বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের সংবিধান

মোট প্রশ্ন২,৩৩১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের সংবিধান

PrepBank · পাতা ১২ / ২৪ · ১,১০১১,২০০ / ২,৩৩১

১,১০১.
সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশকে বৈধতা দেওয়া হয়েছিলো?
  1. চতুর্থ সংশোধনী
  2. পঞ্চম সংশোধনী
  3. সপ্তম সংশোধনী
  4. অষ্টম সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম সংশোধনী
ব্যাখ্যা
- ১৯৭৫ সালের ২০ আগস্ট খন্দকার মোশতাক আহমেদ ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করেন যা ২৬ সেপ্টেম্বর ১৯৭৫ গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়।
- ১৯৭৯ সালের ৫ এপ্রিল সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশকে সাংবিধানিক বৈধতা দেওয়া হয়।
- ১৯৯৬ সালের ১২ নভেম্বর তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার জাতীয় সংসদে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিল করে। যার ফলশ্রুতিতে বঙ্গবন্ধু'র খুনীদের বিচারের মুখোমুখি করা সম্ভব হয়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ গেজেট)
১,১০২.
সংবিধানের কত সংশোধনী দ্বারা রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি টানানোর ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করা হয়? 
  1. ত্রয়োদশ সংশোধনী 
  2. চতুর্দশ সংশোধনী 
  3. পঞ্চদশ সংশোধনী 
  4. সপ্তদশ সংশোধনী 
সঠিক উত্তর:
চতুর্দশ সংশোধনী 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্দশ সংশোধনী 
ব্যাখ্যা

• চতুর্দশ সংশোধনী:
- চতুর্দশ সংশোধনী আইন সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনী আইন ২০০৪ সালের ১৬ মে সংসদে পাস হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন ৩০ থেকে ৪৫ এ উন্নীত করা হয়, যা পরবর্তী দশ বছর পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
- এছাড়াও এই সংশোধনীর মাধ্যমে সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতিদের অবসরগ্রহণের বয়স ৬৫ থেকে ৬৭-তে বর্ধিত করা হয়।
- এর পাশাপাশি এই সংশোধনীতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি তাদের স্ব স্ব কার্যলয়সহ সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাসসমূহে টানানোর ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করা হয়।

অন্যদিকে,
- ত্রয়োদশ সংশোধনী এর দ্বারা একটি নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার বিধান করা হয়।
- পঞ্চদশ সংশোধনী এই সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের ধর্মনিরপেক্ষতা এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনা হয়।
- সপ্তদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংরক্ষিত নারী সাংসদদের ৫০টি আসনের মেয়াদ পরবর্তী ২৫ বছর পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১,১০৩.
কর্ম কমিশনের সদস্য পদ পেতে হলে নূন্যতম কত বছর প্রজাতন্ত্রের সহকারী পদে নিযুক্ত থাকতে হয় ?
  1. ক) ২০ বছর
  2. খ) ১৮ বছর
  3. গ) ২৫ বছর
  4. ঘ) ১৫ বছর
সঠিক উত্তর:
ক) ২০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২০ বছর
ব্যাখ্যা

সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্য নিয়োগ সংক্রান্ত অনুপ ১৩৮(১) অনুযায়ী প্রত্যেক সরকারি কর্ম কমিশনের সভাপতি ও অন্যান্য সদস্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন: তবে শর্ত থাকে যে, প্রত্যেক কমিশনের যতদূর সম্ভব অর্ধেক সংখ্যক সদস্য এমন ব্যক্তিগণ হইবেন যাহারা কুড়ি বছর বা ততোধিক কাল বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে যেকোনো সময়ে কার্যত কোনো সরকারের কর্মে কোন পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।

১৩৯(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী উক্ত পদের মেয়াদ কাল পাঁচ বছর বা ৬৫ বছর পূর্ণ হওয়া- ইহার মধ্যে যাহা অগ্রগতি সেই কাল পর্যন্ত স্বপদে বহাল থাকিবেন ।


উৎস: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান

১,১০৪.
বাংলাদেশ সংবিধানের পঞ্চম অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয় কোনটি?
  1. নির্বাহী বিভাগ
  2. বিচার বিভাগ
  3. আইনসভা
  4. নির্বাচন
সঠিক উত্তর:
আইনসভা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনসভা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধানের ১১টি অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়সমূহ:
• প্রথম অধ্যায় - প্রজাতন্ত্র।
• দ্বিতীয় অধ্যায় - রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।
• তৃতীয় অধ্যায় - মৌলিক অধিকার।
• চতুর্থ অধ্যায় - নির্বাহী বিভাগ।
• পঞ্চম অধ্যায় - আইনসভা।
• ষষ্ঠ অধ্যায় - বিচার বিভাগ।
• সপ্তম অধ্যায় - নির্বাচন।
• অষ্টম অধ্যায় - মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
• নবম অধ্যায় - বাংলাদেশের কর্মবিভাগ।
• দশম অধ্যায় - সংবিধানের সংশোধন।
• একাদশ অধ্যায় - বিবিধ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
১,১০৫.
সংবিধানের কোন সংশোধনী দ্বারা Dacca পরিবর্তন করে Dhaka করা হয়?
  1. ৭ম
  2. ৮ম
  3. ৯ম
  4. ১০ম
সঠিক উত্তর:
৮ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ম
ব্যাখ্যা

৮ম সংশোধনী:
- ১৯৮৮ সালে এই সংশোধনী পাশ হয়।
- ১৯৮৯ আপীল বিভাগ হাইকোর্টের বেঞ্চ স্থাপন সংক্রান্ত ধারাটি অসাংবিধানিক উল্লেখ করে তা অবৈধ বলে রায় প্রদান করে।
- অষ্টম সংবিধান সংশোধন আইন দ্বারা সংবিধানের ২ক, ৩, ৫, ৩০ ও ১০০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়।
এই সংশোধনী আইনবলে-
১. ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষিত হয়। 
২. ঢাকার বাইরে হাইকোর্ট বিভাগের ছয়টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপনের মধ্য দিয়ে বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়।
৩. সংবিধানের ৫ অনুচ্ছেদে Bengali শব্দটি পরিবর্তন করে Bangla করা হয় এবং Dacca পরিবর্তন করে Dhaka করা হয়। 
৪. সংবিধানের ৩০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমতি ছাড়া এদেশের কোনো নাগরিক কর্তৃক কোনো বিদেশী রাষ্ট্রের প্রদত্ত কোনো খেতাব, সম্মাননা, পুরস্কার গ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

১,১০৬.
বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ কোনটি?
  1. ৮৩নং
  2. ৮৫নং
  3. ৮৭নং
  4. ৮২নং
সঠিক উত্তর:
৮৭নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৭নং
ব্যাখ্যা

• বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ- ৮৭নং।
৮৭(১) প্রত্যেক অর্থ-বৎসর সম্পর্কে উক্ত বৎসরের জন্য সরকারের অনুমিত আয় ও ব্যয়-সংবলিত একটি বিবৃতি (এই ভাগে "বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি" নামে অভিহিত) সংসদে উপস্থাপিত হইবে।

৮৭(২) বার্ষিক আর্থিক বিবৃতিতে পৃথক পৃথকভাবে

(ক) এই সংবিধানের দ্বারা বা অধীন সংযুক্ত তহবিলের উপর দায়রূপে বর্ণিত ব্যয়নির্বাহের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ, এবং
(খ) সংযুক্ত তহবিল হইতে ব্যয় করা হইবে, এইরূপ প্রস্তাবিত অন্যান্য ব্যয়নির্বাহের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ প্রদর্শিত হইবে এবং অন্যান্য ব্যয় হইতে রাজস্বখাতের ব্যয় পৃথক করিয়া প্রদর্শিত হইবে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১,১০৭.
The fundamental rights of the citizens as provided in the Bangladesh constitution does not include -
  1. ক) Freedom of speech
  2. খ) Freedom of association
  3. গ) Right to life and liberty
  4. ঘ) Right to happiness
সঠিক উত্তর:
ঘ) Right to happiness
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Right to happiness
ব্যাখ্যা
• মৌলিক অধিকার সম্পর্কিত বাংলাদেশের সংবিধানের কয়েকটি অনুচ্ছেদ: 
৩৬। চলাফেরার স্বাধীনতা
৩৭। সমাবেশের স্বাধীনতা
৩৮। সংগঠনের স্বাধীনতা
৩৯। চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা
৪০। পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা

সূত্র: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
১,১০৮.
সর্বশেষ সংবিধানের কততম সংশোধনী গৃহিত হয়? (ফেব্রুয়ারি, ২০২৫)
  1. ১৫ তম
  2. ১৬ তম
  3. ১৭ তম
  4. ১৮ তম
সঠিক উত্তর:
১৭ তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ তম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান সংশোধন:
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।
- ১৯৭২ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত মোট ১৭ বার বাংলাদেশের সংবিধান সংশোধিত হয়েছে। (ফেব্রুয়ারি, ২০২৫)
- ১৯৭৩ সালে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্যে প্রথম সংশোধনী গৃহীত হয়।
- সর্বশেষ ২০১৮ সালে সংবিধানের ১৭তম সংশোধনী গৃহিত হয়।
- সপ্তদশ সংশোধনীর বিষয়বস্তু ছিল সংবিধানে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্যদের মেয়াদ বৃদ্ধি।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১,১০৯.
হাইকোর্ট কর্তৃক Quo Warranto জারি করা হয় সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের আলোকে?  
  1. অনুচ্ছেদ ১০৫
  2. অনুচ্ছেদ ১০৮ 
  3. অনুচ্ছেদ ১০২  
  4. অনুচ্ছেদ ১০৬  
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১০২  
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১০২  
ব্যাখ্যা

- হাইকোর্ট কর্তৃক Quo Warranto জারি করা হয় সংবিধানের ১০২(২)(খ)(আ)- অনুচ্ছেদের আলোকে। 
- কোনো ব্যক্তি প্রজাতন্ত্রের কোনো দায়িত্বে অবৈধভাবে অধিষ্ঠিত থাকলে বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০২(২)(খ)(আ)-এর অধীনে হাইকোর্ট কর্তৃক Quo Warranto জারি করা হয়।   

• Quo Warranto বা কারণ দর্শাও রিট: 
- Quo Warranto একটি ল্যাটিন শব্দ, যার অর্থ "By what authority?" বা "কোন অধিকারে?"। 
- এটি একটি রিট যা সরকারি বা সর্বজনীন পদ অবৈধভাবে দখল বা দাবি করার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হয়। 
- সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০২(২)(খ)(আ)-এর অধীনে হাইকোর্ট বিভাগকে এই ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
- এর মাধ্যমে হাইকোর্ট বিভাগ সেই ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসা করে যে সে 'কোন আইনি অধিকার' বা warrant-এর ভিত্তিতে সেই পদ ধারণ করছে। 
- যদি অধিকার অবৈধ প্রমাণিত হয়, তাহলে আদালত তাকে পদ থেকে অপসারণ করতে পারে।
- সাধারণত নিয়োগ প্রক্রিয়া আইনবিরোধী হলে এটি করা হয়। 


• সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০২: সুপ্রীম কোর্ট কতিপয় আদেশ ও নির্দেশ প্রভৃতি দানের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতা।

১০২।(১) কোন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আবেদনক্রমে এই সংবিধানের তৃতীয় ভাগের দ্বারা অর্পিত অধিকারসমূহের যে কোন একটি বলবৎ করিবার জন্য প্রজাতন্ত্রের বিষয়াবলীর সহিত সম্পর্কিত কোন দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তিসহ যে কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে হাইকোর্ট বিভাগ উপযুক্ত নির্দেশাবলী বা আদেশাবলী দান করিতে পারিবেন।

 (২) হাইকোর্ট বিভাগের নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, আইনের দ্বারা অন্য কোন সমফলপ্রদ বিধান করা হয় নাই, তাহা হইলে
(ক) যে কোন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আবেদনক্রমে-
(অ) প্রজাতন্ত্র বা কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বিষয়াবলীর সহিত সংশ্লিষ্ট যে কোন দায়িত্ব পালনে রত ব্যক্তিকে আইনের দ্বারা অনুমোদিত নয়, এমন কোন কার্য করা হইতে বিরত রাখিবার জন্য কিংবা আইনের দ্বারা তাঁহার করণীয় কার্য করিবার জন্য নির্দেশ প্রদান করিয়া, অথবা

(আ) প্রজাতন্ত্র বা কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বিষয়াবলীর সহিত সংশ্লিষ্ট যে কোন দায়িত্ব পালনে রত ব্যক্তির কৃত কোন কার্য বা গৃহীত কোন কার্যধারা আইনসংগত কর্তৃত্ব ব্যতিরেকে করা হইয়াছে বা গৃহীত হইয়াছে ও তাঁহার কোন আইনগত কার্যকরতা নাই বলিয়া ঘোষণা করিয়া  উক্ত বিভাগ আদেশদান করিতে পারিবেন; অথবা

 (খ) যে কোন ব্যক্তির আবেদনক্রমে-

 (অ) আইনসংগত কর্তৃত্ব ব্যতিরেকে বা বেআইনী উপায়ে কোন ব্যক্তিকে প্রহরায় আটক রাখা হয় নাই বলিয়া যাহাতে উক্ত বিভাগের নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইতে পারে, সেইজন্য প্রহরায় আটক উক্ত ব্যক্তিকে উক্ত বিভাগের সম্মুখে আনয়নের নির্দেশ প্রদান করিয়া, অথবা

(আ) কোন সরকারি পদে আসীন বা আসীন বলিয়া বিবেচিত কোন ব্যক্তিকে তিনি কোন্ কর্তৃত্ববলে অনুরূপ পদমর্যাদায় অধিষ্ঠানের দাবী করিতেছেন, তাহা প্রদর্শনের নির্দেশ প্রদান করিয়া উক্ত বিভাগ আদেশদান করিতে পারিবেন।

অন্যদিকে, 
- অনুচ্ছেদ ১০৫: আপীল বিভাগ কর্তৃক রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা।
- অনুচ্ছেদ ১০৬: সুপ্রীম কোর্টের উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার।
- অনুচ্ছেদ ১০৮: কোর্ট অব রেকর্ড" রূপে সুপ্রীম কোর্ট।

তথ্যসূত্র:
i) বাংলাদেশের সংবিধান। 
ii) JURISDICTION OF WRITS AND IT'S EXECUTION IN BANGLADESH. (Link) 
iii) Bangladesh Legal Research Platform (Link) 

১,১১০.
হস্তলিখিত মূল সংবিধানে গণপরিষদের কতজন সদস্য স্বাক্ষর করেননি?
  1. ১ জন
  2. ৪ জন
  3. ৩ জন
  4. ২ জন
সঠিক উত্তর:
৪ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ জন
ব্যাখ্যা
হস্তলিখিত মূল সংবিধানে গণপরিষদের ৪ জন সদস্য স্বাক্ষর করেননি।

সংবিধানে প্রথম স্বাক্ষর বঙ্গবন্ধুর:

- বাংলাদেশের সংবিধান স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন।
- এটি একটি লিখিত দলিল।

উল্লেখ্য,
- সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সালের ১১ই এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে ৩৪ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।

