বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

নিরাপত্তা ও অন্যান্য চুক্তি এবং চুক্তি সংক্রান্ত সনদ

মোট প্রশ্ন১,৩৬৬এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নিরাপত্তা ও অন্যান্য চুক্তি এবং চুক্তি সংক্রান্ত সনদ

PrepBank · পাতা / ১৪ · ২০১৩০০ / ১,৩৬৬

২০১.
অটোয়া চুক্তির মূল বিষয় কোনটি?
  1. পরমাণু অস্ত্রের বিস্তার রোধ
  2. রাসায়নিক অস্ত্র উৎপাদন ও ব্যবহার নিষিদ্ধকরণ
  3. স্থলমাইন ব্যবহার, মজুদ, উৎপাদন ও পরিবহন নিষিদ্ধকরণ
  4. সৈন্য সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ও নিরস্ত্রীকরণ
সঠিক উত্তর:
স্থলমাইন ব্যবহার, মজুদ, উৎপাদন ও পরিবহন নিষিদ্ধকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থলমাইন ব্যবহার, মজুদ, উৎপাদন ও পরিবহন নিষিদ্ধকরণ
ব্যাখ্যা
স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি: 
- অটোয়া চুক্তির মূল বিষয় হলো অ্যান্টি-পারসোনেল ল্যান্ডমাইন বা স্থলমাইনের ব্যবহার, সংরক্ষণ, উৎপাদন ও পরিবহন নিষিদ্ধ করা।
- এটি ১৮ সেপ্টেম্বর ১৯৯৭ সালে স্বাক্ষরিত হয় এবং ১ মার্চ ১৯৯৯ সালে কার্যকর হয়।
- চুক্তির মাধ্যমে সদস্য দেশগুলো স্থলমাইন অপসারণ ও ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেয়।
- এতে ১৬৪টি দেশ অংশগ্রহণ করে। 
- বাংলাদেশ ৭ মে ১৯৯৮ সালে এতে স্বাক্ষর করে এবং ৬ সেপ্টেম্বর ২০০০ সালে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেয়।
- এই চুক্তি যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকায় বেসামরিক মানুষের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
 
সূত্র: স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি ওয়েবসাইট।
২০২.
সিমলা চুক্তির মাধ্যমে যে নিয়ন্ত্রণ সীমা তৈরি হয় তার নাম -
  1. লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল
  2. ডুরান্ড লাইন
  3. লাইন অব কন্ট্রোল
  4. ম্যাকমোহন লাইন
সঠিক উত্তর:
লাইন অব কন্ট্রোল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাইন অব কন্ট্রোল
ব্যাখ্যা
সিমলা চুক্তি (Simla Agreement):
- ১৯৭১ সালে ভারত পাকিস্তান সমঝোতার মাধ্যমে যে নিয়ন্ত্রণ সীমা তৈরি হয় তার নাম এল.ও.সি বা লাইন অব কন্ট্রোল।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে পরবর্তী সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে এবং যুদ্ধবন্দীদের হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে সিমলা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির অধীনেই ভারত সব যুদ্ধবন্দিকে বিনা বিচারে পাকিস্তানে ফেরত পাঠায়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২ জুলাই, ১৯৭২।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: সিমলা, হিমাচল প্রদেশ, ভারত।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী: ভারত ও পাকিস্তান।
- ভারতের পক্ষে স্বাক্ষরকারী: প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী।
- পাকিস্তানের পক্ষে স্বাক্ষরকারী: প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলী ভুট্টো।
- চুক্তির লক্ষ্য: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ বিষয়াবলীর শান্তিপূর্ণ সমাধান, বন্ধুত্বপূর্ণ পারস্পারিক সহাবস্তান, যুদ্ধবন্দী বিনিময়, লাইন অব কন্ট্রোলকে বিরোধপূর্ণ কাশ্মীরের সীমানা হিসাবে পুনঃনির্ধারণ ইত্যাদি।

উল্লেখ্য,
- মূলত বাংলাদেশে স্বাধীনতা যুদ্ধের পর ৯৩ হাজার পাকিস্তানী সেনাদের ভারত বন্দী বানিয়ে নিয়ে যায় তাদের দেশে।
- আর তখন পাকিস্তান ভেঙ্গে হয়ে গেল বাংলাদেশ ।
- সিমলা চুক্তির মাধ্যমে পাকিস্তানী ৯৩ হাজার বন্দী সেনাদের ভারত ছেড়ে দিল, এই শর্তে যে তাদের বিচার পাকিস্তান নিজেই করবে যারা পূর্বপাকিস্তান তথা বর্তমান বাংলাদেশে যুদ্ধকালীন অপরাধে জড়িত ছিল।
- এই চুক্তিতে ভারত ও পাকিস্তান জম্মু ও কাশ্মীরে স্থিতাবস্থা স্থাপনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করে।

উৎস: i) Ministry of External Affairs.
ii) UN Peacemaker.
২০৩.
অভিন্ন ইউরোপ এবং ইউরোপে একক মুদ্রা প্রচলনের লক্ষ্যে ম্যাসট্রিক্ট চুক্তি কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ১৯৯২ সালে
  3. ১৯৯৩ সালে
  4. ১৯৯৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯২ সালে
ব্যাখ্যা
ম্যাসট্রিক্ট চুক্তি:
- স্বাক্ষরিত হয় ১৯৯২ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি।
- স্বাক্ষরিত হয় নেদারল্যান্ডের ম্যাসট্রিক্ট শহরে।
- স্বাক্ষর করে ১২টি ইউরোপীয় দেশ।
- উদ্দেশ্য অভিন্ন ইউরো মুদ্রা প্রচলন এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তায় পারস্পরিক সহযোগিতা।
- এর মাধ্যমে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন সৃষ্টি হয়।

উৎস: EU এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
২০৪.
'ATT' চুক্তি কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. ক) পরিবেশ বিষয়ক
  2. খ) মানবাধিকার বিষয়ক
  3. গ) শিক্ষা বিষয়ক
  4. ঘ) অস্ত্রবাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক
সঠিক উত্তর:
ঘ) অস্ত্রবাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অস্ত্রবাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক
ব্যাখ্যা
- ATT (Arms Trade Treaty) হলো জাতিসংঘের উদ্যোগে স্বাক্ষরিত অস্ত্রবাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক একটি চুক্তি।
- এর চুক্তির উদ্দেশ্য হলো প্রচলিত ক্ষুদ্রাস্ত্র থেকে শুরু করে ট্যাংক কিংবা যুদ্ধবিমানের বিশ্ববাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করা।
- চুক্তিটি ২০১৩ সালের ২ এপ্রিল গৃহিত হয় এবং কার্যকর হয় ২০১৪ সালের ১৪ ডিসেম্বর থেকে।
- চুক্তিটিতে স্বাক্ষরকারী দেশ ১৩০টি। তবে অংশীদার ১১০টি দেশ।
- বাংলাদেশ ATT চুক্তিতে ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ স্বাক্ষর করলেও এখনো তা অনুমোদন করেনি।

সূত্র:- জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
২০৫.
Chemical Weapons Convention (CWC) চুক্তিটি স্বাক্ষর করেছে কিন্তু অনুমোদন করেনি কোন দেশ?
  1. ইসরায়েল
  2. রাশিয়া
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
ইসরায়েল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসরায়েল
ব্যাখ্যা
Chemical Weapons Convention (CWC):
- রাসায়নিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ বিষয়ক চুক্তির নাম - Chemical Weapons Convention (CWC)।
- এটি জাতিসংঘের অনুমোদনক্রমে স্বাক্ষরিত একটি বহুপাক্ষিক চুক্তি।
- এই চুক্তি অনুসারে রাসায়নিক অস্ত্রের উৎপাদন, মজুদ ও ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ।
- যে সকল দেশের হাতে রাসায়নিক অস্ত্র রয়েছে তাদেরকে এই অস্ত্র ধ্বংস করার কথাও বলা হয়েছে।
- ১৯৯২ সালের ৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের দপ্তরে নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক সম্মেলন (Conference on Disarmament) অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনে রাসায়নিক অস্ত্র উৎপাদন বন্ধের চুক্তির খসড়া প্রস্তুত করা হয়।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত ও স্বাক্ষরিত হয় ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩ সালে।
- কার্যকর হয় - ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭ সালে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ - ১৯৩টি।
- ইসরায়েল স্বাক্ষর করেছে কিন্তু অনুমোদন করেনি।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ও OPCW ওয়েবসাইট।
২০৬.
স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি কবে থেকে কার্যকর হয়?
  1. ১৯৯৬ সালে
  2. ১৯৯৭ সালে
  3. ১৯৯৮ সালে
  4. ১৯৯৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা
স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (Anti-Personnel Landmines Convention):
- এর আরেক নাম অটোয়া চুক্তি।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১ মার্চ, ১৯৯৯ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান: অটোয়া, কানাডা।
- সদস্য দেশ: ১৬৪টি
- এর উদ্দেশ্য হলো Anti-Personnel Landmines বা স্থলমাইন ব্যবহার, মজুদ, উৎপাদন ও পরিবহন নিষিদ্ধ।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে: ৭ মে, ১৯৯৮ সালে এবং অনুমোদন করে ৬ সেপ্টেম্বর, ২০০০ সালে।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।
২০৭.
ডেটন চুক্তির মধ্যস্থতা করেন কে? 
  1. বিল ক্লিনটন
  2. রোনাল্ড রিগান
  3. রিচার্ড নিক্সন 
  4. জর্জ ডব্লিউ বুশ 
সঠিক উত্তর:
বিল ক্লিনটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিল ক্লিনটন
ব্যাখ্যা

• ডেটন চুক্তি (Dayton Agreement):
- এই চুক্তির পূর্ণরূপ: The General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina.
- প্রক্রিয়াটির নেতৃত্বে ছিলেন প্রধান মার্কিন শান্তি আলোচনাকারী রিচার্ড হলব্রুক।
- উদ্দেশ্য: সার্বিয়া ও বসনিয়া-হার্জেগোভিনা সমস্যার সমাধান।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- পক্ষসমূহ: বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনা, ক্রোয়েশিয়া, সার্বিয়া।
- স্বাক্ষরকারী: ক্রোয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট ফ্রানজো তুজমান, সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট স্লোবোদান মিলোসেভিচ (যাঁকে পরে হেগে ‘যুদ্ধাপরাধী’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল) এবং বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার প্রেসিডেন্ট এলিজা আইজেবগোভিচ।
- মধ্যস্থতাকারী: তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।

উৎস: OSCE ও Britannica.

২০৮.
বাংলাদেশ CTBT অনুমোদনকারী কততম দেশ?
  1. ৫৪ তম
  2. ৫৭ তম
  3. ৫৯ তম
  4. ৬১ তম
সঠিক উত্তর:
৫৪ তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪ তম
ব্যাখ্যা
CTBT:
- CTBT-এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৮৭টি।
- বাংলাদেশ CTBT স্বাক্ষর করে ২৪ অক্টোবর, ১৯৯৬ সালে।
- CTBT অনুমোদন করে- ৮ মার্চ, ২০০০ সালে।
- বাংলাদেশ ১২৯ তম স্বাক্ষরকারী দেশ।
- বাংলাদেশ CTBT অনুমোদনকারী ৫৪ তম দেশ।

তথ্যসূত্র - Arms Control Association ওয়েবসাইট।
২০৯.
NAFTA কোন অঞ্চলের বাণিজ্যিক চুক্তি?
  1. দক্ষিণ আমেরিকা
  2. এশিয়া
  3. উত্তর আমেরিকা
  4. আফ্রিকা
সঠিক উত্তর:
উত্তর আমেরিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর আমেরিকা
ব্যাখ্যা
• নাফটা:
- NAFTA এর পূর্ণরূপ North American Free Trade Agreemnet.
- নাফটা উত্তর আমেরিকার তিনটি দেশ মেক্সিকো, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, এবং কানাডার মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি  মুক্ত বাণিজ্যিক চুক্তি। 
- এর সদস্য দেশ তিনটি।
- চুক্তিটি ১ জানুয়ারি, ১৯৯৪ সালে কার্যকর হয়।
- ২০১৮ সালের ৩০ নভেম্বর ২০২০ সালে নাফটা চুক্তি সংশোধনের মধ্য দিয়ে অন্য আরও একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় যা USMCA নামে পরিচিত।

উৎস: NAFTA ওয়েবসাইট।
২১০.
The exchange of commodities between two countries is referred as
  1. ক) Bilateral trade
  2. খ) Volume of trade
  3. গ) Balance of trade
  4. ঘ) Multilateral trade
সঠিক উত্তর:
ক) Bilateral trade
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Bilateral trade
ব্যাখ্যা
 দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য:
- দ্বিপাক্ষিকতা বা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বলতে দুটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের মধ্যকার রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক সম্পর্ক পরিচালনা করা বোঝায়।
- একপাক্ষিকতা বা বহুপাক্ষিকতা যেখানে যথাক্রমে এক দেশ কিংবা বহুদেশ নিয়ে কাজ করে, দ্বিপাক্ষিকতা সেখানে দুটি দেশ নিয়ে কাজ করে।

উৎস: সময় নিউজ এবং যুগান্তর।
২১১.
নিম্নের কোনটি পারমাণবিক অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণের সাথে সম্পৃক্ত নয়?
  1. NPT
  2. CTBT
  3. TPNW
  4. NATO
সঠিক উত্তর:
NATO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NATO
ব্যাখ্যা
'NPT' চুক্তি:
- NPT-এর পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি।

CTBT:
- CTBT-এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি।
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৮৭টি।
- অনুমোদিত দেশ: ১৭৮টি।

TPNW:
- TPNW এর পূর্ণরূপ: The Treaty on the Prohibition of Nuclear Weapon.
- এটি পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি।
- TPNW-তে যেকোনো পারমাণবিক অস্ত্র কার্যক্রমে অংশগ্রহণের উপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
- এর মধ্যে রয়েছে পারমাণবিক অস্ত্রের বিকাশ, পরীক্ষা, উৎপাদন, অর্জন, অধিকার, মজুদ, ব্যবহার বা হুমকি না দেওয়ার অঙ্গীকার।
- পরমাণু অস্ত্র মুক্ত বিশ্ব গড়ার লক্ষ্যে ২০১৭ সালের ৭ জুলাই পরমাণু অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক চুক্তি গৃহিত হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭।
- কার্যকর হয়: ২২শে জানুয়ারি, ২০২১।

অন্যদিকে,
NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ: North Atlantic Treaty Organisation.
- এটি উত্তর আটলান্টিক চুক্তির উপর ভিত্তি করে স্বাক্ষরিত একটি আন্তঃসরকারি সামরিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পশ্চিম ইউরোপে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি উপায় হিসেবে সংগঠনটি গঠিত হয়েছিল।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।

উৎস: সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
২১২.
২৭ মার্চ, ২০২১ সালে কোন দুটি দেশ ২৫ বছর মেয়াদি কৌশলগত অংশীদারিত্ব চুক্তিতে স্বাক্ষর করে?
  1. ক) ইরান ও চীন
  2. খ) পাকিস্তান ও চীন
  3. গ) বাংলাদেশ ও চীন
  4. ঘ) রাশিয়া ও চীন
সঠিক উত্তর:
ক) ইরান ও চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ইরান ও চীন
ব্যাখ্যা
২৭ মার্চ, ২০২১ সালে ইরান ও চীন  ২৫ বছর মেয়াদি কৌশলগত অংশীদারিত্ব চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। 
উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট। 

 
২১৩.
F-16 যুদ্ধ বিমান কোন দেশের তৈরি?
  1. চীন
  2. ফ্রান্স
  3. জার্মানি
  4. আমেরিকা
সঠিক উত্তর:
আমেরিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমেরিকা
ব্যাখ্যা

• F-16 Fighting Falcon
- ধরন: এক ইঞ্জিন বিশিষ্ট সুপারসনিক মাল্টিরোল ফাইটার জেট।
- উৎপাদক: আমেরিকার General Dynamics (পরে Lockheed Martin)।
- প্রথম উড়ান: ১৯৭৪ সালে।
- যুক্তরাষ্ট্রে পরিষেবা শুরু: ১৯৭৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনীতে (USAF)।
- রপ্তানি ও ব্যবহারকারী দেশ: ন্যাটোসহ ২৫টিরও বেশি দেশ, যেমন বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস, ইসরায়েল, তুরস্ক, মিশর, দক্ষিণ কোরিয়া ইত্যাদি।

উৎস: Encyclopaedia Britannica.

