• লিঙ্গান্তর:
- যেসব শব্দে পুরুষ বা স্ত্রীবাচক কোনো নির্দিষ্টতা থাকে না, বরং পুরুষ ও নারী উভয়কে বোঝায়, অথবা যা জড় পদার্থ বা ধারণা নির্দেশ করে, তাদের লিঙ্গান্তর হয় না।
- এগুলো নিত্য উভয়লিঙ্গ হিসেবে গণ্য হয়।
- এর মধ্যে রয়েছে এমন পেশা, পদবী, সাধারণ নাম বা জড় বস্তু যা পুরুষ ও নারী উভয়েই বোঝাতে পারে।
- উদাহরণস্বরূপ, কর্মচারী, ঢাকী, মহকুমা- একটি পেশা বা পদ যা নারী ও পুরুষ উভয়ই পালন করতে পারে।
- প্রথাগত ব্যাকরণে এর কোনো আলাদা স্ত্রীবাচক রূপ নেই, তাই এটি নিত্য উভয়লিঙ্গ শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- লিঙ্গান্তরহীন কিছু নির্দিষ্ট পদবী ও সম্পর্ক নিম্মরুপ, যেমন:
• কবিরাজ, যোদ্ধা, ডাক্তার, শিক্ষক, পুলিশ, মন্ত্রী, কবি, শিল্পী, বিচারপতি, মহকুমা, শাসক, কর্মচারী, ঢাকী, কৃতদার, অকৃতদার, পুরোহিত, কেরানি, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, সরকার, পীর, দরবেশ, মওলানা, সেনাপতি, দলপতি, জ্বীন, জামাতা ইত্যাদি।
উল্লেখ্য,
• কিছু অপ্রাণীবাচক বা জড় বস্তুবাচক বিশেষ্যও লিঙ্গান্তরহীন,যেমন-
- দেশ, নদী, পর্বত, সূর্য, চাঁদ, বই, কলম, টেবিল, চেয়ার, আকাশ, বাতাস, জল, খাদ্য, ফল, ফুল, গাছ, বাড়ি, শহর, গ্রাম।
• একইভাবে, অব্যয় (যেমন: আর, ও, এবং, কিন্তু, যদি, তবে, সুতরাং, অতএব, নিচে, উপরে, কাছে, দূরে);
- এবং সর্বনাম (আমি, তুমি, সে, তিনি, যিনি, যে, যা, এরা, ওরা) ও লিঙ্গহীন।
উৎস:
বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, ৯ম-১০ম শ্রেণি (২০১৮ সালের সংস্করণ);
বাংলা দ্বিতীয় পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।