বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Code of Civil Procedure, 1908

মোট প্রশ্ন২,৯৯৩এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Code of Civil Procedure, 1908

PrepBank · পাতা / ৩০ · ৭০১৮০০ / ২,৯৯৩

৭০১.
আদালত কখন মোকদ্দমার বিষয়বস্তু পরিদর্শনের আদেশ দিতে পারেন?
  1. স্ব-উদ্যোগে
  2. শুধুমাত্র বিবাদীর অনুরোধে
  3. শুধুমাত্র বাদীর অনুরোধে
  4. যেকোনো পক্ষের আবেদনক্রমে
সঠিক উত্তর:
যেকোনো পক্ষের আবেদনক্রমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেকোনো পক্ষের আবেদনক্রমে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৯ বিধি ৭: মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর আটক, সংরক্ষণ, পরিদর্শন ইত্যাদি:
১) মোকদ্দমার কোনো পক্ষের আবেদনক্রমে এবং আদালতের বিবেচনায় উপযুক্ত শর্ত সাপেক্ষে, আদালত—

ক) যে সম্পত্তি কোনো মোকদ্দমার বিষয়বস্তু বা যা সম্পর্কে কোনো প্রশ্ন উত্থাপিত হতে পারে, তা আটক, সংরক্ষণ বা পরিদর্শনের আদেশ দিতে পারেন;
খ) উপরোক্ত যাবতীয় বা যেকোনো উদ্দেশ্য কোনো ব্যক্তিকে উক্ত মোকদ্দমার অপর কোনো পক্ষের দখলকৃত কোনো জমিতে বা দালানে প্রবেশ করার ক্ষমতা দান; এবং
গ) উপরোক্ত যাবতীয় বা যেকোনো উদ্দেশ্যে কোনো নমুনা সংগ্রহের বা কোনো পর্যবেক্ষণ করার বা পরীক্ষা করার জন্য, যা পূর্ণ তথ্য বা প্রমাণ লাভের উদ্দেশ্যে দরকারি বা সুবিধাজনক মনে হতে পারে, কোনো ব্যক্তিকে ক্ষমতা দান করতে পারেন।

২) পরোয়ানা জারি সংক্রান্ত বিধানসমূহ অত্র বিধি অনুসারে প্রবেশের ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাধনপূর্বক প্রযোজ্য হবে।
৭০২.
শুনানীর জন্য নির্ধারিত দিনে বাদী অনুপস্থিত থাকার কারণে আদালত মোকদ্দমাটি খারিজ করে দেয়। বাদী উক্ত খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে খারিজ আদেশটি বাতিলের আবেদন করে। আদালত আবেদনটি প্রত্যাখ্যান করে। এই ক্ষেত্রে বাদী নিম্মলিখিত কোন পদক্ষেপ নিতে পারে?
  1. আপীল
  2. রিভিশন
  3. রিভিউ
  4. কোনটি না
সঠিক উত্তর:
আপীল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপীল
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৩ আদেশ ১ বিধি অনুযায়ী; আদেশ ৯ এর ৯ বিধির অধীন যদি আপীলযোগ্য মোকদ্দমায়, মোকদ্দমা খারিজ আদেশ বাতিলের আবেদন করা হলে এবং আদালত উক্ত আবেদন প্রত্যাখ্যান করে আদেশ প্রদান করলে, উক্ত প্রত্যাখ্যান আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে।
৭০৩.
জারির জন্য মৌখিক আবেদন কখন করা যায়?
  1. সকল ধরণের মোকদ্দমার ক্ষেত্রে
  2. দাম্পত্য পুনরুদ্ধারের মোকদ্দমার ক্ষেত্রে
  3. মানি মোকদ্দমার (money suit) ক্ষেত্রে
  4. চুক্তি প্রবলের মোকদ্দমার ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
মানি মোকদ্দমার (money suit) ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানি মোকদ্দমার (money suit) ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
♦ আদেশ ২১ বিধি-১১ তে মৌখিক আবেদন (Oral application): অর্থ পরিশোধের ডিক্রি হলে ডিক্রি প্রদানের সময়েই ডিক্রিদারের মৌখিক আবেদনক্রমে ডিক্রি দায়িক আদালত প্রাঙ্গনে উপস্থিত আদালত তাকে গ্রেফতারের মাধ্যমে তৎক্ষনাৎ ডিক্রি জারির আদেশ দিতে পারবেন।

♦ ডিক্রি জারির জন্য প্রত্যেকটি আবেদনপত্র লিখিত হতে হবে এবং আবেদনকারী বা মোকদ্দমার ঘটনাবলীর সাথে পরিচিত অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক স্বাক্ষরিত এবং সত্যতা প্রতিপাদনকৃত হতে হবে।

♦ অর্থাৎ Money suit হলে এবং রায় ঘোষণার দিন বিবাদী উপস্থিত থাকলে বাদী মৌখিক আবেদন করবেন।
৭০৪.
মোকদ্দমা খারিজের আদেশের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক?
  1. সবসময় আপীলযোগ্য
  2. সকল ক্ষেত্রে আপীলঅযোগ্য
  3. আপীলযোগ্যতা বাদীর ইচ্ছার উপর নির্ভর করে
  4. আপীলযোগ্য বা আপীলঅযোগ্য উভয় হতে পারে
সঠিক উত্তর:
আপীলযোগ্য বা আপীলঅযোগ্য উভয় হতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপীলযোগ্য বা আপীলঅযোগ্য উভয় হতে পারে
ব্যাখ্যা
মোকদ্দমা খারিজ:
মোকদ্দমা খারিজ হলো একটি আদেশ। এটা আপীলযোগ্য হতে পারে আবার নাও হতে পারে। মোকদ্দমা খারিজের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে কি যাবে না তা নির্ভর করে, নির্দিষ্ট কোন বিধিতে মোকদ্দমা খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করার বিধান করা হয়েছে কিনা।

যেমন- ৯ আদেশের অধীন মোকদ্দমা খারিজ করা হলে, তার বিরুদ্ধে আপীল করা যায় না কারণ এই ক্ষেত্রে আপীলের বিধান দেওয়ানী কার্যবিধিতে উল্লেখ করা হয়নি। কিন্তু ১১ আদেশের ২১ বিধির অধীন মোকদ্দমা খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে কারণ ৪৩ আদেশের ১(চ) বিধি অনুযায়ী, ১১ আদেশের ২১ বিধির অধীন আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দিলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়।
৭০৫.
দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারা অনুসারে পদাধিকারবলে কৃত কাজের জন্য সরকারি কর্মকর্তা গ্রেফতার ও ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি পাবেন?
  1. ৭৯
  2. ৮০
  3. ৮১
  4. ৮২
সঠিক উত্তর:
৮১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮১
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ৮১ ধারার বিধান: গ্রেফতার ও ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যহতি: পদাধিকারবলে কৃত কোন কাজের জন্য সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করা হলে-তাকে ডিক্রি জারি ব্যতীত গ্রেফতার করা বা তার সম্পত্তি ক্রোক করা যাবে না। আদালত তাকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে রেহাই দিতে পারে।
-----------
CPC Section 81. Exemption from arrest and personal appearance.
In a suit instituted against a public officer in respect of any act purporting to be done by him in his official capacity- 
(a) the defendant shall not be liable to arrest nor his property to attachment otherwise than in execution of a decree, and, 
(b) where the Court is satisfied that the defendant cannot absent himself from his duty without detriment to the public service, it shall exempt him from appearing in person.
৭০৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯গ ধারায় কী উল্লেখ আছে?
  1. Mediation
  2. Mediation in Appeal
  3. Arbitration
  4. Special provisions for mediation
সঠিক উত্তর:
Mediation in Appeal
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mediation in Appeal
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯গ ধারার বিধান আপিলে মধ্যস্থতা (Mediation in Appeal): যদি আদেশ ৪১ এর অধীনে মূল ডিক্রি হতে কোন আপিল দায়ের হয় এবং যদি একই পক্ষগণের বা মূল পক্ষগণের স্থলাভিষিক্ত পক্ষগণের মধ্যে উক্ত আপিল দায়ের হয়ে থাকে, তাহলে আপিল আদালত উক্ত আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করবে অথবা আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করবে। এরূপ মধ্যস্থতার ক্ষেত্রে আপিল আদালত প্রয়োজনীয় মনে করলে যতদূর সম্ভব ৮৯ক ধারার বিধানসমূহকে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন (Mutatis Mutandis) সাপেক্ষে অনুসরণ করবে।
----------
⇒  Section 89C Mediation in Appeal: (1) An Appellate Court shall mediate in an appeal or refer the appeal for mediation in order to settle the dispute or disputes in that appeal, if the appeal is an appeal from the original decree under Order XLI, and is between the same parties who contested in the original suit or the parties who have been substituted for the original contesting parties. 
(2) In mediation under sub-section (1), the provisions of section 89A shall be followed with necessary changes (mutatis mutandis) as may be expedient.
৭০৭.
কোন আদালতে রেফারেন্স (reference) প্রেরণ করা যায়?
  1. জেলা জজ আদালতে
  2. আপিল বিভাগে
  3. হাইকোর্টে
  4. কোনটিই নয়।
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্টে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্টে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৩ ধারায় রেফারেন্সের (Reference) বিধান রয়েছে। ১১৩ ধারার বিধান অনুযায়ী যে কোন আদালত কোন মামলা হাইকোর্ট বিভাগের অভিমত গ্রহণের জন্য প্রেরণ করতে পারেন এবং হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত মামলা সম্পর্কে উপযুক্ত আদেশ প্রদান করতে পারবেন।

দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৬ নং আদেশে রেফারেন্স সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে যা নিম্নরূপ-
- ৪৬ নং আদেশের ১ নং বিধি অনুযায়ী আপিল-অযোগ্য ডিক্রির মামলার বিচার পর্যায়ে বা আপিলে অথবা উক্ত ডিক্রি জারি করার সময়, আইন বা আইনের ন্যায় বলবৎ কোন রীতি সম্পর্কিত প্রশ্নের সৃষ্টি হলে, উক্ত মামলার বিচারকারী আদালত বা আপিল আদালত অথবা ডিক্রি জারিকারক আদালত, স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে (own motion) বা কোন পক্ষের আবেদনক্রমে মামলাটি হাইকোর্ট বিভাগের সিদ্ধান্তের জন্য হাইকোর্টে প্রেরণ করতে পারে।

- রেফারেন্স প্রেরণকারী আদালত রেফারেন্স প্রেরণ করা সত্ত্বেও মামলার কার্যক্রমে অগ্রসর হতে পারে কিংবা কার্যক্রম স্থগিত রাখতে পারে এবং হাইকোর্ট বিভাগ প্রেরিত সিদ্ধান্তের আলোকে ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করতে পারেন।

- ৪৬ নং আদেশের ৫ নং বিধি অনুযায়ী অধীনস্ত যে আদালত হাইকোর্টে রেফারেন্সের জন্য কোন বিষয় পাঠাবে, সেই বিষয়ে উক্ত আদালত কর্তৃক দেওয়া ডিক্রি/আদেশ হাইকোর্ট বিভাগ পরিবর্তন বা বাতিল করতে পারবে অথবা যে কোন উপযুক্ত আদেশ প্রদান করতে পারে।
- অর্থাৎ Reference কোর্ট হিসেবে হাইকোর্ট তার অধস্তন আদালতের রায় বা ডিক্রি পরিবর্তন করতে পারে।

- ৪৬ নং আদেশের ৬ নং বিধিতে ক্ষুদ্র বিষয়ক এখতিয়ার সম্পর্কিত প্রশ্ন হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করার বিধান রয়েছে। ৬ নং বিধি অনুযায়ী যেক্ষেত্রে মামলা ক্ষুদ্র বিষয়ক আদালতে বিচারার্থে গ্রহণযোগ্য বা অগ্রহণযোগ্য কিনা সে বিষয়ে সন্দেহ থাকে, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালত মামলার প্রকৃতি সম্পর্কে উক্ত সন্দেহের কারণ সম্বলিত একটি বিবৃতিসহ হাইকোর্ট বিভাগে একটি নথি দাখিল করতে পারে।
৭০৮.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৪৯ ধারা অনুযায়ী ডিক্রির অধিকারী যদি তার ডিক্রি অন্যের কাছে হস্তান্তর করে, তবে নতুন অধিকারী কীভাবে ডিক্রি গ্রহণ করবে?
  1. সম্পূর্ণ নতুন শর্তে
  2. কেবলমাত্র বিবাদীর সম্মতির ভিত্তিতে
  3. কেবল আদালতের অনুমোদন পেলে
  4. পূর্ববর্তী ডিক্রি-ধারীর সমস্ত শর্ত মেনে
সঠিক উত্তর:
পূর্ববর্তী ডিক্রি-ধারীর সমস্ত শর্ত মেনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ববর্তী ডিক্রি-ধারীর সমস্ত শর্ত মেনে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৪৯ ধারা অনুসারে, যদি কোনো ডিক্রি হস্তান্তর করা হয়, তবে নতুন ডিক্রি-ধারী (transferee) পুরাতন ডিক্রি-ধারীর সমস্ত শর্ত ও বাধ্যবাধকতা মেনে ডিক্রিটি গ্রহণ করবে। অর্থাৎ, নতুন অধিকারী কোনো অতিরিক্ত সুবিধা বা পরিবর্তিত শর্তের দাবি করতে পারবে না।
এছাড়া, বিবাদী (judgment-debtor) পূর্ববর্তী ডিক্রি-ধারীর বিরুদ্ধে যে প্রতিরক্ষা (defense) গ্রহণ করতে পারত, সেটিই নতুন ডিক্রি-ধারীর বিরুদ্ধেও প্রয়োগ করতে পারবে। অর্থাৎ, নতুন ডিক্রি-ধারী আগের শর্তের বাইরের কোনো সুবিধা দাবি করতে পারবেন না।

ডিক্রি হস্তান্তরের ফলে নতুন অধিকারী পূর্ববর্তী অধিকারীর মতোই ডিক্রিটি কার্যকর করতে পারবে, তবে নতুন শর্ত আরোপ করতে পারবে না। তাই সঠিক উত্তর হলো "ঘ) পূর্ববর্তী ডিক্রি-ধারীর সমস্ত শর্ত মেনে"।
------
→ The Code of Civil Procedure, 1908- Section-49. Transferee: 
 Every transferee of a decree shall hold the same subject to the equities (if any) which the judgment-debtor might have enforced against the original decree-holder.
৭০৯.
প্লিডিং থেকে বিচ্যুতি [Departure from pleading]বা প্লিডিংস এ পরিবর্তন-
  1. করা যাবে না
  2. আদালত অনুমতি ছাড়া করা যাবে
  3. সংশোধন আকারে করা যেতে পারে
  4. ওপরের কোনটি না
সঠিক উত্তর:
সংশোধন আকারে করা যেতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংশোধন আকারে করা যেতে পারে
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৬ বিধি ৭ অনুযায়ী সাধারণত সংশোধন ছাড়া প্লিডিংস থেকে বিচ্যুতি [Departure from pleading] বা প্লিডিংস এ পরিবর্তন করা অনুমদিত না। কোন পক্ষ প্লিডিংসে দাবীর এমন কোন নতুন ভিত্তি উপস্থাপন করতে পারে না বা কোন নতুন অজুহাত উপস্থাপন করতে পারে না যা তার পূর্বে দায়েরকৃত প্লিডিংসের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। শুধু নতুন দাবির ভিত্তি উপস্থাপন সংশোধনীর মাধ্যমে করা যাবে।
৭১০.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন ধারায় “General power to amend” এর বিধান আছে?
  1. ১৫১ ধারা
  2. ১৫২ ধারা
  3. ১৫৩ ধারা
  4. ১৫৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৫৩ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৩ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫৩ ধারা-তে আদালতের জন্য "General power to amend" বা "সাধারণ সংশোধনের ক্ষমতা" প্রদান করা হয়েছে।
- এই ধারায় বলা হয়েছে, আদালত যেকোনো সময় এবং উপযুক্ত শর্তে, মোকদ্দমার কার্যক্রমে যেকোনো ভুল বা ত্রুটি সংশোধন করতে পারবে, যাতে মামলার প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করা যায়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫৩ ধারার বিধান সংশোধন করার সাধারণ ক্ষমতা: আদালত যে - কোন সময় এবং খরচ সম্পর্কে উপযুক্ত যেকোন শর্ত দিয়ে সংশোধন করতে পারেন, এবং প্রয়োজনীয় যাবতীয় কোন মোকদ্দমার কার্যক্রম সংক্রান্ত যেকোন ভুল ত্রুটি সংশোধন মোকদ্দমার সংশ্লিষ্ট প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারনের উদ্দেশ্যে করা হবে।
- অর্থাৎ আদালত যেকোনো সময় (At any stage), যেকোনো শর্তে, প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারণের উদ্দেশ্যে, কোন মোকদ্দমার কার্যক্রম সংক্রান্ত যে কোন ভুলত্রুটি সংশোধন করতে পারেন।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section: 153. General power to amend:
The Court may at any time, and on such terms as to costs or otherwise as it thinks fit, amend any defect or error in any proceeding in a suit; and all necessary amendments shall be made for the purpose of determining the real question or issue raised by or depending on such proceeding.
৭১১.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী, সহকারী জজের আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন কে নিষ্পত্তি করেন?
  1. জেলা জজ
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. যুগ্ম জেলা জজ
  4. সিনিয়র সহকারী জজ
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১১৫ অনুযায়ী, যদি কোন আদেশ যেটির বিরুদ্ধে আপিলের বিধান না থাকে, সেটি সহকারী জজ, সিনিয়র সহকারী জজ বা যুগ্ম জেলা জজ কর্তৃক প্রদান করা হয়, তখন সেই আদেশ সংশোধনের জন্য রিভিশন আবেদন জেলা জজ আদালতে করা হয়। জেলা জজ সেই আদেশের নথি তলব করে, ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা ও আইনগত ভুল থাকলে আদেশ সংশোধন করে। তাই সহকারী জজের আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন নিষ্পত্তির দায়িত্ব জেলা জজের।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১১৫(২) এ উল্লেখ আছে যে, যদি কোনো যুগ্ম জেলা জজ, সিনিয়র সহকারী জজ, বা সহকারী জজ কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ বা ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিলের বিধান না থাকে, তবে সংক্ষুব্ধ পক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে জেলা জজ আদালত মোকদ্দমার নথি তলব করতে পারে।
- জেলা জজ আদালত এই আদেশ বা ডিক্রিতে আইনগত ভ্রান্তি বা এখতিয়ারের অপব্যবহার পরীক্ষা করে এবং ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা অবসান করতে প্রয়োজনীয় আদেশ বা সংশোধন করতে পারে।
- তবে, ধারা ১১৫(৩) অনুসারে, জেলা জজ রিভিশন মোকদ্দমা অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতে হস্তান্তর করতে পারেন, এবং তখন অতিরিক্ত জেলা জজের জেলা জজের মতো একই ক্ষমতা থাকবে।
- যদি জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজের রিভিশন আদেশে আইনগত ভ্রান্তি থাকে, তবে ধারা ১১৫(৪) অনুসারে সংক্ষুব্ধ পক্ষ হাইকোর্ট বিভাগে পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করতে পারে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা-১১৫ এর বিধান রিভিশন।
১) কোন মোকদ্দমায় কিংবা কর্মপ্রক্রিয়ায় জেলা জজ আদালত বা অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত কর্তৃক ডিক্রি বা আদেশ প্রদত্ত হলে, বা যুগ্ম জেলা জজ, সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক ডিক্রি প্রদত্ত হলে, যার বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা চলে না; সংক্ষুব্ধ পক্ষের আবেদনে হাইকোর্ট ডিভিশন তার নথি তলব করতে পারবেন; এবং ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা সমাপণ করিয়ে এই ডিক্রি বা আদেশে উক্ত আদালত আইনে ভ্রান্তি করেছে মর্মে দৃষ্টমান হলে হাইকোর্ট ডিভিশন এই ডিক্রি বা আদেশ সংশোধন করতে পারবেন, কিংবা তা যেরূপ যথার্থভাবে মোকদ্দমা কিংবা কর্মপ্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।
২) যে আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায় না, কোন যুগ্ম জেলা জজ আদালত, সিনিয়র সহকারী জজ আদালত বা সহকারী জজ আদালত উক্তরূপ কোন আদেশ প্রদান করলে সংক্ষুব্ধ পক্ষের দরখাস্তের প্রেক্ষিতে জেলা জজ আদালত এই মোকদ্দমা বা কর্মপ্রক্রিয়ায় নথি তলব করতে পারবেন; এবং ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা অবসান করিয়ে এই আদেশে উক্ত আদালত আইনে ভ্রান্তি করেছে মর্মে দৃষ্টমান হলে জেলা জজ আদালত উক্ত আদেশ সংশোধন করতে পারবে এবং তা যেরূপ যথার্থভাবে মোকদ্দমা কিংবা কর্মপ্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।
৩) জেলা জজ রিভিশন মোকদ্দমা হস্তান্তর করলে উপ-ধারা (২) এর অধীনে জেলা জজের সকল সর্বময় ক্ষমতা অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতে থাকবে।
৪) ন্যায়বিচারের ব্যর্থতার অবসান করিয়ে ভুল সিদ্ধান্ত প্রদান করলে প্রয়োজনীয় আইনের প্রশ্নে ভুলের যেক্ষেত্রে হাইকোর্ট ডিভিশন রিভিশনের অনুমতির অনুমোদন দেয়, সেক্ষেত্রে উপ-ধারা (২) বা (৩) এর অধীনে প্রদানকৃত জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজের আদেশ পুনর্বিবেচনার উদ্দেশ্যে হাইকোর্ট ডিভিশনে আবেদন করা চলবে, এবং হাইকোর্ট ডিভিশন তা যেরূপ যথার্থভাবে মোকদ্দমা বা কর্মপ্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।
৫) এই ধারাটির প্রতিস্থাপনে যেটাই বর্ণিত থাকুক না কেন, ঐরূপ প্রতিস্থাপনের পূর্বে ১১৫নং ধারার অধীনে আরম্ভ হওয়া বা ঝুলন্ত থাকা কর্মপ্রক্রিয়া যেরূপে নিষ্পত্তি হবে যেন ১১৫নং ধারূ প্রতিস্থাপিত হয়নি।
৭১২.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১১ বিধি ১৭ অনুসারে, দলিল পরিদর্শনের নোটিশ প্রাপ্তির পর জবাবের নোটিশ কোন ফর্মে হতে হবে? 
  1. Appendix C-এর ফর্ম নম্বর ৭
  2. Appendix C-এর ফর্ম নম্বর ৮
  3. Appendix C-এর ফর্ম নম্বর ৯
  4. কোনো নির্দিষ্ট ফর্ম নেই
সঠিক উত্তর:
Appendix C-এর ফর্ম নম্বর ৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Appendix C-এর ফর্ম নম্বর ৮
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১১, বিধি ১৭-এর শেষাংশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে: "Such notice shall be in Form No. 8 in Appendix C, with such variations as circumstances may require."
অর্থাৎ, দলিল পরিদর্শনের জন্য প্রাপ্ত নোটিশের জবাব Appendix C-এর ফর্ম নম্বর ৮ অনুযায়ী দিতে হবে (পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাপেক্ষে)।
সুতরাং, আদেশ ১১, বিধি ১৭ অনুসারে দলিল পরিদর্শনের নোটিশ প্রাপ্তির পর জবাবের নোটিশ Appendix C-এর ফর্ম নম্বর ৮-এ হতে হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ১১ বিধি ১৭: পরিদর্শনের সময় যখন নোটিশ দেওয়া হয়: যে পক্ষকে এরূপ নোটিশ দেওয়া হয়েছে, সে নোটিশ প্রাপ্তির তারিখ থেকে দশ দিনের মধ্যে নোটিশ প্রদানকারী পক্ষকে একটি নোটিশ প্রদান করবে। এই নোটিশে একটি সময় উল্লেখ করতে হবে (নোটিশ প্রদানের তারিখ থেকে তিন দিনের মধ্যে), যে সময়ে দলিলগুলি তার উকিলের অফিসে পরিদর্শনের জন্য উপলব্ধ হবে। তবে ব্যাংকের বই, হিসাবের অন্যান্য বই বা ব্যবসায়িক কাজে নিয়মিত ব্যবহার্য বইগুলির ক্ষেত্রে সেগুলি তাদের সাধারণ সংরক্ষণস্থলে পরিদর্শন করতে হবে। এছাড়া, নোটিশে উল্লেখ করতে হবে যে কোন দলিলগুলি (যদি থাকে) উপস্থাপনে তিনি আপত্তি করছেন এবং কী কারণে আপত্তি করছেন। এই নোটিশ Appendix C-এর ফর্ম নম্বর ৮ অনুযায়ী হবে, তবে পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাপেক্ষে।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order 11 Rule-17. Time for inspection when notice given: 
The party to whom such notice is given shall, within ten days from the receipt of such notice, deliver to the party giving the same a notice stating a time within three days from the delivery thereof at which the documents, or such of them as he does not object to produce, may be inspected at the office of his pleader, or in the case of bankers' books or other books of account or books in constant use for the purposes of any trade or business, at their usual place of custody, and stating which (if any) of the documents he objects to produce, and on what ground. Such notice shall be in Form No. 8 in Appendix C, with such variations as circumstances may require.

