বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Constitutional Law

মোট প্রশ্ন৭৩১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Constitutional Law

PrepBank · পাতা / · ৩০১৪০০ / ৭৩১

৩০১.
'সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রধান বিচারপতি বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকবেন'- বাংলাদেশ সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৯৪
  2. অনুচ্ছেদ ৯৫
  3. অনুচ্ছেদ ১১৫
  4. অনুচ্ছেদ ১১৬
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৯৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৯৪
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৯৪- সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা:
(১) "বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট" নামে বাংলাদেশের একটি সর্বোচ্চ আদালত থাকিবে এবং আপীল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ লইয়া তাহা গঠিত হইবে।

(২) প্রধান বিচারপতি (যিনি "বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি" নামে অভিহিত হইবেন) এবং প্রত্যেক বিভাগে আসনগ্রহণের জন্য রাষ্ট্রপতি যেরূপ সংখ্যক বিচারক নিয়োগের প্রয়োজন বোধ করিবেন, সেইরূপ সংখ্যক অন্যান্য বিচারক লইয়া সুপ্রীম কোর্ট গঠিত হইবে।

(৩) প্রধান বিচারপতি ও আপীল বিভাগে নিযুক্ত বিচারকগণ কেবল উক্ত বিভাগে এবং অন্যান্য বিচারক কেবল হাইকোর্ট বিভাগে আসন গ্রহণ করিবেন।

(৪) এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রধান বিচারপতি এবং অন্যান্য বিচারক বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকিবেন।
৩০২.
What is the meaning of the legal maxim "Vox populi"?
  1. Law of the land
  2. Rule by law
  3. Majority opinion
  4. Equal justice under law
সঠিক উত্তর:
Majority opinion
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Majority opinion
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) Majority opinion.
⇒ "Vox populi" একটি ল্যাটিন ম্যাক্সিম, যার অর্থ "জনগণের কণ্ঠস্বর" বা "জনগণের মতামত" (Voice of the people or majority opinion)।
- এটি সাধারণত এমন পরিস্থিতিতে ব্যবহার করা হয়, যেখানে কোনো বিষয়ে জনগণের সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
- গণতন্ত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা, কারণ এতে জনগণের ইচ্ছাই নীতিনির্ধারণে মুখ্য বিবেচ্য হয়।

উদাহরণস্বরূপ,
কোনো জাতীয় সিদ্ধান্তে জনগণের মতামত বা গণভোটের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলে তা vox populi হিসেবে বিবেচিত হয়।
এটি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতিফলন করে।

অন্যান্য অপশন বিশ্লেষণ:
ক) Law of the land – এর মানে "দেশের প্রচলিত আইন", যা ভিন্ন ধারণা।
খ) Rule by law – আইন দ্বারা শাসন, তবে এটি ব্যক্তির স্বাধীন মতামতের প্রতিফলন নয়।
ঘ) Equal justice under law – আইনের দৃষ্টিতে সমতা, এটি ন্যায়বিচারের ধারণা বোঝায়, কিন্তু vox populi নয়।
৩০৩.
"Ex post facto" means:
  1. Before the event
  2. Without legal effect
  3. By prior agreement
  4. Out of the aftermath
সঠিক উত্তর:
Out of the aftermath
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Out of the aftermath
ব্যাখ্যা

→ The correct answer is: b) Out of the aftermath.
• "Ex post facto" is a Latin phrase that literally means "from after the fact" or "out of the aftermath."
In legal contexts, particularly criminal law, it refers to:
'A law that retroactively changes the legal consequences of actions that were committed before the enactment of the law.'

→ "Out of the aftermath" accurately reflects the Latin roots — “ex” (out of) + “post” (after) + “facto” (the fact).
- It implies something that comes after an act, especially a law that is applied retroactively.

Example in law:
- If a law is passed today that makes a certain act committed last year a crime, and someone is prosecuted for doing it before the law existed, that would be an ex post facto law — and it's generally unconstitutional in criminal law.

• বাংলাদেশ সংবিধান অনুচ্ছেদে ৩৫: অপরাধ ও দণ্ড সম্পর্কে রক্ষণ:
- অপরাধ ও দণ্ড সম্পর্কে রক্ষণ: অনুচ্ছেদে ৩৫(১) এর বিধান হচ্ছে- অপরাধ করার সময় বলবৎ কার্যকর ছিল, এমন আইন ব্যতীত অন্য আইনে দণ্ড দেওয়া যাবে না। এ নীতিটাই Ex Post Facto Laws (ভূতাপেক্ষ আইন)।
- অর্থাৎ অপরাধ সংঘটনকালে বলবৎ আইনে যে শাস্তি ছিল তার অধিক বা ভিন্ন কোনো আইনে শাস্তি দেওয়া যাবে না বা নতুন আইন প্রণয়ন করে ভিন্নতর/তার অধিক শাস্তি দেওয়া যাবে না।
-যেমন- ১৯৯০ সালে কাউসার সাহেবের যে অপরাধের জন্য যাবজ্জীবন সাজা হতো ২০২১ সালে নতুন আইন করে সে একই অপরাধের জন্য মৃত্যুদণ্ড দেওয়া যাবে না।
Ex post facto laws (ভূতাপেক্ষ আইন) এর বিরুদ্ধে সংবিধানের ৩৫(১) অনুচ্ছেদে সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে। সংবিধানে এ সম্পর্কে বলা থাকলেও এটি ফৌজদারি আইনের সাথে সম্পর্কিত।
- কারণ ফৌজদারি আইনের ক্ষেত্রে Retrospective Effect (ভূতাপেক্ষ প্রভাব) দেওয়া যায় না। যেহেতু সংবিধানে সরাসরি এই আইন সম্পর্কিত বিধান রয়েছে তাই অধিকতর গ্রহণযোগ্য হিসেবে 'সাংবিধানিক আইন' কে উত্তর হিসেবে নেয়া হয়েছে।

৩০৪.
বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগসমূহের সর্বাধিনায়কতা কোন ব্যক্তির উপর ন্যস্ত?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রতিরক্ষা মন্ত্রী
  4. সেনাবাহিনী প্রধান
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬১ অনুযায়ী, বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগসমূহের সর্বাধিনায়কতা রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত হয়েছে। এর অর্থ হলো, রাষ্ট্রপতি হলেন বাংলাদেশের সামরিক বাহিনী (সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী) এর সর্বোচ্চ কমান্ডার। তবে বাস্তবে প্রতিরক্ষা বিষয়ক কার্যক্রম প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পরিচালিত হয়, কিন্তু সংবিধান অনুযায়ী সর্বাধিনায়কতার দায়িত্ব রাষ্ট্রপতির উপর অর্পিত।

অর্থাৎ সংবিধানের এই বিধান অনুসারে, রাষ্ট্রপতি প্রতিরক্ষা বাহিনীর সাংবিধানিক প্রধান হলেও প্রতিদিনের কার্যক্রম এবং নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার পরামর্শ গ্রহণ করেন। প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত কার্যাবলীর বাস্তবায়ন মূলত প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও সামরিক বাহিনীর প্রধানরা করেন।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ- ৬১ সর্বাধিনায়কতা:
- বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগসমূহের সর্বাধিনায়কতা রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত হইবে এবং আইনের দ্বারা তাহার প্রয়োগ নিয়ন্ত্রিত হইবে।
৩০৫.
Mischief Rule এর মূল লক্ষ্য কী?
  1. সংবিধানের সীমা নির্ধারণ
  2. আইন প্রণেতাদের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করা
  3. বিচারকদের ক্ষমতা বাড়ানো
  4. কঠোরভাবে আইনের ভাষাগত ব্যাখ্যা দেওয়া
সঠিক উত্তর:
আইন প্রণেতাদের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইন প্রণেতাদের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করা
ব্যাখ্যা
The Mischief Rule of Interpretation of Statutes-
Mischief Rule বিধি ব্যাখ্যার একটি পদ্ধতি, যা আইন প্রণেতাদের উদ্দেশ্য নির্ধারণের উপর গুরুত্ব দেয়। এটি যুক্তরাজ্যে ১৬ শতকে উদ্ভূত এবং Heydon's Case এ প্রতিষ্ঠিত হয়। এতে বলা হয় যে, কোনো আইন ব্যাখ্যা করার প্রধান উদ্দেশ্য হল “অপরাধ এবং ত্রুটি” সনাক্ত করা, যেগুলি আইন প্রণয়নকারী কর্তৃপক্ষ সংশোধন করতে চেয়েছিল এবং একটি কার্যকরী প্রতিকার প্রদান করা। এই রুলটি মূলত এ প্রশ্নের উত্তর দেয়: পূর্ববর্তী আইন কী সমস্যা সমাধান করতে ব্যর্থ হয়েছিল, যার কারণে এই নতুন আইন প্রণীত হয়েছে।

Heydon's Case (1584) 3 CO REP এর মধ্যে আইন ব্যাখ্যা করার জন্য চারটি বিষয় উল্লেখ করা হয়:
- আইন প্রণীত হওয়ার পূর্বে সাধারণ আইন (Common Law) কী ছিল?
- "অপরাধ এবং ত্রুটি" কী ছিল, যা সাধারণ আইন সমাধান করেনি?
- সংসদ কী প্রতিকার প্রদান করার উদ্দেশ্যে আইন প্রণয়ন করেছিল?
- প্রতিকারটির পেছনে আসল কারণ কী ছিল?

এই রুলের ব্যবহার বিচারকদের জন্য অধিক নমনীয়তা প্রদান করে, যাতে তারা আইন প্রণেতাদের উদ্দেশ্যকে সঠিকভাবে অনুধাবন করতে পারেন, বর্ননামূলক এবং স্বর্ণিম রুলের মতো কঠোরভাবে বাধ্য না হয়ে। তবে, এই রুলের বিরুদ্ধে সমালোচনা রয়েছে, কারণ এটি আইনের মধ্যে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করতে পারে এবং নির্বাচনহীন বিচারকদের কাছে অস্বাভাবিকভাবে অধিক ক্ষমতা দিতে পারে, যা গণতান্ত্রিকভাবে ভুল বলে মনে করা হয়। তদুপরি, এটি পুরনো বলে মনে করা হয় কারণ বর্তমানে সাধারণ আইন আর আইনের প্রধান উৎস নয়।
৩০৬.
The General Clauses Act, 1897 এর কোন ধারায় “একই অপরাধের জন্য দুইবার শাস্তি দেওয়া যাবে না” বিধান আছে?
  1. ধারা ১৬
  2. ধারা ১৮
  3. ধারা ২৬
  4. ধারা ২৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬
ব্যাখ্যা

⇒ The General Clauses Act, 1897 এর ধারা ২৬–এ বলা হয়েছে, যদি কোনো কার্য বা বিচ্যুতি দুই বা ততোধিক আইনের অধীনে শাস্তিযোগ্য হয়, তবে অপরাধীকে যে কোনো এক আইনের অধীনে অভিযুক্ত করা যাবে।
- একই অপরাধের জন্য দুইবার শাস্তি দেওয়া যাবে না, যা Doctrine of Double Jeopardy–এর প্রতিফলন।

⇒ The General Clauses Act, 1897 এর ২৬ ধারার বিধান: দুই বা ততোধিক আইনের অধীন শাস্তিযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে বিধান:
যেক্ষেত্রে কোন কার্য বা বিচ্যুতি দুই বা ততোধিক আইনের অধীন শাস্তিযোগ্য অপরাধ হয়, সেই ক্ষেত্রে অপরাধীকে ঐ আইন সমূহের সকল বা যে কোন একটির অধীন অভিযুক্ত এবং শান্তি প্রদান করা যাবে, কিন্তু একই অপরাধের জন্য দুইবার শান্তি প্রদান করা যাবে না।
দোবারা সাজা নীতিটি আরো কয়েকটি আইনে বর্ণিত আছে। যথা:
-গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৫(২);
- ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪০৩;
- দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ১১;
- সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৪০; এবং
- ফৌজদারি আইন সংশোধন আইন, ১৯৫৮ এর ধারা ৮।
----------------
⇒ The General Clauses Act, 1897, Section 26. Provision as to offences punishable under two or more enactments:
- Where an act or omission constitutes an offence under two or more enactments, then the offender shall be liable to be prosecuted and punished under either or any of those enactments, but shall not be liable to be punished twice for the same offence.

৩০৭.
বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদ অনুসারে সংসদ সদস্যদের মধ্য হতে সদস্য নিয়ে কয়টি স্থায়ী কমিটি নিয়োগ করবার বিধান আছে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদের বিধান: সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহ: 
(১) সংসদ-সদস্যদের মধ্য হইতে সদস্য লইয়া সংসদ নিম্নলিখিত স্থায়ী কমিটিসমূহ নিয়োগ করিবেন:
(ক) সরকারি হিসাব কমিটি;
(খ) বিশেষ-অধিকার কমিটি; এবং
(গ) সংসদের কার্যপ্রণালী-বিধিতে নির্দিষ্ট অন্যান্য স্থায়ী কমিটি।
(২) সংসদ এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় উল্লিখিত কমিটিসমূহের অতিরিক্ত অন্যান্য স্থায়ী কমিটি নিয়োগ করিবেন এবং অনুরূপভাবে নিযুক্ত কোন কমিটি এই সংবিধান ও অন্য কোন আইন-সাপেক্ষে
(ক) খসড়া বিল ও অন্যান্য আইনগত প্রস্তাব পরীক্ষা করিতে পারিবেন;
(খ) আইনের বলবৎকরণ পর্যালোচনা এবং অনুরূপ বলবৎকরণের জন্য ব্যবস্থাদি গ্রহণের প্রস্তাব করিতে পারিবেন;
(গ) জনগুরুত্বসম্পন্ন বলিয়া সংসদ কোন বিষয় সম্পর্কে কমিটিকে অবহিত করিলে সেই বিষয়ে কোন মন্ত্রণালয়ের কার্য বা প্রশাসন সম্বন্ধে অনুসন্ধান বা তদন্ত করিতে পারিবেন এবং কোন মন্ত্রণালয়ের নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধির মাধ্যমে প্রাসঙ্গিক তথ্যাদি সংগ্রহের এবং প্রশ্নাদির মৌখিক বা লিখিত উত্তর লাভের ব্যবস্থা করিতে পারিবেন;
(ঘ) সংসদ কর্তৃক অর্পিত যে কোন দায়িত্ব পালন করিতে পারিবেন।
(৩) সংসদ আইনের দ্বারা এই অনুচ্ছেদের অধীন নিযুক্ত কমিটিসমূহকে
(ক) সাক্ষীদের হাজিরা বলবৎ করিবার এবং শপথ, ঘোষণা বা অন্য কোন উপায়ের অধীন করিয়া তাঁহাদের সাক্ষ্যগ্রহণের,
(খ) দলিলপত্র দাখিল করিতে বাধ্য করিবার 
ক্ষমতা প্রদান করিতে পারিবেন।
৩০৮.
বাংলাদেশ সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতিকে নিম্নলিখিত কোন বিশেষ অধিকার দেয়া হয়েছে?
  1. কোন আদালতে কোন প্রকার ফৌজদারী কার্যধারা দায়ের করা যাবে না
  2. যেকোন কাজের জন্য আদালতে জবাবদিহি করতে হবে না
  3. কোন প্রকার দেওয়ানি কার্যধারা দায়ের করা হলে তা স্থগিত থাকবে
  4. উল্লিখিত সকল অধিকার
সঠিক উত্তর:
কোন আদালতে কোন প্রকার ফৌজদারী কার্যধারা দায়ের করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন আদালতে কোন প্রকার ফৌজদারী কার্যধারা দায়ের করা যাবে না
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৫১: রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি

(১) এই সংবিধানের ৫২ অনুচ্ছেদের হানি না ঘটাইয়া বিধান করা হইতেছে যে, রাষ্ট্রপতি তাঁহার দায়িত্ব পালন করিতে গিয়া কিংবা অনুরূপ বিবেচনায় কোন কার্য করিয়া থাকিলে বা না করিয়া থাকিলে সেইজন্য তাঁহাকে কোন আদালতে জবাবদিহি করিতে হইবে না, তবে এই দফা সরকারের বিরুদ্ধে কার্যধারা গ্রহণে কোন ব্যক্তির অধিকার ক্ষুন্ন করিবে না।

(২) রাষ্ট্রপতির কার্যভারকালে তাঁহার বিরুদ্ধে কোন আদালতে কোন প্রকার ফৌজদারী কার্যধারা দায়ের করা বা চালু রাখা যাইবে না এবং তাঁহার গ্রেফতার বা কারাবাসের জন্য কোন আদালত হইতে পরোয়ানা জারী করা যাইবে না।

Article 51: President's immunity

(1) Without prejudice to the provisions of article 52, the President shall not be answerable in any court for anything done or omitted by him in the exercise or purported exercise of the functions of his office, but this clause shall not prejudice the right of any person to take proceedings against the Government. 

(2) During his term of office no criminal proceedings whatsoever shall be instituted or continued against the President in, and no process for his arrest or imprisonment shall issue from, any court.
৩০৯.
সপ্তদশ সংশোধনীর মাধ্যমে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনের মেয়াদ কত বৎসর বাড়ানো হয়েছে?
  1. ১৫ বৎসর
  2. ৩০ বৎসর
  3. ২০ বৎসর
  4. ২৫ বৎসর
সঠিক উত্তর:
২৫ বৎসর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ বৎসর
ব্যাখ্যা
⇒ সংবিধান (সপ্তদশ সংশোধন) আইন, ২০১৮ বলে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে সংরক্ষিত নারী আসনের মেয়াদ ২৫ বৎসর বাড়ানো হয়েছে। নারীদের জন্য সংরক্ষিত ৫০টি আসনের ১০ বৎসরের মেয়াদ ২০১৯ সালের ২৪ই জানুয়ারী শেষ হবে। সপ্তদশ সংশোধনীর মাধ্যমে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনের মেয়াদ ২৫ বৎসর বাড়ানো হয়েছে। অর্থাৎ ১১তম সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হতে পরবর্তী ২৫ বৎসর পর্যন্ত নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনের মেয়াদ থাকবে।

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের ১৫তম সংশোধনী, ২০১১ এর মাধ্যমে ৬৫(৩) নং অনুচ্ছেদে সংরক্ষিত নারী আসন ৪৫ এর পরিবর্তে ৫০ টি করা হয়েছে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদের বিধান: সংসদ-প্রতিষ্ঠা: (১) "জাতীয় সংসদ" নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকিবে এবং এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইনপ্রণয়ন-ক্ষমতা সংসদের উপর ন্যস্ত হইবে:

তবে শর্ত থাকে যে, সংসদের আইন-দ্বারা যে কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ-আইন বা আইনগত কার্যকরতাসম্পন্ন অন্যান্য চুক্তিপত্র প্রণয়নের ক্ষমতার্পণ হইতে এই দফার কোন কিছুই সংসদকে নিবৃত্ত করিবে না।

(২) একক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকাসমূহ হইতে প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে আইনানুযায়ী নির্বাচিত তিন শত সদস্য লইয়া এবং এই অনুচ্ছেদের (৩) দফার কার্যকরতাকালে উক্ত দফায় বর্ণিত সদস্যদিগকে লইয়া সংসদ গঠিত হইবে; সদস্যগণ সংসদ-সদস্য বলিয়া অভিহিত হইবেন।

(৩) সংবিধান (সপ্তদশ সংশোধন) আইন, ২০১৮ প্রবর্তনকালে বিদ্যমান সংসদের অব্যবহিত পরবর্তী সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে শুরু করিয়া পঁচিশ বৎসরকাল অতিবাহিত হইবার অব্যবহিত পরবর্তীকালে সংসদ ভাংগিয়া না যাওয়া পর্যন্ত পঞ্চাশটি আসন কেবল মহিলা-সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত থাকিবে এবং তাঁহারা আইনানুযায়ী পূর্বোক্ত সদস্যদের দ্বারা সংসদে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতির ভিত্তিতে একক হস্তান্তরযোগ্য ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হইবেন:

তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার কোন কিছুই এই অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন কোন আসনে কোন মহিলার নির্বাচন নিবৃত্ত করিবে না।]

 (৩ক) সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধন) আইন, ২০১১ প্রবর্তনকালে বিদ্যমান সংসদের অবশিষ্ট মেয়াদে এই অনুচ্ছেদের (২) দফায় বর্ণিত প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত তিন শত সদস্য এবং (৩) দফায় বর্ণিত পঞ্চাশ মহিলা-সদস্য লইয়া সংসদ গঠিত হইবে।

(৪) রাজধানীতে সংসদের আসন থাকিবে।
৩১০.
"প্রচলিত আইন" অর্থ এই সংবিধান-প্রবর্তনের অব্যবহিত পূর্বে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানায় বা উহার অংশবিশেষে আইনের ক্ষমতাসম্পন্ন কিন্তু কার্যক্ষেত্রে সক্রিয় থাকুক বা না থাকুক, এমন যে কোন আইন- এই সংজ্ঞা কোথায় দেয়া আছে?
  1. The General Clauses Act, 1897
  2. The Code of Civil Procedure, 1908
  3. The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh
  4. The Civil Courts Act, 1887
সঠিক উত্তর:
The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ১৫২ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে-

"প্রচলিত আইন" অর্থ এই সংবিধান-প্রবর্তনের অব্যবহিত পূর্বে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানায় বা উহার অংশবিশেষে আইনের ক্ষমতাসম্পন্ন কিন্তু কার্যক্ষেত্রে সক্রিয় থাকুক বা না থাকুক, এমন যে কোন আইন;
৩১১.
Who has the power to determine the boundaries of Bangladesh’s territory, territorial waters, and continental shelf?
  1. Parliament
  2. Supreme Court
  3. The President
  4. The Prime Minister
সঠিক উত্তর:
Parliament
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Parliament
ব্যাখ্যা

Article 143 of the Constitution of Bangladesh: Property of the Republic:
(1) There shall vest in the Republic, in addition to any other land or property lawfully vested –
(a) all minerals and other things of value underlying any land of Bangladesh; 
(b) all lands, minerals and other things of value underlying the ocean within the territorial waters, or the ocean over the continental shelf, of Bangladesh; and 
(c) any property located in Bangladesh that has no rightful owner. 
 
(2) Parliament may from time to time by law provide for the determination of the boundaries of the territory of Bangladesh and of the territorial waters and the continental shelf of Bangladesh.

