বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

মোট প্রশ্ন১৫,৪৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস (BJS) প্রস্তুতি

PrepBank · পাতা / ১৫৫ · ৩০১৪০০ / ১৫,৪৭০

৩০১.
"Culpae Paena Par Esto" শব্দমালা দ্বারা কী বোঝায়?
  1. The practice of the court is the law of the court.
  2. Let punishment be in proportion to the crime.
  3. The law pays no regard to trifling thing.
  4. One may waive a legal right existing in his favour.
ব্যাখ্যা
"Culpae Poena Par Esto"

- আইনের মূল ভিত্তিসমূহের মধ্যে "Culpae Poena Par Esto" অন্যতম।
- "Culpae Poena Par Esto" একটি Roman maxim; যার অর্থ হলো: Let the punishment fit the crime.

অর্থাৎ, অপরাধের শাস্তি অপরাধের অনুপাতেই হওয়া উচিত/অপরাধ অনুযায়ীই শাস্তি হবে।
৩০২.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় সরকারি দলিলের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ৭২ ধারা
  2. ৭৪ ধারা
  3. ৭৬ ধারা
  4. ৭৮ ধারা
ব্যাখ্যা
→ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৭৪ ধারায় সরকারি দলিল (Public Document) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
এই ধারায় বলা হয়েছে যে, যে সমস্ত দলিল সরকারিভাবে রক্ষিত থাকে এবং সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ, সরকারি সংস্থা বা ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সংরক্ষিত হয়, সেগুলো সরকারি দলিল হিসেবে গণ্য হবে।
৭৪ ধারার মূল বক্তব্য:
- সংসদের আইন, সরকারি সংস্থা বা ট্রাইব্যুনালের নথিপত্র।
- দেশি-বিদেশি আইন, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কার্যাবলির লিখিত বিবরণ।
- সরকারিভাবে সংরক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ বিবরণ।

→ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২: ৭৪ ধারার বিধান সরকারি দলিল:
নিম্নলিখিত দলিলসমূহ সরকারি দলিল (Public Documents) হিসেবে গণ্য হবে—
(১) যে সকল দলিল নিম্নলিখিত কর্তৃপক্ষ বা সংস্থার কার্যাবলির অংশ বা রেকর্ড হিসেবে গঠিত:
(i) সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের,
(ii) সরকারি সংস্থা ও ট্রাইব্যুনালের, এবং
(iii) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের বা বিদেশের কোনো অংশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় সরকারি কর্মকর্তার।
(২) বাংলাদেশে সরকারিভাবে সংরক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ রেকর্ড।
--------
⇒ The Evidence Act, 1872: Section- 74. Public documents:
The following documents are public documents:– 
(1) documents forming the acts or records of the acts- 
(i) of the sovereign authority, 
(ii) of official bodies and tribunals, and 
(iii) of public officers, legislative, judicial and executive of any part of Bangladesh or of the Commonwealth, or of a foreign country; 
(2) public records kept in Bangladesh of private documents.
৩০৩.
বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ১০ অনুসারে, বার কাউন্সিল কোন কার্যটি করবে?
  1. বার কাউন্সিলের ফান্ড ব্যবস্থাপনা করা
  2. বার কাউন্সিলের সদস্যদের নির্বাচনের আয়োজন
  3. আইনজীবীদের পেশাগত আচরণের স্ট্যান্ডার্ড নির্ধারণ
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ-১০: বার কাউন্সিলের কতিপয় কার্যাবলী-
১. অ্যাডভোকেট তালিকাভুক্তি করা এবং এই উদ্দেশ্যে পরীক্ষা নেয়া, সনদ প্রদান, তালিকাভুক্তি থেকে বাদ দেয়া;
২. এরূপ তালিকা প্রণয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ করা;
৩. অ্যাডভোকেটদের পেশাগত আচার আচরণ ও নৈতিকতা নির্ধারণ করা;
৪. অ্যাডভোকেটদের বিরুদ্ধে পেশাগত অসদাচরণের অভিযোগের বিচার ও শাস্তি দেওয়া;
৫. তালিকাভুক্ত অ্যাডভোকেটগণের সুযোগ-সুবিধা ও স্বার্থ রক্ষা করা;
৬. বার কাউন্সিল ফান্ডের ব্যবস্থা করা;
৭. সদস্যদের নির্বাচনের আয়োজন করা;
৮. অনুসরণযোগ্য বিধি প্রণয়ন করা;
৯. আইন শিক্ষার উন্নয়ন করা;
১০. অন্যান্য অনুমোদিত ও সহায়ক যাবতীয় কার্যাবলী সম্পাদন করা।
----------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 Article-10:
-Subject to the provisions of this Order and the rules made thereunder the functions of the Bar Council shall be-
(a) to admit persons as advocates on its roll, to hold examinations for purposes of admission, and to remove advocates from such roll;
(b) to prepare and maintain such roll;
(c) to lay down standard of professional conduct and etiquette for advocates;
(d) to entertain and determine cases of misconduct against advocates on its roll and to order punishment in such cases;
(e) to safeguard the rights, privileges and interests of advocates on its roll;
(f) to manage and invest the funds of the Bar Council;
(g) to provide for the election of its members;
(h) to lay down the procedure to be followed by its committees;
(i) to promote legal education and to lay down the standards to such education in consultation with the universities in Bangladesh imparting such education;
(j) to perform all other functions conferred on it by or under this Order;
(k) to do all other things necessary for discharging the aforesaid functions.
৩০৪.
মৌখিক কুৎসার দ্বারা মানহানির জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ২৫ অনুযায়ী, মৌখিক কুৎসার [Slander] দ্বারা মানহানির জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা দায়ের করার জন্য তামাদির মেয়াদ হল ১ বছর।
- এটি মূলত নির্ধারণ করে যে, যদি কেউ অন্যের বিরুদ্ধে মৌখিক কুৎসা রটায় বা অপবাদ দেয়, এবং এর ফলে কোনো ধরনের মানহানি বা ক্ষতি ঘটে, তবে ক্ষতিপূরণের মামলা কুৎসামূলক কথা বলার তারিখ থেকে ১ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হবে।
- যদি সেই কুৎসামূলক কথা নালিশযোগ্য না হয়, তবেও তবে যদি বিশেষ ক্ষতি ঘটে, তার ফলস্বরূপ ১ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করা যাবে।
৩০৫.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে কোনো প্রসেস (Process) জারি হলে তার খরচ কে বহন করবে?
  1. সরকার
  2. বিবাদী পক্ষ
  3. আদালত স্বয়ং
  4. প্রসেস প্রেরণকারী পক্ষ
ব্যাখ্যা

​⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি ORDER XLVIII (Miscellaneous), Rule 1(1) অনুযায়ী: কোনো প্রসেস (যেমন সমন, নোটিশ, আদেশ ইত্যাদি) জারি করা হলে তার খরচ সেই পক্ষকে বহন করতে হবে, যার পক্ষে প্রসেসটি জারি করা হয়েছে, অর্থাৎ প্রসেস প্রেরণকারী পক্ষ।

​⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮-এর অর্ডার XLVIII, বিধি ১(১) অনুযায়ী স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে:
"Every process issued under this Code shall be served at the expense of the party on whose behalf it is issued, unless the Court otherwise directs."
অর্থাৎ, যে পক্ষের পক্ষে প্রসেস (যেমন সমন, নোটিশ, ওয়ারেন্ট ইত্যাদি) জারি করা হয়, সেই পক্ষই প্রসেস পরিবেশনের খরচ বহন করবে।
তবে আদালত বিশেষ ক্ষেত্রে অন্যথায় নির্দেশ দিতে পারে (যেমন দরিদ্র পক্ষের জন্য খরচ মওকুফ করা)।

⇒ ​দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮-এর অর্ডার XLVIII, বিধি ১(১) অনুসারে, কোনো প্রসেস (Process) জারি করা হলে তার খরচ সেই পক্ষকে বহন করতে হবে যার পক্ষে প্রসেসটি জারি করা হয়েছে, যদি না আদালত অন্যথা নির্দেশ দেয়। এর মানে হলো, যে পক্ষ (বাদী বা বিবাদী) প্রসেস জারির আবেদন করে, তাকে সাধারণত প্রসেস পরিবেশনের খরচ বহন করতে হবে। তবে, আদালতের বিশেষ নির্দেশ থাকলে এই খরচের দায়িত্ব অন্য কোনো পক্ষের উপর অর্পিত হতে পারে।
অধিকন্তু, অর্ডার XLVIII, বিধি ১(২) অনুসারে, প্রসেস পরিবেশনের জন্য প্রয়োজনীয় কোর্ট ফি প্রসেস জারির আগে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে। এটি নিশ্চিত করে যে প্রসেস জারির প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয় এবং আদালতের কার্যক্রমে কোনো বিলম্ব না হয়।

৩০৬.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ অনুযায়ী কমিশনের সভার কোরাম গঠনের জন্য ন্যূনতম কতজন কমিশনারের উপস্থিতি প্রয়োজন?
  1. একজন
  2. দুইজন
  3. তিনজন
  4. চারজন
ব্যাখ্যা

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ১৪(৪) অনুসারে, কমিশনের সভার কোরাম গঠনের জন্য চেয়ারম্যানসহ ন্যূনতম দুইজন কমিশনারের উপস্থিতি প্রয়োজন।

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ১৪-কমিশনের সভা:
(১) এই ধারার অন্যান্য বিধানাবলী সাপেক্ষে, কমিশন উহার সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করিতে পারিবে৷
(২) কমিশনের সকল সভা চেয়ারম্যান কর্তৃক নির্ধারিত স্থান ও সময়ে অনুষ্ঠিত হইবে৷
(৩) চেয়ারম্যান কমিশনের সকল সভায় সভাপতিত্ব করিবেন এবং তাঁহার অনুপস্থিতিতে চেয়ারম্যান কর্তৃক মনোনীত কোন কমিশনার সভায় সভাপতিত্ব করিবেন৷
(৪) চেয়ারম্যানসহ দুই জন কমিশনারের উপস্থিতিতে সভার কোরাম গঠিত হইবে৷

৩০৭.
'ক', 'খ' এর বিরুদ্ধে সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করেছে। মোকদ্দমার মূল্যমান অনুযায়ী মোকদ্দমাটি সহকারী জজ আদালতে দায়ের করতে হবে। সিনিয়র সহকারী জজ আরজিটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে দাখিলের জন্য ফেরত পাঠায়। এক্ষেত্রে 'ক' এর প্রতিকার কী?
  1. কোনো প্রতিকার নেই
  2. শুধুমাত্র ফেরতের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপীল করতে পারে
  3. শুধুমাত্র এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে আরজি পুনরায় দাখিল করতে পারে
  4. সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপীল বা এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে আরজি পুনরায় দাখিল করতে পারে
ব্যাখ্যা
• এই ক্ষেত্রে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে আরজিটি পুনরায় দাখিল করতে পারেন বা আরজি ফেরতের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপীল করতে পারেন।

আরজি ফেরত:

দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ আদেশের বিধি-১০ অনুযায়ী, আরজি ফেরত অর্থ হলো এখতিয়ারবিহীন আদালতে আরজি দাখিল করলে, আরজিটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে দাখিলের জন্য ফেরত দেওয়া। যদি এমন কোন আদালতে আরজি দাখিল করা হয় যে আদালতের উক্ত মোকদ্দমার বিচার করার আর্থিক বা আঞ্চলিক এখতিয়ার নেই, তখন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে আরজিটি দাখিলের জন্য আদালত ফেরত দিতে পারে। মোকদ্দমার যেকোন পর্যায়ে আদালত আরজি ফেরতের আদেশ দিতে পারে।

আরজি ফেরত আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার হলো-
১. বাদী আরজিটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে পুনরায় দাখিল করতে পারে বা
২. আরজি ফেরত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল দায়ের করতে পারে। কারণ দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৩ আদেশের ১ (ক) বিধি অনুযায়ী আরজি ফেরতের সিদ্ধান্ত একটি আপীলযোগ্য আদেশ।
৩০৮.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে কয়টি বিভাগ রয়েছে?
  1. ৪ টি
  2. ৫ টি
  3. ৩ টি
  4. ২ টি
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে ৩টি বিভাগ উল্লেখ করা হয়েছে। এই ৩টি বিভাগে ৩ ধরণের বিষয়ের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রথম বিভাগ (First Division)
মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling suits] 
অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯ পর্যন্ত।

দ্বিতীয় বিভাগ (Second Division)
আপীল দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling appeals]
অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭ পর্যন্ত।

তৃতীয় বিভাগ (Third Division)
বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling applications and petitions]
অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩ পর্যন্ত।
৩০৯.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারার ক্ষমতাবলে ম্যাজিস্ট্রেট নিজে কোনো ব্যক্তিকে আটক করতে পারে?
  1. ৬৩
  2. ৬৬
  3. ৫৪
  4. ৬৫
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৬৫ ধারার বিধান: কোন ম্যাজিষ্টেট তার উপস্থিতিতে ও তাহর এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে যে কোন সময়ে এরূপ যে কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে অথবা গ্রেফতারের নির্দেশ দিতে পারবেন, যাকে গ্রেফতারের জন্য তিনি উক্ত সময়ে ক্ষমতাবান, এবং পরিস্থিতি অনুসারে পরোয়ানা জারী করতে পারবেন।
৩১০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩২ ধারা অনুযায়ী সর্বোচ্চ পাঁচ বৎসরের কারাদণ্ড এর সাজা দিতে পারেন কে?
  1. বিষেশ ক্ষমতা প্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট
  2. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
  4. তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
ধারা-৩২ঃ ম্যাজিস্ট্রেটগণ যে দণ্ড দিতে পারেন।- (১) ম্যাজিস্ট্রেটগণের আদালতসমূহ নিম্নলিখিত দণ্ড দিতে পারেন; যথাঃ

(ক) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতঃ আইনে অনুমোদিত পরিমাণ নিঃসঙ্গে অবরোধসহ পাঁচ বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড; দশ হাজার টাকার অনধিক জরিমানা; বেত্রদণ্ড।

(খ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতঃ আইনে অনুমোদিত পরিমাণ নিঃসঙ্গ অবরোধসহ তিন বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড; পাঁচ হাজার টাকার অনধিক জরিমানা।

(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতঃ দুই বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড; দুই হাজার টাকার অনধিক জরিমানা।

(২) যেকোন ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত আইন দ্বারা যেই সকল দণ্ডদানের ক্ষমতা লাভ করিয়াছেন, সেই সকল দণ্ডের মধ্যে একটির সহিত অপরটি যুক্ত যেকোন আইনসঙ্গত দণ্ড দিতে পারেন।

----------------------
Sec.32: Sentences which Magistrates may pass (1) The Courts of Magistrates may pass the following sentences  namely:-
(a) Courts of Metropolitan Magistrates and of Magistrates of the first class: Imprisonment for a term not exceeding "five years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding "ten thousand taka; Whipping.

(b) Courts of Magistrates of the second class: Imprisonment for a term not exceeding "three years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding "five thousand taka;
(c) Courts of Magistrates of the third class: Imprisonment for a term not exceeding two year; Fine not exceeding two thousand taka.

(2) The Court of any Magistrate may pass any lawful sentence, combining any of the sentences which it is authorized by law to pass.
৩১১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারা অনুযায়ী, চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করার জন্য চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য কখন আদালতে জমা দিতে হবে?
  1. মামলার রায় ঘোষণার পূর্বে
  2. মোকদ্দমা দায়েরের সময়
  3. হস্তান্তর সম্পন্ন হওয়ার পর
  4. আদালতের নির্দেশে যেকোনো সময়
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ২১ক(খ)-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করার মামলায় চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য (balance amount of consideration) মোকদ্দমাটি রুজু/দায়েরের কালে (at the time of filing the suit) আদালতে জমা দিতে হবে। এটি চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যকারিতার জন্য বাধ্যতামূলক শর্ত।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারার বিধান অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে অকার্যকরযোগ্য: এই আইন কিংবা বিদ্যমান অন্য কোন আইন বিপরীত কোন বিধান থাকলেও কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রিয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য হবে না, যদি না-
(ক) চুক্তিটি লিখিত এবং ১৯০৮ সালের চুক্তি আইনের অধীন রেজিস্ট্রেশন হয়, হস্তান্তর গ্রহীতা ঐ সম্পত্তির কিংবা তার কোন অংশ দখল গ্রহণ করুক বা না করুক; এবং
(খ) চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করার নিমিত্ত চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মোকদ্দমাটি রুজুর কালে আদালতে জমা দেয়া হয়।
---------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Section 21A Unregistered contract for sale not specifically enforceable: Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act or any other law for the time being in force, no contract for sale of any immovable property can be specifically enforced unless– 
(a) the contract is in writing and registered under the Registration Act, 1908, whether or not the transferee has taken possession of the property or any part thereof; and 
(b) the balance amount of consideration of the contract is deposited in the court at the time of filing the suit for specific performance of the contract.

৩১২.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় “স্বেচ্ছায়” (Voluntarily) শব্দটির সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৩৭
  2. ধারা ৩৮
  3. ধারা ৩৯
  4. ধারা ৪০
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩৯ অনুসারে, “স্বেচ্ছায়” (Voluntarily) শব্দটির সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি তখনই কোনো ফলাফল “স্বেচ্ছায়” ঘটায় যখন সে:
- ইচ্ছাকৃতভাবে সেই ফলাফল ঘটানোর উদ্দেশ্যে কাজ করে, অথবা
- এমন উপায় ব্যবহার করে যা সম্পর্কে সে জানে বা বিশ্বাস করার যুক্তিসঙ্গত কারণ রয়েছে যে, তা সেই ফলাফল ঘটাতে পারে।
------- 
⇒ The Penal Code, 1860: Section 39. “Voluntarily”
- A person is said to cause an effect "voluntarily" when he causes it by means whereby he intended to cause it, or by means which, at the time of employing those means, he knew or had reason to believe to be likely to cause it.
Illustration:
A sets fire, by night, to an inhabited house in a large town, for the purpose of facilitating robbery and thus causes the death of a person. Here, A may not have intended to cause death, and may even be sorry that death has been caused by his act: yet, if he knew that he was likely to cause death, he has caused death voluntarily.

৩১৩.
'Beneficiary' কাকে বলা হয়?
  1. যে ব্যক্তি উইল তৈরি করেন
  2. যে ব্যক্তি উইল কার্যকর করেন
  3. যে ব্যক্তি উইলের মাধ্যমে সুবিধা লাভ করে
  4. যে ব্যক্তি উইলের মাধ্যমে সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়
ব্যাখ্যা

উইল (testament) বা অছিয়ত হলো ভবিষ্যৎ দান। কোন ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার রেখে যাওয়া সম্পত্তি বা সম্পত্তির মুনাফা কিভাবে বিলি-বন্টন করা হবে তা তার মৃত্যুর পূর্বেই লিখিত বা মৌখিকভাবে নির্ধারণ করে যাওয়ার আইন সম্মত ঘোষণাই হলো উইল বা অছিয়ত।

Testator-
যে ব্যক্তি উইল তৈরি করে, অর্থাৎ যিনি মৃত্যুর পর নিজের সম্পত্তি কাকে কী দেবেন, তা নির্ধারণ করেন।

Beneficiary-
যে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান উইলের মাধ্যমে সম্পত্তি বা উপকার লাভ করে। উইলের মাধ্যমে যার নামে সম্পত্তি বা অন্য কোনো সুবিধা (উপহার, টাকা, জমি ইত্যাদি) নির্দিষ্ট করা হয়, তিনি উইলের সুবিধাভোগী বা Beneficiary। Beneficiary উইলদাতার (Testator) মৃত্যুর পর উইল কার্যকর হলে সম্পত্তি গ্রহণের অধিকার লাভ করেন। একজন উইলে একাধিক Beneficiary থাকতে পারেন।

Heir-
উইল না থাকলে যে ব্যক্তি শরিয়ত বা উত্তরাধিকার আইনে সম্পত্তি লাভ করে।

Executor-
যিনি Testator-এর মৃত্যুর পর উইলের শর্ত অনুযায়ী সম্পত্তি বিতরণ করেন।

৩১৪.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে "ডিজিটাল রেকর্ড" বা "ইলেকট্রনিক রেকর্ড" এর অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. ড্রোন ডেটা
  2. সিসিটিভি ফুটেজ
  3. মোবাইল ফোন রেকর্ড
  4. ডিঅক্সিরাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩ অনুসারে, "ডিজিটাল রেকর্ড" বা "ইলেকট্রনিক রেকর্ড" বলতে বোঝায় যেকোনো রেকর্ড, ডেটা বা তথ্য যা ম্যাগনেটিক, ইলেকট্রো-ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল, কম্পিউটার মেমরি, মাইক্রো ফিল্ম, কম্পিউটার জেনারেটেড মাইক্রো ফিচে ইত্যাদি মাধ্যমে উৎপন্ন, প্রস্তুত, পাঠানো, গৃহীত বা সংরক্ষিত হয়। এতে অন্তর্ভুক্ত: অডিও, ভিডিও, ডিভিডি, সিসিটিভি রেকর্ডস, ড্রোন ডেটা, সেল ফোন রেকর্ডস, হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার বা অন্যান্য ডিজিটাল ডিভাইস (ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন, ২০১৮ অনুসারে সংজ্ঞায়িত)।

অপশন ক, খ এবং গ (ড্রোন ডেটা, সিসিটিভি ফুটেজ, মোবাইল ফোন রেকর্ড) সকলই এই সংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত, কারণ এগুলো ইলেকট্রনিক/ডিজিটাল মাধ্যমে সংরক্ষিত ডেটা।
কিন্তু ঘ) ডিঅক্সিরাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড (DNA) একটি জৈবিক উপাদান (বডি ম্যাটেরিয়াল), যা ডিজিটাল রেকর্ডের সংজ্ঞায় অন্তর্ভুক্ত নয়। এটি পরিবর্তে ধারা ৩-এ "ফিজিক্যাল বা ফরেনসিক সাক্ষ্য"-এর অংশ, যেখানে রক্ত, সেমেন, চুল, অঙ্গ বা DNA-সম্পর্কিত উপাদানগুলো অপরাধ প্রমাণ বা অস্বীকারের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- DNA ডিজিটাল ডিভাইস বা ইলেকট্রনিক স্টোরেজের মাধ্যমে সংজ্ঞায়িত নয়, বরং এটি একটি শারীরিক বা জেনেটিক উপাদান যা ফিজিক্যাল বা ফরেনসিক সাক্ষ্য।

৩১৫.
'A'-কে জনৈক জেলা জজ সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দিয়ে সমন দিয়েছেন। 'A' এই সমন মোতাবেক সাক্ষী হিসেবে উক্ত জেলা জজের সম্মুখে উপস্থিত হতে আইনত: বাধ্য। কিন্তু 'A' ইচ্ছাকৃত গরহাজির থাকে। 'A' দণ্ডবিধির কত ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছ?
  1. দণ্ডবিধির ১৭৪ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ১৭৫ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ১৭৩ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ১৭২ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৭৪ ধারার বিধান সরকারী কর্মচারীর আদেশানুসারে উপস্থিত না হওয়া- কোন ব্যক্তি সরকারী কর্মচারী হিসেবে আইনতঃ কোন সমন, বিজ্ঞপ্তি, আদেশ বা ঘোষণা জারি করার ক্ষমতাসম্পন্ন অনুরূপ সরকারী কর্মচারীর নিকট থেকে উদ্ভূত অনুরূপ সমন, বিজ্ঞপ্তি, আদেশ বা ঘোষণার আজ্ঞানুযায়ী স্বয়ং বা প্রতিনিধি মারফত কোন নির্দিষ্ট স্থানে এবং সময়ে হাজির হওয়ার জন্য আইনতঃ বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও,- ইচ্ছাকৃত সে স্থানে ও সময়ে উপস্থিত না হয় অথবা যে স্থানে সে উপস্থিত থাকতে বাধ্য সে স্থান হতে যখন তার প্রস্থান করা আইনসম্মত হত তার আগেই প্রস্থান করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে; 

⇒ অথবা সমন, নোটিশ, আদেশ বা ঘোষণাটি যদি স্বয়ং বা প্রতিনিধি, মারফত কোন আদালতে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশবাহী হয়ে থাকে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒ উদাহরণসমূহ
(ক) ক বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট হতে ইস্যুকৃত একটি নির্দেশ মোতাবেক উক্ত আদালতে উপস্থিত হতে আইনতঃ বাধ্য। কিন্তু সে ইচ্ছাকৃত আদালতে গরহাজির থাকে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।

(খ) ক-কে জনৈক জেলা জজ সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দিয়ে সমন দিয়েছেন। ক এ সমন মোতাবেক সাক্ষী হিসেবে উক্ত জেলা জজের সম্মুখে উপস্থিত হতে আইনত: বাধ্য। কিন্তু ক ইচ্ছাকৃত গরহাজির থাকে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।
---------
⇒ Section 174. Non-attendance in obedience to an order from public servant:
 Whoever, being legally bound to attend in person or by an agent at a certain place and time in obedience to a summons, notice, order or proclamation proceeding from any public servant legally competent, as such public servant, to issue the same, intentionally omits to attend at that place or time, or departs from the place where he is bound to attend before the time at which it is lawful for him to depart,shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to five hundred taka or with both; 

or, if the summons, notice, order or proclamation is to attend in person or by agent in a Court of Justice, with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.

