বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

নিরাপত্তা ও অন্যান্য চুক্তি এবং চুক্তি সংক্রান্ত সনদ

মোট প্রশ্ন১,৩৬৬এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নিরাপত্তা ও অন্যান্য চুক্তি এবং চুক্তি সংক্রান্ত সনদ

PrepBank · পাতা / ১৪ · ১০০ / ১,৩৬৬

.
Chemical Weapons Convention (CWC)- কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৯৬
  2. ১৯৯৩
  3. ১৯৯২
  4. ১৯৯৮
সঠিক উত্তর:
১৯৯৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৩
ব্যাখ্যা

⇒ Chemical Weapons Convention (CWC):
- রাসায়নিক অস্ত্রের উন্নয়ন, উৎপাদন, মজুদ এবং ব্যবহার নিষিদ্ধকরণ এবং তাদের ধ্বংস সংক্রান্ত কনভেনশন (রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন বা CWC), 
- একটি প্রস্তাবনা, 24টি অনুচ্ছেদ এবং 3টি পরিশিষ্ট নিয়ে গঠিত - 
- ১৯৯৩ সালের ১৩ জানুয়ারী প্যারিসে রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত হয়।
- প্রথম দুই দিনের মধ্যে ১৩০টি দেশ কনভেনশনে স্বাক্ষর করে।
- কার্যকর হয় ১৯৯৭ সাল থেকে।
- ১৯৩টি রাষ্ট্র রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশনে স্বাক্ষর করে।

Organistion for the Prohibition of Chemical Weapons (OPCW):
- রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠাকাল:২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭।
- সদস্য দেশ: ১৯৩টি।
- সদর দপ্তর: হেগ, নেদারল্যান্ড।
- OPCW নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে ২০১৩ সালে।

উৎস: OPCW ওয়েবসাইট।

.
জেনেভা কনভেনশন এর বিষয়বস্তু কী?
  1. শরনার্থীদের প্রতি আচরণ
  2. মানবাধিকার বিষয়ক বিধি
  3. যুদ্ধবন্দিদের প্রতি আচরণ
  4. শিশু অধিকার সংক্রান্ত
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধবন্দিদের প্রতি আচরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধবন্দিদের প্রতি আচরণ
ব্যাখ্যা
• জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

• মূল জেনেভা কনভেনশনগুলো:
১. প্রথম কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ কনভেনশন (১৯৪৯): সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।উল্লেখ্য,

• কনভেনশনের সংশোধন ও আধুনিকায়ন:
- ১৯৪৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কনভেনশনগুলোর সংস্করণ আরো উন্নত ও আধুনিক করা হয় এবং ১৯৭৭ ও ২০০৫ সালে আরও প্রোটোকল যুক্ত করা হয়।
- এর মাধ্যমে যুদ্ধের সময় মানবাধিকার রক্ষা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা আরও জোরদার হয়েছে।⇒ প্রটোকলসমূহ:
• প্রটোকল- ১:
- ১৯৭৭ সালে; ১; আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি রক্ষার্থে গৃহীত হয়।
• প্রটোকল- ২;
- ১৯৭৭ সালে; অ-আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিবর্গকে রক্ষার সাথে সম্পর্ক।
• প্রটোকল- ৩;
- ২০০৫ সালে; অতিরিক্ত স্বাতন্ত্র্যসূচক প্রতীক পরিগ্রহ করা সংক্রান্ত বিষয়ে গৃহীত হয়।

উৎস: INTERNATIONAL COMMITTEE OF THE RED CROSS.
.
OPCW-এর সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
  2. হেগ, নেদারল্যান্ডস 
  3. নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
  4.  ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া
সঠিক উত্তর:
হেগ, নেদারল্যান্ডস 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেগ, নেদারল্যান্ডস 
ব্যাখ্যা

• OPCW:
- পূর্ণরূপ: Organisation for the Prohibition of Chemical Weapons
- প্রকৃতি: রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক বৈশ্বিক সংস্থা
- প্রতিষ্ঠার তারিখ: ১৯৯৭ সালের ২৯ এপ্রিল
- সদরদপ্তর: হেগ, নেদারল্যান্ডস। 
- সদস্য সংখ্যা: ১৯৩টি দেশ (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
- পুরস্কার: ২০১৩ সালে শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার প্রাপ্ত
- বর্তমান মহাপরিচালক: ফার্নান্দো আরিয়াস (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)

তথ্যসূত্র: OPCW ওয়েবসাইট।

.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সমাপ্তকারী চূড়ান্ত চুক্তি কোনটি?
  1. বেলফাস্ট চুক্তি
  2. লুজান চুক্তি
  3. সেভার্স চুক্তি
  4. ভিয়েনা চুক্তি
সঠিক উত্তর:
লুজান চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লুজান চুক্তি
ব্যাখ্যা
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তির সাথে অটোমান সাম্রাজ্য তথা বর্তমান তুরস্কের প্রথমে সেভার্স চুক্তি (১০ আগস্ট ১৯২০) সম্পাদিত হয়। কিন্তু তৎকালীন নব্য প্রতিষ্ঠিত তুর্কি জাতীয়তাবাদী সরকার সেভার্স চুক্তি প্রত্যাখ্যান করে।
১৯২৩ সালের ২৪ জুলাই সেভার্স চুক্তির স্থলে লুজান চুক্তি সম্পাদিত হয়। সুইজারল্যান্ডের লুজান শহরে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
লুজান চুক্তির ফলে-
- বর্তমান তুরস্কের সীমানা নির্ধারিত হয়।
- অটোমান সাম্রাজ্যের নিয়ন্ত্রণাধীন আরব প্রদেশ, আর্মেনিয়া, সাইপ্রাস, ঈজিয়ান সাগরের দ্বীপসমূহের উপর থেকে তুরস্ক তার অধিকার তুলে নেয়।
- এছাড়া আরাে কতিপয় বিধি নিষেধ আরােপিত হয়।

আন্তর্জাতিক নিয়মানুসারে ২০২৩ সালে লুজান চুক্তির মেয়াদ অবসান হবে।

উৎসঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা এবং history.com
.
তাসখন্দ চুক্তি কখন স্বাক্ষরিত হয়? 
  1. ১৯৬৫ সালের ৬ সেপ্টেম্বর
  2. ১৯৬৫ সালের ১০ সেপ্টেম্বর
  3. ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি
  4. ১৯৬৭ সালের ৩০ জানুয়ারি
সঠিক উত্তর:
১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি
ব্যাখ্যা
তাসখন্দ চুক্তি-১৯৬৬:
- পাক-ভারত যুদ্ধ বন্ধ হয়েছে তাসখন্দ চুক্তির মাধ্যমে।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়- ১০ জানুয়ারি, ১৯৬৬ সালে।
- পক্ষসমূহ- ভারত- পাকিস্তান।
- স্বাক্ষরকারী- ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী এবং পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আইয়ুব খান।
- মধ্যস্থতাকারী- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন এর প্রধানমন্ত্রী নিকলাই কোসিগিন।
- উদ্দেশ্য: কাশ্মীর প্রশ্নে ভারত ও পাকিস্তান যুদ্ধের অবসান এবং শান্তি স্থাপন।

উৎস: Britannica.
.
সম্প্রতি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার কয়টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়?
  1. ক) ৫টি
  2. খ) ৯টি
  3. গ) ৭টি
  4. ঘ) ৪টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৭টি
ব্যাখ্যা
গত ৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ সালে, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সাতটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়। 
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে। 
 
উৎস: প্রথম আলো 
.
দক্ষিণ এশীয় মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (SAFTA) কোন সংস্থার আওতায় স্বাক্ষরিত হয়?
  1. BIMSTEC
  2. WTO
  3. SAARC
  4. ASEAN
সঠিক উত্তর:
SAARC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
SAARC
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ এশীয় মুক্ত বাণিজ্য এলাকা (SAFTA):
- দক্ষিণ এশীয় মুক্ত বাণিজ্য এলাকা (SAFTA) হলো দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার (SAARC) একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি।
- এটি ১৯৯৩ সালের SAARC অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তির (SAPTA) স্থলাভিষিক্ত হয়ে ২০০৬ সালে কার্যকর হয়।
- SAFTA-র সদস্য রাষ্ট্রসমূহ: আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, মালদ্বীপ, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা। 
- ২০১১ সালে LDC তালিকা থেকে উত্তীর্ণ হওয়ার পরও মালদ্বীপকে বিশেষ সুবিধা প্রদান করে।
- SAFTA দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।

উৎস: United Nations ওয়েবসাইট।
.
নিচের কোন দেশটি Asia-Pacific Trade Agreement ( APTA)-ভুক্ত নয়? (নভেম্বর-২০২৫)
  1. পাকিস্তান
  2. মঙ্গোলিয়া
  3. ভারত
  4. শ্রীলঙ্কা
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান
ব্যাখ্যা

• Asia-Pacific Trade Agreement ( APTA)-ভুক্ত নয়- পাকিস্তান।

• Asia-Pacific Trade Agreement ( APTA ).

- APTA হলো এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ৭টি দেশের একটি অগ্রাধিকারমূলক আঞ্চলিক বাণিজ্য চুক্তি।
- এটি ১৯৭৫ সালে ব্যাংকক এগ্রিমেন্ট নামে স্বাক্ষরিত হয়।
- ২০০৫ সালে এটি সংশোধন করে এর নামকরণ করা হয় Asia Pacific Trade Agreement.

• APTA ভুক্ত দেশগুলো হলো:
- বাংলাদেশ, 
- চীন, 
-ভারত, 
- লাওস, 
- মঙ্গোলিয়া, 
- কোরিয়া প্রজাতন্ত্র, 
- শ্রীলঙ্কা। 

উৎস: ESCAP Website.

.
সিমলা চুক্তি স্বাক্ষরকারী পক্ষ -
  1. চীন ও আফগানিস্তান
  2. ভারত ও পাকিস্তান
  3. চীন ও ভারত
  4. পাকিস্তান ও চীন
সঠিক উত্তর:
ভারত ও পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত ও পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
সিমলা চুক্তি:
- ১৯৭১ সালে ভারত - পাকিস্তানের মধ্যে সংঘটিত যুদ্ধ (বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে) পরবর্তী সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে এবং যুদ্ধবন্দীদের হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে সিমলা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ: ২ জুলাই, ১৯৭২ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: সিমলা, হিমাচল প্রদেশ, ভারত।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী পক্ষ: ভারত ও পাকিস্তান।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী: ভারতের পক্ষে - প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী এবং পাকিস্তানের পক্ষে প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলী ভুট্টো।
- চুক্তির লক্ষ্য: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ বিষয়াবলীর শান্তিপূর্ণ সমাধান, বন্ধুত্বপূর্ণ পারস্পারিক সহাবস্তান, যুদ্ধবন্দী বিনিময়, লাইন অব কন্ট্রোলকে বিরোধপূর্ণ কাস্মীরের সীমানা হিসাবে পুনঃনির্ধারণ ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা এবং হিস্টরি.কম।
১০.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানির উপর ক্ষতিপূরণ আরোপ করা হয় কোন চুক্তির মাধ্যমে?
  1. ভার্সাই চুক্তি
  2. প্যারিস চুক্তি
  3. লন্ডন চুক্তি
  4. পটসডাম চুক্তি
সঠিক উত্তর:
ভার্সাই চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভার্সাই চুক্তি
ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তি:
- বিধ্বংসী প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অবসানের লক্ষ্যে ১৯১৯ সালের ২৮ জুন ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- স্থান: ফ্রান্সের ভার্সাই প্রাসাদের হল অফ মিররসে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- পক্ষসমূহ: মিত্রশক্তি (ব্রিটেন, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, ইতালি, জাপান) এবং জার্মানি।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানির ওপর যে ক্ষতিপূরণ আরোপ করা হয়েছিল, তা মূলত স্বাক্ষরিত ভার্সাই চুক্তি (Treaty of Versailles)-এর মাধ্যমে হয়েছিল। এই চুক্তিটি জার্মানিকে যুদ্ধের জন্য দায়ী করে এবং মিত্র দেশগুলোর ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য করে। 
- ফলাফল: যুদ্ধের কারণে মিত্র দেশগুলোর যে ক্ষতি হয়েছিল, তার জন্য জার্মানিকে বিশাল অঙ্কের ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য করা হয়। 

⇒ চুক্তির খসড়ার মূল নকশা করেন চারজন নেতা যারা ইতিহাসে “বিগ ফোর” (Big Four) নামে পরিচিত, তারা হলেন:
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট - উড্রো উইলসন
- যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী - ডেভিড লয়েড জর্জ
- ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী - জর্জ ক্লেমেনসো ও
- ইতালির প্রধানমন্ত্রী - ভিটোরিও অরল্যান্ডো
• যদিও চুক্তির শর্ত নিয়ে উড্রো উইলসনের সাথে অন্যান্য নেতাদের মতবিরোধ ছিল। 

⇒ দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তির দুইটি অংশ রয়েছে। যথা:
▪ চুক্তির প্রথম দফায় “Covenant of the League of Nations” স্বাক্ষরিত হয় যা জাতিপুঞ্জ গঠনের সনদ। এর ফলে জাতিপুঞ্জ গঠিত হয়। এতে জার্মানি স্বাক্ষর করে নি।
▪ চুক্তির দ্বিতীয় দফায় বিজয়ী মিত্রপক্ষ প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সকল দায়দায়িত্ব ও অনৈতিক কিছু শর্ত জার্মানির উপর চাপিয়ে দিয়ে তা স্বাক্ষরিত হয়। এতে জার্মানিকে যুদ্ধাপরাধী দেশ হিসাবে চিহ্নিত করা হয় এবং মিত্রপক্ষের দেশগুলো ক্ষতিপূরণ প্রদানে জার্মানিকে বাধ্য করে।

উল্লেখ্য, 
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ (World War I) ১৯১৪ থেকে ১৯১৮ সাল পর্যন্ত সংঘটিত হয়েছিল এবং এটি ছিল ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ ও ধ্বংসাত্মক যুদ্ধ। যুদ্ধটি মূলত ইউরোপের বিভিন্ন শক্তির মধ্যে সংঘটিত হলেও এর প্রভাব ছিল পৃথিবীজুড়ে।
- যুদ্ধ শুরু হয়: ২৮ জুলাই, ১৯১৪ সালে।
- শেষ হয়: ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ সালে।
- যুদ্ধের ফলাফল: মিত্র শক্তির বিজয়।
- অক্ষশক্তি: জার্মানি, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি, অটোমান সাম্রাজ্য ও বুলগেরিয়া।
- মিত্রশক্তি: সার্বিয়া, রাশিয়া, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, জাপান প্রভৃতি দেশ।
 
উৎস: i) History.com
ii) Britannica.

১১.
শিশু অধিকার বিষয়ক মানবাধিকার চুক্তি কোনটি?
  1. ক) CWC
  2. খ) UDHR
  3. গ) CRC
  4. ঘ) Vienna treaty
সঠিক উত্তর:
গ) CRC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) CRC
ব্যাখ্যা

শিশু অধিকার বিষয়ক মানবাধিকার চুক্তি CRC (Convention on the Rights of the Child).
- চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ৩০ নভেম্বর ১৯৮৯ সালে ।
- এই সনদের প্রটোকল তিনটি।
- প্রত্যেক শিশুর অধিকার আছে তা নিশ্চিত করার জন্য তাদের অবশ্যই পদক্ষেপ নিতে হবে।

সূত্র: www.unicef.org

১২.
CPTPP-তে সর্বশেষ কোন দেশ যোগদান করে?
  1. কানাডা
  2. যুক্তরাজ্য
  3. মেক্সিকো
  4. অস্ট্রেলিয়া
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
CPTPP:
- CPTPP এর পূর্ণরূপ: The Comprehensive and Progressive Agreement for Trans Pacific Partnership.
- এটি হলো এশিয়া-প্রশান্তমহাসাগরীয় অঞ্চলের ১১টি দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি।
- ২০১৮ সালের ৮ মার্চ এটি চিলির সান্টিয়াগো শহরে স্বাক্ষরিত হয়।
- কানাডা, পেরু, মেক্সিকো, চিলি, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, জাপান, মালয়েশিয়া, ব্রুনাই, সিঙ্গাপুর এবং ভিয়েতনাম এতে স্বাক্ষর করে।
- ৩০ ডিসেম্বর ২০১৮ ছয়টি দেশ অনুমোদনের মাধ্যমে এটি কার্যকর হয়।
- সর্বশেষ যোগদান করে যুক্তরাজ্য।
- ১৬ জুলাই, ২০২৩ তারিখে যুক্তরাজ্য এতে যোগদান করে। 

উৎস: Department of Foreign Affairs and Trade.
১৩.
সিমলা চুক্তিতে পাকিস্তানের পক্ষে স্বাক্ষর করেছেন কে?
  1. ইয়াহিয়া খান
  2. আসিফ আলী জারদারি
  3. জুলফিকার আলী ভুট্রো
  4. বেনজির ভুট্রো
সঠিক উত্তর:
জুলফিকার আলী ভুট্রো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুলফিকার আলী ভুট্রো
ব্যাখ্যা
সিমলা চুক্তি (Simla Agreement):
- ১৯৭১ সালে ভারত পাকিস্তান সমঝোতার মাধ্যমে যে নিয়ন্ত্রণ সীমা তৈরি হয় তার নাম এল.ও.সি বা লাইন অব কন্ট্রোল।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে পরবর্তী সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে এবং যুদ্ধবন্দীদের হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে সিমলা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির অধীনেই ভারত সব যুদ্ধবন্দিকে বিনা বিচারে পাকিস্তানে ফেরত পাঠায়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২ জুলাই, ১৯৭২।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: সিমলা, হিমাচল প্রদেশ, ভারত।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী: ভারত ও পাকিস্তান।
- ভারতের পক্ষে: প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী।
- পাকিস্তানের পক্ষে: প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলী ভুট্টো।
- চুক্তির লক্ষ্য: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ বিষয়াবলীর শান্তিপূর্ণ সমাধান, বন্ধুত্বপূর্ণ পারস্পারিক সহাবস্তান, যুদ্ধবন্দী বিনিময়, লাইন অব কন্ট্রোলকে বিরোধপূর্ণ কাশ্মীরের সীমানা হিসাবে পুনঃনির্ধারণ ইত্যাদি।

উৎস: UN Peacemaker.
১৪.
পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (NPT) কার্যকর হয় কোন সালে?
  1. ১৯৭০ সাল
  2. ১৬৮ সাল
  3. ১৯৭২ সাল
  4. ১৯৭১ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৭০ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭০ সাল
ব্যাখ্যা
• পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (NPT):

• চুক্তির সংক্ষিপ্ত পরিচিতি:
- পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (NPT) হলো একটি যুগান্তকারী আন্তর্জাতিক চুক্তি, যার তিনটি প্রধান লক্ষ্য:
• পারমাণবিক অস্ত্র ও প্রযুক্তির বিস্তার রোধ করা
• পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি
• পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ এবং সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নেওয়া
• এনপিটি হলো পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্রগুলির নিরস্ত্রীকরণের লক্ষ্যে একমাত্র বাধ্যতামূলক বহুপাক্ষিক চুক্তি।


• চুক্তির ইতিহাস ও বর্তমান অবস্থা:
- স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত: ১৯৬৮ সাল
- কার্যকর হয়: ১৯৭০ সাল
- অনির্দিষ্টকালের জন্য সম্প্রসারণ: ১১ মে ১৯৯৫
- সদস্য রাষ্ট্রের সংখ্যা: ১৯১টি রাষ্ট্র (এর মধ্যে ৫টি পারমাণবিক অস্ত্রধারী)
- এটি যেকোনো অস্ত্র সীমাবদ্ধতা বা নিরস্ত্রীকরণ চুক্তির চেয়ে বেশি রাষ্ট্র দ্বারা অনুমোদিত।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট লিংক
১৫.
জ্যামাইকার রাজধানীর নাম কী?
  1. পোর্ট অব প্রিন্স
  2. কিংস্টন
  3. সানা
  4. স্যানজোসে
সঠিক উত্তর:
কিংস্টন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিংস্টন
ব্যাখ্যা
রাজধানী:

- মিয়ানমারের রাজধানী নাইপিদো।
- ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলা।
- মঙ্গোলিয়ার রাজধানী উলানবাটোর।
- জ্যামাইকার রাজধানী কিংস্টন।
- হাইতির রাজধানী পোর্ট অব প্রিন্স।
- কোস্টারিকার রাজধানী স্যানজোসে।
- ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিংকি।
- ইয়েমেনের রাজধানী সানা।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
১৬.
আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি কমিশনের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. জেনেভায়
  2. ওয়াশিংটনে
  3. ভিয়েনায়
  4. ব্রাসেলসে
সঠিক উত্তর:
ভিয়েনায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিয়েনায়
ব্যাখ্যা
IAEA:
- IAEA-এর পূর্ণরূপ: International Atomic Energy Agency.
- আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৯ জুলাই, ১৯৫৭।
- বর্তমান সদস্য: ১৭৮টি।
- সর্বশেষ সদস্য: গিনি।
- সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- বর্তমান মহাপরিচালক: রাফায়েল মারিয়ানো গ্রসি (আর্জেন্টিনা)।

⇒ IAEA ২০০৫ সালে শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার পায় লাভ করে।
- IAEA-এর সাবেক মহাপরিচালক মোহাম্মদ এল বারাদি এবং IAEA ২০০৫ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে।
- মোহাম্মদ এল বারাদি মিশরের নাগরিক।
- তিনি ১৯৯৭ - ২০০৯ সাল পর্যন্ত IAEA এর চতুর্থ মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করেন।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে IAEA এর সদস্যপদ লাভ করে।

উৎস: IAEA ওয়েবসাইট।
১৭.
TI এর দুর্নীতি ধারণা সূচক (CPI) - ২০১৯ এ শীর্ষদেশ কোনটি?
  1. ক) ডেনমার্ক
  2. খ) নরওয়ে
  3. গ) নিউজিল্যান্ড
  4. ঘ) ক + গ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক + গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক + গ
ব্যাখ্যা
TI এর দুর্নীতি ধারণা সূচক (CPI) - ২০১৯ এ ১৮০টি দেশের মধ্যে শীর্ষদেশ ডেনমার্ক ও নিউজিল্যান্ড। ১০০ এর মধ্যে দেশদুটোর স্কোর ৮৭। তালিকায় তৃতীয় স্থানে ফিনল্যান্ড (স্কোর-৮৬)। সর্বনিম্ন দেশ সোমালিয়া (স্কোর-৯)। বাংলাদেশের অবস্থান ১৪৬তম (স্কোর-২৬)। (সূত্রঃ TI ওয়েবসাইট)
১৮.
নিউ স্টার্ট চুক্তি স্বাক্ষরকারী যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট কে ছিলেন?
  1. বারাক ওবামা
  2. ডোনাল্ড ট্রাম্প
  3. জর্জ ডব্লিউ বুশ
  4. বিল ক্লিনটন
সঠিক উত্তর:
বারাক ওবামা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বারাক ওবামা
ব্যাখ্যা
নিউ স্টার্ট (New START):
- ২০০৯ সালের ৫ ডিসেম্বর স্টার্ট-১ এর মেয়াদ শেষ হলে ওবামা প্রশাসন ও পুতিনের সরকারের মধ্যে আলোচনা শুরু হয় এবং দ্রুতই নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ে নতুন চুক্তি স্বাক্ষর করে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ - ৮ এপ্রিল, ২০১০ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান - প্রাগ, চেক রিপাবলিক।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী - যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট - বারাক ওবামা এবং রাশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী দিমিত্রি মেদভেদ।
- চুক্তি কার্যকর - ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সাল।
- চুক্তির বিষয় - দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।
- চুক্তির মেয়াদ - প্রাথমিক মেয়াদ - ১০ বছর (ফেব্রুয়ারি, ২০২১ পর্যন্ত) ২০২১ সালে মেয়াদান্তে তা আরো ৫ বছর অর্থ্যাৎ, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।
- চুক্তি অনুসারে দুই পক্ষ পারমাণবিক টর্পেডো ৫০০ - ১০০০ এবং ডেলিভারী বাহন ৮০০ এর মধ্যে সীমিত রাখার পক্ষে একমত হয়। ৮০০ বাহনের মধ্যে এক সাথে ৭০০ এর বেশি মোতায়ন করা যাবে না।

তথ্যসূত্র - হিস্টরি.কম এবং ব্রিটানিকা।
১৯.
UNODA-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. United Nations Organization for Defence Assistance
  2. United Nations Organization for Disarmament Affairs
  3. United Nations Office for Disarmament Affairs
  4. United Nations Office on Defence and Arms
সঠিক উত্তর:
United Nations Office for Disarmament Affairs
উত্তর
সঠিক উত্তর:
United Nations Office for Disarmament Affairs
ব্যাখ্যা

UNODA:
- পূর্ণরূপ: United Nations Office for Disarmament Affairs
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৯৮ (পূর্বে Department for Disarmament Affairs)
- সদর দপ্তর: নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
- মূল লক্ষ্য: অস্ত্র হ্রাস, অস্ত্র বিস্তার রোধ ও টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠা।
- সম্পর্কিত চুক্তি: NPT, CTBT, Chemical Weapons Convention, Arms Trade Treaty

উৎস: UNODA ওয়েবসাইট।

২০.
নিচের কোন দেশগুলো অকাস চুক্তির অংশীদার?
  1. ক) জাপান, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য
  3. গ) জাপান ও যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়া
  4. ঘ) অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
ঘ) অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
অকাস চুক্তি হলো যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি ত্রিপক্ষীয় নিরাপত্তা সহযোগিতা চুক্তি। ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ এই চুক্তি স্বাক্ষরের ঘোষণা প্রদান করা হয়।

অকাস চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চীনের উত্থান ও তৎপরতাকে ব্যাহত করা। এই চুক্তির অধীনে যুক্তরাষ্ট্র অস্ট্রেলিয়াকে পরমাণু শক্তি চালিত সাবমেরিন নির্মাণে প্রযুক্তিগত সহায়তা করবে।

(তথ্যসূত্র: বিবিসি ওয়ার্ল্ড)
২১.
উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট প্রতিষ্ঠিত হয় -
  1. ক) ৪ জুলাই, ১৯৪৯
  2. খ) ১৫ নভেম্বর, ১৯৪৮
  3. গ) ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯
  4. ঘ) ২৯ আগট, ১৯৪৩
সঠিক উত্তর:
গ) ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯
ব্যাখ্যা
উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট (North Atlantic Treaty Organization-NATO)

- প্রতিষ্ঠা: ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩০টি।
- গঠনের মূল উদ্দেশ্য ছিল: সমাজতন্ত্রের বিস্তার ঠেকানো এবং সোভিয়েত ইউনিয়নকে মোকাবেলা করা।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।

তথ্যসূত্র: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
২২.
ক্ষেপনাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি (ABM) বাতিল করা হয় কত সালে?
  1. ২০০০ সালে
  2. ২০০২ সালে
  3. ২০০৪ সালে
  4. ২০০৬ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০২ সালে
ব্যাখ্যা

Anti-Ballistic Missile Treaty:
- ABM - এর পূর্ণরূপ Anti Ballistic Missile Treaty (ABM Treaty)।
- এটি একটি ক্ষেপনাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি Treaty on the Limitation of Anti- Ballistic Missile Systems নামেও পরিচিত।
- স্বাক্ষরের তারিখ - ২৬ মে, ১৯৭২ সাল।
- কার্যকরের তারিখ - ৩ অক্টোবর, ১৯৭২ সাল।
- স্বাক্ষরের স্থান - মস্কো, রাশিয়া।
- বিষয় - দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।
- চুক্তি বাতিল - ২০০২ সাল।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও হিস্টরি ডট কম।

২৩.
Nuclear Non-proliferation Treaty (NPT) অনুযায়ী পারমাণবিক শক্তিধর হিসেবে স্বীকৃত রাষ্ট্র কয়টি?
  1. ৫টি
  2. ৭টি
  3. ৮টি
  4. ৯টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা

'NPT' চুক্তি:
- Nuclear Non-proliferation Treaty (NPT) অনুযায়ী পারমাণবিক শক্তিধর হিসেবে স্বীকৃত রাষ্ট্র মোট ৫টি। এগুলো হলো: যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও চীন। 

উল্লেখ্য,
- Nuclear Non-Proliferation Treaty (NPT) হলো পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি।
- এর মূল লক্ষ্য পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ করা, পারমাণবিক প্রযুক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং নিরস্ত্রীকরণ উৎসাহিত করা

উল্লেখ্য,
- আনুষ্ঠানিকভাবে NPT দ্বারা পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হিসাবে স্বীকৃত রাষ্ট্র (NWS) হলো ৫টি। চুক্তিটি এই দেশগুলির পারমাণবিক অস্ত্রাগারকে স্বীকৃতি দেয়।
-  ১ জানুয়ারি, ১৯৬৭ সালের আগে যে ৫টি দেশ (যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও চীন) পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করেছে এই চুক্তির মাধ্যমে তাদেরকে পারমাণবিক রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে এবং অন্য দেশগুলো এ ধরনের অস্ত্র তৈরি বা অর্জন না করতে সম্মত হয়েছে।
- কিন্তু NPT-এর ৬ নং অনুচ্ছেদের অধীনে তাদের চিরস্থায়ীভাবে এই ধরনের অস্ত্র তৈরি এবং বজায় রাখার উল্লেখ নেই।
- এছাড়াও ভারত, পাকিস্তান এবং ইসরায়েল কখনই NPT-এ যোগ দেয়নি কিন্তু এরা পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী বলে পরিচিতি।

উৎস: i) Stockholm International Peace Research Institute ওয়েবসাইট।
ii) Arms Control Association ওয়েবসাইট।

২৪.
TRIPS চুক্তি কোন বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. ভিসামুক্ত এশিয়া গঠন
  2. বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদের মেধাস্বত্ব
  3. পারমাণবিক পদার্থের বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ
  4. সংক্রামক রোগের কারিগরি জ্ঞান বিনিময়
সঠিক উত্তর:
বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদের মেধাস্বত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদের মেধাস্বত্ব
ব্যাখ্যা
TRIPS (Trade-Related Aspects of Intellectual Property Rights) হলো বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO) গৃহীত বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদের মেধাস্বত্ব বিষয়ক একটি বৈশ্বিক চুক্তি।

১৯৯৪ সালের ১৫ এপ্রিল মরক্কো মারাক্কাশে এটি গৃহীত হয় এবং ১৯৯৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়।
তবে উন্নয়নশীল ও এলডিসিভুক্ত দেশগুলোর জন্যে TRIPS চুক্তি কার্যকরের সময়সীমা ২০৩৪ সালের ১ জুলাই পর্যন্ত করা হয়েছে।

(তথ্যসূত্র: WTO ওয়েবসাইট)
২৫.
ভ্যাটিকান সিটি প্রতিষ্ঠিত হয় কোন চুক্তির মাধ্যমে?
  1. লিসবন চুক্তি
  2. প্যারিস চুক্তি
  3. ভার্সাই চুক্তি
  4. লাতেরান চুক্তি
সঠিক উত্তর:
লাতেরান চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাতেরান চুক্তি
ব্যাখ্যা

• লাতেরান চুক্তির অধীনে ভ্যাটিকান সিটি প্রতিষ্ঠিত হয়।

• লাতেরান চুক্তি:
- ১৯২৯ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি লাতেরান চুক্তি সই হয়।
- এই চুক্তির মধ্য দিয়ে পৃথক দেশ হিসেবে যাত্রা করে ভ্যাটিকান সিটি।

• ভ্যাটিকান সিটি:
- পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট দেশ ভ্যাটিকান সিটি।
- ভ্যাটিকান সিটির আয়তন ০.৪৯ বর্গকিলোমিটার।
- ভ্যাটিকান সিটির নিজস্ব কূটনৈতিক মিশন, সংবাদপত্র, পোস্ট অফিস, রেডিও স্টেশন,ব্যাংকিং ব্যবস্থা, ১০০ সুইস গার্ডের সেনাবাহিনী এবং প্রকাশনা সংস্থা রয়েছে।
- ভ্যাটিকান সিটির স্বাধীন সার্বভৌমত্ব ১৯২৯ সালের লেটারান চুক্তিতে স্বীকৃত হয়েছিল।

​​অন্যদিকে, 
-  লিসবন চুক্তি – ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাঠামোগত পরিবর্তনের জন্য ২০০৭ সালে স্বাক্ষরিত চুক্তি।
- প্যারিস চুক্তি – ২০১৫ সালের জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার জন্য গ্লোবাল চুক্তি।
- ভার্সাই চুক্তি – ১৯১৯ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানির আত্মসমর্পণের মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠার চুক্তি।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

২৬.
Recently, which US-Russia agreement was suspended?
  1. ক) SORT
  2. খ) New START
  3. গ) START-2
  4. ঘ) 123 agreement
সঠিক উত্তর:
খ) New START
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) New START
ব্যাখ্যা
New START চুক্তি:
- যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার নিউ স্টার্ট চুক্তি কার্যকর হয় ২০১১ সালে।
- স্বাক্ষর করেছিলেন দুই দেশের সে সময়ের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও দিমিত্রি মেদভেদেভ। 
- চুক্তি অনুযায়ী, উভয় দেশের সর্বোচ্চ ১ হাজার ৫৫০টি পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েনের সুযোগ ছিল। 
- ২০২৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ‘নিউ স্টার্ট চুক্তি’ স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
- রুশ প্রেসিডেন্ট বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি দ্রুত পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা চালায় তাহলে রাশিয়ারও পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত হওয়া দরকার।

অন্যদিকে -
- ১২৩ চুক্তি: ভারত-মার্কিন পারমাণবিক চুক্তি নামেও পরিচিত। এই চুক্তির অধীনে, আমেরিকা ভারতের সাথে সম্পূর্ণ বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতায় সম্মত হয়। ২০০৮ সালে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- স্টার্ট- ২: ৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩ সালে চুক্তি স্বক্ষরিত হয়।রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র হ্রাসকরন এর উদ্দেশ্যে রাশিয়া, মস্কোতে স্বাক্ষর করে। এর ফলে রাশিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র স্ব স্ব পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র দুই- তৃতীয়াংশ ধ্বংষ করতে একমত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়ার পারমাণবিক ওয়্যারহেডের সংখ্যা ১৭০০-২২০০ এর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার জন্য ২০০২ সালের ২৪ মে রাশিয়ার মস্কোতে SORT চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।

উৎস: ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, প্রথম আলো।
২৭.
তাসখন্দ চুক্তি কোন দুটি রাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. ভারত ও পাকিস্তান
  2. পাকিস্তান ও আফগানিস্তান
  3. আফগানিস্তান ও ইরান
  4. ভারত ও আফগানিস্তান
সঠিক উত্তর:
ভারত ও পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত ও পাকিস্তান
ব্যাখ্যা

• তাসখন্দ চুক্তি:
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্গত উজবেকিস্তানের তাসখন্দে এই চুক্তি সম্পন্ন হয় বিধায় ইতিহাসে এটি তাসখন্দ চুক্তি নামেই বহুল পরিচিত।
- ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি ঐতিহাসিক তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর মধ্য দিয়ে কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে চিরবৈরী ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার ১৯৬৫ সালের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের আপাত অবসান ঘটে।
- পক্ষসমূহ- ভারত - পাকিস্তান।

- স্বাক্ষরকারী - ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী এবং পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আইয়ুব খান।
- মধ্যস্থতাকারী - সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন এর প্রধানমন্ত্রী নিকলাই কোসিগিন।
- উদ্দেশ্য- কাশ্মীর প্রশ্নে ভারত ও পাকিস্তান যুদ্ধের অবসান এবং শান্তি স্থাপন।

উৎস: ব্রিটানিকা

২৮.
মিশরের কোন প্রেসিডেন্ট ক্যাম্প ডেভিড চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন?
  1. জামাল আবদেল নাসের
  2. আনোয়ার সাদাত
  3. হোসনি মোবারক
  4. আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি
সঠিক উত্তর:
আনোয়ার সাদাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আনোয়ার সাদাত
ব্যাখ্যা
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী মিশরের রাষ্ট্রপতি ছিলেন আনোয়ার সাদাত।

ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি: 
- ১৯৭৮ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের ক্যাম্প ডেভিডে ঐতিহাসিক ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- মিশর ও ইসরায়েলের মধ্যে এই চুক্তি সম্পাদনের ক্ষেত্রে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেন।
- চুক্তিতে মিশরের পক্ষে স্বাক্ষর করেন প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত এবং ইসরায়েলের পক্ষে প্রধানমন্ত্রী মিনাচেম বেগিন।

উল্লেখ্য, 
- এই চুক্তির মাধ্যমে প্রথমবারের মতো কোনো আরব দেশ হিসেবে মিশর ইসরায়েলকে স্বীকৃতি প্রদান করে। এর বিনিময়ে ইসরায়েল সিনাই উপদ্বীপ থেকে সৈন্য প্রত্যাহার করে নেয় এবং সেখানে মিশরের পূর্ণ অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর জন্য মিশরকে ওআইসি (OIC) ও আরব লীগ থেকে বহিষ্কার হতে হয়েছিল। 

ক্যাম্প-ডেভিড চুক্তির আওতায় স্বাক্ষরিত পৃথক চুক্তি দুটি হচ্ছে -
1. A Framework for Peace in the Middle East ও
2. A Framework for the Conclusion of a Peace Treaty between Egypt and Israel

- এই চুক্তির ফলশ্রুতিতে মিশর ছাড়াও আরেকটি আরব দেশ—জর্ডানের সাথে ইসরাইলের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের পথ সুগম হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৯৪ সালে দ্বিতীয় আরবদেশ হিসেবে জর্ডান ইসরায়েলের সাথে আনুষ্ঠানিকভাবে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করে।

সূত্র: হিস্টোরি ডটকম এবং ব্রিটানিকা।
২৯.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ কত সাল পর্যন্ত স্থায়ী হয়?
  1. ১৯৪১ সাল
  2. ১৯৪৪ সাল
  3. ১৯৩৯ সাল
  4. ১৯৪৫ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৪৫ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৫ সাল
ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অবসান হয়- ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৫ সালে।

• দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:

- ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৯ সালে জার্মান কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল- জার্মান, জাপান ও ইতালি।
- মিত্রশক্তিতে ছিল- ফ্রন্স, পোল্যান্ড, সোভিয়েত ইউনিয়ন, বৃটেন, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, নেদারল্যান্ডস প্রভৃতি দেশ।

- যুক্তরাষ্ট্র ‍দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করে- ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে।
- জার্মানি মিত্রবাহিনীর নিকট নিঃশর্ত আত্মসমর্থন করে- ৭ মে, ১৯৪৫ সালে।
- জাপান কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্থনের মাধ্যমে ‍দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অবসান হয়- ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৫ সালে।
- প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার হয়- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে।

উৎস: Britannica & History.com

৩০.
'ডেটন শান্তিচুক্তি' স্বাক্ষরিত হয় -
  1. ১৯৯৫ সালে
  2. ১৯৯১ সালে
  3. ১৯৯২ সালে
  4. ১৯৯৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৫ সালে
ব্যাখ্যা
'ডেটন শান্তিচুক্তি' স্বাক্ষরিত হয় ১৯৯৫ সালে।

ডেটন চুক্তি (Dayton Agreement):
- এই চুক্তির পূর্ণরূপ: The General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina.
- এটি একটি শান্তিচুক্তি।
- প্রক্রিয়াটির নেতৃত্বে ছিলেন প্রধান মার্কিন শান্তি আলোচনাকারী রিচার্ড হলব্রুক।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- পক্ষসমূহ: বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনা, ক্রোয়েশিয়া, সার্বিয়া।
- স্বাক্ষরকারী: ক্রোয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট ফ্রানজো তুজমান, সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট স্লোবোদান মিলোসেভিচ (যাঁকে পরে হেগে ‘যুদ্ধাপরাধী’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল) এবং বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার প্রেসিডেন্ট এলিজা আইজেবগোভিচ।
- মধ্যস্থতাকারী: তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।
- উদ্দেশ্য: সার্বিয়া ও বসনিয়া-হার্জেগোভিনা সমস্যার সমাধান। 

উৎস: i) OSCE.org.
        ii) Britannica.
৩১.
তাসখন্দ চুক্তিতে ভারতের পক্ষে স্বাক্ষর করেন কে?
  1. লাল বাহাদুর শাস্ত্রী
  2. জওহরলাল নেহরু
  3. ইন্দিরা গান্ধী
  4. পি ভি নারসিমহা রাও
সঠিক উত্তর:
লাল বাহাদুর শাস্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাল বাহাদুর শাস্ত্রী
ব্যাখ্যা

তাসখন্দ চুক্তি:
- ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি ঐতিহাসিক তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়,
- এই চুক্তি কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে ১৯৬৫ সালের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের আপাত অবসান ঘটায়।
- এই চুক্তি সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্গত উজবেকিস্তানের তাসখন্দে সম্পন্ন হয়, তাই এটি ইতিহাসে তাসখন্দ চুক্তি নামে পরিচিত।

উলেখ্য, 
- তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় তৎকালীন সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী এ্যালেক্সি কোসিজিনের মধ্যস্থতায়।
- ভারতীয় পক্ষের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী এবং
- পাকিস্তানি পক্ষের পক্ষে প্রেসিডেন্ট আইয়ূব খান।

সূত্র: ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি.কম।

৩২.
সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের সামরিক জোট ছিলো -
  1. ক) বেনেলাক্স
  2. খ) ন্যাটো
  3. গ) ওয়ারশ চুক্তি
  4. ঘ) কমেকন চুক্তি
সঠিক উত্তর:
গ) ওয়ারশ চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ওয়ারশ চুক্তি
ব্যাখ্যা
• ওয়ারশ চুক্তি:
- ন্যাটো জোটের পাল্টা জোট হিসেবে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে সমাজতান্ত্রিক দেশগুলো ১৯৫৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ওয়ারশ প্যাক্ট বা চুক্তি  নামে সামরিক জোট গঠন করে।
- এর উদ্দেশ্য ছিলো পুঁজিবাদী দেশগুলোর আগ্রাসন প্রতিহত করা।
- সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের সাথে সাথে ১৯৯১ সালের ১ জুলাই ওয়ারশ প্যাক্ট বিলুপ্ত ঘটে।
- North Atlantic Treaty Organization- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল ১৯৪৯ সালে।
- এটিও একটি সামরিক জোট।
- বেনেলাক্স, ওইসিডি ও কমেকন  হচ্ছে অর্থনৈতিক জোট।

উৎস: সংশ্লিষ্ট সংস্থার ওয়েবসাইট।
৩৩.
'Strategic Arms Limitations Talk-1' স্বাক্ষরিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৭২ সালে
  2. খ) ১৯৭৯ সালে
  3. গ) ১৯৮১ সালে
  4. ঘ) ১৯৯১ সালে
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
২৬ মে ১৯৭২ সালে আন্তর্জাতিক নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক দ্বিপাক্ষিক চুক্তি 'Strategic Arms Limitations Talk-1' স্বাক্ষরিত হয় যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে।
১৯৭৯ সালে স্বাক্ষরিত হয় Strategic Arms Limitations Talk-2 চুক্তি। আর Strategic Arms Reduction Treaty-1 এবং 2 চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
৩৪.
রাশিয়া সম্প্রতি কোন চুক্তিটি স্থগিতের ঘোষণা দেয়?
  1. ক) সিটিবিটি
  2. খ) নিউ স্টার্ট
  3. গ) স্টার্ট-২
  4. ঘ) এনপিটি
সঠিক উত্তর:
খ) নিউ স্টার্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নিউ স্টার্ট
ব্যাখ্যা
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন গত ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ স্ট্রাটেজিক অফেনসিভ আর্মস ট্রিটি বা নিউ স্টার্ট চুক্তি স্থাগিত ঘোষণা দেয়।
- ২০১০ সালের ৮ এপ্রিল রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে স্ট্রাটেজিক অফেনসিভ আর্মস বা নিউ স্টার্ট চুক্তি স্বাক্ষর করেছিলো।
- ১০ বছর মেয়াদি চুক্তিটি ২০১১ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি কার্যকর হয়। ২০২১ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি দেশ দুটি চুক্তিটির মেয়াদ পাঁচ বছর বৃদ্ধি করে ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত বর্ধিত করে।

(মার্কিন পররাষ্ট্র্র্র দপ্তর ওয়েবসাইট এবং রয়টার্স)
৩৫.
শেনজেন চুক্তির বিষয়বস্তু কী?
  1. সামরিক জোট গঠন
  2. পরিবেশ সংরক্ষণ
  3. ভিসামুক্ত চলাচল
  4. বাণিজ্যিক জোট গঠন
সঠিক উত্তর:
ভিসামুক্ত চলাচল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিসামুক্ত চলাচল
ব্যাখ্যা

শেনজেন চুক্তি (Schengen Agreement):
- শেনজেন চুক্তি হলো ইউরোপীয় অঞ্চলে ভিসামুক্ত চলাচলের একটি ঐতিহাসিক চুক্তি।
​- এটি স্বাক্ষরিত হয় ১৪ জুন ১৯৮৫ সালে লুক্সেমবার্গের শেনজেন শহরে।
​- প্রথমে বেলজিয়াম, ফ্রান্স, পশ্চিম জার্মানি, লুক্সেমবার্গ ও নেদারল্যান্ডস এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
- শেনজেন চুক্তি কার্যকর হয় ১৯৯৫ সালে, তখন ইতালি, স্পেন, পর্তুগাল ও গ্রিস এতে যুক্ত হয়। 
​- পরবর্তী সময়ে অস্ট্রিয়া, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, নরওয়ে ও সুইডেন যুক্ত হয়। 
​- প্রথমে এটি EU-এর বাইরে শুরু হলেও, ১৯৯৯ সালের আমস্টারডাম চুক্তি শেনজেন চুক্তিকে EU আইনের অংশ করে নেয়।
​- পরবর্তীতে আরও দেশ যুক্ত হয়—সুইজারল্যান্ড (২০০৮), লিচেনস্টাইন (২০১১) এবং সর্বশেষ ক্রোয়েশিয়া (২০২৩)।
​- বর্তমানে শেনজেনভুক্ত দেশ সংখ্যা ২৯টি।

​উৎস: ব্রিটানিকা।

৩৬.
কোন চুক্তির মাধ্যমে ভিয়েতনামকে ১৭° অক্ষরেখা বরাবর বিভক্ত করা হয়েছিলো?
  1. জেনেভা চুক্তি
  2. উই রিভার চুক্তি
  3. গুড ফ্রাইডে চুক্তি
  4. ভিয়েনা চুক্তি
সঠিক উত্তর:
জেনেভা চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনেভা চুক্তি
ব্যাখ্যা

জেনেভা চুক্তি (১৯৫৪) ও ভিয়েতনামের বিভাজন: 
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তীকালে ভিয়েতনামের মুক্তিযুদ্ধ ছিল বিশ্ব রাজনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।
- ভিয়েতনামের মুক্তি সংগ্রাম দুটি পর্বে বিভক্ত: প্রথমটি ছিল ফরাসি সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী সংগ্রাম এবং দ্বিতীয়টি মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী সংগ্রাম।
- হো-চি-মিন এর নেতৃত্বে বামপন্থী ভিয়েতনামি বাহিনী সাম্রাজ্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে প্রবল সংগ্রাম গড়ে তোলে।
- এর ফলে, ফরাসি বাহিনী দিয়েন-বিয়েন-ফু যুদ্ধে হো-চি-মিনের বাহিনীর কাছে পরাজিত হয়।
- ১৯৫৪ সালে ফরাসি বাহিনীর প্রধান জেনারেল গিয়াপ চূড়ান্ত পরাজয়ের মুখে পড়েন এবং আত্মসমর্পণ করেন, এটা ভিয়েতনামের মুক্তিযুদ্ধের প্রথম পর্বের সমাপ্তি ঘোষণা করে।

উল্লেখ্য, 
- এই পরিস্থিতিতে ২১ জুলাই, ১৯৫৪ তারিখে জেনেভা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তি অনুযায়ী, ভিয়েতনামকে ১৭⁰ অক্ষরেখা বরাবর উত্তর ও দক্ষিণ দুই ভাগে ভাগ করা হয়। উত্তর ভিয়েতনামে থাকবে হো-চি-মিনের নেতৃত্বাধীন ভিয়েতমিন বাহিনী এবং দক্ষিণ ভিয়েতনামে আপাতত ফরাসি বাহিনী থাকবে।

অন্যদিকে, 
- উই রিভার চুক্তি: উই রিভার চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল ১৯৯৮ সালে ইসরাইল ও পিএলও এর মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- গুড ফ্রাইডে চুক্তি: গুড ফ্রাইডে চুক্তি বেলফাস্ট চুক্তি নামেও পরিচিত, উত্তর আয়ারল্যান্ডে দীর্ঘদিনের যুদ্ধ পরিস্থিতি ও রাজনৈতিক অচলাবস্থার অবসান ঘটিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
- ভিয়েনা চুক্তি: অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় হফবুর্গ প্যালেসে ১৯৬১ সালে ভিয়েনা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।

সূত্র: হিস্টোরি ডট কম, ব্রিটানিকা। 

৩৭.
কোন চুক্তির মাধ্যমে রাসায়নিক অস্ত্র উৎপাদন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে?
  1. CWC
  2. BWC
  3. NPT
  4. SALT 
সঠিক উত্তর:
CWC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CWC
ব্যাখ্যা

CWC:
- CWC-এর পূর্ণরূপ: Chemical Weapons Convention.
- এই চুক্তির মাধ্যমে রাসায়নিক অস্ত্র উৎপাদন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল: ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩।
- কার্যকর হয়েছিল: ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭।
- চুক্তিটি পরিচালনার দায়িত্বে ছিল Organization for the Prohibition of Chemical Weapons (OPCW).
- জাতিসংঘের উদ্যোগে এই সম্মেলন আয়োজন করা হয়েছিল।
- এই চুক্তির আওতাধীন থাকলেও মিশর, ইসরাইল, উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ সুদান এই চুক্তির অন্তর্ভুক্ত নয়।

অন্যদিকে,
- SALT: Strategic Arms Limitation Talks.
- BWC: Biological Weapons Convention.
- NPT: Non-Proliferation of nuclear weapons.

উৎস: OPCW ওয়েবসাইট। 

৩৮.
প্যারিস চুক্তি বা প্রথম ভার্সাই চুক্তির আওতায় মোট কতটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা

প্যারিস চুক্তি - ১৭৮৩ (Treaty of Paris - 1783)
- যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা/বিপ্লবী যুদ্ধ সমাপ্তির লক্ষ্যে ফ্রান্সের প্যারিসে ব্রিটিশদের সাথে বিবাদমান পক্ষ সমূহের যে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় তাকে প্যারিস চুক্তি - ১৭৮৩ বলে।
- ১৭৮৩ সালে প্যারিসে বিবাদমান পক্ষগুলোর মধ্যে চারটি পৃথক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা যুদ্ধে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে বিবাদমান পক্ষগুলোর (আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, স্পেন ও নেদারল্যান্ডস্‌) মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- ১৭৭৮ সাল থেকে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের সাথে যুদ্ধ সমাপ্তির লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের Continental Congress - এর প্রতিনিধিরা শান্তি আলোচনা শুরু করে। এই প্রতিনিধি দলের সদস্য ছিলেন - জন এডামস, বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন, জন জে, থমাস জেফারসন ও হেনরি লরেন্স।
- ১৭৮২ সালে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী লর্ড শেলবর্ন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সাথে ঐক্যমত্যে পৌঁছান এবং চুক্তির খসড়া প্রস্তুত করেন।
- 'প্রথম ভার্সাই চুক্তি'টি মূলত প্যারিস চুক্তিরই অতিরিক্ত অংশ।
উল্লেখ্য, 
- চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় - ১৭৮৩ সালের ৩ সেপ্টেম্বর।
- প্যারিস চুক্তি বা প্রথম ভার্সাই চুক্তির আওতায় মোট ৪টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এগুলোর মধ্যে ২টি প্যারিসে ও ২টি ভার্সাইতে স্বাক্ষরিত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডটকম।

৩৯.
যুদ্ধ ও সশস্ত্র সংঘর্ষ সংক্রান্ত আইন প্রণয়ন বিষয়ে ১৯৪৯ সনের জেনেভা কনভেনশনসমূহ অভিহিত-
  1. 'দুটি রেডক্রস কনভেনশন' নামে
  2. 'তিনটি রেডক্রস কনভেনশন' নামে
  3. 'চারটি রেডক্রস কনভেনশন' নামে
  4. 'পাঁচটি রেডক্রস কনভেনশন' নামে
সঠিক উত্তর:
'চারটি রেডক্রস কনভেনশন' নামে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'চারটি রেডক্রস কনভেনশন' নামে
ব্যাখ্যা
যুদ্ধ ও সশস্ত্র সংঘর্ষ সংক্রান্ত আইন প্রণয়ন বিষয়ে ১৯৪৯ সনের জেনেভা কনভেনশনসমূহ অভিহিত 'চারটি রেডক্রস কনভেনশন' নামে।

জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১২ আগস্ট, ১৯৪৯ সালে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

⇒ মূল জেনেভা কনভেনশনগুলো:
১. প্রথম কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ কনভেনশন (১৯৪৯): সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।

উল্লেখ্য,
• কনভেনশনের সংশোধন ও আধুনিকায়ন:
- ১৯৪৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কনভেনশনগুলোর সংস্করণ আরো উন্নত ও আধুনিক করা হয় এবং ১৯৭৭ ও ২০০৫ সালে আরও প্রোটোকল যুক্ত করা হয়।
- এর মাধ্যমে যুদ্ধের সময় মানবাধিকার রক্ষা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা আরও জোরদার হয়েছে।

⇒ প্রটোকলসমূহ:
• প্রটোকল:
- ১৯৭৭ সালে; ১; আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি রক্ষার্থে গৃহীত হয়।
• প্রটোকল: ২;
- ১৯৭৭ সালে; অ-আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিবর্গকে রক্ষার সাথে সম্পর্ক।
• প্রটোকল: ৩;
- ২০০৫ সালে; অতিরিক্ত স্বাতন্ত্র্যসূচক প্রতীক পরিগ্রহ করা সংক্রান্ত বিষয়ে গৃহীত হয়।

উৎস: INTERNATIONAL COMMITTEE OF THE RED CROSS.
৪০.
কোন দেশের পরমাণু বিরোধী নীতি চালুর কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ANZUS চুক্তির বাধ্যবাধকতা স্থগিত করে?
  1. কানাডা
  2. নিউজিল্যান্ড
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
নিউজিল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউজিল্যান্ড
ব্যাখ্যা
ANZUS:
- এটি একটি সামরিক জোট।
- ANZUS চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৫১।
- কার্যকর হয়: ১৯৫২ সালে।
- সদস্য দেশ: অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- স্বাক্ষরের স্থান: সান ফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া।
- লক্ষ্য: সদস্য রাষ্ট্রগুলোর বিরুদ্ধে বৈদেশিক আগ্রাসন প্রতিহত করা।
- সদরদপ্তর : ক্যানবেরা, অস্ট্রেলিয়া।

উল্লেখ্য,
- ANZUS চুক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে নিরাপত্তা সহযোগিতা নিশ্চিত করতে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- ১৯৮০ এর দশকে নিউজিল্যান্ডের পরমাণু বিরোধী নীতি চালুর কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চুক্তির বাধ্যবাধকতা স্থগিত করে।
- এর ফলে ANZUS চুক্তি বাস্তবে অকার্যকর হয়ে পড়ে।
- যদিও চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল হয়নি, কিন্তু নিষ্ক্রিয় রয়েছে।

⇒ ১৯৮৪ সালে নিউজিল্যান্ড নিজেকে পারমাণবিক মুক্ত অঞ্চল ঘোষণা করে।
- ফলে মার্কিন পরমাণু চালিত সাবমেরিনগুলিকে তার বন্দরগুলি দেখার অনুমতি দিতে অস্বীকার করে।
- দুই বছর পর, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জর্জ পি. শল্টজ এবং অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিল হেডেন একটি সিরিজ দ্বিপাক্ষিক আলোচনার সমাপ্তি ঘটিয়েছিলেন।
- ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৬-এ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিউজিল্যান্ডের প্রতি চুক্তির বাধ্যবাধকতা স্থগিত করে।

উৎস: i) Office of the Historian (.gov).
ii) Britannica.
৪১.
অক্সফাম এর সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) জেনেভা
  2. খ) স্টকহোম
  3. গ) প্যারিস
  4. ঘ) নাইরোবি
সঠিক উত্তর:
ঘ) নাইরোবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নাইরোবি
ব্যাখ্যা
অক্সফাম এর সদরদপ্তর কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবি শহরে অবস্থিত। এটি ১৯৪২ সালে যুক্তরাজ্যে গঠিত হয় এবং ১৯৯৫ সালে বিভিন্ন দেশের ১৯টি এনজিও’র সমন্বয়ে অক্সফাম ইন্টারন্যাশনাল নামধারণ কর। অক্সফাম বিশ্বের ৯০টির অধিক দেশে দারিদ্র্য বিমোচনে কাজ করছে। (সূত্রঃ অক্সফাম ইন্টারন্যাশনাল ওয়েবসাইট)
৪২.
বিতর্কিত নাগার্নো-কারাবাখে সামরিক সংঘাত নিরসনের লক্ষ্যে কোন দেশের মধ্যস্থতায় শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ক) তুরস্ক
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) চীন
  4. ঘ) রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাশিয়া
ব্যাখ্যা
আজারবাইজান-আর্মেনিয়া শান্তি চুক্তিঃ
স্বাক্ষর: ৯ নভেম্বর, ২০২০।
স্থান: মস্কো, রাশিয়া।
মধ্যস্থতাকারী: রাশিয়া।
স্বাক্ষরকারী: রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ এবং আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকল পাশিনিয়েন।
যুদ্ধবিরতি কার্যকর: ১০ নভেম্বর, ২০২০।
নার্গানাে কারাবাখে শান্তি প্রতিষ্ঠায় এ পর্যন্ত চুক্তি হয়: ৩টি (২ বার রাশিয়া ও ১ বার আমেরিকার মধ্যস্থতায়)।
উৎসঃ সাম্প্রতিক সমাচার এবং আল-জাজিরা রিপোর্ট।
৪৩.
কোন মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিউ স্টার্ট চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন?
  1. বারাক ওবামা
  2. টমাস জেফারসন
  3. জর্জ ওয়াশিংটন
  4. জন অ্যাডাম্‌স
সঠিক উত্তর:
বারাক ওবামা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বারাক ওবামা
ব্যাখ্যা
নিউ স্টার্ট:
- ২০০৯ সালের ৫ ডিসেম্বর স্টার্ট-১ এর মেয়াদ শেষ হলে ওবামা প্রশাসন ও পুতিনের সরকারের মধ্যে আলোচনা শুরু হয় এবং দ্রুতই নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ে নতুন চুক্তি স্বাক্ষর করে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ: ৮ এপ্রিল, ২০১০ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: প্রাগ, চেক রিপাবলিক।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী: যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এবং রাশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী দিমিত্রি মেদভেদ।
- চুক্তি কার্যকর: ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সাল।
- চুক্তির বিষয়: দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।
- চুক্তির মেয়াদ: প্রাথমিক মেয়াদ - ১০ বছর (ফেব্রুয়ারি, ২০২১ পর্যন্ত) ২০২১ সালে মেয়াদান্তে তা আরো ৫ বছর অর্থ্যাৎ, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।
- চুক্তি অনুসারে দুই পক্ষ পারমাণবিক টর্পেডো ৫০০ - ১০০০ এবং ডেলিভারী বাহন ৮০০ এর মধ্যে সীমিত রাখার পক্ষে একমত হয়। ৮০০ বাহনের মধ্যে এক সাথে ৭০০ এর বেশি মোতায়ন করা যাবে না।

তথ্যসূত্র - হিস্টরি.কম এবং ব্রিটানিকা।
৪৪.
রাসায়নিক অস্ত্র চুক্তি (Chemical Weapons Convention) অনুযায়ী কবে সব ঘোষিত রাসায়নিক অস্ত্রের মজুদ ধ্বংস করা হয়? [মে, ২০২৫]
  1. ২০২১ সালে
  2. ২০২২ সালে
  3. ২০২৩ সালে
  4. ২০২৪ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২৩ সালে
ব্যাখ্যা
Chemical Weapons Convention:
- Chemical Weapons Convention হলো আন্তর্জাতিক নিরস্ত্রীকরণ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩ (প্যারিসে)।
- কার্যকর হয়: ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৩টি দেশ।
- নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা: Organisation for the Prohibition of Chemical Weapons (OPCW)।
- সদর দপ্তর: দ্য হেগ, নেদারল্যান্ডস।

⇒ মূল উদ্দেশ্য:
- রাসায়নিক অস্ত্র নির্মাণ ও মজুদ নিষিদ্ধকরণ। 
- বিদ্যমান রাসায়নিক অস্ত্রের ধ্বংস নিশ্চিত করা। 
- রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার রোধ। 
- শিল্পখাতে রাসায়নিকের শান্তিপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করা।

উল্লেখ্য,
- CWC-এর আওতায় রাসায়নিক অস্ত্র ধ্বংসের হার ৯৮%।
- রাসায়নিক অস্ত্র চুক্তি (Chemical Weapons Convention - CWC) অনুযায়ী, সব ঘোষিত রাসায়নিক অস্ত্রের মজুদ ধ্বংসের কাজ ৭ জুলাই ২০২৩-এ সম্পন্ন হয়।
- এই দিনে যুক্তরাষ্ট্র, শেষ ঘোষক রাষ্ট্র হিসেবে তার ঘোষিত রাসায়নিক অস্ত্রের মজুদ সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে, যা OPCW দ্বারা যাচাই করা হয়।
- এটি CWC-এর অধীনে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক ছিল যা বিশ্বের সমস্ত ঘোষিত রাসায়নিক অস্ত্রের মজুদ অপসারণের সূচনা করে।
- তবে অঘোষিত মজুদ এবং অ-সদস্য রাষ্ট্রের (যেমন, মিশর, উত্তর কোরিয়া, দক্ষিণ সুদান) সম্ভাব্য মজুদ নিয়ে উদ্বেগ এখনও রয়ে গেছে।

উৎস: i) OPCW ওয়েবসাইট। [link] 
ii) Arms Control Association ওয়েবসাইট।
৪৫.
উই রিভার চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কোথায়?
  1. ক) নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) ম্যারিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) রামাল্লা, ফিলিস্তিন
  4. ঘ) গাজা, ইসরাইল
সঠিক উত্তর:
খ) ম্যারিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ম্যারিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
উই রিভার চুক্তি (Wye River Memorandum)
• ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে শান্তি আলোচনা ভেঙ্গে গিয়ে অচলাবস্থা সৃষ্ঠি হলে ১৯৯৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিন্টনের প্রত্যক্ষ মধ্যস্থতায় উই রিভার চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
• চুক্তি স্বাক্ষরের সময়কাল - ২৩ অক্টোবর, ১৯৯৮ সাল।
চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান - ম্যারিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র
• পক্ষসমূহ - PLO ও ইসরায়েল।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
৪৬.
CPTPP চুক্তি কোন বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. ক) সামরিক
  2. খ) বাণিজ্যিক
  3. গ) রাজনৈতিক
  4. ঘ) গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়
সঠিক উত্তর:
খ) বাণিজ্যিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বাণিজ্যিক
ব্যাখ্যা
- The Comprehensive and Progressive Agreement for Trans-Pacific Partnership (CPTPP) হলো এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ১১টি দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি।
- ২০১৮ সালের ৮ মার্চ এটি চিলির সান্টিয়াগো শহরে স্বাক্ষরিত হয়।
স্বাক্ষরকারী দেশগুলো হলো:
- কানাডা
- পেরু
- মেক্সিকো
- চিলি
- অস্ট্রেলিয়া
- নিউজিল্যান্ড
- জাপান
- মালয়েশিয়া
- ব্রুনাই
- সিঙ্গাপুর
- এবং
- ভিয়েতনাম।
- ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর ছয়টি দেশ কর্তৃক অনুমোদনের মাধ্যমে এটি কার্যকর হয়।
- ‍যুক্তরাষ্ট্র শুরুতে এটিতে যুক্ত থাকলেও পরবর্তীতে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেয়।
(সূত্র: কানাডিয়ান সরকারি ওয়েবসাইট)
৪৭.
কোন চুক্তির মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশসমূহে একক মুদ্রা ইউরো চালু হয়?
  1. বেলফাস্ট চুক্তি
  2. রোম চুক্তি
  3. ম্যাসট্রিচট চুক্তি
  4. শেনজেন চুক্তি
সঠিক উত্তর:
ম্যাসট্রিচট চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাসট্রিচট চুক্তি
ব্যাখ্যা

- ম্যাসট্রিচট চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৯২ সালে।
- এটি কার্যকর হয় ১ লা নভেম্বর ১৯৯৩ সালে।
- এই চুক্তির মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশসমূহে একক মুদ্রা ইউরো চালু হয়।
- বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ১৯ টি দেশে ইউরো মুদ্রা চালু আছে।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।

৪৮.
জেনেভা কনভেনশনে কয়টি প্রটোকল রয়েছে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন সম্পাদিত হয়েছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী প্রতিক্রিয়া ও এর ফলাফল হিসেবে।
- যুদ্ধপরাধকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড হিসেবে জেনেভা কনভেনশনকে মান্য করা হয়।
- মূলত এটি যুদ্ধাপরাধ সংক্রান্ত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- ১৯৪৯ সালের ১২ আগস্ট সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- যুদ্ধকালীন সামরিক, বেসামরিক ও স্বেচ্ছাসেবীদের রক্ষার জন্য এতে চারটি চুক্তি থাকায় এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

কনভেনশনসমূহ:
• ১ম জেনেভা কনভেনশন:
- ১৯৪৯ সালে; যুদ্ধকালীন সময়ে ভূমি ও স্থল যুদ্ধে আহত ও অসুস্থ সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত।

• ২য় জেনেভা কনভেনশন:
- ১৯৪৯ সালে; সমুদ্রস্থ যুদ্ধক্ষেত্রে আহত, অসুস্থ এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত জাহাজের সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।

• ৩য় জেনেভা কনভেনশন:
- ১৯৪৯ সালে; যুদ্ধবন্দিদের প্রতি আচরণ ও তাদের নিরাপত্তা ও চিকিৎসা সংক্রান্ত।

• ৪র্থ জেনেভা কনভেনশন:
- ১৯৪৯ সালে, যুদ্ধাবস্থায় বেসামরিক জনগণ রক্ষার্থে ও তাদের সুরক্ষা সংক্রান্ত।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & History.com

৪৯.
নিচের কোন দেশটি 'অকাস' চুক্তি অংশীদার নয়?
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. জাপান
  4. যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান
ব্যাখ্যা
- অকাস চুক্তি হলো যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি ত্রিপক্ষীয় নিরাপত্তা চুক্তি।
- গত ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ এই চুক্তি স্বাক্ষরের ঘোষণা প্রদান করা হয়।

- অকাস চুক্তি স্বাক্ষরের মূল উদ্দেশ্য হলো ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চীনের উত্থান ও তৎপরতাকে ব্যাহত করা।
- এই চুক্তির অধীনে যুক্তরাষ্ট্র অস্ট্রেলিয়াকে পরমাণু শক্তি চালিত সাবমেরিন নির্মাণে প্রযুক্তিগত সহায়তা করবে।
- ফ্রান্স এই চুক্তির বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে।

(তথ্যসূত্র: বিবিসি ওয়ার্ল্ড)
৫০.
আটলান্টিক চার্টার (Atlantic Charter) স্বাক্ষরিত হয়েছিল -
  1. ক) ১৯৪১ সালের ১৪ আগস্ট
  2. খ) ১৯৪১ সালের ২৪ আগস্ট
  3. গ) ১৯৪২সালের ১৪ আগস্ট
  4. ঘ) ১৯৪২ সালের ২৪ আগস্ট
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৪১ সালের ১৪ আগস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৪১ সালের ১৪ আগস্ট
ব্যাখ্যা
আটলান্টিক চার্টার:
- আটলান্টিক চার্টার (Atlantic Charter) স্বাক্ষরিত হয়েছিল ১৯৪১ সালের ১৪ আগস্ট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের পরিকল্পনা কি তা ওই চার্টারে লিপিবদ্ধ ছিল।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট ও ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল নিউফাউন্ডল্যান্ডের Placentia Bay তে ১৯৪১ সালের ১৪ আগস্ট মিলিত হয়েছিলেন। তাদের যৌথ বিবৃতিই হচ্ছে আটলান্টিক চার্টার।
- ১৯৪২ সালের ১ জানুয়ারি Declaration by United Nations (যার ভিত্তিতে জাতিসংঘ গঠিত হয়েছিল) আটলান্টিক চার্টারের অনুপ্রেরণাতেই স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- অনেক গবেষকের মতে ন্যাটো গঠন, গ্যাট (General Agreement on Tariffs and Trade - GATT) এর জন্ম, সবকিছুর পেছনে ওই আটলান্টিক চার্টার কাজ করেছে।

• এখানে বলা ভালো, ‘যৌথ বিবৃতি' নামেই এই ঘোষণাটি প্রথমে প্রচারিত হয়েছিল। কিন্তু ব্রিটেনের লেবার পার্টির মুখপাত্র ডেউলি হেরাল্ড প্রথমে Atlantic Charter শব্দটি ব্যবহার করেন এবং চার্চিল ১৯৪১ সালের ২৪ আগস্ট পার্লামেন্টে আটলান্টিক চার্টার শব্দটি ব্যবহার করেন। সেই থেকে এটা আটলান্টিক চার্টার হিসেবেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

সূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর, তারেক শামসুর রেহমান।
৫১.
ন্যাটো প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য রাষ্ট্র কতটি ছিল? 
  1. ১০টি
  2. ৮টি
  3. ৬টি
  4. ১২টি
সঠিক উত্তর:
১২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২টি
ব্যাখ্যা

নর্থ আটলান্টিক চুক্তি:
-নর্থ অ্যাটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন (ন্যাটো)-এর ভিত্তিগুলি আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল নর্থ অ্যাটলান্টিক ট্রিটির স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়, যা জনপ্রিয়ভাবে ওয়াশিংটন ট্রিটি নামে পরিচিত।
- এটি ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল ওয়াশিংটন ডিসিতে ১২ জন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র স্বাক্ষর করে।
- এর সদর দপ্তর ব্রাসেলস, বেলজিয়ামে অবস্থিত।
- ন্যাটো প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য রাষ্ট্র ১২টি। 
- চুক্তিটি মোট ১৪টি অনুচ্ছেদ নিয়ে গঠিত।
- এটি সদস্য দেশগুলোর সম্মিলিত প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করে।
- এই চুক্তি জাতিসংঘ সনদের ৫১ নম্বর অনুচ্ছেদ থেকে ক্ষমতা গ্রহণ করে, যেখানে স্বাধীন রাষ্ট্রগুলোর স্ব-রক্ষা বা
সম্মিলিত প্রতিরক্ষার অধিকার পুনরায় নিশ্চিত করা হয়েছে।
- চুক্তির মূল ভিত্তি হলো সম্মিলিত প্রতিরক্ষা, যা অনুচ্ছেদ ৫-এ উল্লেখিত।
- বর্তমানে NATO-তে ৩২টি সদস্য দেশ রয়েছে (সর্বশেষ সুইডেন)।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।

৫২.
বর্তমানে আণবিক অস্ত্র উৎপাদক রাষ্ট্রের সংখ্যা কয়টি?
  1. ১৩টি
  2. ১১টি
  3. ৭টি
  4. ৯টি
সঠিক উত্তর:
৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯টি
ব্যাখ্যা
'NPT' চুক্তি:
- NPT এর পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি।
- আণবিক অস্ত্র উৎপাদক রাষ্ট্রের সংখ্যা ৯টি।
- রাষ্ট্রগুলো হলো: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, পাকিস্তান, উত্তর কোরিয়া ও ইসরায়েল।

উল্লেখ্য,
- পূর্বে ৫টি রাষ্ট্র আণবিক অস্ত্র উৎপাদক থাকলেও বর্তমানে দেশের সংখ্যা ৯টি।

উৎস: i) Arms Control Association ওয়েবসাইট। [link]
        ii) UNODA ওয়েবসাইট।
৫৩.
ANZUS চুক্তির সদস্য দেশ কোনগুলো?
  1. অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, যুক্তরাজ্য
  2. নিউজিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা 
  3. অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র 
  4. অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র 
ব্যাখ্যা

ANZUS চুক্তি (ANZUS Pact):
- এটি অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি নিরাপত্তা চুক্তি।
- ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৫১ সালে ক্যালিফোর্নিয়ার সান ফ্রান্সিসকোতে স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য ছিল আগ্রাসনের ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহায়তা প্রদান করা এবং শান্তিপূর্ণ উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তি করা।
চুক্তিটি ১৯৫২ সালে কার্যকর হয়।
- তিন দেশের নামের আদ্যক্ষর (Australia, New Zealand, United -States) মিলিয়ে চুক্তির নামকরণ করা হয় ANZUS।
- তিনটি দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তির অংশীদার থাকলেও, ১৯৮৬ সাল থেকে কার্যত ANZUS নিষ্ক্রিয়।
- অস্ট্রেলিয়া এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সামরিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকলেও, নিউজিল্যান্ড এই জোটে কার্যকরভাবে অংশগ্রহণ করে না।

উৎস: Britannica.

৫৪.
ABM চুক্তির পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Atomic Ballistic Missile Treaty
  2. Advanced Ballistic Missile Treaty
  3. Arms Ballistic Missile Treaty
  4. Anti-Ballistic Missile Treaty
সঠিক উত্তর:
Anti-Ballistic Missile Treaty
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Anti-Ballistic Missile Treaty
ব্যাখ্যা

Anti-Ballistic Missile Treaty:
- ABM - এর পূর্ণরূপ Anti Ballistic Missile Treaty (ABM Treaty)।
- এটি একটি ক্ষেপনাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি Treaty on the Limitation of Anti- Ballistic Missile Systems নামেও পরিচিত।
- স্বাক্ষরের তারিখ - ২৬ মে, ১৯৭২ সাল।
- কার্যকরের তারিখ - ৩ অক্টোবর, ১৯৭২ সাল।
- স্বাক্ষরের স্থান - মস্কো, রাশিয়া।
- বিষয় - দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।
- চুক্তি বাতিল - ২০০২ সাল।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও হিস্টরি ডট কম।

৫৫.
পিংপং ডিপ্লোমেসির পিং পং এর অর্থ হচ্ছে -
  1. ক) বাস্কেট বল
  2. খ) লন টেনিস
  3. গ) টেবিল টেনিস
  4. ঘ) সাতার
সঠিক উত্তর:
গ) টেবিল টেনিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) টেবিল টেনিস
ব্যাখ্যা
পিংপং ডিপ্লোমেসি
▪ যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চীনের সম্পর্ক উন্নয়নে টেবিল টেনিস বা পিংপং খেলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
▪ ১৯৪৯ সালে মাও সেতুং - এর নেতৃত্বে চীনে কমিউনিজম প্রতিষ্ঠার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কের অবনতি হয়।
▪ কোনো কিছুতেই অবস্থার উন্নতি হচ্ছিলো না। ১৯৭১ সালে জাপানে অনুষ্ঠিত বিশ্ব টেবিল টেনিস প্রতিযোগীতায় আসা যুক্তরাষ্ট্রের টীমকে চীনে আমন্ত্রন জানিয়ে এই অচলবস্থা সহজ হয়ে আসে।
▪ এর আগে গোপনে দুই দেশের সরকারের যোগাযোগ হলেও এই ঘটনা প্রকাশ্যে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার দুয়ার খুলে দেয়।
▪ ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের টেনিস টীমের ১৫ সদস্য চীন ভ্রমণে যায় এবং ৭ দিন অবস্থান করে ১৭ তারিখে হংকং ফিরে আসে।
▪ এই সময়ে তারা সেখানে প্রেসিডেন্ট জু এনলাই, সর্বোচ্চ নেতা মাও সেতুংয়ের সাথে সাক্ষাৎ করেন। বিশ্ব মিডিয়ায় যা আলোড়ন সৃষ্টি করে।
▪ এই ঘটনার সূত্র ধরেই, ১৯৭১ সালের জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা উপদেষ্টা হেনরি কিসিঞ্জার এক গোপন সফরে চীন যান।
▪ ১৯৭২ সালে চীন তাদের টেবিল টেনিস টীম যুক্তরাষ্ট্র সফরে পাঠায়।
▪ ১৯৭২ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট নিক্সন চীন সফরে যান এবং তারপর থেকে চীনের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়ে আসে।
ইতিহাসে এই ঘটনা পিংপং ডিপ্লোমেসি নামে পরিচিত।

তথ্যসূত্র: হিস্টরি.কম ও ব্রিটানিকা।
৫৬.
সিমলা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কবে?
  1. ১৯৬৬ সালে
  2. ১৯৬৯ সালে
  3. ১৯৭২ সালে
  4. ১৯৭৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা

সিমলা চুক্তি:
- ১৯৭১ সালে ভারত - পাকিস্তানের মধ্যে সংঘটিত যুদ্ধ (বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে) পরবর্তী সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে এবং যুদ্ধবন্দীদের হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে সিমলা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ - ২ জুলাই, ১৯৭২ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান - সিমলা, হিমাচল প্রদেশ, ভারত।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী পক্ষ - ভারত ও পাকিস্তান।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী - ভারতের পক্ষে - প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী এবং পাকিস্তানের পক্ষে প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলী ভুট্টো।
- চুক্তির লক্ষ্য - ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ বিষয়াবলীর শান্তিপূর্ণ সমাধান, বন্ধুত্বপূর্ণ পারস্পারিক সহাবস্তান, যুদ্ধবন্দী বিনিময়, লাইন অব কন্ট্রোলকে বিরোধপূর্ণ কাস্মীরের সীমানা হিসাবে পুনঃনির্ধারণ ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা এবং হিস্টরি.কম।

৫৭.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন 'অ্যাকাস' (AUKUS) চুক্তির প্রাথমিক লক্ষ্য কী? 
  1. অর্থনৈতিক সহযোগিতা 
  2. সামরিক সহযোগিতা
  3. পরিবেশ সুরক্ষা 
  4. মহাকাশ গবেষণা সহযোগিতা
সঠিক উত্তর:
সামরিক সহযোগিতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামরিক সহযোগিতা
ব্যাখ্যা

● মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন 'অ্যাকাস' (AUKUS) চুক্তির প্রাথমিক লক্ষ্য সামরিক সহযোগিতা।

AUKUS চুক্তি:
- AUKUS চুক্তি হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে একটি ত্রিদেশীয় নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা জোট।
- এই চুক্তির প্রাথমিক লক্ষ্য হলো ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে, বিশেষ করে দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের ক্রমবর্ধমান সামরিক প্রভাব ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা প্রতিহত করা।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এবং অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন অকাস গঠনের কথা ঘোষণা করেন।
- চুক্তিটি কার্যকর হয়: ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১।

• উদ্দেশ্য: আনুষ্ঠানিকভাবে Aukus গঠনের উদ্দেশ্য হলো ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে সমন্বিত নিরাপত্তা ও উন্নতি নিশ্চিতের পাশাপাশি মূল্যবোধের সুরক্ষা। অকাস চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য অস্ট্রেলিয়াকে পরমাণু চালিত সাবমেরিন নির্মাণের প্রযুক্তি দিয়ে সহযোগিতা করবে।

• লক্ষ্য: মূলত বিরোধপূর্ণ দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের প্রভাব মোকাবেলার জন্যই এই জোট গঠন করা হয়েছে। এই অঞ্চলে বহু বছর ধরেই সংকট বিরাজ করছে এবং এর জের ধরেই বিরোধপূর্ণ দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব ঠেকানোই প্রধান লক্ষ্য। এছাড়াও জোটটি পারমাণবিক প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, সাইবার অপারেশন এবং ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি সম্পর্কিত প্রযুক্তির গবেষণা এবং প্রয়োগের সমন্বয় সাধন করে।

⇒ AUKUS চুক্তির দুটি প্রধান স্তম্ভ বা পিলার রয়েছে। এগুলো হলো:
- পিলার -১: পারমাণবিক শক্তিচালিত আক্রমণাত্মক সাবমেরিন সরবরাহ এবং সরবরাহ সম্পর্কে।
- পিলার -২: পিলার ২ মিত্রদের তাদের “উন্নত ক্ষমতা” নিয়ে সহযোগিতা করার কথা বলে। এর মধ্যে রয়েছে দূরপাল্লার হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র, সমুদ্রের নীচে রোবোটিক্স এবং এআই-এর মতো ক্ষেত্রে সামরিক দক্ষতা ভাগাভাগি করা।

উল্লেখ্য,
- তিন পক্ষের নির্ধারিত সময়সীমা অনুসারে, ২০২৭ সাল থেকে যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবমেরিনগুলি অস্থায়ীভাবে অস্ট্রেলিয়ায় স্থাপিত হবে। 

উৎস: i) U.S. Department of Defense (.gov).
ii) Britannica.

৫৮.
ডেটন চুক্তি কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
  1. লন্ডন
  2. হাভানা
  3. প্যারিস
  4. ভিয়েনা
সঠিক উত্তর:
প্যারিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্যারিস
ব্যাখ্যা
ডেটন চুক্তি (Dayton Agreement):
- এই চুক্তির পূর্ণরূপ: The General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina.
- এটি একটি শান্তিচুক্তি।
- প্রক্রিয়াটির নেতৃত্বে ছিলেন প্রধান মার্কিন শান্তি আলোচনাকারী রিচার্ড হলব্রুক।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- পক্ষসমূহ: বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনা, ক্রোয়েশিয়া, সার্বিয়া।
- স্বাক্ষরকারী: ক্রোয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট ফ্রানজো তুজমান, সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট স্লোবোদান মিলোসেভিচ (যাঁকে পরে হেগে ‘যুদ্ধাপরাধী’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল) এবং বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার প্রেসিডেন্ট এলিজা আইজেবগোভিচ।
- মধ্যস্থতাকারী: তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।
- উদ্দেশ্য: সার্বিয়া ও বসনিয়া-হার্জেগোভিনা সমস্যার সমাধান।
 
 উৎস: i) OSCE.org.
          ii) Britannica.
৫৯.
কার মধ্যস্থতায় ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. জিমি কার্টার
  2. রোনাল্ড রিগান
  3. ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট
  4. রিচার্ড নিক্সন
সঠিক উত্তর:
জিমি কার্টার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিমি কার্টার
ব্যাখ্যা
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি: 
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি হলো ইসরায়েল ও মিশরের মধ্যে ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭৮ সালে স্বাক্ষরিত একটি ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি, যা পরবর্তী বছরে এই দুই দেশের মধ্যে প্রথম আনুষ্ঠানিক শান্তিচুক্তিতে পরিণত হয়।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের মধ্যস্থতায় এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী মেনাচেম বেগিন ও মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত এতে অংশগ্রহণ করেন।
- মার্কিন প্রেসিডেন্টের অবকাশকেন্দ্র ক্যাম্প ডেভিড, মেরিল্যান্ডে আলোচনা হওয়ায় এটি “ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি” নামে পরিচিত হয়।
- সাদাত ও বেগিন শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- এই চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক এবং আরব-ইসরায়েল বিরোধ নিরসনে প্রথম সফল কূটনৈতিক উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হয়।

উৎস: Britannica.
৬০.
১৯৪৫ সালে জাতিসংঘ সনদ কোথায় স্বাক্ষরিত হয় ?
  1. ক) সানফ্রান্সিসকো
  2. খ) নিউইয়র্ক
  3. গ) প্যারিস
  4. ঘ) জেনেভা
সঠিক উত্তর:
ক) সানফ্রান্সিসকো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সানফ্রান্সিসকো
ব্যাখ্যা

১৯৪৫ সালের ২৬ জুন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে বিশ্বের ৫০টি দেশের প্রতিনিধিরা জাতিসংঘের সনদে স্বাক্ষর দান করেন৷
- তবে এটি কার্যে পরিণত হয় ঐ বছরেরই ২৪ অক্টোবর।
- ১৯৪৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তাঁরা জাতিসংঘের সনদ রচনা করেন৷ এর প্রায় এক বছর পর সানফ্রান্সিসকো শহরে তা স্বাক্ষরিত হয়৷
- জাতিসংঘ বা রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের ৫টি স্থায়ী সদস্য (যাদের ভেটো প্রদানের ক্ষমতা আছে) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স,যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, ও চীন ।

সূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

৬১.
শেনজেন কী বিষয়ক চুক্তি?
  1. মুক্তবাজার অর্থনীতি
  2. ইউরো মুদ্রার প্রচলন
  3. অবাধ চলাচল
  4. শুল্কমুক্ত বাণিজ্য
সঠিক উত্তর:
অবাধ চলাচল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবাধ চলাচল
ব্যাখ্যা
শেনজেন চুক্তি:
- চুক্তি স্বাক্ষর: ১৪ জুন, ১৯৮৫ সাল।
- স্থান: লুক্সেমবার্গের শেনজেন শহর।
- এটি অবাধ চলাচল সংক্রান্ত চুক্তি।
- মোট সদস্য: ২৭ টি দেশ।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত ২৩টি দেশ এবং আইসল্যান্ড, লিচেনস্টাইন, নরওয়ে ও সুইজারল্যান্ড।

উৎস: EUR-Lex Website.
৬২.
বাংলাদেশ সিটিবিটি চুক্তি অনুমোদন করে -
  1. ক) ১৯৯৬ সালে
  2. খ) ১৯৯৮ সালে
  3. গ) ২০০০ সালে
  4. ঘ) ২০০২ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ২০০০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০০০ সালে
ব্যাখ্যা
• পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক সংস্থা Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty Organization (CTBTO) জাতিসংঘের অধীনে পরিচালিত একটি সংস্থা।
- সংস্থাটি ভূপৃষ্ঠ, বায়ুমন্ডল বা সমুদ্রের নিচে যে কোন ধরনের পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা চালানো বন্ধের জন্য গৃহীত চুক্তি Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty (CTBT) নিয়ে কাজ করে এবং বিশ্বকে পারমাণবিক অস্ত্রমুক্তকরণের নিমিত্তে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। যদিও পারমাণবিক বেশ কয়েকটি প্রভাবশালী দেশের অসহযোগীতার কারনে চুক্তিটি এখনও কার্যকর করা সম্ভব হয় নি।
- বাংলাদেশ বিশ্বের ১২৯তম দেশ হিসেবে সিটিবিটি চুক্তি স্বাক্ষর করেন ২৪ অক্টোবর ১৯৯৬ সালে ও অনুমোদন করে ২০০০ সালের ৮ মার্চ ৫৪তম দেশ হিসেবে।

তথ্যসূত্র: CTBT ওয়েবসাইট।
৬৩.
GATT চুক্তির সর্বশেষ রাউন্ড কোনটি?
  1. Uruguay Round
  2. Tokyo Round
  3. Kennedy Round
  4. Dillon Round
সঠিক উত্তর:
Uruguay Round
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Uruguay Round
ব্যাখ্যা

GATT চুক্তির রাউন্ড:
- ১৯৪৭ সাল থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত GATT চুক্তির দুর্বলতা ও সমস্যা সমাধানের জন্য মোট ৮টি রাউন্ড সম্পন্ন হয়।
- সেগুলো হলো:
1. Geneva Round,
2. Annecy Round,
3. Torquay Round,
4. Geneva II Round,
5. Dillon Round,
6. Kennedy Round,
7. Tokyo Round,
8. Uruguay Round.

উরুগুয়ে রাউন্ড:
- GATT চুক্তির রাউন্ডগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ রাউন্ড হচ্ছে উরুগুয়ে রাউন্ড।
- এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ রাউন্ড হচ্ছে উরুগুয়ে রাউন্ড।
- এই রাউন্ড শুরু হয় ১৯৮৬ সালের সেপ্টেম্বরে।
- ১৫ এপ্রিল, ১৯৯৪ সালে উরুগুয়ে রাউন্ডের সমাপ্তির সময়ে GATT চুক্তি সংশোধনের মাধ্যমে।
- এই রাউন্ডের সংলাপ চলে দীর্ঘ ৮ বছর ধরে।
- এর ফলে নতুন আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংগঠন গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।
- যার ফলে ১৯৯৫ সালে জন্ম হয় World Trade Organization (WTO)-এর।

তথ্যসূত্র - WTO ওয়েবসাইট।

৬৪.
যুদ্ধকালীন সৈন্য ও সাধারণ বেসামরিক লোকদের জন্য ৪ টি রক্ষাকবচ সংক্রান্ত চুক্তি-
  1. ক) জেনেভা কনভেনশন - ১৮৬৪
  2. খ) জেনেভা কনভেনশন - ১৯৪৯
  3. গ) জেনেভা কনভেনশন - ১৯৬৬
  4. ঘ) জেনেভা কনভেনশন - ১৯৭৭
সঠিক উত্তর:
খ) জেনেভা কনভেনশন - ১৯৪৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জেনেভা কনভেনশন - ১৯৪৯
ব্যাখ্যা
Geneva Conventions, a series of international treaties concluded in Geneva between 1864 and 1949 for the purpose of ameliorating the effects of war on soldiers and civilians. Two additional protocols to the 1949 agreement were approved in 1977.
The conference developed four conventions, which were approved in Geneva on August 12, 1949: (1) the Convention for the Amelioration of the Condition of the Wounded and Sick in Armed Forces in the Field, (2) the Convention for the Amelioration of the Condition of the Wounded, Sick, and Shipwrecked Members of Armed Forces at Sea, (3) the Convention Relative to the Treatment of Prisoners of War, and (4) the Convention Relative to the Protection of Civilian Persons in Time of War.
Source: britannica.com
৬৫.
'যুদ্ধবন্দিদের প্রতি আচরণ সংক্রান্ত' বিষয়ক জেনেভা কনভেনশনটি হলো -
  1. ১ম জেনেভা কনভেনশন
  2. ২য় জেনেভা কনভেনশন
  3. ৩য় জেনেভা কনভেনশন
  4. ৪র্থ জেনেভা কনভেনশন
সঠিক উত্তর:
৩য় জেনেভা কনভেনশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩য় জেনেভা কনভেনশন
ব্যাখ্যা
• জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

• ৪টি জেনেভা কনভেনশন:
প্রথম কনভেনশন:
- আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।

দ্বিতীয় কনভেনশন:
সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।

তৃতীয় কনভেনশন:
- যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।

চতুর্থ কনভেনশন:
- সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।

উৎস: ইন্টারন্যাশনাল কমিটি অব দ্য রেডক্রস ।
৬৬.
ম্যাসট্রিচট চুক্তি কোন দেশে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. আমেরিকা
  2. ফ্রান্স
  3. লুক্সেমবার্গ
  4. নেদারল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ড
ব্যাখ্যা

১৯৯২ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি নেদারল্যান্ডের ম্যাসট্রিচটে ইউরোপীয় সম্প্রদায়ের সদস্যদের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় যা ম্যাসট্রিচট (Maastricht Treaty) চুক্তি নামে পরিচিত।
- ১ নভেম্বর ১৯৯৩ সালে এই চুক্তি কার্যকর হয় যার ফলে 'ইউরোপীয় ইউনিয়ন' এবং ইউরোপের একক মুদ্রা হিসেবে 'ইউরো' চালু হয়।
- বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য সংখ্যা ২৭।
- এবং ইউরো মুদ্রা ব্যবহারকারী দেশ ১৯ টি।

উৎস: https://european-union.europa.eu/

৬৭.
SALT চুক্তি হয়েছিলো কোন দেশগুলোর মধ্যে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র ও চীন
  2. যুক্তরাজ্য ও সোভিয়েত ইউনিয়ন
  3. চীন ও সোভিয়েত ইউনিয়ন
  4. যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন
  5. যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা
SALT:
- SALT-এর পূর্ণরূপ: Strategic Arms Limitation Talks।
- আলোচ্য বিষয়: কৌশলগত অস্ত্র সীমাবদ্ধতা।
- এই আলোচনা শুরু হয়েছিল ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিংকিতে।
- আলোচনার সময়: ১৯৬৯ সাল।
- পক্ষ: যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন।
- দুইটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় যা SALT-I ও SALT-II নামে পরিচিত।
- SALT-I চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল: ২৬ মে, ১৯৭২ সালে।
- SALT-II চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল: ১৮ জুন, ১৯৭৯ সালে।
- এই আলোচনার সূত্র ধরেই Anti-Ballistii Missile Treaty স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- এই চুক্তি অনুযায়ী কৌশলগত যত পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ যন্ত্র আছে, তা 'ফ্রিজ' করা হয়।
- এতে করে কোনো পক্ষ আর তার সংখ্যা বাড়াতে পারে না।
- এর মাধ্যমে আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যাও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।
৬৮.
উই রিভার চুক্তির মধ্যস্থতাকারী কে ছিলেন?
  1. টমাস জেফারসন
  2. জন অ্যাডাম্‌স
  3. জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ
  4. বিল ক্লিন্টন
সঠিক উত্তর:
বিল ক্লিন্টন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিল ক্লিন্টন
ব্যাখ্যা
উই রিভার চুক্তি:
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী পক্ষ: ইসরাইল ও পিএলও।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৯৮ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মেরিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র।
- চুক্তি মধ্যস্থতাকারী: বিল ক্লিন্টন।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৬৯.
পঞ্চম এলডিসি (Least developed country) সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়-
  1. ক) ইয়েমেন
  2. খ) চীন
  3. গ) কাতার
  4. ঘ) ইরান
সঠিক উত্তর:
গ) কাতার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কাতার
ব্যাখ্যা
- পঞ্চম এলডিসি (Least developed country) সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়  ৫-৯ মার্চ, ২০২৩ কাতারের রাজধানী দোহায়।
- ১৯৭১ সালে প্রথম স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা করা হয়। 
- বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়। 
- বাংলাদেশ এলডিসি থেকে বের হবে ২৪ নভেম্বর, ২০২৬ সালে।
- বাংলাদেশ ইউরোপী ইউনিয়নের শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা পাবে  ২০২৯ সাল পর্যন্ত 
- বর্তমানে ৪৬ টি স্বল্পোন্নত দেশ আছে। 
- এ পর্যন্ত মালদ্বীপ, বতসোয়ানা, ইকুয়েটোরিয়াল গিনি, সামোয়া ও কেইপ ভার্দে এই পাঁচ দেশ এলডিসি থেকে বের।
- বাংলাদেশের সাথে নেপাল ও লাওস এলডিসি মুক্ত হবে। 
- সর্বশেষ এলডিসি যুক্ত দেশ দক্ষিণ সুদান।

উৎসঃ বিবিসি নিউজ।
৭০.
Nuclear Non-proliferation Treaty (NPT) অনুসারে, আণবিক অস্ত্র উৎপাদক রাষ্ট্রের সংখ্যা -
  1. ৪টি
  2. ৬টি
  3. ৫টি
  4. ৭টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা
Nuclear Non-proliferation Treaty (NPT) অনুযায়ী আণবিক অস্ত্র উৎপাদক রাষ্ট্রের সংখ্যা ৫টি:
- চীন 
- ফ্রান্স 
- রাশিয়া 
- যুক্তরাজ্য 
- যুক্তরাষ্ট্র 
 
চুক্তিটি এই রাষ্ট্রগুলোর আণবিক অস্ত্রাগারকে স্বীকৃতি দিলেও NPT এর 6 অনুচ্ছেদের অধীনে চিরস্থায়ীভাবে এই জাতীয় অস্ত্র তৈরি এবং বজায় রাখতে রাষ্ট্রগুলো অনুমতিপ্রাপ্ত নয়।

উৎস: www.armscontrol.org
৭১.
কোনটি পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি হিসেবে পরিচিত?
  1. PTA
  2. CTBT
  3. PTB
  4. NPT
সঠিক উত্তর:
NPT
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NPT
ব্যাখ্যা

'NPT' চুক্তি:
- NPT-এর পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি।
- পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদক রাষ্ট্রের সংখ্যা ৯টি।
- রাষ্ট্রগুলো হলো: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, পাকিস্তান, উত্তর কোরিয়া ও ইসরায়েল।

CTBT:
- CTBT-এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৮৭টি।

উৎস: Arms Control Association.

৭২.
২০২২ সালে জাতিসংঘ কোন দেশকে "Commission on the Status of Women (CSW)" থেকে বাদ দিয়েছে?
  1. ইরাক
  2. সিরিয়া
  3. ইরান
  4. তুরস্ক
সঠিক উত্তর:
ইরান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান
ব্যাখ্যা
Commission on the Status of Women (CSW):

- জাতিসংঘের ৫৪ টি সদস্যদেশ অর্থনৈতিক ও সামাজিক কাউন্সিল (ECOSOC) এর অধিবেশনে ২০২২ সাল থেকে ২০২৬ পর্যন্ত (CSW) থেকে ইরানকে অপসারণের একটি প্রস্তাব গ্রহণ করেছিল ।
- নারী ও মেয়েদের মানবাধিকার ক্রমাগত হ্রাস এবং ক্রমবর্ধমানভাবে দমন করার জন্য মুলত এই অপসারন করা হয়। 
- CSW হল একটি  বিশ্বব্যাপী আন্তঃসরকারি সংস্থা যা ১৯৪৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। 
- এর সদস্য ৪৫ যারা ECOSOC দ্বারা নির্বাচিত হয় যারা চার বছর মেয়াদে কাজ করে।
- CSW নারীর অধিকারের প্রচার, লিঙ্গ সমতা এবং নারীর ক্ষমতায়নের জন্য কাজ করে থাকে। 
- প্রতি বছর এদের দুই সপ্তাহের জন্য অধিবেশন চলে। 
- জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্র, সুশীল সমাজ সংস্থা এবং জাতিসংঘের সংস্থার প্রতিনিধিরা অধিবেশনে অংশগ্রহন করে এবং আলোচনা করে।  
- অধিবেশনের ফলাফল ফলো-আপের জন্য কমিশনের মূল সংস্থা অর্থনৈতিক ও সামাজিক কাউন্সিল (ECOSOC) এর কাছে পাঠানো হয়।

তথ্যসূত্র:UN Women website & UN News.
৭৩.
৪র্থ জেনেভা কনভেনশন কোন শ্রেণির মানুষের সুরক্ষার জন্য গৃহীত হয়?
  1. যুদ্ধকালীন সময়ে ভূমি ও স্থল যুদ্ধে আহত ও অসুস্থ সৈন্যদের প্রতি আচরণ
  2. যুদ্ধবন্দিদের প্রতি আচরণ ও তাদের নিরাপত্তা ও চিকিৎসা সংক্রান্ত
  3. যুদ্ধাবস্থায় বেসামরিক জনগণ রক্ষার্থে ও তাদের সুরক্ষা সংক্রান্ত
  4. সমুদ্রস্থ যুদ্ধক্ষেত্রে আহত, অসুস্থ এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত জাহাজের সৈন্যদের প্রতি আচরণ
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধাবস্থায় বেসামরিক জনগণ রক্ষার্থে ও তাদের সুরক্ষা সংক্রান্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধাবস্থায় বেসামরিক জনগণ রক্ষার্থে ও তাদের সুরক্ষা সংক্রান্ত
ব্যাখ্যা

জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন সম্পাদিত হয়েছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী প্রতিক্রিয়া ও এর ফলাফল হিসেবে।
- যুদ্ধপরাধকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড হিসেবে জেনেভা কনভেনশনকে মান্য করা হয়।
- মূলত এটি যুদ্ধাপরাধ সংক্রান্ত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়: ১২ আগস্ট, ১৯৪৯ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

♦ কনভেনশনসমূহ:
⇒ ১ম জেনেভা কনভেনশন:
- ১৯৪৯ সালে; যুদ্ধকালীন সময়ে ভূমি ও স্থল যুদ্ধে আহত ও অসুস্থ সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত।

⇒ ২য় জেনেভা কনভেনশন:
- ১৯৪৯ সালে; সমুদ্রস্থ যুদ্ধক্ষেত্রে আহত, অসুস্থ এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত জাহাজের সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।

⇒ ৩য় জেনেভা কনভেনশন:
- ১৯৪৯ সালে; যুদ্ধবন্দিদের প্রতি আচরণ ও তাদের নিরাপত্তা ও চিকিৎসা সংক্রান্ত।

⇒ ৪র্থ জেনেভা কনভেনশন:
- ১৯৪৯ সালে, যুদ্ধাবস্থায় বেসামরিক জনগণ রক্ষার্থে ও তাদের সুরক্ষা সংক্রান্ত।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & History.com

৭৪.
ইসরাইল ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে আব্রাহাম চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কবে?
  1. ক) ১০ জুন ২০২০
  2. খ) ২৫ জুলাই ২০২০
  3. গ) ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০
  4. ঘ) ১০ অক্টোবর ২০২০
সঠিক উত্তর:
গ) ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০
ব্যাখ্যা
- তৃতীয় আরব দেশ হিসেবে গত ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ সংযুক্ত আরব আমিরাত ইসরাইলের সাথে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে। এই লক্ষ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তি ‘আব্রাহাম চুক্তি’ নামে পরিচিত।
- একইদিন চতুর্থ আরব দেশ হিসেবে বাহরাইনও ইসরাইলের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের জন্যে চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
(সূত্র: মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ওয়বসাইট)
৭৫.
নিচের কোন চুক্তিটি 'Wadi Araba Treaty' নামে পরিচিত?
  1. ক) সিমলা চুক্তি
  2. খ) ক্যাম্প-ডেভিড চুক্তি
  3. গ) অসলো চুক্তি
  4. ঘ) ইসরায়েল - জর্ডান শান্তিচুক্তি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইসরায়েল - জর্ডান শান্তিচুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইসরায়েল - জর্ডান শান্তিচুক্তি
ব্যাখ্যা
ইসরায়েল - জর্ডান শান্তিচুক্তি (Israel–Jordan Peace Treaty)
• মধ্যপ্রাচ্য ও আরব বিশ্বের দ্বিতীয় দেশ হিসাবে জর্ডান ইসরায়েলের সাথে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করে।
• চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ - ২৬ অক্টোবর, ১৯৯৪ সাল।
• চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান - ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র।
• চুক্তি স্বাক্ষরকারী - ইসরায়েল - আইজ্যাক রবিন এবং জর্ডান - কিং হোসাইন।
• চুক্তির বিকল্প নাম - Wadi Araba Treaty.

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি ডট কম।
৭৬.
যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা যুদ্ধের অবসানের লক্ষ্যে কত সালে প্যারিস শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৭৮৩ সালে
  2. ১৭৮৭ সালে
  3. ১৮৮৩ সালে
  4. ১৮৮৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৭৮৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৮৩ সালে
ব্যাখ্যা
প্যারিস চুক্তি (Peace of Paris):
- যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা যুদ্ধের অবসানের লক্ষ্যে ফ্রান্সের প্যারিসে চারটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, এদেরকে একত্রে প্যারিস শান্তি চুক্তি বা পিস অব প্যারিস বলে।
- ১৭৮৩ সালে প্যারিসে বিবাদমান পক্ষগুলোর মধ্যে চারটি পৃথক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা যুদ্ধে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে বিবাদমান পক্ষগুলোর (আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, স্পেন ও নেদারল্যান্ডস্) মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।

⇒ ১৭৭৮ সাল থেকে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের সাথে যুদ্ধ সমাপ্তির লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস-এর প্রতিনিধিরা শান্তি আলোচনা শুরু করে।
- এই প্রতিনিধি দলের সদস্য ছিলেন জন এডামস, বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন, জন জে, থমাস জেফারসন ও হেনরি লরেন্স।
- ১৭৮২ সালে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী লর্ড শেলবর্ন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সাথে ঐক্যমত্যে পৌঁছান এবং চুক্তির খসড়া প্রস্তুত করেন।
- চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ: ৩ সেপ্টেম্বর, ১৭৮৩ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- স্বাক্ষরিত চুক্তির সংখ্যা: ৪টি।
- যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন, জন এডামস ও জন জে এবং যুক্তরাজ্যের পক্ষে প্রধানমন্ত্রী লর্ড শেলবর্ন চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করেন।

উল্লেখ্য,
- 'প্রথম ভার্সাই চুক্তি'টি মূলত প্যারিস চুক্তিরই অতিরিক্ত অংশ।
- ৪টি চুক্তির ২টি প্যারিসে এবং দুইটি ভার্সাইতে স্বাক্ষরিত হয়।

⇒ চুক্তির পক্ষসমূহ:
- প্রথম পক্ষ: যুক্তরাজ্য,
- দ্বিতীয় পক্ষ: যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, স্পেন, নেদারল্যান্ড।

⇒ ফলাফল:
- এই চুক্তির ফলে আনুষ্ঠানিকভাবে আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধের অবসান ঘটে।

উৎস: History.com
৭৭.
আন্তর্জাতিক নবায়নযোগ্য শক্তি সংস্থার সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) লন্ডন
  2. খ) আবুধাবী
  3. গ) প্যারিস
  4. ঘ) মাদ্রিদ
সঠিক উত্তর:
খ) আবুধাবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আবুধাবী
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক নবায়নযোগ্য শক্তি সংস্থার (IRENA) সদরদপ্তর সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবী শহরে অবস্থিত।
এটি ২০০৯ সালের ২৬ জানুয়ারি অফিশিয়ালভাবে গঠিত হয়।
এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৬৩টি। বর্তমান ডিরেক্টর জেনারেল ফ্রান্সেসকো লা কামেরা।
(সূত্র: IRENA ওয়েবসাইট)
৭৮.
'TPNW' চুক্তি কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ
  2. পরিবেশ সুরক্ষা
  3. মুক্ত বাণিজ্য
  4. পারমাণবিক বোমা পরীক্ষা
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ
ব্যাখ্যা
TPNW:
- TPNW এর পূর্ণরূপ: The Treaty on the Prohibition of Nuclear Weapons বা পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি।
- TPNW-তে যেকোনো পারমাণবিক অস্ত্র কার্যক্রমে অংশগ্রহণের উপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
- এর মধ্যে রয়েছে পারমাণবিক অস্ত্রের বিকাশ, পরীক্ষা, উৎপাদন, অর্জন, অধিকার, মজুদ, ব্যবহার বা হুমকি না দেওয়ার অঙ্গীকার।
- পরমাণু অস্ত্র মুক্ত বিশ্ব গড়ার লক্ষ্যে ২০১৭ সালের ৭ জুলাই পরমাণু অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক চুক্তি গৃহিত হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭।
- কার্যকর হয়: ২২শে জানুয়ারি, ২০২১।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ৯৩টি।

⇒ বাংলাদেশ ২০১৭ সালের ২০ সেপ্টেম্বর এটিতে স্বাক্ষর করে এবং ২০১৯ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর অনুমোদন করে।

উৎস: UNTC ওয়েবসাইট।
৭৯.
আলজিয়ার্স চুক্তির বিষয়বস্তু কী ছিল?
  1. গোলান মালভূমি সংকট সমাধান
  2. আলজেরিয়া কর্তৃক ইসরায়েলকে স্বীকৃতি প্রদান
  3. শাত-ইল-আরব সহ বিরোধপূর্ণ সীমানা সমাধান
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
শাত-ইল-আরব সহ বিরোধপূর্ণ সীমানা সমাধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাত-ইল-আরব সহ বিরোধপূর্ণ সীমানা সমাধান
ব্যাখ্যা
আলজিয়ার্স চুক্তি:
- ইরাক এবং ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৩ই জুন, ১৯৭৫ সালে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তি অনুমোদন করে ১৯৭৬ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান- আলজির্য়াস, আলজেরিয়া।
- চুক্তির বিষয় হলো শাত-ইল-আরব সহ বিরোধপূর্ণ সীমানা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে মীমাংসা।

সুত্র: Britannica.com
৮০.
কোন চুক্তির মাধ্যমে আরব-ইসরাইল শান্তি প্রক্রিয়ার সূচনা হয়?
  1. আলজিয়ার্স চুক্তি
  2. অসলো চুক্তি
  3. আব্রাহাম চুক্তি
  4. ডেটন চুক্তি
সঠিক উত্তর:
অসলো চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অসলো চুক্তি
ব্যাখ্যা
- ১৯৯৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর ওয়াশিংটন ডিসিতে ইসরাইল ও ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থার (পিএলও) মধ্যে স্বাক্ষরিত অসলো চুক্তির মাধ্যমে আরব-ইসরাইল শান্তি প্রক্রিয়ার সূচনা হয়।
- এই চুক্তির মাধ্যমে ইসরাইল ও পিএলও পরস্পরকে স্বীকৃতি প্রদান করে। ফিলিস্তিনে স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠা পায়। পিএলও সশ্বস্ত্র লড়াই পরিত্যাগ করে এবং ইসরাইল পিএলওকে ফিলিস্তিনের বৈধ অথরিটি হিসেবে মেনে নেয়।
- সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিন্টন এই চুক্তি সম্পাদনে ভূমিকা পালন করেন।
অন্যদিকে,
- আলজিয়ার্স চুক্তি (১৩ জুন, ১৯৭৫) : শাত ইল আরব জলপথ নিয়ে ইরাক-ইরান সীমান্ত সমস্যা নিরসন
- ডেটন চুক্তি (১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫) : বসনিয়া সংকট নিরসন
- আব্রাহাম চুক্তি হলো ট্রাম্প প্রশাসন গৃহিত ইসরাইল-ফিলিস্তিন বিষয়ে একটি নতুন রোডম্য্যাপ। এই চুক্তির অধীনে সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, সুদান ও মরক্কো ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে।
(তথ্যসূত্রঃ মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা)
৮১.
INF-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. International Nuclear Force
  2. Intermediate Nuclear Framework
  3. International Range of Nuclear Forces
  4. Intermediate-Range Nuclear Forces
সঠিক উত্তর:
Intermediate-Range Nuclear Forces
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Intermediate-Range Nuclear Forces
ব্যাখ্যা

INF:
- INF-এর পূর্ণরূপ হলো Intermediate-Range Nuclear Forces।
- এটি মাঝারি পাল্লার পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ৮ ডিসেম্বর ১৯৮৭ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান: ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: যুক্তরাষ্ট্র ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন।
- স্বাক্ষরকারী নেতা: মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগান ও সোভিয়েত নেতা মিখাইল গর্বাচেভ।
- চুক্তির মাধ্যমে ভূমিতে স্থাপিত ব্যালিস্টিক মিসাইল ও ক্রুজ মিসাইল নিষিদ্ধ করা হয়।
- সমুদ্রে ও আকাশে ব্যবহৃত মিসাইল চুক্তির আওতায় অন্তর্ভুক্ত হয়নি।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০ অক্টোবর ২০১৮ সালে চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করেন।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২ আগস্ট ২০১৯ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে INF চুক্তি থেকে প্রত্যাহার করে।

উৎস: Arms Control Association।

৮২.
Marine Dumping নামে পরিচিত কনভেনশন কোনটি?
  1. লন্ডন কনভেনশন
  2. বন কনভেনশন
  3. বাসেল কনভেনশন
  4. মাদ্রিদ কনভেনশন
সঠিক উত্তর:
লন্ডন কনভেনশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লন্ডন কনভেনশন
ব্যাখ্যা
• লন্ডন কনভেনশন
- লন্ডন কনভেনশন স্বাক্ষরিত হয়-১৯৭২ সালে।
- এটি কার্যকর- ১৯৭৫ সালে।
- এর বিষয়বস্তু বর্জ্য নির্গমন জনিত সাগর দূষণ নিয়ন্ত্রণ।
- অর্থাৎ, সাগরে নির্বিচারে বর্জ্য নির্গমন প্রতিরোধ করা।
- এটি Marine Dumping নামেও পরিচিত। 

উৎস- ব্রিটানিকা।  
৮৩.
কোন চুক্তির মাধ্যমে হংকং ব্রিটিশ কলোনিতে পরিণত হয়?
  1. নানকিং চুক্তি
  2. আলজিয়ার্স চুক্তি
  3. হেবরন চুক্তি
  4. উই রিভার চুক্তি
সঠিক উত্তর:
নানকিং চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নানকিং চুক্তি
ব্যাখ্যা
আফিম যুদ্ধ:
- আফিমের চোরাচালানকে কেন্দ্র করে চীন ও ব্রিটেনের মধ্যে যে যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল, তাই আফিম যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি উনিশ শতকের গোড়া থেকে চীনের সঙ্গে ব্যবসায়ে ঘাটতি মেটাতে বঙ্গদেশ থেকে চীনে আফিম রপ্তানি শুরু করে।
- চীনা শাসকরা ১৮৩৯ সালে আফিম আমদানি নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।
- কিন্তু ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি অবৈধ উপায়ে এ ব্যবসা অব্যাহত রাখে।
- কোম্পানির অবৈধ আফিম ব্যবসার কারণে চীন ও ব্রিটেনের মধ্যে যুদ্ধ বাধে।
- ১ম যুদ্ধে চীনারা পরাজিত হয় এবং চীন ১৮৪২ সালে নানকিং চুক্তি স্বাক্ষর করতে বাধ্য হয়।

⇒ নানকিং চুক্তি:
- প্রথম আফিম যুদ্ধে পরাজয়ের পর চীনের শাসকগোষ্ঠী ব্রিটিশদের সাথে একটি অপমানজনক 'অসম চুক্তি' স্বাক্ষর করতে বাধ্য হয়।
- চিনা কমিশনার চিইং (Chiying) এবং নব নিযুক্ত ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত স্যার হেনরি পট্টিনগার (Sir Henry Pottinger) -এর উদ্যোগে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির নাম নানকিং চুক্তি।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ২৯ আগস্ট, ১৮৪২ সালে।
- এই চুক্তির মাধ্যমে হংকং ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের 'ক্রাউন কলোনি'তে পরিণত হয়।

অন্যদিকে,
- শাত-ইল আরবকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির নাম আলজিয়ার্স চুক্তি।
- হেবরন চুক্তি: ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে ‘হেবরন চুক্তি’ স্বাক্ষরিত হয়। এ চুক্তিতে ফিলিস্তিনি চেয়ারম্যান ইয়াসির আরাফাত এবং ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু পশ্চিম তীরের হেবরন শহরের অধিকাংশ থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার বিষয়ে একমত হন।
- উই রিভার চুক্তির বিষয়বস্তু: প্যালেস্টাইন সংকট।

উৎস: Britannica.
৮৪.
সম্প্রতি নারী অধিকার বিষয়ক ইউরোপীয় সনদ থেকে কোন দেশ নিজেদেরকে প্রত্যাহার করে নিয়েছে?
  1. ক) সার্বিয়া
  2. খ) তুরস্ক
  3. গ) জার্মানি
  4. ঘ) আফগানিস্তান
সঠিক উত্তর:
খ) তুরস্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তুরস্ক
ব্যাখ্যা

- ২০২১ সালের মার্চে নারী অধিকার নিয়ে ইউরোপের ঐতিহাসিক সনদ 'ইস্তাম্বুল সনদ' থেকে তুরস্ক নিজেদের প্রত্যাহার করে নিয়েছে।
- নারী অধিকার নিয়ে ইউরোপের ঐতিহাসিক এক সনদ থেকে তুরস্ক নিজেকে প্রত্যহার করে নেবার পর এর নিন্দা করেছে ইউরোপের শীর্ষ মানবাধিকার সংস্থা।
- কাউন্সিল অব ইউরোপের সেক্রেটারি জেনারেল মারিয়া বুরিচ বলেছেন - আঙ্কারার এই সিদ্ধান্ত তুরস্কের ভেতর এবং বাইরে নারীদের সুরক্ষার পরিপন্থী।
- ইস্তাম্বুল সনদ নামে পরিচিত ইউরোপীয় এই চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী প্রতিটি দেশের বাধ্যবাধকতা রয়েছে যে - তাদেরকে 'বৈবাহিক সম্পর্কের ভেতরে ধর্ষণ' এবং 'মেয়েদের খৎনা রোধ' সহ নারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতা বন্ধে আইন তৈরি করতে হবে।
- এতে পারিবারিক সহিংসতা রোধ ও তার বিচারের কথাও আছে।

তথ্যসূত্র: আলজাজিরা ও বিবিসি বাংলা রিপোর্ট।

৮৫.
বিশ্বের প্রথম পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করা হয় কোন দেশে?
  1. জাপানে
  2. সিরিয়ায়
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ইরানে
সঠিক উত্তর:
জাপানে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপানে
ব্যাখ্যা

• বিশ্বের প্রথম পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ:
- তারিখ: ৬ আগস্ট, ১৯৪৫,
- স্থান: হিরোশিমা, জাপান,
- বোমার নাম: লিটল বয়।
- বিমান: Enola Gay (যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনীর বি-২৯ বোমারু বিমান),
- ধ্বংসযজ্ঞ: আনুমানিক ৭০,০০০–৮০,০০০ মানুষ তাৎক্ষণিকভাবে নিহত হন।
- অস্ত্রের ধরণ: ইউরেনিয়াম-২৩৫ ভিত্তিক পারমাণবিক বোমা,
- দ্বিতীয় হামলা: ৯ আগস্ট, ১৯৪৫- নাগাসাকি শহরে।
- বোমার নাম: ফ্যাটম্যান।

উল্লেখ্য, 
- জাপান ১৫ আগস্ট, ১৯৪৫ সালে আত্মসমর্পণ করে।
- হিরোশিমা ও নাগাসাকি হামলা পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন ও যুদ্ধনীতি পুনর্বিবেচনার পথ খুলে দেয়।

উৎস: Britannica.

৮৬.
ইসরায়েল মধ্যপ্রাচ্যের কোন দেশের সাথে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করে?
  1. ক) কাতার
  2. খ) সংযুক্ত আরব আমিরাত
  3. গ) কুয়েত
  4. ঘ) বাহরাইন
সঠিক উত্তর:
খ) সংযুক্ত আরব আমিরাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সংযুক্ত আরব আমিরাত
ব্যাখ্যা
- সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইসরায়েলের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় - ৩১ মে ২০২২।
- এর মধ্য দিয়ে উপসাগরীয় কোনো দেশের সঙ্গে প্রথম এ ধরনের চুক্তিতে গেল ইসরায়েল।
- নতুন এই চুক্তির ফলে দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি হওয়া সব পণ্যের ওপর ৯৬ শতাংশ শুল্কছাড় পাওয়া যাবে।
 
উৎস: প্রথম আলো
৮৭.
জাতিসংঘ গঠনের চুক্তি/সম্মেলন কোনটি?
  1. ক) আটলান্টিক সনদ
  2. খ) ডাম্বারটন ওকস্‌ সম্মেলন
  3. গ) সানফ্রান্সিসকো সম্মেলন
  4. ঘ) ওয়াশিংটন সম্মেলন
সঠিক উত্তর:
গ) সানফ্রান্সিসকো সম্মেলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সানফ্রান্সিসকো সম্মেলন
ব্যাখ্যা
২৫ এপ্রিল, ১৯৪৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকোতে বিশ্বের ৫০টি দেশের প্রতিনিধিরা জাতিসংঘের সনদ রচনার উদ্দেশ্যে মিলিত হন। ২ মাসের প্রচেষ্টায় ১১১টি অনুচ্ছেদ সম্বলিত জাতিসংঘ সনদ (The United Nations Charter) রচনা করেন। ১৯৪৫ সালের ২৫ জুন এটি ৫০টি দেশের প্রতিনিধিরা সনদটি অনুমোদন করেন। ২৬ জুন তা ৫০ দেশের প্রতিনিধিরা তাতে স্বাক্ষর করেন। সানফ্রান্সিসকোতে অনুষ্ঠিত সম্মেলনটি San Francisco Conference বা The United Nations Conference on International Organization নামে পরিচিত।
Live MCQ content (Upcoming)
৮৮.
ABM চুক্তি কোন দুটি দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. যুক্তরাজ্য এবং সোভিয়েত ইউনিয়নে
  2. যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্য
  3. যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন
  4. যুক্তরাজ্য এবং জাপান
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা
অ্যান্টি-ব্যালিস্টিক মিসাইল চুক্তি (ABM চুক্তি):
- অ্যান্টি-ব্যালিস্টিক মিসাইল চুক্তি (ABM Treaty) ছিল একটি অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি, যা ১৯৭২ সালে যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির লক্ষ্য ছিল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ব্যালিস্টিক মিসাইল (ICBM) প্রতিহত করার জন্য তৈরি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সীমিত করা।
- যুক্তরাষ্ট্র প্রথম এই ধরনের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব দেয় ১৯৬৬ সালে।
- আলোচনা শুরু হয় ১৯৬৯ সালের শেষ দিকে, যা SALT (Strategic Arms Limitation Talks)-এর অংশ ছিল।
- চুক্তিটি স্বাক্ষর করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন এবং সোভিয়েত নেতা লিওনিড ব্রেজনেভ, মে ১৯৭২-তে মস্কো সম্মেলনে।
- পরে উভয় দেশের আইনসভা চুক্তিটি অনুমোদন করে।
- এই চুক্তি দুই পরাশক্তির মধ্যে পারমাণবিক ভারসাম্য রক্ষা করেছিল, কারণ উভয় পক্ষই জানত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সীমিত থাকলে আক্রমণের ঝুঁকি দুই পক্ষের জন্যই সমান থাকবে।
- ফলে এটি একটি স্থিতিশীলতা ও পারমাণবিক প্রতিরোধের যুগ সূচিত করেছিল।

উৎস: Britanniaca.
৮৯.
আটলান্টিক সনদ স্বাক্ষরিত হয় -
  1. ১৪ আগস্ট, ১৯৪১
  2. ১২ আগস্ট, ১৯৪১
  3. ১৪ আগস্ট, ১৯৪৩
  4. ১২ আগস্ট, ১৯৪৩
সঠিক উত্তর:
১৪ আগস্ট, ১৯৪১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ আগস্ট, ১৯৪১
ব্যাখ্যা
আটলান্টিক সনদ:
- ১৪ আগস্ট, ১৯৪১ সালে স্বাক্ষরিত হয়।
- স্বাক্ষরের স্থান: আটলান্টিক মহাসাগর।
- পক্ষসমূহ: যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেন।
- উদ্দেশ্য: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে পৃথিবীতে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা।
- এর ফলে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফ্রাংকলিন ডি রুজভেল্ট ও ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল কর্তৃক স্বাক্ষরিত হয় এই সনদ।
- ৮ দফার এই সনদ স্বাক্ষরিত হয় উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের বুকে প্রিন্স অব ওয়েলস নামক একটি যুদ্ধ জাহাজে।

উৎস: Britannica.
৯০.
কোন চুক্তির মাধ্যমে Thirty years' war শেষ হয়েছিল?
  1. ভার্সাই চুক্তি
  2. লুজান চুক্তি
  3. প্যারিস চুক্তি
  4. ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি
সঠিক উত্তর:
ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি
ব্যাখ্যা

• Thirty years' war:
- ত্রিশ বছরের যুদ্ধ ছিল ধর্মীয়, রাজবংশীয়, আঞ্চলিক এবং বাণিজ্যিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা সহ বিভিন্ন কারণে বিভিন্ন জাতির দ্বারা সংঘটিত যুদ্ধের একটি সিরিজ।
- এর ধ্বংসাত্মক অভিযান এবং যুদ্ধগুলি ইউরোপের বেশিরভাগ অংশ জুড়ে সংঘটিত হয়েছিল এবং, যখন এটি ১৬৪৮সালে ওয়েস্টফালিয়া চুক্তির মাধ্যমে শেষ হয়েছিল।
- তখন ইউরোপের মানচিত্র অপরিবর্তনীয়ভাবে পরিবর্তিত হয়েছিল।

• ​ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি:
-১৬৪৮ সালে সম্পন্ন ওয়েস্টফালিয়ার শান্তি চুক্তির মাধ্যমে পবিত্র রোমান সাম্রাজ্যের ত্রিশ বছরের যুদ্ধ এবং স্পেন ও ডাচ প্রজাতন্ত্রের মধ্যে আশি বছরের যুদ্ধের অবসান ঘটে।
চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়- ১৬৪৮ সালে।
স্থান- ওয়েস্টফেলিয়া, জার্মানি ।
স্বাক্ষরিত হয়- প্রোটেস্ট্যান্ট ও রোমান ক্যাথলিকদের মধ্যে।
ইউরোপের আর্থ-সামাজিক, ধর্ম এবং রাজনীতি নিয়ে ১৬১৮ সাল থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে ১৬৪৮ সালের ওয়েস্টফেলিয়া শান্তি চুক্তি মাধ্যমে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৯১.
CEDAW সনদ কবে গৃহিত হয়?
  1. ক) ১৯৬৮ সালে
  2. খ) ১৯৭৯ সালে
  3. গ) ১৯৮৯ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৫ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭৯ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৭৯ সালের সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে নারীদের প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য নিরসের উদ্দেশ্যে CEDAW সনদ গৃহিত হয়। ১৯৮১ সালের ৩ সেপ্টেম্বর প্রয়োজনীয় ২০ টি দেশ অনুমোদন করায় সনদটি কার্যকর হয়। এই সনদে ৩০ টি ধারা রয়েছে। বাংলাদেশ ১৯৮৪ সালের ৬ নভেম্বর CEDAW সনদ অনুমোদন করে। (সূত্রঃ UN ওয়েবসাইট)
৯২.
তাসখন্দ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন -
  1. ক) জওহরলাল নেহেরু এবং জিন্নাহ
  2. খ) বল্লভভাই প্যাটেল এবং আইয়ুব খান
  3. গ) লাল বাহাদুর শাস্ত্রী এবং আইয়ুব খান
  4. ঘ) ইন্দিরা গান্ধী এবং ইয়াহিয়া খান
সঠিক উত্তর:
গ) লাল বাহাদুর শাস্ত্রী এবং আইয়ুব খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) লাল বাহাদুর শাস্ত্রী এবং আইয়ুব খান
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি ঐতিহাসিক তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর মধ্য দিয়ে কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে চিরবৈরী ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার ১৯৬৫ সালের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের আপাত অবসান ঘটে।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্গত উজবেকিস্তানের তাসখন্দে এই চুক্তি সম্পন্ন হয় বিধায় ইতিহাসে এটি তাসখন্দ চুক্তি নামেই বহুল পরিচিত।
- তৎকালীন সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী আলেক্সেই কোসিগিন মধ্যস্থতায় ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রী ও পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ূব খান  দুই দেশের পক্ষে  চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করেন।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা
৯৩.
ভিয়েনা কনভেনশন-১৯৬১ কী সংক্রান্ত বিধি?
  1. মানবাধিকার বিধি
  2. কূটনৈতিক আচরণ বিধি
  3. শিশু অধিকার বিধি
  4. বাণিজ্য বিধি
সঠিক উত্তর:
কূটনৈতিক আচরণ বিধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কূটনৈতিক আচরণ বিধি
ব্যাখ্যা

ভিয়েনা কনভেনশন, (১৯৬১):  
- ভিয়েনা কনভেনশন অন ডিপ্লোম্যাটিক রিলেশনস (Vienna Convention on Diplomatic Relations, 1961) হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা বিভিন্ন দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক পরিচালনার নিয়মকানুন নির্ধারণ করে।
- গৃহীত হয়:  ১৯৬১ সালের ১৮ এপ্রিল।
- স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া। 
- কার্যকর হয়: ১৯৬৪ সালের ২৪ এপ্রিল।
- ভিয়েনা কনভেনশন আধুনিক কূটনীতির ভিত্তি স্থাপন করেছে।
- চুক্তিটিতে মোট ৫৩টি ধারা রয়েছে, সাক্ষরকারী রাষ্ট্রসমূহ যেগুলো সব সময় মেনে চলার চেষ্টা করে।
- এটি বর্তমানে প্রায় ১৯০টি দেশের মধ্যে সম্পর্ক পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
- এর মাধ্যমে বিভিন্ন রাষ্ট্রের মধ্যে বিশ্বাস ও সহযোগিতা বাড়ানো সম্ভব হয়েছে।
- স্বাধীন হওয়ার পর বাংলাদেশ ওই চুক্তিতে সই করে ১৯৭৮ সালে। (বিবিসি) 
- বাংলাদেশ ১৩ জানুয়ারি ১৯৭৮ সালে স্বাধীনতার পর ভিয়েনা কনভেনশনে স্বাক্ষর করে এবং আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মান রক্ষা করার অঙ্গীকার করে।
- ভিয়েনা কনভেনশন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও কূটনীতি পরিচালনার একটি মৌলিক কাঠামো। 
- এটি রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং সহযোগিতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ:
কূটনীতিকদের বিশেষ সুবিধা (Privileges):
কূটনীতিকদের দায়িত্ব পালনের জন্য বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়।
করমুক্ত সুবিধা এবং ভ্রমণে বিশেষ অধিকার থাকে।

কূটনীতিকদের দায়মুক্তি (Immunity):
স্বাগতিক দেশের আইন অনুযায়ী তাদের বিচার করা যায় না।
কূটনীতিকের ব্যক্তিগত আবাসস্থলও সুরক্ষিত।

দূতাবাসের নিরাপত্তা:
দূতাবাস ও এর প্রাঙ্গণকে স্বাগতিক দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রবেশ করতে পারে না।
রাষ্ট্রের সম্মান অনুযায়ী দূতাবাস পরিচালনা নিশ্চিত করা হয়।

কূটনৈতিক ব্যাগ (Diplomatic Pouch):
কূটনৈতিক পণ্য ও চিঠিপত্র "ডিপ্লোম্যাটিক ব্যাগ"-এর মাধ্যমে সুরক্ষিতভাবে পরিবহন করা হয়।
এটি তল্লাশি থেকে মুক্ত।

সদস্য দেশসমূহের দায়িত্ব:
কূটনীতিকদের সুরক্ষা এবং সুবিধা নিশ্চিত করা।
অন্যান্য দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক পরিচালনার নিয়ম মেনে চলা।

উল্লেখযোগ্য ধারা:
- ভিয়েনা কনভেনশনের ২৬ নম্বর ধারা অনুযায়ী, বিদেশি কূটনীতিক মিশনের সকল সদস্য স্বাগতিক দেশে স্বাধীন ও অবাধে চলাচল করতে পারবেন। তবে জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে সম্পর্কিত বিশেষ সংরক্ষিত এলাকায় তারা বিনা অনুমতিতে প্রবেশ করতে পারবেন না।
- চুক্তির ২৭ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে যে, বিদেশি মিশন যেন সব ধরনের দাপ্তরিক কাজ অবাধে সম্পন্ন করতে পারে, সেজন্য প্রয়োজনীয় যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
- ভিয়েনা কনভেনশনের ২৯ নম্বর ধারা অনুযায়ী, বিদেশি কূটনীতিকদের আটক বা গ্রেফতার করা যাবে না। অর্থাৎ তারা স্বাগতিক দেশের ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থার বাইরে থাকবে।
- চুক্তিটির ৩০ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে যে, মিশন প্রাঙ্গণের মতোই কূটনীতিকদের বাসভবন, নথিপত্রসহ অন্যান্য যাবতীয় সম্পত্তির সুরক্ষায় গ্রহীতা দেশকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

উৎস: 
i) United Nations Treaty Collection.

ii) বিবিসি বাংলা।

৯৪.
THAAD (থাড) কী?
  1. গোয়েন্দা সংস্থা
  2. সন্ত্রাসী সংস্থা
  3. পরিবেশ সংস্থা
  4. মিসাইল প্রতিরক্ষা সংস্থা
সঠিক উত্তর:
মিসাইল প্রতিরক্ষা সংস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিসাইল প্রতিরক্ষা সংস্থা
ব্যাখ্যা
• THAAD (থাড) :
- থাড বা Terminal High Altitude Area Defense (THAAD) হচ্ছে এক ধরনের মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
- মার্কিন প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনকারী সংস্থা লকহিড মার্টিন থাড মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করে।
- শত্রু কোনো দেশ থেকে যদি কোনো মিসাইল নিক্ষেপিত হয়, থাড প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তা মহাশূন্যেই ধ্বংস করে দিতে সক্ষম।
- যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী এটি ব্যবহার করে এবং ইতোমধ্যে আরব আমিরাত, তুরষ্ক ও দক্ষিণ কোরিয়াতে তা মোতায়েন করা হয়েছে।
- থাড মিসাইল-এর ব্যাপ্তি ১২৫ মাইল।
- থাড মিসাইল ব্যাটারী এক সাথে ৬টি মিসাইল নিক্ষেপ করতে পারে এবং শত্রু মিসাইল টার্গেটে আঘাত হানার আগেই ধ্বংস করতে সক্ষম।
- প্রতিটি থাড মিসাইল ব্যাটারীর মূল্য ৮০০ মিলিয়ন ডলার।

সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ - তারেক শামসুর রেহমান।
৯৫.
নিচের কোনটি 'বিশ্ব পর্যটন সংস্থা'?
  1. ক) UNIDO
  2. খ) UNWTO
  3. গ) UNCTAD
  4. ঘ) UNESCO
সঠিক উত্তর:
খ) UNWTO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) UNWTO
ব্যাখ্যা
UNWTO - এর পূর্ণরূপ The World Tourism Organization বা বিশ্ব পর্যটন সংস্থা। 
এটি জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা যা দ্বায়িত্বশীল, টেকসই ও বিশ্বব্যাপী গ্রহণযোগ্য একটি পর্যটন ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষে কাজ করে থাকে।

এই সংস্থাটি ১৯৩৪ সালে  International Union of Official Tourist Propaganda Organizations (IUOTPO) নামে যাত্রা শুরু করে। পরবর্তীতে ১৯৪৬ সালে লন্ডনে ‘The First International Congress of National Tourism Bodies’ এর সভায় এর নাম পরিবর্তন করে The World Tourism Organization (UNWTO) রাখা হয়। 
সদরদপ্তর : মাদ্রিদ, স্পেন

⤇ বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে বিশ্ব পর্যটন সংস্থার সদস্য পদ লাভ করে।
⤇ The General Assembly - হচ্ছে এই সংস্থার প্রধান ও সর্বোচ্চ সিদ্ধান্তগ্রহনকারী অঙ্গ।
⤇ বর্তমান প্রধান (মহাসচিব): Zurab Pololikashvili (১ জানুয়ারি, ২০১৮ - বর্তমান); তিনি জর্জিয়ার নাগরিক।
⤇ ২৭ সেপ্টেম্বর - কে বিশ্ব পর্যটন দিবস হিসাবে পালন করা হয়।
 
(তথ্যসূত্র: UNWTO ওয়েবসাইট)
৯৬.
১৯৪৮ সালে স্বাক্ষরিত ব্রাসেলস চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ কয়টি?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
ব্রাসেলস চুক্তি:
- এটি অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা এবং সম্মিলিত আত্মরক্ষা সংক্রান্ত চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৭ মার্চ, ১৯৪৮ সালে।
- কার্যকর হয়: ২৫ আগস্ট, ১৯৪৮ সালে।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ৫টি।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ব্রিটেন, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস এবং লুক্সেমবার্গ।
- এ চুক্তির আওতায় দেশগুলোর মধ্যে সামরিক সহযোগিতা বাড়ানো হয়।
- 'ব্রাসেলস ট্রিটি অর্গানাইজেশন' বা 'ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন' নামেও পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- অকার্যকর হয়: ২০১৭ সালে।

উৎস: I) CVCE eu ওয়েবসাইট।
         ii) Britannica.
৯৭.
ন্যাটো গঠনের ভিত্তি কোনটি?
  1. অকাস চুক্তি
  2. হেগ চুক্তি
  3. নর্থ আটলান্টিক চুক্তি
  4. অসলো চুক্তি
সঠিক উত্তর:
নর্থ আটলান্টিক চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নর্থ আটলান্টিক চুক্তি
ব্যাখ্যা

​• নর্থ আটলান্টিক চুক্তি:
​- নর্থ আটলান্টিক চুক্তি ন্যাটোর (NATO) ভিত্তি।
- এটি ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল ওয়াশিংটন ডিসিতে ১২ জন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র স্বাক্ষর করে।
​​- চুক্তিটি মোট ১৪টি অনুচ্ছেদ নিয়ে গঠিত।
​- এটি সদস্য দেশগুলোর সম্মিলিত প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করে।
​- এই চুক্তি জাতিসংঘ সনদের ৫১ নম্বর অনুচ্ছেদ থেকে ক্ষমতা গ্রহণ করে, যেখানে স্বাধীন রাষ্ট্রগুলোর স্ব-রক্ষা বা সম্মিলিত প্রতিরক্ষার অধিকার পুনরায় নিশ্চিত করা হয়েছে।
​- চুক্তির মূল ভিত্তি হলো সম্মিলিত প্রতিরক্ষা, যা অনুচ্ছেদ ৫-এ উল্লেখিত।
​- বর্তমানে NATO-তে ৩২টি সদস্য দেশ রয়েছে (সর্বশেষ সুইডেন)।
​- এর সদর দপ্তর ব্রাসেলস, বেলজিয়ামে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র: NATO ওয়েবসাইট।

৯৮.
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষার জন্য বর্তমানে কয়টি মিশন চলমান রয়েছে?
  1. ক) ৮
  2. খ) ১১
  3. গ) ১৩
  4. ঘ) ১৪
  5. ঙ) ১৫
সঠিক উত্তর:
গ) ১৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৩
ব্যাখ্যা
The first UN peacekeeping mission was established in May 1948, when the UN Security Council authorized the deployment of a small number of UN military observers to the Middle East to form the United Nations Truce Supervision Organization (UNTSO) to monitor the Armistice Agreement between Israel and its Arab neighbours.
Over the past 70 years, more than 1 million men and women have served under the UN flag in more than 70 UN peacekeeping operations. More than 100,000 military, police and civilian personnel from 125 countries currently serve in 13 peacekeeping operations.
Source: UNpeacekeeping.org
৯৯.
নিম্নলিখিত কোন দেশ NPT চুক্তিতে কখনও স্বাক্ষর করেনি? [আগস্ট,২০২৫]
  1. জাপান
  2. ভারত
  3. জার্মানি
  4. ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত
ব্যাখ্যা
- ভারত NPT চুক্তিতে কখনও স্বাক্ষর করেনি।

• NPT চুক্তি (Nuclear Non-Proliferation Treaty):

- চুক্তির পূর্ণ নাম: Treaty on the Non-Proliferation of Nuclear Weapons (NPT).
- বাংলায়: পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।

• চুক্তির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
- পরমাণু অস্ত্রের বিস্তার রোধ করা।
- পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ (nuclear disarmament) নিশ্চিত করা।
- খসড়া গৃহীত: ১ জুলাই ১৯৬৮।
- কার্যকর: ৫ মার্চ ১৯৭০।
- প্রাথমিক পৃষ্ঠপোষক দেশ: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সোভিয়েত ইউনিয়ন (বর্তমানে রাশিয়া)।
- নজরদারি সংস্থা: IAEA (International Atomic Energy Agency).
- বর্তমানে প্রায় ১৯১টি দেশ এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে।
- ভারত, পাকিস্তান, ইসরায়েল – চুক্তিতে কখনও স্বাক্ষর করেনি।
- উত্তর কোরিয়া – ২০০৩ সালে NPT থেকে বেরিয়ে যায়।

• চুক্তির মেয়াদ:
- প্রথমে এটি ২৫ বছরের জন্য কার্যকর ছিল।
- পরে, ১৯৯৫ সালে এটি অনির্দিষ্টকালের জন্য সম্প্রসারিত করা হয়।

উৎস: জাতিসংঘ [Link]
১০০.
কোনো সমস্যা সমাধানে সুশীল সমাজের উদ্যোগকে কী ধরনের কূটনীতি বলা হয়?
  1. ট্র্যাক থ্রি কূটনীতি
  2. পাবলিক কূটনীতি
  3. ট্র্যাক টু কূটনীতি
  4. মাল্টি ট্র্যাক কূটনীতি
সঠিক উত্তর:
ট্র্যাক টু কূটনীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্র্যাক টু কূটনীতি
ব্যাখ্যা
ট্র্যাক টু কূটনীতি:

• কূটনীতি শব্দটি ফরাসি ভাষার।
• ট্র্যাক টু কূটনীতি বলতে বোঝায় একদেশের সুশীল সমাজ বা মিডিয়া তথা কোনো সমস্যা সমাধানে প্রভাব ফেলে তাকে। 
• ট্র্যাক টু কূটনীতির ধারণাটি ১৯৭০ দশকে উদ্ভূত হয়েছিল। 
• ১৯৮১ সালে ফরেন পলিসির সহ-লেখক উইলিয়াম ডি. ডেভিডসন এবং জোসেফ ভি. মন্টভিল সর্ব প্রথম এই শব্দটি ব্যবহার করেন।
• ট্র্যাক II কূটনীতিকে "ব্যাকচ্যানেল কূটনীতি ও বলা হয়ে থাকে।
বিশ্বের যে কোনো বিবাদ মীমাংসায় সুশীল সমাজের উদ্যোগকে ট্র্যাক টু কূটনীতি বলা হয়।
• যেমন- রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশ সরকারের ট্রাক টু ডিপ্লোমেসি গ্রহন।
• কোন সরকারের পক্ষে বা সরকারের জন্য অন্যদেশের নীতি নির্ধারণের উপর দাতা গোষ্ঠির প্রভাবকে ট্র্যাক থ্রি কূটনীতি বলে।
• পাবলিক কূটনীতি , বিদেশি জনসাধারণের সাথে সরাসরি যোগাযোগের লক্ষ্যে বিভিন্ন সরকার-স্পন্সরকৃত প্রচেষ্টা।
• একইসাথে বিভিন্নমুখী কূটনৈতিক উদ্যোগকে বিভিন্ন ট্র্যাকে একই সঙ্গে চালিয়ে যাওয়া হয়, তাকে মাল্টিট্যাক কূটনীতি বলে

উৎস: ব্রিটানিকা, mecouncil.org & ডেইলি স্টার পত্রিকা রিপোর্ট।