অনুচ্ছেদ ১৪৩: প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি:
(১) আইনসঙ্গতভাবে প্রজাতন্ত্রের উপর ন্যস্ত যে কোন ভূমি বা সস্পত্তি ব্যতীত নিম্নলিখিত প্রজাতন্ত্রের উপর ন্যস্ত হইবে: 

(ক) বাংলাদেশের যে কোন ভূমির অন্তঃস্থ সকল খনিজ ও অন্যান্য মূল্যসম্পন্ন সামগ্রী; 
(খ) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় জলসীমার অন্তর্বর্তী মহাসাগরের অন্তঃস্থ কিংবা বাংলাদেশের মহীসোপানের উপরিস্থ মহাসাগরের অন্তঃস্থ সকল ভূমি, খনিজ ও অন্যান্য মূল্যসম্পন্ন সামগ্রী; এবং 
(গ) বাংলাদেশে অবস্থিত প্রকৃত মালিকবিহীন যে কোন সম্পত্তি। 
 
(২) সংসদ সময়ে সময়ে আইনের দ্বারা বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় জলসীমা ও মহীসোপানের সীমা-নির্ধারণের বিধান করিতে পারিবেন।

৩১২.
"Advocate" সংজ্ঞাটি The General Clauses Act, 1897 এর কত ধারায় সংজ্ঞায়িত হয়েছে?
  1. ধারা ৩(১ক)
  2. ধারা ৩(২ক)
  3. ধারা ৩(কক)
  4. ধারা ৩(৪ক)
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩(২ক)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩(২ক)
ব্যাখ্যা
ধারা ৩(২ক): (The General Clauses Act, 1897)
"অ্যাডভোকেট" অর্থ এমন ব্যক্তি, যিনি বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স অ্যান্ড বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২-এর অধীন অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত (enrolled) হয়েছেন।
"Advocate" means a person enrolled as such under the Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972.
৩১৩.
রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনো প্রশ্ন উত্থাপনের নির্ধারিত পদ্ধতি কী?
  1. আদালতে সরাসরি মামলা দায়ের
  2. সুপ্রিম কোর্টে আবেদন
  3. নির্ধারিত নির্বাচন সংক্রান্ত দরখাস্ত
  4. সংসদে প্রশ্ন উত্থাপন
সঠিক উত্তর:
নির্ধারিত নির্বাচন সংক্রান্ত দরখাস্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্ধারিত নির্বাচন সংক্রান্ত দরখাস্ত
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১২৫- নির্বাচনী আইন ও নির্বাচনের বৈধতা:
এই সংবিধানে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও-
(ক) এই সংবিধানের ১২৪ অনুচ্ছেদের অধীন প্রণীত বা প্রণীত বলিয়া বিবেচিত নির্বাচনী এলাকার সীমা নির্ধারণ, কিংবা অনুরূপ নির্বাচনী এলাকার জন্য আসন-বণ্টন সম্পর্কিত যে কোন আইনের বৈধতা সম্পর্কে আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না;

(খ) সংসদ কর্তৃক প্রণীত কোন আইনের দ্বারা বা অধীন বিধান-অনুযায়ী কর্তৃপক্ষের নিকট এবং অনুরূপভাবে নির্ধারিত প্রণালীতে নির্বাচনী দরখাস্ত ব্যতীত রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচন বা সংসদের কোন নির্বাচন সম্পর্কে কোন প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।

(গ) কোন আদালত, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হইয়াছে এইরূপ কোন নির্বাচনের বিষয়ে, নির্বাচন কমিশনকে যুক্তিসংগত নোটিশ ও শুনানির সুযোগ প্রদান না করিয়া, অন্তর্বর্তী বা অন্য কোনরূপে কোন আদেশ বা নির্দেশ প্রদান করিবেন না।
৩১৪.
The General Clauses Act, 1897 এর ধারা ২১ অনুযায়ী “আদেশ, বিধি বা উপ-আইন প্রণয়নের ক্ষমতা” কী অন্তর্ভুক্ত করে?
  1. শুধু বাতিল করার ক্ষমতা
  2. শুধু সংশোধনের ক্ষমতা
  3. শুধুমাত্র সংসদীয় আইন প্রণয়নের ক্ষমতা
  4. প্রণয়ন, সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা বাতিলের সকল ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
প্রণয়ন, সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা বাতিলের সকল ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রণয়ন, সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা বাতিলের সকল ক্ষমতা
ব্যাখ্যা

The General Clauses Act, 1897 এর ২১ ধারার বিধান: আদেশ, বিধি বা উপ-আইন প্রণয়নের ক্ষমতা, সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে-
যেক্ষেত্রে সংসদের কোন আইন বা প্রবিধি দ্বারা প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-বিধি জারীর কোন ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে উক্ত ক্ষমতা একইভাবে প্রয়োগযোগ্য এবং অনুরূপ অনুমোদন ও শর্তাবলি (যদি থাকে), জারীকৃত কোন প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-আইনের সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা তা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে।

৩১৫.
“The General Clauses Act” কবে প্রণীত হয়?
  1. ১৯৪৭ সালে
  2. ১৮৯৭ সালে
  3. ১৮৭৯ সালে
  4. ১৯৭৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৯৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৯৭ সালে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) ১৮৯৭ সালে
⇒ The General Clauses Act, 1897 হল একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাখ্যামূলক আইন (interpretation law), যা বিভিন্ন আইন, অধ্যাদেশ, বিধিমালা ও নির্দেশনার ব্যাখ্যা ও প্রয়োগে সহায়তা করে।
- এই আইনটি ১১ই মার্চ, ১৮৯৭ তারিখে প্রণীত হয় এবং কার্যকর হয় ১১ই মার্চ, ১৮৯৮ তারিখ থেকে।
- এটি ব্রিটিশ ভারতীয় শাসনামলে গৃহীত হয়েছিল, এবং ভারত ও বাংলাদেশে এই আইন এখনও প্রযোজ্য।
- আইনটির মূল উদ্দেশ্য হলো: একাধিক আইন ও নথিপত্রে ব্যবহৃত সাধারণ শব্দ ও অভিব্যক্তির একটি অভিন্ন সংজ্ঞা প্রদান করা।
৩১৬.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণের বিধান করেছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৯
  2. অনুচ্ছেদ ১৮(২)
  3. অনুচ্ছেদ ১৮ক
  4. অনুচ্ছেদ ১৮(১)
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৮ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৮ক
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৮ক: পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন

রাষ্ট্র বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নাগরিকদের জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন করিবেন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ, জীব-বৈচিত্র্য, জলাভূমি, বন ও বন্যপ্রাণির সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা বিধান করিবেন।

Article 18A: Protection and improvement of environment and biodiversity
The State shall endeavour to protect and improve the environment and to preserve and safeguard the natural resources, bio-diversity, wetlands, forests and wild life for the present and future citizens.
৩১৭.
সরকারের সকল নির্বাহী ব্যবস্থা কার নামে গৃহীত হয়েছে বলে প্রকাশ করা হয়?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. স্পীকার
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. মন্ত্রিসভা
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৫(৪) অনুযায়ী, সরকারের সকল নির্বাহী ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতির নামে গৃহীত হয়েছে বলে প্রকাশ করা হবে।
→ যদিও সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৫(২) অনুযায়ী, নির্বাহী ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে প্রয়োগ করা হয়, তবে আনুষ্ঠানিকভাবে রাষ্ট্রপতির নামেই সরকারি নির্বাহী আদেশ ও কার্যক্রম প্রকাশ করা হয়।
- এটি মূলত একটি সাংবিধানিক আনুষ্ঠানিকতা, কারণ বাস্তবে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিসভা সরকার পরিচালনা করে। তবে, রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন রাষ্ট্রের প্রধান, তাই সকল নির্বাহী আদেশ তার নামেই প্রকাশিত হয়।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৫ অনুচ্ছেদ- মন্ত্রিসভা:
(১) প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকিবে এবং প্রধানমন্ত্রী ও সময়ে সময়ে তিনি যেরূপ স্থির করিবেন, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী লইয়া এই মন্ত্রিসভা গঠিত হইবে। 
(২) প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক বা তাঁহার কর্তত্বে এই সংবিধান-অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হইবে। 
(৩) মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকিবেন। 
(৪) সরকারের সকল নির্বাহী ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতির নামে গৃহীত হইয়াছে বলিয়া প্রকাশ করা হইবে। 
(৫) রাষ্ট্রপতির নামে প্রণীত আদেশসমূহ ও অন্যান্য চুক্তিপত্র কিরূপে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত হইবে, রাষ্ট্রপতি তাহা বিধিসমূহ-দ্বারা নির্ধারণ করিবেন এবং অনুরূপভাবে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত কোন আদেশ বা চুক্তিপত্র যথাযথভাবে প্রণীত বা সম্পাদিত হয় নাই বলিয়া তাহার বৈধতা সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না। 
(৬) রাষ্ট্রপতি সরকারী কার্যাবলী বন্টন ও পরিচালনার জন্য বিধিসমূহ প্রণয়ন করিবেন।
৩১৮.
মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং উপ-মন্ত্রীদের মধ্যে কত শতাংশ সংসদ-সদস্যদের মধ্য থেকে নিয়োগ করতে হবে?
  1. অন্যূন এক-দশমাংশ
  2. অন্যূন নয়-দশমাংশ
  3. অনধিক নয়-দশমাংশ
  4. অনধিক এক-দশমাংশ
সঠিক উত্তর:
অন্যূন নয়-দশমাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্যূন নয়-দশমাংশ
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ- ৫৬ মন্ত্রিগণ:
(১) একজন প্রধানমন্ত্রী থাকিবেন এবং প্রধানমন্ত্রী যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রী থাকিবেন। 

(২) প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদিগকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করিবেন: 
তবে শর্ত থাকে যে, তাঁহাদের সংখ্যার অন্যূন নয়-দশমাংশ সংসদ-সদস্যগণের মধ্য হইতে নিযুক্ত হইবেন এবং অনধিক এক-দশমাংশ সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য ব্যক্তিগণের মধ্য হইতে মনোনীত হইতে পারিবেন। 

(৩) যে সংসদ-সদস্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হইবেন, রাষ্ট্রপতি তাঁহাকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করিবেন। 

(৪) সংসদ ভাংগিয়া যাওয়া এবং সংসদ-সদস্যদের অব্যবহিত পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের মধ্যবর্তীকালে এই অনুচ্ছেদের (২) বা (৩) দফার অধীন নিয়োগ দানের প্রয়োজন দেখা দিলে সংসদ ভাংগিয়া যাইবার অব্যবহিত পূর্বে যাঁহারা সংসদ-সদস্য ছিলেন, এই দফার উদ্দেশ্যসাধনকল্পে তাঁহারা সদস্যরূপে বহাল রহিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন।
৩১৯.
কোন বিচারকের অসদাচরণ সম্পর্কে তদন্ত ও প্রমাণের পদ্ধতি কে নিয়ন্ত্রণ করে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. সংসদ
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. হাইকোর্ট বিভাগ
সঠিক উত্তর:
সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংসদ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদের বিধান: বিচারকদের পদের মেয়াদ:
 
(১) এই অনুচ্ছেদের অন্যান্য বিধানাবলী সাপেক্ষে কোন বিচারক সাতষট্টি বৎসর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন।
 
(২) প্রমাণিত অসদাচরণ বা অসামর্থ্যের কারণে সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ গরিষ্ঠতার দ্বারা সমর্থিত সংসদের প্রস্তাবক্রমে প্রদত্ত রাষ্ট্রপতির আদেশ ব্যতীত কোন বিচারককে অপসারিত করা যাইবে না।
 
(৩) এই অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন প্রস্তাব সম্পর্কিত পদ্ধতি এবং কোন বিচারকের অসদাচরণ বা অসামর্থ্য সম্পর্কে তদন্ত ও প্রমাণের পদ্ধতি সংসদ আইনের দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করিতে পারিবেন।
 
(৪) কোন বিচারক রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ করিয়া স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন।

Article 96- Tenure of office of Judges:

(1) Subject to the other provisions of this article, a Judge shall hold office until he attains the age of sixty-seven years. 
 
(2) A Judge shall not be removed from his office except by an order of the President passed pursuant to a resolution of Parliament supported by a majority of not less than two-thirds of the total number of members of Parliament, on the ground of proved misbehaviour or incapacity. 

(3) Parliament may by law regulate the procedure in relation to a resolution under clause (2) and for investigation and proof of the misbehaviour or incapacity of a Judge. 

(4) A Judge may resign his office by writing under his hand addressed to the President.
৩২০.
What is stated as the basis of Bangalee nationalism in the constitution of Bangladesh?
  1. Economic prosperity
  2. Language and culture
  3. Unity and solidarity
  4. Historical struggle
সঠিক উত্তর:
Unity and solidarity
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Unity and solidarity
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: গ) Unity and solidarity

বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯ অনুযায়ী, বাঙালী জাতির একতা ও সংহতি (Unity and solidarity) হলো বাঙালি জাতীয়তাবাদের মূল ভিত্তি।

• অনুচ্ছেদ ৯: জাতীয়তাবাদ:
ভাষাগত ও সংস্কৃতিগত একক সত্তাবিশিষ্ট যে বাঙালী জাতি ঐক্যবদ্ধ ও সংকল্পবদ্ধ সংগ্রাম করিয়া জাতীয় মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অর্জন করিয়াছেন, সেই বাঙালী জাতির ঐক্য ও সংহতি হইবে বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি।

Article 9: Nationalism:
The unity and solidarity of the Bangalee nation, which, deriving its identity from its language and culture, attained sovereign and independent Bangladesh through a united and determined struggle in the war of independence, shall be the basis of Bangalee nationalism.

৩২১.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে স্থানীয় শাসন প্রতিষ্ঠানের বাজেট প্রস্তুতকরণ ও কর আরোপের ক্ষমতার কথা বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৫৯
  2. অনুচ্ছেদ ৬০
  3. অনুচ্ছেদ ৬১
  4. অনুচ্ছেদ ৬২
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬০
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৬০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে:
"এই সংবিধানের ৫৯ অনুচ্ছেদের বিধানাবলীকে পূর্ণ কার্যকরতাদানের উদ্দেশ্যে সংসদ আইনের দ্বারা উক্ত অনুচ্ছেদে উল্লিখিত স্থানীয় শাসন সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানসমূহকে স্থানীয় প্রয়োজনে কর আরোপ করিবার ক্ষমতাসহ বাজেট প্রস্তুতকরণ ও নিজস্ব তহবিল রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষমতা প্রদান করিবেন।"
অর্থাৎ, স্থানীয় শাসন প্রতিষ্ঠানসমূহ যেন কার্যকরভাবে কাজ করতে পারে, তার জন্য সংসদ তাদের
- কর আরোপ,
- বাজেট তৈরির, এবং
- নিজস্ব তহবিল পরিচালনার
ক্ষমতা প্রদান করবে—এটাই অনুচ্ছেদ ৬০ এর মূল কথা।

→ আর অনুচ্ছেদ ৫৯ মূলত এই প্রতিষ্ঠানগুলোর গঠন, দায়িত্ব ও কাজের ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা করে। কিন্তু ক্ষমতা সংক্রান্ত বিষয় নির্দিষ্টভাবে আসে অনুচ্ছেদ ৬০ তে।

তাই সঠিক উত্তর: খ) অনুচ্ছেদ ৬০।
৩২২.
The golden rule of interpretation is _________ of the literal rule.
  1. expansion
  2. opposite
  3. exception
  4. replacement
সঠিক উত্তর:
expansion
উত্তর
সঠিক উত্তর:
expansion
ব্যাখ্যা
The Golden Rule of Interpretation of Statutes-
গোল্ডেন রুল ইন্টারপ্রিটেশন হল লিটারাল রুলের একটি সম্প্রসারণ (expansion) বা বিস্তৃতি, যা বিচারকদের কঠোরভাবে শব্দের আক্ষরিক অর্থ থেকে সরে আসতে অনুমতি দেয় যাতে হাস্যকর ফলাফল প্রতিরোধ করা যায়। এই রুল বিচারককে শব্দের সাধারণ অর্থ থেকে বিচ্যুত হতে দেয় যদি এর ব্যাখ্যা অযৌক্তিক ফলাফলে পৌঁছায়।

গোল্ডেন রুল, লিটারাল রুল এবং মিসচিফ রুলের মধ্যে একটি সমঝোতা প্রদান করে। এটি সাধারণত শব্দগুলিকে তাদের সাধারণ এবং সরল অর্থে ব্যাখ্যা করে, তবে যখন শব্দের আক্ষরিক অর্থ অনুসরণ করলে আইন প্রণেতাদের উদ্দেশ্যের বিরুদ্ধে গিয়ে অযৌক্তিক ফলাফল হয়, তখন বিচ্যুতি গ্রহণের সুযোগ প্রদান করে।

গোল্ডেন রুলটি সংকীর্ণ এবং বিস্তৃতভাবে প্রয়োগ করা যেতে পারে।
সংকীর্ণ পদ্ধতিতে, বিচারক এই রুলটি প্রয়োগ করেন যখন আইনে ব্যবহৃত শব্দটি অস্পষ্ট হয়, অর্থাৎ এর একাধিক সম্ভাব্য অর্থ রয়েছে। তখন বিচারককে সেই অর্থের মধ্যে থেকে মামলার প্রেক্ষাপটে সবচেয়ে উপযুক্ত অর্থটি নির্বাচন করতে হয়।

বিস্তৃত পদ্ধতিতে, গোল্ডেন রুল সাধারণত তখন ব্যবহার করা হয় যখন একটি শব্দের একমাত্র আক্ষরিক অর্থ রয়েছে, কিন্তু সেই অর্থটি ব্যবহার করলে হাস্যকর ফলাফল হতে পারে। এই পরিস্থিতিতে, আদালত শব্দটির ব্যাখ্যা পরিবর্তন করতে পারে যাতে এমন অযৌক্তিক ফলাফল এড়ানো যায়।
৩২৩.
ন্যায়পালের পদটি বাংলাদেশে কীভাবে সৃষ্টি হবে?
  1. সরকারের সিদ্ধান্তে
  2. প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে
  3. রাষ্ট্রপতির আদেশে
  4. সংসদের আইনের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
সংসদের আইনের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংসদের আইনের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের ৭৭(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে, "সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালের পদ-প্রতিষ্ঠার জন্য বিধান করিতে পারিবেন।"
- অর্থাৎ ন্যায়পাল পদটি শুধুমাত্র সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইনের মাধ্যমেই সৃষ্টি হতে পারে।
- এটি রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী বা সরকারের একতরফা সিদ্ধান্তে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পদ নয়।
- সংবিধানে অনুচ্ছেদ থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশে এখনও ন্যায়পাল আইন পাস হয়নি, তাই এই পদটি এখনও সৃষ্টি হয়নি।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৭ অনুচ্ছেদের বিষয়: ন্যায়পাল:
(১) সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালের পদ-প্রতিষ্ঠার জন্য বিধান করিতে পারিবেন। 
(২) সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালকে কোন মন্ত্রণালয়, সরকারী কর্মচারী বা সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষের যে কোন কার্য সম্পর্কে তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাসহ যেরূপ ক্ষমতা কিংবা যেরূপ দায়িত্ব প্রদান করিবেন, ন্যায়পাল সেইরূপ ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করিবেন। 
(৩) ন্যায়পাল তাঁহার দায়িত্বপালন সম্পর্কে বাৎসরিক রিপোর্ট প্রণয়ন করিবেন এবং অনুরূপ রিপোর্ট সংসদে উপস্থাপিত হইবে।
------------
 ⇒ Article 77 Ombudsman:
(1) Parliament may, by law, provide for the establishment of the office of Ombudsman. 
(2) The Ombudsman shall exercise such powers and perform such functions as Parliament may, by law, determine, including the power to investigate any action taken by a Ministry, a public officer or a statutory public authority. 
(3) The Ombudsman shall prepare an annual report concerning the discharge of his functions, and such report shall be laid before Parliament.

৩২৪.
সংবিধানের ৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনার ৪টি মূলনীতি হলো-
  1. জাতীয়তাবাদ, মানবাধিকার, গণতন্ত্র, ধর্মীয় মূল্যবোধ
  2. জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, রাজতন্ত্র, সমাজতন্ত্র
  3. সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র, রাজনীতি, ধর্মীয় শাসন
  4. জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা
সঠিক উত্তর:
জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ৮: মূলনীতিসমূহ:
(১) জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা- এই নীতিসমূহ এবং তৎসহ এই নীতিসমূহ হইতে উদ্ভূত এই ভাগে বর্ণিত অন্য সকল নীতি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বলিয়া পরিগণিত হইবে৷

​(২) এই ভাগে বর্ণিত নীতিসমূহ বাংলাদেশ-পরিচালনার মূলসূত্র হইবে, আইন-প্রণয়নকালে রাষ্ট্র তাহা প্রয়োগ করিবেন, এই সংবিধান ও বাংলাদেশের অন্যান্য আইনের ব্যাখ্যাদানের ক্ষেত্রে তাহা নির্দেশক হইবে এবং তাহা রাষ্ট্র ও নাগরিকদের কার্যের ভিত্তি হইবে, তবে এই সকল নীতি আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য হইবে না৷

​⇒ সংবিধানের ৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনার ৪টি মূলনীতি হলো-
১. জাতীয়তাবাদ [Nationalism];
২. সমাজতন্ত্র [Socialism];
৩. গণতন্ত্র [Democracy];
৪. ধর্মনিরপেক্ষতা [Secularism]।

৩২৫.
সংবিধান অনুসারে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা বাহিনীগুলোর সর্বাধিনায়ক কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. সেনাপ্রধান
  4. প্রতিরক্ষা মন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৬১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বলা হয়েছে—
“বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগসমূহের সর্বাধিনায়কতা রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত হইবে, এবং আইনের দ্বারা তাহার প্রয়োগ নিয়ন্ত্রিত হইবে।”
- অর্থাৎ, প্রতিরক্ষা বাহিনীগুলোর নামমাত্র (ceremonial) সর্বোচ্চ নেতৃত্বের দায়িত্ব রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত। তবে এই ক্ষমতা আইনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয় এবং বাস্তবিক দিক থেকে প্রতিরক্ষা নীতিমালা প্রণয়ন ও পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী।
→ তবে মূল সাংবিধানিক সর্বাধিনায়কের প্রশ্নে—রাষ্ট্রপতি-ই সঠিক উত্তর।
৩২৬.
বাংলাদেশ সংবিধানের ৩৩ অনুচ্ছেদের ১ ও ২ দফার বিধান কোন ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. সরকারি কর্মচারী
  2. বাংলাদেশের নাগরিক
  3. নিবর্তনমূলক আটক আইনে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি
  4. উল্লিখিত সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
সঠিক উত্তর:
নিবর্তনমূলক আটক আইনে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিবর্তনমূলক আটক আইনে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
উত্তর: নিবর্তনমূলক আটকের আইনে আটক ব্যক্তি।

অনুচ্ছেদ ৩৩: গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ
(১) গ্রেপ্তারকৃত কোন ব্যক্তিকে যথাসম্ভব শীঘ্র গ্রেপ্তারের কারণ জ্ঞাপন না করিয়া প্রহরায় আটক রাখা যাইবে না এবং উক্ত ব্যক্তিকে তাঁহার মনোনীত আইনজীবীর সহিত পরামর্শের ও তাঁহার দ্বারা আত্মপক্ষ-সমর্থনের অধিকার হইতে বঞ্চিত করা যাইবে না।

(২) গ্রেপ্তারকৃত ও প্রহরায় আটক প্রত্যেক ব্যক্তিকে নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেটের সম্মুখে গ্রেপ্তারের চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে (গ্রেপ্তারের স্থান হইতে ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে আনয়নের জন্য প্রয়োজনীয় সময় ব্যতিরেকে) হাজির করা হইবে এবং ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত তাঁহাকে তদতিরিক্তকাল প্রহরায় আটক রাখা যাইবে না।

(৩) এই অনুচ্ছেদের (১) ও (২) দফার কোন কিছুই সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না,
(ক) যিনি বর্তমান সময়ের জন্য বিদেশী শত্রু; অথবা
(খ) যাঁহাকে নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইনের অধীন গ্রেপ্তার করা হইয়াছে বা আটক করা হইয়াছে।

(৪) নিবর্তনমূলক আটকের বিধান- সংবলিত কোন আইন কোন ব্যক্তিকে ছয় মাসের অধিক কাল আটক রাখিবার ক্ষমতা প্রদান করিবে না যদি সুপ্রীম কোর্টের বিচারক রহিয়াছেন বা ছিলেন কিংবা সুপ্রীম কোর্টের বিচারকপদে নিয়োগলাভের যোগ্যতা রাখেন, এইরূপ দুইজন এবং প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত একজন প্রবীণ কর্মচারীর সমন্বয়ে গঠিত কোন উপদেষ্টা-পর্ষদ্ উক্ত ছয় মাস অতিবাহিত হইবার পূর্বে তাঁহাকে উপস্থিত হইয়া বক্তব্য পেশ করিবার সুযোগদানের পর রিপোর্ট প্রদান না করিয়া থাকেন যে, পর্ষদের মতে উক্ত ব্যক্তিকে তদতিরিক্ত কাল আটক রাখিবার পর্যাপ্ত কারণ রহিয়াছে।