⇒ Illustrations 
(a) A, being legally bound to appear before the 62[Supreme Court of Bangladesh] in obedience to a subpoena issuing from that Court, intentionally omits to appear. A has committed the offence defined in this section. 
 
(b) A, being legally bound to appear before a Zila Judge, as a witness, in obedience to a summons issued by that Zila Judge, intentionally omits to appear. A has committed the offence defined in this section.
৩১৬.
What constitutes an "affray" under Section 159?
  1. A peaceful protest
  2. A verbal argument between two people
  3. Fighting in private that grievously hurt each other
  4. Fighting in a public place that disturbs the public peace
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার বিধান মারামারি:
-যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামরি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা "মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।
⇒ দণ্ডবিধির ১৬০ ধারার বিধান  মারামারির শাস্তি:
-কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
___________________________________________
⇒ The Penal Code, 1860-Section-159: Affray: 
 -When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public peace, they are said to "commit an affray".
⇒ The Penal Code, 1860-Section 160: Punishment for committing affray:
-Whoever commits an affray, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to one hundred taka, or with both.
৩১৭.
'A' shakes his fist at 'Z', intending or knowing it to be likely that he may thereby cause 'Z' to believe that 'A' is about to strike 'Z'. 'A' has committed _________. 
  1. hurt
  2. assault
  3. force
  4. Criminal force
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারা- আক্রমণ:
কোন ব্যক্তি যদি এই উদ্দেশ্য নিয়ে বা এটা জানা সত্ত্বেও এমন কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন প্রস্তুতি গ্রহণ করে যে, তাতে হাজির কোন ব্যক্তির ভয় হয় যে, যে ব্যক্তি উক্ত অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে, সে ব্যক্তি উক্ত হাজির ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করতে উদ্যত হয়েছে, তবে প্রথমোক্ত ব্যক্তি আক্রমণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা:- কেবলমাত্র মুখের কথা আক্রমণ বলে পরিগণিত হয় না। কিন্তু কোন ব্যক্তির ব্যবহৃত কথাগুলি তার অঙ্গভঙ্গিকে বা প্রস্তুতিকে এমন অর্থপূর্ণ করতে পারে, যার কারণে তার অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে।

উদাহরণ:
(ক) ক, চ-এর প্রতি মুষ্টি উত্তোলন করে। ইহার ফলে চ যাতে বিশ্বাস করে যে ক তাকে আঘাত করতে উদ্যত হয়েছে, সে জন্যই ক তা করে অথবা ইহার ফলে এইরূপ : হতে পারে জানা সত্ত্বেও তা করে । ক আক্রমণ করেছে।

Section 351: Assault:
Whoever makes any gesture, or any preparation intending or knowing it to be likely that such gesture or preparation will cause any person present to apprehend that he who makes that gesture or preparation is about to use criminal force to that person, is said to commit an assault. 

Explanation.- Mere words do not amount to an assault. But the words which a person uses may give to his gestures or preparation such a meaning as may make those gestures or preparations amount to an assault. 

Illustrations:
(a) A shakes his fist at Z, intending or knowing it to be likely that he may thereby cause Z to believe that A is about to strike Z. A has committed an assault.
৩১৮.
ধারা ৩৮৪ অনুযায়ী দণ্ড কার্যকরীর পরোয়ানা কাকে উদ্দেশ্য করে ইস্যু করা হবে?
  1. পুলিশ সুপার
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. সংশ্লিষ্ট কারাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
  4. স্থানীয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৮৪- দণ্ড কার্যকরীর জন্য পরোয়ানার নির্দেশ:
- কারাদণ্ড কার্যকরীর প্রত্যেকটি পরোয়ানা আসামী যে কারাগারে বা অন্য যে স্থানে আটক রয়েছে বা থাকবে, সেই কারাগারের বা স্থানের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর নির্দেশিত হবে।

The Code of Criminal Procedure,1898 Section 384: Direction of the warrant for execution:

Every warrant for the execution of a sentence of imprisonment shall be directed to the officer in charge of the jail or other place in which the prisoner is, or is to be, confined.

৩১৯.
আপোষমূলক ডিক্রির বিরুদ্ধে প্রতিকার পাওয়া যায়
  1. আপিলে
  2. রিভিউ-এ
  3. রিভিশনে
  4. রেফারেন্সে
ব্যাখ্যা
♦Order 23, Rule 3 -তে আপোষমূলক ডিক্রি (Compromise of Suit) বা সোলে ডিক্রি (Compromise of Decree)-এর বিধান আছে।

♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬(৩) ধারা অনুযায়ী- আপোষমূলক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা যায় না। দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারায় বলা আছে- যেসব ডিক্রি বা অর্ডারের বিরুদ্ধে আপিল চলে না (no appeal lies), সেসব ডিক্রি বা অর্ডারের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিভিশন করা যায়। অর্থাৎ, আপোষমূলক ডিক্রি যেহেতু আপিল-অযোগ্য, তাই এর বিরুদ্ধে রিভিশন করা যাবে।
৩২০.
'First in time, first in right'- সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের কত ধারায় এই নীতি প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. ১৪ ধারায়
  2. ৪৮ ধারায়
  3. ৩৫ ধারায়
  4. ৫২ ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ধারা ৪৮: হস্তান্তর দ্বারা সৃষ্ট অধিকারের অগ্রাধিকার (Priority of rights created by transfer):
যদি কোন ব্যক্তি একই স্থাবর সম্পত্তি বিভিন্ন সময় হস্তান্তর করে একাধিক অধিকার সৃষ্টি করেন এবং সেই অধিকারগুলি একই সঙ্গে বা পরিপূর্ণভাবে বলবৎ না হয়, সেক্ষেত্রে বিশেষ চুক্তির অবর্তমানে পূর্বে সৃষ্ট অধিকার পরে সৃষ্ট অধিকারের উপর অগ্রাধিকার পাবে।

অর্থাৎ, একই সম্পত্তিতে একাধিক হস্তান্তর বা অধিকার সৃষ্টির ক্ষেত্রে, যে অধিকার প্রথমে তৈরি হয়েছে, সেটি সর্বপ্রথম কার্যকর হবে।পরবর্তীতে যে অধিকার বা দাবী তৈরি হবে, তা পূর্বের অধিকারের প্রতি বাধ্য থাকবে, যদি না বিশেষভাবে চুক্তি বা সংরক্ষণ থাকে। সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৪৮ ধারায় “প্রথম আসা অধিকারের অগ্রাধিকার” (First in time, first in right) নীতি প্রতিফলিত হয়েছে।

৩২১.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৯৪ অনুসারে, দলিলের ভাষা যদি নিজে থেকেই স্পষ্ট এবং বাস্তব পরিস্থিতির সাথে মিলে যায়, তাহলে–
  1. দলিল বাতিলযোগ্য
  2. পক্ষগণ নতুন সাক্ষ্য দিতে পারবে
  3. দলিলটি অব্যবহৃত বলে গণ্য হবে
  4. এমন সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয় যা বলে দলিলের উদ্দেশ্য ভিন্ন ছিল
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৯৪ অনুযায়ী—
- যখন কোনো দলিলের ভাষা নিজে থেকেই পরিষ্কার ও সুনির্দিষ্ট, এবং তা যদি বিদ্যমান বাস্তব পরিস্থিতির সাথে পুরোপুরি মিলে যায়, তখন—
- এই বিষয়ের বিরুদ্ধে কোনো সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয় যা প্রমাণ করার চেষ্টা করে যে দলিলটি আসলে ভিন্ন কিছু বোঝাতে চেয়েছিল।

অর্থাৎ ধারা ৯৪ অনুযায়ী, স্পষ্ট ভাষার দলিল বাস্তব পরিস্থিতিতে সঠিকভাবে প্রয়োগ হলে তা নিয়ে ভিন্ন ব্যাখ্যার প্রমাণ গ্রহণযোগ্য নয়।

⇒The Evidence Act, 1872, Section- 94. Exclusion of evidence against application of document of existing facts:
- When language used in a document is plain in itself, and when it applies accurately to existing facts, evidence may not be given to show that it was not meant to apply to such facts.

Illustration:
A sells to B, by deed, "my estate at Rangpur containing 100 bighas". A has an estate at Rangpur containing 100 bighas. Evidence may not be given of the fact that the estate meant to be sold was one situated at a different place and of a different size.

৩২২.
একটি দলিলের মাধ্যমে A তার একটি বাড়ি B কে বিক্রয় করেছে; A, B কে একটি গাড়ি উপহার দিয়েছে এবং B এর বাড়িতে A কে থাকার অধিকার দিয়েছে।
তৃতীয় অংশটি অর্থাৎ B এর বাড়িতে A কে থাকার অধিকার দেওয়ার অংশটি আইনগতভাবে বাতিলযোগ্য। এক্ষেত্রে-
  1. সম্পূর্ণ দলিল বাতিল হবে
  2. সম্পূর্ণ দলিল বহাল থাকবে
  3. সকল অধিকার অবৈধ হবে
  4. অবশিষ্টাংশ বলবৎ থাকবে
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪০ ধারা অনুযায়ী, এক্ষেত্রে কেবলমাত্র তৃতীয় অংশটিই বাতিল হবে। বাকি দুটি অংশ অর্থাৎ বাড়ি বিক্রয় এবং গাড়ি উপহার দেওয়ার অংশগুলি বলবৎ থাকবে। সুতরাং সমগ্র দলিলটি বাতিল হবে না, শুধুমাত্র বাতিলযোগ্য অংশটিই বাতিল হবে। এভাবে দলিলের বাকি বৈধ অংশগুলি কার্যকর থাকবে।

এই আইনের ৪০ ধারা অনুসারে,
যদি একই দলিল দ্বারা বিভিন্ন অধিকার সৃষ্টি হয় এবং সেই দলিলের কোনো একটি অংশ বাতিলযোগ্য (void) হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে কেবলমাত্র সেই বাতিলযোগ্য অংশটিই বাতিল বলে গণ্য হবে। দলিলের অবশিষ্ট অংশগুলি বলবৎ থাকবে।

অর্থাৎ দলিলের সম্পূর্ণ অংশই বাতিল হবে না, শুধু বাতিলযোগ্য অংশটিই বাতিল বা অকার্যকর হবে। দলিলের অন্যান্য অংশসমূহ যেখানে বৈধ অধিকার সৃষ্টি করা হয়েছে সেগুলি বলবৎ থাকবে।
এই বিধানের উদ্দেশ্য হল একই দলিলের সকল অংশকেই বাতিল না করে, শুধুমাত্র বাতিলযোগ্য অংশকেই বাতিল করা এবং বাকি দলিলটিকে কার্যকর রাখা। এতে দলিলের মূল উদ্দেশ্য বা বৈধ অংশগুলি বলবৎ থাকবে এবং কেবলমাত্র অবৈধ অংশটি বাতিল হবে। এটি দলিলের পক্ষদের স্বার্থরক্ষা করে।
৩২৩.
দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারার ব্যাখ্যা-১ অনুযায়ী, মৃত ব্যক্তির ক্ষেত্রে মানহানি হতে পারে যদি:
  1. তার সম্পত্তি নষ্ট করা হয়
  2. তার নামে মিথ্যা মামলা করা হয়
  3. তার ছবি অননুমোদিতভাবে ব্যবহার করা হয়
  4. তার পরিবার-পরিজনের মনকে পীড়িত করার উদ্দেশ্যে নিন্দাবাদ করা হয়
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় মানহানি বা defamation এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে।

মানহানি:
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করার উদ্দেশ্যে বা তার খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট হবে বলে জানা সত্ত্বেও বা তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও কথিত বা পঠিত হওয়ার জন্য অভিপ্রেত কথা বা চিহ্ন কর্তৃক বা দৃশ্যমান কল্পমূর্তির সাহায্যে সে ব্যক্তি সম্পর্কিত কোন নিন্দাবাদ প্রণয়ন বা প্রকাশ করে, তবে নিম্নে নির্দেশিত ব্যতিক্রমসমূহ ছাড়াই অন্যান্য ক্ষেত্রে, সে ব্যক্তি উক্ত অন্য ব্যক্তির মানহানি করে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা ১:
যে মৃত ব্যক্তির জীবনকালে তার সম্পর্কে কোন নিন্দা করা হলে তার মানহানি ঘটত, সে মৃত ব্যক্তি সম্পর্কে অনুরূপ কোন নিন্দাবাদ এবং সে মৃত ব্যক্তির পরিবার-পরিজনের বা অন্যান্য কাছে আত্মীয়ের মনকে পীড়িত করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ নিন্দাবাদ করা, মানহানি বলে পরিগণিত হবে।

ব্যাখ্যা ২:
কোন কোম্পানি বা সংঘ বা ব্যক্তিসমাবেশ সম্পর্কে সমষ্টিগতভাবে কোন নিন্দাবাদ করা মানহানি বলে পরিগণিত হতে পারে।

ব্যাখ্যা ৩:
বিকল্পরূপে বা বিদ্রূপাত্মকরূপে ব্যক্ত কোন নিন্দাবাদ মানহানির সামিল হতে পারে।

ব্যাখ্যা ৪:
কোন ব্যক্তি সম্পর্কে কোন নিন্দাবাদ প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে অন্যান্য ব্যক্তির দৃষ্টিতে সে ব্যক্তির নৈতিক বা বুদ্ধিগত চরিত্র হেয় না করলে, অথবা তার বর্ণ বা সম্প্রদায় কিংবা তার পেশার দিক হতে সে ব্যক্তির চরিত্রকে হেয় না করলে, অথবা সে ব্যক্তির প্রসিদ্ধি ক্ষুন্ন না করলে, অথবা তার দেহ বীভৎস বা ঘৃণা অবস্থায় বা যে অবস্থা সাধারণভাবে অরুচির বলে গণ্য, সে অবস্থায় রয়েছে বলে বিশ্বাস সৃষ্টি না করলে, সে ব্যক্তি সম্পর্কে উক্ত নিন্দাবাদ তার খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করে নাই বলে পরিগণিত হয়।
৩২৪.
কোন মামলা একাধিক বিচারক নিয়ে গঠিত কোন বেঞ্চে শ্রুত হলে এবং উক্ত বিচারকগণ তাদের অভিমতে সমানভাবে বিভক্ত হলে কী করণীয়?
  1. মামলা উচ্চতর আদালতে প্রেরণ করা।
  2. উভয় পক্ষের আইনজীবী এর মতামত নেয়া।
  3. অন্য একজন বিচারকের মতামত নেয়া।
  4. নতুন বেঞ্চ গঠন করা।
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি এর ধারা ৩৭৮ এ মতানৈক্যের ক্ষেত্রে কার্যপদ্ধতি বলা হয়েছে।
• যদি কোন মামলা একাধিক বিচারক নিয়ে গঠিত কোন বেঞ্চে শ্রুত হলে এবং উক্ত বিচারকগণ তাদের অভিমতে সমানভাবে বিভক্ত হলে তাদের মতামতসহ অন্য একজন বিচারকের নিকট পেশ করতে হবে এবং তিনি যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন সেরূপ রায় দিতে পারেন।
৩২৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় আদালত কোন পরিস্থিতিতে ক্ষতিপূরণমূলক খরচের আদেশ দিতে পারে?
  1. যখন কোনো পক্ষ সত্য দাবি করে
  2. যখন কোনো পক্ষ মিথ্যা বা বিরক্তিকর দাবি করে
  3. যখন কোনো পক্ষ আপিল করে
  4. যখন কোনো পক্ষ আদালতে উপস্থিত হয় না
ব্যাখ্যা
• প্রত্যেক মোকদ্দমার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কিছু খরচ/ব্যয় থাকে। দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫,৩৫ক এবং ৩৫খ ধারায় খরচের বিষয়ে বিধান রয়েছে। খরচ প্রদানের আদেশ আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা। দেওয়ানি কার্যবিধির আওতায় তিন (৩) ধরনের খরচ প্রদান করা হয়ে থাকে। যথা-
i) সাধারণ খরচ;
ii) ক্ষতিপূরণমূলক খরচ; এবং
iii) বিলম্বের জন্য খরচ।

• ধারা ৩৫ক: ক্ষতিপূরণমূলক খরচ (Compensatory cost)-
দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় ক্ষতিপূরণমূলক খরচের বিধান রয়েছে। মূল মোকদ্দমায় বা ডিক্রি জারিতে কোনো পক্ষ আরজি বা লিখিত জবাবে মিথ্যা বা বিরক্তিকর (false or vexatious) বিষয় দাবি করলে, আদালত মিথ্যা বা বিরক্তিকর দাবি উত্থাপনকারীকে সর্বোচ্চ ২০,০০০/-(বিশ হাজার) টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ স্বরূপ খরচের আদেশ দিতে পারে।
৩২৬.
সম্পত্তি বাটোয়ারা অথবা বিভাজন সম্পর্কত কোন ডিক্রি বাস্তবায়ন করার দায়িত্ব কার?
  1. কালেক্টর
  2. কালেক্টরের অধীনস্থ গেজেটেড কর্মচারীর
  3. আদালত
  4. ক ও খ
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Civil Procedure, 1908 এর ৫৪ ধারার বিধান সম্পত্তি বাটোয়ারা বা অংশ পৃথকীকরণ (Partition of estate or separation of share): সরকারি রাজস্ব প্রদানের প্রয়োজনে কোন অবিভক্ত সম্পত্তি বাটোয়ারার জন্য বা সম্পত্তির কোন অংশের পৃথক দখলের জন্য ডিক্রি প্রদত্ত হলে, কালেক্টর বা মনোনীত কর্মকর্তা বাটোয়ারা বা অংশ পৃথকীকরণ সম্পন্ন করবেন।
৩২৭.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর কত ধারা অনুযায়ী আপিল আদালত মোকদ্দমা remand এ প্রেরণ করেন?
  1. ৯৬
  2. ১০৫
  3. ১০৭
  4. ১০৯
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Civil Procedure, 1908 এর ১০৭ মতে আপিল আদালতের ক্ষমতা: (১) যে সকল শর্ত ও নিয়ন্ত্রণ বিধি দ্বারা হতে পারে, সে সাপেক্ষে কোন আপিল আদালতের নিম্নোক্ত ক্ষমতাগুলো থাকবে-
ক. মোকদ্দমা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা;
খ. মোকদ্দমা পুনর্বিচারের জন্য পাঠানো; (remand )
গ. বিচার্য বিষয় গঠন এবং সেগুলি বিচারের জন্য প্রেরণ করা এবং
ঘ. অতিরিক্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ গ্রহণ করা বা গ্রহণের নির্দেশ দান করা।
৩২৮.
কোন ফৌজদারী আদালত কোন ব্যক্তিকে তার দখলে থাকা দলিল হাজির করতে বললে সে যদি তা উপযুক্ত কারণ ছাড়া হাজির করতে অস্বীকার করে, তাহলে আদালত উক্ত ব্যক্তিকে কী দণ্ড দিতে পারে?
  1. সশ্রম কারাদণ্ড
  2. সশ্রম কারাদণ্ড ও জরিমানা
  3. শুধু অর্থদণ্ড
  4. বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৮৫- কোন ব্যক্তি জবাব দিতে বা দলিল করতে অস্বীকার করলে কারাদণ্ড বা সোপর্দকরণ

কোন ফৌজদারী আদালত কোন সাক্ষী বা ব্যক্তিকে তার দখলের বা ক্ষমতার অন্তর্ভূক্ত কোন দলিল বা বস্তু হাজির করতে বললে সে যদি তা হাজির করতে অস্বীকার করে বা তার নিকট জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের জবাব দিতে অস্বীকার করে, এবং এই অস্বীকৃতির জন্য কোন যৌক্তিক কৈফিয়ত না দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত লিখিতভাবে কারণ লিপিবদ্ধ করে যে কোন সময়ের জন্য বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন অথবা প্রিজাইডিং ম্যাজিস্ট্রেট বা জজের নিজ হাতে স্বাক্ষরিত পরোয়ানা দ্বারা তাকে ৭ (সাত) দিনের অনধিক যেকোন সময়ের জন্য কোর্টের কোন অফিসারের হেফাজতে আটক রাখতে পারবেন, যদি না উক্ত ব্যক্তি ইতোমধ্যে জবানবন্দী দিতে বা দলিল বা বস্তু হাজির করতে রাজী হয়। উক্ত ব্যক্তি তার অস্বীকৃতিতে অবিচল থাকলে ধারা-৪৮০ বা ৪৮২ অনুসারে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে, এবং হাইকোর্ট ডিভিশনের ক্ষেত্রে তাকে অবমাননার জন্য দোষী মর্মে গণ্য করতে হবে।
৩২৯.
কোনটি বার কাউন্সিলের অস্থায়ী কমিটি?
  1. নির্বাহী কমিটি
  2. আর্থিক কমিটি
  3. আইন শিক্ষা কমিটি
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর ১১ অনুচ্ছেদে ৩ টি স্থায়ী কমিটির (Standing Committees) উল্লেখ আছে। ১১(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, বার কাউন্সিল নিম্নলিখিত স্থায়ী কমিটি গঠিত করবে:
১. নির্বাহী কমিটি;
২. আর্থিক কমিটি;
৩. আইন শিক্ষা কমিটি।

অর্থাৎ উল্লিখিত সবগুলো বার কাউন্সিলের স্থায়ী কমিটি।

Article-11: (1) The Bar Council shall constitute the following standing committees namely:-
(a) an executive committee consisting of five members elected by the Council from amongst its members;
(c) a finance committee consisting of five members elected by the Council from amongst its members;
(d) a legal education committee consisting of nine members-five elected by the Council from amongst its members and four co-opted by the Council from persons other than the members of the Council at least two of whom shall be teachers of law in any university or college in Bangladesh.