উল্লেখ্য,
- গণপরিষদের সদস্য চিল মোট ৪০৩ জন।
- গণপরিষদের ৩৯৯ জন সদস্য হস্তলিখিত মূল সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।
- ১৪ ও ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭২ সংবিধানে গণপরিষদ সদস্যদের স্বাক্ষর দান উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
- ১৪ তারিখ স্পিকারের আমন্ত্রণে সংবিধানে সর্ব প্রথম স্বাক্ষর দেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান- প্রথমে সংবিধানের বাংলা এবং পরে ইংরেজি পাঠে।
- তারপর স্বাক্ষর করেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং তাজউদ্দিন আহমদ।
- ১৫ তারিখ অনুষ্ঠানের শেষ সময় পর্যন্ত ৪ জন মাননীয় সদস্য- শ্রীমানবেন্দ্র নারায়ন লারমা, শ্রী সুরঞ্জিৎ সেন গুপ্ত, মোহাম্মদ আজিজার রহমান এবং মোহাম্মদ ইব্রাহীম সংবিধানে স্বাক্ষর করেননি।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
        ii) বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১,১১১.
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা’ বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ-৩৬
  2. অনুচ্ছেদ-৩৯(২)
  3. অনুচ্ছেদ-৩৯(১)
  4. অনুচ্ছেদ-৪১
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-৩৯(২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-৩৯(২)
ব্যাখ্যা

• ’সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা’ বাংলাদেশ সংবিধানের ৩৯(২) অনুচ্ছেদে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

• বাংলাদেশ সংবিধান: 
- অনুচ্ছেদ:৩৯:  চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা।
- ৩৯। (১) চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তাদান করা হইল।

• ৩৯।(২) রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত-অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ-সাপেক্ষে
- (ক) প্রত্যেক নাগরিকের বাক্ ও ভাবপ্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের, এবং
- (খ) সংবাদক্ষেত্রের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দান করা হইল।

অন্যদিকে, 
- অনুচ্ছেদ: ৩৬: চলাফেরার স্বাধীনতা
- অনুচ্ছেদ: ৪১: ধর্মীয় স্বাধীনতা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১,১১২.
অষ্টম সংশোধনীর মাধ্যমে বিচার বিভাগের কোন পরিবর্তন আনা হয়?
  1. রাষ্ট্রপতির অধীনে হাইকোর্ট আনা
  2. আপিল বিভাগ বাতিল
  3. ঢাকার বাইরে হাইকোর্টের ছয়টি বেঞ্চ স্থাপন
  4. সুপ্রিম কোর্ট বাতিল
সঠিক উত্তর:
ঢাকার বাইরে হাইকোর্টের ছয়টি বেঞ্চ স্থাপন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকার বাইরে হাইকোর্টের ছয়টি বেঞ্চ স্থাপন
ব্যাখ্যা

৮ম সংশোধনী:
- ১৯৮৮ সালে এই সংশোধনী পাশ হয়।
- ১৯৮৯ আপীল বিভাগ হাইকোর্টের বেঞ্চ স্থাপন সংক্রান্ত ধারাটি অসাংবিধানিক উল্লেখ করে তা অবৈধ বলে রায় প্রদান করে।
- অষ্টম সংবিধান সংশোধন আইন দ্বারা সংবিধানের ২ক, ৩, ৫, ৩০ ও ১০০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়।
এই সংশোধনী আইনবলে-
১. ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষিত হয়।
২. ঢাকার বাইরে হাইকোর্ট বিভাগের ছয়টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপনের মধ্য দিয়ে বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়।
৩. সংবিধানের ৫ অনুচ্ছেদে Bengali শব্দটি পরিবর্তন করে Bangla করা হয় এবং Dacca পরিবর্তন করে Dhaka করা হয়।
৪. সংবিধানের ৩০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমতি ছাড়া এদেশের কোনো নাগরিক কর্তৃক কোনো বিদেশী রাষ্ট্রের প্রদত্ত কোনো খেতাব, সম্মাননা, পুরস্কার গ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

১,১১৩.
১৯৭২ সালের মূল সংবিধানে বিদ্যমান ছিলো?
  1. ক) জরুরি অবস্থা জারির বিধান
  2. খ) রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমতি ব্যতীত বিদেশি খেতাব গ্রহণ নিষিদ্ধ
  3. গ) স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র
  4. ঘ) সংসদের হাতে সুপ্রিমকোর্টের বিচারকদের অপসারণ ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
ঘ) সংসদের হাতে সুপ্রিমকোর্টের বিচারকদের অপসারণ ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সংসদের হাতে সুপ্রিমকোর্টের বিচারকদের অপসারণ ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
১৯৭২ সালের মূল সংবিধানে ৯৬ (২) দফানুযায়ী বিচারকদের অপসারণ ক্ষমতা জাতীয় সংসদের হাতে ন্যস্ত ছিলো। ১৯৭৯ সালে পঞ্চম সংশোধনী দ্বারা তা রহিত করে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের হাতে ন্যস্ত করা হয়। ২০১৪ সালে ষোড়শ সংশোধনী দ্বারা পুনরায় বাহাত্তর সালের বিধানটি প্রতিস্থাপিত করা হয়। কিন্তু সুপ্রিমকোর্ট তা অবৈধ ঘোষণা করে। জরুরি অবস্থার বিধান ১৯৭৩ সালে দ্বিতীয় সংশোধনী দ্বারা, রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমান ব্যতীত বিদেশি খেতাব গ্রহণ নিষিদ্ধ বিধান ১৯৮৮ সালে অষ্টম সংশোধনী দ্বারা এবং স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র ২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনী দ্বারা গৃহীত হয়। (সূত্রঃ বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান)
১,১১৪.
বাংলাদেশের সংবিধানে মোট কতটি তফসিল আছে?
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৭টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধান তফসিলঃ
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল আছে।

• প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
• দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বর্তমানে বিলুপ্ত।
• তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা।
• চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।
• পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ।
• ষষ্ঠ তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণা।
• সপ্তম তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১,১১৫.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে বাকশাল প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. চতুর্থ
  2. একাদশ
  3. দ্বাদশ
  4. পঞ্চম
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ
ব্যাখ্যা
• চতুর্থ সংশোধনী: 
-  এই সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় গণতন্ত্রের বদলে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা চালু হয়।
- দেশে একটি জাতীয় রাজনৈতিক দল সৃষ্টি করা হয়।
- যার নাম ছিল বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক লীগ (বাকশাল)।
- ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনী গৃহীত হয়।

অপরদিকে,
- পঞ্চম সংশোধনী: 
- এই সংশোধনীর লক্ষ্য ছিল সামরিক সরকারকে বৈধতা দান।
-  ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে ১৯৭৯ সালের ৬ এপ্রিল পর্যন্ত জারিকৃত সকল ফরমান,
- আদেশ ও সরকারের যাবতীয় কর্মকাণ্ডের বৈধতা দেয়া হয় ৫ম সংশোধনীর মাধ্যমে।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের প্রস্তাবনায় বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম সংযোজন করা হয়।
- সংবিধানের চারটি মূলনীতিতেও পরিবর্তন আনা হয়।
- বাঙালি জাতীয়বাদের বদলে 'বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ' ধর্মনিরপেক্ষতার বদলে 'সর্বশক্তিমান আলাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস' প্রতিস্থাপন করা হয়।
- এছাড়া সমাজতন্ত্রের বদলে 'অর্থনৈতিক ও সামাজিক ন্যায় বিচার অর্থে সমাজতন্ত্র' সংযোজন করা হয়।

উৎস: পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১১৬.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী ভোটার হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স কত?
  1. ১৬ বছর
  2. ২১ বছর
  3. ২৫ বছর
  4. ১৮ বছর
সঠিক উত্তর:
১৮ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ বছর
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সংবিধানের ১২২ নং অনুচ্ছেদ:
- (১) প্রাপ্তবয়স্কদের ভোটাধিকার ভিত্তিতে সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।
- (২) কোন ব্যক্তি সংসদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত কোন নির্বাচনী এলাকায় ভোটার তালিকাভুক্ত হইবার অধিকারী হইবেন, যদি
- (ক) তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হোন। 
- (খ) তাহার বয়স আঠারো (১৮) বৎসরের কম না হয়। 
- (গ) কোন যোগ্য আদালত কর্তৃক তাঁহার সম্পর্কে অপ্রকৃতিস্থ বলিয়া ঘোষণা বহাল না থাকিয়া থাকে;
- (ঘ) তিনি ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বা আইনের দ্বারা ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বিবেচিত হন; এবং
- (ঙ) তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইবুনাল) আদেশের অধীন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত না হয়ে থাকেন।

- জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স ২৫ বছর।
- রাষ্ট্রপতি হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স ৩৫ বছর।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১,১১৭.
'ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী' বিষয়টি বাংলাদেশের সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ-১৪৮
  2. অনুচ্ছেদ-১৪২
  3. অনুচ্ছেদ-১৪৫ক
  4. অনুচ্ছেদ-১৫০
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-১৫০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-১৫০
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- 'ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী' বিষয়টি বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ-১৫০ তে উল্লেখ করা হয়েছে। 

এছাড়াও-
• বাংলাদেশের সংবিধানের কয়েকটি অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ-১৪২: সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা। 
- অনুচ্ছেদ-১৪৩: প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি। 
- অনুচ্ছেদ-১৪৫: চুক্তি ও দলিল। 
- অনুচ্ছেদ-১৪৫ক: আন্তর্জাতিক চুক্তি। 
- অনুচ্ছেদ-১৪৬: বাংলাদেশের নামে মামলা। 
- অনুচ্ছেদ-১৪৮: পদের শপথ। 
- অনুচ্ছেদ-১৪৯: প্রচলিত আইনের হেফাজত। 
- অনুচ্ছেদ-১৫০: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী। 

সূত্র: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
১,১১৮.
গণপরিষদে প্রথম স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হন যথাক্রমে -
  1. ক) শাহ আবদুল হামিদ ও বায়তুল্লাহ
  2. খ) মুহাম্মদুল্লাহ ও বায়তুল্লাহ
  3. গ) মুহাম্মদুল্লাহ ও শাহ আবদুল হামিদ
  4. ঘ) শাহ আবদুল হামিদ ও মুহাম্মদুল্লাহ
সঠিক উত্তর:
ঘ) শাহ আবদুল হামিদ ও মুহাম্মদুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শাহ আবদুল হামিদ ও মুহাম্মদুল্লাহ
ব্যাখ্যা
• গণপরিষদে প্রথম স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হন যথাক্রমে মাননীয় সদস্য শাহ আবদুল হামিদ ও মুহাম্মদুল্লাহ। 
• ১ মে ১৯৭২ স্পিকার শাহ আবদুল হামিদ মৃত্যুবরণ করলে একই বছরের ১২ অক্টোবর বাংলাদেশ গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশনে 
স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হন যথাক্রমে মাননীয় সদস্য মুহাম্মদুল্লাহ ও মোহাম্মদ বায়তুল্লাহ।    

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১,১১৯.
নির্বাহী বিভাগ হতে বিচার বিভাগের আলাদা করার বিষয় উল্লেখ আছে সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে?
  1. ক) ২০ অনুচ্ছেদে
  2. খ) ২১ অনুচ্ছেদে
  3. গ) ২২ অনুচ্ছেদে
  4. ঘ) ২৩ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
গ) ২২ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২২ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ২২ নং অনুচ্ছেদে নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ এর কথা বলা হয়েছে। অনুচ্ছেদটি - ‘রাষ্ট্রের নির্বাহী অঙ্গসমূহ হইতে বিচারবিভাগের পৃথকীকরণ রাষ্ট্র নিশ্চিত করিবেন।’ Source: bdlaws.minlaw.gov.bd
১,১২০.
সাংবিধানিক ভাবে বাংলাদেশের সম্পদের মালিকানা কয় ধরনের হয়?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সংবিধানের ১৩ অনুচ্ছেদ: মালিকানার নীতি।
- বাংলাদেশের সম্পদের মালিকানা তিন ধরনের। যথা:

(ক) রাষ্ট্রীয় মালিকানা, অর্থাৎ অর্থনৈতিক জীবনের প্রধান প্রধান ক্ষেত্র লইয়া সুষ্ঠু ও গতিশীল রাষ্ট্রায়ত্ত সরকারী খাত সৃষ্টির মাধ্যমে জনগণের পক্ষে রাষ্ট্রের মালিকানা;
(খ) সমবায়ী মালিকানা, অর্থাৎ আইনের দ্বারা নির্ধারিত সীমার মধ্যে সমবায়সমূহের সদস্যদের পক্ষে সমবায়সমূহের মালিকানা; এবং
(গ) ব্যক্তিগত মালিকানা, অর্থাৎ আইনের দ্বারা নির্ধারিত সীমার মধ্যে ব্যক্তির মালিকানা৷ত

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান। 
১,১২১.
জরুরি অবস্থার সময় সংবিধানের কোন কোন অনুচ্ছেদের বিধান স্থগিত থাকবে?
  1. ৩৬, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০ ও ৪২
  2. ৩৮, ৩৯, ৪০, ৪২, ৪৩ ও ৪৩
  3. ৩৯, ৪১, ৪২, ৪৩, ৪৪ ও ৪৫
  4. ৩৮, ৩৯, ৪০, ৪১, ৪৫ ও ৪৬
সঠিক উত্তর:
৩৬, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০ ও ৪২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০ ও ৪২
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয়। এই সংবিধান কার্যকর করা হয় ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর, মহান বিজয় দিবসে। সংবিধানে মোট ১৫৩টি অনুচ্ছেদ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া, এটি ১১টি ভাগ বা অধ্যায়ে বিভক্ত। সংবিধানের মাধ্যমে বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতার উৎস, মৌলিক অধিকার, রাষ্ট্রের মূলনীতি ও নাগরিকের দায়িত্ব নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪১খ - অনুযায়ী,

- এই সংবিধানের তৃতীয় ভাগের অন্তর্ভুক্ত বিধানসমূহের ফলে যে আইন প্রণয়ন ও নির্বাহী ব্যবস্থা গ্রহণে রাষ্ট্র অক্ষম হয়ে পড়ে, জরুরি অবস্থার কার্যকালে এই সংবিধানের ৩৬, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০ ও ৪২ অনুচ্ছেদ সমূহের কোনও বিষয় উক্তরূপ আইন প্রণয়ন ও নির্বাহী ব্যবস্থা গ্রহণে রাষ্ট্রের ক্ষমতাকে সীমাবদ্ধ করবে না; তবে এভাবে প্রণীত কোনও আইনের আওতায় যা করা হয়েছে বা না করা হয়েছে সেটা ব্যতীত উক্তরূপ আইন যতটুকু কর্তৃত্বহীন, জরুরি অবস্থার ঘোষণা অকার্যকর হওয়ার পর ঠিক ততটুকু কার্যকর থাকবে না।

সূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
১,১২২.
সংসদের দুই অধিবেশনের মধ্যবর্তী বিরতিকাল সর্বোচ্চ কতদিন?
  1. ৬০ দিন
  2. ৯০ দিন
  3. ১২০ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
ব্যাখ্যা
আইন বিভাগে আলোচ্য সময়সূচি:
- পুনর্বিবেচিত বিল রাষ্ট্রপতি ৭ দিনের মধ্যে সম্মতি দিবেন।
- কোনো বিলে রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের সর্বোচ্চ সময় ১৫ দিন।
- নির্বাচলের পর সংসদের অভিবেশন আহবান করতে হবে ৩০ দিনের মধ্যে।
- অধ্যাদেশকে অধিবেশন শুরু হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে অনুমোদন দিতে হবে।
- সংসদের দুই অধিবেশনের মধ্যবর্তী বিরতিকাল সর্বোচ্চ ৬০ দিন।
- সংসদের অনুমতি ব্যতীত ৯০ দিন অনুপস্থিত থাকলে সংসদপদ শূন্য হয়ে যাবে।
- নির্বাচিত হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে শপথ না নিলে সংসদপদ শূন্য হয়ে যাবে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
১,১২৩.
কততম সংশোধনীর মাধ্যমে প্রস্তাবনায় ‘মুক্তি সংগ্রাম’ শব্দের পরিবর্তে ‘স্বাধীনতা সংগ্রাম’ যুক্ত করা হয়?
  1. ক) পঞ্চম সংশোধনী
  2. খ) ষষ্ঠ সংশোধনী
  3. গ) পঞ্চদশ সংশোধনী
  4. ঘ) ষোড়শ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
ক) পঞ্চম সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পঞ্চম সংশোধনী
ব্যাখ্যা
পঞ্চম সংশোধনী
সংসদে উত্থাপন: ৪ এপ্রিল, ১৯৭৯
উত্থাপনকারী: সংসদ নেতা শাহ আজিজুর রহমান
সংসদে গৃহীত: ৫ এপ্রিল, ১৯৭৯ 
রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ: ৬ এপ্রিল, ১৯৭৯