(৫) নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইনের অধীন প্রদত্ত আদেশ অনুযায়ী কোন ব্যক্তিকে আটক করা হইলে আদেশদানকারী কর্তৃপক্ষ তাঁহাকে যথাসম্ভব শীঘ্র আদেশদানের কারণ জ্ঞাপন করিবেন এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে বক্তব্য-প্রকাশের জন্য তাঁহাকে যত সত্বর সম্ভব সুযোগদান করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, আদেশদানকারী কর্তৃপক্ষের বিবেচনায় তথ্যাদি-প্রকাশ জনস্বার্থবিরোধী বলিয়া মনে হইলে অনুরূপ কর্তৃপক্ষ তাহা প্রকাশে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করিতে পারিবেন।

(৬) উপদেষ্টা-পর্ষদ কর্তৃক এই অনুচ্ছেদের (৪) দফার অধীন তদন্তের জন্য অনুসরণীয় পদ্ধতি সংসদ আইনের দ্বারা নির্ধারণ করিতে পারিবেন।
৩২৭.
The General Clauses Act, 1897 আইনের ৩(৩৯) ধারায় "ব্যক্তি" বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
  1. শুধুমাত্র প্রকৃত ব্যক্তি
  2. শুধুমাত্র সরকারি প্রতিষ্ঠান
  3. শুধুমাত্র নিবন্ধিত কোম্পানি
  4. কোম্পানি, সমিতি, ব্যক্তি বিশেষকে
সঠিক উত্তর:
কোম্পানি, সমিতি, ব্যক্তি বিশেষকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোম্পানি, সমিতি, ব্যক্তি বিশেষকে
ব্যাখ্যা
• Section 3(39) of The General Clauses Act,1897-

"Person" shall include any company or association or body of individuals, whether incorporated or not:
"ব্যক্তি" বলিতে, নিগমিত হউক বা না হউক, কোন কোম্পানি বা সমিতি অথবা ব্যক্তি বিশেষের সমষ্টিকে অন্তর্ভূক্ত করিবে।

• ব্যক্তি (Person) বলতে নিগমবদ্ধ (Incorporated) করা হউক বা না হউক, কোন কোম্পানী বা সমিতি বা ব্যক্তি সমষ্টিকে বুঝায়। দণ্ডবিধির ১১ ধারার বিধান মতে 'ব্যক্তি' বলতে সমিতিভূক্ত হউক বা না হউক, যে কোন কোম্পানী বা সমিতি বা ব্যক্তি সংস্থার অন্তর্ভুক্ত হওয়া বুঝায়। মানুষ ছাড়াও কোম্পানী, সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান, সমিতি, মাতৃগর্ভস্থ শিশু ইত্যাদিও ব্যক্তি হিসেবে আইনে স্বীকৃতি পায়।

Conforce Limited v. Titas Gas Transmission মামলায় বর্ণিত হয়েছে-
"Person occuring in section 3(39) of General clauses Act, 1897 shall include any company or association or body of individuals whether incorporated or not."."
৩২৮.
Ex post facto laws নিচের কোনটির সাথে সম্পর্কিত?
  1. দেওয়ানী আইন
  2. ফৌজদারী আইন
  3. দেওয়ানী আইন ও ফৌজদারী আইন
  4. সাংবিধানিক আইন
সঠিক উত্তর:
সাংবিধানিক আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাংবিধানিক আইন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধান অনুচ্ছেদে ৩৫: অপরাধ ও দণ্ড সম্পর্কে রক্ষণ

অপরাধ ও দণ্ড সম্পর্কে রক্ষণ:
অনুচ্ছেদে ৩৫(১) এর বিধান হচ্ছে- অপরাধ করার সময় বলবৎ কার্যকর ছিল, এমন আইন ব্যতীত অন্য আইনে দণ্ড দেওয়া যাবে না। এ নীতিটাই Ex Post Facto Laws (ভূতাপেক্ষ আইন)।

অর্থাৎ অপরাধ সংঘটনকালে বলবৎ আইনে যে শাস্তি ছিল তার অধিক বা ভিন্ন কোনো আইনে শাস্তি দেওয়া যাবে না বা নতুন আইন প্রণয়ন করে ভিন্নতর/তার অধিক শাস্তি দেওয়া যাবে না। যেমন- ১৯৯০ সালে কাউসার সাহেবের যে অপরাধের জন্য যাবজ্জীবন সাজা হতো ২০২১ সালে নতুন আইন করে সে একই অপরাধের জন্য মৃত্যুদণ্ড দেওয়া যাবে না।

Ex post facto laws (ভূতাপেক্ষ আইন) এর বিরুদ্ধে সংবিধানের ৩৫(১) অনুচ্ছেদে সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে। সংবিধানে এ সম্পর্কে বলা থাকলেও এটি ফৌজদারি আইনের সাথে সম্পর্কিত। কারণ ফৌজদারি আইনের ক্ষেত্রে Retrospective Effect (ভূতাপেক্ষ প্রভাব) দেওয়া যায় না। যেহেতু সংবিধানে সরাসরি এই আইন সম্পর্কিত বিধান রয়েছে তাই অধিকতর গ্রহণযোগ্য হিসেবে 'সাংবিধানিক আইন' কে উত্তর হিসেবে নেয়া হয়েছে।
৩২৯.
কোন ব্যক্তির সংবিধানের অধীন কোনো প্রতিকারের জন্য সুপ্রীম কোর্টে আবেদন করার অধিকার নেই?
  1. মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত
  2. যুদ্ধাপরাধী
  3. নাশকতাকারী
  4. রাষ্ট্রদ্রোহী
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধাপরাধী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধাপরাধী
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের ৪৭ অনুচ্ছেদের বিধান: কতিপয় আইনের হেফাজত:
- সংবিধানের ৪৭(৩) অনুচ্ছেদে বিধান: এই সংবিধানে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও গণহত্যাজনিত অপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ বা যুদ্ধাপরাধ এবং আন্তর্জাতিক আইনের অধীন অন্যান্য অপরাধের জন্য কোন সশস্ত্র বাহিনী বা প্রতিরক্ষা বাহিনী বা সহায়ক বাহিনীর সদস্য বা অন্য কোন ব্যক্তি, ব্যক্তি সমষ্টি বা সংগঠন কিংবা যুদ্ধবন্দীকে আটক, ফৌজদারীতে সোপর্দ কিংবা দণ্ডদান করিবার বিধান-সংবলিত কোন আইন বা আইনের বিধান এই সংবিধানের কোন বিধানের সহিত অসমঞ্জস বা তাহার পরিপন্থী, এই কারণে বাতিল বা বেআইনী বলিয়া গণ্য হইবে না কিংবা কখনও বাতিল বা বেআইনী হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না।

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের ৪৭ক অনুচ্ছেদের বিধান:সংবিধানের কতিপয় বিধানের অপ্রযোজ্যতা:
 (১) যে ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই সংবিধানের ৪৭ অনুচ্ছেদের (৩) দফায় বর্ণিত কোন আইন প্রযোজ্য হয়, সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদ, ৩৫ অনুচ্ছেদের (১) ও (৩) দফা এবং ৪৪ অনুচ্ছেদের অধীন নিশ্চয়কৃত অধিকারসমূহ প্রযোজ্য হইবে না।

(২) এই সংবিধানে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও যে ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই সংবিধানের ৪৭ অনুচ্ছেদের (৩) দফায় বর্ণিত কোন আইন প্রযোজ্য হয়, এই সংবিধানের অধীন কোন প্রতিকারের জন্য সুপ্রীম কোর্টে আবেদন করিবার কোন অধিকার সেই ব্যক্তির থাকিবে না।

অর্থাৎ যুদ্ধাপরাধীর সংবিধানের অধীন কোনো প্রতিকারের জন্য সুপ্রীম কোর্টে আবেদন করার অধিকার নেই। 
৩৩০.
The meaning of Latin maxim 'Actus non facit reum, nisi mens sit rea' is-
  1. অপরাধমূলক কোন কার্য ব্যক্তিকে অপরাধী করে
  2. ক্ষতিকর কাজের আইনী প্রতিকার নেই
  3. অপরাধমূলক অভিপ্রায় না থাকলে, কোন কার্য ব্যক্তিকে অপরাধী করে না
  4. অপরাধমূলক অভিপ্রায় ব্যক্তিকে অপরাধী করে না
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক অভিপ্রায় না থাকলে, কোন কার্য ব্যক্তিকে অপরাধী করে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক অভিপ্রায় না থাকলে, কোন কার্য ব্যক্তিকে অপরাধী করে না
ব্যাখ্যা
Actus non facit reum, nisi mens sit rea (অপরাধমূলক অভিপ্রায় না থাকলে কোন কার্য ব্যক্তিকে অপরাধী করে না)

এই প্রবচনটির ইংরেজি প্রতিশব্দ হচ্ছে, 'An act does not make one guilty unless there be guilty intention. কোন অন্যায় বা নিষিদ্ধ কাজ ইচ্ছাকৃতভাবে যদি কেউ সংঘটন করে বা অবহেলা করে সম্পাদন করে তাহলে অনুরূপ কাজের জন্য তাকে দায়ী হতে হয়। ইচ্ছাকৃতভাবে সম্পাদিত কাজের ক্ষেত্রে ধরে নেয়া হয় যে, অনুরূপ কাজে আসামীর অপরাধমূলক অভিপ্রায় ছিল। আসামীকে শাস্তি দিতে হলে অপরাধ সংঘটনের সময়ে তার মনের যে অবস্থা ছিল তা প্রসিকিউসন পক্ষকে অবশ্যই প্রমাণ করতে হয়। অপরাধের প্রকৃতিভেদে অপরাধী মনেরও প্রকৃতিভেদ ঘটে।

এটা যে আইন দ্বারা সৃষ্ট, সেই আইন কিংবা নজীর দ্বারা নির্ধারিত হয়ে থাকে। জনগণের স্বাধীনতা সংরক্ষণের জন্য এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যে, আদালত কাউকে দোষী সাব্যস্ত করবেন না যতক্ষণ না তার একটি দোষী মন থাকে। তাঁর মতে, তবে যদি কোন আইন দ্বারা এর প্রয়োজনীয়তা অস্বীকার করা হয় তবে তা স্বতন্ত্র বিষয় হবে। তবে এই প্রবচনের মূলনীতি প্রয়োগ করতে হলে বর্ণিত বিধান সতর্কতার সাথে বিবেচনা করতে হয়। এ প্রবচনটি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে Fowler v. Padget মামলায় প্রধান বিচারপতি Lord Kenyon বলেন, "The intent and the act must both concur to constitute the crime."
৩৩১.
সংবিধানের তৃতীয় তফশিল অনুযায়ী, নিচের কোন ব্যক্তিকে শপথগ্রহণ করানো বা ঘোষণাপত্র পাঠ করানো সংক্রান্ত ক্ষমতা দেওয়া হয়নি?
  1. স্পীকার
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুযায়ী শপথগ্রহণ বা ঘোষণাপত্র পাঠ করানোর ক্ষমতা শুধুমাত্র স্পিকার, রাষ্ট্রপতি এবং প্রধান বিচারপতি—এই তিন ব্যক্তিকে দেওয়া হয়েছে।
- প্রধানমন্ত্রীকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। তিনি নিজে রাষ্ট্রপতির কাছে শপথ নেন, কিন্তু অন্য কাউকে শপথ গ্রহণ করানোর ক্ষমতা সংবিধানের তৃতীয় তফশিল অনুযায়ী তার নেই।

⇒ তৃতীয় তফসিল:
- বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে ৯টি পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তির শপথগ্রহণ বা ঘোষনাপত্র পাঠের বিষয় উল্লেখ আছে।
- শপথগ্রহণ বা ঘোষণাপত্র পাঠ করানোর ক্ষমতা ৩ জন ব্যক্তিকে দেওয়া হয়ছে।
- যথা- স্পীকার , রাষ্ট্রপতি , প্রধান বিচারপতি।

⇒ স্পীকার কর্তৃক - রাষ্ট্রপতি, সংসদ-সদস্য;
⇒ রাষ্ট্রপতি কর্তৃক - প্রধানমন্ত্রী, অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী, স্পীকার, ডেপুটি স্পীকার, প্রধান বিচারপতি; 
⇒ প্রধান বিচারপতি কর্তৃক - সুপ্রীম কোর্টের অন্যান্য বিচারক, সরকারী কর্মকমিশনের সদস্য, মহাহিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনার।

৩৩২.
সংবিধানের ১১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে কী নিশ্চিত করা হবে?
  1. আইনের প্রয়োগ
  2. জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ
  3. মৌলিক মানবাধিকার
  4. ন্যায়ানুগ ও সাম্যবাদী সমাজলাভ
সঠিক উত্তর:
জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধানের ১১ অনুচ্ছেদ: গণতন্ত্র ও মানবাধিকার
প্রজাতন্ত্র হইবে একটি গণতন্ত্র, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকিবে, মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হইবে এবং প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হইবে

৩৩৩.
আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান ও সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধা নীতিটি সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ২৩
  2. অনুচ্ছেদ ২৪
  3. অনুচ্ছেদ ২৫
  4. অনুচ্ছেদ ২৬
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৫
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৫ (শিরোনাম: আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন)–এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে:
“জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা, অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা—এই সকল নীতি হইবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি…”
- এই অনুচ্ছেদে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মৌলিক নীতিমালা নির্ধারণ করা হয়েছে এবং সেখানে আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান ও সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নীতি হিসেবে উল্লেখ রয়েছে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৫ আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন: 
জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা, অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা-এই সকল নীতি হইবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি এবং এই সকল নীতির ভিত্তিতে রাষ্ট্র 
(ক) আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তিপ্রয়োগ পরিহার এবং সাধারণ ও সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের জন্য চেষ্টা করিবেন; 
(খ) প্রত্যেক জাতির স্বাধীন অভিপ্রায় অনুযায়ী পথ ও পন্থার মাধ্যমে অবাধে নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ ও গঠনের অধিকার সমর্থন করিবেন; এবং 
(গ) সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণবৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে সমর্থন করিবেন৷
৩৩৪.
What does "onus probandi" mean in legal terms?
  1. Right to appeal
  2. Burden of proof
  3. Prima facie evidence
  4. Presumption of innocence
সঠিক উত্তর:
Burden of proof
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Burden of proof
ব্যাখ্যা
⇒ "Onus Probandi" একটি ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ, যার অর্থ "প্রমাণের ভার" বা "Burden of Proof"। এটি আইনের একটি মৌলিক নীতি যা নির্ধারণ করে কোন পক্ষকে আদালতে তার দাবি বা অভিযোগ প্রমাণের দায়িত্ব বহন করতে হবে।
অর্থাৎ "Onus probandi" একটি ল্যাটিন শব্দ, যার অর্থ "burden of proof" বা বাংলায় "প্রমাণের ভার"।  আইনি পরিভাষায় এটি বোঝায় যে একটি দাবি বা অভিযোগ প্রমাণ করার দায়িত্ব কার উপর বর্তায়। যিনি কোনো বিষয়ে দাবি করেন, সাধারণত তার উপরই প্রমাণের ভার থাকে।

সঠিক উত্তর: খ) Burden of proof.
৩৩৫.
জাতীয় সংসদের স্পীকার কার সাথে পরামর্শক্রমে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের কর্মচারীদের নিয়োগ কর্মের শর্তসমূহ নির্ধারণ করবেন?
  1. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
  2. সরকারী কর্ম কমিশন
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. রাষ্ট্রপতি
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৯ অনুচ্ছেদের বিধান সংসদ-সচিবালয়:
(১) সংসদের নিজস্ব সচিবালয় থাকিবে। 
(২) সংসদের সচিবালয়ে কর্মচারীদের নিয়োগ ও কর্মের শর্তসমূহ সংসদ আইনের দ্বারা নির্ধারণ করিতে পারিবেন। 
(৩) সংসদ কর্তৃক বিধান প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত স্পীকারের সহিত পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি সংসদের সচিবালয়ে কর্মচারীদের নিয়োগ ও কর্মের শর্তসমূহ নির্ধারণ করিয়া বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবেন এবং অনুরূপভাবে প্রণীত বিধিসমূহ যে কোন আইনের বিধান-সাপেক্ষে কার্যকর হইবে।
৩৩৬.
সংবিধানের ১৩ অনুচ্ছেদ অনুসারে, উৎপাদনযন্ত্র, উৎপাদনব্যবস্থা ও বণ্টণপ্রণালীসমূত্রের মালিক বা নিয়ন্ত্রক হবে -
  1. রাষ্ট্র
  2. জনগণ
  3. প্রজাতন্ত্র
  4. সরকার
সঠিক উত্তর:
জনগণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনগণ
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ১৩ অনুচ্ছেদ অনুসারে, উৎপাদনযন্ত্র, উৎপাদনব্যবস্থা ও বণ্টণপ্রণালীসমূত্রের মালিক বা নিয়ন্ত্রক হবে জনগণ। ১৩ অনুচ্ছেদে মালিকানার নীতি (principles of ownership) আলোচনা করা হয়েছে। এই অনুচ্ছেদে ৩ শ্রেণীর মালিকানার সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে, যথাঃ

⇒ রাষ্ট্রীয় মালিকানা (State ownership);
⇒ সমবায়ী মালিকানা (Co-operative ownership);
⇒ বাক্তিগত মালিকানা (private ownership)।
 
অনুচ্ছেদ: ১৩- মালিকানার নীতি:
 
উৎপাদনযন্ত্র, উৎপাদনব্যবস্থা ও বন্টনপ্রণালীসমূহের মালিক বা নিয়ন্ত্রক হইবেন জনগণ এবং এই উদ্দেশ্যে মালিকানা-ব্যবস্থা নিম্নরূপ হইবে:
ক) রাষ্ট্রীয় মালিকানা, অর্থাৎ অর্থনৈতিক জীবনের প্রধান প্রধান ক্ষেত্র নিয়ে সুষ্ঠু ও গতিশীল রাষ্ট্রায়ত্ত সরকারী খাত সৃষ্টির মাধ্যমে জনগণের পক্ষে রাষ্ট্রের মালিকানা।
খ) সমবায়ী মালিকানা, অর্থাৎ আইনের দ্বারা নির্ধারিত সীমার মধ্যে সমবায়সমূহের সদস্যদের পক্ষে সমবায়সমূহের মালিকানা; এবং
গ) ব্যক্তিগত মালিকানা, অর্থাৎ আইনের দ্বারা নির্ধারিত সীমার মধ্যে ব্যক্তির মালিকানা।
৩৩৭.
সংবিধানের কত অনুচ্ছেদ অনুযায়ী দ্রুত বিচার ট্রাইবুন্যাল অধ্যাদেশ-২০০২ করা হয়েছে?
  1. ৯৩ (২ক) অনুচ্ছেদ
  2. ৯৩ (১) অনুচ্ছেদ
  3. ৬৫ (১) অনুচ্ছেদ
  4. ৬৫ (২) অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
৯৩ (১) অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৩ (১) অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
⇒ অনুচ্ছেদ: ৯৩ অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা: বিশেষ ক্ষমতায় আইন প্রণয়নের রূপ বা রীতি হলো অধ্যাদেশ। রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারে। সংসদ ভেঙ্গে যাওয়া অবস্থায় অথবা উহার অধিবেশনকাল ব্যতীত সময়ে রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারে। রাষ্ট্রপতির নিকট আশু ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রয়েছে বলে সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হলে তিনি উক্ত পরিস্থিতিতে যেরূপ প্রয়োজনীয় বলে মনে করবে, সেইরুপ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করতে পারবে।
⇒ অর্থাৎ বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী দ্রুত বিচার ট্রাইবুন্যাল অধ্যাদেশ-২০০২ করা হয়েছে।

⇒ অনুচ্ছেদ ৯৩: অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা:

 (১) সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় অথবা উহার অধিবেশনকাল ব্যতীত] কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট আশু ব্যবস্থাগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে বলিয়া সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে তিনি উক্ত পরিস্থিতিতে যেরূপ প্রয়োজনীয় বলিয়া মনে করিবেন, সেইরূপ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করিতে পারিবেন এবং জারী হইবার সময় হইতে অনুরূপভাবে প্রণীত অধ্যাদেশ সংসদের আইনের ন্যায় ক্ষমতাসম্পন্ন হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার অধীন কোন অধ্যাদেশে এমন কোন বিধান করা হইবে না,

(ক) যাহা এই সংবিধানের অধীন সংসদের আইন-দ্বারা আইনসঙ্গতভাবে করা যায় না;
(খ) যাহাতে এই সংবিধানের কোন বিধান পরিবর্তিত বা রহিত হইয়া যায়; অথবা
(গ) যাহার দ্বারা পূর্বে প্রণীত কোন অধ্যাদেশের যে কোন বিধানকে অব্যাহতভাবে বলবৎ করা যায়।

(২) এই অনুচ্ছেদের (১) দফার অধীন প্রণীত কোন অধ্যাদেশ জারী হইবার পর অনুষ্ঠিত সংসদের প্রথম বৈঠকে তাহা উপস্থাপিত হইবে এবং ইতঃপূর্বে বাতিল না হইয়া থাকিলে অধ্যাদেশটি অনুরূপভাবে উপস্থাপনের পর ত্রিশ দিন অতিবাহিত হইলে কিংবা অনুরূপ মেয়াদ উত্তীর্ণ হইবার পূর্বে তাহা অননুমোদন করিয়া সংসদে প্রস্তাব গৃহীত হইলে অধ্যাদেশটির কার্যকরতা লোপ পাইবে।

(৩) সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থার কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট ব্যবস্থা-গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে বলিয়া সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে তিনি এমন অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করিতে পারিবেন, যাহাতে সংবিধান-দ্বারা সংযুক্ত তহবিলের উপর কোন ব্যয় দায়যুক্ত হউক বা না হউক, উক্ত তহবিল হইতে সেইরূপ ব্যয়নির্বাহের কর্তৃত্ব প্রদান করা যাইবে এবং অনুরূপভাবে প্রণীত কোন অধ্যাদেশ জারী হইবার সময় হইতে তাহা সংসদের আইনের ন্যায় ক্ষমতাসম্পন্ন হইবে।

(৪) এই অনুচ্ছেদের (৩) দফার অধীন জারীকৃত প্রত্যেক অধ্যাদেশ যথাশীঘ্র সংসদে উপস্থাপিত হইবে এবং সংসদ পুনর্গঠিত হইবার তারিখ হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে এই সংবিধানের ৮৭, ৮৯ ও ৯০ অনুচ্ছেদসমূহের বিধানাবলী প্রয়োজনীয় উপযোগীকরণসহ পালিত হইবে।
৩৩৮.
The General Clauses Act,1897 এর ধারা ১৬ অনুযায়ী, নিয়োগের ক্ষমতা কীসের সাথে সম্পর্কিত?
  1. নীতি নির্ধারণের ক্ষমতা
  2. বরখাস্তের ক্ষমতা
  3. পদবী পরিবর্তনের ক্ষমতা
  4. বেতন নির্ধারণের ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
বরখাস্তের ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরখাস্তের ক্ষমতা
ব্যাখ্যা

• The General Clauses Act,1897: ধারা ১৬: নিয়োগের ক্ষমতা সাময়িক বরখাস্ত বা বরখাস্তের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে-আইনসভা কর্তৃক প্রণীত আইন বা প্রবিধান দ্বারা যদি কোন কর্তৃপক্ষকে নিয়োগের ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে, ভিন্নরূপ কোন উদ্দেশ্য প্রতীয়মান না হলে, অনুরূপ কর্তৃপক্ষের উল্লেখিত ক্ষমতা প্রয়োগের আওতায় নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত বা বরখাস্ত করার ক্ষমতা থাকবে।

Section 16- Power to appoint to include power to suspend or dismiss:
Where, by any Act of Parliament or Regulation, a power to make any appointment is conferred, then unless a different intention appears, the authority having for the time being power to make the appointment shall also have power to suspend or dismiss any person appointed whether by itself of any other authority in exercise of that power.