৭১৩.
'আদেশ ২২ এর অধীনে খারিজকৃত মোকদ্দমা একই কার্যকারণে নতুন করে রুজু করা যাবে না।'- কোন বিধিতে বলা আছে?
  1. আদেশ ২২ বিধি ৭
  2. আদেশ ২২ বিধি ৮
  3. আদেশ ২২ বিধি ৯
  4. আদেশ ২২ বিধি ১০
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২২ বিধি ৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২২ বিধি ৯
ব্যাখ্যা

আদেশ ২২ বিধি ৯- বিলুপ্তি কিংবা খারিজের ফলাফল:
১) যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমা এই আদেশের অধীনে বিলুপ্তি বা খারিজ হয় সেক্ষেত্রে মোকদ্দমার একই কার্যকারণে নতুন কোন মোকদ্দমা রুজু করা যাবে না।

২) বাদি কিংবা মৃত বাদির বৈধ প্রতিনিধি হিসাবে দাবীদার ব্যক্তি বা অসচ্ছলতা বাদির ক্ষেত্রে বা রিসিভার বিলুপ্ত বা খারিজ রদ করার আদেশের জন্য আবেদন করতে পারে এবং যদি এটি প্রমাণিত হয় যে, সে মোকদ্দমা পরিচালনা পর্যাপ্ত কারণে বাধাপ্রাপ্ত হয়েছিল তবে আদালত মোকদ্দমার খরচাদি সম্পর্কে তার বিবেচনায় এরূপ শর্তাধীনে বা অন্য কোনভাবে বিলুপ্ত বা খারিজ রদ করবে।

৩) উপবিধি (২) এর অধীনে আবেদন পত্রের ক্ষেত্রে ১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ৪ এবং ৫ ধারার বিধানাবলী প্রযোজ্য হবে।

৭১৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা পরিবর্তন করিতে পারেন কে?
  1. সুপ্রিম কোর্টের আপীল বিভাগ
  2.  জাতীয় সংসদ
  3. সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ
  4.  কোনটাই নয়
সঠিক উত্তর:
 জাতীয় সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ধারাসমূহ শুধুমাত্র জাতীয় সংসদ সংশোধন করতে পারে।  প্রথম তফসিলে উল্লেখিত আদেশ এবং বিধিসমূহ সংসদ এবং সুপ্রীম কোর্ট উভয় সংশোধন করতে পারে।  বাংলাদেশ সংবিধানের ৬৫ (১) অনুচ্ছেদ অনুসারে সংসদ সকল আইন প্রণয়ন ও সংশোধনের ক্ষমতা রাখে।

 ♦অন্যদিকে দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ১২২ ধারা অনুসারে, সুপ্রীম কোর্ট দেওয়ানী কার্যবিধির বিধি প্রণয়নসহ বিধিসমূহ বাতিল, পরিবর্তন বা সংযোজন করতে পারে। ১২২ ধারায় সুপ্রীম কোর্টকে দেওয়ানী কার্যবিধির বিধি প্রণয়ন ও সংশোধন করার ক্ষমতা দেওয়া হলেও, সংবিধানে জাতীয় সংসদকে আইন প্রণয়ন ও সংশোধন করার যে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে সেটাকে খর্ব করা হয়নি। কারণ সংবিধান হলো সর্বোচ্চ আইন। জাতীয় সংসদ যে দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন আদেশ ও বিধিসমূহ সংশোধন করতে পারে তার বড় উদাহরণ হলো ২০১২ সালে দেওয়ানী কার্যবিধির সংশোধন।
৭১৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪১ এর কত বিধির অধীন আপিল আদালত মোকদ্দমা পুনঃপ্রেরণ করতে পারে?
  1. বিধি-২৩
  2. বিধি-২৪
  3. বিধি-২৫
  4. বিধি-২৭
সঠিক উত্তর:
বিধি-২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি-২৩
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪১ বিধি-২৩: বিচারের নিমিত্তে আপিল আদালত কর্তৃক মোকদ্দমা পুনঃপ্রেরণ:
যেখানে আদালত, যার ডিক্রি বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা হয়েছে, মোকদ্দমা কোনো প্রাথমিক বিষয়ে নিষ্পত্তি করেছে এবং সেই ডিক্রি আপিলে রদ হয়েছে, সেখানে আপিল আদালত যদি উপযুক্ত মনে করে, মোকদ্দমাটি পুনঃপ্রেরণ (remand) করার আদেশ দিতে পারে।

এছাড়া, আপিল আদালত নির্দেশ দিতে পারে যে পুনঃপ্রেরিত মোকদ্দমায় কোন বিষয় বা বিষয়াবলী বিচার করতে হবে। আপিল আদালত তার রায় ও আদেশের একটি নকল সেই আদালতে পাঠাবে, যার ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা হয়েছে। মূল আদালত মূল নম্বরের অধীনে মোকদ্দমাটি পুনরায় রেজিস্টার করবে এবং বিচার চলমান অবস্থায় মোকদ্দমা নির্ধারণ করবে। মূল বিচারকালে লিপিবদ্ধ সাক্ষ্য (যদি থাকে), সমস্ত যৌক্তিক ব্যতিক্রম বিবেচনা করে, পুনঃপ্রেরণের পরের বিচারে গ্রহণযোগ্য হবে।

৭১৬.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী 'সত্যাখ্যান' কী?
  1. আদালতের নথির যাচাইকরণ
  2. মামলার পক্ষসমূহের সমঝোতা আদেশ
  3. মামলার পক্ষসমূহের দ্বারা উল্লেখিত বিষয়ের সত্যতা স্বীকার
  4. মামলার পক্ষসমূহের দ্বারা উল্লেখিত বিষয়ের সত্যতা অস্বীকার
সঠিক উত্তর:
মামলার পক্ষসমূহের দ্বারা উল্লেখিত বিষয়ের সত্যতা স্বীকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার পক্ষসমূহের দ্বারা উল্লেখিত বিষয়ের সত্যতা স্বীকার
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৬ এর বিধি ১৫ তে প্লিডিংস সত্যাখ্যান [Verification of Pleadings] নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে-

সত্যাখ্যান হলো মামলার পক্ষসমূহ যেমন আরজির ক্ষেত্রে বাদী এবং লিখিত জবাবের ক্ষেত্রে বিবাদী আরজি বা লিখিত জবাবে যে সকল বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে,তা তার জানা বলে স্বীকার করা। আরজির নিচে মোকদ্দমার বাদী এবং লিখিত জবাবের নিচে বিবাদী সত্যাখ্যান (সত্যতা প্রতিপাদন) করবে অথবা আদালত সন্তুষ্ট হলে,অন্য কোনো ব্যক্তি যে মোকদ্দমার বিষয় সম্পর্কে জানে,সে আরজি বা লিখিত জবাবে সত্যাখ্যান করতে পারে।

যে ব্যক্তি সত্যাখ্যান করছে সে সত্যতা প্রতিপাদন অংশে স্বাক্ষর করবে এবং যে দিন,যে স্থানে সত্যাখ্যান স্বাক্ষর করা হয়েছিল তা উল্লেখ করবে।
৭১৭.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order VIII, rule (1) অনুযায়ী বিবাদী প্রথম শুনানীর দিন জবাব দাখিল না করলে কত দিনের মধ্যে তা দাখিল করতে হবে?
  1. ষাট দিন
  2. তিন মাস
  3. দুই মাস
  4. নব্বই দিন
সঠিক উত্তর:
ষাট দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষাট দিন
ব্যাখ্যা
• বিবাদী আত্মপক্ষ সমর্থন করে আদালতে যে লিখিত বিবরণ দাখিল করে তাকে লিখিত জবাব বা Written Statement বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ নং আদেশে লিখিত জবাব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। লিখিত জবাবের সাধারন নিয়মাবলী ৮নং আদেশের ১ হতে ১০ বিধিতে আলোচনা করা হয়েছে।

আদেশ ৮ বিধি (১)-

১) ৮০ ধারার (২) উপধারা শর্তাংশে যেরূপ বিধান আছে, তা ব্যতীত বিবাদি তার উপর জারিকৃত সমনের তারিখ হতে ত্রিশ কার্য দিবসের মধ্যে আত্মপক্ষ সমর্থকপূর্বক একটি লিখিত জবাব পেশ করবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, যখন বিবাদী উক্ত ৩০ দিনের মধ্যে যুক্তি সংগত কারণ ব্যতীত লিখিত জবাব দিতে ব্যর্থ হবে তখন আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোন দিনে তা দাখিল করার অনুমতি প্রাপ্ত হবে এবং তার কারণ অবশ্যই লিপিবদ্ধ করতে হবে, কিন্তু তা কোন ক্রমেই সমন জারি হওয়ার ৬০ কার্যদিবস অতিক্রম করবে না। আরো শর্ত থাকে যে, যদি বিবাদি উক্ত ষাট কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিলে ব্যর্থ হলে, তবে আদালত এক তরফা মোকদ্দমার নিষ্পত্তি করবে।

২) যেক্ষেত্রে বিবাদি তার দখলীয় কিংবা ক্ষমতায় রক্ষিত দলিলসমূহের উপর তার আত্মপক্ষ সমর্থনের বা দাবী সমন্বয় করার দাবীর সমর্থনে সাক্ষ্য হিসাবে নির্ভর করেন, সেক্ষেত্রে তিনি লিখিত বিবৃতি পেশ করার সময় তা আদালতে উপস্থাপন করবে এবং তখনই দলিলসমূহ লিখিত বিবৃতির সাথে নথিভুক্ত করার জন্য দিবে ।

৩) শুনানির সময় বা আদালত তলব করলে তখনই দাখিল করার অঙ্গীকার প্রদান করে ঐ সকল দলিলের ফটোস্ট্যাট কিংবা উকিল কর্তৃক সত্যায়িত প্রতিলিপি প্রতিস্থাপিত হওয়ার পর প্রতিলিপি আদালতে দাখিল করলে আদালত এরূপ দলিলাদি ফেরত প্রদান করতে পারে।

৪) যেক্ষেত্রে বিবাদি তার আত্মপক্ষ সমর্থনে বা পাল্টা দাবীর অধিকার সমর্থনে তার দখলে ব ক্ষমতায় না থাকা অন্য প্রকার দলিলাদির উপর নির্ভর করে, সেক্ষেত্রে সে লিখিত বিবৃতির সঙ্গে সংযোজন কিংবা যুক্ত করার জন্য একটি তালিকায় অনুরূপ দলিলাদি অন্তর্ভুক্ত করবে এবং ঐ দলিলাদি কার দখলে বা ক্ষমতায় আছে তা বর্ণনা করবে।

৫) যে দলিল বিবাদি কর্তৃক লিখিত বিবৃতি দাখিলের সময় উপস্থাপন করা কোন তালিকায় লিপিবদ্ধ করে লিখিত বিবৃতির সাথে সংবর্ধিত কিংবা যুক্ত করা উচিত ছিল এবং যা তদনুসারে হাজির বা তালিকায় লিপিবদ্ধ করা হয়নি, তা আদালতের অনুমতি ব্যতিরেকে মোকদ্দমা শুনানিকালে তার অনুকূলে সাক্ষ্য হিসাবে গৃহীত হবে নাঃ তবে শর্ত থাকে যে, আদালত ব্যতিক্রমধর্মী অবস্থা ব্যতিরেকে উক্তরূপ অনুমতি প্রদান করবে না।

৬) বাদির সাক্ষীদের জেরা করার জন্য কিংবা বাদির মাধ্যমে উত্থাপিত কোন বিষয়ের জবাবে কিংবা কোন সাক্ষীর স্মৃতিশক্তি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য যে সকল দলিল তার হাতে দেয়া হয়, (৫) উপ-বিধির কোন বিধানই ঐ দলিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
৭১৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-৩০ কোন ধরনের ডিক্রি জারির বিধান বর্ণনা করে?
  1. নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি
  2. অর্থ পরিশোধের ডিক্রি
  3. সম্পত্তি দখলের ডিক্রি
  4. সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের ডিক্রি
সঠিক উত্তর:
অর্থ পরিশোধের ডিক্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থ পরিশোধের ডিক্রি
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২১, বিধি ৩০-এ অর্থ পরিশোধের ডিক্রি (Decree for payment of money) জারির বিধান বর্ণিত হয়েছে। এই বিধি অনুসারে, টাকা আদায়ের ডিক্রি জারির তিনটি পদ্ধতি রয়েছে:
১. দায়িককে দেওয়ানি কারাগারে আটক করা
২. দায়িকের সম্পত্তি ক্রোক ও নিলাম বিক্রয় করা
৩. উভয় পদ্ধতি একসাথে প্রয়োগ করা
- সুতরাং, আদেশ ২১, বিধি ৩০ শুধুমাত্র অর্থ পরিশোধের ডিক্রি জারির বিধান বর্ণনা করে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৩০ এর বিধান: অর্থ পরিশোধের ডিক্রি: বিকল্প প্রতিকার হিসেবে অর্থ পরিশোধের ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে প্রত্যেকটি ডিক্রি দায়িককে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে অথবা তার সম্পত্তি ক্রোক এবং নিলাম বিক্রয় করে অথবা উভয় প্রকারেই জারি করা যাবে।
---------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-21 Rule-30- Decree for payment of money:
Every decree for the payment of money, including a decree for the payment of money as the alternative to some other relief, may be executed by the detention in the civil prison of the judgment-debtor, or by the attachment and sale of his property, or by both.

৭১৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৮৯ক অনুযায়ী, সমঝোতা হলে আদালত কত দিনের মধ্যে ডিক্রি জারি করবে?
  1. ৩ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ১০ দিন
  4. ১৫ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯ক (Section 89A of the Code of Civil Procedure, 1908) অনুযায়ী, যদি মধ্যস্থতার মাধ্যমে পক্ষগণের মধ্যে সমঝোতা (settlement) হয়, তবে মধ্যস্থতা প্রতিবেদন আদালতে জমা দেওয়ার পর আদালতকে ৭ (সাত) দিনের মধ্যে একটি আদেশ বা ডিক্রি (order or decree) জারি করতে হবে।
এই ডিক্রি জারির পর এর বিরুদ্ধে আপিল, রিভিশন বা রিভিউ গ্রহণযোগ্য নয়—অর্থাৎ তা চূড়ান্ত ও বাধ্যতামূলক।
-  তাই সঠিক উত্তর: খ) ৭ দিন।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 section-89A (5) The Legal Aid Officer or mediator, as the case may be, shall, without violating the confidentiality of the parties to the mediation proceedings, submit to the court a report of result of the mediation proceedings; and if the result is of compromise of the dispute or disputes in the suit, the terms of such compromise shall be reduced into writing in the form of an agreement, bearing signatures or left thumb impressions of the parties as executants, and signatures of the pleaders, if any, and the Legal Aid Officer or mediator, as the case may be, as witnesses; and the Court shall, within seven days from receiving the said report, pass an order or a decree in accordance with relevant provisions of Order XXIII of the Code.
(6) When the Court itself mediates, it shall prepare a report and pass an order in the manner to that as stated in sub-section (5).
-----------------
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধিতে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির দুটি পন্থা বর্ণিত হয়েছে, যথা— (১) মধ্যস্থতা (Mediation) এবং (২) সালিশি (Arbitration)। দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক ধারায় মধ্যস্থতা সম্পর্কে বিস্তারিত বিধান প্রদান করা হয়েছে। এ ধারার অধীনে আদালত যদি পক্ষগণকে মধ্যস্থতার জন্য নির্দেশ দেয়, তবে আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে উভয় পক্ষ আদালতকে জানাবে তারা মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো মধ্যস্থতাকারী নিয়োগে ব্যর্থ হয়, তবে আদালত নিজে ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে। অর্থাৎ সর্বোচ্চ ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ সম্পন্ন করতে হবে। মধ্যস্থতার জন্য নির্ধারিত ফি সাধারণত পক্ষগণ নিজেরা নির্ধারণ করে; কিন্তু এতে তারা ব্যর্থ হলে আদালত মধ্যস্থতাকারীর পারিশ্রমিক নির্ধারণ করবে এবং তা পক্ষগণের জন্য বাধ্যতামূলক হবে।

⇒ মধ্যস্থতাকারীকে ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। তবে আদালত স্বপ্রণোদিতভাবে অথবা পক্ষগণের যৌথ আবেদনের ভিত্তিতে অতিরিক্ত ৩০ দিন সময় বাড়াতে পারে। অর্থাৎ সর্বাধিক ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা শেষ করতে হবে। যদি মধ্যস্থতার মাধ্যমে পক্ষগণের মধ্যে সমঝোতা হয়, তবে আদালত সমঝোতা প্রতিবেদন পাওয়ার ৭ দিনের মধ্যে একটি আদেশ বা ডিক্রি জারি করবেন। এই ডিক্রির বিরুদ্ধে কোনো আপিল, রিভিশন বা পুনর্বিবেচনার সুযোগ নেই। তবে উল্লেখযোগ্য যে, দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩-এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

⇒ অপরদিকে, দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯খ ধারায় সালিশি পদ্ধতির উল্লেখ রয়েছে। এই ধারার অধীনে আদালত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য বিষয়টি সালিশে প্রেরণের অনুমতি দিতে পারেন। এর জন্য মামলা চলাকালীন যেকোনো পর্যায়ে পক্ষগণ আদালতের কাছে সালিশে যাওয়ার জন্য আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করে মামলা তুলে নেওয়ার অনুমতি দেন। এরপর সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী বিরোধ নিষ্পত্তি করতে হয়। তবে যদি কোনো কারণে সালিশ অনুষ্ঠিত না হয় বা সালিশের রোয়েদাদ (Award) প্রদান না হয়, তাহলে পূর্বের মামলা নতুনভাবে আবার দায়ের করা যাবে।
৭২০.
মামলার বিষয়বস্তু যেখানে অবস্থিত, সেখানে মামলা দায়ের করতে হবে—এই বিধান দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ১৫ ধারায়
  2. ১৬ ধারায়
  3. ১৯ ধারায়
  4. ২০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৬ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ১৬ ধারা অনুযায়ী মোকদ্দমার বিষয়বস্তু যে আদালতের আঞ্চলিক সীমানার মধ্যে অবস্থিত সেই আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে। সাধারণত স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত মোকদ্দমা যেমন স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার, ভাগ বাটোয়ারা, স্থাবর সম্পত্তির বিনা সংক্রান্ত মামলা, সেই আদালতে দায়ের করাতে হবে, যেখানে উক্ত বিরোধীয় সম্পত্তি অবস্থিত।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৬ ধারার বিধান- বিষয়বস্তু যেখানে অবস্থিত, মামলা সেখানেই দায়ের করতে হবে:
- যে কোন আইনে নির্ধারিত আর্থিক বা অন্যান্য এখতিয়ার সাপেক্ষ -
ক) খাজনা বা মুনাফাসহ বা ব্যতীত স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য,
খ) স্থাবর সম্পত্তি বাটোয়ারা জন্য,
গ) স্থাবর সম্পত্তির বন্ধক বা দায় (charge) উদ্ধারের অধিকার, হরণ, বিক্রয় বা
ঘ) স্থাবর সম্পত্তির অন্য কোনো প্রকার অধিকার বা স্বার্থ নির্ণয়ের জন্য,
ঙ) স্থাবর সম্পত্তির অনিষ্টের জন্য ক্ষতিপূরণের দাবিতে,
চ) আটক বা ক্রোককৃত অস্থাবর সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য -

আনীত মামলাগুলি যে সকল আদালতের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি অবস্থিত, অথবা, ‘গ’ দফায় বর্ণিত মামলার ক্ষেত্রে যে স্থানে মামলার কারণ পূর্ণভাবে অথবা আংশিকভাবে উদ্ভব হয়, সেসব আদালতেই দায়ের করতে হবে:
তবে শর্ত থাকে যে, বিবাদী কর্তৃক বা তার পক্ষে দাখিলী কোন স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত প্রতিকার বা উহার অনিষ্টের জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা, প্রার্থতি প্রতিকার যদি সম্পূর্ণরূপে বিবাদির ব্যক্তিগতভাবে আনুগতভাবে আনুগত্যের ফলে লাভ করা যায়, তবে তাহলে যে আদালতের স্থানীয় সীমানার মধ্যে সম্পত্তি অবস্থিত, অথবা (ঙ) দফায় বর্ণিত ক্ষেত্রে যে স্থানে পূর্ণ বা আংশিকভাবে মামলার কারণ উদ্ভব হয়েছে অথবা যে আদালতের স্থানীয় সীমানার মধ্যে প্রকৃত পক্ষে এবং স্বেচ্ছায় বিবাদী বাস করে বা ব্যবসা-বাণিজ্য চালায় বা ব্যক্তিগতভাবে লাভের জন্য কর্ম করে সেই আদালতে দায়ের করা যাবে।
------------
→ The Code of Civil Procedure, 1908- Section-16. Suits to be instituted where subject-matter situate.
Subject to the pecuniary or other limitations prescribed by any law, suits- 
(a) for the recovery of immovable property with or without rent or profits, 
(b) for the partition of immovable property, 
(c) for foreclosure, sale or redemption in the case of a mortgage of or charge upon immovable property, 
(d) for the determination of any other right to or interest in immovable property, 
(e) for compensation for wrong to immovable property, 
(f) for the recovery of movable property actually under distraint or attachment, 
shall be instituted in the Court within the local limits of whose jurisdiction the property is situate, or, in the case of suits referred to in clause (c), at the place where the cause of action has wholly or partly arisen: 
Provided that a suit to obtain relief respecting, or compensation for wrong to, immovable property held by or on behalf of the defendant may, where the relief sought can be entirely obtained through his personal obedience, be instituted either in the Court within the local limits of whose jurisdiction the property is situate, or, in the case of suits referred to in clause (c), at the place where the cause of action has wholly or partly arisen, or in the Court within the local limits of whose jurisdiction the defendant actually and voluntarily resides, or carries on business, or personally works for gain. 
Explanation.-In this section "property' means property situate in Bangladesh.
৭২১.
লিখিত জবাব [written statement] কে সত্যাখ্যান [Verification] করবে?
  1. বাদী এবং বিবাদী
  2. বিবাদী
  3. আদালত
  4. বিবাদীর উকিল
সঠিক উত্তর:
বিবাদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদী
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৬ নং আদেশের ১ নং বিধিতে প্লিডিংসের সংজ্ঞা রয়েছে। প্লিডিংস (Pleadings) বলতে আরজি অথবা লিখিত জবাবকে বোঝায় [Pleadings shall mean plaint or written statement]। আরজির নিচে মোকদ্দমার বাদী এবং লিখিত জবাবের নিচে বিবাদী সত্যাখ্যান (সত্যতা প্রতিপাদন) করবে।

• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৬ এর বিধি ১৫ তে প্লিডিংস সত্যাখ্যান [Verification of Pleadings] নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে-

সত্যাখ্যান হলো মামলার পক্ষসমূহ যেমন আরজির ক্ষেত্রে বাদী এবং লিখিত জবাবের ক্ষেত্রে বিবাদী আরজি বা লিখিত জবাবে যে সকল বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে, তা তার জানা বলে স্বীকার করা। আরজির নিচে মোকদ্দমার বাদী এবং লিখিত জবাবের নিচে বিবাদী সত্যাখ্যান (সত্যতা প্রতিপাদন) করবে অথবা আদালত সই হলে, অন্য কোনো ব্যক্তি যে মোকদ্দমার বিষয় সম্পর্কে জানে, সে আরজি বা লিখিত জবাবে সত্যাখ্যান করতে পারে।
যে ব্যক্তি সত্যাখ্যান করছে সে সত্যতা প্রতিপাদন অংশে স্বাক্ষর করবে এবং যে দিন, যে স্থানে সত্যাখ্যান স্বাক্ষর করা হয়েছিল তা উল্লেখ করবে।