- সংবিধানের পঞ্চম সংশোধন আইন দ্বারা সংবিধানের চতুর্থ তফসিলের সংশোধন করা হয় এবং তাতে ১৮ প্যারাগ্রাফ নামে একটি নতুন প্যারাগ্রাফ যুক্ত করা হয়। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তারিখসহ ওই দিন থেকে ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল তারিখ পর্যন্ত (ওই দিনসহ) সামরিক প্রশাসকের সকল কার্যধারা ও কার্যক্রম অনুমোদন, সমর্থন ও বৈধ করা হয়।
- সংবিধানে এর মাধ্যমে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম সংযোজন করা হয়।
- প্রস্তাবনায় ‘মুক্তি সংগ্রাম’ শব্দের পরিবর্তে ‘স্বাধীনতা সংগ্রাম’ যুক্ত করা হয়।
- সংবিধানের রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি সংক্রান্ত অনুচ্ছেদসমূহ (৮, ৯,১০, ১২) সংশোধন করা হয়।
-  সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে সংসদের ক্ষমতা খর্ব করা হয় এবং গণভোটের মাধ্যমে সংশোধনের বিধান যুক্ত করা হয়।
- পরবর্তীতে ২০১০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে পঞ্চম সংশোধনী উচ্চ আদালতের রায়ে অবৈধ ঘোষিত হয়।

[উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান]
১,১২৪.
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংবিধানের কততম সংশোধনীর মাধ্যমে রদ করা হয়েছে?
  1. ১২তম
  2. ১৩তম
  3. ১৪তম
  4. ১৫তম
সঠিক উত্তর:
১৫তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫তম
ব্যাখ্যা
• ২৭ মার্চ, ১৯৯৬ সালে ১৩তম সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রণয়ন করা হয়েছিল।
- ৩০ জুন, ২০১১ সালে ১৫তম সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধান থেকে 'তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা' বাতিল করা হয়।
---------------------------- 
• পঞ্চদশ সংশোধনী:
- ২০১১ সালের ৩০ জুন, সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মূলনীতিগুলো পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।
- রাষ্ট্রের মূলনীতি হিসাবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের নায়ক শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির জনক হিসেবে স্বীকৃতিও দেওয়া হয়।
- সংবিধানে ধর্ম নিরপেক্ষতা এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা পুনর্বহাল করা হয়, তবে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বহাল রাখা হয়।
- এই সংশোধনীর দ্বারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়।
- জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বিদ্যমান ৪৫-এর স্থলে ৫০ করা হয়।
--------------------------------- 

বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকার:
- সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা গৃহিত হয়।
- ১৯৯৬ সালে বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান বাংলাদেশের সর্ব প্রথম সংবিধানসম্মত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন। 
- প্রধান উপদেষ্টা বিচারপতি হাবিবুর রহমান নির্দলীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সমন্বয়ে একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করেন।
- তিনি ১৯৯৬ সালের ১২ জুন জাতীয় সংসদের নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেন।
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন, সার্ক ফোরাম, কমনওয়েলথসহ কয়েকটি দেশের প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানায়।
- অবশেষে বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনা মধ্য দিয়ে ১৯৯৬ সালের ১২ জুন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীন প্রথম সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হয় ৪ বার।
- যথা: ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮।
- পঞ্চদশ সংশোধনীর দ্বারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়। 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, ১৯ ডিসেম্বর ২০২১, বিবিসি বাংলা।
১,১২৫.
সংবিধান কত নম্বর অনুচ্ছেদে, ’সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা’ উল্লেখ করেছে?
  1. ১৫০ নং
  2. ১৪৮ নং
  3. ১৪২ নং
  4. ১৪৬ নং
সঠিক উত্তর:
১৪২ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪২ নং
ব্যাখ্যা

- ১৪২ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা’।

• সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা:
- ১৪২ নং:  এই সংবিধানে যা বলা হয়েছে, তা সত্ত্বেও-
- সংসদের আইন-দ্বারা এই সংবিধানের কোন বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিতকরণের দ্বারা সংশোধিত হতে পারবে।
- তবে শর্ত থাকে যে,
- অনুরূপ সংশোধনীর জন্য আনীত কোন বিলের সম্পূর্ন শিরনামায় এই সংবিধানের কোন বিধান সংশোধন করা হবে বলে স্পষ্টরূপে উল্লেখ না থাকিলে বিলটি বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা যাবে না।
- সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত না হলে;
- অনুরূপ কোন বিলে সম্মতিদানের জন্য তা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হবে না;
- উপরি-উক্ত উপায়ে কোন বিল গৃহীত হবার পর সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট তাহা উপস্থাপিত হলে উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করবেন।
- এবং তিনি তা করতে অসমর্থ হলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করছেন বলে গণ্য হবে।

এছাড়াও,
- ১৪৫ নং: চুক্তি ও দলিল;
- ১৪৬ নং"বাংলাদেশ"-এই নামে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক বা বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাইতে পারবে।
- ১৪৮ নং: পদের শপথ;
- ১৫০ নং: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১,১২৬.
'শপথ ও ঘোষণা' সংবিধানের কত নং তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে?
  1. প্রথম তফসিল
  2. দ্বিতীয় তফসিল
  3. তৃতীয় তফসিল
  4. চতুর্থ তফসিল
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় তফসিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় তফসিল
ব্যাখ্যা

তফসিলসমূহ:
- সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল আছে।
• প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
• দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বর্তমানে বিলুপ্ত।
• তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা।
• চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।
• পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ।
• ষষ্ঠ তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণা।
• সপ্তম তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১,১২৭.
বাংলাদেশের নামে মামলা করার বিধান রয়েছে সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী?
  1. অনুচ্ছেদ-১৫০
  2. অনুচ্ছেদ - ১৪৬
  3. অনুচ্ছেদ ১৪৫
  4. অনুচ্ছেদ ১৪৮
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ - ১৪৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ - ১৪৬
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের অনুচ্ছেদ - ১৪৬: বাংলাদেশের নামে মামলা: 
- 'বাংলাদেশ'-এই নামে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক বা বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাইতে পারিবে।

অন্যদিকে: 
- অনুচ্ছেদ-১৫০: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী, 
- অনুচ্ছেদ ১৪৫ : চুক্তি ও দলিল, 
- অনুচ্ছেদ ১৪৮ : পদের শপথ, 

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
১,১২৮.
When was the 'Draft Constitution Drafting Committee' formed?
  1. April 09, 1972
  2. April 11, 1972
  3. April 16, 1972
  4. April 19, 1972
  5. April 21, 1972
সঠিক উত্তর:
April 11, 1972
উত্তর
সঠিক উত্তর:
April 11, 1972
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- 'খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি' গঠন করা হয়েছিল - ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপিত হয়।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর ছাড়া ৯৩ পৃষ্ঠা।
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর সহ - ১০৯ পৃষ্ঠা।
-গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১,১২৯.
সংবিধানের কোন সংশোধনীটি আদালত কর্তৃক বাতিল করা হয়েছে?
  1. ক) ত্রয়োদশ সংশোধনী
  2. খ) পঞ্চম সংশোধনী
  3. গ) সপ্তম সংশোধনী
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সংবিধানে বর্তমান পর্যন্ত মোট ১৭টি সংশোধনী আনা হয়। এর মধ্যে চারটি সংশোধনী হাইকোর্ট কর্তৃক বাতিল ঘোষিত হয়েছে। এগুলো হলো:
- পঞ্চম সংশোধনী (১৯৭৯) : বাতিল (আগস্ট ২০০৫)
- সপ্তম সংশোধনী (১৯৮৬) : বাতিল (আগস্ট ২০১০)
- ত্রয়োদশ সংশোধনী (১৯৯৬) : বাতিল (২০১১)
- ষোড়শ সংশোধনী (২০১৪) : বাতিল (২০১৭)।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান।
১,১৩০.
বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নে সময় লেগেছিলো-
  1. ক) ৫ মাস
  2. খ) ৮ মাস
  3. গ) ৯ মাস
  4. ঘ) ১ বছর ১ মাস
সঠিক উত্তর:
গ) ৯ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৯ মাস
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ই জানুয়ারি বাংলাদেশ অস্থায়ী সংবিধান আদেশ এবং ২৩শে মার্চ বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়।
- এর ধারাবাহিকতায় ১১ই এপ্রিল তৎকালীন আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেনকে আহবায়ক করে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট সংবিধান রচনা কমিটি গঠন করা হয়।
- এই কমিটি ১৭ই এপ্রিল তাদের প্রথম বৈঠকে বসে এবং ১২ই অক্টোবর খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপন করে।
- ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়।
- ১৫ ডিসেম্বর গণপরিষদ সদস্যরা সংবিধানে স্বাক্ষর করেন। তবে সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এতে স্বাক্ষর করেননি।
- সবশেষে ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।
সুতরাং,
- বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নে সময় লেগেছিলো- ৯ মাস। 
- গণপরিষদের মোট ২১টি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয় এই সংবিধান প্রণয়নে। 


উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান। 
১,১৩১.
বাংলাদেশ কর্মকমিশন গঠনের নির্দেশ জারি করা হয় কবে?
  1. ক) ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল
  2. খ) ১৯৭৩ সালের ৮ জুন
  3. গ) ১৯৭২ সালের ৮ এপ্রিল
  4. ঘ) ১৯৭৩ সালের ১০ জুন
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭২ সালের ৮ এপ্রিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭২ সালের ৮ এপ্রিল
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ কর্মকমিশন গঠনের নির্দেশ জারি করা হয় ১৯৭২ সালের ৮ এপ্রিল। 
- কর্মকমিশন গঠন সম্পর্কে ১৩৭নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে।

অনুচ্ছেদ ১৩৭ - কমিশন-প্রতিষ্ঠা
আইনের দ্বারা বাংলাদেশের জন্য এক বা একাধিক সরকারী কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার বিধান করা যাইবে এবং একজন সভাপতিকে ও আইনের দ্বারা যেরূপ নির্ধারিত হইবে, সেইরূপ অন্যান্য সদস্যকে লইয়া প্রত্যেক কমিশন গঠিত হইবে।

অনুচ্ছেদ - ১৪০: কমিশনের দায়িত্ব
(১) কোন সরকারী কর্ম কমিশনের দায়িত্ব হইবে
(ক) প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগদানের জন্য উপযুক্ত ব্যক্তিদিগকে মনোনয়নের উদ্দেশ্যে যাচাই ও পরীক্ষা-পরিচালনা;
(খ) এই অনুচ্ছেদের (২) দফা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক কোন বিষয় সম্পর্কে কমিশনের পরামর্শ চাওয়া হইলে কিংবা কমিশনের দায়িত্ব-সংক্রান্ত কোন বিষয় কমিশনের নিকট প্রেরণ করা হইলে সেই সম্বন্ধে রাষ্ট্রপতিকে উপদেশ দান; এবং
(গ) আইনের দ্বারা নির্ধারিত অন্যান্য দায়িত্ব পালন।

(২) সংসদ কর্তৃক প্রণীত কোন আইন এবং কোন কমিশনের সহিত পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত কোন প্রবিধানের (যাহা অনুরূপ আইনের সহিত অসমঞ্জস নহে) বিধানাবলী-সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি নিম্নলিখিত ক্ষেত্রসমূহে কোন কমিশনের সহিত পরামর্শ করিবেন:
(ক) প্রজাতন্ত্রের কর্মের জন্য যোগ্যতা ও তাহাতে নিয়োগের পদ্ধতি সম্পর্কিত বিষয়াদি;
(খ) প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগদান, উক্ত কর্মের এক শাখা হইতে অন্য শাখায় পদোন্নতিদান ও বদলিকরণ এবং অনুরূপ নিয়োগদান, পদোন্নতিদান বা বদলিকরণের জন্য প্রার্থীর উপযোগিতা-নির্ণয় সম্পর্কে অনুসরণীয় নীতিসমূহ;
(গ) অবসর ভাতার অধিকারসহ প্রজাতন্ত্রের কর্মের শর্তাবলীকে প্রভাবিত করে, এইরূপ বিষয়াদি; এবং
(ঘ) প্রজাতন্ত্রের কর্মের শৃঙ্খলামূলক বিষয়াদি।

উৎস: পৌরনীতি ২য় পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ।

১,১৩২.
সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করা হয়?
  1. চতুর্দশ সংশোধনী
  2. দশম সংশোধনী
  3. সপ্তম সংশোধনী
  4. অষ্টম সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
অষ্টম সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অষ্টম সংশোধনী
ব্যাখ্যা
• চতুর্থ জাতীয় সংসদে ১৯৮৮ সালের ৭ জুন সংবিধানের অষ্টম সংশোধনী গৃহীত হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে ২ক নং অনুচ্ছেদ যুক্ত করা হয় যেখানে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ইসলাম সন্নিবেশন করা হয়।
- পরবর্তীতে ২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে এই অনুচ্ছেদটিতে পরিবর্তন আনা হলেও রাষ্ট্রধর্মের বিধান বহাল থাকে।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান।
১,১৩৩.
জাতির পিতার প্রতিকৃতি সংক্রান্ত অনুচ্ছেদটি প্রতিস্থাপন করা হয়েছে কোন সংশোধনীতে?
  1. ক) সপ্তদশ
  2. খ) ষোড়শ
  3. গ) পঞ্চদশ
  4. ঘ) পঞ্চম
সঠিক উত্তর:
গ) পঞ্চদশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পঞ্চদশ
ব্যাখ্যা

- সংবিধানের ৪ক নং অনুচ্ছেদে সকল সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিদেশে অবস্থিত দূতাবাসসমূহে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের বিষয়ে বর্ণনা করা হয়েছে।
- ২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে এই ধারাটি সংবিধানে যুক্ত করা হয়। 
- সপ্তদশ সংশোধনী
৬৫(৩) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের মেয়াদ ২৫ বছর বৃদ্ধি করা হয়। 
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান)

১,১৩৪.
প্রথমবারের মতো সরকারিভাবে জাতীয় সংবিধান দিবস পালিত হয় -
  1. ক) ৪ নভেম্বর, ২০২১
  2. খ) ১৬ ডিসেম্বর, ২০২২
  3. গ) ১২ অক্টোবর, ২০২২
  4. ঘ) ৪ নভেম্বর, ২০২২
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪ নভেম্বর, ২০২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪ নভেম্বর, ২০২২
ব্যাখ্যা
৪ নভেম্বর, ২০২২ প্রথমবারের মতো সরকারিভাবে জাতীয় সংবিধান দিবস পালিত হয়। এর আগে স্বাধীনতার ৫০ বছর পর গত ৩১ অক্টোবর, ২০২২ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পায় সংবিধান দিবস। এ বছর থেকে ৪ নভেম্বর ‘জাতীয় সংবিধান দিবস' হিসেবে পালিত হবে।