৩৩৯.
সংবিধানের সর্বশেষ সংশোধনী কত সালে করা হয়?
  1. ২০১৭ সালে
  2. ২০১৮ সালে
  3. ২০১৯ সালে
  4. ২০২১ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৮ সালে
ব্যাখ্যা
সংবিধানের সর্বশেষ সংশোধনী (১৭তম) ২০১৮ সালে করা হয়।

সপ্তদশ সংশোধনী:
সংবিধান (সপ্তদশ সংশোধন) আইন, ২০১৮ বলে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে সংরক্ষিত নারী আসনের মেয়াদ ২৫ বৎসর বৃদ্ধি করা হয়। নারীদের জন্য সংরক্ষিত ৫০টি আসনের ১০ বৎসরের মেয়াদ ২০১৯ সালের ২৪ই জানুয়ারী শেষ হয়। সপ্তদশ সংশোধনীর মাধ্যমে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনের মেয়াদ ২৫ বৎসর বাড়ানো হয়েছে। অর্থাৎ ১১তম সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হতে পরবর্তী ২৫ বৎসর পর্যন্ত নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনের মেয়াদ থাকবে।
৩৪০.
"Constitution is the way of life the state has chosen for itself." উক্তিটি কার?
  1. Plato
  2. Aristotle
  3. S.E. Finer
  4. Rousseau
সঠিক উত্তর:
Aristotle
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Aristotle
ব্যাখ্যা
"The Constitution is defined as 'the way of life the State has chosen for itself'" - Aristotle (384–322 BC).

অ্যারিস্টটল (Aristotle, ৩৮৪–৩২২ খ্রিস্টপূর্ব) সংবিধানকে "রাষ্ট্র যেভাবে তার নিজের জন্য জীবনযাপনের ধরণ নির্ধারণ করে" হিসেবে সংজ্ঞায়িত করেছেন। তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী, সংবিধান হলো একটি রাষ্ট্রের মূল কাঠামো এবং এটি রাষ্ট্র পরিচালনার মৌলিক নিয়ম-কানুন ও নীতিমালা নির্ধারণ করে। এই সংজ্ঞার পেছনে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা রয়েছে, যা বিশ্লেষণ করা যায়:

- সংবিধান শুধু আইনের সংকলন নয়; এটি একটি রাষ্ট্রের আদর্শ, মূল্যবোধ এবং লক্ষ্য প্রতিফলিত করে। এটি বলে দেয় যে, একটি রাষ্ট্র কীভাবে তার জনগণ, শাসক এবং আইন পরিচালিত করবে।

- অ্যারিস্টটলের মতে, সংবিধান হলো এমন একটি পদ্ধতি, যা রাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থা এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কীভাবে কাজ করবে তা নির্ধারণ করে। উদাহরণস্বরূপ, গণতান্ত্রিক, একনায়কতান্ত্রিক বা রাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রে শাসনব্যবস্থা সংবিধানের ভিত্তিতে গড়ে ওঠে।

- সংবিধান রাষ্ট্রের নাগরিকদের মধ্যে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং নৈতিকতার চর্চা নিশ্চিত করার একটি মাধ্যম। এটি রাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য অধিকার ও কর্তব্য নির্ধারণ করে।

- অ্যারিস্টটল সংবিধানকে স্থিতিশীল কিন্তু পরিবর্তনযোগ্য হিসেবে দেখেছেন। একটি রাষ্ট্র যখন তার লক্ষ্য বা চাহিদার পরিবর্তন করে, তখন সংবিধানের সংশোধনের প্রয়োজন হয়। তবে সংবিধান যেন রাষ্ট্রের মৌলিক লক্ষ্য অক্ষুণ্ণ রাখে, সেদিকে নজর রাখা উচিত।
৩৪১.
'রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ আইন নয় তাই আদালত এগুলো বলবৎ করতে পারে না।'- কোন মামলার রায়ে বলা হয়েছে?
  1. Hossain Chy v/s Bangladesh
  2. Kazi Mukhlesur Rahman v/s Bangladesh
  3. Kudrat-E-Elahi Panir v/s Bangladesh
  4. Sheikh Abdus Sabur v/s Returning officer
সঠিক উত্তর:
Kudrat-E-Elahi Panir v/s Bangladesh
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Kudrat-E-Elahi Panir v/s Bangladesh
ব্যাখ্যা

'Kudrat-E-Elahi Panir v Bangladesh' মামলায় আদালত রায় দিয়েছে যে- রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ আইন নয়, তাই এগুলো আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য নয়।

মামলার নাম:
কুদরত-ই-এলাহী পনির  বনাম বাংলাদেশ সরকার 44 DLR (AD) 319

প্রেক্ষাপট:
- ১৯৮২ সালে সামরিক শাসনামলে উপজেলা পরিষদ গঠিত হয়।
- ১৯৯০ সালে নির্বাচিত চেয়ারম্যান কুদরত-ই-এলাহী পনির ও আহসানুল্লাহ।
- মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ১৯৯১ সালের একটি অধ্যাদেশের মাধ্যমে উপজেলা পরিষদ বিলুপ্ত করা হয়, যা ১৯৯২ সালে সংসদে আইন হিসেবে গৃহীত হয়।
- আপিলকারীগণ এই বিলুপ্তি সংক্রান্ত আইনকে সংবিধানবিরোধী দাবি করে রিট করেন।

মূল ইস্যুগুলো:
- বিলুপ্তি-সংক্রান্ত অধ্যাদেশটি সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯, ১১, ৫৯ ও ৬০ লঙ্ঘন করেছে কি না।
- উপজেলা পরিষদগুলো অনুচ্ছেদ ৫৯ অনুযায়ী স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান কি না।
- রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ জারির ক্ষমতা (ধারা ৯৩) সংসদীয় আইন প্রণয়নের বিকল্প কি না।
- উক্ত আইনটি ‘ছদ্মবেশী আইন’ (Colorable Legislation) কি না।

আপিলকারীদের যুক্তি:
সংবিধানের মূলনীতির (বিশেষত অনুচ্ছেদ ৯, ১১, ৫৯, ৬০) পরিপন্থী হওয়ায় বিলুপ্তি আইনটি অবৈধ।
উপজেলা পরিষদগুলো ছিল সাংবিধানিক স্বীকৃত স্থানীয় সরকার সংস্থা।
রাষ্ট্রপতি সংসদের অধিবেশন শুরুর আগে অধ্যাদেশ দিয়ে আইন পাশ করার মাধ্যমে ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন।
এই আইন একটি ‘ছদ্মবেশী আইন’ যা প্রকৃত অর্থে ক্ষমতা সরকারের হাতে কেন্দ্রীভূত করেছে।

বিবাদীপক্ষের যুক্তি:
উপজেলা পরিষদগুলো কার্যকর ও স্বনির্ভর ছিল না, তাই বিলুপ্ত করা হয়।
রাষ্ট্রের প্রশাসনিক কাঠামো পরিবর্তন করাই উদ্দেশ্য ছিল, রাজনৈতিক কোনো গোপন উদ্দেশ্য নয়।
উপজেলা কখনোই সংবিধানের ১৫২(১) অনুযায়ী "প্রশাসনিক অঞ্চল" ছিল না, তাই সেগুলো সাংবিধানিক স্থানীয় সরকার ছিল না।
আইনটি ছদ্মবেশী নয়, কারণ এতে উপজেলা ব্যবস্থা রক্ষার কোনো গোপন প্রচেষ্টা ছিল না।

আদালতের রায় ও পর্যবেক্ষণ:
প্রধান বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ:
- সংবিধানের মূলনীতি (Part II) আদালত দ্বারা বলবৎযোগ্য নয় (অনুচ্ছেদ ৮(২))।
- উপজেলা প্রশাসনিক অঞ্চল না হওয়ায় সেগুলো ৫৯ ধারা অনুযায়ী স্থানীয় সরকার নয়।
- বিলুপ্তি আইন সংবিধানবিরোধী নয়, বরং প্রশাসনিক পুনর্গঠনের উদ্দেশ্যে করা হয়।
- যেহেতু অধ্যাদেশ পরে সংসদে আইন হিসেবে পাস হয়েছে, তাই এটি আর একাডেমিক প্রশ্ন ছাড়া কিছু নয়।

বিচারপতি মোস্তাফা কামাল:
- রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি ‘আইন’ নয়, ‘নীতিমালা’। আদালত এগুলো বলবৎ করতে পারে না।

বিচারপতি নঈমুদ্দীন আহমদ (ভিন্নমত):
- যদি কোনো আইন সরাসরি মূলনীতির পরিপন্থী হয়, তাহলে আদালত সেটি বাতিল করতে পারে।

ছদ্মবেশী আইন সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত:
- এটি কোনো Colorable Legislation নয়; কারণ এতে কোনো গোপন বা পরোক্ষ উদ্দেশ্য ছিল না।

চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত:
- আপিল বিভাগ সরকারের পক্ষে রায় দেন।
- বিলুপ্তি-সংক্রান্ত আইন সংবিধানের ৯, ১১, ৫৯ ও ৬০ অনুচ্ছেদের পরিপন্থী নয়।
- উপজেলা পরিষদগুলো সংবিধান অনুযায়ী স্থানীয় সরকার ছিল না, কারণ উপজেলা কখনোই প্রশাসনিক অঞ্চল হিসেবে নির্ধারিত হয়নি।

৩৪২.
If it is not possible, for reasons of ________, to hold such election within the period specified in the clause of Article 123, such election shall be held within ninety days following next after the last day of such period.
  1. political issue
  2. an act of God
  3. economic emergency
  4. any of the given options
সঠিক উত্তর:
an act of God
উত্তর
সঠিক উত্তর:
an act of God
ব্যাখ্যা
Article 123: Time for holding elections

(1) In the case of a vacancy in the office of President occurring by reason of the expiration of his term of office an election to fill the vacancy shall be held within the period of ninety to sixty days prior to the date of expiration of the term:
Provided that if the term expires before the dissolution of the Parliament by members of which he was elected the election to fill the vacancy shall not be held until after the next general election of members of Parliament, but shall be held within thirty days after the first sitting of Parliament following such general election. 
 
(2) In the case of a vacancy in the office of President occurring by reason of the death, resignation or removal of the President, an election to fill the vacancy shall be held within the period of ninety days after the occurrence of the vacancy.
 
(3) A general election of the members of Parliament shall be held- 
(a) in the case of a dissolution by reason of the expiration of its term, within the period of ninety days preceding such dissolution ; and 
(b) in the case of a dissolution otherwise than by reason of such expiration, within ninety days after such dissolution: 
Provided that the persons elected at a general election under sub-clause (a) shall not assume office as members of Parliament except after the expiration of the term referred to therein.
 
(4) An election to fill the seat of a member of Parliament which falls vacant otherwise than by reason of the dissolution of Parliament shall be held within ninety days of the occurrence of the vacancy: 
Provided that in a case where, in the opinion of the Chief Election Commissioner, it is not possible, for reasons of an act of God, to hold such election within the period specified in this clause, such election shall be held within ninety days following next after the last day of such period.

অনুচ্ছেদ ১২৩: নির্বাচন-অনুষ্ঠানের সময়

(১) রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ অবসানের কারণে উক্ত পদ শূন্য হইলে মেয়াদ-সমাপ্তির তারিখের পূর্ববর্তী নব্বই হইতে ষাট দিনের মধ্যে শূন্য পদ পূরণের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, যে সংসদের দ্বারা তিনি নির্বাচিত হইয়াছেন সেই সংসদের মেয়াদকালে রাষ্ট্রপতির কার্যকাল শেষ হইলে সংসদের পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত অনুরূপ শূন্য পদ পূর্ণ করিবার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে না, এবং অনুরূপ সাধারণ নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকের দিন হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতির শূন্য পদ পূর্ণ করিবার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।

(২) মৃত্যু, পদত্যাগ বা অপসারণের ফলে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হইলে পদটি শূন্য হইবার পর নব্বই দিনের মধ্যে, তাহা পূর্ণ করিবার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।

(৩) সংসদ-সদস্যদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে-
(ক) মেয়াদ-অবসানের কারণে সংসদ ভাংগিয়া যাইবার ক্ষেত্রে ভাংগিয়া যাইবার পূর্ববর্তী নববই দিনের মধ্যে; এবং
(খ) মেয়াদ-অবসান ব্যতীত অন্য কোন কারণে সংসদ ভাংগিয়া যাইবার ক্ষেত্রে ভাংগিয়া যাইবার পরবর্তী নব্বই দিনের মধ্যে:
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার (ক) উপ-দফা অনুযায়ী অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে নির্বাচিত ব্যক্তিগণ, উক্ত উপ-দফায় উল্লিখিত মেয়াদ সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত, সংসদ সদস্যরূপে কার্যভার গ্রহণ করিবেন না।

(৪) সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া ব্যতীত অন্য কোন কারণে সংসদের কোন সদস্যপদ শূন্য হইলে পদটি শূন্য হইবার নব্বই দিনের মধ্যে উক্ত শূন্যপদ পূর্ণ করিবার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।
তবে শর্ত থাকে যে, যদি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের মতে, কোন দৈব-দূর্বিপাকের কারণে এই দফার নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে উক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব না হয়, তাহা হইলে উক্ত মেয়াদের শেষ দিনের পরবর্তী নব্বই দিনের মধ্যে উক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।
৩৪৩.
বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫১(১)-এ রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তির ব্যতিক্রম কী?
  1. ফৌজদারি কার্যধারা
  2. হাইকোর্টের রুল
  3. দণ্ডবিধির অধীন মামলা
  4. সরকারের বিরুদ্ধে কার্যধারা গ্রহণ
সঠিক উত্তর:
সরকারের বিরুদ্ধে কার্যধারা গ্রহণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারের বিরুদ্ধে কার্যধারা গ্রহণ
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৫১ – রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি:
(১) এই সংবিধানের ৫২ অনুচ্ছেদের হানি না ঘটাইয়া বিধান করা হইতেছে যে, রাষ্ট্রপতি তাঁহার দায়িত্ব পালন করিতে গিয়া কিংবা অনুরূপ বিবেচনায় কোন কার্য করিয়া থাকিলে বা না করিয়া থাকিলে সেইজন্য তাঁহাকে কোন আদালতে জবাবদিহি করিতে হইবে না, তবে এই দফা সরকারের বিরুদ্ধে কার্যধারা গ্রহণে কোন ব্যক্তির অধিকার ক্ষুন্ন করিবে না।

(২) রাষ্ট্রপতির কার্যভারকালে তাঁহার বিরুদ্ধে কোন আদালতে কোন প্রকার ফৌজদারী কার্যধারা দায়ের করা বা চালু রাখা যাইবে না এবং তাঁহার গ্রেফতার বা কারাবাসের জন্য কোন আদালত হইতে পরোয়ানা জারী করা যাইবে না।
-----------------------
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫১(১) অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি তাঁর দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে বা ঐরূপ বিবেচনায় কোনো কার্য করিলে বা না করিলে তাঁকে আদালতে জবাবদিহি করতে হবে না। তবে, এই দায়মুক্তি সরকারের বিরুদ্ধে কোনো ব্যক্তির কার্যধারা গ্রহণের অধিকার ক্ষুন্ন করে না—এটাই এই ধারার ব্যতিক্রম। অর্থাৎ, রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে না হলেও, সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করার অধিকার ব্যক্তি সংরক্ষণ করে।
৩৪৪.
'আইন' অর্থ কোন আইন, অধ্যাদেশ, আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ-আইন, বিজ্ঞপ্তি ও অন্যান্য আইনগত দলিল এবং বাংলাদেশে আইনের ক্ষমতাসম্পন্ন যে কোন প্রথা বা রীতি -- আইনের এ ব্যাখ্যা কোথায় প্রদান করা হয়েছে?
  1. The General Clauses Act, 1897
  2. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে
  3. The Code of Civil Procedure, 1908 এ
  4. The Civil Courts Act, 1887 এ
সঠিক উত্তর:
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১৫২ অনুচ্ছেদে আইনের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে-
"আইন" অর্থ কোন আইন, অধ্যাদেশ, আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ-আইন, বিজ্ঞপ্তি ও অন্যান্য আইনগত দলিল এবং বাংলাদেশে আইনের ক্ষমতাসম্পন্ন যে কোন প্রথা বা রীতি;

Article 152:
“law” means any Act, ordinance, order, rule, regulation, bye law, notification or other legal instrument, and any custom or usage, having the force of law in Bangladesh;
৩৪৫.
'প্রত্যেকে যোগ্যতানুসারে ও কর্মানুযায়ী স্বীয় কর্মের জন্য পারিশ্রমিক লাভ করবে'- সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে এই নীতি প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ২০(২)
  2. অনুচ্ছেদ ১৯(১)
  3. অনুচ্ছেদ ২০(১)
  4. অনুচ্ছেদ ২১(২)
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২০(১)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২০(১)
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ২০ অনুচ্ছেদে কর্মের (work) সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে এবং পারিশ্রমিক লাভের নীতি কি হবে বলা হয়েছে।
২০ অনুচ্ছেদ অনুসারে, পারিশ্রমিক লাভের নীতি হলো 'প্রত্যেকের নিকট হতে যোগ্যতানুসারে ও প্রত্যেককে কর্মানুযায়ী'-এই নীতির ভিত্তিতে প্রত্যেকে স্বীয় কর্মের জন্য পারিশ্রমিক লাভ করবে।


অনুচ্ছেদ ২০: অধিকার এবং কর্তব্যরুপে কর্ম
(১) কর্ম হচ্ছে কর্মক্ষম প্রত্যেক নাগরিকের পক্ষে অধিকার, কর্তব্য ও সম্মানের বিষয়, এবং প্রত্যেকের নিকট হতে যোগ্যতানুসারে এ প্রত্যেককে কর্মানুযায়ী এই নীতির ভিত্তিতে প্রত্যেকে স্বীয় কর্মের জন্য পারিশ্রমিক লাভ করবে।

(২) রাষ্ট্র এমন অবস্থা সৃষ্টির চেষ্টা করবে, যেখানে সাধারণ নীতি হিসাবে কোন ব্যক্তি অনুপার্জিত আয় ভোগ করতে সমর্থ হবে না এবং যেখানে ব্যক্তি বুদ্ধিবৃত্তিমূলক ও কায়িক-সকল প্রকার শ্রম সৃষ্টিধর্মী প্রয়াসের ও মানবিক ব্যক্তিত্বের পূর্ণতর অভিব্যক্তিতে পরিণত হবে।

Article 20: Work as a right and duty
(1) Work is a right, a duty and a matter of honour for every citizen who is capable of working, and everyone shall be paid for his work on the basis of the principle “from each according to his abilities, to each according to his work. 
 
(2) The State shall endeavour to create conditions in which, as a general principle, persons shall not be able to enjoy unearned incomes, and in which human labour in every form, intellectual and physical, shall become a fuller expression of creative endeavour and of the human personality.
৩৪৬.
নিম্নলিখিত কোন শর্তটি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার অযোগ্যতা নয়?
  1. পঁয়ত্রিশ বৎসরের কম বয়স্ক হওয়া
  2. সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হওয়ার অযোগ্য হওয়া
  3. পাঁচ বছরের বেশি রাষ্ট্রপতি হিসেবে কাজ করা
  4. অভিশংসন দ্বারা রাষ্ট্রপতির পদ থেকে অপসারিত হওয়া
সঠিক উত্তর:
পাঁচ বছরের বেশি রাষ্ট্রপতি হিসেবে কাজ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাঁচ বছরের বেশি রাষ্ট্রপতি হিসেবে কাজ করা
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৮(৪) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য হবেন না যদি তিনি—
১) পঁয়ত্রিশ বৎসরের কম বয়স্ক হন— (অযোগ্যতার শর্ত)
২) সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হওয়ার অযোগ্য হন— (অযোগ্যতার শর্ত)
৩) অতীতে অভিশংসনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে অপসারিত হয়ে থাকেন— (অযোগ্যতার শর্ত)

- তবে "পাঁচ বছরের বেশি রাষ্ট্রপতি হিসেবে কাজ করা" রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য কোনো অযোগ্যতার শর্ত নয়।
→ সংবিধানের ৫০(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, এক ব্যক্তি সর্বোচ্চ দুটি মেয়াদে রাষ্ট্রপতি থাকতে পারেন, কিন্তু তৃতীয়বার নির্বাচন করা যাবে না।
- তবে এটি রাষ্ট্রপতি হওয়ার অযোগ্যতার শর্ত নয়, বরং একটি মেয়াদ সংক্রান্ত সীমাবদ্ধতা।

→ অর্থাৎ সংবিধানের ৪৮(৪) অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য তিনটি নির্দিষ্ট অযোগ্যতার শর্ত রয়েছে।
- কিন্তু ৫০(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী দুই মেয়াদের বেশি রাষ্ট্রপতি হওয়া যাবে না, যা মেয়াদ সংক্রান্ত বিধান, তবে এটি নির্বাচনের অযোগ্যতা নয়।
 তাই সঠিক উত্তর: গ) পাঁচ বছরের বেশি রাষ্ট্রপতি হিসেবে কাজ করা।
৩৪৭.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন তফশিলে শপথ ও ঘোষণা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে?
  1. প্রথম তফশিল
  2. দ্বিতীয় তফশিল
  3. তৃতীয় তফশিল
  4. চতুর্থ তফশিল
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় তফশিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় তফশিল
ব্যাখ্যা
সংবিধানের তফশিল:
- বাংলাদেশ সংবিধানে মোট ৭টি তফশিল সংযোজন করা হয়েছে।
- প্রথম তফশিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
- দ্বিতীয় তফশিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বর্তমানে বিলুপ্ত)।
- তৃতীয় তফশিল: শপথ ও ঘোষণা।
- চতুর্থ তফশিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানবলি।
- পঞ্চম তফশিল: ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণ।
- ষষ্ঠ তফশিল: ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা।
- সপ্তম তফশিল: ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