(2) The aforesaid committees shall have such powers and functions as may be prescribed.
(3) The Bar Council may constitute from amongst its members such other committees as it may deem necessary for the performance of its functions under this Order.
৩৩০.
দেওয়ানী কার্যবিধির Order 11 rule 21 অনুসারে আদালত কোনো আদেশ প্রচার করলে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির প্রতিকার-
  1. Order 9 অনুসারে ছানি মামলা করা
  2. Order 43 rule 1 অনুসারে বিবিধ আপীল করা
  3. Section 96 এর বিধান অনুসারে আপীল দায়ের করা
  4. Section 115 এর বিধান অনুসারে রিভিশন দায়ের করা
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ১১ বিধি ২১ অনুযায়ী,
প্রশ্নকারীপক্ষ অথবা দলিলসমূহ উদ্‌ঘাটন বা পরিদর্শন প্রার্থনাকারী আদালতে আবেদন করলে, আদালত অপরপক্ষকে নিম্নোক্ত আদেশ দিবেন-
- প্রশ্নমালার উত্তরদান (answer to interrogatories)- এর আদেশ, বা
- দলিলসমূহ প্রকাশ/উদঘাটন [discovery of documents]- এর আদেশ, বা
- দলিলসমূহ পরিদর্শন [inspection of documents]- এর আদেশ।

সংশ্লিষ্ট পক্ষ উপরিউক্ত আদেশ পালন করতে ব্যর্থ হলে বা অমান্য করলে (তার ফলাফল)-
- বাদীর ব্যর্থ হলে- বাদীর মোকদ্দমা খারিজ আদেশ দিবে এবং
- বিবাদী ব্যর্থ হলে- আত্মপক্ষ সমর্থন বাতিল (To strike out defence) আদেশ দিবে।

প্রতিকার: The Code of Civil Procedure, 1908 এর ৪৩ আদেশে যেসকল আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে, সে সম্পর্কে বলা আছে। আদেশ ১১ বিধি ২১ অনুযায়ী, আদালত কোনো আদেশ দিলে তা আপিলযোগ্য আদেশ বলে গণ্য হবে।
- Order 43 rule 1(f) এর অধীন এই আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ পক্ষ আপিল করতে পারবে।
৩৩১.
দেওয়ানী আদালতের ডিক্রি জারীর বিক্রয় রদের [Set aside] মামলার তামাদির মেয়াদ?
  1. ৩ বছর
  2. ১ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ২ বছর
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১২

নিম্নলিখিত বিক্রয় রদের [Set aside] মামলা
ক. দেওয়ানী আদালতের ডিক্রি জারী করতে বিক্রয়;
খ. কালেক্টর বা অন্য রাজস্ব কর্মকর্তার ডিক্রি বা আদেশ অনুসারে বিক্রয়;
গ. বকেয়া সরকারী রাজস্ব আদায়ের জন্য বা বকেয়া হিসাবে আদায়যোগ্য যে কোন দাবী আদায়ের জন্য বিক্রয়;
ঘ. ভাড়ার হাল (নগদ) বকেয়ার জন্য বিক্রিত‌ পত্তনী তালুক বিক্রয়।

ব্যাখ্যা: এই অনুচ্ছেদে, পত্তনী তালুক শব্দের মধ্যে হাল খাজনার বকেয়ার জন্য বিক্রয়যোগ্য যে কোন মধ্যস্বত্ব অন্তর্ভুক্ত থাকবে। 

তামাদি- ১ বছর
সময় গণনা শুরু- যখন বিক্রয় বহাল হয় বা এমন মামলা দায়ের না করার কারণে যখন বিক্রয় চূড়ান্ত হয়।
৩৩২.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১২৯ ধারায় কোন বিষয় সংক্রান্ত বিধান উল্লেখ রয়েছে?
  1. দান প্রত্যাহার
  2. স্থাবর সম্পত্তির রেজিস্ট্রেশন
  3. মৃত্যুর সম্ভাবনাকালে অস্থাবর সম্পত্তির দান
  4. মৃত্যুর সম্ভাবনাকালে স্থাবর সম্পত্তির দান
ব্যাখ্যা
• সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১২৯ ধারায় বলা হয়েছে যে-
সপ্তম অধ্যায়ে বর্ণিত দান সংক্রান্ত বিধান মৃত্যুর সম্ভাবনাকালে অস্থাবর সম্পত্তির দান সংক্রান্ত কোন বিধানকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে না।

মৃত্যুর সম্ভাবনা কালে দান (Donatio martis causa) :
মৃত্যুভয়ে ভীত হয়ে কোন সম্পত্তি দান করা হলে তাকে মৃত্যুর সম্ভাবনা কালে দান বলে। মানুষ মরণশীল, তবুও মানুষ জানে না কখন সে মারা যাবে। এমন অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে, যার জন্য সে মনে করতে পারে অতি তাড়াতাড়ি তার মৃত্যু হবে। মানুষ গুরুতর রোগে আক্রান্ত হতে পারে, যে রোগের কোন চিকিৎসা নেই বা যে রোগের চিকিৎসা কার্যকর হচ্ছে না। রোগ ক্রমেই জটিল আকার ধারণ করে এমন সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছে যে, এখনই রোগীর মৃত্যু হবে। চিকিৎসকরা রোগীর জীবনের আসা ত্যাগ করেছেন এবং অবিলম্বে মৃত্যুর সম্ভাবনার কথা বলেছেন। এরূপ অবস্থাকে মৃত্যুর সম্ভাবনা বলে এবং এই অবস্থায় যদি কেউ দান করে তবে তাকে মৃত্যুর সম্ভাবনা কালে দান বলে। এই ধরণের দান সাধারণতঃ দান করার সাথে সাথে কার্যকর হয় না, দাতার মৃত্যুর পরে কার্যকর হয়। দাতা মৃত্যুবরণ না করে জীবিত থাকলে এই ধরণের দান কার্যকর হবে না। অন্য ভাবে বলা যায়, মৃত্যুর শয্যায় শায়িত অবস্থায় যে দান করা হয় তাকে মৃত্যু সম্ভাবনা কালে দান বলা হয়।

সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১২৯ ধারা অনুসারে মৃত্যুর সম্ভাবনাকালীন অস্থাবর সম্পত্তি দানের ক্ষেত্রে এই আইনের সপ্তম অধ্যায়ের দান সংক্রান্ত বিধান প্রযোজ্য হবে না। তবে স্থাবর সম্পত্তির দানের ক্ষেত্রে এই আইনের বিধান কার্যকর হবে।
৩৩৩.
দণ্ডবিধির ধারা ৭৩-এর অধীন কারাদণ্ড ৬ মাসের অধিক কিন্তু ১ বছরের অনধিক হলে নির্জন কারাবাসের সর্বোচ্চ মেয়াদ কত?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৭৩-এর অধীন, সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীর নির্জন কারাবাসের সর্বোচ্চ মেয়াদ কারাদণ্ডের দৈর্ঘ্য অনুসারে নির্ধারিত হয়। যদি কারাদণ্ড ৬ মাসের অধিক কিন্তু ১ বছরের অনধিক হয়, তাহলে নির্জন কারাবাসের সর্বোচ্চ মেয়াদ অনধিক ২ মাস। সামগ্রিকভাবে নির্জন কারাবাস ৩ মাসের বেশি হতে পারে না, এবং ধারা ৭৪-এর অধীন একটানা ১৪ দিনের বেশি বা এক মাসে ৭ দিনের বেশি হতে পারে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৭৩ ধারার বিধান, নির্জন কারাবাস:- যদি কোন ব্যক্তিকে এমন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত করা হয়, যে অপরাধের জন্য আদালত এই আইনবলে তাকে সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারেন তবে, আদালত তার দণ্ডাজ্ঞার মাধ্যমেই আদেশ করতে পারবেন যে অপরাধীকে তার বিরুদ্ধে প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদের কোন অংশবিশেষের বা কয়েকটি অংশের জন্য-যা সর্বসাকুল্যে তিন মাসের বেশি হতে পারবে না-নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কতসময়ের জন্য অপরাধীকে নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে তা নিম্নে নির্দেশ করা যাচ্ছে: কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক না হলে অনধিক এক মাস পর্যন্ত; কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক কিন্তু এক বৎসরের অনধিক হলে অনধিক দুই মাস পর্যন্ত; কারাদণ্ডের মেয়াদ এক বৎসরের অধিক হলে অনধিক তিন মাস পর্যন্ত।

⇒ দণ্ডবিধির ৭৪ ধারার বিধান, নির্জন কারাবাসে সাজার সীমা:- নির্জন কারাবাস আদেশ কার্যকরীকরণে অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদ কোন ক্ষেত্রেই একাদিক্রমে ১৪ দিনের বেশি হবে না এবং কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদও কারাবাসের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না; প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ তিন মাসের বেশি হলে প্রদত্ত কারাদণ্ডের সমগ্র মেয়াদের মধ্যে কোন এক মাসে নির্জন কারাবাসের মেয়াদ সাত দিনের বেশি হবে না এবং অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না।

৩৩৪.
"Abetment" বা প্ররোচনার সংজ্ঞা দণ্ডবিধির কোন ধারায় দেওয়া আছে?
  1. ১০৫ ধারা
  2. ১০৬ ধারা
  3. ১০৭ ধারা
  4. ১০৮ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১০৭ ধারায় "প্ররোচনা বা Abetment" এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এতে উল্লেখ আছে যে, কোনো ব্যক্তি যদি অপরাধ সংঘটনের জন্য কাউকে প্ররোচিত করে (instigation), ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে (conspiracy) বা ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করে (aiding), তাহলে তা প্ররোচনা বলে গণ্য হবে।

⇒ যে সমস্ত কাজ করলে অপরাধ হয় সেই সমস্ত কাজ করার জন্য প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে কোন ইন্ধন জোগান কিংবা সমর্থন করাকে আইনের ভাষায় প্ররোচনা বা Abetment বলা হয়।
- দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী ৩ ভাবে প্ররোচনা বা অপরাধে সহায়তা অপরাধ হতে পারে।
(i) কাউকে প্ররোচিত করে (instigation)
(ii) ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে (engagement)
(iii) কার্য বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করে (aiding)
---------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 107: Abetment of a thing: A person abets the doing of a thing, who
Firstly.- Instigates any person to do that thing; or
Secondly.- Engages with one or more other person or persons in any conspiracy for the doing of that thing, if an act or illegal omission takes place in pursuance of that conspiracy, and in order to the doing of that thing; or
Thirdly.- Intentionally aids, by any act or illegal omission, the doing of that thing.
Explanation-1: A person who, by wilful misrepresentation, or by wilful concealment of a material fact which he is bound to disclose, voluntarily causes or procures, or attempts to cause or procure, a thing to be done, is said to instigate the doing of that thing.

৩৩৫.
জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হবেন কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধান উপদেষ্টা/প্রধানমন্ত্রী
  3. জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সির মহাপরিচালক
  4. উপদেষ্টা/মন্ত্রী, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ১২: জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিল:
(১) এই অধ্যাদেশের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিল গঠিত হইবে, যথা:-
(ক) প্রধান উপদেষ্টা/প্রধানমন্ত্রী, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, যিনি ইহার চেয়ারম্যানও হইবেন;
(খ) উপদেষ্টা/মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী (যদি থাকে), ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়;
(গ) উপদেষ্টা/মন্ত্রী, আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়;
(ঘ) প্রধান উপদেষ্টা/প্রধানমন্ত্রীর মূখ্যসচিব;
(ঙ) গভর্ণর, বাংলাদেশ ব্যাংক
(চ) সচিব, আইন ও বিচার বিভাগ;
(ছ) সচিব, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ;
(জ) সচিব, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ;
(ঝ) সচিব, জন নিরাপত্তা বিভাগ;
(ঞ) পররাষ্ট্র সচিব, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়;
(ট) সচিব, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ;
(ঠ) ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ, বাংলাদেশ পুলিশ;
(ড) চেয়ারম্যান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড;
(ঢ) চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন;
(ণ) মহাপরিচালক, প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর;
(ত) মহাপরিচালক, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা;
(থ) মহাপরিচালক, ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার;
(দ) মহাপরিচালক, জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি;
(ধ) প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত সুপ্রিমকোর্টের একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারক;
(ন) চেয়ারম্যান, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন;
(প) সচিব, তথ্য কমিশন;
(ফ) হেড অব বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ); এবং
(ব) সরকার কর্তৃক মনোনীত তথ্য-প্রযুক্তি বা মানবাধিকার বিষয়ক ২ (দুই) জন বেসরকারি পর্যায়ের বিশেষজ্ঞ।

(২) মহাপরিচালক কাউন্সিলের কার্যসম্পাদনে সাচিবিক সহায়তা প্রদান করিবেন।
৩৩৬.
বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা (রিভিউ) করার ক্ষমতা সম্পর্কে বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২-এর কোন অনুচ্ছেদে বিধান রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৩৪(১)
  2. অনুচ্ছেদ ৩৪(৪)
  3. অনুচ্ছেদ ৩৪(৬)
  4. অনুচ্ছেদ ৩৪(৮)
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২-এর ৩৪(৮) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল নিজস্ব উদ্যোগে বা কোনো ব্যক্তির আবেদনের ভিত্তিতে তার পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা (রিভিউ), পরিবর্তন বা বাতিল করতে পারে।

⇒ বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা (রিভিউ) করার ক্ষমতা: অনুচ্ছেদ ৩৪(৮) অনুযায়ী: বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল নিজস্ব উদ্যোগে বা কোনো ব্যক্তির আবেদনের ভিত্তিতে তার পূর্বের সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা (review), পরিবর্তন (vary) বা বাতিল (rescind) করতে পারে।
------------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972 Article-34(8):
The Tribunal may, of its own motion or on application made to it in this behalf, review any order passed under clause (4) or (6) and maintain, vary or rescind the same, as it thinks fit.
৩৩৭.
'A' সহ চার ব্যক্তি 'B'-কে হত্যা করার পরিকল্পনা করে। পরিকল্পিত দিন, তারিখ ও সময়ে তারা সকলে মিলে 'B'-কে হত্যা করে। 'A' সহ উক্ত চার ব্যক্তির বিরূদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারার সাথে নিচের কোন ধারাটি প্রাসঙ্গিক?
  1. ৩৪ ধারা
  2. ১১৪ ধারা
  3. ১৩৪ ধারা
  4. ১২৪ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৪ ধারামতে যখন কতিপয় ব্যক্তি (২ বা ততোধিক) দ্বারা সকলের একই অভিপ্রায় পূরণকল্পে (in furtherance of Common Intention) কোন অপরাধমূলক কার্য সম্পাদিত হয় তখন প্রত্যেকে যৌথভাবে দায়ী হবে যেন নিজে কাজটি করেছে।
- অভিন্ন অভিপ্রায় ফৌজদারি আইনের একটা নীতি, যেটা দিয়ে যৌথভাবে অভিযুক্ত করা যায়। অভিন্ন অভিপ্রায় মৌলিক/স্বতন্ত্র অপরাধ নয়।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৪ ধারা অনুযায়ী যখন একই অভিপ্রায় পূরণকল্পে একাধিক ব্যক্তি কোন অপরাধমূলক কাজ সম্পাদন করে তখন তাদের প্রত্যেকে উক্ত কাজের জন্য এমনভাবে দায়ী হবেন যেন প্রত্যেকে আলাদাভাবে কাজটি সম্পাদন করেছে।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৪ ধারার অধীনে সাধারণ অভিপ্রায় প্রমাণ করার ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত বিষয় সমূহ গুরুত্বপূর্ণ:
ⅰ) কতিপয় ব্যক্তি কর্তৃক অপরাধমূলক কাজ সম্পাদিত হবে;
ii) তাদের প্রত্যেকের সাধারণ অভিপ্রায় এবং পূর্ব পরিকল্পনা ছিল উক্ত অপরাধ সংঘটন করা; এবং
iii) অভিপ্রায়কে সফল করার জন্য অপরাধ সংঘটনে অংশগ্রহণ।
- কোনো ব্যক্তিকে ৩৪ ধারায় দায়ী করতে হলে এ ধারার যেকোনো একটি উপাদান থাকতে হবে।

উল্লিখিত প্রশ্নে ৩৪ ধারার মূলনীতি প্রয়োগ করে ৩০২ ধারার অধীনে Common Intention এর জন্য দায়ী করে শাস্তি দেওয়া যাবে। অর্থাৎ ৩০২ ধারার সাথে ৩৪ ধারাটি প্রাসঙ্গিক।
৩৩৮.
তামাদি আইনের ২৩ ধারা অনুযায়ী, যখন কোনো চুক্তি অবিরামভাবে ভঙ্গ করা হয়, তখন তামাদির সময়সীমা কখন শুরু হয়?
  1. চুক্তি ভঙ্গের প্রথম দিন থেকে
  2. চুক্তি বাতিল করার দিন থেকে
  3. চুক্তি সম্পাদনের শেষ দিন থেকে
  4. চুক্তি ভঙ্গ বা অন্যায় করার প্রতিটি মুহূর্ত থেকে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ২৩ ধারা অনুসারে, যখন কোনো চুক্তি অবিরামভাবে ভঙ্গ করা হয় বা অন্যায় করা হয়, তখন প্রতিটি মুহূর্তেই নতুন করে তামাদির সময়সীমা শুরু হয়। অর্থাৎ, যতক্ষণ চুক্তি ভঙ্গ বা অন্যায় অব্যাহত থাকবে, ততক্ষণ নালিশের কারণ প্রতিনিয়ত উদ্ভব হতে থাকবে, এবং সেই অনুযায়ী তামাদির মেয়াদ পুনরায় গণনা শুরু হবে।

⇒ তামাদি আইনের ২৩ ধারার বিধান অবিরাম চুক্তিভঙ্গ বা অন্যায় করা:

-যেইক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি ভঙ্গ করা হয় এবং যেইক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি নিরপেক্ষভাবে অন্যায় করা হয়, সেইক্ষেত্রে চুক্তি ভঙ্গ বা অন্যায় চলাকালীন সময়ের প্রতি মুহূর্তেই নূতন করিয়া তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হইতে শুরু করে।
-এমন অনেক চুক্তি রহিয়াছে, যাহা ভঙ্গ হইলে প্রতি মুহূর্তে নালিশের কারণ উদ্ভব হইতে পারে। চুক্তি বহির্ভূত এমন অনেক লোকসান রহিয়াছে, যাহা প্রতিমুহূর্তে নালিশের কারণের উদ্ভব ঘটায়। এইসব ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ প্রতি মুহূর্তে বৃদ্ধি পায়।
--------------------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section-23.Continuing breaches and wrongs:
-In the case of a continuing breach of contract and in the case of a continuing wrong independent of contract, a fresh period of limitation begins to run at every moment of the time during which the breach or the wrong, as the case may be, continues.
৩৩৯.
According to Section 133 of The Evidence Act, 1872, an accomplice is considered a:
  1. Biased witness
  2. Incompetent witness
  3. Competent witness
  4. Unreliable witness
ব্যাখ্যা
Section 133- Accomplice:
An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারার বিধান: দুষ্কর্মের সহযোগীঃ
আসামীর বিরুদ্ধে দুষ্কর্মের সহযোগী সাক্ষ্য দেয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলে পরিগণিত হবেন। আসামীকে দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সাজা দেয়া হলে শুধুমাত্র সে কারণে ঐ সাজা বেআইনি হবে না।
৩৪০.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮ বিধি ৪ক অনুযায়ী, Examination-in-chief কীভাবে নেওয়া হয়?
  1. আদালতের প্রশ্নের মাধ্যমে
  2. হলফনামার মাধ্যমে
  3. লিখিত জবাবের মাধ্যমে
  4. মৌখিকভাবে উন্মুক্ত আদালতে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ১৮ বিধি ৪ক (4A), যা দেওয়ানি কার্যবিধি (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (অধ্যাদেশ নং XVIII, ২০২৫) এর মাধ্যমে যোগ করা হয়েছে, অনুসারে, বাদী বা বিবাদীর জবানবন্ধি গ্রহণ (Examination-in-chief) হলফনামার (Affidavit) মাধ্যমে গ্রহণ করা হবে। এরপর তাকে জেরা (Cross-examination) এবং প্রয়োজনে পুনঃপরীক্ষা (Re-examination) করা যাবে। এই বিধানে আরও উল্লেখ আছে যে:
- হলফনামার কপি আদালতে জমা দেওয়ার আগে অন্য পক্ষকে সরবরাহ করতে হবে।
- হলফনামার সাথে দাখিলকৃত দলিলের প্রমাণ ও গ্রহণযোগ্যতা আদালতের আদেশের অধীন হবে।
-------- 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-18, Rule-4A. Examination-inchief on affidavit and admissibility of documents:
Notwithstanding anything contained in this Code or the Evidence Act, 1872 (Act No. 1 of 1872), the facts stated in the plaint or written statement shall not be required to be orally stated or denied by the plaintiff or the defendant, as the case may be, and in every case, the examination-in-chief of the plaintiff or the defendant, as the case may be, shall be on affidavit and he may then be cross-examined and, if necessary, re-examined:
Provided that a copy of such affidavit shall be supplied to the other party before being furnished to the Court:
Provided further that where documents are filed along with the affidavit and the parties rely upon such documents, the proof and admissibility of those documents shall be subject to the orders of the Court.

৩৪১.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারায় সরকার পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ করার ক্ষমতা রাখে?
  1. ৪৯২ ধারা
  2. ৪৯৩ ধারা
  3. ৪৯৪ ধারা
  4. ৪৯৫ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪৯২ অনুযায়ী, সরকার পাবলিক প্রসিকিউটর (Public Prosecutor) নিয়োগ করার ক্ষমতা রাখে।
অর্থাৎ, সরকার যেকোনো নির্দিষ্ট মামলায়, নির্দিষ্ট শ্রেণীর মামলায় অথবা সাধারণভাবে কোনো নির্দিষ্ট এলাকায় পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ করতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯২ ধারার বিধান:- পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগের ক্ষমতা:-
(১) সরকার বা কোন স্থানীয় এলাকায় সাধারণভাবে, বা কোন মামলায়, বা কোন নির্দিষ্ট শ্রেণীর মামলার জন্য পাবলিক প্রসিকিউটর নামক এক বা একাধিক অফিসার নিয়োগ দান করতে পারবেন।
(২) পাবলিক প্রসিকিউটরের অনুপস্থিতিতে, বা যেক্ষেত্রে পাবলিক প্রসিকিউটর নিযুক্ত হননি সেক্ষেত্রে মামলা পরিচালনার জন্য জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সরকার কর্তৃক এতদ্বিষয়ে নির্ধারিত পদের নিম্নপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তা ব্যতীত অন্য যে কোন ব্যক্তিকে পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ করতে পারবেন।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-492:Power to appoint Public Prosecutor:
(1) The Government may appoint, generally, or in any case, or for any specified class of cases, in any local area, one or more officers to be called Public Prosecutors.
(2) The District Magistrate may, in the absence or the Public Prosecutor, or where no Public Prosecutor has been appointed, appoint any other person, not being an officer of police below such ranks as the Government may prescribe in this behalf to be Public Prosecutor for the purpose of any case.
৩৪২.
What must be true for a statement to be relevant under Section 32(3) of The Evidence Act, 1872?
  1. It must be made under oath
  2. It must be made in front of a judge
  3. It must be made for public interest
  4. It must be against the maker's proprietary interest
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-

৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরনের মামলার উদ্ভব করতে পারে (statement against interest of maker);
- যখন বিবৃতিটি উক্ত ব্যক্তির অর্থনৈতিক বা স্বত্ব সম্পর্কিত স্বার্থের বিরুদ্ধে হয়, অথবা যখন এটি সত্য হলে, তা তাকে বা তার বিরুদ্ধে কোন অপরাধমূলক মামলা বা ক্ষতিপূরণের মামলা করার জন্য উন্মুক্ত করবে বা করেছিল।

[When the statement is against the pecuniary or proprietary interest of the person making it, or when, if true, it would expose him or would have exposed him to a criminal prosecution or to a suit for damages.]