২১৪.
উত্তর আয়ারল্যান্ডে শান্তি স্থাপনে কোন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. লিসবন চুক্তি
  2. ডেটন চুক্তি
  3. বেলফাস্ট চুক্তি
  4. আমস্টারডাম চুক্তি
সঠিক উত্তর:
বেলফাস্ট চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেলফাস্ট চুক্তি
ব্যাখ্যা
- উত্তর আয়ারল্যান্ডে শান্তি স্থাপনে ব্রিটিশ ও আইরিশ সরকার এবং উত্তর আয়ারল্যান্ডের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ১৯৯৮ সালের ১০ এপ্রিল বেলফাস্ট চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। শুক্রবারে স্বাক্ষরিত হওয়ায় এই চুক্তি গুডফ্রাইডে চুক্তি নামেও পরিচিত।
- এই চুক্তির মাধ্যমে উত্তর আয়ারল্যান্ডে ইউনিয়নিস্ট ও ন্যাশনালিস্টদের মধ্যে ক্ষমতা ভাগাভাগির মাধ্যমে সরকার গঠনের বিধান গৃহিত হয়।
অন্যদিকে,
- লিসবন চুক্তি (২০০৭ সাল) হলো ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সংস্কার বিষয়ক চুক্তি।
- বসনিয়া সংকট সমাধানের লক্ষ্যে ডেটন চুক্তি (১৯৯৫ সালে) স্বাক্ষরিত হয়।
(তথ্যসূত্রঃ উত্তর আয়ারল্যান্ড অ্যাসেম্বলি ওয়েবসাইট)
২১৫.
আটলান্টিক সনদ কোন সংস্থা প্রতিষ্ঠার ভিত্তি স্থাপন করে?
  1. জাতিপুঞ্জ
  2. ন্যাটো
  3. জাতিসংঘ
  4. ইউরোপীয় ইউনিয়ন
সঠিক উত্তর:
জাতিসংঘ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতিসংঘ
ব্যাখ্যা
আটলান্টিক চার্টার বা সনদ: 
- আটলান্টিক চার্টার (Atlantic Charter) হলো একটি যৌথ ঘোষণা, যা ১৪ আগস্ট ১৯৪১ সালে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট কর্তৃক প্রকাশিত হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে নিউফাউন্ডল্যান্ড উপকূলে প্লাসেনশিয়া উপসাগরে চার দিনের আলোচনা শেষে এটি ঘোষণা করা হয়।
- এই চার্টার বিশ্ব শান্তি, সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দেয়।
- চুক্তির মাধ্যমে যুদ্ধ-পরবর্তী বিশ্বব্যবস্থার জন্য গণতন্ত্র, মুক্ত বাণিজ্য ও মানবাধিকারের উপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
- মিত্রশক্তির যুদ্ধের উদ্দেশ্য স্পষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত হয়।
- আটলান্টিক চার্টার বা সনদ জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার ভিত্তি স্থাপন করে।
- আটলান্টিক চার্টার দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মুক্ত বিশ্ব গঠনের একটি নীতিগত ঘোষণা ছিল, যা ভবিষ্যৎ আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ভিত্তি তৈরি করে।

উৎস: Britannica.
২১৬.
কোন সংকট সমাধানের জন্যে ডেটন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. কোরিয়া সংকট
  2. বসনিয়া সংকট
  3. কাতার সংকট
  4. ফিলিস্তিন সংকট
সঠিক উত্তর:
বসনিয়া সংকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বসনিয়া সংকট
ব্যাখ্যা

ডেটন চুক্তি (Dayton Agreement):
স্বাক্ষরিত: ২১শে নভেম্বর, ১৯৯৫।
স্থান: রাইট-প্যাটারসন বিমান ঘাঁটি, ওহাইও, ডেটন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
স্বাক্ষরকারী: বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া এবং সার্বিয়া।
​প্রক্রিয়াটির নেতৃত্ব দিয়েছিলেন: মার্কিন শান্তি আলোচক রিচার্ড হলব্রুক এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়ারেন ক্রিস্টোফার।

উদ্দেশ্য:
- বসনিয়ায় চলমান যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটান।
​- বসনিয়া ও হার্জেগোভিনায় শান্তির জন্য একটি সাধারণ কাঠামো তৈরি করা।

​উৎস: Britannica.

২১৭.
‘প্যারিস জলবায়ু চুক্তি’তে মোট স্বাক্ষরকারী দেশ/সংস্থার সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ১৯০টি
  2. খ) ১৯৩টি
  3. গ) ১৯৫টি
  4. ঘ) ১৯৬টি
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৫টি
ব্যাখ্যা
বর্তমানে প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী দেশ/সংস্থার সংখ্যা ১৯৫টি।
তবে এটির অংশীদার ১৯০টি দেশ/সংস্থা। ২০১৫ সালের ১২ ডিসেম্বর ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত কপ-২১ সম্মেলনে প্যারিস জলবায়ু চুক্তি গৃহিত হয়।
গত ৪ নভেম্বর ২০২০ যুক্তরাষ্ট্র প্যারিস চু্ক্তি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বেড়িয়ে গেলেও ২০ জানুয়ারি ২০২১ যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রশাসন পুনরায় চুক্তিতে ফিরে আসার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
(সূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
২১৮.
ক্ষেপনাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি (ABM Treaty) বাতিল হয় কবে?
  1. ২০০০ সালে
  2. ২০০১ সালে
  3. ২০০২ সালে
  4. ২০০৩ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০২ সালে
ব্যাখ্যা
Anti-Ballistic Missile Treaty:
- ABM - এর পূর্ণরূপ Anti Ballistic Missile Treaty (ABM Treaty)।
- এটি একটি ক্ষেপনাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি Treaty on the Limitation of Anti- Ballistic Missile Systems নামেও পরিচিত।
- স্বাক্ষরের তারিখ - ২৬ মে, ১৯৭২ সাল।
- কার্যকরের তারিখ - ৩ অক্টোবর, ১৯৭২ সাল।
- স্বাক্ষরের স্থান - মস্কো, রাশিয়া।
- বিষয় - দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।
- চুক্তি বাতিল - ২০০২ সাল।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও হিস্টরি কম।
২১৯.
নিচের কোনটি ইরান ও ছয় জাতির মধ্যে পরমাণু সমঝোতা চুক্তির অংশীদার দেশ নয়?
  1. ফ্রান্স
  2. ইতালি
  3. ব্রিটেন
  4. জার্মানি
সঠিক উত্তর:
ইতালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইতালি
ব্যাখ্যা
২০১৫ সালের ১৪ জুলাই ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে অস্ট্রিয়ার ভিয়েনাতে ইরানের সাথে ছয়টি বিশ্বশক্তির Joint Comprehensive Plan Of Action (JCPOA) নামে পরমাণু সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
চুক্তিটি কার্যকর হয় ২০১৬ সালের ১৬ জানুয়ারি। চুক্তির অংশীদার দেশগুলো হলো:
- যুক্তরাষ্ট্র
- ব্রিটেন
- ফ্রান্স
- রাশিয়া
- চীন
- জার্মানি।
ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রকে চুক্তি থেকে প্রত্যাহার করে নেয়।
এই চুক্তির ফলে ২০২০ সালের ১৮ অক্টোবর ইরানের উপর থেকে জাতিসংঘের অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা উঠে যায়।
(সূত্রঃ বিবিসি ওয়ার্ল্ড)
২২০.
কিয়োটো প্রোটোকলের বিষয়বস্তু নিচের কোনটি?
  1. নিরস্ত্রীকরণ
  2. পরিবেশ
  3. কৃষি
  4. জৈব নিরাপত্তা
সঠিক উত্তর:
পরিবেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিবেশ
ব্যাখ্যা
কিয়েটো প্রোটোকল:

- কিয়োটো প্রোটোকল একটি বহুরাষ্ট্রীয় আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- এটি পরিবেশের সাথে সম্পর্কিত চুক্তি।
- এই চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্রগুলিকে গ্রীনহাউজ গ্যাস নির্গমন হ্রাসের জন্য দায়বদ্ধ করে।
- ১৯৯৭ খ্রিষ্টাব্দের ডিসেম্বরে জাপানের কিয়োটো শহরে এই চুক্তি প্রথম গৃহীত হয়।
- ২০০৫ খ্রিষ্টাব্দে চুক্তিটি কার্যকর হয়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
২২১.
অসলো চুক্তিতে ফিলিস্তিনের পক্ষ হয়ে কে স্বাক্ষর করেন?
  1. আইজাক রবিন
  2. আল ফিলাসতিনিয়াহ
  3. ইয়াসির আরাফাত
  4. মাহমুদ আব্বাস
সঠিক উত্তর:
ইয়াসির আরাফাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইয়াসির আরাফাত
ব্যাখ্যা
অসলো চুক্তি:
- শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি চুক্তিতে পৌঁছায় ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন।
- এটি অসলো চুক্তি নামে পরিচিত।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৩ সাল।
- স্বাক্ষরের স্থান: হোয়াইট হাউস, যুক্তরাষ্ট্র।
- স্বাক্ষরকারী: ফিলিস্তিনি নেতা ইয়াসির আরাফাত ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী আইজাক রবিন।
- মধ্যস্থতাকারী: যুক্তরাষ্ট্রেরর প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।

⇒ নরওয়ের রাজধানী অসলোতে শুরু হওয়া আলোচনার পথ ধরে ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থার (পিএলও) প্রধান ইয়াসির আরাফাত ফিলিস্তিনিদের পক্ষ হয়ে ওই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন।
- এই চুক্তির জন্য ইয়াসের আরাফাত এবং তৎকালীন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী ইতজাক রাবিন নোবেল শান্তি পুরষ্কারও পেয়েছিলেন।

উল্লেখ্য,
- চুক্তিটি নিয়ে সবচেয়ে বেশি হতাশ গাজা উপত্যকার মানুষ।
- শান্তি চুক্তিতে ফিলিস্তিনের প্রতিনিধিত্ব করেছিলো প্রয়াত ইয়াসির আরাফাতের নেতৃত্বাধীন পিএলও পার্টি।
- কিন্তু ২০০৭ সাল থেকে গাজা শাসন করে আসছে কট্টরপন্থী ফিলিস্তিনি দল হামাস।
- ইসরায়েলের সঙ্গে তাদের অনেকবার যুদ্ধ হয়েছে।
- আবার গাজার সীমান্ত কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করে ইসরায়েল এবং মিশর, যাতে হামাসের কাছে কোন অস্ত্র পৌঁছাতে না পারে।

উৎস: i) BBC।
ii) U.S. Department of State (.gov) ওয়েবসাইট।
২২২.
Anti Ballistic Missile Treaty (ABM Treaty) স্বাক্ষরিত হয়েছিল কবে?
  1. ১৯৭১ সালে
  2. ১৯৭২ সালে
  3. ১৯৭৫ সালে
  4. ১৯৭৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা

Anti-Ballistic Missile Treaty:
- ABM - এর পূর্ণরূপ Anti Ballistic Missile Treaty (ABM Treaty)।
- এটি একটি ক্ষেপনাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি Treaty on the Limitation of Anti- Ballistic Missile Systems নামেও পরিচিত।
- স্বাক্ষরের তারিখ: ২৬ মে, ১৯৭২ সাল।
- কার্যকরের তারিখ: ৩ অক্টোবর, ১৯৭২ সাল।
- স্বাক্ষরের স্থান: মস্কো, রাশিয়া।
- বিষয়বস্তু: দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।
- চুক্তি বাতিল: ২০০২ সাল।

উৎস: ব্রিটানিকা ও হিস্টরি কম।

২২৩.
অসলো চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী ফিলিস্তিনি সংগঠনের নাম কী?
  1. পিএলও
  2. পিআইজে
  3. ফাতাহ
  4. ফোর্স-১৭
সঠিক উত্তর:
পিএলও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিএলও
ব্যাখ্যা
অসলো চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী ফিলিস্তিনি সংগঠনের নাম পিএলও।

পিএলও (PLO):
- PLO-এর পূর্ণরূপ: Palestine Liberation Organization.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৬৪ সালে।
- সদর দপ্তর: রামাল্লাহ, ফিলিস্তিন।
- PLO-এর প্রথম চেয়ারম্যান: আহমদ শুকিরি ।
- PLO-এর তৃতীয় চেয়ারম্যান- ইয়াসির আরাফাত।
- সংগঠনটি একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭৪ সাল থেকে পিএলও জাতিসংঘে পর্যবেক্ষক মর্যাদা ভোগ করছে।

⇒ অসলো চুক্তি:
- শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৯৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর অসলো চুক্তি করে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন।
- এর মধ্যস্থতা করে যুক্তরাষ্ট্র।
- হোয়াইট হাউসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের মধ্যস্থতায় ফিলিস্তিনি নেতা ইয়াসির আরাফাত ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী ইতজাক রাবিনের মধ্যে অসলো চুক্তি সই হয়।
- অসলো শান্তি চুক্তিতে ফিলিস্তিনের প্রতিনিধিত্ব করেছিলো প্রয়াত ইয়াসির আরাফাতের নেতৃত্বাধীন পিএলও পার্টি।

উৎস: Britannica.
২২৪.
'হেগ চুক্তি' সংশোধন করে স্বাক্ষরিত হয় -
  1. প্রথম জেনেভা কনভেনশন
  2. তৃতীয় জেনেভা কনভেনশন
  3. চতুর্থ জেনেভা কনভেনশন
  4. দ্বিতীয় জেনেভা কনভেনশন
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় জেনেভা কনভেনশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় জেনেভা কনভেনশন
ব্যাখ্যা
জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

⇒ মূল জেনেভা কনভেনশনগুলো:
১. প্রথম কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ কনভেনশন (১৯৪৯): সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।

উৎস: INTERNATIONAL COMMITTEE OF THE RED CROSS.
২২৫.
Anti Ballistic Missile Treaty (ABM Treaty) এর স্বাক্ষরের স্থান কোনটি?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. কানাডা
  3. রাশিয়া
  4. অস্ট্রেলিয়া
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
ব্যাখ্যা
Anti-Ballistic Missile Treaty:
- ABM - এর পূর্ণরূপ Anti Ballistic Missile Treaty (ABM Treaty)।
- এটি একটি ক্ষেপনাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি Treaty on the Limitation of Anti- Ballistic Missile Systems নামেও পরিচিত।
- স্বাক্ষরের তারিখ - ২৬ মে, ১৯৭২ সাল।
- কার্যকরের তারিখ - ৩ অক্টোবর, ১৯৭২ সাল।
- স্বাক্ষরের স্থান - মস্কো, রাশিয়া।
- বিষয় - দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।
- চুক্তি বাতিল - ২০০২ সাল।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও হিস্টরি কম।
২২৬.
১৯৪৯ সালের জেনেভা কনভেনশন সমূহ অভিহিত হয়-
  1. আটটি রেডক্রস কনভেনশন
  2. চারটি রেডক্রস কনভেনশন
  3. পাঁচটি রেডক্রস কনভেনশন
  4. সাতটি রেডক্রস কনভেনশন
সঠিক উত্তর:
চারটি রেডক্রস কনভেনশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চারটি রেডক্রস কনভেনশন
ব্যাখ্যা
• জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

• মূল জেনেভা কনভেনশনগুলো:
১. প্রথম কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ কনভেনশন (১৯৪৯): সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।উল্লেখ্য,

• কনভেনশনের সংশোধন ও আধুনিকায়ন:
- ১৯৪৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কনভেনশনগুলোর সংস্করণ আরো উন্নত ও আধুনিক করা হয় এবং ১৯৭৭ ও ২০০৫ সালে আরও প্রোটোকল যুক্ত করা হয়।
- এর মাধ্যমে যুদ্ধের সময় মানবাধিকার রক্ষা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা আরও জোরদার হয়েছে।⇒ প্রটোকলসমূহ:
• প্রটোকল- ১:
- ১৯৭৭ সালে; ১; আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি রক্ষার্থে গৃহীত হয়।
• প্রটোকল- ২;
- ১৯৭৭ সালে; অ-আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিবর্গকে রক্ষার সাথে সম্পর্ক।
• প্রটোকল- ৩;
- ২০০৫ সালে; অতিরিক্ত স্বাতন্ত্র্যসূচক প্রতীক পরিগ্রহ করা সংক্রান্ত বিষয়ে গৃহীত হয়।

উৎস: INTERNATIONAL COMMITTEE OF THE RED CROSS.
২২৭.
কোন প্রস্তাবটি 'ডাম্বারটন ওকস' সম্মেলনে গৃহীত হয়?
  1. আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত গঠন
  2. নিরাপত্তা পরিষদ গঠন
  3. সাধারণ পরিষদ গঠন
  4. ভেটো ক্ষমতা নির্ধারণ
সঠিক উত্তর:
নিরাপত্তা পরিষদ গঠন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিরাপত্তা পরিষদ গঠন
ব্যাখ্যা
• ডাম্বারটন ওকস সম্মেলন:
- ২১ আগস্ট, ১৯৪৪ - ৭ অক্টোবর, ১৯৪৪ পর্যন্ত ওয়াশিংটনের ডাম্বারটন ওকস ভবনে জাতিসংঘ গঠনের এ যাবৎকালের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় যা “Dumbarton Oaks Conference” নামে পরিচিত।
- এতে সোভিয়েত ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য, চীন সহ মিত্রবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ অনেক দেশ উপস্থিত ছিলো।