৩৪৮.
বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোনো ব্যক্তির হাজিরা কিংবা কোনো দলিলপত্র উদঘাটন বা দাখিল করার আদেশ দিতে পারেন -
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. আপীল বিভাগ
  3. আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল
  4. জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ
সঠিক উত্তর:
আপীল বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপীল বিভাগ
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৪ অনুচ্ছেদের বিধান: আপীল বিভাগের পরোয়ানা জারী ও নির্বাহ:
- কোন ব্যক্তির হাজিরা কিংবা কোন দলিলপত্র উদ্ঘাটন বা দাখিল করিবার আদেশসহ আপীল বিভাগের নিকট বিচারাধীন যে কোন মামলা বা বিষয়ে সম্পূর্ণ ন্যায়বিচারের জন্য যেরূপ প্রয়োজনীয় হইতে পারে, উক্ত বিভাগ সেইরূপ নির্দেশ, আদেশ, ডিক্রী বা রীট জারী করিতে পারিবেন।
------------
⇒ The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh Article 104. Issue and execution of processes of Appellate Division:
- The Appellate Division shall have power to issue such directions, orders, decrees or writs as may be necessary for doing complete justice in any cause or matter pending before it, including orders for the purpose of securing the attendance of any person or the discovery or production of any document.
৩৪৯.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'Nemo tenetur seipsum accusare'- এই ল্যাটিন ম্যাক্সিমের প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. ৩৫(১)
  2. ৩৫(২)
  3. ৩৫(৩)
  4. ৩৫(৪)
সঠিক উত্তর:
৩৫(৪)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫(৪)
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৫(৪)-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে: "কোন অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নিজের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যাইবে না।"
- এই বিধানটি "Nemo tenetur seipsum accusare" (কেউ নিজেকে অভিযুক্ত করতে বাধ্য নয়) এই লাতিন আইনি নীতির সরাসরি প্রতিফলন। এটি আত্ম-অভিযোগ থেকে মুক্তির অধিকার (Right against self-incrimination) হিসাবে পরিচিত।
- অর্থাৎ বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৫(৪) অনুচ্ছেদে 'Nemo tenetur seipsum accusare' বা 'Doctrine of Self-Incrimination' প্রতিফলিত হয়েছে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৫ অনুচ্ছেদে বিধান বিচার ও দণ্ড সম্পর্কে রক্ষণ:
(১) অপরাধের দায়যুক্ত কার্যসংঘটনকালে বলবৎ ছিল, এইরূপ আইন ভঙ্গ করিবার অপরাধ ব্যতীত কোন ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করা যাইবে না এবং অপরাধ-সংঘটনকালে বলবৎ সেই আইনবলে যে দণ্ড দেওয়া যাইতে পারিত, তাঁহাকে তাহার অধিক বা তাহা হইতে ভিন্ন দণ্ড দেওয়া যাইবে না। 
(২) এক অপরাধের জন্য কোন ব্যক্তিকে একাধিকবার ফৌজদারীতে সোপর্দ ও দণ্ডিত করা যাইবে না। 
(৩) ফৌজদারি অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তি আইনের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ আদালত বা ট্রাইব্যুনালে দ্রুত ও প্রকাশ্য বিচারলাভের অধিকারী হইবেন। 
(৪) কোন অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নিজের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যাইবে না। 
(৫) কোন ব্যক্তিকে যন্ত্রণা দেওয়া যাইবে না কিংবা নিষ্ঠুর, অমানুষিক বা লাঞ্ছনাকর দণ্ড দেওয়া যাইবে না কিংবা কাহারও সহিত অনুরূপ ব্যবহার করা যাইবে না। 
(৬) প্রচলিত আইনে নির্দিষ্ট কোন দণ্ড বা বিচারপদ্ধতি সম্পর্কিত কোন বিধানের প্রয়োগকে এই অনুচ্ছেদের (৩) বা (৫) দফার কোন কিছুই প্রভাবিত করিবে না।

৩৫০.
বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে কয়টি পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তির শপথগ্রহণ বা ঘোষণাপত্র পাঠের বিষয় উল্লেখ আছে?
  1. ১০
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
তৃতীয় তফসিল:

বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে ৯টি পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তির শপথগ্রহণ বা ঘোষনাপত্র পাঠের বিষয় উল্লেখ আছে। যথা-

স্পীকার কর্তৃক  ⇒ রাষ্ট্রপতি, সংসদ-সদস্য;

রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ⇒ প্রধানমন্ত্রী, অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী, স্পীকার, ডেপুটি স্পীকার, প্রধান বিচারপতি;

প্রধান বিচারপতি কর্তৃক ⇒ সুপ্রীম কোর্টের অন্যান্য বিচারক, সরকারী কর্মকমিশনের সদস্য, মহাহিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনার।
৩৫১.
According to Section 3(26) of The General Clauses Act, 1897, “Imprisonment” means:
  1. Only a fine
  2. Any imprisonment as defined in the Penal Code
  3. Any imprisonment as defined in the Code of Criminal Procedure
  4. None of above
সঠিক উত্তর:
Any imprisonment as defined in the Penal Code
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Any imprisonment as defined in the Penal Code
ব্যাখ্যা
• The General Clauses Act,1897- ধারা ৩(২৬): কারাদণ্ড-
"Imprisonment" shall mean imprisonment of either description as defined in the Penal Code:
"কারাদণ্ড” অর্থে দণ্ডবিধি (সনের ৪৫ নং আইন) তে সংজ্ঞায়িত যে কোন বর্ণনার কারাদণ্ড বুঝাইবে।
৩৫২.
সংবিধানের ১৮ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রের কোন দায়িত্বকে “প্রাথমিক কর্তব্য” হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. শিল্পায়ন
  2. শিক্ষা বিস্তার
  3. কৃষি উন্নয়ন
  4. জনস্বাস্থ্য উন্নয়ন
সঠিক উত্তর:
জনস্বাস্থ্য উন্নয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনস্বাস্থ্য উন্নয়ন
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৮ অনুচ্ছেদের বিধান: জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা:
(১) জনগণের পুষ্টির স্তর-উন্নয়ন ও জনস্বাস্থ্যের উন্নতিসাধনকে রাষ্ট্র অন্যতম প্রাথমিক কর্তব্য বলিয়া গণ্য করিবেন এবং বিশেষতঃ আরোগ্যের প্রয়োজন কিংবা আইনের দ্বারা নির্দিষ্ট অন্যবিধ প্রয়োজন ব্যতীত মদ্য ও অন্যান্য মাদক পানীয় এবং স্বাস্থ্যহানিকর ভেষজের ব্যবহার নিষিদ্ধকরণের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।

(২) গণিকাবৃত্তি ও জুয়াখেলা নিরোধের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।
৩৫৩.
The appointments of persons to offices in the judicial service mentioned in Article 115 of Constitution of Bangladesh must be made according to:
  1. laws made by Parliament
  2. rules made by President
  3. rules made by Supreme Court
  4. rules made by Parliament
সঠিক উত্তর:
rules made by President
উত্তর
সঠিক উত্তর:
rules made by President
ব্যাখ্যা

Article 115. Appointments to subordinate courts:
Appointments of persons to offices in the judicial service or as magistrates exercising judicial functions shall be made by the President in accordance with rules made by him in that behalf.

বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৫ অনুচ্ছেদের বিধান: অধস্তন আদালতে নিয়োগ:
বিচারবিভাগীয় পদে বা বিচার বিভাগীয় দায়িত্বপালনকারী ম্যাজিস্ট্রেট পদে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক উক্ত উদেশ্যে প্রণীত বিধিসমূহ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নিয়োগদান করিবেন।

৩৫৪.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে প্রাপ্তবয়স্ক ভোটাধিকারের বিধান রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১২১
  2. অনুচ্ছেদ ১২২
  3. অনুচ্ছেদ ১২৩
  4. অনুচ্ছেদ ১২৪
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১২২
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১২২ অনুচ্ছেদে প্রাপ্তবয়স্ক ভোটাধিকার (adult franchise) এর বিধান রয়েছে। অনুচ্ছেদের (১) তে বলা হয়েছে যে, সংসদের নির্বাচন প্রাপ্তবয়স্কের ভোটাধিকার-ভিত্তিতে অনুষ্ঠিত হইবে, এবং অনুচ্ছেদের (২) তে ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা (যেমন: ১৮ বছর বয়স, নাগরিকত্ব ইত্যাদি) নির্ধারিত। এটি গণতন্ত্রের সমতা নীতির উপর ভিত্তি করে জাত, ধর্ম, লিঙ্গ বা বর্ণভেদ ছাড়াই সকল প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিককে ভোটের অধিকার দেয়।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১২২: ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা:
(১) প্রাপ্তবয়স্কের ভোটাধিকার-ভিত্তিতে সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।
(২) কোন ব্যক্তি সংসদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত কোন নির্বাচনী এলাকায় ভোটার-তালিকাভু্ক্ত হইবার অধিকারী হইবেন, যদি-
(ক) তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হন;
(খ) তাঁহার বয়স আঠার বৎসরের কম না হয়;
(গ) কোন যোগ্য আদালত কর্তৃক তাঁহার সম্পর্কে অপ্রকৃতিস্থ বলিয়া ঘোষণা বহাল না থাকিয়া থাকে;
(ঘ) তিনি ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বা আইনের দ্বারা ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বিবেচিত হন; এবং
(ঙ) তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের অধীন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত না হইয়া থাকেন।

Article 122: Qualifications for registration as voter:
(1) The elections to Parliament shall be on the basis of adult franchise.
(2) A person shall be entitled to be enrolled on the electoral roll for a constituency delimited for the purpose of election to the Parliament, if he-
(a) is a citizen of Bangladesh; 
(b) is not less than eighteen years of age; 
(c) does not stand declared by a competent court to be of unsound mind ; 
(d) is or is deemed by law to be a resident of that constituency ; and 
(e) has not been convicted of any offence under the Bangladesh Collaborators (Special Tribunals) Order, 1972.

৩৫৫.
মৃত্যু, পদত্যাগ বা অপসারণের ফলে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে কত দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ১২৩: নির্বাচন-অনুষ্ঠানের সময়:

(১) রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ অবসানের কারণে উক্ত পদ শূন্য হইলে মেয়াদ-সমাপ্তির তারিখের পূর্ববর্তী নব্বই হইতে ষাট দিনের মধ্যে শূন্য পদ পূরণের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, যে সংসদের দ্বারা তিনি নির্বাচিত হইয়াছেন সেই সংসদের মেয়াদকালে রাষ্ট্রপতির কার্যকাল শেষ হইলে সংসদের পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত অনুরূপ শূন্য পদ পূর্ণ করিবার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে না, এবং অনুরূপ সাধারণ নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকের দিন হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতির শূন্য পদ পূর্ণ করিবার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।

(২) মৃত্যু, পদত্যাগ বা অপসারণের ফলে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হইলে পদটি শূন্য হইবার পর নব্বই দিনের মধ্যে, তাহা পূর্ণ করিবার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।

(৩) সংসদ-সদস্যদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে-
(ক) মেয়াদ-অবসানের কারণে সংসদ ভাংগিয়া যাইবার ক্ষেত্রে ভাংগিয়া যাইবার পূর্ববর্তী নববই দিনের মধ্যে; এবং
(খ) মেয়াদ-অবসান ব্যতীত অন্য কোন কারণে সংসদ ভাংগিয়া যাইবার ক্ষেত্রে ভাংগিয়া যাইবার পরবর্তী নববই দিনের মধ্যে:
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার (ক) উপ-দফা অনুযায়ী অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে নির্বাচিত ব্যক্তিগণ, উক্ত উপ-দফায় উল্লিখিত মেয়াদ সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত, সংসদ সদস্যরূপে কার্যভার গ্রহণ করিবেন না।

(৪) সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া ব্যতীত অন্য কোন কারণে সংসদের কোন সদস্যপদ শূন্য হইলে পদটি শূন্য হইবার নব্বই দিনের মধ্যে উক্ত শূন্যপদ পূর্ণ করিবার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।
তবে শর্ত থাকে যে, যদি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের মতে, কোন দৈব-দূর্বিপাকের কারণে এই দফার নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে উক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব না হয়, তাহা হইলে উক্ত মেয়াদের শেষ দিনের পরবর্তী নব্বই দিনের মধ্যে উক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।

৩৫৬.
বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়-
  1. এক-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটে
  2. দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটে
  3. উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে
  4. মোট সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে
সঠিক উত্তর:
উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫ অনুচ্ছেদের বিধান কার্যপ্রণালী-বিধি, কোরাম প্রভৃতি:
- (১) এই সংবিধান-সাপেক্ষে
(ক) সংসদ কর্তৃক প্রণীত কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা এবং অনুরূপ বিধি প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা সংসদের কার্যপ্রণালী নিয়ন্ত্রিত হইবে;
(খ) উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি ভোটদান করিবেন না এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তিনি নির্ণায়ক ভোট প্রদান করিবেন;
(গ) সংসদের কোন সদস্যপদ শূন্য রহিয়াছে, কেবল এই কারণে কিংবা সংসদে উপস্থিত হইবার বা ভোটদানের বা অন্য কোন উপায়ে কার্যধারায় অংশগ্রহণের অধিকার না থাকা সত্ত্বেও কোন ব্যক্তি অনুরূপ কার্য করিয়াছেন, কেবল এই কারণে সংসদের কোন কার্যধারা অবৈধ হইবে না।

- (২) সংসদের বৈঠক চলাকালে কোন সময়ে উপস্থিত সদস্য-সংখ্যা ষাটের কম বলিয়া যদি সভাপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়, তাহা হইলে তিনি অন্যূন ষাট জন সদস্য উপস্থিত না হওয়া পর্যন্ত বৈঠক স্থগিত রাখিবেন কিংবা মুলতবী করিবেন।
৩৫৭.
সংবিধান অনুযায়ী জেলা বিচারক বলতে-
  1. অতিরিক্ত দায়রা জজ অন্তর্ভুক্ত হবেন
  2. অতিরিক্ত জেলা বিচারক অন্তর্ভুক্ত হবেন
  3. অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অন্তর্ভুক্ত হবেন
  4. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অন্তর্ভুক্ত হবেন
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত জেলা বিচারক অন্তর্ভুক্ত হবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত জেলা বিচারক অন্তর্ভুক্ত হবেন
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের একাদশ ভাগের ১৫২ নং অনুচ্ছেদে বিভিন্ন বিষয় যেমন- অধিবেশন, অনুচ্ছেদ, অর্থ-বৎসর, আইন, আদালত ইতাদির অর্থ ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের ১৫২(১) অনুচ্ছেদে বলা আছে যে-
'জেলা - বিচারক বলিতে অতিরিক্ত জেলা - বিচারক অন্তর্ভুক্ত হইবেন';
৩৫৮.
বিচার-বিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলার বিধান কীভাবে প্রয়োগ হবে?
  1. একচ্ছত্র ভাবে রাষ্ট্রপতি প্রয়োগ করবে
  2. একচ্ছত্র ভাবে সুপ্রীমকোর্টের প্রয়োগ করবে
  3. সুপ্রীম কোর্টের সাথে পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি প্রয়োগ করবে
  4. রাষ্ট্রপতির সাথে পরামর্শক্রমে সুপ্রীম কোর্ট প্রয়োগ করবে
সঠিক উত্তর:
সুপ্রীম কোর্টের সাথে পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি প্রয়োগ করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রীম কোর্টের সাথে পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি প্রয়োগ করবে
ব্যাখ্যা
• অনুচ্ছেদ ১১৬- অধস্তন আদালতসমূহের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা:
বিচার-কর্মবিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিদের এবং বিচারবিভাগীয় দায়িত্বপালনে রত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ (কর্মস্থল- নির্ধারণ, পদোন্নতিদান ও ছুটি মঞ্জুরীসহ) ও শৃংখলাবিধান রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত থাকিবে এবং সুপ্রীম কোর্টের সহিত পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক তাহা প্রযুক্ত হইবে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭২ এর মূল সংবিধানে অধঃস্তন আদালতের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলার ক্ষমতা সুপ্রীমকোর্টের উপর ন্যস্ত ছিল।
- সংবিধানের ৪র্থ সংশোধনীয় মাধ্যমে এই ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির উপর অর্পণ করা হয়।
- এরপর Second Proclamation Order No. IV of 1978-এর মাধ্যমে সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ পুনরায় সংশোধন করা হয়।
- বিধান করা হয় যে, রাষ্ট্রপতি সুপ্রীম কোর্টের সাথে পরামর্শক্রমে অধঃস্তন আদালতের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলার ক্ষমতা প্রয়োগ করবে।
 
৩৫৯.
The General Clauses Act, 1897 এর কোন ধারায় 'Doctrine of double jeopardy' সংক্রান্ত বিধান রয়েছে?
  1. ২৪
  2. ২৫
  3. ২৬
  4. ২৭
সঠিক উত্তর:
২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬
ব্যাখ্যা
The General Clauses Act, 1897 এর ২৬ ধারার বিধান: দুই বা ততোধিক আইনের অধীন শাস্তিযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে বিধান:
যেক্ষেত্রে কোন কার্য বা বিচ্যুতি দুই বা ততোধিক আইনের অধীন শাস্তিযোগ্য অপরাধ হয়, সেই ক্ষেত্রে অপরাধীকে ঐ আইন সমূহের সকল বা যে কোন একটির অধীন অভিযুক্ত এবং শান্তি প্রদান করা যাবে, কিন্তু একই অপরাধের জন্য দুইবার শান্তি প্রদান করা যাবে না।

ধারা ২৬ এর মধ্যে দোবারা সাজা নীতি বা ‘Doctrine of Double Jeopardy' প্রতিফলিত হয়েছে।

দোবারা সাজা নীতিটি আরো কয়েকটি আইনে বর্ণিত আছে। যথা:
-গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৫(২);
- ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪০৩;
- দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ১১;
- সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৪০; এবং
- ফৌজদারি আইন সংশোধন আইন, ১৯৫৮ এর ধারা ৮।
----------------
Section 26. Provision as to offences punishable under two or more enactments:
- Where an act or omission constitutes an offence under two or more enactments, then the offender shall be liable to be prosecuted and punished under either or any of those enactments, but shall not be liable to be punished twice for the same offence.
৩৬০.
The authority who have power to make the appointment shall also have power to ________ the person so appointed.
  1. exercise any power
  2. rebuke
  3. suspend or dismiss
  4. none of above
সঠিক উত্তর:
suspend or dismiss
উত্তর
সঠিক উত্তর:
suspend or dismiss
ব্যাখ্যা
• Section 16 of The General Clauses Act,1897: Power to appoint to include power to suspend or dismiss
Where, by any Act of Parliament or Regulation, a power to make any appointment is conferred, then unless a different intention appears, the authority having for the time being power to make the appointment shall also have power to suspend or dismiss any person appointed whether by itself of any other authority in exercise of that power.

ধারা ১৬: নিয়োগের ক্ষমতা সাময়িক বরখাস্ত বা বরখাস্তের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে-
আইনসভা কর্তৃক প্রণীত আইন বা প্রবিধান দ্বারা যদি কোন কর্তৃপক্ষকে নিয়োগের ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে, ভিন্নরূপ কোন উদ্দেশ্য প্রতীয়মান না হলে, অনুরূপ কর্তৃপক্ষের উল্লেখিত ক্ষমতা প্রয়োগের আওতায় নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত বা বরখাস্ত করার ক্ষমতা থাকবে।

• জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের ১৬ ধারার প্রয়োগ প্রসঙ্গে S. Pratap Singh v State of Punjab মামলায় ভারতীয় সুপ্রীম কোর্ট বলেন যে, একজন সরকারি কর্মচারীকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করার ক্ষমতা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের আছে। একই নীতি অনুসরণ করে R.P. Kapur v. Union of India মামলায় ঐ আদালত আবারও মন্তব্য করেন, কোন সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলা রুজু হলে ঐ কর্মচারীকে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ সাময়িকভাবে বরখাস্ত করার অধিকারী।

দেওয়ানী কার্যবিধির ৪০ আদেশের ১ নিয়ম মোতাবেক রিসিভার নিয়োগের ক্ষেত্রেও ১৬ ধারার বিধান প্রযোজ্য। ফলে রিসিভার নিয়োগাদেশ বাতিল করলে উহার বিরুদ্ধে ৪৩ আদেশ অনুযায়ী আপীল করা যায় না।
৩৬১.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী নিম্নের কোন বিধানটি সঠিক?
  1. সকল নির্বাহী কার্য প্রধানমন্ত্রীর নামে গৃহীত হবে
  2. প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রী প্রয়োগ করবে
  3. মন্ত্রিসভা গৃহীত সকল সিদ্ধান্তের জন্য যৌথভাবে জনগণের কাছে দায়ী হবে
  4. সবগুলো সঠিক
সঠিক উত্তর:
প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রী প্রয়োগ করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রী প্রয়োগ করবে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের মন্ত্রিসভা [Cabinet]

সংবিধানের ৫৫(১) অনুচ্ছেদে বাংলাদেশের মন্ত্রিসভার গঠন সম্পর্কে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকবে এবং প্রধানমন্ত্রী ও সময়ে সময়ে তিনি যেরুপ স্থির করবে, সেইরুপ অন্যান্য মন্ত্রী নিয়ে এই মন্ত্রিসভা গঠিত হবে। মন্ত্রিসভা হলো নির্বাহী সরকারের নীতি এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের চূড়ান্ত সংস্থা এবং প্রধানমন্ত্রী হলো এর প্রধান। মন্ত্রিসভা নীতি সংক্রান্ত অধিকাংশ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এবং মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত সকল মন্ত্রীর উপর বাধ্য থাকবে।

নির্বাহী ক্ষমতার প্রয়োগ: 

৫৫(২) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক বা তার কর্তৃত্বে এই সংবিধান-অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা [Executive Power] প্রযুক্ত হবে। সংসদীয় গণতন্ত্রে প্রজাতন্ত্রের সকল নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি মন্ত্রিসভা এবং উক্ত মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট তাদের যৌথ কার্যাবলীর জন্য দায়বদ্ধ থাকবে।
সরকারের সকল নির্বাহী ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি মন্ত্রিসভা কর্তৃক প্রয়োগ করা হলেও, সরকারের সকল নির্বাহী ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতির নামে গৃহীত হয়েছে বলে প্রকাশ করা হবে। অর্থাৎ প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতার প্রয়োগ করবে প্রধানমন্ত্রী কিন্তু রাষ্ট্রের সকল কার্য রাষ্ট্রপতির নামে গৃহীত হবে।

মন্ত্রীদের যৌথ দায় [Collective Responsibility]

মন্ত্রীদের যৌথ দায় কথাটির মানে হলো মন্ত্রিসভার সকল সিদ্ধান্ত মন্ত্রিদের যৌথ সিদ্ধান্ত এবং সকল মন্ত্রী এই সিদ্ধান্তের কারণে সংসদের নিকট যৌথভাবে দায়ী হবে। মন্ত্রিসভার ভিতরে সকল মন্ত্রী কোন বিষয়ে তাদের নিজস্ব মতামত প্রকাশ করতে পারে কিন্তু উক্ত বিষয়ে একবার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হলে প্রত্যেক মন্ত্রী মন্ত্রিসভার ভিতরে এবং বাইরে উক্ত বিষয় সমর্থন করবে। যদি কোন মন্ত্রী মনে করে যে, যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে তা প্রকৃত অর্থে ভুল এবং তিনি এটা সমর্থন করে না তাহলে তার একমাত্র উপায় হলো মন্ত্রী থেকে পদত্যাগ করা।

এছাড়া, যৌথ দায়ের পাশাপাশি সংসদের নিকট প্রত্যেক মন্ত্রীর ব্যক্তিগত দায় আছে। প্রত্যেক মন্ত্রী তার মন্ত্রণালয়ের যে কোন কাজের জন্য বা কার্য হতে বিরত থাকার কারণে সংসদের নিকট ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকবে। 


অনুচ্ছেদ ৫৫: মন্ত্রিসভা


(১) প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকিবে এবং প্রধানমন্ত্রী ও সময়ে সময়ে তিনি যেরূপ স্থির করিবেন, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী লইয়া এই মন্ত্রিসভা গঠিত হইবে। 
(২) প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক বা তাঁহার কর্তত্বে এই সংবিধান-অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হইবে। 
(৩) মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকিবেন। 
(৪) সরকারের সকল নির্বাহী ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতির নামে গৃহীত হইয়াছে বলিয়া প্রকাশ করা হইবে। 
(৫) রাষ্ট্রপতির নামে প্রণীত আদেশসমূহ ও অন্যান্য চুক্তিপত্র কিরূপে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত হইবে, রাষ্ট্রপতি তাহা বিধিসমূহ-দ্বারা নির্ধারণ করিবেন এবং অনুরূপভাবে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত কোন আদেশ বা চুক্তিপত্র যথাযথভাবে প্রণীত বা সম্পাদিত হয় নাই বলিয়া তাহার বৈধতা সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না। 
(৬) রাষ্ট্রপতি সরকারী কার্যাবলী বন্টন ও পরিচালনার জন্য বিধিসমূহ প্রণয়ন করিবেন।