[Verification of pleadings.-
1) Save as otherwise provided by any law for the time being in force, every pleading shall be verified at the foot by the party or by one of the parties pleading or by some other person proved to the satisfaction of the Court to be acquainted with the facts of the case.
2 ) The person verifying shall specify, by reference to the numbered paragraphs of the pleading, what he verifies of his own knowledge and what he verifies upon information received and believed to be true.
3) The verification shall be signed by the person making it and shall state the date on which and the place at which it was signed.]
৭২২.
দেওয়ানী আদালত কমিশন ইস্যু করতে পারে-
  1. সাক্ষীকে পরীক্ষা করার জন্য
  2. স্থানীয় তদন্ত করার জন্য
  3. স্থাবর সম্পত্তি বাটোয়ারার জন্য
  4. উপরের যে কোনোটির জন্য
সঠিক উত্তর:
উপরের যে কোনোটির জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের যে কোনোটির জন্য
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৭৫ এবং আদেশ ২৬ অনুযায়ী আদালত নিম্নোক্ত ৪টি ক্ষেত্রে কমিশন ইস্যু করতে পারে-

i) কোন ব্যক্তিকে পরীক্ষা করতে: কোন ব্যক্তি বা সাক্ষীকে জবানবন্দি গ্রহণের জন্য কমিশনের নিয়মাবলি আদেশ ২৬ এর ১-৮ বিধিতে বর্ণিত আছে। হাজিরা হতে অব্যাহতি প্রাপ্ত ব্যক্তি বা অসুস্থ বা অচল ব্যক্তি আদালতে হাজির হতে না পারলে তাদের জবানবন্দি গ্রহণের জন্য আদালত কমিশন প্রেরণ করতে পারে ।

ii) স্থানীয় তদন্তের জন্য: আদালত মোকদ্দমার বিরোধীয় বিষয় ব্যাখ্যা করতে বা কোন সম্পত্তির বাজারমূল্য, মধ্যবর্তী মুনাফা বা ক্ষতিপূরণ বা বার্ষিক নীট মুনাফা নির্ণয় করতে স্থানীয় তদন্তের জন্য কমিশন ইস্যু করতে পারে। বিধি ৯, ১০ এর মধ্যে স্থানীয় তদন্ত সম্পর্কে বলা হয়েছে।

iii) হিসাব পরীক্ষা ও সমন্বয়: বিধি ১১, ১২ এর মধ্যে এ সংক্রান্ত বিধান উল্লেখ আছে। কোন মোকদ্দমায় হিসাবপত্র পরীক্ষা বা সমন্বয় সাধনের প্রয়োজন হলে আদালত যাকে উপযুক্ত মনে করবেন তার নিকট কমিশন প্রেরণ করে উক্ত হিসাব পরীক্ষা বা সমন্বয় করার নির্দেশ দিতে পারবেন।

iv) স্থাবর সম্পত্তির বাটোয়ারার জন্য কমিশন: বিধি ১৩, ১৪ এর মধ্যে এ সংক্রান্ত বিধান উল্লেখ আছে। যে ক্ষেত্রে বাটোয়ারার জন্য প্রাথমিক ডিক্রি দেয়া হয়েছে, তা ৫৪ ধারার আওতাধীন না হলে, আদালত বাটোয়ারার জন্য কমিশন প্রেরণ করতে পারবেন।

♦ উপরের তিনটি বিষয়ে কমিশন ইস্যু করা যায়।
৭২৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮ ধারা অনুসারে আদালতসমূহের স্থানীয় এখতিয়ার অনিশ্চিত হলে কোথায় বা কীভাবে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়?
  1. মোকদ্দমা দায়ের করা যায় না
  2. হাইকোর্টে মোকদ্দমা দায়ের করতে হয়
  3. যেকোনো একটি সংশ্লিষ্ট আদালতে দায়ের করা যায়
  4. হাইকোর্টের অনুমতিতে যেকোন আদালতে দায়ের করা যায়
সঠিক উত্তর:
যেকোনো একটি সংশ্লিষ্ট আদালতে দায়ের করা যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেকোনো একটি সংশ্লিষ্ট আদালতে দায়ের করা যায়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৮ এর বিধান আদালতসমূহের স্থানীয় এখতিয়ার অনিশ্চিত হলে মোকদ্দমা দায়েরের স্থান (Place of institution of suit where local limits of jurisdiction of Courts are uncertain): স্থাবর সম্পত্তি দুই বা ততোধিক আদালতের কোনটির স্থানীয় সীমানার এখতিয়ারে অবস্থিত, সেই সম্পর্কে অনিশ্চয়তা দেখা দিলে, যে কোন একটি আদালত অনিশ্চয়তার কারণ লিপিবদ্ধ করে মোকদ্দমা গ্রহণ ও নিষ্পত্তি করতে পারবেন; তবে শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমাটির প্রকৃতি ও মূল্য আদালতের এখতিয়ারের বাহিরে হবে না।
- আপিল বা রিভিশন আদালতে যদি এই মর্মে আপত্তি উত্থাপন করা হয় যে, সম্পত্তিটি যে স্থানে অবস্থিত সেই স্থানের আদালত ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করেনি, তাহলে আপিল বা রিভিশন আদালত আপত্তিটি মঞ্জুর করবেন না, তবে এখতিয়ারের ব্যাপারে অনিশ্চয়তা সম্পর্কে যুক্তিসংগত কারণ থাকলে এবং ন্যায় বিচার ব্যর্থ হলে উক্ত আবেদন মঞ্জুর করতে পারে।
------------
The Code of Civil Procedure, 1908 section- 18. Place of institution of suit where local limits of jurisdiction of Courts are uncertain:
(1) Where it is alleged to be uncertain within the local limits of the jurisdiction of which of two or more Courts any immovable property is situate, any one of those Courts may, if satisfied that there is ground for the alleged uncertainly, record a statement to that effect and thereupon proceed to entertain and dispose of any suit relating to that property, and its decree in the suit shall have the same effect as if the property were situate within the local limits of its jurisdiction: 
Provided that the suit is one with respect to which the Court is competent as regards the nature and value of the suit to exercise jurisdiction. 
 
(2) Where a statement has not been recorded under sub-section (1), and an objection is taken before an appellate or revisional Court that a decree or order in a suit relating to such property was made by a Court not having jurisdiction where the property is situate, the appellate or revisional Court shall not allow the objection unless in its opinion there was, at the time of the institution of the suit, no reasonable ground for uncertainly as to the Court having jurisdiction with respect thereto and there has been a consequent failure of justice.
৭২৪.
আপিল বিভাগে একটি দেওয়ানি আপিল করার জন্য মোকদ্দমাটির মূল্যমান কমপক্ষে কত টাকা হতে হবে?
  1. ৫০ হাজার
  2. ১০ হাজার
  3. ৩০ হাজার
  4. ২০ হাজার
সঠিক উত্তর:
২০ হাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ হাজার
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ১১০ ধারার বিধান: বিষয়বস্তুর মূল্য:
১০৯ ধারার (ক) এবং (খ) দফায় উল্লেখিত প্রত্যেক ক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর মূল্য প্রথম বিচারিক আদালতে বিশ হাজার টাকা বা তদূর্ধ্ব হতে হবে এবং সুপ্রিম কোর্টের নিকট আপিলেও বিরোধীয় বিষয়বস্তুর মূল্য অবশ্যই তার সমপরিমাণ বা তদূর্ধ্বে হতে হবে;

অথবা রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অবশ্যই অনুরূপ পরিমাণ অর্থের দাবি কিংবা অনুরূপ মূল্যের সম্পত্তি জড়িত থাকতে হবে;
এবং যে রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে, তা দ্বারা যদি অব্যবহিত অধঃস্তন আদালতের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করা হয়ে থাকে, তবে আপিলে অবশ্যই আইনগত একটি বড় প্রশ্ন নিহিত থাকতে হবে।

উল্লেখ্য,
দেওয়ানি কার্যবিধির ১০৯ ধারা অনুযায়ী,
দেশের আদালতসমূহের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্ট সময়ে সময়ে যে সমস্ত বিধি প্রণয়ন করবেন, তৎসাপেক্ষে এবং এই আইনের বিধানসাপেক্ষে আপিল বিভাগের নিকট নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আপিল করা চলবে-
ক) হাইকোর্ট বিভাগ বা চূড়ান্ত আপিল এখতিয়ারসম্পন্ন অন্য কোন আদালত কর্তৃক আপিলে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি অথবা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে;
খ) হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক এর মূল দেওয়ানি এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে; এবং
গ) অতঃপর বর্ণিত বিধানানুসারে কোন মোকদ্দমা আপিল বিভাগের নিকট আপিলের যোগ্য বলে সুপারিশ করা হলে তদ্রূপ মোকদ্দমায় প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে।

Section 110- Value of subject-matter:
In each of the cases mentioned in clauses (a) and (b) of section 109, the amount or value of the subject-matter of the suit in the Court of first instance must be twenty thousand Taka or upwards, and the amount or value of the subject-matter of the suit in the Court of first instance must be twenty thousand Taka or upwards, and the amount or value of the subject-matter in dispute on appeal to the Appellate Division must be the same sum or upwards,
or the Judgment, decree or final order must involve, directly or indirectly, some claim or question to or respecting property of like amount or value,
and where the Judgment, decree or final order appealed from affirms the decision of the Court immediately below the Court passing such Judgment, decree or final order, the appeal must involve some substantial question of law.
৭২৫.
ডিক্রির ক্ষেত্রে নিম্নের কোন উক্তি সঠিক?
  1. মঞ্জুরীকৃত প্রতিকার উল্লেখ থাকবে
  2. মোকদ্দমার যাবতীয় ব্যয় বিবৃত থাকবে
  3. পক্ষগণের নাম ও বিবরণ এবং দাবীর বিবরণ অন্তর্ভুক্ত থাকবে
  4. সবগুলো সঠিক
সঠিক উত্তর:
সবগুলো সঠিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো সঠিক
ব্যাখ্যা
আদেশ ২০ বিধি ৬: ডিক্রির বিষয়সমূহ (Contents of decree)-

১) রায়ের সাথে ডিক্রির সাদৃশ্য থাকবে। এতে মোকদ্দমার নম্বর, পক্ষগণের নাম ও বিবরণ এবং দাবীর বিবরণ অন্তর্ভুক্ত থাকবে এবং মঞ্জুরীকৃত প্রতিকার বা মোকদ্দমার অন্যান্য সিদ্ধান্তের পরিষ্কার উল্লেখ থাকবে।
[The decree shall agree with the judgment, it shall contain the number of the suit, the names and descriptions of the parties, and particulars of the claim, and shall specify clearly the relief granted or other determination of the suit.]

২) মোকদ্দমাতে কি পরিমাণ ব্যয় হয়েছে এবং কার দ্বারা এবং কোন সম্পত্তি থেকে এবং উক্ত ব্যয়ের কি অনুপাতে দিতে হয় সেটাও ডিক্রিতে বিবৃত থাকবে।
[The decree shall also state the amount of costs incurred in the suit, and by whom or out of what property and in what proportions such costs are to be paid.]

৩) আদালত নির্দেশ প্রদান করতে পারে যে, একপক্ষ কর্তৃক অপরপক্ষে দেয় খরচাদির পূর্ববর্তী পক্ষ হতে পরবর্তী অপর পক্ষের স্বীকৃত পাওনা কোন অংকের পারস্পরিক দায় পরিশোধিত হবে।
[The Court may direct that the costs payable to one party by the other shall be set-off against any sum which is admitted or found to be due from the former to the latter.]
৭২৬.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৩৮ এর বিধান কি?
  1. কমিশন নিয়োগ
  2. ট্রাস্টি কর্তৃক মামলা
  3. রিসিভার
  4. রায়ের পূর্বে সম্পত্তি ক্রোক ও আটক
সঠিক উত্তর:
রায়ের পূর্বে সম্পত্তি ক্রোক ও আটক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায়ের পূর্বে সম্পত্তি ক্রোক ও আটক
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৩৮ এর বিধান হলো রায়ের পূর্বে সম্পত্তির ক্রোক ও আটক করা।
⇒ অনেক সময় রায় প্রদানের পূর্বেই বিবাদীকে গ্রেফতার করার প্রয়োজন হতে পারে এবং সম্পত্তি ক্রোক করার প্রয়োজন হতে পারে যেন বাদীর প্রতিকারে কোন বিলম্ব না হয়।
⇒  আদেশ ৩৮ অনুযায়ী ধরনের আদেশ হতে পারে- ১) রায়ের পূর্বে গ্রেফতার, ২) রায়ের পূর্বে সম্পত্তির ক্রোক।
৭২৭.
সরকার কর্তৃক বা তার বিরুদ্ধে মোকদ্দমায় আরজি বা লিখিত জবাব কার দ্বারা স্বাক্ষরিত হতে হবে?
  1. মোকদ্দমার বাদী
  2. মোকদ্দমার বিবাদী
  3. আদালতের বিচারক
  4. সরকার কর্তৃক নিযুক্ত ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
সরকার কর্তৃক নিযুক্ত ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার কর্তৃক নিযুক্ত ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
আদেশ ২৭ বিধি-১: সরকার কর্তৃক বা তার বিরুদ্ধে মোকদ্দমা:
সরকার কর্তৃক কিংবা সেটির বিরুদ্ধে রান মোকদ্দমায় সরকার কর্তৃক এতদুদ্দেশ্য সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা নিযুক্ত ব্যক্তি কর্তৃক আরজি বা লিখিত জবাব স্বাক্ষরিত হবে এবং সরকার কর্তৃক এরূপে নিযুক্ত এবং মোকদ্দমার কার্যাবলীর সাথে পরিচিত কোন ব্যক্তি কর্তৃক সত্যায়িত হবে।

Rule-1: Suits by or against Government.
In any suit by or against the Government, the plaint or written statement shall be signed by such person as the Government may, by general or special order, appoint in this behalf, and shall be notified by any person whom the Government may so appoint and who is acquainted with the facts of the case.
৭২৮.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ১০৪ ধারার বিধান কি?
  1. ডিক্রীর বিরুদ্ধে আপীল
  2. মূল ডিক্রীর বিরুদ্ধে আপীল
  3. আদেশের বিরুদ্ধে আপীল
  4. আপীলের বিরুদ্ধে আপীল
সঠিক উত্তর:
আদেশের বিরুদ্ধে আপীল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশের বিরুদ্ধে আপীল
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ১০৪ ধারায় বলা হয়েছে যে, যে ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট বিধান রয়েছে সেই ক্ষেত্র ব্যতীত অন্য কোন আদেশ হতে আপীল চলবেনা।

• কোন্ কোন্ আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে তার বর্ণনা আছে আদেশ ৪৩।
৭২৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৬, বিধি-১৪ অনুযায়ী কমিশনারের প্রতিবেদন আদালতে দাখিলের সময়সীমা কত?
  1. ৬ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ২ মাস
  4. ১ মাস
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৬, বিধি ১৪ (২) অনুযায়ী:
- যদি একাধিক কমিশনার নিযুক্ত হন এবং তারা একমত না হন, তবে তারা পৃথক পৃথক প্রতিবেদন তৈরি করে স্বাক্ষর করবেন।
- এই প্রতিবেদনসমূহ আদালতের নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আদালতে দাখিল করতে হবে।
- তবে আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়সীমা ৩ (তিন) মাস অতিক্রম করতে পারবে না।
- যদি যথার্থ কারণ দেখিয়ে সময় বাড়ানোর আবেদন করা হয়, তাহলে আদালত সেই সময়সীমা বর্ধিত করতে পারেন।
 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-26, Rule-14: -Procedure of Commissioner-
(2) Preparation of Report:
The Commissioner (or Commissioners, if the commission was issued to multiple persons and they cannot agree) will prepare and sign a report. The report will detail the share of each party, distinguishing each share with specific boundaries (if directed by the order). If multiple reports are prepared, they will be annexed to the commission and transmitted to the Court within the time fixed by the Court, not exceeding three months. After receiving the report(s), the Court will hear any objections from the parties and may confirm, vary, or set aside the report(s).
Provision for Extension of Time: The Court may extend the time upon a request from the Commissioner and upon sufficient cause being shown.
৭৩০.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার কারণে আদালত ক্রোক আদেশ দিলে তা সর্বোচ্চ কত দিন পর্যন্ত বলবৎ থাকতে পারে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ১ বছর
  4. ২ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-২ এর বিধান লঙ্ঘনের পুনরাবৃত্তি বা ধারাবাহিকতা রোধে নিষেধাজ্ঞা (Injunction to restrain repetition or continuance of breach): চুক্তিভঙ্গ বা অন্য কোন প্রকার ক্ষতি করা থেকে বিবাদীকে বিরত রাখার জন্য মোকদ্দমা শুরুর পর যেকোন সময়, রায়ের পূর্বে বা পরে আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে।
 ⇒যদি অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করা হয়, অথবা কোন শর্ত ভঙ্গ করা হয় তবে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারেন, এবং উক্ত ব্যক্তিকে অনধিক ৬ মাস মেয়াদের জন্য দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখারও নির্দেশ দিতে পারেন।

  ⇒এরূপ কোন ক্রোক ১ বছরের অধিক বলবৎ থাকবে না, উক্ত সময়ের পরও যদি অবাধ্যতা বা চুক্তি লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে, তাহলে সম্পত্তি নিলামে বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত পরিমাণ ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে পারেন।

 ⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-২ এর বিধান লংঘনের পুনরাবৃত্তি বা ধারাবাহিকতা রোধক্রমে নিষেধাজ্ঞা।

১) বিবাদিকে চুক্তি লঙ্ঘন বা অন্য কোন প্রকার অনিষ্ট করা থেকে বিরত রাখার মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবী করা হয়ে থাকুক বা না থাকুক, মোকদ্দমা শুরু হওয়ার পর যে কোন সময় এবং রায়ের পূর্বে বা পরে বাদি অভিযোগে আনীত চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে কিংবা একই চুক্তি থেকে উদ্ভূত অথবা একই সম্পত্তি বা অধিকারের সাথে সম্পর্কিত কোন চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে বিবাদিকে বিরত রাখার জন্য আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে।

২) নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ, হিসাব রক্ষণ, জামানত প্রদান অথবা অন্য প্রকারে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্ত সাপেক্ষে অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করে আদেশ প্রদান করতে পারে।

৩) যদি অমান্য করা হয় কিংবা অনুরূপ কোন শর্ত লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত অনুরূপ অমান্য করা বা লঙ্ঘন করার জন্য দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে অনধিক ছয়মাস মেয়াদের জন্য দেওয়ানি জেলে আটক রাখতেও নির্দেশ দিতে পারে, যদি না আদালত ইতোমধ্যে তার মুক্তির আদেশ প্রদান করে থাকে।

৪) এই বিধির অধীনে কোন ক্রোক এক বৎসরের অধিক বলবৎ থাকবে না এবং উক্ত সময়ের পরও যদি অমান্য বা লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে তবে ক্রোকী সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ খেসারতের আদেশ প্রদান করতে পারে এবং অবশিষ্ট অর্থ, যদি থাকে, তাতে অধিকারী পক্ষকে প্রদান করবে।
৭৩১.
The Code of Civil Procedure, 1908 অনুযায়ী নিম্ন আদালতের দৈনিক শুনানির তালিকায় (Daily cause list) চূড়ান্ত শুনানীর পর্যায়ে কতগুলো মামলা থাকবে?
  1. ৫টি;
  2. ৮টি;
  3. ১০ টি;
  4. ১৫টি
সঠিক উত্তর:
৫টি;
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি;
ব্যাখ্যা
♦The Code of Civil Procedure, 1908, Order XVIII, Rule 20 দোতরফা শুনানীর মামলাসহ চূড়ান্ত শুনানীর জন্য আদালত দৈনন্দিন কার্যতালিকায় ৫ টির অধিক মোকদ্দমা রাখবে না।
♦অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধির  আদেশ ১৮ বিধি ২০ অনুযায়ী চূড়ান্ত শুনানীর জন্য আদালত দৈনিক কার্যতালিকায় ৫টির বেশি মোকদ্দমা ধার্য্য করবেন না।
♦তবে আদালত দৈনিক কার্য তালিকায় মোকদ্দমার চূড়ান্ত পর্যায়ে ১০০ টির অধিক মোকদ্দমা ধার্য্য করবে না।
♦যদি চূড়ান্ত পর্যায়ে মোকদ্দমার সংখ্যা ৭০ টির নীচে আসে তাহলে আবার চূড়ান্ত পর্যায়ে আরো মোকদ্দমা আনার ব্যবস্থা করবেন।
৭৩২.
On what grounds can a sale in execution of a decree be set aside under Order XXI Rule 90?
  1. Dispute over the ownership of the property
  2. The highest bidder refusing to take possession
  3. Material irregularity in conducting the sale
  4. None of above
সঠিক উত্তর:
Material irregularity in conducting the sale
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Material irregularity in conducting the sale
ব্যাখ্যা
Order XXI Rule 90-
Where any immovable property has been sold in Execution of a decree, the decree - holder, or any person entitled to share in a rateable distribution of assets, or whose interests are affected by the sale, may apply to the court to set aside the sale on the ground of a material irregularity or fraud in publishing or conducting it.

দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯০- অনিয়মতা কিংবা প্রতারণার কারণে নিলাম বিক্রয় রদের আবেদন:
যেক্ষেত্রে কোন স্থাবর সম্পত্তি ডিক্রিজারিতে নিলাম বিক্রয় হয়েছে, সেক্ষেত্রে ডিক্রিদার কিংবা সম্পত্তির বণ্টনে আনুপাতিক অংশের অধিকারী কোন ব্যক্তি অথবা উক্ত নিলাম বিক্রয়ের ফলে যার স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হয় ঐ ব্যক্তি নিলাম বিক্রয় রদের জন্য সেটা প্রচার বা পরিচালনার ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ অনিয়ম বা প্রতারণার অজুহাতে আদালতে আবেদন করতে পারে-
তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ অনিয়ম বা তঞ্চকতার কারণে কোন নিলাম বিক্রয় রদ হবে না, যদি না প্রমাণিত তথ্যসমূহের উপর আদালত এ মর্মে পরিতুষ্ট হয় যে, আবেদনকারী উক্ত অনিয়মতা বা তঞ্চকতার অজুহাতে যথেষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
৭৩৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-৪১ অনুযায়ী, আদালত কার বিরুদ্ধে মৌখিক পরীক্ষার আদেশ দিতে পারে?
  1. judgment-debtor
  2. কর্পোরেশনের অফিসার
  3. অন্য কোনো ব্যক্তি
  4. উপরোক্ত সকল
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সকল
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-৪১ অনুযায়ী, যদি কোনো টাকা পরিশোধের জন্য আদেশ (decree) দেয়া হয়, তাহলে decree-holder আদালতে আবেদন করতে পারে যেন আদালত আদেশ দেয় judgment-debtor বা কর্পোরেশনের অফিসার অথবা অন্য কোনো ব্যক্তিকে হাজির করে তাদের সম্পত্তি, দেনা-পাওনা এবং আদেশ পূরণ করার উপায় সম্পর্কে মৌখিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য।
- অতএব, আদালত এই তিন ধরনের ব্যক্তির যেকোনো একজন বা একাধিকজনকে হাজির করে মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারে। তাই এখানে সঠিক উত্তর হলো — “উপরোক্ত সকল”।
------------- 
Attachment of Property
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-21, Rule-41. Examination of judgment-debtor as to his property:
Where a decree is for the payment of money, the decree-holder may apply to the Court for an order that—
(a) the judgment-debtor, or
(b) In the case of a corporation, any officer thereof, or
(c) any other person,
be orally examined as to whether any or what debts are owing to the judgment-debtor and whether the judgment-debtor has any and what other property or means of satisfying the decree; and the Court may make an order for the attendance and examination of such judgment-debtor, or officer or other person, and for the production of any books or documents.
৭৩৪.
দেওয়ানি আদালতের রায় বাস্তবায়নের জন্য কোনো স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় করা হলে, উক্ত সম্পত্তি কখন ক্রেতার মালিকানাধীন বলে গণ্য হবে?
  1. দখল গ্রহণের পর
  2. বিক্রয় সম্পন্ন হওয়ার সাথে
  3. বিক্রয় চূড়ান্ত হওয়ার পর
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বিক্রয় সম্পন্ন হওয়ার সাথে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিক্রয় সম্পন্ন হওয়ার সাথে
ব্যাখ্যা
Section 65- Purchaser's title:
Where immovable property is sold in execution of a decree and such sale has become absolute, the property shall be deemed to have vested in the purchaser from the time when the property is sold and not from the time when the sale becomes absolute.

