বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Constitutional Law

মোট প্রশ্ন৭৩১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Constitutional Law

PrepBank · পাতা / · ৬০১৭০০ / ৭৩১

৬০১.
সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২১ অনুযায়ী, নাগরিকদের দায়িত্বের মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. শৃঙ্খলা রক্ষা
  2. জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা
  3. জনগণের সেবা করা
  4. সংবিধান ও আইন মান্য করা
সঠিক উত্তর:
জনগণের সেবা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনগণের সেবা করা
ব্যাখ্যা

উত্তর: গ) জনগণের সেবা করা।

​অনুচ্ছেদ ২১: নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য
(১) সংবিধান ও আইন মান্য করা, শৃঙ্খলা রক্ষা করা, নাগরিক দায়িত্ব পালন করা এবং জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য।
(২) সকল সময়ে জনগণের সেবা করার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য।

Article 21: Duties of citizens and of public servants
(1) It is the duty of every citizen to observe the Constitution and the laws, to maintain discipline, to perform public duties and to protect public property.
(2) Every person in the service of the Republic has a duty to strive at all times to serve the people.

৬০২.
'বাংলাদেশ একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র' সংবিধানের কোথায় এর উল্লেখ আছে?
  1. প্রস্তাবনায়
  2. অনুচ্ছেদ ১
  3. অনুচ্ছেদ ৭
  4. অনুচ্ছেদ ৪(২)
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধান:  
- বাংলাদেশের সংবিধানের ১ নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে যে- বাংলাদেশ একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র, যাহা “গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ” নামে পরিচিত হইবে৷

অন্যদিকে, 
- সংবিধানের ৭ নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে - সংবিধানের প্রাধান্য।
- সংবিধানের ৪(২) নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে -  প্রজাতন্ত্রের জাতীয় পতাকা হইতেছে সবুজ ক্ষেত্রের উপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট বৃত্ত।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৬০৩.
বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৫১ অনুযায়ী, কয়টি আদেশ রহিত করা হয়েছে?
  1. ৫টি
  2. ৬টি
  3. ৭টি
  4. ৮টি
সঠিক উত্তর:
৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৫১: রহিতকরণ- রাষ্ট্রপতির নিম্নলিখিত আদেশসমূহ এতদ্বারা রহিত করা হইল:
(ক) আইনের ধারাবাহিকতা বলবৎকরণ আদেশ (১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল তারিখে প্রণীত);

(খ) ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ অস্থায়ী সংবিধান আদেশ;

(গ) ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ হাইকোর্ট আদেশ (১৯৭২ সালের পি.ও. নং ৫);

(ঘ) ১৯৭২ সালের বাংলদেশ মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক আদেশ (১৯৭২ সালের পি.ও. নং ১৫);

(ঙ) ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ (১৯৭২ সালের পি.ও. নং ২২);

(চ) ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন আদেশ (১৯৭২ সালের পি.ও. নং ২৫);

(ছ) ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশনসমূহ আদেশ (১৯৭২ সালের পি.ও. নং ৩৪);

(জ) ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ (সরকারী কর্ম সম্পাদন) আদেশ (১৯৭২ সালের পি.ও. নং ৫৮) ।
৬০৪.
If an enactment is re-enacted with modifications, what should be done regarding references to the original enactment?
  1. They should be disregarded entirely
  2. They should be explicitly removed
  3. They should be applied to the original enactment
  4. They should be interpreted as references to the modified re-enactment
সঠিক উত্তর:
They should be interpreted as references to the modified re-enactment
উত্তর
সঠিক উত্তর:
They should be interpreted as references to the modified re-enactment
ব্যাখ্যা
Section 8: Construction of references to repealed enactments:
(1) Where this Act, or any Act of Parliament or Regulation made after the commencement of this Act, repeals and re-enacts, with or without modification, any provision of a former enactment. then. references in any other enactment or in any instrument to the provision so repealed shall, unless a different intention appears, be construed as references to the provision so re-enacted.

ধারা ৮: রহিত আইনের ক্ষেত্রে বরাতের ব্যাখ্যা:

১) যে ক্ষেত্রে এই আইন, বা এই আইন প্রবর্তনের পরবর্তীতে প্রণীত সংসদের কোন আইন বা প্রবিধি, পূর্ববর্তী কোন আইনের বিধান পরিবর্তনসহ বা ব্যতীত, রহিত বা পুনঃ প্রবর্তন করে, সেইক্ষেত্রে ভিন্নরূপ কোন উদ্দেশ্য প্রতীয়মান না হইলে, অন্য কোন আইন বা দলিলে উক্তরূপে রহিত বিধানের বরাত, পুনঃ প্রবর্তিত বিধানের বরাত হিসাবে ব্যাখ্যাত হইবে।
৬০৫.
আপীল বিভাগের আদেশ, রীট ইত্যাদি জারির ক্ষমতা কোন পরিস্থিতিতে প্রয়োগ করা হয়?
  1. জরুরি অবস্থায়
  2. শুধুমাত্র আপীল শুনানির সময়
  3. রাষ্ট্রপতির আদেশে
  4. ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১০৪- আপীল বিভাগের পরোয়ানা জারী ও নির্বাহ-
কোন ব্যক্তির হাজিরা কিংবা কোন দলিলপত্র উদ্ঘাটন বা দাখিল করিবার আদেশসহ আপীল বিভাগের নিকট বিচারাধীন যে কোন মামলা বা বিষয়ে সম্পূর্ণ ন্যায়বিচারের জন্য যেরূপ প্রয়োজনীয় হইতে পারে, উক্ত বিভাগ সেইরূপ নির্দেশ, আদেশ, ডিক্রী বা রীট জারী করিতে পারিবেন।
৬০৬.
আইনের ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে গোল্ডেন রুলের মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. শব্দের আক্ষরিক অর্থই সর্বদা অনুসরণ করা
  2. অযৌক্তিক ফলাফল এড়াতে শব্দের অর্থ পরিবর্তনের অনুমতি দেওয়া
  3. আইন প্রণেতার উদ্দেশ্য উপেক্ষা করা
  4. বিচারককে আইন পরিবর্তনের ক্ষমতা প্রদান করা
সঠিক উত্তর:
অযৌক্তিক ফলাফল এড়াতে শব্দের অর্থ পরিবর্তনের অনুমতি দেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অযৌক্তিক ফলাফল এড়াতে শব্দের অর্থ পরিবর্তনের অনুমতি দেওয়া
ব্যাখ্যা
The Golden Rule of Interpretation of Statutes-
সংবিধান ও আইন ব্যাখ্যার গোল্ডেন রুল গোল্ডেন রুল হলো লিটারাল রুলের একটি সম্প্রসারণ বা বিস্তৃতি, যা বিচারকদেরকে শব্দের আক্ষরিক অর্থের বাইরে গিয়ে ব্যাখ্যা করার সুযোগ দেয়, যাতে অযৌক্তিক বা হাস্যকর ফলাফল এড়ানো যায়।

গোল্ডেন রুল অনুযায়ী,
আদালত সাধারণত ব্যবহৃত শব্দের প্রাকৃতিক এবং সাধারণ অর্থ অনুসরণ করবে।

গোল্ডেন রুল প্রয়োগের দুটি ধরণ-
সঙ্কীর্ণ (Narrow) প্রয়োগ:
এই পদ্ধতিতে রুল প্রযোজ্য হয় যখন আইনের কোনো শব্দ অস্পষ্ট বা একাধিক অর্থযুক্ত। আদালতের কাজ হলো সেই শব্দের মধ্যে প্রসঙ্গের সঙ্গে সবচেয়ে উপযুক্ত অর্থ নির্বাচন করা।

বিস্তৃত (Wider) প্রয়োগ:
এই পদ্ধতিতে রুল প্রয়োগ হয় যখন শব্দের একটি মাত্র আক্ষরিক অর্থ আছে, কিন্তু তা অনুসরণ করলে অযৌক্তিক বা হাস্যকর ফলাফল হবে। আদালত তখন সেই শব্দের ব্যাখ্যা পরিবর্তন করতে বা সামঞ্জস্য করতে পারে, যাতে আইন অনুযায়ী যৌক্তিক ফলাফল নিশ্চিত হয়।

গোল্ডেন রুলের গুরুত্ব:
- আদালতকে আইনের উদ্দেশ্য বা লেখকের ইচ্ছা অনুযায়ী ব্যাখ্যা করার দায়িত্ব দেয়, বিশেষ করে যখন আক্ষরিক অর্থ অনুসরণ করলে আইন অকার্যকর বা অযৌক্তিক হয়।
- আদালত শব্দের সাধারণ এবং গ্রামাটিক্যাল অর্থ পরিবর্তন বা সামঞ্জস্য করতে পারে, তবে শুধুমাত্র সেই সীমায় যা প্রয়োজনীয়।
- যখন শব্দের অর্থ স্পষ্ট এবং পরিষ্কার, আদালত অত্যধিক বিচ্যুতি করবে না, বরং শব্দের প্রাকৃতিক অর্থেই ব্যাখ্যা করবে।
৬০৭.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সরকারি নিয়োগে সমতার সুযোগের কথা বলা হয়েছে?
  1. ১৮ অনুচ্ছেদে
  2. ১৯ অনুচ্ছেদে
  3. ২৮ অনুচ্ছেদে
  4. ২৯ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
২৯ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ২৯ (সরকারি নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা):
(১) প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের ক্ষেত্রে সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা থাকিবে।

(২) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারীপুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিক প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের অযোগ্য হইবেন না কিংবা সেই ক্ষেত্রে তাঁহার প্রতি বৈষম্য প্রদর্শন করা যাইবে না।

(৩) এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই-
(ক) নাগরিকদের যে কোন অনগ্রসর অংশ যাহাতে প্রজাতন্ত্রের কর্মে উপযুক্ত প্রতিনিধিত্ব লাভ করিতে পারেন, সেই উদ্দেশ্যে তাঁহাদের অনুকূলে বিশেষ বিধান-প্রণয়ন করা হইতে,
(খ) কোন ধর্মীয় বা উপ-সম্প্রদায়ভুক্ত প্রতিষ্ঠানে উক্ত ধর্মাবলম্বী বা উপ-সম্প্রদায়ভুক্ত ব্যক্তিদের জন্য নিয়োগ সংরক্ষণের বিধান-সংবলিত যে কোন আইন কার্যকর করা হইতে,
(গ) যে শ্রেণীর কর্মের বিশেষ প্রকৃতির জন্য তাহা নারী বা পুরুষের পক্ষে অনুপযোগী বিবেচিত হয়, সেইরূপ যে কোন শ্রেণীর নিয়োগ বা পদ যথাক্রমে পুরুষ বা নারীর জন্য সংরক্ষণ করা হইতে রাষ্ট্রকে নিবৃত্ত করিবে না।
৬০৮.
High Court Judicature at Calcutta স্থাপিত হয় কত সালে?
  1. ১৮৬২
  2. ১৮৬১
  3. ১৮৭০
  4. ১৮৭২
সঠিক উত্তর:
১৮৬২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৬২
ব্যাখ্যা
High Court Judicature at Calcutta স্থাপিত হয় ১৮৬২ সালে।

- উপমহাদেশে সর্বপ্রথম ১৭২৬ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কলকাতা শহরে 'মেয়র কোর্ট স্থাপন করে।
- পরে মেয়র কোর্টের স্থলাভিষিক্ত হিসেবে, ব্রিটিশ রাজ পরিবার ১৭৭৪ সালে The Regulating Act of 1773' এর মাধ্যমে কলকতার ফোর্ট উইলিয়ামে 'সুপ্রীমকোর্ট' প্রতিষ্ঠা করে।
- ১৮৫৮ সালে কোম্পানি বিলুপ্ত করা হলে কলকাতা সুপ্রিম কোর্ট তার প্রাসঙ্গিকতা হারিয়ে ফেলে এবং ১৮৬১ সালের ভারতীয় হাইকোর্ট অ্যাক্টের মাধ্যমে এর বিলুপ্তি ঘটে।
- পরে ১ জুলাই ১৮৬২ সালে ফোর্ট উইলিয়ামে একটি হাইকোর্ট স্থাপিত হয়।
- সেই সময় এ হাইকোর্টের নাম ছিল- হাইকোর্ট অব জুডিকেচার।
- ১৮৭২ সালে স্যার বার্নেস পিকক প্রথম প্রধান বিচারপতি নিযুক্ত হন।
৬০৯.
"Nemo judex in causa sua" নীতিটি মূলত কোন বিচারিক মূলনীতির সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. শাস্তির মাত্রা নির্ধারণ
  2. ন্যায়বিচারে বিলম্ব
  3. অপরাধের অভিপ্রায়
  4. ন্যায়বিচারের নিরপেক্ষতা
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচারের নিরপেক্ষতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচারের নিরপেক্ষতা
ব্যাখ্যা
Legal Maxim: Nemo judex in causa sua
- Meaning (English): No one should be a judge in his own cause.
- বাংলা অর্থ:"কেউ নিজের মামলার বিচারক হতে পারে না।"

ব্যাখ্যা:
"Nemo judex in causa sua" একটি ন্যায়বিচারের মৌলিক নীতি। এই নীতির মূল লক্ষ্য ন্যায়বিচারে পক্ষপাতিত্ব থেকে বিরত থাকা। যদি কোনো ব্যক্তি নিজে কোনো মামলা বা বিরোধের পক্ষভুক্ত হন, তাহলে সে সেই মামলার বিচার করলে নিরপেক্ষতা থাকবে না। এতে ন্যায়বিচার লঙ্ঘিত হয়।

যদি কোনো বিচারক এমন একটি মামলার বিচার করেন যেখানে তার নিজের স্বার্থ জড়িত থাকে (যেমন: তার আত্মীয়পক্ষ মামলায় জড়িত), তাহলে সেটি "Nemo judex in causa sua" নীতির লঙ্ঘন হবে।
৬১০.
'Fiat justitia rout coelum'- এই প্রবচনটির অর্থ কী?
  1. Injustice anywhere is a threat to justice everywhere.
  2. If it were not for injustice, man would not know justice.
  3. Let justice be done, though haven fall.
  4. If you want peace, you must work for justice.
সঠিক উত্তর:
Let justice be done, though haven fall.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Let justice be done, though haven fall.
ব্যাখ্যা
⇒ Fiat justitia rout coelum- এই প্রবচনটির অর্থ হলো, 'Let justice be done, though haven fall.' আইনানুযায়ী সঠিক বিচার করাই বিচারকের মূল দায়িত্ব। পক্ষপাতিত্ব করার সুযোগ নেই। যে কোন মূল্যে সত্য উদঘাটন করাই বিচারকের অন্যতম কাজ।

গ) "Let justice be done, though haven fall."এই প্রবচনটির অর্থ হল "ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হোক, যদিও স্বর্গ ধ্বংস হয়ে যায়"। অর্থাৎ এটি একটি লাতিন প্রবাদবাক্য যা ন্যায়বিচারের গুরুত্ব তুলে ধরে। এর অর্থ হল যে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য যাই না হোক তা করা উচিত, এমনকি যদি তাতে স্বর্গও ধ্বংস হয়ে যায়। এটি ন্যায়বিচারের অগ্রাধিকারকে সর্বোচ্চ স্থান দেয়।
---------------------- 
ক) "Injustice anywhere is a threat to justice everywhere." অর্থ হল "যেখানেই অন্যায় হোক না কেন, সেটি সর্বত্র ন্যায়বিচারের জন্য একটি হুমকি"। এটি বলতে চায় যে অন্যায় কোথাও হলে তা সর্বত্র ন্যায়বিচারকে বিপন্ন করে। এটি একটি আন্দোলনমূলক বাক্য যা ন্যায়বিচারের জন্য লড়াই করার আহবান জানায়।

খ) "If it were not for injustice, man would not know justice." অর্থ হল "যদি অন্যায় না থাকত, তবে মানুষ ন্যায়বিচারকে চিনতে পারত না"। এটি একটি দার্শনিক বিবৃতি যা বলতে চায় যে অন্যায়ের অভিজ্ঞতা থেকেই মানুষ ন্যায়বিচারের গুরুত্ব বুঝতে পারে। প্রকৃতপক্ষে, ন্যায় ও অন্যায়ের তুলনামূলক অবস্থান থেকেই এদের সঠিক বোঝা আসে।
 
ঘ) "If you want peace, you must work for justice." অর্থ হল "যদি তুমি শান্তি চাও, তবে তোমাকে ন্যায়বিচারের জন্য কাজ করতে হবে"। এটি বলতে চায় যে শান্তি ও ন্যায়বিচারের মধ্যে একটি ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। ন্যায়বিচার না থাকলে শান্তি অর্জন করা সম্ভব নয়।
৬১১.
The General Clauses Act, 1897 এর ধারা ১৮ অনুযায়ী, কোনো নতুন আইন প্রণয়নের সময় “successors” শব্দটি উল্লেখ না করলে-
  1. আইন কার্যকর হবে না
  2. আইন কেবল বর্তমান কর্মকর্তার জন্য সীমিত থাকবে
  3. উত্তরাধিকারীদের উপরও আইন প্রযোজ্য হবে
  4. আইন শুধু প্রণেতার জন্য প্রযোজ্য হবে
সঠিক উত্তর:
উত্তরাধিকারীদের উপরও আইন প্রযোজ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তরাধিকারীদের উপরও আইন প্রযোজ্য হবে
ব্যাখ্যা

⇒ The General Clauses Act, 1897 এর ধারা ১৮ : উত্তরাধিকারীগণ (Successors):
(১) এই আইনের কার্যকর হওয়ার পর সংসদ কর্তৃক প্রণীত যে কোনো আইন বা বিধিমালায়, যদি কোনো পদাধিকারী (functionary) বা স্থায়ী ধারাবাহিক অস্তিত্বসম্পন্ন কোনো কর্পোরেশনের (corporation having perpetual succession) উত্তরাধিকারীদের (successors) প্রতি আইনের সম্পর্ক নির্দেশ করতে হয়,তাহলে শুধু উক্ত পদাধিকারী বা কর্পোরেশনের প্রতি সম্পর্ক উল্লেখ করলেই যথেষ্ট হবে।

সহজভাবে বললে:
কোনো আইন প্রণয়নের সময় “উত্তরাধিকারী” শব্দটি আলাদা করে উল্লেখ করার দরকার নেই - যদি কোনো পদ বা সংস্থার কথা বলা হয়, তবে সেই আইন স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার উত্তরাধিকারীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।

(২) এই ধারা নিম্নলিখিত ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে-
১৮৬৮ সালের ৩ জানুয়ারির পর প্রণীত সব সংসদীয় আইন (Acts of Parliament), এবং
১৮৮৭ সালের ১৪ জানুয়ারি বা তার পরে প্রণীত সব বিধিমালা (Regulations)-এর ক্ষেত্রে।

৬১২.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কোন ভাগের অনুচ্ছেদ সমূহ জাতীয় সংসদ সংশোধন করতে পারে?
  1. প্রথম
  2. দ্বিতীয়
  3. তৃতীয়
  4. চতুর্থ
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সংবিধানের ৭খ নং অনুচ্ছেদে সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে।
এতে বলা হয়,

“সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, সংবিধানের প্রস্তাবনা, প্রথম ভাগের সকল অনুচ্ছেদ, দ্বিতীয় ভাগের সকল অনুচ্ছেদ, নবম-ক ভাগে বর্ণিত অনুচ্ছেদসমূহের বিধানাবলী সাপেক্ষে তৃতীয় ভাগের সকল অনুচ্ছেদ এবং একাদশ ভাগের ১৫০ অনুচ্ছেদসহ সংবিধানের অন্যান্য মৌলিক কাঠামো সংক্রান্ত অনুচ্ছেদসমুহের বিধানাবলী সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন, রহিতকরণ কিংবা অন্য কোন পন্থায় সংশোধনের অযোগ্য হইবে।”

অর্থাৎ ৪র্থ ভাগের অনুচ্ছেদ সমূহ জাতীয় সংসদ যথাযথ কার্যবিধি অনুযায়ী সংশোধন করতে পারে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।
৬১৩.
"Actus non facit reum, nisi mens sit rea" প্রবচনটি কোন বিষয়কে নির্দেশ করে?
  1. অপরাধীর বিচার প্রক্রিয়া
  2. অপরাধীর শাস্তি নির্ধারণ
  3. অপরাধমূলক কাজে অপরাধীর মনের অবস্থা
  4. অপরাধ সংঘটনের সময় তার আইনগত ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক কাজে অপরাধীর মনের অবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক কাজে অপরাধীর মনের অবস্থা
ব্যাখ্যা
• Actus non facit reum, nisi mens sit rea (অপরাধমূলক অভিপ্রায় না থাকলে কোন কার্য ব্যক্তিকে অপরাধী করে না)

এই প্রবচনটির ইংরেজি প্রতিশব্দ হচ্ছে, 'An act does not make one guilty unless there be guilty intention. কোন অন্যায় বা নিষিদ্ধ কাজ ইচ্ছাকৃতভাবে যদি কেউ সংঘটন করে বা অবহেলা করে সম্পাদন করে তাহলে অনুরূপ কাজের জন্য তাকে দায়ী হতে হয়। ইচ্ছাকৃতভাবে সম্পাদিত কাজের ক্ষেত্রে ধরে নেয়া হয় যে, অনুরূপ কাজে আসামীর অপরাধমূলক অভিপ্রায় ছিল। আসামীকে শাস্তি দিতে হলে অপরাধ সংঘটনের সময়ে তার মনের যে অবস্থা ছিল তা প্রসিকিউসন পক্ষকে অবশ্যই প্রমাণ করতে হয়। অপরাধের প্রকৃতিভেদে অপরাধী মনেরও প্রকৃতিভেদ ঘটে।

এ প্রবচনটি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে Fowler v. Padget মামলায় প্রধান বিচারপতি Lord Kenyon বলেন, "The intent and the act must both concur to constitute the crime."
৬১৪.
নিম্নের কোন ব্যক্তি বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান মনোনীত হতে পারেন?
  1. আপীল বিভাগের বিচারক
  2. হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক
  3. সুপ্রিম কোর্টের অতিরিক্ত বিচারক
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
আপীল বিভাগের বিচারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপীল বিভাগের বিচারক
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ এর বিধি ৩(২)(ক) মোতাবেক-
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনীত হতে পারেন।

বর্তমানে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের (বিজেএসসি) চেয়ারম্যান হিসেবে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম দায়িত্ব পালন করছেন।
৬১৫.
“Judicis Est Jus Dicere Non Dare” নীতি অনুযায়ী বিচারকের প্রধান দায়িত্ব কী?
  1. বিচারকার্য দ্রুত করা
  2. আইন সংশোধন করা
  3. আইনের ব্যাখ্যা করা
  4. বিচার কার্যের নিরপেক্ষতা বজায় রাখা
সঠিক উত্তর:
আইনের ব্যাখ্যা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনের ব্যাখ্যা করা
ব্যাখ্যা

ম্যাক্সিম: "Judicis Est Jus Dicere Non Dare"
ইংরেজি অনুবাদ: “It is the duty of a judge to declare the law, not to make it.”
অর্থাৎ — বিচারকের কাজ হলো আইনের ব্যাখ্যা করা, নতুন আইন তৈরি করা নয়।