Article 55: The Cabinet

(1) There shall be a Cabinet for Bangladesh having the Prime Minister at its head and comprising also such other Ministers as the Prime Minister may from time to time designate. 
(2) The executive power of the Republic shall, in accordance with this Constitution, be exercised by or on the authority of the Prime Minister. 
(3) The Cabinet shall be collectively responsible to Parliament. 
(4) All executive actions of the Government shall be expressed to be taken in the name of the President. 
(5) The President shall by rules specify the manner in which orders and other instruments made in his name shall be attested or authenticated, and the validity of any order or instrument so attested or authenticated shall not be questioned in any court on the ground that it was not duly made or executed. 
(6) The President shall make rules for the allocation and transaction of the business of the Government.
৩৬২.
The General Clauses Act,1897 এর কত ধারায় "স্থাবর সম্পত্তি" এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৩(২৫)
  2. ধারা ৩(২৭)
  3. ধারা ৩(২৪)
  4. ধারা ৩(২৮)
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩(২৫)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩(২৫)
ব্যাখ্যা
Section 3(25)
"Immoveable property" shall include land, benefits to arise out of land, and things attached to the earth, or permanently fasteried to anything attached to the earth:

ধারা ৩(২৫)
"স্থাবর সম্পত্তি" বলিতে ভূমি, ভূমি হইতে আহরিত সুবিধা, এবং ভূমির সহিত সংযুক্ত কোন বস্তু, অথবা ভূমির সহিত সংযুক্ত কোন কিছুর সহিত স্থায়ীভাবে আবদ্ধ কোন বস্তুকে অন্তর্ভূক্ত করিবে।
৩৬৩.
সংবিধান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানকে ত্রুটিমুক্ত করার উদ্দেশ্যে কোন ব্রিটিশ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ গ্রহণ করেন?
  1. এন্ডো ফিলিপ
  2. জন ফেডরিক
  3. জন গাথরিক
  4. টমাস হেনরি
সঠিক উত্তর:
জন গাথরিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জন গাথরিক
ব্যাখ্যা
- সংবিধানের ভাষাগত ভুল দূর করের জন্য চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রধান আনিসুজ্জামান (কমিটির প্রধান), জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আলী আহসান, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক ড মাযহারুল ইসলাম-এর সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়।

- আইনি ভাষা, কারিগরি দিক পরীক্ষার জন্য সংবিধান বিষয়ের বিশেষজ্ঞ জন গাথরি'কে ঢাকায় এনে এবং সংবিধানের ভাষাগত সংস্থান ও ব্যাকরণগত ভুলত্রুটি পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য অধ্যাপক আনিসুজ্জমান'র নেতৃত্বে সৈয়দ আলী আহসান ও ড. মাযহারুল ইসলামকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

- হস্তলিখিত সংবিধানের মূল লেখক- শিল্পী আব্দুর রউফ, অঙ্গসজ্জা- জয়নুল আবেদিন, হাশেম খান

- সংবিধানটি পূর্ণাঙ্গ ও উত্তম করার উদ্দেশ্যে কমিটির সভাপতি ড. কামাল হোসেন ভারত ও ইংল্যান্ড সফর করে সেখানকার পার্লামেন্টের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন।
৩৬৪.
According to Article 31 of The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh- 'to enjoy the protection of the law in accordance with law, is the ______ right of every citizen'.
  1. alienable
  2. inalienable
  3. personal
  4. private
সঠিক উত্তর:
inalienable
উত্তর
সঠিক উত্তর:
inalienable
ব্যাখ্যা
Article 31: Right to protection of law

To enjoy the protection of the law, and to be treated in accordance with law, and only in accordance with law, is the inalienable right of every citizen, wherever he may be, and of every other person for the time being within Bangladesh, and in particular no action detrimental to the life, liberty, body, reputation or property of any person shall be taken except in accordance with law.

অনুচ্ছেদ ৩১: আইনের আশ্রয়-লাভের অধিকার

আইনের আশ্রয়লাভ এবং আইনানুযায়ী ও কেবল আইনানুযায়ী ব্যবহারলাভ যে কোন স্থানে অবস্থানরত প্রত্যেক নাগরিকের এবং সাময়িকভাবে বাংলাদেশে অবস্থানরত অপরাপর ব্যক্তির অবিচ্ছেদ্য অধিকার এবং বিশেষতঃ আইনানুযায়ী ব্যতীত এমন কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে না, যাহাতে কোন ব্যক্তির জীবন, স্বাধীনতা, দেহ, সুনাম বা সম্পত্তির হানি ঘটে।
৩৬৫.
সংসদে কোরাম সংকটের কারণে অর্থাৎ ৬০ জনের কম সদস্য থাকলে স্পীকার নিম্নলিখিত কোন সিদ্ধান্ত দিতে পারে?
  1. বৈঠক স্থগিত রাখলে
  2. বৈঠক মুলতবি ঘোষণা করতে পারে
  3. বৈঠক চালিয়ে যাবেন কিন্তু কোন আইন বা বিল পাস করবেন না
  4. ক কিংবা খ
সঠিক উত্তর:
ক কিংবা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক কিংবা খ
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫ অনুচ্ছেদের বিধান: কার্যপ্রণালী-বিধি, কোরাম প্রভৃতি:
 (১) এই সংবিধান-সাপেক্ষে
(ক) সংসদ কর্তৃক প্রণীত কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা এবং অনুরূপ বিধি প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা সংসদের কার্যপ্রণালী নিয়ন্ত্রিত হইবে;
(খ) উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি ভোটদান করিবেন না এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তিনি নির্ণায়ক ভোট প্রদান করিবেন;
(গ) সংসদের কোন সদস্যপদ শূন্য রহিয়াছে, কেবল এই কারণে কিংবা সংসদে উপস্থিত হইবার বা ভোটদানের বা অন্য কোন উপায়ে কার্যধারায় অংশগ্রহণের অধিকার না থাকা সত্ত্বেও কোন ব্যক্তি অনুরূপ কার্য করিয়াছেন, কেবল এই কারণে সংসদের কোন কার্যধারা অবৈধ হইবে না।
(২) সংসদের বৈঠক চলাকালে কোন সময়ে উপস্থিত সদস্য-সংখ্যা ষাটের কম বলিয়া যদি সভাপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়, তাহা হইলে তিনি অন্যূন ষাট জন সদস্য উপস্থিত না হওয়া পর্যন্ত বৈঠক স্থগিত রাখিবেন কিংবা মুলতবী করিবেন।
------------------
⇒ Article 75:- Rules of procedure, quorum, etc-:
 (1) Subject to this Constitution –
(a) the procedure of Parliament shall be regulated by rules of procedure made by it, and until such rules are made shall be regulated by rules of procedure made by the President;
(b) a decision in Parliament shall be taken by a majority of the votes of the members present and voting, but the person presiding shall not vote except when there is an equality of votes, in which case he shall exercise a casting vote;

(c) no proceeding in Parliament shall be invalid by reason only that there is a vacancy in the membership thereof or that a person who was not entitled to do so was present at, or voted or otherwise participated in, the proceeding.

(2) If at any time during which Parliament is in session the attention of the person presiding is drawn to the fact that the number of members present is less than sixty, he shall either suspend the meeting until at least sixty members are present, or adjourn it.
৩৬৬.
বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭০ অনুযায়ী, সংসদ সদস্য যদি তার দলের বিপক্ষে ভোট দেন, তবে:
  1. তিনি জরিমানা গুণবেন
  2. তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হবে
  3. তার সংসদীয় আসন শূন্য হবে
  4. তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা হবে
সঠিক উত্তর:
তার সংসদীয় আসন শূন্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার সংসদীয় আসন শূন্য হবে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৭০: রাজনৈতিক দল হইতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়া:
কোন নির্বাচনে কোন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরূপে মনোনীত হইয়া কোন ব্যক্তি সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইলে তিনি যদি-
(ক) উক্ত দল হইতে পদত্যাগ করেন, অথবা
(খ) সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে ভোটদান করেন,

তাহা হইলে সংসদে তাঁহার আসন শূন্য হইবে, তবে তিনি সেই কারণে পরবর্তী কোন নির্বাচনে সংসদ-সদস্য হইবার অযোগ্য হইবেন না।
৩৬৭.
মন্ত্রী পদে নিয়োগের জন্য সংসদ সদস্য না হয়েও মন্ত্রীদের সর্বোচ্চ কত অংশ পর্যন্ত মনোনীত হতে পারেন?
  1. এক-দশমাংশ
  2. নয়-দশমাংশ
  3. তিন-দশমাংশ
  4. পাঁচ-দশমাংশ
সঠিক উত্তর:
এক-দশমাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক-দশমাংশ
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৬(২) অনুযায়ী বলা হয়েছে:
"প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদিগকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করিবেন: তবে শর্ত থাকে যে, তাঁহাদের সংখ্যার অন্যূন নয়-দশমাংশ সংসদ-সদস্যগণের মধ্য হইতে নিযুক্ত হইবেন এবং অনধিক এক-দশমাংশ সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য ব্যক্তিগণের মধ্য হইতে মনোনীত হইতে পারিবেন।"
অর্থাৎ কমপক্ষে ৯০% (নয়-দশমাংশ) মন্ত্রী হতে হবে সংসদ সদস্য। বাকী সর্বোচ্চ ১০% (এক-দশমাংশ) মন্ত্রী হতে পারেন সংসদ সদস্য না হলেও, তবে তাঁদের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হবার যোগ্য হতে হবে।

উদাহরণস্বরূপ:
- মন্ত্রিসভার মোট সদস্য যদি ৫০ জন হয়, তাহলে, কমপক্ষে ৪৫ জনকে সংসদ সদস্য হতে হবে।
- সর্বোচ্চ ৫ জন সংসদ সদস্য না হলেও চলবে, তবে তাঁরা নির্বাচিত হবার যোগ্য হতে হবে।

তাই সঠিক উত্তর: ক) এক-দশমাংশ।
৩৬৮.
বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪৭ অনুচ্ছেদে নিম্নলিখিত কোন পদাধিকারীর পারিশ্রমিক অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি?
  1. স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকার
  2. সুপ্রীম কোর্টের বিচারক
  3. অ্যাটর্নি জেনারেল
  4. রাষ্ট্রপতি
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি জেনারেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি জেনারেল
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪৭ অনুচ্ছেদ অনুসারে, নিম্নলিখিত আট শ্রেণীর পদাধিকারীর পারিশ্রমিক, বিশেষ-অধিকার এবং কর্মের অন্যান্য শর্ত সংসদের আইন দ্বারা বা তার অধীনে নির্ধারিত হয়:
- রাষ্ট্রপতি
- প্রধানমন্ত্রী
- স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকার
- মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা উপ-মন্ত্রী
- সুপ্রীম কোর্টের বিচারক
- মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
- নির্বাচন কমিশনার
- সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্য
এই তালিকায় অ্যাটর্নি জেনারেল-এর পদ অন্তর্ভুক্ত নয়।
অপরদিকে, সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদ অনুসারে, অ্যাটর্নি জেনারেলের পারিশ্রমিক রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত হয়, সংসদের আইন দ্বারা নয়।
- এটি স্পষ্ট করে যে অ্যাটর্নি জেনারেলের পারিশ্রমিক নির্ধারণ ১৪৭ অনুচ্ছেদের আওতায় পড়ে না।

অর্থাৎ ১৪৭ অনুচ্ছেদে অ্যাটর্নি জেনারেলের পারিশ্রমিক অন্তর্ভুক্ত নয়, কারণ তাঁর পারিশ্রমিক রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত হয় (৬৪ অনুচ্ছেদ অনুসারে)।
- সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো গ) অ্যাটর্নি জেনারেল।

৩৬৯.
According to Section 21 of the General Clauses Act, 1897, the power to make rules includes the power to:
  1. Only issue new rules
  2. Only interpret existing rules
  3. Punish for non-compliance
  4. Add to, amend, vary or rescind rules
সঠিক উত্তর:
Add to, amend, vary or rescind rules
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Add to, amend, vary or rescind rules
ব্যাখ্যা
⇒ The General Clauses Act, 1897, Section 21: Power to make to include power to add to, amend, vary or rescind, orders, rules or bye-laws:
Where, by any Act of Parliament or Regulation, a power to issue notifications, orders, rules, or bye-laws is conferred, then that power includes a power, exercisable in the like manner and subject to the like sanction and conditions (if any), to add to, amend, vary or rescind any notifications, orders, rules or bye-laws so issued.

The General Clauses Act, 1897 এর ২১ ধারার বিধান: আদেশ, বিধি বা উপ-আইন প্রণয়নের ক্ষমতা, সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে-
যেক্ষেত্রে সংসদের কোন আইন বা প্রবিধি দ্বারা প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-বিধি জারীর কোন ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে উক্ত ক্ষমতা একইভাবে প্রয়োগযোগ্য এবং অনুরূপ অনুমোদন ও শর্তাবলি (যদি থাকে), জারীকৃত কোন প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-আইনের সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা তা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে।
৩৭০.
নিম্নের কোনটি অর্থবিলের বিষয় নয়?
  1. কোনো কর আরোপ
  2. সরকারের হিসাব নিরীক্ষা
  3. স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক কর আরোপ
  4. সরকারের আর্থিক দায়-দায়িত্ব সম্পর্কিত আইন সংশোধন
সঠিক উত্তর:
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক কর আরোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক কর আরোপ
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৮১ অনুচ্ছেদের বিধান অর্থবিল: 
-(১) এই ভাগে "অর্থবিল" বলিতে কেবল নিম্নলিখিত বিষয়সমূহের সকল বা যে কোন একটি সম্পর্কিত বিধানাবলী-সংবলিত বিল বুঝাইবে:
(ক) কোন কর আরোপ, নিয়ন্ত্রণ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণ; 
(খ) সরকার কর্তৃক ঋণগ্রহণ বা কোন গ্যারান্টিদান, কিংবা সরকারের আর্থিক দায়-দায়িত্ব সম্পর্কিত আইন সংশোধন; 
(গ) সংযুক্ত তহবিলের রক্ষণাবেক্ষণ, অনুরূপ তহবিলে অর্থপ্রদান বা অনুরূপ তহবিল হইতে অর্থ দান বা নির্দিষ্টকরণ; 
(ঘ) সংযুক্ত তহবিলের উপর দায় আরোপ কিংবা অনুরূপ কোন দায় রদবদল বা বিলোপ; 
(ঙ) সংযুক্ত তহবিল বা প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাব বাবদ অর্থপ্রাপ্তি, কিংবা অনুরূপ অর্থ রক্ষণাবেক্ষণ বা দান, কিংবা সরকারের হিসাব-নিরীক্ষা; 
(চ) উপরি-উক্ত উপ-দফাসমূহে নির্ধারিত যে কোন বিষয়ের অধীন কোন আনুষঙ্গিক বিষয়। 
 
- (২) কোন জরিমানা বা অন্য অর্থদণ্ড আরোপ বা রদবদল, কিংবা লাইসেন্স-ফি বা কোন কার্যের জন্য ফি বা উসুল আরোপ বা প্রদান কিংবা স্থানীয় উদ্দেশ্যসাধনকল্পে কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক কোন কর আরোপ, নিয়ন্ত্রণ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণের বিধান করা হইয়াছে, কেবল এই কারণে কোন বিল অর্থবিল বলিয়া গণ্য হইবে না। 
 
- (৩) রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য তাঁহার নিকট পেশ করিবার সময়ে প্রত্যেক অর্থবিলে স্পীকারের স্বাক্ষরে এই মর্মে একটি সার্টিফিকেটে থাকিবে যে, তাহা একটি অর্থবিল, এবং অনুরূপ সার্টিফিকেট সকল বিষয়ে চূড়ান্ত হইবে এবং সেই সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।
৩৭১.
কোন বিলে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সম্মতি দেবার সময়সীমা কতদিন?
  1. ৩০ দিন
  2. ৯০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৪০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ৮০ নং অনুচ্ছেদে আইন প্রণয়ন পদ্ধতি সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে।

এই অনুচ্ছেদ অনুসারে সংসদে আনীত প্রস্তাব বা আইনের খসড়া বিল নামে পরিচিত। সংসদ কর্তৃক বিলটি গৃহীত হলে তা রাষ্ট্রপতির নিকট স্বাক্ষরের জন্যে প্রেরণ করা হয়। রাষ্ট্রপতিকে ১৫ দিনের মধ্যে বিলে স্বাক্ষর করতে হয় কিংবা এটি পুনর্বিবেচনার জন্যে সংসদে প্রেরণ করতে হয়। এই সময়সীমার মধ্যে রাষ্ট্রপতি তা করতে ব্যর্থ হলে তিনি বিলে সম্মতি প্রদান করেছেন বলে ধরে নেওয়া হয়।

রাষ্ট্রপতি কোন বিল পুনর্বিবেচনার জন্যে সংসদে প্রেরণ করলে তা পুনরায় রাষ্ট্রপতির নিকট সম্মতির জন্যে প্রেরিত হলে তাতে রাষ্ট্রপতি ৭ দিনের মধ্যে স্বাক্ষর করতে হয়। অন্যথায় তিনি স্বাক্ষর বা সম্মতি প্রদান করেছেন বলে ধরে নেওয়া হয়। রাষ্ট্রপতির সম্মতির পর উক্ত বিল আইনে পরিণত হয়।

অনুচ্ছেদ ৮০- আইন প্রণয়ন পদ্ধতি:

(১) আইনপ্রণয়নের উদ্দেশ্যে সংসদে আনীত প্রত্যেকটি প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হইবে।

(২) সংসদ কর্তৃক কোন বিল গৃহীত হইলে সম্মতির জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করিতে হইবে।

(৩) রাষ্ট্রপতির নিকট কোন বিল পেশ করিবার পর পনের দিনের মধ্যে তিনি তাহাতে সম্মতি দান করিবেন কিংবা অর্থবিল ব্যতীত অন্য কোন বিলের ক্ষেত্রে বিলটি বা তাহার কোন বিশেষ বিধান পুনর্বিবেচনার কিংবা রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্দেশিত কোন সংশোধনী বিবেচনার অনুরোধ জ্ঞাপন করিয়া একটি বার্তাসহ তিনি বিলটি সংসদে ফেরত দিতে পারিবেন; এবং রাষ্ট্রপতি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।

(৪) রাষ্ট্রপতি যদি বিলটি অনুরূপভাবে সংসদে ফেরত পাঠান, তাহা হইলে সংসদ রাষ্টপতির বার্তাসহ তাহা পুনর্বিবেচনা করিবেন; এবং সংশোধনীসহ বা সংশোধনী ব্যতিরেকে সংসদ পুনরায় বিলটি গ্রহণ করিলে সম্মতির জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হইবে এবং অনুরূপ উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিবেন; এবং রাষ্ট্রপতি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।

(৫) সংসদ কর্তৃক গৃহীত বিলটিতে রাষ্ট্রপতি সম্মতিদান করিলে বা তিনি সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইলে তাহা আইনে পরিণত হইবে এবং সংসদের আইন বলিয়া অভিহিত হইবে।
৩৭২.
প্রজাতন্ত্রের হিসাব সম্পর্কিত মহা হিসাব-নিরীক্ষকের রিপোর্টসমূহ প্রথমে কার নিকট পেশ করা হবে?
  1. রাষ্ট্রপতির
  2. প্রধানমন্ত্রীর
  3. অর্থ মন্ত্রনালয়ের
  4. সংসদের
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতির
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৩২: সংসদে মহা হিসাব-নিরীক্ষকের রিপোর্ট উপস্থাপন

প্রজাতন্ত্রের হিসাব সম্পর্কিত মহা হিসাব-নিরীক্ষকের রিপোর্টসমূহ রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করা হইবে এবং রাষ্ট্রপতি তাহা সংসদে পেশ করিবার ব্যবস্থা করিবেন।

Article 132: Reports of Auditor General to be laid before Parliament
The reports of the Auditor General relating to the public accounts of the Republic shall be submitted to the President, who shall cause them to be laid before Parliament.
৩৭৩.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোনটি প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য?
  1. শৃঙ্খলা রক্ষা করা
  2. জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা
  3. সংবিধান ও আইন মান্য করা
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদের বিধান: নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য:

(১) সংবিধান ও আইন মান্য করা, শৃঙ্খলা রক্ষা করা, নাগরিক দায়িত্ব পালন করা এবং জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য৷ 
 
(২) সকল সময়ে জনগণের সেবা করিবার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য৷

Article 21. Duties of citizens and of public servants:

(1) It is the duty of every citizen to observe the Constitution and the laws, to maintain discipline, to perform public duties and to protect public property. 
(2) Every person in the service of the Republic has a duty to strive at all times to serve the people.
৩৭৪.
অধস্তন আদালতের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলার দায়িত্ব কার উপর ন্যস্ত?
  1. সংসদ
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. আইন মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১১৬: অধস্তন আদালতসমূহের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা:
বিচার-কর্মবিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিদের এবং বিচারবিভাগীয় দায়িত্বপালনে রত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ (কর্মস্থল- নির্ধারণ, পদোন্নতিদান ও ছুটি মঞ্জুরীসহ) ও শৃংখলাবিধান রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত থাকিবে এবং সুপ্রীম কোর্টের সহিত পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক তাহা প্রযুক্ত হইবে।

[Control and discipline of subordinate courts-
The control (including the power of posting, promotion and grant of leave) and discipline of persons employed in the judicial service and magistrates exercising judicial functions shall vest in the President and shall be exercised by him in consultation with the Supreme Court.]
৩৭৫.
'Power to appoint to include power to suspend or dismiss'- The General Clauses Act,1897 এর কত ধারায় বলা আছে?
  1. ধারা ১৩
  2. ধারা ১৬
  3. ধারা ১৭
  4. ধারা ১৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৬
ব্যাখ্যা
Section 16 of The General Clauses Act,1897: Power to appoint to include power to suspend or dismiss-
Where, by any Act of Parliament or Regulation, a power to make any appointment is conferred, then unless a different intention appears, the authority having for the time being power to make the appointment shall also have power to suspend or dismiss any person appointed whether by itself of any other authority in exercise of that power.
 