তথ্যসূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, ডিসেম্বর ২০২২।
১,১৩৫.
নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষার বিধান সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৪০
  2. অনুচ্ছেদ ৪১
  3. অনুচ্ছেদ ৪২
  4. অনুচ্ছেদ ৪৩
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৪১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৪১
ব্যাখ্যা

 • বাংলাদেশ সংবিধানের   ধর্মীয় স্বাধীনতা কথা রয়েছে।

» অনুচ্ছেদ ৪১: ধর্মীয় স্বাধীনতা
- (১) আইন, জনশৃঙ্খলা ও নৈতিকতা-সাপেক্ষে
 - (ক) প্রত্যেক নাগরিকের যে কোন ধর্ম অবলম্বন, পালন বা প্রচারের অধিকার রয়েছে।
 - (খ) প্রত্যেক ধর্মীয় সম্প্রদায় ও উপ-সম্প্রদায়ের নিজস্ব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের স্থাপন, রক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার অধিকার রয়েছে।
- (২) কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে যোগদানকারী কোন ব্যক্তির নিজস্ব ধর্ম-সংক্রান্ত না হলে তাঁহাকে কোন ধর্মীয় শিক্ষাগ্রহণ কিংবা কোন ধর্মীয় অনুষ্ঠান বা উপাসনায় অংশগ্রহণ বা যোগদান করতে হবে না।

অপরদিকে,
- অনুচ্ছেদ-৪০: পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ-৪২: সম্পত্তির অধিকার।
- অনুচ্ছেদ-৪৩:  গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।

১,১৩৬.
সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার চারটি মূলনীতিতে প্রথমবার পরিবর্তন আনা হয়?
  1. ক) পঞ্চদশ সংশোধনী
  2. খ) ষোড়শ সংশোধনী
  3. গ) পঞ্চম সংশোধনী
  4. ঘ) চতুর্দশ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
গ) পঞ্চম সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পঞ্চম সংশোধনী
ব্যাখ্যা
- ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানে রাষ্ট্র পরিচালনার চারটি মূলনীতি ছিলো:
- জাতীয়তাবাদ
- সমাজতন্ত্র
- গণতন্ত্র ও
- ধর্মনিরপেক্ষতা।

- ১৯৭৯ সালের ৫ এপ্রিল সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার এই চারটি মূলনীতিতে প্রথমবার পরিবর্তন আনা হয়।
- কিন্তু সুপ্রিমকোর্ট ২০১০ সালের ২ ফেব্রুয়ারি পঞ্চম সংশোধনীকে বাতিল ঘোষণা করে।
- ফলে ২০১১ সালের ৩ জুলাই জাতীয় সংসদে গৃহিত সংবিধানের ১৫তম সংশোধনীর মাধ্যমে ‍বাহাত্তরের মূল সংবিধানের রাষ্ট্র পরিচালনার চারটি মূলনীতি পুনঃস্থাপন করা হয়। (পুনরায় পরিবর্তন করা হয়)
 
এছাড়া, ২০১১ সালে ত্রয়োদশ সংশোধনীকে অবৈধ ঘোষণা করলে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংবিধান থেকে বাদ দেওয়া হয়।
 
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার বিধান সংযোজন : ১৩তম সংশোধনী
- বিচারপতিদের অপসারণ সংক্রান্ত বিধান : ১৬তম সংশোধনী
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র ষষ্ঠ তফসিলে সংযোজন : ১৫তম সংশোধনী।
- বিচারপতিদের অবসরের বয়সসীমা বৃদ্ধি : সপ্তম ও চতুর্দশ সংশোধনী।

(তথ্যসূত্রঃ আইন মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সংবিধান এবং বাংলাদেশের সংবিধান - আরিফ খান)
১,১৩৭.
নিচের কোন দেশে সংসদীয় সরকার পদ্ধতি আছে?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) অস্ট্রেলিয়া
  3. গ) ফ্রান্স
  4. ঘ) ব্রাজিল
সঠিক উত্তর:
খ) অস্ট্রেলিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, ব্রাজিল প্রভৃতি রাষ্ট্রে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রচলিত আছে৷
গ্রেট ব্রিটেন, ভারত, বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়া প্রভৃতি রাষ্ট্রে সংসদীয় সরকার পদ্ধতি প্রচলিত আছে৷
উৎসঃ পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

১,১৩৮.
'জরুরি অবস্থা' জারির বিধান সংবিধানের কোন সংশোধনীতে সন্নিবেশিত হয়েছে?
  1. ২য় সংশোধনী
  2. ৩য় সংশোধনী
  3. ৪র্থ সংশোধনী
  4. ৫ম সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
২য় সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২য় সংশোধনী
ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় সংশোধনী:
- দ্বিতীয় সংশোধনীটি উত্থাপিত হয় ১৯৭৩ সালের ১৮ সেপ্টম্বর।
- সংশোধনীটি গৃহীত হয় ১৯৭৩ সালের ২০ সেপ্টেম্বর।
- সংশোধনীটি অনুমোদিত হয় ২২ সেপ্টম্বর ১৯৭৩ সালে।
- 'জরুরি অবস্থা' জারির বিধান সংবিধানের ২য় সংশোধনীতে সন্নিবেশিত হয়েছে।
- সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধন আইন দ্বারা অভ্যন্তরীণ গোলযোগ বা বহিরাক্রমণে দেশের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক জীবন বাধাগ্রস্ত হলে 'জরুরি অবস্থা' ঘোষণার বিধান চালু করা হয়।
- এছাড়াও, নিবর্তনমূলক আটক ও জরুরী অবস্থার সময় মৌলিক অধিকার স্থগিতকরণ সংক্রান্ত বিধানসমূহ সংযোজন করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান ও পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১৩৯.
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান 'অস্থায়ী সংবিধান আদেশ' জারি করেন -
  1. ১২ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে
  2. ১১ মার্চ ১৯৭২ সালে
  3. ১১ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে
  4. ১২ মার্চ ১৯৭২ সালে
সঠিক উত্তর:
১১ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- সংবিধানে তফসিল রয়েছে - ৭ টি।
- সংবিধানে অনুচ্ছেদ রয়েছে - ১৫৩ টি।
- মূলনীতি রয়েছে - ৪ টি।
- সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয় - ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধান রচনা কমিটির প্রধান - ড. কামাল হোসেন।
- সংবিধান রচনা কমিটির সদস্য সংখ্যা ছিল - ৩৪ জন।

- হস্তা লিখিত সংবিধানে প্রথম স্বাক্ষর করে - শেখ মুজিবুর রহমান।
- হস্ত লিখিত সংবিধানে স্বাক্ষর করেননি - সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত।
- অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করা হয় - ১১ জানুয়ারি, ১৯৭২ সালে।
- অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করেন - শেখ ‍মুজিবুর রহমান।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১,১৪০.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'জাতীয় সঙ্গীত' সম্পর্কে বলা রয়েছে?
  1. ৪(১) নং
  2. ৪(২) নং
  3. ৪(৩) নং
  4. ৪(৪) নং
সঠিক উত্তর:
৪(১) নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪(১) নং
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
-  ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।
- প্রথম ভাগ:
- প্রজাতন্ত্র, 
- জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক,
৪ নং অনুচ্ছেদ:
(১) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় সঙ্গীত 'আমার সোনার বাংলা'র প্রথম দশ চরণ।
(২) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় পতাকা হইতেছে সবুজ ক্ষেত্রের উপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট বৃত্ত।
(৩) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় প্রতীক হইতেছে উভয় পার্শ্বে ধান্যশীর্ষবেষ্টিত, পানিতে ভাসমান জাতীয় পুষ্প শাপলা, তাহার শীর্ষদেশে পাটগাছের তিনটি পরস্পরসংযুক্ত পত্র, তাহার উভয় পার্শ্বে দুইটি করিয়া তারকা।
(৪) উপরি-উক্ত দফাসমূহ-সাপেক্ষে জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক সম্পর্কিত বিধানাবলী আইনের দ্বারা নির্ধারিত হইবে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১,১৪১.
বাংলাদেশের সংবিধান রচনার জন্য 'বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ’ জারি করেন কে?
  1. আবু সায়েম 
  2. আবু সাঈদ চৌধুরী
  3. ড. কামাল হোসেন
  4. তাজউদ্দিন আহমেদ
সঠিক উত্তর:
আবু সাঈদ চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবু সাঈদ চৌধুরী
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের প্রথম গণপরিষদ:
- সংবিধান রচনার জন্য তৎকালীন রাষ্ট্রপতি আবু সাঈদ চৌধুরী ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ 'বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ’ জারি করেন।
- এ আদেশ ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে কার্যকরী বলে ধরে নেয়া হয়।
- এ আদেশ বলে ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর থেকে ১৯৭১ সালের ১ মার্চ পর্যন্ত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদে বাংলাদেশ থেকে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে গণপরিষদ গঠন করা হয়।
- আইনের দৃষ্টিতে অযোগ্য বলে বিবেচিত এমন ব্যক্তিকে গণপরিষদের সদস্য হতে পারতেন না। 
- গণপরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা ছিল ৪০৩ জন।
- বহিস্কৃত ও পাকিস্তানের প্রতি আনুগত্য পোষণকারী সদস্যরা গণপরিষদের সদস্য পদ লাভে অযোগ্য ছিলেন।
- সংবিধান প্রণয়নই ছিল গণপরিষদের একমাত্র লক্ষ্য।
- এই আদেশ জারির মধ্য দিয়ে সংবিধান প্রণয়নের আনুষ্ঠানিক কাজ শুরু হয়।

⇒ ৪০৩ সদস্য বিশিষ্ট গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র:
: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১৪২.
সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা গৃহীত হয়?
  1. ত্রয়োদশ সংশোধনী
  2. চতুর্দশ সংশোধনী
  3. পঞ্চদশ সংশোধনী
  4. অষ্টাদশ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
ত্রয়োদশ সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রয়োদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকার:
- বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাংলাদেশের একপ্রকারের শাসন ব্যবস্থা, যার অধীনে দুইটি নির্বাচিত সরকারের মধ্যবর্তী সময়কালে সাময়িকভাবে অনির্বাচিত ব্যক্তিবর্গ কোন দেশের শাসনভার গ্রহণ করে থাকে।
- ১৯৯০ সালে সেনাশাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের পতনের পর জাতীয় নির্বাচন আয়োজন পর্যন্ত দায়িত্ব পালনের জন্য গঠন করা হয়েছিল অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
- গণআন্দোলনের মুখে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর পদত্যাগ করতে বাধ্য হন সেনাশাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।
- ওই দিনই ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন প্রধান বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ।

⇒ বিএনপি সরকারের পদত্যাগের পর ১৯৯৬ সালে ত্রয়োদশ সংশোধনের মাধ্যমে সংবিধানে যোগ হয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি।
- ১৯৯৬ সালে বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান বাংলাদেশের সর্বপ্রথম সংবিধানসম্মত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।
- এর চারদিন পর সংবিধান অনুযায়ী ১০ জন উপদেষ্টাকে নিয়োগ দেওয়া হয়।
- তারা হলেন ব্যারিস্টার সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ, ড. মুহাম্মদ ইউনূস, অর্থনীতিবিদ ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ, অধ্যাপক মো. শামসুল হক, অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী, শেগুফতা বখত চৌধুরী, এ জেড এম নাছিরুদ্দিন, সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী, অধ্যাপক নাজমা চৌধুরী ও মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুর রহমান খান।
- এই তত্ত্বাবধায়ক সরকার মোট ৮৬ দিন ক্ষমতায় ছিল।
- তিনি ১৯৯৬ সালের ১২ জুন জাতীয় সংসদের নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেন।
- অবশেষে বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনা মধ্য দিয়ে ১৯৯৬ সালের ১২ জুন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীন প্রথম সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

• ত্রয়োদশ সংশোধনী:
- ২৭ মার্চ, ১৯৯৬ ত্রয়োদশ সংশোধনী আনা হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে সাধারণ নির্বাচন ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছিল।
- নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য তিন মাস মেয়াদের 'নির্দলীয়'-'নিরপেক্ষ' তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়েছিল।
- একজন প্রধান উপদেষ্টা এবং দশ জন উপদেষ্টা নিয়ে এই সরকার গঠিত হতো।

উল্লেখ্য,
- ২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল করা হয়।

উৎস: i) BBC.
ii) প্রথম আলো।
১,১৪৩.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, প্রজাতন্ত্রের রাজধানী হবে ঢাকা?
  1. ২ নং
  2. ৫ নং
  3. ৩ নং
  4. ৬ নং
সঠিক উত্তর:
৫ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ নং
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ২ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে - প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা নির্ধারণ হয়।

• সংবিধানের ৩ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে - বাংলাদেশের রাষ্ট্র ভাষা বাংলা ।

• সংবিধানের ৫ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে - বাংলাদেশের রাজধানী হবে ঢাকা।

• সংবিধানের ৭(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে - প্রজাতন্ত্রের সকল মালিক জনগণ।

• সংবিধানের ৬ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে - বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসেবে বাঙালি, ও নাগরিক হিসেবে বাংলাদেশি বলে গণ্য হবে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
১,১৪৪.
বাংলাদেশের সংবিধানের ভাগ কতটি?
  1. ৯টি
  2. ১০টি
  3. ৭টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা

• সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় গণপরিষদের মাধ্যমে।
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে। 
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি (জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা)।
- ১৯৭২ সালরে ১১ অক্টোবর খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১,১৪৫.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান অনুসারে যুদ্ধ ঘোষণার জন্যে কার সম্মতি আবশ্যক?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. জাতীয় সংসদ
  3. মন্ত্রিসভা
  4. প্রধানমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধানের ৬৩ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী যুদ্ধ ঘোষণা বা যুদ্ধে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার জাতীয় সংসদের।
সংসদের সম্মতি ব্যতীত রাষ্ট্র যুদ্ধ ঘোষণা বা কোন যুদ্ধে অংশগ্রহণ করতে পারবে না।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান)
১,১৪৬.
বাংলাদেশ সংবিধানের মূলনীতি কয়টি? [মে, ২০২৫]
  1. ২ টি
  2. ৫ টি
  3. ৪ টি
  4. ৩ টি
সঠিক উত্তর:
৪ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ টি
ব্যাখ্যা
→ বাংলাদেশ সংবিধানের মূলনীতি ৪ টি।

• সংবিধানের মূলনীতি:
- আমরা অঙ্গীকার করিতেছি যে, যে সকল মহান আদর্শ আমাদের বীর জনগণকে জাতীয় মুক্তি সংগ্রামে আত্মনিয়োগ ও বীর শহীদদিগকে প্রাণোৎসর্গ করিতে উদ্বুদ্ধ করেছিল।
- জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার সেই সকল আদর্শ এই সংবিধানের মূলনীতি হবে।
- সংবিধানের মূলনীতি ৪ টি।
- জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা।
- মোট অনুচ্ছেদ: ১৫৩ টি ।
- সংবিধানে তফসিল: ৭টি,
- সংবিধানে প্রস্তাবনা: ১টি।
- সংবিধানে মোট ভাগ: ১১টি।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।
১,১৪৭.
রাষ্ট্রপতি শপথ বাক্য পাঠ করান না -
  1. ক) ডেপুটি স্পিকারকে
  2. খ) উপমন্ত্রীদের
  3. গ) প্রধান বিচারপতিকে
  4. ঘ) সংসদ সদস্যদের 
সঠিক উত্তর:
ঘ) সংসদ সদস্যদের 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সংসদ সদস্যদের 
ব্যাখ্যা
• তৃতীয় তফসিল (শপথ ও ঘোষণা)
রাষ্ট্রপতি শপথ বাক্য পাঠ করান
১। প্রধানমন্ত্রী
২। মন্ত্রীগনকে
৩। উপমন্ত্রীদেরকে
৪। প্রতিমন্ত্রীদের
৫। স্পীকার
৬। ডেপুটি স্পিকার
৭। প্রধান বিচারপতি কে