অর্থাৎ, বিচারকের কাজ হলো যে আইন ইতিমধ্যেই রাষ্ট্রের আইনসভা (সংসদ) দ্বারা প্রণীত হয়েছে, সেটির যথাযথ ব্যাখ্যা ও প্রয়োগ করা — নতুন আইন তৈরি করা বা পরিবর্তন করা তাঁর এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে না।

এই ম্যাক্সিমটি বিচার বিভাগের সীমা ও দায়িত্ব নির্দেশ করে। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে তিনটি মূল অঙ্গ রয়েছে -
আইনসভা (Legislature) — আইন প্রণয়ন করে।
নির্বাহী বিভাগ (Executive) — আইন কার্যকর করে।
বিচার বিভাগ (Judiciary) — আইন ব্যাখ্যা ও প্রয়োগ করে।

এই নীতির আলোকে বলা হয় -
- বিচারকগণ আইন তৈরি করতে পারেন না, তারা কেবল আইনকে বিশ্লেষণ, ব্যাখ্যা ও বাস্তব ক্ষেত্রে প্রয়োগ করতে পারেন।
- যদি কোনো বিষয়ে আইন অস্পষ্ট বা দ্ব্যর্থক হয়, তখন বিচারক ব্যাখ্যা দেবেন; কিন্তু তিনি নতুন আইন সংযোজন বা পরিবর্তন করতে পারবেন না।

৬১৬.
সংবিধান অনুসারে নির্বাচন-সংক্রান্ত বিষয়ে কে বিধান প্রণয়ন করতে পারে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. স্পিকার
  3. সংসদ
  4. সুপ্রিম কোর্ট
সঠিক উত্তর:
সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংসদ
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১২৪: নির্বাচন সম্পর্কে সংসদের বিধান প্রণয়নের ক্ষমতা

এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে সংসদ আইনের দ্বারা নির্বাচনী এলাকার সীমা নির্ধারণ, ভোটার-তালিকা প্রস্তুতকরণ, নির্বাচন অনুষ্ঠান এবং সংসদের যথাযথ গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য বিষয়সহ সংসদের নির্বাচন-সংক্রান্ত বা নির্বাচনের সহিত সম্পর্কিত সকল বিষয়ে বিধান প্রণয়ন করিতে পারিবেন।

Article 124: Parliament may make provision as to elections

Subject to the provisions of this Constitution, Parliament may by law make provision with respect to all matters relating to or in connection with elections to Parliament, including the delimitation of constituencies, the preparation of electoral rolls, the holding of elections, and all other matters necessary for securing the due Constitution of Parliament.
৬১৭.
বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৯ অনুযায়ী, কোন শর্তের অধীনে চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা সীমাবদ্ধ হতে পারে?
  1. জনশৃঙ্খলা
  2. রাষ্ট্রের নিরাপত্তা
  3. আদালত-অবমাননা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ৩৯: চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক-স্বাধীনতা:
(১) চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দান করা হইল।

(২) রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত-অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ সাপেক্ষে-
(ক) প্রত্যেক নাগরিকের বাক ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের, এবং
(খ) সংবাদপত্রের স্বাধীনতার; নিশ্চয়তা দান করা হইল। 

বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৯ অনুযায়ী, চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা সরাসরি কোনো শর্তের অধীনে সীমাবদ্ধ করার কথা উল্লেখ করা হয়নি। অনুচ্ছেদ ৩৯(১)-এ বলা হয়েছে যে, চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে, এবং এটি একটি মৌলিক অধিকার হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে, অনুচ্ছেদ ৩৯(২)-এ বাক ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতা এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট শর্তে যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ আরোপ করা যেতে পারে।

৬১৮.
'অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষার অধিকার' সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে দেয়া হয়েছে?
  1. ১৪ নং অনুচ্ছেদ
  2. ১৫ নং অনুচ্ছেদ
  3. ১৬ নং অনুচ্ছেদ
  4. ১৭ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
১৭ নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৭- অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা:
রাষ্ট্র,
ক) একই পদ্ধতির প্রণমুখী ও সার্বজনীন শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য এবং আইনের দ্বারা নির্ধারিত স্তর পর্যন্ত সকল বালক-বালিকাকে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষাদানের জন্য;
খ) সমাজের প্রয়োজনের সাথে শিক্ষাকে সঙ্গতিপূর্ণ করার জন্য এবং সেই প্রয়োজন সিদ্ধ করার উদ্দেশ্যে যথাযথ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও সদিচ্ছাপ্রণোদিত নাগরিক সৃষ্টির জন্য;
গ) আইনের দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিরক্ষরতা দূর করার জন্য; ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

Article 17: Free and compulsory education-
The State shall adopt effective measures for the purpose of –
(a) establishing a uniform, mass oriented and universal system of education and extending free and compulsory education to all children to such stage as may be determined by law;
(b) relating education to the needs of society and producing properly trained and motivated citizens to serve those needs; 
(c) removing illiteracy within such time as may be determined by law.
৬১৯.
"Every person in the service of the Republic has a duty to strive at all times to serve the people." এটি বাংলাদেশ সংবিধানের কত অনুচ্ছেদের বিধান?
  1. ১৮
  2. ২১
  3. ২৩
  4. ২৫
সঠিক উত্তর:
২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২১ এর বিধান নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য:
 (১) সংবিধান ও আইন মান্য করা, শৃঙ্খলা রক্ষা করা, নাগরিকদায়িত্ব পালন করা এবং জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য৷ 
 
(২) সকল সময়ে জনগণের সেবা করিবার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য৷
----------------
⇒ Article 21. Duties of citizens and of public servants:
(1) It is the duty of every citizen to observe the Constitution and the laws, to maintain discipline, to perform public duties and to protect public property. 

(2) Every person in the service of the Republic has a duty to strive at all times to serve the people.
৬২০.
বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৫ অনুচ্ছেদে কোন আদালত কর্তৃক রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা করার বিধান রয়েছে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. আপীল বিভাগ
  3. অধস্তন আদালত
  4. উল্লিখিত সকল আদালত
সঠিক উত্তর:
আপীল বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপীল বিভাগ
ব্যাখ্যা
• গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৫ অনুচ্ছেদ- আপীল বিভাগ কর্তৃক রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা:
সংসদের যে কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে এবং আপীল বিভাগ কর্তৃক প্রণীত যে কোন বিধি-সাপেক্ষে আপীল বিভাগের কোন ঘোষিত রায় বা প্রদত্ত আদেশ পুনর্বিবেচনার ক্ষমতা উক্ত বিভাগের থাকিবে।

Article 105- Review of judgments or orders by Appellate Division:
The Appellate Division shall have power, subject to the provisions of any Act of Parliament and of any rules made by that division to review any judgment pronounced or order made by it.
৬২১.
"সংসদের আইন" অর্থে সংসদ কর্তৃক প্রণীত কোন আইনকে বুঝাইবে এবং কোন আইন প্রণয়নকারী পরিষদ কর্তৃক অথবা বাংলাদেশে বা ইহার কোন অংশে বলবৎ কোন সাংবিধানিক দলিলের অধীন আইন প্রণয়নের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি কর্তৃক গৃহীত বা প্রণীত যে কোন আইনও ইহার অন্তর্ভূক্ত হইবে- প্রদত্ত সংজ্ঞা কোথায় দেয়া আছে?
  1. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫২ ধারায়
  2. জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭ আইনে
  3. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের তফসিলে
  4. ক ও খ উভয়
সঠিক উত্তর:
জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭ আইনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭ আইনে
ব্যাখ্যা
Section 3(1a) of The General Clauses Act,1897, "Act of Parliament" shall mean-
an Act passed by Parliament and shall include any Act passed or made by any legislature or any person having authority to legislate under any Constitutional instrument and in force in Bangladesh or any portion thereof:

সংসদের আইন
"সংসদের আইন" অর্থে সংসদ কর্তৃক প্রণীত কোন আইনকে বুঝাইবে এবং কোন আইন প্রণয়নকারী পরিষদ কর্তৃক অথবা বাংলাদেশে বা ইহার কোন অংশে বলবৎ কোন সাংবিধানিক দলিলের অধীন আইন প্রণয়নের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি কর্তৃক গৃহীত বা প্রণীত যে কোন আইনও ইহার অন্তর্ভূক্ত হইবে।
৬২২.
“Res Ipsa Loquitur” শব্দগুচ্ছের অর্থ কী?
  1. গুপ্ত ঘটনা
  2.  স্বব্যক্ত ঘটনা
  3. অপ্রয়োজনীয় সাক্ষ্য
  4. পক্ষপাতিত্বমূলক সাক্ষ্য
সঠিক উত্তর:
 স্বব্যক্ত ঘটনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 স্বব্যক্ত ঘটনা
ব্যাখ্যা

Res ipsa loquitur:
- এর অর্থ হলো স্বব্যক্ত ঘটনা,- The thing speaks for itself.
- এটি আইনের একটি ধারণা, যা সাধারণত "Rule of evidence" বা প্রমাণের নিয়ম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

Res Ipsa Loquitur একটি পরিস্থিতিতে প্রয়োগ করা হয়, যেখানে ঘটনার প্রকৃতি নিজেই বলে দেয় যে কোন অবহেলা (negligence) হয়েছে। এখানে সরাসরি প্রমাণের প্রয়োজন হয় না, কারণ ঘটনা বা দুর্ঘটনার অবস্থা এমন হয় যে এটি বিবেচনা করা হয় "এই ধরণের ঘটনা স্বাভাবিকভাবে কারো অবহেলা ছাড়া ঘটে না।"

উদাহরণ:
ধরা যাক, একজন রোগীর পেটে অপারেশনের পর ডাক্তার একটি অস্ত্রোপচারের যন্ত্র রেখে দিয়েছেন। এমন ঘটনা কখনোই চিকিৎসকের অবহেলা ছাড়া ঘটতে পারে না। সুতরাং Res Ipsa Loquitur এখানে প্রযোজ্য হবে।

৬২৩.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে "সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগের মূলনীতি আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য নয়" এই বিধান উল্লেখ আছে?
  1. অনুচ্ছেদ-৮
  2. অনুচ্ছেদ-১৬
  3. অনুচ্ছেদ-৪৫
  4. অনুচ্ছেদ-১৫
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-৮
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৮ এর বিধান: মূলনীতিসমূহ:
(১) জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা- এই নীতিসমূহ এবং তৎসহ এই নীতিসমূহ হইতে উদ্ভূত এই ভাগে বর্ণিত অন্য সকল নীতি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বলিয়া পরিগণিত হইবে।
(২) এই ভাগে বর্ণিত নীতিসমূহ বাংলাদেশ-পরিচালনার মূলসূত্র হইবে, আইন-প্রণয়নকালে রাষ্ট্র তাহা প্রয়োগ করিবেন, এই সংবিধান ও বাংলাদেশের অন্যান্য আইনের ব্যাখ্যাদানের ক্ষেত্রে তাহা নির্দেশক হইবে এবং তাহা রাষ্ট্র ও নাগরিকদের কার্যের ভিত্তি হইবে, তবে এই সকল নীতি আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য হইবে না।
------------------
The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh: Article-8. Fundamental principles
(1) The principles of nationalism, socialism, democracy and secularism, together with the principles derived from those as set out in this Part, shall constitute the fundamental principles of state policy.
(2) The principles set out in this Part shall be fundamental to the governance of Bangladesh, shall be applied by the State in the making of laws, shall be a guide to the interpretation of the Constitution and of the other laws of Bangladesh, and shall form the basis of the work of the State and of its citizens, but shall not be judicially enforceable.
৬২৪.
রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে কিংবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোন কারণে রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে কে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন?
  1. উপ-রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. স্পীকার
  4. সরকারের মনোনীত ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
স্পীকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পীকার
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদের বিধান: অনুপস্থিতি প্রভৃতির-কালে রাষ্ট্রপতি-পদে স্পীকার:
রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হইলে কিংবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোন কারণে রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হইলে ক্ষেত্রমত রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত কিংবা রাষ্ট্রপতি পুনরায় স্বীয় কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্পীকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করিবেন।
-----------
⇒ Article 54. Speaker to act as President during absence, etc.
If a vacancy occurs in the office of President or if the President is unable to discharge the functions of his office on account of absence, illness or any other cause the Speaker shall discharge those functions until a President is elected or until the President resumes the functions of his office, as the case may be. 
৬২৫.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, মন্ত্রীদের কত শতাংশ সংসদ সদস্য হতে হবে?
  1. কমপক্ষে ৭০%
  2. কমপক্ষে ৮০%
  3. কমপক্ষে ৯০%
  4. কমপক্ষে ৯৫%
সঠিক উত্তর:
কমপক্ষে ৯০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমপক্ষে ৯০%
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৬(২)-এ এ সম্পর্কে স্পষ্ট বিধান রয়েছে:
"তাঁহাদের সংখ্যার অন্যূন নয়-দশমাংশ (৯/১০) সংসদ-সদস্যগণের মধ্য হইতে নিযুক্ত হইবেন এবং অনধিক এক-দশমাংশ (১/১০) সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য ব্যক্তিগণের মধ্য হইতে মনোনীত হইতে পারিবেন।"

- সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী এবং অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদের মধ্যে ৯০% সংসদ সদস্য হতে হবে, এবং অনধিক ১০% মন্ত্রী নির্বাচিত না হওয়া ব্যক্তি হতে পারেন। এই বিধানটি নিশ্চিত করে যে, মন্ত্রিসভা সংসদের সমর্থিত সদস্যদের দ্বারা গঠিত হবে, যা সরকারের প্রতি সংসদের আস্থা এবং দায়িত্বশীলতার প্রতীক।
৬২৬.
বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৭ অনুযায়ী, রাষ্ট্র আইনের দ্বারা নির্ধারিত স্তর পর্যন্ত সকল বালক-বালিকাকে ____________ শিক্ষাদানের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
  1. অবৈতনিক ও স্বেচ্ছামূলক
  2. অবৈতনিক ও প্রাথমিক
  3. প্রাথমিক ও স্বেচ্ছামূলক
  4. অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক
সঠিক উত্তর:
অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ১৭- অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা:
রাষ্ট্র,
ক) একই পদ্ধতির প্রণমুখী ও সার্বজনীন শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য এবং আইনের দ্বারা নির্ধারিত স্তর পর্যন্ত সকল বালক-বালিকাকে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষাদানের জন্য;
খ) সমাজের প্রয়োজনের সাথে শিক্ষাকে সঙ্গতিপূর্ণ করার জন্য এবং সেই প্রয়োজন সিদ্ধ করার উদ্দেশ্যে যথাযথ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও সদিচ্ছাপ্রণোদিত নাগরিক সৃষ্টির জন্য;
গ) আইনের দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিরক্ষরতা দূর করার জন্য; ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

Article 17: Free and compulsory education-
The State shall adopt effective measures for the purpose of –
(a) establishing a uniform, mass oriented and universal system of education and extending free and compulsory education to all children to such stage as may be determined by law;
(b) relating education to the needs of society and producing properly trained and motivated citizens to serve those needs; 
(c) removing illiteracy within such time as may be determined by law.

৬২৭.
জরুরি-অবস্থা ঘোষণার পূর্বে উক্ত ঘোষণার বৈধতার জন্য কার প্রতি-স্বাক্ষরের প্রয়োজন?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. স্পীকার
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সংবিধানের নবম-ক ভাগে জরুরী বিধানাবলী আলোচনা করা হয়েছে। উক্ত ভাগের ১৪১ক, ১৪১খ এবং ১৪১গ ধারায় বিধানসমূহ দেয়া হয়েছে।

অনুচ্ছেদ ১৪১ক: জরুরী-অবস্থা ঘোষণা

(১) রাষ্ট্রপতির নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, এমন জরুরী-অবস্থা বিদ্যমান রহিয়াছে, যাহাতে যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের দ্বারা বাংলাদেশ বা উহার যে কোন অংশের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবন বিপদের সম্মুখীন, তাহা হইলে তিনি অনধিক একশত কুড়ি দিনের জন্য জরুরী-অবস্থা ঘোষণা করিতে পারিবে: তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ ঘোষণার বৈধতার জন্য ঘোষণার পূর্বেই প্রধানমন্ত্রীর প্রতি-স্বাক্ষর প্রয়োজন হইবে।
 
(২) জরুরী-অবস্থার ঘোষণা- 
(ক) পরবর্তী কোন ঘোষণার দ্বারা প্রত্যাহার করা যাইবে; 
(খ) সংসদে উপস্থাপিত হইবে; 
(গ) একশত কুড়ি দিন সময়ের অবসানে কার্যকর থাকিবে না: 
 
তবে শর্ত থাকে যে, যদি সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় অনুরূপ কোন ঘোষণা জারী করা হয় কিংবা এই দফার (গ) উপ-দফায় বর্ণিত এক শত কুড়ি দিনের মধ্যে সংসদ ভাঙ্গিয়া যায়, তাহা হইলে তাহা পুনর্গঠিত হইবার পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে ত্রিশ দিন অতিবাহিত হইবার পূর্বে ঘোষণাটি অনুমোদন করিয়া সংসদে প্রস্তাব গৃহীত না হওয়া পর্যন্ত উক্ত ত্রিশ দিনের অবসানে অথবা একশত কুড়ি দিন সময়ের অবসানে, যাহা আগে ঘটে, অনুরূপ ঘোষণা কার্যকর থাকিবে না। 
 
(৩) যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের বিপদ আসন্ন বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে, প্রকৃত যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগ সংঘটিত হইবার পূর্বে তিনি অনুরূপ যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের জন্য বাংলাদেশ বা উহার যে কোন অংশের নিরাপত্তা বিপন্ন বলিয়া জরুরী-অবস্থা ঘোষণা করিতে পারিবেন।
৬২৮.
সংসদে আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্যে উত্থাপিত প্রস্তাব কী আকারে উত্থাপিত হয়?
  1. বিল
  2. প্রস্তাবনা
  3. প্রজ্ঞাপন
  4. অধ্যাদেশ
সঠিক উত্তর:
বিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিল
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৮০(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদে আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্যে উত্থাপিত প্রত্যেকটি প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হয়। বিল হলো একটি আইন প্রণয়নের প্রস্তাব, যা সংসদে আলোচনা ও পাস হওয়ার পর রাষ্ট্রপতির সম্মতি পেলে আইনে পরিণত হয়।
অন্যদিকে, 
অন্য অপশনগুলো যেমন প্রস্তাবনা, প্রজ্ঞাপন বা অধ্যাদেশ আইন প্রণয়নের প্রক্রিয়ার অংশ নয়।
প্রস্তাবনা: সাধারণত কোনো বিষয়ে মতামত বা সিদ্ধান্ত প্রকাশের জন্য ব্যবহার হয়।
প্রজ্ঞাপন: সরকারি ঘোষণা বা বিজ্ঞপ্তি।
অধ্যাদেশ: জরুরি অবস্থায় রাষ্ট্রপতি কর্তৃক জারিকৃত আদেশ, যা সংসদের অনুমোদন ছাড়াই প্রণয়ন করা যায়।
সুতরাং, সংসদে আইন প্রণয়নের জন্য প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হয়।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৮০ অনুচ্ছেদ- আইনপ্রণয়ন-পদ্ধতি:
(১) আইনপ্রণয়নের উদ্দেশ্যে সংসদে আনীত প্রত্যেকটি প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হইবে।
(২) সংসদ কর্তৃক কোন বিল গৃহীত হইলে সম্মতির জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করিতে হইবে।
(৩) রাষ্ট্রপতির নিকট কোন বিল পেশ করিবার পর পনর দিনের মধ্যে তিনি তাহাতে সম্মতিদান করিবেন কিংবা অর্থবিল ব্যতীত অন্য কোন বিলের ক্ষেত্রে বিলটি বা তাহার কোন বিশেষ বিধান পুনর্বিবেচনার কিংবা রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্দেশিত কোন সংশোধনী বিবেচনার অনুরোধ জ্ঞাপন করিয়া একটি বার্তাসহ তিনি বিলটি সংসদে ফেরত দিতে পারিবেন; এবং রাষ্ট্রপতি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।
(৪) রাষ্ট্রপতি যদি বিলটি অনুরূপভাবে সংসদে ফেরত পাঠান, তাহা হইলে সংসদ রাষ্টপতির বার্তাসহ তাহা পুনর্বিবেচনা করিবেন; এবং সংশোধনীসহ বা সংশোধনী ব্যতিরেকে 52[***] সংসদ পুনরায় বিলটি গ্রহণ করিলে সম্মতির জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হইবে এবং অনুরূপ উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিবেন; এবং রাষ্ট্রপতি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।
(৫) সংসদ কর্তৃক গৃহীত বিলটিতে রাষ্ট্রপতি সম্মতিদান করিলে বা তিনি সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইলে তাহা আইনে পরিণত হইবে এবং সংসদের আইন বলিয়া অভিহিত হইবে।
৬২৯.
According to Article 121, how many electoral rolls should there be for each constituency?
  1. One
  2. Two
  3. Multiple based on religion and caste
  4. Determined by the Election Commission
সঠিক উত্তর:
One
উত্তর
সঠিক উত্তর:
One
ব্যাখ্যা
Article 121: Single electoral roll for each constituency-
There shall be one electoral roll for each constituency for the purposes of elections to Parliament, and no special electoral roll shall be prepared so as to classify electors according to religion, race, caste or sex.

১২১- প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা:
সংসদের নির্বাচনের জন্য প্রত্যেক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকার একটি করিয়া ভোটার-তালিকা থাকিবে এবং ধর্ম, জাত, বর্ণ ও নারী-পুরুষভেদের ভিত্তিতে ভোটারদের বিন্যস্ত করিয়া কোন বিশেষ ভোটার-তালিকা প্রণয়ন করা যাইবে না।
৬৩০.
বাংলাদেশের সংবিধান প্রস্তাবনায় কোনটি নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করা হয়েছে?
  1. সামরিক শাসন
  2. বাণিজ্যিক স্বার্থ সংরক্ষণ
  3. মৌলিক মানবাধিকার ও সুবিচার
  4. রাজনৈতিক দলগুলোর আধিপত্য
সঠিক উত্তর:
মৌলিক মানবাধিকার ও সুবিচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলিক মানবাধিকার ও সুবিচার
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনা (Preamble)-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, রাষ্ট্রের অন্যতম মূল লক্ষ্য হলো:
“গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে এমন এক শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজের প্রতিষ্ঠা - যেখানে সকল নাগরিকের জন্য আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সাম্য, স্বাধীনতা ও সুবিচার নিশ্চিত হইবে।”
- এখানে সরাসরি মৌলিক মানবাধিকার (fundamental human rights) এবং সুবিচার (justice) নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করা হয়েছে।
- সুতরাং, সঠিক উত্তর গ) মৌলিক মানবাধিকার ও সুবিচার।

৬৩১.
The High Court Division shall have______ over all courts and triburiats subordinate to it.
  1. superintendence
  2. supreintendence and control
  3. control
  4. control and governance
সঠিক উত্তর:
supreintendence and control
উত্তর
সঠিক উত্তর:
supreintendence and control
ব্যাখ্যা
⇒ Article 109. Superintendence and control over courts:
The High Court Division shall have superintendence and control over all courts and tribunals subordinate to it.
----------
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৯ অনুচ্ছেদের বিধান: আদালতসমূহের উপর তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ:
- হাইকোর্ট বিভাগের অধঃস্তন সকল 69[আদালত ও ট্রাইব্যুনালের] উপর উক্ত বিভাগের তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ-ক্ষমতা থাকিবে।
৬৩২.
If a member of a parliamentary party votes against their party it is called "_________."
  1. 'Floor Planning'
  2. 'Floor Crossing'
  3. 'Double membership'
  4. 'Free Vote'
সঠিক উত্তর:
'Floor Crossing'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'Floor Crossing'
ব্যাখ্যা
⇒ If a member of a parliamentary party votes against their party it is called ‘crossing the floor’.
⇒ floor planning: a method of financing a retail sales business in which the retailer gives a security interest in all of the inventory to the lender or seller.
⇒  A conscience vote or free vote is a type of vote in a legislative body where legislators are allowed to vote according to their own personal conscience rather than according to an official line set down by their political party.