ধারা ৬৫- ক্রেতার স্বত্ব:
যখন কোনো স্থাবর সম্পত্তি ডিক্রি কার্যকর করার জন্য বিক্রি করা হয় এবং এই বিক্রয় চূড়ান্ত হয়ে যায়, তখন এই সম্পত্তি ক্রেতার অধিকারে গিয়েছে বলে গণ্য হবে সেই সময় থেকে যখন সম্পত্তিটি বিক্রি করা হয়েছিল, না কি সেই সময় থেকে যখন বিক্রয়টি চূড়ান্ত হয়েছে।
৭৩৫.
দেওয়ানি আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা কখন প্রযোজ্য হয়?
  1. আদালতের ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে
  2. আইন লঙ্ঘন করে আদেশ দেয়ার ক্ষেত্রে
  3. আদালতের ক্ষমতা সীমাবদ্ধ করতে
  4. আদালতের কার্যধারার অপব্যবহার রোধ করতে
সঠিক উত্তর:
আদালতের কার্যধারার অপব্যবহার রোধ করতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের কার্যধারার অপব্যবহার রোধ করতে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা-
আদালতের সহজাত ক্ষমতা বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power of court) ন্যায় বিচারের স্বার্থে দেওয়ানী আদালতের একটি অলিখিত ক্ষমতা যা প্রয়োগের মাধ্যমে আদালত ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে সচেষ্ট হয়। কোন বিচারপ্রার্থী ন্যায় বিচার হতে বঞ্চিত না হওয়ার জন্য দেওয়ানি আদালতকে একটি বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। যেক্ষেত্রে আইনের কোন সুস্পষ্ট বিধান নেই বা আইনের কোন সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা নেই সেক্ষেত্রে আদালত তার স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা কল্পে বিচারকার্য পরিচালনা করতে পারেন। একেই বলা হয় আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা বা সহজাত ক্ষমতা।

দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫১ ধারামতে, দেওয়ানি আদালত ২টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা (For the ends of justice); এবং
ii) আদালতের কার্যধারা বা আদালত কর্তৃক ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা (To prevent abuse of the process of the court)

• Section 151- Saving of inherent powers of Court:
Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect the inherent power of the Court to make such orders as may be necessary for the ends of justice or to prevent abuse of the process of the Court.
৭৩৬.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় সময়ের প্রার্থনা করে দরখাস্ত করা যায় কোন আইনের কত ধারা অনুযায়ী ?
  1. আদেশ ১৭ বিধি ১
  2. ধারা ১৪৮ এবং আদেশ ১৪ বিধি ১
  3. ধারা ৪৪
  4. আদেশ ৬ বিধি ১৪
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৭ বিধি ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৭ বিধি ১
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৭ এর বিধি ১ অনুয়ায়ী আদালত সময় মঞ্জুর করিতে এবং শুনানি মুলতবি রাখিতে পারে।
♦ আদালত পক্ষসমূহের আবেদনক্রমে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে (At any stage of the suit) পক্ষগণের সময় আবেদন মঞ্জুর করতে পারেন এবং শুনানি মুলতুবি রাখতে পারেন।
♦ আদেশ 17 বিধি ১ অনুযায়ী যদি মোকদ্দমা খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তি হয় তবে সেই পক্ষ ৩০ দিনের মধ্যে ২,০০০ টাকা ব্যয়সহ খরচ জয়া দিয়ে মোকদ্দমাটি পুনর্বহালের ( Revival of Proceedings) আবেদন করতে পারেন।
♦The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ১৭ বিধি ১ (৭) অনুযায়ী মুলতুবির খরচ প্রদানে ব্যর্থ হওয়ার কারণে যদি ১৭ আদেশের বিধি ১ এর ৩ এবং ৪ উপ-বিধির অধীন কোন মোকদ্দমা খারিজ কিংবা একতরফা নিষ্পত্তি হয়, যে পক্ষের কারণে খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তি হয়েছে সেই পক্ষ খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তির তারিখ হতে ত্রিশ (৩০) দিনের মধ্যে ২০০০ টাকা খরচা জমা দিয়ে মোকদ্দমাটি পুনরায় চালুর জন্য বা পুনরুজ্জীবিত করার আবেদন করলে, আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করতে পারে।
৭৩৭.
আপিলযোগ্য ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়ের পূর্বেই উক্ত ডিক্রি স্থগিতের দরখাস্ত কোন আদালতে দাখিল করা যাবে?
  1. আপিল আদালত
  2. উক্ত ডিক্রি প্রচারকারী আদালত
  3. রিভিশন আদালত
  4. রেফারেন্স আদালত
সঠিক উত্তর:
উক্ত ডিক্রি প্রচারকারী আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত ডিক্রি প্রচারকারী আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৪১ নং আদেশের ৫ ও ৬ নং বিধিতে ডিক্রি জারি স্থগিত রাখা সংক্রান্ত বিধান আলোচনা করা হয়েছে। কোন ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা হলেই ডিক্রিটির জারি কর্ম স্থগিত থাকবেনা, তবে নিম্নলিখিত কারণে আদালত ডিক্রি জারির কাজ স্থগিত রাখতে পারে। যথা-
i) আবেদনকারীর গুরুতর ক্ষতির আংশকা;
ii) যথাসময়ে আবেদন করলে;
iii) আবেদনকারী চূড়ান্ত ডিক্রির জন্য যথাযথ জামানত দাখিল করেছে;
iv) আবেদনকারীর শুনানী সাপেক্ষে আদালত একতরফাভাবেও ডিক্রি জারি স্থগিত রাখতে পারে।

- আদেশ ৪১ বিধি-৫ মতে আপিল আদালত কর্তৃক স্থগিত রাখা (Stay by appellate Court): আপিল চললে বা আপিল করা হলেই কোন ডিক্রির কার্যকারিতা স্থগিত হবে না। বরং ডিক্রি প্রদানকারী আদালত বা আপিল চলাকালে আপিল আদালতে ডিক্রি জারি স্থগিত রাখার জন্য প্রার্থনা করা হলে তখন উল্লেখিত আদালত ডিক্রি জারি স্থগিত রাখতে পারে।

- এছাড়া ২১ আদেশের ২৬ থেকে ২৯ বিধিমতেও ডিক্রি প্রদানকারী আদালত ডিক্রি জারি কার্যক্রম স্থগিত রাখতে পারে। ২৬ বিধি অনুসারে শুধুমাত্র দেনাদার ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে বা আপিল আদালতে কোন ডিক্রি জারি স্থগিত রাখার জন্য আবেদন করতে পারেন। দেনাদার আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারলে, আদালত ডিক্রি জারি স্থগিত রাখার নির্দেশ দিতে পারেন।

- যে ক্ষেত্রে আপীল করার জন্য নির্ধারিত সময় উত্তীর্ণ হওয়ার আগেই কোন আপীলযোগ্য ডিক্রি জারি স্থগিত রাখার আবেদন করা হয়, তখন উপযুক্ত কারণ থাকলে ডিক্রিদানকারী আদালত ডিক্রি জারি স্থগিত করার আদেশ দিতে পারে।

সুতরাং আপীলযোগ্য ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল দায়েরের পূর্বেই উক্ত ডিক্রি স্থগিতের দরখাস্ত উক্ত ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে দাখিল করা যাবে।
৭৩৮.
ধারা ৯৮(২) অনুযায়ী যদি বিচারকদের কোনো সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামত না থাকে যা ডিক্রি পরিবর্তন বা বাতিল করে, তখন কী হবে?
  1. আপিল খারিজ হবে
  2. মামলা পুনরায় শুনানি হবে
  3. ডিক্রি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হবে
  4. পূর্বের ডিক্রি বহাল থাকবে
সঠিক উত্তর:
পূর্বের ডিক্রি বহাল থাকবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্বের ডিক্রি বহাল থাকবে
ব্যাখ্যা

ধারা ৯৮: দুই বা ততোধিক বিচারক দ্বারা আপিল শুনানি হলে সিদ্ধান্ত:
(১) যদি কোনো আপিল দুই বা ততোধিক বিচারকের একটি বেঞ্চ দ্বারা শুনানি হয়, তাহলে সেই আপিলের সিদ্ধান্ত হবে- ওই বিচারকদের মতামত অনুযায়ী, অথবা যদি সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারক কোনো এক মতের পক্ষে থাকেন, তবে সেই সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামত অনুযায়ী।

(২) যদি ডিক্রি পরিবর্তন বা বাতিল করার বিষয়ে বিচারকদের মধ্যে কোনো সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামত না থাকে, তাহলে- আপিলকৃত ডিক্রি পূর্বের মতোই বহাল (confirmed) থাকবে।

প্রদত্ত শর্ত (Proviso):
যখন আপিল শুনানি করা বেঞ্চে দুইজন বিচারক থাকবেন, এবং আদালতে মোট বিচারকের সংখ্যা দুইয়ের বেশি, এবং ওই দুই বিচারকের মধ্যে আইনগত বিষয়ে (point of law) মতানৈক্য দেখা দেবে, তখন তারা যে আইনি বিষয়ে ভিন্নমত পোষণ করছেন, সেটি লিখিতভাবে উল্লেখ করবেন।
এরপর সেই নির্দিষ্ট আইনি বিষয়টি আদালতের অন্য এক বা একাধিক বিচারক শুনবেন। এবং এই পুনঃশুনানিতে অংশগ্রহণকারী সকল বিচারকের মধ্যে যাদের সংখ্যাগরিষ্ঠ মত (প্রথম দুই বিচারকসহ) সেই মত অনুযায়ী সেই আইনি বিষয়টির সিদ্ধান্ত হবে।

(৩) এই ধারা হাইকোর্ট ডিভিশনের লেটারস পেটেন্টের কোনো বিধান পরিবর্তন বা প্রভাবিত করে না।

৭৩৯.
রায় একবার স্বাক্ষরযুক্ত হয়ে গেলে, তা দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারা ব্যতীত সংশোধন করা যাবে না?
  1. ১৫৩ ধারা
  2. ১৫২ ধারা
  3. ১৫৭ ধারা
  4. ১৫১ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৫২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫২ ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ২০নং আদেশের বিধি ৩ অনুযায়ী-

রায় ঘোষণা করার সময় বিচারক কর্তৃক তা তারিখসহ স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে এবং একবার স্বাক্ষরিত হলে ১৫২ ধারা অনুসারে কিংবা পুনরীক্ষণ ব্যতীত তা পরবর্তী কোন সময়ে সংশোধিত বা সংযোজিত হতে পারবে না।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারায় দেওয়ানি মোকদ্দমার রায়, ডিক্রি, আদেশ সংশোধন (Amendment of judgement, decree & order) করার বিধান রয়েছে।
এই ধারামতে, আদালত যে কোন সময় নিজ উদ্যোগে (own motion) বা কোন পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে-

> করনিক বা গানিতিক ভুল (clerical or arithmetical mistakes),
> আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির (accidental slip or omission) কারণে রায়, ডিক্রি অথবা আদেশ সংশোধন করতে পারেন।

• উল্লেখ্য যে, দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫৩ ধারায় আদালতের দেওয়ানি মামলার কার্য ধারার ত্রুটি সংশোধন করার ক্ষমতা রয়েছে। ১৫৩ ধারামতে আদালত যে কোন সময় মোকদ্দমার কোন প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারনের জন্য মামলার কার্য ধারার ত্রুটি (any defect or error in any proceeding in a suit) সংশোধন করতে পারেন।
৭৪০.
দেওয়ানী কার্যবিধির প্রথম তফসিলে মোট কতটি আদেশ (Order) রয়েছে?
  1. ৪৫টি
  2. ৫০টি
  3. ৫১টি
  4. ৫৫টি
সঠিক উত্তর:
৫১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫১টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর প্রথম তফসিলে মোট ৫১টি আদেশ (Order I থেকে Order LI পর্যন্ত) রয়েছে।
- এই আদেশগুলো দেওয়ানি মামলার বিভিন্ন প্রক্রিয়া যেমন— সমন জারি, প্লিডিং, ডিক্রি পাস, আপিল ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করে।
- প্রথম তফসিল হলো প্রক্রিয়াগত (procedural) দিক নির্দেশনার অংশ, এবং এর প্রতিটি আদেশ আবার এক বা একাধিক বিধি (Rules)-তে বিভক্ত।
- দেওয়ানী কার্যবিধির ধারাসমূহ (Sections) শুধুমাত্র জাতীয় সংসদ সংশোধন করতে পারে।
- কিন্তু প্রথম তফসিলের আদেশ ও বিধিসমূহ সংসদ ছাড়াও সুপ্রিম কোর্ট (High Court Division) নিজস্ব নিয়ম অনুযায়ী সংশোধন করতে পারে (ধারা ১২২ অনুসারে)।

অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধির প্রথম তফসিলে মোট ৫১টি আদেশ বিদ্যমান, যা আদালতের দেওয়ানি কার্যধারার একটি বিস্তৃত কাঠামো নির্ধারণ করে।
- তাই সঠিক উত্তর: গ) ৫১টি।
৭৪১.
দেওয়ানি কার্যবিধির Order XVII, Rule 1-এর sub-rule (3) অনুসারে, একটি পক্ষ সর্বোচ্চ কতবার খরচ ছাড়া মোকদ্দমা মুলতবির আবেদন করতে পারে?
  1. ছয়বার
  2. চারবার
  3. তিনবার
  4. পাঁচবার
সঠিক উত্তর:
চারবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চারবার
ব্যাখ্যা

⇒দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর Order XVII, Rule 1-এর sub-rule (3) অনুসারে, ২০২৫ সালের সংশোধনীর মাধ্যমে একটি পক্ষ সর্বোচ্চ চারবার খরচ ছাড়া মোকদ্দমা মুলতবির আবেদন করতে পারে। 

- দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর Order XVII, Rule 1 এর সংশোধন অনুসারে,
যা Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 (২০২৫ সনের ১৮ নং অধ্যাদেশ) এর মাধ্যমে সংশোধিত হয়েছে, স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, sub-rule (3)-তে "six" শব্দটির পরিবর্তে "four" শব্দটি প্রতিস্থাপিত হয়েছে। এর অর্থ হলো, কোনো পক্ষ একটি মোকদ্দমা সর্বোচ্চ চারবার খরচ ছাড়া মোকদ্দমা মুলতবি করতে পারে।

- এই সংশোধনের উদ্দেশ্য হলো মোকদ্দমার প্রক্রিয়াকে দ্রুততর করা এবং অপ্রয়োজনীয় বিলম্ব রোধ করা। পূর্বে এই বিধানে একটি পক্ষ সর্বোচ্চ ছয়বার মুলতবির আবেদন করতে পারত, কিন্তু ২০২৫ সালের সংশোধনীর মাধ্যমে এই সংখ্যা কমিয়ে চারবার করা হয়েছে।

৭৪২.
মামলার বিষয়বস্তু সম্পর্কিত কোন দলিল পরিদর্শনের জন্য বিবাদীর আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত উক্ত দলিলটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দাখিল করার জন্য বাদীকে নির্দেশ প্রদান করে কিন্তু বাদী আদালতের নির্দেশ পালনে ব্যর্থ হয়। এই ক্ষেত্রে-
  1. মামলার ক্ষতি হবে না
  2. মামলা খারিজ হবে
  3. মামলা স্থগিত থাকবে
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
মামলা খারিজ হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলা খারিজ হবে
ব্যাখ্যা
⇒  দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর  আদেশ ১১ এর বিধি ২১ অনুযায়ী যদি বাদীর কোন দলিল দাখিলের জন্য আদেশ দেয় এবং বাদী যদি আদেশ পালনে ব্যর্থ হয় তাহলে মামলা খারিজ হবে
⇒  এটি আপীলযোগ্য আদেশ তাই সংক্ষুব্ধ পক্ষ আপীল করতে পারবে।
⇒ আদেশ ৪৩ বিধি ১ অনুসারে আপীল করতে হবে।
৭৪৩.
মোকদ্দমার শুনানীর সময় বাদী অনুপস্থিত থাকার কারণে সহকারী জজ মোকদ্দমাটি খারিজের আদেশ প্রদান করে। বাদী উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে জেলা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করে। জেলা জজ রিভিশনটি প্রত্যাখ্যান করে আদেশ প্রদান করে। এই ক্ষেত্রে প্রতিকার কী?
  1. আপীল
  2. রিভিশন
  3. অনুমতি সাপেক্ষে রিভিশন
  4. রেফারেন্স
সঠিক উত্তর:
অনুমতি সাপেক্ষে রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুমতি সাপেক্ষে রিভিশন
ব্যাখ্যা
♦The Code of Civil Procedure, 1908 এর ১১৫(৪) ধারা মতে উপরোক্ত প্রেক্ষাপটে হাইকোর্ট বিভাগের অনুমতি নিয়ে হাইকোর্ট বিভাগে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যাবে।
৭৪৪.
ডিক্রি জারির সময় নিচের কোন সম্পত্তি ক্রোক এবং বিক্রয় করা যাবে না?
  1. কোম্পানির শেয়ার
  2. জমি
  3. দালান-কোঠা
  4. পরিধেয় বস্ত্র
সঠিক উত্তর:
পরিধেয় বস্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিধেয় বস্ত্র
ব্যাখ্যা
⇒ ডিক্রি জারির সময় কোন সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করা যাবে এবং কোন সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করা যাবে না- দেওয়ানী কার্যবিধির ৬০ ও ৬১ ধারায় বলা হয়েছে ডিক্রি জারির সময় কোন সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করা যাবে এবং কোন সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করা যাবে না যা নিম্নরূপ-

⇒ ধারা-৬০: ডিক্রি জারির সময় যে সকল সম্পত্তি ক্রোক এবং বিক্রয় করা যাবে (property liable to attachment & sale in execution of decree)- ৬০ ধারামতে নিম্নলিখিত সম্পত্তিসমূহ ডিক্রি জারির সময় ক্রোক এবং বিক্রয় করা যাবে। যথা-জমি, গৃহ, দালান-কোঠা, টাকা, ব্যাংক নোট, চেক, Bill of Exchange, প্রমিসরি নোট, বন্ড, কোম্পানির শেয়ার। এছাড়া যে কোন বিক্রয়যোগ্য সম্পত্তি ক্রোকযোগ্য, যেমন- equity of redemption.

⇒ ডিক্রি জারির সময় যে সকল সম্পত্তি ক্রোক এবং বিক্রয় করা যাবে না- ৬০ ধারামতে চাষীর বাসগৃহ, হিসেবের খাতাপত্র, সরকারী পেনশন ভোগীদের প্রাপ্য মঞ্জুরীকৃত বৃত্তি ও আনুতোষিক, দেনাদার (Judgement debtor) এবং তার স্ত্রী ও সন্তানগণের পরিধেয় বস্ত্র, পরিবারের দৈনন্দিন ব্যবহার্য জিনিসপত্র যেমন- রান্নার বাসন, বিছানা ইত্যাদি সম্পত্তিসমূহ ডিক্রি জারির সময় ক্রোক এবং বিক্রয় করা যাবে না।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৬১ ধারামতে যে সব কৃষিজাত উৎপাদিত দ্রব্য কৃষকের জীবিকার জন্য প্রয়োজন সরকার তা ক্রোক থেকে মুক্তি দিতে পারে।
৭৪৫.
দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারায় Presumption as to foreign judgments এর বিধান আছে?
  1. ১২
  2. ১৩
  3. ১৪
  4. ১৫
সঠিক উত্তর:
১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪
ব্যাখ্যা
→ The Code of Civil Procedure, 1908 Section-14. Presumption as to foreign judgments:
- The Court shall presume, upon the production of any document purporting to be a certified copy of a foreign judgment, that such judgment was pronounced by a Court of competent jurisdiction, unless the contrary appears on the record; but such presumption may be displaced by proving want of jurisdiction.

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৪ -বিদেশী রায় সম্পর্কে অনুমান:
- বিদেশী রায়ের সত্যায়িত নকল বলে কথিত কোন দলিল আদালতে পেশ করা হলে এবং বিপরীত কোন প্রমাণ না পাওয়া গেলে আদালত ধরে নিবেন যে, রায়টি উপযুক্ত এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতই প্রদান করেছেন কিন্তু উক্ত আদালতের এ ব্যাপারে এখতিয়ার ছিল না বলে প্রমাণিত হলে ঐ রূপ অনুমান উঠায়ে নেয়া হবে।
 
অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৪ ধারায় বলা হয়েছে যে, বিদেশি রায় সম্পর্কে অনুমান বিদেশি আদালতের রায়ের সত্যায়িত নকল নথির সাথে পেশ করা হলে বিপরীত কোন প্রমাণ পাওয়া না গেলে তা এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত প্রদান করেছে বলে অনুমিত হবে।
৭৪৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২২, বিধি-৩(২) অনুসারে, যদি একজন বাদীর মৃত্যুতে আইন নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তার আইনগত প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার জন্য আবেদন না করা হয়, তাহলে-
  1. মোকদ্দমাটি স্থগিত থাকবে
  2. সম্পূর্ণ মোকদ্দমা বাতিল হবে
  3. মৃত বাদীর সাপেক্ষে মোকদ্দমাটি বাতিল গণ্য হবে
  4. আদালত স্বপ্রণোদিত হয়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করবে
সঠিক উত্তর:
মৃত বাদীর সাপেক্ষে মোকদ্দমাটি বাতিল গণ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত বাদীর সাপেক্ষে মোকদ্দমাটি বাতিল গণ্য হবে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২২, বিধি-৩(২) এর বিধান: "Where within the time limited by law no application is made under sub-rule (1), the suit shall abate so far as the deceased plaintiff is concerned"
- অর্থাৎ, আইন কর্তৃক নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যদি মৃত বাদীর আইনগত প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার জন্য আবেদন না করা হয়, তাহলে মৃত বাদীর সাপেক্ষে মোকদ্দমাটি বাতিল (abate) গণ্য হবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Order-22, Rule-3: Procedure in case of death of one of several plaintiffs or of sole plaintiff:
(1) Where one of two or more plaintiffs dies and the right to sue does not survive to the surviving plaintiff or plaintiffs alone, or a sole plaintiff or sole surviving plaintiff dies and the right to sue survives, the Court, on an application made in that behalf, shall cause the legal representative of the deceased plaintiff to be made a party and shall proceed with the suit.
(2) Where within the time limited by law no application is made under sub-rule (1), the suit shall abate so far as the deceased plaintiff is concerned, and, on the application of the defendant, the Court may award to him the costs which he may have incurred in defending the suit, to be recovered from the estate of the deceased plaintiff.

