বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের সংবিধান

মোট প্রশ্ন২,৩৩১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের সংবিধান

PrepBank · পাতা / ২৪ · ২০১৩০০ / ২,৩৩১

২০১.
বাংলাদেশ সংবিধানের প্রস্তাবনার কোন ভাগে 'শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা' সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
সঠিক উত্তর:
৩য়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩য়
ব্যাখ্যা
প্রস্তাবনা:
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- বাংলাদেশের সংবিধানে ১টি প্রস্তাবনা রয়েছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানে প্রস্তাবনার ৫টি ভাগ রয়েছে।
• ১ম- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা।
• ২য়- মূলনীতি গ্রহণ (অঙ্গীকার)।
• ৩য়- শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা (অঙ্গীকার)।
• ৪র্থ- সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুন্ন রাখা (ঘোষণা)।
• ৫ম- গনপরিষদে সংবিধান গৃহীত হওয়ার নিশ্চয়তা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
২০২.
সংস্কার কমিশন নতুন সংস্কার প্রস্তাবে বাংলাদেশ সংসদের উচ্চ কক্ষে _______ টি আসন প্রস্থাব করে।
  1. ২৫
  2. ৫০
  3. ৭৫
  4. ১০০
সঠিক উত্তর:
১০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০
ব্যাখ্যা

→ সংস্কার কমিশন নতুন সংস্কার প্রস্তাবে বাংলাদেশ সংসদের উচ্চ কক্ষে ১০০টি আসন প্রস্থাব করে।

♦ সংবিধান সংস্কার কমিশন:
- বিদ্যমান সংবিধান পর্যালোচনা ও মূল্যায়ন করার জন্য বাংলাদেশের সংবিধান সংস্কার কমিশন গঠন করা হয়েছিল।
- কমিশন গঠনের পেছনের প্রেক্ষাপট ছিল ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের পর সৃষ্ট রাজনৈতিক পরিস্থিতি।
- অতীতের সাংবিধানিক ব্যর্থতার কারণগুলো চিহ্নিত করে একটি নতুন, শক্তিশালী এবং জনগণের আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলিত সংবিধান প্রণয়নের জন্য রোডম্যাপ তৈরি করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- এর পরিপ্রেক্ষিতেই ৬ অক্টোবর, ২০২৪ সালে সংবিধান সংস্কার কমিশন গঠিত হয়।
- কমিশনের উল্লেখযোগ্য সুপারিশের মধ্যে রয়েছে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ।
• নিম্নকক্ষ (জাতীয় সংসদ) এবং
• উচ্চকক্ষের (সিনেট)।

● নিম্নকক্ষ:
- মোট ৪০০ আসন নিয়ে নিম্নকক্ষ গঠিত হবে।
- ৩০০ জন সদস্য একক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি নির্বাচিত হবেন।
- আরো ১০০ জন নারী সদস্য সারা দেশের নির্ধারিত ১০০টি নির্বাচনী এলাকা থেকে কেবল নারী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাধ্যমে সরাসরি নির্বাচিত হবেন।

● উচ্চকক্ষ:
- মোট ১০৫ জন সদস্য সমন্বয়ে গঠিত হবে।
- রাজনৈতিক দলগুলো সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (Proportional Representation - PR) পদ্ধতির ভিত্তিতে উচ্চকক্ষের নির্বাচনের জন্য ১০০ জন প্রার্থী মনোনীত করবে।
- অবশিষ্ট ৫টি আসন পূরণের জন্য রাষ্ট্রপতি নাগরিকদের মধ্য থেকে (যারা কোনো কক্ষেরই সদস্য নন) ৫ জন প্রার্থী মনোনীত করবেন।

♦ উল্লেখ্য:
- সংবিধান সংস্কার কমিশন -
- গঠিত হয়- ৬ অক্টোবর, ২০২৪।
- কমিশনের প্রধান- অধ্যাপক আলী রীয়াজ।
- মোট সদস্য- ৯ জন।

তথ্যসূত্র - সংবিধান সংস্কার কমিশন ও প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

২০৩.
গণিকাবৃত্তি ও জুয়া খেলা নিষিদ্ধ সম্পর্কিত বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ কোনটি?
  1. ১৭নং অনুচ্ছেদ
  2. ১৯নং অনুচ্ছেদ
  3. ১৮নং অনুচ্ছেদ
  4. ১৫নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
১৮নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৮ নং অনুচ্ছেদে জনস্বাস্থ্য এবং নৈতিকতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
১৮ (২) নং দফায় বলা হয়েছে,
“গনিকাবৃত্তি এবং জুয়াখেলা নিরোধের জন্যে রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।”

অন্যদিকে,
১৫ নং অনুচ্ছেদ: মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা
১৭ নং অনুচ্ছেদ: অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা
১৯ নং অনুচ্ছেদ: সুযোগের সমতা।

সূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।
২০৪.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সম্পত্তির অধিকার এর উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৪১
  2. অনুচ্ছেদ ৪২
  3. অনুচ্ছেদ ৪৩
  4. অনুচ্ছেদ ৪৪
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৪২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৪২
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৩৫ - বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ।
- অনুচ্ছেদ ৩৬ - চলাফেরার স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৭ - সমাবেশের স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৮ - সংগঠনের স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৯ - চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪০ - পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪১ - ধর্মীয় স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪২ - সম্পত্তির অধিকার।
- অনুচ্ছেদ ৪৩ - গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ।
- অনুচ্ছেদ ৪৪ - মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ।
- অনুচ্ছেদ ৪৫ - শৃঙ্খলামূলক আইনের ক্ষেত্রে অধিকারের পরিবর্তন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

২০৫.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে নির্বাচন অনুষ্ঠানের সময় সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ১২৩ নং
  2. ১২৪ নং
  3. ১২৫ নং
  4. ১২৬নং
সঠিক উত্তর:
১২৩ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২৩ নং
ব্যাখ্যা
নির্বাচন(৭ম অধ্যায়):
১১৮ - নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা।
১১৯ - নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব।
১২০ - নির্বাচন কমিশনের কর্মচারীগণ।
১২১-  প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা।
১২২ - ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা।
১২৩ - নির্বাচন-অনুষ্ঠানের সময়।
১২৪ - নির্বাচন সম্পর্কে সংসদের বিধান প্রণয়নের ক্ষমতা।
১২৫ - নির্বাচনী আইন ও নির্বাচনের বৈধতা।
১২৬ - নির্বাচন কমিশনকে নির্বাহী কর্তৃপক্ষের সহায়তাদান।

উৎস- বাংলাদেশ সংবিধান।
২০৬.
ওয়াটারলু যুদ্ধ সংঘটিত হয় -
  1. ক) ১৮২১ সালে
  2. খ) ১৮৩০ সালে
  3. গ) ১৮১৫ সালে
  4. ঘ) ১৮৩৫ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৮১৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৮১৫ সালে
ব্যাখ্যা
ওয়াটারলু যুদ্ধ (Battle of Waterloo)
ফ্রান্সের সম্রাট নেপোলিয়ান বেনাপোর্ট ও সম্মিলিত ব্রিটিশ বাহিনীর মধ্যে বেলজিয়ামের ওয়াটারলু নামক স্থানে এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

যুদ্ধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ:
যুদ্ধ সংঘটনকাল – ১৮ জুন, ১৮১৫ সাল।
বিবাদমান পক্ষ – নেপোলিয়ানের নেতৃত্বে ফ্রান্স বাহিনী ও সম্মিলিত ব্রিটিশ বাহিনী
বিজয়ী - সম্মিলিত ব্রিটিশ বাহিনী।
বিজিত - ফ্রান্স বাহিনী

ব্রিটিশ সম্মিলিত বাহিনী গঠিত হয় – বেলজিয়ান, জার্মান ও ডাচ বাহিনীর সমন্বয়ে। এই বাহিনী নেতৃত্ব দেন- আর্থার ওয়েলেসলি যিনি ছিলেন ‘প্রথম ডিউক অব ওয়েলিংটন'। যুদ্ধে নেপোলিয়ানের শোচনীয় পরাজয় ঘটে।
২২ জুন, ১৮১৫ সালে নেপোলিয়ানকে ক্ষমতাচ্যুত করে ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রিত 'সেইন্ট হেলেনা' দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয়।
৫ মে, ১৮২১ সালে নেপোলিয়ান মৃত্যুবরণ করেন। তাকে সেইন্ট হেলেনা দ্বীপে সমাহিত করা হয়।
 
উৎস: হিস্ট্রি ওয়েবসাইট, ব্রিটানিকা।
২০৭.
’জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা’ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে? 
  1. অনুচ্ছেদ-১৮
  2. অনুচ্ছেদ-২০
  3. অনুচ্ছেদ-২২
  4. অনুচ্ছেদ-২৩
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-১৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-১৮
ব্যাখ্যা

সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগ:
- অনুচ্ছেদ-১৮: জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা।
- (১) জনগণের পুষ্টির স্তর-উন্নয়ন ও জনস্বাস্থ্যের উন্নতিসাধনকে রাষ্ট্র অন্যতম প্রাথমিক কর্তব্য বলিয়া গণ্য করিবেন এবং বিশেষতঃ আরোগ্যের প্রয়োজন কিংবা আইনের দ্বারা নির্দিষ্ট অন্যবিধ প্রয়োজন ব্যতীত মদ্য ও অন্যান্য মাদক পানীয় এবং স্বাস্থ্যহানিকর ভেষজের ব্যবহার নিষিদ্ধকরণের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

- (২) গণিকাবৃত্তি ও জুয়াখেলা নিরোধের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান

২০৮.
সংবিধানের কোন সংশোধনীটি আদালত কর্তৃক বাতিল ঘোষিত হয়েছে?
  1. অষ্টম সংশোধনী
  2. দশম সংশোধনী
  3. ত্রয়োদশ সংশোধনী
  4. চতুর্দশ সশোধনী
সঠিক উত্তর:
ত্রয়োদশ সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রয়োদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানে বর্তমান পর্যন্ত মোট ১৭টি সংশোধনী আনা হয়েছে। এর মধ্যে চারটি সংশোধনী হাইকোর্ট কর্তৃক বাতিল ঘোষিত হয়েছে।
এগুলো হলো:
- পঞ্চম সংশোধনী (১৯৭৯) : বাতিল (আগস্ট ২০০৫)
- সপ্তম সংশোধনী (১৯৮৬) : বাতিল (আগস্ট ২০১০)
- ত্রয়োদশ সংশোধনী (১৯৯৬) : বাতিল (২০১১)
- ষোড়শ সংশোধনী (২০১৪) : বাতিল (২০১৭, আপিল বিভাগে বিচারাধীন)।

(তথ্যসূত্র: প্রথম আলো রিপোর্ট)
২০৯.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'অর্থ বিল' সম্পর্কিত বিধানাবলি উল্লেখ আছে?
  1. ৮০ অনুচ্ছেদে
  2. ৮১ অনুচ্ছেদে
  3. ৮২ অনুচ্ছেদে
  4. ৮৩ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
৮১ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮১ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
অর্থ বিল:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৮১ অনুচ্ছেদে অর্থবিল সম্পর্কে বলা হয়েছে:
- অর্থবিল বলতে এমন বিল বোঝানো হয়, যা কর আরোপ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণ, সরকার কর্তৃক ঋণ গ্রহণ, সংযুক্ত তহবিল থেকে অর্থ প্রদান, বা এ সম্পর্কিত বিষয়গুলো নিয়ে প্রণয়ন করা হয়।
- যদি কোনো বিল জরিমানা, লাইসেন্স ফি, বা স্থানীয় কর আরোপ নিয়ে হয়, তবে সেটিকে অর্থবিল হিসেবে গণ্য করা হবে না।
- অর্থবিল রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানোর সময় স্পিকার একটি সার্টিফিকেট দিয়ে নিশ্চিত করবেন যে এটি একটি অর্থবিল।
- এই সার্টিফিকেট চূড়ান্ত হবে এবং তা নিয়ে কোনো আদালতে প্রশ্ন তোলা যাবে না।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান।
২১০.
জাতীয় সংসদ ভবনের স্থপতি কে?
  1. ক) ফজলুর রহমান খান
  2. খ) বব বুই
  3. গ) কন্সটান্টিন ডক্সিয়াডেস
  4. ঘ) লুই আই কান
সঠিক উত্তর:
ঘ) লুই আই কান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) লুই আই কান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবন বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম আইনসভা কমপ্লেক্স।
এটির স্থপতি এস্তোনীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক লুই আই কান।
জাতীয় সংসদ ভবন ২১৫ একর জমির উপর অবস্থিত। এটির নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৯৬১ সালে এবং উদ্বোধন করা হয় ১৯৮২ সালের ২৮ জানুয়ারি।
এই ভবনে প্রথম সংসদ অধিবেশন বসে ১৯৮২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি।
(সূত্র: জাতীয় সংসদ সচিবালয়)
২১১.
'Bengali' শব্দটি পরিবর্তন করে 'Bangla' করা হয় কততম সংশোধনীতে?
  1. ক) ষষ্ঠ সংশোধনী
  2. খ) সপ্তম সংশোধনী
  3. গ) অষ্টম সংশোধনী
  4. ঘ) দশম সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
গ) অষ্টম সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অষ্টম সংশোধনী
ব্যাখ্যা
অষ্টম সংশোধনী:
সংসদে উত্থাপন: ১১ মে, ১৯৮৮
উত্থাপনকারী: সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ
সংসদে গৃহীত: ৭ জুন, ১৯৮৮
রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ: ৯ জুন, ১৯৮৮

অষ্টম সংবিধান সংশোধন আইন দ্বারা সংবিধানের ২ক, ৩, ৫, ৩০ ও ১০০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়।
এই সংশোধনী আইনবলে-
১. ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষিত হয়; 
২. ঢাকার বাইরে হাইকোর্ট বিভাগের ছয়টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপনের মধ্য দিয়ে বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়;
৩. সংবিধানের ৫ অনুচ্ছেদে Bengali শব্দটি পরিবর্তন করে Bangla করা হয় এবং Dacca পরিবর্তন করে Dhaka করা হয়; 
৪. সংবিধানের ৩০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমতি ছাড়া এদেশের কোনো নাগরিক কর্তৃক কোনো বিদেশী রাষ্ট্রের প্রদত্ত কোনো খেতাব, সম্মাননা, পুরস্কার বা অভিধা গ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়।

[উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান]
২১২.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির অভিশংসন (ইমপিচমেন্ট) করা সম্ভব?
  1. অনুচ্ছেদ-৪৮
  2. অনুচ্ছেদ-৪৯
  3. অনুচ্ছেদ-৫১
  4. অনুচ্ছেদ-৫২
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-৫২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-৫২
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্রপতির অভিশংসন: 
অনুচ্ছেদ- ৫২ (১): সংবিধান লংঘন বা গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগে রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসিত করা যাইতে পারে।
- ইহার জন্য সংসদের মোট সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের স্বাক্ষরে অনুরূপ অভিযোগের বিবরণ লিপিবদ্ধ করিয়া একটি প্রস্তাবের নোটিশ স্পীকারের নিকট প্রদান করিতে হইবে;
- স্পীকারের নিকট অনুরূপ নোটিশ প্রদানের দিন হইতে চৌদ্দ দিনের পূর্বে বা ত্রিশ দিনের পর এই প্রস্তাব আলোচিত হইতে পারিব না; এবং সংসদ অধিবেশনরত না থাকিলে স্পীকার অবিলম্বে সংসদ আহবান করবেন।