⇒ Floor-Crossing বা 'political defection' অর্থ হলো অন্যদলে যোগদান করার জন্য বা স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার জন্য নিজের দল হতে পদত্যাগ করা বা সংসদে নিজের দলের বিপক্ষে ভোটদান করা। Floor- Crossing এর কারণে সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হবে। কার্যকরী সরকার এবং সরকারের কার্যাবলী সহজতর করার জন্য ৭০ অনুচ্ছেদে Floor-Crossing বিধানযুক্ত করা হয়।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের বিধান: রাজনৈতিক দল হইতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়া:
কোন নির্বাচনে কোন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরূপে মনোনীত হইয়া কোন ব্যক্তি সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইলে তিনি যদি-
(ক) উক্ত দল হইতে পদত্যাগ করেন, অথবা
(খ) সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে ভোটদান করেন,
তাহা হইলে সংসদে তাঁহার আসন শূন্য হইবে, তবে তিনি সেই কারণে পরবর্তী কোন নির্বাচনে সংসদ-সদস্য হইবার অযোগ্য হইবেন না।
------------------
⇒ Article 70 of The Constitution of the People‌‌‍'s Republic of Bangladesh: Vacation of seat on resignation or voting against political party
 A person elected as a member of Parliament at an election at which he was nominated as a candidate by a political party shall vacate his seat if he – 
(a) resigns from that party ; or 
(b) votes in Parliament against that party ; 
 but shall not thereby be disqualified for subsequent election as a member of Parliament.
৬৩৩.
Every _______ has the right to profess, practise or propagate any religion.
  1. person
  2. citizen
  3. people
  4. community
সঠিক উত্তর:
citizen
উত্তর
সঠিক উত্তর:
citizen
ব্যাখ্যা
Article 41: Freedom of religion:

(1) Subject to law, public order and morality – 
(a) every citizen has the right to profess, practise or propagate any religion; 
(b) every religious community or denomination has the right to establish,maintain and manage its religious institutions. 

(2) No person attending any educational institution shall be required to receive religious instruction, or to take part in or to attend any religious ceremony or worship, if that instruction, ceremony or worship relates to a religion other than his own.

অনুচ্ছেদ ৪১: ধর্মীয় স্বাধীনতা:

(১) আইন, জনশৃঙ্খলা ও নৈতিকতা-সাপেক্ষে -
(ক) প্রত্যেক নাগরিকের যে কোন ধর্ম অবলম্বন, পালন বা প্রচারের অধিকার রহিয়াছে; 
(খ) প্রত্যেক ধর্মীয় সম্প্রদায় ও উপ-সম্প্রদায়ের নিজস্ব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের স্থাপন, রক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার অধিকার রহিয়াছে। 
 
(২) কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে যোগদানকারী কোন ব্যক্তির নিজস্ব ধর্ম-সংক্রান্ত না হইলে তাঁহাকে কোন ধর্মীয় শিক্ষাগ্রহণ কিংবা কোন ধর্মীয় অনুষ্ঠান বা উপাসনায় অংশগ্রহণ বা যোগদান করিতে হইবে না।
৬৩৪.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে 'প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি' সংক্রান্ত বিধান রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৪২
  2. অনুচ্ছেদ ১৪৫
  3. অনুচ্ছেদ ১৪৩
  4. অনুচ্ছেদ ১৪৬
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৪৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৪৩
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪৩: প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি

(১) আইনসঙ্গতভাবে প্রজাতন্ত্রের উপর ন্যস্ত যে কোন ভূমি বা সস্পত্তি ব্যতীত নিম্নলিখিত প্রজাতন্ত্রের উপর ন্যস্ত হইবে: 

(ক) বাংলাদেশের যে কোন ভূমির অন্তঃস্থ সকল খনিজ ও অন্যান্য মূল্যসম্পন্ন সামগ্রী; 
(খ) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় জলসীমার অন্তর্বর্তী মহাসাগরের অন্তঃস্থ কিংবা বাংলাদেশের মহীসোপানের উপরিস্থ মহাসাগরের অন্তঃস্থ সকল ভূমি, খনিজ ও অন্যান্য মূল্যসম্পন্ন সামগ্রী; এবং 
(গ) বাংলাদেশে অবস্থিত প্রকৃত মালিকবিহীন যে কোন সম্পত্তি। 
 
(২) সংসদ সময়ে সময়ে আইনের দ্বারা বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় জলসীমা ও মহীসোপানের সীমা-নির্ধারণের বিধান করিতে পারিবেন।

Article 143: Property of the Republic

(1) There shall vest in the Republic, in addition to any other land or property lawfully vested – 

(a) all minerals and other things of value underlying any land of Bangladesh; 
(b) all lands, minerals and other things of value underlying the ocean within the territorial waters, or the ocean over the continental shelf, of Bangladesh; and 
(c) any property located in Bangladesh that has no rightful owner. 
 
(2) Parliament may from time to time by law provide for the determination of the boundaries of the territory of Bangladesh and of the territorial waters and the continental shelf of Bangladesh.
৬৩৫.
কোন ব্যক্তি একই সময়ে দুই বা ততোধিক নির্বাচনী এলাকা হতে নির্বাচিত হলে তিনি কোন নির্বাচনী এলাকার প্রতিনিধিত্ব করতে ইচ্ছুক তা তিনি তার সর্বশেষ নির্বাচনের কত দিনের মধ্যে নির্বাচন কমিশনকে জ্ঞাপন করবে?
  1. ১৫ দিনের
  2. ৩০ দিনের
  3. ৪৫ দিনের
  4. ৬০ দিনের
সঠিক উত্তর:
৩০ দিনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিনের
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭১ অনুচ্ছেদের বিধান: দ্বৈত-সদস্যতায় বাধা:
(১) কোন ব্যক্তি একই সময়ে দুই বা ততোধিক নির্বাচনী এলাকার সংসদ-সদস্য হইবেন না।

(২) কোন ব্যক্তির একই সময়ে দুই বা ততোধিক নির্বাচনী এলাকা হইতে নির্বাচনপ্রার্থী হওয়ায় এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় বর্ণিত কোন কিছুই প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করিবে না, তবে তিনি যদি একাধিক নির্বাচনী এলাকা হইতে নির্বাচিত হন তাহা হইলে-

(ক) তাঁহার সর্বশেষ নির্বাচনের ত্রিশ দিনের মধ্যে তিনি কোন্ নির্বাচনী এলাকার প্রতিনিধিত্ব করিতে ইচ্ছুক, তাহা জ্ঞাপন করিয়া নির্বাচন কমিশনকে একটি স্বাক্ষরযুক্ত ঘোষণা প্রদান করিবেন এবং তিনি অন্য যে সকল নির্বাচনী এলাকা হইতে নির্বাচিত হইয়াছিলেন, অতঃপর সেই সকল এলাকার আসনসমূহ শূন্য হইবে;

(খ) এই দফার (ক) উপ-দফা মান্য করিতে অসমর্থ হইলে তিনি যে সকল আসনে নির্বাচিত হইয়াছিলেন, সেই সকল আসন শূন্য হইবে; এবং

(গ) এই দফার উপরি-উক্ত বিধানসমূহ যতখানি প্রযোজ্য, ততখানি পালন না করা পর্যন্ত নির্বাচিত ব্যক্তি সংসদ-সদস্যের শপথ গ্রহণ বা ঘোষণা করিতে ও শপথপত্রে বা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরদান করিতে পারিবেন না।
---------------
⇒ Article  71 of The Constitution of the People‌‌‍'s Republic of Bangladesh: Bar against double membership:

(1) No person shall at the same time be a member of Parliament in respect of two or more constituencies. 

(2) Nothing in clause (1) shall prevent a person from being at the same time a candidate for two or more constituencies, but in the event of his being elected for more than one – 

(a) within thirty days after his last election the person elected shall deliver to the Chief Election Commissioner a signed declaration specifying the constituency which he wishes to represent, and the seats of the other constituencies for which he was elected shall thereupon fall vacant; 
 
(b) if the person elected fails to comply with sub clause (a) all the seats for which he was elected shall fall vacant; and 

(c) the person elected shall not make or subscribe the oath or affirmation of a member of Parliament until the foregoing provisions of this clause, so far as applicable, have been complied with.
৬৩৬.
সরকার কর্তৃক প্রাপ্ত সকল রাজস্ব, সরকার কর্তৃক সংগৃহীত সকল ঋণ এবং কোন ঋণ পরিশোধ হইতে সরকার কর্তৃক প্রাপ্ত সকল অর্থ একটি মাত্র তহবিলের অংশে পরিণত হইবে এবং তাহা "___________" নামে অভিহিত হইবে। 
  1. প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাব
  2. সংযুক্ত তহবিল
  3. প্রধান মন্ত্রীর তহবিল
  4. রাষ্ট্রীয় তহবিল
সঠিক উত্তর:
সংযুক্ত তহবিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংযুক্ত তহবিল
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৮৪ অনুচ্ছেদের বিধান: সংযুক্ত তহবিল ও প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাব: 
(১) সরকার কর্তৃক প্রাপ্ত সকল রাজস্ব, সরকার কর্তৃক সংগৃহীত সকল ঋণ এবং কোন ঋণ পরিশোধ হইতে সরকার কর্তৃক প্রাপ্ত সকল অর্থ একটি মাত্র তহবিলের অংশে পরিণত হইবে এবং তাহা "সংযুক্ত তহবিল" নামে অভিহিত হইবে। 

(২) সরকার কর্তৃক বা সরকারের পক্ষে প্রাপ্ত অন্য সকল সরকারী অর্থ প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাবে জমা হইবে।
--------------
⇒ Article 84. Consolidated Fund and the Public Account of the Republic: 
(1) All revenues received by the Government, all loans raised by the Government, and all moneys received by it in repayment of any loan, shall form part of one fund to be known as the Consolidated Fund. 

(2) All other public moneys received by or on behalf of the Government shall be credited to the Public Account of the Republic.
৬৩৭.
According to The General Clauses Act, 1897 "Person" shall include-
  1. body of individuals
  2. association
  3. company
  4. all of above
সঠিক উত্তর:
all of above
উত্তর
সঠিক উত্তর:
all of above
ব্যাখ্যা
Section 3(39) of The General Clauses Act,1897-

"Person" shall include any company or association or body of individuals, whether incorporated or not: 
"ব্যক্তি" বলিতে, নিগমিত হউক বা না হউক, কোন কোম্পানি বা সমিতি অথবা ব্যক্তি বিশেষের সমষ্টিকে অন্তর্ভূক্ত করিবে।

• ব্যক্তি (Person) বলতে নিগমবদ্ধ (Incorporated) করা হউক বা না হউক, কোন কোম্পানী বা সমিতি বা ব্যক্তি সমষ্টিকে বুঝায়। দণ্ডবিধির ১১ ধারার বিধান মতে 'ব্যক্তি' বলতে সমিতিভূক্ত হউক বা না হউক, যে কোন কোম্পানী বা সমিতি বা ব্যক্তি সংস্থার অন্তর্ভুক্ত হওয়া বুঝায়। মানুষ ছাড়াও কোম্পানী, সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান, সমিতি, মাতৃগর্ভস্থ শিশু ইত্যাদিও ব্যক্তি হিসেবে আইনে স্বীকৃতি পায়।

Conforce Limited v. Titas Gas Transmission মামলায় বর্ণিত হয়েছে- "Person occuring in section 3(39) of General clauses Act, 1897 shall include any company or association or body of individuals whether incorporated or not."

একইভাবে Farzana Moazzem v. Security and Exchange Commission and others মামলায় হাইকোর্ট বিভাগ 'ব্যক্তি' শব্দটি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে যে মন্তব্য করেন উহা উল্লেখযোগ্য। ঐ আদালতের ভাষায়-
"In view of Article 152(2) of the Constitution read with section 3(39) of the General Clauses Act, the word 'Person' in Article 102(2) (i) and (ii) of the Constitution would include a juristic person like a company."
৬৩৮.
সংবিধানের ১০৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, আপীল বিভাগ কোনটি পুনর্বিবেচনার ক্ষমতা রাখে?
  1. রাষ্ট্রপতির আদেশ
  2. হাইকোর্ট বিভাগের ঘোষিত রায় বা আদেশ
  3. স্ব-বিভাগ ঘোষিত রায় বা আদেশ
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
স্ব-বিভাগ ঘোষিত রায় বা আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ব-বিভাগ ঘোষিত রায় বা আদেশ
ব্যাখ্যা

সংবিধানের ১০৫ অনুচ্ছেদ- আপীল বিভাগ কর্তৃক রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা:
সংসদের যে কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে এবং আপীল বিভাগ কর্তৃক প্রণীত যে কোন বিধি-সাপেক্ষে আপীল বিভাগের কোন ঘোষিত রায় বা প্রদত্ত আদেশ পুনর্বিবেচনার ক্ষমতা উক্ত বিভাগের থাকিবে।

Article 105- Review of judgments or orders by Appellate Division:
The Appellate Division shall have power, subject to the provisions of any Act of Parliament and of any rules made by that division to review any judgment pronounced or order made by it.

৬৩৯.
সংবিধান সংশোধন বিল রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানোর পর কতদিনের মধ্যে তিনি সম্মতি প্রদান করবেন?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৪ দিন
  4. ২১ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪২- সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা:
এই সংবিধানে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও-
(ক) সংসদের আইন-দ্বারা এই সংবিধানের কোন বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিতকরণের দ্বারা সংশোধিত হইতে পারিবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে,
(অ) অনুরূপ সংশোধনীর জন্য আনীত কোন বিলের সম্পূর্ন শিরনামায় এই সংবিধানের কোন বিধান সংশোধন করা হইবে বলিয়া স্পষ্টরূপে উল্লেখ না থাকিলে বিলটি বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা যাইবে না;
(আ) সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত না হইলে অনুরূপ কোন বিলে সম্মতিদানের জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হইবে না;

(খ) উপরি-উক্ত উপায়ে কোন বিল গৃহীত হইবার পর সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট তাহা উপস্থাপিত হইলে উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিবেন, এবং তিনি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।
৬৪০.
Persona-non-grata কোন শ্রেণির ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. রাজনীতিবিদ
  2. ক্রীড়াবিদ
  3. ব্যবসায়ী
  4. কূটনীতিক
সঠিক উত্তর:
কূটনীতিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কূটনীতিক
ব্যাখ্যা
- Persona-non-grata একটি Latin Term আক্ষরিক অর্থ Unwelcomed Person বা অবাঞ্চিত/অগ্রহণযোগ্য ব্যক্তি।
- Persona-non-grata বলতে অগ্রহণযোগ্য কূটনীতিক প্রতিনিধিকে বোঝায়।
- দেশে দেশে প্রেরিত ব্যক্তি বা নিযুক্ত দূত যদি সে দেশের আস্থাভাজন না হয়, তবে তাকে অবাঞ্ছিত ব্যক্তি হিসেবে ঘোষণা করা হয়। শব্দটি সাধারণত কূটনৈতিক ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
- সুতরাং এটি কূটনীতিক শ্রেনির ব্যক্তির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। অগ্রহণযোগ্য কূটনৈতিক প্রতিনিধি বা Persona-non-grata হলো এমন একজন কূটনীতিক প্রতিনিধি যিনি আমন্ত্রণকারী রাষ্ট্রের নিকট অগ্রহণযোগ্য কূটনীতিক প্রতিনিধি এবং এই ক্ষেত্রে প্রেরক রাষ্ট্র উক্ত অগ্রহণযোগ্য কূটনীতিক প্রতিনিধিকে ফেরত নেওয়া উচিত।
- যদি না করে, তাহলে আমন্ত্রণকারী রাষ্ট্র উক্ত কূটনীতিক প্রতিনিধিকে অগ্রাহ্য করতে বা বহিষ্কার করতে পারে।
৬৪১.
'আন্তর্জাতিক চুক্তি' সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ কোনটি?
  1. অনুচ্ছেদ ১৪৩
  2. অনুচ্ছেদ ১৪৫
  3. অনুচ্ছেদ ১৪৬
  4. অনুচ্ছেদ ১৪৫ক
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৪৫ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৪৫ক
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪৫ক : আন্তর্জাতিক চুক্তি

বিদেশের সাথে সম্পাদিত সকল চুক্তি রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করা হবে, এবং রাষ্ট্রপতি তা সংসদে পেশ করার ব্যবস্থা করবেন। তবে শর্ত থাকে যে, জাতীয় নিরাপত্তার সাথে সংশ্লিষ্ট অনুরুপ কোন চুক্তি কেবলমাত্র সংসদের গোপন বৈঠকে পেশ করা হবে।

অন্যদিকে,
অনুচ্ছেদ ১৪৩ : প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি।
অনুচ্ছেদ-১৪৫: চুক্তি ও দলিল।
অনুচ্ছেদ ১৪৬ : বাংলাদেশের নামে মামলা।
৬৪২.
The functions relating to Local Government include-
  1. maintenance of public order
  2. preparation and implementation of plans relating to public services
  3. preparation and implementation of plans relating to economic development
  4. all of above
সঠিক উত্তর:
all of above
উত্তর
সঠিক উত্তর:
all of above
ব্যাখ্যা
Article 59: Local government

(1) Local government in every administrative unit of the Republic shall be entrusted to bodies, composed of persons elected in accordance with law. 

(2) Everybody such as is referred to in clause (1) shall, subject to this Constitution and any other law, perform within the appropriate administrative unit such functions as shall be prescribed by Act of Parliament, which may include functions relating to – 
(a) administration and the work of public officers; 
(b) the maintenance of public order; 
(c) the preparation and implementation of plans relating to public services and economic development.

অনুচ্ছেদ ৫৯: স্থানীয় শাসন
 
(১) আইনানুযায়ী নির্বাচিত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত প্রতিষ্ঠানসমূহের উপর প্রজাতন্ত্রের প্রত্যেক প্রশাসনিক এককাংশের স্থানীয় শাসনের ভার প্রদান করা হইবে।

(২) এই সংবিধান ও অন্য কোন আইন-সাপেক্ষে সংসদ আইনের দ্বারা যেরূপ নির্দিষ্ট করিবেন, এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় উল্লিখিত অনুরূপ প্রত্যেক প্রতিষ্ঠান যথোপযুক্ত প্রশাসনিক এককাংশের মধ্যে সেইরূপ দায়িত্ব পালন করিবেন এবং অনুরূপ আইনে নিম্নলিখিত বিষয় সংক্রান্ত দায়িত্ব অন্তর্ভুক্ত হইতে পারিবে:
(ক) প্রশাসন ও সরকারী কর্মচারীদের কার্য;
(খ) জনশৃংখলা রক্ষা;
(গ) জনসাধারণের কার্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন-সম্পর্কিত পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন।
৬৪৩.
সংবিধানের কোন সংশোধনীতে জরুরি অবস্থা জারির বিধান সংযোজন করা হয়েছিল?
  1. প্রথম সংশোধনী
  2. দ্বিতীয় সংশোধনী
  3. তৃতীয় সংশোধনী
  4. চতুর্থ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় সংশোধনী
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় সংশোধনী:
- দ্বিতীয় সংশোধনীটি উত্থাপিত হয় ১৯৭৩ সালের ১৮ সেপ্টম্বর।
- সংশোধনীটি গৃহীত হয় ১৯৭৩ সালের ২০ সেপ্টেম্বর।
- সংশোধনীটি অনুমোদিত হয় ২২ সেপ্টম্বর ১৯৭৩ সালে।
- 'জরুরি অবস্থা' জারির বিধান সংবিধানের ২য় সংশোধনীতে সন্নিবেশিত হয়েছে।
- সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধন আইন দ্বারা অভ্যন্তরীণ গোলযোগ বা বহিরাক্রমণে দেশের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক জীবন বাধাগ্রস্ত হলে 'জরুরি অবস্থা' ঘোষণার বিধান চালু করা হয়।
- এছাড়াও, নিবর্তনমূলক আটক ও জরুরী অবস্থার সময় মৌলিক অধিকার স্থগিতকরণ সংক্রান্ত বিধানসমূহ সংযোজন করা হয়।
৬৪৪.
'Doctrine of Severability' অনুযায়ী, মৌলিক অধিকার সম্পর্কিত বিধানাবলির সাথে কোন আইনের-
  1. যতটুকু অংশ অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততটুকু বাতিল হবে
  2. যতটুকু অংশ সামঞ্জস্যপূর্ণ, ততটুকু কার্যকর থাকবে
  3. অসামঞ্জস্যপূর্ণ অংশ সামঞ্জস্যপূর্ণ অংশ হতে পৃথক করা সম্ভব না হলে, সম্পূর্ণ আইন কার্যকর থাকবে
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা
Meaning of Doctrine of Severability-
The doctrine of severability deals with situations when some parts of a law or statute are found to be unconstitutional due to a conflict with fundamental rights. In such cases, only the conflicting or repugnant part of the law will be considered void by the courts, not the entire statute. It is also called the doctrine of severability.
Article 26 of the Bangladesh Constitution directly impediment this Doctrine for the Part III (Fundamental Rights) of the Constitution.

অর্থাৎ 'Doctrine of Severability' অনুযায়ী-
মৌলিক অধিকার সম্পর্কিত বিধানাবলীর সাথে কোন আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ ততখানি বাতিল হবে, যদি অসামঞ্জস্যপূর্ণ অংশ সামঞ্জস্যপূর্ণ  অংশ হতে পৃথক করা যায়। কিন্তু অসামঞ্জস্যপূর্ণ অংশ সামঞ্জস্যপূর্ণ অংশ হতে পৃথক করা সম্ভব না হলে সম্পূর্ণ আইনটি বাতিল হতে পারে। বাংলাদেশের সংবিধানের ২৬ অনুচ্ছেদে এই নীতি প্রতিফলিত হয়েছে।
 
অনুচ্ছেদ ২৬: মৌলিক অধিকারের সহিত অসামঞ্জস্য আইন বাতিল
(১) এই ভাগের বিধানাবলীর সহিত অসমঞ্জস সকল প্রচলিত আইন যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, এই সংবিধান-প্রবর্তন হইতে সেই সকল আইনের ততখানি বাতিল হইয়া যাইবে। 
(২) রাষ্ট্র এই ভাগের কোন বিধানের সহিত অসমঞ্জস কোন আইন প্রণয়ন করিবেন না এবং অনুরূপ কোন আইন প্রণীত হইলে তাহা এই ভাগের কোন বিধানের সহিত যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হইয়া যাইবে। 
(৩) সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদের অধীন প্রণীত সংশোধনের ক্ষেত্রে এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই প্রযোজ্য হইবে না।

Article 26: Laws inconsistent with fundamental rights to be void
(1) All existing law inconsistent with the provisions of this Part shall, to the extent of such inconsistency, become void on the commencement of this Constitution. 
(2) The State shall not make any law inconsistent with any provisions of this Part, and any law so made shall, to the extent of such inconsistency, be void. 
(3) Nothing in this article shall apply to any amendment of this Constitution made under article 142.
৬৪৫.
'Juficis Est jus Dicere Non Dare' বলতে কী বোঝায়?
  1. It is for the judge to administer, not to make laws
  2. To a judge exceeding his office, there is no obedience.
  3. It is the duty of the judge to finish the work of each day within that day
  4. A right cannot arise out of wrong doing.
সঠিক উত্তর:
It is for the judge to administer, not to make laws
উত্তর
সঠিক উত্তর:
It is for the judge to administer, not to make laws
ব্যাখ্যা
"Judicis Est Jus Dicere Non Dare"

"Judicis Est Jus Dicere Non Dare" ম্যাক্সিমের অর্থ হলো-
It is the function of a judge is "Jus decere" and not "Jus dare". That means to interpret the law and not to make.

