপক্ষ সমর্থনে যে সকল গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের উপর নির্ভর করে, সেইগুলির সংক্ষিপ্ত একটি বিবরণ প্রত্যেক প্লিডিংসে উল্লেখ করতে হবে, কিন্তু যে সকল সাক্ষ্য দ্বারা এইগুলি প্রমাণ করা হয়, তা অন্তর্ভুক্ত থাকবে না

সুতরাং, দেওয়ানী কার্যবিধির ৬ আদেশের ২ বিধি অনুসারে প্লিডিংসের উপাদান হলো:
- প্লিডিংসে শুধুমাত্র তথ্যাদি উল্লেখ থাকবে, আইন নয়;
- উল্লিখিত তথ্যাদি অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি হতে হবে;
- প্লিডিংসে সাক্ষ্য উল্লেখ থাকবে না; এবং
- উল্লিখিত তথ্যাদি সংক্ষিপ্ত আকারে বর্ণনা করতে হবে।

Order 6 rule 2: Pleading to state material facts and not evidence-
Every pleading shall contain, and contain only, a statement in a concise form of the material facts on which the party pleading relies for his claim or defence, as the case may be, but not the evidence by which they are to be proved, and shall, when necessary, be divided into paragraphs, numbered consecutively. Dates, sums and numbers shall be expressed in figures.
৫,৩৪৫.
The Family Courts Ordinance, 1985 এর কত ধারায় Pre trial proceeding সংক্রান্ত বিধান বর্ণিত আছে?
  1. ১০
  2. ১৬
  3. ১৭
ব্যাখ্যা
The Family Courts Ordinance, 1985 এর ১০ ধারায় বিচার-পূর্ব কার্যধারায় বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান ছিল।

বর্তমানে Family Courts Ordinance, 1985 রহিতপূর্বক সময়োপযোগী করিয়া, উহা পুনঃপ্রণয়নের উদ্দেশ্যে প্রণীত আইন পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ১১ ধারায় বিচার-পূর্ব বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান করা হয়েছে।

পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ১১ ধারার বিধান- বিচার-পূর্ব কার্যক্রম:
(১) লিখিত জবাব দাখিল করা হইলে পারিবারিক আদালত মোকদ্দমার বিচার-পূর্ব শুনানির জন্য অনধিক ৩০ (ত্রিশ) দিনের একটি তারিখ ধার্য করিবে।
(২) বিচার-পূর্ব শুনানির জন্য ধার্যকৃত তারিখে আদালত আরজি, লিখিত জবাব এবং পক্ষগণ কর্তৃক দাখিলকৃত দলিলসমূহ পরীক্ষা করিবে এবং যথাযথ মনে করিলে, পক্ষগণের বক্তব্যও শ্রবণ করিবে।
(৩) আদালত বিচার-পূর্ব শুনানিকালে পক্ষগণের মধ্যে বিরোধীয় বিষয়সমূহ ধার্য করিবে এবং সম্ভব হইলে পক্ষগণের মধ্যে একটি আপোষ বা মীমাংসার চেষ্টা করিবে।
(৪) উপধারা (৩) এর অধীন আপোষ বা মীমাংসা প্রতিষ্ঠা সম্ভব না হইলে আদালত মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় গঠন করিবে এবং সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য অনধিক ৩০ (ত্রিশ) দিনের একটি তারিখ ধার্য করিবে।
৫,৩৪৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৩ বিধি ৭(২) অনুসারে, সাক্ষ্য হিসেবে গৃহীত হয়নি এমন দলিলের কী হবে?
  1. নষ্ট করা হবে
  2. আটক করা হবে
  3. রেকর্ডে রাখা হবে
  4. উপস্থাপনকারীকে ফেরত দেওয়া হবে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ১৩ বিধি ৭(২) অনুসারে, যে দলিলগুলো প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করা হয়নি, সেগুলো মোকদ্দমার রেকর্ডের অংশ হবে না এবং যিনি দলিলটি উৎপাদন করেছেন, (উপস্থাপনকারীকে) তাকে ফেরত দেওয়া হবে। এটি নিশ্চিত করে যে অগ্রহণযোগ্য দলিলগুলো আদালতের রেকর্ডে অপ্রয়োজনীয়ভাবে সংরক্ষিত না হয় এবং উৎপাদনকারীর অধিকার সুরক্ষিত থাকে।
অর্থাৎ, সাক্ষ্য হিসেবে গৃহীত হয়নি এমন দলিল মামলার রেকর্ডের অংশ হবে না এবং সেগুলি যিনি উপস্থাপন করেছেন, তাঁকেই ফেরত দেওয়া হবে।
-----
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-13 Rule-7.Recording of admitted and return of rejected documents:
(1) Every document which has been admitted in evidence, or a copy thereof where a copy has been substituted for the original under rule 5, shall form part of the record of the suit.
(2) Documents not admitted in evidence shall not form part of the record and shall be returned to the persons respectively producing them.

৫,৩৪৭.
পুলিশের কাছে দোষ স্বীকার করলে ২৫ ধারা অনুযায়ী তা সাক্ষ্য হিসেবে _______
  1. গ্রহণযোগ্য হবে
  2. গ্রহণযোগ্য হবে না
  3. আংশিক গ্রহনযোগ্য হবে
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ২৫ ধারা অনুযায়ী কেউ যদি পুলিশের নিকট দোষ স্বীকার করে  তাহলে তা গ্রহনযোগ্য হবে না বরং এটি CRPC-১৬১ ধারার সাক্ষ্য হিসাবে গণ্য করা হবে। কেননা পুলিশের নিকট দোষ স্বীকার করা হয় না বরং CRPC -১৬৪ ধারা মতে ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট দোষ স্বীকার করা হয়।
৫,৩৪৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় প্রতিরোধমূলক প্রতিকার এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৫
  2. ধারা ৬
  3. ধারা ৫২
  4. ধারা ৫৫
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ (The Specific Relief Act, 1877) এর ধারা ৬-এ প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এই ধারা অনুসারে, ধারা ৫(গ) এর অধীন যে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়, তাকে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার বলে। এটি মূলত নিষেধাজ্ঞা (Injunction) এর মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়, যেখানে কোনো ব্যক্তিকে কোনো নির্দিষ্ট কাজ করা থেকে বিরত রাখার আদেশ দেওয়া হয়।
⇒ সাধারণত নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার প্রদান করা হলেও সকল প্রকার নিষেধাজ্ঞা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার নয়।
যেমন- অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা ইত্যাদি প্রতিরোধমূলক প্রতিকার হলেও বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction) হল আদেশাত্মক প্রতিকার।
- অর্থাৎ বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা ছাড়া সকল ধরনের নিষেধাজ্ঞা হলো নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief).

৫,৩৪৯.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার শর্ত লঙ্ঘন করলে আদালত সর্বোচ্চ কত দিনের জন্য দেওয়ানি জেলে আটক করতে পারে?
  1. ১ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ১ বছর
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি ২: লংঘনের পুনরাবৃত্তি বা ধারাবাহিকতা রোধক্রমে নিষেধাজ্ঞা:
১) বিবাদীকে চুক্তি লঙ্ঘন বা অন্য কোন প্রকার অনিষ্ট করা থেকে বিরত রাখার মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবী করা হয়ে থাকুক বা না থাকুক, মোকদ্দমা শুরু হওয়ার পর যে কোন সময় এবং রায়ের পূর্বে বা পরে বাদি অভিযোগে আনীত চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে কিংবা একই চুক্তি থেকে উদ্ভূত অথবা একই সম্পত্তি বা অধিকারের সাথে সম্পর্কিত কোন চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে বিবাদিকে বিরত রাখার জন্য আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে।

২) নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ, হিসাব রক্ষণ, জামানত প্রদান অথবা অন্য প্রকারে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্ত সাপেক্ষে অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করে আদেশ প্রদান করতে পারে।

৩) যদি অমান্য করা হয় কিংবা অনুরূপ কোন শর্ত লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত অনুরূপ অমান্য করা বা লঙ্ঘন করার জন্য দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে অনধিক ছয় মাস মেয়াদের জন্য দেওয়ানি জেলে আটক রাখতেও নির্দেশ দিতে পারে, যদি না আদালত ইতোমধ্যে তার মুক্তির আদেশ প্রদান করে থাকে।

৪) এই বিধির অধীনে কোন ক্রোক এক বৎসরের অধিক বলবৎ থাকবে না এবং উক্ত সময়ের পরও যদি অমান্য বা লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে তবে ক্রোকী সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ খেসারতের আদেশ প্রদান করতে পারে এবং অবশিষ্ট অর্থ, যদি থাকে, তাতে অধিকারী পক্ষকে প্রদান করবে।
৫,৩৫০.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৫৮ অনুযায়ী, কী তথ্য প্রমাণ করা যেতে পারে?
  1. অপরাধের স্থান
  2. সাক্ষীর যোগ্যতা
  3. সাক্ষীর অসংগতি
  4. অপরাধের সঠিক সময়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৫৮ (Section 158 of the Evidence Act, 1872) অনুযায়ী, যখন ধারা ৩২ বা ৩৩ এর অধীন কোনো বিবৃতি প্রাসঙ্গিক হিসেবে প্রমাণ করা হয়, তখন—
- নিম্নলিখিত বিষয়গুলো প্রমাণ করা যেতে পারে:
১) উক্ত বিবৃতিকে খণ্ডন (contradict) করার জন্য,
২) উক্ত বিবৃতিকে সমর্থন (corroborate) করার জন্য,
৩) বিবৃতি প্রদানকারী ব্যক্তির বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ করা (impeach) অথবা সমর্থন করা (confirm) —
যা করা যেত যদি সে ব্যক্তি সাক্ষী হিসেবে হাজির হয়ে জেরা চলাকালে উক্ত বিষয়ের সত্যতা অস্বীকার করত।
অর্থাৎ, ধারা ১৫৮ মূলত যেসব তথ্য সাক্ষীর বক্তব্যের অসঙ্গতি দেখাতে বা তার বক্তব্য সমর্থন করতে সহায়ক, সেগুলো প্রমাণযোগ্য করে তোলে।

উদাহরণস্বরূপ:
- যদি কেউ মৃত্যুশয্যায় দেওয়া কোনো বিবৃতি (ধারা ৩২) প্রমাণ করে, তবে প্রতিপক্ষ চাইলে সেই ব্যক্তির পূর্বের বিপরীত বক্তব্য, অসঙ্গত তথ্য, অথবা তার চরিত্রের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রমাণ দিতে পারে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৫৮ সাক্ষীর দেওয়া পূর্ব বিবৃতি প্রমাণ করার মাধ্যমে তার বক্তব্যের অসঙ্গতি, খণ্ডন বা সমর্থন করার সুযোগ দেয়।
তাই উত্তর: "সাক্ষীর অসংগতি" (গ) সঠিক, কারণ ধারা ১৫৮ মূলত সে রকম তথ্য প্রমাণের সুযোগ দেয়।