 - ৫২(৪) অভিযোগ-বিবেচনার পর মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে অভিযোগ যথার্থ বলিয়া ঘোষণা করিয়া সংসদ কোন প্রস্তাব গ্রহণ করিলে প্রস্তাব গৃহীত হইবার তারিখে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হবে।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ- ৪৮। রাষ্ট্রপতি;
- অনুচ্ছেদ- ৪৯। ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার;
- অনুচ্ছেদ- ৫০। রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ;
- অনুচ্ছেদ- ৫১। রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

২১৩.
বাংলাদেশের প্রথম গণভোট কবে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ৩০ মে, ১৯৭৭
  2. খ) ১ মার্চ, ১৯৮৫
  3. গ) ১০ এপ্রিল, ১৯৭২
  4. ঘ) ৮ এপ্রিল, ১৯৭৩
সঠিক উত্তর:
ক) ৩০ মে, ১৯৭৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৩০ মে, ১৯৭৭
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রথম গণভোট (বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আস্থা গণভোট ১৯৭৭) বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় ৩০শে মে ১৯৭৭ সালে অনুষ্ঠিত হয়। ভোটারদের কাছে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, আপনি কি রাষ্ট্রপতি মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানের (বীর উত্তম) প্রতি এবং তার দ্বারা গৃহীত নীতি ও কার্যক্রমের প্রতি আস্থাশীল? ভোটের ফলাফল ছিল, ৯৮.৯% হ্যাঁ এবং মোট ভোট সংগৃহীত হয়েছিল, ৮৮.১%।
২১৪.
সংবিধান সংস্কার কমিটি উচ্চকক্ষ জন্য কয়টি আসনের সুপরিশ করেছেন?
  1. ৪০০টি
  2. ২০০টি
  3. ১০৫টি
  4. ২৫০টি
সঠিক উত্তর:
১০৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৫টি
ব্যাখ্যা
সংবিধান সংস্কার কমিশন: 
- গঠিত হয়- ৬ অক্টোবর, ২০২৪।
- কমিশনের প্রধান- অধ্যাপক আলী রীয়াজ।
- মোট সদস্য- ৯ জন

• উল্লেখযোগ্য সুপারিশসমূহ:
- মূলনীতি: ৫টি (সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার, বহুত্ববাদ এবং গণতন্ত্র)।
- সংসদ: দ্বিকক্ষবিশিষ্ট (নিম্নকক্ষ: ৪০০টি আসন; উচ্চকক্ষ: ১০৫টি আসন)।
- মেয়াদ: ৪ বছর (সরকারের মেয়াদ, সংসদের মেয়াদ, রাষ্ট্রপতির মেয়াদ),
- সংসদীয় প্রার্থী হওয়ার ন্যূনতম বয়স: ২১ বছর।

উৎস: সংবিধান সংস্কার কমিশন। [লিঙ্ক]
২১৫.
'প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল' গঠনের কথা বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে?
  1. ১১৭নং
  2. ১২০নং
  3. ১১০নং
  4. ১১৫নং
সঠিক উত্তর:
১১৭নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৭নং
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৭নং অনুচ্ছেদের ১ এবং ২ নং অনুচ্ছেদে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল গঠনের কথা সন্নিবেশিত হয়েছে।

অন্যদিকে: 
- ১১০নং অনুচ্ছেদ: অধস্তন আদালত হইতে হাইকোর্ট বিভাগে মামলা স্থানান্তর।
- ১২০নং অনুচ্ছেদ: নির্বাচন কমিশনের কর্মচারীগণ।
- ১১৫নং অনুচ্ছেদ: অধস্তন আদালতে নিয়োগ।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
২১৬.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে মহা হিসাব নিরীক্ষক পদের প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে?
  1. ক) অনুচ্ছেদ ১২৭
  2. খ) অনুচ্ছেদ ১১২
  3. গ) অনুচ্ছেদ ১২৮
  4. ঘ) অনুচ্ছেদ ১০৫
সঠিক উত্তর:
ক) অনুচ্ছেদ ১২৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অনুচ্ছেদ ১২৭
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১২৭ অনুযায়ী মহা হিসাব নিরীক্ষক পদের প্রতিষ্ঠার কথা বর্ণিত আছে।
মহা হিসাব-নিরীক্ষক পদের প্রতিষ্ঠা
অনুচ্ছেদ ১২৭ (১) বাংলাদেশের একজন মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (অতঃপর "মহা হিসাব-নিরীক্ষক" নামে অভিহিত) থাকবেন এবং তাঁকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগদান করবেন। 
 অনুচ্ছেদ ১২৭ (২) এই সংবিধান ও সংসদ কর্তৃক প্রণীত যে কোন আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে মহা হিসাব-নিরীক্ষকের কর্মের শর্তাবলী রাষ্ট্রপতি আদেশের দ্বারা যেরূপ নির্ধারণ করবেন, সেইরূপ হবে।

অন্যদিকে, 
অনুচ্ছেদ ১২৮ - মহা হিসাব নিরীক্ষকের দায়িত্ব।
অনুচ্ছেদ ১১২ - সুপ্রিম কোর্টের সহায়তা ।
অনুচ্ছেদ ১০৫ - আপীল বিভাগ ক্তৃক রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা।

উৎস:- বাংলাদেশের সংবিধান।
২১৭.
জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত রয়েছে?
  1. ক) ২৫ অনুচ্ছেদে
  2. খ) ২৪ অনুচ্ছেদে
  3. গ) ২৩ অনুচ্ছেদে
  4. ঘ) ২২ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
ক) ২৫ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২৫ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
- ২৫নং অনুচ্ছেদে জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা,অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এই বিষয়ে বলা হয়েছে।

অন্যদিকে,
- ২২নং অনুচ্ছেদে নির্বাহী বিভাগ হতে বিচার বিভাগ পৃথককরণ।
- ২৩নং অনুচ্ছেদে জাতীয় সংস্কৃতির সংরক্ষণ।
- ২৪ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় স্মৃতি নিদর্শনগুলোর সংরক্ষণের কথা বলা হয়েছে।

সূত্র:বাংলাদেশ সংবিধান
২১৮.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির অভিশংসনের বিধান রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৪৮
  2. অনুচ্ছেদ ৫০
  3. অনুচ্ছেদ ৫২
  4. অনুচ্ছেদ ৫৪
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৫২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৫২
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সংবিধান:
- অনুচ্ছেদ-  ৫২: রাষ্ট্রপতির অভিশংসন।
- ৫২। (১) এই সংবিধান লংঘন বা গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগে রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসিত করা যাইতে পারে।
- ইহার জন্য সংসদের মোট সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের স্বাক্ষরে অনুরূপ অভিযোগের বিবরণ লিপিবদ্ধ করিয়া একটি প্রস্তাবের নোটিশ স্পীকারের নিকট প্রদান করতে হবে; 
- স্পীকারের নিকট অনুরূপ নোটিশ প্রদানের দিন হইতে চৌদ্দ দিনের পূর্বে বা ত্রিশ দিনের পর এই প্রস্তাব আলোচিত হইতে পারবে না; 
- এবং সংসদ অধিবেশনরত না থাকিলে স্পীকার অবিলম্বে সংসদ আহবান করিবেন।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ-৪৮ । রাষ্ট্রপতি।
- অনুচ্ছেদ- ৫০। রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ- ৫৪। অনুপস্থিতি প্রভৃতির-কালে রাষ্ট্রপতি-পদে স্পীকার।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।

২১৯.
কার পূর্ব অনুমোদন ব্যতীত বাংলাদেশের কোনো নাগরিক কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের নিকট থেকে কোন খেতাব, সম্মান, পুরস্কার বা ভূষণ গ্রহণ করতে পারবে না?
  1. স্পীকার
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের কোনো নাগরিক কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের নিকট থেকে কোন খেতাব, সম্মান, পুরস্কার বা ভূষণ গ্রহণ করার পূর্বে রাষ্ট্রপতির  অনুমোদন লাগবে। 

• সংবিধানের ৩০ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে: 
- রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমোদন ব্যতীত কোন নাগরিক কোন বিদেশী রাষ্ট্রের নিকট হইতে কোন উপাধি, খেতাব, সম্মান, পুরস্কার বা ভূষণ গ্রহণ করিবেন না। 

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
২২০.
সংবিধানে নাগরিকত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে কোন অনুচ্ছেদে?
  1. অনুচ্ছেদ ৫
  2. অনুচ্ছেদ ৬
  3. অনুচ্ছেদ ৪
  4. অনুচ্ছেদ ৭
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬
ব্যাখ্যা
- সংবিধানে নাগরিকত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে ৬নং অনুচ্ছেদে। 

অনুচ্ছেদ ৬৷ নাগরিকত্ব:
৬। (১) বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইনের দ্বারা নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হবে। 
৬। (২) বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালী এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলে পরিচিত হবেন।

এছাড়া,
- অনুচ্ছেদ ৪৷ জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক
- অনুচ্ছেদ ৫৷ রাজধানী
- অনুচ্ছেদ ৭৷ সংবিধানের প্রাধান্য

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান। 
২২১.
জাতীয় সংসদে সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী পাশ হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৯০ সালে
  2. খ) ১৯৯১ সালে
  3. গ) ১৯৯২ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৩ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৯১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৯১ সালে
ব্যাখ্যা
- ১৯৯১ সালের ৬ আগস্ট জাতীয় সংসদে সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী গৃহীত হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে দেশে সংসদীয় ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তন করা হয়।
- এই লক্ষ্যে ১৯৯১ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর দেশে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়।
- এতে সংশোধনীর পক্ষে অধিকাংশের রায় পড়লে ১৮ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতি সংশোধনী বিলে স্বাক্ষর করেন।

- এর আগে ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারী চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে দেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান)
২২২.
বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের প্রথম পদক্ষেপ 'গণ পরিষদ আদেশ' জারি করা হয় -
  1. ক) ২৩ মার্চ, ১৯৭২
  2. খ) ১০ এপ্রিল, ১৯৭২
  3. গ) ১১ জানুয়ারি, ১৯৭২
  4. ঘ) ১০ জানুয়ারি, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
ক) ২৩ মার্চ, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২৩ মার্চ, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
গণ পরিষদ আদেশ
• ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ রাষ্ট্রপতি কর্তৃক 'গণ পরিষদ আদেশ' জারি করা হয়। এ আদেশ বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের প্রথম পদক্ষেপ।
• গণপরিষদ আদেশে ১৯৭০ সালের নির্বাচনে সাবেক পাকিস্তান জাতীয় পরিষদ ও পূর্ব পাকিস্তানের প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচিত সদস্য (৪৬৯ জন) নিয়ে গণপরিষদ গঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধে শহীদ, কয়েকজনের স্বাভাবিক মৃত্যু, দালালি, দলত্যাগ ইত্যাদি কারণে ৬৬ জন সদস্য বাদ পড়লে ৪০৩ জন সদস্য নিয়ে গণপরিষদ যাত্রা শুরু করে।
• ১০ এপ্রিল ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতি গণপরিষদের অধিবেশন উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ৪১৪ জন গণপরিষদ সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
• গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে ১০ এপ্রিল, ১৯৭২।

অন্যদিকে,  
• ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান 'অস্থায়ী সংবিধান আদেশ' জারি করেন।
• সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে  আহবায়ক করে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
২২৩.
গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনের সভাপতি ছিলেন-
  1. শাহ আব্দুল হামিদ
  2. মোহাম্মদ উল্লাহ
  3. সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত
  4. মাওলানা আব্দুল রশিদ তর্কবাগীশ
সঠিক উত্তর:
মাওলানা আব্দুল রশিদ তর্কবাগীশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাওলানা আব্দুল রশিদ তর্কবাগীশ
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ গণপরিষদ
গণপরিষদ​ হল ১৯৭০ সালে অনুষ্ঠিত পাকিস্তানের জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে, বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক সংবিধান অধিবেশন।
রাষ্ট্রপতি গণপরিষদের আহ্বান করেন - ১০ এপ্রিল ১৯৭২।
গণ পরিষদের খসড়া সংবিধান উত্থাপিত হয়-১২ অক্টোবর ১৯৭২।
গৃহীত হয় -৪ নভেম্বর ১৯৭২।
কার্যকর হয় - ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২।
গণপরিষদে খসড়া সংবিধান উত্থাপন করেন - ড. কামাল হোসেন।
গণপরিষদের স্পিকার ছিলেন - শাহ আব্দুল হামিদ।
গণপরিষদের ডেপুটি স্পিকার ছিলেন- মোহাম্মদ উল্লাহ।
গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনের সভাপতি ছিলেন- মাওলানা আব্দুল রশিদ তর্কবাগীশ।
সংবিধান রচনা কমিটির সদস্য ছিলেন - ৩৪ জন।
একমাত্র নারী সদস্য- বেগম রাজিয়া বানু।
সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র বিরোধী দলের সদস্য ছিলেন - সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২২৪.
রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ করা যায় -
  1. ক) সংবিধান লঙ্ঘনের অভিযোগে
  2. খ) গুরুতর অসদাচরণজনিত কারণে
  3. গ) শারীরিক অক্ষমতায়
  4. ঘ) সবগুলো কারণে
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো কারণে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো কারণে
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতির অপসারণ

- সংবিধান লঙ্ঘন বা গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগে রাষ্ট্রপতিকে অভিসংশিত করা যাবে। 
- সংবিধানের অনুচ্ছেদ-৫৩ তে বলা হয়েছে যে, শারীরিক বা মানসিক অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতিকে তাঁর পদ হতে অপসারিত করা যেতে পারে। 
- সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে কিংবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোনো কারণে রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে ক্ষেত্রমত রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত কিংবা রাষ্ট্রপতি পুনরায় স্বীয় কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ সংবিধান।
২২৫.
বাংলাদেশ সংবিধান অনুসারে দেশের সাংবিধানিক নাম কী?
  1. প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ 
  2. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ
  3. ইসলামী জনগণতন্ত্র বাংলাদেশ 
  4. লোকপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ
সঠিক উত্তর:
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ সংবিধান অনুযায়ী “গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ” নামে পরিচিত হবে৷ 

• সংবিধান:
- সংবিধান হল মৌলিক বিধানাবলির সমন্বয় একটি গঠনতন্ত্র যার উপর ভিত্তি করে একটি রাষ্ট্র পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশের সংবিধানের পূর্ণ নাম: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধান।
- সংবিধান গণাপরিষদে গৃহীত হয়: ৪ নভেম্বর ১৯৭২।
- বাংলাদেশ সংবিধান কার্যকর হয়- ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে।
- সংবিধানের একটি প্রস্তাবনা আছে- বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম।
- সংবিধানের মূলনীতি-৪টি।
- সংবিধানের তফসিল-৭ টি।
- সংবিধানের ভাগ- ১১ টি।
- সংবিধানের অনুচ্ছেদ-১৫৩ টি।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

২২৬.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে ভোটার তালিকার বিধান বর্ণিত আছে?
  1. ১২০নং অনুচ্ছেদে
  2. ১২১নং অনুচ্ছেদে
  3. ১২২নং অনুচ্ছেদে
  4. ১২৪নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১২১নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২১নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের সপ্তম ভাগ - নির্বাচন অংশে ১২১ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ভোটার তালিকার বিধান বর্ণনা করা হয়।
- অনুচ্ছেদ ১২১ নং অনুযায়ী সংসদের নির্বাচনের জন্য প্রত্যেক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকার একটি করে ভোটার-তালিকা থাকবে এবং ধর্ম, জাত, বর্ণ ও নারী-পুরুষভেদের ভিত্তিতে ভোটারদের বিন্যস্ত করে কোন বিশেষ ভোটার-তালিকা প্রণয়ন করা যাবে না।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ ১২০ - নির্বাচন কমিশনের কর্মচারীগণ।
- অনুচ্ছেদ ১২২ - ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা।
- অনুচ্ছেদ ১২৪ - নির্বাচন সম্পর্কে সংসদের বিধান প্রণয়নের ক্ষমতা।