অর্থাৎ, বিচারকদের দায়িত্ব হলো আইনের ব্যাখ্যা দান করা, আইন প্রণয়ন করা নয়। 

উল্লেখ্য, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১১১ অনুচ্ছেদে এই নীতি প্রতিফলিত হয়েছে।
৬৪৬.
কোনো আইনের প্রস্তাবনা (Preamble) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি-
  1. পুরো আইনের সংক্ষিপ্তসার
  2. বিচারকদের কার্যাবলির রূপরেখা প্রদর্শন করে
  3. আইনের পরিধি ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে আলোকপাত করে
  4. আইনের প্রয়োগ পদ্ধতি সম্পর্কে দিক নির্দেশনা দেয়
সঠিক উত্তর:
আইনের পরিধি ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে আলোকপাত করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনের পরিধি ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে আলোকপাত করে
ব্যাখ্যা
⇒ আইনের প্রস্তাবনা (Preamble):
আইনের যে অংশে উক্ত আইনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বর্ণিত হয়, সেই অংশকে প্রস্তাবনা (Preamble) বলে। প্রস্তাবনা হলো কোনো আইনের দার্শনিক ভিত্তি। প্রস্তাবনার কাজ হলো আইনের প্রকৃত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য প্রকাশ করা। অর্থাৎ, প্রস্তাবনায় উক্ত আইন রচনার প্রেক্ষাপট, লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, পরিধি এবং উক্ত আইনটি কেন প্রণয়ন করা হয়েছে তার কারণ নির্দেশ করে।

কোনো আইনের প্রস্তাবনা (Preamble) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি আইনের পরিধি ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে আলোকপাত করে।

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনা:
- আমরা, বাংলাদেশের জনগণ, ১৯৭১ খ্রীষ্টাব্দের মার্চ মাসের ২৬ তারিখে স্বাধীনতা ঘোষণা করিয়া জাতীয় মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীন ও সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করিয়াছি;

- আমরা অঙ্গীকার করিতেছি যে, যে সকল মহান আদর্শ আমাদের বীর জনগণকে জাতীয় মুক্তি সংগ্রামে আত্মনিয়োগ ও বীর শহীদদিগকে প্রাণোৎসর্গ করিতে উদ্বুদ্ধ করিয়াছিল -জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার সেই সকল আদর্শ এই সংবিধানের মূলনীতি হইবে ;

- আমরা আরও অঙ্গীকার করিতেছি যে, আমাদের রাষ্ট্রের অন্যতম মূল লক্ষ্য হইবে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে এমন এক শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজের প্রতিষ্ঠা- যেখানে সকল নাগরিকের জন্য আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সাম্য, স্বাধীনতা ও সুবিচার নিশ্চিত হইবে;

- আমরা দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করিতেছি যে, আমরা যাহাতে স্বাধীন সত্তায় সমৃদ্ধি লাভ করিতে পারি এবং মানবজাতির প্রগতিশীল আশা-আকাঙ্খার সহিত সঙ্গতি রক্ষা করিয়া আন্তর্জাতিক শান্তি ও সহযোগিতার ক্ষেত্রে পূর্ণ ভূমিকা পালন করিতে পারি, সেইজন্য বাংলাদেশের জনগণের অভিপ্রায়ের অভিব্যক্তিস্বরূপ এই সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুণ্ন রাখা এবং ইহার রক্ষণ, সমর্থন ও নিরাপত্তাবিধান আমাদের পবিত্র কর্তব্য;

- এতদ্বারা আমাদের এই গণপরিষদে, অদ্য তের শত ঊনআশী বঙ্গাব্দের কার্তিক মাসের আঠারো তারিখ, মোতাবেক ঊনিশ শত বাহাত্তর খ্রীষ্টাব্দের নভেম্বর মাসের চার তারিখে, আমরা এই সংবিধান রচনা ও বিধিবদ্ধ করিয়া সমবেতভাবে গ্রহণ করিলাম।
৬৪৭.
'This Constitution is the Supreme Law of the Republic'- বাংলাদেশ সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৭ক
  2. অনুচ্ছেদ ৭(১)
  3. অনুচ্ছেদ ৭খ
  4. অনুচ্ছেদ ৭(২)
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭(২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭(২)
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সংবিধানের ৭(২) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে- This Constitution is, as the solemn expression of the will of the people, the Supreme law of the Republic.

সংবিধানের প্রাধান্য [Supremacy of the Constitution]
সংবিধানের প্রাধান্য অর্থ হলো সংবিধানের আদেশসমূহ সকল প্রেক্ষাপটে বহাল থাকবে। ৭ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, সংবিধান হলো প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সাথে অসামঞ্জস্য হয়, তা হলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হবে।
এছাড়া কোন কার্য সংবিধানের বিধানের সাথে অসামঞ্জস্য হয়, তাহলে উক্ত কার্য অবৈধ হবে এবং কোন অবস্থাতে তার বৈধতা দেওয়ার সুযোগ নেই। যদি কোন আইন অসাংবিধানিক হয়, তাহলে অসামঞ্জস্যতা দূর করে তা পুনরায় প্রণয়ন করা যায়। 

অনুচ্ছেদ ৭: সংবিধানের প্রাধান্য

(১) প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ; এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হইবে৷ 
(২) জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সহিত অসমঞ্জস হয়, তাহা হইলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হইবে৷ 

Article 7: Supremacy of the Constitution

(1) All powers in the Republic belong to the people, and their exercise on behalf of the people shall be effected only under, and by the authority of, this Constitution.
(2) This Constitution is, as the solemn expression of the will of the people, the supreme law of the Republic, and if any other law is inconsistent with this Constitution that other law shall, to the extent of the inconsistency, be void.

৬৪৮.
রাষ্ট্রপতির পদে অধিষ্ঠিত থাকার মেয়াদ গণনা কখন থেকে শুরু হবে?
  1. নির্বাচিত হওয়ার দিন থেকে
  2. শপথ নেওয়ার দিন থেকে
  3. কার্যভার গ্রহণের দিন থেকে
  4. গেজেট প্রকাশের দিন থেকে
সঠিক উত্তর:
কার্যভার গ্রহণের দিন থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্যভার গ্রহণের দিন থেকে
ব্যাখ্যা

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৫০ অনুচ্ছেদের বিধান: রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ:
(১) এই সংবিধানের বিধানাবলী সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি কার্যভার গ্রহণের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসরের মেয়াদে তাঁহার পদে অধিষ্ঠিত থাকিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, রাষ্ট্রপতির পদের মেয়াদ শেষ হওয়া সত্ত্বেও তাঁহার উত্তরাধিকারী-কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত তিনি স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন। 

(২) একাদিক্রমে হউক বা না হউক-দুই মেয়াদের অধিক রাষ্ট্রপতির পদে কোন ব্যক্তি অধিষ্ঠিত থাকিবেন না। 

(৩) স্পীকারের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে রাষ্ট্রপতি স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন। 

(৪) রাষ্ট্রপতি তাঁহার কার্যভারকালে সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য হইবেন না, এবং কোন সংসদ-সদস্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হইলে রাষ্ট্রপতিরূপে তাঁহার কার্যভার গ্রহণের দিনে সংসদে তাঁহার আসন শূন্য হইবে।

৬৪৯.
"নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ" বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ২১
  2. অনুচ্ছেদ ২২
  3. অনুচ্ছেদ ২৩
  4. অনুচ্ছেদ ২৪
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২২
ব্যাখ্যা

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২২-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, রাষ্ট্র নির্বাহী অঙ্গসমূহ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ নিশ্চিত করবে। এই বিধানটি বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ, যাতে নির্বাহী বিভাগের হস্তক্ষেপ ছাড়াই বিচারিক কার্যক্রম পরিচালিত হতে পারে।

অর্থাৎ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২২-এ নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।
সুতরাং, নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ বর্ণিত আছে অনুচ্ছেদ ২২-এ।

৬৫০.
নিম্নের কোন ধারায় প্রজাতন্ত্র অর্থ 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ' সংজ্ঞাটি দেওয়া আছে-
  1. The General Clauses Act, 1897 এর 3(50a)
  2. The General Clauses Act, 1897 এর 3(45)
  3. The General Clauses Act, 1897 এর 3(46)
  4. The General Clauses Act, 1897 এর 3(46a)
সঠিক উত্তর:
The General Clauses Act, 1897 এর 3(46a)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The General Clauses Act, 1897 এর 3(46a)
ব্যাখ্যা

⇒ The General Clauses Act, 1897 এর বিধান মতে ঘ) The General Clauses Act, 1897 এর 3(46a) ধারায় 'প্রজাতন্ত্র' অর্থ 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ' সংজ্ঞাটি দেওয়া আছে।
⇒ The General Clauses Act, 1897 Section-3(46a) "the Republic" means the People's Republic of Bangladesh.

৬৫১.
কোনো আন্তর্জাতিক চুক্তি জাতীয় নিরাপত্তার সাথে জড়িত হলে, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি তা কোথায় পেশ করবে?
  1. প্রধানমন্ত্রীর নিকট
  2. পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে
  3. সংসদের গোপন বৈঠকে
  4. জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে
সঠিক উত্তর:
সংসদের গোপন বৈঠকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংসদের গোপন বৈঠকে
ব্যাখ্যা

সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪৫(ক) অনুযায়ী,
বিদেশের সাথে সম্পাদিত সকল আন্তর্জাতিক চুক্তি রাষ্ট্রপতির কাছে পেশ করতে হবে এবং তিনি তা সংসদে পেশ করার ব্যবস্থা করবেন।

বিশেষ শর্ত:
যদি কোনো চুক্তি জাতীয় নিরাপত্তার সাথে জড়িত হয়, তাহলে তা সংসদের গোপন বৈঠকে পেশ করতে হবে।

৬৫২.
রাষ্ট্র অন্যতম প্রাথমিক কর্তব্য বলে গণ্য করবে-
  1. জনগণের পুষ্টির স্তর-উন্নয়ন
  2. জনস্বাস্থ্যের উন্নতি সাধন
  3. শিক্ষার মান উন্নয়ন
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ১৮ অনুচ্ছেদ অনুসারে, সংবিধান দ্বারা রাষ্ট্র মদ ও অন্যান্য মাদক পানীয় ব্যবহার নিষিদ্ধকরণের জন্য এবং গণিকাবৃত্তি ও জুয়াখেলা নিরোধের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলা হয়েছে। ডাক্তারের অনুমতি ব্যতীত মদ্য ও অন্যান্য মাদক পানীয় ব্যবহার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ দ্বারা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। গণিকাবৃত্তির জন্য মানব পাচার করা মানব পাচার প্রতিরোধ আইন, ২০১২ দ্বারা শাস্তিযোগ্য অপরাধ করা হয়েছে।

অনুচ্ছেদ ১৮: জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা

(১) জনগণের পুষ্টির স্তর-উন্নয়ন ও জনস্বাস্থ্যের উন্নতি সাধনকে রাষ্ট্র অন্যতম প্রাথমিক কর্তব্য বলে গণ্য করবে এবং বিশেষত: আরোগ্যের প্রয়োজন কিংবা আইনের দ্বারা নির্দিষ্ট অন্যবিধ প্রয়োজন ব্যতীত মদ অন্যান্য মাদক পানীয় এবং স্বাস্থ্যহানিকর ভেষজের ব্যবহার নিষিদ্ধকরণের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
(২) গণিকাবৃত্তি ও জুয়াখেলা নিরোধের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

Article 18: Public health and morality

(1) The State shall regard the raising of the level of nutrition and the improvement of public health as among its primary duties, and in particular shall adopt effective measures to prevent the consumption, except for medical purposes or for such other purposes as may be prescribed by law, of alcoholic and other intoxicating drinks and of drugs which are injurious to health. 
(2) The State shall adopt effective measures to prevent prostitution and gambling.
৬৫৩.
Which entity has the authority to define the specific duties of local government bodies?
  1. The President
  2. The Parliament
  3. The Supreme Court
  4. The Prime Minister’s Office
সঠিক উত্তর:
The Parliament
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Parliament
ব্যাখ্যা
• অনুচ্ছেদ ৫৯: স্থানীয় শাসন:
(১) আইনানুযায়ী নির্বাচিত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত প্রতিষ্ঠানসমূহের উপর প্রজাতন্ত্রের প্রত্যেক প্রশাসনিক এককাংশের স্থানীয় শাসনের ভার প্রদান করা হইবে।

(২) এই সংবিধান ও অন্য কোন আইন-সাপেক্ষে সংসদ আইনের দ্বারা যেরূপ নির্দিষ্ট করিবেন, এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় উল্লিখিত অনুরূপ প্রত্যেক প্রতিষ্ঠান যথোপযুক্ত প্রশাসনিক এককাংশের মধ্যে সেইরূপ দায়িত্ব পালন করিবেন এবং অনুরূপ আইনে নিম্নলিখিত বিষয় সংক্রান্ত দায়িত্ব অন্তর্ভুক্ত হইতে পারিবে:
(ক) প্রশাসন ও সরকারী কর্মচারীদের কার্য;
(খ) জনশৃংখলা রক্ষা;
(গ) জনসাধারণের কার্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন-সম্পর্কিত পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন।

Article 59: Local government:
(1) Local government in every administrative unit of the Republic shall be entrusted to bodies, composed of persons elected in accordance with law.

(2) Everybody such as is referred to in clause (1) shall, subject to this Constitution and any other law, perform within the appropriate administrative unit such functions as shall be prescribed by Act of Parliament, which may include functions relating to –
(a) administration and the work of public officers;
(b) the maintenance of public order;
(c) the preparation and implementation of plans relating to public services and economic development.
৬৫৪.
'Decisions Sub Silentio' বলতে বোঝায়-
  1. আইনের যে প্রশ্ন উচ্চ আদালতের মনে উদ্রেক হয়নি
  2. বিচারিক আদালতের রায়ে যে বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়া উচিত ছিল
  3. আইনের বিধান সম্পর্কে অজ্ঞতাহেতু কোনো ভ্রান্ত সিদ্ধান্ত
  4. আইনের কোনো শব্দ বা বাক্যের অর্থ বুঝাতে না পারা
সঠিক উত্তর:
আইনের যে প্রশ্ন উচ্চ আদালতের মনে উদ্রেক হয়নি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনের যে প্রশ্ন উচ্চ আদালতের মনে উদ্রেক হয়নি
ব্যাখ্যা
• The concept of Sub silentio is a legal term that simply refers to a situation in which a court makes a ruling or applies a principle without taking into account the applicable law or any argument. The precedents that pass sub silentio are of "little or no authority,"

Its literal meaning is "in silence," and it's used to describe something which is not explicitly stated.

অর্থাৎ- নীরব থাকা এবং সুষ্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি এমন কিছুকে বোঝানো হয়। কোন যুক্তিতর্ক বা প্রয়োগযোগ্য আইন বিবেচনা না করে, যে অবস্থায় আদালত কর্তৃক কোন আদেশ (রুলিং) দেওয়া হয় তাকে বুঝায়।
৬৫৫.
________ সম্মতি ব্যতীত যুদ্ধ ঘোষণা করা যাবে না কিংবা প্রজাতন্ত্র কোন যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করবে না।
  1. রাষ্ট্রপতির
  2. সংসদের
  3. প্রধানমন্ত্রীর
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
সংসদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংসদের
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৬৩: যুদ্ধ

(১) সংসদের সম্মতি ব্যতীত যুদ্ধ ঘোষণা করা যাইবে না কিংবা প্রজাতন্ত্র কোন যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করিবেন না।

Article 63: War
(1) War shall not be declared and the Republic shall not participate in any war except with the assent of Parliament.
৬৫৬.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে গ্রেপ্তারের কারণ জানানো এবং আইনজীবীর সাথে পরামর্শের অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৩১
  2. অনুচ্ছেদ ৩৩
  3. অনুচ্ছেদ ৩৪
  4. অনুচ্ছেদ ৩৫
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৩
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৩ (১) এ বলা হয়েছে,
"গ্রেপ্তারকৃত কোন ব্যক্তিকে যথাসম্ভব শীঘ্র গ্রেপ্তারের কারণ জ্ঞাপন না করিয়া প্রহরায় আটক রাখা যাইবে না এবং উক্ত ব্যক্তিকে তাঁহার মনোনীত আইনজীবীর সহিত পরামর্শের ও তাঁহার দ্বারা আত্মপক্ষ-সমর্থনের অধিকার হইতে বঞ্চিত করা যাইবে না।"
- এটি একটি মৌলিক অধিকার যা একজন নাগরিককে পুলিশ বা রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ দ্বারা অন্যায়ভাবে হয়রানির হাত থেকে রক্ষা করে।

অর্থাৎ গ্রেপ্তারের কারণ জানানো, আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করার অধিকার,  এই দুইটি সুরক্ষা অনুচ্ছেদ ৩৩-এর অধীনেই নিশ্চিত করা হয়েছে।

৬৫৭.
প্রধান বিচারপতি ব্যতীত সুপ্রীমকোর্টের অন্যান্য বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রে নিম্নের কোন বিধান সঠিক?
  1. কারো পরামর্শ ব্যতীত রাষ্ট্রপতি নিয়োগ করবেন
  2. প্রধানমন্ত্রীর সাথে পরামর্শ করে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ করবেন
  3. প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ করবেন
  4. রাষ্ট্রপতির সাথে পরামর্শ করে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করবেন
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ করবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ করবেন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদের বিধান: বিচারক-নিয়োগ: 

(১) প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং প্রধান বিচারপতির সহিত পরামর্শ করিয়া রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করিবেন।

(২) কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক না হইলে, এবং
(ক) সুপ্রীম কোর্টে অন্যূন দশ বৎসরকাল এ্যাডভোকেট না থাকিয়া থাকিলে; অথবা
(খ) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে অন্যূন দশ বৎসর কোন বিচার বিভাগীয় পদে অধিষ্ঠান না করিয়া থাকিলে; অথবা
(গ) সুপ্রীমকোর্টের বিচারক পদে নিয়োগলাভের জন্য আইনের দ্বারা নির্ধারিত যোগ্যতা না থাকিয়া থাকিলে ; তিনি বিচারকপদে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না।
 
(৩) এই অনুচ্ছেদে ‘‘সুপ্রীম কোর্ট’’ বলিতে এই সংবিধান প্রবর্তনের পূর্বে যে কোন সময়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে যে আদালত হাইকোর্ট হিসাবে এখতিয়ার প্রয়োগ করিয়াছে, সেই আদালত অন্তর্ভুক্ত হইবে।

Article 95: Appointment of Judges

(1) The Chief Justice shall be appointed by the President, and the other Judges shall be appointed by the President after consultation with the Chief Justice.
(2) A person shall not be qualified for appointment as a Judge unless he is a citizen of Bangladesh and –
(a) has, for not less than ten years, been an advocate of the Supreme Court ; or
(b) has, for not less than ten years, held judicial office in the territory of Bangladesh ; or
(c) has such qualifications as may be prescribed by law for appointment as a Judge of the Supreme Court.
 