ধারা ১৬: নিয়োগের ক্ষমতা সাময়িক বরখাস্ত বা বরখাস্তের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে-
আইনসভা কর্তৃক প্রণীত আইন বা প্রবিধান দ্বারা যদি কোন কর্তৃপক্ষকে নিয়োগের ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে, ভিন্নরূপ কোন উদ্দেশ্য প্রতীয়মান না হলে, অনুরূপ কর্তৃপক্ষের উল্লেখিত ক্ষমতা প্রয়োগের আওতায় নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত বা বরখাস্ত করার ক্ষমতা থাকবে।
 
• জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের ১৬ ধারার প্রয়োগ প্রসঙ্গে S. Pratap Singh v State of Punjab মামলায় ভারতীয় সুপ্রীম কোর্ট বলেন যে, একজন সরকারি কর্মচারীকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করার ক্ষমতা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের আছে। একই নীতি অনুসরণ করে R.P. Kapur v. Union of India মামলায় ঐ আদালত আবারও মন্তব্য করেন, কোন সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলা রুজু হলে ঐ কর্মচারীকে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ সাময়িকভাবে বরখাস্ত করার অধিকারী।
 
দেওয়ানী কার্যবিধির ৪০ আদেশের ১ নিয়ম মোতাবেক রিসিভার নিয়োগের ক্ষেত্রেও ১৬ ধারার বিধান প্রযোজ্য। ফলে রিসিভার নিয়োগাদেশ বাতিল করলে উহার বিরুদ্ধে ৪৩ আদেশ অনুযায়ী আপীল করা যায় না।
৩৭৬.
নির্বাচন কমিশন কীভাবে কাজ করবে?
  1. সংসদের নির্দেশে
  2. প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে
  3. আইন মন্ত্রণালয়ের অধীনে
  4. সংবিধান ও আইনের অধীন স্বাধীনভাবে
সঠিক উত্তর:
সংবিধান ও আইনের অধীন স্বাধীনভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবিধান ও আইনের অধীন স্বাধীনভাবে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১১৮: নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা:
(১) প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন থাকিবে এবং উক্ত বিষয়ে প্রণীত কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারকে নিয়োগদান করিবেন।

(২) একাধিক নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া নির্বাচন কমিশন গঠিত হইলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার তাহার সভাপতিরূপে কার্য করিবেন।

(৩) এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে কোন নির্বাচন কমিশনারের পদের মেয়াদ তাঁহার কার্যভার গ্রহণের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসরকাল হইবে এবং
(ক) প্রধান নির্বাচন কমিশনার-পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন, এমন কোন ব্যক্তি প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না;
(খ) অন্য কোন নির্বাচন কমিশনার অনুরূপ পদে কর্মাবসানের পর প্রধান নির্বাচন কমিশনাররূপে নিয়োগলাভের যোগ্য হইবেন, তবে অন্য কোনভাবে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না।

(৪) নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকিবেন এবং কেবল এই সংবিধান ও আইনের অধীন হইবেন।

(৫) সংসদ কর্তৃক প্রণীত যে কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে নির্বাচন কমিশনারদের কর্মের শর্তাবলী রাষ্ট্রপতি আদেশের দ্বারা যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সেইরূপ হইবে; তবে শর্ত থাকে যে, সুপ্রীম কোর্টের বিচারক যেরূপ পদ্ধতি ও কারণে অপসারিত হইতে পারেন, সেইরূপ পদ্ধতি ও কারণ ব্যতীত কোন নির্বাচন কমিশনার অপসারিত হইবেন না।

(৬) কোন নির্বাচন কমিশনার রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ করিয়া স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন।
৩৭৭.
"Imprisonment" shall mean imprisonment of either description as defined in ________.
  1. the Code of Criminal Procedure
  2. the Penal Code
  3. the Code of Civil Procedure
  4. all of above
সঠিক উত্তর:
the Penal Code
উত্তর
সঠিক উত্তর:
the Penal Code
ব্যাখ্যা
• Section 3(26) of The General Clauses Act,1897- "Imprisonment" shall mean imprisonment of either description as defined in the Penal Code:

ধারা ৩(২৬): কারাদন্ড
"কারাদণ্ড” অর্থে দণ্ডবিধি (সনের ৪৫ নং আইন) তে সংজ্ঞায়িত যে কোন বর্ণনার কারাদণ্ড বুঝাইবে।
৩৭৮.
"Stare decisis et non quieta movere" ম্যাক্সিমের মূল কথা কী? 
  1. নতুন সিদ্ধান্ত তৈরি করা
  2. পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত বাতিল করা
  3. পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত অনুসরণ করা
  4. আদালতের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করা
সঠিক উত্তর:
পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত অনুসরণ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত অনুসরণ করা
ব্যাখ্যা

⇒ “Stare decisis et non quieta movere” একটি ল্যাটিন লিগ্যাল ম্যাক্সিম, যার আক্ষরিক অর্থ হলো — “যা স্থিরীকৃত তা অনুসরণ করো এবং স্থির অবস্থাকে অশান্ত করো না” বা সহজভাবে “পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত অনুসরণ করো এবং স্থির বিষয়গুলোকে অশান্ত করো না”।

- এই ম্যাক্সিমের মূল কথা হলো পূর্ববর্তী আদালতের সিদ্ধান্ত (precedent)-কে সম্মান করা এবং একই ধরনের ঘটনা বা আইনি প্রশ্নে পূর্ববর্তী রায় অনুসরণ করা। এটি আইনের স্থিতিশীলতা (stability), নিশ্চয়তা (certainty) এবং ন্যায়বিচারের ধারাবাহিকতা (consistency) নিশ্চিত করে।
- এটি প্রিসেডেন্ট (নজির) এর আইনী মতবাদের মূল ভিত্তি। এর মাধ্যমে: আদালত পূর্ববর্তী উচ্চতর বা সমপর্যায়ের আদালতের সিদ্ধান্ত অনুসরণ করতে বাধ্য হয়। একই ধরনের মামলায় একই আইনী নীতি প্রয়োগ করা হয়, যা আইনী নিশ্চিততা ও সামঞ্জস্য বজায় রাখে।
আইনী ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা, অনুমানযোগ্যতা ও সুবিচার নিশ্চিত করে।
- নিম্ন আদালত উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্ত অনুসরণ করে।একই আদালত তার নিজের পূর্বের সিদ্ধান্ত অনুসরণ করে (যদি না গুরুতর কারণে তা পরিবর্তনের প্রয়োজন হয়)। এই নীতির মাধ্যমে আইনী ধারাবাহিকতা ও ন্যায়বিচারের স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

৩৭৯.
বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়-
  1. এক-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটে
  2. দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটে
  3. উপস্থিত ও ভোট দানকারী সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ট ভোটে
  4. মোট সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে
সঠিক উত্তর:
উপস্থিত ও ভোট দানকারী সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ট ভোটে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপস্থিত ও ভোট দানকারী সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ট ভোটে
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫ অনুচ্ছেদের বিধান: কার্যপ্রণালী-বিধি, কোরাম প্রভৃতি:
 (১) এই সংবিধান-সাপেক্ষে
(ক) সংসদ কর্তৃক প্রণীত কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা এবং অনুরূপ বিধি প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা সংসদের কার্যপ্রণালী নিয়ন্ত্রিত হইবে;
(খ) উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি ভোটদান করিবেন না এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তিনি নির্ণায়ক ভোট প্রদান করিবেন;
(গ) সংসদের কোন সদস্যপদ শূন্য রহিয়াছে, কেবল এই কারণে কিংবা সংসদে উপস্থিত হইবার বা ভোটদানের বা অন্য কোন উপায়ে কার্যধারায় অংশগ্রহণের অধিকার না থাকা সত্ত্বেও কোন ব্যক্তি অনুরূপ কার্য করিয়াছেন, কেবল এই কারণে সংসদের কোন কার্যধারা অবৈধ হইবে না।
(২) সংসদের বৈঠক চলাকালে কোন সময়ে উপস্থিত সদস্য-সংখ্যা ষাটের কম বলিয়া যদি সভাপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়, তাহা হইলে তিনি অন্যূন ষাট জন সদস্য উপস্থিত না হওয়া পর্যন্ত বৈঠক স্থগিত রাখিবেন কিংবা মুলতবী করিবেন।
------------------
⇒ Article 75:- Rules of procedure, quorum, etc-:
 (1) Subject to this Constitution –
(a) the procedure of Parliament shall be regulated by rules of procedure made by it, and until such rules are made shall be regulated by rules of procedure made by the President;
(b) a decision in Parliament shall be taken by a majority of the votes of the members present and voting, but the person presiding shall not vote except when there is an equality of votes, in which case he shall exercise a casting vote;

(c) no proceeding in Parliament shall be invalid by reason only that there is a vacancy in the membership thereof or that a person who was not entitled to do so was present at, or voted or otherwise participated in, the proceeding.

(2) If at any time during which Parliament is in session the attention of the person presiding is drawn to the fact that the number of members present is less than sixty, he shall either suspend the meeting until at least sixty members are present, or adjourn it.
৩৮০.
বাংলাদেশের সংবিধানে রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ কোনটি?
  1. অনুচ্ছেদ ৫০
  2. অনুচ্ছেদ ৫১
  3. অনুচ্ছেদ ৫২
  4. অনুচ্ছেদ ৫৩
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৫১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৫১
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি তাঁর দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কোনো আইনি দায়বদ্ধতার সম্মুখীন হবেন না।
→ সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি:
১) ফৌজদারি মামলা করা যাবে না:
- রাষ্ট্রপতির কার্যভারকালে তাঁর বিরুদ্ধে কোনো আদালতে ফৌজদারি মামলা দায়ের বা চালু রাখা যাবে না। 
- কোনো আদালত রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করতে পারবে না।
২) রাষ্ট্রপতি সরকারি দায়িত্ব পালনকালে দায়মুক্ত থাকবেন:
- রাষ্ট্রপতি তাঁর দায়িত্ব পালনের সময় কোনো কাজ করলে বা না করলে, সে জন্য তাঁকে কোনো আদালতে জবাবদিহি করতে হবে না।
- তবে এই দায়মুক্তির বিধান সরকারের বিরুদ্ধে কোনো ব্যক্তি মামলা দায়েরের অধিকার বাতিল করে না।

অর্থাৎ সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদ রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি সংক্রান্ত বিধান নির্ধারণ করেছে।
- ফৌজদারি মামলা দায়ের বা গ্রেপ্তার করা যাবে না।
- সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করার অধিকার প্রভাবিত হয় না।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদ- রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি:
(১) এই সংবিধানের ৫২ অনুচ্ছেদের হানি না ঘটাইয়া বিধান করা হইতেছে যে, রাষ্ট্রপতি তাঁহার দায়িত্ব পালন করিতে গিয়া কিংবা অনুরূপ বিবেচনায় কোন কার্য করিয়া থাকিলে বা না করিয়া থাকিলে সেইজন্য তাঁহাকে কোন আদালতে জবাবদিহি করিতে হইবে না, তবে এই দফা সরকারের বিরুদ্ধে কার্যধারা গ্রহণে কোন ব্যক্তির অধিকার ক্ষুন্ন করিবে না।
(২) রাষ্ট্রপতির কার্যভারকালে তাঁহার বিরুদ্ধে কোন আদালতে কোন প্রকার ফৌজদারী কার্যধারা দায়ের করা বা চালু রাখা যাইবে না এবং তাঁহার গ্রেফতার বা কারাবাসের জন্য কোন আদালত হইতে পরোয়ানা জারী করা যাইবে না।

৩৮১.
“The General Clauses Act” এর কোন ধারায় “Effect of Repeal” সম্পর্কিত বিধান আছে?
  1. ৫ ধারায়
  2. ৬ ধারায়
  3. ৬ক ধারায়
  4. ৭ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৬ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ The General Clauses Act, 1897-এর ধারা ৬ (Section 6) শিরোনাম—“Effect of Repeal”- এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, কোনো আইন যদি রহিত করা হয়, তাহলে তার ফলে কী কী বিষয় প্রভাবিত হবে না, তা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- এই ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো আইন রহিত করা হয়, এবং যদি অন্য কোনো অভিপ্রায় প্রকাশিত না থাকে, তাহলে-
(a) পূর্বে রহিত বা অকার্যকর কোনো বিষয় পুনরুজ্জীবিত হবে না,
(b) রহিত আইনের অধীনে যেটুকু কার্যকর হয়েছিল, তা প্রভাবিত হবে না,
(c) অধিকার, দায়, দণ্ড ইত্যাদি প্রভাবিত হবে না
(d) তদন্ত বা বিচার চলতে পারবে আগের মতই,
(e) দণ্ড আরোপও করা যাবে।

-ধারা ৬ এমন একটি সুরক্ষা বিধান, যা বলে দেয় যে, পুরাতন কোনো আইন রহিত করলেও তার অধীনে অর্জিত অধিকার, দায়, বিচার প্রক্রিয়া, শাস্তি ইত্যাদি বাতিল হবে না।

⇒ The General Clauses Act, 1897, Section 6. Effect of repeal:
Where this Act, or any Act of Parliament or Regulation made after the commencement of this Act, repeals any enactment hitherto made or hereafter to be made, then, unless a different intention appears, the repeal shall not-
(a) revive anything not in force or existing at the time at which the repeal takes effect; or
(b) affect the previous operation of any enactment so repealed or anything duly done or suffered thereunder; or
(c) affect any right, privilege, obligation or liability acquired, accrued or incurred under any enactment so repealed; or
(d) affect any penalty, forfeiture or punishment incurred in respect of any offence committed against any enactment so repealed; or
(e) affect any investigation, legal proceeding or remedy in respect of any such right, privilege, obligation, liability, penalty, forfeiture or punishment as aforesaid;
and any such investigation, legal proceeding or remedy may be instituted, continued or enforced, and any such penalty, forfeiture or punishment may be imposed as if the repealing Act or Regulation had not been passed.
৩৮২.
সংবিধানের ৩৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোন উদ্দেশ্যে গঠিত সমিতি বা সংঘ নিষিদ্ধ নয়?
  1. সন্ত্রাসী কার্য পরিচালনার উদ্দেশ্যে
  2. ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্ট করার উদ্দেশ্যে
  3. আইনসঙ্গত অধিকার সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে
  4. সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার উদ্দেশ্যে
সঠিক উত্তর:
আইনসঙ্গত অধিকার সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনসঙ্গত অধিকার সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, জনশৃঙ্খলা ও নৈতিকতার স্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ সাপেক্ষে সমিতি বা সংঘ গঠনের অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের রয়েছে।
⇒ তবে কিছু উদ্দেশ্যে গঠিত সমিতি বা সংঘ নিষিদ্ধ করা হয়েছে, যেমন—
- ধর্মীয়, সামাজিক ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের উদ্দেশ্যে গঠিত সংঘ
- নাগরিকদের মধ্যে বৈষম্য সৃষ্টির উদ্দেশ্যে গঠিত সংঘ
- রাষ্ট্র বা অন্য কোনো দেশের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কার্য পরিচালনার উদ্দেশ্যে গঠিত সংঘ
- সংবিধানের পরিপন্থী উদ্দেশ্যে গঠিত সংঘ

কিন্তু, আইনসঙ্গত অধিকার সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে গঠিত সমিতি বা সংঘ নিষিদ্ধ নয়। এটি নাগরিকদের সাংবিধানিক অধিকার এবং মৌলিক অধিকারের অংশ।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৮ অনুচ্ছেদ সংগঠনের স্বাধীনতা:
জনশৃঙ্খলা ও নৈতিকতার স্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধা-নিষেধ সাপেক্ষে সমিতি বা সংঘ গঠন করিবার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের থাকিবে: 
তবে শর্ত থাকে যে, কোন ব্যক্তির উক্তরূপ সমিতি বা সংঘ গঠন করিবার কিংবা উহার সদস্য হইবার অধিকার থাকিবে না, যদি-
(ক) উহা নাগরিকদের মধ্যে ধর্মীয়, সামাজিক এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করিবার উদ্দেশ্যে গঠিত হয়;
(খ) উহা ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী-পুরুষ, জন্মস্থান বা ভাষার ক্ষেত্রে নাগরিকদের মধ্যে বৈষম্য সৃষ্টি করিবার উদ্দেশ্যে গঠিত হয়;
(গ) উহা রাষ্ট্র বা নাগরিকদের বিরুদ্ধে কিংবা অন্য কোন দেশের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী বা জঙ্গী কার্য পরিচালনার উদ্দেশ্যে গঠিত হয়; বা
(ঘ) উহার গঠন ও উদ্দেশ্য এই সংবিধানের পরিপন্থী হয়।
৩৮৩.
সংবিধান অনুসারে একই সঙ্গে দুইটি নির্বাচনী এলাকা থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে সদস্যকে কী করতে হবে?
  1. একটিকে বেছে নিতে হবে
  2. রাষ্ট্রপতি সিদ্ধান্ত দেবেন
  3. উভয়টি শূন্য ঘোষণা করা হবে
  4. দুটি আসনই ধরে রাখতে পারবেন
সঠিক উত্তর:
একটিকে বেছে নিতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটিকে বেছে নিতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭১ (Article 71)-এ এই বিষয়টি স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে। এই অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে:
“কোন ব্যক্তি একাধিক নির্বাচনী এলাকা হইতে সংসদ-সদস্য পদে নির্বাচিত হইলে তিনি নির্ধারিত পদ্ধতিতে একটি আসন বেছে নিতে বাধ্য থাকিবেন। যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি বেছে না নেন, তবে সকল আসন শূন্য ঘোষণা করা হইবে।”
- একজন ব্যক্তি একাধিক আসনে প্রার্থী হতে পারেন।
- যদি তিনি একাধিক আসনে নির্বাচিত হন, তাহলে তাকে একটি আসন নির্বাচন করতে হবে।
- যদি তিনি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্বাচন না করেন, তাহলে উভয় আসনই শূন্য ঘোষণা করা হয়।

- তাই সঠিক উত্তর: ক) একটিকে বেছে নিতে হবে।

- আর যদি তিনি তা না করেন, তবে গ) উভয়টি শূন্য ঘোষণা করা হবে — এটি তখন প্রযোজ্য হয়।
- তবে প্রশ্নটি “কি করতে হবে?” জিজ্ঞাসা করেছে, অর্থাৎ প্রথম করণীয় – একটি বেছে নেওয়া।
৩৮৪.
জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭ এর কত ধারায় "Gender and number" সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
  1. ১০
  2. ১২
  3. ১৩
  4. ১৫
সঠিক উত্তর:
১৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩
ব্যাখ্যা
জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭ এর ১৩ ধারায় "Gender and number" সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।

⇒ জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭ এর ১৩ ধারার বিধান: লিঙ্গ ও বচন (Gender and number);সংসদের সকল আইন এবং প্রবিধিতে-
- পুরুষবাচক শব্দসমূহকে স্ত্রীবাচক শব্দসমূহকে অন্তর্ভুক্ত করবে; এবং
- একবচন শব্দসমূহ বহুবচন শব্দসমূহকে অন্তর্ভুক্ত করবে এবং অনুরূপভাবে বহুবচন শব্দসমূহ একবচন শব্দসমূহকে অন্তর্ভুক্ত করবে।
------------------- 
⇒ The General Clauses Act, 1897 Section 13. Gender and number:

- In all Acts of Parliament and Regulations, unless there is anything repugnant in the subject or context,- 
(1) words importing the masculine gender shall be taken to include females; and 
(2) words in the singular shall include the plural, and vice versa. 
৩৮৫.
কোন ধরনের রিটের আবেদন যেকোনো ব্যক্তি করতে পারে?
  1. নিষেধাজ্ঞামূলক রিট
  2. উৎপ্রেষণ রীট
  3. হুকুম জারী রিট
  4. কারণ দর্শাও রিট
সঠিক উত্তর:
কারণ দর্শাও রিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারণ দর্শাও রিট
ব্যাখ্যা
রিট [Writ]

আদালত বা যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ঘোষিত বা প্রচারিত বিধান বা আদেশ। এমন আদেশের মাধ্যমে আদালত কোন ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে নির্দেশ প্রদান করে। রিট এর উৎপত্তি হলো ব্রিটিশ আইন ব্যবস্থায়। প্রাথমিকভাবে রিট মূলত রাজকীয় অধিকার [prerogrative writ or royal writ] নামে পরিচিত ছিল কারণ একমাত্র রাজা বা রাণী রিট জারি করার অধিকারী ছিল। 

রিটের প্রকারভেদ:
বাংলাদেশ সংবিধান প্রণেতারা বিশেষভাবে রাজকীয় রিট (prerogrative writs) সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং বাংলাদেশের আদালতের মাধ্যমে এটা ব্যাপক এবং যথাযথভাবে বিকাশিত হয়েছে। সংবিধানে ৫ প্রকার রিট উল্লেখ করা হয়েছে-

১০২ এর ২(ক) তে ৩টি রিট উল্লেখ করা হয়েছে, (শুধুমাত্র সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি আবেদন করতে পারে)-
• ১০২(২) (ক) (অ) প্রতিষেধক বা নিষেধাজ্ঞামূলক রিট [Writ of Prohibition];
• ১০২(২) (ক) (অ) পরমাদেশ বা হুকুম জারী রিট [Writ of Mandamus];
• ১০২(২) (ক) (আ) উৎপ্রেষণ রীট [Writ of Certiorari]।

১০২ এর ২(খ) তে ২টি রিট উল্লেখ করা হয়েছে, (যে কোন ব্যক্তি আবেদন করতে পারে)-
• ১০২(২) (খ) (অ) বন্দী হাজির রিট [Writ of Habeas Corpus] এবং
• ১০২(২) (খ) (আ) কারণ দর্শাও রিট [Writ of Quo Warranto]।

⇒ কারণ দর্শাও রিট [Writ of Quo Warranto]

কোন ব্যক্তি কোন সরকারী পদ দাবী করতে পারে না যদি না উক্ত পদে তার কোন আইনগত দাবী থাকে। কোন ব্যক্তি কোন সরকারী পদে আসীন থাকলে বা আছে বলে মনে হলে, সেই ক্ষেত্রে কোন কর্তৃত্ববলে উক্ত ব্যক্তি উক্ত পদ দাবী করছে তা জানের চেয়ে হাইকার্ট বিভাগ কারণ দর্শানোর রিট জারী করতে পারে।

অনুচ্ছেদ-১০২ (২): হাইেকার্ট বিভাগের নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, আইনের দ্বারা অন্য কোন সমফলপ্রদ বিধান করা হয় নাই, তা হলে-

(খ) যে কোন ব্যক্তির আবেদনক্রমে-

(আ) কোন সরকারী পদে আসীন বা আসীন বলে বিবেচিত কোন ব্যক্তিকে তিনি কোন কর্তৃত্ববলে অনুরুপ পদমর্যাদায় অধিষ্ঠানের দাবী করছে, তা প্রদর্শনের নির্দেশ প্রদান করে উক্ত বিভাগ (হাইকার্ট বিভাগ) আদেশদান করতে পারবে।

এই রিটের মাধ্যমে উচ্চতর আদালত উক্ত পদের দাবীর বিষয়ে অনুসন্ধান করতে পারে এবং যদি উক্ত অনুসন্ধানে এটা প্রমাণিত হয় যে, উক্ত পদ গ্রহণে পদের দাবীদারের কোন বৈধ অধিকার নেই, তাহলে কারণ দর্শাও রিট তাকে উক্ত পদ থেকে পদচ্যুত করতে পারে।
৩৮৬.
If the President is not kept informed about domestic and foreign policy decisions by the Prime Minister, which Article of Bangladesh constitution is being disregarded?
  1. Article 48(3)
  2. Article 56(2)
  3. Article 48(5)
  4. Article 56(3)
সঠিক উত্তর:
Article 48(5)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Article 48(5)
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮: রাষ্ট্রপতি:
(১) বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকিবেন, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ-সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হইবেন। 
 
(২) রাষ্ট্রপ্রধানরূপে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করিবেন এবং এই সংবিধান ও অন্য কোন আইনের দ্বারা তাঁহাকে প্রদত্ত ও তাঁহার উপর অর্পিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালন করিবেন। 
 
(৩) এই সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্ট্রপতি তাঁহার অন্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করিবেন: 
তবে শর্ত থাকে যে, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে আদৌ কোন পরামর্শদান করিয়াছেন কি না এবং করিয়া থাকিলে কি পরামর্শ দান করিয়াছেন, কোন আদালত সেই সম্পর্কে কোন প্রশ্নের তদন্ত করিতে পারিবেন না। 
 
(৪) কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হইবার যোগ্য হইবেন না, যদি তিনি- 
(ক) পঁয়ত্রিশ বৎসরের কম বয়স্ক হন; অথবা 
(খ) সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য না হন; অথবা 
(গ) কখনও এই সংবিধানের অধীন অভিশংসন দ্বারা রাষ্ট্রপতির পদ হইতে অপসারিত হইয়া থাকেন। 
 
(৫) প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় ও পররাষ্ট্রীয় নীতি সংক্রান্ত বিষয়াদি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত রাখিবেন এবং রাষ্ট্রপতি অনুরোধ করিলে যে−কোন বিষয় মন্ত্রিসভায় বিবেচনার জন্য পেশ করিবেন।

Article 48: The President-
(1) There shall be a President of Bangladesh who shall be elected by members of Parliament in accordance with law. 