- এ সম্মেলনে কিছু প্রস্তাব গৃহীত হয়, এগুলো হলো-
• জাতিসংঘের গঠনের রূপরেখা, লক্ষ্য ও দায়িত্ব নির্ধারণ,
• নিরাপত্তা পরিষদ গঠন এবং ৫টি স্থায়ী সদস্যরাষ্ট্র নির্ধারণ।

- ইয়াল্টা সম্মেলন সম্মেলনে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যদের “ভেটো ক্ষমতা” (Veto Power) নির্ধারিত হয়।

সূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা।
২২৮.
হেলসিঙ্কি বিধি (Helsinki Rules) কী সম্পর্কিত?
  1. আন্তর্জাতিক নদী আইন
  2. নিরাপত্তা ও সহযোগিতা
  3. অর্থনৈতিক সহযোগিতা
  4. বাণিজ্যিক আইন
সঠিক উত্তর:
আন্তর্জাতিক নদী আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আন্তর্জাতিক নদী আইন
ব্যাখ্যা
হেলসিঙ্কি বিধি (The Helsinki Rules on the Uses of Water of International Rivers): 
- আন্তর্জাতিক নদীর জলের ব্যবহার সংক্রান্ত হেলসিঙ্কি বিধি (The Helsinki Rules on the Uses of Water of International Rivers) হল একটি আন্তর্জাতিক নির্দেশিকা যা জাতীয় সীমানা অতিক্রমকারী নদী এবং তাদের সংযুক্ত ভূগর্ভস্থ জল কীভাবে ব্যবহার করা যেতে পারে তা নিয়ন্ত্রণ করে। 
- এটি ১৯৬৬ সালে ফিনল্যান্ডের হেলসিঙ্কিতে আন্তর্জাতিক আইন সমিতি (ILA) দ্বারা গৃহীত হয়েছিল।

উল্লেখ্য,
- হেলসিঙ্কি চুক্তি (১ আগস্ট, ১৯৭৫) ফিনল্যান্ডের হেলসিঙ্কিতে ইউরোপে নিরাপত্তা ও সহযোগিতা সংক্রান্ত প্রথম সম্মেলন (CSCE; বর্তমানে ইউরোপে নিরাপত্তা ও সহযোগিতা সংস্থা নামে পরিচিত) এর সমাপ্তিতে স্বাক্ষরিত একটি প্রধান কূটনৈতিক চুক্তি ।

উৎস: IWRM ACTION HUB ওয়েবসাইট।
২২৯.
বাংলাদেশ-ভারত ছিটমহল বিনিময় করা হয় কবে?
  1. ক) ১ আগস্ট, ২০১৫
  2. খ) ১ জুলাই, ২০২০
  3. গ) ৩১ জুলাই, ২০১৫
  4. ঘ) ৩০ জুন, ২০২০
সঠিক উত্তর:
গ) ৩১ জুলাই, ২০১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩১ জুলাই, ২০১৫
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্থল সীমান্ত চুক্তি অনুযায়ী ২০১৫ সালের ৩১ জুলাই দুই দেশের মধ্যে ছিটমহল বিনিময় হয়।
- ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে অবস্থিত মোট ছিটমহলের সংখ্যা ছিলো ১৬২ টি।
- বাংলাদেশের সীমানার মধ্যে ভারতের ১১১টি ছিটমহল বাংলাদেশের সাথে এবং ভারতের ভূখন্ডের ভিতর বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল ভারতের সাথে যুক্ত হয়।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া এবং ভূগোল ও পরিবেশ ৯ম-১০ম শ্রেণি

২৩০.
OPCW -এর প্রধান লক্ষ্য কোনটি?
  1. পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ
  2. বৈশ্বিক তেল উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ
  3. রাসায়নিক অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণ
  4. জৈব অস্ত্র উৎপাদন
সঠিক উত্তর:
রাসায়নিক অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাসায়নিক অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণ
ব্যাখ্যা

Organization for the Prohibition of Chemical Weapons (OPCW):
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৭ সালে।
- এর সদর দপ্তর দ্য হেগ, নেদারল্যান্ডসে অবস্থিত।
- OPCW -এর প্রধান লক্ষ্য রাসায়নিক অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণ ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ।
- এর সদস্য দেশের সংখ্যা ১৯৩টি।
- দক্ষিণ সুদান, মিশর ও উত্তর কোরিয়া OPCW চুক্তিতে স্বাক্ষর করেনি।
- ইসরাইল OPCW চুক্তিতে স্বাক্ষর করলেও চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়নি।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৯৩ সালে স্বাক্ষর করে।
- ১৯৯৭ সালে চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়।
- OPCW ২০১৩ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।

উৎস: OPCW ওয়েবসাইট।

২৩১.
'ফাইভ আইস ইন্টেলিজেন্স অ্যালায়েন্স' জোটটি কোন চুক্তির উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে?
  1. ANZUS চুক্তি
  2. SALT চুক্তি
  3. START চুক্তি
  4. UKUSA চুক্তি
সঠিক উত্তর:
UKUSA চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
UKUSA চুক্তি
ব্যাখ্যা
UKUSA চুক্তি:
- ১৯৪৩ সালে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্য একটি সমবায় গোয়েন্দা চুক্তি গঠন করে যা BRUSA চুক্তি নামে পরিচিত।
- এই গোপন চুক্তিটি পরবর্তীতে UKUSA চুক্তি হিসাবে আনুষ্ঠানিক রূপ লাভ করে।
- এই চুক্তিটি ফাইভ আই দেশের মধ্যে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদানের ভিত্তি স্থাপন করে।

⇒ Five Eyes:
- ফাইভ আইস ইন্টেলিজেন্স অ্যালায়েন্স, যা FVEY নামেও পরিচিত।
- এটি যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা এবং নিউজিল্যান্ডের একটি গোয়েন্দা জোট।
- জোটটি UKUSA চুক্তির উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে।
- তারা বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে একসাথে কাজ করে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে তারা তাদের দেশকে নিরাপদ রাখতে একে অপরকে সাহায্য করছে।
- সন্ত্রাসবাদ, সাইবার হুমকি এবং অন্যান্য নিরাপত্তা সম্পর্কিত তথ্য তারা শেয়ার করে।

উৎস: Five Eyes ওয়েবসাইট।
২৩২.
তাসখন্দ চুক্তির মধ্যস্থতাকারী ছিলেন-
  1. বিল ক্লিনটন
  2. অ্যালেক্সি কোসিগিন
  3. মিখাইল গর্বাচেভ
  4. জিমি কার্টার
সঠিক উত্তর:
অ্যালেক্সি কোসিগিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যালেক্সি কোসিগিন
ব্যাখ্যা
তাসখন্দ চুক্তি:
- উজবেকিস্তান এর রাজধানী তাসখন্দে ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত স্থানটির নাম অনুসারে  চুক্তির নামকরণ হয়।
- এ চুক্তির মধ্যস্থতাকারী সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন প্রেসিডেন্ট অ্যালেক্সি কোসিগিন।
- পক্ষসমূহ: ভারত- পাকিস্তান।
- স্বাক্ষরকারী পক্ষ: লালবাহাদুর শাস্ত্রী এবং আয়ুব খান।
- এ চুক্তি ১৯৬৫ সালে ভারত -পাকিস্তান যুদ্ধ অবসান ঘটে। 

উল্লেখ্য,
- বিল ক্লিনটন ডেটন চুক্তির মধ্যস্থতা করেন।
- জিমি কার্টার ক্যাম্প ডেভিড চুক্তির মধ্যস্থতাকারী।

উৎস: Britannica.
২৩৩.
বাংলাদেশের প্রথম কূটনৈতিক মিশন কোথায় প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. লন্ডন
  2. নিউইয়র্ক
  3. কলকাতা
  4. দিল্লী
সঠিক উত্তর:
কলকাতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কলকাতা
ব্যাখ্যা
কূটনৈতিক মিশন:
- মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর বিদেশে অবস্থান করা বাংলাদেশিরাও দেশের জন্য লড়াই করেছেন।
- নয়াদিল্লি, কলকাতা, ওয়াশিংটন ডিসি, নিউ ইয়র্ক এবং লন্ডন বিশ্বের এই ৫টি বড় শহরে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে কূটনীতিকরা দেশের পক্ষে বিদেশি জনমত গঠনে কাজ করেছিলেন।
- একাত্তরের ওই সময়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে কূটনীতিকরাও দেশের পক্ষে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েন।
- ১৯৭১ সালের ১৮ এপ্রিল কলকাতায় সর্বপ্রথম বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশন খোলা হয়।
- ওই সময়ে কলকাতার উপ হাইকমিশনার মো. হোসেন আলী এবং তৃতীয় সচিব আনোয়ারুল করিম চৌধুরী বাংলাদেশের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে কলকাতার পাকিস্তান হাইকমিশনে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন এবং হাইকমিশনটিকে বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশন হিসেবে ঘোষণা দেন।
 
উল্লেখ্য,
- বিদেশের মাটিতে এভাবেই সর্বপ্রথম বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তেলন করা হয়।
- এরপর ১৯৭১ সালের ১৮ এপ্রিল কলকাতায় তৃতীয় সচিব কাজী নজরুল ইসলাম, সহকারি প্রেন এটাচে মাকসুদ আলী এবং প্রথম সচিব রফিকুল ইসলাম চৌধুরী পাকিস্তানের চাকড়ি প্রত্যাহার করে বাংলাদেশের পক্ষে যোগ দেন।
 
উৎস: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
২৩৪.
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তিতে মিশরের পক্ষে স্বাক্ষর করেন কে?
  1. আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি
  2. হোসনি মোবারক
  3. আনোয়ার সাদাত
  4. গামাল আব্দুল নাসের
সঠিক উত্তর:
আনোয়ার সাদাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আনোয়ার সাদাত
ব্যাখ্যা
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি: 
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি ১৯৭৮ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত ও ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেগিনের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির মধ্যস্থতা করেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার।
- ক্যাম্প ডেভিড যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডে অবস্থিত একটি অবকাশ যাপন কেন্দ্র।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরের পর মিশরকে আরব লীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়, এবং এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন রাজনৈতিক পরিবর্তন আসে।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডট কম। 
২৩৫.
যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতিদ্বন্দী কে ছিলেন?
  1. জো বাইডেন
  2. কমলা হ্যারিস
  3. হিলারী ক্লিনটন
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কমলা হ্যারিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমলা হ্যারিস
ব্যাখ্যা

• ডোনাল্ড ট্রাম্প:
- বর্তমানে ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট।
- ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে ২০ জানুয়ারি, ২০২৫ তারিখে তিনি শপথ গ্রহণ করেন।
- শপথ গ্রহণের দিনটিকে, ২০শে জানুয়ারি ২০২৫-কে তিনি 'মুক্তির দিন' বলে বর্ণনা করেন।
- তিনি ২০২৪ সালের যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের হয়ে নির্বাচনে অংশ নেন এবং তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কমলা হ্যারিস কে হারিয়ে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

এছাড়াও,
- ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০ জানুয়ারি, ২০১৭ ইংরেজি যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টদের মধ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্প সবচেয়ে আলোচিত - সমালোচিত প্রেসিডেন্ট ধারা যায়।
- বিভিন্ন বিতর্কিত কাজ করে আলোচনায় থাকা ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে কংগ্রেসের নিম্ন-কক্ষ হাউজ অফ রিপ্রেজেন্টেটিভে অভিশংসিত হয়েছিলেন।
- অবশ্য তার আগে আরো দুইজন প্রেসিডেন্ট হাউজ অফ রিপ্রেজেন্টেটিভে অভিসংশিত হয়েছিলেন।
- তারা হচ্ছেন অ্যান্ড্রু জনসন এবং বিল ক্লিনটন।

উৎস: Britannica.

২৩৬.
নিচের কোনটি আলাদা-
  1. USMCA
  2. IPCC
  3. SAFTA
  4. LAFTA
সঠিক উত্তর:
IPCC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IPCC
ব্যাখ্যা
USMCA, LAFTA, SAFTA এই তিনটি আঞ্চলিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি এবং IPCC জলবায়ু বিষয়ক সংস্থা।

USMCA:

- এর পূর্ণরূপ: United States–Mexico–Canada Agreement।
- চুক্তির ধরন: তিনটি দেশের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, পরিবেশ, শ্রমিক অধিকার এবং ডিজিটাল বাণিজ্য সংক্রান্ত নিয়মাবলি নির্ধারণ করে।
- কার্যকর: ১ জুলাই ২০২০।
- USMCA এর মাধ্যমে NAFTA চুক্তি অচল হয়ে যায়।

LAFTA:
- এর পূর্ণরূপ Latin American Free Trade Association.
- কার্যকর- ১৯৬০ সালে।
- সদস্য সংখ্যা- ১৩টি।

SAFTA:
- এর পূর্ণরূপ- South Asian Free Trade Area.
- কার্যকর: ৭ ডিসেম্বর ১৯৯৫।
- সদস্য: ৮টি (আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, মালদ্বীপ, নেপাল, পাকিস্তান, এবং শ্রীলঙ্কা)।
 উদ্দেশ্য:   দক্ষিণ এশিয়ায় শুল্ক ও অন্যান্য বাণিজ্যিক প্রতিবন্ধকতা দূর করা এবং একে অপরের বাজারে আরও প্রবেশাধিকার প্রদান করা।

উৎস: USA, SARRC, ওয়েবসাইট।
২৩৭.
কূটনীতিকদের অধিকার, নিরাপত্তা ও দায়মুক্তি নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে আন্তর্জাতিক চুক্তি কোনটি?
  1. ক) রোম কনভেনশন
  2. খ) ভিয়েনা কনভেনশন
  3. গ) বাসেল কনভেনশন
  4. ঘ) স্টকহোম কনভেনশন
সঠিক উত্তর:
খ) ভিয়েনা কনভেনশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভিয়েনা কনভেনশন
ব্যাখ্যা
ভিয়েনা কনভেনশন - ১৯৬১ (Vienna Convention):

ভিয়েনা কনভেনশন - ১৯৬১ এর পূর্ণনাম - Vienna Convention on Diplomatic Relations
এই আন্তর্জাতিক চুক্তির মাধ্যমে অন্যান্য দেশে কর্মরত কূটনীতিকদের অধিকার, নিরাপত্তা ও দায়মুক্তি নিশ্চিত করা হয়।

• চুক্তি স্বাক্ষর - ১৮ এপ্রিল, ১৯৬১ সাল।
• চুক্তি কার্যকর - ২৪ এপ্রিল, ১৯৬৪ সাল।
• চুক্তির পক্ষ - ১৯২টি দেশ অনুমোদন করেছে।

(চুক্তি কার্যকর হওয়ার জন্য ২২টি দেশের অনুমোদন প্রয়োজন ছিল।)
ভিয়েনা কনভেনশনের ৫৩টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।


উৎসঃ হিস্টরি.কম
২৩৮.
'NPT' চুক্তির বিষয়বস্তু নিচের কোনটি?
  1. পারমাণবিক অস্ত্র প্রসার রোধ সংক্রান্ত
  2. জীবাণু অস্ত্র সংক্রান্ত
  3. স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ
  4. রাসায়নিক অস্ত্র উৎপাদন নিষিদ্ধকরণ সংক্রান্ত
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক অস্ত্র প্রসার রোধ সংক্রান্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক অস্ত্র প্রসার রোধ সংক্রান্ত
ব্যাখ্যা
'NPT' চুক্তি:
- NPT-এর পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি। (জুলাই, ২০২৫)

উল্লেখ্য,
- পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদক মোট রাষ্ট্রের সংখ্যা ৯টি।
- রাষ্ট্রগুলো হলো: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, পাকিস্তান, ইসরায়েল ও উত্তর কোরিয়া।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশ পারমানবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তিতে (NPT) স্বাক্ষর করে: ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৯ সালে।

তথ্যসূত্র - Arms Control Association ওয়েবসাইট & UNODA ওয়েবসাইট।
২৩৯.
Nuclear Non-Proliferation Treaty (NPT) কত সালে কার্যকর হয়?
  1. ১৯৬৩ সালে
  2. ১৯৭০ সালে
  3. ১৯৮২ সালে
  4. ১৯৯৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭০ সালে
ব্যাখ্যা

Nuclear Non-Proliferation Treaty (NPT) চুক্তি:
- Nuclear Non-Proliferation Treaty (NPT) হলো পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি।
- এর মূল লক্ষ্য পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ করা, পারমাণবিক প্রযুক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং নিরস্ত্রীকরণ উৎসাহিত করা