৭৪৭.
একটি দেওয়ানী মোকদ্দমার শুনানীর জন্য নির্ধারিত দিনে বাদী অনুপস্থিত থাকার কারণে আদালত মোকদ্দমাটি খারিজ করে দেয়। বাদী উক্ত খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে খারিজ আদেশটি বাতিলের আবেদন করে। আদালত আবেদনটি প্রত্যাখ্যান করে। এই ক্ষেত্রে বাদী নিম্নোল্লিখিত কোন পদক্ষেপ নিতে পারে?
  1. আপিল
  2. রিভিউ
  3. রিভিশন
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
আপিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল
ব্যাখ্যা
⇒ সাধারণত আদালতের কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায় না তবে দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ এর বিধি ১ এর মাঝে ২৫ টি আদেশের তালিকা দেওয়া আছে যেগুলোর বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে।
অর্থাৎ আইনে স্পষ্ট বিধান না থাকলে, মূল অথবা আপিল এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত যে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না; কিন্তু ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা যায়।
-খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে খারিজ আদেশটি বাতিলের আবেদন প্রত্যাখ্যানও একটি আদেশ। দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৩ আদেশ ১ বিধি অনুযায়ী ৯ আদেশের ৯ বিধি অনুসারে মোকদ্দমা খারিজের আদেশ রদের আবেদন প্রত্যাখ্যান করে কোন আদেশ আপিলযোগ্য আদেশ।
⇒দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৩ আদেশ ১ বিধি অনুযায়ী; আদেশ ৯ এর ৯ বিধির অধীন যদি আপিলযোগ্য মোকদ্দমায়, মোকদ্দমা খারিজ আদেশ বাতিলের আবেদন করা হলে এবং আদালত উক্ত আবেদন প্রত্যাখ্যান করে আদেশ প্রদান করলে, উক্ত প্রত্যাখ্যান আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে।

⇒দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৯ বিধি-৮ এর বিধান: শুধু বিবাদি হাজির হয়ে থাকলে সেক্ষেত্রে পদ্ধতি:
-যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার শুনানির জন্য ডাক পড়লে বিবাদি হাজির হয়, কিন্তু বাদি হাজির না হয়, সেক্ষেত্রে বিবাদি বাদির দাবি বা উহার অংশ স্বীকার না করলে আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ প্রদান করবেন; কিন্তু বিবাদি যদি বাদির দাবি কিংবা উহার অংশ স্বীকার করে, তাহলে আদালত ঐ অনুপাতে বিবাদির বিরুদ্ধে ডিক্রি দান করবেন, এবং বাদির অবশিষ্ট দাবি সম্পর্কে মোকদ্দমা খারিজ করবে।
⇒দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৯ বিধি-৯ এর বিধান: বাদির ত্রুটির দরুন তার বিরুদ্ধে ডিক্রি হলে নূতন মোকদ্দমা চলবে না:
-১) যেক্ষেত্রে ৮নং বিধি অনুযায়ী কোন মোকদ্দমার সমগ্র বা আংশিক খারিজ করেন, সেক্ষেত্রে উক্ত কারণে বাদি নূতন মোকদ্দমা রুজু করতে পারবে। কিন্তু বাদি মোকদ্দমা খারিজ করার আদেশ রদ করার জন্য দরখাস্ত করতে পারবে, এবং তিনি যদি মোকদ্দমার শ্রবণের জন্য সন্তুষ্টি সহকারে কারণ দর্শাতে পারেন, তবে আদালত খরচাদি সম্পর্কে যথাবিহীত শর্তসাপেক্ষে মোকদ্দমা খারিজ করার আদেশ রদ করবে এবং কার্যপদ্ধতির জন্য তারিখ নির্দিষ্ট করবে।
-২) বাদির দরখাস্ত সম্পর্কে অন্য পক্ষকে নোটিশ প্রদান না করে উক্ত বিধি অনুযায়ী কোন আদেশ প্রদেয় হবে না।
৭৪৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮ ধারা কোন বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. আপিলের সময়সীমা
  2. সাক্ষ্যপ্রমাণ উপস্থাপন
  3. মামলার মূল বিষয়বস্তু
  4. আদালতের স্থানীয় এখতিয়ার নির্ধারণ
সঠিক উত্তর:
আদালতের স্থানীয় এখতিয়ার নির্ধারণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের স্থানীয় এখতিয়ার নির্ধারণ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৮ এর বিধান আদালতসমূহের স্থানীয় এখতিয়ার অনিশ্চিত হলে মোকদ্দমা দায়েরের স্থান:
- স্থাবর সম্পত্তি দুই বা ততোধিক আদালতের কোনটির স্থানীয় সীমানার এখতিয়ারে অবস্থিত, সেই সম্পর্কে অনিশ্চয়তা দেখা দিলে, যে কোন একটি আদালত অনিশ্চয়তার কারণ লিপিবদ্ধ করে মোকদ্দমা গ্রহণ ও নিষ্পত্তি করতে পারবেন; তবে শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমাটির প্রকৃতি ও মূল্য আদালতের এখতিয়ারের বাহিরে হবে না।
- আপিল বা রিভিশন আদালতে যদি এই মর্মে আপত্তি উত্থাপন করা হয় যে, সম্পত্তিটি যে স্থানে অবস্থিত সেই স্থানের আদালত ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করেনি, তাহলে আপিল বা রিভিশন আদালত আপত্তিটি মঞ্জুর করবেন না, তবে এখতিয়ারের ব্যাপারে অনিশ্চয়তা সম্পর্কে যুক্তিসংগত কারণ থাকলে এবং ন্যায় বিচার ব্যর্থ হলে উক্ত আবেদন মঞ্জুর করতে পারে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৮ অনুযায়ী, যদি কোনো স্থাবর সম্পত্তি দুই বা ততোধিক আদালতের স্থানীয় এখতিয়ারের সীমানার মধ্যে অবস্থিত হওয়ার কারণে এখতিয়ার সম্পর্কে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়, তাহলে নিম্নলিখিত বিধানাবলী প্রযোজ্য হবে:
১. মোকদ্দমা দায়েরের স্থান নির্ধারণ:
যদি স্থাবর সম্পত্তিটি দুই বা ততোধিক আদালতের স্থানীয় এখতিয়ারের মধ্যে অবস্থিত হওয়ার কারণে এখতিয়ার সম্পর্কে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়, তাহলে যে কোনো একটি আদালত এই অনিশ্চয়তার কারণ লিপিবদ্ধ করে মোকদ্দমা গ্রহণ ও নিষ্পত্তি করতে পারবে।
তবে শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমাটির প্রকৃতি ও মূল্য সংশ্লিষ্ট আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে থাকতে হবে।
আদালতের ডিক্রি বা আদেশ এমনভাবে কার্যকর হবে, যেন সম্পত্তিটি আদালতের নিজস্ব স্থানীয় এখতিয়ারের মধ্যে অবস্থিত ছিল।
২. আপিল বা রিভিশন আদালতে আপত্তি:
যদি উপধারা (১) অনুযায়ী বিবৃতি রেকর্ড করা না হয় এবং আপিল বা রিভিশন আদালতে এ মর্মে আপত্তি উত্থাপন করা হয় যে, সম্পত্তিটি যে স্থানে অবস্থিত, সেই স্থানের আদালত ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করেনি, তাহলে আপিল বা রিভিশন আদালত এই আপত্তি গ্রহণ করবে না।
তবে যদি আদালতের মতে মোকদ্দমা দায়েরের সময় এখতিয়ার সম্পর্কে অনিশ্চয়তার যুক্তিসংগত কারণ ছিল এবং এর ফলে ন্যায়বিচার ব্যর্থ হয়েছে, তাহলে আপত্তিটি গ্রহণ করা যেতে পারে।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 section- 18. Place of institution of suit where local limits of jurisdiction of Courts are uncertain:
(1) Where it is alleged to be uncertain within the local limits of the jurisdiction of which of two or more Courts any immovable property is situate, any one of those Courts may, if satisfied that there is ground for the alleged uncertainly, record a statement to that effect and thereupon proceed to entertain and dispose of any suit relating to that property, and its decree in the suit shall have the same effect as if the property were situate within the local limits of its jurisdiction:
Provided that the suit is one with respect to which the Court is competent as regards the nature and value of the suit to exercise jurisdiction.

(2) Where a statement has not been recorded under sub-section (1), and an objection is taken before an appellate or revisional Court that a decree or order in a suit relating to such property was made by a Court not having jurisdiction where the property is situate, the appellate or revisional Court shall not allow the objection unless in its opinion there was, at the time of the institution of the suit, no reasonable ground for uncertainly as to the Court having jurisdiction with respect thereto and there has been a consequent failure of justice.
৭৪৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক ধারা অনুযায়ী মধ্যস্থতা মাধ্যমে সমঝোতা হলে আদালত প্রতিবেদন প্রাপ্তির কত দিনের মধ্যে আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে?
  1. ৫ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ১০ দিন
  4. ১৫ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধিতে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির দুটি (২) পন্থা বর্ণিত হয়েছে
১- মধ্যস্থতা (Mediation);
২- সালিশী (Arbitration).
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক ধারায় মধ্যস্থতার পদ্ধতি সম্পর্কে বলা আছে। এর সাধারন নিয়মসমূহ হল-
⇒ মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে। অর্থাৎ সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে।
- মধ্যস্থতার ফি পক্ষগণ নির্ধারণ করবে। যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।
⇒ মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বেচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে।
অর্থাৎ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে।
⇒ সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে।
- উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারী করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন চলবে না।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯খ ধারায় সালিশ বা Arbitration এর বিধান রয়েছে। ৮৯খ ধারা অনুযায়ী দেওয়ানী আদালত কোন বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য বিরোধীয় বিষয়টি সালিশের নিকট পাঠাতে পারেন এবং এই জন্য মোকদ্দমার পক্ষগণ মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে তা তুলে নেওয়ার জন্য আদালতের নিকট আবেদন করলে আদালত আবেদন মঞ্জুর করবেন এবং মোকদ্দমা তুলে নেওয়ার অনুমতি দিবেন। তারপর সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী বিরোধটি নিষ্পত্তি করতে হবে অর্থাৎ কোন বিরোধ সালিশে (Arbitration) পাঠানো হলে তা সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী নিষ্পত্তি করতে হবে। তবে এই ক্ষেত্রে কোন কারণে সালিশ অনুষ্ঠিত না হলে বা সালিশের রোয়েদাদ প্রদত্ত না হলে উক্ত মোকদ্দমাটি পক্ষগণ পুনঃ দাখিল করতে পারবেন।
----------
The Code of Civil Procedure, 1908 section-89A (5) The Legal Aid Officer or mediator, as the case may be, shall, without violating the confidentiality of the parties to the mediation proceedings, submit to the court a report of result of the mediation proceedings; and if the result is of compromise of the dispute or disputes in the suit, the terms of such compromise shall be reduced into writing in the form of an agreement, bearing signatures or left thumb impressions of the parties as executants, and signatures of the pleaders, if any, and the Legal Aid Officer or mediator, as the case may be, as witnesses; and the Court shall, within seven days from receiving the said report, pass an order or a decree in accordance with relevant provisions of Order XXIII of the Code.
 
(6) When the Court itself mediates, it shall prepare a report and pass an order in the manner to that as stated in sub-section (5).
৭৫০.
নাবালকের পক্ষে নেকস্ট ফ্রেন্ড বা অভিভাবক কখন ডিক্রির অধীনে টাকা বা অস্থাবর সম্পত্তি গ্রহণ করতে পারে?
  1. বিবাদী পক্ষের সম্মতি নিয়ে
  2. নাবালকের অনুমোদন নিয়ে
  3. আদালতের অনুমতি ছাড়া
  4. আদালতের অনুমতি নিয়ে
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি নিয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি নিয়ে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩২, বিধি ৬(১) অনুযায়ী, মামলার কোনো নেকস্ট ফ্রেন্ড বা অভিভাবক আদালতের অনুমতি ছাড়া নাবালকের পক্ষে—
ক) ডিক্রি বা আদেশের পূর্বে আপোষক্রমে, কিংবা
খ) ডিক্রির অধীনে কোনো টাকা বা অস্থাবর সম্পত্তি গ্রহণ করতে পারবে না।
- এই বিধানের উদ্দেশ্য হলো নাবালকের স্বার্থ সংরক্ষণ করা এবং যেন কেউ ব্যক্তিস্বার্থে নাবালকের নামে কোন আপোষ বা অর্থগ্রহণ করতে না পারে। আদালত যাচাই করে উপযুক্ত মনে করলে লিখিত অনুমতি দেয়।
 সুতরাং,নাবালকের পক্ষে ডিক্রির অধীনে টাকা বা সম্পত্তি গ্রহণ শুধুমাত্র আদালতের অনুমতি নিয়েই করা যায়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩২, বিধি-৬ নাবালকের জন্য ডিক্রির অধীনে নেকষ্ট ফেণ্ড বা অভিভাবক কর্তৃক সম্পত্তি গ্রহণ:
(১) মামলার কোন নেকষ্ট ফ্রেণ্ড বা অভিভাবক আদালতের অনুমতি ব্যতিত নাবালকের পক্ষে–
ক) ডিক্রি বা আদেশের পূর্বে আপোষ ক্রমে কিংবা
খ) নাবালকের অনুকূলে প্রদত্ত কোন ডিক্রির অধীনে, কোন টাকা বা অস্থাবর সম্পত্তি গ্রহণ করবে না।
(২) যেক্ষেত্রে মামলার নেকষ্ট ফ্রেণ্ড বা অভিভাবক উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নাবালকের সম্পত্তির অভিভাবক নিযুক্ত বা ঘোষিত হয়েছে অথবা এভাবে নিযুক্ত বা ঘোষিত হওয়ার পর কোন টাকা বা অস্থাবর সম্পত্তি গ্রহণের অক্ষমতা আদালতের গোচরীভূত থাকে সেক্ষেত্রে আদালত উক্ত ব্যক্তিকে যদি সম্পত্তি গ্রহণের অনুমতি দান করেন, তবে সম্পত্তিটিকে ধ্বংস হতে রক্ষা করার জন্য এবং উহার উপযুক্ত ব্যবহার তজ্জন্য যথেষ্ট হবে।
৭৫১.
মামলা শুনানীর জন্য ডাকা হলে বাদী-বিবাদী উভয়পক্ষ গরহাজির থাকলে-
  1. খারিজ হবে
  2. একতরফা ডিক্রি হবে
  3. আরজি প্রত্যাখ্যান করা হবে
  4. উপরের সবগুলো সঠিক
সঠিক উত্তর:
খারিজ হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খারিজ হবে
ব্যাখ্যা
♦ আদেশ ৯, বিধি-৩। কোনপক্ষই হাজির না হলে মোকদ্দমা খারিজ হবে (Where neither party appears, suit to be dismissed): মোকদ্দমা শুনানির দিন বাদী এবং বিবাদী উভয়পক্ষ অনুপস্থিত থাকলে আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দিতে পারেন।

♦ আদেশ ৯, বিধি ৩ অনুসারে উল্লেখিত অবস্থায় মোকদ্দমা খারিজ বা ডিসমিস হবে। আরজি প্রত্যাখ্যান হওয়ার কারণ আদেশ ৭, বিধি ১১ তে উল্লেখিত আছে। আর, যখন বাদী হাজির ও বিবাদী গরহাজির হয় তখন আরজি প্রত্যাখ্যান করা হয়।
৭৫২.
আদেশ ২১ বিধি ৬৮ অনুযায়ী, স্থাবর সম্পত্তি নিলাম বিক্রির পূর্বে সর্বনিম্ন কতদিনের সময় দিতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৪৫ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৬৮ এর বিধান- বিক্রয়ের সময়:
বিক্রয়ের আদেশদানকারী বিচারকের আদালত ভবনে ইশতেহারের নকল লটকিয়ে দেয়ার তারিখ থেকে স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে অন্ততপক্ষে ৩০ দিন এবং অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে ১৫ দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত ডিক্রি দায়িকের লিখিত সম্মতি ব্যতীত নিলাম বিক্রয় অনুষ্ঠিত হতে পারবে না।

৭৫৩.
'ক', 'খ' এর বিরুদ্ধে অর্থ আদায়ের মোকদ্দমা দায়ের করে। 'খ' তার লিখিত জবাবে অর্থ লেনদেনের বিষয়টি অস্বীকার করে। এক্ষেত্রে 'ক' উক্ত ঘটনার সত্যতা স্বীকারের জন্য, মোকদ্দমা শুনানীর তারিখ থেকে কত দিন 'খ' কে পূর্বে নোটিশ প্রদান করতে পারে?
  1. ১০ দিন
  2. ৯ দিন
  3. ৭ দিন
  4. ১৫ দিন
সঠিক উত্তর:
৯ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ দিন
ব্যাখ্যা
মোকদ্দমার কোন পক্ষ অপর পক্ষকে কোন ঘটনার সত্যতা স্বীকারের জন্য, মোকদ্দমা শুনানীর তারিখ থেকে ৯ দিন পূর্বে নোটিশ প্রদান করতে হবে।

• দেওয়ানী কার্যবিধির ১২ নং আদেশ অনুযায়ী স্বীকারোক্তি তিন (৩) প্রকার-
 
১/ মামলা স্বীকারের নোটিশ [বিধি-১];
২/ দলিল স্বীকার নোটিশ [বিধি-২];
৩/ ঘটনা স্বীকারের জন্য নোটিশ [বিধি ৪]।
 
• আদেশ-১২, বিধি-৪: ঘটনার সত্যতা স্বীকারের জন্য নোটিশ-
 
মোকদ্দমার কোন পক্ষ অপর পক্ষকে কোন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে নেওয়ার জন্য মোকদ্দমা শুনানীর তারিখ থেকে ৯ দিন পূর্বে নোটিশ প্রদান করবে এবং নোটিশ প্রদানের ৬ দিনের মধ্যে বা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উক্ত পক্ষকে নোটিশের জবাব দিতে হবে।
৭৫৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির ২৬ আদেশের ৪ বিধিতে কয় ধরনের ব্যক্তির ক্ষেত্রে জবানবন্দি গ্রহণের জন্য কমিশন পাঠানো যেতে পারে বলে উল্লেখ করা আছে?
  1. ৩ ধরনের
  2. ৪ ধরনের
  3. ৫ ধরনের
  4. ৬ ধরনের
সঠিক উত্তর:
৩ ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ধরনের
ব্যাখ্যা
 • দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৬ এ সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য কমিশনের নিয়মাবলি লিপিবদ্ধ রয়েছে।

আদেশ ২৬ বিধি ৪ অনুসারে, নিম্নোক্ত ব্যক্তির জবানবন্দি গ্রহণের জন্য আদালত কমিশন প্রেরণ করতে পারেন [Persons for whose examination commission my issue]:
i) এমন ব্যক্তি যে আদালতের অধিক্ষেত্রের সীমানার বাইরে বসবাস করে;
ii) সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য নির্ধারিত তারিখের পূর্বে সে ব্যক্তি অধিক্ষেত্রের সীমানার বাইরে চলে যাবে;
iii) প্রজাতন্ত্রের চাকুরিতে নিয়োজিত ব্যক্তি; যার পক্ষে আদালতে উপস্থিত হলে জনস্বার্থের ক্ষতি হতে পারে।
৭৫৫.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোন ধারায় আপীল আদালতের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা রয়েছে?
  1. ৯৬ ধারা
  2. ১০৭ ধারা
  3. ১০৪ ধারা
  4. ১০৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
১০৭ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৭ ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ১০৭ ধারায় আপীল আদালতের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা রয়েছে। ১০৭ ধারা  অনুযায়ী আপীল আদালতের ৪টি ক্ষমতা যথাঃ

১। মোকদ্দমা চূড়ান্ত ভাবে নিষ্পত্তি করতে পারে
২। মোকদ্দমা পুনঃ বিচারের জন্য পাঠাতে পরে
৩। বিচার্য বিষয় গঠন এবং তা বিচারের জন্য প্রেরণ
৪। অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ।
৭৫৬.
২০২১ সালের দেওয়ানি আদালত সংশোধন আইন অনুযায়ী, জেলা জজ আদালতের আপিল এখতিয়ার কত টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে?
  1. ১ কোটি টাকা
  2. ৫ কোটি টাকা
  3. ১০ কোটি টাকা
  4. ২৫ কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
৫ কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
• The Civil Courts Act,1887 এর ২১ ধারায় আপিল গ্রহণের ক্ষেত্রে দেওয়ানি আদালতের আর্থিক এখতিয়ারের সীমার বিধান রয়েছে। ২১ ধারামতে শুধুমাত্র ২টি আদালত আপিলের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) জেলা জজ আদালত এবং
ii) হাইকোর্ট বিভাগ।

• এই আইন সর্বশেষ সংশোধন করা হয় ২০২১ সালে। উক্ত সংশোধনী দ্বারা ১৯ ও ২১ ধারা সংশোধন করা হয় এবং দেওয়ানী আদালতের আর্থিক এখতিয়ার বৃদ্ধি করা হয়। সংশোধিত আইন অনুযায়ী, জেলা জজ আদালত ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল শুনতে পারেন। অর্থাৎ, জেলা জজ আদালতের আপিল এখতিয়ার ৫,০০০,০০০০ (পাঁচ কোটি) টাকা পর্যন্ত। ৫,০০০,০০০০ (পাঁচ কোটি) টাকার অধিক মূল্যমানের ডিক্রির বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে হবে।
৭৫৭.
দেওয়ানি কার্যবিধি আদেশ-১১, বিধি-১ অনুযায়ী, মোকদ্দমার পক্ষ আদালতের অনুমতিতে ইস্যু গঠনের তারিখ থেকে কত দিনের মধ্যে Interrogatories পাঠাতে পারবে? 
  1. ৭ দিন 
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ২১ দিন
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-১১ বিধি-১ (Order XI Rule 1) Discovery by interrogatories:
"In any suit the plaintiff or defendant by leave of the Court may, within ten days from the date of framing of issues, deliver interrogatories in writing..."
অর্থাৎ, মামলার ইস্যু (issues) গঠনের তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে বাদী বা বিবাদী আদালতের অনুমতি নিয়ে লিখিত প্রশ্নাবলী (Interrogatories) দিতে পারে।

⇒দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১১, বিধি ১ অনুযায়ী, মামলার কোনো পক্ষ আদালতের অনুমতিতে, ইস্যু গঠনের তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে লিখিত প্রশ্নাবলী (Interrogatories) দিতে পারে।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order 11 Rule 1: Discovery by interrogatories:
- In any suit the plaintiff or defendant by leave of the Court may, within ten days from the date of framing of issues, deliver interrogatories in writing for the examination of the opposite parties or any one or more of such parties, and such interrogatories when delivered shall have a note at the foot thereof stating which of such interrogatories each of such persons is required to answer: Provided that no party shall deliver more than one set of interrogatories to the same party without an order for that purpose: Provided also that interrogatories which do not relate to any matters in question in the suit shall be deemed irrelevant, notwithstanding that they might be admissible on the oral cross-examination of a witness.

৭৫৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোথায় বলা হয়েছে যে, বিবাদী একাধিক হলে সমন প্রত্যেক বিবাদির উপর জারি করতে হবে?
  1. আদেশ-৫, বিধি-৯ 
  2. আদেশ-৫, বিধি-১১
  3. আদেশ-৫, বিধি-১৫
  4. আদেশ-৫, বিধি-১৯
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৫, বিধি-১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৫, বিধি-১১
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৫, বিধি-১১ তে বিবাদী একাধিক হলে সমন প্রত্যেক বিবাদির উপর জারি করার বিধান উল্লেখ রয়েছে।
- মোকদ্দমা যথাযথভাবে রুজু হওয়ার পর নির্ধারিত তারিখে হাজির এবং দাবির সমর্থনে জবাব দানের জন্য মোকদ্দমা রুজুর পাঁচ(৫) কার্যদিবসের মধ্যে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা বিবাদির নিকট সমন প্রেরণ করবে। মোকদ্দমায় এক বা একাধিক বিবাদী থাকতে পারে।
যেক্ষেত্রে একাধিক বিবাদী থাকে সেক্ষেত্রে সমন আদেশ ৫ এর বিধি ১১ নং অনুসারে জারি করতে হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৫ বিধি-১১ এর বিধান: 
অনুরূপ নির্দেশ যদি না থাকে তবে ক্ষেত্রে বিবাদির সংখ্যা বহুসংখ্যক হয়, সেক্ষেত্রে বিবাদিগণের প্রত্যেকের উপর সমন জারি করতে হবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-5 Rule-11: Service on several defendants:
- Save as otherwise prescribed, where there are more defendants than one, service of the summons shall be made on each defendant.