প্রধানমন্ত্রী শপথ বাক্য পাঠ করান
১। সিটি কর্পোরেশনের মেয়র
২। জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান

স্পিকার শপথ বাক্য পাঠ করান
১। রাষ্ট্রপতি
২। সকল সংসদ সদস্যদের 

প্রধান বিচারপতি শপথ বাক্য পাঠ করান
১। সুপ্রীম কোর্টের কোন বিভাগের কোন বিচারককে
২। প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারদের 
৩। মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রন
৪। সরকারী কর্মকমিশনের সদস্যদেরকে

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান।
১,১৪৮.
বাংলাদেশের সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে বাক-স্বাধীনতার কথা বলা হয়েছে?
  1. ক) ৩৬ নং
  2. খ) ৩৭ নং
  3. গ) ৩৮ নং
  4. ঘ) ৩৯ নং
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩৯ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩৯ নং
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:

- বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৬ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে চলাফেরার স্বাধীনতা।
- ৩৭ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে সমাবেশে স্বাধীনতা।
- ৩৮ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে- সংগঠনের স্বাধীনতা।
- ৩৯ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক-স্বাধীনতা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
১,১৪৯.
সাংসদের নিজ দলের বিপরীতে ভোট বা দল থেকে পদত্যাগে আসন শূন্য হওয়ার বিধান কোন অনুচ্ছেদে রয়েছে?
  1. ৭০ নং
  2. ৭১ নং
  3. ৬৭ নং
  4. ৬৬ নং
সঠিক উত্তর:
৭০ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭০ নং
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সংবিধানের ৭০ নং অনুচ্ছেদ: 
- কোন নির্বাচনে কোন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরূপে মনোনীত হইয়া কোন ব্যক্তি সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইলে তিনি যদি- 
- (ক) উক্ত দল হইতে পদত্যাগ করেন, অথবা
- (খ) সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে ভোটদান করেন,
- তাহা হইলে সংসদে তাঁহার আসন শূন্য হইবে, তবে তিনি সেই কারণে পরবর্তী কোন নির্বাচনে সংসদ-সদস্য হইবার অযোগ্য হইবেন না।
- জাতীয় সংসদে নিজ দলের বিপক্ষে ভোট প্রদান করা বা দলীয় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কথা বলাকে বলা হয় ফ্লোর ক্রসিং৷

অন্যদিকে,
- ৬৬ নং অনুচ্ছেদ: সংসদে নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা।
- ৬৭ নং অনুচ্ছেদ: সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া।
- ৭১ নং অনুচ্ছেদ: দ্বৈত-সদস্যতায় বাধা।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

১,১৫০.
সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত কোন রাজনৈতিক দলের সদস্য ছিলেন?
  1. কমিউনিস্ট পার্টি
  2. ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি
  3. কৃষক প্রজা পার্টি
  4. জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল
সঠিক উত্তর:
ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি
ব্যাখ্যা
সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য:
- ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়।
- এই কমিটির মোট সদস্য ছিল ৩৪ জন।
- আওয়ামী লীগ ছাড়া একমাত্র সদস্য ছিলেন ন্যাপের (ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি) সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।
- এই কমিটির প্রধান বা সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন।
- সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১,১৫১.
স্পিকার হিসেবে বাংলাদেশ সংবিধান প্রমাণীকৃত করেন কে?
  1. ক) শাহ আব্দুল হামিদ
  2. খ) মোহাম্মদ উল্লাহ
  3. গ) মোশারফ হোসেন আকন্দ
  4. ঘ) মাওলানা আব্দুর রশীদ তর্কবাগীশ
সঠিক উত্তর:
খ) মোহাম্মদ উল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মোহাম্মদ উল্লাহ
ব্যাখ্যা
১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর দুপুর বেলায় বাংলাদেশ সংবিধান গণপরিষদে গৃহীত হয়। ১৪ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদের তৎকালীন স্পিকার মোহাম্মদ উল্লাহ এই সংবিধান প্রমাণীকৃত করেন। ১৫ ডিসেম্বর গণপরিষদ সদস্যগণ এতে স্বাক্ষর করেন। প্রথমে বঙ্গবন্ধু এবং এরপর সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং তাজউদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষর করেন।
উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান।
১,১৫২.
সংবিধান রচনা ও গণপরিষদে গৃহীত হওয়ার সময়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন?
  1. আবু সাঈদ চৌধুরী
  2. মোহাম্মদ উল্লাহ
  3. শাহ আবদুল হামিদ
  4. শেখ মুজিবুর রহমান
সঠিক উত্তর:
আবু সাঈদ চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবু সাঈদ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম গণপরিষদ:
- গণপরিষদ গঠন সংবিধান হলো রাষ্ট্র পরিচালনার মৌলিক বিধি-বিধানের সমষ্টি।
- পৃথিবীর অধিকাংশ দেশে সংবিধান প্রণয়নের জন্য গণপরিষদ গঠন করা হয়।
- বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নেও এমন একটি গণপরিষদ গঠন করা হয়।

উল্লেখ্য,
- সংবিধান রচনা ও গণপরিষদে গৃহীত হওয়ার সময়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী।
- প্রধানমন্ত্রী ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- গণপরিষদের প্রথম স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার যথাক্রমে শাহ আবদুল হামিদ ও মোহাম্মদ উল্লাহ।

উৎস: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৫৩.
বাংলাদেশের সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে 'যুদ্ধাপরাধীদের বিচার' সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ১৮ক নং
  2. ১১৮ নং
  3. ৩৬ নং
  4. ৪৭ (৩) নং
সঠিক উত্তর:
৪৭ (৩) নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৭ (৩) নং
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান:
• সংবিধানের তৃতীয় ভাগের ৪৭ (৩) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী,
- গণহত্যাজনিত অপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ বা যুদ্ধাপরাধ এবং আন্তর্জাতিক আইনের অধীন অন্যান্য অপরাধের জন্য কোন সশস্ত্র বাহিনী বা প্রতিরক্ষা বাহিনী বা সহায়ক বাহিনীর সদস্য বা অন্য কোন ব্যক্তি, ব্যক্তি সমষ্টি বা সংগঠন কিংবা যুদ্ধবন্দীকে আটক, ফৌজদারীতে সোপর্দ কিংবা দণ্ডদান করার বিধান-সংবলিত কোন আইন বা আইনের বিধান এই সংবিধানের কোন বিধানের সাথে অসমঞ্জস বা তাহার পরিপন্থী, এই কারণে বাতিল বা বেআইনী হিসেবে গণ্য হবে না কিংবা কখনও বাতিল বা বেআইনী হয়েছে বলে গণ্য হবে না ।

অন্যদিকে -
- বাংলাদেশের সংবিধানে ১৮ক নং অনুচ্ছেদে 'পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন' এর কথা বলা হয়েছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৮ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়েছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৬ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে চলাফেরার স্বাধীনতা।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১,১৫৪.
বাংলাদেশ নামক প্রজাতন্ত্রের ভিত্তি-
  1. মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করা
  2. মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত করা
  3. প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধির মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা

◉ বাংলাদেশ নামক প্রজাতন্ত্রের ভিত্তি বাংলাদেশ নামক প্রজাতন্ত্রের ভিত্তি, মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত করা ও প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধির মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা অর্থাৎ উপরের সবকটি।

→ বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগের ১১ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, 
- প্রজাতন্ত্র হবে একটি গণতন্ত্র, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকবে, মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হবে এবং প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে৷

⇒ মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত করা: 
- এটি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং মানুষের সম্মান ও অধিকার রক্ষার প্রতিশ্রুতি প্রকাশ করে।
-  এটি বাংলাদেশের প্রজাতন্ত্রের একটি মূল ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়।

⇒ মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করা:
- বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে মৌলিক অধিকারসমূহ উল্লেখ করা হয়েছে।
-  এর মধ্যে রয়েছে বাকস্বাধীনতা, সমাবেশের স্বাধীনতা, ধর্মীয় স্বাধীনতা, সমতা, এবং আইনের দৃষ্টিতে সমান সুরক্ষা।
-  সংবিধানের প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে যে, বাংলাদেশের জনগণের জন্য মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের অন্যতম লক্ষ্য।

⇒ প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধির মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা:
- বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭ এবং ১১-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, রাষ্ট্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ এবং তাদের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে এই ক্ষমতা প্রয়োগ করা হবে। 
- এটি গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার মূলনীতি, যেখানে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়।
-  স্থানীয় সরকার, সংসদীয় নির্বাচন, এবং অন্যান্য গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই অংশগ্রহণ বাস্তবায়িত হয়।

∴ সুতরাং সঠিক ‍উত্তর উপরের সবগুলো।


উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১,১৫৫.
ড. কামাল হোসেন ব্যতীত সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য কতজন ছিলেন?
  1. ক) ৩৩ জন
  2. খ) ৩৪ জন
  3. গ) ৩৫ জন
  4. ঘ) ৩৬ জন
সঠিক উত্তর:
ক) ৩৩ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৩৩ জন
ব্যাখ্যা

- ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের লক্ষ্যে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়
- কামাল হোসেন ব্যতিত সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য সংখ্যা - ৩৩ জন
- এর সভাপতি ছিলেন তৎকালীন আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন
- একমাত্র মহিলা সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু
- একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য ছিলেন সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত (ন্যাপ-মোজাফফর)
(সূত্রঃ বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান)

১,১৫৬.
হাইকোর্ট কবে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী আংশিকভাবে বাতিল ঘোষণা করে?
  1.  ১০ ডিসেম্বর, ২০২৪
  2. ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪
  3. ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৪
  4. ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৪
সঠিক উত্তর:
১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪
ব্যাখ্যা

• পঞ্চদশ সংশোধনী:
- ২০১১ সালের ৩০ জুন, সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মূলনীতিগুলো পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।
- রাষ্ট্রের মূলনীতি হিসাবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়।
- এই সংশোধনীতে ৫৪টি পরিবর্তন আনা হয়েছিলো।

গুরত্বপূর্ণ কিছু সংশোধনী:
• তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল;
• সংরক্ষিত মহিলা আসন ৪৫ থেকে ৫০ করা;
• জরুরী অবস্থার মেয়াদ অনধিক ১২০ দিন করা হয়;
• সংবিধানে নতুন তিনটি তফসিল যুক্ত করা হয়- যথা পঞ্চম, ষষ্ঠ, ও সপ্তম।

উল্লেখ্য,
⇒ ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলসংক্রান্ত সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী আংশিক অবৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট।
- বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।
- রায়ে আদালত পঞ্চদশ সংশোধনীর মোট ছয়টি বিধান বাতিল করেছে।
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল ও গণভোট পদ্ধতি ফিরিয়ে আনা হয় এই রায়ের মাধ্যমে।

তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা।

১,১৫৭.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে মৌলিক মানবাধিকারের নিশ্চয়তার কথা বলা হয়েছে?
  1. ১০ নং অনুচ্ছেদ
  2. ১১ নং অনুচ্ছেদ
  3. ২৭ নং অনুচ্ছেদ
  4. ৪০ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
১১ নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সংবিধারে ১১ নং অনুচ্ছেদে মৌলিক মানবাধিকারের নিশ্চয়তার কথা বলা হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে,
“প্রজাতন্ত্র হইবে একটি গণতন্ত্র, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকিবে, মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হইবে এবং প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হইবে৷”
অন্যদিকে,
- ১০ নং অনুচ্ছেদ : সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি
- ২৭ নং অনুচ্ছেদ : আইনের দৃষ্টিতে সমতা
- ৪০ নং অনুচ্ছেদ : পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান)
১,১৫৮.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের বয়সের বিষয়ে বলা হয়েছে?
  1. ৬(১) নং
  2. ৪৮(৪) নং
  3. ৬৬(১) নং
  4. ১৯(১) নং
সঠিক উত্তর:
৬৬(১) নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৬(১) নং
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ৬৬(১) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য পদে নির্বাচিত হওয়ার ন্যূনতম বয়স ২৫ বছর।
অন্যদিকে,
- ৪৮(৪) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হওয়ার ন্যূনতম বয়স ৩৫ বছর।
- ৬(১) বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইনের দ্বারা নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হবে।
- ১৯(১) সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করিতে রাষ্ট্র সচেষ্ট হবেন।

সূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।
১,১৫৯.
'মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ' সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ কোনটি?
  1. ৪৪
  2. ৪৫
  3. ৪৬
  4. ৪৭
সঠিক উত্তর:
৪৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৪
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ - ৪৪: মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ
১. এই ভাগে প্রদত্ত অধিকারসমূহ বলবৎ করার  জন্য এই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগের নিকট মামলা রুজু করার অধিকারের নিশ্চয়তা দান করা হল।
২. এই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীন হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতার হানি না ঘটিয়ে সংসদ আইনের দ্বারা অন্য কোন আদালতকে তার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে ঐ সকল বা তার যে কোন ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষমতা দান করিতে পারবে।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ - ৪৫ : শৃঙ্খলামূলক আইনের ক্ষেত্রে অধিকারের পরিবর্তন।
- অনুচ্ছেদ - ৪৬ : দায়মুক্তি-বিধানের ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ - ৪৭ : কতিপয় আইনের হেফাজত।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান এবং আইন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।

১,১৬০.
নিচের কোনটি সংবিধান প্রণয়নের প্রথম পদক্ষেপ?
  1. ক) বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন
  2. খ) স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি
  3. গ) সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন
  4. ঘ) অস্থায়ী সংবিধান আদেশ
সঠিক উত্তর:
ঘ) অস্থায়ী সংবিধান আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অস্থায়ী সংবিধান আদেশ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধান প্রণয়ন:
- বাঙালি জাতি রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র সংগ্রাম ও বহু তাজা প্রাণের বিনিময়ে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছে।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে গঠিত মুজিবনগর সরকার স্বাধীনতার পর ঢাকা স্থানান্তরিত হয়।
- ঢাকায় এসে এ সরকার প্রকৃত শাসনভার গ্রহণ করে।
- প্রবাসী সরকারের রাষ্ট্রপ্রধান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি পাকিস্তানী কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে লন্ডন হয়ে ঢাকায় আসেন।
- তার পরের দিন অর্থাৎ ১১ জানুয়ারি "বাংলাদেশ অস্থায়ী সংবিধান অধ্যাদেশ" জারি করা হয়।
- এ আদেশ জারিই হল বাংলাদেশ সংবিধানের প্রথম পদক্ষেপ।
- ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর বাংলাদেশে একটি নতুন ও সময়োপযোগী সংবিধান প্রণীত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৬১.
The main author of the handwritten constitution –
  1. ক) Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman
  2. খ) Syed Nazrul Islam
  3. গ) Dr. Kamal Hossain
  4. ঘ) Abdur Rauf
সঠিক উত্তর:
ঘ) Abdur Rauf
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Abdur Rauf
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- হস্তলিখিত সংবিধানের মূল লেখক ছিলেন শিল্পী আব্দুর রউফ।
- হস্তলিখিত সংবিধানে কারুকাজ করেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন।
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান ছিল - ৯৩ পৃষ্ঠার।
- হস্তলিখিত সংবিধানে প্রথম স্বাক্ষর করেন - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- হস্তলিখিত সংবিধানে মোট ৪০৩ জনের মধ্যে ৩৯৯ জন গণপরিষদ সদস্যের স্বাক্ষর রয়েছে। 
- হস্তলিখিত সংবিধানে স্বাক্ষর করেননি- সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, আজিজুর রহমান, জালালা আহমেদ, মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা। 
- একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন নি। 
- ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২  হতে বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১,১৬২.
নিচের কোন সংবিধানের সংশোধনী বাতিল হয়েছে?
  1. ১৪শ সংশোধনী
  2. ১৫শ সংশোধনী
  3. ১৬শ সংশোধনী
  4. ১৭শ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
১৬শ সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬শ সংশোধনী
ব্যাখ্যা
ষোড়শ সংশোধনী:
- ষোড়শ সংশোধনীর ফলে উচ্চ আদালতের বিচারপতিগণের অভিশংসন প্রক্রিয়াটির জাতীয় সংসদের নিকট অর্পিত হয়।
- পূর্বে উচ্চ আদালতের বিচারকদের অসদাচরণের জন্য সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হতো।
- জনস্বার্থ মামলার মাধ্যমে সংশোধনীটি বিচারিক সিদ্ধান্তে বাতিল ঘোষিত হয়েছে।