⇒ The Evidence Act, 1872 Section- 158. What matters may be proved in connection with proved statement relevant under section 32 or 33: 
Whenever any statement, relevant under section 32 or 33, is proved, all matters may be proved either in order to contradict or to corroborate it, or in order to impeach or confirm the credit of the person by whom it was made, which might have been proved if that person had been called as a witness and had denied upon cross-examination the truth of the matter suggested.
৫,৩৫১.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী সমন ফেরত আসার পর বাদীকে কত দিনের মধ্যে নতুন সমন জারির আবেদন করতে হবে?
  1. ১০ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ১ মাস
  4. ২ মাস
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর Order IX, Rule 5(1) অনুসারে:
- সমন ফেরত আসার (returned unserved) তারিখ থেকে বাদীর ১ মাস সময় আছে নতুন সমন জারির আবেদন করার।
- এই সময়সীমা আদালতের রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক প্রত্যয়নের তারিখ থেকে গণনা করা হয়।
- আদালত যথেষ্ট কারণ দেখলে এই সময়সীমা বাড়াতে পারেন (যেমন: বিবাদী অজানা/পলাতক থাকলে)।
কারণের উদাহরণ:
বিবাদীর ঠিকানা খুঁজে পাওয়া যায়নি (Rule 5(1)(a)),
বিবাদী ইচ্ছাকৃতভাবে সমন এড়াচ্ছে (Rule 5(1)(b))।

- ১ মাসের মধ্যে আবেদন না করলে আদালত মামলা খারিজ (dismiss) করবেন (Rule 5(1))।
- তবে বাদী তামাদি সীমার মধ্যে নতুন মামলা দায়ের করতে পারবে (Rule 5(2))।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর Order IX, Rule 5 অনুসারে, যদি সমন ফেরত আসে এবং বাদী ১ মাসের মধ্যে নতুন সমন জারির জন্য আবেদন না করে, তবে আদালত সেই বিবাদীর বিরুদ্ধে মামলা খারিজের আদেশ দিতে পারে। তবে বাদী যদি আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে যে তার যথাসাধ্য চেষ্টা সত্ত্বেও সমন জারি করা সম্ভব হয়নি, অথবা অন্য কোনো বৈধ কারণ ছিল, তবে আদালত সময় বৃদ্ধি করতে পারে।
৫,৩৫২.
কোন রাজবন্ধী বা যুদ্ধবন্ধীকে হাজত হতে পলায়নে সহায়তা, উদ্ধার, আশ্রয়দান বা লুকিয়ে রাখার শাস্তি-
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন বা অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন বা অনধিক ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
♦ ধারা ১৩০ মতে কোন রাজবন্ধী বা যুদ্ধবন্ধীকে হাজত হতে পলায়নে সহায়তা, উদ্ধার, আশ্রয়দান বা লুকিয়ে রাখার শাস্তি হিসেবে যাবজ্জীবন বা অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থন্ডের বিধান আছে।
৫,৩৫৩.
বিশারদের মতামত আদালতের উপর-
  1. বাধ্যকর
  2. বিবেচনামূলক
  3. নির্দেশনামূলক
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦যেহেতু বিশারদের দায়িত্ব হলো মতামত দেওয়া সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা না এবং বিশারদের দায়িত্ব হলো প্রয়োজনীয় তথ্য উপাত্ত দিয়ে আদালতকে কোন সিদ্ধান্ত উপনীত হতে সক্ষম করে তোলা। এই মতামত আদালতের উপর কোন বাধ্যবাধকতা সৃষ্টি করে না।
৫,৩৫৪.
অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের (Criminal Conspiracy) সংজ্ঞা দণ্ডবিধির কোন ধারায় দেওয়া হয়েছে?
  1. ১০৭ ধারায়
  2. ১২০ ধারায়
  3. ১২০ক ধারায়
  4. ১২০খ ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১২০ক ধারা-এ অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের (Criminal Conspiracy) স্পষ্ট সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এই ধারা অনুযায়ী:
"যখন দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোনো অবৈধ কাজ করতে অথবা বৈধ কাজ অবৈধ উপায়ে করতে সম্মত হয়, তখন তা অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র হিসেবে গণ্য হবে।"

শর্ত:- অপরাধ ছাড়া অন্যান্য ষড়যন্ত্রের ক্ষেত্রে শুধু সম্মতি যথেষ্ট নয়, ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নে অন্তত একটি কাজ প্রমাণ করতে হবে।
উদাহরণ: A ও B চুরি করার পরিকল্পনা করে এবং A চাবি কিনলে তা "কাজ" হিসেবে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা (Explanation):
- অবৈধ কাজটি ষড়যন্ত্রের প্রধান উদ্দেশ্য হোক বা গৌণ উদ্দেশ্য হোক, তা বিবেচ্য নয়।

⇒ The Penal Code, 1860- Section- 120A. Definition of criminal conspiracy. 
 When two or more persons agree to do, or cause to be done,- 
(1) an illegal act, or 
(2) an act which is not illegal by illegal means, such an agreement is designated a criminal conspiracy: 
Provided that no agreement except an agreement to commit an offence shall amount to a criminal conspiracy unless some act besides the agreement is done by one or more parties to such agreement in pursuance thereof.
Explanation.-It is immaterial whether the illegal act is the ultimate object of such agreement, or is merely incidental to that object.

৫,৩৫৫.
‘ক’ তার এক পুত্র ‘খ’ এবং বিবাহিত এক মেয়ে ‘গ’ কে রেখে মারা গেছে। ‘ক’ কর্তৃক দায়েরকৃত মোকদ্দমা তার মৃত্যুর পর পরিচালিত হতে পারে?
  1. আইনানুগ প্রতিনিধি শুধুমাত্র ‘খ’ কর্তৃক খ) আইনানুগ প্রতিনিধি শুধুমাত্র
  2. কর্তৃক
  3. ‘খ’ ‘গ’ এবং ‘গ’ এর স্বামী কর্তৃক আইনানুগ প্রতিনিধি হিসেবে
  4. ‘খ’ এবং ‘গ’ উভয় কর্তৃক আইনানুগ প্রতিনিধি হিসেবে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইনের ধারা ২ (১১) বৈধ প্রতিনিধি / আইনানুগ প্রতিনিধি হলো কোন ব্যক্তির মৃত্যুর পর যিনি তার সম্পত্তির অধিকারী হবেন কিংবা মোকদ্দমা পরিচালনার অধিকারী হবেন।

• সুতরাং ‘ক’ এর মৃত্যুর পর তার বৈধ প্রতিনিধি হিসেবে ‘খ’ এবং ‘গ’ মামলা পরিচালনা করিতে পারবেন।
৫,৩৫৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় বিচারাধীন মামলায় অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা করার ক্ষমতা দায়রা আদালত বা চীফ ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রদান করা হয়েছে?
  1. ধারা ৩৩৭
  2. ধারা ৩৩৮
  3. ধারা ৩৩৯
  4. ধারা ৩৩৯ক
ব্যাখ্যা
⇒  ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৩৮ (Section 338 of the Code of Criminal Procedure, 1898) অনুযায়ী, দায়রা আদালত, অথবা তার নির্দেশে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, বিচারাধীন মামলায় অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা প্রদান করতে পারে, যদি তারা মনে করে যে তার সাক্ষ্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে এবং এটি রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোনো সময় করা যেতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৮ ধারায়-
-যে দায়রা আদালত মামলার বিচার করছে সেই দায়রা আদালত অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা করতে পারে বা ক্ষমা করার নির্দেশ দিতে পারে; বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা করতে পারে । এই ধারা অনুসারে অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা করতে পারে রায় প্রদানের পূর্বে যেকোন সময়।
--------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section: 338. Power to direct tender of pardon:
-At any time before the judgment is passed, the Court of Session trying the case may, with the view of obtaining on the trial the evidence of any person supposed to have been directly or indirectly concerned in or privy to, any such offence, tender, or order or the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate to tender, a pardon on the same condition to such person.
৫,৩৫৭.
‘X’ একটি ঋণ পুনরুদ্ধারের জন্য ‘Y’-এর বিরুদ্ধে মামলা করতে চায়। তামাদি গণনা শুরু হওয়ার পর ‘Y’ হঠাৎ দেশত্যাগ করে। এক্ষেত্রে—
  1. মামলা যেকোনো সময় করা যাবে
  2. তামাদি গণনা চলতে থাকবে
  3. ‘Y’ ফিরে না আসা পর্যন্ত তামাদি গণনা স্থগিত থাকবে
  4. তামাদি মেয়াদ পুনরায় গণনা শুরু হবে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ৯ ধারায় 'সময়ের অবিরাম চলন' নীতির কথা বলা হয়েছে। এর অর্থ হলো, একবার কোন দাবির জন্য তামাদির মেয়াদ (Limitation Period) গণনা শুরু হয়ে গেলে, পরবর্তীতে কোন অক্ষমতা বা প্রতিবন্ধকতার কারণে মামলা দায়ের করতে না পারলেও সেই মেয়াদ থেমে যাবে না। অর্থাৎ মামলা দায়েরে অক্ষমতা দেখা দিলেও সময় অবিরাম চলতে থাকবে এবং নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে আর মামলা করা যাবে না।
তবে একটি ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম আছে- যদি পাওনাদারের সম্পত্তির ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দেনাদারের উপর ন্যস্ত হয়, তখন ঐ দায়িত্ব পালনের সময়কালে দেনা আদায়ের মামলা দায়েরের সময়সীমা স্থগিত থাকবে।

Section 9: Continuous running of time:
Where once time has begun to run, no subsequent disability or inability to sue stops it:
Provided that where letters of administration to the estate of a creditor have been granted to his debtor, the running of the time prescribed for a suit to recover the debt shall be suspended while the administration continues.
৫,৩৫৮.
রাহুল অফিসে কাজ করার সময় সহকর্মী রিতার সামনে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করে। রাহুলকে দণ্ডবিধির ৫০৯ ধারা অনুযায়ী সর্বোচ্চ কী সাজা দেওয়া যাবে?
  1. ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
  2. ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
  3. ২ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
  4. ৩ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৫০৯ ধারা- কোন নারীর শালীনতার অমর্যাদার অভিপ্রায়ে কোন মন্তব্য, অঙ্গভঙ্গি বা কোন কার্য:
কোন ব্যক্তি যদি কোন নারীর শ্লীলতাহানির উদ্দেশ্যে সে নারী যাতে শুনতে পায় এমন কোন কথা বলে বা শব্দ করে অথবা সে নারী যাতে দেখতে পায় এমন ভাবে কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন বস্তু প্রদর্শন করে অথবা অনুরূপ নারীর গোপনীয়তা অনধিকার লঙ্ঘন করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে

Section 509- Word, gesture or act intended to insult the modesty of a woman:
Whoever, intending to insult the modesty of any woman, utters any word, makes any sound or gesture, or exhibits any object, intending that such word or sound shall be heard, or that such gesture or object shall be seen, by such woman, or intrudes upon the privacy of such woman, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.
৫,৩৫৯.
শিল্প উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত স্থাবর সম্পত্তির ইজারা সমাপ্তির ক্ষেত্রে নোটিশ বছরের শেষ দিন থেকে কত দিন আগে দিতে হবে?
  1. ১৫ দিন
  2. ১ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
ব্যাখ্যা

সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১০৬ ধারার বিধান- লিখিত চুক্তি বা স্থানীয় রীতির অবর্তমানে কতিপয় ইজারার মেয়াদ:
- কৃষি কার্য বা শিল্প উৎপাদনের জন্য স্থাবর সম্পত্তির ইজারা হলে তা বছর হতে বছরের ইজারা হিসেবে গণ্য করা হবে এবং এই ইজারাদাতা ও গ্রহীতার মধ্যে যে কোন পক্ষ কর্তৃক ইজারার বছরের শেষ দিন হতে ৬ মাস পূর্বে দেওয়া নোটিশ মূলে সমাপ্তিযোগ্য।

- অন্য কোন উদ্দেশ্যে স্থাবর সম্পত্তির ইজারা হলে তা মাস হতে মাসের ইজারা হিসেবে গণ্য হবে এবং তা ইজারাদাতা ও গ্রহীতার মধ্যে যে কোন পক্ষ কর্তৃক ইজারার মাসের শেষ দিন হতে ১৫ দিন পূর্বে দেওয়া নোটিশ মূলে বাতিলযোগ্য।

- এই ধারার আওতায় প্রত্যেকটি নোটিশ অবশ্যই লিখিত এবং নোটিশ দাতা বা তার পক্ষ হতে স্বাক্ষরিত হতে হবে এবং এই নোটিশ ডাকযোগে বা অর্পণের মাধ্যমে বা ব্যক্তিগত ভাবে প্রদান করতে হবে অথবা তার পরিবারের কোন সদস্যকে বা তার বাসভবনের কোন কর্মচারীকে তা প্রদান করতে হবে। অথবা যদি এরূপ সম্ভব না হয় তাহলে সম্পত্তির প্রকাশ্য স্থানে লটকিয়ে দিতে হবে।

৫,৩৬০.
গৃহকর্মী, কারিগর বা শ্রমিকের বকেয়া মজুরি আদায়ের জন্য তামাদি সময়সীমা কত?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৭:
- গৃহকর্মী, কারিগর অথবা শ্রমিকের মজুরির জন্য মামলা দায়েরের সময়সীমা:
- এক (১) বছর।
- সময়সীমা গণনা শুরু হবে যেদিন মজুরি পাওয়ার অধিকার সৃষ্টি হয়, সেদিন থেকে।
৫,৩৬১.
Public Servant এর সংজ্ঞা পেনাল কোড-এর কত ধারায় সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
  1. ১২
  2. ১৪
  3. ১৯
  4. ২১
ব্যাখ্যা
♦ পেনাল কোডের ২১ ধারায় পাবলিক সার্ভেন্ট কারা কারা হবেন এর দীর্ঘ তালিকা দেওয়া হয়েছে। পেনাল কোডের ২১ ধারায় ১১ শ্রেণীর ব্যক্তিকে সরকারি কর্মচারী বা পাবলিক সার্ভেন্ট বলা হয়েছে।
৫,৩৬২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারার অধীন কমপক্ষে কতজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে তল্লাশী কার্যক্রম চালানোর বিধান রয়েছে?
  1. ৫ জন
  2. ৩ জন
  3. ২ জন
  4. ১ জন
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারা- সাক্ষীর উপস্থিতিতে তল্লাশী কার্যক্রম চালাতে হবে:

(১) এই অধ্যায় মোতাবেক তল্লাশী করার পূর্বে যে অফিসার বা ব্যক্তি তা করতে গিয়েছেন, তিনি যে এলাকার মধ্যে, যে স্থান তল্লাশী করতে হবে তা অবস্থিত, সেই এলাকার দুই বা ততোধিক নিরপেক্ষ ও গণ্যমান্য অধিবাসীকে তল্লাশীর সাক্ষী হবার জন্য আহ্বান করবেন এবং এরূপ করার জন্য তাদেরকে বা তাদের যে কোন একজনের প্রতি লিখিত আদেশ দিতে পারবেন।

(২) তাদের সমক্ষে তল্লাশী করতে হবে, এবং ঐরূপ অফিসার বা অন্য ব্যক্তি ঐরূপ তল্লাশী করার সময় যেসব জিনিস বাজেয়াপ্ত করা হয় এবং যেসব স্থানে ঐগুলি যথাক্রমে পাওয়া যায় তার একটি তালিকা তৈয়ারী করবেন এবং ঐরূপ সাক্ষীগণ তাতে সহি দিবেন; কিন্তু আদালত বিশেষভাবে সমন না দিলে এই ধারায় সম্পাদিত তল্লাশী দর্শনকারী ব্যক্তিকে আদালতে হাজিরা দিতে হবে না।

Section 103- Search to be made in presence of witnesses:
(1) Before making a search under this Chapter, the officer or other person about to make it shall call upon two or more respectable inhabitants of the locality in which the place to be searched is situate to attend and witness the search and may issue an order in writing to them or any of them so to do.

(2) The search shall be made in their presence, and a list of all things seized in the course of such search and of the places in which they are respectively found shall be prepared by such officer or other person and signed by such witnesses; but no person witnessing a search under this section shall be required to attend the Court as a witness of the search unless specially summoned by it.
৫,৩৬৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির অনুযায়ী, একই বিচারে একাধিক অপরাধের জন্য প্রদত্ত consecutive sentences-এর সর্বোচ্চ সীমা কত?
  1. ১০ বছর
  2. ১৪ বছর
  3. ২০ বছর
  4. যেকোনো মেয়াদ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৫(২)(ক) অনুসারে, একই বিচারে একাধিক অপরাধের জন্য প্রদত্ত consecutive sentences (ধারাবাহিক কারাদণ্ড)-এর সর্বোচ্চ সীমা ১৪ বছর। অর্থাৎ, বিভিন্ন অপরাধের জন্য পৃথক কারাদণ্ড দেওয়া হলেও সেগুলোর সমষ্টি ১৪ বছরের বেশি হতে পারবে না।

- ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩৫(২) অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি একটিমাত্র বিচারে একাধিক অপরাধের জন্য দণ্ডিত হন, তাহলে আদালত consecutive sentences প্রদান করতে পারে। 
"তিনটি বা তার অধিক অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি একটিমাত্র বিচারে দণ্ডিত হন, তবে আদালত তার বিরুদ্ধে পৃথক পৃথক সাজা প্রদান করতে পারে। এই সাজাগুলো ধারাবাহিকভাবে চলবে, অর্থাৎ একে অপরের পরে কার্যকর হবে। তবে, এই সাজাগুলোর মোট মেয়াদ একসাথে ১৪ বছর ছাড়িয়ে যাবে না।"

(2) In the case of consecutive sentences, it shall not be necessary for the Court, by reason only of the aggregate punishment for the several offences being in excess of the punishment which it is competent to inflict on conviction of a single offence, to send the offender for trial before a higher Court:
Provided as follows:-
(a) in no case shall such person be sentenced to imprisonment for a longer period than fourteen years;
(b) if the case is tried by a Magistrate, the aggregate punishment shall not exceed twice the amount of punishment which he is, in the exercise of his ordinary jurisdiction, competent to inflict.
৫,৩৬৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬৯ অনুযায়ী সাক্ষ্য অপর্যাপ্ত হলে, অভিযুক্ত ব্যক্তি-
  1. খালাস পাবে
  2. মুক্তি পাবে
  3. অব্যাহতি পাবে
  4. ক বা গ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৯ ধারা অনুসারে-
তদন্তের পর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা তদন্তকারী পুলিশ অফিসারের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, আসামিকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণের মতো পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণ নাই তাহলে আসামি হেফাজতে থাকলে একটি মুচলেকা সম্পাদনের পর উক্ত কর্মকর্তা তাকে মুক্তি দিবেন।

• সেই মোতাবেক উক্ত কর্মকর্তা নির্দেশ দিবেন যে, কখনো প্রয়োজন হলে তার বিচারের জন্য বা তাকে বিচারে সোপর্দ করার জন্য অপরাধটি আমলে নিতে ক্ষমতাসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির হতে হবে।
৫,৩৬৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে সর্বমোট কয়টা ধারা আছে?
  1. ৫৫ টি
  2. ৫৭ টি
  3. ৫৯ টি
  4. ৬৫ টি
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন একটি প্রতিকারমূলক বা তত্ত্বগত আইন।
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭ সালের ১ নং আইন। ১৮৭৭ সালের ১লা মে হতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন কার্যকর হয়। 
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে মোট ৫৭ টি ধারা আছে।
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার:
কোন প্রার্থীকে প্রতিকার প্রদান করাই সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের লক্ষ্য। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার হলো একধরনের আইনগত প্রতিকার যা বাদী দেওয়ানী আদালতে প্রার্থনা করে এবং আদালত তা মঞ্জুর করেন। কিভাবে প্রতিকার প্রদান করতে হবে তা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে:
প্রতিকার প্রার্থীকে ৫ ধরনের প্রতিকারের মাধ্যমে প্রতিকার প্রদান করা হয়, যেমন:-
১) ঘোষনা মূলক ডিক্রির মাধ্যমে
২) সম্পত্তি প্রত্যার্পনের মাধ্যমে
৩) নিষেধমূলক নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে
৪) আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে
৫) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে
আর্থিক ক্ষতিপূরণ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার নয়:
-সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫(ডি) ধারা অনুযায়ী ক্ষতিপূরনের রায় ব্যতিত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয়য় ও ঘোষণার মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয়।
-সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুযায়ী দত্ত বা শাস্তিমূলক প্রতিকার বা ক্ষতিপূরনের প্রতিকার প্রদান করা যায়না।
৫,৩৬৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫৪(১) অনুযায়ী অধস্তন আদালতের রেকর্ড পরিদর্শনের জন্য বিধি তৈরির ক্ষমতা কাকে দেওয়া হয়েছে?
  1. সুপ্রিম কোর্ট
  2. জাতীয় সংসদ
  3. আইন মন্ত্রণালয়
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫৪(১) অনুযায়ী, সরকারের পূর্ব অনুমোদনক্রমে সুপ্রিম কোর্ট অধস্তন ফৌজদারি আদালতসমূহের রেকর্ড পরিদর্শনের জন্য বিধি তৈরি করতে পারে। অর্থাৎ, এই ক্ষমতা শুধুমাত্র সুপ্রিম কোর্টের চার্টার্ড হাইকোর্ট বিভাগকে দেওয়া হয়েছে এবং এর উদ্দেশ্য হলো বিচারকার্য পর্যবেক্ষণ ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।
অন্য অপশন গুলো যেমন জাতীয় সংসদ, আইন মন্ত্রণালয় বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট - এ ধরনের নিয়ম তৈরির ক্ষমতা রাখে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 554.Power of chartered High Court Division to make rules for inspection of records of subordinate Courts:
(1) With the previous sanction of the Government, the Supreme Court may, from time to time, make rules for the inspection of the records of subordinate Courts.
Power of other High Court Division to make rules for other purposes.
(2) The Supreme Court] may, from time to time, and with the previous sanction of the Government– 
(a) make rules for keeping all books, entries and accounts to be kept in all Criminal Courts subordinate to it, and for the preparation and transmission of any returns or statements to be prepared and submitted by such Courts; 
(b) frame forms for every proceeding in the said Courts for which it thinks that a form should be provided; 
(c) make rules for regulating its own practice and proceedings and the practice and proceedings of all Criminal Courts subordinate to it; and 
(d) make rules for regulating the execution of warrants issued under this Code for the levy of fines: 
Provided that the rules and forms made and framed under this section shall not be inconsistent with this Code or any other law in force for the time being. 
(3) All rules made under this section shall be published in the official Gazette.
৫,৩৬৭.
কোন এ্যাডভোকেট বার কাউন্সিলের অনুমতি ব্যতীত শিক্ষানবীশ নিতে পারবেন-
  1. ২ জনের বেশী নয়
  2. ৩ জনের বেশী নয়
  3. ৪ জনের বেশী নয়
  4. ৫ জনের বেশী নয়
ব্যাখ্যা
♦ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 এর বিধি-৬০ (৩) এ বলা হয়েছে বার কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া, কোন এ্যাডভোকেট ৪ জনের বেশি ব্যক্তিকে শিক্ষানবীশ হিসাবে নিতে পারবে না।
৫,৩৬৮.
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এবং বার কাউন্সিল আদেশ অনুযায়ী, ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে কত দিনের মধ্যে হাইকোর্টে আপিল করতে হবে?
  1. আদেশ প্রাপ্তির দিন থেকে ৩০ দিনের মধ্যে
  2. আদেশ প্রাপ্তির দিন থেকে ৬০ দিনের মধ্যে
  3. আদেশ প্রাপ্তির দিন থেকে ৯০ দিনের মধ্যে
  4. আদেশ প্রাপ্তির দিন থেকে ১২০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এবং বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৩৬(১) অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি ট্রাইব্যুনালের আদেশ দ্বারা সংক্ষুব্ধ হন, তাহলে তিনি আদেশ প্রাপ্তির দিন থেকে ৯০ দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করতে পারবেন। এই সময়সীমা আইন দ্বারা নির্ধারিত এবং এর ব্যতিক্রম করা যায় না।
-------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order 1972: Article-36.
- (1) Any person aggrieved by an order of a Tribunal under Article 34 may, within ninety days from the date of the communication of the order to him, prefer an appeal to the High Court.
(2) Every such appeal shall be heard by a Division Bench of the High Court which may pass such order thereon as it may deem fit and the order of the High Court shall be final.
৫,৩৬৯.
যদি যুগ্ম দায়রা জজ ৫ বছরের অধিক মেয়াদে কারাদণ্ড দেন, তাহলে আপিল করতে হবে-
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. দায়রা জজ আদালতে
  3. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  4. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৭, ৪০৮ এবং ৪১০ ধারায় দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান আলোচনা করা হয়েছে। 