৭৫৯.
আদেশ ৪ বিধি ১ অনুযায়ী কোন আদেশের বিধিসমূহ মোকদ্দমার আরজি প্রণয়নে প্রযোজ্য হবে?
  1. ১ম ও ২য় আদেশ
  2. ৩য় ও ৪র্থ আদেশ
  3. ৫ম ও ৬ষ্ঠ আদেশ
  4. ৬ষ্ঠ ও ৭ম আদেশ
সঠিক উত্তর:
৬ষ্ঠ ও ৭ম আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ষ্ঠ ও ৭ম আদেশ
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৪ বিধি ১: মোকদ্দমা আরজি দাখিলের মাধ্যমে দায়ের করতে হবে:

১) আদালত অথবা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তার নিকট, আরজি উপস্থাপন করার মাধ্যমে প্রত্যেকটি মোকদ্দমা দাখিল করতে হবে এবং আরজি সংশ্লিষ্ট যতজন বিবাদী থাকে, ততগুলো আরজির অবিকল নকল অনুরূপ সকল বিবাদীর উপর পরোয়ানা জারি করার জন্য পেশ করতে হবে।
১ক) মোকদ্দমার ক্ষেত্রে পরোয়ানা জারি করার জন্য নির্ধারিত প্রদেয় কোর্ট ফি আরজি দাখিল করার সময় এবং অন্যান্য কার্যক্রমের ক্ষেত্রে যখন সমন ব্যবহার করা হয় তখন পরিশোধ করতে হবে।
১খ) সমনের একটি নকলসহ প্রত্যেক বিবাদীর জন্য সকল বিবাদীর পূর্ণ ও সঠিক ঠিকানা যুক্ত যথোচিত খামে আগাম প্রদত্ত প্রাপ্তি স্বীকারপত্র আরজির সঙ্গে বাদীকে পেশ করতে হবে।

২) ৬ষ্ঠ ও ৭ম আদেশের বিধিসমূহ যতদূর প্রযোজ্য হয়, তদনুসারে প্রত্যেকটি আরজি প্রণয়ন করতে হবে।
৭৬০.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৬ ধারা অনুযায়ী, কোন ধরনের মামলা অবশ্যই সম্পত্তি যেখানে অবস্থিত, সেই আদালতে দায়ের করতে হবে?
  1. ফৌজদারি মামলা
  2. স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মামলা
  3. অস্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মামলা
  4. অস্থাবর ও স্থাবর উভয় সম্পত্তি সম্পর্কিত মামলা
সঠিক উত্তর:
স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মামলা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ১৬ ধারা অনুযায়ী মোকদ্দমার বিষয়বস্তু যে আদালতের আঞ্চলিক সীমানার মধ্যে অবস্থিত সেই আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে। সাধারণত স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত মোকদ্দমা যেমন স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার, ভাগ বাটোয়ারা, স্থাবর সম্পত্তির বিনা সংক্রান্ত মামলা, সেই আদালতে দায়ের করাতে হবে, যেখানে উক্ত বিরোধীয় সম্পত্তি অবস্থিত।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৬ ধারার বিধান- বিষয়বস্তু যেখানে অবস্থিত, মামলা সেখানেই দায়ের করতে হবে:
- যে কোন আইনে নির্ধারিত আর্থিক বা অন্যান্য এখতিয়ার সাপেক্ষ -
ক) খাজনা বা মুনাফাসহ বা ব্যতীত স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য,
খ) স্থাবর সম্পত্তি বাটোয়ারা জন্য,
গ) স্থাবর সম্পত্তির বন্ধক বা দায় (charge) উদ্ধারের অধিকার, হরণ, বিক্রয় বা
ঘ) স্থাবর সম্পত্তির অন্য কোনো প্রকার অধিকার বা স্বার্থ নির্ণয়ের জন্য,
ঙ) স্থাবর সম্পত্তির অনিষ্টের জন্য ক্ষতিপূরণের দাবিতে,
চ) আটক বা ক্রোককৃত অস্থাবর সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য -

আনীত মামলাগুলি যে সকল আদালতের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি অবস্থিত, অথবা, ‘গ’ দফায় বর্ণিত মামলার ক্ষেত্রে যে স্থানে মামলার কারণ পূর্ণভাবে অথবা আংশিকভাবে উদ্ভব হয়, সেসব আদালতেই দায়ের করতে হবে:
তবে শর্ত থাকে যে, বিবাদী কর্তৃক বা তার পক্ষে দাখিলী কোন স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত প্রতিকার বা উহার অনিষ্টের জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা, প্রার্থতি প্রতিকার যদি সম্পূর্ণরূপে বিবাদির ব্যক্তিগতভাবে আনুগতভাবে আনুগত্যের ফলে লাভ করা যায়, তবে তাহলে যে আদালতের স্থানীয় সীমানার মধ্যে সম্পত্তি অবস্থিত, অথবা (ঙ) দফায় বর্ণিত ক্ষেত্রে যে স্থানে পূর্ণ বা আংশিকভাবে মামলার কারণ উদ্ভব হয়েছে অথবা যে আদালতের স্থানীয় সীমানার মধ্যে প্রকৃত পক্ষে এবং স্বেচ্ছায় বিবাদী বাস করে বা ব্যবসা-বাণিজ্য চালায় বা ব্যক্তিগতভাবে লাভের জন্য কর্ম করে সেই আদালতে দায়ের করা যাবে।
------------
→ The Code of Civil Procedure, 1908- Section-16. Suits to be instituted where subject-matter situate.
Subject to the pecuniary or other limitations prescribed by any law, suits- 
(a) for the recovery of immovable property with or without rent or profits, 
(b) for the partition of immovable property, 
(c) for foreclosure, sale or redemption in the case of a mortgage of or charge upon immovable property, 
(d) for the determination of any other right to or interest in immovable property, 
(e) for compensation for wrong to immovable property, 
(f) for the recovery of movable property actually under distraint or attachment, 
shall be instituted in the Court within the local limits of whose jurisdiction the property is situate, or, in the case of suits referred to in clause (c), at the place where the cause of action has wholly or partly arisen: 
Provided that a suit to obtain relief respecting, or compensation for wrong to, immovable property held by or on behalf of the defendant may, where the relief sought can be entirely obtained through his personal obedience, be instituted either in the Court within the local limits of whose jurisdiction the property is situate, or, in the case of suits referred to in clause (c), at the place where the cause of action has wholly or partly arisen, or in the Court within the local limits of whose jurisdiction the defendant actually and voluntarily resides, or carries on business, or personally works for gain. 
Explanation.-In this section "property' means property situate in Bangladesh.
৭৬১.
দেওয়ানি কার্যবিধির Order-XXI, Rule-32 প্রধানত কোন ধরনের ডিক্রি কার্যকর করার বিধান প্রদান করে?
  1. দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার
  2. নিষেধাজ্ঞামূলক ডিক্রি
  3. সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন
  4. উল্লিখিত সবগুলো 
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো 
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির Order XXI, Rule 32 প্রধানত তিন ধরনের ডিক্রি কার্যকর করার বিধান প্রদান করে:
১) সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের ডিক্রি (Decree for specific performance of a contract)
২) দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের ডিক্রি (Decree for restitution of conjugal rights)
৩) নিষেধাজ্ঞামূলক ডিক্রি (Decree for injunction)
- এই বিধি অনুযায়ী, যদি উক্ত ডিক্রির অধীনে দায়িক ইচ্ছাকৃতভাবে আদেশ না মানে, তবে দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে তার সম্পত্তি ক্রোক করা যেতে পারে।
- সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন বা নিষেধাজ্ঞার ডিক্রির ক্ষেত্রে তাকে দেওয়ানি কারাগারে আটক, সম্পত্তি ক্রোক, অথবা উভয় পদ্ধতিতে কার্যকর করা যেতে পারে।
অর্থাৎ আদেশ-২১, বিধি-৩২ দাম্পত্য অধিকার, নিষেধাজ্ঞা, এবং সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন—এই তিন ধরনের ডিক্রি কার্যকর করার নিয়ম বলে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৩২ এর বিধান সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন, দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার অথবা নিষেধাজ্ঞার জন্য ডিক্রি:
দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের জন্য সম্পত্তি ক্রোক, অথবা  চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের বা নিষেধাজ্ঞার ডিক্রির ক্ষেত্রে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে বা সম্পত্তি ক্রোক করে বা উভয় প্রকারেই কার্যকর করা যাবে।
যদি কোন কর্পোরেশন হয়, তবে কর্পোরেশনের সম্পত্তি ক্রোক করে অথবা পরিচালকগণকে বা অন্যান্য প্রধান কর্মকর্তাগণকে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে বা ক্রোক এবং আটক উভয় প্রকারেই ডিক্রিটি জারি করা যাবে। কোন ক্রোক ১ বছর যাবৎ বলবৎ থাকলে যদি ডিক্রি দায়িক ডিক্রিটি মান্য না করে থাকে এবং ডিক্রিদার ক্রোককৃত সম্পত্তি নিলাম বিক্রয়ের জন্য আবেদন করে থাকে, তবে অনুরূপ সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত ডিক্রিদারকে অর্থ প্রদান করতে পারেন।
---------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-21 Rule- 32. Decree for specific performance, for restitution of conjugal rights, or for an injunction:
(1) Where the party against whom a decree for the specific performance of a contract, or for restitution of conjugal rights, or for an injunction, has been passed, has had an opportunity of obeying the decree and has wilfully failed to obey it, the decree may be enforced in the case of a decree for restitution of conjugal rights by the attachment of his property or, in the case of a decree to the specific performance of a contract or for an injunction by his detention in the civil prison, or by the attachment of his property, or by both.
(2) Where the party against whom a decree for specific performance or for an injunction has been passed is a corporation, the decree may be enforced by the attachment of the property of the corporation or, with the leave of the Court, by the detention in the civil prison of the directors or other principal officers thereof, or by both attachment and detention.

৭৬২.
নিম্নের কোনটি সমন পাঠানোর সঠিক মাধ্যম নয়?
  1. ফ্যাক্স বার্তা
  2. মোবাইল মেসেজ
  3. ক এবং খ
  4. কুরিয়ার সার্ভিস
সঠিক উত্তর:
মোবাইল মেসেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোবাইল মেসেজ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধিতে সমন পাঠানোর উল্লেখিত মাধ্যমসমূহ হলো-
⇒ ডাকযোগে
⇒ ফ্যাক্স
⇒ ই-মেইল
⇒ কুরিয়ার সার্ভিস


• আদেশ ৫ বিধি ৯ (জারির জন্য সমন অর্জন অথবা প্রেরণ) -

(১) যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়েছে, বিবাদি সেটির এখতিয়ারভুক্ত এলাকায় বসবাস করে, বা সমন গ্রহণ করার ক্ষমতা প্রাপ্ত কোন প্রতিনিধি বিবাদির পক্ষে যদি এরূপ এলাকার ভিতর বসবাস করে, তবে আদালত অন্য কোনরূপ নির্দেশ না দিলে হয় উপযুক্ত কর্মকর্তার নিকট স্বয়ং জারি করার লক্ষ্যে বা তাদের অধঃস্তন কোন ব্যক্তি দ্বারা অথবা উপ-ধারা (৪) এর বিধান অনুযায়ী জেলা জজ কর্তৃক তালিকাভুক্ত কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে সমন অর্পিত বা প্রেরিত হবে।

(২) উপযুক্ত কর্মকর্তা যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করেছে, সেখানকার না হয়ে অন্য কোন আদালতের কর্মকর্তাও হতে পারেন, এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তার নিকট ডাকযোগে বা আদালত যেভাবে নির্দেশ দিতে পারে অনুরূপ অন্য যে কোন উপায়ে প্রেরণ করা যাবে।

(৩) আদালত উপ-বিধি (১) তে বর্ণিত বিধানের অতিরিক্ত হিসেবে বাদির আবেদনের প্রেক্ষিতে বিবাদিকে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করতে পারে এবং একইসঙ্গে ফ্যাক্স বার্তার মাধ্যমে বা ইলেক্ট্রনিক মেইল সার্ভিস এর মাধ্যমে নিজ খরচে সমন প্রেরণের নির্দেশ দিবেন।

(৪) জেলা জজ উপ-বিধি (১) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কুরিয়ার সার্ভিসের একটি তালিকা প্রস্তুত করবেন (সময় সময় হালনাগাদসহ) এবং তার প্রশাসনিক অধিক্ষেত্রের সকল দেওয়ানি আদালতসমূহকে তা অবহিত করবেন।

(৫) যখন সমন উপযুক্ত কর্মকর্তা বা কুরিয়ার সার্ভিস এর নিকট প্রেরণ করা হয়, তখন তিনি বা কুরিয়ার সার্ভিস উক্ত সমন প্রাপ্তির ত্রিশ দিনের মধ্যে বা প্রেরণ করবেন এবং আদালতকে এতদবিষয়ে অবহিত করবেন:তবে শর্ত থাকে যে, যদি উপযুক্ত কর্মকর্তা বা কুরিয়ার সার্ভিস উক্ত নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সমন প্রেরণে ব্যর্থ হন, তাহলে উক্ত কর্মকর্তা অসদাচরণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হবেন এবং কুরিয়ার ক্ষেত্রে, জেলা জজ উপ-বিধি (৪) অনুযায়ী প্রস্তুতকৃত তালিকা হতে তা বাদ দিবেন।
৭৬৩.
Code of Civil Procedure-এর কোন ধারায় আদালত 'Compliance Report' দাখিলের নির্দেশ দিতে পারে?
  1. ধারা ৯২
  2. ধারা ৯৩
  3. ধারা ৯৪
  4. ধারা ৯৪ক
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯৪ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯৪ক
ব্যাখ্যা
Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ৯৪ক: আদেশ বা ডিক্রি কার্যকরকরণে নির্দেশ:
"কোনো ডিক্রি বা আদেশ কার্যকর করার উদ্দেশ্যে, আদালত নির্বাহী কর্তৃপক্ষসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাসমূহকে আদালত কর্তৃক মনোনীত ব্যক্তিকে সহায়তা করার জন্য এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কার্যকরির প্রতিবেদন (compliance report) দাখিলের নির্দেশ দিতে পারবে।"

94A- Direction in execution of orders, etc
For the purpose of execution of any decree or order, the Court may direct the executive authorities, including law enforcement agencies, to assist any person designated by it and to submit compliance report within the time specified by it.
৭৬৪.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর কত ধারায় “Order” (আদেশ) এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ধারা ২(১০)
  2. ধারা ২(১২)
  3. ধারা ২(১৪)
  4. ধারা ২(১৬)
সঠিক উত্তর:
ধারা ২(১৪)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২(১৪)
ব্যাখ্যা

ধারা ২(১৪): “Order” (আদেশ):
“Order” means the formal expression of any decision of a Civil Court which is not a decree.
“আদেশ” বলতে বোঝায় দেওয়ানি আদালতের যে কোন সিদ্ধান্তের আনুষ্ঠানিক প্রকাশ, যা ডিক্রি (decree) নয়।

⇒ আদালতের যে সিদ্ধান্ত ডিক্রি নয়, কিন্তু আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়, তাকে আদেশ (Order) বলা হয়। অর্থাৎ, প্রতিটি আদালতের সিদ্ধান্ত হয় ডিক্রি, নয়তো আদেশ — যদি তা দেওয়ানি আদালতের হয়। যেমন - মামলার অগ্রগতি, সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা, বা মামলার খারিজ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত ইত্যাদি “আদেশ” হিসেবে গণ্য হয়।

৭৬৫.
দেওয়ানী কার্যবিধির ২১ আদেশের ৮৯ বিধি অনুযায়ী, নিলাম বিক্রয় রদ করতে ক্রয় মূল্যের কত শতাংশ জমা দেয়ার বিধান রয়েছে?
  1. ৫%
  2. ১০%
  3. ১৫%
  4. ২০%
সঠিক উত্তর:
৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫%
ব্যাখ্যা
ডিক্রি জারিতে বিক্রয় রদ করার আবেদন:
দেওয়ানী কার্যবিধির ২১ আদেশের ৮৯ বিধির অধীন ডিক্রি জারিতে বিক্রয় রদ করার আবেদন করা যায়। ডিক্রি জারিতে কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় করা হলে, উক্ত নিলাম বিক্রয়ের তারিখ হতে ৩০ দিনের মধ্যে বিক্রয় বাতিলের জন্য আবেদন করা যায়। এই ক্ষেত্রে ক্রয় মূল্যে ৫% বা নিলাম ঘোষণায় উল্লেখিত অর্থের মধ্যে যেটা কম তা জমা দিয়ে বিক্রয় রদের আবেদন করতে হবে।

অন্যদিকে, ডিক্রি জারিতে কোন স্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রয় হলে উক্ত নিলাম রদের জন্য ৯০ বিধির অধীন আবেদন করা যায় যদি-
১. নিলাম প্রচার বা পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ অনিয়ম বা প্রতারণা থাকে,
২. আবেদনকারীকে যদি ২২ বিধির অধীন নোটিশ দিতে ব্যর্থ হয়।

যদি আবেদনকারী প্রমাণ করতে পারে যে, নিলাম প্রচার বা পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ অনিয়ম বা প্রতারণা ছিল, তাহলে আদালত উক্ত নিলাম রদ করতে পারে। ৮৯ এবং ৯০ বিধির অধীন নিলাম বিক্রয়ের তারিখ হতে ৩০ দিনের মধ্যে বিক্রয় বাতিলের জন্য আবেদন করা যায় (তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৬৬ অনুচ্ছেদ)।

প্রতিকার:
৮৯ এবং ৯০ বিধির অধীন বিক্রয় রদের কোন আদেশ দিলে বা বিক্রয় বাতিল করা আবেদন প্রত্যাখ্যান করে কোন আদেশ দিলে, উক্ত আদেশ হলো আপীলযোগ্য এবং উভয় ক্ষেত্রে আপীল করা যায় (আদেশ ৪৩, বিধি ১)।
৭৬৬.
কোন মামলার ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে কোনো মহিলাকে দেওয়ানি জেলে আটক রাখা যাবে না?
  1. স্বত্ত্বের মামলা
  2. অর্থ মামলা
  3. অগ্রক্রয়ের মামলা
  4. দখলের মামলা
সঠিক উত্তর:
অর্থ মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থ মামলা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৫৬ ধারা- টাকার ডিক্রি জারিতে মহিলাকে গ্রেফতারের বা আটকের বাধা-নিষেধ:
এই খণ্ডে অন্য কোন বিধান থাকা সত্ত্বেও আদালত টাকা পরিশোধের জন্য ডিক্রি জারির জন্য কোন মহিলাকে দেওয়ানি জেলে গ্রেপ্তার বা আটক রাখার আদেশ প্রদান করবে না।

Section 56- Prohibition of arrest or detention of women in execution of decree for money:
Notwithstanding anything in this Part, the Court shall not order the arrest or detention in the civil prison of a woman in execution of a decree for the payment of money.
৭৬৭.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী, যদি সহকারী জজ রায় প্রদান করেন, তবে রিভিউ আবেদন কোথায় দাখিল করতে হবে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. জেলা জজ আদালতে
  3. যুগ্ম জেলা জজ আদালতে
  4. সহকারী জজের আদালতে
সঠিক উত্তর:
সহকারী জজের আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সহকারী জজের আদালতে
ব্যাখ্যা
⇒ যে আদালত ডিক্রি বা আদেশ দেয়, সেই আদালতে ডিক্রি বা আদেশটি রিভিউ করার জন্য আবেদন করতে হয়। 
- যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছে, সেই আদালতেই ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউ আবেদন করতে হয়।
- দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ১১৪ ও অর্ডার ৪৭ অনুযায়ী, রিভিউ আবেদন করতে হয় সেই আদালতেই, যে আদালত ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করেছে। অর্থাৎ, আদালত নিজেই তার রায়/আদেশ পুনর্বিবেচনার ক্ষমতা রাখে।
- যদি সহকারী জজ রায় প্রদান করেন, তবে সেই রায়ের রিভিউ আবেদনও সহকারী জজের আদালতেই দাখিল করতে হবে, অন্য কোনো উচ্চতর আদালতে নয়। রিভিউয়ের এখতিয়ার একমাত্র থাকে রায়দাতা আদালতের হাতে, আপিলের মত উচ্চতর আদালতে নয়।

- উল্লিখিত প্রশ্নে সহকারী জজ রায় দিলে, সেই রায়ের বিরুদ্ধে উক্ত সহকারী জজের নিকট রিভিউ আবেদন করতে হবে।
৭৬৮.
The death of a _________ shall not cause the suit to abate if the right to sue survives.
  1. person
  2. defendant
  3. plaintiff
  4. plaintiff or defendant
সঠিক উত্তর:
plaintiff or defendant
উত্তর
সঠিক উত্তর:
plaintiff or defendant
ব্যাখ্যা
• Order-22 Rule-1: No abatement by party's death, if right to sue survives:
The death of a plaintiff or defendant shall not cause the suit to abate if the right to sue survives.

দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২২ বিধি-১: মোকদ্দমা করার অধিকার উদ্ভব হয়ে থাকলে পক্ষের মৃত্যুতে মোকদ্দমা বিলোপসাধন হয় না:
মোকদ্দমা করার অধিকার যদি উদ্ভব হয়, তাহলে কোন বাদী বা বিবাদীর মৃত্যু মোকদ্দমার বিলুপ্তি ঘটায় না।
৭৬৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন আদেশ ও বিধিতে প্লিডিংস সংশোধনের বিধান রয়েছে?
  1. আদেশ ৬, বিধি ১৭
  2. আদেশ ১, বিধি ১০
  3. আদেশ ৭, বিধি ১১
  4. আদেশ ৪, বিধি ১৭
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৬, বিধি ১৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৬, বিধি ১৭
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৬ বিধি ১৭: প্লিডিংস সংশোধন:
- মামলার যে কোন পর্যায়ে আদালত যে কোন পক্ষকে আরজি বা জবাবের ন্যায়সঙ্গত পরিবর্তন বা সংশোধন করার অনুমতি দিতে পারেন।
- বাদী বা বিবাদী উভয় পক্ষের বিরোধের প্রকৃত প্রশ্ন নির্ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় যাবতীয় সংশোধন করা যাবে।
- আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতার উপর আরজি জবাব সংশোধনের আদেশ নির্ভর করে।
- প্লিডিংস সংশোধনের দরখাস্ত দাখিল করতে হয় বিচারিক আদালতে।
- প্লিডিংস মামলার যে কোন পর্যায়ে এমনকি আপিল আদালতের মাধ্যমে সংশোধন করা যায়।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order 6 Rule 17: Amendment of pleadings:
The Court may at any stage of the proceedings allow either party to alter or amend his pleadings in such manner and on such terms as may be just, and all such amendments shall be made as may be necessary for the purpose of determining the real questions in controversy between the parties:
Provided that no application for amendment shall be allowed after the trial has commenced, unless the Court is of opinion that in spite of due diligence, the party could not have raised the matter before the commencement of trial:
Provided further that if an application for amendment is made after the trial has commenced and the Court is of opinion that the application is made to delay the proceedings, the Court shall make an order for the payment to the objector such cost by way of compensation as it thinks fit. 

৭৭০.
আদেশ ৩৯ বিধি ২ এর অধীনে ক্রোকাদেশ সর্বোচ্চ কত দিন বলবৎ থাকবে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৯ বিধি ২:

১) বিবাদিকে চুক্তি লঙ্ঘন বা অন্য কোন প্রকার অনিষ্ট করা থেকে বিরত রাখার মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবী করা হয়ে থাকুক বা না থাকুক, মোকদ্দমা শুরু হওয়ার পর যে কোন সময় এবং রায়ের পূর্বে বা পরে বাদি অভিযোগে আনীত চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে কিংবা একই চুক্তি থেকে উদ্ভূত অথবা একই সম্পত্তি বা অধিকারের সাথে সম্পর্কিত কোন চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে বিবাদিকে বিরত রাখার জন্য আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে।

২) নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ, হিসাব রক্ষণ, জামানত প্রদান অথবা অন্য প্রকারে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্ত সাপেক্ষে অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করে আদেশ প্রদান করতে পারে।

৩) যদি অমান্য করা হয় কিংবা অনুরূপ কোন শর্ত লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত অনুরূপ অমান্য করা বা লঙ্ঘন করার জন্য দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে অনধিক ছয় মাস মেয়াদের জন্য দেওয়ানি জেলে আটক রাখতেও নির্দেশ দিতে পারে, যদি না আদালত ইতোমধ্যে তার মুক্তির আদেশ প্রদান করে থাকে।

৪) এই বিধির অধীনে কোন ক্রোক এক বৎসরের অধিক বলবৎ থাকবে না এবং উক্ত সময়ের পরও যদি অমান্য বা লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে তবে ক্রোকী সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ খেসারতের আদেশ প্রদান করতে পারে এবং অবশিষ্ট অর্থ, যদি থাকে, তাতে অধিকারী পক্ষকে প্রদান করবে।
৭৭১.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্র উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ১৫০
  2. ধারা ১৫১
  3. ধারা ১৫৩
  4. ধারা ১৫৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫১
ব্যাখ্যা

 • দেওয়ানি আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা-
আদালতের সহজাত ক্ষমতা বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power of court) ন্যায় বিচারের স্বার্থে দেওয়ানী আদালতের একটি অলিখিত ক্ষমতা যা প্রয়োগের মাধ্যমে আদালত ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে সচেষ্ট হয়। কোন বিচারপ্রার্থী ন্যায় বিচার হতে বঞ্চিত না হওয়ার জন্য দেওয়ানি আদালতকে একটি বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। যেক্ষেত্রে আইনের কোন সুস্পষ্ট বিধান নেই বা আইনের কোন সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা নেই সেক্ষেত্রে আদালত তার স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা কল্পে বিচারকার্য পরিচালনা করতে পারেন। একেই বলা হয় আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা বা সহজাত ক্ষমতা।

দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫১ ধারামতে, দেওয়ানি আদালত ২টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা (For the ends of justice); এবং
ii) আদালতের কার্যধারা বা আদালত কর্তৃক ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা (To prevent abuse of the process of the court)।

Section 151- Saving of inherent powers of Court:
Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect the inherent power of the Court to make such orders as may be necessary for the ends of justice or to prevent abuse of the process of the Court.