(3) In this article, “Supreme Court” includes a court which at any time before the commencement of this Constitution exercised jurisdiction as a High Court in the territory of Bangladesh.
৬৫৮.
জরুরি অবস্থা ঘোষণার পূর্বে রাষ্ট্রপতির ঘোষণার বৈধতার জন্য কার অনুমতি প্রয়োজন?
  1. প্রধান বিচারপতির
  2. সংসদের অনুমোদন
  3. প্রধানমন্ত্রীর প্রতি-স্বাক্ষর
  4. সুপ্রিম কোর্টের অনুমোদন
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রীর প্রতি-স্বাক্ষর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রীর প্রতি-স্বাক্ষর
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪১ক: জরুরী-অবস্থা ঘোষণা:
(১) রাষ্ট্রপতির নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, এমন জরুরী-অবস্থা বিদ্যমান রহিয়াছে, যাহাতে যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের দ্বারা বাংলাদেশ বা উহার যে কোন অংশের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবন বিপদের সম্মুখীন, তাহা হইলে তিনি অনধিক একশত কুড়ি দিনের জন্য জরুরী-অবস্থা ঘোষণা করিতে পারিবে: তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ ঘোষণার বৈধতার জন্য ঘোষণার পূর্বেই প্রধানমন্ত্রীর প্রতি-স্বাক্ষর প্রয়োজন হইবে।

(২) জরুরী-অবস্থার ঘোষণা-
(ক) পরবর্তী কোন ঘোষণার দ্বারা প্রত্যাহার করা যাইবে;
(খ) সংসদে উপস্থাপিত হইবে;
(গ) একশত কুড়ি দিন সময়ের অবসানে কার্যকর থাকিবে না:
তবে শর্ত থাকে যে, যদি সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় অনুরূপ কোন ঘোষণা জারী করা হয় কিংবা এই দফার (গ) উপ-দফায় বর্ণিত এক শত কুড়ি দিনের মধ্যে সংসদ ভাঙ্গিয়া যায়, তাহা হইলে তাহা পুনর্গঠিত হইবার পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে ত্রিশ দিন অতিবাহিত হইবার পূর্বে ঘোষণাটি অনুমোদন করিয়া সংসদে প্রস্তাব গৃহীত না হওয়া পর্যন্ত উক্ত ত্রিশ দিনের অবসানে অথবা একশত কুড়ি দিন সময়ের অবসানে, যাহা আগে ঘটে, অনুরূপ ঘোষণা কার্যকর থাকিবে না।

(৩) যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের বিপদ আসন্ন বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে, প্রকৃত যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগ সংঘটিত হইবার পূর্বে তিনি অনুরূপ যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের জন্য বাংলাদেশ বা উহার যে কোন অংশের নিরাপত্তা বিপন্ন বলিয়া জরুরী-অবস্থা ঘোষণা করিতে পারিবেন।
৬৫৯.
Writ of Quo warranto এর উল্লেখ রয়েছে সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে?
  1. ১০২(খ) (আ)
  2. ১০২(খ) (অ)
  3. ১০২(ক) (আ)
  4. ১০২(ক) (অ)
সঠিক উত্তর:
১০২(খ) (আ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০২(খ) (আ)
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১০২(২)(খ)(আ) অনুচ্ছেদে  Writ of Quo warranto এর বিধান রয়েছে।

• রীট হলো এক ধরনের আইনি অধিকার যার মাধ্যমে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অধিকার লঙ্ঘিত হলে উক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান তার লঙ্ঘিত অধিকার  বাস্তবায়নের জন্য আদালতের নিকট প্রতিকার  চাইতে পারে। যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই প্রতিকার চাওয়া হয় তাকেই বলা হয় Writ (রীট)। বাংলাদেশের সংবিধানের ১০২ নাম্বার আর্টিকেল অনুযায়ী মোট পাঁচ ধরনের  Writ (রীট) সম্পর্কে  জানা যায়। সেগুলো হল-

ক. নিষেধাজ্ঞামূলক রীট (Writ of prohibition),
খ. হুকুমজারি রীট (Writ of Mandamus),
গ. উৎপ্রেষণমূলক রীট (Writ of Certiorari),
ঘ. বন্দী প্রদর্শন রীট (Writ of Habeas Corpus),
ঙ. কারণ দর্শাও রীট ( Writ of Quo warranto)।

দুই ধরনের  ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান মূলত Writ (রীট) করতে পারে।

প্রথমত, কোন  সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যার অধিকার  ভঙ্গ হয়েছে। তিন ধরনের  Writ (রীট) সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি করতে পারে সেগুলো হল-
ক. নিষেধাজ্ঞামূলক রীট (Writ of prohibition),
খ. হুকুমজারি রীট (Writ of Mandamus),
গ. উৎপ্রেষণমূলক রীট (Writ of Certiorari)।

দ্বিতীয়ত, রাষ্ট্রের যে কোন নাগরিক। দুই ধরনের Writ (রীট) রাষ্ট্রের যেকোনো নাগরিক করতে পারে। সেগুলো হল-
ক. বন্দী প্রদর্শন রীট (Writ of Habeas Corpus),
খ. কারণ দর্শাও রীট (Writ of Quo warranto)।

নিষেধাজ্ঞামূলক রীট-
বাংলাদেশের সংবিধানের ১০২(২)(ক)(অ) অনুচ্ছেদের প্রথমাংশে Writ of prohibition এর কথা উল্লেখ আছে।  বলা হয়েছে ‘ যে কোন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আবেদন ক্রমে প্রজাতন্ত্র বা কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বিষয়ায়াবলীর সাথে সংশ্লিষ্ট যে কোন দায়িত্ব পালনে রত ব্যক্তিকে আইনের দ্বারা অনুমোদিত  নয়,  এমন কোন কার্য করা হতে বিরত রাখার নির্দেশ প্রদান করিবেন।
অর্থাৎ, অধঃস্তন আদালত,  প্রতিষ্ঠান, কোন কর্তৃপক্ষ,  ব্যক্তি যদি তার উপর অর্পিত  দায়িত্বের বাহিরে কোন কাজ করতে চায় তাহলে তার বিরুদ্ধে যে রীট করা যাবে সেটাই হলো নিষেধাজ্ঞামূলক রীট (Writ of prohibition)।

হুকুমজারী রীট-
হুকুমজারি রীট সম্পর্কে  বাংলাদেশের সংবিধানের ১০২(২)(ক)(অ) অনুচ্ছেদের শেষাংশে বলা হয়েছে। উক্ত অনুচ্ছেদে  বলা হয়েছে যে- কোন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আবেদন ক্রমে প্রজাতন্ত্র বা কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বিষয়ায়াবলীর সাথে সংশ্লিষ্ট যে কোন দায়িত্ব পালনে রত ব্যক্তিকে আইনের দ্বারা তাঁর করণীয় কার্য করিতে নির্দেশ প্রদান করিবেন। অর্থাৎ অধঃস্তন আদালত, প্রতিষ্ঠান, কোন কর্তৃপক্ষ, ব্যক্তি যদি তার উপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে অস্বীকৃতি জানায় বা করতে না চায় অথবা করতে কালক্ষেপণ করেন, তাহলে উক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে যে রীট করা যাবে তাই হলো হুকুমজারি রীট (Writ of Mandamus)।

উৎপ্রেষণ রীট-
কোন অধঃস্তন আদালত, কোন কর্তৃপক্ষ, কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান  যদি এমন কোন কাজ করে যা তার উপর অর্পিত নয় অর্থাৎ আইনগত ক্ষমতাকে লঙ্ঘন করে কোন কাজ করলে তার বিরুদ্ধে যে রীট করা যায়, তাই হল উৎপ্রেষণমূলক রীট( Writ of Certiorari)। বাংলাদেশের সংবিধানের ১০২(২)(ক)(আ) অনুচ্ছেদে এই রীটের বিধান রয়েছে। 

বন্দী প্রদর্শন রীট-
বন্দী প্রদর্শন কথাটির অর্থ হল কোন ব্যক্তিকে স্বশরীরে আদালতে  হাজির করা। বাংলাদেশের সংবিধানের ১০২(২)(খ)(অ) অনুচ্ছেদে এই রীটের বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তিকে সরকার বা অন্য কোন ব্যক্তি অথবা প্রতিষ্ঠান আটক করলে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির পক্ষে যে কেউ এই রীট করতে পারেন। এই রীটের মাধ্যমে আদালত আটককারীকে আটককৃত ব্যক্তিকে আদলতে প্রদর্শনের নির্দেশ  দেয়।

কারণ দর্শাও রীট-
কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন সরকারি পদ দাবী করেন অথবা অবৈধ ভাবে এমন কোন পদ দখল করে থাকেন, যেখানে থাকার তাঁর কোন যোগ্যতা নেই তখন যেই রীট করা যায় তাকে বলা হয় কারণ দর্শাও রীট (Writ of Quo warranto)। সংবিধানের ১০২(২)(খ)(আ) অনুচ্ছেদে  এই রীটের  বিধান রয়েছে।
৬৬০.
According to Article 116A, judicial officers must act:
  1. Based on public opinion
  2. Independently, subject to the Constitution
  3. Under the supervision of the executive
  4. In accordance with political directives
সঠিক উত্তর:
Independently, subject to the Constitution
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Independently, subject to the Constitution
ব্যাখ্যা
Article 116A: Judicial officers to be independent in the exercise of their functions
Subject to provisions of the Constitution, all persons employed in the judicial service and all magistrates shall be independent in the exercise of their judicial functions.

অনুচ্ছেদ ১১৬ক: বিচারবিভাগীয় কর্মচারীগণ বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন:
এই সংবিধানের বিধানাবলী সাপেক্ষে বিচার-কর্মবিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিগণ এবং ম্যাজিস্ট্রেটগণ বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকিবেন।
৬৬১.
প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে মন্ত্রিসভায় সিদ্ধান্ত কে গ্রহণ করে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. সংসদের স্পিকার
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. মন্ত্রিসভার অন্যান্য সদস্য
সঠিক উত্তর:
মন্ত্রিসভার অন্যান্য সদস্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মন্ত্রিসভার অন্যান্য সদস্য
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৫(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের প্রতি দায়ী এবং মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত দলীয়ভাবে গৃহীত হয়। যদি প্রধানমন্ত্রী অনুপস্থিত থাকেন, তবে মন্ত্রিসভার অন্যান্য সদস্যগণ যৌথভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারেন।
→ সুতরাং প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে মন্ত্রিসভার অন্যান্য সদস্যগণ যৌথভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন, কারণ মন্ত্রিসভা দলগতভাবে পরিচালিত হয় এবং এটি সংসদের নিকট যৌথভাবে দায়ী।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৫ অনুচ্ছেদ- মন্ত্রিসভা:
(১) প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকিবে এবং প্রধানমন্ত্রী ও সময়ে সময়ে তিনি যেরূপ স্থির করিবেন, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী লইয়া এই মন্ত্রিসভা গঠিত হইবে। 
(২) প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক বা তাঁহার কর্তত্বে এই সংবিধান-অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হইবে। 
(৩) মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকিবেন। 
(৪) সরকারের সকল নির্বাহী ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতির নামে গৃহীত হইয়াছে বলিয়া প্রকাশ করা হইবে। 
(৫) রাষ্ট্রপতির নামে প্রণীত আদেশসমূহ ও অন্যান্য চুক্তিপত্র কিরূপে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত হইবে, রাষ্ট্রপতি তাহা বিধিসমূহ-দ্বারা নির্ধারণ করিবেন এবং অনুরূপভাবে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত কোন আদেশ বা চুক্তিপত্র যথাযথভাবে প্রণীত বা সম্পাদিত হয় নাই বলিয়া তাহার বৈধতা সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না। 
(৬) রাষ্ট্রপতি সরকারী কার্যাবলী বন্টন ও পরিচালনার জন্য বিধিসমূহ প্রণয়ন করিবেন।
৬৬২.
বাংলাদেশ সংবিধানের ৭৭ অনুচ্ছেদের বিষয় কী?
  1. স্পীকার
  2. সংসদের স্থায়ী কমিটি
  3. ন্যায়পাল
  4. অর্থবিল
সঠিক উত্তর:
ন্যায়পাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যায়পাল
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৭ অনুচ্ছেদের বিষয়: ন্যায়পাল:
(১) সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালের পদ-প্রতিষ্ঠার জন্য বিধান করিতে পারিবেন। 
(২) সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালকে কোন মন্ত্রণালয়, সরকারী কর্মচারী বা সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষের যে কোন কার্য সম্পর্কে তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাসহ যেরূপ ক্ষমতা কিংবা যেরূপ দায়িত্ব প্রদান করিবেন, ন্যায়পাল সেইরূপ ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করিবেন। 
(৩) ন্যায়পাল তাঁহার দায়িত্বপালন সম্পর্কে বাৎসরিক রিপোর্ট প্রণয়ন করিবেন এবং অনুরূপ রিপোর্ট সংসদে উপস্থাপিত হইবে।
------------
 ⇒ Article 77 Ombudsman:
(1) Parliament may, by law, provide for the establishment of the office of Ombudsman. 
(2) The Ombudsman shall exercise such powers and perform such functions as Parliament may, by law, determine, including the power to investigate any action taken by a Ministry, a public officer or a statutory public authority. 
(3) The Ombudsman shall prepare an annual report concerning the discharge of his functions, and such report shall be laid before Parliament.
৬৬৩.
'Noting in this Code shall be deemed to limit or affect the inherent power of the High Court Division to make such orders as may be necessary to give effect to any order under this Code or to prevent abuse of the process of any Court otherwise to secure the ends of Justice' বিধানটি The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কত ধারায় বর্ণিত হয়েছে?
  1. ৪৩৯
  2. ৪৩৫
  3. ৪৩৯এ
  4. ৫৬১এ
সঠিক উত্তর:
৫৬১এ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৬১এ
ব্যাখ্যা
Section 561A- Saving of inherent power of High Court Division
Nothing in this Code shall be deemed to limit or affect the inherent power of the High Court Division to make such orders as may be necessary to give effect to any order under this Code, or to prevent abuse of the process of any Court or otherwise to secure the ends of justice.

• ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থায় হাইকোর্ট বিভাগের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent Power) আছে। একটি মামলার ক্ষেত্রে কি পদ্ধতিতে বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে সে বিষয়ে যাবতীয় বিধি দেওয়ানী ও ফৌজদারি কার্যবিধিতে রয়েছে। কিন্তু বাস্তব ক্ষেত্রে এমন অবস্থার উদ্ভব হতে পারে, আদালতের কি করণীয় হবে সে বিষয়ে কোন সুস্পষ্ট বিধি নেই। এক্ষেত্রে ন্যায় বিচারের প্রয়োজনে আদালত তার সুবিবেচনা অনুযায়ী বিচারকার্য পরিচালনার জন্য যে ক্ষমতা প্রয়োগ করে, তাকেই আদালতের সহজাত বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power of the court) বলে। 

ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারামতে ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ ৩টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে প্রদত্ত কোন আদেশ কার্যকর করা (to give effect to any order under CrPC);
ii) কোন আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করা (to prevent abuse of the process of any court); এবং
iii) ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা (to secure the ends of justice)।
৬৬৪.
সংবিধানের ৪৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোন বিষয়ে আইন প্রণয়ন করা হলে তা মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী হলেও বাতিল হবে না?
  1. সম্পত্তি বাধ্যতামূলকভাবে গ্রহণ, রাষ্ট্রায়ত্তকরণ বা দখল
  2. বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের বাধ্যতামূলক সংযুক্তকরণ
  3. খনিজদ্রব্য বা খনিজ তৈল-অনুসন্ধানের অধিকার নিয়ন্ত্রণ
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৭(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে, যদি সংসদ কোনো আইনে স্পষ্টভাবে ঘোষণা করে যে সেটি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি কার্যকর করার জন্য প্রণীত হয়েছে, তবে তা মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী হলেও বাতিল হবে না।
বিশেষত, নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর জন্য করা আইন সংবিধানের মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী হলেও সংবিধানবিরোধী হিসেবে বাতিল হবে না—
- (ক) সম্পত্তি বাধ্যতামূলকভাবে গ্রহণ, রাষ্ট্রায়ত্তকরণ বা দখল।
- (খ) বাণিজ্যিক বা অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের বাধ্যতামূলক সংযুক্তকরণ।
- (গ) খনিজদ্রব্য বা খনিজ তৈল-অনুসন্ধান ও লাভের অধিকার নিয়ন্ত্রণ।
এছাড়াও, এই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, যদি সরকার কোনো শিল্প, ব্যবসা বা বাণিজ্য সরাসরি নিয়ন্ত্রণ নেয়, তাহলে তা মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন হলেও বাতিলযোগ্য হবে না।
তাই, ৪৭ অনুচ্ছেদ অনুসারে উপরের সবগুলো বিষয়ই অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় সঠিক উত্তর: "ঘ) উপরের সবগুলো"।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৭: কতিপয় আইনের হেফাজত:
(১) নিম্নলিখিত যে কোন বিষয়ের বিধান-সংবলিত কোন আইনে (প্রচলিত আইনের ক্ষেত্রে সংশোধনীর মাধ্যমে) সংসদ যদি স্পষ্টরূপে ঘোষণা করেন যে, এই সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে বর্ণিত রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহের কোন একটিকে কার্যকর করিবার জন্য অনুরূপ বিধান করা হইল, তাহা হইলে অনুরূপ আইন এই ভাগে নিশ্চয়কৃত কোন অধিকারের সহিত অসমঞ্জস কিংবা অনুরূপ অধিকার হরণ বা খর্ব করিতেছে, এই কারণে বাতিল বলিয়া গণ্য হইবে না:
(ক) কোন সম্পত্তি বাধ্যতামূলকভাবে গ্রহণ, রাষ্ট্রায়ত্তকরণ বা দখল কিংবা সাময়িকভাবে বা স্থায়ীভাবে কোন সম্পত্তির নিয়ন্ত্রণ বা ব্যবস্থাপনা;
(খ) বাণিজ্যিক বা অন্যবিধ উদ্যোগসম্পন্ন একাধিক প্রতিষ্ঠানের বাধ্যতামূলক সংযুক্তকরণ;
(গ) অনুরূপ যে কোন প্রতিষ্ঠানের পরিচালক, ব্যবস্থাপক, এজেন্ট ও কর্মচারীদের অধিকার এবং (যে কোন প্রকারের) শেয়ার ও স্টকের মালিকদের ভোটাধিকার বিলোপ, পরিবর্তন, সীমিতকরণ বা নিয়ন্ত্রণ;
(ঘ) খনিজদ্রব্য বা খনিজ তৈল-অনুসন্ধান বা লাভের অধিকার বিলোপ, পরিবর্তন, সীমিতকরণ বা নিয়ন্ত্রণ;
(ঙ) অন্যান্য ব্যক্তিকে অংশতঃ বা সম্পূর্ণতঃ পরিহার করিয়া সরকার কর্তৃক বা সরকারের নিজস্ব, নিয়ন্ত্রণাধীন বা ব্যবস্থাপনাধীন কোন সংস্থা কর্তৃক যে কোন কারবার, ব্যবসায়, শিল্প বা কর্মবিভাগ-চালনা; অথবা
(চ) যে কোন সম্পত্তির স্বত্ব কিংবা পেশা, বৃত্তি, কারবার বা ব্যবসায়-সংক্রান্ত যে কোন অধিকার কিংবা কোন সংবিধিবদ্ধ সরকারী প্রতিষ্ঠান বা কোন বাণিজ্যিক বা শিল্পগত উদ্যোগের মালিক বা কর্মচারীদের অধিকার বিলোপ, পরিবর্তন, সীমিতকরণ বা নিয়ন্ত্রণ।
(২) এই সংবিধানে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও প্রথম তফসিলে বর্ণিত আইনসমূহ (অনুরূপ আইনের কোন সংশোধনীসহ) পূর্ণভাবে বলবৎ ও কার্যকর হইতে থাকিবে এবং অনুরূপ যে কোন আইনের কোন বিধান কিংবা অনুরূপ কোন আইনের কর্তৃত্বে যাহা করা হইয়াছে বা করা হয় নাই, তাহা এই সংবিধানের কোন বিধানের সহিত অসমঞ্জস বা তাহার পরিপন্থী, এই কারণে বাতিল বা বেআইনী বলিয়া গণ্য হইবে না;
তবে শর্ত থাকে যে, এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই অনুরূপ কোন আইনকে সংশোধন, পরিবর্তন বা বাতিল করা হইতে নিবৃত্ত করিবে না।
(৩) এই সংবিধানে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও গণহত্যাজনিত অপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ বা যুদ্ধাপরাধ এবং আন্তর্জাতিক আইনের অধীন অন্যান্য অপরাধের জন্য কোন সশস্ত্র বাহিনী বা প্রতিরক্ষা বাহিনী বা সহায়ক বাহিনীর সদস্য28[বা অন্য কোন ব্যক্তি, ব্যক্তি সমষ্টি বা সংগঠন] কিংবা যুদ্ধবন্দীকে আটক, ফৌজদারীতে সোপর্দ কিংবা দণ্ডদান করিবার বিধান-সংবলিত কোন আইন বা আইনের বিধান এই সংবিধানের কোন বিধানের সহিত অসমঞ্জস বা তাহার পরিপন্থী, এই কারণে বাতিল বা বেআইনী বলিয়া গণ্য হইবে না কিংবা কখনও বাতিল বা বেআইনী হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না ।
৬৬৫.
নিম্নলিখিত কোনটি প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগ সংক্রান্ত সংসদের নিয়ন্ত্রণাধীন বিষয় নয়?
  1. প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধানদের নিয়োগ
  2. প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগের শৃঙ্খলা ও নিয়ন্ত্রণ
  3. রাষ্ট্রপতির সামরিক উপদেষ্টার নিয়োগ
  4. প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগের বাজেট অনুমোদন
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতির সামরিক উপদেষ্টার নিয়োগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতির সামরিক উপদেষ্টার নিয়োগ
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬২(১) অনুযায়ী, সংসদ নিম্নলিখিত প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগ সংক্রান্ত বিষয়ে আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করে:
১) প্রতিরক্ষা বাহিনীর গঠন ও রক্ষণাবেক্ষণ
২) প্রতিরক্ষা বাহিনীতে কমিশন মঞ্জুরী
৩) প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধানদের নিয়োগ ও তাঁদের বেতন-ভাতা নির্ধারণ
৪) প্রতিরক্ষা বাহিনীর শৃঙ্খলা ও অন্যান্য বিষয়
→ তবে, রাষ্ট্রপতির সামরিক উপদেষ্টার নিয়োগ প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগ সম্পর্কিত বিষয় নয়। এটি রাষ্ট্রপতির ব্যক্তিগত বা সাংবিধানিক প্রশাসনিক বিষয়, যা সংসদ কর্তৃক সরাসরি নিয়ন্ত্রিত নয়। সাধারণত, সামরিক উপদেষ্টা নিয়োগ রাষ্ট্রপতির নিজস্ব এখতিয়ারভুক্ত বিষয় এবং এটি সংসদীয় নিয়ন্ত্রণাধীন প্রতিরক্ষা নীতির মধ্যে পড়ে না।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ- ৬২ প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগে ভর্তি প্রভৃতি:
(১) সংসদ আইনের দ্বারা নিম্নলিখিত বিষয়সমূহ নিয়ন্ত্রণ করিবেন: 
(ক) বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগসমূহ ও উক্ত কর্মবিভাগসমূহের সংরক্ষিত অংশসমূহ গঠন ও রক্ষণাবেক্ষণ; 
(খ) উক্ত কর্মবিভাগসমূহে কমিশন মঞ্জুরী; 
(গ) প্রতিরক্ষা-বাহিনীসমূহের প্রধানদের নিয়োগদান ও তাঁহাদের বেতন ও ভাতা-নির্ধারণ; এবং 
(ঘ) উক্ত কর্মবিভাগসমূহ ও সংরক্ষিত অংশসমূহ-সংক্রান্ত শৃঙ্খলামূলক ও অন্যান্য বিষয়। 
(২) সংসদ আইনের দ্বারা এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় বর্ণিত বিষয়সমূহের জন্য বিধান না করা পর্যন্ত অনুরূপ যে সকল বিষয় প্রচলিত আইনের অধীন নহে, রাষ্ট্রপতি আদেশের দ্বারা সেই সকল বিষয়ের জন্য বিধান করিতে পারিবেন।
৬৬৬.
রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে কে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. স্পীকার
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. সংসদের উপনেতা
সঠিক উত্তর:
স্পীকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পীকার
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, যদি রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হয়, অথবা তিনি অনুপস্থিত, অসুস্থ বা অন্য কোনো কারণে দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হন, তাহলে স্পীকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
→ যখন স্পীকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন:
১) রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে— নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত।
২) রাষ্ট্রপতি অনুপস্থিত থাকলে— তিনি ফিরে না আসা পর্যন্ত।
৩) রাষ্ট্রপতি গুরুতর অসুস্থ হলে— সুস্থ হয়ে দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত।
৪) অন্য কোনো কারণে রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব পালনে অক্ষম হলে— তিনি দায়িত্ব নিতে সক্ষম না হওয়া পর্যন্ত।

অর্থাৎ সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী স্পীকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
- রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে বা তিনি দায়িত্ব পালনে অক্ষম হলে স্পীকার অস্থায়ীভাবে দায়িত্ব পালন করেন।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ- অনুপস্থিতি প্রভৃতির-কালে রাষ্ট্রপতি-পদে স্পীকার:
- রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হইলে কিংবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোন কারণে রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হইলে ক্ষেত্রমত রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত কিংবা রাষ্ট্রপতি পুনরায় স্বীয় কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্পীকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করিবেন।
৬৬৭.
প্রত্যেক অর্থবিলে কার স্বাক্ষর সম্বলিত একটি সার্টিফিকেট থাকবে?
  1. প্রধানমন্ত্রীর
  2. স্পীকারের
  3. অর্থমন্ত্রীর
  4. চিফ হুইপের
সঠিক উত্তর:
স্পীকারের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পীকারের
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৮১ অনুচ্ছেদ- অর্থবিল: 