ধারা ৪০৭-
দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আপিল করতে হবে। 

ধারা ৪০৮-
প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা যুগ্ম দায়রা জজ (৫ বা ৫ বছরের কম মেয়াদে কারাদণ্ড দিলে) প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজের নিকট আপিল করতে হবে।
তবে যুগ্ম দায়রা জজ ৫ বছরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ড দিলে অথবা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারায় রাষ্ট্রদ্রোহিতা অপরাধের শাস্তি দিলে আপিল করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে।

ধারা ৪১০-
দায়রা আদালত প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে হবে।
৫,৩৭০.
বিগত _______ বৎসরের মধ্যে যে লোক জীবিত ছিল সে লোককে যে ব্যক্তি মৃত বলে দাবী করে তাকেই প্রমাণ করতে হবে যে উক্ত ব্যক্তি মৃত।
  1. ১২
  2. ৩০
  3. ১৫
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৭ ধারায় বিগত ৩০ বৎসর যাবৎ জীবিত ব্যক্তিকে আদালত জীবিত বলে অনুমান করতে বাধ্য; এক্ষেত্রে যে ব্যক্তি মৃত বলে দাবী করে তাকেই প্রমাণ করতে হবে যে উক্ত ব্যক্তি মৃত।
⇒ অন্যদিকে ১০৮ ধারা অনুযায়ী ৭ বৎসর যাবৎ খবর পাওয়া যায় না এমন ব্যক্তিকে আদালত মৃত অনুমান করতে বাধ্য; এক্ষেত্রে যে ব্যক্তি দাবী করে যে উক্ত ব্যক্তি জীবিত আছে, তাকেই প্রমাণ করতে হবে যে উক্ত ব্যক্তি জীবিত আছে।
-----------
⇒  Section 107: Burden of proving death of person known to have been alive within thirty years:  When the question is whether a man is alive or dead, and it is shown that he was alive within thirty years, the burden of proving that he is dead is on the person who affirms it.
⇒  Section 108 Burden of proving that person is alive who has not been heard of for seven years: Provided that when the question is whether a man is alive or dead, and it is proved that he has not been heard of for seven years by those who would naturally have heard of him if he had been alive, the burden of proving that he is alive is shifted to the person who affirms it.
৫,৩৭১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৭-এর মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. অপরাধীর শাস্তি বাড়ানো
  2. অপরাধের স্থান নির্ধারণ করা
  3. অপরাধীর জামিন দেয়া
  4. অপরাধের শাস্তি কমানো
ব্যাখ্যা
ধারা ১৭৭: তদন্ত ও বিচারকার্যের সাধারণ স্থান:
প্রত্যেক অপরাধ সাধারণত সেই আদালত দ্বারা তদন্ত ও বিচারকার্য সম্পন্ন হবে, যার স্থানীয় এখতিয়ারের সীমার মধ্যে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে।

Ordinary place of inquiry and trial-
Every offence shall ordinarily be inquired into and tried by a Court within the local limits of whose jurisdiction it was committed.
৫,৩৭২.
আদেশ ৪ বিধি ১ অনুযায়ী, মামলার জন্য কোর্ট ফি কখন পরিশোধ করতে হবে?
  1. আরজি দাখিলের পর
  2. আরজি দাখিলের সময়
  3. লিখিত জবাব দাখিলের সময়
  4. মামলার প্রথম শুনানির দিন
ব্যাখ্যা

• আদেশ ৪ বিধি ১: মোকদ্দমা আরজি দাখিলের মাধ্যমে দায়ের করতে হবে:
১) আদালত অথবা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তার নিকট, আরজি উপস্থাপন করার মাধ্যমে প্রত্যেকটি মোকদ্দমা দাখিল করতে হবে এবং আরজি সংশ্লিষ্ট যতজন বিবাদী থাকে, ততগুলো আরজির অবিকল নকল অনুরূপ সকল বিবাদীর উপর পরোয়ানা জারি করার জন্য পেশ করতে হবে।

১ক) মোকদ্দমার ক্ষেত্রে পরোয়ানা জারি করার জন্য নির্ধারিত প্রদেয় কোর্ট ফি আরজি দাখিল করার সময় এবং অন্যান্য কার্যক্রমের ক্ষেত্রে যখন সমন ব্যবহার করা হয় তখন পরিশোধ করতে হবে।


১খ) সমনের একটি নকলসহ প্রত্যেক বিবাদীর জন্য সকল বিবাদীর পূর্ণ ও সঠিক ঠিকানা যুক্ত যথোচিত খামে আগাম প্রদত্ত প্রাপ্তি স্বীকারপত্র আরজির সঙ্গে বাদীকে পেশ করতে হবে।


২) ৬ষ্ঠ ও ৭ম আদেশের বিধিসমূহ যতদূর প্রযোজ্য হয়, তদনুসারে প্রত্যেকটি আরজি প্রণয়ন করতে হবে।

৫,৩৭৩.
“Nothing is an offence which is done in the exercise of the right of private defence”- দণ্ডবিধির কোন ধারায় এই বিধান উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ৯০
  2. ধারা ৯৩
  3. ধারা ৯৫
  4. ধারা ৯৬
ব্যাখ্যা
 • দণ্ডবিধির ৯৬ ধারায় বলা আছে,

ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার জন্য কোনো অধিকার প্রয়োগ করে থাকলে তা আইনে অপরাধ বলে গণ্য করা হবে না।
"Nothing is an offence which is done in the exercise of the right of private defence."
৫,৩৭৪.
Contract of Bailment এ জামানত হিসেবে কী অর্পণ করা হয়?
  1. ভূমি
  2. দালানকোঠা
  3. দ্রব্যসামগ্রী
  4. সবকটি
ব্যাখ্যা
• চুক্তি আইনের ১৪৮ ধারার বিধান "জিম্মা", "জিম্মাদাতা" এবং "জিম্মাদার" এদের সংজ্ঞা (Bailment, bailor, and bailee defined):

- জিম্মা- চুক্তির ভিত্তিতে কোন ব্যক্তি কর্তৃক অপর কোন ব্যক্তিকে কোনো উদ্দেশ্যে কোন মালপত্র এরূপভাবে প্রদান করা হয় যে, যখন উদ্দেশ্য সাধিত হয় তখন মাল প্রদানকারীর নির্দেশ অনুসারে তা ফেরত দিতে বা অন্যভাবে এর বিলি ব্যবস্থা করতে হবে।

- জিম্মাদাতা- মালামাল প্রদানকারী ব্যক্তিকে জিম্মাদাতা বলা হয়।

- জিম্মাদার- যে ব্যক্তির নিকট এগুলি প্রদান করা হয় তাকে জিম্মাদার বলা হয়।

- জিম্মা এমন একধরনের চুক্তি যেখানে ২টি পক্ষ থাকে। যেমন: জিম্মাদাতা ও জিম্মাদার।
- এই ধরনের চুক্তি দ্বারা অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তর করা যায়।

অর্থাৎ উল্লিখিত প্রশ্নে Contract of Bailment এ জামানত হিসেবে দ্রব্যসামগ্রী অর্পণ করা হয়।
-----------
Section 148. "Bailment", "bailor", and "bailee" defined:
 A "bailment" is the delivery of goods by one person to another for some purpose, upon a contract that they shall, when the purpose is accomplished, be returned or otherwise disposed of according to the directions of the person delivering them.
The person delivering the goods is called the "bailor".
The person to whom they are delivered is called the "bailee". 
 