উল্লেখ্য,
-  ১ জানুয়ারি, ১৯৬৭ সালের আগে যে ৫টি দেশ (যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও চীন) পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করেছে এই চুক্তির মাধ্যমে তাদেরকে পারমাণবিক রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে এবং অন্য দেশগুলো এ ধরনের অস্ত্র তৈরি বা অর্জন না করতে সম্মত হয়েছে।
- কিন্তু NPT-এর ৬ নং অনুচ্ছেদের অধীনে তাদের চিরস্থায়ীভাবে এই ধরনের অস্ত্র তৈরি এবং বজায় রাখার উল্লেখ নেই।

এছাড়াও,
- ভারত, পাকিস্তান, ইসরায়েল এবং উত্তর কোরিয়া (২০০৩ সালে প্রত্যাহার করে) এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেনি।

উৎস: i) Arms Control Association ওয়েবসাইট।
ii) UNODA ওয়েবসাইট।

২৪০.
START-2 agreement was signed between which two countries?
  1. ক) Russia - Japan
  2. খ) United States - Russia
  3. গ) United States - China
  4. ঘ) United States - France
সঠিক উত্তর:
খ) United States - Russia
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) United States - Russia
ব্যাখ্যা
স্টার্ট ২ চুক্তি:
- স্বাক্ষরিত হয়- ৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩ সালে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ- রাশিয়া এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- উদ্দেশ্য- দুরপাল্লার পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র ১০ বছরের মধ্যে দু-তৃতীয়াংশ হ্রাস করা।

তথ্যসূত্র: Britannica.com
২৪১.
'NPT' চুক্তি কবে কার্যকর হয়?
  1. ১৯৬৮ সালে
  2. ১৯৬৯ সালে
  3. ১৯৭০ সালে
  4. ১৯৭১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭০ সালে
ব্যাখ্যা
'NPT' চুক্তি কার্যকর হয় ১৯৭০ সালে।

'NPT' চুক্তি:
- NPT এর পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি।
- আণবিক অস্ত্র উৎপাদক রাষ্ট্রের সংখ্যা ৯টি।
- রাষ্ট্রগুলো হলো: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, পাকিস্তান, উত্তর কোরিয়া ও ইসরায়েল।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ পারমানবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তিতে (NPT) স্বাক্ষর করে: ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৯ সালে।

উৎস: i) Arms Control Association ওয়েবসাইট।
         ii) UNODA ওয়েবসাইট।
২৪২.
ন্যাটোর সর্বশেষ সদস্য রাষ্ট্র- (মে-২০২৫)
  1. ফিনল্যান্ড
  2. নরওয়ে
  3. সুইডেন
  4. এস্তোনিয়া
সঠিক উত্তর:
সুইডেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুইডেন
ব্যাখ্যা
 NATO :
- NATO এর পূর্ণরুপ হলো - North Atlantic Treaty Organization । 
-উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে ন্যাটো নামক সামরিক জোটটি ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল গঠিত হয়।
- এর সদরদপ্তর- বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে অবস্থিত। 
• বর্তমানে ন্যাটোর ৩২টি সদস্য দেশ রয়েছে। ( মে - ২০২৫)
• ন্যাটোর প্রধান সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত।
• ন্যাটোর সর্বশেষ সদস্য রাষ্ট্র - সুইডেন। (মে-২০২৫)

উৎস: NATO web.site এবং Britannica.
২৪৩.
তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কোন দেশে?
  1.  তাজিকিস্তান
  2. উজবেকিস্তান
  3. কিরগিজস্তান
  4. তুর্কমেনিস্তান
সঠিক উত্তর:
উজবেকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উজবেকিস্তান
ব্যাখ্যা

তাসখন্দ চুক্তি:
- স্বাক্ষরের তারিখ: ১০ জানুয়ারি, ১৯৬৬।
- স্বাক্ষরকারী দেশসমূহ: ভারত ও পাকিস্তান।
- স্বাক্ষরের স্থান: তাসখন্দ, উজবেকিস্তান।
- মধ্যস্থতাকারী: সোভিয়েত ইউনিয়ন (Soviet Union)।
- উদ্দেশ্য: ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ (১৯৬৫) শেষ করা ও শান্তি স্থাপন।
- তৎকালীন সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী অ্যালেক্সি কোসিগিনের মধ্যস্থতায় ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রী ও পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান দুই দেশের পক্ষে চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করেন।
- এর মধ্য দিয়ে কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে চিরবৈরী ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার ১৯৬৫ সালের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের আপাত অবসান ঘটে।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি.কম।

২৪৪.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তালেবানের মধ্যে শান্তিচুক্তি সাক্ষরিত হয় কবে?
  1. ক) ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০
  2. খ) ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০
  3. গ) ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০
  4. ঘ) ০৫ মার্চ ২০২০
সঠিক উত্তর:
গ) ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০
ব্যাখ্যা
দীর্ঘ ১৯ বছর ধরে চলা যুদ্ধের অবসানকল্পে ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২০ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তালেবান গোষ্ঠী ঐতিহাসিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। কাতারের রাজধানী দোহায় এই চুক্তি সাক্ষরিত হয়। এতে আমেরিকার পক্ষে আফগান বিষয়ক মার্কিন বিশেষ দূত জালমি খলিলজাদ এবং তালেবানের পক্ষে মোল্লা আব্দুল গানি স্বাক্ষর করেন। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী আগামী ১৪ মাসে আফগানিস্তান থেকে আমেরিকা তার সকল সৈন্য প্রত্যাহার করবে। (সূত্রঃ সিএনএন)
২৪৫.
ওয়ারশ চুক্তি সংস্থা বা ওয়ারশ প্যাক্ট গঠিত হয় কার উদ্যোগে? 
  1. সোভিয়েত ইউনিয়ন
  2. জার্মান
  3. চেকোস্লোভাকিয়া
  4. আলবেনিয়া
সঠিক উত্তর:
সোভিয়েত ইউনিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোভিয়েত ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা

ওয়ারশ প্যাক্ট:
- ওয়ারশ চুক্তি সংস্থা বা ওয়ারশ প্যাক্ট হল একটি রাজনৈতিক ও সামরিক চুক্তি জোট যা ১৪ মে ১৯৫৫ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং পূর্ব ইউরোপীয় কয়েকটি দেশের মধ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন ন্যাটোর (NATO) বিকল্প সামরিক জোট হিসেবে ওয়ারশ চুক্তি জোট গঠন করে।
- পূর্ব ইউরোপের রাষ্ট্র পোল্যান্ডের বৃহত্তম শহর ও রাজধানী ওয়ারশ এর নাম অনুসারে চুক্তিটির নামকরণ করা হয়।
- এই জোটের উদ্দেশ্য ছিলো পুঁজিবাদী দেশগুলোর আগ্রাসন প্রতিহত করা।
- সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের সাথে সাথে ১৯৯১ সালের ১ জুলাই ওয়ারশ প্যাক্ট বিলুপ্ত ঘটে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২৪৬.
পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (TPNW) কোথায় গৃহীত হয়?
  1. নিউইয়র্ক
  2. ওয়াশিংটন ডিসি
  3. জেনেভা
  4. প্যারিস
সঠিক উত্তর:
নিউইয়র্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউইয়র্ক
ব্যাখ্যা
Treaty on the Prohibition of Nuclear Weapons (TPNW) বা পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি: 
- পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (TPNW)  যেকোনো পারমাণবিক অস্ত্র কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের উপর ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা অন্তর্ভুক্ত করে।
- এর মধ্যে রয়েছে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি, পরীক্ষা, উৎপাদন, অর্জন, অধিকার, মজুদ, ব্যবহার বা ব্যবহারের হুমকি না দেওয়ার অঙ্গীকার।
- এই চুক্তি জাতীয় ভূখণ্ডে পারমাণবিক অস্ত্র স্থাপন এবং নিষিদ্ধ কার্যকলাপ পরিচালনায় যেকোনো রাষ্ট্রকে সহায়তা প্রদান নিষিদ্ধ করে।
- রাষ্ট্রপক্ষগুলি TPNW এর অধীনে ব্যক্তিদের দ্বারা বা তাদের এখতিয়ার বা নিয়ন্ত্রণাধীন ভূখণ্ডে গৃহীত যেকোনো কার্যকলাপ প্রতিরোধ এবং দমন করতে বাধ্য থাকবে। 
- গৃহীত হয়: নিউইয়র্কে। 
- গ্রহণের তারিখ: ৭ জুলাই ২০১৭ সাল। 
- স্বাক্ষরিত হয়: নিউইয়র্কে। 
- স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত: ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ সাল। 
- কার্যকর: ২২ জানুয়ারী ২০২১ সাল। 
- স্বাক্ষরকারী: ৯৪টি। 
- পক্ষ: ৭৩টি।

উৎস: UNODA ওয়েবসাইট।
২৪৭.
NPT-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Nuclear Power Treaty
  2. Nuclear Non-Proliferation Treaty
  3. Nuclear Peace Treaty
  4. Nuclear Prevention Treaty
সঠিক উত্তর:
Nuclear Non-Proliferation Treaty
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Nuclear Non-Proliferation Treaty
ব্যাখ্যা

'NPT':
​- পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
​- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র ও পারমাণবিক অস্ত্র প্রযুক্তির বিস্তার রোধ চুক্তি।
​- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
​- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
​- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি।
​- বাংলাদেশ পারমানবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তিতে (NPT) স্বাক্ষর করে: ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৯ সালে।

​উৎস: UNODA ওয়েবসাইট।

২৪৮.
সম্প্রতি কোন দেশের সাথে বেলারুশের সামরিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. চীন
  2. ব্রাজিল
  3. রাশিয়া
  4. জার্মানি
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা
• চীন-বেলারুশ সামরিক চুক্তি:
- বেলারুশ সফরে গিয়েছেন চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী, সেখানেই দুই দেশের মধ্যে  সামরিক  চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
- বেলারুশের প্রধান আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কোর সঙ্গে বৈঠক এই চুক্তি করেন  চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লি শাংফু।
- বেলারুশের প্রতিরক্ষার কথা মাথায় রেখে এই  চুক্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
- ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার পরম মিত্রদেশ বেলারুশ ও চীন। 
- বেলারুশ প্রতিরক্ষার বিষয়ে সম্পূর্ণভাবে চীন ও রাশিয়ার ওপর নির্ভরশীল।
- এই দুই বন্ধুদেশই বেলারুশের সবসময় পাশে থাকে।

উৎস: মানবজমিন ও প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
২৪৯.
Organizations for the Prohibitions of Chemical Weapons কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৯৭ সাল
  2. ১৯৮৫ সাল
  3. ১৯৯৩ সাল
  4. ১৯৯১ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সাল
ব্যাখ্যা
• Organizations for the Prohibitions of Chemical Weapons ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

• OPCW (Organizations for the Prohibitions of Chemical Weapons) :
- এটি রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক বৈশ্বিক সংস্থা।
- এর সদর সদরদপ্তর নেদারল্যান্ডস হেগ শহরে অবস্থিত।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৩ টি।
- এটি ২০১৩ সালে শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার পায়।
- স্বাক্ষর করেনি – দক্ষিণ সুদান, মিশর ও উত্তর কোরিয়া ।
- ইসরাইল স্বাক্ষর করলেও চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়নি ।
- বাংলাদেশ ১৯৯৩ সালে স্বাক্ষর করে এবং ১৯৯৭ চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়।

সূত্র: OPCW ওয়েবসাইট।
২৫০.
আটলান্টিক সনদ কখন স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৪০ সালের ১৪ আগস্ট
  2. ১৯৪২ সালের ১ জানুয়ারি
  3. ১৯৪১ সালের ১৪ আগস্ট
  4. ১৯৪৩ সালের ১৪ আগস্ট
সঠিক উত্তর:
১৯৪১ সালের ১৪ আগস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪১ সালের ১৪ আগস্ট
ব্যাখ্যা

• আটলান্টিক সনদ:
- ১৪ আগস্ট, ১৯৪১ সালে স্বাক্ষরিত হয়।
- স্বাক্ষরের স্থান: আটলান্টিক মহাসাগর।
- পক্ষসমূহ: যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেন।
- উদ্দেশ্য: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে পৃথিবীতে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা।
- যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফ্রাংকলিন ডি রুজভেল্ট ও ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল কর্তৃক স্বাক্ষরিত হয় এই সনদ।
- ৮ দফার এই সনদ স্বাক্ষরিত হয় উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের বুকে প্রিন্স অব ওয়েলস নামক একটি যুদ্ধ জাহাজে।
- পরবর্তীকালে জাতিসংঘের ঘোষণাপত্রে (১ জানুয়ারী, ১৯৪২) রেফারেন্সের মাধ্যমে আটলান্টিক সনদ অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

উৎস: UN ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা।

২৫১.
সমন্বিত পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (CTBT) অনুমোদনকারী সর্বশেষ দেশ কোনটি?
  1. টুভ্যালু
  2. গাম্বিয়া
  3. ডমিনিকা
  4. কিউবা
সঠিক উত্তর:
টুভ্যালু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টুভ্যালু
ব্যাখ্যা
সমন্বিত পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (CTBT):
- CTBT এর পূর্ণরূপ Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হল সামরিক- বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ ।
- ১৯৯৬ সালের ১০ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ সভায় এই চুক্তি গৃহীত হয়।

- বর্তমানে চুক্তিটি স্বাক্ষরকারী দেশ - ১৮৫ ও অনুমোদনকারী দেশ - ১৭২টি।
- সর্বশেষ স্বাক্ষরকারী দেশ: কিউবা (৪ ফেব্রুয়ারি,২০২১), ১৮৫-তম। কিউবা একই দিন ১৬৯-তম দেশ হিসেবে চুক্তি অনুমোদন করে।
- সর্বশেষ অনুমোদনকারী দেশ: টুভ্যালু (৩১ মার্চ, ২০২২), ১৭২-তম।
- টুভ্যালু ১৮৪তম দেশ হিসেবে ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮ সালে সিটিবিটি চুক্তি স্বাক্ষর করে।

- ২৪ মার্চ ২০২২ সালে CTBT অনুমোদন করে গাম্বিয়া।
- ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২২ সালে CTBT অনুমোদন করে ডমিনিকা।
- বাংলাদেশ বিশ্বের ৫৪-তম দেশ হিসেবে সিটিবিটি চুক্তি স্বাক্ষর করেন ১৯৯৬ সালে।

তথ্যসূত্র:- CTBTO এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২৫২.
'International Association of Police Academies' (INTERPA) এর ১১তম সম্মেলন প্রতিপাদ্য কি ছিল ?
  1. ক) Digitalization of Policing
  2. খ) The police are on the side of the people
  3. গ) Digital Security 
  4. ঘ) Civilian democratic
সঠিক উত্তর:
ক) Digitalization of Policing
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Digitalization of Policing
ব্যাখ্যা
• ১২-১৪ সেপ্টেম্বর 'International Association of Police Academies' (INTERPA) এর ১১তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় –ঢাকা, বাংলাদেশ।
• এই সম্মেলনে বাংলাদেশ ও কাতার INTERPA এর ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়। প্রতিপাদ্য ছিল – Digitalization of Policing.
• INTERPA বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পুলিশ প্রশিক্ষণ একাডেমি নিয়ে গঠিত।
• এর সদস্য সংখ্যা – ৫৯টি দেশের ৭৬টি পুলিশ প্রশিক্ষণএকাডেমি।
• সদরদপ্তর - আঙ্কারা, তুরস্ক।

উৎস:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতি সমাচার, অক্টোবর ২০২২।
২৫৩.
চীনে 'এক দেশ দুই নীতি' চালু হয়-
  1. ক) ১৯৯৭ সালে
  2. খ) ১৯৯৯ সালে
  3. গ) ১৯৯৩ সালে
  4. ঘ) ২০০৭ সালে
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৯৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা
নানকিং চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৮৪২ সালে। এই চুক্তির মাধ্যমে বৃটিশরা চীন থেকে হংকং দ্বীপ লাভ করে। আর চীনে 'এক দেশ দুই নীতি' চালু হয় ১৯৯৭ সালে এবং এই নীতি চালু থাকবে ২০৪৭ সাল পর্যন্ত। উৎসঃ চীনের সরকারি ওয়েবসাইট।
২৫৪.
ABM Treaty অন্য কী নামে পরিচিত?
  1. Treaty on the Limitation of Anti- Ballistic Missile Systems
  2. Treaty on Anti- Ballistic Limitation of Missile Systems
  3. Treaty on the Limitation of Anti- Ballistic Systems
  4. Anti- Ballistic Missile Systems Treaty on the Limitation
সঠিক উত্তর:
Treaty on the Limitation of Anti- Ballistic Missile Systems
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Treaty on the Limitation of Anti- Ballistic Missile Systems
ব্যাখ্যা
♦ ABM:
- এর পূর্ণরূপ Anti-Ballistic Missile Treaty (ABM Treaty)।
- এটি একটি ক্ষেপনাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি Treaty on the Limitation of Anti- Ballistic Missile Systems নামেও পরিচিত।
- ABM চুক্তি অনুযায়ী একটি দেশ সর্বোচ্চ ১০০টি ব্যালিস্টিক মিসাইল রাখতে পারবে।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ২৬ মে, ১৯৭২ সাল।
- চুক্তি কার্যকরের তারিখ ৩ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় মস্কো, রাশিয়ায়।
- এই চুক্তির বিষয় - দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।
- চুক্তিটি বাতিল হয় ১৩ জুন, ২০০২ সালে।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & History.com.
২৫৫.
CTBT চুক্তি সর্বশেষ স্বাক্ষরকারী দেশ কোনটি?
  1. শ্রীলংকা
  2. মিশর
  3. দক্ষিণ কোরিয়া
  4. সোমালিয়া
সঠিক উত্তর:
সোমালিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোমালিয়া
ব্যাখ্যা
CTBT চুক্তি:

- CTBT এর পূর্ণরূপ - Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty.
- এটি পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা বন্ধের একটি বহুপাক্ষিক আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- অস্ট্রেলিয়ার প্রস্তাবক্রমে জাতিসংঘের উদ্যোগে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- জাতিসংঘের অনুমোদন - ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬ সাল।
- স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্তের তারিখ - ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬ সাল।
- স্বাক্ষরের স্থান - জাতিসংঘের সদর দপ্তর, নিউইয়র্ক।
- স্বাক্ষরকারী দেশ - ১৮৭টি।
- চুক্তির বিষয় -নিরস্ত্রীকরণ।
- বাংলাদেশ বিশ্বের ৫৪তম দেশ হিসেবে অনুমোদন চুক্তি স্বাক্ষর করে ২০০০ সালের ৮ মার্চ।
- সর্বশেষ স্বাক্ষরকারী দেশ - সোমালিয়া।
- সর্বশেষ অনুমোদনকারী দেশ - শ্রীলংকা।

তথ্যসূত্র - সিটিবিটিও এবং জাতিসংঘ ওয়েবসাইট। (লিংক)
২৫৬.
দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তির ফলে যে ঘটনাটি ঘটে?
  1. ক) জার্মানিকে যুদ্ধাপরাধী দেশ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়
  2. খ) জাতিপুঞ্জ গঠণ
  3. গ) প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অবসান
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তি
▪ প্রথম বিশ্বযুদ্ধ বা মহাযুদ্ধের সমাপ্তির লক্ষ্যে ১৯১৯ সালে দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
▪ যুদ্ধে বিজয়ী মিত্রপক্ষের সাথে জার্মানির এই শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ১৯১৮ সালের ১১ নভেম্বর প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির আত্মসমর্পণের পর ১৯১৯ সালে প্যারিস শান্তি সম্মেলনের প্রেক্ষিতে দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
▪ মিত্রপক্ষের তৎকালীন ৪টি দেশের নেতা যারা ইতিহাসে “বিগ ফোর” (Big Four) নামে পরিচিত, তারা হলেন:
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট - উড্রো উইলসন
- যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী - ডেভিড লয়েড জর্জ
- ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী - জর্জ ক্লেমেনসো ও
- ইতালির প্রধানমন্ত্রী - ভিটোরিও অরল্যান্ডো
▪ উক্ত চারজন ভার্সাই চুক্তির খসড়া তৈরি করেন। যদিও চুক্তির শর্ত নিয়ে উড্রো উইলসনের সাথে অন্যান্য নেতাদের মতবিরোধ ছিল। দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তির দুইটি অংশ রয়েছে। যথা:
▪ চুক্তির প্রথম দফায় “Covenant of the League of Nations” স্বাক্ষরিত হয় যা জাতিপুঞ্জ গঠনের সনদ। এর ফলে জাতিপুঞ্জ গঠিত হয়। এতে জার্মানি স্বাক্ষর করে নি।
▪ চুক্তির দ্বিতীয় দফায় বিজয়ী মিত্রপক্ষ প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সকল দায়দায়িত্ব ও অনৈতিক কিছু শর্ত জার্মানির উপর চাপিয়ে দিয়ে তা স্বাক্ষরিত হয়। এতে জার্মানিকে যুদ্ধাপরাধী দেশ হিসাবে চিহ্নিত করা হয় এবং মিত্রপক্ষের দেশগুলো ক্ষতিপূরণ প্রদানে জার্মানিকে বাধ্য করে।
 ▪ উল্লেখ্য, ভার্সাই চুক্তিতে জার্মানির সাথে একতরফাভাবে অতিরিক্ত বৈষম্যমূলক আচরনের প্রেক্ষিতে চুক্তিটি মার্কিন কংগ্রেসে অনুমোদিত হয় নি। আর তাই যুক্তরাষ্ট্র জাতিপুঞ্জে যোগ দেয় নি। ১৯২৬ সালে জার্মানি জাতিপুঞ্জের সদস্য হয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ওয়েবসাইট।    
২৫৭.
সাফটা চুক্তি কার্যকর হয় –
  1. ক) ১ জানুয়ারী ২০০৬
  2. খ) ১ জুলাই ২০০৬
  3. গ) ১ অক্টোবর ২০০৬
  4. ঘ) ১ ডিসেম্বর ২০০৬
সঠিক উত্তর:
ক) ১ জানুয়ারী ২০০৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১ জানুয়ারী ২০০৬
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ এশিয় মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি বা সাফটা ২০০৪ সালের ৬ জানুয়ারী সাক্ষরিত হয়। এটি কার্যকর হয় ২০০৬ সালের ১ জানুয়ারী। এই চুক্তির মূল লক্ষ্য হলো সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে শুল্কহার শূন্যে নামিয়ে আনা। সার্কভুক্ত আটটি দেশ এতে স্বাক্ষর করে। (সূত্রঃ সার্ক সচিবালয় ওয়েবসাইট)
২৫৮.
সানশাইন পলিসি কোন দেশের সাথে জড়িত?
  1. জাপান
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. দক্ষিণ কোরিয়া
  4. ভিয়েতনাম
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ কোরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা
•সানশাইন পলিসি: 
- "সানশাইন নীতি” হল দক্ষিণ কোরিয়ার একটি কূটনৈতিক নীতি।
- এই ভিত্তির সাথে লক্ষ্য ছিল উত্তর কোরিয়ার সম্পর্ক উন্নয়ন এবং সহাবস্থান নিশ্চিত করা।
- দক্ষিণ কোরিয়ার নেতা কিম দে-জুং এই ব্যাখ্যা প্রবর্তন করেন।
-  ১৯৯৮ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত  এ নীতি কার্যকর ছিল।
-  সানশাইন পলিসি বাস্তবায়নে ফলে, কিম দা-জুংকে ২০০০ সালে শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন।

উৎস: Britannica.
২৫৯.
অসলো চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কোথায়?
  1. ক) প্যারিসে
  2. খ) রোমে
  3. গ) ওয়াশিংটন ডিসি
  4. ঘ) নিউইয়র্কে
সঠিক উত্তর:
গ) ওয়াশিংটন ডিসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ওয়াশিংটন ডিসি
ব্যাখ্যা
১৯৯৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে ইসরাইল ও ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থা (পিএলও) এর মধ্যে অসলো শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি স্বাক্ষরের পূর্বে নরওয়ের রাজধানী অসলোতে উভয়পক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়। যার কারণে চুক্তিটি অসলো চুক্তি নামে পরিচিতি পায়।

অসলো চুক্তির ফলে ইসরাইল ও প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (পিএলও) পরস্পরকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্নিনটন এতে মধ্যস্থতা করেন।

(তথ্যসূত্র: হিস্টোরি এবং ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট)
২৬০.
বাংলাদেশ কত সালে 'NPT' চুক্তিতে স্বাক্ষর করে?
  1. ১৯৭০ সালে
  2. ১৯৭৬ সালে
  3. ১৯৭৯ সালে
  4. ১৯৮৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৯ সালে
ব্যাখ্যা
'NPT' চুক্তি:
- NPT এর পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি।
- বাংলাদেশ পারমানবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তিতে (NPT) স্বাক্ষর করে: ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৯ সালে।

উৎস: UNODA ওয়েবসাইট।
২৬১.
মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৬০
  2. ১৯৬২
  3. ১৯৬৩
  4. ১৯৬৪
সঠিক উত্তর:
১৯৬৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৩
ব্যাখ্যা

মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন (Munich Security Conference - MSC)
- মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন (MSC) বিশ্বব্যাপী নিরাপত্তা নীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনার অন্যতম প্রধান ফোরাম।
- এটি প্রতি বছর জার্মানির মিউনিখ শহরে অনুষ্ঠিত হয়। 
- এই সম্মেলন বিশ্বনেতা, সামরিক কর্মকর্তা, কূটনীতিক, নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ ও গবেষকদের একত্রিত করে।
- মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৩ সালে। 
- এর প্রতিষ্ঠাতা এভাল্ড-হেইনরিখ ফন ক্লাইস্ট (Ewald-Heinrich von Kleist)।
- এর প্রাথমিক নাম- "Wehrkundetagung" (ডিফেন্স কনফারেন্স)
- শুরুতে এটি শুধু ন্যাটো সদস্যদের জন্য ছিল।
- সময়ের সাথে সাথে এটি বিশ্বব্যাপী নিরাপত্তা আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।
- এটি শুধুমাত্র সামরিক নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা করে না, বরং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, মানবাধিকার, সাইবার নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন ও ভূরাজনীতি নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার সুযোগ তৈরি করে।
- এই সম্মেলনে সাধারণত বিশ্ব রাজনীতির শীর্ষ নেতা ও বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন।
- সাম্প্রতিক যুদ্ধ, সংঘাত ও সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা নিয়ে আলোচনা হয়।
- রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, চীন-তাইওয়ান সংকট, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়।
 - প্রযুক্তিগত নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত নিরাপত্তা হুমকি নিয়েও আলোচনা হয়।
- ২০২৫ সালের মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন ১৪ থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি জার্মানির মিউনিখ শহরে অনুষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে এই সম্মেলনে যোগ দেন।

উৎস:
ব্রিটানিকা ও প্রথম আলো অনলাইন নিউজ।

২৬২.
রাশিয়া ও ইউক্রেন কত সালে 'মিনস্ক চুক্তি'তে স্বাক্ষর করে?
  1. ২০১৪ সালে
  2. ২০১৮ সালে
  3. ২০২২ সালে
  4. ২০২৩ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৪ সালে
ব্যাখ্যা
মিনস্ক চুক্তি:
- বিষয়বস্তু: পূর্ব ইউক্রেন থেকে সামরিক স্থাপনা, সামরিক সরঞ্জাম ও ভাড়াটে সেনাদের সরিয়ে নেওয়া।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২০১৪ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান: মিনস্ক, বেলারুশ।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: রাশিয়া ও ইউক্রেন।
- উদ্দেশ্য: রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধ।
- মধ্যস্থতাকারী: জার্মানি ও ফ্রান্স।

⇒ মূলত ওই চুক্তির ফলেই আট বছরের জন্য যুদ্ধ থেমে ছিল।
- তবে রাশিয়া মিনস্ক চুক্তি বাতিল করে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান পরিচালনা করে।
- মিনস্ক চুক্তির অন্যতম প্রধান শর্ত ছিল পূর্ব ইউক্রেন থেকে সামরিক স্থাপনা, সামরিক সরঞ্জাম ও ভাড়াটে সেনাদের সরিয়ে নিতে হবে।
- এছাড়া বিচ্ছিন্নতাবাদী অঞ্চলগুলোকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়ার কথা বলা হয়।
- আরও বলা ছিল যে, বিচ্ছিন্নতাবাদী অঞ্চলগুলো নিজস্ব পুলিশ বাহিনী গঠন করতে এবং স্থানীয় প্রসিকিউটর এবং বিচারক নিয়োগ করতে পারবে।
- এতে স্থানীয় নির্বাচনের জন্য বিদ্রোহী নেতাদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনার কথাও বলা হয়।
- কিন্তু ৮ বছর পরও চুক্তিটি বাস্তবায়ন করেনি কিয়েভ।

উৎস: Britannica.
২৬৩.
নিচের কোনটি নিরস্ত্রীকরণের সাথে সম্পর্কিত নয়?
  1. NPT
  2. CTBT
  3. CWC
  4. WTO
সঠিক উত্তর:
WTO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
WTO
ব্যাখ্যা
- WTO বা বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা নিরস্ত্রীকরণের সাথে সম্পর্কিত নয়। 

বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO):

- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১ জানুয়ারি ১৯৯৫ সাল।
- সদস্য রাষ্ট্র: ১৬৬টি (৩০ আগস্ট, ২০২৪ পর্যন্ত) [এপ্রিল, ২০২৫]
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
- উদ্দেশ্য: বৈশ্বিক বাণিজ্যের স্বাধীনতা, স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিশ্চিত করা
- WTO এর পূর্বসূরি ছিল General Agreement on Tariffs and Trade (GATT), যা ১৯৪৭ সালে গঠিত হয়।
- GATT মূলত বিশ্বব্যাপী শুল্ক হ্রাস ও বাণিজ্য বাধা কমানোর লক্ষ্যে কাজ করতো।
- ১৯৮৬-১৯৯৪ সালের উরুগুয়ে রাউন্ড আলোচনার পর WTO প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত হয়।
- WTO আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সহজীকরণ ও সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে ন্যায্য প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

এছাড়া,
- CWC কনভেনশনের লক্ষ্য হলো রাষ্ট্রপক্ষগুলোর রাসায়নিক অস্ত্রের উন্নয়ন, উৎপাদন, অধিগ্রহণ, মজুদ, ধারণ, স্থানান্তর বা ব্যবহার নিষিদ্ধ করে গণবিধ্বংসী অস্ত্রের একটি সম্পূর্ণ শ্রেণী নির্মূল করা। 
- CTBT একটি বহুপাক্ষিক চুক্তি যার লক্ষ্য হল সকল পরিবেশে সামরিক এবং বেসামরিক উভয় উদ্দেশ্যেই সকল পারমাণবিক বিস্ফোরণ নিষিদ্ধ করা।
- NPT পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ এবং পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার প্রচারের লক্ষ্যে একটি যুগান্তকারী আন্তর্জাতিক চুক্তি।

উৎস: Britannica.
WTO ওয়েবসাইট।
২৬৪.
শেনজেন চুক্তির প্রথম স্বাক্ষরকারী দেশ কয়টি?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা

শেনজেন চুক্তি (Schengen Agreement):
- শেনজেন চুক্তি হলো ইউরোপীয় অঞ্চলে ভিসামুক্ত চলাচলের একটি ঐতিহাসিক চুক্তি। 
​- এটি স্বাক্ষরিত হয় ১৪ জুন ১৯৮৫ সালে লুক্সেমবার্গের শেনজেন শহরে। 
​- প্রথমে বেলজিয়াম, ফ্রান্স, পশ্চিম জার্মানি, লুক্সেমবার্গ ও নেদারল্যান্ডস এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
​- এর মূল লক্ষ্য ছিল সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ কমিয়ে অবাধ চলাচল নিশ্চিত করা। 
​- এ জন্য ভিসা ও আশ্রয় নীতিমালা সমন্বিত করা হয় এবং তথ্য ভাগাভাগির জন্য শেনজেন ইনফরমেশন সিস্টেম (SIS) চালু করা হয়।
- শেনজেন চুক্তি কার্যকর হয় ১৯৯৫ সালে, তখন ইতালি, স্পেন, পর্তুগাল ও গ্রিস এতে যুক্ত হয়। পরবর্তী সময়ে অস্ট্রিয়া, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, নরওয়ে ও সুইডেন যুক্ত হয়। 
​- প্রথমে এটি EU-এর বাইরে শুরু হলেও, ১৯৯৯ সালের আমস্টারডাম চুক্তি শেনজেন চুক্তিকে EU আইনের অংশ করে নেয়।
​- পরবর্তীতে আরও দেশ যুক্ত হয়—সুইজারল্যান্ড (২০০৮), লিচেনস্টাইন (২০১১) এবং সর্বশেষ ক্রোয়েশিয়া (২০২৩)। 
​- বর্তমানে শেনজেনভুক্ত দেশ সংখ্যা ২৯টি।

​উৎস: ব্রিটানিকা।

২৬৫.
তৃতীয় জেনেভা কনভেনশন মূলত কাদের সুরক্ষা সংক্রান্ত?
  1. যুদ্ধক্ষেত্রে আহত ও অসুস্থ সামরিক সৈন্যদের
  2. যুদ্ধবন্দিদের
  3. সমুদ্রে আহত ও অসুস্থ সামরিক সৈন্যদের
  4. যুদ্ধকালীন বেসামরিক নাগরিকদের
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধবন্দিদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধবন্দিদের
ব্যাখ্যা

তৃতীয় জেনেভা কনভেনশন মূলত যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা সংক্রান্ত।

জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়। 

⇒ মূল জেনেভা কনভেনশনগুলো:
১. প্রথম কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ কনভেনশন (১৯৪৯): সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।

উল্লেখ্য, কনভেনশনের সংশোধন ও আধুনিকায়ন:
- ১৯৪৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কনভেনশনগুলোর সংস্করণ আরো উন্নত ও আধুনিক করা হয় এবং ১৯৭৭ ও ২০০৫ সালে আরও প্রোটোকল যুক্ত করা হয়।
- এর মাধ্যমে যুদ্ধের সময় মানবাধিকার রক্ষা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা আরও জোরদার হয়েছে।

উৎস: INTERNATIONAL COMMITTEE OF THE RED CROSS ওয়েবসাইট।

২৬৬.
গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদ কোনটি?
  1. ICPPED
  2. CEDAW
  3. UNCCD
  4. UDHR
সঠিক উত্তর:
ICPPED
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ICPPED
ব্যাখ্যা
গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদ (International Convention for the Protection of All Persons from Enforced Disappearance বা ICPPED): 
- গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদ হল ICPPED.
- ICPPED হল বলপূর্বক অন্তর্ধান (গুম) সম্পর্কিত প্রথম সর্বজনীনভাবে আইনত বাধ্যতামূলক মানবাধিকার দলিল।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের রেজুলেশন ৬১/১৭৭-এ দ্বারা গৃহীত হয়।
- গৃহীত হয়: ২০ ডিসেম্বর ২০০৬ সাল। 
- কার্যকর হয়: ২৩ ডিসেম্বর, ২০১০ সাল।
- কনভেনশনটি অনুমোদনকারী দেশগুলি আইনত এর দ্বারা আবদ্ধ হতে সম্মত হয় এবং তাদেরকে রাষ্ট্রপক্ষ বলা হয়।

উৎস: ohchr.org
২৬৭.
ঐতিহাসিক 'সিমলা চুক্তি' স্বাক্ষরিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৭১
  2. খ) ১৯৭৪
  3. গ) ১৯৭৩
  4. ঘ) ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৭২
ব্যাখ্যা
সিমলা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় - ২ জুলাই ১৯৭২ সালে।
- এই চুক্তিতে ভারত ও পাকিস্তান তাদের সকল বৈরিতার অবসান ঘটানো, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সকল ক্ষেত্রে বন্ধুত্ব ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা এবং ১৯৭১ সালের ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত জম্মু ও কাশ্মীরে বিরাজমান স্থিতাবস্থা পুনঃস্থাপনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করে।
- এই চুক্তির অধীনে ভারত পাকিস্তানের সকল যুদ্ধবন্দিকে বিনাবিচারে পাকিস্তানে ফেরত পাঠায়।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
২৬৮.
ইয়াল্টা কনফারেন্স কবে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ১৯৪৩
  2. খ) ১৯৩৩
  3. গ) ১৯৪৫
  4. ঘ) ১৯৪৭
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৪৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৪৫
ব্যাখ্যা
ইয়াল্টা কনফারেন্স:

- ১৯৪৫ সালের ৪-১১ ফেব্রুয়ারি সোভিয়েত ইউনিয়নের ক্রিমিয়ার ইয়াল্টাতে মিত্র পক্ষের এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- জাতিসংঘ গঠনের পথে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলন।
- এই সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন,
• যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট - ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট।
• সোভিয়েত নেতা - জোসেফ স্টালিন।
• যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী - উইনস্টন চার্চিল।
- এই সম্মেলনে জাতিসংঘের স্থায়ী ৫ সদস্যদের 'ভেটো' ক্ষমতা দেওয়া হয়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & History.com
২৬৯.
কোন দেশের সৈন্যদের প্রধানত গাজায় শাস্তিরক্ষীর দায়িত্বে প্রেরণের জন্য সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে?
  1. বাংলাদেশ
  2. সৌদিআরব
  3. মালয়েশিয়া
  4. ইন্দোনেশিয়া
সঠিক উত্তর:
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা

- ইন্দোনেশিয়ার সৈন্যদের গাজায় শাস্তিরক্ষীর দায়িত্বে প্রেরণের জন্য সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
- গাজা শান্তিরক্ষী বাহিনীর জন্য ২০ হাজার সেনাকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে ইন্দোনেশিয়া।
- গাজার যুদ্ধবিধ্বস্ত ছিটমহলে পরিকল্পিত শান্তিরক্ষা অভিযানের সময় স্বাস্থ্য ও নির্মাণ সম্পর্কিত কাজগুলি পরিচালনা করার জন্য এই সৈন্য প্রেরণ করা।

উল্লেখ্য,
⇒ বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল মুসলিম দেশ, ইন্দোনেশিয়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এর সাথে গাজায় একটি বহুজাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীর পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেছে, যার মধ্যে রয়েছে আজারবাইজান, মিশর এবং কাতার।

উৎস:রয়টার্স[লিংক]

২৭০.
যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের প্রথম কয়টি সংশোধনীকে একত্রে 'Bill of Rights' বলে অভিহিত করা হয়?
  1. ৩টি
  2. ১০টি
  3. ৭টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
১০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০টি
ব্যাখ্যা
• যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের প্রথম ১০টি সংশোধনীকে 'Bill of Rights' বলে অভিহিত করা হয়।

• বিল অব রাইটস (Bill of Rights):
- English Bill of Rights (১৬৮৯) দ্বারা প্রভাবিত (যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, আয়ারল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের আইন ও শাসন ব্যবস্থা)
- ১৭৮৯ সালে প্রথম মার্কিন কংগ্রেস অধিবেশনে ২২টি সংশোধনীর প্রস্তাব আনা হয়।
- এর মধ্যে প্রথম ১০টি গৃহীত হয়ে নাগরিকদের মৌলিক অধিকারগুলোকে সংবিধানের অংশ হিসেবে সংযুক্ত করা হয়।
- ১৭৯১ সালে ১৫ ডিসেম্বর, এই ১০টি সংশোধনী কার্যকর হয়, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘ বিল অব রাইটস’ নামে অভিহিত।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২৭১.
আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কারণ -
  1. মরক্কো-আলজেরিয়া সীমান্ত দ্বন্দ্ব নিরসন
  2. আকাবা উপসাগরের নিয়ন্ত্রণ
  3. শাত-ইল আরবকে ঘিরে ইরাক-ইরান দ্বন্দ্ব নিরসন
  4. ফিলিস্তিনে স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠা
সঠিক উত্তর:
শাত-ইল আরবকে ঘিরে ইরাক-ইরান দ্বন্দ্ব নিরসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাত-ইল আরবকে ঘিরে ইরাক-ইরান দ্বন্দ্ব নিরসন
ব্যাখ্যা
‘শাত-ইল-আরব:
‘শাত-ইল-আরব’ জলপথের অবস্থান পারস্য উপসাগরে।
- এর মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে ইরাক ও ইরানের মধ্যে দ্বন্দ্ব রয়েছে।
- বর্তমানে এটি ইরানের দখলে রয়েছে। 
- ১৯৮০-১৯৮৮ সাল পর্যন্ত শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে ইরান ও ইরাকের মধ্যে যুদ্ধ  হলেছিল।
- তাঁর আগে, শাত-ইল আরব জলপথকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে বিরোধ অবসানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৫ সালের ১৩ জুন আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এতে ইরানের পক্ষে রেজা শাহ পাহলভী এবং ইরাকের তৎকালীন ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন স্বাক্ষর করেন।
- তবে চুক্তি স্বাক্ষরের পাঁচ বছরের মাথায় দেশ দুটি শাত-ইল আরবকে কেন্দ্র করে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।
- চুক্তির বিষয়বস্তু ছিল শাত-ইল-আরব সহ বিরোধপূর্ণ সীমানা নিয়ে ইরাক ও ইরানের মধ্যে মীমাংসা।

সূত্র: হিস্টরি.কম এবং ব্রিটানিকা।
২৭২.
আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে LOI এর পূর্ণরূপ কি?
  1. Letter Of Intent
  2. Letter Of Identification
  3. Letter Of Inspecteon
  4. Letter Of Inpact
সঠিক উত্তর:
Letter Of Intent
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Letter Of Intent
ব্যাখ্যা
• Letter of Intent:
- Letter Of Intent (LOI) হচ্ছে একটি দলিল যা এক পক্ষের সাথে অন্য পক্ষের ব্যবসা করার প্রাথমিক প্রতিশ্রুতি।
- চুক্তির প্রধান শর্তাবলী:
- একটি সম্ভাব্য চুক্তির প্রধান শর্তগুলির রূপরেখা দেয়।
- সাধারণত প্রধান ব্যবসায়িক লেনদেনে ব্যবহৃত হয়।
- একটি LOI-তে অন্তর্ভুক্ত শর্তাবলী হল নির্দিষ্ট শর্তাবলী, প্রয়োজনীয়তা, সময়রেখা এবং জড়িত পক্ষগুলি৷
- উভয়  পক্ষের মধ্যে একটি প্রধান পার্থক্য - Letter Of Intent অক্ষর বিন্যাসে উপস্থাপিত হয়।

উৎস: ইনভেস্টিপিডিয়া।
২৭৩.
নিম্নের কোন দেশটি কোয়াড (Quad)–এর অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  2. অস্ট্রেলিয়া
  3. চীন
  4. জাপান
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা

কোয়াড (Quad)–এর অন্তর্ভুক্ত নয় চীন।

• কোয়াড (Quad): 
-  কোয়াড (Quad) হলো- যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, অস্ট্রেলিয়া ও জাপানকে নিয়ে গঠিত একটি অনানুষ্ঠানিক কৌশলগত নিরাপত্তা ফোরাম।
- ২০০৪ সালের ভারত মহাসাগরের সুনামির পর এই চার দেশের মধ্যে সমন্বয়মূলক আলোচনার সূত্রপাত ঘটে।
- এই আলোচনা পরবর্তীতে কৌশলগত অংশীদারিত্বে রূপ নেয়।
- ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং পরে জো বাইডেনের নেতৃত্বাধীন যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন - ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চীনের আগ্রাসী বা শক্ত অবস্থানের জবাব দিতে এবং নজরদারি চালাতে কোয়াডকে মূল চাবিকাঠি হিসেবে ব্যবহার করছেন।
- কোয়াড মূলত সদস্য দেশের মধ্যে রাজনৈতিক, সামরিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়ে থাকে।
- পাশাপাশি আঞ্চলিক শান্তি রক্ষা, দুর্যোগ মোকাবিলা, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা ও বৈশ্বিক সংকট যেমন কোভিড–১৯ প্রতিরোধে সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণ করে থাকে।

উৎস:
১. দেশ রূপান্তর;
২. Britannica. 

২৭৪.
নিচের কোন চুক্তিটি আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য ইউরোপে কার্যকর হয়েছিল?
  1. হেলসিঙ্কি চুক্তি
  2. প্যারিস চুক্তি
  3. ওয়াশিংটন চুক্তি
  4. ভিয়েনা চুক্তি
সঠিক উত্তর:
হেলসিঙ্কি চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেলসিঙ্কি চুক্তি
ব্যাখ্যা
হেলসিঙ্কি চুক্তি (Helsinki Accords):
- ১৯৭৫ সালে স্বাক্ষরিত এই চুক্তিটি ইউরোপে নিরাপত্তা, শান্তি এবং মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
- এটি ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে নিরাপত্তা ও সহযোগিতা সংক্রান্ত সম্মেলনের (Conference on Security and Cooperation in Europe - CSCE) অংশ ছিল।

চুক্তির মূল বিষয়:
- সীমান্ত অখণ্ডতা বজায় রাখা।
- মানবাধিকার এবং মৌলিক স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধা।
- অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ।
- অর্থনৈতিক, বৈজ্ঞানিক, এবং পরিবেশগত সহযোগিতা।

অন্যান্য চুক্তি:
প্যারিস চুক্তি: এটি মূলত জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার জন্য।
ওয়াশিংটন চুক্তি: এটি ন্যাটো (NATO) প্রতিষ্ঠার জন্য ব্যবহৃত হয়।
ভিয়েনা চুক্তি: কূটনৈতিক সম্পর্ক নিয়ন্ত্রণে কার্যকর।

উৎস: OSCE Official Site
Helsinki Final Act
২৭৫.
TPNW চুক্তিতে স্বাক্ষরিত দেশের সংখ্যা - [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. ৯৩টি
  2. ১০৩টি
  3. ১০৪টি
  4. ৯৪টি
সঠিক উত্তর:
৯৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৪টি
ব্যাখ্যা
TPNW:
- TPNW-এর পূর্ণরূপ: The Treaty on the Prohibition of Nuclear Weapons.
- এটি পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি।
- এই চুক্তিতে যেকোনো পারমাণবিক অস্ত্র কার্যক্রমে অংশগ্রহণের উপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
- এর মধ্যে রয়েছে পারমাণবিক অস্ত্রের বিকাশ, পরীক্ষা, উৎপাদন, অর্জন, অধিকার, মজুদ, ব্যবহার বা হুমকি না দেওয়ার অঙ্গীকার।

উল্লেখ্য,
- পরমাণু অস্ত্র মুক্ত বিশ্ব গড়ার লক্ষ্যে ২০১৭ সালের ৭ জুলাই পরমাণু অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক চুক্তি গৃহিত হয়।
- চুক্তির পক্ষে ভোট দেয়: ১২২টি দেশ।
- চুক্তির বিপক্ষে ভোট দেয়: ১টি দেশ (নেদারল্যান্ডস)।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭।
- কার্যকর হয়: ২২ জানুয়ারি, ২০২১।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ৯৪টি।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশ ২০১৭ সালের ২০ সেপ্টেম্বর এটিতে স্বাক্ষর করে এবং ২০১৯ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর অনুমোদন করে।

উৎস: United Nations Treaty Collection ওয়েবসাইট।
২৭৬.
দক্ষিণ এশীয় দেশসমূহ কত সালে SAPTA চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল?
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ১৯৯৩ সালে
  3. ১৯৮৪ সালে
  4. ২০০৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৩ সালে
ব্যাখ্যা
• SAPTA:
- পূর্ণরূপ: 'SAARC Preferential Trading Arrangement'.
- সার্কভূক্ত দেশগুলোর বাণিজ্য ঘাটতি, উৎপাদিত পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে বৈষম্য নিরসন ও শুল্ক সুবিধা নিশ্চিতের জন্য সাপটা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- সার্কভুক্ত তৎকালীন ৭টি দেশ (বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, মালদ্বীপ, নেপাল, পাকিস্তান এবং শ্রীলঙ্কা) এই বাণিজ্যিক চুক্তি করে।
- স্বাক্ষরের সময় - ১১ এপ্রিল, ১৯৯৩ সাল চুক্তি। 
- স্বাক্ষরের স্থান - ঢাকা, বাংলাদেশ। 
- চুক্তি কার্যকর - ৭ ডিসেম্বর, ১৯৯৫ সাল। 
- সদস্য সংখ্যা: ৭টি। 

সূত্র: সার্ক ওয়েবসাইট।
২৭৭.
সম্প্রতি, কোন দেশ আর্মেনিয়া-আজারবাইজান শান্তিচুক্তির মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেছে? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. রাশিয়া
  2. তুরস্ক
  3. ইরান
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
আর্মেনিয়া-আজারবাইজান শান্তিচুক্তি:
- ৮ আগস্ট, ২০২৫ যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হোয়াইট হাউসে ঐতিহাসিক শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে দক্ষিণ ককেশাস অঞ্চলের রাষ্ট্র আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে। 
- অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ এবং আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশনিয়ান।
- এর মধ্য দিয়ে কয়েক দশকের সংঘাতের অবসান এবং দীর্ঘস্থায়ী মিত্রতা তৈরি হবে বলে প্রত্যাশা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের।
- শান্তিচুক্তির পাশাপাশি উভয় দেশের সাথে করিডোর ও বাণিজ্য ইস্যুতে পৃথক চুক্তি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের।
 
উল্লেখ্য,
- বিতর্কিত নাগোরনো-কারাবাখ অঞ্চলে নিয়ে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান কয়েক দশক ধরে বিবাদে লিপ্ত।
- অঞ্চলটি আজারবাইজানের ভূখণ্ডের ভেতরে অবস্থিত হলেও ১৯৯৪ সালের এক যুদ্ধের পর থেকে আর্মেনিয়ার সমর্থনে জাতিগত আর্মেনীয় বাহিনী ওই অঞ্চলটি নিয়ন্ত্রণ করে আসছে।
- আর্মেনিয়া নাগোর্নো কারাবাখের দখল নেয়ার পর কয়েক দফায় রক্তক্ষয়ী সংঘাত হয় দুই দেশের মধ্যে।
- ২০২৩ সালে পুনরায় অঞ্চলটির নিয়ন্ত্রণ নেয় আজারবাইজান।

তথ্যসূত্র- নিউজ প্রতিবেদন। [Link]
২৭৮.
কয়টি দেশের মধ্যে ডেটন শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
ডেটন শান্তি চুক্তি (Dayton Peace Agreement):
- ডেটন শান্তি চুক্তির পূর্ণনাম - General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina।
- বসনিয়া সংকট সমাধানের উদ্দেশ্যে ডেটন শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের ওহায়ো অঙ্গরাজ্যের ডেটনে অবস্থিত বিমানঘাটিতে এই চুক্তির খসড়া প্রণীত হয়। এই জন্য এই চুক্তিকে ডেটন শান্তি চুক্তি বলা হয়।
- ডেটন চুক্তির মধ্যস্থতাকারী ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট - বিল ক্লিন্টন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী - ওয়ারেন ক্রিস্টোফার।
- চুক্তিটির প্রধান শান্তি আলোচক - রিচার্ড হলব্রোক।
- চুক্তির খসড়া প্রস্তুত - ২১ নভেম্বর, ১৯৯৫ সাল
- চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ - ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫ সাল
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান - প্যারিস, ফ্রান্স
- চুক্তির পক্ষ সমূহ - বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়া।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী -
১. বসনিয়ার পক্ষে - প্রেসিডেন্ট আলিজা ইজটবেগোভিচ।
২. ক্রোয়েশিয়ার পক্ষে - প্রেসিডেন্ট ফ্রাঞ্জো টুডম্যান।
৩. সার্বিয়ার পক্ষে - স্লোভাদান মিলোসোভিচ।

তথ্যসূত্র - হিস্টরি.কম ও ব্রিটানিকা।
২৭৯.
“বন্ধুত্ব, সহযোগিতা ও পারস্পরিক সহায়তার চুক্তি” নামে পরিচিত ছিল কোন চুক্তি? 
  1. ন্যাটো
  2. ওয়ারশ চুক্তি
  3. মার্শাল পরিকল্পনা
  4. ব্রেটন উডস চুক্তি
সঠিক উত্তর:
ওয়ারশ চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়ারশ চুক্তি
ব্যাখ্যা

• ওয়ারশ চুক্তি: 
- ওয়ারশ চুক্তি ছিল স্নায়ুযুদ্ধকালীন একটি সামরিক জোট।
- এই জোট সোভিয়েত ইউনিয়ন ও পূর্ব ও মধ্য ইউরোপের সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোকে একত্র করেছিল।
- আনুষ্ঠানিকভাবে এটি “বন্ধুত্ব, সহযোগিতা ও পারস্পরিক সহায়তার চুক্তি” নামে পরিচিত ছিল। 
- এর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল- ন্যাটো–এর মোকাবিলায় একটি সমন্বিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
-  ১৯৫৫ সালে পশ্চিম জার্মানি ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার পরই সোভিয়েত ইউনিয়ন এর প্রতিক্রিয়া হিসেবে ওয়ারশ চুক্তি প্রতিষ্ঠা করে।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন, আলবেনিয়া, বুলগেরিয়া, চেকোস্লোভাকিয়া, পূর্ব জার্মানি, হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড ও রোমানিয়া প্রথমে এতে যুক্ত ছিল।   -পরে আলবেনিয়া ও পূর্ব জার্মানি জোট থেকে সরে যায়।

উল্লেখ্য,
- এই জোটের অন্যতম প্রধান শর্ত ছিল যে কোনো সদস্য রাষ্ট্র আক্রান্ত হলে অন্য সদস্যরা সম্মিলিতভাবে তার নিরাপত্তায় এগিয়ে আসবে।
- জোটের একমাত্র যৌথ সামরিক পদক্ষেপ ছিল ১৯৬৮ সালের “প্রাগ স্প্রিং” দমন অভিযান, যেখানে সোভিয়েত ইউনিয়নসহ পোল্যান্ড, হাঙ্গেরি, বুলগেরিয়া ও পূর্ব জার্মানির বাহিনী অংশগ্রহণ করে।
- রাজনৈতিক পরিবর্তন ও সোভিয়েতের প্রভাব কমে যাওয়ার ফলে, ১৯৯১ সালের ৩১ মার্চ ওয়ারশ চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত হয়।
উৎস:  Britannica.

২৮০.
পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ সংক্রান্ত চুক্তি কোনটি?
  1. PTN
  2. CTBT
  3. NPT
  4. CTB
সঠিক উত্তর:
NPT
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NPT
ব্যাখ্যা

• Treaty on the Non-Proliferation of Nuclear Weapons (NPT)
- ​পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (NPT)।

​চুক্তির সংক্ষিপ্ত পরিচিতি:
পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (NPT) হলো একটি যুগান্তকারী আন্তর্জাতিক চুক্তি,
 তিনটি প্রধান লক্ষ্য:
পারমাণবিক অস্ত্র ও প্রযুক্তির বিস্তার রোধ করা
পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি
পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ এবং সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নেওয়া
এনপিটি হলো পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্রগুলির নিরস্ত্রীকরণের লক্ষ্যে একমাত্র বাধ্যতামূলক বহুপাক্ষিক চুক্তি।

​চুক্তির ইতিহাস ও বর্তমান অবস্থা:
- স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত: ১৯৬৮ সাল
- কার্যকর হয়: ১৯৭০ সাল
- অনির্দিষ্টকালের জন্য সম্প্রসারণ: ১১ মে ১৯৯৫
- সদস্য রাষ্ট্রের সংখ্যা: ১৯১টি রাষ্ট্র (এর মধ্যে ৫টি পারমাণবিক অস্ত্রধারী)
- এটি যেকোনো অস্ত্র সীমাবদ্ধতা বা নিরস্ত্রীকরণ চুক্তির চেয়ে বেশি রাষ্ট্র দ্বারা অনুমোদিত।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট.

২৮১.
কোন চুক্তির মাধ্যমে ইউরোপের ত্রিশ বছরের যুদ্ধের অবসান হয়? 
  1. ডেটন চুক্তি
  2. ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি
  3. প্যারিস চুক্তি
  4. লুজান চুক্তি 
সঠিক উত্তর:
ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি
ব্যাখ্যা

• ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি:
- ত্রিশ বছরব্যাপী অবিরামভাবে যুদ্ধ করার পর বিপর্যস্ত ইউরোপের সকল দেশের প্রতিনিধিরা ১৬৪৮ সালে ওয়েস্টফেলিয়াতে মিলিত হয়ে দুটি ভিন্ন শান্তিচুক্তি পাস করে।
- ১৬৪৮ সালের ২৪শে অক্টোবর ওয়েস্টাফেলিয়া চুক্তি সম্পাদনের মাধ্যমে দীর্ঘ ত্রিশ বছরব্যাপী ধর্মজনিত এই যুদ্ধের অবসান ঘটায়।
- ওয়েস্টফেলিয়া শান্তি চুক্তি ইউরোপের শান্তির স্বপক্ষে প্রথম এবং সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
- এটি ইউরোপকে একটি আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা নিয়ে আসতে সক্ষম হয়।
- এই সন্ধির ভূ-খন্ডগত সীমানা নেপোলিয়নের যুগ পর্যন্ত বহাল থাকে।

অন্যদিকে:
- বসনিয়া সংকট সমাধানে ডেটন শান্তি চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- লুজান চুক্তিই প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সমাপ্তকারী চূড়ান্ত চুক্তি।
- যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধিনতা যুদ্ধের অবসানের লক্ষ্যে ফ্রান্সের প্যারিসে যে চারটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল তাদেরকে একত্রে প্যারিস চুক্তি বা পিস অব প্যারিস বলা হয়।

উৎস: আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৮২.
'Extradition' বলতে কী বোঝায়?
  1. শরণার্থীকে আশ্রয় দেওয়া
  2. ভিসা ছাড়াই অন্য দেশে প্রবেশ
  3. যুদ্ধ ঘোষণা
  4. অপরাধীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়ে বিচার করা
সঠিক উত্তর:
অপরাধীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়ে বিচার করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়ে বিচার করা
ব্যাখ্যা

Extradition Treaty:
- 'Extradition' (প্রত্যর্পণ) হলো একটি আনুষ্ঠানিক আইনি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে এক দেশ অন্য দেশে পালিয়ে যাওয়া অপরাধী বা অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বিচারের মুখোমুখি করার জন্য নিজ হেফাজতে ফিরিয়ে আনে। 
- এটি সাধারণত দুটি দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তি। 
- এই চুক্তি সাধারণত দুই বা ততোধিক দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়, যাতে এক দেশ অপরাধীকে অন্য দেশ থেকে প্রত্যর্পণ করতে পারে, যদি সেই ব্যক্তি ওই দেশের আইনের অধীনে অপরাধ করেছে এবং সে দেশে বিচারের মুখোমুখি হওয়ার জন্য ফেরত পাঠানো প্রয়োজন।
- এই চুক্তি অনুযায়ী, দুই দেশ তাদের নাগরিকদের অপরাধের জন্য একে অপরকে ফেরত পাঠানোর জন্য আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে।

• গুরুত্বপূর্ণ শর্তসমূহ:
- প্রত্যর্পণের জন্য অপরাধটি উভয় দেশে অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে হবে।
- যদি অনুরোধকারী দেশে অভিযুক্ত ব্যক্তির প্রতি অমানবিক আচরণ বা মৃত্যুদণ্ডের ঝুঁকি থাকে, তবে সাধারণত প্রত্যর্পণ করা হয় না।
- অপরাধীর বিরুদ্ধে যথাযথ প্রমাণ থাকতে হবে।
- রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে করা অপরাধ বা রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থীদের সাধারণত প্রত্যর্পণ করা হয় না।

উৎস: Britannica.

২৮৩.
বর্তমানে কতটি দেশ CTBT (Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty) তে স্বাক্ষর করেছে?(জানুয়ারি-২০২৫)
  1. ১৬২ টি
  2. ১৮৩ টি
  3. ১৮৫ টি
  4. ১৮৭ টি
সঠিক উত্তর:
১৮৭ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৭ টি
ব্যাখ্যা
• CTBT:
- CTBT এর পূর্ণরূপ হলো Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty।
- এই চুক্তির প্রধান উদ্দেশ্য হলো সামরিক এবং বেসামরিক উভয় ধরনের পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধ করা।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ এই চুক্তি গ্রহণ করে ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬ সালে এবং এটি স্বাক্ষরিত হয় ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬ সালে।
- বর্তমানে এই চুক্তিতে ১৮৭টি দেশ স্বাক্ষর করেছে।

• CTBTO (Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty Organization):
- পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণের দায়িত্বে থাকা সংস্থা হলো CTBTO (Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty Organization)।
- সদর দপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।

উৎস: CTBTO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২৮৪.
আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগ নিষিদ্ধকারী ‘প্যারিস প্যাক্ট’ স্বাক্ষরিত হয় কবে?
  1. ৫ জানুয়ারি, ১৯২৮
  2. ৩ নভেম্বর, ১৯২৮
  3. ১২ আগস্ট, ১৯২৮
  4. ২৭ আগস্ট, ১৯২৮
সঠিক উত্তর:
২৭ আগস্ট, ১৯২৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭ আগস্ট, ১৯২৮
ব্যাখ্যা
প্যারিস প্যাক্ট (Kellogg - Briand Pact):
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতার থেকে মানুষ আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগ সম্পর্কে সচেতন হয়।
- আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগ নিষিদ্ধকারী চুক্তি হলো 'প্যারিস প্যাক্ট'।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৭ আগস্ট, ১৯২৮।
- এই চুক্তির অন্যনাম Kellogg - Briand Pact.
- তৎকালীন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী Frank B. Kellogg ও ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী Aristide Briand আলোচনার মাধ্যমে এই চুক্তির খসড়া তৈরি করেন।

উৎস: History.com
২৮৫.
কোন চুক্তিটি অটোয়া চুক্তি(Ottawa Treaty) নামে পরিচিত?
  1. ক) Mine Ban Treaty
  2. খ) Anti Ballistic Missile Treaty
  3. গ) Biological Weapons Conventions
  4. ঘ) Chemical Weapons Conventions
সঠিক উত্তর:
ক) Mine Ban Treaty
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Mine Ban Treaty
ব্যাখ্যা
স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি(Mine Ban Treaty)-এর অন্য নাম অটোয়া চুক্তি(Ottawa Treaty)। কানাডার অটোয়াতে ১৯৯৭ সালের ৩রা ডিসেম্বর চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। যা কার্যকর হয় ১লা জুলাই ১৯৯৯ সালে। সব ধরণের স্থলমাইন ব্যবহার, উৎপাদন ও মজুদ নিষিদ্ধকরণ এবং ধ্বংস করা হল এই চুক্তির উদ্দেশ্য। চীন, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, পাকিস্তান, ভারত, উত্তর কোরিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, ইরান, ইসরায়েল ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ দেশ চুক্তিটি স্বাক্ষর করেনি। সূত্র- লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
২৮৬.
নিচের কোন দেশটি রাসায়নিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ বিষয়ক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে কিন্তু অনুমোদন করেনি?
  1. ইরান
  2. রাশিয়া
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ইসরায়েল
সঠিক উত্তর:
ইসরায়েল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসরায়েল
ব্যাখ্যা
Chemical Weapons Convention (CWC):
- CWC রাসায়নিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ বিষয়ক চুক্তি।
- CWC এর পূর্ণরূপ Chemical Weapons Convention.
- এটি জাতিসংঘের অনুমোদনক্রমে স্বাক্ষরিত একটি বহুপাক্ষিক চুক্তি।
- চুক্তির বিষয়: রাসায়নিক অস্ত্রের উৎপাদন, মজুদ ও ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ।
- যে সকল দেশের হাতে রাসায়নিক অস্ত্র রয়েছে তাদেরকে এই অস্ত্র ধ্বংস করার কথাও বলা হয়েছে।
- ১৯৯২ সালের ৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের দপ্তরে নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক সম্মেলন (Conference on Disarmament) অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনে রাসায়নিক অস্ত্র উৎপাদন বন্ধের চুক্তির খসড়া প্রস্তুত করা হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩ সালে।
- কার্যকর হয়: ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭ সালে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৯৩টি।
- ইসরায়েল স্বাক্ষর করেছে কিন্তু অনুমোদন করেনি।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ও OPCW ওয়েবসাইট।
২৮৭.
আটলান্টিক সনদ কোনটির প্রতিষ্ঠার সাথে জড়িত?
  1. ক) গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড
  2. খ) জাতিসংঘ
  3. গ) বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা
  4. ঘ) বেনেলাক্স
সঠিক উত্তর:
খ) জাতিসংঘ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জাতিসংঘ
ব্যাখ্যা
আটলান্টিক সনদ জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার সাথে জড়িত। ১৯৪১ সালের ১৪ আগস্ট আটলান্টিক মহাসাগরে ব্রিটিশ রণতরী প্রিন্স অব ওয়েলসে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট এবং ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল যৌথভাবে যে ঘোষণায় স্বাক্ষর করেন তা আটলান্টিক সনদ নামে পরিচিত।
এটি কোন আনুষ্ঠানিক বা চূড়ান্ত চুক্তি নয়। এটিকে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার দ্বিতীয় ধাপ বিবেচনা করা হয়।
(সূত্রঃ জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
২৮৮.
"স্টার্ট চুক্তি" (START) কোন ধরনের অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের জন্য?
  1. রাসায়নিক অস্ত্র
  2. ল্যান্ডমাইন
  3. পারমাণবিক অস্ত্র
  4. বায়োলজিক্যাল অস্ত্র
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক অস্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক অস্ত্র
ব্যাখ্যা
স্টার্ট চুক্তি (START):
- পূর্ণ নাম: Strategic Arms Reduction Treaty
- গৃহীত হয়: ৩১ জুলাই, ১৯৯১
- কার্যকর: ৫ ডিসেম্বর, ১৯৯৪
- উদ্দেশ্য: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের (পরবর্তীতে রাশিয়া) মধ্যে কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র কমানো।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতা নিয়ন্ত্রণের প্রয়াস।
- পারমাণবিক অস্ত্রবাহী ক্ষেপণাস্ত্র এবং বোমারু বিমানের সংখ্যা সীমিত করা।
- আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (ICBM), সাবমেরিন-লঞ্চড ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (SLBM) এবং কৌশলগত বোমারু বিমানের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ।

গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়:
START I: ১৯৯১ সালে স্বাক্ষরিত এবং ২০০৯ সালে মেয়াদ শেষ।
START II: ১৯৯৩ সালে স্বাক্ষরিত, কিন্তু কার্যকর হয়নি।
New START:
২০১০ সালে স্বাক্ষরিত এবং বর্তমানে কার্যকর।
৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১১-এ কার্যকর হয়৷
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়ান ফেডারেশন ৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ পর্যন্ত চুক্তিটি বাড়ানোর জন্য সম্মত হয়েছে।

উৎস: i) Arms Control Association
ii) Britannica
২৮৯.
পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (TPNW) স্বাক্ষরকারী দেশ কয়টি? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. ৯০টি
  2. ৯৪টি
  3. ৮৭টি
  4. ৮৫টি
সঠিক উত্তর:
৯৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৪টি
ব্যাখ্যা

• পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (TPNW):
- পূর্ণরূপ: Treaty on the Prohibition of Nuclear Weapons।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
স্বাক্ষরকারী দেশ: ৯৪টি দেশ।
- কার্যকর হয়: ২২ জানুয়ারি ২০২১ (৫০টি দেশ চুক্তি অনুমোদন দেওয়ার পর)।
- অনুমোদনকারী দেশ: ৭৩টি দেশ।
- স্বাক্ষর করেনি: পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশগুলো (যেমন: যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, ভারত, পাকিস্তান, উত্তর কোরিয়া, ইসরায়েল)।
- স্বাক্ষর করে অনুমোদন দেয়নি: জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া, ন্যাটো সদস্য দেশগুলো।
- অনুসমর্থকারী দেশ: বাংলাদেশসহ ৭৩টি দেশ।
- লক্ষ্য: পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার ও মজুত সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা।
- এবং পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণে বৈশ্বিক প্রচেষ্টা জোরদার করা্

উল্লেখ্য:
- বাংলাদেশ ২০১৭ সালে চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
- এবং ২০১৯ সালে এটি অনুমোদন করে।

উৎস: TPNW ওয়েবসাইট।[Link]

২৯০.
New Start চুক্তি কবে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১০ এপ্রিল ২০১০
  2. ৯ এপ্রিল ২০১০
  3. ৮ এপ্রিল ২০১০
  4. ৭ এপ্রিল ২০১০
সঠিক উত্তর:
৮ এপ্রিল ২০১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ এপ্রিল ২০১০
ব্যাখ্যা

রাশিয়া ও আমেরিকার মধ্যে সর্বশেষ ৮ এপ্রিল ২০১০ সালে সই হয় নিউ স্টার্ট চুক্তিটি।
- এই চুক্তির শর্ত অনুযায়ী দুই দেশেরই তাদের প্রস্তুত পরমাণু অস্ত্রের সংখ্যা ১ হাজার ৫৫০-এ সীমিত করার কথা।
- একই সঙ্গে নিজেদের পরমাণু কর্মসূচির বিষয়ে অন্য পক্ষকে নিয়মিত তথ্য দেওয়ার বিষয়টিও এর অন্তর্ভুক্ত, যা দুই পক্ষের মধ্যে আস্থার ভিত তৈরি করেছিল।
- চুক্তিটি সর্বশেষ নবায়ন হয় ২০১৬ সালে। পাঁচ বছর পরপর এটি নবায়ন করার কথা।
- এ হিসাবে ২০২১ সালে বিদ্যমান চুক্তির মেয়াদ ফুরাচ্ছে।

উৎস: Britannica.com

২৯১.
GATT চুক্তির সর্বশেষ রাউন্ড কোনটি?
  1. Uruguay Round
  2. Tokyo Round
  3. Kennedy Round
  4. Geneva II Round
সঠিক উত্তর:
Uruguay Round
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Uruguay Round
ব্যাখ্যা

GATT চুক্তির রাউন্ড:
- ১৯৪৭ সাল থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত GATT চুক্তির দুর্বলতা ও সমস্যা সমাধানের জন্য মোট ৮টি রাউন্ড সম্পন্ন হয়।
- সেগুলো হলো:
1. Geneva Round,
2. Annecy Round,
3. Torquay Round,
4. Geneva II Round,
5. Dillon Round,
6. Kennedy Round,
7. Tokyo Round,
8. Uruguay Round.

উরুগুয়ে রাউন্ড:
- GATT চুক্তির রাউন্ডগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ রাউন্ড হচ্ছে উরুগুয়ে রাউন্ড।
- এই রাউন্ড শুরু হয় ১৯৮৬ সালের সেপ্টেম্বরে।
- ১৫ এপ্রিল, ১৯৯৪ সালে উরুগুয়ে রাউন্ডের সমাপ্তির সময়ে GATT চুক্তি সংশোধনের মাধ্যমে।
- এই রাউন্ডের সংলাপ চলে দীর্ঘ ৮ বছর ধরে।
- এর ফলে নতুন আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংগঠন গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।
- যার ফলে ১৯৯৫ সালে জন্ম হয় World Trade Organization (WTO)-এর।

তথ্যসূত্র - WTO ওয়েবসাইট।

২৯২.
আলজিয়ার্স চুক্তি কোন দুটি দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. ইরান-ইসরায়েল
  2. ইরাক-ইরান
  3. ইরান-তুরস্ক
  4. ইরাক-কুয়েত
সঠিক উত্তর:
ইরাক-ইরান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরাক-ইরান
ব্যাখ্যা

আলজিয়ার্স চুক্তি:
- এই চুক্তিটি একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- ইরাক-ইরান দুই দেশের মধ্যে আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৭৫ সালে।
- অনুমোদিত হয়: ১৯৭৬ সালে।
- মধ্যস্থতাকারী দেশ: আলজেরিয়া।
- স্বাক্ষরের স্থান: আলজিয়ার্স, আলজেরিয়া।
- ইরানের পক্ষে শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভী এবং ইরাকের পক্ষে ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
- ইরাক কর্তৃক ইরান আক্রমনের মধ্য দিয়ে ১৭ সেপ্টেম্বর,১৯৮০ সালে চুক্তিটি অকার্যকর হয়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & History.com

২৯৩.
কোনটি নিরস্ত্রীকরণের সাথে সম্পৃক্ত নয়?
  1. ICSID
  2. NPT
  3. SALT
  4. CTBT
সঠিক উত্তর:
ICSID
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ICSID
ব্যাখ্যা
CTBT - Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
SALT - Strategic Arms Limitation Talk
NPT - Non-Proliferation of Nuclear Weapons Treaty
সবগুলোই নিরস্ত্রীকরণ বা অস্ত্র সীমিতকরণের সাথে সম্পর্কিত।

ICSID: 
- এটি 
নিরস্ত্রীকরণ বা অস্ত্র সীমিতকরণের সাথে সম্পর্কিত নয়। 
- ICSID (International Centre for Settlement of Investment Disputes) হলো বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটি সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পুঁজি বিনিয়োগ জনিত বিরোধ নিষ্পত্তি করে থাকে।
- ICSID ১৯৬৬ সালের ১৪ অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ICSID এর সদর দপ্তর ওয়াশিংটন ডিসি তে অবস্থিত।
- এর সদস্য সংখ্যা ১৫৮টি দেশ।
- বাংলাদেশ ICSID এর সদস্য পদ লাভ করে ১৯৮০ সালে।
 
সূত্র - বিশ্বব্যাংক ওয়েবসাইট।
২৯৪.
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তির মূল উদ্দেশ্য কী ছিল?
  1. তেল রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ
  2. সুয়েজ খাল নিয়ন্ত্রণ
  3. মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি স্থাপন
  4. মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক ঘাঁটি স্থাপন
সঠিক উত্তর:
মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি স্থাপন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি স্থাপন
ব্যাখ্যা

• ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি :
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়- ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৮ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান, মেরিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট।
- পক্ষসমূহ: মিসর-ইসরাইল।
- স্বাক্ষরকারী- মিসরের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত ও ইসরায়েলের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মেনাচেম বেগিন।
- মধ্যস্থতাকারী- তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার।
- উদ্দেশ্য- মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রক্রিয়ার রূপরেখা নিরূপণ এবং শান্তি স্থাপন।

উল্লেখ্য, 
- চুক্তিটির জন্য মিশরকে আরব লীগ ও ওআইসি থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়।
- তৎকালীন মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত চুক্তিটির জন্য ১৯৭৮ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান।
- এই চুক্তির ফলে সিনাই এলাকা, যা ইসরাইল ১৯৬৭ সালের যুদ্ধে দখল করে নিয়েছিল মিশর ফিরে পেয়েছিল।
- গাজা ও জর্ডান নদীর পশ্চিমে তীরে ৫ বছরের মধ্যে স্বায়ত্তশাসন দেয়া হয়।
- এই চুক্তিতে গোলান উপত্যকা (যা ইসরাইল দখল করে নিয়েছিল) সিরিয়ার কাছে ফিরিয়ে দেয়ার ব্যাপারে কোনো সমঝোতা হয় নি ৷
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তির কারণে মিসরের সাথে ইসরাইলের সম্পর্কের উন্নতি হয়েছিল বটে, কিন্তু আনোয়ার সাদাতকে প্রাণ দিতে হয়েছিল।
- অনেক আরব দেশই এই চুক্তিকে সমর্থন করেনি।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও  আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।

২৯৫.
কূটনীতিকদের অধিকার, নিরাপত্তা ও দায়মুক্তি নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে আন্তর্জাতিক চুক্তি কোনটি?
  1. ক) রোম কনভেনশন
  2. খ) ভিয়েনা কনভেনশন
  3. গ) স্টকহোম কনভেনশন
  4. ঘ) বাসেল কনভেনশন
সঠিক উত্তর:
খ) ভিয়েনা কনভেনশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভিয়েনা কনভেনশন
ব্যাখ্যা
ভিয়েনা কনভেনশন:

- কূটনীতিকদের অধিকার, নিরাপত্তা ও দায়মুক্তি নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে আন্তর্জাতিক চুক্তি ভিয়েনা কনভেনশন।
- এর ১৯৬১ এর পূর্ণনাম Vienna Convention on Diplomatic Relations এই আন্তর্জাতিক চুক্তির মাধ্যমে অন্যান্য দেশে কর্মরত কূটনীতিকদের অধিকার, নিরাপত্তা ও দায়মুক্তি নিশ্চিত করা হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষর হয় ১৮ এপ্রিল, ১৯৬১ সালে। 
- ২৪ এপ্রিল, ১৯৬৪ সাল চুক্তিটি কার্যকর হয়।
- চুক্তির পক্ষ - ১৯২টি দেশ অনুমোদন করেছে।
- চুক্তিটি কার্যকর হওয়ার জন্য ২২টি দেশের অনুমোদন প্রয়োজন ছিল।
- ভিয়েনা কনভেনশনের ৫৩টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।

তথ্যসূত্র - History.com
২৯৬.
CTBT চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৯৪ সালে
  2. ১৯৯৫ সালে
  3. ১৯৯৬ সালে
  4. ১৯৯৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৬ সালে
ব্যাখ্যা
CTBT:
- CTBT-এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৮৭টি।
- বাংলাদেশ CTBT স্বাক্ষর করে ২৪ অক্টোবর, ১৯৯৬ সালে (এশিয়ায় ১ম)।
- CTBT অনুমোদন করে- ৮ মার্চ, ২০০০ সালে।
- বাংলাদেশ CTBT অনুমোদনকারী ৫৪ তম দেশ।

তথ্যসূত্র - Arms Control Association ওয়েবসাইট।
২৯৭.
নিম্নের কোন দুই রাষ্ট্রপ্রধান 'New START চুক্তি'তে স্বাক্ষর করেছেন?
  1. ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ভ্লাদিমির পুতিন
  2. বারাক ওবামা এবং দিমিত্রি মেদভেদেভ
  3. জো বাইডেন এবং সের্গেই লাভরভ
  4. ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং দিমিত্রি মেদভেদেভ
সঠিক উত্তর:
বারাক ওবামা এবং দিমিত্রি মেদভেদেভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বারাক ওবামা এবং দিমিত্রি মেদভেদেভ
ব্যাখ্যা

New START চুক্তি:
- New START চুক্তি হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়ার মধ্যে একটি পারমাণবিক অস্ত্র হ্রাস চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ৮ এপ্রিল, ২০১০।
- কার্যকর হয়: ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১১।
- স্বাক্ষর করেছিলেন: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ।

⇒ মস্কো ও ওয়াশিংটন মোট কতসংখ্যক কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন করতে পারবে, তার সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারিত করে দিয়েছিল এই চুক্তি। চুক্তি অনুযায়ী, উভয় দেশের সর্বোচ্চ ১ হাজার ৫৫০টি পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েনের সুযোগ ছিল।

উল্লেখ্য,
- ২০২৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ‘নিউ স্টার্ট চুক্তি’ স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

উৎস: Nuclear Threat Initiative.

২৯৮.
নিচের কোন চুক্তিটি 'Good Friday Agreement' নামে পরিচিত?
  1. উই রিভার চুক্তি
  2. অসলো চুক্তি
  3. বেলফাস্ট চুক্তি
  4. অটোয়া চুক্তি
সঠিক উত্তর:
বেলফাস্ট চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেলফাস্ট চুক্তি
ব্যাখ্যা

বেলফাস্ট চুক্তি:
- উত্তর আয়ারল্যান্ডে যুদ্ধ পরিস্থিতি ও রাজনৈতিক অচলাবস্থার অবসান ঘটিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য বেলফাস্ট চুক্তিটি একটি মাইলফলক হিসাবে বিবেচিত হয়। উত্তর আয়ারল্যান্ড - এর শাসনতন্ত্র কিরকম হবে তা এই চুক্তির মাধ্যমে নির্ধারিত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষর: ১০ এপ্রিল, ১৯৯৮ সাল।
- চুক্তি কার্যকর: ডিসেম্বর, ১৯৯৯ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: বেলফাস্ট, উত্তর আয়ারল্যান্ড।
- চুক্তির পক্ষ: ব্রিটিশ সরকার, আয়ারল্যান্ড ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের কয়েকটি রাজনৈতিক দল।
- 'বেলফাস্ট চুক্তির' অপর নাম - Good Friday Agreement.

তথ্যসূত্র - Britannica.com

২৯৯.
১৯৭২ সালের সিমলা চুক্তিতে ভারতের পক্ষে স্বাক্ষর করেন কে?
  1. লাল বাহাদুর শাস্ত্রী
  2. জওহরলাল নেহেরু
  3. ইন্দিরা গান্ধী
  4. গুলজারিলাল নন্দা
সঠিক উত্তর:
ইন্দিরা গান্ধী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্দিরা গান্ধী
ব্যাখ্যা
সিমলা চুক্তি: 
- ১৯৭২ সালের সিমলা চুক্তিতে ভারতের পক্ষে স্বাক্ষর করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী।
- চুক্তিটি ২ জুলাই ১৯৭২ সালে ভারতের হিমাচল প্রদেশের সিমলা শহরে স্বাক্ষরিত হয়।
- পাকিস্তানের পক্ষে এতে স্বাক্ষর করেন প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলী ভুট্টো।
- চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ বিষয়গুলোর শান্তিপূর্ণ সমাধান করা।

এছাড়াও,
- যুদ্ধবন্দীদের বিনিময় ও কাশ্মীরের লাইন অব কন্ট্রোল পুনঃনির্ধারণের বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত ছিল।  
 
সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও ব্রিটানিকা।
৩০০.
CWC চুক্তি কোন ধরনের অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত চুক্তি?
  1. রাসায়নিক অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ
  2. জীবাণু অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ
  3. পরমাণু অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ
  4. ল্যান্ডমাইন নিয়ন্ত্রণ
সঠিক উত্তর:
রাসায়নিক অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাসায়নিক অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ
ব্যাখ্যা
রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন (CWC): 
- রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন (Chemical Weapons Convention - CWC) হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি, যা যুদ্ধের সময় রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করে এবং এসব অস্ত্রের উন্নয়ন, উৎপাদন, সংগ্রহ, মজুদ বা স্থানান্তর নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।
- চুক্তিটি ৩ সেপ্টেম্বর ১৯৯২ সালে জাতিসংঘের নিরস্ত্রীকরণ সম্মেলনে গৃহীত হয়।
- ১৩ জানুয়ারি ১৯৯৩ সালে এটি সব রাষ্ট্রের জন্য স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।
- ২৯ এপ্রিল ১৯৯৭ সালে চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়।
- চুক্তির বাস্তবায়নে রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ সংস্থা (OPCW) কাজ করে।
- CWC একটি গুরুত্বপূর্ণ নিরস্ত্রীকরণ চুক্তি, যা বিশ্বকে রাসায়নিক অস্ত্রের হুমকি থেকে সুরক্ষিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

উৎস: Britannica.