- এর মধ্যে চারটি সংশোধনী হাইকোর্ট কর্তৃক বাতিল ঘোষিত হয়েছে।
এগুলো হলো:
• পঞ্চম সংশোধনী (১৯৭৯) : বাতিল (আগস্ট ২০০৫)
• সপ্তম সংশোধনী (১৯৮৬) : বাতিল (আগস্ট ২০১০)
• ত্রয়োদশ সংশোধনী (১৯৯৬) : বাতিল (২০১১)
• ষোড়শ সংশোধনী (২০১৪) : বাতিল (২০১৭)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,১৬৩.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে ‘চলাফেরার স্বাধীনতা‘ বিষয়টি উল্লেখ আছে?
  1. ৩৬ নং অনুচ্ছেদে
  2. ৩৭ নং অনুচ্ছেদে
  3. ৩৮ নং অনুচ্ছেদে
  4. ৩৯ নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
৩৬ নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- ৩৬ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে- চলাফেরার স্বাধীনতা।
এছাড়াও -
- ৩৭ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে- সমাবেশে স্বাধীনতা।
- ৩৮ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে- সংগঠনের স্বাধীনতা।
- ৩৯ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে- চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা।

উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান
১,১৬৪.
নিচের কোনটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নয়?
  1. ক) বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন
  2. খ) জাতীয় মানবাধিকার কমিশন
  3. গ) মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়
  4. ঘ) এটর্নি জেনারেলের কার্যালয়
সঠিক উত্তর:
খ) জাতীয় মানবাধিকার কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জাতীয় মানবাধিকার কমিশন
ব্যাখ্যা
- সংবিধানের সুস্পষ্ট বিধি মোতাবেক যে প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তাদের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান বলা হয়।

বাংলাদেশের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে রয়েছে:
- বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন
- এটর্নি জেনারেলের কার্যালয়
- বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন
- মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়
- জাতীয় সংসদ।

অন্যদিকে,
- বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন, জীবন বীমা কর্পোরেশন ও জাতীয় মানবাধিকার কমিশন হলো সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান।

(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ সংবিধান এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান : স্নাতক শ্রেণি)
১,১৬৫.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন ভাগে 'সংবিধান-সংশোধন' সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. চতুর্থ ভাগ
  2. ষষ্ঠ ভাগ
  3. সপ্তম ভাগ
  4. দশম ভাগ
সঠিক উত্তর:
দশম ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দশম ভাগ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয় ৷
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর।
- সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।

সংবিধানের ভাগ:
- প্রথম ভাগ: প্রজাতন্ত্র,
- দ্বিতীয় ভাগ: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি,
- তৃতীয় ভাগ: মৌলিক অধিকার,
- চতুর্থ ভাগ: নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগ: আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগ: বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগ: নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগ: মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগ: বাংলাদেশের কর্মবিভাগ,
- দশম ভাগ: সংবিধান-সংশোধন,
- একাদশ ভাগ: বিবিধ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১,১৬৬.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে 'অধস্তন আদালতসমূহ প্রতিষ্ঠা' সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ১০৮ নং
  2. ১১৪ নং
  3. ১১৭ নং
  4. ১২৩ নং
সঠিক উত্তর:
১১৪ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৪ নং
ব্যাখ্যা
বিচার বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদসমূহ: 
অনুচ্ছেদ ৯৪ - সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা
অনুচ্ছেদ ৯৫ - প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হবেন এবং প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করে রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করবেন
অনুচ্ছেদ ৯৬ - বিচারকের পদের মেয়াদ
অনুচ্ছেদ ৯৭ - অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ।
অনুচ্ছেদ ৯৮ - সুপ্রিম কোর্টের অতিরিক্ত বিচারকগণ।
অনুচ্ছেদ ৯৯ - অবসরের পর বিচারকের অক্ষমতা।
অনুচ্ছেদ ১০০ - সুপ্রিম কোর্টের আসন।
অনুচ্ছেদ ১০২ - হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতা।
অনুচ্ছেদ ১০৮ - 'কোর্ট অব রেকর্ড' রূপে সুপ্রীম কোর্ট।
অনুচ্ছেদ ১১৪ - অধস্তন আদালতসমূহ প্রতিষ্ঠা।
অনুচ্ছেদ ১১৭ - প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালসমূহ

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
১,১৬৭.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে ‘দ্বৈত-সদস্যতায় বাধা’ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ৭১ নং
  2. ৭২ নং
  3. ৭৩ নং
  4. ৭৬ নং
সঠিক উত্তর:
৭১ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭১ নং
ব্যাখ্যা
দ্বৈত-সদস্যতায় বাধা:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭১ নং অনুচ্ছেদে ‘দ্বৈত-সদস্যতায় বাধা’ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ সংবিধানের ৭১ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী,
(১) কোনো ব্যক্তি একই সময়ে দুই বা ততোধিক নির্বাচনী এলাকার সংসদ-সদস্য হবেন না।
(২) কোনো ব্যক্তির একই সময়ে দুই বা ততোধিক নির্বাচনী এলাকা হইতে নির্বাচনপ্রার্থী হওয়ায় এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় বর্ণিত কোনো কিছুই প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে না, তবে তিনি যদি একাধিক নির্বাচনী এলাকা হতে নির্বাচিত হন তা হলে-
(ক) তাঁহার সর্বশেষ নির্বাচনের ত্রিশ দিনের মধ্যে তিনি কোন নির্বাচনী এলাকার প্রতিনিধিত্ব করতে ইচ্ছুক, তা জ্ঞাপন করে নির্বাচন কমিশনকে একটি স্বাক্ষরযুক্ত ঘোষণা প্রদান কঢ়বেন এবং তিনি অন্য যে সকল নির্বাচনী এলাকা হতে নির্বাচিত হয়েছিলেন, অতঃপর সেই সকল এলাকার আসনসমূহ শূন্য হবে;
(খ) এই দফার (ক) উপ-দফা মান্য করতে অসমর্থ হলে তিনি যে সকল আসনে নির্বাচিত হয়েছিলেন, সেই সকল আসন শূন্য হবে।

এছাড়া,
- ৭২ নং অনুচ্ছেদ সংসদের অধিবেশন,
- ৭৩ নং অনুচ্ছেদ সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও বাণী, 
- ৭৪ নং অনুচ্ছেদ সংসদ সম্পর্কে মন্ত্রীগণের অধিকার সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১,১৬৮.
'প্রজাতন্ত্রের জাতীয় পতাকা হলো সবুজ ক্ষেত্রের উপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট বৃত্ত'-এটি উল্লেখ আছে সংবিধানের যে অনুচ্ছেদে -
  1. ৪ (১) নং
  2. ৪ (২) নং
  3. ৪ (৩) নং
  4. ৪ (৪) নং
সঠিক উত্তর:
৪ (২) নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ (২) নং
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম ভাগের ৪ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী -
(১) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় সঙ্গীত 'আমার সোনার বাংলা'র প্রথম দশ চরণ।
(২) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় পতাকা হলো সবুজ ক্ষেত্রের উপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট বৃত্ত।
(৩) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় প্রতীক হলো উভয় পার্শ্বে ধান্যশীর্ষবেষ্টিত, পানিতে ভাসমান জাতীয় পুষ্প শাপলা, তাহার শীর্ষদেশে পাটগাছের তিনটি পরস্পরসংযুক্ত পত্র, তার উভয় পার্শ্বে দুইটি করে তারকা।
(৪) উপরি-উক্ত দফাসমূহ-সাপেক্ষে জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক সম্পর্কিত বিধানাবলী আইনের দ্বারা নির্ধারিত হবে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১,১৬৯.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ২৩
  2. অনুচ্ছেদ ২১
  3. অনুচ্ছেদ ১৯
  4. অনুচ্ছেদ ২০
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৯
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৯-এ সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্র মানুষে মানুষে সামাজিক ও অর্থনৈতিক অসাম্য দূর করতে সচেষ্ট থাকবে।
- সম্পদের সুষম বণ্টন ও জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাও এর অন্তর্ভুক্ত।

অন্যদিকে: 
অনুচ্ছেদ ২৩ - জাতীয় সংস্কৃতি। 
অনুচ্ছেদ ২১ - নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য। 
অনুচ্ছেদ ২০ - অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর্ম। 

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান। 

১,১৭০.
বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হওয়ার সময় স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেন-
  1. ক) শাহ আবদুল হামিদ
  2. খ) মোহাম্মদ বায়তুল্লাহ
  3. গ) মোহাম্মদ উল্লাহ
  4. ঘ) আব্দুল মালেক উকিল
সঠিক উত্তর:
গ) মোহাম্মদ উল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মোহাম্মদ উল্লাহ
ব্যাখ্যা
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।
- এরপর গণপরিষদ ভেঙে দেওয়া হয়।
- গণপরিষদের স্পিকার শাহ আব্দুল হামিদ মৃত্যুবরণ করায় (১২ অক্টোবর ১৯৭২) ইতােমধ্যে মােহাম্মদ উল্লাহকে স্পিকার ও ডেপুট স্পিকার নির্বাচিত করা হয়। 
- শাহ আবদুল হামিদ গণপরিষদের প্রথম স্পিকার।
- মোহাম্মদ উল্লাহ জাতীয় সংসদের প্রথম স্পিকার এবং গণপরিষদের প্রথম ডেপুটি স্পিকার।
- মোহাম্মদ বায়তুল্লাহ জাতীয় সংসদের প্রথম ডেপুটি স্পিকার।
- আব্দুল মালেক উকিল জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় স্পিকার।

সূত্র:- জাতীয় সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট এবং বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান।
১,১৭১.
সংবিধান অনুসারে রাষ্ট্র পরিচালনার ‍মূলনীতি কোনটি?
  1. ক) গণতন্ত্র ও মানবাধিকার
  2. খ) কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি
  3. গ) সুযোগের সমতা
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে ৮ নং থেকে ২৫ নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বর্ণনা করা হয়েছে। ৮(১) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা এবং এসব নীতি থেকে উদ্ভূত সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে বর্ণিত অন্য সকল নীতি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে পরিগণিত হবে।
(সূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান)
১,১৭২.
কোনটি বলবৎ করার মধ্য দিয়ে গণপরিষদ বাতিল বলে ঘোষণা করা হয়?
  1. ক) ১৯৭৩ সালের নির্বাচন
  2. খ) বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন
  3. গ) বাংলাদেশ সংবিধান
  4. ঘ) ১৯৭৩ সালের সরকার গঠন
সঠিক উত্তর:
গ) বাংলাদেশ সংবিধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বাংলাদেশ সংবিধান
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ আবির্ভূত হয় একটি স্বাধীন দেশ রূপে।
- স্বাধীনতার পর পরই বাঙালি জাতি সংবিধান প্রণয়নে মনোনিবেশ করে।
-  জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি পাকিস্তানী কারাগার থেকে ঢাকা প্রত্যাবর্তন করেন। 
- পরের দিনই সংবিধান রচনার নির্দেশ দেন। এ আদেশ বাংলাদেশে সংবিধান রচনার প্রথম পদক্ষেপ। 
- ২৩ মার্চ সংবিধান রচনার উদ্দেশ্যে একটি ৪৩০ সদস্যবিশিষ্ট গণপরিষদ গঠন করা হয়। 
- ১৯৭২ সালের ১০ অক্টোবর ঢাকায় গণপরিষদের উদ্বোধনী অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। 
- এ অধিবেশনে ৩৪ সদস্য বিশিষ্ট একটি সংবিধান কমিটি গঠন করা হয়। 
- এ কমিটির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তৎকালীন আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ড. কামাল হোসেন। 
- ড. কামাল হোসেন ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর গণপরিষদে খসড়া বিধান পেশ করেন।
-  পরিশেষে ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর উক্ত সংবিধান বলবৎ করা হয়। 
- ঐ দিন থেকে গণপরিষদ বাতিল বলে ঘোষণা করা হয়।
 
উৎস: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,১৭৩.
Which article of the constitution of Bangladesh ensure the separation of the judiciary from the executive organs of the state?
  1. article 23
  2. article 22
  3. article 36
  4. article 29
  5. article 24
সঠিক উত্তর:
article 22
উত্তর
সঠিক উত্তর:
article 22
ব্যাখ্যা
বিচার বিভাগ:
- বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ স্বাধীন হয়: ১ নভেম্বর ২০০৭ সালে।
 
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ সংবিধানের ২২নং অনুচ্ছেদে নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের কথা বলা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদটি বাহাত্তরের মূল সংবিধানের অংশ হলেও তা কার্যকর হয় ২০০৭ সালে। 
 
অন্যদিকে,
- ২৩নং অনুচ্ছেদ : জাতীয় সংস্কৃতি সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ২৯ নং অনুচ্ছেদ : সরকারি নিয়োগ লাভে সুযোগের সমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ২৪নং অনুচ্ছেদ : জাতীয় স্মৃতি নিদর্শন সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ৩৬ নং অনুচ্ছেদ: চলাফেরার স্বাধীনতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
 
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১,১৭৪.
জাতীয় সংসদের কোরামপূর্ণ হওয়ার জন্যে ন্যূনতম কতজন সংসদ সদস্যের উপস্থিতির প্রয়োজন হয়?
  1. ৫০ জন
  2. ৬০ জন
  3. ৯০ জন
  4. ১০০ জন
সঠিক উত্তর:
৬০ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ জন
ব্যাখ্যা
- জাতীয় সংসদের মোট সদস্য সংখ্যার কমপক্ষে ৬০ জন সদস্য উপস্থিত থাকলে সংসদ অধিবেশন পরিচালনা করা যায় বা কোরাম পূর্ণ হয়। সদস্যের উপস্থিতি ৬০ জন বা তার অধিক হলে স্পিকার সংসদের বৈঠক শুরু করেন।
- ‍অধিবেশন চলাকালে যদি সদস্য সংখ্যা ৬০ জনের কম হয় সেক্ষেত্রে স্পিকার বৈঠক মূলতবি রেখে কোরাম পূর্ণ হওয়ার জন্যে অপেক্ষা করে থাকেন।
(তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১,১৭৫.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে পররাষ্ট্রনীতি সম্পর্কিত বলা হয়েছে?
  1. ক) অনুচ্ছেদ ২৮
  2. খ) অনুচ্ছেদ ২৭
  3. গ) অনুচ্ছেদ ২৬
  4. ঘ) অনুচ্ছেদ ২৫
সঠিক উত্তর:
ঘ) অনুচ্ছেদ ২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অনুচ্ছেদ ২৫
ব্যাখ্যা
•বাংলাদেশ সংবিধান:
- পররাষ্ট্রনীতি সম্পর্কিত নীতিসমূহ:
- বাংলাদেশ সংবিধানে ২৫ নং অনুচ্ছেদ অন্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা।
- আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান করা
-আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগ পরিহার এবং সাধারণ ও সম্পূর্ণ নরস্ত্রীকরণের জন্য চেষ্টা করা।
- প্রত্যেক জাতির স্বাধীন অভিপ্রায় অনুযায়ী নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ ও গঠনের অধিকার ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণবৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে সমর্থন করবে।