Explanation – If a person already in possession of the goods of another contracts to hold them as a bailee, he thereby becomes the bailee, and the owner becomes the bailor, of such goods although they may not have been delivered by way of bailment.
৫,৩৭৫.
রায় অনুযায়ী প্রণীত ডিক্রীতে স্বাক্ষর করবেন কে?
  1. প্রশাসনিক কর্মকর্তা
  2. সেরেস্তা সহকারী
  3. বিচারক
  4. সেরেস্তাদার
ব্যাখ্যা
আদেশ ২০ বিধি-৭- ডিক্রির তারিখ:
যে তারিখে রায় ঘোষণা করা হয়েছে, ঐ তারিখ উল্লেখ থাকবে এবং বিচারক যদি স্বয়ং পরিতুষ্ট হন যে, রায় অনুসারে ডিক্রি প্রণয়ন করা হয়েছে তবে তিনি ডিক্রি স্বাক্ষর করবে।

Order-20 Rule 7: Date of decree:
The decree shall bear date the day on which thejudgment was pronounced, and, when the Judge has satisfied himself that the decree has been drawn up in accordance with the judgment, he shall sign the decree.
৫,৩৭৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে কোন চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না?
  1. সিনেমায় অভিনয়ের চুক্তি
  2. গান গাওয়ার চুক্তি
  3. গ্রন্থ সম্পাদনের চুক্তি
  4. সবকটি 
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারা মতে যে সকল চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন ব্যক্তিগত যোগ্যতা বা ইচ্ছার উপর নির্ভরশীল সে সকল চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২১,যে চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করিবার যোগ্য নহে।- নিম্নবর্ণিত চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না-
(ক) যে চুক্তির কার্য সম্পাদন না করিলে আর্থিক ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত প্রতিকার হয়;
(খ) যে চুক্তি এইরূপ সুক্ষ্ম বা অসংখ্য বিবরণের সমষ্টি অথবা পক্ষগণের ব্যক্তিগত যোগ্যতা বা ইচ্ছার উপর নির্ভরশীল অথবা অন্য কোনোভাবে ইহার প্রকৃতি এইরূপ যে, আদালত ইহার উল্লেখযোগ্য শর্তাবলির সুনির্দিষ্ট সম্পাদন কার্যকর করিতে পারে না;
(গ) যে চুক্তির শর্তাবলি আদালত যুক্তিসঙ্গত নিশ্চয়তার সঙ্গে নির্ধারণ করিতে পারে না;
(ঘ) যে চুক্তি উহার প্রকৃতির কারণেই বাতিলযোগ্য;
(ঙ) ট্রাস্টিগণ কর্তৃক সম্পাদিত চুক্তি, যাহা তাহাদের ক্ষমতার অতিরিক্ত বা ট্রাস্ট ভঙ্গ করিয়া করা হইয়াছে;
(চ) বিশেষ উদ্দেশ্যে গঠিত কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানির দ্বারা বা পক্ষে অথবা এইরূপ কোম্পানির উদ্যোক্তাগণ কর্তৃক সম্পাদিত ক্ষমতা বহির্ভূত চুক্তি;
(ছ) যে চুক্তির কার্য সম্পাদন করিতে হইলে কাজ আরম্ভ করিবার তারিখ হইতে ক্রমাগত তিন বৎসরের বেশি সময় ধরিয়া কাজ করিতে হয়;
(জ) যে চুক্তির বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশের অস্তিত্ব উভয়পক্ষ বিদ্যমান ধরিয়া লইলেও স্বাক্ষরিত হইবার পূর্বেই উহার বিলুপ্তি ঘটিয়াছে।
--------------
 The Specific Relief Act,1877, Section: 21, Contracts not specifically enforceable . The following contracts cannot be specifically enforced:-
(a) a contract for the non-performance of which compensation in money is an adequate relief;
(b) a contract which runs into such minute or numerous details, or which is so dependent on the personal qualifications or volition of the parties, or otherwise from its nature is such, that the Court cannot enforce specific performance of its material terms;
(c) a contract the terms of which the Court cannot find with reasonable certainty;
(d) a contract which is in its nature revocable;
(e) a contract made by trustees either in excess of their powers or in breach of their trust;
(f) a contract made by or on behalf of a corporation or public company created for special purposes, or by the promoters of such company, which is in excess of its powers;
(g) a contract the performance of which involves the performance of a continuous duty extending over a longer period than three years from its date;
(h) a contract of which a material part of the subject- matter, supposed by both parties to exist, has, before it has been made, ceased to exist.

৫,৩৭৭.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে "ভৌত বা ফরেনসিক সাক্ষ্য" এর মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. রক্ত, বীর্য, চুল
  2. ডিএনএ, আঙুলের ছাপ
  3. ডিজিটাল ভার্সাটাইল ডিস্ক
  4. আইরিস ইমপ্রেশন, পায়ের ছাপ
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩ অনুসারে, "ভৌত বা ফরেনসিক সাক্ষ্য" (Physical or Forensic Evidence) বলতে এমন উপাদান বা বস্তু বোঝায় যা রক্ত, বীর্য, চুল, ডিএনএ, আঙুলের ছাপ, পায়ের ছাপ, আইরিস ইমপ্রেশন, শরীরের উপাদান, অঙ্গ বা অঙ্গের অংশ ইত্যাদি, যা কোনো অপরাধের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে বা কোনো তথ্য প্রমাণ বা অপ্রমাণ করে।
- ডিজিটাল ভার্সাটাইল ডিস্ক (ডিভিডি) একটি ডিজিটাল রেকর্ড হিসেবে বিবেচিত হয়, যা ধারা ৩-এর অধীনে "দলিলি সাক্ষ্য" (Documentary Evidence) হিসেবে গণ্য, কিন্তু ভৌত বা ফরেনসিক সাক্ষ্যের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত নয়।

- অন্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
ক) রক্ত, বীর্য, চুল: এগুলো ফরেনসিক সাক্ষ্যের অংশ, কারণ এগুলো অপরাধের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করতে পারে।
খ) ডিএনএ, আঙুলের ছাপ: এগুলো ফরেনসিক সাক্ষ্যের সুস্পষ্ট উদাহরণ।
ঘ) আইরিস ইমপ্রেশন, পায়ের ছাপ: এগুলোও ফরেনসিক সাক্ষ্যের অংশ, কারণ এগুলো অপরাধী বা অপরাধের সাথে সংযোগ স্থাপন করতে পারে।
---------
⇒ The Evidence Act,1872, Section-3(3) all materials or objects relating to blood, semen, hair, all body material, organ or part of organ, Deoxyribo Nucleic Acid (DNA), finger impression, palm impression, iris impression and foot print or any other similar material or object which may- (i) establish that an offence has been committed or establish a link or relation between an offence and its victim or an offence and its offender; and
(ii) prove or disprove a fact:
such materials or objects are called physical or forensic evidence.]

⇒ [“Digital record" or “electronic record” means any record, data or information generated, prepared, sent, received or stored in magnetic or electro-magnetic, optical, computer memory, micro film, computer generated micro fiche including audio, video, Digital Versatile Disc or Digital Video Disc (DVD), records of Closed Circuit Television (CCTV), drone data, records from cell phone, hardware, software or any other digital device as defined in Digital Security Act, 2018 (Act No. 46 of 2018)]

৫,৩৭৮.
সরকারী সম্পত্তিতে সুখাধিকার (Easements) অর্জিত হয় অব্যাহতভাবে কত বছর ব্যবহার করলে?
  1. ৩০ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ৪০ বছর
  4. ৬০ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ২৬ অনুসারে, সরকারি সম্পত্তিতে সুখাধিকার (Easements) অর্জিত হওয়ার জন্য ৬০ বছর পর্যন্ত অব্যাহতভাবে ব্যবহার করতে হয়।
ধারা ২৬(২) অনুযায়ী, যেখানে কোনো সুখাধিকার সরকারি সম্পত্তির ওপর দাবি করা হচ্ছে, সেখানে ২০ বছরের পরিবর্তে ৬০ বছর ওই সুখাধিকার শান্তিপূর্ণভাবে ও অব্যাহতভাবে ভোগ করতে হবে।
এটি একটি বিশেষ বিধান, যা সরকারি সম্পত্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য এবং সাধারণ সম্পত্তির ক্ষেত্রে এটি ২০ বছর থাকে।

উল্লেখযোগ্য শর্ত:
শান্তিপূর্ণ ও অব্যাহত ব্যবহার: অধিকারটি ভোগ করা হয়েছে অব্যাহতভাবে এবং শান্তিপূর্ণভাবে।
সরকারি সম্পত্তি: সরকারি জমিতে সুখাধিকার অর্জন করতে হলে ৬০ বছরের পরিসর অতিক্রম করতে হবে।
- অর্থাৎ সরকারি সম্পত্তিতে সুখাধিকার অর্জিত হয় ৬০ বছর অব্যাহতভাবে ব্যবহার করার মাধ্যমে।

তামাদি আইন, ১৯০৮ ধারা ২৬ এ বলা আছে,
যে ক্ষেত্রে কোন দালানে আলো বা বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার সুখাধিকার হিসাবে এবং অধিকার হিসাবে অব্যাহতভাবে বিশ (২০) বৎসর যাবত শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ করা হয়েছে, এবং কোন পথ বা জলস্রোত অথবা কোন পানির ব্যবহার অথবা অন্য যে কোন সুখাধিকার (ইতিবাচক, নেতিবাচক যাই হোক না কেন) কোন ব্যক্তি সুখাধিকার ও অধিকার হিসাবে তাতে স্বত্ব দাবি করে অব্যাহতভাবে এবং বিশ (২০) বৎসর যাবত শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করেছে, সেক্ষেত্রে অনুরূপ আলো-বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার, পথ, জলস্রোত, পানির ব্যবহার অথবা অন্য কোন সুখাধিকার নিরঙ্কুশ ও অলঙ্ঘনীয় অধিকারে পরিণত হবে।
উল্লেখ্য যে, সরকারি কোন সম্পত্তিতে সুখাধিকার অর্জন করতে হলে উক্ত অধিকার একটানা ৬০ বছর ধরে ভোগ করতে হবে। সরকারি কোন সম্পত্তি ছাড়া অন্য কোন সম্পত্তিতে সুখাধিকার অর্জন করতে হলে উক্ত জমি টানা ২০ বছর ধরে ভোগ করতে হবে।

Section 26: Acquisition of right to easements-
(1) Where the access and use of light or air to and for any building have been peaceably enjoyed therewith as an easement, and as of right, without interruption, and for twenty years, and where any way or watercourse, or the use of any water, or any other easement (whether affirmative or negative) has been peaceably and openly enjoyed by any person claiming title thereto as an easement and as of right without interruption, and for twenty years, the right to such access and use of light or air, way, water-course, use of water, or other easement shall be absolute and indefeasible.
Each of the said periods of twenty years shall be taken to be a period ending within two years next before the institution of the suit wherein the claim to which such period relates is contested.
(2) Where the property over which a right is claimed under sub-section (1) belongs to the Government, that sub-section shall be read as if for the words “twenty years” the words “sixty years” were substituted.
Explanation - Nothing is an interruption within the meaning of this section, unless where there is an actual discontinuance of the possession or enjoyment by reason of an obstruction by the act of some person other than the claimant, and unless such obstruction is submitted to or acquiesced in for one year after the claimant has notice thereof and of the person making or authorising the same to be made.
৫,৩৭৯.
যদি কোনো ব্যক্তির সম্মতি অযাচিত প্রভাবে আদায় করা হয়, তাহলে চুক্তিটি-
  1. বৈধ
  2. বাতিল
  3. বাতিলযোগ্য
  4. ন্যায়সঙ্গত
ব্যাখ্যা
The Contract Act, 1872 এর ধারা ১৯ক: অযাচিত প্রভাবে সম্মতি আদায় – চুক্তি বাতিলের ক্ষমতা:
যদি কোনো চুক্তিতে এক পক্ষের সম্মতি অযাচিত প্রভাবে (Undue Influence) আদায় করা হয়, তাহলে চুক্তিটি ঐ পক্ষের জন্য বাতিলযোগ্য (voidable) হয়ে যায়। অর্থাৎ, যে পক্ষকে চাপ বা প্রভাব খাটিয়ে সম্মতি দেওয়া হয়েছে, সে চাইলেই চুক্তিটি বাতিল করতে পারে। অথবা যদি ঐ পক্ষ চুক্তি থেকে কোনো সুবিধা পেয়ে থাকে, তবে আদালত এমন শর্তে সেটি বাতিল করতে পারে, যা ন্যায়সঙ্গত বলে মনে করে।