(১) এই ভাগে "অর্থবিল" বলিতে কেবল নিম্নলিখিত বিষয়সমূহের সকল বা যে কোন একটি সম্পর্কিত বিধানাবলী-সংবলিত বিল বুঝাইবে:
(ক) কোন কর আরোপ, নিয়ন্ত্রণ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণ; 
(খ) সরকার কর্তৃক ঋণগ্রহণ বা কোন গ্যারান্টিদান, কিংবা সরকারের আর্থিক দায়-দায়িত্ব সম্পর্কিত আইন সংশোধন; 
(গ) সংযুক্ত তহবিলের রক্ষণাবেক্ষণ, অনুরূপ তহবিলে অর্থপ্রদান বা অনুরূপ তহবিল হইতে অর্থ দান বা নির্দিষ্টকরণ; 
(ঘ) সংযুক্ত তহবিলের উপর দায় আরোপ কিংবা অনুরূপ কোন দায় রদবদল বা বিলোপ; 
(ঙ) সংযুক্ত তহবিল বা প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাব বাবদ অর্থপ্রাপ্তি, কিংবা অনুরূপ অর্থ রক্ষণাবেক্ষণ বা দান, কিংবা সরকারের হিসাব-নিরীক্ষা; 
(চ) উপরি-উক্ত উপ-দফাসমূহে নির্ধারিত যে কোন বিষয়ের অধীন কোন আনুষঙ্গিক বিষয়। 
 
(২) কোন জরিমানা বা অন্য অর্থদণ্ড আরোপ বা রদবদল, কিংবা লাইসেন্স-ফি বা কোন কার্যের জন্য ফি বা উসুল আরোপ বা প্রদান কিংবা স্থানীয় উদ্দেশ্যসাধনকল্পে কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক কোন কর আরোপ, নিয়ন্ত্রণ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণের বিধান করা হইয়াছে, কেবল এই কারণে কোন বিল অর্থবিল বলিয়া গণ্য হইবে না। 
 
(৩) রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য তাঁহার নিকট পেশ করিবার সময়ে প্রত্যেক অর্থবিলে স্পীকারের স্বাক্ষরে এই মর্মে একটি সার্টিফিকেটে থাকিবে যে, তাহা একটি অর্থবিল, এবং অনুরূপ সার্টিফিকেট সকল বিষয়ে চূড়ান্ত হইবে এবং সেই সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।
৬৬৮.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রিদের নিয়োগ দেন?
  1. ৫৫(১)
  2. ৫৮(২)
  3. ৫৮(১)
  4. ৫৬(২)
সঠিক উত্তর:
৫৬(২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৬(২)
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৫৬: মন্ত্রিগণ

(১) একজন প্রধানমন্ত্রী থাকিবেন এবং প্রধানমন্ত্রী যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রী থাকিবেন। 
(২) প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদিগকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করিবেন: 
তবে শর্ত থাকে যে, তাঁহাদের সংখ্যার অন্যূন নয়-দশমাংশ সংসদ-সদস্যগণের মধ্য হইতে নিযুক্ত হইবেন এবং অনধিক এক-দশমাংশ সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য ব্যক্তিগণের মধ্য হইতে মনোনীত হইতে পারিবেন।
(৩) যে সংসদ-সদস্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হইবেন, রাষ্ট্রপতি তাঁহাকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করিবেন। 
(৪) সংসদ ভাংগিয়া যাওয়া এবং সংসদ-সদস্যদের অব্যবহিত পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের মধ্যবর্তীকালে এই অনুচ্ছেদের (২) বা (৩) দফার অধীন নিয়োগ দানের প্রয়োজন দেখা দিলে সংসদ ভাংগিয়া যাইবার অব্যবহিত পূর্বে যাঁহারা সংসদ-সদস্য ছিলেন, এই দফার উদ্দেশ্যসাধনকল্পে তাঁহারা সদস্যরূপে বহাল রহিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন।

Article 56: Ministers

(1) There shall be a Prime Minister, and such other Ministers, Ministers of State and Deputy Ministers as may be determined by the Prime Minister. 

(2) The appointments of the Prime Minister and other Ministers and of the Ministers of State and Deputy Ministers, shall be made by the President: 
Provided that not less than nine-tenths of their number shall be appointed from among members of Parliament and not more than one tenth of their number may be chosen from among persons qualified for election as members of Parliament. 
 
(3) The President shall appoint as Prime Minister the member of Parliament who appears to him to command the support of the majority of the members of Parliament. 
 
(4) If occasion arises for making any appointment under clause (2) or clause (3) between a dissolution of Parliament and the next following general election of members of Parliament, the persons who were such members immediately before the dissolution shall be regarded for the purpose of this clause as continuing to be such members.
৬৬৯.
বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৩(২) অনুচ্ছেদ অনুসারে, রাষ্ট্রপতি কর্তৃক জারীকৃত অধ্যাদেশটি কখন তার কার্যকরতা হারাবে?
  1. সংসদে উপস্থাপনের তারিখেই
  2. প্রণয়নের তারিখ হতে ৯০ দিন অতিবাহিত হলে
  3. সংসদে উপস্থাপনের পর ৩০ দিন অতিবাহিত হলে
  4. সংসদে উপস্থাপনের পর ৬০ দিন অতিবাহিত হলে
সঠিক উত্তর:
সংসদে উপস্থাপনের পর ৩০ দিন অতিবাহিত হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংসদে উপস্থাপনের পর ৩০ দিন অতিবাহিত হলে
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯৩(২)-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, রাষ্ট্রপতি কর্তৃক জারীকৃত অধ্যাদেশটি সংসদের প্রথম বৈঠকে উপস্থাপনের পর ত্রিশ (৩০) দিন অতিবাহিত হলে অথবা তার আগেই সংসদ যদি এটি অননুমোদনের প্রস্তাব পাস করে, তাহলে অধ্যাদেশটির কার্যকরতা লোপ পাবে। অর্থাৎ, উপস্থাপনের পর ৩০ দিন পার হওয়ার সাথে সাথেই অধ্যাদেশটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যায়, যদি না সংসদ ইতিমধ্যে স্পষ্টভাবে এটি অনুমোদন দেয়।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা:
(১) সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় অথবা উহার অধিবেশনকাল ব্যতীত কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট আশু ব্যবস্থাগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে বলিয়া সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে তিনি উক্ত পরিস্থিতিতে যেরূপ প্রয়োজনীয় বলিয়া মনে করিবেন, সেইরূপ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করিতে পারিবেন এবং জারী হইবার সময় হইতে অনুরূপভাবে প্রণীত অধ্যাদেশ সংসদের আইনের ন্যায় ক্ষমতাসম্পন্ন হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার অধীন কোন অধ্যাদেশে এমন কোন বিধান করা হইবে না,
(ক) যাহা এই সংবিধানের অধীন সংসদের আইন-দ্বারা আইনসঙ্গতভাবে করা যায় না;
(খ) যাহাতে এই সংবিধানের কোন বিধান পরিবর্তিত বা রহিত হইয়া যায়; অথবা
(গ) যাহার দ্বারা পূর্বে প্রণীত কোন অধ্যাদেশের যে কোন বিধানকে অব্যাহতভাবে বলবৎ করা যায়।
(২) এই অনুচ্ছেদের (১) দফার অধীন প্রণীত কোন অধ্যাদেশ জারী হইবার পর অনুষ্ঠিত সংসদের প্রথম বৈঠকে তাহা উপস্থাপিত হইবে এবং ইতঃপূর্বে বাতিল না হইয়া থাকিলে অধ্যাদেশটি অনুরূপভাবে উপস্থাপনের পর ত্রিশ দিন অতিবাহিত হইলে কিংবা অনুরূপ মেয়াদ উত্তীর্ণ হইবার পূর্বে তাহা অননুমোদন করিয়া সংসদে প্রস্তাব গৃহীত হইলে অধ্যাদেশটির কার্যকরতা লোপ পাইবে।
(৩) সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থার কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট ব্যবস্থা-গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে বলিয়া সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে তিনি এমন অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করিতে পারিবেন, যাহাতে সংবিধান-দ্বারা সংযুক্ত তহবিলের উপর কোন ব্যয় দায়যুক্ত হউক বা না হউক, উক্ত তহবিল হইতে সেইরূপ ব্যয়নির্বাহের কর্তৃত্ব প্রদান করা যাইবে এবং অনুরূপভাবে প্রণীত কোন অধ্যাদেশ জারী হইবার সময় হইতে তাহা সংসদের আইনের ন্যায় ক্ষমতাসম্পন্ন হইবে। 
(৪) এই অনুচ্ছেদের (৩) দফার অধীন জারীকৃত প্রত্যেক অধ্যাদেশ যথাশীঘ্র সংসদে উপস্থাপিত হইবে এবং সংসদ পুনর্গঠিত হইবার তারিখ হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে এই সংবিধানের ৮৭, ৮৯ ও ৯০ অনুচ্ছেদসমূহের বিধানাবলী প্রয়োজনীয় উপযোগীকরণসহ পালিত হইবে।

৬৭০.
শপথ গ্রহণের পূর্বে সংসদে আসন গ্রহণ বা ভোট দান করলে একজন সদস্য কত টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন?
  1. ৫০০ টাকা প্রতিদিন
  2. ১,০০০ টাকা প্রতিদিন
  3. ৫,০০০ টাকা প্রতিদিন
  4. ১০,০০০ টাকা প্রতিদিন
সঠিক উত্তর:
১,০০০ টাকা প্রতিদিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১,০০০ টাকা প্রতিদিন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোন ব্যক্তি যদি শপথ গ্রহণ বা ঘোষণা করার পূর্বে কিংবা তিনি সংসদ-সদস্য হওয়ার যোগ্য নন বা অযোগ্য হয়েছেন জেনেও সংসদ-সদস্য হিসেবে আসনগ্রহণ বা ভোটদান করেন, তাহলে তিনি প্রতিদিনের জন্য ১,০০০ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন। এই অর্থদণ্ড প্রজাতন্ত্রের নিকট দেনা হিসাবে উসুলযোগ্য হবে।

সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো খ) ১,০০০ টাকা প্রতিদিন।
৬৭১.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোনটি প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য?
  1. শৃঙ্খলা রক্ষা করা
  2. ভোটাধিকার প্রয়োগ করা
  3. দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা
  4. দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখা
সঠিক উত্তর:
শৃঙ্খলা রক্ষা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শৃঙ্খলা রক্ষা করা
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদের বিধান: নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য:
(১) সংবিধান ও আইন মান্য করা, শৃঙ্খলা রক্ষা করা, নাগরিকদায়িত্ব পালন করা এবং জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য৷ 

(২) সকল সময়ে জনগণের সেবা করিবার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য৷
-----------
⇒ The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh Article 21. Duties of citizens and of public servants:
(1) It is the duty of every citizen to observe the Constitution and the laws, to maintain discipline, to perform public duties and to protect public property. 

(2) Every person in the service of the Republic has a duty to strive at all times to serve the people.
৬৭২.
'Per incuriam' শব্দের অর্থ-
  1. বিচারক কর্তৃক কৃত অনিচ্ছাকৃত ভুলের বিষয় তার গোচরে আসামাত্র ন্যায়বিচারের স্বার্থে শুদ্ধ করা
  2. আইনের কোন শব্দ বা বাক্যের অর্থ বুঝাতে না পারা
  3. আইনে ব্যবহৃত কোন শব্দ বা বাক্যের ব্যাখ্যা করা
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বিচারক কর্তৃক কৃত অনিচ্ছাকৃত ভুলের বিষয় তার গোচরে আসামাত্র ন্যায়বিচারের স্বার্থে শুদ্ধ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারক কর্তৃক কৃত অনিচ্ছাকৃত ভুলের বিষয় তার গোচরে আসামাত্র ন্যায়বিচারের স্বার্থে শুদ্ধ করা
ব্যাখ্যা
• "Per incuriam"

The expressin "Per incuriam" is a latin word, which means "through in advertence".
According to Oxford Dictionary: "through lack of care". A decision of a court is made per incuriam. if it fails to apply a relevant statutory provision or ignores a binding precedent.

অর্থাৎ, উচ্চ আদালত কর্তৃক কোনো আইনগত বিধান লংঘনকরে কোনো রায় দিলে তা সংবিধানের ১১১ অনুচ্ছেদের অধীনে Law Declared by HCD হবে না এবং তা নিম্ন-আদালতের উপর বাধ্যকর হবে না। অর্থাৎ, তা 'Judgment per incuriam' বলে গণ্য হবে। সংক্ষেপে Per incuriam এর বাংলা অর্থ- ভুলবশত রায় দেয়া (Decided Wrongly).

এখানে প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে অপশন 'ক' এর সাথেই এর অর্থ মিলে। তাই সঠিক উত্তর হবে 'ক'।
৬৭৩.
সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে 'right to social security' নিশ্চিত করা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৩
  2. অনুচ্ছেদ ১৫
  3. অনুচ্ছেদ ১৬
  4. অনুচ্ছেদ ১৮
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৫
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ১৫: মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা:
রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব হইবে পরিকল্পিত অর্থনৈতিক বিকাশের মাধ্যমে উৎপাদনশক্তির ক্রমবৃদ্ধিসাধন এবং জনগণের জীবনযাত্রার বস্তুগত ও সংস্কৃতিগত মানের দৃঢ় উন্নতিসাধন, যাহাতে নাগরিকদের জন্য নিম্নলিখিত বিষয়সমূহ অর্জন নিশ্চিত করা যায়:
(ক) অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয়, শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ জীবনধারণের মৌলিক উপকরণের ব্যবস্থা;
(খ) কর্মের অধিকার, অর্থাৎ কর্মের গুণ ও পরিমাণ বিবেচনা করিয়া যুক্তিসঙ্গত মজুরীর বিনিময়ে কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তার অধিকার;
(গ) যুক্তিসঙ্গত বিশ্রাম, বিনোদন ও অবকাশের অধিকার; এবং
(ঘ) সামাজিক নিরাপত্তার অধিকার, অর্থাৎ বেকারত্ব, ব্যাধি বা পঙ্গুত্বজনিত কিংবা বৈধব্য, মাতাপিতৃহীনতা বা বার্ধক্যজনিত কিংবা অনুরূপ অন্যান্য পরিস্থিতিজনিত আয়ত্তাতীত কারণে অভাবগ্রস্ততার ক্ষেত্রে সরকারী সাহায্য লাভের অধিকার৷

​Article 15: Provision of basic necessities:
It shall be a fundamental responsibility of the State to attain, through planned economic growth, a constant increase of productive forces and a steady improvement in the material and cultural standard of living of the people, with a view to securing to its citizens –
(a) the provision of the basic necessities of life, including food, clothing, shelter, education and medical care;
(b) the right to work, that is the right to guaranteed employment at a reasonable wage having regard to the quantity and quality of work;
(c) the right to reasonable rest, recreation and leisure; and
(d) the right to social security, that is to say, to public assistance in cases of undeserved want arising from unemployment, illness or disablement, or suffered by widows or orphans or in old age, or in other such cases.

৬৭৪.
প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগের সংরক্ষিত অংশসমূহের শৃঙ্খলামূলক বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে কে?
  1. সংসদ
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. সেনাবাহিনী প্রধান
সঠিক উত্তর:
সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংসদ
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬২(১)(ঘ) অনুযায়ী, প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগ ও এর সংরক্ষিত অংশসমূহের শৃঙ্খলামূলক ও অন্যান্য বিষয় নিয়ন্ত্রণ করার দায়িত্ব সংসদের উপর ন্যস্ত হয়েছে। সংসদ আইনের মাধ্যমে এই বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণ করে।
→ সংসদ প্রতিরক্ষা বাহিনীর শৃঙ্খলা, নিয়োগ, পদোন্নতি, শাস্তিমূলক ব্যবস্থা ও অন্যান্য প্রশাসনিক বিষয় নিয়ন্ত্রণের জন্য আইন প্রণয়ন করতে পারে। সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর জন্য পৃথক সেনা আইন, নৌ আইন ও বিমান বাহিনী আইন রয়েছে, যা সংসদ কর্তৃক প্রণীত।
- তবে, সংসদ আইন দ্বারা যে বিধান করবে, তা বাস্তবায়নের দায়িত্ব থাকে প্রতিরক্ষা বাহিনীর অধীন কর্তৃপক্ষের হাতে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ- ৬২ প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগে ভর্তি প্রভৃতি:
(১) সংসদ আইনের দ্বারা নিম্নলিখিত বিষয়সমূহ নিয়ন্ত্রণ করিবেন: 
(ক) বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগসমূহ ও উক্ত কর্মবিভাগসমূহের সংরক্ষিত অংশসমূহ গঠন ও রক্ষণাবেক্ষণ; 
(খ) উক্ত কর্মবিভাগসমূহে কমিশন মঞ্জুরী; 
(গ) প্রতিরক্ষা-বাহিনীসমূহের প্রধানদের নিয়োগদান ও তাঁহাদের বেতন ও ভাতা-নির্ধারণ; এবং 
(ঘ) উক্ত কর্মবিভাগসমূহ ও সংরক্ষিত অংশসমূহ-সংক্রান্ত শৃঙ্খলামূলক ও অন্যান্য বিষয়। 
(২) সংসদ আইনের দ্বারা এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় বর্ণিত বিষয়সমূহের জন্য বিধান না করা পর্যন্ত অনুরূপ যে সকল বিষয় প্রচলিত আইনের অধীন নহে, রাষ্ট্রপতি আদেশের দ্বারা সেই সকল বিষয়ের জন্য বিধান করিতে পারিবেন।
৬৭৫.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১৮ অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে ________ অধীন হবেন।
  1. সংবিধানের
  2. আইনের
  3. সংসদের
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১১৮: নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা

(১) প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন থাকিবে এবং উক্ত বিষয়ে প্রণীত কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারকে নিয়োগদান করিবেন।

(২) একাধিক নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া নির্বাচন কমিশন গঠিত হইলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার তাহার সভাপতিরূপে কার্য করিবেন।

(৩) এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে কোন নির্বাচন কমিশনারের পদের মেয়াদ তাঁহার কার্যভার গ্রহণের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসরকাল হইবে এবং
(ক) প্রধান নির্বাচন কমিশনার-পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন, এমন কোন ব্যক্তি প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না;
(খ) অন্য কোন নির্বাচন কমিশনার অনুরূপ পদে কর্মাবসানের পর প্রধান নির্বাচন কমিশনাররূপে নিয়োগলাভের যোগ্য হইবেন, তবে অন্য কোনভাবে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না।

(৪) নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকিবেন এবং কেবল এই সংবিধান ও আইনের অধীন হইবেন।

(৫) সংসদ কর্তৃক প্রণীত যে কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে নির্বাচন কমিশনারদের কর্মের শর্তাবলী রাষ্ট্রপতি আদেশের দ্বারা যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সেইরূপ হইবে; তবে শর্ত থাকে যে, সুপ্রীম কোর্টের বিচারক যেরূপ পদ্ধতি ও কারণে অপসারিত হইতে পারেন, সেইরূপ পদ্ধতি ও কারণ ব্যতীত কোন নির্বাচন কমিশনার অপসারিত হইবেন না।

(৬) কোন নির্বাচন কমিশনার রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ করিয়া স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন।

Article 118: Establishment of Election Commission

(1) There shall be an Election Commission for Bangladesh consisting of 67[the Chief Election Commissioner and not more than four Election Commissioners] and the appointment of the Chief Election Commissioner and other Election Commissioners (if any) shall, subject to the provisions of any law made in that behalf, be made by the President. 
 
(2) When the Election Commission consists of more than one person, the Chief Election Commissioner shall act as the chairman thereof. 

(3) Subject to the provisions of this Constitution the term of office of an Election Commissioner shall be five years from the date on which he enters upon his office, and – 
(a) a person who has held office as Chief Election Commissioner shall not be eligible for appointment in the service of the Republic; 
(b) any other Election Commissioner shall, on ceasing to hold office as such, be eligible for appointment as Chief Election Commissioner but shall not be otherwise eligible for appointment in the service of the Republic. 
 
(4) The Election Commission shall be independent in the exercise of its functions and subject only to this Constitution and any other law. 

(5) Subject to the provisions of any law made by Parliament, the conditions of service of Election Commissioners shall be such as the President may, by order, determine: 
Provided that an Election Commissioner shall not be removed from his office except in like manner and on the like grounds as a Judge of the Supreme Court. 

(6) An Election Commissioner may resign his office by writing under his hand addressed to the President.
৬৭৬.
Mens Legis means-
  1. Mens rea
  2. Legal status of the men
  3. Purpose of a law
  4. Preamble of a law
সঠিক উত্তর:
Purpose of a law
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Purpose of a law
ব্যাখ্যা
• Mens Legis (Latin term) - The purpose of the law.

It refers to the spirit or purpose of a law. In simpler terms, it is what the law is trying to achieve or accomplish.

For example,
the mens legis behind a law that prohibits driving under the influence of alcohol is to prevent accidents and protect public safety. The mens legis behind a law that requires employers to provide a safe working environment is to protect workers from harm.
৬৭৭.
No citizen shall, without the prior approval of ________ accept any title, honour, award or decoration from any foreign state.
  1. the parliament
  2. the prime minister
  3. the President
  4. the parliament & president
সঠিক উত্তর:
the President
উত্তর
সঠিক উত্তর:
the President
ব্যাখ্যা
Article 30: Prohibition of foreign titles, etc.

No citizen shall, without the prior approval of the President, accept any title, honour, award or decoration from any foreign state.

অনুচ্ছেদ ৩০: বিদেশী, খেতাব, প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ
রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমোদন ব্যতীত কোন নাগরিক কোন বিদেশী রাষ্ট্রের নিকট হইতে কোন খেতাব, সম্মান, পুরস্কার বা ভূষণ গ্রহণ করিবেন না।
৬৭৮.
সংবিধানের কত অনুচ্ছেদ 'সামাজিক নিরাপত্তার অধিকার' নিশ্চিত করেছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৪
  2. অনুচ্ছেদ ১৩
  3. অনুচ্ছেদ ১৫
  4. অনুচ্ছেদ ১৭
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৫
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১৫ অনুচ্ছেদের (ঘ) দফায় সামাজিক নিরাপত্তার অধিকারের কথা বলা হয়েছে। এই দফায় সামাজিক নিরাপত্তা বলতে বেকারত্ব, ব্যাধি বা পঙ্গুত্বজনিত কিংবা বৈধতা, মাতা-পিতৃহীনতা বা বার্ধক্যজনিত কিংবা অনুরুপ অন্যান্য পরিস্থিতিজনিত আয়ত্তাতীত কারণে অভাবগ্রস্ততার ক্ষেত্রে সরকারী সাহায্য লাভের অধিকার বোঝানো হয়েছে।

অনুচ্ছেদ ১৫: মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা

রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব হইবে পরিকল্পিত অর্থনৈতিক বিকাশের মাধ্যমে উৎপাদনশক্তির ক্রমবৃদ্ধিসাধন এবং জনগণের জীবনযাত্রার বস্তুগত ও সংস্কৃতিগত মানের দৃঢ় উন্নতিসাধন, যাহাতে নাগরিকদের জন্য নিম্নলিখিত বিষয়সমূহ অর্জন নিশ্চিত করা যায়:
(ক) অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয়, শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ জীবনধারণের মৌলিক উপকরণের ব্যবস্থা;
(খ) কর্মের অধিকার, অর্থাৎ কর্মের গুণ ও পরিমাণ বিবেচনা করিয়া যুক্তিসঙ্গত মজুরীর বিনিময়ে কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তার অধিকার;
(গ) যুক্তিসঙ্গত বিশ্রাম, বিনোদন ও অবকাশের অধিকার; এবং
(ঘ) সামাজিক নিরাপত্তার অধিকার, অর্থাৎ বেকারত্ব, ব্যাধি বা পঙ্গুত্বজনিত কিংবা বৈধব্য, মাতাপিতৃহীনতা বা বার্ধক্যজনিত কিংবা অনুরূপ অন্যান্য পরিস্থিতিজনিত আয়ত্তাতীত কারণে অভাবগ্রস্ততার ক্ষেত্রে সরকারী সাহায্য লাভের অধিকার৷

Article 15: Provision of basic necessities
 
It shall be a fundamental responsibility of the State to attain, through planned economic growth, a constant increase of productive forces and a steady improvement in the material and cultural standard of living of the people, with a view to securing to its citizens – 
(a) the provision of the basic necessities of life, including food, clothing, shelter, education and medical care; 
(b) the right to work, that is the right to guaranteed employment at a reasonable wage having regard to the quantity and quality of work; 
(c) the right to reasonable rest, recreation and leisure; and 
(d) the right to social security, that is to say, to public assistance in cases of undeserved want arising from unemployment, illness or disablement, or suffered by widows or orphans or in old age, or in other such cases.
৬৭৯.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান সংবাদপত্রের স্বাধীনতা _____ ।
  1. সম্পূর্ণ ভাবে নিশ্চিত করেছে
  2. দেয় নাই
  3. কতিপয় বিধি-নিষেধ সাপেক্ষে নিশ্চিত করেছে
  4. কোনো রকম শর্ত ছাড়া নিশ্চিত করেছে
সঠিক উত্তর:
কতিপয় বিধি-নিষেধ সাপেক্ষে নিশ্চিত করেছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কতিপয় বিধি-নিষেধ সাপেক্ষে নিশ্চিত করেছে
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ৩৯(২) অনুচ্ছেদে, বাক-স্বাধীনতা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা কতিপয় বাধা-নিষেধ সাপেক্ষে মঞ্জুর করা হয়েছে-

⇒ রাষ্ট্রের নিরাপত্তা;
⇒ বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক;
⇒ জনশৃঙ্খলা;
⇒ শালীনতা বা নৈতিকতার স্বার্থে;
⇒ আদালত অবমাননা;
⇒ মানহানি; বা
⇒ অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা।

অনুচ্ছেদ ৩৯: চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক-স্বাধীনতা

(১) চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দান করা হইল।
(২) রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত-অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ সাপেক্ষে-
(ক) প্রত্যেক নাগরিকের বাক ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের, এবং
(খ) সংবাদপত্রের স্বাধীনতার; নিশ্চয়তা দান করা হইল। 

Article 39: Freedom of thought and conscience, and of speech

(1) Freedom of thought and conscience is guaranteed. 
(2) Subject to any reasonable restrictions imposed by law in the interests of the security of the State, friendly relations with foreign states, public order, decency or morality, or in relation to contempt of court, defamation or incitement to an offence– 
(a) the right of every citizen to freedom of speech and expression; and
(b) freedom of the press, 
are guaranteed.
৬৮০.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে প্রচলিত আইনের হেফাজত সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ১৪৭ অনুচ্ছেদে
  2. ১৪৮ অনুচ্ছেদে
  3. ১৪৯ অনুচ্ছেদে
  4. ১৫০ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১৪৯ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৯ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪৯: প্রচলিত আইনের হেফাজত-
এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে সকল প্রচলিত আইনের কার্যকরতা অব্যাহত থাকিবে, তবে অনুরূপ আইন এই সংবিধানের অধীন প্রণীত আইনের দ্বারা সংশোধিত বা রহিত হইতে পারিবে।

[Subject to the provisions of this Constitution all existing laws shall continue to have effect but may be amended or repealed by law made under this Constitution.]
৬৮১.
বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে ______ এবং নাগরিকগণ _______ বলিয়া পরিচিত হইবেন।
  1. বাংলাদেশী, বাংলাদেশী
  2. বাঙালী, বাংলাদেশী
  3. বাংলাভাষী, বাংলাদেশী
  4. বাংলাভাষী, বাঙালী
সঠিক উত্তর:
বাঙালী, বাংলাদেশী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাঙালী, বাংলাদেশী
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৬ অনুচ্ছেদে বিধান: নাগরিকত্ব:
(১) বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইনের দ্বারা নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হইবে।
(২) বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালী এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলিয়া পরিচিত হইবেন।
-------------------------- 
Article 6. Citizenship:
(1) The citizenship of Bangladesh shall be determined and regulated by law.
(2) The people of Bangladesh shall be known as Bangalees as a nation and the citizens of Bangladesh shall be known as Bangladeshies.
৬৮২.
'Res integra' বলতে কি বোঝায়?
  1. a matter already decided
  2. intention of a man
  3. a matter not yet decided
  4. intention of law
সঠিক উত্তর:
a matter not yet decided
উত্তর
সঠিক উত্তর:
a matter not yet decided
ব্যাখ্যা
• The term 'res integra' is applied to- those points of the law which have not been decided, which are untouched by dictum or decision. It is a point not covered by the authority of a decided case, so that a judge may decide it upon principle alone. In simple terms, res integra is something which has not yet been determined or resolved.

অর্থাৎ আইনের পরিভাষায় বলা যায়, যে সকল বিচার্য বা বিরোধীয় বিষয়সমূহ সমাধান করা হয় নি বা কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় নি, সেই সকল বিষয় 'Res integra' হিসেবে বিবেচিত হবে।
৬৮৩.
কোন পদটি সাংবিধানিক পদ নয়?
  1. প্রধান নির্বাচন কমিশনার
  2. চেয়ারম্যান, সরকারী কর্ম কমিশন
  3. মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
  4. চেয়ারম্যান, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন
সঠিক উত্তর:
চেয়ারম্যান, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চেয়ারম্যান, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন
ব্যাখ্যা
চেয়ারম্যান, মানবাধিকার কমিশন- এটি সাংবিধানিক পদ নয়।

সাংবিধানিক পদ:
- সংবিধান হলো গ্ণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন। 
- সাংবিধানিক উপায়ে যে সকল প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করা হয় তাকে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান বলে।
- সংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠা, পদের মেয়াদ, পদমর্যাদা, পদত্যাগ ও অপসারণ পদ্ধতি এবং দায়িত্ব সংবিধানে সুনির্দিষ্ট ও সুষ্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ রয়েছে

সাংবিধানিক পদ:- 
• রাষ্ট্রপতি  
• স্পিকার
• প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রীগণ 
• ডিপুটি স্পিকার 
• প্রধান বিচারপতি  
• সংসদ সদস্য 
• প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার 
• মহা-হিসাব রক্ষক ও নিয়ন্ত্রক 
• সরকারী কর্ম- কমিশনের চেয়ারম্যান ও অন্যান্য।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬৮৪.
বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদে সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে কতটি স্থায়ী কমিটি নিয়োগ করার কথা বলা হয়েছে?
  1. দুইটি 
  2. তিনটি 
  3. চারটি
  4. পাঁচটি 
সঠিক উত্তর:
তিনটি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনটি 
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭৬(১) অনুসারে, সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে নিম্নলিখিত ৩টি স্থায়ী কমিটি নিয়োগ করার বিধান রয়েছে:
- সরকারি হিসাব কমিটি
- বিশেষ-অধিকার কমিটি
- সংসদের কার্যপ্রণালী-বিধিতে নির্দিষ্ট অন্যান্য স্থায়ী কমিটি
অনুচ্ছেদ ৭৬(২)-এ এই তিনটির অতিরিক্ত অন্যান্য স্থায়ী কমিটি নিয়োগের কথা বলা হলেও, মূল অনুচ্ছেদে সরাসরি উল্লিখিত স্থায়ী কমিটির সংখ্যা ৩টি।
--------------- 
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদের বিধান: সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহ: 
(১) সংসদ-সদস্যদের মধ্য হইতে সদস্য লইয়া সংসদ নিম্নলিখিত স্থায়ী কমিটিসমূহ নিয়োগ করিবেন:
(ক) সরকারি হিসাব কমিটি;
(খ) বিশেষ-অধিকার কমিটি; এবং
(গ) সংসদের কার্যপ্রণালী-বিধিতে নির্দিষ্ট অন্যান্য স্থায়ী কমিটি।
(২) সংসদ এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় উল্লিখিত কমিটিসমূহের অতিরিক্ত অন্যান্য স্থায়ী কমিটি নিয়োগ করিবেন এবং অনুরূপভাবে নিযুক্ত কোন কমিটি এই সংবিধান ও অন্য কোন আইন-সাপেক্ষে
(ক) খসড়া বিল ও অন্যান্য আইনগত প্রস্তাব পরীক্ষা করিতে পারিবেন;
(খ) আইনের বলবৎকরণ পর্যালোচনা এবং অনুরূপ বলবৎকরণের জন্য ব্যবস্থাদি গ্রহণের প্রস্তাব করিতে পারিবেন;
(গ) জনগুরুত্বসম্পন্ন বলিয়া সংসদ কোন বিষয় সম্পর্কে কমিটিকে অবহিত করিলে সেই বিষয়ে কোন মন্ত্রণালয়ের কার্য বা প্রশাসন সম্বন্ধে অনুসন্ধান বা তদন্ত করিতে পারিবেন এবং কোন মন্ত্রণালয়ের নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধির মাধ্যমে প্রাসঙ্গিক তথ্যাদি সংগ্রহের এবং প্রশ্নাদির মৌখিক বা লিখিত উত্তর লাভের ব্যবস্থা করিতে পারিবেন;
(ঘ) সংসদ কর্তৃক অর্পিত যে কোন দায়িত্ব পালন করিতে পারিবেন।
(৩) সংসদ আইনের দ্বারা এই অনুচ্ছেদের অধীন নিযুক্ত কমিটিসমূহকে
(ক) সাক্ষীদের হাজিরা বলবৎ করিবার এবং শপথ, ঘোষণা বা অন্য কোন উপায়ের অধীন করিয়া তাঁহাদের সাক্ষ্যগ্রহণের,
(খ) দলিলপত্র দাখিল করিতে বাধ্য করিবার 
ক্ষমতা প্রদান করিতে পারিবেন।

৬৮৫.
রাষ্ট্রপতি কার নিকট পদত্যাগ পত্র জমা দিবেন?
  1. প্রধানমন্ত্রীর
  2. স্পিকারের
  3. সংসদের
  4. প্রধান বিচারপতির
সঠিক উত্তর:
স্পিকারের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পিকারের
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৫০: রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ

(১) এই সংবিধানের বিধানাবলী সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি কার্যভার গ্রহণের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসরের মেয়াদে তাঁহার পদে অধিষ্ঠিত থাকিবেন: 
তবে শর্ত থাকে যে, রাষ্ট্রপতির পদের মেয়াদ শেষ হওয়া সত্ত্বেও তাঁহার উত্তরাধিকারী-কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত তিনি স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন। 
(২) একাদিক্রমে হউক বা না হউক-দুই মেয়াদের অধিক রাষ্ট্রপতির পদে কোন ব্যক্তি অধিষ্ঠিত থাকিবেন না। 
(৩) স্পীকারের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে রাষ্ট্রপতি স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন। 
(৪) রাষ্ট্রপতি তাঁহার কার্যভারকালে সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য হইবেন না, এবং কোন সংসদ-সদস্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হইলে রাষ্ট্রপতিরূপে তাঁহার কার্যভার গ্রহণের দিনে সংসদে তাঁহার আসন শূন্য হইবে।

Article 50: Term of office of President

(1) Subject to the provisions of this Constitution, the President shall hold office for a term of five years form the date on which he enters upon his office: Provided that notwithstanding the expiration of his term the President shall continue to hold office until his successor enters upon office. 
(2) No person shall hold office as President for more than two terms, whether or not the terms are consecutive. 
(3) The President may resign his office by writing under his hand addressed to the Speaker. 
(4) The President during his term of office shall not be qualified for election as a member of Parliament, and if a member of Parliament is elected as President he shall vacate his seat in Parliament on the day on which he enters upon his office as President.
৬৮৬.
আমেরিকার আইন ব্যবস্থায় প্রচলিত 'Due process' ধারণার সমার্থক বিধান বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. ২৭ ও ৩১ অনুচ্ছেদ
  2. ২৮ ও ২৯ অনুচ্ছেদ
  3. ৩২ অনুচ্ছেদ
  4. সবকটিতেই
সঠিক উত্তর:
সবকটিতেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবকটিতেই
ব্যাখ্যা

⇒ Due Process: আমেরিকার আইন ব্যবস্থায় একটি মৌলিক ধারণা। Due Process (যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া) হলো একটি সাংবিধানিক নীতি যা নিশ্চিত করে যে সরকার কোনো ব্যক্তির জীবন, স্বাধীনতা বা সম্পত্তি কেড়ে নেওয়ার আগে অবশ্যই ন্যায্য এবং যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করবে। এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের ৫ম এবং ১৪তম সংশোধনীতে বর্ণিত আছে।

- ৫ম সংশোধনী (১৭৯১): "কোনো ব্যক্তিকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া জীবন, স্বাধীনতা বা সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করা যাবে না।" এটি ফেডারেল সরকারের উপর প্রযোজ্য। 
- ১৪তম সংশোধনী (১৮৬৮): "কোনো রাজ্য এমন কোনো আইন প্রণয়ন বা প্রয়োগ করবে না যা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের সুবিধাসমূহ হ্রাস করে; কিংবা যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া কোনো ব্যক্তিকে জীবন, স্বাধীনতা বা সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করবে না।" এটি রাজ্য সরকারগুলোর উপর প্রযোজ্য। 

- যুক্তরাষ্ট্রের 'Due Process of Law' ধারণাটির দুটি মূল দিক রয়েছে:
১. প্রক্রিয়াগত ন্যায়বিচার (Procedural Due Process): আইনি প্রক্রিয়া ও বিচারিক পদ্ধতির ন্যায্যতা নিশ্চিত করা।
২. বস্তুগত ন্যায়বিচার (Substantive Due Process): আইনের বিষয়বস্তু ও প্রয়োগের ন্যায্যতা নিশ্চিত করা।

বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৭:
“সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।”
- এটি আইনের সমতা এবং আইনের সমান সুরক্ষা নিশ্চিত করে। ‘Due process’ এর প্রক্রিয়াগত ন্যায়বিচারের (Procedural Due Process) সঙ্গে পরোক্ষভাবে সম্পর্কিত, কারণ কোনো ব্যক্তিকে বৈষম্যপূর্ণ বা অনিয়মিতভাবে আইনগত সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা যাবে না।
 
বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৮ ও ২৯:
২৮ অনুচ্ছেদ: “কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারীপুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোনো নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য প্রদর্শন করবে না।”
২৯ অনুচ্ছেদ: সরকারি নিয়োগে সকলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করে।
- এগুলো মূলত বৈষম্য নিষিদ্ধকরণ ও সুযোগের সমতা সম্পর্কিত। ‘Due process’ এর সরাসরি প্রতিফলন এখানে নেই, তবে রাষ্ট্রের আইন প্রয়োগে বৈষম্য না করার দিক থেকে পরোক্ষভাবে সম্পর্কিত।
 
বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩১:
“আইনের আশ্রয়লাভ এবং আইনানুযায়ী ও কেবল আইনানুযায়ী ব্যবহারলাভ যে কোনো স্থানে অবস্থানরত প্রত্যেক নাগরিকের এবং সাময়িকভাবে বাংলাদেশে অবস্থানরত অপরাপর ব্যক্তির অবিচ্ছেদ্য অধিকার এবং বিশেষতঃ আইনানুযায়ী ব্যতীত এমন কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে না, যাহাতে কোনো ব্যক্তির জীবন, স্বাধীনতা, দেহ, সুনাম বা সম্পত্তির হানি ঘটে।”
- এটি ‘Due process’ ধারণার নিরাপত্তা ও ন্যায্যতা নিশ্চিতকরণের দিককে প্রতিফলিত করে। আইনানুযায়ী ব্যতীত কোনো ব্যক্তির জীবন, স্বাধীনতা বা সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করা যাবে না—এটি Due Process এর মূল বিষয়বস্তু।
 
বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩২:
“আইনানুযায়ী ব্যতীত জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতা হইতে কোন ব্যক্তিকে বঞ্চিত করা যাইবে না।”
- এটি ‘Due Process of Law’ এর সরাসরি সমতুল্য। আমেরিকার সংবিধানের ৫ম ও ১৪তম সংশোধনীতে উল্লেখিত “No person shall be deprived of life, liberty, or property, without due process of law” ধারণার সাথে সরাসরি মিল।
 
অতএব, বলা যায় যে, 
- ২৭ ও ৩১ অনুচ্ছেদ → আইন অনুযায়ী সমান অধিকার ও ন্যায্য প্রক্রিয়ার মূলনীতি।যা ‘Due process’ এর মূল ধারণার সাথে সম্পর্কিত।
- অনুচ্ছেদ ২৮ ও ২৯ রাষ্ট্রের আইন প্রয়োগে বৈষম্য না করার দিক থেকে পরোক্ষভাবে সম্পর্কিত।
- ৩২ অনুচ্ছেদ → জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতার সরাসরি সুরক্ষা, ‘Due process’ এর মূল ধারণা। 
- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত বিভিন্ন রায়ে স্পষ্ট করেছে যে, ২৭, ৩১ এবং ৩২ অনুচ্ছেদ একত্রে ‘Due process’ ধারণার বিভিন্ন দিকের বাস্তবায়ন।
ঘ) সবকটিতেই → সঠিক উত্তর, কারণ ২৭, ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদ একত্রে ‘Due process’ ধারণার বিভিন্ন দিককে অন্তর্ভুক্ত করে।
সঠিক উত্তর: ঘ) সবকটিতেই।

৬৮৭.
রাষ্ট্রপতি নিচের কোন কাজটি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ব্যতীত করে থাকেন?
  1. প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ
  2. প্রধান বিচারপতি নিয়োগ
  3. স্পীকার নিয়োগ
  4. ক ও খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮ এর বিধান রাষ্ট্রপতি:
(১) বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকিবেন, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ-সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হইবেন। 
(২) রাষ্ট্রপ্রধানরূপে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করিবেন এবং এই সংবিধান ও অন্য কোন আইনের দ্বারা তাঁহাকে প্রদত্ত ও তাঁহার উপর অর্পিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালন করিবেন। 
(৩) এই সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্টপতি তাঁহার অন্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করিবেন:

তবে শর্ত থাকে যে, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে আদৌ কোন পরামর্শদান করিয়াছেন কি না এবং করিয়া থাকিলে কি পরামর্শ দান করিয়াছেন, কোন আদালত সেই সম্পর্কে কোন প্রশ্নের তদন্ত করিতে পারিবেন না।

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯৫ এর বিধান  বিচারক-নিয়োগ:
(১) প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং প্রধান বিচারপতির সহিত পরামর্শ করিয়া রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করিবেন।
⇒বাংলাদেশ সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে যে সংসদ-সদস্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হইবেন, রাষ্ট্রপতি তাঁহাকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করিবেন।

অর্থাৎ বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৫(১) নং অনুচ্ছেদ অনুয়ায়ী মহামান্য রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দিয়ে থাকেন এবং বাংলাদেশ সংবিধানের ৫৬(৩) নং অনুচ্ছেদ অনুয়ায়ী মহামান্য রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীকে নিয়োগ দিয়ে থাকেন। এই দুই ক্ষেত্রে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সুপারিশ অনুসরণ করেন না।

- সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী এবং প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর সুপারিশ অনুসারে কর্মসম্পাদন করেন না। অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতিকে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুসারে কর্ম সম্পাদন করতে হয়।
৬৮৮.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৪ অনুচ্ছেদের বিধান-
  1. গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ
  2. জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ
  3. বিচার ও দণ্ড সম্পর্কে রক্ষণ
  4. চলাফেরার স্বাধীনতা
সঠিক উত্তর:
জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৪ অনুচ্ছেদের বিধান: জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ:
 (১) সকল প্রকার জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধ; এবং এই বিধান কোনোভাবে লঙ্ঘিত হইলে তাহা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে।
(২) এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই সেই সকল বাধ্যতামূলক শ্রমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না, যেখানে
(ক) ফৌজদারি অপরাধের জন্য কোন ব্যক্তি আইনত দণ্ডভোগ করিতেছেন; অথবা
(খ) জনগণের উদ্দেশ্যসাধনকল্পে আইনের দ্বারা তাহা আবশ্যক হইতেছে। 
৬৮৯.
যেকোনো ব্যক্তি কোন ধরনের রিটের আবেদন করতে পারে?
  1. Writ of Certiorari
  2. Writ of Quo Warranto
  3. Writ of Mandamus
  4. Writ of Prohibition
সঠিক উত্তর:
Writ of Quo Warranto
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Writ of Quo Warranto
ব্যাখ্যা
⇒ রিট [Writ]:
আদালত বা যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ঘোষিত বা প্রচারিত বিধান বা আদেশ। এমন আদেশের মাধ্যমে আদালত কোন ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে নির্দেশ প্রদান করে। রিট এর উৎপত্তি হলো ব্রিটিশ আইন ব্যবস্থায়। প্রাথমিকভাবে রিট মূলত রাজকীয় অধিকার [prerogrative writ or royal writ] নামে পরিচিত ছিল কারণ একমাত্র রাজা বা রাণী রিট জারি করার অধিকারী ছিল। 
-রিটের প্রকারভেদ:
বাংলাদেশ সংবিধান প্রণেতারা বিশেষভাবে রাজকীয় রিট (prerogrative writs) সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং বাংলাদেশের আদালতের মাধ্যমে এটা ব্যাপক এবং যথাযথভাবে বিকাশিত হয়েছে। সংবিধানে ৫ প্রকার রিট উল্লেখ করা হয়েছে-

১০২ এর ২(ক) তে ৩টি রিট উল্লেখ করা হয়েছে, (শুধুমাত্র সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি আবেদন করতে পারে)-
• ১০২(২) (ক) (অ) প্রতিষেধক বা নিষেধাজ্ঞামূলক রিট [Writ of Prohibition];
• ১০২(২) (ক) (অ) পরমাদেশ বা হুকুম জারী রিট [Writ of Mandamus];
• ১০২(২) (ক) (আ) উৎপ্রেষণ রীট [Writ of Certiorari]।

১০২ এর ২(খ) তে ২টি রিট উল্লেখ করা হয়েছে, (যে কোন ব্যক্তি আবেদন করতে পারে)-
• ১০২(২) (খ) (অ) বন্দী হাজির রিট [Writ of Habeas Corpus] এবং
• ১০২(২) (খ) (আ) কারণ দর্শাও রিট [Writ of Quo Warranto]।

⇒ কারণ দর্শাও রিট [Writ of Quo Warranto]
- কোন ব্যক্তি কোন সরকারী পদ দাবী করতে পারে না যদি না উক্ত পদে তার কোন আইনগত দাবী থাকে। কোন ব্যক্তি কোন সরকারী পদে আসীন থাকলে বা আছে বলে মনে হলে, সেই ক্ষেত্রে কোন কর্তৃত্ববলে উক্ত ব্যক্তি উক্ত পদ দাবী করছে তা জানের চেয়ে হাইকার্ট বিভাগ কারণ দর্শানোর রিট জারী করতে পারে।