এই ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি একজন ব্যক্তি কোনো বিবৃতি দেন যা তার আর্থিক বা স্বত্ব সম্পর্কিত স্বার্থের বিরুদ্ধে থাকে, অথবা সত্য হলে তা তাকে অপরাধের মুখোমুখি করতে পারে, তাহলে ওই বিবৃতি প্রাসঙ্গিক হতে পারে।
৩৪৩.
কৃষিকাজ বা শিল্প উৎপাদন ব্যতীত অন্য কোন কাজের জন্য স্থাবর সম্পত্তি ইজারা দেওয়া হলে তা _______ ইজারা বলে গন্য হবে।
  1. বার্ষিক
  2. মাসিক
  3. দৈনিক
  4. চুক্তিভিত্তিক
ব্যাখ্যা
• ধারা ১০৬: লিখিত চুক্তি বা স্থানীয় রীতির অবর্তমানে কতিপয় ইজারার মেয়াদ
কৃষি কার্য বা শিল্প উৎপাদনের জন্য স্থাবর সম্পত্তির ইজারা হলে তা বছর হতে বছরের ইজারা হিসেবে গণ্য করা হবে এবং এই ইজারাদাতা ও গ্রহীতার মধ্যে যে কোন পক্ষ কর্তৃক ইজারার বছরের শেষ দিন হতে ৬ মাস পূর্বে দেওয়া নোটিশ মূলে সমাপ্তিযোগ্য।
অন্য কোন উদ্দেশ্যে স্থাবর সম্পত্তির ইজারা হলে তা মাস হতে মাসের ইজারা হিসেবে গণ্য হবে এবং তা ইজারাদাতা ও গ্রহীতার মধ্যে যে কোন পক্ষ কর্তৃক ইজারার মাসের শেষ দিন হতে ১৫ দিন পূর্বে দেওয়া নোটিশ মূলে বাতিলযোগ্য।

এই ধারার আওতায় প্রত্যেকটি নোটিশ অবশ্যই লিখিত এবং নোটিশ দাতা বা তার পক্ষ হতে স্বাক্ষরিত হতে হবে এবং এই নোটিশ ডাকযোগে বা অর্পণের মাধ্যমে বা ব্যক্তিগত ভাবে প্রদান করতে হবে অথবা তার পরিবারের কোন সদস্যকে বা তার বাসভবনের কোন কর্মচারীকে তা প্রদান করতে হবে। অথবা যদি এরূপ সম্ভব না হয় তাহলে সম্পত্তির প্রকাশ্য স্থানে লটকিয়ে দিতে হবে।

⇒ কোন চুক্তি বা প্রচলিত আইনের অবর্তমানে কৃষিকাজ ব্য শিল্প উৎপাদনের জন্য স্থাবর সম্পত্তি ইজারা দেয়া হলে তা বার্ষিক ইজারা বলে গণ্য হবে।
কৃষিকাজ বা শিল্প উৎপাদন ব্যতীত অন্য কোন কাজের জন্য স্থাবর সম্পত্তি ইজারা দেওয়া হলে তা মাসিক ইজারা বলে গন্য হবে।
৩৪৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৫ ধারার অধীনে অধিকতর অনুসন্ধান বা অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি কে নির্ধারণ করে?
  1. জেলা আদালত
  2. দায়রা আদালত
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. পুলিশ কমিশনার
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৫ ধারার অধীনে, হাইকোর্ট বিভাগ নির্ধারণ করে যে, দণ্ডিত ব্যক্তির দোষ বা নির্দোষিতা সম্পর্কে অধিকতর অনুসন্ধান বা অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে কি না। যদি হাইকোর্ট বিভাগ মনে করেন যে, এই ধরনের অনুসন্ধান বা সাক্ষ্য গ্রহণের প্রয়োজন রয়েছে, তারা তা নিজে করতে পারেন অথবা দায়রা আদালতকে এই কাজ করতে নির্দেশ দিতে পারেন।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 375: Power to direct further inquiry to be made or additional evidence to be taken-
(1) If when such proceedings, are submitted the High Court Division thinks that a further inquiry should be made into, or additional evidence taken upon, any point bearing upon the guilt or innocence of the convicted person, it may make such inquiry or take such evidence itself, or direct it to be made or taken by the Court of Session.
(2) Unless the High Court Division otherwise directs, the presence of the convicted person may be dispensed with when such inquiry is made or such evidence is taken.
(3) When the inquiry and the evidence (if any) are not made and taken by the High Court Division, the result of such inquiry and the evidence shall be certified to such Court.
৩৪৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারার মতে, স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত ব্যক্তি কোন অবস্থায় মামলা করতে পারে?
  1. যদি আদালত সম্মতি দেয়
  2. যদি তার স্বত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়
  3. যদি তার অনুমতি ছাড়া দখলচ্যুত হয়
  4. উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারা অনুযায়ী, যদি কোন ব্যক্তি তার অনুমতি ছাড়া এবং আইনগত পন্থা অনুসরণ না করে স্থাবর সম্পত্তি থেকে দখলচ্যুত হয়, তবে সে বা তার মাধ্যমে দাবিদার ব্যক্তি আদালতে মামলা করে সেই সম্পত্তি পুনরুদ্ধার করতে পারে। এই ধারা এমন ব্যক্তির জন্য প্রযোজ্য যারা অবৈধভাবে তাদের সম্পত্তির দখল হারিয়েছে, এবং এটি সম্পত্তির বৈধতা বা মালিকানা প্রতিষ্ঠা করার জন্য নয়, বরং শুধুমাত্র দখল পুনরুদ্ধারের জন্য।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারার বিধান: স্থাবর সম্পত্তির দখল চ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা:
- যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে আইনগত পন্থা ছাড়াই স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তাহলে সে বা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তা পুনরুদ্ধার করতে পারে। তবে এই ধারার কোন কিছুই এমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠিত এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার নিমিত্তে কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা রুজু করার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে না।
- সরকারের ক্ষেত্রে এই ধারার কোনো প্রয়োগযোগ্য নেই।
- আদালত যে আদেশ দিবে তার বিরুদ্ধে আপিল বা পুনর্বিবেচনার আবেদন করা যাবে না।
------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section-9: Suit by person dispossessed of immoveable property:
If any person is dispossessed without his consent of immoveable property otherwise than in due course of law, he or any person claiming through him may, by suit recover possession thereof, notwithstanding any other title that may be set up in such suit.
- Nothing in this section shall bar any person from suing to establish his title to such property and to recover possession thereof.
- No suit under this section shall be brought against the Government.
- No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.

৩৪৬.
বাংলাদেশের আইনসভার নাম কি?
  1. জাতীয় পরিষদ
  2. পার্লামেন্ট
  3. জাতীয় সংসদ
  4. গণ পরিষদ
ব্যাখ্যা
• গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬৫: সংসদ-প্রতিষ্ঠা:

(১) "জাতীয় সংসদ" নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকিবে এবং এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইনপ্রণয়ন-ক্ষমতা সংসদের উপর ন্যস্ত হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, সংসদের আইন-দ্বারা যে কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ-আইন বা আইনগত কার্যকরতাসম্পন্ন অন্যান্য চুক্তিপত্র প্রণয়নের ক্ষমতার্পণ হইতে এই দফার কোন কিছুই সংসদকে নিবৃত্ত করিবে না।

(২) একক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকাসমূহ হইতে প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে আইনানুযায়ী নির্বাচিত তিন শত সদস্য লইয়া এবং এই অনুচ্ছেদের (৩) দফার কার্যকরতাকালে উক্ত দফায় বর্ণিত সদস্যদিগকে লইয়া সংসদ গঠিত হইবে; সদস্যগণ সংসদ-সদস্য বলিয়া অভিহিত হইবেন।

(৩) সংবিধান (সপ্তদশ সংশোধন) আইন, ২০১৮ প্রবর্তনকালে বিদ্যমান সংসদের অব্যবহিত পরবর্তী সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে শুরু করিয়া পঁচিশ বৎসরকাল অতিবাহিত হইবার অব্যবহিত পরবর্তীকালে সংসদ ভাংগিয়া না যাওয়া পর্যন্ত পঞ্চাশটি আসন কেবল মহিলা-সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত থাকিবে এবং তাঁহারা আইনানুযায়ী পূর্বোক্ত সদস্যদের দ্বারা সংসদে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতির ভিত্তিতে একক হস্তান্তরযোগ্য ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হইবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার কোন কিছুই এই অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন কোন আসনে কোন মহিলার নির্বাচন নিবৃত্ত করিবে না।

(৩ক) সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধন) আইন, ২০১১ প্রবর্তনকালে বিদ্যমান সংসদের অবশিষ্ট মেয়াদে এই অনুচ্ছেদের (২) দফায় বর্ণিত প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত তিন শত সদস্য এবং (৩) দফায় বর্ণিত পঞ্চাশ মহিলা-সদস্য লইয়া সংসদ গঠিত হইবে।

(৪) রাজধানীতে সংসদের আসন থাকিবে।

Article 65- Establishment of Parliament:
(1) There shall be a Parliament for Bangladesh (to be known as the House of the Nation) in which, subject to the provisions of this Constitution, shall be vested the legislative powers of the Republic: 
Provided that nothing in this clause shall prevent Parliament from delegating to any person or authority, by Act of Parliament, power to make orders, rules, regulations, bye laws or other instruments having legislative effect.

(2) Parliament shall consist of three hundred members to be elected in accordance with law from single territorial constituencies by direct election and, for so long as clause (3) is effective, the members provided for in that clause; the members shall be designated as Members of Parliament. 

(3) Until the dissolution of Parliament occurring next after the expiration of the period of twenty five years beginning from the date of the first meeting of the Parliament next after the Parliament in existence at the time of the commencement of the Constitution (Seventeenth Amendment) Act, 2018, there shall be reserved fifty seats exclusively for women members and they will be elected by the aforesaid members in accordance with law on the basis of procedure of proportional representation in the Parliament through single transferable vote : 
Provided that nothing in this clause shall be deemed to prevent a woman from being elected to any of the seats provided for in clause (2) of this article.

(3A) For the remaining period of the Parliament in existence at the time of the commencement of the Constitution (Fifteenth Amendment) Act, 2011, Parliament shall consist of three hundred members elected by direct election provided for in clause (2) and fifty women members provided for in clause (3).

(4) The seat of Parliament shall be in the capital.
৩৪৭.
আদালত রায়ের পূর্বে সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দিতে পারে যদি বিবাদী-
  1. তার সম্পত্তির সমগ্র বা কোন অংশ হস্তান্তর করার উপক্রম করে
  2. আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমানাহতে তার সমগ্র সম্পত্তি বা উহার কোন অংশ অপসারণের উপক্রম করে
  3. আদালতের অনুমতি ব্যতীত দেশ ছাড়ার উপক্রম করে
  4. ক এবং খ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৮ বিধি ৫ অনুযায়ী  যেক্ষেত্রে বিবাদীকে সম্পত্তি উপস্থিত করার জন্য জামানত প্রদানের নির্দেশ দেয়া যায়:
(১) যেক্ষেত্রে শপথনামা দ্বারা বা অন্য কোনভাবে মামলার যে কোন পর্যায়ে আদালত এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে, বিবাদী তার বিরুদ্ধে কোন ডিক্রি প্রদত্ত হলে তা জারীকরণে বাধাদান বা বিলম্বিত করার উদ্দেশ্যে-
ক) তার সম্পত্তির সমগ্র বা কোন অংশ হস্তান্তর করার উপক্রম করেছে, বা
খ) আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমানাহতে তার সমগ্র সম্পত্তি বা উহার কোন অংশ অপসারণের উপক্রম করেছে,
সেক্ষেত্রে আদালত ইহার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আদেশের উল্লেখিত পরিমাণ অংকের টাকা জামানত হিসাবে দাখিল করতে বা উক্ত সম্পত্তি বা উহার মূল্য বা ডিক্রি পরিতুষ্ট হওয়ার মত উহার যথেষ্ট অংশ আবশ্যক হলে আদালতের এখতিয়ারে ন্যস্ত করার জন্য অথবা সে কেন জামানত প্রদান করবে না তার কারণ দর্শাইতে হাজির হবার জন্য বিবাদীর প্রতি নির্দেশ দিতে পারবেন।

(২) আদালত অন্যরূপ নির্দেশ না দিলে, যে সম্পত্তি ক্রোক করা আবশ্যক বাদীকে উহ এবং উহার আনুমানিক মূল্য নির্দিষ্ট সম্পত্তির সমগ্র বা উহার কোন অংশ শর্ত সাপেক্ষে ক্রোকের ও নির্দেশ দিতে পারেন।

- অর্থাৎ আদেশ-৩৮, বিধি- ৫ থেকে ১৩: রায় ঘোষণার পূর্বে ক্রোক: বাদী এফিডেভিট দ্বারা বা অন্য কোন উপায়ে আদালতকে যদি সন্তুষ্ট করতে পারে যে, বিবাদী তার বিরুদ্ধে ডিক্রি হতে পারে মনে করে তার সম্পত্তি হস্তান্তর করার চেষ্টা করছে, তাহলে আদালত রায় ঘোষণার পূর্বে উক্ত সম্পত্তি ক্রোক করার আদেশ দিতে পারেন।
৩৪৮.
Easement Right বলতে কি বুঝায়?
  1. সুখাধিকার
  2. ঋণ
  3. ফেরত নেওয়া
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
♦ Easement Right মানে হল সুখাধিকার। সুখাধিকার বলতে বোঝায় এমন এক ধরনের অধিকার যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তির সম্পত্তি অন্য ব্যক্তি বিশেষ কোন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে।

♦ তামাদি আইনের ২৬ ধারায় সুখাধিকার অর্জনের বিধান রয়েছে। ২৬ ধারা অনুযায়ী কোন দালানে আলো-বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার অথবা স্থল ও জল পথের ব্যবহার অথবা পানির ব্যবহার অথবা যে কোন সুখাধিকার অব্যাহতভাবে ২০ বছর (সরকারী সম্পত্তিতে ৬০ বছর) ধরে শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করলে উক্ত সুখাধিকার নিরঙ্কুশ ও অলঙ্গনীয় অধিকারে পরিণত হবে।

♦ অর্থাৎ ২৬ ধারামতে কোন দালানে আলো-বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার অথবা স্থল ও জল পথের ব্যবহার অথবা পানির ব্যবহার অব্যাহতভাবে ২০ বছর ধরে শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করলে সুখাধিকার অর্জন করা যায়।

♦ সুখাধিকারের ক্ষেত্রে ২০ বছর বলতে মামলা দায়েরের তারিখের অব্যবহিত পূর্ববর্তী ২ বছরের মধ্যে সমাপ্ত ২০ বছরকে বুঝায় । তবে সরকারী সম্পত্তির উপর সুখাধিকার অর্জন করতে হলে ৬০ বছর ধরে শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করতে হবে। ২৬ ধারায় সুখাধিকার বলতে ইতিবাচক ও নেতিবাচক উভয় ধরণের সুখাধিকারকে বোঝায়।

♦ ২৬ ধারা অনুযায়ী সুখাধিকার আলো, বায়ু প্রবেশ ও ব্যবহার, স্থল ও জল পথের ব্যবহার এবং পানির ব্যবহারকে অন্তর্ভুক্ত করে।

♦ সুখাধিকার বা ব্যবহার স্বত্ব (ইজমেন্ট রাইট)- ১৮৮২ সালের ইজমেন্ট রাইট অ্যাক্ট এর ৪ ধারায় সুখাধিকারের (ইজমেন্ট রাইট) সংজ্ঞা রয়েছে। সুখাধিকার বলতে এমন এক সুবিধাভোগী স্বত্বের অধিকারকে বুঝায় যা দ্বারা কোনো জমির মালিক বা দখলকার তার জমির সুবিধাজনক ভোগের জন্য অপর কোনো ব্যক্তির জমির উপর দিয়ে কিছু করতে বা করা অব্যাহত রাখতে, কোনো কিছু নিবৃত্ত করতে বা নিবৃত্ত অব্যাহত রাখতে পারে।
৩৪৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮ বিধি ৪ক অনুসারে মামলার পক্ষের সাক্ষীর Examination-in-chief কীভাবে নেওয়া হয়?
  1. হলফনামার মাধ্যমে
  2. লিখিত জবাবের মাধ্যমে
  3. আদালতের প্রশ্নের মাধ্যমে
  4. মৌখিকভাবে উন্মুক্ত আদালতে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮, বিধি ৪ক এর বিধান অনুযায়ী, বাদী বা বিবাদীর জবানবন্দি (Examination-in-chief) হলফনামা (Affidavit) এর মাধ্যমে গ্রহণ করা হবে। অর্থাৎ, সাক্ষীকে আদালতে উপস্থিত হয়ে সরাসরি মৌখিকভাবে তার বক্তব্য প্রদান করতে হবে না; বরং সে তার বক্তব্য একটি হলফনামা আকারে লিখিতভাবে জমা দিবে। এরপর অন্যান্য পক্ষ তাকে জেরা (Cross-examination) করতে পারবে এবং প্রয়োজনে পুনঃপরীক্ষা (Re-examination) করা যাবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ১৮ বিধি ৪ক (4A), যা দেওয়ানি কার্যবিধি (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (অধ্যাদেশ নং XVIII, ২০২৫) এর মাধ্যমে যোগ করা হয়েছে, অনুসারে, বাদী বা বিবাদীর জবানবন্ধি গ্রহণ (Examination-in-chief) হলফনামার (Affidavit) মাধ্যমে গ্রহণ করা হবে। এরপর তাকে জেরা (Cross-examination) এবং প্রয়োজনে পুনঃপরীক্ষা (Re-examination) করা যাবে। এই বিধানে আরও উল্লেখ আছে যে:
- হলফনামার কপি আদালতে জমা দেওয়ার আগে অন্য পক্ষকে সরবরাহ করতে হবে।
- হলফনামার সাথে দাখিলকৃত দলিলের প্রমাণ ও গ্রহণযোগ্যতা আদালতের আদেশের অধীন হবে।
-------- 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-18, Rule-4A. Examination-inchief on affidavit and admissibility of documents:
Notwithstanding anything contained in this Code or the Evidence Act, 1872 (Act No. 1 of 1872), the facts stated in the plaint or written statement shall not be required to be orally stated or denied by the plaintiff or the defendant, as the case may be, and in every case, the examination-in-chief of the plaintiff or the defendant, as the case may be, shall be on affidavit and he may then be cross-examined and, if necessary, re-examined:
Provided that a copy of such affidavit shall be supplied to the other party before being furnished to the Court:
Provided further that where documents are filed along with the affidavit and the parties rely upon such documents, the proof and admissibility of those documents shall be subject to the orders of the Court.