৭৭২.
আদেশ-২১ বিধি-৬৮ এর অধীনে অস্থাবর সম্পত্তি নিলাম বিক্রয়ের আগে সর্বনিম্ন কতদিনের নোটিশ দিতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৬৮ এর বিধান- বিক্রয়ের সময়:
বিক্রয়ের আদেশদানকারী বিচারকের আদালত ভবনে ইশতেহারের নকল লটকিয়ে দেয়ার তারিখ থেকে স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে অন্ততপক্ষে ৩০ দিন এবং অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে ১৫ দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত ডিক্রি দায়িকের লিখিত সম্মতি ব্যতীত নিলাম বিক্রয় অনুষ্ঠিত হতে পারবে না।

⇒ Order-21 Rule-68. Time of sale:
Save in the case of property of the kind described in the proviso to rule 43, no sale hereunder shall, without the consent in writing of the judgment-debtor, take place until after the expiration of at least thirty days in the case of immovable property, and of at least fifteen days in the case of movable property, calculated from the date on which the copy of the proclamation has been affixed on the court-house of the Judge ordering the sale.
৭৭৩.
কোন সংস্থা কর্তৃক মামলায় আরজিতে স্বাক্ষর ও সত্যপাঠ করতে পারবে উক্ত সংস্থার-
  1. সেক্রেটারী
  2. প্রধান কর্মচারী
  3. ডিরেক্টর
  4. উপরের যে কোন ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
উপরের যে কোন ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের যে কোন ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির ২৯ আদেশের ১ বিধি অনুসারে- কোন সংস্থা মামলা করলে বা তার বিরুদ্ধে মামলা হলে প্লিডিংস-এ বা আরজিতে স্বাক্ষর ও সত্যপাঠ করবেন-

১) সংস্থার সেক্রেটারী বা

২) ডিরেক্টর বা

৩) প্রধান কর্মচারী
৭৭৪.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ৬৫ অনুযায়ী ক্রেতার স্বত্ব কখন থেকে গণ্য হবে?
  1. বিক্রয় চূড়ান্ত হওয়ার সময় থেকে
  2. সম্পত্তি বিক্রি হওয়ার সময় থেকে
  3. নিলামের ঘোষণার সময় থেকে
  4. আদালতের অনুমতি পাওয়ার সময় থেকে
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি বিক্রি হওয়ার সময় থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি বিক্রি হওয়ার সময় থেকে
ব্যাখ্যা

ধারা ৬৫- ক্রেতার স্বত্ব:
যখন কোনো স্থাবর সম্পত্তি ডিক্রি কার্যকর করার জন্য বিক্রি করা হয় এবং ওই বিক্রয় চূড়ান্ত হয়ে যায়, তখন উক্ত সম্পত্তি ক্রেতার অধিকারভুক্ত হিসেবে গণ্য হবে সেই সময় থেকে যখন সম্পত্তি বিক্রি করা হয়েছিল, না যে সময়ে বিক্রয়টি চূড়ান্ত হয়েছে।

Section 65- Purchaser's title:
Where immovable property is sold in execution of a decree and such sale has become absolute, the property shall be deemed to have vested in the purchaser from the time when the property is sold and not from the time when the sale becomes absolute.

৭৭৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১০ অনুযায়ী রেস সাবজুডিস (Res Sub Judice) এর কোন বৈশিষ্ট্যটি সঠিক?
  1. একই বিষয়বস্তু
  2. সম এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত
  3. একই পক্ষ বা তাদের স্থলবর্তীদের মধ্যে মোকদ্দমা
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১০ অনুযায়ী, রেস সাবজুডিস নীতির সকল বৈশিষ্ট্য (একই বিষয়বস্তু, সম এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত, এবং একই পক্ষ বা তাদের স্থলবর্তীদের মধ্যে মোকদ্দমা) প্রযোজ্য। একাধিক মামলার বিচারের জন্য এই শর্তগুলি পূর্ণ হওয়া প্রয়োজন, যাতে একাধিক আদালতে একই বিষয়ে বিচার না হয়। এর মাধ্যমে বিচার ব্যবস্থায় দ্বৈত সিদ্ধান্ত বা বিরোধী সিদ্ধান্ত এড়ানো সম্ভব হয়।

-  ধারা ১০ অনুযায়ী, রেস সাবজুডিস (Res Sub Judice) এমন একটি ধারণা যা একই বিষয়ের বিষয়ে একাধিক আদালতে একযোগে মামলা চলতে দেয় না, যাতে একই বিষয়ে বিরোধী সিদ্ধান্ত না হয়। রেস সাবজুডিসের জন্য নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্যগুলো প্রযোজ্য:
- একই বিষয়বস্তু (Same Matter in Issue):
রেস সাবজুডিসের মূল বৈশিষ্ট্য হলো যে একই বিষয়ের উপর যদি একাধিক মামলা চলমান থাকে, তবে অন্য আদালত সেটি শুনানির জন্য গ্রহণ করতে পারে না। অন্য আদালতে যে বিষয়টি বিচারের জন্য রয়েছে, সেটির সাথেই মামলার বিষয়টি এক হওয়া উচিত।
- সম এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত (Court with Same Jurisdiction):
মামলাটি যেখানে বিচারাধীন, সেখানে আদালতের এখতিয়ার সমান হতে হবে। অর্থাৎ, একই বা অভিন্ন এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত (বাংলাদেশের মধ্যে বা বৈদেশিক আদালতেও) থাকতে হবে, যারা সেই বিষয়ে কার্যকরী সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা রাখে।
- একই পক্ষ বা তাদের স্থলবর্তীদের মধ্যে মোকদ্দমা (Same Parties or Their Representatives):
রেস সাবজুডিসে শুধুমাত্র সেই সব মামলাগুলি অন্তর্ভুক্ত হবে যেখানে পক্ষগুলো একই অথবা তাদের প্রতিনিধিরা, যেমন, আইনগত উত্তরাধিকারী, স্থলবর্তী ব্যক্তি (যেমন, মিরাসী বা হেরিটর) একই বিষয়ে মামলা করছে।
এতসব বৈশিষ্ট্য মিলিয়ে, রেস সাবজুডিসের উদ্দেশ্য হচ্ছে একই বিষয়ে একাধিক আদালত একযোগে মামলা পরিচালনা না করে, একটি আদালতে সেই বিষয়টি নিষ্পত্তি করার জন্য মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করা।

তাহলে সঠিক উত্তর হবে: ঘ) উপরের সবগুলো।
৭৭৬.
দেওয়ানি মামলায় রিভিউ দরখাস্ত মঞ্জুর আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. আপিল
  2. রিভিশন
  3. রেফারেন্স
  4. কোনো প্রতিকার নেই
সঠিক উত্তর:
আপিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ৪৩ বিধি ১ অনুযায়ী ৪৭ আদেশের ৪ বিধির অধীন রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করে কোন আদেশ দিলে তার বিরুদ্ধে আপীল করা যায়। 
- দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ৪৩ বিধি ১ তে মোট ২৫টি আদেশ রয়েছে যেগুলার বিরুদ্ধে আপীল করা যায়।

- দেওয়ানি কার্যবিধির ১০৪ ধারায় ও ৪৩ আদেশে  "আদেশ হতে আপীল" এর বিধান আছে । এইখানে বলা আছে ৪৭ আদেশের ৪ বিধির আধিনে রিভিউ আবেদন বা দরখাস্ত মনঞ্জুর হলে তার বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে। 
- দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৭ এবং ধারা ১১৪ তে রিভিউর বিধান আছে ।
আদালত রিভিউ আবেদন মনঞ্জুর করলে এর বিরুদ্ধে আপীল চলে , তবে রিভিউ না-মনঞ্জুর করলে তার বিরদ্ধে রিভিশন চলবে।
৭৭৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৭৪-এর অধীনে দেওয়ানি কারাগারে আটকের সর্বোচ্চ মেয়াদ কত দিন?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ৭৪ অনুসারে, যদি আদালত এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, স্থাবর সম্পত্তির দখলসংক্রান্ত ডিক্রিধারী বা ডিক্রি জারিতে বিক্রয়কৃত স্থাবর সম্পত্তির ক্রেতাকে জজমেন্ট-ডেবটর বা তার পক্ষে কোনও ব্যক্তি অন্যায়ভাবে দখল নিতে বাধা বা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছেন, তাহলে আদালত ডিক্রিধারী বা ক্রেতার আবেদনক্রমে জজমেন্ট-ডেবটর বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ ৩০ দিন পর্যন্ত দেওয়ানি কারাগারে আটকের আদেশ দিতে পারবে। এছাড়াও আদালত ডিক্রিধারী বা ক্রেতাকে সম্পত্তির দখল দিতে নির্দেশ দিতে পারবে।
- সুতরাং, সঠিক উত্তর খ) ৩০ দিন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৭৪ ধারা- ডিক্রি জারি কার্যে বাধা প্রদান:
যখন স্থাবর সম্পত্তি দখলের জন্য ডিক্রিদার বা ডিক্রি জারিতে বিকৃত স্থাবর সম্পত্তির ক্রয়কারী, দেনাদার বা তার পক্ষে কোন ব্যক্তির মাধ্যমে সম্পত্তির দখল লাভ করতে বাধ্য বা প্রতিবন্ধকতা প্রাপ্ত হয়েছে বলে এবং অনুরূপ বাধা বা প্রতিবন্ধকতা ন্যায়সংগত কারণ ব্যতীত সৃষ্টি হয়েছিল বলে আদালত সন্তুষ্ট হয় তখন ডিক্রিদার বা ক্রেতার আবেদনক্রমে আদালত দেনাদার বা অন্য ব্যক্তিকে ৩০ দিন অবধি দেওয়ানি জেলে আটক রাখার আদেশ দিতে পারে এবং আরো নির্দেশ দান করতে পারে যে, ডিক্রিদার বা ক্রয়কারীকে সম্পত্তির দখল প্রদান করা হয়।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908-74: Resistance to execution:
Where the Court is satisfied that the holder of a decree for the possession of immovable property or that the purchaser of immovable property sold in execution of a decree has been registered or obstructed in obtaining possession of the property by the judgment-debtor or some person on his behalf and that such resistance or obstruction was without any just cause, the Court may, at the instance of the decree-holder or purchaser, order the judgment-debtor or such other person to be detained in the civil prison for a term which may extend to thirty days and may further direct that the decree-holder or purchaser be put into possession of the property.

৭৭৮.
সমনে বিবাদিকে হাজির হওয়ার যথেষ্ট সময় প্রদান করা না হলে, আদালত-
  1. মোকদ্দমার শুনানি মুলতবি রাখবে এবং বিবাদীকে উক্ত তারিখ জানানোর জন্য নির্দেশ দিবে
  2. মোকদ্দমার শুনানি মুলতবি রাখবে এবং বাদী- বিবাদীকে উক্ত তারিখ জানানোর জন্য নির্দেশ দিবে
  3. মোকদ্দমার বাতিল করবে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার শুনানি মুলতবি রাখবে এবং বিবাদীকে উক্ত তারিখ জানানোর জন্য নির্দেশ দিবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার শুনানি মুলতবি রাখবে এবং বিবাদীকে উক্ত তারিখ জানানোর জন্য নির্দেশ দিবে
ব্যাখ্যা
• যেক্ষেত্রে সমন যথারীতি সমন যথারীতি জারি হয়েছে, বিবাদিকে সমনে নির্দিষ্ট তারিখে হাজির হয়ে জবাব দেয়ার জন্য যথেষ্ট সময় প্রদান করা হয়নি, তবে আদালত পরবর্তী কোন নির্ধারিত তারিখ পর্যন্ত মোকদ্দমার শুনানি মুলতবি রাখবে এবং বিবাদিকে উক্ত তারিখ জানানোর জন্য নির্দেশ প্রদান করবে।

• আদেশ ৯ বিধি-৬ঃ

১) যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার শুনানির জন্য ডাক পড়লে বাদি উপস্থিত হয় এবং বিবাদি উপস্থিত হয় না, সেক্ষেত্রে তাহলে আদালত-

ক) যদি প্রমাণিত হয় যে, সমন যথারীতি জারি হয়েছে,  একতরফা বিচার করতে পারবেন:

খ) যদি প্রমাণিত না হয় যে, যথারীতি জারি হয়েছে, তবে আদালত বিবাদির উপর দ্বিতীয়বার সমন প্রেরণ এবং জারি করার নির্দেশ দান করবেন;

গ) যেক্ষেত্রে সমন যথারীতি জারি হয়, কিন্তু উপযুক্ত সময়ের মধ্যে নয়ঃ
যদি প্রমাণিত হয় যে, সমন যথারীতি জারি হয়েছে, বিবাদিকে সমনে নির্দিষ্ট তারিখে হাজির হয়ে জবাব দেয়ার জন্য যথেষ্ট সময় প্রদান করা হয়নি, তবে আদালত পরবর্তী কোন নির্ধারিত তারিখ পর্যন্ত মোকদ্দমার শুনানি মূলতবী রাখবে এবং বিবাদিকে উক্ত তারিখ জানানোর জন্য নির্দেশ প্রদান করবে।
৭৭৯.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Section 2(8) এর বিধান অনুসারে 'Judge' অর্থ-
  1. Assistant Judge
  2. Joint District Judge
  3. District Judge
  4. Presiding Officer of a Civil Court
সঠিক উত্তর:
Presiding Officer of a Civil Court
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Presiding Officer of a Civil Court
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(৮) এ "বিচারক বা জজ" এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে-

"বিচারক বা জজ" বলতে দেওয়ানি আদালতের প্রিজাইডিং অফিসার বোঝায়।
"Judge" means the Presiding Officer of a Civil Court.

• সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭ এর ধারা-৩ এ নিম্নলিখিত দেওয়ানি আদালতের প্রকারভেদ দেয়া হয়েছে-

১. জেলা জজ আদালত [Court of District Judge]
২. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত [Court of Additional District Judge]
৩. যুগ্ম জেলা জজ আদালত [Court of Joint District Judge]
৪. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত [Court of Senior Assistant Judge]
৫. সহকারী জজ আদালত [Court of Assistant Judge]
 
অর্থাৎ "বিচারক বা জজ" বলতে উল্লেখিত দেওয়ানি আদালতসমূহের প্রিজাইডিং অফিসারকে বুঝাবে।
৭৮০.
১২০০০০০ (বার লক্ষ) টাকা মূল্যমানের একটি দেওয়ানী মোকদ্দমা কোন আদালতে দায়ের করতে হবে?
  1. পক্ষদের সুবিধামতে নীচের যে কোনো একটি আদালতে
  2. সহকারী জজের আদালতে
  3. সিনিয়র সহকারী জজের আদালতে
  4. যুগ্মজেলা জজের আদালতে
সঠিক উত্তর:
সহকারী জজের আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সহকারী জজের আদালতে
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫ ধারা মোতাবেক সর্বনিম্ন যে আদালত কোনো মোকদ্দমা বিচার করতে পারে মামলাটি সেই আদালতে করতে হবে।

♦ The Civil Court Act, 1887 এর ২০২১ সালের সংশোধনী অনুসারে, দেওয়ানি আদালতে আর্থিক এখতিয়ার হলঃ সহকারী জজ ১৫ লক্ষ পর্যন্ত, সিনিয়র সকারী জজ ২৫ লক্ষ পর্যন্ত ও যুগ্মজেলা জজ সীমাহীন মূল্যের মোকদ্দমা বিচার করতে পারেন। এই ক্ষেত্রে সিনিয়র সহকারী জজের এখতিয়ার শুরু হবে ১৫ লক্ষ ১ টাকা হতে। 

♦ তাই এই মামলাটি মূল্যমান ১২০০০০০ (বার লক্ষ)  হওয়ায় অত্র মামলাটি সহকারী জজ আদালতে দায়ের করতে হবে।
৭৮১.
আদেশ-৩৮ বিধি-৯ অনুসারে আদালত রায় ঘোষণার পূর্বে প্রদত্ত ক্রোক আদেশ প্রত্যাহার করতে পারে-
  1. বিবাদী জামানত এবং অন্যান্য খরচ আদালতে দাখিল করলে
  2. মোকদ্দমা খারিজ হলে
  3. মোকদ্দমা স্থগিত হলে
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• আদালত ২টি কারণে রায় ঘোষণার পূর্বে প্রদত্ত ক্রোক আদেশ প্রত্যাহার করতে পারেন যথা-
ক) বিবাদী জামানত এবং অন্যান্য খরচ আদালতে দাখিল করলে; এবং
খ) মোকদ্দমা খারিজ হলে।

আদেশ-৩৮ বিধি-৯: জামানত প্রদান করা হলে কিংবা মোকদ্দমা খারিজ করা হলে ক্রোক অপসারণ: 
যেক্ষেত্রে রায়ের পূর্বে ক্রোকের জন্য কোন আদেশ প্রদান করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে বিবাদি ক্রোকের খরচাদির জামানতসহ আবশ্যকীয় জামানত প্রদান করে বা মোকদ্দমাটি খারিজ হলে আদালত ক্রোক প্রত্যাহার করে আদেশ দিবে।

Order-38 Rule-9: Removal of attachment when security furnished or suit dismissed:
Where an order is made for attachment before judgment, the Court shall order the attachment to be withdrawn when the defendant furnishes the security required, together with security for the costs of the attachment, or when the suit is dismissed.
৭৮২.
রেফারেন্সের আবেদন কে করতে পারে?
  1. পক্ষদ্বয়
  2. অধস্তন আদালত
  3. শুধু বাদী
  4. আদালত ও পক্ষদ্বয় উভয়
সঠিক উত্তর:
অধস্তন আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধস্তন আদালত
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির অধস্তন কোন আদালত কোন সময়ে যদি প্রয়োজন মনে করে, তাহলে মোকদ্দমার বিষয়ে মতামতের জন্য হাইকোর্ট বিভাগে আবেদন করতে পারেন। হাইকোর্ট বিভাগে এরুপ অভিমত চাওয়াকে  Referance বলে।

♦ রেফারেন্স সম্পর্কিত বিধান দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১১৩ ও আদেশ ৪৬ এ দেয়া আছে।

♦ হাইকোর্ট বিভাগের অধ:স্তন আদালত তথ্যগত ও আইনগত জটিল প্ৰশ্ন বিষয়ে হাইকোর্ট বিভাগে রেফারেন্স এর আবেদন করতে পারে।
৭৮৩.
আদালত কোন বিধি অনুযায়ী ইস্যু নির্ধারণের আগে আদালত সাক্ষী বা নথি পরীক্ষা করতে পারে?
  1. আদেশ ১৪ বিধি ৩
  2. আদেশ ১৪ বিধি ৪
  3. আদেশ ১৪ বিধি ৫
  4. আদেশ ১৪ বিধি ৬
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৪ বিধি ৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৪ বিধি ৪
ব্যাখ্যা

আদেশ ১৪ বিধি ৪: ইস্যু নির্ধারণের আগে আদালত সাক্ষী বা নথি পরীক্ষা করতে পারে:
যদি আদালতের মনে হয় যে ইস্যু (issues) সঠিকভাবে নির্ধারণ করা যাবে না- কোনো ব্যক্তি, যিনি আদালতে উপস্থিত নেই, তাকে জিজ্ঞাসাবাদ (examination) করা ছাড়া, অথবা মামলায় এখনো জমা না দেওয়া কোনো নথি পরীক্ষা করা ছাড়া, তাহলে আদালত ইস্যু নির্ধারণ (framing of issues) পিছিয়ে দিতে পারে, তবে সেই সময়সীমা ১৫ দিনের বেশি হতে পারবে না।

এ ছাড়া আদালত, বর্তমান প্রচলিত আইনের অধীনে সেই ব্যক্তিকে সমন বা অন্যান্য প্রক্রিয়া ব্যবহার করে হাজির করতে পারে, অথবা  যার কাছে নথিটি আছে তাকে নথি জমা দিতে বাধ্য করতে পারে।

৭৮৪.
"Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect the inherent power of the Court to make such orders as may be necessary for the ends of justice or to prevent abuse of the process of the Court." This provision relates to-
  1. Section 157
  2. Section 150
  3. Section 151
  4. Section 152
সঠিক উত্তর:
Section 151
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 151
ব্যাখ্যা
Section 151- Saving of inherent powers of Court:
Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect the inherent power of the Court to make such orders as may be necessary for the ends of justice or to prevent abuse of the process of the Court.

• দেওয়ানি আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা-
আদালতের সহজাত ক্ষমতা বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power of court) ন্যায় বিচারের স্বার্থে দেওয়ানী আদালতের একটি অলিখিত ক্ষমতা যা প্রয়োগের মাধ্যমে আদালত ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে সচেষ্ট হয়। কোন বিচারপ্রার্থী ন্যায় বিচার হতে বঞ্চিত না হওয়ার জন্য দেওয়ানি আদালতকে একটি বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। যেক্ষেত্রে আইনের কোন সুস্পষ্ট বিধান নেই বা আইনের কোন সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা নেই সেক্ষেত্রে আদালত তার স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা কল্পে বিচারকার্য পরিচালনা করতে পারেন। একেই বলা হয় আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা বা সহজাত ক্ষমতা।

দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫১ ধারামতে, দেওয়ানি আদালত ২টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা (For the ends of justice); এবং
ii) আদালতের কার্যধারা বা আদালত কর্তৃক ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা (To prevent abuse of the process of the court)।
৭৮৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৫ বিধি ১ অনুসারে, প্রথম শুনানিতে যদি দেখা যায় যে পক্ষগুলি কোনো আইনগত বা তথ্যগত প্রশ্নে বিরোধে নেই, তবে আদালত কী করতে পারেন?
  1. তখনই রায় দিতে পারেন
  2. মামলা স্থানান্তর করতে পারেন
  3. মামলা খারিজ করতে পারেন
  4. আদালত সাক্ষ্যগ্রহণ স্থগিত করতে পারেন
সঠিক উত্তর:
তখনই রায় দিতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তখনই রায় দিতে পারেন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ১৫ বিধি ১ অনুসারে, মোকদ্দমার প্রাথমিক শুনানিতে যদি দেখা যায় যে পক্ষগণের মধ্যে কোনো তথ্যগত বা আইনগত প্রশ্নে বিতর্ক বা বিরোধ নেই, তবে আদালত তৎক্ষণাৎ রায় ঘোষণা করতে পারে। এটি মোকদ্দমার দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিত করে এবং সময় ও সম্পদ সাশ্রয় করে, যেহেতু কোনো বিতর্কিত ইস্যু না থাকলে আরও শুনানির প্রয়োজন হয় না।
------------
⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Order-15, Rule-1.- Parties not at issue:
- Where at the first hearing of a suit it appears that the parties are not at issue on any question of law or of fact, the Court may at once pronounce judgment.

৭৮৬.
চুক্তি বা আপসের দ্বারা কোন মোকদ্দমা সমন্বয়িত হলে, আদালত আদেশ ২৩ বিধি-৩ এর অধীন-
  1. আপসের বিষয়টি বাদির কাছে পাঠাবে
  2. আপসের বিষয়টি পুনরায় বিচার করবে
  3. আপসের বিষয়টি নতুনভাবে শুনানির জন্য উপস্থাপন করবে
  4. আপসের বিষয়টি লিপিবদ্ধ করবে এবং ডিক্রি প্রদান করবে
সঠিক উত্তর:
আপসের বিষয়টি লিপিবদ্ধ করবে এবং ডিক্রি প্রদান করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপসের বিষয়টি লিপিবদ্ধ করবে এবং ডিক্রি প্রদান করবে
ব্যাখ্যা
আদেশ ২৩ বিধি-৩: মোকদ্দমার আপস:
যেক্ষেত্রে আদালতের সন্তুষ্টি সহকারে এটি প্রমাণিত হয় যে, আইনসঙ্গত চুক্তি বা আপসের দ্বারা কোন মোকদ্দমা সামগ্রিক বা আংশিকভাবে সমন্বয়িত হয়েছে কিংবা যদি বিবাদি মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর সামগ্রিক বা কোন অংশের সম্পর্কে বাদিকে মিটিয়ে দেয় সেক্ষেত্রে আদালত উক্ত চুক্তি, আপস বা মিটানোর বিষয়টি লিপিবদ্ধ করার আদেশ দিবে এবং যতদূর মোকদ্দমার সঙ্গে এটি সম্পর্কিত হয়, ততদূর তদানুসারে একটি ডিক্রি প্রদান করবে।

Rule-3: Compromise of suit-
Where it is proved to the satisfaction of the Court that a suit has been adjusted wholly or in part by any lawfull agreement or compromise, or where the defendant satisfies the the plantiff in respect of the whole or any part of the subject-matter of the suit, the Court shall order such compromise or satisfaction to be recorded, and shall pass a decree in accordance therewith so far as it relates to the suit.
৭৮৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না-
  1. ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালতের এখতিয়ার বহির্ভূত মোকদ্দমার ক্ষেত্রে
  2. ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত কর্তৃক স্থাবর সম্পত্তির ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে
  3. ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত কর্তৃক অস্থাবর সম্পত্তির ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে
  4. ক এবং খ ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৭ ধারায় ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত বা Small Cause Courts সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। যদি স্মল কজ কোর্ট বা স্বল্প এখতিয়ার আদালতে দেওয়ানী কার্যবিধি প্রযোজ্য হয়, তাহলে দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারা ও বিধি ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালতে প্রযোজ্য হবে না তা ৭ ধারায় বলা হয়েছে।

• ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালতের ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত বিষয়ে দেওয়ানি কার্যবিধির বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না-
⇒ ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালতের এখতিয়ার বহির্ভূত মোকদ্দমা;
⇒ এরূপ মোকদ্দমার ডিক্রি জারি; এবং
⇒ স্থাবর সম্পত্তির ডিক্রি জারি

তবে, ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত বা স্বল্প এখতিয়ার আদালতের ক্ষেত্রে দেওয়ানি কার্যবিধির ৯ ধারা; ৯১ ও ৯২ ধারা; ২৪ ও ৯৫ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক, ইনজাংশন, রিসিভার নিয়োগ সংক্রান্ত বিধান এবং ৯৬ থেকে ১১২ ও ১১৫ ধারার বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না।
৭৮৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯ক অনুযায়ী, মধ্যস্থতার ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত কোন আদেশ অনুসরণ করে?
  1. আদেশ ২০
  2. আদেশ ২১
  3. আদেশ ২৩
  4. আদেশ ৩৯
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২৩
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯ক অনুযায়ী, যদি আদালতে মধ্যস্থতার মাধ্যমে আপোষ-মীমাংসা হয়, তাহলে আদালত Order XXIII (আদেশ ২৩) অনুসারে আপোষ-ডিক্রি প্রদান করে।
এছাড়াও, ধারা ৮৯ক(১২) অনুযায়ী, এইরূপ ডিক্রির বিরুদ্ধে কোনো আপিল বা রিভিশন গ্রহণযোগ্য নয়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক(১২) ধারার বিধান মতে মধ্যস্থতার মাধ্যমে আদালত কোন আদেশ বা ডিক্রি প্রদান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন করা যাবেনা।
- ধারা-৮৯ক(৫): মধ্যস্থতার ফলে ডিক্রি প্রদান- মধ্যস্থতার মাধ্যমে মোকদ্দমাটি আপোষ-মিমাংসা হলে, উক্ত আপোষ প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি প্রদান করবে।
- আপোষের উপর ভিত্তি করে ডিক্রি প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত দেওয়ানি কার্যবিধির ২৩ নং আদেশের সোলে ডিক্রির বিধানসমূহ অনুসরণ করবে।
-------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Section 89A(12): No appeal or revision shall lie against any order or decree passed by the Court in pursuance of a settlement between the parties under this section.
(13) Nothing in this section shall be deemed to otherwise limit the option of the parties regarding withdrawal, adjustment and compromise of the suit under Order XXIII of the Code. 

Explanation-(1) "Mediation" under this section shall mean flexible, informal, non-binding, confidential, non-adversarial and consensual dispute resolution process in which the mediator shall facilitate compromise of disputes in the suit between the parties without directing or dictating the terms of such compromise. 
(2) "Compromise" under this section shall include also compromise in part of the disputes in the suit.
৭৮৯.
বিকাশকে আদালত কর্তৃক দেওয়ানি কার্যবিধির ৩০ ধারায় সমন প্রদান করা হয়েছে। আদালত তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে কী ধরনের আদেশ দিতে পারে?
  1. অনধিক পাঁচশত টাকা জরিমানার আদেশ
  2. গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করার আদেশ
  3. তার সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করার আদেশ
  4. উল্লিখিত সকল আদেশ
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল আদেশ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩২ অনুসারে-
সমন অমান্যের জন্য যাকে সমন প্রদান করা হয়েছে, আদালত তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে নিম্নোক্ত আদেশসমূহ দিতে পারে-
ক) গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করতে পারেন;
খ) তার সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করতে পারেন;
গ) অনধিক পাঁচশত টাকা জরিমানা করতে পারেন;
ঘ) তার হাজিরার জন্য তাকে জামানত দেয়ার আদেশ করতে পারেন ও জামানত না দিলে তাকে দেওয়ানি জেলে প্ররণ করতে পারেন।

Sec 32: Penalty for default-
The Court may compel the attendance of any person to whom a summons has been issued under section 30 and for that purpose may-
a) issue a warrant for his arrest;
b) attach and sell his property;
c) impose a fine upon him not exceeding five hundred Taka;
d) order him to furnish security for his appearance and in default commit to the civil prison.
৭৯০.
আদেশ ৯ বিধি ৬ অনুযায়ী, যদি বিবাদীর বিরুদ্ধে সমন যথাযথভাবে জারি না হয়, তাহলে আদালত -
  1. মামলাটি খারিজ করবে
  2. একতরফা ডিক্রি প্রদান করবে
  3. পুনরায় সমন জারির আদেশ দেবে
  4. বাদীকে ক্ষতিপূরণ দিতে বলবে
সঠিক উত্তর:
পুনরায় সমন জারির আদেশ দেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুনরায় সমন জারির আদেশ দেবে
ব্যাখ্যা
একতরফা ডিক্রি:
আদেশ ৯ বিধি ৬ অনুযায়ী বিবাদীর অনুপস্থিতিতে যে ডিক্রি প্রদান করা হয় তাহলো এক তরফা ডিক্রি। যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার শুনানীর জন্য নির্ধারিত দিনে বাদী হাজির হয় কিন্তু বিবাদী হাজির হয়না, সেই ক্ষেত্রে যদি এটা প্রমাণ করা যায় যে, বিবাদী বরাবর সমন যথাযথভাবে জারি করা হয়েছিল, তাহলে আদালত মোকদ্দমাটি একতরফা বিচার করতে পারবে বা আদালত একতরফা ডিক্রি দিতে পারবে। আর যদি প্রমাণিত হয় যে, বিবাদী বরাবর সমন যথারীতি জারি করা হয়নি, তাহলে আদালত বিবাদী বরাবর দ্বিতীয় বার সমন জারির আদেশ দিতে পারে।

আদেশ ৯ বিধি ৬ অনুযায়ী, বিবাদীর হাজির না হওয়ার কারণে, আদালত একতরফা ডিক্রি দিলে, বিবাদী নিম্ন লিখিত প্রতিকার পেতে পারে-
১. বিধি ১৩ এর অধীন একতরফা ডিক্রি রদকরণের আবেদন করতে পারবে;
২. বিধি ১৩ক এর অধীন এবতরফা ডিক্রি সরাসরি রদকরণের আবেদন করতে পারবে;
৩. যেহেতু একতরফা ডিক্রি একটি ডিক্রি তাই ৯৬ ধারা অনুযায়ী আপীল করা যেতে পারে;
৪. ৪৭ আদেশের ১ বিধির অধীন রিভিউর জন্য আবেদন করতে পারে।
৭৯১.
দেওয়ানি আদালতের প্রকারভেদ বর্ণিত হয়েছে-
  1. The Code of Civil Procedure, 1908 এর ৬ ধারায়
  2. The Civil Courts Act,1887 এর ৩ ধারায়
  3. The Code of Civil Procedure, 1908 এর ১৫ ধারায়
  4. The Specific Relief Act, 1877 এর ৪ ধারায়
সঠিক উত্তর:
The Civil Courts Act,1887 এর ৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Civil Courts Act,1887 এর ৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি আদালতসমূহের গঠন, এখতিয়ার সম্পর্কে সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট,১৮৮৭ এ বর্ণনা করা হয়েছে। অর্থাৎ Civil Courts Act,1887 অনুযায়ী দেওয়ানি আদালতসমূহ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭ এর ধারা-৩ এ নিম্নলিখিত দেওয়ানি আদালতের প্রকারভেদ দেয়া হয়েছে-

১. জেলা জজ আদালত [Court of District Judge];
২. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত [Court of Additional District Judge];
৩. যুগ্ম জেলা জজ আদালত [Court of Joint District Judge];
৪. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত [Court of Senior Assistant Judge];
৫. সহকারী জজ আদালত [Court of Assistant Judge]।
৭৯২.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৩৮ এর অধীন আদালত রায়ের পূর্বে কোন ধরনের আদেশ দিতে পারে?
  1. Arrest
  2. Attachment
  3. ক ও খ উভয়
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধি আদেশ ৩৮ অনুযায়ী আদালত ২ ধরনের আদেশ দিতে পারে-
১. রায়ের পূর্বে গ্রেফতার (Arrest before judgment);
২. রায়ের পূর্বে সম্পত্তি আটক (Attachment before judgment).      .

রায়ের পূর্বে গ্রেফতার (Arrest before judgment):
এই আদেশে বিবাদী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। যদি আদালত এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, বিবাদী ব্যক্তি মামলার রায় পাওয়ার পর দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার চেষ্টা করতে পারেন বা তার সম্পত্তি লুকিয়ে ফেলতে পারেন এবং বাদীকে ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্য রাখেন, তাহলে আদালত বিবাদীকে গ্রেফতার করার আদেশ দিতে পারে। এই আদেশের লক্ষ্য হল বিবাদী ব্যক্তিকে আদালতের আওতায় রাখা যাতে রায়ের পরে তিনি পালিয়ে যেতে না পারেন।

রায়ের পূর্বে সম্পত্তি আটক (Attachment before judgment):
এই আদেশে বিবাদীর সম্পত্তি আটক বা জব্দ করা হয়। যদি আদালত এমন সন্দেহ করে যে, বিবাদী তার সম্পত্তি লুকিয়ে ফেলতে পারেন বা নষ্ট করতে পারেন যাতে বাদী রায় পেলেও ক্ষতিপূরণ পাওয়া না যায়, তাহলে আদালত বিবাদীর সম্পত্তি আটক করার আদেশ দিতে পারে। এর উদ্দেশ্য হল বিবাদীকে তার সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করা না যাতে বাদী রায় পেলে সেখান থেকে ক্ষতিপূরণ পাওয়া সম্ভব হয়।
৭৯৩.
জেলা জজের আপিল এখতিয়ারবলে প্রচারিত ডিক্রির বিরুদ্ধে প্রতিকার কি?
  1. আপিল
  2. রেফারেন্স
  3. রিভিশন
  4. রিভিউ
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ থেকে ১১২ ধারা পর্যন্ত দেওয়ানী মোকদ্দমার ক্ষেত্রে আপীলের বিধান উল্লেখ রয়েছে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারায় রিভিশনের বিধান রয়েছে।
♦আপিল (Appeal)-
মোকদ্দমার কোন পক্ষ বিচারিক আদালতের (Trial court) সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট হলে উক্ত সিদ্ধান্ত বাতিল বা সংশোধনের জন্য ঐ সিদ্ধান্তের বিরূদ্ধে উচ্চ আদালতে যে আবেদন করে, তাকে আপিল বলে। আপিল হলো সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির মামলার রায় অনুমোদনযোগ্য কিনা তা পুনরায় নির্ধারণের জন্য নিম্ন আদালত থেকে উচ্চ আদালতে প্রেরণের অধিকার। অর্থাৎ আপিল হলো উচ্চ আদালত কর্তৃক নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্তের বিচারিক পুনঃমূল্যায়ন। 

♦রিভিশন (Revision)- রিভিশন হলো উচ্চতর আদালতের পুনর্বিবেচনামূলক প্রতিকার। উচ্চতর আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত নিম্নতর আদালতের উপর তদারকি ক্ষমতা হলো রিভিশন। দেওয়ানী ও ফৌজদারি উভয় মামলার বিচারকার্যে রিভিশন প্রযোজ্য। রিভিশনের ক্ষমতাকে তদারকি ক্ষমতা বা ন্যায়বিচার সম্পন্ন করার ক্ষমতা বা নথিপত্র তলব করার ক্ষমতাও বলে। 

দেওয়ানী মামলায় রিভিশনের শর্ত- 
♦কোন ডিক্রি বা আদেশ আপিলযোগ্য না হলে, কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরূদ্ধে আপিলের বিধান না থাকলে অথবা কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরূদ্ধে আপিলের বিধান থাকার পরও উক্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরূদ্ধে আপিল দায়ের করা না হলে সেক্ষেত্রে রিভিশন দায়ের করা করা যায়।

♦কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরূদ্ধে একবার আপিল করা হলে উক্ত আপিলে প্রদত্ত সিদ্ধান্তের বিরূদ্ধে রিভিশন করা যায়, কেননা দেওয়ানী কার্যবিধিতে ২য় আপিলের বিধান নেই।

♦সাধারণত রিভিশন এখতিয়ারে আদালত ঘটনার প্রশ্ন (question of fact) বিবেচনা করে না। যেক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ আইনগত প্রশ্নে (question of law) ভুল ও ন্যায় বিচার বিঘ্ন ঘটে, সেক্ষেত্রে আদালত রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। অর্থাৎ শুধুমাত্র আইনগত ভুলের কারণে ন্যায় বিচার বিঘ্ন ঘটলেই আদালত রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করে।

♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ ধারা অনুযায়ী আদি (মূল) এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত ( সহকারী জজ, সিনিয়র সহকারী জজ, এবং যুগ্ম জেলা জজ) প্রদত্ত প্রত্যেক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল শ্রবণের জন্য ক্ষমতা প্রাপ্ত আদালতে ( জেলা জজ বা হাইকোর্টে) আপীল দায়ের করা যাবে। আপীলে প্রদত্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে পুনরায় আপীল করা যায়না। কারণ দেওয়ানী কার্যবিধিতে দ্বিতীয় আপীলের কোন বিধান নেই।

♦যেহেতু জেলা জজ আপীল এখতিয়ারবলে ডিক্রি দিয়েছে অর্থাৎ মূল মোকদ্দমায় ডিক্রি দেয়নি, তাই এই ডিক্রির বিরুদ্ধে পুনরায় আপীল করা যাবে না। কিন্তু দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারা অনুযায়ী মূল মোকদ্দমায় বা আপীলে প্রদত্ত যে সকল আদেশ বা ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল করা যায় না, সেই সকল ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করা যায়। জেলা জজের আপীল এখতিয়ারবলে প্রচারিত ডিক্রির বিরুদ্ধে ১১৫ ধারা অনুযায়ী হাইকোর্টে রিভিশন দায়ের করা যাবে
৭৯৪.
মামলার বিবাদী নাবালক হলে আদালত-
  1. মামলা স্থগিত করবেন
  2. মামলা খারিজ করবেন
  3. একতরফা ডিক্রি দিবেন
  4. উপযুক্ত ব্যক্তিকে নাবালকের পক্ষে অভিভাবক নিযুক্ত করবেন
সঠিক উত্তর:
উপযুক্ত ব্যক্তিকে নাবালকের পক্ষে অভিভাবক নিযুক্ত করবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপযুক্ত ব্যক্তিকে নাবালকের পক্ষে অভিভাবক নিযুক্ত করবেন
ব্যাখ্যা
⇒দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩২ বিধি-৩ এর বিধান: নাবালক বিবাদীর জন্য আদালত কর্তৃক মোকদ্দমায় অভিভাবক নিযুক্ত হবে
যেক্ষেত্রে বিবাদী একজন নাবালক হয়, সেক্ষেত্রে আদালত উক্ত নাবালকের মোকদ্দমার জন্য একজন উপযুক্ত ব্যক্তিকে অভিভাবক নিযুক্ত করবেন।
- প্রস্তাবিত অভিভাবকের মোকদ্দমার বিরোধীয় বিষয়ে নাবালকের স্বার্থের প্রতিকূলে কোন স্বার্থ থাকবে না। 

দেওয়ানি কার্যবিধির ৩২ আদেশের ৩ বিধি অনুসারে- বিবাদী নাবালক হলে (১৮ বছরের কম বয়স্ক) তার পক্ষে আদালত একজন অভিভাবক নিযুক্ত করবেন।
- নাবালক বিবাদীর পক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য অভিভাবক নিযুক্ত করেন আদালত।
৭৯৫.
আসন্ন বন্ধু ছাড়া নাবালকের মোকদ্দমা দায়ের করা হলে, বিবাদী কোন বিষয়ে আবেদন করতে পারে?
  1. মোকদ্দমা স্থগিতের
  2. দো-তরফা ডিক্রি প্রাপ্তির
  3. আরজি সংশোধনের
  4. আরজি নথি হতে অপসারণের
সঠিক উত্তর:
আরজি নথি হতে অপসারণের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি নথি হতে অপসারণের
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩২, বিধি ১:
আসন্ন বন্ধু দ্বারা নাবালককে মোকদ্দমা করতে হয়: নাবালক বাদী করে প্রত্যেকটি মোকদ্দমা তার 'আসন্ন বন্ধু' দ্বারা দায়ের করতে হবে।

আদেশ ৩২, বিধি ২:
আসন্ন বন্ধু ছাড়া মোকদ্দমা দায়ের করা হলে আরজি নথি হতে অপসারণ করার জন্য বিবাদী আবেদন করতে পারবে।

Rule-1: Minor to sue by next friend:
Every suit by a minor shall be instituted in his name by a person who in such suit shall be called the next friend of the minor.

Rule-2: Where suit is instituted without next friend, plaint to be taken off the file:
(1) Where a suit is instituted by or on behalf of a minor without a next friend, the defendant may apply to have the plaint taken off the file, with costs to be paid by the pleader or other person by whom it was presented.

(2) Notice of such application shall be given to such person, and the Court, after hearing his objections (if any), may make such order in the matter as it thinks fit.
৭৯৬.
দেওয়ানি মোকদ্দমা দায়েরের ক্ষেত্রে ১৫ ধারায় আদালতের বিবেচ্য বিষয় কী?
  1. মোকদ্দমার গুরুত্ব
  2. আদালতের আর্থিক এখতিয়ার
  3. আদালতের অবস্থান
  4. আদালতের বিচার কার্যক্রমের গতি
সঠিক উত্তর:
আদালতের আর্থিক এখতিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের আর্থিক এখতিয়ার
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা- ১৫ তে যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে, সেই বিধান দেয়া আছে। বলা হয়েছে-
"Every suit shall be institued in the court of the lowest grade competent to try it"

অর্থাৎ, প্রত্যেকটি দেওয়ানী মোকদ্দমা তা বিচার করার এখতিয়ারসম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে দায়ের করতে হবে। এখানে, এখতিয়ার বলতে আর্থিক এখতিয়ার বুঝানো হয়েছে। সুতরাং, কোনটি সর্বনিম্ন আদালত সেটা নির্ধারিত হবে আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং মোকদ্দমার মূল্যমান অনুযায়ী।
৭৯৭.
“ডিক্রিদার” বলতে কী বোঝায়?
  1. যে ব্যক্তি মামলা করেছে
  2. যার অনুকূলে ডিক্রি দেয়া হয়েছে
  3. যে ব্যক্তি ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করেছে
  4. যার বিরুদ্ধে ডিক্রি দেয়া হয়েছে
সঠিক উত্তর:
যার অনুকূলে ডিক্রি দেয়া হয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যার অনুকূলে ডিক্রি দেয়া হয়েছে
ব্যাখ্যা

• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(৩) অনুযায়ী, ডিক্রিদার বলতে-
 এমন ব্যক্তিকে বুঝায়, যার অনুকূলে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে অথবা জারিযোগ্য কোন আদেশ প্রদান করা হয়েছে।
(Decree-holder means any person in whose favour decree has been passed or an order capable of execution has been made)

৭৯৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির ২২ ধারার অধীন নিম্নলিখিত কোনটি স্থানান্তরের আবেদন করা যায়?
  1. মোকদ্দমা
  2. আপিল
  3. অন্যকোন কার্যক্রম
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ২২ থেকে ২৪ পর্যন্ত মোকদ্দমা স্থানান্তরের বিধান রয়েছে। ধারা ২২ এ যে মোকদ্দমাটি একের অধিক আদালতে দায়েরযোগ্য তা স্থানান্তরের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।এ ধারায় শুধুমাত্র বিবাদী মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন করতে পারে যদি মোকদ্দমাটি দুই বা ততোধিক আদালতের যে কোন একটিতে দায়েরযোগ্য হয় এবং তার মধ্যে যে কোন একটি আদালতে দায়ের করা হয়।

• যখন আবেদন করতে পারে:
যে কোন বিবাদী অপর পক্ষকে নোটিশ দিয়ে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগে (At the earliest possible opportunity) এবং যে ক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় নির্ধারণ হয়ে গেছে, সেই ক্ষেত্রে বিচার্য বিষয় নির্ধারণের সময় বা তার পূর্বে অপর একটি আদালতে স্থানান্তরের জন্য আবেদন করতে পারবে। আদালত এইরুপ আবেদন পাওয়ার পর অপর পক্ষের আপত্তি (যদি থাকে) শ্রবণ করে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতসমূহের কোনটিতে মামলা অগ্রসর হবে তা স্থির করবে।

• Section 22: Power to transfer suits which may be instituted in more than one Court-
Where a suit may be instituted in any one of two or more Courts and is instituted in one of such Courts, any defendant, after notice to the other parties, may, at the earliest possible opportunity and in all cases where issue are settled at or before such settlement, apply to have the suit transferred to another Court and the Court to which such application is made, after considering the objections the other parties (if any), shall determine which of the several 31 Courts having jurisdiction the suit shall proceed.
৭৯৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৯ এর ১৩নং বিধির অধীনে ডিক্রি রদের পর মোকদ্দমা পুনর্বহাল করা হলে, মোকদ্দমাটি কোন পর্যায় থেকে চালু হবে?
  1. একবারে প্রথম থেকে
  2. নতুন ডিক্রি অনুযায়ী
  3. ডিক্রি দেয়ার পরবর্তী পর্যায়
  4. ডিক্রি দেয়ার পূর্ববর্তী পর্যায়
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি দেয়ার পূর্ববর্তী পর্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি দেয়ার পূর্ববর্তী পর্যায়
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৯ বিধি ১৫:
যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমার খারিজ সংক্রান্ত বিধি ৪ কিংবা ৯নং বিধির অধীনে কিংবা ১৩নং বিধির অধীনে কোন ডিক্রি রদ করা হয়, সেক্ষেত্রে মোকদ্দমাটি পুনর্বহাল করার পরিপ্রেক্ষিতে, খারিজ করার আদেশ দান কিংবা ডিক্রি দেয়ার অব্যবহিত পূর্বে যে পর্যায়ে অবস্থায় ছিল, উক্ত পর্যায় হতে মোকদ্দমাটি চালু করা হবে।

[Where the dismissal of a suit is set aside under rule 4 or rule 9, or a decree is set aside under rule 13, the suit shall, on restoration, proceed from the stage where it was immediately before the making of the order of dismissal or passing of the decree.]
৮০০.
কোর্ট ফী আইনে কয় প্রকারের কোর্ট ফীর উল্লেখ আছে?
  1. ৫ প্রকার
  2. ২ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৩ প্রকার
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
ব্যাখ্যা
• কোর্ট ফি:
দেওয়ানী মামলা করতে গেলে, প্রতি মামলায় আদালতকে একটি নিদিষ্ট পরিমাণ ফি বা খরচ দিতে হয়, আদালতকে দেওয়া এই খরচ কে কোর্ট ফি বলে। কোর্ট ফি সরকারের আয়ের একটি উৎস, সাধারণত প্রতি বছর সরকার তার বার্ষিক অর্থ পরিকল্পনায় কি বা কত হারে কোন বিষয়ে কেমন কোর্ট ফি নেয়া হবে তা নির্ধারণ করে।

কোর্ট ফি নির্ধারণ:
কিভাবে কোর্ট ফি নির্ধারণ করা হবে তা Court Fees Act 1870 এর Chapter III এবং Schedule I এবং II তে বলা আছে।

কোর্ট ফি ২ ধরনের:
১/ মূল্যমানের উপর ভিত্তি করে [Ad-valorem court fee];
২/ নির্দিষ্ট [Fixed court fee]।

মূল্যমানের উপর ভিত্তি করে [Ad-valorem court fee]:
কোন মোকদ্দমার মূল্যমান এর উপর বা দাবীর মূল্যমানের উপর ভিত্তি করে এই কোর্ট ফি নির্ণয় করা হয়ে থাকে।

নির্দিষ্ট [Fixed court fee]:
কিছু বিষয়ে বিচারের বিষয়টি যাই থাকুক না কেন আদালতেকে সুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট পরিমান ফি দিতে হয়। মোকদ্দমার মূল্যমানের উপর কোর্ট ফি নির্ভর করে না।