অনুচ্ছেদ-১০২ (২): হাইেকার্ট বিভাগের নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, আইনের দ্বারা অন্য কোন সমফলপ্রদ বিধান করা হয় নাই, তা হলে-
(খ) যে কোন ব্যক্তির আবেদনক্রমে-
(আ) কোন সরকারী পদে আসীন বা আসীন বলে বিবেচিত কোন ব্যক্তিকে তিনি কোন কর্তৃত্ববলে অনুরুপ পদমর্যাদায় অধিষ্ঠানের দাবী করছে, তা প্রদর্শনের নির্দেশ প্রদান করে উক্ত বিভাগ (হাইকার্ট বিভাগ) আদেশদান করতে পারবে।
এই রিটের মাধ্যমে উচ্চতর আদালত উক্ত পদের দাবীর বিষয়ে অনুসন্ধান করতে পারে এবং যদি উক্ত অনুসন্ধানে এটা প্রমাণিত হয় যে, উক্ত পদ গ্রহণে পদের দাবীদারের কোন বৈধ অধিকার নেই, তাহলে কারণ দর্শাও রিট তাকে উক্ত পদ থেকে পদচ্যুত করতে পারে।
৬৯০.
The General Clauses Act, 1897-এর ধারা ২১-এ কোন আইনী নীতিটি আলোচিত হয়েছে?
  1. Res Ipsa Loquitur
  2. Doctrine of Estoppel
  3. Doctrine of Ultra Vires
  4. Doctrine of Locus Poenitentiae
সঠিক উত্তর:
Doctrine of Locus Poenitentiae
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Doctrine of Locus Poenitentiae
ব্যাখ্যা
⇒ The General Clauses Act, 1897-এর ধারা ২১-এ Doctrine of Locus Poenitentiae বা পেনিটেনশিয়ার স্থান আলোচিত হয়েছে, যার অর্থ হল, কোনো বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে উক্ত ক্ষমতা প্রয়োগ থেকে সরে আসা বা বাতিল করা।
⇒The General Clauses Act, 1897 এর ২১ ধারার বিধান: আদেশ, বিধি বা উপ-আইন প্রণয়নের ক্ষমতা, সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে-
-যেক্ষেত্রে সংসদের কোন আইন বা প্রবিধি দ্বারা প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-বিধি জারীর কোন ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে উক্ত ক্ষমতা একইভাবে প্রয়োগযোগ্য এবং অনুরূপ অনুমোদন ও শর্তাবলি (যদি থাকে), জারীকৃত কোন প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-আইনের সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা তা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে।
-------
⇒ The General Clauses Act, 1897, Section 21: Power to make to include power to add to, amend, vary or rescind, orders, rules or bye-laws:
-Where, by any Act of Parliament or Regulation, a power to issue notifications, orders, rules, or bye-laws is conferred, then that power includes a power, exercisable in the like manner and subject to the like sanction and conditions (if any), to add to, amend, vary or rescind any notifications, orders, rules or bye-laws so issued.
৬৯১.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের নিয়োগ ও কর্মের শর্তাবলীর বিষয়ে বলা হয়েছে?
  1. ১৩২
  2. ১৩৩
  3. ১৩৪
  4. ১৩৫
সঠিক উত্তর:
১৩৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৩
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৩৩: নিয়োগ ও কর্মের শর্তাবলী:
এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে সংসদ আইনের দ্বারা প্রজাতন্ত্রের কর্মে কর্মচারীদের নিয়োগ ও কর্মের শর্তাবলী নিয়ন্ত্রণ করিতে পারিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, এই উদ্দেশ্যে আইনের দ্বারা বা অধীন বিধান প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত অনুরূপ কর্মচারীদের নিয়োগ ও কর্মের শর্তাবলী নিয়ন্ত্রণ করিয়া বিধিসমূহ-প্রণয়নের ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির থাকিবে এবং অনুরূপ যে কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে অনুরূপ বিধিসমূহ কার্যকর হইবে।
৬৯২.
বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে কী নামে মামলা দায়ের করা হয়?
  1. রাষ্ট্র
  2. গণপ্রজাতন্ত্রী
  3. বাংলাদেশ
  4. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪৬: বাংলাদেশের নামে মামলা
"বাংলাদেশ"- এই নামে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক বা বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাইতে পারিবে।

Article 146: Suits in name of Bangladesh
The Government of Bangladesh may sue or be sued by the name of Bangladesh.
৬৯৩.
প্রধানমন্ত্রী সংসদ ভেঙে দিতে পারেন কীভাবে?
  1. সরাসরি আদেশ জারি করে
  2. সুপ্রিম কোর্টের অনুমোদনে
  3. সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে
  4. রাষ্ট্রপতিকে লিখিত পরামর্শ দিয়ে
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতিকে লিখিত পরামর্শ দিয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতিকে লিখিত পরামর্শ দিয়ে
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৭(২) অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী সংসদ ভেঙে দিতে পারেন। এর জন্য প্রধানমন্ত্রীকে রাষ্ট্রপতিকে লিখিতভাবে পরামর্শ দিতে হবে।
- প্রধানমন্ত্রী যদি সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সমর্থন হারান, তাহলে তিনি দুটি পদক্ষেপ নিতে পারেন:
১) পদত্যাগ করতে পারেন, অথবা
২) সংসদ ভেঙে দেওয়ার জন্য রাষ্ট্রপতিকে লিখিত পরামর্শ দিতে পারেন।
- রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ গ্রহণ করে সংসদ ভেঙে দিতে পারেন, তবে শর্ত হলো যে রাষ্ট্রপতির এ বিষয়ে সন্তুষ্ট হতে হবে যে সংসদের অন্য কোনো সদস্য সংখ্যাগরিষ্ঠের আস্থা অর্জন করতে পারেননি।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৭ প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ:
(১) প্রধানমন্ত্রীর পদ শূন্য হইবে, যদি- 
(ক) তিনি কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট পদত্যাগপত্র প্রদান করেন; অথবা 
(খ) তিনি সংসদ-সদস্য না থাকেন। 
(২) সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সমর্থন হারাইলে প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করিবেন কিংবা সংসদ ভাংগিয়া দিবার জন্য লিখিতভাবে রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শদান করিবেন এবং তিনি অনুরূপ পরামর্শদান করিলে রাষ্ট্রপতি, অন্য কোন সংসদ-সদস্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন নহেন এই মর্মে সন্তুষ্ট হইলে, সংসদ ভাংগিয়া দিবেন। 
(৩) প্রধানমন্ত্রীর উত্তরাধিকারী কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীকে স্বীয় পদে বহাল থাকিতে এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই অযোগ্য করিবে না।
৬৯৪.
সংবিধানের প্রথম সংশোধনীর উদ্দেশ্য কী ছিলো?
  1. ছিটমহল বিনিময়
  2. জরুরী অবস্থা সংক্রান্ত বিধান সংযুক্তকরণ
  3. যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সংক্রান্ত আইনগত জটিলতা নিরস
  4. উপরের কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সংক্রান্ত আইনগত জটিলতা নিরস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সংক্রান্ত আইনগত জটিলতা নিরস
ব্যাখ্যা
→ ১৯৭৩ সালের ১৫ জুলাই সংবিধান প্রথমবার সংশোধন করা হয়।
- সংবিধান (প্রথম সংশোধন) আইন, ১৯৭৩ এর মাধ্যমে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে গণহত্যা ও যুদ্ধাপরাধে লিপ্ত বন্দি হানাদার বাহিনী ও তাদের সহযোগীদের বিচারের জন্য এই সংশোধনী আনা হয়। 
→ প্রথম সংশোধনীর প্রধান উদ্দেশ্যই ছিলো-
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে গণহত্যা ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা
- সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৭(৩) ও ৪৭ক সংযোজন করা হয়।
এটি সংসদে উত্থাপন করেছিলেন- তৎকালীন আইনমন্ত্রী মনোরঞ্জন ধর।
৬৯৫.
সংবিধান-সংশোধনী বিল সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপন করা হলে এবং নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে সম্মতি প্রদান না করা হলে, তা রাষ্ট্রপতির কি বলে গণ্য হবে?
  1. অসম্মতি
  2. সম্মতি
  3. ক বা খ
  4. কোনোটি নয়
সঠিক উত্তর:
সম্মতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্মতি
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪২: সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা

এই সংবিধানে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও- (ক) সংসদের আইন-দ্বারা এই সংবিধানের কোন বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিতকরণের দ্বারা সংশোধিত হইতে পারিবেঃ তবে শর্ত থাকে যে,

(অ) অনুরূপ সংশোধনীর জন্য আনীত কোন বিলের সম্পূর্ন শিরোনামে এই সংবিধানের কোন বিধান সংশোধন করা হইবে বলিয়া স্পষ্টরূপে উল্লেখ না থাকিলে বিলটি বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা যাইবে না;
(আ) সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত না হইলে অনুরূপ কোন বিলে সম্মতিদানের জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হইবে না;

(খ) উপরি-উক্ত উপায়ে কোন বিল গৃহীত হইবার পর সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট তাহা উপস্থাপিত হইলে উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতি দান করিবেন, এবং তিনি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতি দান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।

Article 142: Power to amend any provision of the Constitution

Notwithstanding anything contained in this Constitution- (a) any provision thereof may be amended by way of addition, alteration, substitution or repeal by Act of Parliament: Provided that-
(i) no Bill for such amendment shall be allowed to proceed unless the long title thereof expressly states that it will amend a provision of the Constitution;
(ii) no such Bill shall be presented to the President for assent unless it is passed by the votes of not less than two thirds of the total number of members of Parliament; 
 
(b) when a Bill passed as aforesaid is presented to the President for his assent he shall, within the period of seven days after the Bill is presented to him assent to the Bill, and if he fails so to do he shall be deemed to have assented to it on the expiration of that period.
৬৯৬.
The State shall endeavour to ensure equality of opportunity and participation of women in all spheres of ______ life.
  1. social
  2. national
  3. public
  4. professional
সঠিক উত্তর:
national
উত্তর
সঠিক উত্তর:
national
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ১৯ অনুচ্ছেদে সুযোগের সমতার (equality of opportunity) বিধান আলোচনা করা হয়েছে। এই বিধান বাংলাদেশের সকল নাগরিকদের জন্য প্রযোজ্য করা হয়েছে এবং সকল নাগরিকদের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র সচেষ্ট হবে। ১৯ (২) অনুচ্ছেদ অনুসারে নিম্নলিখিত বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে রাষ্ট্র সচেষ্ট থাকবে, যথাঃ-
⇒ সামাজিক ও অর্থনৈতিক অসাম্য বিলোপ করতে;
⇒ নাগরিকদের মধ্যে সম্পদের সুষম বন্টন নিশ্চিত করতে; এবং
⇒ প্রজাতন্ত্রের সর্বত্র অর্থনৈতিক উন্নয়নের সমান স্তর অর্জনের উদ্দেশ্যে সুষম সুযোগ-সুবিধাদান নিশ্চিত করতে।

অন্যদিকে, ১৯ (৩) অনুচ্ছেদে জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা [equality of opportunity and participation of women in all spheres of national life] নিশ্চিতের বিধান করা হয়েছে।

অনুচ্ছেদ ১৯: সুযোগের সমতা

(১) সকল নাগরিকের অন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র সচেষ্ট হবে।
(২) মানুষে মানুষে সামাজিক ও অর্থনৈতিক অসাম্য বিলোপ করার জন্য, নাগরিকদের মধ্যে ধুলের সানী বেন্টন নিশ্চিত করার জন্য এবং প্রজাতন্ত্রের সর্বত্র অর্থনৈতিক উন্নয়নের সমান স্তর অর্জনের উদেশ্যে সুষম সুযোগ-সুবিধাদান নিশ্চিত করার জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
(৩) জাতীয় জীবনের সর্স্তররে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা রাষ্ট্র নিশ্চিত করবে।।

Article 19: Equality of opportunity

(1) The State shall endeavour to ensure equality of opportunity to all citizens. 
(2) The State shall adopt effective measures to remove social and economic inequality between man and man and to ensure the equitable distribution of wealth among citizens, and of opportunities in order to attain a uniform level of economic development throughout the Republic. 
(3) The State Shall endeavour to ensure equality of opportunity and participation of women in all spheres of national life.
৬৯৭.
সংবিধানের ১৪১ক অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জরুরি অবস্থা জারি করা হলে তার সর্বোচ্চ মেয়াদ কত হতে পারে?
  1. ১৮০ দিন
  2. ৩৬৫ দিন
  3. ১২০ দিন
  4. এর কোন নির্দিষ্ট মেয়াদ নেই
সঠিক উত্তর:
১২০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২০ দিন
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সংবিধানের ১৪১ক(১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, যুদ্ধ বা অভ্যন্তরীণ যেকোন গোলযোগের কারণে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবন বিপদের সম্মুখীন হওয়ার আশঙ্কা থাকলে, মহামান্য রাষ্ট্রপতি অনধিক ১২০ দিনের জন্যে দেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন।

• অনুচ্ছেদ ১৪১ক: জরুরী-অবস্থা ঘোষণা


(১) রাষ্ট্রপতির নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, এমন জরুরী-অবস্থা বিদ্যমান রহিয়াছে, যাহাতে যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের দ্বারা বাংলাদেশ বা উহার যে কোন অংশের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবন বিপদের সম্মুখীন, তাহা হইলে তিনি অনধিক একশত কুড়ি দিনের জন্য জরুরী-অবস্থা ঘোষণা করিতে পারিবে: তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ ঘোষণার বৈধতার জন্য ঘোষণার পূর্বেই প্রধানমন্ত্রীর প্রতি-স্বাক্ষর প্রয়োজন হইবে।
 
(২) জরুরী-অবস্থার ঘোষণা- 
(ক) পরবর্তী কোন ঘোষণার দ্বারা প্রত্যাহার করা যাইবে; 
(খ) সংসদে উপস্থাপিত হইবে; 
(গ) একশত কুড়ি দিন সময়ের অবসানে কার্যকর থাকিবে না: 
 
তবে শর্ত থাকে যে, যদি সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় অনুরূপ কোন ঘোষণা জারী করা হয় কিংবা এই দফার (গ) উপ-দফায় বর্ণিত এক শত কুড়ি দিনের মধ্যে সংসদ ভাঙ্গিয়া যায়, তাহা হইলে তাহা পুনর্গঠিত হইবার পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে ত্রিশ দিন অতিবাহিত হইবার পূর্বে ঘোষণাটি অনুমোদন করিয়া সংসদে প্রস্তাব গৃহীত না হওয়া পর্যন্ত উক্ত ত্রিশ দিনের অবসানে অথবা একশত কুড়ি দিন সময়ের অবসানে, যাহা আগে ঘটে, অনুরূপ ঘোষণা কার্যকর থাকিবে না। 
 
(৩) যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের বিপদ আসন্ন বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে, প্রকৃত যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগ সংঘটিত হইবার পূর্বে তিনি অনুরূপ যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের জন্য বাংলাদেশ বা উহার যে কোন অংশের নিরাপত্তা বিপন্ন বলিয়া জরুরী-অবস্থা ঘোষণা করিতে পারিবেন।

Article 141A: Proclamation of emergency
(1) If the President is satisfied that a grave emergency exists in which the security or economic life of Bangladesh, or any part thereof, is threatened by war or external aggression or internal disturbance, he may issue a Proclamation of Emergency for one hundred twenty days: Provided that such Proclamation shall require for its validity the prior counter signature of the Prime Minister.
 
(2) A Proclamation of Emergency – 
(a) may be revoked by a subsequent Proclamation; 
(b) shall be laid before Parliament; 
(c) shall cease to operate at the expiration of one hundred and twenty days, unless before the expiration of that period it has been approved by a resolution of Parliament: 

Provided that if any such Proclamation is issued at a time when Parliament stands dissolved or the dissolution of Parliament takes place during the period of one hundred and twenty days referred to in sub clause (c), the Proclamation shall cease to operate at the expiration of thirty days from the date on which Parliament first meets after its re constitution, unless before that expiration of the said period of thirty days a resolution approving the Proclamation has been passed by Parliament or at the expiration of one hundred and twenty days, whichever occurs first.
 
(3) A Proclamation of Emergency declaring that the security of Bangladesh, or any part thereof, is threatened by war or external aggression or by internal disturbance may be made before the actual occurrence of war or any such aggression or disturbance if the President is satisfied that there is imminent danger thereof.
৬৯৮.
সংসদ-সদস্যের শপথ পাঠ করান কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. স্পীকার
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. নির্বাচন কমিশনার
সঠিক উত্তর:
স্পীকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পীকার
ব্যাখ্যা

• তৃতীয় তফসিল- বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে ৯টি পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তির শপথগ্রহণ বা ঘোষনাপত্র পাঠের বিষয় উল্লেখ আছে। যথা-

স্পীকার কর্তৃক  ⇒ রাষ্ট্রপতি, সংসদ-সদস্য;

রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ⇒ প্রধানমন্ত্রী, অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী, স্পীকার, ডেপুটি স্পীকার, প্রধান বিচারপতি;

প্রধান বিচারপতি কর্তৃক ⇒ সুপ্রীম কোর্টের অন্যান্য বিচারক, সরকারী কর্মকমিশনের সদস্য, মহাহিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনার।

৬৯৯.
সংবিধানের কত তম সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালু হয়?
  1. দ্বাদশ
  2. ত্রয়োদশ
  3. পঞ্চদশ
  4. একাদশ
সঠিক উত্তর:
ত্রয়োদশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রয়োদশ
ব্যাখ্যা
ত্রয়োদশ সংশোধনী:

সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালু হয়। এ ব্যবস্থা ১৯৯৬ সালের ২৮শে মার্চ রাষ্ট্রপতির সম্মতি পায়। এর আগে ষষ্ঠ সংসদে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা গৃহীত হয়। এরপর সপ্তম, অষ্টম ও নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন এ ব্যবস্থার অধীনে হয়েছে।
 
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে অগণতান্ত্রিক ও সংবিধানবহির্ভূত আখ্যা দিয়ে অ্যাডভোকেট এম. সলিমউল্যাহ, রুহুল কুদ্দুস ও মো. আবদুল মান্নান খান হাইকোর্টে একটি রিট করেন। হাইকোর্টে তিন বিচারপতির বৃহত্তর বেঞ্চে রিটের শুনানি হয়। ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট হাইকোর্টের ওই বেঞ্চ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বৈধ বলে রায় দেয়। হাইকোর্টের রায়ে বলা হয়, ত্রয়োদশ সংশোধনী সংবিধানসম্মত ও বৈধ। এ সংশোধনী সংবিধানের কোন মৌলিক কাঠামোকে ক্ষতিগ্রস্ত করেনি।
 
পরবর্তীতে 'Abdul Mannan Khan vs Bangladesh' মামলার মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়। Abdul Mannan Khan vs Bangladesh মামলায় বলা হয় সংবিধান (ত্রয়োদশ সংশোধন) আইন, ১৯৯৬, রাষ্ট্রের ভিত্তি এবং সংবিধানের মৌল কাঠামো কে খর্ব করেছে বিধায় উক্ত তর্কিত আইন অসাংবিধানিক ও অবৈধ এবং বাতিল। এই মামলায় নিম্নলিখিত বিষয়গুলো আলোচনা করা হয়েছে-
 
১. সংবিধানের মৌল কাঠামো;
২. সাংবিধানিক প্রাধান্য এবং সংসদীয় প্রাধান্য;
৩. জনগণের সার্বভৌমত্ব এবং সংসদের সার্বভৌমত্ব;
৪. এই মামলায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশের জনগণই সার্বভৌম তত্ত্ববধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংবিধানের ৭ অনুচ্ছেদের পরিপন্থী।
৭০০.
নিম্নে বর্ণিত বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদটি দণ্ডমূলক বিধান?
  1. অনুচ্ছেদ ২৬
  2. অনুচ্ছেদ ৭খ
  3. অনুচ্ছেদ ৭ক
  4. অনুচ্ছেদ ৪৪
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭ক
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৭ক একটি দণ্ডমূলক বিধান।

সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধন) আইন, ২০১১ দ্বারা সংবিধানে ৭ক অনুচ্ছেদ সন্নিবেশিত করা হয়। এটি একটি দণ্ডমূলক বিধান। ৭ক(১) অনুচ্ছেদে, শক্তি প্রদর্শন বা শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে বা অন্য কোন অসাংবিধানিক পন্থায় সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি শাস্তিযোগ্য অপরাধ করা হয়েছে। এরুপ কার্য রাষ্ট্রদ্রোহিতা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ৭ক (২) অনুচ্ছেদে, শক্তি প্রদর্শন বা শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে বা অন্য কোন অসাংবিধানিক পন্থায় সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণে সহযোগিতা বা উস্কানি বা অনুরুপ কার্য অনুমোদন, মার্জনা, সমর্থন বা অনুসমর্থন শাস্তিযোগ্য করা হয়েছে। ৭ক(৩) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, এরুপ কার্যের শাস্তি হবে নির্ধারিত দণ্ডের সর্বোচ্চ দণ্ড।

অনুচ্ছেদ ৭ক: সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ

(১) কোন ব্যক্তি শক্তি প্রদর্শন বা শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে বা অন্য কোন অসাংবিধানিক পন্থায়-
ক) এই সংবিধান বা এর কোন অনুচ্ছেদ রদ, রহিত বা বাতিল বা স্থগিত করলে কিংবা করার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ বা ষড়যন্ত্র করলে, কিংবা
খ) এই সংবিধান বা এর কোন বিধানের প্রতি নাগরিকের আস্থা, বিশ্বাস বা প্রত্যয় পরাহত করলে বা করার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ বা ষড়যন্ত্র করলে- তার এই কার্য রাষ্ট্রদ্রোহিতা হবে এবং ঐ ব্যক্তি রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধে দোষী হবে।

(২) কোন ব্যক্তি (১) দফায় বর্ণিত-
ক) কোন কার্য করতে সহযোগিতা বা উস্কানি প্রদান করলে; কিংবা
খ) কার্য অনুমোদন, মার্জনা, সমর্থন বা অনুসমর্থন করলে- তার এইরুপ কার্যও একই অপরাধ হবে।

(৩) এই অনুচ্ছেদে বর্ণিত অপরাধে দোষী ব্যক্তি প্রচলিত আইনে অন্যান্য অপরাধের জন্য নির্ধারিত দণ্ডের মধ্যে সর্বোচ্চ দণ্ডে দণ্ডিত হবে।


Article 7A: Offence of abrogation, suspension, etc. of the Constitution

(1) If any person, by show of force or use of force or by any other un-constitutional means- 
(a) abrogates, repeals or suspends or attempts or conspires to abrogate, repeal or suspend this Constitution or any of its article ; or 
(b) subverts or attempts or conspires to subvert the confidence, belief or reliance of the citizens to this Constitution or any of its article, 
his such act shall be sedition and such person shall be guilty of sedition. 

(2) If any person- 
(a) abets or instigates any act mentioned in clause (1) ; or 
(b) approves, condones, supports or ratifies such act, 
his such act shall also be the same offence. 

(3) Any person alleged to have committed the offence mentioned in this article shall be sentenced with the highest punishment prescribed for other offences by the existing laws.