৩৫০.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর অধীনে ডিক্রি বাস্তবায়নের জন্য আদালত কতদিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে?
  1. ১ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ১ বছর
ব্যাখ্যা
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ১৭(৩) অনুসারে, ডিক্রি বাস্তবায়নের জন্য আদালতে আবেদন করতে হবে ডিক্রি প্রদানের তারিখ থেকে ১ বছরের মধ্যে। এই সময়সীমা ডিক্রিদার (যিনি ডিক্রি পেয়েছেন) কর্তৃক ডিক্রিটি বাস্তবায়নের জন্য আবেদন করার জন্য নির্ধারিত হয়েছে।
এই সময়সীমা মেনে চলা জরুরি, কারণ সময়সীমা অতিক্রম করলে ডিক্রি বাস্তবায়নের জন্য আবেদন করা যাবে না।
- এই বিধানটি ডিক্রিদারকে ডিক্রি বাস্তবায়নের জন্য পর্যাপ্ত সময় দেয়, পাশাপাশি আইনি প্রক্রিয়াকে সুশৃঙ্খল রাখে।
------------
⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ১৭ ধারার বিধান: ডিক্রি বলবৎকরণ:
(১) পারিবারিক আদালত নির্ধারিত ফরমে ও পদ্ধতিতে ডিক্রি প্রদান করিবে এবং উহার বিবরণ নির্ধারিত ডিক্রি রেজিস্টার বহিতে লিপিবদ্ধ করিবে।
(২) যদি ডিক্রির দাবি পূরণকল্পে আদালতের সম্মুখে কোনো অর্থ পরিশোধ করা হয় বা কোনো সম্পত্তি হস্তান্তর করা হয়, তাহা হইলে উপরিউক্ত রেজিস্ট্রারে অনুরূপ পরিশোধ বা হস্তান্তরের বিষয় লিপিবদ্ধ করিতে হইবে।

(৩) যেক্ষেত্রে ডিক্রি অর্থ পরিশোধ সম্পর্কিত হয় এবং আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ে ডিক্রিকৃত অর্থ পরিশোধিত না হয়, সেইক্ষেত্রে উক্তরূপ নির্ধারিত সময় অতিবাহিত হইবার ১ (এক) বৎসরের মধ্যে ডিক্রিদার কর্তৃক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ডিক্রিটি বাস্তবায়ন করা হইবে, যথা:
(ক) দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন কোনো দেওয়ানি আদালত কর্তৃক প্রদত্ত অর্থের ডিক্রির ন্যায়; অথবা
(খ) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত জরিমানা প্রদানের আদেশের ন্যায় এবং উক্তরূপে বাস্তবায়নের পর ডিক্রির আদায়কৃত অর্থ ডিক্রিদারকে প্রদান করিতে হইবে।
(৪) উপধারা (৩) এর দফা (ক) এর অধীন ডিক্রি বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে, পারিবারিক আদালত দেওয়ানি আদালত হিসাবে গণ্য হইবে এবং দেওয়ানি আদালতের সকল ক্ষমতা উহার থাকিবে।
(৫) উপধারা (৩) এর দফা (খ) এর অধীন ডিক্রি বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে পারিবারিক আদালতের বিচারক একজন প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে গণ্য হইবেন এবং ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন উক্ত ম্যাজিস্ট্রেটের সকল ক্ষমতা তাহার থাকিবে এবং তিনি ডিক্রিকৃত বকেয়া অর্থ আদায়ের জন্য উক্ত কার্যবিধিতে এ জরিমানা আদায়ের জন্য বর্ণিত পদ্ধতিতে ওয়ারেন্ট জারি করিতে পারিবেন এবং ওয়ারেন্ট জারির পর অপরিশোধিত সম্পূর্ণ ডিক্রিকৃত অর্থ বা উহার কোনো অংশের জন্য রায় দেনাদারকে অনধিক ৩ (তিন) মাস অথবা পরিশোধ হওয়া পর্যন্ত, যাহা পূর্বে ঘটে, কারাদণ্ডের আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।
(৬) যেক্ষেত্রে কোনো ডিক্রি অর্থ পরিশোধ সংক্রান্ত না হয়, সেইক্ষেত্রে উক্ত ডিক্রি দেওয়ানি আদালতের অর্থ সংক্রান্ত ডিক্রি ব্যতীত অন্য কোনো ডিক্রির ন্যায় বাস্তবায়ন করিতে হইবে এবং এতদুদ্দেশ্যে আদালত একটি দেওয়ানি আদালত হিসাবে গণ্য হইবে এবং দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন উক্ত আদালতের সকল ক্ষমতা উহার থাকিবে।
(৭) ডিক্রি প্রদানকারী পারিবারিক আদালত স্বয়ং ডিক্রি বাস্তবায়ন করিবে অথবা ডিক্রি প্রদানকারী আদালত ডিক্রি বাস্তবায়নের জন্য অন্য কোনো পারিবারিক আদালতে উহা বদলি করিতে পারিবে এবং উক্ত ডিক্রি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে যে আদালতে বদলি করা হইয়াছে সেই আদালতের ডিক্রি প্রদানকারী পারিবারিক আদালতের সকল ক্ষমতা থাকিবে, যেন উক্ত আদালতই ডিক্রি প্রদান করিয়াছে।
(৮) আদালত, উপযুক্ত বিবেচনা করিলে, তৎকর্তৃক প্রদত্ত ডিক্রির অর্থ কিস্তিতে পরিশোধ করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে এবং যেরূপ উপযুক্ত মনে করিবে সেইরূপ কিস্তির সংখ্যা নির্ধারণ করিয়া দিতে পারিবে।
৩৫১.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১১৬-এর মতে, চুক্তিভঙ্গের ক্ষতিপূরণের জন্য মামলা দায়ের করার তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর 
  3. ৬ বছর
  4. ১২ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ১১৬ অনুসারে, একটি লিখিত এবং নিবন্ধিত চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা দায়ের করার তামাদি মেয়াদ হলো ৬ বছর।

⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১১৬: - লিখিত এবং নিবন্ধিত চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণের জন্য মামলা ৬ বছর বছরের মধ্যে দায়ের করতে হবে।
- তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে: চুক্তি নিবন্ধিত না হলে যখন মেয়াদ অতিবাহিত হতে শুরু করে তখন থেকে।

৩৫২.
ডিক্রি জারির আবেদনের ক্ষেত্রে দেনাদারকে নোটিশ প্রদানের বিধান কোন আদেশ ও বিধিতে উল্লেখ আছে?
  1. আদেশ-২০, বিধি-২১
  2. আদেশ-২১, বিধি-২২
  3. আদেশ-২২, বিধি-২১
  4. আদেশ-২৩, বিধি-২০
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ-২১, বিধি-২২ তে ডিক্রি জারির আবেদনের ক্ষেত্রে নোটিশ প্রদানের বিধান রয়েছে- সাধারণত নোটিশ ব্যতীত ডিক্রি জারির আবেদন করা হয়, তবে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির মামলা করলে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিতে হবে। যথ‍া:
- ডিক্রির তারিখ থেকে ২ বছর পর ডিক্রি জারির দরখাস্ত করা হলে দেনাদারকে (Judgement debtor) নোটিশ দিতে হয়।
- পক্ষের বৈধ প্রতিনিধিগণের বিপক্ষে ডিক্রি জারি করলে। তবে নোটিশ দিতে গিয়ে অযৌক্তিক বিলম্ব বা ন্যায় বিচার বিঘ্নিত হলে নোটিশ না দিলেও হবে।
- এছাড়া কোন বিদেশী রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ডিক্রি জারির আবেদন করলে নোটিশ দিতে হয়।
- দেওয়ানি কার্যবিধির ৫০(১) ধারা অনুযায়ী, দেনাদারের (Judgement debtor) মৃত্যু হলে তার বৈধ প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে ডিক্রি জারি করা যাবে। এক্ষেত্রে বৈধ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে ডিক্রি জারির আবেদন হলে নোটিশ দিতে হয়। অর্থাৎ দেনাদারের বৈধ প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে জারির আবেদন করতে হলে নোটিশ দিতে হয়।
---------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-21, Rule-22. Notice to show cause against execution in certain cases:
(1) Where an application for execution is made-
(a) more than two years after the date of the decree, or
(b) against the legal representative of a party to the decree,
or where an application is made for execution of a decree filed under the provisions of section 44A, the Court executing the decree shall issue a notice to the person against whom execution is applied for, requiring him to show cause, on a date to be fixed, why the decree should not be executed against him:
Provided that no such notice shall be necessary in consequence of more than two years having elapsed between the date of the decree and the application for execution if the application is made within two years from the date of the last order against the party against whom execution is applied for, made on any previous application for execution, or in consequence of the application being made against the legal representative of the judgment-debtor, if upon a previous application for execution against the same person the Court has ordered execution to issue against him.

৩৫৩.
বাংলাদেশের বার কাউন্সিল প্রতিষ্ঠাকারী আইন একটি
  1. President's Order
  2. Ordinance
  3. Act
  4. Rules
ব্যাখ্যা
♦Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 (President's Order No. 46 of 1972 ) এর অধীন গঠিত একটি প্রতিষ্ঠান।
৩৫৪.
নিচের কোন ধরনের মোকদ্দমার মেয়াদ সর্বোচ্চ ১ বছর?
  1. শ্রমিকের মজুরি আদায়ের মোকদ্দমা
  2. অগ্রক্রয়ের অধিকার বলবৎ এর মোকদ্দমা
  3. বিক্রয় রদের মোকদ্দমা
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৭- গৃহ-ভৃত্য কারিগর বা শ্রমিকের মজুরীর জন্য মামলা করার ক্ষেত্রে যখন থেকে মজুরী বকেয়া হয় তার সর্বোচ্চ ১ বছরের মধ্যে করতে হয়।

• অনুচ্ছেদ ১০- অগ্রক্রয়ের অধিকার [Right to pre-emtion] বলবৎ এর মামলার তামাদি- ১ বছর।

• অনুচ্ছেদ ১২- বিক্রয় রদের [Set aside] মামলার তামাদি- ১ বছর।
৩৫৫.
গণ উৎপাত [PUBLIC NUISANCES] সংক্রান্ত বিধান প্রযোজ্য না-
  1. জেলা এলাকায়
  2. মেট্রোপলিটন এলাকায়
  3. বিভাগীয় এলাকায়
  4. ক ও খ
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০ম অধ্যায়ের বিধান গণ-উৎপাত [PUBLIC NUISANCES].

♦ ধারা ১৩২ক তে এই অধ্যায়ের বলতে গণ-উৎপাত [PUBLIC NUISANCES] অধ্যায়কে বুঝানো হয়ছে।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩২ক ধারার বিধান প্রয়োগঃ এই অধ্যায়ের বিধানসমূহ মেট্রোপলিটন এলাকায় প্রযোজ্য হবে না।

-----------------------------
♦ CHAPTER X -PUBLIC NUISANCES:
Section 132A. Application: The provisions of this Chapter shall not apply to a Metropolitan Area.
৩৫৬.
The jurisdiction to decree specific performance is __________.
  1. Arbitrary
  2. Mandatory
  3. Discretionary
  4. None
ব্যাখ্যা
⇒ Section 22 Discretion as to decreeing specific performance: The jurisdiction to decree specific performance is discretionary, and the Court is not bound to grant such relief merely because it is lawful to do so; but the discretion of the Court is not arbitrary but sound and reasonable, guided by judicial principles and capable of correction by a Court of appeal. 
The following are cases in which the Court may properly exercise a discretion not to decree specific performance:- 
i) Where the circumstances under which the contract is made are such as to give the plaintiff an unfair advantage over the defendant, though there may be no fraud or misrepresen-tation on the plaintiff's part.
ii) Where the performance of the contract would involve some hardship on the defendant which he did not foresee, whereas its non-performance would involve no such hardship on the plaintiff.
iii) Where the plaintiff has done substantial acts or suffered losses in consequence of a contract capable of specific performance.
-----------------
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার (Specific Relief) বলতে ঐ সকল প্রতিকারকে বোঝায় যা কোন ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ ১৮৭৭ সালের সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের বিধান মোতাবেক সুনির্দিষ্টভাবে পাওয়ার অধিকারী। 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার সমূহ কেউ অধিকারবলে দাবী করতে পারবেন না; ইহা আদালতের ইচ্ছার(discretion) উপর নির্ভর করে থাকে। এই সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করা বা নামঞ্জুর করা আদালতের ইচ্ছাধীন বা সুবিবেচনামূলক ক্ষমতা (Discretionary Power)।আইনটির ২২ ধারা আদালতকে এই ক্ষমতা অর্পণ করেছে। অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদানে আদালতকে আইন দ্বারা বাধ্য করা যায়না। পরিস্থিতি বিবেচনায় আদালত ন্যায়সংগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে। তবে আদালতের এই ইচ্ছাধীন বা সুবিবেচনামূলক ক্ষমতা অবশ্যই স্বেচ্ছাচারীতামূলক হবে না বরং ন্যায় বিচার সহায়ক হবে।
৩৫৭.
উন্মাদ আসামীর বিচার পদ্ধতি নিয়ে ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর কত অধ্যায়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. অধ্যায় বত্রিশ ক
  2. অধ্যায় তেত্রিশ
  3. অধ্যায় চৌত্রিশ
  4. অধ্যায় পঁয়ত্রিশ
ব্যাখ্যা
• উন্মাদ আসামীর বিচার পদ্ধতি নিয়ে ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ চৌত্রিশ অধ্যায়ে আলোচনা করা হয়েছে।
৩৫৮.
ঘটনা নির্ভর চুক্তির ক্ষেত্রে ঘটনাটি হতে হবে-
  1. অতীত ও নিশ্চিত
  2. বর্তমান ও নির্ধারিত
  3. ভবিষ্যত এবং অনিশ্চিত
  4. আদালতের আদেশ দ্বারা নির্ধারিত
ব্যাখ্যা
Contract Act, 1872- ধারা ৩১: “ঘটনা নির্ভর চুক্তি” এর সংজ্ঞা:
“ঘটনা নির্ভর চুক্তি” হইল এমন একটি চুক্তি যাহার সহিত সংশ্লিষ্ট কোনো ঘটনা ঘটিলে বা না ঘটিলে কোনো কিছু করিতে হয় বা করা হইতে বিরত থাকিতে হয়।
A "contingent contract" is a contract to do or not to do something, if some event, collateral to such contract, does or does not happen.

⇒ এই ধরনের চুক্তির কার্যকারিতা নির্ভর করে কোনো ভবিষ্যৎ, অনিশ্চিত ঘটনার উপর, যা ঘটতে পারে বা নাও পারে।

উদাহরণ-
ক, খ এর সহিত এই মর্মে চুক্তি করিল যে, ক, খ-কে ১০,০০০ টাকা পরিশোধ করিবেন যদি খ এর বাড়ি পুড়িয়া যায়। ইহা একটি ঘটনা নির্ভর চুক্তি।
৩৫৯.
মুসলিম আইন অনুযায়ী বিবাহ বৈধ হওয়ার জন্য ন্যূনতম কতজন সাক্ষীর উপস্থিতি আবশ্যক?
  1. ২ জন মুসলিম পুরুষ ও ১ জন মহিলা
  2. ২ জন পুরুষ অথবা ১ জন পুরুষ ও ২ জন মহিলা
  3. ২ জন মুসলিম পুরুষ অথবা ১ জন মুসলিম পুরুষ ও ২ জন মুসলিম মহিলা
  4. ৩ জন মুসলিম পুরুষ অথবা ২ জন মুসলিম পুরুষ ও ২ জন মুসলিম মহিলা
ব্যাখ্যা
'বিবাহ` শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো মিলানো, একত্র করা। ইসলামী আইন অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট একজন নর ও নারীর একত্রিত হওয়ার চুক্তিকেই বিবাহ বলে।

ডি এফ মোল্লা তাঁর ‘মুসলিম আইনের মূলনীতি’ বইয়ে বিবাহের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেছেন
“বিবাহ বা নিকাহ এমন একটি চুক্তি যার উদ্দেশ্য বা লক্ষ্য হলো বৈধভাবে সন্তান লাভ ও প্রতিপালন।

বিচারপতি মাহমুদ তাঁর ‘আঃ কাদির ও সালিসী মোকদ্দমার রায়ে বলেছেন,
“মুসলিম বিবাহ কেবল ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, একটি বিশুদ্ধ দেওয়ানী চুক্তি যার উদ্দেশ্য পারিবারিক জীবন যাপন ও বৈধ সন্তান দান।"

মুসলিম বিবাহের অবশ্য পূরণীয় শর্তাবলী-
বিবাহ করতে ইচ্ছুক পক্ষদ্বয়ের মধ্যে এক পক্ষকে প্রস্তাব দিতে হবে এবং অপর পক্ষ থেকে তা গ্রহণ করতে হবে। এটিই বিবাহ বন্ধন সংগঠিত হওয়ার মূল শর্ত। বিবাহের জন্য পাত্র এবং পাত্রীর স্বতঃস্ফূর্ত সম্মতির প্রয়োজন। বল প্রয়োগে সম্মতি আদায়ে বিবাহ বাতিল বলে গণ্য হবে।

মুসলিম আইনে বিবাহের চুক্তি বৈধ হওয়ার জন্য সাক্ষী থাকা আবশ্যক। কমপক্ষে ২ জন মুসলিম পুরুষ, অথবা ১ জন মুসলিম পুরুষ ও ২ জন মুসলিম মহিলা সাক্ষী থাকতে হবে। এটি শরিয়াহ অনুযায়ী বৈধতার জন্য বাধ্যতামূলক। সাক্ষীদের প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ মস্তিষ্কের অধিকারী এবং ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে যোগ্য হতে হবে।তারা বিবাহ চুক্তি (নিকাহ) সম্পাদনের সময় উপস্থিত থাকতে হবে এবং উভয় পক্ষের সম্মতি শুনতে হবে হানাফি মাযহাব অনুসারে, সাক্ষী ছাড়া বিবাহ বৈধ নয়। শিয়া মতানুসারে সাক্ষীর উপস্থিতি সব ক্ষেত্রে আবশ্যক নয়, তবে এটি নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে প্রযোজ্য।
৩৬০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭ ধারা অনুযায়ী, আসামিকে সর্বোচ্চ কত দিন পুলিশ হেফাজতে (Police Custody) রাখা যায়?
  1. ১০ দিন
  2. ১৪ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ২১ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭ ধারার উপ-ধারা (২) এর দ্বিতীয় শর্তানুযায়ী (second proviso) স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, কোনো ম্যাজিস্ট্রেট কোনো বিশেষ মামলায় আসামিকে পুলিশ হেফাজতে (Police Custody) সর্বমোট পনেরো (১৫) দিনের বেশি রাখার অনুমোদন দিতে পারবেন না।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭(২) ধারায় রিমান্ড বিষয়ে বলা হয়েছে:-
(২) এই ধারা অনুসারে আসামিকে যে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণ করা হবে, তার সংশ্লিষ্ট মামলার বিচার করার অধিক্ষেত্রে থাকুক বা না থাকুক, তিনি তার বিবেচনামতে আসামিকে উক্তরূপ হেফাজতে আটক রাখার জন্য বিভিন্ন সময়ে কর্তৃত্ব প্রদান করবেন, তবে এরূপ আটকের মেয়াদ সর্বমোট ১৫ দিনের অধিক হবে না।
- মামলাটি বিচার করার অথবা বিচারার্থে পাঠানোর অধিক্ষেত্রে যদি তার না থাকে এবং তিনি আরো আটক রাখা অপ্রয়োজনীয় মনে করেন, তা হলে তিনি আসামিকে এইরূপ অধিক্ষেত্র সম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণের আদেশ দিতে পারিবেন।
তবে শর্ত থাকে যে, তৃতীয় শ্রেণির কোনো ম্যাজিস্ট্রেট এবং সরকার কর্তৃক এ বিষয়ে বিশেষভাবে ক্ষমতাবান নন, এইরূপ কোনো দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে পুলিশের হেফাজতে আটক রাখার কর্তৃত্ব দেবেন না।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-167: 
(2) The Magistrate to whom an accused person is forwarded under this section may, whether he has or has not jurisdiction to try the case from time to time authorize the detention of the accused in such custody as such Magistrate thinks fit, for a term not exceeding fifteen days in the whole. If he has not jurisdiction to try the case or send it for trial, and considers further detention unnecessary, he may order the accused to be forwarded to a Magistrate having such jurisdiction:
Provided that no Magistrate of the third class, and no Magistrate of the second class not specially empowered in this behalf by the Government shall authorize detention in the custody of the police.

৩৬১.
দেওয়ানি কার্যবিধিতে “Pleading” বলতে কী বোঝায়?
  1. Plaint
  2. Written statement
  3. Plaint or written statement
  4. Plaint and written statement
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির Order VI, Rule 1-এ "Pleading" এর সংজ্ঞা স্পষ্টভাবে দেওয়া আছে: "Pleading" shall mean plaint or written statement.
- "প্লীডিং" বলতে প্লেইন্ট বা লিখিত জবাব (written statement) বোঝায়।
- প্লেইন্ট (Plaint): বাদী তার দাবি উপস্থাপনের জন্য যে দলিল দাখিল করে।
- লিখিত জবাব (Written Statement): বিবাদী তার প্রতিরক্ষা উপস্থাপনের জন্য যে দলিল দাখিল করে।
 “or” শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে, অর্থাৎ Pleading বলতে হয় প্লেইন্ট (মামলার আরজি), নয়তো রিটেন স্টেটমেন্ট (লিখিত জবাব) — এই দুটির যেকোনো একটিকে বোঝায়।
অর্থাৎ প্লীডিং বলতে হয় প্লেইন্ট বা লিখিত জবাব বোঝায় - উভয়ই একসাথে নয়। তাই অপশন 'গ' সঠিক।
সুতরাং, দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী "Pleading" বলতে প্লেইন্ট বা লিখিত জবাব (Plaint or written statement) বোঝায়।

৩৬২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৫৩ ধারা কোন বিধান অনুসারে কার্যকর হবে?
  1. দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ
  2. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন-এর ৫২ ধারা
  3. ফৌজদারি কার্যবিধি
  4. তামাদি আইন
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৫৩ ধারা অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হলো একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা আর স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হলো সারাজীবনের জন্য নিষেধাজ্ঞা।
• এটি CPC আইনের আদেশ ৩৯ অনুসারে কার্যকর হবে।
• অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্তের মাধ্যমে আর স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আরজির মাধ্যমে চাওয়া হয়।
৩৬৩.
সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারা অনুসারে বিচারক মামলা চলাকালীন কোন বিষয় সম্পর্কে সাক্ষী বা পক্ষগণকে প্রশ্ন করতে পারেন?
  1. শুধুমাত্র মূল ঘটনা
  2. শুধুমাত্র অপ্রাসঙ্গিক বিষয়ে
  3. প্রাসঙ্গিক বা অপ্রাসঙ্গিক ঘটনা উভয়
  4. শুধুমাত্র প্রাসঙ্গিক ঘটনা
ব্যাখ্যা

ধারা ১৬৫: জজ কর্তৃক প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করিবার কিংবা কিছু দাখিল করিবার আদেশ দানের ক্ষমতা: বিচারক প্রাসঙ্গিক ঘটনা আবিষ্কার করিবার জন্য কিংবা তৎসম্পর্কে উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য যেকোনো সাক্ষীকে যেকোনো সময় অথবা যেকোনো প্রাসঙ্গিক বা অপ্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে পক্ষগণকে যেকোনো প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করিতে পারিবেন, এবং যেকোনো দলিল বা বস্তু উপস্থাপন করিবার আদেশ দিতে পারিবেন। পক্ষগণ বা তাহাদের প্রতিনিধিগণ অনুরূপ কোনো প্রশ্ন বা আদেশ সম্পর্কে কোনো আপত্তি করিতে পারিবে না। অনুরূপ কোনো প্রশ্নের উত্তরে সাক্ষী যাহা বলিবে তৎসম্পর্কে আদালতের অনুমতি ব্যতিরেকে সাক্ষীকে কোনো জেরা করিতেও পারিবে না।
তবে শর্ত এই যে, এই আইন অনুযায়ী যে সকল ঘটনা প্রাসঙ্গিক ও যথারীতি প্রমাণিত বলিয়া ঘোষিত হইবে, তাহার ভিত্তিতে মোকদ্দমার রায় দান করিতে হইবে।
আরও শর্ত এই যে, কোনো সাক্ষীকে বিরুদ্ধ পক্ষ কোনো প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করিলে বা কোনো দলিল দাখিল করিতে বলিলে এই আইনের ১২১ ও ১৩১ ধারা অনুযায়ী সাক্ষী যদি সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে বা সেই দলিল দাখিল করিতে অস্বীকার করিতে পারিতেন; তবে আদালত এই ধারা অনুযায়ী কোনো সাক্ষীকে উক্তরূপ কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে বা কোনো দলিল দাখিল করিতে বাধ্য করিতে পারিবেন না। এই আইনের ১৪৮ বা ১৪৯ ধারা অনুযায়ী অপর কোনো লেকের পক্ষে যে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা অসঙ্গত, বিচারকও সেইরূপ প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করিবেন না। ইতিপূর্বে এই আইনের যে সব ব্যতিক্রম উল্লেখ করা হইয়াছে, তাহা ছাড়া অন্য কোনো ক্ষেত্রে কোনো দলিল সম্পর্কে প্রাথমিক সাক্ষ্যদানের আবশ্যকতা আদালত মওকুফ করিতে পারিবেন।
--------------------------------------------
The Evidence Act 1872,Section165, Judge's power to put questions or order production: The Judge may, in order to discover or to obtain proper proof of relevant facts, ask any question he pleases, in any form, at any time, of any witness, or of the parties about any fact relevant or irrelevant; and may order the production of any document or thing: and neither the parties nor their agents shall be entitled to make any objection to any such question or order, nor, without the leave of the Court, to cross-examine any witness upon any answer given in reply to any such question.
Provided that the judgment must be based upon facts declared by this Act to be relevant, and duly proved:
Provided also that this section shall not authorize any Judge to compel any witness to answer any question or to produce any document which such witness would be entitled to refuse to
answer or produce under sections 121 to 131, both inclusive, if the question were asked or the document were called for by the adverse party; nor shall the Judge ask any question which it would be improper for any other person to ask under section 148 or 149; nor shall he dispense with primary evidence of any document, except in the cases herein- before excepted.

৩৬৪.
The Limitation Act, 1908 এর কোন ধারায় দলিলে বর্ণিত সময়ের হিসাব করার বিধান রয়েছে?
  1. ২৫
  2. ২৪
  3. ২৩
  4. ২৬
ব্যাখ্যা
♦ দলিলে উল্লেখিত সময়ের গণনা (Computation of Time mentioned in instruments )- তামাদি আইনের ২৫ ধারায় দলিলে উল্লেখিত সময় গণনার বিধান রয়েছে। তামাদি আইনের উদ্দেশ্য সাধনকল্পে যাবতীয় দলিল গ্রেগরীয়ান বর্ষপঞ্জী (Gregorian calendar) অনুসারে প্রণীত বলে বিবেচীত হবে।
৩৬৫.
'A' স্নেহ ও ভালবাসার কারণে প্রথমে তার ভাইদের এবং তাদের সন্তানদের প্রতি কিছু সম্পত্তি হস্তান্তর করে। পরবর্তীতে 'A' ৩য় পক্ষের সাথে সেই সম্পত্তি বিক্রির চুক্তি করে। এক্ষেত্রে বিক্রয় চুক্তি-
  1. 'A' কর্তৃক সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য
  2. প্রথম হস্তান্তর বাতিলের শর্তে বাস্তবায়নযোগ্য
  3. 'A' কর্তৃক সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য না
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
এই চুক্তিটি 'A' কর্তৃক সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য না।

ধারা ২৫- একজন বিক্রেতা বা ভাড়াটিয়ার পক্ষে স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় বা ভাড়া প্রদানের চুক্তি নির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়িত করা যাবে না যদি-
(ক) জেনে-শুনে নিজের অধিকারহীন এমন সম্পত্তির বিক্রয় বা ভাড়া দেওয়ার চুক্তিতে আবদ্ধ হয়ে থাকেন;

(খ) চুক্তি করার সময় যদিও বিশ্বাস করতেন যে তিনি সেই সম্পত্তির উপর সুনির্দিষ্ট অধিকার রাখেন, কিন্তু পক্ষদ্বয়ের বা আদালতের নির্ধারিত সময়ে বিক্রেতা বা ভাড়াটিয়া ক্রেতা বা ভাড়াটিয়াকে যৌক্তিক সন্দেহাতীতভাবে স্বত্বাধিকার প্রদান করতে অক্ষম হন;

(গ) চুক্তিতে আবদ্ধ হওয়ার পূর্বে কোনো মূল্যবান প্রতিফল ছাড়াই চুক্তির বিষয়বস্তুর উপর নিজের অধিকার সমর্পণ করে থাকেন।

(গ) এর শর্তমতে, এই চুক্তিটি নির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়ন করতে পারবে না। কারণ তা হলে তার পূর্বতন সমর্পণটি বাতিল হয়ে যাবে এবং যাদের উপর সেই সম্পত্তি সমর্পিত হয়েছিল তাদের স্বার্থগুলি ক্ষুণ্ণ হবে। অর্থাৎ এক্ষেত্রে A নিজের পূর্বতন কৃত কাজকে বাতিল করে, নতুন চুক্তিটিকে নির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়ন করতে পারবে না।
৩৬৬.
কিভাবে দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের ডিক্রি জারি করা যায়?
  1. সম্পত্তি ক্রোক
  2. কারাগারে আটক
  3. ক ও খ উভয়
  4. স্পেশাল ডিক্রি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৩২ এর বিধান সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন, দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার অথবা নিষেধাজ্ঞার জন্য ডিক্রি (Decree for specific performance, for restitution of conjugal rights, or for an injunction): দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের জন্য সম্পত্তি ক্রোক, অথবা  চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের বা নিষেধাজ্ঞার ডিক্রির ক্ষেত্রে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে বা সম্পত্তি ক্রোক করে বা উভয় প্রকারেই কার্যকর করা যাবে।

যদি কোন কর্পোরেশন হয়, তবে কর্পোরেশনের সম্পত্তি ক্রোক করে অথবা পরিচালকগণকে বা অন্যান্য প্রধান কর্মকর্তাগণকে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে বা ক্রোক এবং আটক উভয় প্রকারেই ডিক্রিটি জারি করা যাবে। কোন ক্রোক ১ বছর যাবৎ বলবৎ থাকলে যদি ডিক্রি দায়িক ডিক্রিটি মান্য না করে থাকে এবং ডিক্রিদার ক্রোককৃত সম্পত্তি নিলাম বিক্রয়ের জন্য আবেদন করে থাকে, তবে অনুরূপ সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত ডিক্রিদারকে অর্থ প্রদান করতে পারেন।
৩৬৭.
'A' makes an attempt to pick the pocket of 'Z' by thrusting his hand into 'Z's pocket. 'A' fails in the attempt in consequence of 'Z's having nothing in his pocket. এটি Penal Code এর কত ধারার অপরাধ?
  1. ১০৮
  2. ৫১১
  3. ৩৭৯
  4. কোন অপরাধ হয় নি
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৫১১ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনের উদ্যোগের সাজা:-

কোন ব্যক্তি যদি এই বিধিবলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটন করার অথবা অনুরূপ কোন অপরাধ সংঘটন করানোর উদ্যোগ করে এবং অনুরূপ উদ্যোগের মাধ্যমে অপরাধটি সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কাজ করে, তবে যেক্ষেত্রে অনুরূপ উদ্যোগের সাজার জন্য এই বিধিতে কোন প্রকাশ্য বিধান করা হয় নাই, সেক্ষেত্রে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য সে ধরনের অপরাধের জন্য বিহিত দণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের অর্ধেক পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা সে অপরাধটির জন্য যে অর্থ দণ্ডেও বিধান করা হয়েছে সে অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

উদাহরণ:
(ক) 'ক' একটি বাক্স ভেঙ্গে কিছু গহনাপত্র চুরি করার উদ্যোগ করে। সে বাক্সটি ভেঙ্গে দেখতে পায় যে, উহাতে কোন গহনাপত্র নাই। সে চুরির উদ্দেশ্যে এই কাজটি করেছে; সুতরাং সে এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।

(খ) 'ক', 'চ'- এর পকেটে হাত দিয়ে চ-এর পকেট মারার উদ্যোগ নেয়। 'চ'- এর পকেটে কিছু ছিল না বলে ক-এর চেষ্টা ব্যর্থ হয়। 'ক' এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।

Section 511- Punishment for attempting to commit offences punishable with imprisonment for life or imprisonment:
Whoever attempts to commit an offence punishable by this Code with imprisonment for life or imprisonment, or to cause such an offence to be committed, and in such attempt does any act towards the commission of the offence, shall, where no express provision is made by this Code for the punishment of such attempt, be punished with imprisonment of any description provided for the offence, for a term which may extend to one-half of the longest term of imprisonment provided for that offence, or with such fine as is provided for the offence, or with both. 
 
Illustration
(a) A makes an attempt to steal some jewels by breaking open a box, and finds after so opening the box, that there is no jewel in it. He has done an act towards the commission of theft, and therefore is guilty under this section. 

(b) A makes an attempt to pick the pocket of Z by thrusting his hand into Z's pocket. A fails in the attempt in consequence of Z's having nothing in his pocket. A is guilty under this section.
৩৬৮.
The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972-এ মোট অনুচ্ছেদ কতটি?
  1. ৩৬টি
  2. ২৬টি
  3. ৪৬টি
  4. ৫৬টি
ব্যাখ্যা
• The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972-এ ৪৬টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।
৩৬৯.
'A' agrees to sell to 'B' his white horse for Taka five hundred or Taka one thousand. The agreement is-
  1. valid
  2. void
  3. voidable at option of 'A'
  4. None of above
ব্যাখ্যা
• ধারা ২৯- অনিশ্চয়তার জন্য সম্মতি বাতিল:

যে সম্মতির অর্থ অনিশ্চিত বা সুনিশ্চিত করা সম্ভব নয় এমন সম্মতি বাতিল। ২৯ ধারার অধীন কেন সম্মতি বাতিল শুধুমাত্র যেক্ষেত্রে উক্ত সম্মতির অর্থ বা ভাষা অস্পষ্ট বা অনিশ্চিত এবং যেগুলো সুনির্দিষ্ট করা যায় না।

উল্লিখিত ক্ষেত্রে, 'ক' তার সাদা ঘোড়া ৫০০ টাকায় বা ১০০০ টাকায় বিক্রয় করার জন্য 'খ' এর সাথে সম্মত হয়। কিন্তু দুইটি মূল্যের মধ্যে কোন মূল্য পরিশোধ করতে হবে সেটার কোন উল্লেখ না থাকায় অনিশ্চয়তার কারণে চুক্তিটি বাতিল।

Section 29: Agreements void for uncertainty
Agreements, the meaning of which is not certain, or capable of being made certain, are void.
৩৭০.
কোন আইন দ্বারা ডিজিটাল রেকর্ডকে সাক্ষ্য আইনের দালিলিক সাক্ষ্যের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে?
  1. The Evidence(Amendment) Act, 2020
  2. The Evidence(Amendment) Rules, 2021
  3. The Evidence(Amendment) Act, 2022
  4. The Evidence(Amendment) Act, 2021
ব্যাখ্যা
The Evidence(Amendment) Act, 2022 দ্বারা ডিজিটাল রেকর্ডকে দলিলের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কম্পিউটারে প্রস্তুতকৃত যে কোন লেখা, সিসিটিভির ভিডিও বা মোবাইলে ধারণকৃত ছবি বা ভিডিও বা ওয়েবসাইট প্রকাশিত গেজেট ইত্যাদি ডিজিটাল রেকর্ড মর্মে গণ্য হবে এবং এগুলো সাক্ষ্য আইন অনুসারে দলিলের অন্তর্ভুক্ত হবে।

ধারা ৩: The Evidence(Amendment) Act, 2022 এর সংশোধন অনুসারে ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেকট্রিক রেকর্ড বলতে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো যুক্ত হবে-

⇒ ম্যাগনেটিক বা ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল, কম্পিউটার মেমরি, মাইক্রোফিল্ম;
⇒ অডিও, ভিডিও, ডিজিটাল বহুমুখী ডিস্ক বা ডিজিটাল ভিডিও ডিস্ক (ডিভিডি), কম্পিউটার উৎপাদিত মাইক্রোফিচ ইত্যাদিতে প্রস্তুতকৃত, প্রেরিত, গৃহীত বা ধারণকৃত কোন রেকর্ড, ডাটা বা তথ্য;
⇒ ড্রোন ডেটা বা ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশনের রেকর্ড (সিসিটিভি), সেল ফোন, হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার; বা
⇒ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ তে সংজ্ঞায়িত অন্য কোন ডিজিটাল ডিভাইসের কোন রেকর্ডস।
৩৭১.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৭৫ এর অধীনে নিম্নের কোনটি কমিশনের উদ্দেশ্য নয়?
  1. স্থানীয় তদন্ত
  2. হিসাব পরীক্ষণ
  3. মামলা খারিজ
  4. অংশীদারদের মধ্যে সম্পত্তি বণ্টন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৭৫ অনুযায়ী, আদালত নিম্নলিখিত উদ্দেশ্যে কমিশন জারি করতে পারেন—
(ক) কোন ব্যক্তি সাক্ষ্য দেয়ার জন্য
(খ) স্থানীয় তদন্তের জন্য
(গ) হিসাব পরীক্ষণের জন্য
(ঘ) অংশীদারদের মধ্যে সম্পত্তি বণ্টনের জন্য
- তবে "মামলা খারিজ" কমিশনের উদ্দেশ্যের অন্তর্ভুক্ত নয়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা: ৭৫ এর বিধান কমিশন প্রেরণের জন্য আদালতের ক্ষমতা:
- নির্ধারিত শর্তাবলি ও সীমা সাপেক্ষে আদালত নিম্নলিখিত উদ্দেশ্যে কমিশন ইস্যু করতে পারবেন-
ক) কোন ব্যক্তিকে পরীক্ষা করতে;
খ) স্থানীয় তদন্ত পরিচালনার জন্য;
গ) হিসাব পরীক্ষা বা সমন্বয় করার জন্য;
ঘ) সম্পত্তি বাটোয়ারা করার জন্য।
------------
⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section-75: Power of Court to issue commissions.
- Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the Court may issue a commission-
(a) to examine any person;
(b) to make a local investigation;
(c) to examine or adjust accounts;
(d) to make a partition.
৩৭২.
A তার পুত্র B-কে তার অপ্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় কিছু টাকা ধার দেয়। B সাবালক হওয়ার পর A তার পিতৃত্বের প্রভাব খাটিয়ে B-এর কাছ থেকে ধারিত টাকার চেয়ে বেশি অর্থের জন্য একটি বন্ড আদায় করে নেয়। এটি ________ উদাহরণ।
  1. প্রতারণার
  2. অযাচিত প্রভাবের
  3. ভ্রান্ত উপস্থাপনের
  4. বলপ্রয়োগের
ব্যাখ্যা
ধারা ১৬: "অযাচিত প্রভাব" (Undue Influence):
(১) যেখানে চুক্তি সম্পাদনের সময় চুক্তিপক্ষদের মধ্যে এমন সম্পর্ক বিদ্যমান থাকে যাতে এক পক্ষ অপর পক্ষের ইচ্ছাকে প্রভাবিত করার মতো অবস্থানে থাকে এবং সে সেই প্রভাব ব্যবহার করে অন্য পক্ষের উপর অন্যায় সুবিধা গ্রহণ করে - তখন বলা হয় চুক্তিটি "অযাচিত প্রভাব" দ্বারা প্রভাবিত।

(২) নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে একজন ব্যক্তি অন্যের ইচ্ছার উপর প্রভাব বিস্তার করার অবস্থানে আছেন বলে বিবেচিত হবেন:
(ক) তিনি অন্যের উপর বাস্তব বা আপাত কর্তৃত্ব রাখেন, অথবা fiduciary (বিশ্বাসভিত্তিক) সম্পর্কে রয়েছেন; অথবা
(খ) তিনি এমন কোনো ব্যক্তির সঙ্গে চুক্তি করেন, যার মানসিক সক্ষমতা বয়স, অসুস্থতা বা মানসিক/শারীরিক কষ্টের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত।

(৩) যখন কেউ অপরের ইচ্ছার উপর প্রভাব বিস্তার করার অবস্থানে থেকে তার সঙ্গে চুক্তি করেন, এবং সেই চুক্তি আপাতদৃষ্টিতে বা উপস্থাপিত প্রমাণে অন্যায্য বা অপ্রতিসাম্য (unconscionable) বলে মনে হয়- তখন প্রমাণের দায় বর্তায় প্রভাব বিস্তারকারীর উপর, যে চুক্তিটি অবৈধ প্রভাবে প্রভাবিত নয় তা প্রমাণ করতে হবে।

- এই উপ-ধারা Evidence Act, 1872-এর ধারা ১১১ প্রভাবিত করে না।

উদাহরণ (Illustration):
(ক) A তার পুত্র B-কে তার অপ্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় কিছু টাকা ধার দেয়। B সাবালক হওয়ার পর A তার পিতৃত্বের প্রভাব খাটিয়ে B-এর কাছ থেকে ধারিত টাকার চেয়ে বেশি অর্থের জন্য একটি বন্ড আদায় করে নেয়। এটি অযাচিত প্রভাবের একটি উদাহরণ।
৩৭৩.
'ক','খ' ও 'গ' একটি ফার্মের অংশীদার এবং 'ঘ' উক্ত ফার্মের নিকট ঋণগ্রস্থ হয়। 'খ' উন্মাদ এবং 'গ' নাবালক। 'খ' এবং 'গ'-এর সম্মতি ব্যতীত 'ক', দেনাদার 'ঘ'-কে ঋণমুক্ত করতে পারে না। এক্ষেত্রে-
  1. 'ক','খ' ও 'গ' সকলের বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হতে থাকবে
  2. শুধুমাত্র 'ক' এর বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হতে থাকবে
  3. 'খ', এবং 'গ' এর বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হবে না
  4. 'ক','খ' ও 'গ' সকলে তামাদির মেয়াদ হতে অব্যাহতি পাবে
ব্যাখ্যা
এক্ষেত্রে 'ক','খ' ও 'গ' সকলে তামাদি আইন,১৯০৮ এর ৭ ধারার অধীন তামাদির মেয়াদ হতে অব্যাহতি পাবে।

• তামাদি আইনের ৬, ৭,৮ এবং ৯ ধারায় আইনগত অপারগতার নিয়ম বর্ণনা করা হয়েছে। যে ব্যক্তির মামলা করার অধিকার সৃষ্টি হয়েছে সে যদি উক্ত সময় মামলা করতে আইনগতভাবে অপারগ থাকে, তাহলে তার মামলা করার তামাদির মেয়াদ কিভাবে গণনা করা হবে তা ৬ থেকে ৯ ধারা পর্যন্ত উল্লেখ করা হয়েছে। 

 তামাদি আইনের ৬ ধারা অনুযায়ী ৩টি বিষয়কে আইনগত অপারগতা (Legal Disability) হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
১. নাবালকত্ব [Minority]
২. উন্মাদ [Insanity]
৩. জড়বুদ্ধি বা চরম বুদ্ধিহীনতা [Idiocy]

• আইনগত অপারগতার ক্ষেত্রে যখন মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে মামলা করার অধিকারী কোন ব্যক্তি যে সময়ে সে মামলা করার অধিকারী হয় উক্ত সময়ে সে নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকলে তার মামলা করার তামাদির মেয়াদ গণনা করা শুরু হবে যখন তার এই আইনগত অপারগতা অর্থাৎ নাবালকত্ব, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধিতার অবসান হবে তখন থেকে।

ধারা ৭ (একাধিক বাদী অথবা দরখাস্তকারীর মধ্যে একজনের অপারগতা)-
যে ক্ষেত্রে একাধিক ব্যক্তি মামলা বা কার্যধারা দায়ের করার অধিকারী হয় বা ডিক্রি জারির জন্য দরখাস্ত দাখিল করার অধিকারী হয় এবং তাদের সকলেই আইনগত অক্ষম হলে তাদের কারোর বিরুদ্ধে তামাদি অতিবাহিত হবে না। কিন্তু যদি এমন হয় যে, তাদের মধ্যে এক বা একাধিক ব্যক্তি আইনগতভাবে অক্ষম কিন্তু বাকিরা আইনগতভাবে সক্ষম বা সুস্থ, সেই ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ সকলের বিরুদ্ধে অতিবাহিত হবে। কি হবে না তা নিম্নলিখিত ভাবে নির্ধারণ করতে হবে-

⇒ যে সকল ব্যক্তি আইনগতভাবে অপারগ তাদের সম্মতি ছাড়া যে ব্যক্তি আইনগতভাবে অপারগ না সে যদি দায়মুক্তি বা ঋণ পরিশোধ করতে পারে তাহলে সকলের বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হবে।
⇒ কিন্তু আইনগতভাবে সক্ষম ব্যক্তি আইনগত অপারগ ব্যক্তিদের সম্মতি ছাড়া দায়মুক্তি বা ঋণ পরিশোধ করতে না পারলে, তাদের কারোর বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হবে না।

Section 7: Disability of one of several plaintiffs or applicants-
Where one of several persons jointly entitled to institute a suit or proceeding or make an application for the execution of a decree is under any such disability, and discharge can be given without the concurrence of such person, time will run against them all: but, where no such discharge can be given, time will not run as against any of them until one of them becomes capable of giving such discharge without the concurrence of the others or until the disability has ceased.
৩৭৪.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৮৯গ ধারা কী বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. ডিক্রি বাস্তবায়ন
  2. আরবিট্রেশন
  3. মামলায় মধ্যস্থতা
  4. আপিলে মধ্যস্থতা
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৮৯গ ধারার শিরোনামই হল "আপিলে মধ্যস্থতা" (Mediation in Appeal)। এই ধারার বিধান অনুযায়ী, আদেশ ৪১-এর অধীনে মূল ডিক্রি থেকে দায়েরকৃত আপিলের বিরোধ যদি একই মূল পক্ষ বা তাদের স্থলাভিষিক্ত পক্ষের মধ্যে থাকে, তাহলে আপিল আদালত সেই বিরোধ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করবে বা মধ্যস্থতার জন্য প্রেরণ করবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯গ ধারার বিধান আপিলে মধ্যস্থতা (Mediation in Appeal): যদি আদেশ ৪১ এর অধীনে মূল ডিক্রি হতে কোন আপিল দায়ের হয় এবং যদি একই পক্ষগণের বা মূল পক্ষগণের স্থলাভিষিক্ত পক্ষগণের মধ্যে উক্ত আপিল দায়ের হয়ে থাকে, তাহলে আপিল আদালত উক্ত আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করবে অথবা আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করবে। এরূপ মধ্যস্থতার ক্ষেত্রে আপিল আদালত প্রয়োজনীয় মনে করলে যতদূর সম্ভব ৮৯ক ধারার বিধানসমূহকে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন (Mutatis Mutandis) সাপেক্ষে অনুসরণ করবে।
----------
⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section 89C- Mediation in Appeal:
(1) An Appellate Court shall mediate in an appeal or refer the appeal for mediation in order to settle the dispute or disputes in that appeal, if the appeal is an appeal from original decree under Order XLI, and is between the same parties who contested in the original suit or the parties who have been substituted for the original contesting parties. 
(2) In mediation under sub-section (1), the provisions of section 89A shall be followed with necessary changes (mutatis mutandis) as may be expedient.

৩৭৫.
For how long can a Magistrate remand an accused person to custody at a time under Section 344 of The Code of Criminal Procedure, 1898?
  1. 7 days
  2. 15 days
  3. 30 days
  4. Indefinitely
ব্যাখ্যা
• Section 344- Power to postpone or adjourn proceedings:
(1) If, from the absence of a witness, or any other reasonable cause, it becomes necessary or advisable to postpone the commencement of, or adjourn any inquiry or trial, the Court may, if it thinks fit, by order in writing, stating the reasons therefor, from time to time, postpone or adjourn the same on such terms as it thinks fit, for such time as it considers reasonable, and may by a warrant remand the accused if in custody:

Remand: Provided that no Magistrate shall remand an accused person to custody under this section for a term exceeding fifteen days at a time.

(2) Every order made under this section by a Court other than High Court Division shall be in writing signed by the presiding Judge or Magistrate.
Explanation: Reasonable cause for remand.-If sufficient evidence has been obtained to raise a suspicion that the accused may have committed an offence, and it appears likely that further evidence may be obtained by a remand, this is a reasonable cause for a remand.

ধারা ৩৪৪- কার্যক্রম স্থগিত বা মুলতবি রাখার ক্ষমতা:
(১) কোন সাক্ষীর অনুপস্থিতি বা অন্য কোন যৌক্তিক কারণে যদি কোন অনুসন্ধান বা বিচার আরম্ভ, স্থগিত রাখা বা মুলতবি রাখা প্রয়োজনীয় বা সংগত হয়ে পড়ে, সেক্ষেত্রে আদালত সঠিক মনে করলে কারণ উল্লেখপূর্বক লিখিত আদেশ দ্বারা যে শর্তে সঠিক মনে করেন সে শর্তে, যে সময়ের জন্য যৌক্তিক মনে করেন সেই সময়ের জন্য সময়ে সময়ে তা স্থগিত বা মুলতবি রাখতে পারবেন এবং আসামী হাজতে থাকলে পরোয়ানা দ্বারা তাকে রিমান্ডে দিতে পারবেনঃ

রিমান্ডঃ শর্ত থাকে যে, এই ধারা অনুসারে, কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোন আসামীকে একসঙ্গে ১৫ (পনের) দিনের অধিক মেয়াদের জন্য রিমান্ডে পাঠাতে পারবেন না।

(২) হাইকোর্ট ডিভিশন ব্যতিরেকে অন্য কোন আদালত কর্তৃক এই ধারার অধীন প্রদত্ত প্রত্যেকটি আদেশ লিখিত ও বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে।
ব্যাখ্যাঃ আসামী অপরাধ করে থাকতে পারে এ মর্মে সন্দেহ সৃষ্টির মত পর্যাপ্ত সাক্ষ্য যদি সংগ্রহ হয়ে থাকে, এবং রিমান্ডের দ্বারা আরও সাক্ষ্য হতে পারে বলে যদি প্রতীয়মান হয়, তাহলে তা আসামীকে রিমান্ডে দিবার একটি যৌক্তিক কারণ হবে।
৩৭৬.
দণ্ডবিধির ৫৪ ধারায় সরকারের কী ক্ষমতা রয়েছে?
  1. অপরাধীকে ক্ষমা করার ক্ষমতা
  2. অপরাধীর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার ক্ষমতা
  3. মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে অন্য শাস্তি নির্ধারণের ক্ষমতা
  4. মৃত্যুদণ্ড ছাড়া অন্য শাস্তি কমানোর ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৫৪ ধারা- মৃত্যুদণ্ড হ্রাসকরণ:
প্রতিটি ক্ষেত্রে যেখানে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ প্রদান করা হয়েছে, সেখানে সরকার অপরাধীর সম্মতি ব্যতীত উক্ত শাস্তি এই বিধিতে নির্ধারিত অন্য কোনো শাস্তিতে রূপান্তর করতে পারে।

Section  54: Commutation of sentence of death:
In every case in which sentence of death shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for any other punishment provided by this Code.
৩৭৭.
লিখিত জবাবে ‘অস্বীকার সুনির্দিষ্ট হবে’- এর ব্যতিক্রম নিচের কোনটি?
  1. বাটোয়ারার ক্ষেত্রে
  2. ক্ষতিপূরণের ক্ষেত্রে 
  3. ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমার ক্ষেত্রে
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর : ক্ষতিপূরণের ক্ষেত্রে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৮ বিধি-৩: অস্বীকার সুনির্দিষ্ট হবে:
বিবাদীকে তার লিখিত বিবৃতিতে বাদীর অভিযোগের কারণসমূহ সাধারণভাবে অস্বীকার করলেই যথেষ্ট হবে না, বরং যে সকল তথ্য সংক্রান্ত অভিযোগের সত্যতা বিবাদী স্বীকার করে না, সেগুলোর প্রত্যেকটি বিবাদীকে অবশ্যই সুনির্দিষ্টভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে, তবে ক্ষতিপূরণের বিষয় ব্যতীত।

Order 8 Rule 3- Denial to be specific:
It shall not be sufficient for a defendant in his written statement to deny generally the grounds alleged by the plantiff, but the defendant must deal specifically with each allegation of fact of which he does not admit the truth, except damages.

৩৭৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় ময়নাতদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহার করার গ্রহণযোগ্যতা দেয়া হয়েছে?
  1. ১৭৬(২) ধারায়
  2. ৫০৯ক ধারায়
  3. ৫০৯ ধারায়
  4. ১৭৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৫০৯ক ধারার বিধান: ময়নাতদন্তের রিপোর্ট-
-এই কার্যবিধির অধীন যেক্ষেত্রে ইনকোয়ারী, বিচার বা অন্য কার্যক্রমে ময়না তদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহৃত হওয়া দরকার এবং ময়না তদন্তকারী সিভিল সার্জন বা অন্য কোন মেডিকেল অফিসার মারা গেলে বা সাক্ষ্য প্রদান করতে অপারগ হন বা বাংলাদেশের সীমার বাহিরে অবস্থান করেন এবং এরূপ বিলম্ব বা অতিরিক্ত ব্যয় ছাড়া বা অসুবিধা ছাড়া তাকে হাজির করা না যায়, যা মামলার অবস্থায় অযৌক্তিক সেক্ষেত্রে সাক্ষী রূপে তাকে তলব না করেই উক্ত রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহার করা যাবে।
 ----------------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 509A: Report of post-mortem examination-
Where in any inquiry, trial or other proceeding under this Code the report of a post-mortem examination is required to be used as evidence, and the Civil Surgeon or other medical officer who made the report is dead or is incapable of giving evidence or is beyond the limits of Bangladesh and his attendance cannot be procured without an amount of delay, expense or inconvenience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable, such report may be used as evidence.
৩৭৯.
'An appeal may lie from an original decree passed ex parte.' এটি দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় বর্ণিত?
  1. ৯০ ধারা
  2. ৯৫ ধারা
  3. ৯৬ ধারা
  4. ৯৭ ধারা
ব্যাখ্যা
ধারা ৯৬- মূল ডিক্রি হতে আপিল:
(১) এই আইনের কোন কোন অংশে অথবা বর্তমানে প্রচলিত অন্য কোন আইনে স্পষ্টতঃ অন্যরূপ বিধান না থাকলে, আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যেক ডিক্রি হতে আপিল শ্রবণের ক্ষমতাসম্পন্ন আদালতে আপিল দায়ের করতে হবে।
(২) একতরফা মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা যাবে।
(৩) পক্ষগণের সম্মতিতে আদালত কোন ডিক্রি দান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল চলবে না।

Appeal from original decree:
(1) Save where otherwise expressly provided in the body of this Code or by any other law for the time being in force, an appeal shall lie from every decree passed by any Court exercising original jurisdiction to the Court authorised to hear appeals from the decisions of such Court.
(2) An appeal may lie from an original decree passed ex parte.
(3) No appeal shall lie from a decree passed by the Court with the consent of parties.
৩৮০.
'ক','খ' ও 'গ' একটি ফার্মের অংশীদার এবং 'ঘ' উক্ত ফার্মের নিকট ঋণগ্রস্থ হয়। 'খ' উন্মাদ এবং 'গ' নাবালক। 'খ' এবং 'গ'-এর সম্মতি ব্যতীত 'ক', দেনাদার 'ঘ'-কে ঋণমুক্ত করতে পারে। এক্ষেত্রে-
  1. 'ক','খ' ও 'গ' সকলের বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হতে থাকবে
  2. শুধুমাত্র 'ক' এর বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হতে থাকবে
  3. 'খ' এবং 'গ' এর বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হবে না
  4. 'ক','খ' ও 'গ' সকলে তামাদির মেয়াদ হতে অব্যাহতি পাবে
ব্যাখ্যা
• এক্ষেত্রে 'ক','খ' ও 'গ' সকলে তামাদি আইন,১৯০৮ এর ৭ ধারার অধীন তামাদির মেয়াদ হতে অতিবাহিত হতে থাকবে।

• তামাদি আইনের ৬, ৭,৮ এবং ৯ ধারায় আইনগত অপারগতার নিয়ম বর্ণনা করা হয়েছে। যে ব্যক্তির মামলা করার অধিকার সৃষ্টি হয়েছে সে যদি উক্ত সময় মামলা করতে আইনগতভাবে অপারগ থাকে, তাহলে তার মামলা করার তামাদির মেয়াদ কিভাবে গণনা করা হবে তা ৬ থেকে ৯ ধারা পর্যন্ত উল্লেখ করা হয়েছে। 

 তামাদি আইনের ৬ ধারা অনুযায়ী ৩টি বিষয়কে আইনগত অপারগতা (Legal Disability) হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
১. নাবালকত্ব [Minority]
২. উন্মাদ [Insanity]
৩. জড়বুদ্ধি বা চরম বুদ্ধিহীনতা [Idiocy]

• আইনগত অপারগতার ক্ষেত্রে যখন মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে মামলা করার অধিকারী কোন ব্যক্তি যে সময়ে সে মামলা করার অধিকারী হয় উক্ত সময়ে সে নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকলে তার মামলা করার তামাদির মেয়াদ গণনা করা শুরু হবে যখন তার এই আইনগত অপারগতা অর্থাৎ নাবালকত্ব, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধিতার অবসান হবে তখন থেকে।

ধারা ৭ (একাধিক বাদী অথবা দরখাস্তকারীর মধ্যে একজনের অপারগতা)-
যে ক্ষেত্রে একাধিক ব্যক্তি মামলা বা কার্যধারা দায়ের করার অধিকারী হয় বা ডিক্রি জারির জন্য দরখাস্ত দাখিল করার অধিকারী হয় এবং তাদের সকলেই আইনগত অক্ষম হলে তাদের কারোর বিরুদ্ধে তামাদি অতিবাহিত হবে না। কিন্তু যদি এমন হয় যে, তাদের মধ্যে এক বা একাধিক ব্যক্তি আইনগতভাবে অক্ষম কিন্তু বাকিরা আইনগতভাবে সক্ষম বা সুস্থ, সেই ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ সকলের বিরুদ্ধে অতিবাহিত হবে। কি হবে না তা নিম্নলিখিত ভাবে নির্ধারণ করতে হবে-

যে সকল ব্যক্তি আইনগতভাবে অপারগ তাদের সম্মতি ছাড়া যে ব্যক্তি আইনগতভাবে অপারগ না সে যদি দায়মুক্তি বা ঋণ পরিশোধ করতে পারে, তাহলে সকলের বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হবে।

⇒ কিন্তু আইনগতভাবে সক্ষম ব্যক্তি আইনগত অপারগ ব্যক্তিদের সম্মতি ছাড়া দায়মুক্তি বা ঋণ পরিশোধ করতে না পারলে, তাদের কারোর বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হবে না।

Section 7: Disability of one of several plaintiffs or applicants-
Where one of several persons jointly entitled to institute a suit or proceeding or make an application for the execution of a decree is under any such disability, and discharge can be given without the concurrence of such person, time will run against them all: but, where no such discharge can be given, time will not run as against any of them until one of them becomes capable of giving such discharge without the concurrence of the others or until the disability has ceased.
৩৮১.
সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারা কী সম্পর্কিত?
  1. সাক্ষীর গোপনীয়তা
  2. সাক্ষ্য গ্রহণের ক্রম
  3. দলিলের সত্যতা যাচাই
  4. বিচারকের প্রশ্ন করার ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারার বিধান: বিচারক কর্তৃক প্রশ্ন জিজ্ঞেস করার বা কিছু দাখিল করার আদেশ প্রদানের ক্ষমতা-
বিচারক প্রাসঙ্গিক ঘটনা উদঘাটন করার জন্য অথবা উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য যে কোন সাক্ষীকে যে কোন সময় যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন, অথবা প্রাসঙ্গিক বা অপ্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে পক্ষগণকে যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন এবং যে কোন দলিল বা বস্তু উপস্থাপন করার আদেশ দিতে পারবেন।

তবে শর্ত থাকে যে, এই আইন অনুসারে যে সকল ঘটনা প্রাসঙ্গিক ও যথারীতি প্রমাণিত বলে ঘোষিত হবে, তার ভিত্তিতেই মামলার রায় দান করতে হবে।

⇒ পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিগণ বিচারকের কোন প্রশ্ন বা আদেশ সম্পর্কে কোন আপত্তি করতে পারবে না। অনুরূপ কোন প্রশ্নের উত্তরে সাক্ষী যা বলবে ঐ সম্পর্কে আদালতের অনুমতি ব্যতীত সাক্ষীকে কোন জেরা করতেও পারবে না।
⇒ ১৬৫ ধারার ক্ষমতা আদালতের সহজাত ক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত।
⇒ ১৬৫ ধারার ক্ষমতাবলে উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য আদালত মামলার পক্ষ বা সাক্ষী অথবা কোন ব্যক্তিকে অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করতে পারে।
৩৮২.
ইসলামী ফৌজদারি আইনের শাস্তির দর্শনের ভিত্তি কী ছিল?
  1. সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষা
  2. প্রতিশোধের উদ্দেশ্যে শাস্তি
  3. অপরাধীর পুনর্বাসনের জন্য শাস্তি
  4. বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ
ব্যাখ্যা

⇒ ইসলামী ফৌজদারি আইনে শাস্তির দর্শন প্রতিশোধ (revenge) নয়, বরং অপরাধীর সংস্কার বা পুনর্বাসনের (reformation) উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছিল। শাস্তি নির্ধারণের ক্ষেত্রে এটি অপরাধের সীমা অতিক্রম করা উচিত নয় এবং এটি সমাজে উদাহরণ স্থাপনের (exemplary) মাধ্যমে প্রতিরোধমূলক (deterrent) হওয়া উচিত। কুরআনের সূরা আল-মায়িদা (৫:৩৮)-এর উদ্ধৃতিতে বলা হয়েছে: "চোর পুরুষ ও চোর নারীর হাত কেটে দাও, তাদের কৃতকর্মের প্রতিদানস্বরূপ, আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি exemplary punishment। আর আল্লাহ পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।" এই আয়াতের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, ইসলামী সমাজে শাস্তির উদ্দেশ্য হলো অপরাধীকে সংস্কার করা এবং সমাজে অপরাধ প্রতিরোধ করা। ইসলামী অর্থনৈতিক ও সামাজিক ব্যবস্থা প্রত্যেক নাগরিকের জন্য ন্যায়বিচার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে, যাতে অপরাধের প্রবৃত্তি হ্রাস পায়।
উদাহরণস্বরূপ, চুরির মতো অপরাধের জন্য কঠোর শাস্তি (যেমন, হাত কাটা) নির্ধারিত হলেও, এটি সমাজে সততা ও নৈতিকতা বজায় রাখার জন্য এবং অপরাধীকে সংশোধনের পথে আনার জন্য প্রয়োগ করা হয়। ইসলামী সমাজে সরল জীবনযাপন, সত্যবাদিতা, ন্যায়পরায়ণতা এবং অপ্রয়োজনীয় রীতিনীতি থেকে বিরত থাকার উপর জোর দেওয়া হয়, যা অপরাধের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়।

অন্যান্য অপশনের বিশ্লেষণ:
ক) সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষা: যদিও ইসলামী ফৌজদারি আইনের একটি লক্ষ্য ছিল সমাজে শৃঙ্খলা বজায় রাখা, তবে এটি শাস্তির মূল দর্শন নয়। শৃঙ্খলা রক্ষা একটি ফলাফল, কিন্তু শাস্তির প্রাথমিক উদ্দেশ্য ছিল অপরাধীর পুনর্বাসন।
খ) প্রতিশোধের উদ্দেশ্যে শাস্তি: ইসলামে শাস্তি প্রতিশোধের জন্য নয়। প্রতিশোধের পরিবর্তে, ইসলামী আইন অপরাধীর সংস্কার ও সমাজের সুরক্ষার উপর জোর দেয়। উদাহরণস্বরূপ, দিয়াত (রক্তমূল্য) বা কিসাস (সমান প্রতিশোধ) ব্যবস্থা থাকলেও, এগুলো সংস্কার ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য নিয়ন্ত্রিত হয়।
ঘ) বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ: ইসলামী ফৌজদারি আইনে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা একটি গৌণ বিষয় ছিল। শাস্তির দর্শন মূলত অপরাধীর সংস্কার ও সমাজে নৈতিকতা প্রতিষ্ঠার সাথে সম্পর্কিত। বিচারকদের বিবেচনাধীন ক্ষমতা (যেমন তাজির) থাকলেও, এটি শাস্তির প্রধান ভিত্তি নয়।

অর্থাৎ ইসলামী ফৌজদারি আইনের শাস্তির দর্শন ছিল অপরাধীর পুনর্বাসন ও সংস্কারের উপর ভিত্তি করে, যা সমাজে ন্যায়বিচার ও নৈতিকতা প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োগ করা হতো। এটি প্রতিশোধের পরিবর্তে প্রতিরোধমূলক ও সংস্কারমূলক পদ্ধতির উপর জোর দেয়।

তথ্যসূত্র: Enactment of Penal Code, 1860: A Historical Analysis by Dr. Masuma Pervin. [লিঙ্ক]

৩৮৩.
বাংলাদেশ বা উহার কোন অংশে কার্যনির্বাহী সরকার পরিচালনা করিবার জন্য আইন বলে ক্ষমতা প্রদত্ত ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে বলা হয়-
  1. প্রশাসন
  2. সরকার
  3. সংসদ সদস্য
  4. আইনের লোক
ব্যাখ্যা
- দণ্ডবিধির ১৭ ধারার বিধান 'সরকার' বলতে বাংলাদেশ বা উহার কোন অংশে কার্যনিবাহী সরকার পরিচালনা করবার জন্য আইনবলে ক্ষমতা প্রাপ্ত ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে বুঝাইবে।

- The Penal Code, 1860 Section 17: “Government”: The word “Government” denotes the person or persons authorized by law to administer executive Government in Bangladesh, or in any part thereof.
৩৮৪.
সাক্ষ্য আইনে "সাক্ষ্য" (Evidence) কত প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩ অনুসারে, "সাক্ষ্য" (Evidence) তিন প্রকারে বিভক্ত: 
১. মৌখিক সাক্ষ্য (Oral Evidence): আদালতের সামনে সাক্ষীদের দেওয়া বক্তব্য, যা তদন্তাধীন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত।
২. দলিলি সাক্ষ্য (Documentary Evidence): আদালতের পরিদর্শনের জন্য পেশ করা নথি বা ডকুমেন্ট।
৩. ভৌত বা ফরেনসিক সাক্ষ্য (Physical or Forensic Evidence): রক্ত, চুল, ডিএনএ, আঙুলের ছাপ, পায়ের ছাপ ইত্যাদি উপাদান বা বস্তু, যা অপরাধের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে বা কোনো তথ্য প্রমাণ বা অপ্রমাণ করে।

৩৮৫.
সাধারণভাবে বার কাউন্সিলের নির্বাচন হবে বার কাউন্সিলের মেয়াদ শেষ হওয়ার বছরের-
  1. মে মাসের ৩১ তারিখে বা তার আগে
  2. জুন মাসের ৩০ তারিখে বা তার আগে
  3. মার্চ মাসের ৩১ তারিখে বা তার আগে
  4. মার্চ মাসের ৩০ তারিখে বা তার আগে
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ ৮ অনুযায়ী, যে বছর বার কাউন্সিলের মেয়াদ শেষ হয়, সেই বছরের মে মাসের ৩১ তারিখে বা তার আগে বার কাউন্সিলের নির্বাচন হবে।
-------------------------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972, Article-8. (1) Elections to the Bar Council shall be held so as to conclude on or before the thirty first day of May in the year in which the term of the Bar Council expires.
(2) If the elections to the Bar Council cannot be held within the time specified in clause (1) due to pandemic, epidemic, act of God or for any other unavoidable circumstances as may be determined by the Government from time to time, the Government may, by notification in the official Gazette, constitute an Ad-hoc Bar Council consisting of fifteen members for a term not exceeding one year and this term shall not be further extended.
The Attorney-General for Bangladesh shall be one of the members of the Ad-hoc Bar Council and shall also be its Chairman.

(4) Notwithstanding anything contained in any other provision of this Order, the Ad-hoc Bar Council shall exercise such powers and functions of the Bar Council as specified in this Order and the rules made thereunder.
৩৮৬.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ৯৫ ধারা অনুযায়ী, রায়ত কোন ধরনের বন্ধক দিতে পারবেন
  1. স্বত্বের দলিল জমার মাধ্যমে সৃষ্ট বন্ধক
  2.  শর্তসাপেক্ষ বিক্রয় বন্ধক
  3. আংশিক খাই খালাসী বন্ধক
  4. সম্পূর্ণ খাই খালাসী বন্ধক
ব্যাখ্যা

রায়তের সম্পত্তি বন্ধকী (Mortgage) সংক্রান্ত বিধিনিষেধ- ধারা ৯৫, The State Acquisition and Tenancy Act, 1950: 
(১) যেকোনো অন্য প্রযোজ্য আইন সত্ত্বেও, কোনো রায়ত তার অধিকারী সম্পত্তিতে সম্পূর্ণ খাই খালাসী (complete usufructuary) বন্ধক ছাড়া অন্য কোনো ধরনের usufructuary mortgage করতে পারবে না।

এই পূর্ণ খাই খালাসী বন্ধকও সেই সীমাবদ্ধতার অধীনে হবে যা ধারা ৯০ অনুযায়ী রায়তের সম্পত্তি বা তার অংশ/শেয়ারের হস্তান্তরে প্রযোজ্য।

কোনো রায়ত এই ধরণের বন্ধক করতে পারবে সর্বোচ্চ ৭ বছরের জন্য (চুক্তি স্পষ্ট বা নীরব হোক)।

প্রদত্ত শর্ত:
- বন্ধকয়ের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে যে কোনো সময়, রায়ত বন্ধক বাতিল (redeem) করতে পারবে।
- এর জন্য যে অর্থ প্রদান করতে হবে, তা হবে মোট প্রাপ্ত অর্থের সেই অংশ যা বাকি সময়ের অনুপাতে (unexpired period / total period) হিসাব করা হবে।

(২) প্রতিটি পূর্ণ ব্যবহারাধিকারী বন্ধক Registration Act, 1908 অনুযায়ী নিবন্ধনযোগ্য হতে হবে।

(৩) যদি কোনো রায়তের বন্ধকী উপ-ধারা (১)-এর শর্ত পূরণ না করে বা নিবন্ধিত না হয়, তবে তা বাতিল (void) হবে।

(৪) যেকোনো ক্ষেত্রে, যদি বন্ধক গ্রহণকারী (mortgagee) মেয়াদ শেষ হওয়ার পরে বন্ধকী বাতিল বা জমির পুনরুদ্ধার (redemption/restoration) করতে বাধা দেয়, তখন রায়াত Subdivisional Magistrate বা সরকারের অনুমোদিত কোনো কর্মকর্তার কাছে আবেদন করতে পারবে। আবেদন ও মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে প্রয়োজনীয় অর্থ প্রদান করলে, ম্যাজিস্ট্রেট বা অনুমোদিত কর্মকর্তা নির্দেশ দিবেন যে mortgagee জমি রায়াতকে ফেরত দেবে এবং সমস্ত সম্পর্কিত দলিল হস্তান্তর করবে।

(৫) যদি mortgagee নির্দেশিত তারিখে জমি ফেরত না দেয়, তখন ম্যাজিস্ট্রেট বা অনুমোদিত কর্মকর্তা রায়াতের আবেদন অনুযায়ী মর্টগেজি (mortgagee) কে উচ্ছেদ করে জমিতে দখল ফিরিয়ে দিতে পারবেন। এই উচ্ছেদ প্রক্রিয়ায় প্রয়োজন হলে প্রয়োজনীয় বল প্রয়োগ (force) করা বা করানো যাবে।

৩৮৭.
বিচারক বা সরকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেওয়ার ক্ষেত্রে কার পূর্ব অনুমতি নিতে হবে?
  1. প্রধান বিচারপতি
  2. দায়রা জজ
  3. প্রতিষ্ঠানের প্রধান
  4. সরকার
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ১৯৭ মতে যখন কোন সরকারী কর্মচারী তার কর্তব্য পালনকালে অপরাধ সংঘঠন করেছেন বলে অভিযুক্ত হয়ে থাকেন, তখন সরকারের পূর্ব অনুমতি ব্যতিত কোন আদালত সেরূপ অপরাধ আমলে নিবেন না। উক্ত অভিযোগ কার দ্বারা বা কীভাবে কার হবে বা কোন আদালতে বিচার হবে তা সরকার নির্ধারণ করবেন।
৩৮৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারার অধীন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত অব্যাহতির আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. কোনো প্রতিকার নেই
  2. দায়রা আদালতে আপিল
  3. দায়রা আদালতে রিভিশন
  4. ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে রিভিউ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচার কার্যক্রম সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।

ধারা ২৪১(ক)-ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক আসামির অব্যাহতি [Discharge of Accused by Magistrate):

অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে চার্জ গঠনের আগে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে ২৪১ক ধারায় অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে পারে। অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়ার ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিবে। পুলিশ কেসের ক্ষেত্রে মামলার এফআইআর, চার্জশীট, পুলিশের নিকট দেয়া বা সংগ্রহকৃত তথ্য বা প্রস্তুতকৃত ডকুমেন্ট, তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট প্রদত্ত জবানবন্দী, মেডিকেল সার্টিফিকেট এবং নালিশী কেসের ক্ষেত্রে মামলার অভিযোগ, বিচারিক অনুসন্ধান ও মেডিকেল সার্টিফিকেট ইত্যাদি কাগজপত্র আমলে নিবেন।
 
• ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিলে ফরিয়াদীর প্রতিকার-
২৪১(ক) ধারার অধীন ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে অব্যাহতির আদেশ দিলে, ফরিয়াদী উক্ত অব্যাহতি আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজ কোর্টে রিভিশন দায়ের করতে পারে।

উল্লেখ্য যে, ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ৩ ক্ষেত্রে আপিলের বিধান রয়েছে-
> দণ্ডাদেশ (ধারা ৪০৭, ৪০৮ এবং ৪১০);
> অপর্যাপ্ত দণ্ডাদেশ (ধারা ৪১৭ক); এবং
> খালাস আদেশের বিরুদ্ধে (ধারা ৪১৭)।

যেহেতু অব্যাহতির ক্ষেত্রে আপিলের বিধান নেই এবং যেক্ষেত্রে আপিল করা যায় না সেক্ষেত্রে রিভিশনের সুযোগ রয়েছে, সেহেতু উক্ত অব্যাহতির আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন করা যাবে।
৩৮৯.
চেক ডিজঅনারের জন্য আদালত জরিমানা করতে পারে চেকে উল্লিখিত অর্থের-
  1. অর্ধেক
  2. ২ গুন
  3. ৩ গুন
  4. ৪ গুন
ব্যাখ্যা
• অপর্যাপ্ত তহবিল, ত্রুটিপূর্ণ স্বাক্ষর ও অন্য যে কোন যথাযথ কারনে বাহক কর্তৃক সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে জমা দেয়া চেক যদি প্রত্যাখ্যাত হয় বা চেকে উল্লেখিত টাকা বাহককে প্রদান করা সম্ভব না হয় সেটিকেই বলা হয় চেক ডিজঅনার। কোন কারনে চেক ডিজঅনার হলে চেক প্রদানকারীর বিরুদ্ধে হস্তারযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ (Negotiable Instrument Act, 1881) অনুযায়ী আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহনের সুযোগ রয়েছে।

হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮(১) ধারায় চেক প্রত্যাখিত হবার শাস্তির কথা বলা হয়েছে। এখানে বলা আছে চেক ডিজঅনারের শাস্তি হল ১ বছরের কারাদণ্ড অথবা চেকে উল্লেখিত টাকার ৩ গুন জরিমানা অথবা উভয়।
৩৯০.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৩০ ধারার অধীন কোন কোন ক্ষেত্রে সমন প্রেরণ করা যায়?
  1. শুধুমাত্র সাক্ষ্যদান অথবা দলিল
  2. সাক্ষ্যদান বা দলিল দাখিল বা প্রশ্নাবলী প্রদান ও জবাবদান
  3. শুধুমাত্র প্রশ্নাবলী প্রদান ও জবাবদান
  4. শুধুমাত্র সাক্ষ্যদান
ব্যাখ্যা
• ধারা-৩০ (উদঘাটন ও অনুরূপ বিষয়ের আদেশ দানের ক্ষমতা)

নির্ধারণ শর্ত এবং সীমাবদ্ধতা সাপেক্ষে আদালতে যে কোন সময় স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে অথবা কোন পক্ষের আবেদনক্রমে-
ক) প্রশ্নাবলী প্রদান ও জবাবদান, দলিল ও তথ্যাবলীর স্বীকৃতি, এবং উদ্ঘাটন, পরিদর্শন, দাখিল, দলিল অন্তরীণ বা প্রত্যর্পণ অথবা সাক্ষ্য হিসাবে দাখিলযোগ্য অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলী সম্পর্কিত সকল বিষয়ে প্রয়োজনীয় ও যুক্তিপূর্ণ হতে পারে এরূপ আদেশ প্রদান করতে পারেন;
খ) সাক্ষ্যদান, অথবা দলিল দাখিল অথবা উপরোক্ত অন্য উদ্দেশ্যে যাদের হাজির হওয়ার প্রয়োজন, তাদের প্রতি সমন প্রেরণ করতে পারেন;
গ) কোন তথ্য এফিডেভিট (শপথ পত্র) দ্বারা প্রমাণের আদেশ করতে পারে।

Sec-30: 
Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the Court may, at any time, either of its own motion or on the application of any party,-
a) make such orders as may be necessary or reasonable in all matters relating to the delivery and answering of interrogatories, the admission of documents and facts, and the discovery, inspection, production, impounding and return of documents or other material objects producible as evidence;
b) issue summonses to persons whose attendance is required either to give evidence or to produce documents or such other objects as aforesaid;
c) order any fact to be proved by affidavit.
৩৯১.
বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে অবস্থিত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মামলা দায়েরের বিধান দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ১৫ ধারায়
  2. ১৬ ধারায়
  3. ১৭ ধারায়
  4. ১৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৭ ধারার বিধান: বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা:-
স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত কোন মোকদ্দমা বা এতে কোন ক্ষতির কারণে আনীত মোকদ্দমার সম্পত্তি যদি বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে থাকে, তাহলে ঐ সম্পত্তির অংশ বিশেষ যে আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে অবস্থিত, সেরূপ যে কোন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা যাতে পারে। তবে শর্ত থাকে যে, এই প্রকার মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর মূল্য সম্পর্কে সমগ্র দাবিটিই ঐরূপ আদালত বিচারার্থে গ্রহণ করতে পারে।
-------------------- 
→ The Code of Civil Procedure, 1908- Section 17: Suits for immovable property situate within jurisdiction of different Courts-
Where a suit is to obtain relief respecting, or compensation for wrong to, immovable property situate within the jurisdiction of different Courts, the suit may be instituted in any Court within the local limits of whose jurisdiction any portion of the property is situate:
Provided that, in respect of the value of the subject-matter of the suit, the entire claim is cognizable by such Court.
৩৯২.
ধারা ৩৮৪ এর অধীনে পরোয়ানার নির্দেশের উদ্দেশ্য কী?
  1. দণ্ড কার্যকর করা
  2. আসামিকে মুক্তি দেওয়া
  3. মামলার শুনানি স্থগিত করা
  4. আসামিকে অন্য কারাগারে স্থানান্তর করা
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৮৪- দণ্ড কার্যকরীর জন্য পরোয়ানার নির্দেশ:
কারাদণ্ড কার্যকরীর প্রত্যেকটি পরোয়ানা আসামী যে কারাগারে বা অন্য যে স্থানে আটক রয়েছে বা থাকবে, সেই কারাগারের বা স্থানের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর নির্দেশিত হবে।

Section 384: Direction of warrant for execution:
Every warrant for the execution of a sentence of imprisonment shall be directed to the officer in charge of the jail or other place in which the prisoner is, or is to be, confined.
৩৯৩.
তামাদি আইনের কত অনুচ্ছেদে ফৌজদারী কার্যবিধির অধীন খালাস [Acquittal] আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান রয়েছে?
  1. ১৫১ অনুচ্ছেদে
  2. ১৫৭ অনুচ্ছেদে
  3. ১৫৬ অনুচ্ছেদে
  4. ১৫৫ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১৫৭

খালাস [Acquittal] আদেশের বিরুদ্ধে ১৮৯৮ সালের ফৌজদারী কার্যবিধি অনুযায়ী আপিল করতে হবে যে আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে তার তারিখ হতে- ৬ মাস।
৩৯৪.
দণ্ডবিধির ধারা ১৪৪ অনুসারে, মারাত্মক অস্ত্র নিয়ে অবৈধ সমাবেশে যোগ দেওয়ার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  2. ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১৪৪ অনুসারে, যে কেউ মারাত্মক অস্ত্র বা এমন কিছু নিয়ে অবৈধ সমাবেশে যোগ দেয়, যা অপরাধের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হলে মৃত্যু ঘটাতে পারে, তাকে যে কোনো ধরনের কারাদণ্ডে সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত দণ্ডিত করা যেতে পারে, অথবা জরিমানা, অথবা উভয়ই।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪৪ ধারার বিধান মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বে-আইনী সমাবেশে যোগদান করা :- কোন ব্যক্তি যদি মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে অথবা যে বস্তু অপরাধের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করলে মৃত্যু ঘটতে পারে তা কর্তৃক সজ্জিত হয়ে কোন বেআইনী সমাবেশে যোগদান করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-144: Joining unlawful assembly armed with deadly weapon:-
- Whoever, being armed with any deadly weapon, or with anything which, used as a weapon of offence, is likely to cause death, is a member of an unlawful assembly, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

৩৯৫.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ১৫ বিধি-৪ অনুসারে যদি আদালত মনে করে যে বিচার্য বিষয়ের ওপর সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য সাক্ষ্য প্রয়োজন, তবে আদালত –
  1. মামলার রায় ঘোষণা করতে পারে
  2. মামলাটি খারিজ করে দিতে পারে
  3. মামলাটি স্থগিত রাখতে পারে
  4. বিবাদীর পক্ষে রায় দিতে পারে
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৫ বিধি-৪: সাক্ষ্য দানে ব্যর্থতা:
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমা চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য সমন প্রদান করা হয়ে থাকে এবং কোন পক্ষ যে সাক্ষ্যের উপর নির্ভর করে উক্ত সাক্ষ্য দানে যথার্থ কারণ ব্যতীত ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তৎক্ষণাৎ মোকদ্দমার রায় ঘোষণা করতে পারেন, বা এবং আদালত সঙ্গত মনে করলে উক্তরূপ বিচার্য বিষয়ের উপর উহার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার জন্য প্রয়োজনীয় হতে পারে এমন সাক্ষ্য দানের জন্য বিচার বিষয় প্রণয়ন এবং লিপিবদ্ধ করার পর মোকদ্দমা স্থগিত রাখতে পারে।

Order 15 Rule 4: Failure to produce evidence:
Where the summons has been issued for the final disposal of the suit and either party fails without sufficient cause to produce the evidence on which he relies, the Court may at once pronounce judgment, or may, if it thinks fit, after framing and recording issues adjourn the suit for the production of such evidence as may be necessary for its decision upon such issues.
৩৯৬.
আদালত একটি মোকদ্দমায় বিবাদীর বিরুদ্ধে একতরফা ডিক্রি দিলো। উক্ত একতরফা ডিক্রি কার্যকর করার কারণে বিবাদী সম্পত্তিতে তার দখল হারায়। পরবর্তীতে বিবাদী একতরফা ডিক্রি বাতিলের আবেদন করলে আদালত একতরফা ডিক্রি বাতিল করে আদেশ দিলো অর্থাৎ সম্পত্তিতে বিবাদীর দখল বহাল থাকলো। এক্ষেত্রে বিবাদী কত ধারার অধীনে সম্পত্তিতে তার দখল ফেরত বা প্রত্যর্পণ পাওয়ার অধিকারী হবে?
  1. ১৪২ ধারা
  2. ১৪৪ ধারা
  3. ১৪৬ ধারা
  4. ১৪৮ ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা: প্রত্যর্পণের দরখাস্ত:
(১) যে ক্ষেত্রে কোন ডিক্রির পরিবর্তন বা রদ করা হয়, সে ক্ষেত্রে সুবিধা পাওয়ার অধিকারী কোন পক্ষের আবেদনক্রমে, প্রাথমিক আদালত -(ডিক্রি প্রদানকারী আদালত) এরূপ প্রত্যর্পণের ব্যবস্থা করবেন, যাতে উক্ত ডিক্রি আদৌ প্রদত্ত না হলে পক্ষগণ যে অবস্থায় থাকতেন তাদেরকে সেই অবস্থায় স্থাপন করবেন এবং এই উদ্দেশ্যে আদালত ডিক্রি রদবদলের দরুন উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রার্থীকে তার প্রাপ্য মোকদ্দমার খরচ, সুদ, ক্ষতিপূরণ ও অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা পরিশোধসহ আদালত যথোপযুক্ত আদেশ দান করতে পারেন।

(২) উপধারা (১) অনুসারে আবেদন করে প্রত্যর্পণ বা অন্য কোন প্রতিকার পাওয়া গেলে, এই উদ্দেশ্যে কোন মোকদ্দমা দায়ের করা চলবে না।
-----------------------------------------
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা অনুযায়ী আদালতের কোন ডিক্রি বা আদেশের কারণে দুইটি বিষয় ঘটতে পারে। যেমন-
১. মোকদ্দমার কোন পক্ষ কোন কিছু গ্রহণ করতে পারে, আবার
২. অন্য পক্ষ কোন কিছু হারাতে পারে।

পরবর্তীতে আদালতের এই ডিক্রি বা আদেশ যদি সংশোধন, পরিবর্তন বা পরিমার্জন হয় এবং এর ফলে কোন পক্ষ কোন কিছু পাওয়ার অধিকারী হলে, তাকে সেই বিষয়টি ফেরত বা প্রত্যর্পণ করতে হবে অর্থাৎ তাকে তার পূর্বের অবস্থানে প্রতিস্থাপন করতে হবে। আদালতের ডিক্রি জারিতে যে-সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা হয়, ডিক্রি বাতিল হলে দেওয়ানী কার্যবিধির ১৪৪ ধারা অনুসারে ওই সম্পত্তির দখল প্রত্যর্পণ করতে হয় সেই ব্যক্তির নিকট যে ব্যক্তি ডিক্রি জারিতে উক্ত সম্পত্তির দখল হারিয়েছিল। কোন পক্ষের আবেদনক্রমে আদালত প্রত্যর্পণের আদেশ দিতে পারে।

এক্ষেত্রে, আদালত একটি মোকদ্দমায় বিবাদীর বিরুদ্ধে একতরফা ডিক্রি দিলো। উক্ত একতরফা ডিক্রি কার্যকর করার কারণে বিবাদী সম্পত্তিতে তার দখল হারায়। পরবর্তীতে বিবাদী একতরফা ডিক্রি বাতিলের আবেদন করলে আদালত একতরফা ডিক্রি বাতিল করে আদেশ দিলো অর্থাৎ সম্পত্তিতে বিবাদীর দখল বহাল থাকলো । এই ক্ষেত্রে বিবাদী সম্পত্তিতে তার দখল ফেরত বা প্রত্যর্পণ পাওয়ার জন্য আবেদন করতে পারে এবং এই ক্ষেত্রে মোকদ্দমা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তির জন্য অপেক্ষা করার প্রয়োজন নেই। এই ক্ষেত্রে আদালত এমন প্রত্যর্পণের আদেশ মঞ্জুর করে যে সিদ্ধান্ত দিবে তা ডিক্রি বলে গণ্য হবে।
৩৯৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় অপরাধী অজানা হলে সাক্ষ্য লিপিবদ্ধকরণের বিধান আছে?
  1. ৫০৯ক
  2. ৫১০ক
  3. ৫১১
  4. ৫১২(২)
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১২ ধারার বিধান:- আসামীর অনুপস্থিতিতে সাক্ষ্য লিপিবদ্ধকরণ
(১) যদি প্রমাণিত হয় যে, আসামী পালিয়েছে এবং তার গ্রেফতারের সম্ভাবনা নেই, সেক্ষেত্রে যে অপরাধ সম্পর্কে অভিযোগ আনা হয়েছে, সেই অপরাধের জন্য তাকে বিচার করার বা বিচারের জন্য প্রেরণ করার ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত তার অনুপস্থিতিতে বাদীপক্ষ দ্বারা দাখিলকৃত সাক্ষীর (যদি থাকে) জবানবন্দী গ্রহণ করতে ও তা লিপিবদ্ধ করতে পারবেন। এরুপ সাক্ষী মারা গেলে বা সাক্ষ্য দিবার জন্য অযোগ্য হয়ে পড়লে অথবা বিলম্ব, ব্যয় বা অসুবিধা বহন করা মামলার অবস্থায় অযৌক্তিক হয়ে পড়লে প্রদত্ত সাক্ষ্য সে যে অপরাধে অভিযুক্ত হয়েছে সেই অপরাধের ইনকোয়ারী বা বিচারে তার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যাবে ।

(২) অপরাধী অজানা হলে সাক্ষ্য লিপিবদ্ধকরণ-
যদি প্রতীয়মান হয় যে, কোন অজানা ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণ মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ করেছে, তাহলে হাইকোর্ট ডিভিশন নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন যে, কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট এই বিষয়ে ইনকোয়ারী করবেন এবং অপরাধ সম্পর্কে যারা সাক্ষ্য দিতে পারেন তাদেরকে পরীক্ষা করবেন। এরূপ সাক্ষী মারা গেলে বা সাক্ষ্য দিবার অযোগ্য হয়ে পড়লে বা বাংলাদেশের সীমার বাহিরে থাকলে গৃহীত জবানবন্দী পরবর্তীকালে উক্ত অপরাধ অভিযুক্ত যে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যাবে।
------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 512:
-(1)Record of evidence in absence of accused
 If it is proved that an person has absconded, and that there is no immediate prospect of arresting him, the Court competent to try such person for the offence complained of may, in his absence, examine the witnesses (if any) produced on behalf of the prosecution, and record their depositions. Any such deposition may be given in evidence against him on the inquiry into, or trial for, the offence with which he is charged, if the deponent is dead or incapable of giving evidence or his attendance cannot be procured without an amount of delay, expense or incon- venience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable.

(2) Record of evidence when offender unknown-
If it appears that an offence punishable with death or transportation has been committed by some person or persons unknown, the High Court Division may direct that any Magistrate of the first class shall hold an inquiry and examine any witnesses who can give evidence concerning the offence. Any depositions so taken may be given in evidence against any person who is subsequently accused of the offence, if the deponent is dead or incapable of giving evidence or beyond the limits of Bangladesh.
৩৯৮.
There are two different sects among the Muslims. They are-
  1. Hanafi and Shafi.
  2. Sunni and Shia.
  3. Maliki and Hanabali.
  4. None of Them
ব্যাখ্যা
⇒ Schools of Islamic law:
⇒ There are two different sects among the Muslims. They are Sunni and Shia. Most of the Muslims around the world are Sunni.
⇒ Among Sunni, there are four most famous Imams, which eventually have created four different schools of thought. They are: Hanafi, Shafi, Maliki and Hanabali.
⇒ The main difference between Sunni and Shia Muslims is based on whether or not they believe that Prophet Muhammad explicitly designated a successor.
⇒ Sunni Muslims believe that the Prophet did not explicitly declare a successor. Shia Muslims believe that the Prophet publicly designated his cousin and son-in-law, Hazrat Ali (peace be upon him), as the first in a line of hereditary Imams from the Prophet’s family to lead the community after him.
৩৯৯.
Process fees না দেওয়ার কারণে Complaint খারিজ করা হয় The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারায়?
  1. ২০৪(৪)
  2. ২০৪(১)
  3. ২০৪(২)
  4. ২০৪(৩)
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ২০৪ ধারা:
(১) যদি কোনো ম্যাজিস্ট্রেট কোনো অপরাধের বিষয়ে বিচারাধীন হয়ে মনে করেন যে মামলাটি চালানোর জন্য যথেষ্ট ভিত্তি রয়েছে এবং দ্বিতীয় তফসিলের চতুর্থ কলামের মতে এটি এমন একটি মামলা যেখানে প্রথমে সমন জারি করা উচিত, তাহলে তিনি অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করবেন। যদি মামলাটি এমন হয় যেখানে প্রথমেই ওয়ারেন্ট জারি করা প্রয়োজন, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট ওয়ারেন্ট জারি করতে পারেন অথবা প্রয়োজনে সমন জারি করে অভিযুক্তকে নির্ধারিত সময়ে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দিতে পারেন। যদি তার নিজস্ব এখতিয়ার না থাকে, তবে তিনি অন্য কোনো যোগ্য ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করানোর জন্য নির্দেশ দিতে পারেন।

(১ক) উপ-ধারা (১)-এর অধীনে কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে সমন বা ওয়ারেন্ট জারি করা যাবে না, যতক্ষণ না অভিযোগকারী পক্ষ সাক্ষীদের তালিকা দাখিল করে।
(খ) কোনো লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পরিচালিত মামলায়, উপ-ধারা (১)-এর অধীনে জারি করা প্রতিটি সমন বা ওয়ারেন্টের সাথে অভিযোগের একটি অনুলিপি সংযুক্ত থাকবে।

(২) এই ধারার কোনো কিছুই দণ্ডবিধির ৯০ ধারার বিধানকে প্রভাবিত করবে না।

(৩) যদি কোনো প্রচলিত আইনে প্রক্রিয়া ফি বা অন্যান্য ফি প্রদান করতে হয়, তবে ফি প্রদান না করা পর্যন্ত কোনো প্রক্রিয়া জারি করা হবে না। যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফি প্রদান করা না হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগটি খারিজ করতে পারেন।
৪০০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় বলা আছে 'প্রত্যেকটি বণ্ডের অর্থের পরিমাণ মামলার পরিস্থিতি বিবেচনাপূর্বক নির্ধারণ করতে হবে এবং তা অত্যধিক হবে না'?
  1. ৪৯৬ ধারায়
  2. ৪৯৮ ধারায়
  3. ৫০১ ধারায়
  4. ৫০৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারার বিধান- জামিন মঞ্জুর করার এবং অর্থের পরিমাণ হ্রাস করার ক্ষমতা:
(১) এই অধ্যায়ের অধীন সম্পাদিত প্রত্যেকটি বণ্ডের অর্থের পরিমাণ মামলার পরিস্থিতি বিবেচনাপূর্বক নির্ধারণ করতে হবে এবং তা অত্যধিক হবে না, এবং দণ্ডের পর আপীল থাকুক আর না থাকুক, হাইকোর্ট ডিভিশন বা দায়রা আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করার বা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দাবীকৃত জামিন হ্রাস করার নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।
--------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898,Section 498: Power to direct admission to bail or reduction of bail:
The amount of every bond executed under this Chapter shall be fixed with due regard to the circumstances of the case, and shall not be excessive; and the High Court Division or Court of Session may, in any case, whether there be an appeal on conviction or not, direct that any person be admitted to bail, or that the bail required by a police-officer or Magistrate be reduced.