উদাহরণ (Illustrations)-
(a) A-র ছেলে B-র নাম জাল করে প্রোমিসরি নোট তৈরি করে। B, A-র ছেলেকে মামলায় জড়ানোর ভয় দেখিয়ে, A থেকে সেই জাল নোটের টাকা বাবদ একটি বন্ধ লিখিয়ে নেয়। এই অবস্থায়, আদালত ঐ বন্ধ বাতিল করতে পারে।

(b) A একজন মহাজন। সে B নামক একজন কৃষককে ১০০ টাকা ধার দেয়। কিন্তু অপ্রত্যাশিত প্রভাব খাটিয়ে B-কে ২০০ টাকার একটি বন্ধ লিখিয়ে নেয়, যাতে ৬% মাসিক সুদের শর্ত থাকে। আদালত ঐ বন্ধ বাতিল করতে পারে এবং B-কে শুধু ১০০ টাকা উপযুক্ত হারে সুদসহ ফেরতের নির্দেশ দিতে পারে।
৫,৩৮০.
শুনানির দিন শুধুমাত্র বিবাদী হাজির হয়ে বাদীর দাবীর কোন অংশ স্বীকার করে নিলে, আদালত কি আদেশ দিতে পারে?
  1. সম্পূর্ণ মোকদ্দমা খারিজ করতে পারেন
  2. বিবাদীর বিরুদ্ধে স্বীকৃত অংশের অনুপাতে ডিক্রি দিবেন এবং বাদীর অবশিষ্ট দাবি সম্পর্কে মোকদ্দমা খারিজ করতে পারেন
  3. সম্পূর্ণ মোকদ্দমা এক তরফা নিষ্পত্তি করতে পারেন
  4. স্বীকৃত অংশের অনুপাতে ডিক্রি দিবেন এবং বাদীর অবশিষ্ট দাবি সম্পর্কে মোকদ্দমা স্থগিত করতে পারেন
ব্যাখ্যা
আদেশ-৯, বিধি-৮: শুনানির দিন বিবাদী উপস্থিত, কিন্তু বাদী অনুপস্থিত-

যদি শুনানির দিন বিবাদী হাজির হয় কিন্তু বাদী হাজির না হয়, সেক্ষেত্রে বিবাদী বাদীর দাবী বা উহার কোন অংশ স্বীকার না করলে, আদালত মামলা খারিজের (dismissal) আদেশ দিবেন। বিবাদী যদি বাদীর দাবি বা উহার অংশ স্বীকার করে নেয়, তবে আদালতে সে অনুপাতে বিবাদীর বিরুদ্ধে ডিক্রি দিবেন এবং বাদীর অবশিষ্ট দাবি সম্পর্কে মামলা খারিজের (dismissal) আদেশ দিবেন।

• ৮ বিধির অধীন খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে বাদীর প্রতিকারঃ
১. মোকদমা খারিজ আদেশ বাতিলের [For setting aside the order of dismissal] জন্য ৯ বিধির অধীন আবেদন করতে পারে;
২. খারিজ আদেশ সরাসরি বাতিলের [Directly Setting aside dismissal] জন্য ৯ক বিধির অধীন আবেদন করতে পারে।

• ৮ বিধির অধীন মোকদ্দমা খারিজ হলে, বাদী উক্ত একই কারণে নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে না।
৫,৩৮১.
যদি কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক না হয়, তবে নির্জন কারাবাসের মেয়াদ সর্বাধিক কত হতে পারে?
  1. ১৪ দিন
  2. ১ মাস
  3. ২ মাস
  4. ৩ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ৭৩ ধারার অনুযায়ী, যদি কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের বেশি না হয়, তবে আদালত সেই দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে নির্জন কারাবাসে রাখতে পারে সর্বাধিক এক মাস পর্যন্ত।

⇒ দণ্ডবিধির ৭৩ ধারার বিধান, নির্জন কারাবাস:- যদি কোন ব্যক্তিকে এমন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত করা হয়, যে অপরাধের জন্য আদালত এই আইনবলে তাকে সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারেন তবে, আদালত তার দণ্ডাজ্ঞার মাধ্যমেই আদেশ করতে পারবেন যে অপরাধীকে তার বিরুদ্ধে প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদের কোন অংশবিশেষের বা কয়েকটি অংশের জন্য-যা সর্বসাকুল্যে তিন মাসের বেশি হতে পারবে না-নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কতসময়ের জন্য অপরাধীকে নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে তা নিম্নে নির্দেশ করা যাচ্ছে: কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক না হলে অনধিক এক মাস পর্যন্ত; কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক কিন্তু এক বৎসরের অনধিক হলে অনধিক দুই মাস পর্যন্ত; কারাদণ্ডের মেয়াদ এক বৎসরের অধিক হলে অনধিক তিন মাস পর্যন্ত।

⇒ দণ্ডবিধির ৭৪ ধারার বিধান, নির্জন কারাবাসে সাজার সীমা:- নির্জন কারাবাস আদেশ কার্যকরীকরণে অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদ কোন ক্ষেত্রেই একাদিক্রমে ১৪ দিনের বেশি হবে না এবং কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদও কারাবাসের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না; প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ তিন মাসের বেশি হলে প্রদত্ত কারাদণ্ডের সমগ্র মেয়াদের মধ্যে কোন এক মাসে নির্জন কারাবাসের মেয়াদ সাত দিনের বেশি হবে না এবং অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860 Section 73: Solitary confinement:
 Whenever any person is convicted of an offence for which under this Code the Court has power to sentence him to rigorous imprisonment, the Court may, by its sentence, order that the offender shall be kept in solitary confinement for any portion or portions of the imprisonment to which he is sentenced, not exceeding three months in the whole, according to the following scale, that is to say
a time not exceeding one month if the term of imprison-ment shall not exceed six months:  
a time not exceeding two months if the term of imprisonment shall exceed six months and shall not exceed one year: 
a time not exceeding three months if the term of imprisonment shall exceed one year.

⇒ The Penal Code, 1860 Section 74: Limit of solitary confinement:
 In executing a sentence of solitary confinement, such confinement shall in no case exceed fourteen days at a time, with intervals between the periods of solitary confinement of not less duration than such periods, and when the imprisonment awarded shall exceed three months, the solitary confinement shall not exceed seven days in any one month of the whole imprisonment awarded, with intervals between the periods of solitary confinement of not less duration than such periods.

৫,৩৮২.
বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৯(২) অনুসারে, বাক-স্বাধীনতা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতার উপর আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধের ক্ষেত্রে নিচের কোন বিষয়টি উল্লেখ নেই?
  1. জনশৃঙ্খলা
  2. ধর্মীয় স্বাধীনতা
  3. রাষ্ট্রের নিরাপত্তা
  4. আদালত-অবমাননা
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৯(২) এ বাক-স্বাধীনতা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতার উপর নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ আরোপের বিধান রয়েছে: রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতা, আদালত-অবমাননা, মানহানি, অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা। 
তবে ধর্মীয় স্বাধীনতা এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত নয়। ধর্মীয় স্বাধীনতা সংবিধানের অন্য অনুচ্ছেদে (৪১ নং অনুচ্ছেদ) স্বতন্ত্রভাবে স্বীকৃত।

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৯: চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক-স্বাধীনতা:
(১) চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দান করা হইল।
(২) রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত-অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ সাপেক্ষে-
(ক) প্রত্যেক নাগরিকের বাক ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের, এবং
(খ) সংবাদপত্রের স্বাধীনতার; নিশ্চয়তা দান করা হইল। 

⇒ The Constitution of Bangladesh, Article 39: Freedom of thought and conscience, and of speech:
(1) Freedom of thought and conscience is guaranteed.
(2) Subject to any reasonable restrictions imposed by law in the interests of the security of the State, friendly relations with foreign states, public order, decency or morality, or in relation to contempt of court, defamation or incitement to an offence– 
(a) the right of every citizen to freedom of speech and expression; and
(b) freedom of the press, are guaranteed.

৫,৩৮৩.
কোন খতিয়ানে জমিদারের নাম লিপিবদ্ধ থাকে?
  1. সি. এস
  2. এস, এ
  3. বি. এস
  4. আর. এস
ব্যাখ্যা
সি.এস খতিয়ান [C.S Khatian]:
CS'র পূর্ণরূপ Cadastral Survey। Cada শব্দের অর্থ ভূখন্ড বা মাঠ। এই Survey'র মাধ্যমে প্রণীত খতিয়ানই C.S Khatian নামে পরিচিত।
- সর্বপ্রথম ১৮৮৮ সালে বর্তমান কক্সবাজার জেলার রামু থানা থেকে এ সার্ভে শুরু হয় এবং ১৯৪০ সালে দিনাজপুর জেলায় শেষ হয়।
- সি.এস খতিয়ান লম্বালম্বিভাবে লেখা থাকে।
- সি.এস খতিয়ানে জমিদারদের নাম, ভোগদখলকারী রায়তের নাম, জমির পরিমাণ, খাজনার পরিমাণ ইত্যাদি উল্লেখ আছে।
-C.S Khatian সর্বাধিক সঠিক; যা মালিকানা ও দখল উভয়ের অনুমানের প্রমাণ দেয়।
- খতিয়ানগুলোর মধ্যে এ খতিয়ান সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য। কারণ, এটি সরেজমিনে গিয়ে প্রস্তুত করা হয়েছিল।
৫,৩৮৪.
'অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগকারীকে বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা জরিমানা করতে পারে।'- The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর কত অনুচ্ছেদে বলা আছে?
  1. ২৭ অনুচ্ছেদ
  2. ৩৪ অনুচ্ছেদ
  3. ৩৬ অনুচ্ছেদ
  4. ৩৯ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
• The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর ৩৪ (৬) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী,
যদি বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল মনে করে, অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা, সে ক্ষেত্রে অভিযোগকারীকে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা জরিমানা করতে পারে।

Article- 34(6):
The Tribunal may make such order as to the costs of proceedings before it as it may deem fit; and where the Tribunal is of the opinion that a complaint made against advocate is false and vexatious, it may, in addition, and without prejudice to any other remedy available to an advocate, impose deterrent costs not exceeding a sum of five hundred taka upon the complainant, which shall be paid to the advocate as compensation.
৫,৩৮৫.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে সাক্ষীকে যে পক্ষ আদালতে হাজির করে, সেই পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তাকে কী বলে?
  1. জেরা
  2. জবানবন্দি
  3. পুনঃজেরা
  4. ক এবং খ উভয়ই 
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৩৭ অনুযায়ী: যে পক্ষ সাক্ষীকে আদালতে হাজির করে, সেই পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তাকে জবানবন্দি বা Examination-in-chief বলে।
- অন্যদিকে, বিরোধী পক্ষের প্রশ্নকে জেরা (Cross-examination) বলে।
- জেরার পর আবার হাজিরকারী পক্ষের প্রশ্নকে পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) বলে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারায় জবানবন্দি (Examination in Chief), জেরা (Cross Examination), এবং পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
- সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief]: যে পক্ষ সাক্ষীকে হাজির করে সেই পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তখন তাকে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief] বলে।
- জেরা [Cross Examination]: বিরুদ্ধ পক্ষ যখন সেই সাক্ষীকে প্রশ্ন করে, তখন তাকে জেরা বলে [Cross Examination] বলে।
- পুনঃজবানবন্দি [Re-examination]: জেরার পর সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ যদি আবার সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তবে তাকে পুনঃজবানবন্দি (Re- examination) বলে।
-------------
⇒ The Evidence Act, 1872 section 137:
- Examination-in-chief: The examination of a witness by the party who calls him shall be called his examination-in-chief.
- Cross-examination: The examination of a witness by the adverse party shall be called his cross-examination.
- Re-examination: The examination of a witness, subsequent to the cross-examination by the party who called him, shall be called his re-examination.

৫,৩৮৬.
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মামলা করতে হলে কোনটি থাকা আবশ্যক?
  1. নালিশী জমিতে বাদীর নিরংকুশ দখল
  2. নালিশী জমিতে বাদীর নিরংকুশ স্বত্ব
  3. নালিশী জমিতে বাদীর ঘরবাড়ি বা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ফসল থাকা
  4. নালিশী জমিতে বিবাদীর স্বত্ব না থাকা।
ব্যাখ্যা
♦ চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মামলায় প্রধানত বাদীর নিরংকুশ দখল বা exclusive possession প্রমাণিত হওয়া আবশ্যক। বাদীর স্বত্বের প্রশ্ন গুরুত্বপূর্ণ না। prima facie স্বত্ব থাকাই যথেষ্ট হয়।
৫,৩৮৭.
Section 3 of the Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 makes registration of Muslim marriages:
  1. Optional
  2. Mandatory
  3. Dependent on family agreement
  4. Subject to religious leaders’ consent
ব্যাখ্যা
The Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 এর ধারা ৩: বিবাহ নিবন্ধন:
“Notwithstanding anything contained in any law, custom or usage, every marriage solemnized under Muslim law shall be registered in accordance with the provisions of this Act.”

বাংলা অনুবাদ:
“যেকোনো আইন, প্রথা বা রীতিনীতিতে ভিন্ন কিছু থাকলেও, মুসলিম আইনের অধীনে সংঘটিত প্রতিটি বিবাহ এই আইনের বিধান অনুযায়ী নিবন্ধিত করতে হবে।”

⇒ ধারা ৩ অনুযায়ী,
মুসলিম আইনের অধীনে সংঘটিত প্রতিটি বিবাহ অবশ্যই নিবন্ধন করতে হবে। এই নিবন্ধন ঐচ্ছিক নয়, বরং আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক।
৫,৩৮৮.
যুগ্ম জেলা জজের রায়ের বিরুদ্ধে কোন আদালতে রিভিউ আবেদন করতে হয়?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. জেলা জজ আদালতে
  3. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতে
  4. রায় প্রদানকারী যুগ্ম জেলা জজ আদালতে
ব্যাখ্যা
• রিভিউ (Review)-
আদালত কর্তৃক কিছু নির্দিষ্ট এবং নির্দেশিত অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে বিচার পুনঃনিরীক্ষণকে রিভিউ বলে। বিচার বিভাগীয় প্রত্যেক অঙ্গে রিভিউ সম্ভব। আবেদনকৃত রিভিউ সেই আদালত পর্যালোচনা করবে যে আদালত উক্ত মামলার রায় বা ডিক্রি প্রদান করেছে।

অর্থাৎ যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছে, সেই আদালত কর্তৃক উক্ত ডিক্রি পুনরায় দেখা বা বিচারিক পর্যালোচনাকে রিভিউ বলে। উল্লিখিত ক্ষেত্রে রায় প্রদানকারী যুগ্ম জেলা জজ আদালতেই রিভিউ করতে হবে।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৪ ধারা এবং ৪৭ নং আদেশে রিভিউ সম্পর্কিত বিধান রয়েছে। ১১৪ ধারার বিধান অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৩টি ক্ষেত্রে রিভিউ আবেদন করা যায়-
i) যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা চলে কিন্তু আপিল করা হয় নাই;
ii) যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল চলেনা; এবং
iii) ক্ষুদ্র বিষয়ক আদালতে রেফারেন্স প্রদত্ত সিদ্ধান্তের বিরূদ্ধে রিভিউ আবেদন করা যায়।

⇒ রিভিউ আবেদনের শর্তসমূহ: দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৭ নং আদেশের ১ নং বিধি অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৩টি Ground-এ রিভিউ আবেদন করা যায়-
ⅰ) নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ কোন বিষয় আবিষ্কার হলে;
ii) মামলার নথিতে ভুল বা স্পষ্টত কোন ভ্রান্তি থাকলে;
iii) অন্য কোন পর্যাপ্ত কারণে রিভিউ আবেদন করা যায়।
৫,৩৮৯.
দণ্ডবিধির ৩১১ ধারায় ‘Thug’-এর জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি কী নির্ধারিত হয়েছে?
  1. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৩১১ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ ঠগ (Thug) হয়, তাহলে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড দেওয়ার বিধান রয়েছে। ঠগ হওয়ার জন্য, ব্যক্তিকে অভ্যাসগতভাবে খুন বা শিশু অপহরণ করে দস্যুতা সংঘটনের উদ্দেশ্যে মেলামেশা করতে হবে, যা ৩১০ ধারায় সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩১০ ধারায় ঠগের সংজ্ঞা (Thug) রয়েছে। খুন অথবা খুন সহকারে দস্যুতা সংঘটন অথবা শিশু অপহরণ করার উদ্দেশ্যে দুষ্টু মন নিয়ে মেলামেশা করাকে ঠগ (Thug) বলে। অর্থাৎ অভ্যাসগতভাবে কাউকে খুন বা শিশু অপহরন করে দস্যুতার উদ্দেশ্যে মেলামেশা করাকে ঠগ বলা হয়। সমস্ত ঠগই দস্যু এবং ডাকাত কিন্তু সমস্ত দস্যু বা ডাকাত ঠগ নয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩১১ ধারার বিধান ঠগের শাস্তি:-কোন ব্যক্তি যদি ঠগ হয়, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
------------------
⇒ The Penal Code, 1860: Section 310: Thug:
-Whoever, at any time after the passing of this Act, shall have been habitually associated with any other or others for the purpose of committing robbery or child-stealing by means of or accompanied with murder, is a thug.
⇒ The Penal Code, 1860: Section 311:Punishment:
- Whoever is a thug, shall be punished with imprisonment for life, and shall also be liable to fine.

৫,৩৯০.
'ক' তার স্ত্রী 'খ' কে তার বাবার বাড়ি থেকে এক লক্ষ টাকা এনে দিতে বলে।'খ' রাজি না হওয়ায়, 'ক' রাগান্বিত হয়ে 'খ' এর মাথায় রড দিয়ে বাড়ি দেয়, যার দরুণ 'খ' এর মাথা ফেটে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। এক্ষেত্রে 'ক' নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে কী শাস্তি পেতে পারে?
  1. সর্বোচ্চ ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  2. সর্বোচ্চ ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. সর্বোচ্চ ১২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. সর্বোচ্চ ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন,২০০০

ধারা ১১- যৌতুকের জন্য মৃত্যু ঘটানো, ইত্যাদির শাস্তি

যদি কোন নারীর স্বামী অথবা স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা স্বামীর পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি যৌতুকের জন্য উক্ত নারীর মৃত্যু ঘটান বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা করেন কিংবা উক্ত নারীকে মারাত্মক জখম (grievous hurt) করেন বা সাধারণ জখম (simple hurt) করেন] তাহা হইলে উক্ত স্বামী, স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা ব্যক্তি-

(ক) মৃত্যু ঘটানোর জন্য মৃত্যুদণ্ডে বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টার জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উভয় ক্ষেত্রে উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(খ) মারাত্মক জখম (grievous hurt) করার জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অনধিক বার বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(গ) সাধারণ জখম (simple hurt) করার জন্য অনধিক তিন বৎসর কিন্তু অন্যূন এক বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
৫,৩৯১.
জেনারেল ক্লজ অ্যাক্ট, ১৮৯৭-এর ধারা ৩(৩৯) অনুসারে, "ব্যক্তি" এর সংজ্ঞায় কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. সমিতি
  2. কোম্পানি
  3. ব্যক্তি সমষ্টি
  4. মাতৃগর্ভস্থ শিশু
ব্যাখ্যা

⇒ জেনারেল ক্লজ অ্যাক্ট, ১৮৯৭-এর ধারা ৩(৩৯) অনুসারে, "ব্যক্তি" (Person) বলিতে নিগমিত হউক বা না হউক, কোনো কোম্পানি বা সমিতি অথবা ব্যক্তি বিশেষের সমষ্টিকে (body of individuals) অন্তর্ভুক্ত করিবে। অর্থাৎ, সমিতি, কোম্পানি এবং ব্যক্তি সমষ্টি এই সংজ্ঞায় স্পষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত।
- কিন্তু "মাতৃগর্ভস্থ শিশু" (unborn child) এই ধারায় সরাসরি অন্তর্ভুক্ত নয়; এটি দণ্ডবিধির ১১ ধারা বা অন্যান্য বিশেষ আইনে (যেমন: ট্রান্সফার অব প্রপার্টি অ্যাক্ট) স্বীকৃতি পায়, কিন্তু জেনারেল ক্লজ অ্যাক্ট-এর এই সাধারণ সংজ্ঞায় পড়ে না।

৫,৩৯২.
স্বামী কত বছর যাবৎ নিখোঁজ থাকলে একজন বিবাহিতা স্ত্রীলোক বিবাহ বিচ্ছেদের আবেদন করতে পারেন?
  1. ২ বছর
  2. ৪ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১২ বছর
ব্যাখ্যা
• ১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইনের ২ ধারা অনুযায়ী, স্ত্রী যেসব কারণে আদালতে তালাক চাইতে পারেন সেগুলো হলো-

⇒ চার বছর পর্যন্ত স্বামী নিরুদ্দেশ থাকলে;
⇒ দুই বছর স্বামী তার স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হলে;
⇒ স্বামীর সাত বছর কিংবা তার চেয়ে বেশি কারাদণ্ড হলে;
⇒ স্বামী কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া তিন বছর যাবত দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে;
⇒ বিয়ের সময় পুরষত্বহীন থাকলে এবং তা মামলা দায়ের করা পর্যন্ত বহাল থাকে;
⇒ স্বামী দুই বছর ধরে অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল থাকলে অথবা কুষ্ঠরোগে বা মারাত্মক যৌন ব্যধিতে আক্রান্ত থাকলে;

⇒ বিয়ে অস্বীকার করলে। অর্থাৎ যদি কোনো মেয়ের বাবা বা অভিভাবক মেয়েকে ১৮ বছর বয়স হওয়ার আগে বিয়ে দেন এবং সেই মেয়েটি ১৯ বছর হওয়ার আগে বিয়ে অস্বীকার করে বিয়ে ভেঙে দিতে পারে। তবে শর্ত হলো, মেয়েটির সঙ্গে স্বামীর দাম্পত্য সম্পর্ক (সহবাস) যদি স্থাপিত না হয়ে থাকে তখনই কেবল বিয়ে অস্বীকার করে আদালতে বিচ্ছেদের ডিক্রি চাওয়া যাবে;