উৎস:-বাংলাদেশের সংবিধান এবং Live Mcq Lecture.
১,১৭৬.
Bangabandhu's historic speech on March 7 has been included in which schedule of the constitution?
  1. ক) Fourth Schedule
  2. খ) Fifth Schedule
  3. গ) Sixth Schedule
  4. ঘ) Seventh Schedule
সঠিক উত্তর:
খ) Fifth Schedule
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Fifth Schedule
ব্যাখ্যা
পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধানে আরও ৩টি তফসিল সংযোজন করা হয়।
১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ সংবিধানের পঞ্চম তফসিলে সংযোজন করা হয়।
বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল আছে।
- প্রথম তফসিলঃ অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
- দ্বিতীয় তফসিলঃ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বর্তমানে বিলুপ্ত।
- তৃতীয় তফসিলঃ শপথ ও ঘোষণা।
- চতুর্থ তফসিলঃ ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।
- পঞ্চম তফসিলঃ ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ।
- ষষ্ঠ তফসিলঃ স্বাধীনতার ঘোষণা।
- সপ্তম তফসিলঃ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

[উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।]
১,১৭৭.
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে প্রথম কোন সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়?
  1. পঞ্চম
  2. ষষ্ঠ
  3. সপ্তম
  4. অষ্টম
সঠিক উত্তর:
সপ্তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সপ্তম
ব্যাখ্যা

• তত্ত্বাবধায়ক সরকার:
- ১৯৯৬ সালের ২৭ মার্চ জাতীয় সংসদে তত্ত্বাবধায়ক সরকার আইন পাস হয়।
- ১৯৯৬ সালের ৩০ মার্চ বিচারপতি হাবিবুর রহমান কে প্রধান উপদেষ্টা করে সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়।
- সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন সাংবিধানিকভাবে অনুষ্ঠিত প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন।

উল্লেখ্য,
- ২৭ মার্চ, ১৯৯৬ সালে ১৩তম সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রণয়ন করা হয়েছিল।
- ৩০ জুন, ২০১১ সালে ১৫তম সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধান থেকে 'তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা' বাতিল করা হয়।

উৎস:- আইন মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।

১,১৭৮.
’প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা’ সংবিধানের যে অনুচ্ছেদে রয়েছে- 
  1. অনুচ্ছেদ- ৩
  2. অনুচ্ছেদ- ২
  3. অনুচ্ছেদ- ২(ক)
  4. অনুচ্ছেদ- ৪
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ- ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ- ৩
ব্যাখ্যা

• অনুচ্ছেদ- ৩: প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা৷

• সংবিধানের অনুচ্ছেদ : 
- অনুচ্ছেদ- ১: প্রজাতন্ত্র।
- অনুচ্ছেদ- ২: প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা।
- অনুচ্ছেদ- ২(ক): রাষ্ট্রধর্ম।
- অনুচ্ছেদ- ৩: প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা৷
- অনুচ্ছেদে- ৪: জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১,১৭৯.
সংসদীয় ভাষায় 'বিল' বলতে বোঝায়-
  1. ক) রাষ্ট্রীয় খরচের হিসাব
  2. খ) সরকারী ক্রয়াদেশে
  3. গ) উন্নয়নের জন্য গৃহীত প্রস্তাব
  4. ঘ) আইনের খসড়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) আইনের খসড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আইনের খসড়া
ব্যাখ্যা

আইনের প্রাথমিক প্রস্তাবকে সংসদীয় ভাষায় বিল বলা হয়।
আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্যে সংসদে আনীত প্রত্যেকটি প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হয়। জাতীয় সংসদে উত্থাপিত আইনের খসড়াকে বিল বলে।
বিল দুই প্রকার। যথা- সরকারি বিল ও বেসরকারি বিল।
সরকারি বিল মন্ত্রিগণ উত্থাপন করেন এবং বেসরকারি বিল জাতীয় সংসদের সাধারণ সদস্যগণ উত্থাপন করেন।
সরকারি বিল উত্থাপনের জন্য ৭ দিন এবং বেসরকারি বিলের জন্য ১৫ দিনের নোটিশ প্রয়োজন হয়।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক

১,১৮০.
প্রধান বিচারপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করান কে?
  1. ক) স্পীকার
  2. খ) রাষ্ট্রপতি
  3. গ) আইনমন্ত্রী
  4. ঘ) প্রধানমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
খ) রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুযায়ী -
- রাষ্ট্রপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করান স্পিকার।
- স্পিকারকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি।
- প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপ মন্ত্রীকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি।
- সংসদ সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান স্পিকার।
- প্রধান বিচারপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান
১,১৮১.
সংবিধান অনুযায়ী নিম্নলিখিত কোনটি অর্থবিল হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. সরকার কর্তৃক ঋণ গ্রহণ বা গ্যারান্টি প্রদানের বিল
  2. সরকারের হিসাব-নিরীক্ষা সংক্রান্ত বিল
  3. সংযুক্ত তহবিলের উপর দায় আরোপ সংক্রান্ত বিল
  4. স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ফি বা লাইসেন্স-ফি আরোপ সংক্রান্ত বিল
সঠিক উত্তর:
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ফি বা লাইসেন্স-ফি আরোপ সংক্রান্ত বিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ফি বা লাইসেন্স-ফি আরোপ সংক্রান্ত বিল
ব্যাখ্যা

- স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ফি বা লাইসেন্স-ফি আরোপ সংক্রান্ত বিল অর্থবিল হিসেবে গণ্য হবে না। 

অর্থবিল:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৮১ নং অনুচ্ছেদে 'অর্থবিল' নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
- সরকার যদি দেশের উন্নয়নের জন্য কোন ঋণ গ্রহণ করেন এবং এই সম্পর্কিত কোন বিল সংসদে উত্থাপন করেন তাহলে সেই বিলকে অর্থবিল বলে। 

⇒ ৮১ (১) এই ভাগে "অর্থবিল" বলতে শুধুমাত্র নিম্নলিখিত বিষয়সমূহের সকল বা যে কোন একটি সম্পর্কিত বিধানাবলী-সংবলিত বিল বুঝবে:
- (ক) কোন কর আরোপ, নিয়ন্ত্রণ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণ;
- (খ) সরকার কর্তৃক ঋণগ্রহণ বা কোন গ্যারান্টি দান, কিংবা সরকারের আর্থিক দায়-দায়িত্ব সম্পর্কিত আইন সংশোধন;
- (গ) সংযুক্ত তহবিলের রক্ষণাবেক্ষণ, অনুরূপ তহবিলে অর্থপ্রদান বা অনুরূপ তহবিল হতে অর্থ দান বা নির্দিষ্টকরণ;
- (ঘ) সংযুক্ত তহবিলের উপর দায় আরোপ কিংবা অনুরূপ কোন দায় রদবদল বা বিলোপ;
- (ঙ) সংযুক্ত তহবিল বা প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাব বাবদ অর্থপ্রাপ্তি, কিংবা অনুরূপ অর্থ রক্ষণাবেক্ষণ বা দান, কিংবা সরকারের হিসাব-নিরীক্ষা;
- (চ) উপরি-উক্ত উপ-দফাসমূহে নির্ধারিত যে কোন বিষয়ের অধীন কোন আনুষঙ্গিক বিষয়।

⇒ ৮১ (২) কোন জরিমানা বা অন্য অর্থদণ্ড আরোপ বা রদবদল, কিংবা লাইসেন্স-ফি বা কোন কার্যের জন্য ফি বা উসুল আরোপ বা প্রদান কিংবা স্থানীয় উদ্দেশ্যসাধনকল্পে কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক কোন কর আরোপ, নিয়ন্ত্রণ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণের বিধান করা হয়েছে, কেবল এই কারণে কোন বিল অর্থবিল বলে গণ্য হবে না।

⇒ ৮১ (৩) রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য তাঁর নিকট পেশ করিবার সময়ে প্রত্যেক অর্থবিলে স্পীকারের স্বাক্ষরে এই মর্মে একটি সার্টিফিকেটে থাকিবে যে, তা একটি অর্থবিল, এবং অনুরূপ সার্টিফিকেট সকল বিষয়ে চূড়ান্ত হবে এবং সেই সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) বাংলাপিডিয়া।

১,১৮২.
বাংলাদেশের সংবিধানে কয়টি মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে?
  1. ১৬টি
  2. ১৮টি
  3. ১৯টি
  4. ২১টি
সঠিক উত্তর:
১৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮টি
ব্যাখ্যা

সংবিধানে মৌলিক অধিকার:
- বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় ভাগে ২৬ নং - ৪৭ নং অনুচ্ছেদ পর্যন্ত মৌলিক অধিকারসমূহ সন্নিবেশিত রয়েছে।
- সেখানে মোট অনুচ্ছেদ আছে ২২টি। এর মধ্যে ১৮টি মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে ২৭ থেকে ৪৪ অনুচ্ছেদে যে ১৮টি অধিকারের নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে, সেগুলোর নাম দেওয়া হয়েছে মৌলিক অধিকার।
- সংবিধানের ৪৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, এগুলো আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য। এই অধিকারগুলো ভঙ্গ করলে রাষ্ট্র প্রতিকার প্রদানে বাধ্য থাকে।
- সংবিধানের ২৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, এই অধিকারগুলোর সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ যেকোনো আইন বাতিল বলে গণ্য হবে।

উল্লেখ্য,
- মৌলিক অধিকারগুলো হলো: আইনের দৃষ্টিতে সমতা, ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য, সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা, বিদেশী, খেতাব, প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ, আইনের আশ্রয়-লাভের অধিকার, জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ, গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ, জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ, বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ, চলাফেরার স্বাধীনতা, সমাবেশের স্বাধীনতা, সংগঠনের স্বাধীনতা, চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা, পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা, ধর্মীয় স্বাধীনতা, সম্পত্তির অধিকার, গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ, দায়মুক্তি-বিধানের ক্ষমতা।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১,১৮৩.
”সুপ্রীম কোর্টের উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার”-সংক্রান্ত বিধান সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে?
  1. ১০১নং
  2. ১০৯নং
  3. ১০৩নং
  4. ১০৬নং
সঠিক উত্তর:
১০৬নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৬নং
ব্যাখ্যা

• ”সুপ্রীম কোর্টের উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার”-সংক্রান্ত বিধান সংবিধানের ১০৬নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে।

⇒ ১০৬নং অনুচ্ছেদ অনুসারে- যদি কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হয় যে, আইনের এইরূপ কোন প্রশ্ন উত্থাপিত হইয়াছে বা উত্থাপনের সম্ভাবনা দেখা দিয়াছে, যাহা এমন ধরনের ও এমন জনগুরুত্বসম্পন্ন যে, সেই সম্পর্কে সুপ্রীম কোর্টের মতামত গ্রহণ করা প্রয়োজন, তাহা হইলে তিনি প্রশ্নটি আপীল বিভাগের বিবেচনার জন্য প্রেরণ করিতে পারিবেন এবং উক্ত বিভাগ স্বীয় বিবেচনায় উপযুক্ত শুনানীর পর প্রশ্নটি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে স্বীয় মতামত জ্ঞাপন করিতে পারিবেন।

অন্যদিকে,
⇒ ১০১নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে- হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ার।
⇒ ১০৩নং অনুচ্ছেদ বর্ণিত আছে- আপীল বিভাগের এখতিয়ার
⇒ ১০৯নং অনুচ্ছেদ বর্ণিত আছে- আদালতসমূহের উপর তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১,১৮৪.
সংবিধানে জাতীয় সংসদের সদস্য সংখ্যা নির্ধারিত হয়েছে কোন অনুচ্ছেদে?
  1. ৬৪ অনুচ্ছেদে
  2. ৬৫ অনুচ্ছেদে
  3. ৬৭ অনুচ্ছেদে
  4. ৬৮ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
৬৫ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৫ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
- সংবিধানে জাতীয় সংসদের সদস্য সংখ্যা নির্ধারিত হয়েছে ৬৫ অনুচ্ছেদে।
- ৬৫ অনুচ্ছেদ অনুসারে, 
১. বাংলাদেশের সংসদের নাম হবে “জাতীয় সংসদ”। দেশের আইন তৈরি করার দায়িত্ব এই সংসদের।
২. সংসদ চাইলে কোনো ব্যক্তি বা সংস্থাকে নিয়ম-কানুন বা আইন তৈরি করার ক্ষমতা দিতে পারবে।
৩. সংসদ গঠিত হয় ৩০০ জন নির্বাচিত সদস্য নিয়ে, যারা দেশের বিভিন্ন এলাকার মানুষ সরাসরি ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেন।
৪. আরও ৫০টি আসন শুধু নারীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। এসব আসনে নারীরা নির্বাচিত হবেন সংসদের সদস্যদের ভোটে আনুপাতিক পদ্ধতিতে।
তবে, নারীরা চাইলে সরাসরি ভোটেও (৩০০ আসনের মধ্যে) নির্বাচন করতে পারবেন।
৫. সংবিধান অনুযায়ী বর্তমানে সংসদে ৩০০ জন সাধারণ সদস্য + ৫০ জন নারী সদস্য, মোট ৩৫০ জন সদস্য রয়েছেন।
৬. রাজধানীতে সংসদের আসন থাকবে। 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১,১৮৫.
'জাতীয় স্মৃতি নিদর্শন' সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বলা আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ২৩
  2. অনুচ্ছেদ ২২
  3. অনুচ্ছেদ ২১
  4. অনুচ্ছেদ ২৪
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৪
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- 'জাতীয় স্মৃতি নিদর্শন' সংবিধানের ২৪নং অনুচ্ছেদে বলা আছে। 

অন্যদিকে,
- ২৩নং অনুচ্ছেদ : জাতীয় সংস্কৃতি। 
- ২১নং অনুচ্ছেদ : নাগরিক ও সরকারি কর্মচারীদের কর্তব্য।
- ২২নং অনুচ্ছেদ : নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের কথা বলা হয়েছে।

উৎস:- বাংলাদেশের সংবিধান।
১,১৮৬.
বাকস্বাধীনতা, মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয় সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদবলে?
  1. ৩৮ অনুচ্ছেদ
  2. ৩৯ অনুচ্ছেদ
  3. ৩৭ অনুচ্ছেদ
  4. ৩৬ অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
৩৯ অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৯ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা
৩৯। (১) চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তাদান করা হইল।
২) রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত-অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ-সাপেক্ষে
(ক) প্রত্যেক নাগরিকের বাক্ ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের, এবং
(খ) সংবাদক্ষেত্রের স্বাধীনতার
নিশ্চয়তা দান করা হইল।

১,১৮৭.
বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি কোনটি?
  1. ক) শৃঙ্খলা বোধ
  2. খ) ভাতৃত্ববোধ
  3. গ) ঐক্য ও সংহতি
  4. ঘ) ধর্মীয় ঐক্য
সঠিক উত্তর:
গ) ঐক্য ও সংহতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ঐক্য ও সংহতি
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
অনুচ্ছেদ - ৯: জাতীয়তাবাদ
"ভাষাগত ও সংস্কৃতিগত একক সত্তাবিশিষ্ট যে বাঙালী জাতি ঐক্যবদ্ধ ও সংকল্পবদ্ধ সংগ্রাম করিয়া জাতীয় মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অর্জন করিয়াছেন, সেই বাঙালী জাতির ঐক্য ও সংহতি হইবে বাঙালী জাতীয়তাবাদের ভিত্তি।"

উৎস: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
১,১৮৮.
সংবিধানের কোন তফসিলে ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলীর উল্লেখ রয়েছে?
  1. প্রথম
  2. দ্বিতীয়
  3. তৃতীয়
  4. চতুর্থ
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ
ব্যাখ্যা
- সংবিধানের চতুর্থ তফসিলে ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলীর উল্লেখ রয়েছে। 

তফসিলসমূহ: 
- প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন, 
- দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বর্তমানে বিলুপ্ত), 
- তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা, 
- চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানবলী, 
- পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭-ই মার্চের ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণ, 
- ষষ্ঠ তফসিল: ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা, 
- সপ্তম তফসিল: ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল মুজিবনগর সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র। 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান। 
১,১৮৯.
বাংলাদেশের সংবিধানের ষষ্ঠ সংশোধনী কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত ছিল?
  1. সামরিক শাসনের বৈধতা প্রদান
  2. স্থানীয় সরকারের গঠন
  3. প্রধান বিচারপতির নিয়োগ
  4. উপ-রাষ্ট্রপতি পদের নির্বাচন
সঠিক উত্তর:
উপ-রাষ্ট্রপতি পদের নির্বাচন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপ-রাষ্ট্রপতি পদের নির্বাচন
ব্যাখ্যা
ষষ্ঠ সংশোধনী:
- ১৯৮১ সালের ১০ জুলাই। 
- উপ-রাষ্ট্রপতিকে নির্বাচনযোগ্য পদের যোগ্যতাদান।
- উপরাষ্ট্রপতি নিয়োগযোগ্য হলেও তাকে প্রজাতন্ত্রের কর্মে লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত ব্যাক্তিরূপে নির্বাচনযোগ্য পদের যোগ্যতা হারাতে হবে না বলে বিধান করা হয়।

বাংলাদেশের সংবিধান সংশোধন:
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।
- ১৯৭২ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত মোট ১৭ বার বাংলাদেশের সংবিধান সংশোধিত হয়েছে।
- ১৯৭৩ সালে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্যে প্রথম সংশোধনী গৃহীত হয়।
- সর্বশেষ ২০১৮ সালে সংবিধানের ১৭তম সংশোধনী গৃহিত হয়।
- সপ্তদশ সংশোধনীর বিষয়বস্তু ছিল সংবিধানে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্যদের মেয়াদ বৃদ্ধি।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান ও এসএসএইচএল প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৯০.
বাংলাদেশের সংবিধানে তফসিল আছে -
  1. ৪টি
  2. ৭টি
  3. ৯টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭টি
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় গণপরিষদের মাধ্যমে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- ১৯৭২ সালের ১১ অক্টোবর খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
১,১৯১.
বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন আইন, ২০২৩ অনুযায়ী BPSC গঠিত হবে -
  1. ১ জন সভাপতি এবং অন্যূন ৫ জন ও অনূর্ধ্ব ১৫ সদস্যের সমন্বয়ে।
  2. ১ জন সভাপতি এবং অন্যূন ৬ জন ও অনূর্ধ্ব ২০ সদস্যের সমন্বয়ে।
  3. ১ জন সভাপতি এবং অন্যূন ৭ জন ও অনূর্ধ্ব ২১ সদস্যের সমন্বয়ে।
  4. ১ জন সভাপতি এবং অন্যূন ৮ জন ও অনূর্ধ্ব ২২ সদস্যের সমন্বয়ে।
সঠিক উত্তর:
১ জন সভাপতি এবং অন্যূন ৬ জন ও অনূর্ধ্ব ২০ সদস্যের সমন্বয়ে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ জন সভাপতি এবং অন্যূন ৬ জন ও অনূর্ধ্ব ২০ সদস্যের সমন্বয়ে।
ব্যাখ্যা
কর্ম কমিশন আইন:
- জাতীয় সংসদে ১৬ জানুয়ারি, ২০২৩ সালে ‘বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন আইন-২০২৩ বিল’ পাস হয়েছে।
- কোনো পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের দায়ে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদন্ড এবং অর্থদন্ডের বিধান রাখা হয়েছে।
- ১ জন সভাপতি এবং অন্যূন ৬ জন ও অনূর্ধ্ব ২০ সদস্যের সমন্বয়ে
- কমিশন প্রজাতন্ত্রের জনবল নিয়োগের উদ্দেশে সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধিবিধান সাপেক্ষে পরীক্ষা নেওয়ার পদ্ধতি ও শর্তাবলি নির্ধারণ করতে পারবে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।[লিঙ্ক]
১,১৯২.
উপ-রাষ্ট্রপতির পদ বাতিলের বিধান সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে কার্যকর হয়?
  1. দশম
  2. একাদশ
  3. দ্বাদশ
  4. ত্রয়োদশ
সঠিক উত্তর:
দ্বাদশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বাদশ
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী:
- দ্বাদশ সংশোধনী আইন বাংলাদেশের সাংবিধানিক বিকাশের ইতিহাসে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে খ্যাত এই সংশোধনী আইন পাস হয় ১৯৯১ সালের ৬ আগস্ট।
- এর দ্বারা সংবিধানের ৪৮, ৫৫, ৫৬, ৫৮, ৫৯, ৬০, ৭০, ৭২. ১০৯, ১১৯, ১২৪, ১৪১ক এবং ১৪২ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়।

⇒ এই সংশোধনীর মাধ্যমে -
- বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার পদ্ধতির পুনঃপ্রবর্তন ঘটে;
- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রধান হন;
- প্রধানমন্ত্রী হন রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী;
- প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিপরিষদ জাতীয় সংসদের কাছে দায়বদ্ধ হয়;
- উপ-রাষ্ট্রপতির পদ বিলোপ করা হয়,
- জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিধান করা হয়।

তথ্যসূত্র: i) BBC.
ii) প্রথম আলো।

১,১৯৩.
২০০৪ সাল পর্যন্ত সংবিধান সংশোধন করা হয়েছে-
  1. ৫ বার
  2. ৭ বার
  3. ৮ বার
  4. ১৪ বার
সঠিক উত্তর:
১৪ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ বার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান সংশোধন:
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধান সর্বমোট ১৭বার সংশোধন হয়েছে। 

১ম সংশোধনী: সংবিধানের প্রথম সংশোধনী আনা হয় ১৯৭৩ সালের জুলাই মাসে।
২য় সংশোধনী: ১৯৭৩ সালের ২২ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় সংশোধনী আনা হয়।
৩য় সংশোধনী: মূলত ভারত ও বাংলাদেশের সীমানা নির্ধারণী একটি চুক্তি বাস্তবায়ন করার জন্য ১৯৭৪ সালের ২৩ নভেম্বর এ সংশোধনী আনা হয়।
৪র্থ সংশোধনী: ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি এ সংশোধনীর মাধ্যমেই বাংলাদেশের শাসন ব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটানো হয়।
৫ম সংশোধনী: জাতীয় সংসদে এ সংশোধনী আনা হয় ১৯৭৯ সালের ৬ এপ্রিল।
৬ষ্ঠ সংশোধনী: ১৯৮১ সালের ১০ জুলাই এ সংশোধনী আনা হয়।
৭ম সংশোধনী: ১৯৮৬ সালের ১১ নভেম্বর জাতীয় সংসদে সপ্তম সংশোধনী আনা হয়।
৮ম সংশোধনী: ১৯৮৮ সালের ৯ জুন সংবিধানে অষ্টম সংশোধনী আনা হয়।
৯ম সংশোধনী: নবম সংশোধনী আনা হয় ১৯৮৯ সালের ১১ জুলাই। 
১০ম সংশোধনী: ১৯৯০ সালের ১২ জুন দশম সংশোধনী বিল পাস হয়।
১১তম সংশোধনী: ১৯৯১ সালে এ সংশোধনী পাস হয়।
১২তম সংশোধনী: ১৯৯১ সালের ৬ আগস্টের এ সংশোধনীর মাধ্যমে ১৭ বছর পর দেশে পুনরায় সংসদীয় সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৩তম সংশোধনী: ১৯৯৬ সালের ২৭ মার্চ এ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নিরপেক্ষ-নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।
১৪তম সংশোধনী: ২০০৪ সালের ১৬ মে এ সংশোধনী আনা হয়।
১৫তম সংশোধনী: ২০১১ সালের ৩০ জুন, সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মূলনীতিগুলো পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।
১৬তম সংশোধনী: উচ্চ আদালতের বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা আইন প্রণেতাদের হাতে ফিরিয়ে দিতে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধন পাস হয় ২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর।
১৭তম সংশোধনী: ২০১৮ সালের ২৯ জানুয়ারি আনা হয় সপ্তদশ সংশোধনী।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১,১৯৪.
সংবিধানের তৃতীয় তফসিলের বিষয়বস্তু-
  1. অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন
  2. ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলি
  3. স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র
  4. শপথ ও ঘোষণা
সঠিক উত্তর:
শপথ ও ঘোষণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শপথ ও ঘোষণা
ব্যাখ্যা
সংবিধানের তফসিল: 
- প্রথম তফসিল- অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
- দ্বিতীয় তফসিল- রাষ্ট্রপতি নির্বাচন [বিলুপ্ত]
- তৃতীয় তফসিল- শপথ ও ঘোষণা।
- চতুর্থ তফসিল- ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলি।
- পঞ্চম তফসিল- ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ তারিখে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষন।
- ষষ্ঠ তফসিল- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাত শেষে অর্থাৎ ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক স্বাধীনতার ঘোষণা।
- সপ্তম তফসিল- ১০ এপ্রিল ১৯৭১ এ মুজিবনগর সরকারের জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।
১,১৯৫.
ভোটার হওয়ার যোগ্যতার কথা উল্লেখ আছে-
  1. ক) ১১৮ নং অনুচ্ছেদে
  2. খ) ১২০ নং অনুচ্ছেদে
  3. গ) ১২২ নং অনুচ্ছেদে
  4. ঘ) ১২৭ নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
গ) ১২২ নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১২২ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের সপ্তম ভাগে নির্বাচনের কথা উল্লেখ আছে। ১১৮ নং অনুচ্ছেদে নির্বাচন কমিশন গঠনের বিধান রাখা হয়েছে, ১২২ নং অনুচ্ছেদে ভোটার হওয়ার যোগ্যতার কথা উল্লেখ আছে। ১২৭ নং অনুচ্ছেদে মহা হিসাব নিরীক্ষক পদের প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে।
উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান।
১,১৯৬.
বাংলাদেশ সংবিধানের ষষ্ঠ অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয় কোনটি?
  1. বিচার বিভাগ
  2. আইনসভা
  3. নির্বাচন
  4. নির্বাহী বিভাগ
সঠিক উত্তর:
বিচার বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচার বিভাগ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধানের ১১টি অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়সমূহ:
• প্রথম অধ্যায় - প্রজাতন্ত্র।
• দ্বিতীয় অধ্যায় - রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।
• তৃতীয় অধ্যায় - মৌলিক অধিকার।
• চতুর্থ অধ্যায় - নির্বাহী বিভাগ।
• পঞ্চম অধ্যায় - আইনসভা।
• ষষ্ঠ অধ্যায় - বিচার বিভাগ।
• সপ্তম অধ্যায় - নির্বাচন। 
• অষ্টম অধ্যায় - মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
• নবম অধ্যায় - বাংলাদেশের কর্মবিভাগ।
• দশম অধ্যায় - সংবিধানের সংশোধন।
• একাদশ অধ্যায় - বিবিধ।
 
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
১,১৯৭.
বাংলাদেশে ন্যায়পাল আইন প্রণীত হয় কবে?
  1. ১৯৭৭ সালে
  2. ১৯৭৮ সালে
  3. ১৯৮০ সালে
  4. ১৯৮২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮০ সালে
ব্যাখ্যা
- ন্যায়পাল হচ্ছে রাষ্ট্র কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা যিনি সরকারি প্রতিষ্ঠান বা কর্মকর্তা-কর্মচারির বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ তদন্ত করতে পারেন।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৭ নং অনুচ্ছেদে ন্যায়পালের বিধান রয়েছে।
- সেই বিধান অনুসারে ১৯৮০ সালে ন্যায়পাল আইন প্রণয়ন করা হয়। কিন্তু এ যাবৎ কখনো ন্যায়পাল নিয়োগ দেওয়া হয়নি।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান)
১,১৯৮.
অনুচ্ছেদ ৭০ অনুযায়ী, কোন সংসদ সদস্য তাঁর দলের বিপক্ষে ভোট দিলে ফলাফল কী হবে?
  1. জরিমানা দিতে হবে
  2. তার আসন শূন্য হবে
  3. পুনরায় শপথ নিতে হবে
  4. পরবর্তী নির্বাচনে সংসদ-সদস্য হবার অযোগ্য হবে
সঠিক উত্তর:
তার আসন শূন্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার আসন শূন্য হবে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৭০: রাজনৈতিক দল হইতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়া:
কোন নির্বাচনে কোন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরূপে মনোনীত হইয়া কোন ব্যক্তি সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইলে তিনি যদি-
(ক) উক্ত দল হইতে পদত্যাগ করেন, অথবা
(খ) সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে ভোটদান করেন,

তাহা হইলে সংসদে তাঁহার আসন শূন্য হইবে, তবে তিনি সেই কারণে পরবর্তী কোন নির্বাচনে সংসদ-সদস্য হইবার অযোগ্য হইবেন না।

⇒ অনুচ্ছেদ ৭০ অনুযায়ী,
যদি কোনো ব্যক্তি একটি রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন, তাহলে তিনি সেই দলের প্রতি অনুগত থাকতে হবে। যদি তিনি:
১. দল থেকে পদত্যাগ করেন, অথবা
২. সংসদে নিজের দলের বিপক্ষে ভোট দেন,
তাহলে তাঁর সংসদ সদস্যের আসন শূন্য হয়ে যাবে (অর্থাৎ, তিনি আর সংসদ সদস্য থাকবেন না)। তবে, তিনি পরবর্তী নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন এবং সংসদ সদস্য নির্বাচিত হতে পারবেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
১,১৯৯.
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতি সংক্রান্ত নির্দেশনা সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ২৪নং
  2. ২৭নং
  3. ২৫নং
  4. ২৮নং
সঠিক উত্তর:
২৫নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫নং
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের ২৫নং অনুচ্ছেদ: আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন
- বাংলাদেশের সংবিধানের ২৫নং অনুচ্ছেদে পররাষ্ট্র নীতি সংক্রান্ত নির্দেশনা উল্লেখ করা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা, অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা-এই সকল নীতি হইবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি এবং এই সকল নীতির ভিত্তি।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ ২৪ নং: জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন, প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ২৭ নং: আইনের দৃষ্টিতে সমতা।।
- অনুচ্ছেদ ২৮ নং: ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১,২০০.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান গণপরিষদে গৃহীত হয় কবে?
  1. ১ অক্টোবর, ১৯৭২
  2. ১২ অক্টোবর, ১৯৭২
  3. ৪ নভেম্বর, ১৯৭২
  4. ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
৪ নভেম্বর, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ নভেম্বর, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় গণপরিষদের মাধ্যমে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- ১৯৭২ সালের ১১ অক্টোবর খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।