(2) The President shall, as Head of State, take precedence over all other persons in the State, and shall exercise the powers and perform the duties conferred and imposed on him by this Constitution and by any other law. 

(3) In the exercise of all his functions, save only that of appointing the Prime Minister pursuant to clause (3) of article 56 and the Chief Justice pursuant to clause (1) of article 95, the President shall act in accordance with the advice of the Prime Minister: 
Provided that the question whether any, and if so what, advice has been tendered by the Prime Minister to the President shall not be enquired into in any court. 
 
(4) A person shall not be qualified for election as President if he – 
(a) is less than thirty five years of age; or  
(b) is not qualified for election as a member of Parliament; or 
(c) has been removed from the office of President by impeachment under this Constitution. 

(5) The Prime Minister shall keep the President informed on matters of domestic and foreign policy, and submit for the consideration of the Cabinet any matter which the President may request him to refer to it.

৩৮৭.
বাংলাদেশ সংবিধানে “প্রচলিত আইনের হেফাজত” (Saving for existing laws) এর বিধান কোন অনুচ্ছেদে আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৫২
  2. অনুচ্ছেদ ১৪৭
  3. অনুচ্ছেদ ১৫১
  4. অনুচ্ছেদ ১৪৯
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৪৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৪৯
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪৯-এ "প্রচলিত আইনের হেফাজত" (Saving for existing laws) এর বিধান রয়েছে। এই অনুচ্ছেদ অনুসারে, সংবিধানের বিধানাবলী সাপেক্ষে সকল প্রচলিত আইনের কার্যকারিতা অব্যাহত থাকবে, তবে সেগুলো সংবিধানের অধীন প্রণীত আইন দ্বারা সংশোধিত বা রহিত করা যাবে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪৯ অনুচ্ছেদের বিধান: প্রচলিত আইনের হেফাজত:
- এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে সকল প্রচলিত আইনের কার্যকরতা অব্যাহত থাকিবে, তবে অনুরূপ আইন এই সংবিধানের অধীন প্রণীত আইনের দ্বারা সংশোধিত বা রহিত হইতে পারিবে।
-----------
⇒ Article 149. Saving for existing laws:
Subject to the provisions of this Constitution all existing laws shall continue to have effect but may be amended or repealed by law made under this Constitution.

৩৮৮.
মূল আইন ও এর অধীনে প্রণিত আইনে ব্যবহৃত অভিব্যক্তির অর্থ একই। এই সংক্রান্ত The General Clauses Act, 1897 এর ধারা কোনটি?
  1. ২১
  2. ২০
  3. ২৯
  4. ১৮
সঠিক উত্তর:
২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০
ব্যাখ্যা
⇒ The General Clauses Act, 1897 এর ২০ ধারার: আইনের অধীন জারীকৃত আদেশ, ইত্যাদি ব্যাখ্যা:
- যে ক্ষেত্রে সংসদের কোন আইন বা প্রবিধিতে কোন প্রজ্ঞাপন, আদেশ, পরিকল্প, বিধি, ফরম বা উপ-আইন জারীর কোন ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে এই আইন প্রবর্তনের পরে প্রণীত, অনুরূপ প্রজ্ঞাপন, আদেশ, পরিকল্প, বিধি, ফরম বা উপ-আইনে ব্যবহৃত অভিব্যক্তিসমূহের অর্থ অনুরূপ ক্ষমতা অর্পণকারী আইনে ব্যবহৃত অভিব্যক্তির সমার্থক হবে।
---------------------------
PROVISION AS TO ORDERS, RULES, ETC., MADE UNDER ENACTMENTS
The General Clauses Act, 1897 Section-20 Construction of orders, etc., issued under enactments: 
-Where, by any Act of Parliament or Regulation, a power to issue any notification, order, scheme, rule, form or bye-law is conferred, then expressions used in the notification, order, scheme, rule, form or bye-law, if it is made after the commencement of this Act, shall, unless there is anything repugnant in the subject or context, have the same respective meanings as in the Act or Regulation conferring the power.
৩৮৯.
১৯৭২ -এর মূল সংবিধানের অধস্তন আদালতের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলার ক্ষমতা কোন কর্তৃপক্ষের উপর অর্পণ করা হয়েছিল?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. জাতীয় সংসদ
  4. সুপ্রীম কোর্ট
সঠিক উত্তর:
সুপ্রীম কোর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রীম কোর্ট
ব্যাখ্যা
১৯৭২ এর মূল সংবিধানে অধঃস্তন আদালতের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলার ক্ষমতা সুপ্রীমকোর্টের উপর ন্যস্ত ছিল।
- সংবিধানের ৪র্থ সংশোধনীয় মাধ্যমে এই ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির উপর অর্পণ করা হয়।
- এরপর Second Proclamation Order No. IV of 1978-এর মাধ্যমে সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ পুনরায় সংশোধন করা হয়।
- বিধান করা হয় যে, রাষ্ট্রপতি সুপ্রীম কোর্টের সাথে পরামর্শক্রমে অধঃস্তন আদালতের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলার ক্ষমতা প্রয়োগ করবে।

অনুচ্ছেদ ১১৬- অধস্তন আদালতসমূহের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা:
বিচার-কর্মবিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিদের এবং বিচারবিভাগীয় দায়িত্বপালনে রত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ (কর্মস্থল- নির্ধারণ, পদোন্নতিদান ও ছুটি মঞ্জুরীসহ) ও শৃংখলাবিধান রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত থাকিবে এবং সুপ্রীম কোর্টের সহিত পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক তাহা প্রযুক্ত হইবে।
৩৯০.
বাংলাদেশের সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুসারে কোন পরিস্থিতিতে সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হবে?
  1. নিজ দল থেকে পদত্যাগ করলে
  2. নিজ দলের বিপক্ষে ভোট দিলে
  3. সংসদে অনুপস্থিত থাকলে
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
⇒ Floor-Crossing বা 'political defection' অর্থ হলো অন্যদলে যোগদান করার জন্য বা স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার জন্য নিজের দল হতে পদত্যাগ করা বা সংসদে নিজের দলের বিপক্ষে ভোটদান করা। Floor- Crossing এর কারণে সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হবে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের বিধান: রাজনৈতিক দল হইতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়া:
কোন নির্বাচনে কোন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরূপে মনোনীত হইয়া কোন ব্যক্তি সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইলে তিনি যদি-
(ক) উক্ত দল হইতে পদত্যাগ করেন, অথবা
(খ) সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে ভোটদান করেন,
তাহা হইলে সংসদে তাঁহার আসন শূন্য হইবে, তবে তিনি সেই কারণে পরবর্তী কোন নির্বাচনে সংসদ-সদস্য হইবার অযোগ্য হইবেন না।
৩৯১.
রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ব্যতিরেকে কোন ব্যক্তিকে নিয়োগ প্রদান করতে পারেন?
  1. অ্যাটর্নি জেনারেল
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক
  4. প্রধান নির্বাচন কমিশনার
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা সীমিত। তিনি প্রধানমন্ত্রী এবং প্রধান বিচারপতি নিয়োগ ব্যতীত অন্য সকল ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কর্ম সম্পাদন করে থাকেন।

- জরুরি অবস্থা জারি, সংসদ অধিবেশন আহবান, স্থগিত বা ভঙ্গ করা, প্রধানমন্ত্রী ব্যতীত মন্ত্রীসভার অন্যান্য সদস্যের নিয়োগ সকল ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর সুপারিশ গ্রহণ করে থাকেন।

- বাংলাদেশ সংবিধানের ৪৮(৩) অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে- এই সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্টপতি তাঁহার অন্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে আদৌ কোন পরামর্শদান করিয়াছেন কি না এবং করিয়া থাকিলে কি পরামর্শ দান করিয়াছেন, কোন আদালত সেই সম্পর্কে কোন প্রশ্নের তদন্ত করিতে পারিবেন না।
৩৯২.
'There shall be one electoral roll for each constituency for the purposes of elections to Parliament' - সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে এই বিধান উল্লেখ আছে?
  1. Article 120
  2. Article 121
  3. Article 122
  4. Article 123
সঠিক উত্তর:
Article 121
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Article 121
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ১২১- প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা:
সংসদের নির্বাচনের জন্য প্রত্যেক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকার একটি করিয়া ভোটার-তালিকা থাকিবে এবং ধর্ম, জাত, বর্ণ ও নারী-পুরুষভেদের ভিত্তিতে ভোটারদের বিন্যস্ত করিয়া কোন বিশেষ ভোটার-তালিকা প্রণয়ন করা যাইবে না।

Article 121: Single electoral roll for each constituency-
There shall be one electoral roll for each constituency for the purposes of elections to Parliament, and no special electoral roll shall be prepared so as to classify electors according to religion, race, caste or sex.

৩৯৩.
বাংলাদেশ সংবিধান অনুযায়ী, বার্ষিক আর্থিক বিবৃতিতে কী কী বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকবে?
  1. রাজস্ব খাতের ব্যয়
  2. সংযুক্ত তহবিলের ব্যয়
  3. সরকারের অনুমিত আয় এবং ব্যয়
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের ৮৭(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বার্ষিক আর্থিক বিবৃতিতে নিম্নলিখিত বিষয়গুলি অন্তর্ভুক্ত থাকবে:
→ রাজস্ব খাতের ব্যয়: সরকারের আয় ও ব্যয়ের মধ্যে যে অংশ রাজস্ব থেকে আসে এবং তার ব্যয় নির্ধারণ করা হয়।
→ সংযুক্ত তহবিলের ব্যয়: সংযুক্ত তহবিলের ব্যয়, যা সরকারের বিশেষ তহবিল এবং এর ব্যয় নির্ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের হিসাব করা হবে।
→ সরকারের অনুমিত আয় এবং ব্যয়: সরকারের পরবর্তী অর্থ-বছরের জন্য অনুমিত আয় ও ব্যয়ের হিসাব এবং তার ভিত্তিতে পরিকল্পনা ও বাজেট প্রণয়ন করা হয়।

সুতরাং, বার্ষিক আর্থিক বিবৃতিতে সরকারের অনুমিত আয় ও ব্যয়, সংযুক্ত তহবিলের ব্যয়, এবং রাজস্ব খাতের ব্যয়—এই তিনটি বিষয়ই অন্তর্ভুক্ত থাকে। তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) উপরের সবগুলো।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৮৭ অনুচ্ছেদ- বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি:
(১) প্রত্যেক অর্থ-বৎসর সম্পর্কে উক্ত বৎসরের জন্য সরকারের অনুমিত আয় ও ব্যয়-সংবলিত একটি বিবৃতি (এই ভাগে "বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি" নামে অভিহিত) সংসদে উপস্থাপিত হইবে।
(২) বার্ষিক আর্থিক বিবৃতিতে পৃথক পৃথকভাবে
(ক) এই সংবিধানের দ্বারা বা অধীন সংযুক্ত তহবিলের উপর দায়রূপে বর্ণিত ব্যয়নির্বাহের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ, এবং
(খ) সংযুক্ত তহবিল হইতে ব্যয় করা হইবে, এইরূপ প্রস্তাবিত অন্যান্য ব্যয়নির্বাহের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ
প্রদর্শিত হইবে এবং অন্যান্য ব্যয় হইতে রাজস্বখাতের ব্যয় পৃথক করিয়া প্রদর্শিত হইবে।
৩৯৪.
'প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ' এই ঘোষণাটি বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখিত হয়েছে?
  1. ২৮
  2. ৪৪
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ০৭: সংবিধানের প্রাধান্য

১. প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ; এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হবে৷

২. জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সহিত অসমঞ্জস হয়, তাহলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হবে।
৩৯৫.
রীট কত প্রকার?
  1. ৪ প্রকার
  2. ৬ প্রকার
  3. ৩ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৫ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ প্রকার
ব্যাখ্যা
• রীট হলো এক ধরনের আইনি অধিকার যার মাধ্যমে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অধিকার লঙ্ঘিত হলে উক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান তার লঙ্ঘিত অধিকার  বাস্তবায়নের জন্য আদালতের নিকট প্রতিকার  চাইতে পারে। যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই প্রতিকার চাওয়া হয় তাকেই বলা হয় Writ (রীট)। বাংলাদেশের সংবিধানের ১০২ নাম্বার আর্টিকেল অনুযায়ী মোট পাঁচ ধরনের  Writ (রীট) সম্পর্কে  জানা যায়। সেগুলো হল-

ক. নিষেধাজ্ঞামূলক রীট (Writ of prohibition),
খ. হুকুমজারি রীট (Writ of Mandamus),
গ. উৎপ্রেষণমূলক রীট (Writ of Certiorari),
ঘ. বন্দী প্রদর্শন রীট (Writ of Habeas Corpus),
ঙ. কারণ দর্শাও রীট ( Writ of Quo warranto)।
৩৯৬.
বাংলাদেশ সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি কখন অধ্যাদেশ প্রণয়ন করতে পারেন?
  1. প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে
  2. সংসদের অধিবেশন চলাকালীন
  3. সংসদের অনুমোদন সাপেক্ষে
  4. সংসদ ভাঙ্গা অবস্থায় বা অধিবেশন ব্যতীত অন্য সময়ে
সঠিক উত্তর:
সংসদ ভাঙ্গা অবস্থায় বা অধিবেশন ব্যতীত অন্য সময়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংসদ ভাঙ্গা অবস্থায় বা অধিবেশন ব্যতীত অন্য সময়ে
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ প্রণয়ন করতে পারেন সংসদ ভাঙ্গা অবস্থায় বা সংসদের অধিবেশন চলাকালীন ব্যতীত অন্য সময়ে। এই ক্ষমতা প্রয়োগের জন্য নিম্নলিখিত শর্তাবলী পূরণ করতে হবে:
১. আশু ব্যবস্থাগ্রহণের প্রয়োজনীয়তা:
- রাষ্ট্রপতির নিকট আশু ব্যবস্থাগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান থাকতে হবে। অর্থাৎ, এমন একটি জরুরি পরিস্থিতি তৈরি হতে হবে যেখানে দ্রুত আইন প্রণয়নের প্রয়োজন হয়।
২. সংসদের অধিবেশন না চলা:
- এই ক্ষমতা শুধুমাত্র তখনই প্রয়োগ করা যাবে যখন সংসদের অধিবেশন চলছে না বা সংসদ ভেঙে দেওয়া হয়েছে। সংসদের অধিবেশন চলাকালীন রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ প্রণয়ন করতে পারেন না।
৩. অধ্যাদেশের বৈধতা:
- অধ্যাদেশ প্রণয়নের পর তা সংসদের প্রথম বৈঠকে উপস্থাপন করতে হবে। সংসদ যদি অধ্যাদেশটি অননুমোদন করে, তাহলে তা বাতিল হয়ে যাবে।
৪. সংবিধানের সীমাবদ্ধতা:
- রাষ্ট্রপতি এমন কোনো অধ্যাদেশ প্রণয়ন করতে পারবেন না, যা সংবিধানের বিধান লঙ্ঘন করে বা সংসদের আইন প্রণয়নের ক্ষমতার বাইরে যায়।

সুতরাং, রাষ্ট্রপতি সংসদ ভাঙ্গা অবস্থায় বা সংসদের অধিবেশন ব্যতীত অন্য সময়ে অধ্যাদেশ প্রণয়ন করতে পারেন। তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) সংসদ ভাঙ্গা অবস্থায় বা অধিবেশন ব্যতীত অন্য সময়ে।


⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ- অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা:
(১)সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় অথবা উহার অধিবেশনকাল ব্যতীত কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট আশু ব্যবস্থাগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে বলিয়া সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে তিনি উক্ত পরিস্থিতিতে যেরূপ প্রয়োজনীয় বলিয়া মনে করিবেন, সেইরূপ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করিতে পারিবেন এবং জারী হইবার সময় হইতে অনুরূপভাবে প্রণীত অধ্যাদেশ সংসদের আইনের ন্যায় ক্ষমতাসম্পন্ন হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার অধীন কোন অধ্যাদেশে এমন কোন বিধান করা হইবে না,
(ক) যাহা এই সংবিধানের অধীন সংসদের আইন-দ্বারা আইনসঙ্গতভাবে করা যায় না;
(খ) যাহাতে এই সংবিধানের কোন বিধান পরিবর্তিত বা রহিত হইয়া যায়; অথবা
(গ) যাহার দ্বারা পূর্বে প্রণীত কোন অধ্যাদেশের যে কোন বিধানকে অব্যাহতভাবে বলবৎ করা যায়।
(২) এই অনুচ্ছেদের (১) দফার অধীন প্রণীত কোন অধ্যাদেশ জারী হইবার পর অনুষ্ঠিত সংসদের প্রথম বৈঠকে তাহা উপস্থাপিত হইবে এবং ইতঃপূর্বে বাতিল না হইয়া থাকিলে অধ্যাদেশটি অনুরূপভাবে উপস্থাপনের পর ত্রিশ দিন অতিবাহিত হইলে কিংবা অনুরূপ মেয়াদ উত্তীর্ণ হইবার পূর্বে তাহা অননুমোদন করিয়া সংসদে প্রস্তাব গৃহীত হইলে অধ্যাদেশটির কার্যকরতা লোপ পাইবে।
(৩) সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থার কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট ব্যবস্থা-গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে বলিয়া সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে তিনি এমন অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করিতে পারিবেন, যাহাতে সংবিধান-দ্বারা সংযুক্ত তহবিলের উপর কোন ব্যয় দায়যুক্ত হউক বা না হউক, উক্ত তহবিল হইতে সেইরূপ ব্যয়নির্বাহের কর্তৃত্ব প্রদান করা যাইবে এবং অনুরূপভাবে প্রণীত কোন অধ্যাদেশ জারী হইবার সময় হইতে তাহা সংসদের আইনের ন্যায় ক্ষমতাসম্পন্ন হইবে।
(৪) এই অনুচ্ছেদের (৩) দফার অধীন জারীকৃত প্রত্যেক অধ্যাদেশ যথাশীঘ্র সংসদে উপস্থাপিত হইবে এবং সংসদ পুনর্গঠিত হইবার তারিখ হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে এই সংবিধানের ৮৭, ৮৯ ও ৯০ অনুচ্ছেদসমূহের বিধানাবলী প্রয়োজনীয় উপযোগীকরণসহ পালিত হইবে।
৩৯৭.
'Obiter Dictum' means-
  1. The decision
  2. Precedents
  3. Legal Principles
  4. A thing said by the way
সঠিক উত্তর:
A thing said by the way
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A thing said by the way
ব্যাখ্যা
• একটি Judgment -এর চারটি অংশ থাকে; যথা-
০১. A concise statement of fact;
০২. Point of determination or issue;
০৩. Reason behind the judgment;
০8. The decision thereon;

আদালতের Reasoning- কে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়:
i. Ratio decidendi;
ii. Obiter Dictum;

Obiter Dictum-
"A thing said by the way" অর্থাৎ মামলার রায়ের এমন অংশকে বোঝায়, যেটা মান্য করা বাধ্যতামূলক নয়; বরং বিচারক যেটা কথা প্রসঙ্গে বলে থাকেন। অর্থাৎ, রায় প্রদানের সময় বিচারক প্রসঙ্গক্রমে যে সব কথা বলেন, তাই Obiter Dictum এর binding force নেই তবে, persuasive value আছে।

Ratio decidendi-
সেই সব Legal Basis বা Legal Principles যেগুলোর উপর ভিত্তি করে আদালত রায় প্রদান করে। Precedent হিসেবে Ratio decidendi এর binding force আছে। নজির হিসেবে আদালত মানতে বাধ্য।
৩৯৮.
বাংলাদেশের সংবিধানের ১৭তম সংশোধনী কত সালে গৃহীত হয়?
  1. ২০১৬ সালে
  2. ২০১৭ সালে
  3. ২০১৮ সালে
  4. ২০১৯ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৮ সালে
ব্যাখ্যা

সপ্তদশ সংশোধনী, ২০১৮:
স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ১৭টি সংশোধনী আনা হয়েছে। ৮ জুলাই, ২০১৮ সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচনের বিধি আরও ২৫ বছর বহাল রাখার প্রস্তাব সংবলিত সংবিধানের সপ্তদশ সংশোধনী বিল পাস হয়েছে। সংসদের ৩৫০ জন সংসদ সদস্যের মধ্যে ২৯৮-০ ভোটে বিলটি পাস হয়। সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এ প্রস্তাব উত্থাপন করেন। ২৯ জুলাই, ২০১৮ এটি রাষ্ট্রপতির অনুমোদন পায়।

উল্লেখ্য,
নারীদের জন্য সংরক্ষিত ৫০টি আসনের ১০ বৎসরের মেয়াদ ২০১৯ সালের ২৪ই জানুয়ারী শেষ হয়। সপ্তদশ সংশোধনীর মাধ্যমে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনের মেয়াদ ২৫ বৎসর বাড়ানো হয়েছে। অর্থাৎ ১১তম সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হতে পরবর্তী ২৫ বৎসর পর্যন্ত নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনের মেয়াদ থাকবে।

৩৯৯.
সংবিধানের কোন ভাগে 'মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক' নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. সপ্তম ভাগে
  2. অষ্টম ভাগে
  3. নবম ভাগে
  4. দশম ভাগে
সঠিক উত্তর:
অষ্টম ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অষ্টম ভাগে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধানের ১১টি অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়সমূহ:
• প্রথম অধ্যায় - প্রজাতন্ত্র।
• দ্বিতীয় অধ্যায় - রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।
• তৃতীয় অধ্যায় - মৌলিক অধিকার।
• চতুর্থ অধ্যায় - নির্বাহী বিভাগ।
• পঞ্চম অধ্যায় - আইনসভা।
• ষষ্ঠ অধ্যায় - বিচার বিভাগ।
• সপ্তম অধ্যায় - নির্বাচন।
অষ্টম অধ্যায় - মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
• নবম অধ্যায় - বাংলাদেশের কর্মবিভাগ।
• নবম-ক ভাগ - জরুরী বিধানাবলী।
• দশম অধ্যায় - সংবিধানের সংশোধন।
• একাদশ অধ্যায় - বিবিধ।
৪০০.
বাংলাদেশের সংবিধানের অনুযায়ী, কোন বিচারক কত বছর বয়স পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকতে পারেন?
  1. ৬০ বছর
  2. ৬৫ বছর
  3. ৬৭ বছর
  4. ৬৮ বছর
সঠিক উত্তর:
৬৭ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৭ বছর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদের বিধান: বিচারকদের পদের মেয়াদ:
(১) এই অনুচ্ছেদের অন্যান্য বিধানাবলী সাপেক্ষে কোন বিচারক সাতষট্টি বৎসর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন।

(২) প্রমাণিত অসদাচরণ বা অসামর্থ্যের কারণে সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ গরিষ্ঠতার দ্বারা সমর্থিত সংসদের প্রস্তাবক্রমে প্রদত্ত রাষ্ট্রপতির আদেশ ব্যতীত কোন বিচারককে অপসারিত করা যাইবে না।

(৩) এই অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন প্রস্তাব সম্পর্কিত পদ্ধতি এবং কোন বিচারকের অসদাচরণ বা অসামর্থ্য সম্পর্কে তদন্ত ও প্রমাণের পদ্ধতি সংসদ আইনের দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করিতে পারিবেন।

(৪) কোন বিচারক রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ করিয়া স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন।