বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

নিরাপত্তা ও অন্যান্য চুক্তি এবং চুক্তি সংক্রান্ত সনদ

মোট প্রশ্ন১,৩৬৬এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নিরাপত্তা ও অন্যান্য চুক্তি এবং চুক্তি সংক্রান্ত সনদ

PrepBank · পাতা / ১৪ · ৬০১৭০০ / ১,৩৬৬

৬০১.
ম্যাগনা কার্টা কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১২১৫ সালে
  2. ১২১৪ সালে
  3. ১৮১৫ সালে
  4. ১২১২ সালে
সঠিক উত্তর:
১২১৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২১৫ সালে
ব্যাখ্যা

ম্যাগনা কার্টা:

⇒ ম্যাগনা কার্টা হল একটি মৌলিক দলিল যা ইংরেজ জনগণের জন্য নিশ্চিত স্বাধীনতার কথা বলে। এটি এমন অধিকার ঘোষণা করে যা ইংরেজি আইনের অংশ হয়ে উঠেছে এবং এখন প্রতিটি ইংরেজিভাষী দেশের সংবিধানের ভিত্তি।

⇒ ম্যাগনা কার্টা, যার ল্যাটিন ভাষায় অর্থ "মহান সনদ", রাজার ক্ষমতা সীমিত করার জন্য ইংরেজ ব্যারন (সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি) এবং গির্জার নেতারা তৈরি করেছিলেন। ১২১৫ সালে তারা অত্যাচারী রাজা জনকে এই সনদে সম্মত হতে বাধ্য করেছিলেন।

⇒ ম্যাগনা কার্টায় বলা হয়েছিল যে রাজাকে আইন মেনে চলতে হবে এবং কেবল নিজের ইচ্ছামতো শাসন করতে পারবেন না। এটি ছিল প্রথম নথিগুলির মধ্যে একটি যেখানে বলা হয়েছিল যে নাগরিকদের এই ধরনের অধিকার রয়েছে। আজ অনেকেই ম্যাগনা কার্টাকে ইউরোপের প্রথম লিখিত সংবিধান বলে মনে করেন।

⇒ রাজা জনের নিষ্ঠুরতা এবং লোভ শক্তিশালী সামন্ত সম্ভ্রান্ত ব্যক্তিবর্গ, গির্জার নেতা এবং জনগণকে তার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ করে। তিনি কর হিসেবে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করেন। রাজা যখন ফ্রান্সে এক ভয়াবহ যুদ্ধ চালাচ্ছিলেন, তখন ইংল্যান্ডের নেতৃস্থানীয় ব্যারনরা গোপনে মিলিত হন এবং তাকে তার প্রজাদের অধিকারের প্রতি সম্মান জানাতে বাধ্য করার শপথ নেন। জন ফিরে আসার পর, তারা তাকে একাধিক দাবি পেশ করেন।

⇒ জন দাবির কাছে নতি স্বীকার না করার জন্য সমর্থন সংগ্রহ করার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু তার প্রায় সকল অনুসারী তাকে ছেড়ে চলে যান। ব্যারন এবং বিশপদের প্রতিরোধ করতে এতটাই দুর্বল যে, অবশেষে তিনি টেমস নদীর দক্ষিণ তীরে, রানিমিড নামক একটি তৃণভূমিতে তাদের সাথে দেখা করেন। রাজা জন ১৫ জুন, ১২১৫ তারিখে ম্যাগনা কার্টায় তার সীলমোহর স্থাপন করেন।

⇒ এই দলিলটিতে ৬৩টি ধারা ছিল। যদিও এর বেশিরভাগ অংশই সামন্ততান্ত্রিক অধিকার এবং কর্তব্য নিয়ে আলোচনা করে, তবুও এতে গির্জা, বণিক এবং নগরবাসীর অধিকার রক্ষার বিধানও রয়েছে।

উৎস: বিট্রানিকা।

৬০২.
ম্যাসট্রিক্ট চুক্তি কার্যকর হয় কবে?
  1. ৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৯২
  2. ১ জানুয়ারি ১৯৯৩
  3. ১ অক্টোবর ১৯৯৩
  4. ১ নভেম্বর ১৯৯৩
সঠিক উত্তর:
১ নভেম্বর ১৯৯৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ নভেম্বর ১৯৯৩
ব্যাখ্যা
- ১৯৯২ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি নেদারল্যান্ডসের ম্যাসট্রিক্ট শহরে ইউরোপের ১২টি দেশ ম্যাসট্রিক্ট চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। চুক্তিটি ১৯৯৩ সালের ১ নভেম্বর থেকে কার্যকর হয়।
- ম্যাসট্রিক্ট চুক্তির মাধ্যমে ইউরোপিয়ান কমিউনিটির স্থলে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন গঠিত হয়। যার কারণে চুক্তিটি ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন চুক্তি নামে পরিচিত।
- ম্যাসট্রিক্ট চুক্তির ফলে ইউরো মুদ্রার চালুর পথ সুগম হয়।
(তথ্যসূত্র: ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ওয়েবসাইট)
৬০৩.
রাশিয়া সম্প্রতি কোন চুক্তি থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেয়?
  1. নিউ স্টার্ট চুক্তি
  2. উন্মুক্ত আকাশ চুক্তি
  3. প্যারিস জলবায়ু চুক্তি
  4. সল্ট-১ চুক্তি
সঠিক উত্তর:
উন্মুক্ত আকাশ চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উন্মুক্ত আকাশ চুক্তি
ব্যাখ্যা
- রাশিয়া গত ৭ জুন ২০২১ আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত আকাশ চুক্তি থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেয়।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গত ২২ নভেম্বর ২০২০ চুক্তিটি থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নিলে রাশিয়াও একই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
- স্নায়ুযুদ্ধ পরবর্তীতে সময়ে ১৯৯২ সালের ২৪ মার্চ ন্যাটো ও ওয়ারশ প্যাক্টভুক্ত দেশসমূহ নিজেদের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও বিশ্বাস প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে উন্মুক্ত আকাশ চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ২০০২ সালের ১ জানুয়ারি থেকে।
- ৩৫টি দেশ চুক্তিটিতে স্বাক্ষর এবং ৩৪টি দেশ চুক্তিটি অনুমোদন করেছে।
- চুক্তিটির অধীন দেশসমূহ পরস্পরকে নিজেদের ভূখণ্ডে নির্দিষ্ট সংখ্যক আনআর্মড পর্যবেক্ষণ ফ্লাইট পরিচালনার সুযোগ প্রদান করে থাকে। এতে করে দেশগুলোর একে অপরের সামরিক তৎপরতা ও কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণে সক্ষম হয়। এর মাধ্যমে দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও বিশ্বাস প্রতিষ্ঠা পাবে।
(তথ্যসূত্র: ডয়েচভেলে এবং এনটিআই ওয়েবসাইট)
৬০৪.
ভারত কত সালে প্রথম পারমানবিক বোমার সফল বিষ্ফোরণ ঘটায়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৪ সালে
  3. ১৯৯৭ সালে
  4. ১৯৮২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা
• ভারত পারমাণবিক শক্তি:
- ভারতের প্রথম সফল পারমাণবিক বোমা পরীক্ষার সাংকেতিক নাম ছিল ‘স্মাইলিং বুদ্ধ’।
- এটি ১৯৭৪ সালের ১৮ মে রাজস্থানের পোখরান-এ অনুষ্ঠিত হয়।
- পরীক্ষার মাধ্যমে ভারত ১৯৭৪ সালে পারমাণবিক শক্তির অধিকারী হয়। 
- সে সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন ইন্দিরা গান্ধী।

উল্লেখ্য,
- পারমাণবিক বোমার জনক: রবার্ট ওপেন হেইমার ।

উৎস:ব্রিটিনিকা
৬০৫.
স্থলমাইন মজুদ, উৎপাদন, হস্তান্তর ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করা কোন কনভেনশনের মাধ্যমে?
  1. বাসেল কনভেনশন
  2. ভিয়েনা কনভেনশন 
  3. অটোয়া কনভেনশন
  4. রামসার কনভেনশন
সঠিক উত্তর:
অটোয়া কনভেনশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অটোয়া কনভেনশন
ব্যাখ্যা

 • অটোয়া কনভেনশন
- স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি, যেটা অটোয়া কনভেনশন নামে পরিচিত, সেই চুক্তি অনুযায়ী কোন দেশের স্থলমাইন ব্যবহার, মজুদ, উৎপাদন, ও হস্তান্তর নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
- কানাডার অটোয়ায় ১৯৯৭ সালে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ।
- উদ্দেশ্য- স্থলমাইন মজুদ, উৎপাদন, হস্তান্তর ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করা।
- স্বাক্ষর করেনি- চীন, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, পাকিস্তান, ইরান, ইসরাইল।

উল্লেখ্য,
বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে: ৭ মে, ১৯৯৮ সালে এবং অনুমোদন করে ৬ সেপ্টেম্বর, ২০০০ সালে।

উৎস: United Nations Office for Disarmament Affairs (UNODA).

৬০৬.
GATT চুক্তির রাউন্ডগুলোর মধ্যে সর্বশেষ রাউন্ড কোনটি?
  1. জেনেভা রাউন্ড
  2. উরুগুয়ে রাউন্ড
  3. অ্যানেসি রাউন্ড
  4. টোকিও রাউন্ড
সঠিক উত্তর:
উরুগুয়ে রাউন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উরুগুয়ে রাউন্ড
ব্যাখ্যা

GATT চুক্তির রাউন্ড:
- ১৯৪৭ সাল থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত GATT চুক্তির দুর্বলতা ও সমস্যা সমাধানের জন্য মোট ৮টি রাউন্ড সম্পন্ন হয়।
- সেগুলো হলো:
1. Geneva Round,
2. Annecy Round,
3. Torquay Round,
4. Geneva II Round,
5. Dillon Round,
6. Kennedy Round,
7. Tokyo Round,
8. Uruguay Round.

উরুগুয়ে রাউন্ড:
- GATT চুক্তির রাউন্ডগুলোর মধ্যে সর্বশেষ রাউন্ড উরুগুয়ে রাউন্ড।
- GATT চুক্তির রাউন্ডগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ রাউন্ড হচ্ছে উরুগুয়ে রাউন্ড।
- এই রাউন্ড শুরু হয় ১৯৮৬ সালের সেপ্টেম্বরে।
- ১৫ এপ্রিল, ১৯৯৪ সালে উরুগুয়ে রাউন্ডের সমাপ্তির সময়ে GATT চুক্তি সংশোধনের মাধ্যমে।
- এই রাউন্ডের সংলাপ চলে দীর্ঘ ৮ বছর ধরে।
- এর ফলে নতুন আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংগঠন গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।
- যার ফলে ১৯৯৫ সালে জন্ম হয় World Trade Organization (WTO)-এর।

তথ্যসূত্র - WTO ওয়েবসাইট।

৬০৭.
পৃথিবীর প্রথম লিখিত সংবিধান কোনটি?
  1. ক) ম্যাগনাকার্টা
  2. খ) মদিনা সনদ
  3. গ) বিল অব রাইটস
  4. ঘ) জেনেভা কনভেনশন
সঠিক উত্তর:
খ) মদিনা সনদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মদিনা সনদ
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর প্রথম লিখিত সংবিধান হলো মদিনা সনদ।
মদিনা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে বসবাসকারী ইহুদী, খ্রিস্টান, পৌত্তলিক ও ‍মুসলমানদের মধ্যে সম্প্রীতির জন্যে হযরত ‍মুহাম্মদ (স.) ৬২২ খ্রিস্টাব্দে ‘মদিনা সনদ’ রচনা করেন। এতে ৪৭টি ধারা ছিলো।
(সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক ইসলামের ইতিহাস ১মপত্র : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৬০৮.
"Regional Comprehensive Economic Partnership" কোন আঞ্চলিক জোটের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি?
  1. ক) APEC
  2. খ) G7
  3. গ) ASEAN
  4. ঘ) OECD
সঠিক উত্তর:
গ) ASEAN
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ASEAN
ব্যাখ্যা
Regional Comprehensive Economic Partnership (RCEP) হল Association of Southeast Asian Nations (ASEAN) এর সদস্য রাষ্ট্র এবং এর মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA) অংশীদারদের মধ্যে একটি প্রস্তাবিত বাণিজ্য চুক্তি।

The Regional Comprehensive Economic Partnership (RCEP) হলো বিশ্বের বৃহত্তম আঞ্চলিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি। এটি ২০২০ সালের ১৫ নভেম্বর স্বাক্ষরিত হয় এবং ১ জানুয়ারি ২০২২ থেকে কার্যকর হয়।

RCEP চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী মোট দেশ ১৫টি।
এগুলো হলো:
- চীন
- জাপান
- দক্ষিণ কোরিয়া
- অস্ট্রেলিয়া
- নিউজিল্যান্ড
- ইন্দোনেশিয়া
- মালয়েশিয়া
- ভিয়েতনাম
- থাইল্যান্ড
- ফিলিপাইন
- ব্রুনাই
- সিঙ্গাপুর
- কম্বোডিয়া
- লাওস ও
- মিয়ানমার।

(তথ্যসূত্র: বিবিসি ওয়ার্ল্ড এবং আসিয়ান ওয়েবসাইট)
৬০৯.
সমাজতন্ত্রের আগ্রাসন থেকে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে রক্ষার জন্য নিচের কোন নিরাপত্তা চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিলো?
  1. CENTO
  2. CSTO
  3. SEATO
  4. SALT
সঠিক উত্তর:
CENTO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CENTO
ব্যাখ্যা
Central Treaty Organization (CENTO):
- CENTO - মধ্যপ্রাচ্যের একটি নিরাপত্তা চুক্তি। সমাজতন্ত্রের আগ্রাসন থেকে এই অঞ্চলের দেশগুলোকে রক্ষা করতে এই নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত এই সংস্থাটির জন্ম।
- ১৯৫৯ সালের আগে পর্যন্ত এই সংস্থাটি Middle East Treaty Organization নামে পরিচিত ছিল। বর্তমানে এটি একটি বিলুপ্ত সংস্থা।

- ১৯৫৯ সালের আগে পর্যন্ত এই সংস্থার সদস্য ছিল - ৫টি এবং তখন এর নাম ছিল - Middle East Treaty Organization। সদরদপ্তর ছিল - ইরাকের বাগদাদে। ইরাক ১৯৫৯ সাল সদস্যপদ প্রত্যাহার করে নেয়।
- ইরাক সদস্যপদ প্রত্যাহার করে নিলে সংস্থাটির নতুন নামকরণ করা হয় Central Treaty Organization (CENTO)। সদরদপ্তর বাগদাদ থেকে তুরস্কের আঙ্কারায় স্থানান্তর করা হয়।
- ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামী বিপ্লব সংঘটিত হয় এবং শাহ - এর পতনের পর দেশটি এই সংস্থা থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেয়। এর ফলে সংস্থাটি বিলুপ্ত হয়ে যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা ও হিস্টরি.কম
৬১০.
নিচের কোন দেশটি CTBT তে স্বাক্ষর করে কিন্তু অনুমোদন দেয়নি?
  1. উত্তর কোরিয়া
  2. মিশর
  3. ভারত
  4. পাকিস্তান
সঠিক উত্তর:
মিশর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিশর
ব্যাখ্যা

- CTBT তে স্বাক্ষর করে কিন্তু অনুমোদন দেয়নি মিশর।

CTBTO:
 
- পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (CTBT):
- পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty.
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৯৬ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর, নিউইয়র্কে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৮৭টি দেশ,
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৭৮টি দেশ।
- স্বাক্ষর করেনি: ভারত, পাকিস্তান, উত্তর কোরিয়া।
- স্বাক্ষর করে অনুমোদন দেয়নি: চীন, মিশর, ইরান, ইসরায়েল, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- বাংলাদেশ স্বাক্ষরকরে: ১৯৯৬ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর।

উল্লেখ্য
• CTBTO-এর মূল উদ্দেশ্য হলো:
- বিশ্বব্যাপী সব ধরনের পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধ করা।
- একটি বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে তোলা
- গোপন পারমাণবিক পরীক্ষা সনাক্ত করতে সক্ষম হওয়া
- বিশ্বব্যাপী শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা

উৎস: CTBTO ওয়েবসাইট।

৬১১.
কোনটি নিরস্ত্রীকরণের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়?
  1. SALT-I
  2. NATO
  3. NPT
  4. CTBT 
সঠিক উত্তর:
NATO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NATO
ব্যাখ্যা

কোনটি নিরস্ত্রীকরণের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়- NATO।

SALT:
- SALT-এর পূর্ণরূপ: Strategic Arms Limitation Talks।
- আলোচ্য বিষয়: কৌশলগত অস্ত্র সীমাবদ্ধতা।
- এই আলোচনা শুরু হয়েছিল ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিংকিতে।
- আলোচনার সময়: ১৯৬৯ সাল।
- পক্ষ: যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন।
- দুইটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় যা SALT-I ও SALT-II নামে পরিচিত।
- SALT-I চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল: ২৬ মে, ১৯৭২ সালে।
- SALT-II চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল: ১৮ জুন, ১৯৭৯ সালে।
- এই আলোচনার সূত্র ধরেই Anti-Ballistii Missile Treaty স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- এই চুক্তি অনুযায়ী কৌশলগত যত পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ যন্ত্র আছে, তা 'ফ্রিজ' করা হয়।
- এতে করে কোনো পক্ষ আর তার সংখ্যা বাড়াতে পারে না।
- এর মাধ্যমে আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যাও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়।

'NPT' চুক্তি:
- NPT-এর পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি।
- পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদক রাষ্ট্রের সংখ্যা ৯টি।
- রাষ্ট্রগুলো হলো: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, পাকিস্তান, উত্তর কোরিয়া ও ইসরায়েল।

CTBT:
- CTBT-এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৮৭টি।

অন্যদিকে,
NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ: North Atlantic Treaty Organisation.
- এটি উত্তর আটলান্টিক চুক্তির উপর ভিত্তি করে স্বাক্ষরিত একটি আন্তঃসরকারি সামরিক জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পশ্চিম ইউরোপে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি উপায় হিসেবে সংগঠনটি গঠিত হয়েছিল।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।

উৎস: i) Arms Control Association.
         ii) NATO ওয়েবসাইট।

৬১২.
বাংলাদেশ CTBT- তে স্বাক্ষর করে কত সালে? 
  1. ১৯৯২ সালে
  2. ১৯৯৭ সালে
  3. ১৯৯৬ সালে 
  4. ১৯৯০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৬ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৬ সালে 
ব্যাখ্যা

পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (CTBT):
- পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৯৬ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর, নিউইয়র্কে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৮৭টি দেশ,
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৭৮টি দেশ।
- স্বাক্ষর করেনি: ভারত, পাকিস্তান, উত্তর কোরিয়া।
- স্বাক্ষর করে অনুমোদন দেয়নি: চীন, মিশর, ইরান, ইসরায়েল, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- বাংলাদেশ স্বাক্ষরকরে: ১৯৯৬ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর।

উল্লেখ্য:
- চুক্তিটি কার্যকর হতে হলে Annex 2 দেশগুলোর মধ্যে ৪৪টি দেশকে স্বাক্ষর ও অনুমোদন দিতে হবে।
- এই দেশগুলোর মধ্যে ৯টি দেশ এখনও চুক্তি অনুমোদন করেনি।
- যার মধ্যে রাশিয়া ২০২৩ সালে তার অনুমোদন প্রত্যাহার করেছে।
- বর্তমানে, চুক্তিটি কার্যকর হয়নি কারণ প্রয়োজনীয় সংখ্যক দেশ অনুমোদন দেয়নি।

উৎস: CTBTO ওয়েবসাইট।

৬১৩.
দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তি কী উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিলো?
  1. ১ম বিশ্বযুদ্ধের অবসান
  2. ২য় বিশ্বযুদ্ধের অবসান
  3. যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার স্বীকৃতি
  4. ক্রিমিয়া যুদ্ধের অবসান
সঠিক উত্তর:
১ম বিশ্বযুদ্ধের অবসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ম বিশ্বযুদ্ধের অবসান
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তি:
- বিধ্বংসী প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অবসানের লক্ষ্যে ১৯১৯ সালের ২৮ জুন ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- স্থান: ফ্রান্সের ভার্সাই নগরী।
- পক্ষসমূহ: মিত্রশক্তি (ব্রিটেন, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, ইতালি, জাপান) এবং জার্মানি।
- এই চুক্তির জন্য জার্মানি ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য হয় এবং প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অবসান হয়।
- এই চুক্তিতে জার্মানিকে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

⇒ চুক্তির খসড়ার মূল নকশা করেন চারজন নেতা যারা ইতিহাসে বিগ ফোর হিসেবে খ্যাত।
▪ মিত্রপক্ষের তৎকালীন ৪টি দেশের নেতা যারা ইতিহাসে “বিগ ফোর” (Big Four) নামে পরিচিত, তারা হলেন:
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট - উড্রো উইলসন
- যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী - ডেভিড লয়েড জর্জ
- ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী - জর্জ ক্লেমেনসো ও
- ইতালির প্রধানমন্ত্রী - ভিটোরিও অরল্যান্ডো
• যদিও চুক্তির শর্ত নিয়ে উড্রো উইলসনের সাথে অন্যান্য নেতাদের মতবিরোধ ছিল।

⇒ দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তির দুইটি অংশ রয়েছে। যথা:
▪ চুক্তির প্রথম দফায় “Covenant of the League of Nations” স্বাক্ষরিত হয় যা জাতিপুঞ্জ গঠনের সনদ। এর ফলে জাতিপুঞ্জ গঠিত হয়। এতে জার্মানি স্বাক্ষর করে নি।
▪ চুক্তির দ্বিতীয় দফায় বিজয়ী মিত্রপক্ষ প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সকল দায়দায়িত্ব ও অনৈতিক কিছু শর্ত জার্মানির উপর চাপিয়ে দিয়ে তা স্বাক্ষরিত হয়। এতে জার্মানিকে যুদ্ধাপরাধী দেশ হিসাবে চিহ্নিত করা হয় এবং মিত্রপক্ষের দেশগুলো ক্ষতিপূরণ প্রদানে জার্মানিকে বাধ্য করে।
▪ উল্লেখ্য, ভার্সাই চুক্তিতে জার্মানির সাথে একতরফাভাবে অতিরিক্ত বৈষম্যমূলক আচরনের প্রেক্ষিতে চুক্তিটি মার্কিন কংগ্রেসে অনুমোদিত হয় নি। আর তাই যুক্তরাষ্ট্র জাতিপুঞ্জে যোগ দেয় নি। ১৯২৬ সালে জার্মানি জাতিপুঞ্জের সদস্য হয়।

⇒ প্রথম বিশ্বযুদ্ধ:
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূত্রপাত হয়েছিল ১৯১৪ সালের ২৮ জুন অস্ট্রিয়ার যুবরাজ আর্কডিউক ফার্ডিন্যাস্ড বসনিয়র রাজধানী সারায়েভোতে - আততায়ীর হাতে নিহত হবার ঘটনার মধ্য দিয়ে।
- যুদ্ধ শুরু হয়: ২৮ জুলাই, ১৯১৪ সালে।
- শেষ হয়: ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ সালে।

উৎস: History.com 
৬১৪.
'Vienna convention on diplomatic relations' কত সালে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৬০ সালে
  2. ১৯৬১ সালে
  3. ১৯৬২ সালে
  4. ১৯৬৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬১ সালে
ব্যাখ্যা
ভিয়েনা কনভেনশন:
- অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় সম্পন্ন হওয়া যেকোন চুক্তিই ভিয়েনা কনভেনশন হিসেবে পরিচিত হতে পারে।
- কূটনীতিকদের আচরণ বিষয়ে যে চুক্তিটি ১৯৬১ সালে জাতিসংঘের উদ্যোগে বিভিন্ন দেশের অংশগ্রহণে সই করা হয়েছিল সেটি ভিয়েনা কনভেনশন অন ডিপলোম্যাটিক রিলেশন হিসেবে পরিচিত।
- অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় হফবুর্গ প্যালেসে ১৯৬১ সালে ভিয়েনা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- এই চুক্তি কার্যকর হয় ১৯৬৪ সালে।
- এই কনভেনশনে মোট ৫৩টি আর্টিকেল বা ধারা রয়েছে।
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য ছিল কিছু নিয়ম-নীতি এবং সেগুলো অনুসরণের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক উন্নয়ন।
- সেসময় স্বাধীন দেশগুলো ওই চুক্তিতে সই করেছিল।

উৎস: UN ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
৬১৫.
কোন দুইটি দেশের দ্বন্দ্ব নিরসনে ১৯৭৩ সালের প্যারিস শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল? 
  1. চীন ও যুক্তরাজ্য
  2. উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া
  3. যুক্তরাষ্ট্র ও ভিয়েতনাম
  4. ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র ও ভিয়েতনাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র ও ভিয়েতনাম
ব্যাখ্যা

প্যারিস শান্তি চুক্তি:
- দীর্ঘ ভিয়েতনাম যুদ্ধের শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ভিয়েতনামের মধ্যে যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় সেটি প্যারিস শান্তি চুক্তি বা Paris Peace Accords নামে পরিচিত।
- আনুষ্ঠানিকভাবে "Agreement on Ending the War and Restoring Peace in Vietnam" নামে পরিচিত।
- চুক্তি স্বাক্ষরকাল: ২৭ জানুয়ারি, ১৯৭৩।
- স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- চুক্তির পক্ষসমূহ: যুক্তরাষ্ট্র, উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম।
- ফলাফল: ভিয়েতনাম যুদ্ধ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সৈন্য প্রত্যাহার এবং ভিয়েতনাম ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বন্দ্বের অবসান ঘটে।

উল্লেখ্য,
- প্যারিস শান্তি চুক্তির স্বাক্ষরের আগে ভিয়েতনামের কমিউনিস্ট পার্টির নেতা লি ডাক থো ও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে হেনরি কিসিঞ্জার আলোচনা করেন এবং চুক্তির খসড়া প্রণয়ন করেন। এর সূত্র ধরে দুই জনকেই ১৯৭৩ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদান করা হয়।

উৎস: Britannica.

৬১৬.
গঙ্গার পানি বন্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে কবে? 
  1. ২০২৫সালে
  2. ২০২৬ সালে
  3. ২০২৭ সালে
  4. ২০৩০ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২৬ সালে
ব্যাখ্যা

- ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি ১৯৯৬ সালে ৩০ বছরের জন্য স্বাক্ষরিত হয়।
- ২০২৬ সালের মধ্যে গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে।

• গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি:
- হিমালয়ের হিমবাহে উৎপন্ন গঙ্গা নদী।
- গঙ্গা নদী ভারতের উত্তর প্রদেশ, বিহার ও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশের গোয়ালন্দের কাছে ব্রহ্মপুত্র নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- গঙ্গা নদী বাংলাদেশে পদ্মা নামে অভিহিত।
- ভারত ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের প্রথম পরিকল্পনা করে ১৯৫১ সালে।
- এ অঞ্চলের পানিসম্পদের সুষম বন্টন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১৯ মার্চ তৎকালীন সরকার ও ভারতের - প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী একটি স্থায়ী যৌথ নদী কমিশন গঠনের উদ্দেশ্যে এক যৌথ ঘোষণায় স্বাক্ষর করেন।
- এ ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৭২ সালের নভেম্বরে একটি যৌথ নদী কমিশন গঠিত হয়।
- ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর নয়াদিল্লিতে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদি গঙ্গার পানি বন্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং প্রথম আলো।[লিঙ্ক]

৬১৭.
আন্তর্জাতিক নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক দ্বিপাক্ষিক চুক্তি (SALT-1) স্বাক্ষরিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৭০ সালে
  2. খ) ১৯৭২ সালে
  3. গ) ২০০২ সালে
  4. ঘ) ১৯৬৮ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
২৬ মে, ১৯৭২ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে আন্তর্জাতিক নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক দ্বিপাক্ষিক চুক্তি Strategic Arms Limitation Talk - 1 (SALT-1) স্বাক্ষরিত হয়।

• ১৮ জুন ১৯৭৯ সালে স্বাক্ষরিত হয় Strategic Arms Limitation Talk - 2 (SALT-2)।

• পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (Nuclear Non-Proliferation Treaty)। এই চুক্তিকে সংক্ষেপে বলা হয় NPT।
- ১ জুলাই ১৯৬৮ সালে স্বাক্ষরিত হয়।
- কার্যকর হয় ৫ই মার্চ ১৯৭০ সালে।

• Anti Ballistic Missile Treaty (ABM)- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৬ মে ১৯৭২ সালে।
- এই চুক্তির দুইটি পক্ষ ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন। ১৩ জুন ২০০২ সালে যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি থেকে নাম প্রত্যাহার করে।

তথ্যসূত্র:- সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
৬১৮.
সম্প্রতি, আলোচিত ‘হালাল কূটনীতি’ কোন দুই দেশের সাথে সংশ্লিষ্ট? (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. চীন- পাকিস্তান
  2. বাংলাদেশ- পাকিস্তান
  3. বাংলাদেশ- মালয়েশিয়া
  4. বাংলাদেশ- কাতার
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ- মালয়েশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ- মালয়েশিয়া
ব্যাখ্যা

হালাল কূটনীতি:
- ১২ আগস্ট, ২০২৫ বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া হালাল ইকোসিস্টেমের ক্ষেত্রে সহযোগিতার একটি নোট বিনিময় করে, যাকে কর্মকর্তারা ‘হালাল কূটনীতি’ হিসাবে উল্লেখ করেছেন। 
- দ্রুত সম্প্রসারণশীল বৈশ্বিক হালাল পণ্যের বাজার ধরার লক্ষ্যে হালাল শিল্পপার্ক নির্মাণে মালয়েশিয়ার সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ। 
- বর্তমানে বিশ্বব্যাপী হালাল পণ্যের বাজার ৩ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ২০৩০ সালের মধ্যে এটি ৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছাবে বলে অনুমান করা হচ্ছে।
- এই বাজারে মালয়েশিয়া এখনই অন্যতম বড় অংশীদার।  দেশটি ১৪টি হালাল শিল্প পার্ক পরিচালনা করছে এবং নিজস্ব মানদণ্ড অনুযায়ী পণ্য উৎপাদন ও রপতানিতে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে।

উল্লেখ্য,
- বর্তমানে বাংলাদেশে হালাল সার্টিফিকেশনের অনুমোদিত একমাত্র সংস্থা হলো ইসলামিক ফাউন্ডেশন। 
- এ পর্যন্ত মাত্র ১২৪টি প্রতিষ্ঠান হালাল সার্টিফিকেট পেয়েছে, যা বৈশ্বিক বাজারের তুলনায় খুবই কম।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন।

৬১৯.
'প্যারিস প্যাক্ট' কার্যকর হয় কত সালে?
  1. ১৯২৭ সালে
  2. ১৯২৯ সালে
  3. ১৯৩৪ সালে
  4. ১৯৩৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯২৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯২৯ সালে
ব্যাখ্যা
প্যারিস প্যাক্ট (Paris Pact):
- প্যারিস প্যাক্ট প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতার থেকে মানুষ আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগ সম্পর্কে সচেতন হয়।
- এই চুক্তির ফলে যুদ্ধ এড়াতে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগ নিষিদ্ধ করা হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৯২৮ সালের ২৭ আগস্ট।
- কার্যকর হয়: ২৪ জুলাই, ১৯২৯ সালে।
- এই চুক্তির অন্যনাম Kellogg - Briand Pact.
- তৎকালীন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী Frank B. Kellogg
- ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী Aristide Briand আলোচনার মাধ্যমে এই চুক্তির খসড়া তৈরি করেন।

উৎস: History.com. 
৬২০.
হেলসিঙ্কি চুক্তি কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৪৫ সালে
  2. ১৯৪৮ সালে
  3. ১৯৭৫ সালে
  4. ১৬৪৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা
হেলসিঙ্কি চুক্তি (Helsinki Accords):
- ১৯৭৫ সালে স্বাক্ষরিত এই চুক্তিটি ইউরোপে নিরাপত্তা, শান্তি এবং মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
- এটি ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে নিরাপত্তা ও সহযোগিতা সংক্রান্ত সম্মেলনের (Conference on Security and Cooperation in Europe - CSCE) অংশ ছিল।

চুক্তির মূল বিষয়:
- সীমান্ত অখণ্ডতা বজায় রাখা।
- মানবাধিকার এবং মৌলিক স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধা।
- অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ।
- অর্থনৈতিক, বৈজ্ঞানিক, এবং পরিবেশগত সহযোগিতা।

উৎস: OSCE Official Site
Helsinki Final Act
৬২১.
জেনেভা কনভেনশনে কয়টি প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
• জেনেভা কনভেনশন - ১৯৪৯ (Geneva Convention)
- ১৯৪৯ সালের ১২ আগস্ট সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় 'জেনেভা কনভেনশন' স্বাক্ষর হয়।
- এর আওতায় স্বাক্ষরিত চুক্তির সংখ্যা - ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল
- যুদ্ধকালীন সামরিক, বেসামরিক ও স্বেচ্ছাসেবীদের রক্ষার জন্য এতে চারটি রক্ষাকবচ/চুক্তি থাকায় এই চুক্তিকে "চারটি রেডক্রস কনভেনশন” বলা হয়।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও রেডক্রস। 
৬২২.
জেনেভা কনভেনশন এর আওতায় রয়েছে-
  1. ৪টি প্রথম কনভেনশন ও ৩টি প্রটোকল
  2. ৪টি প্রথম কনভেনশন ও ৪টি প্রটোকল
  3. ৩টি প্রথম কনভেনশন ও ৪টি প্রটোকল
  4. ৫টি প্রথম কনভেনশন ও ৩টি প্রটোকল
সঠিক উত্তর:
৪টি প্রথম কনভেনশন ও ৩টি প্রটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি প্রথম কনভেনশন ও ৩টি প্রটোকল
ব্যাখ্যা

• জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

• মূল জেনেভা কনভেনশনগুলো:
১. প্রথম কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ কনভেনশন (১৯৪৯): সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।

⇒ প্রটোকলসমূহ:
• প্রটোকল:
- ১৯৭৭ সালে; ১; আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি রক্ষার্থে গৃহীত হয়।
• প্রটোকল: ২;
- ১৯৭৭ সালে; অ-আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিবর্গকে রক্ষার সাথে সম্পর্ক।
• প্রটোকল: ৩;
- ২০০৫ সালে; অতিরিক্ত স্বাতন্ত্র্যসূচক প্রতীক পরিগ্রহ করা সংক্রান্ত বিষয়ে গৃহীত হয়।

উৎস: INTERNATIONAL COMMITTEE OF THE RED CROSS.

৬২৩.
জাতিসংঘ কর্তৃক ঘোষিত সার্বজনীন মানবাধিকারের ধারা কয়টি?
  1. ৩২টি
  2. ২৮টি
  3. ৩০টি
  4. ১৪টি
সঠিক উত্তর:
৩০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০টি
ব্যাখ্যা
• জাতিসংঘ কর্তৃক ঘোষিত সার্বজনীন মানবাধিকারের ধারা ৩০টি। 

• ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ কর্তৃক ফ্রান্সের প্যারিসে সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণাপত্র গৃহিত হয়।
- এই ঘোষণাপত্রে মোট ৩০টি ধারা বা আর্টিকল রয়েছে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের দিন ১০ ডিসেম্বরকে প্রতিবছর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

সূত্র:- জাতিসংঘের ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা।
৬২৪.
পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধে নিচের কোন চুক্তিটি করা হয়?
  1. NPT
  2. CTBT
  3. CWC
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
NPT
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NPT
ব্যাখ্যা
পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (NPT):
- NPT হলো পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধে একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- মূল উদ্দেশ্য পরমাণু অস্ত্র এবং এর প্রযুক্তি ছড়িয়ে পড়া রোধ করা, শান্তিপূর্ণ পরমাণু শক্তি ব্যবহারে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা এবং পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ ও সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের লক্ষ্য অর্জন করা।
- স্বাক্ষর: ১৯৬৮ সাল।
- কার্যকর হয়: ১৯৭০ সাল।
- ১১ মে ১৯৯৫ সালে চুক্তিটি অনির্দিষ্ট মেয়াদে সম্প্রসারিত করা হয়।
- বর্তমানে ১৯১টি দেশ এই চুক্তিতে যুক্ত।
- তবে এর বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে, বিশেষত কিছু দেশ চুক্তির বাইরে থাকায় এবং পর্যালোচনা সম্মেলনে ঐকমত্যে পৌঁছাতে না পারার কারণে।

এছাড়া,
- CTBT হল একটি বহুপাক্ষিক চুক্তি যা পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা বিস্ফোরণ এবং অন্য যেকোনো পারমাণবিক বিস্ফোরণ নিষিদ্ধ করে।
- রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন (CWC) একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা যুদ্ধে রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার নিষিদ্ধ করে এবং এই ধরনের অস্ত্রের সমস্ত উন্নয়ন, উৎপাদন, অধিগ্রহণ, মজুদ বা স্থানান্তর নিষিদ্ধ করে।

উৎস: United Nations Office for Disarmament Affairs
৬২৫.
পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি কার্যকর হয় কত সালে?
  1. ১৯৬৮ সালে
  2. ১৯৬৯ সালে
  3. ১৯৭০ সালে
  4. ১৯৭১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭০ সালে
ব্যাখ্যা
'NPT' চুক্তি:
- NPT-এর পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি। (ডিসেম্বর, ২০২৪)

উল্লেখ্য,
- পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদক মোট রাষ্ট্রের সংখ্যা ৫টি।
- রাষ্ট্রগুলো হলো: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

⇒ এর মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে NPT দ্বারা পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হিসাবে স্বীকৃত রাষ্ট্র (NWS) হলো ৫টি।
- চুক্তিটি এই দেশগুলির পারমাণবিক অস্ত্রাগারকে স্বীকৃতি দেয়।
- কিন্তু NPT-এর ৬ অনুচ্ছেদের অধীনে তাদের চিরস্থায়ীভাবে এই ধরনের অস্ত্র তৈরি এবং বজায় রাখার উল্লেখ নেই।

অন্যদিকে,
⇒ ভারত, পাকিস্তান এবং ইসরায়েল কখনই NPT-এ যোগ দেয়নি।
- কিন্তু দেশগুলি পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী বলে পরিচিত।

⇒ উত্তর কোরিয়া একটি অ-পারমাণবিক অস্ত্র রাষ্ট্র হিসাবে NPT-এ যোগদান করেছিল।
- কিন্তু ২০০৩ সালে NPT থেকে প্রত্যাহারের ঘোষণা করেছিল।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশ পারমানবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তিতে (NPT) স্বাক্ষর করে: ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৯ সালে।

তথ্যসূত্র - Arms Control Association ওয়েবসাইট & UNODA ওয়েবসাইট।
৬২৬.
বসনিয়া সংকট সমাধানে ডেটন চুক্তি স্বাক্ষরে মধ্যস্থতা করেন কে?
  1. জিমি কার্টার
  2. বিল ক্লিনটন
  3. জর্জ ডব্লিউ বুশ
  4. ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট
সঠিক উত্তর:
বিল ক্লিনটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিল ক্লিনটন
ব্যাখ্যা
১৯৯৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর ফ্রান্সের প্যারিসে বসনিয়া সংকট সমাধানের জন্য বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়ার মধ্যে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় যা ডেটন চুক্তি নামে পরিচিত।
এই চুক্তি স্বাক্ষরে মধ্যস্থতা করেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন। প্যারিসে আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরের পূর্বে যুক্তরাষ্ট্রের ওহিও অঙ্গরাজ্যের ডেটন বিমানঘাটিতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো ঐকমত্যে পৌঁছে।
(সূত্রঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার এবং ওয়াশিংটন পোস্ট)
৬২৭.
Who signed the Shimla Agreement?
  1. Lal Bahadur Shastri and Zulfikar Ali Bhutto
  2. Rajiv Gandhi and Benazir Bhutto
  3. Indira Gandhi and Ayub Khan
  4. Indira Gandhi and Zulfiqar Ali Bhutto
  5. All of the above
সঠিক উত্তর:
Indira Gandhi and Zulfiqar Ali Bhutto
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Indira Gandhi and Zulfiqar Ali Bhutto
ব্যাখ্যা
সিমলা চুক্তি:
- ১৯৭১ সালে ভারত - পাকিস্তানের মধ্যে সংঘটিত যুদ্ধ (বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে) পরবর্তী সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে এবং যুদ্ধবন্দীদের হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে সিমলা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ - ২ জুলাই, ১৯৭২ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান - সিমলা, হিমাচল প্রদেশ, ভারত।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী পক্ষ - ভারত ও পাকিস্তান।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী - ভারতের পক্ষে - প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী এবং পাকিস্তানের পক্ষে প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলী ভুট্টো।
- চুক্তির লক্ষ্য - ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ বিষয়াবলীর শান্তিপূর্ণ সমাধান, বন্ধুত্বপূর্ণ পারস্পারিক সহাবস্তান, যুদ্ধবন্দী বিনিময়, লাইন অব কন্ট্রোলকে বিরোধপূর্ণ কাস্মীরের সীমানা হিসাবে পুনঃনির্ধারণ ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা এবং হিস্টরি.কম।
৬২৮.
কোন দুইটি দেশের মধ্যে আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. চীন ও রাশিয়া
  2. যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য
  3. ইরাক-ইরান
  4. জার্মানি ও পোল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ইরাক-ইরান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরাক-ইরান
ব্যাখ্যা

আলজিয়ার্স চুক্তি:
- এই চুক্তিটি একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- ইরাক-ইরান দুই দেশের মধ্যে আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৭৫ সালে।
- অনুমোদিত হয়: ১৯৭৬ সালে।
- মধ্যস্থতাকারী দেশ: আলজেরিয়া।
- স্বাক্ষরের স্থান: আলজিয়ার্স, আলজেরিয়া।
- ইরানের পক্ষে শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভী এবং ইরাকের পক্ষে ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
- ইরাক কর্তৃক ইরান আক্রমনের মধ্য দিয়ে ১৭ সেপ্টেম্বর,১৯৮০ সালে চুক্তিটি অকার্যকর হয়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & History.com

৬২৯.
দ্বিতীয় জেনেভা কনভেনশনে কোন লোকদের সুরক্ষার কথা বলা হয়?
  1. চিকিৎসা জাহাজ ও চিকিৎসা কর্মী
  2. যুদ্ধবন্ধীদের সাথে মানবিক আচরণ
  3. যুদ্ধাহত ও অসুস্থ বেসামরিক নাগরিক
  4. যুদ্ধবন্ধীদের উপযুক্ত আবাসন
সঠিক উত্তর:
চিকিৎসা জাহাজ ও চিকিৎসা কর্মী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিকিৎসা জাহাজ ও চিকিৎসা কর্মী
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় জেনেভা কনভেনশন (১৯০৬)/সংশোধন-১৯৪৯
• যে সব লোকদের সুরক্ষার কথা বলা হয়েছে -
• সমুদ্রে যুদ্ধাহত ও অসুস্থ সৈন্য।
• ধ্বংসপ্রাপ্ত জাহাজের সৈন্য ।
• চিকিৎসা জাহাজ ও চিকিৎসা কর্মী।
Article -2: Hospital ships cannot be used for any military purpose.

উৎস: রেডক্রস ওয়েবসাইট (লিংক)।
৬৩০.
১৯৪৫ সালের ২৬ জুন সানফ্রান্সিসকো কনফারেন্সে কতটি দেশ জাতিসংঘ সনদে স্বাক্ষর করেছিলো?
  1. ক) ৩২টি
  2. খ) ৪৮টি
  3. গ) ৫০টি
  4. ঘ) ৫১টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৫০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৫০টি
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৫ সালের ২৬শে জুন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে ৫০টি দেশ জাতিসংঘ সনদে স্বাক্ষর করেছিলো।
- ৫১তম দেশ হিসেবে পোল্যান্ড একই বছরের ১৫ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদে স্বাক্ষর করে।
- ২৪ অক্টোবর ১৯৪৫ জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ আত্মপ্রকাশ করে।
- এর সদরদপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে অবস্থিত।
(সূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
৬৩১.
কার্টাগেনা প্রটোকলের বিষয়বস্তু কী?
  1. রাসায়নিক ক্ষতিকর পদার্থ সীমিতকরণ
  2. ক্ষতিকর বর্জ্য চলাচল বিষয়ক
  3. জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা বিষয়ক
  4. ওজোন স্তরের সুরক্ষা
সঠিক উত্তর:
জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা বিষয়ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা বিষয়ক
ব্যাখ্যা
কার্টাগেনা প্রটোকল
- জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক একটি চুক্তি কার্টাগেনা প্রটোকল ।
- ১৯৯৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে কলবিম্বয়ার কার্টাগেনা শহরে জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক চুক্তিটির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- পরবর্তীতে ২০০০ সালের ২৪ থেকে ২৯ জানুয়ারি চুক্তিটির খসড়া চূড়ান্ত করা হয় এবং ২৯ জানুয়ারি চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। 

পরিবেশ বিষয়ক বিভিন্ন চুক্তির বিষয়বস্তু

• মন্ট্রিল প্রটোকল -  ওজোন স্তরের ক্ষতিকর রাসায়নিক ক্ষতিকর পদার্থ সীমিতকরণ।
• ভিয়েনা কনভেনশন - ওজোন স্তরের সুরক্ষা।
• কিয়েটো প্রটোকল -  গ্রিণ হাউস গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস ও বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধ।
• বাসেল কনভেনশন - ক্ষতিকর বর্জ্য চলাচল বিষয়ক
• কার্টাগেনা প্রটোকল -  জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা বিষয়ক। 

Source: Britannica.com. 
৬৩২.
'নিউ স্টার্ট চুক্তি' স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছেন কে?
  1. শি চিনফিং
  2. জো বাইডেন
  3. ভ্লাদিমির পুতিন
  4. ঋষি সুনাক
সঠিক উত্তর:
ভ্লাদিমির পুতিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভ্লাদিমির পুতিন
ব্যাখ্যা
New START চুক্তি:
- যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার নিউ স্টার্ট চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- স্বাক্ষরিত হয়েছিল: ২০১০ সালে।
- চুক্তি কার্যকর হয়েছিল: ২০১১ সালে।
- স্বাক্ষর করেছিলেন দুই দেশের সে সময়ের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও দিমিত্রি মেদভেদেভ।
- মস্কো ও ওয়াশিংটন মোট কতসংখ্যক কৌশলগত - পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন করতে পারবে, তার সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারিত করে দিয়েছিল এই চুক্তি।
- চুক্তি অনুযায়ী, উভয় দেশের সর্বোচ্চ ১ হাজার ৫৫০টি - পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েনের সুযোগ ছিল।

উল্লেখ্য,
- ২০২৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি 'নিউ স্টার্ট চুক্তি' স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

উৎস: ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, প্রথম আলো। 
৬৩৩.
কোন কোন দেশসমূহের মধ্যে ডেটন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. বসনিয়া-ক্রোয়েশিয়া-ইন্দোনেশিয়া
  2. বসনিয়া-ক্রোয়েশিয়া-সার্বিয়া
  3. ফ্রান্স-বসনিয়া-সার্বিয়া
  4. রাশিয়া-সার্বিয়া-ক্রোয়েশিয়া
সঠিক উত্তর:
বসনিয়া-ক্রোয়েশিয়া-সার্বিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বসনিয়া-ক্রোয়েশিয়া-সার্বিয়া
ব্যাখ্যা
ডেটন চুক্তি:
- ডেটন চুক্তির পূর্ণরূপ: The General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina.
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির পরাজয়ের পর নব্বইয়ের দশকের গোড়ার দিকে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার যুদ্ধ ছিল সবচেয়ে ভয়ংকর।
- এই যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটেছিল এক ‘অসম’ শান্তিচুক্তির হাত ধরে।
- ১৯৯৫ সালের ২১ নভেম্বর সই হয় ‘জেনারেল ফ্রেমওয়ার্ক অ্যাগ্রিমেন্ট ফর পিস’ শীর্ষক সেই শান্তিচুক্তি, যা ‘ডেটন চুক্তি’ নামে পরিচিত।
- চুক্তিতে বলা হয়, চুক্তি সইকারী পক্ষগুলো পরস্পরকে স্বীকৃতি দেবে, জাতিগত ঐক্য বজায় রাখবে, একে অপরের সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকবে এবং শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নে সবাই মধ্যস্থতা করবে।
- প্রক্রিয়াটির নেতৃত্বে ছিলেন প্রধান মার্কিন শান্তি আলোচনাকারী রিচার্ড হলব্রুক।

উল্লেখ্য,
- পক্ষসমূহ: বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনা, ক্রোয়েশিয়া, সার্বিয়া
- চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী: ক্রোয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট ফ্রানজো তুজমান, সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট স্লোবোদান মিলোসেভিচ (যাঁকে পরে হেগে ‘যুদ্ধাপরাধী’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল) এবং বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার প্রেসিডেন্ট এলিজা আইজেবগোভিচ।
- মধ্যস্থতাকারী: তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।
- উদ্দেশ্য: সার্বিয়া ও বসনিয়া-হার্জেগোভিনা সমস্যার সমাধান।

উৎস: i) OSCE.org.
ii) Britannica.
৬৩৪.
রাশিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কখন স্টার্ট-২ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. ৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩ সালে
  2. ৩ জানুয়ারি, ১৯৯৪ সালে
  3. ৭ জানুয়ারি, ১৯৯৬ সালে
  4. ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯১ সালে
সঠিক উত্তর:
৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩ সালে
ব্যাখ্যা
• স্টার্ট-২ চুক্তি:
→ স্বাক্ষরিত হয়- ৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩ সালে।
→ স্বাক্ষরকারী দেশ- রাশিয়া এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
→ উদ্দেশ্য- দুরপাল্লার পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র ১০ বছরের মধ্যে দু-তৃতীয়াংশ হ্রাস করা।

তথ্যসূত্র: Britannica.com
৬৩৫.
শেনজেন (Schengen) চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কোথায়?
  1. লুক্সেমবার্গে
  2. ডেনমার্কে
  3. বেলজিয়ামে
  4. হাঙ্গেরিতে
সঠিক উত্তর:
লুক্সেমবার্গে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লুক্সেমবার্গে
ব্যাখ্যা
• শেনজেন চুক্তি
- শেনজেন চুক্তি হলো অবাধ চলাচল সংক্রান্ত একটি চুক্তি
- যা ১৯৮৫ সালের ১৪ জুন লুক্সেমবার্গের শেনজেন শহরে স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ১৯৯৫ সালের ২৬ মার্চ।
- এর উদ্দেশ্য ইউরোপকে জুড়ে ভিসা ও সীমানামুক্ত করে অবাধ চলাচল নিশ্চিত করা।
- বর্তমানে ইউরোপের ২৬টি দেশ শেনজেন এলাকার অন্তর্ভুক্ত। 

সূত্র: শেনজেন ভিসা ইনফো ওয়েবসাইট (লিংক) ।
৬৩৬.
জাপান ও রাশিয়ার মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ কোনটি?
  1. মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ
  2. শাখালিন দ্বীপপুঞ্জ
  3. দিয়াগো গার্সিয়া
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
শাখালিন দ্বীপপুঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাখালিন দ্বীপপুঞ্জ
ব্যাখ্যা
শাখালিন দ্বীপপুঞ্জ:
- শাখালিন দ্বীপপুঞ্জ উত্তর-পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে, রাশিয়ার সাখালিন ওবলাস্ট প্রদেশে অবস্থিত।
- এটি জাপানের উত্তর-পূর্বের হোক্কাইডো দ্বীপের কাছাকাছি এবং রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডের পূর্বে অবস্থিত।
- রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ হচ্ছে এই শাখালিন দ্বীপপুঞ্জ।
- ১৯০৫ সালের রুশ-জাপান যুদ্ধের পরে দ্বীপটির দক্ষিণাংশ জাপানের নিয়ন্ত্রণে ছিল, কিন্তু ১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষে পুরো দ্বীপটি রাশিয়ার অধীনে চলে যায়।

তথ্যসূত্র - ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।
৬৩৭.
অটোয়া চুক্তি কার্যকর হয় কত সালে?
  1. ১৯৮৭ সালে
  2. ১৯৯১ সালে
  3. ১৯৯৯ সালে
  4. ২০০২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা
অটোয়া চুক্তি:
- এটি স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক চুক্তি।
- চুক্তিটি Anti-Personnel Landmines Convention নামে পরিচিত।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান: অটোয়া, কানাডা।
- কার্যকর হয়: ১ মার্চ ১৯৯৯ সালে।
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৬৪টি।
- সব ধরনের স্থলমাইন ব্যবহার, উৎপাদন, মজুদ, নিষিদ্ধকরণ এবং ধ্বংস করা হলো এই চুক্তির উদ্দেশ্য।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ৭ মে, ১৯৯৮ সালে চুক্তিটি স্বাক্ষর করে এবং ৬ সেপ্টেম্বর, ২০০০ সালে তা অনুমোদন করে।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৬৩৮.
ডেটন চুক্তি স্বাক্ষরে মধ্যস্থতা করেন কে?
  1. জর্জ ডব্লিউ বুশ
  2. বিল ক্লিনটন
  3. বারাক ওবামা
  4. রোনাল্ড রিগান
সঠিক উত্তর:
বিল ক্লিনটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিল ক্লিনটন
ব্যাখ্যা

• ডেটন চুক্তি:
• ১৯৯৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর ফ্রান্সের প্যারিসে বসনিয়া সংকট সমাধানের জন্য বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়ার প্যারিসে আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরের পূর্বে যুক্তরাষ্ট্রের ওহিও অঙ্গরাজ্যের ডেটন শহরের প্যাটারসন বিমানঘাটিতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো চুক্তির ব্যাপারে ঐকমত্যে পৌঁছায়। যার কারণে চুক্তিটি 'ডেটন চুক্তি' নামে পরিচিত।
• মধ্যে স্বাক্ষরিত শান্তি চুক্তি 'ডেটন চুক্তি' নামে পরিচিত।
• এই চুক্তি স্বাক্ষরে মধ্যস্থতা করেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৬৩৯.
বাংলাদেশ সিটিবিটি বা সমন্বিত পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি অনুমােদন করে-
  1. ক) ১৯১১ সালে
  2. খ) ১৯৯৬ সালে
  3. গ) ১৯৯৭ সালে
  4. ঘ) ২০০০ সালে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০০০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০০০ সালে
ব্যাখ্যা

সিটিবিটি বা সমন্বিত পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তিঃ
স্বাক্ষরের জন্যে উন্মুক্ত করা হয়- ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬ সাল।
চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে- ১৮৪টি দেশ।
চুক্তিটি অনুমােদন করেছে- ১৬৮টি দেশ।

- এতে ভারত, পাকিস্তান ও উত্তর কোরিয়া, সৌদি আরব, সিরিয়া, কিউবা সহ ১২টি দেশ স্বাক্ষর করেনি।
- অন্যদিকে চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল সহ ১৬ টি দেশ স্বাক্ষর করলেও অনুমােদন কনেনি।
- বাংলাদেশ ২৪ অক্টোবর, ১৯৯৬ সালে সিটিবিটি চুক্তি স্বাক্ষর এবং ৮ মার্চ, ২০০০ সালে চুক্তিটি অনুমোদন করে।

উৎসঃ সিটিবিটি ওয়েবসাইট ও লাইভ এমসিকিউ লেকচার।

৬৪০.
কার্বন ট্রেডের ধারণা দেয় কোন প্রটোকল?
  1. ক) মন্ট্রিল প্রটোকল
  2. খ) ম্যাগনাকার্টা প্রটোকল
  3. গ) কার্টাগেনা প্রটোকল
  4. ঘ) কিয়োটা প্রটোকল
সঠিক উত্তর:
ঘ) কিয়োটা প্রটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কিয়োটা প্রটোকল
ব্যাখ্যা

কার্বন ট্রেডের ধারণা দেয় কিয়োটা প্রটোকল ।
- বায়ুবায়ুমন্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইড কমানোর জন্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে একটি ক্রেডিট বিনিময়ের নাম কার্বন বাণিজ্য ।
-কিয়োটো প্রোটোকল একটি বহুরাষ্ট্রীয় আন্তর্জাতিক চুক্তি যা এই চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্রগুলিকে গ্রীনহাউজ গ্যাস নির্গমন হ্রাসের জন্য দায়বদ্ধ করে।
- ১৯৯৭ খ্রিষ্টাব্দের ১১ই ডিসেম্বর জাপানের কিয়োটো শহরে এই চুক্তি প্রথম গৃহীত হয় এবং ২০০৫ খ্রিষ্টাব্দের ১৬ই ফেব্রুয়ারি প্রথম কার্যকর হয়।

সূত্র: Britannica.com

৬৪১.
ভারত প্রথম পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা করেছিল কবে?
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৮২ সালে
  3. ২০০১ সালে
  4. ১৯৮৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা
ভারতের পারমাণবিক পরীক্ষা: 
- তারিখ: ১৮ মে, ১৯৭৪ সালে।
- স্থান: পোখরান টেস্টিং সাইট, রাজস্থান।
- সরকারি দাবি: শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে (যেমন: মাটি সরানো, খননকাজ, খাল খনন)।
- বাস্তবতা: ১৯৯৭ সালে দলের প্রধান রাজা রামান্না স্বীকার করেন যে এটি আসলে একটি অস্ত্র পরীক্ষা ছিল।

• দ্বিতীয় বড় পরীক্ষা (১৯৯৮): 
- সময়: মে ১৯৯৮, একই পোখরান সাইটে।
- পরীক্ষার সংখ্যা: ৫টি পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা।
- ফলাফল: ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেকে পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্র ঘোষণা করে।

উৎস: Arms control Association.[Link]
৬৪২.
'সিমলা চুক্তি' কোন ধরনের চুক্তি ছিল?
  1. শর্তহীন অস্ত্রবিরতি চুক্তি
  2. নিরাপত্তা সহযোগিতা চুক্তি
  3. আঞ্চলিক বাণিজ্য চুক্তি
  4. শান্তি ও সম্পর্ক উন্নয়ন চুক্তি
সঠিক উত্তর:
শান্তি ও সম্পর্ক উন্নয়ন চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শান্তি ও সম্পর্ক উন্নয়ন চুক্তি
ব্যাখ্যা
• সিমলা চুক্তি (Simla Agreement):
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে ভারত - পাকিস্তানের মধ্যে পরবর্তী সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে এবং যুদ্ধবন্দীদের হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে সিমলা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ - ২ জুলাই, ১৯৭২ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান - সিমলা, হিমাচল প্রদেশ, ভারত।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী পক্ষ - ভারত ও পাকিস্তান।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী - ভারতের পক্ষে - প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী এবং পাকিস্তানের পক্ষে প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলী ভুট্টো।
- চুক্তির লক্ষ্য - ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ বিষয়াবলীর শান্তিপূর্ণ সমাধান, বন্ধুত্বপূর্ণ পারস্পারিক সহাবস্তান, যুদ্ধবন্দী বিনিময়, লাইন অব কন্ট্রোলকে বিরোধপূর্ণ কাস্মীরের সীমানা হিসাবে পুনঃনির্ধারণ ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা এবং হিস্টরি.কম।
৬৪৩.
'প্যারিস প্যাক্ট' কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯২৭ সালে
  2. ১৯২৮ সালে
  3. ১৯২৯ সালে
  4. ১৯৩০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯২৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯২৮ সালে
ব্যাখ্যা
প্যারিস প্যাক্ট (Paris Pact):
- প্যারিস প্যাক্ট প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতার থেকে মানুষ আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগ সম্পর্কে সচেতন হয়।
- এই চুক্তির ফলে যুদ্ধ এড়াতে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগ নিষিদ্ধ করা হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৯২৮ সালের ২৭ আগস্ট।
- কার্যকর হয়: ২৪ জুলাই, ১৯২৯ সালে।
- এই চুক্তির অন্যনাম Kellogg - Briand Pact.
- তৎকালীন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী Frank B. Kellogg ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী Aristide Briand আলোচনার মাধ্যমে এই চুক্তির খসড়া তৈরি করেন।

 উৎস: History.com
৬৪৪.
CWC-এর লক্ষ্য কোন ধরনের অস্ত্র প্রতিরোধ করা?
  1. পারমাণবিক অস্ত্র
  2. রাসায়নিক অস্ত্র
  3. জৈবিক অস্ত্র
  4. স্থলমাইন 
সঠিক উত্তর:
রাসায়নিক অস্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাসায়নিক অস্ত্র
ব্যাখ্যা

Chemical Weapons Convention:
- Chemical Weapons Convention হলো আন্তর্জাতিক নিরস্ত্রীকরণ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩ (প্যারিসে)।
- কার্যকর হয়: ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৩টি দেশ।
- নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা: Organisation for the Prohibition of Chemical Weapons (OPCW)।
- সদর দপ্তর: দ্য হেগ, নেদারল্যান্ডস।

⇒ মূল উদ্দেশ্য:
- রাসায়নিক অস্ত্র নির্মাণ ও মজুদ নিষিদ্ধকরণ।
- বিদ্যমান রাসায়নিক অস্ত্রের ধ্বংস নিশ্চিত করা।
- রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার রোধ।
- শিল্পখাতে রাসায়নিকের শান্তিপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করা।

উৎস: i) OPCW ওয়েবসাইট।
ii) Arms Control Association ওয়েবসাইট।

৬৪৫.
WMO গঠিত হয় -
  1. ক) ১৯৪৭
  2. খ) ১৯৬৫
  3. গ) ১৯৭২
  4. ঘ) ১৯৫০
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৫০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৫০
ব্যাখ্যা

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা বা World Meteorological Organization (WMO) এর সদরদপ্তর জেনেভায় অবস্থিত। 
- ১৮৭৩ সালে,আন্তর্জাতিক আবহাওয়া সংস্থা থেকে এর উৎপত্তি হয় ।
- এটি ১৯৫০ সালের ২৩শে মার্চ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৩টি।
- বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালের ২৪ আগস্ট WMO এর সদস্যপদ লাভ করে।

(সূত্র: WMO ওয়েবসাইট)

৬৪৬.
NPT চুক্তিতে নিচের কয়টি দেশ স্বাক্ষর করেছে? [মে,২০২৫]
  1. ১৮৫ টি
  2. ১৯১ টি
  3. ১৯৫ টি
  4. ১৮৯ টি
সঠিক উত্তর:
১৯১ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯১ টি
ব্যাখ্যা
• NPT চুক্তি:
- চুক্তির পূর্ণ নাম: Treaty on the Non-Proliferation of Nuclear Weapons (NPT).
- বাংলায়: পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
 
• চুক্তির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
- পরমাণু অস্ত্রের বিস্তার রোধ করা।
- পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ (nuclear disarmament) নিশ্চিত করা।
- খসড়া গৃহীত: ১ জুলাই ১৯৬৮।
- কার্যকর: ৫ মার্চ ১৯৭০।
- প্রাথমিক পৃষ্ঠপোষক দেশ: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সোভিয়েত ইউনিয়ন (বর্তমানে রাশিয়া)।
- নজরদারি সংস্থা: IAEA (International Atomic Energy Agency).
- বর্তমানে প্রায় ১৯১টি দেশ এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে। [মে,২০২৫]
- ভারত, পাকিস্তান, ইসরায়েল – চুক্তিতে কখনও স্বাক্ষর করেনি।
- উত্তর কোরিয়া – ২০০৩ সালে NPT থেকে বেরিয়ে যায়।

• চুক্তির মেয়াদ:
- প্রথমে এটি ২৫ বছরের জন্য কার্যকর ছিল।
- পরে, ১৯৯৫ সালে এটি অনির্দিষ্টকালের জন্য সম্প্রসারিত করা হয়।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৬৪৭.
ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে গঙ্গা নদীর পানি বন্টন বিষয়ে চুক্তির মেয়াদকাল কত?
  1. ক) .২০ বছর
  2. খ) ২৫ বছর
  3. গ) ৩০ বছর
  4. ঘ) ৩৫ বছর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩০ বছর
ব্যাখ্যা
• ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর ভারতের নয়াদিল্লির হায়দ্রাবাদ হাউসে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে গঙ্গা নদীর পানি বন্টন বিষয়ে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এ চুক্তির মেয়াদকাল ৩০ বছর।
- চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ ৩৫ হাজার কিউসেক পানি প্রাপ্তির বিধান থাকলেও বাস্তবে তা হয়নি৷

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৬৪৮.
'ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমােক্রেসি' (NLD) কোন দেশের রাজনৈতিক দল?
  1. ভারত
  2. নেপাল
  3. মিয়ানমার
  4. থাইল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
মিয়ানমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিয়ানমার
ব্যাখ্যা
মিয়ানমার:
- দেশটি বার্মা নামেও পরিচিত।
- রাজধানী: নেপিদো।
- মুদ্রা: কিয়াট।
- প্রধান ভাষা: বার্মিজ।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: মিন্ট সোয়ে।
- সীমান্তরক্ষী বাহিনী: বর্ডার গার্ড পুলিশ (BGP)।
- মিয়ানমারের আইনসভা দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট।

রাজনৈতিক দল:
- মিয়ানমারের রাজনৈতিক দল ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমােক্রেসি (NLD)।
- ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসির অং সান সুচি সহপ্রতিষ্ঠা ছিলেন।
- এটি ১৯৮৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৯০ সালে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা সংসদীয় আসনগুলির ৮০ শতাংশেরও বেশি আসন জিতেছিল। 
- ২০১৫ সালে মায়ানমারে অনুষ্ঠিত হয় প্রথম সাধারণ নির্বাচন এতে জয়লাভ করে অং সান সু চি'র দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমােক্রেসি (NLD)।

উল্লেখ্য,
- ১ ফেব্রুয়ারি ২০২১ মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সেনাবাহিনী দেশটির নিয়ন্ত্রণ নেয় এবং অং সান সুচি-সহ অন্য রাজনীতিক নেতা ও কয়েকশ' আইনপ্রণেতাকে আটক করে।

উৎস: Britannica.
৬৪৯.
চীন ও ব্রিটেনের মধ্যে প্রথম আফিম যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটায় কোন চুক্তির মাধ্যমে?
  1. ভার্সাই চুক্তি
  2. নানজিং চুক্তি
  3. লুজান চুক্তি
  4. প্যারিস চুক্তি
সঠিক উত্তর:
নানজিং চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নানজিং চুক্তি
ব্যাখ্যা
• নানজিং চুক্তি (২৯শে আগস্ট, ১৮৪২) চীন ও ব্রিটেনের মধ্যে প্রথম আফিম যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটায়, যা চীন ও বিদেশী শক্তির মধ্যে অসম চুক্তি হিসেবে পরিচিতি লাভের সূচনা করে।

• নানজিং চুক্তির মূল বিষয়গুলি:

- চীন হংকংকে গ্রেট ব্রিটেনের কাছে হস্তান্তর করে আঞ্চলিক অধিকার ।
- ক্ষতিপূরণ চীনকে ব্রিটেনকে একটি বড় ক্ষতিপূরণ দিতে হয়েছিল।
- বাণিজ্য বন্দর এই চুক্তির ফলে ব্রিটিশ বণিকরা যেখানে ব্যবসা-বাণিজ্য করতে এবং বসবাস করতে পারত, সেই চুক্তির বন্দরের সংখ্যা এক থেকে পাঁচে উন্নীত হয়। এর মধ্যে ছিল গুয়াংজু এবং সাংহাই।
- শুল্ক চীন একটি "ন্যায্য এবং যুক্তিসঙ্গত" শুল্ক প্রতিষ্ঠায় সম্মত হয়েছে।

• ১৮৪৩ সালে ব্রিটিশ বগ সম্পূরক চুক্তি নানজিং চুক্তিকে আরও শক্তিশালী করে, ব্রিটিশ নাগরিকদের বহির্মুখী অধিকার এবং চীন অন্যান্য দেশগুলিকে যে কোনও সুযোগ-সুবিধা প্রদান করে। এই চুক্তিগুলি অন্যান্য পশ্চিমা শক্তির সাথে চুক্তির জন্য একটি টেমপ্লেট হিসেবে কাজ করে, বহির্মুখীতা প্রসারিত করে এবং চুক্তি বন্দরের মধ্যে বিদেশীদের স্বাধীন আইনি, বিচার বিভাগীয়, পুলিশ এবং কর ব্যবস্থা প্রদান করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৬৫০.
দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তির পক্ষসমূহ -
  1. ব্রিটেন - যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাষ্ট্র - ফ্রান্স
  3. ১ম বিশ্বযুদ্ধের মিত্রশক্তি - ফ্রান্স
  4. ১ম বিশ্বযুদ্ধের মিত্রশক্তি - জার্মানি
সঠিক উত্তর:
১ম বিশ্বযুদ্ধের মিত্রশক্তি - জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ম বিশ্বযুদ্ধের মিত্রশক্তি - জার্মানি
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তি:
- বিধ্বংসী প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অবসানের লক্ষ্যে ১৯১৯ সালের ২৮ জুন ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- স্থান: ফ্রান্সের ভার্সাই নগরী।
- পক্ষসমূহ: মিত্রশক্তি (ব্রিটেন, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, ইতালি, জাপান) এবং জার্মানি।
- এই চুক্তির জন্য জার্মানি ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য হয় এবং প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অবসান হয়।
- চুক্তির খসড়ার মূল নকশা করেন চারজন নেতা যারা ইতিহাসে বিগ ফোর হিসেবে খ্যাত। 
- এরা হলেন ব্রিটেনের ডেভিড লয়েড জর্জ, ফ্রান্সের জর্জেস ক্ল্যামেনকু, যুক্তরাষ্ট্রের উড্রো উইলসন এবং ইতালির ভিটোরিও অরল্যান্ডো। 
- এই চুক্তিতে জার্মানিকে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। 

উৎস: National Geographic Society.
৬৫১.
'বিশ্ব প্রকৃতি সংরক্ষণ দিবস' হিসেবে পালিত হয় -
  1. ক) ২২ জুন
  2. খ) ২৮ জুলাই
  3. গ) ৮ জুন
  4. ঘ) ১৭ জুন
সঠিক উত্তর:
খ) ২৮ জুলাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২৮ জুলাই
ব্যাখ্যা
- ২৮ জুলাই : বিশ্ব প্রকৃতি সংরক্ষণ দিবস (World Nature Conservation Day) 
- ২২ জুন : বিশ্ব রেইন ফরেস্ট ডে (World Rainforest Day)
- ৮ জুন : বিশ্ব সমুদ্র দিবস (World Oceans Day
- ১৭ জুন : বিশ্ব মরুকরণ ও খরা প্রতিরোধ দিবস (World Day to Combat Desertification and Drought)    
 
(সূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
৬৫২.
কোন সম্মেলনে 'ব্লু ইকোনমি' ধারণাটি গুরুত্ব লাভ করে?
  1. ক) রিও + ১০ সম্মেলনে
  2. খ) রিও + ৫ সম্মেলনে
  3. গ) রিও + ২০ সম্মেলনে
  4. ঘ) রিও + ২৫ সম্মেলনে
সঠিক উত্তর:
গ) রিও + ২০ সম্মেলনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রিও + ২০ সম্মেলনে
ব্যাখ্যা
- ব্লু ইকোনমি হলো সমুদ্রনির্ভর অর্থনীতি।
- ব্লু ইকোনমি সম্পর্কে প্রথম ধারণা দেন বেলজিয়ামের অর্থনীতিবিদ গ্রুন্টার পাউলি। ১৯৯৪ সালে তিনি প্রথম এই প্রত্যয়টি ব্যবহার করেন।
- পরবর্তীতে ২০১০ সালে তার ব্লু ইকোনমি বইয়ে তিনি বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
- তবে বৈশ্বিকভাবে ২০১২ সালের ২০-২২ জুন রিও ডি জেনেরিও শহরে অনুষ্ঠিত রিও+২০ সম্মেলনে ব্লু ইকোনমি ধারণাটি গুরুত্ব লাভ করে।

(সূত্র: এসডিজি ওয়েবসাইট এবং দ্য ব্লু ইকোনমি : গ্রুন্টার পাউলি)
 
উল্লেখ্য 
- ১৯৯২ সালে ৩ - ১৪ জুন পৃথিবীর জলবায়ু রক্ষার্থে ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরিও-তে ধরিত্রী সম্মেলন অনুষ্টিত হয়। এটি প্রথম ধরিত্রী সম্মেলন নামে পরিচিত।
- ‘রিও বা ধরিত্রী সম্মেলন + ৫’ অনুষ্টিত হয় যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়ার্কে। এটি ১৯৯৭ সালে সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয় এবং এটি বিশেষ ধরিত্রী সম্মেলন নামে পরিচিত।
- ‘রিও বা ধরিত্রী সম্মেলন + ১০’ অনুষ্টিত হয় দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে ২০০২ সালে। এটি দ্বিতীয় ধরিত্রী সম্মেলন নামে পরিচিত।
- ‘রিও বা ধরিত্রী সম্মেলন + ২০’ অনুষ্টিত হয় ব্রাজিলের রিও-ডিজেনিরোও-তে ২০১২ সালে। এটি তৃতীয়  ধরিত্রী সম্মেলন নামে পরিচিত।
৬৫৩.
ব্রাসেলস চুক্তি কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৪৬ সালে
  2. ১৯৪৮ সালে
  3. ১৯৪৭ সালে
  4. ১৯৪৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৪৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৮ সালে
ব্যাখ্যা

 ব্রাসেলস চুক্তি:
- ব্রাসেলস চুক্তি (১৯৪৮) ছিল পশ্চিম ইউরোপীয় দেশগুলো—ব্রিটেন, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস এবং লুক্সেমবার্গ—দ্বারা স্বাক্ষরিত একটি গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা চুক্তি।
- এই চুক্তির মাধ্যমে তারা একটি সম্মিলিত প্রতিরক্ষা জোট গঠন করেছিল যা পরবর্তীতে পশ্চিম ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ন্যাটোর (NATO) জন্মের ভিত্তি তৈরি করে।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৭ মার্চ, ১৯৪৮ সালে বেলজিয়ামের ব্রাসেলস।
- কার্যকর হয়: ২৫ আগস্ট, ১৯৪৮ সালে।
- এ চুক্তির আওতায় দেশগুলোর মধ্যে সামরিক সহযোগিতা বাড়ানো হয়।

উৎস: Britannica.

৬৫৪.
স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি কখন ও কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৯৯ সালে, কানাডা
  2. ১৯৯৭ সালে, কানাডা
  3. ১৯৯৯ সালে, যুক্তরাষ্ট্র
  4. ১৯৯৭ সালে, যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালে, কানাডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালে, কানাডা
ব্যাখ্যা
স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি ১৯৯৭ সালে কানাডার অটোয়াতে স্বাক্ষরিত হয়।

স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (Anti-Personnel Landmines Convention):

- এর আরেক নাম অটোয়া চুক্তি।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১ মার্চ, ১৯৯৯ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান: অটোয়া, কানাডা।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৬৪টি।

⇒ এর উদ্দেশ্য হলো Anti-Personnel Landmines বা স্থলমাইন ব্যবহার, মজুদ, উৎপাদন ও পরিবহন নিষিদ্ধ।

⇒ বাংলাদেশ এই চুক্তি স্বাক্ষর করে: ৭ মে, ১৯৯৮ সালে।
- চুক্তি অনুমোদন করে: ৬ সেপ্টেম্বর, ২০০০ সালে।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।
৬৫৫.
ভিয়েনা কনভেনশনে স্বাক্ষরকারী দেশ কতটি?
  1. ২৬টি
  2. ২৭টি
  3. ২৮টি
  4. ২৯টি
সঠিক উত্তর:
২৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮টি
ব্যাখ্যা
ভিয়েনা কনভেনশন:
-  ভিয়েনা কনভেনশন হলো জাতিসংঘের ওজোন স্তরের সুরক্ষা ও সংরক্ষণ বিষয়ক চুক্তি।
- স্বাক্ষর ও গৃহীত - ১৯৮৫ সালের ২২ মার্চ অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায়।
- কার্যকর - ১৯৮৮ সালের ২২ সেপ্টেম্বর।
- স্বাক্ষরকারী দেশ - ২৮টি।
- অনুমোদনকারী পক্ষ - ১৯৮টি।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।[লিঙ্ক]
৬৫৬.
বাংলাদেশ স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি অনুমোদন করে -
  1. ১৯৯৮ সালে
  2. ১৯৯৯ সালে
  3. ২০০০ সালে
  4. ২০০১ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০০ সালে
ব্যাখ্যা
স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (Anti-Personnel Landmines Convention):
- এর আরেক নাম অটোয়া চুক্তি।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১ মার্চ, ১৯৯৯ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান: অটোয়া, কানাডা।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৬৪টি।

⇒ এর উদ্দেশ্য হলো Anti-Personnel Landmines বা স্থলমাইন ব্যবহার, মজুদ, উৎপাদন ও পরিবহন নিষিদ্ধ।

⇒ বাংলাদেশ এই চুক্তি স্বাক্ষর করে: ৭ মে, ১৯৯৮ সালে।
- চুক্তি অনুমোদন করে: ৬ সেপ্টেম্বর, ২০০০ সালে।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।
৬৫৭.
Nuclear Non- Proliferation Treaty স্বাক্ষরিত দেশ - (জানুয়ারি, ২০২৫)
  1. ১৮৫টি
  2. ১৮৮টি
  3. ১৯১টি
  4. ১৯৪টি
সঠিক উত্তর:
১৯১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯১টি
ব্যাখ্যা
'NPT' চুক্তি:
- NPT-এর পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি। (জানুয়ারি, ২০২৫)

উল্লেখ্য,
- পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদক মোট রাষ্ট্রের সংখ্যা ৫টি।
- রাষ্ট্রগুলো হলো: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- এর মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে NPT দ্বারা পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হিসাবে স্বীকৃত রাষ্ট্র (NWS) হলো ৫টি।
- চুক্তিটি এই দেশগুলির পারমাণবিক অস্ত্রাগারকে স্বীকৃতি দেয়।
- কিন্তু NPT-এর ৬ অনুচ্ছেদের অধীনে তাদের চিরস্থায়ীভাবে এই ধরনের অস্ত্র তৈরি এবং বজায় রাখার উল্লেখ নেই।
- বাংলাদেশ পারমানবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তিতে (NPT) স্বাক্ষর করে: ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৯ সালে।

অন্যদিকে,
- ভারত, পাকিস্তান এবং ইসরায়েল কখনই NPT-এ যোগ দেয়নি।
- কিন্তু দেশগুলি পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী বলে পরিচিত।
- উত্তর কোরিয়া একটি অ-পারমাণবিক অস্ত্র রাষ্ট্র হিসাবে NPT-এ যোগদান করেছিল।
- কিন্তু ২০০৩ সালে NPT থেকে প্রত্যাহারের ঘোষণা করেছিল।

তথ্যসূত্র - Arms Control Association ওয়েবসাইট & UNODA ওয়েবসাইট।
৬৫৮.
'Warsaw Pact' কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
  1. রাশিয়া
  2. হাঙেরি
  3. পোল্যান্ড
  4. পূর্ব জার্মানি
সঠিক উত্তর:
পোল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পোল্যান্ড
ব্যাখ্যা
Warsaw Pact:
- Warsaw Pact বলতে বোঝায় Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance.
- উদ্দেশ্য: মূলত, আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও কূটনীতিতে সোভিয়েত প্রভাব বৃদ্ধিই ছিলো এর মূল উদ্দেশ্য।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব ইউরোপের ৮টি দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি।
- সদস্য: ৮টি; সোভিয়েত ইউনিয়ন, আলবেনিয়া, বুলগেরিয়া, চেকোস্লাভিয়া, পূর্ব জার্মানি, হাঙেরি, পোল্যান্ড ও রোমানিয়া।
- স্বাক্ষর: ১৪ মে, ১৯৫৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: ওয়ারশ, পোল্যান্ড।
- বিলুপ্ত: ১ জুলাই, ১৯৯১।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
৬৫৯.
ইরানের সাথে ছয় বিশ্ব শক্তির পরমাণু চুক্তি কী নামে পরিচিত?  
  1. New START
  2. Nuclear Weapon Ban Treaty
  3. JCPOA
  4. ABM
সঠিক উত্তর:
JCPOA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
JCPOA
ব্যাখ্যা
Joint Comprehensive Plan of Action (JCPOA): 

• ইরানের সাথে ছয় বিশ্ব শক্তির পরমাণু চুক্তি Joint Comprehensive Plan of Action (JCPOA) নামে পরিচিত।
• চুক্তি স্বাক্ষর হয়: ১৪ জুলাই ২০১৫ সালে।
• স্থান: অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায়।
• যারা স্বাক্ষর করেছিলেন: ইরান, P5+ ১ বা যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, রাশিয়া, ফ্রান্স ও জার্মানি।
• চুক্তি অনুযায়ী ইরান তার পারমাণবিক কর্মসূচি থেকে বেরিয়ে এসেছিল এবং এর বিনিময়ে ইরানের উপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছিল। 
• সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০ সালে ইরানের বিরুদ্ধে জাতিসংঘের সব নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহালের ঘোষণা দেন।
• Anti Ballistic Missile Treaty (ABM) স্বাক্ষরকাল: ২৬ মে, ১৯৭২. 
• Nuclear Weapon Ban Treaty জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রথম পরমাণু অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি
• Nuclear Weapon Ban Treaty স্বাক্ষরকাল: ০৭ জুলাই, ২০১৭ (বাংলাদেশ স্বাক্ষর: ২০ সেপ্টেম্বর , ২০১৭)
• New Strategic Arms Reduction Treaty (New START) কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস সংক্রান্ত চুক্তি যা স্বাক্ষর হয় ৮ এপ্রিল, ২০১০ সালে চেক প্রজাতন্ত্রের রাজধানী প্রাগে। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
৬৬০.
NPT এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Non-Proliferation Treaty
  2. Nuclear Non-Proliferation Treaty
  3. Nuclear Proliferation Treaty
  4. North Atlantic Proliferation Treaty
সঠিক উত্তর:
Nuclear Non-Proliferation Treaty
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Nuclear Non-Proliferation Treaty
ব্যাখ্যা
'NPT':
- পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র ও পারমাণবিক অস্ত্র প্রযুক্তির  বিস্তার রোধ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি।
- বাংলাদেশ পারমানবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তিতে (NPT) স্বাক্ষর করে: ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৯ সালে।

উৎস: UNODA ওয়েবসাইট।
৬৬১.
কোন চুক্তির মাধ্যমে পাক-ভারত যুদ্ধের অবসান হয়?
  1. অটোয়া চুক্তি
  2. ডেটন চুক্তি
  3. তাসখন্দ চুক্তি
  4. ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
সঠিক উত্তর:
তাসখন্দ চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাসখন্দ চুক্তি
ব্যাখ্যা
তাসখন্দ চুক্তি-১৯৬৬:
- পাক-ভারত যুদ্ধ বন্ধ হয়েছে তাসখন্দ চুক্তির মাধ্যমে।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়-১০ জানুয়ারি, ১৯৬৬ সালে।
- পক্ষসমূহ- ভারত- পাকিস্তান।
- স্বাক্ষরকারী- ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী এবং পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আইয়ুব খান।
- মধ্যস্থতাকারী- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন এর প্রধানমন্ত্রী নিকলাই কোসিগিন।
- উদ্দেশ্য- কাশ্মীর প্রশ্নে ভারত ও পাকিস্তান যুদ্ধের অবসান এবং শান্তি স্থাপন।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা
৬৬২.
শাত-ইল-আরব ও ইরানের কোহেস্তানকে কেন্দ্র করে ইরান ও ইরাকের মধ্যে বিরোধপূর্ণ অবস্থার অবসানের লক্ষ্যে কোন চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ক) অসলো চুক্তি
  2. খ) আলিজিয়ার্স চুক্তি
  3. গ) ক্যাম্প-ডেভিড চুক্তি
  4. ঘ) উই রিভার চুক্তি
সঠিক উত্তর:
খ) আলিজিয়ার্স চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আলিজিয়ার্স চুক্তি
ব্যাখ্যা
 ▪ শাত-ইল-আরব ও ইরানের কোহেস্তানকে কেন্দ্র করে ইরান ও ইরাকের মধ্যে বিরোধপূর্ণ অবস্থার অবসানের লক্ষ্যে আলজেরিয়ার মধ্যস্থতায় “আলিজিয়ার্স চুক্তি” স্বাক্ষরিত হয়।

এক নজরে আলজিয়ার্স চুক্তি
▪ চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ:- ১৩ জুন, ১৯৭৫ সাল।
▪ চুক্তি অনুমোদন:- ১৯৭৬ সাল (উভয় দেশ কর্তৃক)।
▪ চুক্তির পক্ষ:- ইরান ও ইরাক।
▪ চুক্তি স্বাক্ষরকারী:- ইরানের পক্ষে  - শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভী এবং ইরাকের পক্ষে - ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন
▪ চুক্তি অকার্যকর:- ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৮০ সাল। (ইরাক কর্তৃক ইরান আক্রমনের মধ্য দিয়ে।)
▪ চুক্তির লক্ষ্য:- ইরান ও ইরাকের মধ্যে বিরোধপূর্ণ সীমান্ত পরিস্তিতিতে শান্তিপূর্ণ সহ-অবস্থান, ইরান ও ইরাক কর্তৃক কুর্দিশ বিদ্রোহ দমন ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র: হিস্টরি.কম এবং ব্রিটানিকা।
৬৬৩.
জেনেভা কনভেনশনে কয়টি প্রটোকল রয়েছে?
  1. ৪টি
  2. ৩টি
  3. ২টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

• জেনেভা কনভেনশন: 
- যুদ্ধের বর্বরতাকে সীমিত করার আর্ন্তজাতিক চুক্তি।
-  এতে চারটি আনুষ্ঠানিক চুক্তি ও তিনটি বাড়তি প্রটোকল রয়েছে।
- প্রটোকল -১: আন্তর্জাতিক সশস্ত্র সংঘর্ষের শিকারদের সুরক্ষা সম্পর্কিত ।
- প্রটোকল-২: অ-আন্তর্জাতিক সশস্ত্র সংঘর্ষের শিকারদের সুরক্ষা সম্পর্কিত ।
- প্রটোকল-৩: একটি অতিরিক্ত স্বতন্ত্র প্রতীক (রেড ক্রিস্টাল) গ্রহণের সাথে সম্পর্কিত ।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

৬৬৪.
মহামন্দা মোকাবিলার জন্য নিউ ডিল(New Deal) ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন-
  1. ক) বেনিতো মুসোলিনী
  2. খ) জোসেফ স্ট্যালিন
  3. গ) ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট
  4. ঘ) রিচার্ড নিক্সন
সঠিক উত্তর:
গ) ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট
ব্যাখ্যা
নিজ ডিল (New Deal):
১৯২৯ সাল থেকে পর্যায়ক্রমে যুক্তরাষ্ট্র সহ সারা বিশ্বে অর্থনৈতিক মহামন্দা (Great Depression) দেখা দেয়।
- এর ফলে শেয়ার বাজারের পতন ঘটে, ব্যাংকগুলাে অর্থনৈতিক সমস্যায় জর্জরিত হতে থাকে, বেকারত্ব বৃদ্ধি পেতে থাকে, বেতন ও মজুরি ব্যাপকভাবে কমে যায়, ফলে জীবন ধারন দুর্বিসহ হয়ে পড়ে।

- যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেট তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসাবে নিউ ডিল (New Deal) ব্যবস্থার প্রবর্তন করেন।
-নিউ ডিল (New Deal) ১৯৩৩ থেকে ১৯৩৯ সাল পর্যন্ত চলমান ছিল।
উৎসঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
৬৬৫.
Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty- এ স্বাক্ষরকারী দেশের সংখ্যা কতটি? (অক্টোবর-২০২৫)
  1. ১৯০টি
  2. ১৮৭টি
  3. ১৮৯টি
  4. ১৮৩টি
সঠিক উত্তর:
১৮৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৭টি
ব্যাখ্যা

 CTBT:
- CTBT এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৮৭টি।(অক্টোবর-২০২৫)

CTBTO:
- পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ সংস্থা CTBTO।
- এর সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।

উৎস: CTBTO ওয়েবসাইট

৬৬৬.
ট্রুমান ডকট্রিন কত সালে প্রবর্তিত হয়?  
  1. ১৯৩৯ সালে 
  2. ১৯৪৪ সালে
  3. ১৯৪৫ সালে
  4. ১৯৪৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৪৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৭ সালে
ব্যাখ্যা

• ট্রুম্যান ডকট্রিন:
- ১৯৪৭ সালে ট্রুম্যান ডকট্রিনের প্রদান করা হয়েছিল।
- ট্রুম্যান ছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট (৩৩তম প্রেসিডেন্ট, ১৯৪৫-১৯৫৩)।
- ট্রুম্যান ডকট্রিনের উদ্দেশ্য ছিল সমাজতন্ত্রের প্রসার ঠেকানো।
- দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধোত্তর গ্রিস ও তুরস্কে কমিউনিস্টদের প্রভাব বাড়ছিল।
- ওই প্রভাব কমানোর পক্ষে যুক্তরাষ্ট্র এগিয়ে এলো।

উৎস: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর, তারেক শামসুর রেহমান ও ব্রিটানিকা।

৬৬৭.
ANZUS চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কোথায়?
  1. ওয়াশিংটন, ডিসি
  2. সান ফ্রান্সিসকো
  3. প্যারিস
  4. নিউইয়র্ক
সঠিক উত্তর:
সান ফ্রান্সিসকো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সান ফ্রান্সিসকো
ব্যাখ্যা

আনজুস (ANZUS) চুক্তি:
- ANZUS পূর্ণরূপ: The Australia, New Zealand and United States Security Treaty.
- স্বাক্ষরিত দেশ: অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্র।
- স্বাক্ষরের তারিখ: ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৫১।
- স্বাক্ষরের স্থান: সান ফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া।
- আনুষ্ঠানিক নাম: Pacific Security Treaty (প্রশান্ত মহাসাগরীয় নিরাপত্তা চুক্তি)।
- উদ্দেশ্য: আগ্রাসনের ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহায়তা এবং শান্তিপূর্ণভাবে বিরোধ নিষ্পত্তি।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৬৬৮.
নিউ স্টার্ট (New START) চুক্তি কোন দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়া
  2.  রাশিয়া এবং জার্মানি
  3. যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারত
  4. ফ্রান্স এবং যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়া
ব্যাখ্যা

নিউ স্টার্ট (New START):
- ২০০৯ সালের ৫ ডিসেম্বর স্টার্ট-১ এর মেয়াদ শেষ হলে ওবামা প্রশাসন ও পুতিনের সরকারের মধ্যে আলোচনা শুরু হয় এবং দ্রুতই নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ে নতুন চুক্তি স্বাক্ষর করে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ ৮ এপ্রিল, ২০১০ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান প্রাগ, চেক রিপাবলিক।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী - যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট - বারাক ওবামা এবং রাশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী দিমিত্রি মেদভেদ।
- চুক্তি কার্যকর - ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সাল।
- চুক্তির বিষয়- দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।
- চুক্তির মেয়াদ - প্রাথমিক মেয়াদ ১০ বছর (ফেব্রুয়ারি, ২০২১ পর্যন্ত)
- ২০২১ সালে মেয়াদান্তে তা আরো ৫ বছর অর্থ্যাৎ, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।

উৎস: হিস্টরি.কম এবং ব্রিটানিকা।

৬৬৯.
‘বাসেল কনভেনশন’ গৃহিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৮৫ সালে
  2. খ) ১৯৮৯ সালে
  3. গ) ১৯৯২ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৭ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৮৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৮৯ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৮৯ সালের ২২ মার্চ সুইজারল্যান্ডের বাসেল শহরে বিপজ্জনক বর্জ্যের আন্তঃরাষ্ট্রীয় চলাচল নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ক ‘বাসেল কনভেনশন’ গৃহিত হয়।
এটি কার্যকর হয় ১৯৯২ সালের ৫ মে।
চুক্তিটিতে স্বাক্ষরকারী দেশ ৫৩টি এবং অংশীদার বাংলাদেশসহ ১৮৮টি দেশ।
(সূত্রঃ বাসেল কনভেনশন ওয়েবসাইট)
৬৭০.
সম্প্রতি 'টু প্লাস টু' বৈঠকে অংশ নেয়া দেশ-
  1. ক) ভারত ও রাশিয়া
  2. খ) ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য
  3. গ) কাতার ও রাশিয়া
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত
সঠিক উত্তর:
ঘ) যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত
ব্যাখ্যা
গত ২৬ অক্টোবর ২০২০ মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্ক এসপার ভারত সফরে আসেন। তারা ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুব্রামানিয়াম জয়শঙ্কর ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সাথে বার্ষিক 'টু প্লাস টু' বৈঠকে অংশ নেন।
বৈঠক শেষে ২৭ অক্টোবর ২০২০ সালে দু'পক্ষের মধ্যে পাঁচটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এর মধ্যে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে স্বাক্ষরিত হয় একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি। চুক্তিটির নামঃ Basic Exchange and Cooperation Agreement (BECA)।
উৎসঃ দৈনিক প্রথম আলো।
৬৭১.
সম্প্রতি ভারত, মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদার করার জন্য কোন পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়?
  1. সিল্ক রুট
  2. গোল্ড রুট
  3. স্পাইস রুট
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
স্পাইস রুট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পাইস রুট
ব্যাখ্যা
• চুক্তি:
- ভারত, মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদার করার জন্য আধুনিক যুগের এই স্পাইস রুট বা ‘মসলার পথ’ পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, সৌদি আরব, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ভারতসহ অন্যরা এি চুক্তিতে সই করে।
- চীন যে অবকাঠামো খাতে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করছে, তারই  বিকল্প হিসেবে স্পাইস রুটকে দেখা হচ্ছে।
- তথ্য, রেল, বিদ্যুৎ ও হাইড্রোজেন পাইপলাইনের মতো প্রকল্প থাকছে এই পরিকল্পনায়।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।[লিঙ্ক]
৬৭২.
ডেটন শান্তি চুক্তির পক্ষ সমূহ -
  1. আলবেনিয়া, জাম্বিয়া ও ক্রোয়েশিয়া
  2. সার্বিয়া, জাম্বিয়া ও ক্রোয়েশিয়া
  3. বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়া
  4. বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও জর্জিয়া
সঠিক উত্তর:
বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়া
ব্যাখ্যা
ডেটন শান্তি চুক্তি (Dayton Peace Agreement):
- ডেটন শান্তি চুক্তির পূর্ণনাম - General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina।
- বসনিয়া সংকট সমাধানের উদ্দেশ্যে ডেটন শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের ওহায়ো অঙ্গরাজ্যের ডেটনে অবস্থিত বিমানঘাটিতে এই চুক্তির খসড়া প্রণীত হয়। এই জন্য এই চুক্তিকে ডেটন শান্তি চুক্তি বলা হয়।
- ডেটন চুক্তির মধ্যস্থতাকারী ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট - বিল ক্লিন্টন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী - ওয়ারেন ক্রিস্টোফার।
- চুক্তিটির প্রধান শান্তি আলোচক - রিচার্ড হলব্রোক।
- চুক্তির খসড়া প্রস্তুত - ২১ নভেম্বর, ১৯৯৫ সাল
- চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ - ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫ সাল
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান - প্যারিস, ফ্রান্স
- চুক্তির পক্ষ সমূহ - বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়া।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী -
১. বসনিয়ার পক্ষে - প্রেসিডেন্ট আলিজা ইজটবেগোভিচ।
২. ক্রোয়েশিয়ার পক্ষে - প্রেসিডেন্ট ফ্রাঞ্জো টুডম্যান।
৩. সার্বিয়ার পক্ষে - স্লোভাদান মিলোসোভিচ।

তথ্যসূত্র - হিস্টরি.কম ও ব্রিটানিকা।
৬৭৩.
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তিতে মধ্যস্থতা করেন কে?
  1. জন এফ কেনেডি
  2. জিমি কার্টার
  3. বারাক ওবামা 
  4. বিল ক্লিনটন
সঠিক উত্তর:
জিমি কার্টার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিমি কার্টার
ব্যাখ্যা

ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি:
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি (Camp David Accords) একটি ঐতিহাসিক চুক্তি, যা মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- পক্ষসমূহ: মিশর ও ইসরাইল।
- স্বাক্ষরকারী: মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত ও ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী মেনাখেম বেগিন।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৮।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মেরিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট।
- মধ্যস্থতাকারী: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার।

⇒ ফলাফল: মিশর ইসরাইলের স্বীকৃতি দেয়, সিনাই উপদ্বীপ মিশরের কাছে ফিরে আসে, সাদাত ও বেগিন নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

উল্লেখ্য,
- Camp David চুক্তি ও ইসরাইলের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনকারী আরব রাষ্ট্র জর্ডান ও মিশর।
- ১৯৯৪ সালে Israel-Jordan Peace Treaty স্বাক্ষরের মাধ্যমে দ্বিতীয় আরব রাষ্ট্র হিসেবে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে (Camp David চুক্তির পরোক্ষ ফলাফল হিসেবে)।
- ১৯৯৪ সালের চুক্তির মাধ্যমে জর্ডান ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করে।

এছাড়াও,
- সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, মরক্কো, সুদান ২০২০ সালে Abraham Accords-এর মাধ্যমে ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে (Camp David চুক্তির সরাসরি ফল নয়)।

উৎস: Britannica.

৬৭৪.
নানকিং চুক্তির মাধ্যমে কোন অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ ব্রিটিশদের দেওয়া হয়?
  1. সাংহাই
  2. মাকাও
  3. তাইওয়ান
  4. হংকং
সঠিক উত্তর:
হংকং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হংকং
ব্যাখ্যা

নানকিং চুক্তি:
- আফিম চোরাচালানকে কেন্দ্র করে চীন ও ব্রিটেনের মধ্যে সংঘটিত যুদ্ধে প্রথম আফিম যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৮৩৯-১৮৪২ সালে।
- এই যুদ্ধে পরাজয়ের পর চীনের শাসকগোষ্ঠী ব্রিটিশদের সঙ্গে একটি অপমানজনক চুক্তি স্বাক্ষর করতে বাধ্য হয়।
- এই চুক্তির নাম হলো নানকিং চুক্তি।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ২৯ আগস্ট ১৮৪২ সালে।
- এই চুক্তিই প্রথম আফিম যুদ্ধের অবসান ঘটায়।
- নানকিং চুক্তির মাধ্যমে ব্রিটিশদের হংকংয়ের নিয়ন্ত্রণ দেওয়া হয়।
- চীনের সরকার ব্রিটেনকে বিভিন্ন বাণিজ্যিক সুবিধা প্রদানে বাধ্য হয়।
- পরবর্তীতে ১৮৯৮ সালে চীন সরকার ৯৯ বছরের জন্য হংকংকে ব্রিটেনের নিকট লিজ দেয়।
- লিজের মেয়াদ শেষে ১৯৯৭ সালের ১ জুলাই হংকং ব্রিটেন থেকে পুনরায় চীনের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৬৭৫.
Comprehensive Test Ban Treaty  (CТВТ) কোন সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গৃহীত হয়?
  1. ১৯৯২ সালে
  2. ১৯৯৭ সালে
  3. ১৯৯৫ সালে
  4. ১৯৯৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৬ সালে
ব্যাখ্যা

Comprehensive Test Ban Treaty - CТВТ:

- এটি হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা বা যে কোনো পারমাণবিক বিস্ফোরণের ওপর একটি ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।
- এটি ১৯৯৬ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গৃহীত হয়।
- চুক্তির বাস্তবায়নের জন্য CTBTO (Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty Organization) নামে একটি প্রতিষ্ঠান গঠন করা হয়েছে, যা গ্লোবাল মনিটরিং সিস্টেমের মাধ্যমে নিরীক্ষা চালায়।
- বাংলাদেশ CTBT-তে স্বাক্ষর করেছে এবং অনুমোদন দিয়েছে।
- চুক্তি স্বাক্ষর করে: ১৮৫টি দেশ।
- চুক্তি অনুমোদন: ১৭১টি দেশ।
- আটটি দেশ এখনও চুক্তি অনুমোদন করেনি (যেমন: যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ভারত, পাকিস্তান)।
- চুক্তি কার্যকর হতে হলে P5 (পাঁচটি স্থায়ী নিরাপত্তা পরিষদ সদস্য) সহ ৪৪টি নির্দিষ্ট দেশের অনুমোদন প্রয়োজন।
- বাংলাদেশ CTBT স্বাক্ষর করে ২৪ অক্টোবর, ১৯৯৬ সালে (দক্ষিণ এশিয়ায় ১ম)।
- বাংলাদেশ ৫৪তম দেশ হিসেবে CTBT অনুমোদন করে ৮ মার্চ, ২০০০ সালে।

উৎস: CTBTO Official Website. Arms Control Association Website.

৬৭৬.
তাসখন্দ চুক্তির মধ্যস্থতাকারী কে ছিলেন?
  1. মিখাইল গর্বাচেভ
  2. অ্যালেক্সি কোসিগিন
  3. লালবাহাদুর শাস্ত্রী
  4. জোসেফ স্টালিন
সঠিক উত্তর:
অ্যালেক্সি কোসিগিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যালেক্সি কোসিগিন
ব্যাখ্যা

তাসখন্দ চুক্তি:
- চুক্তির স্থান: তাসখন্দ, উজবেকিস্তান।
- তাসখন্দ চুক্তির তারিখ: ১০ জানুয়ারি, ১৯৬৬।
- পক্ষ: ভারত ও পাকিস্তান।
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য: ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা।
- মধ্যস্থতা করেন: তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রধানমন্ত্রী অ্যালেক্সি কোসিগিন।
- এই চুক্তির মধ্য দিয়ে কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে চিরবৈরী ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার ১৯৬৫ সালের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের আপাত অবসান ঘটে।

• স্বাক্ষরকারী:
- ভারতের পক্ষ থেকে: প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রী।
- পাকিস্তানের পক্ষ থেকে: প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি.কম।

৬৭৭.
যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য কবে নিউ আটলান্টিক চার্টারে স্বাক্ষর করে?
  1. ১০ জুন ২০২১
  2. ১৪ জুন ২০২১
  3. ০৪ জুলাই ২০২১
  4. ১৪ আগস্ট ২০২১
সঠিক উত্তর:
১০ জুন ২০২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ জুন ২০২১
ব্যাখ্যা
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন গত ১০ জুন ২০২১ যুক্তরাজ্যের কর্নওয়ালে ‘নিউ আটলান্টিক চার্টারে’ স্বাক্ষর করেন।
- ১৯৪১ সালের ১৪ আগস্ট আটলান্টিক মহাসাগরে প্রিন্স অব ওয়েলস রণতরীতে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট এবং তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল আটলান্টিক সনদ বা চার্টারে স্বাক্ষর করেছিলেন।
(তথ্যসূত্র: ওয়াইটহাউজ ওয়েবসাইট)
৬৭৮.
যুদ্ধাবস্থায় বেসামরিক জনগণের নিরাপত্তা বিষয়ক প্রটোকল কোনটি? 
  1. প্রথম জেনেভা কনভেনশন
  2. দ্বিতীয় জেনেভা কনভেনশন
  3. তৃতীয় জেনেভা কনভেনশন
  4. চতুর্থ জেনেভা কনভেনশন
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ জেনেভা কনভেনশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ জেনেভা কনভেনশন
ব্যাখ্যা

• জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১২ আগস্ট, ১৯৪৯ সালে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

•  মূল জেনেভা কনভেনশনগুলো:
১. প্রথম কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ কনভেনশন (১৯৪৯): বেসামরিক জনগণের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।

উৎস: INTERNATIONAL COMMITTEE OF THE RED CROSS.

৬৭৯.
হেলসিঙ্কি চুক্তির উদ্দেশ্য কী ছিল?
  1. ফিদেল কাস্ত্রোকে ক্ষমতাচ্যুত করা
  2. শান্তিপূর্ণ মহাকাশ ব্যবস্থাপনা
  3. সোভিয়েত ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ
  4. ইউরোপে নিরাপত্তা, শান্তি এবং মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা
সঠিক উত্তর:
ইউরোপে নিরাপত্তা, শান্তি এবং মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরোপে নিরাপত্তা, শান্তি এবং মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা
হেলসিঙ্কি চুক্তি (Helsinki Accords):
- ১৯৭৫ সালে স্বাক্ষরিত এই চুক্তিটি ইউরোপে নিরাপত্তা, শান্তি এবং মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
- এটি ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে নিরাপত্তা ও সহযোগিতা সংক্রান্ত সম্মেলনের (Conference on Security and Cooperation in Europe - CSCE) অংশ ছিল।

চুক্তির মূল বিষয়:
- সীমান্ত অখণ্ডতা বজায় রাখা।
- মানবাধিকার এবং মৌলিক স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধা।
- অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ।
- অর্থনৈতিক, বৈজ্ঞানিক, এবং পরিবেশগত সহযোগিতা।

উৎস: OSCE Official Site
৬৮০.
জেনেভা চুক্তির ফলশ্রুতিতে কোন দুইটি পৃথক রাষ্ট্রের জন্ম হয়?
  1. ক) লাউস ও কম্বোডিয়া
  2. খ) উত্তর ভিয়েতনাম ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম
  3. গ) উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া
  4. ঘ) উত্তর আয়ারল্যান্ড ও দক্ষিণ আয়ারল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
খ) উত্তর ভিয়েতনাম ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) উত্তর ভিয়েতনাম ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম
ব্যাখ্যা
- ২০ জুলাই, ১৯৫৪ সালে স্বাক্ষরিত হয় জেনেভা চুক্তি-১৯৫৪।
- এই চুক্তির পক্ষদ্বয় ছিল ফ্রান্স ও ভিয়েতনাম।
- এই চুক্তির ফলে উত্তর ভিয়েতনাম ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম নামের দুটি রাষ্ট্রের জন্ম হয়।

- ১৯৭৩ সালের ২৭ জানুয়ারি ভিয়েতনাম যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ভিয়েতনামের বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে প্যারিস শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিলো।
- এই চুক্তির ফলে রক্তক্ষয়ী ভিয়েতনাম ‍যুদ্ধের অবসান হয়।

উৎসঃ history.com
৬৮১.
পরমাণু অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তিতে বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে কবে?
  1. ১৫ সেপ্টেম্বর , ২০১৭
  2. ২০ সেপ্টেম্বর , ২০১৭
  3. ২০ সেপ্টেম্বর , ২০১৯
  4. ২২ সেপ্টেম্বর , ২০২০
সঠিক উত্তর:
২০ সেপ্টেম্বর , ২০১৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ সেপ্টেম্বর , ২০১৭
ব্যাখ্যা

পরমাণু অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি:
-  এই চুক্তির অপর নাম Nuclear Weapon Ban Treaty।
- পরমাণু অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তিতে স্বাক্ষর করা হয় ০৭ জুলাই, ২০১৭। 
- বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে ২০ সেপ্টেম্বর , ২০১৭।
- জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রথম পরমাণু অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে এই চুক্তি ২০১৭ সালে অনুমোদন করেছিল ১২২টি দেশ।
- কিন্তু এটি আইন হিসাবে কার্যকর করতে অন্তত ৫০টি দেশের চূড়ান্ত অনুমোদনের প্রয়োজন ছিল।
- ICAN পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণে কাজ করছে (২০১৭ সালে শান্তিতে নোবেল পেয়েছে)।

উৎস: ব্রিটানিকা ও বিবিসি নিউজ।

৬৮২.
জেনেভা কনভেনশনের কোন চুক্তিটি যুদ্ধক্ষেত্র বা অবরুদ্ধ অঞ্চলের বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা সংক্রান্ত?
  1. ক) প্রথম জেনেভা কনভেনশন চুক্তি
  2. খ) দ্বিতীয় জেনেভা কনভেনশন চুক্তি
  3. গ) তৃতীয় জেনেভা কনভেনশন চুক্তি
  4. ঘ) চতুর্থ জেনেভা কনভেনশন চুক্তি
সঠিক উত্তর:
ঘ) চতুর্থ জেনেভা কনভেনশন চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) চতুর্থ জেনেভা কনভেনশন চুক্তি
ব্যাখ্যা
জেনেভা কনভেনশন - ১৯৪৯ (Geneva Convention):
১৯৪৯ সালের ১২ আগস্ট সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় 'জেনেভা কনভেনশন' স্বাক্ষর হয়।
এর আওতায় স্বাক্ষরিত চুক্তির সংখ্যা - ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল (যুদ্ধকালীন সামরিক, বেসামরিক ও স্বেচ্ছাসেবীদের রক্ষার জন্য এতে চারটি রক্ষাকবচ/চুক্তি থাকায় এই চুক্তিকে “চারটি রেডক্রস কনভেনশন” বলা হয়।)
স্বাক্ষরিত চারটি চুক্তি হচ্ছে-
১. প্রথম জেনেভা কনভেনশন চুক্তি - জেনেভা কনভেনশনের প্রথম চুক্তিটি যুদ্ধকালীন সময়ে ভূমি ও স্থল যুদ্ধে আহত ও অসুস্থ সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত।
২. দ্বিতীয় জেনেভা কনভেনশন চুক্তি - দ্বিতীয় চুক্তিটি সমুদ্রে বা জলের যুদ্ধে আহত, অসুস্থ ও জাহাজডুবির স্বীকার সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালের “হেগ চুক্তি সংশােধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় জেনেভা কনভেনশন চুক্তি – জেনেভা কনভেনশনের তৃতীয় চুক্তিটি হচ্ছে যুদ্ধ-বন্দিদের প্রতি আচরণ সংক্রান্ত।
৪. চতুর্থ জেনেভা কনভেনশন চুক্তি - চতুর্থ চুক্তিটি যুদ্ধক্ষেত্র বা অবরুদ্ধ অঞ্চলের বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা সংক্রান্ত চুক্তি।
উৎসঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা এবং history.com।
৬৮৩.
কোন চুক্তির ফলশ্রুতিতে আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আদালত (ICC) প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. রোম চুক্তি
  2. লিসবন চুক্তি
  3. গ্লাসগো চুক্তি
  4. প্যারিস প্যাক্ট
সঠিক উত্তর:
রোম চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোম চুক্তি
ব্যাখ্যা
- International Criminal Court (ICC) বা আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আদালত (আইসিসি) নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত।
- ১ জুলাই ২০০২ সালে রোম চুক্তি (১৭ জুলাই ১৯৯৮ স্বাক্ষরিত) কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর বর্তমান সদস্য ১২৩টি৷
- এই আদালত গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রভৃতি বিষয়ে অনুসন্ধান ও বিচারের মাধ্যমে দোষী সাব্যস্ত করতে পারে। গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করতে পারে। তবে দণ্ড কার্যকর করতে পারে না।
- বাংলাদেশ ১৬ সেপ্টেম্বর ১৯৯৯ এটিতে স্বাক্ষর করে এবং ২৩ মার্চ ২০১০ এটি অনুমোদন করে।
তথ্যসূত্রঃ ICC ওয়েবসাইট
৬৮৪.
'জেনেভা কনভেনশন' হলো কতগুলো-
  1. মানবাধিকার চুক্তি 
  2. যুদ্ধচুক্তি
  3. সামরিক চুক্তি
  4. অর্থনৈতিক চুক্তি
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধচুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধচুক্তি
ব্যাখ্যা

জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন সম্পাদিত হয়েছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী প্রতিক্রিয়া ও এর ফলাফল হিসেবে।
- যুদ্ধপরাধকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড হিসেবে জেনেভা কনভেনশনকে মান্য করা হয়।
- মূলত এটি যুদ্ধাপরাধ সংক্রান্ত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- ১৯৪৯ সালের ১২ আগস্ট সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- যুদ্ধকালীন সামরিক, বেসামরিক ও স্বেচ্ছাসেবীদের রক্ষার জন্য এতে চারটি চুক্তি থাকায় এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

কনভেনশনসমূহ:
• ১ম জেনেভা কনভেনশন:
- ১৯৪৯ সালে; যুদ্ধকালীন সময়ে ভূমি ও স্থল যুদ্ধে আহত ও অসুস্থ সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত।

• ২য় জেনেভা কনভেনশন:
- ১৯৪৯ সালে; সমুদ্রস্থ যুদ্ধক্ষেত্রে আহত, অসুস্থ এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত জাহাজের সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।

• ৩য় জেনেভা কনভেনশন:
- ১৯৪৯ সালে; যুদ্ধবন্দিদের প্রতি আচরণ ও তাদের নিরাপত্তা ও চিকিৎসা সংক্রান্ত।

• ৪র্থ জেনেভা কনভেনশন:
- ১৯৪৯ সালে, যুদ্ধাবস্থায় বেসামরিক জনগণ রক্ষার্থে ও তাদের সুরক্ষা সংক্রান্ত।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & History.com

৬৮৫.
Chemical Weapons Convention (CWC) স্বাক্ষরকারী দেশ কয়টি? (জুলাই, ২০২৫)
  1. ১৯০টি
  2. ১৯১টি
  3. ১৯২টি
  4. ১৯৩টি
সঠিক উত্তর:
১৯৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৩টি
ব্যাখ্যা
Chemical Weapons Convention (CWC):
- CWC রাসায়নিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ বিষয়ক চুক্তি।
- CWC এর পূর্ণরূপ Chemical Weapons Convention.
- এটি জাতিসংঘের অনুমোদনক্রমে স্বাক্ষরিত একটি বহুপাক্ষিক চুক্তি।
- চুক্তির বিষয়: রাসায়নিক অস্ত্রের উৎপাদন, মজুদ ও ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ।
- যে সকল দেশের হাতে রাসায়নিক অস্ত্র রয়েছে তাদেরকে এই অস্ত্র ধ্বংস করার কথাও বলা হয়েছে।
- ১৯৯২ সালের ৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের দপ্তরে নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক সম্মেলন (Conference on Disarmament) অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনে রাসায়নিক অস্ত্র উৎপাদন বন্ধের চুক্তির খসড়া প্রস্তুত করা হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩ সালে।
- কার্যকর হয়: ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭ সালে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৯৩টি। (জুলাই, ২০২৫)
- ইসরায়েল স্বাক্ষর করেছে কিন্তু অনুমোদন করেনি।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ও OPCW ওয়েবসাইট।
৬৮৬.
সম্প্রতি কোন দেশ জাতিসংঘের পরমাণু শক্তি সংস্থার সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ও সহযোগিতা স্থগিত করেছে? [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. ইরান
  2. উত্তর কোরিয়া
  3. সৌদি আরব
  4. ইরাক
সঠিক উত্তর:
ইরান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান
ব্যাখ্যা

• IAEA:
- পূর্ণ নাম: International Atomic Energy Agency. 
- প্রতিষ্ঠাকাল: ২৯ জুলাই, ১৯৫৭।
- সদর দপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- সদস্য রাষ্ট্র সংখ্যা: ১৭৯টি। [ সেপ্টেম্বর, ২০২৫]

• ইরানের সদস্যপদ ত্যাগ:
- জাতিসংঘের পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) সঙ্গে সব ধরনের সম্পর্ক ও সহযোগিতা স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।
- এর ফলে সংস্থাটির সঙ্গে সহযোগিতা চুক্তি থেকে ২জুলাই, ২০২৫ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে বেরিয়ে গেল তেহরান।

তথ্যসূত্র: IEAE ওয়েবসাইট ও পত্রিকা।

৬৮৭.
ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
  1. রাশিয়া
  2. ইতালি
  3. ডেনমার্ক
  4. জার্মানি
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
ব্যাখ্যা

• ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি:
- ত্রিশ বছরব্যাপী অবিরামভাবে যুদ্ধ করার পর বিপর্যস্ত ইউরোপের সকল দেশের প্রতিনিধিরা ১৬৪৮ সালে জার্মানির ওয়েস্টফেলিয়াতে মিলিত হয়ে দুটি ভিন্ন শান্তিচুক্তি পাস করে
- ১৬৪৮ সালের ২৪শে অক্টোবর ওয়েস্টাফেলিয়া চুক্তি সম্পাদনের মাধ্যমে দীর্ঘ ত্রিশ বছরব্যাপী ধর্মজনিত এই যুদ্ধের অবসান ঘটায়।
- ওয়েস্টফেলিয়া শান্তি চুক্তি ইউরোপের শান্তির স্বপক্ষে প্রথম এবং সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
- এটি ইউরোপকে একটি আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা নিয়ে আসতে সক্ষম হয়।
- এই সন্ধির ভূ-খন্ডগত সীমানা নেপোলিয়নের যুগ পর্যন্ত বহাল থাকে।

উৎস: i) Britannica.
ii) আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৮৮.
Camp David Accords was signed between which two countries?
  1. Egypt and Israel
  2. India and Pakistan
  3. United Kingdom and United States
  4. Libya and Oman
  5. Tunisia and Algeria
সঠিক উত্তর:
Egypt and Israel
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Egypt and Israel
ব্যাখ্যা
মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরানোর উদ্দেশ্যে মিশর এবং ইসরায়েলের মধ্যে ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি হয়েছিল।

ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি:

- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি ছিল মিশরের রাষ্ট্রপতি আনোয়ার সাদাত এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী মেনাখেম বেগিন স্বাক্ষরিত একজোড়া রাজনৈতিক চুক্তি।
- মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরানোর গুরুত্বপূর্ণ একটি উদ্যোগ ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি।
- ১৯৭৮ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডের ক্যাম্প ডেভিডে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এ চুক্তির মধ্যস্ততা করেছিলেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার।
- চুক্তিটির জন্য মিশরকে আরব লীগ ও ওআইসি থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়।
- তৎকালীন মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত চুক্তিটির জন্য ১৯৭৮ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান।

উৎস: Britannica.
৬৮৯.
নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য দূরীকরণ সনদ (CEDAW) কত সালে জাতিসংঘে গৃহীত হয়?
  1. ১৯৭৫ সাল
  2. ১৯৭৭ সাল
  3. ১৯৭৯ সাল
  4. ১৯৮২ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৭৯ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৯ সাল
ব্যাখ্যা
• নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য দূরীকরণে জাতিসংঘের ভূমিকা :
• নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য বিলোপ সনদ (Convention on the Elimination of All Forms of Discrimination Against Women Or CEDAW )।
• ১৯৭৯ সালের ডিসেম্বর মাসে জাতিসংঘের সাধারণপরিষদে এটি গৃহীত হয়।
• ১৯৮১ সালে ২০টি দেশ সমর্থন করার পরএটি কার্যকর হয়।
• বাংলাদেশসহ মোট ১৩২টি দেশ বর্তমানেসনদটি সমর্থন করেছে।
- নারী ও পুরুষের সমতার নীতির ওপর ভিত্তি করে সিডও সনদটি তৈরি।
- সিডও সনদে ৩০টি ধারা আছে।
- প্রথম ১৬টি ধারা নারীর প্রতি কত প্রকার বৈষম্য আছে তা বিশ্লেষণ করে।
- আর পরের ১৪টি ধারা ব্যাখ্যা করে এ বৈষম্যগুলো কীভাবে বিলোপ করা যায়।
- নারী নির্যাতন প্রতিরোধে ১৯৯৯ সালের ১৭ই নভেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ২৫শে নভেম্বরকে 'আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস' হিসেবে পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়।
- জাতিসংঘ ৮ই মার্চকে বিশ্ব নারী দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে। 

উৎস : বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।
৬৯০.
কোন দেশটি Nuclear Non- Proliferation Treaty (NPT) থেকে প্রত্যাহার করেছিল?
  1. রাশিয়া
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ইসরায়েল
  4. উত্তর কোরিয়া
সঠিক উত্তর:
উত্তর কোরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর কোরিয়া
ব্যাখ্যা

'NPT' চুক্তি:
- NPT-এর পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি।

⇒ আনুষ্ঠানিকভাবে NPT দ্বারা পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হিসাবে স্বীকৃত রাষ্ট্র (NWS) হলো ৫টি।
- চুক্তিটি এই দেশগুলির পারমাণবিক অস্ত্রাগারকে স্বীকৃতি দেয়।
- কিন্তু NPT-এর ৬ অনুচ্ছেদের অধীনে তাদের চিরস্থায়ীভাবে এই ধরনের অস্ত্র তৈরি এবং বজায় রাখার উল্লেখ নেই।
- ৫টি রাষ্ট্র: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

উল্লেখ্য,
- ভারত, পাকিস্তান এবং ইসরায়েল কখনই NPT-এ যোগ দেয়নি। কিন্তু দেশগুলি পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী বলে পরিচিত। 
- উত্তর কোরিয়া একটি অ-পারমাণবিক অস্ত্র রাষ্ট্র হিসাবে NPT-এ যোগদান করেছিল। কিন্তু ২০০৩ সালে NPT থেকে প্রত্যাহারের ঘোষণা করেছিল। 

উৎস: i) Arms Control Association ওয়েবসাইট।
        ii) UNODA ওয়েবসাইট।

৬৯১.
'মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণা' কোথায় গৃহীত হয়?
  1. নিউ ইয়র্ক
  2. সান ফ্রান্সিসকো
  3. জেনেভা
  4. প্যারিস
সঠিক উত্তর:
প্যারিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্যারিস
ব্যাখ্যা

• জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন:
- ১৯৪৬ সালে জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন গঠিত হয়।
- কমিশন ‘মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণা' এর খসড়া প্রস্তুতের জন্য একটি কমিটি গঠন করে।
- কমিটির প্রস্তুতকৃত খসড়া ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর ফ্রান্সের প্যারিসে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে গৃহীত হয়।
- মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণায় মোট ৩০টি ধারা রয়েছে।
- প্রতিবছর ১০ ডিসেম্বরকে বিশ্বব্যাপী 'আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস' হিসেবে পালন করা হয়।

উৎস: জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।

৬৯২.
ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা কোথায় গঠিত হয় ?
  1. সৌদি আরবের জেদ্দায়
  2. মিশরের কায়রোতে
  3. মরোক্কোর রাবাতে
  4. তিউনিসিয়ার তিউনিসে
সঠিক উত্তর:
মরোক্কোর রাবাতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মরোক্কোর রাবাতে
ব্যাখ্যা
মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনে ওআইসি কোথায় গঠিত হয়।

OIC 
১৯৬৯ সালের ২১ আগস্ট ইসরায়েল অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমে আল আকসা মসজিদে আগুন লাগার পরিপ্রেক্ষিতে মুসলিম দেশগুলো নিজেদের পৃথক সংগঠনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে। সেই প্রেক্ষাপটে ২৪ জন রাষ্ট্রপ্রধান মরোক্কোর রাবাতে মিলিত হয়ে ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯ তারিখে The Organisation of Islamic Cooperation ( OIC ) বা ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা গঠন করেন। 

- এটি মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট।
- গঠিত হয়: ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ২৪টি।
- বর্তমান সদস্য: ৫৭টি।
- সদরদপ্তর: জেদ্দা, সৌদি আরব।
-বর্তমান মহাসচিব: ইব্রাহিম তাহা। ( ১২ তম )।

-প্রথম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়: রাবাত, মরক্কো (১৯৬৯ সালে)।
- দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের দুটি দেশ গায়ানা ও সুরিনাম OIC- এর সদস্য।
- ইউরোপ মহাদেশের আলবেনিয়া OIC-এর সদস্য।

- বাংলাদেশের সদস্যপদ লাভ : ১৯৭৪ সালের ২২ থেকে ২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত  ওআইসি এর দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশ  OIC-এর সদস্যপদ লাভ করে। 

- ১৯৭৮ সালে ইসরায়েল সাথে ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি স্বাক্ষর করার কারণে ১৯৭৯ সালে মিশর কে ওআইসি থেকে বহিষ্কার করা হয় এবং কায়রোতে অবস্থিত তৎকালীন  সদর দপ্তর পরিবর্তন করে তিউনিসিয়ার তিউনিসে স্থানান্তরিত করা হয় । 

উৎস: OIC ওয়েবসাইট।
৬৯৩.
'ভিয়েনা কনভেনশন- ১৯৬১' কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. পরিবেশ
  2. বানিজ্য
  3. অর্থনীতি
  4. কূটনীতি
সঠিক উত্তর:
কূটনীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কূটনীতি
ব্যাখ্যা

• ভিয়েনা কনভেনশন -১৯৬১:
- চুক্তির নাম: Vienna Convention on Diplomatic Relations. 
- চুক্তি অনুযায়ী, কূটনীতিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হয় স্বাগতিক দেশকে।
- গৃহীত হয়: ১৮ এপ্রিল ১৯৬১,
- কার্যকর হয়: ২৪ এপ্রিল ১৯৬৪,
- স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া,
- ভিয়েনা কনভেনশনে মোট ৫৩টি ধারা রয়েছে।
- কোনো দেশ ওইসব ধারার পরিপন্থী কাজ করলে সেটাকে ‘চুক্তির বরখেলাপ’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- ১৯৬৫ সালে ভারত ‘ভিয়েনা কনভেনশন অন ডিপ্লোম্যাটিক রিলেশনস’ চুক্তিতে সাক্ষর করে।
- বাংলাদেশ ওই চুক্তিতে সই করে ১৯৭৮ সালে।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

৬৯৪.
কোন মার্কিন প্রেসিডেন্ট অসলো-১ শান্তি চুক্তির মধ্যস্থতা করেন?
  1. রিগান
  2. জিমি কার্টার
  3. বিল ক্লিনটন
  4. রিচার্ড নিক্সন
সঠিক উত্তর:
বিল ক্লিনটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিল ক্লিনটন
ব্যাখ্যা

অসলো-১ শান্তি চুক্তি:
- ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে অসলো শান্তি চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৩ সেপ্টেম্বর ১৯৯৩ সালে চুক্তিটি সাক্ষরিত হয়।
- অসলো-১ শান্তি চুক্তিটি ১৯৯৩ সালে যুক্তরাস্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের পূর্বে নরওয়ের রাজধানী অসলোতে চুক্তিটি নিয়ে আলোচনা হওয়ায় চুক্তিটি অসলো চুক্তি নামে পরিচিত।
- অসলো-১ চুক্তির ফলে ইসরাইল ও পিএলও পরস্পরকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন এতে মধ্যস্থতা করেন।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & History.com

৬৯৫.
'গ্লোবাল জিরো' কী?
  1. ক্ষুধা দূরীকরণে আন্তর্জাতিক কর্মসূচী
  2. নিরক্ষরতা দূরীকরণে আন্তর্জাতিক কর্মসূচী
  3. বৈশ্বিক আবহাওয়া নিয়ন্ত্রনে আন্তর্জাতিক আন্দোলন
  4. পারমাণবিক অস্ত্র নির্মূলের জন্য আন্তর্জাতিক আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক অস্ত্র নির্মূলের জন্য আন্তর্জাতিক আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক অস্ত্র নির্মূলের জন্য আন্তর্জাতিক আন্দোলন
ব্যাখ্যা
• গ্লোবাল জিরো (Global Zero):
- গ্লোবাল জিরো হল সমস্ত পারমাণবিক অস্ত্র নির্মূলের জন্য আন্তর্জাতিক আন্দোলন।
- গ্লোবাল জিরো হলো একটি আন্তর্জাতিক আন্দোলন যা সব ধরনের পারমাণবিক অস্ত্র নির্মূলের লক্ষ্যে কাজ করে।
- তাদের টার্গেট ২০৪৫ সালের মধ্যে বিশ্বকে পরমানু অস্ত্রমুক্ত করা।
- এটি ২০০৮ সালের ডিসেম্বর মাসে প্যারিসে চালু হয়।
- এই আন্দোলনে ৩০০ জন বিশ্বনেতা এবং সারা বিশ্বের প্রায় পাঁচ লাখ সাধারণ মানুষ যুক্ত আছেন।
- এ পর্যন্ত গ্লোবাল জিরো চারটি শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজন করেছে।

উৎস: গ্লোবাল জিরো অফিসিয়াল ওয়েবসাইট। [link]
৬৯৬.
জেনেভা কনভেনশনে কতটি প্রটোকল রয়েছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশনে ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- জেনেভা কনভেনশন হলো ১৮৬৪ থেকে ১৯৪৯ সালের মধ্যে জেনেভাতে স্বাক্ষরিত আন্তর্জাতিক চুক্তিসমূহের একটি সিরিজ, যা যুদ্ধের সময় সৈন্য ও বেসামরিক জনগণের মানবিক অবস্থার উন্নতির লক্ষ্যে গৃহীত হয়।
- এই চুক্তিগুলোর মাধ্যমে যুদ্ধকালীন সময়ে নির্দিষ্ট নীতিমালা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, যা যুদ্ধের সময় মানবাধিকারের সুরক্ষায় সহায়ক।
- জেনেভা কনভেনশন যুদ্ধকালীন মানবাধিকারের সুরক্ষায় একটি বৈশ্বিক মাইলফলক এবং এটি আজও আন্তর্জাতিক আইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
i) জেনেভা কনভেনশন প্রথমবার গৃহীত হয় ১৮৬৪ সালে, যা রেড ক্রসের প্রতিষ্ঠাতা অঁরি দুঁনার-এর উদ্যোগে।
- আহত সৈন্যদের চিকিৎসাকেন্দ্র এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীদের নিরাপত্তা।
- সকল যোদ্ধার প্রতি নিরপেক্ষ আচরণ।
- আহতদের সহায়তায় নিয়োজিত বেসামরিক ব্যক্তিদের সুরক্ষা।
- রেড ক্রস প্রতীককে সুরক্ষা ও শনাক্তকরণের প্রতীক হিসেবে গ্রহণ।
ii) ১৯০৬: প্রথম চুক্তি সংশোধন ও সম্প্রসারণ।
iii) ১৯২৯: তৃতীয় চুক্তি, যেখানে যুদ্ধবন্দীদের প্রতি মানবিক আচরণ এবং তাদের সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
iv) ১৯৪৯: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রেক্ষিতে চারটি নতুন কনভেনশন গৃহীত হয়:
- স্থলযুদ্ধে আহতদের জন্য।
- সমুদ্রে আহত এবং উদ্ধারকৃতদের জন্য।
- যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা।
- যুদ্ধকালীন সময়ে বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা।

উৎস: Britannica.
icrc.org
৬৯৭.
'Good Friday Agreement' বলতে কোন আন্তর্জাতিক চুক্তিকে বোঝায়?
  1. বেলফাস্ট চুক্তি
  2. ডেটন শান্তি চুক্তি
  3. উই রিভার চুক্তি
  4. আলজিয়ার্স চুক্তি
সঠিক উত্তর:
বেলফাস্ট চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেলফাস্ট চুক্তি
ব্যাখ্যা

⇒ 'Good Friday Agreement' বলতে বেলফাস্ট চুক্তিকে বোঝায়।

বেলফাস্ট চুক্তি:

- উত্তর আয়ারল্যান্ডে যুদ্ধ পরিস্থিতি ও রাজনৈতিক অচলাবস্থার অবসান ঘটিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য বেলফাস্ট চুক্তিটি একটি মাইলফলক হিসাবে বিবেচিত হয়। উত্তর আয়ারল্যান্ড - এর শাসনতন্ত্র কিরকম হবে তা এই চুক্তির মাধ্যমে নির্ধারিত হয়।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ১০ এপ্রিল, ১৯৯৮ সালে।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ডিসেম্বর, ১৯৯৯ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান বেলফাস্ট, উত্তর আয়ারল্যান্ড।
- চুক্তির পক্ষ: ব্রিটিশ সরকার, আয়ারল্যান্ড ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের কয়েকটি রাজনৈতিক দল।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৬৯৮.
START-II চুক্তিটি কয়টি দেশের মধ্যে। সম্পাদিত হয়েছে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
START চুক্তি:

- START এর পূর্ণরূপ: Strategic Arms Reduction Treaty।
- এটি হলো কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস সংক্রান্ত চুক্তি।
- চুক্তি হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে।
- চুক্তির বিষয়বস্তু: কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস।
- START-1 স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৯১ সালে।
- START-2 স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৯৩  সালে। 

উৎস: U.S. Department of State (.gov) ওয়েবসাইট।
৬৯৯.
জাতিসংঘ গঠন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আটলান্টিক সনদ স্বাক্ষরিত হয় কবে?
  1. ১২ জুন ১৯৪১
  2. ১৪ আগস্ট ১৯৪১
  3. ১ জানুয়ারি ১৯৪২
  4. ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৪২
সঠিক উত্তর:
১৪ আগস্ট ১৯৪১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ আগস্ট ১৯৪১
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘ গঠন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ১৯৪১ সালের ১৪ আগস্ট তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন এবং ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল আটলান্টিক মহাসাগরে ব্রিটিশ রণতরী প্রিন্স অব ওয়েলসে বৈঠকে মিলিত হন।
- বৈঠকে উভয় নেতা যে ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করেন তা আটলান্টিক সনদ নামে পরিচিত।
- এটি বাধ্যবাধকতা সম্পন্ন কোন চুক্তি ছিলো না। এটিতে যেকোন আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের জনগণের মধ্যে সংহতি ব্যক্ত হয়।
- আটলান্টিক সনদ জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার দ্বিতীয় ধাপ হিসেবে বিবেচিত।
- সম্প্রতি ১০ জুন ২০২১ মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন নিউ আটলান্টিক চার্টারে স্বাক্ষর করেন।
(তথ্যসূত্র: মার্কিন সরকারি হিস্টোরিয়ান ওয়েবসাইট এবং সিএনএন)
৭০০.
মার্কিন ”বাগরাম বিমানঘাঁটি” কোন দেশে অবস্থিত?
  1. কাতার
  2. কুয়েত
  3. আফগানিস্তান
  4. সিরিয়া
সঠিক উত্তর:
আফগানিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আফগানিস্তান
ব্যাখ্যা

বাগরাম বিমানঘাঁটি:
- বাগরাম হচ্ছে আফগানিস্তানের কাবুল শহরের ৫০ কিমি উত্তরে অবস্থিত একটি বিশাল বিমানঘাঁটি।
- এটি আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘ ২০ বছরের যুদ্ধকালীন সময়ে প্রধান সামরিক কেন্দ্র ছিল।
- যুক্তরাষ্ট্র ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের সন্ত্রাসী হামলার পর আফগানিস্তানে ‘সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ’ শুরু করে এবং এই ঘাঁটি তাদের কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।
- ২০২১ সালে আফগান সরকার পতনের পর যুক্তরাষ্ট্রের হঠাৎ ও বিশৃঙ্খলভাবে আফগানিস্তান ত্যাগের মাধ্যমে তালেবান বাগরাম ঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ নেয়।

সম্প্রতি,
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক ঘাঁটি বাগরাম ফেরত চাওয়ার দাবি তুলেছেন।
- তবে তালেবান প্রশাসন স্পষ্টভাবে তার এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। 

উৎস: নিউজ প্রতিবেদন ।