উৎস:- বাংলাদেশের সংবিধান।
২২৭.
সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিধান করা হয়?
  1. ক) দশম সংশোধনী
  2. খ) একাদশ সংশোধনী
  3. গ) দ্বাদশ সংশোধনী
  4. ঘ) ত্রয়োদশ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
গ) দ্বাদশ সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দ্বাদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা
দ্বাদশ সংশোধনী
সংসদে উত্থাপন: ২ জুলাই, ১৯৯১
উত্থাপনকারী: আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মির্জা গোলাম হাফিজ
সংসদে গৃহীত: ৬ আগস্ট, ১৯৯১
রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ: ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৯১  

সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধন আইনের সংশোধন মাধ্যমে ১৭ বছর পর বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার পদ্ধতির পুনঃপ্রবর্তন ঘটে;
যেখানে-
১. রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রধান হন; 
২. প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী বা সরকার প্রধান হন; 
৩. প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিপরিষদ জাতীয় সংসদের কাছে দায়বদ্ধ হয়;
৪. উপ-রাষ্ট্রপতির পদ বিলোপ করা হয়, জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিধান করা হয়।

এই সংশোধনীর মাধ্যমে -
- সংবিধানের ৪৮, ৫০, ৫৫, ৫৬, ৫৮, ৫৯, ৬০, ৭০, ৭২. ১০৯, ১১৯, ১২৪, ১৪১ক এবং ১৪২ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়।
- সংবিধানের ৫৯ অনুচ্ছেদের মাধ্যমে এই আইনে স্থানীয় সরকার কাঠামোতে জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়, যা দেশে গণতন্ত্রের ভিত্তি সুদৃঢ় করে।


[উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান]
২২৮.
বাংলাদেশের সংবিধানের ‘অনুচ্ছেদ ১’ -এ কী বলা আছে?
  1. ক) বিস্‌মিল্লাহির রাহ্‌মানির রাহিম
  2. খ) প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ
  3. গ) সর্বশক্তিমান আল্লাহর উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস
  4. ঘ) বাংলাদেশ একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাংলাদেশ একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাংলাদেশ একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র
ব্যাখ্যা

প্রথম ভাগ - প্রজাতন্ত্র

১৷ বাংলাদেশ একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র, যাহা “গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ” নামে পরিচিত হইবে৷

৪৪ নং প্রশ্নের উত্তরও এখানেই আছে।
২২৯.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে নির্বাচন কমিশন গঠনের বিধান রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১১৭
  2. অনুচ্ছেদ ১১৮
  3. অনুচ্ছেদ ১১৯
  4. অনুচ্ছেদ ১২০
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১১৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১১৮
ব্যাখ্যা

• নির্বাচন কমিশন:
- বাংলাদেশের বিভিন্ন পর্যায়ের নির্বাচন অনুষ্ঠান পরিচালনার জন্য একটি নির্বাচন কমিশন আছে।
- নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।
- নির্বাচন কমিশন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, সংসদ নির্বাচন ও অন্য নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৮ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে নির্বাচন কমিশন গঠন কথা বলা হয়েছে।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশন সমন্বয়ে একটি নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্য নির্বাচন কমিশনারদেরকে রাষ্ট্রপ্রধান নিয়োগ দান করেন।

অন্যদিকে,
- ১১৭ নং অনুচ্ছেদ প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল সম্পর্কিত।
- ১১৯ নং অনুচ্ছেদ নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব সম্পর্কিত।
- ১২০ নং অনুচ্ছেদ  নির্বাচন কমিশনের কর্মচারীগণ সম্পর্কিত।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

২৩০.
সংবিধানের কোন সংশোধনী দ্বারা সুপ্রিমকোর্টের বিচারপতিদের অপসারণ ক্ষমতা জাতীয় সংসদের উপর ন্যস্ত করা হয়?
  1. পঞ্চম সংশোধনী
  2. চতুর্দশ সংশোধনী
  3. পঞ্চদশ সংশোধনী
  4. ষোড়শ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
ষোড়শ সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষোড়শ সংশোধনী
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৬ নং অনুচ্ছেদের ২ নং দফায় সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের অপসারণ পদ্ধতি বর্ণনা করা হয়েছে।
- ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানে বিচারকদের অপসারণ ক্ষমতা জাতীয় সংসদের হাতে ন্যস্ত ছিলো।
- ১৯৭৮ সালে সামরিক ফরমান দ্বারা বিচারপতিদের অপসারণ ক্ষমতা সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের উপর ন্যস্ত করা হয় যা পঞ্চম সংশোধনী দ্বারা সাংবিধানিক বৈধতা পায়।
- ২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীর মাধ্যমে বিচারকদের অপসারণ ক্ষমতা পুনরায় জাতীয় সংসদের হাতে ন্যস্ত করা হয়।
- কিন্তু এই সংশোধনীর বিরুদ্ধে ২০১৪ সালের ৫ নভেম্বর নয়জন আইনজীবী হাইকোর্টে রিট দায়ের করে। হাইকোর্ট ২০১৬ সালের ৫ মে ষোড়শ সংশোধনীকে অবৈধ ঘোষণা করে এবং আপিল বিভাগও ২০১৭ সালের ৩ জুলাই হাইকোর্টের রায় বহাল রাখে।
- পরবর্তীতে ২০১৭ সালের ২৪ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগের রায়ের রিভিউয়ের জন্যে আবেদন করে যা এখনো বিচারাধীন রয়েছে।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান এবং দৈনিক প্রথম আলো)
২৩১.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান অনুসারে বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি হবে বাঙালি জাতির-
  1. ভাষা ও সংস্কৃতি
  2. ঐক্য ও সংহতি
  3. মতৈক্য ও সমঝোতা
  4. ভাষা ও আচার-অনুষ্ঠান
সঠিক উত্তর:
ঐক্য ও সংহতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঐক্য ও সংহতি
ব্যাখ্যা

⇒ অনুচ্ছেদ ৯: জাতীয়তাবাদ:
- ভাষাগত ও সংস্কৃতিগত একক সত্তাবিশিষ্ট যে বাঙালী জাতি ঐক্যবদ্ধ ও সংকল্পবদ্ধ সংগ্রাম করিয়া জাতীয় মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অর্জন করিয়াছেন, সেই বাঙালী জাতির ঐক্য ও সংহতি হইবে বাঙালী জাতীয়তাবাদের ভিত্তি।

অর্থাৎ বাঙালী জাতি তাদের ভাষা ও সংস্কৃতিকে কেন্দ্র করে ঐক্যবদ্ধভাবে স্বাধীনতা সংগ্রাম করেছেন, এবং সেই ঐক্য ও সংগ্রামের চেতনা বাঙালী জাতীয়তাবাদ গঠনের মূল স্তম্ভ।


⇒ Article 9: Nationalism
- The unity and solidarity of the Bangalee nation, which, deriving its identity from its language and culture, attained sovereign and independent Bangladesh through a united and determined struggle in the war of independence, shall be the basis of Bangalee nationalism.

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

২৩২.
সংবিধানের ৩০নং অনুচ্ছেদ দ্বারা নাগরিকদের ওপর কয়টি বিষয়ে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে?
  1. ক) ১
  2. খ) ২
  3. গ) ৩
  4. ঘ) ৪
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ৩০নং অনুচ্ছেদ দ্বারা ৪টি বিষয়ের উপরের নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে। 
অনুচ্ছেদ ৩০নং: বিদেশী খেতাব প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ। 
এই অনুচ্ছেদ দ্বারা নাগরিকদের ওপর চারটি বিষয়ে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে। 
বিষয়গুলো হলো: 
- খেতাব 
- সম্মান 
- পুরস্কার 
- ভূষণ 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
২৩৩.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন সংশোধনীতে "বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম" যুক্ত করা হয়?
  1. দ্বিতীয় সংশোধনী
  2. পঞ্চম সংশোধনী
  3. সপ্তম সংশোধনী
  4. অষ্টম সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম সংশোধনী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী:
- জাতীয় সংসদে এ সংশোধনী আনা হয় ১৯৭৯ সালের ৬ এপ্রিল।
- বাংলাদেশের রাজনীতিতে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে ১৯৭৯ সালের ৬ এপ্রিল পর্যন্ত সামরিক শাসন বিরাজ করছিল।
- এ সময় রাষ্ট্রপতি ও প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক কর্তৃক জারিকৃত আদেশ ও ঘোষণার দ্বারা বাংলাদেশ সংবিধানের কিছু কিছু সংশোধনী আনা হয়।
- পঞ্চম সংশোধনীর দ্বারা এ সংশোধনীকে বৈধতা দান করা হয়।
- তৎকালীন সময়ে রাষ্ট্রপ্রধান কর্তৃক পরিবর্তন ও সংশোধনী বিষয়াবলী হল:
(১) বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম,
(২) 'বাঙালি' শব্দটির পরিবর্তে 'বাংলাদেশী',
(৩) ধর্ম নিরপেক্ষতার পরিবর্তে সর্বশক্তিমান আল্লাহর উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস,
(৪) 'সমাজতন্ত্র' মানে অর্থনৈতিক ও সামাজিক ন্যায় বিচার,
(৫) মন্ত্রিসভার সদস্যগণের চার-পঞ্চমাংশের সংসদ সদস্য হবার বিধান,
(৬) মৌলিক অধিকার বলবৎ করার ব্যাপারে সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে মামলা রুজু করা,
(৭) সুপ্রীম জুডিসিয়াল কাউন্সিল গঠন,
(৮) গণভোট ইত্যাদি সংযোজন, পরিবর্তন ও সংশোধন করা হয়। 

উল্লেখ্য,
- দীর্ঘ সময় পর ২০১০ সালে উচ্চ আদালতের এক রায়ে এই পঞ্চম সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

উৎস: i) BBC.
ii) বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩৪.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ বলে রাষ্ট্র নারী, শিশু বা অনগ্রসর নাগরিকদের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান তৈরির ক্ষমতা পায়?
  1. ২৫
  2. ২৮
  3. ৪০
  4. ৪২
সঠিক উত্তর:
২৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের ২৮ অনুচ্ছেদ বলে রাষ্ট্র নারী, শিশু বা অনগ্রসর নাগরিকদের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান তৈরির ক্ষমতা পায়।

বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।

⇒ সংবিধানের ২৮ নং অনুচ্ছেদ - ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য
- ২৮(১) নং: কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ন, নারী পুরুষ বা জন্মস্থানের কারণে কোনো নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য প্রদর্শন করবে না।
- ২৮(২) নং: রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারী-পুরুষের সমান অধিকার লাভ করবেন।
- ২৮(৩) নং: কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে জনসাধারণের কোন বিনোদন বা বিশ্রামের স্থানে প্রবেশের কিংবা কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে ভর্তির বিষয়ে কোন নাগরিককে কোনরূপ অক্ষমতা, বাধ্যবাধকতা, বাধা বা শর্তের অধীন করা যাবে না।
- ২৮(৪) নং: নারী বা শিশুদের অনুকূলে কিংবা নাগরিকদের যেকোনো অনগ্রসর অংশের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান প্রণয়ন হতে এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই রাষ্ট্রকে নিবৃত্ত করবে না।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ ২৫ নং: আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন।
- অনুচ্ছেদ ৪০ নং: পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪২ নং: সম্পত্তির অধিকার

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
২৩৫.
'ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী' বিষয়টি বাংলাদেশের সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ-১৫০
  2. অনুচ্ছেদ-১৪৫ক
  3. অনুচ্ছেদ-১৪২
  4. অনুচ্ছেদ-১৪৮
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-১৫০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-১৫০
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- 'ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী' বিষয়টি বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ-১৫০ তে উল্লেখ করা হয়েছে। 

এছাড়াও-
• বাংলাদেশের সংবিধানের কয়েকটি অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ-১৪২: সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা। 
- অনুচ্ছেদ-১৪৩: প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি। 
- অনুচ্ছেদ-১৪৫: চুক্তি ও দলিল। 
- অনুচ্ছেদ-১৪৫ক: আন্তর্জাতিক চুক্তি। 
- অনুচ্ছেদ-১৪৬: বাংলাদেশের নামে মামলা। 
- অনুচ্ছেদ-১৪৮: পদের শপথ। 
- অনুচ্ছেদ-১৪৯: প্রচলিত আইনের হেফাজত। 
- অনুচ্ছেদ-১৫০: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী। 

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
২৩৬.
সংবিধানের কোন সংশোধনী আইনের মাধ্যমে গণভোটের বিধান বাতিল করা হয়?
  1. ষোড়শ সংশোধনী
  2. পঞ্চদশ সংশোধনী
  3. সপ্তদশ সংশোধনী
  4. চতুর্দশ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
পঞ্চদশ সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা

- পঞ্চদশ সংশোধনী  আইনের মাধ্যমে গণভোটের বিধান বাতিল করা হয়েছিল।

পঞ্চদশ সংশোধনী বাতিল অংশ:
- সময়: ১৭ ডিসেম্বর ২০২৪।
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা: এই আইনের ২০ ও ২১ ধারাকে সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ও বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে, যা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলুপ্ত করেছিল।
- ওই দুটিসহ পঞ্চদশ সংশোধনী আইনের মাধ্যমে সংবিধানে যুক্ত ৭ক,৭খ, ৪৪ (২) অনুচ্ছেদ সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ও বাতিল ঘোষণা করেছেন আদালত।
• সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদের অংশ ছিল গণভোট।
- এটি ১৯৯১ সালে দ্বাদশ সংশোধনীতে যুক্ত হয়।
- সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদের গণভোটের বিধান বিলুপ্তি-সংক্রান্ত পঞ্চদশ সংশোধনী আইনের ৪৭ ধারা সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়ায় বাতিল ঘোষণা করা হলো।
- ফলে দ্বাদশ সংশোধনীর ১৪২ অনুচ্ছেদ পুনর্বহাল করা হলো।

 উল্লেখ্য,
- ২০১১ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে পঞ্চদশ সংশোধনী আইন পাস হয়।
- ২০১১ সালের ৩ জুলাই এ-সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করা হয়।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।[লিঙ্ক] বিবিসি বাংলা।লিঙ্ক

২৩৭.
'অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা' সম্পর্কে সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে?
  1. ১৫ নং
  2. ১৪ নং
  3. ১৭ নং
  4. ১৮ নং
সঠিক উত্তর:
১৭ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ নং
ব্যাখ্যা
• ১৭। অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা:
রাষ্ট্র
(ক) একই পদ্ধতির গণমুখী ও সার্বজনীন শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য এবং আইনের দ্বারা নির্ধারিত স্তর পর্যন্ত সকল বালক-বালিকাকে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষাদানের জন্য;
(খ) সমাজের প্রয়োজনের সহিত শিক্ষাকে সঙ্গতিপূর্ণ করিবার জন্য এবং সেই প্রয়োজন সিদ্ধ করিবার উদ্দেশ্যে যথাযথ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও সদিচ্ছাপ্রণোদিত নাগরিক সৃষ্টির জন্য;
(গ) আইনের দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিরক্ষরতা দূর করিবার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।

অন্যদিকে,
- ১৫৷ মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা।
- ১৪৷ কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি।
- ১৮৷ জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা। 

উৎস: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
২৩৮.
সংসদীয় সরকার পদ্ধতি পুনরায় প্রবর্তন করা হয় কোন সংশোধনীর মাধ্যমে?
  1. একাদশ সংশোধনী
  2. দ্বাদশ সংশোধনী
  3. ত্রয়োদশ সংশোধনী
  4. চতুর্দশ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
দ্বাদশ সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বাদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা
দ্বাদশ সংশোধনী:
- রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা পাল্টিয়ে সংসদীয় সরকার পদ্ধতি পুনরায় প্রবর্তন করা হয় দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে।
- ১৯৯১ সালের ৬ই অগাষ্ট সংসদে সংশোধনীটি পাস হয়।

দ্বাদশ সংশোধনীর বিষয়বস্তু:
১. রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রধান হন।
২. প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী বা সরকার প্রধান হন।
৩. প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিপরিষদ জাতীয় সংসদের কাছে দায়বদ্ধ হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
২৩৯.
বাংলাদেশ সংবিধানে কোন অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের ক্ষমতার উৎস হিসেবে জনগণের কথা বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ  ৭(১)
  2. অনুচ্ছেদ ৭(২)
  3. অনুচ্ছেদ ৭(ক)
  4. অনুচ্ছেদ ৭(খ)
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ  ৭(১)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ  ৭(১)
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের সংবিধান:
• সংবিধানের ৭ (১) নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ; এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হবে।

• সংবিধানের ৭ (২) নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সাথে অসমঞ্জস হয়, তা হলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হবে।

• সংবিধানের ৭ক নং অনুচ্ছেদে সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ বিষয়ে বলা হয়েছে।

• সংবিধানের ৭খ নং অনুচ্ছেদে সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য বিষয়ে বলা হয়েছে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

২৪০.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে জাতীয় সংসদ সম্পর্কে উল্লেখ আছে?
  1. ৭৫ অনুচ্ছেদ
  2. ৬৫ অনুচ্ছেদ
  3. ৩৭ অনুচ্ছেদ
  4. ৩৫ অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
৬৫ অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৫ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা


• জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
- বাংলাদেশের আইনসভার নাম 'জাতীয় সংসদ'। জাতীয় সংসদ আইনবিভাগের একটি প্রধান প্রতিষ্ঠান। সংসদ প্রণীত আইন রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভের পর কার্যকর হয়। আইনবিভাগ সরকারের একটি অংশ।

• আইন প্রণয়ন ক্ষমতা:
- সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নামে একটি আইনসভা থাকবে এবং এর ওপর প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়ন ক্ষমতা ন্যস্ত হবে।
- সংবিধান অনুযায়ী সংসদ যে কোনো নতুন আইন প্রণয়ন ও প্রচলিত আইন পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করতে পারে।
- সংসদ আইনের মাধ্যমে যে কোনো সংস্থা বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ প্রদান, বিধি, উপবিধি ও প্রবিধান প্রণয়নের ক্ষমতা দিতে পারে।
- সংসদ প্রণীত আইনে রাষ্ট্রপতি ১৫ দিনের মধ্যে সম্মতি প্রদান করবেন।

• সরকার গঠনবিষয়ক ক্ষমতা:
- সরকার গঠনে সংসদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- সংসদের আস্থাভাজন ব্যক্তিই প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হন এবং তিনি মন্ত্রিসভা গঠন করেন। প্রধানমন্ত্রী সংসদের আস্থা হারালে সরকারের পতন হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।

২৪১.
বাংলাদেশের সংবিধানে কয়টি অধ্যায় রয়েছে?
  1. ৭টি
  2. ৯টি
  3. ১০টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় গণপরিষদের মাধ্যমে।
- সংবিধান গণপরিষদে গৃহীত হয়: ৪ নভেম্বর, ১৯৭২ সাল।
- কার্যকর হয়: ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সাল।
- মোট অনুচ্ছেদ: ১৫৩ টি।
- ভাগ বা অধ্যায়: ১১টি।
- তফসিল: ৭টি।
- প্রস্তাবনা: ১টি।
- মূলনীতি: ৪টি।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
২৪২.
বাংলাদেশ সংবিধান অনুসারে কোনটি নাগরিকের কর্তব্য নয়?
  1. আইন মান্য করা
  2. নিয়মিত কর প্রদান করা
  3. শৃঙ্খলা রক্ষা করা
  4. জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা
সঠিক উত্তর:
নিয়মিত কর প্রদান করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিয়মিত কর প্রদান করা
ব্যাখ্যা
নাগরিকের কর্তব্য
-  বাংলাদেশের নাগরিকত্ব মূলত ও প্রধাণত জন্মসূত্রে নির্ধারিত হয়।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৬নং অনুচ্ছেদ অনুসারে বাংলাদেশি নাগরিকত্ব নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।

- ২১ নং অনুচ্ছেদে নাগরিক ও সরকারি কর্মচারীদের কর্তব্য সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদ অনুসারে নাগরিকের কর্তব্য ৪টি।
১. আইন মান্য করা।
২. নাগরিক দ্বায়িত্ব পালন করা।
৩. শৃঙ্খলা রক্ষা করা।
৪. জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা। 

- সংবিধানের ২৭ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে সকল লাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান। 

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ সংবিধান।
২৪৩.
বাংলাদেশ সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে ন্যায়পাল কথা রয়েছে?
  1. ১৩৭নং
  2. ১২৭নং
  3. ৭৭নং
  4. ৬৪নং
সঠিক উত্তর:
৭৭নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৭নং
ব্যাখ্যা
• ন্যায়পাল:
- সংবিধানের ৭৭ নং অনুচ্ছেদে ন্যায়পাল কথা উল্লেখ্য রয়েছে।
- ৭৭(১): সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালের পদ-প্রতিষ্ঠার জন্য বিধান করতে পারবেন।
- ৭৭(২): সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালকে কোন মন্ত্রণালয়,
- সরকারী কর্মচারী বা সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষের যে কোন কার্য সম্পর্কে তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাসহ যেরূপ ক্ষমতা কিংবা যেরূপ দায়িত্ব প্রদান করবে।
- ন্যায়পাল সেইরূপ ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবেন।
- (৩) ন্যায়পাল তাঁহার দায়িত্বপালন সম্পর্কে বাৎসরিক রিপোর্ট প্রণয়ন করবেন।
- এবং অনুরূপ রিপোর্ট সংসদে উপস্থাপিত হইবে।

উল্লেখ্য
- কর্মকমিশন: ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে;
- মহা হিসাব নিরীক্ষক: ১২৭ নং অনুচ্ছেদে;
- রাষ্ট্রপতি: ৪৮ নং অনুচ্ছেদে।
- ৬৪ নং অ্যাটর্নি-জেনারেল।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।
২৪৪.
বাংলাদেশের সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে 'অর্থবিল' নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ৮১ নং অনুচ্ছেদে
  2. ৮৭ নং অনুচ্ছেদে
  3. ৮০ নং অনুচ্ছেদে
  4. ৯৩ নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
৮১ নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮১ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
অর্থবিল:
- অর্থবিল একটি গুরুত্বপূর্ণ বিল।
- কোনো বিল অর্থবিল কিনা এ প্রশ্নে স্পীকারের দেওয়া সার্টিফিকেট চূড়ামত বলে গৃহীত হয়।
- অর্থবিল বা অর্থব্যয় সংক্রান্ত বিলের উদ্যোক্তা সরকার।

⇒ প্রতি বছর পরবর্তী বছরের জন্য সরকারের আর্থিক প্রস্তাবাবলি কার্যকর করার উদ্দেশ্যে অর্থবিল সংসদে উত্থাপন করা হয়।
- সংসদে উত্থাপনের পর যথানিয়মে বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে বিলটি পাস করতে হয়।
- অর্থবিল রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য উপস্থাপিত হলে পনের দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতি প্রদান করেন।
- রাষ্ট্রপতি সম্মতি প্রদানে অসমর্থ হলে উক্ত মেয়াদের শেষে বিলটি আইনে পরিণত হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৮১ নং অনুচ্ছেদে 'অর্থবিল' নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

অন্যদিকে:
- অনুচ্ছেদ ৮০: আইন প্রণয়ন পদ্ধতি।
- অনুচ্ছেদ ৮৭: বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি।
- অনুচ্ছেদ ৯৩: অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) বাংলাপিডিয়া।
২৪৫.
জরুরি অবস্থার সময় সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ রহিত করা যায় না?
  1. ক) ৩৬ নং
  2. খ) ৪০ নং
  3. গ) ৪১ নং
  4. ঘ) ৪২ নং
সঠিক উত্তর:
গ) ৪১ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪১ নং
ব্যাখ্যা

- সংবিধানের ১৪১(খ) নং উপ-দফায় জরুরি অবস্থার সময় সরকারকে সংবিধানের ৩৬, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০ এবং ৪২ নং অনুচ্ছেদ অকার্যকর রাখার ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে।
- ৪১ নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত ধর্মীয় স্বাধীনতা এর আওতাধীন নয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ সংবিধান)

২৪৬.
কত সালে ক্ষমতার প্রয়োজনে গণভোটের নিয়ম সংযোজন করা হয়?
  1. ক) ১৯৭৬
  2. খ) ১৯৭৭
  3. গ) ১৯৭৮
  4. ঘ) ১৯৭৯
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭৮
ব্যাখ্যা

- ১৯৭৮ সালে জেনারেল জিয়াউর রহমান এক আদেশ বলে ক্ষমতার প্রয়োজনে গণভোটের নিয়ম সংযোজন করেন যা পরবর্তিতে পঞ্চম সংশোধনীতে স্থান লাভ করে । 

- নতুন সংযোজিত এই নিয়ম অনুসারে সংবিধানের প্রস্তাবনা, রাষ্ট্রীয় মুলনীতি ৯ অনুচ্ছেদ ৮ রাষ্ট্রপ্রতি নির্বাচন ও তার ক্ষমতা মর্যাদা (অনুচ্ছেদ ৪৮) ) প্রধানমন্ত্রী ও তার মন্ত্রীসভার সদস্যের নিয়োগদান ৯ অনুচ্ছেদ-৫৬) সংক্রান্তকোন সংশোধনী বিল নিয়মানুযায়ী গৃহীত হবার পর সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপনের সাতদিনের মধ্যে তিনি বিলটিত সম্মতি দান করবেন না এ প্রশ্নটির সমাধানের জন্য বিলটি গণভোটে পাঠানোর ব্যবস্থা করবেন।

উৎস: পৌরনীতি ২য় পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪৭.
সংবিধানে প্রস্তাবনার প্রথম ভাগে কী ঘোষণা করা হয়েছে?
  1. গণপরিষদে গৃহীত হওয়ার নিশ্চয়তা
  2. সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুন্ন রাখা
  3. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা
  4. মূলনীতি গ্রহণ
সঠিক উত্তর:
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা

প্রস্তাবনা:
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- বাংলাদেশের সংবিধানে ১টি প্রস্তাবনা রয়েছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানে প্রস্তাবনার ৫টি ভাগ রয়েছে।
১ম- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা।
২য়- মূলনীতি গ্রহণ (অঙ্গীকার)।
৩য়- শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা (অঙ্গীকার)।
৪র্থ- সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুন্ন রাখা (ঘোষণা)।
৫ম- গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হওয়ার নিশ্চয়তা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

২৪৮.
রাষ্ট্রপতির অভিশংসনের ক্ষমতা কার হাতে রয়েছে?
  1. জাতীয় সংসদ
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. মন্ত্রীপরিষদ
  4. সুপ্রিম কোর্ট
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের সংবিধান অনুসারে, রাষ্ট্রপতির অভিশংসনের ক্ষমতা জাতীয় সংসদ এর হাতে রয়েছে।

রাষ্ট্রপতির অভিশংসন:

৫২। (১) এই সংবিধান লংঘন বা গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগে রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসিত করা যাইতে পারিবে; ইহার জন্য সংসদের মোট সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের স্বাক্ষরে অনুরূপ অভিযোগের বিবরণ লিপিবদ্ধ করিয়া একটি প্রস্তাবের নোটিশ স্পীকারের নিকট প্রদান করিতে হইবে; স্পীকারের নিকট অনুরূপ নোটিশ প্রদানের দিন হইতে চৌদ্দ দিনের পূর্বে বা ত্রিশ দিনের পর এই প্রস্তাব আলোচিত হইতে পারিবে না; এবং সংসদ অধিবেশনরত না থাকিলে স্পীকার অবিলম্বে সংসদ আহবান করিবেন। 
(২) এই অনুচ্ছেদের অধীন কোন অভিযোগ তদন্তের জন্য সংসদ কর্তৃক নিযুক্ত বা আখ্যায়িত কোন আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা কর্তৃপক্ষের নিকট সংসদ রাষ্ট্রপতির আচরণ গোচর করিতে পারিবেন। 
(৩) অভিযোগ-বিবেচনাকালে রাষ্ট্রপতির উপস্থিত থাকিবার এবং প্রতিনিধি-প্রেরণের অধিকার থাকিবে। 
(৪) অভিযোগ-বিবেচনার পর মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে অভিযোগ যথার্থ বলিয়া ঘোষণা করিয়া সংসদ কোন প্রস্তাব গ্রহণ করিলে প্রস্তাব গৃহীত হইবার তারিখে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হইবে। 
(৫) এই সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ-অনুযায়ী স্পীকার কর্তৃক রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব-পালনকালে এই অনুচ্ছেদের বিধানাবলী এই পরিবর্তন-সাপেক্ষে প্রযোজ্য হইবে যে, এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় স্পীকারের উল্লেখ ডেপুটি স্পীকারের উল্লেখ বলিয়া গণ্য হইবে এবং (৪) দফায় রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হইবার উল্লেখ স্পীকারের পদ শূন্য হইবার উল্লেখ বলিয়া গণ্য হইবে; এবং (৪) দফায় বর্ণিত কোন প্রস্তাব গৃহীত হইলে স্পীকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনে বিরত হইবেন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

২৪৯.
সংবিধানে কয়টি ভাগ বা অধ্যায় আছে?
  1. ১টি
  2. ৪টি
  3. ৭টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় গণপরিষদের মাধ্যমে।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে। 
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- ১৯৭২ সালের ১১ অক্টোবর খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।
 
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
২৫০.
বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়-
  1. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১
  2. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
  3. ২৬ মার্চ, ১৯৭২
  4. ২৬ মার্চ, ১৯৭৩
সঠিক উত্তর:
১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
ব্যাখ্যা

♦ সংবিধান:
- গণপরিষদের মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয়।
- হস্তলিখিত সংবিধানের মূল লেখক: আব্দুর রউফ।
- মোট অনুচ্ছেদ: ১৫৩টি। 
- ভাগ বা অধ্যায়: ১১টি।
- তফসিল: ৭টি।
- প্রস্তাবনা: ১টি।
- মূলনীতি: ৪টি।
- সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে কমিটি গঠন করা হয়: ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়: ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন: ১১ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপিত হয়: ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান গণপরিষদে গৃহীত হয়: ৪ নভেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপরিষদ সদস্যরা সংবিধানে স্বাক্ষর করেন: ১৪ ও ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।

♦ সংবিধান প্রণয়ন কমিটি:
- মোট সদস্য ছিল ৩৪ জন।
- আওয়ামী লীগ ছাড়া একমাত্র সদস্য: সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত (ন্যাপ)।
- কমিটির প্রধান বা সভাপতি: ড. কামাল হোসেন।
- সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য: বেগম রাজিয়া বানু।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

২৫১.
বাংলাদেশ সংবিধান গৃহীত হয় কবে?
  1. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১
  2. ৪ নভেম্বর, ১৯৭২
  3. ২৬ মার্চ, ১৯৭১
  4. ১৭ নভেম্বর, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
৪ নভেম্বর, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ নভেম্বর, ১৯৭২
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সংবিধান:
- সংবিধান হচ্ছে রাষ্ট্রের প্রতিচ্ছবি।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে।
- ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ বাংলাদেশের জন্য একটি সংবিধান রচনার লক্ষ্যে ১০ এপ্রিল ৪৩০ জন সদস্য বিশিষ্ট গণ-পরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে।
- এদের মধ্য থেকে ৩৪ জন সদস্য নিয়ে একটি খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়।
- ১৯৭২ সালে ১২ অক্টোবর খসড়া সংবিধান বিল গণ-পরিষদের পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে পেশ করা হয়।
- বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয়।
 
তথ্যসূত্র: পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৫২.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে জাতির পিতার প্রতিকৃতি সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের বিষয়ে বলা হয়েছে?
  1. ২ (ক) নং
  2. ৪ (ক) নং
  3. ৫ নং
  4. ৪ (২) নং
সঠিক উত্তর:
৪ (ক) নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ (ক) নং
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৪ক নং অনুচ্ছেদে সকল সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিদেশে অবস্থিত দূতাবাসসমূহে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের বিষয়ে বর্ণনা করা হয়েছে।

২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে এই ধারাটি সংবিধানে যুক্ত করা হয়।

অন্যদিকে,
- সংবিধানের ২ক অনুচ্ছেদ : রাষ্ট্রধর্ম
- ৪ (২) নং অনুচ্ছেদ : জাতীয় পতাকা এবং
- ৫ নং অনুচ্ছেদ : রাজধানী।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান)
২৫৩.
Which article of the constitution of Bangladesh guarantees that all citizens are equal before law?
  1. Article 17
  2. Article 47
  3. Article 31
  4. Article 11
  5. Article 27
সঠিক উত্তর:
Article 27
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Article 27
ব্যাখ্যা
আইনের দৃষ্টিতে সমতা:
- সংবিধানের ২৭নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, 'সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।'
 
অন্যদিকে -
- ১১ নং অনুচ্ছেদে 'গণতন্ত্র ও মানবাধিকার' বিষয়ে বর্ণিত হয়েছে।
- ৩১ নং অনুচ্ছেদে আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার বিষয়ে বর্ণিত হয়েছে।
- ৪৭ নং অনুচ্ছেদে কতিপয় আইনের হেফাজত বিষয়ে আইন বর্ণিত হয়েছে।
- ১৭ নং অনুচ্ছেদে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা বিষয়ে বর্ণিত হয়েছে।
 
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
২৫৪.
স্থানীয় সরকারের সর্বনিম্ন স্তর কোনটি?
  1. ক) ইউনিয়ন পরিষদ
  2. খ) জেলা পরিষদ
  3. গ) গ্রাম পরিষদ
  4. ঘ) উপজেলা পরিষদ
সঠিক উত্তর:
ক) ইউনিয়ন পরিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ইউনিয়ন পরিষদ
ব্যাখ্যা
স্থানীয় সরকার হলো এমন সরকার ব্যবস্থা যা ছোট ছোট এলাকার স্থানীয় প্রয়োজন মেটাবার জন্যে জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা গঠিত ও আইনের মাধ্যমে ক্ষমতাপ্রাপ্ত।
বাংলাদেশে বর্তমানে তিন স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার কাঠামো রয়েছে। এদের মধ্যে সর্বনিম্ন স্তর হলো ইউনিয়ন পরিষদ।
স্থানীয় সরকারের স্তরসমূহ:
- ইউনিয়ন পরিষদ
- উপজেলা প্রশাসন
- জেলা পরিষদ।
এছাড়া, শহরাঞ্চলে পৌরসভা ও ১২টি শহরে সিটি কর্পোরেশন এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ ও তিন পার্বত্য জেলায় তিনটি স্থানীয় পার্বত্য জেলা পরিষদ রয়েছে।
গ্রাম পরিষদ বর্তমানে স্থানীয় সরকারের অংশ নয়।
(সূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেণী)
২৫৫.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদে নির্বাচিত হবার নূন্যতম বয়স-
  1. ক) ৩০ বছর
  2. খ) ৩৫ বছর
  3. গ) ৪৫ বছর
  4. ঘ) ২৫ বছর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৫ বছর
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার নূন্যতম বয়স ২৫ বছর
• বাংলাদেশ সংবিধানের ১২২(২) খ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ব্যক্তির ভোটাধিকার প্রাপ্তির নূন্যতম বয়স ১৮ বছর।
• সংবিধানের ১২২(১) অনুচ্ছেদে বলা আছে 'প্রাপ্ত বয়স্কদের ভোটাধিকার- এই নীতির ভিত্তিতে সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।'
• তাই ভোটার হওয়ার নূন্যতম বয়স ১৮ বছর।
• রাষ্ট্রপতি হওয়ার নূন্যতম বয়স ৩৫ বছর।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
২৫৬.
স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার নিয়ে সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৭০
  2. অনুচ্ছেদ ৭২
  3. অনুচ্ছেদ ৭৪
  4. অনুচ্ছেদ ৭৬
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭৪
ব্যাখ্যা
•অনুচ্ছেদসমূহ:
- অনুচ্ছেদ ৭০ - রাজনৈতিক দল হইতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়া।
- অনুচ্ছেদ ৭১ - দ্বৈত-সদস্যতায় বাধা।
- অনুচ্ছেদ ৭২ - সংসদের অধিবেশন।
- অনুচ্ছেদ ৭৩ - সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও বাণী।
- অনুচ্ছেদ ৭৩ক - সংসদ সম্পর্কে মন্ত্রীগণের অধিকার।
- অনুচ্ছেদ ৭৪ - স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার।
- অনুচ্ছেদ ৭৫ - কার্যপ্রণালী-বিধি, কোরাম প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ৭৬ - সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহ।
- অনুচ্ছেদ ৭৭ - ন্যায়পাল।
- অনুচ্ছেদ ৭৮ - সংসদ ও সদস্যদের বিশেষ অধিকার ও দায়মুক্তি।
- অনুচ্ছেদ ৭৯ - সংসদ-সচিবালয়। 

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
২৫৭.
কয়জন কমিশনার নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়?
  1. ক) ২ জন
  2. খ) ৩ জন
  3. গ) ৫ জন
  4. ঘ) ৭ জন
সঠিক উত্তর:
গ) ৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৫ জন
ব্যাখ্যা
নির্বাচন কমিশন:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১৮ অনুসারে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশন সমন্বয়ে একটি নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়।
- বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন একটি স্বাধীন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।
- ৫জন কমিশনার নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়।
- নির্বাচন কমিশন ৫ বছরের জন্য গঠিত হয়।
- দেশের সকল নির্বাচন অনুষ্ঠান পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের।
- নির্বাচন কমিশনের যাবতীয় কার্যাবলি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ও আইনানুযায়ী সম্পন্ন হয়।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্য নির্বাচন কমিশনারদেরকে রাষ্ট্র প্রধান নিয়োগ দান করবেন।
- সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে নির্বাচন কমিশনারদের কাজের শর্তাবলী রাষ্ট্র প্রধানের আদেশের দ্বারা নির্ধারিত হয়।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার কমিশনের সভাপতিরূপে দায়িত্ব পালন করবেন। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (SSC Programme) উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫৮.
সংবিধানের প্রস্তাবনা অনুযায়ী রাষ্ট্রের অন্যতম মূল লক্ষ্য কী?
  1. পুঁজিবাদী সমাজ প্রতিষ্ঠা
  2. রাজতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠা
  3. সাম্রাজ্যবাদী সমাজ প্রতিষ্ঠা
  4. শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠা
সঠিক উত্তর:
শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনা: 
- বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনায় ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং মুক্তিযুদ্ধের চার মূল আদর্শ—জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা—ঘোষণা করা হয়েছে।
- এই প্রস্তাবনায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রের অন্যতম মূল লক্ষ্য হবে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে একটি শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা।
- এ সমাজে প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক মানবাধিকার, আইনের শাসন এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সাম্য, স্বাধীনতা ও সুবিচার নিশ্চিত করা হবে।
- এর মাধ্যমে একটি সাম্যভিত্তিক, ন্যায়ভিত্তিক এবং মানবিক রাষ্ট্র গঠনের অঙ্গীকার প্রকাশ পায়।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান। 

২৫৯.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে “রাষ্ট্রদ্রোহ” - এর শাস্তির কথা বলা হয়েছে?
  1. ক) অনুচ্ছেদ - ৭ক
  2. খ) অনুচ্ছেদ - ৭খ
  3. গ) অনুচ্ছেদ - ৪৬
  4. ঘ) অনুচ্ছেদ - ৪৭
সঠিক উত্তর:
ক) অনুচ্ছেদ - ৭ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অনুচ্ছেদ - ৭ক
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রদ্রোহের শাস্তি - বাংলাদেশের দন্ডবিধির সর্বোচ্চ দন্ডে দণ্ডিত হবে অর্থ্যাৎ মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হবে। সংবিধানের ৭ক অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে - সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ ইত্যাদি অপরাধঃ - “৭ক। (১) কোন ব্যক্তি শক্তি প্রদর্শন বা শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে বা অন্য কোন অসাংবিধানিক পন্থায় -
(ক) এই সংবিধান বা ইহার কোন অনুচ্ছেদ রদ, রহিত বা বাতিল বা স্থগিত করিলে কিংবা উহা করিবার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ বা ষড়যন্ত্র করিলে ; কিংবা
(খ) এই সংবিধান বা ইহার কোন বিধানের প্রতি নাগরিকের আস্থা, বিশ্বাস বা প্রত্যয় পরাহত করিলে কিংবা উহা করিবার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ বা ষড়যন্ত্র করিলে-
তাহার এই কার্য রাষ্ট্রদ্রোহিতা হইবে এবং ঐ ব্যক্তি রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধে দোষী হইবে।
(২) কোন ব্যক্তি (১) দফায় বর্ণিত-
(ক) কোন কার্য করিতে সহযোগিতা বা উস্কানি প্রদান করিলে; কিংবা
(খ) কার্য অনুমোদন, মার্জনা, সমর্থন বা অনুসমর্থন করিলে-
তাহার এইরুপ কার্যও একই অপরাধ হইবে।
(৩) এই অনুচ্ছেদে বর্ণিত অপরাধে দোষী ব্যক্তি প্রচলিত আইনে অন্যান্য অপরাধের জন্য নির্ধারিত দণ্ডের মধ্যে সর্বোচ্চ দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।”
২৬০.
জবরদস্তি শ্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে বাংলাদেশ সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী?
  1. ৩৪ নং অনুচ্ছেদ
  2. ৩১ নং অনুচ্ছেদ
  3. ২৯ নং অনুচ্ছেদ
  4. ৩৬ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
৩৪ নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
• সংবিধানে মৌলিক অধিকার: 
- অনুচ্ছেদ ৩৪ (১), ৩৪ (২ ক) অনুযায়ী সকল প্রকার জবরদস্তি শ্রম নিষিদ্ধ।
- এই বিধান কোনভাবে লঙ্ঘিত হলে তা আইনতঃ দণ্ডনীয় অপরাধ বলে গণ্য হবে। 
- তবে ফৌজদারি অপরাধের জন্য দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই বিধান প্রযোজ্য হবে না।

এছাড়া, 
- ৩১ নং অনুচ্ছেদে আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার, 
- ২৯ নং অনুচ্ছেদে সরকারি নিয়োগ লাভে সুযোগের সমতা, 
- ৩৬ নং অনুচ্ছেদে চলাফেরার স্বাধীনতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান। 
২৬১.
সংবিধান সংস্কার কমিটি নিম্নকক্ষের জন্য কয়টি আসনের সুপরিশ করেছেন?
  1. ৩০০টি
  2. ১০৫টি
  3. ৪০০টি
  4. ২০০টি
সঠিক উত্তর:
৪০০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০০টি
ব্যাখ্যা

- নিম্নকক্ষ: ৪০০টি আসন; উচ্চকক্ষ: ১০৫টি আসন। 

• সংবিধান সংস্কার কমিশন: 

- গঠিত হয়- ৬ অক্টোবর, ২০২৪।
- কমিশনের প্রধান- অধ্যাপক আলী রীয়াজ।
- মোট সদস্য- ৯ জন

• উল্লেখযোগ্য সুপারিশসমূহ:
- মূলনীতি: ৫টি (সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার, বহুত্ববাদ এবং গণতন্ত্র।
- সংসদ: দ্বিকক্ষবিশিষ্ট (নিম্নকক্ষ: ৪০০টি আসন; উচ্চকক্ষ: ১০৫টি আসন)।
- মেয়াদ: ৪ বছর (সরকারের মেয়াদ, সংসদের মেয়াদ, রাষ্ট্রপতির মেয়াদ),
- সংসদীয় প্রার্থী হওয়ার ন্যূনতম বয়স: ২১ বছর।

উৎস: সংবিধান সংস্কার কমিশন। [লিঙ্ক]

২৬২.
’সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা’ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ-৩৩
  2. অনুচ্ছেদ-২৭
  3. অনুচ্ছেদ-২৯
  4. অনুচ্ছেদ-২৬
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-২৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-২৯
ব্যাখ্যা

- সংবিধানের ২৯ নং অনুচ্ছেদ:
- প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের ক্ষেত্রে সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা থাকবে।
- কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারীপুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিক প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের অযোগ্য হবেন না;
- কিংবা সেই ক্ষেত্রে তাঁর প্রতি বৈষম্য প্রদর্শন করা যাবে না।

• সংবিধানের কয়েকটি  অনুচ্ছেদ:
- ২৬ নং:মৌলিক অধিকারের সহিত অসমঞ্জস আইন বাতিল;
- ২৭নং: আইনের দৃষ্টিতে সমতা;
- ২৮ নং: ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য;
- ২৯নং:  সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা;
- ৩০নং:  বিদেশী, খেতাব, প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ;
- ৩১নং: আইনের আশ্রয়-লাভের অধিকার;
- ৩২নং: জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ;
- ৩৩নং: গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ;
- ৩৪নং: জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ;
- ৩৫নং: বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ;
- ৩৬নং: চলাফেরার স্বাধীনতা;
- ৩৭নং:সমাবেশের স্বাধীনতা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

২৬৩.
বাংলাদেশের সংবিধান কীসের মাধ্যমে রচিত হয়?
  1. সাধারণ আইন পরিষদের মাধ্যমে
  2. রাষ্ট্রপতির আদেশের মাধ্যমে
  3. গণপরিষদের মাধ্যমে
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
গণপরিষদের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গণপরিষদের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম গণপরিষদ:
- সংবিধান হলো রাষ্ট্র পরিচালনার মৌলিক বিধি-বিধানের সমষ্টি।
- পৃথিবীর অধিকাংশ দেশে সংবিধান প্রণয়নের জন্য গণপরিষদ গঠন করা হয়।
- বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নেও এমন একটি গণপরিষদ গঠন করা হয়।
- এই গণপরিষদের মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয়।

⇒ ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ তৎকালীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি গণরিষদ গঠনের আদেশ জারি করেন।
- এ আদেশ সমগ্র বাংলাদেশের জন্য সমভাবে প্রযোজ্য ছিল।
- এ আদেশ ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে কার্যকরী বলে ধরে নেয়া হয়।
- এ আদেশ বলে ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর থেকে ১৯৭১ সালের ১ মার্চ পর্যন্ত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদে বাংলাদেশ থেকে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে গণপরিষদ গঠন করা হয়।
- আইনের দৃষ্টিতে অযোগ্য বলে বিবেচিত এমন ব্যক্তিকে গণপরিষদের সদস্য হতে পারতেন না।
- রাজনৈতিক দল থেকে বহিঃস্কৃত ব্যক্তি গণপরিষদ থেকে বহিঃস্কৃত হতেন।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ ও স্থায়ী সংবিধান রচনার পবিত্র দায়িত্ব এ পরিষদের উপর ন্যস্ত ছিল।

উল্লেখ্য,
- সংবিধান রচনা ও গণপরিষদে গৃহীত হওয়ার সময়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী।

উৎস: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৬৪.
বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগ (Executive Branch) এর সর্বোচ্চ ব্যক্তি কে?
  1. ক) প্রধানমন্ত্রী
  2. খ) স্পিকার
  3. গ) রাষ্ট্রপতি
  4. ঘ) বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
গ) রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের শাসন বিভাগ বা নির্বাহী বিভাগের (Executive Branch) সর্বোচ্চ ব্যক্তি হলেন রাষ্ট্রপতি। 
- তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান।
- তবে শাসন বিভাগের প্রকৃত ক্ষমতার অধিকারি প্রধানমন্ত্রী ও তার নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভা।
- রাষ্ট্রপতি কয়েকটি ক্ষেত্র ব্যতীত অন্য সকল ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী তার কার্য সম্পাদন করে থাকেন।

(তথ্যসূত্রঃ পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেণী)
২৬৫.
সংবিধানের কোন ভাগে 'জাতীয় সংসদ' সম্পর্কে নির্দেশনা রয়েছে?
  1. অষ্টম ভাগে
  2. সপ্তম ভাগে
  3. ষষ্ঠ ভাগে
  4. পঞ্চম ভাগে
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম ভাগে
ব্যাখ্যা
-জাতীয় সংসদ: 
- জাতীয় সংসদ সম্পর্কে নির্দেশনা রয়েছে সংবিধানের পঞ্চম ভাগে।
- আইন অনুসারে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ হলো এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা।
- সারাদেশ থেকে নির্বাচিত ৩০০ সংসদ সদস্য এবং সংরক্ষিত ৫০ জন নারী সংসদ সদস্য নিয়ে এই জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
- পূর্ণ মেয়াদে প্রতি পাঁচ বছর পর পর জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- নির্বাচনে বাংলাদেশের প্রত্যেক বয়স্কপ্রাপ্ত নাগরিক তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করে থাকে।
- প্রচলিত আইন মেনে বাংলাদেশের যেকোন নাগরিক এই জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারে।
- এই সংসদীয় ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ক্ষেত্রে একজন প্রার্থীর বয়স ৩৫ বছর হতে হবে। 
- প্রধানমন্ত্রী পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য ২৫ বছর হওয়ার শর্ত দেশের সংবিধান কর্তৃক স্বীকৃত। 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
২৬৬.
বাংলাদেশের সংবিধানে 'রাষ্ট্রধর্ম' সম্পর্কে উল্লেখ আছে-
  1. ক) ৪ক নং অনুচ্ছেদে
  2. খ) ৩ নং অনুচ্ছেদে
  3. গ) ২ক নং অনুচ্ছেদে
  4. ঘ) ৪ নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
গ) ২ক নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২ক নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
• গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের,
- ২ নং অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা, 
- ২ক অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রধর্ম,
- ৩ নং অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা,
- ৪ নং অনুচ্ছেদে জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক,
• ৪ক নং অনুচ্ছেদে জাতির পিতার প্রতিকৃতির কথা উল্লেখ আছে।

উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান।
২৬৭.
স্বরাজ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?
  1. চিত্তরঞ্জন দাস
  2. সুভাষ চন্দ্র বসু
  3. মতিলাল নেহরু
  4. ক+গ
সঠিক উত্তর:
ক+গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক+গ
ব্যাখ্যা

স্বরাজ পার্টি:
- সময়কাল: ১৯২৩ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন মতিলাল নেহরু (জওহরলাল নেহরুর পিতা) ও চিত্তরঞ্জন দাস। 
- মহাত্মা গান্ধীর অসহযোগ আন্দোলনের বিকল্প হিসেবে কম কঠোর হিন্দু মতাদর্শী এবং আরও ধর্মনিরপেক্ষ কংগ্রেস নেতারা ব্রিটিশদের প্রবর্তিত রাজনৈতিক সংস্কারের সঙ্গে আংশিক সহযোগিতার পথে হাঁটেন।
- ১৯২৩ সালের কেন্দ্রীয় আইনসভা নির্বাচনে ৪০টির বেশি আসন জয়ী হয়।
- তবে ব্রিটিশদের জন্য প্রয়োজনীয় আইন পাস রোধ করার মতো যথেষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়।
- ১৯২৭ সালে স্বরাজ পার্টি ভেঙ্গে যায়।
- স্বরাজ পার্টি ছিল ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা সংগ্রামের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা ভারতের রাজনৈতিক আন্দোলনে বিকল্প কৌশল তৈরি করেছিল।

উদ্দেশ্য:
- স্বরাজ (স্বশাসন) অর্জন, যা ব্রিটিশ শাসন থেকে স্বাধীনতার আন্দোলনে ব্যবহৃত শব্দ।
- ১৯২৩ সালে কেন্দ্রীয় আইনসভা নির্বাচনে অংশগ্রহণ এবং ব্রিটিশ নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলন পরিচালনা।
- আইনসভায় ব্রিটিশ নীতিকে ব্যাহত করা এবং সরকারী কার্যক্রমে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি।

উৎস: ব্রিটানিকা

২৬৮.
বাংলাদেশ সংবিধানের সপ্তম অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয় -
  1. নির্বাচন
  2. বিচার বিভাগ
  3. আইনসভা
  4. নির্বাহী বিভাগ
সঠিক উত্তর:
নির্বাচন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাচন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধানের ১১টি অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়সমূহ:
• প্রথম অধ্যায় - প্রজাতন্ত্র।
• দ্বিতীয় অধ্যায় - রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।
• তৃতীয় অধ্যায় - মৌলিক অধিকার।
• চতুর্থ অধ্যায় - নির্বাহী বিভাগ।
• পঞ্চম অধ্যায় - আইনসভা।
• ষষ্ঠ অধ্যায় - বিচার বিভাগ।
• সপ্তম অধ্যায় - নির্বাচন। 
• অষ্টম অধ্যায় - মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
• নবম অধ্যায় - বাংলাদেশের কর্মবিভাগ।
• দশম অধ্যায় - সংবিধানের সংশোধন।
• একাদশ অধ্যায় - বিবিধ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
২৬৯.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের মূলনীতি কয়টি?
  1. ক) ১১ টি
  2. খ) ৭ টি
  3. গ) ৪ টি
  4. ঘ) ১ টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৪ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪ টি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয় এবং একই বছর ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে বলবৎ হয়।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি,
- তফসিল আছে ৭টি,
- মূলনীতি আছে ৪টি,
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।

উৎস: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ও বাংলাপিডিয়া।
২৭০.
বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগ হতে বিচার বিভাগ পৃথক করা হয়-
  1. ক) ৩১-১০-২০০৭
  2. খ) ১১-০৯-২০০৭
  3. গ) ১১-১০-২০০৭
  4. ঘ) ০১-১১-২০০৭
সঠিক উত্তর:
ঘ) ০১-১১-২০০৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ০১-১১-২০০৭
ব্যাখ্যা
- ১ নভেম্বর ২০০৭ সালে বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগ হতে বিচার বিভাগ পৃথক করা হয়।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ২২ নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে 'রাষ্ট্রের নির্বাহী অঙ্গসমূহ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ রাষ্ট্র নিশ্চিত করিবেন।'

উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান।
২৭১.
সংবিধানের কোন ভাগে শাসন বিভাগের গঠণ ও দায়-দায়িত্ব সম্পর্কিত সাংবিধানিক আইন লিপিবদ্ধ আছে?
  1. ক) ষষ্ঠ ভাগ
  2. খ) চতুর্থ ভাগ
  3. গ) অষ্টম ভাগ
  4. ঘ) সপ্তম ভাগ
সঠিক উত্তর:
খ) চতুর্থ ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চতুর্থ ভাগ
ব্যাখ্যা
- চতুর্থ ভাগ : নির্বাহী বিভাগ তথা শাসন বিভাগ 
- ষষ্ঠ ভাগ : বিচার বিভাগ।
- সপ্তম ভাগ : নির্বাচন
- অষ্টম ভাগ : মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক

(সূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান)
২৭২.
ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ সংবিধানের কোন্‌ তফসিলে আছে?
  1. চতুর্থ তফসিল
  2. পঞ্চম তফসিল
  3. ষষ্ঠ তফসিল
  4. সপ্তম তফসিল
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম তফসিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম তফসিল
ব্যাখ্যা
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে - ১১টি।
- তফসিল আছে - ৭টি; প্রস্তাবনা আছে ১টি এবং মূলনীতি আছে ৪টি।
----------------
সংবিধানের তফসিলসমূহ:
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট - ৭টি তফসিল ও এর বিষয়বস্তু -

প্রথম তফসিল:
অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।

দ্বিতীয় তফসিল:
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বর্তমানে বিলুপ্ত)।

তৃতীয় তফসিল:
শপথ ও ঘোষণা।

চতুর্থ তফসিল:
ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।

পঞ্চম তফসিল:
ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ।

ষষ্ঠ তফসিল:
২৬ মার্চে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা।

সপ্তম তফসিল:
মুজিবনগর সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান; বাংলাদেশের সংবিধানের ইতিহাস - আরিফ খান ও বাংলাপিডিয়া।
২৭৩.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে ‘অধস্তন আদালতসমূহ প্রতিষ্ঠা’ বিষয়টি বর্ণিত আছে?
  1. ১১৪নং
  2. ৯৪নং
  3. ১০৮নং
  4. ১১৭নং
সঠিক উত্তর:
১১৪নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৪নং
ব্যাখ্যা

→ সংবিধানের ১১৪নং অনুচ্ছেদ- ’‘অধস্তন আদালতসমূহ প্রতিষ্ঠা’ বিষয়টি বর্ণিত আছে।

অন্যদিকে,

• সংবিধানের ৯৪নং অনুচ্ছেদ- ’সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা’ সম্পর্কিত।
• সংবিধানের ১০৮নং অনুচ্ছেদ-  "কোর্ট অব রেকর্ড" রূপে সুপ্রীম কোর্ট সম্পর্কিত।
• সংবিধানের ১১৭নং অনুচ্ছেদ- ’প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালসমূহ’ সম্পর্কিত।


উৎস: সংবিধান।

২৭৪.
বাংলাদেশ গণপরিষদে সংবিধান পাশ হয়-
  1. ক) ১১ এপ্রিল, ১৯৭২
  2. খ) ১২ অক্টোবর, ১৯৭২
  3. গ) ৪ নভেম্বর, ১৯৭২
  4. ঘ) ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
গ) ৪ নভেম্বর, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪ নভেম্বর, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সংবিধান খসড়া তৈরীর উদ্দেশ্যে গণপরিষদে ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে ৩৪ সদস্য বিশিষ্ঠ সংবিধান প্রনয়ন কমিটি গঠন করা হয়। এর সভাপতি ছিলেন - ড. কামাল হোসেন।
- এই কমিটি ৭০টি বৈঠক করে খসড়া সংবিধান প্রণয়ন করেন এবং ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ তারিখে গণপরিষদে উত্থাপন করা হয় সাধারন আলোচনার জন্য।
- গণপরিষদ সদস্যরা সাধারন আলোচনার পর ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর তা গণপরিষদে পাশ হয়। ৪ নভেম্বরকে তাই সংবিধান দিবস হিসাবে পালন করা হয়।
- সংবিধান ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সাল থেকে কার্যকর হয়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধানের ইতিহাস।
২৭৫.
'কোনো ব্যক্তি দুই মেয়াদের বেশি রাষ্ট্রপতি পদে থাকতে পারবেন না'-সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে?
  1. ৪৮ নং অনুচ্ছেদে
  2. ৫০ নং অনুচ্ছেদে
  3. ৫৩ নং অনুচ্ছেদে
  4. ৫২ নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
৫০ নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা

'কোনো ব্যক্তি দুই মেয়াদের বেশি রাষ্ট্রপতি পদে থাকতে পারবেন না'- এই বিধানটি বাংলাদেশের সংবিধানের ৫০(২) নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে।

বাংলাদেশের সংবিধানের ৫০ নং অনুচ্ছেদ: রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ
⇒ ৫০(১) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে:
- এই সংবিধানের বিধানাবলী সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে পাঁচ বছর মেয়াদে তাঁর পদে অধিষ্ঠিত থাকবেন।
- তবে শর্ত থাকে যে, রাষ্ট্রপতির পদের মেয়াদ শেষ হওয়া সত্ত্বেও তাঁর উত্তরাধিকারী-কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত তিনি স্বীয় পদে বহাল থাকবেন।

⇒ ৫০(২) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে:
- একাদিক্রমে হোক বা না হোক-দুই মেয়াদের অধিক রাষ্ট্রপতির পদে কোন ব্যক্তি অধিষ্ঠিত থাকবেন না।

⇒ ৫০(৩) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে:
- স্পীকারের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে রাষ্ট্রপতি তার পদ ত্যাগ করতে পারবেন।

⇒ ৫০(৪) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে:
- রাষ্ট্রপতি তাঁর কার্যভারকালে সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হবার যোগ্য হবেন না, এবং কোন সংসদ-সদস্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে রাষ্ট্রপতিরূপে তাঁর কার্যভার গ্রহণের দিনে সংসদে তাঁর আসন শূন্য হবে।

অন্যদিকে,
- ৪৮ নং অনুচ্ছেদ: রাষ্ট্রপতি।
- ৫৩ নং অনুচ্ছেদ: অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির অপসারণ। 
- ৫২ নং অনুচ্ছেদ: রাষ্ট্রপতির অভিশংসন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

২৭৬.
বাংলাদেশ সংবিধানের ১৫০নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু কী?
  1. ক) অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন
  2. খ) শপথ ও ঘোষণা
  3. গ) রাষ্টপতি নির্বাচন
  4. ঘ) ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী
ব্যাখ্যা
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের একাদশ ভাগ বিবিধ অংশে ১৫০নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী সম্পর্কে বলা আছে।
- অনুচ্ছেদ ১৫০(১) অনুযায়ী এই সংবিধানের অন্য কোন বিধান সত্ত্বেও ১৯৭২ সালের ১৬ই ডিসেম্বর তারিখে এই সংবিধান প্রবর্তনকালে সংবিধানের চতুর্থ তফসিলে বর্ণিত বিধানাবলী ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী হিসাবে কার্যকর থাকবে। 
 - অনুচ্ছেদ ১৫০(২) অনুযায়ী ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ তারিখ হতে ১৯৭২ সালের ১৬ই ডিসেম্বর তারিখে এই সংবিধান প্রবর্তন হবার অব্যবহিত পূর্ব পর্যন্ত সময়কালের মধ্যে সংবিধানের পঞ্চম তফসিলে বর্ণিত ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ তারিখে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে দেওয়া জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণ, ষষ্ঠ তফসিলে বর্ণিত ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ তারিখে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণার টেলিগ্রাম এবং সপ্তম তফসিলে বর্ণিত ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল তারিখে মুজিবনগর সরকারের জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র হল বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তি সংগ্রামের ঐতিহাসিক ভাষণ ও দলিল, যাহা উক্ত সময়কালের জন্য ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী বলে গণ্য হবে।

উৎস:- বাংলাদেশের সংবিধান। 
২৭৭.
মন্ত্রিসভা যৌথভাবে দায়ী থাকবেন কার নিকট?
  1. ক) মন্ত্রণালয়ের কাছে
  2. খ) রাষ্ট্রপতির কাছে
  3. গ) প্রধানমন্ত্রীর কাছে
  4. ঘ) জাতীয় সংসদের
সঠিক উত্তর:
ঘ) জাতীয় সংসদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জাতীয় সংসদের
ব্যাখ্যা
- মন্ত্রিসভা যৌথভাবে দায়ী থাকবেন জাতীয় সংসদের নিকট।
- মন্ত্রিসভার অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের নির্বাচন করেন প্রধানমন্ত্রী।
- সংবিধানের ৫৫ ও ৫৬ নং অনুচ্ছেদের মতে মন্ত্রিপরিষদের শীর্ষে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী।

উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
২৭৮.
বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতির অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. সমাজতন্ত্র
  2. প্রজাতন্ত্র
  3. গণতন্ত্র
  4. জাতীয়তাবাদ
সঠিক উত্তর:
প্রজাতন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রজাতন্ত্র
ব্যাখ্যা
সংবিধানের মূলনীতি:

- প্রজাতন্ত্র - বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতির অন্তর্ভুক্ত নয়।
- বাংলাদেশ সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ উল্লেখ করা হয়েছে।
- ৮ নং অনুচ্ছেদে ১ নং দফানুসারে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হলো চারটি।
এগুলো হলো:
• জাতীয়তাবাদ,
• সমাজতন্ত্র,
• গণতন্ত্র ও
• ধর্মনিরপেক্ষতা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
২৭৯.
আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে কোনটি সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী?
  1. ক) শাসন বিভাগ
  2. খ) বিচার বিভাগ
  3. গ) আইন বিভাগ
  4. ঘ) নির্বাচন কমিশন
সঠিক উত্তর:
গ) আইন বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আইন বিভাগ
ব্যাখ্যা

- আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে জাতীয় সংসদ বা আইন বিভাগ সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী।
- বাংলাদেশ সংবিধানের এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভার প্রবর্তন করা হয়।
- বাংলাদেশের আইনসভার নাম 'জাতীয় সংসদ'।
- সংবিধান বলা হয়েছে যে, 'জাতীয় সংসদ' নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকবে এবং এ সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়ন ক্ষমতা সংসদে ওপর ন্যস্ত হবে
- রাজধানী ঢাকায় জাতীয় সংসদের স্থায়ী আসন রয়েছে। জাতীয় সংসদের কার্যকাল ৫ বছর হবে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

২৮০.
কততম সংশোধনীর মাধ্যমে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার বিধান করা হয়েছিল?
  1. ১২শ সংশোধনী
  2. ১৩শ সংশোধনী
  3. ১৪শ সংশোধনী
  4. ১৫শ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
১৩শ সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩শ সংশোধনী
ব্যাখ্যা
ত্রয়োদশ সংশোধনী:
- সংবিধান আইন, ১৯৯৬ (ত্রয়োদশ সংশোধনী) পাস হয় ১৯৯৬ সালের ২৬ মার্চ।
- এর দ্বারা একটি নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার বিধান করা হয়, যা একটি অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসন হিসেবে কাজ করবে। 
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে জাতীয় সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনকে সর্বতোভাবে সাহায্য-সহযোগিতা করবে।
- একজন প্রধান উপদেষ্টা ও অনূর্ধ্ব ১০ জন উপদেষ্টার সমন্বয়ে গঠিতব্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার সমষ্টিগতভাবে রাষ্ট্রপতির নিকট দায়বদ্ধ থাকবে।
- নতুন সংসদ গঠনের পর নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব গ্রহণের তারিখে বিলুপ্ত হবে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
বাংলাদেশের সংবিধান।
২৮১.
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ছিটমহল বিনিময় ও সীমান্ত রেখা নির্ধারণের চুক্তি কার্যকর করার লক্ষ্যে সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে পরিবর্তন আনা হয়?
  1. অনুচ্ছেদ - ২
  2. অনুচ্ছেদ -৩
  3. অনুচ্ছেদ - ৪
  4. অনুচ্ছেদ - ৫
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ - ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ - ২
ব্যাখ্যা
তৃতীয় সংশোধনী: 
- তৃতীয় সংশোধনী আইন সংবিধান (তৃতীয় সংশোধনী) আইন, ১৯৭৪ বলবৎ হয় ১৯৭৪ সালের ২৮ নভেম্বর। এর দ্বারা বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে কতিপয় ছিটমহল বিনিময় ও সীমান্ত রেখা নির্ধারণের ব্যাপারে একটি চুক্তি কার্যকর করার লক্ষ্যে সংবিধানের ২ অনুচ্ছেদে পরিবর্তন আনা হয়।

অনুচ্ছেদ - ২: প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানার অন্তর্ভুক্ত হবে

(ক) ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের মার্চ মাসের ২৬ তারিখে স্বাধীনতা-ঘোষণার অব্যবহিত পূর্বে যে সকল এলাকা নিয়ে পূর্ব পাকিস্তান গঠিত ছিল [এবং সংবিধান (তৃতীয় সংশোধন) আইন, ১৯৭৪-এ অন্তর্ভুক্ত এলাকা বলে উল্লিখিত এলাকা, কিন্তু উক্ত আইনে বহির্ভূত এলাকা বলে উল্লিখিত এলাকা তদ্‌বহির্ভূত; এবং]
(খ) যে সকল এলাকা পরবর্তীকালে বাংলাদেশের সীমানাভুক্ত হতে পারে। 

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান। 
২৮২.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়নের বিধান রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৬
  2. অনুচ্ছেদ ১৮
  3. অনুচ্ছেদ ১৮ক
  4. অনুচ্ছেদ ১৯
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৮ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৮ক
ব্যাখ্যা
পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন:
-বাংলাদেশ সংবিধানের ১৮ক অনুচ্ছেদের বিধান: পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন:
- রাষ্ট্র বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নাগরিকদের জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন করিবেন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ, জীব-বৈচিত্র্য, জলাভূমি, বন ও বন্যপ্রাণির সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা বিধান করিবেন।\

- বাংলাদেশের সংবিধানের ১৮ক অনুচ্ছেদে পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং উন্নয়ন নিয়ে যে বিধান রয়েছে, তা আসলে রাষ্ট্রের দায়িত্ব এবং ভবিষ্যৎ নাগরিকদের স্বার্থে প্রাকৃতিক সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করে।
- মূল উদ্দেশ্য হলো ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য পরিবেশের ভারসাম্য এবং জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ করা, যাতে তারা সুস্থ ও নিরাপদ পরিবেশে বাস করতে পারে।

এছাড়াও,
অনুচ্ছেদ-১৬ এর বিধান → গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব।
অনুচ্ছেদ-১৮ এর বিধান → জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা। 
অনুচ্ছেদ-১৯ এর বিধান→ সুযোগের সমতা।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের সংবিধান।
২৮৩.
‘মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা’ সম্পর্কে বলা আছে সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে?
  1. ১৭নং
  2. ২৭নং
  3. ১৫নং
  4. ২০নং
সঠিক উত্তর:
১৫নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫নং
ব্যাখ্যা

• ১৫ নং অনুচ্ছেদ ‘মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা’ সম্পর্কিত।

অন্যদিকে,
• ১৭নং অনুচ্ছেদ ‘অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা’ সম্পর্কিত।
• ২৭নং অনুচ্ছেদ ‘আইনের দৃষ্টিতে সমতা’ সম্পর্কিত।
• ২০নং অনুচ্ছেদ ’অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর্ম’ সংবলিত।

২৮৪.
বাংলাদেশ সংবিধানের রাষ্ট্রপরিচালনার মূলনীতিগুলো সম্পর্কে কোনটি সঠিক নয়?
  1. আইন প্রণয়নকালে প্রয়োগ হবে
  2. দেশ পরিচালনার ক্ষেত্রে মৌলিক সূত্র বলে গণ্য হবে
  3. রাষ্ট্র ও নাগরিকদের কার্যের ভিত্তি হবে
  4. আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য হবে
সঠিক উত্তর:
আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য হবে
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপরিচালনার মূলনীতি:
সংবিধানের ৮ অনুচ্ছেদের বিধান মূলনীতিসমূহ:
(১) জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা- এই নীতিসমূহ এবং তৎসহ এই নীতিসমূহ হইতে উদ্ভূত এই ভাগে বর্ণিত অন্য সকল নীতি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বলিয়া পরিগণিত হইবে।
(২) এই ভাগে বর্ণিত নীতিসমূহ বাংলাদেশ-পরিচালনার মূলসূত্র হইবে, আইন-প্রণয়নকালে রাষ্ট্র তাহা প্রয়োগ করিবেন, এই সংবিধান ও বাংলাদেশের অন্যান্য আইনের ব্যাখ্যাদানের ক্ষেত্রে তাহা নির্দেশক হইবে এবং তাহা রাষ্ট্র ও নাগরিকদের কার্যের ভিত্তি হইবে, তবে এই সকল নীতি আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য হইবে না৷

অর্থাৎ উল্লিখিত প্রশ্নে রাষ্ট্রপরিচালনার মূলনীতিগুলো 'আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য হবে' কথাটি সঠিক নয়।

উল্লেখ্য,
সংবিধানের ৮(২) অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপরিচালনার মূলনীতিগুলো কোন কোন ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হবে তা বলা হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে;
ক. দেশ পরিচালনার ক্ষেত্রে মৌলিক সূত্র বলে গণ্য হবে;
খ. আইন প্রণয়নকালে প্রয়োগ হবে;
গ. সংবিধান ও অন্যান্য আইনের ক্ষেত্রে এই নীতিগুলো দিশারী, নির্দেশক তথা মানদন্ড হিসেবে ব্যবহৃত হবে; এবং
ঘ. রাষ্ট্র ও নাগরিকদের কার্যের ভিত্তি হবে সব নীতি।

তথ্যসূত্র -i) বাংলাদেশের সংবিধান।
              ii) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৮৫.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে কতটি অনুচ্ছেদ রয়েছে?
  1. ১৫৬টি 
  2. ১৫৩টি
  3. ১৫২টি
  4. ১৫১টি
সঠিক উত্তর:
১৫৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৩টি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সংবিধান:
- সংবিধানের ১১টি ভাগ রয়েছে। যথা:
- সংবিধানের ১৫৩টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।
- সংবিধানের ৭টি তফসিল রয়েছে।
- সংবিধান ১৭ বার সংশোধনী হয়েছে।
- সংবিধানের প্রথম ভাগে: প্রজাতন্ত্র;
- দ্বিতীয় ভাগে: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ,
- তৃতীয় ভাগে: মৌলিক অধিকারসমূহ,
- চতুর্থ ভাগে: নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগে: আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগে: বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগে: নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগে: মহাহিসাব নিরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগে: কর্ম কমিশন,
- দশম ভাগে: সংবিধান সংশোধন ও
- একাদশ ভাগে: বিবিধ বিষয়াবলি আলোচনা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

২৮৬.
সংবিধানের ২১নং অনুচ্ছেদে অনুযায়ী প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য কী?
  1. শৃঙ্খলা রক্ষা করা
  2. ভোটাধিকার প্রয়োগ করা
  3. দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা
  4. দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখা
সঠিক উত্তর:
শৃঙ্খলা রক্ষা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শৃঙ্খলা রক্ষা করা
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদের বিধান: নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য
(১) সংবিধান ও আইন মান্য করা শৃঙ্খলা রক্ষা করা, নাগরিকদায়িত্ব পালন করা এবং জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য৷
(২) সকল সময়ে জনগণের সেবা করিবার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য৷

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
২৮৭.
সংবিধান রচনাকালীন এর ভাষাগত ত্রুটি দূর করার জন্য গঠিত কমিটির অন্তর্ভুক্ত ছিলেন কে?
  1. ড. মুহম্মদ আবদুল হাই
  2. ড. মযহারুল ইসলাম
  3. এম মনসুর আলী
  4. শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন
সঠিক উত্তর:
ড. মযহারুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মযহারুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
- ড. মযহারুল ইসলাম সংবিধান রচনাকালীন এর ভাষাগত ত্রুটি দূর করার জন্য গঠিত কমিটির অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। 

খসড়া সংবিধান প্রস্তুতকরণ:
- বিভিন্ন সুপারিশ ও ব্যাপক আলোচনার পর ১৯৭২ সালের ১০ জুন খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের একটি প্রাথমিক খসড়া অনুমোদন করেন।
- পৃথিবীর অন্যান্য দেশের সংবিধান সম্পর্কে অভিজ্ঞতা লাভের উদ্দেশ্যে কমিটির সভাপতি (আহবায়ক) ড. কামাল হোসেন ভারত ও ইংল্যান্ড সফর করেন।
- সংবিধানের আইনি ভাষা ও কারিগরি বিভিন্ন দিক পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য ব্রিটিশ আইনি খসড়া প্রণয়ন বিশেষজ্ঞ জন গাথরিকের পরামর্শ গ্রহণ করা হয়।

উল্লেখ্য, 
- সংবিধানের ভাষাগত সংস্থান ও ব্যাকরণগত ভুলত্রুটি পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য ৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।
কমিটির সদস্যরা হলেন
→ আহবায়ক - অধ্যাপক আনিসুজ্জামান (তৎকালীন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রধান)
→ সদস্য - ড. মযহারুল ইসলাম (বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক)
→ সদস্য - সৈয়দ আলী আহসান (তৎকালীন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য)

সূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।
২৮৮.
'জোরজবরদস্তিমূলক শ্রম নিষিদ্ধ' কোন অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে?
  1. ২৭ নং অনুচ্ছেদে
  2. ৩৯ নং অনুচ্ছেদে
  3. ৩৬ নং অনুচ্ছেদে
  4. ৩৪ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
৩৪ নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
জোরজবরদস্তিমূলক শ্রম নিষিদ্ধ - ৩৪ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী

• সংবিধান:
- আইনের দৃষ্টিতে সকল নাগরিক সমান বলা আছে - ২৭ নং অনুচ্ছেদে।
- সংবিধানের যে অনুচ্ছেদে সকল নাগরিকের আইনের আশ্রয় লাভের অধিকারের উল্লেখ আছে - ৩১ নং অনুচ্ছেদে।
- সংবিধানের যে অনুচ্ছেদে “চলাফেরার স্বাধীনতা” উল্লেখ রয়েছে - ৩৬ নং অনুচ্ছেদে।
- চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে -৩৯ নং অনুচ্ছেদে।

উৎস:- বাংলাদেশের সংবিধান।
২৮৯.
রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা পাল্টিয়ে সংসদীয় সরকার পদ্ধতি পুনরায় প্রবর্তন করা হয় কোন সংশোধনীর মাধ্যমে?
  1. ১০ তম
  2. ১১ তম
  3. ১২ তম
  4. ১৩ তম
  5. ১৪ তম
সঠিক উত্তর:
১২ তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ তম
ব্যাখ্যা

দ্বাদশ সংশোধনী:
- রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা পাল্টিয়ে সংসদীয় সরকার পদ্ধতি পুনরায় প্রবর্তন করা হয় দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে।
- ১৯৯১ সালের ৬ই অগাষ্ট সংসদে সংশোধনীটি পাস হয়।

দ্বাদশ সংশোধনীর বিষয়বস্তু:
১. রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রধান হন।
২. প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী বা সরকার প্রধান হন।
৩. প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিপরিষদ জাতীয় সংসদের কাছে দায়বদ্ধ হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান ও বাংলাপিডিয়া।

২৯০.
"বাংলাদেশ একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র" বলে উল্লেখ আছে সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে?
  1. অনুচ্ছেদ ১
  2. অনুচ্ছেদ ২
  3. অনুচ্ছেদ ৬
  4. অনুচ্ছেদ ৮
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সংবিধানের কিছু গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদ:

- অনুচ্ছেদ ১: বাংলাদেশ একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র, যা 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ' নামে পরিচিতি।
- অনুচ্ছেদ ২: প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা।
- অনুচ্ছেদ ৩: প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা।
- অনুচ্ছেদ ৫: প্রজাতন্ত্রের রাজধানী ঢাকা৷
- অনুচ্ছেদ ৬: নাগরিকত্ব।
- অনুচ্ছেদ ৮: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি

উৎস: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
২৯১.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১০ম সংশোধনী
  2. ১১তম সংশোধনী
  3. ১২তম সংশোধনী
  4. ১৩তম সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
১২তম সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২তম সংশোধনী
ব্যাখ্যা

◉ ১২তম সংশোধনী (১৯৯১) এর মাধ্যমে বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি শাসনব্যবস্থা থেকে সংসদীয় শাসনব্যবস্থায় ফিরে আসে। এই সংশোধনীর ফলেই দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র কার্যকরভাবে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।

সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী:
- দ্বাদশ সংশোধনী আইন বাংলাদেশের সাংবিধানিক বিকাশের ইতিহাসে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে খ্যাত এই সংশোধনী আইন পাস হয় ১৯৯১ সালের ৬ আগস্ট।
- এর দ্বারা সংবিধানের ৪৮, ৫৫, ৫৬, ৫৮, ৫৯, ৬০, ৭০, ৭২. ১০৯, ১১৯, ১২৪, ১৪১ক এবং ১৪২ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়।
 
এই সংশোধনীর মাধ্যমে -
- বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার পদ্ধতির পুনঃপ্রবর্তন ঘটে;
- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রধান হন;
- প্রধানমন্ত্রী হন রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী;
- প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিপরিষদ জাতীয় সংসদের কাছে দায়বদ্ধ হয়;
- উপ-রাষ্ট্রপতির পদ বিলোপ করা হয়,
- জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিধান করা হয়।
 
তাছাড়া,
- সংবিধানের ৫৯ অনুচ্ছেদের মাধ্যমে এই আইনে স্থানীয় সরকার কাঠামোতে জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়, যা দেশে গণতন্ত্রের ভিত্তি সুদৃঢ় করে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

২৯২.
'সংবিধান সংস্কার কমিশন ' সংসদের নিম্নকক্ষে কতজন সংরক্ষিত মহিলা আসন রাখার কথা সুপারিশ করেছে?
  1. ৫০টি
  2. ৬০টি
  3. ৭৫টি
  4. ১০০টি
সঠিক উত্তর:
১০০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০টি
ব্যাখ্যা

• 'সংবিধান সংস্কার কমিশন ' এর সুপারিশ:

নিম্নকক্ষ:
১। নিম্নকক্ষ গঠিত হবে সংখ্যগরিষ্ঠ ভোটে সরাসরি নির্বাচিত সদস্যদের সমন্বয়ে। ৪০০ (চারশো) আসন নিয়ে নিম্নকক্ষ গঠিত হবে। ৩০০ (তিনশো) জন সদস্য একক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হবেন। আরো ১০০ জন নারী সদস্য সারা দেশের সকল জেলা থেকে এই মর্মে নির্ধারিত ১০০ (একশটি) নির্বাচনী এলাকা থেকে কেবল নারী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাধ্যমে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হবেন।
২। রাজনৈতিক দলগুলো নিম্নকক্ষের মোট আসনের ন্যূনতম ১০% আসনে তরুণ-তরুণীদের মধ্য থেকে প্রার্থী মনোনীত করবে।
৩। সংসদীয নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ন্যূনতম বয়স কমিয়ে ২১ বছর করা হবে।
৪। ২ (দুই) জন ডেপুটি স্পিকার থাকবেন, যাদের মধ্যে একজন বিরোধী দল থেকে মনোনীত হবেন।
৫। একজন সংসদ সদস্য একই সাথে নিম্নলিখিত যেকোনো একটির বেশি পদে অধিষ্ঠিত হবেননা: (ক) প্রধানমন্ত্রী, (খ) সংসদনেতা, এবং (গ) রাজনৈতিক দলের প্রধান।
৬। অর্থবিল ব্যতীত নিম্নকক্ষের সদস্যরা তাদের মনোনয়নকারী দলের বিপক্ষে ভোট দেওযার পূর্ণ ক্ষমতা থাকবে।
৭। আইনসভার স্থায়ী কমিটিগুলোর সভাপতি সবসময় বিরোধীদলীয় সদস্যদের মধ্য থেকে মনোনীত হবেন।

উৎস: সংবিধান সংস্কার কমিশন।

২৯৩.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী 'অর্থ বিল' (Money Bill)-এর সংজ্ঞায় কোন ধরনের বিল অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. সরকারের হিসাব ও নিরীক্ষা
  2. জরিমানা বা লাইসেন্স ফি
  3. সরকার কর্তৃক ঋণগ্রহণ
  4. প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাব বাবদ অর্থপ্রাপ্তি
সঠিক উত্তর:
জরিমানা বা লাইসেন্স ফি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জরিমানা বা লাইসেন্স ফি
ব্যাখ্যা

অর্থবিল:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৮১ নং অনুচ্ছেদে 'অর্থবিল' নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
- সরকার যদি দেশের উন্নয়নের জন্য কোন ঋণ গ্রহণ করেন এবং এই সম্পর্কিত কোন বিল সংসদে উত্থাপন করেন তাহলে সেই বিলকে অর্থবিল বলে। 
- প্রতি বছর পরবর্তী বছরের জন্য সরকারের আর্থিক প্রস্তাবাবলি কার্যকর করার উদ্দেশ্যে অর্থবিল সংসদে উত্থাপন করা হয়। সংসদে উত্থাপনের পর যথানিয়মে বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে বিলটি পাস করতে হয়। অর্থবিল রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য উপস্থাপিত হলে পনের দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতি প্রদান করেন। রাষ্ট্রপতি সম্মতি প্রদানে অসমর্থ হলে উক্ত মেয়াদের শেষে বিলটি আইনে পরিণত হয়।

⇒ ৮১ (১) এই ভাগে "অর্থবিল" বলতে শুধুমাত্র নিম্নলিখিত বিষয়সমূহের সকল বা যে কোন একটি সম্পর্কিত বিধানাবলী-সংবলিত বিল বুঝবে:
- (ক) কোন কর আরোপ, নিয়ন্ত্রণ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণ;
- (খ) সরকার কর্তৃক ঋণগ্রহণ বা কোন গ্যারান্টি দান, কিংবা সরকারের আর্থিক দায়-দায়িত্ব সম্পর্কিত আইন সংশোধন;
- (গ) সংযুক্ত তহবিলের রক্ষণাবেক্ষণ, অনুরূপ তহবিলে অর্থপ্রদান বা অনুরূপ তহবিল হতে অর্থ দান বা নির্দিষ্টকরণ;
- (ঘ) সংযুক্ত তহবিলের উপর দায় আরোপ কিংবা অনুরূপ কোন দায় রদবদল বা বিলোপ;
- (ঙ) সংযুক্ত তহবিল বা প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাব বাবদ অর্থপ্রাপ্তি, কিংবা অনুরূপ অর্থ রক্ষণাবেক্ষণ বা দান, কিংবা সরকারের হিসাব-নিরীক্ষা;
- (চ) উপরি-উক্ত উপ-দফাসমূহে নির্ধারিত যে কোন বিষয়ের অধীন কোন আনুষঙ্গিক বিষয়।

⇒ ৮১ (২) কোন জরিমানা বা অন্য অর্থদণ্ড আরোপ বা রদবদল, কিংবা লাইসেন্স-ফি বা কোন কার্যের জন্য ফি বা উসুল আরোপ বা প্রদান কিংবা স্থানীয় উদ্দেশ্যসাধনকল্পে কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক কোন কর আরোপ, নিয়ন্ত্রণ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণের বিধান করা হয়েছে, কেবল এই কারণে কোন বিল অর্থবিল বলে গণ্য হবে না।

⇒ ৮১ (৩) রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য তাঁর নিকট পেশ করিবার সময়ে প্রত্যেক অর্থবিলে স্পীকারের স্বাক্ষরে এই মর্মে একটি সার্টিফিকেটে থাকিবে যে, তা একটি অর্থবিল, এবং অনুরূপ সার্টিফিকেট সকল বিষয়ে চূড়ান্ত হবে এবং সেই সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) বাংলাপিডিয়া।

২৯৪.
বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসেবে ______ এবং নাগরিকগণ ______ হিসেবে পরিচিত হবেন।
  1. বাংলাদেশি, বাঙালি
  2. বাঙালি, বাংলাভাষী
  3. বাঙালি, বাংলাদেশি
  4. বাংলাভাষী, বাংলাদেশি
সঠিক উত্তর:
বাঙালি, বাংলাদেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাঙালি, বাংলাদেশি
ব্যাখ্যা
নাগরিকত্ব:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৬(২) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে 'বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসেবে বাঙালি এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলে পরিচিত হবেন।'
-বাংলাদেশের সংবিধানের ৬ অনুচ্ছেদের বিধান: নাগরিকত্ব:
(১) বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইনের দ্বারা নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হইবে। 
(২) বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালী এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলিয়া পরিচিত হইবেন।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের সংবিধান।
২৯৫.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট অনুচ্ছেদ আছে -
  1. ১৫২টি
  2. ১৫৩টি
  3. ১৫৭টি
  4. ১৫৯টি
সঠিক উত্তর:
১৫৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৩টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয় ৷
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর।

⇒ সংবিধানে মোট ১৫৩টি অনুচ্ছেদ আছে।

এছাড়াও,
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- সংবিধানের ভাগ আছে ১১টি।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৯৬.
নিচের কোনটি সাংবিধানিক পদ নয়?
  1. ক) নির্বাচন কমিশনার
  2. খ) সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্য
  3. গ) দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান
  4. ঘ) মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
সঠিক উত্তর:
গ) দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সাংবিধানিক পদ
- রাষ্ট্রপতি,
- প্রধানমন্ত্রী,
- স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার,
- মন্ত্রিসভার সদস্যগণ,
- সংসদ সদস্য,
- নির্বাচন কমিশনার,
- সরকারি কর্মকমিশনের সদস্য,
- মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক ইত্যাদি।

অপরদিকে, সাংবিধানিক পদ নয়
- জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান,
- দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান ইত্যাদি ।

উৎস:- বাংলাদেশের সংবিধান।
২৯৭.
সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান ছিলেন- 
  1. অধ্যাপক জয়নুল আবেদীন
  2. অধ্যাপক রুহুল আমিন
  3. অধ্যাপক কামরুল হাসান
  4. অধ্যাপক আলী রিয়াজ
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক আলী রিয়াজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক আলী রিয়াজ
ব্যাখ্যা

• সংবিধান সংস্কার কমিশন:
- সংবিধান সংস্কার কমিশন গঠিত হয়- ৬ অক্টোবর, ২০২৪।
- সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান ছিলেন অধ্যাপক আলী রিয়াজ। 
- কমিশনে মোট ৯ জন সদস্য ছিলেন।
- কমিশনের উল্লেখযোগ্য সুপারিশের মধ্যে রয়েছে:
• দেশের সাংবিধানিক নাম হবে জনগণতন্ত্রী বাংলাদেশ (People's Republic of Bangladesh),
• নাগরিকত্ব বাংলাদেশি হিসেবে ধার্য করা হবে।
• সংবিধানের মূলনীতি হবে চারটি – সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার, বহুত্ববাদ ও গণতন্ত্র।
• এছাড়া, সংসদ হবে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট;
• যেখানে নিম্নকক্ষে ৪০০টি আসন এবং উচ্চকক্ষে ১০৫টি আসন থাকবে। 
• এবং সরকারের, সংসদের এবং রাষ্ট্রপতির মেয়াদ ধার্য করা হবে ৪ বছর।
• সংসদীয় প্রার্থী হওয়ার ন্যূনতম বয়স হবে ২১ বছর। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

২৯৮.
বাংলাদেশ সংবিধানে ’মালিকানার নীতি’ কত নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ৮ নং
  2. ১২ নং
  3. ১৩ নং
  4. ১৪ নং
সঠিক উত্তর:
১৩ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩ নং
ব্যাখ্যা
• মালিকানার নীতি সংবিধানের ১৩ নং অনুচ্ছেদে রয়েছে।

অন্যদিকে, 
৮৷ মূলনীতিসমূহ;
৯। জাতীয়তাবাদ;;
১০। সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি;
১১৷ গণতন্ত্র ও মানবাধিকার;
১২। ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা;
১৩৷ মালিকানার নীতি;
১৪৷ কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি;
১৫৷ মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা;
১৬৷ গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব;
১৭৷ অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা;
১৮৷ জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা;
১৮ক। পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন। 

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান। 
২৯৯.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে মালিকানার নীতি লিপিবদ্ধ হয়েছে?
  1. ক) ১২ নং অনুচ্ছেদে
  2. খ) ১৩ নং অনুচ্ছেদে
  3. গ) ১৪ নং অনুচ্ছেদে
  4. ঘ) ১৫ নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৩ নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৩ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১৩নং অনুচ্ছেদে মালিকানার নীতি লিপিবদ্ধ হয়েছে।

সংবিধানের অনুচ্ছেদ-১৩:
মালিকানার নীতি -- “উৎপাদনযন্ত্র, উৎপাদনব্যবস্থা ও বন্টনপ্রণালীসমূহের মালিক বা নিয়ন্ত্রক হইবেন জনগণ এবং এই উদ্দেশ্যে মালিকানা-ব্যবস্থা নিম্নরূপ হইবে:
(ক) রাষ্ট্রীয় মালিকানা, অর্থাৎ অর্থনৈতিক জীবনের প্রধান প্রধান ক্ষেত্র লইয়া সুষ্ঠু ও গতিশীল রাষ্ট্রায়ত্ত সরকারী খাত সৃষ্টির মাধ্যমে জনগণের পক্ষে রাষ্ট্রের মালিকানা;
(খ) সমবায়ী মালিকানা, অর্থাৎ আইনের দ্বারা নির্ধারিত সীমার মধ্যে সমবায়সমূহের সদস্যদের পক্ষে সমবায়সমূহের মালিকানা; এবং
(গ) ব্যক্তিগত মালিকানা, অর্থাৎ আইনের দ্বারা নির্ধারিত সীমার মধ্যে ব্যক্তির মালিকানা৷”

এছাড়া, 
১২ নং অনুচ্ছেদে ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা,
১৪ নং অনুচ্ছেদে কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি, এবং
১৫ নং অনুচ্ছেদে মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে। 

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান
৩০০.
সংবিধানের ৭৭নং অনুচ্ছেদে কোন বিষয়টির উল্লেখ রয়েছে?
  1. ন্যায়পাল
  2. সংসদের অধিবেশন
  3. সংসদ-সচিবালয়
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ন্যায়পাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যায়পাল
ব্যাখ্যা
•অনুচ্ছেদসমূহ:
- অনুচ্ছেদ ৭০ - রাজনৈতিক দল হইতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়া।
- অনুচ্ছেদ ৭১ - দ্বৈত-সদস্যতায় বাধা।
- অনুচ্ছেদ ৭২ - সংসদের অধিবেশন।
- অনুচ্ছেদ ৭৩ - সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও বাণী।
- অনুচ্ছেদ ৭৩ক - সংসদ সম্পর্কে মন্ত্রীগণের অধিকার।
- অনুচ্ছেদ ৭৪ - স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার।
- অনুচ্ছেদ ৭৫ - কার্যপ্রণালী-বিধি, কোরাম প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ৭৬ - সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহ।
- অনুচ্ছেদ ৭৭ - ন্যায়পাল।
- অনুচ্ছেদ ৭৮ - সংসদ ও সদস্যদের বিশেষ অধিকার ও দায়মুক্তি।
- অনুচ্ছেদ ৭৯ - সংসদ-সচিবালয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।