⇒ স্বামী ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধান লঙ্ঘন করে একাধিক স্ত্রী গ্রহণ করলে;

⇒ স্বামীর নিষ্ঠুরতার কারণে। নিম্নলিখিত আচরণগুলো ‘নিষ্ঠুরতা’ হিসেবে গণ্য হবে-

(ক) অভ্যাসগত আচরণে স্ত্রীকে আঘাত করা (দৈহিক আঘাত ছাড়াও মানসিক আঘাতও এর অন্তর্ভুক্ত, যা তার জীবন শোচনীয় বা দুর্বিষহ করে তুলেছে);
(খ) অন্য কোনো খারাপ নারীর সঙ্গে জীবনযাপন বা মেলামেশা;
(গ) স্ত্রীকে অনৈতিক জীবনযাপনে বাধ্য করা;
(ঘ) স্ত্রীর সম্পত্তি নষ্ট করা;
(ঙ) স্ত্রীকে নিজস্ব ধর্মপালনে বাধা দেয়া;
(চ) যদি স্বামীর একাধিক স্ত্রী থাকে, তাদের সঙ্গে পবিত্র কোরআনের নির্দেশ অনুসারে সমান ব্যবহার না করা;
(ছ) এছাড়া মুসলিম আইনে বিয়েবিচ্ছেদের জন্য বৈধ বলে স্বীকৃত অন্য যে কোনো কারণে স্ত্রী পারিবারিক আদালতে বিয়ে বিচ্ছেদের দাবি করতে পারবে।
৫,৩৯৩.
কৃত অপরাধটি দণ্ডবিধির অধীন দুইটি ধারার মধ্যে কোন ধারার অন্তর্ভুক্ত, সে সম্পর্কে কোন সন্দেহ থাকলে আদালত-
  1. কার্যক্রম বাতিল করবে
  2. রায় প্রদান স্থগিত রাখবে
  3. বিকল্প রায় প্রদান করবে
  4. বিচার মুলতবি রাখবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৭(৩) ধারায় বিকল্প রায় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
 
দণ্ডবিধির অধীন দণ্ড হলে অপরাধটি উক্ত বিধির দুইটি ধারার মধ্যে কোন ধারার অন্তর্ভুক্ত, সে সম্পর্কে কোন সন্দেহ থাকলে আদালত তা স্পষ্টরুপে প্রকাশ করবে এবং বিকল্প রায় প্রদান করবে।
 
Section 367(3)- Judgment in alternative:
When the conviction is under the Penal Code and it is doubtful under which of two sections, or under which of two parts of the same section, of that Code the offence falls, the Court shall distinctly express the same, and pass judgment in the alternative.
৫,৩৯৪.
স্কুলে যাওয়ার পথে 'ক' একজন মেয়েকে ইভটিজিং করে। Penal code এর কোন ধারায় ‘ক’ শাস্তি পাবে?
  1. ৫০৮ ধারায়
  2. ৫০৯ ধারায়
  3. ৫১০ ধারায়
  4. ৫১১ ধারায়
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৫০৯ ধারা- কোন নারীর শালীনতার অমর্যাদার অভিপ্রায়ে কোন মন্তব্য, অঙ্গভঙ্গি বা কোন কার্য:
কোন ব্যক্তি যদি কোন নারীর শ্লীলতাহানির উদ্দেশ্যে সে নারী যাতে শুনতে পায় এমন কোন কথা বলে বা শব্দ করে অথবা সে নারী যাতে দেখতে পায় এমন ভাবে কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন বস্তু প্রদর্শন করে অথবা অনুরূপ নারীর গোপনীয়তা অনধিকার লঙ্ঘন করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

অর্থাৎ, পেনাল কোড এর ৫০৯ ধারায় ইভটিজিং এর শাস্তির বিধান আছে।
৫,৩৯৫.
X, Z কে একটি দেওয়ালে ঘেরা জায়গায় যেতে বাধ্য করে এবং Z কে তালাবদ্ধ করে রাখে। ফলে Z সেখানে দেওয়ালের মধ্যবর্তী নির্দিষ্ট সীমার বাইরে যেতে বাধগ্রস্থ হয় এবং ১২ দিন পর্যন্ত আটকে থাকে। X এর কৃত কাজের জন্য সে দণ্ডবিধির কোন ধারায় শাস্তি পাবে?
  1. ৩৪২ ধারায়
  2. ৩৪৩ ধারায়
  3. ৩৪৪ ধারায়
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• অবৈধ আটক বা অবরোধের শাস্তির ৩ ধরনের বিধান আছে।
(i) ৩৪২ ধারায় শুধু অবৈধ আটক বা অবরোধের শাস্তি- অনধিক ১ বছরের কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
(ii) ৩৪৩ ধারায় ৩ বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধ আটক বা অবরোধের শাস্তি- অনধিক ২ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
(iii) ৩৪৪ ধারায় ১০ বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধ আটক বা অবরোধের শাস্তি- অনধিক ৩ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।
৫,৩৯৬.
অতিরিক্ত দায়রা আদালত নিম্নলিখিত কোন ধরণের আপীল শুনতে এবং নিষ্পত্তি করতে পারে?
  1. যে সকল আপীল সরাসরি অতিরিক্ত দায়রা আদালতের নিকট দায়ের করা হয়
  2. যে সকল আপীল দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট অর্পণ করে
  3. যে সকল আপীল সরকার বিশেষ আদেশ বলে অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট অর্পণ করে
  4. খ এবং গ উভয়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪০৯ মতে- দায়রা আদালতে বা দায়রা জজের নিকট পেশকৃত আপীল দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ শ্রবণ করবেন।
• তবে শর্ত থাকে যে, অতিরিক্ত দায়রা জজ সেই আপীলেই শ্রবণ করবেন, যে গুলি সম্পর্কে সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা নির্দেশ দেন অথবা দায়রা জজ যেগুলি তার নিকট আপণ করেন।
৫,৩৯৭.
দণ্ডবিধির ৪২৬ ধারায় "অনিষ্টসাধন" এর শাস্তির মেয়াদ কত পর্যন্ত হতে পারে?
  1. ১ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ১ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪২৬ ধারার অধীন অনিষ্টসাধন (Mischief) এর শাস্তি হতে পারে ৩ মাস পর্যন্ত যেকোন বর্ণনার কারাবাস অর্থদণ্ডসহ বা উভয়।
--------------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 426. Punishment for mischief:
Whoever commits mischief shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three months, or with fine, or with both.
৫,৩৯৮.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় খুনসহ ডাকাতির শাস্তির বিধান উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ৩৯০ ধরায়
  2. ৩৯২ ধারা
  3. ৩৯৬ ধারায়
  4. ৩৯৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৩৯৬ ধারায় ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি ডাকাতি করতে গেলে এবং সে ঘটনায় কোনো একজন খুন করলে “খুনসহ ডাকাতি”-এর অপরাধে সকল ডাকাতকে শাস্তি দেওয়া যাবে যদিও তারা প্রত্যেকে খুনে অংশগ্রহণ করেনি।
♦দণ্ডবিধির ৩৯৬ ধারার বিধান খুনসহকারে ডাকাতিঃ যদি মিলিতভাবে ডাকাতি অনুষ্ঠানকালে পাচ বা ততোধিক ব্যক্তি, যে কোন একজন অনুরূপ ডাকাতি অনুষ্ঠানকালে খুন করে, তবে তাদের প্রত্যেকে মৃত্যুদণ্ডে, অথবা যাবজীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।
৫,৩৯৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির অনুযায়ী সরকারকে রাজস্ব প্রদানকারী ভূমির ক্ষেত্রে আদালত কাকে রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন?
  1. কালেক্টরকে
  2. ভূমি কর্মকর্তা
  3. জেলা ম্যাজিষ্ট্রেটকে
  4. থানা নির্বাহী অফিসারকে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪০ বিধি ৫ অনুযায়ী যে ক্ষেত্রে সরকারকে রাজস্ব দেওয়া হয় সেই সব ভূমির জন্য কালেক্টরকে রিসিভার নিয়োগ করতে পারে। 
⇒ রিসিভার নিয়োগ, অধিকার ও কর্তব্য নিয়ন্ত্রন হয় দেওয়ানী কার্যবিধি আনুসারে।
⇒ আদালত রিসিভারের পারিশ্রমিক কি পরিমাণ নির্ধারন করবে এটা আদালতের ইচ্ছাধীন।
-----------------
CPC Order-40 Rule-5.When Collector may be appointed receiver:
Where the property is land paying revenue to the Government, or land of which the revenue has been assigned or redeemed, and the Court considers that the interest of those concerned will be promoted by the management of the Collector, the Court may, with the consent of the Collector, appoint him to be receiver of such property.
৫,৪০০.
ধারা ১৭২(২) অনুযায়ী, পুলিশ ডায়েরী কীভাবে ব্যবহার করা যেতে পারে?
  1. সরাসরি প্রমাণ হিসেবে
  2. অভিযুক্তকে সাজা দিতে
  3. বিচার প্রক্রিয়ায় সহায়ক হিসেবে
  4. অভিযোগকারীর মামলা প্রতিষ্ঠিত করতে
ব্যাখ্যা

• পুলিশের তদন্তের অগ্রগতি যে ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করা হয়, সেটা হলো পুলিশী ডায়েরী। ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭২ ধারায় পুলিশ ডায়েরী সম্পর্কে বিধান করা হয়েছে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭২(১) ধারায় বলা হয়েছে-
(১) প্রতিটি পুলিশ কর্মকর্তা, যে কোনো তদন্ত পরিচালনা করছেন, প্রতিদিন তার তদন্তের অগ্রগতি একটি ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করবেন।
ডায়েরীতে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে:
- কখন তথ্য বা খবর পৌঁছেছে;
- কখন তিনি তদন্ত শুরু ও শেষ করেছেন;
- কোন কোন স্থান পরিদর্শন করেছেন;
- তদন্তের মাধ্যমে কোন কোন ঘটনা বা পরিস্থিতি তিনি শনাক্ত করেছেন তার বিবরণ;

(২) যে কোনো ফৌজদারী আদালত তদন্ত বা বিচারাধীন মামলার জন্য পুলিশ ডায়েরী চাইতে পারে। ডায়েরী সাক্ষ্য হিসেবে নয়, শুধুমাত্র মামলার তদন্ত বা বিচার প্রক্রিয়ায় সহায়ক হিসেবে ব্যবহার করা হবে। অভিযুক্ত বা তার প্রতিনিধি ডায়েরী চেয়ে পাঠাতে বা দেখতে পারবে না, শুধুমাত্র আদালতের উল্লেখের কারণে নয়।
তবে, যদি পুলিশ কর্মকর্তা নিজে স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য ডায়েরী ব্যবহার করেন, বা আদালত পুলিশ কর্মকর্তার বক্তব্যকে বিপরীত করতে ডায়েরী ব্যবহার করেন, তাহলে Evidence Act, 1872-এর ধারা ১৬১ বা ১৪৫ প্রযোজ্য হবে।